• ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২, মঙ্গলবার ১০ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Banner

রাজনীতি

খড়গপুরের সভায় মোদির নিশানায় মুখ্যমন্ত্রী, স্তুতি দিলীপ ঘোষের

শুভেন্দু অধিকারী নন, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় নন। মিঠুন চক্রবর্তী, স্বপন দাশগুপ্ত বা বাবুল সুপ্রিয়ো তো নন-ই। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি যদি জয়লাভ করতে পারে, তার পুরো কৃতিত্বটাই আগে থেকে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে দিয়ে রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একমাত্র দিলীপ ঘোষের কারণেই বাংলায় এ বার পদ্মফুল ফুটবে, আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে এই কথাও বলতে শোনা গিয়েছে খোদ প্রধানমন্ত্রীকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, কোথাও গিয়ে কি এ রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ নিয়ে প্রচ্ছন্ন একটা বার্তা দিতে চাইলেন নমো।দিলীপ ঘোষের বর্তমান লোকসভা কেন্দ্র মেদিনীপুর ও আগের বিধানসভা কেন্দ্র খড়গপুরের মাটিতে এ দিন সভা করেন প্রধানমন্ত্রী। দিলীপ ঘোষের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন। বলেন, আমি গর্বিত আমার দলে দিলীপ ঘোষের মতো সভাপতি আছেন। খোদ প্রধানমন্ত্রীর কণ্ঠে দিলীপের গালভরা প্রশংসার পিছনে যে একটা বড় রাজনৈতিক তাৎপর্য রয়েছে, তা স্বীকার করছেন পর্যবেক্ষকদের একাংশ। কেননা, কেবল গর্বিত বলে থামেননি নমো। তিনি আরও বলেছেন, দলকে জেতাতে শেষ কয়েক বছর ধরে তিনি নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারেননি। তাঁর সংযোজন, ওনার উপর অনেক হামলা হয়েছে। মৃত্যুর কোলে শুইয়ে দেওয়ার চেষ্টাও করা হয়। কিন্তু, দিলীপ থেমে থাকেননি। দিনরাত এক করে কাজ করছেন। এই জন্যই আমি বলছি, এ বার বিজেপি সরকার। মোদির কথায় স্পষ্ট, দিলীপের কাঁধে ভর করেই বাংলায় পদ্ম ফোটানোর চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন তিনি। নীলবাড়ির লড়াইকে অবাধ করার ডাক দেওয়ার পাশাপাশি বাংলার পুলিশ-প্রশাসনকে গণতন্ত্র বাঁচানোর প্রতিজ্ঞা নেওয়ার আহ্বান এদিন জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একই সঙ্গে বললেন, অরজাকতার বিরুদ্ধে সকলকে রুখে দাঁড়াতে হবে। বলেন, বাংলায় ভোট দেওয়ার অধিকারও কেড়ে নিয়েছেন দিদি। ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে যে ভাবে আপনাদের ভোটাধিকারকে পিষে দিয়েছিলেন, তা গোটা দুনিয়া দেখেছে। আমি কথা দিচ্ছি, দিদিকে আর গণতন্ত্রকে পদদলিত করতে দেব না। পুলিদলের নির্বাচনী ইস্তাহারে ১০ অঙ্গীকার নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ নরেন্দ্র মোদীর। বৃহস্পতিবার নিজেহাতে তৃণমূলের ইস্তার প্রকাশ করেন মমতা। তাতে প্রত্যেক পরিবারের ন্যূনতম রোজগারের ব্যবস্থা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি যেমন দিয়েছেন, তেমনই ঘরে ঘরে সস্তায় বিদ্যুৎ পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। শনিবার খড়গপুরের জনসভা থেকে সেই নিয়ে তীব্র আক্রমণ শানালেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলায় উন্নয়নের পথে দেওয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন দিদি। আপনারা বিশ্বাস করেছিলেন দিদিকে। কিন্তু উনি বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। আপনাদের স্বপ্ন চুরচুর করে দিয়েছেন ১০ বছরে বাংলাকে ধ্বংস করে দিয়েছেন। অনেক ১০ অঙ্গীকারের কথা বলছেন দিদি। বাংলার মানুষ আপনাকে ১০ বছর সময় দিয়েছিলেন। কিন্তু আপনি লুঠতরাজের সরকার চালিয়ে গিয়েছেন। ১০ বছরে শুরু দুর্নীতি দিয়েছেন। কুশাসন দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী বাংলার যুবসমাজের কাছ থেকে জীবনের ১০টি মূল্যবান বছর কেড়ে নিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন মোদি। তিনি বলেন, আপনাদের অস্থিরতা বুঝি। কংগ্রেস, সিপিএম, তৃণমূলকে বছরের পর বছর ধরে সহ্য করে আসছেন। দিদি তুষ্টিকরণের রাজনীতি করে এসেছেন বরাবর। বাংলার যুবসমাজের কাছ থেকে ১০ বছর কেড়ে দিয়েছেন দিদি। দিদির দল নির্মমতার পাঠশালা। সিলেবাস হচ্ছে তোলাবাজি। দিদির পাঠশালায় সিলেবাস কাটমানি। দিদির পাঠশালায় সিলেবাস সিন্ডিকেট। দিদির পাঠশালায় উৎপীড়ন এবং অরাজকতার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

মার্চ ২০, ২০২১
রাজ্য

বিজেপি নেতাদের ফাঁকা জনসভা নিয়ে কটাক্ষ মমতার

ভোট মরশুমে প্রচার, পালটা প্রচারে তপ্ত বঙ্গ রাজনীতি। এরইমধ্যে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভাগুলো। জখম পা নিয়েই মঙ্গলবার বাঁকুড়ায় একদিনে তিনটি জনসভা করে ফেললেন তিনি। প্রত্যেক সভাতেই মঞ্চে হুইলচেয়ারে বসেই ভাষণ রাখলেন তিনি। তবে শরীর অসুস্থ হলেও, মনোবল ভাঙেনি এতটুকু। দুপুরের পরও মাথার উপর ঝাঁ ঝাঁ রোদ নিয়ে বিজেপি বিরোধী সুর ক্রমশই চড়িয়ে রাখলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি নেতাদের ফাঁকা জনসভা নিয়ে বিঁধলেন তিনি। ছন্দের আশ্রয়ে বললেন, জনগণ দিন তালি, বিজেপির সব চেয়ার খালি।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাষণে এমন একটা উদ্দীপনা বরাবরই থাকে, যা শুধু তৃণমূল কর্মী, সমর্থকদের নয়, আলোড়ন তোলে আমজনতার মনেও। তার টানে তিনি যেখানেই সভা করুন, দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসেন সাধারণ মানুষজনও। ভোটের মরশুমে এই ভিড় আরও বেশি।এসব নিয়ে এদিন বাঁকুড়ার রাইপুর থেকে বিজেপি নেতৃত্বকে বিঁধলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রীতিমতো ছন্দে ছন্দে বললেন, জনগণ দিন তালি, বিজেপির সব চেয়ার খালি। এতে আমার কী করার আছে? লোকে তোমাদের পছন্দ করে না, তাই তোমাদের সভায় লোক আসে না। এদিনের সভা থেকে সরকারি আধিকারিকদের প্রতি কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলোর আচরণ নিয়েও তোপ দেগেছেন মমতা। মেট্রো ডেয়ারি সংক্রান্ত একটি মামলায় স্বরাষ্ট্রসচিব এইচ কে দ্বিবেদীকে তলব করেছে ইডি। পুরনো এক মামলায় সিবিআই তলব করেছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। এসব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূল নেত্রী। কেন নন্দীগ্রামে তিনি জখম হওয়ার পর রাজ্যের নিরাপত্তা আধিকারিককে বদলানো হল, সেই প্রশ্নও তোলেন মুখ্যমন্ত্রী।

মার্চ ১৬, ২০২১
রাজ্য

মমতার চোট নিয়ে খোঁচা অমিতের

ভোটের আবহে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চোট নিয়ে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। সোমবার রানিবাঁধের জনসভায় মমতার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেও তাঁকে কটাক্ষ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। সভা থেকে শাহের খোঁচা, মমতা দিদির পায়ে চোট লেগেছে। তৃণমূল বলছে, ষড়যন্ত্র হয়েছে। কমিশন বলছে, দুর্ঘটনায় চোট পেয়েছেন। ভগবানই জানেন সত্যিটা কী। এর পরই বাংলায় বিজেপি নেতা-কর্মীদের হত্যার প্রসঙ্গ তুলে আনলেন শাহ।সভামঞ্চ থেকে অমিত শাহের কটাক্ষ, বাংলায় কমিউনিস্ট সরকারের বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষ ভেবেছিল, এ রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসা কমবে। কিন্তু ইতিমধ্যে বিজেপির ১৩০ জন নেতা-কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। মমতা দিদির পায়ে চোটের জন্য সকলে দুঃখিত। হুইলচেয়ারে ঘুরছেন তিনি। কিন্তু এতজন রাজনৈতিক নেতাকর্মীর মৃত্যুতে তো উনি দুঃখ পাননি? তাঁদের মায়েদের জন্য চোখের জল ফেলেননি। এর পরই শাহের চ্যালেঞ্জ, বাংলার মানুষ ইভিএমে জবাব দেবেন। এদিনও বাংলার কাটমানি-সিন্ডিকেট-অনুপ্রবেশ কালচার নিয়ে আক্রমণ করেন বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি।এ রাজ্যে সরকারি কর্মচারীদের জন্য সপ্তম পে কমিশন, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প কার্যকর করারও প্রতিশ্রুতি দিলেন তিনি।ভোট যত কাছে আসছে ততই রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে বঙ্গে। এদিকে খড়গপুরের রবিবারের ব়্যালি থেকে মমতার আরোগ্য কামনা করেছিলেন অমিত শাহ। এবার সোমবার সেই চোট নিয়ে মমতাকে বিঁধলেন শাহ।

মার্চ ১৫, ২০২১
রাজ্য

মমতার প্রার্থীপদ বাতিলের দাবি শুভেন্দুর

বিজেপি-র অভিযোগ খারিজ করে নন্দীগ্রাম বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। সোমবার বিকেল ৫টায় মনোনয়নপত্র পরীক্ষার চূড়ান্ত সময়সীমা উত্তীর্ণ হওয়ার পরেই কমিশনের ওয়েবসাইটে মমতার মনোনয়ন গৃহীত হয়েছে বলে ঘোষণা করা হয়। মমতার বিরুদ্ধে হলনামায় ফৌজদারি মামলা সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগ তুলে তাঁর মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে সোমবার নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন নন্দীগ্রামে মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর নির্বাচনী এজেন্ট মেঘনাদ পাল এবং বিজেপি আইনজীবী সেলের সদস্যেরা। কিন্তু, কমিশনের পদক্ষেপে স্পষ্ট, সেই অভিযোগ আমল দেওয়া হয়নি। বিজেপি-র দাবি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা তাঁর মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামায় নিজের সম্পর্কে ভুল তথ্য দিয়েছেন। যা নির্বাচনী বিধিভঙ্গের সামিল। মনোনয়নে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, তাঁর বিরুদ্ধে কোনও ফৌজদারি মামলা নেই। কিন্তু বিজেপি আইনজীবী সেলের দাবি, মমতার বিরুদ্ধে ৬টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। তা মনোনয়নপত্রে উল্লেখ না করে তিনি আইনবিরুদ্ধ কাজ করেছেন। মমতার প্রার্থীপদ খারিজ করার দাবিতে সোমবার বিকেলে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিজেপি-র আইনজীবী সেলের প্রতিনিধিরা। শুভেন্দুর প্রতিনিধি মেঘনাদ তার আগেই নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের রিটার্নি অফিসারের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন বলে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা বিজেপি সূত্রের খবর। এ বিষয়ে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ সোমবার বিকেলে বলেন, ওরা তো নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দায়ের করেছেন। কমিশনের তরফে নিশ্চয়ই সংশ্লিষ্ট তৃণমূল প্রার্থীকে (মমতা) নোটিস দেওয়া হবে। তার জবাব যাবে। তা ছাড়া, কে কোথায় মামলা করে রেখেছে, সেটা সম্পর্কে তথ্য না থাকলে প্রার্থীর বিরুদ্ধে তা হলনামায় দেওয়া সম্ভব নয়। কুণালের দাবি, ভোটে জামানত হারাবেন বুঝে শুভেন্দু এমন করছেন।

মার্চ ১৫, ২০২১
কলকাতা

'আহত বাঘ আরও ভয়ঙ্কর', নন্দীগ্রাম দিবসে হুংকার মমতার

জীবনে অনেক আঘাত, লড়াই এসেছে। সেসব পেরিয়ে এসেছেন। এখনও শরীরে যন্ত্রণা। কিন্তু চক্রান্তের বিরুদ্ধে সেই যন্ত্রণা নিয়ে পথে বেরতেও কোনও ক্লান্তি নেই। আগাগোড়া লড়াকু নেত্রীর কাছ থেকে এই বার্তা প্রত্যাশিত ছিল। তবে রবিবারের দুপুরে হাজরা মোড়ের মিছিল শেষে হুইলচেয়ারে বসে থাকা নেত্রীর কিছুটা ক্লান্ত কণ্ঠে এসব কথা যেন ভোটের মুখে নতুন করে লড়াইয়ে উৎসাহ জোগাল দলের তৃণমূল কর্মী, সমর্থকদের। শহরবাসীকে সাক্ষী রেখে তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দৃপ্ত শপথ, হুইলচেয়ারে, ভাঙা পায়েই গোটা বাংলা ঘুরে বেড়াব, খেলা হবে। আর তাতেই বাড়তি উদ্দীপনা তাঁর সঙ্গে থাকা প্রার্থী, দলীয় কর্মী, সমর্থকদের মধ্যে। বার্তা দিলেন চক্রান্তকারীদেরও।শুক্রবার সন্ধেবেলা বাড়ি ফিরেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। শনিবার বিশ্রাম নিয়ে রবিবারই ফের রাজপথে বেরিয়েছেন। নন্দীগ্রাম দিবসে মেয়ো রোড থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত তৃণমূলের মিছিলে হুইলচেয়ারে বসেই নেতৃত্ব দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর আহত নেত্রী মিছিল শেষে আরও দাঁতে দাঁত চেপে লড়াইয়ের ডাক দিয়েছেন তিনি।হাজরা মোড়ে মিছিল পৌঁছনোর পর তিনি বলেন, সকলকে অভিনন্দন। এমনিই ৫-৬ দিন নষ্ট হয়েছে। সোমবার থেকে পুরুলিয়া সফর দিয়ে শুরু করব প্রচার। এটুকুই বলব, জীবনে অনেক আঘাত, লড়াই পেরিয়েছি। চক্রান্ত যারা করছে আমার বিরুদ্ধে তাদের বলতে চাই, বেরতেই হবে আমাকে। সেই মনের জোর আপনাদের কাছ থেকে পেয়েছি। এই কদিন মা-মাটি-মানুষ যেভাবে উদ্বিগ্ন, তাতে আমি কৃতজ্ঞ। আমার যন্ত্রণা আছে। তবে শারীরিক যন্ত্রণার চেয়েও বড় হৃদয়ের যন্ত্রণা। আমি হেঁটে চলার লোক। তখন আমার মাথাও হাঁটে, হৃদয়ও হাঁটে। আঘাতের কালো দাগে ভর্তি আমার সারা শরীর। মনে রাখবেন, আহত বাঘ আরও ভয়ংকর।লক্ষ্য একটাই। স্বৈরাচারীদের হাত থেকে গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হবে। তার দায়িত্ব অনেক বেশি। হাজরা মোড়ে হুইলচেয়ারে বসে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখতে গিয়ে এমনই বললেন তৃণমূল সুপ্রিমো। বলেন, অশুভ শক্তির বিনাশ হোক, শুভ শক্তির উদয় হোক। বাংলা ঘিরে যে চক্রান্ত, তা যেন নস্যাৎ হয়ে যায়।

মার্চ ১৪, ২০২১
রাজ্য

নন্দীগ্রাম দিবসে হুইল চেয়ারেই রাস্তায় নামতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে পরিচয় দেন স্ট্রিট ফাইটার হিসেবে। রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেই দাপুটে বিরোধী নেত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী হয়ে ওঠা তাঁর। তাই নিজের এবং দলের কঠিন সময়ে রাস্তাকে ভুলছেন না মমতা। দিন তিনেক আগেই নন্দীগ্রামে গিয়ে আহত হয়েছেন তিনি। এখনও পায়ে ব্যান্ডেজ বাঁধা। হাঁটাচলা করতে পারছেন না। আজ ঐতিহাসিক নন্দীগ্রাম দিবস উপলক্ষে ফের রাস্তায় নেমে পড়ছেন তৃণমূল নেত্রী। হয়তো হাঁটাচলা করতে পারবেন না। কিন্তু দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উপস্থিত থেকে বার্তা তো দিতে পারবেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বহুবার বহু আঘাত পেলেও এই প্রথমবার হুইল চেয়ারে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে দেখা যাবে মমতাকে। রবিবার শহরে নন্দীগ্রাম ঘটনার প্রতিবাদে মহামিছিলে নামছে তৃণমূল। গান্ধিমূর্তির পাদদেশ থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত মিছিল। মিছিলে উপস্থিত থাকবেন তৃণমূল যুব সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সমস্ত নেতৃত্বের সঙ্গে থাকতে বলা হয়েছে কলকাতার সব প্রার্থীকে। দলের একটি সূত্রের দাবি, গান্ধিমূর্তির পাদদেশে অর্থাৎ এই মিছিলের শুরুতে থাকতে পারেন মমতাও। বিকেল তিনটে নাগাদ এই মিছিল শুরু হবে। সূত্রের খবর, শুরুর দিকে সেখানে থাকবেন মমতা। কাল থেকেই শুরু হচ্ছে তৃণমূলনেত্রীর জেলা সফর। সেজন্য আজ বিকেলেই আকাশপথে শহর ছাড়ার কথা তাঁর। তার আগে শহরে দলের কর্মসূচিতে কিছুক্ষণের জন্য হলেও থাকবেন তিনি।

মার্চ ১৪, ২০২১
কলকাতা

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন মুখ্যমন্ত্রী

শুক্রবার সন্ধেয় হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাসপাতাল থেকে হুইলচেয়ারে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠেন তিনি। ভোটের মুখে আগামী সপ্তাহ থেকে ফের দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে পারেন তিনি। হুইলচেয়ারে বসেই প্রচার শুরু করতে পারেন তৃণমূল নেত্রী। আর সেই কারণে তাঁর জন্য তৈরি হয়েছে বিশেষ চটি। এদিন এসএসকেএমের মেডিক্যাল বুলেটিনে বলা হয়, চিকিৎসায় সাড়া দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। অবস্থার উন্নতি হয়েছে। নতুন করে প্লাস্টার করা হয়েছে। পায়ের ফোলাভাব অনেকটা কমেছে। চিকিৎসকরা আরও ৪৮ ঘণ্টা রাখতে চেয়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলায় ছুটি দেওয়া হচ্ছে। সাতদিন পর ফের তাঁর পরীক্ষা করা হবে। আপাতত বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে তাঁকে। হুইলচেয়ার ব্যবহার করতে হবে।ফিরহাদ হাকিম এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই বাড়ি ফিরছেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে হুইলচেয়ারে বসার জন্য তাঁকে বিশেষ জুতো পরার পরামর্শ দেওয়া হলেও মুখ্যমন্ত্রী নাকি চপ্পলই পরতে চেয়েছিলেন। সেই কারণে তাঁর জন্য বিশেষ চটি তৈরি হয়েছে। আঘাত পাওয়া স্থানে যাতে যন্ত্রণা না হয়, সেভাবেই তৈরি এই চটি। অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ায় উচ্ছ্বসিত দলের কর্মী-সমর্থকরা।

মার্চ ১২, ২০২১
কলকাতা

নন্দীগ্রামে ‘চক্রান্তের শিকার’ মুখ্যমন্ত্রী, কটাক্ষ বিরোধীদের

নন্দীগ্রামে গিয়ে প্রচারে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর মাথায়, কোমড়ে, পায়ে চোট লেগেছে। পুরো ঘটনায় ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করা হয়েছে। যদিও তৃণমূল নেত্রীর সেই অভিযোগ মানতে নারাজ বিরোধীরা। পাল্টা বলছেন, সমবেদনা পাওয়ার জন্য নাটক করছেন মমতা। আহত হওয়া নেহাতই রাজনৈতিক ভণ্ডামি। তবে বিজেপি নেতারা, এই ঘটনার সিবিআই তদন্ত চেয়েছেন। মনোনয়ন পেশের পর নন্দীগ্রামে একের পর এক মন্দিরে যাচ্ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। আমজনতার সঙ্গে মিশে জনসংযোগও সারছিলেন তিনি। স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশে গিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী। আচমকাই ধাক্কাধাক্কিতে পায়ে গুরুতর চোট পান মমতা। এই ঘটনার পিছনে ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে সরব তৃণমূল নেতৃত্ব। তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষের অভিযোগ, এটা চক্রান্ত। বিরোধীদের পায়ের তলায় মাটি সরে যাচ্ছে বলে মুখ্যমন্ত্রীর উপর আঘাত হানা হল। চরম নিন্দনীয় ঘটনা। মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য সরাসরি অভিযোগ করেছেন বিজেপির বিরুদ্ধে। তাঁর কথায়, বিজেপি এই ঘটনা ঘটিয়েছে। প্রচারের প্রথমদিনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুঝিয়ে দিয়েছিলেন নন্দীগ্রামের মানুষ তাঁর সঙ্গেই রয়েছেন। তার পরই এই হামলা হল। তবে তৃণমূল নেতা-নেত্রীরা যতই বলুন, সে কথায় কান দিতে নারাজ বিরোধীরা। বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষের কথায়, উনি তো মুখ্যমন্ত্রী। জেড প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা পান। রাজ্যে আইন -শৃঙ্খলা তো তাঁর হাতেই। তিনি যদি এরকমভাবে আক্রান্ত হন, তাহলে রাজ্যবাসীর কী অবস্থা হবে? এর পরই বিজেপির রাজ্য সভাপতি সিবিআই তদন্তের দাবি জানান। তাঁর কথায়, যাই হোক না কেন, তদন্তে করে দেখা হোক। মুখ্যমন্ত্রীর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ খতিয়ে দেখুক নির্বাচন কমিশনও। বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় জানান, এই ঘটনায় রাজনীতি হওয়া উচিৎ নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর কোনও রাজনৈতিক দলের হামলা করার হিম্মত আছে কি না, তা জানা নেই। তবে উনি নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছেন। সিবিআই তদন্ত হোক, দোষীদের শাস্তি পাওয়া উচিৎ। ওঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করি। অর্জুন সিংও এই ঘটনাকে নাটক বলে আখ্যা দিয়েছেন। ভিন্ন সুর শোনা গিয়েছে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরীর গলাতে। তাঁর কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগাগোড়া এমন নাটক করেন। এটা সমবেদনা পেতে রাজনৈতিক ভণ্ডামি। এদিকে নন্দীগ্রামে মমতার প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিএম প্রার্থী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবসময় নাটক করেন। এটা তাঁর আরও একটা নাটকই। একই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিক্রিয়া এখনও মেলেনি।

মার্চ ১০, ২০২১
রাজনীতি

হিন্দু কার্ড খেলা নিয়ে হুঁশিয়ারি মমতার

বিজেপির খেলার সঙ্গে এবার চ্যালেঞ্জ জানালেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু জয় শ্রী রাম বলা ভোটারের পরিসংখ্যান তুলে ধরেছিলেন। বলেছিলেন সংখ্যাগরিষ্ঠ লোক আমাদের পক্ষে রয়েছে। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামের বটতলায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বলেন, আমিও হিন্দু ঘরের মেয়ে। আমার সঙ্গে হিন্দু কার্ড খেলতে যাবেন না। হিন্দু ধর্মের আদর্শ মানুষকে ভালবাসা। আমি সকালে চণ্ডীপাঠ করি। তারপর বাড়ি থেকে বের হই।এদিন তিনি চণ্ডীপাঠ থেকে সরস্বতী পাঠও করেন। বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রীর মন্ত্রোচ্চারণে ভুল ছিল বলে টুইটে কটাক্ষ করেছেন।এবারের বিধানসভা নির্বাচনে মেরুকরণ একটা বড় ফ্যাক্টর হতে চলেছে তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, হিন্দু ধর্ম আমায় শেখাচ্ছেন। ধর্ম নিয়ে খেলবেন তো, খেলা হবে। এদিন তিনি স্থানীয় মন্দিরে পুজোও দেন। তিনি আগাম শিবচতুর্দশীর শুভেচ্ছা জানান নন্দীগ্রামবাসীকে। শিবরাত্রির দিন দলের ইস্তেহার প্রকাশ করা হবে বলেও জানিয়েছেন মমতা। এদিনের সভামঞ্চ থেকে মন্দির, মসজিদ ও গীর্জার কাছ থেকেও সমর্থন চান তৃণমূলনেত্রী।

মার্চ ০৯, ২০২১
দেশ

আদর্শ ভুলেছেন মমতা, বিজেপিতে যোগ দিয়ে দীনেশের আক্রমণ

অন্তরাত্মার ডাকে দল ছেড়েছিলেন। ছেড়েছিলেন সাংসদ পদও। তার পর ১ মাসও কাটেনি। শনিবার বিজেপি-তে যোগ দিলেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদী। রবিবার কলকাতার ব্রিগেডে জনসভা করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার আগে শনিবার দিল্লিতে বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গয়াল দীনেশকে গেরুয়া শিবিরে স্বাগত জানান। রবিবার ব্রিগেডে মোদির সভায় তাঁকে দেখা যেতে পারে বলে জল্পনা।গত ১২ ফেব্রুয়ারি রাজ্যসভার অধিবেশন চলাকালীন নাটকীয় ভাবে তৃণমূল ছেড়েছিলেন দীনেশ। ইস্তফা দিয়েছিলেন সাংসদ পদ থেকেও। তৃণমূলে দমবন্ধ হয়ে আসছে, তাই অন্তরের ডাকে অন্য ভাবে মানুষের সেবা করতে চান বলে জানিয়েছিলেন। সেই থেকেই গোপনে বিজেপি-র সঙ্গে তাঁর কথাবার্তা চলছিল বলে খবর। মোদির ব্রিগেডের আগে শেষ পর্যন্ত তাঁকে আনুষ্ঠানিক ভাবে দলে যোগদান করাল বিজেপি।পদ্মশিবিরে নাম লেখানোর পরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এক হাত নেন দীনেশ। খেলা হবে স্লোগানে রাজ্যে নির্বাচনী পারদ যখন চড়ছে, সেই নিয়ে তিনি বলেন, বাংলার মানুষ তৃণমূলকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাঁরা উন্নয়ন চান, দুর্নীতি আর হিংসা নয়। পরিবর্তনের জন্য মুখিয়ে রয়েছেন বাংলার মানুষ। রাজনীতি কোনও খেলা নয়। উনি (মমতা) খেলার চক্করে আদর্শ ভুলে গিয়েছেন।

মার্চ ০৬, ২০২১
রাজনীতি

উত্তরবঙ্গে ভোটের প্রচারে মমতা

শুক্রবার দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণার পরদিনই আজ উত্তরবঙ্গের উদ্দেশে রওনা দেবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার শিলিগুড়ি শহরেই তাঁর এক রাজনৈতিক কর্মসূচি রয়েছে। কালীঘাটের সাংবাদিক সম্মেলনে তৃণমূল নেত্রী জানিয়েছেন, সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে ওই দিন শিলিগুড়ি শহরে সিলিন্ডার নিয়ে মিছিল করবেন তিনি। মহিলা তৃণমূলের উদ্যোগে এই মিছিল হবে শিলিগুড়ির প্রাণকেন্দ্রে। নির্বাচন ঘোষণার পর আর কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেননি মমতা। কিন্তু এখন নির্বাচনী নির্ঘণ্ট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে দলীয় প্রার্থীদের নামও প্রকাশ্যে এনেছেন তিনি। অনুষ্ঠানিক ভাবে নির্বাচনের প্রচার শিলিগুড়ি থেকে শুরু করছেন মমতা। সূত্রের খবর, শিলিগুড়ির মিছিলে তাঁর সঙ্গে থাকবেন এই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অধ্যাপক ওমপ্রকাশ মিশ্র। মুখ্যমন্ত্রী শিলিগুড়িতে এই কর্মসূচি করলেও, রাজ্য জুড়ে তৃণমূল কর্মীদের সিলিন্ডার মিছিল করতে নির্দেশ দিয়েছেন।ঘটনাচক্রে রবিবারই বিজেপির ব্রিগেড সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে হাজির থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ব্রিগেড সমাবেশ দিয়েই বিজেপি এ রাজ্যে নিজেদের ভোটপ্রচার শুরু করতে চায়। সেই সমাবেশ থেকে প্রধানমন্ত্রী যে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকেই আক্রমণ করবেন, সে ব্যাপারে নিশ্চিত তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব। তাই রবিবার উত্তরবঙ্গে গিয়ে নির্বাচনী প্রচারের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর আক্রমণের জবাব দেবেন মমতা। সোমবার সকালেই বিমানে কলকাতায় ফিরবেন তিনি। কলকাতায় নেমেই আরও একটি রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা তাঁর। আন্তর্জাতিক মহিলা দিবস উপলক্ষে ভবানীপুর থেকে যাদবপুর পর্যন্ত একটি মিছিলে হাঁটবেন। এই মিছিল আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মহিলা তৃণমূল নেতৃত্বকেই। রবিবার কলকাতায় প্রধানমন্ত্রী যে সমস্ত অভিযোগ করবেন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে, তার জবাব মিছিলের শেষে দিতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। এ ছাড়া আরও একটি তাৎপর্য রয়েছে এই মিছিলের। এ বার তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন এক ঝাঁক মহিলা বিধায়ক। বাদ পড়া সেই সমস্ত মহিলা বিধায়ক মুখ্যমন্ত্রীর মিছিলে আসেন কি না সে দিকে নজর থাকবে রাজনীতির কারবারিদের।

মার্চ ০৬, ২০২১
রাজনীতি

বাবুলের টুইট বাণে বিতর্ক

বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়। নতুন স্লোগানকে হাতিয়ার করে জোরকদমে প্রচার চালাচ্ছে তৃণমূল। এরই মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে টুইট করে বিতর্কে জড়ালেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। মেয়েরা পরের সম্পত্তি, এবার বিদায় হবে। মুখ্যমন্ত্রীকে খোঁচা দিয়ে এই টুইট করতেই সমালোচনার মুখে বাবুল। নারী বিদ্বেষী বক্তব্যের অভিযোগে নেটিজেনদের তোপের মুখে পড়েন তিনি। এমনকী, খোদ দলের নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ও তাঁর টুইটের সঙ্গে সহমত হননি। বিতর্ক এড়াতে শেষ পর্যন্ত টুইট মুছে ফেললেন মন্ত্রী।শনিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে বাবুল সুপ্রিয় লেখেন, বেটি পরায়া ধন হোতি হ্যায়, ইস বার বিদা কর দেঙ্গে। লেখাটির সঙ্গে ছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। টুইট নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন নেটিজেনরা। কেউ বলছেন, এই তো, আপনার নারী বিদ্বেষী স্বরূপ প্রকাশ করে ফেললেন। এই জন্যই বিজেপিতে যোগ দিতে পেরেছেন। কেউ আবার বলছেন, এই নারীবিদ্বেষী মনোভাব উত্তর ভারতের। বাংলার সংস্কৃতি নয়। আপনারা কেন এই বাংলায় বহিরাগত সেটা বার বার প্রমাণ করছেন। অনেকে আবার লিখেছেন, বাংলায় মেয়েদের পরের ঘরের সম্পত্তি ভাবা হয় না আজকের দিনে, আপনারা সেই প্রাচীন যুগে পড়ে আছেন। কেউ কেউ আবার বাবুলকে নিজের মেয়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২১
কলকাতা

কালীঘাটে মহাযজ্ঞ, পৌরহিত্যে অভিষেক

বিকেলে বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। তার অব্যবহিত আগে মহাযজ্ঞের আয়োজন কালীঘাটে। মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি লাগোয়া তৃণমূলের কার্যালয়ে শুক্রবার যজ্ঞ হয়। সকাল থেকে সেই যজ্ঞে বসেন যুব তৃণমূলের সভাপতি, সাংসদ তথা দলের অঘোষিত দুনম্বর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর ভাই বাবুন বন্দ্যোপাধ্যায়ও। অভিষেককে পাশে নিয়ে যজ্ঞ সম্পাদন করছেন পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের সেবায়েত জগন্নাথ দয়িতাপতি।অনেকে বলছেন, ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার জন্যই ওই যজ্ঞ। এ নিয়ে তৃণমূলকে কটাক্ষও করেন বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী। তবে ভোটের দিন ঘোষণার সঙ্গে যজ্ঞের কোনও সংযোগ নেই বলে দাবি তৃণমূলের। কালীঘাট সূত্রের খবর, শুক্রবারের যজ্ঞ আগে থেকেই পরিকল্পিত। তার আয়োজনও শুরু হয়েছে কয়েকদিন আগে থেকেই। নির্বাচন কমিশন যে শুক্রবারেই ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করবে, তা আগে থেকে কারওরই জানা ছিল না। বরং রাজ্যের রাজনৈতিক মহল ভাবছিল, মার্চের প্রথম সপ্তাহে ভোটের দিন ঘোষণা হবে। ফলে যজ্ঞ এবং ভোটের দিন ঘোষণার দিন মিলে যাওয়া নেহাতই এক সমাপতন।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২১
কলকাতা

বাংলায় ৮ দফা ভোট নিয়ে প্রশ্ন মমতার

পশ্চিমবঙ্গে আট দফায় ভোট নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ঘোষণায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তামিলনাড়ুর ২৪০ আসনে কেন একদিনে নির্বাচন? বাংলার ২৯৪ আসনের ভোট কেন ৮ দফায়? পশ্চিমবঙ্গে ভোট ঘোষণা নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে স্বাগত জানালেও এই প্রশ্ন তুললেন মুখ্যমন্ত্রী। নির্বাচনকে সামনে রেখে গোটা প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণের জন্য তৃণমূলের তরফে ১২ জনের একটি দল তৈরি হয়েছে বলে জানান দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বাংলা-সহ পাঁচ রাজ্যে ভোটের অন্তিম ঘণ্টা বাজিয়ে শুক্রবারই বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করেছে দিল্লির নির্বাচন কমিশন। কেরল, তামিলনাড়ু, পুদুচেরিতে এক দফায় ভোটের দিন ঘোষণা হয়েছে। তবে ২৯৪ আসনের পশ্চিমবঙ্গে ভোট হবে ৮ দফায়। তামিলনাড়ুর ২৪০ আসনে একদফায় ভোট হলে, কেন বঙ্গে এত বেশি দফায় ভোট?নির্বাচন কমিশনের দিকে সরাসরি এই প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আরও প্রশ্ন, কাকে সুবিধা করে দিতে এত দফা? নাম না করে কমিশনের এই সিদ্ধান্তেও বিজেপির যোগসাজশ রয়েছে বলে অভিযোগ তুললেন তৃণমূল সুপ্রিমো। অভিযোগ, বাংলার নির্বাচনে কমিশনের তরফে দায়িত্বপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকদের যে তালিকা তিনি বিজেপি পার্টি অফিসে দেখেছিলেন, সেটাই আজ প্রকাশ্যে এল। মমতার আরও অভিযোগ, বিজেপি সব ভাগাভাগি করছে, ভোটের দফাতেও হিন্দু-মুসলিম ভাগ করছে। তবে বিজেপির এসব চক্রান্ত জনতাই ব্যর্থ করে দেবেন বলেও আত্মপ্রত্যয়ী সুরে জানিয়েছন তৃণমূল সুপ্রিমো।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২১
রাজনীতি

অগ্নিমূল্য জ্বালানি, প্রতিবাদে ব্যাটারি-চালিত স্কুটারে নবান্ন যাত্রা মুখ্যমন্ত্রীর

সাধারণ মানুষের দুঃখের পাশে দাঁড়াতে, এরকম কবে কোন মুখ্যমন্ত্রীকে দেখা গিয়েছিল! এদিন অভিনব পদ্ধতিতে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।গাড়ির বদলে বাড়ি থেকে হেঁটে হাজরা মোড় আসেন তিনি। সেখান থেকে ব্যাটারি চালিত স্কুটারে নবান্নে যান মমতা। চালকের আসনে ছিলেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।লিটার পিছু পেট্রল-ডিজেল একশো টাকা ছুঁইছুঁই। সেই কারণে গত ২০ ও ২১ ফেব্রুয়ারি তৃণমূল কর্মীদের রাজ্য জুড়ে বিক্ষোভ-মিছিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন মমতা। নিজে একাধিক জনসভা ও কর্মসূচিতে লাগাতার পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন। রাজ্য সরকার পেট্রল ও ডিজেলের উপর থেকে এক টাকা করে করও কমিয়েছে। কারণ, রোজ জ্বালানির দাম বেড়েই চলেছে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি অন্যতম ইস্যু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে আজ, বৃহস্পতিবার অভিনব পদ্ধতিতে প্রতিবাদ জানালেন মমতা। ইলেকট্রিক স্কুটারে চেপে নবান্নে গেলেন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই, পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিবাদ মোদি সরকারের উপর চাপ বাড়াবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২১
কলকাতা

অভিষেকের বাড়িতে আচমকাই মুখ্যমন্ত্রী, কারণ কী?

অভিষেকের স্ত্রী রুজিরাকে সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদের আগেই শান্তিনিকেতনে পৌঁছে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, বেলা ১১ টার কিছু পরে মুখ্যমন্ত্রী পৌঁছে যান ১৮৮এ, হরিশ মুখার্জি স্ট্রিটে, অভিষেকের বাড়িতে। বেশ কিছুক্ষণ সেখানে ছিলেন মমতা। এরপর গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে যান। আর মুখ্যমন্ত্রী বেরনোর ঠিক ৩ মিনিটের মাথায় সেখানে পৌঁছন সিবিআই আধিকারিকরা। ঘড়িতে তখন ঠিক ১১ টা ৩৬। রাজনৈতিক মহলের একাংশের ব্যাখ্যা, রাজনীতির বাইরে ঘনিষ্ঠ পারিবারিক সম্পর্কের কারণেই এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অভিষেকের বাড়ি গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় ৮ মিনিট সেখানে ছিলেন তিনি। প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে থাকতে পারেন। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদের ঠিক আগে অভিষেক ও তাঁর মনোবল বাড়িয়ে যান মুখ্যমন্ত্রী।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২১
কলকাতা

সিবিআই জেরার মুখে অভিষেক-শ্যালিকাও

কয়লা কাণ্ডে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্যালিকা মেনকা গম্ভীরকে টানা আড়াই ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করল সিবিআই। মেনকার ব্যাঙ্ক লেনদেন সংক্রান্ত নথিপত্রও খতিয়ে দেখেছে তারা। যদিও সেই সব নথিপত্র কয়লাকাণ্ডের তদন্তে কী ভাবে সাহায্য করতে চলেছে, সে কথা স্পষ্ট করে জানাননি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দারা। সূত্রের খবর, সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ৩টে পর্যন্ত মেনকাকে টানা জেরা করার পর সিবিআই আধিকারিকরা জানিয়ে গিয়েছেন, প্রয়োজন পড়লে মেনকাকে আবারও জেরা করা হতে পারে। এদিকে, মঙ্গলবারই সিবিআই আধিকারিকদের নিজের বাড়িতে জেরা করার জন্য সময় দিয়েছেন অভিষেকের স্ত্রী রুজিরা। কয়লা কাণ্ডের সাক্ষী হিসাবে জেরা করার জন্য সিবিআইয়ের তরফে নোটিস দেওয়া হয়েছিল অভিষেকের স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শ্যালিকা মেনকাকে। রুজিরা জানিয়েছিলেন, সোমবার বেলা ১১টা থেকে বেলা ৩টের মধ্যে যে কোনও সময় সিবিআইয়ের তদন্তকারীরা বাড়িতে এসে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে। সোমবার পঞ্চসায়রে মেনকার আবাসন উপহার-এ সিবিআই পৌঁছে যায় দুপুর ১২টা নাগাদ। ৭ জন সিবিআই কর্তার দলে ছিলেন দুজন মহিলা আধিকারিক। তবে মেনকার আবাসনের গেটে পৌঁছতেই বাধা দেওয়া হয় সিবিআই কর্তাদের। সূত্রের খবর, সিবিআই কর্তারা আসবেন বলে, সোমবার সকালেই কলকাতা পুলিশের আধিকারিকরা ওই আবাসন চত্বরে ঘুরে যান। সাদা পোশাকে কলকাতা পুলিশের কর্তারা সেখানে মোতায়েন রয়েছেন।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২১
কলকাতা

কবে সিবিআইয়ের মুখোমুখি? কী জানালেন রুজিরা

সিবিআই নোটিসের জবাব দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা। সোমবার সকালেই তিনি সিবিআই দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানালেন যে মঙ্গলবার দেখা করবেন। এও জানান যে, মঙ্গলবার ১১ টা থেকে বিকেল ৩টের মধ্যে তিনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হবেন। সূত্রের খবর, সোমবার বেলার দিকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে চিঠি পাঠিয়েছেন রুজিরা। জানিয়েছেন, রবিবার তাঁরা যখন নোটিস দিতে শান্তিনিকেতনে গিয়েছিলেন, সেসময় তিনি বাড়ি ছিলেন না। তবে নোটিস পেয়েছেন। সেইমতো সহযোগিতা করতে মঙ্গলবার সিবিআইয়ের মুখোমুখি হতে চান।উল্লেখ্য, কয়লা পাচার কাণ্ডে রাজ্যজুড়ে তল্লাশি চালাচ্ছে সিবিআই। এই মামলায় তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্য খতিয়ে দেখতে চান তদন্তকারী আধিকারিকরা। তাই রবিবার অভিষেকের শান্তিনিকেতনে রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে নোটিস নিয়ে যায় সিবিআই। সিবিআইয়ের তরফে জানানো হয়, দ্রুত নোটিসের জবাব দিতে হবে রুজিরাকে। তার জন্য নিজেদের ফোন নম্বরও অভিষেকের বাড়িতে রেখে এসেছেন সিবিআই আধিকারিকরা। তবে তাঁকে সিবিআই দপ্তরে তলব করা হয়নি। শুধু তাঁর সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছেন গোয়েন্দারা। সাক্ষী হিসেবে রুজিরার কাছে তাঁরা কিছু জানতে চান বলে সূত্রের খবর। যদিও কয়লা কাণ্ডে কেন তাঁকে নোটিস দেওয়া হল কিংবা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ কেন, তা কিছুই বুঝতে পারছেন না বলে ঘনিষ্ঠ মহলে জানিয়েছেন রুজিরা। সিবিআই সূত্রে খবর, যদি সোমবার রুজিরার তরফে কোনও সাড়া না মিলত, তাহলে দ্বিতীয় নোটিস দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল সিবিআইয়ের।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২১
রাজ্য

রাসমেলা ময়দান থেকে মমতাকে খোঁচা অমিত শাহর

কোচবি্হারের মাটিতে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রীতিমতো কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন। খোঁচা দিয়ে বললেন, দিদি লোকসভা নির্বাচনের আগে আমাদের শূন্য দিচ্ছিলেন, এখন নিজেই নিজের জন্য আসন খুঁজে বেড়াচ্ছেন। এখানে লড়বেন না ওখানে লড়বেন, নাকি দুটি আসনে লড়বেন। বুঝে উঠতে পারছেন না। কোচবিহারের রাসমেলার ময়দান থেকে তিনি গগনভেদী জয় শ্রীরাম ধ্বনি তোলেন। বলেন, এত জোরে ধ্বনি তুলুন সবাই। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে তাঁর খোঁচা, রামনাম উচ্চারণ করে গর্ববোধ করেন। কিন্তু মমতাজির তাতে আপত্তি। কারণ, উনি তোষণের রাজনীতি করেন। তবে ভোট শেষ হতে হতে আপনিও জয় শ্রীরাম স্লোগান তুলবেন।রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, শুভেন্দুর বিজেপিতে যোগদানের পর দুই মেদিনীপুর তথা জঙ্গলমহল এলাকায় দলের যাতে ক্ষতি না হয়, তা নিশ্চিত করতেই নন্দীগ্রামে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন মমতা। কিন্তু অমিত শাহ তার ব্যাখ্যা দিলেন নিজের মতো করে। বলে দিলেন, নিজের জয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত নন বলেই নিজের জন্য নিরাপদ আসন খুঁজে বেড়াচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। কোচবিহারের সভা থেকে তাঁর খোঁচা,লোকসভা ভোটের আগে আমরা বলেছিলাম রাজ্যে আমরা কুড়িটির বেশি আসন জিতব। দিদি আমাদের বলেছিলেন আমরা নাকি শূন্য পাব। আজ উত্তরবঙ্গ থেকে রাজু সিং বিস্তা, নিশীথ প্রামাণিকরা সাংসদ হয়ে গিয়েছেন। আর আপনি নিজের জন্য আসন খুঁজে বেড়াচ্ছেন। এখানে দাঁড়াবেন না ওখানে দাঁড়াবেন, এক জায়গায় লড়বেন না দুই জায়গায় লড়বেন, বুঝতেই পারছেন না।#WATCH | Mamata didi keeps on quarrelling with Modi ji, she even quarrelled during Subhash babus program. It was Subhash babus event, you could have refrained from politics there: Union Home Minister Amit Shah in Coochbehar pic.twitter.com/iCFWzW65ou ANI (@ANI) February 11, 2021

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২১
রাজ্য

কারচুপি করেছে রাজীব, বিস্ফোরক মমতা

দলীয় কর্মিসভা থেকে সদ্য দলত্যাগীদের কড়া বার্তা দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে নাম না করে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন তিনি। বন সহায়ক পদে চাকরি নিয়ে কারচুপির অভিযোগে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে মমতাকে পাল্টা বিঁধেছে বিজেপি। দলে থাকাকালীন কেন একথা মনে পড়ল না, কটাক্ষ গেরুয়া শিবিরের।মাসকয়েক আগে অষ্টম শ্রেণি পাশে বন সহায়ক পদে প্রচুর কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্য সরকার। অষ্টম শ্রেণি পাশের পাশাপাশি উচ্চশিক্ষিতরাও আবেদনপত্র জমা দেন। শুধুমাত্র ইন্টারভিউর মাধ্যমে নিয়োগ হওয়ায় লাইনও পড়ে বিস্তর। এই শূন্যপদ নিয়ে আলিপুরদুয়ারের প্যারেড গ্রাউন্ডের সভা থেকে মুখ খুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নাম না-করে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। কারণ, সেই সময় তৃণমূলে ছিলেন রাজীব। ছিলেন রাজ্যের বনমন্ত্রীও। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, আমাদের সঙ্গে ছেলেটা ছিল। সে এখন আমাদের সঙ্গে আর নেই। আমার কাছে অভিযোগ এসেছে বন সহায়ক পদ নিয়ে কারচুপি হয়েছে। আমরা তদন্ত করে দেখছি। এর আগে একাধিকবার দলবদলকারী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। অতিরিক্ত লোভ এবং টিকিট না পাওয়ার আশঙ্কায় দলবদলের সিদ্ধান্ত বলেও দাবি করেছেন। তবে এই প্রথমবার এহেন বিস্ফোরক অভিযোগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

ভারতের বিশ্বজয় মানতে পারছেন না অনেকে! প্রতিবেশী দেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া

ভারত আবার টি কুড়ি বিশ্বকাপ জেতার পর দেশজুড়ে শুরু হয়েছে আনন্দ উৎসব। বিভিন্ন জায়গায় ফাটছে বাজি, চলছে উদযাপন। কিন্তু প্রতিবেশী কয়েকটি দেশে এই জয় নিয়ে শুরু হয়েছে নানা প্রতিক্রিয়া। বিশেষ করে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে অনেকেই ভারতের এই সাফল্য নিয়ে সমালোচনা করছেন, আবার কেউ কেউ প্রশংসাও করেছেন।বিশ্বকাপ শুরুর আগে বাংলাদেশ দলের ভারতে আসা নিয়ে বেশ আলোচনা হয়েছিল। নানা আলোচনার পরও তারা শেষ পর্যন্ত অংশ নিতে রাজি হয়নি বলে খবর ছড়ায়। অনেকেই মনে করেন, সে সময় বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রভাবই এর পেছনে কাজ করেছিল।অন্যদিকে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকেও ভারত ম্যাচ নিয়ে নানা মন্তব্য করা হয়েছিল। এমনকি এক সময় ভারত ম্যাচ বয়কট করার কথাও শোনা গিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি খেলা হয় এবং পাকিস্তান সেই ম্যাচে পরাজিত হয়।পাকিস্তানের কিছু প্রাক্তন ক্রিকেটারও টুর্নামেন্ট চলাকালীন ভারতের সমালোচনা করেছিলেন। তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন মহম্মদ আমির। তিনি একাধিকবার বলেছিলেন, ভারত নাকি এই বিশ্বকাপ জিততে পারবে না।কিন্তু শেষ পর্যন্ত সব জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে ভারত টানা দ্বিতীয় বার টি কুড়ি বিশ্বকাপ জিতে নেয়। ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে একপেশে ভাবে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় দল।এই জয়ের পর পাকিস্তানের প্রাক্তন দ্রুতগতির বোলার শোয়েব আখতার একটি মন্তব্য করেন। তাঁর কথায়, ভারতের আচরণ নাকি এমন, যেন ধনী পরিবারের ছেলে গরিব ছেলেকে খেলতে ডাকে এবং শেষে নিজেই জিতে যায়। তিনি দাবি করেন, এই ভাবে ক্রিকেটের ক্ষতি হচ্ছে।অন্যদিকে মহম্মদ আমিরও ভারতের জয়ের পর প্রতিক্রিয়া দেন। তিনি বলেন, ভারত জিতেছে, ট্রফি তাদের দেশেই যাবে। তবে তা তাঁর বাড়িতে তো আসবে না।তবে সব প্রতিক্রিয়া সমালোচনামূলক ছিল না। বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম ভারতের সাফল্যকে স্বীকৃতি দিয়েছেন। তিনি সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ভারত যোগ্য দল হিসেবেই এই বিশ্বকাপ জিতেছে এবং তিনি তাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।তবে তাঁর এই পোস্টের নিচে অনেকেই পুরনো একটি ঘটনার কথা তুলে ধরেছেন। প্রায় দশ বছর আগে এক বিশ্বকাপে ভারত পরাজিত হলে সামাজিক মাধ্যমে আনন্দ প্রকাশ করেছিলেন মুশফিকুর রহিম। সেই পুরনো প্রসঙ্গও আবার নতুন করে আলোচনায় এসেছে।ভারতের বিশ্বকাপ জয়ের পর তাই শুধু আনন্দই নয়, প্রতিবেশী দেশগুলিতেও এই সাফল্য ঘিরে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা ও বিতর্ক।

মার্চ ০৯, ২০২৬
কলকাতা

সুপ্রিম কোর্টে যাওয়া কি অপরাধ? কমিশনের বৈঠকের পর প্রশ্ন তৃণমূলের

পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর ইস্যু ঘিরে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠককে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার তাঁদের কথা শুনতেই চাননি। উল্টে তাঁদের উপর চিৎকার করেছেন বলেও দাবি করেছেন দলের প্রতিনিধিরা।এর আগেও দিল্লিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, নির্বাচন কমিশন তাঁদের বক্তব্য শুনতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। এবার কলকাতাতেও প্রায় একই অভিযোগ তুলল তৃণমূল।পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর নিয়ে ইতিমধ্যেই শীর্ষ আদালতে একাধিক মামলা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও এই বিষয়ে আদালতে গিয়েছিলেন। সোমবার কলকাতায় রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। সেই বৈঠকে নাকি বারবার শীর্ষ আদালতের মামলার প্রসঙ্গ তুলেছেন তিনি।সূত্রের খবর, কংগ্রেসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলার সময়ও জ্ঞানেশ কুমার বলেন, যখন আপনারা শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন, তখন আবার ষাট লক্ষ মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁকে কেন প্রশ্ন করা হচ্ছে।পরে তৃণমূলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের সময়ও একই প্রসঙ্গ তোলেন তিনি বলে অভিযোগ। তৃণমূলের দাবি, শীর্ষ আদালতে মামলা করার বিষয়টি নিয়ে কমিশনার নাকি রীতিমতো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং উচ্চস্বরে কথা বলেন।সোমবার তৃণমূলের প্রতিনিধি দলে ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এবং চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সামনে চন্দ্রিমা বলেন, তাঁদের বক্তব্য শোনার পরিবর্তে কমিশনার উল্টে চিৎকার করেছেন।চন্দ্রিমার অভিযোগ, বৈঠকে বারবার বলা হয়েছে যে তাঁরা শীর্ষ আদালতে গিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শীর্ষ আদালতে যাওয়া তাঁদের অধিকার। মানুষের স্বার্থে তাঁরা সেখানে গিয়েছেন এবং তাতে কোনও ভুল নেই।তিনি আরও বলেন, যদি সব বিষয়ই আদালতে রয়েছে, তাহলে তাঁদের বৈঠকে ডাকার প্রয়োজন কী ছিল। ডাকা হলে অন্তত তাঁদের বক্তব্য শোনা উচিত ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এসআইআর ইস্যু ঘিরে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে এই বৈঠক এবং তার পরের অভিযোগ রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ধর্মতলায় উত্তেজনা, ধরনা মঞ্চের কাছে লিফলেট বিতরণ নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ মমতার

ভোটার তালিকা থেকে লক্ষ লক্ষ বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়ার অভিযোগে ধর্মতলায় ধরনায় বসেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আন্দোলনের চতুর্থ দিনে ধরনা মঞ্চ থেকেই বিজেপির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন তিনি। তাঁর দাবি, ধরনা মঞ্চের আশেপাশে বিজেপির পক্ষ থেকে লিফলেট বিলি করা হচ্ছে।সোমবার সকালে ধরনা মঞ্চ থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিজেপি এজেন্সির মাধ্যমে এই কাজ করাচ্ছে। তিনি দলের নেতা কর্মীদের নির্দেশ দেন, যারা এই লিফলেট বিলি করছে তাদের হাতেনাতে ধরতে হবে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ধরনা মঞ্চের আশেপাশে বিজেপির লিফলেট বিলি করা হচ্ছে। যারা এই কাজ করছে তাদের ধরতে হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজাকে নির্দেশ দেন দ্রুত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে।মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এই জায়গায় এমন কাজ করার কোনও অধিকার তাদের নেই। অন্যায় হলে তার প্রতিবাদ করতে হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আন্দোলনে উপস্থিত নেতা কর্মীদের সতর্ক থাকতে বলেন এবং আশেপাশের এলাকা নজরে রাখতে নির্দেশ দেন। তাঁর কথায়, যারা এই কাজ করেছে তারা হয়তো পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে, তাই দ্রুত তাদের খুঁজে বের করতে হবে।এরপর ধর্মতলা চত্বরে খোঁজ চালানো হলে একজনকে হাতেনাতে ধরা হয়েছে বলে জানা যায়। এলাকার একটি দোকান থেকে বিজেপির ব্রিগেডে যাওয়ার আহ্বান জানানো লিফলেট উদ্ধার হয়েছে বলেও সূত্রের খবর।উল্লেখ্য, ভোটার তালিকা নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই ধর্মতলায় এই ধরনা চালিয়ে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি রাতেও ধরনা মঞ্চেই থাকছেন। এদিন বিকেলে ধরনা মঞ্চে আসার কথা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।ভোটের আগে এই আন্দোলন ও নতুন অভিযোগ ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
কলকাতা

কমিশনের বৈঠকেই চরম উত্তেজনা, চিৎকার করে কথা বললেন জ্ঞানেশ কুমার? বিস্ফোরক অভিযোগ চন্দ্রিমার

ভোটার তালিকা ও এসআইআর ইস্যু ঘিরে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকেই তৈরি হল তীব্র উত্তেজনা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর এবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তুললেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। সোমবার নিউটাউনে নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, ফিরহাদ হাকিম এবং রাজীব কুমার। বৈঠক শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সামনে এই অভিযোগ করেন চন্দ্রিমা।তিনি দাবি করেন, বৈঠকে তাঁদের কথা শোনার পরিবর্তে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিজেই একটানা কথা বলেছেন। চন্দ্রিমার অভিযোগ, কোনও বক্তব্য শোনার আগ্রহ না দেখিয়ে জ্ঞানেশ কুমার শুধু চিৎকার করেই কথা বলছিলেন।সোমবার দুপুর প্রায় বারোটা দশ মিনিট নাগাদ তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। বৈঠকের শুরুতেই চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য অনুরোধ করেন, যেন কোনও বৈধ ভোটারের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ না যায়। কিন্তু তাঁর অভিযোগ, এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে চাননি জ্ঞানেশ কুমার।চন্দ্রিমা জানান, কমিশনার একাই কথা বলছিলেন। কিছুক্ষণ পর তিনি নাকি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং বলেন, আপনারা তো শীর্ষ আদালতে গিয়েছেন, আর কিছু বলার নেই। অন্য জায়গায় সব কিছু ঠিক হয়ে গিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এই প্রসঙ্গে চন্দ্রিমা প্রশ্ন তোলেন, শীর্ষ আদালতে যাওয়া কি কোনও অপরাধ। তিনি বলেন, একজন নাগরিক হিসেবে আদালতে যাওয়ার অধিকার সবারই আছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বৈঠকের সময় তাঁকে চুপ করতে বলা হয় এবং বলা হয় চিৎকার না করতে। চন্দ্রিমার কথায়, একজন মহিলার সঙ্গে এভাবে কথা বলা মানে মহিলাদের প্রতি সম্মানের অভাব দেখানো।তিনি আরও অভিযোগ করেন, ফর্ম সাত সংক্রান্ত তথ্যেও গরমিল রয়েছে। কিন্তু সেই বিষয়েও তাঁদের বক্তব্য শোনার আগ্রহ দেখাননি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।বৈঠক শেষে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফিরহাদ হাকিমও। তিনি বলেন, বিজেপি রাজ্যে অনুপ্রবেশকারী ও রোহিঙ্গা নিয়ে একটি ধারণা তৈরি করেছে। কিন্তু বাস্তবে কতজনকে চিহ্নিত করা গেছে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।ফিরহাদের অভিযোগ, এই অজুহাতে সাধারণ মানুষকে অযথা হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। হাজার হাজার মানুষকে লাইনে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, যদি কোথাও ভুল হয়ে থাকে, তবে নির্বাচন কমিশনের উচিত তা স্বীকার করা এবং নিশ্চিত করা যে কোনও ভারতীয় নাগরিকের ভোটাধিকার যেন খর্ব না হয়।তিনি আরও দাবি করেন, নাগরিকদের অধিকার রক্ষার জন্যই তাঁরা শীর্ষ আদালতে গিয়েছেন। আদালতে যাওয়ার আগে বহুবার নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রতিনিধি পাঠানো হয়েছিল বলেও জানান তিনি। কিন্তু তখন বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন।এদিন নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বামফ্রন্ট, বিজেপি এবং কংগ্রেসের প্রতিনিধিরাও বৈঠক করেন। তাঁদের পক্ষ থেকেও ভোট এক বা সর্বাধিক দুই দফায় করার দাবি জানানো হয়েছে। ভোটের আগে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে এই উত্তপ্ত বৈঠক রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটার তালিকা নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ, দিনহাটায় অনশনে বসলেন উদয়ন গুহ

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলন আরও জোরদার করল তৃণমূল কংগ্রেস। কলকাতায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন কমিশনের বিরুদ্ধে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন, তখন একই ইস্যুতে কোচবিহারের দিনহাটায় গণ অনশনে বসলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ। সোমবার তাঁর নেতৃত্বে এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে।উদয়ন গুহ অভিযোগ করেছেন, বিজেপির ইঙ্গিতে নির্বাচন কমিশন সাধারণ ভোটারদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিচ্ছে। অনেক ভোটারের নাম আবার অমীমাংসিত তালিকায় রেখে দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদেই দিনহাটায় গণ অনশন শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।মন্ত্রী বলেন, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নামে বহু ভোটারের নাম অমীমাংসিত তালিকায় রাখা হয়েছে। সীমান্তবর্তী দিনহাটায় ইতিমধ্যেই বহু মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। তার উপর আরও বহু নাম এখনও অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।জেলার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে দুই লক্ষ সাতত্রিশ হাজারেরও বেশি নাম। এত বিপুল সংখ্যক ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন উদয়ন গুহ।অনশন শুরু করার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে কলকাতায় দলের নেতা কর্মীরা অবস্থান করছেন। বিজেপির চাপে পক্ষপাতদুষ্ট নির্বাচন কমিশন সাধারণ ভোটারদের নাম বাদ দিচ্ছে অথবা তাঁদের নাম বিচারাধীন অবস্থায় রেখে মানসিক চাপ তৈরি করছে। বিচারাধীন তালিকার নিষ্পত্তি কবে হবে, সে বিষয়ে কমিশন স্পষ্ট করে কিছু জানাচ্ছে না। সেই কারণেই দিনহাটায় এই গণ অনশন শুরু করা হয়েছে।বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে তীব্র আক্রমণ করে তিনি বলেন, একটি গণতান্ত্রিক দেশে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। তাই তাদের সবচেয়ে নিরপেক্ষ হওয়া উচিত। কিন্তু তাঁর রাজনৈতিক জীবনে এত পক্ষপাতদুষ্ট নির্বাচন কমিশন তিনি কখনও দেখেননি বলেও দাবি করেন।উদয়ন গুহর অভিযোগ, বিজেপির সুবিধা হবে কি না সেই দিকেই নজর রেখে কমিশন কাজ করছে। তবে তিনি বলেন, বাংলার মানুষ অনেক বেশি সচেতন। এই ধরনের চক্রান্তকে কীভাবে প্রতিহত করতে হয় তা বাংলার মানুষ জানে।রোহিঙ্গা ও অনুপ্রবেশকারীদের প্রসঙ্গ তুলে বিজেপি যে দাবি করছে, সেই প্রসঙ্গেও প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন উদয়ন গুহ। তিনি বলেন, যাঁরা এই দেশে জন্মেছেন তাঁদের ভোটাধিকার রক্ষা করতে হবে। যদি সত্যিই রোহিঙ্গা বা অনুপ্রবেশকারী পাওয়া যায়, তবে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু সেই অজুহাতে সাধারণ মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া চলবে না।তিনি আরও অভিযোগ করেন, যেখানে বিজেপি দুর্বল সেখানে পরিকল্পনা করে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই তাঁদের আন্দোলন। অনশন কতক্ষণ চলবে, সেই প্রশ্নের উত্তরে উদয়ন গুহ বলেন, শরীরে যতক্ষণ শক্তি থাকবে ততক্ষণ তিনি অনশন চালিয়ে যাবেন। ভোটের আগে ভোটার তালিকা ঘিরে এই বিতর্ক ও আন্দোলন রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় দাবি বিরোধীদের! বাংলায় এক দফায় ভোট চাইল বাম ও বিজেপি

বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দামামা কার্যত বেজে গিয়েছে। এখন অপেক্ষা শুধু ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার। তার আগেই নির্বাচন প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে রাজ্যে এসেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার সহ কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধিদল। সোমবার সকাল থেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শুরু হয়েছে।এই বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলেছে রাজনৈতিক দলগুলি। বামফ্রন্ট এবং বিজেপি দুপক্ষই বাংলায় এক দফায় ভোট করার দাবি জানিয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস জানিয়েছে, কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন ভোটার তালিকা থেকে বাদ না যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে।দিনের শুরুতেই বিজেপির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। বিজেপির প্রতিনিধি দলে ছিলেন তাপস রায়, শিশির বাজোরিয়া এবং জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শিশির বাজোরিয়া বলেন, রাজ্য পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তারা সন্তুষ্ট নন। তাই প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি নিশ্চিত করার দাবি কমিশনের কাছে জানানো হয়েছে।তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায় এলেও তাদের তৎপরতা চোখে পড়ছে না। অনেক জায়গায় রুট মার্চও দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি। সেই বিষয়ে কমিশনের নজর দেওয়া প্রয়োজন বলেও জানান।বিজেপির পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়েছে, প্রতিটি বুথে ওয়েব ক্যামেরা সহ সমস্ত নজরদারি ব্যবস্থা রাখা হোক। পাশাপাশি নির্বাচন যেন খুব বেশি দফায় না করা হয় সেই অনুরোধও জানানো হয়েছে। বিজেপি চায়, বাংলায় সাত বা আট দফার বদলে এক বা সর্বাধিক দুই দফায় নির্বাচন হোক।অন্যদিকে বামফ্রন্টের প্রতিনিধিরাও এদিন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেন। মহম্মদ সেলিমের নেতৃত্বে বাম প্রতিনিধিদল কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে। বৈঠক শেষে সেলিম জানান, তারাও বাংলায় এক দফায় ভোট করার দাবি জানিয়েছেন। তবে প্রয়োজনে সর্বাধিক দুই দফায় ভোট হলেও তাদের আপত্তি নেই।তিনি আরও বলেন, প্রায় ষাট লক্ষ ভোটারের নাম নিয়ে যে বিষয়গুলি এখনও বিচারাধীন রয়েছে, তা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে। সেই প্রক্রিয়া শেষ করে সম্পূর্ণ ভোটার তালিকা প্রকাশ করার দাবি জানানো হয়েছে। যাদের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তাদের নতুন করে সুযোগ দেওয়ার কথাও কমিশনকে বলা হয়েছে।এদিকে এসআইআর ইস্যু ঘিরে উত্তেজনার আবহেই এদিন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের প্রতিনিধি দলে ছিলেন ফিরহাদ হাকিম, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং রাজীব কুমার।বৈঠক শেষে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য সাংবাদিকদের বলেন, নিরপেক্ষ সংস্থা হিসেবে নির্বাচন কমিশনের উপর তাদের আস্থা রয়েছে। তবে সেই নিরপেক্ষতা সবসময় দেখা যাচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।তিনি আরও জানান, ভোটার তালিকা সংক্রান্ত যে অভিযোগগুলি উঠছে, সেগুলি সমাধানের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ফর্ম ছয় এবং ফর্ম সাত সংক্রান্ত তথ্য বিভ্রাট নিয়েও তারা কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।তৃণমূলের পক্ষ থেকে কমিশনকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন ভোটার তালিকা থেকে বাদ না পড়ে। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি বলেও তারা উল্লেখ করেছে।ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে কমিশনের এই বৈঠককে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
দেশ

ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ, সরাসরি শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ! নতুন করে বিতর্কে এসআইআর

নিজস্ব সংবাদদাতা: ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে বিতর্ক আরও বাড়ল। এসআইআর ইস্যুতে আবারও শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হলেন একদল আবেদনকারী। সোমবার কলকাতায় যখন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন, ঠিক সেই সময় দিল্লিতে শীর্ষ আদালতে নতুন মামলা দায়ের করা হয়েছে।যাঁদের নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তাঁদের পক্ষ থেকেই এই মামলা করা হয়েছে। তাঁদের হয়ে আইনজীবী হিসেবে আবেদন করেছেন মেনকা গুরুস্বামী। তিনি দ্রুত শুনানির আবেদনও জানিয়েছেন।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চে এই আবেদন করা হয়। শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি বলেন, বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সাধারণত সরাসরি আবেদন করা যায় না। তখন আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী আদালতে জানান, আবেদনকারীদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে এবং তাঁদের জমা দেওয়া নথিও গ্রহণ করা হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।আদালত জানিয়েছে, মঙ্গলবার এসআইআর সংক্রান্ত অন্য মামলাগুলির সঙ্গে এই আবেদনটিও শোনা হবে।এদিকে রবিবার রাতেই কলকাতায় পৌঁছেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। সোমবার সকাল থেকেই তিনি একে একে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। বামফ্রন্ট, বিজেপি, কংগ্রেস এবং তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ইতিমধ্যেই আলোচনা হয়েছে।বৈঠকে বিভিন্ন দল নিজেদের দাবি তুলে ধরেছে। সূত্রের খবর, আলোচনার সময় বারবার শীর্ষ আদালতের প্রসঙ্গ তুলেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।কংগ্রেসের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকের সময় জ্ঞানেশ কুমার নাকি বলেন, আপনারাই যখন শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন, তখন আবার ষাট লক্ষ মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমাকে প্রশ্ন করছেন কেন।তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিরাও কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূল নেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, ভোটার তালিকায় যে অসঙ্গতি রয়েছে তা এখনও পুরোপুরি সংশোধন করা হয়নি। আনম্যাপড ভোটারদের বিষয়েও স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁদের পক্ষ থেকে কমিশনকে জানানো হয়েছে, কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন তালিকা থেকে বাদ না যায়।চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য আরও দাবি করেন, এই বিষয়গুলি শুনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বলেন, আপনারা তো শীর্ষ আদালতে গিয়েছেন।ভোটের আগে এসআইআর ইস্যু ঘিরে এই আইনি ও রাজনৈতিক টানাপোড়েন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের আগুনে মধ্যপ্রাচ্য, শান্তির বার্তা ভারতের! রাজ্যসভায় বড় বার্তা জয়শংকরের

মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করল ভারত। সোমবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর জানান, আলোচনা এবং কূটনীতির মাধ্যমেই এই সংঘাতের সমাধান সম্ভব। তিনি বলেন, উত্তেজনা কমাতে সব পক্ষেরই সংযম দেখানো এবং আলোচনার পথে এগোনো জরুরি।গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের উপর যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা এবং ইজরায়েল। সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হন। এই ঘটনার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে তেহরানও একাধিক হামলা চালাতে শুরু করে। ইজরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলিকেও নিশানা করা হয়। এর ফলে গোটা অঞ্চলে উত্তেজনা দ্রুত বেড়ে যায়।এই পরিস্থিতি নিয়েই সোমবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। তিনি জানান, ভারত সরকার এই সংঘাত নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে সরকার একটি বিবৃতিতে সব পক্ষকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।জয়শংকর বলেন, ভারত মনে করে উত্তেজনা কমানোর একমাত্র পথ হল সংলাপ এবং কূটনীতি। সব পক্ষ যদি আলোচনার পথে এগোয়, তবেই পরিস্থিতি শান্ত করা সম্ভব।বিদেশমন্ত্রী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গোটা পরিস্থিতির উপর নিয়মিত নজর রাখছেন। বিভিন্ন মন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয় রেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও নেওয়া হচ্ছে। এই সংকটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে ওই অঞ্চলে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তাকে।তিনি বলেন, ইরান এবং আশপাশের দেশগুলিতে থাকা ভারতীয়দের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। তেহরানে থাকা ভারতীয় দূতাবাস সম্পূর্ণভাবে সক্রিয় রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সেখানে আটকে পড়া ভারতীয় পড়ুয়াদের দিকেও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান বিদেশমন্ত্রী। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।ইরান যুদ্ধের কারণে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্বে নিরাপত্তা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকও হয়েছে। মার্চ মাসের শুরুতে হওয়া ওই বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষভাবে আলোচনা করা হয়েছে।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিস্থিতির উপর এখনও নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজন হলে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

মার্চ ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal