• ৫ বৈশাখ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২১ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Leader

দেশ

Jammu-Kashmir-Modi: উপত্যকার রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক মোদির

ফের জাতীয় রাজনীতিতে আলোচনার শিরোনামে জম্মু-কাশ্মীর (Jammu and Kashmir)। আজ, উপত্যকার রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠকে বসতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi), যা এই সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বছর দুই আগে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার করে তাকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করার পর এই প্রথম প্রধানমন্ত্রীর নিজে সেখানকার রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় বসছেন। আজ বিকেল ৩টে নাগাদ দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে বৈঠকে যোগ দিতে যাচ্ছেন ফারুক আবদুল্লা, মেহবুবা মুফতিরা। এমন গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় ঠিক কোন কোন বিষয় গুরুত্ব পাবে, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। ইতিমধ্যেই দিল্লিতে তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে। সূত্রের খবর, রাজনৈতিকভাবে উপত্যকাকে আরও শক্তিশালী করার দিকে বেশি গুরুত্ব দিতে চায় কেন্দ্র। ফলে আলোচনার অভিমুখ হতে পারে তাও।আবার দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগাভাগির জেরে অঞ্চলগুলির পুনর্বিন্যাসে (delimitation) জোর দেওয়ার বিষয়টিও বৈঠকে উঠে আসতে পারে।সবমিলিয়ে, দেশের অন্যতম স্পর্শকাতর জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর এই বৈঠকের গুরুত্ব নানাবিধ, যেদিকে তাকিয়ে সেখানকার আমজনতা থেকে রাজনৈতিক মহল।আরও পড়ুনঃ পিএসি সদস্য পদে মুকুলের মনোনয়ন, কটাক্ষ শুভেন্দুর২০১৯ সালের অগাস্টে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা খারিজ করে তাকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করা হয় জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ। কেন্দ্রের দাবি, উপত্যকার যথাযথ উন্নয়নের জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দাবির পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তি-প্রতিযুক্তি রয়েছে এখনও। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের সুফল উপত্যকাবাসী আদৌ কতটা পেলেন, তা নিয়ে আলোচনা, সমালোচনাও রয়েছে বিস্তর। এই পরিস্থিতিতেই কাশ্মীর উপত্যকায় বাড়তি নজর দিলেন প্রধানমন্ত্রী নিজে। বৃহস্পতিবার তিনি জম্মু-কাশ্মীরের রাজনৈতিক দলগুলিতে ডেকেছেন বৈঠকে। উপত্যকার মোট ৮ টি রাজনৈতিক দলের ১৪ জন প্রতিনিধি হাজির থাকবেন মোদির বাসভবনের এই আলোচনায়। থাকবেন গুপকার জোটের (Gupkar Alliance) নেতারা অর্থাৎ ন্যাশনাল কনফারেন্সের ফারুক আবদুল্লা, ওমর আবদুল্লা, পিডিপির মেহবুবা মুফতি (Mehbooba Mufti), কংগ্রেসের গুলাম নবি আজাদ। গুপকার জোটের মুখপাত্র তথা উপত্যকার দীর্ঘদিনের সিপিএম নেতা ইউসুফ তারিগামি। বৈঠকের প্রাক্কালে তিনি জানিয়েছেন, আগে শুনব কেন্দ্র কী প্রস্তাব দেয়। তারপর আমরা ভেবেচিন্তে ঠিক করব, কোন পথে এগোবে আলোচনা।আসলে, এই বৈঠকের গুরুত্ব জম্মু-কাশ্মীরের রাজনৈতিক মহলের কাছে অন্যরকম। অনেকেরই দাবি, ৩৭০ ধারা অর্থাৎ জম্মু-কাশ্মীর রাজ্যের বিশেষ মর্যাদা ফিরিয়ে আনা হোক। এদিনের বৈঠকে নেতারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে সেই দাবি রাখতে পারেন। বিশেষত কংগ্রেস এই দাবির পক্ষেই নিজেদের মতামত ব্যক্ত করবে বলে সূত্রের খবর। আবার উপত্যকায় নির্বাচনের মাধ্যমে দ্রুত নতুন সরকার গঠনের বিষয়টিও হতে পারে আলোচনার মুখ্য বিষয়।

জুন ২৪, ২০২১
কলকাতা

PAC: পিএসি সদস্য পদে মুকুলের মনোনয়ন, কটাক্ষ শুভেন্দুর

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি (পিএসি)-র (PAC) সদস্য পদে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন বিজেপি-র বিধায়ক এবং অধুনা তৃণমূল নেতা মুকুল রায়। বুধবার বিধানসভায় চিঠি পাঠিয়ে মনোনয়ন দাখিল করেছেন তিনি। বিষয়টিকে পাত্তা না দিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বুধবারই দাবি করলেন, বিধায়ক থাকলে তবে তো পিএসি-র চেয়ারম্যান হবেন উনি।আরও পড়ুনঃ ফের ভাঙন বিজেপিতেশুভেন্দু জানিয়েছেন, আগামী ১৬ জুলাই মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের প্রথম শুনানি স্পিকারের কাছে। সেখানে শুভেন্দু সব তথ্য ও নথি তুলে ধরবেন তাঁর যুক্তির স্বপক্ষে। নন্দীগ্রামের বিধায়কের কথায়, সদ্য তিনি তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। এখন আবার তৃণমূলই তাঁর নাম পিএসি কমিটিতে প্রস্তাব করেছে। গত বৃহস্পতিবার আমি ৬৪ পাতার একটি অভিযোগ জমা দিয়েছিলাম স্পিকারের কাছে। বুধবার আমার সেই অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়ে গেল। ওঁর বিধায়ক পদই থাকবে না। বিধায়ক না থাকলে পিএসি-র চেয়ারম্যান হওয়ার প্রশ্ন আসছে কোথা থেকে! শুভেন্দুর আরও বলেন, স্পিকার আমাকে ১৬ তারিখে ডেকেছেন শুনানির জন্য। আমি সেই শুনানিতে আসব, সব তথ্য নথি জমা দেব। তার পর তো আর বেশি দিন অপেক্ষা করব না। আদালতে চূড়ান্ত হয়ে যাবে। বিধায়কই থাকবেন না, তা হলে আর বিধায়ক কী? আর পিএসি কী?এ প্রসঙ্গে বিধানসভার উপ মুখ্য সচেতক তাপস রায় বলেন, পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি-সহ বিধানসভার সমস্ত কমিটির চেয়ারম্যান ঠিক করার অধিকার রয়েছে স্পিকারের। এখানে সরকার পক্ষের কোনও হাত নেই। তৃণমূল যদিও দাবি করেছে, মুকুলের মনোনয়নে তাদের কোনও হাত নেই। যদিও, প্রস্তাবক হিসেবে মুকুলের মনোনয়নে সই করেছেন কার্শিয়াঙের তৃণমূল সমর্থিত মোর্চার বিধায়ক রুদেন সাদা লেপচা ও এগরার বিধায়ক তরুণ মাইতি।এ নিয়ে শুভেন্দুর মন্তব্য, ভাবের ঘরে বসে চুরি করে লাভ নেই। খুব সুন্দর কাজ করেছেন ওঁরা। কালীদাসের মতো কাজ করেছেন। তাই আমার কাজ অনেক সহজ হয়ে গিয়েছে। আমার লড়াই আইনগত, বিধায়ক পদ খারিজের লড়াই। সেই লড়াইয়ে আরও এক ধাপ আমি এগিয়ে গেলাম। সেই সুযোগটা করে দিয়েছে শাসকদল।

জুন ২৩, ২০২১
রাজনীতি

BJP on Delimitation: সৌমিত্রকে জরুরি তলব দিল্লিতে

বিকেলেই কিছুটা রুষ্ট সুরে শাসানি দিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। রাত হতে না হতেই সৌমিত্র খাঁ-কে ডেকে পাঠালেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। রাঢ়বঙ্গকে পৃথক রাজ্য দেখতে চাওয়ার দাবি করে এ বার দলীয় নেতৃত্বের রোষানলের মুখে পড়তে হতে পারে বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ-কে। ঘটনাপ্রবাহ যেভাবে এগোচ্ছে, তাতে এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক শিবিরের একাংশ। যদিও লক্ষ্যণীয় বিষয়টি হল, শুধুমাত্র সাংসদ সৌমিত্র খাঁ-কেই দিল্লিতে তলব করা হয়েছে। আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সাংসদ জন বার্লাকে ডেকে পাঠানো হয়নি।আরও পড়ুনঃ করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের সতর্কতা জারি, এবার নিস্তার নেই শিশুদেরও , বলছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরাসৌমিত্রর উপর যে কোপ নেমে আসবে তার ইঙ্গিত অবশ্য মঙ্গলবার সকাল থেকেই মিলেছিল। মঙ্গলবার সকালে রাজ্য বিজেপির মিডিয়া সেলের একটি বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে দিলীপ ঘোষ নিজেও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে উপস্থিত সকলে সৌমিত্রর বিরুদ্ধে কার্যত বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। তাঁর মন্তব্যের যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হচ্ছে, তা জানানো হয় বিজেপি রাজ্য সভাপতিকে। এরপরই বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক ডেকে দিলীপ আবারও জানিয়ে দেন, বিজেপি এই দাবিকে সমর্থন করে না। দিলীপ বলেন, দলে থাকতে গেলে দলের সিদ্ধান্ত মেনেই কাজ করতে হবে।এরপরই কিছুটা পিছু হটতে বাধ্য হন সৌমিত্র। রাঢ়বঙ্গকে আলাদা রাজ্য করার দাবি তাঁর একান্ত ব্যক্তিগত বলে এ দিন তিনি জানান। সৌমিত্র জানিয়েছেন, এর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। বিষয়টি নিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব সতর্ক করেন জন বার্লা ও সৌমিত্র খাঁ-কে। দিলীপ জানান, দল দুই সাংসদের সঙ্গে কথা বলবে।মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত গোটা বিতর্কের রেশ অবশ্য বাংলার রাজনৈতিক গণ্ডিতেই আটকে ছিল। তবে এ বার তার রেশ দিল্লিতেও ধাক্কা মারল। গত কয়েকদিন ধরে চলা এই বিতর্ক নিয়ে দিল্লির নেতারা মুখে কুলুপ এঁটেই ছিলেন। কিন্তু, এ বার নাড্ডার তলব স্পষ্টত বুঝিয়ে দিচ্ছে, সৌমিত্র খাঁ-র মন্তব্যকে ভাল চোখে দেখছে না দল।

জুন ২২, ২০২১
কলকাতা

Covid: প্রয়াত ভাঙড় আন্দোলনের নেত্রী শর্মিষ্ঠা চৌধুরী

লড়াকু জীবন যে কোনও প্রতিকূল পরিস্থিতিকে চ্যালেঞ্জ করে জয়ী হয়ে ফেরাই অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল। কিন্তু শেষমেশ কোভিডের কাছে হার মানতে হল ভাঙড়ের কৃষক আন্দোলেন নেত্রী শর্মিষ্ঠা চৌধুরীকে। করোনা পরবর্তী শারীরিক জটিলতায় ভুগে মাত্র ৩৯ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন সিপিআইএমএল (রেড স্টার) নেত্রী। অপূরণীয় ক্ষতি, বলছেন সহযোদ্ধারা। অনেকের মতে, শর্মিষ্ঠার প্রয়াণে গণআন্দোলনের একটা পর্যায় ধাক্কা খেল।জানা গিয়েছে, গত ১ মে করোনা ভাইরাসে (Coronavirus) আক্রান্ত হন শর্মিষ্ঠা চৌধুরী। ২১ দিন পর কোভিড নেগেটিভও হয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু তারপর থেকে শরীর ক্রমশ খারাপ হতে থাকে তাঁর। শর্মিষ্ঠার সহযোদ্ধা, গণআন্দোলনের এক নেতা অসীম গিরি জানিয়েছে, শর্মিষ্ঠার বরাবরই পেটের একটা গুরুতর সমস্যা ছিল। তা প্রায়ই ভোগাত তাঁকে। করোনার ধাক্কায় শরীরের সেই সংক্রমণও ছড়িয়ে পড়ছিল। ফলে স্বাস্থ্যের অবনতি হচ্ছিল শর্মিষ্ঠার। দিন চারেক আগে এসএসকেএমে ভর্তি করানো হয় তাঁকে। সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন। রবিবার দুপুরে সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ৩৯ বছরের নেত্রী।শর্মিষ্ঠার কথা বললেই স্বাভাবিকভাবেই চলে আসে ভাঙড়ের (Bhangar) পাওয়ার গ্রিড-বিরোধী আন্দোলন প্রসঙ্গ। এই আন্দোলনেরই অন্যতম নেত্রী ছিলেন শর্মিষ্ঠা। সিপিআইএমএলের (রেড স্টারে) আরেক নেতা, শর্মিষ্ঠার স্বামী অলীক চক্রবর্তীর নেতৃত্বে সংগঠিত হয়েছিল এই আন্দোলন। কৃষিজমিতে পাওয়ার-গ্রিড তৈরি হলে তা ব্যাপক ক্ষতিকারক, ভাঙড়বাসীর মধ্যে এই সচেতনতা প্রচারের দায়িত্ব নিয়েছিলেন তাঁরা। একসময়ে ভাঙড় থেকে অলীক-শর্মিষ্ঠাকে গ্রেপ্তারও করা হয়। তাঁর মুক্তির দাবিতে সরব হয়েছিলেন সব পক্ষ। শেষপর্যন্ত অবশ্য পাওয়ার-গ্রিড বিরোধী আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে বাধ্য হয়েছিল রাজ্য সরকার। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে নো ভোট টু বিজেপি প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন শর্মিষ্ঠা।

জুন ১৩, ২০২১
রাজ্য

বজ্রপাতে মৃত নাবালিকার পরিবারের পাশে জামালপুরের তৃণমূল নেতৃত্ব

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেখানো পথে হেঁটে বজ্রপাতে মৃত নাবালিকার পরিবারের পাশে দাঁড়ালো পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের তৃণমূল নেতৃত্ব ।গত রবিবার বজ্রপাতে মারা যায় জামালপুরের জ্যোৎশ্রীরাম পঞ্চায়েতের মাঠশিয়ালি গ্রামের নাবালিকা মন্দিরা পাখিরা। একমাত্র মেয়েকে হারিয়ে শোকাতুর হয়ে পড়েছেন মন্দিরার বাবা ও মা । জেলা প্রশাসনের তরফে মঙ্গলবার সরকারি সাহায্য ২ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেওয়া হয় নাবালিকার বাবা মায়ের হাতে । পরিবারটির পাশে আলাদাভাবে দাঁড়িয়েছেন তৃণমূলের নেতারাও।এদিন বিকেলে নাবালিকার বাড়িতে যান জামালপুরের বিধায়ক অলোক মাঝি, ব্লক তৃণমূলের সভাপতি তথা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মেহেমুদ খান, যুব তৃণমূলের সভাপতি ভূতনাথ মালিক-সহ অন্য নেতৃবৃন্দ। তাঁরা দুঃস্থ নাবালিকার বাবা-মায়ের হাতে আর্থিক সাহায্য ও খাদ্যসামগ্রী তুলেদেন।একই সাথে বজ্রপাতে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচার জন্যে কি কি করণীয় সেই বিষয়েও তৃণমূল নেতৃত্ব এদিন ওই এলাকার জনগনকে সচেতনতার পাঠ দেন । ব্লক তৃণমূলের সভাপতি মেহেমুদ খান বলেন, কয়েকদিনে বজ্রপাতে গোটা রাজ্যে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে।বজ্রপাতে এক নাবালিকা-সহ জামালপুরের পাঁচ জন বাসিন্দারও মৃত্যু হয়। এইভাবে এক নাবিলাকার মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তাঁদের পরিবারটিও দুঃস্থ। তাই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পথে হেঁটে এদিন তাঁরাও মৃত নাবালিকার পারিবারের পাশে দাড়ালেন । বিধায়ক অলোক মাঝি বলেন, আগামী দিনেও তিনি পরিবারটির পাশে থাকবেন বলে কথা দিয়েছেন। পাশে দাঁড়ানোর জন্যে মৃতার বাবা সাহেব পাখিরা ও মা মানবি পাখিরা তৃণমূল নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

জুন ১০, ২০২১
দেশ

রুদ্ধদ্বার বৈঠক: শাহের বাসভবনে শুভেন্দু

রাতারাতি দিল্লিতে তলব করা হয়েছে তাঁকে। আজ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর (Amit Shah) বাড়িতে যাবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সূত্রের খবর, বেলা সাড়ে ১১টায় অমিত শাহর বাড়িতে যাবেন তিনি। সেখানেই হবে জরুরি বৈঠক। অমিত শাহর বাড়িতে আসার কথা রয়েছে বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডারও (J P Nadda)। সূত্রের খবর, বুধবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেন শুভেন্দু অধিকারী।দুদিনের দিল্লি সফরে এসেছেন বিজেপির বিরোধী দলনেতা। মঙ্গল ও বুধবার থাকবেন দিল্লিতেই। সোমবার বিকালে আচমকাই দিল্লি থেকে ডাক আসে। তারপর রাতেই জরুরি ভিত্তিতে দিল্লির বিমান ধরেন শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু ঠিক কী কারণে এই ডাক, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে একটি সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, ভোট পরবর্তী হিংসা পরিস্থিতে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি দেওয়ার সময় হাজির থাকার জন্য এই তলব।আরও পড়ুন:: টিকাকরণ: সব নাগরিককে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেবে কেন্দ্রবিশ্লেষকরা বলছেন, বঙ্গে এখন বিজেপির কার্যত প্রধান মুখ হয়ে উঠছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। ভোট পরবর্তী হিংসা, রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি একাধিকবার সরব হয়েছেন। রাজ্যপালের সঙ্গেও করেছেন জরুরি বৈঠক। রাজ্যের একাধিক ইস্যু আর তার প্রেক্ষিতে দলের অবস্থান স্পষ্ট করার ক্ষেত্রে এখন তাঁর মুখই প্রধান হয়ে উঠছে গেরুয়া শিবিরে। সূত্র বলছে, তাতে অবশ্য অস্বস্তিতে দলের একটি অংশও।যদিও এসবের মধ্যে আরও একটি ইস্যু মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। ত্রিপল চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ উঠছে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে। দল অবশ্য বলছে, এটা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। কিন্তু গত কয়েকদিনে এই অস্বস্তি আরও বাড়িয়েছে দুটি ফৌজদারি মামলা আর তার প্রেক্ষিতে উঠে আসা দুটি নাম- রাখাল বেরা ও চঞ্চল নন্দী। দুজনেই শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ বলে পুলিশ দাবি করছে। এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দুকে রাতারাতি তলবের পিছনে অন্য কোনও কারণও লুকিয়ে থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

জুন ০৮, ২০২১
রাজনীতি

রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হলেন শুভেন্দু অধিকারীই

তৃণমূলের তৃতীয়বারের জমানায় বিরোধী দলনেতা হলেন শুভেন্দু অধিকারী । সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিরোধী দলনেতার নাম ঘোষণা করে দিল বিজেপি। গত বছর ডিসেম্বরে তৃণমূল থেকে বেরিয়ে এসে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়া শুভেন্দুই এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বিরোধী মুখ। বিরোধী দলনেতা কে হবেন তা নিয়ে দলীয় বিধায়কদের মতামত নিতে সোমবার কলকাতার হেস্টিংসে পরিষদীয় দলের বৈঠকে বসে বিজেপি। দলের অভ্যন্তরে আদি-নব্য বিবাদের কথা মাথায় রেখেই বিরোধী দলনেতা নির্বাচনে বসেছিল গেরুয়া শিবির। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে নিযুক্ত দলের দুই পর্যবেক্ষক, কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশংকর প্রসাদ ও দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ভূপেন্দ্র যাদব। একইসঙ্গে দলের নবনির্বাচিত ৭৭ জন বিধায়ককেও ডাকা হয়। ছিলেন রাজ্যের শীর্ষনেতারাও। সেখানেই শুভেন্দুর নাম নির্বাচিত হয়। দায়িত্ব নিয়ে শুভেন্দু বলেন, বৈঠক হল। আমার নাম ঘোষণা হল। হাতাতালি পড়ল। কিন্তু মন ভাল নেই। কারণ বাংলা ভাল নেই। দল যে দায়িত্ব দিয়েছে তা পালন করব। আমার তিনটে লক্ষ্য, হিংসামুক্ত বাংলা। যে কোনও অন্যায় হলে সাংবিধানিক রীতিনীতি মেনে প্রতিবাদ করা। এবং যে কোনও ধরনের গঠনমূলক কাজ।বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানান, সবার মতামত নিয়ে ঐকমত্যের ভিত্তিতেই বিরোধী দলনেতা নির্বাচন করা হয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লড়ে জয়ী হওয়ার পর থেকেই বিরোধী দলনেতা হিসাবে শুভেন্দু অধিকারীর পাল্লাই ভারী ছিল।

মে ১০, ২০২১
রাজ্য

বিরোধী দলনেতা বাছতে ২ কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকের উপস্থিতিতে বৈঠকে বিজেপি

দলের অভ্যন্তরে আদি-নব্য বিবাদের কথা মাথায় রেখেই বিরোধী দলনেতা নির্বাচনে বসছে গেরুয়া শিবির। বিরোধী দলনেতা কে হবেন তা নিয়ে দলীয় বিধায়কদের মতামত নিতে সোমবার কলকাতায় পরিষদীয় দলের বৈঠকে বসছে বিজেপি। এছাড়া এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে নিযুক্ত দলের দুই পর্যবেক্ষক কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ ও দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ভূপেন্দ্র যাদব।বিরোধী দলনেতা বাছতে রবিশঙ্কর প্রসাদ ও ভূপেন্দ্র যাদবকেই দায়িত্ব দিয়েছেন অমিত শাহ ও জেপি নাড্ডারা। সেই মতো এদিন সকালে হেস্টিংস কার্যালয়ে বসবে বিজেপির পরিষদীয় দলের বৈঠক। দলের নবনির্বাচিত ৭৭ জন বিধায়ককে ডাকা হয়েছে বৈঠকে। এছাড়া, রাজ্যের শীর্ষনেতারাও থাকবেন। বৈঠকে বিধায়কদের কাছ থেকে মতামত নেওয়া হবে বিরোধী দলনেতা ঠিক করার বিষয়ে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, সবার মতামত নিয়ে ঐকমত্যের ভিত্তিতেই বিরোধী দলনেতা নির্বাচন করা হবে।এদিকে সূত্রের খবর, বিরোধী দলনেতা উপর থেকে কাউকে চাপিয়ে দিতে নারাজ বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। কারণ, রাজ্যে দলের আশানুরূপ ফল না হওয়ার পিছনে সেই আদি-নব্য দ্বন্দ্ব ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। দলে নতুন আসা ব্যক্তিদের প্রাধান্য দেওয়ার ফলেই এই অবস্থা বলে দাবি আদি নেতা-কর্মীদের। তৃণমূল থেকে বিজেপিতে এসে টিকিট পেয়ে যাওয়াদের অধিকাংশই হেরে গিয়েছেন। এই দলবদলুদের ভালভাবে নেয়নি মানুষ। তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। এমনটাই মনে করছেন রাজ্য বিজেপির পুরনো নেতা-কর্মীরা। কাজেই বিরোধী দলনেতা নির্বাচন সহমতের ভিত্তিতেই করতে চায় শীর্ষনেতৃত্ব। তবে বিরোধী দলনেতা হিসাবে শুভেন্দু অধিকারীর পাল্লাই ভারী বলে মনে করা হচ্ছে। মুকুল রায়ের নাম প্রথমে থাকলেও মুকুলবাবুর শরীর ভাল নেই। বিরোধী দলনেতা হলে সারা রাজ্যজুড়েই ছুটে বেড়াতে হবে। মুকুল রায়ের পক্ষে সেই ছোটাছুটি সম্ভব নয়। কারণ তাঁর শরীর ঠিক নেই। কিন্তু রাজ্য বিজেপির পুরনো নেতৃত্বের একটা বড় অংশই আবার চাইছে মনোজ টিগ্গাকেই বিরোধী দলনেতা করা হোক। মাদারিহাটের বিধায়ক মনোজ টিগ্গা এবারও জয়ী হয়েছেন। এর আগে পরিষদীয় দলের নেতাও তিনি ছিলেন।

মে ১০, ২০২১
কলকাতা

শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে দলবদলের জল্পনা বাড়ালেন বঙ্গ রাজনীতির 'চাণক্য' মুকুল

তিনি বরাবরই কৌশলী, বঙ্গ রাজনীতির চাণক্য। দীর্ঘদিন পর সক্রিয় রাজনীতিতে এসেও তারই প্রতিফলন ঘটালেন।শপথ গ্রহণের দিন মুকুল রায়ের আচরণ বিশেষভাবে চোখে পড়ার মতো। শুক্রবার তিনি নির্ধারিত সময়েই পৌঁছে যান বিধানসভায়। ঠিক ১০ মিনিট সেখানে ছিলেন। শপথগ্রহণের পর বিজেপি পরিষদীয় দলের ঘরে না গিয়ে সোজা তৃণমূল পরিষদীয় দলের ঘরের দিকে চলে যান তিনি। সেখানে দেখা করলেন শাসকদলের নেতাদের সঙ্গে, চলল সৌজন্য বিনিময়ও। তারপরই অবশ্য মুখে কুলুপ আঁটলেন কৃষ্ণনগর উত্তরের বিজেপি বিধায়ক। বলেন, মানুষের জীবনে এমন দু-একটা দিন আসে, যখন মানুষকে চুপ থাকতে হয়। এই কথাই বহুমুখী ইঙ্গিতবাহী।জয়ের পর বিধায়কের শপথ নিতে এসে মুকুলের আচরণ কিন্তু উস্কে দিয়েছে একাধিক জল্পনা। এদিন বিধানসভা কক্ষে তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করান প্রোটেম স্পিকার তথা বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায়। তারপরই মুকুল রায়কে ঘিরে ধ্বনি ওঠে, দলনেতা হতে হবে। এসবে বিশেষ কর্ণপাত না করে তিনি তৃণমূল পরিষদীয় দলের ঘরে যান। তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক সুব্রত বক্সির সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করেন, অন্যদের সঙ্গে কিছুক্ষণ কথাবার্তা বলে চলে যান। একটিবারও ঢোকেননি তাঁর নিজের দল বিজেপি পরিষদীয় দলের ঘরে। এমনকী পরিষদীয় দলের বৈঠকও এড়িয়ে গিয়েছেন।এরপর মুকুল রায় বিধানসভার বাইরে এলে তাঁকে সাংবাদিকরা ঘিরে ধরে নানা প্রশ্ন করেন। তাতে প্রথমে মুকুল রায় জবাব দেন, মানুষের জীবনে এমন দু-একটা দিন আসে, যখন মানুষকে চুপ থাকতে হয়। এ নিয়ে জল্পনা উস্কে ওঠে। এই নীরবতার কী অর্থ। বিজেপি বিধায়ক হিসেবে শপথ নিয়েই তৃণমূল পরিষদীয় দলের ঘরে কেন? এর উত্তরে তিনি বলেন, সুব্রত বক্সির সঙ্গে দেখা হয়েছে। আরও অনেকের সঙ্গেই হয়েছে। সুব্রত মুখার্জিকে দেখিনি। কিন্তু সকলে যে তাঁকেই বিরোধী দলনেতা হওয়ার দাবি তুললেন? এ নিয়ে একটি কথাও উচ্চারণ করেননি মুকুল। এমনিতেই এই পদ নিযে মুকুল-শুভেন্দুর একটা অলিখিত লড়াই আছে, যে লড়াইয়ে অনেকেই শুভেন্দুকে এগিয়ে রাখছেন। কারণ, হাইভোল্টেজ নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁর নজরকাড়া সাফল্য। তবে কি এই দৌড়ে খানিক পিছিয়ে থেকেই তৃণমূল ঘনিষ্ঠতা বাড়াচ্ছেন একদা তৃণমূলের ভরসাযোগ্য নেতা মুকুল রায়? তাঁর আজকের আচরণ তুলে দিচ্ছে এমনই বেশ কিছু প্রশ্ন।

মে ০৭, ২০২১
রাজ্য

'নগরের নটী' পায়েল-তনুশ্রীদের হার নিয়ে বিজেপিকে তোপ তথাগতর

বেহিসেবি মন্তব্যে অনেক কাল ধরেই তাঁর বেশ নামডাক। তবে এত দিন তথাগত রায়ের সেই সব মন্তব্য ধাবিত হত বিজেপি-বিরোধীদের প্রতি। কিন্তু বঙ্গ দখলের লড়াই শেষ হতে সেই তথাগত রায়ের দিকে তোপ এ বার ধেয়ে গেল দলীয় নেতৃত্বের দিকে। বিজেপি-র তারকা প্রার্থীদের একাংশকে নাম করে নগরীর নটী বিশেষণ দেওয়া হোক বা দলীয় নেতৃত্বকে প্রভু হিসেবে উল্লেখ করা বাছা শব্দচয়নে শুধু কটাক্ষই নয়, বিজেপি নেতৃত্বকে প্রশ্নবাণেও বিদ্ধ করেছেন তিনি।মঙ্গলবার বিজেপি-র বর্ষীয়ান নেতা তথাগত টুইট করে দলের তিন তারকা প্রার্থী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়, পায়েল সরকার ও তনুশ্রী চক্রবর্তীকে টিকিট দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ওই তিন প্রার্থীর কার্যকলাপ নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি দিলীপ ঘোষ, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, শিব প্রকাশ, অরবিন্দ মেননের ভূমিকাকেও জিজ্ঞাসাচিহ্নের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছেন তিনি। তথাগত মঙ্গলবার সকালে টুইট করেন। সেখানে তিনি লেখেন, পায়েল, শ্রাবন্তী, পার্নো ইত্যাদি নগরীর নটীরা নির্বাচনের টাকা নিয়ে কেলি করে বেড়িয়েছেন আর মদন মিত্রর সঙ্গে নৌকাবিলাসে গিয়ে সেলফি তুলেছেন তাঁদেরকে টিকিট দিয়েছিল কে? কেনই বা দিয়েছিল? দিলীপ-কৈলাশ-শিবপ্রকাশ-অরবিন্দ প্রভুরা একটু আলোকপাত করবেন কি?এর পর তিনি আর একটি টুইট করে আগের বক্তব্যে একটু সংশোধন করেন। সেখানে তিনি জানান, পার্নো নয় ওই নামটি তনুশ্রী চক্রবর্তী হবে। তিনি প্রথমে ভুল করে লিখে ফেলেছিলেন বলে জানিয়েছেন তথাগত। রাজনীতিতে পোড় খাওয়া তথাগতর বেহিসেবি মন্তব্য নিয়ে আগেও বিতর্ক হয়েছে। বিরোধীদের উদ্দেশে তাঁর মন্তব্য নিয়ে আগেও বহু বার সমালোচিত হয়েছেন তিনি। এ বার দলের দিকে তোলা তাঁর প্রশ্নে রীতিমতো অস্বস্তিতে দল। প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য না করলেও বিজেপি নেতাদের তরফে জানানো হয়েছে, এটা তথাগতর নিজের বক্তব্য। দলের মন্তব্য নয়।

মে ০৪, ২০২১
রাজ্য

বীরভূমের ভোটের আগে ফের নজরবন্দি অনুব্রত

ভোটের আগে বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে ফের নজরবন্দি করল নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে ৩০ এপ্রিল সকাল ৭টা পর্যন্ত কমিশনের নজরবন্দি তিনি। কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আইনি পথে হাঁটতে পারেন দাপুটে তৃণমূল নেতা ।অষ্টম দফায় অর্থাৎ ২৯ এপ্রিল বীরভূমে ভোটগ্রহণ। তার আগে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে পাঁচটা থেকে সেই জেলার দাপুটে তৃণমূল নেতার উপর কড়া নজর রাখবে কমিশন। ভোটের মরশুমে এত দীর্ঘ সময় কোনও রাজনৈতিক নেতাকে নজরবন্দি করে রাখা নিঃসন্দেহে বেনজির সিদ্ধান্ত বলে দাবি করছে ওয়াকিবহাল মহল। উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে উনিশের লোকসভা নির্বাচনের সময় অনুব্রত মণ্ডলকে নজরবন্দি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কমিশন। তবে সেটা ছিল শুধুমাত্র ভোটের দিন। যদিও তৃণমূল নেতার ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, সেবারের ভোটের সময়ে খোশমেজাজেই ছিলেন তিনি। কোথায় কেমন ভোট হচ্ছে, দিনভর সেই তথ্য নিজের নখদর্পণে রেখেছিলেন তিনি। এবারও ভোটের আগে থেকেই অনুব্রতকে নজরবন্দি করল কমিশন। যদিও কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিচলিত নন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি। তাঁর কথায়, এটা তো কমিশনের রুটিন কাজ। প্রতিবারই করে। তবু খেলা হবে। ভয়ঙ্কর খেলা হবে। প্রয়োজনে সিআরপিএফের পায়ে বল দিয়ে দেব, ওঁরা খেলবে। কমিশনের বিরুদ্ধে আদালতে যাবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই জানিয়েছিলেন, এবার অনুব্রতর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ হলে ও আদালতে যাবে। এদিন নেত্রীর কথা মনে করিয়ে অনুব্রত বলেন, আমি এবার কমিশনের বিরুদ্ধে আদালতে যাব।প্রসঙ্গত, এবার কমিশনের কড়া নজরে রয়েছে বীরভূম। ভোটের সময় জেলার পুলিশ সুপার করে পাঠানো হয়েছে নগেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠীকে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, ভোটের দিন কয়েক আগেই তৃণমূল নেতা অনুব্রতকে নোটিস পাঠিয়েছিল আয়কর দপ্তর। এমনকী, গোরুপাচার মামলায় তাঁকে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল সিবিআইও। যদিও কোভিড পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে হাজিরা এড়িয়েছেন তিনি। এর পরই প্রকাশ্যে এল নির্বাচন কমিশনের এই নির্দেশিকা।

এপ্রিল ২৭, ২০২১
রাজ্য

গোরু পাচার মামলায় এবার সিবিআই তলব অনুব্রত মণ্ডলকে

গোরু পাচার মামলায় বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে তলব করল সিবিআই। সূত্রের খবর, আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার অনুব্রত মণ্ডলকে কলকাতায় সিবিআইয়ের দপ্তর নিজাম প্যালেসে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি। বলে রাখা ভাল, ২৯ এপ্রিল অষ্টম অর্থাৎ শেষ দফায় বীরভূমের ১১টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ। তার আগেই জেলার দাপুটে তৃণমূল নেতাকে সমন পাঠানোর নেপথ্যে রাজনৈতিক অভিসন্ধি থাকার অভিযোগ উঠছে। উল্লেখ্য, দীর্ঘ তদন্তের পর গত ফেব্রুয়ারি মাসে গোরু পাচার কাণ্ডে চার্জশিট পেশ করেছিল সিবিআই। অভিযোগপত্রে চক্রের মূল পাণ্ডা এনামুল হক, বিএসএফ আধিকারিক সতীশ কুমার, গুলাম মুস্তফা ও আনারুল শেখ-সহ সাতজনের নাম ছিল। রাজ্যে বিধানসভা ভোটের আবহে গোরু ও কয়লা পাচার কাণ্ডে জড়িত রাঘব বোয়ালদের জালে আনতে তৎপর সিবিআই। দুই পাচারের অন্যতম মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারির পর থেকে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় লাগাতার তল্লাশি চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি, ধৃতদের টানা জেরা করেও জট খোলার চেষ্টায় মরিয়া তাঁরা। সিবিআই সূত্রে খবর, জেরায় নানা তথ্য উঠে আসছে, যার ভিত্তিতে তাঁরা তদন্তের পরবর্তী ধাপে পৌঁছনোর জন্য কাজ করছেন।প্রসঙ্গত, গোরু ও কয়লা পাচার কাণ্ডে নাম জড়িয়েছে তৃণমূল নেতা বিনয় মিশ্র ও তাঁর ভাই বিকাশ মিশ্রের। কয়েকদিন আগে নয়াদিল্লি থেকে বিকাশকে গ্রেপ্তার করে ইডি। তারপর থেকেই জোরকদমে তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি। এদিকে, আজই এক সভা থেকে অনুব্রত মণ্ডলকে সিবিআই ডাকলেও সাড়া না দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মমতা। তাঁর কথায়, আমি বলে দিয়েছি, একদম যাবি না। ইলেকশন প্রসেস ওভার হবে তারপর যাবি। আমি একটা পার্টির পলিটিক্যাল কর্মী। বাধা দেবেন না।

এপ্রিল ২৬, ২০২১
দেশ

করোনায় পুত্রহারা সীতারাম ইয়েচুরি

ভয়াবহ আকার নিয়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। আক্রান্ত হচ্ছেন একের পর এক রাজনীতিবিদ। প্রাণও হারাচ্ছেন অনেকে। আতঙ্কে কাঁটা দেশবাসীরা। এর মধ্যেই করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল সীতারাম ইয়েচুরির বড় ছেলে আশিস ইয়েচুরির। ছেলের মৃত্যুর খবর টুইট করে জানালেন বামফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক। টুইট করে তাঁকে সমবেদনা জানিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।পেশায় সাংবাদিক আশিস গত কয়েকদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন বলে খবর। টুইটারে ইয়েচুরি লিখেছেন, অত্যন্ত বেদনার সঙ্গে জানাচ্ছি, আমার বড় ছেলেকে হারালাম। সকালে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ওঁর। যাঁরা আমাদের পাশে ছিলেন, তাঁদের ধন্যবাদ। পাশে থাকার জন্য সমস্ত ডাক্তার, নার্স, ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কার, স্বাস্থ্যকর্মীদের ধন্যবাদ। সোশ্যাল মিডিয়ায় শোকপ্রকাশ করেছেন নেটিজেনরা। অন্যদিকে, বুধবারই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তৃণমূলের দাপুটে নেতা মদন মিত্র। সেই ঘটনার ২৪ ঘণ্টা কাটার আগেই অসুস্থ হয়ে পড়লেন আরও এক দাপুটে তৃণমূল নেতা তথা প্রার্থী। বৃহস্পতিবার সকালে শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন মানিকতলার তৃণমূল প্রার্থী সাধন পাণ্ডে। তিনি করোনা আক্রান্ত কি না তা স্পষ্ট নয়। গত কয়েক দিন ধরে অসুস্থ শরীর নিয়ে প্রচারও সারছেন সাধনবাবু। বুধবার প্রয়াত কবি শঙ্খ ঘোষের বাড়িতে গিয়েছিলেন তিনি। এর পরই তিনি বৃহস্পতিবার সকালে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এপ্রিল ২২, ২০২১
কলকাতা

করোনা আক্রান্ত সুজন চক্রবর্তী

এবার করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী। মৃদু উপসর্গ দেখা দেওয়ায় মঙ্গলবার রাতে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মমতাবালা ঠাকুর।দক্ষিণ কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে বুকে স্ক্যান করানোর জন্য মঙ্গলবার গিয়েছিলেন সুজন। কোভিডের মৃদু উপসর্গও ছিল তাঁর। সে সময় পরীক্ষা করা হলে করোনা পরীক্ষার ফল পজিটিভ আসে। তার পরই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। সেখানে তাঁকে অক্সিজেন দেওয়া হয়েছিল বলেও জানা গিয়েছে। তাঁর অবস্থা এখন স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। গত বছর সেপ্টেম্বরে সুজন চক্রবর্তীর গাড়ির চালক কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন। সে সময় অবশ্য সুজনের কোভিড পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এসেছিল। সাবধানতা অবলম্বনের জন্য দিন সাতেক নিভৃতবাসে ছিলেন তিনি।সুজনের আগেও রাজ্যের একাধিক প্রার্থী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। কোভিডের জেরে প্রাণও হারিয়েছেন বেশ কয়েক জন প্রার্থী। সামশেরগঞ্জের কংগ্রেস প্রার্থী রেজাউল হক এবং জঙ্গিপুরের আরএসপি প্রার্থী প্রদীপ নন্দীর। যার জেরে দুই কেন্দ্রে পিছিয়ে গিয়েছে ভোটগ্রহণ। চুঁচুড়ার তৃণমূল প্রার্থী অসিত মজুমদারও গত সপ্তাহে আক্রান্ত হয়েছেন কোভিডে। বীরভূম জেলার মুরারইয়ের বিদায়ী বিধায়ক আব্দুর রহমানেরও মৃত্যু হয়েছে কোভিডের জেরে।

এপ্রিল ২১, ২০২১
রাজ্য

আইকোর মামলায় এবার মানস ভুঁইঞাকে তলব ইডির

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পর এবার ভুয়ো আর্থিক সংস্থা আইকোর মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তলব পেলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ মানস ভুঁইঞা। সূত্রের খবর, তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। আগামী শুক্রবারের মধ্যে ইডি দপ্তরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে ওই নোটিসে। পাশাপাশি, একই মামলার তদন্তে তলব করা হয়েছে মদন মিত্রর ছেলে স্বরূপ মিত্রকে। তাঁকে ২৩ তারিখ ডেকে পাঠানো হয়েছে বলে খবর। যদিও ইডির এই নোটিস প্রাপ্তি নিয়ে কেউই কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি।এর আগে বুধবার রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী তথা বেহালা পশ্চিমের তৃণমূল প্রার্থী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কেও আগামী সপ্তাহে ইডি দপ্তরে হাজিরা দেওয়ার জন্য নোটিস পাঠানো হয়েছিল। সেই আইকোর মামলাতেই তাঁকে তলব করা হয়েছে। পাশাপাশি, কলকাতা পুরসভার এক বিদায়ী কাউন্সিলরকেও নোটিস পাঠানো হয়েছে। এর আগেও পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। তবে নির্বাচনী ব্যস্ততার কারণে তিনি পরে দেখা করবেন বলে জানিয়েছিলেন। সূত্রের খবর, আইকোরের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পার্থ ও বাপ্পাদিত্যকে মঞ্চে দেখা গিয়েছিল। চিটফান্ড সংস্থাটির সঙ্গে তাঁদের আর্থিক কোনও লেনদেন ছিল কি না, তা জানতেই ডেকে পাঠানো হয়েছে।এবার আইকোর মামলায় ইডির সেই তালিকায় যুক্ত হলেন মানস ভুঁইঞাও। তাঁকে এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে তদন্তকারীদের মুখোমুখি হওয়ার জন্য। পাশাপাশি, তৃণমূলের আরেক নেতা মদন মিত্রর ছেলে স্বরূপকেও ডেকে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থাটি। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত, রাজ্যে নির্বাচন চলাকালীন কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি এভাবে বিভিন্ন মামলায় শাসকদলের নেতাদের স্ক্যানারে এনে চাপ তৈরির চেষ্টা করছে। আইকোর মামলায় ইডির নোটিস পেয়ে কি মানস ভুঁইঞা সরাসরি তদন্তকারীদের মুখোমুখি হবেন নাকি অন্যভাবে সাড়া দেবেন, সেদিকেই নজর ওয়াকিবহাল মহলের।

এপ্রিল ১৬, ২০২১
রাজ্য

কোচবিহারে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের

চতুর্থ দফায় বঙ্গের নির্বাচনে নজিরবিহীন হিংসার জের। আগামী ৭২ ঘণ্টা কোচবিহার জেলায় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করল নির্বাচন কমিশন। ফলত রবিবার কোচবিহার সফর বাতিল হচ্ছে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও। শীতলকুচি-সহ জেলার ৫টি স্পর্শকাতর কেন্দ্রগুলিতে কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব প্রবেশ করতে পারবেন না, জানিয়ে দিল কমিশন। এই নয়া নির্দেশ নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় পড়ে গিয়েছে। তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ সূত্রে দাবি, মূলত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটকাতেই কমিশনের এই নয়া নির্দেশিকা। তবে রবিবার সূচি অনুযায়ী, নাগরাকাটায় যাবেন তৃণমূল নেত্রী।

এপ্রিল ১০, ২০২১
কলকাতা

খুন নয়, আত্মহত্যাই করেছেন দিনহাটার বিজেপি নেতা, রিপোর্ট বিবেক দুবের

খুন বা রাজনৈতিক অশান্তিতে মৃত্যু নয়, দিনহাটার বিজেপি নেতা আত্মহত্যাই করেছেন। সূত্রের খবর, ভোটের আগে শাসকদলকে কার্যত স্বস্তি দিয়ে রাজ্য কমিশনের তরফে নিযুক্ত পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে এমনই রিপোর্ট দিলেন। অর্থাৎ পুলিশ পর্যবেক্ষকের রিপোর্টে বিজেপি নেতাদের অভিযোগ কার্যত খারিজ হয়ে গেল। এখন এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই নির্বাচন কমিশন বিষয়টি দেখবে।গত বুধবার সকালে দিনহাটা শহর মণ্ডলের বিজেপি সভাপতি অমিত সরকারের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। বিজেপি কার্যালয়ের লাগোয়া পশু চিকিৎসালয়ের বারান্দায় তাঁর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান প্রাতঃভ্রমণকারীরা। তাঁকে খুন করে দেহ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগে সরব হয় বিজেপি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে দিনহাটায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশকে দেহ উদ্ধার করতে বাধা দেয় বিজেপি কর্মীরা। পরে অবশ্য দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায় পুলিশ। এদিকে, এই ঘটনায় রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখানো শুরু করেন দলীয় কর্মীরা। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থলে যান দিনহাটার বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক। সেখানকার তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক উদয়ন গুহর বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা। এই গুঞ্জনও শোনা যায়, তিনি এবার ভোটে প্রার্থী হতে না পেরে অবসাদে আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনার জেরে পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে নির্বাচন কমিশনও নড়েচড়ে বসে। এ রাজ্যে নিযুক্ত দুই পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে, অজয় নায়েককে। কমিশনের নির্দেশ পাওয়া মাত্রই তাঁরা কপ্টারে পৌঁছে গিয়েছিলেন এলাকায়। বিজেপির মণ্ডল সভাপতি অমিত সরকারের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। কথা বলেন তাঁর দেহের ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের সঙ্গে। সমস্ত রিপোর্ট খতিয়ে দেখে সোমবার তাঁরা কমিশনকে রিপোর্ট পাঠান।

মার্চ ২৯, ২০২১
রাজ্য

চোখে রং লাগায় কান্নায় ভেঙে পড়লেন লকেট

প্রথম দফা ভোটের দিনই আক্রান্ত লকেট চট্টোপাধ্যায়। অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। শনিবার সন্ধেয় চুঁচুড়া রবীন্দ্রনগরের কালীতলা মাঠে কচিকাঁচা ও মহিলাদের সঙ্গে বসন্ত উৎসবে শামিল হয়েছিলেন চুঁচুড়ার বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়। অভিযোগ, উৎসব চলাকালীনই লকেটের উদ্দেশে দুষ্কৃতীরা বিষাক্ত রং ছুঁড়ে মারে। রং সরাসরি লকেটের ডান চোখে এসে লাগে। চোখে প্রচণ্ড জ্বালা ধরে। কর্মীরাই তাঁকে গাড়িতে তুলে দেন। চুঁচুড়ার লিচুবাগানের বাড়িতে গিয়েও চোখই খুলতে পারছেন না তিনি।TMC goons led by GP Pradhan Bidyut Biswas, Kodalia No. 2, attacked Locket Chatterjee, a BJP candidate from Chinsurah Assembly.The khela of hatred, violence harassment will be put to an end soon. This cowardly khela of harassing women is triggered by the fear of defeat! pic.twitter.com/yyLBbOMli2 BJP Bengal (@BJP4Bengal) March 27, 2021লকেট জানান, এদিন সন্ধেয় কোদালিয়ায় টোটো করে প্রচারে যাওয়ার সময় মাঠে বসন্ত উৎসব হচ্ছিল। সেখানে অনেক মহিলারা তাঁর সঙ্গে হাত মেলাতে এগিয়ে আসেন। মহিলাদের অনুরোধেই তিনি টোটো থেকে নেমে বসন্ত উৎসবে মাতেন। মহিলারা রং মাখাবেন বলে আবদার করলে করোনা পরিস্থিতিতে তাঁদের রং মাখাতে বারণ করেন লকেট। শেষ পর্যন্ত রঙের পরিবর্তে কপালে একটা টিপ পরেন। মহিলারা যখন তাঁকে টিপ পরাচ্ছিলেন, ঠিক তখন দুজন পুরুষ হঠাৎই সামনে এসে বলে, আজ আপনাকে রং মাখাব, কিছুতেই ছাড়ব না। ওই দুই দুষ্কৃতী মহিলাদের পিছনে চলে যায়। তারপরই হঠাৎ গুড়ো গুড়ো কিছু পদার্থ চোখে এসে পড়ে লকেটের। চশমার জন্য তাঁর চোখ অল্পের জন্য রক্ষা পেলেও কিছুটা হলেও চশমার ফাঁক দিয়ে রং চোখে ঢুকে যায়। প্রথমে চোখে প্রচণ্ড জ্বালা করছিল। তারপর একটু চোখ মেলে তাকিয়ে দেখেন পিছনেই তৃণমূলের ব্যাজ পরা তিন থেকে চারজন যুবক দাঁড়িয়ে সেখানে। তারা অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজও করছিল। লকেটের অভিযোগ, মহিলাদের ভিড়ের আড়াল থেকে তৃণমূলই তাঁর দিকে এই বিষাক্ত রং ছুঁড়েছে। লকেট কাঁদতে কাঁদতে বলেন, একজন মহিলাকে যে এরকমভাবে আক্রমণ করা যায়, আমি ভাবতেই পারি না।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রীতিমতো উত্তেজনা ছড়িয়েছে চুঁচুড়ায়। এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ জানানো হয়েছে। চুঁচুড়ার তৃণমূল প্রার্থী অসিত মজুমদার বলেন, বিরোধী দলনেতা-নেত্রীদের অসম্মান করা তৃণমূলের সংস্কৃতি নয়। আসল কথা লকেট জেনে গিয়েছেন ৫০ হাজারের বেশি ভোটে হারবেন। তাই প্রচারে থাকার জন্য নাটক করছেন।

মার্চ ২৭, ২০২১
রাজ্য

গোরুর গাড়িতে চড়ে ভোট প্রচারে লকেট

রাজ্যের যেখানে যখনই তৃণমূলের বিরুদ্ধে কোনও ইস্যু হাতে পেয়েছেন, সঙ্গে সঙ্গে সেখানে দৌঁড়ে গিয়েছেন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। এবার সেই সাংসদকেই বিধানসভা ভোটের ময়দানে নামিয়েছে দল। প্রার্থী ঘোষণার পর থেকে তিনিও কার্যত কোমর বেঁধে ভোট ময়দানে নেমে পড়েছেন। শুক্রবার হুগলির চুঁচুড়ায় নিজের নির্বাচনী কেন্দ্রের অন্তর্গত পোলবায় ভোট প্রচারে বেরিয়ে ছিলেন। প্রচার করতে গিয়ে তিনি গোরুর গাড়িতেও চড়ে বসলেন। যদিও তাঁর এই কাজকে সুযোগ পেয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি প্রতিপক্ষ তৃণমূল প্রার্থীও।পোলবার দনারপাড়ায় পচারের জন্য লকেট চট্টোপাধ্যায়ের জন্য একটি গোরুর গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়। গোরুর গাড়িটিকে গেরুয়া পতাকায় মুড়ে ফেলা হয়। সেই গোরুর গাড়িতে চড়ে গ্রামের রাস্তায় মাঠের মাঝখান দিয়ে প্রচারে বেরন লকেট। হঠাৎ কেন গোরুর গাড়িতে তিনি এই প্রশ্নের উত্তরে লকেট বলেন, এই এলাকায় প্রচুর কৃষক বাস করেন। আর গোরুর গাড়ির সঙ্গে কৃষকদের বহু দিনের গভীর সম্পর্ক। যেহেতু রাজ্যের কৃষকদের অবস্থা খুব খারাপ তাই তাঁদের পাশে দাঁড়াতে, সম্মান জানাতে আমি গোরুর গাড়িতে চড়ে প্রচার করছি। ভোট প্রচারে বেরিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির ইস্যুকেও হাতিয়ার করেন তিনি। লকেট শুক্রবার পোলবায় ঝোরোর পাড়া, ঠাকুরপুকুর, বিষহিতলা হয়ে সংগ্রামপুরে গিয়ে প্রচার শেষ করেন।

মার্চ ২৬, ২০২১
রাজনীতি

এবার জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা মুকুল রায়কে

বেজে গিয়েছে বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের দামামা। ২৭ মার্চ রাজ্যে প্রথম দফা নির্বাচন। তার আগেই নিরাপত্তা বাড়ল বিজেপির সহ-সভাপতি মুকুল রায়ের। এবার থেকে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা পাবেন তিনি। সূত্রের খবর, বুধবারই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা এসেছে।বর্তমানে ওয়াই প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা পেতেন মুকুল রায়। তবে বৃহস্পতিবার থেকেই বাড়তি নিরাপত্তা পেতে চলেছেন তিনি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে নির্দেশিকা জারি করে একথা জানানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, দীর্ঘ ২০ বছর পর এবারই ভোটের ময়দানে লড়ছেন মুকুল রায়। শেষবার ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন ২০০১ সালে। তারপর কেটে গিয়েছে দীর্ঘ ২০ টা বছর। অন্তরালে থেকেই কাজ করে গিয়েছেন। কিন্তু এবার সরাসরি নামছেন ভোটযুদ্ধে। কৃষ্ণনগর উত্তর থেকে ভোটে লড়বেন তিনি। তাঁর মূল প্রতিপক্ষ তৃণমূলের তারকা প্রার্থী অভিনেত্রী কৌশানি মুখোপাধ্যায়। ফলে কড়া লড়াইয়ের মুখে পড়তে হতে পারে মুকুল রায়কে। এমনটাই মত রাজনৈতিক মহলের।

মার্চ ২৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

শিশুমৃত্যুর পর জ্বলছে মণিপুর! রাস্তায় হাজার মানুষ, পাঁচ দিনের বন্‌ধে অচল রাজ্য

চলতি মাসের শুরুতে এক বিএসএফ জওয়ানের বাড়িতে রকেট হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবারও অশান্ত হয়ে উঠেছে মণিপুর। ওই হামলায় এক শিশুকন্যা এবং পাঁচ বছরের এক বালকের মৃত্যু হয়। এই ঘটনার প্রতিবাদে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। নাগরিক সমাজ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং পাঁচ দিনের বন্ধের ডাক দেওয়া হয়েছে।রবিবার মণিপুরের নানা প্রান্তে হাজার হাজার মানুষ পথে নামেন। ইম্ফলে রাতে মশাল হাতে মিছিল করেন বহু মানুষ, বিশেষ করে মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। অভিযোগ, এই বিক্ষোভ দমাতে পুলিশ শক্তি প্রয়োগ করেছে। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয়। কিছু জায়গায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষের ঘটনাও সামনে আসে।প্রতিবাদকারীদের দাবি, এই হামলার সঙ্গে জড়িত দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে। পাশাপাশি পাহাড়ি এলাকায় সক্রিয় কুকি জঙ্গিদের বিরুদ্ধেও কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে। বন্ধের জেরে বাজার, স্কুল-কলেজ এবং সরকারি অফিস বন্ধ ছিল। পরিবহন ব্যবস্থাও ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়। শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবা কিছু এলাকায় চালু রাখা হয়।অন্যদিকে মণিপুর পুলিশ জানিয়েছে, প্রতিবাদের নামে কিছু সমাজবিরোধী কাজকর্ম চলছে। যারা হিংসা ছড়াচ্ছে বা অন্যদের উসকানি দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশের দাবি, কিছু মানুষ বিক্ষোভকারীদের হাতে পেট্রোল বোমা, লোহার গোলা লাগানো গুলতি এবং পাথর তুলে দিচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করছে।উল্লেখযোগ্য, গত ছয় এপ্রিল রাতে বিষ্ণুপুর জেলার মোইরাং ট্রোংলাওবি এলাকায় এক বিএসএফ জওয়ানের বাড়িতে হামলা চালানো হয়। অভিযোগ, একাধিক জঙ্গি ওই বাড়ি লক্ষ্য করে রকেট ছোড়ে। তখন বাড়ির সদস্যরা ঘুমিয়ে ছিলেন। এই হামলায় ঘুমের মধ্যেই মৃত্যু হয় পাঁচ মাসের এক শিশুকন্যা এবং পাঁচ বছরের এক বালকের। গুরুতর জখম হন তাদের মা। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। ক্ষুব্ধ মানুষ পরে নিকটবর্তী একটি সুরক্ষা শিবিরেও হামলা চালায়। তারপর থেকেই পরিস্থিতি অস্থির হয়ে রয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

বেলডাঙা কাণ্ডে নতুন মোড়! জামিন নিয়ে হাই কোর্টে ছুটল এনআইএ

বেলডাঙা কাণ্ডে নতুন করে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ এবার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। আগে এনআইএ-র বিশেষ আদালত শর্তসাপেক্ষে ১৫ জন অভিযুক্তকে জামিন দিয়েছিল। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই উচ্চ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাদের অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মানা হয়নি এবং সেই কারণেই এই জামিন দেওয়া ঠিক হয়নি।আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চার্জশিট জমা দেওয়ার কথা থাকলেও, ৯০ দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরেও এনআইএ চূড়ান্ত চার্জশিট জমা দিতে পারেনি। এমনকি তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কেও আদালতের প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেনি তারা। এই পরিস্থিতিতে অভিযুক্তদের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। এরপর ১০ হাজার টাকার বন্ডে ১৫ জনের জামিন মঞ্জুর করে বিশেষ আদালত। যদিও তাঁদের চলাফেরার উপর বেশ কিছু শর্ত আরোপ করা হয়েছে।হাই কোর্টে এনআইএ-র বক্তব্য, তদন্ত চলাকালীন এইভাবে জামিন দেওয়া উচিত হয়নি। আদালতে প্রশ্ন ওঠে, যখন সুপ্রিম কোর্ট এই মামলাটি হাই কোর্টে ফেরত পাঠিয়েছে, তখন কীভাবে নিম্ন আদালত জামিন মঞ্জুর করল। এই বিষয়টি নিয়ে বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিচারপতি অপূর্ব সিংহ রায়ের বেঞ্চে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আগামী শুনানিতে স্পষ্ট হবে, এই জামিন বহাল থাকবে নাকি হাই কোর্ট হস্তক্ষেপ করে নতুন নির্দেশ দেবে।উল্লেখযোগ্য, গত জানুয়ারি মাসে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল। অভিযোগ ছিল, ঝাড়খণ্ডে ওই শ্রমিককে খুন করা হয়। সেই ঘটনার প্রতিবাদে বেলডাঙায় রেল ও জাতীয় সড়ক অবরোধ করা হয় এবং ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। এমনকি সংবাদমাধ্যমের উপর হামলার অভিযোগও ওঠে। পরে রাজ্য পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে, যদিও এলাকায় উত্তেজনা বজায় ছিল।পরবর্তীতে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে এই ঘটনার তদন্তভার এনআইএ-র হাতে যায়। মোট ৩৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাঁদের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয় আদালত। এখন জামিনের প্রশ্নে নতুন করে এই মামলায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় বিতর্ক! ভোটার তালিকা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের কড়া নজর

বাংলার প্রথম দফার ভোট একেবারে সামনে। তার মধ্যেই ভোটার তালিকায় নাম তোলা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, এই সংক্রান্ত ট্রাইব্যুনাল কাজের ক্ষেত্রে গড়িমসি করছে। এই অভিযোগ নিয়েই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন আইনজীবী দেবদত্ত কামাত। তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে রিপোর্ট তলব করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।আইনজীবী কামাতের অভিযোগ, এখনও পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালে অফলাইনে আবেদন করার সুযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। শুধুমাত্র অনলাইনে আবেদন করা যাচ্ছে। এতে অনেক মানুষ সমস্যায় পড়ছেন। যাঁরা অনলাইনে আবেদন করতে পারেন না, তাঁদের পক্ষে এই প্রক্রিয়া অত্যন্ত কঠিন হয়ে উঠছে। দূরদূরান্ত থেকে আসা মানুষও বিপাকে পড়ছেন। তাঁর আরও দাবি, সঠিক শুনানি বা আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে অনেক ক্ষেত্রে যান্ত্রিকভাবে আবেদন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এমনকি আইনজীবীদের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগও দেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।এই নতুন মামলায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে, কেন বারবার এই একই বিষয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হচ্ছে। প্রধান বিচারপতি ক্ষোভের সুরে বলেন, নির্দেশ দেওয়ার পরেও কেন নতুন করে অভিযোগ সামনে আসছে।এর জবাবে আইনজীবী কামাত জানান, ট্রাইব্যুনাল আদালতের নির্দেশ ঠিকভাবে মানছে না বলেই বারবার এই সমস্যা তৈরি হচ্ছে। সেই কারণেই বারবার শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হতে হচ্ছে। এরপর প্রধান বিচারপতি জানান, বাংলার এই ট্রাইব্যুনালের কাজের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত রিপোর্ট কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে চাওয়া হবে।ভোটের আগে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় আশঙ্কা! ৮০০ তৃণমূল কর্মী গ্রেপ্তার হতে পারেন, হাই কোর্টে ছুটল দল

ভোটের আগে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, বাংলার অন্তত আটশো কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে। এই আশঙ্কা নিয়েই কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে দল। সোমবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের বেঞ্চে মামলা দায়েরের অনুমতি মিলেছে। আগামী বুধবার এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।গত বারোই এপ্রিল খণ্ডঘোষের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই নিয়ে বড়সড় আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন, ভোট প্রক্রিয়ায় ধীর গতি আনা, গণনায় দেরি করা এবং প্রথমে ভুল ফল দেখানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তাঁর দাবি, অনেককে গ্রেপ্তার করার চেষ্টা চলছে এবং মধ্যরাত থেকে অভিযান শুরু হতে পারে। তিনি আরও বলেন, যদি কোথাও দেখানো হয় যে অন্য দল জিতছে, তাহলে তা মিথ্যে হতে পারে। মমতার অভিযোগ, বিজেপির প্রভাবেই নির্বাচন কমিশন তৃণমূলের বিরুদ্ধে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে।এরপরই আইনি পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেয় তৃণমূল। সোমবার দলের পক্ষ থেকে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে জানান, জাতীয় নির্বাচন কমিশন পুলিশের মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রায় আটশো তৃণমূল কর্মীর নাম সংগ্রহ করেছে। তাঁদের গ্রেপ্তারের আশঙ্কা রয়েছে বলেই দাবি করেন তিনি। আদালতের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের আবেদনও জানানো হয়।আদালত এই আবেদন মেনে মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে। একই সঙ্গে দ্রুত শুনানির আর্জিও গ্রহণ করা হয়েছে। ফলে আগামী বুধবার এই গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভোটের আগে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
বিদেশ

ডলার ছেড়ে ইউয়ান! আমেরিকাকে চরম হুঁশিয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরশাহির, বিশ্ব অর্থনীতিতে ঝড়

ইরান ও আমেরিকার সংঘাত কবে থামবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই বড় সঙ্কটে পড়েছে বিশ্ব অর্থনীতি। বিশেষ করে ডলার নির্ভর তেল বাণিজ্য নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এই পরিস্থিতিতে আমেরিকাকে কড়া বার্তা দিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। তারা জানিয়ে দিয়েছে, পরিস্থিতি না বদলালে ডলারের বদলে অন্য মুদ্রায় তেল বিক্রি এবং আন্তর্জাতিক লেনদেন শুরু করতে পারে।খবর অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি ইতিমধ্যেই আমেরিকাকে জানিয়েছে, প্রয়োজনে তারা চিনের মুদ্রা ইউয়ান ব্যবহার করে তেল বিক্রির পথে হাঁটতে পারে। এতদিন আমেরিকার ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও, এবার তারা নিজেদের স্বার্থে আলাদা অবস্থান নিতে চাইছে। তাদের দাবি, জরুরি ভিত্তিতে ডলারের সহায়তা দিতে হবে, না হলে বিকল্প পথ বেছে নিতে বাধ্য হবে তারা।একটি আন্তর্জাতিক সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এই বিষয় নিয়ে আমেরিকার সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে। যদি যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়, তাহলে বিকল্প মুদ্রা ব্যবস্থার দিকে যেতে হবে বলেই মনে করছে তারা। দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের গভর্নর ইতিমধ্যেই মার্কিন অর্থ দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলেছেন। ডলারের জোগান কমে গেলে ইউয়ান ব্যবহার করা ছাড়া অন্য কোনও উপায় থাকবে না বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।যুদ্ধের জেরে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল আটকে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। একই সঙ্গে তাদের তেল ও গ্যাস পরিকাঠামোরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এই আর্থিক ক্ষতি সামাল দিতে তারা আমেরিকার কাছে ক্ষতিপূরণও চেয়েছে। সম্প্রতি ভারতের একটি বেসরকারি সংস্থা চিনা মুদ্রায় ইরানের তেল কিনেছে বলেও জানা গিয়েছে, যা এই পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব বাজারে তেল কেনাবেচা মূলত ডলারেই হয়ে থাকে। উনিশশো সত্তরের দশক থেকে এই প্রথা চালু। সেই সময় তেলের সঙ্কটের পর আমেরিকা ও সৌদি আরবের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছিল, যার ফলে তেল বাণিজ্যে ডলারের ব্যবহার বাধ্যতামূলক হয়ে ওঠে। কিন্তু বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি সেই ব্যবস্থাকেই প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি ডলারের পরিবর্তে অন্য মুদ্রায় তেল লেনদেন শুরু হয়, তাহলে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
কলকাতা

জেলায় একমাস পর কলকাতায় ফিরলেন মমতা! আজ থেকেই শুরু ঝড়ো প্রচার

প্রায় একমাস জেলায় জেলায় ঘোরার পর আজ থেকে কলকাতায় প্রচার শুরু করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ২৩ মার্চ থেকে তিনি লাগাতার জেলা সফরে ছিলেন। সেই পর্ব শেষ করে সোমবার মুরারই এবং উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহে সভা সেরে শহরে ফিরছেন তিনি। বিকেলে বেলেঘাটায় প্রথম সভা করার কথা রয়েছে। সেখানে প্রার্থী কুণাল ঘোষ এবং মানিকতলার প্রার্থী শ্রেয়া পাণ্ডের সমর্থনে জনসভা করবেন তিনি। এরপর সন্ধ্যার দিকে নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে মিছিল ও সভার কর্মসূচি রয়েছে। শেক্সপিয়র সরণি থেকে মিছিল শুরু হয়ে অ্যালেন পার্কে গিয়ে শেষ হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।গত একমাস ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ঘুরে মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেছেন তৃণমূল নেত্রী। দলীয় সূত্রে দাবি, মাঠে নেমে মানুষের সমর্থনের ইতিবাচক বার্তা পেয়েছেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতা নিয়েই এবার কলকাতায় জোরদার প্রচারে নামছেন মমতা। আগামী কয়েক দিনে একাধিক সভা ও পদযাত্রার মাধ্যমে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছনোর পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।প্রতিবারের মতো এবারও মমতার মিছিল ও সভায় ব্যাপক ভিড় হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তীব্র গরম সত্ত্বেও তাঁর কর্মসূচিতে মানুষের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো হয়। ফলে শহরে আবারও বড় জনসমাগমের ছবি দেখা যেতে পারে।এর মাঝেই হলদিয়ায় একটি কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। সেখান থেকে ফিরে আবার ২৭ তারিখ পর্যন্ত কলকাতায় টানা সভা করবেন বলে জানা গিয়েছে। এরপর দক্ষিণ কলকাতার একাধিক কেন্দ্রে প্রচার চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।২৩ এপ্রিল যাদবপুর এবং টালিগঞ্জে প্রার্থীদের সমর্থনে সভা করার কথা রয়েছে। শ্রীকলোনি যুব সংঘের মাঠে সেই সভা হবে বলে জানা গিয়েছে। তার পরের দিন সুলেখা মোড় থেকে গড়িয়াহাট হয়ে হাজরা পর্যন্ত একটি বড় মিছিল করার পরিকল্পনা রয়েছে।ভোটের আগে মমতার এই কর্মসূচি ঘিরে কলকাতার রাজনৈতিক পরিবেশ আরও চাঙ্গা হয়ে উঠছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

হরমুজ প্রণালিতে বড়সড় সংঘাত! ইরানের জাহাজে হামলা চালিয়ে দখল নিল আমেরিকা

হরমুজ প্রণালির কাছে উত্তেজনা আরও বেড়ে গেল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী একটি ইরান-চিহ্নিত পণ্যবাহী জাহাজ দখল করেছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, জাহাজটির ইঞ্জিন কক্ষে আঘাত করে সেটিকে অচল করে দেওয়া হয়, তারপর সেটি আমেরিকার নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়।ট্রাম্প জানান, ওমান উপসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ একটি ইরানি জাহাজকে আটকায়, যখন সেটি আমেরিকার আরোপ করা অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করছিল। হামলার ফলে জাহাজটির ইঞ্জিন কক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সেটি আর চলতে পারেনি। পরে মার্কিন সেনারা জাহাজটির দখল নেয় এবং সেটির ভেতরে কী আছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।মার্কিন সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে প্রকাশিত একটি ভিডিওতেও দেখা গিয়েছে, হামলার আগে জাহাজের ক্রুদের বারবার সতর্ক করা হচ্ছে। সেখানে বলা হয়, ইঞ্জিন কক্ষ খালি করে দিতে, না হলে গুলি চালানো হবে। কিছুক্ষণের মধ্যেই বিস্ফোরণের দৃশ্যও দেখা যায়।এই ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল, যখন হরমুজ প্রণালিতে ইরানের জাহাজ চলাচলের উপর আমেরিকা কড়া নজরদারি চালাচ্ছে। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বের বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহন হয়, তাই এর উপর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।একই সময়ে ইরানের সঙ্গে একটি বড় চুক্তির চেষ্টা চালাচ্ছেন ট্রাম্প। তবে ইরান জানিয়ে দিয়েছে, তারা পরবর্তী বৈঠকে অংশ নেবে না। তাদের অভিযোগ, আমেরিকা অতিরিক্ত শর্ত চাপিয়ে দিচ্ছে এবং অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছে, যা চুক্তির পরিপন্থী।ট্রাম্পের দাবি, ইরানকে তাদের পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ করতে হবে, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম জমা দিতে হবে এবং হরমুজ প্রণালিকে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের জন্য পুরোপুরি খুলে দিতে হবে।বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে উত্তেজনা বাড়ায় আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্ব অর্থনীতিতেও তার প্রভাব পড়তে পারে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

জলপাইগুড়ি থেকে বিস্ফোরক হুঁশিয়ারি! “একটা গুলি চালালে দুটো চালাব”—বাংলা রাজনীতিতে আগুন ধরালেন হিমন্ত

জলপাইগুড়ির জনসভা থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। তাঁর বক্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, একটা গুলি চালালে, দুটো গুলি চালাব। বাংলায় পুলিশ থাকলে, অসমেও পুলিশ আছে। উত্তরবঙ্গের সভা থেকে মূলত তৃণমূল কংগ্রেসকে লক্ষ্য করেই এই আক্রমণাত্মক সুর শোনা যায়।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম করে হিমন্ত দাবি করেন, তিনি সব সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে আক্রমণ করেন। তাঁর কটাক্ষ, মমতার মুখে রাম বা দুর্গার নাম শোনা যায় না, বরং সারাদিন তিনি মোদী-শাহর নামই নেন। একই সঙ্গে হিমন্ত আরও বলেন, গত কয়েক দিন ধরে মমতা তাঁর নামও নিচ্ছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, তৃণমূলের লোকেরা আমার সামনে দাঁড়াতে পারবে না। টক্কর সমানে সমানে হবে।এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, একজন মুখ্যমন্ত্রী হয়ে এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। তাঁর অভিযোগ, হিমন্ত কার্যত গৃহযুদ্ধের মতো পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা করছেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এই ধরনের মন্তব্যের পরেও কেন প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নীরব রয়েছেন।জয়প্রকাশ আরও বলেন, একজন সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তির মুখে এমন প্ররোচনামূলক কথা দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর জন্য বিপজ্জনক। এর ফলে রাজনৈতিক পরিবেশ আরও অশান্ত হয়ে উঠতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।নির্বাচনের আগে এই ধরনের মন্তব্যে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তাপ অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উন্নয়ন ও জনস্বার্থের ইস্যু ছেড়ে এখন ব্যক্তিগত আক্রমণ ও পাল্টা হুমকিই রাজনীতির মূল কেন্দ্র হয়ে উঠছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal