• ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রবিবার ০৭ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Leader

রাজনীতি

সাময়িক বরখাস্ত হয়ে রাজ্য নেতৃত্বরর উপরই ক্ষোভ উগরালেন জয়প্রকাশ-রীতেশ

বঙ্গ বিজেপির দীর্ঘদিনের সৈনিকরা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠতেই প্রথমে শোকজ নোটিস আর তারপর দল থেকে সাময়িক বরখাস্ত। শৃঙ্খলাভঙ্গের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বরখাস্ত থাকবেন জয়প্রকাশ মজুমদার এবং রীতেশ তিওয়ারি। দলের এই কঠোর সিদ্ধান্তে যথেষ্টই অভিমানী দুই বিক্ষুব্ধ নেতা। মঙ্গলবার বিকেলে সাংবাদিক বৈঠকে জয়প্রকাশের গলায় সেই অভিমানের সুর স্পষ্ট।জয়প্রকাশ মজুমদার মঙ্গলবার বলেন, পশ্চিমবঙ্গের গত ৩৫ বছরের রাজনীতির সঙ্গে আমি সর্বতোভাবে সম্পৃক্ত হয়ে জড়িয়ে আছি। বিজেপিতে ২০১৪ সালে যোগ দেওয়ার পরের বছরই বিজেপি আমাকে রাজ্যের-সহ সভাপতি করে। তার পরের বছর আর একটি দায়িত্ব দেয়, যা অনেকেরই অজানা। রাজনৈতিক বিশ্লেষণ বিভাগ রয়েছে রাজ্য বিজেপির। তার দায়িত্ব আমাকে দেওয়া হয়। তা কেন্দ্রকে নিয়মিত পাঠানোর দায়িত্ব ছিল আমার। সেই কাজ ২০২১ -এর নির্বাচনের আগে এবং পরেও আরও দুই-তিন মাস পর্যন্ত করেছি। কেন্দ্রীয় বিজেপিকে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং তার উপর বিশ্লেষণ পাঠানোর দায়িত্ব ছিল আমার।তিনি আরও বলেন, বিজেপি ২০১৬-র নির্বাচন তিনটি কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিল। এরপর ২০১৯-এর নির্বাচনে আমরা ১৮ টি আসন জিতে আসি। বিজেপি এই রাজ্যে এক অভূতপূর্ব জায়গায় পৌঁছায়। প্রধান প্রতিপক্ষ হয়ে উঠে আসে। আমার তার পর থেকেই মনে হচ্ছিল, যে কোনও কারণেই হোক না কেন, বিজেপির এই উত্থানকে কেন্দ্রীয় কিছু নেতা এবং রাজ্যের কয়েকজন নেতা, ভালভাবে মেনে নিতে পারছেন না। বাংলার বিজেপিকে দুর্বল করার চেষ্টা শুরু হয়। ২০১৯ -এর পর থেকে এই বাংলায় দেখতে পাই, বাংলার যে নেতা কর্মীরা ১৮ টি আসন জেতাল এবং দুটি আসন অল্পের জন্য হেরে গেল এই পর্যায়ে বিজেপিকে নিয়ে আসল, তাদের উপর আর ভরসা করা যাবে না এমন একটা উদ্যোগ শুরু হল। হয় অন্য দল থেকে লোক নিয়ে আসতে হবে, নাহলে বাইরে থেকে লোক নিয়ে এসে বাংলার বিজেপিকে তরী পার করাতে হবে। আমি তখন থেকেই কেন্দ্রের কাছে পাঠানো ফিডব্যাকে বলেছি, এটা ঠিক রাস্তা হচ্ছে না। কিন্তু সেই রিপোর্ট যে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে খুব একটা প্রশংসিত হয়নি, সেই কথাও স্পষ্ট করে দেন জয়প্রকাশ।জয়প্রকাশের আরও অভিযোগ, কর্মীদের উপেক্ষা করছে নেতৃত্ব। বাংলায় বিজেপি কর্মীরা ভাল নেই। কোনও জেলা কমিটি আজও তৈরি হয়নি। বিক্ষোভ এড়াতে নেতাদের চুপ রাখা হচ্ছে। একইসঙ্গে তাঁর আক্রমণের নিশানায় রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বললেন, মাত্র আড়াই বছর রাজনীতিতে এসেছেন সভাপতি। প্রবীণ ও অভিজ্ঞ নেতারা আজ রাজ্য বিজেপিতে ব্রাত্য।মঙ্গলবার আরও বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন রীতেশ। তিনি বলেন, কদিন আগেই রাজ্য সভাপতি সব কমিটি এবং সেল ঘোষিত ভাবে ভেঙে দিয়েছেন। তবে যে কমিটি আমাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে, তারই তো স্বস্তি নেই। একই সঙ্গে তিনি বলেন, দলের তৎকাল নেতাদের অনেকে কোনও দিন রাজনৈতিক স্বার্থ ত্যাগ স্বীকার করেননি। তৃণমূলের সাহায্য নিয়ে ব্যক্তিগত উন্নতি ঘটিয়েছেন। পেশা থেকে অনেক রোজগার করেছেন। এঁরা গত বিধানসভা নির্বাচনের আগে থেকে দলের ক্ষতি করতে এসেছেন।বিক্ষুব্ধ নেতা জয়প্রকাশ মজুমদারের কথায়, ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে কোনও আন্দোলন হয়নি। আমরা আদালতে গিয়েছি অনেকবার। কিন্তু যে কর্মীরা মার খেয়েছে, তাঁদের পাশে দাঁড়ানো, সেই জেলায় যাওয়া, সেই মণ্ডলে যাওয়া তার থেকে সবাই বলেছে হাইকোর্টে গিয়ে সেটা কাগজে বেরোলে বেশি সাহায্য হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন বামফ্রন্টের বিরুদ্ধে ক্ষমতায় আসার জন্য লড়াই করছিলেন, তখন তিনি হাইকোর্টের উপর নির্ভর করে লড়াই করেননি। তিনি মাঠে ময়দানে রাস্তায় নেমে লড়াই করেছিলেন। কারণ, সেটাই বাংলার রাজনীতি। কিন্তু অদ্ভুতভাবে ২০২১-এর নির্বাচনের পরবর্তী ক্ষেত্রে নির্বাচনের ফলাফলের কোনও পর্যালোচনা হল না। ভার্চুয়াল মিটিংয়ে কেউ কথা তুলতে গেলে তাঁকে চুপ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। মাইক অফ করে দিতে বলা হয়েছে।

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
রাজনীতি

ব্রেকিংঃ বঙ্গ বিজেপির দুই শীর্ষ নেতাকে সাময়িক বরখাস্ত, গুঞ্জন বাড়ল

শেষমেশ রাজ্য বিজেপির দুই শীর্ষ নেতাকে সাময়িক বরখাস্ত করল দল। এর আগে রীতেশ তেওয়ারি ও জয়প্রকাশ মজুমদারকে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের প্রশ্নে শোকজ করেছিল দল। এবার সাময়িক বরখাস্ত করল বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সোমবার রাজ্য বিজেপির কার্যালয় সম্পাদক প্রণয় রায় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নির্দেশে নিম্নলিখিত ব্যক্তিদ্বয়ের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের দল থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হচ্ছে।রাজ্য বিজেপির নতুন কমিটিতে শীর্ষ নেতৃত্বের অনেকেই জায়গা পায়নি। এদিকে দলের মতুয়া নেতাদের অভিযোগ, তাঁদের প্রতিনিধিদেরও ব্রাত্য রেখেছে রাজ্য বিজেপি। মূলত দলের বিক্ষুব্ধ অংশ ও মতুয়া প্রতিনিধিরা এক হয়ে নানান জায়গায় বৈঠক করছেন। এমনকী পিকনিকও চলছে দুই তরফের উপস্থিতিতে। তাঁদের বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা মতুয়া সঙ্ঘাধিপতি শান্তনু ঠাকুর রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের প্রতি তোপ দেগেছেন। গতকালও রীতেশ তেওয়ারী ও জয়প্রকাশ মজুমদারের পাশেই দাঁড়িয়েছেন শান্তনু ঠাকুর। তবে শুধু এই দুজন নয়, বঙ্গ বিজেপির বহু শীর্ষ নেতাই বৈঠকগুলিতে হাজির থেকেছেন। এবার সাময়িক বরখাস্ত করার পর আর কারও ওপর এই খাড়া পড়ে কিনা সেটাই এখন মূল চর্চা রাজনৈতিক মহলে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
রাজ্য

Maldah-TMC: আগ্নেয়াস্ত্র হাতে সেলফি তুলছেন তৃণমূল নেত্রী! ভাইরাল ছবি

নিজের দপ্তরে চেয়ারে বসে হাতে ধরা অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র,নিজস্বী তুলছেন জেলার প্রথম সারির তৃণমূল নেত্রী! নেটমাধ্যমে ভাইরাল এই ছবিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর তৈরি হয়েছে পুরাতন মালদহে।জেলা সফরে মালদহেই রয়েছেন দলের সুপ্রিমো তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় এই ছবি ভাইরাল হওয়ায় রীতিমতো অস্বস্তিতে তৃণমূল। হতবাক ব্লক আধিকারিকও। এর আগেও একাধিক বার বিতর্কে জড়িয়েছেন পুরাতন মালদহ পঞ্চায়েত সমিতি তথা মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি মৃণালিনী মণ্ডল মাইতি। যদিও এই ছবির সত্যতা যাচাই করেনি জনতার কথা।এই ছবি নিয়ে সবর হয়েছে বিজেপি-ও। দলের জেলা সভাপতি গোবিন্দচন্দ্র মণ্ডল বলেন, ১১ বছরে গোটা রাজ্যের পাশাপাশি মালদহকেও বারুদের স্তূপে দাঁড় করিয়েছে শাসকদল। ওদের অফিসে এটাই সংস্কৃতি। পিস্তল আছে। খুঁজলে বোমাও পাওয়া যাবে। একে ৪৭-ও পাওয়া যেতে পারে। তবে, মৃণালিনী মণ্ডল মাইতি-কে এ নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ওটা বন্দুক নয় লাইটার। এক বছর আগের ছবি।এ নিয়ে রাজ্য তৃণমূল সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী বলেন, সরকারি চেয়ারে বসে এই ধরনের কাজ বাঞ্ছনীয় নয়। আগ্নেয়াস্ত্রটি খেলনা না আসল সেটা পুলিশ অনুসন্ধান করে বলবে। তবে, আমি যেটা ছবিতে দেখলাম তাতে মনে হচ্ছে এটা আসল আগ্নেয়াস্ত্র। এই ঘটনার তদন্ত হবে বলে জানিয়েছে তৃণমূল।সম্প্রতি হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকার এক পঞ্চায়েত প্রধানের দেওর আগ্নেয়াস্ত্র প্রশিক্ষণ দিচ্ছিলেন। সেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
রাজ্য

BJP-TMC: এক ফ্রেমে বিজেপির শীর্ষ নেতা ও বর্ধমানের তৃণমূল বিধায়ক, জল্পনা শুরু রাজনৈতিক মহলে

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ফল বের হওয়ার পর থেকেই বিজেপি থেকে তৃণমল কংগ্রেসে যোগদানের হিরিক পড়ে গিয়েছে। রাজ্য স্তর থেকে জেলা স্তরে চলছে যোগদান পর্ব। এদিকে বর্ধমানে এক অনুষ্ঠানে জেলা বিজেপির এক নেতা পুষ্পস্তবক তুলে দিচ্ছেন তৃণমূল বিধায়কের হাতে। সৌজন্য়মূলক দৃশ্য মনে হলেও রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন শুরু হয়েছে ছবিকে ঘিরে। ছবিটি নিজের ফেসবুক পেজে পোস্ট করেছেন স্বয়ং অঞ্জন মুখোপাধ্যায়।সম্প্রতি বর্ধমানে এক অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস, তৃণমূল নেতা ইন্তেকাব আলম ও শিবশঙ্কর ঘোষ। ওই অনুষ্ঠানে তৃণমূল বিধায়কের হাতে পুষ্পস্তবক তুলে দেন বিজেপি নেতা অঞ্জন মুখোপাধ্যায়। যদিও এই অনুষ্ঠান ছিল বর্ধমান ডিজ-এবেল্ড ওয়েল ফেয়ার সোসাইটির উদ্যোগে। তবু দুই বিপরীত প্রান্তের রাজনৈতিক নেতৃত্ব হাজির থাকায় বিতর্ক সামনে এসেছে। তৃণমূল বিধায়ক ও অন্য তৃণমূল নেতারাই ছিলেন মঞ্চ আলো করে। তবে একাংশের বক্তব্য, উন্নয়ন যজ্ঞে এমন রাজনৈতিক সৌজন্য থাকাটাই স্বাভাবিক।২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে ভাতার বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হয়েছিলেন অঞ্জন মুখোপাধ্যায়। এর আগে তিনি ছিলেন আরএসপির যুব সংগঠনের রাজ্য নেতা। এবার তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গে তাঁকে এক ফ্রেমে দেখা যাওয়ায় নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে বর্ধমানের একাধিক বিজেপি নেতা ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ গোয়ার বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছে চোটআঘাতে জর্জরিত এসসি ইস্টবেঙ্গলআরও পড়ুনঃ জোরে বোলার থেকে স্পিনার, আজাজকে দারুণ উপহার ভারতীয় দলের

ডিসেম্বর ০৬, ২০২১
রাজনীতি

Mamata-Sharad Power: মমতাকে পাশে নিয়ে বার্তা কীসের বার্তা দিলেন শরদ পাওয়ার?

লক্ষ্য ২০২৪ লোকসভা নির্বাচন। তার আগে বিরোধী ঐক্যে শান দিতে মুম্বইয়ে পৌঁছে গিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ বিকেলে এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ারের সঙ্গে দেখা করেন মমতা। সঙ্গে ছিলেন ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। আর সেখানেই মায়ানগরী মুম্বইয়ের সঙ্গে এক সুতোয় মিলিয়ে দিলেন তিলোত্তমা কলকাতাকে। শরদ পাওয়ারের জন্য উপহার নিয়ে গিয়েছেন মমতা। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং ছত্রপতি শিবাজির ছবি-সহ এক বাঁধানো ফ্রেম। যে বিরোধী ঐক্য ছত্রখান হয়ে যাওয়া নিয়ে বার বার আলোচনায় হচ্ছে, ঠিক সেই সময় এই বৈঠক থেকে মমতা যেন বার্তা দিয়ে গেলেন, বিরোধীরা এককাট্টাই রয়েছে।উল্লেখ্য, আজ সকালে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলার সময়েও বিরোধী ঐক্যের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছিলেন মমতা। তিনি বলেছিলেন, যদি সব আঞ্চলিক দলগুলি যদি এক ছাতার তলায় আসে, তাহলে বিজেপিকে পরাস্ত করার কাজটা অনেক সহজ হয়ে যাবে।Today, our Honble Chairperson @MamataOfficial and our National General Secretary @abhishekaitc met with Shri @PawarSpeaks. pic.twitter.com/spR4mKwFde All India Trinamool Congress (@AITCofficial) December 1, 2021আজ প্রায় একঘণ্টা ধরে চলা বৈঠক শেষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, একটা বিকল্প শক্তি গড়ে উঠা দরকার। কারণ, এখন যে ফ্যাসিবাদী রাজ চলছে, তার বিরুদ্ধে লড়াই করার মতো কেউ নেই। শরদ পাওয়ার সবথেকে বর্ষীয়ান নেতা। আমি আমাদের বিরোধী দলগুলি নিয়ে আলোচনা করতে এসেছিলাম। শরদ পাওয়ার যা যা বলেছেন, তার সঙ্গে আমি একমত। এখানে আর কোনও ইউপিএ নেই।সম্প্রতি কংগ্রেসের সম্পর্কে মাঝে মধ্যেই বিরূপ মন্তব্য করতে গিয়েছে তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বকে। মমতা থেকে শুরু করে অভিষেক, বক্রোক্তি করতে কেউই ছাড়েননি। প্রশ্ন উঠছিল, তাহলে কি কংগ্রেসকে বাদ দিয়েই জোট করতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? আজ সেই প্রসঙ্গেও মমতাকে পাশে রেখে জবাব দিলেন এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়ার। বললেন, কংগ্রেস হোক বা অন্য যে কোনও দল, যারাই বিজেপির বিরোধী, তারা যদি এক ছাতার তলায় আসতে চায় তাদের স্বাগত।মমতার সঙ্গে বৈঠক শেষে শরদ পাওয়ার আরও বলেন, আমাদের এক শক্তিশালী বিকল্প নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে। আমরা আজকের জন্য ভাবছি না। আমরা ভাবছি নির্বাচনের কথা। এই শক্তিশালী বিকল্প গড়ে তুলতেই হবে। আর সেই জন্যই মমতা বৈঠক করতে এসেছিলেন। আমাদের বৈঠক ফলপ্রসু হয়েছে।

ডিসেম্বর ০১, ২০২১
রাজ্য

Maldah TMC Leader: মালদায় প্রকাশ্যে বন্দুক চালানো প্র্যাকটিস করছেন তৃণমূল নেতা! ফুটেজ ভাইরাল হতেই অস্বস্তিতে দল

বন্দুক চালানো প্র্যাকটিস করছেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা। মালদহের হরিশচন্দ্রপুরের কাতলামারিতে। টিপ করে গুলি চালানোর ছবি সামনে এল আজ। যদিও ভিডিও ফুটেজ বা ছবির সত্যতা যাচাই করেনি জনতার কথা। তবে ওই ফুটেজ দেখেই আরজাউল হক নামে ওই তৃণমূল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বেআইনি অস্ত্র রাখার আইনে মামলাও শুরু হয়েছে। আরজাউল কাতলামারি এলাকার মালিওর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান তোরিনা খাতুনের দেওর বলে পরিচিত।ভিডিওতে যে ব্যক্তিকে দেখা যাচ্ছে, তিনি হরিশ্চন্দ্রপুর-২ ব্লকের মালিওর-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান তোরিনা খাতুনের দেওর। তিনি ঝোপের মধ্যে বন্দুক তাক করে গুলি চালাচ্ছেন পরপর। আরজাউল দলের সক্রিয় সদিস্য।স্থানীয় নেতা। প্রশ্ন উঠছে, কীভাবে তাঁর হাতে বন্দুক এল? আর কেনই বা বন্দুকের প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন, সেটাও প্রশ্নের। তবে এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে তুমুল রাজনৈতিক বিতর্ক।সার্বিক বিষয়কে ভীষণরকমভাবে অস্বস্তিতে তৃণমূল নেতা।অন্যদিকে, ত্রিপুরার প্রসঙ্গে টেনে এনে তৃণমূল নেতা কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী বলেন, এখানে তো ওরা প্র্যাকটিস করছিল। ত্রিপুরায় তো গুলি করে মেরেই দিচ্ছে। আর আইনের শাসন না থাকলে কীভাবে গ্রেপ্তার হল ওই যুবক? পুলিশ তো তাকে গ্রেপ্তার করেছে। অনেকেই অনুপ্রবেশ করছে, তারাই দাবি করছে আমরা তৃণমূলের নেতা। তবে আদৌ তা কিনা, সেটাও দেখতে হবে। বিহার থেকে লোক ঢুকে পড়ছে। আর তারা তৃণমূলের নাম নিয়ে নিচ্ছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগেই ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের কাতলামারি এলাকায় তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে দুই তৃণমূল কর্মী গুলিবিদ্ধ হন। মালিওর-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ক্ষমতা দখলকে ঘিরে ফের ওই দুই গোষ্ঠী সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে মালিওর-২ এ বাম ও কংগ্রেস বোর্ড গঠন করে। পরে প্রধান ও বাকি সদস্যরা শাসক শিবিরে নাম লেখান। প্রধানের বিরুদ্ধে দলেরই একাংশ অনাস্থা পেশ করে। কিন্তু প্রধান আদালতের দ্বারস্থ হয়ে স্থগিতাদেশ পেয়েছেন। তা নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা রয়েছে। এই আবহেই প্রধানের দেওরের বন্দুক থেকে গুলি ছোড়ার ভিডিও ভাইরাল হতেই হইচই পড়ে গিয়েছে। এদিকে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন মালদা জেলা বিজেপি। বিজেপির পক্ষে প্রান গোবিন্দ মণ্ডল বলেন, তৃণমূল রাজ্য জুড়েই সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করে রেখেছে। এখন তাদের তৃণমূল কর্মীদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। গ্রামে গ্রামে এখন উন্নয়ন কর্মসংস্থানের বদলে অস্ত্রপ্রশিক্ষণ দিয়ে জঙ্গি তৈরি করছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। এই প্রেক্ষিতে মালদা জেলা তৃণমূলের মূখপাত্র শুভময় বসু বলেন, যারা এমন কাণ্ড ঘটাবে দল তাদের পাশে থাকবে না। এরাজ্যে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত বলেই পুলিশ অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে। বিজেপি শাসিত রাজ্যে তা কখনই হয়না। এ প্রসঙ্গে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি সঞ্জয় কুমার দাস জানান, আমরা আরজাউল হককে গ্রেপ্তার করেছি। অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সমস্ত ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন। তার ওপরে ওই এলাকায় চলছে পঞ্চায়েত প্রধানের নির্বাচনকে ঘিরে অনাস্থা। আর এরই মধ্যে তৃণমূল নেতার গেরিলা কায়দায় গুলি ছোড়ার ভিডিও ভাইরাল হতে এলাকায় বিতর্ক শুরু হয়ে গিয়েছে।

নভেম্বর ২৭, ২০২১
রাজনীতি

UttarPradesh-TMC: মোদির গড়ে মমতার প্রবেশ, উত্তরপ্রদেশ কংগ্রেসে ভাঙন, তৃণমূলে যোগ ২ নেতার

গত শনিবার উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, তৃণমূলের পরের টার্গেট উত্তরপ্রদেশ৷ তার ঠিক দু দিনের মাথায় উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসে ভাঙন ধরালো তৃণমূল। এ দিন শিলিগুড়িতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে তৃণমূলে যোগ দিলেন উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসের সহ সভাপতি রাজেশপতি ত্রিপাঠী৷ তাঁর সঙ্গে তৃণমূলে যোগ দিলেন উত্তরপ্রদেশের আরও এক কংগ্রেস নেতা ললিত ত্রিপাঠী৷এর আগে গোয়াতেও কংগ্রেসে বড়সড় ভাঙন ধরিয়েছে তৃণমূল৷ এবার উত্তরপ্রদেশেও একই পথে হাঁটল তারা৷Today, eminent leaders from Uttar Pradesh Shri Rajeshpati Tripathi Former Vice President of @INCUttarPradesh Shri @LaliteshPati joined the Trinamool family in the presence of Smt. @MamataOfficial and Shri @abhishekaitc.Extending a very warm welcome to both leaders! All India Trinamool Congress (@AITCofficial) October 25, 2021উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসে ভাঙন ধরিয়ে থামছে না কংগ্রেস৷ ছট পুজোর পরই তিনি নিজে বারাণসী যাবেন বলে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, দলে যোগ দিয়ে উত্তরপ্রদেশের দুই নেতাই তাঁকে সেখানে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন৷ মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, দুই নেতাই কংগ্রেস থেকে ইস্তফা দিয়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন৷আগামী বছর উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন৷ তৃণমূলে যোগ দেওয়া কংগ্রেস নেতা রাজেশপতি ত্রিপাঠী বলেন, কংগ্রেস দুর্বল হচ্ছে বলেই কংগ্রেস কর্মীরা বিজেপি-র সঙ্গে লড়তে পারছে না৷ তারা নিজেদের দুর্বল মনে করছে৷ আর এক নেতা ললিত ত্রিপাঠী বলেন, উত্তরপ্রদেশের মানুষ সচেতন৷ সময় সময় নতুন বিকল্প বেছে নিয়েছেন৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো নেতৃত্ব থাকলে আমরা নিশ্চিত যে উত্তরপ্রদেশের মানুষও বিশ্বাস করবেন যে বিজেপি-র প্রকৃত বিরোধিতা করতে পারে তৃণমূলই৷ মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, উত্তরপ্রদেশের মানুষকে নিয়েই সেখানে সংগঠন গড়ে তুলবে তৃণমূল।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
রাজ্য

Rape: মঙ্গলকোটে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন তরুনীকে হুমকি দেখিয়ে সহবাসের অভিযোগ বিজেপি নেতার ভাইয়ের বিরুদ্ধে

হুমকি দিয়ে দিনের পরদিন সহবাস করে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন তরুনীকে অন্তঃসত্ত্বা করে দেওয়ার অভিযোগ উঠলো বিজেপি নেতার ভাইয়ের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটে। ঘটনা সবিস্তার উল্লেখ কবে তরুণীর পরিবার বৃহস্পতিবার রাতে অভিযুক্ত চুনী আনসারির বিরুদ্ধে মঙ্গলকোট থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই ঘটনা জানার পর থেকেই এলাকা ছেড়ে গা ঢাকা দিয়েছে বিজেপি নেতা ডাবলু আনসারি ও তাঁর ভাই চুনী আনসারি। মামলা রুজু করে পুলিশ হন্যে হয়ে অভিযুক্তের সন্ধান চালাচ্ছে। এলাকার বাসিন্দাদের কথায় জানা গিয়েছে, বাম আমলে মঙ্গলকোটে সিপিএমের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা ছিলেন ডাবলু আনসারী। ২০১১ সালে রাজ্য রাজনীতিতে পালাবদলের পর তিনি এলাকা ছাড়া হয়ে যান। কয়েক বছর আগে ডাবলু আনসারী বিজেপিতে যোগদান করেন। মঙ্গলকোটের টালিপাড়ার তরুণীর পরিবারের অভিযোগ, বিজেপি নেতা ডাবলু আনসারির ভাই চুনী আনসারি হুমকি দিয়ে দিনের পর দিন তাঁদের পরিবারের বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন যুবতী মেয়ের সঙ্গে সহবাস করে।তরুনী তাঁর দরিদ্র দাদার কাছে থাকে। দাদা মুটিয়ার কাজ করেন। আর পরিবারের অন্যান্যরা জনমজুরির কাজ করেন। সকাল হতেই পরিবারের সবাই কাজে বেড়িয়ে যান। দিনের বেলায় তরুণী বাড়িতে একাই থাকতো। অভিযোগ তারই সূযোগ নিয়ে চুনী আনসারি হুমকি দিয়ে দিনের পর দিন বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ওই তরুণীর সঙ্গে সহবাস করতো। সম্প্রতি তরুনীর শারীরিক পরিবর্তন হতে শুরু করলে পরিবারের লোকজনের সন্দেহ হয়। বৃহস্পতিবার বাড়ির সকলে মিলে তরুনীকে চেপে ধরলে সে কান্নায় ভেঙে পড়ে। তরুণী চুনী আনসারির কুকীর্তির কথা পরিবারের লোকজনকে জানায়। তরুণীর মখ থেকে থেকে চুনীর কুকীর্তি জানার পর ওই দিনই পরিবারের লোকজন মঙ্গলকোট থানার দ্বারস্থ হন। এই ঘটনা সামনে আসার পর মঙ্গলকোট পঞ্চায়েতের উপপ্রধান চন্দন সরকার ও বিজেপির বর্ধমান পূ্র্ব (গ্রামীণ) জেলা কমিটির সহ-সভাপতি রানাপ্রতাপ গোস্বামী উভয়েই চুনী আনসারির দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবি করেছেন।

অক্টোবর ২২, ২০২১
রাজ্য

কাটোয়ায় কর্মীসভা থেকে দলের জেলা সভাপতিকে হুমকি অনুব্রত ঘনিষ্ট তৃণমূল নেতার

বিধানসভা ভোটে অভাবনীয় জয়ের পরেও পূর্ব বর্ধমান জেলায় চরমে উঠেছে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল। কর্মী সভা থেকে দলের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে হরিদাস পাল বলে কটুক্তি করলেন দলের অনুব্রত অনুগামী কাটোয়ার নেতা অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ঘটনা জেলার রাজনৈতিক মহলে যথেষ্টই শোরগোল ফেলে দিয়েছে। যা নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি জেলার বিজেপি নেতৃত্ব। যদিও কাটোয়ার বিধায়ক তথা জেলা তৃণমূলের সভাপতি রবীন্দ্রনাথবাবু এদিন স্পষ্ট জানিয়েদেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হওয়া কর্মী সভা দলের কর্মীসভা নয়। অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায় নামে নামে কে কর্মী সভার আয়োজন করেছে তাঁকেও চেনেন না বলেও রবীন্দ্রনাথবাবু জানিয়েদেন।কাটোয়া শহরের রবীন্দ্র পরিষদে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় একটি কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথের ঘনিষ্ট ও অনুব্রত মণ্ডলের অনুগামী হিসাবে পরিচিত দলের জেলা সম্পাদক অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায় ওই কর্মী সভায় নেতৃত্ব দেন। কর্মী সভায় তিনি বেশ কয়েকজন কর্মীকে সম্বর্ধনা দেন। অরিন্দমবাবু দাবি করেন, দলের কর্মসূচিতে যে সমস্ত তৃণমূল কর্মীদের বিধায়ক ডাকেন না সেইসব তৃণমূল কর্মীদের তিনি সম্বর্ধনা দিলেন। সম্বর্ধনা শেষে বক্তব্য রাখতে উঠে অরিন্দম বাবু জেলা তৃণমূলের সভাপতি তথা বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে একের পর এক কটুক্তি করেন। তিনি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের নাম মুখে না এনে বলেন, ২০১৫ সালে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়ে বিধায়ক ও দলের জেলা সভাপতি হয়েছেন। পুরানো তৃণমূল কর্মীদের কোন অসম্মান করতে আর ওনাকে দেব না।আরও পড়ুনঃ নিম্নচাপে বিধ্বস্ত রাজ্য, রাতভর তুমুল বৃষ্টিতে ভাসছে শহর থেকে জেলামমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে স্লোগান দিতে কোন হরিদাস পালের অনুমোদন লাগে না। হরিদাস পালের অনুমতিও নেবেন না। পুলিশ দিয়ে ভয় দেখিয়ে লাভ নেই।২০১৫ সালে যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গালাগাল দিত তাঁরাই আজ কাটোয়ায় তৃণমূলের ক্ষমতায় আছে। তাঁরাই রাজনীতিটাকে ব্যবসায় পরিণত করেছে। এমন নেতা ও তাঁর সাগরেদদের সম্পত্তির হিসাব নেওয়া হবে। পাশাপাশি জেলা তৃণমূলের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়কে নাম না করে হুমকির সুরে অরিন্দমবাবু বলেন, আপনি এমন কোন হরিদাস পাল নন যে আপনাকে মাথায় করে রাখতে হবে।আপনাকে ছেড়ে কথা বলব না।তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য নেতৃত্ব মাস খানেক আগে পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সভাপতি পদে বদল ঘটায়। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথকে সরিয়ে কাটোয়ার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়কে জেলা সভাপতি করে দল। তারপর থেকে দলের একাংশ রবীন্দ্রনাথবাবুর বিরুদ্ধে সুর চড়াচ্ছিলেন। এমনকি রবীন্দ্রনাথবাবু জেলা সভাপতি হওয়ার পরে কেতুগ্রামে এক জনসভা মঞ্চ থেকে অনুব্রত মণ্ডলকে বলতে শোনা যায়, দলের কাটোয়ার দায়িত্ব সামলাবে অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায়। দলীয় সূত্রে খবর অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায় বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের যেমন অনুগামী তেমনই তিনি প্রাক্তন পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সভাপতি স্বপন দেবনাথেরও ঘনিষ্ট। তবে রবীন্দ্রনাথবাবুকে কটুক্তি করা নিয়ে প্রাক্তন জেলা সভাপতি স্বপন দেবনাথ তাঁর ঘনিষ্ট অরিন্দম বন্দ্যোপধ্যায়ের পাশে দাঁড়াননি। স্বপনবাবু স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, অরিন্দমের বক্তব্য আমি সমর্থন করি না। কর্মীসভা করতে হলে দলের জেলা সভাপতির অনুমতি নিয়েই করতে হবে।আরও পড়ুনঃ বাবা-মায়ের সঙ্গে ভালো সময় কাটছে ইউভানবিজেপি পূর্ব বর্ধমান জেলা সহসভাপতি অনিল দত্ত এই প্রসঙ্গে বলেন, তৃণমূলের এক নেতা তাঁদেরই জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে হুংকার ছাড়ছেন। এর থেকেই বোঝা যাচ্ছে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল এখন কোন পর্যায়ে পৌছেছে। দলের জেলা সভাপতিকে যিনি কটুক্তি করছেন তাঁর মাথায় তৃণমূলের উপর সারির নেতাদের হাত রয়েছে বলেই মত বিজেপি নেতৃত্বের।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
কলকাতা

Bhawanipur: বিরোধী দলনেতার পদ ছাড়তে পারেন শুভেন্দু, ভবানীপুরের ভোটপ্রচারে কেন এই চ্যালেঞ্জ?

ভবানীপুর উপনির্বাচনে পর পর সভা করে চলেছেন তৃণমূল প্রার্থী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রচারে কোনও ফাঁক রাখছেন না তিনি। বিজেপিও সমানতালে প্রচার করছে ভবানীপুরে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এদিন ভবানীপুরের জনসভায় ঘোষনা করেছেন প্রিয়াঙ্কাকে জেতালে তিনি তাঁর পদ ছেড়ে দেবেন। একইসঙ্গে তিনি ভবানীপুরে অকাল ভোটের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করেছেন। শুভেন্দু এদিন প্রশ্ন তুলেছেন কেন ভবানীপুরে নির্বাচন হচ্ছে? এখানকার তৃণমূলের জয়ী বিধায়ক কি অসুস্থ? নাকি তিনি দল বদলেছেন? নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, ভবানীপুরের তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় সুস্থ। তিনি দলবদলও করেননি। নন্দীগ্রামে হেরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হয়ে ভবানীপুরে ভোট চাপিয়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তা্র জন্য জনগণের পকেট কেটে ৫ কোটি টাকা খরচ হবে নির্বাচনে।ভবানীপুরের নির্বাচনী সভায় মমতা বলেছেন, আমাকে মুখ্যমন্ত্রী দেখতে চাইলে সবাই আমাকে ভোট দিন। বৃষ্টি পড়লে ছাতা মাথায় দিয়ে বা বর্ষাতি পড়েও ভোট দিতে যাবেন। তিনি চেয়ার আঁকড়ে রাখতে চাইছেন বলেও এদিন কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তবে নিজে যে চেয়ার ছেড়ে দিতে প্রস্তুত সেকথাও জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।এদিন শুভেন্দু ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালকে জয়ী করার জন্য আবেদন জানান। বিরোধী দলনেতা বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, আমি মুখ্যমন্ত্রী থাকবো না। তোমরা একটা একটা করে ভোট দাও। আমি শুভেন্দু অধিকারী বলে যাচ্ছি, প্রিয়াঙ্কাকে জেতান। আমি দিল্লির নেতাদের বলবো আমার চেয়ারটা ওকে দিয়ে দেওয়ার জন্য। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, আমার চেয়ারটা রাখতে হবে। এই তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্যাক্রিফাইস।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১
রাজ্য

Superi Killers: আউশগ্রামে তৃণমূল যুবনেতাকে খুনে ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই সুপারি কিলার

সুপারি কিলারদের দিয়ে তৃণমূল নেতাকে খুনের আশঙ্কাই শেষপর্যন্ত সত্যি হল। পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের দেবশালা অঞ্চলের তৃণমূল যুবনেতা চঞ্চল বক্সীকে খুনের ঘটনায় অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়লো দুই সুপারি কিলার। ধৃতরা হল মহম্মদ ইমরান কুরেশি ও শেখ শের আলি। ধৃতদের মধ্যে ইমরানের বাড়ি দুর্গাপুরের ডিভিসি মোড়ের কাছে ভবানীপল্লিতে। আর অপর ধৃত শের আলির বাড়ি বীরভূম জেলার দুবরাজপুর এলাকায়। খুনের ঘটনার মূল চক্রী আসানুল মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আউশগ্রাম থানার পুলিশ দুই সুপারি কিলারের নাম জানতে পারে। তারপরেই শুক্রবার আউশগ্রাম থানার পুলিশ দুই দলে ভাগ হয়ে দুর্গাপুর ও বীরভূমের সাঁইথিয়ায় হানা দিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।পুলিশের দাবি, ধৃতরা তৃণমূলের যুব নেতা চঞ্চল বক্সিকে খুনের কথা কবুল করেছে। তৃণমূলের যুব নেতাকে খুনের ঘটনায় এই নিয়ে আট জন গ্রেপ্তার হল। গত বৃহস্পতিবার পুলিশের জালে ধরা পড়েছিল বিহারের মুঙ্গেরের দুই অস্ত্রকারবারী মহম্মদ ইনতিয়াজ ও মহম্মদ পাপ্পু। ঝাড়খণ্ডে ধরা পড়া এই দুই অস্ত্র কারবারী তৃণমূলের যুব নেতাকে খুনে ব্যবহৃত আগ্নেআস্ত্র সরবরাহ করেছিল বলে পুলিশ জানতে পেরেছে। শনিবার ধৃতদের বর্ধমান আদালতে পেশ করে পুলিশ তদন্তের প্রয়োজনে ১২ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায়। সিজেএম ধৃতদের ৮ দিন পুলিশি হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, গত ৭ সেপ্টেম্বর গেরাই থেকে বাড়ি ফেরার পথে দুস্কৃতীদের হাতে গুলিতে খুন হন দেবশালা পঞ্চায়েতের প্রধান শ্যামল বক্সির ছেলে তৃণমূল কংগ্রেসের যুব নেতা চঞ্চল বক্সি। দুই বর্ধমান জেলার পুলিশ সিট গঠন করে এই খুনের তদন্ত শুরু করে পুলিশ। এক সপ্তাহের মধ্যেই পুলিশ গ্রেফতার করে দেবশালা অঞ্চল যুব তৃণমূল সভাপতি তথা পঞ্চায়েতের সদস্য আসানুর মণ্ডলকে। ধরা পড়ে দেবশালা পঞ্চায়েতের সদস্য মনির হোসেন মোল্লা এবং তৃণমূলের দেবশালা অঞ্চল সভাপতির ছেলে বিশ্বরূপ মণ্ডল। তাদের জেরা করে পুলিশ ভাতকুন্ডা গ্রামের আয়ূব খান নামে আরও এক তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করে। এরপর ধৃতদের জেরা করে বৃহস্পতিবার পুলিশ ঝাড়খণ্ডের জামতাড়া এলাকা থেকে মহম্মদ পাপ্পু ও মহম্মদ ইমতিয়াজ ওরফে পিন্টু নামে দুই দুস্কৃতীকে গ্রেফতার করে। খুনের পর তারা ঝাড়খণ্ডে গা ঢাকা দিয়েছিল। পুলিশ ধৃতদের জেরা করে দুই সুপারিকিলারকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
রাজ্য

CBI: বিজেপি নেতার মাকে খুনের তদন্তে অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধার সিবিআইয়ের

ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসায় পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার নবগ্রামে খুন হন বিজেপি নেতার মা কাকলি ক্ষেত্রপাল(৪৭)। হাইকোর্টের নির্দেশে এই খুনের মামলার তদন্তে নেমে ধৃতদের বাড়ি থেকে বেশ কিছু অস্ত্র উদ্ধার করলো সিবিআই। অস্ত্র উদ্ধার হওয়ার কথা সিবিআই রবিবার বর্ধমান সিজেএম আদালতে জানিয়েছে। সিআইয়ের দাবি, তল্লাশীতে অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে তরোয়াল, কাস্তে ও কাটারি। এরআগে পুলিশও বেশকিছু জিনিসপত্র বাজেয়াপ্ত করেছিল। উদ্ধার হওয়া অস্ত্র সহ সব কিছু নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে সোমবার বর্ধমান আদালতে আবেদন জানিয়েছেন সিবিআইয়ের তদন্তকারী ইন্সপেক্টার অরুন কুমার সিং। বিজেপি কর্মীর মা-কে খুনের মামলায় অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে সিবিআইয়ের অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা জানাজানি হতেই নবগ্রাম এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।আরও পড়ুনঃ লাইনে হুড়োহুড়ি নয়, এই জেলায় বাড়িতে বসেই মিলবে কোভিড-টিকার কুপনবিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের পরের দিন অর্থাৎ ৩ মে দুপুরে রাজনৈতিক হিংসায় উত্তপ্ত হয় জামালপুরের নবগ্রাম এলাকা। ওই দিন নবগ্রামের বিজেপি শক্তিপ্রমুখ আশিস ক্ষেত্রপালের বাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের লোকজনের বিরুদ্ধে। আশিসের বাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি টাঙি দিয়ে তাঁর বাবা অনিল ক্ষেত্রপালকে কোপানো হয় বলে অভিযোগ। হামলাকারীদের হাত থেকে স্বামী অনিল ক্ষেত্রপালকে বাঁচাতে গিয়ে তাঁর স্ত্রী কাকলি ক্ষেত্রপালও আক্রান্ত হন। নির্মম মারধর ও ভোজালির আঘাতে কাকলিদেবী মারাত্মক জখম হন। একই হামলায় জখম হন আশিস ক্ষেত্রপালেরকাকা মানস ক্ষেত্রপালও। জখমদের সকলকে উদ্ধার করে জামালপুর ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক কাকলি ক্ষেত্রপালকে মৃত ঘোষণা করেন। জখম আশিসের বাবা ও কাকাকে স্থানান্তর করা হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। বিজেপি শক্তিপ্রমুখের বাড়িতে হামলা-আক্রমণের খবর পাওয়া মাত্রই আশপাশ থেকে বিজেপির কর্মীসমর্থকরা ঘটনাস্থলে পৌছে তৃণমূলের লোকজনকে ঘিরে ফেলে। ওই সময়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ বাধে। সংঘের্ষ তৃণমূলের দুই কর্মী শাজাহান শা ওরফে শাজু ও বিভাস বাগ গুরুতর জখম হন।তাঁদের ওইদিন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভির্ত করার কিছু সময় পর তাঁরাও মারা যান।আরও পড়ুনঃ আইপিএলের নতুন ফ্রাঞ্চাইজি নেওয়া হতে পারে কোন কোন শহর থেকে?রাজনৈতিক হিংসায় একই দিনে তিন জনের মৃত্যুর ঘটনায় দুই তরফের অভিযোগের ভিত্তিতে জামালপুর থানার পুলিশ পৃথক দুটি মামলা রুজু করে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করে। ঘটনার পর থেকে যদিও বাড়ি ছাড়া থাকে আশিস ক্ষেত্রপাল পাল। পুলিশ পরের দিন ধৃতদের পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। তদন্ত সম্পূর্ণ করে পুলিশ গত ৩ অগস্ট আদালতে চার্জশিটও পেশ করে দেয়। পুলিশি তদন্তে সন্তুষ্ট না হয়ে বিজেপি নেতা আশিস ক্ষেত্রপাল জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে অভিযোগ জানায়। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ভোটপরবর্তী এই রাজনৈতিক হিংসার মামলার তদন্তভার হাতে নেয় সিবিআই। তদন্তের জন্য সিবিআই আধিকারিক দল ২৯ আগষ্ট প্রথম নবগ্রামে পা রাখে। তাঁর পর থেকে বেশ কয়েকদিন ধরে সিবিআই দল নবগ্রাম এলাকাচষে বেড়ায়। সিবিআইয়ের ফরেন্সিক টিমও নবগ্রামে তদন্তে যায়। কাকলি ক্ষেত্রপালের পরিবারের সকল সদস্যের পাশাপাশি এলাকার বেশ কয়েকজনের বয়ানও সিবিআই আধিকারিকরা নথিুভুক্ত করেন। তারই মাঝে অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়েও এদিন আদালতে দাবি জানালো সিবিআই। উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে বলে সিবিআই সূত্রে খবর মিলেছে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
রাজ্য

Take Oath: দিল্লি ও ত্রিপুরা জয়ের শপথ নিলেন পূর্ব বর্ধমানের সকল নেতা, মন্ত্রী ও বিধায়করা

মোদি ও অমিত শাহ একাধিকবার প্রচারে এসেও পদ্ম ফোটাতে পারেননি পূর্ব বর্ধমানে। এই জেলার ১৬টি বিধানসভা আসনেই বিজেপি প্রার্থীদের পরাজিত করে জয়ী হয় তৃণমূল প্রার্থীরা। ঘাসফুল দুর্গ অটুট রাখতে পারা সকল বিধায়ককে রবিবার সম্বর্ধনা দিল জেলার জামালপুর ব্লক তৃণমূল নেতৃত্ব।এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠান থেকেই শ্লোগান উঠলো আর নয় মোদি- ২৪ শে দিল্লির মসনদে চাই দিদি।আরও পড়ুনঃ নিহত বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে গেলেও সিবিআই গরহাজির হত দুই তৃণমূল কর্মীর বাড়ি, বিতর্ক চরমেএদিন জামালপুর থানা সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত হয় তৃণমূলের নেতা, মন্ত্রী ও বিধায়কদের সম্বর্ধনা অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানের আয়োজক ব্লক তৃণমূলের সভাপতি মেহেমুদ খাঁন, যুব সভাপতি ভূতনাথ মালিক ও জামালপুর বিধানসভার বিধায়ক তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি আলোক মাঝি। এদিনের সভায় জেলার বিধায়করা ছাড়াও জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, রাজ্যের মন্ত্রী স্বপনদেবনাথ, মুখ্যমন্ত্রীর কৃষি উপদেষ্টা তথা দুর্গাপুরের বিধায়ক প্রদীপ মজুমদার, জেলাপরিষদ সভাধিপতি শম্পা ধারা, সহ সভাধিপতি দেবু টুডু উপস্থিত ছিলেন। সংবর্ধনা সভায় তৃণমূলের কর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল নজরকাড়া।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় রাজ্যে প্রথম, নদিয়া থেকে গ্রেপ্তার ২তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় এদিন বলেন, এই সংবর্ধনা সভা আসলে ২০২৪-এ বিজেপিকে কেন্দ্র থেকে উৎখাত করার শপথ নেওয়ার সভা। বিধানসভা ভোটে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক পায়ে খেলে বিজেপিকে পর্যুদস্ত করেছে। মোদি, অমিত শাহর বংলা জয়ের স্বপ্ন এক পায়ে খেলেই ভঙ্গ করে দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। ২০২৪-এ দলনেত্রী দুপায়ে খেলবেন। দলের সবাইকে এই সভা থেকেই শপথ নিতে হবে কেন্দ্র থেকে বিজেপিকে উৎখাতের জন্য। এখন থেকেই শ্লোগান তুলতে হবে আর নয় মোদি, ২৪ শে দিল্লির মসনদে চাই দিদি। অন্যদিকে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন, ভোটে ভরাডুবির পর বিজেপির এখন ভরসা সিবিআই আর ইডি। তবে বিজেপি যতই সিবিআই ও ইডি এই রাজ্যে পাঠাক না কেন লাভ কিছু হবে না। এবার ত্রিপুরাতে ঘাসফুল ফুটবে। কেন্দ্র থেকে বিজেপি সরকারকে উৎখাত করার জন্য তৃণমূল কংগ্রেস লড়াই চালাবে। সেই লড়াই আন্দোলনেও দিশা দেখাবেন এই বাংলার মানুষ।

আগস্ট ৩০, ২০২১
বিদেশ

Taliban: তালিবানি অন্ধকারের মধ্যেই কী আশার আলো? মহিলা সঞ্চালককে সাক্ষাৎকার তালিবান নেতার

তালিবানি আতঙ্কের পরিবেশে অনেকটা উলটপুরাণই বটে। একটি আফগান সংবাদমাধ্যমের মহিলা সঞ্চালক বেহেস্তা আরঘান্দকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন তালিবান মিডিয়া সেলের অন্যতম শীর্ষ আধিকারিক মাওলাই আবদুল্লা হেমাদ। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে এই ছবিটি। তাহলে কী সত্যিই বদল এসেছে তালিবানি রক্ষণশীল ধারণায়? প্রশ্ন উঠছে। আরও পড়ুনঃ বাংলার নবাবের ব্যর্থতা ঢেকে লর্ডস অভিযানে নায়ক হায়দরাবাদি সিরাজ কাবুলের দখল নিয়েছে তালিবানরা। গোটা আফগানিস্তানের তাদের দখলে আসা এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা। গোটা বিশ্ব যখন আগের অন্ধকার যুগ ফিরে আসার আতঙ্কে বুঁদ। শরিয়ত আইনের কঠোর শৃঙ্খলে বাঁধা পড়ার আশঙ্কায় যখন আতঙ্কে মহিলারা, তখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে এই ছবিটি। আফগানিস্তানে তালিবান রাজ কায়েম হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মহিলাদের নিয়ে উদ্বিগ্ন গোটা পৃথিবী। কারণ, শরিয়ত আইন মেনে চলা তালিবানরা বরাবরই মহিলাদের কঠোর নিয়মের মধ্যে বেঁধে রাখতে পছন্দ করে। মহিলাদের পড়াশোনার অধিকার, বাইরে কাজের অধিকার, পছন্দ মতো পোশাক পরার অধিকারকে মান্যতা দেয় না তারা। অন্তত অতীত তাই বলছে। কিন্তু এবার আফগানিস্তান নিজেদের কবলে নিয়ে নেওয়ার পর থেকেই মহিলাদের শিক্ষা, চাকরির জন্য আশ্বাসবানী শোনা যাচ্ছে তালিবানদের তরফে। যদিও তাতে ভরসা করতে সাহস দেখাচ্ছেন না কেউই। নারীদের প্রতি তালিবানদের ভূমিকা ঠিক কী হবে, তা নিয়ে ধন্দে পড়ে গিয়েছে আন্তর্জাতিকমহল। এরইমধ্যে মহিলা সঞ্চালককে তালিবানি মিডিয়া সেলের আধিকারিকের দেওয়া সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে বিশ্বকে অন্য বার্তা দেওয়া হচ্ছে বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞমহল। কিন্তু ভবিষ্যতই বলবে তালিবানিযুগে মহিলা স্বাধীনতা ঠিক কতটা উড়ান পায়।

আগস্ট ১৮, ২০২১
রাজনীতি

Purba Bardhaman: গেষ্ঠীকলহের জেরেই কি জেলার শীর্ষে বর্ধমান শহরের কারও স্থান হয়নি? সরানো হল দুই যুব নেতাকেও

অভিজ্ঞতার ওপর ভরসা রাখলেন তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটির মাথাতে রাখা হয়েছে প্রবীণদের। এঁদের মধ্যে তিনজনই আবার বিধায়ক। রাজনৈতিক মহলের মতে, বর্ধমান শহরের তৃণমূল নেতৃত্বের ওপর দল যে সন্তুষ্ট নয় তা ঘোষিত কমিটির তালিকা দেখলে কারও অনুমান করতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।আরও পড়ুনঃ শিকেয় উঠল সামাজিক দূরত্ব, রণক্ষেত্র দুয়ারে সরকারপূর্ব বর্ধমানে তৃণমূল কংগ্রেসের ঘোষিত কমিটির নেতাদের কারও বাড়ি বর্ধমান শহরে নয়। কমিটি ঘোষণার আগে একাধিক নেতা বারে বারে ছুটেছেন কলকাতায়। কিন্তু আদপে তাতে কাজের কাজ কিছু হয়নি তা অন্তত এই কমিটির ঘোষণায় প্রমাণিত। তাই কেউ কেউ মুষড়ে পড়েছেন। তবে দল ভরসা রেখেছে প্রবীণ নেতৃত্বের ওপর। বরং শহরে বাড়ি দুই নেতাকে দল তাঁদের পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। কমিটি ঘোষণার পর থেকে বর্ধমানে তৃণমূলের অন্দরমহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।আরও পড়ুনঃ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয় ভারতেরএক ব্যক্তি এক পদ, এই নীতি আগেই ঘোষণা করেছিল তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। খেলা হবে দিবসের দিন রাজ্যব্যাপী নতুন কমিটি ঘোষণার মধ্য দিয়ে তা বাস্তবায়িত করল তৃণমূল। রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথকে যে সরতে হবে তা জানাই ছিল। কিন্তু সরিয়ে হল পূর্ব বর্ধমানের জেলা যুব সভাপতি রাসবিহারী হালদারকেও। সরিয়ে দেওয়া হয়েছে জেলা আইএনটিটিইউসি সভাপতি ইফতিকার আহমেদকেও (পাপ্পু)। পাপ্পু বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাসের ঘনিষ্ঠ বলেই সূত্রের খবর। যদিও প্রাক্তন যুব সভাপতি রাসবিহারী একটা সময় খোকনের খুব ঘনিষ্ঠ হলেও এখন সম্পর্ক যথেষ্ট তিক্ত বলে সূত্রের খবর।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলে নতুন যুগ, এক নেতা-এক পদজেলা সভাপতি হিসাবে বর্তমান ও প্রাক্তন বিধায়ক-সহ বেশ কয়েকজন নেতা আশায় বুক বেঁধেছিলেন। তাতে জল ঢেলে দিয়েছে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। জেলা কমিটির শীর্ষ নেতৃত্বের খবর প্রকাশ হতেই বর্ধমান শহরের তৃণমূল নেতৃত্বের একটা বড় অংশ গালে হাত দিয়ে বসেছেন। নতুন সভাপতি হয়েছেন কাটোয়ার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। জেলা যুবর সভাপতি জামালপুরের বিধায়ক অলোক মাঝি, আইএনটিটিইউসির সভাপতি হিসাবে ভাতারের বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারীর নাম ঘোষণা করেছে দল। জেলা চেয়ারম্যান পদ থেকে সরানো হয়েছে প্রাক্তন সাংসদ সংঘমিত্রা চৌধুরীকেও। সেই পদে বসেছেন অশোক বিশ্বাস। মহিলা তৃণমূলের সভাপতি হয়েছেন চন্দনা মাঝি। বর্ধমান শহরের সভাপতি হিসাবে অরূপ দাসের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, বর্ধমান শহরের তৃণমূল নেতৃত্বকে জেলা কমিটির শীর্ষে না রাখার প্রধান কারণ দলের গোষ্ঠীকলহে লাগাম টানা। শহরের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে জেরবার তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব।আরও পড়ুনঃ ১২ ঘন্টার দীর্ঘ লড়াই শেষে ১২ তম ইন্ডিয়ান আইডল স্নিগ্ধ হাওয়া পবনদীপরাজ্যে বিধানসভার দুই আসন ও বাকি পাঁচ আসনে উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তারপর রাজ্যে পুরনির্বাচন। সূত্রের খবর, বর্ধমান শহরে এখনই তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক নেতৃত্ব পুরসভার টিকিট পেতে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। গত পুর নির্বাচনে টিকিট প্রাপ্তদের অনেককে নিয়ে বিস্তর অভিযোগ ছিল দলের অভ্যন্তরে ও বাইরে। রাজনৈতিক মহলের মতে, প্রার্থী বাছাই নিয়ে মুখ পুড়েছিল দলের। বর্ধমানের মতো শহরে যাঁদের পুরসভায় প্রার্থী করা হয়েছিল তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছিল। এবার অন্তত প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে দল মনযোগ দেবে বলে আশা করছে নীচুতলার কর্মীরা।

আগস্ট ১৭, ২০২১
রাজ্য

Khela Hobe: খেলা হবে দিবসে ডিজে বাজিয়ে চিয়ার লিডারদের মাঠে নাচানো নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক

খেলা হবে দিবস-এ জমজমাট জঙ্গলমহল। ডিজে বাজিয়ে চিয়ার লিডারদের নাচের তালে অনুষ্ঠিত হল ফুটবল খেলা। যা নিয়ে সোমবার শোরগোল পড়ে যায় পূর্ব বর্ধমানের আউসগ্রাম ২ ব্লকের ভাল্কি অঞ্চলের রাণীগঞ্জে। এখানকার খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত খেলা হবে দিবস অনুষ্ঠানে চিয়ার লিডারদের ডিজের তালে নাচা নিয়ে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছে। যদিও অনুষ্ঠানের আয়োজকরা এমন অনুষ্ঠান আয়োজনের পক্ষে তাঁদের সাফাইও যথারাতি দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ শিকেয় উঠল সামাজিক দূরত্ব, রণক্ষেত্র দুয়ারে সরকারমুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়ের ঘোষণা অনুযায়ী রাজ্যের অন্যান্য জেলার পাশাপাশি সোমবার পূর্ব বর্ধমান জেলার সর্বত্র খেলা হবে দিবস অনুষ্ঠিত হয়। তার মধ্যে আউসগ্রাম ২ ব্লকের ভাল্কি অঞ্চল জাঁকজমক পূর্ণভাবেই ফুটবল খেলার আয়োজন করে। ভাল্কির রাণীগঞ্জ এলাকার মাঠে দর্শকের ভিড়ও হয়েছিল নজর কাড়া। খেলা শুরু হতেই হঠাৎচিয়ার লিডাররা মঞ্চে উঠে নাচ পরিবেশন করতে শুরু করায় মাঠে উপস্থিত সবাই হতবাক হয়েযান।কেউ কেউ মুগ্ধ হলেও এলাকার অনেকেই বিষয়টি মেনে নিতে না পেরে ক্ষোভ প্রকাশও করেন । তাঁদের বক্তব্য গ্রামীন এলাকায় এইসব কালচার নেই। চিয়ারলিডারদের মাঠে না নামানো হলেই ভালো হত।আরও পড়ুনঃ ১২ ঘন্টার দীর্ঘ লড়াই শেষে ১২ তম ইন্ডিয়ান আইডল স্নিগ্ধ হাওয়া পবনদীপএই বিষয়ে ভাল্কি অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অরূপ মিদ্দা সাফাই, এখন সিনেমা, থিয়েটার বন্ধ। বিনোদন বলে কিছু নেই। তাই একটু বিনোদন দিতেই এই আয়োজন রাখা হয়েছিল। যদিও ওই এলাকার তৃণমূল কর্মী কল্যাণ মিশ্র বলেন, খেলা হবে দিবসের অনুষ্ঠানে ফুটবল খেলার আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু চিয়ার লিডারদের নাচের কোন অনুষ্ঠান ছিল না। কি করে এসব করা হল তা তিনি জানেন না । আউশগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক অভেদানন্দ থাণ্ডার বলেন, জানি না কি হয়েছে। খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে।

আগস্ট ১৬, ২০২১
রাজনীতি

TMC: তৃণমূলে নতুন যুগ, 'এক নেতা-এক পদ'

এক ব্যক্তি এক পদ নীতি-কে কার্যকর করে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস তাদের সাংগঠনিক পর্যায় আজ বড়সড় রদবদল করেছে। মন্ত্রী এবং অন্যান্য প্রশাসনিক ও সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তিদের সরিয়ে তার জায়গায় সংগঠনে বেশ কিছু নতুন মুখকে জায়গা করে দেওয়া হয়েছে। সংগঠনকে মজবুত করতে উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই জেলা সভাপতি পদে রদবদল করা হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনার মতো বড় জেলাগুলিকে ২-৩টি ভাগে ভেঙে নতুন ব্যক্তিদের সংগঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপের প্রথম প্রতিপক্ষ নিয়ে কেন সতর্ক হাবাস?মুর্শিদাবাদ জেলাকে জঙ্গিপুর ও বহরমপুর-মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলা থেকে বিভক্ত করে নতুন জেলা সভাপতি নিযুক্ত করা হয়েছে। একইভাবে নদিয়া জেলাকে ও নদিয়া উত্তর বা কৃষ্ণনগর এবং নদিয়া দক্ষিণ বা রানাঘাট নামে দুই সাংগঠনিক জেলায় ভাগ করা হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলাকে ভাগ করা হয়েছে ৪টি সাংগঠিক জেলায়।এগুলি হল দমদম-ব্যারাকপুর, বনগাঁ, বসিরহাট ও বারাসত। কলকাতায় উত্তর ও দক্ষিণ দুটি সাংগঠনিক জেলা তৈরি করা হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা সংগঠন ভেঙে তৈরি করা হয়েছে সুন্দরবন ও যাদবপুর-ডায়মণ্ডহারবার সাংগঠনিক জেলায়।পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সংগঠনকে তমলুক ও কাঁথি এই দুই সাংগঠনিক জেলায় এবং পশ্চিম মেদিনীপুরকে ঘাটাল ও মেদিনীপুর এই দুই সাংগঠনিক জেলায় ভাগ করা হয়েছে। বাঁকুড়া জেলা সংগঠনকে বাঁকুড়া ও বিষ্ণুপুর এই দুই জেলায় ভাগ করা হয়েছে। হুগলি জেলা সংগঠনকে ভাগ করা হয়েছে আরামবাগ ও হুগলি-শ্রীরামপুর এই দুই সাংগঠনিক জেলায়। হাওড়া জেলা সংগঠন অবশ্য আগের মতোই হাওড়া সদর ও হাওড়া গ্রামীণ সংগঠনে বিভক্ত থাকছে। তবে ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান ও বীরভূম জেলার ক্ষেত্রে নতুন করে কোনও সাংগঠিক জেলা তৈরি করা হয়নি। তৃণমূল কংগ্রেসের এই সাংগঠনিক রদবদল যে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ মুখ তাদের সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন তাদের মধ্যে রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, ফিরহাদ হাকিম, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক প্রমুখের নাম উল্লেখযোগ্য। এছাড়া মৌসম বেনজির নূর, কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী মত মুখেরাও তাদের সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে বাদ পড়েছেন।আরও পড়ুনঃ ধুন্ধুমার ধর্মতলা, গ্রেপ্তার শুভেন্দু-দিলীপ-জয়প্রকাশরাযে সব জেলা সভাপতি এবার মন্ত্রী হয়েছেন, তাঁদের জেলা সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে নতুন মুখদের জায়গা দেওয়া হতে পারে বলেও জল্পনা ছিল। বাস্তবেও তাই হল। সেইসঙ্গে এক একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলাকে বেশ কয়েকটি ভাগে ভাগ করে দেওয়া হল। রাজ্য সহ সভাপতি করা হল ২ জনকে।রাজ্য-সহ সম্পাদক করা হল ৮ জনকে। রাজ্য কমিটিতে ১০ জনকে স্পেশ্যাল নিয়োগ করা হয়েছে।

আগস্ট ১৬, ২০২১
রাজ্য

TMC Murder: খড়দহে তৃণমূল নেতা খুনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

বিজেপি-র ছোড়া গুলিতে এক তৃণমূল নেতা খুন হওয়ার অভিযোগ উঠল উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহে। শুক্রবার রাতের ঘটনা। এই ঘটনার পর থেকেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। চাপানউতর শুরু হয়েছে বিজেপি এবং তৃণমূলের মধ্যে। গভীর রাতে খড়দহে তৃণমূল নেতাকে গুলি করে খুন। মৃত রণজয় শ্রীবাস্তব ব্যারাকপুর লোকসভায় তৃণমূলের হিন্দি সংগঠনের সম্পাদক। এই ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে খড়দহ থানার পুলিশ। টিটাগড় পুরসভার প্রশাসক ও তৃণমূল নেতা প্রশান্ত চৌধুরীর অভিযোগ, খুনের পিছনে বিজেপির হাত রয়েছে। গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ওই যুবকের নাম রণজয় শ্রীবাস্তব। তিনি গাড়ি নিয়ে খড়দহের বিটি রোড ধরে টাটা গেটের দিকে যাচ্ছিলেন। অভিযোগ, তখনই তাঁর গাড়ি ঘিরে ধরে কয়েকজন দুষ্কৃতী। তারপর গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি এবং বোমা ছুড়তে শুরু করে। গুরুতর জখম হন রণজয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসা চলাকালীনই মৃত্যু হয় তাঁর।আরও পড়ুনঃ শুরুতে ধাক্কা সিরাজের, লর্ডসে অ্যাডভান্টেজ ভারতএ নিয়েই রাজনৈতিক তরজা বেধেছে তৃণমূল-বিজেপিদুই দলের মধ্যে। তৃণমূল নেতা প্রশান্ত চৌধুরী এই ঘটনার পিছনে বিজেপিকে দায়ী করেছেন। আবার উল্টো দিকে বিজেপি নেতা অর্জুন সিংয়ের অভিযোগ, পুরোটাই তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। তারই পাল্টা অর্জুন সিং বলেন, প্রশান্ত চৌধুরীর বয়স হয়ে গিয়েছে। এর জন্য কেসটা ঘোরানোর চেষ্টা করছে। পশ্চিমবাংলায় ১৮২ জনের ওপর বিজেপি কর্মী খুন হয়েছে। কালকেই সোদপুরে জয় সাহাকে গুলি করে খুনের চেষ্টা হয়েছে। কাজল সিনহার অনুগামীরা গোষ্ঠী কোন্দলে জড়িয়ে। বিজেপি খুনের রাজনীতি করেনি। এটা পুরোপুরি ওদের গোষ্ঠীকোন্দলের লড়াই। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, খড়দহের বাগদিপাড়া এলাকায় তাঁকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। মোট চার রাউন্ড গুলি চলে।

আগস্ট ১৪, ২০২১
কলকাতা

BJP: ফিল্মি কায়দায় দরজা ভেঙে বিজেপি নেতাকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ

ঠিক যেন সিনেমার অ্যাকশন দৃশ্য। দরজা ভেঙে অভিযুক্ত বিজেপি নেতাকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। রাজনৈতিক অশান্তির ঘটনার জেরে মধ্য কলকাতার বিজেপি নেতা সজল ঘোষকে তাঁর বাড়ির দরজা ভেঙে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। পুরো পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে এলাকায় তুলকালাম অবস্থা বেধে যায়।স্থানীয় সূত্রের খবর, স্বাধীনতা দিবস পালন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি ঘিরে বৃহস্পতিবার রাতে বিশাল সিং নামে এক বিজেপি কর্মীর দোকান ভাঙচুর করা হয়। স্থানীয় একটি ক্লাবের উপরেও হামলা চালানো হয়। এর জেরে সজলের নেতৃত্বে মুচিপাড়া থানায় বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। তৃণমূল সমর্থকেরাও পাল্টা বিক্ষোভ দেখান বলে অভিযোগ। থানার মধ্যেই দুতরফের বাদানুবাদ হয়। শুক্রবার সকালেও দুদলের সংঘর্ষ বাধে। তৃণমূলের অভিযোগ, দলের স্থানীয় এক যুবনেতার স্ত্রীর শ্লীলতাহানি করেছে সজলের সঙ্গীরা। পুলিশ সূত্রের খবর, সজল এবং তাঁর সঙ্গীদের বিরুদ্ধে ভাঙচুর ও ইভ টিজিং-এর দুটি পৃথক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। যদিও অভিযোগ খারিজ করেছেন সজল এবং বিজেপি। আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের ত্রিপুরা অভিযান অব্যাহত, আজ যাচ্ছেন ৯ সাংসদশুক্রবার দুপুরে মুচিপাড়া থানার পুলিশকর্মীরা সজলের বাড়িতে হাজির হয়েছিলেন। মুচিপাড়া থানার ওসি জানলা দিয়ে সজলকে বাড়ির বাইরে আসার কথা বললেও তিনি রাজি হননি। উল্টে তিনি পুলিশের উদ্দেশে বলেন, দরজা ভাঙুন। এর পর পুলিশকর্মীরা লাথি মেরে বাড়ির দরজা ভেঙে ফেলে। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, টেনে-হিঁচড়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয় সজলকে। ঘটনার সময় বাড়িতে ছিলেন সজলের বাবা প্রদীপ-সহ পরিবারের সদস্যেরা। একদা কংগ্রেস এবং পরবর্তী সময়ে তৃণমূলের নেতা প্রদীপ কলকাতা পুরসভার বিরোধী দলনেতা এবং মেয়র পারিষদ পদে ছিলেন। সজলের গ্রেপ্তারির পরে প্রদীপ বলেন, শ্লীলতাহানি করেছে তৃণমূল। মিথ্যা অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে সজলকে।

আগস্ট ১৩, ২০২১
রাজ্য

Laxmir Bhandar: ফর্ম বিলির আগেই বিতর্কে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে ফর্ম নিয়েও জালিয়াতি। ঘটনায় শিলিগুড়ি সংলগ্ন আমবাড়িতে এক তৃণমূল নেতাকে সপরিবারে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, ওই প্রকল্পের ফর্ম টাকার বিনিময়ে বিক্রি করছিলেন বিন্নাগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের আমবাড়ির বাসিন্দা বাপ্পা দে সরকার এবং তাঁর দাদা বাপি দে সরকার। বাপ্পা এলাকায় তৃণমূলের এসসি, এসটি, ওবিসি সেলের বুথ সভাপতি। এই ঘটনায় বাপ্পা এবং তাঁর দাদা-সহ মোট চার জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উল্লেখ্য, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের ফর্ম ১৬ তারিখ দুয়ারে সরকারের ক্যাম্প থেকেই দেওয়া হবে। এছাড়া আর অন্য কোনও ফর্ম গ্রহণযোগ্য হবে না বলে জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। যদি ফর্ম নিয়ে কোনও জালিয়াতি হয়, তাহলে কড়া পদক্ষেপ করা হবে বলেও সতর্ক করেছিলেন তিনি। কিন্তু তা সত্বেও এই অভিযোগ উঠে এসেছে।আরও পড়ুনঃ মুক্তি পাচ্ছে হরোর স্টোরিস, টেনশনে পরিচালকপুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই তৃণমূল নেতা বাপ্পা দে সরকার, তাঁর দাদা বাপি দে সরকার এবং বৌদি শিখা দে সরকার ছাড়াও স্থানীয় বাসিন্দা বিশ্বজিত্ মহন্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতদের আজ জলপাইগুড়ি জেলা আদালতে হাজির করা হবে। কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই তৃণমূল নেতা ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা কিছুদিন ধরেই বাড়ি থেকে ফর্ম বিক্রি করছিলেন। এবং ফর্ম জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে টাকা দিতে বাধ্য করেছিলেন। প্রকল্পের সুবিধা পেতে ইচ্ছুক বাসিন্দাদের ফর্মের দাম হিসেবে ১০০ টাকা, ফর্ম ফিল আপ করার জন্য আরও ২০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছিল। এ ঘটনা জানাজানি হতেই শুরু হয় হইচই। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশ। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সের পিছিয়ে পড়া জনজাতির মহিলাদের ১০০০ টাকা এবং সাধারণ মহিলাদের ৫০০ টাকা করে মাসিক ভাতা দেওয়া হবে। এই প্রকল্পের ফর্ম মিলবে দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের ত্রিপুরা অভিযান অব্যাহত, আজ যাচ্ছেন ৯ সাংসদস্থানীয়দের অভিযোগ, ওই তৃণমূল নেতা ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা কিছুদিন ধরেই বাড়ি থেকে ফর্ম বিক্রি করছিলেন। এবং ফর্ম জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে টাকা দিতে বাধ্য করেছিলেন। প্রকল্পের সুবিধা পেতে ইচ্ছুক বাসিন্দাদের ফর্মের দাম হিসেবে ১০০ টাকা, ফর্ম ফিল আপ করার জন্য আরও ২০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছিল। এ ঘটনা জানাজানি হতেই শুরু হয় হইচই। অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশ। শুধু তাই নয়, ওই সদস্যা এক্কেবারে দেখিয়েই দিলেন কীভাবে ওই ফর্ম ফিলাপ করতে হয়। কিন্তু তাঁর দাবি, পাড়ার দোকানেই নাকি এখনই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের ফর্ম বিক্রি হচ্ছে। তিনি শুধু ফর্ম ভর্তি করে দিচ্ছেন। আর তার জন্য যে তিনি ৫০-৬০ টাকা করে নিচ্ছেন, তাও স্বীকার করে নিলেন এক বাক্যেই। এই নিয়ে ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

আগস্ট ১৩, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

সুরুচি সংঘের পুজো কি বন্ধ হতে চলেছে? এলআইসির জমি দখলের অভিযোগে নতুন বিস্ফোরণ

সুরুচি সংঘকে ঘিরে বিতর্ক আরও ঘনীভূত হল। এবার রাষ্ট্রায়ত্ত বিমা সংস্থা এলআইসি অভিযোগ করেছে, তাদের ২১ কাঠা জমি দীর্ঘদিন ধরে বেআইনিভাবে দখল করে রাখা হয়েছে। ওই জমিতেই সুরুচি সংঘের দুর্গাপুজো এবং ক্লাবের বিভিন্ন কার্যকলাপ পরিচালিত হয় বলে দাবি করা হয়েছে। জমি পুনরুদ্ধারের দাবিতে শনিবার আলিপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন এলআইসির আধিকারিকরা।দক্ষিণ কলকাতার অন্যতম জনপ্রিয় দুর্গাপুজো সুরুচি সংঘ। এই ক্লাবের সঙ্গে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং তাঁর ভাই স্বরূপ বিশ্বাসের নাম দীর্ঘদিন ধরেই জড়িত। সম্প্রতি স্বরূপ বিশ্বাস তোলাবাজি ও অন্যান্য অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই সুরুচি সংঘকে ঘিরে একের পর এক বিতর্ক সামনে আসছে।এলআইসির দাবি, বহু বছর ধরে তাদের মালিকানাধীন ২১ কাঠা জমি বেআইনিভাবে দখল করে রাখা হয়েছে। শুধু তাই নয়, ওই জমি ঘিরে স্থায়ী নির্মাণও করা হয়েছে। জমি পুনরুদ্ধারের জন্য অতীতেও একাধিকবার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন সংস্থার কর্তারা। এমনকি আদালতের দ্বারস্থও হয়েছিল এলআইসি। তবে এতদিন জমি ফেরত পাওয়া যায়নি বলেই অভিযোগ।এলআইসির আধিকারিকদের দাবি, বিতর্কিত জমির উপর নির্মিত ভবনে একাধিক বেডরুম-সহ বিভিন্ন পরিকাঠামো রয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, সংস্থার অনুমতি ছাড়াই এই নির্মাণ করা হয়েছে। তাই জমির মালিকানা এবং নির্মাণের বৈধতা খতিয়ে দেখার দাবি জানানো হয়েছে পুলিশের কাছে।এরই মধ্যে সুরুচি সংঘকে ঘিরে আরও একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, ক্লাব প্রাঙ্গণে বিপুল পরিমাণ সরকারি প্রকল্পের সামগ্রী পাওয়া গিয়েছে। সেখানে সরকারি পানীয় জল প্রকল্পের বোতল এবং ত্রাণ বিতরণের জন্য রাখা শাড়িও উদ্ধার হয়েছে বলে অভিযোগ। এসব নিয়ে এলাকায় নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর জেরে সুরুচি সংঘের দুর্গাপুজোর ভবিষ্যৎ নিয়েও জল্পনা বাড়ছে। এলআইসির অভিযোগ এবং প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে এখন নজর রয়েছে সকলের।

জুন ০৬, ২০২৬
কলকাতা

১৮ সাংসদ দল ছাড়তে পারেন! হঠাৎ দিল্লি উড়ে গেলেন অভিষেক, জোর জল্পনা

ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে অস্থিরতা বেড়েছে। বিধানসভায় পরিষদীয় দলে বড় ভাঙনের পর এবার সংসদীয় দল নিয়েও জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, বেশ কয়েকজন সাংসদ দল ছাড়তে পারেন। এই পরিস্থিতির মধ্যেই হঠাৎ দিল্লি উড়ে গেলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।দলীয় সূত্রে খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই দিল্লি গিয়েছেন অভিষেক। আগামী ৮ জুন বিজেপি-বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক রয়েছে। সেই বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে অভিষেকেরও যোগ দেওয়ার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই তাঁর দিল্লি যাত্রা রাজনৈতিক মহলে নতুন করে কৌতূহল তৈরি করেছে।ইতিমধ্যেই বিধানসভায় তৃণমূলের একাংশ বিধায়ক আলাদা গোষ্ঠী গড়ে নিজেদের আসল তৃণমূল বলে দাবি করেছে। বিরোধী দলনেতা হিসেবেও নতুন নাম ঘোষণা হয়েছে। এবার লোকসভাতেও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে জল্পনা ছড়িয়েছে। রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, কয়েকজন সাংসদ একজোট হয়ে নতুন ব্লক গঠনের পরিকল্পনা করছেন। দলবদল বিরোধী আইনের জটিলতা এড়াতে প্রয়োজনীয় সংখ্যার সমর্থন জোগাড়ের চেষ্টাও চলছে বলে খবর।এই আবহে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফরকে ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অনেকের মতে, দলের সাংসদদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি সামাল দিতেই তাঁকে রাজধানীতে পাঠানো হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।অন্যদিকে, সই জালিয়াতি সংক্রান্ত একটি মামলায় আগামী ৮ জুন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানী ভবনে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছে সিআইডি। এর আগে অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে সময় চাওয়া হলেও সেই আবেদন মঞ্জুর হয়নি। তদন্তকারী সংস্থা স্পষ্ট জানিয়েছে, নির্ধারিত দিনেই তাঁকে হাজিরা দিতে হবে।ফলে রাজনৈতিক মহলে নতুন প্রশ্ন উঠেছে। দিল্লি সফরের নেপথ্যে কি শুধুই রাজনৈতিক কারণ, নাকি তদন্ত সংস্থার তলবও এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে যুক্ত? এই নিয়ে জল্পনা ক্রমশই বাড়ছে। এখন নজর আগামী কয়েক দিনের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের দিকে।

জুন ০৬, ২০২৬
বিদেশ

ভারত-চিন সংঘাতে বড় বার্তা পুতিনের! ‘নাক গলাবে না রাশিয়া’, প্রকাশ্যে জানালেন কারণ

ভারত ও চিনের সম্পর্ক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ভারত ও চিনের মতো দুই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী দেশের সংবেদনশীল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে রাশিয়া কোনও হস্তক্ষেপ করবে না। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সীমান্ত সংক্রান্ত সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানে আন্তরিকভাবে আগ্রহী।সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পুতিন বলেন, ভারত ও চিনের সঙ্গে রাশিয়ার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। তাঁর কথায়, ভারত-চিন সম্পর্ক অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং বহুমাত্রিক। তাই এই বিষয়ে বাইরের কোনও দেশের হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়। তবে রাশিয়া দুই দেশের সঙ্গেই নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং সীমান্ত সমস্যা আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান হবে বলে তারা আশাবাদী।উল্লেখ্য, ২০২০ সালে গালওয়ান সংঘর্ষের পর ভারত ও চিনের সম্পর্ক তলানিতে পৌঁছেছিল। তবে গত কয়েক বছরে দুই দেশই সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য একাধিক কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে। সেই প্রক্রিয়ার ফলেই পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।গত বছর চিনের তিয়ানজিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও শি জিনপিংয়ের বৈঠক আন্তর্জাতিক মহলে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছিল। সেই বৈঠকে দুই নেতা জানিয়েছিলেন, ভারত ও চিন প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং উন্নয়নের অংশীদার। মতপার্থক্য থাকলেও তা বিবাদের কারণ হওয়া উচিত নয় বলেও মত প্রকাশ করেছিলেন তাঁরা।পুতিন আরও বলেন, রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক চিনকে অস্বস্তিতে ফেলে না। একইভাবে চিনের সঙ্গে রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়েও ভারতের কোনও উদ্বেগ নেই। তাঁর মতে, তিন দেশের সম্পর্ক পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে এগোচ্ছে।সাক্ষাৎকারে পাকিস্তান প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন রুশ প্রেসিডেন্ট। অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তানকে চিন আড়াল থেকে সাহায্য করেছে বলে যে অভিযোগ উঠেছিল, সে বিষয়ে পুতিন বলেন, পাকিস্তানকে সম্পূর্ণভাবে চিনের নিয়ন্ত্রণাধীন দেশ হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। পাকিস্তান একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র এবং বিশ্বের বহু দেশের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক রয়েছে।তবে তিনি এটাও স্বীকার করেন যে পাকিস্তানের সামরিক শক্তির একটি বড় অংশ চিনের অস্ত্র ও প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল। তাঁর মতে, পাকিস্তানের সামরিক সরঞ্জামের বড় অংশ চিন থেকে আসে, ফলে ইসলামাবাদের কাছে বেজিংয়ের গুরুত্ব অবশ্যই রয়েছে।পুতিনের এই মন্তব্যকে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে ভারত-চিন সম্পর্ক, পাকিস্তানের অবস্থান এবং এশিয়ার ভূরাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুন ০৬, ২০২৬
বিদেশ

লন্ডনে প্রধান বিচারপতিকে ঘিরে বিতর্ক! প্রশ্নবাণে থামাতে হল অনুষ্ঠান, কড়া বার্তা ভারতের

লন্ডনে একটি আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ঘটনাটি সামনে আসতেই কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত। নয়াদিল্লির বক্তব্য, এ ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য নয় এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশে মতপার্থক্য প্রকাশেরও একটি শালীন পদ্ধতি থাকা উচিত।গত বৃহস্পতিবার লন্ডনের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আন্তর্জাতিক আইন বিষয়ক আলোচনাসভায় যোগ দিয়েছিলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। বক্তব্য শেষ হওয়ার পর প্রশ্নোত্তর পর্বে উপস্থিত কয়েকজন ভারতের গণতন্ত্র এবং ভিন্নমতের প্রতি আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তোলার চেষ্টা করেন। প্রধান বিচারপতির সাম্প্রতিক কিছু মন্তব্য নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।সেখানে উপস্থিত এক মহিলা বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে গণতন্ত্র রক্ষায় ভারতের ভূমিকা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখা হলেও দেশে ভিন্নমতের প্রতি ক্রমবর্ধমান অসহিষ্ণুতা নিয়ে উদ্বেগের কথা আন্তর্জাতিক মহলে শোনা যাচ্ছে। তিনি সেই প্রসঙ্গেই প্রশ্ন তুলতে চেয়েছিলেন।তবে ওই প্রশ্ন সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই অনুষ্ঠানের সঞ্চালক তাঁকে থামিয়ে দেন। সঞ্চালক জানান, আলোচনার বিষয় ছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং আন্তর্জাতিক আইন। তাই বিষয়বহির্ভূত প্রশ্ন গ্রহণ করা সম্ভব নয় বলে তিনি স্পষ্ট করেন।ঘটনার ভিডিও পরে সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তা নিয়ে শুরু হয় জোর আলোচনা। এরপর লন্ডনে ভারতীয় দূতাবাসের তরফে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। সেখানে বলা হয়, মতপার্থক্য গণতন্ত্রের স্বাভাবিক অংশ হলেও তা প্রকাশের ক্ষেত্রে শালীনতা ও পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখা জরুরি। দূতাবাসের মতে, এ ধরনের আচরণ কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।এই ঘটনাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়েছে। একাংশের মতে, বিদেশের মাটিতে ভারতকে ঘিরে নেতিবাচক প্রচারের চেষ্টা চলছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে এখনও বিভিন্ন মহলে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।

জুন ০৬, ২০২৬
রাজ্য

খাদ্যসাথীতে বড় ঝাঁকুনি! ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যেতেই বন্ধ হতে পারে রেশন, চিহ্নিত ৬৩ লক্ষ উপভোক্তা

খাদ্যসাথী প্রকল্পে অযোগ্য এবং তথাকথিত ভূতুড়ে উপভোক্তাদের চিহ্নিত করতে বড়সড় অভিযান শুরু করতে চলেছে রাজ্য সরকার। সরকারি অর্থের অপচয় রুখতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর। চলতি বছরের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার তথ্যের ভিত্তিতেই এই যাচাই অভিযান চালানো হবে।সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়ায় যেসব ভোটারের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে, তাঁদের তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে প্রায় ৬৩ লক্ষ নাম চিহ্নিত করা হয়েছে। যাচাইয়ের পর অযোগ্য উপভোক্তাদের রেশন কার্ড নিষ্ক্রিয় করার প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে যাঁরা নাগরিকত্ব সংক্রান্ত আবেদন করেছেন বা ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে আপাতত রেশন পরিষেবা চালু থাকবে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা খাদ্যসাথীর সুবিধা পাবেন।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মহকুমা শাসক এবং বিডিওদের দপ্তর থেকে সংশ্লিষ্ট এলাকার বাদ পড়া ভোটারদের তালিকা খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তরে পাঠানো হবে। এরপর খাদ্য ও সরবরাহ বিভাগের কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য যাচাই করবেন। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার কারণ, বর্তমান অবস্থা এবং প্রকৃত যোগ্যতা খতিয়ে দেখা হবে। যাচাই শেষ হওয়ার পর যাঁরা প্রকল্পের জন্য উপযুক্ত নন বলে প্রমাণিত হবেন, তাঁদের রেশন কার্ড নিষ্ক্রিয় করা হবে। প্রশাসনের লক্ষ্য, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই এই কাজ শেষ করা।বর্তমানে রাজ্যের প্রায় দুই কোটি মানুষ খাদ্যসাথী প্রকল্পের আওতায় বিনামূল্যে রেশন পান। এই প্রকল্প চালাতে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ ব্যয় হয়। কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান সংগ্রহ থেকে শুরু করে খাদ্যশস্য বিতরণ পর্যন্ত গোটা ব্যবস্থার জন্য কয়েক হাজার কোটি টাকা খরচ হয়। তাই প্রকৃত উপভোক্তাদের কাছে সুবিধা পৌঁছে দিতে এবং অপব্যবহার রুখতে সরকার কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে।প্রশাসনের একাংশের মতে, অতীতে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পে অনিয়ম এবং অযোগ্য উপভোক্তার সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই কারণেই এবার সমস্ত রেশন কার্ডের তথ্য নতুন করে যাচাই করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারের ধারণা, এই উদ্যোগ সফল হলে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ সাশ্রয় হবে এবং প্রকৃত সুবিধাভোগীরাই সরকারি সাহায্য পাবেন।একই সঙ্গে রাজ্যের অন্যান্য সামাজিক প্রকল্পেও উপভোক্তাদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। নতুন প্রকল্পগুলিতে আবেদন গ্রহণের পাশাপাশি পুরনো তালিকাও পুনরায় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রশাসনের দাবি, স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ।

জুন ০৬, ২০২৬
কলকাতা

সিএএ আন্দোলনের আগুন এবার ফিরল ফাইলে! পুরনো মামলা খুলে বড় পদক্ষেপ শুভেন্দুর

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বিরোধী আন্দোলনের সময় রেলের সম্পত্তি নষ্ট, ট্রেনে আগুন লাগানো এবং পরিষেবা ব্যাহত করার অভিযোগে এবার নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পুরনো মামলার ফাইল খুলে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করতে বিশেষ সেল গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের রাজ্য সফরের দিনই এই সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, রেলের সম্পত্তি নষ্টের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে পুরনো মামলাগুলি পুনরায় খোলার বিষয়ে রেলমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানান মুখ্যমন্ত্রী। এরপরই তদন্তে গতি আনার নির্দেশ দেওয়া হয়।২০১৯ সালে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন পাশ হওয়ার পর দেশজুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলন শুরু হয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গেও সেই আন্দোলনের প্রভাব পড়ে। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একাধিক স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে ভাঙচুর চালানো হয় এবং কয়েকটি কামরায় আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। আগুনে পুড়ে যায় রেলের বহু সম্পত্তি। এর জেরে বহু দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল করতে হয়েছিল। অনেক ট্রেন ঘুরপথে চালাতে বাধ্য হয়েছিল রেল কর্তৃপক্ষ। ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছিল ভারতীয় রেল।নবান্নে বৈঠকের সময় মুখ্যমন্ত্রী রেলমন্ত্রীকে ভবানীপুরে রেল সুরক্ষা বাহিনীর একটি বিশেষ দপ্তর গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন। সেখানে বসেই পুরনো নথি, ভিডিও ফুটেজ এবং অন্যান্য তথ্য খতিয়ে দেখে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তর এবং পুলিশ প্রশাসনকে তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করার অনুরোধ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।সূত্রের খবর, শুধু অভিযুক্তদের চিহ্নিত করাই নয়, রেলের ক্ষয়ক্ষতির জন্য তাঁদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কেউ ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকার করলে আইন মেনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে।রেল আইনে রেলের সম্পত্তি নষ্ট করা, ভাঙচুর চালানো বা পরিষেবা ব্যাহত করা গুরুতর অপরাধ। এ ধরনের ঘটনায় জরিমানা এবং কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। তাই বহু বছর পর এই মামলাগুলির তদন্ত ফের শুরু হওয়ার খবরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

জুন ০৬, ২০২৬
দেশ

হোটেলে আগুন, তদন্তে বিস্ফোরক মোড়! বাংলাদেশিদের জাল আধার-পাসপোর্ট বানানোর অভিযোগ মালিকের বিরুদ্ধে

দিল্লির একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্তে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার একাধিক গাফিলতির অভিযোগের মধ্যেই এবার উঠে এসেছে জাল পরিচয়পত্র চক্রের অভিযোগ। তদন্তে জানা গিয়েছে, হোটেলের মালিক লাভকেশ বাজাজের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ভারতে থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের জাল নথি তৈরিতে সাহায্য করার অভিযোগ রয়েছে। এই ঘটনার পর দিল্লির সমস্ত হোটেল, রেস্তরাঁ, ব্যাঙ্কোয়েট হল এবং সিনেমা হলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নতুন করে পর্যালোচনার দাবি উঠেছে।পুলিশ সূত্রে খবর, টাকার বিনিময়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিজের ছত্তরপুরের আবাসিক ঠিকানা ব্যবহার করার অনুমতি দিতেন লাভকেশ বাজাজ। অভিযোগ, সেই ঠিকানা ব্যবহার করে আধার কার্ড, পাসপোর্ট-সহ একাধিক ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করা হত। অগ্নিকাণ্ডের তদন্ত চলাকালীন এই পুরনো মামলার তথ্যও ফের সামনে এসেছে।জানা গিয়েছে, গত বছরের জানুয়ারিতে দিল্লির পাহাড়গঞ্জ এলাকায় জাল নথি ব্যবহার করে এক বাংলাদেশি পরিবারের থাকার খবর পায় পুলিশ। তদন্তে একটি বাড়ি থেকে এক মহিলা এবং তাঁর নাতিকে আটক করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে একাধিক পাসপোর্ট, আধার কার্ড এবং ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত নথি উদ্ধার করা হয়েছিল। তদন্তকারীদের দাবি, উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন পরিচয়পত্রে আলাদা নাম ও ঠিকানা থাকলেও ছবিটি ছিল একই ব্যক্তির।পুলিশের দাবি, ওই জাল নথিগুলির মধ্যে থাকা একটি ঠিকানা দক্ষিণ দিল্লির ছত্তরপুর এলাকার। তদন্তে সেই ঠিকানার সূত্র ধরেই লাভকেশ বাজাজের নাম উঠে আসে। পরে জেরায় তিনি নাকি স্বীকার করেন যে, অর্থের বিনিময়ে নিজের ঠিকানা ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছিলেন।এর আগে জালিয়াতি চক্রে যুক্ত থাকার অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল। কিছুদিন জেলে থাকার পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। এবার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্তে নতুন করে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়টি সামনে আসায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।দিল্লি পুলিশের তদন্ত এখন দুই দিকেই এগোচ্ছে। একদিকে অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও নিরাপত্তা গাফিলতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে, অন্যদিকে জাল পরিচয়পত্র চক্রের সঙ্গে অভিযুক্তের সম্ভাব্য যোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের মতে, এই দুই ঘটনার মধ্যে কোনও সংযোগ রয়েছে কি না, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জুন ০৬, ২০২৬
রাজ্য

শওকত-পুত্রের বিলাসবহুল ক্যাফেতে প্রশাসনের নোটিস! এবার কি ভাঙার মুখে কোটি টাকার নির্মাণ?

ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লার ছেলে ইমরান মোল্লার বিরুদ্ধে মাতলা নদীর চর দখল করে বিলাসবহুল ক্যাফে তৈরির অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের জেরে এবার সরাসরি পদক্ষেপ করল প্রশাসন। ক্যাফের সমস্ত নথিপত্র নিয়ে আগামী ১৮ জুন মহকুমাশাসকের দপ্তরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ইমরান মোল্লাকে। প্রশাসন সূত্রে খবর, বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারলে ক্যাফেটি ভেঙে দেওয়া হতে পারে।ইমরান মোল্লার এই ক্যাফের নাম অরণ্যের কূলে। অভিযোগ, মাতলা নদীর চর দখল করে এবং মৌখালি সেতুর কাছাকাছি এলাকায় ম্যানগ্রোভ গাছ কেটে প্রায় ১০ একর জমির উপর এই ক্যাফে গড়ে তোলা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, কয়েক কোটি টাকা খরচ করে তৈরি হয়েছে এই বিলাসবহুল পর্যটন কেন্দ্র।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই এই ক্যাফে নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। কয়েক দিন আগে তদন্তকারী সংস্থা শওকত মোল্লাকে খুঁজতে গিয়ে তাঁর ছেলে ইমরানকে নিয়ে এই ক্যাফেতেও পৌঁছেছিল। এরপরই প্রশাসনের নজরে আসে গোটা বিষয়টি।জানা গিয়েছে, জীবনতলা থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে প্রশাসনের আধিকারিকরা ক্যাফেতে গিয়ে নোটিস টাঙিয়ে এসেছেন। মহকুমাশাসক প্রণব মালিয়ে আগামী ১৮ জুন ইমরান মোল্লাকে প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। শুধু এই ক্যাফে নয়, মাতলা নদীর চর ভরাট করে গড়ে ওঠা আরও কয়েকটি নির্মাণ এবং ক্যাফেকেও নোটিস পাঠানো হয়েছে।এদিকে ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলায় শওকত মোল্লা বর্তমানে তদন্তকারী সংস্থার হেফাজতে রয়েছেন। সেই আবহেই তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে জমি দখল ও বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ নতুন করে রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকার একাধিক ফিশারি এবং জলাভূমি দখল করে তা কম দামে বিক্রি করা হয়েছে। পরে সেখানে গড়ে উঠেছে ক্যাফে, বাণিজ্যিক নির্মাণ এবং অন্যান্য স্থাপনা। এমনকি একটি বেসরকারি নার্সিংহোম তৈরির জন্যও বিপুল পরিমাণ জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে প্রশাসন ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে।

জুন ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal