• ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

রাজ্য

রাজ্য

কালনায় হেরিটেজ রাজবাড়ি সংস্কারের কাজ শুরু হচ্ছে

ভূমিহীনদের পাট্টা বিতরণ এবং বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সহায়তা প্রদানের অনুষ্ঠান বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হলো কালনা ১ ব্লক অফিস থেকে। এ দিন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ জানান, মূলত ৬২টি স্কিমে মানুষদের মধ্যে ভূমিহীনদের গৃহ প্রদান, উদ্বাস্তু ত্রাণ পুনর্বাসন এবং মানবিক-সহ বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা উপভোক্তাদের মধ্যে প্রদান করা হলো। পাশাপাশি পূর্বস্থলী ২ ব্লকের ২০টি আইসিডিএস কেন্দ্র এবং কালনা ১ নম্বর ব্লকের ৩২টি আইসিডিএস কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হলো। এই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলাশাসক বিজয় ভারতী, জেলা পরিষদের সভাপতি শম্পা ধাড়া, সহকারী সভাধিপতি দেবু টুডু, মহকুমাশাসক সুমনসৌরভ মোহান্তি, পূর্বস্থলী ২ নং ব্লকের বিডিও সৌমিক বাগচী-সহ বিশিষ্ট আধিকারিকেরা। কালনার মহকুমা ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরটি স্থানান্তরিত হলো কালনার আরএমসি মার্কেটে। এতদিন কালনার রাজবাড়ি চত্বরে ছিল ওই দফতর। আগে কথা থাকলেও করোনা পরিস্থিতির মধ্যে সেই স্থানান্তর করা যায়নি। এর আগে দফতরের ওই ভবনটিকে হেরিটেজ হিসেবে গণ্য করে এক অতিথিশালা তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছিল রাজ্য সরকার। খুব শিগগিরই ওই জায়গায় গড়ে উঠবে সেই অতিথিশালা। এদিন আরএমসি মার্কেটের ভিতর ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করে স্বপনবাবু জানান, আপাতত জেলা পরিষদের ফান্ড থেকে কুড়ি লক্ষ এবং ডিএম ফান্ড থেকে বারো লক্ষ টাকা দিয়ে রাজবাড়িতে অতিথি নিবাসের কাজ শুরু হবে। এতে পর্যটকরা সুবিধা পাবেন। ছবি ও সংবাদ: মোহন সাহা

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০
রাজ্য

এটিএমে টাকা ভরার সময় দুষ্কৃতী হামলা

এটিএমে টাকা ভরার সময় দুষ্কৃতী হামলা। বোলেরো গাড়ির চাবি ছিনিয়ে কয়েক লক্ষ টাকা নিয়ে চম্পট দিল দুষ্কৃতীরা। বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর আসানসোলে ঘটনাটি ঘটে। আসানসোলের ইসলামপুরের বাসিন্দা বছর ৪০-এর মাকসুদ আলম মল্লিক এটিএম-এ টাকা লোড করার এজেন্সিতে কাজ করেন। বুধবার সন্ধ্যায় রিভারসাইডের একটি ব্যাঙ্কের এটিএম-এ একটি গাড়িতে চেপে টাকা লোডিং করতে যান ওই এজেন্সির তিনজন কর্মী। সেই সময় কিছু দুষ্কৃতী তাঁদের উপর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। ওই এজেন্সির কর্মীদের উপর গুলি চালিয়ে কয়েক লক্ষ টাকা ও বোলেরো গাড়ির চাবি নিয়ে দুষ্কৃতীরা চম্পট দেয়। গুলি লাগে মাকসুদের বাম হাতের কনুইতে। হীরাপুর থানার পুলিশ আহত গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিকে উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেছে। আহত ব্যক্তির অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০
রাজ্য

অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য

অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য ছড়াল অন্ডালের পড়াসকোল কোলিয়ারি এলাকায়। একটা বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর সকালে স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে খবর পেয়ে ওই নির্জন জায়গা থেকে দেহটি উদ্ধার করে নিয়ে যায় পুলিশ। স্থানীয়রা প্রাতঃকৃত্য করতে গিয়ে এদিন লক্ষ্য করেন এক ব্যক্তির দেহ ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। মুখে আঘাত থাকায় চেনার মতো অবস্থা ছিল না। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় অন্ডাল থানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ছ থেকে দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যায়। তবে মৃত ব্যক্তি এলাকার নন বলেই জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনাস্থল থেকে একটি বাঁশ উদ্ধার হয়েছে, সেটি দিয়ে বছর ৪৬-এর ওই ব্যক্তিকে মারা হয় বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান। ঘটনার কিনারা করতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০
রাজ্য

শিশুমৃত্যুর অভিযোগে তুলকালাম কালনা হাসপাতালে, চিকিৎসক, নার্স নিগ্রহে গ্রেফতার ৪

শিশুমৃত্যুর অভিযোগকে ঘিরে সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর উত্তেজনা ছড়ায় কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। প্রসূতীর পরিবার চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ আনার পর নার্সরা তাঁদের ও চিকিৎসক, স্বাস্থ‌্যকর্মীদের নিগ্রহের পাল্টা অভিযোগ আনেন। হাসপাতালে তাণ্ডব চালানোর অভিযোগে আপাতত চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কালনার নিভূজির বিউটি বিবির শ্বশুরবাড়ি নান্দাইয়ে। সন্তানসম্ভবা অবস্থায় তিনি বাপের বাড়িতে ছিলেন। প্রসব যন্ত্রণা ওঠায় রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় ভর্তি করা হয় কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। তাঁর নিকটাত্মীয় খাদেম শেখের অভিযোগ, রাতভর বিউটির কোনও চিকিৎসা হয়নি। অন্যত্র নিয়ে যেতে চাইলে ছাড়তে রাজি হয়নি হাসপাতাল, উল্টে দুর্ব্যবহার করেন নার্সরা, অভিযোগ এমনই। সোমবার বেলা ১টা নাগাদ পরিবারকে জানানো হয়, বিউটির সন্তান মারা গিয়েছে। নার্সদের অভিযোগ, এরপর বিউটির পরিবার ও ঘনিষ্ঠ লোকজনরা আচমকা হাসপাতালের পাঁচ তলায় উঠে গিয়ে নার্স, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীদের মারধর করে তাণ্ডব চালাতে থাকে। হাসপাতালে পর্যাপ্ত নিরাপত্তাও ছিল না বলে অভিযোগ। এরপর দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে নার্সরা কালনার হাসপাতাল সুপার ডা. কৃষ্ণচন্দ্র বরাইকে ঘেরাও করে কর্মবিরতির হুঁশিয়ারি দেন। সুপার চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ উড়িয়ে বলেন, প্রসূতীর শারীরিক জটিলতা ছিল। চিকিৎসকরা আপ্রাণ চেষ্টা করেন। তবে সিজার করেও শিশুটিকে বাঁচানো যায়নি। প্রসূতীর চিকিৎসা চলছে। হাসপাতালের নিরাপত্তাও বাড়ানোর আবেদন করেছি। এরপর থেকে আরও বেশি পুলিশ থাকবে বলে জানতে পেরেছি। ঘটনাস্থলে যান কালনার এসডিপিও, ওসি-সহ বিশাল পুলিশবাহিনী। হাসপাতালে তাণ্ডব চালানোর অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের সন্ধানে চলছে তল্লাশি। কোনও অভিযুক্তকে ছাড়া হবে না, পুলিশের এমন আশ্বাস পেয়ে দুপুর থেকে চলতে থাকা আংশিক কর্মবিরতি বিকেলে উঠে যায়‌। কর্মবিরতির ফলে চিকিৎসা পরিষেবা ব্যাহত হয়নি বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল সুপার। ছবি ও সংবাদ: মোহন সাহা

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০
রাজ্য

এক মাসের বেশি অন্ধকারে ডুবে গ্রাম!

১০০ শতাংশ বিদ্যুৎ সংযোগের দাবি থেকে শুরু করে উন্নয়নের জোয়ারের তালিকা! সব যেন পরিহাস মনে হচ্ছে পূর্ব বর্ধমানের এই গ্রামে। ৩৫ দিনের বেশি হয়ে গেল, বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়ছে পূর্বস্থলী ২ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত মুরাগাছা গ্রামের বৈষ্ণবপাড়া এলাকা। একে প্রচণ্ড গরম, সেই সঙ্গে সন্ধ্যা হলেই অন্ধকারে ডুবে যায় গোটা গ্রাম। জীবন ওষ্ঠাগত স্থানীয় বাসিন্দাদের। কিছু মানুষ জেনারেটার ভাড়া নিয়ে গত দশ দিন ধরে বাড়িতে জ্বালিয়েছেন লাইট, চলছে পাখা। কিন্তু অধিকাংশ পরিবারের জেনারেটর ভাড়া করার সামর্থ্য নেই। দরিদ্র পরিবারগুলির তাই লণ্ঠন ভরসা। বাড়িতে ঘুরছে না ফ্যান, জ্বলছে না আলো। কালেখাতলা ১ নম্বর পঞ্চায়েতের বৈষ্ণবপাড়ার বাসিন্দারা বহুবার বিদ্যুৎ দফতরে আবেদন-নিবেদন করেছেন। কিন্তু কোনও সুরাহা মেলেনি বলে জানাচ্ছেন তাঁরা। পূর্বস্থলীর বিদ্যুৎ দফতরের স্টেশন ম্যানেজার ইন্দ্রনীল দেবনাথ ফোনে জানালেন, ওই এলাকায় বিদ্যুতের একটি সমস্যা রয়েছে। খুব শিগগির ওই এলাকায় নতুন ট্রান্সফর্মার বসানো হবে। এদিকে, ইতিমধ্যেই বিদ্যুৎ না থাকায় গ্রামের এক বৃদ্ধার গরমে মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। অবিলম্বে গ্রামে ফিরুক বিদ্যুৎ, কাতর আবেদন ভুক্তভোগীদের।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০
রাজ্য

রাতের  মঙ্গলাহাটে দেখা মিলল না ক্রেতার

একদমই জমল না গভীর রাতের হাট। বিক্রেতারা সারা রাত দোকান খুলে পশরা সাজিয়ে রাখলেও দেখা মিলল না ক্রেতার। ৬ মাস বন্ধ থাকার পরে শনিবার রাতে মঙ্গলাহাটের এমনই হাল ছিলো বলে জানান হাটের দোকানদাররা। প্রসঙ্গত, করোনা পরিস্থিতির জেরে গত ২৪মার্চ থেকে শুরু হয় দেশ ব্যাপী লকডাউন। সেই সময় থেকেই বন্ধ হয়ে যায় মঙ্গলাহাট। হাট বন্ধ থাকায় সমস্যায় পড়েন প্রায় ৬০-৭০ হাজার ব্যবসায়ী। আনলক পর্ব শুরু হয় ১লা জুন। সেই সময় থেকেই বারেবারে হাট চালু করার জন্য ব্যবসায়ীরা জেলা প্রশাসনের কাছে চিঠি দিয়ে আর্জি জানিয়ে আসছিলেন। তারপরে হাট খোলার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। আগের মত সপ্তাহে সোম ও মঙ্গলবার দুদিনের বদলে শনিবার একদিন এবং দিনের বদলে সারারাত হাট খোলার সিদ্ধান্ত নেয় হাওড়া জেলা প্রশাসন। মূলত করোনা সংক্রমণ রূখতেই এমন সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। যদিও গভীর রাতে কিভাবে ক্রেতারা হাটে আসবেন সেই প্রশ্ন ওঠে। শুধু তাই নয় রাত্রিবেলায় ক্রেতা-বিক্রেতা উভয় পক্ষের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন হাটের ব্যাবসায়ীদের একাংশ। শনিবার রাতে হাটের ১১টি ভবনের ভেতরে থাকা দোকান মালিকরা করোনা বিধি মেনে দোকান খুললেও দেখা মেলেনি ক্রেতাদের। পশ্চিমবঙ্গ বস্ত্র ব্যাবসায়ী সমিতির সভাপতি কামাক্ষা সাহার কথায়, প্রথম দিনের হাট একদম ফ্লপ। গভীর রাতের এই হাটে সব দোকানদাররা যেমন আসতে পারেননি, তেমনই দেখা মেলেনি ক্রেতাদেরও। তাঁরা আগামী দুই সপ্তাহ দেখার পরে বিষয়টি নিয়ে আবার প্রশাসনের কাছে যাবেন। এর আগেও একদিন গভীর রাতের বদলে শনিবার ও রবিবার সকালে হাট বসতে দেওয়ার আর্জি জানান মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ীরা।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০
রাজ্য

রাতের  মঙ্গলাহাটে দেখা মিলল না ক্রেতার

একদমই জমল না গভীর রাতের হাট। বিক্রেতারা সারা রাত দোকান খুলে পশরা সাজিয়ে রাখলেও দেখা মিলল না ক্রেতার। ৬ মাস বন্ধ থাকার পরে শনিবার রাতে মঙ্গলাহাটের এমনই হাল ছিলো বলে জানান হাটের দোকানদাররা। প্রসঙ্গত, করোনা পরিস্থিতির জেরে গত ২৪মার্চ থেকে শুরু হয় দেশ ব্যাপী লকডাউন। সেই সময় থেকেই বন্ধ হয়ে যায় মঙ্গলাহাট।  হাট বন্ধ থাকায় সমস্যায় পড়েন প্রায় ৬০-৭০ হাজার ব্যবসায়ী। আনলক পর্ব শুরু হয় ১লা জুন। সেই সময় থেকেই বারেবারে হাট চালু করার জন্য ব্যবসায়ীরা জেলা প্রশাসনের কাছে চিঠি দিয়ে আর্জি জানিয়ে আসছিলেন। তারপরে হাট খোলার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। আগের মত সপ্তাহে সোম ও মঙ্গলবার দুদিনের বদলে শনিবার একদিন এবং দিনের বদলে সারারাত হাট খোলার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। মূলত করোনা সংক্রমণ রূখতেই এমন সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। যদিও গভীর রাতে কিভাবে ক্রেতারা হাটে আসবেন সেই প্রশ্ন ওঠে। শুধু তাই নয় রাত্রিবেলায় ক্রেতা-বিক্রেতা উভয় পক্ষের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন হাটের ব্যাবসায়ীদের একাংশ। শনিবার রাতে হাটের ১১টি ভবনের ভেতরে থাকা দোকান মালিকরা করোনা বিধি মেনে  দোকান খুললেও দেখা মেলেনি ক্রেতাদের।  পশ্চিমবঙ্গ বস্ত্র ব্যাবসায়ী সমিতির সভাপতি কামাক্ষা সাহার  কথায়,  প্রথম দিনের হাট একদম ফ্লপ। গভীর রাতের এই হাটে সব দোকানদাররা যেমন আসতে পারেননি,  তেমনই দেখা মেলেনি ক্রেতাদেরও। তাঁরা আগামী দুই সপ্তাহ দেখার পরে বিষয়টি নিয়ে আবার প্রশাসনের কাছে যাবেন। এর আগেও একদিন গভীর রাতের বদলে শনিবার ও রবিবার সকালে হাট বসতে দেওয়ার আর্জি জানান মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ীরা।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০
রাজ্য

উদ্বোধনের আগেই গঙ্গাযাত্রা নির্মীয়মান বিশ্রামগৃহের

নির্মীয়মান বিশ্রাম গৃহের ভেঙে পড়ল গঙ্গায়। এ যেন একেবারে গঙ্গাযাত্রা। সাঁকরাইলের মাণিকপুর ফাঁড়ির সারেঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েতের হীরাপুরে গঙ্গার পাড়ে থাকা শ্মশানে শ্মশানযাত্রীদের জন্য নির্মীয়মান একটি বিশ্রামাগার এদিন ভেঙ্গে পড়ে নদীতে। রবিবার সকালে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই জায়গাটিতে গঙ্গার পাড়ে ইঁট দিয়ে তৈরি গার্ডওয়াল রয়েছে বহু বছর আগে থেকেই। সেই গার্ডওয়ালের ভিতরে তৈরি করা হচ্ছিল এই বিশ্রামগৃহটি। জেলা ও ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্য সরকারের বৈতরণী প্রকল্পের টাকায় এই ভবনটি গড়া হচ্ছিল শ্মশানযাত্রীদের বিশ্রামের জন্য। রবিবার সকালে নদীগর্ভে রীতিমতো হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে নীল-সাদা রঙের একতলা বাড়িটি। বাড়িটি ধ্বসে পড়ে গঙ্গাবক্ষে। যদিও এই ঘটনায় কোনো প্রাণহানি বা জখমের ঘটনা ঘটেনি। মাস ছয়েক আগে এই ভবননি নির্মানের কাজ শুরু হয়। সম্প্রতি কাজ একেবারে শেষ পর্যায়ে ছিল। কয়েকদিনের মধ্যে উদ্বোধন হওয়ার কথা ছিল বিশ্রামগৃহটির। এদিন সকালে ঘটনার খবর পেয়ে পরিস্থিতি দেখতে আসেন স্থানীয় পঞ্চায়েতের প্রধান মৃদুলা বাছার, সাঁকরাইলের বিডিও সহ একাধিক প্রশাসনিক কর্তা। গত কয়েকদিন ধরেই গঙ্গা নদীতে চলছে ভরা কোটাল। তার জেরেই এই ঘটনা বলে অনুমান এলাকার বাসিন্দাদের।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর জবাব চাইলেন মুকুল-পুত্র

আগামী বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি একক সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়েই বাংলায় ক্ষমতায় আসবে। সেটা বুঝে রাজ্য থেকে জেলাস্তরে অনেকেই তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দিতে যোগাযোগ করছেন। সেবা সপ্তাহ উদযাপনের শেষ দিনে রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর হুগলির শ্রীরামপুরে এক রক্তদান শিবিরে এসে এমন দাবিই করলেন বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়। তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দিয়ে সদ্য রাজ্য কমিটির সদস্য শুভ্রাংশু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জবাবদিহি চেয়ে বলেন, কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ তোলার আগে তিনি বলুন কেন কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পগুলো রাজ্য সরকার রূপায়িত করছে না? আগে তার জবাব দিন তারপরে তো বঞ্চনার প্রশ্ন। তিনি বলেন, বিলগ্নীকরণ নিয়েও তৃণমূল-সহ বিরোধী দলগুলি মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে। শিল্প বিলগ্নীকরণ তো নতুন নয়, ২০০৯ সালে কংগ্রেস সরকারের আমলেও বহু শিল্প বিলগ্নীকরণ হয়েছে। আর বিলগ্নীকরণ মানে তো পুরোপুরি বেচে দেওয়া নয়, এটা মানুষকে বুঝতে হবে। এদিনের অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হুগলি জেলা বিজেপি সভাপতি শ্যামল বসু-সহ দলীয় নেতৃবৃন্দ।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

পিছোল মুখ্যমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গ সফর

প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কায় পিছিয়ে গেল মমতার উত্তরবঙ্গ সফর। এর আগে সিদ্ধান্ত হয়েছিল ২১ সেপ্টেম্বর উত্তরবঙ্গ সফরে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী। এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে ঝড় বৃষ্টির আভাসের কারণে আপাতত পিছিয়ে যাচ্ছে মমতার ওই সফর। জানা গিয়েছে, ২৯ ও ৩০ সেপ্টেম্বর উত্তরবঙ্গ সফরে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী। নবান্ন সূত্রে খবর, উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী। সমস্ত প্রশাসনিক বৈঠক করা হবে শিলিগুড়ির উত্তরকন্যায়। জেলাশাসক, জেলা পুলিশসুপার, স্বাস্থ্য আধিকারিক, মহকুমাশাসকসহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকরা বৈঠকে হাজির থাকবেন। উন্নয়নের খতিয়ান দেখবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাছাড়াও উত্তরবঙ্গের করোনা পরিস্থিতির কি হাল তা নিয়েও তিনি খোঁজখবর নেবেন। জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গ সফরকালে বেশ কিছু প্রকল্পের শিলান্যাস করার কথা রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

ভারতে আল-কায়দার সংগঠন বৃদ্ধিতে হাত জেএমবির

২০১৪-র ২ অক্টোবর খাগড়াগড় বিস্ফোরণের পর এবার মুর্শিদাবাদ থেকে ৬ জন আল-কায়দা সন্দেহভাজন গ্রেপ্তারের ঘটনায় তোলপাড় সারাদেশ। এই সন্দেহভাজনদের কাছ থেকে জঙ্গি কার্যকলাপের নানা ধরনের অস্ত্র, নথি পাওয়া গেছে বলে দাবি এনআইএ-র দাবি। প্রশ্ন উঠেছে পশ্চিমবঙ্গকে কেন বারে বারে বেছে নিচ্ছে জঙ্গি সংগঠনগুলো? আল-কায়দার এই ভারতীয় শাখাকে সাহায্যই বা কে করছে? এমন নানা প্রশ্ন গোয়েন্দাদের মনে উঁকি মারছে। খাগড়াগড় বিস্ফোরণকাণ্ডে জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ বা জেএমবি জঙ্গিরা যুক্ত ছিল। তা তদন্তে প্রমাণ করেছে এনআইএ। জানা গিয়েছে, খাগড়াগড়ের বিস্ফোরণস্থল থেকে সেই সময় যে নথি পাওয়া গিয়েছিল সেখানে লাদেন, আল-কায়দা সংক্রান্ত বেশ কিছু পুস্তিকা মিলেছিল। তখনই প্রথম সন্দেহ দানা বেধেছিল। ইঙ্গিত যে স্পষ্ট ছিল এখন তা দিনের আলোর মত পরিস্কার। শনিবার ভোরে যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে তারা আল-কায়দার সঙ্গে যুক্ত সে বিষয়ে নিশ্চিত এনআইএ। খাগড়াগড় বিষ্ফোরণ পরবর্তীতে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় জেএমবির সদস্যরা বিভিন্ন রাজ্যে পালিয়ে বেরিয়েছে। কিন্তু তাদের বেশির ভাগকেই গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছিল এনআইএ। এক কথায় মনে করা হয়েছিল্ জিএমবি তাদের কার্যকলাপ অনেকটাই গুটিয়ে ফেলেছিল। নজর ঘুরতেই তারা আল-কায়দার হয়ে কাজ করতে শুরু করে। বিস্তার করতে শুরু করল আল কায়দার ভারতীয় শাখা। এমনটাই মনে করছে তদন্তকারীরা। ধীরে ধীরে মাথাচাড়া দিয়ে উঠল আল-কায়দার ভারতীয় শাখা। কিন্তু কিভাবে বাড়ছে আল-কায়েদার সংগঠন? সূত্রের খবর, জেএমবির সালাউদ্দিন গোষ্ঠী এদেশে আল-কায়েদার সংগঠন বৃদ্ধির প্রধান সহায়ক। সদস্য সংগ্রহ থেকে অস্ত্র পাচার সবেতেই তারা সিদ্ধহস্ত। পরিযায়ী শ্রমিকের ছদ্মবেশে দেশের নানা স্থানে ঘুরে-বেরানো খুব সহজ। সেক্ষেত্রে সন্দেহ থাকে না। এই সুযোগটাকে ভাল ভাবেই কাজে লাগিয়েছে এই জঙ্গিরা। পাকিস্তান থেকে মূলত এই সংগঠন চালানো হয়। মুর্শিদাবাদের এই সন্দেহভাজন জঙ্গিদের অনেকেই কেরলে যান কাজের জন্য। কেরল থেকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৩ জনকে। তাদের বাড়িও মুর্শিদাবাদে অর্থাৎ মোট ৯ জন আল-কায়েদা সন্দেহভাজন। জেএমবির এই গোষ্ঠী ভারতীয় আলকায়দার শাখাকে সর্বতোভাবে সাহায্য করেছে বলেই জানা যাচ্ছে। সদস্য বাড়ানো, অস্ত্রশস্ত্র প্রশিক্ষণ, অস্ত্র লেনদেন সমস্ত কিছুই সাহায্য করেছে জেএমবি। গোয়েন্দাদের একাংশের ধারণা, জেএমবির একটা অংশ মূলত আল-কায়দার ভারতীয় স্লিপার সেলে পরিবর্তিত হয়ে গিয়েছে। তারাই এখন আল-কায়দা। নতুন সদস্য সংগ্রহ করা, প্রশিক্ষণ দেওয়া সবই চলতে থাকে জেএমবির হাত ধরেই। ভারতবর্ষে যে সন্ত্রাসবাদ কার্যকলাপ নতুন করে তৈরি করতে চলেছে ঘটনাচক্রে তার উৎস বাংলার মুর্শিদাবাদ।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

হাসপাতালে গোখরো সাপ

হাসপাতাল থেকে উদ্ধার হলো গোখরো সাপ। ঘটনা পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীতে। শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর পূর্বস্থলী ব্লক হাসপাতাল থেকে বিষধর গোখরো সাপ উদ্ধার হওয়ার পর সাপটিকে বন দফতরের হাতে তুলে দেয় ব্লক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বিএমওএইচ প্রশান্ত সরকার জানান, হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ড এবং কোভিড স্যাম্পলিং টেস্টের ঘরের পাশে ভেষজ উদ্যানের পাশ থেকে গতকাল সন্ধ্যার পর থেকেই একটি শব্দ আসছিল। টর্চ নিয়ে দেখতে গেলে দেখা যায় বিষধর ওই সাপটিকে। এরপরই বন দফতরকে খবর দেওয়া হলে আজ সকালে আধিকারিকরা এসে সাপটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যান। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় পূর্বস্থলী ব্লক হাসপাতালে আসা রোগীদের মধ্যে।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

প্রয়াত প্রবীণ সাংবাদিকের স্ত্রী-র হাতে চাকরির নিয়োগপত্র

একটি হিন্দি দৈনিক সংবাদপত্রের প্রয়াত সাংবাদিক সঞ্জীব সিনহার স্ত্রী-র হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দিলেন শ্রমমন্ত্রী মলয় ঘটক। শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর আসানসোলে। কিছুদিন আগে সঞ্জীববাবু করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন।পরে ঝাড়খণ্ডের একটি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।সঞ্জীববাবুর স্ত্রী ও দুই সন্তান বর্তমান। এদিন মন্ত্রী মলয় ঘটক বলেন, প্রয়াত সাংবাদিক সঞ্জীব সিনহার পরিবারের কথা মাথায় রেখে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জুডিশিয়াল দফতরে চাকরির জয়েনিং লেটার দেওয়া হলো।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

পূর্বস্থলীতে পথ দুর্ঘটনায় মৃত ২

পিক আপ ভ্যানের সঙ্গে মারুতির মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্যু হলো এক প্রবীণ দম্পতির। শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর দুর্ঘটনাটি ঘটে এসটিকেকে রোডের উপর পূর্বস্থলীর গড়াগাছায়। মৃতরা হলেন নির্মল দেবনাথ (৬৮) ও মলিনা দেবনাথ (৬৫)। তাঁদের বাড়ি কাটোয়ার পানুহাটে। চিকিৎসার জন্য মারুতিতে চেপে নবদ্বীপ যাচ্ছিলেন। তাদের কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। তাঁরা চিকিৎসার জন্য নবদ্বীপ যাচ্ছিলেন। দুর্ঘটনার পর কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। চালক-সহ আহত ২ জন সেখানেই ভর্তি রয়েছেন। ছবি ও সংবাদ: মোহন সাহা

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

জঙ্গলমহলের বিপন্ন মানুষের ত্রাতা শুভেন্দু অধিকারী

বেলপাহাড়ি ব্লকের এড়গোদা অঞ্চলের জয়পুর গ্রাম। কোনও এক সংস্থার মাধ্যমে এখানকার বাসিন্দা নবকুমার দাসের অসহায় অবস্থার কথা কানে পৌঁছায় মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। আর তাতেই মুশকিল আসান। শুনেই ওই পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন মন্ত্রী। নবকুমার দাস নিজে দৃষ্টিহীন এবং তাঁর দুই মেয়েই জটিল অসুখে ভুগছেন। বড় মেয়ে জয়িতা দাসের ব্রেস্ট টিউমার ও ছোট মেয়ে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত। নবকুমারবাবুর স্ত্রী ছোটো এক মুদির দোকান চালান। এই অবস্থায় দুই মেয়ের চিকিৎসা চালাতে গিয়ে খুবই অসুবিধায় পড়েছেন। জয়িতাকে ১ সেপ্টেম্বর ঝাড়গ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল থেকে পিজিতে রেফার করা হয়। ৫ তারিখ সেখানে গেলে ফের ১৫ তারিখ আসতে বলা হয়। সেদিন ভর্তি করাতে গিয়ে সমস্যায় পড়ে জয়িতার পরিবার। এই পরিস্থিতিতে রাত ১২টা অবধি অপেক্ষা করে কোনও সুরাহা না পেয়ে এই পরিবার যোগাযোগ করে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে। সঙ্গে সঙ্গে শুভেন্দুবাবু তাঁর প্রতিনিধি মারফত জয়িতাকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর ব্যবস্থা করেন এবং সমস্ত পরীক্ষা যাতে হয় তার সুব্যবস্থা করেন। আশ্বাস দেন ভবিষ্যতেও পাশে থাকার। শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর মানবিক মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ওই পরিবারের হাতে ৫০ হাজার টাকা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করলেন তাঁর প্রতিনিধি মারফত। স্নেহাশিস ভকত-সহ আমরা দাদার অনুগামীরা গিয়ে শুভেন্দুবাবুর পাঠানো টাকা নবকুমার দাসের হাতে তুলে দিয়ে পাশে থাকার বার্তা আরও একবার জানিয়ে এলেন। বিপদে পাশে থাকায় মানবিক মন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে এই পরিবার।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০
রাজ্য

করোনা আবহে মঙ্গলাহাট খুলছে শনিবার

দীর্ঘ টালবাহানার পরে প্রায় ৬মাস পরে খুলতে চলেছে হাওড়ার শতাব্দী প্রাচীন মঙ্গলাহাট। শনিবার রাতে খুলে রবিবার সকাল পর্যন্ত চলবে মঙ্গলাহাট। করোনা সংক্রমণের জেরে লকডাউনের সময় থেকেই বন্ধ করে দেওয়া হয় এই হাট। গত সপ্তাহে হাট খোলার সিদ্ধান্ত জানায় প্রশাসন। নামে মঙ্গলাহাট হলেও বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে শনিবার রাত ৯টা থেকে খুলবে মঙ্গলাহাট। চলবে রবিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত। বর্তমানে শুধুমাত্র স্থায়ী দোকানগুলিই খোলার অনুমতি দিয়েছে প্রশাসন। হাওড়া ময়দান চত্বর জুড়ে রাস্তার ফুটপাতে বসা খুচরো বিক্রেতা এবং স্টলগুলিকে আপাতত বসার অনুমতি দেওয়া হয়নি। শনিবার রাতের মঙ্গলাহাটে কীরকম জনসমাগম হচ্ছে, করোনার স্বাস্থ্যবিধি কতটা মানা হচ্ছে তা পর্যবেক্ষণ করে আগামী দিনে ধাপে ধাপে হাটের পুরানো চেহারা ফিরিয়ে আনা হবে। প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্তে ইতিমধ্যে আপত্তি জানিয়েছিলেন মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা। যদিও শুক্রবার তাঁরা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত মেনে শনিবার রাতে হাট খোলার সিদ্ধান্ত নেন। হাওড়া হাট সমন্বয় সমিতির সহ সম্পাদক কানাই পোদ্দার বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে তাঁরা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন। আপাতত শনিবার রাত থেকে রবিবার সকাল পর্যন্ত হাট চালু করে তাঁরা ব্যাবসার পরিস্থিতি দেখবেন। তিনি জানান, এইভাবে আস্তে আস্তে চালু হোক। হাটের ঢোকার গেটে রাখা হবে স্যানিটাইজার। এমনকি ব্যাবসায়ীদের স্বাস্থ্যের প্রতি নজর দিতে চিকিৎসক বসানোর কথাও ভাবা হচ্ছে বলে জানান তিনি। জানা গিয়েছে, মঙ্গলাহাটে মোট প্রায় ১১টি বড় বিল্ডিং রয়েছে, যেখান থেকে পাইকারি হারে নানা বস্ত্র বিক্রি করা হয়।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০
রাজ্য

'জলস্বপ্ন' প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করতে লক্ষ্যমাত্রা স্থির হুগলির, এই বছরেই ১ লাখ

প্রত্যেক বাড়িতে নলবাহিত পরিস্রুত পানীয় জল পৌঁছে দিতে 'জলস্বপ্ন' প্রকল্প ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২৩ সালের মধ্যে রাজ্যে এই প্রকল্প রূপায়ণের লক্ষ্যমাত্রা স্থির হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী সব সময় বলেন, ভালো কাজের প্রতিযোগিতা চলুক। সেই চ্যালেঞ্জে উদ্বুদ্ধ হয়েই 'জলস্বপ্ন' প্রকল্প নিয়েও তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে হুগলি জেলায়। শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর চুঁচুড়ার নতুন প্রশাসনিক ভবনের সর্বশিক্ষা সভাঘর থেকে জেলার এসডিও, বিডিও, জনস্বাস্থ্য কারিগরী দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে‌ করেন জেলাশাসক ওয়াই রত্নাকর রাও। উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাধিপতি শেখ মেহবুব রহমান, জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। জেলাশাসক পরে সাংবাদিকদের জানান, চলতি বছরেই এক লক্ষ বাড়িতে 'জলস্বপ্ন' প্রকল্পের মাধ্যমে পরিস্রুত পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া হবে। এ জন্য কাউকে কোনও আবেদন বা টাকা জমা দিতে হবে না। জেলায় প্রকল্পের রূপরেখা চূড়ান্ত করা হয়েছে, আগামী সোমবার থেকে পঞ্চায়েতগুলির সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স করে চাহিদা জেনে কীভাবে কাজ করতে হবে সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হবে। জেলার জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, জেলায় পিএইচই দফতরের ২৫টি প্রকল্পের কাজ চলছে। তার মধ্যে ১৭টি প্রকল্পের কাজ আগামী জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে শেষ করে ফেলার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এতেও উপকৃত হবেন লক্ষাধিক মানুষ। এ ছাড়া বলাগড়ে গঙ্গার জল পরিশোধন করে পানীয় জল সরবরাহের প্রকল্পের টেন্ডার হয়ে গিয়েছে। এই প্রকল্পে খরচ হবে ৫২০ কোটি টাকা। নভেম্বর-ডিসেম্বরে কাজ শুরু হয়ে যাবে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বলাগড় থেকে পান্ডুয়া অবধি ৭ লক্ষ মানুষ উপকৃত হবেন। সবমিলিয়ে নির্ধারিত সময়ের আগেই এই জেলায় 'জলস্বপ্ন' প্রকল্পের কাজ শেষ করে মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নপূরণ করতে আমরা সকলে বদ্ধপরিকর।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০
রাজ্য

তোলা না দেওয়ায় মারধর ব্যবসায়ীকে

পুলিশ ফাঁড়ির থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে তোলাবাজদের তান্ডব।  তোলা দিতে না চাওয়ায় ব্যাবসায়ীকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দিল তোলাবাজরা। রেহাই পেলেন না ব্যাবসায়ীকে তোলাবাজদের হাত থেকে বাঁচাতে আসা ওই ব্যাবসায়ীর বাবা। তোলাবাজদের মারে মাথা ফাটল তাঁরও। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ পুলিশ জানলেও কিছুই করেনা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিনা  পয়সায় ‘গুটকা’ না দেওয়ায় রড আর লোহার বালা দিয়ে মেরে এক ব্যবসায়ী যুবক ও তাঁর বাবার মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হল। হাওড়ার চ্যার্টাজিহাটের সাঁতরাগাছি মোড়ে এই ঘটনা ঘটেছে।  প্রায় ১মাস আগেই জগাছায় এক ছাঁট লোহার ব্যবসায়ীর কাছে তোলা না পেয়ে তাকে গুলি করার অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল এলাকায়।  এবারে বিশ্বকর্মা পূজার রাতে চ্যাটার্জিহাট এলাকায় তোলাবাজদের দাপট দেখা গেলো আবার।  স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত কয়েক মাস ধরে,  রাত্রিবেলায় ভয় দেখিয়ে  স্থানীয় দোকানদারদের ওপর  তোলাবাজি শুরু করেছে এলাকার কিছু দুষ্কৃতী। তোলা না দিলেই মুদিখানার মালিক, স্টেশনারি দোকানদার বা অন্যান্যদের  চড় থাপ্পড় মারছে, এমনকি   খুনের হুমকিও দিচ্ছে ওই দূষ্কৃতিরা।  প্রতিদিন তোলা দিতে দিতে অতিষ্ট এক ব্যবসায়ী যুবক প্রতিবাদ করতেই বৃহস্পতিবার রাতে ওই  ঘটনাটি ঘটে। লোহার রড বের করে স্টেশনারী দোকানের মালিক ওই যুবককে মাথায় আঘাত করে। হাতে পরে থাকা লোহার মোটা বালা দিয়ে বারবার আঘাত করা হয় ওই যুবকের মাথায় ও মুখে। ছেলেকে মারতে দেখে তাঁকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন বাবা-মা। দুষ্কৃতীরা বাবাকেও মেরে মাথা ফাটিয়ে দেয়। তাঁর  মাথাতেও চারটি সেলাই দিতে হয়। মাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে খুনের হুমকি দেয় ওই দূষ্কৃতিরা।  শুক্রবার  আক্রান্ত দোকানদার সঞ্জীব কুমার বলেন, ‘‘ওরা প্রতিদিনই  জিনিসপত্র নিয়ে যায় বিনা পয়সায়। টাকাও চায়,  না দিলে মারধর করে। ওরা আমাকে এমন ভাবে মেরেছে য়ে মাথার দুদিকে ৬টা সেলাই পড়েছে।’’ ওই যুবকের মা মীরাদেবী বলেন, ‘‘চেঁচামেচি শুনে দোকানের সামনে গিয়ে দেখি আমার ছেলেকে দু’জন ছেলে মিলে লোহার রড, হাতের মোটা লোহার বালা দিয়ে মেরেই চলেছে। ওর গেঞ্জি রক্তে ভেসে যাচ্ছে। আমি তখন ওর বাবাকে ডেকে আনি। কিন্তু ওর বাবাকেও  মেরে মাথা ফাটিয়ে দেয়। আমাকে নোংরা ভাষায় গালিগাজাজ করে।’’  স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ,  চক্রবেড়িয়া পুলিশ ফাঁড়ির কাছেই এই ঘটনা ঘটেছে।  প্রায় আধঘন্টা ধরে দুই দূষ্কৃতি তান্ডব চালালেও পুলিশের দেখা পাওয়া যায়নি। এলাকার মানুষজনের আরো অভিযোগ,  ফাঁড়ির সামনেই একটি ক্লাবে ওই তোলাবাজদের ওঠাবসা। তাই পুলিশ সব জানলেও কিছু করে না। এলাকার বাসিন্দা প্রবীর বসু বলেন, ‘‘দিনের পর দিন এই তোলাবাজির ঘটনা ঘটছে। সামনে পুলিশের ফাঁড়ি থাকলেও পুলিশ সর্ম্পূণ নিষ্ক্রীয়।’’ এদিকে আক্রান্ত ব্যবসায়ী চ্যাটার্জিহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও এখনো পর্যন্ত একজন দুষ্কৃতীকেও পুলিশ ধরতে পারেনি। হাওড়া সিটি পুলিশের এক পদস্থ আধিকারিক  বলেন, ‘‘ও তো এমন কিছু ঘটনা নয়। গুটকা কেনা নিয়ে দু’পক্ষের মারপিট হয়েছে। তোলাবাজির অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।’’ ওই পুলিশ অফিসারের দাবি, পুলিশের কাছে আগে কোনও ব্যবসায়ী তোলাবাজি, মারধরের অভিযোগ করেননি। করলে ব্যবস্থা নেওয়া হতো। তাই পুলিশি নিষ্ক্রীয়তার অভিযোগ একেবারেই ভিত্তিহীন।  তোলাবাজি ও মারধরের লিখিত অভিযোগ দায়ের হলেও পুলিশ বিষয়টিকে  সামান্য মারপিটের ঘটনা বলে দাবি করছে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০
রাজ্য

অন্ডালে প্রবল বর্ষণে পাঁচিল চাপা পড়ে মৃত্যু কিশোরীর

প্রবল বর্ষণে পাঁচিল চাপা পড়ে মৃত্যু হলো এক কিশোরীর। বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটে অন্ডালের খাঁন্দরা গ্রামের বক্সী পাড়ায়। মৃত কিশোরীর নাম সৌমী মজুমদার, বয়স ১৪। রাত্রি দুটো নাগাদ ভারী বৃষ্টির কারণে পাশের একটি জীর্ণ দেওয়াল ছাদের অ্যাজবেসটসের উপর ভেঙে পড়ে। ঘুমন্ত অবস্থায় দেওয়াল চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় সৌমীর। ঘটনায় আহত হন সোমনাথ মজুমদার ও তাঁর স্ত্রী শঙ্কিতা মজুমদার। উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য তাঁদের নিয়ে আসা হয় প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০
রাজ্য

কেশপুরে বোমাবাজি, নাবালক-সহ নিহত ২, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের তত্ত্ব জোরালো

আবার অশান্ত কেশপুর। রাজ্যে পালাবদলের আগে যে কেশপুর নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, কেশপুর হবে সিপিআইএমের শেষপুর! সেই কেশপুরেই এবার অস্বস্তিতে শাসক দল। এমনিতেই দলের নতুন জেলা, ব্লক, শহর কমিটি ঘোষণার পরেও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কমে তো নি, বরং বেড়েইছে। ফলে বিধানসভা ভোটের আগে কেশপুরের ঘটনা তৃণমূলকে আরও চিন্তায় রাখল। ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর। ব্যাপক বোমাবাজিতে অশান্ত হয়ে ওঠে পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরের দামোদরচক। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বোমাবাজি ও গুলিচালনার ঘটনায় এক নাবালক-সহ দুজনের মৃত্যু হয়েছে। ৫ জন আহতকে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতরা হলেন শেখ নাসির ও ১৪ বছরের শেখ মাজহার। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য সেলিমের ভাই স্বর্ণশিল্পী নাসিরের আজ মুম্বাই ফেরার কথা ছিল। অভিযোগ, বৃহস্পতিবার রাতে তৃণমূল কংগ্রেসের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষের ফলেই এই পরিস্থিতি। তবে তৃণমূলের পাল্টা দাবি, এক সময়ের সিপিআইএমের হার্মাদরাই বিজেপির আশ্রয়ে থেকে এই হামলা চালিয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে রীতিমতো রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় দামোদরচক। লাগাতার বোমার শব্দে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রাতে ব্যাপক বোমাবাজি ও গুলিচালনার ফলে শেখ মাজহার ও শেখ নাসির গুরুতর জখম হন। জানা গিয়েছে, জখমদের প্রথমে কেশপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে মেদিনীপুর জেলা হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানেই চিকিৎসকরা ওই দুজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তৃণমূলের দাবি, কেশপুরের ঘটনা জমি-জায়গা নিয়ে পারিবারিক বিবাদের ফল। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা তৃণমূলের সভাপতি অজিত মাইতি বলেন, হামলাকারীরা সিপিএমের হার্মাদ। তারা কখনও তৃণমূল, কখনও বিজেপির আশ্রয় নেয়। এটা কোনও রাজনৈতিক ঘটনা নয়। তৃণমূল এতো বড়ো দল যে কে কোথায় মিছিলে হাঁটল তা কারও মনে থাকে না। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে নিজেদের স্বার্থ রক্ষার্থে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। সূত্রের খবর, কেশপুর ব্লক তৃণমূল সভাপতি ঘোষণা নিয়ে দলের অন্দরেই বিতর্ক দেখা দিয়েছিল। অজিত মাইতি বলেন, ব্লক সভাপতি ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে এই ঘটনার কোনও যোগ নেই। এসব কোনও বিষয়ই নয়। মৃতরা তৃণমূল সমর্থক বলে দাবি করেছেন জেলা সভাপতি। যদিও নিহতদের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ব্লক সভাপতি উত্তম ত্রিপাঠী ও প্রাক্তন ব্লক সভাপতি সঞ্জয় পানের গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদ লেগেই আছে। নিহতরা প্রাক্তন ব্লক সভাপতি শিবিরের। যেখানে ঘটনা তার দেড় কিলোমিটারের মধ্যে থানা রয়েছে। বর্তমান ব্লক সভাপতির মদতেই পরিকল্পিতভাবে এই ঘটনা বলে অভিযোগ। ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ইন্তাজ আলি ওরফে ঝন্টু পলাতক। সে তৃণমূল কর্মী, ঘটনার পর শাসক দলের কয়েকজন নেতার সঙ্গে তার কথা হয়েছে। মেদিনীপুরে যে বাড়িতে সে গা ঢাকা দিতে চেয়েছিল সেই বাড়ির মালিক রামুকে পুলিশ আটক করেছে। পুলিশ পৌঁছানোর আগেই তৃণমূলের কয়েকজন নেতার সঙ্গে ফোনে কথা বলে সে পালিয়েছে। নিহতদের বাড়ির কাছেই তার বাড়ি। তৃণমূলের জেলা সভাপতি অজিত মাইতি বিজেপিকে দায়ী করলেও বিধায়ক শিউলি সাহা বলেন, নিহতরা তৃণমূলের। যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তারা তৃণমূলের আদর্শে বিশ্বাসী হতে পারে না। কোন দাদার হাত তাদের মাথার উপর আছে তা তদন্ত করে দেখে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হবে এটাই চাই। বিজেপির ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার সভানেত্রী অন্তরা ভট্টাচার্য বলেন, এই ঘটনার পিছনে বিজেপি নেই। এটা তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। তদন্তে তা প্রমাণ হবে। কেন্দ্রীয় এজেন্সি এলে দেখতে পাবে কেশপুরে কত অস্ত্র মজুত করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। জানা গিয়েছে, প্রথম পর্যায়ে পুলিশও পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে ব্যর্থ হয়। অভিজ্ঞ মহলের মতে, শক্ত হাতে না ধরলে ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে আগে এমন অশান্তি আরও বাড়তে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 206
  • 207
  • 208
  • 209
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

যুদ্ধের বাজারেও ভারতের বিরাট সাফল্য! বৃদ্ধির পূর্বাভাস এক ধাক্কায় বাড়াল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার

বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের পরিস্থিতি। বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই ভারতের অর্থনীতি নিয়ে বড় সুখবর দিল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। চলতি অর্থবর্ষে দেশের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করল এই আন্তর্জাতিক সংস্থা। আগে এই হার ৬.৪ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল। অর্থাৎ, বিশ্ব অর্থনীতির একাধিক ক্ষেত্রে চাপ থাকলেও ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার।সংস্থার সাম্প্রতিক বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সংক্রান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ভারতের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ হতে পারে। এর আগে গত জুলাইয়ে ৬.৪ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। নতুন অনুমান অনুযায়ী, বৃদ্ধির সম্ভাবনা ০.৬ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে।শুধু চলতি অর্থবর্ষ নয়, আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবর্ষেও ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ থাকতে পারে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। আগে ওই অর্থবর্ষে ৬.৭ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ, আগামী দুবছরেও দেশের অর্থনীতির গতি বজায় থাকার আশা করছে সংস্থাটি।এর আগে ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কও চলতি অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.১ শতাংশ করেছিল। এ বার আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের রিপোর্টেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলল।ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানোর পিছনে কয়েকটি কারণের কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। সংস্থার মতে, দেশের বাজারে পণ্য ও পরিষেবার চাহিদা যথেষ্ট শক্তিশালী। সাধারণ মানুষের কেনাকাটা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের ভাল ফল অর্থনীতির বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে। পাশাপাশি, ভারতের বড় অভ্যন্তরীণ বাজার, বিপুল জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্কারও বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। বিশেষ করে পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।তবে বিশ্ব অর্থনীতির সামনে ঝুঁকিও রয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি আমেরিকা ও ইরানের সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। এর মধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি ভারতের মতো তেল আমদানিনির্ভর দেশের জন্য বড় চিন্তার কারণ। তেলের দাম বাড়লে দেশের আমদানি খরচ বাড়তে পারে। তার প্রভাব পড়তে পারে মূল্যবৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে।আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের অনুমান, ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৫.৭৪ ডলারে পৌঁছতে পারে। ২০২৫ সালের তুলনায় তা প্রায় ৪১ শতাংশ বেশি। তবে ২০২৭ সালে তেলের দাম প্রায় ৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৭.৩৯ ডলারে নেমে আসতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছে। তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা থাকলেও দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি বজায় থাকতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।অন্য দিকে, চিন, রাশিয়া, ব্রাজিল এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের অর্থনীতি নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এই দেশগুলির সম্মিলিত আর্থিক বৃদ্ধির হার ৩.৭ শতাংশ হতে পারে। আগে এই হার ৩.৮ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল।তবে ইউরোপের কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানো হয়েছে। জার্মানির অর্থনৈতিক বৃদ্ধির অনুমান ০.৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে। ব্রিটেনের ক্ষেত্রেও বৃদ্ধির পূর্বাভাস ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে, যুদ্ধ এবং তেলের দাম বৃদ্ধির মতো ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান আগামী দিনেও আর্থিক বৃদ্ধিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

সূর্যকান্তকে নিয়ে বিস্ফোরক পোস্ট, বিজেপির আক্রমণের মুখে পিছু হটল কেরল কংগ্রেস?

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের পদত্যাগ দাবি করে কেরল কংগ্রেসের একটি পোস্ট ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে বিতর্কের পর এ বার প্রধান বিচারপতিকে নিশানা করে পোস্ট করার অভিযোগ উঠেছে কেরল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বিষয়টি সামনে আসতেই কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত পোস্টটি মুছে দিয়েছে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস। সূত্রের খবর, ওই পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকেও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে বিক্ষোভ এবং রাজধানীতে জারি করা বিধিনিষেধ নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা। একটি অনুষ্ঠানের ফাঁকে তাঁদের প্রশ্নের উত্তরে প্রধান বিচারপতি জানান, বিষয়টি আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই তা তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না।প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্যের পরেই কেরল কংগ্রেসের সরকারি সমাজমাধ্যমের পাতায় একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে তাঁকে উদ্দেশ করে লেখা হয়েছিল, আইনশৃঙ্খলা যদি তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে না পড়ে, তা হলে যেন তিনি পদত্যাগ করেন। পাশাপাশি, তাঁর পরিবর্তে এই বিষয় সামলাতে পারবেন, এমন কাউকে খুঁজে নেওয়ার কথাও লেখা হয় ওই পোস্টে। বার্তাটি সামনে আসতেই কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হয় বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায় ওই পোস্টের ছবি ভাগ করে নেন। তাঁর অভিযোগ, তিনি আগেই বলেছিলেন, কংগ্রেসের পরবর্তী নিশানা হবে বিচারব্যবস্থা। কংগ্রেস দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করতে চায় বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর আরও বক্তব্য, দেশবিরোধী শক্তিগুলি একজোট হচ্ছে। এর মোকাবিলায় দেশপ্রেমিক ভারতীয়দেরও একজোট হওয়ার আহ্বান জানান রিজিজু।বিতর্ক বাড়তে থাকায় নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি সানি জোসেফ জানান, প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রদেশ কংগ্রেসের নেতৃত্বের অজান্তে এবং তাঁদের অনুমতি বা পরামর্শ ছাড়াই ওই পোস্ট করা হয়েছিল।কী পরিস্থিতিতে ওই পোস্ট করা হয়েছিল, তা দল খতিয়ে দেখবে বলেও জানিয়েছেন সানি। তাঁর বক্তব্য, বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে কংগ্রেসের কোনও আপত্তি নেই। সমাজমাধ্যমে এমন কোনও পোস্ট করা হলে, যা দলের এই অবস্থানের সঙ্গে মেলে না, তা কেরল প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের মতামত বলে গণ্য করা যাবে না।প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিতর্কে এক দিকে বিজেপির আক্রমণ, অন্য দিকে কেরল কংগ্রেসের ব্যাখ্যাসব মিলিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতর বেড়েছে। বিতর্কিত পোস্ট প্রত্যাহার এবং দায়ী ব্যক্তিকে সরানোর সিদ্ধান্তের পরেও এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দুর্গাপুজোর আগেই বড় ধাক্কা সুজিত বসুর, জামিনের আর্জি খারিজ হাই কোর্টে

এক সময় দুর্গাপুজোর আগে থেকেই কলকাতার শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবে ভিড় জমত দর্শনার্থীদের। রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর এই পুজো ছিল শহরের অন্যতম আকর্ষণ। কিন্তু এ বার ছবিটা অন্য রকম। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার সুজিত বসুর জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। ফলে দুর্গাপুজোর সময় তাঁকে জেলেই থাকতে হতে পারে।জামিনের আবেদনটি প্রথমে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে উঠেছিল। শুনানির শেষে বিচারপতি অভিযোগ করেন, সুজিতের আইনজীবীরা তাঁর কক্ষ থেকে একটি ফাইল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এর পরেই বিচারপতি মামলাটি থেকে সরে দাঁড়ান। পরে মামলাটি যায় বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে। সেখানেই সুজিতের জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। তবে শুনানির সময় বিচারপতি জামিন খারিজের নির্দিষ্ট কারণ জানাননি।আদালতে ইডির আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী দাবি করেন, পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে ২৮৪ জন অযোগ্য প্রার্থী চাকরি পেয়েছিলেন। তাঁদের প্রত্যেকের কাছ থেকে চাকরির জন্য ৬ লক্ষ টাকা করে নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। ইডির আরও দাবি, সুজিত বসুর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৮ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা পাওয়া গিয়েছে। তাঁর পরিবারের সদস্যদের অ্যাকাউন্টেও কয়েক কোটি টাকা মিলেছে বলে আদালতে জানিয়েছিল তদন্তকারী সংস্থা।এই মামলায় সুজিতের আগে গ্রেফতার হয়েছিলেন মধ্যস্থতাকারী অয়ন শীল। ইডি আগে হাই কোর্টে দাবি করেছিল, অয়নকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বিভিন্ন সময়ে ১৫২ জনের চাকরির জন্য সুজিত বসু সুপারিশ করেছিলেন।অন্য দিকে, সুজিতের আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি ও সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় জামিনের পক্ষে সওয়াল করেন। তাঁদের বক্তব্য, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত শেষ হয়ে গিয়েছে। তা সত্ত্বেও তাঁদের মক্কেলকে জেলে আটকে রাখা ঠিক নয়। ইডি এই গ্রেফতারিকে যুক্তিসঙ্গত প্রমাণ করতে পারবে না বলেও দাবি করেন তাঁরাসুজিতের আইনজীবীদের আরও বক্তব্য, ২০১৬ সালের পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি তাঁকে মূল অভিযুক্ত হিসেবে দেখালেও, ২০২৪-২৫ সালে সিবিআই যে চার্জশিট দিয়েছিল, তাতে তাঁর নাম ছিল না। তাঁদের দাবি, সুজিতের বাড়ি কলকাতায়। তদন্তের প্রয়োজনে তাঁকে যখনই ডাকা হবে, তিনি হাজির হতে পারবেন। তদন্তে সহযোগিতা করতেও তিনি প্রস্তুত।গত ১১ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই মামলায় প্রায় ১৫০ জন চাকরিপ্রার্থীর নাম সামনে এসেছে। দুর্নীতির মাধ্যমে পাওয়া টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছিল বলে মনে করছে ইডি। তবে এই মামলায় ওঠা অভিযোগগুলির চূড়ান্ত সত্যতা আদালতের বিচারেই নির্ধারিত হবে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

শঙ্কুদেবের পুজোয় হাজির শুভেন্দু অধিকারী, পার্ক স্ট্রিটে দাঁড়িয়ে কী বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী?

পার্ক স্ট্রিটে এ বার প্রথমবার দুর্গাপুজোর আয়োজন করেছেন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা। প্রথম পুজো ঘিরে উদ্যোক্তাদের মধ্যে আলাদা আবেগ থাকবেই। সোমবার রাতে সেই পুজোর উদ্বোধনে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উপস্থিত ছিলেন সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও। পুজোর উদ্বোধনী মঞ্চ থেকে দুর্গোৎসব, সংস্কৃতি ও রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য রাখেন বিজেপির দুই নেতা।অনুষ্ঠানে সুকান্ত বলেন, পার্ক স্ট্রিটে আগে দুর্গাপুজোর আয়োজন হত না। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় পশ্চিমবঙ্গে ১২ হাজারেরও বেশি নতুন পুজো শুরু হয়েছে। আগের সরকারের আমলে পুজো করার জন্য উদ্যোক্তাদের কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হতে হত বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান সুকান্ত। বক্তব্যের শেষে জয় শ্রীরাম স্লোগানও তোলেন তিনি।সোমবার রাত প্রায় ১১টা নাগাদ পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কে শঙ্কুদেবের পুজোর উদ্বোধন করতে যান শুভেন্দু। সেখানে উপস্থিত বিজেপি নেতাদের একে একে নাম করে উল্লেখ করেন তিনি। তার পর বলেন, একদম রাষ্ট্রবাদী টিম পুরো হাজির।বক্তৃতায় পার্ক স্ট্রিটের প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দু বলেন, এই এলাকায় মাঝেমধ্যে টুকরে টুকরে গ্যাং-এর উৎপাত দেখা যেত বলে তাঁর দাবি। দুর্গাপুজোর আবহে পার্ক স্ট্রিটকে পবিত্র ও শুদ্ধ করার কথাও বলেন তিনি। এই পুজো ধরে রাখার জন্য উদ্যোক্তাদের আবেদন জানান শুভেন্দু। সুযোগ হলে পুজোয় এসে প্রসাদ খাওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও পরম্পরা বজায় রাখার উপর জোর দেন শুভেন্দু। পিতৃপক্ষ ও মহালয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এ বার পিতৃপক্ষে কাউকে কাঁচি নিয়ে বেরোতে দেওয়া হয়নি। তাঁর বক্তব্য, পবিত্রতা ও সংস্কৃতি বজায় রেখেই দুর্গাকে স্বাগত জানানো হয়েছে।এ দিকে, কলকাতা জুড়ে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন ঘিরে ব্যস্ততা চলছে। গত ১০ অক্টোবর মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে উমা আগমনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রাজ্য সরকারের দুর্গাপুজোর উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ড্রোনের প্রদর্শনী এবং আতশবাজির আয়োজন করা হয়েছিল। প্রায় তিন হাজার ঢাকির একসঙ্গে ঢাক বাজানো ছিল অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ।১১ অক্টোবর সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করা হয়। এ বছরের পুজোর ভাবনা বন্দে মাতরম্। ভারতের জাতীয় সংগীতের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও দেশভাগের ইতিহাস মণ্ডপে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।১২ অক্টোবর চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ৯১তম বর্ষের পুজোর উদ্বোধন হয়। এ বছরের ভাবনা বিয়ন্ড সাউন্ড। শহরের কোলাহলের বিপরীতে শান্তি ও নিজের অন্তরের ভাবনাকে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে এই মণ্ডপে। শ্রীভূমির দুর্গাপুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

ভোট চুরির অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে রাহুলদের মামলা, আবেদনেই ১৪টি ভুল! ২২০ টাকা কম জমা?

ভোট চুরির অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধী জোটের একাধিক নেতা। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে যৌথ মামলা দায়ের করেছেন তাঁরা। কিন্তু মামলা দায়েরের পরেই নতুন সমস্যা। আদালতের রেজিস্ট্রি জানিয়েছে, বিরোধীদের আবেদনে মোট ১৪টি ত্রুটি রয়েছে। এমনকি আদালতের ফি বাবদ ২২০ টাকা কম জমা পড়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে পথে নেমেছিলেন বিরোধী জোটের নেতারা। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোট চুরির অভিযোগের তদন্তের দাবিতে তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের দিকে মিছিল করেন। সেই দিনই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে যৌথ মামলা দায়ের করেন তাঁদের আইনজীবীরা।কিন্তু আদালতের রেজিস্ট্রির প্রাথমিক পরীক্ষায় আবেদনে একাধিক ভুল ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। রেজিস্ট্রির দাবি, মোট ১৪টি ত্রুটি রয়েছে ওই আবেদনে। তার মধ্যে অন্যতম হল আদালতের ফি বাবদ ২২০ টাকা কম জমা দেওয়া। এ ছাড়া, নয় জন আবেদনকারীর প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র জমা পড়েনি বলেও জানানো হয়েছে।কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের পরিচয়পত্রের স্পষ্ট প্রতিলিপি জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আবেদনের কয়েকটি অংশে অক্ষর অত্যন্ত ছোট হওয়া নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে রেজিস্ট্রি। দুটি নির্দিষ্ট নথির রঙিন প্রতিলিপি জমা দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ। পাশাপাশি, কয়েকটি নথির লেখা অস্পষ্ট, কিছু পৃষ্ঠা অনুপস্থিত এবং আঞ্চলিক ভাষায় লেখা পৃষ্ঠা ও পৃষ্ঠা নম্বরের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এই ত্রুটিগুলি সংশোধন করার পরেই মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোতে পারবে।এই যৌথ মামলায় আবেদনকারীদের তালিকায় রয়েছেন রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব, সুপ্রিয়া সুলে, শিবসেনার উদ্ধব শিবিরের নেতা সঞ্জয় রাউত, ডি রাজা, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার মহুয়া মাজি, এম এ বেবি এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগের নেতা ই টি মহম্মদ বশির।সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে মামলাটি রাহুল গান্ধী বনাম ভারতের নির্বাচন কমিশন নামে নথিভুক্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় মোট ১০ দফা প্রতিকার চেয়েছেন বিরোধী নেতারা।বিরোধীদের দাবি, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া সংক্রান্ত সমস্ত নথি আদালতে পেশ করার নির্দেশ দেওয়া হোক। এই প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তগুলির সাংবিধানিক বৈধতাও খতিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। পাশাপাশি, অনিয়মের জন্য দায়ী আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, তাঁদের অভিযোগের নিষ্পত্তি এবং একটি স্বাধীন কমিটির মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়ার নিরীক্ষা করানোর দাবিও জানানো হয়েছে।বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে ভোটারদের অধিকার ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে। সেই কারণেই নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা।সোমবারের মিছিলের আগে বিরোধী নেতারা প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে দেখা করার আবেদন জানিয়েছিলেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল, ভোট চুরির অভিযোগের নিষ্পত্তি, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ, বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া বন্ধ এবং ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ ফের চালু করার দাবিতে একটি স্মারকলিপি তুলে দেওয়া।তবে প্রধান বিচারপতি তাঁদের সঙ্গে দেখা করার আবেদন গ্রহণ করেননি। বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন বলেই তিনি এই আবেদন খারিজ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। এর আগে বিরোধীদের অভিযোগ জানানোর পথ নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছিলেন, সুপ্রিম কোর্টের দরজা সকলের জন্য খোলা। সাধারণ নাগরিক হোন বা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, প্রত্যেকেই আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন।এখন বিরোধীদের আবেদনে চিহ্নিত ত্রুটিগুলি সংশোধন করতে হবে। তার পরেই মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোবে। ফলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের এই মামলার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

‘যারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া কিছু ভাবেনি…’, দুর্গাপুজোর মঞ্চ থেকে কাদের নিশানা অগ্নিমিত্রার?

দুর্গাপুজোর আগে ভারতবিরোধী শক্তির বিনাশ চেয়ে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করলেন রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর কথায়, ভারতবিরোধী শক্তিগুলিকে শেষ করে দাও মা। যারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া এত দিন কিছুই ভাবেনি, সেই বদমাইশদেরও শেষ করে দাও। সোমবার দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে একটি প্রাক-পুজোর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েও একই প্রসঙ্গে সরব হন অগ্নিমিত্রা। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং আরও শক্তিশালী হচ্ছে। কিন্তু দেশের উন্নতির পথে যারা বাধা হয়ে দাঁড়াতে চাইছে, তাদের বিনাশের জন্য মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করেছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার কথায়, যারা নিজেদের স্বার্থের বাইরে কিছু ভাবেনি, তাদেরও যেন মা দুর্গা শেষ করে দেন। দেশ ও রাজ্য থেকে এই ধরনের শক্তির বিনাশই তাঁর প্রার্থনা।এ দিন দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং আতশবাজির প্রদর্শনীও উপভোগ করেন মন্ত্রী। পাশাপাশি রাজ্যবাসীকে দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা জানান তিনি। উৎসবের দিনগুলিতে সতর্ক থাকার আবেদনও জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা।পুজোর সময়ে জরুরি পরিষেবা চালু থাকবে বলে জানান তিনি। পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকেরা রাস্তায় থেকে পরিস্থিতির উপর নজর রাখবেন বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী। তবে শুধু প্রশাসনের উপর নির্ভর না করে সাধারণ মানুষকেও সচেতন থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি। পরিবেশ রক্ষায় সরকারের জারি করা নির্দেশিকা মেনে চলার আবেদনও জানান অগ্নিমিত্রা।বাংলা ও বাঙালির সংস্কৃতির বিরোধিতা করা হবে, বিজেপিকে ঘিরে এমন প্রচারও খারিজ করেছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার বক্তব্য, মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিপুল মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করে যে এই প্রচার ঠিক নয়। আগামী দিনে আরও নানা উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। মানুষের পাশে থাকার আবেদন জানিয়ে অগ্নিমিত্রা বলেন, আগামী দিনেও পাশে থাকুন, আরও অনেক কিছু হবে।সোমবারের ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক পুন্নাম্বলম এস, দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষ্মণচন্দ্র ঘোড়ুই।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দিল্লির পর কলকাতায় ‘জ্ঞানেশ কুমার হটাও’ মিছিল! পথে নামতে পারেন মমতা, কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

দিল্লির আন্দোলনের আঁচ এ বার কলকাতাতেও। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে মঙ্গলবার কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী শিবির। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই মিছিল হওয়ার কথা। তাতে মমতা নিজেও যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে তিনি মিছিলে হাঁটবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তেই কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুর্গাপুজোর সময়ে কোনও রকম বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবারের মিছিলের প্রচারপত্র প্রকাশ করেছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের অভিযোগ তোলা হয়েছে। দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক করা এবং তরুণ প্রজন্মের উপর অত্যাচারের অভিযোগও প্রচারপত্রে তুলে ধরা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে সাধারণ মানুষকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। জেলায় জেলায়ও কর্মসূচির বার্তা পাঠানো হয়েছে বলে খবর।ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছেন বিরোধী নেতাদের একাংশ। এই ইস্যুতে দিল্লিতে একাধিক প্রতিবাদ কর্মসূচিও হয়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হতে পারে বলে খবর।এই আবহেই কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। দুপুর দুটো নাগাদ মিছিল শুরু হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে মিছিলে অংশ নেবেন কি না, তা নিয়ে এখনও নিশ্চিত কোনও ঘোষণা হয়নি।সোমবার রাতে কলকাতায় একটি দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করতে গিয়ে এই কর্মসূচি নিয়ে সরব হন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, বেরোতে দেব না। সিপিকে নির্দেশ দিয়েছি, রাজাবাজার থেকে এক পা এগোতে দেব না। প্রয়োজন হলে সেন্ট্রাল ফোর্সও নামাতে বলেছি। বেরোতে দেব না। কোনও বিশৃঙ্খলা করতে দেব না দুর্গাপুজোর সময়ে।মিছিল ঘিরে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে বলে খবর। মঙ্গলবার সকাল থেকেই পার্ক সার্কাস এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে মিছিল কোন পথে এগোবে এবং শেষ পর্যন্ত তাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যোগ দেবেন কি না, সে দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

যন্তর মন্তরে প্রতিবাদে নিষেধাজ্ঞা, পরদিনই ব্যারিকেড টপকে ঢোকার চেষ্টা! আটক ককরোচ জনতা পার্টির নেতারা

যন্তর মন্তরে আর প্রতিবাদ করা যাবে না। সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে বলে দাবি। সেই নির্দেশ ঘিরেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে দিল্লিতে। সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপের হুঁশিয়ারি, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে না দিলে গোটা দেশকেই প্রতিবাদের মঞ্চ করে তুলবেন তাঁরা। আর সেই ঘোষণার পরদিনই যন্তর মন্তরে পৌঁছে গেলেন দলের কয়েক জন নেতা। কিন্তু সেখানে ঢোকার চেষ্টা করতেই তাঁদের আটক করে পুলিশ।সোমবার দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। দলের তরফে দাবি করা হয়, ওই সময়ের মধ্যে নতুন করে প্রতিবাদের স্থান এবং দিনক্ষণ জানাতে হবে। তা না হলে বড় পদক্ষেপ করা হবে। এর পরেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করা যাবে না বলে নির্দেশ দেয় দিল্লি পুলিশ। প্রতিবাদের জন্য তিনটি বিকল্প জায়গার কথা জানানো হয়েছে বলে খবর।সেই বিকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে রামলীলা ময়দান। তবে সূত্রের দাবি, সেখানে প্রতিবাদ কর্মসূচির জন্য জায়গা বুক করতে খরচ হতে পারে ১ লক্ষ ২১ হাজার টাকা। চলতি বছরের জন্য বুকিংও ইতিমধ্যে হয়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ফলে প্রতিবাদের নতুন জায়গা পাওয়া নিয়ে সমস্যায় পড়তে পারে ককরোচ জনতা পার্টি।নিটের প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদে যন্তর মন্তর থেকেই আন্দোলন শুরু করেছিলেন দলের সদস্যেরা। তাই ওই জায়গায় বিক্ষোভ বন্ধের নির্দেশে ক্ষুব্ধ তাঁরা। অভিজিৎ দীপের বক্তব্য, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে দেওয়া না হলে গোটা দেশই প্রতিবাদের মঞ্চ হয়ে উঠবে।এই হুঁশিয়ারির পরদিন মঙ্গলবার ভোরে যন্তর মন্তরে পৌঁছে যান দলের নেতা সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কারা। অভিজিতের প্রকাশ করা একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, লোহার গেট ও পুলিশের ব্যারিকেড টপকে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করছেন তাঁরা। তাঁদের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা। ভারত মাতা কি জয় স্লোগান দিতে দিতেই ব্যারিকেড পার হওয়ার চেষ্টা করেন দলের নেতারা।কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁদের আটক করে পুলিশ। দলের কয়েক জন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হতে পারে বলেও সূত্রের খবর। মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনার একাধিক ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।নেতা-কর্মীরা আটক হলেও আন্দোলন থামবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ। তাঁর দাবি, প্রতিবাদকে আটকানো যাবে না। যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের উপর নিষেধাজ্ঞা এবং বিকল্প জায়গা নিয়ে দিল্লি পুলিশের সঙ্গে দলের সংঘাত কোন দিকে এগোয়, এখন সে দিকেই নজর।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal