• ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

রাজ্য

রাজ্য

রাতভর টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চল

দুপুরের পর থেকে বৃষ্টিতে ডুবে গিয়েছে দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলের বহু নীচু এলাকা। বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর দুপুর থেকে সারা রাত টানা বৃষ্টির ফলে সমস্ত নালা কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে জল ঢুকে পরে বাড়ির দোরগোড়ায়। জলমগ্ন হয়ে গিয়েছে বহু ঘরবাড়ি। মেনগেট বস্তির পাশ দিয়ে বয়ে চলা তামলা নালার জল কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে আশেপাশের সমস্ত জনবসতি ডুবিয়ে দিয়েছে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ গবাদি পশু নিয়ে ঘরবাড়ি ছেড়ে উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিয়েছেন। শিল্পাঞ্চল, দুর্গাপুর স্টেশন সংলগ্ন রায়ডাঙাতে ঘরে ঢুকে পড়েছে জল ৷ রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও কোনও রকম পদক্ষেপ নেওয়া চোখে পড়েনি। তবে পুলিশের তৎপরতা চোখে পড়েছে। বেলা বাড়লে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সঠিকভাবে জানা যাবে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০
রাজ্য

করোনা প্রতিরোধে 'ঘরে ফেরা' গৃহহীনদের

করোনা সংক্রমণের হার কমছে বলে দাবি হাওড়ায় জেলা প্রশাসনের। হাওড়া পুরসভা এলাকায় কমেছে কন্টেনমেন্ট জোনের সংখ্যা। সাফল্যের সেই হার ধরে রাখতে এবারে শহরের নানা অংশে থাকা গৃহহীনদের পুরসভার ভবঘুরে আবাসে পাঠাতে উদ্যোগ নিল হাওড়া পুরসভা। হাওড়ায় কইপুকুরে রয়েছে পুরসভার একটি গৃহহীনদের জন্য আবাসগৃহ। পোষাকি নাম ঘরে ফেরা। কিছুদিন আগেই শহরে থাকা গৃহহীনদের জন্য এই ঘর তৈরি করে পুরসভা। বৃহস্পতিবার হাওড়া পুরসভার এক পদস্থ আধিকারিক জানান, এই শহুরে গৃহহীন আবাসগৃহে ইতিমধ্যেই ৫০জনের বেশী আবাসিক রয়েছেন। তিনি আরও জানান, করোনা সংক্রমণ যেন এদের মধ্যেও ছড়িয়ে না পড়ে তাই তাদের শহরের গৃহহীন আবাসগৃহে রাখার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। জরুরী প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে বেরতে নিষেধ করা হচ্ছে করোনা সংক্রমণের ভয়ে, সেখানে খোলা আকাশের নিচে কাটানো এই মানুষগুলোর মধ্যে যেকোনো সময়ে ছড়াতে পারে কোভিড-১৯ সংক্রমণ। এমনকি সংক্রামিত হওয়ার পরে তাদের থেকেও ছড়াতে পারে কোভিড-১৯ সংক্রমণ। সেই সম্ভাবনা রূখতেই শহুরে গৃহহীনদের পুরসভার আবাসগৃহে পাঠাতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে পুরসভাসুত্রে খবর। পুরসভার এক পদস্থ আধিকারিক জানান, তিনি নিজে বুধবারে হাওড়ার কইপুকুরের ওই আবাসগৃহ পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানান, আবাসগৃহে থাকা মানুষজন মূলত রাতটুকুই কাটান। এদিকে গত ৩সেপ্টেম্বর তারিখে প্রকাশিত কন্টেনমেন্ট জোনের তালিকা অনুযায়ী হাওড়া পুরসভা এলাকায় কন্টেনমেন্ট জোনের সংখ্যা ছিল ১২ এবং সারা জেলায় ছিলো ৭৪টি কন্টেনমেন্ট জোন। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত কন্টেনমেন্ট জোনের নতুন তালিকা অনুযায়ী হাওড়া শহরের পাশাপাশি জেলাতেও কমেছে কন্টেনমেন্ট জোনের সংখ্যা। হাওড়া পুরসভা এলাকায় কন্টেনমেন্ট জোনের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫টি এবং সারা জেলায় মাত্র ৬০টি কন্টেনমেন্ট জোন ঘোষণা করা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
রাজ্য

বিপদভঞ্জনের চায়ের দোকানের মতো দ্বিতীয়টি কখনও দেখেছেন?

বড়ো, ছোটো কফি শপ বা চায়ের দোকান তো অনেক দেখা যায়। চায়ের কাপে তুফান তোলা থেকে চায়ে পে চর্চা, জমাটি আড্ডা থেকে রাজনীতির জনমত গঠন, সব কিছুতেই জড়িয়ে চায়ের দোকান। লকডাউনের সময় চা কাকুর আমরা কি চা খাব না? খাব না আমরা চা? তো ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু এমন চায়ের দোকান কি দেখেছেন? বিপদভঞ্জন মণ্ডলের চায়ের দোকানের কথা বলছি। নিজে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্ধ ভক্ত। সেটা দোকানে ঢুকলেই দেখা যাবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি রয়েছে। তবে রয়েছে আরও চমক। হুগলি জেলার বেহুলা স্টেশনের কাছে জামতলায় এসটিকেকে রোডের ধারে বিপদভঞ্জন মণ্ডলের চায়ের দোকানের কথা শুনেছিলেন অনেক দিন আগেই। ব্যস্ততায় আসা হয়নি। সম্প্রতি দলীয় কর্মীদের নিয়ে তাই সেই দোকানে হাজির হয়েছিলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়।শান্তনু জানালেন, অনেক জায়গায় গিয়েছি, তবে এমন দোকান দেখিনি। চায়ের দোকানে মণীষীদের বাঁধাই করা ছবি দেখে সত্যিই অবাক হয়ে গিয়েছি, ভালোও লাগছে। বিপদভঞ্জনবাবুর কথায়, অনেক দিন ধরে ছবি জোগাড় করেছি। তবে দোকানটা একটু বড়ো হলে আরও মণীষীদের ছবি রেখে আরও ভালোভাবে সাজিয়ে রাখতে পারতাম। দোকানের নাম সর্বধর্ম সমন্বয় চায়ের দোকান। অর্থাৎ জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলেই স্বাগত। তবে বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ আছে। তৃণমূল-বিরোধীদের মোটেও চা বিক্রি করেন না। শর্ত একটাই। তাই চা পানের ইচ্ছা জাগলে নয় কয়েক মিনিটের জন্য রাজনীতির আলোচনা থেকে দূরেই থাকুন না!

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
রাজ্য

মহালয়াতেও দুশ্চিন্তা কাটছে না ঢাকিদের

আজ মহালয়া। বিভিন্ন ঘাটে চলছে পূর্বপুরুষদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে তর্পণ। শরতের আকাশ, কাশফুল আগেই জানান দিয়েছে পুজো আসছে। করোনা আবহেও শরতের আকাশ আর কাশফুলের দোলা মানুষের মধ্যে আশার আলো সঞ্চার করেছে। সকলেই প্রতীক্ষায় বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবের। আজ তো আবার বিশ্বকর্মা পুজোও। যদিও এবার কিন্তু মন ভালো নেই ঢাক শিল্পীদের। বিভিন্ন মণ্ডপ থেকে এখনও অনেক শিল্পীর কাছেই ডাক আসেনি। আদৌ কি আসবে? সেই দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে ঢাকি ও তাঁদের পরিবারের। করোনা অতিমারির কারণে দেশে দীর্ঘ হয়েছে লকডাউন। পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হওয়ায় এখন চলছে আনলক পর্ব। তবে সবকিছু কবে স্বাভাবিক হবে সেই বিষয়ে নেই কোনও নিশ্চয়তা। লকডাউনের ফলে অনেকে কাজ হারিয়েছেন, বাধ্য হয়ে অনেকের বদলে গেছে জীবিকা, আবার অনেকের জীবনে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তাও। ঢাক শিল্পীদের জীবনও ব্যতিক্রম নয়। করোনার প্রভাব পড়েছে তাঁদের জীবিকাতেও। তাই পুজোর মরশুমেও মন ভালো নেই ঢাক শিল্পীদের। লাউদোহা ব্লকের গৌরবাজার গ্রামের ঢাকিরা এমনটাই জানালেন। এই গ্রামের উত্তরপাড়া, দক্ষিণপাড়া ও বাদ্যকর পাড়ায় বসবাস করেন প্রায় দুশো ঢাকি পরিবার। ঢাক বাজানোই তাঁদের প্রধান জীবিকা। বংশ পরস্পরায় তাঁরা এই শিল্পের সাথে যুক্ত। শিল্পী রাজেশ বাদ্যকর ও পূর্ণচন্দ্র বাদ্যকর জানালেন, বছরের বিভিন্ন সময়ে ছোট-বড় বিভিন্ন পুজো অনুষ্ঠানে ডাক পেয়ে তাঁরা ঢাক বাজান । এই পেশার উপার্জন থেকেই চলে সংসার। বংশ পরস্পরায় তাঁরা এই কাজ করে আসছেন বেশ কয়েক পুরুষ ধরে। কিন্তু করোনা অতিমারির কারণে এ বছর প্রভাব পড়েছে তাঁদের পেশায় । স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনাড়ম্ভর হচ্ছে বিভিন্ন পুজো-পার্বণ-অনুষ্ঠান। বাজেট কাটছাঁট আর জমায়েত হতে পারে এই আশঙ্কায় কাঙ্ক্ষিত ডাক পাচ্ছেন না ঢাকিরা। দুর্গাপুজোর সময়ে ঢাকিদের চাহিদা থাকে বেশি । উপার্জনও হয় ভালোই। বিভিন্ন জায়গার পুজো কমিটি থেকে ডাক আসে। কিন্তু এই বছর অনেক শিল্পী এখনও পর্যন্ত ডাক পাননি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে ছোটো করে পুজো হলে এ বছর ডাক পাওয়ার আশাও কম। তবু শেষ মুহূর্তে হলেও মা দুর্গার কৃপাদৃষ্টি তাঁদের উপর পড়বে বলে আশা ঢাকিদের। এ প্রসঙ্গে দুর্গাপুর ফরিদপুর ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক মৃণালকান্তি বাগচী জানান, গৌড়বাজার গ্রামের ঢাক শিল্পী পরিবারের মধ্যে কিছু ঢাক শিল্পী রাজ্য সরকারের তরফ থেকে শিল্পী ভাতা পান। যাঁরা এই শিল্পী ভাতা পান না তাঁরা সঠিক পদ্ধতিতে আবেদন করলে ভাতা পাবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন বিডিও ।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
রাজ্য

পুজোর আগেই বাঙালির রসনাতৃপ্তি, হাওড়ার পাইকারি মাছ বাজারে বাংলাদেশের ইলিশ

অবশেষে প্রতীক্ষার অবসান। পুজো উপলক্ষে হাওড়ার পাইকারি মাছ বাজারে এলো বাংলাদেশের ইলিশ। বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা থেকে ১২০০ টাকা দরে। মঙ্গলবার সকাল থেকেই সেই ইলিশ মাছ কিনতে ভিড় খুচরো ব্যাবসায়ীদের। সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর মোট ২০ মেট্রিক টন মাছ এসেছে বাজারে। রাজ্যের ইলিশ আমদানিকারী সংস্থা ফিস ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মুকসুদ বলেন, পুজোর আগে পদ্মার ইলিশ ওপার বাংলা থেকে এপার বাংলায় এসেছে। এই ভালো লাগার আনন্দের কোনও সীমা নেই। কারণ সকলেই জানি যে, এপার বাংলার মানুষ ওপারের পদ্মার ইলিশের জন্য কতটা উদগ্রীব। আমরা গত ২০১২ সাল থেকে চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছি যাতে বাংলাদেশ রফতানির উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। কিন্তু যাই হোক গত বছর পুজো উপলক্ষে তাঁরা আমাদের ৫০০ মেট্রিক টন ইলিশ দিয়েছিলেন। আর এই বছর ওনারা পুজো উপলক্ষে আমাদের ১৫০০ মেট্রিক টন ইলিশ মাছ দিচ্ছেন। এটা অনেক বড়ো আনন্দের।মানুষ যে ইলিশ মাছ কিনতে কতটা পাগল সেটা আজকে বাজারে মানুষের ভিড় ও উৎসাহ দেখেই বোঝা যাচ্ছে। আমরা আশা করছি হয়তো বাংলাদেশ সরকার বাঙালির এই উৎসাহ দেখে ভবিষ্যতে এই নিষেধাজ্ঞা তুলে দেবে। সোমবার ২০ মেট্রিক টন ইলিশ মাছ এসেছে। আজকে প্রায় ৩০ মেট্রিক টন ইলিশ মাছ আসবে। এরপর যে রকম আমদানি হবে মাছ আসতে থাকবে। প্রায় ১৫০০ মেট্রিক টন ইলিশ মাছ আসবে। বিভিন্ন সাইজের ইলিশের বিভিন্ন দাম রয়েছে। ৫০০ গ্রাম থেকে ১২০০ গ্রাম পর্যন্ত সাইজের ইলিশ আছে। মাছ বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা থেকে শুরু করে ১২০০-১৩০০ টাকা পর্যন্ত। অকশন হচ্ছে। এর কোনও ফিক্সড রেট নেই। যা আসবে এই বাজারে সামনেই বিক্রি হবে। আমরা সফল যে আমাদের রাজ্য সরকার, কেন্দ্রীয় সরকার, বাংলাদেশ সরকার সবাই এগিয়ে এসেছেন। আমাদের চেষ্টা সার্থক হলো। উল্লেখ্য, সোমবার সন্ধ্যায় পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে দুটি ট্রাকে সীমান্ত পেরিয়ে এ দেশে ঢুকেছে পদ্মার ইলিশ। আজ মঙ্গলবার থেকেই বাজারে সেই ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। হাওড়ার বাজারে ইলিশ কিনতে ইতিমধ্যেই ভিড় জমিয়েছেন ক্রেতারা। একটি ইলিশ মাছ কিনে খুশি বীণা মন্ডল বলেন, এমন ভালো ইলিশ মাছ কিনে খুব আনন্দ হয়েছে। প্রত্যেক বছর যেন এমন মাছ পাই। বাঙালি ইলিশ মাছ খেতে খুব ভালোবাসে। পুজোর আগে ইলিশ পেলাম সেটাই বেশি আনন্দের।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
রাজ্য

পুলিশ দিবস

রাজ্যে মঙ্গলবার ৮ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে পালিত হয়েছে পুলিশ দিবস। কালনা থানার আধিকারিক-সহ পুলিশকর্মীরা দিনভর ব্যস্ত থাকায় বুধবার সার্কেল ইনস্পেক্টর তুহিন বিশ্বাস, কালনা থানার ওসি রাকেশকুমার সিং-সহ প্রায় ১০০ জন পুলিশকর্মীকে সংবর্ধনা প্রদানের ব্যবস্থা করলেন সমাজসেবী সুব্রত পাল। তাঁদের প্রতি সম্মান জানিয়ে প্রত্যেকের হাতে তুলে দেওয়া হয় মাস্ক, পেন, ফুল, উত্তরীয়।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
রাজ্য

এটিএম লুঠ কাণ্ডের মূল পান্ডা ধৃত

জাতীয় স্তরের এটিএম লুঠ কাণ্ডের মূল পান্ডাকে মালদার রতুয়া থেকে গ্রেফতার করল কালিয়াচক থানার পুলিশ। বুধবার ৯ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রতুয়া থানার বাহারাল মোড়ে অভিযান চালায় কালিয়াচক থানার পুলিশের বিশেষ একটি দল। বাহারাল স্ট্যান্ডের কাছ থেকেই এটিএম লুঠের মূল ওই চক্রীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এটিএম লুঠের চক্র দীর্ঘদিন ধরে চালিয়ে আসছিল ধৃত ওই ব্যক্তি, প্রাথমিক তদন্তে এমনটা জনতে পেরেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার ধৃতকে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার জন্য মালদা আদালতে আবেদন জানিয়েছে কালিয়াচক থানার তদন্তকারী পুলিশ। জেলা পুলিশের এটা বড় সাফল্য বলেও দাবি করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম ধরমবীর শর্মা, বাড়ি উত্তরপ্রদেশের মথুরা জেলার যোশী থানার কচিকলোণি এলাকায়। গোটা দেশে পৃথক পৃথক ভাবে বিগত দিনে যত এটিএম লুঠ হয়েছে, তার পিছনে মূল মাথা হিসাবে ধৃত এই ব্যক্তি কাজ করে এসেছে বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে এটিএম লুঠের কথা কবুল করেছে ধৃত। উল্লেখ্য, ১৯ আগস্ট কালিয়াচক থানার সুজাপুরের ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের এটিএম থেকে প্রায় আট লক্ষ টাকা লুঠ করে পালায় দুষ্কৃতীরা। ২০ আগস্ট সকালে বিষয়টি জানার পর তদন্তে ওই এলাকায় যায় এলাকায় ছুটে যান পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ্রামীণ) দীপক সরকার সহ জেলা পুলিশের পদস্থ কর্তারা। এরপরই বিভিন্ন সূত্র ধরে এটিএম লুঠ কাণ্ডের মূল চক্রের সন্ধান পায় পুলিশ। তবে শুধু সুজাপুর নয়, মালদায় বিগত দিনে যত এটিএম লুঠ হয়েছে, তার পিছনে ধৃতের দলবল জড়িত রয়েছে বলেও জানতে পেরেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার গভীর রাতে চাঁচোল মহাকুমার রতুয়া থানার বাহারাল মোড় গাড়ি ধরার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে ছিল অভিযুক্ত ব্যক্তি। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কালিয়াচক থানার পুলিশের বিশেষ একটি টিম সাদা পোশাকে ওই এলাকায় অভিযান চালায় এবং অভিযুক্তকে হাতেনাতে গ্রেফতার করে। পুলিশ জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন রাজ্যে এটিএম লুঠের ঘটনা ঘটেছে। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলার একাধিক এলাকায় এটিএম লুঠের ঘটনা বিগত দিনে ঘটেছে। এতে যথেষ্ট অস্বস্তিতে পড়েছিল রাজ্য পুলিশ ও প্রশাসন। বিভিন্ন সূত্র ধরে শুরু হয় তদন্ত। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানতে পেরেছে, উত্তরপ্রদেশ , রাজস্থান, হরিয়ানার দুষ্কৃতীদের নিয়ে একটি এটিএম লুঠের চক্র তৈরি করেছিল অভিযুক্ত ধরমবীর শর্মা। তাদের মাধ্যমেই এ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় এই এটিএম লুঠের কারবার চলছিল। এটিএম মেশিন খোলার ক্ষেত্রেও অত্যন্ত পারদর্শী কিছু যুবকদের এই টিমে সামিল করা হয়েছিল। বিনিময়ে দেওয়া হতো মোটা কমিশনও। কালিয়াচক সুজাপুরের এটিএম লুঠের ঘটনার পরই পুলিশের টনক নড়ে যায়। সিসিটিভির ফুটেজ দেখেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ। আর তাতেই উঠে আসে উত্তরপ্রদেশের ধরমবীর শর্মার নাম। পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া জানিয়েছেন, রতুয়া থেকে কালিয়াচক থানার পুলিশ এটিএম লুঠ কাণ্ডের এক পান্ডাকে গ্রেফতার করেছে। রতুয়া বাহারাল এলাকার এক আত্মীয়ের বাড়িতে কয়েকদিন ধরেই ছিল অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে সুজাপুরের এটিএম লুঠ কাণ্ডের পর থেকেই রতুয়াতে গা ঢাকা দিয়েছিল সে। অবশেষে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতের সঙ্গে কারা কারা যুক্ত আছে তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
রাজ্য

হুগলিতে পথ দুর্ঘটনায় মৃত দেবশ্রী, মুখ্যমন্ত্রীর শোকবার্তা

হুগলিতে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা। শিলিগুড়ির ডাবগ্রাম থেকে বৃহস্পতিবার ১০ সেপ্টেম্বর রাতে রওনা দিয়ে বেহালার পর্ণশ্রীর বাড়িতে ফেরার সময় শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর সকালে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার দেবশ্রী চট্টোপাধ্যায়-সহ ৩ জন। ২ নং জাতীয় সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধাক্কা মারে তাঁদের স্করপিও গাড়িটি। দুর্ঘটনায় দেবশ্রীদেবী ছাড়াও প্রাণ হারান তাঁর নিরাপত্তারক্ষী তাপস বর্মণ ও চালক মনোজ সাহা। শোকবার্তায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার দেবশ্রী চ্যাটার্জির মৃত্যুতে আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি। তিনি আজ হুগলির দাদপুরে এক পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান। বয়স হয়েছিল ৪৫ বছর। দক্ষ এই পুলিশ আধিকারিক পরিশ্রম ও নিষ্ঠার গুণে ডেপুটি কমিশনার পর্যায়ে উন্নীত হন। রাজ্য পুলিশেও তিনি কর্মকৃতির স্বাক্ষর রাখেন। মানবপাচার রোধে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য তিনি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পান। তাঁর মৃত্যুতে আমরা এক দক্ষ পুলিশ অফিসারকে হারালাম। আমি দেবশ্রী চ্যাটার্জির পরিবার-পরিজন ও অনুরাগীদের আমার আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি। দেবশ্রী চট্টোপাধ্যায় বর্তমানে কমান্ডিং অফিসার পদে কর্মরত ছিলেন, তিনি কলকাতা পুলিশের প্রথম মহিলা ওসি হয়েছিলেন। ২০১৬ সালে উত্তরবঙ্গে বদলি হন। পথ দুর্ঘটনায় বাকি দুই মৃতের পরিবার-পরিজন ও অনুরাগীদের জন্যও সমবেদনা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 206
  • 207
  • 208
  • 209
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

যুদ্ধের বাজারেও ভারতের বিরাট সাফল্য! বৃদ্ধির পূর্বাভাস এক ধাক্কায় বাড়াল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার

বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের পরিস্থিতি। বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই ভারতের অর্থনীতি নিয়ে বড় সুখবর দিল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। চলতি অর্থবর্ষে দেশের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করল এই আন্তর্জাতিক সংস্থা। আগে এই হার ৬.৪ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল। অর্থাৎ, বিশ্ব অর্থনীতির একাধিক ক্ষেত্রে চাপ থাকলেও ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার।সংস্থার সাম্প্রতিক বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সংক্রান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ভারতের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ হতে পারে। এর আগে গত জুলাইয়ে ৬.৪ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। নতুন অনুমান অনুযায়ী, বৃদ্ধির সম্ভাবনা ০.৬ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে।শুধু চলতি অর্থবর্ষ নয়, আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবর্ষেও ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ থাকতে পারে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। আগে ওই অর্থবর্ষে ৬.৭ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ, আগামী দুবছরেও দেশের অর্থনীতির গতি বজায় থাকার আশা করছে সংস্থাটি।এর আগে ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কও চলতি অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.১ শতাংশ করেছিল। এ বার আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের রিপোর্টেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলল।ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানোর পিছনে কয়েকটি কারণের কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। সংস্থার মতে, দেশের বাজারে পণ্য ও পরিষেবার চাহিদা যথেষ্ট শক্তিশালী। সাধারণ মানুষের কেনাকাটা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের ভাল ফল অর্থনীতির বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে। পাশাপাশি, ভারতের বড় অভ্যন্তরীণ বাজার, বিপুল জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্কারও বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। বিশেষ করে পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।তবে বিশ্ব অর্থনীতির সামনে ঝুঁকিও রয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি আমেরিকা ও ইরানের সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। এর মধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি ভারতের মতো তেল আমদানিনির্ভর দেশের জন্য বড় চিন্তার কারণ। তেলের দাম বাড়লে দেশের আমদানি খরচ বাড়তে পারে। তার প্রভাব পড়তে পারে মূল্যবৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে।আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের অনুমান, ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৫.৭৪ ডলারে পৌঁছতে পারে। ২০২৫ সালের তুলনায় তা প্রায় ৪১ শতাংশ বেশি। তবে ২০২৭ সালে তেলের দাম প্রায় ৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৭.৩৯ ডলারে নেমে আসতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছে। তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা থাকলেও দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি বজায় থাকতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।অন্য দিকে, চিন, রাশিয়া, ব্রাজিল এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের অর্থনীতি নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এই দেশগুলির সম্মিলিত আর্থিক বৃদ্ধির হার ৩.৭ শতাংশ হতে পারে। আগে এই হার ৩.৮ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল।তবে ইউরোপের কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানো হয়েছে। জার্মানির অর্থনৈতিক বৃদ্ধির অনুমান ০.৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে। ব্রিটেনের ক্ষেত্রেও বৃদ্ধির পূর্বাভাস ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে, যুদ্ধ এবং তেলের দাম বৃদ্ধির মতো ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান আগামী দিনেও আর্থিক বৃদ্ধিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

সূর্যকান্তকে নিয়ে বিস্ফোরক পোস্ট, বিজেপির আক্রমণের মুখে পিছু হটল কেরল কংগ্রেস?

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের পদত্যাগ দাবি করে কেরল কংগ্রেসের একটি পোস্ট ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে বিতর্কের পর এ বার প্রধান বিচারপতিকে নিশানা করে পোস্ট করার অভিযোগ উঠেছে কেরল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বিষয়টি সামনে আসতেই কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত পোস্টটি মুছে দিয়েছে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস। সূত্রের খবর, ওই পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকেও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে বিক্ষোভ এবং রাজধানীতে জারি করা বিধিনিষেধ নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা। একটি অনুষ্ঠানের ফাঁকে তাঁদের প্রশ্নের উত্তরে প্রধান বিচারপতি জানান, বিষয়টি আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই তা তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না।প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্যের পরেই কেরল কংগ্রেসের সরকারি সমাজমাধ্যমের পাতায় একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে তাঁকে উদ্দেশ করে লেখা হয়েছিল, আইনশৃঙ্খলা যদি তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে না পড়ে, তা হলে যেন তিনি পদত্যাগ করেন। পাশাপাশি, তাঁর পরিবর্তে এই বিষয় সামলাতে পারবেন, এমন কাউকে খুঁজে নেওয়ার কথাও লেখা হয় ওই পোস্টে। বার্তাটি সামনে আসতেই কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হয় বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায় ওই পোস্টের ছবি ভাগ করে নেন। তাঁর অভিযোগ, তিনি আগেই বলেছিলেন, কংগ্রেসের পরবর্তী নিশানা হবে বিচারব্যবস্থা। কংগ্রেস দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করতে চায় বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর আরও বক্তব্য, দেশবিরোধী শক্তিগুলি একজোট হচ্ছে। এর মোকাবিলায় দেশপ্রেমিক ভারতীয়দেরও একজোট হওয়ার আহ্বান জানান রিজিজু।বিতর্ক বাড়তে থাকায় নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি সানি জোসেফ জানান, প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রদেশ কংগ্রেসের নেতৃত্বের অজান্তে এবং তাঁদের অনুমতি বা পরামর্শ ছাড়াই ওই পোস্ট করা হয়েছিল।কী পরিস্থিতিতে ওই পোস্ট করা হয়েছিল, তা দল খতিয়ে দেখবে বলেও জানিয়েছেন সানি। তাঁর বক্তব্য, বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে কংগ্রেসের কোনও আপত্তি নেই। সমাজমাধ্যমে এমন কোনও পোস্ট করা হলে, যা দলের এই অবস্থানের সঙ্গে মেলে না, তা কেরল প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের মতামত বলে গণ্য করা যাবে না।প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিতর্কে এক দিকে বিজেপির আক্রমণ, অন্য দিকে কেরল কংগ্রেসের ব্যাখ্যাসব মিলিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতর বেড়েছে। বিতর্কিত পোস্ট প্রত্যাহার এবং দায়ী ব্যক্তিকে সরানোর সিদ্ধান্তের পরেও এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দুর্গাপুজোর আগেই বড় ধাক্কা সুজিত বসুর, জামিনের আর্জি খারিজ হাই কোর্টে

এক সময় দুর্গাপুজোর আগে থেকেই কলকাতার শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবে ভিড় জমত দর্শনার্থীদের। রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর এই পুজো ছিল শহরের অন্যতম আকর্ষণ। কিন্তু এ বার ছবিটা অন্য রকম। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার সুজিত বসুর জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। ফলে দুর্গাপুজোর সময় তাঁকে জেলেই থাকতে হতে পারে।জামিনের আবেদনটি প্রথমে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে উঠেছিল। শুনানির শেষে বিচারপতি অভিযোগ করেন, সুজিতের আইনজীবীরা তাঁর কক্ষ থেকে একটি ফাইল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এর পরেই বিচারপতি মামলাটি থেকে সরে দাঁড়ান। পরে মামলাটি যায় বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে। সেখানেই সুজিতের জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। তবে শুনানির সময় বিচারপতি জামিন খারিজের নির্দিষ্ট কারণ জানাননি।আদালতে ইডির আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী দাবি করেন, পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে ২৮৪ জন অযোগ্য প্রার্থী চাকরি পেয়েছিলেন। তাঁদের প্রত্যেকের কাছ থেকে চাকরির জন্য ৬ লক্ষ টাকা করে নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। ইডির আরও দাবি, সুজিত বসুর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৮ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা পাওয়া গিয়েছে। তাঁর পরিবারের সদস্যদের অ্যাকাউন্টেও কয়েক কোটি টাকা মিলেছে বলে আদালতে জানিয়েছিল তদন্তকারী সংস্থা।এই মামলায় সুজিতের আগে গ্রেফতার হয়েছিলেন মধ্যস্থতাকারী অয়ন শীল। ইডি আগে হাই কোর্টে দাবি করেছিল, অয়নকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বিভিন্ন সময়ে ১৫২ জনের চাকরির জন্য সুজিত বসু সুপারিশ করেছিলেন।অন্য দিকে, সুজিতের আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি ও সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় জামিনের পক্ষে সওয়াল করেন। তাঁদের বক্তব্য, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত শেষ হয়ে গিয়েছে। তা সত্ত্বেও তাঁদের মক্কেলকে জেলে আটকে রাখা ঠিক নয়। ইডি এই গ্রেফতারিকে যুক্তিসঙ্গত প্রমাণ করতে পারবে না বলেও দাবি করেন তাঁরাসুজিতের আইনজীবীদের আরও বক্তব্য, ২০১৬ সালের পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি তাঁকে মূল অভিযুক্ত হিসেবে দেখালেও, ২০২৪-২৫ সালে সিবিআই যে চার্জশিট দিয়েছিল, তাতে তাঁর নাম ছিল না। তাঁদের দাবি, সুজিতের বাড়ি কলকাতায়। তদন্তের প্রয়োজনে তাঁকে যখনই ডাকা হবে, তিনি হাজির হতে পারবেন। তদন্তে সহযোগিতা করতেও তিনি প্রস্তুত।গত ১১ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই মামলায় প্রায় ১৫০ জন চাকরিপ্রার্থীর নাম সামনে এসেছে। দুর্নীতির মাধ্যমে পাওয়া টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছিল বলে মনে করছে ইডি। তবে এই মামলায় ওঠা অভিযোগগুলির চূড়ান্ত সত্যতা আদালতের বিচারেই নির্ধারিত হবে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

শঙ্কুদেবের পুজোয় হাজির শুভেন্দু অধিকারী, পার্ক স্ট্রিটে দাঁড়িয়ে কী বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী?

পার্ক স্ট্রিটে এ বার প্রথমবার দুর্গাপুজোর আয়োজন করেছেন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা। প্রথম পুজো ঘিরে উদ্যোক্তাদের মধ্যে আলাদা আবেগ থাকবেই। সোমবার রাতে সেই পুজোর উদ্বোধনে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উপস্থিত ছিলেন সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও। পুজোর উদ্বোধনী মঞ্চ থেকে দুর্গোৎসব, সংস্কৃতি ও রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য রাখেন বিজেপির দুই নেতা।অনুষ্ঠানে সুকান্ত বলেন, পার্ক স্ট্রিটে আগে দুর্গাপুজোর আয়োজন হত না। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় পশ্চিমবঙ্গে ১২ হাজারেরও বেশি নতুন পুজো শুরু হয়েছে। আগের সরকারের আমলে পুজো করার জন্য উদ্যোক্তাদের কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হতে হত বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান সুকান্ত। বক্তব্যের শেষে জয় শ্রীরাম স্লোগানও তোলেন তিনি।সোমবার রাত প্রায় ১১টা নাগাদ পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কে শঙ্কুদেবের পুজোর উদ্বোধন করতে যান শুভেন্দু। সেখানে উপস্থিত বিজেপি নেতাদের একে একে নাম করে উল্লেখ করেন তিনি। তার পর বলেন, একদম রাষ্ট্রবাদী টিম পুরো হাজির।বক্তৃতায় পার্ক স্ট্রিটের প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দু বলেন, এই এলাকায় মাঝেমধ্যে টুকরে টুকরে গ্যাং-এর উৎপাত দেখা যেত বলে তাঁর দাবি। দুর্গাপুজোর আবহে পার্ক স্ট্রিটকে পবিত্র ও শুদ্ধ করার কথাও বলেন তিনি। এই পুজো ধরে রাখার জন্য উদ্যোক্তাদের আবেদন জানান শুভেন্দু। সুযোগ হলে পুজোয় এসে প্রসাদ খাওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও পরম্পরা বজায় রাখার উপর জোর দেন শুভেন্দু। পিতৃপক্ষ ও মহালয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এ বার পিতৃপক্ষে কাউকে কাঁচি নিয়ে বেরোতে দেওয়া হয়নি। তাঁর বক্তব্য, পবিত্রতা ও সংস্কৃতি বজায় রেখেই দুর্গাকে স্বাগত জানানো হয়েছে।এ দিকে, কলকাতা জুড়ে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন ঘিরে ব্যস্ততা চলছে। গত ১০ অক্টোবর মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে উমা আগমনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রাজ্য সরকারের দুর্গাপুজোর উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ড্রোনের প্রদর্শনী এবং আতশবাজির আয়োজন করা হয়েছিল। প্রায় তিন হাজার ঢাকির একসঙ্গে ঢাক বাজানো ছিল অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ।১১ অক্টোবর সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করা হয়। এ বছরের পুজোর ভাবনা বন্দে মাতরম্। ভারতের জাতীয় সংগীতের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও দেশভাগের ইতিহাস মণ্ডপে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।১২ অক্টোবর চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ৯১তম বর্ষের পুজোর উদ্বোধন হয়। এ বছরের ভাবনা বিয়ন্ড সাউন্ড। শহরের কোলাহলের বিপরীতে শান্তি ও নিজের অন্তরের ভাবনাকে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে এই মণ্ডপে। শ্রীভূমির দুর্গাপুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

ভোট চুরির অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে রাহুলদের মামলা, আবেদনেই ১৪টি ভুল! ২২০ টাকা কম জমা?

ভোট চুরির অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধী জোটের একাধিক নেতা। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে যৌথ মামলা দায়ের করেছেন তাঁরা। কিন্তু মামলা দায়েরের পরেই নতুন সমস্যা। আদালতের রেজিস্ট্রি জানিয়েছে, বিরোধীদের আবেদনে মোট ১৪টি ত্রুটি রয়েছে। এমনকি আদালতের ফি বাবদ ২২০ টাকা কম জমা পড়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে পথে নেমেছিলেন বিরোধী জোটের নেতারা। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোট চুরির অভিযোগের তদন্তের দাবিতে তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের দিকে মিছিল করেন। সেই দিনই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে যৌথ মামলা দায়ের করেন তাঁদের আইনজীবীরা।কিন্তু আদালতের রেজিস্ট্রির প্রাথমিক পরীক্ষায় আবেদনে একাধিক ভুল ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। রেজিস্ট্রির দাবি, মোট ১৪টি ত্রুটি রয়েছে ওই আবেদনে। তার মধ্যে অন্যতম হল আদালতের ফি বাবদ ২২০ টাকা কম জমা দেওয়া। এ ছাড়া, নয় জন আবেদনকারীর প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র জমা পড়েনি বলেও জানানো হয়েছে।কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের পরিচয়পত্রের স্পষ্ট প্রতিলিপি জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আবেদনের কয়েকটি অংশে অক্ষর অত্যন্ত ছোট হওয়া নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে রেজিস্ট্রি। দুটি নির্দিষ্ট নথির রঙিন প্রতিলিপি জমা দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ। পাশাপাশি, কয়েকটি নথির লেখা অস্পষ্ট, কিছু পৃষ্ঠা অনুপস্থিত এবং আঞ্চলিক ভাষায় লেখা পৃষ্ঠা ও পৃষ্ঠা নম্বরের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এই ত্রুটিগুলি সংশোধন করার পরেই মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোতে পারবে।এই যৌথ মামলায় আবেদনকারীদের তালিকায় রয়েছেন রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব, সুপ্রিয়া সুলে, শিবসেনার উদ্ধব শিবিরের নেতা সঞ্জয় রাউত, ডি রাজা, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার মহুয়া মাজি, এম এ বেবি এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগের নেতা ই টি মহম্মদ বশির।সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে মামলাটি রাহুল গান্ধী বনাম ভারতের নির্বাচন কমিশন নামে নথিভুক্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় মোট ১০ দফা প্রতিকার চেয়েছেন বিরোধী নেতারা।বিরোধীদের দাবি, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া সংক্রান্ত সমস্ত নথি আদালতে পেশ করার নির্দেশ দেওয়া হোক। এই প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তগুলির সাংবিধানিক বৈধতাও খতিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। পাশাপাশি, অনিয়মের জন্য দায়ী আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, তাঁদের অভিযোগের নিষ্পত্তি এবং একটি স্বাধীন কমিটির মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়ার নিরীক্ষা করানোর দাবিও জানানো হয়েছে।বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে ভোটারদের অধিকার ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে। সেই কারণেই নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা।সোমবারের মিছিলের আগে বিরোধী নেতারা প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে দেখা করার আবেদন জানিয়েছিলেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল, ভোট চুরির অভিযোগের নিষ্পত্তি, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ, বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া বন্ধ এবং ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ ফের চালু করার দাবিতে একটি স্মারকলিপি তুলে দেওয়া।তবে প্রধান বিচারপতি তাঁদের সঙ্গে দেখা করার আবেদন গ্রহণ করেননি। বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন বলেই তিনি এই আবেদন খারিজ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। এর আগে বিরোধীদের অভিযোগ জানানোর পথ নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছিলেন, সুপ্রিম কোর্টের দরজা সকলের জন্য খোলা। সাধারণ নাগরিক হোন বা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, প্রত্যেকেই আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন।এখন বিরোধীদের আবেদনে চিহ্নিত ত্রুটিগুলি সংশোধন করতে হবে। তার পরেই মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোবে। ফলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের এই মামলার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

‘যারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া কিছু ভাবেনি…’, দুর্গাপুজোর মঞ্চ থেকে কাদের নিশানা অগ্নিমিত্রার?

দুর্গাপুজোর আগে ভারতবিরোধী শক্তির বিনাশ চেয়ে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করলেন রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর কথায়, ভারতবিরোধী শক্তিগুলিকে শেষ করে দাও মা। যারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া এত দিন কিছুই ভাবেনি, সেই বদমাইশদেরও শেষ করে দাও। সোমবার দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে একটি প্রাক-পুজোর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েও একই প্রসঙ্গে সরব হন অগ্নিমিত্রা। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং আরও শক্তিশালী হচ্ছে। কিন্তু দেশের উন্নতির পথে যারা বাধা হয়ে দাঁড়াতে চাইছে, তাদের বিনাশের জন্য মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করেছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার কথায়, যারা নিজেদের স্বার্থের বাইরে কিছু ভাবেনি, তাদেরও যেন মা দুর্গা শেষ করে দেন। দেশ ও রাজ্য থেকে এই ধরনের শক্তির বিনাশই তাঁর প্রার্থনা।এ দিন দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং আতশবাজির প্রদর্শনীও উপভোগ করেন মন্ত্রী। পাশাপাশি রাজ্যবাসীকে দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা জানান তিনি। উৎসবের দিনগুলিতে সতর্ক থাকার আবেদনও জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা।পুজোর সময়ে জরুরি পরিষেবা চালু থাকবে বলে জানান তিনি। পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকেরা রাস্তায় থেকে পরিস্থিতির উপর নজর রাখবেন বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী। তবে শুধু প্রশাসনের উপর নির্ভর না করে সাধারণ মানুষকেও সচেতন থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি। পরিবেশ রক্ষায় সরকারের জারি করা নির্দেশিকা মেনে চলার আবেদনও জানান অগ্নিমিত্রা।বাংলা ও বাঙালির সংস্কৃতির বিরোধিতা করা হবে, বিজেপিকে ঘিরে এমন প্রচারও খারিজ করেছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার বক্তব্য, মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিপুল মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করে যে এই প্রচার ঠিক নয়। আগামী দিনে আরও নানা উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। মানুষের পাশে থাকার আবেদন জানিয়ে অগ্নিমিত্রা বলেন, আগামী দিনেও পাশে থাকুন, আরও অনেক কিছু হবে।সোমবারের ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক পুন্নাম্বলম এস, দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষ্মণচন্দ্র ঘোড়ুই।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দিল্লির পর কলকাতায় ‘জ্ঞানেশ কুমার হটাও’ মিছিল! পথে নামতে পারেন মমতা, কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

দিল্লির আন্দোলনের আঁচ এ বার কলকাতাতেও। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে মঙ্গলবার কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী শিবির। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই মিছিল হওয়ার কথা। তাতে মমতা নিজেও যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে তিনি মিছিলে হাঁটবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তেই কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুর্গাপুজোর সময়ে কোনও রকম বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবারের মিছিলের প্রচারপত্র প্রকাশ করেছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের অভিযোগ তোলা হয়েছে। দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক করা এবং তরুণ প্রজন্মের উপর অত্যাচারের অভিযোগও প্রচারপত্রে তুলে ধরা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে সাধারণ মানুষকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। জেলায় জেলায়ও কর্মসূচির বার্তা পাঠানো হয়েছে বলে খবর।ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছেন বিরোধী নেতাদের একাংশ। এই ইস্যুতে দিল্লিতে একাধিক প্রতিবাদ কর্মসূচিও হয়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হতে পারে বলে খবর।এই আবহেই কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। দুপুর দুটো নাগাদ মিছিল শুরু হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে মিছিলে অংশ নেবেন কি না, তা নিয়ে এখনও নিশ্চিত কোনও ঘোষণা হয়নি।সোমবার রাতে কলকাতায় একটি দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করতে গিয়ে এই কর্মসূচি নিয়ে সরব হন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, বেরোতে দেব না। সিপিকে নির্দেশ দিয়েছি, রাজাবাজার থেকে এক পা এগোতে দেব না। প্রয়োজন হলে সেন্ট্রাল ফোর্সও নামাতে বলেছি। বেরোতে দেব না। কোনও বিশৃঙ্খলা করতে দেব না দুর্গাপুজোর সময়ে।মিছিল ঘিরে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে বলে খবর। মঙ্গলবার সকাল থেকেই পার্ক সার্কাস এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে মিছিল কোন পথে এগোবে এবং শেষ পর্যন্ত তাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যোগ দেবেন কি না, সে দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

যন্তর মন্তরে প্রতিবাদে নিষেধাজ্ঞা, পরদিনই ব্যারিকেড টপকে ঢোকার চেষ্টা! আটক ককরোচ জনতা পার্টির নেতারা

যন্তর মন্তরে আর প্রতিবাদ করা যাবে না। সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে বলে দাবি। সেই নির্দেশ ঘিরেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে দিল্লিতে। সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপের হুঁশিয়ারি, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে না দিলে গোটা দেশকেই প্রতিবাদের মঞ্চ করে তুলবেন তাঁরা। আর সেই ঘোষণার পরদিনই যন্তর মন্তরে পৌঁছে গেলেন দলের কয়েক জন নেতা। কিন্তু সেখানে ঢোকার চেষ্টা করতেই তাঁদের আটক করে পুলিশ।সোমবার দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। দলের তরফে দাবি করা হয়, ওই সময়ের মধ্যে নতুন করে প্রতিবাদের স্থান এবং দিনক্ষণ জানাতে হবে। তা না হলে বড় পদক্ষেপ করা হবে। এর পরেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করা যাবে না বলে নির্দেশ দেয় দিল্লি পুলিশ। প্রতিবাদের জন্য তিনটি বিকল্প জায়গার কথা জানানো হয়েছে বলে খবর।সেই বিকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে রামলীলা ময়দান। তবে সূত্রের দাবি, সেখানে প্রতিবাদ কর্মসূচির জন্য জায়গা বুক করতে খরচ হতে পারে ১ লক্ষ ২১ হাজার টাকা। চলতি বছরের জন্য বুকিংও ইতিমধ্যে হয়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ফলে প্রতিবাদের নতুন জায়গা পাওয়া নিয়ে সমস্যায় পড়তে পারে ককরোচ জনতা পার্টি।নিটের প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদে যন্তর মন্তর থেকেই আন্দোলন শুরু করেছিলেন দলের সদস্যেরা। তাই ওই জায়গায় বিক্ষোভ বন্ধের নির্দেশে ক্ষুব্ধ তাঁরা। অভিজিৎ দীপের বক্তব্য, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে দেওয়া না হলে গোটা দেশই প্রতিবাদের মঞ্চ হয়ে উঠবে।এই হুঁশিয়ারির পরদিন মঙ্গলবার ভোরে যন্তর মন্তরে পৌঁছে যান দলের নেতা সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কারা। অভিজিতের প্রকাশ করা একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, লোহার গেট ও পুলিশের ব্যারিকেড টপকে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করছেন তাঁরা। তাঁদের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা। ভারত মাতা কি জয় স্লোগান দিতে দিতেই ব্যারিকেড পার হওয়ার চেষ্টা করেন দলের নেতারা।কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁদের আটক করে পুলিশ। দলের কয়েক জন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হতে পারে বলেও সূত্রের খবর। মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনার একাধিক ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।নেতা-কর্মীরা আটক হলেও আন্দোলন থামবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ। তাঁর দাবি, প্রতিবাদকে আটকানো যাবে না। যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের উপর নিষেধাজ্ঞা এবং বিকল্প জায়গা নিয়ে দিল্লি পুলিশের সঙ্গে দলের সংঘাত কোন দিকে এগোয়, এখন সে দিকেই নজর।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal