• ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩, শুক্রবার ০১ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

টুকিটাকি

টুকিটাকি

ঘুমের আগে ত্বকের যত্ন

সারা দিনের পরিশ্রম, ধকল ও ধুলাবালিতে লাবণ্য হারিয়ে নিস্তেজ হয়ে যায় ত্বক। দিনের শেষে নামমাত্রই ত্বকের যত্ন নেওয়া হয় বা নেওয়াই হয় না বললেই চলে! তবে ঘুমের আগে ত্বকের পরিচর্যার ব্যাপারে আলসেমি করা ঠিক নয়। ত্বককে সতেজ, সুস্থ ও প্রাণবন্ত রাখতে সঠিক পদ্ধতিতে ত্বকের যত্ন নেওয়া খুবই জরুরি। ঘুমের আগে অবশ্যই ত্বক খুব ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে। মেকআপ থাকলে প্রথমে ক্রিম, তেল, ময়েশ্চারাইজার বা মেকআপ রিমুভার দিয়ে তা তুলে নিতে হবে। অনেক সময় দেখা যায় যে চোখের নিচের কাজল বা মাসকারার হালকা আভা থেকে যায়। এতে করে চোখের চারপাশ কালো হতে থাকে। তাই মেকআপ তোলার সময় কটন বল বা টিস্যুতে তেল বা পেট্রোলিয়াম জেলি নিয়ে ঘড়ির কাঁটার দিকে ও উল্টা দিকে মালিশ করে চোখের অংশটুকু মুছে নিতে হবে। এতে করে পরিষ্কার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চোখের চারপাশে বলিরেখা পড়ার আশঙ্কাও কমে যায়। এরপর ফেসওয়াশ লাগিয়ে বেশি করে জলের ঝাপটা দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। আরও পড়ুন ঃ শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত পান করুন আমলকী চা, জেনে নিন উপকারিতাগুলি মুখ ধোয়ার পর যে জলটুকু থেকে যায় তা পুরোপুরি না মুছে ত্বক কিছুটা ভেজা থাকা অবস্থায় ত্বকের ধরন অনুযায়ী ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে। শুষ্ক ত্বকে তৈলাক্ত, মিশ্র ত্বকে যেকোনো ধরনের এবং তৈলাক্ত ত্বকে ক্রিমজাতীয় ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। আবার অনেকেই আছেন নাইট ক্রিম ব্যবহার করে থাকেন। নাইট ক্রিম কেনার আগে অবশ্যই দেখে নিতে হবে যে তা ত্বকের সঙ্গে মানিয়ে যাচ্ছে কি না। রাতের বেলা ঠোঁট আলতোভাবে পরিষ্কার করে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে ঘুমাতে হবে, এতে ঠোঁট শুকাবে না। এ ছাড়া হাত-পা পরিষ্কার করে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে ঘুমালে লম্বা সময় ধরে হাত-পায়ের ত্বক ভালো থাকবে। ধরনভেদে ত্বককে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। আর সেই ধরন বুঝেই ঘুমের আগে ত্বকের যত্ন নিতে হবে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২০
টুকিটাকি

শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত পান করুন আমলকী চা, জেনে নিন উপকারিতাগুলি

আমলকীর নানা গুনের কথা আমরা জানি। আমলকী চুল থেকে শুরু করে ত্বকের নানা সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে থাকে। তবে এসবের সাথে সাথে আমাদের শারীরিক নানা সমস্যা দূর করতেও আমলকী খুবই উপকারী। আর তাই নিয়মিত আমলকীর চা খাওয়া অভ্যাস করতে পারেন। এতে আপনি নানা ভাবে উপকৃত হবেন। চলুন তবে জেনে নিই আমলকী চা এর নানা গুনাগুন সম্পর্কে। আরও পড়ুন ঃ রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে অনবদ্য ফুলকপি, না জেনে থাকলে জেনে নিন ! উচ্চ রক্তচাপ ও ব্লাড সুগার এর সমস্যা যাদের রয়েছে তারা নিয়মিত আমলকী চা খতে পারেন। কারণ আমলকী রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে তার জেরে শরীরে সুগার নিয়ন্ত্রিত হয়। তাই নিয়মিত আমলকী খেতে পারেন। উপকৃত হবে। এছাড়া আমলকী রক্ত জমাট বাঁধতে বাঁধা দেয় তারসাথে কোলেস্টেরলের লেভেল নিয়ন্ত্রন করে। তারফলে হার্টের যেকোনো সমস্যা দূর হয়। অন্যদিকে গলা ব্যথা থেকে শুরু করে সর্দি-কাশি ইত্যাদি থেকে রেহাই দেয় আমলকী। তাই নিয়মিত আমলকী চা কিংবা আমলকী খেতে পারেন। উপকার পাবেন।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২০
টুকিটাকি

রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে অনবদ্য ফুলকপি, না জেনে থাকলে জেনে নিন !

শীত মানেই সুস্বাদু সবজি ফুলকপির সমাহার। শীতকালে সকলের বাড়িতেই ফুলকপির নানা রকমের পদ হয়ে থাকে। ফুলকপি আমাদের ফাইবার জাতীয় খাবার হজমে সাহায্য করে থাকে। এছাড়াও এতে থাকা ফাইবার শরীরে কোলস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া ফুলকপিতে উপস্থিত ভিটামিন বি মস্তিষ্কের উন্নয়ন ঘটাতে সাহায্য করে। তাই শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য ফুলকপি খাওয়ানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। উল্লেখ্য ফুলকপিতে উপস্থিত রয়েছে ভিটামিন, মিনারেল, ফাইটোকেমিকেল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সহ নানা পুষ্টিকর উপাদান। অন্যদিকে ফুলকপি ক্যান্সার প্রতিহত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সূত্রের খবর, ফুলকপির সালফোরাফেন ক্যান্সারের স্টেম সেল নষ্ট করে দেয় এছাড়া শরীরে কোন ধরনের টিউমার বাড়তে দেয় না। আরও পড়ুন ঃ করোনাকালে মাস্ক কিভাবে ব্যবহার করে সুরক্ষিত থাকবেন, জেনে নিন ! ফুলকপিতে রয়েছে দাঁত ও মাড়ির উপকারী ক্যালসিয়াম ও ফ্লোরাইড। এর ক্যালসিয়াম হাড় শক্ত করে। ফুলকপি হৃদ্যন্ত্রের জন্য ভালো। এতে যে সালফোরাপেন আছে, তা হৃদ্রোগের বিরুদ্ধে লড়তে পারে। ফুলকপিতে আছে ভিটামিন বি, সি ও কে, যা এ সময়ের সর্দি, ঠান্ডা, কাশি জ্বর ভাব, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, গা-ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে। এ ছাড়া ফুলকপির আরও সব প্রয়োজনীয় উপাদান রোগ প্রতিরোধেও অংশ নেয়। এই সবজিতে আছে প্রচুর আয়রন। রক্ত তৈরিতে আয়রন রাখে গুরুত্বপূর্ণ অবদান। গর্ভবতী মা ও অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম করা মানুষের জন্য ফুলকপি অত্যন্ত জরুরি। কম ক্যালরিযুক্ত ও উচ্চমাত্রার আঁশসমৃদ্ধ ফুলকপি চুল ভালো রাখে। ত্বকের সংক্রমণও প্রতিরোধ করে। ফুলকপি পরিপাকতন্ত্রকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। চোখের যত্নে ফুলকপির কোনো তুলনা হয় না। ফুলকপিতে থাকা ভিটামিন এ চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। চোখ সুস্থ রাখতে বেশি করে ফুলকপি খাওয়া উচিত।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
টুকিটাকি

করোনাকালে মাস্ক কিভাবে ব্যবহার করে সুরক্ষিত থাকবেন, জেনে নিন !

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে মাস্ক ব্যবহারের কথা বলা হচ্ছে। নিজে সুস্থ থাকলে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বা সন্দেহ করা হচ্ছেএমন ব্যক্তির শুশ্রূষা করার সময়ই শুধু আপনার মাস্ক পরার প্রয়োজন রয়েছে। হাঁচি বা কাশি থাকলে মাস্ক ব্যবহার করুন, যেন আপনার শরীরে করোনাভাইরাস থাকলে তা অন্যদের মধ্যে না ছড়ায়। মাস্ক ব্যবহার তখনই কার্যকর, যখন আপনি অ্যালকোহলভিত্তিক হ্যান্ড রাব বা সাবান-জল দিয়ে ঘন ঘন হাত পরিষ্কার করেন। মাস্ক পরার আগে হাত (সাবান-জল দিয়ে অন্তত ২০ সেকেন্ড বা হ্যান্ড রাব দিয়ে) পরিষ্কার করে নিন। আরও পড়ুন ঃ কানে ব্যথা হলে কি করণীয়, জেনে নিন ! মাস্ক পরার সময় এর সামনের অংশ ধরবেন না। নাক ও মুখ মাস্ক দিয়ে ঢেকে ফেলুন এবং মনে রাখবেন, মুখ ও মাস্কের মধ্যে যেন কোনো ফাঁকা স্থান না থাকে। ব্যবহৃত মাস্কটি আর্দ্র বা ভেজা বা স্যাঁতসেঁতে মনে হওয়ামাত্রই তা বদলে ফেলুন। ডিসপোজিবল বা একবার ব্যবহারের জন্য তৈরি মাস্ক বারবার ব্যবহার করবেন না। মাস্ক অপসারণের পর হাত পরিষ্কার করে নিন।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২০
টুকিটাকি

কানে ব্যথা হলে কি করণীয়, জেনে নিন !

কানে ব্যথা হলে ভুলেও কানে আঙুল বা কটন বাড জাতীয় জিনিস ঢোকানো যাবে না। কানের ব্যথা কমাতে ঘরোয়া কিছু চিকিৎসা নেওয়া যেতে পারে। এতে করে খুব দ্রুত কানের তীব্র ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। যদি এতে কাজ না হয় তবে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। একটি প্যানে লবণ বাদামী বর্ণ ধারণ না করা পর্যন্ত ভাজতে হবে। বাদামি বর্ণ ধারণ করলে তা চুলা থেকে নামিয়ে একটি পরিষ্কার কাপড়ে পেঁচিয়ে নিয়ে কানে ভাপ দিতে হবে। এতে করে কানের ব্যথা তাৎক্ষণিকভাবে উপশম হবে। আদার অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান দ্রুত কানের ব্যথা উপশমে বেশ কার্যকরী। আদা ছেঁচে নিয়ে এর তাজা রস ২/৩ ফোঁটা কানের ভেতর দিলে ব্যথা কমে যাবে। এছাড়াও আদা থেঁতো করে তিলের তেলে ফুটিয়ে তেল কানের ভেতর দেওয়া যেতে পারে। এতে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে। আরও পড়ুন ঃ বাদাম খেলে আমাদের শরীরে কি হয় জানেন, জানলে চমকে যাবেন ! একটি বোতলে কিংবা হট ব্যাগে গরম জল নিয়ে অথবা একটি সুতি পাতলা কাপড় গরম জলে ভিজিয়ে কানের কাছে চেপে ধরতে হবে। গরম ভাপ কানের ভিতরে গেলে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পাবে। এতে করে কানের ব্যথা উপশম হবে। রসুনের অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান কানের ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণের ব্যথা উপশমে কাজ করে। দুই টেবিল চামচ তিলের তেলে চা চামচ থেঁতো করা রসুন দুই/তিন মিনিট ফুটিয়ে নিতে হবে। রসুন ছেঁকে নিয়ে ঠাণ্ডা হওয়ার পর দুই/এক ফোঁটা তেল কানের ভেতর দিলে ব্যথা কমে যাবে। অলিভ অয়েল গরম করে কুসুম গরম থাকতেই তিন/চার ফোঁটা তেল ড্রপার দিয়ে কানের ভেতর দিতে হবে। এতে কানের ইনফেকশন জনিত ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। পেঁয়াজ অনেক কার্যকরী অ্যান্টিসেপ্টিক। পেঁয়াজ গ্রেট বা কুঁচি করে নিয়ে চিপে রস বের করে দিনে অন্তত দুই/তিন বার তিন/চার ফোঁটা করে আক্রান্ত কানের ভেতর দিতে হবে। এতে করে কানের ব্যথা দূর হবে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২০
টুকিটাকি

বাদাম খেলে আমাদের শরীরে কি হয় জানেন, জানলে চমকে যাবেন !

বাদাম অত্যন্ত পুষ্টিকর একটি খাবার। যেকোনো বয়সের মানুষের জন্য বাদাম একটি স্বাস্থ্য সম্মত খাবার।বাদামে প্রচুর খাদ্য আঁশ, উপকারি তেল, শর্করা, আমিষ, ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান রয়েছে। বাদামের প্রোটিন দেহ গঠনে ও মাংসপেশি তৈরিতে সাহায্য করে। বাদাম স্মৃতি শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। কারন এতে রয়েছে ভিটামিন বি৩ এবং রেসভেরাট্রল। এই দুটি উপাদান মস্তিষ্কে রক্ত চলাচাল বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্মৃতিশক্তিরও উন্নতি ঘটে পাশাপাশি ব্রেন এর পাওয়ার বৃদ্ধি পায়। তাছাড়া এতে উপস্থিত নিয়াসিন উপাদান আলঝেইমার রোগের প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভুমিকা পালন করে। আরও পড়ুন ঃ চোখের যত্নে দরকারি পাঁচ খাবার হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে বাদাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এতে উপস্থিত উপকারী তেল শরীর থেকে খারাপ কোলেস্টরলের মাত্রা কমায়। ফলে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা হ্রাস পায়। ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে বাদাম। বাদামে উপস্থিত পলিফেনোলিক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট একাধিক ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস করে। বিশেষ করে কোলোন ক্যান্সারের প্রকোপ কমাতে বাদাম বেশ কার্যকরী। ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে বাদাম। রাতে ১০-১৫ টি কাঁচা বাদাম জলে ভিজিয়ে রেখে সকালে খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে। বাদাম ওজন কমাতে বেশ কার্যকরী। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় এক মুঠো বাদাম যুক্ত করে আপনি অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। বাদামে টাইটোফন নামক অ্যামাইনো অ্যাসিড রয়েছে যা শরীরে নানাবিধ হরমোনের ক্ষরণকে নিয়ন্ত্রণে রেখে ডিপ্রেশন কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই মানসিক অবসাদ এবং স্ট্রেস কমাতে বাদামের কোন বিকল্প হয় না বললেই চলে। বাদামে উপস্থিত ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরকে সচল ও কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে। তাই শরীরের কর্মক্ষমতা বাড়াতে প্রতিদিন বাদাম খাবেন।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
টুকিটাকি

চোখের যত্নে দরকারি পাঁচ খাবার

প্রতিটি মানুষের নিজের চোখের প্রতি অত্যন্ত যত্নবান হওয়া উচিত। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে রক্ষা পেতে আমরা চশমা ও রোদচশমা ব্যবহার করি। চোখের সুরক্ষায় একটানা কম্পিউটারের পর্দায় সময় দেওয়া উচিত নয়। চোখ সুস্থ রাখতে চোখের নিয়মিত বিশ্রাম ও ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগ করা জরুরি। একই সঙ্গে যে সব খাবার চোখের স্বাস্থ্য উন্নত করে সেগুলো নিয়মিত খাওয়া উচিত। চোখের প্রতি যত্নে সব সময় সর্তক থাকতে হবে সবাইকে। চোখের স্বাস্থ্যের জন্য বিটা-ক্যারোটিন সমৃদ্ধ কমলা রঙের ফল সবচেয়ে উপকারী। এসব ফলে বিদ্যমান বিটা-ক্যারোটিন ভিটামিন এ তে রূপান্তরিত হয়ে চোখের দৃষ্টি শক্তি কমে যাওয়া রোধে কাজ করে। গাজর ছাড়াও মিষ্টি আলু, কুমড়ো, লাউ জাতীয় সবজি, কমলা ও লাল মরিচেও বিটা-ক্যারোটিন রয়েছে। আরও পড়ুন ঃ রূপচর্চায় মিষ্টি কুমড়ার ৪ ফেসপ্যাক পাতা কপি, শাক, ব্রকলি, সবুজ শাক সবজি এমনকি ডাল এবং অ্যাভোকাডোর ভেতর থাকা অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট চোখের ছানি ও ম্যাকুলার পতন রোধে দারুণ কার্যকরী। দৃশ্যমান আলো চোখের লেন্স ও রেটিনার ক্ষতি করে। সবুজ শাক সবজি সপ্তাহে এক বা দুইবার এবং কিউই ও আঙুর ফল খাদ্য তালিকায় যুক্ত হলে চোখের পুষ্টির চাহিদা পূরণ হয়। ভিটামিন সি চোখের ক্ষতি এবং চোখের বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি কমায়। তাই প্রতিদিন প্রত্যেকের খাবার তালিকায় ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার থাকা বাঞ্ছনীয়। দিনে একটি কমলা, আঙুর, লেবু বা বাতাবি লেবু খাওয়াই যথেষ্ট। সকল জামেই জন্য প্রচুর পরিমান ভিটামিন সি থাকে। স্ট্রবেরি, ব্ল্যাকবেরি, ব্লুবেরি, কালো জাম, আম, পেপে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ সুস্বাদু ফল। চোখের স্বাস্থ্যের জন্য ভিটামিন ই এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড চোখের জন্য অত্যন্ত দরকারি। এসব পুষ্টির বড় উৎস বাদাম ও বীজ। দৈনিক ভিটামির ই এর চাহিদা পূরণে দুই মুঠো পরিমাণ কাজুবাদাম, আখরোট, সূর্যমুখী বীজ, পেস্তা বাদাম বা অন্য কোনো বাদাম খেতে হবে। মস্তিষ্ক, হৃৎপিণ্ড ও চোখের সুস্বাস্থ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড। স্যালমন, সারডিন, টোনা, হেরিং, রাঘববোয়াল মাছ এবং কাঁকড়া ও ঝিনুকে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি রয়েছে। সপ্তাহে দুদিন এসব খাদ্য গ্রহণ করলে দৃষ্টিশক্তি ও সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্যই তা দারুণ কার্যকর হবে।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
টুকিটাকি

রূপচর্চায় মিষ্টি কুমড়ার ৪ ফেসপ্যাক

মিষ্টি কুমড়া খেতে পছন্দ করেন অনেকেই। তবে কেবল খাদ্য হিসেবে নয়, রূপচর্চায়ও বেশ কার্যকর এটি। বিশেষ করে ত্বক থেকে বলিরেখা দূর করতে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে এর জুড়ি নেই। রূপচর্চায় মিষ্টি কুমড়া ব্যবহারের কিছু নির্দিষ্ট উপায় রয়েছে। চলুন সেটা জেনে নিই। আধা কাপ মিষ্টি কুমড়ার পেস্টের সঙ্গে যোগ করুন ২ চা চামচ মধু, ১টি ডিম ও ১ চা চামচ গোলাপজল। এবার মিশ্রণটি ত্বকে লাগিয়ে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর কুসুম গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। মিষ্টি কুমড়ার পেস্ট নিন ২ চা চামচ। এর সঙ্গে মেশান ২ চা চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনেগার ও ১ চা চামচ চিনি। মিশ্রনটি ত্বকে পুরু করে লাগান। আধঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন। আরও পড়ুন ঃ ডিম খেয়ে কমতে পারে ওজন , কীভাবে জেনে নিন ! দুই চা চামচ মিষ্টি কুমড়ার পেস্ট, ১ চা চামচ মুলতানি মাটি ও ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। ফেসপ্যাকটি ত্বকে লাগিয়ে শুকিয়ে যাওয়া অব্দি অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। দেড় চা চামচ দুধের সরের সঙ্গে সমপরিমাণ মিষ্টি কুমড়া মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এর সঙ্গে যোগ করুন ২ চা চামচ চিনি। ফেসপ্যাকটি ২০ মিনিট ত্বকে লাগিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
টুকিটাকি

ডিম খেয়ে কমতে পারে ওজন , কীভাবে জেনে নিন !

ওজন কমানোর জন্য অনেক কিছুই করে থাকেন আপনি। খাওয়ার রুটিন থেকে শুরু করে হাঁটাচলা সবই হয়তো করছেন। তবে আপনি জানেন কি তিন উপায়ে ডিম খেয়ে ওজন কমাতে পারেন। ডিম হচ্ছে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার। ডিম খেলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে, তাই খিদে কম লাগে। ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার চাহিদা কমে, তাই ওজনও কমে। ওজন কমাতে প্রতিদিনের খাবার তালিকায় ডিম রাখতে পারেন। আসুন জেনে নিই অতিরিক্ত ওজন কমাতে চাইলে কীভাবে ডিম খাবেন? আরও পড়ুন ঃ অতিরিক্ত ভিটামিন ডি খাচ্ছেন না তো, জেনে নিন কি কি সমস্যা হতে পারে ! হাঁড়িতে জল নিয়ে তাতে অল্প ভিনিগার মিশিয়ে নিন। জল ফুটে উঠলে তাতে ডিম ভেঙে ছেড়ে দিন। কিছুক্ষণ পরই পোচটিকে আলতো করে তুলে নিন জল থেকে। ডিমের সবটুকু পুষ্টিগুণ মেলে এই পোচ থেকে। আর পেটের অতিরিক্ত চর্বি কমে। আপনার প্রতি দিনের খাবার তালিকায় স্যালাড থাকে, এতে নতুনত্ব আনতে যোগ করুন সিদ্ধ ডিমের কুঁচানো অংশ। এর সঙ্গে মেশান গোলমরিচ ও লেবুর রস। এতে পুরো ডিমের পুষ্টিগুণ তো মিলবে। আর মেদও ঝরবে দ্রুত। ডিমের সঙ্গে ওটমিল মিশিয়ে খেতে পারেন। ওটমিল শরীরে বাড়তি কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইড জমার পথে বাধা দেয়। আর ডিম জোগায় প্রোটিন। ওটমিল ও ডিম একসঙ্গে খেলে মেদ বাড়বে না।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
টুকিটাকি

অতিরিক্ত ভিটামিন ডি খাচ্ছেন না তো, জেনে নিন কি কি সমস্যা হতে পারে !

প্রাকৃতিক খাদ্যাভ্যাস মেনে চলার মাধ্যমেই শরীরে ভিটামিনের চাহিদা পূরণ হয়। কিন্তু এই ভিটামিন যদি শরীরে অতিরিক্ত মাত্রায় প্রবেশ করে, তাহলে শরীর সুস্থ থাকে না। শরীরে অতিরিক্তমাত্রায় ভিটামিন ডি হলে যেসব সমস্যা দেখা দেয়- ভিটামিন ডি শরীরে বেশি পরিমাণে গেলে ক্যালসিয়ামের মাত্রাও বাড়বে। যার ফলে ঘন ঘন প্রস্রাব, বমি বমি ভাব, হজমের সমস্যা, অত্যধিক তৃষ্ণার সমস্যা হতে পারে। এছাড়াও ভিটামিন ডি আপনার শরীরের মধ্যে ক্যালসিয়াম শোষণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ভিটামিন ডি শরীরে বেশি পরিমাণে গেলে ক্যালসিয়ামের মাত্রাও বাড়বে। আরও পড়ুন ঃ শরীর সুস্থ রাখতে শীতের মরশুমে নিয়মিত খান কমলালেবু যার ফলে ঘন ঘন প্রস্রাব, বমি বমি ভাব, হজমের সমস্যা, অত্যধিক তৃষ্ণার সমস্যা হতে পারে। রক্তে উচ্চ ভিটামিন ডি আপনার কিডনিকেও প্রভাবিত করতে পারে। রক্তে অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম কিডনিতে পাথর তৈরি করতে পারে। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ৮০ শতাংশ নির্ভর করে পাচনতন্ত্রের উপর। ভিটামিন ডি বেশি হলেই পেটে মোচড় হতে পারে, বমি বমি ভাব এবং হজমের অন্য সমস্যাও দেখা যেতে পারে। হঠাৎ ওজন কমে যাওয়াও এর লক্ষণ। ভিটামিন ডির উচ্চমাত্রা ক্লান্তির সাথে সম্পর্কযুক্ত। হাড়ের বদলে রক্তে ক্যালসিয়ামের উচ্চ মাত্রার কারণেই এমনটা হয়। আয়রন ও প্রোটিন না পাওয়ার কারণে পেশীর পুষ্টি হয় না। ভিটামিন ডি বেশি হলে মলত্যাগে কষ্ট হয়। পেটে ব্যথাও হতে পারে।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
টুকিটাকি

শরীর সুস্থ রাখতে শীতের মরশুমে নিয়মিত খান কমলালেবু

শীতের মরশুমে ফলের মধ্যে অন্যতম হল কমলালেবু। আর এই ফলের উপকারিতাও রয়েছে অনেক। অন্যদিকে কমলালেবু আমাদের বহু রোগ নিরাময়েও সাহায্য করে থাকে। চলুন জেনে নিন কমলালেবুর নানা উপকারিতা সম্পর্কে.. ঠাণ্ডা লাগা, কানের সমস্যা দূর করতে ভীষণ উপকারী কমলা। কমলায় রয়েছে বিটা ক্যারোটিন; যা শরীরের কোষের ক্ষয় রোধে সাহায্য করে। লিমোনয়েড নামে এক ধরনের পদার্থ রয়েছে কমলালেবুতে যা মুখ, ত্বক, ফুসফুস, স্তন, পাকস্থলীতে ক্যানসার প্রতিরোধে দারুণ সহায়ক। মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য জরুরি উপাদন ফলিক অ্যাসিডও যথেষ্ট পরিমাণে থাকে কমলায়। আরও পড়ুন ঃ সুস্থ থাকতে প্রতিদিন খান এক কোয়া রসুন বিশেষজ্ঞদের মতে, কমলায় থাকে ভিটামিন বি৬; যা মানবদেহে প্রয়োজনীয় হিমোগ্লোবিন তৈরি করে। কমলালেবু জাতীয় ফল আমাদের স্ট্রোক হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে। তাই নিয়মিত কমলালেবু খেলে স্ট্রোকের সম্ভাবনা অনেকটাই দূর হবে। কার্ডিওভাস্কুলার সিস্টেমে ভারসাম্য বজায় রাখতে ভীষণ সহায়ক কমলালেবু। কমলা খেলে খিদে বাড়ে, খাওয়ার রুচি তৈরি হয়। শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতেও কমলার জুড়ি মেলা ভার। লিভার কিংবা হার্টের বিভিন্ন রোগে কমলা খুবই উপকারী। হাইপারটেনশনের রোগীদের ক্ষেত্রেও কমলা খেলে উপকার মেলে।তবে শুধু কমলার কোয়াতেই নয়; এর খোসাতেও রয়েছে অনেক গুণ।যেমন, কমলার খোসা রূপচর্চায় অত্যন্ত উপকারী। স্কিনে ব্ল্যাকহেডস দূর করতে সহায়ক পাঁকা কমলার খোসা। তাছাড়া কমলার খোসা একেবারে প্রাকৃতিক উপায়ে দাঁতের হলদে ভাব দূর করে। তাই কমলার তাজা খোসা বেঁটে টুথপেস্টের মতো ব্যবহার করা যায়।

নভেম্বর ২৩, ২০২০
টুকিটাকি

সুস্থ থাকতে প্রতিদিন চাই এক কোয়া রসুন

সুস্থ থাকতে রোজ খেতে হবে এক কোয়া কাঁচা রসুন। কাঁচা রসুনেই উপকার৷ তবে হাই প্রেশার বা কোলেস্টেরল থাকলে খাওয়া দরকার ৩৪টি করে৷ এক্ষেত্রে প্রেশার বা কোলেস্টেরলের ওষুধ বন্ধ করবেন না৷ প্রয়োজনে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে নিতে হবে। সঠিক খাবার, ব্যায়াম ও চেকআপ চালিয়ে যাবেন৷ রক্তচাপ কমায়৷ চার কোয়া করে খেলে সে রক্তচাপ কমানোর ওষুধের সঙ্গেও পাল্লা দিতে পারে কিছু ক্ষেত্রে৷ টোটাল এবং এলডিএল কোলেস্টেরল প্রায় ১০১৫ শতাংশ কমে যায়৷ আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক হিপোক্রেটিস একে ব্যবহার করেছিলেন সারভাইকাল ক্যান্সারের চিকিৎসায়৷ লুই পাস্তুর এর অ্যান্টিফাংগাল ও অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল গুণের খবর জানান৷ সময়ের সঙ্গে আরও উপকারের কথা জানা গেছে৷ আর আধুনিক বিজ্ঞানীরা জানালেন, হৃদরোগ প্রতিরোধে এর ভূমিকার কথা৷ ইউনিভার্সিটি অব কানেক্টিকাট স্কুল অব মেডিসিনএর কার্ডিওভাসকুলার রিসার্চ টিমের মতে, কাঁচা রসুন খেলে হার্ট অনেক বেশি সুস্থ থাকে৷ আরও পড়ুন ঃ ওষুধ ছাড়াই মুক্তি পাওয়া যাবে সর্দি-কাশি থেকে , জেনে নিন কীভাবে! তবে উপকারি কোলেস্টেরল বা এইচডিএল বাড়াতে ও ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে এর কোনও ভূমিকা নেই৷ যে সমস্ত হৃদরোগী নিয়মিত রসুন খান, তারা অনেক বেশি অ্যাকটিভ থাকেন৷ অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের দৌলতে কমে অ্যালঝাইমার ও ডিমেনসিয়ার প্রকোপ৷ সংক্রমণজনিত অসুখবিসুখ কম হয়, বাড়ে আয়ু৷ ইস্ট্রোজেন লেভেল বেড়ে হাড়ের স্বাস্থ্য ভাল হয় মেয়েদের৷ তবে এ নিয়ে শেষ কথা বলার সময় এখনও আসেনি৷লেড টক্সিসিটি কমাতে কাজে লাগে৷

নভেম্বর ২২, ২০২০
টুকিটাকি

ওষুধ ছাড়াই মুক্তি পাওয়া যাবে সর্দি-কাশি থেকে , জেনে নিন কীভাবে!

শীতের তীব্রতায় আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে মানব শরীরে বিভিন্ন ধরণের ঠান্ডাজনিত অসুখ সর্দি - কাশির প্রকোপ বাড়ে। জেনে নিন , কি করে সর্দি - কাশির প্রকোপ থেকে ওষুধ ছাড়াই মুক্তি পাওয়া যায়। দারুচিনি যে কেবল রান্নার স্বাদ বাড়াতেই ব্যবহার করা হয় এমন নয়। ঠাণ্ডা লাগা কমাতে দারুচিনি প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎসও এই দারুচিনি। গরম জলে কয়েক টুকরো দারুচিনি দিয়ে তা ফুটিয়ে পান করুন প্রতিদিন। এতে বুকে কফের সমস্যা থাকলেও তা কমে যাবে। এমন কি সাইনাস ও মাইগ্রেনের সমস্যাও কমিয়ে আরাম দেয় এই পানীয়। আরও পড়ুন ঃ ত্বকের সৌন্দর্যে গোলাপ জল , রূপ লাবণ্যে হয়ে উঠবেন অনন্য ! পিপারিন থাকায় গোল মরিচ শরীরের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়। শুধু তাই-ই নয়, গোল মরিচ অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও। গলা বসে যাওয়া, নাক বন্ধ ইত্যাদি সমস্যা থেকে আরাম দেয় এই পানীয়। অন্যদিকে ঠাণ্ডার সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতারও বাড়ায় এই গোল মরিচ। এই শীতে চায়ের সঙ্গে মিশিয়ে নিন এই গোল মরিচ। প্রতিদিন মরিচ চা খেলে শীতে সুস্থ থাকবে শরীর। ভাল ফল পেতে এতে কিছুটা মধু মেশাতে পারেন। আদা যে সর্দি-কাশির মতো অসুখে কাজে আসে, তা অনেকেরই জানা। আদায় থাকা জিঞ্জারল, জিঞ্জারন প্রভৃতি উপাদান অ্যান্টিইনফ্লেমটরি ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। ঠাণ্ডা লাগা থেকে বাঁচতে খুবই কাজে আসে আদা। এক কাপ জলে আদা কুঁচি দিয়ে ফুটিয়ে নিন। এতে যোগ করুন লেবুর রস ও মধু। লেবু ও মধু দুই-ই প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। নিয়ম করে খালি পেটে এই পানীয় খেলে শীতের অসুখের হাত থেকে তো রক্ষা পাবেন। এছাড়া শরীরে জমে থাকা টক্সিন দূর করতেও এটি অত্যন্ত কার্যকর।

নভেম্বর ২১, ২০২০
টুকিটাকি

ত্বকের সৌন্দর্যে গোলাপ জল , রূপ লাবণ্যে হয়ে উঠবেন অনন্য !

ত্বকের সৌন্দর্যে গোলাপের জল ব্যবহারের কোনো জুড়ি নেই। এটি রুক্ষ্ম, শুক্ষ ও তৈলাক্ত সব রকমের ত্বকের জন্যই উপকারি। ফেস প্যাক, স্ক্রাব ও স্কিন টোনার সব কিছুর সঙ্গে গোলাপের জল মিশিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে। ত্বকের পরিচর্যা করার সময় পিইচ লেবেলের দিকে বিশেষ ধ্যান দিতে ভুলবেন না, দূষণ ও সূর্যের ইউবি রশ্মির জন্য আজ আমাদের ত্বক খুবই ক্ষতিগ্রস্ত, এর জন্য ত্বকের বিভিন্ন রকম সমস্যা দেখা যায়, এক্ষেত্রে গোলাপের জল পিএইচ লেবেলের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে ও আমাদের ত্বক সতেজ থাকে। গোলাপ জল এস্ট্রিঞ্জেন্ট-এর মতো কাজ করে, যার ফলে আপনি যখনি নিজের ত্বকে গোলাপ জলের ব্যবহার করেন তখন তা আপনার ত্বক থেকে ধুলো দূর করতে সাহায্য করে। গোলাপ পানির মধ্যে প্রচুর পরিমাণে এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এই কারণে গোলাপ জল এন্টি-এজিং হিসাবে ব্যবহার করা হয়, এন্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের কোষ গুলিকে ভেতর থেকে দৃঢ়তা প্রদান করে তা সতেজ রাখে। যাতে করে মুখের ত্বক টানটান থাকে। গোলাপ জল এক মুহূর্তে আপনার মুডকে সতেজ করে দিতে পারে। আসলে,আপনি যখনই মুখে গোলাপজল ব্যবহার করেন, তখনি এটির সুন্দর গন্ধ আপনার মন সতেজ করে দেয়, যার ফলে স্ট্রেস আপনার আশেপাশে ঘেঁষতে পারে না। আরও পড়ুন ঃ সারাদিন চোখ কম্পিউটার - মোবাইলে , বিপদ রুখতে কি করণীয় ? এবার জেনে নিন , কিভাবে ব্যবহার করবেন গোলাপ জল । মুখ ধোয়ার পরে, তুলোয় গোলাপ জল নিয়ে মুখের নিচের থেকে ওপর দিকে আলতো করে গোলাপ জল লাগান। আপনি রাতে শোয়ার আগে এর ব্যবহার করতে পারেন।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
টুকিটাকি

সারাদিন চোখ কম্পিউটার - মোবাইলে , বিপদ রুখতে কি করণীয় ?

সারাদিন বিভিন্ন কাজের জন্য চোখ রাখতে হয় কম্পিউটার , ল্যাপটপ ও মোবাইলে। আর এর জন্য চোখের উপর চাপ পড়ে। কাজের সময় চোখ ভালো রাখতে মাঝেমধ্যে চোখে জলের ঝাপটা দিন। কারণ , টানা আট থেকে নয় ঘণ্টা কম্পিউটারের সামনে বসে থেকে কাজ করা ও ফোনে সারাদিন কথা বলা। সব মিলিয়ে চোখের সমস্যা হওয়া খুবই স্বাভাবিক। তাই এখন বেশিরভাগ মানুষই চশমা ব্যবহার করেন। আসুন জেনে নিই কীভাবে চোখের যত্ন নেবেন- কাজের সময় খেয়াল রাখুন চারদিক থেকে অতিরিক্ত আলো যেন আপনার কম্পিউটারে না আসে। চোখ ভালো রাখতে কম্পিটারের আলোর সমন্বয় করে নিতে হবে। প্রতি তিন থেকে চার সেকেন্ড পর পর চোখের পাতা ফেলা চোখের ছোটখাটো সমস্যার সমাধান করে। তাই ঘন ঘন চোখের পাতা ফেলুন। একটানা কাজ করবেন না। আরও পড়ুন ঃ তরকারিতে নুন বেশি পড়ে গেলে কি করণীয় , জেনে নিন ! মাঝে মাঝে চোখ বন্ধ করে চোখকে বিশ্রামও দিন। এতে দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে। কাজের ফাঁকে ফাঁকে চোখকে বিশ্রাম দিন। ৩০ মিনিট পর পর কাজ বন্ধ রাখুন দুই থেকে তিন মিনিটের জন্য। এতে চোখের রক্ত সরবরাহ বাড়বে এবং চোখের পেশি সক্রিয় থাকবে। মাঝেমধ্যে চোখে পানির ঝাপটা দিন। সারা দিনে ১০ থেকে ১৫ বার চোখে পানির ঝাপটা দিতে পারেন। এতে চোখ ঠাণ্ডা থাকে। প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাকসবজি, বাদাম, কমলালেবু খেতে পারেন। এসব খাবার চোখের কর্নিয়া ভালো রাখে। পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে। সারাদিনের কাজের পর অন্তত আট ঘণ্টা ঘুম জরুরি।

নভেম্বর ১৬, ২০২০
টুকিটাকি

তরকারিতে নুন বেশি পড়ে গেলে কি করণীয় , জেনে নিন !

রান্নায় নুন বেশি হলে সেই অতিরিক্ত নুন-এর মাত্রা ঠিক করতে ব্যবহার করতে পারেন এই সহজ ঘরোয়া টোটকা। দেখে নিন সেগুলি কি কি ? তরকারি বা মাছের ঝোলে নুন বেশি হয়ে গেলে তাতে কয়েকটুকরো সেদ্ধ করা আলু দিয়ে দিন। দেখবেন নুনের কটাভাব কমে যাবে। এছাড়াও তরকারিতে নুনের ভাব কমানোর জন্য ব্যবহার করতে পারেন দই বা দুধ। দুগ্ধজাত এই খাবারগুলির মাধ্যমে সহজেই রান্নায় অতিরিক্ত নুনের পরিমাণ কমিয়ে আনা যেতে পারে। তরকারিতে যদি নুনের মাত্রা অতিরিক্ত হয়ে যায় , তাহলে এক চামচ ভিনিগার ও সমপরিমাণ চিনি যোগ করুন। আরও পড়ুন ঃ কচুর লতির উপকারিতা জানলে চমকে যাবেন আপনিও ! এই মিশ্রণের মাধ্যমে খাবারে নুনের মাত্রা সঠিক রাখা সম্ভব। কাঁচা পেয়াজ তরকারিতে নুনের কটাভাব দূর করতে সাহায্য করে। সেক্ষেত্রে পেঁয়াজটি খানিকক্ষণ তরকারিতে রেখে দিয়ে তারপর তুলে নিতে হবে। দেখবেন খাবারে অতিরিক্ত নুনের ভাব চলে গিয়েছে।

নভেম্বর ১৫, ২০২০
টুকিটাকি

কচুর লতির উপকারিতা জানলে চমকে যাবেন আপনিও !

বাঙালির হেসেলে এমন কিছু খাওয়ার আছে যা সত্যি ভাবনার বাইরে। কচুর পাতা থেকে শিকড় কোন কিছুই বাদ যায়না খাওয়ার ক্ষেত্রে। কচুর লতির নাম শুনতেই জিভে জল চলে আসে। তবে শুধু সুস্বাদু নয় এর উপকারিতাও অনেক। কচুর লতিতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে আয়রন।যা প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।গর্ভস্থ অবস্থা, খেলোয়াড়, বাড়ন্ত শিশু, কেমোথেরাপি পাচ্ছে এমন রোগীদের জন্য কচুর লতি ভীষণ উপকারি। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ক্যালসিয়াম।যা হাড় শক্ত করে ও চুলের ভঙ্গুরতা রোধ করে। আরও পড়ুন ঃ ঘরোয়া উপায়ে সামান্য খরচে রোধ করুন চুলের অকালপক্কতা এই সবজিতে ডায়াটারি ফাইবার বা আশের পরিমান খুব বেশি।যা খাবার হজমে সাহায্য করে।দীর্ঘ বছরের কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। কচুর লতিতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি আছে যা সংক্রামক রোগের থেকে আমাদের দূরে রাখে।শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে করে দ্বিগুণ শক্তিশালী।ভিটামিন সি চর্মরোগের বিরুদ্ধে কাজ করে। অনেকেই কচুর লতি খান চিংড়ি মাছ দিয়ে।চিংড়ি মাছে রয়েছে প্রচুর পরিমানে কোলেস্টেরল।তাই যারা হৃদরোগী,ডায়াবেটিস ও উচ্চ কোলেস্টেরলের সমস্যায় আক্রান্ত বা উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন তারা চিংড়ি মাছ ও শুটকি মাছ বর্জন করুন।কচুর লতি রক্তে চিনির মাত্রা বাড়ায় না।তাই ডায়াবেটিসের রোগীরা নিঃসংকোচে খেতে পারেন কচুর লতি। খাবার হজমের পর বর্জ্য দেহ থেকে সঠিকভাবে বের হতে সাহায্য করে।তাই কচুর লতি খেলে অ্যাসিডিটি ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা থাকে খুবই কম।আয়োডিন দাঁত, হাড় ও চুল মজবুত করে।

নভেম্বর ১৪, ২০২০
টুকিটাকি

ঘরোয়া উপায়ে সামান্য খরচে রোধ করুন চুলের অকালপক্কতা

কম বয়সে অনেকেরই চুল পেকে যাওয়ার সমস্যা রয়েছে। আর তরুণ বয়সে চুল পাকা বেশ বিব্রতকর ব্যাপারই বটে। যদিও সাময়িক সমাধান হিসেবে অনেকে চুলে কলপ ব্যবহার করে থাকেন। তবে এতে চুল একেবারে কালো হয় না। তার পাশাপাশি কলপের উপাদান নিম্নমানের হলে তা মাথার চামড়ার ক্ষতি করতে পারে। অ্যালার্জি সৃষ্টি করতে পারে। অথচ, প্রাকৃতিক উপায়ে ঘরে থাকা নানা উপাদান দিয়ে চুলের অকালপক্কতার চিকিৎসা উপকরণ তৈরী করা সম্ভব। সেই সমস্যা থেকে উদ্ধার পেতে কি করণীয় , তা দেখে নেওয়া যাক। পেঁয়াজ বাটা চুলের অকালে পেকে যাওয়া ঠেকাতে অত্যন্ত উপকারী। তাই পেঁয়াজ বেটে প্রতিদিন চুলের গোড়ায় মালিশ করুন। এরপর চুলে তা ভাল ভাবে মিশে যাওয়ার পর ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলতে হবে। অল্প কয়েকদিনের মধ্যে পাকা চুলের সমস্যা অনেকটাই কমে যাবে। আরও পড়ুন ঃ কাশির সিরাপ খেয়ে শরীরের ক্ষতি করছেন না তো ! আমলকি ও লেবু এই দুটো ফলের পুষ্টি গুণ অত্যন্ত বেশি। শরীরের মেদ কমানো, হৃদপিন্ডের সমস্যা ইত্যাদি অভ্যন্তরীণ সমস্যার পাশাপাশি চামড়ার ইনফেকশন এবং মাথার চামড়ার জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন যোগান দেয়ার ক্ষেত্রে এই দুটো ফলের জুড়ি নেই। তাই অকালে চুল পাকা রোধের জন্য বাজার থেকে আমলকির গুঁড়া কিনে এনে তা লেবুর রসের সাথে মিশিয়ে প্রতিদিন ১ ঘণ্টা করে মাথার চামড়ায় ম্যাসাজ করুন, তারপর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ফলাফল নিজেই টের পাবেন। পাকা চুলের হাত থেকে রেহাই পেতে হলে প্রতিদিন ৪ চা চামচ নারিকেল তেলের সাথে আড়াই চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে উক্ত মিশ্রণ চুলের গোড়ায় এবং মাথার চামড়ায় লাগান। দুই সপ্তাহের মধ্যেই পাকা চুল কালো হয়ে উঠবে। তার পাশাপাশি আপনার মাথার চামড়া সুস্থ থাকবে, খুশকি হবে না এবং চুলও হবে উজ্জ্বল।

নভেম্বর ১৩, ২০২০
টুকিটাকি

কাশির সিরাপ খেয়ে শরীরের ক্ষতি করছেন না তো !

শীত এসে গিয়েছে। সকাল ও রাতে বেশ ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে সকলের। আবার বেলার দিকে গরম লাগছে। এই তাপমাত্রার তারতম্যের কারণেই সর্দি-কাশি খুব সহজেই ধরে যাচ্ছে ৮ থেকে ৮০ বয়সী প্রায় সকল মানুষের। এদিকে, কাশি হলেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই অনেকে ওষুধের দোকান থেকে কফ-সিরাপ কিনে খাওয়া শুরু করে দেন। কিন্তু কাফ সিরাপ কতটা মারাত্মক হতে পারে আপনার শরীরের জন্য , তা কি জানেন ? চিকিৎসকদের অনেকেই জানিয়েছেন, কাফ সিরাপ খেলে অনেক সময় খিঁচুনি, ঝিমুনি, অস্বাভাবিক হৃৎস্পন্দন, কিডনি, যকৃতের সমস্যাসহ নানা ক্ষতি হতে পারে। তাই কাশি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শ ছাড়া কাফ সিরাপ খাওয়া বন্ধ করুন। আরও পড়ুন ঃ থানকুনি পাতার জাদুকরী উপকারিতার কথা জানলে চমকে যাবেন আপনিও ! জানা গিয়েছে , কাশির সিরাপে হাইড্রোকার্বন থাকে। মূলত বুকব্যথা ও কাশি কমাতে এটা ব্যবহৃত হয়। হাইড্রোকার্বন একধরনের মাদক, যা ক্ষতিকর। এটা ছাড়াও কাশির সিরাপে অনেক উপাদান থাকে, যেগুলোর কারণে রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে, ঝিমুনি আসে, ঘুম ঘুম ভাব হয়। সিরাপের মরফিন স্নায়ু ও পেশিকে শিথিল করে দেয়। এফিড্রিনের কারণে শ্লেষ্মা শুকিয়ে যায়।

নভেম্বর ১০, ২০২০
টুকিটাকি

থানকুনি পাতার জাদুকরী উপকারিতার কথা জানলে চমকে যাবেন আপনিও !

থানকুনি পাতা আমাদের শরীরের নানা রোগ দূর করে। চলুন জেনে নিন থানকুনি পাতার উপকারিতা সম্পর্কে। সপ্তাহে ২-৩ বার থানকুনি পাতা খেলে স্কাল্পের ভেতরে পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়। ফলে চুল পড়ার মাত্রা কমতে শুরু করে। এছাড়াও কোথাও কেটে গেলে সঙ্গে সঙ্গে সেখানে অল্প করে থানকুনি পাতা বেঁটে লাগিয়ে দেবেন। দেখবেন নিমেষে কষ্ট কমে যাবে। রক্ত শুদ্ধ করতে সাহায্য করে থানকুনি পাতার রস। যার ফলে দেহের সকল কোষে শুদ্ধ রক্ত পৌঁছে যায় এবং শরীর রোগমুক্ত হয়। এছাড়া ভালো ঘুমের জন্য থানকুনি পাতা ভিজিয়ে খেতে পারেন। আরও পড়ুন ঃ শরীরে নানাবিধ রোগ দূর করতে অনবদ্য গাজর থানকুনি পাতা ভেজানো জল স্নায়ু শিথিল করে ফলে সহজেই ঘুম আসে। থানকুনি পাতা আলসার, আমাশয় দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়াও ২ চামচ থানকুনি পাতার রসের সঙ্গে অল্প করে চিনি মিশিয়ে খেলে সঙ্গে সঙ্গে কাশি কমে যায়। আর যদি এক সপ্তাহ খেতে পারেন, তাহলে তো কথাই নেই। সেক্ষেত্রে কাশির কোনও চিহ্নই থাকবে না।

নভেম্বর ০৮, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

নর্মদায় ভয়াবহ বিপর্যয়! পর্যটকভর্তি প্রমোদতরী ডুবে মৃত্যু, আতঙ্কে দেশ

আনন্দময় ভ্রমণ মুহূর্তে পরিণত হল ভয়াবহ দুর্ঘটনায়। মধ্যপ্রদেশে (Madhya Pradesh) নর্মদা নদীর জলাধারে ডুবে গেল একটি পর্যটকভর্তি প্রমোদতরী। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অন্তত ছয় জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নৌকাটিতে প্রায় তিরিশ জন পর্যটক ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে পনেরো জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকি কয়েকজনের খোঁজে এখনও জোর তল্লাশি চলছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে (Madhya Pradesh)।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, নৌকাটি যখন জলাধারের মাঝামাঝি পৌঁছেছিল, তখন হঠাৎ আবহাওয়া খারাপ হয়ে যায়। প্রবল ঝড়ো হাওয়া শুরু হয়। সেই সময় ভারসাম্য হারিয়ে নৌকাটি একপাশে কাত হয়ে জলের মধ্যে ডুবে যায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় উদ্ধারকারী দল। ডুবুরিরা জল থেকে একে একে যাত্রীদের উদ্ধার করতে শুরু করেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে (Madhya Pradesh)।উদ্ধারকাজ তদারকি করছেন জব্বলপুর জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকরা। প্রথমে স্থানীয় দল উদ্ধারকাজ শুরু করলেও পরে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। রাত নেমে এলেও বাকি নিখোঁজদের খোঁজে অভিযান চালানো হচ্ছে। এই দুর্ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

স্ট্রংরুম ঘিরে বিস্ফোরক পরিস্থিতি! মুখোমুখি তৃণমূল-বিজেপি, উত্তপ্ত কলকাতা

ভোট শেষ হতেই ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে উত্তেজনা চরমে উঠেছে। কলকাতার ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের সামনে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে যায় তৃণমূল ও বিজেপি। দুই পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে স্ট্রংরুমের বাইরে ধর্নায় বসেন তৃণমূলের প্রার্থী শশী পাঁজা ও কুণাল ঘোষ।ধর্না শেষে তাঁরা বাইরে বের হতেই বিজেপি কর্মীদের বিক্ষোভ শুরু হয়। কেন তৃণমূলকে ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে, এই প্রশ্ন তুলে ক্ষোভ দেখান বিজেপি সমর্থকরা। শুধু কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে নয়, দুই দলের প্রার্থীদের মধ্যেও তুমুল বাকবিতণ্ডা শুরু হয়ে যায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন তাপস রায় ও সন্তোষ পাঠক।এদিকে তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, ভবানীপুরের শেখাওয়াত মেমোরিয়ালে পৌঁছে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই রয়েছে ভোট শেষে রাখা ইভিএম। এর আগে তিনি ইভিএম বদলের আশঙ্কা প্রকাশ করে কর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।রাতের দিকে খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছন বিরোধী দলের প্রতিনিধিরাও। তাঁদের সঙ্গে পুলিশের বচসার ঘটনাও সামনে এসেছে। অন্যদিকে ফিরহাদ হাকিম জানান, তিনি ঘটনাস্থলে গেলেও ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।এর আগে মমতা কর্মীদের স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন, স্ট্রংরুম থেকে গণনাকেন্দ্র পর্যন্ত প্রতিটি মুহূর্ত নজরে রাখতে হবে। কোনও অবস্থাতেই ঢিলেমি করা যাবে না। গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দায়িত্ব ছেড়ে না যাওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। তাঁর কথায়, বাংলার মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য এই শেষ লড়াইটুকুও লড়তে হবে।এই ঘটনাকে ঘিরে এখন রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ভোটের ফল ঘোষণার আগে ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে এই টানাপোড়েন নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

অশান্তিতে জ্বলছে বাংলা! ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা, বড় পদক্ষেপ কমিশনের

দ্বিতীয় দফার ভোট শেষ হতেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে ভোট-পরবর্তী হিংসা আটকাতে কড়া পদক্ষেপ নিতে চাইছে নির্বাচন কমিশন । বৃহস্পতিবার প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে বাংলার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল স্পষ্ট নির্দেশ দেন, যারা অশান্তি ছড়িয়েছে, তাদের আজ রাতের মধ্যেই গ্রেফতার করতে হবে।বুধবার ভোট শেষ হওয়ার পর থেকেই একাধিক এলাকায় রাজনৈতিক সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছে। সেই কারণে আগাম সতর্ক হয়ে উঠেছে কমিশন । বৈঠকে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে আলোচনা হয় মূলত ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ভোটের মতোই ভোটের পরের পরিস্থিতিতেও কঠোর নজরদারি রাখতে হবে। কোনও অশান্তি হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে। যারা গোলমাল করে পালিয়ে রয়েছে, তাদের খুঁজে বের করে দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোট শেষ হলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢিলেঢালা করা যাবে না। রাজ্যে এখনও ৭০০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন রাখা হয়েছে। গণনার দিন এবং তার পরেও নিরাপত্তা যেন কোনওভাবেই বিঘ্নিত না হয়, সে দিকেও বিশেষ নজর রাখতে বলা হয়েছে ।উল্লেখ্য, দ্বিতীয় দফার ভোটের পর কলকাতার বেহালা ও গড়িয়া-সহ একাধিক জায়গা থেকে অশান্তির খবর পাওয়া গিয়েছে। জেলার বিভিন্ন অংশ থেকেও একই ধরনের অভিযোগ এসেছে। ২০২১ সালের ভোটের পরেও রাজ্যে হিংসার অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই এবার আগে থেকেই কড়া অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

বৃষ্টির মধ্যেই স্ট্রংরুমে মমতা! ইভিএম নিয়ে বড় সন্দেহ, বিস্ফোরক অভিযোগ তৃণমূলের

ভোট মিটতেই ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে জোরদার হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। বৃহস্পতিবার বিকেলেই ভিডিও বার্তায় ইভিএম পাহারা দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Strongroom Controversy)। তিনি কারচুপির আশঙ্কার কথাও বলেন এবং স্ট্রংরুমে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেন। সেই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বৃষ্টির মধ্যে ভবানীপুরের শেখাওয়াত মেমোরিয়ালে স্ট্রংরুমে পৌঁছে যান তিনি।এদিকে একই সময় ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন তৃণমূলের প্রার্থী কুণাল ঘোষ, শশী পাঁজা এবং বিজয় উপাধ্যায়। তাঁদের অভিযোগ, স্ট্রংরুমের ভিতরে (Strongroom Controversy) সন্দেহজনক কাজকর্ম চলছে। লাইভ সম্প্রচারে দেখা যাচ্ছে ভিতরে নড়াচড়া হচ্ছে এবং হাতে হাতে ব্যালট ঘোরানো হচ্ছে। অথচ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ভিতরে কোনও কাজ হচ্ছে না। এতে প্রশ্ন উঠেছে, যদি পোস্টাল ব্যালটের কাজই হয়, তাহলে সেই ব্যালট এল কোথা থেকে।কুণাল ঘোষ দাবি করেন, বিকেল সাড়ে তিনটে পর্যন্ত স্ট্রংরুমের সামনে দলীয় কর্মীরা ছিলেন। পরে তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর আচমকা ইমেলের মাধ্যমে জানানো হয়, বিকেল চারটেয় স্ট্রংরুম খোলা হবে। তখন কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা যায়, তাঁরা আর সেখানে নেই (Strongroom Controversy)। খবর পেয়ে কুণাল ও শশী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন। কিন্তু সেখানে গিয়েও তাঁদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।এই ঘটনার জেরে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। ইভিএম নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ফের। ভোটের ফল ঘোষণার আগে এই পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

কসবা গণনা কেন্দ্র নিয়ে বড় ধাক্কা তৃণমূলের! হাইকোর্টে জিতল কমিশন

কসবা বিধানসভা কেন্দ্রের গণনা কেন্দ্র পরিবর্তন নিয়ে হওয়া মামলায় নির্বাচন কমিশনকে স্বস্তি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। জাভেদ খান-এর দায়ের করা মামলা খারিজ করে দেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। আদালত জানায়, গীতাঞ্জলি স্টেডিয়াম থেকে আলিপুরের বিহারীলাল কলেজে গণনা কেন্দ্র সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়ম মেনেই নেওয়া হয়েছে।তৃণমূলের তরফে অভিযোগ ছিল, কোনও নিয়ম না মেনেই হঠাৎ করে গণনা কেন্দ্র বদল করা হয়েছে। কিন্তু আদালত সেই অভিযোগ মানেনি। বিচারপতি জানান, সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার সঠিক প্রক্রিয়া মেনেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।এদিকে, আসন্ন ভোটগণনাকে সামনে রেখে আরও কড়া হয়েছে নির্বাচন কমিশন। গণনা কেন্দ্রে নিরাপত্তা বাড়াতে নতুন নিয়ম চালু করা হচ্ছে। এখন থেকে যাঁরা গণনা কেন্দ্রে প্রবেশ করবেন, তাঁদের জন্য বিশেষ পরিচয়পত্র থাকবে, যাতে একটি কোড যুক্ত থাকবে। সেই কোড স্ক্যান করে তবেই ভিতরে ঢোকার অনুমতি মিলবে ।এই নতুন ব্যবস্থা ২ মে থেকে কার্যকর হবে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে অননুমোদিত কেউ যাতে গণনা কেন্দ্রে ঢুকতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে চাইছে কমিশন। গণনাকর্মী, এজেন্ট এবং সংবাদমাধ্যমসবাইকেই এই নতুন নিয়ম মানতে হবে।সব মিলিয়ে, গণনা কেন্দ্র নিয়ে আদালতের রায় এবং নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ঘিরে রাজ্যে ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
রাজ্য

রেজাল্টে চমক! আইএসসি-তে ৪০০-তে ৪০০, বাংলার মেয়েই দেশসেরা

প্রকাশিত হল আইসিএসই দশম ও আইএসসি দ্বাদশ শ্রেণির ফল। এ বছর আইসিএসই (ICSC Result) পরীক্ষায় পাশের হার ৯৯.১৮ শতাংশ এবং আইএসসি-তে পাশের হার ৯৯.১৩ শতাংশ। দুটি ক্ষেত্রেই পাশের হারে এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা।চলতি বছরে প্রায় ২ লক্ষ ৬০ হাজার পরীক্ষার্থী আইসিএসই (ICSC Result) পরীক্ষায় এবং প্রায় ১ লক্ষ ৫০ হাজার পরীক্ষার্থী আইএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। গত বছরও একই দিনে ফল প্রকাশ হয়েছিল। তখন আইসিএসই-তে পাশের হার ছিল ৯৯.০৯ শতাংশ এবং আইএসসি-তে ছিল ৯৯.০২ শতাংশ। সেই তুলনায় এ বছর সামান্য হলেও পাশের হার বেড়েছে।আইএসসি পরীক্ষায় (ICSC Result) এ বছর দেশের মধ্যে প্রথম হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মেয়ে অনুষ্কা ঘোষ। পানিহাটির বাসিন্দা এই ছাত্রী সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুলের ছাত্রী। জানা গিয়েছে, সে ৪০০-র মধ্যে ৪০০ পেয়েছে। তবে এখনও সম্পূর্ণ মেধাতালিকা প্রকাশ হয়নি, ফলে একই নম্বর পেয়ে আরও কেউ প্রথম স্থানে থাকতে পারে।আইএসসি পরীক্ষায় মোট ৫৪ হাজার ১১৮ জন ছাত্র এবং ৪৯ হাজার ১৯৮ জন ছাত্রী অংশ নেয়। সেখানে মেয়েদের পাশের হার ৯৯.৪৮ শতাংশ এবং ছেলেদের পাশের হার ৯৮.৮১ শতাংশ। অন্যদিকে আইসিএসই পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫০৩ জন ছাত্র এবং ১ লক্ষ ২১ হাজার ২১৮ জন ছাত্রী। এখানে মেয়েদের পাশের হার ৯৯.৪৬ শতাংশ এবং ছেলেদের পাশের হার ৯৮.৯৩ শতাংশ।ফল দেখতে হলে পরীক্ষার্থীদের কাউন্সিলের সরকারি ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজের ইউনিক আইডি, ইনডেক্স নম্বর ও জন্মতারিখ দিয়ে লগইন করতে হবে। এরপর ফলাফল দেখা যাবে এবং তা ডাউনলোড করে রাখা যাবে। ডিজি লকারের মাধ্যমেও ফল দেখা ও মার্কশিট সংগ্রহ করা সম্ভব।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের ফলের আগে বড় ধাক্কা! গণনাকেন্দ্র নিয়ে হাইকোর্টে জোড়া মামলা

বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার আগে গণনাকেন্দ্রের বিন্যাস ও কর্মী নিয়োগ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জোড়া মামলা দায়ের করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দুটি আলাদা সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বৃহস্পতিবার আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিশ্বরূপ ভট্টাচার্য।প্রথম মামলায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, গণনাকেন্দ্রের সুপারভাইজার পদে শুধু কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তাঁর দাবি, এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনী নিয়মের বিরুদ্ধে এবং এতে গণনার নিরপেক্ষতা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। তিনি এই বিষয়টি আদালতের নজরে আনেন।অন্যদিকে, বিশ্বরূপ ভট্টাচার্যের মামলার মূল আপত্তি গণনাকেন্দ্রের স্থান পরিবর্তন নিয়ে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটার সংখ্যা কম থাকায় এবং কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবার গণনাকেন্দ্র কমিয়ে এক জায়গায় আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিশ্বরূপ ভট্টাচার্যের মতে, হঠাৎ করে এইভাবে গণনাকেন্দ্র বদল করা আইনসঙ্গত নয়।নির্বাচন শুরু হওয়ার পর থেকেই কমিশনের একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক দেখা গিয়েছিল। এবার গণনা শুরুর আগেই সেই বিতর্ক আরও বেড়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর দুইটোর সময় এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের মাঝেই হাওয়া বদল! কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ভিজছে বাংলা

ভোটের দ্বিতীয় পর্ব চলাকালীন হঠাৎ করেই বদলে গেল আবহাওয়া। তুমুল বৃষ্টি আর কালবৈশাখীর ঝড়ে অনেকটাই স্বস্তি মিলেছে গরম থেকে। হাওয়া দফতর জানিয়েছে, আপাতত তীব্র গরমের আশঙ্কা নেই। তবে আজও রাজ্যের একাধিক জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গে আবার ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার পশ্চিম মেদিনীপুর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে কালবৈশাখীর দমকা হাওয়া ঘণ্টায় পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার বেগে বইতে পারে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির আশঙ্কাও রয়েছে। এই পরিস্থিতি উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলাতেও দেখা যেতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ঝড়-বৃষ্টি বেশি হতে পারে। বজ্রসহ বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় তিরিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।উত্তরবঙ্গেও পরিস্থিতি বেশ গুরুতর হতে পারে। আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে অতি ভারী বৃষ্টি, অর্থাৎ প্রায় দুইশো মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। দার্জিলিং, কালিম্পং ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই ঝড়ো হাওয়া, বজ্রপাত ও বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।শুক্রবার ও শনিবারও দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা থাকবে। রবিবারও ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়।সকাল থেকে আকাশ কখনও মেঘলা, কখনও আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। মেঘলা আকাশ ও দমকা হাওয়ার কারণে গরমের অস্বস্তি অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal