• ৬ ভাদ্র ১৪৩৩, সোমবার ২৪ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Virat Kohli

খেলার দুনিয়া

TWO World Cup-Kohli : সামির সমালোচকদের তীব্র আক্রমণ কোহলির, বললেন মেরুদণ্ডহীন

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে হারের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় জঘন্য ভাষায় আক্রমণ করা হয়েছিল মহম্মদ সামিকে। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে সামির সমালোচকদের তীব্র ভাষায় সমালোচনা করলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। সমালোচকদের মেরুদণ্ডহীন বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। প্রায় একসপ্তাহ পর মুখ খুললেও কোহলির এই মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।এতদিন মহম্মদ সামির পায়ে দাঁড়িয়ে কোনও বিবৃতি দেননি ভারতীয় দলের কোনও সদস্য। সামির পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে শুধুমাত্র একটা ছবি পোস্ট করা হয়েছিল। ভারতীয় বোর্ড ক্রিকেটারদের নির্দেশ দিয়েছিল সামির সমর্থনে সোশ্যাল মিডিয়ায় যেন কোনও মন্তব্য না করে। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে কোহলি সামির সমালোচকদের তীব্র আক্রমণ করেছেন। কোহলি বলেন, ধর্মের ভিত্তিতে কোনও কাউকে এভাবে আক্রমণ করা যায়, ভাবতেই পারি না। যারা সামিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় আক্রমণ করেছে, তারা মেরুদণ্ডহীন। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ধরণের মানুষ আনন্দ দেওয়ার চেষ্টা করে থাকে, এটা খুবই খারাপ। আমাদের সাহস রয়েছে, চারিত্রিক দৃঢ়তা আছে। এমন কিছু মানুষ রয়েছে, যাদের কোনও সাহস নেই, ভাল কাজ করার ক্ষমতা নেই, শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যকে আক্রমণ করে। আমরা মাঠে নেমে যা করতে পারি তা করার ক্ষমতা নেই।কোহলি আরও বলেন, কাউকে ব্যক্তিগতভাবে সামনাসামনি বলার সাহস নেই। নিজেদের পরিচয় গোপন রেখে সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যজনকে নিয়ে আক্রমণ করে। অন্যকে নিয়ে মজা করা এখন অনেকের কাছেই বিনোদন হয়ে দাঁড়িয়েছে। মানুষ হিসেবে খারাপ কাজ করতেও অনেকে পিছপা হচ্ছেন না। মাঠে নেমে আমরা কী করতে চাই তা আমাদের সকলের কাছেই পরিষ্কার। প্রত্যেকের চারিত্রিক দৃঢ়তা সম্পর্কেও আমরা ওয়াকিবহাল। মাঠে নেমে আমরা যা করে, যারা সোশ্যাল মিডিয়ায় কুৎসা ছড়ায়, তারা ভাবতেই পারি না। তাই ওইসব মানুষকে আমরা পাত্তা দিই না। ধর্মের ভিত্তিতে কাউকে আক্রমণ করা খুবই জঘন্য কাজ। হতাশা থেকেই তারা এসব করে থাকে।সামির পাশে দাঁড়িয়ে কোহলি আরও বলেন, যারা সামিকে আক্রমণ করেছে, তারা জানে না ভারতকে কত ম্যাচে ওরা জিতিয়েছে। টেস্ট ক্রিকেটে বুমরার পাশাপাশি সামি আমাদের প্রধান বোলার। গত কয়েক বছর ধরে সামি ভারতীয় দলের জন্য যা করেছে তা সবাই দেখে নিতে পারে। দেশের প্রতি সামির আবেগকে যারা অগ্রাহ্য করে আক্রমণ করছে তাদের নিয়ে কথা বলে সময় নষ্ট করতে চাই না। আমাদের পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধে কেউ চিড় ধরাতে পারবে না। দলের প্রত্যেকে সামির পাশেই রয়েছে।

অক্টোবর ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

virat kohli : কোহলির হয়ে গলা ফাটাচ্ছেন পাকিস্তানের ক্রিকেটারের স্ত্রী?‌ সত্যিই আজব ব্যাপার

টি২০ বিশ্বকাপে ভারতপাকিস্তান লড়াই। আর কোহলির হয়ে গলা ফাটাচ্ছেন কিনা পাকিস্তানের এক ক্রিকেটারের ঘরণী! সত্যিই অবাক হওয়ার কথা। তবে পাকিস্তানের ক্রিকেটারের ওই ঘরণী বিরাট কোহলির হয়ে গলা ফাটালেও নিজের স্বামীর দেশেরই জয় চান। সত্যিই আজব ব্যাপার। পাঠকবর্গের খুব জানতে ইচ্ছে করছে কোন ক্রিকেটারের ঘরণী বিরাট কোহলির ভক্ত? তাঁর নামই বা কী। এবার খোলসা করা যাক।পাকিস্তানের জোরে বোলার হাসান আলির স্ত্রী শামিয়া আরজু কোহলির দুর্দান্ত ভক্ত। শামিয়ার কোহলি প্রেমের মধ্যে কোনও অস্বাভাবিকতা নেই। কারণ কোহলির আবেগ,আগ্রাসনে মুগ্ধ অগনিত ক্রিকেটপ্রেমী। শুধু ক্রিকেট প্রেমীই বা বলি কি করে। ক্রিকেটের বাইরেও অনেক ভক্ত রয়েছে কোহলির। নিজগুনে মহিলাদের মনেও জায়গা করে নিয়েছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক।শামিয়া আরজুর কোহলি প্রীতির মধ্যে রয়েছে অন্যরকম গল্প। আদতে ভারতের মেয়ে শামিয়া আরজু। হরিয়ানার ছান্দেনি গ্রামে বেড়ে ওঠা। ফরিদাবাদের মানব রচনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি টেক পাশ করেন। অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক হওয়ার পর জেট এয়ারওয়েজে এয়ার হোস্টেস হিসেবে যোগ দেন। কিছুদিন সেখানে কাজ করার পর এমিরেটস এয়ারলাইনসে ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ারের পদে যোগ দেন। দুবাইতে কর্মরত অবস্থাতেই হাসান আলির সঙ্গে পরিচয়। দুবছর ধরে চলে প্রেম পর্ব। তারপর বিয়ে। ২০১৯ সালে দুবাইতেই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন দুজনে।তিনি যে বিরাট কোহলির ভক্ত ভারতপাকিস্তান ম্যাচের আগে শামিয়া আরজু জানাতে দ্বিধা করেননি। বিরাটের ব্যাটে সাফল্য চাইলেও হাসান আলির স্ত্রী অবশ্য পাকিস্তানের জয় চান। পাকিস্তানের আর এক ক্রিকেটার শোয়েব মালিকের স্ত্রী সানিয়া মির্জা অবশ্য শামিয়া আরজুর মতো খুল্লামখুল্লা নন। ভারতপাকিস্তান ম্যাচের আগে তিনি মুখে কুলুপ এঁটেছেন। সোশ্যাল মিডিয়া থেকেও অনেক দুরে সরে রয়েছেন। ইনস্টাগ্রামে এক প্রশ্নোত্তর পর্বে শামিয়া আরজু তাঁর কোহলি প্রেমের কথা জানিয়েছেন।

অক্টোবর ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav-Kohli : বিরাট কোহলির মিথ্যাচার! ফাঁস করলেন সৌরভ

কয়েকমাস আগে বিরাট কোহলি ঘোষণা করেছিলেন,বিশ্বকাপের পর টি২০ ক্রিকেটে দেশকে আর নেতৃত্ব দেবেন না। তাঁর এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেটমহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। কোহলি দাবি করেছিলেন, নেতৃত্ব ছাড়ার বিষয়টি নিয়ে তিনি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তাদের সাথে কথা বলেছিলেন। কিন্তু কোহলি যে মিথ্যা কথা বলছেন, ফাঁস হয়ে গেল সৌরভ গাঙ্গুলির কথাতে। সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে সৌরভ দাবি করেছেন, কোহলির টি২০ নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্তে তিনি অবাক হয়েছেন। বিষয়টি তিনি একেবারেই জানতেন না।সৌরভ বলেছেন, কোহলির সিদ্ধান্তে আমি অবাক। বিষয়টি নিয়ে আগে কোনও দিনই আলোচনা হয়নি। নেতৃত্ব ছাড়া নিয়ে বোর্ডের পক্ষ থেকেও বিরাটের ওপর কোনও চাপ সৃষ্টি করা হয়নি। ইংল্যান্ড সফর থেকে ফিরে আসার পরই কোহলি নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সৌরভ আরও বলেন, আমিও ৬ বছর দেশের ক্যাপ্টেন ছিলাম। দীর্ঘদিন দেশকে নেতৃত্ব দেওয়া দারুণ সম্মানের ব্যাপার। দেশকে নেতৃত্ব দিতে দিতে হয়তো মানসিক ও শারীরিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। তাই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।সম্প্রতি খুব একটা ভাল ছন্দে নেই বিরাট কোহলি। আইপিএলে তেমন রান পাননি। বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধেও ব্যর্থ। বিশ্বকাপের আসরে কতটা জ্বলে উঠতে পারবেন, তা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে। ভারতীয় দলের অধিনায়কের ব্যাটিং ফর্ম নিয়ে একেবারেই চিন্তিত নন সৌরভ। তিনি বলেন, প্রায় ১০-১১ বছর ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলছে কোহলি। প্রতি বছরই যে রান পাবে, এমন কোনও কথা নেই। উত্থান-পতন থাকবেই। আমি নিশ্চিত, টি২০ বিশ্বকাপেই কোহলি ছন্দে ফিরে আসবে। টি২০ বিশ্বকাপের আগে আইপিএল না হলেও সংযুক্ত আরব আমীরশাহির পরিবেশে ভারতীয় দলের মানিয়ে নিতেও কোনও সমস্যা হত না বলে মনে করেন সৌরভ। তাঁর যুক্তি, সংযুক্ত আরব আমীরশাহির পরিবেশ ভারতের মতোই। সুতরাং আমার মনে হয় না কোনও সমস্যা হত।এখনও পর্যন্ত একবারই টি২০ বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত, ২০০৭ সালে মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে। তারপর এই ফরম্যাটে একবারই সেমিফাইনালে উঠেছে, ২০১৬ সালে। এবছর ট্রফি খরা কাটার ব্যাপারে আশাবাদী সৌরভ গাঙ্গুলি। তাঁর কথায়, টি২০ ক্রিকেটে যে কোনও দলই চ্যাম্পিয়ন হতে পারে। চ্যাম্পিয়ন হতে গেলে বড় ম্যাচ জেতা জরুরি। ভারতের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ডের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নিউজিল্যান্ড প্রতিবারই আন্ডারডগ হিসেবে খেলতে নামে। বেশ কয়েক বছর ধরে দারুন ধারাবাহিতা দেখাচ্ছে।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌T20 WC -Wasim Akram : আক্রামের মতে কোহলির সমকক্ষ হতে বাবর আজমের সময় লাগবে

ভারতপাকিস্তান দ্বৈরথের আগে সবসময় তুলনায় চলে আসেন দুই দলের অধিনায়ক। ২৪ অক্টোবর বিশ্বকাপ অভিযানে নামবে ভারত ও পাকিস্তান। দুই দেশের মহারণের আগেই তুলনায় টানা শুরু হয়ে গেছে বিরাট কোহলি ও বাবর আজমের মধ্যে। কারও মতে বিরাট কোহলি পাকিস্তান অধিনায়কের থেকে অনেকটাই এগিয়ে। কেউ আবার মনে করছেন, দুজনের মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য নেই। পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক ওয়াসিম আক্রাম মনে করেন, কোহলির সমকক্ষ হতে বাবার আজমের সময় লাগবে। বাবর এখন উন্নতির পর্যায়ে রয়েছে। আক্রাম বলেছেন, বিরাট কোহলি, কোহলিই। ওর সঙ্গে এই মুহূর্তে কারও তুলনা করা উচিত নয়। কোহলি বিশ্ব ক্রিকেটে আধিপত্য দেখিয়ে এসেছে। প্রচুর রান করেছে। দেশকে দীর্ঘদিন ধরে নেতৃত্ব দিচ্ছে। বাবর আজম সবে মাত্র একবছর হল দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছে। তবে একটা কথা বলব, দক্ষতার দিক থেকে বাবর দুর্দান্ত। সব ধরণের ফর্ম্যাটে দারুণ ধারাবাহিকতা দেখাচ্ছে। নেতৃত্ব দেওয়ার বিষয়টা ভালভাবে শিখছে। দ্রুত শেখার ক্ষমতা আছে। এই মুহূর্তে বিরাট কোহলির সঙ্গে বাবরের তুলনা করাটা ঠিক হবে না। কোহলি এখন যে অবস্থায় আছে বাবর ভবিষ্যতে নিশ্চিতভাবেই সেইদিকে এগিয়ে যাবে। মাত্র এক বছর হল সব ধরণের ফরম্যাটে দেশকে নেতৃত্বে দিচ্ছেন বাবর আজম। ইতিমধ্যেই তাঁর নেতৃত্ব দেওয়ার দক্ষতা প্রশংসিত হচ্ছে বিশ্ব ক্রিকেটে। সীমিত ওভারের ক্রিকেটের র্যাঙ্কিংয়েও কোহলিকে পেছনে ফেলে দিয়েছেন পাকিস্তান অধিনায়ক। টি২০ ক্রিকেটে বিশ্বকাপের পরেই দেশের নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্তর কথা ঘোষণা করেছেন ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলি। তাঁর নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্তে অবাক ওয়াসিম আক্রাম। তিনি বলেছেন, টি২০ ক্রিকেটে বিরাট কোহলির নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্তে আমি অবাক। তবে একটা কথা বলব, বর্তমান পরিস্থিতিতে একসঙ্গে তিন ধরণের ফরম্যাটে খেলা খুবই কঠিন। আর আইপিএল তো চতুর্থ ফরম্যাট। এই প্রতিযোগিতাতেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের মতো চাপ থাকে। ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে ব্যর্থ হলেই মালিকদের কাছে জবাবদিহি করতে হয়। তবে টি২০ ক্রিকেটে নেতৃত্ব ছাড়ায় কোহলির লাভ হবে বলে মনে করছেন ওয়াসিম আক্রাম। তাঁর যুক্তি, এর ফলে কোহলি অনেক চাপমুক্ত হয়ে ভরডরহীন ক্রিকেট খেলতে পারবে।

অক্টোবর ২২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli vs Babar Azam : কোহলি–বাবর মুখোমুখি লড়াইয়ে কে এগিয়ে?‌ টি২০ বিশ্বকাপের আগে দ্বৈরথে দুই অধিনায়ক

২৪ অক্টোবর আগামী রবিবার টি২০ বিশ্বকাপের দ্বৈরথ ভারত ও পাকিস্তানের। ভারতকে নেতৃত্ব দেবেন বিরাট কোহলি, অন্যদিকে পাকিস্তানকে নেতৃত্ব দেবেন বাবর আজম। টি২০ বিশ্বকাপে অধিনায়ক হিসেবে এই দুজন প্রথমবার মুখোমুখি হবেন। এতদিন টি২০ বিশ্বকাপে ভারতকে নেতৃত্ব দিয়ে এসেছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। অন্যদিকে, পাকিস্তান বেশ কয়েকজনের নেতৃত্বে ভারতের বিরুদ্ধে টি২০ বিশ্বকাপে মাঠে নেমেছে। ভারতপাকিস্তান ম্যাচ এলেই তুলনা এসে যায় দুই দলের অধিনায়কের। বিরাট কোহলি ও বাবর আজমও অন্যদের থেকে ব্যতিক্রম নন।টি২০ ফরম্যাটে বিরাট কোহলির থেকে এগিয়ে রয়েছেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। টি২০ আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ে এই মুহূর্তে বাবর আজম রয়েছেন দু নম্বরে। অন্যদিকে বিরাট কোহলি রয়েছেন চার নম্বরে। একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে পেছনে ফেলে দিয়েছেন বাবর আজম। আইসিসির বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে পাকিস্তান অধিনায়ক রয়েছেন ১ নম্বরে। অন্যদিকে বিরাট কোহলি রয়েছেন দুই নম্বরে। শুধু মাত্র টেস্ট ক্রিকেটেই বাবর আজমের থেকে এগিয়ে রয়েছেন কোহলি। তাও আবার খুব বেশি এগিয়ে নেই। কোহলি রয়েছেন ষষ্ঠ স্থানে, আর বাবর আজম রয়েছেন সাত নম্বরে।বিরাট কোহলির পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টি২০ ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা থাকলেও বাবর আজমের নেই। এই প্রথম টি২০ ফরম্যাটে ভারতের বিরুদ্ধে খেলবেন বাবর আজম, তাও আবার অধিনায়ক হিসেবে। আন্তর্জাতিক টি২০ ক্রিকেটে বাবার আজম ৬১ ম্যাচে ২২০৪ রান করেছেন। গড় ৪৬.৮৯, স্ট্রাইক রেট ১৩০.৬৪। সর্বোচ্চ দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ১২২। ১টি শতরান ও ২০টি অর্ধশতরান রয়েছে বাবরের। ২০২১ সালে ১৭ ম্যাচে ৫২৩ রান করেছেন, সর্বোচ্চ ১২২। গড় ৩৭.৩৫, স্ট্রাইক রেট ১৩২.৭৪। ১টি শতরান ও ৪টি অর্ধশতরান রয়েছে।অন্যদিকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৬টি টি২০ ম্যাচ খেলেছেন বিরাট কোহলি। প্রথম খেলেছিলেন ২০১২ সালে শ্রীলঙ্কায় টি২০ বিশ্বকাপে। ৬১ বলে অপরাজিত ৭৮ রান করে ম্যাচের সেরা হয়েছিলেন। ওই বছরই দেশের মাঠে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজে বেঙ্গালুরুতে ৯ রান করেছিলেন কোহলি। আমেদাবাদে করেন ২৭। ২০১৪ সালে ঢাকায় টি২০ বিশ্বকাপে ৩৬ রান করে দলকে জিতিয়েছিলেন কোহলি। ২০১৬ সালে এশিয়া কাপে ৫১ বলে ৪৯ রান করে ম্যাচের সেরা হন বিরাট কোহলি। ২০১৬ সালের টি২০ বিশ্বকাপে ইডেনে ৩৭ বলে অপরাজিত ৫৫ রান করেন তিনি। ম্যাচের সেরাও হয়েছিলেন। সবমিলিয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৬ ম্যাচে কোহলির সংগ্রহ ২৫৪ রান। সর্বোচ্চ অপরাজিত ৭৮। গড় ৮৪.৬৬, স্ট্রাইক রেট ১১৮.৬৯। ২টি অর্ধশতরান রয়েছে।

অক্টোবর ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T‌‌20 World Cup : কোহলির নেতৃত্বে ভারত কি বিশ্বকাপ জিততে পারবে? ভবিষ্যতবানী ইঞ্জিনিয়ারের

মাস খানেক আগেই বিরাট কোহলি ঘোষণা করেছিলেন, টি২০ বিশ্বকাপের পরই এই ফর্ম্যাটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়াবেন। সেই অর্থে এটাই কোহলির কাছে নেতা হিসেবে শেষ বিশ্বকাপ। দেশের অধিনায়ক হওয়ার পর এখনও পর্যন্ত কোনও আইসিসির কোনও টুর্ণামেন্টে দেশকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি। অধিনায়ক হিসেবে শেষ টি২০ বিশ্বকাপে ছাপ রেখে যেতে মরিয়া হবেন কোহলি। ভারতের প্রাক্তন উইকেটকিপার ফারুখ ইঞ্জিনিয়ারও মনে করছেন কোহলির নেতৃত্বে ভারত এবার বিশ্বকাপ জিতবে। সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফারুখ ইঞ্জিনিয়ার বলেছেন, এবছর টি২০ বিশ্বকাপ জেতার দারুণ সুযোগ আছে কোহলির কাছে। বড় টুর্ণামেন্টে ভারত বরাবরই প্রভাব দেখিয়ে এসেছে। এবারও দেখাবে। কোহলির নেতৃত্বেই ভারত এবার চ্যাম্পিয়ন হবে। দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার ব্যাপারে খুব ভাল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে কোহলি। এই ভারতীয় দলে প্রচুর প্রতিভা রয়েছে। বিরাট কোহলি, লোকেশ রাহুল, যশপ্রীত বুমরা, ঋষভ পন্থরা যে কোনও পরিস্থিতিতে ম্যাচ ঘুরিয়ে দিতে পারে। কোহলির নেতৃত্বেরও দারুণ প্রশংসা করেছেন ফারুখ ইঞ্জিনিয়ার। তিনি বলেন, বিরাট দুর্দান্ত অধিনায়ক। দেশের সর্বকালের অন্যতম সেরা অধিনায়কদের আসনে অনায়াসে ওকে বসানো যায়। কোহলির এনার্জি, পরিকল্পনা, প্রভাব বিস্তার করার দক্ষতা, নিজেকে প্রয়োগ ক্ষমতা এককথায় অসাধারন। দলের শক্তির রসদ জোগাড় করে। জেতার জন্য সবসময় ক্ষুধার্ত থাকে। রানের প্রচুর খিদে রয়েছে। এই কারণেই দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। ওর জন্যই দলের ফিটনেস লেভেল দুর্দান্ত। সতীর্থদের কাছ থেকে সেরাটা বার করে নিয়ে আসার ব্যাপারে কোহলির জুড়ি মেলা বার বলেও মনে করেন ভারতের এই প্রাক্তন উইকেটকিপার। ফারুখ ইঞ্জিনিয়ারের কথায়, কোন সময় সতীর্থদের কীভাবে ব্যবহার করতে হয় কোহলি খুব ভালভাবেই জানে। দলে বেশ কয়েকজন ম্যাচ উইনারকে পেয়েছে। এদের মধ্যে বুমরা, হার্দিক অন্যতম। টি২০ বিশ্বকাপের জন্য নিজের মতো করে দলটাকে সাজিয়ে নিয়েছে। আমার বিশ্বাস, কোহলির নেতৃত্বেই ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হবে।

অক্টোবর ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav Ganguly : টি২০ বিশ্বকাপের আগে কোহলিদের কী পরামর্শ দিলেন সৌরভ?‌

টি২০ বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ডের খেলা শুরু হয়েছে। ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে টি২০ বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ভারত। ২০০৭এ মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। তারপর থেকে খেতাব অধরা থেকে গেছে। প্রতিবারই অন্যতম ফেবারিট হিসেবে প্রতিযোগিতায় খেলতে নামে ভারত। কিন্তু চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন অধরাই থেকে যায়। অধিনায়ক হিসেবে এবছরই শেষ টি২০ বিশ্বকাপ বিরাট কোহলির। খেতাব জিততে মরিয়া কোহলি। এবছরও অন্যতম ফেবারিট হিসেবে মাঠে নামবে ভারত। মাঠে নামার আগে ভারতীয় দলকে সতর্ক করে দিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। নিজের দেশকে অন্যতম ফেবারিট হিসেবে অভিহিত করে একগুচ্ছ পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। সৌরভ গাঙ্গুলি ভারতীয় দলকে সতর্ক করে বলেছেন, ভারতীয় দলের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মতো প্রতিভা রয়েছে। তবে একটু পরিণতিবোধ দরকার। বিশ্বকাপে একগুচ্ছ ম্যাচ খেলতে হবে। ক্রিকেটাররা যদি শুরু থেকেই ভেবে নেয় যে চ্যাম্পিয়ন হতে এসেছে, সেটা বোকামি হবে। একেকটা ম্যাচ ধরে এগোতে হবে। চ্যাম্পিয়ন হতে গেলে ফাইনালে জিততে হবে। তার জন্য ধাপে ধাপে এগোতে হবে। কাজটা কিন্তু ততটা সহজ নয়। কোনও টুর্নামেন্টে নামলেই চ্যাম্পিয়ন হওয়াও যায় না। একটি প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। নিজেদের খেলায় পরিণতভাব দেখানোটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শুরু থেকেই যদি চ্যাম্পিয়নের কথা মাথায় ঢুকে যায়, তাহলে ফোকাস ঠিক রাখতে পারবে না। সৌরভ আরও বলেছেন, ভারতের এই দলে প্রতিভার কোনও অভাব নেই। রান করা বা উইকেট নেওয়ার দক্ষতাসম্পন্ন ক্রিকেটাররাই বিশ্বকাপের দলে সুযোগ পেয়েছে। মানসিকভাবে ভাল অবস্থায় থাকলে চ্যাম্পিয়ন হওয়া সম্ভব। ভারতীয় দলে যে প্রতিভার ছড়াছড়ি, সেকথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন সৌরভ। তঁার কথায়, দলে প্রতিভাবান ক্রিকেটারের অভাব নেই। প্রত্যেকের ব্যাট হাতে রান তোলার দক্ষতা রয়েছে, বল হাতে উইকেটও তুলে নিতে পারে। বিশ্বকাপ জিততে এসেছি এমন মানসিকতা নিয়ে ব্যাটিংয়ের সময় গার্ড নেওয়া উচিত নয়। তাতে গোটা প্রক্রিয়াটি কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে যায়। যে বলের মুখোমুখি হতে হচ্ছে সেটা কতটা সঠিকভাবে খেলা যায় তার ওপর ফোকাস রাখা উচিত। ফাইনালে ওঠা না পর্যন্ত এমনটাই করতে হবে। আইপিএলের পরেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে টি২০ বিশ্বকাপ। আইপিএলের ম্যাচগুলি যেখানে খেলা হয়েছে সেখানেই হবে বিশ্বকাপের খেলা। তবে তাতে পিচগুলি মন্থর হবে না বলেই ধারণা সৌরভের। তবে শারজার উইকেট মন্থর আচরণ করতে পারে মনে করছেন তিনি। সৌরভের কথায়, শারজার উইকেটে একটু কম রান উঠতে পারে। দুবাইয়ে সেই সমস্যা নেই। আইপিএল ফাইনালেও উইকেট ভাল আচরণ করেছে। তবে সবথেকে ভাল উইকেট আবু ধাবিতে। বিশ্বকাপের আদর্শ উইকেট।

অক্টোবর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

V‌irat Kohli : বায়ো বাবলের মধ্যে থেকে খেলার অনুভূতি কেমন?‌ মজার ছবি শেয়ার কোহলির

করোনা আবহে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর একবছরেরও বেশি সময় আগে আবার চালু হয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট। ক্রিকেটাররা মাঠে নেমেছেন। বিভিন্ন দেশে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ যেমন হচ্ছে, তেমনই অনুষ্ঠিত হয়েছে আইপিএল। আইপিএল শেষ হতে না হতেই টি২০ বিশ্বকাপের ঢাকে কাঠি পড়ে গেছে। বিভিন্ন সিরিজ খেলার জন্য ক্রিকেটারদের কাটাতে হচ্ছে জৈব সুরক্ষা বলয়ে। জৈব সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে থেকে ক্রিকেট খেলার অভিজ্ঞতা কেমন? ইনস্টাগ্রামে বিরাট কোহলির পোস্ট করা ছবিই অনেককিছুর ইঙ্গিত দিয়ে দেয়।সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি একটা মজার ছবি শেয়ার করেছেন। সেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে ব্রডকাস্টিং রুমে কোহলি চেয়ারে বসে রয়েছেন, আর তাঁকে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে। ছবির নিচে শিরোনামে কোহলি লিখেছেন, বাবলের মধ্যে থেকে খেলার অনুভূতি। কোহলির এই ইনস্টাগ্রাম ঘিরে তোলপাড়। অনেকেই নিজেদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার কেভিন পিটারসেন প্রতিক্রিয়া জানিয়ে লিখেছেন, বায়ো বাবলের সঙ্গে প্লেয়ার/ব্রডকাস্টররা কাজ করছে। দারুণ ছবি।দীর্ঘদিন জৈব সুরক্ষা বলয়ে থেকে ক্রিকেটাররা ক্লান্ত। অনেক ক্রিকেটারই জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকার ক্লান্তি নিয়ে সাম্প্রতিককালে মুখ খুলেছেন। বিরাট কোহলি তাঁদের মধ্যে সর্বশেষ সংযোজন। আইপিএলের প্রথম পর্বে জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকার ধকল নিতে না পেরে বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার দ্বিতীয় পর্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। দ্বিতীয় পর্বে জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকতে থাকতে মানসিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন পাঞ্জাব কিংসের ক্রিস গেইল। শেষ দিকে তিনি জৈব সুরক্ষা বলয় থেকে বেরিয়ে যান। টি২০ বিশ্বকাপের জন্য আবার জৈব সুরক্ষা বলয়ে ঢুকে পড়তে হবে। সেকথা মাথায় রেখে মানসিকভাবে একটু চাঙ্গা হচে চেয়েছিলেন ক্রিস গেইল। ইংল্যান্ডের বেন স্টোকস তো আবার জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকার আতঙ্কে আসন্ন অ্যাশেজ সিরিজ থেকেই নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন।রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর এলিমিনেটরে কলকাতা নাইট রাইডার্সের কাছে হেরে বিদায় নিলেও বিরাট কোহলি দুবাইয়ে থেকে গেছেন। কারণ টি২০ বিশ্বকাপে মাঠে নামতে হবে। টি২০ বিশ্বকাপে ২৪ অক্টোবর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে অভিযান শুরু করবে ভারত।

অক্টোবর ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌‌Ishan Kishan-Virat Kohli : টি২০ বিশ্বকাপের জন্য ঈশানকে কী প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিরাট কোহলি?‌

আইপিএলে প্লে অফের জন্য এবছর ঈশান কিষান ও সূর্যকুমার যাদবের ব্যাটের দিকে তাকিয়ে ছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু নিজেদের সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের এই দুই ব্যাটসম্যানকে নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। স্বয়ং সুনীল গাভাসকার পর্যন্ত ঈশান কিষান ও সূ্র্যকুমার যাদবের তাগিদ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। গাভাসকারের মনে হয়েছিল, ভারতীয় টি২০ বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পেয়ে যাওয়ায় আইপিএলে সেভাবে তাগিদ দেখাচ্ছেন না এই দুই ব্যাটসম্যান। গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে ছবিটা বদলে গেছে। ফর্মে ফিরেছেন ঈশান কিষান ও সূর্যকুমার যাদব। ঈশানকে তো টি২০ বিশ্বকাপে ওপেন করানোর প্রতিশ্রুতিও দিয়ে ফেলেছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। বেশ কয়েকটা ম্যাচে রান না পেলেও আইপিএলের গ্রুপ লিগের শেষ দুই ম্যাচে পরপর দুটি হাফ সেঞ্চুরি করেছেন ঈশান কিষান। তার মধ্যে ওপেন করতে নেমে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ৩২ বলে ৮৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস সকলের নজর কেড়েছে। ম্যাচের পর ঈশান বলেন, আমি ওপেন করতে ভালবাসি। কিন্তু দলের কম্বিনেশনের জন্য আইপিএলের সব ম্যাচে ওপেন করার সুযোগ পাইনি। শেষ দুই ম্যাচে ওপেন করতে নেমে নিজেকে মেলে ধরতে পেরেছি। বিরাট ভাই আমাকে বলেছে, টি২০ বিশ্বকাপে আমাকে ওপেনে সুযোগ দিতে পারে। পাশাপাশি আরও বলেছে, বড় পর্যায়ে সব পরিস্থির জন্য তৈরি থাকতে হয়।বিরাট কোহলি প্রতিশ্রুতি দিলেও টি২০ বিশ্বকাপে ঈশান কিষান ওপেন করার কতটা সুযোগ পাবেন, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। কারণ নিয়মিত ওপেনার হিসেবে রোহিত শর্মা রয়েছেন। লোকেশ রাহুলও দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন। বিরাট কোহলিও অনেক আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, প্রয়োজনে টি২০ বিশ্বকাপে তিনি ওপেন করতে পারেন। ফলে ঈশানের পক্ষে ওপেনিংয়ে সুযোগ পাওয়া কঠিন। এদিকে, টি২০ বিশ্বকাপের আগে ফর্মে ফেরার জন্য খুশি ঈশান কিষান। তিনি বলেন, বিশ্বকাপ শুরুর আগে আমি রানে ফিরেছি। এটা আমার কাছে যেমন ভাল ব্যাপার, তেমনি দলের কাছেও দারুণ খবর।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

V‌irat Kohli : আজ চেন্নাইয়ের কাছে হারলেই কি নেতৃত্ব হারাবেন কোহলি?‌

আসন্ন টি২০ বিশ্বকাপের পর জাতীয় দলের নেতৃত্ব ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন। কয়েকদিন পর আবার চমক বিরাট কোহলির। জানিয়েছিলেন, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের হয়ে নেতা হিসেবে এই আইপিএলই শেষ। কোহলির এই মনোবাসনা পূর্ণ নাও হতে পারে। চলতি আইপিএলেই নেতৃত্ব হারাতে পারেন কিং কোহলি। আজ চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর। ধোনিদের কাছে হারলেই প্লে অফে ওঠার কাজ কঠিন হয়ে যাবে রয়্যাল চ্যলেঞ্জার্সের কাছে। এই অবস্থায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর বিরাট কোহলিকে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে। কলকাতা নাইট রাইডার্স ম্যাচের আগের দিন রয়্যাল চ্যালেঞ্জর্সের নেতৃত্ব ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন বিরাট কোহলি। প্রাক্তন নাইট অধিনায়ক গৌতম গম্ভীরও বলেছেন, নেতৃত্ব ছাড়ার ঘোষণা বিরাট আইপিএলের শেষেই করতে পারতেন। কারণ, তাঁর এই সিদ্ধান্তে দলের ছন্দ নষ্ট হতে পারে। সঞ্জয় মঞ্জরেকরও বিরাটের জাতীয় দল ও আরসিবির অধিনায়কত্ব ছাড়ার সময় সঠিক হয়নি বলেই মনে করেন। এক প্রাক্তন ক্রিকেটার বলেছেন, কেকেআর ম্যাচে বিরাটকে বারবার অসহায় দেখিয়েছে। তিনি যে খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন তা বারবার প্রকট হয়েছে। সে কারণেই বিরাটকে আরসিবি চলতি আইপিএলেই অধিনায়কত্ব থেকে সরাতে পারে যদি দল কাঙ্ক্ষিত ফল না করে। এর আগে গত আইপিএলে দীনেশ কার্তিককে সরিয়ে ইওয়িন মর্গ্যানকে নেতৃত্বের ভার দিয়েছে কেকেআর। সানরাইজার্স হায়দরাবাদেও ডেভিড ওয়ার্নারকে সরিয়ে কেন উইলিয়ামসনকে ক্যাপ্টেন করা হয়েছে। কেউ নিজে থেকে ছাড়ার ঘোষণা করেছেন, কাউকে সরানো হয়েছে। ফলে কেকেআর ম্যাচের পর বলাই যায় আরেকটা খারাপ ম্যাচ গেলেই বিরাটকে যদি আরসিবি ক্যাপ্টেন্সি থেকে সরিয়ে দেয় তাতে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। নাইট রাইডার্স ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিং নিয়েছিলেন কোহলি। সেই সিদ্ধান্ত যে সঠিক ছিল না, তা সাংবাদিক বৈঠকে এসে স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন টিম ডিরেক্টর তথা কোচ মাইক হেসন। বিরাট আইপিএলের দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর আগে অধিনায়কত্ব ছাড়ার ঘোষণা করে যে সঠিক কাজ করেননি তেমনটাই মনে করছে আরসিবি ম্যানেজমেন্ট। প্রকাশ্যে কেউ না মুখ খুললেও সকলেই মনে করছেন, বিরাট যদি এই আইপিএলেই শেষবার নেতৃত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা করে থাকতেন তাহলে তিনি তো প্রথমেই সেই ঘোষণা করে দিতে পারতেন। বিরতির পর সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর আগে এমন ঘোষণায় দলের বাঁধন নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও থেকে যায়।ইতিমধ্যেই বিসিসিআই ফ্র্যাঞ্চাইজিদের অনুরোধ করেছে, টি ২০ বিশ্বকাপের ভারতীয় দলের ক্রিকেটারদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম দিতে। বিরাট যদি খারাপ খেলেন এবং অধিনায়ক বদল হয় তাহলে কোহলিকেও বিশ্রাম দিতে পারে আরসিবি। তবে যদি আজকের ম্যাচ-সহ কয়েকটি ম্যাচ আরসিবি জিতে প্লে অফে জায়গা পাকা করে ফেলে তাহলে প্লে অফের আগেও বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে ভারত অধিনায়ককে।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

RCB: ভারতীয় ক্রিকেটে বিরাট রাজত্ব শেষের পথে, নেতৃত্ব থেকে সরাতে পারে রয়্যাল চ্যালেজার্স

ভারতীয় ক্রিকেটে কি বিরাট রাজত্ব শেষের পথে? ইঙ্গিতটা স্পষ্ট। ওয়ার্কলোডের কথা ভেবে জাতীয় দলের টি২০ ক্রিকেটে নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তবে একদিনের আন্তর্জাতিক ও টেস্টে দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন। যদিও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে কোহলিকে নিশ্চয়তা দেওয়া হয়নি, একদিনের ক্রিকেটে তাঁকে নেতৃত্বে রাখা হবে কিনা। এই অবস্থায় জল্পনা শুরু হয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরে তাঁকে অধিনায়ক পদে রাখা হবে কিনা তা নিয়ে।আরও পড়ুনঃ রোহিতকে সহকারী চাননি, ভবিষ্যত বুঝেই নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত কোহলিরদীর্ঘদিন ধরে রয়্যাল চ্যালেজার্স ব্যাঙ্গালোরের নেতৃত্বে রয়েছেন বিরাট কোহলি। প্রতি বছর তারকাখচিত শক্তিশালী দল থাকা সত্ত্বেও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে একবারও আইপিএল চ্যাম্পিয়ন করাতে পারেননি। এবারের আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স রয়েছে তিন নম্বরে। বিরাট যদি এবারও আইপিএল চ্যাম্পিয়ন করাতে না পারেন, তাহলে তিনি কি আইপিএলেও অধিনায়কত্ব ধরে রাখতে পারবেন? প্রশ্নটা উঠেই গেছে। সামনের বছর আইপিএলের জন্য জানুয়ারিতে মেগা নিলাম হওয়ার কথা। বিরাটের নেতৃত্বে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স এবারও যদি চ্যাম্পিয়ন হতে না পারে তাহলে হয় তিনি নিজেই অধিনায়কত্ব ছাড়বেন, নয়তো তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে।ভারতীয় দলের মতো রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরেও উত্তরসূরী তৈরি না করার রণকৌশল নিয়েছেন কোহলি। যাতে তাঁর পথ কণ্টকাকীর্ণ না হয়ে ওঠে। কিন্তু এটা তো আর দেশের খেলা নয়, ফ্র্যাঞ্চাইজি দল। সুতরাং নিলামে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো দক্ষতাসম্পন্ন ক্রিকেটার নেওয়ার সুযোগ বাক্যে। এবি ডিভিলিয়ার্সকেও দায়িত্ব দেওয়ার কথা ভাবতে শুরু করেছেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স কর্তারা। অথবা এমন কাউকে বেছে নিতে পারেন যিনি বয়সে নবীন এবং বেশ কয়েক বছর দলকে নেতৃত্ব দিতে পারেন।আরও পড়ুনঃ নীরজ চোপড়ার সোশ্যাল মিডিয়ায় স্টক ভ্যালু ৪২৮ কোটি টাকা! কলকাতায় মজে গেলেন বাঙালী খানায়বিরাট কোহলি আইপিএলে ১৩২টি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে জিতেছেন ৬০টি ম্যাচে, হেরেছেন ৬৫টিতে। শতকরা হার ৪৮.০৪। জেতার শতকরা হারের নিরিখে অনেকের চেয়েই পিছিয়ে কোহলি। আইপিএলের সফলতম দল মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে রোহিত শর্মার সাফল্যের শতকরা হার ৬০.১৬ শতাংশ, মহেন্দ্র সিং ধোনির ৫৯.২৭ শতাংশ, গৌতম গম্ভীরের ৫৫.৪২ শতাংশ। ধোনি আইপিএলে ১৯৫টি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন। গম্ভীর ১২৯টি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং রোহিত শর্মা আইপিএলে নেতৃত্ব দিয়েছেন ১২৩টি ম্যাচে। এই চারজনই একশোর বেশি ম্যাচে নিজেদের ফ্র্যাঞ্চাইজির অধিনায়ক হিসেবে খেলেছেন।আরও পড়ুনঃ কোহলিদের পাশে সৌরভ, শাস্ত্রীদের কোনও শাস্তি হচ্ছে নারয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স তিনবার ফাইনালে উঠে চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি। তিনবার বিদায় নিয়েছে প্লে অফ থেকেই। এই পরিস্থিতিতে বিরাট আইপিএলের অধিনায়কত্ব ধরে রেখে ভারতের টি২০ নেতৃত্ব ছাড়ায় অবাক হয়েছেন অনেকেই। প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সুনীল গাভাসকর বলেছেন, দেশের নেতৃত্ব কোহলি ছেড়েছে, কিন্তু রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের নেতৃত্ব কোন যুক্তিতে ধরে রেখেছে বোধগম্য নয়। প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক দিলীপ বেঙ্গসরকার বলেছেন, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স কোহলিকে অনেক সময় দিয়েছে। বিশ্বমানের ব্যাটিং লাইন-আপ, বোলিং লাইন-আপ নিয়েও কোহলি যদি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে কাঙ্ক্ষিত খেতাব জেতাতে না পারে তাহলে নেতৃত্বে রদবদল দোষের কিছু নয়। আইপিএল শুরুর আগে সেই চাপ নিয়েই নামতে হবে বিরাটকে। কোহলি ভারতের সিনিয়র দলের হয়ে এখনও অবধি কোনও আইসিসি ট্রফি জেতেননি। অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ জিতেছিলেন শুধু। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়েও ব্যর্থ। টিম ম্যানেজমেন্টও ভাবতে শুরু করেছে। পরের আইপিএলে কোহলিকে নেতৃত্বে না দেখলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : বাইশ গজের বাইরে দুরন্ত ‘‌ব্যাটিং’‌ বিরাট কোহলির

দু বছরেরও বেশি সময় অতিবাহিত। সেঞ্চুরি নেই বিরাট কোহলির। তাতেও অবশ্য জনপ্রিয়তা বিন্দুমাত্র কমেনি ভারত অধিনায়কের। বরং ক্রমশ বেড়েই চলেছে। ইনস্টাগ্রামে অনুরাগীর ব্যাপারে কোহলি এমন এক নজির গড়েছেন, যা কেবলমাত্র ক্রিশ্চিয়ানো রোনল্ডো, লিওনেল মেসি ও নেইমার জুনিয়রের রয়েছে। কোহলি মাঠের বাইরে যেভাবে খেলছেন, যে কোনও মুহূর্তে টপকে যেতে পারেন নেইমারকে। আর দেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে তো কোনও কথাই নেই। সবার থেকে এগিয়ে থাকবেন, এটাই তো স্বাভাবিক। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। ইনস্টাগ্রাম থেকে আয়ের দিক দিয়ে পেছনে ফেলে দিয়েছেন মহেন্দ্র সিং ধোনিকেও।কোহলি যে বিশ্বের সবথেকে জনপ্রিয় ক্রিকেটার, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। ইনস্টাগ্রাম পোস্ট থেকে আয়ের দিক থেকে আইপিএলের ভারতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে তিনিই সবথেকে এগিয়ে। শুধু দেশীয় ক্রিকেটারদের মধ্যেই নয়, বিশ্বের সব ক্রিকেটারের মধ্যেও তাঁর আয় বেশি। কোহলির স্পনসর হিসেবে রয়েছে পুমা, মন্ত্র, অডির মতো সংস্থা। কোহলির ইস্টাগ্রামে ফলোয়ারের সংখ্যা ১৫ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। প্রতিটি স্পনসর ইনস্টাগ্রাম পোস্ট থেকে কোহলির আয় ৫ কোটি ৮ লক্ষ টাকা। এই মুহূর্তে তিনিই বিশ্বের সবথেকে ধনী ক্রিকেটার।আরও পড়ুনঃ প্রতীক্ষার অবসান, বিদেশের মাটিতে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি রোহিতেরইনস্টাগ্রাম পোস্টের আয়ের দিক থেকে ভারতীয়দের ক্রিকেটারদের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। যদিও ধোনি সোশ্যাল মিডিয়ায় তেমন অ্যাক্টিভ নন। তবুও ইনস্টাগ্রামে তাঁর ফলোয়ারের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৩ কোটি। ধোনির স্পনসর হিসেবে রয়েছে ভিভোর মতো কোম্পানি। প্রতিটা স্পনসর ইনস্টাগ্রাম পোস্ট থেকে ধোনির আয় ভারতীয় মুদ্রায় ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা। ভারতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছেন রোহিত শর্মা। তাঁর অনুরাগীর সংখ্যা প্রায় ২ কোটি। অ্যাডিডাসের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডরস রোহিত। প্রতিটা স্পনসর ইনস্টাগ্রাম পোস্ট থেকে রোহিতের আয় প্রায় ৭৬ লক্ষ টাকা। চতুর্থ স্থানে রয়েছেন হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁর ফলোয়ারের সংখ্যা ১ কোটি ৮০ লক্ষ। প্রতিটা ইনস্টাগ্রাম পোস্ট থেকে হার্দিকের আয় ৬৫ লাখ টাকা। তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছেন সুরেশ রায়না। তাঁর ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ারের সংখ্যা প্রায় দেড় কোটি। প্রতিটা স্পনসর ইনস্টাগ্রাম থেকে রায়নার আয় ৩৪ লক্ষ টাকা। আর প্রতিটা ইনস্টাগ্রাম পোস্ট থেকে আয় ৫১ লাখ।আরও পড়ুনঃ কোহলি নাকি অক্সফোর্ড স্ট্রিটেও জামা ছাড়া ঘুরতে পারেন? এ কী বললেন সৌরভ!১৫ কোটির বেশি ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ার বিরাট ছাড়া ক্রীড়াবিদদের মধ্যে রয়েছে শুধু বিশ্বের সেরা তিন ফুটবলারের। ইনস্টাগ্রামে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর ফলোয়ার সংখ্যা ৩৩.৭ কোটি। রোনাল্ডোর পরে রয়েছেন লিওনেল মেসি। ইনস্টাগ্রামে তাঁর ফলোয়ারের সংখ্যা ২৬ কোটি। নেইমার রয়েছেন তৃতীয় স্থানে। তাঁর ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ারের সংখ্যা ১৬ কোটি।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : ‌শচীন, ধোনির রেকর্ড ভেঙে ওভালে নতুন কীর্তি বিরাট কোহলির

দীর্ঘদিন ধরে ব্যাটে রান নেই। ভারত অধিনায়ককে নিয়ে চারিদিকে গুঞ্জন কম হচ্ছে না। তার মধ্যেই আবার একটা রেকর্ডের মালিক হয়ে গেলেন বিরাট কোহলি। ভেঙে দিলেন কিংবদন্তী শচীন তেন্ডুলকারের রেকর্ড। বিশ্বের দ্রুততম ব্যাটসম্যান হিসেবে ২৩ হাজার রানের মালিক হয়ে গেলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতইংল্যান্ড সিরিজের চতুর্থ টেস্ট চলছে ওভালে। ওভাল টেস্ট বিরাট কোহলির ৪৪০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। ৪৯০তম ইনিংসে জেমস অ্যান্ডারসনের বল বাউন্ডারিতে পাঠিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২৩ হাজার রান পূর্ণ করেন বিরাট। ২৩ হাজার রানে পৌঁছতে শচীন তেন্ডুলকারের লেগেছিল ৫২২ ইনিংস। আর রাহুল দ্রাবিড়ের লেগেছিল ৫৭৬ ইনিংস। সেই জায়গায় কোহলি ২৩ হাজার রানে পৌঁছলেন ৪৯০ ইনিংসে। বিশ্বের সপ্তম ব্যাটসম্যান হিসেবে কোহলি ২৩ হাজার রানে পৌঁছলেন। তাঁর আগে এই মাইলস্টোনে পৌঁছেছেন শচীন, দ্রাবিড় ছাড়াও রিকি পন্টিং (৫৪৪), জ্যাক কালিস (৫৫১), কুমার সাঙ্গাকারা (৫৬৮), মাহেলা জয়বর্ধনে (৬৪৫)। কোহলির টেস্টে সর্বোচ্চ রান অপরাজিত ২৫৪। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৭০টি শতরান ও ১১৬টি অর্ধশতরান রয়েছে বিরাটের। ২৯ বার শূন্য রানে আউট হয়েছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি রান করার নিরিখে ভারত অধিনায়ক রয়েছেন ৭ নম্বরে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি রান শচীন তেন্ডুলকারের। তিনি করেছেন ৩৪৩৫৭ রান। ৬৬৪টি ম্যাচে ৭৮২টি ইনিংসে শচীন এই রান করেছেন। এরপর রয়েছেন শ্রীলঙ্কার কুমার সাঙ্গাকারা (২৮০১৬), অস্ট্রেলিয়ার রিকি পন্টিং (২৭৪৮৩), শ্রীলঙ্কার মাহেলা জয়বর্ধনে (২৫৯৫৭), দক্ষিণ আফ্রিকার জ্যাক কালিস (২৫৫৩৪) এবং ভারতের রাহুল দ্রাবিড় (২৪২০৮)। তিন ফরম্যাটেই বিরাটের গড় ৫০এর উপর। শুধু শচীনের রেকর্ডই ভাঙা নয়, ওভালে এদিন আরও একটি নজির গড়েছেন বিরাট কোহলি। প্রথম ভারতীয় অধিনায়ক হিসেবে বিদেশের মাটিতে একটা দেশের বিরুদ্ধে সবথেকে বেশি টেস্টে দেশকে নেতৃত্ব দিলেন। ইংল্যান্ডের মাটিতে ১০টি টেস্টে নেতৃত্ব দেওয়ার নজির গড়লেন কোহলি। ভেঙে দিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনির রেকর্ড। ধোনি ইংল্যান্ডের মাটিতে দেশকে ৯টি টেস্টে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। সুনীল গাভাসকার পাকিস্তানের মাটিতে দেশকে ৮টি টেস্টে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। দেশকে সবথেকে বেশি টেস্টে নেতৃত্ব দেওয়ার রেকর্ডও কোহলির দখলে। তিনি মোট ৬৫টি টেস্টে দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ধোনি দিয়েছিলেন ৬০টি টেস্টে। তৃতীয় স্থানে রয়েছেন সৌরভ গাঙ্গুলি। তিনি দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ৪৯টি টেস্টে।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌CC Test Ranking :শীর্ষে উঠে এলেন জো রুট, রোহিতেরও নীচে কোহলি

ছয় বছর পর টেস্ট ক্রিকেটে ফের বিশ্বের এক নম্বর ব্যাটসম্যানের মুকুট উঠল ইংল্যান্ড অধিনায়ক জো রুটের মাথায়। ভারতইংল্যান্ড চলতি টেস্ট সিরিজে দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক জো রুট। শুধু এই সিরিজে নয়, একবছর ধরে তাঁর ব্যাটে রানের ধারা অব্যাহত। তার পুরস্কার পেলেন রুট। নিউজিল্যান্ডের কেন উইলিয়ামসনকে সরিয়ে বিশ্বের ১ নম্বর ব্যাটসম্যানের জায়গা দখল করলেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক।আরও পড়ুনঃ দৈনিক টিকাকরণে দেশে ফের রেকর্ডচলতি সিরিজ শুরুর সময় টেস্ট ব্যাটসম্যানদের র্যাঙ্কিংয়ে ৫ নম্বরে ছিলেন রুট। প্রথম দুটি টেস্টে শতরানের সুবাদে উঠে এসেছিলেন ২ নম্বরে। হেডিংলেতে তৃতীয় টেস্টে আবার সেঞ্চুরি। প্রত্যাশিতমতোই চতুর্থ টেস্ট শুরুর আগে বিশ্বের ১ নম্বর টেস্ট ব্যাটসম্যানের জায়গায় উঠে এলেন।নটিংহ্যাম, লর্ডস ও হেডিংলেতে তিনতিনটি সেঞ্চুরি এসেছে ইংল্যান্ড অধিনায়কের ব্যাট থেকে। এখনও পর্যন্ত ৩ টেস্টে জো রুটের রান ৫০৭, গড় ১২৬.৭৫। এই স্বপ্নের ফর্মের জন্যই নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনকে সরিয়ে দীর্ঘ ৬ বছর পর টেস্ট ব্যাটসম্যানদের তালিকায় ১ নম্বের উঠে এলেন রুট। হেডিংলে টেস্টে রান পাওয়ায় জনি বেয়ারস্টো উঠে এসেছেন ২৪ নম্বরে, ৫ ধাপ ওপরে। ডেভিড মালান ব্যাটসম্যানদের তালিকায় উঠে এসেছেন ৮৮ নম্বরে।আরও পড়ুনঃ দলগঠনে চমক এসসি ইস্টবেঙ্গলের, অরিন্দমকে ১ কোটি ৩০ লক্ষ টাকার প্রস্তাব!জো রুট শীর্ষে উঠে এলেও অবনমন হয়েছে বিরাট কোহলির। হেডিংলেতে কোহলি দ্বিতীয় ইনিংসে অর্ধশতরান করলেও ব্যাটসম্যানদের র্যাঙ্কিংয়ে নেমে গিয়েছেন ষষ্ঠ স্থানে। তাঁকে টপকে ৫ নম্বরে উঠে এসেছেন রোহিত শর্মা। হেডিংলিতে রোহিত দুটি ইনিংসে করেন ১৯ ও ৫৯ রান। প্রথম দশ টেস্ট ব্যাটসম্যানের তালিকা থেকে ছিটকে গেছেন ঋষভ পন্থ, তিনি এখন ১২ নম্বরে রয়েছেন। তৃতীয় টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ৯১ রান করায় চেতেশ্বর পুজারা ৩ ধাপ উঠে চলে এসেছেন ১৫ নম্বরে। অজিঙ্ক রাহানে নেমে গিয়েছেন ১৮ নম্বরে। নেমে গিয়েছেন রবীন্দ্র জাদেজা এবং লোকেশ রাহুলও। জাদেজা রয়েছেন ৪৫ নম্বরে, রাহুল ৪৮এ।আরও পড়ুনঃ কেন ক্রিকেটকে চিরতরে বিদায় জানালেন ডেল স্টেন?হেডিংলে টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য র্যাঙ্কিংয়ে ইংল্যান্ডের বোলারদের অনেকটাই উন্নতি হয়েছে। বিশ্বের সেরা ৫ বোলারের মধ্যে চলে এসেছেন জেমস অ্যান্ডারসন। ১ ধাপ উঠে তিনি এখন পঞ্চম স্থানে। ৯ ধাপ উঠে অলি রবিনসন চলে এসেছেন ৩৬ নম্বরে। র্যাঙ্কিংয়ে ফের ঢুকে পড়ে ক্রেগ ওভার্টন রয়েছেন ৭৩ নম্বরে। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে রবিচন্দ্রন অশ্বিন দ্বিতীয় স্থান ধরে রেখেছেন। ১ ধাপ উঠে ১০ নম্বরে রয়েছেন যশপ্রীত বুমরা। মহম্মদ সামি ১৮ নম্বরে উঠে এসেছেন। ১৯ নম্বরে নেমে গিয়েছেন ইশান্ত শর্মা। বোলারদের ক্রমতালিকায় নেমে গিয়ে ৪১ নম্বরে রয়েছেন মহম্মদ সিরাজ, ৫৬ নম্বরে শার্দুল ঠাকুর।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG‌ Test : হেডিংলেতে তৃতীয় টেস্টে কি উইনিং কম্বিনেশন ভাঙছে ভারত?‌

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের প্রথম থেকেই আধিপত্য দেখিয়ে আসছে ভারত। সুবিধাজনক জায়গায় থেকেও নটিংহাম টেস্টে জয় আসেনি। নটিংহামের হতাশা কাটিয়ে লর্ডসে দুর্দান্ত জয় ছিনিয়ে নিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। হেলিংলেতে কি ব্যবধান বাড়াতে পারবেন বিরাট কোহলিরা? আত্মবিশ্বাসী ভারতীয় শিবির। তবে যতই চেতেশ্বর পুজারা, রবীন্দ্র জাদেজাদের নিয়ে প্রশ্ন উঠুক, তৃতীয় টেস্টে প্রথম একাদশে কোনও পরিবর্তন করছে না ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট।আরও পড়ুনঃ হেডিংলেতে তৃতীয় টেস্টে কি উইনিং কম্বিনেশন ভাঙছে ভারত?শুধু কি পুজারা কিংবা রাহানে? অধিনায়ক বিরাট কোহলির ব্যাটেও রান নেই। ভারতকে হেডিংলেতে দাপট দেখাতে গেলে রানে ফিরতেই হবে ভারতীয় অধিনায়ককে। নিজের ফর্মের চেয়েও দলের স্বার্থের দিকে বেশি তাকিয়ে কোহলি। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত ফর্ম নিয়ে ভাবছি না। ইংল্যান্ডে একজন ব্যাটসম্যানের পক্ষে সেট হওয়া খুব চ্যালেঞ্জিং। প্রথম ২০ রানের জন্য যেভাবে লড়াই করতে হয়, গোটা ম্যাচে সেভাবেই খেলতে হয়। কোনও অভিজ্ঞতা এখানে কাজে লাগে না। যে কোনও ব্যাটসম্যানের জন্য ইংল্যান্ডের পরিবেশ সবচেয়ে কঠিন।আরও পড়ুনঃ ৫ বছর পর আবার এএফসি কাপের নক আউট পর্বে এটিকে মোহনবাগানতৃতীয় টেস্টে ইংল্যান্ড বেশ কয়েকজন সেরা ক্রিকেটারকে পাবে না। বোলিং শক্তি একেবারে বিপর্যস্ত। বিষয়টাকে খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছেন না কোহলি। তিনি বলেন, ওদের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়রা থাকলেও আমরা ম্যাচ জয়ের পরিইকল্পনা করেই মাঠে নামতাম। বিপক্ষের দুর্বলতার অপেক্ষায় আমরা বসে থাকি না। যে কোনও পরিস্থিতিতে বিশ্বের যে কোনও দলকে হারানোর ক্ষমতা রাখি। প্রতিপক্ষর শক্তি আমাদের কাছে গুরুত্ব পায় না। লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টে মাঠে নামতে পারেননি ইংল্যান্ডের জোরে বোলার স্টুয়ার্ট ব্রড। টেস্ট সিরিজ শুরু হওয়ার আগেই সরে দাঁড়িয়েছিলেন জোফ্রা আর্চার। অলি স্টোন এবং ক্রিস ওকস চোটে কাবু। ব্যক্তিগত ও মানসিক স্বাস্থ্যের কারণ দর্শীয়ে ভারতের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে অনুপস্থিত বেন স্টোকসও। কনকাশনে থাকায় হে়ডিংলে টেস্টে ক্রেগ ওভারটনকেও খেলাতে পারবে না ইংল্যান্ড। কাঁধে চোটের কারণে তৃতীয় টেস্ট থেকে ছিটকে গিয়েছেন জোরে বোলার মার্ক উডও।আরও পড়ুনঃ সমালোচকদের কড়া জবাব দিলেন অজিঙ্কা রাহানেলর্ডসের উইনিং কম্বিনেশন না ভাঙার পরিকল্পনা রয়েছে টিম ইন্ডিয়ার। তবে অশ্বিনকে খেলানোর ক্ষীণ সম্ভাবনার কথাও শুনিয়ে রেখেছেন বিরাট কোহলি। তিনি বলেন, চোটআঘাত সমস্যা না থাকলে উইনিং কম্বিনেশন ভাঙার প্রশ্ন ওঠে না। লর্ডসে সাফল্যের পর সকলে উত্তেজিত। রোহিতরাহুল দুর্দান্ত শুরুটাই দুটো টেস্টে সাফল্যের ভিত গড়ে দিয়েছিল। সিরাজকে দেখে ভাল লাগছে। তবে হেডিংলের পিচ দেখে বেশ অবাক কোহলি। যতটা ঘাস থাকবে আশা করেছিলেন, ততটা নেই।

আগস্ট ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : ‌‌শচীন, দ্রাবিড়ের সঙ্গে এক আসনে বিরাট কোহলি?‌ আবেগে মুগ্ধ পিটারসেন

এই মুহূর্তে বিশ্ব ক্রিকেটে সবথেকে জনপ্রিয় টি২০। অনেক ক্রিকেটারই যেমন ক্রিকেটের এই সংক্ষিপ্ত ফর্ম্যাটকে বেশি গুরুত্ব দেন, ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহও তুঙ্গে। তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে টেস্ট ক্রিকেট। কিন্তু লালবলের ক্রিকেটের প্রতি বিরাট কোহলির আবেগ দেখে মুগ্ধ ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক কেভিন পিটারসেন। তাঁর মতে, টেস্টে সাফল্যের জন্য কোহলি সবকিছুই করতে পারেন। পাশাপাশি শচীন তেন্ডুলকার, রাহুল দ্রাবিড়দের সঙ্গেও তুলনা করেছেন পিটারসেন।আরও পড়ুনঃ ১৫ দিন অন্তর এসএসকেএমে কয়েক ঘণ্টা বসবেন মুখ্যমন্ত্রী, কেন?কোহলির চিন্তাভাবনা ও সাহসের প্রশংসা করে ইংল্যান্ডের এই প্রাক্তন অধিনায়ক বলেন, টেস্ট ক্রিকেটে কোহলির চিন্তাভাবনা ও সাহসের প্রশংসা করতেই হবে। নিজেকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। টি২০ ক্রিকেটের যুগেও টেস্ট ক্রিকেট ওর কাছে অন্যরকম আবেগের। অন্য ফর্ম্যাটের ক্রিকেটের মতো সমান গুরুত্ব দেয়। শচীন তেন্ডুলকার, রহুল দ্রাবিড়ের যোগ্য উত্তরসুরী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। কোহলি জানে বিশ্ব ক্রিকেটে ও একজন কিংবদন্তী। নিজের মানসিকতা দলের বাকিদের মধ্যেও ঢুকিয়ে দিতে পেরেছে।আরও পড়ুনঃ অতিরিক্ত টোল আদায়, অভব্য আচরণের অভিযোগ বালি টোল সংস্থার বিরুদ্ধেইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে লর্ডস টেস্ট জয়ে কোহলির উর্বর ক্রিকেট মস্তিষ্ক বড় ভুমিকা পালন করেছে বলে মনে করেন পিটারসেন। তিনি বলেন, একসময় ভারত খুব চাপে ছিল। সেখান থেকে সামি, বুমরার ব্যাটিংয়ে ভারত ম্যাচে ফেরে। তবে কোহলির ক্রিকেট মস্তিস্কের প্রশংসাও করতে হবে। শেষদিকে বোলিং পরিবর্তনে দারুণ মুন্সিয়ানার পরিচয় দিয়েছে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাদেরই ঘরের মাঠে টেস্ট ম্যাচ জেতা যে উপমহাদেশের দলগুলির পক্ষে সহজসাধ্য নয়, তা জানিয়েই ভারতীয় ক্রিকেট দলের লর্ডস টেস্ট জয়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন কেভিন পিটারসেন। তাঁর মতে, ট্রেন্ট ব্রিজ টেস্ট বৃষ্টিতে পণ্ড না হলে ওই টেস্ট ম্যাচেও জিততে পারত বিরাট কোহলির দল। সেক্ষেত্রে সিরিজে টিম ইন্ডিয়া ২০ ব্যবধানে এগিয়ে যেত। কোনও অঘটন না ঘটলে চলতি টেস্ট সিরিজ জিততে চলেছে ভারতই।

আগস্ট ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : ‌‌‌লর্ডসে জেতার পর সতীর্থদের সম্পর্কে কী বললেন কোহলি?‌

লর্ডস টেস্টের পঞ্চম দিন ঋষভ পন্থ আউট হতেই মাথায় হাত দিয়ে লর্ডসের ব্যালকনিতে চেয়ারে বসে পড়েছিলেন বিরাট কোহলি। ম্যাচ বাঁচবে তো? আশঙ্কায় দুলছিলেন। মহম্মদ সামিযশপ্রীত বুমরার অবিশ্বাস্য ব্যাটিংয়ে ম্যাচে ফেরে ভারত। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পরই বদলে যায় ছবিটা। মাত্র দুটো সেশনেই ইংল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনকে গুঁড়িয়ে অবিস্মরণীয় জয় তুলে নেই ভারত। লর্ডসের এই জয়কে বিদেশের মাটিতে অন্যতম সেরা জয় বলে অভিহিত করেছেন বিরাট কোহলি। সতীর্থদের এই পারফরমেন্সে তিনি গর্বিত বলেও জানিয়েছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ মুখে বিষ ঢেলে সৎ মাকে খুনের দায়ে গ্রেপ্তার ছেলে ও বৌমাম্যাচের পর বিরাট কোহলি বলেন, বিদেশের মাটিতে এখনও পর্যন্ত যেকটা টেস্ট জিতেছি, লর্ডসের এই জয় অন্যতম সেরা। সতীর্থরা যেরকম একাগ্রতা ও মানসিকতা নিয়ে মাঠে নেমেছিল, এককথায় অসাধারণ। দলগত প্রচেষ্টায় এই জয় এসেছে। দলের প্রত্যেকে নিজের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেছে। কোথায় খেলছি, সেটা নিয়ে মাথাব্যাথা ছিল না। বিদেশের মাটিতে অনেকগুলো ভাল জয় পেয়েছি। লর্ডসের এই জয় তাদের সঙ্গে এক আসনে রাখব।আরও পড়ুনঃ ১০০ পুরসভায় বড়সড় রদবদল২০১৪র টেস্ট সিরিজে লর্ডসে জিতলেও, ২০১৮র সিরিজে হারতে হয়েছিল। আগের সিরিজের সেই হারের কথা মাথায় রাখেনি শিবির। সেই কথাই ম্যাচের পর তুলে ধরেছেন কোহলি। তিনি বলেন, ২০১৪তে আমরা লর্ডসে জিতেছিলাম। কিন্তু ২০১৮তে খুবই খারাপভাবে হারতে হয়েছিল। তবুও আমাদের বিশ্বাস ছিল, লর্ডসে ইংল্যান্ডকে হারাতে পারব। সতীর্থদের এই পারফরমেন্স আমাকে গর্বিত করেছে। বিদেশের মাটিতে এখনও পর্যন্ত যেকটা টেস্ট জিতেছি, লর্ডস তাদের মধ্যে ওপরের দিকেই থাকবে।আরও পড়ুনঃ বর্ধমান পুরসভায় ৫ জনের পুরপ্রশাসক বোর্ড, দায়িত্বে প্রণব, আইনুলদ্বিতীয় ইনিংসে সামিবুমরা জুটি অবিশ্বাস্য ব্যাটিং করলেও জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও রোহিত শর্মা। প্রথম ইনিংসে বড় রানের মূলে এই জুটি। দুজনকেই প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন কোহলি। তবে সামিবুমরার ইনিংসকে অবিশ্বাস্য বলে বর্ণনা করেছেন। কোহলির কথায়, রাহুল ও রোহিত প্রথম ইনিংসে ভিত তৈরি করে দিয়েছিল। সামি ও বুমরার পার্টনারশিপ তো অবিশ্বাস্য। ঋষভের ওপর আরও প্রত্যাশা ছিল। ওর কাছ থেকে আরও কিছু রানের আশা করেছিলাম। ভেবেছিলাম ২০০ রানের লিড নিলেই লড়াই করতে পারব। ২৭১ রানের লিড হবে ভাবিনি। সামি ও বুমরা অসাধারন ব্যাটিং করেছে। ওরাই ইংল্যান্ডকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছিল। জানতাম ইংল্যান্ড ম্যাচ বাঁচানোর জন্য লড়াই করবে। আশা ছিল ওদের ৬০ ওভারের মধ্যে আউট করতে পারব। সেটাই হয়েছে।

আগস্ট ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG Test : ‌দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয় ভারতের

লর্ডস টেস্টের শেষ দিনে নতুন বলে দ্রুত ভারতের শেষ ৪ উইকেট তুলে নেওয়া লক্ষ্য ছিল ইংল্যান্ডের। অন্তরায় হয়ে দাঁড়ালেন মহম্মদ সামি ও যশপ্রীত বুমরা। দুজনের অবিস্মরনীয় ইনিংস ভারতকে শুধু সঙ্কটজনক অবস্থা থেকে বার করে নিয়ে আসেনি, পৌঁছে দিয়েছিল জয়ের দোরগোড়ায়। সামিবুমরা জুটি শুধু দেশের মান বাঁচায় নি, কেড়ে নিয়েছিল রুটের মুখের গ্রাস। দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয়। ইংল্যান্ডকে ১৫১ রানে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল ভারত।আরও পড়ুনঃ খেলা হবে দিবসে ডিজে বাজিয়ে চিয়ার লিডারদের মাঠে নাচানো নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্কটি২০ যুগে টেস্ট ক্রিকেট নাকি হারিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিককালে টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাস ঘাটলে কথাটার সঙ্গে মিল খুঁজে পাওয়া কঠিন। একদিন আগেই টানটান উত্তেজনার ম্যাচে পাকিস্তানকে ১ উইকেটে হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আর ভারতইংল্যান্ড টেস্টও পৌঁছে গিয়ে চূড়ান্ত ক্লাইম্যাক্সে। প্রথম দিন থেকেই পেন্ডুলামের মতো দৌদুল্যমান। কখনও ভারতের দিকে, কখনও আবার ইংল্যান্ডের দিকে। পঞ্চম দিন তো একসময় মনে হচ্ছিল ইংল্যান্ডের জয় শুধু সময়ের অপেক্ষা। সেখান থেকে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন টিম ইন্ডিয়ার। নায়ক অবশ্যই মহম্মদ সামিযশপ্রীত বুমরা। ব্যাট হাতে এই দুজন পৌঁছে দিয়েছিল লড়াই করার জায়গায়। ক্রিকেট দেবতাও নিশ্চিতভাবে কুর্নিশ করবে সামিবুমরার প্রাইসলেস ইনিংস।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপের প্রথম প্রতিপক্ষ নিয়ে কেন সতর্ক হাবাস?তৃতীয় দিল শেষ বেলা থেকেই উত্তপ্ত লর্ডস। জিমি অ্যান্ডারসনকে একের পর এক বুমরার বাউন্সার দেওয়াকে কেন্দ্র করে। অ্যান্ডারসনের সঙ্গে বুমরার বাকযুদ্ধ। পরে বাটলারের সঙ্গে, যোগ দেন মার্ক উডও। উডের বাউন্সার হেলমেটে লাগতেই অন্য চেহারায় বুমরা। মুখে নয়, জবাব দিয়ে গেলেন ব্যাটে। লর্ডসেই ব্রিটিশ রাজের পতন ঘটাতে যেন বদ্ধপরিকর।ভারতের লড়াইয়ে ফেরার ভিত গড়ে দিয়েছিলেন চেতেশ্বর পুজারা ও অজিঙ্কা রাহানে। চাপে পড়লেই জ্বলে ওঠা অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছেন এই দুই ব্যাটসম্যান। চতুর্থ দিন ভারত যখন ৫৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল, রুখে দাঁড়ান পুজারারাহানে। দুজনে মিলে জুটিতে ১০০ রান তুলে দলকে প্রাথমিক বিপদ থেকে উদ্ধার করেন। দুই ওপেনার রাহুল (৫), রোহিত (২১) দ্বিতীয় ইনিংসে দলকে ভরসা দিতে পারেননি। কোহলিও (২০)। দলের সঙ্কটজনক পরিস্থিতিতে রুখে দাঁড়ান পুজারা ও রাহনে। দুর্ভাগ্যের শিকার না হলে বড় রান পেতেন পুজারা (৪৫)। মার্ক উডের হঠাৎ লাফিয়ে ওঠা বল ব্যাটের কানায় লেগে রুটের হাতে। রাহানে (৬১) অবশ্য অর্ধশতরান হাতছাড়া করেননি।আরও পড়ুনঃ অবশেষে ইস্টবেঙ্গলকে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের সংশোধিত খসড়া পাঠাল শ্রী সিমেন্টচতুর্থ দিনের শেষে ভারতের রান ছিল ১৮১/৬। ক্রিজে ছিলেন ঋষভ পন্থ (১৪) ও ইশান্ত শর্মা (৪)। ঋষভের (২২) ওপর দায়িত্ব ছিলে দলকে টেনে নিয়ে যাওয়া। কিন্তু পঞ্চম দিন সকালে দলকে বেশি টানতে পারেননি। ইশান্ত মূল্যবান ১৬ রান যোগ করেন। তিনি যখন ফিরে যান, দলের রান ২০৯। সকলেই ধরে নিয়েছিলেন, ভারতের প্রথম ইনিংসের সমাপ্তি শুধু সময়ের অপেক্ষা। এরপরই শুরু সামি (অপরাজিত ৫৬) ও বুমরার (৩৪) সেই অবিস্মরনীয় লড়াই। ইশান্ত ১৬ রানে লেগ বিফোর হতে ভারতের অষ্টম উইকেট পড়ে ২০৯ রানে। লিড তখন ১৮২। ইংল্যান্ড যখন জয়ের স্বপ্ন দেখছে, তখনই রুখে দাঁড়ান সামি ও বুমরা। শেষ পর্যন্ত তাঁদের জুটি ভাঙতে পারেননি ইংল্যান্ডের বোলাররা। অসমাপ্ত নবম উইকেট জুটিতে সামি ও বুমরা যোগ করেন রেকর্ড ৮৯ রান। লাঞ্চের পর ৮ উইকেটে ২৯৮ তুলে যখন ইংল্যান্ডকে জেতার জন্য ২৭২ রানের টার্গেট ছুড়ে দিতে ইনিংস ডিক্লেয়ার করেন কোহলি, তখন সামি অপরাজিত ৫৬ রানে।আরও পড়ুনঃ ১২ ঘন্টার দীর্ঘ লড়াই শেষে ১২ তম ইন্ডিয়ান আইডল স্নিগ্ধ হাওয়া পবনদীপসামিবুমরা জুটি ব্যাট করার সময় বারবার মাথায় হাত দিচ্ছিলেন রুট। দেওয়াল লিখনটা তখনই হয়তো চোখের সামনে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। চতুর্থ ইনিংসে ভারতীয় বোলিংয়ের সামনে ভেঙে পড়ার ঐতিহ্য রয়েছে রুটের ইংল্যান্ডের। লর্ডসেও তার ব্যাতিক্রম নয়। ২৭১ রানে এগিয়ে থাকাটাই আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছিল কোহলি ব্রিগেডকে। রুটদের ওপর শুরু থেকেই ঝাঁপিয়ে পড়ার রসদ ছিল ওই ২৭১র মধ্যে। প্রথম দুই ওভারে সামিবুমরা জুটি যেভাবে ইংল্যান্ডের ওপর আঘাত হেনেছিলেন, তা থেকে বেরিয়ে আসার মতো দক্ষতা নেই এই ইংল্যান্ড দলের। রুট (৩৩), বাটলার (২৫) কিছুটা চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তার আগেই রক্তের স্বাদ পেয়ে গিয়েছিলেন বুমরা (৩/৩৩), সিরাজরা (৪/৩২)। শেষ পর্যন্ত ৫১.৫ ওভারে ১২০ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংস।

আগস্ট ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG Test : শুরুতে ধাক্কা সিরাজের, লর্ডসে অ্যাডভান্টেজ ভারত

লর্ডসে প্রথম দিন ধৈর্যের পরীক্ষা দিয়ে দলকে বড় রানের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন লোকেশ রাহুল। দ্বিতীয় দিন ব্যর্থ। দলের বাকি ব্যটসম্যানরা জ্বলে উঠতে পারলেন না। ফলে বড় রানের স্বপ্ন দেখেও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৩৬৪ রানে থেমে যেতে হল ভারতকে। ভারতের শেষ ৭ উইকেট পড়ল ৮৮ রানে। ৫ উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডকে ম্যাচে ফেরালেন জিমি অ্যান্ডারসন। ২৭৬/৩ রানে নিয়ে দ্বিতীয় দিন খেলা শুরু করে ইংল্যান্ড। এদিন দ্বিতীয় বলেই লোকেশ রাহুলের উইকেটট তুলে নেন অলি রবিনসন। রবিনসনের হাফ ভলি ড্রাইভ করতে গিয়ে ডম সিবলির হাতে সহজ ক্যাচ দেন রাহুল। ২৫০ বলে ১২৯ রানের ইনিংস খেলে তিনি আউট হন। সেই সময় ভারতের রান ছিল ৪ উইকেটে ২৭৮। রাহুল আউট হওয়ার পাঁচ বল পরেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন অজিঙ্ক রাহানে। ২৩ বল খেলে মাত্র ১ রান করে অ্যান্ডারসনের বলে আউট হন রাহানে। দীর্ঘদিন বড় রান নেই রাহানের ব্যাটে। চলতি বছরে ৯টি টেস্টে ১৪টি ইনিংসে তাঁর রান ২৬৯। সর্বাধিক ৬৭।আরও পড়ুনঃ রাহুলরোহিতদের দাপটে লর্ডসে ইংরেজদের দর্প চূর্ণদ্রুত দু উইকেট হারানোর পর ঋষভ পন্থের আক্রমণাত্মক ব্যাটিং ভারতকে ৩০০ রানের গন্ডি পার করে দেয়। মার্ক উডের বলে বাটলারের হাতে ক্যাচ দেন ঋষভ। তিনি ৫৮ বলে ৩৭ রান করেন। পাঁচ বল পরেই প্যাভিলিয়নের রাস্তা ধরেন মহম্মদ সামি (০)। মঈন আলির বলে তিনি আউট হন। ভারতের সপ্তম উইকেট পড়ে ৩৩৬ রানে।আরও পড়ুনঃ এবছর কী লক্ষ্য স্থির করেছেন এটিকে মোহনবাগানের রয় কৃষ্ণা?মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর মাত্র ১০.১ ওভার স্থায়ী হয় ভারতের ইনিংস। ভারতের প্রথম ইনিংস শেষ হয় ৩৬৪ রানে। ৮ রান করে ইশান্ত শর্মা আউট হন দলের ৩৬২ রানের মাথায়। এক ওভার পরেই অ্যান্ডারসনের বলে ফেরেন বুমরা (০)। এরপর রবীন্দ্র জাদেজার (৪০) উইকেটট তুলে নেন মার্ক উড। ৬২ রানে ৫ উইকেট নেন জিমি অ্যান্ডারসন। মার্ক উড ও অলি রবিনসন পান দুটি করে উইকেট। মঈন আলির ঝুলিতে ১ উইকেট।আরও পড়ুনঃ পাকিস্তান ক্রিকেটে আবার ডামাডোল, বোর্ডের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ বাবর আজমদেরব্যাট করতে নেমে সতর্কভাবে শুরু করেছিলেন ইংল্যান্ডের দুই ওপেনার ররি বার্নস ও ডম সিবলে। শুরুর স্পেলে যশপ্রীত বুমরা ও ইশান্ত শর্মা সুবিধা করতে পারেননি। ভারতকে ব্রেক থ্রু এনে দেন মহম্মদ সিরাজ। সিবলেকে (১১) তুলে নেন। পরের বলেই ফেরান হাসিব হামিদকে। দীর্ঘদিন পর টেস্টে প্রত্যাবর্তন সুখের হল না হাসিব হামিদের কাছে (০)। বুমরা, ইশান্তের শুরুর ব্যর্থতা ঢেকে দেন মহম্মদল সিরাজ, পরপর দুবলে সিবলে ও হামিদকে ফিরিয়ে। ররি বার্নস ও জো রুট দলকে টেনে নিয়ে যান। বার্নসকে (৪৯) তুলে নেন মহম্মদ সামি। দিনের শেষে ইংল্যান্ড ১১৯/৩। ক্রিজে রয়েছেন রুট (৪৮) ও জনি বেয়ারস্টো (৬)।

আগস্ট ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG Test : রাহুল–রোহিতদের দাপটে লর্ডসে ইংরেজদের দর্প চূর্ণ

মেঘলা আবহাওয়া, স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ। টসে জয়। বিপক্ষকে চেপে ধরার একেবারে আদর্শ পরিবেশ। এইরকম পরিবেশের সুবিধা কাজে লাগাতে ব্যর্থ ইংল্যান্ড বোলাররা। লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনেই রোহিত শর্মা ও লোকেশ রাহুলের দাপটে বড় রানের পথে ভারত।মেঘলা আকাশ ও বৃষ্টির জন্য নির্ধারিত সময়ের কিছুটা পরেই খেলা শুরু হয়। শার্দূলের জায়গায় ভারতের প্রথম একাদশে ঢুকেছেন ইশান্ত শর্মা। ইংল্যান্ড দল তিনটি পরিবর্তন করে মাঠে নেমেছে। ব্রডের জায়গায় মার্ক উড, ড্যান লরেন্সের পরিবর্তে মঈন আলি, জ্যাক ক্রলির জায়গায় হাসিব হামিদ। ফিটনেস সমস্যা কাটিয়ে অ্যান্ডারসন মাঠে নামলেও স্যাঁতসেঁতে পরিবেশের সুবিধা নিতে পারেননি দুই ভারতীয় ওপেনারের দৃঢ়তায়।আরও পড়ুনঃ পাকিস্তান ক্রিকেটে আবার ডামাডোল, বোর্ডের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ বাবর আজমদেরটস জিতে ফিল্ডিং নিয়েছিলেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক জো রুট। মেঘলা আকাশ ও বৃষ্টির কারণে খেলা শুরু হতে কিছুটা দেরি হয়। লাঞ্চের আগেও বেশ কিছুক্ষণ খেলা বন্ধ থাকে বৃষ্টির কারণে। মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে ভারতের স্কোর ছিল ১৮.৪ ওভারে বিনা উইকেটে ৪৬ রান। রোহিত শর্মা ৩৫ ও লোকেশ রাহুল ১০ রানে অপরাজিত ছিলেন। ৩২.৫ ওভারে ভারত ১০০ রানের গন্ডি পার করে। এই সময় রোহিতের রান ছিল ৭৫, রাহুলের ১৬। ভারতীয়দের কখনও খালি হাতে ফেরায়নি ঐতিহাসিক লর্ডস। এখানেই বিদেশের মাটিতে প্রথম সেঞ্চুরির দিকে এগোচ্ছিলেন রোহিত। থেমে যেতে হল ১৭ রান দুরে। অ্যান্ডারসনের দুরন্ত সিমের জবাব ছিল না হিটম্যানের কাছে। পরপর দুটি বল বাইরে বার করে তৃতীয়টা ভেতরে ঢোকাতেই নড়ে গেল রোহিতের (৮৩) ডিফেন্স। ব্যাট ও পায়ের ফাঁক দিয়ে ঢুকে প্যাডে লেগে উইকেটে। ততক্ষনে ওপেনিং জুটিতে উঠে গেছে ১২৬।আরও পড়ুনঃ অসুস্থ মায়ের কাছে যেতে পারলেন না লাভলিনা বরগোঁহাইলর্ডসে এদিন রোহিত ও রাহুলের জুটি ভাঙল ৬৯ বছরের পুরানো রেকর্ড। ১৯৫২ সালে ভিনু মানকড় ও পঙ্কজ রায়ের ওপেনিং জুটিতে উঠেছিল ১০৬ রান। লর্ডসে প্রথম ব্যাট করতে নেমে ২০০৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে অ্যালাস্টেয়ার কুক ও অ্যান্ড্র স্ট্রসের ওপেনিং জুটিতে ওঠা ১১৪ রানই ছিল এতদিনের সর্বোচ্চ। সেটিও এদিন ভারতীয় ওপেনাররা ভেঙে দিলেন। ৪৩.৪ ওভারে জেমস অ্যান্ডারসনের বলে রোহিত বোল্ড হতেই ভারতের ওপেনিং জুটি ভাঙে ১২৬ রানে।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপে প্রথম পর্বের বাধা টপকাতে পারবেন? কী বলছেন হাবাসচেতেশ্বর পুজারার ব্যাটিং নিয়ে চারিদিকে সমালোচনা ঝড় বইছে। তিনি যে যথেষ্ট চাপে রয়েছেন, আবার বোঝা গেল। লর্ডসেও ব্যর্থ ভারতের এই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান। এদিনও শুরুতে দুবার বেঁচে গিয়ে মাত্র ৯ রান করে ফিরলেন অ্যান্ডারসনের বলে। রাহুলের রক্ষণ অবশ্য ভাঙতে পারেননি অ্যান্ডারসনরা। দারুণ ছন্দে রয়েছেন। দায়িত্ববোধের পরিচয় দিয়ে লর্ডসে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি তুলে নিলেন। অধিনায়ক বিরাট কোহলিও রানে ফিরলেন। তবে হাফসেঞ্চুরি করার আগেই থেমে যেতে হল কোহলিকে। ৪২ রান করে তিনি রবিনসনের বলে জো রুটের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। ১২৬ রান করে অপরাজিত থাকেন লোকেশ রাহুল। প্রথম দিনের শেষে ভারত তোলে ২৭৬/৩।

আগস্ট ১২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

যুবভারতীতে লাল-হলুদ ঝড়, বাগানকে উড়িয়ে ২২ বছর পর ডুরান্ড ইস্টবেঙ্গলের

২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফের ট্রফি ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল। ডার্বির মঞ্চে এমন একতরফা জয় যে লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছেও ছিল প্রায় অবিশ্বাস্য। আর সেই জয়ের কেন্দ্রে একটাই নামএডমুন্ড লালরিনডিকা। দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে তিনিই হয়ে উঠলেন রাতের নায়ক।গ্রুপ পর্বে মোহনবাগানের কাছে হারের যন্ত্রণা ছিল ইস্টবেঙ্গলের। ফাইনালের মঞ্চে সেই হারের জবাব দেওয়ার সুযোগও ছিল। কিন্তু জবাবটা যে এতটা নির্মম হবে, তা সম্ভবত কেউই ভাবেননি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তুলে মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল করে ইস্টবেঙ্গল কার্যত ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলে।শুরুটা করেন বিপিন সিংহ। মোহনবাগানের রক্ষণ তখনও নিজেদের মধ্যে সামলে ওঠার চেষ্টা করছে। সেই সুযোগেই ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ পৌঁছে যায় বিপজ্জনক জায়গায়। বিপিনের গোলের পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে লাল-হলুদ আক্রমণ। মুহূর্তের মধ্যে জোড়া গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন এডমুন্ড।৩-০ পিছিয়ে গিয়ে মোহনবাগান কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। মনবীর সিংহ ব্যক্তিগত দক্ষতায় একটি গোল শোধও করেন। কিন্তু সেই প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ফের গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন এডমুন্ড। এক ফাইনালের প্রথমার্ধেই চার গোলতার মধ্যে তিনটি একই ফুটবলারের! যুবভারতীর গ্যালারিতে তখন কার্যত লাল-হলুদ উৎসব।দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ছিল ইস্টবেঙ্গলের হাতে। সবুজ-মেরুন আক্রমণে সেই ধার দেখা যায়নি, যা একটি ডার্বি ফাইনালে প্রত্যাশিত। বরং ইস্টবেঙ্গল সুযোগ পেলেই দ্রুত আক্রমণে উঠে এসেছে এবং আরও গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ স্কোরলাইনেই শেষ হয় ম্যাচ।ইস্টবেঙ্গলের সাফল্যের অন্যতম বড় কারণ ছিল দলের সামগ্রিক সংগঠন। মাঝমাঠে মহম্মদ রশিদ ছিলেন অসাধারণ। বল নিয়ন্ত্রণ, পাসিং এবং খেলা পরিচালনায় বারবার তিনি মোহনবাগানের ছন্দ নষ্ট করেছেন। তাঁর সঙ্গে জিকসন সিংহ, আনোয়ার আলি এবং জয় গুপ্তারাও নিজেদের দায়িত্ব নিখুঁত ভাবে পালন করেন।অন্যদিকে মোহনবাগানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে দাঁড়ায় রক্ষণ। শুভাশিস বসু, আলবের্তো রদ্রিগেজ়দের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব বারবার প্রকট হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের দ্রুত আক্রমণের সামনে তাঁরা অনেক সময়ই দিশেহারা হয়ে পড়েন। বিশেষ করে তৃতীয় ও চতুর্থ গোলের ক্ষেত্রে রক্ষণভাগের ভুল চোখে পড়ার মতো।মাঝমাঠেও মোহনবাগান প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেনি। আপুইয়া এবং অনিরুদ্ধ থাপা কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন। আক্রমণে জেমি ম্যাকলারেনও একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। মনবীর গোল করলেও দলকে ম্যাচে ফেরানোর মতো ধারাবাহিকতা তৈরি করতে পারেননি।ফাইনালের আগে মোহনবাগানের ক্লান্তি নিয়ে আলোচনা ছিল। শিলংয়ে সেমিফাইনাল, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং কর্দমাক্ত মাঠে খেলার ধকলসবই ছিল। কিন্তু ডার্বির মতো বড় ফাইনালে সেই ক্লান্তিকে অজুহাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ইস্টবেঙ্গলও একই টুর্নামেন্টের চাপ সামলে মাঠে নেমেছিল, অথচ তাদের ফুটবলারদের মধ্যে ছিল অনেক বেশি তাগিদ, ক্ষুধা এবং জয়ের মানসিকতা।আর সেই মানসিকতারই সবচেয়ে বড় প্রতিফলন এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে। তিন গোল করে শুধু ম্যাচের সেরা ফুটবলারই হলেন না, ডুরান্ডের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গলের প্রত্যাবর্তনের রাতটিকেও নিজের নামে লিখে দিলেন তিনি।মজার বিষয়, ম্যাচের বিভিন্ন পরিসংখ্যানে মোহনবাগান কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও তার কোনও প্রভাব পড়েনি স্কোরলাইনে। কারণ ফুটবল শুধু বল দখল বা শটের সংখ্যা দিয়ে জেতা যায় নাবড় ম্যাচে প্রয়োজন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সুযোগকে গোলে পরিণত করার ক্ষমতা। সেই পরীক্ষায় রবিবার সম্পূর্ণ সফল ইস্টবেঙ্গল।২২ বছর আগে শেষ বার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর দীর্ঘ অপেক্ষা, হতাশা এবং একের পর এক অসম্পূর্ণ স্বপ্ন। সেই অপেক্ষার অবসান হল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে হারিয়েই। ফলে এই জয় শুধু একটি ট্রফি জয় নয়লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে এটি দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফিরে পাওয়া গৌরবের রাত।একদিকে এডমুন্ডের হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের বিপর্যয়সব মিলিয়ে যুবভারতীতে রবিবারের ডার্বি যেন হয়ে রইল এক লাল-হলুদ ঝড়ের রাত।তবে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মনে হয়তো শেষ পর্যন্ত একটাই আক্ষেপ থেকে গেলচার নয়, আরও কয়েকটি গোল হতে পারত!

আগস্ট ২৩, ২০২৬
টুকিটাকি

কাঁচা কুমড়ো না পাকা কুমড়ো, কোনটি বেশি উপকারী?

কুমড়ো বাঙালির রান্নাঘরের অতি পরিচিত একটি সবজি। কাঁচা সবুজ কুমড়ো হোক বা পাকা হলুদ-কমলা কুমড়ো, দুটিরই রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। তবে পরিপক্বতার সঙ্গে কুমড়োর পুষ্টি উপাদানে কিছুটা পরিবর্তন ঘটে। বিশেষ করে পাকা কমলা কুমড়ো বিটা-ক্যারোটিনের অন্যতম ভালো উৎস হিসেবে পরিচিত।কাঁচা কুমড়োতে তুলনামূলকভাবে ভিটামিন C-এর পরিমাণ বেশি থাকতে পারে। এতে ক্যালোরিও কম, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণের খাদ্যতালিকায় এটি রাখা যেতে পারে। কিছু জাতের অপরিপক্ব কুমড়োতে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট কার্যকারিতাও দেখা যায়। তবে কাঁচা কুমড়ো রান্না করে খাওয়াই ভালো, কারণ তাতে হজম সহজ হয়।অন্যদিকে, পাকা হলুদ বা কমলা কুমড়োর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল প্রচুর বিটা-ক্যারোটিন। শরীর এই উপাদানকে ভিটামিন A-তে রূপান্তর করে। ফলে চোখের স্বাস্থ্য, ত্বক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে পাকা কুমড়ো উপকারী। এতে লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও রয়েছে। রান্না করলে কুমড়োর বিটা-ক্যারোটিন শরীর তুলনামূলক সহজে শোষণ করতে পারে।কুমড়োকে ক্যানসারের ওষুধ বা নিশ্চিত প্রতিরোধক বলা যায় না। তবে এতে থাকা ক্যারোটিনয়েড, পলিফেনল, ভিটামিন C ও E এবং খাদ্যআঁশ শরীরকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে কুমড়ো খাওয়া উপকারী হতে পারে।কুমড়োর বীজেও রয়েছে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর অসম্পৃক্ত চর্বি, জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন E। হৃদ্স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক পুষ্টির জন্য এগুলি গুরুত্বপূর্ণ।পুষ্টিগত বিচারে বিটা-ক্যারোটিনের জন্য পাকা কমলা কুমড়ো কিছুটা এগিয়ে থাকলেও কাঁচা কুমড়োকেও খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কারণ নেই। অল্প তেলে রান্না করে, অতিরিক্ত ভাজা বা চিনি এড়িয়ে কুমড়ো খাওয়াই ভালো। সব মিলিয়ে, বিভিন্ন ধরনের সবজি, ডাল ও স্বাস্থ্যকর খাবারের সঙ্গে কুমড়ো রাখলেই মিলবে বেশি সুষম পুষ্টি।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ওয়াকফ-অশান্তির মামলায় নাম, এবার তৃণমূল ছেড়ে অধীরের হাত ধরে কংগ্রেসে ইনজামুল! কেন এই দলবদল?

ওয়াকফ সংশোধিত আইনকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনার পর থেকেই বিতর্কে ছিলেন ধুলিয়ানের পুরপ্রধান ইনজামুল ইসলাম রাজা। এবার সেই ইনজামুলই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিলেন। রবিবার প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর হাত ধরে কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। তাঁর এই দলবদল ঘিরে মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।গত বছর সংশোধিত ওয়াকফ আইনকে কেন্দ্র করে জঙ্গিপুরের সামশেরগঞ্জ, সুতি এবং ধুলিয়ানে অশান্তি ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনায় ইনজামুল ইসলাম রাজার বিরুদ্ধে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বর্তমানে সেই মামলা চলছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইনজামুল। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।রবিবার ধুলিয়ানের কাঞ্চনতলা ঘাটে কংগ্রেসের যোগদান সভায় বড়সড় দলবদল হয়। ইনজামুল ইসলাম রাজার পাশাপাশি ধুলিয়ান পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান খায়রুল আলম, কাউন্সিলর শরিফ শেখ, ফারহানা খাতুন-সহ একাধিক কাউন্সিলর এবং তৃণমূলের কর্মীরা কংগ্রেসে যোগ দেন। একই দিনে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি ওবায়দুর রহমানও কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।ইনজামুলের দলবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপির দক্ষিণ মালদহ সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি মিলন ঘোষ কটাক্ষ করে দাবি করেন, তৃণমূলের দুর্নীতি থেকে বাঁচতেই অনেকে দলবদল করছেন। সামশেরগঞ্জের অশান্তিতে যাঁদের নাম উঠেছিল, তাঁরাও নিজেদের বাঁচাতে দল পরিবর্তন করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে দলবদল করেও তাঁরা আইনি পরিস্থিতি থেকে রেহাই পাবেন না বলেও দাবি করেন বিজেপি নেতা।বিজেপির এই অভিযোগ অবশ্য সরাসরি খারিজ করেছেন ইনজামুল ইসলাম রাজা। তাঁর দাবি, সামশেরগঞ্জের অশান্তির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ ছিল না। রাজনৈতিক কারণে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। সেই মামলার বিরুদ্ধে তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের এই ভাঙন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ধুলিয়ান পুরসভার একাধিক জনপ্রতিনিধির একসঙ্গে দলবদল স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে ওয়াকফ-অশান্তির মামলা চলার মধ্যেই ইনজামুলের কংগ্রেসে যোগদান ঘিরে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এ দিনের যোগদান সভায় উপস্থিত ছিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী, দক্ষিণ মালদহের সাংসদ ইশা খান চৌধুরী, ফরাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলাম এবং জঙ্গিপুর মহকুমা কংগ্রেসের সভাপতি আলফাজুদ্দিন বিশ্বাস-সহ জেলা ও ব্লক স্তরের কংগ্রেস নেতৃত্ব।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ বাংলায় এত বড় বিনিয়োগ! জাহাজ শিল্পে পাঁচ প্রকল্পের সূচনায় বাড়ল আশার আলো

পশ্চিমবঙ্গে জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের ভবনে পাঁচটি সম্প্রসারণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এই পাঁচটি প্রকল্পে মোট ৩৪০৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।এই উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে রাইচক CPR, টিম্বার পন্ট শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, দামোদর শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, রেডিয়াল ফোরজিং প্ল্যান্ট এবং ৩০০০ টন ওপেন-ডাই ফোরজিং প্রেস প্রকল্প। জাহাজ নির্মাণের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা উৎপাদনের ক্ষেত্রেও এই প্রকল্পগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে বাংলায় বিনিয়োগ আনার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের ভূমিকার প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, বাংলায় শিল্প গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় জমি, দক্ষ মানবসম্পদ, পরিকাঠামো এবং কাঁচামাল রয়েছে। এতদিন এই সম্ভাবনাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার একসঙ্গে কাজ করলে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, নতুন সরকারের আমলে কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ের ফলে উন্নয়নের গতি আরও বাড়ছে।সীমান্ত সুরক্ষার প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য জমি দেওয়া কোনও রাজনৈতিক বিষয় নয়, বরং রাজ্য সরকারের দায়িত্ব বলেই মন্তব্য করেন তিনি। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় জমির প্রায় ৯০ শতাংশ হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা জনগণনা সংক্রান্ত কাজও ফের শুরু হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে রাজ্যে বেকারত্ব কমাতে শিল্পায়ন এবং বড় বিনিয়োগের উপর জোর দেওয়ার কথা বলেন তিনি।গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকার জমি এবং পরিকাঠামো সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ৩৪০৪ কোটি টাকার এই বিনিয়োগ দিয়েই উদ্যোগ শেষ নয়, আগামী দিনে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদনের পাশাপাশি এই ধরনের শিল্প প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাকে ফের দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে বার্তা দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

মহাকাশে বদলে যাচ্ছে ভারতের ছবি! স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে কী বললেন মোদী?

জাতীয় মহাকাশ দিবসে দেশের মহাকাশ ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার দেশের প্রথম সারির মহাকাশ স্টার্টআপগুলির প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে স্টার্টআপগুলির উদ্যম, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং নতুন ভাবনার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবন আরও সহজ করতে মহাকাশ প্রযুক্তির নতুন ব্যবহার খুঁজে বার করার পরামর্শ দেন তিনি।মোদী বলেন, মহাকাশ প্রযুক্তিকে শুধু প্রচলিত কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, সেই বিষয়ে নতুন করে ভাবার পরামর্শ দেন তিনি।ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ নিয়েও স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের আত্মবিশ্বাস এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার প্রশংসা করে তিনি সরকারি নীতির ধারাবাহিকতার উপর জোর দেন। তাঁর বক্তব্য, সরকারের সিদ্ধান্তের উপর মহাকাশ ক্ষেত্রে কাজ করা সংস্থাগুলির যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তা ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি।বিশ্বের মহাকাশ অর্থনীতিতে ভারতকে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যাওয়ার কথাও বলেন মোদী। তাঁর আশা, আগামী দিনে মহাকাশ ক্ষেত্রে কোনও বড় প্রযুক্তিগত সাফল্য এলেই বিশ্বের নজর ভারতের স্টার্টআপগুলির দিকে ঘুরবে। ভারতীয় সংস্থাগুলি যেন বিশ্ব মহাকাশ ক্ষেত্রে নিজেদের শক্তিশালী পরিচয় তৈরি করতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এগোতে হবে বলে বার্তা দেন তিনি।মহাকাশ স্টার্টআপ, মহাকাশ সংস্থা এবং বৃহত্তর প্রযুক্তি ক্ষেত্রের মধ্যে আরও বেশি সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বিদেশে কাজ করা ভারতীয় দক্ষ পেশাদারদের দেশে ফিরে আসার প্রবণতাকেও ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, ভারতে এমন পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দক্ষ মানুষ মহাকাশ ক্ষেত্রে কেরিয়ার গড়ার জন্য ভারতকে অন্যতম সেরা ঠিকানা হিসেবে বেছে নেন।মোদীর বক্তব্য, ভারতীয় মহাকাশ স্টার্টআপগুলির দ্রুত বৃদ্ধি আগামী দিনে বিশ্বের প্রতিভাবান পেশাদারদের আকৃষ্ট করতে পারে। শুধু দেশের প্রতিভা নয়, গোটা বিশ্বের দক্ষ মানুষকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যেই এগোতে হবে। জাতীয় মহাকাশ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তায় মহাকাশ ক্ষেত্রে ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

আবার নিম্নচাপের চোখরাঙানি! রবিবার থেকে মঙ্গলবার ভিজবে বাংলা, কোথায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা?

রবিবার থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় ফের বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা। উপকূলের দিকে ইতিমধ্যেই মেঘ ঢুকতে শুরু করেছে। ফলে রবিবার থেকে বৃষ্টি বাড়তে পারে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি চলতে পারে।গত সপ্তাহে নিম্নচাপের জেরে প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়েছিল দক্ষিণবঙ্গ। কলকাতা-সহ প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হয়েছিল। বহু জায়গায় জল জমে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। এর মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে ফের একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। অগস্ট মাসে এটি তৃতীয় নিম্নচাপ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। নতুন এই নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নতুন নিম্নচাপটি বাংলা ও ওড়িশা উপকূলের কাছে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উপকূলবর্তী এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টি বেশি হতে পারে। কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে নিম্নচাপের মূল প্রভাব পড়তে পারে ওড়িশা এবং ছত্তীসগঢ়ে।দক্ষিণবঙ্গের পর মঙ্গলবার থেকে উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে।বৃহস্পতিবারও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে সপ্তাহের শুরু থেকেই ফের বৃষ্টির দাপট দেখা দিতে পারে বাংলায়। নতুন নিম্নচাপের গতিপথ এবং শক্তি বদলালে বৃষ্টির পূর্বাভাসেও পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক বাইচুংয়ের, ‘স্থানীয় রাজনীতি’ বলে উড়িয়ে দিল ব্রাজিল! যুবভারতীর ম্যাচ ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক

৩ অক্টোবর কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারত বনাম ব্রাজিলের বহু প্রতীক্ষিত ফুটবল ম্যাচ। বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবল দলের বিরুদ্ধে ভারতের মাঠে নামার খবরে ইতিমধ্যেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু ম্যাচ যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে বিতর্কও। একদিকে এই ম্যাচ আয়োজনকে ঘিরে বিপুল খরচ এবং দেশের ফুটবল পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, অন্যদিকে এর জন্য ঘরোয়া ফুটবল সূচি ও জাতীয় দলের পরিকল্পনায় প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ।এই পরিস্থিতিতেই ভারতীয় ফুটবলের কিংবদন্তি বাইচুং ভুটিয়া সরাসরি ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, একটি মাত্র প্রদর্শনী ম্যাচের পিছনে বিপুল অর্থ খরচ না করে সেই টাকা দীর্ঘমেয়াদি ভাবে ভারতীয় ফুটবলের উন্নয়নে বিনিয়োগ করা উচিত। বাইচুংয়ের মতে, এমন ম্যাচের পিছনে অর্থ ব্যয় করলে তা দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎকে এগিয়ে নেওয়ার বদলে উল্টে পিছিয়ে দিতে পারে।বাইচুংয়ের কথায়, ম্যাচ বয়কট করলে একটি স্পষ্ট বার্তা যাবে। ভবিষ্যতে এই ধরনের বড় ম্যাচ আয়োজনের আগে ফেডারেশনকে আরও সতর্ক হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।বিপুল খরচ, প্রশ্নের মুখে ঘরোয়া ফুটবলকলকাতায় ব্রাজিলকে নিয়ে ম্যাচ আয়োজন করতে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। ম্যাচের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ব্রাজিলের পর্যবেক্ষক দল যুবভারতী পরিদর্শনও করেছে। স্টেডিয়ামের পরিকাঠামো নিয়ে তাদের তরফে কিছু উদ্বেগের কথাও উঠে এসেছে।এর পাশাপাশি সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে ভারতীয় ফুটবলের ঘরোয়া কাঠামো নিয়ে। ব্রাজিল ম্যাচকে কেন্দ্র করে আইএসএলের সূচি পিছিয়ে যাওয়ার জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে ক্লাবগুলির প্রস্তুতি এবং গোটা মরসুমের পরিকল্পনা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।অন্যদিকে ফিফা এশিয়ান কাপের বিষয়টিও নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। একই সময়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ এবং অন্যান্য সূচির সংঘাতের কারণে ভারত এশিয়ান কাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। যদিও এই বিষয়ে ব্রাজিল ফুটবল কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও নিশ্চিত তথ্য তাদের কাছে নেই বলেই জানানো হয়েছে।বাইচুংয়ের প্রশ্নএক ম্যাচের জন্য এত টাকা কেন?বাইচুং ভুটিয়ার যুক্তি, ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে ৯০ মিনিটের ম্যাচ নিঃসন্দেহে ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে বড় আকর্ষণ। কিন্তু সেই আবেগের বাইরে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা ভাবতে হবে।তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, যদি এত বড় অঙ্কের অর্থ হাতে থাকে, তবে তা আগামী কয়েক বছরের জন্য দেশের ক্রীড়া পরিকাঠামো, প্রতিভা অন্বেষণ, প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরিতে বিনিয়োগ করা যায় না কেন? তাঁর মতে, সেই বিনিয়োগ থেকে ভবিষ্যতে কমনওয়েলথ গেমস বা অলিম্পিক্সের মতো মঞ্চে পদক পাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।এবার পাল্টা বার্তা ব্রাজিলেরভারতীয় ফুটবল মহলে যখন ম্যাচ বয়কট নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে, তখন ব্রাজিলের ফুটবল কর্তাদের বক্তব্য পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের অভ্যন্তরে এই ম্যাচ নিয়ে কী ধরনের বিতর্ক চলছে, তা নিয়ে ব্রাজিল কর্তৃপক্ষ বিশেষ চিন্তিত নয়। ম্যাচের সূচি পরিবর্তনেরও কোনও সম্ভাবনা নেই।বয়কট নিয়ে ব্রাজিলের তরফে বিশেষ মাথাব্যথা নেই বলেও ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। বরং এই ধরনের বক্তব্যকে স্থানীয় রাজনৈতিক বা অভ্যন্তরীণ বিতর্কের অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের দাবি।এশিয়ান কাপ থেকে ভারতের নাম প্রত্যাহারের বিষয়েও ব্রাজিল কর্তৃপক্ষের কাছে কোনও স্পষ্ট তথ্য নেই বলে জানা গিয়েছে। ফলে ভারতের অভ্যন্তরীণ ফুটবল পরিস্থিতির সঙ্গে ব্রাজিলের কলকাতা সফরকে যুক্ত করার কোনও কারণ দেখছে না পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।ভারত আমাদের সমর্থন করেছে, বলছে ব্রাজিলব্রাজিল দলের পক্ষ থেকে রড্রিগো কেতানোও এই ম্যাচের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর বক্তব্যের মূল সুরভারত বিশ্বকাপের সময়ে ব্রাজিলকে যে সমর্থন দিয়েছে, তার জন্য তারা কৃতজ্ঞ। কলকাতায় ম্যাচ আয়োজনকে তাই শুধু বাণিজ্যিক বা প্রদর্শনী ম্যাচ হিসেবে দেখছে না ব্রাজিল।ব্রাজিলের তরফে জানানো হয়েছে, এই ম্যাচে তারা নিজেদের সেরা ফুটবল উপহার দিতে চায়। অর্থাৎ ভারতের মাটিতে এসে শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা সারাই তাদের লক্ষ্য নয়; বরং ভালো পারফরম্যান্স করে ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে তুলতে চায় তারা।স্টিমাচের কটাক্ষেও বাড়ছে বিতর্কব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন ভারতের প্রাক্তন কোচ ইগর স্টিমাচও। তাঁর বক্তব্য, দেশের ঘরোয়া লিগ এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনার মধ্যে এখনও প্রয়োজনীয় সামঞ্জস্য তৈরি হয়নি। সেই সমস্যা সমাধান না করে ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনার মতো দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ আয়োজন করা হলে তা ভারতীয় ফুটবলের জন্য উল্টে অস্বস্তির কারণ হতে পারে।অর্থাৎ একদিকে বাইচুংয়ের আর্থিক অগ্রাধিকারের প্রশ্ন, অন্যদিকে স্টিমাচের ঘরোয়া ফুটবলের কাঠামো নিয়ে অভিযোগসব মিলিয়ে ৩ অক্টোবরের ম্যাচ এখন শুধুমাত্র একটি ফুটবল ম্যাচে সীমাবদ্ধ নেই।ম্যাচ হবে, বিতর্কও চলবে?একদিকে ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে যুবভারতীতে ভারতকে দেখার স্বপ্নে ফুটবলপ্রেমীরা উত্তেজিত। অন্যদিকে দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ, বিপুল খরচ, আইএসএলের সূচি এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন প্রাক্তন ফুটবলার ও কোচেরা।ব্রাজিলের তরফে অবশ্য এখনও পর্যন্ত বার্তা স্পষ্টতারা ম্যাচ খেলতে প্রস্তুত এবং সূচি বদলের কোনও পরিকল্পনা নেই। ফলে ৩ অক্টোবর যুবভারতীতে ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা যেমন বাড়ছে, তেমনই তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিতর্কও। এখন দেখার, শেষ পর্যন্ত মাঠের ৯০ মিনিট কি সমস্ত বিতর্ককে ছাপিয়ে যেতে পারে, নাকি ম্যাচ শেষ হওয়ার পরও ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে এই প্রশ্নগুলি আরও জোরালো হয়ে ওঠে।

আগস্ট ২২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

দুই দশকের ডুরান্ডের আক্ষেপ ঘোচানোর লড়াই, ডার্বির আগে হাবাসের মন্ত্র—‘আবেগ নয়, বুদ্ধিই শেষ কথা’

দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অপেক্ষা। শেষ বার ২০০৪ সালে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ২-১ গোলে হারিয়ে ট্রফি জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর থেকে সময় গড়িয়েছে, বদলেছে দল, কোচ, ফুটবলারকিন্তু লাল-হলুদ শিবিরের ডুরান্ড-খরা কাটেনি। ২২ বছর পর সেই আক্ষেপ মুছে ফেলার সামনে দাঁড়িয়ে ইস্টবেঙ্গল। আর সেই লড়াইয়ের মঞ্চে প্রতিপক্ষ আবারও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান।রবিবারের ডুরান্ড ফাইনাল তাই শুধু একটি ট্রফির লড়াই নয়। একদিকে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটানোর তাগিদ, অন্যদিকে ডার্বির অতিরিক্ত উত্তেজনাসব মিলিয়ে ম্যাচের আবহ ইতিমধ্যেই তুঙ্গে। তবে এই আবেগকেই নিয়ন্ত্রণে রাখাকে সাফল্যের অন্যতম চাবিকাঠি বলে মনে করছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস।হাবাসের কাছে ডার্বি মানেই শুধু আবেগের লড়াই নয়, বরং মাথা ঠান্ডা রেখে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরীক্ষা। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, কলকাতার ফুটবলপ্রেমীদের কাছে ম্যাচটির গুরুত্ব যতই বেশি হোক, তাঁর দলকে মাঠে নেমে এটিকে একটি সাধারণ ম্যাচের মতোই খেলতে হবে।হাবাসের কথায়, ডার্বিতে আবেগ থাকবেই। কিন্তু সেই আবেগ যদি খেলোয়াড়দের নিয়ন্ত্রণ করে, তাহলে কৌশল এবং পরিকল্পনা ভেস্তে যেতে পারে। তাই তাঁর লক্ষ্য আবেগের মাত্রা ১০০ শতাংশ থেকে নামিয়ে প্রায় ২৫ শতাংশে নিয়ে আসা। ম্যাচের ৯০ মিনিটে কোন মুহূর্তে ঝুঁকি নিতে হবে, কখন ধৈর্য ধরতে হবে এবং কখন কৌশল বদলাতে হবেসেই বুদ্ধিমত্তাই পার্থক্য গড়ে দিতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।ফাইনালের আগে ইস্টবেঙ্গলের জন্য বড় ধাক্কা পিভি বিষ্ণুর অনুপস্থিতি। সেমিফাইনালের মতো ফাইনালেও মাঠে নামতে পারবেন না দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আক্রমণভাগের ফুটবলার। চলতি ডুরান্ডে দুরন্ত ছন্দে ছিলেন বিষ্ণু। সিআইএসএফের বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গলের ৮-০ জয়ের ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে নজর কেড়েছিলেন তিনি। তাঁর গতি এবং আক্রমণাত্মক ফুটবল প্রতিপক্ষের রক্ষণকে একাধিক বার সমস্যায় ফেলেছে।বিষ্ণুকে না পাওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই পরিকল্পনায় কিছুটা পরিবর্তন আনতে হবে হাবাসকে। তাঁর জায়গায় প্রথম একাদশে বিপিন সিংয়ের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিকল্প হিসেবে ভাবনায় রয়েছেন জেসিন টিকে। ডুরান্ডেই সিআইএসএফের বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে নিজের দাবিও জোরালো করেছেন তিনি।শুধু বিষ্ণু নন, ফাইনালে এফিয়ংকেও পাওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন হাবাস। বিদেশি স্ট্রাইকার এবং ডিফেন্ডার ছাড়া এমন গুরুত্বপূর্ণ ডার্বিতে নামা যে সহজ নয়, তা স্বীকার করেছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। তবে সমস্যাকে সামনে রেখে অজুহাত তৈরি করতে তিনি একেবারেই রাজি নন।হাবাসের বক্তব্য, রেফারিং, প্রতিপক্ষ কিংবা দলের কোনও নির্দিষ্ট ফুটবলার না থাকার মতো বিষয়কে সামনে রেখে ম্যাচের আগে অজুহাত খোঁজা অর্থহীন। মাঠে যে ফুটবলাররা থাকবেন, তাঁদের নিয়েই সেরাটা দিতে হবে। তাঁর বিশ্বাস, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও ইস্টবেঙ্গল নিজেদের সেরা ফুটবল খেলতে সক্ষম।অন্যদিকে, মোহনবাগানকে যথেষ্ট সমীহ করছেন লাল-হলুদ কোচ। সবুজ-মেরুন দলের প্রত্যেক ফুটবলারকেই বিপজ্জনক বলে মনে করছেন তিনি। বিশেষ করে গোলরক্ষক বিশাল কাইথের প্রশংসা করেছেন হাবাস। তবে নিজের দলের গোলরক্ষক প্রভসুখন সিং গিলের উপরও তাঁর আস্থা অটুট। ফলে ফাইনালে দুই গোলরক্ষকের পারফরম্যান্সও ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।ডার্বির উত্তাপের মধ্যেও অবশ্য প্রস্তুতির ধরন বদলে ফেলেছে ইস্টবেঙ্গল। ফাইনালের আগে মাঠের অনুশীলন বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দল। হাবাসের মতে, এই মুহূর্তে আরও একটি অনুশীলনের চেয়ে ফুটবলারদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম দেওয়া বেশি জরুরি। গত কয়েক দিনে ম্যাচের প্রস্তুতি এবং রিকভারির জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া গিয়েছে। তাই ফুটবলারদের শরীরকে তরতাজা রাখাই এখন তাঁর অগ্রাধিকার।মাঠের বদলে হোটেলেই চলবে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি। জিমে অনুশীলন, ফুটবলারদের কাছ থেকে আরও নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং ইনডোর সেশনের মাধ্যমে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সারবে দল।সব মিলিয়ে রবিবারের ফাইনাল ইস্টবেঙ্গলের কাছে একাধিক কারণে বিশেষ। ২২ বছরের ডুরান্ড-খরা কাটানোর হাতছানি, সামনে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান, আবার ২০০৪ সালের ফাইনালের স্মৃতিও ফিরছে। কিন্তু ইতিহাস কিংবা আবেগ নিয়ে বেশি ভাবতে চান না হাবাস। তাঁর কাছে হিসাবটা একেবারেই সরল৯০ মিনিট মাথা ঠান্ডা রেখে খেলতে হবে, সঠিক মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং কোনও অজুহাত ছাড়াই ট্রফির জন্য লড়াই করতে হবে।২২ বছর আগের সেই জয়ের স্মৃতি কি আবারও লাল-হলুদ সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটাবে? নাকি ডার্বির মঞ্চেই ইস্টবেঙ্গলের দীর্ঘ অপেক্ষা আরও বাড়বেউত্তর মিলবে রবিবারের মহারণে।

আগস্ট ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal