• ১০ ভাদ্র ১৪৩৩, শুক্রবার ২৮ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Start

কলকাতা

মহাকাশে বদলে যাচ্ছে ভারতের ছবি! স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে কী বললেন মোদী?

জাতীয় মহাকাশ দিবসে দেশের মহাকাশ ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার দেশের প্রথম সারির মহাকাশ স্টার্টআপগুলির প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে স্টার্টআপগুলির উদ্যম, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং নতুন ভাবনার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবন আরও সহজ করতে মহাকাশ প্রযুক্তির নতুন ব্যবহার খুঁজে বার করার পরামর্শ দেন তিনি।মোদী বলেন, মহাকাশ প্রযুক্তিকে শুধু প্রচলিত কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, সেই বিষয়ে নতুন করে ভাবার পরামর্শ দেন তিনি।ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ নিয়েও স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের আত্মবিশ্বাস এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার প্রশংসা করে তিনি সরকারি নীতির ধারাবাহিকতার উপর জোর দেন। তাঁর বক্তব্য, সরকারের সিদ্ধান্তের উপর মহাকাশ ক্ষেত্রে কাজ করা সংস্থাগুলির যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তা ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি।বিশ্বের মহাকাশ অর্থনীতিতে ভারতকে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যাওয়ার কথাও বলেন মোদী। তাঁর আশা, আগামী দিনে মহাকাশ ক্ষেত্রে কোনও বড় প্রযুক্তিগত সাফল্য এলেই বিশ্বের নজর ভারতের স্টার্টআপগুলির দিকে ঘুরবে। ভারতীয় সংস্থাগুলি যেন বিশ্ব মহাকাশ ক্ষেত্রে নিজেদের শক্তিশালী পরিচয় তৈরি করতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এগোতে হবে বলে বার্তা দেন তিনি।মহাকাশ স্টার্টআপ, মহাকাশ সংস্থা এবং বৃহত্তর প্রযুক্তি ক্ষেত্রের মধ্যে আরও বেশি সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বিদেশে কাজ করা ভারতীয় দক্ষ পেশাদারদের দেশে ফিরে আসার প্রবণতাকেও ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, ভারতে এমন পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দক্ষ মানুষ মহাকাশ ক্ষেত্রে কেরিয়ার গড়ার জন্য ভারতকে অন্যতম সেরা ঠিকানা হিসেবে বেছে নেন।মোদীর বক্তব্য, ভারতীয় মহাকাশ স্টার্টআপগুলির দ্রুত বৃদ্ধি আগামী দিনে বিশ্বের প্রতিভাবান পেশাদারদের আকৃষ্ট করতে পারে। শুধু দেশের প্রতিভা নয়, গোটা বিশ্বের দক্ষ মানুষকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যেই এগোতে হবে। জাতীয় মহাকাশ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তায় মহাকাশ ক্ষেত্রে ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
দেশ

২০২৬-এর প্রথম মন কি বাতেই বড় বার্তা, ভারতীয় পণ্যের মান নিয়ে কড়া নির্দেশ মোদীর

২০২৬ সালের প্রথম মন কি বাত-এ দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর বক্তব্যে উঠে এল ভারতের স্টার্টআপ শক্তি, উৎপাদন ক্ষেত্রে গুণমানের গুরুত্ব এবং তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা। স্টার্টআপ ইন্ডিয়া উদ্যোগের দশ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত আজ বিশ্বমানের স্টার্টআপ কেন্দ্র হয়ে উঠছে। তাঁর কথায়, ভারতীয় পণ্যের মান হতে হবে সর্বোচ্চ। শুধু চলছে ভাবনা নয়, জিরো ডিফেক্ট, জিরো ইফেক্ট মানসিকতা নিয়ে কাজ করার সময় এসেছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মহাকাশ গবেষণা, গ্রিন হাইড্রোজেনের মতো ক্ষেত্রে দেশের তরুণরা নতুন নতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে ভারতের নাম উজ্জ্বল করছে। যুব সমাজের এই উদ্যম ও সৃজনশীলতাই আগামী দিনে দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।জাতীয় ভোটার দিবসের কথাও উঠে আসে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে। নতুন ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, গণতন্ত্রে তাঁদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সচেতনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেই দেশের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব।মন কি বাত অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সফল উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। উত্তরপ্রদেশে নদী পুনরুজ্জীবনের কাজ, অন্ধ্রপ্রদেশে জল সংরক্ষণের উদ্যোগ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতীয় মিলেট বা শ্রীধান্যের জনপ্রিয়তার কথা উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি মালয়েশিয়ায় বসবাসকারী ভারতীয় প্রবাসীদেরও প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিদেশের মাটিতেও তাঁরা ভারতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন।ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, শীঘ্রই অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট। এই সম্মেলনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কীভাবে দেশের উন্নয়নে বড় ভূমিকা নিতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানান তিনি। সব মিলিয়ে, ২০২৬ সালের প্রথম মন কি বাত অনুষ্ঠানে আত্মনির্ভর ভারত, প্রযুক্তি, গণতন্ত্র ও সংস্কৃতির বার্তাই তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী।

জানুয়ারি ২৫, ২০২৬
রাজ্য

২ এপ্রিল থেকে শুরু উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা, টোকাটুকি আটকাতে বিশেষ ব্যবস্থা নেবে সংসদ

২ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে রাজ্যের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা।এই প্রথম পরীক্ষার্থীরা নিজের স্কুলে পরীক্ষা দেবে। এ বছর ৭ লক্ষ ৪৫ হাজার পড়ুয়া পরীক্ষায় বসবে। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৭১ হাজার বেশি।দুদফায় ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে।উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছেন, পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে গ্রহণের জন্য সবরকম ব্যবস্থা করা হবে। সতর্কতা এবং সচেতনতা মেনেই এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বাংলা, ইংরেজি, হিন্দি ও অলচিকি চার ভাষায় প্রশ্নপত্র করা হবে। একাদশ শ্রেণির ১১টি বিষয় এবং দ্বাদশ শ্রেণির ১১ টি বিষয়ের প্রশ্নপত্র অলচিকি ভাষায় হচ্ছে। একাদশ ও বিষয় দ্বাদশ শ্রেণি মিলিয়ে মোট ২২টি বিষয়ের প্রশ্নপত্র অলচিকি ভাষায় করা হচ্ছে।হোম সেন্টারে পরীক্ষা হওয়ায় এবার পরীক্ষায় কোনরকম টোকাটুকি বা অসদুপায় অবলম্বন আটকাতে সংসদ বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে।প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রে স্পেশ্যাল অবজার্ভার রাখা হবে। স্পেশ্যাল অবজার্ভার হিসাবে প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রে সরকারি আধিকারিকদের নিয়োগ করা হবে। স্পর্শকাতর কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে। পরীক্ষা কেন্দ্রে যখন প্রশ্ন যাবে, সেই সময়ে পুলিশ মোতায়েন থাকবে। পুলিশ ছাড়া কোনও প্রশ্নপত্র বিলি হবে না।প্রতি কক্ষে ২ জন করে শিক্ষিকশিক্ষিকা গার্ডের দায়িত্বে থাকবেন। নজরদারিতে কোনও গাফিলতি হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যে বিষয়ের পরীক্ষা যেদিন থাকবে, সেই বিষয়ের শিক্ষক সেদিন দায়িত্বে থাকতে পারবেন না। কোনও স্কুল থেকে টোকাটুকি বা অন্য কোনও অসাধু কাজের অভিযোগ এলে সেই স্কুলের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সভাপতি হুশিয়ারি দিয়েছেন। প্রয়োজনে স্কুলের অনুমোদন বাতিল পর্যন্ত করে দেওয়া হতে পারে। সংসদের তরফে বলা হয়েছে, কোনও স্কুলে যদি পর্যাপ্ত সংখ্যক শিক্ষক না থাকেন, সেক্ষেত্রে জুনিয়র হাইস্কুল, মাধ্যমিক স্কুল থেকে শিক্ষক নেওয়া হবে। পরীক্ষার্থীরা যাতে কোনও সমস্যায় না পড়েন তাই সংসদের পক্ষ থেকে একটি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে। ওই হেল্প লাইনের নম্বর হল ০৩৩ ২৩৩৭০৭৯২।

মার্চ ৩১, ২০২২
দেশ

শুরু উত্তরপ্রদেশ-সহ পাঁচ রাজ্যে ভোটগণনা, নজরে উত্তরপ্রদেশ-পঞ্জাব

উত্তরপ্রদেশ-সহ পাঁচ রাজ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগণনা। বাকি চারটি রাজ্য হল-পঞ্জাব, গোয়া, উত্তরাখণ্ড ও মণিপুর। বৃহস্পতিবার সকাল আটটা থেকে শুরু হয়েছে ভোটগণনা, কোন দল জিতবে এই পাঁচটি রাজ্যে, সেই ফলাফল জানার অপেক্ষায় সমগ্র দেশ। রাজনৈতিক মহল তো বটে, গোটা দেশের নজর এখন এই পাঁচ রাজ্যের ফলাফলের দিকে। উত্তরপ্রদেশ, গোয়া, উত্তরাখণ্ড ও মণিপুর বিজেপির দখলে রয়েছে, পঞ্জাব কংগ্রেসের দখলে। প্রতিটি দলই জয়ের বিষয়ে প্রবল আত্মবিশ্বাসী। ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তায় চলছে ভোটগণনা।উত্তরপ্রদেশে এবার লড়াই হয়েছে চতুর্মুখী। বিজেপি, সমাজবাদী পার্টি, কংগ্রেস ও বহুজন সমাজ পার্টির মধ্যে। গোয়ায় লড়াই হয়েছে বিজেপি, কংগ্রেস, আম আদমি পার্টির মধ্যে, লড়াইয়ে ছিল তৃণমূল কংগ্রেসও। পঞ্জাবে এবার জোরদার টক্কর হয়েছে বিজেপি এনডিএ জোট, কংগ্রেস ও আম আদমি পার্টির মধ্যে। উত্তরাখণ্ডে লড়াই মূলত বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে হয়েছে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্য মণিপুরে লড়াই হয়েছে বিজেপি, কংগ্রেস জোট ও এনপিপি এবং এনপিএফ-এর মধ্যে। উত্তরপ্রদেশে এবার বিজেপিই জিতবে, ভোটগণনা সকালে এমনই দাবি করেছেন বিজেপি নেতা ব্রজেশ পাঠক ও রাজেশ্বর সিং। উত্তরাখণ্ডে কংগ্রেস জিতবে বলে আশাবাদী প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হরিশ রাওয়াত। ভোটগণনা শুরু হওয়ার প্রাক্কালে এদিন সকালে গুরুদ্বারে গিয়ে প্রার্থনা করেছেন পঞ্জাবে আম আদমি পার্টির মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী ভগবন্ত মান। প্রার্থনা করেছেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং চান্নিও।

মার্চ ১০, ২০২২
রাজ্য

করোনা-কাল কাটিয়ে আজ শুরু মাধ্যমিক পরীক্ষা

আজ থেকে শুরু হচ্ছে এবছরের মাধ্যমিক পরীক্ষা। করোনা অতিমারির কাল সময়কে পেরিয়ে এবার পরীক্ষা হবে ফের অফলাইনে। মাধ্যমিকের পরীক্ষা পর্ব নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে সবরকমের ব্যবস্থা করেছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ রাজ্য সরকার। পরীক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধার পাশাপাশি কোভিড বিধি নিষেধ মেনে যাতে পরীক্ষা হয় সেদিকেও কঠোর দৃষ্টি রাখছে প্রশাসন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানিয়েছেন। পাশাপাশি রাজ্যের পড়ুয়ারা যাতে নির্বিঘ্নে জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা দিতে পারে তার জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে আপামর রাজ্যবাসীর কাছে আবেদন জানিয়েছেন তিনি।২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক সংক্রান্ত কন্ট্রোলরুম চালু হয়েছে। ০৩৩ ২৩২১৩৮২৭-সহ বেশ কয়েকটি নম্বর পর্ষদের ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত হেল্পলাইন চালু থাকবে বলে জানিয়েছে পর্ষদ। পরীক্ষার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে পরীক্ষাকেন্দ্রে যাতায়াত করতে পারেন সে জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে গণপরিবহণের ব্যবস্থাও করা হয়েছে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে সরকারের তরফে। পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসিটিভি নজরদারি থাকবে। ইন্টারনেটেও নজরদারি চালানো হবে।পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।এবছর মাধ্যমিকে বসছে ১১ লক্ষ ২৬ হাজার ৮৬৩ জন পরীক্ষার্থী। ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীদের সংখ্য়া এবছর বেশি। মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যা ৬ লক্ষ ২৬ হাজার ৮০৪। আর ছাত্রদের সংখ্যা ৫ লক্ষ ৫৯।পর্ষদ সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায় সাংবাদিক সম্মলনে বলেন, এবছর ৫০ হাজারের মতো পরীক্ষার্থী বেড়েছে। পরীক্ষা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হয়েছে। পরীক্ষার সেন্টার বা মূল পরীক্ষাকেন্দ্রের সংখ্যা এবছর ১৪৩৫। এছাড়া সাব-ভেন্যু থাকছে ২ হাজার ৭৫৯টি। সব মিলিয়ে মোট পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা চার হাজার ১৫৪টি।

মার্চ ০৭, ২০২২
রাজ্য

সোমবার শুরু মাধ্যমিক, একগুচ্ছ ব্যবস্থা রাজ্যের

চলতি বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষা আগামী সোমবার শুরু হচ্ছে। পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের মতো ঘটনা এড়াতে এবং নির্বিঘ্নে পরীক্ষার পর্ব সম্পন্ন করতে রাজ্য সরকার একগুচ্ছ ব্যবস্থা নিয়েছে। পরীক্ষার দিনগুলোতে ইন্টারনেটে প্রশ্ন ফাঁস বা অন্য সমস্যা রুখতে যে সমস্ত এলাকায় নেট সার্ভারে অনিয়ম হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে সেই এলাকাগুলোতেই বিশেষভাবে নজরদারির ব্যবস্থা করা হচ্ছে।পরীক্ষার সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নবান্নে একপ্রস্থ বৈঠক সেরেছেন পুলিশ কর্তারা। প্রথমে ঠিক হয়েছিল পরীক্ষার দিনগুলোতে প্রশ্ন ফাঁস আটকাতে হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধ রাখা হবে। তবে পরে সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়।আগামী ৭,৯,১১,১২ ও ১৪ তারিখ মাধ্যমিক পরীক্ষার দিনগুলোতে সকাল ১১টা থেকে দুপুর সওয়া ৩টে অবধি ইন্টারনেটে সাইবার বিশেষজ্ঞ দলের বিশেষ নজরদারি থাকবে বলে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে।এছাড়া প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরারও ব্যবস্থা থাকছে। পুলিশকেও বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি উন্নতি হওয়ায় এবার অফলাইনেই মাধ্যমিক পরীক্ষা হচ্ছে।তবে করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এবার হোম সেন্টারেই হবে পরীক্ষা।পরীক্ষা চলাকালীন কঠোরভাবে কোভিড বিধি নিষেধ মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা কেন্দ্রগুলিতে পরীক্ষার্থীদের শারীরিক দূরত্ব বিধি মেনে বসাতে বলা হয়েছে। মাস্ক ও স্যানিটাইজার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি অন্য কোনও পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে পেন, পেন্সিল, স্কেল ব্যবহারেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি কল্যাণময় গাঙ্গুলী শনিবার এক সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, সব মিলিয়ে চার হাজার ১৫৪টি কেন্দ্রে ১১ লাখ ২৬ হাজার ৮৬৩ জন পরীক্ষার্থী এবার মাধ্যমিক পরীক্ষা দেবে। যেটা একটা রেকর্ড। এর মধ্যে ৬ লক্ষ ২৬ হাজার ৮০৪ জন ছাত্রী রয়েছে। সকাল পৌনে বারোটায় পরীক্ষা শুরু হবে। পরীক্ষার্থীরা প্রশ্নপত্র পড়ার জন্য পনেরো মিনিট সময় পাবেন। বেলা তিনটে পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে। প্রশ্ন ফাঁস এড়াতে পরীক্ষা শুরুর এক ঘণ্টা পনেরো মিনিটের আগে ছাত্রছাত্রীরা কক্ষের বাইরে বের হতে পারবেন না।করোনার বাড়বাড়ন্তের কারণে গত বছর মাধ্যমিক পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছিল। এ বছর মাধ্যমিক পরীক্ষা হচ্ছে অফলাইনে।৭ মার্চ থেকে ১৬ মার্চ অবধি চলবে পরীক্ষা। ইতিমধ্যেই অ্যাডমিট কার্ড হাতে পেয়ে গেছেন পড়ুয়ারা। এর আগে হোয়াটসঅ্যাপে মাধ্যমিকের প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই কথা মাথায় রেখেই এবার বিশেষভাবে নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকছে মাধ্যমিক পরীক্ষায়।

মার্চ ০৫, ২০২২
বিদেশ

ইউক্রেনজুড়ে শুরু ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল কিয়েভ, উদ্বেগ প্রকাশ ভারতের, চালু হেলপলাইন

ভারতীয় সময় বৃহস্পতিবার ভোরে ইউক্রেনে সেনা অভিযানের ঘোষণা করেছিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তার মিনিট খানেকের মধ্যেই ইউক্রেনের রাজধানী কিভে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করে দিল রাশিয়ার সেনা বাহিনী। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কিভ-সহ ইউক্রেনের অন্যান্য শহরে একের পর এক বিস্ফোরণের খবর এসেছে। তার মধ্যে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের ছবি দেখে চমকে গিয়েছে আন্তর্জাতিক মহল।সকালে রাশিয়ার কিভ, খারকোভ, ওডেসা-সহ বিভিন্ন শহরে একের পর এক বিস্ফোরণের ছবি এবং ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে। চারপাশ থেকে গল গল করে কালো ধোঁওয়া বেরনোর ছবি দেখে আতঙ্কিত হয়েছেন অনেকেই। এমনকী বিস্ফোরণের মুহূর্তে তীব্র আলো আর ধোঁয়ার মেঘের ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে।This is the port of Ochakov. After the Russian strikes targeted the Ukrainian Navy.#Russia #Ukraine #Putinpic.twitter.com/OwPIChIyge Intel Rogue (@IntelRogue) February 24, 2022ভারতের দাবি, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে সামরিক সংঘাত বাড়লে ধাক্কা খাবে শান্তি ও নিরাপত্তা। রাষ্ট্রসঙ্ঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি টিএস ত্রিমূর্তি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, বড়সড় সংকট তৈরি করতে চলেছে রাশিয়া ও ইউক্রেনের পরিস্থিতি।রাষ্ট্রসঙ্ঘে ত্রিমূর্তি বলেন, পরিস্থিতি বিপজ্জনক। তৈরি হতে পারে বড়সড় সঙ্কট। বিঘ্নিত হতে পারে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও শান্তি। দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার আর্জি জানিয়েছেন তিনি। পরিস্থিতি যাতে আরও খারাপের দিকে না যায়, সে বিষয়েও বার্তা দিয়েছে ভারত।শান্তি বজায় রাখা কতটা জরুরি সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে ত্রিমূর্তি উল্লেখ করেছেন, কূটনৈতিক স্তরে আলোচনার মাধ্যমেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা প্রয়োজন। তিনি আরও জানিয়েছেন, ভারতীয় নাগরিকদের ইউক্রেন থেকে অবিলম্বে দেশে ফেরাতে সাহায্য করা হচ্ছে।Russian missile hitting Frankivsk airport.#Russia #Ukraine #Donbasspic.twitter.com/tm3s9bDlFu Intel Rogue (@IntelRogue) February 24, 2022ইতিমধ্যেই দুটি এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান ভারতে ফিরেছে নাগরিকদের নিয়ে। তবে এখনও কয়েক হাজার ভারতীয় ইউক্রেনে আটকে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। সোমবারই রাষ্ট্রসঙ্ঘের বৈঠকে ভারতের তরফে জানানো হয়েছে, সীমান্তবর্তী এলাকা-সহ ইউক্রেনে প্রায় ২০ হাজার ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন বর্তমানে। এদের মধ্যে বেশির ভাগই পড়ুয়া। তাঁদের সুরক্ষা এবং নিরাপত্তাই ভারতের কাছে অগ্রাধিকার পাবে বলেও জানানো হয়েছে।গত সপ্তাহেই বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, ইউক্রেনের সঙ্গে এয়ার বাবল চুক্তি শিথিল করা হয়েছে। দেশের উড়ান সংস্থাগুলি চাহিদা অনুযায়ী বিমানের ব্যবস্থাও করতে পারে। ইউক্রেনে বসবাসকারী ভারতীয়দেরও চার্টার্ড বা যাত্রীবাহী সাধারণ বিমানে দ্রুত দেশে ফিরে আসার অনুরোধে জানানো হয়েছে। সাহায্যের জন্য বিদেশ মন্ত্রকের তরফে একটি বিশেষ কন্ট্রোল রুমও খোলা হয়েছে।ইউক্রেনে এখনও আটকে রয়েছে কয়েক হাজার ভারতীয়। বেশ কয়েকজনকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হলেও বৃহস্পতিবার মাঝপথ থেকে বিমান ফেরানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আটকে থাকা ভারতীয়দের জন্য হেল্পলাইন নম্বর চালু করল ভারত। নম্বরগুলি হল, 1800118797 (Toll free), +91-11-23012113, +91-11-23014104, +91-11-23017905

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২২
দেশ

চতুর্থ দফায় উত্তরপ্রদেশের ৫৯টি আসনে চলছে ভোটপর্ব

উত্তরপ্রদেশে তিন-দফার ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে, বুধবার উত্তরপ্রদেশে চলছে চতুর্থ দফার ভোটপর্ব। চতুর্থ দফায় উত্তরপ্রদেশের ৫৯টি আসনে ভোটগ্রহণ চলছে, এদিন ভাগ্যপরীক্ষা হচ্ছে মোট ৬২৪ জন প্রার্থীর। ৯টি জেলার ৫৯টি আসনে বুধবার ভোটগ্রহণ চলছে। এই ৯টি জেলা হল-পিলভিট, লখিমপুর খেরি, সীতাপুর, হারদোই, উন্নাও, লখনউ, রায়বেরেলি, বান্দা ও ফতেহপুর। ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে সকাল সাতটা থেকে এবং চলবে সন্ধ্যা ৬টা অবধি। ২০১৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই ৫৯ আসনের মধ্যে ৫১টিতেই জিতেছিল বিজেপি।লখিমপুর খেরিতে এবারের ভোটে কী ফল হয়, সে দিকেই নজর সমস্ত রাজনৈতিক দলের। লখিমপুর খেরির হিংসা জাতীয় স্তরে আলোড়ন ফেলে দিয়েছিল। ২০১৭ সালের নির্বাচনে লখিমপুর খেরি আসনে বিজেপির যোগেশ বর্মা হারিয়ে দিয়েছিলেন সমাজবাদী পার্টির উৎকর্ষ বর্মা মাধুরকে। এবারের নির্বাচনেও তাঁরা প্রতিদ্বন্দ্বী। সকাল থেকেই বিভিন্ন বুথের সামনে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সাধারণ ভোটারদের পাশাপাশি নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেছেন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বও। সকাল সকাল নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন বহুজন সমাজ পার্টির প্রধান মায়াবতী। তিনি লখনউয়ের মিউনিসিপ্যাল নার্সারি স্কুলের পোলিং বুথে ভোট দিয়েছেন। উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশে বাকি ৩ দফার ভোটগ্রহণ হবে আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি, ৩ মার্চ ও ৭ মার্চ। ফল ঘোষণা হবে ১০ মার্চ।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২
দেশ

দ্বিতীয় দফার ভোটপর্ব শুরু উত্তরপ্রদেশে, ভোট হচ্ছে উত্তরাখণ্ড ও গোয়ায়

নির্বাচনের দামামা বেজেছে চারদিন আগেই। তবে আজ, একইদিনে তিন রাজ্যে হচ্ছে বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ পর্ব। একদিকে যেমন উত্তরপ্রদেশে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন রয়েছে, তেমনই গোয়া ও উত্তরাখণ্ডেও এক দফাতেই ভোটপর্ব মিটিয়ে ফেলা হবে। সব মিলিয়ে রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে। উল্লেখযোগ্যভাবে যে তিনটি রাজ্যে নির্বাচন হচ্ছে, প্রত্যেকটিতেই শাসক দলের ভূমিকায় রয়েছে বিজেপি। প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকায় কংগ্রেস। এছাড়াও আম আদমি পার্টি, তৃণমূল কংগ্রেসের মতো আঞ্চলিক দলগুলিও রাজ্যের গণ্ডি পার করে ভিনরাজ্যে নিজেদের বিস্তার ছড়ানোর লড়াইয়ে নেমেছে।ভোট শুরু হতেই টুইট করেন প্রধানমন্ত্রী।Polling will be held across Uttarakhand, Goa and in parts of Uttar Pradesh. I call upon all those whose are eligible to vote today to do so in record numbers and strengthen the festival of democracy. Narendra Modi (@narendramodi) February 14, 2022গোয়া ও উত্তরাখণ্ডে এক দফাতেই যথাক্রমে ৪০ ও ৭০টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। অন্যদিকে, উত্তরপ্রদেশে দ্বিতীয় দফায় মোট ৯টি জেলায় ৫৫টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। উত্তরপ্রদেশের নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিশেষ নজরে থাকবে সাহারানপুর, বিজনৌর, মোরাদাবাদ, সম্বল, রামপুর, আমরোহা, বদায়ুন, বরৈলি ও শাহজাহানপুর। সকাল ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে গিয়েছে, চলবে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত।গোয়ায় ৪০টি আসনে মোট ৩০১ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ হবে। গোয়াতে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি ও কংগ্রেস হলেও, এবারের নির্বাচনে নতুন প্রতিদ্বন্দ্বী হিসাবে যোগ দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস ও আম আদমি পার্টি। দুই দলই নিজের রাজ্য়ের সীমানা পার করে সৈকত শহরের জমি দখলে মরিয়া।উত্তরাখণ্ডে ১৩টি জেলা মিলিয়ে মোট ৭০ টি কেন্দ্রে নির্বাচন হচ্ছে। প্রায় ৮১ লক্ষেরও বেশি ভোটার মোট ৬৩২ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করবেন। ২০০০ সালে আলাদা রাজ্য হিসাবে স্বীকৃতি পাওয়ার পর এই নিয়ে পঞ্চম দফা বিধানসভা নির্বাচন হচ্ছে উত্তরাখণ্ডে। এই নির্বাচনে যে প্রার্থীদের উপর বিশেষ নজর থাকবে, তারা হলেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি, সতপাল মহারাজ, ধ্যান সিং রাওয়াত, মদন কৌশিক, হরিশ রাওয়াত প্রমুখ।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজ্য

চার পুরনিগমে শুরু ভোটগ্রহণ

চার জেলার চার পুরনিগমে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। দার্জিলিং জেলার শিলিগুড়ি পুরনিগম , হুগলি জেলার চন্দননগর পুরনিগম , উত্তর ২৪ পরগনার বিধাননগর পুরনিগম ও পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল পুরনিগমে ভোট। সকাল ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। ১৪ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ আগামী সোমবার ভোটের ফল ঘোষণা। প্রথমে ২২ জানুয়ারি এই চার পুরনিগমে ভোট হওয়ার কথা ঘোষণা করেছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কিন্তু কোভিডের বাড়বাড়ন্তের কারণে তা পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শনিবারের ভোটে চার পুরনিগমের জন্য ৯ হাজার বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। এর মধ্যে সাড়ে আট হাজার থাকছে বুথের দায়িত্বে। বাকি ৫০০ বাহিনী থাকছে কুইক রেসপন্স টিম, নাকা চেকিং ইত্যাদির জন্য। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে চার পুরনিগমের নির্বাচনের জন্য সশস্ত্র বাহিনী থাকবে, থাকবে লাঠিধারীও। সমস্ত পুলিশ কমিশনারেটই প্রস্তুত রয়েছে এদিনের ভোট শান্তিপূর্ণভাবে পরিচালনা করতে। ১০০ শতাংশ বুথেই থাকছে সিসিটিভি।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২২
দেশ

যোগী রাজ্যের মসনদ দখলে লড়াই শুরু হল আজ

আজ থেকেই শুরু হল উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন। সাত দফার এই নির্বাচনের প্রথম দফায় ভোট গ্রহণ পর্ব আজ । মোট ১১টি জেলায় ৫৮টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হচ্ছে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের যাবতীয় কোভিড বিধি মেনেই সকাল ৭টা থেকে এই কেন্দ্রগুলিতে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে, চলবে সন্ধে ৬টা অবধি।প্রথম দফার ৫৮ টি কেন্দ্রের মধ্যে ৯ টি সংরক্ষিত। ৩৭ টি কেন্দ্র রয়েছে জাট অধ্যুষিত পশ্চিম উত্তরপ্রদেশে। বাকি ২১ টি বিধানসভা কেন্দ্র দোয়াব অঞ্চলের মধ্যে পড়ছে। প্রথম দফার নির্বাচনে যে কেন্দ্রগুলি বিশেষ উল্লেখযোগ্য, সেগুলি হল শামলি, মুজাফফরনগর, মিরাট, বাগপত, গাজিয়াবাদ, হাপুর, গৌতম বুদ্ধ নগর, বুলন্দশহর, আলিগড়, আলিগার্গ, মথুরা এবং আগ্রা। মোট ৬২৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন প্রথম দফার নির্বাচনে। উত্তর প্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনে প্রধান লড়াই বিজেপি বনাম সমাজবাদী পার্টির। এছাড়াও কংগ্রেস, বহুজন সমাজ পার্টি, রাষ্ট্রীয় লোক দল, শিবসেনাও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।কনকনে ঠাণ্ডার মধ্যেও ভোট কেন্দ্রে হাজির ভোটাররা। সকাল থেকেই আকাশ কুয়াশাচ্ছন্ন থাকলেও, হাড় কাঁপুনি ঠাণ্ডাকে উপেক্ষা করেই বিভিন্ন কেন্দ্রে ভিড় জমাচ্ছেন ভোটাররা।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
রাজ্য

BJP-TMC: এক ফ্রেমে বিজেপির শীর্ষ নেতা ও বর্ধমানের তৃণমূল বিধায়ক, জল্পনা শুরু রাজনৈতিক মহলে

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ফল বের হওয়ার পর থেকেই বিজেপি থেকে তৃণমল কংগ্রেসে যোগদানের হিরিক পড়ে গিয়েছে। রাজ্য স্তর থেকে জেলা স্তরে চলছে যোগদান পর্ব। এদিকে বর্ধমানে এক অনুষ্ঠানে জেলা বিজেপির এক নেতা পুষ্পস্তবক তুলে দিচ্ছেন তৃণমূল বিধায়কের হাতে। সৌজন্য়মূলক দৃশ্য মনে হলেও রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন শুরু হয়েছে ছবিকে ঘিরে। ছবিটি নিজের ফেসবুক পেজে পোস্ট করেছেন স্বয়ং অঞ্জন মুখোপাধ্যায়।সম্প্রতি বর্ধমানে এক অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস, তৃণমূল নেতা ইন্তেকাব আলম ও শিবশঙ্কর ঘোষ। ওই অনুষ্ঠানে তৃণমূল বিধায়কের হাতে পুষ্পস্তবক তুলে দেন বিজেপি নেতা অঞ্জন মুখোপাধ্যায়। যদিও এই অনুষ্ঠান ছিল বর্ধমান ডিজ-এবেল্ড ওয়েল ফেয়ার সোসাইটির উদ্যোগে। তবু দুই বিপরীত প্রান্তের রাজনৈতিক নেতৃত্ব হাজির থাকায় বিতর্ক সামনে এসেছে। তৃণমূল বিধায়ক ও অন্য তৃণমূল নেতারাই ছিলেন মঞ্চ আলো করে। তবে একাংশের বক্তব্য, উন্নয়ন যজ্ঞে এমন রাজনৈতিক সৌজন্য থাকাটাই স্বাভাবিক।২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে ভাতার বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হয়েছিলেন অঞ্জন মুখোপাধ্যায়। এর আগে তিনি ছিলেন আরএসপির যুব সংগঠনের রাজ্য নেতা। এবার তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গে তাঁকে এক ফ্রেমে দেখা যাওয়ায় নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে বর্ধমানের একাধিক বিজেপি নেতা ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ গোয়ার বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছে চোটআঘাতে জর্জরিত এসসি ইস্টবেঙ্গলআরও পড়ুনঃ জোরে বোলার থেকে স্পিনার, আজাজকে দারুণ উপহার ভারতীয় দলের

ডিসেম্বর ০৬, ২০২১
রাজ্য

শিরোমণি প্যাসেঞ্জার ও হাটিয়া প্যাসেঞ্জার পুনরায় চালুর দাবিতে বাংলা পক্ষ-র ডেপুটেশন

শিরোমণি প্যাসেঞ্জার ও হাটিয়া প্যাসেঞ্জার পুনরায় চালুর দাবিতে বাংলা পক্ষর ডেপুটেশন কর্মসূচির আয়োজন করা হয। রবিবার বাংলা পক্ষ পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা শাখার পক্ষ থেকে শিরোমণি প্যাসেঞ্জার ও হাটিয়া প্যাসেঞ্জার পুনরায় চালু করা ও চক্রধরপুর লোকালের গড়বেতা স্টপেজ পুনরায় চালুর দাবিতে স্মারকলিপি তুলে দেওয়া হল স্টেশন মাস্টারের হাতে। দুটি নতুন ট্রেনের দাবি- সহ বাংলা ভাষার ব্যবহারের মতো গুরুত্বপূর্ণ দাবিসমূহ-ও ছিল স্মারকলিপিতে। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সুমিত দে, দসর জানা, জামাল খানের মতো জেলার সহযোদ্ধারা। এই স্মারকলিপির সাথে ৩৫ জন সাধারণ মানুষের স্বাক্ষরও তুলে দেওয়া হয় স্টেশন মাস্টারের হাতে। এই দাবি না মানা হলে স্থানীয় মানুষ নিয়ে আরও বৃহত্তর আন্দোলন হবে বলে জানায় সহযোদ্ধারা। আগামী দিনে জেলার অন্যান্য স্টেশন থেকেও এক-ই দাবিতে আন্দোলনে নামবে বাংলা পক্ষ, এমনটাই জানায় বাংলা পক্ষের সহযোদ্ধা সুমিত দে। সাম্প্রতিক কালে বেশ কিছু ট্রেন বাতিল হয়ে যাওয়ায় এলাকার মানুষ খুবই সমস্যার মধ্যে পড়েছে। চাকরিজীবি, ব্যবসায়ী ও ছাত্রছাত্রীদের নানান কাজে তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে প্রচণ্ড সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।। এই সমস্যার প্রভাব পড়েছে স্থানীয় অর্থনীতিতে। একই ভাবে বিভিন্ন স্টেশনে বাংলা ভাষার ব্যবহার কমিয়ে দেওয়ার ফলে স্থানীয় মানুষের যথেষ্ট অসুবিধা হচ্ছে। আমরা এই সমস্যাগুলির সমাধানে নিম্নোক্ত দাবিগুলি জানিয়েছে বাংলা পক্ষ।১. শিরোমণি ও হাটিয়া প্যাসেঞ্জার পুনরায় চালু করতে হবে।২. বিগত দশকের দাবি মেনে গড়বেতা পর্যন্ত দুটি নতুন লোকাল ট্রেন চালু করতে হবে অথবা হাওড়া-মেদিনীপুর লোকালের যে-কোনো দুটি ট্রেন গড়বেতা পর্যন্ত সম্প্রসারিত করতে হবে।৩. চক্রধরপুর লোকালের গড়বেতায় স্টপেজ পুনরায় চালু করতে হবে।৪. মেমু প্যাসেঞ্জার ট্রেনগুলির ভাড়া এক্সপ্রেস ট্রেনের ভাড়া করা যাবে না।৫. রূপসী বাংলা ট্রেনের রুট বর্ধমান হয়ে পরিবর্তন করা যাবে না।৬. গড়বেতা রেল স্টেশনকে পুনরায় আগের মতো কার্যক্ষম করে তুলতে হবে৷৭. ইদানিং গড়বেটা স্টেশনে লক্ষ্য করা যাচ্ছে বাংলা ভাষার ব্যবহার কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে, যা বন্ধ করতে হবে এবং বাংলা ভাষার সঠিক ব্যবহার ও মর্যাদা দিতে হবে।

নভেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Bypoll Result: ৪ কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ফলপ্রকাশ আজ, চলছে গণনা

আজ চার কেন্দ্রে উপনির্বাচনের ফল। খড়দা, গোসাবা, শান্তিপুর, দিনহাটায় প্রেস্টিজ ফাইট। গণনাকেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তা। খড়দহে এবার হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় নিজের জয় নিয়ে যথেষ্ট আশাবাদী। খড়দহের গণনাকেন্দ্রে ১৫০র বেশি ভোটকর্মী রয়েছেন। আজ চারটি কেন্দ্রের মধ্যে খড়দা অন্যতম নজরকাড়া কেন্দ্র। স্ট্রং রুমের সামনে কড়া নিরাপত্তা। এখানে ২২টি টেবিলে ১৬ রাউন্ড গণনা হচ্ছে। শেষ হাসি হাসবে কে? অপেক্ষা সময়ের।প্রসঙ্গত, ভবানীপুরে ভোটের ঠিক এক মাস পরেই চার কেন্দ্রে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা হয়। ভোটের ফল ঘোষণার আগেই করোনা সংক্রমণে মারা যান উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহের তৃণমূল প্রার্থী কাজল সিনহা। সেখানে জিতেছিল তৃণমূল। সেখানে এবার তৃণমূল প্রার্থী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। বিজেপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জয় সাহা। ভোটের দিন এই কেন্দ্রে টানটান উত্তেজনা ছিল। বাংলাদেশী ভুয়ো ভোটার বিতর্ক থেকে প্রয়াত কাজল সিনহার নাবালক পুত্রের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়া বিজেপি প্রার্থী, সব মিলিয়ে এই কেন্দ্রের ভোটের ফলের দিকে তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, খড়দহ বিধায়ক নয়, মন্ত্রীকে নির্বাচিত করে।অন্যদিকে বিধায়ক পদে শপথ নেওয়ার পরেই মারা যান দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবার তৃণমূল বিধায়ক জয়ন্ত নস্কর। এ ছাড়া বিধানসভায় জিতেও সাংসদ পদে থেকে যাবেন বলে কোচবিহারের দিনহাটা ও নদিয়ার শান্তিপুরের বিধায়ক-পদ ছেড়েছেন বিজেপি-র দুই সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক ও জগন্নাথ সরকার। মোট চার কেন্দ্রে ভোট হয়েছে ৩০ অক্টোবর।এদিকে ভোটের ফলাফলের উত্তেজনার পারদে ফুটছে কোচবিহার জেলার দিনহাটা। এই কেন্দ্রের বিধায়ক নিশীথ প্রামানিক জয়ী হলেও তিনি বিধায়ক পদ ছেড়ে দেওয়ায় এখানে উপনির্বাচন হচ্ছে। গত বিধানসভা নির্বাচনে মাত্র ৫৭ হেরে যাওয়া উদয়ন গুহ এবার জয়ের ব্যাপারে খুবই আত্মবিশ্বাসী ।

নভেম্বর ০২, ২০২১
বিদেশ

China Corona: চিনে ফের শুরু লকডাউন, গৃহবন্দি হাজারো মানুষ

করোনার প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে উঠে পুরোপুরি ছন্দে ফিরে এসেছিল চিন। ঘুরে দাঁড়িয়েছিল সে দেশের অর্থনীতিও। কিন্তু এখন নতুন করে সেখানে আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে শুরু করেছে করোনা। রাজধানী বেজিং-ও ছড়িয়েছে করোনা। এদিকে আগামী বছরের শুরুর দিকেই শীতকালীন অলিম্পিক্সের আয়োজক চিন। সব মিলিয়ে এই নতুন করে করোনা গ্রাফ চিন্তা বাড়াচ্ছে শি চিনপিংয়ের প্রশাসনের।চিনের ইনার মঙ্গোলিয়ার এজিনে লকডাউন জারি হয়েছে। সোমবার থেকে ওই এলাকার ৩৫ হাজার ৭০০ বাসিন্দাকে বাড়ি থেকে বেরতে নিষেধ করা হয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে ওই অঞ্চলেই সংক্রমণের হটস্পট। গত সপ্তাহে ওই এলাকায় করোনা আক্রান্ত হয়েছে ১৫০ জন। চিনের ন্যাশনাল হেল্থ কমিশনের তরফ থেকে সতর্ক বার্তায় বলা হয়েছে, এ ভাবে চলতে থাকলে কয়েক দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। চিনের ১১ টি প্রদেশে নতুন করে করোনা ছড়িয়ে পড়েছে।চিন থেকেই শুরু হয়েছিল কোভিডের দাপট। ২০১৯-এর শেষের দিকে সেই আতঙ্কের শুরু। লকডাউনের ছবি দেখা গিয়েছিল চিনের একাধিক শহরে। এরপর প্রায় গোটা বিশ্ব দেখেছে ভাইরাসের দাপট। তবে নতুন করে সেই ভাইরাসের আতঙ্কে প্রহর গুনছে চিন। ইতিমধ্যেই চিনের একাধিক শহরে ছড়াতে শুরু করে সংক্রমণ। কয়েক দিনের মধ্যে পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে বলে সতর্ক বার্তা দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই নতুন করে শুরু হচ্ছে লকডাউন।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
রাজ্য

WB By-poll: ৩৫ কোম্পানির ঘেরাটোপে তিন বিধানসভা কেন্দ্রে শুরু ভোটগ্রহণ

রাজ্যের তিন কেন্দ্রের বিধানসভা আসনে শুরু হয়েছে উপনির্বাচন। ভবানীপুর আসন ছাড়াও মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ এবং জঙ্গিপুর বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট হচ্ছে আজ। তবে নজরে হাইভোল্টেজ কেন্দ্র ভবানীপুর। এই নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপির প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল।প্রসঙ্গত, একুশের বিধানসভা নির্বাচনে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম আসনে পরাজিত হন মমতা। সংবিধান অনুযায়ী সংখ্যাগরিষ্ট দলের হয়ে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসলেও ছয় মাসের মধ্যে মমতাকে রাজ্যের যেকোনো একটি বিধানসভা আসনে জিতে আসতে হবে। সেই মর্মেই ভবানীপুর আসনে জয়ী রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় পদত্যাগ করেন। সেই আসন থেকেই লড়াই করার সিদ্ধান্ত নেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এদিকে, ভবানীপুরের উপনির্বাচনকে ঘিরে আঁটোসাঁটো করা হচ্ছে নিরাপত্তা। মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে ১৪৪ ধারা জারি হয়েছে ভবানীপুর বিধানসভা এলাকাজুড়ে। নির্বাচন কমিশন নিয়োগ করেছে মোট ৩৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী।আরও পড়ুনঃ বেড ঘাটতির কারণে জ্বরে আক্রান্ত শিশুদের ঠাঁই হয়েছে কাটোয়া হাসপাতালের মেঝেতেঅন্যদিকে, বিধানসভা নির্বাচনের আগেই প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় ভোট হয়নি মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ এবং জঙ্গিপুর বিধানসভা কেন্দ্রে। তাই ওই দুটি কেন্দ্রে হতে চলেছে উপনির্বাচন। জঙ্গিপুর কেন্দ্রে বাম প্রার্থীর মৃত্যুতে স্থগিত ছিল ভোট।বৃহস্পতিবার ভোটে জঙ্গিপুরে লড়াই ত্রিমুখী। তৃণমূলের জাকির হোসেন, বিজেপির সুজিত দাস এবং আরএসপি প্রার্থী হিসেবে আছেন জানে আলম মিয়া।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১
কলকাতা

Blast: কড়েয়ায় বিস্ফোরণ, জখম ৪

ফের শহরের বাড়িতে বিস্ফোরণ। কড়েয়া থানার অন্তর্গত আহিরিপুকুর এলাকার একটি বাড়িতে এই বিস্ফোরণ হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ৬.৩০ নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে বলে খবর।ঘটনায় ৪ জনের জখম হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। ভয়ঙ্কর শব্দে কেঁপে ওঠে এলাকা। স্বাভাবিকভাবেই এলাকায় বিস্ফোরণের ফলে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। জানা গিয়েছে, বাড়িটিতে চারজন বাসিন্দা থাকতেন। বিকট শব্দ পেয়ে ভোরে বাইরে বেরিয়ে আসেন স্থানীয়রা। দেখতে পান ৮/৩ আহিরিপুকুর ফার্স্ট লেন ঠিকানার বাড়ির দেওয়ার ভেঙে পড়েছে। অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় একজন মাটিতে পড়ে রয়েছেন। বাকিরা দেওয়াল চাপা পড়ে রয়েছেন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছে পুলিশ এবং গোয়েন্দারা। খবর দেওয়া হয়েছে ফরেনসিক বিভাগে। বিস্ফোরণের কারণ জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত। আরও পড়ুনঃ এখনই নিস্তার নেই, শক্তি আরও বাড়াচ্ছে জোড়া ঘূর্ণাবর্তযে ঘরে বিস্ফোরণ হয়েছে সেই ঘরটি ইতিমধ্যেই ঘিরে ফেলেছে পুলিশ। পাশের ঘরটির অবস্থাও খুবই খারাপ। ঘরের চেয়ার টেবিল, যাবতীয় আসবাবপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে। দেওয়ালের একাংশ ফেটে বেরিয়ে পড়েছে। ভেঙে পড়েছে ছাদের চাঙড়ও। যেহেতু এই এলাকা অত্যন্ত ঘিঞ্জি। এই বাড়ির যে পিছনের একটি বাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কী বিস্ফোরণ হল তা নিয়ে এখনও কোনও সূত্র মেলেনি। ঘরের মধ্যে বিস্ফোরক ছিল বলে প্রাথমিক ভাবে কিছু পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে ঘরের ভিতর দুটি রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার ছিল। সেগুলিও একেবারেই অপরিবর্তিত অবস্থায় রয়েছে।তবে মনে করা হচ্ছে, অনেক সময় এমনও হয়, গ্যাসের সিলিন্ডারে কোথাও ছিদ্র থাকার কারণে গ্যাস বেরিয়ে বিস্ফোরণ ঘটে যায়। তেমন কিছু ঘটল কি না তাও দেখা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১
কলকাতা

Abhishek Campaign: 'এই তো সবে শুরু, দেখুন কি হয়', ভবানীপুরে প্রচারে গিয়ে আত্মবিশ্বাসী অভিষেক

ভবানীপুর উপনির্বাচনের দলনেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনের শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে জনসংযোগ ও প্রচার শুরু করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন শরৎ বোস রোডে বিখ্যাত লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রচার শুরু করলেন তিনি। মূলত হিন্দিভাষী অবাঙালি মানুষজনের সঙ্গে মিলিত হন অভিষেক। নিজের বক্তব্যের পর তাঁদের প্রশ্নের জবাব দেন।আরও পড়ুনঃ বল ভেবে খেলতে গিয়েই কেঁপে উঠল পরিত্যক্ত বাড়ি, ছিটকে পড়ল রক্তবৈঠক শেষে অভিষেক বেরিয়ে উপস্থিত সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদের বাবুল সুপ্রিয়র তৃণমূলে যোগদান নিয়ে মুখ খোলেন তিনি। আর কারা লাইনে আছে, মুচকি হেসে অভিষেকের ছোট্ট জবাব, এই তো সবে শুরু। দেখুন কী হয়! প্রসঙ্গত, রাজনৈতিক মহলকে চমকে দিয়ে শনিবার অভিষেকের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে তৃণমূলে যোগ দেন আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও ছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ওব্রায়ান। গোটা যোগদানপর্ব কার্যত গোপন রাখা হয়েছিল। এরপর তৃণমূলের অফিসিয়াল টুইট পেজে ছবি সহকারে তা প্রকাশ করা হয়। রাজ্য রাজনীতিতে আলোড়ন পড়ে যায়। তারপর সন্ধ্যায় লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দিরের অনুষ্ঠান শেষে অভিষেকের ছোট্ট প্রতিক্রিয়া, এই তো সবে শুরু, দেখুন কী হয়!এদিন লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দিরে হিন্দিভাষীদের বৈঠকেও অভিষেক বাবুল সম্পর্কে বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেটা বলে সেটা করে দেখায়। তাই তো বাবুল সুপ্রিয়ের মতো সাংসদরাও এখন মুখ্যমন্ত্রী হাত ধরছে। তাঁর সঙ্গে কাজ করতে চাইছে। এটা শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, গোটা ভারতের ছবি।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
দেশ

Pegasus: ফোনে আড়ি পাতা হয়েছে কীভাবে? শুনছে সুপ্রিম কোর্ট

বাদল অধিবেশনের প্রথমদিন থেকেই বারবার পেগাসাস-কাণ্ড নিয়ে উত্তাল হয়েছে সংসদের উভয়কক্ষ। তদন্ত চাই, বিষয়টি সামনে আসুক এই দাবিতে দায়ের হয়েছে একাধিক পিটিশন। এবার আড়ি পাতা কাণ্ডে ৯ পিটিশনের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার শুনানি শুরু হয়েছে শীর্ষ আদালতে। প্রধান বিচারপতি এনভি রমনা ও বিচারপতি সূর্যকান্তের ডিভিশন বেঞ্চে উঠেছে এই মামলা।পেগাসাস কাণ্ডে তদন্ত চেয়ে প্রবীণ সাংবাদিক এন রাম ও শশী কুমার, রাজ্যসভার সিপিএম সাংসদ জন ব্রিটাস এবং আইনজীবী এম এল শর্মা সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছেন। এদিন প্রধান বিচারপতি বলেন, মিডিয়ায় প্রকাশিত তথ্য সত্যি হলে তা গুরুতজ। অন্যদিকে, এডিটর্স গিল্ডও সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছে। বাকস্বাধীনতায় আঘাত ও ব্যক্তি পরিসরের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী বলে সওয়াল করা হয়েছে পিটিশনে। কপিল সিবল সওয়ালে বলেছেন, সরকারকে এক্ষেত্রে উত্তর দিতে হবে, কত টাকা দিয়ে কিনেছিল সরকার। কোথায় রাখা হয়েছ হার্ডডিস্ক।ইজ়রায়েলের এনএসও সংস্থা বহু দেশকে ফোন হ্যাক করার পেগাসাস স্পাইওয়্যার বেচেছিল। সেই তথ্যভাণ্ডার থেকেই সম্প্রতি ৫০ হাজার ফোন নম্বরের তালিকায় ফাঁস হয়ে গিয়েছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল-সহ বিশ্বের একাধিক দেশের সংবাদমাধ্যম তার তদন্তে নেমেছে। সেই তদন্তেই এ বার অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অরুণ মিশ্রর নাম উঠে এসেছে। তিনি ২০২০-র সেপ্টেম্বরে অবসর নেন। ২০১৯-এ নজরদারির তালিকায় তাঁর একটি নম্বর যোগ করা হয়। বিচারপতি মিশ্র সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তিনি ২০১৪-য় এপ্রিলেই ওই ফোন নম্বর ব্যবহার করা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। তদন্তে উঠে এসেছে, পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংক প্রতারণায় অভিযুক্ত নীরব মোদির আইনজীবী বিজয় আগরওয়াল, অগুস্তা ওয়েস্টল্যান্ড হেলিকপ্টার কেনায় দুর্নীতিতে অভিযুক্ত মিডলম্যান ক্রিশ্চিয়ান মিশেলের আইনজীবী আলজো জোসেফের নম্বরও সম্ভাব্য নজরদারির তালিকায় ছিল।

আগস্ট ০৫, ২০২১
শিক্ষা

Interview: আজ থেকে শুরু উচ্চ প্রাথমিকের ইন্টারভিউ

সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে উচ্চ প্রাথমিকের ইন্টারভিউ (Upper Primary Interview)। ১২০০ থেকে ১৫০০ চাকরিপ্রার্থীকে ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকা হবে বলে জানা গিয়েছে। শুধু তাই নয়, এত সংখ্যক চাকরিপ্রার্থীকে প্রত্যেকদিন ইন্টারভিউতে ডাকার জন্য একাধিক ইন্টারভিউ বোর্ড গঠন করছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। ২৮টি ইন্টারভিউ বোর্ড গঠন করা হয়েছে বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে।৪ অগস্ট পর্যন্ত ইন্টারভিউ নেওয়া হবে। চাকরিপ্রার্থীদের সুবিধার জন্য চালু করা হয়েছে কয়েকটি হেল্পলাইন নম্বর। সেগুলি হল ৯০৫১৭৬৪০০, ৯০৫১৭৬৫০০, ৯৮৩০৪৫৪২১৮, ৯৮৩০৪৫৪২১৯৷ যদিও কমিশনের তরফে দাবি করা হচ্ছে, ইদের কারণেই কমিশন ২০ এবং ২১ জুলাই কোনও ইন্টারভিউ রাখেনি।আরও পড়ুনঃ দুর্গাপুরে দিদিকে ইট দিয়ে থেতলে খুন, গ্রেফতার ভাই২২ জুলাইয়ের পর থেকেই দৈনিক এক হাজারেরও বেশি চাকরিপ্রার্থীকে দুটি পর্যায়ে ইন্টারভিউতে ডাকা হবে। ৩১ জুলাইয়ের যে সময় সীমা আগেই আদালত বেঁধে দিয়েছিল, তারা আশা করছে সেই সময়ের মধ্যেই প্রক্রিয়া শেষ করতে। আজ, সোমবার থেকে ইন্টারভিউ শুরু করে কমিশন ডিভিশন বেঞ্চে এই বিষয়টি উল্লেখ করবে।

জুলাই ১৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ডিজিটাল ক্লাস থেকে খুদেদের প্রাতরাশ, জাতীয় শিক্ষক পুরস্কারে মনোনীত বর্ধমানের পলাশ

শুধু চক-ডাস্টার আর পাঠ্যবইয়ের মধ্যে শিক্ষাকে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রযুক্তিকে হাতিয়ার করে খুদে পড়ুয়াদের কাছে পড়াশোনাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছেন বর্ধমান শহরের শ্রীরামকৃষ্ণ সারদা বিদ্যাপীঠ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পলাশ চৌধুরী। শ্রেণিকক্ষে প্রযুক্তির অভিনব প্রয়োগের পাশাপাশি পড়ুয়াদের মানসিক বিকাশ, পরিবারের ভূমিকা এবং পুষ্টির দিকেও তাঁর নজর। এই বহুমুখী উদ্যোগের স্বীকৃতি হিসেবেই চলতি বছর জাতীয় শিক্ষক পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন তিনি।এ বছর পশ্চিমবঙ্গ থেকে দুজন শিক্ষক জাতীয় শিক্ষক পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন। প্রায় আট বছর পর সেই তালিকায় বর্ধমানের কোনও স্কুলশিক্ষকের নাম উঠে আসায় খুশি পড়ুয়া থেকে অভিভাবকসকলেই। এর আগে ২০১৮ সালে বর্ধমানের কাঞ্চননগর ডি এন দাস হাইস্কুলের শিক্ষক সুভাষচন্দ্র দত্ত জাতীয় শিক্ষক পুরস্কার পেয়েছিলেন।পলাশ চৌধুরীর শিক্ষাদর্শনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল প্রযুক্তির ব্যবহার। শ্রীরামকৃষ্ণ সারদা বিদ্যাপীঠের ক্লাসে পাঠ্যপুস্তকের পাশাপাশি ডিজিটাল ছবি ও লেখার সাহায্যে বিভিন্ন বিষয় পড়ুয়াদের সামনে তুলে ধরা হয়। কঠিন বিষয়কে সহজ করে বোঝাতে ভার্চুয়াল পদ্ধতিও কাজে লাগানো হয়েছে। মহাকাশ কিংবা মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মতো বিষয়গুলিকে ভার্চুয়াল পরিবেশে দেখার সুযোগ পাচ্ছে পড়ুয়ারা। প্রধান শিক্ষকের দাবি, এর ফলে শিশুদের মধ্যে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ এবং জানার কৌতূহল দুটোই বেড়েছে।শিক্ষার বাইরেও পড়ুয়াদের ব্যক্তিত্ব বিকাশের দিকে গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। স্কুলের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল করা পড়ুয়াদের পুরস্কৃত করা হয় না। সেরা হাতের লেখা, উদীয়মান প্রতিভা কিংবা ঘুরে দাঁড়ানোর সেরা উদাহরণ-এর মতো নানা বিভাগে পড়ুয়াদের উৎসাহিত করা হয়। এর মাধ্যমে শিশুদের ভিন্ন ভিন্ন প্রতিভা ও সাফল্যকে স্বীকৃতি দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।পড়ুয়াদের সাফল্যের পিছনে পরিবারের অবদানকেও সামনে এনেছেন পলাশবাবু। সন্তানদের সারা বছর পড়াশোনায় উৎসাহ দেওয়ার জন্য স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের মায়েদের দেওয়া হয় সেরা আপনজন সম্মান। তাঁর মতে, একটি শিশুর সাফল্যের পিছনে পরিবারের সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে। তাই তাঁদের অবদানকেও সম্মান জানানো প্রয়োজন।প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিয়ে অভিভাবকদের সচেতন করতেও স্কুলের উদ্যোগ রয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই সম্পর্কে ধারণা দিতে সম্প্রতি একটি কর্মশালার আয়োজন করা হয়। পলাশ চৌধুরীর বক্তব্য, অনেক অভিভাবক সরাসরি সন্তানদের পড়াশোনায় সাহায্য করতে পারেন না। প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে তাঁরা জানলে সন্তানদের পড়াশোনায় সহযোগিতা করা তাঁদের পক্ষে সহজ হবে।তবে পলাশ চৌধুরীর উদ্যোগ শুধু শ্রেণিকক্ষ কিংবা প্রযুক্তির মধ্যেই থেমে নেই। পড়ুয়াদের শারীরিক পুষ্টির বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে স্কুলে। মিড-ডে মিলের পাশাপাশি প্রধান শিক্ষকের নিজস্ব উদ্যোগ এবং অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সহযোগিতায় চালু হয়েছে প্রাতরাশের ব্যবস্থা। স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের অনেক শিশু সকালে খালি পেটে স্কুলে আসে। তাদের কথা মাথায় রেখেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা, পড়ুয়াদের প্রতিভার স্বীকৃতি, অভিভাবকদের অংশগ্রহণ এবং শিশুদের পুষ্টির প্রতি নজর, সব মিলিয়ে বর্ধমানের এই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিসরকে আরও বিস্তৃত করার চেষ্টা করেছেন পলাশ চৌধুরী। আর সেই কাজেরই স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় শিক্ষক পুরস্কারের মনোনয়ন তাঁর মুকুটে নতুন পালক যোগ করেছে।

আগস্ট ২৭, ২০২৬
দেশ

আরও বাড়তে পারে গঙ্গার জল, বন্যার আশঙ্কায় নদীপাড়ে বাড়ছে উদ্বেগ

গঙ্গার জলস্তর বিপদসীমা অতিক্রম করায় মুর্শিদাবাদের বিস্তীর্ণ নদীতীরবর্তী এলাকায় উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে। ফরাক্কা থেকে সামশেরগঞ্জ, সুতী, লালগোলা, জিয়াগঞ্জ হয়ে জলঙ্গী পর্যন্ত গঙ্গার পাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে তৈরি হয়েছে আতঙ্ক। তার উপর প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার সতর্কবার্তা আসায় ভয় আরও বাড়ছে স্থানীয়দের।সেন্ট্রাল ওয়াটার কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, গঙ্গার জলস্তর বিপদসীমা ২২.২৫ মিটার ছাড়িয়ে বর্তমানে ২২.৭৭ মিটারে পৌঁছেছে। আগামীকাল রাত ৮টার মধ্যে জলস্তর আরও বেড়ে ২২.৮৫ মিটারে পৌঁছতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। নেপালে সাম্প্রতিক ধ্বংসাত্মক হড়কা বানের জেরে অতিরিক্ত জল গণ্ডক নদী হয়ে পাটনায় গঙ্গায় মিশছে। বিহারের পাটনা ও রাজমহল হয়ে সেই জল ফরাক্কায় পৌঁছনোর কারণেই দ্রুত জলস্তর বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।ফরাক্কা ব্যারেজের জেনারেল ম্যানেজার আরডি দেশপান্ডে জানিয়েছেন, আপস্ট্রিম থেকে আসা জলের মধ্যে ফরাক্কার ফিডার ক্যানাল দিয়ে প্রায় ৪০ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হচ্ছে। অন্যদিকে, ফরাক্কার ডাউনস্ট্রিমে প্রায় সাড়ে ১১ লক্ষ কিউসেক জল প্রবাহিত হচ্ছে।সেন্ট্রাল ওয়াটার কমিশনের আধিকারিক সঞ্জীব কুমার জানিয়েছেন, বিকেল ৩টের সময় গঙ্গার জলস্তর ২২.৭৭ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। বিপদসীমার তুলনায় যা অনেকটাই বেশি। তাঁর কথায়, জলস্তর এখনও ঊর্ধ্বমুখী এবং পাটনা ফোরকাস্ট স্টেশনের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামীকাল রাত ৮টার মধ্যে তা ২২.৮৫ মিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। নেপালের হড়কা বানের প্রভাবেই এই জলবৃদ্ধি বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এখনও পর্যন্ত শহরে জল ঢোকার কোনও রেকর্ড নেই এবং পরিস্থিতি সেফ জোনে রয়েছে বলেও জানান তিনি।পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদীপাড়ের বাসিন্দাদের সতর্ক করা হচ্ছে। প্রতি ঘণ্টার আপডেট মেল ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে প্রশাসন ও রাজ্য সরকারকে জানানো হচ্ছে। ফরাক্কার বিডিও সুজয় ব্যাপারী জানিয়েছেন, জলস্তর বাড়ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা ও ব্লক প্রশাসন সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।তবে প্রশাসনের সতর্কবার্তায় আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারাও। ফরাক্কার গঙ্গাপাড়ের বাসিন্দা শরৎ হালদার বলেন, প্রশাসনের দফতর থেকে বারবার সাবধান থাকার মেসেজ আসছে। তাঁর আশঙ্কা, আরও এক মিটার জল বাড়লেই নালা দিয়ে গ্রামে জল ঢুকে পড়তে পারে। টিনের ঘরবাড়িতে বসবাসকারী গরিব মানুষজন বন্যা হলে কোথায় যাবেন, কীভাবে থাকবেনসেই চিন্তাতেই এখন রাত কাটছে তাঁদের।

আগস্ট ২৭, ২০২৬
রাজ্য

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, দুবাই, ইংল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানির শিল্পমহল শিল্পস্থাপনে যথেষ্ট আগ্রহী, দাবি মন্ত্রী তাপস রায়ের

রাজ্যে শিল্পায়ন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহল আগ্রহী বলে দাবি করেছেন শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আন্তর্জাতিক শিল্পমহলে ইতিমধ্যেই যথেষ্ট আগ্রহ তৈরি হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, দুবাই, ইংল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, সিঙ্গাপুর এবং জাপান, মিতসুবিশি-সহ বিভিন্ন দেশের শিল্পপতি ও কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা রাজ্যে বিনিয়োগের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, আগামী দিনে সেমিকন্ডাক্টর হাব, ডেটা সেন্টার, তথ্যপ্রযুক্তি এবং আধুনিক উৎপাদন শিল্পকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গে একটি শক্তিশালী শিল্প পরিকাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে বৃহৎ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করার পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের হারানো শিল্পগৌরব পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলে তিনি জানান। রাজ্যের শিল্পায়ন ও বিনিয়োগ প্রসঙ্গে শিল্পমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে পশ্চিমবঙ্গে নতুন শিল্পায়নের পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। শিল্পনীতি, ল্যান্ড ব্যাংক, ল্যান্ড পলিসি, ইনসেন্টিভ স্কিম এবং Single Window ব্যবস্থাকে কার্যকর করার লক্ষ্যে সরকারের পক্ষ থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন GoM বৈঠকের মাধ্যমে শিল্পক্ষেত্রে নীতি নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে চলেছে বলেও তিনি জানান।রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পরও কিছু ক্ষেত্রে তোলাবাজির অভিযোগ উঠছে। এই প্রসঙ্গে তাপস রায় সরকারের Zero Tolerance নীতির কথা স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন। তিনি জানান, সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থে যে কোনও ধরনের বেআইনি তোলাবাজি এবং সিন্ডিকেট কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণে সরকার কঠোর পদক্ষেপ করবে। অতীতে এই ধরনের কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের উপরও নজরদারি রাখা হচ্ছে বলে তিনি জানান। আইন অমান্য করে কেউ বেআইনি কার্যকলাপে যুক্ত হলে রাজনৈতিক পরিচয় বা পদমর্যাদা নির্বিশেষে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।এদিন ক্যামাক স্ট্রিটে তৃণমূল কংগ্রেসের অফিসে হানা দেয় কলকাতা পুরসভা ও পুলিশ। ওই অফিসে বসেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিনও তিনি ও ডেরেক ওব্রায়েন অফিসে ছিলেন। কলকাতা পুরসভা ও পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধে। শিল্পমন্ত্রী বলেন, সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠানগুলি তাদের আইনানুগ দায়িত্ব পালন করবে। সেই কাজে বাধা সৃষ্টি করলে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার-সহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার প্রশাসনের রয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে সরকার কোনো ধরনের আপস করবে না বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।

আগস্ট ২৭, ২০২৬
কলকাতা

ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের দফতরে পুরসভার হানা, ভেঙে ফেলা হল তৃণমূলের সাইনবোর্ড! ধস্তাধস্তি, আটক ১২

তৃণমূলের দ্বিতীয় ক্ষমতাকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ক্যামাক স্ট্রিটের দফতরকে ঘিরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তীব্র উত্তেজনা ছড়াল কলকাতায়। ৯, ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতরের ছাদে থাকা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস লেখা সাইনবোর্ডকে বেআইনি বলে অভিযোগ তুলে সেটি খুলে দিল কলকাতা পুরসভা। অভিযান ঘিরে পুরকর্মী ও পুলিশের সঙ্গে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে। পুলিশ-পুরসভার কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ১২ জনকে আটক করা হয়েছে।ঘটনার সূত্রপাত কলকাতা পুলিশের একটি অভিযোগকে কেন্দ্র করে। পুলিশ পুরসভাকে জানায়, অভিষেকের দফতরের মাথায় লাগানো ওই বড় বিলবোর্ডটি নিয়ম মেনে বসানো হয়নি। অভিযোগ পাওয়ার পর কলকাতা পুরসভার বিজ্ঞাপন বিভাগের আধিকারিকেরা বৃহস্পতিবার বিকেলে ক্যামাক স্ট্রিটে পৌঁছন।খবর পেয়ে দফতরে হাজির হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় এবং রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন-সহ কয়েক জন। পুরসভার আধিকারিকেরা যে নির্দেশের কপি নিয়ে এসেছিলেন, তার বৈধতা নিয়ে তাঁরা প্রশ্ন তোলেন। দীর্ঘক্ষণ তর্ক-বিতর্কের পর প্রথম দফায় পুরকর্মীরা ফিরে যান।কিন্তু কিছুক্ষণ পর ফের পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে দফতরে পৌঁছন পুরসভার আধিকারিকেরা। এ বার পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ বাহিনী হেলমেট পরে দফতরের ভিতরে ঢোকে। যে অংশে সাইনবোর্ডটি ছিল, সেখানে যাওয়ার পথে বাধার মুখে পড়তে হয় তাঁদের।অভিযোগ, তৃণমূলের কয়েক জন নেতা-কর্মী সিঁড়িতে বসে বা শুয়ে পড়ে পুলিশ ও পুরকর্মীদের আটকানোর চেষ্টা করেন। ধস্তাধস্তির সময় কয়েক জন পুলিশকর্মীকে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগও ওঠে। শেষ পর্যন্ত তালা ভেঙে ছাদে পৌঁছন পুরকর্মীরা। সেখান থেকেই খুলে ফেলা হয় অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস লেখা সাইনবোর্ডটি। পরে তার ভাঙা অংশ ছাদেই পড়ে থাকতে দেখা যায়।এই ঘটনার পরই রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হয়। ঘটনাস্থল থেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি এবং রাজ্যের বিরোধী শিবিরের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, তৃণমূলকে রাজনৈতিক ভাবে কোণঠাসা করার উদ্দেশ্যেই ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে পুরসভার মাধ্যমে হস্তক্ষেপ করা হয়েছে।অভিষেক বলেন, তৃণমূলকে মিটিং-মিছিলের অনুমতি না দেওয়া, দলের নেতাদের আক্রমণ করা এবং পার্টি অফিস ও বিলবোর্ড ভেঙে দেওয়ার মাধ্যমে তাঁদের ভয় দেখানোর চেষ্টা চলছে। তাঁর কথায়, ঘাসফুলকে যত কাটা হবে, ততই তা বাড়বে। একই সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীকেও আক্রমণ করেন তিনি।অভিষেকের আরও অভিযোগ, ক্যামাক স্ট্রিটের ওই এলাকায় ফুটপাত ও বিভিন্ন দোকানের উপরে একাধিক বিলবোর্ড রয়েছে। অথচ শুধুমাত্র তাঁর দফতরের বোর্ডকেই কেন নিশানা করা হল, সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, বেআইনি নির্মাণ ও অন্যান্য অবৈধ বিজ্ঞাপনের বিরুদ্ধে একই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইনি লড়াইয়ের পথেও হাঁটছে তৃণমূল। অভিষেকের তরফে জানানো হয়েছে, পুলিশ ও পুরসভার ভূমিকার বিরুদ্ধে হাই কোর্টে মামলা করা হবে। ইতিমধ্যেই বিষয়টি আদালতে তোলার উদ্যোগ হয়েছে। প্রধান বিচারপতি শুক্রবার বিষয়টি মেনশন করার অনুমতি দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।অন্যদিকে, এর আগে ডায়মন্ড হারবারের আমতলায় অভিষেকের সাংসদ কার্যালয়ের একাংশ বেআইনি নির্মাণ-এর অভিযোগে প্রশাসনের তরফে ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। সেই ঘটনাও আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। তার পর এ বার খোদ কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের দফতরের দলীয় সাইনবোর্ড ভাঙাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হল।ঘটনাস্থলে তৃণমূলের সাধারণ কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি অবশ্য তেমন ছিল না। খবর ছড়ালেও বড় কোনও জমায়েত দেখা যায়নি। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সন্ধ্যার পর থেকেই ক্যামাক স্ট্রিটে বাহিনী বাড়িয়ে দেয়। উত্তেজনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়।এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজায় বিরোধী শিবিরও পিছিয়ে থাকেনি। অভিষেকের দফতরে পুলিশের অভিযান প্রসঙ্গে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় কটাক্ষ করে বলেন, অভিষেক উচ্চমার্গের চার্টার্ড মাফিয়া। তাঁর দাবি, এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দেওয়ার মতো সময় তাঁর নেই।সব মিলিয়ে, এক সময় তৃণমূলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ৯, ক্যামাক স্ট্রিট এখন নতুন রাজনৈতিক সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু। একটি সাইনবোর্ড অপসারণকে ঘিরে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, ১২ জনকে আটক এবং আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারিসব মিলিয়ে ঘটনাটি রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে।

আগস্ট ২৭, ২০২৬
রাজ্য

নেপাল বিপর্যয়ে নিখোঁজ বাংলার পর্যটকরা, উদ্বেগে একাধিক পরিবার

নেপালের ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পর নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক পর্যটকের পরিবারে। কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রার উদ্দেশ্যে নেপালে যাওয়া রাজ্যের বহু পর্যটকের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের হিসাব অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত ৩৬ জনের খোঁজ মিলছে না। নিখোঁজদের মধ্যে কলকাতা ছাড়াও হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পশ্চিম বর্ধমান, দার্জিলিং এবং উত্তর ২৪ পরগনার বাসিন্দারা রয়েছেন।বুধবার নেপাল-চিন সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় ভয়াবহ হড়পা বান নামে। ভোটেকোশী নদীর জল আচমকা ফুলে ওঠায় বিস্তীর্ণ এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিপর্যয়ের জেরে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং এখনও নিখোঁজ রয়েছেন অনেকে। সেই নিখোঁজদের তালিকাতেই রয়েছেন ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রায় যাওয়া পর্যটকেরা।কলকাতা থেকে নেপাল, তারপর আর কোনও খোঁজ নেইকলকাতার নাকতলা ও কসবার দুই বাসিন্দা রিনা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সুস্মিতা ভট্টাচার্যও নিখোঁজদের তালিকায় রয়েছেন। দুজনেই ভ্রমণ সংস্থার সঙ্গে নেপাল গিয়েছিলেন।২১ অগস্ট একটি ৩০ জনের দলের সঙ্গে নেপালের উদ্দেশে রওনা দেন সুস্মিতা। কাঠমান্ডু পৌঁছে পশুপতিনাথ মন্দির দর্শনের পর দলটি কেরুং হয়ে তিব্বত সীমান্তের দিকে এগোয়। সেখান থেকেই পরিবারের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। শেষ দিকে হোয়াট্সঅ্যাপের মাধ্যমে পরিবারের সঙ্গে কথা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন তাঁর পুত্রবধূ।একই ভাবে ২১ অগস্ট নেপালে যাওয়া রিনার সঙ্গেও যোগাযোগ করতে পারছে না পরিবার। ভ্রমণ সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করেও এখনও নিশ্চিত কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।নিখোঁজ মুকুল রায়ের পুত্রবধূওনিখোঁজ পর্যটকদের তালিকায় রয়েছেন প্রয়াত তৃণমূল নেতা মুকুল রায়ের পুত্রবধূ শর্মিষ্ঠা ভৌমিক রায়। গত ২১ অগস্ট একটি ভ্রমণ সংস্থার সঙ্গে নেপালে গিয়েছিলেন তিনি। বুধবারের বিপর্যয়ের পর থেকেই তাঁর সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন।স্বামী শুভ্রাংশু রায়ের দাবি, বিভিন্ন ভাবে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এখনও পর্যন্ত শর্মিষ্ঠার কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।সোনারপুরের লোপামুদ্রারও সন্ধান নেইদক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরের বৈকুণ্ঠপুরের বাসিন্দা সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার লোপামুদ্রা কুন্ডুও নিখোঁজ। পরিবারের সঙ্গে শেষ কথা হওয়ার সময় তিনি জানিয়েছিলেন, চিন সীমান্তের কাছাকাছি রয়েছেন।২১ অগস্ট ৩০ জনের একটি দলের সঙ্গে নেপাল যান লোপামুদ্রা। বুধবার সকালেও পরিবারের সঙ্গে কথা হয়েছিল তাঁর। এরপর থেকেই ফোনে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না।দুর্গাপুরের দুই দম্পতিকে ঘিরে উৎকণ্ঠাপশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুর থেকেও একাধিক পর্যটকের খোঁজ মিলছে না। অম্বুজা টাউনশিপের বাসিন্দা দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী সঙ্ঘমিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায় ২১ অগস্ট কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রার উদ্দেশ্যে নেপাল যান। দেবাশিস দুর্গাপুর ইস্পাত হাসপাতালের কর্মী এবং সঙ্ঘমিত্রা শিক্ষক।একই সঙ্গে দুর্গাপুরের তপোবন সিটি এলাকার বাসিন্দা অরিন্দম গঙ্গোপাধ্যায় ও মৌসুমি গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গেও যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। তাঁদের পরিবার এবং প্রতিবেশীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, বিপর্যয়ের খবর পাওয়ার পর থেকেই ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু কোনও উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না।বসিরহাটের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক দম্পতিও নিখোঁজউত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের খান বাহাদুর রোডের বাসিন্দা স্বপন মণ্ডল ও তাঁর স্ত্রী মৌ মণ্ডলও নেপালে গিয়ে নিখোঁজ। দুজনেই অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। প্রায় এক সপ্তাহ আগে তাঁরা নেপালে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে তাঁদের কৈলাস যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল।প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পর থেকেই তাঁদের মোবাইল ফোন বন্ধ। ফলে পরিবারের উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে।তারকেশ্বরের পর্যটকদের নিয়েও দুশ্চিন্তাহুগলির তারকেশ্বরের চাউলপট্টির বাসিন্দা স্নেহাশিস দত্ত এবং একই এলাকার ভ্রমণ সংস্থার কর্মী জয়ন্ত সান্যালও ওই দলের সঙ্গে ছিলেন। পরিবারের দাবি, বুধবার তিব্বত সীমান্ত পেরোনোর কথা ছিল তাঁদের।স্নেহাশিসের স্ত্রী সোমা দত্ত জানিয়েছেন, বুধবার সকাল ৭টা ২৫ মিনিটে স্বামীর সঙ্গে শেষ কথা হয়েছিল। তিনি জানিয়েছিলেন, তাঁরা অভিবাসন দফতরের দিকে যাচ্ছেন। এরপর থেকেই আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।শিলিগুড়ির সমরের খোঁজে কাঠমান্ডু পাড়ি দাদারদার্জিলিং জেলার শিলিগুড়ির শান্তিনগর-বউবাজার এলাকার বাসিন্দা সমর মণ্ডলও নিখোঁজ। ১৬ অগস্ট একটি ট্র্যাভেল এজেন্সির মাধ্যমে নেপালের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন তিনি। মঙ্গলবার শেষ বার পরিবারের সঙ্গে কথা হয়।কৈলাস যাত্রার পথে তাঁর শারীরিক অসুস্থতাও হয়েছিল বলে পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে। বুধবার কাঠমান্ডু ফিরে আসার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু বিপর্যয়ের পর আর কোনও খবর না মেলায় ভাইয়ের খোঁজে তাঁর দাদা ইতিমধ্যেই কাঠমান্ডুর উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।৬৮ বছরের অনিতাকে ঘিরেও উৎকণ্ঠাহাওড়ার আন্দুল হাটগাছা এলাকার ৬৮ বছরের অনিতা দাসও নেপাল-তিব্বত সীমান্তের কাছে নিখোঁজ বলে পরিবার জানিয়েছে। কৈলাস-মানস সরোবর যাওয়ার দীর্ঘদিনের ইচ্ছা ছিল তাঁর।মঙ্গলবার সকালে ছেলের সঙ্গে শেষ কথা হয়েছিল অনিতার। তখন তিনি জানিয়েছিলেন, তাঁরা সীমান্তের কাছাকাছি রয়েছেন। এরপর থেকেই তাঁর ফোন বন্ধ।প্রশাসনের তৎপরতার দিকে তাকিয়ে পরিবারনেপালের বিপর্যয়ের পর একের পর এক পর্যটকের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে বাংলার বিভিন্ন পরিবারে। কেউ শেষ ফোনকলের অপেক্ষায়, কেউ আবার আত্মীয়ের খোঁজে প্রশাসনের দ্বারস্থ হচ্ছেন।নিখোঁজ পর্যটকদের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য না পাওয়া পর্যন্ত উৎকণ্ঠা কাটছে না পরিবারগুলির। উদ্ধারকাজ এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হওয়ার দিকে তাকিয়ে রয়েছেন তাঁরাকখন আসে বহু প্রতীক্ষিত সেই ফোন, সেই আশাতেই দিন গুনছেন স্বজনেরা।

আগস্ট ২৭, ২০২৬
রাজ্য

৩১ অগস্টের পরেও কি থাকবে চাকরি? ২৬ হাজার মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল সংক্রান্ত মামলায় আপাতত বড় স্বস্তি পেলেন যোগ্য প্রার্থীরা। ২০১৬ সালের স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আগের নির্দেশই আপাতত বহাল থাকছে। ফলে নতুন করে শুনানি এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত যোগ্য হিসেবে চিহ্নিত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের চাকরি নিয়ে তাৎক্ষণিক অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে না।২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর দীর্ঘ আইনি লড়াই শুরু হয়। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পর বিষয়টি গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। ২০২৫ সালের ৩ এপ্রিল শীর্ষ আদালত ২০১৬ সালের পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিলের নির্দেশ দেয়। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যোগ্য ও অযোগ্য প্রার্থীদের নির্ভুল ভাবে আলাদা করা সম্ভব হয়নি।পরবর্তী সময়ে রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা এবং স্কুলগুলিতে শিক্ষক-সংকটের কথা মাথায় রেখে যোগ্য শিক্ষকদের সাময়িক ভাবে চাকরিতে বহাল থাকার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। সেই অন্তর্বর্তী নির্দেশ অনুযায়ী ৩১ অগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত তাঁদের চাকরি বহাল থাকার কথা ছিল। একই সঙ্গে নতুন করে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদে নতুন নিয়োগ সম্পূর্ণ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে আদালতের দ্বারস্থ হন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের বক্তব্য, এত অল্প সময়ের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ না হলে যোগ্য শিক্ষকরা ফের চাকরি হারানোর আশঙ্কায় পড়বেন।এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানিতে জানানো হয়েছে, নতুন অন্তর্বর্তী আবেদনের ভিত্তিতে চূড়ান্ত শুনানি না হওয়া পর্যন্ত আগের নির্দেশই কার্যকর থাকবে। ফলে আপাতত যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য স্বস্তির পরিস্থিতি তৈরি হল।তবে এই নির্দেশকে চূড়ান্ত রায় হিসেবে দেখা হচ্ছে না। পরবর্তী শুনানিতে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়, তার উপরই নির্ভর করবে ২৬ হাজার চাকরি মামলায় যোগ্য শিক্ষকদের ভবিষ্যৎ। ফলে আপাতত স্বস্তি মিললেও পুরোপুরি অনিশ্চয়তা কাটছে না।

আগস্ট ২৫, ২০২৬
রাজ্য

লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? বিষয়টা হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী। আসল অভিমুখের সমস্যা দেখুন।

মানবিক আচরণ করুন, পার্কস্ট্রিটের ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে কুণালফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই পার্কস্ট্রিটের ওই ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। এদিন তিনি ওই পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। একই সঙ্গে পার্কস্ট্রিট থানার পুলিশের কাছেও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মানবিক আচরণের আবেদন জানান তিনি।কুণাল ঘোষের বক্তব্য, ফুটপাথে বসবাসকারী মানুষও সমাজেরই অংশ। তাঁদের সঙ্গে সহানুভূতিশীল ও মানবিক আচরণ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে কোনও পরিবারের শিশু, মহিলা বা অসহায় সদস্যদের বিষয়টি বিবেচনা করে প্রশাসনের আরও সংবেদনশীল হওয়া উচিত বলেই মনে করেন তিনি।অগ্নিমিত্রা পালের আচরণ ও মন্তব্য প্রসঙ্গে কুণালের বক্তব্যের মূল সুর ছিলকোনও সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে অসহায় মানুষকে হেয় বা অপমান করা উচিত নয়। ফুটপাথে কেন কোনও পরিবারকে থাকতে হচ্ছে, সেই বৃহত্তর সামাজিক ও মানবিক সমস্যাটিও প্রশাসনকে দেখতে হবে। সামাজ মাধ্যমে এক ব্যক্তির প্রশ্নের উত্তরে কুনাল ঘোষ লেখেন, দিল্লী বা লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? রাস্তায় ভিক্ষুক এ বিষয়টার থেকেও গুরুত্বপূর্ন হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী বলেন কুনাল ঘোষ।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাম ও তৃণমূল শিবির থেকে অগ্নিমিত্রা পালের সমালোচনা শুরু হয়েছে। বাম নেত্রী কনীনিকা ঘোষও পুরমন্ত্রীর আচরণের নিন্দা করেছেন।যদিও রাজনৈতিক চাপানউতোরের মাঝেই অগ্নিমিত্রা পালের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচি। তাঁর দাবি, ওই পরিবারের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই পুরমন্ত্রী পদক্ষেপ করেছিলেন। বিষয়টিকে নেগেটিভ ভাবে তুলে ধরা হচ্ছে বলেও দাবি তাঁর।ফলে ফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্ক ক্রমেই রাজনৈতিক তরজায় পরিণত হয়েছে। একদিকে ফুটপাথবাসী পরিবারের প্রতি মানবিক আচরণের দাবি, অন্যদিকে তাঁদের নিরাপত্তার যুক্তিদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি।

আগস্ট ২৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

যুবভারতীতে লাল-হলুদ ঝড়, বাগানকে উড়িয়ে ২২ বছর পর ডুরান্ড ইস্টবেঙ্গলের

২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফের ট্রফি ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল। ডার্বির মঞ্চে এমন একতরফা জয় যে লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছেও ছিল প্রায় অবিশ্বাস্য। আর সেই জয়ের কেন্দ্রে একটাই নামএডমুন্ড লালরিনডিকা। দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে তিনিই হয়ে উঠলেন রাতের নায়ক।গ্রুপ পর্বে মোহনবাগানের কাছে হারের যন্ত্রণা ছিল ইস্টবেঙ্গলের। ফাইনালের মঞ্চে সেই হারের জবাব দেওয়ার সুযোগও ছিল। কিন্তু জবাবটা যে এতটা নির্মম হবে, তা সম্ভবত কেউই ভাবেননি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তুলে মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল করে ইস্টবেঙ্গল কার্যত ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলে।শুরুটা করেন বিপিন সিংহ। মোহনবাগানের রক্ষণ তখনও নিজেদের মধ্যে সামলে ওঠার চেষ্টা করছে। সেই সুযোগেই ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ পৌঁছে যায় বিপজ্জনক জায়গায়। বিপিনের গোলের পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে লাল-হলুদ আক্রমণ। মুহূর্তের মধ্যে জোড়া গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন এডমুন্ড।৩-০ পিছিয়ে গিয়ে মোহনবাগান কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। মনবীর সিংহ ব্যক্তিগত দক্ষতায় একটি গোল শোধও করেন। কিন্তু সেই প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ফের গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন এডমুন্ড। এক ফাইনালের প্রথমার্ধেই চার গোলতার মধ্যে তিনটি একই ফুটবলারের! যুবভারতীর গ্যালারিতে তখন কার্যত লাল-হলুদ উৎসব।দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ছিল ইস্টবেঙ্গলের হাতে। সবুজ-মেরুন আক্রমণে সেই ধার দেখা যায়নি, যা একটি ডার্বি ফাইনালে প্রত্যাশিত। বরং ইস্টবেঙ্গল সুযোগ পেলেই দ্রুত আক্রমণে উঠে এসেছে এবং আরও গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ স্কোরলাইনেই শেষ হয় ম্যাচ।ইস্টবেঙ্গলের সাফল্যের অন্যতম বড় কারণ ছিল দলের সামগ্রিক সংগঠন। মাঝমাঠে মহম্মদ রশিদ ছিলেন অসাধারণ। বল নিয়ন্ত্রণ, পাসিং এবং খেলা পরিচালনায় বারবার তিনি মোহনবাগানের ছন্দ নষ্ট করেছেন। তাঁর সঙ্গে জিকসন সিংহ, আনোয়ার আলি এবং জয় গুপ্তারাও নিজেদের দায়িত্ব নিখুঁত ভাবে পালন করেন।অন্যদিকে মোহনবাগানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে দাঁড়ায় রক্ষণ। শুভাশিস বসু, আলবের্তো রদ্রিগেজ়দের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব বারবার প্রকট হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের দ্রুত আক্রমণের সামনে তাঁরা অনেক সময়ই দিশেহারা হয়ে পড়েন। বিশেষ করে তৃতীয় ও চতুর্থ গোলের ক্ষেত্রে রক্ষণভাগের ভুল চোখে পড়ার মতো।মাঝমাঠেও মোহনবাগান প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেনি। আপুইয়া এবং অনিরুদ্ধ থাপা কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন। আক্রমণে জেমি ম্যাকলারেনও একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। মনবীর গোল করলেও দলকে ম্যাচে ফেরানোর মতো ধারাবাহিকতা তৈরি করতে পারেননি।ফাইনালের আগে মোহনবাগানের ক্লান্তি নিয়ে আলোচনা ছিল। শিলংয়ে সেমিফাইনাল, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং কর্দমাক্ত মাঠে খেলার ধকলসবই ছিল। কিন্তু ডার্বির মতো বড় ফাইনালে সেই ক্লান্তিকে অজুহাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ইস্টবেঙ্গলও একই টুর্নামেন্টের চাপ সামলে মাঠে নেমেছিল, অথচ তাদের ফুটবলারদের মধ্যে ছিল অনেক বেশি তাগিদ, ক্ষুধা এবং জয়ের মানসিকতা।আর সেই মানসিকতারই সবচেয়ে বড় প্রতিফলন এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে। তিন গোল করে শুধু ম্যাচের সেরা ফুটবলারই হলেন না, ডুরান্ডের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গলের প্রত্যাবর্তনের রাতটিকেও নিজের নামে লিখে দিলেন তিনি।মজার বিষয়, ম্যাচের বিভিন্ন পরিসংখ্যানে মোহনবাগান কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও তার কোনও প্রভাব পড়েনি স্কোরলাইনে। কারণ ফুটবল শুধু বল দখল বা শটের সংখ্যা দিয়ে জেতা যায় নাবড় ম্যাচে প্রয়োজন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সুযোগকে গোলে পরিণত করার ক্ষমতা। সেই পরীক্ষায় রবিবার সম্পূর্ণ সফল ইস্টবেঙ্গল।২২ বছর আগে শেষ বার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর দীর্ঘ অপেক্ষা, হতাশা এবং একের পর এক অসম্পূর্ণ স্বপ্ন। সেই অপেক্ষার অবসান হল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে হারিয়েই। ফলে এই জয় শুধু একটি ট্রফি জয় নয়লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে এটি দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফিরে পাওয়া গৌরবের রাত।একদিকে এডমুন্ডের হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের বিপর্যয়সব মিলিয়ে যুবভারতীতে রবিবারের ডার্বি যেন হয়ে রইল এক লাল-হলুদ ঝড়ের রাত।তবে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মনে হয়তো শেষ পর্যন্ত একটাই আক্ষেপ থেকে গেলচার নয়, আরও কয়েকটি গোল হতে পারত!

আগস্ট ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal