• ৪ আশ্বিন ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Start

কলকাতা

Assembly Session: আজ শুরু বিধানসভা অধিবেশন

রাজ্য-রাজ্যপাল টানটান সংঘাতের আবহে শুরু হতে চলেছে এবারের অধিবেশন। রাজ্যে তৃতীয়বার তৃণমূল সরকার গঠনের পর, আজ থেকে বসছে প্রথম বিধানসভার অধিবেশন। দুপুর ২টোয় রাজ্যপালের ভাষণ দিয়ে শুরু হবে অধিবেশন। শুক্রবার দুপুর ২টোয় শুরু অধিবেশন। দুপুর পৌনে দুটোর মধ্যে বিধানসভার আসন গ্রহণের জন্য সব বিধায়কের উদ্দেশে হুইপ জারি করেছে তৃণমূল। বাজেট অধিবেশনের বাকি দিনগুলিতেও উপস্থিত থাকতে হবে তাঁদের। আরও পড়ুনঃ সংঘাত আবহেই বাজেট অধিবেশনের আগে রাজ্যপালের সঙ্গে ব্রাত্য সাক্ষাতে জল্পনাবিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে সরব রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। সেই অভিযোগ উড়িয়ে রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধানের বিরুদ্ধে পালটা তোপ দেগেছে তৃণমূল। এমনকী, জৈন হাওয়ালা-কাণ্ডে রাজ্যপালের যোগ থাকারও অভিযোগ করেছে শাসকদল। এই সংঘাতের আবহে উত্তেজনার পারদ আরও চড়িয়েছে রাজ্য-রাজ্যপাল ভাষণ সংঘাত। বিধানসভায় সরকারের লিখিত ভাষণ নিয়ে আপত্তি তুলেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। তাঁর সঙ্গে ফোনে এনিয়ে কথা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। রাজ্যপালকে মমতা জানিয়েছেন, এই ভাষণ মন্ত্রিসভার অনুমোদিত। বদল করা যাবে না। ফলে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, প্রথা মাফিক রাজ্যপাল কি রাজ্য সরকারের লিখে দেওয়া ভাষণই পাঠ করবেন? না কি ভাষণের কিছু অংশ বাদ দেবেন তিনি? একই সঙ্গে এবারই রাজ্যে বিরোধী দলের স্বীকৃতি পেয়েছে বিজেপি। পাঁচ বছরে ৩ থেকে ৭৭ জন বিধায়ক হয়েছে তাঁদের। পরে অবশ্য দুজন বিধায়ক নিশীথ প্রামাণিক ও জগন্নাথ সরকার পদত্যাগ করেছেন এবং দলত্যাগ করলেও খাতায়-কলমে এখনও বিজেপিরই বিধায়ক রয়েছেন মুকুল রায়। ফলে বিধানসভায় এখন বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ৭৫ জন। প্রথমবার বিরোধী আসনে বসবে পদ্মশিবির। যাঁকে এক সময় ট্রেজারি বসতে দেখা যেত, এবার সেই শুভেন্দু অধিকারীরই বসবেন বিরোধী বেঞ্চে। সামনে থেকে গেরুয়া শিবিরকে নেতৃত্ব দেবেন তিনি। বিপরীতে তাঁরই এক সময়ের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে এবারই প্রথম বিধানসভার অন্দরে দেখা যাবে মমতা-শুভেন্দু দ্বৈরথ।

জুলাই ০২, ২০২১
কলকাতা

Transport: যানযন্ত্রনা অব্যাহত শহরে, অমিল বেসরকারি বাস

প্রায় দেড় মাস পর বৃহস্পতিবার রাজ্যে ফের বাস চলাচল শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে পথে নেমেছে অটো রিক্সা।তবে প্রথম দিনই শহরে গণপরিবহণের যে ছবি ধরা পড়েছে তাতে হতাশ নিত্যযাত্রীরা। সকাল থেকে সরকারি বাস চোখে পড়লেও রাস্তায় বেসরকারি বাস ছিল না বললেই চলে। জ্বালানি খরচ অনেকটাই বেড়ে যাওয়ায় সরকার ভাড়া ভাড়ানোর ছাড়পত্র না দিলে পুরনো ভাড়ায় বাস চালাতে নারাজ অধিকাংশ বাস মালিক।সেই মত আজ রাস্তায় বেসরকারি বাস ছিল হাতে গোনা। সামান্য সংখ্যক যে সব রুটের বাস পথে নেমেছে তাতে বিধি মেনে ৫০ শতাংশ যাত্রী তোলা তো দূরস্থান চোখে পড়েছে বাদুর ঝোলা ভিড়। বিভিন্ন রুটের অটোর বিরুদ্ধেও দ্বিগুণ তিনগুণ ভাড়া চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।ভাড়া বাড়িয়েছে ওলা উবরের মতো অ্যাপ ক্যাব। ফলে গণপরিবহণ চালু হলেও মানুষের দুর্ভোগ মেটেনি। এরই মধ্যে আশার আলো দেখিয়ে একাংশের বাস মালিকের আশ্বাস, দীর্ঘদিন বসে থেকে বিকল হয়ে যাওয়া গাড়ি সারিয়ে শীঘ্রই পথে নামানো হবে। ফলে দু-একদিনের মধ্যে রাস্তায় বাসের সংখ্যা কিছুটা হলেও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।আরও পড়ুনঃ পর্যটক টানতে শান্তিনিকেতনের পথে রাজ্যের উদ্যোগে ইকো ট্যুরিজমবাস শিল্পের সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের দাবি, এক মাত্র ১৯৭৫ সালে ১০ পয়সা ভাড়া থেকে ২০ পয়সা ভাড়া হয়েছিলো, তারপর দ্বিগুণ ভাড়া এই রাজ্যে কোনও দিন হয়নি। বাস শ্রমিকদের দাবি, বাজারের সঙ্গে সমতা রেখে এবং অন্য রাজ্যের সাথে সমতা রেখে ভাড়া বৃদ্ধি করা হোক। ১৯৯০ সাল হতে এই রাজ্যে যতবার ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কমিটি গঠন হয়েছে তার কোনও রিপোর্ট নেই। এমনকী, এক সময় প্রবুদ্ধনাথ রায়ের রিপোর্ট মানা হয়নি।বাস শ্রমিকদের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী অনেক মানবিক। ওঁর কাছে আমাদের আবেদন বিজ্ঞানভিত্তিক ভাড়া বৃদ্ধি করতে হবে। কোভিডের জন্য যে বিশাল লোকসানের বোঝা বাসমালিকদের উপর চেপেছে , তার থেকে রেহাই পেতে হলে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারকে সহানুভূতির হাত বাড়াতে হবে। ইতিমধ্যেই অনেক বাসমালিক হারিয়ে গিয়েছেন। বেসরকারি পরিবহণ কার্যত কোমায় চলে গিয়েছে।

জুলাই ০১, ২০২১
দেশ

Local Train: লোকাল ট্রেন চালানোর দাবিতে রেলমন্ত্রীকে চিঠি স্বপন দাশগুপ্তর

রাজ্যে যে কার্যত লকডাউন পরিস্থিতি চলছে তার নিন্দা আগেই করেছে বিজেপি। এ বার রেলমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে লোকাল ট্রেন চালু করার দাবি জানাল গেরুয়া শিবির। দলের রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত বৃহস্পতিবারই লোকাল ট্রেন চালানোর দাবি জানিয়ে রেলমন্ত্রী পীযূষ গয়ালকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। সেই চিঠি-সহ টুইটও করেছেন স্বপন। লিখেছেন, রাজ্যে এখন যে লকডাউন চলছে তা খামখেয়ালি এবং শৃঙ্খলাহীন। এই দাবির সঙ্গে গয়ালকে চিঠিতে বিজেপি সাংসদ লিখেছেন, বাংলার সাধারণ মানুষের সুবিধা করে দিতে রেলমন্ত্রী হিসেবে এবং ব্যক্তিগতভাবে আপনি আশা করি উদ্যোগী হবেন। আমি বিশ্বাস করি, বাংলার মানুষ আপনার পদক্ষেপের আশায় রয়েছেন।আরও পড়ুনঃ দুয়ারে সরকার,-এর পর এবার পূর্ব বর্ধমানে দুয়ারে পুলিশবিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরে গত ৬ মে রাজ্যে করোনা রুখতে কড়া বিধিনিষেধ চালু করা হয়। রাজ্য সরকার সেটাকে লকডাউন না বললেও কার্যত সেই পরিস্থিতিই তৈরি হয়। লোকাল ট্রেন চলাচল সেই থেকেই বন্ধ রয়েছে। সম্প্রতি বিধিনিষেধে রাজ্য সরকার অনেক ছাড় দিলেও এখনও লোকাল ও মেট্রো রেল চালুর অনুমতি দেওয়া হয়নি। সম্প্রতি তা নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় যাত্রী বিক্ষোভও হয়েছে।The terms of the lockdown in W Bengal are whimsical. Buses are allowed but local trains Kolkata Metro are not. Commuters are facing enormous hardship loss of livelihood. I have today requested the Rail Minister to initiate the process of resumption of services. pic.twitter.com/5jQ6LOrb1L Swapan Dasgupta (@swapan55) July 1, 2021বৃহস্পতিবার থেকেই রাজ্যে বিধিনিষেধে নতুন ছাড় শুরু হচ্ছে। এই সময় ট্রেল চলাচল স্বাভাবিক না হলেও কিছু ছাড় মিলবে বলে আশা করা হয়েছিল। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্টই জানিয়েছেন, এখন ট্রেন চালালে করোনা সংক্রমণ এক লাফে বেড়ে যাবে। তারই বিরোধিতা করে রেলমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠিতে স্বপন দাবি করেছেন, গত ১৫ দিনে রাজ্যে লকডাউন পরিস্থিতিতে অনেক ছাড় মিলেছে। অফিস, থেকে রেস্তরাঁ, জিম, সেলুন ও পার্লার চালু হয়েছে। লোকাল বাসও চালু হয়েছে। কিন্তু ট্রেন চালু না হওয়ায় সাধারণ মানুষকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। যে অল্পসংখ্যক গণপরিবহণ চালু রয়েছে তাতে খুবই ভিড় হচ্ছে। সুতরাং লোকাল ট্রেন চালু হলে যাত্রী সমস্যা অনেকটাই মিটে যাবে।

জুলাই ০১, ২০২১
কলকাতা

Gun fire at Santragachi: সাঁতরাগাছির বহুতল আবাসনে গুলি

হাওড়ার সাঁতরাগাছি এলাকার বহুতল আবাসনের এক ফ্ল্যাটে চলল গুলি। শুক্রবার সকালে দুষ্কৃতীরা বাইকে করে এসে গুলি চালায়। গুলিচালনার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় আবাসনে। অভিযোগ, এদিন সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ পেশায় রেলকর্মী সুনীল কুমার বেহেরার ফ্ল্যাট লক্ষ্য করে গুলি চালান হয়। দুষ্কৃতীরা তাঁর ফ্ল্যাট লক্ষ্য করে মোট ২ রাউন্ড গুলি চালায় বলে পুলিশ জানিয়েছে। ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। এই ঘটনায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে সাঁতরাগাছি ঝিল সংলগ্ন স্যানচুয়ারি ভিউ অ্যাপার্টমেন্টে। সাঁতরাগাছি থানার পুলিশ ওই রেলকর্মীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে। এই ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। গুলি চালানোর বিষয়ে রেলের সিনিয়র প্যাসেঞ্জার গার্ড নন্দকিশোর রাম জানিয়েছেন, এদিন সকালে লোকো ইন্সপেক্টর এস কে বেহেরার ফ্ল্যাট লক্ষ্য করে করে গুলি চলে। একটা গুলি দরজা ভেদ করে চলে যায়। তারপর দরজা খুললে আরও একটা গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। সেই গুলি ঘরের ভেতরে চলে যায়। দুই রাউন্ড গুলি চলেছিল। কেন গুলি চালানো হল তা জানা যায়নি। আরও পড়ুনঃ কসবা-কাণ্ডে দেবাঞ্জনের বিরুদ্ধে এফআইআরঅন্যদিকে, হাওড়া সিটি পুলিশের ডিসি সাউথ প্রতীক্ষা ঝারখারিয়া জানিয়েছেন, এটা গুলি চালানোর ঘটনা। সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ দুজন লোক বাইকে করে এসে গুলি চালায়। পেশাগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা, আর তার জন্যই গুলি চালনা বলে মনে করা হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত চলছে। যারা এই কাজ করেছে তারা রেলওয়ে কর্মী নয়, তবে রেলের কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন বলে মনে করছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই তদন্তে কিছু তথ্য হাতে এসেছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

জুন ২৫, ২০২১
কলকাতা

Shovon-Baishakhi: শোভনের সঙ্গে নতুন ইনিংস শুরু বৈশাখীর!

রাতারাতি বদলে গেল বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Baishakhi Banerjee) ফেসবুক প্রোফাইল। বৈশাখীর সঙ্গে জুড়ে গেল বন্ধু শোভনের নাম। শুধু নামই নয়, পালটে গিয়েছে তাঁর প্রোফাইল পিকচারও। ছবিতে হাসি হাসি মুখে একে অপরের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন শোভন ও বৈশাখী। ক্যাপশনে লেখা The journey from Me to We begins। অর্থাৎ শুধু আমি থেকে আমাদের একসঙ্গে পথচলা শুরু।তাঁদের বন্ধুত্ব নিয়ে চর্চার অন্ত নেই। রাজনীতির আঙিনাতেও বারবার তাঁদের ব্যক্তিগত সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কখনও বিরোধীরা তীব্র কটাক্ষ করেছেন তাঁদের বন্ধুত্ব নিয়ে, তো কখনও আবার শোভনপত্নী রত্না চট্টোপাধ্যায় প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। কিন্তু কোনও সমালোচনা কিংবা কটাক্ষকেই গুরুত্ব দেননি শোভন ও বৈশাখী। ভাল-মন্দ সবসময়ই একে অপরের পাশে থেকেছেন। আনন্দ যেমন একসঙ্গে সেলিব্রেট করেছেন, তেমন দুঃসময়েও পরস্পরের ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন। বঙ্গ রাজনীতির সেই অতিচর্চিত জুটিই এবার নয়া ইনিংস শুরু করতে চলেছেন! তবে কি সম্পর্ককে বন্ধুত্বের ঊর্ধ্বে নতুন কোনও নাম দিতে চলেছেন তাঁরা? বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফেসবুক প্রোফাইলের নাম বদলে যাওয়ার পর থেকে এমনই সব প্রশ্ন মাথাচাড়া দিতে শুরু করেছে।ফেসবুকে শোভনের নাম যুক্ত করা প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমে বৈশাখী জানিয়েছেন, প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ের অনুমতি নিয়েই প্রোফাইলের নাম বদল। বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় নামে আর আলাদা কোনও প্রোফাইল রইল না। যদিও এখনই কেন এমন সিদ্ধান্ত, তা খোলসা করেননি তিনি।সম্প্রতি বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেওয়া শোভনের ফেসবুক লাইভ নিয়ে উত্তেজনার পারদ চড়েছিল। আরও একবার প্রকাশ্যে এসেছিল শোভন-রত্না গৃহবিবাদ। বেহালা পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক রত্না চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন শোভন (Sovan Chatterjee)। রত্না চট্টোপাধ্যায় কটাক্ষ করে বলেন, দুজন কলঙ্কিত নায়ক-নায়িকা। ছাত্র-যুব সমাজকে কী শেখাচ্ছেন? তাঁরা যেন আমায় শিক্ষা দিতে না আসে। তারপরই বৈশাখীর প্রোফাইলের নামবদল ও নয়া পথচলা শুরুর বার্তা অত্যন্ত ইঙ্গিতবাহী বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জুন ১৬, ২০২১
কলকাতা

Posta Bridge: পিছল ব্রিজ ভাঙার দিন

পিছিয়ে গেল পোস্তা ব্রিজ (Posta Bridge) ভাঙার দিন। ২০ জুন থেকে ব্রিজ ভাঙার কাজ শুরু হবে। তবে আজ রাত থেকে সেতুর নীচের যান চলাচল বন্ধ করে রাখা শুরু হবে।ব্রিজ ভাঙার পরবর্তী পর্যায় পর্যন্ত আপাতত অগস্ট মাস পর্যন্ত পরিবর্তিত রুটে গাড়ি চলবে বলে জানিয়েছেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। উল্লেখ্য, ১৫ জুন থেকেই পোস্তা ব্রিজটি ভাঙা শুরু হওয়ার কথা ঘোষণা করা হযেছিল। কিন্তু ঠিক কী কারণে তা পিছিয়ে গেল তা জানা যায়নি বা মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যও কিছু বলতে চাননি। ২০১৬ সালের ৩১ মার্চ দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে আচমকাই ভেঙে পড়ে বড়বাজার এলাকার এই ব্রিজটি। চাপা পড়েন প্রায় ১০০ জন মানুষ। নির্মাণকাজে ত্রুটি থাকার কারণেই ব্রিজটি ভেঙে পড়েছিল বলে মত বিশেষজ্ঞদের। এরপর এই নিয়ে অনেক রাজনীতি হয়েছে। অবশেষে ভেঙে পড়া ব্রিজটির ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে ফেলার কাজে হাত দিতে চলেছে রাজ্য সরকার।

জুন ১৪, ২০২১
দেশ

পাকিস্তান, বাংলাদেশ, আফগানিস্তানের সংখ্যালঘু শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু

নাগরিকত্ব আইন নিয়ে আন্দোলনের আগুন জ্বলেছে সারা দেশজুড়ে। ২০১৯ নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন এখনও কার্যকরী করতে পারেনি কেন্দ্র। তার মধ্যেই নয়া নির্দেশিকা দিয়ে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান থেকে আসা শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দিতে চলেছে কেন্দ্র। বিজ্ঞপ্তি জারি করে সেই মর্মে একাধিক জেলাশাসকদের অবগত করেছে কেন্দ্র।কেন্দ্র গুজরাতের মোরবি, রাজকোট, পাটনা, ভদোদরা, ছত্তিশগড়ের দূর্গ, বলোদাবাজার, রাজস্থানের জলোর, উদয়পুর, পলি, বার্মার, সিরোহি, হরিয়ানার ফরিদাবাদ, পঞ্জাবের জলন্ধরের জেলাশাসককে ৫ নং ধারায় নাগরিকত্বের আবেদন সংগ্রহের নির্দেশ দিয়েছে। ২০০৯ সালের নাগরিকত্ব নিয়ম অনুযায়ী, পঞ্জাব, হরিয়ানার স্বরাষ্ট্রসচিবকেও এই মর্মে অবগত করেছে কেন্দ্র।নাগরিকত্বের আবেদন পদ্ধতি:১. নাগরিকত্বের আবেদন শুধুমাত্র অনলাইনের করা যাবে।২.আবেদনপত্র যাচাই করবেন জেলাশাসক অথবা সচিব। এরপর তা কেন্দ্রের হাতে পাঠানো হবে।৩. কোনও বিশেষ ক্ষেত্রে খতিয়ে দেখার প্রয়োজন হলে, সেই কাজ করবে কেন্দ্রীয় সরকার।৪, জেলাশাসক বা সচিব তথ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নাগরিকত্ব দেবেন।উল্লেখ্য, এই নাগরিকত্ব প্রদান হবে ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইন ও ২০০৫ সালের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের ভিত্তিতে। কেন্দ্র এখনও ২০১৯ সালের নিয়ম বলবৎ করতে পারেনি। যেখানে জানানো হয়েছিল, ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে পর্যন্ত যেসব হিন্দু, জৈন, শিখ, পার্সি ও খ্রিস্টানরা ভারতে এসেছেন, তাঁদের নাগরিকত্ব দেবে কেন্দ্র। সংসদে এই আইন পাশ হওয়ার পর একাধিক রাজ্য এক বিরোধিতা করেছিল। পশ্চিমবঙ্গেরও রাজ্য সরকার জানিয়েছিল, এই আইন বাংলায় কার্যকরী হবে না।

মে ২৯, ২০২১
কলকাতা

গ্রেট ইস্টার্ন হোটেলে শুরু হল কোভিড চিকিৎসা

কলকাতার ঐতিহাসিক পাঁচতারা হোটেল গ্রেট ইস্টার্নে শুরু হল কোভিড চিকিৎসা। সৌজন্যে পূর্ব ভারতের অন্যতম বেসরকারি হাসপাতাল আমরি। করোনার প্রকোপ ক্রমশ বাড়ছে রাজ্যে। ফুরিয়ে আসছে বেড। অবস্থা সামাল দিতে স্যাটেলাইট সেন্টার গড়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বেডের চাহিদা পূরণ করতে সরকারি পরিকাঠামোয় বেসরকারি উদ্যোগেই কাজ করবে এই সেন্টার। এ নিয়ে বিজ্ঞপ্তিও জারি করেছিল রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তর। জানা গিয়েছে, এই স্যাটেলাইট সেন্টারে চুক্তির মেয়াদ ন্যূনতম তিন মাস পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। চুক্তির সর্বোচ্চ মেয়াদ ১ বছর। স্যাটেলাইট সেন্টারে কর্মী নিয়োগ, পরিকাঠামোয় বিনিয়োগ করতে হবে বেসরকারি সংস্থাগুলিকেই। এই শর্তেই গ্রেট ইস্টার্ন হোটেলে স্যাটেলাইট সেন্টার খুলল আমরি হাসপাতাল। হাসপাতাল সূত্রে খবর, ওই বিলাসবহুল হোটেলের ২০০ বেডে করোনা চিকিৎসা শুরু হয়েছে। প্রতিটি ফ্লোরের ১২ টি করে ডাবল বেড, এবং ১৩ টি করে সিঙ্গল বেডে চলবে চিকিৎসা। ঝা চকচকে এই হোটেলের কোভিড চিকিৎসার ডাবল বেডের ভাড়া ছহাজার। এবং সিঙ্গল বেডের ভাড়া ১০ হাজার টাকা। পাওয়া যাবে ২৪ ঘন্টার ডাক্তার, নার্স। প্রতিটি বেডের সঙ্গে রয়েছে অ্যাটাচ পেশেন্ট মনিটরিং সিস্টেম। রোগীর অক্সিজেন স্যাচুরেশন, রক্তচাপ দেখে নেওয়া হবে মনিটরে। প্রতিটি রোগীর জন্য থাকবে আলাদা ডেটাবেস। প্রতিমুহূর্তের স্যাচুরেশন রিডিং সেখানে জমা হতে থাকবে।এখানেই শেষ নয়, ডিসইনফেক্টিং স্প্রে গান দিয়ে নিয়মিত স্যানিটাইজ করা হবে রোগীর কেবিন। শহরের এই অভিজাত হোটেলে করোনার এহেন বিলাসবহুল চিকিৎসা শুরু হওয়ায় খুশি বাসিন্দারা। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই তিনজন রোগী ভর্তি হয়ে গিয়েছেন ললিত গ্রেট ইস্টার্নের কোভিড স্যাটেলাইট সেন্টারে।

মে ১২, ২০২১
বিদেশ

মায়ানমারে সামরিক জুন্টার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের ডাক

ফেব্রুয়ারি মাসে সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকেই মায়ানমারে পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। গণতন্ত্রকামীদের প্রবল বিক্ষোভের পর এবার বার্মিজ সেনার বিরুদ্ধে মোর্চা খুলেছে বেশ কয়েকটি বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সংগঠন। সামরিক জুন্টার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের ডাক দিয়েছে বেশ কয়েকটি বিদ্রোহী সংগঠন। ফলে দেশটিতে গৃহযুদ্ধের সূত্রপাত হয়েছে বলে আশঙ্কা। রবিবার মায়ানমারের বিদ্রোহী সংগঠন কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়ন-এর স্বঘোষিত সেনাপ্রধান কারেন যোদ্ধাদের একসঙ্গে লড়াই করার ডাক দিয়ে একটি খোলা চিঠি লেখেন। ওই চিঠিতে লেফটেন্যান্ট জেনারেল বাও কেয়াও হেহ লেখেন, ৭০ বছরে এমন সুযোগ আমাদের সামনে আসেনি। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বার্মিজ সেনার স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই চালাতে হবে। আমি সমস্ত কারেন যোদ্ধা ও বিদ্রোহীদের একসঙ্গে লড়াই করার আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা একজোট হয়ে দাঁড়িয়ে বার্মিজ সেনার মোকাবিলা করব। তাঁর চিঠিতে আর দুই বিদ্রোহী গোষ্ঠীডেমোক্র্যাটিক কারেন বুদ্ধিস্ট আর্মি ও কেএনউ পিস কাউন্সিলের উদ্দেশেও আহ্বান জানানো হয়েছে। শুধু তাই নয় মায়ানমারের সরকারি বাহিনীতে কর্মরত কারেন জওয়ানদের বিদ্রোহ করার জন্য ডাক দিয়েছেন জেনারেল বাও কেয়াও হেহ। ফলে মায়ানমারে পরিস্থিতি ক্রমে জটিল হচ্ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মে ০৩, ২০২১
কলকাতা

ভোটগণনার আগে ব্যাপক বোমাবাজি, উত্তপ্ত বেলেঘাটা

আর মাত্র কয়েকঘণ্টার অপেক্ষা। কিছুক্ষণের মধ্যে স্পষ্ট হয়ে যাবে বাংলার দায়িত্ব যাচ্ছে কার হাতে, তৃণমূল না বিজেপি। তার আগে উত্তেজনা ছড়াল বেলেঘাটায়। বিজেপির বুথ এজেন্টের বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে কোচবিহার থেকে উদ্ধার হয়েছে তাজা বোমা। জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে বেলেঘাটা ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে এক বুথ এজেন্টের বাড়িতে হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। ব্যাপক বোমাবাজি করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। এরপর বাইকে ১০ থেকে ১২ জন যুবক বেলেঘাটা মেন রোড এলাকার বেশ কয়েকটি পরিবারের সদস্যদের হুমকি দেয়। বোমাবাজি করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। সেইসময় অভিযুক্তরা পুলিশের উপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ। মারধরও করা হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রীতিমতো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। দীর্ঘক্ষণ পর শান্ত হয় এলাকা। পুলিশের তরফে ইতিমধ্যেই বোমার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। শুরু হয়েছে তদন্ত। অন্যদিকে, ভোটগণনা শুরুর ঠিক আগের মুহূর্তে কোচবিহার মাথাভাঙ্গার পঞ্চানন মোড় এবং বাইশগুড়ি হাই স্কুল সংলগ্ন এলাকা থেকে উদ্ধার হয় তাজা বোমা। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। খবর যায় পুলিশে। ইতিমধ্যেই বোমাটি উদ্ধার করা হয়েছে। বোমাবাজি হয়েছে বীরভূমের দুবরাজপুরে। এছাড়াও অন্যান্য জেলা থেকে প্রকাশ্যে এসেছে অশান্তির খবর। তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত পুলিশ।

মে ০২, ২০২১
রাজ্য

কড়া নিরাপত্তায় রাজ্যে শুরু হল গণনা

বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে আট দফা ভোট শেষে এবার ফলপ্রকাশের পালা। ২৯২ টি আসনে শুরু ভোটগণনা। বাকি ২টি আসনের প্রার্থীর মৃত্য়ুতে সেখানে ভোট হয়নি। কোভিডবিধি মেনে, প্রত্যেক গণনাকর্মী, রাজনৈতিক দলের এজেন্টদের স্বাস্থ্যপরীক্ষা কর তবেই কেন্দ্রে প্রবেশের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কড়া নিরাপত্তায় জেলার প্রশাসনিক ভবনগুলিতে শুরু হয়েছে ভোটের গণনা। মোতায়েন ২৪২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। সকাল ৮.৪০: পোস্টাল ব্যালট গণনায় নন্দীগ্রামে এগিয়ে শুভেন্দু অধিকারী। পুরুলিয়া, রঘুনাথপুরে এগিয়ে বিজেপি প্রার্থীরা। বাঘমুন্ডি আসনে এগিয়ে সংযুক্ত মোর্চা প্রার্থী নেপাল মাহাতো। সকাল ৮.৩৬: দমদমে পিছিয়ে তৃণমূলের হেভিওয়েট প্রার্থী ব্রাত্য বসু। মানিকতলায় এগিয়ে সাধন পাণ্ডে। সকাল ৮.৩২: জামুড়িয়ায় এগিয়ে সংযুক্ত মোর্চা প্রার্থী ঐশী ঘোষ। বারাকপুর, ভাটপাড়া, হাবড়া, বনগাঁ উত্তর, বনগাঁ দক্ষিণে এগিয়ে বিজেপি। সকাল ৮.২৮: পোস্টাল ব্যালট গণনায় হাসন, সুজাপুরে এগিয়ে সংযুক্ত মোর্চার প্রার্থীরা।সকাল ৮.২০: দাঁতন, মুরারই, মঙ্গলকোট, খড়গপুর সদর, রানাঘাট দক্ষিণে এগিয়ে তৃণমূল। রানিগঞ্জ, কেশিয়াড়ি, চন্দ্রকোণা, আলিপুরদুয়ার, দিনহাটা, মাদারিহাটে এগিয়ে বিজেপি। সকাল ৮.১২: পোস্টাল ব্যালট গণনার শুরুতে ৬ আসনে এগিয়ে বিজেপি, ৩ আসনে এগিয়ে তৃণমূল। কেতুগ্রাম, আসানসোল উত্তর, সবং, নলহাটিতে এগিয়ে তৃণমূল, মেমারি, সিউড়ি, দুবরাজপুরে বিজেপি এগিয়ে। সকাল ৮.০৪: গণনার শুরুতেই পানিহাটিতে অসুস্থ কংগ্রেসের এজেন্ট। গরমে হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। হাসপাতালে ভরতি করাতে হল। এই গণনাকেন্দ্রে কোভিড বিধি মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ। গণনা ঘিরে শুরুতেই গন্ডগোল। সকাল ৮: ভোটগণননা শুরু রাজ্যের ২৯২টি বিধানসভা কেন্দ্রে। ২ টি কেন্দ্রে ভোট হয়নি। প্রথম আধঘণ্টা পোস্টাল ব্যালটের গণনা। তারপর হবে ইভিএমের ভোটগণনা।

মে ০২, ২০২১
রাজ্য

শহরে বোমাবাজি ও অশান্তির আবহে রাজ্যে শুরু ভোটগ্রহণ

বঙ্গে আজ শুরু হয়েছে অষ্টম তথা শেষ দফার ভোট। উত্তর কলকাতা-সহ মোট ৪ জেলার ৩৫ টি কেন্দ্রে চলছে ভোটগ্রহণ পর্ব। মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূমের বেশ কয়েকজন হেভিওয়েটের ভাগ্য পরীক্ষা চলছে। এছাড়া পুনর্নির্বাচন কোচবিহারের শীতলকুচির ১২৬ নং বুথেও। নিরাপত্তায় মোতায়েন মোট ৭৫৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। কোভিডবিধি কড়াভাবে মেনেই গণতান্ত্রিক অধিকার প্রদান করছেন ভোটাররা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতেই নানাবিধ অশান্তির আবহেই চলছে ভোটগ্রহণ।সকাল ৯.৩১: বোমাবাজি রবীন্দ্র সরণিতে। বিজেপি প্রার্থী মীনাদেবী পুরোহিতের গাড়ি লক্ষ্য করে সরাসরি বোমা ছোঁড়ার অভিযোগ। তাঁকে হত্যার চক্রান্ত চলছে, অভিযোগ প্রার্থীর। এর আগে বোমাবাজির অভিযোগ ওঠে সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউতে। সকাল ৯.২০: চৌরঙ্গির তৃণমূল প্রার্থী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে বুথে ঢুকতে বাধা কেন্দ্রীয় বাহিনীর। মেট্রোপলিটান স্কুলের বুথে ঢুকতে পারলেন না তিনি। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে বচসায় জড়ান তিনি।সকাল ৯: শীতলকুচিতে পুনর্নির্বাচনের দিনও উত্তেজনা। তৃণমূল প্রার্থী তথা জেলা তৃণমূল সভাপতি পার্থপ্রতিম রায়ের সঙ্গে পুলিশের বচসা। তিনি পুলিশকে হুমকি দেন বলে অভিযোগ। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে পার্থপ্রতিমের বক্তব্য, বিজেপি এখানে অশান্তির চেষ্টা করছে।সকাল ৮.৪৯: বীরভূমের নানুর বিধানসভার সিংগী গ্রামে বিজেপি কর্মীদের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ, ব্যাপক উত্তেজনা এলাকায়। অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে।সকাল ৮.৪৪: নানুরের সন্ত্রস্ত এলাকা বন্দর গ্রামে দীর্ঘক্ষণ পর ভোটগ্রহণ শুরু। ভোটারদের বাধাদানের অভিযোগ ঘিরে তৃণমূল-বিজেপির হাতাহাতি চরম আকার নেয়। শেষপর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। শুরু হয় ভোট।সকাল ৮.১৪: ভোটের সকালে খাস কলকাতায় বোমাবাজি, মহাজাতি সদনের সামনে ২ টি বোমা ফেটেছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা, এলাকায় আতঙ্ক। ঘটনাস্থলে বাড়তি পুলিশ।সকাল ৮.১১: কাশীপুর-বেলগাছিয়া কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অতীন ঘোষকে বুথে বাধা দেওয়ার অভিযোগ কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। বাকবিতন্ডায় না জড়িয়ে তিনি শান্তভাবে বোঝানোর চেষ্টা করেন। এজেন্টকে ডেকে বুথের খবরাখবর নেন তিনি। সকাল ৮.০৫: মানিকতলার ৫৬ নং বুথে বিজেপি এজেন্টকে হেনস্তা, পরিচয়পত্র ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। কমিশনে অভিযোগ দায়ের।সকাল ৮: ময়ূরেশ্বরে ভোট শুরু হতেই উত্তেজনা। বাড়তি জমায়েত হঠাতে লাঠি হাতে পরিস্থিত নিয়ন্ত্রণে নামল কেন্দ্রীয় বাহিনী।সকাল ৭.৪৮: ভোটের শুরুতেই বীরভূমের নানা জায়গায় রাজনৈতিক অশান্তি। এসবের মাঝে এদিন আরও নজরদারি বাড়ল অনুব্রত মণ্ডলের উপর। সকাল ৭.৪৪: বীরভূমের লাভপুরে হাতিয়া গ্রামে বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে ভাঙচুর। বিজেপির অভিযোগ তৃণমূলের সর্মথকেরা লাভপুর থানার পুলিশ নিয়ে এসে ভাঙচুর করে।সকাল ৭.৪০: বোলপুরের ১১৪ নং ওয়ার্ডে উত্তেজনা। বিজেপি কর্মীরা ভিড় করে বুথ জ্যাম করছেন, তৃণমূল সর্মথকদের ভোট দিতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ। সকাল ৭.৩৫: মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ায় রাজনৈতিক অশান্তি। কংগ্রেস কর্মীদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুরের অভিযোগ হোসেনপুর এলাকা। সকাল ৭.৩০: নির্বিঘ্নে পুনর্নির্বাচন শুরু কোচবিহারের শীতলকুচির ১২৬ নং বুথে। গত ১০ তারিখ এখানে ভোট চলাকালীন কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে ৪ জনের মৃত্যু হয়। এরপর আজ সেখানে আবার ভোটগ্রহণ চলছে। সকাল ৭.২১: সাতসকালেই ভোটের লাইনে মিঠুন চক্রবর্তী। কাশীপুর-বেলগাছিয়া কেন্দ্রের ভোটার তিনি। ভোট দিয়ে বেরিয়ে সকলের উদ্দেশে মহাগুরুর বার্তা, ভালভাবে ভোট দিন, ওটা আপনার অধিকার।সকাল ৭.১১: ভোট শুরু হতেই বেলেঘাটায় জমায়েত ঘিরে বিশৃঙ্খলা। বুথের সামনে বাজার বসলে তা তুলে দেয় পুলিশ। তা নিয়েই বিক্রেতাদের সঙ্গে পুলিশের বচসা, উত্তেজনা। চলে লাঠিচার্জ, অশান্তি এড়াতে কয়েকজনকে আটক করা হয় বলে অভিযোগ।সকাল ৭.০৮: বীরভূমের সিউড়ির সদাইপুর গ্রামে ২৮১ নং বুথে অশান্তি। অভিযোগ, বুথে পৌঁছনোর আগেই সাধারণ ভোটারদের ভয় দেখানো, ভোটে বাধাদানের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বুথের বাইরে বোমাবাজি চলে বলেও অভিযোগ। আতঙ্কিত ভোটাররা। সকাল ৭.০২: বীরভূমের মুরারইয়ে সাফুয়ায় বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে।সকাল ৬.৫৩: ভোট শুরুর আগে এন্টালি কেন্দ্রে উত্তেজনা। বিজেপি পোলিং এজেন্টকে বাধা, কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ। কাঠগড়ায় শাসকদল। এ নিয়ে কমিশনে অভিযোগ দায়ের বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের। পরে বাহিনী ও পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। মধ্য কলকাতার এই কেন্দ্রে রয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা। সকাল ৬.৫০: মালদহের ইংরেজবাজারে বিজেপি কর্মীকে মারধরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে।সকাল ৬.৪৭: ভোটের সকাল থেকেই উত্তপ্ত অনুব্রতর গড়। বীরভূমের নানুরে ১৩১ নম্বর বুথে বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ।সকাল ৬.৩৮: মালদহের সুজাপুরে ভোট শুরুর আগেই উত্তেজনা। তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে লাঠিচার্জের অভিযোগ কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশের বিরুদ্ধে।সকাল ৬.৩০: বীরভূমের একাধিক বুথে বিজেপির এজেন্টকে বসতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ। বেলডি গ্রামের ঘটনায় অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে।সকাল ৬.২০: ভোটের আগের রাতে ব্যাপক বোমাবাজি নানুরে।

এপ্রিল ২৯, ২০২১
রাজ্য

বিক্ষিপ্ত অশান্তির মধ্যে শুরু ষষ্ঠ দফার ভোটগ্রহণ

আজ রাজ্যে চলছে ষষ্ঠ দফার ভোটগ্রহণ। চার জেলা উত্তর দিনাজপুর, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব বর্ধমানের মোট ৪৩ আসনে নির্বাচন। ভাগ্য নির্ধারণ হবে একাধিক হেভিওয়েট ও তারকা প্রার্থীদের। রইল রাজ্যের ভোট ষষ্ঠীর খুঁটিনাটি।সকাল ৯.২৮: খড়দহে ৭৬ নম্বর বুথে উত্তেজনা। বিজেপি এজেন্টকে মারধরের অভিযোগ। অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। সকাল ৯.২৭: সকাল নয়টা পর্যন্ত ২০শতাংশ ভোট পড়েছে উত্তর দিনাজপুরে।সকাল ৯.২৫: স্বরুপনগর বিধানসভার শায়েস্তানগর ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের লবঙ্গ সরকারপাড়া ২৭০ নম্বর বুথে হুমকি পোস্টার পড়ে। এলাকাবাসীরা দেখতে পান, সেই পোস্টারে লেখা আছে, বিজেপিতে ভোট দিলে বাঁচতে পারবে না। তোদের রাস্তা ধরে জমি দখল হয়ে যাবে। ফল খারাপ হবে। রাতে ঘুমোতে পারবে না। এই পোস্টার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।সকাল ৯.২৪: গলসি বিধানসভার কাঁকসার বনফুলঝোড় গ্রামের ৮ নম্বর সংসদে বিদ্যুৎ না থাকায় ভোটারেরা দেখতে অসুবিধা হচ্ছিল । জানা গিয়েছে দশ জনের মতো ভোটার ভোট দেওয়ার পরেই ভোট গ্রহণ বন্ধ রয়েছে। পরে বিদ্যুৎ সংযোগ ঠিক হলে প্রায় এক ঘন্টা পর শুরু হয় ভোট গ্রহণ। কাঁকসারই অজয়পল্লির ১৫ নম্বর বুথে ইভিএম মেশিন খারাপ । ভোটারেরা সকাল আলাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ইভিএম বদল করার পর শুরু হয় ভোট । পানাগড় ৭৭ নম্বর বুথে ইভিএম মেশিন খারাপ থাকায় আধঘণ্টার ভোট গ্রহণ বন্ধ থাকে এবং পরে আবার ভোট গ্রহণ শুরু হয় । পানাগড় বাজারে একটি বুথে বথ জ্যাম করার অভিযোগে এক তৃণমূল কর্মী আটক করার খবর আসছে ।কাঁকসা বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে ভোট গ্রহণ কেন্দ্রের সামনে বিজেপির পতাকা টাঙানো রয়েছে বলে অভিযোগ তৃণমূলের । বুদবুদের শুকডালে ১৩৪ নম্বর বুথে বুথ জ্যাম করছে তৃণমূল বলে অভিযোগ বিজেপির । বুদবুদের তিলডাঙ্গায় বিজেপির এজেন্ট বসতে দেয়নি তৃণমূল এমনটাই অভিযোগ বিজেপির । তাদের এজেন্টকে মারধর করার অভিযোগ করেছে বিজেপি । ২১৩ এবং ২১৪ নম্বর বুথে এজেন্ট বসতে দেয় নি এমনটাই অভিযোগ আনছে বিজেপি তৃণমূল উভয় পক্ষই ।সকাল ৯.১৪: বারাকপুর বিধানসভার ঘোষিপাড়ায় তৃণমূল প্রার্থী রাজ চক্রবর্তীকে ঘিরে বিক্ষোভ। উঠল গো ব্যাক স্লোগান। বিজেপি কর্মীরা তাঁকে ঘিরে জয় শ্রীরাম স্লোগান দেয় বলে খবর। সকাল ৯.১১: কেতুগ্রামে বোমাবাজির অভিযোগ। ১০১ নম্বর বুথে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ। সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতে বোমাবাজি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ বিজেপির। সকাল ৯.০৩: ভাতারের ১৮৫ নম্বর বুথে ইভিএম খারাপ।সকাল ৯.০২: আউশগ্রামের ৬৫ ও ৬৬ নম্বর বুথের সামনে তৃণমূল কর্মীদের ব্যাপক জমায়েত। ভয় দেখানোর অভিযোগ তুলেছে বিজেপি । আউশগ্রামের ৯১ নম্বর বুথে বিজেপির এজেন্ট বসতে বাধা। আউশগ্রামের ২২৭, ২২৭ এ, এবং ২২৮ এ ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে।সকাল ৮.৫৮: আমডাঙার বহিষগাছিতে উত্তেজনা। আইএসএফ ভোটারদের ভোটার কার্ড কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সকাল ৮.৫০: চোপড়ায় গুলি চলেনি বলে দাবি নির্বাচন কমিশনের। তাদের কথায়, গুলি চলার ঘটনা কেবলই রটনা। সকাল ৮.৪০: মঙ্গলকোট বিধানসভার ৯৪ ও ৯৫ নম্বর বুথে বিরোধীদলের এজেন্টদের বসতে দেওয়ায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ।সকাল ৮.৪১: আউশগ্রাম বিধানসভার প্রতাপপুরের ডাঙাপাড়া এলাকায় পুলিশকে হুঁশিয়ারি তৃণমূল নেতা অরূপ মিদ্যার। তাঁর কথায়, শীতলকুচি করতে যাবেন না। তিনদিন বাদে আমাদের সরকার আসছে। তখন আপনাকে দেখে নেব। এলাকায় বিজেপি ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগ উঠেছে ওই নেতার বিরুদ্ধে। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে বিজেপি।সকাল ৮.৩৭: আউশগ্রাম বিধানসভার ২২৩, ২২৪ বুথে ছাপ্পার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ করল বিজেপি। আউশগ্রামের ৫০ নম্বর বুথে বিজেপি সমর্থক পরিবারদের ভোট দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।সকাল ৮.৩৬: হাবড়ার বিভিন্ন বুথ পরিদর্শনে বিজেপির হেভিওয়েট প্রার্থী রাহুল সিনহা। জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী তিনি। সকাল ৮.২০: উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায় ভোটের আগের রাতে চলল গুলি। রাতে খুনিয়ায় একটি বাড়ির সামনে গুলি চলে বলে খবর। আতঙ্কিত গ্রামবাসীরা। ভোট দিতে যাবেন কিনা, তা নিয়ে চিন্তায় তাঁরা।সকাল ৮.১৯: তেহট্ট বিধানসভার সাধু বাজার শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের ১৬৫ নম্বর বুথে ইভিএম খারাপ ছিল। অবশেষে আটটা পাঁচে ভোটগ্রহণ শুরু হয়।সকাল ৮.১৪: পূর্বস্থলীর বিদ্যানগর গয়ারাম বিদ্যামন্দির স্কুলে ২৮ নম্বর বুথে ভোট দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল সভাপতি ও তৃণমূল প্রার্থী স্বপন দেবনাথ।

এপ্রিল ২২, ২০২১
দেশ

মহারাষ্ট্রে জারি জনতা কার্ফু

লকডাউন নয়, কড়া জনতা কার্ফু জারি হচ্ছে মহারাষ্ট্রে। মঙ্গলবার প্রশাসনিক এই সিদ্ধান্তের কথা জানালেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। বুধবার, ১৪ এপ্রিল রাত ৮টা থেকে ১ মে সকাল ৭টা পর্যন্ত এই কার্ফু জারি থাকবে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উদ্ধব এক ভিডিওবার্তায় জানিয়েছেন, মহারাষ্ট্র সরকার স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নতিতে কাজ করে চলেছে। কিন্তু যে ভাবে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে তাতে স্বাস্থ্য পরিষেবার উপর প্রবল প্রভাব পড়ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ওই বার্তায় তিনি বলেন, এখন রাজনীতি করার সময় নয়। প্রতিনিয়ত অক্সিজেনের চাহিদা বাড়ছে, হাসপাতালে শয্যার সংখ্যা কমে আসছে, ওষুধের চাহিদাও বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। তাই সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পুরো মহারাষ্ট্রেই জমায়েত রুখতে জারি করা হচ্ছে জনতা কার্ফু। বিশেষ কারণ ছাড়া বাইরে বেরনোর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হচ্ছে। সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি পরিষেবা, প্রতিষ্ঠান, কাজকর্ম বন্ধ রাখতে হবে। তবে চালু থাকবে জরুরি পরিষেবা। খোলা থাকবে থাকবে হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, স্বাস্থ্যবিমা অফিস, ওষুধের দোকান ও ওষুধ-কারখানা। স্যানিটাইজার, মাস্ক, টিকা সরবরাহ ও দেওয়ার কাজ চলবে সমান তালে। বিমান, ট্রেন, ট্যাক্সি, অটো, বাস চলবে। বন্ধ থাকবে শপিং মল, সিনেমা হল। তবে রেস্তরাঁ থেকে শুধু খাবার কিনে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকবে। রাজনৈতিক সভা, বিয়ে বাড়ি ও শ্রাদ্ধের মতো অনুষ্ঠান করতে হবে নামমাত্র লোক নিয়ে। ইতিমধ্যেই দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে।

এপ্রিল ১৩, ২০২১
রাজ্য

প্রথম দফায় ভোটারদের উদ্দেশ্যে টুইট প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বঙ্গ নির্বাচনের প্রথম দিনের সকালে বাংলায় টুইট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির । বাংলার ভোটারদের উদ্দেশে তাঁর আর্জি, রেকর্ড সংখ্যায় ভোট দিন। গণতন্ত্রের উৎসবে শামিল হন। তবে, নির্বাচন কমিশনের বেঁধে দেওয়া প্রোটোকল মেনে আলাদা করে কোনও দলের হয়ে ভোট চাননি মোদি।পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে আজ প্রথম পর্যায়ে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। যে বিধানসভার আসনগুলিতে ভোটগ্রহণ হচ্ছে, সেখানকার ভোটদাতাদের আমি রেকর্ড সংখ্যায় ভোটাধিকার প্রয়োগের অনুরোধ জানাই। Narendra Modi (@narendramodi) March 27, 2021শনিবার রাজ্যের ৫ জেলার ৩০ আসনে চলছে ভোটগ্রহণ। পুরুলিয়ার ৯, পূর্ব মেদিনীপুরের ৭, পশ্চিম মেদিনীপুরের ৬, বাঁকুড়ার ৪ এবং ঝাড়গ্রামের চার আসনে সকাল থেকেই চলছে ভোটগ্রহণ। সকাল থেকে রাজ্যের বিভিন্ন বুথে ভোটারদের উপস্থিতিও চোখে পড়ার মতো। জঙ্গলমহল এলাকায় ভোট হওয়া সত্ত্বেও ভোটের আগে সন্ত্রাসের কোনও আবহ তৈরি হয়নি। এমনকী, বিগত বছরগুলিতে যেভাবে ভোট বয়কটের হুমকি দেওয়া হত, সেটাও এবার নেই। ভোটাররা যাতে নির্ভয়ে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে মরিয়া কমিশন । প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও এদিন সাতসকালে ভোটারদের উদ্দেশে রেকর্ড সংখ্যায় গণতন্ত্রের উৎসবে শামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এদিন ভোট শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই বাংলায় টুইট করেন মোদি। তিনি বলেন,পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে আজ প্রথম পর্যায়ে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। যে বিধানসভার আসনগুলিতে ভোটগ্রহণ হচ্ছে, সেখানকার ভোটদাতাদের আমি রেকর্ড সংখ্যায় ভোটাধিকার প্রয়োগের অনুরোধ জানাই। মোদির পাশাপাশি বাংলায় টুইট করে ভোটদানে অনুরোধ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহও।আমি পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফার ভোটারদের কাছে অনুরোধ করছি যে বাংলার গৌরবকে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে অধিক থেকে অধিকতর সংখ্যায় ভোটদান করুন।আপনার একটি ভোট সুভাষ চন্দ্র বসু, গুরুদেব ঠাকুর এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর মতন মহাপুরুষের চিন্তাধারা অনুযায়ী বাংলা গঠনের স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করবে। Amit Shah (@AmitShah) March 27, 2021মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও টুইট করে ভোটারদের উদ্দেশে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের আরজি জানিয়েছেন। শনিবার সকালে তাঁর টুইট, বাংলার সকল মানুষকে আমি অনুরোধ করব নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করুন, সবাই আসুন, ভোট দিন।বাংলার সকল মানুষকে আমি অনুরোধ করব নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করুন, সবাই আসুন, ভোট দিন।I call upon the people of Bengal to exercise their democratic right by coming out and voting in large numbers. Mamata Banerjee (@MamataOfficial) March 27, 2021

মার্চ ২৭, ২০২১
কলকাতা

গ্রিন করিডোর করে এসএসকেএম-এ আনা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীকে, কীভাবে এগোচ্ছে ঘটনাক্রম? জানুন

রাত ৮.৫০: নন্দীগ্রাম থেকে কলকাতায় পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাত ৮.৫৫: অ্যাম্বুল্যান্স থেকে স্ট্রেচারে করে উডবার্ন ওয়ার্ডে নিয়ে যাওয়া হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।রাত ৯.০০: চোট কতটা গুরুতর, দেখতে পায়ের এক্স-রে করছেন চিকিৎসকরা। রাত ৯.০৫: হাসপাতালের বাইরে মুখ্যমন্ত্রীর আরোগ্য কামনায় জড়ো হয়েছে বহু মানুষ।রাত ৯.০৭: হাসপাতালে এলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। হাসপাতালের বাইরে তৃণমূল সমর্থকরা স্লোগান দিচ্ছেন।রাত ৯.১৭: হাসপাতালের বাইরে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ। রাত ৯.১৮: বর্ধমান, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, মেদিনীপুরের নানা জায়গায় বিক্ষোভ চলছে। রাত ৯.২০: হাসপাতালে রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ রায়, সাধন পাণ্ডেরা। রাত ৯.২৫: নন্দীগ্রামে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের প্রতিবাদে মুর্শিদাবাদের নিউ ফরাক্কা ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে তৃনমুল প্রার্থী মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে অবরোধ করে বিক্ষোভ।রাত ৯.২৭: এটা চক্রান্ত করে করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীকে মুখটা খুলতে দিন আমরা ভয়ঙ্কর আন্দোলনে নামব ওরা তখন বুঝতে পারবে। নির্বাচন কমিশন এর জন্য দায়ী। এটা বিজেপির চক্রান্ত। বাংলার মেয়েকে মারবে বাংলার মানুষ তা মেনে নেবে না। ভয়ঙ্কর আন্দোলন হবে। হুংকার অনুব্রত মণ্ডলের।রাত ৯.৩৩: মমতা চাইলে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দেওয়া হবে। জানাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।রাত ৯.৩৪: রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সিইও আরিজ আফতাবকে ফোন সুদীপ জৈনের। মমতার চোট প্রসঙ্গে জানতে চেয়েছে কমিশন। রাত ৯.৩৫: সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ অবরোধ করে বিক্ষোভ তৃণমূল সমর্থকদের। রাত ৯.৪৪: প্রবল যন্ত্রণা উপশম করতে অ্যানাস্থেশিয়া করা হল মুখ্যমন্ত্রীর। তাঁর শারীরিক অবস্থা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রাত ৯.৪৯: রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের কনভয় লক্ষ্য করে জুতো ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ বিজেপির। জগদীপ ধনখড়ের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ, স্লোগান।রাত ৯.৫০: চেতলায় রাস্তা অবরোধ। রাত ৯.৫৫: পুলিশ ঘিরে ধরে রাজ্যপালের কনভয় বের করল হাসপাতাল চত্বর থেকে।রাত ৯.৫৭: বৃহস্পতিবার রাজ্যজুড়ে তৃণমূলের অবস্থান বিক্ষোভ, প্রতিবাদ মিছিল। গোটা ঘটনার কথা লিখিত আকারে নির্বাচন কমিশনে জমা করবে তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। রাত ১০.০০: উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভ।রাত ১০.০৪: মুখ্যমন্ত্রীর কাঁধে-কোমরে-মাথায় আঘাত লেগেছে মুখ্যমন্ত্রীর। রাতে হাসপাতালে থাকতে হতে পারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।রাত ১০.২৪: সিটি স্ক্যান করার ভাবনা। হতে পারে এমআরআই-ও। নিয়ে যাওয়া হয়েছে বাঙুরে। জানালেন চিকিৎসকরা।

মার্চ ১০, ২০২১
বিদেশ

আজ শুরু ট্রাম্পের ইমপিচমেন্ট শুনানি

আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইমপিচমেন্ট নিয়ে শুনানি শুরু হতে চলেছে মঙ্গলবার। সোমবারই এ ব্যাপারে সম্মতি জানিয়েছেন সেনেটের সদস্যরা। সেনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা চার্লস শুমার বলেছেন, দুই হাউসের ম্যানেজার, ট্রাম্পের আইনজীবী, ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকান নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।মঙ্গলবার সেনেটে ভোট হবে। তার পর বিতর্কসভা। সেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে গেলে তাঁর ইমপিচমেন্টে আর কোনও বাধা থাকবে না বলেও জানিয়েছেন শুমার। তিনি বলেন, গোটা প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছতার সঙ্গেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা মিচ ম্যকোনেল আবার বলেছেন, সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে বিষয়টি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য দুই হাউস সম্মতি দিয়েছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই গোটা প্রক্রিয়াটি শেষ করার চেষ্টা করা হবে। উল্লেখ্য, ক্যাপিটল বিল্ডিংয়ে হামলা এবং হিংসায় ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগে গত মাসে হাউস অব রিপ্রেসেন্টেটিভস ট্রাম্পকে ইমপিচ করে। তার পর সেই প্রস্তাব যায় সেনেটে। এ বিষয়ে দুই কক্ষে একটা টানাপড়েন চলছিল। ফলে ট্রাম্পের ইমপিচমেন্টের প্রক্রিয়াটি এগিয়ে নিয়ে যেতে সমস্যা হচ্ছিল বলে প্রশাসন সূত্রে খবর। তবে মঙ্গলবার থেকে সেনেটে সেই প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২১
দেশ

রবি ঠাকুরকে স্মরণ করে শুরু বাজেট বক্তৃতা

কোভিড পরিস্থিতিতে ব্যাপক ধাক্কা খেয়েছে ভারতের অর্থনীতি। এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ বাজেট পেশ করছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। মন্দা কাটিয়ে দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করাই এবারের বাজেটের মূল লক্ষ্য। সাধারণ বাজেট ২০২১ সংক্রান্ত সমস্ত লাইভ আপডেট:সকাল ১০.১২: সংসদে পৌঁছলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। সকাল ১০.২১: বাজেট পেশের আগে ক্যাবিনেট বৈঠকে মন্ত্রীরা। সকাল ১০.৩৩: লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা সংসদে পৌঁছলেন। সকাল ১০.৪৫: ক্যাবিনেট বাজেটকে ছাড়পত্র দিল। সকাল ১০.৫৫: বাজেটে কর্মসংস্থানের হদিশ দিতে হবে, দাবি কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধির। সকাল ১১.০১: বাজেট পেশ করছেন নির্মলা সীতারমণ। সকাল ১১.০৫: গত এক বছর ধরে নানা নতুন প্রকল্প শুরু করেছে কেন্দ্র। সেই খতিয়ান তুলে ধরছেন অর্থমন্ত্রী। সকাল ১১.০৭: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার আবৃত্তি করে বাজেট পেশ শুরু করলেন নির্মলা সীতারমণ।সকাল ১১.১৩: স্বাস্থ্যক্ষেত্রে নয়া ঘোষণা। আত্মনির্ভরতায় জোর। বরাদ্দ ৫৪ হাজার কোটি। বরাদ্দ বাড়ল ১৩৭ শতাংশ।সকাল ১১.১৫: পুষ্টিক্ষেত্রে নয়া প্রকল্প কেন্দ্রের।সকাল ১১.১৭: বিশুদ্ধ জল শহরে পৌঁছে দিতে মোটা টাকা বরাদ্দ কেন্দ্রের। দূষণ রুখতে নয়া নীতি। সকাল ১১.১৮: ২০ বছর পর ব্যক্তিগত পুরনো গাড়ির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হবে। সকাল ১১.২০: কোভিড ভ্যাকসিন খাতে ৩৫ হাজার কোটি। সকাল ১১.২২: ইনসেনটিভ ভিত্তিক উৎপাদনে জোর। সকাল ১১.২৩: বস্ত্রশিল্প ক্ষেত্রে বিনিয়োগ পার্ক তৈরি করবে কেন্দ্র। ৭ বস্ত্রশিল্প পার্ক তৈরি হবে। বিশ্বমানের রপ্তানি পরিকাঠামো তৈরি হবে। সকাল ১১.২৪: অ্যাসেট মনিটাইজিং প্রোগ্রাম শুরু।সকাল ১১.২৭: ক্যাপিটাল এক্সপেনডেচার বাড়ানো হল। ৫.৫৪ লক্ষ কোটি বরাদ্দ। সকাল ১১.২৮: রাস্তা ও হাইওয়ে তৈরির ক্ষেত্রে ভারতমালা প্রকল্পে জোর। কলকাতা-শিলিগুড়ি হাইওয়ে ও অসমের রাস্তা উন্নয়নে মোটা টাকা বরাদ্দ। আগামী তিন বছরে খরচ হবে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২১
দেশ

ইজরায়েলের দূতাবাসের সামনে আইইডি বিস্ফোরণ

দিল্লিতে ইজরায়েলের দূতাবাসের সামনে আইইডি বিস্ফোরণ। ঘটনায় এখনও কারও হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। তবে বিস্ফোরণে বেশ কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দিল্লির পুলিশপ্রধান ও কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গেও এই বিষয়ে আলোচনা করছেন শাহ। দিল্লি পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, শুক্রবার বিকেলে প্রচণ্ড শব্দে কেঁপে উঠে দূতাবাস সংলগ্ন এলাকা। জানা যায়, দূতাবাস থেকে প্রায় ৫০ মিটার দূরে জিন্দাল হাউসে আইইডি বিস্ফোরণ ঘটে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও প্রাণহানি ঘটেনি বলে জানিয়েছে তাঁরা। গোটা বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মনে করা হচ্ছে এটা সন্ত্রাসবাদী হামলা। ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্তকারী দল। ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত রন মালকা জানিয়েছেন দূতাবাসের সমস্ত কর্মীরা সুরক্ষিত আছেন। উল্লেখ্য, রাজধানীর বিজয়চক থেকে মাত্র ২ কিলোমিটার দূরেই বিস্ফোরণটি ঘটেছে। সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে আজ সেখানে বিটিং দ্য রিট্রিট অনুষ্ঠান চলছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। এদিকে, দিল্লি সীমান্তে চলছে কৃষক বিক্ষোভও। এহেন পরিস্থিতিতে রাজধানীর বুকে বিস্ফোরণে রীতিমতো নড়েচড়ে বসেছে নিরাপত্তা মহল।Delhi: Forensic Science Laboratory (FSL) team has reached the low-intensity explosion site near Jindal House. pic.twitter.com/nbUKtOV4Uc ANI (@ANI) January 29, 2021উল্লেখ্য, এর আগে ২০১২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে ইজরায়েলের কূটনীতিকের গাড়িতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ইরানের হাত থাকার অভিযোগ উঠেছিল। ফলে রীতিমতো কূটনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছিল তেল আভিভ, নয়াদিল্লি ও তেহরানের মধ্যে।

জানুয়ারি ২৯, ২০২১
দেশ

আজ শুরু বাজেট অধিবেশন

কোভিড পরিস্থিতি, কৃষক বিক্ষোভের মধ্যেই আজ থেকে সংসদে বাজেট অধিবেশন শুরু হয়েছে বাজেট অধিবেশন। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি সংসদে বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত অধিবেশন চলবে। তবে বিতর্কিত কৃষি আইন নিয়ে অপ্রিয় প্রশ্নে কেন্দ্রকে কোণঠাসা করতে মুখিয়ে রয়েছেন বিরোধীরা। সেই সঙ্গে কোভিডকালে দেশের ঝিমিয়ে পড়া অর্থনীতি নিয়েও প্রশ্নের মুখে পড়তে পারেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে।কোভিড পরিস্থিতিতে ৩টি আলাদা জায়গায় সমস্ত সাংসদদের বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।শুধু কৃষক আন্দোলনই নয়, এ বারের বাজেটে দেশের অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতি এবং তা নিয়ে অপ্রিয় প্রশ্ন সরকারের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ কেন্দ্র ভূরি ভূরি দাবি করলেও, অর্থনীতি সে ভাবে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে না বলে মত অর্থনীতিবিদদের একাংশের। বরং চলতি অর্থবর্ষে দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের হার ২৫ শতাংশ কমতে পারে বলে আশঙ্কা তাঁদের। কোভিড পরিস্থিতিতে অধিবেশনের জন্য বিশেষ সতর্কতাও অবলম্বন করা হচ্ছে। উপ রাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নায়ডু এবং অন্য সাংসদরা ইতিমধ্যেই কোভিড টেস্ট করিয়েছেন। কর্মী, আধিকারীক মিলিয়ে রাজ্যসভা সেক্রেটারিয়েট থেকে মোট ১২০০ জন কোভিড টেস্ট করিয়েছেন। এঁদের কারুরই টেস্ট পজিটিভ আসেনি বলে খবর।

জানুয়ারি ২৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

‘যারা ব্যাট করবে, তারাই আম্পায়ার বাছবে?’ নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক মন্তব্য

নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের নিয়ম নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হল বুধবার। ২০২৩ সালের আইনকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া মামলায় নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের পদ্ধতি এবং কমিশনের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শুনানির সময় ক্রিকেটের আম্পায়ারের উদাহরণ টেনে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত।২০২৩ সালের আইনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগের জন্য তিন সদস্যের একটি বাছাই কমিটি রয়েছে। সেই কমিটিতে থাকেন প্রধানমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর মনোনীত এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এর আগে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী ব্যবস্থায় এই কমিটিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধী দলনেতা এবং প্রধান বিচারপতির থাকার কথা বলা হয়েছিল। পরে সংসদে নতুন আইন পাশ হওয়ার পর প্রধান বিচারপতির জায়গায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে রাখা হয়।এই নিয়োগ পদ্ধতিকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়েছে। বুধবার সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চে মূল বিষয়ে মতভেদ দেখা যায়। বিচারপতি দত্তের মতে, বিষয়টি আগের সাংবিধানিক নীতির ভিত্তিতে বিচার করা যেতে পারে। অন্য দিকে বিচারপতি শর্মা মনে করেন, মামলায় গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রশ্ন রয়েছে। শেষ পর্যন্ত মামলাটি বৃহত্তর সাংবিধানিক বেঞ্চে পাঠানোর জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে বিষয়টি পাঠাতে দুই বিচারপতিই সম্মত হন।শুনানির সময় নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের পদ্ধতি নিয়ে ক্রিকেটের উদাহরণ দেন বিচারপতি দত্ত। তিনি বোঝান, কোনও দল যদি নিজেরাই আম্পায়ার বেছে নেয়, তা হলে সেই আম্পায়ার সঠিক সিদ্ধান্ত নিলেও তাঁর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। আম্পায়ার নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করলেও তাঁকে নিয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রশ্ন উঠতে পারে বলে ইঙ্গিত করেন বিচারপতি দত্ত। তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল, কমিশনের স্বাধীনতা শুধু বাস্তবে থাকলেই হবে না, সাধারণ মানুষের কাছেও সেই স্বাধীনতা দৃশ্যমান হওয়া প্রয়োজন। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি মন্তব্য করেন।বিচারপতি দত্ত আরও প্রশ্ন তোলেন, প্রধানমন্ত্রী মনোনীত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিরোধে যাবেন কি না। তাঁর পর্যবেক্ষণ ছিল, এই পরিস্থিতিতে তিন সদস্যের কমিটিতে বিরোধী দলনেতার উপস্থিতি কতটা কার্যকর, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে এগুলি মামলার শুনানিতে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ; আদালত এখনও ২০২৩ সালের আইনকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেনি।এই মামলার সূত্রেই ২০২৩ সালের আইন এবং তার আগে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী নিয়োগ ব্যবস্থার পার্থক্যও সামনে এসেছে। ২০২৩ সালের সাংবিধানিক বেঞ্চের রায়ে সংসদ আইন না করা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা এবং প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে কমিটির মাধ্যমে নিয়োগের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরে সংসদ আইন করে সেই কাঠামোয় পরিবর্তন আনে।এদিকে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্কের মধ্যেই নিয়োগ পদ্ধতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এই শুনানি বিশেষ তাৎপর্য পেয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই নির্বাচন কমিশনার একাধিক বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। নির্বাচন কমিশন অবশ্য সেই প্রতিবেদনে ওঠা মতবিরোধের দাবি নস্যাৎ করে জানিয়েছে, এসআইআর-সহ কমিশনের সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে।ফলে এক দিকে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের বর্তমান পদ্ধতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে সাংবিধানিক প্রশ্ন, অন্য দিকে কমিশনের অভ্যন্তরীণ কাজকর্ম নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কদুই বিষয়ই একই সময়ে আলোচনায় এসেছে। এখন নজর থাকবে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের কাছে যাওয়ার পর এই মামলায় পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠিত হয় কি না এবং শেষ পর্যন্ত ২০২৩ সালের নিয়োগ আইন নিয়ে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বিরাট খবর! মার্চের মধ্যে দেড় লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগ

রাজ্যে সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বড় খবর। বুধবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে চলতি অর্থবর্ষের মধ্যে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদ পূরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, আগামী মার্চের মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন দপ্তর মিলিয়ে ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রাজ্য পুলিশে ১৬ হাজার এবং কলকাতা পুলিশে ৪ হাজার পদ রয়েছে।দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে বহু পদ খালি পড়ে রয়েছে। কর্মীর সংখ্যা কম থাকায় একাধিক দপ্তরে কাজের চাপ বেড়েছে। সাধারণ মানুষকে সরকারি পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রেও কর্মী ঘাটতির প্রভাব পড়ছে বলে প্রশাসনিক মহলে আলোচনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শূন্যপদ পূরণে জোর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর।এর আগে বিভিন্ন দপ্তরকে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা শূন্যপদগুলির মধ্যে কোন পদগুলি দ্রুত পূরণ করা প্রয়োজন, তা চিহ্নিত করতে বলা হয়েছিল। সব শূন্যপদ একসঙ্গে পূরণ না করে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল।বুধবারের ক্যাবিনেট বৈঠকের পর সেই নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও গতি পেতে চলেছে বলেই প্রশাসনিক সূত্রে জানা যাচ্ছে। মোট ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদের মধ্যে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশ মিলিয়ে ২০ হাজার পদ রয়েছে। রাজ্য পুলিশে ১৬ হাজার এবং কলকাতা পুলিশে ৪ হাজার পদ পূরণের কথা বলা হয়েছে।চলতি বছরে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ নিয়ে রাজ্য সরকারের বাজেটেও বড় ঘোষণা হয়েছিল। জুনে পেশ করা ২০২৬-২৭ সালের পূর্ণাঙ্গ বাজেটে এক লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগের কথা জানানো হয়েছিল। তার মধ্যে পুলিশ বিভাগে ২০ হাজার এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে ৫০ হাজার পদে নিয়োগের কথা বলা হয়েছিল।এখন বুধবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন দপ্তর মিলিয়ে ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদ পূরণের যে খবর সামনে এসেছে, তাতে চাকরিপ্রার্থীদের নজর স্বাভাবিক ভাবেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি এবং পরবর্তী সরকারি নির্দেশিকার দিকে। কোন দপ্তরে কত পদ, কোন পদে কী যোগ্যতা এবং নিয়োগের পদ্ধতি কী হবে, তা সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে।দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকা সরকারি পদগুলি পূরণ হলে এক দিকে যেমন বহু চাকরিপ্রার্থী নিয়োগের সুযোগ পাবেন, অন্য দিকে সরকারি দপ্তরগুলির কর্মী ঘাটতিও কিছুটা কমতে পারে। তবে কবে থেকে আবেদন শুরু হবে এবং কোন কোন পদে ধাপে ধাপে নিয়োগ হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য সরকারি বিজ্ঞপ্তির অপেক্ষা করতে হবে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ধুঁয়াধার অ্যাকশনে রাহুল গান্ধী, মোদী সরকারের রক্তচাপ বাড়িয়ে এবার 'বিস্ফোরক' মন্তব্য

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা Special Intensive Revision (SIR) ঘিরে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ফের সরব হলেন কংগ্রেস নেতা তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। নির্বাচন কমিশনের অন্দরে SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তির খবর প্রকাশ্যে আসার পর বুধবার কমিশনকে নিশানা করে একাধিক অভিযোগ তোলেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X-এ একটি ভিডিয়ো শেয়ার করে রাহুলের দাবি, ভোট চুরি দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ এবং সংবিধানের উপর সরাসরি আঘাত।রাহুল গান্ধী লেখেন, ভারতে ভোট চুরি দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ এবং আমাদের সংবিধানের উপর সরাসরি আক্রমণ। বিজেপি, আরএসএস এবং নির্বাচন কমিশন যারা এটি করেছে, তারা রাষ্ট্রদ্রোহিতার কাজ করেছে। ভিডিয়ো বার্তাতেও নির্বাচন কমিশন ও ভোট আধিকারিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তাঁরা যা করছেন তা ভুল এবং এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা সিংভিরএই বিতর্কে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকেও নিশানা করেছেন কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা তথা আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। তাঁর অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমার দেশের মানুষ এবং নির্বাচন কমিশনের অন্যান্য সদস্যদের বিভ্রান্ত করেছেন। সিংভির দাবি, নির্বাচন কমিশনে সিদ্ধান্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে নেওয়ার কথা হলেও কমিশনের অভ্যন্তরে এক ধরনের ইন্টারনাল বুলডোজার কাজ করছে।সিংভি আরও অভিযোগ করেন, একজন ব্যক্তির হাতেই যদি কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হয়ে থাকে, তাহলে বাকি নির্বাচন কমিশনারদের ভূমিকা কীসেই প্রশ্ন উঠছে। তাঁর বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন একটি সংখ্যাগরিষ্ঠতাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান।তদন্তের দাবি প্রিয়াঙ্কারবিতর্কে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরাও। তাঁর দাবি, রাহুল গান্ধী দীর্ঘদিন ধরেই নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসছেন। নির্বাচন কমিশনাররাই যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রিয়াঙ্কার কথায়, এই বিষয়টি তদন্ত করা প্রয়োজন। এটিকে হালকা ভাবে নেওয়া উচিত নয়। নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে ওঠা অভিযোগের তদন্তেরও দাবি জানান তিনি।কী রয়েছে রিপোর্টে?বুধবার প্রকাশিত দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশি গত ১০ মাসে SIR এবং ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও নির্দেশ নিয়ে অন্তত ১৪ বার আনুষ্ঠানিক আপত্তি জানিয়েছিলেন। প্রতিবেদনের দাবি, একটি দিনেই চারটি আপত্তি জানানো হয়েছিল।রিপোর্ট অনুযায়ী, Form 6-এ পরিবর্তন, ভোটার ডেটাবেসে অ্যাক্সেস কেন্দ্রীভূত করা, ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া এবং নতুন ভোটার যুক্ত করার মতো বিষয় নিয়ে আপত্তি উঠেছিল। কিছু সিদ্ধান্ত তাঁদের অজ্ঞাতে নেওয়া হয়েছে বলেও দুই কমিশনারের তরফে আপত্তি জানানো হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।এছাড়া ভোটার সংক্রান্ত সফটওয়্যারের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহারের বিষয়েও দুই কমিশনার উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে ক্যাবিনেট সচিবের সঙ্গে চিঠিপত্র চালাচালির কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন SIR নিয়ে কমিশনের অন্দরে কোনও বিভাজনের দাবি খারিজ করেছে। কমিশনের বক্তব্য, নোট, পর্যবেক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত পরামর্শ দেওয়া প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ারই অংশ এবং SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের অনুমোদনেই নেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

'জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতার করে পুরনো ভোটার তালিকায় বাংলায় ভোট', এবার মমতার তোলপাড় ফেলা দাবি, কিন্তু কেন?

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে মতপার্থক্যের খবর প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে সরব হলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতারের দাবি তোলার পাশাপাশি পুরনো ভোটার তালিকা অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে ফের বিধানসভা নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন তিনি।দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি প্রতিবেদনের উল্লেখ করে মমতা অভিযোগ করেন, SIR প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্য আপত্তি তুলেছিলেন। তাঁর দাবি, এতদিন যে অভিযোগগুলি তৃণমূলের পক্ষ থেকে করা হচ্ছিল, সাম্প্রতিক রিপোর্টে তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। তবে নির্বাচন কমিশন কমিশনের অন্দরে বিভাজন বা অনিয়মের অভিযোগ খারিজ করে জানিয়েছে, SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের অনুমোদনেই নেওয়া হয়েছে।একটি ভিডিয়ো বার্তায় জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা করে মমতা বলেন, তাঁর পদে থাকার কোনও নৈতিক অধিকার নেই এবং তাঁকে গ্রেফতার করা উচিত। এই দাবিতে দেশজুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলনেরও ডাক দেন তিনি। মমতার অভিযোগ, বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন মিলে সংবিধান ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে।জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগমমতা আরও অভিযোগ করেন, জ্ঞানেশ কুমার পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করেছেন। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক বিরোধীদের বিরুদ্ধে পুলিশকে ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকী বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে এবং রাজি না হলে জেলে পাঠানোর হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।পুরনো ভোটার তালিকায় পুনর্নির্বাচনের দাবিSIR নিয়ে সাম্প্রতিক রিপোর্টের প্রসঙ্গ তুলে মমতা দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে কারচুপি সংক্রান্ত তাঁদের অভিযোগ এখন আরও জোরালো হয়েছে। তাঁর দাবি, পুরনো ভোটার তালিকা ফিরিয়ে এনে বাংলায় নতুন করে নির্বাচন করতে হবে।মমতা আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে ইন্ডিয়া জোটের শরিক দলগুলির সঙ্গে আলোচনা করা হবে। তাঁর বক্তব্য, যতদিন জ্ঞানেশ কুমার মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদে থাকবেন, ততদিন দেশজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে।এত বড় কেলেঙ্কারি আগে কখনও হয়নিনির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র আক্রমণ করে মমতা বলেন, এত বড় কেলেঙ্কারি আগে কখনও হয়নি। তাঁর অভিযোগ, পুলিশকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং বিরোধী মতের মানুষের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, কমিশনারদের মধ্যে নোট, পর্যবেক্ষণ বা প্রযুক্তিগত বিষয়ে মতামত বিনিময় প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ারই অংশ। SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে তিন নির্বাচন কমিশনারের সম্মতি ছিল বলেও কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
কলকাতা

নওশাদের আইএসএফের প্রতীক হাতছাড়া, হাই কোর্টে উঠল কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে বড় প্রশ্ন

ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক খাম নিয়ে নতুন করে আইনি জট তৈরি হয়েছে। প্রতীকটি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে নওশাদ সিদ্দিকীর দল। বুধবার বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের এজলাসে মামলাটির শুনানি হয়। শুনানির পর নির্বাচন কমিশনের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার ফের এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।২০২১ সালে রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট। দলটির প্রতিষ্ঠাতা ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী। শুরু থেকেই দলের নেতৃত্বে রয়েছেন তাঁর ভাই নওশাদ সিদ্দিকী। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভাঙড় কেন্দ্র থেকে খাম প্রতীক নিয়ে লড়ে জয়ী হয়েছিলেন নওশাদ।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও ভাঙড় থেকে একই খাম প্রতীক নিয়ে লড়াই করে জয় পান নওশাদ। আইএসএফের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই এই প্রতীক দলের সঙ্গে যুক্ত। চলতি বছরের মার্চেও প্রতীকটি নিয়ম মেনে নথিভুক্ত করা হয়েছিল বলে আদালতে দাবি করা হয়েছে।কিন্তু উপনির্বাচনের আগে পরিস্থিতি বদলে যায়। নির্বাচন কমিশন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেসকে খাম প্রতীক বরাদ্দ করে। অন্য দিকে, আইএসএফকে দেওয়া হয় আলমারি প্রতীক। এই সিদ্ধান্তের পরই আপত্তি জানিয়ে কমিশনের কাছে চিঠি দেন নওশাদ। পরে প্রতীক ফিরে পাওয়ার দাবিতে হাই কোর্টে মামলা করে আইএসএফ।বুধবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণ রাও নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীর কাছে জানতে চান, একই প্রতীক কীভাবে দুটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। আদালতের প্রশ্ন ছিল, একই প্রতীক নিয়ে দুটি দল নির্বাচনে অংশ নেবে কীভাবে। এই বিষয়ে কমিশনের বক্তব্য জানার পাশাপাশি রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আইএসএফের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য, ২০২১ সাল থেকে খাম প্রতীকটি আইএসএফ ব্যবহার করে আসছে। সেই প্রতীকই পরে অন্য একটি রাজনৈতিক দলকে দেওয়া হয়েছে। ফলে কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বলে আদালতে দাবি করেন তিনি।অন্য দিকে, নির্বাচন কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, আইএসএফ একটি অনস্বীকৃত রাজনৈতিক দল এবং তাদের জন্য খাম কোনও সংরক্ষিত প্রতীক নয়। কমিশনের যুক্তি, এই ধরনের প্রতীক অবাধ বা মুক্ত প্রতীকের তালিকায় থাকলে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে তা অন্য দলকেও দেওয়া যেতে পারে।এই যুক্তির পরেই আদালত জানতে চায়, একই প্রতীক নিয়ে দুটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নেবে কী ভাবে। বিষয়টি স্পষ্ট করতে কমিশনের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। ফলে বৃহস্পতিবারের শুনানির দিকে এখন নজর রয়েছে।প্রসঙ্গত, নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগে খাম প্রতীক নিয়ে আইএসএফ ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে এই আইনি লড়াই নতুন মাত্রা পেয়েছে। তবে আদালত এখনও প্রতীকটি আইএসএফকে ফিরিয়ে দেওয়ার কোনও চূড়ান্ত নির্দেশ দেয়নি।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশ থেকে ফিরেই বিস্ফোরক অভিষেক! ‘বাংলার অভিশাপ লেগে গিয়েছে’, নিশানায় বিজেপি

প্রায় তিন সপ্তাহ বিদেশে থাকার পর চোখের চিকিৎসা সেরে কলকাতায় ফিরলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার দমদম বিমানবন্দরে পৌঁছে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্ক নিয়েও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন অভিষেক।দমদম বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে অভিষেক বলেন, বাংলার অভিশাপ লেগে গিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, জোর করে বাংলা দখল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। বিজেপির পরিস্থিতি সারা দেশেই খারাপ বলে দাবি করেন তিনি। ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।অভিষেক আরও বলেন, সাংবিধানিক পদে বসিয়ে কোনও প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করা হলে তার ফল ভুগতে হবে। তাঁর কথায়, যাঁরা এই ধরনের কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের ভবিষ্যতে জেলে যেতে হতে পারে। বিচারব্যবস্থা থেকে নির্বাচন কমিশনকোনও প্রতিষ্ঠানকে নিজের মতো করে চালানো যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।ভোটার তালিকা নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কের প্রসঙ্গও উঠে আসে অভিষেকের বক্তব্যে। যাঁরা ভোট দিতে পারেননি, তাঁদের চোখের জল বৃথা যাবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। ভোটাধিকার নিয়ে যে কোনও অভিযোগের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বার্তাও তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে।এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশনের অন্দরমহল নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ্যে এসেছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশী অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক দিনেই চারটি আপত্তি জানানো হয়েছিল।প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন ভোটারদের নাম নথিভুক্ত করা, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং বাদ পড়া নাম ফেরানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও দুই কমিশনার প্রশ্ন তুলেছিলেন। ভোটার তালিকার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ আরও কেন্দ্রীয়করণের বিষয়েও তাঁদের আপত্তি ছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।নতুন ভোটারদের জন্য ব্যবহৃত ছয় নম্বর ফর্মে সংশোধন নিয়েও আপত্তির কথা প্রকাশ্যে এসেছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নতুন ফর্মে আবেদনকারীর নিজের বা তাঁর বাবা-মা কিংবা দাদু-ঠাকুমার নাম আগের বিশেষ নিবিড় সংশোধনের ভোটার তালিকায় ছিল কি না, সেই তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছিল। এই পরিবর্তনকে দুই কমিশনারের তরফে অননুমোদিত এবং বেআইনি বলে আপত্তি জানানোর কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।তবে নির্বাচন কমিশন এই ধরনের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধের ব্যাখ্যা নিয়ে প্রকাশিত দাবিকে নস্যাৎ করেছে। কমিশনের বক্তব্য, বিশেষ নিবিড় সংশোধন-সহ কমিশনের সমস্ত সিদ্ধান্ত সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত মতামত বা নথিতে কোনও প্রশ্ন তোলা হয়ে থাকলেও সেটিকে কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সঙ্গে এক করে দেখা যায় না বলে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, এই প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর তৃণমূলের তরফে তদন্তের দাবি উঠেছে। অভিষেকও এর আগে সামাজিক মাধ্যমে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরানোর দাবি জানিয়েছিলেন। আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্ত করে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখার দাবিও জানিয়েছিলেন তিনি।অভিষেকের অভিযোগ ছিল, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে যদি কোনও ভাবে বহু মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়ে থাকে, তা গণতন্ত্রের জন্য গুরুতর বিষয়। তবে এই অভিযোগ রাজনৈতিক দাবি হিসাবেই রয়েছে; নির্বাচন কমিশন তা গ্রহণ করেনি।ফলে এক দিকে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্যের লিখিত আপত্তির দাবি, অন্য দিকে কমিশনের সর্বসম্মতির বক্তব্যদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আর বিদেশ থেকে চিকিৎসা সেরে কলকাতায় ফিরেই এই প্রসঙ্গে অভিষেকের কড়া মন্তব্য সেই বিতর্কে আরও রাজনৈতিক উত্তাপ যোগ করেছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
দেশ

এসআইআর নিয়েই নির্বাচন কমিশনে বিস্ফোরণ! ১০ মাসে ১৪ বার আপত্তি দুই কমিশনারের

ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই মতবিরোধের দাবি ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু এবং বিবেক যোশী অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের আপত্তির মধ্যে নতুন ভোটারের নাম যোগ করা, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং বাদ পড়া নাম ফের যুক্ত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফর্ম ছয়ে পরিবর্তন আনা নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই কমিশনার। নতুন ভোটারদের নাম ভোটার তালিকায় তোলার জন্য এই ফর্ম ব্যবহার করা হয়। সম্প্রতি ফর্মে এসআইআর সংক্রান্ত কিছু নতুন তথ্য চাওয়া হয়েছিল। সেখানে নতুন ভোটারকে জানাতে হত, আগের এসআইআরের ভোটার তালিকায় তাঁর নিজের, বাবা-মা অথবা দাদু-ঠাকুমার নাম ছিল কি না।সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, এই পরিবর্তনকে দুই কমিশনার অনুমোদনহীন এবং বেআইনি বলে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের যুক্তি ছিল, সংশ্লিষ্ট নিয়মে পরিবর্তন না করে ফর্মে এই ধরনের নতুন তথ্য যোগ করা যায় কি না, তা নিয়ে আইনি প্রশ্ন রয়েছে। তাঁদের আপত্তি সত্ত্বেও ওই পরিবর্তন সরানো হয়নি বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।শুধু ফর্ম ছয় নয়, ভোটার তালিকা তৈরির পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। দুই কমিশনার ভোটার তালিকা তৈরির তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা আরও বেশি কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের বক্তব্য ছিল, ভোটার তালিকা তৈরিতে স্থানীয় স্তরের নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিকদের ভূমিকা ও ক্ষমতা কমে যাচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, একটি সিদ্ধান্ত ও নির্দেশিকা নিয়ে একই দিনে চার বার আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই কমিশনার। তাঁদের একাধিক আপত্তির মধ্যে ভোটার তালিকার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা এবং তার নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও ছিল। এমনকি এই সংক্রান্ত উদ্বেগ নিয়ে তাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারের শীর্ষ আমলার কাছেও বিষয়টি জানিয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।তবে এই প্রতিবেদনের মূল দাবিগুলি খারিজ করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের সূত্রের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনারদের মধ্যে কোনও বিষয়ে লিখিত মতামত বা আপত্তি থাকা মানেই সেটি কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে মতবিরোধ প্রমাণ করে না। কমিশনের দাবি, এসআইআর-সহ সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের সম্মতিতেই নেওয়া হয়েছে।ফলে বর্তমানে বিষয়টি ঘিরে দুই ধরনের বক্তব্য সামনে এসেছে। এক দিকে সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দুই কমিশনারের একাধিক লিখিত আপত্তির দাবি করা হয়েছে। অন্য দিকে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তিন সদস্যের মধ্যে কোনও মতবিরোধ ছিল না। এই দুই বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির তরফে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তৃণমূলের তরফে গোটা বিষয়টি তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ এবং আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।অভিষেকের অভিযোগ, কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ভোটারদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়ে থাকলে তা অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। তবে এটি তাঁর রাজনৈতিক অভিযোগ এবং এখনও এমন কোনও চূড়ান্ত প্রমাণ বা আদালতের রায় সামনে আসেনি যে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যেই নেওয়া হয়েছিল।এসআইআর নিয়ে ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ-সহ একাধিক রাজ্যে রাজনৈতিক বিতর্ক চলছে। তার মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই দুই কমিশনারের একাধিক আপত্তির এই দাবি সামনে আসায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত কমিশনের সিদ্ধান্তে সত্যিই কোনও অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ ছিল কি না, তা নিয়ে আপাতত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং নির্বাচন কমিশনের পাল্টা বক্তব্যদুই পক্ষের দাবিই সামনে রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

অনুদান নিলেই মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি? বীরভূমে বিতর্কের মাঝেই মুখ খুললেন দিলীপ

দুর্গাপুজোর আগে বীরভূমে সরকারি অনুদান এবং পুজোর মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সাঁইথিয়ায় দুর্গাপুজো কমিটিগুলিকে নিয়ে আয়োজিত একটি বৈঠকে বীরভূম সাংগঠনিক জেলা সভাপতি উদয়শংকর বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেন, সরকারি অনুদান নেওয়া পুজো কমিটিগুলির মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো বাধ্যতামূলক। ছবি না লাগালে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও তিনি বলেন বলে অভিযোগ।মঙ্গলবারের ওই বৈঠকে উদয়শংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের পরেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়। পুজোর মুখে সরকারি অনুদানের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানোর বিষয়টি কীভাবে যুক্ত হল, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বিরোধীদের তরফেও এই মন্তব্যের সমালোচনা করা হয়।বিতর্কের মধ্যেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন বিজেপি নেতা তথা রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, সরকারি অনুদান নেওয়া পুজো কমিটিগুলির মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানোর কোনও নির্দেশ বর্তমান সরকার দেয়নি। তিনি দাবি করেন, আগের সরকারের আমলে এমন শর্ত দেওয়া হত। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রীর ছবি না লাগালে অনুদান পাওয়া যেত না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, বর্তমান সরকার এই ধরনের কোনও নির্দেশ দেয়নি। তাঁর কথায়, পুজো কমিটিগুলি যেন ভালোভাবে দুর্গাপুজোর আয়োজন করে। সরকারি অনুদানের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানোকে বাধ্যতামূলক করার কোনও সরকারি সিদ্ধান্ত নেই বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।দিলীপ ঘোষের সুরেই বক্তব্য রাখেন বিজেপির আর এক শীর্ষ নেতা সুকান্ত মজুমদার। তাঁর বক্তব্য, পুজোর মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো নিয়ে সরকারের তরফে কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। ফলে সরকারি অনুদান পাওয়ার সঙ্গে এই ধরনের কোনও শর্ত জুড়ে দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না বলে তিনি জানান।প্রসঙ্গত, আগের সরকারের আমলে দুর্গাপুজোর মণ্ডপে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প এবং সরকারি প্রচারের ছবি দেখা যেত। কন্যাশ্রী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, নিরাপদে গাড়ি চালানোর প্রচার-সহ নানা সরকারি বার্তা পুজোর মণ্ডপে তুলে ধরা হত। সেই প্রেক্ষাপটেই এবার মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।তবে বীরভূমের বিজেপি নেতার মন্তব্য এবং দিলীপ ঘোষ ও সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্যের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। এক দিকে জেলা স্তরের নেতার তরফে ছবি লাগানোর কথা বলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে, অন্য দিকে দলের শীর্ষ নেতারা জানিয়েছেন, এমন কোনও সরকারি নির্দেশ নেই।ফলে সরকারি অনুদান নিলে দুর্গাপুজোর মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো আদৌ বাধ্যতামূলক কি না, তা নিয়ে বিতর্ক আপাতত জিইয়ে রইল। বিষয়টি নিয়ে বিজেপির অভ্যন্তরীণ অবস্থান নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal