• ৮ কার্তিক ১৪৩৩, বুধবার ২৮ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Rain

কলকাতা

House Collapse: বিকট শব্দে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল বাড়ি, ৮ ঘণ্টা পর উদ্ধার শিশুর নিথর দেহ

একে প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিধ্বস্ত জনজীবন, তারওপর টানা বৃষ্টিতে বাড়ি ভেঙে মর্মান্তিক পরিণতি এক পরিবারের। আহিরীটোলায় বাড়ি ভেঙে ইতিমধ্যেই ২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। মৃতদের মধ্যে ৩ বছরের একটি শিশুও রয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ৫২ বছরের এক প্রৌঢ়ার। ১০ নম্বর আহিরীটোলা স্ট্রিটে একটি পুরনো বাড়ির একাংশ বুধবার ভোর রাতে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। সন্তানকে নিয়ে ভিতরে আটকে পড়েন এক মহিলা। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, দোতলা ওই বাড়িটি দীর্ঘদিনের পুরনো। দীর্ঘদিন তাতে কোনও সংস্কারও হয়নি। তবে পুরনো ওই বাড়িতে কয়েকটি পরিবার থাকে। ভোর রাতে স্থানীয়রা হুড়মুড়িয়ে কিছু ভেঙে পড়ার শব্দ পান। বৃষ্টির সকালে তাঁরা প্রথমে তাতে আমল দেননি। স্থানীয় দোকানদাররা বিষয়টি দেখতে পান। পরে তাঁদের চিৎকারে ছুটে আসেন স্থানীয়রা। বাড়ির ভিতর থেকে আর্তনাদ শুনতে পান।চার জন মূলত একেবারে ভিতরের দিকে আটকে পড়েছিল। খবর যায় দমকল-পুলিশে। বিপদের গুরুত্ব বুঝে পৌঁছয় বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুও। এক অন্তঃসত্ত্বা-সহ আশঙ্কাজনক অবস্থায় চার জন এখন আরজিকর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।West Bengal: A three-year-old toddler and a woman died after a building collapsed at Ahiritola Street in Kolkata today. They were rescued from under the debris of the building but later succumbed to their injuries.Visuals from the spot. pic.twitter.com/TYLiIYLquz ANI (@ANI) September 29, 2021এরপর টানা প্রায় ৮ ঘণ্টা উদ্ধারকাজ চালিয়ে ইটের নীচে চাপা পড়া তিন বছরের শিশুকেউদ্ধার করা হয়। দমকল কর্মীরা শিশুটিকে একটা বস্তায় শুইয়ে বাইরে নিয়ে আসেন।চাদরে পেঁচিয়ে বস্তার করে শিশুটিকে তুলে দেওয়া হয় অ্যাম্বুল্যান্সে। উদ্ধারের ধরন দেখে কিছুটা বিপদ আঁচ করতে পারছিলেন প্রতিবেশীরা। কান্নায় ভেঙে পড়েন শিশুটির মা। হাসপাতালে নিয়ে যেতেই চিকিৎকরা নিশ্চিত করেন মৃত্যুর খবর। ঘটনায় মৃত্যু হ.য়েছে ৫২ বছরের এক প্রৌঢ়ারও। তিনিও একেবারে বাড়ির ভিতরের দিকে আটকে পড়েছিলেন। ফলে তাঁদের উদ্ধার করতে সমস্যায় পড়তে হয় দমকল কর্মী ও বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের কর্মীদের।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Heavy Rain: নিম্নচাপে বিধ্বস্ত রাজ্য, রাতভর তুমুল বৃষ্টিতে ভাসছে শহর থেকে জেলা

মঙ্গলবার যে ঘূর্ণাবর্তটি নিম্নচাপে পরিণত হয়েছিল সেটি এখন গভীর নিম্নচাপ হয়ে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের মাঝামাঝি অবস্থান করছে। ফলে বুধবারও সারা দিন কলকাতা এবং দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবার রাত থেকেই কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা-সহ রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে জোরালো বর্ষণ শুরু হয়। সেই বৃষ্টি বুধবার সকালেও অবিরাম চলছে। সুস্পষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে মঙ্গলবার রাত থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে কলকাতায়। বুধবার সারা দিন বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। রাতভর বৃষ্টিতে জল জমেছে কলকাতার অনেক জায়গায়। সকাল ও সন্ধ্যায় জোয়ারের জন্য লকগেট বন্ধ থাকায় জল-যন্ত্রণা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।আরও পড়ুনঃ বেটিং চক্র বন্ধের দাবিতে প্রশাসনের দ্বারস্থ কালনার বাসিন্দারাজল জমেছে উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার অনেক জায়গায়। উত্তরের ঠনঠনিয়া, কালাকার স্ট্রিট, মহাত্মা গান্ধি রোড, কলেজ স্ট্রিট, মধ্য কলকাতার সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, দক্ষিণ কলকাতার বালিগঞ্জ, তারাতলা, নিউ আলিপুর জলমগ্ন। নিউ আলিপুরে রাস্তায় ভেঙে পড়েছে গাছ। ফলে যান চলাচলে ব্যাঘাত ঘটেছে। আবহবিদরা জানাচ্ছেন, সুস্পষ্ট নিম্নচাপের জেরেই এমন পরিস্থিতি। এর প্রভাব আগামী ২৪ ঘণ্টা চলবে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, বুধবার পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের কয়েকটি জায়গায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ার কিছু জায়গাতেও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দক্ষিণ ও উত্তর ২৪ পরগনা, দুই বর্ধমানের কিছু অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে হাওয়া অফিস। টানা বৃষ্টির কারণে বুধবার তাপমাত্রাও কমবে বেশ কিছুটা। আাবহবিদরা জানিয়েছেন, বুধবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ২৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা কি না স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Weather: ঘূর্ণাবর্তের চোখরাঙানি, ভাসবে দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলা

ঘূর্ণিঝড় গুলাবের প্রভাব এ রাজ্যে তেমন পড়েনি। কিন্তু গুলাবের পিছুপিছু মঙ্গলবার রাজ্যে হাজির হচ্ছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। যার জেরে মঙ্গলবার থেকেই গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। ঘূর্ণাবর্তের জেরে বুধবারও কলকাতা-সহ বিভিন্ন জেলায় চলবে বৃষ্টি। এই বৃষ্টির জেরে জলমগ্ন হতে পারে কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকা। গুলাব স্থলভাগে প্রবেশ করে শক্তি হারিয়েছে। তবে বঙ্গোপসাগরে চোখরাঙাচ্ছে ঘূর্ণাবর্ত। দক্ষিণবঙ্গে ফের দুর্যোগের সতর্কতা। আজ ও কাল কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। আরও পড়ুনঃ কয়েক ঘণ্টায় দক্ষিণের জেলাগুলোতে ধেয়ে আসছে বৃষ্টিমঙ্গলবার সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ দফায় দফায় বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণবঙ্গে। ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায়। ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, ঝাড়গ্রামে । বুধবারেও মেঘলা আকাশ থাকবে। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস বজ্রবিদ্যুৎ-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলায়। ভারী বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়ায়। বৃষ্টি চললেও বৃষ্টির পরিমাণ কমে যাবে। ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে। কলকাতা, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা ও পশ্চিম মেদিনীপুরে ৩০-৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। আগামী দু-তিন দিন গুজরাত, কোঙ্কন, গোয়া, মধ্য মহারাষ্ট্র, মারাঠাওয়াড়া, সৌরাষ্ট্র, কচ্ছ এবং ঝাড়খণ্ডে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।দুর্যোগের পরিস্থিতি সামাল দিতে তৈরি প্রশাসন। এ নিয়ে দক্ষিণবঙ্গ ও উপকূলবর্তী জেলার জেলাশাসকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন মুখ্যসচিব । পরিস্থিতি সামলাতে একাধিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জেলা, মহকুমা, পুরসভা ও ব্লক সদর দফতরে কন্ট্রোল রুম প্রস্তুত রয়েছে। প্রস্তুত টেলিকম দপ্তরও।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১
রাজ্য

Weather: কয়েক ঘণ্টায় দক্ষিণের জেলাগুলোতে ধেয়ে আসছে বৃষ্টি

প্রবল বেগে অন্ধ্র ও ওডিশা উপকূলে আছড়ে পড়েছে ঘূর্ণিঝড় গুলাব। সরাসরি না হলেও পশ্চিমবঙ্গে এর পরোক্ষ প্রভাব পড়বে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, গুলাব-এর ফলে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে দুর্যোগের ভ্রুকুটি অপেক্ষা করছে। বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে প্রবল।ইতিমধ্যেই সব রাজ্য সরকারি কর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত। ঘূর্ণিঝড় গুলাব ও জোড়া নিম্নচাপের জেরে লাল সতর্কতা জারি হয়েছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায়। গুলাবের জেরে দুর্যোগের আশঙ্কায়, কাঁচা বাড়িতে যারা থাকেন নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। প্রতিটি জেলা প্রশাসনকে। আরও পড়ুনঃ হর্ষল প্যাটেলের দুরন্ত হ্যাটট্রিকে প্লে অফের দিকে এগিয়ে গেল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সসোমবার হালকা ও মাঝারি দু-এক পশলা বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায়। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টি হবে মঙ্গলবার দক্ষিণবঙ্গে দফায় দফায় বৃষ্টি হবে। ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়। ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, হাওড়া, হুগলি, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়াতে। ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে। বুধবার দু-এক পশলা বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে। বৃষ্টি চললেও বৃষ্টির পরিমাণ কমবে। পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রামে দু-এক পশলা ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। উত্তরবঙ্গে আপাতত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। দু-এক পশলা হালকা মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। দুর্যোগের সময়ে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে এমন বন্যাপ্রবণ এলাকার তালিকা তৈরি করতে বলা হয়েছে প্রশাসনকে। সেনাবাহিনী, এনডিআরএফ, এনসিসি, রেল, মেট্রো-সহ বিভিন্ন হাসপাতালে যোগাযোগের তালিকা তৈরি রাখতে বলা হয়েছে নোডাল অফিসারদের। ত্রাণ সামগ্রী, বোট, ত্রাণ শিবিরের জন্য ক্লাব, কমিউনিটি হল স্কুল দেখা রাখতে বলা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
রাজ্য

Lightning: বৃষ্টিতে গাছতলায় আশ্রয়েই বিপদ, বজ্রপাতে গলসিতে মৃত দুই

বজ্রপাতে মৃত্যুর ঘটনায় বিরাম পড়ছে না পূর্ব বর্ধমানে। রবিবার ফের দুপুরে বজ্রপাতে মৃত্যু হল জেলার গলসি ২ ব্লকের খানো এলাকার দুই বাসিন্দার। মৃতরা হলেন শর্মিলা টুডু (২১) ও লক্ষীরাম টুডু (১৫)। মৃতরা খানো মাঝিপাড়ার বাসিন্দা। ময়নাতদন্তে পাঠানোর জন্য পুলিশ মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করেছে। একই দিনে দুই বাসিন্দার এমন অকাল মৃত্যতে খানো গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত দু জনেই দরিদ্র পরিবারের সদস্য। এদিন দুপুরে বাড়িতে পোষা ছাগল গুলি নিয়ে গ্রামের রেল লাইনের কাছাকাছি মাঠে চড়াতে নিয়ে গিয়েছিলেন লক্ষীরাম। অপর বাসিন্দা শর্মিলা টুডু একই জায়গায় জ্বালানি কুড়োতে গিয়েছিলেন। ওই সময়ে বজ্রপাতসহ বৃষ্টি শুরু হলে তাঁরা একটি গাছের নিচে গিয়ে দাঁড়ান। কিন্তু তাতেও রক্ষা মেলেনি। প্রবল বজ্রপাতে জখম হয়ে লক্ষীরাম ও শর্মিলা ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়েন। এলাকার মানুষজন তাঁদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়েযান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক দু জনকেই মৃত বলে ঘোষণা করেন ।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১
রাজ্য

Cyclone Gulab: সরাসরি না আসলেও গুলাব ভাসাবে দক্ষিণবঙ্গ, জারি সতর্কতা

ঘূর্ণিঝড় গুলাব বঙ্গে আছড়ে পড়ছে না। তবে নিম্নচাপের জেরে মঙ্গলবার থেকে দুর্যোগের ঘনঘটা চলতে পারে দক্ষিণবঙ্গে। এনিয়ে ইতিমধ্যেই বিভিন্নরকম ব্যবস্থা নিতে শুরু করে দিয়েছে রাজ্য সরকার। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, গুলাব-এর ল্যান্ডফল হতে পারে কলিঙ্গপত্তনমের কাছে। ঝড়ের গতি হতে পারে ৭৫-৯৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায়। এর প্রভাবে ওডিশা ও অন্ধ্রপ্রদেশে ভারী বৃষ্টির সম্ভবনা রয়েছে। এর প্রভাবে মঙ্গলবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এর জন্য দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী এলাকায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ দুর্যোগের আবহে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটি বাতিল সরকারি কর্মীদেররবিবার সকাল থেকেই দিঘায় ঝলমলে আবহাওয়া থাকলেও দুপুরের পর থেকে আকাশের মুখ গোমরা হতে শুরু করে। দফায় দফায় বৃষ্টিও হচ্ছে। সকালে আবহাওয়া ভালো থাকায় পর্যটকরা সমুদ্রে নামতে শুরু করে। তখনই প্রশাসনের তরফে মাইকিং করে তাদের উঠে যেতে বলা হয়। বিকেলে দিঘার সমুদ্র সৈকতে আর কোনও পর্যটককে ঘেঁসতে দেওয়া হচ্ছে না। ইতিমধ্যে দিঘায় মোতায়েন করা হয়েছে এনডিআরএফ। প্রশাসনের তরফে মাইকে ঘোষণা করা হচ্ছে মঙ্গলবার থেকে কোনও হোটেলে বুকিং নেওয়া হবে না। ওই নির্দেশিকা কার্যকর থাকবে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। যেসব পর্যটক আগে থেকেই হোটিল বুকিং করে রেখেছিলেন তাদের বুকিং বাতিল করে দিতে হবে বা বুকিং পিছিয়ে দিতে হবে। বহু মৎস্যজীবী ফিরে এসেছেন। তাদের নৌকোগুলিকে শক্ত করে বেঁধে রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে বিপর্যয় মোকাবিলায় লালবাজারে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। যেখানে পুরসভা, সিইএসই, দমকল, পিডব্লুডি অফিসাররা থাকছেন। অ্যাডিশনাল সিপি তন্ময় রায়চৌধুরীর নেতৃত্বে পুলিশি বন্দোবস্ত করা হয়েছে। মোট ২২টি বিপর্যয় মোকাবিলা দল প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। প্রত্যেক দলে ৩জন করে থাকবেন। এর মধ্যে ভবানীপুর ও কালীঘাট থানায় মোট ৪টি দল থাকছে। আলিপুর, ওয়াটগঞ্জ, একবালপুর, নিউ মার্কেট, পার্ক স্ট্রিট থানায় একটি করে টিম থাকছে। বাকি 8টি ডিভিশনে ১টি করে টিম থাকবে। পিটিএস ও বডিগার্ড লাইনে ৫টি টিম স্ট্যান্ড বাই থাকবে। থানাগুলিকে বলা হয়েছে, তাঁদের এলাকায় বিপজ্জনক বাড়ির তালিকা তৈরি করে রাখতে। সেখানে থাকা মানুষদের শেল্টারে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করতে বলা হয়েছে। পুরসভা ও সেচ দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে বলা হয়েছে সব থানাকে।অন্যদিকে, ক্যানিংয়ের বিভিন্ন জায়গায় মাইকে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। গোসাবা, বাসন্তী, জীবনতলা, ক্যানিংয়ের গ্রামে গ্রামে প্রচার চালাচ্ছে প্রশাসন। যেসব লোকের মাটির বাড়ি তাদের কাছে পৌঁছে যাচ্ছেন প্রশাসনের লোকজন। তাদের বলা হচ্ছে দুর্যোগ শুরু হলেই নিকটবর্তী স্কুল বা সরকারি ভবনে গিয়ে উঠতে হবে। সঙ্গে রাখতে হবে পর্যাপ্ত পানীয় জল ও পর্যাপ্ত খাবার।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১
রাজ্য

Weather: মহামূর্তি ধারণ করে এগিয়ে আসছে জোড়া দুর্যোগ, আতঙ্কে বঙ্গবাসী

বঙ্গের আকাশ থেকে দুর্যোগের মেঘ যেন কিছুতেই কাটছেই না। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া গভীর নিম্নচাপ গত ১২ ঘণ্টায় আরও শক্তি বাড়িয়ে অতি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। রবিবারই তা ওডিশা উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। এদিকে আজই পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরে আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবারের মধ্যে তা ওডিশা ও বাংলার মধ্যে দিয়ে স্থলভাগে আঘাত করতে পারে। এই জোড়া ফলায় রবিবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।আরও পড়ুনঃ ডিসি সাউথের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ প্রিয়াঙ্কারনিম্নচাপ ও ঘূর্ণাবর্তের জেরে আবারও ভাসতে পারে বাংলা। বিশেষ করে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির বরাতে মহালয়ার আগে যে যথেষ্ট দুর্ভোগ অপেক্ষা করছে, তা হাওয়া অফিসের সতর্কবার্তায় স্পষ্ট। সোমবার থেকে বুধবারের মধ্যে প্রবল বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। একাধিক জেলায় বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ায় বিপর্যস্ত হতে পারে জনজীবন। যে সমস্ত এলাকা নিচু, তা প্লাবিত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে। নদীও উত্তাল হবে এ সময়। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, রবিবার থেকেই উপকূল লাগোয়া জেলা অর্থাৎ দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া উত্তর ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া ও হুগলিতেও রবিবার থেকেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। কলকাতায় বৃষ্টি বাড়বে মঙ্গলবার। সে দিন শহরে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শুধু কলকাতা নয়, মঙ্গলবার থেকে দুই মেদিনীপুর, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম-সহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ভারী বৃষ্টি হবে বলেই জানিয়েছেন আবহবিদরা। বুধবারেও পশ্চিমের জেলাগুলিতে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। তবে এদিন থেকে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাতে বৃষ্টির পরিমাণ কমবে। সে ক্ষেত্রে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকছে। তবে আপাতত এই বিপদ থেকে মুক্ত উত্তরবঙ্গ।আরও পড়ুনঃ বঙ্গে দুর্যোগের আগাম লাল সতর্কতা জারি নবান্নরএই পরিস্থিতিতে শনিবার থেকে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে মাছ ধরতে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে আলিপুর। যে মৎস্যজীবীরা ইতিমধ্যে চলে গিয়েছেন, তাঁদের শনিবারের মধ্যে ফিরে আসার কথা বলা হয়েছে।শুক্রবার দুপুর থেকেই চালু হয়ে গিয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য তৈরি হওয়া এই কেন্দ্র। যাতে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় রেখে একসঙ্গে কাজ করা যায় তার জন্য ওই কেন্দ্রে পুলিশ, পুরসভা, এনডিআরএফ, দমকল, সিইএসসি এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর কর্তারা থাকবেন বলে খবর।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
রাজ্য

Weather: এখনই নিস্তার নেই, শক্তি আরও বাড়াচ্ছে জোড়া ঘূর্ণাবর্ত

বুধবার সন্ধ্যার পর থেকে বৃষ্টি কমেছে কলকাতায়। বৃহস্পতিবারও দুএক পশলা বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। কিন্তু দুর্যোগ থেকে এখনই নিস্তার নেই শহরবাসীর। ইতিমধ্যেই বঙ্গোপসাগরের উপরে তৈরি হয়েছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই জোড়া ফলায় শনিবার থেকে ফের কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে প্রবল বৃষ্টি হতে পারে। ফলে শুধু কলকাতা নয় দক্ষিণের অনেক জেলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেই আশঙ্কা।আরও পড়ুনঃ বঙ্গে দুর্যোগের আগাম লাল সতর্কতা জারি নবান্নরআলিপুর জানিয়েছে, মায়ানমার উপকূলে অবস্থান করছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। সেটি বঙ্গোপসাগরের উপর দিয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোচ্ছে। শুক্রবার সন্ধ্যার মধ্যে সেটি শক্তি বাড়িয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়ে স্থলভাগের দিকে আসবে বলে জানাচ্ছেন আবহবিদরা। এখনও পর্যন্ত তার গতিমুখ ওডিশার দিকে রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে নিম্নচাপের প্রভাব পড়বে বাংলার উপরেও। সেই সঙ্গে মধ্য বঙ্গোপসাগরে আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেটি ক্রমে বাংলা ও ওডিশা উপকূলের দিকে অগ্রসর হবে। এই দুই ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে শনিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। কলকাতা ছাড়া দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলিতেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।কলকাতা-সহ রাজ্যের বিস্তীর্ণ এলাকা এখনও জলমগ্ন। বানভাসি পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায়। এদিকে এখনও বাংলার জন্য খুব ভালো খবর শোনাচ্ছে না আবহাওয়া দপ্তর। বরং সপ্তাহশেষের জন্য রয়েছে অশনি সংকেত। যার জেরে বানভাসি দক্ষিণবঙ্গ ইতিমধ্যেই দেখছে সিঁদুরে মেঘ। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবারও আকাশ পরিষ্কার হচ্ছে না দক্ষিণবঙ্গে। এই মুহূর্তে নিম্নচাপ দক্ষিণ-পূর্ব ঝাড়খণ্ডের কাছাকাছি অবস্থান করছে। সেই সঙ্গেই মৌসুমী অক্ষরেখা নিম্নচাপ কেন্দ্র দক্ষিণ-পূর্ব ঝাড়খণ্ড থেকে বালেশ্বর হয়ে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Nabanna Red Alert: বঙ্গে দুর্যোগের আগাম লাল সতর্কতা জারি নবান্নর

এক দুর্যোগ কাটতে না কাটতেই আরও বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা। বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ পিছু ছাড়ছে না। যে কারণে নতুন করে সপ্তাহান্তে আবারও বৃষ্টি বাড়বে। আবহাওয়া দপ্তরের এই পূর্বাভাসের পরই নবান্নর পক্ষ থেকে লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সূত্র জানাচ্ছে, মঙ্গলবার জেলা প্রশাসনের সঙ্গে এক বৈঠকের পরই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। মূলত দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির ক্ষেত্রে লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। নবান্নে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ দিন মুখ্যসচিব জেলাশাসকদের নির্দেশ দেন ত্রাণ সামগ্রী তৈরি রাখার জন্য।মুখ্যসচিব বুধবার ভিডিও কনফারন্সের মাধ্যমে বিভিন্ন জেলার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপার, সেচ এবং বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা বিভাগের আধিকারিকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন। চলতি সপ্তাহের শেষে ঘূর্ণাবর্তের কারণে আবারও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় সব জেলা প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী মজুদ রাখার পাশাপাশি তিনি উপকূলবর্তী জেলার মানুষদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে। ভবানীপুর-সহ ভোট মুখী এবলাকায় দুর্যোগের মোকাবিলায় বিশেষ প্রস্তুতি রাখারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।আরও পড়ুনঃ আলাদা ভাবে খুনের মামলা রুজু করে বর্ধমানের বিজেপি কর্মীর মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করলো সিবিআইএছাড়াও এই বৈঠকে একাধিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।কলকাতা-সহ শহরতলিতেও জল জমার সমস্যা নিয়েও আলোচনা হয় বৈঠকে। পুরসভার দ্রুত জল বার করতে কি ব্যবস্থা নিচ্ছে সে ব্যপারেও জানতে চান মুখ্য সচিব।প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, একাধিক নদী বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। প্রবল জলের স্রোতের কারণে মেদিনীপুরে বেশ কয়েকটি বাঁধ ভেঙেছে। যার জেরে পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুরের একাধিক অংশে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এরমধ্যে আরও বৃষ্টি হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা প্রশাসনের কর্তাদের। যদিও পুরো পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন আধিকারিকরা। আগামী ২৬ তারিখ অর্থাৎ সোমবার থেকে প্রবল বর্ষণের সর্তকতা জারি করা হয়েছে।অন্যদিকে নবান্নে চালু হয়েছে ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম। সেখান থেকে গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। আরও বৃষ্টি হলে কীভাবে মোকাবিলা হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, এখনও দুর্যোগ শেষ হয়নি। সপ্তাহের শেষে বঙ্গোপসাগরের উপরে জোড়া ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হবে। দিনের এই বৈঠকে এই সমস্ত বিষয়গুলি নিয়েই আলোচনা করেন মুখ্যসচিব।বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর সূত্রে খবর ইতিমধ্যে ৫৭৭ টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। সেখানে কমপক্ষে ৮০ হাজার মানুষকে শিবিরে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। ১ লক্ষ ৪১ হাজার মানুষকে সরানো হয়েছে নিরাপদ স্থানে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১
রাজ্য

Weather: ভোর থেকে ফের বৃষ্টি, সপ্তাহান্তে ফের ঘূর্ণাবর্ত সৃষ্টির সম্ভাবনা

গত দুদিনের মতো বুধবারও মেঘাচ্ছন্নই থাকবে কলকাতার আকাশ। ভোর থেকেই বিক্ষিপ্ত কয়েক পশলা বৃষ্টি হয়েছে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে। বুধবার সারা দিন জুড়েই আবহাওয়া অনেকটা এ রকমই থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। মেঘলা আকাশের পাশাপাশি হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘুর্ণাবর্ত এবং গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে মৌসুমী অক্ষরেখার জেরে গত কদিন ধরে বৃষ্টি হচ্ছে। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, কলকাতার পাশাপাশি বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলাতেও। সোমবার সৃষ্ট নিম্নচাপটি এই মুহূর্তে দক্ষিণবঙ্গ ও ওডিশা উপকূলে রয়েছে। ধীরে ধীরে তা উত্তর ওডিশা ও ঝাড়খণ্ডের দিকে এগোচ্ছে। এই নিম্নচাপের ফলে ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া ও দুই মেদিনীপুরে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বাকি জেলা, হাওড়া, পুরুলিয়া ও পশ্চিম বর্ধমানের ভারী বৃষ্টি হতে পারে। আরও পড়ুনঃ মুখ থেঁতলানো মহিলার পরিচয় মিলল, খুনির খোঁজে পুলিশএদিকে শনিবার থেকে ফের এক ঘূর্ণাবর্ত সৃষ্টির সম্ভাবনা। ফলে সপ্তাহান্তে ফের দুর্যোগের পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে। উপকূলের জেলাগুলিতে বাড়তে পারে বৃষ্টি। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, ২৫ তারিখে উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্তের সৃষ্টি হতে পারে। এর ফলে উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে হাওড়া, হুগলি, ঝাড়গ্রাম ও দুই মেদিনীপুরে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার গোটা দক্ষিণবঙ্গে বাড়তে পারে বৃষ্টির পরিমাণ।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী শনিবার পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্তের সৃষ্টি হতে পারে। তবে সেই ঘূর্ণাবর্ত শক্তি হারিয়ে নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। এখন এই ঘূর্ণাবর্তের অভিমুখ বদল হয়ে যদি তা উত্তরপশ্চিম থেকে সরে এসে ওডিশা উপকূলের দিকে হয় তাহলে তা পশ্চিমবঙ্গের দিকে আসতে পারে কি না সেটাই দেখার। পশ্চিমবঙ্গের দিকে যদি এর অভিমুখ হয় তাহলে উপকূলবর্তী দুই জেলা অর্থাৎ দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ওডিশা থেকে ঘূর্ণাবর্তের অভিমুখ যদি অন্য দিকে ঘুরে যায়, সেক্ষেত্রে আমরা বৃষ্টি থেকে রেহাই পেতে পারি। সবটাই নির্ভর করছে ঘূর্ণাবর্ত সৃষ্টি ও তার গতিপ্রকৃতির উপরে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১
রাজ্য

Weather: এখনই নেই রেহাই, আজও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা

এখনই রেহাই নেই বৃষ্টির হাত থেকে। আজও দিনভর চলবে বৃষ্টি। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় চলবে টানা বৃষ্টি। এমনটাই পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, সোমবারের ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। যার অবস্থান গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের ওপর। এছাড়া মৌসুমী অক্ষরেখা গয়া থেকে কলকাতার ওপর দিয়ে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। এর ফলে বৃষ্টি চলবে। এই জোড়া ফলায় দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলাতে মঙ্গলবারও বৃষ্টি চলবে। তবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। সঙ্গে রয়েছে বজ্রপাতেরও সতর্কতা। আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, মঙ্গলবার বৃষ্টি হতে পারে হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানে। আজ বৃষ্টি বাড়বে পশ্চিমের জেলাগুলিতে। অর্থাৎ বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুরে বৃষ্টি বাড়বে। বৃষ্টি বাড়বে দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে দুই মেদিনীপুরে।আরও পড়ুনঃ কি কি কারণে বিজেপির রাজ্য সভাপতি হলেন সুকান্ত মজুমদার? দুর্ভোগের অন্ত নেই। নিম্নচাপের পিছনেই আরও একটি নিম্নচাপের কারণে এই সমস্যা। তবে আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, কলকাতায় আজ বৃষ্টির পরিমাণ কমবে। বিক্ষিপ্তভাবে ভারি বৃষ্টি হতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হালকা মাঝারি বৃষ্টি হবে। আজ সকালে কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিক এর থেকে ৭ ডিগ্রি কম। আজ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৬. ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন ২৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। এদিকে নীচু এলাকায় জল জমার সম্ভাবনাও রয়েছে অতিরিক্ত পরিমাণে। ইতিমধ্যেই কলকাতায় ঠনঠনিয়া, বেলগাছিয়া, বেহালা ফ্লাইং ক্লাব, আমহার্স্ট স্ট্রিট এলাকা জলমগ্ন।সোমবার কার্যত সারা দিনই পাম্প চালিয়ে জল গঙ্গায় ফেলা হয়েছে। তবে যেসব এলাকায় কর্মীদের দিয়ে পাম্প চালিয়ে জল বের করার চেষ্টা চলছিল, সেখানে রাত হতেই সেই কাজটা বন্ধ। কারণ ভারী বর্ষণে পাম্প করে খালের জল ফেলা সম্ভব হচ্ছে না বলেই পুরসভা সূত্রে খবর। লকগেটগুলো বন্ধ করে দেওয়ার ফলে জল জমার প্রবণতা আরও বেশি দেখা যাচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
রাজ্য

Waterlogged Carshed: টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন হাওড়া ও টিকিয়াপাড়া কারশেড, বাতিল একাধিক ট্রেন

রাতভর ব্যাপক বৃষ্টিতে জল জমেছে রেললাইনে। জলমগ্ন হাওড়া ও টিকিয়াপাড়া কারশেড। তার ফলে ব্যাহত হয়েছে রেল পরিষেবা। হাওড়া স্টেশনের দুই শাখায় খুব ধীরগতিতে চলছে ট্রেন। বেশ কিছু ট্রেন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা। জানা গিয়েছে, রাতের বৃষ্টিতে টিকিয়াপাড়া এবং হাওড়া কারশেডে জমেছে জল। ফলে কারশেড থেকে ট্রেন বের করতে সমস্যা হচ্ছে। তাই জল না নামলে অনেক ট্রেনই চালান সম্ভব হবে না। জল জমে যাওয়ার কারণে আটকে রয়েছে হাওড়া জব্বলপুর স্পেশ্যাল ট্রেনও। তবে ঠিক কোন কোনও ট্রেনের ক্ষেত্রে পরিষেবা ব্যহত হয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। শুধু হাওড়া নয়, একই অবস্থা কলকাতা স্টেশনেরও। স্টেশনে ঢোকার মুখে জল জমেছে। কলকাতা স্টেশন থেকে যে সমস্ত দূরপাল্লার ট্রেন ছাড়ে কিংবা কলকাতা স্টেশনে আসে সেই সব ট্রেনও বাতিল হতে পারে বা দেরি হতে পারে।আরও পড়ুনঃ মুখ থেঁতলানো রক্তাক্ত মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার, ব্যাপক চাঞ্চল্য জামালপুরেজল না নামলে বেশ কিছু ট্রেন বার করা যাবে না বলেই খবর। সকাল থেকে যে ট্রেনগুলি চলছে তার গতিও খুব ধীরে। তার ফলে বেশির ভাগ ট্রেনেরই গন্তব্যে পৌঁছতে দেরি হচ্ছে। সমস্যায় পড়েছেন নিত্যযাত্রীরা। শুধু হাওড়া নয়, শিয়ালদহ ও কলকাতা স্টেশনের অবস্থাও অনেকটা একই। কলকাতা স্টেশনে ঢোকার মুখে জল জমেছে। শিয়ালদহ স্টেশনের দক্ষিণ শাখায় বেশ কিছু জায়গায় রেললাইনে জল জমায় ব্যাহত হয়েছে ট্রেন চলাচল। রেললাইনে জল জমায় চক্ররেল পরিষেবাও ব্যাহত হয়েছে। জানিয়েছে, আগামী কয়েক ঘণ্টায় কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বৃষ্টি হবে। বৃষ্টি চলতে পারে দুই মেদিনীপুরেও। আলিপুর জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণাবর্ত। পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গে সক্রিয় হয়েছে মৌসুমী অক্ষরেখা। তার জেরেই বেড়েছে বৃষ্টির দাপট।কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস আগেও হয়েছিল। আর সেই বৃষ্টিপাতের জেরেই ব্যহত রেল পরিষেবা। কয়েকদিন আগেও বৃ্ষ্টি জেরে একাধিক ট্রেন বাতিল হতে দেখা গিয়েছিল। এবার ফের হাওড়া বা কলকাতা স্টেশন থেকে একাধিক ট্রেন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
রাজ্য

Heavy Rain: রাতভর তুমুল বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি, জারি দুর্যোগের সতর্কবার্তা

রাতভর প্রবল বৃষ্টিতে জেরবার দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা।সঙ্গে জলযন্ত্রণার পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে৷ তুমুল বৃষ্টির জেরে জল জমেছে শহর ও শহরতলীতে৷ আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণাবর্ত। মায়ানমার সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে এর অবস্থান। ফলে বাড়ছে বৃষ্টির দাপট৷ গভীর নিম্নচাপ পরিণত হয়েছে সুস্পষ্ট নিম্নচাপে৷ ফলে বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে। রাতভর বৃষ্টি হওয়ায় শহরের বেশ কিছু অংশে জল জমে গিয়েছে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলাগুলিতে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ অনেকটাই বেশি, জানা গিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে। এদিকে, আগামী দুঘণ্টার মধ্যে ঝাঁপিয়ে বৃষ্টি নামছে দক্ষিণবঙ্গের চার জেলায়। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের সকাল সাড়ে ৭টার বুলেটিন অনুযায়ী, কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় মুষুলধারে বৃষ্টি হবে। ভারী বৃষ্টি হবে পশ্চিম মেদিনীপুরেও। আগামী ২৪ ঘণ্টায় কলকাতার আকাশ মেঘলা থাকবে। বৃষ্টি হবে কলকাতায়। কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় বৃষ্টি হয়েছে ১১৭ মিমি।আরও পড়ুনঃ কাটোয়া হাসপাতালে বৃদ্ধ রোগীর বেনজির তান্ডব, ভেঙে চুরমার লক্ষ লক্ষ টাকার চিকিৎসা সামগ্রীনদীর জলস্তর বাড়বে বলে জানানো হয়েছে আবহাওয়া দপ্তরের পক্ষ থেকে। নীচু এলাকাগুলিতে জল জমার সম্ভাবনাও রয়েছে অতিরিক্ত পরিমাণে। ইতিমধ্যেই কলকাতায় ঠনঠনিয়া, বেলগাছিয়া, বেহালা ফ্লাইং ক্লাব, আমহার্স্ট স্ট্রিট এলাকা জলমগ্ন। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, কলকাতার ৭টি জায়গায় ১০০ মিমির বেশি বৃষ্টি হয়েছে। বেড়েছে গঙ্গার জলস্তরও। নিম্নচাপের পিছনেই আরও একটি নিম্নচাপের আশঙ্কা। ইতিমধ্যে পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুর ও পটাশপুর এলাকার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে নদী বাঁধ ভেঙে বিপাকে পড়েছে প্রায় কুড়ি হাজার পরিবার। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় সত্তর হাজার পরিবার। ফের বৃষ্টির পূর্বাভাসে কপালে চিন্তার ভাঁজ প্রশাসনের। ইতিমধ্যে সরকারি নির্দেশ মেনে উদ্ধারকার্যে নেমেছে এনডিআরঅফ টিম। চলছে জলমগ্ন এলাকা থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধারের কাজ। কয়েকটি এলাকায় ত্রাণ-ও পৌঁছে গিয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। যাঁরা গিয়েছেন, তাঁদের ইতিমধ্যেই ফেরত আসার জন্য বলা হয়েছে। বজ্রপাতের সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
রাজ্য

Weather: ফের ঘূর্ণাবর্তের জেরে সপ্তাহান্তে ভারী বৃষ্টিতে ভিজছে শহর

ফের ঘূর্ণাবর্তের চোখ রাঙানি। হা্ওয়া অফিস আগেই জানিয়েছিল, শনিবার ও রবিবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে একাধিক জেলায়। মায়ানমার উপকূলে ঘূর্ণাবর্তের জেরে এই ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে আভাস হাওয়া অফিসের। পূর্বাভাস অনুসারে, শনিবার সকাল থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে বৃষ্টি। সকালের দিকে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হলেও বেলা গড়াতেই মেঘের ঘনঘটার মধ্যেই বৃষ্টিপাত শুরু হয়ে গিয়েছে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে এই ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। যা আরও কিছুটা এগিয়ে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করবে। উত্তর ওডিশা ও বাংলা উপকূলে এর প্রভাব বেশি থাকবে। মৌসুমী অক্ষরেখা জামশেদপুরের পর দীঘা হয়ে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। ফলে শনিবার রাজ্যের প্রায় সমস্ত জেলাতেই দিনভর মেঘলা বা আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে।আরও পড়ুনঃ প্যান-আধার লিঙ্ক হয়নি? আপনার জন্য স্বস্তির খবরমায়ানমার লাগোয়া বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। যা ধীরে ধীরে বাংলা-ওডিশা উপকূলের দিকে সরে আসছে। এর প্রভাবে শুক্রবার থেকেই বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। শনিবার মূলত পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়ায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছিল। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ারেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।রবিবার ভারী বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং নদিয়া জেলায়। সোমবার ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি এবং নদিয়ায়। যদিও শনিবার সকাল থেকে উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। অন্যদিকে কলকাতাতেও সকাল থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। একটানা ভারী বৃষ্টি না হলেও, কখনও মুষলধারায় আবার কখনও ঝির ঝির বৃষ্টিতে ভিজছে শহর।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
রাজ্য

Bomb Rescue : খড়ের পালুইয়ে বোমা উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য রায়নায়

প্লাস্টিকের প্যাকেটে ভরে গৃহস্থের বাড়ির খড়ের পালুইয়ের মধ্যে কেউ লুকিয়ে রেখেছিল বোমা। সেই বোমা উদ্ধার হতেই বৃহস্পতিবার ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের রায়না থানার মুগুরা অঞ্চলের দক্ষিনকুল গ্রামে। খবর পেয়ে রায়না থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে ওই জায়গাটি ঘিরে রেখে খবর দেয় বোম ডিসপোজাল স্কোয়াডে। কারা কি উদ্দেশ্যে খড়ের পালুইয়ের মধ্যে ছয়টি বোমা লুকিয়ে রেখেছিল তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মুগুরার দক্ষিণকুল গ্রামের এক প্রান্তে বসবাস করেন শেখ বরজাহান নামে ও তাঁর পরিবার । ওই ব্যক্তির বাড়ির অদূরেই রয়েছে খড়ের পালুই। এদিন বেলায় পরিবারের গৃহবধূ আমিনা বিবি ওই পালুয়ের কাছে থাকা হোপা গাছ থেকে হোপা পাড়তে যান। তখনই পালুইয়ের মধ্য থেকে প্লাস্টিকের প্যাকেটে ভরা কিছু একটা নিচে পড়ে। প্লাস্টিকের প্যাকেটে মধ্যে সুঁতুলি দড়ি জড়ানো বস্তু রয়েছে দেখে মহিলার সন্দেহ হয়।তিনি বিষয়টি প্রতিবেশীদের জানান। প্রতিবেশীরা সেখানে পৌছে দেখেন প্লাস্টিকের প্যাকেটে বোমা ভরা রয়েছে।এরপরেই স্থানিয়রা রায়না থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে ওই জায়গাটি ঘিরে রেখে বম স্কোয়াডে খবর দেয়।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২১
কলকাতা

NewTown-Manhole: আড়াই ঘণ্টার লড়াই শেষে ম্যানহোল থেকে বেরোলেন বৃদ্ধা

ফের শহরে জমা জলে বিপত্তি। অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন এক বৃদ্ধা। নিম্নচাপের জেরে দিনভর বৃষ্টি চলছে। বিভিন্ন জায়গায় জলও জমেছে। এরই মধ্যে নিউটাউনের সাপুরজিতে জমা জলে ঘটল ভয়াবহ বিপত্তি। ম্যানহোলে আটকে গেলেন ৭০ বছরের এক বৃদ্ধা। প্রায় আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় তাঁকে উদ্ধার করল দমকল ও ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের কর্মীরা।আরও পড়ুনঃ ষাঁড়ের গুঁতোয় এবার প্রাণ হারালেন কাটোয়ার বৃদ্ধ, আতঙ্কে কাঁপছে মানুষজনজানা গিয়েছে, এদিন অবিরাম বৃষ্টিতে প্রচুর জল জমে গিয়েছিল নিউটাউন সাপুরজি এলাকা। নিকাশি ব্যবস্থা সচল রাখতে সকালে নিউটাউনের সাপুরজির একটি অভিজাত আবাসনের সামনে ম্যানহোলের দুটো ঢাকনা খুলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। আর সেখানেই এক ৭০ বছরের বৃদ্ধা বর্ষার জলে রাস্তায় হাঁটতে গিয়ে পড়ে যান সেই খোলা ম্যানহোলে। ঘটনাটি ঘটে দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ। স্থানীয়রা জানান, সাপুরজির সামনে দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন ওই বৃদ্ধা। নাম জয়শ্রী রায় চৌধুরী। বাজার করে বাড়ি ফিরছিলেন ডিএলএফ নিউটাউনের ওই বাসিন্দা। তখন রাস্তা জলমগ্ন ছিল। আচমকাই তিনি ম্যানহোলে পড়ে যান । সেখানে তাঁর পা আটকে যায়। জল জমে থাকায় খোলা ম্যানহোল তিনি দেখতে পাননি। এ কারণেই এই বিপত্তি ঘটে। দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকেন তিনি। এদিকে মহিলার ম্যানহোলে আটকে পড়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন দমকল ও ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের কর্মীরা। আনা হয় দমকলের দুটো ইঞ্জিন। কিন্তু তার পরেও বৃদ্ধাকে তোলা যায়নি ম্যানহোল থেকে।আরও পড়ুনঃ উৎসবের মরশুমে হামলার ছক! ৩ রাজ্য থেকে গ্রেপ্তার ৬ জঙ্গিএর পর ম্যানহোলের জল সেচের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু ভারী বৃষ্টির মধ্যে তাতেও কিছু হয়নি। এভাবেই চলে ঘণ্টা দুয়েকের লড়াই। একদিকে অসহায় বৃদ্ধা, অন্যদিকে তাঁকে তোলার মরিয়া চেষ্টা করা দমকল ও ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের কর্মীরা। তাঁদের প্রায় আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় মহিলাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। এরপর তাঁকে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। যে এলাকায় দুয়ারে সরকারের প্রচার হয় ড্রোন দিয়ে, সেখানে এক দিনের বৃষ্টিতে এমন ভয়াবহ ঘটনায় আঙুল উঠেছে প্রশাসনের দিকেও।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
দেশ

Terrorists: উৎসবের মরশুমে হামলার ছক! ৩ রাজ্য থেকে গ্রেপ্তার ৬ জঙ্গি

নাশকতার ছক ভেস্তে দিয়ে জঙ্গিদমনে বড় সাফল্য পেল দিল্লি পুলিশ। মঙ্গলবার বিকেলে ৬ জঙ্গিকে হাতেহাতে গ্রেপ্তার করে দিল্লি পুলিশের বিশেষ সেল। সূত্রের খবর, গ্রেপ্তার হওয়া ৬ জনের মধ্যে দুজন সদ্যই পাকিস্তান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে ফিরেছিল। পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, আসন্ন উৎসবের মরশুমে উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্রের মতো রাজ্যে জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা ছিল এই জঙ্গিদের।আরও পড়ুনঃ বর্ধমানে বৃদ্ধা মাকে খুন করে দেহ ঘরের মেঝেতে পুঁতে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার ছেলেনানা গোয়েন্দা সংস্থা মারফৎ খবর পেয়ে দিল্লি, রাজস্থান ও উত্তরপ্রদেশজুড়ে জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছিল পুলিশের বিশেষ সেল। গ্রেপ্তারির পর ওই সেলের বরিষ্ঠ আধিকারিক নীরজ ঠাকুর সংবাদ মাধ্যমকে জানান, ৬ জনের মধ্যে একজন সকাল বেলা তল্লাশি অভিযানে মহারাষ্ট্রের একজন জঙ্গি রাজস্থানের কোটা থেকে গ্রেপ্তার হয়। তিনজন উত্তর প্রদেশ এটিএসের সাহায্যে সেই রাজ্যে গ্রেপ্তার হয়। বাকি দুজন ধরা পড়ে রাজধানী দিল্লিতেই। তবে দিল্লি পুলিশের স্পেশ্যা ল সেলের বিশেষ কমিশনার অন্য একটি তথ্য প্রকাশ্যে এনেছেন যা অধিক পরিমাণ চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তিনি জানান, ধৃতরা জানিয়েছে যে তাদের সঙ্গে আরও ১৪-১৫ এমন ছিল যারা বাংলা ভাষায় কথা বলত। তারাও একই ধরনের প্রশিক্ষণ শিবিরে যোগ দিয়েছিল। জঙ্গিরা ভারতে ঘাপটি মেরে বসে থাকলেও তাদের পরিচালনা সীমান্তের ওপার থেকেই করা হত বলে জানিয়েছেন পুলিশকর্তা। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের কাছে থেকে আগ্নেয়াস্ত্র এবং বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে। আসন্ন উৎসবের মরসুমকেই তারা নিশানা করেছিল জঙ্গি হামলা চালানোর জন্য।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
রাজ্য

Rain: ভাদ্রের আকাশে শ্রাবণের ধারা, সকাল থেকে ভিজছে শহর থেকে জেলা

ভাদ্রের আকাশে শ্রাবণের ঘনঘটা। মঙ্গলবার ভোর থেকেই মেঘাচ্ছন্ন কলকাতার আকাশ। সেই সঙ্গে দফায় দফায় চলছে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত। বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত হওয়া নিম্নচাপের জেরে সোমবার থেকেই বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত হচ্ছে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হচ্ছে, আজ সারাদিন চলবে এই বৃষ্টি।We are extremely pleased to nominate @SushmitaDevAITC to the Upper House of the Parliament.@MamataOfficials vision to empower women and ensure their maximum participation in politics shall help our society to achieve much more! All India Trinamool Congress (@AITCofficial) September 14, 2021এদিন সূর্যের দেখা নাও পেতে পারেন কলকাতাবাসী। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। সোমবারের মতো না হলেও ঝোড়ো হাওয়া মঙ্গলবারও বইছে। তার সঙ্গে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি চলতে পারে সারাদিন। কলকাতা ছাড়াও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামেও চলবে বৃষ্টি। দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাতেও সকাল থেকে আকাশের মুখ ভার রয়েছে। নিম্নচাপের জেরে সমুদ্র উত্তাল থাকবে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যাওয়ারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এখনই বৃষ্টির থেকে মুক্তি পাচ্ছে না বাংলা। বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ পরিণত হয়েছে গভীর নিম্নচাপে। মঙ্গলবারও ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ৭০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে। বৃষ্টি-ঝড় মাথায় নিয়েই আজ দিন কাটবে শহরবাসীর। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে ভারী বৃষ্টিতে ভাসবে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের একাধিক এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাসও রয়েছে।আরও পড়ুনঃ তৃতীয় ঢেউয়ের সংক্রামণের রাশ টানতে ভিক্টোরিয়ায় বড়দিন পর্যন্ত লকডাউনের ঘোষণাসকাল থেকে বৃষ্টির জেরে কলকাতায় বিক্ষিপ্ত জল জমার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মঙ্গলবার তাপমাত্রা ২৬ থেকে ৩০ ডিগ্রির আশপাশেই থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।আরও পড়ুনঃ মনোনয়ন জমা প্রিয়াঙ্কার, হুংকার শুভেন্দুর

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
রাজ্য

Weather: ফের দুর্যোগের মেঘ ঘনিয়েছে দক্ষিণবঙ্গে

ফের দুর্যোগের মেঘ দক্ষিণবঙ্গের উপরে। পূর্বাভাস ছিই। জারি হয়েছে কমলা সতর্কতাও। এরইমধ্যে উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর থেকে চাঁদবালির কাছে ওডিশার স্থলভাগে প্রবেশ করেছে গভীর নিম্নচাপ। এটি ক্রমশ পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে উত্তর ওডিশা ও উত্তর ছত্রিশগড়ের দিকে যাবে। এর জেরে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ঝোড়ো হাওয়া, ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। রবিবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া বইতে শুরু করেছে। সোমবার সকাল থেকেই ক্ষণে ক্ষণে কালো মেঘের ঘনঘটার মধ্যে ঝোড়ো হাওয়া বইতে শুরু করেছে। আরও পড়ুনঃ নিহতের বাবার আশঙ্কাই সত্যি, তৃণমূল নেতাকে খুনের ঘটনার গ্রেপ্তার দলেরই তিন কর্মীকলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় আজ আকাশ মেঘলাই থাকবে। দফায় দফায় চলবে ঝোড়ো হাওয়া ও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি। দুই এক পশলা ভারী বৃষ্টিও হতে পারে। ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণবঙ্গের উপকূলীয় জেল- দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে ৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা এবং হাওড়া জেলায়।ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে। মঙ্গলবারেও আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিরও পূর্বাভাস রয়েছে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে বৃষ্টির পরিমাণ বেশি হবে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে দু-এক পশলা বৃষ্টিও হতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলায় বৃষ্টির পরিমাণ কমবে কাল থেকে। বুধবার থেকে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আবহাওয়াবিদদের ধারণা।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১
রাজ্য

Weather: ফের নিম্নচাপের ভ্রুকুটি, চলবে দফায় দফায় বৃষ্টিপাত

নিম্মচাপের জেরে বৃষ্টির পূর্বাভাস ছিলই। সোমবার থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে দফায় দফায় বৃষ্টিপাত। আবারও নিম্নচাপ। আর তার জেরে দক্ষিণবঙ্গে নিম্নচাপের ভ্রূকুটি। আজ, মঙ্গলবারও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়। দক্ষিণবঙ্গের উপকূলের জেলাগুলিতে বৃষ্টি হবে। পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। উপকূলবর্তী এলাকা, দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বৃষ্টি বাড়বে বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। মঙ্গলবার বেশ কয়েকটি জেলায় ভারী ও বজ্র বিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।উপকূলের ৩ জেলা উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। এছাড়াও ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর , হাওড়া, হুগলি ও নদিয়াতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। মঙ্গলবারে বেশি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিল হাওয়া অফিস। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে বেশ কয়েকটি। দক্ষিণে কচ্ছ মরাঠাওয়াড়া এবং উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। এর প্রভাবে নিম্নচাপ তৈরির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। মৌসুমী অক্ষরেখা জামশেদপুর ও বালাসোর এর ওপর দিয়ে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। আগামী রবিবার আরও একটি নিম্নচাপ তৈরি হবে বঙ্গোপসাগরে। আরও পড়ুনঃ ওভালে জিতে ইতিহাস কোহলিদের, সিরিজ জয়ের হাতছানিবজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে মালদা ও উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরের। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় উত্তরবঙ্গে দু-এক পশলা ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে দু-এক পশলা ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বিক্ষিপ্তভাবে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে আলিপুরদুয়ারের দু এক জায়গায়। মঙ্গলবার দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদাতে কয়েক-পশলা ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। মৎস্যজীবীদের জন্য নিষেধাজ্ঞা রয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের। যাঁরা সমুদ্রের গভীরে মাছ ধরতে গিয়েছেন, তাঁদের রবিবার রাতের মধ্যে ফিরে আসতে নির্দেশ দিয়েছিল আবহাওয়া দপ্তর । পাশাপাশি প্রবল বৃষ্টির সময়ে মাঠে যাতে কেউ কাজ না করেন, সে ব্যাপারেও পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন। বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে। সেক্ষেত্রে বৃষ্টির সময়ে খুব প্রয়োজন না হলে বাড়ির বাইরে না বেরনোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। খোলা আকাশের নীচে কিংবা গাছ বা টিন-কাঁচা শেডের নীচে আশ্রয় না নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

দশকের পর দশক বেহাল রাস্তা, আজও দুর্ভোগ! খাটিয়ায় রোগী নিয়ে হাসপাতালে ছুটলেন গ্রামবাসীরা

গ্রামের যাতায়াতের রাস্তা এতটাই বেহাল যে সেখানে প্রবেশ করতে পারে না কোনও জরুরি পরিষেবার যানবাহন। ফলে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে পৌঁছনোর জন্য ভরসা বলতে গ্রামবাসীদের কাঁধে চাপানো খাটিয়া। সোমবার সকালে এমনই এক অসহায় পরিস্থিতির ছবি সামনে আসতেই তুমুল চাঞ্চল্য ছড়াল মালদার চাঁচল মহকুমার হরিশ্চন্দ্রপুরে। অসুস্থ এক বৃদ্ধাকে খাটিয়ায় চাপিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, হরিশ্চন্দ্রপুর থানার ব্লকপাড়া এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা অসুস্থ এক বৃদ্ধাকে খাটিয়ায় শুইয়ে কাঁধে করে নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাচ্ছেন। যদিও ভাইরাল হওয়া ভিডিওটির সত্যতা সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে যাচাই করা হয়নি। তবে ঘটনাটি সামনে আসার পরেই এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার বেহাল দশা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।ঘটনার খবর পেয়ে সোমবার দুপুরে ব্লকপাড়া গ্রামে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে যান হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের বিডিও ধ্রুবশীষ সামন্ত। অন্যদিকে, বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন হরিশ্চন্দ্রপুরের তৃণমূল বিধায়ক মতিবুর রহমান। প্রশাসন ও বিধায়ক, উভয় পক্ষের তরফেই দ্রুত চলাচলের উপযোগী রাস্তা তৈরির আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।কয়েক দশকের দুর্ভোগ, সরু আলই এখন যাতায়াতের ভরসাব্লকপাড়ার বাসিন্দাদের অভিযোগ, কয়েক দশক আগে এলাকায় মাটির রাস্তা ছিল। কিন্তু গ্রামের একটি বিশাল জলাশয়ের কারণে সেই রাস্তা ক্রমশ কেটে যেতে থাকে। বর্তমানে একসময়ের মাটির রাস্তা কার্যত সরু আলের আকার নিয়েছে। ভাঙাচোরা এই পথ দিয়ে যাতায়াত করাই এখন রীতিমতো দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।গ্রামবাসীদের দাবি, রাস্তা তৈরির প্রতিশ্রুতি তাঁরা আগেও বহুবার পেয়েছেন। বিশেষ করে ভোটের সময় বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনও কাজ হয়নি। তাই এবার প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের আশ্বাসে কতটা কাজ হবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে তাঁদের মনে।হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের বিডিও ধ্রুবশীষ সামন্ত জানান, বিষয়টি জানার পর তিনি নিজে এলাকায় গিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থার পরিকাঠামো খতিয়ে দেখেছেন। দ্রুত সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে গ্রামবাসীদের জানানো হয়েছে।পেটের যন্ত্রণায় কাতর বৃদ্ধা, শেষ ভরসা খাটিয়াস্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ব্লকপাড়া এলাকার বাসিন্দা ৬২ বছর বয়সি বেলি ঋষি সোমবার সকাল থেকেই পেটের যন্ত্রণায় ছটফট করছিলেন। পরিবারের লোকজন জলপড়া দিয়েও তাঁর যন্ত্রণা কমাতে পারেননি। পরিস্থিতি সামাল দিতে শেষ পর্যন্ত আশপাশের বাসিন্দাদের সাহায্য নিয়ে খাটিয়ায় শুইয়ে তাঁকে কাঁধে করে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।অসুস্থ বৃদ্ধার প্রতিবেশী সুমিতা মণ্ডল, বি ফল মণ্ডল ও অনিতা দাসদের অভিযোগ, গ্রামের অধিকাংশ পরিবারের কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়াই বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। তাঁদের দাবি, রাস্তার অভাবে অনেক সময় ওঝা-গুনিনদের দ্বারস্থ হতে হয়। গ্রামে প্রায় দুই কিলোমিটার ভাঙাচোরা রাস্তা থাকলেও রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার মতো উপযুক্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই। এদিন বৃদ্ধার পেটের যন্ত্রণা না কমায় বাধ্য হয়েই তাঁকে খাটিয়ায় চাপিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়।রাজনৈতিক তরজার মধ্যেই রাস্তা তৈরির আশ্বাসএই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে চাপানউতোর। হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের বিজেপির মণ্ডল সভাপতি অজয় পাশোয়ান বলেন, তৎকালীন শাসকদলের উদাসীনতার কারণেই ব্লকপাড়া এলাকার এমন বেহাল অবস্থা তৈরি হয়েছে। তবে গ্রামের মানুষের দুর্দশার কথা মাথায় রেখে রাজ্য সরকার ও প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।অন্যদিকে, হরিশ্চন্দ্রপুরের তৃণমূল বিধায়ক মতিবুর রহমান অভিযোগের একাংশের বিরোধিতা করে জানান, যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তা ঠিক নয়। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিওটি দেখার পর তিনি ওই এলাকায় গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন এবং দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।সব মিলিয়ে, অসুস্থ বৃদ্ধাকে খাটিয়ায় চাপিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও ঘিরে ব্লকপাড়ার দীর্ঘদিনের যোগাযোগ সমস্যাটি ফের সামনে এসেছে। এখন গ্রামবাসীদের নজর প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের আশ্বাস বাস্তবে কত দ্রুত কার্যকর হয়, তার দিকেই।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

বিয়ের চার দিন আগে প্রি-ওয়েডিং শুটে যাওয়ার পথে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, পূর্ববর্ধমানের ভাতারে মৃত তিন

বিয়ের বাকি আর মাত্র চার দিন। নতুন জীবনের সূচনার আগে হবু স্ত্রীকে নিয়ে প্রি-ওয়েডিং ফটোশুটের পরিকল্পনা করেছিলেন যুবক। সেই উদ্দেশ্যেই দুই ফটোগ্রাফারকে সঙ্গে নিয়ে গুসকরার পথে রওনা দিয়েছিলেন হবু দম্পতি। কিন্তু আনন্দের সেই যাত্রা মুহূর্তে পরিণত হল ভয়াবহ দুর্ঘটনায়। স্করপিয়ো ও মোটরবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ হারালেন দুই ফটোগ্রাফার ও এক বাইক আরোহী। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেন হবু দম্পতি। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চারজন। মঙ্গলবার দুপুরে পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার ঝর্ণা মোড়ের কাছে ১১৪ নম্বর জাতীয় সড়কে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতেরা হলেন ভাতার থানার ওরগ্রামের বাসিন্দা সাধুজামাল শেখ ওরফে বচ্চন (৪৭), বর্ধমানের কমলসায়েরের শেখ নওয়াজ (২৩) এবং জামালপুরের মশাগ্রামের সুদেব ঘোষ (২৮)। সাধুজামাল মোটরবাইকের আরোহী ছিলেন। অন্যদিকে, স্করপিয়োয় থাকা শেখ নওয়াজ ও সুদেব পেশায় ফটোগ্রাফার ছিলেন। প্রি-ওয়েডিং ফটোশুটের জন্য তাঁদের সঙ্গে গুসকরার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন বর্ধমানের দিঘীরপাড় এলাকার বাসিন্দা হবু দম্পতি আসরফ মল্লিক ওরফে রাজা এবং জিন্নাতুর খাতুন।নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধানজমিতে উল্টে যায় স্করপিয়োপ্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুরে বর্ধমানের দিক থেকে একটি স্করপিয়োয় চড়ে গুসকরার দিকে যাচ্ছিলেন হবু দম্পতি ও দুই ফটোগ্রাফার। সেই সময় উল্টো দিক থেকে আসা একটি মোটরবাইকের সঙ্গে গাড়িটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ধাক্কার অভিঘাত এতটাই তীব্র ছিল যে মোটরবাইকটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। অন্যদিকে, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে স্করপিয়োটি জাতীয় সড়কের পাশে একটি ধানজমিতে গিয়ে উল্টে পড়ে।বিকট শব্দে দুর্ঘটনা ঘটতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে ভাতার থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। মৃতদেহগুলি উদ্ধারের পাশাপাশি দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িগুলিও আটক করেছে পুলিশ।ছাগলকে বাঁচাতে গিয়ে দুর্ঘটনা, প্রাথমিক অনুমান পুলিশেরপুলিশের প্রাথমিক অনুমান, জাতীয় সড়কের উপর আচমকা একটি ছাগল চলে আসায় সেটিকে বাঁচাতে গিয়ে স্করপিয়োর চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। তার জেরেই মোটরবাইকের সঙ্গে গাড়িটির সংঘর্ষ ঘটে থাকতে পারে। যদিও দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত নয়। ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।বিয়ের আনন্দের আগে ভয়াবহ অভিজ্ঞতাহবু দম্পতির বিয়ের আর মাত্র চার দিন বাকি। জীবনের অন্যতম বিশেষ মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে প্রি-ওয়েডিং ফটোশুটের পরিকল্পনা করেছিলেন তাঁরা। গুসকরার মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে ছবি তোলার জন্য দুই ফটোগ্রাফারকে সঙ্গে নিয়ে বেরিয়েছিলেন আসরফ ও জিন্নাতুর।কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছনোর আগেই দুর্ঘটনা তাঁদের সমস্ত পরিকল্পনায় ছেদ টেনে দিল। একদিকে বিয়ের প্রস্তুতির মধ্যেই ভয়াবহ দুর্ঘটনার আতঙ্ক, অন্যদিকে দুই ফটোগ্রাফার ও এক বাইক আরোহীর মৃত্যুর ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়। যে যাত্রার উদ্দেশ্য ছিল নতুন জীবনের স্মৃতি তৈরি করা, সেই যাত্রাই হয়ে উঠল এক মর্মান্তিক অভিজ্ঞতা।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

বারুইপুরের পর গাইঘাটা! নাবালিকা ধর্ষণ-খুনের মামলায় অভিযুক্তের মৃত্যু পুলিশের গুলিতে, কী ঘটেছিল ভোররাতে?

উত্তর ২৪ পরগনা: নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের মামলাকে কেন্দ্র করে ফের চাঞ্চল্য ছড়াল রাজ্যে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের ঘটনার পর এবার উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটায় পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হল এক অভিযুক্ত যুবকের। মৃতের নাম প্রহ্লাদ দাস, যিনি কল্যাণ দাস নামেও পরিচিত। পুলিশের দাবি, অপরাধের পুনর্নির্মাণের জন্য তাঁকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেই সময় পুলিশের আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন অভিযুক্ত। পরিস্থিতি সামাল দিতে আত্মরক্ষার্থে পুলিশ গুলি চালায় বলে দাবি তদন্তকারীদের। তবে কী পরিস্থিতিতে এই ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।লক্ষ্মীপুজোর দিন উদ্ধার কিশোরীর দেহ, ঘনীভূত হয় রহস্যপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের দাবি, গত লক্ষ্মীপুজোর দিন উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটায় এক প্রতিবেশীর বাড়ির পিছন থেকে এক কিশোরীর দেহ উদ্ধার করা হয়। দেহটি ছিল বিবস্ত্র, রক্তাক্ত ও ক্ষতবিক্ষত। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। পরিবারের অভিযোগ ছিল, কিশোরীকে ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে।ঘটনার গুরুত্ব বুঝে তদন্ত শুরু করে গাইঘাটা থানার পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ এবং তদন্তে উঠে আসা তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহের তালিকায় আসেন প্রহ্লাদ দাস নামে এক যুবক। তিনি নির্যাতিতার আত্মীয় বলেও জানা গিয়েছে। পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। কিশোরীর মৃত্যু ঘিরে ঠিক কী ঘটেছিল, তার উত্তর খুঁজতে শুরু হয় তদন্ত।ঘটনাস্থলে নিয়ে যেতেই কি বদলে গেল পরিস্থিতি?তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য অভিযুক্তকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশের একটি দল। পুলিশি সূত্রে দাবি, মঙ্গলবার ভোররাতে সেই প্রক্রিয়া চলাকালীন আচমকাই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত এক পুলিশকর্মীর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন এবং সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করেন। এমনকি পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোরও অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।পুলিশের দাবি, নিজেদের নিরাপত্তা এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতেই পাল্টা গুলি চালানো হয়। তাতেই গুরুতর জখম হন প্রহ্লাদ দাস। এরপর দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।যদিও গোটা ঘটনাক্রম সম্পর্কে পুলিশের এই বক্তব্যই এখনও মূল বিবরণ হিসেবে সামনে এসেছে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ পরিস্থিতি, গুলি চালানোর প্রেক্ষাপট এবং সংশ্লিষ্ট সমস্ত তথ্য যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।বারুইপুরের ঘটনার সঙ্গে মিল, বাড়ছে চর্চাগাইঘাটার এই ঘটনার সঙ্গে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের মামলায় অভিযুক্তের মৃত্যুর ঘটনার তুলনা টানা হচ্ছে। সেই ক্ষেত্রেও অভিযুক্তকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়ার পর পুলিশের অস্ত্র ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছিল। পুলিশের গুলিতে তাঁর মৃত্যুর খবর সামনে আসার পর এবার গাইঘাটার ঘটনায় একই ধরনের পরিস্থিতির কথা জানানো হয়েছে।পরপর দুই ঘটনায় অভিযুক্তদের মৃত্যুর ধরন নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তবে দুটি ঘটনার মধ্যে মিল থাকলেও, প্রত্যেকটির পরিস্থিতি ও প্রমাণ আলাদাভাবে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।তদন্তের পাশাপাশি উঠছে জবাবদিহির প্রশ্ননাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের মতো গুরুতর অপরাধের তদন্তে যেমন দ্রুত ও নিরপেক্ষ পদক্ষেপ জরুরি, তেমনই পুলিশের গুলিতে অভিযুক্তের মৃত্যুর ঘটনাও যথাযথভাবে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। পুলিশের দাবি অনুযায়ী, আত্মরক্ষার্থেই গুলি চালানো হয়েছিল। সেই দাবির সত্যতা নির্ধারণে ঘটনার পারিপার্শ্বিক তথ্য, প্রাসঙ্গিক প্রমাণ এবং তদন্তের ফল গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।একদিকে কিশোরীর মৃত্যু ঘিরে ন্যায়বিচারের দাবি, অন্যদিকে পুলিশি অভিযানে অভিযুক্তের মৃত্যুর পরিস্থিতিদুই বিষয়ই এখন আলোচনার কেন্দ্রে। গাইঘাটার এই ঘটনা তদন্তের পর কোন তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর রয়েছে।এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন: পুলিশের গুলি চালানোর পরিস্থিতি ঠিক কী ছিল এবং তদন্তে কী কী তথ্য উঠে আসে? তার উত্তর মিলবে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রকাশের পরেই।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

তিন সপ্তাহেই বক্সা ছাড়ল বাঘিনী, বাঘ ফেরানোর উদ্যোগে বড় ধাক্কা

কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পে বাঘ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ ঘিরে তৈরি হল নতুন করে অনিশ্চয়তা। বিহারের বাল্মীকি ব্যাঘ্র প্রকল্প থেকে আনা বাঘিনী টি ১৩৮ বক্সার জঙ্গলে ছাড়ার মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যে সীমান্ত পেরিয়ে অসমের রাইমোনা জাতীয় উদ্যানে চলে গিয়েছে বলে বন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে। ফলে বক্সায় বাঘের স্থায়ী বসতি গড়ে তোলার পরিকল্পনা কতটা সফল হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।গত ২ অক্টোবর সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারে করে অত্যন্ত ঘটা করে বাঘিনীটিকে বক্সার জঙ্গলে ছাড়া হয়েছিল। বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পে তার নাম রাখা হয় বিটিআর টিএফ-১। দীর্ঘ দুই দশক ধরে বাঘের বসবাসের উপযোগী পরিবেশ তৈরি, পর্যাপ্ত শিকারের ব্যবস্থা এবং জলাশয় গড়ে তোলার কাজ হয়েছে বলে দাবি করেছিল বন দপ্তর। কিন্তু সেই উদ্যোগের পরেও বাঘিনীর অন্য জঙ্গলে চলে যাওয়ার ঘটনায় গোটা পরিকল্পনার কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।বন দপ্তর সূত্রের খবর, বক্সার জঙ্গলে ছাড়ার পর প্রথম দেড় সপ্তাহ বাঘিনীটি প্রায় ২৫ থেকে ৩০ বর্গকিলোমিটার এলাকার মধ্যে ঘোরাফেরা করছিল। পরে ধীরে ধীরে তার বিচরণক্ষেত্র বাড়তে থাকে। একসময় প্রায় ৪০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা ঘুরে অসম ও বাংলার সীমান্তবর্তী সংকোশ নদীর আশপাশে পৌঁছে যায় সে। শেষ পর্যন্ত তার গন্তব্য হয় অসমের রাইমোনা জাতীয় উদ্যান।বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞদের একাংশের ধারণা, সঙ্গী বা মর্দা বাঘের সন্ধান কিংবা স্বাভাবিক বিচরণ প্রবৃত্তির কারণেই বাঘিনীটি বক্সা ছেড়ে অন্য এলাকায় চলে গিয়ে থাকতে পারে। তাঁদের মতে, বক্সায় বাঘের বংশবিস্তার ও স্থায়ী বসতি গড়ে তোলার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে একসঙ্গে একাধিক বাঘ আনার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সেখানে মাত্র একটি বাঘিনীকে এনে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত কতটা কার্যকর ছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।বাঘিনীর গতিবিধির উপর নজর রাখতে তার গলায় পরানো হয়েছিল হাই-ফ্রিকোয়েন্সি রেডিও কলার। স্যাটেলাইট ও গ্রাউন্ড ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টা তার অবস্থান পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা ছিল। তা সত্ত্বেও বাঘিনীকে বক্সার জঙ্গলে ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। যদিও বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা যে সহজ নয়, সেই যুক্তিও সামনে আসছে। তবে এত আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের পরেও বাঘিনীর গতিপথ নিয়ে বন দপ্তরের পরিকল্পনা ও নজরদারি কতটা কার্যকর ছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বনকর্তার বক্তব্য, নজরদারির ব্যবস্থা থাকলেও বন্যপ্রাণীকে নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে আটকে রাখা সম্ভব নয়। তার স্বাভাবিক প্রবৃত্তি অনুযায়ী সে অন্যত্র চলে যেতেই পারে।এদিকে বাঘিনীটিকে ঘিরে বন দপ্তরের উদ্বেগ আরও বেড়েছে। কারণ, একবার অসমের জঙ্গলের পথ চিনে নেওয়ার পর তাকে ফিরিয়ে আনা হলেও ভবিষ্যতে সে আবার একই পথে চলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমানে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের একটি বিশেষ দল অসমে পৌঁছে পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। অন্যদিকে, অসমের রাইমোনা জাতীয় উদ্যানে ইতিমধ্যেই ছয়টি রয়েল বেঙ্গল টাইগার রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেখানে বাঘিনীটি স্থায়ীভাবে থেকে যায়, নাকি আরও গভীরে মানস ব্যাঘ্র প্রকল্পের দিকে চলে যায়, তা নিয়ে এখন নজর রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলের।সব মিলিয়ে, বক্সায় বাঘের স্থায়ী বসতি গড়ে তোলার উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার শুরুতেই এই ঘটনা বন দপ্তরের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোটি কোটি টাকা খরচ করে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির দাবি এবং আধুনিক নজরদারি ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও বাঘিনীর অন্য রাজ্যে চলে যাওয়া নতুন করে ভাবাচ্ছে বনকর্তা ও বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞদের। এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, বক্সায় বাঘ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত কতটা সফল হবে।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
কলকাতা

বেহালায় প্রেমের সম্পর্ক ঘিরে অমানবিকতার চরম নজির, বাবা-ছেলেকে বিবস্ত্র করে রাস্তায় হাঁটানোর অভিযোগ, গ্রেফতার ৩

কলকাতার বেহালায় প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে এক যুবক ও তাঁর বাবার উপর অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠল তরুণীর পরিবারের বিরুদ্ধে। তিনজনকে বিবস্ত্র করে প্রকাশ্য রাস্তায় হাঁটানো, মারধর এবং আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে হুমকি দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে। ঘটনার ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় উত্তেজনা ও ক্ষোভ ছড়ায়। এই ঘটনায় তরুণীর বাবা ও মামা-সহ মোট তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৫ অক্টোবর সরশুনা থানার অন্তর্গত বসুন্ধরা পার্ক এলাকায় ঘটনাটি ঘটে বলে অভিযোগ। ওই যুবকের সঙ্গে তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক মেনে নিতে পারেনি তাঁর পরিবার। সেই আক্রোশ থেকেই যুবক ও তাঁর বাবাকে হেনস্থা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মেয়েটি নাবালিকা বলে জানা গিয়েছে।অভিযোগ অনুযায়ী, ২৫ অক্টোবর ওই যুবক ও তরুণীকে একসঙ্গে দেখতে পান তরুণীর পরিবারের সদস্যরা। এরপর যুবককে একটি বাড়িতে আটকে রেখে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় তরুণীর বাবা ও মামার জড়িত থাকার দাবি উঠেছে। পরে যুবকের বাবাকেও ঘটনাস্থলে ডেকে পাঠানো হয়।অভিযোগ, সেখানে ছেলের সামনেই যুবকের বাবার হাতে একটি আগ্নেয়াস্ত্র তুলে দিয়ে তাঁকে ভয় দেখানো হয়। ছেলেকে গুলি করতে হবে, না হলে বিবস্ত্র হয়ে রাস্তায় হাঁটতে হবে, এমন শর্ত দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি। এরপর যুবক ও বাবাকে বিবস্ত্র করে প্রকাশ্য রাস্তায় হাঁটানো হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় যুবকের এক বন্ধুকেও মারধর করা হয় এবং একইভাবে হেনস্থা করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সমাজমাধ্যমে ভিডিও ছড়াতেই উত্তেজনা বাড়েঘটনার ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, ক্ষুব্ধ জনতার একাংশ তরুণীর বাড়িতে ভাঙচুরের চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সরশুনা থানার পুলিশ। স্থানীয় সূত্রের খবর, পুলিশ পৌঁছনোর আগেই তরুণীর বাবা-সহ পরিবারের কয়েকজন সদস্য বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। অন্যদিকে, তরুণীর মামাকে স্থানীয় বাসিন্দারা ধরে মারধর করার পর পুলিশের হাতে তুলে দেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় তরুণীর বাবা ও মামা-সহ মোট তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।অস্ত্র আইন ও বিএনএসের একাধিক ধারায় মামলাজানা গিয়েছে, এই ঘটনায় ২৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে সরশুনা থানায় ২২২/২০২৬ নম্বর মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। অস্ত্র আইনের ২৫(১বি)(ক) ধারা-সহ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (বিএনএস) ১০৯, ১১৮(১), ১১৭(২), ১২৭(২), ৩৫৬(২), ৩৫১(৩), ১৪০(৩) এবং ৩(৫) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। পাশাপাশি, তরুণীর পরিবারের সঙ্গে স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের এক কাউন্সিলরের ঘনিষ্ঠতা ছিল বলেও কয়েকজন বাসিন্দা দাবি করেছেন। তবে এই দাবির বিষয়ে কোনও নিশ্চিত তথ্য সামনে আসেনি। সূত্রের খবর, ঘটনার তদন্তে একটি সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের প্রক্রিয়া চলছে। কয়েকজন স্থানীয় সাক্ষীকে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ, নির্যাতনের অভিযোগ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
রাজ্য

জোড়াফুলের দখল কার? ঋতব্রতদের ১০ দিনের সময় দিল সুপ্রিম কোর্ট, পালটা হলফনামার সুযোগ কালীঘাট শিবিরকেও

কলকাতা: তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও নির্বাচনী প্রতীক ঘাসের উপর জোড়াফুল কার দখলে থাকবে, তা নিয়ে আইনি লড়াই এখনও অব্যাহত। এই বিতর্কের নিষ্পত্তির জন্য এবার গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসকে (ঋতব্রত শিবির) আরও ১০ দিন সময় দিল সুপ্রিম কোর্ট। একইসঙ্গে, প্রতিপক্ষের জমা দেওয়া নথি ও হলফনামা খতিয়ে দেখে নিজেদের বক্তব্য পেশ করার জন্য কালীঘাট শিবিরও অতিরিক্ত ১০ দিন সময় পাবে। ফলে দুই পক্ষের নথি আদানপ্রদান ও পালটা বক্তব্য পেশের প্রক্রিয়া শেষ করতে আরও সময় লাগবে। অন্যদিকে, আদালতে নথি জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই শিবিরের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। কালীঘাটের তরফে নথি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।নথি জমার সময়সীমা বাড়ল, কী বলল আদালত?সোমবার ছিল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী দুই পক্ষের প্রয়োজনীয় নথি ও হলফনামা জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময়সীমা। আদালতের নির্দেশ মেনে কালীঘাট শিবির তাদের নথি জমা দিলেও গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। এরপরই অতিরিক্ত সময় চেয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন ঋতব্রত শিবিরের আইনজীবী।আদালতে তাঁদের তরফে জানানো হয়, প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত করে জমা দেওয়ার জন্য আরও কিছুটা সময় দরকার। দুর্গাপুজোর কারণে স্ট্যাম্প পেপার সংগ্রহ করতে সমস্যা হওয়ায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমস্ত প্রক্রিয়া শেষ করা যায়নি বলেও যুক্তি দেওয়া হয়। সেই কারণে আরও দুই সপ্তাহ সময় চেয়েছিল গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস।তবে এই আবেদনের বিরোধিতা করেন কালীঘাট শিবিরের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময় দেওয়ার আবেদন মঞ্জুর করে সুপ্রিম কোর্ট। তবে চাওয়া দুই সপ্তাহের পরিবর্তে ১০ দিনের সময়সীমা নির্ধারণ করে দেয় আদালত। পাশাপাশি, ঋতব্রত শিবিরের জমা দেওয়া নথি খতিয়ে দেখে পালটা হলফনামা পেশ করার জন্য কালীঘাট শিবিরকেও আরও ১০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে।উপনির্বাচনে আলাদা নাম-প্রতীক, কিন্তু স্থায়ী সমাধান কোথায়?তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ বিভাজনের জেরে দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে যে জটিলতা তৈরি হয়েছে, তার নিষ্পত্তি এখনও হয়নি। দুই শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক বিরোধ গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত। দলের পরিচিত নাম এবং দীর্ঘদিনের নির্বাচনী প্রতীক নিজেদের দখলে রাখার প্রশ্নেই মূলত এই আইনি লড়াই।গত ৬ অক্টোবর রাজ্যের দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন দুই পক্ষের জন্য পৃথক নাম ও প্রতীকের ব্যবস্থা করেছিল। সেই সময় অস্থায়ী সমাধান হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস নামে ফুটবল প্রতীক পায়। অন্যদিকে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য বরাদ্দ হয় খাম প্রতীক।কিন্তু উপনির্বাচনের জন্য করা সেই ব্যবস্থা স্থায়ী সমাধান নয়। দলের পুরনো পরিচয় এবং ঘাসের উপর জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে দুই পক্ষের দাবি-পালটা দাবি অব্যাহত রয়েছে। সেই কারণেই বিষয়টি গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। কোন পক্ষ শেষ পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও ঐতিহ্যবাহী প্রতীকের অধিকার পাবে, তা নির্ধারণের আগে দুই শিবিরের বক্তব্য ও প্রাসঙ্গিক নথি খতিয়ে দেখতে চাইছে আদালত।হরিয়ানায় নথি ছিনতাইয়ের চেষ্টার অভিযোগ ঋতব্রতরআদালতে নথি জমা দেওয়া নিয়ে যখন আইনি প্রক্রিয়া চলছে, ঠিক সেই সময়ই নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার সকালে নিজের এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে তাঁর অভিযোগ, গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের নথিপত্র দিল্লিতে নিয়ে যাওয়ার পথে বাধা দেওয়া হয় এবং সেগুলি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলে।ঋতব্রতর দাবি, কালীঘাট শিবির ২৫ অক্টোবর, রবিবার রাতে চার্টার্ড বিমানে নিজেদের নথি দিল্লিতে পাঠিয়েছিল। অন্যদিকে, গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা ২৪ অক্টোবর, শনিবার সড়কপথে নথিপত্র নিয়ে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেন। সেই নথি নিয়ে যাওয়ার সময় সোমবার ভোর সাড়ে তিনটে নাগাদ হরিয়ানায় তাঁদের ট্রাক আটকানো হয় বলে অভিযোগ বিরোধী দলনেতার।তাঁর আরও দাবি, ওই সময় নথিপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তবে দলের কর্মীরা সেই চেষ্টা ব্যর্থ করে দেন। গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে কালীঘাট শিবিরের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছেন তিনি।চার্টার্ড সংস্কৃতি বনাম তৃণমূল স্তর, কটাক্ষ বিরোধী দলনেতারঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক আক্রমণের সুরও চড়িয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, একদিকে চার্টার্ড বিমানে নথি পাঠানোর ব্যবস্থা, অন্যদিকে দলের কর্মীদের সড়কপথে নথি নিয়ে যাওয়াএই দুই পরিস্থিতির মধ্যে যেন একটি সংঘাত তৈরি হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, ক্ষমতা ও গায়ের জোর দেখিয়ে সবকিছু দখল করার চেষ্টা করা হলেও তা সবসময় সফল হয় না।যদিও নথি ছিনতাইয়ের চেষ্টার এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে পরবর্তী সময়ে কী প্রতিক্রিয়া আসে, সেদিকেও নজর থাকবে।পুরসভা নির্বাচন ঘিরে বাড়ছে রাজনৈতিক গুরুত্বকলকাতা, হাওড়া-সহ রাজ্যের একাধিক পুরসভায় নির্বাচন সামনে আসায় তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে এই মামলার গুরুত্ব আরও বেড়েছে। নির্বাচনের আগে দলের পরিচয় ও প্রতীকের প্রশ্নে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দুই শিবিরের রাজনৈতিক অবস্থান নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।এখন নজর সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে পারে কি না, তার পরিপ্রেক্ষিতে কালীঘাট শিবির কী পালটা বক্তব্য পেশ করে এবং শেষ পর্যন্ত জোড়াফুল প্রতীকের অধিকার কার হাতে যায়সেই প্রশ্নের উত্তর এখনও অধরা। আপাতত আইনি লড়াইয়ের পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় দুই শিবিরই।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
দেশ

মোদির বাবা তুলে খাড়গের কটাক্ষ, দেশজুড়ে বিজেপির বিক্ষোভ! ‘ভারতের অপমান’ বলে তীব্র আক্রমণ রাজনাথের

জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করতে গিয়ে তাঁর বাবাকে নিয়ে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের মন্তব্য ঘিরে দেশজুড়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা। বিহার থেকে জম্মু, বেঙ্গালুরুবিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদে নেমেছে বিজেপি। খাড়গের নিঃশর্ত ক্ষমাপ্রার্থনা ও পদত্যাগের দাবিতে সরব গেরুয়া শিবির। বিতর্কে কংগ্রেসকে পালটা আক্রমণ প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়েরও।নিজস্ব সংবাদদাতা, রাজনৈতিক মহল: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আক্রমণ করতে গিয়ে তাঁর বাবাকে নিয়ে কটাক্ষ করার অভিযোগে নতুন করে বিতর্কের কেন্দ্রে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। তাঁর মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক সংঘাত তীব্র হয়েছে। প্রতিবাদে দেশজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করেছে বিজেপি। বিভিন্ন রাজ্যে রাস্তায় নেমে কংগ্রেস সভাপতির বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি তাঁর পদত্যাগের দাবিও তুলেছেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। অন্যদিকে, এই মন্তব্যকে ভারতের অপমান বলে কংগ্রেসকে নিশানা করেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।বিজেপির অভিযোগ, দেশের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সমালোচনা করতে গিয়ে খাড়গে ব্যক্তিগত আক্রমণের সীমা অতিক্রম করেছেন। এই মন্তব্যের জন্য তাঁর প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে দাবি গেরুয়া শিবিরের। শুধু ক্ষমাপ্রার্থনাই নয়, কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকেও তাঁকে সরে দাঁড়ানোর দাবি জানিয়েছেন বিজেপির নেতা-কর্মীদের একাংশ।বিহার থেকে জম্মু, বেঙ্গালুরুবিক্ষোভে বিজেপিখাড়গের মন্তব্যের প্রতিবাদে সোমবার বিহারে বড়সড় মিছিল বের করেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। মিছিল থেকে কংগ্রেস সভাপতির বিরুদ্ধে একাধিক স্লোগান তোলা হয়। তাঁর পদত্যাগের দাবিতে সরব হন বিক্ষোভকারীরা। প্রতিবাদের অংশ হিসেবে খাড়গের কুশপুতুলও পোড়ানো হয়।একই ইস্যুতে উত্তেজনা ছড়ায় জম্মুতেও। সেখানে বিজেপি কর্মীরা খাড়গের পোস্টার পুড়িয়ে প্রতিবাদ জানান। বেঙ্গালুরুর ফ্রিডম পার্কেও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন গেরুয়া শিবিরের নেতা-কর্মীরা। পাশাপাশি, আরও কয়েকটি রাজ্যে বিজেপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।বিজেপির বক্তব্য, রাজনৈতিক মতপার্থক্য গণতন্ত্রের স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু বিরোধিতা করতে গিয়ে কোনও ব্যক্তির পরিবারকে টেনে এনে আক্রমণ করা রাজনৈতিক শালীনতার পরিপন্থী। সেই কারণেই খাড়গের মন্তব্যের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে প্রতিবাদে নেমেছে দল।এটা ভারতের অপমান, খাড়গেকে নিশানা রাজনাথেরএই বিতর্কে কংগ্রেস সভাপতির বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তাঁর বক্তব্য, খাড়গের মতো একজন প্রবীণ রাজনৈতিক নেতার কাছ থেকে এমন মন্তব্য প্রত্যাশিত নয়। যে দল নিজেদের দেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল হিসেবে পরিচয় দেয়, সেই দলের সভাপতির মুখে এ ধরনের মন্তব্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বলেও দাবি করেছেন তিনি।রাজনাথের কথায়, এটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক যে এই মন্তব্যগুলি কোনও সাধারণ কংগ্রেস কর্মী বা যুব নেতা করেননি, বরং এমন এক দলের সভাপতি করেছেন, যে দলটি নিজেদের দেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল বলে দাবি করে।এখানেই থামেননি প্রতিরক্ষামন্ত্রী। খাড়গের মন্তব্যকে দেশের মর্যাদার সঙ্গে যুক্ত করে তিনি বলেন, খাড়গের এহেন মন্তব্য আসলে ভারতের অপমান।রাজনাথের আরও অভিযোগ, নিজেদের ভুল স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করার পরিবর্তে কংগ্রেসের তরফে খাড়গের মন্তব্যকে সমর্থন করা হচ্ছে। তাঁর মতে, এই ধরনের আচরণ রাজনৈতিক বিতর্ককে আরও তিক্ত করে তুলছে। ফলে শুধু খাড়গে নন, গোটা কংগ্রেস নেতৃত্বকেই এই বিষয়ে জবাবদিহি করতে হবে বলে দাবি বিজেপি শিবিরের।কী বলেছিলেন খাড়গে? কোথা থেকে বিতর্কের সূত্রপাত?এই বিতর্কের সূত্রপাত রবিবার বিহারের পাটনায়। বিহারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কৃষ্ণ সিংয়ের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সেখানে গিয়েছিলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। সেই সভায় বক্তৃতা করার সময়ই ঘটে বিতর্কিত ঘটনাটি।খাড়গে যখন বক্তব্য রাখছিলেন, তখন উপস্থিত এক ব্যক্তি তাঁকে উদ্দেশ্য করে বলেন, দেশে বিদ্রোহ না হলে মোদিকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না। তবে ওই ব্যক্তির বক্তব্যের সম্পূর্ণ অংশ খাড়গে শুনতে পাননি বলে দাবি করা হয়েছে। তিনি কথাটির অর্থ বুঝেছিলেন অন্যভাবে। তাঁর কানে পৌঁছয়, মোদি কোথাও যাবেন না।এরপরই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করেন কংগ্রেস সভাপতি। সেই সময় তিনি বলেন, মোদির বাপকেও যেতে হবে।খাড়গের এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয় রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিজেপির দাবি, দেশের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক বিরোধিতা থাকতেই পারে, কিন্তু তাঁর বাবাকে টেনে এনে এমন মন্তব্য করা অনভিপ্রেত এবং নিন্দনীয়। এই বক্তব্যের জন্য খাড়গের ক্ষমা চাওয়া উচিত বলেও দাবি করেছে গেরুয়া শিবির।রাজনৈতিক সংঘাত আরও বাড়ার আশঙ্কাঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে সংঘাত নতুন মাত্রা পেয়েছে। একদিকে খাড়গের মন্তব্যকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আক্রমণ আরও তীব্র করছে বিজেপি। অন্যদিকে, এই বিতর্কের রাজনৈতিক অভিঘাত আগামী দিনে কতটা বাড়ে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে রাজনৈতিক বিরোধিতা নতুন নয়। তবে সেই বিরোধিতা ব্যক্তিগত আক্রমণের পর্যায়ে পৌঁছলে তা রাজনৈতিক শালীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দেয়। খাড়গের মন্তব্য ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কেও উঠে এসেছে সেই প্রশ্নই। এখন দেখার, এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেস নেতৃত্ব কী অবস্থান নেয় এবং বিজেপির ক্ষমাপ্রার্থনা ও পদত্যাগের দাবি নিয়ে রাজনৈতিক সংঘাত কোন দিকে এগোয়।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
রাজ্য

স্কুলে ফিরুক পাস-ফেল, মোবাইল নিষিদ্ধের পক্ষে সওয়াল শুভেন্দুর

স্কুলশিক্ষায় একাধিক পরিবর্তনের পক্ষে সওয়াল করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। স্কুলে মোবাইল ফোনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা, পাস-ফেল প্রথা ফিরিয়ে আনা এবং পড়ুয়াদের মধ্যে জাতীয়তাবোধ জাগিয়ে তোলার উপরে জোর দিলেন তিনি। পাশাপাশি প্রতিটি স্কুলে ব্রতচারী, এনসিসি (NCC) এবং এনএসএস (NSS) চালু করার পক্ষেও মত প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, পড়াশোনার পাশাপাশি পড়ুয়াদের মধ্যে সাংস্কৃতিক প্রতিভার বিকাশ ঘটানোও জরুরি।রবিবার রামনগরে চোরবাগানে পদপিষ্ট হয়ে মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে নিজের মতামত তুলে ধরেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন চিত্রশিল্পী যোগেন চৌধুরীর প্রয়াণ নিয়েও কথা বলেন তিনি। পাশাপাশি রাজনৈতিক বিরোধীদের নিশানা করে বিতর্কিত মন্তব্যও করেন মুখ্যমন্ত্রী।স্কুলশিক্ষার প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, পড়ুয়াদের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে স্কুলে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করা এবং পাস-ফেল প্রথা ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন। ভারতবর্ষের ইতিহাস, পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস এবং আধুনিক ভাষার সঙ্গে পড়ুয়াদের পরিচিত করে তোলার উপরেও গুরুত্ব দেন তিনি। তাঁর মতে, শিক্ষার পরিসর শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। ছাত্রছাত্রীদের সর্বাঙ্গীণ বিকাশের জন্য সহপাঠক্রমিক কার্যকলাপেও গুরুত্ব দিতে হবে।প্রতিটি স্কুলে ব্রতচারী, এনসিসি এবং এনএসএস ফিরিয়ে আনার পক্ষে সওয়াল করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তবলা, হারমোনিয়াম, গিটার, সেতার ও খঞ্জনির মতো বাদ্যযন্ত্রের চর্চাও স্কুলে থাকা উচিত। পড়ুয়াদের মধ্যে সাংস্কৃতিক প্রতিভা খুঁজে বের করে তা বিকাশের সুযোগ করে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।এদিন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের শিক্ষানীতি নিয়েও আক্রমণ শানান শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, এনসিসি তুলে দিয়ে জয় হিন্দ বাহিনী চালু করা হয়েছিল। ব্রতচারী কার্যক্রম বন্ধ করার মতো পদক্ষেপও করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। ভাষা ও শব্দের ব্যবহার নিয়েও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal