• ২৮ পৌষ ১৪৩২, বুধবার ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mukul Roy,

রাজনীতি

Suvendu Adhikari: মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে শুভেন্দুর চিঠি স্পিকারকে

অবশেষে মুকুল রায়ের (Mukul Roy) বিধায়ক পদ খারিজের আবেদন জমা পড়ল। শুক্রবার বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Biman Banerjee) চিঠি দেওয়া হয়েছে বিজেপির তরফে। ওই চিঠিতে স্বাক্ষর রয়েছে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। উল্লেখ্য, বিজেপির টিকিটে কৃষ্ণনগর উত্তর আসনে জয় লাভ করেছেন মুকুল রায়। কিন্তু শিবির বদলে ফের তৃণমূলে (TMC) ফেরেন তিনি। এরপরই দলত্যাগ বিরোধী আইন লাগু করার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবিষয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে কথাও বলেছিলেন। শুভেন্দু সাফ জানিয়েছিলন, মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের জন্য শেষ পর্যন্ত লড়াই করবেন তিনি। জানা গিয়েছে, ওই চিঠিতে মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের আর্জি জানানো হয়েছে। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, বিজেপির টিকিটে জিতে বিধায়ক হয়ে অন্য দলে যোগ দিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবারই মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের আরজির আবেদন জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিজেপি। চিঠি লেখাও হয়েছিল কিন্তু বিধানসভায় তা জমা পড়েনি। কারণ হিসেবে জানা গিয়েছিল, স্পিকার না আসায় এবং রিসিভিং সেকশন বন্ধ থাকায় চিঠি জমা করা যায়নি। এছাড়াও চিঠিতে কিছু ভুলত্রুটিও ছিল, যা আরও একটি কারণ। গতকালই শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, শুক্রবার অধ্যক্ষের কাছে চিঠি জমা দেওয়া হবে। একান্তই যদি জমা না দেওয়া যায়, সেক্ষেত্রে অধ্যক্ষকে মেল করা হবে। সেই মতোই এদিন জমা পড়ল চিঠি।

জুন ১৮, ২০২১
রাজনীতি

Mukul Roy: মুকুলের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার করল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক

বিজেপি ছেড়ে সদ্যই তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন সপুত্র মুকুল রায়ের (Mukul Roy)। ফের ঘাসফুল শিবিরে ফেরার পরই তাঁর নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করেছিল রাজ্য সরকার। তবে তার আগে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে চিঠি লিখেছিলেন খোদ মুকুল রায়। মুকুল রায়ের আর্জি মেনে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার করল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।Security of TMC leader Mukul Roy has been withdrawn by Ministry of Home Affairs (MHA), order has been issued: Govt Sources(File photo) pic.twitter.com/RcLInrbaLl ANI (@ANI) June 17, 2021সাড়ে তিন বছর পর ঘরে ফেরা। পুরনো দলে, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে ফের রাজনৈতিক ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়লেন তিনি। শুক্রবারই বিজেপি সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায় সপুত্র ফিরেছেন তৃণমূলে (TMC)। তাঁদের উত্তরীয় পরিয়ে স্বাগত জানান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলে যোগদানের পর তিনি বললেন, বিজেপি থেকে বেরিয়ে খুব ভাল লাগছে। নতুন আঙিনায় এসেছি, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে দেখা হচ্ছে, কথা হচ্ছে। আর এটা ভেবে ভাল লাগছে, বাংলা আবার তার নিজের জায়গায় ফিরবে। সামনে থেকে নেতৃত্ব দেবেন মমতা। ঘরের ছেলে ঘরে ফিরল বলেই জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহারের দাবি জানান মুকুল রায়। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার হল তাঁর। তবে তার আগেই তাঁকে জেড ক্যাটাগরি এবং শুভ্রাংশু রায়কে (Subhranshu Roy) ওয়াই প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেয় রাজ্য।

জুন ১৭, ২০২১
রাজনীতি

Mukul Roy: পুরনো ভূমিকাতেই মুকুল, মিলল জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা

সদ্য বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রত্যাবর্তন করা মুকুল রায়কে জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। তাঁর পুত্র প্রাক্তন বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়কে ওয়াই ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়া হবে। রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তর সূত্রে এ খবর জানা গিয়েছে। গতকাল তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদানের পরেই মুকুলবাবুর নিরাপত্তায় রাজ্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়। যদিও তাঁর নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনীর জওয়ানেরা এখনও পর্যন্ত মোতায়েন রয়েছেন। তবে মুকুলবাবু ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহারের আবেদন জানিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে চিঠি লিখেছেন বলে জানা গিয়েছে।এদিকে শুক্রবারই আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূলে ফিরেই নিজের কাজ শুরু দিয়েছেন মুকুল রায়৷ সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই বিজেপি-র বেশ কয়েকজন সাংসদ এবং বিধায়কের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে মুকুলের৷ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও এদিন দীর্ঘ বৈঠক করেন তিনি। মুকুল রায়ের ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, উত্তরবঙ্গের দু জন বিজেপি সাংসদের সঙ্গে কথা হয়েছে মুকুলের৷ উত্তরবঙ্গেরই আরও এক সাংসদের কাছেও দল বদলের প্রাথমিক প্রস্তাব গিয়েছে বলে খবর৷ শুধু তাই নয়, উত্তরবঙ্গের একজন-সহ গোটা রাজ্যে অন্তত সাত থেকে আটজন বিজেপি বিধায়কের সঙ্গেও ফোনে কথা হয়েছে মুকুল রায়ের৷ এঁদের মধ্যে কয়েকজন মুকুল ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত৷ ফলে বিজেপি-র মধ্যেই তাঁদের দলবদল নিয়ে জল্পনা বাড়ছে৷ প্রসঙ্গত শুক্রবার মুকুল রায় যোগদান করার সময়ই তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানিয়েছিলেন, বিজেপি থেকে আরও অনেকেই তৃণমূলে আসবে৷ কয়েকদিন আগে একই দাবি করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও৷ বাগদার বিজেপি বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাসও ইতিমধ্যে দলবদলের সম্ভাবনা বাড়িয়ে প্রকাশ্যেই বলেছেন মুকুল রায়ের সঙ্গে তাঁর পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও মধুর সম্পর্ক তাঁর৷ শুক্রবার বনগাঁয় বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের ডাকা সাংগঠনিক বৈঠকেও যাননি তিনি৷ তবে শুধু সাংসদ, বিধায়করাই নন, নির্বাচনে হেরে যাওয়া মুকুল ঘনিষ্ঠ অনেক বিজেপি নেতাই ইতিমধ্যে মুখ খুলতে শুরু করেছেন৷ যেমন এ দিনই নোয়াপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক সুনীল সিং নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা বাড়িয়েছেন৷ মুকুলের হাত ধরেই বিজেপি-তে যোগ দিয়েছিলেন সুনীল৷ এমনিতেই নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর বিজেপি-র মধ্যে অনেক নেতাই বেসুরো গাইছিলেন৷ তাঁদের অধিকাংশই হয় ভোটে জেতেননি, নয় টিকিট পাননি৷ কিন্তু মুকুল রায়ের দলবদলের পরই জয়ী বিধায়ক, এমনকী, সাংসদদের ধরে রাখা নিয়েও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বিজেপি শিবিরে৷

জুন ১২, ২০২১
রাজনীতি

BJP on Mukul Roy: মুকুলের যাওয়াকে আমল দিতে নারাজ বিজেপি

বিজেপির (BJP) ব্যাপ্তি সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে। মুকুল রায় চলে গেলে তাতে কিছু আসবে যাবে না। শুক্রবার মুকুলের তৃণমূল-যোগের পর এমনটাই বললেন বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার। তিনি বলেন, মুকুলবাবুকে আমরা শুভেচ্ছা জানাচ্ছি তাঁর নতুন ইনিংস শুরু করার জন্য। তিনি পুরনো দলে নতুন ইনিংস শুরু করতে গিয়েছেন। রাজনৈতিক পটভূমিকাতে এর বিচার ভবিষ্যতে হবে।২০১৭ সালের নভেম্বরে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন মুকুল রায়। ২০২১-এর জুনেই পুরনো দলে ফিরে গেলেন তিনি। এই মুকুল রায়কে সামনে রেখে ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে ঘুঁটি সাজিয়েছিল গেরুয়া শিবির। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মুকুলই ছিল মোদি-শাহের তরুপের তাস। শাসকদল ভেঙে একের পর নেতাকে বিজেপির দিকে টেনেছিলেন মুকুল রায়ই। বিধানসভা ভোটের আগেও শাসক শিবিরে বেশ হইচই পড়ে গিয়েছিল দলবদলের পালা ঘিরে।কিন্তু ভোট মিটতেই উল্টো স্রোত বিজেপির অন্দরে। ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি গোছের ভাব করে তৃণমূলে ফিরতে চাইছেন দলবদলুরা। বিজেপি অবশ্য প্রথম প্রথম বলেছে, লাভের আশায় এসেছিল, সে গুড়ে বালি পড়ে যাওয়ায় চলে যেতে চাইছে। সোনালি গুহ, সরলা মুর্মু কিংবা দীপেন্দু বিশ্বাসদের ক্ষেত্রে এ ধরনের মন্তব্য করে সহজেই ঝেড়ে ফেলা গিয়েছে। কিন্তু মুকুল রায়ের প্রসঙ্গে বিজেপি সাবধানী। সূত্রের খবর, কেন্দ্র থেকে কড়া নির্দেশ এসেছে, মুকুলকে নিয়ে খুব বেশি কথা বলার দরকার নেই। এদিন মুকুল রায়ের দলত্যাগ প্রসঙ্গে জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, মুকুলবাবু পুরনো দলে নতুন ইনিংস শুরু করতে গিয়েছেন। উনি বর্ষীয়ান নেতা। বাংলার রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ। তাঁকে আমরা নতুন ইনিংসের জন্য শুভেচ্ছা জানাই। একইসঙ্গে জয়প্রকাশের মন্তব্য, দেশে সর্ববৃহৎ দল বিজেপি। পৃথিবীতে এত বড় রাজনৈতিক দল নেই। ধারে কাছেও নেই কেউ। আমরা ৩০৩ জন নিয়ে কেন্দ্র শাসন করছি। বহু রাজ্যে আমাদের শাসন চলছে। সদ্য সমাপ্ত ভোটে আমরা তিন থেকে ৭৭ হয়েছি। আমরা বলেছিলাম, ভেবেছিলাম, এই পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় আমরা আসব। অভীষ্টতে পৌঁছতে পারিনি। তবে আমাদের হাত থেকে পশ্চিমবঙ্গ হারিয়ে গিয়েছে তা তো নয়! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর দল বাংলা শাসন করছিল, সেটাই চলছে। তাঁদের জন্য নতুন কোনও অ্যাচিভমেন্ট হয়নি।

জুন ১১, ২০২১
রাজনীতি

Mukul Roy: সাড়ে তিন বছর পর ঘাসফুলে সপুত্র মুকুল

সাড়ে তিন বছর পর ঘরে ফেরা। পুরনো দলে, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে ফের রাজনৈতিক ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়া। বৃত্তটা যেন সম্পূর্ণ হল এতদিনে। বিজেপি সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায় (Mukul Roy) ফিরলেন তৃণমূলে (TMC)। শুক্রবার তৃণমূল ভবনে দলীয় পতাকা হাতে নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করলেন। সঙ্গে পুত্র শুভ্রাংশুও। পিতাপুত্রের প্রত্যাবর্তনে আরও চাঙ্গা ঘাসফুল শিবিরও। তাঁকে ঘরের ছেলে বলে স্বাগত জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। ৬৭ বছর বয়সে ফের রাজনৈতিক কেরিয়ারে নতুন ধাপে পা রাখলেন মুকুল। এবার নতুন দায়িত্ব নেওয়ার পালা। তৃণমূলে যোগদানের পর তিনি বললেন, বিজেপি থেকে বেরিয়ে খুব ভাল লাগছে। নতুন আঙিনায় এসেছি, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে দেখা হচ্ছে, কথা হচ্ছে। আর এটা ভেবে ভাল লাগছে, বাংলা আবার তার নিজের জায়গায় ফিরবে। সামনে থেকে নেতৃত্ব দেবেন মমতা।নভেম্বর, ২০১৭। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দল তৃণমূল ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়েছিলেন তৃণমূলের তৎকালীন সর্বভারতীয় সম্পাদক মুকুল রায়। পাশে ছিলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়। কেন, কী ভেবে তিনি বিজেপিতে (BJP) যোগ দিচ্ছেন, তা নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্যও রেখেছিলেন। প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে নারদ (Narada case) স্টিং অপারেশনের ভিডিওতে তৃণমূলের অন্যান্য নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে মুকুল রায়কেও দেখা গিয়েছিল। তা নিয়ে তোলপাড় হলেও, নির্বাচনে কার্যত তা ছাপ ফেলতে পারেনি। তৃণমূল হাসতে হাসতেই ফের বিপুল জনসমর্থন নিয়ে রাজ্যের ক্ষমতায় এসেছিল। তবে মুকুল রায়, শোভন চট্টোপাধ্যায়দের উপর চাপ বাড়ে। রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশের বিশ্বাস, সেই চাপেই বছর খানেক বাদে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে পা রেখেছিলেন মুকুল। তারও কয়েক বছর পর তাঁর ছেলে শুভ্রাংশুও (Subhrangsu Roy) দলবদল করেন। তবে একুশের নির্বাচনে চেনা জমিতেও হারের পর ইঙ্গিতপূর্ণ ফেসবুক পোস্টে বুঝিয়েছিলেন, বিজেপিতে বীতশ্রদ্ধ শুভ্রাংশু।এরপর ২০২০ সালে দলের হয়ে ভাল কাজ করার পুরস্কার হিসেবে বিজেপিতে সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির দায়িত্ব পান। একুশের বিধানসভা ভোটে প্রায় প্রচার ছাড়াই কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে বড় ব্যবধানে জিতেছেন তিনি। তা সত্ত্বেও অবশ্য বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার দৌড়ে তাঁকে পিছনে ফেলে পদ পেয়ে গিয়েছেন নন্দীগ্রামের জায়ান্ট কিলার (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানো) শুভেন্দু অধিকারী, তুলনায় যিনি বিজেপিতে অনেক নবীন। ফলে একটা অভিমান ছিলই বঙ্গ রাজনীতির চাণক্যর। সম্প্রতি স্ত্রীর অসুস্থতার সময়ে হাসপাতালে গিয়ে দেখা করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাতে জল্পনা উস্কে ওঠে, এ কি নিছকই সৌজন্যের নজির, নাকি রয়েছে কোনও রাজনীতির রসায়ন? শুক্রবার দেখা গেল, রসায়নই সত্যি।

জুন ১১, ২০২১
রাজনীতি

Mukul Roy: আজই ঘর ওয়াপসি? তৃণমূলভবনে চলছে বৈঠক

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিজেপি ছেড়ে ঘর ওয়াপসি করতে চলেছেন মুকুল রায়। তৃণমূল ভবনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তৃণমূলের প্রথম সারির নেতাদের উপস্থিতিতে মুকুল এবং শুভ্রাংশুর রায়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কথা। শুক্রবার বাড়ি থেকে বেরিয়ে মুকুল নিজেও জানান, তৃণমূল ভবনেই যাচ্ছেন তিনি। দুপুর সাড়ে ৪টে নাগাদ সাংবাদিক বৈঠক।ইতিমধ্যেই তিনি ছেলে শুভ্রাংশুকে নিয়ে তৃণমূল ভবনে চলে এসেছেন। চলে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। জল্পনা ঘোরাফেরা করছিলই। কয়েক বছর গেরুয়া শিবিরে কাটিয়ে, দলে বড় পদ পাওয়ার পর আর মন টিকছে না সেভাবে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের তাই ধারণা হয়েছিল, ফের ঘাসফুলের পথে পা বাড়াবেন বলে জমি তৈরি করছিলেন মুকুল রায় (Mukul Roy)। সূত্রের খবর, তৃণমূল ভবনে এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা (Mamata Banerjee) সাংগঠনিক বৈঠক চলছে।

জুন ১১, ২০২১
রাজনীতি

Mukul Roy: আজই ঘর ওয়াপসি? তৃণমূলভবনে চলছে বৈঠক

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিজেপি ছেড়ে ঘর ওয়াপসি করতে চলেছেন মুকুল রায়। তৃণমূল ভবনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তৃণমূলের প্রথম সারির নেতাদের উপস্থিতিতে মুকুল এবং শুভ্রাংশুর রায়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কথা। শুক্রবার বাড়ি থেকে বেরিয়ে মুকুল নিজেও জানান, তৃণমূল ভবনেই যাচ্ছেন তিনি। দুপুর সাড়ে ৪টে নাগাদ সাংবাদিক বৈঠক।ইতিমধ্যেই তিনি ছেলে শুভ্রাংশুকে নিয়ে তৃণমূল ভবনে চলে এসেছেন। চলে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। জল্পনা ঘোরাফেরা করছিলই। কয়েক বছর গেরুয়া শিবিরে কাটিয়ে, দলে বড় পদ পাওয়ার পর আর মন টিকছে না সেভাবে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের তাই ধারণা হয়েছিল, ফের ঘাসফুলের পথে পা বাড়াবেন বলে জমি তৈরি করছিলেন মুকুল রায় (Mukul Roy)। সূত্রের খবর, তৃণমূল ভবনে এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা (Mamata Banerjee) সাংগঠনিক বৈঠক চলছে।

জুন ১১, ২০২১
কলকাতা

দিলীপের ডাকা বৈঠকে অনুপস্থিত মুকুল, জল্পনা

কয়েকদিন ধরেই মুকুল রায়ের সঙ্গে বিজেপির (BJP) সম্পর্ক নিয়ে কানাঘুষো শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। অনেকের দাবি, হয়তো দল ছাড়তে পারেন পোড়খাওয়া এই রাজনীতিবিদ। এবিষয়ে তিনি কোনও মন্তব্য না করলেও মঙ্গলবার দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) ডাকা বৈঠকে মুকুল রায়ের (Mukul Roy) অনুপস্থিতি উস্কে দিল সেই জল্পনা। এবিষয়ে মুখ খুলেছেন দিলীপ-মুকুল উভয়েই।আরও পড়ুন: বাতিল পরীক্ষা: আত্মঘাতী দিনহাটার মেধাবী ছাত্রী বর্ণালীমঙ্গলবার কলকাতার হেস্টিংসের কার্যালয়ে একটি বৈঠকের আয়োজন করেছিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। রাজ্য পদাধিকারিদের সেখানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। অনেকেই ভার্চুয়ালি যোগদিয়েছিলেন তাতে। তবে মঙ্গলবারের সেই বৈঠকে দেখা যায়নি মুকুল রায়কে। তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই শুরু হয় সমালোচনা। দলের সঙ্গে সম্পর্ক যে আর আগের মতো নেই সেই ইঙ্গিত দিতেই কি বৈঠকে যোগ দিলেন না মুকুল? সেই প্রশ্নও ওঠে। এই পরিস্থিতিতে এবিষয়ে বিজেপি বিধায়ক (BJP MP) একটি সংবাদমাধ্যমে বলেন, এসবের মধ্যে আমি নেই। কোনও বৈঠকের কথা আমি জানি না। তাঁর এই মন্তব্য উস্কে দেয় বিতর্ক। পালটা দিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, প্রত্যেকের মতোই মুকুল রায়কেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। পরিস্থিতি অনুকূল থাকলে তিনি আসার আশ্বাসও দিয়েছিলেন।বর্তমানে রায় পরিবার যে টানাপোড়েনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে তাতে মুকুলবাবুর মন্তব্যকে গুরুত্ব দিতে নারাজ দিলীপ। তিনি বলেন, মুকুলবাবুর স্ত্রী অত্যন্ত অসুস্থ। ওনারা বর্তমানে সমস্যার মধ্যে রয়েছেন।

জুন ০৮, ২০২১
কলকাতা

'বিজেপির সৈনিক হিসেবেই কাজ করব'

২০ বছর বাদে সংসদীয় রাজনীতির ময়দানে লড়াই করে জনপ্রতিনিধি হওয়ার পর একটু খাপছাড়া লেগেছিল তাঁকে। শুক্রবার বিধানসভায় বিধায়ক হিসেবে শপথ নিতে যাওয়া মুকুল রায়কে দেখা গিয়েছিল, বিজেপি পরিষদীয় দলের বৈঠক এড়িয়ে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে আলাপচারিতায় মগ্ন। জল্পনা উস্কে উঠেছিল ঘাসফুল শিবিরের সঙ্গে পদ্মশিবিরের এই নেতার ঘনিষ্ঠতা নিয়ে। তবে ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই টুইট করে সমস্ত জল্পনা উড়িয়ে দিলেন বঙ্গ রাজনীতির এই দুঁদে নেতা। টুইট করলেন, বিজেপির সৈনিক হয়েই পশ্চিমবঙ্গে গণতন্ত্র ফেরানোর কাজ করবেন। সমস্ত জল্পনা থামাতে চাইছি। নিজের রাজনৈতিক পথে আমি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।প্রায় ২০ বছর পর নির্বাচনী যুদ্ধে নেমেছিলেন মুকুল রায়। বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি অনেক কম প্রচার করেও কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে বেশ বড় ব্যবধানেই জিতেছেন। তবে শুক্রবার বিধায়ক পদে শপথ নিতে বিধানসভায় তাঁর আচরণ কিন্তু উসকে দিয়েছিল একাধিক জল্পনা। এদিন বিধানসভা কক্ষে শপথ গ্রহণের পর মুকুল তৃণমূল পরিষদীয় দলের ঘরে যান। তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক সুব্রত বক্সির সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করেন, অন্যদের সঙ্গে কিছুক্ষণ কথাবার্তা বলে চলে যান। একটিবারও ঢোকেননি তাঁর নিজের দল বিজেপি পরিষদীয় দলের ঘরে। এমনকী পরিষদীয় দলের বৈঠকও এড়িয়ে গিয়েছেন।

মে ০৮, ২০২১
কলকাতা

শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে দলবদলের জল্পনা বাড়ালেন বঙ্গ রাজনীতির 'চাণক্য' মুকুল

তিনি বরাবরই কৌশলী, বঙ্গ রাজনীতির চাণক্য। দীর্ঘদিন পর সক্রিয় রাজনীতিতে এসেও তারই প্রতিফলন ঘটালেন।শপথ গ্রহণের দিন মুকুল রায়ের আচরণ বিশেষভাবে চোখে পড়ার মতো। শুক্রবার তিনি নির্ধারিত সময়েই পৌঁছে যান বিধানসভায়। ঠিক ১০ মিনিট সেখানে ছিলেন। শপথগ্রহণের পর বিজেপি পরিষদীয় দলের ঘরে না গিয়ে সোজা তৃণমূল পরিষদীয় দলের ঘরের দিকে চলে যান তিনি। সেখানে দেখা করলেন শাসকদলের নেতাদের সঙ্গে, চলল সৌজন্য বিনিময়ও। তারপরই অবশ্য মুখে কুলুপ আঁটলেন কৃষ্ণনগর উত্তরের বিজেপি বিধায়ক। বলেন, মানুষের জীবনে এমন দু-একটা দিন আসে, যখন মানুষকে চুপ থাকতে হয়। এই কথাই বহুমুখী ইঙ্গিতবাহী।জয়ের পর বিধায়কের শপথ নিতে এসে মুকুলের আচরণ কিন্তু উস্কে দিয়েছে একাধিক জল্পনা। এদিন বিধানসভা কক্ষে তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করান প্রোটেম স্পিকার তথা বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায়। তারপরই মুকুল রায়কে ঘিরে ধ্বনি ওঠে, দলনেতা হতে হবে। এসবে বিশেষ কর্ণপাত না করে তিনি তৃণমূল পরিষদীয় দলের ঘরে যান। তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক সুব্রত বক্সির সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করেন, অন্যদের সঙ্গে কিছুক্ষণ কথাবার্তা বলে চলে যান। একটিবারও ঢোকেননি তাঁর নিজের দল বিজেপি পরিষদীয় দলের ঘরে। এমনকী পরিষদীয় দলের বৈঠকও এড়িয়ে গিয়েছেন।এরপর মুকুল রায় বিধানসভার বাইরে এলে তাঁকে সাংবাদিকরা ঘিরে ধরে নানা প্রশ্ন করেন। তাতে প্রথমে মুকুল রায় জবাব দেন, মানুষের জীবনে এমন দু-একটা দিন আসে, যখন মানুষকে চুপ থাকতে হয়। এ নিয়ে জল্পনা উস্কে ওঠে। এই নীরবতার কী অর্থ। বিজেপি বিধায়ক হিসেবে শপথ নিয়েই তৃণমূল পরিষদীয় দলের ঘরে কেন? এর উত্তরে তিনি বলেন, সুব্রত বক্সির সঙ্গে দেখা হয়েছে। আরও অনেকের সঙ্গেই হয়েছে। সুব্রত মুখার্জিকে দেখিনি। কিন্তু সকলে যে তাঁকেই বিরোধী দলনেতা হওয়ার দাবি তুললেন? এ নিয়ে একটি কথাও উচ্চারণ করেননি মুকুল। এমনিতেই এই পদ নিযে মুকুল-শুভেন্দুর একটা অলিখিত লড়াই আছে, যে লড়াইয়ে অনেকেই শুভেন্দুকে এগিয়ে রাখছেন। কারণ, হাইভোল্টেজ নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁর নজরকাড়া সাফল্য। তবে কি এই দৌড়ে খানিক পিছিয়ে থেকেই তৃণমূল ঘনিষ্ঠতা বাড়াচ্ছেন একদা তৃণমূলের ভরসাযোগ্য নেতা মুকুল রায়? তাঁর আজকের আচরণ তুলে দিচ্ছে এমনই বেশ কিছু প্রশ্ন।

মে ০৭, ২০২১
রাজনীতি

এবার জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা মুকুল রায়কে

বেজে গিয়েছে বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের দামামা। ২৭ মার্চ রাজ্যে প্রথম দফা নির্বাচন। তার আগেই নিরাপত্তা বাড়ল বিজেপির সহ-সভাপতি মুকুল রায়ের। এবার থেকে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা পাবেন তিনি। সূত্রের খবর, বুধবারই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা এসেছে।বর্তমানে ওয়াই প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা পেতেন মুকুল রায়। তবে বৃহস্পতিবার থেকেই বাড়তি নিরাপত্তা পেতে চলেছেন তিনি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে নির্দেশিকা জারি করে একথা জানানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, দীর্ঘ ২০ বছর পর এবারই ভোটের ময়দানে লড়ছেন মুকুল রায়। শেষবার ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন ২০০১ সালে। তারপর কেটে গিয়েছে দীর্ঘ ২০ টা বছর। অন্তরালে থেকেই কাজ করে গিয়েছেন। কিন্তু এবার সরাসরি নামছেন ভোটযুদ্ধে। কৃষ্ণনগর উত্তর থেকে ভোটে লড়বেন তিনি। তাঁর মূল প্রতিপক্ষ তৃণমূলের তারকা প্রার্থী অভিনেত্রী কৌশানি মুখোপাধ্যায়। ফলে কড়া লড়াইয়ের মুখে পড়তে হতে পারে মুকুল রায়কে। এমনটাই মত রাজনৈতিক মহলের।

মার্চ ২৪, ২০২১
রাজনীতি

বিজেপির প্রার্থী তালিকায় ফের চমক

শেষবার ভোট দাঁড়িয়েছিলেন ২০০১ সালে। তারপর কেটে গিয়েছে দীর্ঘ ২০ টা বছর। অন্তরালে থেকেই কাজ করে গিয়েছেন। এই ২০২১এ ভোটযুদ্ধে দেখা যাবে তাঁকে। তিনি আর কেউ নন, বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায়। বৃহস্পতিবার বিধানসভা নির্বাচনে ১৪৮ টি কেন্দ্রের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল গেরুয়া শিবির। তাতে একদিকে যেমন রয়েছেন একাধিক বিধায়ক, তেমনই রয়েছেন রুপোলি পর্দার নায়ক-নায়িকাও। অর্থাৎ বিজেপির প্রার্থী তালিকায় ফের চমক। ভোটযুদ্ধে কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হচ্ছেন মুকুল রায়। তাঁর মূল প্রতিপক্ষ তৃণমূলের তারকা প্রার্থী অভিনেত্রী কৌশানি মুখোপাধ্যায়। প্রার্থী হয়েই জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী একদা তৃণমূলের দক্ষ সংগঠক মুকুল রায়। এছাড়া প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন জগন্নাথ সরকারের মতো সাংসদ, সব্যসাচী দত্ত, পবন সিং, অরিন্দম ভট্টাচার্যর মতো বিধায়ক, রয়েছেন দলের দীর্ঘদিনের সক্রিয় কর্মীরা। আজকের বিজেপির ঘোষিত তালিকায় কে, কোথা থেকে লড়ছেন, দেখে নিন একঝলকে কৃষ্ণনগর উত্তর মুকুল রায় কৃষ্ণনগর দক্ষিণ মহাদেব সরকারডাবগ্রাম শিখা চট্টোপাধ্যায়ধূপগুড়ি বিষ্ণুপদ রায়ময়নাগুড়ি কৌশিক রায়মাল- মহেশ বাগেশিলিগুড়ি- শংকর ঘোষশান্তিপুর জগন্নাথ সরকারকৃষ্ণগঞ্জ আশিস বিশ্বাসরানাঘাট দক্ষিণ মুকুটমনি অধিকারীরানাঘাট উত্তর-পশ্চিম অসীম বিশ্বাসপানিহাটি সন্ময় বন্দ্যোপাধ্য়ায়ভবানীপুর রুদ্রনীল ঘোষ চৌরঙ্গি শিখা মিত্রপাণ্ডবেশ্বর জিতেন্দ্র তিওয়ারি বরানগর- পার্নো মিত্র মধ্যমগ্রাম- রাজশ্রী রাজবংশীহাবড়া রাহুল সিনহা বিধাননগর সব্যসাচী দত্ত হেমতাবাদ চাঁদিমা রায়রাজারহাট-গোপালপুর শমীক ভট্টাচার্য রাজারহাট-নিউটাউন ভাস্কর মুখোপাধ্যায়জগদ্দল অরিন্দম ভট্টাচার্যনৈহাটি ফাল্গুনী পাত্রব্যারাকপুর চন্দ্রমণি শুক্লাখড়দহ শীলভদ্র দত্তনোয়াপাড়া সুনীল সিংভাটপাড়া পবন সিংবীজপুর শুভ্রাংশু রায়কামারহাটি রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়দমদম বিমলশংকর নন্দমানিকতলা কল্যাণ চৌবেআসানসোল দক্ষিণ অগ্নিমিত্রা পল বসিরহাট দক্ষিণ তারকনাথ ঘোষবর্ধমান দক্ষিণ সন্দীপ নন্দীকালনা বিশ্বজিৎ কুণ্ডুমন্তেশ্বর সৈকত পাঁজাদুর্গাপুর পূর্ব কর্নেল দীপ্তাংশু চৌধুরী

মার্চ ১৮, ২০২১
রাজ্য

অভিষেকগড়ে শুভেন্দুর হানা, তৃণমূল বিধায়ক পদ্মশিবিরে

বারুইপুরের জনসভায় আনুষ্ঠানিকভাবে গেরুয়া পতাকা হাতে তুলে নিলেন ডায়মন্ডহারবারের বিধায়ক দীপক হালদার। তাঁর সঙ্গে বিজেপিতে যোগ দিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার আরও প্রায় ১৬ জন তৃণমূল নেতা। আর তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই যোগদানের মাধ্যমে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র ডায়মন্ডহারবারে তৃণমূলের সংগঠনে বড় ধস নামল, যা বিধানসভা ভোটের আগে নিঃসন্দেহে ধাক্কা তৃণমূল শিবিরের কাছে। সভায় চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছেন শুভেন্দ। বেশ কয়েকদিন ধরেই ডায়মন্ডহারবারের বিধায়ক দীপক হালদারকে নিয়ে গুঞ্জন চলছিল। চলতি বছরের প্রথমে তিনি কলকাতার প্রাক্তন মেয়র তথা বর্তমান বিজেপির কলকাতা সংগঠনের পর্যবেক্ষক শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একদা ঘনিষ্ঠ এই সৈনিক নিজের রাজনৈতিক শিবির বদল নিয়ে মুখে কার্যত কুলুপ এঁটেছিলেন। তা সত্ত্বেও তাঁর গতিপ্রকৃতি বুঝতে বিশেষ বেগ পেতে হয়নি রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহলের। ১ ফেব্রুয়ারি তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল ছাড়ার কথা জানিয়ে দেন। স্পিডপোস্টে নিজের ইস্তফা পাঠান দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সির কাছে। আর পুরনো পরিচয় থেকে বেরিয়ে এসে ২ তারিখই নিজের রাজনৈতিক কেরিয়ারে পা রাখলেন দীপক হালদার।মঙ্গলবার বারুইপুরে বিজেপির যোগদান মেলায় মুকুল রায়, শুভেন্দু অধিকারী, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়দের উপস্থিতিতে বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নিলেন দীপক হালদার।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২১
রাজ্য

"পূর্ব বর্ধমানে করোনার টীকা ঝেড়েছে তৃণমূল কোম্পানি", কালনার জনসভায় তোপ শুভেন্দুর

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন সোমবার ২০২১-২২ অর্থ বর্ষের বাজেট পেশ করেছেন। এদিন পূর্ব বর্ধমানের কালনায় বিজেপির জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় বাজেটের ভূয়সী প্রশংসা করলেন তৃণমূল ত্যাগী বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, করোনা অতিমারির জন্য মোদি সরকার বাজেটে ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। আগামী এক বছর ধরে সমস্ত ভারতবাসীকে টিকা দেওয়ার কথাও বাজেটে ঘোষণা করা হয়েছে বাজেটে। স্বাস্থ্য খাতে ৬৫ হাজার কোটি টাকা বাজেটে বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে শুরু করে এইমস(AIIMS)-এর মত হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ পর্যন্ত সমস্ত চিকিৎসা ক্ষেত্রে নতুন আধুনিক পর্বের ব্যবস্থা গড়ে তোলার কথা বাজেটে বলা হয়েছে।কালনার এই জনসভায় বিজেপির কেন্দ্রীয় সহসভাপতি মুকুল রায় বলেন, দীর্ঘ দিন রাজনীতি করছি। এর আগে সরকার পরিবর্তন দেখেছি। একই উচ্ছাস ২০২১ সালেও দেখছি। এবারও মানুষের উচ্ছাসও যে সরকার পরিবর্তন করার উচ্ছাস তা পরিস্কার বোঝা যাচ্ছে বলে মকুলবাবু মন্তব্য করেন।বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দুবাবু দাবি করেন, ৭৫ উর্ধ্ব বয়সের প্রবীন নাগরিকদের ইনকাম ট্যাক্স ফাইল করতে হবে না বলে বাজেটে যা ঘোষণা করা হয়েছে সেটা বৈপ্লবিক সিদ্ধান্ত। ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ বছরে দেশের সিনিয়র সিটিজেনদের এই বিশেষ উপহার দিয়েছে মোদি সরকার।বাজেটের প্রসঙ্গ সামনে এনে তৃণমূল কংগ্রেসকেও বেনজির ভাষায় আক্রমণ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি অভিযোগ করেন, তৃণমূলকে লকডাউনে চালচুরি, আমফানে ত্রিপল চুরি করতে দেখা গেছে। এখন দেখা যাচ্ছে টিকাও চুরি করছে। পূর্ব বর্ধমান জেলার চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীদের জন্য যে টিকা এসেছিল তার থেকে ১৫ টি টিকা ঝেড়ে নিয়েছে তৃণমূল কোম্পানির লোকেরা। তার মধ্যে রয়েছে ২ বিধায়ক ও একজন প্রাক্তন বিধায়ক। তৃণমূল জানিয়ে দিয়েছিল এঁরা হাসপাতালের সঙ্গে যিক্ত। শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন ,কালনা, কাটোয়া,পূর্বস্থলী এলাকা হল শস্যভাণ্ডার। সেই কারণে বিজেপি কৃষক সুরক্ষা যাত্রা এখান থেকে শুরু করেছে । শুভেন্দুবাবু কালনার সভামঞ্চ থেকে জেলার চাষিদের উদ্দেশ্যে বলেন, পশ্চিম বাংলার চাষিরা বাদে সবাই তিন বছরে এখনও পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনায় ২০ হাজার টাকা পেয়ে গিয়েছে। রবিবার অমিত শাহজি বলেছেন ,পশ্চিমবঙ্গ থেকে শুধুমাত্র সংখ্যা পাঠিয়ে দিয়ে রাজ্য সরকারের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দেওয়ার কথা বলেছে । কিন্তু মোদিজি বলে দিয়েছেন , না - এই ভাবে টাকা দেওয়া যাবে না। কাটমানি খেতদেওয়া হবে না। সরাসরি কৃষকদের অ্যাকউন্টে টাকা পাঠানো হবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।কালনার জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে খালিস্তানিদের মদত দেওয়ার অভিযোগ আনেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, কেন্দ্রের সরকার যখন দেশকে শক্তিশালী করতে চাইছে তখন এই রাজ্যের সরকার দেশকে দুর্বল করতে চাইছে। লালকেল্লা থেকে খালিস্তান জিন্দাবাদ বলছে। শুভেন্দু বাবু দাবি করেন, খালিস্তানি মদতপুষ্ট আন্দোলনকে আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সমর্থন জানাচ্ছেন। রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়েও কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি দাবি করেন, বিধানসভা ভোটের জন্য স্বাস্থ্যসাথী করা হয়েছে। রাজ্য সরকারের চাপে তিন মাস রোগীদের এখন নার্সিংহোমগুলি ফেরাবে না। সিপিএম নেতাদের উদ্দেশ্যে শুভেন্দু বলেন ,তৃণমূল সরকারের আমলে পঞ্চায়েত ভোটে নমিনেশন জমা দিতে পারেননি, পঞ্চায়েত ভোটে লড়তে পারেননি। বিজেপি বাংলায় ক্ষমতায় না এলে অবাধ পঞ্চায়েত নির্বাচন হবে না।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২১
রাজনীতি

"নন্দীগ্রামে ভোটে দাঁড়াবেন না মমতা", দাবি মুকুলের

বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে তৃণমূল প্রার্থী হচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল নেত্রীর নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। তাঁর এক সময়ের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা তথা তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড ছিলেন মুকুল রায়। বর্তমানে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির দাবি, শেষমেশ নন্দীগ্রামে ভোটে দাঁড়াবেন না মমতা। নন্দীগ্রামের মানুষকে ভয় পেয়ে পালিয়ে আসবেন। মুকুল রায়ের বক্তব্য, ভবানীপুর কেন্দ্রে হেরে যাবেন সেই ভয়েই তিনি সেই আসন ছাড়তে চাইছেন। তবে একই সঙ্গে তিনি যোগ করেছেন যদি তিনি নন্দীগ্রামে ভোটে দাঁড়ান তাতেও বিজেপির কোনও অসুবিধে নেই। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর বক্তব্য মমতা ভয় পেয়ে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে সরে যেতে চাইছেন।

জানুয়ারি ১৮, ২০২১
রাজ্য

নন্দীগ্রামে নিখোঁজ পরিবারদের ৪ লক্ষ টাকা করে সাহায্য

শুভেন্দু অধিকারীর দলবদলের পর আজ সোমবার প্রথম নন্দীগ্রামের জনসভা করছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামের পাশেই জনসভার আয়োজন করা হয়েছে। এই জনসভায় যোগ দিয়েই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন দশটি নিখোঁজ পরিবারকে চার লক্ষ টাকা করে সহায়তা করা হবে। উল্লেখ্য, এর আগে ৭ জানুয়ারি নন্দীগ্রামের জনসভা করার কথা ছিল কিন্তু তৃণমূল বিধায়ক অখিল গিরি করোনা আক্রান্ত হওয়ায় সেই জনসভা স্বল্প পরিসরে হয়।

জানুয়ারি ১৮, ২০২১
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে মমতা, দক্ষিণ কলকাতায় শুভেন্দু- চড়ছে উত্তেজনার পারদ

একই দিনে অগ্নিপরীক্ষা। নন্দীগ্রাম ও দক্ষিণ কলকাতায়। নন্দীগ্রামে আজ জনসভা করবেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে এদিন দক্ষিণ কলকাতায় মিছিল করবেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্য রাজনীতি একেবারে জমজমাট। রাজনীতির প্রতি পদক্ষেপে উত্তেজনার পারদ চড়ছে। এবার দিনে দিনেই পাল্টা চ্যালেঞ্জ। অভিজ্ঞ মহলের মতে, জনতার আবেগ ও ভিড় প্রমান করবে পাল্লা কার দিকে ভারি।৭ জানুয়ারি নন্দীগ্রামে জনসভা করার কথা ছিল তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। পূর্ব মেদিনীপুরের তৃণমূল নেতা বিধায়ক অখিল গিরি করোনা আক্রান্ত হওয়ায় ওই সভা বাতিল করে দল। সেদিন সেখানে গিয়েছিলেন দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী। ১৮ জানুয়ারি মমতার সভা হবে বলে ঘোষণা করা হয়। শুভেন্দু অধিকারী পাল্টা ১৯ জানুয়ারি খেজুরিতে বিজেপি জনসভা করবে বলে ঘোষণা করেন। শেষমেশ সোমবার দক্ষিণ কলকাতায় মমতার খাসতালুকে মিছিলের কর্মসূচি নেয় বিজেপি। সেই মিছিলে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সঙ্গে নেতৃত্বে থাকবেন শুভেন্দু।নন্দীগ্রাম আন্দোলনের মূলে কে বা কারা তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক রয়েছে। দাবি-পাল্টা দাবি চলছে। ২০১৬-তে নন্দীগ্রামে তৃণমূলের টিকিটে জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু। এবার তাঁর গড়ে জনপ্রিয়তা যাচাই করতে ময়দানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং। সোমবারের জনসভা থেকে কী বার্তা দেন তৃণমূল নেত্রী তার অপেক্ষায় নন্দীগ্রামের মানুষ। অন্যদিকে যে দক্ষিণ কলকাতার তৃণমূল নেতৃত্ব নিয়ে শুভেন্দুর যাবতীয় অভিযোগ, সেখানেই মিছিল করে কলকাতা অভিযান শুরু করছেন তিনি। টালিগঞ্জ ট্রাম ডিপো থেকে মিছিল শুরু করে শেষ হবে রাসবিহারী মোড়ে। বামফ্রণ্ট আমলেও দক্ষিণ কলকাতা ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড়। সেখানেই এবার নিজের শক্তি পরীক্ষা করে নিচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার বঙ্গ রাজনীতির ময়দানে যুযুধান দুই পক্ষের মহারণ প্রত্যক্ষ করবেন উদগ্রীব জনতা।

জানুয়ারি ১৮, ২০২১
রাজনীতি

বাংলায় 'বড় চানক্য' ছিল, এবার রাজনীতির ময়দানে 'ছোট চানক্য'

বাংলায় রাজনীতির চানক্য হিসাবে পরিচিত তৃণমূলের একসময়ের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড এখন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি। এবার আরেক জনের নাম উঠে এল। একজন বড় চানক্য, অন্যজন ছোট চানক্য। শুক্রবার নন্দীগ্রামে বিজেপির জনসভায় দুই চানক্য-এর কথা বলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয়।এদিন নন্দীগ্রামের স্টেট ব্যাংক সংলগ্ন ময়দানে জনসভার ডাক দিয়েছিল বিজেপি। সেই সভায় বিজেপির এরাজ্যের পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মঞ্চে বসা মুকুল রায় ও শুভেন্দু অধিকারীকে দেখিয়ে বলেন, এখানে দুজন চাণক্য হাজির আছেন। বড় চাণক্য মুকুল রায়, ছোট চাণক্য শুভেন্দু অধিকারী। এই দুজন এখান থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নেত্রী বানিয়েছেন। এঁরা এখন আমাদের সঙ্গে আছেন। নন্দীগ্রামে গুলি চালানো পুলিশ আধিকারিক সত্যজিৎ মুখোপাধ্যায়কে তৃণমূল দলে নিয়েছে, আর এক পুলিশ আধিকারিককে অবসর গ্রহণের পর নিজের অফিসে নিয়োগ করেছেন। এভাবেই নন্দীগ্রামের মানুষের সঙ্গে ধোকা দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।এদিকে এদিন তাঁর বক্তব্যে মুকুল রায় জানিয়ে দেন, তিনি নন্দীগ্রামের মাটিতে একাধিকবার এসেছেন। আন্দোলনের সঙ্গে ছিলেন। তিনি চেনেন নন্দীগ্রামকে। নন্দীগ্রামের প্রাক্তন বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী সেভাবে বক্তব্য না রাখলেও তিনি বলেন, ৮ জানুয়ারি সভা ডাকা হয়েছিল। ৭ তারিখে তৃণমূল কংগ্রেস সভার পর জবাব দেব বলে। আমরা জানতে পেরেছি ১৮জানুয়ারি তৃণমূল সভা করবে, তাই ১৯ জানুয়ারি ফের সভা হবে খেজুরিতে। সেখানে ১৮ জানুয়ারি সভার বক্তব্যের জবাব পাবে তৃণমূল নেতৃত্ব। সভায় হাজির ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষসহ অন্য নেতৃবৃন্দ।

জানুয়ারি ০৮, ২০২১
রাজ্য

আজ নন্দীগ্রামে বিজেপির মেগা-সমাবেশ, নতুন কী ঘোষণা শুভেন্দুর?

আজ, শুক্রবার সকলের নজরে নন্দীগ্রামে বিজেপির সমাবেশ। বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী অনেক আগেই ঘোষণা করেছিলেন ৮ জানুয়ারি এক লক্ষ লোকের সমাবেশ হবে নন্দীগ্রামে। নন্দীগ্রামে স্টেট ব্যাংকের পাশের ময়দানে এই সভার আয়োজন করেছে বিজেপি। ৭ জানুয়ারি নন্দীগ্রামে তৃণমূল কংগ্রেসের জনসভা হবার কথা ছিল। সেই কারণেই ৮ জানুয়ারি পাল্টা জনসভার কথা ঘোষণা করেছিলেন নন্দীগ্রামের প্রাক্তন বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। যদিও তৃণমূল নেতা অখিল গিরি করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন বলে তৃণমূলের সভা বাতিল করা হয়েছিল। এদিকে বৃহস্পতিবার শুভেন্দু জানিয়ে দিয়েছে যদি তৃণমূল কংগ্রেস ১৮ জানুয়ারি সভা করে সেক্ষেত্রে আজ নন্দীগ্রামের সভায় ফের নতুন ঘোষণা করবেন। আজকের নন্দীগ্রামের সভায় হাজির থাকবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায়, দলের পর্যবেক্ষক তথা কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয়, রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। নন্দীগ্রাম আন্দোলনের মধ্য দিয়েই তৃণমূল কংগ্রেসের প্রবল উত্থান হয়েছিল। সেই নন্দীগ্রামকে আঁকড়ে ধরেই রাজনীতির ময়দানে জায়গা পেতে চাইছে বিজেপিও। সেদিন আন্দোলনের অন্যতম কাণ্ডারী ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী এবার পদ্ম পতাকাতলে থেকে বিজেপিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সেই নন্দীগ্রামকেই সামনে রেখেছেন তিনি। দেখার বিষয় এদিনের সমাবেশে কত মানুষ ভিড় করেন এবং শুভেন্দু নতুন কী ঘোষণা করেন?

জানুয়ারি ০৮, ২০২১
রাজনীতি

১০০ নয়, ৫০ আসনই টপকাবে না তৃণমূল, চ্যালেঞ্জ মুকুলের

১৯ ডিসেম্বর মেদিনীপুরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সভায় শুভেন্দু অধিকারীসহ ৭ জন তৃণমূল বিধায়ক বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। তিনজন ছিলেন বাম ও কংগ্রেসের বিধায়ক। ফের ১২ জানুয়ারি বিবেকানন্দর জন্মদিনে রাজ্যে আসবেন অমিত শাহ। বুধবার রাতে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করেন মুকুল রায়। পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মুকুল রায় বলেন, তৃণমূল বিধায়কদের ফোনে কান ঝালাপালা হয়ে যাচ্ছে। তবে অমিত শাহর সভার দিন কেউ বিজেপিতে যোগ দেবে কীনা তা ভবিষ্যতের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। বেশ কিছু দিন ধরে মুকুল রায় বলে আসছিলেন তৃণমূল ১০০ আসনের গন্ডি পেরবে না। এরইমধ্যে তৃণমূলের ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর টুইটে দাবি করে, ১০০ আসন পার করতে বিজেপির অনেক কষ্ট আছে। এদিন বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি বলেন, তৃণমূল ৫০টি আসনও টপকাতে পারবে না। শুভেন্দু বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর এদিন প্রথম সল্টলেকে মুকুল রায়ের দফতরে আসেন। সেখানে তাঁদের মধ্যে একান্তে বৈঠক হয়। যদিও মুকুল রায় জানিয়েছেন, একেবারেই সৌজন্য সাক্ষাৎ। তবে কাঁথির মাটিতে শুভেন্দুই যে শেষ কথা বলেন সেকথা স্মরণ করিয়ে দেন মুকুল। তিনি বলেন, বয়স হয়ে গেলে সব কথা মনে থাকে না। সৌগত রায়ের সেই অবস্থা হয়েছে। বুধবার কাঁথিতে মিছিল ও সভা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। নেতৃত্বে ছিলেন ফিরহাদ হাকিম, সৌগত রায়। এর পাল্টা বৃহস্পতিবার কাঁথিতে মিছিল করবেন শুভেন্দু অধিকারী। মুকুলের কথায় ওই মিছিলে শুভেন্দু একাই যথেষ্ট।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

শিক্ষা

পৌষের গন্ধে গ্রামবাংলা: পিঠে, ঘুড়ি আর লোকজ জীবনের উৎসব

পৌষ নামলেই গ্রামবাংলার হাওয়া বদলে যায়। ভোরের কুয়াশা আরও ঘন হয়, খড়ের গাদায় রোদ্দুর বসে, আর মাটির উঠোনে ভেসে আসে চাল ভাপার সোঁদা গন্ধ। এই সময়েই বাঙালির ঘরে ঘরে আসে এক লোকজ উৎসবপৌষ পার্বণ, যাকে গ্রামবাংলা আদর করে ডাকে পিঠে পার্বণ বলে।এই উৎসব কোনও মন্দিরে বাঁধা নয়, কোনও মন্ত্রে আবদ্ধ নয়। এ উৎসব ছড়িয়ে থাকে উঠোনে, রান্নাঘরে, খোলা মাঠে আর মানুষের মুখের হাঁসিতে। নতুন ধান ওঠার আনন্দে কৃষকের ঘরে যে তৃপ্তি, তারই রসায়ন মিশে যায় পিঠের নরম স্বাদে।গ্রামবাংলার মায়েদের কাছে পৌষ পার্বণ মানে শুধু রান্না নয়এ এক সামাজিক আচার। ভোর থেকে শুরু হয় চাল ভেজানো, বাটা, খোলায় নলেন গুড় বসানো। মাটির উনুনে ধোঁয়া ওঠে, কাঁসার থালায় সাজে ভাপা পিঠে (সিদ্ধ পিঠে), সরু চাকলি, পাটিসাপটা। দুধ পুলির ভেতর গুড় আর নারকেলের মিশেলে লুকিয়ে থাকে দিদিমা-ঠাকুমার হাতের ছোঁয়া, যা কোনও রেসিপির বইয়ে লেখা নেই।লোকসংস্কৃতির এই পরম্পরায় পিঠে শুধু খাবার নয়, এক ভাষা। সেই ভাষায় কথা বলে মমতা, আতিথেয়তা আর ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ। পৌষের সকালে প্রতিবেশীর ঘরে পিঠে পাঠানো যেমন রীতি, তেমনই রীতি একসঙ্গে বসে খাওয়ারধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ ছাপিয়ে।পৌষ সংক্রান্তির আর এক অবিচ্ছেদ্য ছবি আকাশ। নীল আকাশ জুড়ে রঙিন ঘুড়ির উড়ান যেন লোকশিল্পের চলমান ক্যানভাস। যা দেখে কবির সুমন (তখন সুমন চট্টোপাধ্যায়) লিখেছিলেন পেটকাটি চাঁদিয়াল মোমবাতি বগ্গা - আকাশে ঘুড়ির ঝাঁক, মাটিতে অবজ্ঞা। রাঢ় বঙ্গের অন্যতম জনবহুল বর্ধমান শহরে ও তার আশপাশের গ্রামগুলিতে এই দিনে ঘুড়ি ওড়ানো শুধু খেলা নয়, এক উৎসব, সকাল সকাল চা খেয়েই ছাদে জড়ো আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা, চোখ বন্দি আকাশে, ছাদে-ছাদে চটুল হিন্দি গানের ভিতরেই ভেসে আসছে একটাই আওয়াজ ভোও-কাট্টা। দামোদরের পাড়ে বসা আদিবাসী ও উপজাতিদের মেলায় ঘুড়ির সঙ্গে মিশে যায় ঢাক, ধামসা, মাদল ও বাঁশির সুর। লোকনৃত্য, হস্তশিল্প আর খোলা মাঠের এই মিলনমেলা যেন বাংলার বহুত্বকে এক সুতোয় বেঁধে রাখে।এই মেলায় দেখা যায় সাঁওতাল, বাউরী, বাগদি সমাজের নিজস্ব সংস্কৃতিনতুন রঙিন পোশাক, পায়ের তালে মাটির ছন্দ দিরি দিম দিম বোল তোলে। আধুনিক শহুরে জীবনের বাইরে দাঁড়িয়ে এই লোকজ উৎসব আমাদের মনে করিয়ে দেয়সংস্কৃতি মানে শেকড়ের সঙ্গে সংযোগ।আজ শহরের ফ্ল্যাটবাড়িতে পিঠে আসে বাক্সবন্দি হয়ে, ঘুড়ি ওড়ানো হয় ছাদের কোণে দাঁড়িয়ে। তবু পৌষ পার্বণ এলেই মন ছুটে যায় গ্রামেমাটির ঘর, খোলা উঠোন আর আগুন পোহানো বিকেলের দিকে। কারণ এই উৎসব আমাদের শেখায়, উৎসবের আসল সৌন্দর্য জাঁকজমকে নয়, বরং মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের উষ্ণতায়।পৌষ পার্বণ তাই শুধুই একটি দিন নয়এ এক স্মৃতি, এক গন্ধ, এক জীবন্ত লোকসংস্কৃতি। সময় বদলায়, রূপ বদলায়, কিন্তু পিঠের ধোঁয়ার সঙ্গে মিশে থাকা গ্রামবাংলার আত্মা আজও অটুট।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যের খেসারত, ভারতকে ফের শুল্কের ফাঁদে ফেললেন ট্রাম্প

বছরের শুরুতেই ভারতের উপর ফের শুল্কের আঘাত আনল আমেরিকা। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করবে, তাদের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। সেই তালিকায় ভারতের নামও রয়েছে। গত অর্থবর্ষে ইরানের সঙ্গে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য করেছে ভারত।বর্তমানে আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের প্রশাসনের বিরুদ্ধে ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। সেই আন্দোলনের প্রতি প্রথম থেকেই সমর্থন জানিয়ে আসছেন ট্রাম্প। এমনকি প্রয়োজন হলে ইরানের উপর সামরিক হামলার পরিকল্পনার কথাও তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন। এই পরিস্থিতিতে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যকারী দেশগুলির উপর কড়া অবস্থান নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।সোমবার নিজের সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লেখেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করছে, তারা আমেরিকার সঙ্গে ব্যবসা করতে গেলে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে বাধ্য হবে। এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও জানান তিনি।ইরানের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য করে চিন। তবে ভারতের সঙ্গেও তেহরানের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। তেহরানে ভারতীয় দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারত ইরানে প্রায় ১২০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময়ে ইরান থেকে ৪৪ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬৪ কোটি ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় আনুমানিক ১৪ হাজার কোটি টাকা। এই বাণিজ্যের মধ্যে রয়েছে রাসায়নিক দ্রব্য, ফল, বাদাম, তেল এবং জ্বালানি জাতীয় পণ্য।ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করার কারণেই এবার ভারতের উপর বাড়তি শুল্ক চাপাল আমেরিকা। এর আগে রাশিয়া থেকে তেল কেনার অভিযোগে ভারতের উপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। ফলে তখন ভারতীয় পণ্যের উপর মার্কিন শুল্কের হার পৌঁছেছিল ৫০ শতাংশে। এবার ইরান ইস্যুতে আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক যুক্ত হওয়ায় মোট শুল্কের পরিমাণ দাঁড়াল ৭৫ শতাংশ। এই সিদ্ধান্ত ভারতের রপ্তানি বাণিজ্যে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

রণক্ষেত্র ইরান, আমেরিকার হামলার হুঁশিয়ারি, আগুনে ঘি ঢালল খামেনেই

ইরানকে ঘিরে চরম উত্তেজনা। একে অপরকে প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে গিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। ট্রাম্প যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সেনা হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পাল্টা খামেনেই ট্রাম্পকে পরাজিত ও অত্যাচারী শাসক বলে কটাক্ষ করেছেন।ইরানে সরকার-বিরোধী আন্দোলন দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। দেশের বহু শহরে বিক্ষোভ চলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ইন্টারনেট ও ফোন পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। তা সত্ত্বেও মূল্যবৃদ্ধি, দুর্নীতি ও দমনপীড়নের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ থামছে না। নির্বাসিত নেতা রেজা পহেলভিকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিও জোরালো হয়েছে। এই আবহে ট্রাম্পের সঙ্গে পহেলভির কথোপকথনের খবর সামনে এসেছে। আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানো বন্ধ না হলে আমেরিকা চুপ করে থাকবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকেই ট্রাম্প স্পষ্ট বার্তা দেন, ইরানে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না তাঁর প্রশাসন। এমনকি ইরানে স্টারলিংক পরিষেবা চালুর পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, ইরান আলোচনার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। যদিও তেহরান সেই দাবি নাকচ করে জানিয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে অশান্তি ছড়ানোর মূল্য চোকাতে হবে আমেরিকাকে।সরকারি টেলিভিশনে ভাষণ দিয়ে খামেনেই ট্রাম্পকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ট্রাম্প একজন অযোগ্য ও অত্যাচারী শাসক। আগে নিজের দেশ সামলাক। খামেনেই দাবি করেছেন, খুব শীঘ্রই বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আসবে। যদিও বাস্তবে তার কোনও ইঙ্গিত নেই। অভিযোগ, বিক্ষোভ দমাতে ইরানে পুলিশ ও সেনা নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে। শুধু তেহরানেই দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যুর খবর মিলেছে। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে এই আন্দোলন চলছে। জানুয়ারির শুরু থেকেই দেশজুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল।ইরানের অশান্তির প্রভাব বিদেশেও পড়েছে। লস এঞ্জেলসে ইরান সমর্থনে মিছিল চলাকালীন ভিড়ের মধ্যে ট্রাক ঢুকে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। যদিও সেখানে কেউ হতাহত হয়নি। চালককে আটক করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে হামলা হলে তার জবাব দেওয়ার ক্ষমতা তেহরানের রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের শীর্ষ নেতারা। ইরান পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকার কালিবাফ জানিয়েছেন, আমেরিকা বড় ভুল হিসাব করছে। হামলা হলে ইজরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলি নিশানা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের প্রাক্তন সামরিক কর্তারাও।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

নোবেল নিয়ে পোপের দরবারে মাচাদো, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির নেপথ্যে কি ভ্যাটিকান?

গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারিয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মাচাদো। সেই পুরস্কারই মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দিতে চান তিনি, যাতে নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে বন্দি করা যায়এমন দাবিও করেছিলেন মাচাদো। এবার সেই নোবেলজয়ীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হল চতুর্দশ পোপ লিওর। এই সাক্ষাৎ ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে।সোমবারই নিজেকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। তার মধ্যেই পোপের সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, ট্রাম্পের সমর্থনে ক্ষমতা দখলের প্রস্তুতি হিসেবেই কি এই বৈঠক? প্রথম মার্কিন পোপের সঙ্গে এই সাক্ষাতের রাজনৈতিক তাৎপর্য খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।জানা গিয়েছে, পোপ লিওর সঙ্গে দেখা করার কোনও পূর্বপরিকল্পনা ছিল না মাচাদোর। ভ্যাটিকান পরে তাদের দৈনিক বুলেটিনে এই সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করে। তবে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। নরওয়েতে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পর থেকেই ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে সফর করছেন মাচাদো।আগামী সপ্তাহে তিনি আমেরিকা যাচ্ছেন। সেখানে হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেই গুরুত্বপূর্ণ সফরের আগেই পোপের সঙ্গে দেখা হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বেড়েছে। যদিও প্রথম মার্কিন পোপ লিও ভেনেজুয়েলার উপর আমেরিকার আগ্রাসনের প্রকাশ্য বিরোধিতা করেছেন।মাদুরোকে মার্কিন বাহিনীর হাতে অপহরণের ঘটনার পর ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে সরব হয়েছেন পোপ। তিনি জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতির উপর তাঁর নজর রয়েছে এবং দেশের অবস্থা নিয়ে তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সামাজিক সুরক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন পোপ লিও।অন্যদিকে, ট্রাম্প ও মাচাদোদুজনেই প্রকাশ্যে মাদুরোর বিরোধিতা করে আসছেন। তাঁদের অভিযোগ, মাদুরো দেশকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাম্প মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক পাচারের অভিযোগ তুলেছেন। মাদুরো অপহৃত হওয়ার পর ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন মাচাদো।এই প্রেক্ষাপটে পোপ লিওর সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ যে নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, তা স্পষ্ট বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ভেনেজুয়েলার ক্ষমতার লড়াইয়ে এই বৈঠক নতুন সমীকরণ তৈরি করবে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে বিশ্ব।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

এবার টুটু বোসকে তলব! এসআইআর শুনানিতে ডাকা হল মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতিকে

এসআইআর শুনানিতে এবার হাজিরার নোটিস পেলেন প্রাক্তন সাংসদ এবং মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি স্বপনসাধন বোস, যিনি টুটু বোস নামেই পরিচিত। শুধু তাঁকেই নয়, একই সঙ্গে তলব করা হয়েছে তাঁর পুত্র তথা মোহনবাগান ক্লাবের সচিব সৃঞ্জয় বোসকেও। জানা গিয়েছে, টুটু বোসের গোটা পরিবারকে এসআইআর শুনানিতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মোহনবাগানের সহ-সভাপতি কুণাল ঘোষ। সোশাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।এসআইআর শুনানিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বাংলার বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে তলব করা হয়েছে। নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন, কবি জয় গোস্বামী, জাতীয় দলের ক্রিকেটার মহম্মদ শামির মতো পরিচিত মুখদের নাম সেই তালিকায় রয়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল বাংলার ফুটবল জগতের অন্যতম পরিচিত মুখ টুটু বোসের নাম। জানা যাচ্ছে, আগামী ১৯ জানুয়ারি তাঁকে বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট স্কুলে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। শুধু টুটু বোস নন, তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও ডাকা হয়েছে ওই শুনানিতে। তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ সৃঞ্জয় বোসও।এই প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ ফেসবুকে লিখেছেন, টুটু বোস বাংলার ফুটবল ও মোহনবাগানের প্রাণপুরুষ। তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ এবং হুইলচেয়ার ছাড়া তাঁর চলাফেরা সম্ভব নয়। এমন অবস্থায় তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে হাজিরার নোটিস পাঠানো অমানবিক বলেই মন্তব্য করেন কুণাল। তাঁর অভিযোগ, এখন টুটু বোসকে প্রমাণ দিতে বলা হচ্ছে যে তিনি বাংলার নাগরিক। কুণাল ঘোষের দাবি, এই ঘটনার জবাব নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে আসন্ন নির্বাচনে দিতে হবে।উল্লেখ্য, খেলোয়াড়দের এসআইআর শুনানির নামে হেনস্তার অভিযোগ তুলে সোমবার বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রায় ১৫০ জন ক্রীড়াবিদ প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলেন। এর আগেই এই ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের কড়া সমালোচনা করেছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই ধরনের নোটিস পাঠানোকে অমানবিক ও অসংবেদনশীল বলে উল্লেখ করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়েছেন। সেই সবের পরেও টুটু বোসের মতো পরিচিত ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বকে তলব করা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হল রাজ্য রাজনীতিতে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

নিপা ভাইরাসে কাঁপছে বাংলায়! আবার রাজ্যে ফিরছে কোয়ারেন্টাইন ..

বাংলায় ফের নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়াল। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালের দুই নার্সের শরীরে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। গত ১১ জানুয়ারি কল্যাণীর এইমস-এর ভাইরাস রিসার্চ ও ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষায় তাঁদের শরীরে নিপা ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য নমুনা পুণের ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় সরকারও নড়েচড়ে বসেছে। দিল্লি থেকে আজই একটি প্রতিনিধি দল রাজ্যে আসছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে আক্রান্ত নার্সদের সংস্পর্শে আসা এক চিকিৎসক, দুজন নার্স, একজন সাফাই কর্মী এবং একজন অ্যাম্বুলেন্স চালককে কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর।স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, নিপা আক্রান্ত নার্স অসুস্থ অবস্থায় কাটোয়ায় যাঁদের সংস্পর্শে এসেছিলেন, তাঁদের খোঁজ চালাতে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করে তাঁদের শারীরিক অবস্থার উপর নজর রাখছেন পূর্ব বর্ধমান জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক।জানা যাচ্ছে, ওই নার্স ২ জানুয়ারি শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে কাটোয়ার এক চিকিৎসকের ব্যক্তিগত চেম্বারে চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন। চিকিৎসক সিদ্ধেশ্বর গুপ্ত জানিয়েছেন, ওই তরুণী একবার জ্ঞান হারিয়েছিলেন ঠিকই, তবে তখন জ্বর বা গা ব্যথার মতো কোনও অস্বাভাবিক উপসর্গ চোখে পড়েনি।এর পর ৩ জানুয়ারি ফের সংজ্ঞা হারালে পরিবারের লোকজন তাঁকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানেই পরীক্ষার পর জানা যায়, তিনি নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত।এই ঘটনায় রাজ্য জুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

থামছেই না হিন্দু খুন, ফেনিতে অটোচালক সমীর দাসকে হত্যা করে চম্পট দিল দুষ্কৃতীরা

বাংলাদেশে একের পর এক হিন্দু খুনের ঘটনা সামনে আসছে। দীপু দাসকে নৃশংসভাবে খুন করার ঘটনার পর থেকেই একাধিক হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর মিলেছে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল আরও একটি নাম। ফেনি জেলার দাগনভূঞায় খুন হল ২৮ বছরের অটোচালক সমীর কুমার দাস। অভিযোগ, তাঁকে খুন করে দুষ্কৃতীরা তাঁর অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে।মর্মান্তিক এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিহত সমীর দাস দাগনভূঞা উপজেলার রামানন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবা কার্তিক কুমার দাস ও মা রিনা রানি দাস। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাছেই পরিকল্পিতভাবে সমীর দাসকে হত্যা করা হয়। খুনের পর তাঁর অটোরিকশা ছিনিয়ে নিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা।পরে স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় পড়ে থাকা দেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। দাগনভূঞা থানার পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে। নিহতের পরিবার এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তাঁদের দাবি, দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে কড়া শাস্তি দেওয়া হোক। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দুষ্কৃতীদের খোঁজে অভিযান শুরু হয়েছে।এর আগে কয়েকদিন আগে জয় মহাপাত্র নামে এক হিন্দু যুবককে বিষ খাইয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকেই বাংলাদেশে নতুন করে অশান্তির আবহ তৈরি হয়। সেই পরিস্থিতিতেই প্রথমে হিন্দু যুবক দীপু দাসকে মারধর করে জীবন্ত জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এরপর একে একে আরও হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। এই নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে মোট আটজন হিন্দু যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটল বলে জানা যাচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

নিরাপত্তার অজুহাত খারিজ, বাংলাদেশের ভারতে খেলা নিয়ে বড় বার্তা আইসিসির

মিথ্যেবাদী তকমা পাওয়ার পর ফের বড় ধাক্কার মুখে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভারতে খেলতে না আসার যে দাবি বিসিবি করেছিল, তা মানতে নারাজ আইসিসি। ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা সূত্রে খবর, বাংলাদেশকে আগের সূচি অনুযায়ীই ভারতে খেলতে হবে। অর্থাৎ কলকাতা এবং মুম্বইতেই লিটন দাসদের ম্যাচ আয়োজন করা হবে।জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের অভিযোগ নিয়ে স্বাধীনভাবে তদন্ত করেছে আইসিসি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের দিয়ে খতিয়ে দেখা হয়েছে, ভারত সফরে এলে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও বড় ঝুঁকি রয়েছে কি না। সেই মূল্যায়নের রিপোর্টে বলা হয়েছে, কলকাতা ও মুম্বইয়ে ম্যাচ আয়োজন নিয়ে ঝুঁকির মাত্রা কম থেকে মাঝারি। নিরাপত্তা নিয়ে বড় কোনও সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই।রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভারত অতীতেও একাধিক বিশ্বমানের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সফলভাবে আয়োজন করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। তাই বাংলাদেশের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে ভারতীয় প্রশাসনের কোনও অসুবিধা হবে না। এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই আইসিসি বাংলাদেশের ম্যাচ সরানো নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে।এর আগে শোনা যাচ্ছিল, বিসিবির অনুরোধ কিছুটা মেনে কলকাতা ও মুম্বইয়ের বদলে চেন্নাই ও তিরুঅনন্তপুরমে ম্যাচ সরানো হতে পারে। কিন্তু নিরাপত্তা সংক্রান্ত ইতিবাচক রিপোর্ট পাওয়ার পর সেই সম্ভাবনা কার্যত ক্ষীণ। ফলে বাংলাদেশকে আগের সূচি মেনেই ভারতে খেলতে হতে পারে বলে মনে করছে ক্রিকেটমহল। যদিও আইসিসির তরফে এখনও চূড়ান্ত ঘোষণা হয়নি।উল্লেখযোগ্য ভাবে, সোমবারই আইসিসি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় যে বাংলাদেশ ভুল তথ্য দিচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল দাবি করেছিলেন, আইসিসি নাকি জানিয়েছে মুস্তাফিজুর রহমান দলে থাকলে নিরাপত্তা সমস্যা বাড়বে এবং বাংলাদেশের নির্বাচনের কারণেও ঝুঁকি রয়েছে। কিন্তু আইসিসি সেই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে জানায়, এমন কোনও মন্তব্য তারা করেনি। ক্রীড়া উপদেষ্টার এই বক্তব্যে আইসিসি যথেষ্ট বিরক্ত বলেই মনে করছেন ক্রিকেট মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal