• ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ১২ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Kolkata

খেলার দুনিয়া

মধ্যরাতে কলকাতায় পা রাখলেন মেসি, যুবভারতীতে শাহরুখ–মমতা–সৌরভের উপস্থিতিতে ফুটবল উৎসব

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী সুপারস্টার ফুটবলার লিওনেল মেসি (Lionel Messi) অবশেষে পা রাখলেন ফুটবল-পাগল শহর কলকাতায়। শুক্রবার গভীর রাতে কলকাতার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন তিনি। রাত দেড়টা নাগাদ নেতাজি সুভাষ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দের তাঁর চার্টার্ড ফ্লাইট মাটি ছোঁয়। বিমান থেকে নামার পর দমদম বিমানবন্দরের শুধুই চিৎকরা চলে মেসি মেসি। লিওনেল মেসির আগমনকে ঘিরে শহরজুড়ে তৈরি হয়েছে উৎসবের আবহ।কলকাতা থেকেই শুরু মেসির ভারত সফর-১৩ থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারতের চারটি শহরে হারিকেন ট্যুর করবেন লিওনেল মেসি। এই সফরের সূচনা হল কলকাতা থেকেই। কলকাতার পর তিনি হায়দরাবাদ, মুম্বই ও নয়াদিল্লি সফর করবেন। তবে ফুটবলপ্রেমীদের মতে, মেসির ভারত সফরের সবচেয়ে আবেগঘন অধ্যায় নিঃসন্দেহে কলকাতা।যুবভারতীতে ব্যস্ত সূচি, উপস্থিত থাকছেন নামী ব্যক্তিত্বরাশুক্রবার সারাদিন কলকাতায় একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন মেসি। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ীরাত ১:৩০: কলকাতায় আগমনসকাল ৯:৩০ ১০:৩০: মিট অ্যান্ড গ্রিট অনুষ্ঠান।সকাল ১০:৩০ ১১:১৫: লিওনেল মেসির মূর্তির ভার্চুয়াল উদ্বোধন।সকাল ১১:১৫ ১১:২৫: বিবেকানন্দ যুবভারতী স্টেডিয়ামে প্রবেশ। সকাল ১১:৩০: বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খানের আগমন।দুপুর ১২:০০: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের উপস্থিতি।দুপুর ১২:০০ ১২:৩০: মোহনবাগান অল স্টারস বনাম ডায়মন্ড হারবার অল স্টারস প্রীতি ম্যাচ।দুপুর ২:০০: হায়দরাবাদের উদ্দেশে রওনা।সুয়ারেজ ও ডি পলের উপস্থিতিতে বাড়তি আকর্ষণএই বিশেষ ইভেন্টে মেসির সঙ্গে উপস্থিত থাকবেন তাঁর প্রাক্তন বার্সেলোনা সতীর্থ ও উরুগুয়ের তারকা স্ট্রাইকার লুই সুয়ারেজ এবং আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার রড্রিগো ডি পল। তাঁদের উপস্থিতিতে কলকাতার ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনা আরও বেড়েছে।প্রধানমন্ত্রী ও সেলিব্রিটিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ-ভারত সফরকালে লিওনেল মেসি দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-র সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বলে জানা গেছে। পাশাপাশি কলকাতায় তাঁর সঙ্গে দেখা হতে পারে বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খান-এর। এছাড়াও বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সম্ভাবনা রয়েছে।টিকিট প্রায় শেষ, দর্শকদের ব্যাপক সাড়া-এই ইভেন্টের টিকিট ডিস্ট্রিক্ট বাই জ়োম্যাটো অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে। কলকাতা-সহ অধিকাংশ শহরে টিকিটের ন্যূনতম মূল্য ছিল ৪,৫০০ টাকা। তবে বিপুল চাহিদার কারণে বর্তমানে প্রায় সব টিকিটই শেষের পথে।সব মিলিয়ে, লিওনেল মেসির কলকাতা সফর শুধুমাত্র একটি ক্রীড়া আয়োজন নয় বরং শহরের ফুটবল ইতিহাসে আরও এক স্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে লেখা থাকল।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫
রাজ্য

শীত হানা দিল! কলকাতায় পারদ নামল ১৪-তে, উত্তরবঙ্গে টেক্কা কোচবিহারের—কুয়াশায় ঢাকছে গোটা বাংলা

বছর শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শীত যেন আরও জাঁকিয়ে বসছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর আগে থেকেই জানিয়েছিল, সপ্তাহের শেষদিকে তাপমাত্রা কমবে গোটা বাংলায়। শুক্রবার সেই পূর্বাভাস মিলল হুবহু। কলকাতায় সকালে জমাট ঠান্ডা অনুভূত হলো, আর পারদ নেমে এল ১৪.৮ ডিগ্রিতে।আজ শহরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রির ঘরেই ঘুরপাক খাবে। দমদমেও নেমেছে ১৪ ডিগ্রি। শ্রীনিকেতন ও বহরমপুরে তাপমাত্রা নামছে ১১ ডিগ্রির কাছে। উত্তরের জেলাগুলিতে ঠান্ডা আরও কড়াকালিম্পং যেখানে ৯.৫ ডিগ্রি, সেখানে তাকেও পিছনে ফেলে দিয়েছে কোচবিহার, পারদ নেমেছে ৯.২ ডিগ্রিতে। আবহাওয়া অফিস বলছে, আপাতত ৪-৫ দিন রাজ্যে শীতের আমেজ বজায় থাকবে। উত্তর ভারত থেকে আসা ঠান্ডা হাওয়া প্রবল হওয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নিচেই থাকবে। আগামী সাত দিনে তাপমাত্রা খুব বেশি বদলাবে না, সর্বোচ্চ ওঠানামা ১ ডিগ্রি।কলকাতায় আজ আকাশ পরিষ্কার থাকবে। সকালবেলায় হালকা কুয়াশা বা ধোঁয়াশা দেখা যাবে, পরে সূর্য উঠতেই মিলিয়ে যাবে। সারাদিন শুষ্ক ঠান্ডা আবহাওয়া বজায় থাকবে, বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। সকাল-সন্ধ্যায় বাড়তি শীত অনুভূত হবে। গতকাল শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪.৮ ডিগ্রি, আর সর্বোচ্চ ২৫.২ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ছিল ৪৩ থেকে ৯৩ শতাংশ।দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমের জেলাগুলিতে আগামী দিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ১১ থেকে ১৩ ডিগ্রির মধ্যে। উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে থাকতে পারে ১৪ থেকে ১৬ ডিগ্রি। বাঁকুড়া ও পুরুলিয়াতে কুয়াশার ঘনঘটা বেশি থাকবে। উপকূলের জেলাগুলিতেও সকালে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা যেতে পারে। দৃশ্যমানতা কিছু জায়গায় কমবে ঠিকই, তবে ঘন কুয়াশার কোনও সতর্কতা নেই। পুরো সপ্তাহই উত্তুরে হাওয়ার দাপটে শীত থাকবে, বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।উত্তরবঙ্গে শীত আরও কড়া। চারটি জেলায় ঘন কুয়াশার চাদর নামতে পারে। দার্জিলিং ও পার্বত্য এলাকায় আগামী কয়েক দিনে কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা নেমে যেতে পারে ২০০ মিটারে। দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমের ও উপকূলবর্তী কিছু জেলাতেও হালকা-মাঝারি কুয়াশা থাকবে পরপর কয়েকদিন।

ডিসেম্বর ১২, ২০২৫
কলকাতা

কলকাতায় কি তবে দিল্লির থেকেও ভয়ানক ‘গ্যাস চেম্বার’? রাতে AQI অস্বাভাবিক মাত্রায়

বায়ু দূষণের কথা উঠলেই সাধারণত প্রথমে লক্ষ্য থাকে দিল্লির দিকে। কিন্তু এবার সেই দিল্লিকেও পেছনে ফেলে দিল কলকাতা। শহরের ফুসফুস বলে পরিচিত ময়দান এলাকার বাতাস মঙ্গলবার রাতে এতটাই দূষিত হয়েছিল যে একিউআই-এর হিসাবে দিল্লিকেও ছাড়িয়ে যায়।মঙ্গলবার রাত আটটা নাগাদ ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের আশপাশে AQI ধরা পড়ে ৩৪২। যা স্বাভাবিক মাত্রার বহু গুণ বেশি। একই সময়ে দিল্লির AQI ছিল ২৯৯। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছেকলকাতায় এমন ভয়ানক দূষণ হঠাৎ কীভাবে?পরিবেশ প্রযুক্তিবিদ সোমেন্দ্রমোহন ঘোষ স্পষ্ট ভাষায় বলেন, এটা পুরোপুরি আমাদের গাফিলতি। দিল্লির ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া হয়নি। তাঁর অভিযোগ, ময়দান চত্বরে যেভাবে নির্মাণকাজ চলছে, বিশেষ করে মেট্রোর কাজ, সেখানে ধুলো নিয়ন্ত্রণের নিয়ম মানা হচ্ছে না। কাজ ঢেকে রাখা হয়নি, ধুলো উড়লে জল ছেটানোর ব্যবস্থাও নেই। তাঁর দাবি, এটা রাজ্য সরকারের নজরে রাখা উচিত ছিল।এছাড়াও মা ফ্লাইওভারের উপর দিয়ে পুরনো ডিজেল গাড়ির চলাচল নিয়ন্ত্রণ না করার অভিযোগও তোলেন তিনি। তাঁর মতে, এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রও দায় এড়াতে পারে না। তিনি আরও বলেন, শীতকালে দূষণ বাড়ে ঠিকই, কিন্তু এতটা বেড়ে দিল্লিকেও ছাড়িয়ে যাবেএটা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা উল্লেখ করে সোমেন্দ্রমোহন জানান, ১৫ মাইক্রোগ্রাম প্রতি ঘনমিটার দূষণকেই বিপজ্জনক বলা হয়। সেখানে ভারতের মানদণ্ড ৬০ মাইক্রোগ্রাম, যা নিজেদের মধ্যেই অনেক বেশি। আর ময়দানে তার চেয়েও বহু গুণ বেশি মাত্রা ধরা পড়েছে। তাঁর কথায়, ওই এলাকায় মানুষের যাওয়া কমানো উচিত। বিশেষ করে বাচ্চা ও বয়স্কদের দূরে থাকতে হবে। ধুলিকণা ফুসফুসে গিয়ে হার্টের ক্ষতি করতে পারে।পরিবেশবিদদের মতে, যদি ময়দানেই এমন অবস্থা, তাহলে কলকাতার ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলোর দূষণ পরিস্থিতি আরও ভয়ানক হতে পারে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
কলকাতা

শীতের কুয়াশায় কলকাতায় তাণ্ডব! বাইক দুর্ঘটনায় মৃত্যু, রেড রোডে বেপরোয়া গাড়ির মারাত্মক ধাক্কা

শীতের রাতে আবারও বিপত্তি কলকাতায়। গভীর রাতে ইএম বাইপাসে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল এক বাইক আরোহীর। কয়েক ঘণ্টা পরই ভিক্টোরিয়ার কাছে রেড রোডে বেপরোয়া গাড়ির ধাক্কায় জখম হলেন দুই যাত্রী এবং এক পথচারী মহিলা। দুটি ঘটনারই তদন্তে নেমেছে পুলিশ।জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে ইএম বাইপাসের সার্ভে পার্কের কাছে ঢালাই ব্রিজ থেকে রুবির দিকে যাচ্ছিলেন অলোকেশ হালদার নামে এক যুবক। বাইকের গতি ছিল অত্যন্ত বেশি। সিংহীবাড়ি মোড়ের কাছে দাঁড়িয়ে থাকা একটি গাড়িকে তিনি প্রথমে ধাক্কা মারেন। তার পর বাইকটি গিয়ে ধাক্কা মারে রাস্তার ডিভাইডারে। ধাক্কার জেরে প্রচণ্ড জোরে ছিটকে পড়ে যান অলোকেশ। স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে এমআর বাঙুর হাসপাতালে নিয়ে গেলেও চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার সময়ে তাঁর মাথায় হেলমেট ছিল না। অতিরিক্ত গতি ও মাথায় আঘাতেই মৃত্যু হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।বুধবার সকালে আরও একটি বড় দুর্ঘটনা ঘটে রেড রোডে। এক বেপরোয়া গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সোজা ধাক্কা মারে রাস্তার বিদ্যুতের খুঁটিতে ও একটি গাছে। ধাক্কার জেরে গাড়ির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। গাড়ির ভিতরে থাকা দুই যাত্রীযারা সম্পর্কে বাবা ও ছেলেগুরুতর জখম হন। তাঁদের দ্রুত এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। গাড়ির ধাক্কায় আহত হয়েছেন এক সাফাই কর্মী মহিলা, তাঁর নাম রশিদা বেগম, বাড়ি রায়চকে। গাড়ির গতি এতটাই বেশি ছিল যে খুঁটি ও গাছ দুটিই ভেঙে পড়েছে।শহরে জোড়া দুর্ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ দুটি ঘটনাই খতিয়ে দেখছে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
কলকাতা

পূর্ব কলকাতা জলাভূমিতে বিপুল বেআইনি নির্মাণ—হাইকোর্টের কঠোর মন্তব্য, নতুন নির্দেশ জারি

পূর্ব কলকাতা জলাভূমি বুজিয়ে গড়ে ওঠা বেআইনি নির্মাণ নিয়ে নতুন পথে হাঁটল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চ সোমবার পূর্ব কলকাতা ওয়েটল্যান্ডস ম্যানেজমেন্ট অথরিটিকে নির্দেশ দিয়েছে, জলাভূমিতে যেসব প্লটে বেআইনি নির্মাণ হয়েছে, সেসবের সম্পূর্ণ তালিকা সংস্থার ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে। পাশাপাশি দেশের শীর্ষস্থানীয় দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে জানাতে হবে যে তালিকাভুক্ত প্রতিটি প্লটে গড়ে ওঠা যে কোনও নির্মাণ ভাঙার যোগ্য বলে ধরা হবে।হাইকোর্ট আরও স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, পূর্ব কলকাতা জলাভূমি এলাকায় নতুন কোনও সম্পত্তির রেজিস্ট্রি করা যাবে না। রেজিস্ট্রার অফ অ্যাসিওর্যান্সসহ সব রেজিস্ট্রেশন কর্তৃপক্ষকে এই নির্দেশ মানতে হবে।এদিন জলাভূমি সংরক্ষণা কর্তৃপক্ষ এবং রাজ্যের পক্ষ থেকে স্টেটাস রিপোর্ট জমা দেওয়া হয় আদালতে। সেই রিপোর্ট খতিয়ে দেখে বিচারপতির মন্তব্য, আইন ও বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে এলাকায় ব্যাপক বেআইনি নির্মাণ হয়েছে এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসন কার্যত হিমশিম খাচ্ছে। তাঁর কথায়, বাস্তবে কার্যকর কোনও সমাধান দেখা যাচ্ছে না।সাম্প্রতিক সময়ে কলকাতা ও আশপাশে জলাভূমি বুজিয়ে নির্মাণের অভিযোগ বাড়ছিল। বাঘাযতীনের একটি ফ্ল্যাট ভেঙে পড়ার ঘটনার তদন্তেও উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্যপুকুর বুজিয়ে সেই বাড়ি তৈরি হয়েছিল। পুরসভার অনুমতি ছাড়াই আবার আপ লিফ্টিংয়ের কাজ চলছিল বলেও অভিযোগ ওঠে। দুর্ঘটনার পর একাধিক জায়গায় একই ধরনের অভিযোগ সামনে আসে এবং পৌরসভা ও প্রশাসন কিছু পদক্ষেপও করে। কিন্তু পরিস্থিতি বদল না হওয়ায় এবার আদালত নিজেই কঠোর নির্দেশ দিয়েছে বেআইনি প্লটের তালিকা প্রকাশ করতে।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২৫
কলকাতা

দমদমে আগুনে দাউদাউ গেঞ্জি কারখানা! বস্তি বাঁচাতে দমকলের মরিয়া লড়াই—অল্পের জন্য বড় বিপদ থেকে রক্ষা

দমদমে ফের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। সোমবার সন্ধ্যায় সেভেন পয়েন্টের কাছে একটি গেঞ্জি কারখানায় হঠাৎ আগুন লেগে মুহূর্তের মধ্যে দাউদাউ করে জ্বলতে শুরু করে গোটা কারখানা। কারখানায় প্রচুর দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন চোখের পলকে ছড়িয়ে পড়ে। দূর থেকেও আগুনের তেজ দেখা যাচ্ছিল। আগুন বাড়তে থাকতেই আতঙ্ক তৈরি হয় আশপাশের বস্তিতে। বাসিন্দারা তড়িঘড়ি বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দেন, গ্যাস সিলিন্ডার বাইরে বের করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান।কারখানার কয়েকজন কর্মী সময়মতো বাইরে বেরিয়ে আসতে পারলেও উল্টো দিকের একটি বাড়িতে কয়েকজন আটকে ছিলেন। স্থানীয়রা তাঁদের নিরাপদে বের করে আনে। ঠিক তখনই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১০টি ইঞ্জিন। চারদিক বস্তি থাকায় আগুন যাতে সেগুলিতে ছড়িয়ে না পড়ে, সেই দিকেই প্রথম নজর ছিল দমকলের। এক দমকলকর্মী জানান, বস্তিগুলো রক্ষা করাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, এবং তারা সেই চ্যালেঞ্জে সফল হয়েছে। বর্তমানে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দমকল জানিয়েছে। এখনও কারখানার কোথাও আগুন লুকিয়ে আছে কি না, তা খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে।আগুন লাগার কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। কোনো হতাহতের খবর না মিললেও ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। কারখানার মালিক বা কর্মীরা এখনো কিছু বলেননি। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কারখানায় ঠিকমতো অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হবে। বস্তিতে আগুন না ছড়ানোয় স্বস্তি পেয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছিলেন স্থানীয় বিধায়ক অতীন ঘোষও।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৫
কলকাতা

বাবরি শিলান্যাসের পরই ব্রিগেডে গীতাপাঠ! বাংলায় হঠাৎ উত্তাপ, কাদের দিকে আঙুল তুললেন সুকান্ত?

৬ ডিসেম্বর মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় জাঁকজমক করে বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। ভোটের আগে এই ঘটনা নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়েছে। হুমায়ুন নতুন দল গঠনের কথাও ইঙ্গিত দিয়েছেন। আর তার এক দিনের মধ্যেই ব্রিগেডে আয়োজন হয়েছে পাঁচ লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠের অনুষ্ঠান। ভোর থেকেই সেখানে ঢল নেমেছে ভক্ত ও শিষ্যদের।রাজপথ থেকে ব্রিগেড দুই জায়গাতেই একইসঙ্গে চড়ছে রাজনীতির পারদ। গীতাপাঠের মঞ্চে কার্তিক মহারাজ, সাধ্বী ঋতম্ভরা, বাবা রামদেব, ধীরেন্দ্র শাস্ত্রীর মতো ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে উপস্থিত থাকছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার ও শমীক ভট্টাচার্যরাও।এই পরিস্থিতিতেই হুমায়ুনের বাবরি শিলান্যাস নিয়ে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর দাবি, হিন্দু ভোট ভাগ করা এবং মুসলিম ভোট একত্রিত করার চেষ্টা চলছে। এর জন্য দায়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সুকান্তের কথায়, হিন্দুরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিশ্বাস করে না। একুশের ভোটেই সেটা স্পষ্ট।অন্যদিকে গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে রাজনীতির রং লেগেছে কি না, সে বিষয়ে সুকান্ত বলেন, নির্বাচনের সঙ্গে গীতাপাঠের কোনও সরাসরি সম্পর্ক নেই। গীতা হিন্দুদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান। রাজনীতি নিজের জায়গায় থাকবে, গীতা শাশ্বত।বাবরি শিলান্যাস থেকে ব্রিগেডের গীতাপাঠ দুই দিক থেকেই রাজ্যে উত্তাপ বাড়তে থাকায় রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

হঠাৎ ঠান্ডার কামড়! কুয়াশায় ঢাকবে রাজ্য, তাপমাত্রা নামবে আরও নিচে

আবহাওয়া দফতর আগেই জানিয়েছিল, সপ্তাহান্তেই কলকাতার তাপমাত্রা নেমে যাবে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। শনিবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬.৪ ডিগ্রি, যা তখন পর্যন্ত মরসুমের সবচেয়ে ঠান্ডা দিন হিসেবে ধরা হয়েছিল। কিন্তু রবিবার সেই রেকর্ডও ভেঙে গেল। শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে দাঁড়াল ১৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা স্বাভাবিকের থেকে ১.৪ ডিগ্রি কম।আগামী ২৪ ঘণ্টায় শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে থাকতে পারে। বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই, আকাশও পুরোপুরি পরিষ্কার থাকবে। আগামী কয়েক দিনে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রির আশপাশে ঘোরাফেরা করবে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদেরা।শুধু কলকাতা নয়, আশপাশের জেলাগুলিতেও ঠান্ডা আরও বাড়বে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১১ থেকে ১২ ডিগ্রির মধ্যে নামতে পারে, ফলে সেখানকার শীত হবে আরও কনকনে। রাজ্যের বহু জায়গায় ভোর ও সকালবেলা ঘন কুয়াশা দেখা যাবে। উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি হলেও বৃষ্টি একেবারেই নেই।উত্তরবঙ্গেও শীতের দাপট চলছে জোরকদমে। দার্জিলিংয়ে গত কয়েক দিনে তাপমাত্রা কখনও ৮, কখনও আবার ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে গিয়েছে, তাতে খুশি শীতপ্রেমী পর্যটকেরা। আগামী কয়েক দিন উত্তরবঙ্গের শীর্ষ জেলাগুলিতে একই আবহাওয়া চলবে বলে মনে করা হচ্ছে।তবে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দুই বঙ্গেই আগামী শুক্রবারের পর থেকে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২৫
কলকাতা

কলকাতাবাসীর জন্য সুখবর! রবিবার থেকে শীতের জাঁকিয়ে ঠান্ডা, কম্বল বের করুন

অবশেষে বাংলায় শীতের আসল রূপ ফিরে এল। ঘূর্ণাবর্তের বাধা কেটে গিয়েছে, পশ্চিম থেকে শীতল হাওয়া এখন অবাধে ঢুকছে রাজ্যে। তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে। উইকেন্ডের মধ্যে কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। আগামী কয়েকদিন আরও এক থেকে তিন ডিগ্রি পারদ পড়তে পারে। শীতের আমেজ জাঁকিয়ে বাড়বে।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী সাতদিন আবহাওয়া থাকবে শুষ্ক। বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনাই নেই। সকালে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে, বিশেষ করে উপকূলের জেলাগুলোতে। দৃশ্যমানতা কোথাও কোথাও ২০০ মিটার পর্যন্ত নেমে আসতে পারে। দিনের বেলায় আকাশ পরিষ্কার থাকবে। সকাল-সন্ধ্যায় শীতের অনুভূতি স্পষ্ট হবে।আজ শুক্রবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৫.৭ ডিগ্রি। কয়লকাতা ছাড়াও দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নিচে রয়েছে। উত্তরবঙ্গেও শীতের আমেজ বেড়েছে। দার্জিলিং-কার্শিয়াংয়ে পারদ ৫ ডিগ্রির কাছাকাছি। মালদহেও নেমেছে ১৬ ডিগ্রিতে।আবহাওয়াবিদদের কথায়, উত্তর-পশ্চিম ভারতে একের পর এক পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢোকায় শীতল হাওয়া বইছে। আজ আরও একটি শক্তিশালী পশ্চিমী ঝঞ্ঝা প্রবেশ করবে। তার জেরে আগামী পাঁচ-সাতদিন তাপমাত্রা আর বড় বাড়বে না। বরং ধীরে ধীরে আরও কমবে। উইকেন্ড থেকেই কম্বল-চাদর বের করার সময় এসে গেল বাংলার মানুষের।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২৫
কলকাতা

এ কী ভয়ঙ্কর দৃশ্য! দক্ষিণ কলকাতার বহুতল থেকে উঠছে আগুনের লেলিহান শিখা

শুক্রবার সকালে দক্ষিণ কলকাতার গুলশন কলোনিতে একটি আবাসিক বহুতলে ভয়াবহ আগুন লেগেছে। হঠাৎ করেই একটি ফ্ল্যাট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় এবং কয়েক মিনিটের মধ্যে তা ছড়িয়ে পড়ে। গোটা এলাকা কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। বহুতলে অনেক পরিবার বসবাস করেন। আগুন লাগার খবর পাওয়ামাত্রই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।দমকল বাহিনী কোনো ঝুঁকি নিতে রাজি নয়। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে গেছে দশটি দমকল ইঞ্জিন। বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর কর্মীরাও উদ্ধারকাজে হাত লাগিয়েছেন। একে একে বাসিন্দাদের নিরাপদে বের করে আনা হচ্ছে। ফ্ল্যাটগুলো দ্রুত খালি করার কাজ চলছে। আগুন এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। উদ্ধারকাজ ও আগুন নেভানোর কাজ পুরোদমে চলছে।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২৫
কলকাতা

অবশেষে প্রকাশ্যে এসএসসির ‘দাগিদের’ তালিকা, এক লাফে সামনে এল ১৮০৬ জনের নাম

ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকা চাকরিপ্রার্থীদের তালিকায় দাগি প্রার্থীদের নাম জড়িয়ে পড়তেই গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রবল বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই বিতর্ক গড়ায় প্রথমে কলকাতা হাইকোর্টে এবং পরে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। দুই আদালতই সাফ জানিয়ে দেয়, কোনও পরিস্থিতিতেই দাগি চাকরিপ্রার্থীকে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাখা যাবে না। এমনকি বিশেষভাবে সক্ষম হলেও দাগিরা চাকরির সুযোগ পাবেন না, এমন কঠোর নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত।সুপ্রিম কোর্টের তরফে তখনই স্কুল সার্ভিস কমিশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, দাগি প্রার্থীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করতে হবে। সেই নির্দেশ ঘিরেই অপেক্ষা চলছিল গোটা রাজ্য জুড়ে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই সাংবাদিক বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। সেখানেই তিনি স্কুল সার্ভিস কমিশনের প্রশংসা করে জানান, আদালতের নির্দেশ মেনেই স্বচ্ছভাবে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া এগোচ্ছে। চলতি মাসের মধ্যেই কোর্টের নির্দেশ মেনে সব কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।সাংবাদিক সম্মেলনেই শিক্ষামন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, খুব শীঘ্রই দাগি প্রার্থীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ হবে। তাঁর বক্তব্য ছিল, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী কোনও দাগি প্রার্থীকে রাখা যাবে না এবং সেই কারণেই তালিকা প্রকাশ করা বাধ্যতামূলক।শেষ পর্যন্ত সেই প্রতীক্ষার অবসান ঘটাল স্কুল সার্ভিস কমিশন। অবশেষে সামনে এল দাগি প্রার্থীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা। সেই তালিকায় রয়েছে মোট ১৮০৬ জন দাগি চাকরিপ্রার্থীর নাম। শুধু রোল নম্বরই নয়, তালিকায় দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর অভিভাবকের নাম, জন্মতারিখ এবং কোন বিষয়ের জন্য আবেদন করেছিলেন, সেই সমস্ত বিস্তারিত তথ্যও।নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে যখন রাজ্য রাজনীতি উত্তাল, তখন এই তালিকা প্রকাশ নতুন করে আলোড়ন ফেলবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক ও শিক্ষা মহলের একাংশ। এখন নজর, এই তালিকা প্রকাশের পর নিয়োগ প্রক্রিয়া কোন পথে এগোয়।

নভেম্বর ২৭, ২০২৫
রাজ্য

ঘূর্ণিঝড় বনাম শীত! ডিসেম্বরের শুরুতে কোন দিকে পাল্টাবে আবহাওয়া?

নভেম্বরের শেষ সপ্তাহেই উত্তরবঙ্গ জুড়ে নেমে এসেছে শীতের প্রকট কামড়। দার্জিলিংয়ে তাপমাত্রা এক লাফে নেমে পৌঁছেছে পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। পাহাড়ে সকাল-সন্ধ্যায় হিমেল হাওয়া ও তীব্র ঠান্ডায় স্থানীয়দের পাশাপাশি পর্যটকরাও শীতের স্বাদ পাচ্ছেন। কোচবিহার, জলপাইগুড়ি থেকে শুরু করে আলিপুরদুয়ার উত্তরের প্রায় সব জেলাতেই পারদ পতন স্পষ্ট। সকালের দিকে বহু জায়গায় কুয়াশার চাদরে ঢেকে যাচ্ছে রাস্তা, যা শীতের অনুভূতিকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। যদিও আপাতত উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই, ফলে শুষ্ক আবহাওয়া চলবে এবং শীতও বজায় থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।কলকাতায়ও শীতের হাওয়া ঢুকে পড়েছে। বুধবার সকালে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.৩ ডিগ্রি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ওঠানামা করেছে ৪১ থেকে ৯১ শতাংশের মধ্যে। ভোরবেলা হালকা কুয়াশা দেখা গেলেও বেলা বাড়লে আকাশ পরিষ্কার হচ্ছে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা এই মুহূর্তে স্বাভাবিকের নিচেই রয়েছে। তবে আবহবিদদের মতে, আগামী দুই-তিন দিনে তাপমাত্রা কয়েক ডিগ্রি বাড়তে পারে, কিন্তু সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের উপরে উঠবে না।এই সময়ই বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে জোড়া নিম্নচাপ। তার মধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা উড়ছে। ফলে প্রশ্ন উঠছেএই নতুন সিস্টেম কি দক্ষিণবঙ্গের শীতের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে? আবহাওয়াবিদদের মতে, নিম্নচাপের গতিপ্রকৃতির উপর অনেকটাই নির্ভর করছে শীতের আগ্রাসন। তবে এখনই শীত কমে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। আগামী কয়েকদিন সকালের কুয়াশা, রাতে হালকা ঠান্ডা আর দিনের দিকে কিছুটা উষ্ণতা এই মিলেমিশে তৈরি হবে ডিসেম্বরের শুরুর স্বাভাবিক আবহাওয়া।

নভেম্বর ২৬, ২০২৫
কলকাতা

আন্দোলন স্থগিত, কিন্তু থামেনি লড়াই— নতুন বার্তা দিলেন বিএলওরা

অতিরিক্ত কাজের চাপ, শারীরিক অসুস্থতা, এমনকি সহকর্মীর আত্মঘাতী হওয়ার অভিযোগ সবকিছু মিলিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছিলেন রাজ্যের বহু বিএলও। সেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশেই সোমবার বিকেল থেকে সোজা মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) অফিসের সামনে ধরনায় বসে পড়েন তৃণমূলপন্থী বিএলও অধিকার রক্ষা মঞ্চের সদস্যরা। দাবি স্পষ্ট সিইও তাঁদের সঙ্গে বৈঠক না করলে এই অবস্থান তুলে নেওয়া হবে না।প্রায় ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে ৩০ ঘণ্টা পূর্ণ হওয়ার মুখে অবশেষে আন্দোলনকারী বিএলওদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে বাধ্য হন রাজ্যের সিইও মনোজ কুমার আগরওয়াল। দীর্ঘ বৈঠকের শেষে আন্দোলনকারীরা জানান, তাঁদের বেশ কিছু দাবিতে আশ্বাস দিয়েছেন সিইও। সেই কারণেই আপাতত সিইও অফিসের সামনে থেকে ধরনা তুলে নেওয়া হয়েছে।বিক্ষোভের মূল অভিযোগ ছিল এসআইআর সংক্রান্ত কাজ, ফর্ম পূরণ, ডিজিটাইজেশন সব মিলিয়ে কাজের বোঝা এতটাই বেড়েছে যে অনেকেই মানসিক চাপে ভুগছেন। এমনকি কাজ শেষ করতে না পারলে শোকজ বা সাসপেন্ড করার ভয়েও অনেকে আতঙ্কে। এই আতঙ্ক থেকেই এক বিএলও আত্মঘাতী হয়েছেন বলেও অভিযোগ।বিএলও সোনালি বন্দ্যোপাধ্যায় চক্রবর্তী বৈঠকের পর বলেন, দীর্ঘ ৩০ ঘণ্টার ধরনার পর সিইও আমাদের সঙ্গে আলোচনায় বসলেন। আমরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছি, বর্তমান সময়সীমায় কাজ শেষ করা অসম্ভব। আরও সময় চাই। ডেটা এন্ট্রি অপারেটর নিয়োগের দাবিও জানাই।তিনি আরও জানান, সিইও জানিয়েছেন ডেটা এন্ট্রি অপারেটর নিয়োগ তাঁর ক্ষমতার মধ্যে নয়, বিষয়টি দিল্লির নির্বাচন কমিশনকে জানাবেন। তবে সবচেয়ে বড় স্বস্তির কথা কোনও বিএলও-কে শোকজ বা সাসপেন্ড করা হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছেন মনোজ আগরওয়াল।এছাড়াও কাজের চাপে যাঁরা আত্মঘাতী হয়েছেন, তাঁদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবিও করেন আন্দোলনকারীরা। সিইও তাঁদের জানান মৃত বিএলও-র পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।যদিও আজ ধরনা তুলে নেওয়া হয়েছে, আন্দোলন বন্ধ হয়নি বলেই জানিয়েছেন সোনালি ও অন্যান্য বিএলওরা। তাঁদের কথায়, আন্দোলন চলবে। দাবি মানা না হলে আবারও পথে নামতে হবে।

নভেম্বর ২৬, ২০২৫
কলকাতা

বিবাদী বাগে আগুন! নির্বাচন কমিশনের গেটে তালা দিতে ছুটলেন বিএলও, ধস্তাধস্তিতে উত্তাপ

কলকাতার বুকে আজ যেন দুদিক থেকে আগুন। একদিকে নবাগত চাকরিপ্রার্থীদের ক্ষোভে ফুঁসছে রাজপথ, অন্যদিকে মুখ্য নির্বাচন অফিসারের দফতর ঘিরে তীব্র আন্দোলনে নেমেছেন বিএলওদের একাংশ। সকালে থেকেই বিবাদী বাগ এলাকা রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছে। ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, গেটে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টাসব মিলিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে পুলিশকে।নির্বাচন কমিশনের অফিসের সামনে ব্যারিকেডের দুই পাশে দুই শিবির। এক পাশে কড়া নিরাপত্তায় দাঁড়িয়ে পুলিশকর্মীরা, আর অন্য পাশে ক্ষুব্ধ বিএলওরা। হঠাৎই এক বিএলও কমিশনের গেটে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাঁকে আটকে দেয়। তাতেই ক্ষোভে ফেটে পড়ে ভিড়। অনেকে সামনেই বসে পড়েন ধরনায়। ধাক্কাধাক্কিতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। এমনকি বিক্ষোভ চলাকালীন এক বিএলও অসুস্থ হয়ে পড়েন।বিএলওদের অভিযোগ, কয়েক দিন ধরেই তাঁদের ওপর অস্বাভাবিক চাপ তৈরি করা হয়েছে। প্রতিদিনই ফোনে নতুন নির্দেশ আসছে, সঙ্গে আছে ডিজিটাইজেশনের চাপ। তাঁদের দাবি ছিলফর্ম ডিজিটাইজ করার জন্য কিছুটা সময় বাড়ানো হোক। কিন্তু রাজ্যে এসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার স্পষ্ট করে দেন, একটুও সময় বাড়ানো হবে না। বরং ৪ ডিসেম্বর নয়, ২৫ নভেম্বরের মধ্যেই সব কাজ শেষ করতে হবে। আর সেই নির্দেশের প্রতিবাদে আজ রাস্তায় নেমে পড়েছেন বিএলওদের একাংশ।এক বিক্ষুব্ধ বিএলও বলেন, আমাদের ওপর অমানবিক চাপ দেওয়া হচ্ছে। কাজ করব না এমন নয়কিন্তু এত কম সময়ে এই বিশাল দায়িত্ব পালন করা অসম্ভব। সঠিক পরিকল্পনাই নেই। আরও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরাবাংলায় কেন এত সমস্যা? কেন বাকি রাজ্যগুলির মতো যথাযথ প্রশিক্ষণ বা পরিকাঠামো দেওয়া হয়নি?নবাগত চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলন সামলাতে ব্যস্ত পুলিশকে আজ একই সঙ্গে সামলাতে হচ্ছে কমিশন ভবনের সামনে ক্ষুব্ধ বিএলওদেরও। দিনের শেষে পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, তা নিয়েই চরম উত্তেজনা শহরজুড়ে।

নভেম্বর ২৪, ২০২৫
কলকাতা

১০ নম্বর বাতিল চাই! রাস্তায় দাবদাহ—পুলিশকে ধেয়ে গেল নতুন চাকরিপ্রার্থীরা

কলকাতার রাজপথে ফের উত্তেজনা। নতুন করে তেতে উঠল আন্দোলন। এসএলএসটি চাকরিপ্রার্থীদের মিছিলে আজ কার্যত ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হল শহরের বুকে। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, ব্যারিকেড ভেঙে দৌড়ে মিছিল এগিয়ে যাওয়া, রুট পরিবর্তন, পুলিশের প্রস্তুতির ঘাটতিসব মিলিয়ে দুপুর থেকেই উত্তেজনায় টগবগ করছে ধর্মতলা ও তার সংলগ্ন এলাকা।অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে অতিরিক্ত ১০ নম্বর বাতিলের দাবিতে আজ পথেই নামেন ফ্রেশার্স চাকরিপ্রার্থীরা। প্রথমে তাঁদের গন্তব্য ঠিক ছিল ধর্মতলা। কিন্তু পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে রুট বদলে ঠিক হয়, তাঁরা রামলীলা ময়দানে যাবেন। কিন্তু সেখানেই তৈরি হয় নতুন সমস্যা। চাকরিপ্রার্থীদের মিছিল যখন নির্দিষ্ট রুটে এগোতে শুরু করে, পুলিশ তখন তাদের আটকে দেয়। আর সেখান থেকেই শুরু হয় উত্তেজনা, ধাক্কাধাক্কি, চিৎকার-চেঁচামেচি।ব্যারিকেড সরিয়ে চাকরিপ্রার্থীরা দলে দলে এগোতে থাকেন ধর্মতলার দিকেই। মাঝপথেই নিজেরাই রুট বদলে নেন। তাঁরা দ্রুত এগোতে শুরু করেন এস এন ব্যানার্জি রোড ধরে। সেখানে যথেষ্ট পুলিশ না থাকায় পরিস্থিতি সামাল দিতে কার্যত নাস্তানাবুদ হয়ে যায় কলকাতা পুলিশ। পুলিশের তৈরি অস্থায়ী ব্যারিকেডও ভেঙে মিছিল এগিয়ে চলে। ফলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয় রাস্তায়।এক চাকরিপ্রার্থী অভিযোগ করেন, আমাদের মিছিল যাওয়ার কথা ছিল বিকাশ ভবনের দিকে। কিন্তু পুলিশ নিজেদের সুবিধে মতো ঘুরিয়ে দিতে চাইছে। কমিশনের সঙ্গে মিলেই আমাদের আন্দোলন চেপে ধরার চেষ্টা চলছে। আমরা ধর্মতলাতেই অবস্থান করব। ১০ নম্বর বাতিল করতেই হবে।আরও এক চাকরিপ্রার্থী চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলেন, ১০ নম্বর বাতিল চাই, এক লক্ষ আসন বাড়াতে হবে। আমরা ধর্মতলা যেতেই পারব। দেখি পুলিশ কীভাবে আটকায়! এই মন্তব্যের পরই দেখা যায়, চাকরিপ্রার্থীরা দৌড়ে দৌড়ে ধর্মতলার দিকে ছুটছেন। police প্রস্তুত না থাকায় মুহূর্তে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। দ্রুত অতিরিক্ত ফোর্স ডেকে আনা হয়, যাতে ধর্মতলায় ঢোকার আগেই মিছিলকে আটকে দেওয়া যায়।এসএলএসটি ফল প্রকাশের পর থেকেই নবাগত চাকরিপ্রার্থীরা ক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠেন। অভিযোগ, অতিরিক্ত ১০ নম্বর যোগ হওয়ার ফলে অনেকেই ফুল মার্কস পেলেও ভেরিফিকেশনের কল পাননি। সেই প্রতিবাদেই তাঁরা পথে নেমেছেন। আজকের ঘটনায় সেই ক্ষোভ আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়ল কলকাতার মাঝরাস্তায়।

নভেম্বর ২৪, ২০২৫
কলকাতা

অনলাইন অ্যাপের দুনিয়া থেকে মৃত্যু! আদর্শ হত্যায় কলকাতায় হইচই, পুলিশের হাতে বড় তথ্য

কলকাতার কসবা এলাকায় হোটেল ঘিরে রহস্যজনক মৃত্যুর তদন্তে মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বড় সাফল্য পেল কলকাতা পুলিশ। বীরভূমের দুবরাজপুরের বাসিন্দা ও পেশায় চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট আদর্শ লোসাল্কার খুনের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁর দুই সঙ্গী ধ্রুব মিত্র ও কমল সাহাকে। দুজনকেই শনিবার গভীর রাতে জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হয়। পুলিশি তদন্তে তাঁদের ভূমিকাই সবচেয়ে সন্দেহজনক বলে উঠে এসেছে।শুক্রবার সন্ধ্যায় আদর্শ কসবার ওই হোটেলে ওঠেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন এক তরুণী এবং এক যুবক। জানা গিয়েছে, ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে তাঁদের সঙ্গে আলাপ হয় আদর্শের। নিজের ফোন থেকেই অ্যাপ ব্যবহার করে হোটেলের চতুর্থ তলার দুটি রুম বুক করেন তিনি। আদর্শ একা নিজের রুমে ঢোকেন, আর অপর রুমে চেক ইন করেন ওই তরুণী ও ধৃত যুবক।পরে তরুণী প্রথমে আদর্শের রুমে যান। কিছুক্ষণ পর সেখানে যোগ দেন অপর যুবকও। পুলিশ সূত্রে মিলেছে, টাকার লেনদেনকে কেন্দ্র করে আদর্শের সঙ্গে তর্কাতর্কি শুরু হয়। পরিস্থিতি দ্রুত হাতাহাতিতে গড়ায়। পরে আদর্শকে অচেতন অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখে হোটেল থেকেই সটকে পড়ে দুই সঙ্গী।শনিবার হোটেলের স্টাফরা দরজা না খুলতেই সন্দেহ করেন। পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করতেই দেখা যায়, মেঝেতে পড়ে আছে আদর্শের নিথর শরীর। তাঁর পা দড়ি দিয়ে বাঁধা। রুম থেকে উদ্ধার হয় অব্যবহৃত কন্ডোম। শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন লক্ষ করা যায়।ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে স্পষ্ট হয়েছে, শ্বাসরোধ করেই খুন করা হয়েছে আদর্শকে। রিপোর্টে আরও পাওয়া গেছে, ঘটনার আগে তিনি মদ্যপান করেছিলেন। ধৃতদের জেরায় উঠে এসেছে তাঁরা নাকি ভয় পেয়ে পা বেঁধেছিলেন, যাতে আদর্শ উঠে তাঁদের আক্রমণ না করতে পারেন। তবে পুলিশের মতে, ধৃতদের এই দাবি সম্পূর্ণ সন্দেহজনক এবং প্রত্যেকটি বক্তব্য খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে।কলকাতা পুলিশের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, অনলাইন ডেটিং প্ল্যাটফর্মকে কেন্দ্র করে প্রতারণা বা ব্ল্যাকমেলিংয়ের মতো কোনও ব্যান্ড সক্রিয় কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খুনের উদ্দেশ্যে নাকি অর্থ বা অন্য কোনও কারণে তাঁদের পরিকল্পনাসেটিও তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ দিক হয়ে উঠেছে।এই রহস্যময় খুনে পুরো শহরজুড়েই ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। প্রশ্ন উঠছেঅ্যাপে পরিচয়ের ফাঁদে আরও কেউ কি জড়িয়ে পড়েছেন? তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই নতুন নতুন তথ্য সামনে আসছে।

নভেম্বর ২৩, ২০২৫
কলকাতা

কুয়াশা–ঠান্ডায় কাঁপছে কলকাতা, কিন্তু নিম্নচাপ কি আবার শীত থামাবে?

শীত একবার ঢুকেই যেন আবার পথ হারাচ্ছে বাংলায়। কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যদিও খানিকটা নেমেছে, তবু আবহবিদদের চোখ এখন বঙ্গোপসাগরের দিকেই। সাগরের উপর তৈরি হতে থাকা নিম্নচাপ ও ঘূর্ণাবর্তের কারণে দক্ষিণবঙ্গে শীতের পথ আটকে দেওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের প্রাথমিক পূর্বাভাস বলছে, আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে, ফলে শীতের গতি কিছুটা শ্লথ হবে।এদিন কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে একটু কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮.৮ ডিগ্রি, স্বাভাবিকের থেকে মাত্র আধ ডিগ্রি বেশি। শুক্রবারের তুলনায় পারদ এক ঢোঁক নামলেও শীত যে ঠিক জাঁকিয়ে বসার পথে, সেটা নিশ্চিত নয়। বিশেষ করে বঙ্গোপসাগরের অবস্থাই এখন সব থেকে বড় প্রশ্নচিহ্ন।আজ, শনিবার ভোর থেকেই দক্ষিণবঙ্গের আকাশে কুয়াশার আস্ত চাদর। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার মাত্রা ৯০ শতাংশ ছুঁয়েছে। বেলা বাড়লে কুয়াশা কেটে রোদ উঠলেও শীতল হাওয়া এত তাড়াতাড়ি দাপট দেখাতে পারছে না। আগামী কয়েক দিনে উত্তর ও দক্ষিণ, দুই বঙ্গে মিলিয়েই আবহাওয়ার খুব বেশি পরিবর্তন হবে না বলে মত আবহবিদদের।নভেম্বর শুরু হতেই বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুরের মতো পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে শীতের আমেজ স্পষ্ট। উত্তরের পার্বত্য এলাকাগুলিতে শীত তো আগেই জেঁকে বসেছে। কলকাতায় শীতের কোমল হাওয়া ফিরলেও ঠিক সেই ভাবে জমে ওঠার আগে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে পূবালী বায়ু ও সাগরে তৈরি ঘূর্ণাবর্ত।আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা যাচ্ছে, আন্দামান সাগরের উপর ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। সমুদ্র উত্তাল, বইছে ঝোড়ো হাওয়া। মঙ্গলবার পর্যন্ত সাগরে মাছ ধরতে যাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। তবে এই ঘূর্ণাবর্তের সরাসরি প্রভাব দক্ষিণবঙ্গে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা কম, তবু শীতল বাতাসের পথ আটকানোর মতো পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে বলেই আবহবিদদের আশঙ্কা।সুতরাং, আচমকা কুয়াশা নেমে আসলেও, আকাশে রোদ এলেও, শীতের জাঁকজমক এখনও অনিশ্চিত। কলকাতার শীতপ্রেমীরা তাই তাকিয়ে আছে নভেম্বরের শেষ সপ্তাহের দিকেশেষ পর্যন্ত শীত কি সত্যিই নিজের জায়গা করে নিতে পারবে, নাকি সাগরের নিম্নচাপ আবার শীতরোদকুয়াশার খেলায় নতুন গোল বাধাবে?

নভেম্বর ২২, ২০২৫
কলকাতা

“চার বছর ধরে অভিযোগ!”—অবশেষে চাপের মুখে পদত্যাগ করলেন অধ্যাপক কল্যাণ ভট্টাচার্য

কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে বিস্ফোরক পরিস্থিতি তৈরি হল শুক্রবার। প্রথম বর্ষের ছাত্রীদের শ্লীলতাহানি ও শারীরিক হেনস্থার অভিযোগে শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করলেন অ্যানাটমি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক কল্যাণ ভট্টাচার্য। সকাল থেকেই চাপে ছিলেন তিনি। আর সেই চাপের উৎস হাসপাতালের ছাত্রছাত্রীদের একটানা আন্দোলন। অধ্যক্ষের দফতরের সামনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিক্ষোভে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মেডিক্যাল কলেজের পরিবেশ।অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই প্রথম বর্ষের ছাত্রীর সঙ্গে অশালীন আচরণ করতেন এইচওডি। একাধিক ছাত্রী বারবার বিষয়টি অভিযোগ জানালেও ব্যবস্থা হয়নি বলে দাবি পড়ুয়াদের। অবশেষে সাম্প্রতিক হেনস্থার অভিযোগ সামনে আসতেই ফেটে পড়ে ক্ষোভ। শুক্রবার দুপুর বারোটার পর থেকেই স্টুডেন্টস ইউনিয়নের সদস্যরা প্রিন্সিপালের ঘরের সামনে অবস্থান শুরু করেন। তাঁরা জানান, তাঁরা লিখিত আকারেই এমন অভিযোগ গত কয়েক বছর ধরে তুলে আসছেন, কিন্তু কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।বিকেলের দিকে পরিস্থিতি জটিল হতে থাকলে শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করতে বাধ্য হন অ্যানাটমি বিভাগের প্রধান। পরে কলেজ কর্তৃপক্ষ জানায়, নতুন এইচওডি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অধ্যাপক মৈত্রেয়ী মণ্ডলকে। একই সঙ্গে সাত সদস্যের একটি কমিটিও তৈরি হয়েছে। আগামী ১০ দিনের মধ্যে সেই কমিটির রিপোর্ট যাবে অধ্যক্ষের হাতে। এরপর তা স্বাস্থ্যদপ্তরে পাঠানো হবে, আর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে সেখানকার কর্তৃপক্ষ।এক বিক্ষোভকারী ছাত্র বলেন, আমাদের দাবি আংশিকভাবে পূরণ হলেও ক্ষোভ থেকেই যাচ্ছে। চার বছর ধরে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। কোনও দিন ব্যবস্থা হল না। আজ আন্দোলনের জেরে পদক্ষেপ হল। অন্যদিকে এমএসভিপি অঞ্জন অধিকারী বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল। মেডিক্যাল কলেজে এমন ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। প্রশাসন সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেছে। হেড স্যার ইস্তফা দিয়েছেন। এখন সমস্তটাই কমিটির রিপোর্টের উপর নির্ভর করছে।এই পুরো ঘটনা ফের একবার প্রশ্ন তুলছেশিক্ষাঙ্গনে নিরাপত্তাহীনতার উদ্বেগ কতটা গভীর? আর চাপ না থাকলে কি কোনও অভিযোগ কখনও গুরুত্ব পায়?

নভেম্বর ২১, ২০২৫
রাজ্য

ভূমিকম্প! কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে, স্পষ্ট অনুভুত কম্পন, রিখটার স্কেলে মাত্রা ৫.৫, উৎসস্থল বাংলাদেশ

শুক্রবার সকালেই আচমকা আতঙ্ক। ঘড়ির কাঁটা তখন প্রায় ১০টা ৮ মিনিট। কোনও পূর্বাভাস ছাড়াই কেঁপে উঠল কলকাতা-সহ গোটা রাজ্য। উত্তরবঙ্গের কোচবিহার থেকে দক্ষিণের কাকদ্বীপসর্বত্র অনুভূত হল ভূমিকম্পের দোল। ঘরের পাখা, চেয়ার, টেবিল, দেওয়ালের ছবি একের পর এক দুলে ওঠায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে মানুষের মধ্যে। বহু এলাকায় বাসিন্দারা বাড়ি ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসেন। যদিও এখনো পর্যন্ত কোনও বড় ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই।কোথায় ছিল ভূমিকম্পের কেন্দ্র?আমেরিকার জিওলজিক্যাল সার্ভে (USGS) জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৫। কেন্দ্রস্থল ছিল বাংলাদেশের নরসিংদী থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণ-পশ্চিমে, মাটি থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে। উৎসস্থলের অগভীরতার কারণেই জোরালো ভাবে কেঁপে ওঠে দুই দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল।বাংলাদেশে আতঙ্ক, রাস্তায় নেমে এলেন মানুষপ্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশেও ভয়াবহ দোল অনুভূত হয়। ঢাকার বিভিন্ন এলাকা ও বরিশাল পর্যন্ত কম্পন ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৩৮ মিনিট নাগাদ ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার পর বহু মানুষ নিরাপত্তার জন্য বাড়ি থেকে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। সমাজমাধ্যমে শেয়ার হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়বিল্ডিং থেকে দ্রুত নেমে আসছেন অধিবাসীরা, কোথাও ঝাড়বাতি বা সিলিং ফ্যান দুলছে প্রবল দোলনে।কলকাতায় অস্বাভাবিক অভিজ্ঞতাকলকাতা সাধারণত বড় ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল নয়। তাই এই ধরনের তীব্র কম্পন শহরে খুবই বিরল। শীতের আমেজে অনেক বাড়িতেই সিলিং ফ্যান বন্ধ ছিল, ফলে কম্পন আরও স্পষ্ট দেখা যায় বলে জানান শহরের বাসিন্দারা। বিভিন্ন জায়গায় ঝুলে থাকা লাইট, দেওয়ালে টাঙানো ছবি দুলে ওঠার দৃশ্য ধরা পড়েছে।হুগলি, বর্ধমান, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, উত্তর ২৪ পরগনাসব জায়গাতেই এই কম্পন অনুভূত হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষায়, দোলন অন্তত কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী ছিল।সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিজ্ঞতা ছড়িয়ে পড়েছেভূমিকম্পের পরপরই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোতে নানা ভিডিও ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করছেন সাধারণ মানুষ। কারও বাড়ির সিলিং ফ্যান দুলছে, কোথাও আবার কর্মীরা অফিস থেকে রাস্তায় বেরিয়ে আসছেনএমন বহু দৃশ্য ভাইরাল হয়েছে ইতিমধ্যেই। যাঁর সত্যতা জনতার কথা যাচাই করেনি।বর্তমান পরিস্থিতিএখনও পর্যন্ত কোনও প্রাণহানি বা বড় ধরনের ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। কলকাতা ও বঙ্গের বিভিন্ন দমকল ও প্রশাসনিক দফতর সতর্ক রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কেন্দ্রস্থল অগভীর হওয়ায় কম্পন তীব্র অনুভূত হলেও বড় বিপর্যয় হয়নি।রাজ্যজুড়ে এই অস্বাভাবিক ভূমিকম্পে সতর্কতা বেড়েছে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শপরবর্তী ২৪ ঘণ্টা সাবধান থাকা, বাড়ির ভারী জিনিসপত্র স্থিরভাবে বাঁধা রাখা এবং প্রয়োজনে খোলা জায়গায় সরিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি রাখা জরুরি।

নভেম্বর ২১, ২০২৫
রাজ্য

ঘূর্ণাবর্তে আটকে শীত! কলকাতায় শীতের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়েও কেন ঢুকতে পারছে না উত্তুরে হাওয়া?

নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহেই হঠাৎ করে নেমে এসেছিল শীতের ছোঁয়া। এক লাফে তাপমাত্রা নেমে গিয়েছিল ১৭ ডিগ্রিতে, আর শহরবাসী ভেবেছিলএবার বুঝি আগেভাগেই এসে পড়ছে শীত। কিন্তু ঘূর্ণাবর্ত আর পূবালী হাওয়ার জোড়া খাঁড়া পুরো পরিস্থিতি পাল্টে দেয়। গত কয়েকদিনে তাপমাত্রা ফের চড়তে শুরু করায় কলকাতায় শীতের যে আমেজ তৈরি হয়েছিল, তা একেবারে মিলিয়ে যায়।তবে বুধের সকালেই ফের খানিকটা নামল পারদ। কলকাতার তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করছে ১৮ ডিগ্রির আশপাশে। যদিও শহরবাসী শীতের হালকা ছোঁয়া পেলেও আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেনএখনই জাঁকিয়ে শীত নামার সম্ভাবনা কম। দক্ষিণবঙ্গে যে শীতল উত্তুরে হাওয়া ঢোকার কথা, সেই পথেই ফের বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে নতুন ঘূর্ণাবর্ত। সঙ্গে পূবালী হাওয়ার টান। ফলে শীতল বায়ুর প্রবেশপথ এখনও পুরোপুরি পরিষ্কার নয়।মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল প্রায় ১৯ ডিগ্রি, বুধবার তা সামান্য নেমে ১৮ ডিগ্রিতে দাঁড়িয়েছে। তবে আগামী দুতিন দিনে তাপমাত্রায় বড় কোনও পরিবর্তন হবে না বলে জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। বৃষ্টি নেই, আকাশ একেবারে পরিষ্কারতবে তাই বলে শীত যে জমিয়ে পড়বে, তার নিশ্চয়তা নেই।এদিকে জেলায় জেলায় শীতের দাপট জোরকদমে চলছে। উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি অঞ্চলদার্জিলিং, কালিম্পং, কার্শিয়াং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারসব জায়গাতেই ঘন কুয়াশায় ঢেকেছে সকাল। সাধারণত এই সময় যতটা ঠান্ডা থাকে, তার তুলনায় এবার একটু বেশি উষ্ণ হলেও কুয়াশার চাদরে মুড়েই শুরু হচ্ছে দিন। পাহাড়ে ঘোরার পরিকল্পনা করা পর্যটকদের জন্য আবহাওয়া আপাতত মনোরম হলেও তাপমাত্রা কবে নামবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানাতে পারছেন না আবহবিদরা।সবটাই নির্ভর করছে ঘূর্ণাবর্ত কাটার ওপর। যতক্ষণ না উত্তুরে হাওয়ার পথ পুরোপুরি খুলছে, ততক্ষণ কলকাতায় শীত ঠিকমতো নামবে না। তাই শহরবাসী এখনও অপেক্ষায়কবে সেই কাঙ্ক্ষিত ঠান্ডা হাওয়া ঢুকে পড়ে লেপ-কম্বল বের করার সময় আসবে।

নভেম্বর ১৯, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • ...
  • 29
  • 30
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

পুজোয় পশ্চিম মেদিনীপুরে কড়া পাহারা! ৫০০ কনস্টেবল, ১৫৯টি বাইক টিম, বিপদে সাহায্য করবে কিউআর কোড

দুর্গাপুজোয় নিরাপত্তা জোরদার করতে বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ। পুজোর ভিড়ে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে রাতভর চলবে নজরদারি। দায়িত্বে থাকবেন ২০ জন পুলিশ আধিকারিক। মোতায়েন করা হবে ৫০০ কনস্টেবল। গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিতে থাকবে র্যাফ। মহিলাদের নিরাপত্তায় বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তৃতীয়া থেকেই জেলায় মোতায়েন করা হবে দুর্গাবাহিনী। বিভিন্ন এলাকায় দায়িত্বে থাকবেন মহিলা পুলিশকর্মীরাও।পুজোর ভিড়ে কোনও দর্শনার্থী বিপদে পড়লে দ্রুত সাহায্য পৌঁছে দিতে বিশেষ কিউআর কোড চালু করেছে জেলা পুলিশ। সেই কোড স্ক্যান করলেই সংশ্লিষ্ট এলাকার পুলিশের সহায়তা নম্বর, অ্যাম্বুল্যান্স, হাসপাতাল-সহ জরুরি তথ্য পাওয়া যাবে। পুজোর মণ্ডপগুলিতে নিরাপত্তার ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে শনিবার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উত্তম ঘোষ-সহ অন্য আধিকারিকেরা।পুলিশ সূত্রে খবর, মহিলাদের সুবিধার জন্য নির্দিষ্ট দূরত্বে রাখা হবে শৌচালয়। পাশাপাশি, ছোট শিশুদের মায়েদের জন্য থাকবে শিশুকে দুধ খাওয়ানোর আলাদা জায়গা। পুজোর দিনগুলিতে দর্শনার্থীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে একাধিক ব্যবস্থা করা হচ্ছে।মহালয়ার দিনই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশের তরফে পুজোর গাইডম্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। দেবীপক্ষের শুরুতে উদ্বোধন করা হয়েছে ১৯টি নতুন ট্র্যাফিক কিয়স্কের। পুজোর রাতে টহল দেবে ১৫৯টি মোটরবাইক টিম। দর্শনার্থীদের সাহায্যের জন্য থাকবে ৬৫টি সহায়তা বুথ। এ ছাড়া ৪৩টি জায়গায় চলবে নাকা চেকিং।পুজোর সময়ে সাইবার অপরাধ রুখতেও বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ। সে জন্য ৪৪টি সাইবার ওয়ালের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানা গিয়েছে। পুজোর ভিড়ে চুরি, ছিনতাই এবং অনলাইন প্রতারণার মতো ঘটনা ঠেকাতে নজরদারি চালানো হবে।পঞ্চমী থেকেই খড়্গপুর ও মেদিনীপুর শহরে যান নিয়ন্ত্রণ শুরু হবে। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, দুপুর ৩টের পর শহরে বড় গাড়ি ঢুকতে দেওয়া হবে না। পুজোর ভিড় সামলাতে এবং যানজট এড়াতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, নেশার ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে পুজোর সময় প্রচার চালাবে পুলিশ।সব মিলিয়ে, পুজোর দিনগুলিতে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে একাধিক পদক্ষেপ করছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ। রাতভর টহল, নাকা চেকিং, বিশেষ মহিলা বাহিনী এবং জরুরি সাহায্যের জন্য কিউআর কোডএই সব ব্যবস্থার মাধ্যমে পুজোর ভিড় সামলানোর প্রস্তুতি চলছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
কলকাতা

বাড়িতে হামলার পর পোস্ট, তার পর মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি! ‘হিন্দুত্ববাদী’ শব্দ নিয়ে কী বললেন বিকাশ?

হিন্দুত্ববাদী শব্দ সরাবেন না। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরও নিজের অবস্থানে অনড় সিপিএম নেতা তথা বর্ষীয়ান আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। উল্টে মুখ্যমন্ত্রীকে পাল্টা প্রশ্ন করেছেন তিনি। বিকাশের প্রশ্ন, তাঁর পোস্ট থেকে কোনও শব্দ সরানোর নির্দেশ দেওয়ার অধিকার মুখ্যমন্ত্রীকে কে দিয়েছেন?একটি সংবাদমাধ্যমের তরফে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, মুখ্যমন্ত্রী কি তাঁকে পোস্ট সংশোধন করতে বলেছেন? উত্তরে বিকাশ বলেন, মুখ্যমন্ত্রীকে এই অধিকার কে দিয়েছে, আমি জানতে চাই। আগে মুখ্যমন্ত্রী অধিকারের পক্ষে যুক্তি হাজির করুন।এর পরেই রাজ্যের শাসকদলকে নিশানা করেন তিনি। বিকাশের অভিযোগ, হুঁশিয়ারি ও গুণ্ডামির ভরসাতেই তাদের রাজনৈতিক জীবন চলছে। তাঁর কথায়, সাংবিধানিক বোধ তৈরি হলে ভাষা বদলাবে। তবে তত দিনে তারা ক্ষমতায় থাকতে পারবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।হিন্দু ধর্ম ও হিন্দুত্বের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে বলেও দাবি করেন বিকাশ। তাঁর বক্তব্য, হিন্দু ধর্ম ও হিন্দুত্ব এক নয়, বরং পরস্পরবিরোধী। তাঁর মতে, হিন্দুত্ববাদ হিন্দু ধর্মকেই ধ্বংস করছে। যাঁরা প্রকৃত অর্থে হিন্দু, তাঁদের সঙ্গে হিন্দুত্ববাদের সম্পর্ক থাকতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।গত বৃহস্পতিবার মুখ ঢাকা অবস্থায় বাইকে চড়ে এক ব্যক্তি বিকাশের বাড়িতে হামলা চালান বলে অভিযোগ। সিসিটিভি ফুটেজে ওই ব্যক্তিকে গালিগালাজ করতে এবং বাড়ি লক্ষ্য করে মদের বোতল ছুড়তে দেখা গিয়েছে বলে দাবি। এই ঘটনার পর সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেন বিকাশ। সেখানে হামলাকারীদের হিন্দুত্ববাদী গুন্ডা বলে উল্লেখ করেন তিনি।এর পরেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নির্দেশ দেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিকাশকে পোস্ট থেকে হিন্দুত্ববাদী শব্দটি সরাতে হবে। কিন্তু সেই সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও পোস্ট সংশোধন করেননি বিকাশ। কেন তিনি শব্দটি সরাবেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।বিকাশের কথায়, অপরাধ করবে ওরা, আর আমি কেন ডিলিট করব? তাঁর দাবি, হিন্দুত্ববাদ আসলে এক ধরনের গুন্ডামির তত্ত্ব। অন্য দিকে, হিন্দু ধর্মের মূল ভাবনার সঙ্গে বহুত্ববাদ ও সকলকে গ্রহণ করার বিষয়টি জড়িত। তাঁর মতে, হিন্দুত্ববাদের সঙ্গে প্রকৃত হিন্দু ধর্মের বিরোধ রয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে বিকাশ বলেন, গুন্ডামি ছাড়া যে কোনও পথে ব্যবস্থা নিক। সমাজমাধ্যমে বিজেপির সমর্থকদের ভাষা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, যে ধরনের ভাষা ব্যবহার করা হচ্ছে, তা সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য নয়।বিকাশ আরও দাবি করেন, তাঁর তোলা প্রশ্নগুলির কোনও জবাব দেওয়া হচ্ছে না। তাঁর যুক্তির সঙ্গে মেলে, এমন বক্তব্য রাখছেন কিছু হিন্দু সন্ন্যাসীও। কিন্তু তাঁদের বিরুদ্ধেও কুৎসা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিকে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বলে দাবি করেছেন বিকাশ। তাঁর প্রশ্ন, ওই ব্যক্তি যে ভাষায় কথা বলছেন, তা কি বিজেপির ভাষা? তবে এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য এখানে পাওয়া যায়নি।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
বিদেশ

একের পর এক বিপর্যয় নেপালে, ফের হড়পা বান! নদীর জল দেখে উঁচু জায়গায় ছুটলেন বাসিন্দারা

ফের হড়পা বানে বিপর্যস্ত নেপাল। রবিবার সকালে বুড়ি গণ্ডকী নদীতে আচমকাই জলস্তর বেড়ে যায়। তার পরেই পাথর ও কাদামিশ্রিত প্রবল স্রোত আছড়ে পড়ে নদীর আশপাশের এলাকায়। সেই স্রোতে ভেসে যায় একাধিক বাড়িঘর ও সেতু। আচমকা জল বাড়তে দেখে প্রাণ বাঁচাতে উঁচু জায়গায় আশ্রয় নেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা।প্রকাশ্যে আসা একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, প্রবল গতিতে এগিয়ে আসছে জলরাশি। মুহূর্তের মধ্যে সেই স্রোতে ভেসে যাচ্ছে বাড়িঘর। শুধু বাড়ি নয়, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একাধিক সেতুও। জানা গিয়েছে, নেপালের গোরখা অঞ্চলের পাহাড় থেকে এই হড়পা বান নেমেছে। তবে কী কারণে আচমকা এই বিপর্যয় ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ভারী বৃষ্টির জেরে এই বান এসেছে কি না, তা-ও নিশ্চিত ভাবে জানা যায়নি।রবিবার সকালে নেপালের জাতীয় বিপর্যয় ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের তরফে সতর্কবার্তা জারি করা হয়। সেখানে বুড়ি গণ্ডকী নদীতে হড়পা বানের আশঙ্কার কথা জানানো হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্লাবিত এলাকায় না যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, নদীর আশপাশের বাসিন্দাদের উঁচু জায়গায় থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির কিছু ছবিও প্রকাশ করেছে নেপাল কর্তৃপক্ষ।গত ২৬ অগস্ট নেপালে ভয়াবহ হড়পা বানে বিস্তীর্ণ এলাকা তছনছ হয়ে গিয়েছিল। ত্রিশূলী ও ভোতেকোশী নদীর স্রোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। বহু বাড়ি, অফিস, সেতু ও দোকান ভেঙে পড়ে। সেই বিপর্যয়ে মৃত ও নিখোঁজের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন দাবি সামনে এসেছিল। প্রশাসনের তরফে ক্ষয়ক্ষতির সম্পূর্ণ হিসাব এখনও পাওয়া যায়নি বলে খবর। তিব্বতেও ওই দুর্যোগে বহু মানুষের মৃত্যুর খবর এসেছিল। পাশাপাশি, ভারতীয় ও বিদেশি নাগরিকদের নিখোঁজ হওয়ার খবরও সামনে এসেছিল।আগের বিপর্যয়ের ক্ষত এখনও পুরোপুরি সামলে ওঠেনি নেপাল। তার মধ্যেই ফের হড়পা বানের ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। কেন বুড়ি গণ্ডকী নদীতে আচমকা জলস্তর বেড়ে গেল, কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং হতাহতের কোনও খবর রয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
দেশ

বিমানের ভিতর থেকেই আটক, তার পর ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে মুক্তি! অভিজিৎ, সৌরভ, আশুতোষকে নিয়ে কী ঘটল?

দিল্লিতে সিজেপির আন্দোলন ঘিরে আটক হওয়া তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। রবিবার ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে ৫০ হাজার টাকার বন্ডে তাঁদের ছাড়া হয়। তবে আগামী এক বছর শান্তি বজায় রাখার শর্ত দেওয়া হয়েছে।রবিবার সকালে তিন নেতাকে দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় কার্যনির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়। তাঁদের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী বৃন্দা গ্রোভার। নেতাদের আটক করার কারণ নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন। শুনানির পর ম্যাজিস্ট্রেট তাঁদের ৫০ হাজার টাকার বন্ডে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেন।সিজেপি রবিবার ফের যন্তর মন্তর চলো কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল। এই কর্মসূচিকে ঘিরে অশান্তির আশঙ্কায় তিন নেতাকে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আটক করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সিজেপির আইনি প্রধান রত্না সিংও ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে উপস্থিত ছিলেন।রবিবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট করে রত্না সিং জানান, অভিজিৎ, আশুতোষ ও সৌরভকে সকাল ৯টায় দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় কার্যনির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হবে বলে পুলিশ তাঁকে জানিয়েছে। সিজেপির আইনি প্রধান হিসেবে তিনি আইনজীবীদের সঙ্গে থানায় উপস্থিত থাকবেন বলেও জানিয়েছিলেন।শনিবার সিজেপির আন্দোলনে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন ওই তিন নেতা। কিন্তু দিল্লিতে পৌঁছেও তাঁরা বিমানবন্দরের বাইরে বেরোতে পারেননি বলে অভিযোগ। বিমান থেকেই তাঁদের আটক করে পুলিশ। রবিবার ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করার পর তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়।অন্য দিকে, শনিবার সকালে গুরুগ্রামের বাড়ি থেকে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীকেও আটক করা হয়েছিল বলে খবর। সারা রাত তাঁর খোঁজ না মেলার পর রবিবার সকালে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে তাঁর মুক্তির ক্ষেত্রে শর্ত রয়েছে। তিনি দিল্লির যন্তর মন্তর এলাকার আশপাশে যেতে পারবেন না বলে খবর। এই শর্ত অমান্য করলে পুলিশ ব্যবস্থা নিতে পারে।সিজেপির আন্দোলন ঘিরে দিল্লিতে উত্তেজনার মধ্যেই একের পর এক আটক ও মুক্তির ঘটনা সামনে এসেছে। তিন নেতার মুক্তির পরেও তাঁদের উপর আরোপিত শর্ত এবং ধ্রুব রাঠীর চলাফেরায় বিধিনিষেধ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
কলকাতা

‘বিদেশি শক্তির খেলনা’, সিজেপি আন্দোলন নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য দিলীপ ঘোষের! আরও কী বললেন বিজেপি নেতা?

জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে দিল্লিতে সিজেপির আন্দোলন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। শনিবারের পর রবিবারও পথে নামার ডাক দিয়েছে সংগঠনটি। এরই মধ্যে আন্দোলনকে কটাক্ষ করে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, কিছু মানুষ কাজ না থাকলে আন্দোলনে নামেন। আন্দোলনে বিদেশি অর্থের মদত এবং রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির ভূমিকা রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। তবে এই অভিযোগের পক্ষে কোনও প্রমাণের উল্লেখ করেননি তিনি।রবিবার সিজেপির আন্দোলন নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, এর আগেও দেশে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন আন্দোলন হয়েছে। এই আন্দোলনও কিছু দিন চলতে পারে। তাঁর কথায়, কিছু মানুষের কাছে আন্দোলন যেন একটি ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাজ না থাকলে তাঁরা আন্দোলনে নামেন বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি, আন্দোলনকারীরা বিদেশি অর্থ এবং রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির মদতে কাজ করছেন বলে অভিযোগ তোলেন বিজেপি নেতা।জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে সিজেপি রবিবার ফের যন্তর মন্তর চলো কর্মসূচির ডাক দিয়েছে। শনিবারের বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে উত্তেজনা ছড়ায়। ওই দিন প্রায় তিন হাজার জনকে আটক করা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। অশান্তির আশঙ্কায় সিজেপির তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপ, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে বিমান থেকে নামার পর আটক করা হয় বলে জানা যায়। পরে তাঁদের আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে আটক করা হয়েছিল বলে খবর সামনে আসে। রবিবার সকালে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।এদিকে, যন্তর মন্তরে সিজেপির বিক্ষোভ ঘিরে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও সরব হয়েছে। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন অভিযোগ করেছেন, দেশে অস্থির পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চলছে। তাঁর দাবি, দেশের ১৪০ কোটি মানুষকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে দুটি গোষ্ঠী। একটি রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন ইন্ডি জোট এবং অন্যটি অরবিন্দ কেজরীওয়াল ও তাঁর সহযোগী সিজেপি।জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে সিজেপি। অন্য দিকে, আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বিদেশি মদতের অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। এই অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্য ঘিরে দিল্লির রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক আরও বাড়ছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
দেশ

সিজেপির বিক্ষোভে ধরপাকড় নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জের উদ্বেগ, ‘অযাচিত হস্তক্ষেপ’ বলে কড়া জবাব ভারতের

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার দিল্লিতে বিক্ষোভে নেমেছিল ককরোচ জনতা পার্টি। সেই বিক্ষোভ ঘিরে পুলিশের ধরপাকড় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশন। আটক ব্যক্তিদের মুক্তির দাবিও জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংগঠনটি। এ বার তাদের মন্তব্যের কড়া জবাব দিল ভারত। রাষ্ট্রপুঞ্জের উদ্বেগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে নয়াদিল্লি। পাশাপাশি, ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অযাচিত হস্তক্ষেপ না করার বার্তাও দেওয়া হয়েছে।শনিবার রাতে প্রকাশিত বিবৃতিতে ভারত জানিয়েছে, বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রে সংবিধান অনুযায়ী শান্তিপূর্ণ ভাবে জমায়েত করা এবং আন্দোলন করার অধিকার সকলের রয়েছে। দেশের বিচারব্যবস্থা স্বাধীন এবং সংবাদমাধ্যমও মুক্ত। তবে অন্য গণতান্ত্রিক দেশের মতো ভারতেও শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে কিছু যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ রয়েছে। সেই নিয়ম মেনেই নাগরিকেরা নিজেদের অধিকার প্রয়োগ করেন এবং কর্তৃপক্ষ আইন অনুযায়ী কাজ করে। কোনও অভিযোগ উঠলে তা খতিয়ে দেখার জন্য ভারতের আদালত সকলের কাছে উন্মুক্ত বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।দিল্লিতে সিজেপির বিক্ষোভ ঘিরে রাষ্ট্রপুঞ্জের মন্তব্যকে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অযাচিত হস্তক্ষেপ বলে উল্লেখ করেছে নয়াদিল্লি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংগঠনটিকে পাল্টা বার্তা দিয়েছে ভারত। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিরপেক্ষতা ও পক্ষপাতহীনতা বজায় রাখার দায়িত্বের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বিশ্বের অন্য জায়গায় হওয়া বড় বড় বিক্ষোভের দিকেও রাষ্ট্রপুঞ্জের নজর দেওয়া উচিত।শনিবার যন্তর মন্তরে সিজেপির বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল। তার আগেই দিল্লি পুলিশ ধরপাকড় শুরু করে বলে অভিযোগ। মুম্বই থেকে দিল্লিতে আসা সিজেপির নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে বিমানবন্দরেই আটক করা হয় বলে জানা গিয়েছে। এর পর চার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীওয়াল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পিনারাই বিজয়ন ও মানিক সরকার-সহ বিরোধী নেতা, আইনজীবী এবং সাংবাদিকদেরও আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সব মিলিয়ে আটক ব্যক্তির সংখ্যা প্রায় তিন হাজার বলে দাবি করা হয়েছে।এই ঘটনার পর শনিবার রাতে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশন একটি বিবৃতি প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়, দিল্লিতে বিক্ষোভ চলাকালীন এবং তার আগে বিক্ষোভকারী, আন্দোলনের নেতা, নাগরিক অধিকার সংক্রান্ত আইনজীবী ও সাংবাদিকদের গণহারে আটক করার ঘটনায় তারা গভীর ভাবে উদ্বিগ্ন। এই মন্তব্যের পরেই রাষ্ট্রপুঞ্জের বক্তব্যের জবাব দেয় ভারত। বিক্ষোভ ঘিরে ধরপাকড়ের অভিযোগ এবং তার পর আন্তর্জাতিক সংগঠনের সঙ্গে নয়াদিল্লির এই মতবিরোধ নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
দেশ

মেট্রো বন্ধ করা যাবে না, কড়া নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের! মঙ্গলবারের মধ্যে রিপোর্ট তলব, আর কী বলল শীর্ষ আদালত?

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন আইনজীবীরা। সেই আবেদনের শুনানিতে কেন্দ্রীয় সরকার, দিল্লি পুলিশ এবং মেট্রো কর্তৃপক্ষকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হল, মেট্রো পরিষেবা নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে, কিন্তু সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা যাবে না। সাধারণ মানুষের যাতায়াত যাতে ব্যাহত না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে এ দিন আদালত অবমাননার আবেদনের শুনানি হয়। আইনজীবীদের বক্তব্য শোনার পাশাপাশি সলিসিটর জেনারেলের বক্তব্যও শোনে আদালত। তার পরেই ৯ অক্টোবর দেওয়া আগের নির্দেশ কার্যকর করার কথা জানিয়ে দেয় শীর্ষ আদালত।আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট সরকারি দফতরগুলিকে জানাতে হবে, আগের নির্দেশ মেনে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবারের মধ্যে এ বিষয়ে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। ৯ অক্টোবরের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার পদক্ষেপ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে নোটিসও জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট। এ বিষয়ে হলফনামা দিয়ে জবাব দিতে হবে।মেট্রো ও ট্রেন পরিষেবা স্বাভাবিক রাখার উপর বিশেষ জোর দিয়েছে আদালত। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির গুরুতর অবনতি না হলে মেট্রো ও ট্রেন চলাচল বন্ধ করা যাবে না। সাধারণ মানুষের যাতায়াত এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে হবে। সেই সঙ্গে অবিলম্বে ব্যারিকেডের সংখ্যা কমানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।ইন্টারনেট পরিষেবা চালু রাখার বিষয়েও নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সাংবাদিক, আইনজীবী-সহ সাধারণ মানুষ যাতে স্বাধীনভাবে যাতায়াত করতে পারেন এবং নিজেদের কাজ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে হবে। আইনজীবী ও সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে কোনও বাধা দেওয়া যাবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছে শীর্ষ আদালত।শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের বেআইনিভাবে আটক করা যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের চলাচল আইন মেনে স্বাভাবিক রাখার কথা বলা হয়েছে। বিক্ষোভ সামলানোর সময় পুলিশকর্মীদের পোশাকে পরিচয়চিহ্ন বা ব্যাজ থাকা নিশ্চিত করার বিষয়েও নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।সুপ্রিম কোর্টের সামনে জারি করা ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারার নোটিস অবিলম্বে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। তবে তথ্য সংক্রান্ত বিষয়ে আইন অনুযায়ী সরকারের যে অধিকার রয়েছে, আদালতের এই নির্দেশে তা খর্ব করা হচ্ছে না বলেও স্পষ্ট করা হয়েছে।এই মামলার পরবর্তী শুনানি মঙ্গলবার। তার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আদালতের নির্দেশ মেনে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তার বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর আগে শেষ রবিবার, বৃষ্টিতে কি ভেস্তে যাবে কেনাকাটা? কলকাতার আবহাওয়া নিয়ে বড় আপডেট

দেবীপক্ষ শুরু হয়ে গিয়েছে। বিভিন্ন পুজো মণ্ডপে প্রতিমা নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে। পুজোর শেষ মুহূর্তের কেনাকাটা করতে রাস্তায় নামছেন বহু মানুষ। আজ রবিবার পুজোর আগে শেষ রবিবার হওয়ায় বাজার, দোকান এবং শপিংমলগুলিতে ভিড় বাড়তে পারে। তবে কেনাকাটার পরিকল্পনার আগে অনেকেরই প্রশ্ন, আজ কি বৃষ্টি হবে? নাকি রোদ ঝলমলে আবহাওয়াতেই কাটবে দিন?আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আজ রবিবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের বেশির ভাগ জায়গায় আবহাওয়া মূলত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা। তবে কলকাতা এবং আশপাশের এলাকায় কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে বৃষ্টির সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে ভারী বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই।হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বাংলা থেকে বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পুজোর দিনগুলিতে বড় ধরনের দুর্যোগের আশঙ্কাও এখনই দেখা যাচ্ছে না। ফলে পুজোর আনন্দে বৃষ্টি বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি না, তা নিয়ে আপাতত কিছুটা স্বস্তি রয়েছে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, পুজোর সময় আন্দামান সাগরে নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছিল। তবে সেই পরিস্থিতিতে পরিবর্তন হয়েছে। বর্তমানে থাইল্যান্ড উপসাগরের কাছে বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। এর জেরে বাংলায় উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়ার আশঙ্কা আপাতত নেই বলেই জানানো হয়েছে।রবিবার সকাল থেকেই কলকাতার আকাশে রোদের দেখা মিলেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের তেজও বাড়তে পারে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকতে পারে। তবে স্থানীয়ভাবে এক-দুদফা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে।আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত কলকাতা-সহ দুই বাংলার আবহাওয়া মোটামুটি একই রকম থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস। ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা না থাকলেও কোথাও কোথাও বৃষ্টি হতে পারে। তাই পুজোর কেনাকাটায় বেরোনোর সময় আকাশের দিকে নজর রাখার পাশাপাশি সঙ্গে ছাতা রাখলে সুবিধা হতে পারে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal