• ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩, শুক্রবার ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IPL

খেলার দুনিয়া

দিল্লির হয়ে প্রত্যাবর্তন ম্যাচে এ কী হাল ডেভিড ওয়ার্নারের!‌

আইপিএলের দিল্লির জার্সি গায়ে প্রত্যাবর্তনের ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখতে পারলেন না ডেভিড ওয়ার্নার। গত মরশুমের মতো এবছরের শুরুতেও আইপিএলে রানের জন্য সেই লড়াই এই অসি তারকার। বৃহস্পতিবার লখনউ সুপার জায়ান্টাসের বিরুদ্ধে ১০ বলে মাত্র ৪ রান করে আউট হলেন। গত বছর সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যর্থ ছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। মেগা নিলামের আগে তাঁকে ছেড়ে দেয় সানরাইজার্স। নিলাম থেকে তাঁকে ৬.২৫ কোটি টাকায় কেনে দিল্লি ক্যাপিটালস। ২০১২ সালে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের হয়ে খেলেছিলেন ওয়ার্নার। ৯ বছর পর পুরনো দলে ফিরেও নিজেকে মেলে ধরতে পারলেন না। জয়ের সরণিতে ফিরতে রোমারিও শেফার্ডের পরিবর্তে ডেভিড ওয়ার্নারের ওপর ভরসা করেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। দিল্লির জার্সি গায়ে প্রথম ম্যাচেই ব্যর্থ এই অসি তারকা। পৃথ্বী শ, সরফরাজ খান ও অধিনায়ক ঋষভ পন্থের সৌজন্যে লখনউ সুপার জায়ান্টের বিরুদ্ধে মান বাঁচাল দিল্লি ক্যাপিটালস। মুম্বইয়ের ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে তুলল ১৪৯/৩। প্রতিটা ম্যাচেই রাতের দিকে শিশির সমস্যায় ফেলছে। সেকথা মাথায় রেখে টস জিতে দিল্লি ক্যাপিটালসকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। পৃথ্বী শর সৌজন্যে দারুণ শুরু করেছিল দিল্লি। পাওয়ার প্লের প্রথম ৬ ওভারে দিল্লি ক্যাপিটালস তোলে ৫২/০। আগের ম্যাচে দুর্দান্ত বোলিং করেছিলেন আবেশ খান। ম্যাচের সেরাও ছিনিয়ে নিয়েছিলেন। কিন্তু দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে প্রথম ওভারে দেন ১৩। জেসন হোল্ডারও ভাল শুরু করতে পারেননি। ৩০ বলে ৫০ রান পূর্ণ করেন পৃথ্বী শ। পাওয়ার প্লের ফিল্ডিং নিষেধাজ্ঞার সুযোগ দারুণ কাজে লাগান। পৃথ্বী ঝড় তোলায় শুরুর দিকে আক্রমণের রাস্তায় যাননি ৯ বছর পর দিল্লির জার্সি গায়ে আবার খেলতে নামা ডেভিড ওয়ার্নার। অষ্টম ওভারের তৃতীয় বলে ধাক্কা খায় দিল্লি ক্যাপিটালস। নিজের দ্বিতীয় ওভারে পৃথ্বী শকে তুলে নেন কৃষ্ণাপ্পা গৌতম। ওভারের প্রথম দুটি বলে ৬ ও ৪ মেরেছিলেন পৃথ্বী। পরের বলে কাট করতে গিয়ে বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে উইকেটের পেছনে কুইন্টন ডিককের হাতে জমা দেন। ৯টি চার ও ২টি ছক্কার ৩৪ বলে ৬১ রান করে আউট হন পৃথ্বী। গতমরশুমে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের জার্সি গায়ে নিজেকে একেবারেই মেলে ধরতে পারেননি ডেভিড ওয়ার্নার। দিল্লি ক্যাপিটালসের জার্সি গায়ে মরশুমের প্রথম ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখতে পারলেন না। লখনৌ সুপার জায়ান্টের বোলারদের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই অস্বস্তিতে ছিলেন। রবি বিষ্ণোইয়ের অফ স্টাম্পের অনেকটা বাইরের বল কাট করতে গিয়ে ব্যাটের কানায় লাগিয়ে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে আয়ুষ বাদোনির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ১২ বলে মাত্র ৪ রান করেন ওয়ার্নার। দুই স্পিনার রবি বিষ্ণোই ও কৃষ্ণাপ্পা গৌতমের আঁটোসাটো বোলিং চাপ বাড়িয়ে দিয়েছিল। রান তোলার গতি মন্থর হয়ে গিয়েছিল। ডট বলের সংখ্যাও বাড়ছিল। চাপ কাটাতে গিয়েই আউট রভম্যান পাওয়েল। হতাশ হতে তিনি স্লগ সুইপে বিষ্ণোইকে গ্যালারিতে পাঠাতে গিয়ে বোল্ড হন। ১০ বলে মাত্র ৩ রান করেন পাওয়েল। ১১ ওভারের মধ্যেই ৭৪ রানে ৩ উইকেট হারায় দিল্লি। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক ঋষভ পন্থ ও সরফরাজ খান। জুটি ওঠে ৭৩। এই জুটিই দিল্লিকে ১৪৯/৩ রানে পৌঁছে দেয়। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেটে তোলে দিল্লি। ৩৬ বলে ৩৯ রান করে অপরাজিত থাকেন ঋষভ। ২৮ বলে ৩৬ রান করে অপরাজিত থাকেন সরফরাজ। রবি বিষ্ণোই ২২ রানে ২ উইকেট নেন।

এপ্রিল ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‘‌বড়া পাও ছিনিয়ে নিয়ে গেল’‌, কামিন্স সম্পর্কে কেন একথা বললেন শেহবাগ?‌

ক্রিকেট দুনিয়ায় মজাদার টুইট করার ব্যাপারে দারুণ সুনাম আছে বীরেন্দ্র শেহবাগ ও হরভজন সিংয়ের। এই দুই প্রাক্তন ক্রিকেটারের টুইটে অনেকসময় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। আবার টুইট করে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ভক্তদের বিরাগভাজন হয়েছেন বীরেন্দ্র শেহবাগ। বীরু নাকি নিজের টুইটে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে নিয়ে উপহাস করেছেন।কী এমন টুইট করেছেন বীরেন্দ্র শেহবাগ? বুধবার কলকাতা নাইট রাইডার্সের সঙ্গে ম্যাচ ছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের। শেষদিকে ঝড় তুলে ১৫ বলে অপরাজিত ৫৬ রানের ইনিংস খেলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মুখ থেকে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিলেন নাইট রাইডার্সের প্যাট কামিন্স। তাঁর এই ইনিংস দেখে বীরন্দ্র শেহবাগ টুইট করেন, মুন সে নিভালা ছিন লিয়া, বড়া পাও ছিন লিয়া। প্যাট কামিন্স, ক্লিন হিটিংয়ের অন্যতম প্রদর্শন, ১৫ বলে ৫৬। শেহবাগের এই টুইট রোহিত ভক্তদের ভাল লাগেনি।কেন বড়া পাওর কথা বলেছেন বীরেন্দ্র শেহবাগ? আসলে মুম্বইয়ের মানু্ষদের সবথেকে প্রিয় খাবার বড়া পাও। কামিন্সের ইনিংস দেখে তিনি বলেন, এটা মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ক্রিকেটারদের কাছ থেকে বড়া পাও কেড়ে নেওয়ার মতো। কামিন্সের এই ইনিংসে যেমন শেহবাগ থেকে অনেকেই মুগ্ধ, তেমনই অবাক কামিন্স নিজেও। তিনি যে ওইরকম বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছেন, কামিন্স নিজেও বিশ্বাস করতে পারছেন না। ম্যাচের পর সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, এই রকম ইনিংস খেলে আমিই সবথেকে বেশি অবাক। সত্যিই আমি আনন্দিত। আমার প্রিয় জায়গায় বল পড়লেই উড়িয়ে দেব, একথা মাথায় রেখে ব্যাট করতে নেমেছিলাম। এর বেশি কিছু করার চেষ্টা করিনি।Moonh se nivala cheen liya ,, sorry vada pav cheen liya.Pat Cummins, one of the most insane display of clean hitting , 15 ball 56 Jeera Batti #MIvKKR pic.twitter.com/Npi2TybgP9 Virender Sehwag (@virendersehwag) April 6, 2022এই মরশুমে প্রথম ম্যাচে নাইট রাইডার্সের জার্সি গায়ে নিজের পারফরমেন্সে খুশি কামিন্স। তিনি বলেন, প্রথম ম্যাচে নিজের পারফরমেন্সে আমি খুশি। স্টেডিয়ামের বাউন্ডারি ছোট ছিল। তার সুযোগ নিতে চেয়েছিলাম। ক্রিজে এসে একটা কথাই শুধু মাথায় ছিল, বাউন্ডারির বাইরে বল ওড়াতে হবে। সেই চেষ্টা করতেই সফল। লক্ষ্য ছিল কয়েকটা বড় শট খেলে ভেঙ্কটেশ আয়ারের কাজ সহজ করে দেওয়া। সেটা করতে পেরেছি। কামিন্সের ইনিংস দেখে মুগ্ধ কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। তিনি বলেন, অবিশ্বাস্য ইনিংস। এত জোরে বল মারছিল, এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না।

এপ্রিল ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

যুগ্মভাবে দ্রুততম হাফ সেঞ্চুরি, কামিন্স ঝড়ে উড়ে গেল মুম্বই

আইপিএলের তৃতীয় ম্যাচেও জয় এল না। প্যাট কামিন্স ঝড়ে উড়ে গেল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। নাইট রাইডার্স জিতল ৫ উইকেটে। ১৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি কামিন্স-এর। লোকেশ রাহুলের সঙ্গে যুগ্মভাবে আইপিএলের ইতিহাসে দ্রুততম।এদিন টস জিতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ব্যাট করতে পাঠান কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। রোহিত শর্মাদের ওপর শুরুর দিকে চাপ রেখেছিলেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের বোলাররা। পাওয়ার প্লে-র ৬ ওভারে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স তোলে ১ উইকেটে মাত্র ৩৫। ১২ বলে ৩ রান করে আউট হন অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তাঁকে ফেরান উমেশ যাদব।এরপর ঈশান কিষাণের সঙ্গে জুটি বেঁধে মুম্বইকে টানেন ডেওয়াল্ড ব্রেভিস। এদিন দারুণ আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন। তাঁর সঙ্গে এবি ডি ভিলিয়ার্সের ইতিমধ্যে তুলনা শুরু হয়েছে। নামের পাশে বসে গেছে বেবি এবি তকমা। এই তকমা যে একেবারেই ভুল নয়, আইপিএলের অভিষেক ম্যাচেই বুঝিয়ে দিলেন ব্রেভিস। অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে সর্বাধিক রান করা দক্ষিণ আফ্রিকার ব্রেভিস এদিন বরুণ চক্রবর্তীর বলে স্টাম্প আউট হন। ২টি করে চার ও ছয়ের সাহায্যে ১৯ বলে ২৯ রান করেন ব্রেভিস।১১তম ওভারের শেষ বলে ৫৫ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ২১ বলে ১৪ রান করে আউট হন ঈশান কিষাণ। প্যাট কামিন্সের বলে তাঁর ক্যাচ ধরেন শ্রেয়স আয়ার। এরপর সূর্যকুমার যাদবের সঙ্গে জুটি বাঁধেন তিলক বর্মা। সূর্য-তিলকের জুটিতে ৪৯ বলে ৮৩ রান ওঠে। ৩৬ বলে ৫২ রান করে প্যাট কামিন্স-এর বলে আউট হন সূর্যাকুমার। শেষ পাঁচ বলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স তোলে ২৩ রান। তিনটি ছক্কার সাহায্যে ৫ বলে ২৩ রানে অপরাজিত থাকেন কায়রন পোলার্ড। তিনটি চার ও দুটি ছয়ের সাহায্যে ২৭ বলে ৩৮ রানে অপরাজিত থাকেন তিলক বর্মা। ২০ ওভারে মুম্বই তোলে ১৬১/৪। প্যাট কামিন্স ৪ ওভারে ৪৯ রান দিয়ে ২টি উইকেট নেন। উমেশ যাদব ৪ ওভারে ২৫ ও বরুণ চক্রবর্তী ৪ ওভারে ৩২ রানে ১টি করে উইকেট নেন। খরচ করে একটি করে উইকেট দখল করেন। সুনীল নারাইন ৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে কোনও উইকেট পাননি।Wow again!!! @KKRiders boys!! pic.twitter.com/ctt0ZQ7vVC Shah Rukh Khan (@iamsrk) April 6, 2022ব্যাট করতে নেমে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মতো নাইট রাইডার্সের শুরুটাও ভাল হয়নি। প্রথম ৪ ওভারে ওঠে মাত্র ১৬। পঞ্চম ওভারের প্রথম বলেই আউট হন অজিঙ্কা রাহানে (৭)। ষষ্ঠ ওভারের শেষ বলে নাইট অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারকে (১০) তুলে নেন ড্যানিয়েল সামস। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান ভেঙ্কটেস আয়ার ও সামস বিলিংস। জুটিতে ওঠে ৩২। বিলিংসকে (১৭) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন মুরুগান অশ্বিন। নীতিশ রানাকেও (৮) ফেরান অশ্বিন।পরপর ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় নাইট রাইডার্স। দলকে চাপের মুখ থেকে উদ্ধার করার চেষ্টা করেন ভেঙ্কটেশ আয়ার ও আন্দ্রে রাসেল। কিন্তু তাঁদের প্রয়াস ফলপ্রসূ হয়নি। টাইমল মিলসের শর্ট বল গ্যালারিতে পাঠাতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনের ধরে ব্রেভিসের হাতে ধরা পড়েন রাসেল (১১)। নাইটদের রান সেই সময় ৫ উইকেটে ১০১।শেষ ৬ ওভারে নাইটদের জেতার জন্য দরকার ছিল ৪৭। ১৫তম ওভারের প্রথম বলেই অর্ধশতরান পূর্ণ করেন ভেঙ্কটেশ আয়ার (৪১ বলে অপরাজিত ৫৬)। যশপ্রীত বুমরার ওই ওভারের, চতুর্থ ও পঞ্চম বলে প্যাট কামিন্স ছয় ও চার মেরে নাইটদেরজয়ের সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল করেন। ৫ ওভারে নাইটদের প্রয়োজন দাঁড়ায় ৩৫। ১৬তম ওভারে কামিন্স ঝড় অব্যাহত থাকে। ড্যানিয়েল সামসের প্রথম, তৃতীয় ও চতুর্থ বলে মারেন ছক্কা, দ্বিতীয় বলে চার। এই ওভারই মুম্বইয়ের আশায় জল ঢেলে দেয়। পঞ্চম বলটি করতে গিয়ে স্যামস ওভারস্টেপিংয়ে নো বল করে বসেন, ২ রান নেন কামিন্স। ফ্রি হিটে চার মারার পরের বলে ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ শেষ করে দেন কামিন্স (১৫ বলে অপরাজিত ৫৬)।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে কেন জ্বলে উঠতে পারলেন না রোহিত?

কলকাতা নাইট রাইডার্সকে সামনে দেখলেই জ্বলে ওঠা রীতিমতো অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছিলেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। অতীতে নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে তাঁর ব্যাট থেকে বড় বড় ইনিংস পাওয়া গেছে। সে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সই হোক কিংবা মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম। নাইটদের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠে দলকে জয় এনে দিয়েছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। পঞ্চদশ আইপিএলে নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠতে ব্যর্থ তিনি।বুধবার পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। টস জিতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ব্যাট করতে পাঠান কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। ম্যাচের তৃতীয় ওভারের পঞ্চম বলে রোহিত শর্মাকে তুলে নেন উমেশ যাদব। উমেশের শর্ট বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে নাইট উইকেটরকিপার সাম বিলিংসের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রোহিত। ১২ বলে মাত্র ৩ রান করেন তিনি।এবারের আইপিএলে এই নিয়ে দ্বিতীয় ম্যাচে তিনি রান পেলেন না। প্রথম ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ৩২ বলে ৪১ রান করেছিলেন রোহিত। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচেও রান পাননি রোহিত। ৫ বলে মাত্র ১০ রান করে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর বলে আউট হন। এদিন করেন মাত্র ৩ রান। নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে যসুরু থেকেই এদিন স্বস্তিতে ছিলেন না রোহিত। উমেশ যাদব ও নাইট রাইডার্সের হয়ে অভিষেককারী জোরে বোলার জম্মু ও কাশ্মীরের রাসিখ সালামের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠতে পারছিলেন না। ঝুঁকি নিয়ে আক্রমণাত্মক হতে গিয়েই উইকেট উপহার দেন।আইপিএলে সবথেকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধেই সবথেকে বেশি রান করেছেন রোহিত। নাইটদের বিরুদ্ধে আইপিএলে এখনও পর্যন্ত তাঁর রান ১০১৮। কিন্তু বুধবার চূড়ান্ত ব্যর্থ। কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে মাইলস্টোনে পৌঁছনোর সুযোগ ছিল রোহিত শর্মার সামনে। এই ম্যাচে ৫৪ রান করলেই দ্বিতীয় ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে টি২০ ক্রিকেটে ১০ হাজার রান করার নজির গড়তেন রোহিত। ভারতীয়দের মধ্যে টি২০ ক্রিকেটে প্রথম ১০ হাজার রান করার কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন বিরাট কোহলি। এদিন ৮ রান করলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে সাড়ে চার হাজার রান পূর্ণ করতেন রোহিত। আপাতত এই দুটি মাইলস্টোনের জন্য পরের ম্যাচ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ককে।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নির্বাসনের মুখে পড়া বাংলার শাহবাজই ভরসা দিচ্ছেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে

কয়েকবছর আগে সিএবি কর্তাদের অন্তর্কলহের শিকার হতে হয়েছিল এই শাহবাজ আমেদকে। আদৌও তিনি বাংলার ক্রিকেটার কিনা, তা নিয়ে উঠেছিল প্রশ্ন। তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল সিএবি। শাহবাজের খেলার ওপর নিষেধাজ্ঞা। বেশ কিছুদিন মাঠের বাইরে কাটাতে হয়েছিল। বহিরাগত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আবার ক্লাব ক্রিকেটে ফেরা। সময়টা দুঃস্বপ্নের মতো কেটেছিল শাহবাজের। মনে হয়েছিল ক্রিকেটজীবনই শেষ হতে চলেছে। ফিরে যেতে চেয়েছিলেন হরিয়ানার গ্রামের বাড়িতে। ভেবেছিলেন ক্রিকেট ছেড়ে ইঞ্জিনিয়ারিংকেই পেশা হিসেবে বেছে নেবেন। আবার ফিরে যাবেন প্রিয় ক্যালকুলাসে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মুক্তি। আর আজ তিনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর সংসারে নায়ক।ক্রিকেটার না হলে অন্যখাতে বইত শাহবাজের জীবন। হয়তো নামী কোনও সংস্থায় ইঞ্জিনিয়ারের চাকরি নিয়ে পড়ে থাকতেন। সে সব কিছুই হয়নি। ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে হরিয়ানার ফরিদাবাদের পালোয়াল থেকে বাবামার হাত ধরে পাড়ি দিয়েছিলেন কলকাতায়। ৭ বছর আগে দলের মিডল অর্ডারে ভারসাম্য আনার জন্য এমন একজন ব্যাটসম্যান খুঁজছিলেন কলকাতার তপন মেমোরিয়ালের কোচ ধর্মেন্দ্র সিং, যিনি বোলিংও করতে পারেন। হরিয়ানার ফরিদাবাদ থেকে এক পরিচিত শাহবাজ আমেদের ব্যাটিংয়ের ভিডিও পাঠিয়েছিলেন। পছন্দ হয় ধর্মেন্দ্রর। একদিন বাবামাকে সঙ্গে নিয়ে পালোয়াল থেকে কলকাতায় হাজির হন শাহবাজ। দুদিন নেটে দেখেই সই করানোর সিদ্ধান্ত। ধর্মেন্দ্র সিংয়ের হুগলির শ্রীরামপুরের বাড়িই হয়ে ওঠে স্থায়ী আস্তানা।ক্লাবের হয়ে প্রথম ম্যাচেই সাফল্য। বল হাতেও যে তিনি সমান দক্ষ সেদিনই বুঝিয়ে দিয়েছিলেন শাহবাজ। আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। তপন মেমোরিয়ালের হয়ে প্রথম বছর সাফল্য। পরের মরশুমে বড় ক্লাবের প্রস্তাব সত্ত্বেও থেকে যান তপন মেমোরিয়ালেই। যে ক্লাব তাঁকে কলকাতা ময়দানে প্রতিষ্ঠা দিয়েছে তার প্রতি আনুগত্য দেখাতে কার্পন্য করেননি। ছোট ক্লাব থেকে বাংলা দলে সুযোগ পাওয়ার নজির তেমন নেই। শাহবাজ সেদিক দিয়ে ব্যতিক্রম। কোনও বয়সভিত্তিক বাংলা দলে না খেলেও সরাসরি সিনিয়র দলে।সিএবি কর্তাদের কাজিয়ায় একসময় বাংলায় খেলা অনিশ্চিত হয়ে উঠেছিল শাহবাজের। তিন বছর আগে শাহবাজের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে তিনি বহিরাগত। তপন মেমোরিয়ালের হয়ে ক্লাব ক্রিকেটে খেলার অধিকার নেই। মাস চারেকের জন্য নির্বাসিত। গঠিত হয় তদন্ত কমিটি। তিনি যে হরিয়ানা ছেড়ে স্থায়ীভাবে শ্রীরামপুরে বসবাস করছেন প্রমাণ হয়ে যায়। উঠে যায় নির্বাসন। সুযোগ পান বাংলা দলে। ২০১৮১৯ মরশুমে হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে রনজি অভিষেক। তার আগে বাংলার হয়ে খেলে ফেলেছিলেন বিজয় হাজারে ট্রফি। যে দলের বিরুদ্ধে রনজি অভিষেক, সেই হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ২০২০র রনজি ট্রফিতে হ্যাটট্টিক।হরিয়ানায় হোমটাউন হলেও এখন বাংলাই তাঁর ঘরবাড়ি। শাহবাজের মুখে প্রায়শই শোনা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বাংলায় আছি। এখন বাংলাই আমার কাছে সবকিছু, আমার ভবিষ্যত। ক্রিকেটার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছি। নিজে স্পিনার হলেও শাহবাজের প্রিয় বোলার বেন স্টোকস। তবে ভারতীয়দের মধ্যে ভাল লাগে রবীন্দ্র জাদেজাকে। জাদেজা ভারতীয় দলে যেরকম ভূমিকা পালন করেন, বাংলার হয়ে তেমন ভূমিকা পালন করতে চান শাহবাজ। তাঁর লড়াকু মানসিকতা দারুণ পছন্দ করেন বাংলার কোচ অরুণলাল। বিরাট কোহলিও শাহবাজের লড়াকু মানসিকতার ওপর আস্থা রেখেছিলেন। ক্যালকুলাস তাঁর খুবই পছন্দের বিষয়। অঙ্ক কষতে গেলে মাথা ঠান্ডা রাখতে হয়। মঙ্গলবার রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে কঠিন পরিস্থিতিতে ব্যাট করতে নেমেছিলেন। ২৬ বলে ৪৫ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে দলকে জয়ের মুখে পৌঁছে দিয়েছিলেন। তাঁর ব্যাটিংয়ে মুগ্ধ বিশেষজ্ঞরা। ম্যাচের পর শাহবাজ বলছিলেন, খুব কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে ব্যাট করতে গিয়েছিলাম। আমার দক্ষতার ওপর অধিনায়ক আস্থা রেখেছিল, এতেই আমি খুশি। দীনেশ কার্তিক আমার চাপ কমিয়ে দিয়েছিল। শাহবাজ আরও বলেন, প্র্যাকটিস চালিয়ে যাচ্ছি। সেটা হলে দলের পক্ষেই ভালো। তবে কঠিন পরিস্থিতি থেকে দলের জয় নিশ্চিত করায় অবদান রাখতে পেরে ভালো লাগছে। ঠিক করেছিলাম, স্পিনারদের উইকেট দেব না। শিশির পড়ায় বল ব্যাটে আসছিল, তাই জোরে বোলারদের আক্রমণের রাস্তা বেছে নিই। দীনেশ কার্তিকের ঝোড়ো ব্যাটিং মোমেন্টাম তৈরি করে দেয়। ম্যাচের বয়স বাড়তেই খেলাও ক্রমে সহজ হয়ে যায়। ট্রেন্ট বোল্ট ১৮তম ওভার করতে আসার আগে আরসিবির ৩ ওভারে ২৮ দরকার ছিল। শাহবাজ প্রথম বলে রান পাননি, পরের তিনটি বলে চার, ছয় ও দুই রান নেন, পঞ্চম বলে আউট হন। ট্রেন্ট বোল্ট বাঁহাতি হওয়ায় সুবিধা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন শাহবাজ। বলেন, বড় শট নিতেই হতো। সেটা পারায় লক্ষ্যের দিকে আমরা আরও এগিয়ে যাই। দলকে জিতিয়ে আসতে না পারার জন্য আক্ষেপ রয়েছে শাহবাজের। হর্ষল প্যাটেল শাহবাজকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন, আরও লম্বা ইনিংসের সাক্ষী থাকতে চাই আমরা। বিরাট কোহলিও শাহবাজের ইনিংসের প্রশংসা করেছেন। বাংলার অলরাউন্ডারের প্রশংসা করেছেন অধিনায়ক ফাফ দু প্লেসিও। তিনি বলেন, শাহবাজ বড় শট খেলতে পারদর্শী। বল হাতেও তিনি কার্যকরী ভূমিকা নেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। উল্লেখ্য, ২০২০ সালের আইপিএলে ২ ম্যাচে ২টি এবং গত মরশুমে ১১ ম্যাচে ৭টি উইকেট নিয়েছিলেন শাহবাজ।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বাংলার শাহবাজ আমেদের দাপটে দারুণ জয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের

পুরনো দলের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠলেন যুজবেন্দ্র চাহাল। তবু জয় এল না রাজস্থান রয়্যালসের। সঞ্জু স্যামসনের দলকে ৪ উইকেট হারাল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের জয়ের নায়ক শাহবাজ আমেদ ও দীনেশ কার্তিক। দুরন্ত ব্যাটিং করে দলকে জয় এনে দিলেন। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে রাতের দিকে শিশির খুব সমস্যা তৈরি করছে। বোলারদের বল গ্রিপ করতে দারুণ সমস্যা হচ্ছে। সেকথা মাথায় রেখে এদিন টস জিতে রাজস্থান রয়্যালসকে ব্যাট করতে পাঠান রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসি। শুরুটা ভাল হয়নি রাজস্থানের। দ্বিতীয় ওভারেই যশস্বী জয়সোয়ালকে হারায়। আগের ম্যাচে রান পাননি যশস্বী। এদিনও ব্যর্থ। মাত্র ৪ রান করে ডেভিড উইলির বলে বোল্ড হন। যশস্বী ব্যর্থ হলেও এদিন আবার রানে ফিরলেন দেবদত্ত পাড়িক্কল। জস বাটলারের সঙ্গে তিনি দলকে টেনে নিয়ে যান। প্রথম দিকে ডেভিড উইলি, মহম্মদ সিরাজ, আকাশ দীপদের দাপটে রাজস্থান রয়্যালসের রান তোলার গতি ছিল কম। পরের দিকে বাটলার ও পাড়িক্কল কিছুটা আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন। দুজনে মিলে জুটিতে তোলেন ৭০।দশম ওভারের শেষ বলে দেবদত্ত পাড়িক্কলকে তুলে নেন হর্ষাল প্যাটেল। তাঁর আউট নিয়ে অবশ্য নাটক তৈরি হয়েছিল। দেবদত্ত পাড়িক্কলের ক্যাচ ধরেছিলেন বিরাট কোহলি। পেছন দিকে ঝুঁকে ক্যাচ ধরে তিনি মাটিতে পড়ে যান। কোহলির এই দুরন্ত ক্যাচ দেখে দর্শকরা হাততালি দিয়ে অভিনন্দন জানাচ্ছিলেন। দেবদত্ত পাড়িক্কলও সাজঘরের দিকে হাঁটা দিয়েছিলেন। তখনই মাঠের বাইরে দেবদত্তকে আটকান আম্পায়ার। আসলে, আম্পায়ার প্রথমে নো বল পরীক্ষা করছিলেন। পরে ক্যাচ বৈধ কিনা পরীক্ষা করেন। ২৯ বলে ৩৭ রান করে আউট হন দেবদত্ত। অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসনও (৮ বলে ৮) এদিন রান পাননি। সঞ্জু আউট হওয়ার পর রাজস্থানকে টেনে নিয়ে যান বাটলার ও শিমরণ হেটমায়ের। আগের ম্যাচের মতো এদিনও দুরন্ত ব্যাট করেন বাটলার। প্রথম দিকে দেখেশুনে খেললেও পরের দিকে ঝড় তোলেন। দুবার জীবন পেয়ে শেষ পর্যন্ত ৪৭ বলে ৭০ রানে অপরাজিত থাকেন। ৩১ বলে ৪২ রান করে অপরাজিত থাকেন হেটমায়ের। নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬৯/৩ তোলে রাজস্থান রয়্যালস। হর্ষাল প্যাটেল ১৮ রানে ১ উইকেট নেন। ডেভিড উইলি ও হাসারাঙ্গাও নেন ১টি করে উইকেট। ব্যাট করতে নেমে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর ভাল শুরু করেছিল। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে তোলে ৪৮/০। সপ্তম ওভারে প্রথম উইকেট হারায়। ডুপ্লেসিকে তুলে নেন যুজবেন্দ্র চাহাল। ২০ বলে ২৯ রান করেন ডুপ্লেসি। আগের দুই ম্যাচে ব্যর্থ অনুজ রাওয়াত এদিন ২৫ বলে ২৬ রান করে নভদীপ সাইনির বলে আউট হন। বিরাট কোহলি (৫), ডেভিড উইলি (০) রান পাননি। ডুপ্লেসিকে চাহাল তুলে নিতেই ধস রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সে। কোহলিকে (৫) রান আউট করেন চাহাল (২/১৫)। পরের বলেই উইলিকে (০) তুলে নেন। রাদারফোর্ডকে (৫) তুলে নিয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেন রেন্ট বোল্ট। শাহবাজ আমেদ (২৬ বলে ৪৫) ও দীনেশ কার্তিকের (২৩ বলে অপরাজিত ৪৪) দুরন্ত ব্যাটিং চাপ কাটিয়ে দেয়। শাহবাজ আউট হলেও অপরাজিত থেকে দলকে জয় এনে দেন দীনেশ কার্তিক। তবে জয়ের রান আসে হর্ষাল প্যাটেলের (৪ বলে অপরাজিত ৯) ব্যাট থেকে। ৫ বল বাকি থাকতে ১৭৩/৬ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর।

এপ্রিল ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ভেঙে গেল রহস্য মেয়ের হৃদয়, ছবি ভাইরাল, কে সেই রহস্যময়ী?‌

সোমবার আইপিএলে লখনউ সুপার জায়ান্টস ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ম্যাচ চলছিল। ক্রমশ পরাজয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ডাগ আউটে বাড়ছিল হতাশা। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে দল যখন নিশ্চিত পরাজয়ের মুখে, তখন টিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ছিল এক মহিলার করুণ মুখ। এই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় দারুণ ভাইরাল হয়েছে।কে এই মহিলা? সানরাইজার্স হায়দরাবাদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কই বা কী? এই নিয়ে সকলের দারুণ কৌতুহল। এই মহিলা কিন্তু যে সে মহিলা নন। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের অন্যতম মালিক কাব্য মারান। সান গ্রুপের কর্ণধার কালানিধি মারানের মেয়ে, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দয়ানিধি মারানের ভাতিজি। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের অন্যতম মালিক। দলের সিইও। কাব্য মারান নিজে সান মিউজিকের সঙ্গে যুক্ত। ২০১৮ সালের আইপিএলে তাঁকে প্রথম ক্রিকেট মাঠে দেখা যায়। নিজের দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে চিয়ার করার সময় তাঁকে প্রথম টিভিতে দেখা যায়। চেন্নাই থেকে এমবিএ শেষ করার পর কাব্য মারান তাঁর বাবা কালানিধি মারানের ব্যবসায় যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ক্রিকেটকে দারুণ ভালোবাসেন কাব্য। এছাড়া তিনি দলের সিইওর দায়িত্বও পালন করেন।Bechari bacchi ko engineering churwa kar ipl team ke peeche phasa diya 😢. #FamilyPressure #SRHvsLSG #TATAIPL pic.twitter.com/1hWMWVCzxk Shivansh𓃵 ( KEI STAN 𓃵❤️) (@sher_singh_18) April 4, 2022গতবছর আইপিএলে একেবারেই ভাল ফল করতে পারেনি সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। এবছরও শুরুটা যথেষ্ট হতাশাজনক। দুটি ম্যাচে এখনও জয় পায়নি এই ফ্র্যাঞ্চাইজি। সোমবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ম্যাচ ছিল লখনউও সুপার জায়ান্টেস সঙ্গে। হায়দরাবাদের পরাজয়ের পর দলের সমর্থকরা দারুণ হতাশ। দলের অন্যতম মালিকের একটা ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে হতাশায় একটা মেয়ের মুখের করুণ অবস্থা।সোমবার লখনউও সুপার জায়ান্টের সঙ্গে দারুণ লড়াই করেছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। একটা সময় মনে হচ্ছিল জিতেও যেতে পারে। কিন্তু ম্যাচের শেষদিকে মোড় ঘুরে যায়। শেষ ওভারে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে লখনউও সুপার জায়ন্টসকে ১২ রানে ম্যাচ জেতান ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার জেসন হোল্ডার। এই পরাজয়ের পর কাব্য মারানের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ ভাইরাল হচ্ছে।কাব্য যখনই মাঠে থাকেন, টিভি ক্যামেরা তাঁর দিকে তাক করে। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও লখনউ সুপার জায়ান্টস ম্যাচেও তেমনই ঘটেছিল। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে দল যখন নিশ্চিত পরাজয়ের মুখে, তখন টিভি ক্যামেরায় কাব্যর করুণ মুখ ধরা পড়েছিল। কাব্যর এই করুণ মুখ দেখে তাঁর ভক্তরাও হতাশ হয়ে পড়েছিল। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ দল যতক্ষণ লড়াইয়ে ছিল, তাঁকে খুশি দেখাচ্ছিল। কিন্তু দল যতই পরাজয়ের কাছাকাছি আসে, তাঁর মুখও করুণ হতে শুরু করে। কাব্যের করুণ মুখ মোটেও পছন্দ হয়নি ভক্তদের। সোশ্যাল মিডিয়ায় কাব্যের এক ভক্ত লিখেছেন, তিনি অবশ্যই আরও ভালোর যোগ্য। কেন উইলিয়ামসন, আব্দুল সামাদ, অভিষেক শর্মা, উমরান মালিক, নিকোলাস পুরান, রাহুল ত্রিপাঠি, এইডেন মার্করাম, দয়া করে কাব্যকে খুশি করুন।

এপ্রিল ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবেশ খানের দাপটে টানা দুই ম্যাচে জয় তুলে নিল লখনউ সুপার জায়ান্টস

কাছাকাছি এসেও দ্বিতীয় ম্যাচেও জয় অধরা থেকে গেল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের। ডোবাল সেই ব্যাটারদের ব্যর্থতা। লখনউ সুপার জায়ান্টসের ১৬৯/৭ রানের জবাবে ১৫৭/৯ রানে থেমে গেল সানরাইজার্স। লোকেশ রাহুলের দল জিতল ১২ রানে। টানা দ্বিতীয় ম্যাচে জয় তুলে নিল লখনউ সুপার জায়ান্টস। জয়ের নায়ক আবেশ খান। মু্ম্বইয়ের ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে এদিন টস জিতে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে ব্যাট করতে পাঠান সানরাইজার্স হায়করাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। পাওয়ার প্লের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে শুরুতে বিপর্যয়ে পড়লেও লখনউকে বড় রানে পৌঁছে দেয় অধিনায়ক লোকেশ রাহুল ও দীপক হুডার দায়িত্বশীল ব্যাটিং। এদিন দ্বিতীয় ওভারেই কুইন্টন ডিকককে (১) হারায় লখনউ। সানরাইজার্স অধিনায়ক উইলিয়ামস ভুবনেশ্বরের সঙ্গে নতুন বল তুলে দিয়েছিলেন ওয়াশিংটন সুন্দরের হাতে। দ্বিতীয় ওভারেই তিনি তুলে নেন ডিকককে। এক ওভার পরেই ফেরান এভিন লুইসকে (১)। পঞ্চম ওভারে মণীশ পাণ্ডেকে (১১) তুলে নিয়ে লখনউকে আরও ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেন রোমারিও শেফার্ড। এরপরই দীপক হুডাকে সঙ্গে নিয়ে রুখে দাঁড়ান অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। দুজনে জুটি বেঁধে তোলেন ৮৭। ষষ্ঠদশ ওভারের প্রথম বলে দীপক হুডাকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন রোমারিও শেফার্ড। ৩৩ বলে ৫১ রান করে আউট হন হুডা। উনিশতম ওভারের প্রথম বলে লোকেশ রাহুলকে তুলে নেন টি নটরাজন। ৫০ বলে ৬৮ রান করেন লোকেশ। একই ওভারে ক্রূণাল পান্ডিয়াকে (৬) ফেরান। ইনিংসের শেষ বলে রান আউট হন আয়ুষ বাদোনি (১৯)। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৬৯ তোলে লখনউ সুপার জায়ান্টস। ওয়াশিংটন সুন্দর, রোমারিও শেফার্ড এবং টি নটরাজন ২টি করে উইকেট নেন।ব্যাট করতে নেমে চতুর্থ ওভারে প্রথম উইকেট হারায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। আউট হন অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন (১৬)। দ্বিতীয় ম্যাচেও রান পেলেন না তিনি। আর এক ওপেনার অভিষেক অভিষেক শর্মাও (১৩) ব্যর্থ। তিন নম্বরে নামা রাহুল ত্রিপাঠি ৩০ বলে ৪৪ রান করে আউট হন। রাহুল আউট হওয়ার আগেই ফেরেন এইডেন মার্করাম (১২)। দুটি উইকেটই নেন ক্রূণাল পান্ডিয়া। সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে জয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন নিকোলাস পুরান ও ওয়াশিংটন সুন্দর। পরপর দুবলে পুরানকে (২৪ বলে ৩৪) ও আব্দুল সামাদকে (০) তুলে নিয়ে হায়দরাবাদকে চাপে ফেলে দেন আবেশ খান। শেষ ওভারে জয়ের জন্য হায়দরাবাদের দরকার ছিল ১৬। ২০ তম ওভারের প্রথম বলেই ওয়াশিংটন সুন্দরকে (১৮) তুলে নেন জেসন হোল্ডার। চতুর্থ বলে ফেরান ভুবনেশ্বর কুমারকে (১)। শেষ বলে তুলে নেন শেফার্ডকে (৮)। ২৪ রানে ৪ উইকেট নেন আবেশ খান। ৩৪ রানে ৩ উইকেট হোল্ডারের।

এপ্রিল ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌আরও একটা মাইলস্টোন ধোনির, তবু দলকে জেতাতে পারছেন না কেন?‌

এবারের আইপিএলে কী হাল গতবারের চ্যাম্পিয়নদের? তিন ম্যাচ খেলা হয়ে গেল, অথচ এখনও জয়ের মুখ দেখতে পেল না চেন্নাই সুপার কিংস। দল না জিতলে কী হবে, একের পর এক মাইলস্টোন গড়েই চলেছেন চেন্নাই সুপার কিংসের প্রাক্তন অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। কদিন আগেই টি২০ ক্রিকেটে ৭ হাজার রানের মাইলস্টোন পার করেছেন। রবিরার পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নেমে ৩৫০টি টি২০ ম্যাচ খেলার কৃতিত্ব অর্জন করলেন তিনি। দ্বিতীয় ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন। ভরতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে টি২০ ফরম্যাটে সবথেকে বেশি ম্যাচ খেলেছেন রোহিত শর্মা। জাতীয় দল, আইপিএল, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ঘরোয়া টি২০ মিলিয়ে তিনি খেলেছেন ৩৭২টি ম্যাচ। আর ধোনির মোট ম্যাচের সংখ্যা ৩৫০। এর মধ্যে দেশের হয়ে খেলেছেন ৯৮টি টি২০ ম্যাচ। আর আইপিএলে খেলেছেন ২২২টি ম্যাচ। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ঘরোয়া টি২০ মিলিয়ে খেলেছেন ৩০টি ম্যাচ। আর ভারতীয়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি টি২০ ম্যাচ খেলার দিক দিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন সুরেশ রায়না। তিনি খেলেছেন ৩৩৬টি ম্যাচ। তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছেন দীনেশ কার্তিক। কার্তিক খেলেছেন ৩২৯ টি ম্যাচ। আর পঞ্চম স্থানে থাকা বিরাট কোহলি খেলেছেন ৩২৮টি ম্যাচ। চলতি আইপিএলে দুদুটি মাইলস্টোনে পৌঁছে গেলেন ধোনি। উইকেটের সামনে ও পেছনে ভাল পারফরমেন্স করলেও দলকে এখনও জয়ের মুখ দেখাতে পারেননি। প্রথম ম্যাচে অপরাজিত হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন ধোনি। দ্বিতীয় ম্যাচে ৬ বলে ১৬ রান করেছিলেন। পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ২৮ বলে করেন ২৩। আইপিএল শুরুর আগে স্বেচ্ছায় নেতৃত্ব ছেড়ে দিয়ে দায়িত্ব তুলে দিয়েছেন রবীন্দ্র জাদেজার ওপর। জাদেজা দলকে নেতৃত্ব দিলেও ধোনি দারুণ সাহায্য করছেন উত্তরসূরীকে। রবিবার পাঞ্জাব কিংসের কাছে ৫৪ রানে হেরেছে চেন্নাই সুপার কিংস। প্রথমে ব্যাট করে পাঞ্জাব তোলে ১৮০/৮। জবাবে ১৮ ওভারে ১২৬ রানে শেষ হয়ে যায় চেন্নাইয়ের ইনিংস। টানা তিন ম্যাচ হারের পর চেন্নাই অধিনায়ক রবীন্দ্র জাদেজার মুখে ঘুরে দাঁড়ানোর কথা। তিনি বলেন, পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে প্রথম বল থেকেই আমরা মোমেন্টাম পাইনি। পাওয়ার প্লের ওভারগুলিতে একাধিক উইকেট হারিয়েছিলাম। এখান থেকে আমাদের প্রত্যাবর্তনের রাস্তা খুঁজে বের করতে হবে। এখনও ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব। -----------

এপ্রিল ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলিকে টেক্কা দিতে চলেছেন সচিব জয় শাহ!‌

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের অভ্যন্তরে কি কোনঠাসা বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি? বিরাট কোহলিকে নেতৃত্ব থেকে সরানোর বিতর্ক থেকে জল্পনা শুরু হয়েছে। বিষয়টি আরও জোরালো হতে চলেছে আইপিএলের প্লে অফ ও ফাইনালের স্থান নির্বাচন নিয়ে। এই ব্যাপারেও বোর্ড প্রেসিডেন্টকে পেছনে ফেলে লড়াইয়ে অনেকটাই এগিয়ে বোর্ড সচিব জয় শাহ। বেশ কয়েকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে এবারের আইপিএলের তিনটি প্লে অফ ম্যাচ ও ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু হঠাৎ করে কলকাতাকে পেছনে ফেলে এগিয়ে গেছে লখনউ ও আমেদাবাদ। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের একটা ঘনিষ্ট সূত্র থেকে এমনই জানা গেছে। করোনার জন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ঠিক করেছিল আইপিএলের লিগ পর্বের ম্যাচগুলি মহারাষ্ট্রের চারটি স্টেডিয়ামে আয়োজন করা হবে। এই স্টেডিয়ামগুলি হল মুম্বইয়ের ব্র্যাবোর্ন, ওয়াংখেড়ে, ডিওয়াই পাতিল ও পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়াম। তখন প্লে অফ ও ফাইনালের স্থান চূড়ান্ত হয়নি। পরে বোর্ডের একটি সূত্র থেকে জানা যায়, কলকাতার ইডেন গাডেন্সে প্লে অফের ম্যাচগুলি ও ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু বোর্ডের একটি সুত্র জানিয়েছে, লখনউ ও আমেদাবাদকে প্লে অফ ম্যাচ আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এই দুটি ভেনুতে প্লে অফ আয়োজনের যুক্তি হল, যেহেতু এই দুটি শহর এবছর আইপিএলে প্রথম খেলছে, তাই এই দুটি শহরে প্লে অফ আয়োজন করা হোক। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে লখনউকে প্রথম কোয়ালিফায়ার এবং এলিমিনেটর ম্যাচ দুটি আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। অন্যদিকে, আহমেদাবাদকে দেওয়া হতে পারে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার এবং ফাইনাল আয়োজনের দায়িত্ব। আসলে বোর্ড সচিব জয় শাহ চান, তাঁর নিজের শহর আমেদাবাদে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে আইপিএলের ফাইনাল হোক। বোর্ডের ওই সূত্র সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, যেহেতু লখনউ এবং আহমেদাবাদ এই বছর প্রথম আইপিএল খেলছে, তাই প্লে অফ ম্যাচগুলি এই দুটি শহরে আয়োজিত হলে দারুণ ব্যাপার হবে। এই নিয়ে আমরা কয়েকদিন আগে আলোচনায় বসেছিলাম। বোর্ডের বেশ কয়েকজন কর্তা এই ব্যাপারে সম্মতি জানিয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি আবার আমরা বৈঠকে বসব। সেই বৈঠকেই সব কিছু চূড়ান্ত হয়ে যাবে। আশা করছি লখনউ ও আমেদাবাদেই প্লে অফ ম্যাচগুলি এবং ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। মূলত বোর্ড সচিব জয় শাহর জন্যই ফাইনাল আমেদাবাদ পেতে পারে। এক্ষেত্রে বোর্ড প্রেসিডেন্টকে পেছনে ফেলে দিতে চলেছেন তিনি।

এপ্রিল ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

হার্দিকের মস্তিষ্ক, ফার্গুসনের দাপটে দারুণ জয় গুজরাট টাইটান্সের

দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন দিল্লি ক্যাপিটালস অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। এমন সময়ই লকি ফার্গুসনকে আক্রমণে নিয়ে এসে মোক্ষম চাল গুজরাট টাইটান্স অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়ার। ঋষভকে ফার্গুসন তুলে নিতেই জয়ের আশা শেষ দিল্লির। ফার্গুসনের দুরন্ত বোলিং দ্বিতীয় জয় এনে দিল গুজরাট টাইটান্সকে। দিল্লির বিরুদ্ধে জিতল ১৪ রানে।পরপর দুম্যাচে ব্যর্থ বিজয় শঙ্কর। এর পরেও ডাগ আউটে বসে থাকতে হবে ঋদ্ধিমান সাহাকে? শনিবার গুজরাট টাইটান্স ও দিল্লি ক্যাপিটালস ম্যাচে প্রশ্নটা উঠেই গেল। চলতি আইপিএলে বাংলার আকাশদীপ, মহম্মদ সামি, শাহবাজ আমেদরা যেখানে নিজেদের মেলে ধরছেন, সেখানে নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগই পাচ্ছেন না ঋদ্ধিমান সাহা। এদিন দিল্লি ক্যাপিটালসের গুজরাট টাইটান্স বড় রান তুলল। সৌজন্যে প্রাক্তন নাইট রাইডার্স তারকা শুভমান গিল।চলতি আইপিএলে দ্বিতীয় জয়ের খোঁজে এদিন টস জিতে পুনেতে মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের স্টেডিয়ামে টস জিতে গুজরাট টাইটান্সকে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি ক্যাপিটালস অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। ম্যাচেই তৃতীয় বলেই ধাক্কা খায় গুজরাট টাইটান্স। ম্যাথু ওয়েডকে (১) তুলে নেন মুস্তাফিজুর রহমান। পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার পরের বলেই ফেরেন বিজয় শঙ্কর। ২০ বলে মাত্র ১৩ রান করে কুলদীপ যাদবের বলে বোল্ড হন। বিজয় শঙ্করকে দেখে মনে হচ্ছিল যেন টেস্ট খেলতে নেমেছেন। এরপর শুভমানের সঙ্গে জুটি বেঁধে গুজরাটকে এগিয়ে নিয়ে যান অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। চতুর্দশ ওভারের শেষ বলে হার্দিককে ফেরান খলিল আমেদ। ২৭ বলে ৩১ রান করে আউট হন হার্দিক।একের পর এক উইকেট পড়লেও অন্যপ্রান্তে শুভমানের ঝড় অব্যাহত থাকে। শেষ পর্যন্ত ৪৬ বলে ৮৪ রান করে তিনি খলিল আমেদের বলে অক্ষর প্যাটেলের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। শুভমানের ইনিংসে রয়েছে ৬টি ৪ এবং ৪টি ৬। রাহুল তেওয়াটিয়া ৮ বলে করেন ১৪। ১৫ বলে ২০ রান করে অপরাজিত থাকেন ডেভিড মিলার। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭১ তোলে গুজরাট টাইটান্স। ২৩ রানে ৩ উইকেট নেন মুস্তাফিজুর রহমান। ৩৪ রানে ২ উইকেট খলিল আমেদের।জয়ের জন্য ১৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দিল্লি ক্যাপিটালসের শুরুটাও ভাল হয়নি। দ্বিতীয় ম্যাচেও ছন্দ খুঁজে পেলেন না পৃথ্বী শ। ৭ বলে ১০ রান করে ইনিংসের পঞ্চম ওভারে লকি ফার্গুসনের বলে আউট হন পৃথ্বী। একই ওভারে মনদীপ সিংকে (১৬ বলে ১৮) তুলে নেন ফার্গুসন। ঋষভ পন্থ ও ললিত যাদব দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। অধিনায়কের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে ললিত (২২ বলে ২৫) রান আউট।পঞ্চদশ ওভারে লকি ফার্গুসনকে আবার আক্রমণে নিয়ে আসেন হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁর এই সিদ্ধান্ত একেবারে মাস্টারস্ট্রোক। ক্রমশ ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা ঋষভকে তুলে নিয়ে গুজরাটকে ম্যাচে ফেরান ফার্গুসন। ৭টি চারের সাহায্যে ২৯ বলে ৪৩ রান করে আউট হন ঋষভ। একই ওভারে অক্ষর প্যাটেলকে (৮) তুলে নিয়ে দিল্লিকে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেন লকি ফার্গুসন। বাকি কাজটা সারেন মহম্মদ সামি ও রশিদ খান। পরপর দুবলে রভম্যান পাওয়েল (১২ বলে ২০) ও খলিল আমেদকে (০) তুলে নেন সামি। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৫৭/৯ তোলে দিল্লি। ২৮ রানে ৪ উইকেট নেন লকি ফার্গুসন। ৩০ রানে ২ উইকেট সামির।

এপ্রিল ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

জাতীয় দলে ব্রাত্য উমেশ আইপিএলে গড়লেন অনন্য নজির

সীমিত ওভারের ক্রিকেটে জাতীয় দলে তিনি ব্রাত্য। লাল বলের ক্রিকেটে অবশ্য এখনও তিনি অপরিহার্য। তবে সাদা বলের ক্রিকেটে তাঁর দক্ষতায় যে মরচে ধরেনি, প্রমাণ করে চলেছেন উমেশ যাদব। শুক্রবার পাঞ্জাব কিংলের বিরুদ্ধে তিনি অনন্য নজির গড়েছেন। পেছনে ফেলে দিয়েছেন রোহিত শর্মা, ক্রিস গেইল, ইউসুফ পাঠানদের। একটা দলের বিরুদ্ধে সবথেকে বেশি ম্যাচের সেরার পুরস্কার পাওয়ার রেকর্ড এতদিন ছিল রোহিত শর্মা, ক্রিস গেইল, ইউসুফ পাঠানের। কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে ৫ বার করে ম্যাচের সেরার পুরস্কার পেয়েছেন রোহিত ও গেইল। আর অধুনা ডেকান চার্জার্সের বিরুদ্ধে ৫ বার ম্যাচের সেরা হয়েছিলেন ইউসুফ পাঠান। তাঁদের রেকর্ড ভেঙে পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ৬ বার ম্যাচের সেরার পুরস্কার ছিনিয়ে নিয়েছেন উমেশ। শুক্রবার তিনি এই রেকর্ড ভেঙেছেন। আরও একটা নজির রয়েছে উমেশ যাদবের ঝুলিতে। আইপিএলে এখনও পর্যন্ত জোরে বোলারদের মধ্যে তিনিই সব থেকে বেশি ম্যাচের সেরার পুরস্কার পেয়েছেন। শুক্রবার কলকাতা নাইট রাইডার্স ও পাঞ্জাব কিংসের মধ্যে ম্যাচেও উমেশ যাদব ম্যাচের সেরার পুরস্কার পেয়েছেন। এই নিয়ে তিনি মোট ১০ বার ম্যাচের সেরার পুরস্কার পেলেন। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন লসিথ মালিঙ্গা, যশপ্রীত বুমরা, আশিস নেহরা, জয়দেব উনাদকাত। প্রত্যেকেই ৬ বার করে ম্যাচের সেরা হয়েছেন। এছাড়া ৫ বার করে ম্যাচের সেরার পুরস্কার পেয়েছেন ডেল স্টেন, সন্দীপ শর্মা ও ভুবনেশ্বর কুমার। এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে যখন কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট দলে নিয়েছিল, অনেকেই ভেবেছিলেন হয়তো খুব বেশি সুযোগ উমেশ যাদব পাবেন না। কিন্তু সুযোগ পেয়ে প্রতিটা ম্যাচেই পাওয়ার প্লের ওভারগুলিতে আগুন ঝড়িয়েছেন। প্যাট কামিন্স এখনও কলকাতা নাইট রাইডার্স দলের সঙ্গে যোগ দেননি। ইতিমধ্যে তিনটি ম্যাচ খেলে ফেলেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। তিনটি ম্যাচেই দলের বোলিংকে নেতৃত্ব দিয়েছেন উমেশ যাদব। দুরন্ত ছন্দে রয়েছেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের এই জোরে বোলার। ইতিমধ্যেই ৩ ম্যাচে তুলে নিয়েছেন ৮ উইকেট। এই মুহূর্তে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির তালিকায় তিনি রয়েছেন শীর্ষে। বর্তমানে তিনিই আইপিএলে পার্পল ক্যাপএর মালিক।

এপ্রিল ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌বাটলারের তান্ডবে উড়ে গেল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স

এবছর আইপিএলে শুরুটা ভাল হল না মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের। প্রথম ম্যাচের পর দ্বিতীয় ম্যাচেও হার রোহিত শর্মার দলের। শনিবার রাজস্থান রয়্যালসের কাছে হার ২৩ রানে। বাটলার ঝড়ে উড়ে গেল মুম্বই। এদিন রোহিতদের বিরুদ্ধে দুরন্ত সেঞ্চুরি করেন রাজস্থান রয়্যালসের এই উইকেটকিপার ব্যাটার। টস জিতে রাজস্থান রয়্যালসকে ব্যাট করতে পাঠান রোহিত শর্মা। শুরুটা ভাল হয়নি রাজস্থান রয়্যালসের। তৃতীয় ওভারে আউট হন জশ্বস্বী জয়সোয়াল। তাঁকে ফেরান যশপ্রীত বুমরা। মাত্র ১ রান করে আউট হন জয়সোয়াল। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারের ষষ্ঠ বলে দেবদত্ত পাড়িক্কলকে (৭) তুলে নেন টাইমল মিলস। এরপর বাটলারের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। জুটি ওঠে ৮২। ২১ বলে ৩০ রান করে কায়রণ পোলার্ডের বলে আউট হন সঞ্জু। সঞ্জু আউট হওয়ার পর ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন শিমরণ হেটমায়ের। ৩টি ৪ ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে ১৪ বলে ৩৫ রান করে তিনি যশপ্রীত বুমরার বলে আউট হন। হেটমায়ের আউট হওয়ার ২ বল পরেই আউট হন বাটলার। তার আগে অবশ্য তিনি সেঞ্চুরি পূর্ণ করে ফেলেছিলেন। বাটলারে সেঞ্চুরি আসে ৬৬ বলে। মারেন ১১টি ৪ ও ৫টি ৬। ওভারের শেষ বলে রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে ফেরান বুমরা। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৯৩ রান করে রাজস্থান রয়্যালস। ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে ১৭ রানে ৩ উইকেট নেন বুমরা। ৩৫ রানে ৩ উইকেট নেন টাইমল মিলস। চলতি আইপিএলে এখনও সেভাবে জ্বলে উঠতে পারলেন না মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে মাত্র ১০ রান করে দ্বিতীয় ওভারেই আউট হন। তাঁকে ফেরান প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। আনমোলপ্রীত সিংও (৫) রান পাননি। ৪ ওভারে ৪০ রান তোলার ফাঁকে ২ উইকেট হারায় মুম্বই। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান ঈশান কিশান ও তরুণ তিলক ভার্মা। তাঁর ব্যাটিং দেখে একবারের জন্যও মনে হয়নি জীবনের দ্বিতীয় আইপিএল ম্যাচ খেলছেন। ঈশানের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ১২.৫ ওভারে ১২১ রানও তুলে ফেলেছিল মুম্বই। ট্রেন্ট বোল্ট ঈশান কিশানকে (৪৩ বলে ৫৪) তুলে নিতেই ধস মুম্বই ইনিংসে। পরপর ফিরে যান তিলক ভার্মা (৩৩ বলে ৬১), টিম ডেভিড (১(১), ড্যানিয়েল সামস (০)। ইনিংসের শেষ বলে আউট হন পোলার্ড (২৪ বলে ২২)। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৭০ তোলে মুম্বই। রাজস্ঝানের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন নভদীপ সাইনি ও যুজবেন্দ্র চাহাল।

এপ্রিল ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রাসেলসের ‘‌মাসলসে’‌ উড়ে গেল পাঞ্জাব কিংস, জয়ে ফিরল নাইট রাইডার্স

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে আগের ম্যাচে আন্দ্রে রাসেলের চোট চিন্তা বাড়িয়েছিল কলকাতা টিম ম্যানেজমেন্টের। ফিল্ডিং করার সময় কাঁধে চোট পেয়েছিলেন। আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, শুক্রবার পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামতে পারবেন তো? সব জল্পনা উড়িয়ে মাঠে নেমেছিলেন আন্দ্রে রাসেল। তাঁর পেশীর তান্ডবে উড়ে গেল পাঞ্জাব কিংস। দুরন্ত ইনিংস খেলে জয়ে ফেরালেন কলকাতা নাইট রাউডার্সকে। নাইটরা জিতল ৬ উইকেটে। এদিন মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টস জিতে পাঞ্জাব কিংসকে ব্যাটিং করতে পাঠান নাইট অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় পাঞ্জাব। ১ রান উমেশ যাদবের বলে এলবিডব্লু হয়ে ডাগ আউটে ফেরেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ৩ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ঝড় তোলেন ভানুকা রাজাপক্ষে। ৯ বলে ৩১ রান করে তিনি শিবম মাভির বলে সাউদির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। শিখর ধাওয়ান (১৫ বলে ১৬) আউট হতেই হঠাৎ ধস নামে পাঞ্জাব ইনিংসে। পরপর ফিরে যান লিয়াম লিভিংস্টোন (১৯), শাহরুখ খান (০), রাজ বাওয়া (১১), হরপ্রীত ব্রার (১৪) ও রাহুল চাহার (০)। ওডেন স্মিথ (৯) ও কাগিসো রাবাদার (২৫) সৌজন্যে ১৮.২ ওভারে ১৩৭ রানে পৌঁছয় পাঞ্জাব কিংস। আগের দুটি ম্যাচের মতো ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এদিনও কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে দুরন্ত বোলিং করেন উমেশ যাদব। ৪ ওভারে ১ মেডেন সহ ২৩ রানে ৪ উইকেট তুলে নেন। ৩৬ রানে ২ উইকেট নেন টিম সাউদি। সুনীল নারাইন, শিবম মাভি ও আন্দ্রে রাসেল ১টি করে উইকেট পান। জয়ের জন্য ১৩৮ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না কলকাতা নাইট রাইডার্সের কাছে। দ্বিতীয় ওভারে আউট হন অজিঙ্কা রাহানে (১২)। ভেঙ্কটেশ আয়ারও (৩) এদিন রান পাননি। অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার ১৫ বলে ২৬ রান করে আউট হন। শ্রেয়স আউট হওয়ার পরের বলেই ফেরেন নীতিশ রানা (০)। ৭ ওভারের মধ্যে ৫১ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় কলকাতা নাইট রাইডার্স। এরপর জ্বলে ওঠেন আন্দ্রে রাসেল। আগের ম্যাচের ব্যর্থতা পুশিয়ে দেন। ক্রিটে নেমে ঝড় তুলে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন। ১৪.৩ ওভারে ১৪১/৪ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় নাইট রাইডার্স। ৩১ বলে ৭০ রান করে অপরাজিত থাকেন রাসেল। মারেন ৮টি ৬ ও ২টি ৪। সাম বিলিংস ২৩ বলে ২৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। রাহুল চাহার ১৩ রানে ২ উইকেট পান।

এপ্রিল ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এভিন লুইসের ঝড়ে প্রথম জয় পেল লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস

১২ বলে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের জয়ের জন্য দরকার ছিল ৩৪ রান। অনভিজ্ঞ শিবম দুবের হাতে বল তুলে দিয়েছিলেন রবীন্দ্র জাদেজা। তাঁর ওভারে ২৫ রান তুলে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন এভিন লুইস। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসকে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্রথম জয় তুলে নিল লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস। এদিন টস জিতে চেন্নাই সুপার কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। শুরুতেই ধাক্কা খায় চেন্নাই। তৃতীয় ওভারে ব্যক্তিগত ১ রান করে আউট হন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। এরপরই রবিন উথাপ্পা ও মঈন আলি ঝড় তোলেন। ৪.৪ ওভারেই ৫০ রান পূর্ণ করে। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ওঠে ৭৩। এরপর ব্যক্তিগত ৫০ রানেই আউট হন রবিন উথাপ্পা। চেন্নাইয়ের রান তখন ৭.৩ ওভারে ৮৪। ১০.১ ওভারে মঈন আলি আবেশ খানের বলে বোল্ড হন। ২২ বলে তিনি করেন ৩৫। এরপর অম্বাতি রায়ুডু ও শিবম দুবে ৩৭ বলে যোগ করেন ৬০ রান। ২০ বলে ২৭ রান করে আউট হন রায়ুডু। ১৮.২ ওভারে শিবম দুবে আউট হন আবেশ খানের বলে। ৩০ বলে ৪৯ রান করেন দুবে। চেন্নাইকে ২১০/৭ রানে পৌঁছে দেন ধোনি (৬ বলে ১৬)। এদিন তিনি টি২০ ক্রিকেটে ৭ হাজার রানের মাইলস্টোনে পৌঁছন।জয়ের জন্য ২১১ রান তাড়া করতে নেমে ভাল শুরু করেন কুইন্টন ডিকক ও অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। ১০.২ ওভারে ৯৯ রানে প্রথম উইকেট হারায় লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস। লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের ওপেনিং জুটি ভাঙেন ডোয়েইন প্রিটোরিয়াস। লোকেশ ১১.২ ওভারে পড়ে দ্বিতীয় উইকেট। ৬ বলে ৫ রান করে তুষার দেশপাণ্ডের শিকার হন মণীশ পাণ্ডে। ডিকককে (৪৫ বলে ৬১) প্রিটোরিয়াস আউট করেন। তা সত্ত্বেও জয়ের দিকে এগিয়ে যায় লক্ষ্ণৌ। দীপক হুডা ৮ বলে ১৩ রান করে আউট হন। শেষ ২ ওভারে লক্ষ্ণৌর জয়ের জন্য দরকার ছিল ৩৪ রান। ১৯ তম ওভারে শিবম দুবের বলে ২৫ রান তোলেন এভিন লুইস (২৩ বলে অপরাজিত ৫৫)। চলতি আইপিএলে দ্রুততম অর্ধশতরান (২৩ বলে) করেন লুইস। আয়ূষ বাদোনি ৯ বলে অপরাজিত ১৯ রান করে দলকে জয় এনে দেন। ১৯.৩ ওভারে ২১১/৪ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় লক্ষ্ণৌ।

এপ্রিল ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নাইট রাইডার্সের চিন্তা বাড়ালেন আন্দ্রে রাসেল

পঞ্চদশ আইপিএলের প্রথম ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে দুরন্ত জয়ের পর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের কাছে হার। অল্পরানের পুঁজি নিয়েও দুর্দান্ত লড়াই করেছিলেন নাইট যোদ্ধারা। তবে শেষরক্ষা করতে পারেনি। হারের থেকেও নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্টের কাছে বড় ধাক্কা আন্দ্রে রাসেলের চোট। নাইট রাইডার্সের অন্যতম বড় ভরসা পরের ম্যাচে খেলতে পারবেন কিনা তা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে ম্যাচে ফিল্ডিং করার সময় ঘাড়ে চোট পান রাসেল। চোট পেলেও মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যাননি দলের এই নির্ভরযোগ্য অলরাউন্ডার। শেষ ওভারে বোলিংও করেন। ম্যাচের শেষ ওভারে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের জয়ের জন্য দরকার ছিল ৭ রান। রাসেলের হাতে বল তুলে দিয়েছিলেন অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। যদিও দলকে জেতাতে পারেননি রাসেল। প্রথম দুটি বলে ছয় ও চার মেরে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে জয় এনে দেন দীনেশ কার্তিক। ম্যাচ শেষ হওয়ার সময় রাসেলের চোট নিয়ে কিছু বোঝা যায়নি। ম্যাচের পর নাইট রাইডার্সের কোচ ব্রেন্ডন ম্যাকালাম আন্দ্রে রাসেলের চোটের কথা জানান। তিনি বলেন, বাউন্ডারি বাঁচাতে গিয়ে রাসেল ডাইভ দিয়েছিল। তখন ওর ঘাড়ে চোট লেগেছে। তার পরেও ও বোলিং করতে চেয়েছিল। কাঁধে সমস্যা নিয়েও শেষ ওভারে বোলিং করেছিল। পরের ম্যাচে রাসেলকে পাওয়া যাবে কিনা, সে ব্যাপারে নিশ্চিত করে কিছু বলেননি নাইট রাইডার্স কোচ। আন্দ্রে রাসেলের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনও অবকাশ নেই। কিন্তু প্রচন্ড চোটপ্রবন। ২০১৪ থেকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলছেন এই ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার। ব্যাট ও বল হাতে দলকে বহু ম্যাচ জিতিয়েছেন। তবে অনেক ক্ষেত্রে তাঁর চোট চিন্তা বাড়িয়েছে টিম ম্যানেজনেন্টের। ২০১৭ সালে তো গোটা মরশুমই মাঠের বাইরে কাটাতে হয়েছিল আন্দ্রে রাসেলকে। এবছর নিলামের আগে যখন নাইট রাইডার্স তাঁকে রেখে দিয়েছিল, অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন। গোটা মরশুমে আদৌও তিনি ফিট থাকবেন কিনা। দ্বিতীয় ম্যাচের পর সেই জল্পনা জোরালো হয়ে উঠল।

মার্চ ৩১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দ্বিতীয় ম্যাচেই ব্যাটিং বিপর্যয়, হারল নাইটরা

দ্বিতীয় ম্যাচেই মুখ থুবড়ে পড়ল কলকাতা নাইট রাইডার্স। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর জিতল ৩ উইকেটে। আইপিএলের দ্বিতীয় ম্যাচেই ব্যাটিং বিপর্যয় কলকাতা নাইট রাইডার্সের। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে ২০ ওভারও ক্রিজে টিকতে পারল না শ্রেয়স আয়ারের দল! ১৮.৫ ওভারে গুটিয়ে গেল মাত্র ১২৮ রানে। সর্বোচ্চ রান আন্দ্রে রাসেলের ২৫। দুর্দান্ত বোলিং করে নাইট রাইডার্সকে বিধ্বস্ত করলেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ২০ রানে তুলে নিলেন ৪ উইকেট। বাংলার আকাশদীপ নিয়েছেন ৩ উইকেট।টস জিতে এদিন নাইট রাইডার্সকে ব্যাট করতে পাঠান রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসি। শুরু থেকেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে কলকাতা নাইট রাইডার্স। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারের মধ্যেই ৩ উইকেট হারায় শ্রেয়স আয়ারের দল। ৩.১ ওভারে দলের ১৪ রানের মাথায় ভেঙ্কটেশ আয়ার আকাশ দীপের বলে তাঁরই হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। তিনি ১৪ বলে করেন ১০। পঞ্চম ওভারের শেষ বলে ৩২ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় কেকেআর। ১০ বলে ৯ রান করে মহম্মদ সিরাজের বলে শাহবাজ আহমেদের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন অজিঙ্ক রাহানে। ষষ্ঠ ওভারের পঞ্চম বলে নীতীশ রানা আকাশ দীপের দ্বিতীয় শিকার। দুরন্ত ক্যাচ ধরেন ডেভিড উইলি। রানা করেন ৫ বলে ১০। ৪৪ রানে তৃতীয় উইকেটটি পড়ে কেকেআরের।এরপরই নাইটদের ইনিংসে ধস নামান ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ৪ ওভারে ২০ রানে ৪ উইকেট নেন তিনি। শ্রেয়স আয়ার (১০ বলে ১৩), সুনীল নারিন (৮ বলে ১২), শেল্ডন জ্যাকসন (১ বলে ০) ও টিম সাউদি (৫ বলে ১) হাসারাঙ্গার শিকার। নবম ওভারে সুনীল নারায়ন ও শেলডন জ্যাকসনকে পরপর দুই বলে ফেরান তিনি। স্যাম বিলিংস (১৫ বলে ১৪) ও আন্দ্রে রাসেল (১৮ বলে ২৫) হর্ষল প্যাটেলের শিকার। নাইট রাইডার্সকে লজ্জা থেকে বাঁচান উমেশ যাদব ও বরুণ চক্রবর্তী। জুটিতে ওঠে ২৭ রান। উমেশ যাদব ১২ বলে ১৮ রান করেন। বরুণ চক্রবর্তী ১৬ বলে ১০ রানে অপরাজিত থাকেন। আকাশ দীপ ৪৫ রানা ৩ উইকেট নেন। হর্ষল প্যাটেলের ৪ ওভারে ২টি মেডেন, ১১ রানের বিনিময়ে তিনি নেন ২ উইকেট। মহম্মদ সিরাজ ৪ ওভারে ২৫ রান দিয়ে ১টি উইকেট দখল করেন। ব্যাট করতে নেমে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সও শুরুতে বিপর্যয়ে পরে। ১৭ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারায়। আউট হন ফাফ ডুপ্লেসি (৫), অনুজ রাওয়াত (০) ও বিরাট কোহলি (১২)। প্রথম ওভারেই অনুজকে তুলে নেন উমেশ যাদব। পরের ওভারেই ডুপ্লেসিকে ফেরান টিম সাউদি। তৃতীয় ওভারের প্রথম বলে কোহলিকে তুলে নিয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে বড় ধাক্কা দেন উমেশ। কিন্তু প্রাথমিক বিপর্যয় সামলে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান ডেভিড উইলি ও শেরফানে রাদারফোর্ড। একাদশতম ওভারের শেষ বলে ডেভিড উইলিকে (২৮ বলে ১৮) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন সুনীল নারাইন। এরপর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে টেনে নিয়ে যান শেরফানে রাদারফোর্ড ও শাহবাজ আমেদ। ২০ বলে ২৭ রান করে বরুণ চক্রবর্তীর বলে স্টাম্পড হন শাহবাজ। রাদারফোর্ড (২৮) ও হাসারাঙ্গা (৪) আউট হলেও দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন দীনেশ কার্তিক (অপরাজিত ১৪) ও হর্ষল প্যাটেল ( অপরাজিত ১০)। ৪ বল বাকি থাকতে ১৩২/৭ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স।

মার্চ ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কেন জরিমানার কবলে উইলিয়ামসন?‌ তাঁর আউট নিয়ে তীব্র বিতর্ক

গত বছর আইপিএলে একেবারেই ভাল করতে পারেনি সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। এবছর ভাল দল গড়ে সাফল্য পাওয়াই মূল লক্ষ্য ছিল। কিন্তু প্রথম ম্যাচেই হারতে হয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। সঞ্জু স্যামসনের রাজস্থান রয়্যালস সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে উড়িয়ে দিয়েছে ৬১ রানে। হারের পাশাপাশি আরও একটা বড় ধাক্কা খেয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। দলের মন্থর বোলিংয়ের জন্য ১২ লক্ষ টাকা জরিমানা হয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনের।এবারের আইপিএলে অবশ্য কেন উইলিয়ামসনকে প্রথম জরিমানার কবলে পড়তে হয়নি। এর আগে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মারও মন্থর বোলিংয়ের জন্য জরিমানা হয়েছে। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ওভার শেষ করতে পারেনি মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। তাই দলের অধিনায়ককে জরিমানার কবলে পড়তে হয়েছিল। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক উইলিয়ামসনও একই অপরাধে অভিযুক্ত।আইপিএলের পক্ষ থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২৯ মার্চ পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের স্টেডিয়ামে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে আইপিএল ২০২২এর ম্যাচে স্লো ওভার রেটের কারণে জরিমানা করা হয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। ন্যূনতম ওভার রেটের ব্যাপারে যেহেতু এটা দলের প্রথম ভুল তাই সানরাইজার্স হায়দরাবাদের অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনকে ১২ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। দ্বিতীয়বার আবার একই অপরাধ হলে, আরও বড় শাস্তি পেতে হবে উইলিয়ামসনকে।এদিকে, রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে উইলিয়ামসনের আউট নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তাঁর ক্যাচ নিয়ে সন্দেহ থাকা সত্ত্বেও উইলিয়ামসনকে যেভাবে আউট দিয়েছেন আম্পায়ার, বেশ অসন্তুষ্ট হায়দরাবাদ শিবির। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণের বলে উইলিয়ামসনের ক্যাচ ধরার জন্য ঝাঁপিয়েছিলেন রাজস্থান রয়্যালস অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। বল তাঁর গ্লাভস থেকে বেরিয়ে যায়। সেই বল ধরেন দেবদত্ত পাড়িক্কল। টিভি রিপ্লেতে দেখা যায়, দেবদত্তর হাতে জমা পড়ার আগে বল মাটি স্পর্শ করেছে।উইলিয়ামসনের বিতর্কিত ক্যাচের ব্যাপারে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ হেড কোচ টম মুডি বলেন, উইলিয়ামসনকে আউট দেওয়ায় আমরা অবাক হয়ে যাই। টিভিতে রিপ্লে দেখার পর সন্দেহ আরও ওটা আউট নয়। যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সেটা সবাই দেখেছে।

মার্চ ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌গত বছরের মতোই প্রথম ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতা, বদলায়নি সানরাইজার্স হায়দরাবাদ

গত বছর আইপিএলে ব্যাটিং ব্যর্থতার জন্য ডুবতে হয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। সময় গড়িয়েছে। সানরাইজার্স হায়দরাবাদে কিন্তু কোনও পরিবর্তন হয়নি। এবারও আইপিএলের প্রথম ম্যাচেই ডুবতে হল সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। রাজস্থান রয়্যালসের কাছে প্রথম ম্যাচে হারতে হল ৬১ রানে। বোলারদের পাশাপাশি জ্বলে উঠতে ব্যর্থ ব্যাটাররাও। টস জিতে রাজস্থান রয়্যালসকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ২১০ রান তোলে রাজস্থান। অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন হাফসেঞ্চুরি করলেও বাকি ব্যাটাররাও দলের বড় ইনিংসে অবদান রাখেন। দারুণ শুরু করে ছিলেন দুই ওপেনার জস বাটলার ও জস্বশ্বী জয়সোয়াল। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে জুটিতে ওঠে ৫৮। এরপরই আউট হন জয়োসোয়াল (১৬ বলে ২০)। তাঁকে তুলে নেন রোমারিও শেফার্ড। জস বাটলার ২৮ বলে করেন ৩৫। ২৯ বলে ৪১ রান করে আউট হন দেবদত্ত পাড়িক্কল।আগের বছরের ফর্ম ধরে রেখেছেন অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। তিনি ২৭ বলে ৫৫ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন। শেষ দিকে ঝড় তোলেন শিমরণ হেটমায়ের। ১৩ বলে ৩২ রান করে তিনি টি নটরাজনের বলে বোল্ড হন। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে টি নটরাজন ও উমরান মালিক ২টি করে উইকেট নেন। ভুবনেশ্বর কুমার ও রোমারিও শেফার্ড ১টি করে উইকেট পান। এবছর সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ব্যাটিং শক্তি খুব একটা খারাপ নয়। অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন, রাহুল ত্রিপাঠী, নিকোলাস পুরান, এইডেন মার্করামের মতো ব্যাটাররা রয়েছেন। তা সত্ত্বেও প্রথম ম্যাচে ব্যর্থতা। আসলে সামনে বড় রানের টার্গেট চাপে ফেলে দিয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। তার ওপর ট্রেন্ট বোল্ট, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণদের দুরন্ত বোলিং। শুরু থেকেই নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে। পরপর ফিরে যান উইলিয়ামসন (২), রাহুল ত্রিপাঠী (০), নিকোলাস পুরান (০), অভিষেক শর্মা (৯), আব্দুল সামাদ (৪), রোমারিও শেফার্ডরা (২৪)। একসময় ৭৮ রানে ৬ উইকেট হারায় সানরাইজার্স। এরপর রুখে দাঁড়ান মার্করাম ও ওয়াশিংটন সুন্দর। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৪৯ রান তোলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ওয়াশিংটন সুন্দর ১৪ বলে করেন ৪০। মার্করান ৪১ বলে ৫৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। যুজবেন্দ্র চাহাল ২২ রানে ৩টি, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ ১৬ রানে ২টি ও ট্রেন্ট বোল্ট ২৩ রানে ২টি উইকেট নেন।

মার্চ ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌নাইটদের কাছে হারের শাস্তি!‌ ধোনিদের দিয়ে রাজমিস্ত্রির কাজ করালেন ফ্লেমিং

কলকাতা নাইট রাইডার্সের কাছে প্রথম ম্যাচে হেরে দলের ক্রিকেটারদের এ কী কঠোর শাস্তি দিলেন চেন্নাই সুপার কিংসের হেড কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং! ক্রিকেটারদের দিয়ে রাজমিস্ত্রির কাজ করালেন! রবীন্দ্র জাদেজা, মহেন্দ্র সিং ধোনি, ডোয়েন ব্র্যাভোদের বালিসিমেন্ট দিয়ে ইঁট গাঁথতে বাধ্য করলেন! হ্যাঁ, এমন কান্ডটাই ঘটিয়েছেন স্টিফেন ফ্লেমিং। শুধু তাই নয়, ধোনিরা কেউ ফাঁকি দিচ্ছেন কিনা, সেদিকেও ছিল তাঁর সজাগ দৃষ্টি। ফ্লেমিংয়ের এই শাস্তি রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে। অনেকে আবার তুলনা করছেন ২০০২ বিশ্বকাপে উত্তর কোরিয়ার ফুটবল দলের সঙ্গে। বিশ্বকাপে ব্যর্থতার জন্য উত্তর কোরিয়ার ফুটবলারদের নাকি কয়লা খনিতে কাজ করতে পাঠানো হয়েছিল।আসলে ব্যাপারটা তা নয়। নাইট রাইডার্সের কাছে হারের পর রবীন্দ্র জাদেজাদের কোনও শাস্তির মুখেও পড়তে হয়নি। দলের মধ্যে একাত্মবোধ বাড়ানোর জন্য এই ধরনের পরিকল্পনা করেছিলেন চেন্নাই সুপার কিংসের হেড কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং। ধোনি, জাদেজাদের হাতে বালি, সিমেন্ট, ইট তুলে দিয়েছিলেন দেওয়াল গাঁথার জন্য। ফ্লেমিংয়ের উদ্দেশ্য ছিল, দলের একাত্মবোধ যাতে দেওয়ালের গাঁথনির মতোই শক্ত হয়, সেটা সকলকে বোঝানো। যাতে গোটা দল একটা পরিবারের মতো হয়ে উঠতে পারে। ফ্লেমিং মনে করছেন, দলের মধ্যে একাত্ববোধ ভালভাবে গড়ে উঠলে মাঠের মধ্যে সেরা পারফরমেন্স বেরিয়ে আসবে। ইটবালিসিমেন্ট দিয়ে দলের মধ্যে এই রকম একাত্মবোধ গড়ে তোলার প্রয়াস সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দিয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস কর্তৃপক্ষ। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডিও ছড়িয়ে দিয়ে ইন্ডিয়া সিমেন্টের বিজ্ঞাপনও সেরে নিতে চাইছে। আবার ধোনিদের একাত্মবোধের দিকটিও তুলে ধরা হচ্ছে। এখন দেখার, টিম ম্যানেজমেন্টের এই প্রয়াস কতটা কাজে লাগে গতবারের চ্যাম্পিয়নদের। হেড কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং বলেছেন, দলের মধ্যে একাত্মবোধ গড়ে তোলা ভীষণ জরুরি। আমরা সেটাই করছি। ভিডিওতে দেখা গেছে, ডোয়েন ব্র্যাভো একটা ইট দেখিয়ে বলছেন, এটা ১ নম্বর।

মার্চ ২৯, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ...
  • 14
  • 15
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

যুদ্ধের বাজারেও ভারতের বিরাট সাফল্য! বৃদ্ধির পূর্বাভাস এক ধাক্কায় বাড়াল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার

বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের পরিস্থিতি। বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই ভারতের অর্থনীতি নিয়ে বড় সুখবর দিল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। চলতি অর্থবর্ষে দেশের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করল এই আন্তর্জাতিক সংস্থা। আগে এই হার ৬.৪ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল। অর্থাৎ, বিশ্ব অর্থনীতির একাধিক ক্ষেত্রে চাপ থাকলেও ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার।সংস্থার সাম্প্রতিক বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সংক্রান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ভারতের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ হতে পারে। এর আগে গত জুলাইয়ে ৬.৪ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। নতুন অনুমান অনুযায়ী, বৃদ্ধির সম্ভাবনা ০.৬ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে।শুধু চলতি অর্থবর্ষ নয়, আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবর্ষেও ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ থাকতে পারে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। আগে ওই অর্থবর্ষে ৬.৭ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ, আগামী দুবছরেও দেশের অর্থনীতির গতি বজায় থাকার আশা করছে সংস্থাটি।এর আগে ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কও চলতি অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.১ শতাংশ করেছিল। এ বার আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের রিপোর্টেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলল।ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানোর পিছনে কয়েকটি কারণের কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। সংস্থার মতে, দেশের বাজারে পণ্য ও পরিষেবার চাহিদা যথেষ্ট শক্তিশালী। সাধারণ মানুষের কেনাকাটা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের ভাল ফল অর্থনীতির বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে। পাশাপাশি, ভারতের বড় অভ্যন্তরীণ বাজার, বিপুল জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্কারও বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। বিশেষ করে পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।তবে বিশ্ব অর্থনীতির সামনে ঝুঁকিও রয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি আমেরিকা ও ইরানের সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। এর মধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি ভারতের মতো তেল আমদানিনির্ভর দেশের জন্য বড় চিন্তার কারণ। তেলের দাম বাড়লে দেশের আমদানি খরচ বাড়তে পারে। তার প্রভাব পড়তে পারে মূল্যবৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে।আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের অনুমান, ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৫.৭৪ ডলারে পৌঁছতে পারে। ২০২৫ সালের তুলনায় তা প্রায় ৪১ শতাংশ বেশি। তবে ২০২৭ সালে তেলের দাম প্রায় ৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৭.৩৯ ডলারে নেমে আসতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছে। তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা থাকলেও দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি বজায় থাকতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।অন্য দিকে, চিন, রাশিয়া, ব্রাজিল এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের অর্থনীতি নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এই দেশগুলির সম্মিলিত আর্থিক বৃদ্ধির হার ৩.৭ শতাংশ হতে পারে। আগে এই হার ৩.৮ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল।তবে ইউরোপের কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানো হয়েছে। জার্মানির অর্থনৈতিক বৃদ্ধির অনুমান ০.৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে। ব্রিটেনের ক্ষেত্রেও বৃদ্ধির পূর্বাভাস ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে, যুদ্ধ এবং তেলের দাম বৃদ্ধির মতো ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান আগামী দিনেও আর্থিক বৃদ্ধিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

সূর্যকান্তকে নিয়ে বিস্ফোরক পোস্ট, বিজেপির আক্রমণের মুখে পিছু হটল কেরল কংগ্রেস?

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের পদত্যাগ দাবি করে কেরল কংগ্রেসের একটি পোস্ট ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে বিতর্কের পর এ বার প্রধান বিচারপতিকে নিশানা করে পোস্ট করার অভিযোগ উঠেছে কেরল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বিষয়টি সামনে আসতেই কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত পোস্টটি মুছে দিয়েছে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস। সূত্রের খবর, ওই পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকেও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে বিক্ষোভ এবং রাজধানীতে জারি করা বিধিনিষেধ নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা। একটি অনুষ্ঠানের ফাঁকে তাঁদের প্রশ্নের উত্তরে প্রধান বিচারপতি জানান, বিষয়টি আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই তা তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না।প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্যের পরেই কেরল কংগ্রেসের সরকারি সমাজমাধ্যমের পাতায় একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে তাঁকে উদ্দেশ করে লেখা হয়েছিল, আইনশৃঙ্খলা যদি তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে না পড়ে, তা হলে যেন তিনি পদত্যাগ করেন। পাশাপাশি, তাঁর পরিবর্তে এই বিষয় সামলাতে পারবেন, এমন কাউকে খুঁজে নেওয়ার কথাও লেখা হয় ওই পোস্টে। বার্তাটি সামনে আসতেই কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হয় বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায় ওই পোস্টের ছবি ভাগ করে নেন। তাঁর অভিযোগ, তিনি আগেই বলেছিলেন, কংগ্রেসের পরবর্তী নিশানা হবে বিচারব্যবস্থা। কংগ্রেস দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করতে চায় বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর আরও বক্তব্য, দেশবিরোধী শক্তিগুলি একজোট হচ্ছে। এর মোকাবিলায় দেশপ্রেমিক ভারতীয়দেরও একজোট হওয়ার আহ্বান জানান রিজিজু।বিতর্ক বাড়তে থাকায় নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি সানি জোসেফ জানান, প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রদেশ কংগ্রেসের নেতৃত্বের অজান্তে এবং তাঁদের অনুমতি বা পরামর্শ ছাড়াই ওই পোস্ট করা হয়েছিল।কী পরিস্থিতিতে ওই পোস্ট করা হয়েছিল, তা দল খতিয়ে দেখবে বলেও জানিয়েছেন সানি। তাঁর বক্তব্য, বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে কংগ্রেসের কোনও আপত্তি নেই। সমাজমাধ্যমে এমন কোনও পোস্ট করা হলে, যা দলের এই অবস্থানের সঙ্গে মেলে না, তা কেরল প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের মতামত বলে গণ্য করা যাবে না।প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিতর্কে এক দিকে বিজেপির আক্রমণ, অন্য দিকে কেরল কংগ্রেসের ব্যাখ্যাসব মিলিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতর বেড়েছে। বিতর্কিত পোস্ট প্রত্যাহার এবং দায়ী ব্যক্তিকে সরানোর সিদ্ধান্তের পরেও এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দুর্গাপুজোর আগেই বড় ধাক্কা সুজিত বসুর, জামিনের আর্জি খারিজ হাই কোর্টে

এক সময় দুর্গাপুজোর আগে থেকেই কলকাতার শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবে ভিড় জমত দর্শনার্থীদের। রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর এই পুজো ছিল শহরের অন্যতম আকর্ষণ। কিন্তু এ বার ছবিটা অন্য রকম। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার সুজিত বসুর জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। ফলে দুর্গাপুজোর সময় তাঁকে জেলেই থাকতে হতে পারে।জামিনের আবেদনটি প্রথমে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে উঠেছিল। শুনানির শেষে বিচারপতি অভিযোগ করেন, সুজিতের আইনজীবীরা তাঁর কক্ষ থেকে একটি ফাইল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এর পরেই বিচারপতি মামলাটি থেকে সরে দাঁড়ান। পরে মামলাটি যায় বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে। সেখানেই সুজিতের জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। তবে শুনানির সময় বিচারপতি জামিন খারিজের নির্দিষ্ট কারণ জানাননি।আদালতে ইডির আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী দাবি করেন, পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে ২৮৪ জন অযোগ্য প্রার্থী চাকরি পেয়েছিলেন। তাঁদের প্রত্যেকের কাছ থেকে চাকরির জন্য ৬ লক্ষ টাকা করে নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। ইডির আরও দাবি, সুজিত বসুর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৮ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা পাওয়া গিয়েছে। তাঁর পরিবারের সদস্যদের অ্যাকাউন্টেও কয়েক কোটি টাকা মিলেছে বলে আদালতে জানিয়েছিল তদন্তকারী সংস্থা।এই মামলায় সুজিতের আগে গ্রেফতার হয়েছিলেন মধ্যস্থতাকারী অয়ন শীল। ইডি আগে হাই কোর্টে দাবি করেছিল, অয়নকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বিভিন্ন সময়ে ১৫২ জনের চাকরির জন্য সুজিত বসু সুপারিশ করেছিলেন।অন্য দিকে, সুজিতের আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি ও সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় জামিনের পক্ষে সওয়াল করেন। তাঁদের বক্তব্য, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত শেষ হয়ে গিয়েছে। তা সত্ত্বেও তাঁদের মক্কেলকে জেলে আটকে রাখা ঠিক নয়। ইডি এই গ্রেফতারিকে যুক্তিসঙ্গত প্রমাণ করতে পারবে না বলেও দাবি করেন তাঁরাসুজিতের আইনজীবীদের আরও বক্তব্য, ২০১৬ সালের পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি তাঁকে মূল অভিযুক্ত হিসেবে দেখালেও, ২০২৪-২৫ সালে সিবিআই যে চার্জশিট দিয়েছিল, তাতে তাঁর নাম ছিল না। তাঁদের দাবি, সুজিতের বাড়ি কলকাতায়। তদন্তের প্রয়োজনে তাঁকে যখনই ডাকা হবে, তিনি হাজির হতে পারবেন। তদন্তে সহযোগিতা করতেও তিনি প্রস্তুত।গত ১১ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই মামলায় প্রায় ১৫০ জন চাকরিপ্রার্থীর নাম সামনে এসেছে। দুর্নীতির মাধ্যমে পাওয়া টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছিল বলে মনে করছে ইডি। তবে এই মামলায় ওঠা অভিযোগগুলির চূড়ান্ত সত্যতা আদালতের বিচারেই নির্ধারিত হবে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

শঙ্কুদেবের পুজোয় হাজির শুভেন্দু অধিকারী, পার্ক স্ট্রিটে দাঁড়িয়ে কী বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী?

পার্ক স্ট্রিটে এ বার প্রথমবার দুর্গাপুজোর আয়োজন করেছেন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা। প্রথম পুজো ঘিরে উদ্যোক্তাদের মধ্যে আলাদা আবেগ থাকবেই। সোমবার রাতে সেই পুজোর উদ্বোধনে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উপস্থিত ছিলেন সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও। পুজোর উদ্বোধনী মঞ্চ থেকে দুর্গোৎসব, সংস্কৃতি ও রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য রাখেন বিজেপির দুই নেতা।অনুষ্ঠানে সুকান্ত বলেন, পার্ক স্ট্রিটে আগে দুর্গাপুজোর আয়োজন হত না। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় পশ্চিমবঙ্গে ১২ হাজারেরও বেশি নতুন পুজো শুরু হয়েছে। আগের সরকারের আমলে পুজো করার জন্য উদ্যোক্তাদের কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হতে হত বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান সুকান্ত। বক্তব্যের শেষে জয় শ্রীরাম স্লোগানও তোলেন তিনি।সোমবার রাত প্রায় ১১টা নাগাদ পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কে শঙ্কুদেবের পুজোর উদ্বোধন করতে যান শুভেন্দু। সেখানে উপস্থিত বিজেপি নেতাদের একে একে নাম করে উল্লেখ করেন তিনি। তার পর বলেন, একদম রাষ্ট্রবাদী টিম পুরো হাজির।বক্তৃতায় পার্ক স্ট্রিটের প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দু বলেন, এই এলাকায় মাঝেমধ্যে টুকরে টুকরে গ্যাং-এর উৎপাত দেখা যেত বলে তাঁর দাবি। দুর্গাপুজোর আবহে পার্ক স্ট্রিটকে পবিত্র ও শুদ্ধ করার কথাও বলেন তিনি। এই পুজো ধরে রাখার জন্য উদ্যোক্তাদের আবেদন জানান শুভেন্দু। সুযোগ হলে পুজোয় এসে প্রসাদ খাওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও পরম্পরা বজায় রাখার উপর জোর দেন শুভেন্দু। পিতৃপক্ষ ও মহালয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এ বার পিতৃপক্ষে কাউকে কাঁচি নিয়ে বেরোতে দেওয়া হয়নি। তাঁর বক্তব্য, পবিত্রতা ও সংস্কৃতি বজায় রেখেই দুর্গাকে স্বাগত জানানো হয়েছে।এ দিকে, কলকাতা জুড়ে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন ঘিরে ব্যস্ততা চলছে। গত ১০ অক্টোবর মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে উমা আগমনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রাজ্য সরকারের দুর্গাপুজোর উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ড্রোনের প্রদর্শনী এবং আতশবাজির আয়োজন করা হয়েছিল। প্রায় তিন হাজার ঢাকির একসঙ্গে ঢাক বাজানো ছিল অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ।১১ অক্টোবর সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করা হয়। এ বছরের পুজোর ভাবনা বন্দে মাতরম্। ভারতের জাতীয় সংগীতের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও দেশভাগের ইতিহাস মণ্ডপে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।১২ অক্টোবর চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ৯১তম বর্ষের পুজোর উদ্বোধন হয়। এ বছরের ভাবনা বিয়ন্ড সাউন্ড। শহরের কোলাহলের বিপরীতে শান্তি ও নিজের অন্তরের ভাবনাকে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে এই মণ্ডপে। শ্রীভূমির দুর্গাপুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

ভোট চুরির অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে রাহুলদের মামলা, আবেদনেই ১৪টি ভুল! ২২০ টাকা কম জমা?

ভোট চুরির অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধী জোটের একাধিক নেতা। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে যৌথ মামলা দায়ের করেছেন তাঁরা। কিন্তু মামলা দায়েরের পরেই নতুন সমস্যা। আদালতের রেজিস্ট্রি জানিয়েছে, বিরোধীদের আবেদনে মোট ১৪টি ত্রুটি রয়েছে। এমনকি আদালতের ফি বাবদ ২২০ টাকা কম জমা পড়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে পথে নেমেছিলেন বিরোধী জোটের নেতারা। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোট চুরির অভিযোগের তদন্তের দাবিতে তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের দিকে মিছিল করেন। সেই দিনই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে যৌথ মামলা দায়ের করেন তাঁদের আইনজীবীরা।কিন্তু আদালতের রেজিস্ট্রির প্রাথমিক পরীক্ষায় আবেদনে একাধিক ভুল ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। রেজিস্ট্রির দাবি, মোট ১৪টি ত্রুটি রয়েছে ওই আবেদনে। তার মধ্যে অন্যতম হল আদালতের ফি বাবদ ২২০ টাকা কম জমা দেওয়া। এ ছাড়া, নয় জন আবেদনকারীর প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র জমা পড়েনি বলেও জানানো হয়েছে।কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের পরিচয়পত্রের স্পষ্ট প্রতিলিপি জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আবেদনের কয়েকটি অংশে অক্ষর অত্যন্ত ছোট হওয়া নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে রেজিস্ট্রি। দুটি নির্দিষ্ট নথির রঙিন প্রতিলিপি জমা দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ। পাশাপাশি, কয়েকটি নথির লেখা অস্পষ্ট, কিছু পৃষ্ঠা অনুপস্থিত এবং আঞ্চলিক ভাষায় লেখা পৃষ্ঠা ও পৃষ্ঠা নম্বরের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এই ত্রুটিগুলি সংশোধন করার পরেই মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোতে পারবে।এই যৌথ মামলায় আবেদনকারীদের তালিকায় রয়েছেন রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব, সুপ্রিয়া সুলে, শিবসেনার উদ্ধব শিবিরের নেতা সঞ্জয় রাউত, ডি রাজা, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার মহুয়া মাজি, এম এ বেবি এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগের নেতা ই টি মহম্মদ বশির।সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে মামলাটি রাহুল গান্ধী বনাম ভারতের নির্বাচন কমিশন নামে নথিভুক্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় মোট ১০ দফা প্রতিকার চেয়েছেন বিরোধী নেতারা।বিরোধীদের দাবি, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া সংক্রান্ত সমস্ত নথি আদালতে পেশ করার নির্দেশ দেওয়া হোক। এই প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তগুলির সাংবিধানিক বৈধতাও খতিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। পাশাপাশি, অনিয়মের জন্য দায়ী আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, তাঁদের অভিযোগের নিষ্পত্তি এবং একটি স্বাধীন কমিটির মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়ার নিরীক্ষা করানোর দাবিও জানানো হয়েছে।বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে ভোটারদের অধিকার ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে। সেই কারণেই নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা।সোমবারের মিছিলের আগে বিরোধী নেতারা প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে দেখা করার আবেদন জানিয়েছিলেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল, ভোট চুরির অভিযোগের নিষ্পত্তি, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ, বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া বন্ধ এবং ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ ফের চালু করার দাবিতে একটি স্মারকলিপি তুলে দেওয়া।তবে প্রধান বিচারপতি তাঁদের সঙ্গে দেখা করার আবেদন গ্রহণ করেননি। বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন বলেই তিনি এই আবেদন খারিজ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। এর আগে বিরোধীদের অভিযোগ জানানোর পথ নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছিলেন, সুপ্রিম কোর্টের দরজা সকলের জন্য খোলা। সাধারণ নাগরিক হোন বা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, প্রত্যেকেই আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন।এখন বিরোধীদের আবেদনে চিহ্নিত ত্রুটিগুলি সংশোধন করতে হবে। তার পরেই মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোবে। ফলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের এই মামলার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

‘যারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া কিছু ভাবেনি…’, দুর্গাপুজোর মঞ্চ থেকে কাদের নিশানা অগ্নিমিত্রার?

দুর্গাপুজোর আগে ভারতবিরোধী শক্তির বিনাশ চেয়ে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করলেন রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর কথায়, ভারতবিরোধী শক্তিগুলিকে শেষ করে দাও মা। যারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া এত দিন কিছুই ভাবেনি, সেই বদমাইশদেরও শেষ করে দাও। সোমবার দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে একটি প্রাক-পুজোর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েও একই প্রসঙ্গে সরব হন অগ্নিমিত্রা। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং আরও শক্তিশালী হচ্ছে। কিন্তু দেশের উন্নতির পথে যারা বাধা হয়ে দাঁড়াতে চাইছে, তাদের বিনাশের জন্য মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করেছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার কথায়, যারা নিজেদের স্বার্থের বাইরে কিছু ভাবেনি, তাদেরও যেন মা দুর্গা শেষ করে দেন। দেশ ও রাজ্য থেকে এই ধরনের শক্তির বিনাশই তাঁর প্রার্থনা।এ দিন দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং আতশবাজির প্রদর্শনীও উপভোগ করেন মন্ত্রী। পাশাপাশি রাজ্যবাসীকে দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা জানান তিনি। উৎসবের দিনগুলিতে সতর্ক থাকার আবেদনও জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা।পুজোর সময়ে জরুরি পরিষেবা চালু থাকবে বলে জানান তিনি। পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকেরা রাস্তায় থেকে পরিস্থিতির উপর নজর রাখবেন বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী। তবে শুধু প্রশাসনের উপর নির্ভর না করে সাধারণ মানুষকেও সচেতন থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি। পরিবেশ রক্ষায় সরকারের জারি করা নির্দেশিকা মেনে চলার আবেদনও জানান অগ্নিমিত্রা।বাংলা ও বাঙালির সংস্কৃতির বিরোধিতা করা হবে, বিজেপিকে ঘিরে এমন প্রচারও খারিজ করেছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার বক্তব্য, মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিপুল মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করে যে এই প্রচার ঠিক নয়। আগামী দিনে আরও নানা উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। মানুষের পাশে থাকার আবেদন জানিয়ে অগ্নিমিত্রা বলেন, আগামী দিনেও পাশে থাকুন, আরও অনেক কিছু হবে।সোমবারের ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক পুন্নাম্বলম এস, দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষ্মণচন্দ্র ঘোড়ুই।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দিল্লির পর কলকাতায় ‘জ্ঞানেশ কুমার হটাও’ মিছিল! পথে নামতে পারেন মমতা, কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

দিল্লির আন্দোলনের আঁচ এ বার কলকাতাতেও। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে মঙ্গলবার কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী শিবির। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই মিছিল হওয়ার কথা। তাতে মমতা নিজেও যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে তিনি মিছিলে হাঁটবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তেই কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুর্গাপুজোর সময়ে কোনও রকম বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবারের মিছিলের প্রচারপত্র প্রকাশ করেছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের অভিযোগ তোলা হয়েছে। দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক করা এবং তরুণ প্রজন্মের উপর অত্যাচারের অভিযোগও প্রচারপত্রে তুলে ধরা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে সাধারণ মানুষকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। জেলায় জেলায়ও কর্মসূচির বার্তা পাঠানো হয়েছে বলে খবর।ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছেন বিরোধী নেতাদের একাংশ। এই ইস্যুতে দিল্লিতে একাধিক প্রতিবাদ কর্মসূচিও হয়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হতে পারে বলে খবর।এই আবহেই কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। দুপুর দুটো নাগাদ মিছিল শুরু হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে মিছিলে অংশ নেবেন কি না, তা নিয়ে এখনও নিশ্চিত কোনও ঘোষণা হয়নি।সোমবার রাতে কলকাতায় একটি দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করতে গিয়ে এই কর্মসূচি নিয়ে সরব হন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, বেরোতে দেব না। সিপিকে নির্দেশ দিয়েছি, রাজাবাজার থেকে এক পা এগোতে দেব না। প্রয়োজন হলে সেন্ট্রাল ফোর্সও নামাতে বলেছি। বেরোতে দেব না। কোনও বিশৃঙ্খলা করতে দেব না দুর্গাপুজোর সময়ে।মিছিল ঘিরে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে বলে খবর। মঙ্গলবার সকাল থেকেই পার্ক সার্কাস এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে মিছিল কোন পথে এগোবে এবং শেষ পর্যন্ত তাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যোগ দেবেন কি না, সে দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

যন্তর মন্তরে প্রতিবাদে নিষেধাজ্ঞা, পরদিনই ব্যারিকেড টপকে ঢোকার চেষ্টা! আটক ককরোচ জনতা পার্টির নেতারা

যন্তর মন্তরে আর প্রতিবাদ করা যাবে না। সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে বলে দাবি। সেই নির্দেশ ঘিরেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে দিল্লিতে। সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপের হুঁশিয়ারি, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে না দিলে গোটা দেশকেই প্রতিবাদের মঞ্চ করে তুলবেন তাঁরা। আর সেই ঘোষণার পরদিনই যন্তর মন্তরে পৌঁছে গেলেন দলের কয়েক জন নেতা। কিন্তু সেখানে ঢোকার চেষ্টা করতেই তাঁদের আটক করে পুলিশ।সোমবার দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। দলের তরফে দাবি করা হয়, ওই সময়ের মধ্যে নতুন করে প্রতিবাদের স্থান এবং দিনক্ষণ জানাতে হবে। তা না হলে বড় পদক্ষেপ করা হবে। এর পরেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করা যাবে না বলে নির্দেশ দেয় দিল্লি পুলিশ। প্রতিবাদের জন্য তিনটি বিকল্প জায়গার কথা জানানো হয়েছে বলে খবর।সেই বিকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে রামলীলা ময়দান। তবে সূত্রের দাবি, সেখানে প্রতিবাদ কর্মসূচির জন্য জায়গা বুক করতে খরচ হতে পারে ১ লক্ষ ২১ হাজার টাকা। চলতি বছরের জন্য বুকিংও ইতিমধ্যে হয়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ফলে প্রতিবাদের নতুন জায়গা পাওয়া নিয়ে সমস্যায় পড়তে পারে ককরোচ জনতা পার্টি।নিটের প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদে যন্তর মন্তর থেকেই আন্দোলন শুরু করেছিলেন দলের সদস্যেরা। তাই ওই জায়গায় বিক্ষোভ বন্ধের নির্দেশে ক্ষুব্ধ তাঁরা। অভিজিৎ দীপের বক্তব্য, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে দেওয়া না হলে গোটা দেশই প্রতিবাদের মঞ্চ হয়ে উঠবে।এই হুঁশিয়ারির পরদিন মঙ্গলবার ভোরে যন্তর মন্তরে পৌঁছে যান দলের নেতা সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কারা। অভিজিতের প্রকাশ করা একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, লোহার গেট ও পুলিশের ব্যারিকেড টপকে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করছেন তাঁরা। তাঁদের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা। ভারত মাতা কি জয় স্লোগান দিতে দিতেই ব্যারিকেড পার হওয়ার চেষ্টা করেন দলের নেতারা।কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁদের আটক করে পুলিশ। দলের কয়েক জন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হতে পারে বলেও সূত্রের খবর। মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনার একাধিক ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।নেতা-কর্মীরা আটক হলেও আন্দোলন থামবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ। তাঁর দাবি, প্রতিবাদকে আটকানো যাবে না। যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের উপর নিষেধাজ্ঞা এবং বিকল্প জায়গা নিয়ে দিল্লি পুলিশের সঙ্গে দলের সংঘাত কোন দিকে এগোয়, এখন সে দিকেই নজর।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal