• ১১ ভাদ্র ১৪৩৩, শনিবার ২৯ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IPL

স্বাস্থ্য

মাংস ছাড়াই আমিষ-বিকল্প সয়াবিনে

ডায়াটেশিয়ানরা পরামর্শ দিয়ে থাকেন, আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকার ২০ বা ৩০ শতাংশ হওয়া খাবার হওয়া উচিত আমিষ। কিন্তু অনেকেই আছেন, যাঁরা মাছ- মাংস খায় না, তাহলে তাদের কী করনিও? আমাদের অনেকের ধারণা, আমিষ কেবল মাংস খেলেই পাওয়া যায়। কিন্তু মাংস ছাড়াও আমিষের আরও নানান উৎস আছে। ধরা যাক, কেউ মাংস পরিহার করতে চান বা নিরামিষাশী হতে চান, তবে তাঁর আমিষের চাহিদা কীভাবে পূরণ হবে? ডিম, দুধ, দুধের তৈরি খাবার, শিমের বীজ, বাদাম, ছোলা, সয়াবিন, মটরশুঁটি, বরবটি, বিভিন্ন সবজির বীজ ইত্যাদি থেকেও আমরা প্রচুর পরিমাণে আমিষ পেতে পারি। এই খাবারগুলোকে নানাভাবে রান্না করে, যেমন বুটের ডালের হালুয়া, ডিমদুধের পুডিং, পায়েস, মাছের কাটলেট বা চপ, ডালের বড়া, ছানা, দই ইত্যাদি প্রস্তুত করে খেলে আমিষের চাহিদা পূরণ হবে মাংস ছাড়াই।মাংসের পরিপূরক কী হতে পারে?এক টুকরা ৩০ গ্রাম পরিমাণ মাংসে আছে ৬ গ্রাম আমিষ। এর পরিবর্তে সমপরিমাণ আমিষ পেতে হলে আপনি খেতে পারেন ১৬০ গ্রাম বাদাম, দেড় কাপ দুধ, ৩৫ গ্রাম মাছ, আধ কাপ মটরশুঁটি, ২ কাপ তরল ডাল (মুগ-মসুর), ২০ গ্রাম পনির, ৩৫ গ্রাম ছানা, ২৫ গ্রাম ছোলার ডাল, ১৫ গ্রাম সয়াবিন, ৩০ গ্রাম ছোলা, ২০ গ্রাম সরিষা ইত্যাদির যেকোনো একটি। সয়াবিনের উপকারিতাপ্রতি ১০০ গ্রাম সয়াবিনে প্রোটিনের পরিমাণ ৪৩ গ্রাম। কার্বোহাইড্রেট থাকে ৩০ গ্রাম। ফ্যাট ২০ গ্রাম। আক্ষরিক অর্থেই সয়াবিনের হাজার গুণ। একেবারে এক সে বরকর এক এফেক্ট। ১. সয়াবিনে প্রচুর পটাসিয়াম থাকায় হাই ব্লাড প্রেশারের রোগীদের ক্ষেত্রে উপকারী।সয়াবিন হার্টের পক্ষে খুবই ভাল, এটি হার্ট অ্যাটাক কিংবা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।৩. সয়াবিনে থাকা স্বাস্থ্যসম্মত আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট দেহে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।৪. ডিম, মাংস, দুগ্ধজাত দ্রব্যের মতো প্রাণিজ প্রোটিনের সমতুল্য সয়াবিন।৫. ডালের চেয়েও বেশি প্রোটিন রয়েছে সয়াবিনে।৬. সয়াবিন ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের খনি, যা হার্ট ও লিভারের সক্রিয়তা বজায় রাখতে সহায়ক।৭. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ সয়াবিন ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।৮. সয়াবিনে থাকা প্রোটিন সেরিব্রাল কর্টেক্সের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে, যা মানুষের কাজের ক্ষমতা বাড়ায়।৯. সয়াবিনে প্রচুর লেসিথিন থাকে যা মস্তিষ্ক গঠনের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।১০. বয়ঃসন্ধিকালে মেয়েদের ডায়েটে সয়াবিন রাখা জরুরি, পরবর্তীকালে ব্রেস্ট ক্যানসারের সম্ভাবনা কমে।সত্যিই সয়াবিনের জুড়ি মেলা ভার। রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়ার ক্ষেত্রেও সয়াবিন খাওয়া উপকারী। সয়াবিন বিভিন্ন ধরনের বিপাক ক্রিয়ায় সাহায্য করে যা ঘুমের সমস্যা বা ইনসমনিয়া দূর করতে সক্ষম। সয়াবিনে প্রচুর ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড ও ফোলেট রয়েছে যা অস্টিওআর্থ্রাইটিস দূর করতে সাহায্য করে। সয়াবিনে থাকা ফাইবার কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক। গর্ভবতী মহিলাদের জন্য সয়াবিন বিশেষ উপকারী। টাইপ টু ডায়াবেটিসের হাত থেকে মুক্তির জন্য সয়াবিন সহায়ক।সুস্বাস্থ্যের এই মন্ত্র তাই পাতছাড়া একেবারেই করবেন না। করলে নিজেই পস্তাবেন।

মে ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

করোনার কোপ, অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত আইপিএল

সানরাইজার্স হায়দরাবাদ শিবিরে করোনা থাবা বসাতেই আইপিএল স্থগিত করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল বিসিসিআই। সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, ভারতীয় বোর্ডের ভাইস-প্রেসিডেন্ট রাজীব শুক্লা জানিয়ে দিয়েছেন, ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতিতে ক্রিকেটারদের সুরক্ষার কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত।দুই নাইট তারকা কোভিড পজিটিভ হওয়ায় সোমবার স্থগিত হয়েছিল কেকেআর বনাম আরসিবি ম্যাচ। এরপরই শোনা যায়, চেন্নাই সুপার কিংসের শিবিরেও ঢুকে পড়েছে মারণ ভাইরাসটি। ক্রিকেটাররা সুরক্ষিত থাকলেও ফ্র্যাঞ্চাইজির সিইও, বোলিং কোচ ও এক বাসকর্মী করোনা আক্রান্ত। ফলে অনুশীলন বাতিল করে দেয় দল। উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে বুধবার খেলার ইচ্ছা ছিল না ধোনিদের। কারণ যে স্টেডিয়ামে খেলা, সেই দিল্লিতেই পাঁচ গ্রাউন্ড স্টাফও সংক্রমিত। সবমিলিয়ে বেশ চাপে ছিল বিসিসিআই। তাই সংক্রমণ ঠেকাতে বাকি টুর্নামেন্ট একটি শহরেই আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছিল। এ ব্যাপারে নাকি মহারাষ্ট্র সরকারের অনুমতিও চাওয়া হয়েছিল। তাদের তরফে সবুজ সংকেত এলেই মুম্বইয়ে টুর্নামেন্ট স্থানান্তরিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এরই মাঝে আসে দুঃসংবাদ। করোনা আক্রান্ত ঋদ্ধিমান সাহাও।২ মে থেকেই জ্বর ছিল বাংলার উইকেট কিপারের। যে কারণে হায়দরাবাদের গত ম্যাচে মাঠেও ছিলেন না তিনি। আজ তাঁর দলের খেলার কথা ছিল মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে। তার আগে নিয়ম মেনে করোনা পরীক্ষা হয় ঋদ্ধির। প্রথম দুবার রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। কিন্তু তৃতীয়বারের রিপোর্টে জানা যায় তাঁর শরীরে বাসা বেঁধেছে মারণ ভাইরাস। এমন পরিস্থিতিতে প্রথমে অনির্দিষ্টকালের জন্য সাসপেন্ড করে দেওয়া হয় আইপিএল। কিন্তু আপাতত জানা যাচ্ছে, এই মরশুমের মতোই স্থগিত হয়ে গেল আইপিএল। সেক্ষেত্রে কীভাবে টুর্নামেন্টের সেরা দলকে বেছে নেওয়া হবে, কিংবা পরবর্তীতে আইপিএলের বাকি ম্যাচ হবে কি না, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

মে ০৪, ২০২১
দেশ

করোনার কোপে একসঙ্গে বাতিল বহু ট্রেন

দেশজুড়ে ভয়াবহ আকার নিয়েছে কোভিড। এই পরিস্থিতিতে ট্রেন পরিষেবা চালু থাকা নিয়ে রীতিমতো সংশয় তৈরি হয়েছে। সেই সংশয় আরও খানিকটা বাড়িয়ে দিয়ে মঙ্গলবার একযোগে ৪০টি ট্রেন বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিল ভারতীয় রেল। রেলের তরফে এক বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, করোনার জেরে এই ট্রেনগুলিতে যাত্রীসংখ্যা একধাক্কায় অনেকটা কমেছে।কম যাত্রীর জেরেই পরবর্তী নোটিস না দেওয়া পর্যন্ত এই ৪০টি ট্রেনের পরিষেবা বন্ধ রাখা হবে।তবে, এই ট্রেন বাতিলের ফলে এ রাজ্যে যাত্রীদের নতুন করে সমস্যায় পড়ার কথা নয়। কারণ অধিকাংশ ট্রেনই বাতিল হয়েছে উত্তর-পশ্চিম রেলের। এর মধ্যে কিছু ট্রেন আংশিক সময়ের জন্য বাতিল করা হলেও, অধিকাংশই বাতিল করা হয়েছে পরবর্তী নোটিস না দেওয়া পর্যন্ত। প্রসঙ্গত, করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা আঘাত হানার পরই শিয়ালদহ এবং হাওড়া ডিভিশনে বহু চালক এবং গার্ড আক্রান্ত হয়েছেন। যার জেরে এই দুই শাখাতেই প্রচুর ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। যার জেরে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে নিত্যযাত্রীদের।এদিকে, শিয়ালদহ ও হাওড়া শাখায় পরপর বেশ কয়েকটি লোকাল ট্রেন বাতিল হওয়ায় যাত্রীমহলে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।প্যাসেঞ্জার ট্রেন বন্ধ হয়ে যাবে, এমন গুজবও শোনা যাচ্ছে ইতিউতি। এরই মধ্যে উত্তর-পশ্চিম রেলের ৪০টি ট্রেন বাতিলের খবরে প্যাসেঞ্জার ট্রেন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার জল্পনা আরও বাড়ল। যদিও, রেলের তরফে বারবার আশ্বস্ত করা হয়েছে কোনওভাবেই ট্রেন পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ করা হচ্ছে না। গত রবিবারও রেল বোর্ডের চেয়ারম্যান সুনীত শর্মা জানিয়েছেন, রেলকর্মীদের বড় অংশ কোভিডে আক্রান্ত তবুও রেল বন্ধ হবে না। এ নিয়ে কোনও রাজ্য এখন পর্যন্ত কোনও বার্তা দেয়নি। ফলে পরিষেবা বন্ধের আশঙ্কা নেই। রেল মন্ত্রকের তরফেও ইতিমধ্যেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্যাসেঞ্জার ট্রেন কিংবা কোনও দূরপাল্লার ট্রেন বন্ধ হচ্ছে না। পরিষেবা স্বাভাবিকই থাকছে। বিশেষ কারণে কোথাও ট্রেন বাতিল হতে পারে, কিন্তু তা স্থায়ী সিদ্ধান্ত নয়।

এপ্রিল ২৭, ২০২১
টুকিটাকি

চুল ঝরছে? ত্বকে সমস্যা? বাড়িতে কর্পূর থাকলে একাধিক সমস্যার সমাধান

আমাদের দেশে প্রাচীন কাল থেকেই পুজো-পাঠে আর খাবারের সুগন্ধ বাড়াতে কর্পূরের ব্যবহার করা হয়। চোখ বন্ধ করেও শুধু মাত্র গন্ধেই কর্পূর চেনা যায়। তবে শুধু পুজো-পাঠ বা খাবারের সুগন্ধ বাড়াতেই নয়, বিভিন্ন রোগ নিরাময়ের ক্ষেত্রেও প্রাচীন আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় যুগ যুগ ধরে কর্পূর ব্যবহার করা হয়। আজ জেনে নেওয়া যাক কর্পূরের কয়েকটি অজানা, আশ্চর্য ব্যবহার...১. কর্পূরের ট্যাবলেট ঘরের কোনায় কোনায় ছড়িয়ে দিন। কর্পূরের গন্ধে মশা ঘর ছেড়ে পালাবে।২. ঘরের দুর্গন্ধ কাটাতে কর্পূরের ট্যাবলেট ঘরের কোনায় কোনায় ছড়িয়ে দিন। দেখবেন এটি রুম ফ্রেশনারের কাজ করবে।৩. সর্দিতে নাক বন্ধ হয়ে গেলে বা বুকে কফ জমে গেলে কর্পূরের সাহায্য নিতে পারেন। কর্পূরের গন্ধে বন্ধ নাক ছেড়ে যাবে। সরষের তেল বা নারিকেল তেলের সঙ্গে আন্দাজ মতো কর্পূর মিশিয়ে সামান্য গরম করে নিন। উষ্ণ অবস্থাতেই এই তেলের মিশ্রণটি বুকে, পিঠে ভাল করে মালিশ করতে পারলে দ্রুত আরাম পাওয়া যাবে।৪. অতিরিক্ত চুল ঝরা রোধ করতে আর খুশকির সমস্যা দূর করতে কর্পূর একেবারে অব্যর্থ একটি উপাদান। নিয়মিত মাথায় মাখার তেলের সঙ্গে কর্পূরের গুঁড়ো মিশিয়ে চুলে ব্যবহার করতে পারলে চুল ঝরার পরিমাণ অনেকটাই কমে যাবে। চুলে শ্যাম্পু করার আগে এই তেলের মিশ্রণ মাথার তালুতে আর চুলের গোড়ায় মাখতে পারলে খুশকির সমস্যাও দ্রুত কমবে।৫. ব্রণ ও ব্রণর দাগ নিরাময়ের ক্ষেত্রে কর্পূর অত্যন্ত কার্যকরী! কয়েক ফোঁটা কর্পূর এসেনশিয়াল অয়েল বা কর্পূরের গুঁড়ো এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল, নারকেল তেল বা আমন্ড তেলের সঙ্গে মিশিয়ে কয়েক দিন কেখে দিন। এ বার ওই তেল ব্রণ আক্রান্ত ত্বকে ভাল করে মালিশ করতে পারলে ব্রণর সমস্যা দ্রুত কমবে, সেই সঙ্গে ব্রণর দাগও ফিকে হয়ে যাবে।৬. ত্বকের চুলকানি বা র্যাশের সমস্যায় কর্পূর অত্যন্ত কার্যকরী। এক টুকরো ভোজ্য কর্পূর সামান্য জলের সঙ্গে মিশিয়ে ত্বকের আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে, কিছু ক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের চুলকানি বা র্যাশের সমস্যা দ্রুত কমে যাবে। তবে খেয়াল রাখবেন, কখনওই কাটা বা ক্ষত স্থানে কর্পূর ব্যবহার করবেন না। কারণ কর্পূর রক্তের সঙ্গে মিশে গেলে শরীরে বিষক্রিয়া হতে পারে।৭. ছারপোকা তাড়াতে কর্পূর অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। ছারপোকার সমস্যা থেকে মুক্ত পেতে প্রথমে বিছানার চাদর ধুয়ে, তোষক, ম্যাট্রেস সব দীর্ঘ ক্ষণ রোদে দিন। এর পর একটি বড় কর্পূরের টুকরো কাপড়ে মুড়ে বিছানা ও ম্যাট্রেসের মাঝে রেখে দিন। কর্পূরের গন্ধে ছারপোকারা বিছানার ধারেকাছেও ঘেঁষবে না।৮. বাড়িতে পিঁপড়ের উপদ্রব বেড়েছে? তাহলে এই সমস্যা থেকে দ্রুত রেহাই পেতে বাজার চলতি ক্ষতিকর কীটনাশকের পরিবর্তে জলের সঙ্গে কর্পূর মিশিয়ে ঘরের কোনায় কোনায় ছড়িয়ে দিন। কর্পূরের ঘন্ধে পিঁপড়ে ঘর ছেড়ে পালাবে।

এপ্রিল ১৮, ২০২১
কলকাতা

করোনা নিয়ন্ত্রণে একগুচ্ছ পরিকল্পনা হাওড়া জেলা প্রশাসনের

উদ্বেগজনক জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে হাওড়ার করোনা পরিস্থিতি। লাফিয়ে লাফিয়ে উর্ধগামী হাওড়া পুর এলাকার করোনা সংক্রমণের গ্রাফ। পরিস্থিতি দেখে উদ্বিগ্ন জেলা প্রশাসন নিচ্ছে একাধিক পদক্ষেপ। হাওড়া প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, গত বছর লকডাউনের পর থেকে যেসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, ধাপে ধাপে সেগুলি প্রায় সবই ফিরিয়ে আনা হবে। তবে এবার কোনও রাস্তা বা বড় এলাকা ধরে কন্টেইনমেন্ট জোন নয়, এবার করা হবে মাইক্রো কন্টেইনমেন্ট জোন। কোনও বাড়ি বা আবাসন থেকে পাঁচজন বা তার বেশি সংখ্যক করোনা আক্রান্তের খবর এলে সেই আবাসন বা নির্দিষ্ট কয়েকটি বাড়িকে মাইক্রো কন্টেইনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করে নজরদারির আওতায় আনা হবে। এছাড়াও আবার চালু করা হচ্ছে টেলিমেডিসিন ব্যবস্থা। এছাড়া বাজারহাট, জনবহুল এলাকাগুলি একদিন অন্তর জীবাণুমুক্ত করা, সেফ হোম পরিষেবা ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ধাপে ধাপে এই কাজগুলি শুরু হয়ে যাবে। হাওড়া জেলা প্রশাসনের এক পদস্থ আধিকারিক এই খবর জানিয়েছেন। হাওড়া শহরে সংক্রমণের বাড়াবাড়ির কথা মাথায় রেখে নেওয়া হচ্ছে আরও কিছু ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বিভিন্ন বাজারের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকের তোড়জোড় চলছে। এক-দুদিনের মধ্যে সেই বৈঠক সেরে কীভাবে নিয়ন্ত্রিতভাবে বাজারগুলি চালু করা যায় এবং ক্রেতা-বিক্রেতারা করোনা বিধি মেনে চলেন, সেই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। হাওড়ার মঙ্গলাহাটে প্রতি সপ্তাহে কয়েক হাজার মানুষের সমাগম হচ্ছে। আগের মতো সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত মঙ্গলাহাটের বেচাকেনা চলছে। সেখানে অনেকেই মাস্ক পরার বিষয়ে কোনও তোয়াক্কা করছেন না। এই বিশাল পাইকারি হাটেও কীভাবে করোনা বিধি চালু করা যায় বা পরিস্থিতি অনুযায়ী নিয়ন্ত্রণ লাগু করা যায়, সেই বিষয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে প্রশাসন। রাজ্য সরকারের প্রকাশিত করোনা সংক্রান্ত বুলেটিন থেকে জানা যাচ্ছে, গত ১১ এপ্রিল ২৯৩ জন, ১০ এপ্রিল ২৮৯ জন এবং ৯ এপ্রিল ২২৩ জন নতুন করে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন। মাসখানেক আগেও এই দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা ৩০-৪০ এর মধ্যে ছিল। এই কদিনে যেভাবে তা বেড়ে গেল, এখনই তা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে আগামী মাসখানেকের মধ্যে সংক্রমণের সব রেকর্ড ছাপিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। সূত্রের খবর, ১১ এপ্রিলের তথ্য অনুযায়ী হাওড়ার প্রায় ১৮০০ সক্রিয় করোনা রোগীর মধ্যে প্রায় ১৪০০ জনই হাওড়া পুরসভা এলাকার। তাই শহর নিয়েই আপাতত উদ্বেগ বেশি রয়েছে প্রশাসনের। বালিটিকুরি হাসপাতালকে ইতিমধ্যে করোনা হাসপাতাল হিসেবে ঘোষণা করে অতিরিক্ত ৬০০ শয্যার ব্যবস্থা করা হয়েছে। রয়েছে সত্যবালা আইডি হাসপাতালও। সব ধরনের পরিকল্পনা ঠিকঠাক কার্যকর হলে আগামী সপ্তাহ তিনেকের মধ্যে সংক্রমণের হার কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণ করা যাবে বলে মনে করছে জেলা প্রশাসন।

এপ্রিল ১৬, ২০২১
বিবিধ

বহুগুণসম্পন্ন কমলালেবু, জেনে নিন নানাবিধ উপকারিতা

কমলালেবুর রস বা জুস খেতে সকলেই পছন্দ করেন। এতে একদিকে যেমন আছে ভিটামিন সি, তেমনই আছে খনিজও। ফলে রোজকার খাদ্য তালিকায় যদি এই ফলটা থাকে তাহলে শুধু ক্যালোরি নয়, একসঙ্গে অনান্য অনেক সমস্যার সমাধান করে দেবে কমলালেবুর রস।বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি প্রতিদিন কমলালেবুর রস খাওয়া যায়, সেক্ষেত্রে ওবেসিটি, ডায়াবেটিসের মতো দৈহিক সমস্যা দূরে রাখা সম্ভব হবে। শুধু তাই নয় মস্তিষ্ক গঠনেও সাহায্য করে কমলালেবু। পাশাপাশি কমলালেবুতে ফ্যাট থাকে না, ক্যালোরির পরিমাণও অত্যন্ত কম। তাই ওজন কমানোর ক্ষেত্রে কমলালেবুর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তবে মনে রাখতে হবে অতিরিক্ত এই ফল খেলে পেটে ব্যথা, ডায়েরিয়া, বদহজম হতে পারে। অন্যদিকে, হার্ট ও কিডনির রোগে যাঁদের হাই পটাশিয়াম যুক্ত খাবারের উপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে তাঁদের অবশ্যই কমলালেবু খাওয়ার আগে পুষ্টিবিদদের সঙ্গে আলোচনা করে তবে খেতে হবে।কমলালেবুর গুণাগুণ:১. কমলালেবুতে রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ভিটামিন বি এবং হেসপিরিডিন যা উচ্চচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। এতে প্রাকৃতিক উপাদান হিসাবে থাকা ফ্ল্যাভনোয়েড শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা নিয়ে থাকে।২. ক্যানসার প্রতিরোধে কমলালেবুর জুড়িমেলা ভার। ত্বক, মুখের ভিতর, ব্রেস্ট, ফুসফুস, পাকস্থলী ও কোলন ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে কমলালেবু। লিউকোমিয়া প্রতিরোধেও কমলালেবুর বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। গবেষণায় জানা দিয়েছে, কমলালেবুতে আরও একটি উপাদান থাকে যাকে বলে লিমোনেন । এই উপাদান ক্যানসার রোধে খুবই উপযোগী।৩. কমলালেবুতে ভিটামিন সি, কোলিন, পটাশিয়াম, ডায়েটারি ফাইবার থাকে। যা স্ট্রোক, এবং হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়। ফলে যাঁদের হার্টের সমস্যা রয়েছে তাঁরা চিকিৎসকদের পরামর্শ মতো কমলালেবু খেতে পারেন।৪. প্রাকৃতিক রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান অর্থাৎ ভিটামিন সি থাকায় নানা ধরনের সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে থাকে কমলালেবু।৫. যাঁদের কিডনিতে পাথরের সমস্যা রয়েছে তাঁদের কাছে কমলালেবু খুবই উপকারী এক ফল। নিয়মিত তা খেতেই পারেন। তবে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২১
স্বাস্থ্য

এক টমেটোর হাজারো গুণ, শুনলে আপনিও চমকে যাবেন

লাল টুকটুকে রূপের বাহার দেখে মন তো ভুলবেই। সুস্বাস্থ্যও বজায় থাকবে।এমন কোনও খাবার পেলে সকলেই চোখ ভরে দেখবেন ও মন ভরে খাবেন। টমেটো হচ্ছে তেমনই একটি সবজি, যা স্বাদে ও স্বাস্থ্যে একেবারে একে অপরকে টেক্কা দেয় বললেই চলে। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, টমেটোতে এমন গুণ আছে যা খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। ফলে মানুষের হার্ট সতেজ ও চাঙ্গা থাকে। মারণ রোগ ক্যানসারের হাত থেকেও রক্ষা করতে পারে টমেটো।টমেটোর মধ্যে কোনওরকম চর্বি জাতীয় উপাদান নেই। তাই এটি খেলে ওজন বাড়ারও সম্ভাবনা নেই। উলটে শরীরে ভিটামিন সির জোগান বাড়বে। টমেটোতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এতে যেমন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। আর করোনার এই সময় তা কতটা জরুরি, সেকথা তো সবারই জানা। হাড়ের জোর বাড়ানোর ক্ষমতাও রয়েছে টমেটোতে। এতে থাকা লাইকোপিনের উপস্থিতিতে আবার ত্বকের জেল্লাও বাড়ে।কাঁচা খান বা পাঁকা, স্যুপ খান বা চাটনি বা সস, যেভাবে ইচ্ছা টমেটো খেতেই পারেন। কিন্তু এত গুণের পরিমাণ জেনে আবার যথেচ্ছ পরিমাণে খেয়ে ফেলবেন না। পেটের সহ্য করার ক্ষমতা বুঝে তবেই স্বাদের কথা ভাববেন।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে প্লে অফ ম্যাচে কেন খেললেন না ঋদ্ধিমান?‌ 

গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে বহুবার চোট পেয়ে দলের বাইরে ছিটকে গেছেন। আবার সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। হ্যামস্ট্রিংয়ে চোটের জন্য আইপিএলে প্লে অফে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে ম্যাচ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন ঋদ্ধিমান সাহা। অস্ট্রেলিয়া সফরের জন্য বাড়তি ঝুঁকি নিলেন না বাংলার এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ব্যাট করার সময় হ্যামস্ট্রিংয়ে টান লেগেছিল ঋদ্ধিমানের। ব্যাট হাতে ৮৭ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেছিলেন। পরে অবশ্য গ্লাভস হাতে উইকেটের পেছনে দাঁড়াননি। তাঁর পরিবর্তে কিপিং করেছিলেন শ্রীবৎস গোস্বামী। দিল্লি ক্যাপিটালস ম্যাচের পর আরও দুটি ম্যাচ খেলেন ঋদ্ধি। চোট কিছুটা বেড়েছে। তাই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর ম্যাচে ঝুঁকি নিলেন না। টিম ম্যানেজমেন্টও চায়নি ঋদ্ধিকে খেলাতে। যদি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ফাইনালে ওঠে আর ঋদ্ধির চোটের যদি উন্নতি হয় তাহলে তিনি ফাইনালে খেলবেন।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
খেলার দুনিয়া

কোন ব্যাটে খেলে সাফল্য পেলেন ঋদ্ধি?‌ 

মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ম্যাচের ওপর নির্ভর করছিল কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্লে অফের ভাগ্য। এক বাঙালী ক্রিকেটারের হাতেই কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিদায় ঘন্টা বেজেছে। বিষয়টা এইভাবে দেখছেন না ঋদ্ধিমান সাহা। নাইট রাইডার্সের বিদায়ের প্রসঙ্গ উঠতেই তিনি বলেন, কলকাতা একসময় আমার হোম টিম ছিল। মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে মাঠে নামার সময় কলকাতা আবেগ আমার মনে কাজ করেনি। এখন আমি হায়দরাবাদের ক্রিকেটার। দলকে প্লেঅফে তুলতে পেরে তৃপ্ত। একটা ম্যাচে মিডল অর্ডারে মন্থর ব্যাটিং করে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন। বেশ কয়েকটা ম্যাচ বসে থাকার পর ওপেনিংয়ে সুযোগ। ওপেন করতে যাওয়ার আগে টিম ম্যানেজমেন্টের আলাদা কোনও নির্দেশ ছিল না বলে জানান ঋদ্ধি। তাঁকে নিজের স্বাভাবিক খেলা খেলতে বলা হয়েছিল। ব্যাট করতে নামার আগে সূর্যকুমার যাদবকে স্ট্যাম্পড করেছিলেন। ক্রুনাল পান্ডিয়ার ক্যাচ ধরেছিলেন। এই দুটি শিকারের মধ্যে সূর্যকে স্টাম্পড করাটাকেই এগিয়ে রাখছেন ঋদ্ধি। রনজি ফাইনালের ব্যাটেই মঙ্গলবার খেলেছেন। আবার সাফল্য। প্রথম একাদশ থেকে ছিটকে যাওয়ার পর ফিরে এসে তিন ম্যাচে রান করেছেন ৮৭, ৩৯ ও অপরাজিত ৫৮। এই তিনটি ইনিংসের মধ্যে প্রথমটাকেই এগিয়ে রেখেছেন ঋদ্ধি। তাঁর কথায়, দল থেকে বাদ পড়ে ফিরে এসে সুযোগ কাজে লাগিয়েছিলাম। ওই ইনিংসটাই সবথেকে বেশি তৃপ্তি দিয়েছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
খেলার দুনিয়া

দিল্লি–বেঙ্গালুরু প্লে অফে, ঝুলে রইল কলকাতার ভাগ্য

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর ১৫২/৭ (২০ ওভার) দিল্লি ক্যাপিটালস ১৫৪/৪ (১৯ ওভার) দিল্লি ক্যাপিটালস ৬ উইকেটে জয়ী ধারাবাহিকতা দেখিয়েও নিজেদের শেষ ম্যাচ পর্যন্ত ঝুলে ছিল দিল্লি ক্যাপিটালসের প্লে অফের ভাগ্য। সোমবার মাটে নামার আগে প্লে অফের ব্যাপারে নিশ্চিত ছিল না। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরকে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্লে অফ নিশ্চিত করল দিল্লি। হেরেও প্লে অফে চলে গেল বেঙ্গালুরু। অন্যদিকে নাইট রাইডার্সের প্লে অফের ভাগ্য ঝুলে রইল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ম্যাচের ওপর। এদিন টসে জিতে বেঙ্গালুরুকে ব্যাট করতে পাঠান শ্রেয়াস আয়ার। পঞ্চম ওভারেই ধাক্কা খায় বেঙ্গালুরু। ফিলিপেকে (১২) ফেরান রাবাডা। দেবদত্ত পাড়িক্কল ও বিরাট কোহলি দলকে টেনে নিয়ে যান। রবিচন্দ্রন অশ্বিন ফেরান কোহলিকে (২৯)। অর্ধশতরান করার পর নর্টিয়ের বলে বোল্ড হন দেবদত্ত পাড়িক্কল (৫০) ও মরিসকে (০)। রাবাডা ফেরান শিবম দুবেকে (১১ বলে ১৭)। বেঙ্গালুরুর বড় ভরসা ডিভিলিয়ার্স (৩৫)। আউট হতেই বড় রানের স্বপ্ন শেষ বেঙ্গালুরুর (১৫২/৭)। ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারে পৃথ্বী শর (৬ বলে ৯) উইকেট হারায় দিল্লি। তবে দলকে চাপে পড়তে দেননি শিখর ধাওয়ান ও অজিঙ্ক রাহানে। তাঁদের ৮৮ রানের পার্টনারশিপ দিল্লির জয়ের প্ল্যাটফর্ম গড়ে দেয়। শিখর ধাওয়ানকে (৫৪) তুলে নেন শাহবাজ আমেদ। শ্রেয়াস আয়ারকেও (৭) তিনি ফেরান। রাহানেকে (৪৬ বলে ৬০) ফেরান ওয়াশিংটন। দিল্লি তখন প্রায় জয়ের দোরগোড়ায়। ১৯ ওভারেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় দিল্লি (১৫৪/৪)।

নভেম্বর ০২, ২০২০
খেলার দুনিয়া

‌নিজেদের প্লে অফের ভাগ্য কার হাতে ছেড়ে দিলেন নাইট অধিনায়ক মর্গ্যান?‌

রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে জয়টাইপ্লে অফের জন্য নাইট রাইডার্সের কাছে লাইফলাইন। তবে আদৌও প্লে অফের ছাড়পত্র পাবে কিনা নির্ভর করছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদমুম্বই ইন্ডিয়ান্স ম্যাচের ওপর। হায়দরাবাদ হারলেই প্লে অফের টিকিট এসে যাবে ইওন মর্গ্যানদের হাতে। নিজেদের হাতে কিছু নেই। ঈশ্বরের ওপরই নিজেদের ভাগ্য ছেড়ে দিয়েছেন নাইট রাইডার্স অধিনায়ক। প্লে অফের প্রসঙ্গে মর্গ্যান বলেন, রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগে রান রেটের বিষয়টা আমাদের মাথায় ছিল। তার আগে আমাদের জয়টা জরুরি ছিল। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে আমাদের এর বেশি কিছু করার ছিল না। সবকিছু ঈশ্বরের হাতে ছেড়ে দিয়েছি। রবিবার জয়ের জন্য বোলারদের প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন মর্গান। তিনি বলেন, দলের সামগ্রিক বোলিং খুবই ভাল হয়েছে। এক কথায় বলতে গেলে অসাধারণ। বোলাররা নিজেদের সেরাটা দিয়েছিল। রাজস্থান ব্যাটসম্যানরা জবাব দিতে পারেনি। পাওয়ার প্লের মধ্যে ৪ উইকেট হারালে যে কোনও দলের পক্ষে ম্যাচে ফেরা কঠিন হয়ে যায়। রাজস্থানও ম্যাচে ফিরতে পারেনি। ১৯১ রান জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল বলে মনে করছেন মর্গান। তিনি বলেন, উইকেট খুবই ভাল ছিল। ১০ থেকে ১৫ ওভারের মধ্যে আমরা বেশ কয়েকটা উইকেট হারিয়েছিলাম। তবে শেষটা ভাল হওয়ায় বড় রানে পৌঁছতে পেরেছিলাম।

নভেম্বর ০২, ২০২০
খেলার দুনিয়া

রাজস্থান রয়্যালসকে হারিয়ে প্লে অফের লাইফলাইন পেল নাইট রাইডার্স

সংক্ষিপ্ত স্কোর: কলকাতা ১৯১/৭, ২০ ওভারে। রাজস্থান ১৩১/৯, ২০ ওভারে। কলকাতা ৬০ রানে জয়ী। প্লেঅফের লড়াইয়ে থাকতে গেলে জেতা ছাড়া কোনও রাস্তা ছিল না কলকাতা নাইট রাইডার্স ও রাজস্থান রয়্যালসের সামনে। রাজস্থানকে ৬০ রানে হারিয়ে প্লে অফের স্বপ্ন বেঁচে রইল কলকাতার। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও জ্বলে উঠতে পারলেন না আন্দ্রে রাসেল। শুভমান গিল (২৪ বলে ৩৬), রাহুল ত্রিপাঠী (৩৪ বলে ৩৯) ও মর্গানদের (৩৫ বলে অপরাজিত ৬৮) দাপটে ২০ ওভারে ১৯১/৭ তোলে নাইট রাইডার্স। ম্যাচের দ্বিতীয় বলেই নীতীশ রানাকে (০) তুলে নিয়ে নাইটদের চাপে ফেলে দিয়েছিলেন জোফ্রা আর্চার। শুভমান ও রাহুলের ৭২ রানের জুটি বড় রানের ভিত গড়ে দিয়েছিল। সুনীল নারাইন (০) ব্যর্থ। কার্তিকের (০) খারাপ সময় অব্যাহত। ৪ ম্যাচ পর প্রথম একাদশে ফিরে বড় রান পেলেন না রাসেল (১১ বলে ২৫)। ১৯২ রানের লক্ষ্য সহজ ছিল না রাজস্থানের সামনে। কামিন্সের প্রথম বলেই ছয় হাঁকিয়ে শুরু করেছিলেন উথাপ্পা। প্রথম পাঁচ বলে ওঠে ১৯। শেষ বলে উথাপ্পাকে (২ বলে ৬) তুলে নেন কামিন্স। এক ওভার পরে আবার কামিন্সের ধাক্কা। স্টোকসকে (১১ বলে ১৮) ফেরান। ওভারের শেষ বলে স্মিথকেও (৪ বলে ৪) ফেরান কামিন্স। সঞ্জু স্যামসনকে (৪ বলে ১) তুলে নেন শিবম মাভি। পরের ওভারে আবার কামিন্সের (৪/৩৪) ধাক্কা। ফেরান রিয়ান পরাগকে (৭ বলে ০)। ৫ ওভারের মধ্যে সেরা ৫ ব্যাটসম্যানকে হারায় রাজস্থান। বাটলার (২২ বলে ৩৫) ও তেওয়াটিয়া (২৭ বলে ৩১) কিছুটা লড়াই করেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৩১/৯ তোলে রাজস্থান।

নভেম্বর ০১, ২০২০
খেলার দুনিয়া

সুনীল নারাইনকে নিয়ে কী বলল নাইট রাইডার্স কর্তৃপক্ষ?‌

দলের সেরা অস্ত্রের বিরুদ্ধে বল ছোঁড়ার অভিযোগ। প্রায় দেড়দিন চুপচাপ ছিল। অবশেষে সুনীল নারাইনের ব্যাপারে মুখ খুলল কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। নারাইনের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়ায় নাইট কর্তৃপক্ষ অবাক। দলের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আবু ধাবিতে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে ম্যাচের পর অফিসিয়ালরা সুনীল নারাইনের বিরুদ্ধে সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগ এনে রিপোর্ট জমা দিয়েছে। ওর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় আমরা অবাক। নারাইন ২০১২ থেকে আইপিএলে ১১৫টা ম্যাচ খেলেছে। ২০১৫তে ওর বোলিং অ্যাকশন নিয়ে রিপোর্ট জমা পড়ার পন ৬৮টা ম্যাচ খেলে ফেলেছে। ওই সময় আইসিসির অনুমোদিত সংস্থা নারাইনের বোলিং অ্যাকশনের ছাড়পত্র দিয়েছিল। এই মরশুমেও নারাইন ছটা ম্যাচ খেলে ফেলেছে। এতদিন ম্যাচ অফিসিয়ালরা কোনও অভিযোগ তোলেননি। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আইপিএলের এই পর্যালোচনা প্রক্রিয়াকে সম্মান করি। এই বিষয় নিয়ে অতীতে আমরা সবসময় সহযোগিতা করে এসেছি। ভবিষ্যতেও করব। আশা করছি খুব তাড়াতাড়ি সমাধানসূত্র বেরিয়ে আসবে। আইপিএল পরিচালকবর্গ যেভাবে সহযোগিতা করে আসছে তা প্রশংসনীয়। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব ও কলকাতা নাইট রাইডার্স ম্যাচের পর আইপিএলের পক্ষ থেকে নারাইনের সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশন নিয়ে একটি বিবৃতি পাঠানো হয়েছিল। সেই বিবৃতিতে লেখা ছিল, আইপিএলের সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশন নিয়ম মেনে ফিল্ড আম্পায়াররা সুনীল নারাইনের বিরুদ্ধে রিপোর্ট জমা দিয়েছেন। তাঁকে সতর্কিত করা হয়েছে। তবে প্রতিযোগিতায় বোলিং করতে পারবেন। দ্বিতীয়বার অভিযোগ জমা পড়লে বোলিং করতে দেওয়া হবে না।

অক্টোবর ১২, ২০২০
খেলার দুনিয়া

১০ বছর আগের স্মৃতিই ভরসা চেন্নাই সুপার কিংসের

চেন্নাই সুপার কিংস শিবিরের স্মৃতিতে ভেসে উঠছে ১০ আগের ছবি। শুরুতে একের পর এক পরাজয়। শেষদিকে প্রতিটা ম্যাচেই অগ্নিপরীক্ষায় নামতে হয়েছিল ধোনির দলকে। সেখান থেকে চ্যাম্পিয়ন। এবছর চ্যাম্পিয়ন হতে পারবে কিনা সময়ই বলবে, তবে চেন্নাইয়ের অবস্থা যে সঙ্কটজনক, সেকথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়। আপাতত ৭ ম্যাচে ২টিতে জয়। ৪ পয়েন্ট পেয়ে গ্রুপ লিগে ৭ নম্বরে। প্লে অফে যেতে গেলে বাকি ৭ ম্যাচের মধ্যে ৬টিতে জিততে হবে। এই অবস্থায় বুধবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে অগ্নিপরীক্ষায় নামছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। হায়দরাবাদের কাছে হার মানেই একটা লাইফ লাইন কমে যাওয়া। হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট চিন্তিত ব্যাটসম্যানদের ফর্ম নিয়ে। এখনও জ্বলে উঠতে পারেননি ব্যাটসম্যানরা। ওপেনিংয়ে শেন ওয়াটসন ও ফাপ ডুপ্লেসি কয়েকটা ম্যাচে ভাল শুরু করলেও মিডল অর্ডার ভরসা জোগাতে পারেনি। ধোনির অবস্থাও যথেষ্ট খারাপ। ব্যাটে রান নেই। তঁার মুখেও বারবার শোনা গেছে ব্যাটিং নিয়ে চিন্তার কথা। হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ব্যাটসম্যানরা দায়িত্ব না নিলে আবার ভুগতে হবে চেন্নাইকে।

অক্টোবর ১২, ২০২০
কলকাতা

কোভিড রোগীদের জন্য একাধিক জনমুখী পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের

ফের করোনা আক্রান্ত মানুযের কথা চিন্তা করে পুজো্র আগে জনমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করল রাজ্য সরকার। কলকাতা ও শহরতলিতে বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে কোভিড টেস্ট করাতে গেলে এখন সাধারণ মানুষকে দিতে হয় ২২৫০। কিন্তু রাজ্য সরকার ঘোষণা করেছে , এই বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলিতে এখন থেকে টেস্ট করাতে গেলে লাগবে ১৫০০। এছাড়াও রাজ্য সরকার ও কলকাতা পুরসভা বিনামূল্যে রাজ্যের সকল কোভিড রোগীকে অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা দেয়। কিন্তু যে সকল কোভিড রোগী বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি হন , তাদের জন্যও অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া কমানো দরকার। রাজ্য সরকার সেই সংক্রান্ত রেগুলেটরি কমিশনের কাছে অনুরোধ করছে , অবিলম্বে পুজো্র আগেই বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া সহনশীল স্তরে নামিয়ে আনা হোক। আরও পড়ুনঃ স্পা-এর আড়ালে মধুচক্র , ধৃত টেলি অভিনেতা সহ ১৬ এছাড়াও গত ১০ অক্টোবর হাওড়ার এএসআই বালটুকরিতে ইতিমধ্যেই কোভিড রোগীদের ৪৮ টি শয্যা্র ব্যবস্থা করা হয়েছে। কলকাতার এম আর বাঙুরে সো্মবার থেকে করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য চালু হল ৫৬ টি শয্যা। আরও ৪৯৬ টি শয্যা আগামী দু থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে চালু হবে। এছাড়াও রাজ্যের বিভিন্ন কোভিড হাসপাতালে ২৪৭৫ জন নার্স শীঘ্রই নিযুক্ত করা হবে। পুজোর সময় প্রশাসনের জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত অফিসার ও আধিকারিকদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

অক্টোবর ১২, ২০২০
খেলার দুনিয়া

দিল্লিকে হারিয়ে শীর্ষে পৌঁছে গেল মুম্বই

সংক্ষিপ্ত স্কোর:‌ দিল্লি ২০ ওভারে ১৬২/‌৪, শিখর ধাওয়ান অপরাজিত ৬৯ (‌৫২)‌, ক্রুনাল ২/‌২৬। মুম্বই ১৯.‌৪ ওভারে ১৬৬/‌৫। ডিকক ৫৩ (‌৩৬), সূর্যকুমার ৫৩ (‌৩২)‌, রাবাডা ২/‌২৮‌। মুম্বই ৫ উইকেটে জয়ী। লিগ টেবিলের শীর্ষে ছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। দ্বিতীয় স্থানে মুম্বই ইন্ডিয়ানস। দিল্লিকে হারিয়ে রোহিত শর্মারা শীর্ষে পৌঁছতে পারে কিনা সেটাই ছিল দেখার। দিল্লির বিজয়রথ থামিয়ে ৫ উইকেটে জিতে শীর্ষে উঠে গেল মুম্বই। মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে দুটি পরিবর্তন করে খেলতে নেমেছিল দিল্লি। ঋষভ পন্থের জায়গায় অজিঙ্কা রাহানে, শিমরন হেটমেয়ারের জায়গায় অ্যালেক্স ক্যারে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠতে পারলেন না দিল্লি ক্যাপিটালসের ব্যাটসম্যানরা। টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে ট্রেন্ট বোল্টের প্রথম ওভারেই পৃথ্বীকে (‌৩ বলে ৪)‌ হারায় দিল্লি। সুযোগ পেয়ে কাজে লাগাতে পারলেন না রাহানে ১৫ (‌১৫)‌। শিখর ধাওয়ান (‌৫২ বলে অপরাজিত ৬৯)‌ ও শ্রেয়স আয়ারই (‌৩৩ বলে ৪২) দিল্লিকে টেনে নিয়ে যান। ২০ ওভারে দিল্লি তোলে ১৬২/‌৪। ‌ ব্যাট করতে নেমে মুম্বইও শুরুতে ধাক্কা খায়। পঞ্চম ওভারে আউট হন রোহিত শর্মা (‌১২ বলে ৫)‌। কুইন্টন ডিকক (‌৩৬ বলে ৫৩)‌ ও সূর্যকুমার যাদব (‌৩২ বলে ৫৩)‌ দলকে টেনে নিয়ে যান। ইশান কিশান করেন ১৫ বলে করেন ২৮। হার্দিক পান্ডিয়া ব্যর্থ (০‌)‌। দ্রুত কয়েকটা উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় মুম্বই। শেষ পর্যন্ত ২ বল বাকি থাকতেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যান রোহিতরা।

অক্টোবর ১১, ২০২০
খেলার দুনিয়া

এই কাজটি আবার করলে আইপিএলে বল করতে পারবেন না সুনীল নারাইন oi

শেষ ওভারে দুর্দান্ত বোলিং করে দলকে জয় এনে দিলেও কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে ম্যাচের দিনটা ভাল কাটল না সুনীল নারাইনের। আবার তাঁর বিরুদ্ধে সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগ উঠল। তবে আইপিএলে তিনি বোলিং করতে পারবেন। আবার যদি অভিযোগ ওঠে সেক্ষেত্রে তাঁকে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশন কমিটির কাছ থেকে ছাড়পত্র নিয়ে এসে বোলিং করতে হবে। ২০১৪ সাল থেকেই বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সমস্যায় রয়েছেন নারাইন। ওই বছর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে তাঁর বিরুদ্ধে দু–দুবার অভিযোগ উঠেছিল। অ্যাকশন শোধরানোর জন্য ২০১৫ বিশ্বকাপেও খেলতে পারেননি। ২০১৫ আইপিএলেও আবার সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগ ওঠে। ওই বছর নভেম্বর পর্যন্ত তাঁর বোলিং নিষিদ্ধ হয়। ২০১৬–র এপ্রিলে আইসিসি বোলিং অ্যাকশন ত্রুটিমুক্ত ঘোষণা করলেও ভারতে অনুষ্ঠিত টি২০ বিশ্বকাপ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন নারাইন। ২০১৮–র মার্চে পাকিস্তান সুপার লিগে আবার তাঁর বিরুদ্ধে সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগ ওঠে। এরপর অ্যাকশন ঠিক করার জন্য কার্ল ক্রো–র শরণাপন্ন হন নারাইন। কলকাতা নাইট রাইডার্স তাঁকে ইংল্যান্ডের লিস্টারের এক বায়োমেকানিস্টের কাছেও পাঠিয়েছিল। বোঝাই যাচ্ছে এখনও পুরোপুরি ত্রুটিমুক্ত হননি এই ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার।

অক্টোবর ১১, ২০২০
খেলার দুনিয়া

নাইটদের জয়েও কাঁটা নারিনের হলুদ কার্ড

হলুদ কার্ড দেখে এখন লাল কার্ডের আশঙ্কা। ফুটবলের পরিভাষাতেই বোঝানো যেতে পারে সুনীল নারিনের অবস্থা। কিংস ইলেভেন ম্যাচে রুদ্ধশ্বাস জয়ের পরেও নাইটদের কাঁটা এখন নারিনের বোলিং অ্যাকশন। শনিবারের ম্যাচে আইপিএলের সন্দেহজনক বেআইনি বোলিং অ্যাকশন সংক্রান্ত নিয়ম মেনে নারিনের অ্যাকশন নিয়ে রিপোর্ট জমা দিয়েছেন আম্পায়াররা। তবে এখনও টুর্নামেন্টে বোলিং করতে পারবেন। তবে ফের এমন রিপোর্ট জমা পড়লে বোর্ডের বোলিং অ্যাকশন কমিটির ছাড়পত্র না পাওয়া অবধি হাত ঘোরাতে পারবেন না কেকেআরের ট্রাম্প কার্ড, এই ক্যারিবিয়ান বিস্ময় স্পিনার।

অক্টোবর ১১, ২০২০
খেলার দুনিয়া

"ম্যাচ অফ দ্যা মিলিমিটার" : শেষ বলে ২ রানে নাটকীয় জয় নাইটদের

সংক্ষিপ্ত স্কোর নাইট রাইডার্স: ২০ ওভারে ১৬৪/৬(কার্তিক ৫৮ (২৯), শুভমান ৫৭ (৪৭), অর্শদীপ ১/ ২৫। কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব : ২০ ওভারে ১৬২/৫ রাহুল ৭৪ (৫৮), মায়াঙ্ক ৫৬ (৩৯), প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা ৩/২৯, নারাইন ২/২৮। ম্যাচে ফল : নাইট রাইডার্স ২ রানে জয়ী। "ম্যাচ অফ দ্যা মিলিমিটার"। কলকাতা নাইট রাইডার্স ও কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব ম্যাচ এভাবেই অভিহিত করা যেতে পারে। সুবিধাজনক জায়গা থেকেও জয় অধরা থেকে গেল পাঞ্জাবের। শেষ বলে ২ রানে নাটকীয় জয় নাইটদের। ম্যাচে বারবার পট পরিবর্তন। শুরুটা ভাল না হলেও নাইটরা ১৬৪/৬ রানে পৌঁছয় শুভমান গিল ও দীনেশ কার্তিকের সৌজন্যে। শুভমান করেন ৫৭, কার্তিক ২৯ বলে ৫৮। চতুর্থ উইকেটের জুটিতে দুজনে বলেন ৮২। ব্যাট করতে নেমে দুর্দান্ত শুরু করে কিংস ইলেভেন। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ১১৫। একসময় ২ উইকেটে রান ছিল ১৪৪। এরপরই ম্যাচ ঘুরে যায়। নারাইনের শেষ ২ ওভারই ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট। শেষ বলে ৬ হলে ম্যাচ সুপার ওভারে যেত। গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের শট বাউন্ডারি লাইনের কয়েক মিলিমিটার আগে পড়ল। ৬ হল না ৪ হল। মিলিমিটারেই জিতে ৩ নম্বরে উঠে এল নাইট রাইডার্স।

অক্টোবর ১০, ২০২০
রাজ্য

জাতীয় সড়কের বেহাল সার্ভিস রোডে মাছ ছেড়ে দিয়ে প্রতিবাদ তৃণমূল যুব'র

২ নম্বর ব্লকের জাতীয় সড়কের খানাখন্দে ভরা সার্ভিস রোড। এই সার্ভিস রোডটি দুর্গাপুরের ওল্ড কোর্ট মোড়ের পাশেই অবস্থিত। আর এই ভাঙাচোরা রাস্তার জন্য প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে দুর্ঘটনা। সোমবার এই খানাখন্দে ভরা দুই নম্বর জাতীয় সড়কের সার্ভিস রোডে মাছ ছেড়ে দিয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে নামল দুই নম্বর ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকরা। ওল্ড কোর্ট মোড়ে এদিন অবস্থান বিক্ষোভে বসে পড়েন তৃণমূল যুব কর্মী- সমর্থকরা। দলের যুব শাখার পশ্চিম বর্ধমান জেলার নেতা রূপেশ যাদব বলেন, কেন্দ্রের এসব ব্যাপারে কোনও তাপ-উত্তাপ নেই, শুধু রাজনীতি করতেই ব্যস্ত।বিজেপি সরকারের এই ধরণের দায়িত্বজ্ঞানহীনতার জন্য প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনা।

অক্টোবর ০৫, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ডিজিটাল ক্লাস থেকে খুদেদের প্রাতরাশ, জাতীয় শিক্ষক পুরস্কারে মনোনীত বর্ধমানের পলাশ

শুধু চক-ডাস্টার আর পাঠ্যবইয়ের মধ্যে শিক্ষাকে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রযুক্তিকে হাতিয়ার করে খুদে পড়ুয়াদের কাছে পড়াশোনাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছেন বর্ধমান শহরের শ্রীরামকৃষ্ণ সারদা বিদ্যাপীঠ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পলাশ চৌধুরী। শ্রেণিকক্ষে প্রযুক্তির অভিনব প্রয়োগের পাশাপাশি পড়ুয়াদের মানসিক বিকাশ, পরিবারের ভূমিকা এবং পুষ্টির দিকেও তাঁর নজর। এই বহুমুখী উদ্যোগের স্বীকৃতি হিসেবেই চলতি বছর জাতীয় শিক্ষক পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন তিনি।এ বছর পশ্চিমবঙ্গ থেকে দুজন শিক্ষক জাতীয় শিক্ষক পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন। প্রায় আট বছর পর সেই তালিকায় বর্ধমানের কোনও স্কুলশিক্ষকের নাম উঠে আসায় খুশি পড়ুয়া থেকে অভিভাবকসকলেই। এর আগে ২০১৮ সালে বর্ধমানের কাঞ্চননগর ডি এন দাস হাইস্কুলের শিক্ষক সুভাষচন্দ্র দত্ত জাতীয় শিক্ষক পুরস্কার পেয়েছিলেন।পলাশ চৌধুরীর শিক্ষাদর্শনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল প্রযুক্তির ব্যবহার। শ্রীরামকৃষ্ণ সারদা বিদ্যাপীঠের ক্লাসে পাঠ্যপুস্তকের পাশাপাশি ডিজিটাল ছবি ও লেখার সাহায্যে বিভিন্ন বিষয় পড়ুয়াদের সামনে তুলে ধরা হয়। কঠিন বিষয়কে সহজ করে বোঝাতে ভার্চুয়াল পদ্ধতিও কাজে লাগানো হয়েছে। মহাকাশ কিংবা মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মতো বিষয়গুলিকে ভার্চুয়াল পরিবেশে দেখার সুযোগ পাচ্ছে পড়ুয়ারা। প্রধান শিক্ষকের দাবি, এর ফলে শিশুদের মধ্যে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ এবং জানার কৌতূহল দুটোই বেড়েছে।শিক্ষার বাইরেও পড়ুয়াদের ব্যক্তিত্ব বিকাশের দিকে গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। স্কুলের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল করা পড়ুয়াদের পুরস্কৃত করা হয় না। সেরা হাতের লেখা, উদীয়মান প্রতিভা কিংবা ঘুরে দাঁড়ানোর সেরা উদাহরণ-এর মতো নানা বিভাগে পড়ুয়াদের উৎসাহিত করা হয়। এর মাধ্যমে শিশুদের ভিন্ন ভিন্ন প্রতিভা ও সাফল্যকে স্বীকৃতি দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।পড়ুয়াদের সাফল্যের পিছনে পরিবারের অবদানকেও সামনে এনেছেন পলাশবাবু। সন্তানদের সারা বছর পড়াশোনায় উৎসাহ দেওয়ার জন্য স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের মায়েদের দেওয়া হয় সেরা আপনজন সম্মান। তাঁর মতে, একটি শিশুর সাফল্যের পিছনে পরিবারের সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে। তাই তাঁদের অবদানকেও সম্মান জানানো প্রয়োজন।প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিয়ে অভিভাবকদের সচেতন করতেও স্কুলের উদ্যোগ রয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই সম্পর্কে ধারণা দিতে সম্প্রতি একটি কর্মশালার আয়োজন করা হয়। পলাশ চৌধুরীর বক্তব্য, অনেক অভিভাবক সরাসরি সন্তানদের পড়াশোনায় সাহায্য করতে পারেন না। প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে তাঁরা জানলে সন্তানদের পড়াশোনায় সহযোগিতা করা তাঁদের পক্ষে সহজ হবে।তবে পলাশ চৌধুরীর উদ্যোগ শুধু শ্রেণিকক্ষ কিংবা প্রযুক্তির মধ্যেই থেমে নেই। পড়ুয়াদের শারীরিক পুষ্টির বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে স্কুলে। মিড-ডে মিলের পাশাপাশি প্রধান শিক্ষকের নিজস্ব উদ্যোগ এবং অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সহযোগিতায় চালু হয়েছে প্রাতরাশের ব্যবস্থা। স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের অনেক শিশু সকালে খালি পেটে স্কুলে আসে। তাদের কথা মাথায় রেখেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা, পড়ুয়াদের প্রতিভার স্বীকৃতি, অভিভাবকদের অংশগ্রহণ এবং শিশুদের পুষ্টির প্রতি নজর, সব মিলিয়ে বর্ধমানের এই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিসরকে আরও বিস্তৃত করার চেষ্টা করেছেন পলাশ চৌধুরী। আর সেই কাজেরই স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় শিক্ষক পুরস্কারের মনোনয়ন তাঁর মুকুটে নতুন পালক যোগ করেছে।

আগস্ট ২৭, ২০২৬
দেশ

আরও বাড়তে পারে গঙ্গার জল, বন্যার আশঙ্কায় নদীপাড়ে বাড়ছে উদ্বেগ

গঙ্গার জলস্তর বিপদসীমা অতিক্রম করায় মুর্শিদাবাদের বিস্তীর্ণ নদীতীরবর্তী এলাকায় উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে। ফরাক্কা থেকে সামশেরগঞ্জ, সুতী, লালগোলা, জিয়াগঞ্জ হয়ে জলঙ্গী পর্যন্ত গঙ্গার পাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে তৈরি হয়েছে আতঙ্ক। তার উপর প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার সতর্কবার্তা আসায় ভয় আরও বাড়ছে স্থানীয়দের।সেন্ট্রাল ওয়াটার কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, গঙ্গার জলস্তর বিপদসীমা ২২.২৫ মিটার ছাড়িয়ে বর্তমানে ২২.৭৭ মিটারে পৌঁছেছে। আগামীকাল রাত ৮টার মধ্যে জলস্তর আরও বেড়ে ২২.৮৫ মিটারে পৌঁছতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। নেপালে সাম্প্রতিক ধ্বংসাত্মক হড়কা বানের জেরে অতিরিক্ত জল গণ্ডক নদী হয়ে পাটনায় গঙ্গায় মিশছে। বিহারের পাটনা ও রাজমহল হয়ে সেই জল ফরাক্কায় পৌঁছনোর কারণেই দ্রুত জলস্তর বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।ফরাক্কা ব্যারেজের জেনারেল ম্যানেজার আরডি দেশপান্ডে জানিয়েছেন, আপস্ট্রিম থেকে আসা জলের মধ্যে ফরাক্কার ফিডার ক্যানাল দিয়ে প্রায় ৪০ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হচ্ছে। অন্যদিকে, ফরাক্কার ডাউনস্ট্রিমে প্রায় সাড়ে ১১ লক্ষ কিউসেক জল প্রবাহিত হচ্ছে।সেন্ট্রাল ওয়াটার কমিশনের আধিকারিক সঞ্জীব কুমার জানিয়েছেন, বিকেল ৩টের সময় গঙ্গার জলস্তর ২২.৭৭ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। বিপদসীমার তুলনায় যা অনেকটাই বেশি। তাঁর কথায়, জলস্তর এখনও ঊর্ধ্বমুখী এবং পাটনা ফোরকাস্ট স্টেশনের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামীকাল রাত ৮টার মধ্যে তা ২২.৮৫ মিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। নেপালের হড়কা বানের প্রভাবেই এই জলবৃদ্ধি বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এখনও পর্যন্ত শহরে জল ঢোকার কোনও রেকর্ড নেই এবং পরিস্থিতি সেফ জোনে রয়েছে বলেও জানান তিনি।পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদীপাড়ের বাসিন্দাদের সতর্ক করা হচ্ছে। প্রতি ঘণ্টার আপডেট মেল ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে প্রশাসন ও রাজ্য সরকারকে জানানো হচ্ছে। ফরাক্কার বিডিও সুজয় ব্যাপারী জানিয়েছেন, জলস্তর বাড়ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা ও ব্লক প্রশাসন সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।তবে প্রশাসনের সতর্কবার্তায় আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারাও। ফরাক্কার গঙ্গাপাড়ের বাসিন্দা শরৎ হালদার বলেন, প্রশাসনের দফতর থেকে বারবার সাবধান থাকার মেসেজ আসছে। তাঁর আশঙ্কা, আরও এক মিটার জল বাড়লেই নালা দিয়ে গ্রামে জল ঢুকে পড়তে পারে। টিনের ঘরবাড়িতে বসবাসকারী গরিব মানুষজন বন্যা হলে কোথায় যাবেন, কীভাবে থাকবেনসেই চিন্তাতেই এখন রাত কাটছে তাঁদের।

আগস্ট ২৭, ২০২৬
রাজ্য

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, দুবাই, ইংল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানির শিল্পমহল শিল্পস্থাপনে যথেষ্ট আগ্রহী, দাবি মন্ত্রী তাপস রায়ের

রাজ্যে শিল্পায়ন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহল আগ্রহী বলে দাবি করেছেন শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আন্তর্জাতিক শিল্পমহলে ইতিমধ্যেই যথেষ্ট আগ্রহ তৈরি হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, দুবাই, ইংল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, সিঙ্গাপুর এবং জাপান, মিতসুবিশি-সহ বিভিন্ন দেশের শিল্পপতি ও কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা রাজ্যে বিনিয়োগের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, আগামী দিনে সেমিকন্ডাক্টর হাব, ডেটা সেন্টার, তথ্যপ্রযুক্তি এবং আধুনিক উৎপাদন শিল্পকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গে একটি শক্তিশালী শিল্প পরিকাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে বৃহৎ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করার পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের হারানো শিল্পগৌরব পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলে তিনি জানান। রাজ্যের শিল্পায়ন ও বিনিয়োগ প্রসঙ্গে শিল্পমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে পশ্চিমবঙ্গে নতুন শিল্পায়নের পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। শিল্পনীতি, ল্যান্ড ব্যাংক, ল্যান্ড পলিসি, ইনসেন্টিভ স্কিম এবং Single Window ব্যবস্থাকে কার্যকর করার লক্ষ্যে সরকারের পক্ষ থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন GoM বৈঠকের মাধ্যমে শিল্পক্ষেত্রে নীতি নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে চলেছে বলেও তিনি জানান।রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পরও কিছু ক্ষেত্রে তোলাবাজির অভিযোগ উঠছে। এই প্রসঙ্গে তাপস রায় সরকারের Zero Tolerance নীতির কথা স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন। তিনি জানান, সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থে যে কোনও ধরনের বেআইনি তোলাবাজি এবং সিন্ডিকেট কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণে সরকার কঠোর পদক্ষেপ করবে। অতীতে এই ধরনের কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের উপরও নজরদারি রাখা হচ্ছে বলে তিনি জানান। আইন অমান্য করে কেউ বেআইনি কার্যকলাপে যুক্ত হলে রাজনৈতিক পরিচয় বা পদমর্যাদা নির্বিশেষে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।এদিন ক্যামাক স্ট্রিটে তৃণমূল কংগ্রেসের অফিসে হানা দেয় কলকাতা পুরসভা ও পুলিশ। ওই অফিসে বসেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিনও তিনি ও ডেরেক ওব্রায়েন অফিসে ছিলেন। কলকাতা পুরসভা ও পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধে। শিল্পমন্ত্রী বলেন, সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠানগুলি তাদের আইনানুগ দায়িত্ব পালন করবে। সেই কাজে বাধা সৃষ্টি করলে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার-সহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার প্রশাসনের রয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে সরকার কোনো ধরনের আপস করবে না বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।

আগস্ট ২৭, ২০২৬
কলকাতা

ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের দফতরে পুরসভার হানা, ভেঙে ফেলা হল তৃণমূলের সাইনবোর্ড! ধস্তাধস্তি, আটক ১২

তৃণমূলের দ্বিতীয় ক্ষমতাকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ক্যামাক স্ট্রিটের দফতরকে ঘিরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তীব্র উত্তেজনা ছড়াল কলকাতায়। ৯, ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতরের ছাদে থাকা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস লেখা সাইনবোর্ডকে বেআইনি বলে অভিযোগ তুলে সেটি খুলে দিল কলকাতা পুরসভা। অভিযান ঘিরে পুরকর্মী ও পুলিশের সঙ্গে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে। পুলিশ-পুরসভার কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ১২ জনকে আটক করা হয়েছে।ঘটনার সূত্রপাত কলকাতা পুলিশের একটি অভিযোগকে কেন্দ্র করে। পুলিশ পুরসভাকে জানায়, অভিষেকের দফতরের মাথায় লাগানো ওই বড় বিলবোর্ডটি নিয়ম মেনে বসানো হয়নি। অভিযোগ পাওয়ার পর কলকাতা পুরসভার বিজ্ঞাপন বিভাগের আধিকারিকেরা বৃহস্পতিবার বিকেলে ক্যামাক স্ট্রিটে পৌঁছন।খবর পেয়ে দফতরে হাজির হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় এবং রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন-সহ কয়েক জন। পুরসভার আধিকারিকেরা যে নির্দেশের কপি নিয়ে এসেছিলেন, তার বৈধতা নিয়ে তাঁরা প্রশ্ন তোলেন। দীর্ঘক্ষণ তর্ক-বিতর্কের পর প্রথম দফায় পুরকর্মীরা ফিরে যান।কিন্তু কিছুক্ষণ পর ফের পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে দফতরে পৌঁছন পুরসভার আধিকারিকেরা। এ বার পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ বাহিনী হেলমেট পরে দফতরের ভিতরে ঢোকে। যে অংশে সাইনবোর্ডটি ছিল, সেখানে যাওয়ার পথে বাধার মুখে পড়তে হয় তাঁদের।অভিযোগ, তৃণমূলের কয়েক জন নেতা-কর্মী সিঁড়িতে বসে বা শুয়ে পড়ে পুলিশ ও পুরকর্মীদের আটকানোর চেষ্টা করেন। ধস্তাধস্তির সময় কয়েক জন পুলিশকর্মীকে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগও ওঠে। শেষ পর্যন্ত তালা ভেঙে ছাদে পৌঁছন পুরকর্মীরা। সেখান থেকেই খুলে ফেলা হয় অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস লেখা সাইনবোর্ডটি। পরে তার ভাঙা অংশ ছাদেই পড়ে থাকতে দেখা যায়।এই ঘটনার পরই রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হয়। ঘটনাস্থল থেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি এবং রাজ্যের বিরোধী শিবিরের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, তৃণমূলকে রাজনৈতিক ভাবে কোণঠাসা করার উদ্দেশ্যেই ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে পুরসভার মাধ্যমে হস্তক্ষেপ করা হয়েছে।অভিষেক বলেন, তৃণমূলকে মিটিং-মিছিলের অনুমতি না দেওয়া, দলের নেতাদের আক্রমণ করা এবং পার্টি অফিস ও বিলবোর্ড ভেঙে দেওয়ার মাধ্যমে তাঁদের ভয় দেখানোর চেষ্টা চলছে। তাঁর কথায়, ঘাসফুলকে যত কাটা হবে, ততই তা বাড়বে। একই সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীকেও আক্রমণ করেন তিনি।অভিষেকের আরও অভিযোগ, ক্যামাক স্ট্রিটের ওই এলাকায় ফুটপাত ও বিভিন্ন দোকানের উপরে একাধিক বিলবোর্ড রয়েছে। অথচ শুধুমাত্র তাঁর দফতরের বোর্ডকেই কেন নিশানা করা হল, সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, বেআইনি নির্মাণ ও অন্যান্য অবৈধ বিজ্ঞাপনের বিরুদ্ধে একই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইনি লড়াইয়ের পথেও হাঁটছে তৃণমূল। অভিষেকের তরফে জানানো হয়েছে, পুলিশ ও পুরসভার ভূমিকার বিরুদ্ধে হাই কোর্টে মামলা করা হবে। ইতিমধ্যেই বিষয়টি আদালতে তোলার উদ্যোগ হয়েছে। প্রধান বিচারপতি শুক্রবার বিষয়টি মেনশন করার অনুমতি দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।অন্যদিকে, এর আগে ডায়মন্ড হারবারের আমতলায় অভিষেকের সাংসদ কার্যালয়ের একাংশ বেআইনি নির্মাণ-এর অভিযোগে প্রশাসনের তরফে ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। সেই ঘটনাও আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। তার পর এ বার খোদ কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের দফতরের দলীয় সাইনবোর্ড ভাঙাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হল।ঘটনাস্থলে তৃণমূলের সাধারণ কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি অবশ্য তেমন ছিল না। খবর ছড়ালেও বড় কোনও জমায়েত দেখা যায়নি। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সন্ধ্যার পর থেকেই ক্যামাক স্ট্রিটে বাহিনী বাড়িয়ে দেয়। উত্তেজনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়।এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজায় বিরোধী শিবিরও পিছিয়ে থাকেনি। অভিষেকের দফতরে পুলিশের অভিযান প্রসঙ্গে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় কটাক্ষ করে বলেন, অভিষেক উচ্চমার্গের চার্টার্ড মাফিয়া। তাঁর দাবি, এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দেওয়ার মতো সময় তাঁর নেই।সব মিলিয়ে, এক সময় তৃণমূলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ৯, ক্যামাক স্ট্রিট এখন নতুন রাজনৈতিক সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু। একটি সাইনবোর্ড অপসারণকে ঘিরে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, ১২ জনকে আটক এবং আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারিসব মিলিয়ে ঘটনাটি রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে।

আগস্ট ২৭, ২০২৬
রাজ্য

নেপাল বিপর্যয়ে নিখোঁজ বাংলার পর্যটকরা, উদ্বেগে একাধিক পরিবার

নেপালের ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পর নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক পর্যটকের পরিবারে। কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রার উদ্দেশ্যে নেপালে যাওয়া রাজ্যের বহু পর্যটকের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের হিসাব অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত ৩৬ জনের খোঁজ মিলছে না। নিখোঁজদের মধ্যে কলকাতা ছাড়াও হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পশ্চিম বর্ধমান, দার্জিলিং এবং উত্তর ২৪ পরগনার বাসিন্দারা রয়েছেন।বুধবার নেপাল-চিন সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় ভয়াবহ হড়পা বান নামে। ভোটেকোশী নদীর জল আচমকা ফুলে ওঠায় বিস্তীর্ণ এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিপর্যয়ের জেরে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং এখনও নিখোঁজ রয়েছেন অনেকে। সেই নিখোঁজদের তালিকাতেই রয়েছেন ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রায় যাওয়া পর্যটকেরা।কলকাতা থেকে নেপাল, তারপর আর কোনও খোঁজ নেইকলকাতার নাকতলা ও কসবার দুই বাসিন্দা রিনা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সুস্মিতা ভট্টাচার্যও নিখোঁজদের তালিকায় রয়েছেন। দুজনেই ভ্রমণ সংস্থার সঙ্গে নেপাল গিয়েছিলেন।২১ অগস্ট একটি ৩০ জনের দলের সঙ্গে নেপালের উদ্দেশে রওনা দেন সুস্মিতা। কাঠমান্ডু পৌঁছে পশুপতিনাথ মন্দির দর্শনের পর দলটি কেরুং হয়ে তিব্বত সীমান্তের দিকে এগোয়। সেখান থেকেই পরিবারের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। শেষ দিকে হোয়াট্সঅ্যাপের মাধ্যমে পরিবারের সঙ্গে কথা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন তাঁর পুত্রবধূ।একই ভাবে ২১ অগস্ট নেপালে যাওয়া রিনার সঙ্গেও যোগাযোগ করতে পারছে না পরিবার। ভ্রমণ সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করেও এখনও নিশ্চিত কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।নিখোঁজ মুকুল রায়ের পুত্রবধূওনিখোঁজ পর্যটকদের তালিকায় রয়েছেন প্রয়াত তৃণমূল নেতা মুকুল রায়ের পুত্রবধূ শর্মিষ্ঠা ভৌমিক রায়। গত ২১ অগস্ট একটি ভ্রমণ সংস্থার সঙ্গে নেপালে গিয়েছিলেন তিনি। বুধবারের বিপর্যয়ের পর থেকেই তাঁর সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন।স্বামী শুভ্রাংশু রায়ের দাবি, বিভিন্ন ভাবে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এখনও পর্যন্ত শর্মিষ্ঠার কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।সোনারপুরের লোপামুদ্রারও সন্ধান নেইদক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরের বৈকুণ্ঠপুরের বাসিন্দা সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার লোপামুদ্রা কুন্ডুও নিখোঁজ। পরিবারের সঙ্গে শেষ কথা হওয়ার সময় তিনি জানিয়েছিলেন, চিন সীমান্তের কাছাকাছি রয়েছেন।২১ অগস্ট ৩০ জনের একটি দলের সঙ্গে নেপাল যান লোপামুদ্রা। বুধবার সকালেও পরিবারের সঙ্গে কথা হয়েছিল তাঁর। এরপর থেকেই ফোনে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না।দুর্গাপুরের দুই দম্পতিকে ঘিরে উৎকণ্ঠাপশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুর থেকেও একাধিক পর্যটকের খোঁজ মিলছে না। অম্বুজা টাউনশিপের বাসিন্দা দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী সঙ্ঘমিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায় ২১ অগস্ট কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রার উদ্দেশ্যে নেপাল যান। দেবাশিস দুর্গাপুর ইস্পাত হাসপাতালের কর্মী এবং সঙ্ঘমিত্রা শিক্ষক।একই সঙ্গে দুর্গাপুরের তপোবন সিটি এলাকার বাসিন্দা অরিন্দম গঙ্গোপাধ্যায় ও মৌসুমি গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গেও যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। তাঁদের পরিবার এবং প্রতিবেশীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, বিপর্যয়ের খবর পাওয়ার পর থেকেই ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু কোনও উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না।বসিরহাটের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক দম্পতিও নিখোঁজউত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের খান বাহাদুর রোডের বাসিন্দা স্বপন মণ্ডল ও তাঁর স্ত্রী মৌ মণ্ডলও নেপালে গিয়ে নিখোঁজ। দুজনেই অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। প্রায় এক সপ্তাহ আগে তাঁরা নেপালে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে তাঁদের কৈলাস যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল।প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পর থেকেই তাঁদের মোবাইল ফোন বন্ধ। ফলে পরিবারের উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে।তারকেশ্বরের পর্যটকদের নিয়েও দুশ্চিন্তাহুগলির তারকেশ্বরের চাউলপট্টির বাসিন্দা স্নেহাশিস দত্ত এবং একই এলাকার ভ্রমণ সংস্থার কর্মী জয়ন্ত সান্যালও ওই দলের সঙ্গে ছিলেন। পরিবারের দাবি, বুধবার তিব্বত সীমান্ত পেরোনোর কথা ছিল তাঁদের।স্নেহাশিসের স্ত্রী সোমা দত্ত জানিয়েছেন, বুধবার সকাল ৭টা ২৫ মিনিটে স্বামীর সঙ্গে শেষ কথা হয়েছিল। তিনি জানিয়েছিলেন, তাঁরা অভিবাসন দফতরের দিকে যাচ্ছেন। এরপর থেকেই আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।শিলিগুড়ির সমরের খোঁজে কাঠমান্ডু পাড়ি দাদারদার্জিলিং জেলার শিলিগুড়ির শান্তিনগর-বউবাজার এলাকার বাসিন্দা সমর মণ্ডলও নিখোঁজ। ১৬ অগস্ট একটি ট্র্যাভেল এজেন্সির মাধ্যমে নেপালের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন তিনি। মঙ্গলবার শেষ বার পরিবারের সঙ্গে কথা হয়।কৈলাস যাত্রার পথে তাঁর শারীরিক অসুস্থতাও হয়েছিল বলে পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে। বুধবার কাঠমান্ডু ফিরে আসার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু বিপর্যয়ের পর আর কোনও খবর না মেলায় ভাইয়ের খোঁজে তাঁর দাদা ইতিমধ্যেই কাঠমান্ডুর উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।৬৮ বছরের অনিতাকে ঘিরেও উৎকণ্ঠাহাওড়ার আন্দুল হাটগাছা এলাকার ৬৮ বছরের অনিতা দাসও নেপাল-তিব্বত সীমান্তের কাছে নিখোঁজ বলে পরিবার জানিয়েছে। কৈলাস-মানস সরোবর যাওয়ার দীর্ঘদিনের ইচ্ছা ছিল তাঁর।মঙ্গলবার সকালে ছেলের সঙ্গে শেষ কথা হয়েছিল অনিতার। তখন তিনি জানিয়েছিলেন, তাঁরা সীমান্তের কাছাকাছি রয়েছেন। এরপর থেকেই তাঁর ফোন বন্ধ।প্রশাসনের তৎপরতার দিকে তাকিয়ে পরিবারনেপালের বিপর্যয়ের পর একের পর এক পর্যটকের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে বাংলার বিভিন্ন পরিবারে। কেউ শেষ ফোনকলের অপেক্ষায়, কেউ আবার আত্মীয়ের খোঁজে প্রশাসনের দ্বারস্থ হচ্ছেন।নিখোঁজ পর্যটকদের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য না পাওয়া পর্যন্ত উৎকণ্ঠা কাটছে না পরিবারগুলির। উদ্ধারকাজ এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হওয়ার দিকে তাকিয়ে রয়েছেন তাঁরাকখন আসে বহু প্রতীক্ষিত সেই ফোন, সেই আশাতেই দিন গুনছেন স্বজনেরা।

আগস্ট ২৭, ২০২৬
রাজ্য

৩১ অগস্টের পরেও কি থাকবে চাকরি? ২৬ হাজার মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল সংক্রান্ত মামলায় আপাতত বড় স্বস্তি পেলেন যোগ্য প্রার্থীরা। ২০১৬ সালের স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আগের নির্দেশই আপাতত বহাল থাকছে। ফলে নতুন করে শুনানি এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত যোগ্য হিসেবে চিহ্নিত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের চাকরি নিয়ে তাৎক্ষণিক অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে না।২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর দীর্ঘ আইনি লড়াই শুরু হয়। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পর বিষয়টি গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। ২০২৫ সালের ৩ এপ্রিল শীর্ষ আদালত ২০১৬ সালের পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিলের নির্দেশ দেয়। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যোগ্য ও অযোগ্য প্রার্থীদের নির্ভুল ভাবে আলাদা করা সম্ভব হয়নি।পরবর্তী সময়ে রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা এবং স্কুলগুলিতে শিক্ষক-সংকটের কথা মাথায় রেখে যোগ্য শিক্ষকদের সাময়িক ভাবে চাকরিতে বহাল থাকার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। সেই অন্তর্বর্তী নির্দেশ অনুযায়ী ৩১ অগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত তাঁদের চাকরি বহাল থাকার কথা ছিল। একই সঙ্গে নতুন করে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদে নতুন নিয়োগ সম্পূর্ণ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে আদালতের দ্বারস্থ হন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের বক্তব্য, এত অল্প সময়ের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ না হলে যোগ্য শিক্ষকরা ফের চাকরি হারানোর আশঙ্কায় পড়বেন।এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানিতে জানানো হয়েছে, নতুন অন্তর্বর্তী আবেদনের ভিত্তিতে চূড়ান্ত শুনানি না হওয়া পর্যন্ত আগের নির্দেশই কার্যকর থাকবে। ফলে আপাতত যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য স্বস্তির পরিস্থিতি তৈরি হল।তবে এই নির্দেশকে চূড়ান্ত রায় হিসেবে দেখা হচ্ছে না। পরবর্তী শুনানিতে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়, তার উপরই নির্ভর করবে ২৬ হাজার চাকরি মামলায় যোগ্য শিক্ষকদের ভবিষ্যৎ। ফলে আপাতত স্বস্তি মিললেও পুরোপুরি অনিশ্চয়তা কাটছে না।

আগস্ট ২৫, ২০২৬
রাজ্য

লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? বিষয়টা হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী। আসল অভিমুখের সমস্যা দেখুন।

মানবিক আচরণ করুন, পার্কস্ট্রিটের ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে কুণালফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই পার্কস্ট্রিটের ওই ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। এদিন তিনি ওই পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। একই সঙ্গে পার্কস্ট্রিট থানার পুলিশের কাছেও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মানবিক আচরণের আবেদন জানান তিনি।কুণাল ঘোষের বক্তব্য, ফুটপাথে বসবাসকারী মানুষও সমাজেরই অংশ। তাঁদের সঙ্গে সহানুভূতিশীল ও মানবিক আচরণ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে কোনও পরিবারের শিশু, মহিলা বা অসহায় সদস্যদের বিষয়টি বিবেচনা করে প্রশাসনের আরও সংবেদনশীল হওয়া উচিত বলেই মনে করেন তিনি।অগ্নিমিত্রা পালের আচরণ ও মন্তব্য প্রসঙ্গে কুণালের বক্তব্যের মূল সুর ছিলকোনও সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে অসহায় মানুষকে হেয় বা অপমান করা উচিত নয়। ফুটপাথে কেন কোনও পরিবারকে থাকতে হচ্ছে, সেই বৃহত্তর সামাজিক ও মানবিক সমস্যাটিও প্রশাসনকে দেখতে হবে। সামাজ মাধ্যমে এক ব্যক্তির প্রশ্নের উত্তরে কুনাল ঘোষ লেখেন, দিল্লী বা লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? রাস্তায় ভিক্ষুক এ বিষয়টার থেকেও গুরুত্বপূর্ন হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী বলেন কুনাল ঘোষ।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাম ও তৃণমূল শিবির থেকে অগ্নিমিত্রা পালের সমালোচনা শুরু হয়েছে। বাম নেত্রী কনীনিকা ঘোষও পুরমন্ত্রীর আচরণের নিন্দা করেছেন।যদিও রাজনৈতিক চাপানউতোরের মাঝেই অগ্নিমিত্রা পালের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচি। তাঁর দাবি, ওই পরিবারের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই পুরমন্ত্রী পদক্ষেপ করেছিলেন। বিষয়টিকে নেগেটিভ ভাবে তুলে ধরা হচ্ছে বলেও দাবি তাঁর।ফলে ফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্ক ক্রমেই রাজনৈতিক তরজায় পরিণত হয়েছে। একদিকে ফুটপাথবাসী পরিবারের প্রতি মানবিক আচরণের দাবি, অন্যদিকে তাঁদের নিরাপত্তার যুক্তিদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি।

আগস্ট ২৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

যুবভারতীতে লাল-হলুদ ঝড়, বাগানকে উড়িয়ে ২২ বছর পর ডুরান্ড ইস্টবেঙ্গলের

২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফের ট্রফি ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল। ডার্বির মঞ্চে এমন একতরফা জয় যে লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছেও ছিল প্রায় অবিশ্বাস্য। আর সেই জয়ের কেন্দ্রে একটাই নামএডমুন্ড লালরিনডিকা। দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে তিনিই হয়ে উঠলেন রাতের নায়ক।গ্রুপ পর্বে মোহনবাগানের কাছে হারের যন্ত্রণা ছিল ইস্টবেঙ্গলের। ফাইনালের মঞ্চে সেই হারের জবাব দেওয়ার সুযোগও ছিল। কিন্তু জবাবটা যে এতটা নির্মম হবে, তা সম্ভবত কেউই ভাবেননি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তুলে মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল করে ইস্টবেঙ্গল কার্যত ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলে।শুরুটা করেন বিপিন সিংহ। মোহনবাগানের রক্ষণ তখনও নিজেদের মধ্যে সামলে ওঠার চেষ্টা করছে। সেই সুযোগেই ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ পৌঁছে যায় বিপজ্জনক জায়গায়। বিপিনের গোলের পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে লাল-হলুদ আক্রমণ। মুহূর্তের মধ্যে জোড়া গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন এডমুন্ড।৩-০ পিছিয়ে গিয়ে মোহনবাগান কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। মনবীর সিংহ ব্যক্তিগত দক্ষতায় একটি গোল শোধও করেন। কিন্তু সেই প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ফের গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন এডমুন্ড। এক ফাইনালের প্রথমার্ধেই চার গোলতার মধ্যে তিনটি একই ফুটবলারের! যুবভারতীর গ্যালারিতে তখন কার্যত লাল-হলুদ উৎসব।দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ছিল ইস্টবেঙ্গলের হাতে। সবুজ-মেরুন আক্রমণে সেই ধার দেখা যায়নি, যা একটি ডার্বি ফাইনালে প্রত্যাশিত। বরং ইস্টবেঙ্গল সুযোগ পেলেই দ্রুত আক্রমণে উঠে এসেছে এবং আরও গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ স্কোরলাইনেই শেষ হয় ম্যাচ।ইস্টবেঙ্গলের সাফল্যের অন্যতম বড় কারণ ছিল দলের সামগ্রিক সংগঠন। মাঝমাঠে মহম্মদ রশিদ ছিলেন অসাধারণ। বল নিয়ন্ত্রণ, পাসিং এবং খেলা পরিচালনায় বারবার তিনি মোহনবাগানের ছন্দ নষ্ট করেছেন। তাঁর সঙ্গে জিকসন সিংহ, আনোয়ার আলি এবং জয় গুপ্তারাও নিজেদের দায়িত্ব নিখুঁত ভাবে পালন করেন।অন্যদিকে মোহনবাগানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে দাঁড়ায় রক্ষণ। শুভাশিস বসু, আলবের্তো রদ্রিগেজ়দের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব বারবার প্রকট হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের দ্রুত আক্রমণের সামনে তাঁরা অনেক সময়ই দিশেহারা হয়ে পড়েন। বিশেষ করে তৃতীয় ও চতুর্থ গোলের ক্ষেত্রে রক্ষণভাগের ভুল চোখে পড়ার মতো।মাঝমাঠেও মোহনবাগান প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেনি। আপুইয়া এবং অনিরুদ্ধ থাপা কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন। আক্রমণে জেমি ম্যাকলারেনও একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। মনবীর গোল করলেও দলকে ম্যাচে ফেরানোর মতো ধারাবাহিকতা তৈরি করতে পারেননি।ফাইনালের আগে মোহনবাগানের ক্লান্তি নিয়ে আলোচনা ছিল। শিলংয়ে সেমিফাইনাল, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং কর্দমাক্ত মাঠে খেলার ধকলসবই ছিল। কিন্তু ডার্বির মতো বড় ফাইনালে সেই ক্লান্তিকে অজুহাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ইস্টবেঙ্গলও একই টুর্নামেন্টের চাপ সামলে মাঠে নেমেছিল, অথচ তাদের ফুটবলারদের মধ্যে ছিল অনেক বেশি তাগিদ, ক্ষুধা এবং জয়ের মানসিকতা।আর সেই মানসিকতারই সবচেয়ে বড় প্রতিফলন এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে। তিন গোল করে শুধু ম্যাচের সেরা ফুটবলারই হলেন না, ডুরান্ডের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গলের প্রত্যাবর্তনের রাতটিকেও নিজের নামে লিখে দিলেন তিনি।মজার বিষয়, ম্যাচের বিভিন্ন পরিসংখ্যানে মোহনবাগান কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও তার কোনও প্রভাব পড়েনি স্কোরলাইনে। কারণ ফুটবল শুধু বল দখল বা শটের সংখ্যা দিয়ে জেতা যায় নাবড় ম্যাচে প্রয়োজন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সুযোগকে গোলে পরিণত করার ক্ষমতা। সেই পরীক্ষায় রবিবার সম্পূর্ণ সফল ইস্টবেঙ্গল।২২ বছর আগে শেষ বার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর দীর্ঘ অপেক্ষা, হতাশা এবং একের পর এক অসম্পূর্ণ স্বপ্ন। সেই অপেক্ষার অবসান হল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে হারিয়েই। ফলে এই জয় শুধু একটি ট্রফি জয় নয়লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে এটি দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফিরে পাওয়া গৌরবের রাত।একদিকে এডমুন্ডের হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের বিপর্যয়সব মিলিয়ে যুবভারতীতে রবিবারের ডার্বি যেন হয়ে রইল এক লাল-হলুদ ঝড়ের রাত।তবে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মনে হয়তো শেষ পর্যন্ত একটাই আক্ষেপ থেকে গেলচার নয়, আরও কয়েকটি গোল হতে পারত!

আগস্ট ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal