• ১৯ কার্তিক ১৪৩৩, রবিবার ০৮ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

High Court

রাজ্য

শেষ দিনে ইডির দফতরে নথি জমা দিলেন অভিষেক

১০ অক্টোবরের মধ্যে ইডির কাছে সব নথি জমা করতে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিট নাগাদ তৃণমূলের শীর্ষ নেতার পক্ষ থেকে একগুচ্ছ নথি কেন্দ্রীয় এজেন্সির কাছে জমা দেওয়া হয়।আজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নথি জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল। এদিন সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ নাগাদ দুজন ব্যক্তি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট দপ্তরে আসে। তাঁরা আটটা নাগাদ বেরিয়ে যায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দপ্তর থেকে। তাদের প্রশ্ন করলে তারা কোন উত্তর দেয়নি। ED সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নথি জমা দিতেই তারা ED দপ্তরে এসেছিলেন। তাঁরা নথি জমা দিয়েছেন।নথি জমা দেওয়ার জন্য ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ অনুযায়ী রাত ১২টা পর্যন্ত অভিষেকের হাতে সময় ছিল। তার কিছু সময় আগে নথি জমা পড়ল। মঙ্গলবার বিকেলেই অভিষেকের নথি জমা সংক্রান্ত বিষয়টি আদালতকে জানিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। জানা গিয়েছে, এই প্রসঙ্গে বিচারপতি অমৃতা সিনহা বলেছেন, আদালতের নির্দেশ পালন না করলে অভিষেকের বিরুদ্ধে ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ অনুযায়ী পদক্ষেপ করতে পারবে ইডি।নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় উঠেছে লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর নাম। এই সংস্থার সিইও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কালীঘাটের কাকুকে জেরায় যা জানতে পারে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সেই সূত্রেই ইডি তলব করে অভিষেককে। নিয়োগ মামলায় ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদের কাছ থেকে কী কী নথি প্রয়োজন তা আদালতে বুঝিয়ে দেয় ইডি।এরপরই বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশ নিয়ে প্রশ্ন তুলে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিচারপতি সৌমেন সেন ও বিচারপতি উদয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ ছিল, নথি ১০ অক্টোবর অভিষেককে জমা দিতেই হবে। তদন্তের স্বার্থেই সেসব নথির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে উল্লেখ ছিল, ১০ তারিখে নথি জমা দিলে, তা খতিয়ে দেখবে ইডি। তারপরও জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজনীয়তা থাকলে ৪৮ ঘণ্টা আগে নোটিস দিয়ে তলব করতে হবে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ডকে।এদিন নিয়োগ দুর্নীতি মামলা ফের বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে ওঠে। ইডির আইনজীবী আদালতে জানান, এই মামলায় এখনও পর্যন্ত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও নথি জমা দেননি। তখন বিচারপতি সিনহা জানতে চান ডিভিশন বেঞ্চ নথির হার্ড কপি নাকি সফট কপি চেয়েছিল। জবাবে ইডির আইনজীবী জানান, অভিষেককে হার্ড কপি দেওয়ার কথাই বলা হয়েছিল। সফট কপির বিষয়টি জানা নেই।এরপরই বিচারপতি অমৃতা সিনহা জানান, আদালতের নির্দেশ না মানলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে পারবে ইডি। কিন্তু সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই নথি জমা দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

অক্টোবর ১০, ২০২৩
রাজ্য

নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ইডিকে নথি জমা দিতে হবে অভিষেককে, পেলেন না আদালতের রক্ষাকবচও

প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ৯ অক্টোবর ইডি দফতরে হাজিরা দিতে হচ্ছে না তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কিন্তু, তাঁকে রক্ষাকবচও দিল না কলকাতা হাইকোর্টের ডিভেশন বেঞ্চ। ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, ইডির দাবি মত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১০ অক্টোবরের মধ্যেই সব নথি জমা করতে হবে। এর চেয়ে ১ ঘন্টাও বেশি সময় তাঁকে দিতে নারাজ কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। সেই জমা করা নথিতে সন্তুষ্ট না হলে ইডি ফের অভিষেককে তলব করতে পারবে। তবে ৪৮ ঘণ্টা আগে সমন পাঠাতে হবে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদকে।ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, ৯ অক্টোবর ইডি দফতরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হাজিরা দিতে হবে না। আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে অভিষেককে সব নথি ইডির কাছে দিতে হবে। তিনি কোনও নথি জমা দিতে না পারলে ইডির সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। কিন্তু আদালত আর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে এক ঘণ্টাও অতিরিক্ত সময় দেবে না। অভিষেকের জমা দেওয়া নথিতে সন্তুষ্ট না হলে তাঁকে হাজিরা দিতে বলতে পারে ইডি। এক্ষেত্রের সমন করার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে উচ্চ আদালত। অভিষেককে সমন পাঠাতে হলে পুজোর আগে অর্থাৎ ১৯ অক্টোবরের আগে বা পুজোর পরে অর্থাৎ ২৬ অক্টোবরের পরে পাঠাতে হবে।তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ৩ অক্টোবর ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। পরে বিচারপতি অমৃতা সিনহার একক বেঞ্চের নির্দেশ ছিল ওইদিন তদন্ত প্রক্রিয়া যেন ব্যাহত না হয় তা ইডিকে দেখতে হবে। অভিষেক অবশ্য ওইদিন ইডির দফতরে যাননি। বদলে তিনি সিঙ্গল বেঞ্চের ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হন।অভিষেক আদালতকে জানিয়েছিলেন, একক বেঞ্চ ওই নির্দেশ দিতে পারে না। বুধবার অভিষেকের সেই আবেদনের শুনানি হয় ডিভিশন বেঞ্চে। ডিভিশন বেঞ্চ অবশ্য সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেয়নি। উল্টে একটি প্রস্তাব রাখে ইডির কাছে। যাতে বলা হয়, যা যা নথি চাওয়া হয়েছে অভিষেককে তা দিতে হবে। তাতে সন্তুষ্ট না হলে তদন্তের প্রয়োজনে অভিষেককে তলব করতে পারবে ইডি। ১২ অক্টোবর অভিষেক নথি দেবেন ইডিকে। সব নথি খতিয়ে দেখে পুজোর পরে নয় নতুন করে সমন পাঠাবে ইডি। পাশাপাশি, অভিষেককে তদন্তে সহযোগিতার কথা বলা হয়।বৃহস্পতিবার ইডির বক্তব্য শোনার পরই মামলাটির শুনানি শেষ হয় ডিভিশন বেঞ্চে। তবে রায়দান স্থগিত রয়েছে। এদিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্ত প্রক্রিয়ায় অসন্তুষ্ট কলকাতা হাইকোর্ট। এবার সময়সীমা বেঁধে দিয়ে নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত শেষ করতে ইডি-কে নির্দেশ দিল ডিভিশন বেঞ্চ। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই এই তদন্ত শেষ করতে হবে হবে বলে দির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিচারপতির স্পষ্ট কথা, তদন্তের নামে গড়িমসি চলবে না।

অক্টোবর ০৬, ২০২৩
রাজ্য

বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মুখেও 'ভাইপো' মন্তব্য, কি বললেন তিনি?

এবার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মুখেও ভাইপো। কোভিড ক্ষতিপূরণের একটি মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মুখে ভাইপো মন্তব্য। চোলাই মদ খেয়ে মারা গেলে ২ লাখ, কোভিড মৃত্যুতে কত? প্রশ্ন বিচারপতির। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।এদিন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন,কে একটা ভাইপো আছে, তাঁর বাড়ি ৪ তলা। কোটি টাকার বাড়ি, কোথা থেকে আসে এত টাকা? চোলাই মদ খেয়ে মারা গেলে ২ লাখ, কোভিডে মৃত্যুতে কত? আদৌ কি টাকা দেওয়া হয়?২০২০ সালের ১ অগাস্ট করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছিল উত্তর ২৪ পরগনার প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক বিভূতিকুমার সরকারের। ওই শিক্ষকের মৃত্যুর পরেও সরকারি চাকরি বা আর্থিক ক্ষতিপূরণ মেলেনি বলে অভিযোগ তাঁর স্ত্রীর। শেষমেশ চাকরি না পেয়ে তাঁর স্ত্রী কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। শুক্রবার সেই মামলাটিই উঠেছিল বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে।এই মামলার প্রেক্ষিতেই রাজ্য সরকারের আইনজীবীকে উপরোক্ত প্রশ্নগুলি করেছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। এব্যাপারে রাজ্য সরকারের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৩
রাজ্য

শর্তসাপেক্ষে আগাম জামিন নওশাদের, নির্দেশ মতো থানায় হাজিরা

সহবাস ও ধর্ষণ সংক্রান্ত মামলায় শর্তসাপেক্ষে আগাম জামিন মঞ্জুর হল ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির। সোমবার আগাম জামিন মঞ্জুর করেছে কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ।হাইকোর্টের নির্দেশ, তদন্তে সবরকম সহযোগিতা করতে হবে নওশাদকে। হাইকোর্ট জানিয়েছে, তদন্তকারী আধিকারিকের অনুমতি ছাড়া রাজ্যের বাইরে যেতে পারবেন না নওশাদ। এছাড়াও, নওশাদ সিদ্দিকিকে সপ্তাহে দুদিন তাঁকে বউবাজার থানায় হাজিরা দিতে হবে।ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদের বিরুদ্ধে সহবাস, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ করেন মুর্শিদাবাদের ডোমকল শহর তৃণমূল কমিটির অন্যতম সাধারণ সম্পাদিকা। ওই তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে কলকাতার বৌবাজার থানায় নওশাদ সিদ্দিকির বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা দায়ের হয়। এফআইআরে অভিযোগকারিণীর দাবি, দেড় বছর আগে তাঁকে বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিটে নিজের অফিসে আটকে রেখে ধর্ষণ করেছেন নওশাদ। পরে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েও বেশ কয়েক বার সহবাস করেছেন আইএসএফ বিধায়ক। অভিযোগ, এরপর অভিযোগকারিণী বিয়ের জন্য চাপ দিলে তাঁকে এড়িয়ে যেতে থাকেন নওশাদ। বিধায়ক কখনও নিজে, কখনও সহকারীদের দিয়ে তরুণীকে হুমকি দিয়েছেনএরপর গত ৭ জুলাই আগাম জামিনের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন নওশাদ সিদ্দিকি। মামলা দায়েরের অনুমতি দেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নওশাদকে এদিন আগাম জামিন দিল কলকাতা হাইকোর্ট।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২৩
রাজ্য

বুলডোজারের কথা বললেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, বেআইনি নির্মাণে কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ

শিক্ষাক্ষেত্রে একাধিক সিবিআই তদন্তের নির্দেশ থেকে একের পর এক রায়ে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পরিচিতি এখন বাংলার ঘরে ঘরে। তিনি দুর্নীতির লড়াইয়ে দমবেন না সেকথা বারে বারে ঘোষণা করেছেন। এবার কলকাতা পুরসভা এলাকায় বেআইনি নির্মাণ নিয়ে কি ধরনের পদক্ষেপ করতে তা বোঝাতে বুলডোজার তত্ত্ব সামনে নিয়ে এলেন। কোনও গুন্ডাগিরি বরদাস্ত করা হবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন বিচারপতি।কলকাতা পুর এলাকায় বেআইনি নির্মাণ আটকাতে কীভাবে পদক্ষেপ করতে হবে? শুক্রবার তা বোঝাতে গিয়ে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের প্রসঙ্গ টানলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। মহানগরে বেআইনি নির্মাণ সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানিতে বিচারপতি বলেন, দরকার পড়লে যোগী আদিত্যনাথের থেকে কিছু বুলডোজ়ার ভাড়া করুন। সেই সঙ্গেই তাঁর হুঁশিয়ারি, কোনও গুন্ডামি বরদাস্ত করা হবে না, গুন্ডাদের কীভাবে শায়েস্তা করতে হয় তা আমি জানি।কলকাতা পুরসভা এলাকায় বেআইনি নির্মাণের বহু অভিযোগ রয়েছে। তা নিয়ে মামলাও চলছে বছরের পর বছর ধরে। বেআইনি নির্মাণগুলির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান বোঝাতে গিয়ে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের মুখে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এবং বুলডোজার শব্দের ব্যবহার বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় এদিন কলকাতা পুলিশের গুন্ডাদমন শাখার প্রশংসা করে বলেন, কলকাতা পুলিশের গুন্ডাদমন শাখার আধিকারিকেরা জানেন, কী ভাবে গুন্ডাদের শায়েস্তা করতে হয়। তবে পুলিশ আর পুরসভা নিয়ে আমি কিছু বলব না। আমি জানি তাদের কী বাহ্যিক চাপের মুখে কাজ করতে হয়।

জুলাই ২৮, ২০২৩
রাজ্য

পূর্ব বর্ধমানের পর্ষদ চেয়ারম্যান মধুসূদন ভট্টাচার্যকে বরখাস্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

প্রাথমিকের পোস্টিং দুর্নীতির তদন্তে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশে তোলপাড় কাণ্ড। মঙ্গলবার রাতেই অপসারিত পর্ষদ সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে জেরা করতে প্রেসিডেন্সি জেলে পৌঁছেছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এরপর বুধবার সকাল থেকে মানিককে দফায় দফায় জেরা চলে। এসবের মধ্যেই এদিন হাইকোর্টে ফের কড়া নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যানকে বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। হাইকোর্টের তরফে শিক্ষা দফতরের সচিবকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।পূর্ব বর্ধমানের প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন মেমারির তৃণমূল বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য। শিক্ষকের স্থানান্তর সংক্রান্ত একটি মামলার প্রেক্ষিতে এর আগে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ ছিল, পূর্ব বর্ধমান জেলা শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যানকে আদালতে হলফনামা জমা দিতে হবে। কিন্তু চেয়ারম্যানের পরিবর্তে পর্ষদের একজন আপার ডিভিশন ক্লার্ক এই হলফনামা জমা দেওয়ায় চরম অসন্তুষ্ট কলকাতা হাইকোর্ট। সেই কারণে পর্ষদ চেয়ারম্যানকে ছুটিতে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।কেন তিনি নিজে যাননি? তারওপর আপার ডিভিশন ক্লার্ককে পাঠিয়েছেন দিয়ে হলফনামা জমা দিতে। জবাবে মধুসূদন ভট্টাচার্য আদালতে জানান, তিনি করোনা ও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ছিলেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণেই তিনি নিজে না গিয়ে অন্য একজন পর্ষদ কর্মীকে দিয়ে হলফনামা জমা করিয়েছেন। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছে ক্ষমাপ্রার্থনাও করেন তৃণমূল বিধায়ক।মধুসূদনের বক্তব্য শুনে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, অসুস্থ হলে পদত্যাগ করুন। অন্য লোক কাজ করবেন। আমি মনে করি আপনি শারীরিকভাবে এই পদে কাজ করতে অপারগ। এরপরই পর্ব বর্ধমানের জেলা পর্ষদের চেয়ারম্যানকে ছুটিতে পাঠানোর নির্দেশের দেন বিচারপতি। পাশাপাশি শিক্ষাসচিবকে আদালতের নির্দেশ কার্যকরে উপযুক্ত পদক্ষেপ করতে বলেন।দিল্লি থেকে দুপুরে কলকাতায় ফিরে বিমানবন্দরে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় প্রণম্য। আমি আমার রাজনৈতিক পরিচয় সরিয়ে বলছি, উনি সমাজ সংস্কারক। তাঁর একের পর এক নির্দেশ বঞ্চিত হাজার হাজার চাকরিপ্রার্থীদের আশার আলো দেখাচ্ছে। শুধু চাইব দোষীদের শাস্তি হোক।

জুলাই ২৬, ২০২৩
রাজ্য

একবেলায় পঞ্চায়েত নির্বাচনের ৭৩টি মামলার শুনানি! সোমবারই রেকর্ড হাইকোর্টে

হাইকোর্টে একাধিক রাজনৈতিক মামলা চলতে থাকায় বিরক্ত বিচারপতিদের একাংশ। আর সোমবার মাত্র একবেলায় সদ্যসমাপ্ত পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে মোট ৭৩টি মামলার শুনানি হতে চলেছে। আদালতের বিভিন্ন এজলাসে এই মামলাগুলো চলবে। ৭৩টি মামলার মধ্যে ২৬টি জনস্বার্থ মামলা। জনস্বার্থ মামলাগুলোর শুনানি হবে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের এজলাসে। বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের এজলাসে রয়েছে ১৬টি মামলা। বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে রয়েছে ২৮টি মামলা।একদিনে পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে ৭৩টি মামলা শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত হওয়ায় বিস্মিত হাইকোর্টের আইনজীবীরাও। তাঁরা এই ঘটনাকে নজিরবিহীন আখ্যা দিয়েছেন। আইনজীবীদের মতে, ইতিমধ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে দায়ের মামলা ১০০ ছাড়িয়েছে। তারপরও মামলার সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে।সোমবারের উল্লেখযোগ্য মামলাগুলোর মধ্যে রয়েছে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর দায়ের করা মামলাও।

জুলাই ২৩, ২০২৩
রাজ্য

গণনাকেন্দ্র, প্রার্থী ও এজেন্টদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন কলকাতা হাইকোর্ট

ভোটের আগে বেলাগাম হিংসার ছবি বাংলায়। এখনও বাকি ভোট। তারপরও হিংসার আশঙ্কা করছেন বিরোধী দলগুলো। এই প্রেক্ষিতে গণনাকেন্দ্র, প্রার্থী ও এজেন্টদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন কলকাতা হাইকোর্ট। বুধবার বিচারপতি অমৃতা সিনহা নির্দেশ দিয়েছেন, ভোটের পর গণনাকেন্দ্রের নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। নিরাপত্তা দিতে হবে রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও এজেন্টদের।৮ই জুলাই, আগামী শনিবারই পশ্চিমবঙ্গে এক দফায় হতে চলেছে পঞ্চায়েত নির্বাচন। ভোটের আগে যে ভাবে রাজ্যে বেগালাম হানাহানি চলছে, প্রাণ যাচ্ছে, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন কলকাতা হাইকোর্ট। পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে একাধিক মামলা চলছে আদালতে। এক মালায় এদিন ২০১৮-র পঞ্চায়েত ভোটের ভয়ঙ্কর স্মৃতি ও ২০২১ সালের বিধানসভায় ভোটের দিন ও ভোট পরবর্তী হিংসার কথা তুলে ধরে এদিন মামলাকারীর তরফে আদালতে তথ্য তুলে ধরা হয়। প্রার্থী ও এজেন্টদের নিরাপত্তার দাবিতে প্রথমে মামলাকারী কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। সেখানে সুবিচার না মেলায় মামলা করেন আদালতে।

জুলাই ০৬, ২০২৩
রাজ্য

পঞ্চায়েত ভোটে হাইকোর্টের নজিরবিহীন নির্দেশ

রাজ্য নয় দেশের নির্বাচনী ইতিহাসে আদালতের নজিরবিহীন নির্দেশ। এবার পঞ্চায়েত ভোটেও সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল কলাকাত হাইকোর্ট। হাওড়ার উলুবেড়িয়ার একটি ঘটনার প্রেক্ষিতে এই সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা।উলুবেড়িয়া ২ নম্বর ব্লকে কাশ্মীরা বিবি ও ওমজা বিবি নামের দুজন মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। অভিযোগ, স্ক্রুটিনিতে তাঁদের ফর্ম বাতিল করে দেওয়া হয়। যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন তা বিডিও অফিসে বিকৃত করা হয়। এমনকী বিডিওর কাছে অভিযোগ জানাতে গেলেও তা নেওয়া হয়নি। এরপরই ন্যায্য বিচারের আশায় ওই দুই প্রার্থী আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ৭ জুলাই পঞ্চায়েতের নথি সংক্রান্ত তদন্তের রিপোর্ট আদালতে পেশ করতে হবে সিবিআইকে। ৮ জুলাই হবে পঞ্চায়েত ভোট।কেন রাজ্য পুলিশে আস্থা রাখলেন না বিচারপতি? বিচারপতি সিনহার যুক্তি, রাজ্য পুলিশকে এই তদন্তভার দেওয়া যাবে না। কারণ যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি রাজ্য সরকারি কর্মচারী। তাই নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য সিবিআইকেই এই ভার দেওয়া প্রয়োজন।পঞ্চায়েত ভোটে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলা করেছিলেন বিরোধীদের একাংশ। সেই মামলার শুনানিতে বুধবার হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা বলেন, সে প্রসঙ্গেই বিচারপতি সিনহা মন্তব্য করেন, একটি নির্বাচন ঘিরে এত অভিযোগ। এটা রাজ্যের পক্ষে লজ্জার! রাজ্যের উচিত, আদালতের নির্দেশ মতো আইনশৃঙ্খলার বিষয়টি সঠিক ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা। অশান্তি, রক্তপাত, জীবনহানি হলে নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়া উচিত। বিচারপতি সিনহার পর্যবেক্ষণ, অশান্তির জন্য যদি কোনও প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিতে না পারেন, তবে তাঁদের অতিরিক্ত সময়ও দেওয়া উচিত কমিশনের।

জুন ২১, ২০২৩
রাজ্য

ধুতি-পাঞ্জাবিতে ভাইরাল বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, কটাক্ষ কুণালের

বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এখন বাংলার অতি পরিচিত নাম। নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে একের পর এক তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্টের এই বিচারপতি। শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগের ঘুঘুর বাসা ভাঙতে তৎপর তিনি। একদিকে চাকরি বাতিল করেছেন, আবার চাকরি দিয়েছেন তিনি। এককথায় সম্প্রতি হাইকোর্টে যুগান্তকারী নির্দেশ ও রায় দেওয়ার জন্য তিনি পূজিত হয়েছেন আবার সমালোচিতও হয়েছেন। এবার সেই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের কোচা দেওয়া ধুতি-পাঞ্জাবি পরা ছবি রীতিমতো ভাইরাল। তাঁর এই ভাইরাল ছবি পোস্ট করে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ।বেশ কিছু দিন আগে রাজ্যের একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দিয়ে বিতর্কে জড়ান অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায়। এমনকী বিষয়টি সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে দুটি নিয়োগ দুর্নীতির মামলা থেকে সরিয়ে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। তবে তিনি যে দমবার পাত্র নয় সেটা তিনি বারে বারে বুঝিয়ে দিয়েছেন।অপূর্ব।বিচারপতিরা আর কী কী করেন দেখি।জলি এল এল বির বিচারক সৌরভ শুক্লা যেন মেয়ের জন্য কোন ব্র্যান্ড খুঁজছিলেন....শূন্য শব্দটিও ভাল।শূন্যদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর....কারা যেন শূন্য?? pic.twitter.com/NlXXGfuWIW Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) June 18, 2023শূন্য নামে একটি ফ্যাশন ব্র্যান্ডের জন্য ধুতি-পাঞ্জাবি পরে ছবি তুলেছেন অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায়। সেই ছবি টুইট করে কুণাল ঘোষ লিখেছেন, অপূর্ব। বিচারপতিরা আর কী কী করেন দেখি। জলি এল এল বির বিচারক সৌরভ শুক্লা যেন মেয়ের জন্য কোন ব্র্যান্ড খুঁজছিলেন.শূন্য শব্দটিও ভাল। শূন্যদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর.কারা যেন শূন্য??অভিজ্ঞমহলের প্রশ্ন, কেন এই শূন্য় বললেন কুণাল? তাঁদের ব্যাখ্যা, বামেরা এখনও বিধানসভায় শূন্য। এদিকে সিপিএম সাংসদ আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের সঙ্গে একটি অনুষ্ঠানে দেখা গিয়েছিল বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে। সম্ভবত এই কারণেই শূন্যের সঙ্গে শূন্য় মিলিয়ে কটাক্ষ করেছেন কুণাল। শেষমেশ ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর!!

জুন ১৮, ২০২৩
রাজ্য

রাজু ঝা খুনের ঘটনায় বড় নির্দেশ হাইকোর্টের

কয়লা মাফিয়া দুর্গাপুরের বাসিন্দা রাজু ঝা খুনের মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল হাইকোর্ট। চার মাসের মধ্যে তদন্ত করে আদালতে রিপোর্ট দিতে নির্দেশ দিয়েছে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। এই ঘটনার তদন্ত করছিল সিআইডি। বর্ধমানের শক্তিগড়ে ল্যাংচা হাবের সামনে গাড়ির মধ্যে বসে থাকা অবস্থায় গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে গিয়েছিলেন রাজু ঝা। গত বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন রাজু। বামফ্রন্ট আমলে তাঁর বেআইনি কয়লার রমরমা কারবার চলত। তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর রাজু ঝা গ্রেফতারও হয়েছিলেন। গত ১ এপ্রিল খুন হয়েছিলেন কয়লা মাফিয়া রাজু ঝা। তাঁর গাড়িতে ছিলেন গরুপাচার কাণ্ডে অভিযুক্ত বীরভূমের আব্দুল লতিফ। কয়লা মাফিয়া ও গরুপাচার কাণ্ডে অভিযুক্ত একই গাড়িতে কেন? উঠেছে এই প্রশ্ন। তাহলে রাজুর সঙ্গে লতিফের সঙ্গে কি লেনদেনের সম্পর্ক ছিল? তাও খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সিবিআইকে চার মাসের মধ্যে আদালতে রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

জুন ১৪, ২০২৩
রাজ্য

বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হবেন অভিষেক, তদন্তেেও সহযোগিতা

আইনের উপর আমার সম্পূর্ণ আস্থা আছে। আমি যে কোন তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। বৃহস্পতিবার দুর্গাপুরে বললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত বৃহস্পতিবার সকালেই হাইকোর্টের বিচারপতি বিচারপতি অমৃতা সিনহা রায় দেন যে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে। এর পাশাপাশি আদালতে সময় নষ্টের জন্য ২৫ লক্ষ টাকা জরিমানাও ধার্য করা হয়। আদালতের এদিনের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে দুর্গাপুরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক জানান আইনের প্রতি সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে, যে কোনও তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হতে তিনি প্রস্তুত। এর পাশাপাশি অভিষেক জানান, ডিভিশন বেঞ্চ কিংবা সুপ্রিম কোর্টের দরজা খোলা রয়েছে, তিনি অবশ্যই সেই আদালতের দ্বারস্থ হবেন। জরিমানা প্রসঙ্গে কার্যত তিনি বিচার ব্যবস্থাকে বিঁধলেন। তিনি বলেন, যাঁরা কথায় কথায় পিআইএল করে তাদের কোন জরিমানা করা হয় না, কনভয়ে মানুষের মৃত্যু হলে যাঁরা রক্ষাকবচের আবেদন করে , তাঁদের জরিমানা করা হয় না। আমি অধিকারকে সামনে রেখে বিচার ব্যবস্থার দ্বারস্থ হয়েছি বলে আমায় জরিমানা করা হল। প্রয়োজনে কর্মসূচি স্থগিত রেখে তদন্তের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত বলেও জানিয়ে দেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড।

মে ১৮, ২০২৩
রাজ্য

আদালতের নির্দেশে চরম অস্বস্তিতে অভিষেক, মোটা টাকা জরিমানা তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড ও কুন্তলেের

কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে চরম অস্বস্তিতে পড়লেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে তাঁকে ও সাসপেন্ডেন্ট যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষকে ২৫ লক্ষ টাকা করে জরিমানার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এই নির্দেশের পর তৃণমূলের সাংসদকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে ইডি বা সিবিআইয়ের কোনও বাধা নেই। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের দেওয়া নির্দশই বহাল রাখলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। বিচারপতি বদলালেও বিচার একই রইল।শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত কুন্তল ঘোষের চিঠি মামলায় এবার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশই বহাল রাখলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ পুনর্বিবেচনার জন্য আদালতে আবেদন জানিয়েছিলেন। তৃণমূলের শীর্ষ নেতার সেই আর্জি খারিজ করে দিলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। একইসঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কুন্তল ঘোষকে ২৫ লক্ষ টাকা করে জরিমানা করেছে আদালত। সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ অনুযায়ী অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে সিবিআই ও ইডি। তবে এই রায়ের প্রথমে বিরুদ্ধে ডিভিশন বেঞ্চ ও পরে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারেন অভিষেক।

মে ১৮, ২০২৩
রাজ্য

বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের রায়ের প্রতিবাদে পথে নামলেন প্রাথমিক শিক্ষকরা

এত দিন শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে আন্দোলন হয়েছে। লাগাতার আন্দোলন চলছে কলকাতার রাজপথে। এবার হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে পথে নামলেন প্রাথমিক শিক্ষকরা। শনিবার শিলিগুড়ির বাঘাযতীন পার্কে জড়ো হয়ে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের রায়ের তীব্র প্রতিবাদ জানান। সূত্রের খবর, ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষায় শিলিগুড়ি থেকে ৩৫০ জনের প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি হয়। শিলিগুড়ি শিক্ষা জেলায় অ্যাপটিটিউট টেস্ট নেওয়া হয়েছিল বলে ওই চাকরিরত শিক্ষকদের দাবি। তাঁদের প্রশ্ন, হাইকোর্ট মাত্র কয়েকজনের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে কি করে এত বড় সিদ্ধান্ত নিল? এই রায়ের বিরোধিতায় প্রতিবাদ চলবে বলেও জানিয়েছেন তাঁরা।উল্লেখ্য, গতকাল, শুক্রবার এক ধাক্কায় রাজ্যে কর্মরত ৩৬ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বাতিল করে দেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষার ভিত্তিতে ২০১৬ সালে নিযুক্ত হয়েছিলেন ৪২ হাজার ৫০০ শিক্ষক। এই নিয়োগে ইন্টারভিউতে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। এমনকি নিয়োগ পরীক্ষায় অ্যাপটিটিউড টেস্টও নেওয়া হয়নি বলে ইন্টারভিউয়াররাই বিচারপতির কাছে সাক্ষ্য দিয়ে জানিয়েছেন। প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের চাকরি বহাল থাকে। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ, রাজ্যকে তিনমাসের মধ্যে নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করে তা শেষ করতে হবে। আর যাঁদের চাকরি বাতিল হয়েছে তাঁদের মধ্যে কেউ ইতিমধ্যে প্রশিক্ষণ নিয়ে থাকলে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় তাঁরাও অংশ নিতে পারবেন বলে জানান বিচারপতি। তাছাড়া আগামী ৪ মাস চাকরি বাতিল হওয়া শিক্ষকরা স্কুলে গেলেও পার্শ্বশিক্ষকের বেতনের হারে বেতন মিলবে। এই রায়ের বিরুদ্ধে শিলিগুড়িতে একজোট হয়েছেন বাতিল হওয়া প্রাথমিক শিক্ষকরা।

মে ১৩, ২০২৩
রাজ্য

এক লপ্তে ৩৬ হাজার অপ্রশিক্ষিত প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বাতিল, নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নজিরবিহীন নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। ৩৬ হাজার অপ্রশিক্ষিত শিক্ষকের চাকরি বাতিল করে দিলেন বিচারপতি। এরা সবাই ২০১৪-এ টেট পরীক্ষায় নিয়োগ পেয়েছিলেন। ইন্টারভিউয়াররা সাক্ষ্যে জানিয়েছেন নিয়োগের পরীক্ষায় অ্যাপটিটিউড টেস্ট নেওয়া হয়নি।বিচারপতির নির্দেশ, আগামী চার এই শিক্ষকরা স্কুলে গেলেও বেতন পাবেন প্যারা টিচারের বেতনের হারে। সম্পূর্ণ বপতন পাবেন না। পাশাপাশি রাজ্যকে এই তিন মাসের মধ্যে নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করে শেষ করতে হবে। তবে যাঁদের চাকরি বাতিল হয়েছে, তাঁরা ইতিমধ্যে প্রশিক্ষণ নিয়ে থাকলে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন। অপ্রশিক্ষিত ১৪০ জন হাই কোর্টে মামলা করেছিলেন। এঁরা কেউ নিয়োগ পাননি। সম্প্রতি আদালত প্রকাশিত তালিকায় দেখা যায় যে কম নম্বর পেয়ে অনেক অপ্রশিক্ষিত প্রার্থী চাকরির সুপারিশপত্র পেয়েছেন। তার পরেই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় প্যানেল বাতিলের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, ঢাকি সমেত বিসর্জন দিয়ে দেওয়া হবে। বিচারপতি আগেই জানিয়েছিলেন, ২০১৬ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার পুরো প্যানেল বাতিল করে দেবেন।সেবছর মোট নিয়োগ হয়েছিল ৪২ হাজার ৫০০ জনের। ২০১৪ সালে টেটের নিয়োগে দুর্নীতি রয়েছে বলে আদালতে মামলা করেছিলেন বিজেপি নেতা তথা আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। কেউ মেধার ভিত্তিতেও চাকরি পেলেও যাঁরা বেআইনিভাবে চাকরি পেয়েছিলেন তাঁদের বিষয়ে তদন্ত দাবি করেছিলেন এই আইনজীবী। এই মামলার তদন্তভার বর্তায় সিবিআইয়ের ওপর।

মে ১২, ২০২৩
রাজ্য

আদালতের নির্দেশে কালিয়াগঞ্জ কাণ্ডে তদন্তের দায়িত্বে দুই অবসরপ্রাপ্ত দুঁদে আইপিএস ও জাঁদরেল দময়ন্তী সেন

কালিয়াগঞ্জে নাবালিকা ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় উত্তপ্ত হয়েছে। জনতার রোষে আগুন ঝড়েছে, বেধড়ক মারধর খেয়েছে পুলিশ। এবার কালিয়াগঞ্জে নাবালিকা মৃত্যুর ঘটনায় আদালতের নজরদারিতে তদন্ত করবে বিশেষ তদন্তকারী দল। বৃহস্পতিবার এই নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। এই বিশেষ তদন্তকারী দল বা এসআইটি-র সদস্য করা হয়েছে কলকাতা পুলিশের স্পেশাল সিপি (১) দময়ন্তী সেন, প্রাক্তন সিবিআই কর্তা উপেন বিশ্বাস এবং প্রাক্তন আইজি পঙ্কজ দত্তকে। তদন্তের প্রয়োজনে এসআইটি মৃতদেহ দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত করতে পারবে বলেও নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ।সম্প্রতি ১৬ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগে ধুন্ধুমার কান্ড ঘটে উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জে। যদিও পুলিশের তদন্তে উঠে আসে বিষ খেয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন ওই কিশোরী। তোলপাড় হয় রাজ্য রাজনীতি। কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা হয়। সিবিআই তদন্তের দাবি করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় মৃতার পরিবার। পুলিশ নৃশংসভাবে দেহ টেনে নিয়ে গিয়েছিল বলেও অভিযোগ ওঠে।এদিন আদালত বলেছে, ময়নাতদন্তের সময় নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে। পুলিশের রিপোর্ট ও হাসপাতালের বয়ানে কিশোরীর দেহের ময়না তদন্তের সময় ভিন্ন রয়েছে বলে উল্লেখ করেছে আদালত। সেইসঙ্গে এদিন বিচারপতি মান্থা আরও নির্দেশ, ওই কিশোরীর পরিবারকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে রাজ্য সরকারকে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ২৮ জুন। তারমধ্যে এই মামলায় গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দলকে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।পার্কস্ট্রিট ধর্ষণকাণ্ডের তদন্তে আইপিএস দময়ন্তী সেনের ভূমিকা সমাজে সাড়া ফেলেছিল। বদলিও হতে হয়েছিল তাঁকে{ লালু প্রসাদ যাদবকে পশুখাদ্য কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার করে খবরের শিরোনামে উঠে এসেছিলেন উপেন বিশ্বাস{ এই জাঁদরেল সিবিআই অফিসার ওই কেলেঙ্কারিতে এমনভাবে তদন্ত করেছিলেন আদালতেও ছাড় পাননি লালু। চাকরি থেকে অবসরের পর বাগদার বিধায়ক ও মন্ত্রী হয়েছিলেন। সাম্প্রতি শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে তাঁর মন্তব্য ও আদালতে নথি পেশ হইচই ফেলে দিয়েছে। অস্বস্তি বেড়েছে শাসক দলের। প্রাক্তন আইজি পঙ্কজ দত্তকে নানা টিভি আলোচনায় সরকারকে কড়া সমালোচনা করতে দেখা যায়

মে ১১, ২০২৩
রাজ্য

মামলা সরল বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে, দ্রুত বিচারের আশায় তাকিয়ে বঙ্গবাসী

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর এবার সরল মামলা। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে প্রাথমিকে নিয়োগ সংক্রান্ত ২টি মামলা সরিয়ে নিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি। দুটি মামলাই স্থানান্তরিত হয়েছে বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে।রাজ্যেরই এক বেসরকারি টিভি চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সেই দিন থেকেই ওই সাক্ষাৎকার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল ওই অনুষ্ঠান নিয়ে। ওই সাক্ষাৎকারের তর্জমা বিচার করেই গত শুক্রবার ঐতিহাসিক নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। পরে সুপ্রিম রায়ের পর অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় আশঙ্কা প্রকাশ করেন বাকি মামলাগুলিও তাঁর এজলাস থেকে সরে যেতে পারে।জানা গিয়েছে, চলতি সপ্তাহ থেকেই অমৃতা সিনহার এজলাসে শুনানি হতে পারে। তবে রাজ্যের মানুষের মধ্যে এখন জোর চর্চা চলছে দুটি মামলা থেকে সরিয়ে দেওয়া বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে নিয়ে। এই বিচারপতি মামলার দীর্ঘসূত্রিতা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। স্বভাবতই নতুন বিচারপতির ওপর একটু রহলেও চাপ থাকবে। মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করাই তাঁর লক্ষ্য বলে জানিয়ে ছিলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।সব থেকে বড় প্রশ্ন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের স্টাইলে দ্রুত এগোতে পারবেন কি বিচারপতি সিনহা? সাধারণ মানুষ অভিজিৎবাবুর নির্দেশ বা রায় শোনার অপেক্ষায় থাকতেন। খুব দ্রুত হাইকোর্টে বিচারপ্রক্রিয়া করে রীতিমতো ঝড় তুলে দিয়েছিলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।মামলা থেকে সরলেও গতকালও নিজের স্টাইলেই বক্তব্য রেখেছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। মিডিয়ার সামনে মুখ বন্ধ করার কোনও লক্ষণই নেই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের। অভিজিৎবাবু বলেন, অভিষেকের নাম তো কুন্তলই বলেছে। যতদূর মনে পড়ছে আদালতে জমা নথিতেও তার উল্লেখ আছে। তাহলে কি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলে কেউ কি পৃথিবীতে নেই? অভিষেকের নাম আকাশ থেকে পড়েনি। এক প্রশ্নের জবাবে বিচারপতি বলেন, আগে যে ভাবে তাঁকে দুটি মামলা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে ফের তাঁকে একই কারণে বাকি মামলা থেকে সরিয়ে দিতেই পারে।

মে ০২, ২০২৩
রাজ্য

"সুপ্রিম কোর্ট যুগ যুগ জিও, দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমার লড়াই চলবে,": বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

সুপ্রিম কোর্ট প্রাথমিক নিয়োগের দুটি মামলা বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের হাত থেকে সরিয়ে নিয়েছে। সেই রায়ের পর থেকে দিনভর সবার মুখে একটাই নাম। রায়ের পক্ষে একদল হইহই করে নৃত্য করছে। আরেক দল মুখ গোমরা করে রয়েছে। প্রথমত প্রথম দিকে খবর রটেছিল সমস্ত মামলাই সরে যাচ্ছে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে। যদিও তিনি সেই আশঙ্কাই প্রকাশ করেছেন। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেছেন, আজ আমার মৃত্য়ু দিন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ সবাইকে মানতে হয়। আমি তো নিজে সরছি না। পদত্যাগ করছি না। পালিয়ে যাওয়ার মানুষ আমি নই। আমার মন খারাপ নয়। ব্যক্তিগতভাবে কারও মন খারাপ হতে পারে। এই মামলা তো ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য নিয়ে করিনি। আমার কাজের ধরন একরকম। এরপরে যে বিচারপতি আসবেন, তাঁর কাজের ধরন হয় তো অন্যরকম হবে। আমার ধারনা দুর্নীতি সংক্রান্ত সব মামলাই আমার হাত থেকে সরিয়ে নেওয়া হতে পারে।তবে এখানেই থামেননি বিচারপতি। অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, যখন বিচারপতি থাকব না, যাই করি না কেন দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমার লড়াই চলবে, অবসরের পরও। সুপ্রিম কোর্ট যুগ যুগ জিও।

এপ্রিল ২৮, ২০২৩
রাজ্য

রামনবমীর শোভাযাত্রার পর হনুমান জয়ন্তী, তিন কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে

রামনবমীর শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে অশান্তির জেরে এখনও থমথমে হুগলির রিষড়া। রামনবমীর মিছিলকে কেন্দ্র করে অশান্তি হয়েছে, উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলা, হাওড়ার শিবপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরে। এদিকে আগামী কাল, বৃহস্পতিবার হনুমান জয়ন্তী পালন করতে চলেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। কলকাতা হাইকোর্ট এদিন রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছে হনুমান জয়ন্তীতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মতোয়েন করতে।কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে হনুমান জয়ন্তীতে বাংলায় তিন কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবান্ন। জানা গিয়েছে, হাওড়া, হুগলি ও কলকাতায় উপদ্রুত এলাকায় এই তিন কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে। বুধবার নাবান্নে মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে রাজ্যে তিন কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হয়। পাশাপাশি অশান্তি রুখতে বেশ কয়েকটি নির্দেশ জারির পথে রাজ্য প্রশাসন। বৃহস্পতিবারের কোনও শোভাযাত্রায় ১০০ জনের বেশি লোক থাকতে পারবে না। স্পর্শকাতর এলাকায় থাকবে ১৪৪ ধারা।এদিন, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম স্পষ্ট জানিয়েছেন, মানুষের নিরাপত্তা ও আস্থার থেকে বড় কিছু হতে পারে না। এই দুটি বিষয়কে সুনিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে রাজ্য সরকারকে। হনুমান জয়ন্তী উপলক্ষে কোথাও হিংসার সম্ভাবনা থাকলে রাজ্য সরকারকে আগে থেকে প্রস্তুতি নিতে হবে। প্রয়োজনে সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় বাহিনী চাইলে সঙ্গে সঙ্গে সাহায্য করতে হবে কেন্দ্রকে। আদালত আরও বলেছে, মানুষের মনে আস্থা ফেরাতে হিংসা কবলিত এলাকায় পুলিশ ও আধাসেনার রুট মার্চ অত্যন্ত দরকারি।

এপ্রিল ০৫, ২০২৩
কলকাতা

'বিচার ব্যবস্থাকে সন্ত্রস্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে,' বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

হাইকোর্টের বিচারপতি রাজশেখর মান্থার বাড়িতে পোস্টার। পাশাপাশি গতকাল হাইকোর্টে বিক্ষোভ করে আইনজীবীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি চলে। এদিনও এজলাস বয়কট করেছে আইনজীবীদের একাংশ। পুরো বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।বিচারপতি অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, বাংলায় বিচার ব্যবস্থাকে সন্ত্রস্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। বিচারকদের সন্ত্রস্ত করে নিজেদের পথে আনার চেষ্টা হচ্ছে। এরকম হাইকোর্টে আগে দেখিনি। আমি ২৩ বছর আইনিজীবী ও ৫ বছর বিচারপতি আছি। বিচারপতি আরও বলেন, আমি শুনেছি শাসকদল প্রত্য়াখ্যান করেছে। কিন্তু কারা করছে তাঁদের আমরা চিনি। যা হয়েছে আপনারাও দেখেছেন আমি দেখেছি, সারা ভারত দেখেছে। শাসকদলের সবাই এটাকে ভাল বলেনি। এত সাহস কোন দুর্বৃত্তদের তাদের খুঁজে বের করতে হবে।হাইকোর্টে আইনজীবীদের একাংশের বিক্ষোভ ও এজলাস বয়কট নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্যে। বিচারব্যবস্থায় এমন ঘটনা মেনে নিতে পারেনি প্রবীণ আইনজীবীরা। বিশিষ্ট আইনজীবী অরুণাভ ঘোষ বলেছেন, এমন ধরনের একটি ঘটনায় ওড়িষায় ২৬ জন আইনজীবীর রেজিস্ট্রেশন বাতিল করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এক্ষেত্রেও সুপ্রিম কোর্টে গেলে একইরকম ভাবে এখানকার বিক্ষোভকারী আইনজীবীদের রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাবে। এই ঘটনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে বলে মনে করেন অরুণাভ ঘোষ।

জানুয়ারি ১০, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • ...
  • 15
  • 16
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার একেবারে কাছে ভারতের নতুন বিমানঘাঁটি, এবার কী বড় পদক্ষেপ করতে চলেছে সেনা?

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। গত বছর চালু হয়েছে লাদাখের নোওমা বিমানঘাঁটি। সীমান্তে যে কোনও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার কথা মাথায় রেখেই বিশেষ ভাবে তৈরি করা হয়েছে এই বিমানঘাঁটি। সেনা সূত্রে খবর, কৌশলগত দিক থেকে ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই বিমানঘাঁটি।২০২১ সালে এই প্রকল্পে অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। বিমানঘাঁটি তৈরির জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল ২১৪ কোটি টাকা। অনুমোদন পাওয়ার পরেই শুরু হয় নির্মাণের কাজ। দীর্ঘ প্রস্তুতির পর অবশেষে গত বছর চালু হয় এই বিমানঘাঁটি।লাদাখের নোওমা অঞ্চল প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার খুব কাছেই অবস্থিত। সেই কারণে এই বিমানঘাঁটির গুরুত্ব অনেকটাই বেশি। সীমান্তে কোনও জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হলে দ্রুত সেখানে পৌঁছতে পারবেন বায়ুসেনার কর্মীরা। পাশাপাশি উত্তর সীমান্তের দুর্গম পাহাড়ি এলাকাগুলিতেও সহজে পৌঁছনো সম্ভব হবে।লাদাখের মতো প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্থলপথে যাতায়াত বেশ কঠিন। বিশেষ করে প্রতিকূল আবহাওয়া এবং দুর্গম পাহাড়ি রাস্তার কারণে অনেক সময় সেনার কাছে প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দিতে সমস্যা হয়। নোওমা বিমানঘাঁটি চালু হওয়ায় সেই সমস্যা অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে, ভারতের উত্তর সীমান্তের নিরাপত্তা এবং সেনার দ্রুত যাতায়াতের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে এই বিমানঘাঁটি।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
রাজ্য

‘খুব তাড়াতাড়ি জেলে যাবেন অভিষেক’, কালীঘাটের অশান্তির পর বিস্ফোরক দাবি বিজেপি নেতার!

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী তথা বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। তাঁর দাবি, খুব তাড়াতাড়ি জেলে যেতে হতে পারে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে। শনিবার কল্যাণীতে সাংসদ কার্যালয়ের উদ্বোধন করতে এসে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। কালীঘাটে অভিষেকের বাড়ির সামনে রাতভর উত্তেজনা এবং পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসার প্রসঙ্গ উঠতেই এই দাবি করেন শান্তনু।বনগাঁ লোকসভার অন্তর্গত কল্যাণী বিধানসভা। ২০১৯ এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হন বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর। এত দিন কল্যাণী-সহ আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের সাংসদের সঙ্গে দেখা করতে বা বিভিন্ন কাজের জন্য বনগাঁয় যেতে হত। সেই সমস্যা দূর করতেই কল্যাণীতে নতুন সাংসদ কার্যালয় চালু করলেন তিনি।শনিবার কল্যাণীর নিমতলা এলাকায় একটি শপিং মলের কাছে এই কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন শান্তনু। অনুষ্ঠানে শতাধিক দুঃস্থ ও অসহায় মহিলার হাতে শাড়ি তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিশেষ ভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের জন্য হুইলচেয়ারও দেওয়া হয়।অনুষ্ঠান শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, নতুন সাংসদ কার্যালয় থেকে এলাকার সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা হবে। এর পরেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে শান্তনু বলেন, খুব তাড়াতাড়ি গ্রেফতার হতে পারেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, ৭ নভেম্বর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে শুক্রবার রাত থেকেই কালীঘাটে তাঁর বাড়ির সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন অনুগামীরা। সেই সময় কয়েক জন বিজেপি কর্মী-সমর্থক কালীপ্রতিমা নিয়ে যাচ্ছিলেন বলে দাবি। তাঁদের সঙ্গে অভিষেকের অনুগামীদের বচসা শুরু হয়।অভিযোগ, অভিষেককে লক্ষ্য করে চোর স্লোগান দেওয়া হয়। ছিঁড়ে ফেলা হয় তাঁর ব্যানার ও কাটআউট। এর প্রতিবাদ করতে গেলে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। দুপক্ষকে সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন পুলিশকর্মীরা।এর পরেই বাড়ির ভিতর থেকে বেরিয়ে আসেন অভিষেক। তাঁকে দেখতে পেয়ে ফের স্লোগান দিতে শুরু করেন দুপক্ষের লোকজন। পরিস্থিতি ক্রমে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এলাকায় পুলিশকর্মীর সংখ্যাও বাড়ানো হয়।অভিষেক কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে বাড়ির নীচে বসে পড়েন। নিরাপত্তার কথা ভেবে পুলিশ তাঁকে বাড়ির ভিতরে চলে যাওয়ার অনুরোধ করে। কিন্তু তিনি রাজি হননি। পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসাও হয়। অভিষেকের অভিযোগ, পুলিশের সামনেই তাঁকে মারধর করা হয়েছে।শুক্রবার রাতের ঘটনার রেশ গড়ায় শনিবারেও। দুপুরে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে হাতে মাইক নিয়ে দুবার বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন তিনি। বিজেপি ও পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন।এই পরিস্থিতিতে শান্তনু ঠাকুরের মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতর শুরু হয়েছে। তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতারের বিষয়ে কোনও সরকারি ঘোষণা বা নিশ্চিত তথ্য এখনও সামনে আসেনি।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

আমার ওপর দিয়ে বুলডোজার চালাতে হবে! অভিষেকের বাড়ির সঙ্গে হুঙ্কার মমতার

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে উত্তেজনা ও হামলার অভিযোগ ঘিরে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার দুপুরে কালীঘাটে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, বিরোধী জোটে থাকার কারণেই রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদকে ইচ্ছাকৃত ভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে। নাম না করে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকেও নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী।৭ নভেম্বর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন। সেই উপলক্ষে শুক্রবার রাত থেকেই তাঁর বাড়ির সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন অনুগামীরা। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, সেই সময় কয়েক জন বিজেপি কর্মী-সমর্থক কালীপুজোর প্রতিমা আনতে যাচ্ছিলেন। তাঁদের সঙ্গে অভিষেকের অনুগামীদের বচসা শুরু হয়। পরিস্থিতি ক্রমে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।অভিযোগ, অভিষেককে লক্ষ্য করে চোর স্লোগান দেওয়া হয়। তাঁর ব্যানার ও কাটআউটও ছিঁড়ে ফেলা হয়। এর প্রতিবাদ করতে গেলে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। দুপক্ষকে সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন পুলিশকর্মীরা।এর পরেই বাড়ির ভিতর থেকে বেরিয়ে আসেন অভিষেক। তাঁকে সামনে দেখে ফের স্লোগান দিতে শুরু করেন দুপক্ষের লোকজন। পাল্টা স্লোগানেও উত্তেজনা বাড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় আরও পুলিশ মোতায়েন করা হয়।অভিষেকও কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে বাড়ির সামনে বসে পড়েন। নিরাপত্তার কথা ভেবে পুলিশ তাঁকে বাড়ির ভিতরে চলে যাওয়ার অনুরোধ করে। কিন্তু তাতে রাজি হননি তিনি। পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসাও হয়। অভিষেকের অভিযোগ, পুলিশের সামনেই তাঁকে মারধর করা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত শনিবার ভোর ৬টা নাগাদ তিনি বাড়ির ভিতরে যান।এই ঘটনার পর শনিবার দুপুরে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গোটা এলাকায় তখন প্রচুর পুলিশ মোতায়েন ছিল। সেখানে দাঁড়িয়েই কালীপুজোর আগে পরিকল্পিত ভাবে অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগ তোলেন মুখ্যমন্ত্রী।মমতার অভিযোগ, পুরনো ক্লাবগুলির পুজোর আয়োজন করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। অথচ রাতারাতি নতুন নতুন পুজোর আয়োজন করা হচ্ছে। এমনকি অভিষেকের বাড়িতে ঢোকার পথ আটকে নতুন করে পুজোর ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, অভিষেকের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ থাকলে আইন মেনেই ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু তাঁকে অকারণে হেনস্থা করা হলে তা মেনে নেওয়া হবে না। এই ধরনের ঘটনা চলতে থাকলে প্রতিবাদে নামার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি। নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা করে তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে এ ভাবে কাউকে হেনস্থা করা উচিত নয়।অন্য দিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মমতা ও অভিষেককে পাল্টা আক্রমণ করেছেন বরানগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ। তাঁর দাবি, বিরোধী জোট বলে বাস্তবে কিছু নেই। তাই সেই জোটে থাকার কারণে অভিষেকের বাড়িতে হামলা হয়েছে, এমন অভিযোগের কোনও ভিত্তি নেই বলেই মনে করেন তিনি।রাতের বেলা রাস্তায় কেন জন্মদিন পালন করা হচ্ছিল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন বিজেপি বিধায়ক। ফলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে রাজনৈতিক চাপানউতর আরও বেড়েছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

‘কালীঘাট থানার পুলিশ বাধা দিলে...’, কালীপুজোর আগে বিস্ফোরক মমতা, পাল্টা তোপ বিজেপির

কালীপুজোর আগের দিন ফের উত্তপ্ত কালীঘাট। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন পালনকে কেন্দ্র করে শুক্রবার রাত থেকে তাঁর বাড়ির সামনে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায়। শনিবার সেই ঘটনার প্রতিবাদে পথে নামলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিলেন তিনি। এমনকি কালীঘাট থানার পুলিশ বাধা দিলে কালীঘাট মন্দিরের সামনে পুজো করার কথাও বলেন মুখ্যমন্ত্রী। অন্য দিকে, মমতা ও অভিষেকের বিরুদ্ধে অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগ তুলেছে বিজেপি।শুক্রবার রাতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর বাড়ির সামনে জমায়েত করেছিলেন অনুগামীরা। অভিযোগ, রাস্তা আটকে জন্মদিন পালনের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই সময় ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। এর পর থেকেই অভিষেকের বাড়ির সামনে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায়। দুপক্ষের মধ্যে বচসা ও হাতাহাতির অভিযোগও ওঠে।শনিবার এই ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় নামেন মমতা। হাতে হ্যান্ড মাইক নিয়ে কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে কথা বলেন তিনি। পাশে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। রাস্তা ফাঁকা রাখার জন্য সকলের কাছে আবেদন জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, যাঁরা অভিষেককে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে আসছেন, তাঁদের স্বাগত। তবে কাউকে রাস্তা আটকে জমায়েত করা যাবে না। প্রতিমা নিয়ে যাতায়াতের জন্য রাস্তা খোলা রাখতে হবে।মমতা বলেন, সবাইকে অনুরোধ করব, রাস্তা ফাঁকা করে দিন। তাঁর অভিযোগ, শুক্রবার রাতে পরিকল্পিত ভাবে অশান্তি তৈরি করা হয়েছে। মহিলাদের শাঁখা ভাঙার অভিযোগও তোলেন তিনি।পুলিশের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। কালীঘাট থানার পুলিশ বাধা দিলে কালীঘাট মন্দিরের সামনে পুজো করার হুঁশিয়ারি দেন তিনি। পাশাপাশি অভিষেকের বাড়ির সামনে লাগানো ব্যারিকেড সরানোর দাবিও জানান। কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দের পদত্যাগও দাবি করেন মমতা।মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, এক দিকে হামলা চালানো হচ্ছে, অন্য দিকে মামলা করা হচ্ছে। বিজেপিকে নিশানা করে তিনি বলেন, এ ভাবে চলতে থাকলে এক দিন দলটি রাজনৈতিক ভাবে বড় সমস্যায় পড়বে। তাঁর দাবি, এ ভাবে অশান্তি তৈরি করে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে লড়াই করবেন বলেও জানান তিনি।অন্য দিকে, মমতার অভিযোগের পাল্টা জবাব দিয়েছে বিজেপি। রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকারের দাবি, রাজ্যে ক্ষমতায় থাকার সময় তৃণমূলই কালীপ্রতিমা নিয়ে বিতর্ক তৈরি করেছিল। এখন ক্ষমতা হারানোর আশঙ্কায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই অশান্তির পরিবেশ তৈরি করছেন বলে অভিযোগ তাঁর।দেবজিৎ আরও দাবি করেন, অভিষেকের জন্মদিনে কেক কাটা নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদের সূত্রপাত। কে কেক কাটবেন, তা নিয়েই দুপক্ষের মধ্যে গোলমাল শুরু হয় বলে তাঁর অভিযোগ। তাঁর মতে, এই ঘটনার জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়ী।বরানগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষও মমতা ও অভিষেককে আক্রমণ করেছেন। তাঁর দাবি, বিরোধী জোটে যোগ দেওয়ার কারণে অভিষেকের বাড়িতে হামলা হয়েছে, এমন অভিযোগ ঠিক নয়। কারণ, তাঁর মতে, বিরোধী জোটের বাস্তবে কোনও অস্তিত্বই নেই। রাতে কেন রাস্তার উপর জন্মদিন পালন করা হল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।এ দিকে, শুক্রবার রাতের ঘটনার পর থেকেই অভিষেকের বাড়ির সামনে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। এলাকায় পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। বসানো হয়েছে ব্যারিকেডও।কালীঘাটে এই উত্তেজনার জেরে সমস্যায় পড়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও। অভিযোগ, রাস্তা বন্ধ থাকায় দোকানদারদের ক্ষতি হচ্ছে। কালীপ্রতিমা বিক্রেতারাও ক্রেতাদের কাছে প্রতিমা পৌঁছে দিতে পারছেন না। ফলে কালীপুজোর মুখে কালীঘাটের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে স্থানীয়দের মধ্যে। তৃণমূল ও বিজেপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগে রাজনৈতিক উত্তাপও ক্রমশ বাড়ছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বাড়ির কালীপুজো ঘিরেও অশান্তি! কালীঘাটে রাস্তা আটকে পুজো, ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রীর বড় হুঁশিয়ারি

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে অশান্তির রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বিতর্ক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির কালীপুজো ঘিরে। কালীঘাটে নিজের বাড়ির প্রবেশপথ আটকে নতুন নতুন কালীপুজোর আয়োজন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, পুরনো ক্লাবগুলির পুজোর আয়োজনে বাধা দেওয়া হলেও রাতারাতি নতুন পুজো শুরু হচ্ছে। শনিবার দুপুরে এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় কালীঘাটে। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মমতা। প্রয়োজনে আবার সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে লড়াই করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার মাঝরাতে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে কালীঘাটে তাঁর বাড়ির সামনে জমায়েত করেছিলেন অনুগামীরা। সেই সময় কয়েক জন বিজেপি কর্মী-সমর্থক কালীমূর্তি নিয়ে যাচ্ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, তাঁদের সঙ্গে অভিষেকের অনুগামীদের বচসা শুরু হয়। একে অপরকে লক্ষ্য করে স্লোগান দিতে থাকেন দুপক্ষের লোকজন।এর মধ্যেই অভিষেককে লক্ষ্য করে চোর স্লোগান দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ছিঁড়ে ফেলা হয় তাঁর ব্যানার ও কাটআউট। তা নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে দুপক্ষের লোকজনকে সরিয়ে দেওয়া হয়।তবে অভিষেকের অনুগামীদের অভিযোগ, পুলিশের সামনেই তাঁদের হেনস্থা করা হয়েছে। সেই সময় পুলিশ কার্যত নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।এই ঘটনার পর শনিবার দুপুরে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে ঘিরে এলাকায় প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সেই সময়ও কালীঘাটে উত্তেজনা তৈরি হয়। সংবাদমাধ্যমের সামনে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, কালীপুজোর আগে পরিকল্পিত ভাবে এলাকায় অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে।মমতার দাবি, দীর্ঘদিন ধরে যে ক্লাবগুলি কালীপুজোর আয়োজন করে আসছে, তাদের পুজো করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। অথচ রাতারাতি নতুন নতুন পুজোর আয়োজন করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, তাঁর বাড়িতে ঢোকার রাস্তাও কার্যত আটকে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।এই পরিস্থিতিতে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, এ ভাবে অশান্তি চলতে থাকলে তিনি চুপ করে থাকবেন না। প্রয়োজনে আবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হবেন। মমতার কথায়, আমি দরকার হলে আবারও সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে লড়ব।অভিষেকের বাড়ির সামনে জন্মদিন পালন ঘিরে রাতভর উত্তেজনা এবং তার পর মমতার বাড়ির কালীপুজো নিয়ে নতুন বিতর্কপরপর এই দুই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কালীঘাটে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
দেশ

ইন্দিরার জরুরি অবস্থা নিয়ে বিস্ফোরক সোনিয়া! সঞ্জয় গান্ধীকে একা দায়ী করতে নারাজ, ফাঁস করলেন কী?

১৯৭৫ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর আমলে দেশে জারি হয়েছিল জরুরি অবস্থা। ভারতের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে সেই সময়কে আজও কালো অধ্যায় হিসাবে দেখা হয়। এ বার সেই জরুরি অবস্থা নিয়েই নতুন করে বিতর্ক উসকে দিলেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। তাঁর দাবি, জরুরি অবস্থার সময় মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করা হয়েছিল ঠিকই, তবে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল সংবিধান মেনেই। পাশাপাশি, জরুরি অবস্থার সময় হওয়া সমস্ত ভুলের জন্য শুধু সঞ্জয় গান্ধীকে দায়ী করতে রাজি নন তিনি। তাঁর মতে, সেই পরিস্থিতি তৈরির পিছনে অনেক প্রবীণ নেতা ও আমলারও ভূমিকা ছিল।আগামী ১০ নভেম্বর প্রকাশিত হতে চলেছে সোনিয়া গান্ধীর আত্মজীবনী বিলংগিং: আ জার্নি অফ লাভ। বই প্রকাশের আগে একটি সাক্ষাৎকারে জরুরি অবস্থা নিয়ে নিজের মতামত জানিয়েছেন তিনি।সোনিয়া বলেন, জরুরি অবস্থার পর তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, সেই সময় কত বড় ঘটনা ঘটেছিল। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। তবে সেই কাজ করা হয়েছিল সাংবিধানিক পদ্ধতি মেনেই। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরেই নতুন করে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।জরুরি অবস্থার সময়কার পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সঞ্জয় গান্ধীর প্রসঙ্গও তোলেন সোনিয়া। তাঁর মতে, সেই সময়ের সমস্ত ঘটনার জন্য শুধু সঞ্জয়কে দায়ী করা ঠিক নয়। জরুরি অবস্থার সঙ্গে সঞ্জয়ের নাম জড়িয়ে থাকলেও, পরিস্থিতি তার চেয়ে অনেক বেশি জটিল ছিল।সোনিয়ার দাবি, সেই সময় দেশে একের পর এক হিংসাত্মক ঘটনা ঘটছিল। সরকারি দফতর ও বাসে আগুন লাগানো হচ্ছিল। বিভিন্ন জায়গায় অশান্তি ছড়াচ্ছিল। এমনকি সরকারি আধিকারিক ও সেনাকর্মীদের নির্দেশ অমান্য করার আহ্বানও জানানো হচ্ছিল। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে ইন্দিরা গান্ধীকে প্রবল চাপের মুখে পড়তে হয়েছিল। একাধিক প্রবীণ নেতা ও আমলার তরফেও তাঁর উপর চাপ তৈরি করা হয়েছিল বলে দাবি সোনিয়ার।সেই সময় রাজীব গান্ধীও মায়ের সঙ্গে সব বিষয়ে একমত ছিলেন না বলে জানিয়েছেন সোনিয়া। তাঁর কথায়, রাজীব সাধারণ মানুষের অভিযোগ ও অসন্তোষের কথা ইন্দিরা গান্ধীকে জানাতেন। শেষ পর্যন্ত ইন্দিরা পরিস্থিতি বুঝতে পেরে ভুল সংশোধনের উদ্যোগ নেন।সোনিয়া আরও মনে করিয়ে দিয়েছেন, ১৯৭৭ সালের মার্চে নিজেই লোকসভা নির্বাচনের ঘোষণা করেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। সেই সঙ্গে তুলে নেওয়া হয়েছিল জরুরি অবস্থা। পরে জরুরি অবস্থার সময় হওয়া বাড়াবাড়ির জন্য প্রকাশ্যে অনুতাপও জানিয়েছিলেন ইন্দিরা। ক্ষমা চাওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন সোনিয়া। তাঁর মতে, শেষ পর্যন্ত গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই সেই পরিস্থিতির অবসান হয়েছিল।একই সাক্ষাৎকারে গত ১২ বছরে বিজেপি সরকারের আমলে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলির ক্ষতি হয়েছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন সোনিয়া। তাঁর এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়েছেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল।তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থার কথা কি ভুলে গিয়েছেন সোনিয়া গান্ধী? তাঁর বক্তব্য, সেই সময় গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করা হয়েছিল। হাজার হাজার রাজনৈতিক নেতাকে জেলে পাঠানো হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাও কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালের ২৫ জুন দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। প্রায় ২১ মাস পর, ১৯৭৭ সালের ২১ মার্চ তা তুলে নেওয়া হয়। সেই সময়ের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও তার প্রভাব নিয়ে দেশের রাজনীতিতে বিতর্ক এখনও অব্যাহত। সোনিয়া গান্ধীর নতুন মন্তব্যে সেই পুরনো বিতর্কই আবার সামনে এল।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

পাস দুর্নীতি মামলায় নয়া মোড়! বাবার নাম করেই দায় এড়ালেন ইন্দ্রনীলের মেয়ে?

পুজোর প্রিভিউ পাস দুর্নীতি মামলায় আরও চাপে প্রাক্তন মন্ত্রী তথা গায়ক ইন্দ্রনীল সেন। তাঁর কসবার বাড়ি এবং চন্দননগরের বাংলোয় তল্লাশি চালাল লালবাজারের বিশেষ তদন্তকারী দল। শুধু তল্লাশিই নয়, ইন্দ্রনীলকে সঙ্গে নিয়েই দুই জায়গায় পৌঁছন গোয়েন্দারা। তদন্তকারীদের সূত্রে খবর, দুই জায়গা থেকেই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার হয়েছে।লালবাজার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে পুজোর প্রিভিউ পাস বিক্রির অভিযোগের তদন্তে টাকা লেনদেন সংক্রান্ত বেশ কিছু নথির খোঁজ পেয়েছেন গোয়েন্দারা। সেই নথি ইন্দ্রনীলের বাড়িতে থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। সেই সূত্র ধরেই শুক্রবার তাঁকে কসবার বহুতলে নিয়ে যান তদন্তকারীরা। তাঁর উপস্থিতিতেই বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। এরপর ইন্দ্রনীলকে নিয়ে চন্দননগরের বাংলোয় পৌঁছন গোয়েন্দারা। সেখানেও চলে তল্লাশি।লালবাজারের এক কর্তার দাবি, এখনও পর্যন্ত পুজোর প্রিভিউ পাস দুর্নীতি মামলায় ১৫০ কোটি টাকারও বেশি আর্থিক অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে। তদন্তে উঠে এসেছে, ইন্দ্রনীলের ঘনিষ্ঠ তিনটি সংস্থার সঙ্গে এই লেনদেনের যোগ থাকতে পারে। ওই সংস্থাগুলির বেশ কিছু নথি ইন্দ্রনীলের বাড়িতে রয়েছে বলে জেরায় জানতে পারেন তদন্তকারীরা। সেই কারণেই কসবা ও চন্দননগরে তল্লাশি চালানো হয়। সূত্রের খবর, দুই জায়গা থেকেই বেশ কিছু নথি উদ্ধার হয়েছে।এর আগে বৃহস্পতিবার ইন্দ্রনীলের মেয়ে আভেরি সেনকে লালবাজারে তলব করা হয়েছিল। তাঁর দুটি সংস্থার সঙ্গে ইন্দ্রনীলের ঘনিষ্ঠ একটি সংস্থার প্রায় সাড়ে ২২ লক্ষ টাকার লেনদেন হয়েছিল বলে অভিযোগ। সেই লেনদেন কী কারণে হয়েছিল, তা জানতে আভেরিকে প্রশ্ন করেন গোয়েন্দারা। পুজোর প্রিভিউ পাস এবং পর্যটন দফতরের টেন্ডার সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগ নিয়েও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁর দুটি সংস্থার নথিও খতিয়ে দেখেন তদন্তকারীরা।জেরার মুখে আভেরি জানিয়েছেন, তাঁর বাবা ইন্দ্রনীল সেন সব কিছু জানেন। এই বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। তাঁকে যা করতে বলা হয়েছিল, তিনি শুধু সেটুকুই করেছেন বলে তদন্তকারীদের জানিয়েছেন তিনি।এর আগে ইন্দ্রনীলের স্ত্রী মধুছন্দাকেও লালবাজারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। সূত্রের খবর, তিনিও গোয়েন্দাদের জানিয়েছিলেন, তাঁর স্বামীই সব কিছু জানতেন। তিনি কিছু জানতেন না।অন্যদিকে, ইন্দ্রনীল সেনের দাবি, মাস আর্টের সেক্রেটারি ধ্রুবজ্যোতি বসু ওরফে শুভই সমস্ত লেনদেনের দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর মাধ্যমেই যাবতীয় টাকা লেনদেন হত বলে দাবি করেছেন প্রাক্তন মন্ত্রী। ইন্দ্রনীলের বক্তব্য, এই দুর্নীতির মূল মাথা শুভ। যদিও তাঁর এই দাবি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন শুভ। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে লেনদেনের বিষয়ে আরও তথ্য জানার চেষ্টা চলছে। এই মামলায় ইন্দ্রনীল-সহ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইন এবং দুর্নীতিদমন আইনের ধারাও যুক্ত করার প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

সাতসকালে পুকুরে স্নান করতে গিয়ে চমকে উঠলেন স্থানীয়রা! জলে ভাসছে মহিলার দেহ, বাগুইআটিতে চাঞ্চল্য

পুকুরের জলে ভাসছে এক মহিলার দেহ! সাতসকালে স্নান করতে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কলকাতার কাছে বাগুইআটির বাগুইপাড়া এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। পুকুর থেকে মহিলার দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনও তাঁর পরিচয় জানা যায়নি। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য। খুন, আত্মহত্যা নাকি দুর্ঘটনা, সব দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাগুইপাড়া এলাকার ওই পুকুরে নিয়মিত স্নান করতে যান অনেকে। শনিবার সকালে কয়েক জন বাসিন্দা সেখানে স্নান করতে গিয়েছিলেন। সেই সময়ই তাঁদের নজরে আসে পুকুরের জলে ভাসছে এক মহিলার দেহ। এমন দৃশ্য দেখে তাঁরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। দ্রুত খবর দেওয়া হয় বাগুইআটি থানায়।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই পুকুর থেকে মহিলার দেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, মৃতার বয়স ৫০ থেকে ৫৫ বছরের মধ্যে। তিনি ওই এলাকার বাসিন্দা নন বলেই মনে করা হচ্ছে।তদন্তকারীদের প্রাথমিক ধারণা, প্রায় ২৪ ঘণ্টা আগে ওই মহিলা জলে তলিয়ে গিয়ে থাকতে পারেন। পরে তাঁর দেহ জলের উপরে ভেসে ওঠে। তবে কীভাবে তিনি পুকুরে পড়লেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তাঁর মৃত্যু কি দুর্ঘটনা, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য আর জি কর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।পাশাপাশি মৃতার পরিচয় জানারও চেষ্টা চলছে। আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলছেন পুলিশকর্মীরা। কেউ ওই মহিলাকে চিনতে পারেন কি না, তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। কালীপুজোর আগের দিন সকালে পুকুর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় মহিলার দেহ উদ্ধারের ঘটনায় বাগুইপাড়া এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal