• ১৫ কার্তিক ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৫ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Healthy

শিক্ষা

“মেয়েরা সুস্থ থাকলেই এগিয়ে যাবে সমাজ”—কাঞ্চননগর স্কুলে নারী স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা শিবির

নারী সুস্থ থাকলেই সুস্থ পরিবার, সুস্থ সমাজকাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে নারী স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে সচেতনতা শিবিরনারীর স্বাস্থ্য শুধু ব্যক্তিগত বিষয় নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে একটি পরিবার এবং বৃহত্তর সমাজের সুস্থতা। ঋতুকালীন পরিচ্ছন্নতা, পুষ্টি, সংক্রমণ প্রতিরোধ, মানসিক সুস্থতা থেকে শুরু করে দৈনন্দিন স্বাস্থ্যবিধিনারী স্বাস্থ্যের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে সচেতনতা গড়ে তুলতে কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হল বিশেষ সচেতনতা শিবির।শিবিরে ছাত্রীদের সামনে নারী স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন বিদ্যালয়ের শিক্ষিকারা। তাঁদের বক্তব্যে উঠে আসে, স্বাস্থ্যকর অভ্যাস ছোট বয়স থেকেই গড়ে তোলা প্রয়োজন। নিজের শরীর ও স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি বাড়ির পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্বও প্রত্যেকের রয়েছে।বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা সুনীতা সাহা বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে নারীস্বাস্থ্যের গুরুত্ব অপরিসীম। একটি পরিবারের সুস্থতার সঙ্গে মেয়েদের স্বাস্থ্য সরাসরি সম্পর্কিত। তাই ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি বাড়িঘর এবং আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়েও ছাত্রীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তাঁর কথায়, পরিচ্ছন্নতা শুধু অভ্যাস নয়, সুস্থ জীবনযাপনের অন্যতম ভিত্তি।অন্যদিকে শিক্ষিকা নন্দিনী দে স্বাস্থ্যকে শুধুমাত্র শারীরিক সুস্থতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মানসিক সুস্থতার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সুস্থ শরীরের পাশাপাশি সুস্থ মনও প্রয়োজন। তাই দৈনন্দিন জীবনে একটি সাধারণ পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবোধ গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি।ঋতুকালীন স্বাস্থ্যবিধি নিয়েও ছাত্রীদের সচেতন করা হয়। এই সময়ে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, সংক্রমণের সম্ভাবনা সম্পর্কে সতর্ক থাকা এবং শরীরের কোনও অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে তা অবহেলা না করার পরামর্শ দেওয়া হয়। পাশাপাশি নিয়মিত শারীরিক সক্রিয়তা বজায় রাখা এবং অলসতা এড়িয়ে চলার কথাও বলা হয়।খাদ্যাভ্যাসের বিষয়টিও উঠে আসে শিবিরে। অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে পুষ্টিকর ও সুষম খাবার গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়। শরীরে ভিটামিন ডি-এর প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে নিয়মিত পর্যাপ্ত সূর্যালোক গ্রহণ এবং খাদ্যতালিকায় উপযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক তথা জাতীয় শিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত নারীস্বাস্থ্যের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতার সম্পর্কের বিষয়টিও তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে, অনেক ক্ষেত্রেই নারীর স্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে আর্থিক পরিকাঠামো একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর পাশাপাশি দীর্ঘদিনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অভ্যাসও নারীস্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রত্যেকেরই নিজের সুস্থতার পাশাপাশি অন্যের সুস্থতার কথাও ভাবতে হবে। কারণ, একটি সমাজের প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন সেই সমাজের মেয়েরা সুস্থ, সচেতন এবং আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠেন।শিবিরে নারীস্বাস্থ্য নিয়ে এমন নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা ছাত্রীদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। শুধু রোগ প্রতিরোধ নয়, দৈনন্দিন জীবনে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলাই যে সুস্থ ভবিষ্যতের অন্যতম চাবিকাঠিসেই বার্তাই উঠে আসে এই সচেতনতা শিবির থেকে।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
টুকিটাকি

Garlic: বহু সংকটের সহজ সমাধান রসুন

বহুগুণা রসুন। মাছ, মাংস, তরিতরকারি যা-ই রাঁধুন না কেন, রসুন লাগবে! হেঁশেলের নিত্য প্রয়োজনীয় এই উপাদান সাধারণত রান্নার স্বাদ বাড়াতে মশলা হিসাবেই ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এর বাইরেও রসুন যে নানা কাজে লাগতে পারে, তা জানেন কি? রসুনের এই রকমই অজানা কয়েকটি ভূমিকার কথাই রইল এখানে।১) হজমের সমস্যা:হজমের সমস্যায় ভোগেন? ওষুধ না খেয়ে ভরসা রাখুন রসুনে। ১ কোয়া রসুন থেঁতো করে নিন। এ বার সেটি একটি চামচে রেখে উপরে আধ চা চামচ মধু ছড়িয়ে রোজ সকালে খালি পেটে খান। উপকার পাবেনই।২) ব্রণর সমস্যা: মুখে ব্রণর সমস্যায় জেরবার? তাতেও মুশকিল আসান হতে পারে এক টুকরো রসুন। রসুনের প্রদাহ নিরোধক উপাদান ব্রণর ব্যথা সারায়। এমনকী, ত্বকের ছিদ্রে থাকা ব্যাক্টিরিয়াও তাড়ায়। তাই ব্রণ সারাতে এক কোয়া রসুন কেটে নিয়ে ব্রণর জায়গায় ঘষুন।৩) খুশকি তাড়াতে:মাথার ত্বকে খুশকি হয়েছে? খুশকি তাড়িয়ে চুলের চিটচিটে ভাব দূর করবে রসুনই। কয়েক কোয়া রসুন থেঁতো করে তার সঙ্গে একটু মধু ভাল করে মিশিয়ে নিন। এ বার মিশ্রণটি মাথার ত্বকে লাগিয়ে হাল্কা মালিশ করে ১৫ মিনিট রাখুন। তার পর শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে নিন।৪) মশা তাড়াতে:মশা মারতে কামান দাগতে হবে না। ঘরে চাই সামান্য রসুন। রসুনের ৬-৮টি কোয়া ভাল করে থেঁতো করে সামান্য জল দিয়ে সিদ্ধ করতে দিন। হাল্কা আঁচে মিশ্রণটি রাখুন। ঠান্ডা করে ছেঁকে স্প্রে বোতলে ভরে নিন। ঘরের যে যে জায়গায় মশার উৎপাত বেশি, সেখানে স্প্রে করুন এই মিশ্রণ।৫) ব্যথা নিরাময়ে:হাতে কাঠ বা কাচের কুচি ঢুকে গিয়েছে? খুব ছোট এই জিনিসেও কিন্তু প্রবল ব্যথা হয়। এটি বার করা বেশ শক্ত। তবে ঘরোয়া উপায়েই রয়েছে সমাধান। কাচ বা কাঠের কুচি ঢুকে যাওয়া জায়গাটির উপর আধখানা রসুন দিয়ে ভাল করে ব্যান্ডেজ করে নিন। কিছুক্ষণ পর নিজে থেকেই বেরিয়ে আসবে কাচের কুচি।

অক্টোবর ০৪, ২০২১
টুকিটাকি

Amla: ত্বকের যত্নে ব্যবহার করুন আমলকির রস

আমলকির কিন্তু অনেক গুণ। শুধু শরীর-স্বাস্থ্য ভাল রাখাই নয়, ত্বক এবং চুলের পরিচর্যাতেও ব্যবহার করা হয় আমলকি। বিশেষ করে ত্বকের যত্নে দারুণ ভাবে কাজ করে আমলকি। তবে শুধু আমলকি দিলে হবে না। বরং ঘরোয়া পদ্ধতিতে রান্নাঘরের টুকটাক জিনিসপত্র দিয়ে যে ফেসপ্যাক বা স্ক্রাব তৈরি করেন, তার সঙ্গে মিশিয়ে নিন আমলকির রস। ব্যাস, তাহলে ত্বকের বেশিরভাগ সমস্যার মুশকিল আসান হয়ে যাবে নিমেষে।আমলকির সঙ্গে কী কী মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করা সম্ভব, জেনে নিন:আমলকির রস এবং পেঁপে- আমলকি এবং পেঁপে, দুটোই ত্বকের পিগমেন্টেশন অর্থাৎ কালচে দাগ ছোপ দূর করতে সাহায্য করে। তাই আমলকির রসের সঙ্গে ম্যাশড পাপায়া বা পেঁপে মিশিয়ে তৈরি করুন ফেসপ্যাক। সারা মুখে লাগিয়ে রাখুন এই মিশ্রণ। মিনিট ১৫ রাখার পর পরিষ্কার ঠাণ্ডা জলে মুখ ধুয়ে নিন। মুখে এই প্যাক লাগানোর সময় হাতের বদলে নরম কটন বল বা তুলো ব্যবহার করতে পারেন। সপ্তাহে অন্তত তিনদিন এই ফেসপ্যাক লাগান। দুসপ্তাহের মধ্যেই ত্বকের জেল্লা ফিরবে। ফল পাবেন হাতেনাতে। আমলকি, টকদই এবং মধু- মুখের ট্যান দূর করতেও সাহায্য করে আমলকি। তাই টকদই, মধু আর আমলকির রস মিশিয়ে তৈরি করুন ঘরোয়া ফেসপ্যাক। মুখের পাশাপাশি গলা এবং ঘাড়ের অংশেও এই প্যাক লাগাতে পারেন। কারণ মুখের সঙ্গে সঙ্গে গলা এবং ঘাড়ের অংশেও মারাত্মক ভাবে ট্যান পড়ে। এই ফেসপ্যাক লাগিয়ে অন্তত ২০ মিনিট রাখুন। একটু শুকিয়ে গেলে পরিষ্কার ঠাণ্ডা জলে মুখ ধুয়ে নিন। তারপর নরম তোয়ালে দিয়ে আলতো হাতে মুখ মুছে জল শুকিয়ে নিন।আমলকি, চিনি আর গোলাপ জল- স্কিন এক্সফোলিয়েশন অর্থাৎ ত্বকের মরা কোষ ঝরিয়ে জেল্লা ফেরানোর ক্ষেত্রে আমলকির জুড়ি মেলা ভার। এই স্কিন এক্সফোলিয়েশনের জন্য চিনি এবং গোলাপ জলের সঙ্গে মিশিয়ে নিন আমলকির রস। এক্ষেত্রে গুঁড়ো চিনি ব্যবহাত করতে পারলে ভাল। আর এক চামচ গোলাপ জল দিলেই যথেষ্ট। তুলোয় ভিজিয়ে এই মিশ্রণ সারা মুখে লাগিয়ে নিন। আলতো হাতে ম্যাসাজ করে স্ক্রাব করুন। মিনিট ১৫ ম্যাসাজের পর পরিষ্কার ঠাণ্ডা জলে মুখে ধুয়ে নিন। ধৈর্য ধরে কয়েকদিন এই ফেসপ্যাক ব্যবহার করলে উপকার পাবেন।

আগস্ট ২০, ২০২১
টুকিটাকি

Turmeric Milk: মহৌষধি হলুদ দুধের টনিক

আগেকার দিনের মা, ঠাকুমারা দুধের গ্লাসে এক চিমকে হলুদ ফেলে দিয়ে খেতে বলতেন। কেটে যাওয়া, শরীর ব্যথা, যে কোনওরকম অসুস্থতা হলেই এই হলুদ দুধের ব্যবহারের প্রচলন ছিল। হলুদ দুধের উপকারিতার কথঅ মাথায় রেখেই করোনাকালে তার চাহিদা আরও বেড়েছে। আসুন জেনে নিন, মহৌষধি হলুদ দুধের নানাবিধ উপকারের কথা। খাবার হজমে দারুণ কাজ করে হলুদ দুধ। বিশেষজ্ঞরা তাই খাওয়ার পর প্রতিদিন রাতে হলুদ দুধ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। রক্তে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে রক্ত পরিশুদ্ধ রাখে হলুদ দুধ। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন যে, লিভার ভালো রাখতে সবথেকে ভালো টনিক দুধে হলুদ মিশিয়ে খাওয়া।আরও পড়ুনঃ বেশি করে সবজি খান, শরীর থাকবে সুস্থ, বাড়বে ইমিউনিটি পাওয়ারকরোনা পরিস্থিতিতে ইনফেকশন একটা বড় চিন্তার বিষয়। যে কোনওরকমের ইনফেকশনের হাত থেকে আমাদের শরীরকে রক্ষা করতে হলুদ দুধ খুবই জরুরি। প্রতিদিন হলুদ দুধ খেলে আমাদের হৃদপিন্ড ভালো থাকে এবং হৃদরোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়। এমনটাই বক্তব্য বিশেষজ্ঞদের। কিডনি ভালো থাকলে, শরীর থেকে যাবতীয় দূষিত পদার্থ বা টক্সিন বেরিয়ে যায়। আর কিডনিকে সুস্থ রাখতে হলুদ দুধের জুড়ি মেলা ভার। বর্ষাকাল মানেই বিভিন্ন জ্বর, সর্দি, কাশি বা ঠান্ডা লাগার মতো সমস্যা লেগেই থাকে। এই সমস্ত সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে রোজ রাতে হলুদ দুধ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে চিকিসক থেকে বিশেষজ্ঞ প্রত্যেকেই।সারাদিন অফিসে কাজ কিংবা ওয়ার্ক ফ্রম হোমের চাপ। দিনের বেশিরভাগ সময়টাই কম্পিউটার বা ল্যাপটপের সামনে বসেই কেটে যায়। ফলে দেখা দিতে পারে মাথার যন্ত্রণার সমস্যা। এক গ্লাস হলুদ দুধ নিমেষে আপনাকে সেই সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে। হাড়কে শক্তিশালী রাখার পাশাপাশি হাড় বা গাঁটের যন্ত্রণার উপশম ঘটায়। তাই হাড়ের যাবতীয় সমস্যা দূর করতে বিশেষজ্ঞরা প্রতিদিন রাতে এক গ্লাস করে হলুদ দুধ খাওয়ার পরামর্শ দেন। করোনা পরিস্থিতিতে সবথেকে বেশি যেটা জরুরি, তা হল শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো। আর বিশেষজ্ঞদের মতে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য হলুদ দুধের তুলনা হয় না।

আগস্ট ১৫, ২০২১
টুকিটাকি

Hibiscus: যত্নের অভাবে চুল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে? প্রাণহীন চুলে জবা ফুলের মিনিট মেড কামাল দেখুন

বর্ষাকালে চুল পড়ে বলে অনেকেই তা গুরুত্ব দেয় না, কিন্তু অতিরিক্ত চুল পড়ায়, যত্নের অভাবে তা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে? প্রাণহীন, শুষ্ক চুলের জেল্লা ফেরাতে ব্যবহার করতে পারেন জবা ফুলের প্যাক। জবা ফুল বাজারে সহজলভ্য আর এই হেয়ার প্যাক বানানোও সহজ, জেনে নিন বাড়িতেই কীভাবে বানাবেন জবা ফুলের প্যাক।খুশকি তাড়াতে, চুল সাদা হওয়া রুখতে, ঘন চুল বজায় রাখতে জবা ফুল উপকারি। জবা ফুলের হেয়ার প্যাক বানাতে প্রয়োজন ৮ থেকে ১০টি জবা ফুল। ফুলের সবুজ অংশটি ফেলে ভালো করে ধুয়ে নিন ফুল। এবার জবা ফুল ও ৪ টেবিল চামচ টক দই নিয়ে মিক্সারে গ্রাইন্ড করতে হবে। প্রয়োজনে খানিকটা জল মেশাতে পারেন। মেথি পেস্ট তৈরি করে একটি বাটিতে ঢেলে ১ টেবিল চামচ মধু দিয়ে তাতে মিক্সারে গ্রাইন্ড করা জবা ফুল ও টক দই একসঙ্গে মিশিয়ে নিলেই তৈরি এই প্যাক।আরও পড়ুনঃ চুল এবং ত্বকের পরিচর্যায় অব্যর্থ নারকেল তেল, জেনে নিন কী কী কাজে লাগেএ তো গেল চুলের স্বাস্থ্য রক্ষার্থে জবা ফুলের ব্যবহার। ত্বকের জন্যও খুব উপকারি জবা ফূলের প্যাক। ত্বকের টক্সিন ও অতিরিক্ত তেল কমিয়ে ত্বককে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করে তুলতে উপকারি জবা ফুলের প্যাক। জবার পাপড়ি পেস্ট করে তার সঙ্গে চালের গুঁড়ো ও জল মিশিয়ে মুখে মেখে নিন। ১৫-২০ মিনিট মাসাজ করুন ওই পেস্ট। তার পরে ধুয়ে নিলেই ফিরে পাবেন সুন্দর ত্বক।জবা ফুলের প্যাক বানানোর সময় লক্ষ রাখবেন যেন ফুল ও পাতা তাজা থাকে। প্রয়োজনে মেথির বদলে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করতে পারেন। চুলে খুশকি থাকলে হেয়ার প্যাকে লেবুর রস ব্যবহার করুন। টাটকা ফুল না পেলে সুপার জবা ফুলের পাউডারও পাওয়া যায়, সেগুলিও ব্যবহার করতে পারেন হেয়ার প্যাক তৈরিতে।আরও পড়ুনঃ গাজরের বহুবিধ গুনাগুণবাড়িতে জবা ফুলের গাছ থাকলে বাড়তেই বানিয়ে ফেলুন জবাপাতার হেয়ার প্যাক, এটি বানাতে মুঠোভর্তি জবা পাতা ভালো করে ধুয়ে নিন। চাইলে কয়েকটি জবা ফুলও দিয়ে দিতে পারেন। মিহি পেস্ট তৈরি করার জন্য প্রয়োজনে সামান্য জল দিন। পাতার পেস্ট একটি বাটিতে নিন। আগের রাতে ভিজিয়ে রাখা মেথি গ্রাইন্ডারে পেস্ট করে নিন। এবার দুটি পেস্ট একসঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করুন চুলে। ধৈর্য ধরে কয়েকদিন ব্যবহার করেই দেখুন না, পার্লারে না গিয়েও আপানারও ঈর্ষা জাগানো কেশরাশির সমাহার দেখে নিজেই অবাক হয়ে যাবেন।

আগস্ট ০৮, ২০২১
টুকিটাকি

Healthy Skin: বর্ষায় ত্বক সুস্থ রাখতে প্রাকৃতিক রূপচর্চা

গ্রীষ্ম ও শীতকালেই শুধু নিয়ম মেনে ত্বকের পরিচর্চা করে থাকি আমরা। কিন্তু বাকি সময় অর্থাত্ বর্ষার দিনগুলিতে রূপচর্চার কথা অনেক পড়ে ভাবি। কিন্তু প্রাথমিকভাবে বর্ষাকালেই ত্বকের বিশেষ দেখভাল করার পরামর্শ দেওয়া হয়। কারণ এই সময় ত্বকের উপর ফাঙ্গাল ইনফেকশন হওয়ার সুযোগ থাকে বেশি। আর্দ্রতার কারণে ত্বক ও চুলের দুয়েরই সমস্যা তৈরি হয়। তবে এই সমস্যা মেটানোর জন্য ঘরোয়ো উপায়ে কিছু ফেস প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। ওটমিল ও দই- তিন টেবিলস্পুন ওটস, একটি ডিম নিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। এবার তাতে দুই টেবিলস্পুন দই ও এক চামচ মধু নিয়ে ভাল করে মিশিয়ে একটি পেস্ট বানান। এবার পুরো প্যাকটি ঠান্ডা করতে বেশ কিছুক্ষণ ফ্রিজের মধ্যে রেখে দিন। পুরোপুরি ঠান্ডা হলে গোটা মুখ, গলা, ঘাড়ে ফেস প্যাকটি লাগিয়ে নিন। ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করে স্বাবাবিক জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ওটসমিল ত্বকের উপর অতিরিক্ত তেল শুষে নিতে সাহায্য করে। ত্বকের পিএইচ লেভেল ব্যালান্স করতেও ওটসমিলের গুরুত্ব রয়েছে। অন্যদিকে দইয়ের মধ্যে রয়েছে ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে লড়াই করার অদম্য শক্তি, ফলে ত্বকের জেল্লা বাড়াতে ও কোমল রাখতে এই উপকারী ফেস প্যাকটি ব্যবহার করলে লাভবানই হবেন।বেসন ও রোজ ওয়াটার- এই ফেসপ্যাক অত্যন্ত প্রচলিত। একচিমটে হলুদ গুঁড়ো ও ১ চামচ বেসন মিশিয়ে তাতে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস ও রোজ ওয়াটার দিয়ে ভাল করে একটি ফেস প্যাক বানান। গোটা মুখে, গলায় লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সধারণ গোলাপ জল ত্বকের সব পরিচর্চার সহঙ্গেই দারুণভাবে কাজে লাগে। অন্যদিকে বেসনের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, যা ত্বকের চুলকানি, ব্রণ হওয়ার প্রবণতা কমিয়ে দেয়। লেবুর রস ও হলুদ গুঁড়ো সুস্থ ত্বকের চাবিকাঠি। ত্বকের ছিদ্রগুলি পরিষ্কার রাখতে এই দুই উপাদানের বিকল্প নেই।স্যান্ডালউড ও হলুদ- ১ টেবিল চামচ স্যান্ডালউড পাউডার ও হআধ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো পাউডার একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার কয়েক ফোঁটা গোলাপ জল নিয়ে পুরু ফেস প্যাক বানান। প্যাকটি মুখে, গলায় ভাল ভাবে লাগিয়ে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে স্বাভাবিক জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। হলুদের কারণে ত্বকে ফর্সাভাব ও জেল্লা বৃদ্ধি পায়। স্যান্ডালউডের কারণে ত্বকের অতিরিক্ত তেল নির্গত হয়ে সুস্থ ত্বকের পরিচয় দেয়।লেবু ও মধু- একটি বোলে অর্ধেক লেবুর রস আর দু চা চামচ মধু নিয়ে একটি প্যাক বানান। গোটা মুখে ওই প্যাক লাগিয়ে না শুকিয়ে যাওয়া অবধি রেখে দিন। ১০ মিনিট অপেক্ষা করে স্বাভাবিক জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের পিএইচ ব্যালান্স স্বাভাবিক রাখতে মধুর এই প্যাক দারুণ উপকারী। যে কোনও ত্বকের জন্য এই ফেস প্যাক ব্যবহার করা যায়।

আগস্ট ০১, ২০২১
স্বাস্থ্য

Chlorophyll: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অব্যর্থ ক্লোরোফিল

ডিটক্স ওয়াটার, স্মুদি, ভেষজ চা। শরীর নিয়ে যারা একটু যত্নশীল তাঁদের প্রতিদিনের ডায়েট প্ল্যানে এই তিনটি পানীয় থাকবেই থাকবে। কিন্তু জানেন কি বাজারে এসে গিয়েছে প্রতিযোগীতা। তা হল ক্লোরোফিল ওয়াটার। বিশেষত ফিটনেস প্রেমীদের জন্য এটা দারুন উপকারি। এই ক্লোরোফিল ওয়াটারের নতুনত্ব কী?আরও পড়ুনঃ চমৎকারী শ্রীফল, জানুন নানাবিধ উপকারসবুজ শাক পাতা থেকে পাওয়া ক্লোরোফিল দিয়ে তৈরি এই এই পানীয় নিয়ে রীতিমতো হইচই পরে গিয়েছে টিকটক দুনিয়ায়। এই পানীয়তে থাকে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ত্বককে ভাল রাখতে সাহায্য করে। শুধু তাই নয় ওজন ঝরাতে, মেটাবলিজম বাড়াতে , শরীরের উন্নতিতে অনেক সাহায্য করে।ক্লোরোফিল কী?ক্লোরোফিল মূলত উদ্ভিদের মধ্যে পাওয়া একটি সবুজ যৌগ যা সূর্যের আলো শোষণ করে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে, এই প্রক্রিয়াটি সালোকসংশ্লেষণ হিসাবে পরিচিত।বিশেষজ্ঞদের মতে লিকুইড ক্লোরোফিল শরীরের জন্য খুবই উপকারি। কারণ এতে থাকে উপযুক্ত নিউট্রিয়েন্টস এছাড়াও থাকে ভিটামিন এ, সি, কে। পুষ্টিগত দিক থেকে খুবই উন্নত এই পানীয়। ত্বককে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি সুন্দর করে। তা ছাড়া যদি ব্রণর সমস্যা থাকে তা নিরাময় করতেও সাহায্য করে এই পানীয়।রক্ত পরিষ্কার করতে অব্যর্থ এই পানীয়। প্লেটলেট পরিসংখ্যা বাড়াতে সাহায্য করে। পানীয়তে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সারের হাত থেকেও রক্ষা করে। স্বাভাবিকভাবেই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায় এই পানীয় রোজ খেলে। তবে পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে ক্লোরোফিল জল খেলে প্রস্রাবের রঙ সবুজ হয় এবং অনেক সময় ত্বকের অ্যালার্জিও হতে পারে।

জুলাই ২৫, ২০২১
টুকিটাকি

Black food diet: মারণ রোগমুক্ত জীবন চান? রোজকার ডায়েটে রাখুন কালো খাবার

সুস্থ থাকতে সবুজ শাকসবজি এবং রঙিন ফল খাওয়া উচিত, এ বিষয়ে বারবার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।কিন্তু কখনও কালো খাবার খাওয়ার ব্যাপারে কাউকে উৎসাহ দিতে দেখা যায় না। এমন অনেক কালো রঙে ফল বা সবজি রয়েছে, যা সত্যিই শরীরের জন্য উপকারী ও নিয়মিত ডায়েটে সেই খাবারের প্রাধান্য বৃদ্ধি করা উচিত। ডায়াবেটিস, ক্যান্সার ও হার্ট অ্যাটাকের মতো মারাত্মক রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য এই ধরণের খাবার খাওয়া সত্যিই উচিত।ব্ল্যাক ফিগস- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এই কালো রঙের ফিগস খুব পরিচিত। এই ফল অত্যন্ত মিষ্টি ও সুস্বাদু। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম ও ফাইবার, যা সামগ্রিকভাবে পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখে। ওজন কমানোর জন্যও এই উপকারী ফল দারুণ কার্যকরী। এছাড়া ক্যান্সার রোধের জন্য কালো রঙের এই ডুমুর জাতীয় ফল খাওয়া অত্যন্ত ভাল। উচ্চ রক্তচাপ ও হাইপারটেনশনের মোকাবিলার জন্য ব্ল্যাক ফিগস খাওয়া যেতে পারে।আরও পড়ুনঃ গাজরের বহুবিধ গুনাগুণব্ল্যাক বেরিজ- স্বাস্থ্যের সুবিধার ক্ষেত্রে এই বেরিগুলি স্ট্রবেরি এবং ব্লুবেরিগুলির মতো অন্যান্য বেরিগুলিকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে সক্ষম। হার্ট অ্যাটাকের মতো মারাত্মক অসুখের প্রবণতাকে হ্রাস করে, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে শরীরকে চাঙ্গা করতে সাহায্য করে। এই ফল মহিলাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। অনিয়মিত পিরিয়ডস, ঋতুস্রাবের সময় তলপেটে যন্ত্রণা উপশম করতে এই ফল বেশ কার্যকরী। ব্ল্যাক বেরিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান, যার ফলে ত্বকের পরিপূর্ণ দেখভালের জন্যও সহায়তা করে এই বেরি। স্মুদি, স্যালাদ, প্যানকেক, মিষ্টি জাতীয় মেনুতে এই বেরির ব্যবহার অতুলনীয়।কালো তিল- এশিয়ার প্রায় সব প্রান্তেই কালো তিল বীজ পাওয়া যায়। এতে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়ামের মতো ম্যাক্রো খনিজ উপাদান। যা কার্ডিওভাসকুলারের সুস্থতা ও উচ্চ রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এতে রয়েছে আয়রন, তামা, ম্যাঙ্গানিজ, যা রক্তের মধ্যে অক্সিজেনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। বিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখে । কালো তিলের বীজে স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। শরীরে অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে চাইলে এই বীজ নিয়মিত রান্নায় দিতে পারেন।কালো রসুন কয়েক সপ্তাহ ধরে নিয়মিত কালো রসুন খেলে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করে। জ্বালাধরা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে কালো রসুনের জুরি মেলা ভার। এই রসুন অ্যালঝাইমার রোগীদের জন্য বিশেষ করে উপকারী। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও ক্যান্সার বিরোধী উপাদান। যা কাঁচা ও সাধারণ রসুনের তুলনায় অনেকগুণ বেশি ভাল।এই কালো সবজি ও ফলের মাধ্যমে আপনি সহজেই নিজের ইমিউনিটি পাওয়ার বাড়িয়ে নিয়ে সুস্থ জীবনযাপন করতে পারেন নির্ভয়ে। পাশাপাশি, নানা রোগের হাত থেকে মুক্তি পেতে গাদা গাদা ওষুধও খেতে হবে না আপনাকে। সুতরাং, ভালো খান থুড়ি, কালো খান, সুস্থ থাকুন।

জুলাই ১১, ২০২১
স্বাস্থ্য

ঘন এবং লম্বা চুল চাই? মেনে চলুন বাড়ির এই সহজ খাদ্যতালিকা

লম্বা, ঘন, চুল কে না চায়৷ তবে সুন্দর চুলের অনেকটাই নির্ভর করে জিনের উপর৷ পরিবেশের পলিউশনের জন্য আরও চুলে সমস্যা দেখা যায়। এখন দোকানে প্রচুর ওষুধ, ক্রিম, তেল পাওয়া। যা ব্যবহার করলে চুল ভাল হয়। কিন্তু সেই সব প্রোডাক্ট অনেক কেমিক্যালও থাকে যা চুলের অনেক সময় ক্ষতিও করে৷ কিন্তু জানেন কি, এই সব বাইরের ক্রিম বা তেল নয় বাড়ির কিছু খাবার খেলেই পেতে পারেন অসাধারণ চুল।অ্যালোভেরা জুসঅ্যালোভেরাতে থাকে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিওল্যাক্টিক এনজাইম। যা মরা কোষকে মেরামত করতে সাহায্য করে। সহজেই চুলের গ্রোথে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে অ্যালোভেরা জুস খাওয়া খুবই উপকারি।আমন্ড এবং ব্যানানা স্মুদিআমন্ডে থাকে প্রচুর ভিটামিন, মিনারেল, জিঙ্ক। যা চুলের জন্য খুবই পুষ্টিকর। আমন্ডে থাকে ভিটামিন ই। যা ড্যামেজ চুলকে মেরামত করতে সাহায্য করে। অন্যদিকে কলাতে থাকে অনেক ক্যালসিয়াম, ফলিক অ্যাসিড যা চুলের পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে। আমন্ড আর কলা, দুধ দিয়ে তৈরি এই স্মুদি খুবই সুস্বাদু এবং উপকারিও।প্রোটিন-রিচ ডায়েটপুষ্টিবিদদের মতে, আমাদের চুল ৯৫ শতাংশ কেরাটিন এবং ১৮ অ্যামাইনো অ্যাসিড। প্রতিদিনের ডায়েটে যদি প্রোটিন রাখা যায় যা চুলের পুষ্টিগুণ বাড়ায়। ডিম, চিকেন, পোলট্রি, দুধ, চিজ, বাদাম, দই থেকে পাওয়া যায় প্রচুর প্রোটিন।তাই বাইরের কোনও প্রোডাক্ট ব্যবহার না করে বাড়ির ঘরোয়া খাবার থেকেই পেতে পারেন চুলের জন্য অপরিহার্য পুষ্টি। তাহলে চুলের জন্য কিছু কেনার আগে আরও একবার ভেবে দেখতেই পারেন।

জুলাই ০৮, ২০২১
স্বাস্থ্য

শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরান আপেল টি খেয়ে!

কথায় আছে, An apple a day, keeps the Doctor away...অর্থাৎ রোজ একটি আপেল খেলে ডাক্তারের কাছে যেতে হবে আপনার। লাল আপেলের গুণের কথা তো সকলে্রই জানা। কিন্তু স্বাস্থ্যকর আপেলের যে আরও অনেক গুণ রয়েছে। সাল্যাড, কাস্টার্ড, পুডিং বা কেকের জন্য আপেলের ব্যবহার আমরা এতদিন করে এসেছি। বেক করে কিংবা কাঁচা অবস্থাতেও আপেলের স্বাদ আমাদের কাছে পরিচিত। আপেল স্বাস্থ্যকর তো বটেই, আপেলের গুণাবলী সম্বন্ধেও অনেকেরই জানা। আপেল রক্তে শর্করার এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে ও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।সুতরাং ওজন হ্রাস করার জন্য আপনার ডায়েটে আপেলকে সঠিক পরিমাণে অন্তর্ভুক্ত করা অপরিহার্য। যদিও অনেকে আপেল সিডার ভিনেগারের সুবিধাগুলি সম্পর্কে অবগত আছেন, তবে বেশিরভাগই আপেল যে চা হিসেবেই ব্যবহার করা যায়, তাই শোনেননি। আসলে, আপেল চা হল এমন একটি পানীয় যা আপনি ঘরে বসে তৈরি করতে পারেন, যার সাহায্যে ফ্যাট বার্ন করতে এবং ওজন কমাতে পারবেন দ্রুত।কীভাবে বানাবেনব্ল্যাক টি পাতার সঙ্গে আপেলের টুকরাগুলি সিদ্ধ করে প্রস্তুত করা হয়। সঙ্গে দারচিনি এবং লবঙ্গ দিয়ে মশলা দেওয়া যায়। আপনি গরম বা ঠান্ডা আপেল চা পান করতে পারেন। আপেল টি খাওয়ার উপকারীতা কী, তা এক নজরে দেখে নেওয়া যাকহজম শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে- আপেল চা হজম শক্তি বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। দ্রবণীয় ফাইবার ওজন কমাতে অত্য়ন্ত কার্যকরী। আপেলগুলিতে ম্যালিক অ্যাসিডের উপস্থিতি একটি স্বাস্থ্যকর হজম ব্যবস্থা গড়তে সাহায্য করে।কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে আপেলের ভিতরের শাঁস ও খোসার ফাইবারে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট পলিফেনল। যা রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস করতে সহায়তা করে, এইভাবে ওজন হ্রাসেও সাহায্য করে।রক্তে শর্করাকে নিয়ন্ত্রণ করে আপেলে ফ্রুক্টোজ আকারে প্রাকৃতিক চিনি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা বিপাকের ভারসাম্যকে উন্নত করতে এবং রক্তে শর্করার অস্বাভাবিক মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ উত্থান বা পতন রোধ করে, ফলে ঘন ঘন খাবারের প্রয়োজনীয়তা দূর করে।কম ক্যালোরি আপেল হল কম ক্যালোরিযুক্ত খাবার। মার্কিন কৃষি বিভাগের মতে, একটি স্ট্যান্ডার্ড-আকারের আপেলে ১০০ গ্রাম ফল প্রতি প্রায় ৫০ ক্যালোরি থাকে।

জুলাই ০৩, ২০২১
স্বাস্থ্য

হজম শক্তি থেকে হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে খান কালো জাম

গরমকালে কালো জাম অনেকেরই প্রিয়, বেগুনি রঙের এই ফলটি (Jamun) ভারতবর্ষে মে মাসের মাঝামাঝি থেকে অগস্ট পর্যন্ত প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। সমস্ত বয়সের জন্য উপকারী এই ফল। বিশেষজ্ঞদের মতে, কালো জাম হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। ডায়েটি ফাইবারের একটি উৎস কাল জাম, এটি লিভারকে সক্রিয় করে এবং প্লীহাটি হজম ট্র্যাক্টকে সর্বোত্তম সুস্থ রাখে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কালো জাম হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য ভাল, কালো জামের উপস্থিত পটাশিয়াম (potassium) এবং ফসফরাস ( phosphorous) জাতীয় প্রয়োজনীয় খনিজগুলি উচ্চ রক্তচাপের মতো হৃদযন্ত্রের যত্নের মতো নির্দিষ্ট কার্ডিও-ভাস্কুলার অবস্থার রক্ষা করে।আরও পড়ুনঃ রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার বৃদ্ধির পাশাপাশি জানুন ত্রিফলার ঔষধিগুণ বিশেষজ্ঞদের মতে, কালো জাম ইমিউনিটি বাড়ায়, ভিটামিন B1, B2, B3, B6, এর পাশাপাশি, কালো রঙের বরইতে Vitamin C- এর একটি উচ্চ পরিমাণ রয়েছে, একটি অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট যা ফ্রি র্যা ডিক্যালগুলিতে আক্রমণ করে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, এই ফলটিতে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা অভ্যন্তরীণ সংক্রমণকে প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে এবং বাহ্যিক। বিশেষজ্ঞদের মতে, কালো জাম হাড়কে শক্তিশালী করে, আয়রন, ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাশিয়ামের মতো প্রয়োজনীয় খনিজগুলির উপস্থিতি হাড় এবং দাঁতগুলিকে মজবুত করে। বিশেষজ্ঞদের মতে এক গ্লাস দুধের সঙ্গে আধ চা চামচ কাল জামের গুঁড়ো হাড়কে শক্তিশালী করে তোলে।বিশেষজ্ঞদের মতে, জামের এমন কিছু কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা ব্ল্যাকহেডস, পিম্পলস এবং ব্রণ মুখের উপর উপস্থিত হওয়া রোধ করে। ফলের রক্ত পরিশোধক বৈশিষ্ট্যগুলির পাশাপাশি ত্বক উজ্জ্বল করার উপাদানও রয়েছে।

জুন ২৭, ২০২১
স্বাস্থ্য

বেশি করে সবজি খান, শরীর থাকবে সুস্থ, বাড়বে ইমিউনিটি পাওয়ার

কয়েকদিন আগেই ছিল National Eat Your Vegetables Day । প্রতিবছর ১৭ জুন পালিত হয় এই দিনটি। তবে এই উদযাপন তো কোনও বাহ্যিক আড়ম্বর নয়। Vegetables Day উদযাপন মানে, বেশি করে সবজি খাওয়া। তবে অবশ্যই একটা উদ্দেশ্য আছে দিনটির। এদিন আনাজ খাওয়ার বিষয়ে সচেতনতা প্রচারও একটা বড় বিষয়। অনেকেই সবজি খাওয়ার বিষয়ে একটু অনীহা প্রকাশ করেন। বাচ্চারা তো পারতপক্ষে সবজি খেতে চায় না। কিন্তু সকলকেই বোঝাতে হবে, সবজির মধ্যেও প্রভূত পুষ্টিগুণ (nutrition benefits) রয়েছে। আরও পড়ুনঃ কাঞ্চনের বিরুদ্ধে এফআইআর স্ত্রী পিঙ্কিরতাই যদি কেউ সারা বছর বেজার মুখ করে সবজি খান বা আদপে সবজি খান না অথবা যতদূর সম্ভব এড়িয়ে চলেন, তবে তিনি বা তাঁরা এই National Eat Your Vegetables Day-তে অন্তত একটা চেষ্টা করে দেখতে পারে যদি কোনওভাবে নিজের পছন্দের তালিকায় সবজিকে ঢুকিয়ে ফেলা যায়। যদি সবজি-তরকারি খাওয়া অভ্যাস করে ফেলা যায়। আসলে খেতে যেমনই হোক, vegetables কিন্তু যথেষ্ট স্বাস্থ্যকর। আর স্বাদের বদলও ঘটানো চলে। যদি রান্না ঘরে একটু বেশি সময় দেওয়া যায়, ভাবা যায় একটু আলাদা ভাবে, তবে সবজি রান্নাও অপূর্ব সুস্বাদু হতে পারে। আর যদি মনে করেন খামখা বাড়িতে এসব হ্যাপা করতে যাব কেন! তবে চলে যান কোনও ভেজ রেস্তোরাঁয়। সেখানে কোনও নতুন ধরনের পদ খুঁজে দেখতে পারেন। এই দিনটির সেলিব্রেশনও হল, পুষ্টিও হল।বাড়িতে বা বাইরে বেকড্ ভেজিটেবল খেতে পারেন, বানিয়ে নিতে পারেন ভেজ স্যালাড, রোস্টেড ভেজিটেবল তো ভালই লাগবে। আর শেষপাতে? হ্যাঁ, সেখানেও ডেজার্ট পর্যন্ত ভেজিটেবিল থেকে বানিয়ে নেওয়া যেতে পারে। গাজরের হালুয়া বা নারকোল কোরা গাজরের মিষ্টি দারুণ ব্যাপার হতে পারে।

জুন ২১, ২০২১
স্বাস্থ্য

Healthy Drink: গরমে কেন খাবেন লস্যি? জেনে নিন এই পানীয়ের বিভিন্ন গুণ

যাঁরা দুধ খেতে পারেন না বা যাঁদের দুধ সহ্য হয় না, তাঁদের অনেকেই কিন্তু অনায়াসে লস্যি খেতে পারেন। ফলে শরীরে সঠিক পরিমাণে ক্যালসিয়ামের জোগান হয় এই লস্যি পানের মাধ্যমে। গরমকাল মানেই ঠাণ্ডা কিছু খেতে ইচ্ছে করে সকলের। তেল-ঝাল-মশলা জাতীয় খাবার এড়িয়ে বরং ঠাণ্ডা শরবত, আইসক্রিম, কোলড্রিঙ্কে মনে মজে যায়। তবে গরমকালে শরীর সুস্থ এবং সতেজ রাখতে সবচেয়ে উপকারি লস্যি। মশলা ছাস, দইয়ের ঘোল, দইয়ের শরবত কিংবা ঠাণ্ডা লস্যি সবকটি পানীয়ই প্রায় একইরকম স্বাদে। তবে শুধু স্বাদে নয়, পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ এইসব পানীয়। পেটও ভরিয়ে রাখে অনেকক্ষণ। বাড়ির বড়রাও দেখা যায় গরমকালে লস্যি জাতীয় পানীয় খেয়ে শরীর ঠাণ্ডা রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।একঝলকে দেখে নেওয়া যাক লস্যির বেশ কিছু গুণ:১। শরীর ঠাণ্ডা রাখতে এই পানীয়ের জুড়ি মেলা ভার। খাবার ভালভাবে হজম করানোর পাশাপাশি অ্যাসিডিটি বা অম্বলের সমস্যাও কমায় এই লস্যি। আসলে এই লস্যির মূল উপকরণ টক দইয়ে থাকে ভাল ব্যাকটেরিয়া ল্যাকটোব্যাসিলি। এই ব্যাকটেরিয়াই সঠিক ভাবে খাবার হজম করাতে সাহায্য করে।২। বলা হয়, খুব গরমে বা যেসব অঞ্চলে লু বয়, সেখানকার লোকজন লস্যি খেলে এই অতিরক্ত দাবদাহের সঙ্গে শরীর লড়াই করতে পারে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি করে লস্যি। এর মধ্যে থাকে ল্যাকটিক অ্যাসিড এবং ভিটামিন ডি, যা আসলে ইমিউনিটি বুস্টার।৩। যাঁরা দুধ খেতে পারেন না বা যাঁদের দুধ সহ্য হয় না, তাঁদের অনেকেই কিন্তু অনায়াসে লস্যি খেতে পারেন। ফলে শরীরে সঠিক পরিমাণে ক্যালসিয়ামের জোগান বজায় থাকে। কোনও ঘাটতি দেখা যায় না। এই সঠিক পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকার দরুণ হাড়ের গঠন সুদৃঢ় হয়।৪। ত্বকের জন্যও লস্যি খুবই উপকারি। এর মধ্যে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকের জেল্লাভাব বাড়ায়। শুধু তাই নয় ত্বকের গঠন উন্নত হয়। অকালে বলিরেখার সমস্যা দেখা দেয় না। স্কিন টেক্সচার ভাল হওয়ার ফলে ত্বক হয় মসৃণ এবং মোলায়েম। সেই সঙ্গে ফিরে আসে ত্বকের স্বাভাবিক জৌলুস।

জুন ১৫, ২০২১
স্বাস্থ্য

Healthy lemon leaves: লেবু পাতার গুণাগুণ

শুধু লেবু নয়, লেবুর পাতাতেও রয়েছে অনেক গুণ। ফেলে দেওয়ার আগে তাই একবার কাজে লাগিয়েই দেখুন না, উপকারই পাবেন। জেনে নিন লেবু পাতার উপকারিতা...১. খাবার সুস্বাদু করার পাশাপাশি লেবু খুবই স্বাস্থ্যকর। লেবুর ঘ্রাণ যে কোনও খাবারে আলাদা করে স্বাদ এনে দেয়, যে কোনও খাবারই লেবুর গুণে সুস্বাদু হয়ে ওঠে।২. লেবুতে Vitamin C থাকায় তা ইমিউনিটি বাড়াতে সক্ষম। শুধুমাত্র লেবুই নয় লেবুর পাতাও গুণে সমৃদ্ধ। খুব কম লোকই জানেন যে লেবুর চেয়ে Lemon leaves বেশি স্বাস্থ্যকর।৩. বমি করার প্রবণতা থাকলে, এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কাছে রাখতে পারেন Lemon leaves, যার ঘ্রাণে বমিভাব কেটে যাবে। Lemon leaves -এর রস খেলেও শরীরের বাড়তি ওজন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।৪. দাঁতে কালচে ছোপ দূর করতে Lemon leaves -এর সঙ্গে Baking soda মিশিয়ে দাঁত মাজতে পারেন।৫. দিনের বেলা কাজের কারণে মাথা ব্যথার সমস্যা অনেকের মধ্যেই দেখা যায়, লেবুর পাতার রস শুকিয়ে খেলে অল্প সময়ের মধ্যেই মাথা ব্যথার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।৬. খালি পেটে প্রতিদিন সকালে এক চামচ Lemon leaves -এর রস এবং এক চামচ জলপাই খেলে পাথরের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।৭. বাচ্চাদের পেটের কৃমির সমস্যা থাকলে ১০ গ্রাম Lemon leaves -এর রসের সঙ্গে ১০ গ্রাম মধুর মিশ্রণ খেলে ১০-১৫ দিনের মধ্যে পেটের কৃমি থেকে মুক্তি পেতে পারে।

জুন ১২, ২০২১
টুকিটাকি

ফলের রাজার রাজকীয় গুণাগুণ

আম সব ফলের রাজা। মুড়ি, ভাত, দই, কেক, জুস- সব কিছুতেই আমের গন্ধে ম ম করে বেড়ায় গ্রীষ্মের দিনগুলিতে। আমের এই লোভনীয় স্বাদ আর গন্ধে মোহ হয়ে পেটপুজোই নয়, আম দিয়ে ত্বকের পরিচর্চা হলেও অবাক হবেন না।ত্বকের পরিচর্চায় আমের ব্যবহার। এতে অবাক হওয়ার নেই। আম যেমন খেলে বহু উপকারিতা রয়েছে, তেমনি স্কিনকেয়ারের জন্যও আম অত্যন্ত কার্যকরী। ত্বকের উজ্জ্বলভাব ধরে রাখতে, ক্ষতিকর ইউভি রশ্মি থেকেও রক্ষা করে আম। কারোর ত্বকে ব্রণর প্রবণতা বেশি থাকলে তা দূর করতে সাহায্য করে, আম অ্যান্টি-এজিং হিসেবেও ত্বকের জন্য খুব ভাল।শুধু স্বাদেই নয়, ত্বককে সুস্থ রাখতেও রয়েছে বিশেষ কয়েকটি টিপস১. সেলেব্রিটিরা এমনটা করেই থাকেন। সবচেয়ে সহজ উপায় হল নিয়মিত ত্বকের পরিচর্চার জন্য আমের শাঁস লাগান। একটি গোটা আমের রসাল শাঁস বেশ কার্যকরী। ২০ মিনিট রেখে স্বাভাবিক জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের উপর ট্যান পড়লে বা রোদে গরমে ত্বক পুড়ে গেলে আমের শাঁস লাগালে তা দূর হয় দ্রুত।২. মুড না থাকলে মাত্র তিনটি উপকরণ দিয়ে একটি ফেসমাস্ক বানিয়ে ফেলুন।, একটি গোটা আমের শাঁসের সঙ্গে মুলতানি মাটি ও দুধ মিশিয়ে ভাল করে পেস্ট বানান। কিছু সময় ধরে মুখের মধ্যে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। মুখের মধ্যে জমে থাকা ময়লা ও অতিরিক্ত তেল উধাও হবে এই ফেসমাস্কের কারণে।৩. যদি কারোর স্বর্শকাতর স্কিন হয়, তাহলে আমের শাঁসের সঙ্গে মুলতানি মাটি, দই ও গোলাপ জল মেশান। দুর্দান্ত ফেসমাস্কটিতে এই গরমের মরসুমে ত্বককে হাইড্রেট করতে সাহায্য করবে।৪. ম্যাঙ্গো স্ক্রাব বানাতে লাগবে আমের শাঁস, মধু ও দুধ। গোটা মুখের মধ্যে ভাল করে লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে আঙ্গুলের আলতো ছোঁয়ায় ঘষতে থাকুন। মধুর জায়গায় ব্রাউন সুগার ব্যবহার করতে পারেন। দ্রুত ত্বকের যৌবন ও উজ্জ্বলতা ফেরাতে এই ফেসমাস্ক ভীষণ কার্যকরী।৫. ত্বকের দেখভালের জন্য গ্রিন টি খাওয়ার অভ্যেস রয়েছে। এবার থেকে যখনই পারবেন আমের শাঁস লাগাতে পারেন। মানে গ্রিন টির সঙ্গে শাঁস যোগ করে একটি অসাধারণ ফেসমাস্ক তৈরি করে গোটা মুখের মধ্যে লাগান। ১৫-২০ মিনিট রাখুন। তারপর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকে আপনাআপনিই আলগা চমক ফুটে উঠবে।

মে ২৩, ২০২১
টুকিটাকি

রোজ পাতে থাকুক ঢ্যাঁড়স! জেনে নিন এর গুণাবলী…

করোনা পরিস্থিতিতে প্যাচপ্যাচে গরমে নাজেহাল অবস্থা সাধারণের। তারই মধ্যে শরীরে যত্ন নিতে বদ্ধপরিকর সকলেই। গরমে শরীরের যত্ন নিতে সপ্তাহে তিনদিন খান ঢ্যাঁড়স। শিশু, প্রবীণ ও গর্ভবতী মহিলাদের জন্য ঢ্যাঁড়স অত্যন্ত উপকারী।ঢ্যাঁড়সের নাম শুনেই নাক সিঁটকাচ্ছেন! অনেকেরই এই উপকারী সবজিতে না-পসন্দ। তবে এই গরমে সবচেয়ে সহজপাচ্য সবজির মধ্যে অন্যতম হল এই ঢ্যাঁড়স। শিশু ও প্রবীণরা ঢ্যাঁড়স খেলেও নতুন প্রজন্মের কাছে ঢ্যাঁড়স এখনও গুরুত্বহীন। ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, উপকারী ফাইবার সমৃদ্ধ ঢ্যাঁড়সের উপকারীতা শুনলে চমকে যাবেন। এই গরমে শরীর ভালো রাখতে তাই রোজ পাতে থাকুন ঢ্যাঁড়সের পদ।আসুন দেখে নিই, ঢ্যাঁড়স খেলে আমাদের শরীর কেন ভালো থাকে১. ঢ্যাঁড়সের অনেক গুণ রয়েছে। এতে রয়েছে ভিটামিন এ , অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়, শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধ করে।২. ঢ্যাঁড়সে রয়েছে সলিউবল ফাইবার পেকটিন, যা রক্তের মন্দ কোলেস্টেরলকে কমাতে সাহায্য করে ও অ্যাথেরোসক্লোরোসিস প্রতিরোধ করে।৩. গর্ভাবস্থায় ভ্রূণ তৈরির জন্য ভালো ঢ্যাঁড়স গর্ভাবস্থায় ভ্রূণের মস্তিষ্ক তৈরিতে সাহায্য করে, গর্ভপাত হওয়া প্রতিরোধ করে।৪. বাতাসের মধ্যে ভেসে থাকা দূষিত পদার্থ দূরে করে শরীরের টিস্যু পুনর্গঠনে ও মুখের ব্রণ দূর করতে সাহায্য করে।৫. ঢ্যাঁড়স কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। ঢ্যাঁড়সের উচ্চমাত্রার অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ক্ষতিকর ফ্রি রেডিকেলসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ তৈরি করে।৬. ঢ্যাঁড়স চুলের কন্ডিশনার হিসেবে খুব ভাল উপাদান। খুসকি দূর করতে এবং শুষ্ক মাথার ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী।৭. বিষণ্ণতা, দুর্বলতা এবং অবসাদ দূর করতে সাহায্য করে।৮. ঢ্যাঁড়সে আছে বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন এ, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, লিউটিন। এর কারণে চোখের গ্লুকোমা, চোখের ছানি প্রতিরোধে সাহায্য করে।৯. ঢ্যাঁড়সের মধ্যে বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন এ থাকায় ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। সূর্যের ইউভি রস্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করতে সাহায্য করে।১০. চোখের নানান সমস্যা রোধ করা যায় ঢ্যাঁড়সের গুণের জেরে।খারাপ লাগলেও আজ থেকেই ট্রাই করতে পারেন ঢ্যাঁড়স। গরমে ঠান্ডা থাকে, পেট ভালো রাখতে, দূষণ থেকে ত্বককে রক্ষা করতে এই ঢ্যাঁড়সের গুণের শেষ নেই।

এপ্রিল ০৫, ২০২১
টুকিটাকি

গাজরের বহুবিধ গুনাগুণ

বহুল উপকারি সবজির মধ্যে অন্যতম গাজর। গাজরের মধ্যে থাকে ভিটামিন সি। আর এই উপাদান ত্বকের জৌলুস ফেরাতে এবং ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে সাহায্য করে। যাবতীয় দাগছোপ দূর করে ত্বক রাখে ঝকঝকে। ত্বকের গঠন সুদৃঢ় করতেও সাহায্য করে গাজরে থাকা বিভিন্ন রকমের উপাদান। চুল এবং ত্বকের পরিচর্যায় গাজর খুবই উপকারি। অনেকেই প্রতিদিনের ডায়েটে রাখেন গাজরের রস। অনেকে আবার ফ্রুট স্যালাড কিংবা এমনি স্যালাডে রাখেন গাজর। শুধু ত্বক বা চুল ভাল রাখতে নয়, স্বাস্থ্য বজায় রাখার অসংখ্য গুণ রয়েছে গাজরে।গাজরের গুনাগুন জেনে নেওয়া যাক:১. গাজরে থাকে বিটা ক্যারোটিন। এই উপাদান ভিটামিন এ- তে পরিণত হয়। ফলে নতুন স্কিন সেল তৈরি হতে সাহায্য করে গাজরে থাকা এই উপাদান। এছাড়া ত্বকের ঔজ্জ্বল্যও বাড়ায়।২. গাজরের মধ্যে থাকে ভিটামিন সি। আর এই উপাদান ত্বকের জৌলুস ফেরাতে এবং ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে সাহায্য করে। যাবতীয় দাগছোপ দূর করে ত্বক রাখে ঝকঝকে।৩. ত্বকের টেক্সচার বা গঠন সুদৃঢ় করতেও সাহায্য করে গাজরে থাকা বিভিন্ন রকমের উপাদান। বিশেষ করে গাজরে থাকা ভিটামিন এ স্কিন টেক্সচার সুদৃঢ় করতে সাহায্য করে।৪. সূর্যের তেজে যে ট্যান পড়ে আপনার চামড়ায় সেটা দূর করে গাজরে থাকা বিটা ক্যারোটিন। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে আপনার ত্বককে রক্ষা করা এই উপাদান।৫. হেয়ারফল অর্থাৎ চুল পড়ার সমস্যা আজকাল প্রায় সকলেরই রয়েছে। এক্ষেত্রেও সমাধানের কাজ করে গাজর। শুধু তাই নয়, আপনার স্ক্যাল্পে পুষ্টিও জোগায় গাজর।৬. শুধু চুল বা ত্বকের পরিচর্যায় নয়, স্বাস্থ্য বজায় রাখতে, চোখের দৃষ্টিশক্তি প্রখর করতে এবং মেন্সট্রুয়াল বিভিন্ন ইস্যুর সমাধানে সাহায্য করে গাজর। প্রতিরোধ ক্ষমতাও গড়ে তোলে গাজর।

মার্চ ৩১, ২০২১
টুকিটাকি

চুল এবং ত্বকের পরিচর্যায় অব্যর্থ নারকেল তেল, জেনে নিন কী কী কাজে লাগে

নারকেলের গুণের কথা সকলে্রই জানা। নারকেলের নির্যাস তেলেও রয়েছে অনেক গুণ।এই তেলে রান্না করা খাবার খেতে যতই কম সুস্বাদু লাগুক, এর মধ্যে পুষ্টিগুণ নাকি মারাত্মক। তবে শুধু খাওয়ায় নয়, চুল এবং ত্বকের পরিচর্যাতেই ভীষণ ভাবে উপকার করে এই নারকেল তেল।চুলের পরিচর্যা-১. যাঁদের শ্যাম্পু করলেই চুল মারাত্মক রুক্ষ হয়ে যায়, কন্ডিশনার দিলেও বিশেষ লাভ হয় না, তাঁরা শ্যাম্পু করার আগে নারকেল তেল সামান্য গরম করে মাথায় ম্যাসাজ করুন। তারপর শ্যাম্পু করে নিলেই দেখবেন আপনার চুল স্মুদ এবং সিল্কি হয়ে গিয়েছে।২. খুশকির সমস্যাও কমিয়ে দেয় নারকেল তেল। মূলত, স্ক্যাল্প শুকনো এবং রুক্ষ থাকলেই খুশকির সমস্যা প্রবলভাবে দেখা দেয়। তা থেকে অনেকসময় আবার অনেক স্কিনের সমস্যাও হয়ে থাকে। তাই স্ক্যাল্পে পুষ্টি জোগাতে নারকেল তেল ব্যবহার করুন। এর ফলে খুশকির সমস্যা কমবে।৩. ঘরোয়া পদ্ধতিতে হেয়ার মাস্ক বা স্পা-এর জন্য প্যাক তৈরির সময় সামান্য নারকেল তেল মিশিয়ে নিতে পারেন। এর ফলে চুল অনেক বেশি নরম থাকে। চুলের ফ্রিজি ভাব চলে যায়।ত্বকের পরিচর্যা-১. চড়া মেকআপ তুলতে নারকেল তেল অব্যর্থ। ক্লিনজার-ফেসওয়াস এসবের বদলে পুরু করে নারকেল তেল লাগিয়ে নিন। মিনিট ১০ রেখে পরিষ্কার জলে মুখ ধুয়ে নিন। খুব চিটচিটে ভাব লাগবে সামান্য ক্লেনজার দিয়ে আর একবার মুখ ধুয়ে নিন। এর ফলে মেকআপ উঠে গেলেও মুখের ত্বক রুক্ষ-শুষ্ক হবে না।২. পা ফাটার সমস্যা দূর করতেও কাজে লাগে নারকেল তেল। পায়ের ফাটা জায়গা, বিশেষ করে গোড়ালির অংশে সামান্য নুন আর নারকেল তেল মিশিয়ে পা ঘষার ব্রাশ দিয়ে ভাল করে ঘষতে হবে। এর ফলে চামড়া নরম হয়ে যাবে। সেই সঙ্গে ফাটা অংশে বসে যাওয়া ময়লাও দূর হবে। এবার সামান্য গরম জলে খানিকক্ষণ পা ডুবিয়ে রাখুন। তারপর ভাল করে পা মুছে নিয়ে ফুটক্রিম লাগিয়ে নিন। সাতদিন এই পদ্ধতিতে পায়ের যত্ন করলে ফল পাবেন হাতেনাতে।৩. অনেকে আবার শরীরের রুক্ষভাব দূর করতেও নারকেল তেল মালিশ করে থাকেন। এর উপকারও আছে অনেক।

মার্চ ২২, ২০২১
স্বাস্থ্য

এক টমেটোর হাজারো গুণ, শুনলে আপনিও চমকে যাবেন

লাল টুকটুকে রূপের বাহার দেখে মন তো ভুলবেই। সুস্বাস্থ্যও বজায় থাকবে।এমন কোনও খাবার পেলে সকলেই চোখ ভরে দেখবেন ও মন ভরে খাবেন। টমেটো হচ্ছে তেমনই একটি সবজি, যা স্বাদে ও স্বাস্থ্যে একেবারে একে অপরকে টেক্কা দেয় বললেই চলে। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, টমেটোতে এমন গুণ আছে যা খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। ফলে মানুষের হার্ট সতেজ ও চাঙ্গা থাকে। মারণ রোগ ক্যানসারের হাত থেকেও রক্ষা করতে পারে টমেটো।টমেটোর মধ্যে কোনওরকম চর্বি জাতীয় উপাদান নেই। তাই এটি খেলে ওজন বাড়ারও সম্ভাবনা নেই। উলটে শরীরে ভিটামিন সির জোগান বাড়বে। টমেটোতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এতে যেমন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। আর করোনার এই সময় তা কতটা জরুরি, সেকথা তো সবারই জানা। হাড়ের জোর বাড়ানোর ক্ষমতাও রয়েছে টমেটোতে। এতে থাকা লাইকোপিনের উপস্থিতিতে আবার ত্বকের জেল্লাও বাড়ে।কাঁচা খান বা পাঁকা, স্যুপ খান বা চাটনি বা সস, যেভাবে ইচ্ছা টমেটো খেতেই পারেন। কিন্তু এত গুণের পরিমাণ জেনে আবার যথেচ্ছ পরিমাণে খেয়ে ফেলবেন না। পেটের সহ্য করার ক্ষমতা বুঝে তবেই স্বাদের কথা ভাববেন।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

দিঘার মন্দিরের প্রসাদ বিতরণেও টেন্ডার দুর্নীতির অভিযোগ! তদন্তে নেমে কী পেল লালবাজার?

দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে প্রসাদ বিতরণ থেকে অমিতাভ বচ্চনের জন্মদিন পালনপর্যটন দফতরের একাধিক কাজের বরাত পেয়েছে প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের সঙ্গে যুক্ত তিনটি সংস্থা। গত পাঁচ বছরে এমন অন্তত ১৫০টি টেন্ডারের খোঁজ পেয়েছেন লালবাজারের গোয়েন্দারা। অভিযোগ, ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে ওই তিনটি সংস্থাকেই কাজের বরাত দেওয়া হয়েছে। পর্যটন দফতরের টেন্ডার নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে লালবাজারের বিশেষ তদন্তকারী দল।ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে দুর্গাপুজোর প্রবেশপত্র বিক্রির অভিযোগের পাশাপাশি এ বার পর্যটন দফতরের টেন্ডার নিয়েও তদন্ত শুরু হয়েছে। গোয়েন্দাদের প্রাথমিক দাবি, গত পাঁচ বছরে অন্তত ১৫০টি টেন্ডার পেয়েছে ইন্দ্রনীল সেনের সঙ্গে যুক্ত তিনটি সংস্থা। এই টেন্ডারগুলির মোট আর্থিক মূল্য কয়েকশো কোটি টাকা কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।লালবাজার সূত্রে খবর, বিভিন্ন সময়ে ব্যানার লাগানো, রেড রোডে কার্নিভালের আয়োজন, রাস্তা সাজানো, অমিতাভ বচ্চনের জন্মদিন পালন, দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে প্রসাদ বিতরণ এবং বিভিন্ন জায়গায় মিষ্টি বিলির মতো কাজের জন্য টেন্ডার দিয়েছিল পর্যটন দফতর। গোয়েন্দাদের দাবি, এই কাজগুলির অধিকাংশের বরাত পেয়েছে ওই তিনটি সংস্থা। সংস্থাগুলির সঙ্গে ইন্দ্রনীলের ঘনিষ্ঠদের যোগ রয়েছে বলেও দাবি তদন্তকারীদের। সেগুলির উপর প্রাক্তন মন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই তদন্তের মধ্যেই বুধবারও লালবাজারে হাজিরা দেননি ইন্দ্রনীলের মেয়ে আভেরি সেন। এর আগে মঙ্গলবারও তাঁকে তলব করা হয়েছিল। সে দিন অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে হাজিরা এড়ান তিনি। বুধবার ফের তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার তাঁকে আবার হাজির হতে বলা হয়েছে। এ বারও হাজির না হলে তাঁর বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপ করা হতে পারে। প্রয়োজনে গ্রেফতারির কথাও ভাবা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।গোয়েন্দাদের দাবি, ইন্দ্রনীলের সংস্থার সঙ্গে তাঁর মেয়ের সংস্থার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকার লেনদেন হয়েছে। তাঁর স্ত্রী ও মেয়ের অ্যাকাউন্টেও কয়েক কোটি টাকা পাঠানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। পরে সেই টাকা আবার ইন্দ্রনীলের সংস্থায় ফিরে যায় কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এই আর্থিক লেনদেনের সূত্র ধরেই আভেরিকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান তাঁরা।সূত্রের খবর, জেরায় ইন্দ্রনীল সেন দাবি করেছেন, দুর্নীতির বিষয়ে তাঁর স্ত্রী সব জানেন, তিনি নিজে কিছু জানেন না। এই বক্তব্যের সত্যতা যাচাই করতে প্রয়োজনে তাঁর স্ত্রীকে ফের জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।পর্যটন দফতরের টেন্ডার সংক্রান্ত অভিযোগে তদন্ত আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে লালবাজার। এই মামলায় নতুন এমপিও আইন প্রয়োগ করা যায় কি না, তা নিয়েও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করছেন তদন্তকারীরা। তবে টেন্ডার বণ্টন বা আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে কোনও বেআইনি কাজ হয়েছিল কি না, তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্পষ্ট হবে না।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
দেশ

দুবাই থেকে ফিরতেই হবে টুলু মণ্ডলকে! ১৭ নভেম্বরের সময়সীমা বেঁধে দিল সুপ্রিম কোর্ট

দুবাই থেকে দেশে ফিরতেই হবে টুলু মণ্ডলকে। আগামী ১৭ নভেম্বরের মধ্যে ভারতে ফেরার নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। তবে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করা হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। পাথর পাচার এবং সরকারি রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে অভিযুক্ত টুলু বর্তমানে পরিবারকে নিয়ে দুবাইয়ে রয়েছেন।বীরভূমে পাথর পাচার ও সরকারি রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে টুলু মণ্ডলের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিয়েছে জেলা পুলিশ। অভিযোগ, সরকারি কর্মীদের একাংশের সঙ্গে যোগসাজশ করে খনিজ পরিবহণের জন্য প্রয়োজনীয় ডিসিআর এড়িয়ে যেতেন তিনি। ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর ১০০ কোটি টাকারও বেশি রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। সব মিলিয়ে সেই অঙ্ক প্রায় ৮৫০ কোটি টাকা বলে দাবি তদন্তকারীদের।এই মামলায় পুলিশের তৎপরতা বাড়তেই এলাকা ছেড়ে চলে যান টুলু। পরে তিনি দুবাইয়ে আশ্রয় নেন বলে জানা গিয়েছে। এ দিন সুপ্রিম কোর্টে তাঁর হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী মুকুল রোহতগি। তিনি জানান, আদালতের রক্ষাকবচ পেলে দেশে ফিরতে রাজি টুলু। তাঁর আরও অভিযোগ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ টুলুর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করছে।আদালতে সওয়াল করতে গিয়ে মুকুল বলেন, টুলু মণ্ডল দাউদ ইব্রাহিম নন। তিনি দেশের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা নিয়ে দুবাইয়ে বৈধ ব্যবসা করছেন।এর পরেই রাজ্য পুলিশের বক্তব্য জানতে চান বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি শী নাগুর বেঞ্চ। রাজ্য পুলিশের হয়ে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, টুলু দেশে ফিরলে আপাতত তাঁকে গ্রেফতার করা হবে না। তবে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চলবে।দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর ১৭ নভেম্বরের মধ্যে টুলুকে ভারতে ফেরার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। পাশাপাশি আদালত জানায়, ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না। এই সময়ের মধ্যে পরবর্তী রক্ষাকবচের জন্য স্থানীয় আদালতে আবেদন করতে হবে টুলুকে।ফলে আপাতত দুবাই ছেড়ে দেশে ফিরতে হবে টুলু মণ্ডলকে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা পাথর পাচার ও রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগের তদন্ত চলবে। মামলার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে সকলের।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বিগ বস বাংলায় ফিরতেই রাজবীরের চুমু! নন্দিনীকে নিয়ে এবার মুখ খুললেন সৌরভ দাসের মা

বিগ বস বাংলার দুর্গে ফিরলেন নন্দিনী দত্ত। তবে সাধারণ ভাবে নয়, ভূত জুলির সাজে। মঙ্গলবারের পর্বে তাঁকে দেখেই আবেগ ধরে রাখতে পারেননি রাজবীর। জড়িয়ে ধরে চুমুতে ভরিয়ে দেন নন্দিনীকে। কিন্তু তাঁদের এই ঘনিষ্ঠ আচরণ মোটেই পছন্দ হয়নি অভিনেতা সৌরভ দাসের মায়ের। তাঁর মতে, প্রেমেরও একটা সীমা থাকা উচিত। রাজবীর ও নন্দিনী সেই সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছেন।রবিবারের পর্বে সঞ্চালক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, দর্শকদের ভোটে বিগ বস বাংলার দুর্গ ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন নন্দিনী। সেই খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েন রাজবীর-সহ অন্য প্রতিযোগীরা। দুর্গ ছাড়ার আগে প্রেমিকাকে চুমুতে ভরিয়ে দিয়েছিলেন রাজবীর। তবে পরে জানা যায়, নন্দিনী আসলে প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়েননি। তাঁকে দুদিনের জন্য রাখা হয়েছিল গোপন ঘরে।মঙ্গলবার রাতে ভূত জুলির সাজে ফের মূল দুর্গে প্রবেশ করেন নন্দিনী। জানা যায়, বেশ কিছু বিশেষ ক্ষমতা নিয়ে ফিরেছেন তিনি। নন্দিনীকে দেখেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন রাজবীর। তাঁকে জড়িয়ে ধরে চুমু দিতে শুরু করেন। তাঁদের এই ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত ঘিরেই শুরু হয়েছে নতুন করে আলোচনা।রাজবীর ও নন্দিনীর সম্পর্ক নিয়ে আগেও আপত্তি জানিয়েছেন অনেকে। খোদ সঞ্চালক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে তাঁদের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। এ বার এই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন অভিনেতা সৌরভ দাসের মা। তাঁর কথায়, মিষ্টি প্রেম হতেই পারে। কিন্তু এটা একটা নোংরামির পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। চরম বাড়াবাড়ি হচ্ছে। সব কিছুর একটা সীমা থাকা উচিত। রাজবীর আর নন্দিনী সেই সীমাটাই পার করে গিয়েছে। শো দেখাই ছেড়ে দেব ভেবেছিলাম।বিগ বস বাংলার ঘরে রাজবীর-নন্দিনীর সম্পর্ক নিয়ে দর্শকদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তাঁদের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে যেমন আলোচনা হচ্ছে, তেমনই শোয়ের পারিবারিক চরিত্র বজায় রাখা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

মতুয়াদের নাগরিকত্ব নিয়ে বড় ঘোষণা শুভেন্দুর, ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে মিলবে সিএএ শংসাপত্র?

মতুয়াদের নাগরিকত্বের আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করতে বড় পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের। রবিবার ঠাকুরনগরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছিলেন, চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সমস্ত শুনানি শেষ করে মতুয়া সম্প্রদায়ের আবেদনকারীদের নাগরিকত্বের শংসাপত্র দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। নাগরিকত্ব পাওয়ার পর যাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তাঁদের নাম ফের তোলার ক্ষেত্রেও প্রশাসনিক সাহায্যের আশ্বাস দেন তিনি। সেই ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়া জেলায় ১২ জন প্রবেশনারি আইএএস আধিকারিককে নিয়োগ করেছে নবান্ন।সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন বা সিএএ-তে আবেদনের ক্ষেত্রেও সম্প্রতি কিছুটা সুবিধা হয়েছে। আগে আবেদনের সঙ্গে বাংলাদেশি নথি জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জোগাড় করতে না পেরে অনেকেই আবেদন করতে পারছিলেন না। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকার সেই বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়ায় সিএএ-তে আবেদনের সংখ্যা বেড়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।উত্তর ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত বনগাঁ মহকুমায় ৪২ হাজার ৭৮২ জন সিএএ-তে আবেদন করেছেন। গোটা উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় আবেদনকারীর সংখ্যা ৯২ হাজার ছাড়িয়েছে। মতুয়া অধ্যুষিত বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে আবেদন করার আগ্রহ বেড়েছে। অনেকেই ফর্ম পূরণ করছেন। ঠাকুরবাড়িতে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর সেই আগ্রহ আরও বেড়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে খবর।সিএএ-তে আবেদন করার পরেও দীর্ঘদিন ধরে নাগরিকত্বের শংসাপত্রের অপেক্ষায় ছিলেন অনেকে। কারও শুনানি হয়ে গিয়েছে, আবার কারও আবেদন এখনও প্রশাসনিক দফতরে পড়ে রয়েছে। কবে নাগরিকত্ব মিলবে, তা নিয়ে উদ্বেগ ছিল আবেদনকারীদের মধ্যে। এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় আশার আলো দেখছেন মতুয়া সম্প্রদায়ের একাংশ।প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, এত দিন প্রয়োজনীয় কর্মী ও পরিকাঠামোর অভাবে আবেদন এবং শুনানির কাজে দেরি হচ্ছিল। ফর্ম পূরণ করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তেন অনেকে। শুনানির জন্য দূরে জেলাশাসকের দফতরেও যেতে হত। নথি যাচাই করতেও সময় লাগছিল। নতুন ব্যবস্থায় মহকুমা স্তরেই ফর্ম পূরণ ও শুনানির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ফলে আবেদনকারীদের হয়রানি কমবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই কাজে ১২ জন প্রবেশনারি আইএএস আধিকারিক নিয়োগের সিদ্ধান্তেও খুশি মতুয়া সম্প্রদায়ের অনেকেই।হরিণঘাটার বিজেপি বিধায়ক অসীম সরকার মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, উদ্বাস্তু মতুয়াদের মধ্যে নতুন করে আনন্দ ও উৎসাহ তৈরি হয়েছে। তাঁর কথায়, আগে তিনি প্রতিজ্ঞা করেছিলেন, মতুয়াদের নাগরিকত্ব সুরক্ষিত না হওয়া পর্যন্ত বাড়িতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র বসাবেন না। সিএএ কার্যকর করার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় এখন তিনি তা বসিয়েছেন বলেও জানান অসীম।বাগদার নতুন আবেদনকারী নরোত্তম বিশ্বাসের কথায়, আগে তিনি সিএএ নিয়ে আশঙ্কার কারণে আবেদন করেননি। তাঁর দাবি, আগের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যে তিনি বিশ্বাস করেছিলেন যে ভোটার কার্ড ও আধার কার্ড থাকলেই নাগরিকত্ব প্রমাণ করা যায়। কিন্তু পরে দেখেছেন, অনেকে সিএএ-তে আবেদন করেও নাগরিকত্ব হারাননি। তাই তিনিও আবেদন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।এ দিন উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ, ঠাকুরনগর, বাগদা ও গাইঘাটা-সহ মতুয়া অধ্যুষিত বিভিন্ন এলাকায় মিছিল বের হয়। ডঙ্কা, কাঁসি ও নিশান নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান মতুয়া ভক্তদের একাংশ। নদিয়ার বিভিন্ন এলাকাতেও একই ছবি দেখা যায়। হরিণঘাটায় উদ্বাস্তু মতুয়া ও নমঃশূদ্র সম্প্রদায়ের মানুষ ডঙ্কা ও কাঁসর বাজিয়ে আনন্দে মেতে ওঠেন। তাঁদের সঙ্গে উৎসবে যোগ দেন স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক অসীম সরকারও।দীর্ঘদিন ধরে নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র না পাওয়া এবং ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার আশঙ্কায় অনিশ্চয়তায় ছিলেন মতুয়া সম্প্রদায়ের একাংশ। এ বার প্রশাসনিক তৎপরতায় সেই সমস্যা কতটা মেটে, সেটাই দেখার।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

স্ত্রীকে খুন করে কাটা মুণ্ডু কোলে নিয়ে মন্দিরে বসে স্বামী! শিউরে উঠলেন প্রতিবেশীরা

তখনও ভোরের আলো পুরোপুরি ফোটেনি। ফুল তুলতে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন কয়েক জন। মন্দিরের চত্বরে গিয়ে তাঁরা দেখেন, এক যুবক দুহাত তুলে বসে রয়েছেন। তাঁর কোলে এক মহিলার কাটা মুন্ডু। তা থেকে তখনও রক্ত ঝরছে। এই দৃশ্য দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নারায়ণপুরের এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতার নাম সীমা সরকার ঘোষ। তাঁর স্বামী রিন্টু ঘোষকে আটক করেছে পুলিশ।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বুধবার সকালে মন্দিরের চত্বরে রিন্টুকে দুহাত তুলে বসে থাকতে দেখেন তাঁরা। প্রথমে অন্ধকারের মধ্যে বিষয়টি স্পষ্ট বুঝতে পারেননি কেউ। পরে কাছে গিয়ে দেখা যায়, তাঁর কোলে স্ত্রীর কাটা মুন্ডু। অভিযোগ, এর পর মন্দির থেকে নেমে হাতে কাটা মুন্ডু নিয়ে এলাকায় ঘুরতে শুরু করেন তিনি। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বাসিন্দারা।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ। পুলিশ সীমার দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। তাঁর স্বামী রিন্টুকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি দাঁ-ও উদ্ধার করেছে পুলিশ।কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রাথমিক ভাবে দাম্পত্য অশান্তির জেরে এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে অনুমান পুলিশের। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।সীমার দাদার দাবি, তাঁর জামাইবাবু একটি সংস্থায় ঠিকাদার হিসাবে কাজ করতেন। কিছু দিন আগে তাঁর চাকরি চলে যায়। তার পর থেকেই আচরণে বদল আসে রিন্টুর। তিনি ধর্মের দিকে বেশি ঝুঁকে পড়েন এবং নিরামিষ খাওয়া শুরু করেন। তবে বোনের সঙ্গে জামাইবাবুর বড় কোনও অশান্তির কথা তিনি জানতেন না বলেই জানিয়েছেন সীমার দাদা।পুলিশের গাড়িতে বসে রিন্টুকে বলতে শোনা যায়, আমি সাইকো! সাইকো হয়ে গিয়েছি। আগে ঠিকাদারির কাজ করতাম। চাকরিটা চলে গেল। আমাকে কোনও সুযোগ দিল না। বউকে তো সত্যি কথাই বলেছিলাম। ওর কাছে লুকোনোর কিছু ছিল না।তদন্তকারীদের দাবি, রিন্টুর কথাবার্তায় একাধিক অসঙ্গতি রয়েছে। তাঁর মানসিক অবস্থা ঠিক রয়েছে কি না, তা জানতেও চিকিৎসকদের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে। আপাতত পুরো ঘটনার তদন্ত করছে গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
দেশ

সোনম ওয়াংচুকের স্কুলে তালা! হঠাৎ কেন বন্ধের নির্দেশ দিল লাদাখ প্রশাসন?

জমি নিয়ে আইনি জটিলতায় বন্ধ হয়ে গেল সোনম ওয়াংচুকের স্কুল। লাদাখের ফিয়াংয়ে অবস্থিত ডেজার্ট ফ্লাওয়ার স্কুল-এর সমস্ত কাজকর্ম বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। জমি সংক্রান্ত মামলার চূড়ান্ত রায় না আসা পর্যন্ত স্কুলের কোনও কাজ চালানো যাবে না বলে জানানো হয়েছে। এই নির্দেশ ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে লাদাখে।প্রশাসনের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় অনুমতি ও ছাড়পত্র ছাড়াই স্কুলটি চালানো হচ্ছিল। সেই কারণেই গত ১ নভেম্বর লেহর তহশিলদার দফতর থেকে স্কুল বন্ধ রাখার নোটিস পাঠানো হয় সোনমের স্ত্রী তথা হিমালয়ান ইনস্টিটিউট অফ অল্টারনেটিভসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা গীতাঞ্জলি জে আংমোকে।এই বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে হিমালয়ান ইনস্টিটিউট অফ অল্টারনেটিভসকে বরাদ্দ করা ১,০৭৬ কানাল জমি। জমির পরিমাণ প্রায় ১৩৪.৫ একর। এর সঙ্গে রয়েছে আরও এক মারলা জমি। প্রশাসন ওই জমির বরাদ্দ বাতিল করে। সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে জম্মু ও কাশ্মীর হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় সোনমের প্রতিষ্ঠান। মামলাটি এখনও আদালতে বিচারাধীন।প্রশাসনের পাঠানো নোটিসে ২২ সেপ্টেম্বরের একটি চিঠির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। ওই দিন গীতাঞ্জলি লেহর ডেপুটি কমিশনারকে চিঠি লিখে স্কুলের প্রস্তাবিত পরিচালন সমিতির সদস্যদের জন্য অনাপত্তিপত্র চেয়েছিলেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সেই ছাড়পত্র পাওয়ার আগেই স্কুলে ক্লাস শুরু হয়ে যায় বলে অভিযোগ।প্রশাসনের বক্তব্য, জমি সংক্রান্ত বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। তাই মামলার চূড়ান্ত রায় না আসা পর্যন্ত স্কুলের কাজকর্ম চালানো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই কারণেই আপাতত সমস্ত কার্যকলাপ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠান এবং তার প্রতিনিধিদের স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে বলা হয়েছে। এমন কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না, যার প্রভাব আদালতে চলা মামলার উপর পড়তে পারে।ফলে আপাতত আদালতের রায়ের দিকেই তাকিয়ে থাকতে হবে সোনম ওয়াংচুকের প্রতিষ্ঠানকে। জমি নিয়ে আইনি জট না কাটলে কবে আবার স্কুলের কাজকর্ম শুরু হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ জিততে গিলের বিয়ের ব্যবস্থা করবেন রোহিত! হাতে মাত্র দু’মাস, কেন এমন তাড়া হিটম্যানের?

লক্ষ্য ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়। সেই লক্ষ্য পূরণ করতে যা যা করা দরকার, সবই করতে রাজি রোহিত শর্মা। এমনকি শুভমান গিলের বিয়ের ব্যবস্থাও করে দিতে চান তিনি! তাও আবার আগামী দেড় থেকে দুমাসের মধ্যে। হঠাৎ গিলের বিয়ে নিয়ে এত আগ্রহ কেন রোহিতের? এর সঙ্গে বিশ্বকাপ জয়ের সম্পর্কই বা কী?এই মুহূর্তে ভারতীয় ওয়ানডে দলের অধিনায়ক শুভমান গিল। রোহিত শর্মাকে অধিনায়কের পদ থেকে সরিয়ে তাঁকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। গিলের প্রেমজীবন এবং বিয়ে নিয়ে অবশ্য বহু দিন ধরেই নানা জল্পনা চলছে। সম্প্রতি রোহিতের অনুষ্ঠান ফ্যামিলি ফুল হাউস-এও উঠে আসে সেই প্রসঙ্গ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কমেডিয়ান আকাশ গুপ্তা এবং শাদি ডট কমের প্রতিষ্ঠাতা অনুপম মিত্তাল।কথা বলতে বলতেই আকাশ একটি মজার তথ্য তুলে ধরেন। তাঁর কথায়, ইতিহাস বলছে, ভারতের কোনও অধিনায়কের বিয়ে হলে তার পরের বছরই বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত। উদাহরণ হিসেবে তিনি মনে করিয়ে দেন মহেন্দ্র সিংহ ধোনির বিয়ের কথা। ২০১০ সালে বিয়ে করেছিলেন ধোনি। তার পরের বছর, ২০১১ সালে, ভারত জিতেছিল এক দিনের বিশ্বকাপ।আকাশের কথা শুনে অনুপম মিত্তাল মজা করে বলেন, সেই জন্যই তো আমরা শুভমানের পিছনে পড়ে আছি। তবে তাঁর দাবি, গিল আপাতত বিয়ে করতে চান না। এই কথা শুনে রোহিতও মজার ছলে বলেন, না ভাই, বিশ্বকাপ জেতার জন্য আমাকে যা যা করতে হবে, সব করব।রোহিতের এই মন্তব্য থেকেই স্পষ্ট, বিশ্বকাপ জয়ের জন্য গিলের বিয়ের ব্যবস্থা করতেও আপত্তি নেই তাঁর! অবশ্য পুরো কথোপকথনই ছিল মজার ছলে। সত্যিই যে রোহিত গিলের বিয়ের আয়োজন করতে চলেছেন, এমন কোনও খবর নেই।গিলের প্রেমজীবন নিয়েও অতীতে কম আলোচনা হয়নি। এক সময় সচিন তেণ্ডুলকরের মেয়ে সারার সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের জল্পনা ছড়িয়েছিল। পরে সইফ আলি খানের মেয়ে সারার সঙ্গেও তাঁর নাম জড়ায়। তবে এই সব জল্পনার কোনওটিই গিল নিজে নিশ্চিত করেননি।এখনই বিয়ে করার কোনও পরিকল্পনা আছে কি না, তা নিয়েও প্রকাশ্যে কিছু জানাননি ভারতীয় অধিনায়ক। তাই রোহিত সত্যিই গিলের বিয়ের ঘটকালি করবেন কি না, তা নিয়ে আপাতত কৌতূহল থাকছেই। তবে বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্যে হিটম্যান যে মজার ছলে কোনও কিছুতেই পিছপা নন, তা তাঁর মন্তব্যেই পরিষ্কার।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

পানাগরের সার্ভিস রোডে পর পর চার রাউন্ড গুলি! কনস্টেবলের মৃত্যু ঘিরে রহস্য

ডিউটিতে থাকাকালীন মর্মান্তিক মৃত্যু হল এক পুলিশকর্মীর। নিজের সার্ভিস রিভলভারের গুলিতে প্রাণ গেল কাঁকসা ট্রাফিক গার্ডের কনস্টেবল সঞ্জয় জানার। তাঁর বাড়ি পশ্চিম মেদিনীপুরে। কর্মসূত্রে দুর্গাপুরে পোস্টিং ছিল। মঙ্গলবার রাতে পানাগরের জাতীয় সড়কের সার্ভিস রোডে এই ঘটনা ঘটে। কী কারণে তিনি গুলি চালালেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার রাতে পানাগরের সার্ভিস রোডের পাশে একটি হোটেলের সামনে ডিউটিতে ছিলেন সঞ্জয়। সেই সময় পুলিশের গাড়ি থেকে নেমে কয়েক জন সহকর্মী হোটেলে বসেছিলেন। সঞ্জয় পুলিশের গাড়ির সামনে ঘোরাঘুরি করছিলেন। আচমকাই নিজের সার্ভিস রিভলভার মাথায় ঠেকিয়ে গুলি চালান তিনি। পর পর চার রাউন্ড গুলি চলে বলে জানা গিয়েছে।গুলির শব্দ শুনে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন সহকর্মীরা। রক্তাক্ত অবস্থায় সঞ্জয়কে পড়ে থাকতে দেখেন তাঁরা। তড়িঘড়ি তাঁকে বিধাননগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশকর্তারাও ঘটনাস্থলে পৌঁছন। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের আধিকারিক প্রণব কুমার জানান, ওই কনস্টেবল নিজেই গুলি চালিয়েছিলেন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থল ঘিরে রেখেছে পুলিশ। তদন্তের জন্য ফরেনসিক দল সেখানে পৌঁছবে। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করা হবে। কেন এমন ঘটনা ঘটল, তার উত্তর খুঁজছে পুলিশ।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal