• ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Healthy

শিক্ষা

“মেয়েরা সুস্থ থাকলেই এগিয়ে যাবে সমাজ”—কাঞ্চননগর স্কুলে নারী স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা শিবির

নারী সুস্থ থাকলেই সুস্থ পরিবার, সুস্থ সমাজকাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে নারী স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে সচেতনতা শিবিরনারীর স্বাস্থ্য শুধু ব্যক্তিগত বিষয় নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে একটি পরিবার এবং বৃহত্তর সমাজের সুস্থতা। ঋতুকালীন পরিচ্ছন্নতা, পুষ্টি, সংক্রমণ প্রতিরোধ, মানসিক সুস্থতা থেকে শুরু করে দৈনন্দিন স্বাস্থ্যবিধিনারী স্বাস্থ্যের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে সচেতনতা গড়ে তুলতে কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হল বিশেষ সচেতনতা শিবির।শিবিরে ছাত্রীদের সামনে নারী স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন বিদ্যালয়ের শিক্ষিকারা। তাঁদের বক্তব্যে উঠে আসে, স্বাস্থ্যকর অভ্যাস ছোট বয়স থেকেই গড়ে তোলা প্রয়োজন। নিজের শরীর ও স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি বাড়ির পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্বও প্রত্যেকের রয়েছে।বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা সুনীতা সাহা বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে নারীস্বাস্থ্যের গুরুত্ব অপরিসীম। একটি পরিবারের সুস্থতার সঙ্গে মেয়েদের স্বাস্থ্য সরাসরি সম্পর্কিত। তাই ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি বাড়িঘর এবং আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়েও ছাত্রীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তাঁর কথায়, পরিচ্ছন্নতা শুধু অভ্যাস নয়, সুস্থ জীবনযাপনের অন্যতম ভিত্তি।অন্যদিকে শিক্ষিকা নন্দিনী দে স্বাস্থ্যকে শুধুমাত্র শারীরিক সুস্থতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মানসিক সুস্থতার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সুস্থ শরীরের পাশাপাশি সুস্থ মনও প্রয়োজন। তাই দৈনন্দিন জীবনে একটি সাধারণ পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবোধ গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি।ঋতুকালীন স্বাস্থ্যবিধি নিয়েও ছাত্রীদের সচেতন করা হয়। এই সময়ে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, সংক্রমণের সম্ভাবনা সম্পর্কে সতর্ক থাকা এবং শরীরের কোনও অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে তা অবহেলা না করার পরামর্শ দেওয়া হয়। পাশাপাশি নিয়মিত শারীরিক সক্রিয়তা বজায় রাখা এবং অলসতা এড়িয়ে চলার কথাও বলা হয়।খাদ্যাভ্যাসের বিষয়টিও উঠে আসে শিবিরে। অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে পুষ্টিকর ও সুষম খাবার গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়। শরীরে ভিটামিন ডি-এর প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে নিয়মিত পর্যাপ্ত সূর্যালোক গ্রহণ এবং খাদ্যতালিকায় উপযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক তথা জাতীয় শিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত নারীস্বাস্থ্যের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতার সম্পর্কের বিষয়টিও তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে, অনেক ক্ষেত্রেই নারীর স্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে আর্থিক পরিকাঠামো একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর পাশাপাশি দীর্ঘদিনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অভ্যাসও নারীস্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রত্যেকেরই নিজের সুস্থতার পাশাপাশি অন্যের সুস্থতার কথাও ভাবতে হবে। কারণ, একটি সমাজের প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন সেই সমাজের মেয়েরা সুস্থ, সচেতন এবং আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠেন।শিবিরে নারীস্বাস্থ্য নিয়ে এমন নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা ছাত্রীদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। শুধু রোগ প্রতিরোধ নয়, দৈনন্দিন জীবনে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলাই যে সুস্থ ভবিষ্যতের অন্যতম চাবিকাঠিসেই বার্তাই উঠে আসে এই সচেতনতা শিবির থেকে।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
টুকিটাকি

Garlic: বহু সংকটের সহজ সমাধান রসুন

বহুগুণা রসুন। মাছ, মাংস, তরিতরকারি যা-ই রাঁধুন না কেন, রসুন লাগবে! হেঁশেলের নিত্য প্রয়োজনীয় এই উপাদান সাধারণত রান্নার স্বাদ বাড়াতে মশলা হিসাবেই ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এর বাইরেও রসুন যে নানা কাজে লাগতে পারে, তা জানেন কি? রসুনের এই রকমই অজানা কয়েকটি ভূমিকার কথাই রইল এখানে।১) হজমের সমস্যা:হজমের সমস্যায় ভোগেন? ওষুধ না খেয়ে ভরসা রাখুন রসুনে। ১ কোয়া রসুন থেঁতো করে নিন। এ বার সেটি একটি চামচে রেখে উপরে আধ চা চামচ মধু ছড়িয়ে রোজ সকালে খালি পেটে খান। উপকার পাবেনই।২) ব্রণর সমস্যা: মুখে ব্রণর সমস্যায় জেরবার? তাতেও মুশকিল আসান হতে পারে এক টুকরো রসুন। রসুনের প্রদাহ নিরোধক উপাদান ব্রণর ব্যথা সারায়। এমনকী, ত্বকের ছিদ্রে থাকা ব্যাক্টিরিয়াও তাড়ায়। তাই ব্রণ সারাতে এক কোয়া রসুন কেটে নিয়ে ব্রণর জায়গায় ঘষুন।৩) খুশকি তাড়াতে:মাথার ত্বকে খুশকি হয়েছে? খুশকি তাড়িয়ে চুলের চিটচিটে ভাব দূর করবে রসুনই। কয়েক কোয়া রসুন থেঁতো করে তার সঙ্গে একটু মধু ভাল করে মিশিয়ে নিন। এ বার মিশ্রণটি মাথার ত্বকে লাগিয়ে হাল্কা মালিশ করে ১৫ মিনিট রাখুন। তার পর শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে নিন।৪) মশা তাড়াতে:মশা মারতে কামান দাগতে হবে না। ঘরে চাই সামান্য রসুন। রসুনের ৬-৮টি কোয়া ভাল করে থেঁতো করে সামান্য জল দিয়ে সিদ্ধ করতে দিন। হাল্কা আঁচে মিশ্রণটি রাখুন। ঠান্ডা করে ছেঁকে স্প্রে বোতলে ভরে নিন। ঘরের যে যে জায়গায় মশার উৎপাত বেশি, সেখানে স্প্রে করুন এই মিশ্রণ।৫) ব্যথা নিরাময়ে:হাতে কাঠ বা কাচের কুচি ঢুকে গিয়েছে? খুব ছোট এই জিনিসেও কিন্তু প্রবল ব্যথা হয়। এটি বার করা বেশ শক্ত। তবে ঘরোয়া উপায়েই রয়েছে সমাধান। কাচ বা কাঠের কুচি ঢুকে যাওয়া জায়গাটির উপর আধখানা রসুন দিয়ে ভাল করে ব্যান্ডেজ করে নিন। কিছুক্ষণ পর নিজে থেকেই বেরিয়ে আসবে কাচের কুচি।

অক্টোবর ০৪, ২০২১
টুকিটাকি

Amla: ত্বকের যত্নে ব্যবহার করুন আমলকির রস

আমলকির কিন্তু অনেক গুণ। শুধু শরীর-স্বাস্থ্য ভাল রাখাই নয়, ত্বক এবং চুলের পরিচর্যাতেও ব্যবহার করা হয় আমলকি। বিশেষ করে ত্বকের যত্নে দারুণ ভাবে কাজ করে আমলকি। তবে শুধু আমলকি দিলে হবে না। বরং ঘরোয়া পদ্ধতিতে রান্নাঘরের টুকটাক জিনিসপত্র দিয়ে যে ফেসপ্যাক বা স্ক্রাব তৈরি করেন, তার সঙ্গে মিশিয়ে নিন আমলকির রস। ব্যাস, তাহলে ত্বকের বেশিরভাগ সমস্যার মুশকিল আসান হয়ে যাবে নিমেষে।আমলকির সঙ্গে কী কী মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করা সম্ভব, জেনে নিন:আমলকির রস এবং পেঁপে- আমলকি এবং পেঁপে, দুটোই ত্বকের পিগমেন্টেশন অর্থাৎ কালচে দাগ ছোপ দূর করতে সাহায্য করে। তাই আমলকির রসের সঙ্গে ম্যাশড পাপায়া বা পেঁপে মিশিয়ে তৈরি করুন ফেসপ্যাক। সারা মুখে লাগিয়ে রাখুন এই মিশ্রণ। মিনিট ১৫ রাখার পর পরিষ্কার ঠাণ্ডা জলে মুখ ধুয়ে নিন। মুখে এই প্যাক লাগানোর সময় হাতের বদলে নরম কটন বল বা তুলো ব্যবহার করতে পারেন। সপ্তাহে অন্তত তিনদিন এই ফেসপ্যাক লাগান। দুসপ্তাহের মধ্যেই ত্বকের জেল্লা ফিরবে। ফল পাবেন হাতেনাতে। আমলকি, টকদই এবং মধু- মুখের ট্যান দূর করতেও সাহায্য করে আমলকি। তাই টকদই, মধু আর আমলকির রস মিশিয়ে তৈরি করুন ঘরোয়া ফেসপ্যাক। মুখের পাশাপাশি গলা এবং ঘাড়ের অংশেও এই প্যাক লাগাতে পারেন। কারণ মুখের সঙ্গে সঙ্গে গলা এবং ঘাড়ের অংশেও মারাত্মক ভাবে ট্যান পড়ে। এই ফেসপ্যাক লাগিয়ে অন্তত ২০ মিনিট রাখুন। একটু শুকিয়ে গেলে পরিষ্কার ঠাণ্ডা জলে মুখ ধুয়ে নিন। তারপর নরম তোয়ালে দিয়ে আলতো হাতে মুখ মুছে জল শুকিয়ে নিন।আমলকি, চিনি আর গোলাপ জল- স্কিন এক্সফোলিয়েশন অর্থাৎ ত্বকের মরা কোষ ঝরিয়ে জেল্লা ফেরানোর ক্ষেত্রে আমলকির জুড়ি মেলা ভার। এই স্কিন এক্সফোলিয়েশনের জন্য চিনি এবং গোলাপ জলের সঙ্গে মিশিয়ে নিন আমলকির রস। এক্ষেত্রে গুঁড়ো চিনি ব্যবহাত করতে পারলে ভাল। আর এক চামচ গোলাপ জল দিলেই যথেষ্ট। তুলোয় ভিজিয়ে এই মিশ্রণ সারা মুখে লাগিয়ে নিন। আলতো হাতে ম্যাসাজ করে স্ক্রাব করুন। মিনিট ১৫ ম্যাসাজের পর পরিষ্কার ঠাণ্ডা জলে মুখে ধুয়ে নিন। ধৈর্য ধরে কয়েকদিন এই ফেসপ্যাক ব্যবহার করলে উপকার পাবেন।

আগস্ট ২০, ২০২১
টুকিটাকি

Turmeric Milk: মহৌষধি হলুদ দুধের টনিক

আগেকার দিনের মা, ঠাকুমারা দুধের গ্লাসে এক চিমকে হলুদ ফেলে দিয়ে খেতে বলতেন। কেটে যাওয়া, শরীর ব্যথা, যে কোনওরকম অসুস্থতা হলেই এই হলুদ দুধের ব্যবহারের প্রচলন ছিল। হলুদ দুধের উপকারিতার কথঅ মাথায় রেখেই করোনাকালে তার চাহিদা আরও বেড়েছে। আসুন জেনে নিন, মহৌষধি হলুদ দুধের নানাবিধ উপকারের কথা। খাবার হজমে দারুণ কাজ করে হলুদ দুধ। বিশেষজ্ঞরা তাই খাওয়ার পর প্রতিদিন রাতে হলুদ দুধ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। রক্তে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে রক্ত পরিশুদ্ধ রাখে হলুদ দুধ। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন যে, লিভার ভালো রাখতে সবথেকে ভালো টনিক দুধে হলুদ মিশিয়ে খাওয়া।আরও পড়ুনঃ বেশি করে সবজি খান, শরীর থাকবে সুস্থ, বাড়বে ইমিউনিটি পাওয়ারকরোনা পরিস্থিতিতে ইনফেকশন একটা বড় চিন্তার বিষয়। যে কোনওরকমের ইনফেকশনের হাত থেকে আমাদের শরীরকে রক্ষা করতে হলুদ দুধ খুবই জরুরি। প্রতিদিন হলুদ দুধ খেলে আমাদের হৃদপিন্ড ভালো থাকে এবং হৃদরোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়। এমনটাই বক্তব্য বিশেষজ্ঞদের। কিডনি ভালো থাকলে, শরীর থেকে যাবতীয় দূষিত পদার্থ বা টক্সিন বেরিয়ে যায়। আর কিডনিকে সুস্থ রাখতে হলুদ দুধের জুড়ি মেলা ভার। বর্ষাকাল মানেই বিভিন্ন জ্বর, সর্দি, কাশি বা ঠান্ডা লাগার মতো সমস্যা লেগেই থাকে। এই সমস্ত সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে রোজ রাতে হলুদ দুধ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে চিকিসক থেকে বিশেষজ্ঞ প্রত্যেকেই।সারাদিন অফিসে কাজ কিংবা ওয়ার্ক ফ্রম হোমের চাপ। দিনের বেশিরভাগ সময়টাই কম্পিউটার বা ল্যাপটপের সামনে বসেই কেটে যায়। ফলে দেখা দিতে পারে মাথার যন্ত্রণার সমস্যা। এক গ্লাস হলুদ দুধ নিমেষে আপনাকে সেই সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে। হাড়কে শক্তিশালী রাখার পাশাপাশি হাড় বা গাঁটের যন্ত্রণার উপশম ঘটায়। তাই হাড়ের যাবতীয় সমস্যা দূর করতে বিশেষজ্ঞরা প্রতিদিন রাতে এক গ্লাস করে হলুদ দুধ খাওয়ার পরামর্শ দেন। করোনা পরিস্থিতিতে সবথেকে বেশি যেটা জরুরি, তা হল শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো। আর বিশেষজ্ঞদের মতে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য হলুদ দুধের তুলনা হয় না।

আগস্ট ১৫, ২০২১
টুকিটাকি

Hibiscus: যত্নের অভাবে চুল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে? প্রাণহীন চুলে জবা ফুলের মিনিট মেড কামাল দেখুন

বর্ষাকালে চুল পড়ে বলে অনেকেই তা গুরুত্ব দেয় না, কিন্তু অতিরিক্ত চুল পড়ায়, যত্নের অভাবে তা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে? প্রাণহীন, শুষ্ক চুলের জেল্লা ফেরাতে ব্যবহার করতে পারেন জবা ফুলের প্যাক। জবা ফুল বাজারে সহজলভ্য আর এই হেয়ার প্যাক বানানোও সহজ, জেনে নিন বাড়িতেই কীভাবে বানাবেন জবা ফুলের প্যাক।খুশকি তাড়াতে, চুল সাদা হওয়া রুখতে, ঘন চুল বজায় রাখতে জবা ফুল উপকারি। জবা ফুলের হেয়ার প্যাক বানাতে প্রয়োজন ৮ থেকে ১০টি জবা ফুল। ফুলের সবুজ অংশটি ফেলে ভালো করে ধুয়ে নিন ফুল। এবার জবা ফুল ও ৪ টেবিল চামচ টক দই নিয়ে মিক্সারে গ্রাইন্ড করতে হবে। প্রয়োজনে খানিকটা জল মেশাতে পারেন। মেথি পেস্ট তৈরি করে একটি বাটিতে ঢেলে ১ টেবিল চামচ মধু দিয়ে তাতে মিক্সারে গ্রাইন্ড করা জবা ফুল ও টক দই একসঙ্গে মিশিয়ে নিলেই তৈরি এই প্যাক।আরও পড়ুনঃ চুল এবং ত্বকের পরিচর্যায় অব্যর্থ নারকেল তেল, জেনে নিন কী কী কাজে লাগেএ তো গেল চুলের স্বাস্থ্য রক্ষার্থে জবা ফুলের ব্যবহার। ত্বকের জন্যও খুব উপকারি জবা ফূলের প্যাক। ত্বকের টক্সিন ও অতিরিক্ত তেল কমিয়ে ত্বককে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করে তুলতে উপকারি জবা ফুলের প্যাক। জবার পাপড়ি পেস্ট করে তার সঙ্গে চালের গুঁড়ো ও জল মিশিয়ে মুখে মেখে নিন। ১৫-২০ মিনিট মাসাজ করুন ওই পেস্ট। তার পরে ধুয়ে নিলেই ফিরে পাবেন সুন্দর ত্বক।জবা ফুলের প্যাক বানানোর সময় লক্ষ রাখবেন যেন ফুল ও পাতা তাজা থাকে। প্রয়োজনে মেথির বদলে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করতে পারেন। চুলে খুশকি থাকলে হেয়ার প্যাকে লেবুর রস ব্যবহার করুন। টাটকা ফুল না পেলে সুপার জবা ফুলের পাউডারও পাওয়া যায়, সেগুলিও ব্যবহার করতে পারেন হেয়ার প্যাক তৈরিতে।আরও পড়ুনঃ গাজরের বহুবিধ গুনাগুণবাড়িতে জবা ফুলের গাছ থাকলে বাড়তেই বানিয়ে ফেলুন জবাপাতার হেয়ার প্যাক, এটি বানাতে মুঠোভর্তি জবা পাতা ভালো করে ধুয়ে নিন। চাইলে কয়েকটি জবা ফুলও দিয়ে দিতে পারেন। মিহি পেস্ট তৈরি করার জন্য প্রয়োজনে সামান্য জল দিন। পাতার পেস্ট একটি বাটিতে নিন। আগের রাতে ভিজিয়ে রাখা মেথি গ্রাইন্ডারে পেস্ট করে নিন। এবার দুটি পেস্ট একসঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করুন চুলে। ধৈর্য ধরে কয়েকদিন ব্যবহার করেই দেখুন না, পার্লারে না গিয়েও আপানারও ঈর্ষা জাগানো কেশরাশির সমাহার দেখে নিজেই অবাক হয়ে যাবেন।

আগস্ট ০৮, ২০২১
টুকিটাকি

Healthy Skin: বর্ষায় ত্বক সুস্থ রাখতে প্রাকৃতিক রূপচর্চা

গ্রীষ্ম ও শীতকালেই শুধু নিয়ম মেনে ত্বকের পরিচর্চা করে থাকি আমরা। কিন্তু বাকি সময় অর্থাত্ বর্ষার দিনগুলিতে রূপচর্চার কথা অনেক পড়ে ভাবি। কিন্তু প্রাথমিকভাবে বর্ষাকালেই ত্বকের বিশেষ দেখভাল করার পরামর্শ দেওয়া হয়। কারণ এই সময় ত্বকের উপর ফাঙ্গাল ইনফেকশন হওয়ার সুযোগ থাকে বেশি। আর্দ্রতার কারণে ত্বক ও চুলের দুয়েরই সমস্যা তৈরি হয়। তবে এই সমস্যা মেটানোর জন্য ঘরোয়ো উপায়ে কিছু ফেস প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। ওটমিল ও দই- তিন টেবিলস্পুন ওটস, একটি ডিম নিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। এবার তাতে দুই টেবিলস্পুন দই ও এক চামচ মধু নিয়ে ভাল করে মিশিয়ে একটি পেস্ট বানান। এবার পুরো প্যাকটি ঠান্ডা করতে বেশ কিছুক্ষণ ফ্রিজের মধ্যে রেখে দিন। পুরোপুরি ঠান্ডা হলে গোটা মুখ, গলা, ঘাড়ে ফেস প্যাকটি লাগিয়ে নিন। ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করে স্বাবাবিক জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ওটসমিল ত্বকের উপর অতিরিক্ত তেল শুষে নিতে সাহায্য করে। ত্বকের পিএইচ লেভেল ব্যালান্স করতেও ওটসমিলের গুরুত্ব রয়েছে। অন্যদিকে দইয়ের মধ্যে রয়েছে ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে লড়াই করার অদম্য শক্তি, ফলে ত্বকের জেল্লা বাড়াতে ও কোমল রাখতে এই উপকারী ফেস প্যাকটি ব্যবহার করলে লাভবানই হবেন।বেসন ও রোজ ওয়াটার- এই ফেসপ্যাক অত্যন্ত প্রচলিত। একচিমটে হলুদ গুঁড়ো ও ১ চামচ বেসন মিশিয়ে তাতে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস ও রোজ ওয়াটার দিয়ে ভাল করে একটি ফেস প্যাক বানান। গোটা মুখে, গলায় লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সধারণ গোলাপ জল ত্বকের সব পরিচর্চার সহঙ্গেই দারুণভাবে কাজে লাগে। অন্যদিকে বেসনের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, যা ত্বকের চুলকানি, ব্রণ হওয়ার প্রবণতা কমিয়ে দেয়। লেবুর রস ও হলুদ গুঁড়ো সুস্থ ত্বকের চাবিকাঠি। ত্বকের ছিদ্রগুলি পরিষ্কার রাখতে এই দুই উপাদানের বিকল্প নেই।স্যান্ডালউড ও হলুদ- ১ টেবিল চামচ স্যান্ডালউড পাউডার ও হআধ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো পাউডার একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার কয়েক ফোঁটা গোলাপ জল নিয়ে পুরু ফেস প্যাক বানান। প্যাকটি মুখে, গলায় ভাল ভাবে লাগিয়ে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে স্বাভাবিক জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। হলুদের কারণে ত্বকে ফর্সাভাব ও জেল্লা বৃদ্ধি পায়। স্যান্ডালউডের কারণে ত্বকের অতিরিক্ত তেল নির্গত হয়ে সুস্থ ত্বকের পরিচয় দেয়।লেবু ও মধু- একটি বোলে অর্ধেক লেবুর রস আর দু চা চামচ মধু নিয়ে একটি প্যাক বানান। গোটা মুখে ওই প্যাক লাগিয়ে না শুকিয়ে যাওয়া অবধি রেখে দিন। ১০ মিনিট অপেক্ষা করে স্বাভাবিক জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের পিএইচ ব্যালান্স স্বাভাবিক রাখতে মধুর এই প্যাক দারুণ উপকারী। যে কোনও ত্বকের জন্য এই ফেস প্যাক ব্যবহার করা যায়।

আগস্ট ০১, ২০২১
স্বাস্থ্য

Chlorophyll: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অব্যর্থ ক্লোরোফিল

ডিটক্স ওয়াটার, স্মুদি, ভেষজ চা। শরীর নিয়ে যারা একটু যত্নশীল তাঁদের প্রতিদিনের ডায়েট প্ল্যানে এই তিনটি পানীয় থাকবেই থাকবে। কিন্তু জানেন কি বাজারে এসে গিয়েছে প্রতিযোগীতা। তা হল ক্লোরোফিল ওয়াটার। বিশেষত ফিটনেস প্রেমীদের জন্য এটা দারুন উপকারি। এই ক্লোরোফিল ওয়াটারের নতুনত্ব কী?আরও পড়ুনঃ চমৎকারী শ্রীফল, জানুন নানাবিধ উপকারসবুজ শাক পাতা থেকে পাওয়া ক্লোরোফিল দিয়ে তৈরি এই এই পানীয় নিয়ে রীতিমতো হইচই পরে গিয়েছে টিকটক দুনিয়ায়। এই পানীয়তে থাকে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ত্বককে ভাল রাখতে সাহায্য করে। শুধু তাই নয় ওজন ঝরাতে, মেটাবলিজম বাড়াতে , শরীরের উন্নতিতে অনেক সাহায্য করে।ক্লোরোফিল কী?ক্লোরোফিল মূলত উদ্ভিদের মধ্যে পাওয়া একটি সবুজ যৌগ যা সূর্যের আলো শোষণ করে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে, এই প্রক্রিয়াটি সালোকসংশ্লেষণ হিসাবে পরিচিত।বিশেষজ্ঞদের মতে লিকুইড ক্লোরোফিল শরীরের জন্য খুবই উপকারি। কারণ এতে থাকে উপযুক্ত নিউট্রিয়েন্টস এছাড়াও থাকে ভিটামিন এ, সি, কে। পুষ্টিগত দিক থেকে খুবই উন্নত এই পানীয়। ত্বককে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি সুন্দর করে। তা ছাড়া যদি ব্রণর সমস্যা থাকে তা নিরাময় করতেও সাহায্য করে এই পানীয়।রক্ত পরিষ্কার করতে অব্যর্থ এই পানীয়। প্লেটলেট পরিসংখ্যা বাড়াতে সাহায্য করে। পানীয়তে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সারের হাত থেকেও রক্ষা করে। স্বাভাবিকভাবেই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায় এই পানীয় রোজ খেলে। তবে পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে ক্লোরোফিল জল খেলে প্রস্রাবের রঙ সবুজ হয় এবং অনেক সময় ত্বকের অ্যালার্জিও হতে পারে।

জুলাই ২৫, ২০২১
টুকিটাকি

Black food diet: মারণ রোগমুক্ত জীবন চান? রোজকার ডায়েটে রাখুন কালো খাবার

সুস্থ থাকতে সবুজ শাকসবজি এবং রঙিন ফল খাওয়া উচিত, এ বিষয়ে বারবার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।কিন্তু কখনও কালো খাবার খাওয়ার ব্যাপারে কাউকে উৎসাহ দিতে দেখা যায় না। এমন অনেক কালো রঙে ফল বা সবজি রয়েছে, যা সত্যিই শরীরের জন্য উপকারী ও নিয়মিত ডায়েটে সেই খাবারের প্রাধান্য বৃদ্ধি করা উচিত। ডায়াবেটিস, ক্যান্সার ও হার্ট অ্যাটাকের মতো মারাত্মক রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য এই ধরণের খাবার খাওয়া সত্যিই উচিত।ব্ল্যাক ফিগস- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এই কালো রঙের ফিগস খুব পরিচিত। এই ফল অত্যন্ত মিষ্টি ও সুস্বাদু। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম ও ফাইবার, যা সামগ্রিকভাবে পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখে। ওজন কমানোর জন্যও এই উপকারী ফল দারুণ কার্যকরী। এছাড়া ক্যান্সার রোধের জন্য কালো রঙের এই ডুমুর জাতীয় ফল খাওয়া অত্যন্ত ভাল। উচ্চ রক্তচাপ ও হাইপারটেনশনের মোকাবিলার জন্য ব্ল্যাক ফিগস খাওয়া যেতে পারে।আরও পড়ুনঃ গাজরের বহুবিধ গুনাগুণব্ল্যাক বেরিজ- স্বাস্থ্যের সুবিধার ক্ষেত্রে এই বেরিগুলি স্ট্রবেরি এবং ব্লুবেরিগুলির মতো অন্যান্য বেরিগুলিকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে সক্ষম। হার্ট অ্যাটাকের মতো মারাত্মক অসুখের প্রবণতাকে হ্রাস করে, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে শরীরকে চাঙ্গা করতে সাহায্য করে। এই ফল মহিলাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। অনিয়মিত পিরিয়ডস, ঋতুস্রাবের সময় তলপেটে যন্ত্রণা উপশম করতে এই ফল বেশ কার্যকরী। ব্ল্যাক বেরিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান, যার ফলে ত্বকের পরিপূর্ণ দেখভালের জন্যও সহায়তা করে এই বেরি। স্মুদি, স্যালাদ, প্যানকেক, মিষ্টি জাতীয় মেনুতে এই বেরির ব্যবহার অতুলনীয়।কালো তিল- এশিয়ার প্রায় সব প্রান্তেই কালো তিল বীজ পাওয়া যায়। এতে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়ামের মতো ম্যাক্রো খনিজ উপাদান। যা কার্ডিওভাসকুলারের সুস্থতা ও উচ্চ রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এতে রয়েছে আয়রন, তামা, ম্যাঙ্গানিজ, যা রক্তের মধ্যে অক্সিজেনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। বিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখে । কালো তিলের বীজে স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। শরীরে অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে চাইলে এই বীজ নিয়মিত রান্নায় দিতে পারেন।কালো রসুন কয়েক সপ্তাহ ধরে নিয়মিত কালো রসুন খেলে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করে। জ্বালাধরা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে কালো রসুনের জুরি মেলা ভার। এই রসুন অ্যালঝাইমার রোগীদের জন্য বিশেষ করে উপকারী। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও ক্যান্সার বিরোধী উপাদান। যা কাঁচা ও সাধারণ রসুনের তুলনায় অনেকগুণ বেশি ভাল।এই কালো সবজি ও ফলের মাধ্যমে আপনি সহজেই নিজের ইমিউনিটি পাওয়ার বাড়িয়ে নিয়ে সুস্থ জীবনযাপন করতে পারেন নির্ভয়ে। পাশাপাশি, নানা রোগের হাত থেকে মুক্তি পেতে গাদা গাদা ওষুধও খেতে হবে না আপনাকে। সুতরাং, ভালো খান থুড়ি, কালো খান, সুস্থ থাকুন।

জুলাই ১১, ২০২১
স্বাস্থ্য

ঘন এবং লম্বা চুল চাই? মেনে চলুন বাড়ির এই সহজ খাদ্যতালিকা

লম্বা, ঘন, চুল কে না চায়৷ তবে সুন্দর চুলের অনেকটাই নির্ভর করে জিনের উপর৷ পরিবেশের পলিউশনের জন্য আরও চুলে সমস্যা দেখা যায়। এখন দোকানে প্রচুর ওষুধ, ক্রিম, তেল পাওয়া। যা ব্যবহার করলে চুল ভাল হয়। কিন্তু সেই সব প্রোডাক্ট অনেক কেমিক্যালও থাকে যা চুলের অনেক সময় ক্ষতিও করে৷ কিন্তু জানেন কি, এই সব বাইরের ক্রিম বা তেল নয় বাড়ির কিছু খাবার খেলেই পেতে পারেন অসাধারণ চুল।অ্যালোভেরা জুসঅ্যালোভেরাতে থাকে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিওল্যাক্টিক এনজাইম। যা মরা কোষকে মেরামত করতে সাহায্য করে। সহজেই চুলের গ্রোথে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে অ্যালোভেরা জুস খাওয়া খুবই উপকারি।আমন্ড এবং ব্যানানা স্মুদিআমন্ডে থাকে প্রচুর ভিটামিন, মিনারেল, জিঙ্ক। যা চুলের জন্য খুবই পুষ্টিকর। আমন্ডে থাকে ভিটামিন ই। যা ড্যামেজ চুলকে মেরামত করতে সাহায্য করে। অন্যদিকে কলাতে থাকে অনেক ক্যালসিয়াম, ফলিক অ্যাসিড যা চুলের পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে। আমন্ড আর কলা, দুধ দিয়ে তৈরি এই স্মুদি খুবই সুস্বাদু এবং উপকারিও।প্রোটিন-রিচ ডায়েটপুষ্টিবিদদের মতে, আমাদের চুল ৯৫ শতাংশ কেরাটিন এবং ১৮ অ্যামাইনো অ্যাসিড। প্রতিদিনের ডায়েটে যদি প্রোটিন রাখা যায় যা চুলের পুষ্টিগুণ বাড়ায়। ডিম, চিকেন, পোলট্রি, দুধ, চিজ, বাদাম, দই থেকে পাওয়া যায় প্রচুর প্রোটিন।তাই বাইরের কোনও প্রোডাক্ট ব্যবহার না করে বাড়ির ঘরোয়া খাবার থেকেই পেতে পারেন চুলের জন্য অপরিহার্য পুষ্টি। তাহলে চুলের জন্য কিছু কেনার আগে আরও একবার ভেবে দেখতেই পারেন।

জুলাই ০৮, ২০২১
স্বাস্থ্য

শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরান আপেল টি খেয়ে!

কথায় আছে, An apple a day, keeps the Doctor away...অর্থাৎ রোজ একটি আপেল খেলে ডাক্তারের কাছে যেতে হবে আপনার। লাল আপেলের গুণের কথা তো সকলে্রই জানা। কিন্তু স্বাস্থ্যকর আপেলের যে আরও অনেক গুণ রয়েছে। সাল্যাড, কাস্টার্ড, পুডিং বা কেকের জন্য আপেলের ব্যবহার আমরা এতদিন করে এসেছি। বেক করে কিংবা কাঁচা অবস্থাতেও আপেলের স্বাদ আমাদের কাছে পরিচিত। আপেল স্বাস্থ্যকর তো বটেই, আপেলের গুণাবলী সম্বন্ধেও অনেকেরই জানা। আপেল রক্তে শর্করার এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে ও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।সুতরাং ওজন হ্রাস করার জন্য আপনার ডায়েটে আপেলকে সঠিক পরিমাণে অন্তর্ভুক্ত করা অপরিহার্য। যদিও অনেকে আপেল সিডার ভিনেগারের সুবিধাগুলি সম্পর্কে অবগত আছেন, তবে বেশিরভাগই আপেল যে চা হিসেবেই ব্যবহার করা যায়, তাই শোনেননি। আসলে, আপেল চা হল এমন একটি পানীয় যা আপনি ঘরে বসে তৈরি করতে পারেন, যার সাহায্যে ফ্যাট বার্ন করতে এবং ওজন কমাতে পারবেন দ্রুত।কীভাবে বানাবেনব্ল্যাক টি পাতার সঙ্গে আপেলের টুকরাগুলি সিদ্ধ করে প্রস্তুত করা হয়। সঙ্গে দারচিনি এবং লবঙ্গ দিয়ে মশলা দেওয়া যায়। আপনি গরম বা ঠান্ডা আপেল চা পান করতে পারেন। আপেল টি খাওয়ার উপকারীতা কী, তা এক নজরে দেখে নেওয়া যাকহজম শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে- আপেল চা হজম শক্তি বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। দ্রবণীয় ফাইবার ওজন কমাতে অত্য়ন্ত কার্যকরী। আপেলগুলিতে ম্যালিক অ্যাসিডের উপস্থিতি একটি স্বাস্থ্যকর হজম ব্যবস্থা গড়তে সাহায্য করে।কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে আপেলের ভিতরের শাঁস ও খোসার ফাইবারে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট পলিফেনল। যা রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস করতে সহায়তা করে, এইভাবে ওজন হ্রাসেও সাহায্য করে।রক্তে শর্করাকে নিয়ন্ত্রণ করে আপেলে ফ্রুক্টোজ আকারে প্রাকৃতিক চিনি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা বিপাকের ভারসাম্যকে উন্নত করতে এবং রক্তে শর্করার অস্বাভাবিক মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ উত্থান বা পতন রোধ করে, ফলে ঘন ঘন খাবারের প্রয়োজনীয়তা দূর করে।কম ক্যালোরি আপেল হল কম ক্যালোরিযুক্ত খাবার। মার্কিন কৃষি বিভাগের মতে, একটি স্ট্যান্ডার্ড-আকারের আপেলে ১০০ গ্রাম ফল প্রতি প্রায় ৫০ ক্যালোরি থাকে।

জুলাই ০৩, ২০২১
স্বাস্থ্য

হজম শক্তি থেকে হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে খান কালো জাম

গরমকালে কালো জাম অনেকেরই প্রিয়, বেগুনি রঙের এই ফলটি (Jamun) ভারতবর্ষে মে মাসের মাঝামাঝি থেকে অগস্ট পর্যন্ত প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। সমস্ত বয়সের জন্য উপকারী এই ফল। বিশেষজ্ঞদের মতে, কালো জাম হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। ডায়েটি ফাইবারের একটি উৎস কাল জাম, এটি লিভারকে সক্রিয় করে এবং প্লীহাটি হজম ট্র্যাক্টকে সর্বোত্তম সুস্থ রাখে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কালো জাম হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য ভাল, কালো জামের উপস্থিত পটাশিয়াম (potassium) এবং ফসফরাস ( phosphorous) জাতীয় প্রয়োজনীয় খনিজগুলি উচ্চ রক্তচাপের মতো হৃদযন্ত্রের যত্নের মতো নির্দিষ্ট কার্ডিও-ভাস্কুলার অবস্থার রক্ষা করে।আরও পড়ুনঃ রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার বৃদ্ধির পাশাপাশি জানুন ত্রিফলার ঔষধিগুণ বিশেষজ্ঞদের মতে, কালো জাম ইমিউনিটি বাড়ায়, ভিটামিন B1, B2, B3, B6, এর পাশাপাশি, কালো রঙের বরইতে Vitamin C- এর একটি উচ্চ পরিমাণ রয়েছে, একটি অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট যা ফ্রি র্যা ডিক্যালগুলিতে আক্রমণ করে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, এই ফলটিতে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা অভ্যন্তরীণ সংক্রমণকে প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে এবং বাহ্যিক। বিশেষজ্ঞদের মতে, কালো জাম হাড়কে শক্তিশালী করে, আয়রন, ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাশিয়ামের মতো প্রয়োজনীয় খনিজগুলির উপস্থিতি হাড় এবং দাঁতগুলিকে মজবুত করে। বিশেষজ্ঞদের মতে এক গ্লাস দুধের সঙ্গে আধ চা চামচ কাল জামের গুঁড়ো হাড়কে শক্তিশালী করে তোলে।বিশেষজ্ঞদের মতে, জামের এমন কিছু কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা ব্ল্যাকহেডস, পিম্পলস এবং ব্রণ মুখের উপর উপস্থিত হওয়া রোধ করে। ফলের রক্ত পরিশোধক বৈশিষ্ট্যগুলির পাশাপাশি ত্বক উজ্জ্বল করার উপাদানও রয়েছে।

জুন ২৭, ২০২১
স্বাস্থ্য

বেশি করে সবজি খান, শরীর থাকবে সুস্থ, বাড়বে ইমিউনিটি পাওয়ার

কয়েকদিন আগেই ছিল National Eat Your Vegetables Day । প্রতিবছর ১৭ জুন পালিত হয় এই দিনটি। তবে এই উদযাপন তো কোনও বাহ্যিক আড়ম্বর নয়। Vegetables Day উদযাপন মানে, বেশি করে সবজি খাওয়া। তবে অবশ্যই একটা উদ্দেশ্য আছে দিনটির। এদিন আনাজ খাওয়ার বিষয়ে সচেতনতা প্রচারও একটা বড় বিষয়। অনেকেই সবজি খাওয়ার বিষয়ে একটু অনীহা প্রকাশ করেন। বাচ্চারা তো পারতপক্ষে সবজি খেতে চায় না। কিন্তু সকলকেই বোঝাতে হবে, সবজির মধ্যেও প্রভূত পুষ্টিগুণ (nutrition benefits) রয়েছে। আরও পড়ুনঃ কাঞ্চনের বিরুদ্ধে এফআইআর স্ত্রী পিঙ্কিরতাই যদি কেউ সারা বছর বেজার মুখ করে সবজি খান বা আদপে সবজি খান না অথবা যতদূর সম্ভব এড়িয়ে চলেন, তবে তিনি বা তাঁরা এই National Eat Your Vegetables Day-তে অন্তত একটা চেষ্টা করে দেখতে পারে যদি কোনওভাবে নিজের পছন্দের তালিকায় সবজিকে ঢুকিয়ে ফেলা যায়। যদি সবজি-তরকারি খাওয়া অভ্যাস করে ফেলা যায়। আসলে খেতে যেমনই হোক, vegetables কিন্তু যথেষ্ট স্বাস্থ্যকর। আর স্বাদের বদলও ঘটানো চলে। যদি রান্না ঘরে একটু বেশি সময় দেওয়া যায়, ভাবা যায় একটু আলাদা ভাবে, তবে সবজি রান্নাও অপূর্ব সুস্বাদু হতে পারে। আর যদি মনে করেন খামখা বাড়িতে এসব হ্যাপা করতে যাব কেন! তবে চলে যান কোনও ভেজ রেস্তোরাঁয়। সেখানে কোনও নতুন ধরনের পদ খুঁজে দেখতে পারেন। এই দিনটির সেলিব্রেশনও হল, পুষ্টিও হল।বাড়িতে বা বাইরে বেকড্ ভেজিটেবল খেতে পারেন, বানিয়ে নিতে পারেন ভেজ স্যালাড, রোস্টেড ভেজিটেবল তো ভালই লাগবে। আর শেষপাতে? হ্যাঁ, সেখানেও ডেজার্ট পর্যন্ত ভেজিটেবিল থেকে বানিয়ে নেওয়া যেতে পারে। গাজরের হালুয়া বা নারকোল কোরা গাজরের মিষ্টি দারুণ ব্যাপার হতে পারে।

জুন ২১, ২০২১
স্বাস্থ্য

Healthy Drink: গরমে কেন খাবেন লস্যি? জেনে নিন এই পানীয়ের বিভিন্ন গুণ

যাঁরা দুধ খেতে পারেন না বা যাঁদের দুধ সহ্য হয় না, তাঁদের অনেকেই কিন্তু অনায়াসে লস্যি খেতে পারেন। ফলে শরীরে সঠিক পরিমাণে ক্যালসিয়ামের জোগান হয় এই লস্যি পানের মাধ্যমে। গরমকাল মানেই ঠাণ্ডা কিছু খেতে ইচ্ছে করে সকলের। তেল-ঝাল-মশলা জাতীয় খাবার এড়িয়ে বরং ঠাণ্ডা শরবত, আইসক্রিম, কোলড্রিঙ্কে মনে মজে যায়। তবে গরমকালে শরীর সুস্থ এবং সতেজ রাখতে সবচেয়ে উপকারি লস্যি। মশলা ছাস, দইয়ের ঘোল, দইয়ের শরবত কিংবা ঠাণ্ডা লস্যি সবকটি পানীয়ই প্রায় একইরকম স্বাদে। তবে শুধু স্বাদে নয়, পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ এইসব পানীয়। পেটও ভরিয়ে রাখে অনেকক্ষণ। বাড়ির বড়রাও দেখা যায় গরমকালে লস্যি জাতীয় পানীয় খেয়ে শরীর ঠাণ্ডা রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।একঝলকে দেখে নেওয়া যাক লস্যির বেশ কিছু গুণ:১। শরীর ঠাণ্ডা রাখতে এই পানীয়ের জুড়ি মেলা ভার। খাবার ভালভাবে হজম করানোর পাশাপাশি অ্যাসিডিটি বা অম্বলের সমস্যাও কমায় এই লস্যি। আসলে এই লস্যির মূল উপকরণ টক দইয়ে থাকে ভাল ব্যাকটেরিয়া ল্যাকটোব্যাসিলি। এই ব্যাকটেরিয়াই সঠিক ভাবে খাবার হজম করাতে সাহায্য করে।২। বলা হয়, খুব গরমে বা যেসব অঞ্চলে লু বয়, সেখানকার লোকজন লস্যি খেলে এই অতিরক্ত দাবদাহের সঙ্গে শরীর লড়াই করতে পারে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি করে লস্যি। এর মধ্যে থাকে ল্যাকটিক অ্যাসিড এবং ভিটামিন ডি, যা আসলে ইমিউনিটি বুস্টার।৩। যাঁরা দুধ খেতে পারেন না বা যাঁদের দুধ সহ্য হয় না, তাঁদের অনেকেই কিন্তু অনায়াসে লস্যি খেতে পারেন। ফলে শরীরে সঠিক পরিমাণে ক্যালসিয়ামের জোগান বজায় থাকে। কোনও ঘাটতি দেখা যায় না। এই সঠিক পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকার দরুণ হাড়ের গঠন সুদৃঢ় হয়।৪। ত্বকের জন্যও লস্যি খুবই উপকারি। এর মধ্যে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকের জেল্লাভাব বাড়ায়। শুধু তাই নয় ত্বকের গঠন উন্নত হয়। অকালে বলিরেখার সমস্যা দেখা দেয় না। স্কিন টেক্সচার ভাল হওয়ার ফলে ত্বক হয় মসৃণ এবং মোলায়েম। সেই সঙ্গে ফিরে আসে ত্বকের স্বাভাবিক জৌলুস।

জুন ১৫, ২০২১
স্বাস্থ্য

Healthy lemon leaves: লেবু পাতার গুণাগুণ

শুধু লেবু নয়, লেবুর পাতাতেও রয়েছে অনেক গুণ। ফেলে দেওয়ার আগে তাই একবার কাজে লাগিয়েই দেখুন না, উপকারই পাবেন। জেনে নিন লেবু পাতার উপকারিতা...১. খাবার সুস্বাদু করার পাশাপাশি লেবু খুবই স্বাস্থ্যকর। লেবুর ঘ্রাণ যে কোনও খাবারে আলাদা করে স্বাদ এনে দেয়, যে কোনও খাবারই লেবুর গুণে সুস্বাদু হয়ে ওঠে।২. লেবুতে Vitamin C থাকায় তা ইমিউনিটি বাড়াতে সক্ষম। শুধুমাত্র লেবুই নয় লেবুর পাতাও গুণে সমৃদ্ধ। খুব কম লোকই জানেন যে লেবুর চেয়ে Lemon leaves বেশি স্বাস্থ্যকর।৩. বমি করার প্রবণতা থাকলে, এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কাছে রাখতে পারেন Lemon leaves, যার ঘ্রাণে বমিভাব কেটে যাবে। Lemon leaves -এর রস খেলেও শরীরের বাড়তি ওজন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।৪. দাঁতে কালচে ছোপ দূর করতে Lemon leaves -এর সঙ্গে Baking soda মিশিয়ে দাঁত মাজতে পারেন।৫. দিনের বেলা কাজের কারণে মাথা ব্যথার সমস্যা অনেকের মধ্যেই দেখা যায়, লেবুর পাতার রস শুকিয়ে খেলে অল্প সময়ের মধ্যেই মাথা ব্যথার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।৬. খালি পেটে প্রতিদিন সকালে এক চামচ Lemon leaves -এর রস এবং এক চামচ জলপাই খেলে পাথরের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।৭. বাচ্চাদের পেটের কৃমির সমস্যা থাকলে ১০ গ্রাম Lemon leaves -এর রসের সঙ্গে ১০ গ্রাম মধুর মিশ্রণ খেলে ১০-১৫ দিনের মধ্যে পেটের কৃমি থেকে মুক্তি পেতে পারে।

জুন ১২, ২০২১
টুকিটাকি

ফলের রাজার রাজকীয় গুণাগুণ

আম সব ফলের রাজা। মুড়ি, ভাত, দই, কেক, জুস- সব কিছুতেই আমের গন্ধে ম ম করে বেড়ায় গ্রীষ্মের দিনগুলিতে। আমের এই লোভনীয় স্বাদ আর গন্ধে মোহ হয়ে পেটপুজোই নয়, আম দিয়ে ত্বকের পরিচর্চা হলেও অবাক হবেন না।ত্বকের পরিচর্চায় আমের ব্যবহার। এতে অবাক হওয়ার নেই। আম যেমন খেলে বহু উপকারিতা রয়েছে, তেমনি স্কিনকেয়ারের জন্যও আম অত্যন্ত কার্যকরী। ত্বকের উজ্জ্বলভাব ধরে রাখতে, ক্ষতিকর ইউভি রশ্মি থেকেও রক্ষা করে আম। কারোর ত্বকে ব্রণর প্রবণতা বেশি থাকলে তা দূর করতে সাহায্য করে, আম অ্যান্টি-এজিং হিসেবেও ত্বকের জন্য খুব ভাল।শুধু স্বাদেই নয়, ত্বককে সুস্থ রাখতেও রয়েছে বিশেষ কয়েকটি টিপস১. সেলেব্রিটিরা এমনটা করেই থাকেন। সবচেয়ে সহজ উপায় হল নিয়মিত ত্বকের পরিচর্চার জন্য আমের শাঁস লাগান। একটি গোটা আমের রসাল শাঁস বেশ কার্যকরী। ২০ মিনিট রেখে স্বাভাবিক জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের উপর ট্যান পড়লে বা রোদে গরমে ত্বক পুড়ে গেলে আমের শাঁস লাগালে তা দূর হয় দ্রুত।২. মুড না থাকলে মাত্র তিনটি উপকরণ দিয়ে একটি ফেসমাস্ক বানিয়ে ফেলুন।, একটি গোটা আমের শাঁসের সঙ্গে মুলতানি মাটি ও দুধ মিশিয়ে ভাল করে পেস্ট বানান। কিছু সময় ধরে মুখের মধ্যে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। মুখের মধ্যে জমে থাকা ময়লা ও অতিরিক্ত তেল উধাও হবে এই ফেসমাস্কের কারণে।৩. যদি কারোর স্বর্শকাতর স্কিন হয়, তাহলে আমের শাঁসের সঙ্গে মুলতানি মাটি, দই ও গোলাপ জল মেশান। দুর্দান্ত ফেসমাস্কটিতে এই গরমের মরসুমে ত্বককে হাইড্রেট করতে সাহায্য করবে।৪. ম্যাঙ্গো স্ক্রাব বানাতে লাগবে আমের শাঁস, মধু ও দুধ। গোটা মুখের মধ্যে ভাল করে লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে আঙ্গুলের আলতো ছোঁয়ায় ঘষতে থাকুন। মধুর জায়গায় ব্রাউন সুগার ব্যবহার করতে পারেন। দ্রুত ত্বকের যৌবন ও উজ্জ্বলতা ফেরাতে এই ফেসমাস্ক ভীষণ কার্যকরী।৫. ত্বকের দেখভালের জন্য গ্রিন টি খাওয়ার অভ্যেস রয়েছে। এবার থেকে যখনই পারবেন আমের শাঁস লাগাতে পারেন। মানে গ্রিন টির সঙ্গে শাঁস যোগ করে একটি অসাধারণ ফেসমাস্ক তৈরি করে গোটা মুখের মধ্যে লাগান। ১৫-২০ মিনিট রাখুন। তারপর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকে আপনাআপনিই আলগা চমক ফুটে উঠবে।

মে ২৩, ২০২১
টুকিটাকি

রোজ পাতে থাকুক ঢ্যাঁড়স! জেনে নিন এর গুণাবলী…

করোনা পরিস্থিতিতে প্যাচপ্যাচে গরমে নাজেহাল অবস্থা সাধারণের। তারই মধ্যে শরীরে যত্ন নিতে বদ্ধপরিকর সকলেই। গরমে শরীরের যত্ন নিতে সপ্তাহে তিনদিন খান ঢ্যাঁড়স। শিশু, প্রবীণ ও গর্ভবতী মহিলাদের জন্য ঢ্যাঁড়স অত্যন্ত উপকারী।ঢ্যাঁড়সের নাম শুনেই নাক সিঁটকাচ্ছেন! অনেকেরই এই উপকারী সবজিতে না-পসন্দ। তবে এই গরমে সবচেয়ে সহজপাচ্য সবজির মধ্যে অন্যতম হল এই ঢ্যাঁড়স। শিশু ও প্রবীণরা ঢ্যাঁড়স খেলেও নতুন প্রজন্মের কাছে ঢ্যাঁড়স এখনও গুরুত্বহীন। ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, উপকারী ফাইবার সমৃদ্ধ ঢ্যাঁড়সের উপকারীতা শুনলে চমকে যাবেন। এই গরমে শরীর ভালো রাখতে তাই রোজ পাতে থাকুন ঢ্যাঁড়সের পদ।আসুন দেখে নিই, ঢ্যাঁড়স খেলে আমাদের শরীর কেন ভালো থাকে১. ঢ্যাঁড়সের অনেক গুণ রয়েছে। এতে রয়েছে ভিটামিন এ , অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়, শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধ করে।২. ঢ্যাঁড়সে রয়েছে সলিউবল ফাইবার পেকটিন, যা রক্তের মন্দ কোলেস্টেরলকে কমাতে সাহায্য করে ও অ্যাথেরোসক্লোরোসিস প্রতিরোধ করে।৩. গর্ভাবস্থায় ভ্রূণ তৈরির জন্য ভালো ঢ্যাঁড়স গর্ভাবস্থায় ভ্রূণের মস্তিষ্ক তৈরিতে সাহায্য করে, গর্ভপাত হওয়া প্রতিরোধ করে।৪. বাতাসের মধ্যে ভেসে থাকা দূষিত পদার্থ দূরে করে শরীরের টিস্যু পুনর্গঠনে ও মুখের ব্রণ দূর করতে সাহায্য করে।৫. ঢ্যাঁড়স কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। ঢ্যাঁড়সের উচ্চমাত্রার অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ক্ষতিকর ফ্রি রেডিকেলসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ তৈরি করে।৬. ঢ্যাঁড়স চুলের কন্ডিশনার হিসেবে খুব ভাল উপাদান। খুসকি দূর করতে এবং শুষ্ক মাথার ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী।৭. বিষণ্ণতা, দুর্বলতা এবং অবসাদ দূর করতে সাহায্য করে।৮. ঢ্যাঁড়সে আছে বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন এ, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, লিউটিন। এর কারণে চোখের গ্লুকোমা, চোখের ছানি প্রতিরোধে সাহায্য করে।৯. ঢ্যাঁড়সের মধ্যে বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন এ থাকায় ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। সূর্যের ইউভি রস্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করতে সাহায্য করে।১০. চোখের নানান সমস্যা রোধ করা যায় ঢ্যাঁড়সের গুণের জেরে।খারাপ লাগলেও আজ থেকেই ট্রাই করতে পারেন ঢ্যাঁড়স। গরমে ঠান্ডা থাকে, পেট ভালো রাখতে, দূষণ থেকে ত্বককে রক্ষা করতে এই ঢ্যাঁড়সের গুণের শেষ নেই।

এপ্রিল ০৫, ২০২১
টুকিটাকি

গাজরের বহুবিধ গুনাগুণ

বহুল উপকারি সবজির মধ্যে অন্যতম গাজর। গাজরের মধ্যে থাকে ভিটামিন সি। আর এই উপাদান ত্বকের জৌলুস ফেরাতে এবং ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে সাহায্য করে। যাবতীয় দাগছোপ দূর করে ত্বক রাখে ঝকঝকে। ত্বকের গঠন সুদৃঢ় করতেও সাহায্য করে গাজরে থাকা বিভিন্ন রকমের উপাদান। চুল এবং ত্বকের পরিচর্যায় গাজর খুবই উপকারি। অনেকেই প্রতিদিনের ডায়েটে রাখেন গাজরের রস। অনেকে আবার ফ্রুট স্যালাড কিংবা এমনি স্যালাডে রাখেন গাজর। শুধু ত্বক বা চুল ভাল রাখতে নয়, স্বাস্থ্য বজায় রাখার অসংখ্য গুণ রয়েছে গাজরে।গাজরের গুনাগুন জেনে নেওয়া যাক:১. গাজরে থাকে বিটা ক্যারোটিন। এই উপাদান ভিটামিন এ- তে পরিণত হয়। ফলে নতুন স্কিন সেল তৈরি হতে সাহায্য করে গাজরে থাকা এই উপাদান। এছাড়া ত্বকের ঔজ্জ্বল্যও বাড়ায়।২. গাজরের মধ্যে থাকে ভিটামিন সি। আর এই উপাদান ত্বকের জৌলুস ফেরাতে এবং ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে সাহায্য করে। যাবতীয় দাগছোপ দূর করে ত্বক রাখে ঝকঝকে।৩. ত্বকের টেক্সচার বা গঠন সুদৃঢ় করতেও সাহায্য করে গাজরে থাকা বিভিন্ন রকমের উপাদান। বিশেষ করে গাজরে থাকা ভিটামিন এ স্কিন টেক্সচার সুদৃঢ় করতে সাহায্য করে।৪. সূর্যের তেজে যে ট্যান পড়ে আপনার চামড়ায় সেটা দূর করে গাজরে থাকা বিটা ক্যারোটিন। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে আপনার ত্বককে রক্ষা করা এই উপাদান।৫. হেয়ারফল অর্থাৎ চুল পড়ার সমস্যা আজকাল প্রায় সকলেরই রয়েছে। এক্ষেত্রেও সমাধানের কাজ করে গাজর। শুধু তাই নয়, আপনার স্ক্যাল্পে পুষ্টিও জোগায় গাজর।৬. শুধু চুল বা ত্বকের পরিচর্যায় নয়, স্বাস্থ্য বজায় রাখতে, চোখের দৃষ্টিশক্তি প্রখর করতে এবং মেন্সট্রুয়াল বিভিন্ন ইস্যুর সমাধানে সাহায্য করে গাজর। প্রতিরোধ ক্ষমতাও গড়ে তোলে গাজর।

মার্চ ৩১, ২০২১
টুকিটাকি

চুল এবং ত্বকের পরিচর্যায় অব্যর্থ নারকেল তেল, জেনে নিন কী কী কাজে লাগে

নারকেলের গুণের কথা সকলে্রই জানা। নারকেলের নির্যাস তেলেও রয়েছে অনেক গুণ।এই তেলে রান্না করা খাবার খেতে যতই কম সুস্বাদু লাগুক, এর মধ্যে পুষ্টিগুণ নাকি মারাত্মক। তবে শুধু খাওয়ায় নয়, চুল এবং ত্বকের পরিচর্যাতেই ভীষণ ভাবে উপকার করে এই নারকেল তেল।চুলের পরিচর্যা-১. যাঁদের শ্যাম্পু করলেই চুল মারাত্মক রুক্ষ হয়ে যায়, কন্ডিশনার দিলেও বিশেষ লাভ হয় না, তাঁরা শ্যাম্পু করার আগে নারকেল তেল সামান্য গরম করে মাথায় ম্যাসাজ করুন। তারপর শ্যাম্পু করে নিলেই দেখবেন আপনার চুল স্মুদ এবং সিল্কি হয়ে গিয়েছে।২. খুশকির সমস্যাও কমিয়ে দেয় নারকেল তেল। মূলত, স্ক্যাল্প শুকনো এবং রুক্ষ থাকলেই খুশকির সমস্যা প্রবলভাবে দেখা দেয়। তা থেকে অনেকসময় আবার অনেক স্কিনের সমস্যাও হয়ে থাকে। তাই স্ক্যাল্পে পুষ্টি জোগাতে নারকেল তেল ব্যবহার করুন। এর ফলে খুশকির সমস্যা কমবে।৩. ঘরোয়া পদ্ধতিতে হেয়ার মাস্ক বা স্পা-এর জন্য প্যাক তৈরির সময় সামান্য নারকেল তেল মিশিয়ে নিতে পারেন। এর ফলে চুল অনেক বেশি নরম থাকে। চুলের ফ্রিজি ভাব চলে যায়।ত্বকের পরিচর্যা-১. চড়া মেকআপ তুলতে নারকেল তেল অব্যর্থ। ক্লিনজার-ফেসওয়াস এসবের বদলে পুরু করে নারকেল তেল লাগিয়ে নিন। মিনিট ১০ রেখে পরিষ্কার জলে মুখ ধুয়ে নিন। খুব চিটচিটে ভাব লাগবে সামান্য ক্লেনজার দিয়ে আর একবার মুখ ধুয়ে নিন। এর ফলে মেকআপ উঠে গেলেও মুখের ত্বক রুক্ষ-শুষ্ক হবে না।২. পা ফাটার সমস্যা দূর করতেও কাজে লাগে নারকেল তেল। পায়ের ফাটা জায়গা, বিশেষ করে গোড়ালির অংশে সামান্য নুন আর নারকেল তেল মিশিয়ে পা ঘষার ব্রাশ দিয়ে ভাল করে ঘষতে হবে। এর ফলে চামড়া নরম হয়ে যাবে। সেই সঙ্গে ফাটা অংশে বসে যাওয়া ময়লাও দূর হবে। এবার সামান্য গরম জলে খানিকক্ষণ পা ডুবিয়ে রাখুন। তারপর ভাল করে পা মুছে নিয়ে ফুটক্রিম লাগিয়ে নিন। সাতদিন এই পদ্ধতিতে পায়ের যত্ন করলে ফল পাবেন হাতেনাতে।৩. অনেকে আবার শরীরের রুক্ষভাব দূর করতেও নারকেল তেল মালিশ করে থাকেন। এর উপকারও আছে অনেক।

মার্চ ২২, ২০২১
স্বাস্থ্য

এক টমেটোর হাজারো গুণ, শুনলে আপনিও চমকে যাবেন

লাল টুকটুকে রূপের বাহার দেখে মন তো ভুলবেই। সুস্বাস্থ্যও বজায় থাকবে।এমন কোনও খাবার পেলে সকলেই চোখ ভরে দেখবেন ও মন ভরে খাবেন। টমেটো হচ্ছে তেমনই একটি সবজি, যা স্বাদে ও স্বাস্থ্যে একেবারে একে অপরকে টেক্কা দেয় বললেই চলে। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, টমেটোতে এমন গুণ আছে যা খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। ফলে মানুষের হার্ট সতেজ ও চাঙ্গা থাকে। মারণ রোগ ক্যানসারের হাত থেকেও রক্ষা করতে পারে টমেটো।টমেটোর মধ্যে কোনওরকম চর্বি জাতীয় উপাদান নেই। তাই এটি খেলে ওজন বাড়ারও সম্ভাবনা নেই। উলটে শরীরে ভিটামিন সির জোগান বাড়বে। টমেটোতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এতে যেমন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। আর করোনার এই সময় তা কতটা জরুরি, সেকথা তো সবারই জানা। হাড়ের জোর বাড়ানোর ক্ষমতাও রয়েছে টমেটোতে। এতে থাকা লাইকোপিনের উপস্থিতিতে আবার ত্বকের জেল্লাও বাড়ে।কাঁচা খান বা পাঁকা, স্যুপ খান বা চাটনি বা সস, যেভাবে ইচ্ছা টমেটো খেতেই পারেন। কিন্তু এত গুণের পরিমাণ জেনে আবার যথেচ্ছ পরিমাণে খেয়ে ফেলবেন না। পেটের সহ্য করার ক্ষমতা বুঝে তবেই স্বাদের কথা ভাববেন।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২১

ট্রেন্ডিং

দেশ

যুদ্ধের বাজারেও ভারতের বিরাট সাফল্য! বৃদ্ধির পূর্বাভাস এক ধাক্কায় বাড়াল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার

বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের পরিস্থিতি। বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই ভারতের অর্থনীতি নিয়ে বড় সুখবর দিল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। চলতি অর্থবর্ষে দেশের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করল এই আন্তর্জাতিক সংস্থা। আগে এই হার ৬.৪ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল। অর্থাৎ, বিশ্ব অর্থনীতির একাধিক ক্ষেত্রে চাপ থাকলেও ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার।সংস্থার সাম্প্রতিক বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সংক্রান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ভারতের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ হতে পারে। এর আগে গত জুলাইয়ে ৬.৪ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। নতুন অনুমান অনুযায়ী, বৃদ্ধির সম্ভাবনা ০.৬ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে।শুধু চলতি অর্থবর্ষ নয়, আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবর্ষেও ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ থাকতে পারে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। আগে ওই অর্থবর্ষে ৬.৭ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ, আগামী দুবছরেও দেশের অর্থনীতির গতি বজায় থাকার আশা করছে সংস্থাটি।এর আগে ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কও চলতি অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.১ শতাংশ করেছিল। এ বার আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের রিপোর্টেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলল।ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানোর পিছনে কয়েকটি কারণের কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। সংস্থার মতে, দেশের বাজারে পণ্য ও পরিষেবার চাহিদা যথেষ্ট শক্তিশালী। সাধারণ মানুষের কেনাকাটা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের ভাল ফল অর্থনীতির বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে। পাশাপাশি, ভারতের বড় অভ্যন্তরীণ বাজার, বিপুল জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্কারও বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। বিশেষ করে পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।তবে বিশ্ব অর্থনীতির সামনে ঝুঁকিও রয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি আমেরিকা ও ইরানের সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। এর মধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি ভারতের মতো তেল আমদানিনির্ভর দেশের জন্য বড় চিন্তার কারণ। তেলের দাম বাড়লে দেশের আমদানি খরচ বাড়তে পারে। তার প্রভাব পড়তে পারে মূল্যবৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে।আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের অনুমান, ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৫.৭৪ ডলারে পৌঁছতে পারে। ২০২৫ সালের তুলনায় তা প্রায় ৪১ শতাংশ বেশি। তবে ২০২৭ সালে তেলের দাম প্রায় ৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৭.৩৯ ডলারে নেমে আসতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছে। তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা থাকলেও দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি বজায় থাকতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।অন্য দিকে, চিন, রাশিয়া, ব্রাজিল এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের অর্থনীতি নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এই দেশগুলির সম্মিলিত আর্থিক বৃদ্ধির হার ৩.৭ শতাংশ হতে পারে। আগে এই হার ৩.৮ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল।তবে ইউরোপের কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানো হয়েছে। জার্মানির অর্থনৈতিক বৃদ্ধির অনুমান ০.৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে। ব্রিটেনের ক্ষেত্রেও বৃদ্ধির পূর্বাভাস ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে, যুদ্ধ এবং তেলের দাম বৃদ্ধির মতো ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান আগামী দিনেও আর্থিক বৃদ্ধিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

সূর্যকান্তকে নিয়ে বিস্ফোরক পোস্ট, বিজেপির আক্রমণের মুখে পিছু হটল কেরল কংগ্রেস?

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের পদত্যাগ দাবি করে কেরল কংগ্রেসের একটি পোস্ট ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে বিতর্কের পর এ বার প্রধান বিচারপতিকে নিশানা করে পোস্ট করার অভিযোগ উঠেছে কেরল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বিষয়টি সামনে আসতেই কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত পোস্টটি মুছে দিয়েছে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস। সূত্রের খবর, ওই পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকেও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে বিক্ষোভ এবং রাজধানীতে জারি করা বিধিনিষেধ নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা। একটি অনুষ্ঠানের ফাঁকে তাঁদের প্রশ্নের উত্তরে প্রধান বিচারপতি জানান, বিষয়টি আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই তা তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না।প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্যের পরেই কেরল কংগ্রেসের সরকারি সমাজমাধ্যমের পাতায় একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে তাঁকে উদ্দেশ করে লেখা হয়েছিল, আইনশৃঙ্খলা যদি তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে না পড়ে, তা হলে যেন তিনি পদত্যাগ করেন। পাশাপাশি, তাঁর পরিবর্তে এই বিষয় সামলাতে পারবেন, এমন কাউকে খুঁজে নেওয়ার কথাও লেখা হয় ওই পোস্টে। বার্তাটি সামনে আসতেই কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হয় বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায় ওই পোস্টের ছবি ভাগ করে নেন। তাঁর অভিযোগ, তিনি আগেই বলেছিলেন, কংগ্রেসের পরবর্তী নিশানা হবে বিচারব্যবস্থা। কংগ্রেস দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করতে চায় বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর আরও বক্তব্য, দেশবিরোধী শক্তিগুলি একজোট হচ্ছে। এর মোকাবিলায় দেশপ্রেমিক ভারতীয়দেরও একজোট হওয়ার আহ্বান জানান রিজিজু।বিতর্ক বাড়তে থাকায় নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি সানি জোসেফ জানান, প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রদেশ কংগ্রেসের নেতৃত্বের অজান্তে এবং তাঁদের অনুমতি বা পরামর্শ ছাড়াই ওই পোস্ট করা হয়েছিল।কী পরিস্থিতিতে ওই পোস্ট করা হয়েছিল, তা দল খতিয়ে দেখবে বলেও জানিয়েছেন সানি। তাঁর বক্তব্য, বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে কংগ্রেসের কোনও আপত্তি নেই। সমাজমাধ্যমে এমন কোনও পোস্ট করা হলে, যা দলের এই অবস্থানের সঙ্গে মেলে না, তা কেরল প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের মতামত বলে গণ্য করা যাবে না।প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিতর্কে এক দিকে বিজেপির আক্রমণ, অন্য দিকে কেরল কংগ্রেসের ব্যাখ্যাসব মিলিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতর বেড়েছে। বিতর্কিত পোস্ট প্রত্যাহার এবং দায়ী ব্যক্তিকে সরানোর সিদ্ধান্তের পরেও এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দুর্গাপুজোর আগেই বড় ধাক্কা সুজিত বসুর, জামিনের আর্জি খারিজ হাই কোর্টে

এক সময় দুর্গাপুজোর আগে থেকেই কলকাতার শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবে ভিড় জমত দর্শনার্থীদের। রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর এই পুজো ছিল শহরের অন্যতম আকর্ষণ। কিন্তু এ বার ছবিটা অন্য রকম। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার সুজিত বসুর জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। ফলে দুর্গাপুজোর সময় তাঁকে জেলেই থাকতে হতে পারে।জামিনের আবেদনটি প্রথমে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে উঠেছিল। শুনানির শেষে বিচারপতি অভিযোগ করেন, সুজিতের আইনজীবীরা তাঁর কক্ষ থেকে একটি ফাইল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এর পরেই বিচারপতি মামলাটি থেকে সরে দাঁড়ান। পরে মামলাটি যায় বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে। সেখানেই সুজিতের জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। তবে শুনানির সময় বিচারপতি জামিন খারিজের নির্দিষ্ট কারণ জানাননি।আদালতে ইডির আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী দাবি করেন, পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে ২৮৪ জন অযোগ্য প্রার্থী চাকরি পেয়েছিলেন। তাঁদের প্রত্যেকের কাছ থেকে চাকরির জন্য ৬ লক্ষ টাকা করে নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। ইডির আরও দাবি, সুজিত বসুর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৮ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা পাওয়া গিয়েছে। তাঁর পরিবারের সদস্যদের অ্যাকাউন্টেও কয়েক কোটি টাকা মিলেছে বলে আদালতে জানিয়েছিল তদন্তকারী সংস্থা।এই মামলায় সুজিতের আগে গ্রেফতার হয়েছিলেন মধ্যস্থতাকারী অয়ন শীল। ইডি আগে হাই কোর্টে দাবি করেছিল, অয়নকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বিভিন্ন সময়ে ১৫২ জনের চাকরির জন্য সুজিত বসু সুপারিশ করেছিলেন।অন্য দিকে, সুজিতের আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি ও সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় জামিনের পক্ষে সওয়াল করেন। তাঁদের বক্তব্য, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত শেষ হয়ে গিয়েছে। তা সত্ত্বেও তাঁদের মক্কেলকে জেলে আটকে রাখা ঠিক নয়। ইডি এই গ্রেফতারিকে যুক্তিসঙ্গত প্রমাণ করতে পারবে না বলেও দাবি করেন তাঁরাসুজিতের আইনজীবীদের আরও বক্তব্য, ২০১৬ সালের পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি তাঁকে মূল অভিযুক্ত হিসেবে দেখালেও, ২০২৪-২৫ সালে সিবিআই যে চার্জশিট দিয়েছিল, তাতে তাঁর নাম ছিল না। তাঁদের দাবি, সুজিতের বাড়ি কলকাতায়। তদন্তের প্রয়োজনে তাঁকে যখনই ডাকা হবে, তিনি হাজির হতে পারবেন। তদন্তে সহযোগিতা করতেও তিনি প্রস্তুত।গত ১১ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই মামলায় প্রায় ১৫০ জন চাকরিপ্রার্থীর নাম সামনে এসেছে। দুর্নীতির মাধ্যমে পাওয়া টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছিল বলে মনে করছে ইডি। তবে এই মামলায় ওঠা অভিযোগগুলির চূড়ান্ত সত্যতা আদালতের বিচারেই নির্ধারিত হবে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

শঙ্কুদেবের পুজোয় হাজির শুভেন্দু অধিকারী, পার্ক স্ট্রিটে দাঁড়িয়ে কী বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী?

পার্ক স্ট্রিটে এ বার প্রথমবার দুর্গাপুজোর আয়োজন করেছেন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা। প্রথম পুজো ঘিরে উদ্যোক্তাদের মধ্যে আলাদা আবেগ থাকবেই। সোমবার রাতে সেই পুজোর উদ্বোধনে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উপস্থিত ছিলেন সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও। পুজোর উদ্বোধনী মঞ্চ থেকে দুর্গোৎসব, সংস্কৃতি ও রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য রাখেন বিজেপির দুই নেতা।অনুষ্ঠানে সুকান্ত বলেন, পার্ক স্ট্রিটে আগে দুর্গাপুজোর আয়োজন হত না। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় পশ্চিমবঙ্গে ১২ হাজারেরও বেশি নতুন পুজো শুরু হয়েছে। আগের সরকারের আমলে পুজো করার জন্য উদ্যোক্তাদের কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হতে হত বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান সুকান্ত। বক্তব্যের শেষে জয় শ্রীরাম স্লোগানও তোলেন তিনি।সোমবার রাত প্রায় ১১টা নাগাদ পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কে শঙ্কুদেবের পুজোর উদ্বোধন করতে যান শুভেন্দু। সেখানে উপস্থিত বিজেপি নেতাদের একে একে নাম করে উল্লেখ করেন তিনি। তার পর বলেন, একদম রাষ্ট্রবাদী টিম পুরো হাজির।বক্তৃতায় পার্ক স্ট্রিটের প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দু বলেন, এই এলাকায় মাঝেমধ্যে টুকরে টুকরে গ্যাং-এর উৎপাত দেখা যেত বলে তাঁর দাবি। দুর্গাপুজোর আবহে পার্ক স্ট্রিটকে পবিত্র ও শুদ্ধ করার কথাও বলেন তিনি। এই পুজো ধরে রাখার জন্য উদ্যোক্তাদের আবেদন জানান শুভেন্দু। সুযোগ হলে পুজোয় এসে প্রসাদ খাওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও পরম্পরা বজায় রাখার উপর জোর দেন শুভেন্দু। পিতৃপক্ষ ও মহালয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এ বার পিতৃপক্ষে কাউকে কাঁচি নিয়ে বেরোতে দেওয়া হয়নি। তাঁর বক্তব্য, পবিত্রতা ও সংস্কৃতি বজায় রেখেই দুর্গাকে স্বাগত জানানো হয়েছে।এ দিকে, কলকাতা জুড়ে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন ঘিরে ব্যস্ততা চলছে। গত ১০ অক্টোবর মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে উমা আগমনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রাজ্য সরকারের দুর্গাপুজোর উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ড্রোনের প্রদর্শনী এবং আতশবাজির আয়োজন করা হয়েছিল। প্রায় তিন হাজার ঢাকির একসঙ্গে ঢাক বাজানো ছিল অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ।১১ অক্টোবর সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করা হয়। এ বছরের পুজোর ভাবনা বন্দে মাতরম্। ভারতের জাতীয় সংগীতের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও দেশভাগের ইতিহাস মণ্ডপে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।১২ অক্টোবর চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ৯১তম বর্ষের পুজোর উদ্বোধন হয়। এ বছরের ভাবনা বিয়ন্ড সাউন্ড। শহরের কোলাহলের বিপরীতে শান্তি ও নিজের অন্তরের ভাবনাকে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে এই মণ্ডপে। শ্রীভূমির দুর্গাপুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

ভোট চুরির অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে রাহুলদের মামলা, আবেদনেই ১৪টি ভুল! ২২০ টাকা কম জমা?

ভোট চুরির অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধী জোটের একাধিক নেতা। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে যৌথ মামলা দায়ের করেছেন তাঁরা। কিন্তু মামলা দায়েরের পরেই নতুন সমস্যা। আদালতের রেজিস্ট্রি জানিয়েছে, বিরোধীদের আবেদনে মোট ১৪টি ত্রুটি রয়েছে। এমনকি আদালতের ফি বাবদ ২২০ টাকা কম জমা পড়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে পথে নেমেছিলেন বিরোধী জোটের নেতারা। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোট চুরির অভিযোগের তদন্তের দাবিতে তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের দিকে মিছিল করেন। সেই দিনই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে যৌথ মামলা দায়ের করেন তাঁদের আইনজীবীরা।কিন্তু আদালতের রেজিস্ট্রির প্রাথমিক পরীক্ষায় আবেদনে একাধিক ভুল ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। রেজিস্ট্রির দাবি, মোট ১৪টি ত্রুটি রয়েছে ওই আবেদনে। তার মধ্যে অন্যতম হল আদালতের ফি বাবদ ২২০ টাকা কম জমা দেওয়া। এ ছাড়া, নয় জন আবেদনকারীর প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র জমা পড়েনি বলেও জানানো হয়েছে।কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের পরিচয়পত্রের স্পষ্ট প্রতিলিপি জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আবেদনের কয়েকটি অংশে অক্ষর অত্যন্ত ছোট হওয়া নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে রেজিস্ট্রি। দুটি নির্দিষ্ট নথির রঙিন প্রতিলিপি জমা দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ। পাশাপাশি, কয়েকটি নথির লেখা অস্পষ্ট, কিছু পৃষ্ঠা অনুপস্থিত এবং আঞ্চলিক ভাষায় লেখা পৃষ্ঠা ও পৃষ্ঠা নম্বরের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এই ত্রুটিগুলি সংশোধন করার পরেই মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোতে পারবে।এই যৌথ মামলায় আবেদনকারীদের তালিকায় রয়েছেন রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব, সুপ্রিয়া সুলে, শিবসেনার উদ্ধব শিবিরের নেতা সঞ্জয় রাউত, ডি রাজা, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার মহুয়া মাজি, এম এ বেবি এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগের নেতা ই টি মহম্মদ বশির।সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে মামলাটি রাহুল গান্ধী বনাম ভারতের নির্বাচন কমিশন নামে নথিভুক্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় মোট ১০ দফা প্রতিকার চেয়েছেন বিরোধী নেতারা।বিরোধীদের দাবি, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া সংক্রান্ত সমস্ত নথি আদালতে পেশ করার নির্দেশ দেওয়া হোক। এই প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তগুলির সাংবিধানিক বৈধতাও খতিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। পাশাপাশি, অনিয়মের জন্য দায়ী আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, তাঁদের অভিযোগের নিষ্পত্তি এবং একটি স্বাধীন কমিটির মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়ার নিরীক্ষা করানোর দাবিও জানানো হয়েছে।বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে ভোটারদের অধিকার ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে। সেই কারণেই নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা।সোমবারের মিছিলের আগে বিরোধী নেতারা প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে দেখা করার আবেদন জানিয়েছিলেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল, ভোট চুরির অভিযোগের নিষ্পত্তি, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ, বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া বন্ধ এবং ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ ফের চালু করার দাবিতে একটি স্মারকলিপি তুলে দেওয়া।তবে প্রধান বিচারপতি তাঁদের সঙ্গে দেখা করার আবেদন গ্রহণ করেননি। বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন বলেই তিনি এই আবেদন খারিজ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। এর আগে বিরোধীদের অভিযোগ জানানোর পথ নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছিলেন, সুপ্রিম কোর্টের দরজা সকলের জন্য খোলা। সাধারণ নাগরিক হোন বা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, প্রত্যেকেই আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন।এখন বিরোধীদের আবেদনে চিহ্নিত ত্রুটিগুলি সংশোধন করতে হবে। তার পরেই মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোবে। ফলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের এই মামলার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

‘যারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া কিছু ভাবেনি…’, দুর্গাপুজোর মঞ্চ থেকে কাদের নিশানা অগ্নিমিত্রার?

দুর্গাপুজোর আগে ভারতবিরোধী শক্তির বিনাশ চেয়ে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করলেন রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর কথায়, ভারতবিরোধী শক্তিগুলিকে শেষ করে দাও মা। যারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া এত দিন কিছুই ভাবেনি, সেই বদমাইশদেরও শেষ করে দাও। সোমবার দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে একটি প্রাক-পুজোর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েও একই প্রসঙ্গে সরব হন অগ্নিমিত্রা। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং আরও শক্তিশালী হচ্ছে। কিন্তু দেশের উন্নতির পথে যারা বাধা হয়ে দাঁড়াতে চাইছে, তাদের বিনাশের জন্য মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করেছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার কথায়, যারা নিজেদের স্বার্থের বাইরে কিছু ভাবেনি, তাদেরও যেন মা দুর্গা শেষ করে দেন। দেশ ও রাজ্য থেকে এই ধরনের শক্তির বিনাশই তাঁর প্রার্থনা।এ দিন দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং আতশবাজির প্রদর্শনীও উপভোগ করেন মন্ত্রী। পাশাপাশি রাজ্যবাসীকে দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা জানান তিনি। উৎসবের দিনগুলিতে সতর্ক থাকার আবেদনও জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা।পুজোর সময়ে জরুরি পরিষেবা চালু থাকবে বলে জানান তিনি। পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকেরা রাস্তায় থেকে পরিস্থিতির উপর নজর রাখবেন বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী। তবে শুধু প্রশাসনের উপর নির্ভর না করে সাধারণ মানুষকেও সচেতন থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি। পরিবেশ রক্ষায় সরকারের জারি করা নির্দেশিকা মেনে চলার আবেদনও জানান অগ্নিমিত্রা।বাংলা ও বাঙালির সংস্কৃতির বিরোধিতা করা হবে, বিজেপিকে ঘিরে এমন প্রচারও খারিজ করেছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার বক্তব্য, মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিপুল মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করে যে এই প্রচার ঠিক নয়। আগামী দিনে আরও নানা উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। মানুষের পাশে থাকার আবেদন জানিয়ে অগ্নিমিত্রা বলেন, আগামী দিনেও পাশে থাকুন, আরও অনেক কিছু হবে।সোমবারের ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক পুন্নাম্বলম এস, দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষ্মণচন্দ্র ঘোড়ুই।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দিল্লির পর কলকাতায় ‘জ্ঞানেশ কুমার হটাও’ মিছিল! পথে নামতে পারেন মমতা, কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

দিল্লির আন্দোলনের আঁচ এ বার কলকাতাতেও। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে মঙ্গলবার কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী শিবির। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই মিছিল হওয়ার কথা। তাতে মমতা নিজেও যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে তিনি মিছিলে হাঁটবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তেই কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুর্গাপুজোর সময়ে কোনও রকম বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবারের মিছিলের প্রচারপত্র প্রকাশ করেছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের অভিযোগ তোলা হয়েছে। দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক করা এবং তরুণ প্রজন্মের উপর অত্যাচারের অভিযোগও প্রচারপত্রে তুলে ধরা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে সাধারণ মানুষকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। জেলায় জেলায়ও কর্মসূচির বার্তা পাঠানো হয়েছে বলে খবর।ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছেন বিরোধী নেতাদের একাংশ। এই ইস্যুতে দিল্লিতে একাধিক প্রতিবাদ কর্মসূচিও হয়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হতে পারে বলে খবর।এই আবহেই কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। দুপুর দুটো নাগাদ মিছিল শুরু হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে মিছিলে অংশ নেবেন কি না, তা নিয়ে এখনও নিশ্চিত কোনও ঘোষণা হয়নি।সোমবার রাতে কলকাতায় একটি দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করতে গিয়ে এই কর্মসূচি নিয়ে সরব হন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, বেরোতে দেব না। সিপিকে নির্দেশ দিয়েছি, রাজাবাজার থেকে এক পা এগোতে দেব না। প্রয়োজন হলে সেন্ট্রাল ফোর্সও নামাতে বলেছি। বেরোতে দেব না। কোনও বিশৃঙ্খলা করতে দেব না দুর্গাপুজোর সময়ে।মিছিল ঘিরে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে বলে খবর। মঙ্গলবার সকাল থেকেই পার্ক সার্কাস এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে মিছিল কোন পথে এগোবে এবং শেষ পর্যন্ত তাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যোগ দেবেন কি না, সে দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

যন্তর মন্তরে প্রতিবাদে নিষেধাজ্ঞা, পরদিনই ব্যারিকেড টপকে ঢোকার চেষ্টা! আটক ককরোচ জনতা পার্টির নেতারা

যন্তর মন্তরে আর প্রতিবাদ করা যাবে না। সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে বলে দাবি। সেই নির্দেশ ঘিরেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে দিল্লিতে। সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপের হুঁশিয়ারি, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে না দিলে গোটা দেশকেই প্রতিবাদের মঞ্চ করে তুলবেন তাঁরা। আর সেই ঘোষণার পরদিনই যন্তর মন্তরে পৌঁছে গেলেন দলের কয়েক জন নেতা। কিন্তু সেখানে ঢোকার চেষ্টা করতেই তাঁদের আটক করে পুলিশ।সোমবার দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। দলের তরফে দাবি করা হয়, ওই সময়ের মধ্যে নতুন করে প্রতিবাদের স্থান এবং দিনক্ষণ জানাতে হবে। তা না হলে বড় পদক্ষেপ করা হবে। এর পরেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করা যাবে না বলে নির্দেশ দেয় দিল্লি পুলিশ। প্রতিবাদের জন্য তিনটি বিকল্প জায়গার কথা জানানো হয়েছে বলে খবর।সেই বিকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে রামলীলা ময়দান। তবে সূত্রের দাবি, সেখানে প্রতিবাদ কর্মসূচির জন্য জায়গা বুক করতে খরচ হতে পারে ১ লক্ষ ২১ হাজার টাকা। চলতি বছরের জন্য বুকিংও ইতিমধ্যে হয়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ফলে প্রতিবাদের নতুন জায়গা পাওয়া নিয়ে সমস্যায় পড়তে পারে ককরোচ জনতা পার্টি।নিটের প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদে যন্তর মন্তর থেকেই আন্দোলন শুরু করেছিলেন দলের সদস্যেরা। তাই ওই জায়গায় বিক্ষোভ বন্ধের নির্দেশে ক্ষুব্ধ তাঁরা। অভিজিৎ দীপের বক্তব্য, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে দেওয়া না হলে গোটা দেশই প্রতিবাদের মঞ্চ হয়ে উঠবে।এই হুঁশিয়ারির পরদিন মঙ্গলবার ভোরে যন্তর মন্তরে পৌঁছে যান দলের নেতা সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কারা। অভিজিতের প্রকাশ করা একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, লোহার গেট ও পুলিশের ব্যারিকেড টপকে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করছেন তাঁরা। তাঁদের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা। ভারত মাতা কি জয় স্লোগান দিতে দিতেই ব্যারিকেড পার হওয়ার চেষ্টা করেন দলের নেতারা।কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁদের আটক করে পুলিশ। দলের কয়েক জন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হতে পারে বলেও সূত্রের খবর। মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনার একাধিক ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।নেতা-কর্মীরা আটক হলেও আন্দোলন থামবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ। তাঁর দাবি, প্রতিবাদকে আটকানো যাবে না। যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের উপর নিষেধাজ্ঞা এবং বিকল্প জায়গা নিয়ে দিল্লি পুলিশের সঙ্গে দলের সংঘাত কোন দিকে এগোয়, এখন সে দিকেই নজর।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal