• ১৮ কার্তিক ১৪৩৩, রবিবার ০৮ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Congress

দেশ

বিহারে মহাগটবন্ধনকে হারিয়ে ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন এনডিএ'র

সমস্ত এক্সিট পোলের হিসেবকে উলটে দিয়ে বিহারে ক্ষমতা ধরে রাখল বিজেপি - জেডিইউ জোট। এনডিএ জোট পেল ১২৫ টি আসন , মহাগটবন্ধন পেল ১১০ টি আসন। এছাড়াও মিম জিতেছে পাঁচটি আসন। অন্যান্যরা তিনটে আসনে জয়লাভ করেছে। বিজেপি জেডিইউয়ের থেকে বেশি আসনে জয়লাভ করেছে। বিজেপি পেয়েছে ৭২ টি আসন। জেডিইউ ৪২ টি আসনে জয়লাভ করেছে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী হবেন নীতিশ কুমারই। এমনই জানানো হয়েছে বিজেপির পক্ষ থেকে। বুধবার ভোর তিনটে নাগাদ বিহার নির্বাচনের পুরো ফল প্রকাশিত হয়। তারপর থেকে বিজেপি ও জেডিইউ কর্মীরা উৎসবে মেতে ওঠেন। এনডিএ সূত্রে জানা গিয়েছে , এই সপ্তাহেই শপথ অনুষ্ঠান হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইটে লেখেন , বিহারের প্রতিটি ভোটার স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, তাঁদের কাছে সবার আগে উন্নয়ন। বিহারে ১৫ বছর পরে আবারও এনডিএ-র সুশাসনের আশীর্বাদ মিলছে। স্পষ্ট হচ্ছে বিহারের স্বপ্ন আর প্রত্যাশাগুলি ৷ বিহার গোটা বিশ্বকে গণতন্ত্রের প্রথম পাঠ শিখিয়েছে । আজ বিহার বিশ্বকে আবার বলেছে কীভাবে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা যায় । বিহারের রেকর্ড সংখ্যক দরিদ্র, বঞ্চিত এবং মহিলারা ভোটও দিয়েছেন এবং উন্নয়নের জন্য তাঁদের মত দিয়েছেন। অন্যদিকে , কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এদিন টুইটে লেখেন, বিহারের প্রতিটি প্রান্ত জাতপাতের রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করেছে ৷ গ্রহণ করেছে এনডিএ-র উন্নয়নের রাজনীতিকে। এটি বিহারের প্রত্যেক মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার জয়। এটি প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং নীতীশ কুমারের নেতৃত্বে জোড়া উন্নয়নের জয় । আমি এই জয়ের জন্য প্রত্যেক বিজেপি কর্মীকে অভিনন্দন জানাতে চাই। আরও পড়ুন ঃ বিহার বিধানসভা নির্বাচনে মহাগটবন্ধনকে হারিয়ে জয়ের পথে এনডিএ অন্যদিকে , বিহার বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস ৭০ টি আসনে মাত্র ২০ টি আসনে জয়লাভ করেছে। ৭৫ টি আসনে জয় ছিনিয়ে নিয়ে একক বৃহত্তম দল হয়েছে আরজেডি। বামেরআ ২৯ টি আসনে প্রার্থী দিয়ে ১৬ টি আসনে জয়লাভ করেছে। কিন্তু কংগ্রেসের খারাপ ফলের জেরে বিজেপিকে হারিয়ে মহাজোটের জয় অধরাই থেকে গেল। অনেক আশা জাগিয়েও ট্র্যাজিক হিরো হিসেবে রয়ে গেলেন তেজস্বী যাদব। অন্যদিকে এলজেপি নেতা চিরাগ পাসোয়ান লেখেন , বিহারের মানুষ প্রধানমন্ত্রীর উপর ফের ভরসা রেখেছে। প্রত্যেক প্রার্থী নিজেদের মতো করে নির্বাচনে দারুণ লড়াই করেছেন । দলের ভোট বেড়েছে । প্রত্যেক জেলায় দল শক্তি বাড়িয়েছে যা ভবিষ্যতে কাজে আসবে।

নভেম্বর ১১, ২০২০
দেশ

মধ্যপ্রদেশ বিধানসভা উপনির্বাচনে কংগ্রেসকে পিছনে ফেলে এগিয়ে বিজেপি

মধ্যপ্রদেশ বিধানসভা উপনির্বাচনে ২৮ টি কেন্দ্রের মধ্যে অধিকাংশ আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। শেষ পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী ১ টি আসনে কংগ্রেসকে হারিয়ে ইতিমধ্যেই জিতে গিয়েছে বিজেপি। তারা এগিয়ে রয়েছে ১৯ টি আসনে। কংগ্রেস ৭ টি ও বহুজন সমাজ পার্টি একটি আসনে এগিয়ে রয়েছে। প্রসঙ্গত , গত মার্চ মাসে কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। তার ফলে রাজ্যে ২৭ টি বিধানসভা আসন খালি হয়ে যায়। পতন হয় কমলনাথ সরকারের। ফের ক্ষমতায় চলে আসে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী হন শিবরাজ সিং চৌহান। আরও পড়ুন ঃ নোটবন্দির একাধিক সাফল্য তুলে ধরে টুইট সীতারামনের , সমালোচনা কংগ্রেসের ২৮টির মধ্যে ২৫ আসনেই কংগ্রেস থেকে বিজেপিতে যাওয়া বিধায়কদের প্রার্থী করেছিল গেরুয়া শিবির। এদের মধ্যে ১২ জন আবার রাজ্যের মন্ত্রী। এদিন তাঁর মুখ্যমন্ত্রীর আসন সুনিশ্চিত করলেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। অন্যদিকে, নির্বাচনে ইভিএম জালিয়াতির অভিযোগ তুললেন রাজ্যের কংগ্রেস নেতা ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দিগ্বিজয় সিং। সংবাদসংস্থাকে তিনি বলেন, ইভিএম একশো শতাংশ নিরাপদ নয়। সীমিত পর্যায়ে ইভিএমে জালিয়াতি করা যেতে পারে।জয় কার্যত নিশ্চিত হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান বলছেন, কংগ্রেসের অপপ্রচারে কান না দিয়ে উন্নয়নের পক্ষে ভোট দিয়েছেন মানুষ। আর কমলনাথ বলছেন, মানুষের রায় আমাদের মেনে নিতেই হবে।

নভেম্বর ১০, ২০২০
দেশ

নোটবন্দির একাধিক সাফল্য তুলে ধরে টুইট সীতারামনের , সমালোচনা কংগ্রেসের

ভারতকে দুর্নীতিমুক্ত করার প্রতিশ্রুতি মাফিক মোদি সরকার চার বছর আগে নোটবন্দি করেছিল এই দিনে। কালো টাকার বিরুদ্ধে এই সার্জিক্যাল স্ট্রাইক দেশের করকাঠামোর উন্নয়ন এবং ডিজিটার অর্থনীতির দিকে দেশে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রথম পদক্ষেপ ছিল। রবিবার নোট বাতিলের চার বছরের বর্ষপূর্তির দিনে টুইট করে এই মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তিনি আরও জানিয়েছেন, ৯০০ কোটি হিসাব বহির্ভূত আয় বাজেয়াপ্ত হয়েছে নোটবন্দির প্রথম চার মাসের মধ্যে। গত তিন বছরে ৩,৯৫০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হয়েছে। অপারেশন ক্লিন মানি দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে সাহায্য করেছে নোটবন্দির পর। নোটবন্দি শুধুমাত্র কর ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা এবং ব্যাপকতাই আনেনি, এটা টাকার মূল্যহ্রাস এবং সার্কুলেশনকেও নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করেছে। আরও পড়ুন ঃ হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে হাথরাস কাণ্ডে সিবিআই তদন্ত অন্যদিকে , কংগ্রেসের তরফ থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি অভিযান শুরু করা হয়েছে। নোটবন্দি বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলার জন্য এই কর্মসূচিতে রাহুল গান্ধীর দাবি, নোটবন্দির প্রধান লক্ষ্যই ছিল বড় ঋণখেলাপিদের ঋণ মকুব করা। কংগ্রেসের আরও দাবি, নোটবন্দির ফলে দেশের আর্থিক বৃদ্ধি কমে ২.২ শতাংশ এবং কর্মসংস্থান ৩ শতাংশে এসে ঠেকে। একটি ভিডিওতে রাহুল প্রশ্ন তুলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি ভারতের অর্থনীতিকে ছাপিয়ে যাচ্ছে। যেখানে ভারতের অর্থনীতি এখন ভাল পারফর্ম করার জায়গায় দাঁড়িয়ে রয়েছে।

নভেম্বর ০৮, ২০২০
কলকাতা

বাদুড়িয়ার কংগ্রেস বিধায়ক আবদুর রহিম গাজি যোগ দিলেন তৃণমূলে

তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন বাদুড়িয়ার কংগ্রেস বিধায়ক আবদুর রহিম গাজি দিলু। এছাড়াও রাজ্য বিজেপির মহিলা মোর্চার সহ-সভাপতি মৌমিতা বসু চক্রবর্তী শনিবার তৃণমূলে যোগ দেন। এদিন তোপসিয়ার তৃণমূল ভবনে তাদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে দলে বরণ করে নেওয়া হয়। এদিন তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, দুশোর গল্প করে বাংলার মাটি পাওয়া যাবে না। এখানে মাটি পেতে হলে বাংলার সাধারণ মানুষের সঙ্গে যেভাবে মমতা বন্দ্যোপধ্যায় লড়াই করেছেন ঠিক সেভাবে লড়াই করতে হবে। তিনি আরও বলেন , বাংলার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চলছে ৷ ইতিহাস বিকৃত করে কথা বলার চেষ্টা করছে বিজেপি। বাংলার লাঞ্ছনা, উপেক্ষার প্রতিবাদে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে বাংলাকে এক রাখার লড়াই চালাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ যেভাবে প্রতি ক্ষেত্রে আমাদের পাওনা টাকা, আমফান, কোভিড, জিএসটি থেকে অর্থনৈতিক অবরোধ তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার , তার বিরুদ্ধে বাংলার মানুষ গর্জে উঠেছে। এমনকী যাঁরা এতদিন বিরোধী দলে ছিলেন তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সামনে রেখে লড়াই করতে চাইছেন। আরও পড়ুন ঃ বেতনের দাবিতে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনিদের আন্দোলন এদিন তৃণমূলে যোগ দেওয়া কংগ্রেস বিধায়ক বলেন , প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শুধু স্বপ্ন দেখিয়েছেন, কাজ করেননি কিছু। গোটা দেশে শান্তির পরিবেশ নষ্ট করেছেন। যখন একমাত্র বাংলায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রয়েছে, তখন এই রাজ্যকেই পাখির চোখ করেছে বিজেপি। কিন্তু বিজেপিকে পরাস্ত করার মতো বিরোধী শক্তি সেভাবে মজবুত নয়। সারাদেশের মতো এরাজ্যেও দুর্বল কংগ্রেস। তাই অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের কাজেই নিজেকে নিয়োজিত করছেন বলে জানান তিনি। এছাড়াও এদিন তৃণমূলে যোগ দেন তৃণমূল বিধায়ক সুভাষ মাহাতোর ছেলে সিদ্ধার্থ মাহাতো। এছাড়াও কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিকও এদিন জোড়াফুল শিবিরে যোগ দিলেন।

নভেম্বর ০৭, ২০২০
রাজ্য

অবিলম্বে লোকাল ট্রেন চালানোর দাবিতে রেলমন্ত্রীকে চিঠি অধীরের

অবিলম্বে পশ্চিমবঙ্গে লোকাল ট্রেন চালানো নিয়ে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলকে চিঠি লিখলেন লোকসভার সাংসদ অধীর চৌধুরী। তিমি আবেদন জানিয়েছেন, কোভিড বিধি মেনে অবিলম্বে রাজ্যে লোকাল ট্রেন পরিষেবা শুরু করতে হবে। এই বিষয়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে অবিলম্বে আলোচনা শুরু করার জন্য আবেদন জানান তিনি। আরও পড়ুন ঃ মল্লারপুরের ঘটনায় পুলিশের বক্তব্যে সিলমোহর ময়নাতদন্তের রিপোর্টে কংগ্রেস সাংসদ এই চিঠিতে লেখেন, কোভিড পরিস্থিতিতে লকডাউন হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। কিন্তু কয়েকটি রাজ্যে লোকাল ট্রেন পরিষেবা ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। কিন্তু বাংলায় লোকাল ট্রেন শুরু করা নিয়ে রাজনীতি শুরু হয়েছে। এর জেরে সাধারণ মানুষকে চরম সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে। বিভিন্ন সেক্টরে কর্মরত মানুষ রেল পরিষেবা গ্রহণ করে। দূরপাল্লার ট্রেন সহ রেলের বিভিন্ন পরিষেবা স্বাভাবিক হলেও লোকাল ট্রেন চালু না হওয়ায় প্রবল অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছে চাকরিজীবীরা। সম্প্রতি কলকাতায় শুরু হয়েছে মেট্রো পরিষেবা। কিন্তু কলকাতার মানুষ সেই পরিষেবা গ্রহণ করলেও শহরতলির অনেক সাধারণ মানুষ এই পরিষেবা থেকে বঞ্চিত। তিনি আরও বলেন , সম্প্রতি লোকাল ট্রেন চালু করার দাবিতে বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ হয়েছে। মারধর করা হয়েছে রেলকর্মীদের। চলতি সপ্তাহের শুক্র ও শনিবার হাওড়া স্টেশনে লোকাল ট্রেনে উঠতে দেওয়ার দাবিতে জনতার বিক্ষোভ চরম আকার ধারণ করে। আরপিএফ লাঠিচার্জ করে।

নভেম্বর ০১, ২০২০
রাজ্য

রাজ্যে কংগ্রেসের সাংগঠনিক ক্ষেত্রে ব্যাপক রদবদল ঘটালেন অধীর

কয়েক মাস বাদেই রাজ্যে বিধানসভা ভোট। তার আগে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর নির্দেশে ব্যাপক রদবদল হল জেলা পর্যবেক্ষকের পদগুলিতে। মুর্শিদাবাদে জেলা পর্যবেক্ষকের পদে বসানো হয়েছে কলকাতার যুব নেত্রী সাইনা জাভেদকে। অন্যদিকে মধ্য কলকাতার পর্যবেক্ষক করা হয়েছে কান্দির বিধায়ক সইফুল আলম খানকে। বিধায়ক মনোজ চক্রবর্তীকে দলের সংগঠন ও প্রশাসন দেখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও দেবীপ্রসাদ রায়কে কোচবিহারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি নেতা মনীশ শুক্লা খুনের ঘটনায় ধৃত ২ শার্প শুটার মায়া ঘোষ পেয়েছেন পশ্চিম মেদিনীপুরের দায়িত্ব। অন্যদিকে কৃষ্ণা দেবনাথকে হুগলির পর্যবেক্ষক করা হয়েছে। শুভঙ্কর সরকারকে পূর্ব মেদিনীপুরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও নেপাল মাহাতোকে ঝাড়গ্রা্মের দায়িত্বে নিয়ে আসা হয়েছে। সর্দার আমজাদ আলিকে উত্তর ২৪ পরগনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রোহন মিত্রকে বাঁকুড়ার পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। আশুতোষ চট্টোপাধ্যায়কে দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং আবদুস সাত্তারকে উত্তর ২৪ পরগনার দায়িত্বে দেওয়া হয়েছে। মোনালিসা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দক্ষিণ কলকাতা ও ঋজু ঘোষালকে হাওড়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

অক্টোবর ৩০, ২০২০
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রী হাইকোর্টের রায় বলবৎ হতে দেবেন কিনা , সন্দেহ আছে : অধীর

হাইকোর্টের রায়কে কতটা বাস্তবায়িত করবেন মুখ্যমন্ত্রী ও তার পুলিশ প্রশাসন , তা নিয়ে আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে। বুধবার রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা করে নিজের ফেসবুক পেজে এমনই মন্তব্য করলেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী। তিনি আরও লেখেন, এই রায় বাস্তব রূপ তখনই পাবে যখন রাজ্যের আমলা পুলিশ এই আইনকে বলবৎ করার চেষ্টা করবে। মুখ্যমন্ত্রী হাইকোর্টের রায় রাজ্যে বলবৎ হতে দেবেন কিনা , তা নিয়ে সন্দেহ আছে। কারণ মানুষের জীবনের চেয়ে তার কাছে ভোটের অঙ্কটাই বড়। মুখ্যমন্ত্রীর সমালো্চনা করে আরও লেখেন , রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে মানুষের ভোটের অঙ্কটাই বড়। তাই মহামারীর সময়েও যে টাকা মানুষের স্বাস্থ্য পরিষেবায় খরচ হতে পারতো , সেই বিপুল টাকা আগামী বছরের ভোটপুজোর জন্য ক্লাবগুলোকে দিলেন, সরকারি খাত থেকে।চিকিৎসার খরচ চালাতে না পেরে , বেডের অভাবে, চিকিৎসার অভাবে যেখানে প্রতিদিন রাজ্যে মানুষ মরছে। তিনি আরও বলেন , রাজ্য সরকার আসন্ন দুর্গোৎসবে মানুষের ভিড়ে সংক্রমণ কিভাবে আটকাবে তার কোনো পথ বাতলাতে পারেনি। আরও পড়ুনঃ হিঙ্গলগঞ্জের বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় তৃণমূল ও রাজ্য প্রশাসনকে তোপ দিলীপ, সায়ন্তনের রাজ্য সরকারের হাইকোর্ট কে বোঝানো উচিত ছিল পুজোয় ভিড়ে সংক্রমণ আটকাতে সরকার এই এই ব্যবস্থা নিয়েছে, কিন্তু সরকার তা বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছে। উপরন্তু সরকার নিজেই স্বীকার করেছে করোনা গোষ্ঠী সংক্রমণ স্তরে চলে গেছে, এ অবস্থায় হাইকোর্ট এর কাছে এই বিপুল সংখ্যক মানুষের প্রাণ বাঁচাতে আর কোনো পথ ছিল না। তিনি পশ্চিমবঙ্গবাসীদের অনুরোধ করেন , মনে রাখতে হবে উৎসবের থেকে জীবন আগে। আজকের উৎসবের আনন্দ আগামীকাল করোনার বিভীষিকায় না পরিণত হয়।

অক্টোবর ২১, ২০২০
দেশ

কমলনাথের মন্তব্য সমর্থন করি না : রাহুল

কমলনাথ আমার দলের সদস্য হলেও যে শব্দ উনি ব্যবহার করেছেন তা আমি সমর্থন করি না। এটা দুর্ভাগ্যজনক। মঙ্গলবার এক সাংবাদিক বৈঠকে দলের নেতা কমলনাথের মন্তব্যের এভাবেই সমালো্চনা করলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। আরও পড়ুনঃ যোগী রাজ্যে মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে ফের কটাক্ষ রাহুল-প্রিয়াঙ্কার উল্লেখ্য, গত রবিবার যখন মধ্যপ্রদেশের ডাবরা বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী ইমারতি দেবীকে আইটেম বলেছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা কমলনাথ। একজন মহিলা সম্পর্কে কমলনাথের এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার পরেই শুরু হয় তীব্র বিতর্ক।

অক্টোবর ২০, ২০২০
দেশ

যোগী রাজ্যে মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে ফের কটাক্ষ রাহুল-প্রিয়াঙ্কার

উত্তরপ্রদেশের বিজেপি বিধায়ক লোকেন্দ্র প্রতাপ সিংহ ও তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে পুলিশ হেফাজতে থাকা ইভটিজিংয়ে অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে জোর করে ছাড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। শনিবারের এই ঘটনার পর রবিবার টুইট করে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী লেখেন, যেভাবে শুরু হয়েছিল: কন্যা বাঁচাও। যেভাবে চলছে: অপরাধী বাঁচাও। প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও এই বিষয়ে টুইট করেন। তিনি হিন্দিতে লেখেন, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কি বলবেন এটা কোন মিশনের অন্তর্গত? কন্যা বাঁচাও নাকি অপরাধী বাঁচাও? আরও পড়ুনঃ ভারতের মোট জিডিপি বাংলাদেশের ১১ গুণ ! ঘোষণা কেন্দ্রের প্রসঙ্গত , শনিবারই উত্তরপ্রদেশে নারী নির্যাতন রুখতে মিশন শক্তি কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। সেদিনই তাঁর রাজ্যের এক মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ওঠা এক অভিযোগকে কেন্দ্র করে ফের প্রশ্নের মুখে পড়ল উত্তরপ্রদেশের আইনশৃঙ্খ্লা পরিস্থিতি।

অক্টোবর ১৮, ২০২০
সম্পাদকীয়

রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ছে, মানা হচ্ছে না করোনার বিধিনিষেধ, আশঙ্কার মেঘ

করোনা পরিস্থিতিতে এ রাজ্যে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে কোনও লাগাম নেই। এক্ষেত্রে ডান- বাম সবারই ভূমিকা সমান। তৃণমূল ও বিজেপি প্রতিযোগিতা করে ভিড় বাড়াচ্ছে। হাজার হাজার মানুষের সমাবেশ হচ্ছে। না আছে মাস্ক, না আছে দূরত্ব বিধি। এত মানুষের সমাবেশে দূরত্ব বিধি মানার অর্থ সোনার পাথরবাটি ছাড়া কিছুই না। কর্মসূচি ঘোষণার সময় বলছে করেনা আবহে সমস্ত বিধি মেনে কর্মসূচি পালন করব। কার্যত তা লবডঙ্কা। তবে এর ফল ভোগ করতে হতে পারে আপামর বাঙালিকে। তৃণমূল, বিজেপি এবং বাম- কংগ্রেস নিজেদের শক্তি মতো রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করছে। সরকার অনবরত নানা বিধিনিষেধের কথা বলছে। বিহার বিধানসভার নির্বাচনে একাধিক নয়া আইন লাগু হচ্ছে। এ রাজ্যে নির্বাচন হতে এখনও ৭মাস বাকি। কিম্তু নিয়ম- বিধি না মেনে এরাজ্যে রাজনৈতিক কর্মসূচি চলছে। সেই কর্মসূচি স্থগিত রাখার দায়িত্ব রাজনৈতিক দলগুলোর। সরকারই বা কী করছে? সাধারণ মানুষের জন্য রাজনীতি হলে কেন এই বিপজ্জনক কর্মসূচি চলছে? আসলে লক্ষ্য ২০২১ বিধানসভা। ক্ষমতা দখলই যেখানে মূল উদ্দেশ্য। বিশেষজ্ঞদের মতে, যে বাবে বল্গাহীন ভাবে কর্মসূচি চলছে তাতে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির সম্ভাবনা থেকেই যাছে। এখনও সচেতন নাহলে বিপদে পড়বেন সাধারণ মানুষ। রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সব দলেরই লাগাম টানা প্রয়োজন। রাজনীতিও তো মানুষের জন্য। তাহলে বিপদ বাড়ানোর জন্য এমন প্রতিযোগিতা কেন? বাংলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্য়া বাড়তে শুরু করেছে। পুজোর কেনা-কাটা করতে দোকান-বাজারেও ক্রমশ ভিড় বাড়ছে সাধারণ মানুষের। সামনেই আবার দুর্গাপুজো। মন্ডপে মন্ডপে উপচে পড়়বে মানুষের ঢল। চিকিতসকরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। কেরলের পরিস্থিতি উপলব্ধি করেই এখন সকলের সচেতন হওয়ার প্রয়োজন। তা নাহলে আশংকার মেঘ বাস্তবায়িত হতে সময় নেবে না। তখন সব কিছু হাতের বাইরে চলে যাবে।

অক্টোবর ১১, ২০২০
দেশ

কর্নাটকের কংগ্রেস প্রধানের বাড়িতে সিবিআই হানা

কর্ণাটকের কংগ্রেস সভাপতি ডি শিব কুমার ও তাঁর ভাই ডিকে সুরেশের ১৫টি সম্পত্তিতে অভিযান চালাল সিবিআই। সো্মবার সকালে এই অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে ৫০ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত হয়েছে বলে দাবি করেছেন তদন্তকারীরা। কংগ্রসের অভিযোগ, কর্নাটকের উপ নির্বাচনগুলির প্রস্তুতি বানচাল করতেই এই হানা। গত বছর অর্থ তছরূপের অভিযোগে ৫৮ বছরের কর্নাটক কংগ্রেস প্রধানকে ৪ দিনের জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করেছিল ইডি। মোদি ও ইয়েদুরাপ্পার এই রাজনৈতিক খেলা সবাই ধরে ফেলেছে বলেও কটাক্ষ করেছেন জাতীয় কংগ্রেসের মুখপাত্র রণদীপ সিং সুরজেওয়ালা। যদিও কংগ্রেসের এই অভিযোগ অস্বীকার করে সিবিআই আইন অনুযায়ী কাজ করছে বলে দাবি কর্ণাটক বিজেপির।

অক্টোবর ০৫, ২০২০
রাজ্য

জাতীয় সড়কের বেহাল সার্ভিস রোডে মাছ ছেড়ে দিয়ে প্রতিবাদ তৃণমূল যুব'র

২ নম্বর ব্লকের জাতীয় সড়কের খানাখন্দে ভরা সার্ভিস রোড। এই সার্ভিস রোডটি দুর্গাপুরের ওল্ড কোর্ট মোড়ের পাশেই অবস্থিত। আর এই ভাঙাচোরা রাস্তার জন্য প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে দুর্ঘটনা। সোমবার এই খানাখন্দে ভরা দুই নম্বর জাতীয় সড়কের সার্ভিস রোডে মাছ ছেড়ে দিয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে নামল দুই নম্বর ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকরা। ওল্ড কোর্ট মোড়ে এদিন অবস্থান বিক্ষোভে বসে পড়েন তৃণমূল যুব কর্মী- সমর্থকরা। দলের যুব শাখার পশ্চিম বর্ধমান জেলার নেতা রূপেশ যাদব বলেন, কেন্দ্রের এসব ব্যাপারে কোনও তাপ-উত্তাপ নেই, শুধু রাজনীতি করতেই ব্যস্ত।বিজেপি সরকারের এই ধরণের দায়িত্বজ্ঞানহীনতার জন্য প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনা।

অক্টোবর ০৫, ২০২০
কলকাতা

হাথরসকাণ্ডের প্রতিবাদ,বাম ও কং মিছিলে বাধা পুলিশের

হাথরস কাণ্ডের প্রতিবাদে শনিবার বিড়লা তারামণ্ডল থেকে প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মেয়ো রোডে গান্ধী মূর্তির পাদদেশ পর্যন্ত মিছিলে হাঁটেন তিনি।তৃণমূল নেত্রীর সঙ্গে যোগ দেন দলের বিভিন্ন স্তরের নেতা, সাংসদ এবং বিধায়করা। ছিলেন অসংখ্য কর্মী-সমর্থকরাও। অপরদিকে একই ইস্যুতে মৌলালী থেকে ধর্মতলা থেকে যৌথ প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করেছিল বাম-কংগ্রেসের যুব-ছাত্র-মহিলারা। মুখ্যমন্ত্রীর মিছিল পুলিশি নিরাপত্তায় অবাধে পুরো পথ পরিক্রমা করলেও আটকে দেওয়া হল বাম-কংগ্রেসের মিছিল। বিরোধীদের বক্তব্য, এই রাজ্যেই গণতন্ত্র নেই, তাই একযাত্রায় পৃথক ফল। শনিবার বিকেলে বামফ্রন্ট ও প্রদেশ কংগ্রেসের এক যৌথ মিছিল মৌলালি থেকে ধর্মতলার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। মিছিলে দাবি ওঠে, কেন্দ্রে মোদী ও উত্তরপ্রদেশে যোগীর মতো সরকারের আর প্রয়োজন নেই। তাদের জমানায় মেয়েরা নিরাপদ নন।ধর্মতলা ঢোকার মুখে ওই মিছিলটি আটকায় পুলিশ। বাম-কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের বচসা ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়।এরপরই কর্মী সমর্থকরা ধর্মতলা ওয়াই চ্যানেলে বসে পড়েন। মশাল জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে বাম-কংগ্রেস সমর্থকরা। বিক্ষোভকারীদের দাবি তাঁদের ইউপি ভবন যেতে দিতে হবে।মিছিলে ছিলেন প্রাক্তন মেয়র বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য-সহ অন্যান্য বাম নেতারা। ধর্মতলায় জমায়েতের মধ্যেই নরেন্দ্র মোদী ও যোগী আদিত্যনাথের কুশপুতুলে আগুন ধরান বিক্ষোভকারীরা।

অক্টোবর ০৩, ২০২০
রাজনীতি

অনুব্রতর হুমকির পাল্টাতেই কি উত্তপ্ত মল্লারপুর?

বিজেপিকে মেরে হাত, পা ভেঙে দেওয়ার নিদান গত জুলাই মাসের এক দলীয় সভায় দিয়েছিলেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। সম্প্রতি অনুব্রতর ওই উস্কানিমূলক মন্তব্যের প্রতিবাদে মল্লারপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করে বিজেপি। সেই ঘটনার রেশ ধরেই কি পাল্টা প্রতিরোধে সরগরম বীরভূমের মল্লারপুর? বাংলা আবাস যোজনার বাড়ি লিপিবদ্ধ করতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন এক পঞ্চায়েত কর্মী। ওই কর্মীকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। অভিযোগের তির বিজেপির দিকে। ঘটনাটি ঘটেছে ময়ূরেশ্বর ১ নং ব্লকে দক্ষিণগ্রাম পঞ্চায়েতের শিব গ্রাম মোড়ে৷ এই পঞ্চায়েত এখন তৃণমূলের দখলে এলেও দীর্ঘ ১৫ বছর এটি বিজেপির দখলে ছিল। বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর সকাল ৮.৩০ মিনিটে দক্ষিণগ্রাম পঞ্চায়েতে জিআরএস পদে কর্মরত অভিজিৎ গড়াই সরকারি নির্দেশমতো টাওসিয়া গ্রামে বাংলা আবাস যোজনার জিও ট্যাগ করতে যান। ঠিক সেই সময় কয়েকজন যুবক এসে গালিগালাজ করেন, কাজে বাধা দেন বলে অভিযোগ। কারণ জানতে চাইলে শুরু হয় বেপরোয়া লাথি, ঘুষি। প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। এদিন বিকেলে অভিজিৎ বাবু মল্লারপুর থানায় অভিযোগ জানান বিজেপি কর্মী সুশান্ত দে, দীপ কুণ্ডুর নামে। এই অভিযোগের জেরে বিজেপি নেতা তথা মণ্ডল সভাপতি সুশান্ত দে-কে মুক্তির দাবিতে মল্লারপুর থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। মল্লারপুর থেকে সাঁইথিয়া যাওয়ার রাস্তায় বসে বিক্ষোভ চলায় রাস্তা বেশ কিছুক্ষণ অবরুদ্ধ থাকে। এদিকে, ধৃত বিজেপি নেতাকে রামপুরহাট আদালতে তোলা হলে তাঁকে তিন দিন পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
রাজনীতি

বুকে শুভেন্দুর ছবি, সমাজসেবায় 'দাদার অনুগামী'রা

জেলায় জেলায় মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর আদর্শে দীক্ষিত আমরা দাদার অনুগামী-র সদস্যরা বুকে শুভেন্দুবাবুর ছবি লাগিয়ে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর আমরা দাদার অনুগামী-র কর্মসূচি পালিত হলো পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরায়। পথচলতি মানুষ, পুলিশ ও সিভিক ভলান্টিয়ারদের মধ্যে বিতরণ করা হলো মাস্ক, গ্লাভস, সাবান, স্যানিটাইজার ইত্যাদি। মোট ১৫০০ মাস্ক, ১০০০ পিস সাবান এবং ২০০ পিস গ্লাভস বিতরণ করা হয় দেবদীপ অধিকারী(বিলু), সহরব আলি, সুদীপ দাসদের উদ্যোগে। করোনা সচেতনতামূলক প্রচারও চালানো হয়।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
স্বাস্থ্য

কালনা হাসপাতালে রক্তের আকাল, সঙ্কটাপন্ন শিশুকে রক্তদান টিএমসিপি-র শহর সম্পাদকের

পূর্ব বর্ধমানের কালনা মহকুমা ও সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে রক্তের আকাল। সবচেয়ে সমস্যায় পড়ছেন থ্যালাসেমিয়া রোগীরা। কালনা ২ নং ব্লকের হাঁসপুকুরের বাসিন্দা বছর ছয়েকের বর্ষা মালিক থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত। কালনা হাসপাতালে বি পজিটিভ গ্রুপের রক্ত না থাকায় দুশ্চিন্তায় পড়ে বর্ষার পরিবার। শুরু হয় সহৃদয় কোনও রক্তদাতার খোঁজ। খবর যায় কালনা কলেজে। কালনা কলেজের তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি ঋতব্রত সুর জানিয়েছেন, খবর পেয়েই আমি যোগাযোগ করি কালনার বাসিন্দা তথা কালনা শহর টিএমসিপি সম্পাদক সেলিম শেখের সঙ্গে। সেলিম এর আগেও বহু মুমূর্ষু রোগীকে রক্তদান করেছেন। সেলিম আর বর্ষার রক্তের গ্রুপ মেলায় আপাতত আমাদের ছোট্ট বোন সঙ্কট কাটাতে পেরেছে, এটাই তৃপ্তির। বিপদে ত্রাতা হয়ে এসে মেয়ের জীবন রক্ষা করায় সেলিমের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে বর্ষার পরিবারও।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২০
বিনোদুনিয়া

রিয়া চক্রবর্তীকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে পথে প্রদেশ কংগ্রেস

বাংলার মেয়ে রিয়া চক্রবর্তীকে অন্যায়ভাবে ফাঁসানো চলবে না। বাংলার মেয়ে রিয়াকে রাজনীতির শিকার হতে দিচ্ছি না, দেবো না। এই স্লোগান তুলে রিয়ার গ্রেফতারির প্রতিবাদে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর নির্দেশে প্রদেশ কংগ্রেস দফতর থেকে শনিবার ১২ সেপ্টেম্বর একটি প্রতিবাদ মিছিল বের হয়। যায় ওয়েলিংটন মোড় অবধি। মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন বিধানসভায় কংগ্রেসের চিফ হুইপ ও প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক মনোজ চক্রবর্তী, বিধায়ক অসিত মিত্র। ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভাপতি সৌরভ প্রসাদ, রিজু ঘোষাল, সুমন পাল, মহেশ শর্মা, শাহিনা জাভেদ, আশুতোষ চ্যাটার্জি, প্রীতম ঘোষ, অমিত মজুমদার, প্রদীপ প্রসাদ-সহ রাজ্য ও জেলার নেতৃত্ব মিছিলে উপস্থিত ছিলেন।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার একেবারে কাছে ভারতের নতুন বিমানঘাঁটি, এবার কী বড় পদক্ষেপ করতে চলেছে সেনা?

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। গত বছর চালু হয়েছে লাদাখের নোওমা বিমানঘাঁটি। সীমান্তে যে কোনও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার কথা মাথায় রেখেই বিশেষ ভাবে তৈরি করা হয়েছে এই বিমানঘাঁটি। সেনা সূত্রে খবর, কৌশলগত দিক থেকে ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই বিমানঘাঁটি।২০২১ সালে এই প্রকল্পে অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। বিমানঘাঁটি তৈরির জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল ২১৪ কোটি টাকা। অনুমোদন পাওয়ার পরেই শুরু হয় নির্মাণের কাজ। দীর্ঘ প্রস্তুতির পর অবশেষে গত বছর চালু হয় এই বিমানঘাঁটি।লাদাখের নোওমা অঞ্চল প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার খুব কাছেই অবস্থিত। সেই কারণে এই বিমানঘাঁটির গুরুত্ব অনেকটাই বেশি। সীমান্তে কোনও জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হলে দ্রুত সেখানে পৌঁছতে পারবেন বায়ুসেনার কর্মীরা। পাশাপাশি উত্তর সীমান্তের দুর্গম পাহাড়ি এলাকাগুলিতেও সহজে পৌঁছনো সম্ভব হবে।লাদাখের মতো প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্থলপথে যাতায়াত বেশ কঠিন। বিশেষ করে প্রতিকূল আবহাওয়া এবং দুর্গম পাহাড়ি রাস্তার কারণে অনেক সময় সেনার কাছে প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দিতে সমস্যা হয়। নোওমা বিমানঘাঁটি চালু হওয়ায় সেই সমস্যা অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে, ভারতের উত্তর সীমান্তের নিরাপত্তা এবং সেনার দ্রুত যাতায়াতের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে এই বিমানঘাঁটি।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
রাজ্য

‘খুব তাড়াতাড়ি জেলে যাবেন অভিষেক’, কালীঘাটের অশান্তির পর বিস্ফোরক দাবি বিজেপি নেতার!

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী তথা বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। তাঁর দাবি, খুব তাড়াতাড়ি জেলে যেতে হতে পারে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে। শনিবার কল্যাণীতে সাংসদ কার্যালয়ের উদ্বোধন করতে এসে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। কালীঘাটে অভিষেকের বাড়ির সামনে রাতভর উত্তেজনা এবং পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসার প্রসঙ্গ উঠতেই এই দাবি করেন শান্তনু।বনগাঁ লোকসভার অন্তর্গত কল্যাণী বিধানসভা। ২০১৯ এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হন বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর। এত দিন কল্যাণী-সহ আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের সাংসদের সঙ্গে দেখা করতে বা বিভিন্ন কাজের জন্য বনগাঁয় যেতে হত। সেই সমস্যা দূর করতেই কল্যাণীতে নতুন সাংসদ কার্যালয় চালু করলেন তিনি।শনিবার কল্যাণীর নিমতলা এলাকায় একটি শপিং মলের কাছে এই কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন শান্তনু। অনুষ্ঠানে শতাধিক দুঃস্থ ও অসহায় মহিলার হাতে শাড়ি তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিশেষ ভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের জন্য হুইলচেয়ারও দেওয়া হয়।অনুষ্ঠান শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, নতুন সাংসদ কার্যালয় থেকে এলাকার সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা হবে। এর পরেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে শান্তনু বলেন, খুব তাড়াতাড়ি গ্রেফতার হতে পারেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, ৭ নভেম্বর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে শুক্রবার রাত থেকেই কালীঘাটে তাঁর বাড়ির সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন অনুগামীরা। সেই সময় কয়েক জন বিজেপি কর্মী-সমর্থক কালীপ্রতিমা নিয়ে যাচ্ছিলেন বলে দাবি। তাঁদের সঙ্গে অভিষেকের অনুগামীদের বচসা শুরু হয়।অভিযোগ, অভিষেককে লক্ষ্য করে চোর স্লোগান দেওয়া হয়। ছিঁড়ে ফেলা হয় তাঁর ব্যানার ও কাটআউট। এর প্রতিবাদ করতে গেলে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। দুপক্ষকে সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন পুলিশকর্মীরা।এর পরেই বাড়ির ভিতর থেকে বেরিয়ে আসেন অভিষেক। তাঁকে দেখতে পেয়ে ফের স্লোগান দিতে শুরু করেন দুপক্ষের লোকজন। পরিস্থিতি ক্রমে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এলাকায় পুলিশকর্মীর সংখ্যাও বাড়ানো হয়।অভিষেক কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে বাড়ির নীচে বসে পড়েন। নিরাপত্তার কথা ভেবে পুলিশ তাঁকে বাড়ির ভিতরে চলে যাওয়ার অনুরোধ করে। কিন্তু তিনি রাজি হননি। পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসাও হয়। অভিষেকের অভিযোগ, পুলিশের সামনেই তাঁকে মারধর করা হয়েছে।শুক্রবার রাতের ঘটনার রেশ গড়ায় শনিবারেও। দুপুরে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে হাতে মাইক নিয়ে দুবার বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন তিনি। বিজেপি ও পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন।এই পরিস্থিতিতে শান্তনু ঠাকুরের মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতর শুরু হয়েছে। তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতারের বিষয়ে কোনও সরকারি ঘোষণা বা নিশ্চিত তথ্য এখনও সামনে আসেনি।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

আমার ওপর দিয়ে বুলডোজার চালাতে হবে! অভিষেকের বাড়ির সঙ্গে হুঙ্কার মমতার

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে উত্তেজনা ও হামলার অভিযোগ ঘিরে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার দুপুরে কালীঘাটে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, বিরোধী জোটে থাকার কারণেই রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদকে ইচ্ছাকৃত ভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে। নাম না করে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকেও নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী।৭ নভেম্বর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন। সেই উপলক্ষে শুক্রবার রাত থেকেই তাঁর বাড়ির সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন অনুগামীরা। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, সেই সময় কয়েক জন বিজেপি কর্মী-সমর্থক কালীপুজোর প্রতিমা আনতে যাচ্ছিলেন। তাঁদের সঙ্গে অভিষেকের অনুগামীদের বচসা শুরু হয়। পরিস্থিতি ক্রমে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।অভিযোগ, অভিষেককে লক্ষ্য করে চোর স্লোগান দেওয়া হয়। তাঁর ব্যানার ও কাটআউটও ছিঁড়ে ফেলা হয়। এর প্রতিবাদ করতে গেলে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। দুপক্ষকে সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন পুলিশকর্মীরা।এর পরেই বাড়ির ভিতর থেকে বেরিয়ে আসেন অভিষেক। তাঁকে সামনে দেখে ফের স্লোগান দিতে শুরু করেন দুপক্ষের লোকজন। পাল্টা স্লোগানেও উত্তেজনা বাড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় আরও পুলিশ মোতায়েন করা হয়।অভিষেকও কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে বাড়ির সামনে বসে পড়েন। নিরাপত্তার কথা ভেবে পুলিশ তাঁকে বাড়ির ভিতরে চলে যাওয়ার অনুরোধ করে। কিন্তু তাতে রাজি হননি তিনি। পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসাও হয়। অভিষেকের অভিযোগ, পুলিশের সামনেই তাঁকে মারধর করা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত শনিবার ভোর ৬টা নাগাদ তিনি বাড়ির ভিতরে যান।এই ঘটনার পর শনিবার দুপুরে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গোটা এলাকায় তখন প্রচুর পুলিশ মোতায়েন ছিল। সেখানে দাঁড়িয়েই কালীপুজোর আগে পরিকল্পিত ভাবে অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগ তোলেন মুখ্যমন্ত্রী।মমতার অভিযোগ, পুরনো ক্লাবগুলির পুজোর আয়োজন করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। অথচ রাতারাতি নতুন নতুন পুজোর আয়োজন করা হচ্ছে। এমনকি অভিষেকের বাড়িতে ঢোকার পথ আটকে নতুন করে পুজোর ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, অভিষেকের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ থাকলে আইন মেনেই ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু তাঁকে অকারণে হেনস্থা করা হলে তা মেনে নেওয়া হবে না। এই ধরনের ঘটনা চলতে থাকলে প্রতিবাদে নামার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি। নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা করে তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে এ ভাবে কাউকে হেনস্থা করা উচিত নয়।অন্য দিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মমতা ও অভিষেককে পাল্টা আক্রমণ করেছেন বরানগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ। তাঁর দাবি, বিরোধী জোট বলে বাস্তবে কিছু নেই। তাই সেই জোটে থাকার কারণে অভিষেকের বাড়িতে হামলা হয়েছে, এমন অভিযোগের কোনও ভিত্তি নেই বলেই মনে করেন তিনি।রাতের বেলা রাস্তায় কেন জন্মদিন পালন করা হচ্ছিল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন বিজেপি বিধায়ক। ফলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে রাজনৈতিক চাপানউতর আরও বেড়েছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

‘কালীঘাট থানার পুলিশ বাধা দিলে...’, কালীপুজোর আগে বিস্ফোরক মমতা, পাল্টা তোপ বিজেপির

কালীপুজোর আগের দিন ফের উত্তপ্ত কালীঘাট। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন পালনকে কেন্দ্র করে শুক্রবার রাত থেকে তাঁর বাড়ির সামনে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায়। শনিবার সেই ঘটনার প্রতিবাদে পথে নামলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিলেন তিনি। এমনকি কালীঘাট থানার পুলিশ বাধা দিলে কালীঘাট মন্দিরের সামনে পুজো করার কথাও বলেন মুখ্যমন্ত্রী। অন্য দিকে, মমতা ও অভিষেকের বিরুদ্ধে অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগ তুলেছে বিজেপি।শুক্রবার রাতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর বাড়ির সামনে জমায়েত করেছিলেন অনুগামীরা। অভিযোগ, রাস্তা আটকে জন্মদিন পালনের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই সময় ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। এর পর থেকেই অভিষেকের বাড়ির সামনে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায়। দুপক্ষের মধ্যে বচসা ও হাতাহাতির অভিযোগও ওঠে।শনিবার এই ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় নামেন মমতা। হাতে হ্যান্ড মাইক নিয়ে কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে কথা বলেন তিনি। পাশে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। রাস্তা ফাঁকা রাখার জন্য সকলের কাছে আবেদন জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, যাঁরা অভিষেককে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে আসছেন, তাঁদের স্বাগত। তবে কাউকে রাস্তা আটকে জমায়েত করা যাবে না। প্রতিমা নিয়ে যাতায়াতের জন্য রাস্তা খোলা রাখতে হবে।মমতা বলেন, সবাইকে অনুরোধ করব, রাস্তা ফাঁকা করে দিন। তাঁর অভিযোগ, শুক্রবার রাতে পরিকল্পিত ভাবে অশান্তি তৈরি করা হয়েছে। মহিলাদের শাঁখা ভাঙার অভিযোগও তোলেন তিনি।পুলিশের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। কালীঘাট থানার পুলিশ বাধা দিলে কালীঘাট মন্দিরের সামনে পুজো করার হুঁশিয়ারি দেন তিনি। পাশাপাশি অভিষেকের বাড়ির সামনে লাগানো ব্যারিকেড সরানোর দাবিও জানান। কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দের পদত্যাগও দাবি করেন মমতা।মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, এক দিকে হামলা চালানো হচ্ছে, অন্য দিকে মামলা করা হচ্ছে। বিজেপিকে নিশানা করে তিনি বলেন, এ ভাবে চলতে থাকলে এক দিন দলটি রাজনৈতিক ভাবে বড় সমস্যায় পড়বে। তাঁর দাবি, এ ভাবে অশান্তি তৈরি করে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে লড়াই করবেন বলেও জানান তিনি।অন্য দিকে, মমতার অভিযোগের পাল্টা জবাব দিয়েছে বিজেপি। রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকারের দাবি, রাজ্যে ক্ষমতায় থাকার সময় তৃণমূলই কালীপ্রতিমা নিয়ে বিতর্ক তৈরি করেছিল। এখন ক্ষমতা হারানোর আশঙ্কায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই অশান্তির পরিবেশ তৈরি করছেন বলে অভিযোগ তাঁর।দেবজিৎ আরও দাবি করেন, অভিষেকের জন্মদিনে কেক কাটা নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদের সূত্রপাত। কে কেক কাটবেন, তা নিয়েই দুপক্ষের মধ্যে গোলমাল শুরু হয় বলে তাঁর অভিযোগ। তাঁর মতে, এই ঘটনার জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়ী।বরানগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষও মমতা ও অভিষেককে আক্রমণ করেছেন। তাঁর দাবি, বিরোধী জোটে যোগ দেওয়ার কারণে অভিষেকের বাড়িতে হামলা হয়েছে, এমন অভিযোগ ঠিক নয়। কারণ, তাঁর মতে, বিরোধী জোটের বাস্তবে কোনও অস্তিত্বই নেই। রাতে কেন রাস্তার উপর জন্মদিন পালন করা হল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।এ দিকে, শুক্রবার রাতের ঘটনার পর থেকেই অভিষেকের বাড়ির সামনে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। এলাকায় পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। বসানো হয়েছে ব্যারিকেডও।কালীঘাটে এই উত্তেজনার জেরে সমস্যায় পড়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও। অভিযোগ, রাস্তা বন্ধ থাকায় দোকানদারদের ক্ষতি হচ্ছে। কালীপ্রতিমা বিক্রেতারাও ক্রেতাদের কাছে প্রতিমা পৌঁছে দিতে পারছেন না। ফলে কালীপুজোর মুখে কালীঘাটের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে স্থানীয়দের মধ্যে। তৃণমূল ও বিজেপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগে রাজনৈতিক উত্তাপও ক্রমশ বাড়ছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বাড়ির কালীপুজো ঘিরেও অশান্তি! কালীঘাটে রাস্তা আটকে পুজো, ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রীর বড় হুঁশিয়ারি

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে অশান্তির রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বিতর্ক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির কালীপুজো ঘিরে। কালীঘাটে নিজের বাড়ির প্রবেশপথ আটকে নতুন নতুন কালীপুজোর আয়োজন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, পুরনো ক্লাবগুলির পুজোর আয়োজনে বাধা দেওয়া হলেও রাতারাতি নতুন পুজো শুরু হচ্ছে। শনিবার দুপুরে এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় কালীঘাটে। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মমতা। প্রয়োজনে আবার সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে লড়াই করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার মাঝরাতে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে কালীঘাটে তাঁর বাড়ির সামনে জমায়েত করেছিলেন অনুগামীরা। সেই সময় কয়েক জন বিজেপি কর্মী-সমর্থক কালীমূর্তি নিয়ে যাচ্ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, তাঁদের সঙ্গে অভিষেকের অনুগামীদের বচসা শুরু হয়। একে অপরকে লক্ষ্য করে স্লোগান দিতে থাকেন দুপক্ষের লোকজন।এর মধ্যেই অভিষেককে লক্ষ্য করে চোর স্লোগান দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ছিঁড়ে ফেলা হয় তাঁর ব্যানার ও কাটআউট। তা নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে দুপক্ষের লোকজনকে সরিয়ে দেওয়া হয়।তবে অভিষেকের অনুগামীদের অভিযোগ, পুলিশের সামনেই তাঁদের হেনস্থা করা হয়েছে। সেই সময় পুলিশ কার্যত নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।এই ঘটনার পর শনিবার দুপুরে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে ঘিরে এলাকায় প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সেই সময়ও কালীঘাটে উত্তেজনা তৈরি হয়। সংবাদমাধ্যমের সামনে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, কালীপুজোর আগে পরিকল্পিত ভাবে এলাকায় অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে।মমতার দাবি, দীর্ঘদিন ধরে যে ক্লাবগুলি কালীপুজোর আয়োজন করে আসছে, তাদের পুজো করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। অথচ রাতারাতি নতুন নতুন পুজোর আয়োজন করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, তাঁর বাড়িতে ঢোকার রাস্তাও কার্যত আটকে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।এই পরিস্থিতিতে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, এ ভাবে অশান্তি চলতে থাকলে তিনি চুপ করে থাকবেন না। প্রয়োজনে আবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হবেন। মমতার কথায়, আমি দরকার হলে আবারও সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে লড়ব।অভিষেকের বাড়ির সামনে জন্মদিন পালন ঘিরে রাতভর উত্তেজনা এবং তার পর মমতার বাড়ির কালীপুজো নিয়ে নতুন বিতর্কপরপর এই দুই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কালীঘাটে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
দেশ

ইন্দিরার জরুরি অবস্থা নিয়ে বিস্ফোরক সোনিয়া! সঞ্জয় গান্ধীকে একা দায়ী করতে নারাজ, ফাঁস করলেন কী?

১৯৭৫ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর আমলে দেশে জারি হয়েছিল জরুরি অবস্থা। ভারতের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে সেই সময়কে আজও কালো অধ্যায় হিসাবে দেখা হয়। এ বার সেই জরুরি অবস্থা নিয়েই নতুন করে বিতর্ক উসকে দিলেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। তাঁর দাবি, জরুরি অবস্থার সময় মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করা হয়েছিল ঠিকই, তবে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল সংবিধান মেনেই। পাশাপাশি, জরুরি অবস্থার সময় হওয়া সমস্ত ভুলের জন্য শুধু সঞ্জয় গান্ধীকে দায়ী করতে রাজি নন তিনি। তাঁর মতে, সেই পরিস্থিতি তৈরির পিছনে অনেক প্রবীণ নেতা ও আমলারও ভূমিকা ছিল।আগামী ১০ নভেম্বর প্রকাশিত হতে চলেছে সোনিয়া গান্ধীর আত্মজীবনী বিলংগিং: আ জার্নি অফ লাভ। বই প্রকাশের আগে একটি সাক্ষাৎকারে জরুরি অবস্থা নিয়ে নিজের মতামত জানিয়েছেন তিনি।সোনিয়া বলেন, জরুরি অবস্থার পর তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, সেই সময় কত বড় ঘটনা ঘটেছিল। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। তবে সেই কাজ করা হয়েছিল সাংবিধানিক পদ্ধতি মেনেই। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরেই নতুন করে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।জরুরি অবস্থার সময়কার পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সঞ্জয় গান্ধীর প্রসঙ্গও তোলেন সোনিয়া। তাঁর মতে, সেই সময়ের সমস্ত ঘটনার জন্য শুধু সঞ্জয়কে দায়ী করা ঠিক নয়। জরুরি অবস্থার সঙ্গে সঞ্জয়ের নাম জড়িয়ে থাকলেও, পরিস্থিতি তার চেয়ে অনেক বেশি জটিল ছিল।সোনিয়ার দাবি, সেই সময় দেশে একের পর এক হিংসাত্মক ঘটনা ঘটছিল। সরকারি দফতর ও বাসে আগুন লাগানো হচ্ছিল। বিভিন্ন জায়গায় অশান্তি ছড়াচ্ছিল। এমনকি সরকারি আধিকারিক ও সেনাকর্মীদের নির্দেশ অমান্য করার আহ্বানও জানানো হচ্ছিল। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে ইন্দিরা গান্ধীকে প্রবল চাপের মুখে পড়তে হয়েছিল। একাধিক প্রবীণ নেতা ও আমলার তরফেও তাঁর উপর চাপ তৈরি করা হয়েছিল বলে দাবি সোনিয়ার।সেই সময় রাজীব গান্ধীও মায়ের সঙ্গে সব বিষয়ে একমত ছিলেন না বলে জানিয়েছেন সোনিয়া। তাঁর কথায়, রাজীব সাধারণ মানুষের অভিযোগ ও অসন্তোষের কথা ইন্দিরা গান্ধীকে জানাতেন। শেষ পর্যন্ত ইন্দিরা পরিস্থিতি বুঝতে পেরে ভুল সংশোধনের উদ্যোগ নেন।সোনিয়া আরও মনে করিয়ে দিয়েছেন, ১৯৭৭ সালের মার্চে নিজেই লোকসভা নির্বাচনের ঘোষণা করেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। সেই সঙ্গে তুলে নেওয়া হয়েছিল জরুরি অবস্থা। পরে জরুরি অবস্থার সময় হওয়া বাড়াবাড়ির জন্য প্রকাশ্যে অনুতাপও জানিয়েছিলেন ইন্দিরা। ক্ষমা চাওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন সোনিয়া। তাঁর মতে, শেষ পর্যন্ত গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই সেই পরিস্থিতির অবসান হয়েছিল।একই সাক্ষাৎকারে গত ১২ বছরে বিজেপি সরকারের আমলে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলির ক্ষতি হয়েছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন সোনিয়া। তাঁর এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়েছেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল।তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থার কথা কি ভুলে গিয়েছেন সোনিয়া গান্ধী? তাঁর বক্তব্য, সেই সময় গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করা হয়েছিল। হাজার হাজার রাজনৈতিক নেতাকে জেলে পাঠানো হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাও কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালের ২৫ জুন দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। প্রায় ২১ মাস পর, ১৯৭৭ সালের ২১ মার্চ তা তুলে নেওয়া হয়। সেই সময়ের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও তার প্রভাব নিয়ে দেশের রাজনীতিতে বিতর্ক এখনও অব্যাহত। সোনিয়া গান্ধীর নতুন মন্তব্যে সেই পুরনো বিতর্কই আবার সামনে এল।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

পাস দুর্নীতি মামলায় নয়া মোড়! বাবার নাম করেই দায় এড়ালেন ইন্দ্রনীলের মেয়ে?

পুজোর প্রিভিউ পাস দুর্নীতি মামলায় আরও চাপে প্রাক্তন মন্ত্রী তথা গায়ক ইন্দ্রনীল সেন। তাঁর কসবার বাড়ি এবং চন্দননগরের বাংলোয় তল্লাশি চালাল লালবাজারের বিশেষ তদন্তকারী দল। শুধু তল্লাশিই নয়, ইন্দ্রনীলকে সঙ্গে নিয়েই দুই জায়গায় পৌঁছন গোয়েন্দারা। তদন্তকারীদের সূত্রে খবর, দুই জায়গা থেকেই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার হয়েছে।লালবাজার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে পুজোর প্রিভিউ পাস বিক্রির অভিযোগের তদন্তে টাকা লেনদেন সংক্রান্ত বেশ কিছু নথির খোঁজ পেয়েছেন গোয়েন্দারা। সেই নথি ইন্দ্রনীলের বাড়িতে থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। সেই সূত্র ধরেই শুক্রবার তাঁকে কসবার বহুতলে নিয়ে যান তদন্তকারীরা। তাঁর উপস্থিতিতেই বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। এরপর ইন্দ্রনীলকে নিয়ে চন্দননগরের বাংলোয় পৌঁছন গোয়েন্দারা। সেখানেও চলে তল্লাশি।লালবাজারের এক কর্তার দাবি, এখনও পর্যন্ত পুজোর প্রিভিউ পাস দুর্নীতি মামলায় ১৫০ কোটি টাকারও বেশি আর্থিক অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে। তদন্তে উঠে এসেছে, ইন্দ্রনীলের ঘনিষ্ঠ তিনটি সংস্থার সঙ্গে এই লেনদেনের যোগ থাকতে পারে। ওই সংস্থাগুলির বেশ কিছু নথি ইন্দ্রনীলের বাড়িতে রয়েছে বলে জেরায় জানতে পারেন তদন্তকারীরা। সেই কারণেই কসবা ও চন্দননগরে তল্লাশি চালানো হয়। সূত্রের খবর, দুই জায়গা থেকেই বেশ কিছু নথি উদ্ধার হয়েছে।এর আগে বৃহস্পতিবার ইন্দ্রনীলের মেয়ে আভেরি সেনকে লালবাজারে তলব করা হয়েছিল। তাঁর দুটি সংস্থার সঙ্গে ইন্দ্রনীলের ঘনিষ্ঠ একটি সংস্থার প্রায় সাড়ে ২২ লক্ষ টাকার লেনদেন হয়েছিল বলে অভিযোগ। সেই লেনদেন কী কারণে হয়েছিল, তা জানতে আভেরিকে প্রশ্ন করেন গোয়েন্দারা। পুজোর প্রিভিউ পাস এবং পর্যটন দফতরের টেন্ডার সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগ নিয়েও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁর দুটি সংস্থার নথিও খতিয়ে দেখেন তদন্তকারীরা।জেরার মুখে আভেরি জানিয়েছেন, তাঁর বাবা ইন্দ্রনীল সেন সব কিছু জানেন। এই বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। তাঁকে যা করতে বলা হয়েছিল, তিনি শুধু সেটুকুই করেছেন বলে তদন্তকারীদের জানিয়েছেন তিনি।এর আগে ইন্দ্রনীলের স্ত্রী মধুছন্দাকেও লালবাজারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। সূত্রের খবর, তিনিও গোয়েন্দাদের জানিয়েছিলেন, তাঁর স্বামীই সব কিছু জানতেন। তিনি কিছু জানতেন না।অন্যদিকে, ইন্দ্রনীল সেনের দাবি, মাস আর্টের সেক্রেটারি ধ্রুবজ্যোতি বসু ওরফে শুভই সমস্ত লেনদেনের দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর মাধ্যমেই যাবতীয় টাকা লেনদেন হত বলে দাবি করেছেন প্রাক্তন মন্ত্রী। ইন্দ্রনীলের বক্তব্য, এই দুর্নীতির মূল মাথা শুভ। যদিও তাঁর এই দাবি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন শুভ। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে লেনদেনের বিষয়ে আরও তথ্য জানার চেষ্টা চলছে। এই মামলায় ইন্দ্রনীল-সহ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইন এবং দুর্নীতিদমন আইনের ধারাও যুক্ত করার প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

সাতসকালে পুকুরে স্নান করতে গিয়ে চমকে উঠলেন স্থানীয়রা! জলে ভাসছে মহিলার দেহ, বাগুইআটিতে চাঞ্চল্য

পুকুরের জলে ভাসছে এক মহিলার দেহ! সাতসকালে স্নান করতে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কলকাতার কাছে বাগুইআটির বাগুইপাড়া এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। পুকুর থেকে মহিলার দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনও তাঁর পরিচয় জানা যায়নি। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য। খুন, আত্মহত্যা নাকি দুর্ঘটনা, সব দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাগুইপাড়া এলাকার ওই পুকুরে নিয়মিত স্নান করতে যান অনেকে। শনিবার সকালে কয়েক জন বাসিন্দা সেখানে স্নান করতে গিয়েছিলেন। সেই সময়ই তাঁদের নজরে আসে পুকুরের জলে ভাসছে এক মহিলার দেহ। এমন দৃশ্য দেখে তাঁরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। দ্রুত খবর দেওয়া হয় বাগুইআটি থানায়।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই পুকুর থেকে মহিলার দেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, মৃতার বয়স ৫০ থেকে ৫৫ বছরের মধ্যে। তিনি ওই এলাকার বাসিন্দা নন বলেই মনে করা হচ্ছে।তদন্তকারীদের প্রাথমিক ধারণা, প্রায় ২৪ ঘণ্টা আগে ওই মহিলা জলে তলিয়ে গিয়ে থাকতে পারেন। পরে তাঁর দেহ জলের উপরে ভেসে ওঠে। তবে কীভাবে তিনি পুকুরে পড়লেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তাঁর মৃত্যু কি দুর্ঘটনা, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য আর জি কর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।পাশাপাশি মৃতার পরিচয় জানারও চেষ্টা চলছে। আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলছেন পুলিশকর্মীরা। কেউ ওই মহিলাকে চিনতে পারেন কি না, তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। কালীপুজোর আগের দিন সকালে পুকুর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় মহিলার দেহ উদ্ধারের ঘটনায় বাগুইপাড়া এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal