• ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩, রবিবার ১২ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Candidate

রাজ্য

ভোটের দিনেই হামলা! কুমারগঞ্জে বিজেপি প্রার্থীকে ঘিরে তাণ্ডব

ভোটের দিন দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জে উত্তেজনা ছড়াল বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু সরকারকে ঘিরে। তাঁর উপর হামলা এবং দলের এজেন্টকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার জন্য তৃণমূলকে দায়ী করেছে বিজেপি। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে, বিষয়টি নিয়ে বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গেও কথা বলেন প্রার্থী। ইতিমধ্যেই এই ঘটনার রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন।একটি ভিডিও সামনে এসেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে একটি সরু রাস্তা দিয়ে হেঁটে আসছিলেন বিজেপি প্রার্থী। হঠাৎই কয়েকজন তাঁকে ঘিরে ধরে এবং ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। অভিযোগ, তাঁকে মারধরও করা হয়। সেই সময় এক নিরাপত্তারক্ষী ছুটে এসে তাঁকে রক্ষা করার চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতেও হামলা থামেনি। পরে ওই নিরাপত্তারক্ষী তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যান।ঘটনার সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রার্থীর দাবি, বাহিনী বুথের ভিতরে এবং সামনে ছিল, কিন্তু ঘটনাস্থলে দেখা যায়নি। পরে জানা যায়, যিনি তাঁকে উদ্ধার করেন, তিনি তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী।এই ঘটনার পর বিজেপি প্রার্থী অভিযোগ করেন, জেলার পুলিশ নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে না। একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর আরও অভিযোগ, তাঁর গাড়িতেও ভাঙচুর করা হয়েছে।অন্যদিকে তৃণমূল এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, এমন কোনও ঘটনা ঘটেনি। বিজেপি নিজেরাই লোক না পেয়ে এই ধরনের অভিযোগ তুলে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করছে।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় স্বস্তি তৃণমূল প্রার্থীকে, পুলিশের হাত আপাতত বাঁধল আদালত

ভোটের আগে নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক লড়াইয়ের মাঝেই আদালত থেকে বড় স্বস্তি পেলেন তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র কর। বৃহস্পতিবার বিচারপতি অজয় কুমার মুখোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছেন, আপাতত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ নিতে পারবে না পুলিশ। তবে একই সঙ্গে আদালত জানিয়েছে, তদন্ত চালিয়ে যেতে কোনও বাধা নেই।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে লড়ছেন পবিত্র কর। বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার দিনই তাঁকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়, ফলে এই কেন্দ্রের লড়াই আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।এরই মধ্যে হুমকি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে পবিত্র করের বিরুদ্ধে একটি এফআইআর দায়ের হয়। সেই এফআইআর খারিজ করার আবেদন জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি। নন্দীগ্রামে প্রথম দফাতেই ভোট রয়েছে ২৩ এপ্রিল, তাই তার আগেই মামলার শুনানি চেয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী। বৃহস্পতিবার সেই মামলারই শুনানি হয়।বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগের ভিত্তিতেই এই মামলা দায়ের হয়। তিনি দাবি করেন, পবিত্র কর বিজেপির প্রতীকে পঞ্চায়েত সদস্য হয়েও তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়ছেন, যা আইনসিদ্ধ নয়। পাশাপাশি নন্দীগ্রামে অশান্তি তৈরির অভিযোগও তোলেন তিনি।এই অভিযোগের জবাবে পবিত্র কর পাল্টা আক্রমণ করেছেন। তাঁর দাবি, নন্দীগ্রামে যে সব মামলা ও সমস্যা তৈরি হচ্ছে, তার পিছনে শুভেন্দু অধিকারীরই ভূমিকা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ভোটের ফল বেরোলেই সব হিসেব মিটে যাবে।সব মিলিয়ে ভোটের আগে এই ঘটনা নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

এপ্রিল ১৬, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে চাঞ্চল্য, প্রাণনাশের হুমকি বিজেপি প্রার্থীকে

ভোটের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি, তার আগেই বসিরহাট দক্ষিণে বিজেপি প্রার্থী শৌর্য্য বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, প্রচারে বেরোনোর সময় তাঁকে ফোন করে হুমকি দেওয়া হয় এবং অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই তিনি বসিরহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনেও বিষয়টি জানিয়েছেন।বুধবার অন্যান্য দিনের মতোই প্রচারে বেরিয়েছিলেন শৌর্য্য বন্দ্যোপাধ্যায়। বসিরহাটের ঘোজাডাঙ্গা এলাকায় প্রচার শেষে একটি দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার সময় তাঁর কাছে একটি ফোন আসে বলে অভিযোগ। ফোনে এক ব্যক্তি নিজেকে দীপ্তেশ দে বলে পরিচয় দেয়। এরপরই ওই ব্যক্তি অশালীন ভাষায় কথা বলতে শুরু করেন এবং শৌর্য্য বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেন বলে অভিযোগ।এই ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বিজেপি প্রার্থী। এরপরই তিনি স্থানীয় থানায় অভিযোগ জানান এবং নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিচয় এবং অবস্থান খতিয়ে দেখা হচ্ছে।অন্যদিকে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। বসিরহাট দক্ষিণের তৃণমূল প্রার্থী সুরজিৎ মিত্র, যিনি বাদল নামে পরিচিত, এই ধরনের ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি বলেছেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় কোনও প্রার্থীকে হুমকি দেওয়া কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। যারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, তাদের এই ধরনের আচরণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।সব মিলিয়ে ভোটের আগে এই ঘটনা বসিরহাটে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিল।

এপ্রিল ১৬, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় বিতর্ক! তৃণমূল প্রার্থীর হলফনামা নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ

নমিনেশন জমা দেওয়ার সময় হলফনামায় তথ্য গোপন করার অভিযোগ উঠল মেদিনীপুরের তৃণমূল প্রার্থী সুজয় হাজরার বিরুদ্ধে। এই অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি প্রার্থী শঙ্কর গুছাইত। তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন এবং তৃণমূল প্রার্থীর প্রার্থী পদ বাতিলের দাবি করেছেন।জানা গেছে, গত ২ এপ্রিল মেদিনীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে নমিনেশন জমা দেন সুজয় হাজরা। সেই সময় জমা দেওয়া হলফনামায় তিনি নাকি কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করেছেন বলে অভিযোগ বিজেপির ।বিজেপি প্রার্থী শঙ্কর গুছাইতের দাবি, সুজয় হাজরা একটি পার্টনারশিপ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু হলফনামায় তিনি উল্লেখ করেছেন যে তাঁর কোনও পার্টনারশিপ ব্যবসা নেই। শুধু তাই নয়, তাঁর আয়ের তথ্যও সঠিকভাবে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। এই বিষয়ে নথি দেখিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে অভিযোগ তোলেন বিজেপি প্রার্থী। ইতিমধ্যেই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার নির্বাচন আধিকারিকের কাছেও লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, এতে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনকেও বিভ্রান্ত করা হয়েছে ।এই বিষয়ে আইনজীবী তীর্থঙ্কর ভক্ত জানিয়েছেন, হলফনামায় তথ্য গোপন করা গুরুতর বিষয়। প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করতে পারে।যদিও সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল প্রার্থী সুজয় হাজরা। তাঁর দাবি, তিনি তাঁর পেশা হিসেবে ব্যবসার কথা উল্লেখ করেছেন এবং আয় সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য আয়কর দপ্তরে জমা রয়েছে। তাঁর মতে, বিরোধীরা মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন যদি এ বিষয়ে কোনও নোটিস পাঠায়, তবে তিনি যথাযথ উত্তর দেবেন।ভোটের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। তার আগে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মেদিনীপুরের রাজনৈতিক মহলে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এবার এই অভিযোগের জেরে নির্বাচনের সমীকরণ কতটা বদলাবে, সেটাই দেখার।

এপ্রিল ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের মুখে বড় ধাক্কা! তৃণমূল প্রার্থীর মনোনয়ন হঠাৎ বাতিল কেন

নির্বাচনের আগে বড় ধাক্কা খেল তৃণমূল কংগ্রেস। কৃষ্ণনগর উত্তরের প্রার্থী অভিনব ভট্টাচার্যের মনোনয়ন বাতিল হয়ে গেল বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর। জানা গিয়েছে, জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ৯-এ ধারার ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রিটার্নিং অফিসার। প্রশাসনের এক সূত্রের দাবি, রাজ্য সরকারের সঙ্গে তাঁর ব্যবসায়িক চুক্তি থাকার জটিলতার কারণেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।অভিনব ভট্টাচার্য দীর্ঘদিন ধরে দলের সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং এলাকায় একজন পরিচিত মুখ হিসেবে পরিচিতি গড়ে তুলেছিলেন। এবারের নির্বাচনে তাঁকে কৃষ্ণনগর উত্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছিল, যা রাজনৈতিক মহলে বেশ চমক তৈরি করেছিল। শিক্ষিত এবং স্পষ্টভাষী হিসেবে তিনি তরুণ প্রজন্মের কাছেও জনপ্রিয় ছিলেন। অনেকেই মনে করেছিলেন, স্থানীয় এবং গ্রহণযোগ্য মুখ হিসেবে তাঁকে প্রার্থী করে বিশেষ কৌশল নিয়েছিল তৃণমূল।কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্রটি রাজনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে বিরোধী শক্তিও যথেষ্ট প্রভাবশালী। এমন পরিস্থিতিতে অভিনব ভট্টাচার্যের পরিষ্কার ভাবমূর্তি এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ তৃণমূলের পক্ষে বড় শক্তি হতে পারত বলে মনে করছিলেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।তবে শেষ পর্যন্ত আইনি জটিলতার কারণেই তাঁর মনোনয়ন বাতিল হয়ে গেল। নির্বাচনী নিয়ম অনুযায়ী, কোনও ব্যক্তি যদি সরকারের সঙ্গে সরাসরি ঠিকাদারি বা ব্যবসায়িক স্বার্থে যুক্ত থাকেন, তাহলে তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন না। সেই নিয়ম মেনেই তাঁর মনোনয়ন খারিজ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

এপ্রিল ১০, ২০২৬
কলকাতা

ফের ইডির ডাকে হাজির রাসবিহারীর তৃণমূল প্রার্থী! জমি দুর্নীতিতে বাড়ছে চাপ

জমি দুর্নীতি মামলায় ফের ইডির দফতরে হাজির হলেন দেবাশীষ কুমার। এর আগেও তাঁকে তলব করা হয়েছিল। এবার তাঁকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে আসতে বলা হয়েছিল। নির্ধারিত সময়েই তিনি দফতরে পৌঁছন (TMC Candidate)।রাসবিহারী কেন্দ্রের প্রার্থী এবং বিদায়ী বিধায়ক দেবাশীষ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ (TMC Candidate), জাল নথির সাহায্যে সরকারি ও বেসরকারি জমি বেআইনিভাবে দখল করা হয়েছে এবং সেই জমিতে অবৈধ নির্মাণ করা হয়েছে। এই অভিযোগে তাঁকে দ্বিতীয় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে ইডি। শুক্রবার তাঁকে তলব করা হয়েছিল এবং তিনি তদন্তকারীদের সামনে হাজির হন (TMC Candidate)।এর আগে গত ত্রিশে মার্চ তিনি কলকাতার ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন। সেদিনও তাঁকে জমি দখল সংক্রান্ত একটি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় (TMC Candidate)।শুক্রবার সকাল সাড়ে এগারোটার সময় তিনি দফতরে পৌঁছন এবং তারপরই জেরা শুরু হয় (TMC Candidate)।সূত্রের খবর, সম্প্রতি একটি বেসরকারি সংস্থায় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেই তদন্তেই দেবাশীষ কুমারের নাম সামনে আসে। এরপরই তাঁকে তলব করা হয়।জানা গেছে, বেঙ্গল এনার্জি নামে একটি সংস্থার দুই কর্তার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। সেই সময় বেশ কিছু নথিতে দেবাশীষ কুমারের নাম পাওয়া যায়। এরপর থেকেই এই মামলায় তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখছে ইডি।এই ঘটনার পর ভোটের আগে রাজনৈতিক মহলেও চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর রয়েছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের মাঝেই বড় ধাক্কা! ইডির জিজ্ঞাসাবাদে তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমার

ভোটের প্রচারের মধ্যেই ইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়লেন রাসবিহারী কেন্দ্রের বিধায়ক এবং তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমার। একটি বেসরকারি সংস্থায় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত করতে গিয়েই তাঁর নাম সামনে আসে বলে জানা গিয়েছে। সেই সূত্রেই তাঁকে তলব করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।গত শনিবার বেঙ্গল এনার্জি নামে একটি সংস্থার দুই শীর্ষ কর্তার বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। ওই ব্যবসায়ীদের বাড়িতে তল্লাশি এবং জিজ্ঞাসাবাদের সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি হাতে পায় তদন্তকারী সংস্থা। সেই নথিতেই দেবাশিস কুমারের নাম উঠে আসে বলে সূত্রের খবর।এরপরই তাঁকে তলব করা হয়। আজ দুপুরে সল্টলেকে ইডির দফতরে হাজিরা দেন তিনি। জানা গিয়েছে, তাঁকে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হচ্ছে।তদন্তকারী সংস্থা জানতে চাইছে, ওই সংস্থার সঙ্গে তাঁর কীভাবে যোগাযোগ তৈরি হয়েছিল। কোনও আর্থিক লেনদেন হয়েছিল কি না, সেই বিষয়েও প্রশ্ন করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, বেঙ্গল এনার্জি সংস্থা একাধিক জায়গায় বিতর্কিত জমি কিনেছিল। পরে সেই জমি অন্যদের কাছে বিক্রি করে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। এই মামলার তদন্তে নাম উঠে আসায় দেবাশিস কুমারের সঙ্গে ওই সংস্থার কর্তাদের সম্পর্ক এবং সম্ভাব্য লেনদেন নিয়েও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।পুরো ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ভোটের আবহেই এই জিজ্ঞাসাবাদ নতুন করে উত্তেজনা বাড়িয়েছে।

মার্চ ৩০, ২০২৬
কলকাতা

প্রার্থী হয়েও ভোটার তালিকায় নাম নেই! হাইকোর্টে চাঞ্চল্য, সুপ্রিম কোর্টে ছুটছেন কংগ্রেস প্রার্থী

মুর্শিদাবাদের ফরাক্কা কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী মহতাব শেখকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা হলেও তাঁর নাম নাকি এসআইআর তালিকায় নেই। এই বিষয়েই কলকাতা হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তাঁর আইনজীবী।মামলাকারীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, একজন প্রার্থী হয়েও যদি তাঁর নাম ভোটার যাচাইয়ের তালিকায় না থাকে, তা হলে তা গুরুতর বিষয়। পাশাপাশি আরও জানানো হয়, এই সংক্রান্ত ট্রাইবুনাল এখনও কাজ শুরু করতে পারেনি। তাই আদালতের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলেই আবেদন করা হয়।তবে প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এসআইআর সংক্রান্ত সমস্ত মামলার শুনানি বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টেই হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ রয়েছে, এই ধরনের মামলার শুনানি কোনও হাইকোর্ট করতে পারবে না। কলকাতা হাইকোর্ট শুধু প্রশাসনিক দিকটি দেখছে। তাই আবেদনকারীকে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, আগামী পয়লা এপ্রিল মহতাব শেখ সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানাবেন।এই ঘটনার মধ্যে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক সামনে এসেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক প্রার্থীও এখনও এসআইআর তালিকায় বিবেচনাধীন রয়েছেন। কাজল শেখ এবং শশী পাঁজার নাম দ্বিতীয় তালিকায় উঠে এলেও এখনও আরও কয়েকজনের নাম নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে এই বিষয়টি বড় বিতর্ক তৈরি করেছে। তৃণমূলের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন ইচ্ছাকৃতভাবে কিছু ভোটারকে আলাদা করে যাচাইয়ের জন্য রেখেছে। বিশেষ করে উত্তর কলকাতার একাংশে এই সমস্যা বেশি দেখা যাচ্ছে বলে দাবি।এই নিয়ে জনসভা থেকেও সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, বিজেপির প্রভাবে নির্বাচন কমিশন তৃণমূলের সম্ভাব্য জয়ী প্রার্থী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার চেষ্টা করছে বা জটিলতা তৈরি করছে।এদিকে সূত্রের খবর, এই বিষয় নিয়ে তৃণমূল নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানাতে চলেছে। যদিও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। ফলে ভোটের আগে এই বিতর্ক আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ৩০, ২০২৬
কলকাতা

আর জি কর কাণ্ডে নতুন মোড়! বিজেপির প্রার্থী অভয়ার মা, উত্তাল সোশ্যাল মাধ্যম

জল্পনাই শেষ পর্যন্ত সত্যি হল। পানিহাটি কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হল অভয়ার মা রত্না দেবনাথের নাম। বুধবার সন্ধ্যায় দলের তৃতীয় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়। মোট ১৯ জনের এই তালিকায় সবচেয়ে বেশি চমক দেখা যায় পানিহাটি কেন্দ্রে। অভয়ার মাকে প্রার্থী করে আর জি কর ঘটনার আবেগকে কাজে লাগিয়ে ভোটে সুবিধা পাওয়ার চেষ্টা করছে বিজেপি, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।দিল্লির নির্ভয়ার ঘটনার সঙ্গে মিল রেখে আর জি করের নির্যাতিতার নাম দেওয়া হয়েছিল অভয়া। সেই ঘটনার পর থেকেই আলোচনায় ছিলেন তাঁর পরিবার। নির্ভয়ার মায়ের মতো তিনিও রাজনীতির বাইরে থাকেননি। অভয়ার মা এবং বাবা বিজেপিতে যোগ দেন। গত সপ্তাহে পানিহাটির বাড়িতে তিনি নিজেই ঘোষণা করেছিলেন, মেয়ের জন্য সুবিচার পেতে তিনি ভোটে লড়বেন।তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় রয়েছেন। অন্য দলগুলি তাঁদের বিষয়টি নিয়ে শুধু রাজনীতি করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বিজেপি ক্ষমতায় এলে সুবিচার পাওয়া যাবে বলে তাঁর বিশ্বাস। এই মন্তব্যের পরই রাজ্য জুড়ে শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। অনেকেই অভিযোগ করেন, মেয়ের মৃত্যুকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।শুধু বিরোধীদের মধ্যেই নয়, বিজেপির অন্দরেও এই সিদ্ধান্ত নিয়ে মতভেদ তৈরি হয়েছিল বলে খবর। দলের একাংশের মত ছিল, অভয়ার মা নিজে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও, তাঁকে প্রার্থী করলে খুব বেশি রাজনৈতিক লাভ হবে না। কারণ এই ঘটনা শুধু একটি কেন্দ্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, গোটা রাজ্যের বিষয়।দলীয় কর্মীদের সঙ্গেও এই বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছিল। অনেকেই মনে করেছিলেন, শুধুমাত্র আবেগ দিয়ে ভোটের ফলাফল নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। তবে সমস্ত বিতর্কের মাঝেই শেষ পর্যন্ত বিজেপি তাঁকেই প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেয়। বুধবার প্রকাশিত তালিকায় পানিহাটি কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হিসেবে অভয়ার মা রত্না দেবনাথের নাম ঘোষণার পর নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বেড়েছে।

মার্চ ২৫, ২০২৬
রাজ্য

বিজেপির দ্বিতীয় তালিকায় বড় চমক! কে কোথা থেকে লড়ছেন জানলে অবাক হবেন

দ্বিতীয় দফায় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি। এর আগে প্রথম দফায় ১৪৪টি আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। এবার আরও ১১১টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে এখনও পর্যন্ত মোট ২৫৫টি আসনে প্রার্থী ঠিক করেছে দল। বাকি রয়েছে আরও ৩৯টি আসন।বুধবার প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব একাধিক বৈঠক করে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সেই বৈঠক হয়। আগে শোনা যাচ্ছিল প্রায় ৪৫টি আসনে সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে দ্বিতীয় তালিকা প্রকাশের পর দেখা গেল এখনও ৩৯টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা বাকি।এই তালিকায় একাধিক চমক রয়েছে। হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে টিকিট দেওয়া হয়েছে, তবে খড়গপুর সদর থেকে নয়। সেখানে আগে থেকেই দিলীপ ঘোষের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। ফলে জল্পনা তৈরি হয়েছিল হিরণ আদৌ টিকিট পাবেন কি না। শেষ পর্যন্ত তাঁকে শ্যামপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে।এগরা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে দিব্যেন্দু অধিকারীকে। মানিকতলা থেকে তাপস রায় এবং টালিগঞ্জ থেকে পাপিয়া অধিকারীকে প্রার্থী করা হয়েছে।লোকসভা নির্বাচনের পর আবারও বিধানসভা ভোটে সুযোগ পেলেন রেখা পাত্র। আগে বসিরহাট কেন্দ্র থেকে লড়লেও তিনি হেরে গিয়েছিলেন। এবার তাঁকে হিঙ্গলগঞ্জ কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছে বিজেপি।সব মিলিয়ে দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জমে উঠেছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটে নামছেন তিলোত্তমার মা? বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হওয়ার জল্পনায় চাঞ্চল্য

তিলোত্তমার মাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, তিনি বিজেপির টিকিটে নির্বাচনে লড়তে পারেন। দলের তরফে তাঁকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল এবং তিনি তাতে সম্মতিও জানিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।কয়েক দিন আগে বিজেপি নেতা অর্জুন সিং তিলোত্তমার বাড়িতে যান। সেখানে তিনি প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে তিলোত্তমার বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলেন। সেই সাক্ষাতের পর থেকেই তিলোত্তমার মায়ের বিজেপিতে যোগ দেওয়া এবং প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। সূত্রের খবর, পানিহাটি কেন্দ্র থেকেই তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে।তিলোত্তমার বাবা জানিয়েছেন, বিরোধী শক্তি হিসেবে বিজেপির উপরই তাঁদের ভরসা রয়েছে। তাঁর মতে, এই দলই ক্ষমতায় এসে পরিবর্তন আনতে পারে এবং রাজ্যে নারী সুরক্ষার পরিস্থিতি আরও উন্নত করা সম্ভব।অন্যদিকে তিলোত্তমার মা জানিয়েছেন, নিজের গভীর দুঃখ ও যন্ত্রণার মধ্যেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি তাঁকে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে। তিনি নিজেই ফোন করে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, তাঁর মেয়ের ঘটনাকে কেউ যেন ভোটের স্বার্থে ব্যবহার না করে, সেই কারণেই তিনি নিজে সামনে আসতে চান।এই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী বলেন, তিলোত্তমার বিচার সবাই চান, কিন্তু নির্বাচনে দাঁড়ানো তার একমাত্র পথ নয়। তাঁর মতে, ভোটে জয় বা পরাজয়ের সঙ্গে বিচার পাওয়ার সম্পর্ক থাকা উচিত নয়।সব মিলিয়ে তিলোত্তমার মায়ের সম্ভাব্য রাজনৈতিক পদক্ষেপ রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬
রাজ্য

অভিমান ভাঙল? অসিতের বাড়িতে দেবাংশু, সামনে এল নাটকীয় মুহূর্ত

প্রার্থী না হওয়ায় নিজের অভিমান ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। এমনকি জানিয়েছিলেন, রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াতে চান। কিন্তু সেই পরিস্থিতিতেই তাঁর বাড়িতে গিয়ে দেখা করলেন দেবাংশু। তারপর থেকেই নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর অসিত স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, তিনি আপাতত রাজনীতি থেকে বিশ্রাম নেবেন এবং প্রয়োজনে আবার আইন পেশায় ফিরবেন। অন্যদিকে দেবাংশু আগে থেকেই বলেছিলেন, অসিত তাঁর কাছে পিতৃসম। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে মতভেদ থাকতেই পারে, কিন্তু সম্পর্ক ভাঙার নয়। তিনি আশ্বাস দিয়েছিলেন, খুব শীঘ্রই দেখা করবেন।শেষ পর্যন্ত সেই সাক্ষাৎ হল বুধবার সন্ধ্যায়। প্রিয়নগরে অসিতের বাড়িতে পৌঁছে যান দেবাংশু। গিয়ে প্রথমেই প্রণাম করেন। অসিতও তাঁকে জড়িয়ে ধরেন। তারপর দুজনের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে আলোচনা হয়।পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দুজনেই নিজেদের মতামত জানান। সেখানে সৌজন্যের একটি মুহূর্তও সামনে আসে। বড় চেয়ার ছেড়ে দেন দেবাংশু। অসিত তাঁকে বসতে বললেও তিনি তা মানেননি। শেষে অসিতের পাশেই একটি সাধারণ চেয়ারে বসেন তিনি। দেবাংশু জানান, অসিতের কাছ থেকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ নিয়েছেন এবং সেই পরামর্শ তাঁর নির্বাচনী লড়াইয়ে কাজে লাগবে। তিনি আরও বলেন, অসিত তাঁর পাশে থাকবেন বলেও জানিয়েছেন।তবে অসিতের বক্তব্যে এখনও অভিমানের সুর স্পষ্ট। তিনি বলেন, দলের কর্মীরা নিশ্চয়ই প্রার্থীকে জেতাতে কাজ করবেন এবং তিনি চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবার মুখ্যমন্ত্রী হন। কিন্তু দেবাংশুকে নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই তিনি বলেন, দেবাংশুকে আলাদা করে পরিচয় করানোর প্রয়োজন নেই। তাঁর পিছনে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব রয়েছে। নিজের প্রসঙ্গে অসিত বলেন, তিনি তৃণমূলের একজন সামান্য কর্মী।এই মন্তব্যের পরই দেবাংশু তাঁর হাত ধরে বলেন, অসিত নিজেকে যতটা ছোট ভাবছেন, তিনি ততটা ছোট নন। তাঁর মতে, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব যেমন রয়েছেন, তেমনই চুঁচুড়ায় অসিতও তাঁদের অভিভাবক হিসেবে প্রয়োজন।এই ঘটনার পর থেকেই প্রশ্ন উঠছে, অসিতের অভিমান কি সত্যিই কেটেছে, নাকি এর মধ্যেই লুকিয়ে আছে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা।

মার্চ ১৯, ২০২৬
রাজ্য

একসঙ্গে দু’টি আসনে লড়াই! হুমায়ুন কবীরের বড় চমক

বিধানসভা নির্বাচনের আগে একের পর এক দল তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করছে। সেই তালিকায় এবার নাম যোগ করল হুমায়ুন কবীরের দল আম জনতা উন্নয়ন। প্রথম দফায় মোট একশো বিরাশি টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই মুর্শিদাবাদ এবং মালদহ জেলার প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।সবচেয়ে বেশি চর্চা হচ্ছে হুমায়ুন কবীরের নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে। তিনি এবার ভরতপুর কেন্দ্র থেকে লড়বেন না। পরিবর্তে তিনি দুটি আসন থেকে ভোটে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একটি রেজিনগর এবং অন্যটি নওদা। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠছে। অনেকেই জানতে চাইছেন, তিনি কাকে হারাতে চাইছেন, না কি নিজের জয়ের সম্ভাবনা বাড়াতেই এই কৌশল নিচ্ছেন।সাংবাদিক বৈঠকে হুমায়ুন কবীর জানান, তাঁদের দল একশো বিরাশি টি আসনে প্রার্থী দিচ্ছে। বাকি প্রার্থীদের তালিকা শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে। কিছু আসনে অন্য দলের সঙ্গে সমঝোতার কথাও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।এদিকে প্রার্থী তালিকায় একাধিক নতুন নামও রয়েছে। বিভিন্ন জেলার একাধিক আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। কান্দি, বেলডাঙা, রতুয়া, মালতীপুর, বৈষ্ণবনগর, মানিকচক, সুজাপুর, ফরাক্কা, হরিহরপাড়া-সহ একাধিক কেন্দ্রে প্রার্থী দিয়েছে এই দল। ভরতপুরেও নতুন প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে নতুন এই দল কতটা প্রভাব ফেলতে পারবে, তা নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে হুমায়ুন কবীরের দুটি আসনে লড়াইয়ের সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বেড়েছে।

মার্চ ১৮, ২০২৬
রাজ্য

দুর্নীতির অভিযোগে জড়িত কারা পেল টিকিট, কারা বাদ, তালিকায় চমক

রেশন দুর্নীতি হোক বা নিয়োগ দুর্নীতি, একাধিক মামলায় নাম জড়িয়েছিল রাজ্যের শাসক দলের অনেক নেতার। সেই সব অভিযোগে কেউ জেলে গিয়েছেন, কেউ এখনও আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন। প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর দেখা গেল, এইসব নেতাদের মধ্যে কেউ টিকিট পেয়েছেন, আবার কেউ বাদ পড়েছেন। ফলে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। দীর্ঘদিন জেলে থাকার পর বর্তমানে তিনি জামিনে মুক্ত। শুরুতে মনে করা হচ্ছিল, তিনি বেহালা পশ্চিম কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হতে পারেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেখানে প্রার্থী করা হয়েছে রত্না চট্টোপাধ্যায়কে।একই মামলায় অভিযুক্ত মানিক ভট্টাচার্য, যিনি পলাশিপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক, তাকেও এবার টিকিট দেওয়া হয়নি। তার জায়গায় প্রার্থী হয়েছেন রুকবানুর রহমান। মুর্শিদাবাদের বড়ঞা কেন্দ্রে নতুন মুখ হিসেবে সামনে এসেছেন প্রতিমা রজক। তিনি আগে কংগ্রেসের বিধায়ক ছিলেন এবং কিছুদিন আগে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। ওই কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা বর্তমানে নিয়োগ মামলায় জেলে রয়েছেন।অন্যদিকে দেগঙ্গা কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে আনিসুর রহমানকে। রেশন দুর্নীতি মামলায় তার নাম জড়িয়েছিল এবং তিনি জেলও খেটেছেন। তবুও তাকে প্রার্থী করেছে দল। একইভাবে হাবড়া কেন্দ্র থেকে আবার প্রার্থী হয়েছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তিনিও একই মামলায় দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন এবং বর্তমানে জামিনে মুক্ত।সব মিলিয়ে দেখা যাচ্ছে, দুর্নীতির অভিযোগে নাম জড়ালেও অনেক ক্ষেত্রে দল প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আবার কিছু ক্ষেত্রে নতুন মুখকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত কতটা প্রভাব ফেলবে ভোটে, তা নিয়েই এখন জোর চর্চা চলছে।

মার্চ ১৭, ২০২৬
রাজ্য

দ্বিতীয় বিয়ের বিতর্কেই কি কাটা পড়ল টিকিট, হিরণকে সরিয়ে চমক বিজেপির

খড়গপুরে বিজেপির প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পরই নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। একসময় এই কেন্দ্রের বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে নানা বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। কয়েক মাস আগে তার দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে অভিযোগ ওঠে। তার প্রথম পক্ষের স্ত্রী এবং মেয়ে থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের করেন। অভিযোগ ছিল, ডিভোর্স না দিয়েই তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। সেই ঘটনার পর থেকেই তার প্রার্থী হওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই সোমবার বিজেপির প্রার্থী তালিকা প্রকাশিত হয়। সেই তালিকায় হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের নাম না থাকায় জল্পনা আরও বেড়ে যায়। তার বদলে খড়গপুর সদর কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে দিলীপ ঘোষকে। ফলে অনেকেই মনে করছেন, এই বিতর্কের প্রভাবই পড়েছে তার রাজনৈতিক ভবিষ্যতের উপর।এই বিষয়ে দিলীপ ঘোষকে প্রশ্ন করা হলে তিনি স্পষ্টভাবে জানান, কে কাকে বিয়ে করছেন, তা নিয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চান না। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকেই জিজ্ঞেস করতে বলেন তিনি।মঙ্গলবার সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ আরও জানান, আগের নির্বাচনে হিরণ অন্য একটি কেন্দ্র থেকে লড়েছিলেন। তাই দল চাইলে তাকে অন্যত্র প্রার্থী করতেই পারে। তিনি বলেন, দলের সিদ্ধান্তের উপর ভরসা রাখা উচিত এবং দলের নেতৃত্বই ঠিক করবে কে কোথা থেকে লড়বেন।তিনি আরও বলেন, রাজনীতিতে ওঠানামা থাকেই। অনেক সময় অভিজ্ঞ নেতারাও কিছুদিন সুযোগ পান না, আবার পরে তাদের গুরুত্ব দেওয়া হয়। তাই দল এবং তার আদর্শের উপর আস্থা রাখা প্রয়োজন।উল্লেখযোগ্যভাবে, দুই হাজার ষোল সালে খড়গপুর সদর কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী ছিলেন দিলীপ ঘোষ। পরে তাকে সরিয়ে ওই কেন্দ্রে হিরণকে প্রার্থী করা হয়েছিল এবং তিনি জয়ী হন। তবে এবার আবার সেই পুরনো কেন্দ্রে ফিরেছেন দিলীপ ঘোষ।তিনি জানান, খড়গপুরে গত কয়েকটি নির্বাচনে বিজেপি ভালো ফল করেছে এবং এইবারও তারা আরও বেশি ভোটে জয়ের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে। তার দাবি, কর্মীরা ইতিমধ্যেই লক্ষ্য স্থির করেছেন, এই কেন্দ্রে এক লক্ষ ভোট পাওয়ার চেষ্টা করা হবে। খুব শীঘ্রই তিনি পুরোদমে প্রচার শুরু করবেন বলেও জানিয়েছেন।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে খড়গপুরে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। হিরণের ভবিষ্যৎ কী হবে এবং দিলীপ ঘোষের প্রার্থিতা কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়েই এখন জোর আলোচনা চলছে।

মার্চ ১৭, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রামে আবার বড় লড়াই, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কি নতুন চমক দেবে তৃণমূল

বাংলার রাজনীতিতে নন্দীগ্রাম বরাবরই একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। কলকাতা থেকে প্রায় একশো তিরিশ কিলোমিটার দূরের এই কেন্দ্র আবারও নির্বাচনের আগে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। দুই হাজার একুশ সালের নির্বাচনের মতো এবারও নন্দীগ্রাম ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। বিদায়ী বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন, তিনি এই কেন্দ্র ছাড়বেন না। সোমবার বিজেপির প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায়, দল তার সেই সিদ্ধান্তকেই সমর্থন করেছে। তিনি একসঙ্গে দুটি কেন্দ্র থেকে লড়ছেন।তবে এবার বড় প্রশ্ন, নন্দীগ্রামে তার প্রতিপক্ষ কে হবেন। আগের নির্বাচনে তার বিরুদ্ধে লড়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত পরাজিত হন তিনি। তাই এবার তৃণমূল প্রার্থী বাছাইয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলে নানা নাম ঘুরে বেড়ালেও এখনও কিছুই চূড়ান্ত হয়নি।সূত্রের খবর, তৃণমূল এবার স্থানীয় কোনও মুখের উপরেই ভরসা রাখতে পারে। এমনই এক নাম সামনে এসেছে, যাকে ঘিরে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। শোনা যাচ্ছে, নন্দীগ্রাম দুই নম্বর ব্লকের এক বিজেপি নেতা খুব শীঘ্রই তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন। তিনি আগে তৃণমূলেই ছিলেন এবং পরে বিজেপিতে যোগ দেন। এলাকায় তার যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে।এই নেতার নাম প্রার্থী তালিকায় থাকতে পারে বলেই জল্পনা। তিনি এলাকায় খুব বেশি প্রচারে থাকেন না, কিন্তু চুপচাপ কাজ করে গেছেন দীর্ঘদিন। অনেকেই তাকে এলাকায় অত্যন্ত প্রভাবশালী বলে মনে করেন। ফলে যদি তাকে প্রার্থী করা হয়, তাহলে নন্দীগ্রামে লড়াই আরও জমে উঠতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রটি দুইটি ব্লক নিয়ে গঠিত এবং তার মধ্যে একটি ব্লকে বিজেপির প্রভাব বেশি। সেই ব্লকেরই বাসিন্দা এই সম্ভাব্য প্রার্থী। তাই তাকে সামনে আনা হলে লড়াই আরও কঠিন হতে পারে।সব মিলিয়ে নন্দীগ্রাম এবারও রাজ্যের রাজনীতির অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। কে হবেন শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিপক্ষ, তা জানার জন্য এখন সকলের নজর রয়েছে প্রার্থী তালিকা ঘোষণার দিকে। মঙ্গলবার বিকেলের মধ্যেই পুরো বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কারা থাকছেন আর কারা বাদ, তৃণমূলের তালিকা ঘিরে চরম জল্পনা

মঙ্গলবার তৃণমূল কংগ্রেস তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে চলেছে বলে জোর জল্পনা চলছে। সূত্রের খবর, এদিনই রাজ্যের সমস্ত বিধানসভা আসনের জন্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে পারেন দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তালিকায় একাধিক চমক থাকতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। নতুন মুখ যেমন জায়গা পেতে পারেন, তেমনই বেশ কিছু পুরনো নাম বাদ পড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।দলীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, নতুন প্রার্থী হিসেবে কয়েকটি পরিচিত নাম উঠে আসতে পারে। পাশাপাশি তারকা প্রার্থী হিসেবেও কিছু নাম শোনা যাচ্ছে। সংগীত ও অভিনয় জগতের কয়েকজন পরিচিত মুখকেও প্রার্থী করা হতে পারে বলে আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে তরুণ প্রজন্মকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। কয়েকজন বর্তমান প্রার্থীর কেন্দ্র বদলও হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।অন্যদিকে, কিছু বিদায়ী বিধায়কের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারে বলে জল্পনা। বেহালা পশ্চিম কেন্দ্র থেকে বর্তমান বিধায়কের টিকিট পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ওই কেন্দ্রে অন্য কাউকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে খবর। একই সঙ্গে সোনারপুর কেন্দ্র নিয়েও জল্পনা চলছে। বর্তমান বিধায়ককে টিকিট দেওয়া হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।বারাসত কেন্দ্রেও পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। সেখানে নতুন মুখকে সুযোগ দেওয়া হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। সব মিলিয়ে এদিন বিকেলের মধ্যেই পুরো ছবিটা স্পষ্ট হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কারা পাচ্ছেন তৃণমূলের টিকিট? সামনে এল সম্ভাব্য প্রার্থীদের চমকপ্রদ তালিকা

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। যে কোনও মুহূর্তে নির্বাচন কমিশন ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করতে পারে। তার আগেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা নিয়ে জোর আলোচনা। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এবার বেশ কিছু নতুন ও তরুণ মুখকে টিকিট দেওয়া হতে পারে বলে জোর জল্পনা চলছে।দলের অন্দরে শোনা যাচ্ছে কয়েকটি নাম নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। নতুন মুখদের মধ্যে প্রথমেই উঠে আসছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যের নাম। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ছাত্র ও যুব সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত।তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রাক্তন সভাপতি জয়া দত্তের নামও আলোচনায় রয়েছে। বর্তমানে তিনি অশোকনগরের কাউন্সিলর। যদিও অতীতে ছাত্র সংগঠনের ভর্তিকে কেন্দ্র করে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় তাঁর নাম নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এবং সেই সময় তাঁকে সংগঠনের সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।প্রাক্তন সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামও সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় ঘুরছে। সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তিনি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। বিভিন্ন আন্দোলন এবং কর্মসূচিতে তাঁকে সক্রিয়ভাবে দেখা গেছে।আরেক রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলামের নামও আলোচনায় রয়েছে। তিনি সম্প্রতি সংসদে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের সমস্যা নিয়ে সরব হয়েছিলেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, তাঁকে বীরভূম জেলার কোনও একটি আসন থেকে প্রার্থী করা হতে পারে।দলের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে কয়েকজন মুখপাত্রের নামও ঘুরছে। সেই তালিকায় রয়েছেন কুণাল ঘোষ, অরূপ চক্রবর্তী এবং তন্ময় ঘোষ। আগের উপনির্বাচনের সময় কুণাল ঘোষকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে জল্পনা হয়েছিল। এবার বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে আবার আলোচনা শুরু হয়েছে।সম্প্রতি সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া প্রতীকূর রহমানের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় রয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। তাঁর পাশাপাশি নতুন মুখ হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন আন্তর্জাতিক ক্রীড়াবিদ স্বপ্না বর্মন। তিনি এশিয়ান গেমসে সোনা জিতে ইতিহাস গড়েছিলেন এবং কিছুদিন আগেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।দলের তরুণ নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্যের নামও ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে। আগের বিধানসভা নির্বাচনে প্রচারে তাঁকে সক্রিয়ভাবে দেখা গিয়েছিল। পরে লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করা হয়েছিল তমলুক থেকে। যদিও সেই নির্বাচনে তিনি জয় পাননি।এ ছাড়াও আরও কিছু নতুন নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। শোনা যাচ্ছে এন্টালির বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহার ছেলে সন্দীপন সাহা প্রার্থী হতে পারেন। তিনি বর্তমানে কলকাতা পুরসভার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন এবং জোকা ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন ছাত্র।রাজনৈতিক মহলে আরও আলোচনা চলছে সাংবাদিক দেবদীপ পুরোহিতের নাম নিয়েও। তাঁকে খড়দা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে জল্পনা। বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা শুভাশিস চক্রবর্তীর নামও শোনা যাচ্ছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার একটি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে।এছাড়াও তারকাখচিত তালিকায় গায়িকা ইমন চক্রবর্তীর নামও উঠে আসছে। উত্তরপাড়া কেন্দ্র থেকে তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে আলোচনা চলছে। যদিও অতীতেও এমন জল্পনা হয়েছিল, কিন্তু তিনি সেই সময় প্রার্থী হননি।অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় ঘুরছে। বিনোদন জগতের পরিচিত এই মুখকে প্রার্থী করলে ভোটের প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।এই সব নাম নিয়ে জোর আলোচনা চললেও তৃণমূলের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা এখনও প্রকাশ হয়নি। ভোট ঘোষণার পরেই দল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোট ঘোষণার আগেই বড় চমক! দেড়শো আসনে প্রার্থী প্রায় ঠিক করে ফেলল বিজেপি

রাজ্যে এখনও বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়নি। তবে তার আগেই রাজনৈতিক দলগুলি জোর প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। সূত্রের খবর, প্রায় দেড়শো আসনে প্রার্থী বাছাই প্রায় শেষ করে ফেলেছে বিজেপি। ভোটের দিন ঘোষণা হওয়ার পর প্রথম দফাতেই এই প্রার্থীদের নাম প্রকাশ করতে পারে পদ্মফুল শিবির।দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমান বিধায়কদের মধ্যেই বেশির ভাগকে আবার প্রার্থী করা হতে পারে। প্রায় সাতাশি থেকে আটাশি শতাংশ বর্তমান বিধায়ক এবারও টিকিট পেতে পারেন। বাকি কয়েকজন বিধায়ক শারীরিক অসুস্থতা ও বয়সজনিত কারণে আর প্রার্থী হতে চান না বলে দলকে জানিয়েছেন। সেই সংখ্যা মোটামুটি দশ থেকে বারো শতাংশের মধ্যে বলে জানা যাচ্ছে।দলের অন্দরমহলের খবর, যেসব আসনে বিজেপির সম্ভাবনা বেশি, সেখানে বর্তমান বিধায়কদেরই অগ্রাধিকার দেওয়া হতে পারে। তবে নতুন মুখও দেখা যেতে পারে প্রার্থী তালিকায়। বিশেষ করে কয়েকটি আসনে নতুন প্রার্থী নিয়ে চমক দিতে পারে দল।অন্য দিকে কলকাতা এবং তার আশপাশের এলাকায় প্রার্থী বাছাই এখনও পুরোপুরি চূড়ান্ত হয়নি বলে জানা গিয়েছে। এই অঞ্চলগুলিতে শুধু দলীয় পরিচিতি নয়, এলাকায় যাঁদের সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা বেশি এবং যাঁদের জনমানসে ভালো ভাবমূর্তি রয়েছে, এমন ব্যক্তিদের প্রার্থী করার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে গত দুদিন ধরে দিল্লিতে বৈঠক করেছেন বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।এর মধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা নিয়ে। সূত্রের খবর, আগামী ষোলো মার্চ পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হতে পারে। সেই সম্ভাবনাই ক্রমশ জোরাল হচ্ছে।জানা যাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি তামিলনাড়ু, কেরল, অসম এবং পুদুচেরিতেও একই সঙ্গে নির্বাচনের দিন ঘোষণা করা হতে পারে। তবে বাংলায় ঠিক কত দফায় ভোট হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রাথমিক ভাবে এক থেকে তিন দফার মধ্যে ভোট হওয়ার সম্ভাবনার কথা শোনা যাচ্ছে। এর আগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারও সেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।অন্য দিকে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর ফলাফল ঘোষণাও খুব বেশি দেরি হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। সব কিছু ঠিক থাকলে এপ্রিল মাসেই ফল প্রকাশ হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

মার্চ ১৩, ২০২৬
কলকাতা

চমকে ভরা প্রার্থী তালিকা, ভোটের আগে কালীঘাট বৈঠকে বড় সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত

বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই শাসকদলের প্রার্থী তালিকা নিয়ে কৌতূহল বাড়ছে। রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা, এবারের তালিকায় যুব নেতাদের গুরুত্ব বাড়তে পারে। চতুর্থবার ক্ষমতায় ফেরার লক্ষ্য নিয়ে কৌশল নির্ধারণে ব্যস্ত শাসকদল। কালীঘাটে বৈঠকে বসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচনী কৌশল বিশেষজ্ঞ প্রতীক জৈন। বৈঠকে প্রার্থী তালিকা নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে দলীয় সূত্রের দাবি।বুধবার ও বৃহস্পতিবার একাধিক দফায় বৈঠক হয়েছে এবং সম্ভাব্য প্রার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগও করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। শাসকদলের প্রার্থী তালিকা প্রায় চূড়ান্ত বলেই ইঙ্গিত মিলেছে। এবারের তালিকায় একাধিক চমক থাকতে পারে বলে জল্পনা। রাজনৈতিক মহলে আলোচনা, জনপ্রিয় এক গায়িকা এবং সদ্য দলে যোগ দেওয়া এক অভিনেত্রীকেও প্রার্থী করা হতে পারে।দলের অন্দরে নবীন নেতৃত্বকে সামনে আনার পক্ষে দীর্ঘদিন ধরেই সওয়াল করে আসছেন অভিষেক। সেই ভাবনার প্রতিফলন এবারের নির্বাচনে দেখা যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্রের দাবি, প্রায় চল্লিশটি আসনে নতুন প্রজন্মের মুখ দেখা যেতে পারে। একই সঙ্গে কয়েকজন প্রবীণ নেতাকে প্রার্থী না করে সংগঠনের কাজে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলেও খবর। যদিও এতে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের আশঙ্কা রয়েছে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, তবে দলীয় সূত্রের বক্তব্য নবীন ও প্রবীণের সমন্বয়েই নির্বাচনী লড়াইয়ে নামবে দল।এদিকে একাধিক মন্ত্রীর আসন পরিবর্তন নিয়েও জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। দলীয় সূত্রের মতে, কয়েকজন প্রভাবশালী মন্ত্রীকে নতুন কেন্দ্রে প্রার্থী করা হতে পারে। ফলে রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে এবং প্রার্থী তালিকা প্রকাশের আগেই উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

মণিপুরে ফের আগুন! ৬০০ জনের হামলায় জ্বলল একের পর এক বাড়ি, রণক্ষেত্রে পরিণত ইম্ফল

মণিপুরে আবারও ছড়াল উত্তেজনা। পশ্চিম ইম্ফল জেলার কান্তো সাবাল এলাকায় কয়েকশো মানুষের হামলায় মুহূর্তের মধ্যে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা এলাকা। পুলিশ জানিয়েছে, প্রায় ৬০০ জনের একটি ক্ষুব্ধ জনতা মেতেই অধ্যুষিত গ্রামের দিকে এগিয়ে আসে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নিরাপত্তাবাহিনী বাধা দিলে শুরু হয় সংঘর্ষ। উত্তেজিত জনতা একের পর এক বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। এখনও পর্যন্ত অন্তত ছয়টি বাড়ি পুড়ে যাওয়ার খবর মিলেছে। তবে এই ঘটনায় কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। ইতিমধ্যেই পুলিশ মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সকাল প্রায় এগারোটা নাগাদ বড় একটি দল কান্তো সাবালের দিকে এগোতে শুরু করে। এলাকায় বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কায় নিরাপত্তাবাহিনী তাদের আটকানোর চেষ্টা করে। এরপরই দুই পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি এবং সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাসের শেল এবং ধোঁয়ার বোমা ব্যবহার করতে হয়। এই ঘটনায় কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, আগে থেকেই হামলার আশঙ্কার খবর ছিল। তাই অনেকেই সতর্ক ছিলেন। দুপুরের দিকে প্রথমে দূরে ধোঁয়া দেখতে পান তাঁরা। শুরুতে মনে হয়েছিল টায়ার পোড়ানো হচ্ছে। পরে জানা যায়, বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। উল্লেখযোগ্য বিষয়, সপ্তাহখানেক আগেও একই এলাকায় প্রায় একই ধরনের অশান্তির ঘটনা ঘটেছিল।দীর্ঘদিন ধরেই কুকি এবং মেতেই সম্প্রদায়ের সংঘর্ষে উত্তপ্ত মণিপুর। ২০২৩ সাল থেকে একের পর এক হিংসার ঘটনায় বহু মানুষের প্রাণ গিয়েছে। নিরাপত্তাবাহিনীর উপরও একাধিকবার হামলার অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি বিদ্রোহীদের হামলায় অসম রাইফেলসের দুই জওয়ানের মৃত্যু হয়। সেই ঘটনার পর থেকেই বিভিন্ন এলাকায় জোরদার তল্লাশি চলছে। নতুন করে কান্তো সাবালের এই হামলার ঘটনায় ফের উদ্বেগ বাড়ল রাজ্যজুড়ে।

জুলাই ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ খেলেই মৃত্যু! মাত্র ২৫ বছরেই না ফেরার দেশে দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা ফুটবলার, রহস্যে ঘেরা শেষ মুহূর্ত

বিশ্বকাপে দেশের হয়ে খেলেছিলেন মাত্র ১৬ দিন আগে। মাঠে তাঁর দাপুটে পারফরম্যান্সে মুগ্ধ হয়েছিলেন ফুটবলপ্রেমীরা। সেই স্মৃতি এখনও টাটকা। এর মধ্যেই এল হৃদয়বিদারক খবর। মাত্র ২৫ বছর বয়সে মারা গেলেন দক্ষিণ আফ্রিকার তরুণ ফুটবলার জেডেন অ্যাডামস। তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনও জানা যায়নি। এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে দক্ষিণ আফ্রিকার ফুটবল মহলে।জেডেন অ্যাডামস দক্ষিণ আফ্রিকার অন্যতম সফল ক্লাবের হয়ে খেলতেন। সম্প্রতি বিশ্বকাপে তিনি মেক্সিকো, চেক প্রজাতন্ত্র এবং দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিলেন। চেক প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে বদলি হিসেবে খেলেন। তবে নকআউট পর্বে কানাডার বিরুদ্ধে ম্যাচে তিনি মাঠে নামেননি।দক্ষিণ আফ্রিকা ফুটবল প্লেয়ার্স ইউনিয়ন গভীর শোক প্রকাশ করে জানিয়েছে, দেশের ফুটবল এক উজ্জ্বল প্রতিভাকে হারাল। তাঁর মৃত্যু শুধু পরিবার বা ক্লাবের নয়, গোটা দেশের ফুটবলের জন্য বড় ক্ষতি।কেপ টাউনে জন্ম জেডেন অ্যাডামসের। স্টেলেনবস ক্লাবের যুব অ্যাকাডেমি থেকেই তাঁর ফুটবল জীবন শুরু। পরে তিনিই সেই অ্যাকাডেমির প্রথম ফুটবলার হিসেবে পেশাদার চুক্তি পান। স্টেলেনবসের হয়ে ১৩৯টি ম্যাচ খেলার পর তিনি মামেলোদি সানডাউনসে যোগ দেন। ধারাবাহিক ভালো পারফরম্যান্সের জন্যই তিনি বিশ্বকাপের দলে জায়গা করে নিয়েছিলেন।দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রীড়ামন্ত্রীও শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, দেশের ফুটবল এক সম্ভাবনাময় তরুণ তারকাকে হারিয়েছে। তাঁর সাফল্যের পথচলা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।এদিকে, পুলিশ জানিয়েছে কেপ টাউনের একটি বাড়ি থেকে ২৫ বছর বয়সি এক যুবকের দেহ উদ্ধার হয়েছে। মৃত্যুর কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। কীভাবে এই মৃত্যু হল, তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছেন তদন্তকারীরা। তরুণ এই ফুটবলারের আকস্মিক মৃত্যু ঘিরে তৈরি হয়েছে একাধিক প্রশ্ন।

জুলাই ১১, ২০২৬
কলকাতা

বিস্ফোরক অভিযোগের পর বড় পাল্টা চাল! তাপস মণ্ডলকে পাঁচ কোটি টাকার আইনি নোটিস পাঠালেন সায়নী ঘোষ

নিয়োগ দুর্নীতি মামলাকে ঘিরে আবারও নতুন বিতর্ক সামনে এল। এবার নিজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ তুলে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার অন্যতম অভিযুক্ত তাপস মণ্ডলকে পাঁচ কোটি টাকার মানহানির আইনি নোটিস পাঠালেন যাদবপুরের সাংসদ সায়নী ঘোষ। তাঁর দাবি, কোনও প্রমাণ ছাড়াই তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর অভিযোগ প্রকাশ্যে করা হয়েছে, যার ফলে তাঁর ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাপস মণ্ডল দাবি করেছিলেন, নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত কুন্তল ঘোষের কাছ থেকে সায়নী ঘোষ বিভিন্ন সুবিধা পেয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, কুন্তল ঘোষ সায়নী ঘোষের জন্য ফ্ল্যাট ও গাড়ির ব্যবস্থা করেছিলেন এবং বিভিন্ন খরচও বহন করতেন। এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়।এই অভিযোগের জবাবেই আইনি পদক্ষেপ করেন সায়নী ঘোষ। পাঠানো নোটিসে তিনি উল্লেখ করেছেন, দুই হাজার কুড়ি সালে তিনি প্রায় আশি লক্ষ টাকা মূল্যের একটি ফ্ল্যাট কিনেছিলেন। সেই ফ্ল্যাট কেনার জন্য ব্যাঙ্ক থেকে ষাট লক্ষ টাকার ঋণ নেওয়া হয়েছিল বলেও নথিতে উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি দুই হাজার চব্বিশ সালে কেনা একটি গাড়ি এবং তার আগের কেনা আর একটি গাড়ির সমস্ত আর্থিক তথ্যও নোটিসে তুলে ধরা হয়েছে। কীভাবে আয় করেন এবং কোন অর্থে সম্পত্তি ও গাড়ি কেনা হয়েছে, তারও বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।নোটিসে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, তাপস মণ্ডলের মন্তব্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং তা সাংসদ হিসেবে সায়নী ঘোষের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে। তাই তাঁকে অবিলম্বে প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে এবং পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। অন্যথায় তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এই প্রসঙ্গে সায়নী ঘোষ বলেন, তাঁর ফ্ল্যাট ও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নিয়ে প্রকাশ্যে বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করা হয়েছে। অতীতে তদন্তকারী সংস্থা তাঁকে এই বিষয়ে ডেকেছিল এবং তিনি প্রায় পাঁচশো পাতার নথি জমা দিয়েছিলেন। এরপর আর কখনও তাঁকে ডাকা হয়নি। তিনি জানান, এতদিন বিষয়টি গুরুত্ব না দিলেও একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে মানুষের কাছে তাঁর জবাবদিহি রয়েছে। তাই কোনও প্রমাণ ছাড়া ব্যক্তিগত সম্মান নষ্ট করার চেষ্টা তিনি আর মেনে নেবেন না। তাঁর আশা, তাপস মণ্ডল আইনি নোটিসের জবাব দেবেন। তা না হলে আদালতেই পরবর্তী লড়াই হবে।

জুলাই ১১, ২০২৬
কলকাতা

‘টাটা আসবে, আদানিও আসবে’! বাংলার শিল্প নিয়ে বড় ঘোষণা, চর্চায় শমীকের মন্তব্য

ডানকুনিতে নতুন শিল্প প্রকল্পের উদ্বোধনের মাধ্যমে রাজ্যে ছয়শো কোটি টাকার বিনিয়োগের ঘোষণা করল লাক্স-কোজ়ি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবং শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়। এই অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকেই বাংলার শিল্প, বিনিয়োগ এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন শমীক ভট্টাচার্য।তিনি জানান, লাক্স পরিবারের কর্ণধার নিজে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে শিল্প সম্প্রসারণের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। তাঁর দাবি, এখন বহু শিল্পপতি নতুন করে পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। কারণ, বর্তমান পরিস্থিতিতে শিল্পের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে।শমীক ভট্টাচার্য বলেন, পশ্চিমবঙ্গে পাহাড়, নদী এবং বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে। এই সম্পদকে কাজে লাগিয়ে শিল্পের আরও বড় বিস্তার সম্ভব। সেই লক্ষ্যেই সরকার এগোচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে তিনি মুখ্যমন্ত্রী এবং শিল্পমন্ত্রীর উদ্দেশে সিঙ্গুরের বিষয়েও নজর দেওয়ার আবেদন জানান। তাঁর মতে, শিল্পোন্নয়নের ক্ষেত্রে সিঙ্গুরের গুরুত্ব এখনও অপরিসীম।বাংলার পরিচয় প্রসঙ্গেও গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, শুধুমাত্র বাংলা ভাষায় কথা বললেই বাঙালি হওয়া যায় না। যাঁরা প্রজন্মের পর প্রজন্ম পশ্চিমবঙ্গে থেকে ব্যবসা-বাণিজ্য করেছেন এবং রাজ্যের উন্নয়নে অবদান রেখেছেন, তাঁরাও বাংলারই মানুষ।তিনি আরও দাবি করেন, আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গে বড় বড় শিল্পগোষ্ঠীর বিনিয়োগ বাড়বে। দেশ-বিদেশের একাধিক সংস্থা নতুন প্রকল্প নিয়ে এগিয়ে আসবে বলেও আশাবাদ প্রকাশ করেন। তাঁর বক্তব্য, শিল্পের জন্য পশ্চিমবঙ্গের মতো অনুকূল পরিবেশ খুব কম রাজ্যেই রয়েছে।একই সঙ্গে তিনি বলেন, এখন আর শিল্প করতে কোনও ধরনের রাজনৈতিক চাপ বা অতিরিক্ত অর্থ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কারও জমি দখল করে দলীয় কার্যালয় তৈরি হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর দাবি, বর্তমান সরকার শিল্পবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং সেই লক্ষ্যেই ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে।

জুলাই ১১, ২০২৬
রাজ্য

বড় ঘোষণা ঋতব্রত শিবিরের! এক ঝটকায় প্রকাশ জেলা সভাপতিদের তালিকা, তৃণমূলে নতুন সমীকরণ

তৃণমূলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত এখনও প্রকাশিত হয়নি। তবে সেই অপেক্ষা না করেই সংগঠন গঠনের কাজ আরও এগিয়ে নিয়ে গেল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির। শনিবার তপসিয়ায় বৈঠক করে একাধিক জেলার নতুন সভাপতির নাম ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলের মুখপাত্রদের তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে।শনিবার দুপুরের পর তপসিয়ার বৈঠকে তৃণমূলের বহু পুরনো নেতাকে উপস্থিত থাকতে দেখা যায়। উপস্থিত ছিলেন শান্তনু সেন, অশোক রুদ্র, নারায়ণ গোস্বামী-সহ একাধিক নেতা। বৈঠকে যোগ দেন প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষও। ভোটের পর দীর্ঘদিন তাঁকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। বৈঠকে প্রবেশের আগে তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর তাঁর আস্থা রয়েছে এবং তিনি এখনও মমতাকেই হৃদয়ে রাখেন। তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চাননি।বৈঠকের পর কৃষ্ণনগর জেলার সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জেবের শেখকে। আলিপুরদুয়ারের সভাপতি করা হয়েছে বিনোদ মিঞ্জকে। জলপাইগুড়ির দায়িত্ব পেয়েছেন মহুয়া গোপ এবং দার্জিলিং জেলার সভাপতি হয়েছেন রঞ্জন সরকার।বহরমপুর জেলার সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ডেভিডকে। মালদার সভাপতি করা হয়েছে প্রসূনকে। যাদবপুর এবং ডায়মন্ড হারবার জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন শুভাশিস দাস।দলের প্রধান মুখপাত্র করা হয়েছে প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এছাড়া মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আখরুজ্জামান, ডেভিড, সুদীপ রাহা এবং কোহিনুর।নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগেই ঋতব্রত শিবিরের এই সাংগঠনিক ঘোষণা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা বাড়িয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি প্রকাশ্যে তুলে ধরারই চেষ্টা করেছে ঋতব্রত শিবির।

জুলাই ১১, ২০২৬
বিদেশ

ভিয়েতনামে ভয়াবহ নৌকাডুবি! ভারতীয় পর্যটকে ভর্তি নৌকা উল্টে বহু মৃত্যু, আতঙ্কে পরিবার

ভিয়েতনামের ফুকুয়ক দ্বীপের কাছে ভয়াবহ নৌদুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন একাধিক ভারতীয় পর্যটক। স্থানীয় প্রশাসনের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার সময় পর্যটকবাহী নৌকায় মোট বত্রিশ জন ভারতীয় পর্যটক এবং চারজন নাবিক ছিলেন। প্রবল ঢেউ ও উত্তাল সমুদ্রের মধ্যে নৌকাটি উল্টে যায়। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অন্তত পনেরো জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে জোরকদমে উদ্ধার অভিযান চলছে।দুর্ঘটনার পর ভিয়েতনামে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, ফুকুয়ক দ্বীপের কাছে ভারতীয় পর্যটক বহনকারী একটি নৌকা দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। ঘটনার সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে ভারতীয় দূতাবাস দ্রুত বিশেষ নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু করেছে।হো চি মিন শহরে ভারতীয় কনস্যুলেট এবং রাজধানী হ্যানয়েও আলাদা নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধারকারী দল এবং আশপাশে থাকা একাধিক নৌকা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, নৌকার বহু যাত্রী ভেতরে আটকে পড়ায় উদ্ধারকাজে সমস্যা তৈরি হয়। কয়েকজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও অনেককে আর বাঁচানো যায়নি।উল্লেখ্য, গত বছরও ভিয়েতনামের একটি জনপ্রিয় পর্যটন এলাকায় নৌকাডুবির ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনার পর নৌ-নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও ফের বড় দুর্ঘটনা ঘটায় নতুন করে উদ্বেগ বাড়ল।

জুলাই ১১, ২০২৬
রাজ্য

বারুইপুরে নিহত যুবকের বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী! বিস্ফোরক দাবি, ‘এটা গণপিটুনি নয়, পরিকল্পিত খুন’

বারুইপুরে গণপিটুনিতে নিহত যুবকের পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। নিহতের পরিবারের হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়ার পাশাপাশি তাঁর দাদার জন্য চাকরিরও ঘোষণা করেন তিনি। তবে পরিবারের সঙ্গে দেখা করার পর বারুইপুরের ঘটনাকে ঘিরে একটি বড় দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, এটি সাধারণ গণপিটুনির ঘটনা নয়, বরং নিহতের পরিচয় জেনেই পরিকল্পনা করে খুন করা হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী (CM Suvendu Adhikari) বলেন, এই ঘটনার পিছনে রাজনৈতিক উস্কানি থাকতে পারে। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচনে পরাজিত একটি গোষ্ঠীর প্ররোচনা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। পাশাপাশি উগ্র মৌলবাদী গোষ্ঠীর যোগ থাকার সম্ভাবনাও তিনি উড়িয়ে দেননি। যদিও তদন্তের মাধ্যমে সব তথ্য সামনে আসবে বলেই তিনি জানান।নিহতের পরিবারের জন্য একাধিক সহায়তার ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী (CM Suvendu Adhikari)। তিনি জানান, নিহতের বড় দাদাকে রাজ্য পুলিশের অধীনে সিভিক ভলান্টিয়রের চাকরি দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি প্রশাসনের উদ্যোগে দ্রুত মেরামত করা হয়েছে। নিহতের বৃদ্ধ বাবা-মায়ের জন্য বার্ধক্য ভাতা এবং খাদ্য সহায়তার ব্যবস্থাও চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি পরিবারের হাতে এককালীন পঁচিশ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন তিনি।ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী (CM Suvendu Adhikari) বলেন, যারা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িত, তাদের কাউকেই ছাড়া হবে না। দ্রুত বিচার করে কঠোরতম শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে তিনি প্রশাসনকে নির্দেশ দেন, তদন্তের নামে কোনও নিরীহ মানুষ যাতে হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে হবে। তাঁর বক্তব্য, গণতান্ত্রিকভাবে প্রতিবাদ করার অধিকার সবার রয়েছে, কিন্তু নিরপরাধ কাউকে অযথা জিজ্ঞাসাবাদ বা গ্রেফতার করা উচিত নয়।মুখ্যমন্ত্রী (CM Suvendu Adhikari) আরও জানান, ঘটনার ভিডিও ফুটেজে যাঁদের চিহ্নিত করা হয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর কথায়, পঁয়ত্রিশ বছরের এক যুবককে হাত-পা বেঁধে যেভাবে মারধর করে হত্যা করা হয়েছে, সেই ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকেই কোনওভাবেই রেয়াত করা হবে না।উল্লেখ্য, বারুইপুরের ঘটনায় দুটি পৃথক মামলা নিয়ে তদন্ত চলছে। একটি গণধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ এবং অন্যটি গণপিটুনির ঘটনা। গণধর্ষণ ও হত্যার মামলায় চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদিকে গণপিটুনি এবং সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের মামলায় এখনও পর্যন্ত সাতত্রিশ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তদন্ত এখনও চলছে।

জুলাই ১১, ২০২৬
কলকাতা

সিঙ্গুরের ক্ষত ভুলিয়ে বড় চমক! বাংলায় ছয়শো কোটি টাকার নতুন শিল্প, হাজারো চাকরির আশা

ডানকুনিতে নতুন শিল্প প্রকল্প ঘিরে আশার আলো দেখছেন হুগলি এবং সিঙ্গুর সংলগ্ন এলাকার মানুষ। দীর্ঘদিন বড় শিল্পের অপেক্ষায় থাকা এই অঞ্চলে এবার ছয়শো কোটি টাকার বিনিয়োগে নতুন কারখানা গড়ে উঠছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে নতুন প্রকল্পের শিলান্যাস হওয়ায় শিল্পায়ন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে লাক্স কোজ়ির কারখানার পরিসর আরও অনেকটাই বাড়ছে। পুরনো এবং নতুন ইউনিট মিলিয়ে প্রায় কুড়ি লক্ষ বর্গফুট এলাকা জুড়ে গড়ে উঠবে আধুনিক উৎপাদন কেন্দ্র। এর ফলে শুধু উৎপাদনই বাড়বে না, স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।ডানকুনি আগে থেকেই গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য পরিচিত। জাতীয় সড়ক, রেলপথ এবং বড় বড় গুদাম ও পরিবহণ কেন্দ্র থাকার কারণে এই এলাকা শিল্পের জন্য অত্যন্ত উপযুক্ত। নতুন কারখানা চালু হলে হুগলি জেলার শিল্প মানচিত্রে আরও গতি আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই এই প্রকল্পকে নতুন সম্ভাবনার দরজা হিসেবে দেখছেন। কারখানার বর্তমান কর্মী মানসী ঘোষের আশা, নতুন ইউনিট চালু হলে আরও বহু মানুষের কাজের সুযোগ তৈরি হবে এবং এলাকার অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।জনাই থেকে প্রতিদিন কাজে আসা পীযূষ কান্তি ঢালিও এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, রাজ্যে আরও নতুন শিল্প গড়ে উঠুক এবং বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য স্থায়ী কর্মসংস্থান তৈরি হোক। পাশাপাশি শ্রমিকদের জন্য ন্যূনতম একুশ হাজার টাকা বেতনেরও দাবি জানিয়েছেন তিনি।দীর্ঘদিন শিল্পহীনতার অভিযোগে সমালোচনার মুখে থাকা এই অঞ্চলে নতুন বিনিয়োগকে ঘিরে আশাবাদ তৈরি হয়েছে। শিল্পের সম্প্রসারণের পাশাপাশি ছোট ব্যবসা, পরিবহণ, গুদাম এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক ক্ষেত্রেও নতুন কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা তৈরি হবে বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা।

জুলাই ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal