• ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার ১৮ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Candidate

রাজ্য

করোনায় মৃত্যু কংগ্রেস প্রার্থী রেজাউল হকের

ভোটের মরশুমে রাজ্যে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। উর্ধ্বমুখী মৃত্যুও। এবার করোনা প্রাণ কাড়ল মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জের কংগ্রেস প্রার্থী রেজাউল হকের। ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই শোকের ছায়া এলাকায়। ২৬ এপ্রিল অর্থাৎ সপ্তম দফায় সামশেরগঞ্জ আসনে নির্বাচন হওয়ার কথা। কিন্তু কংগ্রেস প্রার্থীর মৃত্যুতে নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন সামশেরগঞ্জের দাপুটে কংগ্রেস নেতা রেজাউল হক ওরফে মন্টু বিশ্বাস। করোনার উপসর্গ থাকায় ঝুঁকি না নিয়ে পরীক্ষা করা হয়। রিপোর্ট আসে পজিটিভ। প্রবল শ্বাসকষ্ট থাকায় বুধবার তাঁকে জঙ্গিপুর থেকে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়। ভর্তি করা হল একটি বেসরকারি হাসপাতালে। বৃহস্পতিবার সেখানেই মৃত্যু হয় রেজাউল হকের। এই মৃত্যুতে প্রশ্নের মুখে সামশেরগঞ্জের নির্বাচন। আপাতত ওই আসনে ভোটগ্রহণ বাতিল করা হবে, নাকি পিছিয়ে দেওয়া হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনও তথ্য মেলেনি। উল্লেখ্য, বাম-কংগ্রেস-আইএসএফের জোট বাঁধার পর আসনরফা নিয়ে জট তৈরি হয়েছিল। বেশ কয়েকটি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল বাম, কংগ্রেস উভয়েই। তার মধ্যেই একটি আসন সামশেরগঞ্জ। সেখানে বামেরা প্রার্থী করেছিল মোদাসসর হোসেনকে। এদিনে কংগ্রেস প্রার্থী করে রেজাউল হককে। জোটের জটিলতা এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চলে কাটাকুটির খেলা। বাকি আসনের সমস্যা মিটে গেলেও মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ আসনে সংযুক্ত মোর্চা অর্থাৎ বাম-কংগ্রস-আইএসএফ জোট কার্যকর হয়নি। ফলে ওই আসনে আলাদাভাবে প্রার্থী দিয়েছিলে বাম ও কংগ্রেস।

এপ্রিল ১৫, ২০২১
কলকাতা

বরানগরে পার্নো মিত্রের মিছিলে হামলা

বরানগরে বিজেপি প্রার্থী পার্নো মিত্রের মিছিলে হামলার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বুধবার দুপুরে বরানগর পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের সতীন সেন নগর এলাকায় প্রচারে গিয়েছিলেন পার্নো-সহ বিজেপি নেতা-কর্মীরা। তাঁরা বাইক নিয়ে রোড শো করার সে সময়ই তৃণমূলের স্থানীয় কর্মী-সমর্থকেরা হামলা চালান বলে অভিযোগ।শনিবার পঞ্চম দফায় বরানগরে ভোট হবে। বুধবারই প্রচারের শেষ দিন। পার্নো হামলার ঘটনার পরে বলেন, পরিকল্পিতভাবে আমাদের প্রচারে হামলা করেছে তৃণমূল।আমাদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে আক্রমণ করা হয়েছে। মহিলাদের মারা হয়েছে। আমাদের কর্মীদের তৃণমূল হুমকি দিচ্ছে, ২ মের পরে দেখে নেওয়া হবে।ঘটনার প্রতিবাদে বিটি রোড অবরোধ করেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। বরানগর থানায় বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয় বিজেপি-র তরফে।বরানগরে পার্নোর প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক তাপস রায় অবশ্য হামলার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেন, ভোটে পরাজয় নিশ্চিত বুঝে গিয়ে বিজেপি নাটক করছে। বরং ১ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপি-র হামলায় আমাদের এক মহিলা নেত্রী আহত হয়েছেন।

এপ্রিল ১৪, ২০২১
রাজ্য

পাপিয়া অধিকারীকে মারধর, তৃণমূলের বিরুদ্ধে কমিশনে যাচ্ছে বিজেপি

তৃতীয় দফার ভোটে একের পর এক অশান্তির খবর সামনে এসেছে। তৃণমূল প্রার্থী সুজাতা মণ্ডল খাঁর পর এবার উলুবেড়িয়া দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী পাপিয়া অধিকারীর উপর হামলার অভিযোগ উঠল। উলুবেড়িয়া হাসপাতালে এক বিজেপি কর্মীকে দেখতে যান পাপিয়া। সেখানেই তাঁর উপর হামলা হয়, চড় মারা হয় বলেও অভিযোগ। এর জেরে হাসপাতাল চত্বর রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে।উলুবেড়িয়া দক্ষিণ বিধানসভা এলাকায় এক বিজেপি কর্মী আহত হন। তাঁকে উদ্ধার করে উলুবেড়িয়া হাসপাতালে ভরতি করা হয়। খবর পেয়ে সেখানে তাঁকে দেখতে যান উলুবেড়িয়া দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী পাপিয়া অধিকারী। তাঁর সঙ্গে বেশ কয়েকজন কর্মী সমর্থকও ছিলেন। হাসপাতালে পৌঁছলে সেখানে পাপিয়া অধিকারীকে ধাক্কা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বাধা দিতে যান বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। এরপরই দুপক্ষের মধ্যে বচসা থেকে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের আকার নেয়। শেষে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি কোনওরকমে নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে বার করে নিয়ে যাওয়া হয় পাপিয়া অধিকারীকে।পরে পাপিয়াও সংবাদমাধ্যমের কাছে জানান, তাঁকে হাসপাতাল চত্বরে মারধর করা হয়েছে। আর এই ঘটনার পিছনে সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস যে হারছে সেটা তারা বুঝতে পেরেছে। তাই এমন হামলা করছে। যদিও তৃণমূলের তরফে পাপিয়ার উপর হামলার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়।পাপিয়া অধিকারীর উপর হামলার খবর পেয়ে তাঁকে ফোন করেন বিজেপি নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয়। খোঁজ নেন কী ঘটেছিল। বিজেপির তরফে এই হামলার প্রতিবাদ করে কমিশনে অভিযোগ জানানো হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। হামলার ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে ইতিমধ্যে ২ জনকে পাকড়াও করা হয়েছে।

এপ্রিল ০৬, ২০২১
কলকাতা

‘মমতার পা ভেঙেছে, মন ভাঙতে পারেনি’, প্রচারে এসে বললেন জয়া

বচ্চন পরিবারের পুত্রবধূ নয়, তৃণমূলের হয়ে প্রচারে এসে নিজেকে বাংলার মেয়ে হিসেবে তুলে ধরলেন সমাজবাদী পার্টির সাংসদ জয়া বচ্চন। বললেন, আমি জয়া বচ্চন। আগে জয়া ভাদুড়ি ছিলাম। বাবার নাম তরুণ কুমার ভাদুড়ি। আমরা প্রবাসী বাঙালি।রবিবারই কলকাতায় এসেছেন জয়া বচ্চন। সোমবার শুরু করলেন তৃণমূলের হয়ে প্রচার। তার আগে তৃণমূল ভবনে একদিকে দোলা সেন ও অন্যদিকে পূর্ণেন্দু বসুকে বসিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করলেন তিনি। সেখানেই শুরুতে নিজেকে প্রবাসী বাঙালি হিসেবে উল্লেখ করেন জয়া। ভিন রাজ্য থেকে বিজেপি নেতাদের নির্বাচনী প্রচারে আসা নিয়ে শুরু থেকেই বহিরাগত অভিযোগে আক্রমণ চালাচ্ছে তৃণমূল। সেখানে জয়ার প্রচারে অংশ নেওয়া নিয়ে যাতে গেরুয়াশিবির পাল্টা প্রশ্ন তুলতে না পারে সেই রাস্তাই যেন শুরুতে বন্ধ করে দিলেন জয়া।স্পষ্ট বাংলা উচ্চারণে সাংবাদিক বৈঠক শুরু করেন জয়া। বলেন, অভিয়ন করতে আসিনি। যে কাজ দেওয়া হয়েছে, পালন করতে এসেছি। বলিউডের বাঙালি তারকা মিঠুন চক্রবর্তীকে ইতিমধ্যেই বাংলায় প্রচারে নামিয়েছে বিজেপি। তার জবাব দিতেই জয়াকে তৃণমূল আসরে নামিয়েছে বলে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ইতিমধ্যেই সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, মিঠুন চক্রবর্তীর একটা পা বাংলায় ছিল, কিন্তু জয়ার তা ছিল না। সাংবাদিক বৈঠকে বেশির ভাগ সময়ই বাংলায় কথা বলেন জয়া। শুধু তাই নয়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাংলার মাটি, বাংলার জল গানের দুটি লাইন পাঠও করেন জয়া।২০০৬ সালে জমি আন্দোলনের সময় থেকে সমাজবাদী পার্টির সঙ্গে এক সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল তৃণমূলের। সেই দলেরই রাজ্যসভার সাংসদ জয়া। সে কথা বৈঠকের শুরুতেই মনে করিয়ে দেন দোলা সেন। দোলার কথার সূত্র ধরেই জয়া বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বাংলার গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই একা লড়ছেন মমতাজি। ওঁর মাথা ফাটিয়ে, পা ভেঙেও থামাতে পারেনি বিরোধীরা। ভাঙতে পারেনি হৃদয়। উনি বাংলাকে শ্রেষ্ঠ রাজ্য হিসাবে গড়ে তুলতে চাইছেন। আমি জানি যে কাজটা উনি করতে চান, তা সম্পূর্ণ করবেন। শেষে মমতা বিরোধীদের জয়ার কটাক্ষ, মমতাকে যাঁরা বাজে কথা বলছেন, তাঁদের জন্য একটাই কথা, লজ্জা, লজ্জা!সোমবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠকের আগে জয়াকে স্বাগত জানান রাজ্যের মন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসু। ছিলেন দোলা সেন ছাড়াও সমাজবাদী পার্টির এই রাজ্যের কয়েকজন নেতা। জয়ার মাথায় ছিল সমাজবাদী পার্টির লাল টুপি। নিজের দলের কথা উল্লেখ করে জয়া বলেন, অখিলেশজি আমাকে বলেছিলেন, এ বারের বিধানসভা নির্বাচনে আমাদের সমাজবাদী পার্টি তৃণমূলকে সমর্থন করছে। আমাকে প্রচারে আসতে হবে। আমি খুব খুশি হয়েছি। অখিলেশ যাদব ও মমতাজিকে ধন্যবাদ জানাই। এর পাশাপাশি তিনি বলেন, আমার ধর্মকে আমি অপহরণ করতে দেব না। আমার গণতন্ত্রকে অপহরণ করতে দেব না। মমতা একজন মহিলা, যিনি সমস্ত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে একা লড়াই করছেন। মহিলাদের জন্য নিরাপদতম রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ। সেটা তৈরি করেছেন মমতা।

এপ্রিল ০৫, ২০২১
রাজ্য

প্রচারে বেরিয়ে আক্রান্ত ডায়মন্ডহারবারের বিজেপি প্রার্থী, ভর্তি হাসপাতালে

তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েই প্রার্থী হয়েছেন। এবার প্রচারে বেরিয়ে তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি প্রার্থী দীপক হালদার। শুক্রবার সকালে তিনি প্রচার করতে বেরিয়েছিলেন ডায়মন্ড হারবার ১ নং ব্লকের হরিদেবপুর এলাকায়। সেখানেই মহিলা-সহ স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে এবং তাঁর সঙ্গে থাকা দলবলকে তাড়া করে বলে অভিযোগ। এঁরা সকলে তৃণমূল সমর্থক বলে পরিচিত। আচমকা আক্রমণের মুখে পড়ে দীপক হালদার আহত হন। বুকে চোট নিয়ে তাঁকে ডায়মন্ডহারবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহত হয়ে হাসপাতালে ভরতি আরও ১৫ জন। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনা এলাকায়। ১১৭ নং জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভে নেমেছেন বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা। অভিযোগ, তৃণমূল কর্মীরাই বিজেপি প্রার্থীর উপর হামলা চালিয়েছে।ফেব্রুয়ারি মাসেই তৃণমূল ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিয়েছেন ডায়মন্ডহারবারের দুবারের বিধায়ক দীপক হালদার। একুশের নির্বাচনে তিনি ফের নিজের কেন্দ্র থেকে লড়বেন। তবে ঘাসফুলের বদলে পদ্মশিবিরের সৈনিক তিনি। আগামী ৬ তারিখ, তৃতীয় দফায় ভোট ডায়মন্ডহারবারে। তার আগে প্রচার চলছে জোরকদমে। শুক্রবার সেই প্রচারে বেরিয়েই আক্রান্ত হলেন দীপকবাবু। তাঁর সঙ্গে থাকা ৩৫ জনের উপরও হামলা চলে বলে অভিযোগ। এঁদের মধ্যে ১৫ জনের আঘাত গুরুতর। সকলেই ভর্তি হাসপাতালে। বিজেপি জেলা সভাপতি দেবাংশু পণ্ডার অভিযোগ, তৃণমূল এখানে হেরে যাবে, তা বুঝেই প্রার্থীর উপর হামলা চালিয়েছে।মনোবল ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। অভিযোগ উড়িয়ে তৃণমূল ব্লক সভাপতি গৌতম অধিকারীর পাল্টা দাবি, ওঁর বিরুদ্ধে ওই এলাকায় জনরোষ ছিলই। আজ তার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। এদিকে, প্রার্থীর উপর হামলার ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা। তাঁরা হাসপাতালের সামনে ১১৭ নং জাতীয় সড়কের উপর টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করেন, বিক্ষোভ দেখান। পরিস্থিতির জেরে হাসপাতালে রোগী, অ্যাম্বুল্যান্সের প্রবেশ বাধাপ্রাপ্ত হয়। খবর পেয়ে পারুলিয়া উপকূল থানা ও ডায়মন্ডহারবার থানার পুলিশ পৌঁছয় ঘটনাস্থলে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ব়্যাফ নামানো হয়। বিক্ষোভ হঠাতে গেলে বিজেপি কর্মীদের দ্বারা আক্রান্ত হন ডায়মন্ডহারবারের আইসি সুজন রায়। এরপরই বিক্ষোভকারীদের উপর লাঠিচার্জ করে তাঁদের হটিয়ে হাসপাতালের সামনের রাস্তা পরিষ্কার করে দেয় পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশের উপর হামলার অভিযোগে ২ জনকে আটক করা হয়েছে।

এপ্রিল ০২, ২০২১
রাজ্য

সাতসকালে নন্দীগ্রামে ভোট দিলেন শুভেন্দু

এতদিন ছিলেন বিধায়ক। প্রথমবার নন্দীগ্রামের ভোটার হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার সাতসকালেই নন্দীগ্রামের নন্দনায়েকবাড়ের ৭৬ নং বুথে গিয়ে ভোট দিয়ে এসেছেন তিনি। এদিন সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ নন্দনায়েকবাড়ের ওই ভোটকেন্দ্র পৌঁছন বিজেপি প্রার্থী। এক দলীয় কর্মীর বাইকে চেপে ভোট দিতে আসেন তিনি। তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরাও আসেন বাইকে চেপেই। পরনে ছিল সাদা পাজামা-পাঞ্জাবী। গলায় গেরুয়া উত্তরীয়। বিজেপি প্রার্থী পৌঁছাতেই ওই ভোটকেন্দ্রের আশেপাশে জড়ো হন প্রচুর মানুষ। আশেপাশের বাড়ির ছাদে এবং বুথের বাইরেও মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। জমায়েতের পাশাপাশি বিজেপি কর্মীদের জয় শ্রীরাম স্লোগানের বহরও ছিল লক্ষনীয়। নন্দনায়েকবাড়ের এই বুথে মোট ভোটার মাত্র ৬০০ জন। স্বভাবিকভাবেই ভোটারদের ভিড় তেমন চোখে পড়েনি। তবে, শুভেন্দু অধিকারী বুথে আসতেই তাঁকে ঘিরে যে উন্মাদনা সৃষ্টি হয়, সেটা বেশ লক্ষনীয়। ভোট দিয়ে বেরিয়ে বিজেপি প্রার্থী দাবি করেন, এবারে উন্নয়ন জিতবে এবং তোষণ পরাস্ত হবে। তাঁর কথায়, সকাল থেকেই শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হচ্ছে। আমার তরফ থেকে তেমন কোনও অভিযোগ নেই। দুটি বুথে আমার এজেন্টদের বাধা দেওয়া হয়েছিল। তবে, সমস্যা মিটে গিয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হোক। নিয়ম মেনেই হোক। বিজেপি প্রার্থীর দাবি, সব বুথেই তাঁর নির্বাচনী এজেন্ট রয়েছে। তবে, অন্তত ৮০টি বুথে তৃণমূল এজেন্ট দিতে পারেনি। যদিও তৃণমূলের তরফে সেই অভিযোগ নাকচ করে দেওয়া হয়েছে। তৃণমূল নেতা স্বদেশ দাস সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, শুভেন্দু মিথ্যে বলে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন।

এপ্রিল ০১, ২০২১
রাজ্য

ভোট প্রচারে গিয়ে আক্রান্ত অশোক দিন্দা

রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটপ্রচারের শেষলগ্নে আক্রান্ত হলেন বিজেপি প্রার্থী তথা প্রাক্তন ক্রিকেটার অশোক দিন্দা। মঙ্গলবার সভা সেরে ফেরার পথে তৃণমূল কর্মীদের হাতে তিনি আক্রান্ত হন বলে অভিযোগ করেছেন অশোক। যদিও ওই ঘটনাকে বিজেপি-র আদি এবং নব্য-র দ্বন্দ্বের ফলাফল বলে পাল্টা অভিযোগ করেছে তৃণমূল।অশোকের দাবি, মঙ্গলবার তিনি পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না এলাকায় ৪টি সভা করেন। কর্মসূচি সেরে বাড়ি ফেরার পথে ময়না বাজার এলাকায় তাঁর উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। তাঁর গাড়ির কাচ ভেঙে দেওয়া হয়। ইট দিয়ে তাঁর কাঁধেও আঘাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অশোক। আচমকা হামলায় প্রাথমিক ভাবে ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। পরে আরও লোকজন সঙ্গে করে এনে বিজেপি কর্মীরা পাল্টা চড়াও হলে হামলাকারীরা চম্পট দেয় বলে গেরুয়াশিবিরের দাবি। অশোকের দাবি, বিজেপি-কে আটকাতেই মঙ্গলবার পরিকল্পনা করে হামলা চালিয়েছে তৃণমূল।

মার্চ ৩০, ২০২১
রাজ্য

তমলুক থানার সামনে আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী, হাসপাতালে দেখতে গেলেন দিলীপ ঘোষ

সোমবার রাতে পুলিশের সামনে তমলুকের বিজেপি প্রার্থী ড. হরেকৃষ্ণ বেরাকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে। তমলুক জেলা হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন তিনি। এই ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার বেলায় তমলুকের হাসপাতাল মোড় অবরোধ করার হুমকি দিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। যদিও তৃণমূলের দাবি, সোমবার রাতে তাঁদের এক কর্মীকে মারধর করেছিল বিজেপি কর্মীরা। সেই ঘটনার অভিযোগ জানাতে তমলুক থানায় গিয়েছিল দলীয় কর্মীরা। সেই সময় বিজেপি প্রার্থী তাঁদের সামনে পড়ে যান। তখনই জনরোষের শিকার হয়েছেন তিনি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনমাফিক ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় তৃণমূল নেতা আতেআর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজই তাকে তমলুকের জেলা আদালতে তোলা হবে। এদিন সকালবেলা তাঁকে দেখতে হাসপাতালে যান বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দিলীপ জানান, গণতন্ত্রকে প্রহসনে পরিণত করেছে দিদির সরকার। আসুন গর্জে উঠি। ইভিএমে জবাব দিই। স্থানীয় সূত্রে খবর, সোমবার রাত দেড়টা নাগাদ বিজেপি প্রার্থী থানায় অভিযোগ দায়ের করতে গিয়েছিলেন। সেই সময় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁকে বেধড়ক মারধর করে। থানার সামনেই ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে জেলা হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। এদিন সকালে তাঁকে দেখতে হাসপাতালে আসেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রার্থীর উপর হামলার প্রতিবাদে পথ অবরোধের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, প্রথম দফার নির্বাচনের পর তৃণমূল বুঝে গিয়েছে তাঁরা হারছে। তাই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিজেপি কর্মীদের মারধর করা হচ্ছে। সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করে মানুষকে ভয় দেখাতে চাইছে তৃণমূল নেতৃত্ব।

মার্চ ৩০, ২০২১
রাজ্য

মনোনয়ন দিতে বাধা, কার্যালয়ে আত্মহত্যার হুমকি বিজেপি প্রার্থীর!

শ্লীলতাহানির মামলা চলায় গলসির বিজেপি প্রার্থীকে নির্বাচনী লড়াই থেকে সরে দাঁড়াতে বলেছিলেন দলের স্থানীয় নেতারা। কিন্তু তা মানতে নারাজ প্রার্থী। জোর করে ভোটের ময়দান থেকে সরানো হলে আত্মহত্যা করবেন বলে হুমকি দিলেন তিনি। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই চাপানউতোর তৈরি হয়েছে। অস্বস্তিতে পড়েছে দল।১৭ মার্চ বিজেপির তরফে পূর্ব বর্ধমানের গলসি বিধানসভা আসনের প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয় তপন বাগদির। স্বাভাবিকভাবেই এরপর পুরোদমে ভোটপ্রচারে নামেন তিনি। বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রত্যেকের সঙ্গে কথা বলেন। জানা গিয়েছে, এই পরিস্থিতিতে গতকাল অর্থাৎ ২৬ মার্চ তপন বাগদিকে ডেকে পাঠান পূর্ব বর্ধমানের বিজেপির জেলা সভাপতি ও বর্ধমান-দুর্গাপুরের বিজেপি সাংসদ সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়া। তাঁর নামে শ্লীলতাহানির মামলা থাকায় তপনকে প্রার্থীপদ থেকে সরে যাওয়ার কথা বলেন জেলা সভাপতি। কিন্তু তা মানতে নারাজ প্রার্থী। তাঁর কথায়, বহু প্রার্থীর বিরুদ্ধে নানারকম অভিযোগ রয়েছে। অনেকের বিরুদ্ধে মামলাও চলছে। তাঁরা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারছে। আমি কেন পারব না।এই ঘটনার জেরেই আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছেন তপন। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় নেতারা ঠিক মনে করেছেন বলেই আমার উপর দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি ইতিমধ্যেই এবিষয়ে রাজ্যের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছি। কেন্দ্রকে চিঠিও পাঠিয়েছি। ২৯ মার্চ মনোনয়ন জমা দেব। ওই দিন যদি কোনও বাধা দেওয়া হয় বা শেষ পর্যন্ত আমাকে সরে যেতে বাধ্য করা হয় তবে জেলা কার্যালয়ে আত্মহত্যা করব।

মার্চ ২৮, ২০২১
রাজ্য

শালবনিতে আক্রান্ত সিপিএম প্রার্থী সুশান্ত ঘোষ

শালবনিতে আক্রান্ত সিপিএম প্রার্থী সুশান্ত ঘোষ। অভিযোগ, ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয় তাঁর গাড়িতে। খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হন সংবাদমাধ্যমের কর্মীরাও। ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই একজনকে আটক করেছে পুলিশ। ভোটের সকাল থেকেই শালবনির বিভিন্ন ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে যান সুশান্ত ঘোষ। একাধিক বুথে ঢুকে সেখানকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। বারবার অভিযোগ করেছেন তাঁদের পোলিং এজেন্টকে বসতে দেওয়া হচ্ছে না। এই নিয়ে তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে বচসায় জড়ান শালবনির সিপিএম প্রার্থী। অভিযোগ, এরপরই পূর্বপাড়া এলাকায় আক্রান্ত হন সুশান্ত ঘোষ। তাঁর গাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। বৃষ্টির মতো তাঁর দিকে উড়ে আসে ইট। ছোঁড়া হয় জুতোও। ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বাভাবিকভাবেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী পরিস্থিতি আয়ত্তে আনার চেষ্টা করলেও এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে শালবনিতে।

মার্চ ২৭, ২০২১
রাজনীতি

প্রথম দফার ভোটে প্রার্থীদের তালিকায় আধিক্য কোটিপতি ও লাখপতিদের

হাতে মাত্র আর একটা দিন, তারপরই শুরু হয়ে যাবে একুশের হাইভোল্টেজ নির্বাচনী লড়াই। আগামী ২৭ মার্চ রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচন শুরু হচ্ছে। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর-সহ জঙ্গলমহলের মোট ৩০ টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। প্রথম দফায় ভাগ্য পরীক্ষায় নামছেন নানা দলের মোট ১৯১ জন প্রার্থী। এইসব প্রার্থীদের আর্থিক দশা কেমন, কোন দলের প্রার্থীরা কতটা ধনী, কারাই বা আর্থিকভাবে দুর্বল। ভোটপ্রার্থীদের সম্পত্তির খতিয়ান সর্বদাই মুখরোচক বিষয় আম জনতার জন্য। রাজনৈতিক দলের নেতারা হলফনামায় স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির হিসেব জানতে চান অনেকেই। এতে কোনও ভুল নেই। দেখা গিয়েছে, প্রথম দফার ভোটে নিজেদের ভার্গ নির্ধারণ করতে নামা এইসব প্রার্থীদের তালিকায় কোটিপতির ছড়াছড়ি। এ মধ্যে কিছু লাখপতিও রয়েছেন। আসুন দেখে নেওয়া যাক ঠিক কতজন প্রার্থী কোটিপতি ও লাখপতি। তালিকায় কোটিপতিদের ছড়াছড়িসম্পত্তির পরিমাণ ২ কোটি থেকে তার বেশি, প্রথম দফার প্রার্থী তালিকায় এমন সাত জন প্রার্থীর নাম রয়েছে। যা মোট প্রার্থীর ৪ শতাংশ। এর পরের ধাপে ৫০ রয়েছেন তাঁরা যাদের সম্পত্তির পরিমাণ ৫০ লক্ষ থেকে ২ কোটি। প্রথম দফায় এমন প্রার্থী রয়েছেন ৪০ জন। যা মোট প্রার্থীদের ২১ শতাংশ।লাখপতিদের আধিক্যই বেশিকোটিপতিদের থেকে নজর ঘোরালে দেখা যাবে, এই তালিকায় লাখপতিদের সংখ্যাই সর্বাধিক। স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে সম্পত্তির পরিমাণ ১০ লক্ষ থেকে ৫০ লক্ষ, প্রথম দফায় এমন প্রার্থী রয়েছেন ৬৯ জন। যা মোট প্রার্থীর ৩৬ শতাংশ।অন্যদিকে, আর্থিকভাবে তুলনায় কম ধনীর তালিকায় রয়েছে ৭৫ জন প্রার্থী। এদের সকলের স্থাবর এ অস্থাবর সম্পত্তির মিলিত পরিমাণ ১০ লক্ষ টাকার কম। মোট প্রার্থীদের মধ্যে এদের হার ৩৯ শতাংশ।

মার্চ ২৫, ২০২১
রাজনীতি

প্রচারে 'গো ব্যাক' স্লোগান, ক্ষুব্ধ বাবুল

প্রচারে বেরিয়ে ভবানীপুরে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন টালিগঞ্জের বিজেপি প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয়। দীর্ঘক্ষণ তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা তাঁর গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় বলে অভিযোগ। ঘটনার ভিডিও টুইট করে শাসকদলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বাবুল।বৃহস্পতিবার রাতে নিজের এলাকা অর্থাৎ টালিগঞ্জে প্রচারে গিয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয়। নিজের বিধানসভা এলাকার বহু মানুষের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। জানা গিয়েছে, প্রচারের মাঝে ভবানীপুর এলাকার একটি ধাবায় চা খাওয়ার জন্য গাড়ি দাঁড় করান বাবুল। অভিযোগ, সেই সময় তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা তাঁর গাড়ি ঘিরে ফেলেন। গো ব্যাক স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা।পাশাপাশি চলে তৃণমূলের স্লোগানও। একসময়ে বাধ্য হয়ে গাড়ি থেকে নেমে পড়েন বাবুল সুপ্রিয়। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। দীর্ঘক্ষণ পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে এলাকা ছাড়েন বিজেপি প্রার্থী।শুক্রবার সকালে এই ঘটনার ভিডিও টুইট করেন বাবুল। সেখানেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। প্রশ্ন তোলেন, রাজ্যে গণতন্ত্র কোথায়? পাশাপাশি লেখেন, ২ মে সবকিছু শেষ হবে। খেলা নয়, নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে এবার উন্নয়ন হবে।

মার্চ ১৯, ২০২১
রাজ্য

গেরুয়া শিবিরের সদ্য প্রকাশিত প্রার্থী তালিকা নিয়ে জেলায় জেলায় বিক্ষোভ

বৃহস্পতিবার বিকেলে বিজেপির আরেকদফা প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়। ১৪৮ আসনের প্রার্থীদের মধ্যে অনেককেই পছন্দ নয় দলের একাংশের। সন্ধে হতেই দিকে দিকে এর প্রতিবাদে নামেন কর্মী, সমর্থকরা। রানিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে ডাক্তার বিজন মুখোপাধ্যায়ের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। আর তারপরই বিক্ষোভ শুরু করে বিজেপির একদল কর্মী, সমর্থক। তাঁদের অভিযোগ, বিজন মুখোপাধ্যায় বিজেপির কোনও কর্মীই নন। রানিগঞ্জের মানুষ চেনেনই না এই প্রার্থীকে। পরিবর্তে কোনও ভূমিপুত্র বিজেপি কর্মী বা আরএসএস সদস্যকে প্রার্থীকে কেন করা হলো না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তারা।এদিন সন্ধেবেলা রানিগঞ্জে দলীয় কার্যালয়ে তালা লাগিয়ে বাইরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন তাঁরা। এরপর রানিগঞ্জের পাঞ্জাবীমোড় লাগোয়া ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক ও দুই নম্বর জাতীয় সড়কের সংযোগকারী রাস্তায় দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি কর্মীরা। যদিও প্রার্থী ডাক্তার বিজন মুখোপাধ্যায় বেশ কয়েকজন কর্মী-সমর্থককে সঙ্গে নিয়ে দাবি করেন, এটা নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি। কর্মীদের সঙ্গে বসে আলোচনা করে তাঁরা ঠিক করে নেবেন। আবার জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হিসেবে অরিন্দম ভট্টাচার্যের নাম ঘোষণা হতেই ক্ষোভে ফেটে পরে বিজেপি নেতা অরুণ ব্রহ্মর অনুগামীরা। অরিন্দম সদ্যই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। নিজের এলাকা থেকে টিকিটও পেয়েছেন। তা নিয়েই প্রতিবাদ শুরু করেন দলীয় কর্মীরা। বৃহস্পতিবার তাঁরা শ্যামনগর বাসুদেবপুর মোড়ে সন্ধ্যায় দলীয় পতাকা ফ্লেক্স, ব্যানার পুড়িয়ে পথ অবরোধ করে। এছাড়াও বাসুদেবপুর মোড়ে বিজেপির কার্যালয়ে নিজেরাই ভাঙচুর করে। বিক্ষোভকারীদের দাবি, জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী বদল করে অরুণ ব্রহ্মর নাম ঘোষণা করতে হবে। দমদমের বিজেপি প্রার্থী বিমলশংকর নন্দর বিরুদ্ধেও ক্ষোভ অব্যাহত। এদিন দমদম রোডে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা।

মার্চ ১৮, ২০২১
রাজনীতি

বিজেপির প্রার্থী তালিকায় ফের চমক

শেষবার ভোট দাঁড়িয়েছিলেন ২০০১ সালে। তারপর কেটে গিয়েছে দীর্ঘ ২০ টা বছর। অন্তরালে থেকেই কাজ করে গিয়েছেন। এই ২০২১এ ভোটযুদ্ধে দেখা যাবে তাঁকে। তিনি আর কেউ নন, বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায়। বৃহস্পতিবার বিধানসভা নির্বাচনে ১৪৮ টি কেন্দ্রের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল গেরুয়া শিবির। তাতে একদিকে যেমন রয়েছেন একাধিক বিধায়ক, তেমনই রয়েছেন রুপোলি পর্দার নায়ক-নায়িকাও। অর্থাৎ বিজেপির প্রার্থী তালিকায় ফের চমক। ভোটযুদ্ধে কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হচ্ছেন মুকুল রায়। তাঁর মূল প্রতিপক্ষ তৃণমূলের তারকা প্রার্থী অভিনেত্রী কৌশানি মুখোপাধ্যায়। প্রার্থী হয়েই জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী একদা তৃণমূলের দক্ষ সংগঠক মুকুল রায়। এছাড়া প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন জগন্নাথ সরকারের মতো সাংসদ, সব্যসাচী দত্ত, পবন সিং, অরিন্দম ভট্টাচার্যর মতো বিধায়ক, রয়েছেন দলের দীর্ঘদিনের সক্রিয় কর্মীরা। আজকের বিজেপির ঘোষিত তালিকায় কে, কোথা থেকে লড়ছেন, দেখে নিন একঝলকে কৃষ্ণনগর উত্তর মুকুল রায় কৃষ্ণনগর দক্ষিণ মহাদেব সরকারডাবগ্রাম শিখা চট্টোপাধ্যায়ধূপগুড়ি বিষ্ণুপদ রায়ময়নাগুড়ি কৌশিক রায়মাল- মহেশ বাগেশিলিগুড়ি- শংকর ঘোষশান্তিপুর জগন্নাথ সরকারকৃষ্ণগঞ্জ আশিস বিশ্বাসরানাঘাট দক্ষিণ মুকুটমনি অধিকারীরানাঘাট উত্তর-পশ্চিম অসীম বিশ্বাসপানিহাটি সন্ময় বন্দ্যোপাধ্য়ায়ভবানীপুর রুদ্রনীল ঘোষ চৌরঙ্গি শিখা মিত্রপাণ্ডবেশ্বর জিতেন্দ্র তিওয়ারি বরানগর- পার্নো মিত্র মধ্যমগ্রাম- রাজশ্রী রাজবংশীহাবড়া রাহুল সিনহা বিধাননগর সব্যসাচী দত্ত হেমতাবাদ চাঁদিমা রায়রাজারহাট-গোপালপুর শমীক ভট্টাচার্য রাজারহাট-নিউটাউন ভাস্কর মুখোপাধ্যায়জগদ্দল অরিন্দম ভট্টাচার্যনৈহাটি ফাল্গুনী পাত্রব্যারাকপুর চন্দ্রমণি শুক্লাখড়দহ শীলভদ্র দত্তনোয়াপাড়া সুনীল সিংভাটপাড়া পবন সিংবীজপুর শুভ্রাংশু রায়কামারহাটি রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়দমদম বিমলশংকর নন্দমানিকতলা কল্যাণ চৌবেআসানসোল দক্ষিণ অগ্নিমিত্রা পল বসিরহাট দক্ষিণ তারকনাথ ঘোষবর্ধমান দক্ষিণ সন্দীপ নন্দীকালনা বিশ্বজিৎ কুণ্ডুমন্তেশ্বর সৈকত পাঁজাদুর্গাপুর পূর্ব কর্নেল দীপ্তাংশু চৌধুরী

মার্চ ১৮, ২০২১
রাজনীতি

আরও চার আসনের প্রার্থীর নাম ঘোষণা বিজেপির

চার আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করল বিজেপি। চার জনের মধ্যে একজন আবার তারকা। বুধবার রাতে কেন্দ্রীয় নির্বাচনী কমিটির বৈঠকের পরই এই চার প্রার্থীর নাম ঘোষিত হয়। উলুবেড়িয়া দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন পাপিয়া অধিকারী। ফলতা থেকে বিজেপির হয়ে লড়াই করবেন বিধান পাড়ুই। বারুইপুর পূর্ব থেকে বিজেপি প্রার্থী হচ্ছেন চন্দন মণ্ডল এবং জগৎবল্লভপুরের প্রার্থী অনুপম ঘোষ। উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগেই রুপোলি পর্দার তারকা পাপিয়া অধিকারী বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। এর আগে যশ দাশগুপ্ত, পায়েল সরকার, তনুশ্রী, অঞ্জনা বসুদের মতো তারকাকে প্রার্থী করেছেল বিজেপি। এই নিয়ে চারবার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বিজেপি। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ১২৫ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে গেরুয়া শিবির। এর মধ্যেই প্রার্থী তালিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বিজেপির অন্দরে। সেই ক্ষোভ আছড়ে পড়েছিল রাজপথেও। কলকাতার হেস্টিংসে বিজেপির নির্বাচনী কার্যালয়ের বাইরে দুদিন ধরে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন দলের কর্মীরা। সেই ক্ষোভ সামাল দিতে নিউটাউনের হোটেলে রাতভর বৈঠক সেরেছেন কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নেতৃত্ব। তারপরই ফের বাকি আসনের প্রার্থীদের নাম চূড়ান্ত করতে বৈঠক হয় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার বাড়িতে। উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। এই বৈঠকের মাঝেই চার প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি। সূত্রের খবর, দিলীপ ঘোষ ও মুকুল রায়কে প্রার্থী করা নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে এক বিজেপি নেতার দাবি, প্রার্থী হচ্ছেন না দিলীপ। যদিও মুকুলকে প্রার্থী করতে মরিয়া বিজেপি নেতৃত্ব।

মার্চ ১৭, ২০২১
কলকাতা

প্রার্থী বদলের দাবি, ক্ষোভ আছড়ে পড়ল হেস্টিংসের অফিসে

একাধিক কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী বদলের দাবিতে রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভ চলছে। এবার সেই ক্ষোভের আঁচ এসে পড়ল খাস কলকাতার বিজেপি কার্যালয়ে। সোমবার বিজেপির হেস্টিংস অফিসের বাইরে তুমুল বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। পাঁচলা ও উদয়নারায়ণপুর কেন্দ্রের প্রার্থী বদলের দাবিতে এদিন সরব হন তাঁরা। এমনকী, হেস্টিংস অফিসে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় মুকুল রায়কেও। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় তাঁদের।রবিবার দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে বিজেপি। তাতে দেখা যায় পাঁচলায় প্রার্থী হয়েছেন মোহিত ঘাঁটি। আর উদয়নারায়ণপুরে প্রার্থী হয়েছেন সুমিত রঞ্জন কাঁড়ার। প্রার্থী নিয়ে অসন্তুষ্ট স্থানীয় বিজেপি কর্মীরা। মোহিত তৃণমূল থেকে বিজেপিতে এসেছেন। তাঁকে প্রার্থী করায় স্বাভাবিকভাবেই ক্ষোভ ছিল। এদিন তারই বহিঃপ্রকাশ ঘটল। বিজেপির পুরনো কর্মীদের অভিযোগ, মোহিত দেহ ব্যবসা চালান। মাত্র ১৫ দিন আগে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন তিনি। স্রেফ রাজীব ঘনিষ্ঠ বলে এবার টিকিট পেয়েছেন মোহিত। এই টিকিট পাওয়ায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বিজেপি কর্মীরা।রবিবার প্রার্থীতালিকা প্রকাশের পর থেকেই ক্ষোভ দানা বাঁধছিল। সোমবার বেলা গড়াতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন তাঁরা। হেস্টিংস কার্যালয়ের সামনে হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে ৫০০ নেতা-কর্মী জড়ো হন। স্লোগান তুলে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। সেইসময় মুকুল রায় অফিসে ঢুকতে গেলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিক্ষুব্ধ কর্মী-সমর্থকরা। গেট ভেঙে অফিসে ঢোকার চেষ্টা করেন তাঁরা। সেই সময় পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়ে যায়।

মার্চ ১৫, ২০২১
রাজনীতি

তৃতীয় ও চতুর্থ দফার ৬৩ আসনের বিজেপির প্রার্থী তালিকা ঘোষণা

বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দুদফার প্রার্থীতালিকা আগেই ঘোষণা করেছে বিজেপি। রবিবার তৃতীয় ও চতুর্থ দফার আরও ৬৩ আসনের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করল গেরুয়াশিবির। প্রথম দফার মতো এই দফাতেও রয়েছে একাধিক চমক।টানা আলোচনা। দফায় দফায় বৈঠক। দিল্লিতে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে কথা। কিন্তু এত কিছুর পরও তৃতীয় এবং চতুর্থ দফার সব আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতে পারল না বিজেপি। শুরুতে শোনা যাচ্ছিল, আজ তৃতীয় এবং চতুর্থ দফার তো বটেই, আরও কয়েকটি আসনের জন্য প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিতে পারে গেরুয়া শিবির। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা গেল, তৃতীয় এবং চতুর্থ দফার সম্পূর্ণ তালিকাই ঘোষণা করতে পারল না তারা। সব মিলিয়ে এদিন ঘোষণা করা হল মাত্র ৬৩ টি আসনের তালিকা। অর্থাৎ এখনও অবধি ১২২টি আসনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বিজেপি। তবে, তালিকা ছোট হলেও তাতে চমকের কোনও অভাব নেই। লক্ষণীয়ভাবে বিজেপি এবার বিধানসভার লড়াইয়ে বেশ কয়েকজন বর্তমান সাংসদকে আসরে নামাচ্ছে। টালিগঞ্জ কেন্দ্র থেকে বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হচ্ছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। প্রার্থী হচ্ছেন হুগলির সাংসদ তথা রাজ্য বিজেপির অন্যতম বড় নাম লকেট চট্টোপাধ্যায়। তিনি ভোটে দাঁড়াচ্ছেন নিজেরই লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত চুঁচুড়া কেন্দ্রে। প্রার্থী হচ্ছেন কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকও। তিনি দিনহাটায় তৃণমূল প্রার্থী উদয়ন গুহর বিরুদ্ধে লড়বেন। প্রার্থী হচ্ছেন রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্তও। তিনি লড়বেন তারকেশ্বর থেকে।শুধু হেভিওয়েটরা নন, বিজেপির প্রার্থী তালিকায় একাধিক প্রাক্তন তৃণমূল নেতাও জায়গা পেয়েছেন। যাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় নাম রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের। হাওড়ার ডোমজুড় থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন রাজ্যের প্রাক্তন বনমন্ত্রী। আরেক তৃণমূল ত্যাগী তথা প্রবীণ নেতা রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যকে সিঙ্গুর থেকেই প্রার্থী করেছে গেরুয়া শিবির। এই কেন্দ্রে টিকিট না পেয়েই তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যান সিঙ্গুরের মাস্টারমশাই। একইভাবে নিজেদের কেন্দ্রে টিকিট পেয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের বিধায়ক দীপক হালদার এবং হুগলির উত্তরপাড়ার বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল। গত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির টিকিটে লড়া রন্তিদেব সেনগুপ্ত, দেবজিত সরকাররাও টিকিট পেয়েছেন।এঁরা ছাড়াও একাধিক সিনেতারকাকে টিকিট দিয়েছে গেরুয়া শিবির। বেহালা পূর্ব থেকে প্রার্থী হচ্ছেন অভিনেত্রী পায়েল সরকার, যশ দাশগুপ্ত প্রার্থী হচ্ছেন চণ্ডীতলা থেকে। তনুশ্রী চক্রবর্তী টিকিট পেয়েছেন হাওড়ার শ্যামপুর থেকে।

মার্চ ১৪, ২০২১
রাজনীতি

পরের দু’দফা ভোটের জন্য বিজেপির তালিকা আজ

শনিবার পরের দুদফার ভোটের জন্য বাংলার প্রার্থীতালিকা চূড়ান্ত করে ফেলল বিজেপি। আজ, রবিবার সেই তালিকা প্রকাশ হবে। প্রথম দুই পর্বের তালিকা আগেই প্রকাশ করেছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দিল্লিতে দলের সদর দপ্তরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির বৈঠকে শনিবার তৃতীয় ও চতুর্থ দফায় বিজেপি কাদের টিকিট দেবে সেই নামের তালিকায় সিলমোহর বসেছে। এই দুই দফা মিলিয়ে ৭৫ জন প্রার্থী রয়েছেন। তবে পরবর্তী দফাগুলোর আরও কিছু আসনের নাম রবিবার ঘোষণা হয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে কয়েকজন তারকা প্রার্থীও থাকতে পারেন। মিঠুন চক্রবর্তী ভোটে লড়ছেন না। শনিবার রাতে নির্বাচন কমিটির বৈঠকের শেষে বিজেপির এক শীর্ষ নেতার সূত্রে জানা গিয়েছে, মিঠুন শুধু প্রচারেই অংশ নেবেন। তাঁর প্রার্থী হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই।এই দফায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, যাঁরা বর্তমান বিধায়ক, তাঁদের প্রার্থী হতে হলে নিজেদের পুরনো কেন্দ্রেই দাঁড়াতে হবে। কিন্তু ব্যতিক্রম কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ও মন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে। যেহেতু বেহালা পূর্বে তৃণমূল প্রার্থী হয়েছেন শোভনের স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায়, তাই চাইলে শোভন অন্য কোনও কেন্দ্রে প্রার্থী হতে পারেন। ডোমজুড় থেকে প্রার্থী হচ্ছেন রাজ্যের আর এক প্রাক্তন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথম দুদফার ক্ষেত্রে যতটা মসৃণভাবে বিজেপির প্রার্থীতালিকা চূড়ান্ত হয়েছিল, তা পরবর্তী দফাগুলোর ক্ষেত্রে হচ্ছে না। কারণ, প্রতিটি আসনেই বহু দাবিদার। সূত্রের খবর, এদিন প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির বৈঠকের পরেও গভীর রাতে আলাদা করে বৈঠকে বসেন অমিত শাহ, জেপি নাড্ডা, কৈলাস বিজয়বর্গীয় ও দিলীপ ঘোষ। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, বাবুল সুপ্রিয়-সহ বেশ কয়েকজন এমপি বিধানসভা ভোটে প্রার্থী হতে পারেন। এদিন রাতের বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী ছিলেন না বলে জানান মুকুল রায়। আজ, রবিবার নন্দীগ্রাম দিবস থাকায় শুভেন্দু শনিবার রাতেই কলকাতা ফিরে যান।

মার্চ ১৪, ২০২১
রাজ্য

পাহাড়ে গুরুংয়ের পাল্টা প্রার্থী দেবে তামাং

বিধানসভা নির্বাচনের আগে পাহাড় রাজনীতিতে নতুন মোড়। পাহাড়ের তিনটি আসনেই প্রার্থী দেবে বিনয়পন্থী গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। এদিকে বিমল গুরুংপন্থী মোর্চাও প্রার্থী দিতে চলেছে পাহাড়ের প্রতিটি আসনেই। ফলে মোর্চার ভোট ভাগাভাগির খেলায় অনেকটাই আশার আলো দেখতে শুরু করেছে জিএনএল এফ সমর্থিত বিজেপি। বিপাকে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আর এতেই বিধানসভা নির্বাচনের আগে উত্তাপে পারদ চড়ছে পাহাড়ে। ইতিমধ্যেই রাজ্যের ২৯৪ টি আসনের মধ্যে ২৯১ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে তৃণমূল কংগ্রেস। বাকি তিনটি পাহাড়ের আসন তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে দিয়েছে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার জন্য। দীর্ঘ অজ্ঞাতবাসের পর পাহাড়ে ফিরেছেন মোর্চা সুপ্রিমো বিমল গুরুং। গুরুংয়ের পাহাড়ে ফেরার আগে পাহাড়ের রাশ ছিল বিনয় তামাংয়ের হাতে। বিমল পাহাড়ে ফিরতেই পাহাড় দখলের খেলায় সন্মুখ সমরে নেমেছে বিনয় বিমল। আর এতেই বিপাকে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিনয় তামাং ও বিমল গুরুংকে একসাথে মিলেমিশে লড়াই করার বার্তা তৃণমূলের হাইকম্যান্ড দিলেও পাহাড়ের পরিস্থিতি বাদলায়নি। মোর্চার দুই শিবিরই পাহাড়ের তিনটি আসনেই প্রার্থী দিতে মরিয়া। মঙ্গলবার দার্জিলিংয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলন করে পাহাড়ের তিনটি আসনেই প্রার্থী দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন বিনয় তামাং। এদিন তিনি বলেন, বিমল গুরুংয়ের প্রতি বিশ্বাস আস্থা হারিয়েছে পাহাড়ের মানুষ। বিমলকে কেও আর বিশ্বাস করেনা। তিনি এখনও তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর ভরসা রেখেছেন। তিনি আশাবাদী, তৃণমূল নেত্রীও তাঁর ওপর ভরসা রাখবেন। এদিকে পাহাড়ে দুদিন আগেই তৃণমূল ছেড়েছেন প্রভাবশালী নেতা রাজেন মুখিয়া। তার ওপর পাহাড় নির্বাচনে মোর্চার দুই গোষ্ঠীই প্রার্থী দেওয়ার কথা ঘোষণা করায় বিপাকে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের হাইকম্যান্ড দুই পক্ষকে বসিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করলেও আখেড়ে কোনও লাভ হয়নি। আর এর ফলেই পাহাড়ের তিনটি আসনেই জেতার বিষয়ে আশার আলো দেখতে শুরু করেছে জিএনএলএফ সমর্থিত বিজেপি। এই পরিস্থিতিতে পাহাড়ে চড়তে শুরু করেছে রাজনৈতিক উত্তাপের পারদ।

মার্চ ০৯, ২০২১
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে লড়াই মমতা বনাম শুভেন্দু

নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারীই। শনিবার প্রার্থিতালিকা ঘোষণা করে এমনটা্ই জানিয়ে দিল বিজেপি। শুভেন্দু বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার পরেই আলোচনার কেন্দ্রে ছিল নন্দীগ্রাম। যে জমি আন্দোলন থেকে উত্থান মমতার, সেখানে একসময় তাঁর কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়েছিলেন শুভেন্দু। পরবর্তী সময়ে শুভেন্দু এবং অধিকারী পরিবারের গড় হয়ে ওঠে নন্দীগ্রাম। তাই সেখানে জমির দখল টিকিয়ে রাখা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল তৃণমূল এবং মমতার কাছে। তাই ফেব্রুয়ারি মাসে তেখালির মাঠে দাঁড়িয়ে নন্দীগ্রাম থেকে নিজে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে জানিয়ে দেন মমতা।মমতার এই ঘোষণায় স্বভাবতই হইচই পড়ে যায় বিজেপি-র অন্দরে। নন্দীগ্রামকে পাখির চোখ করলেও, তখনও সেখানে কাকে নামানো হবে, তখনও তা ভেবে উঠতে পারেননি গেরুয়া নেতৃত্ব। তবে মমতার ঘোষণার পর থেকেই শুভেন্দুকে সেখানে তৃণমূল দলনেত্রীর বিরুদ্ধে নামানোর দাবি জোরালো হয়ে উঠতে শুরু করে। তার নেপথ্যে শুভেন্দুর ভূমিকাও কম ছিল না। নিজে নন্দীগ্রামে প্রার্থী হতে চান কি না, স্পষ্ট না করলেও, মমতাকে নন্দীগ্রামে ৫০ হাজার ভোটে হারিয়ে ছাড়বেন বলে হুঁশিয়ারি দিতে শুরু করেন তিনি। এমনকি নন্দীগ্রাম থেকে ভোটে লড়লে, শুধু নন্দীগ্রাম থেকেই মমতাকে লড়তে হবে, মুখরক্ষার জন্য ভবানীপুরকে হাতে রাখা চলবে না বলেও সুর চড়াতে শুরু করেন তিনি। বিজেপির অন্য নেতারাও তাতে গলা মেলান।এখনও পর্যন্ত যে তালিকা পাওয়া গিয়েছে, তা থেকে জানা গিয়েছে বিনপুরে বিজেপির প্রার্থী হচ্ছেন পালন সোরেন। দাঁতনে প্রার্থী হচ্ছেন শক্তিপদ নায়েক। নয়াগ্রামে প্রার্থী হচ্ছেন বকুল মুর্মু। গোপীবল্লভপুরে বিজেপি প্রার্থী সঞ্জিত মাহাত। ঝাড়গ্রামে বিজেপি প্রার্থী সুখময় শতপতি। কেশিয়ারিতে বিজেপির প্রার্থী সোনালি মুর্মু। খড়গপুরে বিজেপির প্রার্থী তপন ভুঁইয়া। গড়বেতায় বিজেপির প্রার্থী মদন রুইদাস, শালবনিতে রাজীব কুণ্ডু। বিষ্ণপুরে বিজেপি প্রার্থী তন্ময় ঘোষ, ইন্দাস থেকে বিজেপি প্রার্থী নির্মল ধাড়া। হলদিয়ায় বিজেপির প্রার্থী তাপসী মণ্ডল। নন্দীগ্রামে বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। সবংয়ে বিজেপি প্রার্থী অমূল্য মাইতি। ডেবরায় বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষ। তমলুকে বিজেপির প্রার্থী হরেকৃষ্ণ বেরা। ময়নায় বিজেপির প্রার্থী অশোক ডিন্ডা। নন্দকুমারে বিজেপির প্রার্থী নীলাঞ্জন অধিকারী।

মার্চ ০৬, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

“হে বীর, ফলতায় এসো!” — অভিষেককে খোলা চ্যালেঞ্জ শমীকের, সংখ্যালঘুদের বার্তায় নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত

ফলতা বিধানসভা উপনির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই তেতে উঠছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজনৈতিক পারদ। আগামী ২১ মে ভোটকে সামনে রেখে রবিবার ফলতার মাটিতে দাঁড়িয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এমন এক রাজনৈতিক বার্তা দিলেন, যা সরাসরি নিশানায় রাখল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-কে।মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগেই ফলতায় বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পণ্ডার সমর্থনে প্রচারে এসে মুখ্যমন্ত্রী Suvendu Adhikari তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানকে তীব্র আক্রমণ করেছিলেন। সেই উত্তাপ আরও বাড়িয়ে রবিবার শমীক ভট্টাচার্য কার্যত প্রকাশ্য মঞ্চ থেকেই অভিষেককে ফলতায় এসে প্রচারের আমন্ত্রণ জানালেন।কটাক্ষের সুরে শমীক বলেন,পুলিশ নেই, তাই নেতা নেই। কনভয় নেই, তাই হুঙ্কারও নেই। আমরা চাই, অভিষেকবাবু ফলতায় আসুন। আমাদের কর্মীরাই ফুল দিয়ে, শঙ্খ বাজিয়ে তাঁকে স্বাগত জানাবে।এরপরই নাটকীয় ভঙ্গিতে তিনি বলেন,হে বীর, তোমার আসন পূর্ণ করো। তোমাকে আমরা ভীষণ মিস করছি। তুমি এসো।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই মন্তব্যে যেমন ব্যঙ্গ রয়েছে, তেমনই রয়েছে সরাসরি চ্যালেঞ্জও। কারণ, গত লোকসভা নির্বাচনে ফলতা কেন্দ্র থেকেই এক লক্ষেরও বেশি ভোটের লিড পেয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ফলের নেপথ্যের অন্যতম সংগঠক হিসেবেই পরিচিত তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। অথচ এবারের প্রচারে অভিষেকের অনুপস্থিতি নিয়েই প্রশ্ন তুলছে বিজেপি।শমীকের দাবি, রাজ্যে ক্ষমতা হারানোর ধাক্কায় তৃণমূলের অন্দরেই নাকি এখন ভাঙনের সুর। তাঁর ভাষায়,সোনার টুকরো ভাইদের সোনার সংসার ভেঙে গুঁড়িয়ে গিয়েছে। তাই আজ কেউ আর মাঠে নামছে না।তবে রাজনৈতিক আক্রমণের পাশাপাশি ফলতার মাটি থেকেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে তুলনামূলক নরম বার্তা দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন,আপনাদের সঙ্গে আমাদের কোনও বিরোধ নেই। এই দেশকে নিজের দেশ বলে ভাবুন। বিজেপি আপনাদের পাশে আছে।একই সঙ্গে তিনি সতর্কবার্তাও দেন, কিছু মানুষ বিভাজনের রাজনীতি করে নিজেদের পরিচয় তৈরি করতে চাইছে। তাদের পরিচয়ে নিজেদের পরিচিত করবেন না।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে বিজেপির এই বার্তা নিছক আবেগের আবেদন নয়, বরং ভবিষ্যতের বৃহত্তর নির্বাচনী কৌশলের অংশ।দক্ষিণ ২৪ পরগনায় অতীতে বিজেপি কর্মীদের উপর অত্যাচারের অভিযোগও ফের তুলেছেন শমীক। তাঁর বক্তব্য,অনেক বাধা এসেছে, তবু বিজেপি কর্মীরা লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন। আজ যারা বড় বড় কথা বলত, তারা ঘরের ভিতরে বসে শ্যাডো প্র্যাকটিস করছে।নাম না করেই অভিষেককে কটাক্ষ করে তাঁর মন্তব্য,যাঁরা একসময় ডিজে বাজানোর কথা বলতেন, তাঁরা এখন ঘরের ভিতরে হারমোনিয়াম বাজাচ্ছেন।ফলতার তৃণমূল নেতৃত্বকে প্রকাশ্যে সভা-মিছিল করারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। বলেন, বিজেপির পক্ষ থেকে কোনও বাধা আসবে না। তবে একই সঙ্গে স্পষ্ট ঘোষণা করেনতৃণমূলের রাজ্যে ফেরার সম্ভাবনা নেই। গঙ্গার জল রাইটার্সের দোতলায় উঠতে পারে, আকাশ নবান্নে নেমে আসতে পারে, কিন্তু তৃণমূল আর ক্ষমতায় ফিরবে না।দক্ষিণ ২৪ পরগনাকে পরিযায়ী শ্রমিকের জেলা থেকে মুক্ত করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন শমীক। বিজেপি সরকার অদূর ভবিষ্যতে কর্মসংস্থানের নতুন দরজা খুলবে বলেও দাবি করেন তিনি।ফলতার রাজনৈতিক লড়াই এখন কার্যত মর্যাদার লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। একদিকে তৃণমূলের পুরনো সংগঠনশক্তি, অন্যদিকে বিজেপির আগ্রাসী প্রচারএই টানাপোড়েনের মাঝে শমীকের হে বীর, এসো ডাক রাজনৈতিক তরজাকে আরও কয়েকগুণ উসকে দিল বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।

মে ১৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

২২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে? ডার্বির আগে ট্রফি জয়ের হুঙ্কার ইস্টবেঙ্গল কোচের

দেশের সর্বোচ্চ লিগ জয়ের জন্য ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের অপেক্ষা দীর্ঘ ২২ বছরের। শেষবার ২০০৩-০৪ মরশুমে দেশের সেরা হয়েছিল লাল-হলুদ। তারপর আইলিগ থেকে দেশের প্রধান লিগ হয়ে যায় আইএসএল। কিন্তু এত বছরেও লিগ ট্রফি ঢোকেনি ইস্টবেঙ্গল তাবুতে। কয়েকবার সুযোগ এসেও হাতছাড়া হয়েছে সাফল্য। সেই দীর্ঘ হতাশা ও যন্ত্রণা খুব ভালভাবেই অনুভব করছেন ইস্টবেঙ্গলের কোচ অস্কার ব্রুজো।ডার্বির আগে সাংবাদিক বৈঠকে আবেগঘন বার্তা দিলেন লাল-হলুদ কোচ। তিনি বলেন, একজন সমর্থকের কষ্ট তিনি বোঝেন। ক্লাবে তাঁর ভবিষ্যৎ কী হবে বা তিনি থাকবেন কি না, এই সব নিয়ে এখন ভাবছেন না। তাঁর একমাত্র লক্ষ্য ইস্টবেঙ্গলকে আবার ট্রফি জেতানো।অস্কার ব্রুজো বলেন, দেড় বছর আগে যে জায়গায় ছিল ইস্টবেঙ্গল, এখন সেই পরিস্থিতি অনেক বদলেছে। গত কয়েক বছরে দল কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে। তার প্রভাব পড়েছিল ফুটবলারদের মানসিকতার উপরেও। তবে এখন ধীরে ধীরে দল ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং জয়ের মানসিকতা তৈরি হয়েছে।এর পাশাপাশি ইস্টবেঙ্গলের প্রতি নিজের আবেগও লুকোননি ব্রুজো। তিনি স্পষ্ট বলেন, তিনি নিজেকে ইস্টবেঙ্গলের বড় সমর্থক বলেই মনে করেন। তাঁর কথায়, আমার ভেতরে লাল-হলুদ রংই রয়েছে। সমর্থকদের দুঃখ, হতাশা, যন্ত্রণা সবটাই বুঝি। গত কয়েক বছরে কী হয়েছে, তা আমি জানি। প্রায় দুদশক আমরা লিগ পাইনি। কিন্তু এখন আমরা খেতাব জয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছি।ডার্বির গুরুত্ব নিয়েও মুখ খুলেছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। তিনি বলেন, এই ম্যাচ দল এবং সমর্থকদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও এভাবেই সাফল্যের পথে এগিয়ে যেতে চায় ইস্টবেঙ্গল।বর্তমানে আইএসএল লিগ তালিকার শীর্ষে রয়েছে বেঙ্গালুরু। তেরো ম্যাচে তাদের পয়েন্ট তেইশ। যদিও ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগানের থেকে দুটি বেশি ম্যাচ খেলেছে তারা। এগারো ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের পয়েন্ট বাইশ। গোল পার্থক্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে লাল-হলুদ, তৃতীয় স্থানে সবুজ-মেরুন। ফলে এই ডার্বি ম্যাচ লিগ জয়ের লড়াইয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যে দল জিতবে, তারাই ট্রফির দিকে অনেকটা এগিয়ে যাবে।

মে ১৭, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে ফের হামলার প্রস্তুতি? ট্রাম্পের মন্তব্য ঘিরে বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা

ইরানকে নিয়ে আপাতত কিছুটা নরম অবস্থান নিয়েছে আমেরিকা। তবে সেই বিরতি যে সাময়িক, এমনই ইঙ্গিত মিলছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যে। চিন সফর সেরে ওয়াশিংটনে ফেরার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ান-এ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প জানান, এই মুহূর্তে আমেরিকা ইরানের উপর হামলা চালাতে চায় না। তবে প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।ট্রাম্পের দাবি, হোয়াইট হাউস যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে মূলত পাকিস্তানের অনুরোধে। তিনি বলেন, পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল এবং প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধের কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও ব্যক্তিগতভাবে তিনি এই যুদ্ধবিরতির পক্ষে ছিলেন না বলেও জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।এদিকে আমেরিকার প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, অপারেশন এপিক ফিউরি ২ নামে একটি বড় সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ সম্প্রতি কংগ্রেসের এক শুনানিতে জানিয়েছেন, পরিস্থিতি খারাপ হলে আরও বড় পদক্ষেপ নেওয়ার মতো সব পরিকল্পনাই তৈরি রয়েছে।তবে আপাতত কিছুটা সময় নিতে চাইছে ওয়াশিংটন। পুরোপুরি প্রস্তুতি নিয়েই পরবর্তী পদক্ষেপ করতে চায় তারা। যদিও আরব দুনিয়ার দুই শীর্ষ আধিকারিকের দাবি, আগামী সপ্তাহের শুরুতেই ইরানের উপর নতুন করে হামলা চালাতে পারে আমেরিকা। সেই সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখেই মার্কিন ও ইজরায়েলি বাহিনী যৌথভাবে প্রস্তুতি শুরু করেছে বলেও খবর।ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সরাসরি শান্তি আলোচনা না হলেও পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে বলে জানা গিয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক মহলের একাংশের দাবি, ট্রাম্প প্রকাশ্যে শান্তির কথা বললেও ভিতরে ভিতরে নতুন সামরিক অভিযানের ছক কষছে ওয়াশিংটন।সম্প্রতি তিন দিনের চিন সফরে গিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সফরে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকের পর ট্রাম্প জিনপিংকে অসাধারণ নেতা বলেও প্রশংসা করেন। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, ইরানের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র থাকা যে বিপজ্জনক, সেই বিষয়ে আমেরিকা ও চিন একই মত পোষণ করছে।

মে ১৭, ২০২৬
বিদেশ

হাজার বছরের হারানো ঐতিহাসিক সম্পদ ফিরল ভারতে! নেদারল্যান্ড সফরে বড় সাফল্য মোদীর

নেদারল্যান্ড সফরে বড় সাফল্য পেল ভারত। দীর্ঘদিন ধরে ডাচদের কাছে থাকা চোল যুগের প্রায় এক হাজার বছরের পুরনো তাম্রলিপি এবার ফিরছে ভারতের ঘরে। নেদারল্যান্ড সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাতেই সেই ঐতিহাসিক নিদর্শন তুলে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবেই দেখছে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহল।চোল যুগের এই তাম্রলিপিগুলি বহু বছর ধরে নেদারল্যান্ডসের লাইডেন বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত ছিল। ইউরোপে এগুলি লাইডেন প্লেটস নামেও পরিচিত। ভারতের তরফে ২০১২ সাল থেকেই এই ঐতিহাসিক সম্পদ ফেরত চাওয়া হচ্ছিল। অবশেষে সেই দাবি মেনে নেদারল্যান্ডস সরকার তাম্রলিপিগুলি ভারতের হাতে তুলে দিল।তাম্রলিপি ফিরে পাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সমাজমাধ্যমে আনন্দ প্রকাশ করেন। তিনি ওই ঐতিহাসিক নিদর্শনের ছবিও শেয়ার করেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, এই তাম্রলিপি ফিরিয়ে আনা প্রত্যেক ভারতীয়ের জন্য গর্বের মুহূর্ত। অনুষ্ঠানে নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী রব জেটেনও উপস্থিত ছিলেন।জানা গিয়েছে, চোল যুগের এই তাম্রলিপিতে রয়েছে একুশটি বড় এবং তিনটি ছোট ফলক। বেশিরভাগ লেখাই তামিল ভাষায় খোদাই করা। সেখানে চোল সাম্রাজ্যের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং গৌরবের নানা তথ্য উল্লেখ রয়েছে। ইতিহাসবিদদের মতে, এগুলি চোল সাম্রাজ্যের সবচেয়ে মূল্যবান ঐতিহাসিক নথিগুলির মধ্যে অন্যতম।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নেদারল্যান্ডস সরকার এবং লাইডেন বিশ্ববিদ্যালয়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে এই তাম্রলিপিগুলি যত্ন করে সংরক্ষণ করা হয়েছে।উল্লেখযোগ্যভাবে, নেদারল্যান্ডসে পৌঁছেই প্রধানমন্ত্রী প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে দেখা করেন। একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বিশ্ব অর্থনীতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, বর্তমান সময় বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত কঠিন এবং চ্যালেঞ্জপূর্ণ। সফরের সময় নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একাধিক বিষয়ে বৈঠকও করেন মোদী। দুই দেশের মধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে।

মে ১৭, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় ঢুকছে বর্ষার বড় ইঙ্গিত! উত্তরবঙ্গে লাল সতর্কতা, ভিজবে একাধিক জেলা

আন্দামানে বর্ষা প্রবেশ করার পর থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের আগেই আগামী ২৬ মে কেরলে প্রবেশ করতে পারে বর্ষা। এরই মধ্যে মধ্যপ্রদেশ থেকে উত্তর বাংলাদেশ পর্যন্ত একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরি হয়েছে। সেই অক্ষরেখা উত্তরবঙ্গের উপর দিয়েই বিস্তৃত রয়েছে। এর জেরেই উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস।রবিবার থেকেই উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির দাপট আরও বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে। আলিপুরদুয়ার জেলায় জারি করা হয়েছে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির লাল সতর্কতা। পাশাপাশি দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারেও বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের আটটি জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়াও বইতে পারে। সোমবারও জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তবে মঙ্গলবার থেকে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে।অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে এখনই ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। রবিবার থেকে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই তাপমাত্রা বাড়বে বলে পূর্বাভাস। তবে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রামের মতো পশ্চিমের জেলাগুলিতে স্থানীয়ভাবে বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হতে পারে। তার প্রভাবে কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ঘণ্টায় তিরিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে পারে।কলকাতাতেও গরম ও অস্বস্তি বজায় থাকবে। এদিন শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পঁয়ত্রিশ ডিগ্রির আশপাশে থাকতে পারে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে সাতাশ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। কোথাও কোথাও সামান্য হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও গরম থেকে এখনই স্বস্তির আশা নেই।

মে ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মাঝরাতে সরকারি হাসপাতালে হানা স্বাস্থ্যসচিবের! দেখে হতবাক চিকিৎসকরা

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকের মাত্র বাহাত্তর ঘণ্টার মধ্যেই অ্যাকশন মোডে নামল স্বাস্থ্যদপ্তর। শনিবার গভীর রাতে শহরের পাঁচটি সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হঠাৎ করেই পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম। এই আকস্মিক সফর ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায় হাসপাতালগুলিতে। স্বাস্থ্যদপ্তরের বার্তা স্পষ্ট, শুধু নির্দেশ নয়, এবার বাস্তবে কাজ দেখতে চায় নতুন সরকার।শনিবার রাত প্রায় বারোটার সময় নীল রঙের টি-শার্ট পরে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে পৌঁছন স্বাস্থ্যসচিব। সেখানে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের অধ্যক্ষ মানসকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, সুপার সপ্তর্ষি চট্টোপাধ্যায় এবং সহকারী সুপার দৈপায়ন বিশ্বাস। ট্রমা কেয়ার থেকে শুরু করে জেনারেল মেডিসিন ও সার্জারি বিভাগের একাধিক ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন তিনি। রোগীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং তাঁদের কোনও সমস্যা হচ্ছে কি না, তা জানতে চান।পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে কড়া নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যসচিব। তিনি বলেন, কোথাও যেন ময়লা না থাকে। প্রতিটি ওয়ার্ডের বাথরুম নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ করারও নির্দেশ দেন তিনি।এরপর রাতেই নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ, ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ এবং এসএসকেএম হাসপাতালেও যান স্বাস্থ্যসচিব। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে গিয়ে অধ্যক্ষ ইন্দ্রনীল বিশ্বাসের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে যেসব রোগী বেড না পেয়ে বাইরে অপেক্ষা করছিলেন, তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দ্রুত বেডের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন।স্বাস্থ্যসচিব আরও নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতালগুলিতে লাইভ বেড স্ক্রিনিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে। সেই স্ক্রিনে কোন হাসপাতালে কত বেড খালি রয়েছে, তা দেখা যাবে। এমনকী কেন্দ্রীয় সরকারি হাসপাতালের খালি বেডের তথ্যও সেখানে দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।হাসপাতালগুলিতে পানীয় জলের ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখেন স্বাস্থ্যসচিব। তিনি জানতে চান, রোগী ও তাঁদের পরিবারের জন্য দেওয়া জল আদৌ পানযোগ্য কি না। প্রতি মাসে সেই জলের মান পরীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি কলকাতা পুরসভাকে প্রতি সপ্তাহে পানীয় জলের গুণমান পরীক্ষা করতে বলা হয়েছে।উল্লেখ্য, শুক্রবার এসএসকেএমের একাডেমিক ভবনে স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে দালালরাজ বন্ধ করা, রোগীদের রেফার কমানো এবং কাউকে যেন চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যেতে না হয়, সেই বিষয়ে একাধিক কড়া নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। তার পরেই স্বাস্থ্যসচিবের এই রাতের পরিদর্শন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

মে ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মাঠে পড়ে ছিল স্তূপের পর স্তূপ ভোটার কার্ড! বীরভূমে চাঞ্চল্য, আটক বিএলও

বীরভূমের নানুরে বিপুল পরিমাণ ভোটার কার্ড উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার সকালে কীর্নাহারের পশ্চিম পাড়া এলাকার একটি মাঠ থেকে প্রচুর ভোটার কার্ড উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয়দের দাবি, মাঠে স্তূপ করে পড়ে ছিল সেইসব কার্ড। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক হইচই পড়ে যায়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সকালে কাজে যাওয়ার সময় কয়েকজন বাসিন্দার নজরে আসে মাঠের মধ্যে ছড়িয়ে থাকা ভোটার কার্ডগুলি। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় কীর্নাহার থানায়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সমস্ত কার্ড উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করে।পুলিশ সূত্রে খবর, যে মাঠ থেকে ভোটার কার্ডগুলি উদ্ধার হয়েছে, তার পাশেই এক বিএলও-র বাড়ি রয়েছে। তদন্তে নেমে পুলিশ ওই বিএলও-কে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।তদন্তে উঠে এসেছে, পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম ব্লকের চিনিশপুর গ্রামের এক প্রাক্তন বিএলও বর্তমানে কীর্নাহারের পশ্চিম পাড়ায় থাকেন। তিনি বিএলও হিসেবে কাজ করার সময় পুরনো ভোটার কার্ড সংগ্রহ করে নতুন কার্ড দিয়েছিলেন বাসিন্দাদের। নিয়ম অনুযায়ী পুরনো কার্ড নির্বাচন কমিশনের দফতরে জমা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অভিযোগ, সেই কার্ড জমা না করে নিজের কাছেই রেখে দিয়েছিলেন তিনি।পুলিশের অনুমান, পরে সেই পুরনো ভোটার কার্ডই মাঠের ধারে ফেলে দেওয়া হয়। কেন তিনি এই কাজ করলেন এবং কেন কার্ডগুলি জমা দেওয়া হয়নি, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।এসআইআর নিয়ে যখন বীরভূমে নাম বাদ পড়া নিয়ে বিতর্ক চলছে এবং বহু মানুষ ট্রাইবুনালের দ্বারস্থ হয়েছেন, ঠিক সেই সময় বিপুল ভোটার কার্ড উদ্ধারের ঘটনায় নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

মে ১৭, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের পর এবার রাজীব, কুণাল, শোভনদেব! একে একে নিরাপত্তা সরাল সরকার

রাজ্যে সরকার বদলের পর এবার একের পর এক তৃণমূল নেতার নিরাপত্তায় কাটছাঁট করা শুরু হল। প্রথমে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে থেকে পুলিশি নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়েছিল। এবার সেই তালিকায় যোগ হল রাজীব কুমার, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ-সহ আরও একাধিক নেতার নাম।প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, তৃণমূলের অন্তত ১০ জন নেতা ও প্রাক্তন মন্ত্রীর বাড়ি থেকে হাউস গার্ড সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। লালবাজারের তরফে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। রাজ্য বিজেপি সরকার গঠনের পর থেকেই তৃণমূল নেতাদের অতিরিক্ত নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগে রাজ্য সরকারের তরফে বিশেষ নিরাপত্তা পেতেন। তাঁর বাড়ির সামনে সবসময় মোতায়েন থাকত পুলিশ। কিন্তু নতুন সরকারের দাবি, তিনি একজন সাংসদ হিসেবে যতটা নিরাপত্তা পাওয়ার কথা, এবার থেকে ঠিক ততটাই পাবেন। এর বেশি নয়। সেই বার্তাই আগেই দিয়েছিল লালবাজার।এবার রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব কুমার, সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, বর্তমান বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় এবং বিধায়ক কুণাল ঘোষের বাড়ি থেকেও হাউস গার্ড সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে খবর। পাশাপাশি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, অরূপ বিশ্বাস এবং সুব্রত বক্সীর নামও রয়েছে এই তালিকায়।প্রশাসনের দাবি, তৃণমূল আমলে অনেক নেতা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি নিরাপত্তা পেতেন। এখন পদ ও দায়িত্ব অনুযায়ী নিরাপত্তা দেওয়া হবে। রাজীব কুমার ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সাংসদ হিসেবে নিরাপত্তা পাবেন। কুণাল ঘোষ বিধায়ক হিসেবে নিরাপত্তা পাবেন। অন্যদিকে অরূপ বিশ্বাস ও শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বর্তমানে মন্ত্রী নন। অরূপ বিশ্বাস ভোটেও পরাজিত হয়েছেন। সেই কারণেই তাঁদের নিরাপত্তায় কাটছাঁট করা হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।এছাড়াও ডিরেক্টর অব সিকিউরিটি পীযূষ পাণ্ডের নিরাপত্তাতেও কাটছাঁট করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আগে তিনি ভারপ্রাপ্ত ডিজিপির দায়িত্বে ছিলেন।

মে ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal