• ৫ ভাদ্র ১৪৩৩, রবিবার ২৩ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Vaccination

রাজ্য

আজ থেকেই রাজ্যে ১২-১৪ বছর বয়সিদের কোভিড টিকা

আজ থেকেই পশ্চিমবঙ্গে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সি কিশোর-কিশোরীদের কোর্বেভ্যাক্স টিকা প্রদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। আপাতত শুধু সরকারি টিকা কেন্দ্রেই ওই প্রতিষেধক মিলবে। তবে ক্রমে ক্রমে শিক্ষা দপ্তরের সঙ্গে কথা বলে কিংবা পুরসভার সহযোগিতায় টিকা কর্মসূচি চালাতে পারবে স্কুলও। রাজ্যের ২৮টি জেলা (স্বাস্থ্য জেলা-সহ) মিলিয়ে ২৮ লক্ষ ৮১ হাজার ৮০০ ডোজ টিকা পাঠানো হয়েছে। শুধু স্কুলপড়ুয়া নয়, সেই সঙ্গে স্কুলছুটেরাও যাতে করোনার এই টিকা পায়, সে-দিকেও জোর দিচ্ছে স্বাস্থ্য দপ্তর। পুরো কর্মসূচি যাতে ঠিকমতো চলে, সে-দিকে নজর রাখতে জেলা, মহকুমা, পুরসভা, ব্লক স্তরে স্কুলশিক্ষা দপ্তরকে নিয়ে ইতিমধ্যে বিভিন্ন কমিটিও গঠন করা হয়েছে।স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রের খবর, টিকা নেওয়ার জন্য ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সিদেরও কোউইন পোর্টালে নাম নথিভুক্ত করতে হবে। তবে বাড়ির কারও নামে আগে থেকে ওই পোর্টালে অ্যাকাউন্ট খোলা থাকলে সেখানেও ছোট সদস্যের নাম নথিভুক্ত করা যাবে। আবার অনলাইনে যদি কারও সমস্যা হয়, তা হলে সরাসরি সরকারি টিকা কেন্দ্রে গিয়েও নাম নথিভুক্ত করে টিকা নিতে পারবে। আধার কার্ড, স্কুলের পরিচয়পত্র, রেশন কার্ড, শারীরিক প্রতিবন্ধকতার পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, ব্যাংকের পাসবইয়ের মতো পরিচয়পত্র দিয়ে কোউইন পোর্টালে নাম নথিভুক্ত করা যাবে। কোনও স্কুল যদি তাদের নিজেদের ক্যাম্পাসে টিকা কেন্দ্র খুলতে চায়, তা হলে পুরনো নিয়ম অনুযায়ী প্রতীক্ষার ঘর, টিকা দেওয়ার ঘর, পর্যবেক্ষণের ঘর এবং অন্যান্য পরিকাঠামো প্রস্তুত রাখতে হবে।ফেব্রুয়ারিতে রাজ্যে কোর্বেভ্যাক্সের প্রায় ৩০ লক্ষ ডোজ টিকা এসেছিল। কয়েক দিন আগেই প্রয়োজন অনুযায়ী টিকা পাঠানো হয়েছে সব জেলায়। সব থেকে বেশি টিকা গিয়েছে মুর্শিদাবাদ জেলায়। সেখানে দুলক্ষ ৬৮ হাজার ২০০ ডোজ় বরাদ্দ হয়েছে। লক্ষাধিক টিকা বরাদ্দ হয়েছে ডায়মন্ড হারবার স্বাস্থ্য জেলা, পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, হাওড়া, মালদা, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিম ও পূর্ব মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর দিনাজপুরের মতো প্রতিটি জেলার জন্য।

মার্চ ২১, ২০২২
দেশ

Corona: ছোটদের টিকাকরণ ১ কোটি পার, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ওমিক্রনের দাপট

নতুন বছরে শুরু হয়েছে করোনা টিকাকরণের নতুন অধ্যায়। ৩ জানুয়ারি থেকে করোনা টিকা নিতে পারছে ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সীরাও। আর মাত্র তিনদিনেই সেই টিকাকরণের সংখ্যা ১ কোটির গণ্ডি পার করেছে। বুধবারই কো-উইন পোর্টালের ড্যাশবোর্ডে দেখা যায়, এখনও অবধি ১.২৯ কোটি ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সী নাবালক/নাবালিকারা করোনা টিকার প্রথম ডোজ পেয়েছে।মাত্র দুইদিনের মধ্যেই টিকাকরণের সংখ্যা ১ কোটি পার হওয়ায় দেশবাসীকে টুইটারে ধন্যবাদ জানান কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য। তিনি লেখেন, করোনা টিকাকরণের জন্য ভারতের যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে দারুণ উৎসাহ দেখতে পেয়ে অত্যন্ত খুশি। ১৫ থেকে ১৮ বয়সী ১ কোটিরও বেশী তরুণ প্রজন্ম করোনা টিকার প্রথম ডোজ় পেয়েছে, তাও আবার মাত্র টিকাকরণ অভিযান শুরুর তিনদিনের মধ্যেই।অন্যদিকে নতুন বছরেও দাপট কমছে না ওমিক্রনের। পাল্লা দিচ্ছে করোনা সংক্রমণও। ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের দাপটে দেশ তথা বিশ্বজুড়েই বাড়ছে সংক্রমণ। দেশে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ২ হাজার পার করেছে। দিল্লি, মুম্বইয়ের মতো বড় শহরগুলিতে শুরু হয়ে গিয়েছে করোনা ও ওমিক্রনের গোষ্ঠী সংক্রমণ। কলকাতাতেও লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। এখনও অবধি বিশ্বের ১২৮টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
রাজ্য

Vaccination of 15-18: ১৫-১৮ বয়সীদের টিকাকরণে ব্রাত্য বেসরকারি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা, উদ্বেগ অভিভাবকদের

দেশজুড়ে ফের বেড়ে চলেছে করোনা সংক্রমণের প্রভাব। নতুন করে সংক্রমিত হচ্ছেন বহু মানুষ। সারা দেশের সঙ্গে এরাজ্যেও জোরকদমে চলছে টিকাকরন প্রকল্প। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২৬ ডিসেম্বর ঘোষণা করেন ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের করোনা প্রতিষেধক দেওয়া হবে এবং ৬০ বছরের উর্ধে যারা তাদের বুস্টার ডোজ দেওয়া হবে। সেই ঘোষণা অনুযায়ী ৩ ডিসেম্বর থেকে রাজ্য জুড়ে ১৫ থেকে ১৮ টিকাকরণ চলছে।আরও পড়ুনঃ জীবনের সেরা বোলিং, শার্দূলের দুর্দান্ত প্রত্যাঘাতে ম্যাচে ফিরল ভারতবিভিন্ন সরকারি স্কুল-এ আস্থায়ী ক্যাম্প করে এই টিকাকরণ প্রকল্প চলছে। শিবিরেগুলিতে উপস্থিতির হার আশাব্যাঞ্জক। এই টিকাকরন থেকে শধু ব্রাত্য বেসরকারি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা। রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন বেসরকারি স্কুল কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের প্রশ্নের মুখে জেরবার। বর্ধমান শহরের এক বেসরকারি ইংরাজি মাধ্যম স্কুলের প্রিন্সিপ্যালকে ভ্যাকসিন নিয়ে জানতে চাইলে তিনি জনতার কথাকে বলেন, আমাদের কাছে এই সংক্রান্ত কোন নির্দেশিকা নেই। আমরা জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছি, কোনও সুরাহা হলেই ছাত্রদের জানিয়ে দেওয়া হবে।আরও পড়ুনঃ করোনাকালে বাড়ি বাড়ি খাবার পাঠাবে রাজ্যবেসরকারি ইংরাজি মাধ্যমে পাঠরত ছাত্র ছাত্রীদের অভিভাবকদের প্রশ্ন, সরকার বলছে স্কুলে স্কুলে টিকা দেওয়া হবে, আমরা স্কুলে গেলে তাঁরা এই ব্যাপারে কিছু জানেন না বলছেন। এখন আমরা কোথায় যাব? আমাদের ছেলে মেয়েরা বেসরকারি স্কুলে পরে বলে কি এই দেশের নাগরিক নয়? স্কুল খুলে দিয়ে ছেলেদের ভ্যাকসিন না দিয়ে ছেলে, মেয়েগুলোকে মত্যুমুখে ঠেলে দেওয়া ছাড়া কিছু না। এটা বেসরকারি স্কুলে পড়া ছেলে মেয়েদের সঙ্গে চরম বিমাতৃসুলভ আচরণ।আরও পড়ুনঃ ৫০ শতাংশ দর্শক নিয়ে ৭ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে চলেছে কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবজনতার কথা এবিষয়ে বর্ধমান জেলা করোনা ভ্যাকসিন-র নোডাল জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন আধিকারিক ডিপিআরডিও (DPRDO) অনুপ মন্ডলের সঙ্গে যোগাযোগ করে। তিনি জানান, এখনও অবধি বেসরকারি স্কুলে ভ্যাকসিন দেওয়ার কোনও নির্দেশিকা নেই।আরও পড়ুনঃ নামল তাপমাত্রার পারদ, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে হতে পারে বৃষ্টিওঅভিভাবকদের প্রশ্ন, যখন বন্যার স্রোতের মত করোনা ধেয়ে আসছে তখন এই কচি-কাঁচাদের ভয়ঙ্কর দোটানায় ফেলে রাখার দায় কার? কোনওরকম পরিকল্পনা না করেই কি এই ভ্যাক্সিনেশন প্রোগ্রাম চলছে? নাকি একশ্রেণির মানুষকে খুশি করতেই এই বিমাতৃসুলভ আচরণ?

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
দেশ

Minor's Vaccination: আজ থেকে শুরু ১৫-১৮ বছর বয়সিদের টিকাকরণ

সোমবার থেকে শুরু হয়েছে ১৫-১৮ বছর বয়সিদের টিকাকরণ। দেওয়া হচ্ছে কোভ্যাকসিন। কোউইন পোর্টালে জোরকদমে চলছে রেজিস্ট্রেশন। ভ্যাকসিনেশন হচ্ছে স্কুলে। কলকাতার ১৬টি স্কুল চূড়ান্ত করেছে পুরসভা। একইসঙ্গে ৩৭ কোভ্যাক্সিন সেন্টার থেকেও দেওয়া হবে প্রতিষেধক। তালিকায় নাম থাকা স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের আধার কার্ড নিয়ে যেতে হবে যারা স্কুলছুট বা স্কুলে পড়ে না, এমন ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের টিকা পুরসভার কেন্দ্রে পুরসভার ৩৯টি টিকাদান কেন্দ্রের যে কোনও একটিতে যেতে হবে।প্রসঙ্গত, যাঁরা স্কুল ছুট বা স্কুলে পড়ে না, এমন ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের টিকা পুরসভার কেন্দ্রে হবে। কলকাতা পুরসভার ৩৯ টি টিকাদান কেন্দ্রের যে কোনও একটি যাওয়া যেতে পারে। সেক্ষেত্রে তালিকায় নাম থাকা স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের আধার কার্ড নিয়ে যেতে হবে। সারদা ইন্সস্টিটিউশন ফর গার্লস, গভর্নমেন্ট স্পনসরড মাল্টিপারপাস স্কুল ফর বয়েজ টাকি হাউজ, চেতলা গার্লস হাইস্কুল, সন্তোষপুর ঋষি অরবিন্দ বালিকা বিদ্যালয়, গার্ডেনরিচ নুটবিহারি গার্লস হাইস্কুল-সহ কলকাতার একাধিক স্কুলে টিকাকরণ হচ্ছে।বিশেষজ্ঞ জানাচ্ছেন, কোভ্যাক্সিনের ক্ষেত্রে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অত্যন্ত সামান্য। বাচ্চাদের অল্প জ্বর আসতে পারে, গলা ব্যথা, গা হাত পা ব্যথা হতে পারে টিকা নেওয়া পর। তবে তাতে ভয় পাওয়া কিচ্ছু নেই বলে চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন। এগুলি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই চলে যাবে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শও নেওয়া যেতে পারে। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় ভয় পেয়ে বাচ্চাদের ভ্যাকসিন না দেওয়ানো, অত্যন্ত ভুল সিদ্ধান্ত হবে বলে অভিভাবকদের সচেতন করেছেন চিকিৎসকরা।কো-উইন তথ্য বলছে, এখনও পর্যন্ত সারা দেশের সাড়ে ১২ লাখেরও বেশি ১৫-১৮ বছরের কিশোর-কিশোরীরা টিকাকরণের জন্য নাম নথিভুক্ত করেছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানসুখ মাণ্ডব্য রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে টিকাকরণের জন্য বয়সের ভিত্তিতে আলাদা আলাদাভাবে ভ্যাকসিন সেন্টার, সেশন সাইট, লাইন ও টিকাকরণ কর্মীদের টিম তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন। ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের দেওয়া হবে কোভ্যাক্সিন।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
কলকাতা

Corona Vaccination: ৩রা জানুয়ারি থেকে শহরে ১৫-১৮ বছর বয়সীদের করোনা টিকা

শহরের স্কুলে স্কুলে ১৫-১৮ বছর বয়সীদের করোনার টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল কলকাতা পুর নিগম। ১৬ টি বরোর মোট ১৬ টি স্কুলে ১৫-১৮ বছর বয়সীদের কোভ্যাক্সিনের ডোজ দেওয়া হবে ৩ জানুয়ারি। তারপরের দিন অর্থাৎ ৪ জানুয়ারি ১৬ টি বরোর ৫০ টি স্কুলে দেওয়া হবে ১৫ ঊর্ধ্বদের ডোজ। প্রত্যেক ক্ষেত্রে স্কুলে ক্যাম্প করেই দেওয়া হবে ভ্যাকসিন। এর সঙ্গেই জানা গিয়েছে, আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে পুর নিগমের হেলথ সেন্টারে ষাটোর্ধ্বদের করোনার বুস্টার ডোজ দেওয়া হবে। বুধবার কলকাতা পুর নিগময় স্বাস্থ্য কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম।বুধবার স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্তাদের সঙ্গে এই টিকাকরণ কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘ বৈঠক করেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম, ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ, ও পুর নিগমের স্বাস্থ্য কর্তারা। সেখানেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, আগামী ৩ জানুয়ারি থেকেই বরো ধরে ধরে স্কুলেই দেওয়া হবে করোনার টিকা। যেহেতু ১৫ ঊর্ধ্বদের ক্ষেত্রে কোভ্যাক্সিনকেই মান্যতা দিয়েছে কেন্দ্র। তাই সেই ভ্যাকসিনই দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা পুর নিগম। গত মঙ্গলবার স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে নবান্নে সুপারিশ করা হয়, ১৫ উর্ধ্বদের টিকাকরণের কাজ যাতে নির্দিষ্ট বিদ্যালয়ে দেওয়া হয়। আর তাতেই মান্যতা দিল কলকাতা পুর নিগম। ১৫ থেকে ১৮ বছরের মোট ২.৫ লক্ষ ভ্যাকসিন প্রাপক রয়েছে কলকাতায়। বিশৃঙ্খলা এড়াতেই স্কুলেই টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত কলকাতা পুর নিগমের। এরই সঙ্গে কলকাতা পুর নিগম সিদ্ধান্ত নিয়েছে আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে ষাটোর্ধ্বদের করোনার টিকার বুস্টার ডোজ দেওয়া হবে।এক্ষেত্রে যারা দুটি টিকার ডোজ নিয়েছেন তারাই একমাত্র বুস্টার ডোজ পাবেন। কোভ্যাক্সিন টিকা নেওয়া ব্যক্তিরা সংশ্লিষ্ট ভ্যাকসিনের বুস্টার পাবেন। কোভিশিল্ড প্রাপকরা পাবেন সংশ্লিষ্ট ভ্যাকসিনের বুস্টার।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
দেশ

Modi-Vaccination Meeting: টিকাকরণ নিয়ে সতর্কবার্তা প্রধানমন্ত্রীর

করোনাকে সম্পূর্ণ নির্মূল করতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। বুধবার দুপুরে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৈঠকে করোনার টিকাকরণের হার বাড়ানোর ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, একদিনে আড়াই কোটি করোনা টিকা দিয়ে আমরা পুরো বিশ্বকে আমদের ক্ষমতা দেখিয়ে দিয়েছি। ইতিমধ্যেই ১০০ কোটি করোনা টিকাকরণের লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করেছে দেশ। এই বিপুল মাত্রায় টিকাকরণ হলেও কোনও রকমের ঢিলেমি দেওয়ার যায়গা নেই। আমাদেকর লক্ষ্যে দেশের সকলকে বিনামূল্যে টিকা দেওয়া। টিকাকরণের বর্তমান সংখ্যা দেখে ঢিলেমি দিলে বড় বিপদ আসার প্রবল সম্ভবানা। বড় ধাক্কা আমাদের মত বিশাল জনসংখ্যার দেশ সামলাতে পারবে না।Youll have to remember that the states that have achieved the goal of administering 100% first dose of vaccine, also faced different challenges in many areas. There were challenges of geographical situation, resources but these districts overcame those challenges to go ahead: PM pic.twitter.com/xulA41fUHN ANI (@ANI) November 3, 2021আগেই প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর জানিয়েছিল, গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত হওয়া জলবায়ু সম্মেলন থেকে ফিরে আসার পরেই যে জেলা গুলিতে করোনা টিকাকরণের হার কম সেই সব জেলার জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেই মত এদিনের বৈঠকের জেলাশাসকদের পাশাপাশি মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে, তামিলনাড়ুর এম কে স্ট্যালিন, অসমের হেমন্ত বিশ্বকর্মার মত বেশ কয়েকটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।They say one must never underestimate disease and enemies. They have to be fought against till the very end. So, I would want that we should not bring even a slight laxity: PM Narendra Modi at review meet with districts where #COVID19 vaccination could pick pace pic.twitter.com/V6si2R0VJY ANI (@ANI) November 3, 2021টিকাকরণের গতি বাড়াতে বেশ কিছু উপায় বাতলে দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, টিকাকরণের গতি বাড়ানোর জন্য আলাদা আলাদা জেলা ভিন্ন নীতি হবে। ধর্মগুরুদের কথা মানুষ শোনে, তাদের দিয়ে টিকাকরণের পক্ষে ছোট ছোট ভিডিও বানিয়ে সেই এলাকায় ছড়িয়ে দিতে হবে. আমি একটা জিনিস লক্ষ্য করেছি মহিলা স্বাস্থ্যকর্মী ও মহিলা পুলিশ কর্মীরা এই অতিমারির সময়ে যত্ন নিয়ে কাজ করেছেন। যেসব এলাকায় টিকাকরণের হার কম সেখানে মহিলা স্বাস্থ্যকর্মীদের পাঠান। টিকাকরণের হার বাড়বে।

নভেম্বর ০৩, ২০২১
দেশ

Vaccination Meeting: টিকাকরণে গতি আনতে কী করতে চলেছেন মোদি?

জি-২০ বৈঠক শেষে রোম থেকে ফিরেই করোনা টিকাকরণের গতি নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠক সারবেন প্রধানমন্ত্রী। কথা বলবেন সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর আধিকারিকদের সঙ্গে। কীভাবে জেলাগুলোতে করোনা টিকাকরণে গতি আনা যায় তা নিয়ে দিশা দেখাতে পারেন মোদি।করোনা প্রতিষেধকের ১০০ কোটি ডোজ়ের মাইলফলক পার করা নিয়ে দেশজুড়ে প্রচার শুরু করেছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। কিন্তু টিকাকরণের সার্বিক চিত্র যে মোটেই সন্তোষজনক নয় তা আড়ালে মানছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। তাই যে সব জেলায় টিকাকরণের হার বেশ কম, সেখানের জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আগামী ৩ নভেম্বর বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ প্রধানমন্ত্রী দপ্তর (পিএমও)-এর তরফে এ কথা জানানো হয়েছে।করোনা টিকার ১০০ কোটি ডোজ় অতিক্রমের পরেও বহু জেলায় টিকাকরণের হার অত্যন্ত কম। যা নিয়ে রীতিমতো উদ্বিগ্ন কেন্দ্র। পিএমও এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যে সব জেলায় করোনা প্রতিষেধকের প্রথম ডোজ প্রদানের হার ৫০ শতাংশের কম এবং দ্বিতীয় ডোজ়ের হারও অত্যন্ত কম, সেই সব জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ঝাড়খণ্ড, মণিপুর, নাগাল্যান্ড, অরুণাচলপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, মেঘালয়ের ৪০টি জেলার প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ওই বৈঠকে রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীরাও উপস্থিত থাকবেন।

নভেম্বর ০১, ২০২১
দেশ

100 Crore Vaccination: গণটিকাকরণে ১০০ কোটির গণ্ডি পার, উচ্ছ্বসিত মোদি-মাণ্ডব্য

করোনা টিকাকরণে ১০০ কোটির মাইলফলক পার করল ভারত। এ দিন সকালেই ঘড়ির কাটা ১০টা পার করার আগেই কেন্দ্রের তরফে ঘোষণা করা হল, দেশের ১০০ কোটি করোনা টিকা দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে দেশে গণটিকাকরণ কর্মসূচির সূচনার পরই কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছিল, ডিসেম্বরের মধ্যেই দেশের ১০০ কোটি মানুষকে করোনা টিকা দেওয়া হবে। নির্দিষ্ট সময়ের আগেই সেই লক্ষ্য পূরণ করল কেন্দ্র। ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, সকলেই দেশবাসীর সঙ্গে এই খুশির খবর ভাগ করে নিয়েছেন এবং সকলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।बधाई हो भारत!दूरदर्शी प्रधानमंत्री श्री @NarendraModi जी के समर्थ नेतृत्व का यह प्रतिफल है।#VaccineCentury pic.twitter.com/11HCWNpFan Dr Mansukh Mandaviya (@mansukhmandviya) October 21, 2021সকাল ৯টা ৪৮ মিনিটেই সুখবর দেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য। তিনি টুইটে লেখেন, ভারতকে অভিনন্দন, আমাদের দূরদর্শী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বেই এই সাফল্য সম্ভব হল। নীতি আয়োগের সদস্য ডঃ ভিকে পালও বলেন, দেশের সমস্ত স্বাস্থ্যকর্মী ও মানুষকে অভিনন্দন। যে কোনও দেশের জন্যই ১০০ কোটি টিকাকরণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সাফল্যের বিষয়, তবে ভারতে মাত্র টিকাকরণের শুরুর ৯ মাসের মধ্যেই এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা হয়েছে।এই ঐতিহাসিক দিনেই দিল্লির এইমসের ঝাজ্জর ক্যাম্পাসে অবস্থিত ন্যাশনাল ক্যানসার সেন্টারে বিশ্রাম সদনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিনের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েই প্রধানমন্ত্রী দেশের সমস্ত চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও টিকা প্রস্তুতকারকদের বিশেষ ধন্যবাদ জানালেন এই লক্ষ্যপূরণে সাহায্যের জন্য।21st October 2021 will forever be remembered in the history books! #VaccineCentury pic.twitter.com/FLORS89ums Narendra Modi (@narendramodi) October 21, 2021এ দিন ঝাজ্জর ক্যাম্পাসের বিশ্রাম সদনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ একটি ঐতিহাসিক দিন, ১০০ কোটি টিকাকরণের গণ্ডি পার করল ভারত। বিগত ১০০ বছরে সবথেকে বড় মহামারীর সঙ্গে লডৃ়াই করতে দেশের কাছে বর্তমানে ১০০ কোটি টিকাকরণের শক্তিশালী ঢাল রয়েছে। এই সাফল্য গোটা দেশের এবং দেশের প্রতিটি মানুষের।টিকাকরণের এই সাফল্যের জন্য দেশের সমস্ত টিকা প্রস্তুতকারকদের ধন্যবাদ জানান তিনি। একইসঙ্গে যারা টিকা উৎপাদনের কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং টিকা সরবরাহ করেছেন, তাদেরও ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই সাফল্য সকলের, দেশের প্রতিটি নাগরিকের। আমি টিকা প্রস্তুতকারক থেকে সরবরাহকারী, সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এই কর্মযজ্ঞের সঙ্গে জড়িত থাকার জন্য।

অক্টোবর ২১, ২০২১
রাজ্য

Dilip Ghosh: ১০০ কোটি টিকাকরণের পথে দেশ, ভ্যাকসিন নেই বলে চিৎকার করছে রাজ্য

বৃহস্পতিবার সকালে ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেড়িয়ে বাড়তে থাকা করোনা আবহে টিকাকরণ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, বৃহস্পতিবার দেশে এক ইতিহাস তৈরি হতে চলেছে। ভারতের মতো পিছিয়ে পড়া দেশ নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে মাইলফলক গড়তে চলেছে। তিনি আরও বলেন, কেবলমাত্র নিজের দেশেই নয়, বাসুদৈব কুটুম্বকম নীতি মেনে বহু বন্ধু দেশকে ভ্যাকসিন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এরপরেও যারা ভ্যাকসিন নেই বলে চিৎকার করেন তারা সঙ্কীর্ণ রাজনীতির শিকার বলে জানিয়েছেন দিলিপ ঘোষ।আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশের ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর নীরবতায় অসন্তুষ্ট বিজেপি ডিসেম্বরের মধ্যেই দেশের ১০০ কোটি জনগণকে করোনা টিকা দেওয়া হবে বলে লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছিল কেন্দ্র। তবে অক্টোবর শেষ হওয়ার আগেই সেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলার পথে তারা। মঙ্গলবারই দেশে টিকা প্রাপকের মোট সংখ্যা ছিল ৯৯ কোটি ১২ লাখ ৮২ হাজার ২৮৩।বিশ্বের একমাত্র দেশ হিসাবে আজ একশো কোটি ভ্যাকসিন ডোজ পূর্ন করবে ভারত। আর এ নিয়েও রাজ্য সরকারকে বিঁধলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ । ইকোপার্কে মর্নিং ওয়াকে গিয়ে তাঁর মন্তব্য, এর পরেও রাজ্য বলে তারা টিকা পায় না।দেশের ১০০ কোটি মানুষের টিকাকরণ নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, নিঃসন্দেহে এটা আমাদের কাছে গৌরবের। ভারতের মতো একটা পিছিয়ে থাকা দেশ বলে মনে করি যাকে, মেডিক্যাল সায়েন্সে হোক বা অন্য কারণে হোক সেই দেশ বিশ্বকে পথ দেখাচ্ছে। অনেক উন্নত দেশ যারা, মেডিক্যাল সায়েন্সে অনেক উন্নতি করেছে, তারাও পিছিয়ে গেছে। অন্যান্য দেশে একটা ভ্যাকসিন হচ্ছে, আমাদের দেশে দুটো করে ভ্যাকসিন হচ্ছে। দেশের একশো কোটি লোককে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও পঞ্চাশটা গরিব দেশের মানুষকে ভ্যাকসিন দিচ্ছি আমরা মানবতার খাতিরে।দিলীপ আরও যোগ করেন, সারা দেশের মানুষ আজ খুশি। আমি অন্যান্য রাজ্যেও গেলাম। দিল্লিতে আমি নিজে একটা ভ্যাকসিন নিয়েছি। কোথাও কোনও ঝগড়াঝাটি নেই। সাধারণ ভাবে মানুষ আসছেন, নিচ্ছেন। কিন্তু এখানে কোনও সিস্টেম নেই। মানুষকে ভ্যাকসিন নিতে গিয়ে লাঠি খেতে হচ্ছে, মারা যাচ্ছে। এর থেকে দুর্ভাগ্যের কী আছে!দিলীপ ঘোষের আক্রমণ, রাজ্য সরকারের কোনও যোগ্যতা নেই। তাঁর অভিযোগ, গ্রামের দিকের মানুষ এখনও ভ্যাকসিন থেকে বঞ্চিত। আবার কলকাতা শহরে সমস্ত কিছু দেওয়া হচ্ছে, তাও এখানেও মানুষ জানতে পারছেন না কোথায় এবং কীভাবে ভ্যাকসিন পাবেন, অভিযোগ দিলীপের।

অক্টোবর ২১, ২০২১
দেশ

Vaccination Record: ২ কোটির গণ্ডি পার, মোদির জন্মদিনে রেকর্ডহারে টিকাকরণ

উপলক্ষ নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনের উপহার হিসেবে রেকর্ড সংখ্যক টিকাকরণের উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের এক সিনিয়র আধিকারিকের দাবি, প্রতি মিনিটে দেশজুড়ে ৪২ হাজার টিকা দেওয়া হচ্ছে। বিকেল ৫ টার মধ্যে টিকাকরণ ২ কোটি ছাপিয়ে গিয়েছে । যা একপ্রকার রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। ভ্যাকসিন সেবা হ্যাশট্যাগে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য টুইট করে লিখেছেস, প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে দুপুর দেড়টার মধ্যে দেশে ১ কোটি টিকা দেওয়া হয়েছে। এটাই দ্রুততম। আরও টিকাকরণ চলছে। আমার বিশ্বাস, আজ টিকাকরণে নতুন রেকর্ড গড়ব আমার। এটাই হবে প্রধানমন্ত্রীর উপহার। স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রের খবর, যে গতিতে টিকাকরণ চলছে তা ধরে রাখলে বিকেলেই আড়াই কোটি ডোজ পেরিয়ে যাবে। জাতীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের প্রধান আরএস শর্মা জানান,আমরা প্রতি মিনিটে ৪২ হাজার বা প্রতি সেকেন্ডে ৭০০ জনকে টিকা দিচ্ছি।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলে গুরুত্বপূর্ণ পদ পেলেন অর্পিতাসরকার সূত্রের খবর, ভোটমুখী রাজ্যগুলিকে টিকাকরণে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিও সামিল হয়েছে এই অভিযানে। দুপুর পর্যন্ত বিহারে ৭.৩ লক্ষ, মধ্যপ্রদেশে ৫ লক্ষ ডোজ দেওয়া হয়েছে। নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন থেকে শুরু করে আগামী ৭ অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করেছে বিজেপি৷ জনসেবায় নরেন্দ্র মোদির কুড়ি বছর উদযাপন উপলক্ষেই সেবা এবং সমর্পণ অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে৷ স্বাস্থ্য শিবির, রক্তদান শিবির, স্বচ্ছতা অভিযান, টিকাকরণ অভিযানের মতো বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে৷ মূলত উত্তর প্রদেশেই এই কর্মসূচি ধুমধাম করে পালন করা হবে৷ এই কর্মসূচিকে সফল করতে আজই যত সম্ভব বেশি সংখ্যক মানুষকে টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়ার জন্য স্বেচ্ছাসেবকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিজেপি-র তরফে৷

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১
দেশ

Antibody: টিকা নেওয়ার পর অ্যান্টিবডি কমে গিয়েছে? কী বলল আইসিএমআর?

করোনার ভ্যাকসিন নেওয়ার পরও অ্যান্টিবডি কমে যাচ্ছে শরীরে। বিশেষজ্ঞদের নজরে এমন তথ্য আগেই এসেছে। এবার আইসিএমআর-এর সমীক্ষায় অনুসন্ধান করা হল, ঠিক কত দিন পর অ্যান্টিবডি কমতে শুরু করে। মূলত কোভ্যাকসিন ও কোভিশিল্ড টিকার ক্ষেত্রেই এই সমীক্ষা চালানো হয়েছে। আর তাতে দেখা গিয়েছে, দুই ক্ষেত্রেই ভ্যাকসিন নেওয়ার কয়েক মাস পর থেকেই অ্যান্টিবডি কমতে শুরু করে অর্থাৎ করোনা প্রতিরোধ ক্ষমতা হারাতে শুরু করে শরীর। ফলে, নতুন করে সংক্রামিত হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি ভুবনেশ্বের আইসিএমআর-এর আঞ্চলিক শাখা আরএমআরসি-তে সেই সমীক্ষা চালানো হয়েছে।আরও পড়ুনঃ মনোনয়ন জমা প্রিয়াঙ্কার, হুংকার শুভেন্দুরগবেষক জানিয়েছেন, যাঁরা কোভ্যাকসিন নিয়েছেন তাঁদের ক্ষেত্রে ২ মাস পর থেকে ও যাঁরা কোভিশিল্ড নিয়েছে তাঁদের ক্ষেত্রে ৩ মাস পর থেকে অ্যান্টিবডি কমতে দেখা গিয়েছে। তবে এই সমীক্ষা এখানেই শেষ করছে না আইসিএমআর। অন্তত টিকা নেওয়ার ২ বছর পর পর্যন্ত প্রতিরোধ ক্ষমতা কতটা থাকে, তা খতিয়ে দেখা হবে। এর আগে ভুবনেশ্বেরের একটি গবেষণার টিমের সদস্যদের অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করে দেখা যায় তাঁদের মধ্যে ২৩ শতাংশের শরীরে কোনও আ্যান্টিবডি নেই। অর্থাৎ অ্যান্টিবডি রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। এদের প্রত্যেকেরই ভ্যাকসিনের দুটি করে ডোজ় নেওয়া হয়ে গিয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, ভারতে করোনার যে দুটি ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে, অর্থাৎ কোভিশিল্ড ও কোভ্যাকসিনের কার্যকারিতা ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ। তাই ২০ থেকে ৩০ শতাংশ টিকাপ্রাপ্তের শরীরে আ্যান্টিবডি তৈরি নাও হতে পারে। ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের রিপোর্ট সামনে এলে তবেই আইসিএমআর বুস্টার ডোজের ক্ষেত্রে অনুমোদন দিতে পারে বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
দেশ

Vaccination Record: দৈনিক টিকাকরণে দেশে ফের রেকর্ড

তিন দিনের ব্যবধানে টিকাকরণের ক্ষেত্রে আবার এক কোটির গণ্ডি অতিক্রম করল ভারত। কোউইন অ্যাপের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মঙ্গলবার দেশে এক কোটি আট লক্ষের বেশি মানুষ প্রতিষেধক নিয়েছেন। দেশের সার্বিক করোনা পরিস্থিতিও মোটের উপর স্বস্তিদায়ক। টানা পাঁচ দিন ৪০ হাজারের ঘরে থাকার পরে আজ দৈনিক সংক্রমণ বেশ খানিকটা কমেছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে ৩০ হাজার ৯৪১ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। আরও পড়ুনঃ গ্রাহকের অজান্তেই গায়েব রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের ফিক্সড ডিপোজিটের টাকা, পুলিশের দ্বারস্থ প্রৌঢ়গত শুক্রবার, ২৭ অগস্ট প্রথমবার এক কোটির বেশি দেশবাসীকে করোনা প্রতিষেধক দেওয়া হয়েছিল। আজ আবার সেই মাইলফলক স্পর্শ করল দেশ। টিকাকরণের এই সাফল্যে স্বভাবতই আপ্লুত কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডবিয়া। নিজের টুইটার হ্যান্ডলে তিনি লিখেছেন, প্রতিষেধক প্রদানে পাঁচ দিনের মধ্যে দুবার এক কোটির গণ্ডি পার করা গিয়েছে। সন্ধে ৬টা পর্যন্ত এক কোটি ৯ লক্ষ মানুষ প্রতিষেধক পেয়েছেন। এখনও পর্যন্ত দৈনিক টিকাকরণে এটাই সর্বোচ্চ। তবে আজ মোট কত জন টিকা পেয়েছেন সেই গণনা এখনও শেষ হয়নি। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক আজ জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত করোনা প্রতিষেধকের ৬৫ কোটি ডোজ় দেওয়া হয়েছে।দৈনিক করোনা সংক্রমণের পাশাপাশি, দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যাও কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৫০ জন করোনা আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে। কেরলে গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণ কম হওয়ায় দেশে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যাও কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণের ওই রাজ্যে সাড়ে ১৯ হাজারের বেশি মানুষ কোভিড আক্রান্ত হয়েছেন।গত কাল সংবাদ সংস্থা এনএনআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আইসিএমআরের সংক্রামক রোগ বিভাগের প্রধান সমীরণ পাণ্ডা জানিয়েছেন, যে সব রাজ্যে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রভাব তেমন ভাবে দেখা যায়নি, এখন সেখানে সংক্রমণ বাড়ছে। এটা তৃতীয় ঢেউয়ের লক্ষণ।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২১
রাজ্য

Vaccine: টিকার লাইনে ধুন্ধুমার-রক্তারক্তি, পদপিষ্ট ২৫

টিকা নিতে গিয়ে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি ধুপগুড়িতে। টিকার লাইনে রক্তারক্তিকাণ্ড।পদপিষ্ট হয়েছেন কমপক্ষে ২৫ পদপিষ্ট। গুরুতর আহতদের জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অভিযোগ, ধুপগুড়ি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের গেট বন্ধ ছিল। গেট খুলতেই হুড়মুড়িয়ে টিকাকেন্দ্রে যাওয়ার চেষ্টা করেন টিকাপ্রাপকরা। অভিযোগ, টিকার পরিমাণ পর্যাপ্ত নয়। ফলে, গ্রামীণ এলাকায় পৌঁছচ্ছে না টিকা। মঙ্গলবার, ধুপগুড়ি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে টিকাপ্রাপকদের হুড়োহুড়িতে শিবিরের গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে এসে পদপিষ্ট পুলিশও।ঘটনায় বিজেপি নেত্রী অর্চনা মজুমদার বলেন, বিনামূল্যে টিকা সকলের প্রাপ্য। সরকারের কোনও পলিসি নেই, নীতি নেই। স্বাস্থ্যদপ্তর কোনও স্বচ্ছ পদক্ষেপ করেনি। ফলে, মানুষ সমস্যায় পড়ছে। ধূপগুড়ির মতো মুর্শিদাবাদেও টিকাকেন্দ্রে হুড়োহুড়ির ছবি প্রকাশ্যে এসেছে।এই প্রথম নয়, এর আগেও হাওড়া ও জেলার জেলায় টিকা নিতে গিয়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। গ্রামাঞ্চলে টিকার যোগান একেবারে না থাকায় এই সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে বলে মত স্থানীয়দের। টিকা এলেও তা পর্যাপ্ত পরিমাণ হওয়ায় মানুষের মধ্যে হুড়োহুড়ি পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে।

আগস্ট ৩১, ২০২১
কলকাতা

Vaccination: কলকাতায় টিকাকরণের নিয়মে বড়সড় বদল

আবার টিকাকরণের নিয়মে পরিবর্তন করল কলকাতা পুরসভার। বুধবার থেকে প্রথম ও দ্বিতীয় টিকার জন্য কোনও পৃথক টাইম স্লট বা পৃথক লাইন থাকবে না। সকাল ১০ টা থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত টিকাকরণ চলবে, আগে এলে আগে পাবেন-এই ভিত্তিতেই টিকা দেওয়া হবে।পুর-আধিকারিকরা বলছেন দুটি টিকার জন্য আলাদা আলাদা স্লট করায় দেখা যাচ্ছিল দ্বিতীয় টিকা নেওয়ার ক্ষেত্রে নাগরিকরাও উদাসীনতা দেখাচ্ছেন। টিকাকরণ সেন্টারের টিকার কর্মীরা হত্যে দিয়ে বসে থাকলেও দিনের শেষে টিকা ফিরে আসছে পুরসভায়। অথচ প্রথম ডোজ নিতে মঙ্গল, বৃহস্পতি ও শনিবারে সেন্টারগুলোতে লাইন পড়ছিল। পুর-কর্তৃপক্ষ মনে করছে শহরবাসী ছাড়াও বহু শহরাঞ্চলের লোক এসে প্রথম টিকা নিয়ে গিয়েছেন। দ্বিতীয় ডোজ নিতে তারা অনেকেই ফিরে আসছেন না। পরিস্থিতি বুঝেই তাই প্রথম এবং দ্বিতীয় টিকাকরণের আলাদা লাইন রাখতে চায় না পুরসভা।আরও পড়ুনঃ আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে সর্বদল বৈঠকে যোগ দেবে তৃণমূলএর আগে কলকাতা পুরসভা প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেওয়া হচ্ছিল দিনের দুটি স্লটে। পরে অড-ইভেন ডে তে টিকাকরণ চালু হয়। সেই নিয়ম পরিবর্তন করে ফের প্রথম ডোজের টিকাকরণের জন্য সকাল ১০ টা থেকে বেলা ৩টে এবং বেলা ৩টে থেকে ৪টে পর্যন্ত দ্বিতীয় ডোজের জন্য নির্ধারিত হয়। এবার টাইম স্লট তুলে দিয়ে প্রতিদিনই সকাল ১০ টা থেকে ৪টে পর্যন্ত প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেওয়া চলবে। যেমন টিকা সরবরাহ হবে সেই মতো আগে এলে আগে পাবেন ভিত্তিতে দেওয়া হবে টিকা। মঙ্গলবার থেকে কলকাতা পুরসভার অধীনস্থ ১০২ টি আরবান প্রাইমারি সেন্টার এবং ৫০ টি মেগা সেন্টারে পুরোনো নিয়মে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে।

আগস্ট ২৪, ২০২১
কলকাতা

Local Train: লোকাল ট্রেন কবে চালু হবে, জানালেন মমতা

ফের একবার লোকাল ট্রেন নিয়ে ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। গ্রামাঞ্চলে অন্তত ৫০ শতাংশ টিকাকরণ না হলে লোকাল চলবে না। বুধবার নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠকের পর একথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতায় বসবাসকারী ৭৫ শতাংশের টিকাকরণ সম্পূর্ণ হয়েছে বলে এ দিন জানান মুখ্যমন্ত্রী । এ দিন তিনি বলেন,৭৫ শতাংশ শহরাঞ্চলের জনসংখ্যাকে প্রথম কভার করছি। আমরা ৭৫ শতাংশ কভার করেছি কলকাতায়। হাওড়ায় ৮০ শতাংশ কভার করেছি। শহরাঞ্চল, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলিতে আগে টিকাকরণ করছি। গ্রামের মানুষ অনেক সচেতন। তাঁরা ফাঁকা আবহাওয়ায় নিঃশ্বাস পায়। মুক্ত হাওয়া ও সবুজ পায়। এরপর গ্রামগুলিকে ধরব।আরও পড়ুনঃ কলকাতা লিগে দুর্দান্ত শুরু মহমেডানের, নায়ক সার্বিয়ান নিকোলাএরপরই মুখ্যমন্ত্রী বলেন,গ্রামগুলিকে ৫০ শতাংশ টিকা দিতে পারলে কিছুটা নিশ্চিন্ত হয়ে আমরা লোকাল ট্রেন চালু করব। মমতার ব্যাখ্যা, এখনই করতে পারছি না কারণ তৃতীয় ঢেউয়ে বাচ্চারা আক্রান্ত হওয়ার কথা। ধরুন মা-বাবা গাদাগাদি করে ট্রেনে যাতায়াত করে। তাঁরা বাড়ি ফিরে গেল। বাড়িতে বাচ্চারা আছে। বাচ্চাদের স্বার্থে কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।

আগস্ট ১৮, ২০২১
স্বাস্থ্য

Corona Update: উদ্বেগ বাড়িয়ে ডেল্টার প্রভাবে ফের বাড়ছে সংক্রমণ

রাজ্যে ফের বাড়ল করোনার দৈনিক সংক্রমণ। স্বাস্থ্য দপ্তর প্রকাশিত শনিবারের বুলেটিনে নতুন করে রাজ্যে ৭৬৯ জন করোনা আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। উদ্বেগ বাড়িয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা ও উত্তরবঙ্গের সংক্রমণের হারও। কলকাতাতেও গত দুদিনের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে সংক্রমণ। জেলায় করোনা সংক্রমণের দিকে নজর করলে বোঝা যাবে, রাজ্যের কয়েকটি অংশে সিংহ ভাগ আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে। উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলা আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, দার্জিলিং, কালিম্পঙ ও জলপাইগুড়ি মিলিয়ে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ২০৬। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দৈনিক আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে দার্জিলিঙে (৬৫), তার পরেই রয়েছে জলপাইগুড়ি (৬১)। আরও পড়ুনঃ অনুমতি ছাড়াই ম্যারাথনে দৌঁড়লেন দিলীপ-সৌমিত্ররাদক্ষিণবঙ্গে এখনও উদ্বেগের কারণ হয়ে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। শেষ ২৪ ঘণ্টায় এই জেলায় দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ৮৯, যা রাজ্যেও সর্বোচ্চ। জেলা প্রশাসন ইতিমধ্যে ব্যারাকপুর কমিশনারেট ও বারাসত পুর এলাকায় একাধিক কন্টেনমেন্ট জোন ঘোষণা করেছে। অন্যদিকে, ভারতে করোনায় দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা কমলেও ফের বাড়ল সংক্রমণ। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রবিবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। একদিনে আক্রান্তের সংখ্যা ৪১ হাজার ৮৩১। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৩৯ হাজার ২৫৮ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৪ লক্ষ ২৪ হাজার ৩৫১ জনের। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ১৬ লক্ষ ৫৫ হাজার ৮২৪। অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৪ লক্ষ ১০ হাজার ৯৫২। করোনাকে জয় করে সুস্থ হয়েছেন ৩ কোটি ৮ লক্ষ ২০ হাজার ৫২১ জন।এই মুহূর্তে ভারতে সংক্রমণ বৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা নিচ্ছে ডেল্টা রূপ। ডেল্টার হাত ধরেই ভারতে তৃতীয় ঢেউ আসতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই প্রসঙ্গে গুলেরিয়া বলেন, হাম বা চিকেন পক্সের ক্ষেত্রে আর ভ্যালু প্রায় ৮। অর্থাৎ এক জনের থেকে আট জনের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আমরা দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় দেখেছি এক জনের থেকে পুরো পরিবারকে আক্রান্ত হতে। চিকেন পক্সের ক্ষেত্রেও এটাই হয়। ডেল্টা রূপে আক্রান্ত এক জনের পক্ষে গোটা পরিবারকে আক্রান্ত করার ক্ষমতা রয়েছে।ভারতের বেশ কিছু রাজ্যে সেরো সার্ভেতে দেখা গিয়েছে অ্যান্টিবডির পরিমাণ অনেকটাই। তবে এই বিষয় নিয়ে বেশি খুশি হওয়ার কারণ নেই বলেই জানিয়েছেন গুলেরিয়া। তিনি বলেন, আমরা দেখেছি আগে কেরলে অ্যান্টিবডি অনেক বেশি ছিল। কিন্তু সম্প্রতি সেখানে সংক্রমণ বাড়ছে। কারণ একটা সময়ের পরে শরীরে অ্যান্টিবডির পরিমাণ ও ক্ষমতা দুইই কমতে থাকে। ফলে একমাত্র টিকাই ভরসা। যত দ্রুত সম্ভব সবাইকে টিকা দেওয়া দরকার। তবেই দেশে সংক্রমণ কমানো যাবে বলে মনে করেন এইমস প্রধান।

আগস্ট ০১, ২০২১
রাজ্য

Sonarpur-Vaccine: সরকারি টিকা চুরি করে ভুয়ো ক্যাম্প, গ্রেপ্তার স্বাস্থ্যকর্মী

ডায়মন্ড হারবারের একটি সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে টিকা চুরি করে টাকা নিয়ে তা দেওয়ার অভিযোগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এক যুবককে। তাঁর নাম মিঠুন মণ্ডল। জানা গিয়েছে, তিনি ডায়মন্ড হারবারের পঞ্চগ্রাম হাসপাতালের ফার্মাসিস্ট। এ ছাড়া তিনি মশাট স্বাস্থ্যকেন্দ্রে টিকার কো-অর্ডিনেটরও ছিলেন বলে খবর। সেখান থেকেই টিকাগুলো চুরি করেছিল সে।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে প্রথম পদক ভারতেরপুলিশ জানিয়েছে, মিঠুন বাসন্তী থানা এলাকার বাসিন্দা। সোনারপুরে বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতেন তিনি। অভিযোগ, সম্প্রতি রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের স্বরূপনগরে একটি বাড়িতে বেআইনি ক্যাম্প করে এলাকার প্রায় ৪০ জনকে টিকা দিয়েছেন তিনি। টিকার জন্য এক এক জনের কাছে ৫০০ থেকে হাজার টাকা করে মিঠুন নিয়েছেন বলে অভিযোগ। টিকা নেওয়ার পরে মোবাইলে মেসেজ না আসায় সন্দেহ হয় স্থানীয়দের। তখনই তাঁরা সোনারপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।আরও পড়ুনঃ কিডস র্যাম্প শোর গ্রুমিং হলতদন্তে নেমে রূপনগর এলাকা থেকে মিঠুনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁর কাছে কোভিশিল্ডের দুটি ভায়াল পাওয়া গিয়েছে বলে খবর। ধৃতকে তিন দিনের পুলিশি হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। মিঠুনের কাছে উদ্ধার হওয়া টিকা আসল কি না তা জানার জন্য সেগুলি পরীক্ষা করতে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শুরু করেছে জেলার স্বাস্থ্য দপ্তরও। শনিবার ডায়মন্ড হারবার জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক দেবাশিস রায়, বারুইপুরের মহকুমা স্বাস্থ্য আধিকারিক ইন্দ্রনীল মিত্র, সোনারপুরের বিডিও সৌরভ ধল্ল ও ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক অনুপ মিশ্র সোনারপুর থানায় গিয়ে ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জানা গিয়েছে, এক সপ্তাহ আগে মিঠুন ডায়মন্ড হারবার ১ নম্বর ব্লকের মশাট স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে কাছ ছেড়ে দেন। টিকাগুলি মিঠুন সেখান থেকে চুরি করেছে কি না তাও খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।এই ঘটনা নিয়ে টুইট করেছেন বিজেপি বিধায়ক তথা দলের মহিলা মোর্চার নেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। এই ঘটনার জন্য তিনি রাজ্য সরকারকেই দায়ী করেছেন।

জুলাই ২৪, ২০২১
স্বাস্থ্য

Vaccinated Without Vaccine: করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ না নিয়েও ’ফাইনাল সার্টিফিকেট’! তারপর কি ঘটল?

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়করোনা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ না নেওয়া সত্ত্বেও ফাইনাল সার্টিফিকেট চলে এসেছে বর্ধমানের এক বাসিন্দার। কোউইন অ্যাপ (CoWin App) থেকে ডাউনলোড করে এমন সার্টিফিকেট পাওয়ার পরেই কার্যত চোখ কপালে উঠে গিয়েছে শহর বর্ধমানের টিকরহাটের বাসিন্দা উত্তম সাহার। এমন সার্টিফিকেট আসার পর আর দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন পাবেন কিনা তা নিয়েই দুঃশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছেন উত্তম বাবু। বিষয়টি নিয়ে তিনি সোমবার জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। উত্তমবাবুর সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন পূর্ব বর্ধমানের জেলা শাসক।আরও পড়ুনঃ ছোট্ট ছুটির ঠিকানা সিঙ্গিবর্ধমানের সরাইটিকরের বাসিন্দা বছর ৫৭ বয়সী উত্তম সাহা প্রশাসনকে জানিয়েছেন, গত ৬ এপ্রিল তিনি কোভিশিল্ডের প্রথম ডোজের টিকা নেন বর্ধমান পৌরসভার স্বাস্থ্য কেন্দ্রে। তারপর সম্প্রতি তিনি কোউইন অ্যাপ থেকে ওই প্রথম ডোজের সার্টিফিকেট ডাউনলোড করেন । তখনই তিনি জানতে পারেন ২৯ জুন থেকে ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে তাঁকে দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিতে হবে। তার জন্য কয়েকদিন আগে তিনি কোউইন অ্যাপের মাধ্যমে শ্লট বুকিং করেন। তাঁকে মেমারি গ্রামীণ হাসপাতালের অধীন দুর্গাপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ৩ জুলাই দ্বিতীয় ডোজের টিকা নেওয়ার স্লট বুকিং দেওয়া হয়। উত্তম বাবু বলেন, যেহেতু তিনি ডায়াবেটিক রোগী তাই মেমারি যেতে চাননি।আরও পড়ুনঃ দাম্পত্যে ইতি। বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত লাগান খ্যাত ভুবনেরকোউইন (CoWin) অ্যাপের মাধ্যমে বুকিং ক্যানসেল করার চেষ্টা করেন। কিন্তু তিনি তা পারেননি। ৩ জুলাই মেমারিতে দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন নিতে যেতেও পারেননি। উত্তমবাবু জানান, তিনি দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন নিতে যেতে না পারলেও তাঁর মোবাইলে দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন নেওয়ার সার্টিফিকেট চলে আসে। সেই সার্টিফিকেট কোউইন অ্যাপের মাধ্যমে ডাউনলোডও করা যাচ্ছে বলে উত্তম বাবু দাবি করেন।আরও পড়ুনঃ গানওয়ালার গান চুরির অভিযোগ, ক্ষোভপ্রকাশ সামাজিক মাধ্যমেউত্তম বাবুর অভিযোগ পাওয়ার পর জেলাশাসক প্রিয়াংকা সিংলা সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। স্বাস্থ্য দপ্তরের বক্তব্য, প্রযুক্তিগত সমস্যায় এমনটা ঘটছে। ভ্যাকসিন নেওয়ার স্লট বুকিং থাকলে অনেক ক্ষেত্রে ফাইনাল সার্টিফিকেট চলে আসছে। তবে ত্রুটি সংশোধন করে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর মঙ্গলবার উত্তম সাহার দ্বিতীয় ডোজের টিকা পাওয়ার ব্যবস্থা করেছে বলে জানা গিয়েছে।

জুলাই ০৬, ২০২১
কলকাতা

BJP-Corporation Abhiyaan: ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ডের প্রতিবাদে বিজেপির মিছিলে ধুন্ধুমার

জাল টিকা-কাণ্ডের প্রতিবাদে বিজেপির পুরসভা অভিযান ঘিরে অশান্তি ছড়িয়ে পড়ল সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউতে। এদিন দুপুর ১ টায় সুবোধ মল্লিক স্কোয়্যারে জমায়েত করে শুরু হয় বিজেপির অভিযান। আগে থেকেই তৎপর ছিল পুলিশ। ব্যারিকেড টপকে এগোতে পারেনি বিজেপি নেতা-কর্মীরা। চাঁদনি চকেই ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে বিজেপির অভিযান।আরও পড়ুনঃ সোনামুখীতে আক্রান্ত বিজেপি বিধায়ক কোভিড বিধি নিষেধের কথা মাথায় রেখে অনুমতি না মিললেও এদিন কলকাতা পুরসভা অভিযানে পথে নামে বিজেপি। সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার থেকে মিছিল শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বিজেপির মিছিল শুরু হয় মুরলীধর সরণি থেকে। প্রথম ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যেতে থাকে মিছিল। কিন্তু চাঁদনিচক মেট্রোর কাছে দ্বিতীয় ব্যারিকেডে মিছিল আটকাতে গেলে পুলিশের সঙ্গে শুরু হয় ধস্তাধস্তি। গেরুয়া শিবিরের মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে সফল হয় পুলিশ। গণেশ অ্যাভিনিউ চত্বরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।আরও পড়ুনঃ চূড়ান্ত ট্রায়ালে সাফল্য, ডেল্টা প্রজাতি রুখতে সক্ষম কোভ্যাক্সিন!এদিন মিছিলে উপস্থিত ছিলেন রাহুল সিনহা, দিলীপ ঘোষ, জয়প্রকাশ মজুমদার, ও রাজু বন্দোপাধ্যায়-সহ অন্যান্য সাংসদ বিধায়ক ও কর্মীরা। দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, গণেশ অ্যাভিনিউয়ের কাছে বিজেপি বিধায়কদের টেনেহিঁচড়ে বাসে তোলে পুলিশ।পুলিশের টানা হিঁচড়ার চোটে অসুস্থ হয়ে পড়েন এক মহিলা বিজেপি এক কর্মী। একটি বাস এনে আটক করা হয় বিজেপি নেতা-কর্মীদের। আটক করা হয় বিজেপি-র মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পলকেও। অগ্নিমিত্রা পল বলেন, আমরা ভুয়ো ভ্যাকসিন নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছি বলে আমাদের গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশ। গণতন্ত্র নেই। দেবাঞ্জনের মতো মানুষের গ্রেপ্তারি হয় না। আমরা ভুয়ো ভ্যাকসিনের প্রতিবাদ করলে গ্রেপ্তার করা হয়।Using the full might today to stop BJPs Kolkata Corporation Abhijan.Use of force against innocent protesters arresting them wont deter us from raising our voice against this corrupt regime which breeds imposters who organise fake vaccination camps. pic.twitter.com/SDyzS6cJox Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) July 5, 2021শুভেন্দু অধিকারী টুইট করে বলেন, সমস্ত শক্তি দিয়ে পুলিশ বিজেপির এই অভিযান আটকেছে। জোর খাটিয়ে নির্দোষ প্রতিবাদকারীদের আটক করে রাজ্যের ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ডের প্রতিবাদকে আটকে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ টিকা-বিতর্কে জড়ালেন আসানসোলের প্রাক্তন ডেপুটি মেয়রতিনি আরও প্রশ্ন তুলেছেন, রাজ্যে যখন দৈনিক ২০ হাজার সংক্রমণ হচ্ছিল, তখন ১৬ মে কার্যত লকডাউন পালন করা হচ্ছিল, তখন কীভাবে ১৭ মে নিজাম প্যালেসের বাইরে এত জমায়েত করা হয়েছিল? সেখানে অতিমারি আইন কোথায় ছিল কলকাতা পুলিশের? বিজেপির বিরুদ্ধে এধরনের অনৈক্য বন্ধ করা হোক।

জুলাই ০৫, ২০২১
কলকাতা

Fake Vaccine: ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ডে রাজ্যের রিপোর্ট তলব

কসবার ভুয়ো টিকা-কাণ্ডে এ বার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রাজ্যের রিপোর্ট তলব করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব হরেকৃষ্ণ দ্বিবেদীকে চিঠি দিয়ে এ কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সচিব রাজেশ ভূষণ। জাল টিকাকরণ শিবির নিয়ে গত ২৬ জুন কেন্দ্রকে চিঠি দিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেই চিঠির ভিত্তিতেই এই রিপোর্ট তলব করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র।আরও পড়ুনঃ দিল্লিতে বিস্ফোরণে মৃত ৪, জখম ১চিঠিতে বলা হয়েছে, শুভেন্দু কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছিলেন, পশ্চিমবঙ্গে অনেক জায়গায় বেআইনিভাবে টিকাকরণ শিবিরের আয়োজন করা হচ্ছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, কলকাতা পুরসভার অন্তর্গত কসবা এলাকার একটি শিবিরে টিকা প্রাপকরা কোনও মেসেজ পাননি। তাই এই শিবিরগুলি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কেন্দ্র জানিয়েছে, বার বার রাজ্যগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কো-উইন পোর্টালের মাধ্যমেই শুধুমাত্র টিকাকরণ শিবিরের আয়োজন করতে হবে। যাঁরা টিকা নেবেন তাঁদের তথ্য পোর্টালে থাকবে ও তার বদলে তাঁদের মেসেজ পাঠানো হবে। যদি কোনও প্রাপক মেসেজ না পান, তার মানে তিনি জাল শিবির থেকে টিকা নিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে এই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে রাজ্যকে। সেই সঙ্গে এই পুরো বিষয়টি নিয়ে একটি রিপোর্ট ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র।

জুন ৩০, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক বাইচুংয়ের, ‘স্থানীয় রাজনীতি’ বলে উড়িয়ে দিল ব্রাজিল! যুবভারতীর ম্যাচ ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক

৩ অক্টোবর কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারত বনাম ব্রাজিলের বহু প্রতীক্ষিত ফুটবল ম্যাচ। বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবল দলের বিরুদ্ধে ভারতের মাঠে নামার খবরে ইতিমধ্যেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু ম্যাচ যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে বিতর্কও। একদিকে এই ম্যাচ আয়োজনকে ঘিরে বিপুল খরচ এবং দেশের ফুটবল পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, অন্যদিকে এর জন্য ঘরোয়া ফুটবল সূচি ও জাতীয় দলের পরিকল্পনায় প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ।এই পরিস্থিতিতেই ভারতীয় ফুটবলের কিংবদন্তি বাইচুং ভুটিয়া সরাসরি ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, একটি মাত্র প্রদর্শনী ম্যাচের পিছনে বিপুল অর্থ খরচ না করে সেই টাকা দীর্ঘমেয়াদি ভাবে ভারতীয় ফুটবলের উন্নয়নে বিনিয়োগ করা উচিত। বাইচুংয়ের মতে, এমন ম্যাচের পিছনে অর্থ ব্যয় করলে তা দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎকে এগিয়ে নেওয়ার বদলে উল্টে পিছিয়ে দিতে পারে।বাইচুংয়ের কথায়, ম্যাচ বয়কট করলে একটি স্পষ্ট বার্তা যাবে। ভবিষ্যতে এই ধরনের বড় ম্যাচ আয়োজনের আগে ফেডারেশনকে আরও সতর্ক হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।বিপুল খরচ, প্রশ্নের মুখে ঘরোয়া ফুটবলকলকাতায় ব্রাজিলকে নিয়ে ম্যাচ আয়োজন করতে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। ম্যাচের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ব্রাজিলের পর্যবেক্ষক দল যুবভারতী পরিদর্শনও করেছে। স্টেডিয়ামের পরিকাঠামো নিয়ে তাদের তরফে কিছু উদ্বেগের কথাও উঠে এসেছে।এর পাশাপাশি সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে ভারতীয় ফুটবলের ঘরোয়া কাঠামো নিয়ে। ব্রাজিল ম্যাচকে কেন্দ্র করে আইএসএলের সূচি পিছিয়ে যাওয়ার জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে ক্লাবগুলির প্রস্তুতি এবং গোটা মরসুমের পরিকল্পনা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।অন্যদিকে ফিফা এশিয়ান কাপের বিষয়টিও নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। একই সময়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ এবং অন্যান্য সূচির সংঘাতের কারণে ভারত এশিয়ান কাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। যদিও এই বিষয়ে ব্রাজিল ফুটবল কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও নিশ্চিত তথ্য তাদের কাছে নেই বলেই জানানো হয়েছে।বাইচুংয়ের প্রশ্নএক ম্যাচের জন্য এত টাকা কেন?বাইচুং ভুটিয়ার যুক্তি, ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে ৯০ মিনিটের ম্যাচ নিঃসন্দেহে ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে বড় আকর্ষণ। কিন্তু সেই আবেগের বাইরে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা ভাবতে হবে।তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, যদি এত বড় অঙ্কের অর্থ হাতে থাকে, তবে তা আগামী কয়েক বছরের জন্য দেশের ক্রীড়া পরিকাঠামো, প্রতিভা অন্বেষণ, প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরিতে বিনিয়োগ করা যায় না কেন? তাঁর মতে, সেই বিনিয়োগ থেকে ভবিষ্যতে কমনওয়েলথ গেমস বা অলিম্পিক্সের মতো মঞ্চে পদক পাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।এবার পাল্টা বার্তা ব্রাজিলেরভারতীয় ফুটবল মহলে যখন ম্যাচ বয়কট নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে, তখন ব্রাজিলের ফুটবল কর্তাদের বক্তব্য পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের অভ্যন্তরে এই ম্যাচ নিয়ে কী ধরনের বিতর্ক চলছে, তা নিয়ে ব্রাজিল কর্তৃপক্ষ বিশেষ চিন্তিত নয়। ম্যাচের সূচি পরিবর্তনেরও কোনও সম্ভাবনা নেই।বয়কট নিয়ে ব্রাজিলের তরফে বিশেষ মাথাব্যথা নেই বলেও ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। বরং এই ধরনের বক্তব্যকে স্থানীয় রাজনৈতিক বা অভ্যন্তরীণ বিতর্কের অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের দাবি।এশিয়ান কাপ থেকে ভারতের নাম প্রত্যাহারের বিষয়েও ব্রাজিল কর্তৃপক্ষের কাছে কোনও স্পষ্ট তথ্য নেই বলে জানা গিয়েছে। ফলে ভারতের অভ্যন্তরীণ ফুটবল পরিস্থিতির সঙ্গে ব্রাজিলের কলকাতা সফরকে যুক্ত করার কোনও কারণ দেখছে না পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।ভারত আমাদের সমর্থন করেছে, বলছে ব্রাজিলব্রাজিল দলের পক্ষ থেকে রড্রিগো কেতানোও এই ম্যাচের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর বক্তব্যের মূল সুরভারত বিশ্বকাপের সময়ে ব্রাজিলকে যে সমর্থন দিয়েছে, তার জন্য তারা কৃতজ্ঞ। কলকাতায় ম্যাচ আয়োজনকে তাই শুধু বাণিজ্যিক বা প্রদর্শনী ম্যাচ হিসেবে দেখছে না ব্রাজিল।ব্রাজিলের তরফে জানানো হয়েছে, এই ম্যাচে তারা নিজেদের সেরা ফুটবল উপহার দিতে চায়। অর্থাৎ ভারতের মাটিতে এসে শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা সারাই তাদের লক্ষ্য নয়; বরং ভালো পারফরম্যান্স করে ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে তুলতে চায় তারা।স্টিমাচের কটাক্ষেও বাড়ছে বিতর্কব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন ভারতের প্রাক্তন কোচ ইগর স্টিমাচও। তাঁর বক্তব্য, দেশের ঘরোয়া লিগ এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনার মধ্যে এখনও প্রয়োজনীয় সামঞ্জস্য তৈরি হয়নি। সেই সমস্যা সমাধান না করে ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনার মতো দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ আয়োজন করা হলে তা ভারতীয় ফুটবলের জন্য উল্টে অস্বস্তির কারণ হতে পারে।অর্থাৎ একদিকে বাইচুংয়ের আর্থিক অগ্রাধিকারের প্রশ্ন, অন্যদিকে স্টিমাচের ঘরোয়া ফুটবলের কাঠামো নিয়ে অভিযোগসব মিলিয়ে ৩ অক্টোবরের ম্যাচ এখন শুধুমাত্র একটি ফুটবল ম্যাচে সীমাবদ্ধ নেই।ম্যাচ হবে, বিতর্কও চলবে?একদিকে ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে যুবভারতীতে ভারতকে দেখার স্বপ্নে ফুটবলপ্রেমীরা উত্তেজিত। অন্যদিকে দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ, বিপুল খরচ, আইএসএলের সূচি এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন প্রাক্তন ফুটবলার ও কোচেরা।ব্রাজিলের তরফে অবশ্য এখনও পর্যন্ত বার্তা স্পষ্টতারা ম্যাচ খেলতে প্রস্তুত এবং সূচি বদলের কোনও পরিকল্পনা নেই। ফলে ৩ অক্টোবর যুবভারতীতে ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা যেমন বাড়ছে, তেমনই তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিতর্কও। এখন দেখার, শেষ পর্যন্ত মাঠের ৯০ মিনিট কি সমস্ত বিতর্ককে ছাপিয়ে যেতে পারে, নাকি ম্যাচ শেষ হওয়ার পরও ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে এই প্রশ্নগুলি আরও জোরালো হয়ে ওঠে।

আগস্ট ২২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

দুই দশকের ডুরান্ডের আক্ষেপ ঘোচানোর লড়াই, ডার্বির আগে হাবাসের মন্ত্র—‘আবেগ নয়, বুদ্ধিই শেষ কথা’

দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অপেক্ষা। শেষ বার ২০০৪ সালে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ২-১ গোলে হারিয়ে ট্রফি জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর থেকে সময় গড়িয়েছে, বদলেছে দল, কোচ, ফুটবলারকিন্তু লাল-হলুদ শিবিরের ডুরান্ড-খরা কাটেনি। ২২ বছর পর সেই আক্ষেপ মুছে ফেলার সামনে দাঁড়িয়ে ইস্টবেঙ্গল। আর সেই লড়াইয়ের মঞ্চে প্রতিপক্ষ আবারও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান।রবিবারের ডুরান্ড ফাইনাল তাই শুধু একটি ট্রফির লড়াই নয়। একদিকে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটানোর তাগিদ, অন্যদিকে ডার্বির অতিরিক্ত উত্তেজনাসব মিলিয়ে ম্যাচের আবহ ইতিমধ্যেই তুঙ্গে। তবে এই আবেগকেই নিয়ন্ত্রণে রাখাকে সাফল্যের অন্যতম চাবিকাঠি বলে মনে করছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস।হাবাসের কাছে ডার্বি মানেই শুধু আবেগের লড়াই নয়, বরং মাথা ঠান্ডা রেখে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরীক্ষা। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, কলকাতার ফুটবলপ্রেমীদের কাছে ম্যাচটির গুরুত্ব যতই বেশি হোক, তাঁর দলকে মাঠে নেমে এটিকে একটি সাধারণ ম্যাচের মতোই খেলতে হবে।হাবাসের কথায়, ডার্বিতে আবেগ থাকবেই। কিন্তু সেই আবেগ যদি খেলোয়াড়দের নিয়ন্ত্রণ করে, তাহলে কৌশল এবং পরিকল্পনা ভেস্তে যেতে পারে। তাই তাঁর লক্ষ্য আবেগের মাত্রা ১০০ শতাংশ থেকে নামিয়ে প্রায় ২৫ শতাংশে নিয়ে আসা। ম্যাচের ৯০ মিনিটে কোন মুহূর্তে ঝুঁকি নিতে হবে, কখন ধৈর্য ধরতে হবে এবং কখন কৌশল বদলাতে হবেসেই বুদ্ধিমত্তাই পার্থক্য গড়ে দিতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।ফাইনালের আগে ইস্টবেঙ্গলের জন্য বড় ধাক্কা পিভি বিষ্ণুর অনুপস্থিতি। সেমিফাইনালের মতো ফাইনালেও মাঠে নামতে পারবেন না দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আক্রমণভাগের ফুটবলার। চলতি ডুরান্ডে দুরন্ত ছন্দে ছিলেন বিষ্ণু। সিআইএসএফের বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গলের ৮-০ জয়ের ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে নজর কেড়েছিলেন তিনি। তাঁর গতি এবং আক্রমণাত্মক ফুটবল প্রতিপক্ষের রক্ষণকে একাধিক বার সমস্যায় ফেলেছে।বিষ্ণুকে না পাওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই পরিকল্পনায় কিছুটা পরিবর্তন আনতে হবে হাবাসকে। তাঁর জায়গায় প্রথম একাদশে বিপিন সিংয়ের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিকল্প হিসেবে ভাবনায় রয়েছেন জেসিন টিকে। ডুরান্ডেই সিআইএসএফের বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে নিজের দাবিও জোরালো করেছেন তিনি।শুধু বিষ্ণু নন, ফাইনালে এফিয়ংকেও পাওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন হাবাস। বিদেশি স্ট্রাইকার এবং ডিফেন্ডার ছাড়া এমন গুরুত্বপূর্ণ ডার্বিতে নামা যে সহজ নয়, তা স্বীকার করেছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। তবে সমস্যাকে সামনে রেখে অজুহাত তৈরি করতে তিনি একেবারেই রাজি নন।হাবাসের বক্তব্য, রেফারিং, প্রতিপক্ষ কিংবা দলের কোনও নির্দিষ্ট ফুটবলার না থাকার মতো বিষয়কে সামনে রেখে ম্যাচের আগে অজুহাত খোঁজা অর্থহীন। মাঠে যে ফুটবলাররা থাকবেন, তাঁদের নিয়েই সেরাটা দিতে হবে। তাঁর বিশ্বাস, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও ইস্টবেঙ্গল নিজেদের সেরা ফুটবল খেলতে সক্ষম।অন্যদিকে, মোহনবাগানকে যথেষ্ট সমীহ করছেন লাল-হলুদ কোচ। সবুজ-মেরুন দলের প্রত্যেক ফুটবলারকেই বিপজ্জনক বলে মনে করছেন তিনি। বিশেষ করে গোলরক্ষক বিশাল কাইথের প্রশংসা করেছেন হাবাস। তবে নিজের দলের গোলরক্ষক প্রভসুখন সিং গিলের উপরও তাঁর আস্থা অটুট। ফলে ফাইনালে দুই গোলরক্ষকের পারফরম্যান্সও ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।ডার্বির উত্তাপের মধ্যেও অবশ্য প্রস্তুতির ধরন বদলে ফেলেছে ইস্টবেঙ্গল। ফাইনালের আগে মাঠের অনুশীলন বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দল। হাবাসের মতে, এই মুহূর্তে আরও একটি অনুশীলনের চেয়ে ফুটবলারদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম দেওয়া বেশি জরুরি। গত কয়েক দিনে ম্যাচের প্রস্তুতি এবং রিকভারির জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া গিয়েছে। তাই ফুটবলারদের শরীরকে তরতাজা রাখাই এখন তাঁর অগ্রাধিকার।মাঠের বদলে হোটেলেই চলবে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি। জিমে অনুশীলন, ফুটবলারদের কাছ থেকে আরও নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং ইনডোর সেশনের মাধ্যমে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সারবে দল।সব মিলিয়ে রবিবারের ফাইনাল ইস্টবেঙ্গলের কাছে একাধিক কারণে বিশেষ। ২২ বছরের ডুরান্ড-খরা কাটানোর হাতছানি, সামনে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান, আবার ২০০৪ সালের ফাইনালের স্মৃতিও ফিরছে। কিন্তু ইতিহাস কিংবা আবেগ নিয়ে বেশি ভাবতে চান না হাবাস। তাঁর কাছে হিসাবটা একেবারেই সরল৯০ মিনিট মাথা ঠান্ডা রেখে খেলতে হবে, সঠিক মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং কোনও অজুহাত ছাড়াই ট্রফির জন্য লড়াই করতে হবে।২২ বছর আগের সেই জয়ের স্মৃতি কি আবারও লাল-হলুদ সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটাবে? নাকি ডার্বির মঞ্চেই ইস্টবেঙ্গলের দীর্ঘ অপেক্ষা আরও বাড়বেউত্তর মিলবে রবিবারের মহারণে।

আগস্ট ২২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ডার্বির আগে ক্লান্তি-ক্ষোভ, তবু জয়ের জেদে মোহনবাগান! ফাইনালের মঞ্চে ‘মোমেন্টাম’-কেই অস্ত্র করছেন প্যানোস

তিন বছর পর ফের ডুরান্ড কাপের ফাইনালে কলকাতা ডার্বি। রবিবারের মহারণকে ঘিরে ইতিমধ্যেই উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করেছে। একদিকে ইস্টবেঙ্গল, অন্যদিকে মোহনবাগানদুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর লড়াইয়ে ট্রফির পাশাপাশি সম্মানের প্রশ্নও জড়িয়ে। কিন্তু ফাইনালের আগে দুই দলের প্রস্তুতির ছবিটা একেবারেই এক নয়। বিশেষ করে শিলং থেকে কলকাতায় ফিরে আসার ধকল এবং ঠাসা সূচি নিয়ে রীতিমতো ক্ষুব্ধ মোহনবাগান কোচ প্যানাজিওটিস দিলম্পেরিস।সেমিফাইনালে টাইব্রেকারে শিলং লাজংকে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে মোহনবাগান। একইভাবে পেনাল্টি শুটআউটে জয় পেয়েছে ইস্টবেঙ্গলও। তবে লাল-হলুদ শিবিরের তুলনায় সবুজ-মেরুনের সমস্যা বেশি। কলকাতায় ম্যাচ খেলে ইস্টবেঙ্গল যেখানে ঘরের পরিবেশেই প্রস্তুতির সুযোগ পেয়েছে, সেখানে শিলং থেকে কলকাতায় ফেরার পথেই মোহনবাগান ফুটবলারদের পেরোতে হয়েছে নানা ঝক্কি।এর সঙ্গে যোগ হয়েছে ম্যাচের ঘনঘটা। মাত্র ছদিনের মধ্যে তিনটি ম্যাচ খেলতে হয়েছে মোহনবাগানকে। ফলে অনুশীলন এবং বিশ্রামের জন্য প্রয়োজনীয় সময় প্রায় মেলেনি। এমন পরিস্থিতিতে ডার্বির মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে দলের প্রস্তুতি কতটা ব্যাহত হয়েছে, তা নিয়ে কোনও রাখঢাক করেননি প্যানোস।গ্রিক কোচের বক্তব্যে স্পষ্ট, সূচি নিয়ে তাঁর অসন্তোষ যথেষ্ট গভীর। গ্রুপ পর্বে সবার উপরে থাকার পরেও তাঁর দলকে যে পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে, তা মেনে নিতে পারছেন না তিনি। প্যানোসের কথায়, গ্রুপ পর্বে সেরা দল হওয়ার পরও তাঁদের সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে, তাতে তিনি এবং দলের ফুটবলাররা হতাশ।শুধু ম্যাচ খেললেই যে প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হয় না, সেটিও মনে করিয়ে দিয়েছেন মোহনবাগান কোচ। তাঁর বক্তব্য, এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় গিয়ে ম্যাচ খেলে পরের ম্যাচের জন্য তৈরি হয়ে যাওয়া যায় না। শিলংয়ের ম্যাচের পর দলের অনুশীলনের সুযোগও হয়নি। ফলে ফুটবলারদের শারীরিক ক্লান্তির পাশাপাশি ম্যাচের আগে কৌশলগত প্রস্তুতির ঘাটতিও থাকছে।তবে সমস্যার কথা বললেও ডার্বির আগে আত্মবিশ্বাসে কোনও ঘাটতি নেই প্যানোসের। বরং প্রতিকূল পরিস্থিতিকে সরিয়ে রেখে ফাইনালের মঞ্চে জয়ের জন্যই দলকে প্রস্তুত করছেন তিনি। তাঁর মতে, এই ধরনের ম্যাচে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে মোমেন্টাম। ম্যাচের শুরু থেকে ছন্দ নিজেদের দখলে রাখতে পারলে পরিস্থিতি নিজেদের পক্ষে ঘুরিয়ে দেওয়া সম্ভব।এবারের ডুরান্ডে মোহনবাগানের অভিযানও শুরু হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে। স্বাভাবিকভাবেই সেই জয় ফাইনালের আগে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দিতে পারে। কিন্তু প্যানোস অতীতের ফলাফলকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। তাঁর মতে, গ্রুপ পর্বের ম্যাচ আর ফাইনাল সম্পূর্ণ আলাদা। এবার এমন একটি ম্যাচ, যার পর আর পরের ম্যাচের জন্য অপেক্ষা করার সুযোগ নেইজিততেই হবে।মোহনবাগানের শক্তি বাড়িয়েছে বিদেশি ফুটবলারদের যোগদানও। নতুনদের নিয়ে আশাবাদী কোচ। তবে ফাইনালের মতো ম্যাচে শুধুমাত্র অভিজ্ঞতাই যে জয়ের নিশ্চয়তা দিতে পারে না, সেটাও মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি। তাঁর কাছে দলগত পারফরম্যান্স এবং ম্যাচের মুহূর্তকে কাজে লাগানোই আসল।আর সেই দলগত লড়াইয়ের অন্যতম বড় ভরসা গোলরক্ষক বিশাল কাইথ। পরপর দুই ম্যাচে টাইব্রেকারে গুরুত্বপূর্ণ পেনাল্টি বাঁচিয়ে মোহনবাগানকে ফাইনালে তুলেছেন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ কোচ। বিশালের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ প্যানোস তাঁকে দেশের সেরা গোলরক্ষকদের একজন বলেই মনে করছেন।অন্যদিকে রবিবারের ডার্বি নিয়ে প্রবল উত্তেজিত মোহনবাগানের নতুন মুখ সমীর জেলকোভিচও। সবুজ-মেরুন জার্সিতে এটি তাঁর তৃতীয় ম্যাচ, আর কেরিয়ারের প্রথম কলকাতা ডার্বি। ভারতীয় ফুটবলের সবচেয়ে বড় ম্যাচের অংশ হতে পারাকে তিনি গর্বের বলে মনে করছেন। তবে শুধু ডার্বি খেলার অভিজ্ঞতা নয়, ট্রফি জিতেই সমর্থকদের সঙ্গে উৎসবে মাততে চান তিনি।দলে দেরিতে যোগ দিয়েও সতীর্থদের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিয়েছেন সমীর। মজার বিষয়, ইস্টবেঙ্গলের দানি র্যামিরেজের সঙ্গেও তাঁর আগে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। ফলে ডার্বির প্রতিপক্ষের এক ফুটবলারকে তিনি বেশ ভালোভাবেই চেনেন। তবে মাঠে বন্ধুত্বের কোনও জায়গা থাকবে নালক্ষ্য একটাই, মোহনবাগানের জয়।সব মিলিয়ে ডুরান্ড ফাইনালের আগে মোহনবাগানের সামনে রয়েছে এক অদ্ভুত সমীকরণ। একদিকে ক্লান্তি, ভ্রমণের ধকল, অনুশীলনের ঘাটতি এবং সূচি নিয়ে কোচের ক্ষোভ; অন্যদিকে ডার্বির উত্তেজনা, আত্মবিশ্বাস এবং ট্রফি জয়ের তীব্র আকাঙ্ক্ষা। শেষ পর্যন্ত সেই প্রতিকূলতাকে পেরিয়ে কোন দল নিজেদের সেরাটা মেলে ধরতে পারে, তার উপরই নির্ভর করবে ডুরান্ডের মুকুট কার মাথায় উঠবে। আর প্যানোসের বার্তা একেবারে পরিষ্কারঅজুহাত নয়, ডার্বিতে চাই ১০০ শতাংশ লড়াই এবং জয়।

আগস্ট ২২, ২০২৬
রাজ্য

পাহাড় নিয়ে অমিত শাহের সঙ্গে বিমল গুরুংদের দীর্ঘ বৈঠক, তৈরি হল ‘শাহী নকশা’! গোর্খাল্যান্ড নিয়ে কী সিদ্ধান্ত?

পাহাড়ের উন্নয়ন এবং দীর্ঘদিনের সমস্যার স্থায়ী সমাধান নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করলেন বিমল গুরুং, রোশন গিরি-সহ পাহাড়ের নেতারা। শনিবার দার্জিলিংয়ে এই ত্রিপাক্ষিক বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। পাহাড়ের উন্নয়ন, কর্মসংস্কৃতি, পর্যটন এবং দীর্ঘদিনের গোর্খাল্যান্ডের দাবি নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।উত্তরবঙ্গ সফরে থাকা অমিত শাহ শনিবার দার্জিলিংয়ে পৌঁছন। সেখানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা, গোর্খা নেতা বিমল গুরুং এবং রোশন গিরি-সহ সংশ্লিষ্ট পক্ষের প্রতিনিধিরা বৈঠকে যোগ দেন। পাহাড়ের সমস্যা নিয়ে দীর্ঘদিন পর এই ধরনের ত্রিপাক্ষিক আলোচনা হওয়ায় বৈঠকটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।পাহাড়ের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং গোর্খাল্যান্ডের দাবি নিয়ে অতীতে একাধিকবার আন্দোলন হয়েছে। সেই আন্দোলনে উত্তপ্ত হয়েছে দার্জিলিং, এমনকি রক্তপাতের ঘটনাও ঘটেছে। এবার পাহাড়ের উন্নয়ন এবং সমস্যার স্থায়ী সমাধানের পথ খুঁজতেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।বৈঠকে পাহাড়ের উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পর্যটন শিল্পকে আরও শক্তিশালী করা, কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থায় গতি আনার মতো বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে। পাহাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান কীভাবে করা যায়, তা নিয়েও মত বিনিময় হয়েছে।বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল পাহাড়ের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণ। গোর্খাল্যান্ডের দাবি নিয়ে আগামী দিনে কী আলোচনা হবে, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল তৈরি হয়েছে। তবে বৈঠক থেকে এখনই গোর্খাল্যান্ড নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়নি। বরং সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যেই পাহাড়ের সমস্যার সমাধানের কথা বলা হয়েছে।পাহাড়ের সমস্যাগুলি নিয়ে নিয়মিত পর্যালোচনার জন্য একটি স্থায়ী কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। এই কমিটির নেতৃত্বে থাকবেন প্রাক্তন পুলিশ আধিকারিক পঙ্কজকুমার সিং। কমিটিতে আর কারা থাকবেন, কত জন সদস্য থাকবেন, সেই বিষয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।অমিত শাহ জানিয়েছেন, সাংবিধানিক পথেই পাহাড়ের সমস্যার সমাধান করা হবে। পাশাপাশি দার্জিলিংয়ের উন্নয়ন নিয়েও নিয়মিত পর্যালোচনা করা হবে। পাহাড়ে উন্নয়নের গতি বাড়ানো এবং প্রশাসনিক সমস্যাগুলি দ্রুত সমাধানের উপর জোর দেওয়া হয়েছে।বৈঠকে পাহাড়ের উন্নয়নের জন্য গোর্খা টেরিটোরিয়াল প্রশাসনকে আরও কার্যকর করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। আগের সরকারের সময়ে পাহাড়ের উন্নয়ন এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে ঘিরে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। নতুন সরকারের আমলে সেই সমস্যাগুলি কাটিয়ে উন্নয়নের দিকে নজর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।বিমল গুরুং এবং রোশন গিরিরাও সাংবিধানিক পথেই পাহাড়ের সমস্যার সমাধানের বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে এই বৈঠকের পর পাহাড়ের রাজনীতিতে নতুন কোনও সমীকরণ তৈরি হয় কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

আগস্ট ২২, ২০২৬
কলকাতা

নোটিস নয়, অনিয়ম দেখলেই হোটেল সিল! মির্জা গালিব স্ট্রিটের আগুনের পর বড় নির্দেশ অগ্নিমিত্রার

কলকাতায় বেআইনি হোটেল নিয়ে কড়া পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিলেন পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। কয়েক দিন আগে মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৯ জনের মৃত্যু হয়। সেই ঘটনার পর শহরের বিভিন্ন এলাকায় বেআইনি হোটেল ও অতিথিশালা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। শনিবার মার্কুইজ স্ট্রিটের হোটেলগুলি পরিদর্শনে গিয়ে মন্ত্রী জানান, শুধু নোটিস দিয়ে আর কাজ চালানো হবে না। অনিয়ম ধরা পড়লে প্রয়োজনে সরাসরি হোটেল সিল করে দেওয়া হবে।অগ্নিকাণ্ডের পর ধর্মতলা এলাকায় ইতিমধ্যেই ১৬টি হোটেল সিল করেছে দমকল। আরও ২৫টি হোটেলকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শনিবার মার্কুইজ স্ট্রিটের বিভিন্ন হোটেল ঘুরে দেখেন অগ্নিমিত্রা। সেখানেই তিনি বেআইনি হোটেলের বিরুদ্ধে আরও কড়া পদক্ষেপের কথা জানান।মন্ত্রী বলেন, শুধু নোটিস দিয়ে কোনও লাভ হচ্ছে না। কোনও হোটেলে অনিয়ম ধরা পড়লে সেখানে অতিথিরা থাকলে তাঁদের নিরাপদে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য ২৪ ঘণ্টা সময় দেওয়া হবে। তার পরেও প্রয়োজন হলে হোটেল সিল করে দেওয়া হবে। তবে সমস্ত কাগজপত্র নিয়মমাফিক থাকলে পরবর্তী সময়ে সেই হোটেল আবার খোলার সুযোগ থাকবে বলেও জানান তিনি।শহরে এত দিন ধরে কী ভাবে বেআইনি ভাবে হোটেল ও অতিথিশালা চলছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অগ্নিমিত্রা। এই বিষয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, বেআইনি কাজকে আর কোনও ভাবেই নিয়মে পরিণত করা যাবে না।অগ্নিমিত্রার বক্তব্য, মির্জা গালিব স্ট্রিটের অগ্নিকাণ্ডের মতো ঘটনা যাতে ফের না ঘটে, তার জন্য শহরের হোটেলগুলির নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র খতিয়ে দেখা জরুরি। কোনও হোটেলে নিয়মের ব্যত্যয় ধরা পড়লে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশই দিয়েছেন তিনি।অগ্নিমিত্রা বলেন, নোটিসে কোনও কাজ হয় না। অতিথি থাকলে ২৪ ঘণ্টা সময় দিন। তার পর সিল করে দিন। সব কাগজপত্র ঠিক থাকলে তখন আবার খুলে দেওয়া যাবে।

আগস্ট ২২, ২০২৬
দেশ

পাকিস্তান থেকে চলত সিম, বাংলাদেশে পৌঁছত হাওয়ালার টাকা! দিল্লিতে ধৃত শিলিগুড়ির প্রদীপ্তকে ঘিরে বড় রহস্য

দিল্লি থেকে পাক গুপ্তচর সন্দেহে শিলিগুড়ির বাসিন্দা প্রদীপ্তকুমার সরকারকে গ্রেপ্তার করেছে রাজ্য পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল। তদন্তকারীদের দাবি, প্রদীপ্ত হাওয়ালা চক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁর মাধ্যমে বাংলাদেশে টাকা পৌঁছে দেওয়া হত বলে অভিযোগ। সেই টাকা পরে পাকিস্তানি গুপ্তচর এবং তাদের সহযোগীদের কাছে পৌঁছত কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।তদন্তকারীদের নজরে আসার পর প্রদীপ্তের কাছ থেকে একটি সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়। সেই সিমটি পাকিস্তান থেকে পরিচালিত হত বলে প্রাথমিক তদন্তে দাবি তদন্তকারীদের। বিষয়টি নিশ্চিত করতে সিম কার্ডটি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এই সিমের মাধ্যমে কার সঙ্গে যোগাযোগ করা হত এবং এর সঙ্গে হাওয়ালা চক্রের কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারীদের দাবি, প্রদীপ্ত বর্তমানে দিল্লিতে থাকলেও তাঁর শিকড় শিলিগুড়িতে। নেপালকে করিডোর করে উত্তরবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশ পর্যন্ত হাওয়ালার একটি নেটওয়ার্কের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। বাংলাদেশে থাকা কয়েক জনের সহযোগিতায় এই লেনদেন চলত কি না, তা নিয়েও তদন্ত চলছে।তদন্তকারীদের আরও দাবি, হাওয়ালার টাকার হিসাব মেলাতে প্রদীপ্তকে মাঝেমধ্যেই বাংলাদেশে যেতে হত। সেই সূত্র ধরেই তাঁর গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য হাতে আসে তদন্তকারীদের। এরপর তাঁর মোবাইল এবং অন্যান্য নথি খতিয়ে দেখে একাধিক বিষয় নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়।প্রদীপ্তের সঙ্গে জাল নোট এবং সিম পাচার চক্রেরও যোগাযোগ থাকতে পারে বলে তদন্তকারীদের ধারণা। তবে এই অভিযোগগুলির কোনওটিই এখনও আদালতে প্রমাণিত নয়। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য সামনে আসবে বলেই জানিয়েছে তদন্তকারী দল।অন্যদিকে, জাল নোট এবং সিম কার্ড পাচারের অভিযোগে ইসলামপুর থেকে গ্রেপ্তার ফজলে রাব্বি সিদ্দিকিকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে তদন্তকারীরা। শুক্রবার তাঁকে দিনহাটা মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। ফজলে রাব্বি ইসলামপুরের তৃণমূলের প্রাক্তন জেলা সভাপতি জাকির হোসেনের ভাই।ইসলামপুরের পাটাগোরা গ্রাম থেকে স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতায় ফজলে রাব্বিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে সাপের বিষ পাচারের একটি মামলাতেও তাঁর নাম জড়িয়েছিল বলে অভিযোগ। প্রদীপ্তের সঙ্গে ফজলে রাব্বির কোনও যোগাযোগ ছিল কি না, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই দুই ব্যক্তির মধ্যে কোনও যোগসূত্র থাকলে তার মাধ্যমে হাওয়ালা, জাল নোট এবং সিম পাচারের চক্র সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে। প্রদীপ্তের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া সিমের ফরেনসিক রিপোর্ট এবং জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের দিকেই এখন নজর তদন্তকারীদের।

আগস্ট ২২, ২০২৬
রাজ্য

ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলায় শওকত মোল্লার উপর আরও চাপ! চারজনের বিরুদ্ধে ইউএপিএ চাইল এনআইএ

ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলায় তৃণমূল নেতা শওকত মোল্লা-সহ চারজনের বিরুদ্ধে বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন প্রয়োগের আবেদন করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। শুক্রবার কলকাতার নগর দায়রা আদালতের বিশেষ জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা আদালতে বিচারক অনুপম মাইতির এজলাসে এই আবেদন করা হয়।জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি দেবাশিস মল্লিক চৌধুরি আদালতে আবেদন জানান। বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনের ১৬ এবং ১৮ ধারা প্রয়োগের আর্জি জানানো হয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়। এই আবেদন ঘিরে ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলায় নতুন করে চাপ তৈরি হল শওকত মোল্লা-সহ চার অভিযুক্তের উপর।চলতি বছরে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভাঙড়ে বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় বোমা তৈরির কাজে যুক্ত এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। আরও এক জন গুরুতর আহত হন। ঘটনার তদন্তে নামে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। তদন্তের সময় শওকত মোল্লার নাম উঠে আসে বলে দাবি তদন্তকারীদের।বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর শওকত মোল্লাকে খুঁজছিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। পরে সোনারপুরের কামালগাজি সংলগ্ন এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। যদিও পরিবারের দাবি ছিল, আত্মসমর্পণ করতে যাওয়ার সময় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।গ্রেপ্তারের ৮৭ দিনের মাথায় আদালতে চার্জশিট জমা দেয় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই চার্জশিটে শওকত মোল্লাকেই বিস্ফোরণ মামলার মূল অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয় বলে তদন্তকারী সংস্থার দাবি। মোট চারজনকে এই মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।তদন্তকারীদের অভিযোগ, বোমা তৈরির কাজ শওকত মোল্লার নির্দেশেই চলছিল। বিস্ফোরণের পর পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্যও তাঁর মোবাইল ফোন থেকে এলাকায় একাধিক নির্দেশ গিয়েছিল বলে দাবি জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার। শওকতকে গ্রেপ্তারের পর তাঁর মোবাইল ফোন খতিয়ে দেখে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলেও তদন্তকারীদের দাবি।জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার আরও অভিযোগ, বিস্ফোরণের ঘটনায় ধৃত চারজনের মধ্যে শওকত মোল্লাই ছিলেন মূল চক্রান্তকারী। যদিও এই সমস্ত অভিযোগ এখনও আদালতে বিচারাধীন এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।এবার সেই মামলাতেই আরও কড়া আইনের ধারা প্রয়োগের আবেদন করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। আদালত এই আবেদনের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক ও আইনজীবী মহলের।

আগস্ট ২২, ২০২৬
রাজ্য

মুখ থেঁতলানো, শরীরে একাধিক ক্ষত! নিউটাউনে বস্তাবন্দি যুবকের দেহ ঘিরে রহস্য

নিউটাউনের স্বামীজি নগরে বস্তাবন্দি যুবকের দেহ উদ্ধার ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য। মৃতের নাম সৌরভ বিশ্বাস। তাঁর বয়স আনুমানিক ৩২ থেকে ৩৫ বছর। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, দুতিন দিন আগেই তাঁকে খুন করা হয়ে থাকতে পারে। দেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মুখও থেঁতলানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।শনিবার সকালে স্বামীজি নগর এলাকা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় যুবকের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ইকো পার্ক থানার পুলিশ। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। প্রথমে মৃতের পরিচয় জানা যায়নি। পরে পুলিশ জানতে পারে, তাঁর নাম সৌরভ বিশ্বাস।তদন্তে নেমে পুলিশ ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখছে। প্রাথমিক ভাবে ফুটেজে দেখা গিয়েছে, এক যুবক কাঁধে করে বস্তাবন্দি একটি দেহ নিয়ে এসে একটি দাঁড়িয়ে থাকা বাইকের পিছনে রেখে যায়। এরপর দেহের উপর ইট চাপা দিয়ে সে সেখান থেকে চলে যায়। রাতের অন্ধকারের কারণে ওই যুবকের মুখ স্পষ্ট ভাবে দেখা যায়নি বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, রাত প্রায় চারটে কুড়ি নাগাদ ওই যুবক সেখানে এসেছিল। দেহ ফেলে যাওয়ার পর প্রায় এক মিনিট সেখানে দাঁড়িয়েছিল সে। এরপর বাইকটি রেখে দ্রুত এলাকা ছেড়ে চলে যায়। সকালে বিষয়টি নজরে আসতেই স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের শরীরে একাধিক ট্যাটু রয়েছে। তাঁর শরীরে বেশ কয়েকটি ক্ষতও পাওয়া গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, সৌরভ প্রায় তিন দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন। ফলে নিখোঁজ হওয়ার সঙ্গে তাঁর মৃত্যুর কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ, মৃতের পরিচয় এবং গত কয়েক দিনের তাঁর গতিবিধি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কে বা কারা তাঁকে হত্যা করল এবং কেন দেহটি বস্তায় ভরে নিউটাউনে ফেলে যাওয়া হল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ আরও স্পষ্ট হবে।

আগস্ট ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal