• ২৭ মাঘ ১৪৩২, শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Vaccination

কলকাতা

Belur Math: কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মানুষের পাশে বেলুড় মঠ

কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এবার মানুষের পাশে বেলুড় মঠ। কোভিড-১৯ টিকাকরণ কেন্দ্র এবার রামকৃষ্ণ মিশন শিক্ষণ মন্দিরের উদ্যোগে। কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বেলুড় মঠের রামকৃষ্ণ মিশন শিক্ষণ মন্দিরের তরফেই এবার টিকাকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। লকডাউন পরিস্থিতিতে দিন আনা দিন খাওয়া মানুষের জন্য খাদ্যবস্তু দান, কোভিডের আরটিপিসিআর টেস্ট, সেফ হোমের ব্যবস্থার পর এবার কোভিড টিকাকরণের ব্যবস্থা করল বেলুড় মঠ।আরও পড়ুনঃ জর্জ ফ্লয়েড হত্যায় অভিযুক্ত পুলিশকর্মীর সাড়ে ২২ বছরের জেল রামকৃষ্ণ মিশন সারদাপীঠ দ্বারা প্রযোজিত রামকৃষ্ণ মিশন শিক্ষণ মন্দিরের ব্যবস্থাপনায় আগামী পয়লা জুলাই থেকে বেসরকারি হাসপাতালের সহযোগিতায় এই কোভিড টিকাকরণ শুরু হতে চলেছে। সরকার নির্ধারিত মূল্য ৭৮০টাকা জনপ্রতি ধার্য করা হলেও দুঃস্থ এবং অসহায় মানুষদের জন্য ছাড়ের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। কো-উইন অ্যাপের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করে বেলুড় মঠের নির্দিষ্ট নম্বরে ফোন করে অন্তত তিন দিন আগে নাম নথিভুক্ত করাতে হবে। কোভিশিল্ডের প্রথম এবং দ্বিতীয় দুটি ডোজই এখানে দেওয়া হবে। প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার ৩০০ জনকে ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা প্রাথমিকভাবে করা হয়েছে। শনিবার এ বিষয়ে শিক্ষণ মন্দির মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ স্বামী দিব্যগুণানন্দজি মহারাজ বলেন, রামকৃষ্ণ মিশন শিক্ষণ মন্দির বেলুড় মঠ, পিয়ারলেস হাসপাতাল, এম ফাউন্ডেশন এবং ক্যালকাটা ক্যাটালিস্ট এই সংস্থাগুলির যৌথ উদ্যোগে ভ্যাক্সিনেশন ক্যাম্প চালু হতে চলেছে। সপ্তাহে একদিন বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। যারা কো-উইন অ্যাপে রেজিস্ট্রেশন করেছেন বা করছেন তাঁদের ০৩৩ ২৬৫৪ ৯২৮১ এই নম্বরে ফোন করতে হবে। কো-উইনের রেজিস্ট্রেশন নম্বরের শেষ চারটি ডিজিট ও অন্যান্য ডাটা ফোনে বললে তাঁর নাম ও ফোন নম্বর লিখে নেওয়া হবে। এরপর তাঁরা এসে ভ্যাকসিন নিতে পারবেন। সরকার নির্ধারিত ৭৮০ টাকা লাগবে ভ্যাকসিন নিতে। কিন্তু যারা দুঃস্থ, যারা সেই টাকা দিতে অপারগ, তাঁদের জন্য শিক্ষণ মন্দিরের তরফ থেকে ছাড় দেওয়া হবে। প্রয়োজনে সেই টাকা বেলুড় মঠ রামকৃষ্ণ মিশন শিক্ষণ মন্দির কর্তৃপক্ষ বহন করবে। সপ্তাহে ৩০০ জনকে ভ্যাকসিন দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে। সবাইকেই কোভিশিল্ড দেওয়া হবে। এখানে প্রথম এবং দ্বিতীয় দুটো ডোজই দেওয়া হবে।

জুন ২৬, ২০২১
রাজ্য

Fake Vaccination: রাজ্যে সরকারি অনুমতি ছাড়া করোনা টিকার ক্যাম্প নয়

কসবায় ধৃত দেবাঞ্জন দেবের কাণ্ড কারখানা রীতিমতো হতবাক করে দিয়েছে রাজ্য প্রশাসন থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকদের। মানুষের জীবন নিয়ে যে কেউ এমন ছেলেখেলা করতেও পারেন, এটাই কার্যত কল্পনাতীত ছিল সকলের। সেই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে রাজ্যজুড়ে টিকাকরণের জন্য এ বার নতুন এবং অনেকাংশে কড়া নির্দেশিকা জারি করল রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর। স্বাস্থ্য ভবনের পক্ষ থেকে নয়া নির্দেশ জারি করে সমস্ত সমস্ত জেলাগুলিকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সরকারের অনুমতি ব্যতীত কোনও টিকাকরণ ক্যাম্পের আয়োজন করা যাবে না।আরও পড়ুনঃ ভ্যাকসিন কাণ্ডে তৃণমূলকে তোপ দিলীপেরস্বাস্থ্য ভবনের পক্ষ থেকে শনিবার একটি ৭ পাতার নির্দেশিকা জারি করা হয়। সেই নির্দেশিকার প্রথমেই উল্লেখ করা হয়েছে, স্বাস্থ্য ভবনের অনুমতি ছাড়া কোনও টিকাদান শিবিরে আয়োজন করা যাবে না। কসবা কাণ্ডের পুনরাবৃত্তি যাতে কোনওভাবেই এ রাজ্যে না ঘটে, বস্তুত তা নিশ্চিত করতে চাওয়া হয়েছে এই নতুন নির্দেশিকার মাধ্যমে। বেসরকারিভাবে যদি কোনও সংস্থা ভ্যাকসিন ক্যাম্প করতে চায়, তবে স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে নিযুক্ত নোডাল অফিসারের কাছে স্পষ্ট করতে হবে কী ধরনের চুক্তির মাধ্যমে এই ক্যাম্প করা হচ্ছে। জেলার ক্ষেত্রে তা জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিককে জানাতে হবে।কসবা কাণ্ডে পুলিশের নাকের ডগায় ভুয়ো ক্যাম্প চললেও পুলিশ তা জানতে পারেনি। কারণ, রক্তদান শিবির বা এহেন জনস্বাস্থ্য কল্যাণমূলক কর্মসূচির জন্য পুলিশি অনুমতি লাগে না। এ বার টিকাকরণ শিবির করতে গেলে পুলিশের অনুমতিও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এই নতুন নির্দেশিকায়। ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য কোনও টাকা নেওয়া হচ্ছে কি না, সেটাও উল্লেখ করতে হবে। একই সঙ্গে কোভিড টিকা কোথা থেকে এল তা স্পষ্টভাবে জানাতে হবে এই ক্যাম্পকে। পাশাপাশি প্রতিটি টিকা যাতে কো-উইন পোর্টালে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে দেওয়া হয় তা নিশ্চিত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে স্বাস্থ্য ভবনের পক্ষ থেকে।

জুন ২৬, ২০২১
দেশ

Modi on Vaccination: টিকাকরণে গতি আনতে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সাহায্য চাইলেন মোদি

করোনা টিকাকরণের গতি নিয়ে সন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার দেশের করোনা পরিস্থিতি ও টিকাকরণের হালহকিকত জানতে বৈঠকে বসেছিলেন তিনি। সেই বৈঠকে দেশে টিকাকরণের গতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, আরও বেশি করে মানুষের কাছে টিকা পৌঁছে দিতে পারলে ভাল। সে কারণে টিকাকরণ কর্মসূচিতে একাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকেও অন্তর্ভূক্ত করার কথা বলেছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ ভুয়ো টিকা নিয়ে রাজ্যকে সতর্ক করল কেন্দ্রকেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা প্রধানমন্ত্রীকে দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে সবিস্তারে জানিয়েছেন। বয়স ভেদে কী ভাবে দেশে টিকাকরণ চলছে, সে বিষয়ে সবিস্তার তথ্য দিয়েছেন। স্বাস্থ্যকর্মী ও প্রথম সারির করোনা যোদ্ধাদের টিকাকরণের বিষয়েও খোঁজ নিয়েছেন মোদী। শেষ ছদিনে দেশে ৩ কোটি ৭০ লক্ষের বেশি মানুষকে করোনা টিকা দেওয়া হয়েছে। মালয়েশিয়া বা সৌদি আরবের মতো দেশের সামগ্রিক জনসংখ্যার সমান মানুষকে টিকা দিতে পেরেছে ভারত। এই পরিসংখ্যানের কথা শুনেই প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, তিনি টিকাকরণের গতি নিয়ে সন্তুষ্ট। কিন্তু আগামী দিনেও এই গতি ধরে রাখতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন। টিকাকরণের এই বিপুল উদ্যোগে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলিকে ডেকে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন মোদি। পাশাপাশি তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন, ডেল্টা প্রজাতি ছড়িয়ে পড়েছে বেশ কয়েকটি রাজ্যে। করোনা সংক্রমণ দেশজুড়ে বিদ্যমান। এই পরিস্থিতিতে করোনা পরীক্ষার হার যাতে যথেষ্ট থাকে, সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। সে কারণে রাজ্যগুলির সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার পরামর্শ মোদির।

জুন ২৬, ২০২১
দেশ

Fake Vaccination: ভুয়ো টিকা নিয়ে রাজ্যকে সতর্ক করল কেন্দ্র

ভুয়ো টিকা (Fake Vaccine) নিয়ে রাজ্যকে সতর্ক করেছে কেন্দ্র। করোনার টিকা (Covid Vaccine) নিয়ে যাতে কোনও ধরনের জালিয়াতি না হয়, তার জন্য নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশও রাজ্যকে দিয়েছে কেন্দ্র। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেট সচিব রাজীব গৌবা দেশের বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যসচিবদের সঙ্গে এক উচ্চ পর্যায়ের করোনা (Corona Virus) সংক্রান্ত বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে দেশের যে দুই রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ ও মহারাষ্ট্র থেকে ভুয়ো টিকার অভিযোগ ওঠে, তার জেরেই কেন্দ্রের তরফ থেকে আলাদা করে সতর্ক করা হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে।আরও পড়ুনঃ দেশের বাকি বড় শহরকে পিছনে ফেলে সুরাট এবং ইন্দোর সেরার সেরাভুয়ো টিকার খবর দেশের যেকোনও রাজ্যের যেকোনও জায়গা থেকে এলেই কেন্দ্রকে যাতে অবিলম্বে এই বিষয়ে জানানো হয়, বৈঠকে সমস্ত রাজ্যগুলিকে সেই বার্তাও দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব লব আগরওয়ালকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ক্যাবিনেট সেক্রেটারির উপস্থিতিতে সমস্ত রাজ্যের চিফ সেক্রেটারির সঙ্গে আমাদের করোনা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে কথা হয়েছে। ভুয়ো টিকার খবর কোথা থেকে এসেছে তা জানা জরুরি। স্থানীয় জেলা প্রশাসন রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে আমাদের তা জানালে প্রয়োজনমতো ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হবে।আরও পড়ুনঃ করোনা চিকিৎসায় অর্থসাহায্যের ক্ষেত্রে আয়কর ছাড়ভুয়ো টিকার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানালেও, পশ্চিমবঙ্গের ভুয়ো টিকার বিষয়ে তারা যে সরাসরি মাথা গলাতে চাইছে না, সেই বিষয়টি এদিন স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। রাজ্যের ভুয়ো টিকার ঘটনাকে তারা জনস্বাস্থ্য বিষয়ক নয়, বরং ফৌজদারি অপরাধ বলেই মনে করছে। সরকারি বা সরকার অনুমোদিত টিকাকরণ কেন্দ্র থেকে বা কো-উইন অ্যাপে নাম নথিভুক্ত করার পরেও যদি কোনও ব্যক্তি ভুয়ো টিকা পান, তাহলে কেন্দ্র সরকার সেই বিষয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের ঘটনায় শুধুমাত্র ভুয়ো টিকাই নয়, টিকাকরণ কেন্দ্রটিরও সরকারি অনুমোদন ছিল না।

জুন ২৬, ২০২১
রাজ্য

Vaccination: বর্ধমানের কোভিড ফিল্ড হাসপাতালের বিশেষ টিকাকরণ কর্মসূচি

রাজ্যে ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ডে যখন সরগরম চারিদিক, সেই সময়ই রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের অনুমোদন নিয়েই বৃহত্তর স্বার্থে এক টিকাকরণ অভিযানের আয়োজন করেছে বর্ধমানের কোভিড ফিল্ড হাসপাতাল। লিভার ফাউন্ডেশন ও কোভিড কেয়ার নেটওয়ার্কের উদ্যোগে এই অস্থায়ী কোভিড হাসপাতালটি গড়ে তোলা হয়েছে। মূলত, সত্তরোর্ধ্ব শারীরিকভাবে অক্ষমদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিনামূল্যে এই টিকাকরণের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে জেলা নোডাল তথাগত পাল জনতার কথাকে জানান, ভ্যাকসিন অ্যাকসেস ইনিশিয়েটিভ নামক এই কর্মসূচিতে প্রথম পর্যায়ে সত্তরোর্ধ্ব ও শারীরিকভাবে দুর্বলদের জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুনঃ জার্মানিতে পথচারীদের উপর জেহাদি হামলায় হত ৩দ্বিতীয় ঢেউয়ের পর বিশেষজ্ঞরা যখন তৃতীয় ঢেউ নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভ্যাকসিন নিয়ে নেওয়ার আবেদন করছেন চিকিৎসকরা। সেই অবস্থায় দাঁড়িয়ে এখনও এমন অনেক বয়স্ক মানুষ রয়েছেন যাঁরা করোনা ভ্যাকসিন নিতে পারেননি। অথবা লম্বা লাইনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা তাঁদের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই এইসব মানুষের কথা ভেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসক ও প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীর দ্বারাই সংশ্লিষ্ট এলাকায় গিয়ে এই টিকাকরণ কর্মসূচি চালানো হবে বলেও জানা গিয়েছে। প্রয়োজনীয় সবরকম সরকারি অনুমোদন নিয়েই এই অভিযানে নামার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তথাগত পাল। সংস্থার তরফে তথাগত পাল বলেন, এই বিরাট কর্মকান্ড চালাতে অনেক মানুষের সাহায্য অর্থের প্রয়োজন। বহু বিশিষ্ট সহৃদয় মানুষ এগিয়ে এসে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন। তাঁদের প্রত্যেককে আমাদের সংস্থার পক্ষ থেকে অসংখ্য ধন্যবাদ। সাধারণ মানুষ আমাদের এই কর্ম কান্ডে সাহায্য করলে কর্মসূচি সার্বিক ভাবে সাফল্যে পাবে।সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ইচ্ছুকরা সংশ্লিষ্ট ফোন নম্বরে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করতে পারেন।(৯৮৮৩৮৩২৫১২ / ৭০০১৯০৬৮২৭ / ৮৯৬৭০০০৪২৮)

জুন ২৬, ২০২১
কলকাতা

Suvendu- Fake Vaccination: ভুয়ো টিকা-কাণ্ডে স্বাস্থ্য ভবনে শুভেন্দু, হতে পারে জনস্বার্থ মামলাও

ভুয়ো টিকা কাণ্ড নিয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানালেন বিজেপি বিধায়ক তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, টিকাকাণ্ড নিয়ে যদি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত না করা হয়, তা হলে জনস্বার্থ মামলার পথে হাঁটবেন তাঁরা। বিধানসভার অধিবেশন শুরু হলে বিষয়টি উত্থাপন করা হবে বলেও শুক্রবার জানিয়েছেন শুভেন্দু। কসবায় ভুয়ো টিকা কাণ্ড নিয়ে তোলপাড় চলছে গোটা রাজ্যে। এই কাণ্ডে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার হয়েছেন মূল পাণ্ডা দেবাঞ্জন দেব। কী ভাবে এই টিকা আনা হল, কোন দোকান থেকে সেই টিকা নেওয়া হয়েছে, সব কিছু নিয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানাতে শুক্রবার আচমকাই দলের বিধায়কদের নিয়ে স্বাস্থ্যভবনে হাজির হয়েছিলেন শুভেন্দু। তিনি উল্লেখ করেন, গোটা বিষয়টি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধনকেও জানিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ মমতার আবেদনে সাড়া সুপ্রিম কোর্টের, হাইকোর্টকে হলফনামা জমা নেওয়ার নির্দেশভুয়ো টিকাকাণ্ডের ষড়যন্ত্র ফাঁস করতে এবার গোটা ঘটনার সিবিআই তদন্ত চাইলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। এদিন রাজ্যের স্বাস্থ্য সচিবের সঙ্গে দেখা করে ভুয়ো টিকাকাণ্ড নিয়ে সরব হয়েছেন শুভেন্দু। এই ঘটনায় দোশীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্বাস্থ্য সবিচের কাছে আবেদন রেখেছেন শুভেন্দু। এমনকী, এটাও জানিয়ে দিয়েছেন, স্বাস্থ্য দফতর যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে তাঁরা আদালতে যাবেন।স্বাস্থ্যভবন থেকে বেরিয়ে শুভেন্দু বলেন, এই ভুয়ো, প্রতারক চিটিংবাজ, প্রভাবশালীদের সঙ্গ দেওয়া দেবাঞ্জন দেব যে কাণ্ডটা করেছে, তাতে মানুষ আতঙ্কিত। এই টিকা শিবিরে টিকা নিয়ে যদি কারও কিছু হয়ে যেত, তা হলে বলা হত মোদীর পাঠানো টিকার জন্য এই ঘটনা ঘটেছে। এটা একটা বড় ষড়যন্ত্র বলে আমরা মনে করছি।শুভেন্দুর অভিযোগ, গত ২-৩ সপ্তাহ ধরে দেবাঞ্জন গাড়ি গাড়ি করে লোক নিয়ে এসে টিকা দিয়েছেন। সেই কর্মসূচিতে কোথাও দেখা গিয়েছে শাসকদলের সাংসদ গিয়ে টিকা নিচ্ছেন। কোথাও দেখা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ মন্ত্রী নেতারা এই প্রতারককে দিনের পর দিন সঙ্গ দিয়েছে। এটা নিয়ে একটা বড় এজেন্সির তদন্তের প্রয়োজন। প্রয়োজনে সিবিআইকে দিয়েও তদন্ত করানো উচিত। এদিন স্বাস্থ্য ভবন থেকে বেরিয়ে শুভেন্দু সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের জানান, এটা বড় ষড়যন্ত্র। ভুয়ো ভ্যাকসিনে মৃত্যু হলে কেন্দ্রকে দোষারোপ করা হত। আর ওই প্রতারককে দিনের পর দিন সঙ্গ দিয়েছে রাজ্য সরকার। পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে বিপদে ফেলেছেন। গুরুতর বিষয় এটা। শুধু কলকাতা পুলিশ দিয়ে তদন্ত করালে হবে না। আমরা চাই বড় এজেন্সিকে দিয়ে তদন্ত করা হোক। সিবিআই-কে দিয়ে তদন্ত করা যেতে পারে। এই দাবি করেছি। ব্যবস্থা না নিলে আমরা আদালতে যাব। বিধানসভা খুললে এ বিষয়ে প্রস্তাব আনব। আলোচনা হওয়া দরকার। যেখান থেকে টিকা কিনল, তার লাইসেন্স রাজ্য সরকার দিয়েছে। প্রতারক সরকারের অতি ঘনিষ্ঠ। মানুষের জীবন নিয়ে ছেলেখেলা করা যাবে না। অন্যদিকে, লকেট চট্টোপাধ্যায়ও কেন্দ্রীয় সংস্থাকে দিয়ে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, শাসক দলের তাবড় নেতা ও মন্ত্রীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবের। এমনকী, নীল সাদা বেলুন দিয়ে ক্যাম্প সাজিয়ে কলকাতা পুর নিগমের নীল লোগো লাগানো গাড়ি নিয়ে প্রতারণা চালিয়ে গিয়েছে সে। প্রায় দুহাজারের বেশি লোককে যে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে তার দায় রাজ্য সরকারের।

জুন ২৫, ২০২১
কলকাতা

Fake Vaccination: কসবা-কাণ্ডে দেবাঞ্জনের বিরুদ্ধে এফআইআর

কসবার ভুয়ো টিকা কাণ্ডে (Kasba Fake Vaccination Case) দেবাঞ্জন দেবকে জেরা করে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য পেল পুলিশ। আপাতদৃষ্টিতে মেধাবী পড়ুয়া দেবাঞ্জন কীভাবে প্রতারক হয়ে উঠল তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। আর্থিক তছরুপের জেরে ধৃতের বিরুদ্ধে নিউ মার্কেট থানায় একটি পৃথক এফআইআর (FIR) হয়েছে। এছাড়া মুচিপাড়া থানায় দেবাঞ্জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (Indian Medical Association)। এদিকে, দেবাঞ্জনের এক সহযোগীকে আটক করেছে পুলিশ। রামলীলা পার্কের বাসিন্দা শান্তনু মান্না নামে ওই ব্যক্তি নিজেকে দেবাঞ্জনের অফিসের ম্যানেজার বলে দাবি করত। দেবাঞ্জনের তালতলার গুদামেও চলছে জোর তল্লাশি। সূত্রের খবর, সেখান থেকে বেশ কয়েকটি ভায়াল পাওয়া গিয়েছে। আরও পড়ুনঃ কসবা-কাণ্ডে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে যোগের অভিযোগ বিজেপিরইতিমধ্যেই তাকে বেশ কয়েকবার দফায় দফায় জেরা করেন পুলিশ আধিকারিকরা। তাতেই জানা গিয়েছে, কলকাতা পুরসভার নামে বেআইনিভাবে অ্যাকাউন্ট খুলেছিল দেবাঞ্জন। তদন্তে এই বিস্ফোরক তথ্য উঠে আসার পরই নিউ মার্কেট থানায় দেবাঞ্জনের বিরুদ্ধে একটি পৃথক FIR দায়ের হয়েছে। করোনা কালে স্যানিটাইজারের ব্যবসা শুরু করে দেবাঞ্জন। বাগড়ি মার্কেট থেকে মাস্ক, স্যানিটাইজার, পিপিই কিটও কিনেছিল সে। এমনকী, সমাজসেবামূলক কাজও শুরু করেছিল দেবাঞ্জন। সে সময় বিনামূল্যে স্যানিটাইজার ও মাস্ক বিলি করে সে। তবে কীভাবে দেবাঞ্জন টিকাকরণ নিয়ে জালিয়াতি কাণ্ডে জড়িয়ে পড়ল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। মিসিং লিংকের সন্ধানে তদন্তকারীরা।

জুন ২৫, ২০২১
কলকাতা

Fake Vaccination: কসবা-কাণ্ডে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে যোগের অভিযোগ বিজেপির

রাজ্যে টিকাকরণের নামে ব্যাপক বেনিয়ম চলছে বলে অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিতে চলেছে বিজেপি (BJP)। বৃহস্পতিবার বাঁকুড়ায় নিজের দলীয় কার্যালয়ে এক সাংবাদিক বৈঠকে একথা জানান বাঁকুড়ার সাংসদ চিকিৎসক সুভাষ সরকার। তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকার কেন্দ্রের পাঠানো টিকাকে নিজেদের কেনা টিকা বলে দাবি করছে। তাছাড়া, এদিন সুভাষবাবু একাধিক ছবি দেখিয়ে দাবি করেন, কলকাতার কসবায় ভুয়ো টিকাকরণ শিবির আয়োজনের অভিযোগে গ্রেপ্তার ভুয়ো আইএএস (IAS) আধিকারিক দেবাঞ্জন দেবের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে তৃণমূলের (TMC)। দুয়ারে সরকার প্রকল্পে একাধিক তৃণমূল নেতার সঙ্গে ছবি রয়েছে দেবাঞ্জনের। এই ভুয়ো টিকাকরণ নিয়ে রাজ্য সরকারকে এক এক হাত নিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁন। তাঁদের দাবি, কেন্দ্র সরকার সকলের জন্য ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করেছে, কিন্তু রাজ্য সরকার তা ঠিকভাবে বণ্টন করতে ব্যর্থ। উপরন্তু, এরকম ভুয়ো ঠিকাকরণে রাজ্যে মানুষের মনে ভয়ের সঞ্চার হচ্ছে। আরও পড়ুনঃ হাম বা বিসিজি বা স্রেফ পাউডার গোলা জল দেওয়া হয়েছে কসবার ক্যাম্পেএরপর তিনি হাওড়ার মানপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে টিকাকরণের নামে দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন। বলেন, সেখানে অবনী খুটিয়া নামে এক ব্যক্তি টিকা নিতে যান। সেখানে তাঁকে পঞ্চায়েত প্রধানের সুপারিশ লিখিয়ে আনতে বলা হয়। তিনি সেখানে গেলে দেখেন তাঁর ফোনে টিকাকরণের (Vaccination) এসএমএস ও সার্টিফিকেট চলে এসেছে। অথচ টিকাই নেননি অবনীবাবু। প্রশ্ন হল, তাহলে অবনীবাবুর টিকা কে চুরি করল? টিকাটা কে নিল? সেই টিকাই কি বাজারে বিক্রি হচ্ছে? রাজ্যে টিকাকরণের অডিটের দাবিও তোলেন তিনি। বলেন, প্রত্যেকটা টিকা কাকে দেওয়া হয়েছে তা জানা দরকার। রাজ্য সরকার এত অসৎ হলে তো মহা মুশকিল। এই অবনী খুটিয়া যদি এবার করোনায় আক্রান্ত হন। পরিবার যদি তাঁকে হারায়। তাহলে কি তাঁদের ক্ষতিপূরণ দেবে রাজ্য সরকার?যাদবপুরের সাংসদ গেলেন জাল ভ্যাক্সিনেশন ক্যাম্পে ডোজ ও প্রচার নিতে!বিধায়ক লাভলী মৈত্র মঞ্চে পরিচয় করিয়ে দিলেন,জয়েন্ট কমিশনার আইএএস অফিসার বলে!তাই জন্য কি আগেভাগে কেঁদে বলেছিলেন ফিরাদ সাহেব,আমায় কলকাতার মানুষকে বাঁচাতে দিল নাসঠিক তদন্ত হোক। দোষীরা যেন ছাড়া না পায়। pic.twitter.com/xOTuUV2Mab Saptarshi Chowdhury (@saptarshiOFC) June 25, 2021সুভাষবাবুর দাবি, কেন্দ্রের টিকাকে রাজ্যের টিকা বলে চালানো হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যকে ১.৭৫ কোটি টিকা দিয়েছে। সেখানে রাজ্য সরকার কিনেছে মাত্র ১৭ লক্ষ ভ্যাকসিন। তাতেই সব টিকা রাজ্য সরকার কিনেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। কেন্দ্রের নতুন নীতি অনুসারে কোনও রাজ্যকে আর একটাও টিকা কিনতে হবে না। কেন্দ্রীয় সরকার সবাইকে বিনামূল্যে টিকা দেবে। তিনি বলেন, পরিকাঠামো থাকলেও রাজ্য সরকার টিকাকরণের গতি শ্লথ করে রেখেছে। টিকার কৃত্রিম চাহিদা তৈরি করে টাকা উপার্জনের জন্য একাজ করছে তারা। কেন্দ্র আজ পর্যন্ত কত টিকা পাঠিয়েছে আর কত টিকা দেওয়া হয়েছে তার তথ্য কেন প্রকাশ করছে না রাজ্য? সুভাষবাবুর কথায়, এসব কথা জানিয়ে আমরা প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে চিঠি দেব।

জুন ২৫, ২০২১
কলকাতা

Fake Vaccination: হাম বা বিসিজি বা স্রেফ পাউডার গোলা জল দেওয়া হয়েছে কসবার ক্যাম্পে

কসবায় ভুয়ো টিকাকরণ শিবির নিয়ে আরও বাড়ল রহস্য। কোভিশিল্ড বা কোভ্যাক্সিন নয়, কসবার শিবিরে সম্ভবত হাম বা বিসিজি-র টিকা কিংবা পাউডার গোলা জল দেওয়া হয়েছিল। এমনই দাবি কলকাতা পুরসভার ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের। তাঁরা জানিয়েছেন যে টিকার কোনও ভায়ালেই ছিল না ব্যাচ নম্বর ও মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার তারিখ। ছিল না টিকা তৈরির তারিখও। কী ছিল ওই সব ভায়ালে, তা নিয়ে বাড়ছে সন্দেহ। হাম বা বিসিজি-র টিকা কিংবা স্রেফ পাউডার গোলা জলও থেকে থাকতে পারে বলে অনুমান তদন্তকারীদের। সেটাই এত লোককে দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ হেরেও আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন বিরাটকসবার ওই শিবির টিকা নিয়ে প্রতারিত হয়েছেন অভিনেত্রী ও সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। তাঁর তৎপরতাতেই এই ঘটনা সামনে এসেছে। দেবাঞ্জন দেব নামে এক ব্যক্তি নিজেকে আইএএস অফিসার এবং কলকাতা পুরসভার যুগ্ম-কমিশনার হিসেবে ভুয়ো পরিচয় দেন। প্রচার করেন, কলকাতা পুরসভা এই শিবিরের আয়োজক। কসবা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখে, গত ১০ দিন ধরে স্থানীয় ইউকো ব্যাংক বিল্ডিংয়ের দ্বিতলে ওই শিবির তৈরি করে চালাচ্ছিলেন তিনি। গত ১০ দিন ধরে সাধারণ মানুষকে বোকা বানিয়ে এ ভাবেই প্রতিষেধক দেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ। এত দিন ধরে যত জন প্রতিষেধক নিয়েছেন, কেউই কোনও শংসাপত্র পাননি। আসেনি কোনও এসএমএস-ও।এদিকে বৃহস্পতিবার ধৃত দেবাঞ্জন দেবের অফিসে হানা দেন পুলিশের তদন্তকারী আধিকারিকরা। উদ্ধার হয় বেশ কয়েকটি নথি, গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম। ফরেন্সিক টিম সেই সব সরঞ্জাম খতিয়ে দেখছে।এদিকে, সরকারি ক্যাম্পে পুরসভার কোনও অনুমতি নেওয়ার নির্দেশিকা স্বাস্থ্য দপ্তরের নেই। কলকাতায় বিভিন্ন হাসপাতালে যে সমস্ত ক্যাম্প হচ্ছে সেখানেও কোনও অনুমতি লাগেনি। কেউ যদি দেখাতে পারে পুরসভাই সব বেসরকারি ক্যাম্প দেখার দায়িত্ব নিয়েছে, তা হলে আমি পদত্যাগ করব। স্বাস্থ্য অধিকর্তা অজয় চক্রবর্তীর গতকালের দাবি নিয়ে পাল্টা চ্যালেঞ্জ অতীন ঘোষের।

জুন ২৪, ২০২১
কলকাতা

CAB-Vaccination: সিএবি-র উদ্যোগে ক্রিকেটারদের ৫ দিন ব্যাপী টিকাকরণ অভিযান

ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গলের (সিএবি) উদ্যোগে রাজ্যের ক্রিকেটারদের জন্য ৫ দিনের টিকাকরণ অভিযানের আয়োজন করা হয়েছে। কলকাতা মিউনিসিপাল কর্পোরেশনের সহায়তায় এই টিকাকরণ অভিযান আজ থেকেই শুরু হয়েছে। ২০১৯-২০ মরশুমে যেসব ক্রিকেটাররা টুর্নামেন্ট খেলার জন্য নিজেদের নাম নথিভুক্ত করেছেন, তাঁরা এই টিকাকরণে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। এমনকী, যেসব ক্রিকেটাররা ২০২১ সালে অন্য জায়গায় বদলি হয়ে গিয়েছেন, তাঁদেরও এই টিকাকরণে অংশগ্রহণ করার জন্য অবিলম্বে সিএবি-র অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করার আবেদন করা হয়েছে। জেলা বা বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে খেলার জন্য এই দুই মরশুমে যাঁদের নাম নথিভুক্ত করা হয়েছে, তাঁরাও এই অভিযানে টিকা নেওয়ার যোগ্য তালিকার মধ্যে পরবেন। এছাড়াও সিএবি-র সমস্ত কোচ, আম্পায়ার ও স্কোরাররাও টিকা নিতে পারবেন। 🚨 NOTICE 🚨#CAB pic.twitter.com/c3voEpu2Vm CABCricket (@CabCricket) June 23, 2021২০১৯-২০ ও ২০২০-২১ মরশুমে প্রথম ও দ্বিতীয় ডিভিশন এবং অন্যান্য সিএবি টুর্নামেন্টে খেলেছেন তাঁরাও এই টিকাকরণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে সিএবি-র অন্যতম সদস্য ও প্রাক্তন রঞ্জি ক্রিকেটার শুভ্রদীপ গঙ্গোপাধ্যায়ের সোশ্যাল মিডিয়া পেজেও। ও, এ, বি, সি পর্যায়ের সমস্ত কোচেদেরও সিএবি অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। সিএবি টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করা কোচিং সেন্টারের কোচেদেরও সিএবি অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। সিএবি র প্রাক্তন প্রথম ডিভিশন ক্রিকেটার কুনাল মুখোপাধ্যায় সিএবি-র এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান। তিনি বলেন বহু মানুষ এই খেলাটার সাথে যুক্ত,টিকার যে অভাব আছে সেটা আমরা সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন পোস্টে দেখতে পাচ্ছি। এছাড়া ১৮-৪৪ এই বয়সীরাই সাধারণ ভাবে সব ধরণের খেলার সাথে যুক্ত থাকে, তাদের টিকা সরকারিভাবে সবে মাত্র শুরু হল সারা দেশে, সিএবির এই উদ্যোগের জন্য তারা বিশেষ ভাবে উপকৃত হবে।সিএবি অফিসে টিকাকরণের জন্য নাম নথিভুক্ত করতে হলে যোগাযোগ করতে হবে নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের সঙ্গেঃ১. সন্দীপ পাত্র-৯০৭৩১১৫৮১১২. সম্বরণ ব্যানার্জি-৯৮৩০৮৬৫৮১১৩. সুজিত সরকার-৯৮৩৬৪৮৩০৭৯৪. ড. উজ্জ্বল কুমার ব্যানার্জি-৯৮৭৫৩৬৪৩৫৬৫. দীপন কুমার সাহা-৯৮৩০৮০১২৮৬

জুন ২৪, ২০২১
বিদেশ

Vaccination: এক বছরের মধ্যে বিশ্বজুড়ে ১০ কোটি ভ্যাকসিন পাঠাবে জি-৭

বিশ্বজুড়ে টিকাকরণে হাত বাড়িয়ে দিল জি-৭ বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা। বৃহস্পতিবার ব্রিটেনের তরফে জানানো হয়, কমপক্ষে ১০ কোটি টিকা উৎপাদন করে তা বিভিন্ন দেশে টিকাকরণের জন্য পাঠানো হবে।জি৭ সামিট চলাকালীনই গতকাল ব্রিটেনের তরফে জানানো হয়, আগামী এক বছরের মধ্যে গোটা বিশ্বে কমপক্ষে ১০ কোটি টিকা দান করা হবে টিকাকরণে পিছিয়ে পড়া দেশগুলির জন্য। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ৫০ লক্ষ ভ্যাকসিন হাতে এসে যাবে। পিছিয়ে পড়া দেশগুলিতে টিকা পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিলেও সম্প্রতি ব্রিটেন ফের ৪০ কোটি ভ্যাকসিনের ডোজ অর্ডার করার পরই চুড়ান্ত সমালোচনার মুখে পড়ে। তবে জি-৭ বৈঠকের শুরুতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ফের একবার প্রতিশ্রুতি দেন দ্রুত পরিস্থিতিতে বদল আনার এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশে টিকা সরবরাহের। এই বিষয়ে তিনি বলেন, ব্রিটেনে টিকাকরণে অভূতপূর্ব সাফল্য মেলায় আমরা অন্যান্য দেশেও কিছু টিকা পাঠিয়ে সাহায্য করব। জি-৭ সামিটে বাকি দেশের প্রধানরাও একই প্রতিশ্রুতি গ্রহণ করবেন বলে আশা করছি। একসঙ্গে মিলিত হয়ে আমরা গোটা বিশ্বকে আগামী বছরের শেষভাগের মধ্যে টিকা দিতে সক্ষম হব।অন্যদিকে, ব্রিটেনের একটি সংবাদপত্র সূত্রেও জানা যায় যে, জি-৭ সামিট শেষে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দেশগুলির প্রধানরা বিশ্বজুড়ে টিকাকরণ নিয়ে ঘোষণা করতে পারেন। কমপক্ষে ১০ কোটি ভ্যাকসিন পিছিয়ে পড়া দেশগুলিতে পাঠানো হতে পারে। এরজন্য টিকা উৎপাদনও বৃদ্ধি করা হবে। আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যেই ব্রিটেন ৫০ লক্ষ ভ্যাকসিন পিছিয়ে পড়া দেশগুলিতে পাঠাবে বলেই জানানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের অফিস থেকে। বছর শেষে ২.৫ কোটি এবং আগামী বছরের মধ্যে আরও ৯.৫ কোটি টিকা পাঠাবে ব্রিটেন। কোভ্যাক্স প্রকল্পের মাধ্যমে ৮০ শতাংশ টিকা পাঠানো হবে বলে জানা গিয়েছে।

জুন ১১, ২০২১
কলকাতা

কলকাতায় আজ বন্ধ কোভিশিল্ড টিকাকরণ

রাজ্যকে করোনা ভ্যাকসিন বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে কেন্দ্র। তার ফলে ভ্যাকসিনের আকাল দেখা দিয়েছে। আর সে কারণেই বুধবার কলকাতায় করোনার কোভিশিল্ড টিকাকরণ বন্ধ। শহরের ১০৩টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং ১৮টি মেগা সেন্টারে কোভিশিল্ড টিকা দেওয়া আজ বন্ধ থাকবে। তবে ৪১টি কেন্দ্রে কোভ্যাক্সিন দেওয়া হচ্ছে। এখবর জানিয়েছেন পুরসভার স্বাস্থ্য প্রশাসক অতীন ঘোষ।রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি কার্যত উদ্বেগের জায়গায় পৌঁছে গিয়েছিল। তাই যুদ্ধকালীন তৎপরতা টিকাকরণ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। করোনার (Coronavirus) টিকা পেতে যাতে কোনও সমস্যা না হয় সে কারণে একাধিক পরিকল্পনা নেয় রাজ্য সরকার। বয়স অনুযায়ী সময়সীমা বেঁধে টিকাকরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়। এছাড়া সুপার স্প্রেডার হিসাবে বিভিন্ন পেশার মানুষজনকে চিহ্নিত করেও শুরু হয় টিকাকরণ। কলকাতা পুরসভার নির্ধারিত প্রক্রিয়ার ফলে খুব সহজেই টিকা নিতে পারছিলেন আমজনতা। তবে বারবারই বাদ সেধেছে করোনা টিকার অপ্রতুলতা। বুধবারও সেই একই কারণে ফের কিছুটা থমকাল টিকাকরণ প্রক্রিয়া। কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য প্রশাসক অতীন ঘোষ জানিয়েছেন, করোনার টিকার জোগান নেই। সে কারণে বুধবার শহরের ১০৩টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং ১৮টি মেগা সেন্টারে কোভিশিল্ড (Covishield) টিকাকরণ বন্ধ থাকবে। তবে ৪১টি কেন্দ্রে কোভ্যাক্সিন দেওয়া হচ্ছে।উল্লেখ্য, সোমবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। ওইদিনই তিনি জানিয়ে দেন, এবার থেকে টিকাকরণের জন্য রাজ্য সরকারগুলিকে আর কোনও অর্থ ব্যয় করতে হবে না। ২১ জুন থেকে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সব নাগরিককে বিনামূল্যে টিকা দেবে ভারত সরকার। দেশে উৎপাদিত মোট ভ্যাকসিনের ৭৫ শতাংশ কিনবে ভারত সরকার। সেই ভ্যাকসিন বিনামূল্যে তুলে দেওয়া হবে রাজ্য সরকারগুলির হাতে। রাজ্য সরকারকে ভ্যাকসিনের জন্য কোনও টাকা খরচ করতে হবে না। তবে কেউ চাইলে বেসরকারি হাসপাতালেও টিকা নিতে পারেন।

জুন ০৯, ২০২১
দেশ

টিকাকরণ: সব নাগরিককে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেবে কেন্দ্র

করোনার টিকাকরণ (Corona vaccine) নিয়ে বড় ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। এবার থেকে টিকাকরণের জন্য রাজ্য সরকারগুলিকে আর কোনও অর্থ ব্যয় করতে হবে না। ২১ জুন থেকে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সব নাগরিককে বিনামূল্যে টিকা দেবে ভারত সরকার। পাশাপাশি, আগামী নভেম্বর মাস পর্যন্ত বিনামূ্ল্যে রেশন দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেন তিনি। 21 जून से 18 वर्ष से ऊपर के सभी नागरिकों के लिए भारत सरकार राज्यों को मुफ्त वैक्सीन मुहैया कराएगी।किसी भी राज्य सरकार को वैक्सीन पर कुछ भी खर्च नहीं करना होगा। pic.twitter.com/VKK3oddw80 Narendra Modi (@narendramodi) June 7, 2021সোমবার প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, এবার থেকে দেশে উৎপাদিত মোট ভ্যাকসিনের ৭৫ শতাংশ কিনবে ভারত সরকার। সেই ভ্যাকসিন বিনামূল্যে তুলে দেওয়া হবে রাজ্য সরকারগুলির হাতে। রাজ্য সরকারকে ভ্যাকসিনের জন্য কোনও টাকা খরচ করতে হবে না। এই প্রক্রিয়া আগামী ২১ জুন যোগ দিবস থেকে শুরু হবে। এদিন জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) জানিয়েছেন, এ বছর ১৬ জানুয়ারি থেকে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত টিকাকরণ মূলত কেন্দ্রের হাতেই ছিল। দেশ বিনামূল্যে টিকাকরণের দিকে এগোচ্ছিল। কিন্তু তারপর অনেক রাজ্য টিকাকরণের ভার নিজেদের হাতে চাইছিল। স্বাস্থ্য যেহেতু মূলত রাজ্যের ব্যাপার, তাই ভারত সরকার রাজ্যগুলির উপর টিকাকরণের (Vaccination) ভার ছেড়েছিল। ভারত সরকার গাইডলাইন তৈরি করেছিল, যাতে রাজ্য সরকারগুলি নিজেদের মতো ব্যবস্থা করতে পারে। ১মে থেকে রাজ্য সরকারগুলিকে ২৫ শতাংশ করে টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। মে মাসের দু সপ্তাহের মধ্যেই অনেক রাজ্য সরকার বুঝতে পারে, আগের ব্যবস্থাই ভাল ছিল। অনেক রাজ্য সরকারের টিকা দানে সমস্যা হচ্ছিল। সেই সমস্যা মেটাতেই কেন্দ্র আগের মতো সব নাগরিকের টিকাকরণের দায়িত্ব নিল। ১৮ বছরের উপরের সব নাগরিককে টিকাকরণের আওতায় আনা হল। তবে, কেউ চাইলে বেসরকারি হাসপাতালেও টিকা নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে, বেসরকারি হাসপাতাল ভ্যাকসিনের দামের উপর সর্বোচ্চ দেড়শো টাকা সার্ভিস ট্যাক্স নিতে পারবে। এটা দেখাশোনার দায়িত্ব রাজ্য সরকারের।प्रधानमंत्री गरीब कल्याण अन्न योजना को अब दीपावली तक आगे बढ़ाया जाएगा। महामारी के इस समय में सरकार गरीब की हर जरूरत के साथ उसका साथी बनकर खड़ी है।यानि नवंबर तक 80 करोड़ से अधिक देशवासियों को हर महीने तय मात्रा में मुफ्त अनाज उपलब्ध होगा। pic.twitter.com/Ospx5R80FT Narendra Modi (@narendramodi) June 7, 2021

জুন ০৭, ২০২১
কলকাতা

পড়ুয়া ও শিক্ষকদের বিনামূল্যে করোনা টিকা দেবে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়

অতিমারির জেরে দীর্ঘদিন বন্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অনলাইনেই চলছে লেখাপড়া। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলি নতুন করে অনিশ্চয়তার ফাঁদে পড়েছে। কবে পড়ুয়াদের জন্য খুলবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দরজা, তা বলা ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়ছে। তবে এই মারণ ভাইরাসের দাপট রুখতে পড়ুয়াদের জন্য প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। শুক্রবার কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়, পড়ুয়া, গবেষক-সহ ৪৫ বছরের নিচে সমস্ত শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী এবং আধিকারিকদের ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ দ্রুত শুরু হবে।সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে কলকাতাই প্রথম পড়ুয়াদের ভ্যাকসিনের আওতায় আনল। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সোনালি চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায় এখবর নিশ্চিত করে জানান, যত দ্রুত সম্ভব, পড়ুয়া, গবেষক থেকে ৪৫ বছরের কমবয়সি শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত সকলকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। উল্লেখ্য, এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৫-এর ঊর্ধ্বে শিক্ষক, শিক্ষাকর্মীদের টিকাকরণের বন্দোবস্ত করা হয়েছিল। সেই লক্ষ্যপূরণ সফলভাবেই পূরণ করা গিয়েছে। এবার পড়ুয়াদের করোনা সংক্রমণ থেকে রক্ষাই উদ্দেশ্য। বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন উদ্যোগে স্বাভাবিকভাবেই খুশি পড়ুয়ারা।

জুন ০৫, ২০২১
রাজ্য

বর্ষীয়ান-অশীতিপর-বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের ভ্যাকসিন নিতে অভিনব প্রস্তাব

করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির ফলে রাজ্যে জারি বিধিনিষেধ। কার্যত লকডাউনে যান চলাচল বন্ধ থাকায় করোনা ভ্যাকসিন নিতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বহু মানুষকে। তার ওপর ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও ভ্যাকসিনের অপ্রতুলতার কারণে হতাশ হয়েই ফিরতে হচ্ছে অনেককে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার বর্ষীয়ান ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন নাগরিকরা। এই পরিস্থিতিতে বর্ষীয়ান, অশীতিপর, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন নাগরিকদের সুরাহার কথা ভেবে হুগলির জেলাশাসকের কাছে অভিনব প্রস্তাব পাঠালেন জেলা পরিষদের স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়।হুগলি জেলার করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বুধবার এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হল। ভার্চুয়াল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক, সকল বিধায়ক, জেলা পরিষদের সভাধিপতি, কর্মাধ্যক্ষ ও পুরসভার চেয়ারম্যানরা। এই জেলাতেও করোনা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। পরিস্থিতি মোকাবিলায় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কী কী কাজ করা উচিত তা এদিন আলোচিত হয়।জেলা পরিষদের স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, আমি জেলাশাসককে তিনটি প্রস্তাব দিয়েছি। প্রথমটি, অশীতিপর ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন নাগরিকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পোস্টাল ব্যালটে ভোট নেওয়া হয়েছে এবারের বিধানসভা নির্বাচনে। সেই সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য আমাদের কাছেও রয়েছে। হুগলি জেলায় এমন নাগরিকের সংখ্যা ৬০ থেকে ৭০ হাজারের মধ্যে। তাঁদের মধ্যে অনেকে টিকা পেয়েছেন। কেউ হয়তো দ্বিতীয় ডোজের অপেক্ষায় আছেন। ফলে যেখানে হকার, পরিবহণকর্মী, সাংবাদিক-সহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের জন্য ভ্যাকসিন প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে, সেখানে যে প্রবীণ ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্নরা এখনও টিকা পাননি তাঁদের বিষয়টিকেও আরও বেশি গুরুত্ব দিলে ভালো হয়। কেন না, তাঁদের হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে লাইনে দাঁড়ানোর সমস্যা যেমন থাকে, তেমনই সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কাও থাকে। এই অবস্থায় আশা ও স্বাস্থ্যকর্মীদের তাঁদের বাড়ি বাড়ি পাঠিয়ে ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা হলে অনেকটাই সুরাহা হবে। তাতে দ্বিতীয় ডোজ পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তাতেও ভুগতে হবে না প্রবীণ ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের।শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, রোগী বা পরিজনদের কাছ থেকে আমরা অভিযোগ পাচ্ছি, করোনা সংকটকালে জেলার অনেক নার্সিংহোম অক্সিজেন, বেড, ওষুধ ইত্যাদি নিয়ে কয়েক গুণ বেশি বিল করছে। এটাও জরুরি ভিত্তিতে বন্ধ করতে হবে। ন্যায্যমূল্যে যাতে সাধারণ মানুষ চিকিৎসা পরিষেবা পান সেটা নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য মনিটরিং টিম থাকলেও ভালো হয়। এ ধরনের ঘটনা বন্ধে প্রয়োজনে কড়া পদক্ষেপও করতে হবে। পাশাপাশি, সামনেই বর্ষা আসছে। তাই ডেঙ্গু পরিস্থিতির মোকাবিলার জন্যও আগাম সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে বলেও প্রস্তাব দেওয়া হয় এদিনের বৈঠকে।তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, গত বছর মার্চে লকডাউন ঘোষণার পর থেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে আমাদের কর্মীরা লাগাতার মানুষের পাশে থেকে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ধারাবাহিকভাবে নীরবে কাজ করে চলেছেন। লকডাউন ও আম্ফানের পর সমস্যায় পড়া হাজারো পরিবারের কাছে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার পরও অক্সিজেন থেকে শুরু করে বেড জোগাড়ের কাজ করছেন আমাদের দলের কর্মীরা। বলাগড়েই পাঁচশোর উপর এমন স্বেচ্ছাসেবক কাজ করছেন। হুগলি জেলায় এমন কয়েক হাজার স্বেচ্ছাসেবক নিরলস কাজ করে চলেছেন। হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপও খোলা হয়েছে। কেউ বিপদে পড়লেই দল-মত নির্বিশেষে মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়াচ্ছেন আমাদের কর্মীরাও।

মে ১৯, ২০২১
দেশ

আগামী ৩ মাসেও টিকাকরণ সম্পূর্ণ করা সম্ভব নয়: সেরাম

করোনা রুখতে দেশজুড়ে ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে টিকাকরণ। জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের জন্য ছাড়পত্র পেয়েছে সেরাম ইনস্টিটিউটের কোভিশিল্ এবং ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন টিকাটি। কিন্তু পর্যাপ্ত জোগান না থাকায় বহু রাজ্যে টিকাদান প্রক্রিয়া ঝিমিয়ে পড়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে এক বিবৃতি জারি করে সেরাম ইন্সটিটিউট সাফ জানিয়েছে যে আগামী ৩ মাসেও দেশবাসীর টিকাকরণ সম্পূর্ণ করা সম্ভব নয়।মঙ্গলবার এক বিবৃতি প্রকাশ করে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী সংস্থা সেরাম ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, মানুষ এটা বুঝতে চাইছে না যে আমরা বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দুটি দেশের মধ্যে একটি। এত বিশাল সংখ্যক মানুষের জন্য ২ থেকে ৩ মাসে টিকাকরণ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা সম্ভব নয়। এই প্রক্রিয়ায় অনেকগুলি ধাপ থাকে। গোটা বিশ্বে সবাইকে টিকা দিতে অন্তত ২ থেকে ৩ বছর লাগবে। বিবৃতিতে সেরাম আরও জানিয়েছে যে, ভারতবাসীর স্বার্থে আঘাত দিয়ে কখনওই ভ্যাকসিন রপ্তানি করা হয়নি। দেশে টিকাদান প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পূর্ণ করতে আমরা সরকারের সঙ্গে কাজ করছি। সমস্ত রকমের চেষ্টা করছে সেরাম। সবাই একসঙ্গে মিলে কাজ করলে এই মহামারিকে পরাস্ত করা যাবে। টিকা উৎপাদন ও সরবরাহে সেরাম বিশ্বে তৃতীয়। কোভ্যাক্স প্রকল্পের অংশ হওয়ায় বিশ্বে কিছু টিকা অন্য দেশগুলির কাছে রপ্তানি করতে হয়। বলে রাখা ভাল, দেশে করোনা পরিস্থিতি উপেক্ষা করে বিদেশি টিকা রপ্তানি করেছে মোদি সরকার বলে লাগাতার তোপ দাগছে বিরোধী দলগুলি। এদিন সেই অভিযোগ উড়িয়ে দিল সেরাম।উল্লেখ্য, দেশে ১৮ থেকে ৪৪ বছর বয়সিদের টিকাদান শুরু হয়েছে। তবে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিনের অভাবে কার্যত ঝিমিয়ে পড়েছে গোটা প্রক্রিয়া। ফলে আঙুল উঠেছে সেরাম ও মোদি সরকারের বিরুদ্ধে। প্রসঙ্গত, আরও একটি করোনার টিকা বাজারে আনার কথা আগেই জানিয়েছিল সেরাম ইনস্টিটিউট। তবে জুন নয়, আগামী সেপ্টেম্বরে বাজারে আসতে চলেছে সেই ভ্যাকসিনটি বলে খবর। ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে কোভোভ্যাক্স নামে ওই করোনা টিকার ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালও। টুইট করে এই খবর জানিয়েছিলেন সেরাম কর্তা আদর পুনাওয়ালা।

মে ১৮, ২০২১
কলকাতা

বিনামূল্যে টিকাকরণ কলকাতার ২টি ফুটবল ক্লাবে

গোটা দেশে নতুন করে চোখ রাঙাচ্ছে প্রাণঘাতী করোনা। মারণ ভাইরাসের মোকাবিলায় একজোট হয়ে লড়াইয়ের বার্তা দিয়েছেন বিরাট কোহলি। ক্রিকেটার থেকে ফুটবলার- খেলার দুনিয়ার তারকাদের অনেকেই আর্থিক সাহায্য করে মানুষের পাশে থাকছেন। কেউ আবার দুঃস্থদের মুখে তুলে দিচ্ছেন খাবার। আর এবার এই লড়াইয়ে সামিল কলকাতার ফুটবল ক্লাবগুলি। সাধারণ মানুষকে টিকা দেওয়ার দায়িত্ব নিল ময়দানের দুটি ক্লাব এবং আইএফএ।প্রতিদিনই লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। উদ্বেগ বাড়াচ্ছে অ্যাকটিভ কেসও। ব্যতিক্রমী নয় বাংলাও। কলকাতার সাধারণ মানুষ যাতে নিশ্চিন্তে টিকা পান, তা নিশ্চিত করতে এবার কলকাতার ফুটবল ক্লাবগুলিও এগিয়ে এল। সাদার্ন এভিনিউ, কালীঘাট মিলন সংঘের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বিনামূল্যে টিকাকরণের ব্যবস্থা করল আইএফএও। বৃহস্পতিবার থেকে কলকাতা লিগে খেলা দুটি ক্লাব সাদার্ন সমিতি ও কালীঘাট মিলন সংঘ, আইএফএ-র সঙ্গে একজোট হয়ে ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা করে। শুক্রবার একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এমনটাই জানানো হল। তবে শুধুই ভ্যাকসিন নয়, হাসপাতালে বেড পেতে কিংবা অক্সিজেন সিলিন্ডার, ভেন্টিলেটর পেতেও যাতে কোনও সমস্যায় না পড়তে হয়, সে দিকেও নজর রাখবে ক্লাব কর্তৃপক্ষ।

মে ০৭, ২০২১
রাজ্য

ভ্যাকসিন না-থাকায় পূর্ব বর্ধমানের হাসপাতালে বন্ধ টিকাকরণ

গোটা দেশের পাশাপাশি এই রাজ্যেও উর্ধ্বমুখী কোভিড আক্রান্তের গ্রাফ।প্রতিদিন মৃতের সংখ্যাও বেড়ে চলেছে ব্যাপক হারে।এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্রের তরফে কোভিড টিকাকরণ অভিযানের ব্যপ্তি ঘটানোর কথাও বলা হয়।কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতিটা যে সম্পূর্ণ উল্টো তা শুক্রবার পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে পৌঁছেই পরিষ্কার হয়ে গেল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে হাসপাতাল চত্বরে ফ্লেক্স ঝুলিয়ে দিয়ে দাবি করা হয়েছে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। টিকা নেওয়ার বিষয়ে জানতে এদিন সকাল থেকে যেসব বয়স্ক মানুষজন হাসপাতালে আসেন তাঁরা এই ফ্লেক্স দেখার পরেই কার্যত নিরাশ হয়ে বাড়ি ফিরে যান।মারণ ভাইরাস কোভিড ১৯ এর ভ্যাকসিনের সরবরাহই নেই জেনে জামালপুরে বাসিন্দাদের উদ্বেগ বহুলাংশে বেড়ে গিয়েছে ।ভোট উৎসবের মাঝেই রাজ্যের অন্যান জেলার পাশাশাশি পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও ব্যাপক হারে বেড়ে চলে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা । স্বাস্থ্য দপ্তরের রিপোর্ট বলছে, গত ১৫ এপ্রিল জেলায় ২০২ জনের কোভিড সংক্রমণ ধরা পড়ে। ওই দিন পর্যন্ত জেলায় মোট কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৩২৪৪ জন , মৃতের সংখ্যা ছিল ১৮০ জন । তার পর থেকে মাত্র ১৪ দিনের মধ্যে অর্থাৎ বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত জেলায় কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮৩০৩ জন । অর্থাৎ ১৪ দিনে জেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫০৫৯ জন। আর ১৪ দিনে মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের।স্বাস্থ্য দপ্তরের রিপোর্ট অনুয়ায়ী কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির হার তুলনামূলক ভাবে অনেকটাই বেশী শহর বর্ধমানে । তার মধ্যে জামালপুর ব্লকেও প্রতিদিন কোভিড আক্রান্তের হদিশ মিলে চলেছে। কয়েকদিন আগেই কোভিড আক্রান্ত হয়ে জামালপুর হাটতলা এলাকা নিবাসী এক ডেকরেটার ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয় ।এই মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই জামালপুরের বাসিন্দা মহলে আতঙ্ক আরও তীব্র হয় । আতঙ্কের কারণে জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্র সংলগ্ন একটি পাড়ার এক বৃদ্ধা গত বুধবার মারা যাওয়ার পরেও তাঁর দেহ সৎকারে প্রতিবেশীরা কেউ এগিয়ে যেতে চান না । ওই বৃদ্ধা কোভিড আক্রান্ত ছিলেন, না ছিলেন না তাও কারুর জানা নেই। তবুও জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মেহেমুদ খান এলাকার চার জনের হাতে দুষ্প্রাপ্য কিট তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন । তার পর তারা ওই কিট পরিহিত হয়ে বৃদ্ধার মৃতদেহ সৎকারের জন্য জামালপুর শ্মশানে নিয়ে যান ।এইসব ঘটনা প্রত্যক্ষ করে জামালপুরের বাসিন্দারা কোভিড টিকা নেওয়ার জন্য উদগ্রিব হয়ে ওঠেন । টিকা পাওয়ার জন্য বিগত কয়েকদিন যাবৎ বহু বাসিন্দা রাত থেকেই জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে লাইনে দাঁড়িয়ে পড়ছিলেন । টিকা দেওয়াও চলছিল স্বাভাবিক নিয়ম মেনে । কিন্তু কোভিড ভ্যাকসিনের সরবরাহ না থাকায় শুক্রবার টিকাকরণ একেবারে থমকে থাকে। এই বিষয়ে জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক চিকিৎসক ঋত্বিক ঘোষ বলেন ,কোভিড ভ্যাকসিন শেষ হয়ে যাওয়ার পর এদিন পর্যন্ত আর ভ্যাকসিন হাসপাতালে পৌঁছয়নি । কোভিড ১৯ ভ্যাকসিনের সরবরাহ যে নেই তা জনসমক্ষে তুলে ধরার জন্যেই ফ্লেক্সে লিখে হাসপাতাল চত্বরে ঝোলাতে হয়েছে । ঋত্বিক বাবু আরও জানান ,গত ২৫ জানুয়ারি থেকে জামালপুর হাসপাতালে কোভিডের টিকা দেওয়া শুরু হয় । প্রথম দিকে টিকা নেওয়ার প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ খুব কম ছিল । মার্চের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ আসার পর থেকে টিকা নেওয়ার ব্যাপারে অতি আগ্রহী হয়ে ওঠেন জামালপুরের বাসিন্দারা । সংক্রমণের হার ফের বাড়তে শুরু করায় গত তিন সপ্তাহ যাবৎ কোভিডের টিকা নেওয়ার জন্য হাসপাতাল চত্ত্বরে মানুষের ভিড় উপচে পড়ছে। ভ্যাকসিন এলে ফের টিকা দেওয়া শুরু হবে বলে ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক জানিয়েছেন। জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক চিকিৎসক প্রণব রায় জানিয়েছেন, জেলায় ভ্যাকসিন অপ্রতুল থাকাতেই এই সমস্যা তৈরি হয়েছে। ভ্যাকসিন ঘাটতির জন্য এদিন জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্র ছাড়া জেলার আর কোনও হাসপাতালে এদিন টিকাকরণ বন্ধ ছিল কিনা সেই বিষয়ে জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক কিছু জানাতে পারেননি । এমনকী, ভ্যকসিন সরবরাহ কবে স্বাভাবিক হবে সেই বিষয়েও সিএমওএইচ এদিন কিছু বলতে পারেননি।

এপ্রিল ৩০, ২০২১
দেশ

আগামী দিনেও বিনামূল্যে টিকা, আশ্বস্ত করলেন মোদি

কোভিড আতঙ্কে কাঁপছে গোটা দেশ। এমন পরিস্থিতিতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । লকডাউন নিয়ে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন তিনি। এবার রবিবার মন কি বাত অনুষ্ঠানেও দেশবাসীকে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। বললেন সচেতন থাকুন। কুর্নিশ জানালেন করোনাযোদ্ধাদের সংগ্রামকে। আশ্বাস দিলেন বিনামূল্যে টিকাকরণ নিয়েও।এদিনের মন কি বাতে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস, করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করার একমাত্র উপায় টিকাকরণ। ইতিমধ্যে দেশজুড়ে বিনামূল্যে টিকা দিচ্ছে কেন্দ্র সরকার। রাজ্যগুলিকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন পাঠানো হয়েছে। সেই টিকা পেয়েছেন ৪৫ ঊর্ধ্বরা। আগামী দিনেও এই কেন্দ্রীয় প্রকল্প চলবে। পাশাপাশি তিনি আরও জানান, এবার বেসরকারি সংস্থাগুলিও তাদের কর্মীদের টিকাকরণের ব্যবস্থা করতে পারবে।আরও একবার মনে করিয়ে দেন, ১ মে থেকে ১৮ ঊর্ধ্বে সকলেই টিকা পাবেন। একইসঙ্গে টিকাকরণ সংক্রান্ত গুজব থেকে দূরে থাকারও পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথায়, করোনা মানুষের ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছে। তাই সহজে হেরে গেলে চলবে না। কোভিডের প্রথম ধাক্কা সফলভাবেই সামাল দিয়েছিল দেশ। যার জন্য দেশবাসীর আত্মবিশ্বাস বেড়েছিল। কিন্তু দ্বিতীয় ধাক্কা দেশকে কাঁপিয়ে দিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করেছি আমি। করোনা যোদ্ধাদের সংগ্রামকে কুর্নিশ জানাতে এদিন বিভিন্ন রাজ্যের চিকিৎসক, নার্স, অ্যাম্বুল্যান্স চালকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। দেশবাসীর তরফ থেকে তাঁদের ধন্যবাদও জানান তিনি।

এপ্রিল ২৫, ২০২১
দেশ

আগামী দিনেও বিনামূল্যে টিকা, আশ্বস্ত করলেন মোদি

কোভিড আতঙ্কে কাঁপছে গোটা দেশ। এমন পরিস্থিতিতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । লকডাউন নিয়ে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন তিনি। এবার রবিবার মন কি বাত অনুষ্ঠানেও দেশবাসীকে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। বললেন সচেতন থাকুন। কুর্নিশ জানালেন করোনাযোদ্ধাদের সংগ্রামকে। আশ্বাস দিলেন বিনামূল্যে টিকাকরণ নিয়েও।এদিনের মন কি বাতে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস, করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করার একমাত্র উপায় টিকাকরণ। ইতিমধ্যে দেশজুড়ে বিনামূল্যে টিকা দিচ্ছে কেন্দ্র সরকার। রাজ্যগুলিকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন পাঠানো হয়েছে। সেই টিকা পেয়েছেন ৪৫ ঊর্ধ্বরা। আগামী দিনেও এই কেন্দ্রীয় প্রকল্প চলবে। পাশাপাশি তিনি আরও জানান, এবার বেসরকারি সংস্থাগুলিও তাদের কর্মীদের টিকাকরণের ব্যবস্থা করতে পারবে।আরও একবার মনে করিয়ে দেন, ১ মে থেকে ১৮ ঊর্ধ্বে সকলেই টিকা পাবেন। একইসঙ্গে টিকাকরণ সংক্রান্ত গুজব থেকে দূরে থাকারও পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথায়, করোনা মানুষের ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছে। তাই সহজে হেরে গেলে চলবে না। কোভিডের প্রথম ধাক্কা সফলভাবেই সামাল দিয়েছিল দেশ। যার জন্য দেশবাসীর আত্মবিশ্বাস বেড়েছিল। কিন্তু দ্বিতীয় ধাক্কা দেশকে কাঁপিয়ে দিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করেছি আমি। করোনা যোদ্ধাদের সংগ্রামকে কুর্নিশ জানাতে এদিন বিভিন্ন রাজ্যের চিকিৎসক, নার্স, অ্যাম্বুল্যান্স চালকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। দেশবাসীর তরফ থেকে তাঁদের ধন্যবাদও জানান তিনি।

এপ্রিল ২৫, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ফের আগুনে আতঙ্ক! সল্টলেক সেক্টর ফাইভের বহুতলে ধোঁয়া, দমকলের তৎপরতা

আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডের ক্ষত এখনও তাজা। তার মধ্যেই ফের আগুন শহরে। এবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল সল্টলেক সেক্টর ফাইভ-এ। একটি বহুতল অফিস ভবন থেকে গলগল করে ধোঁয়া বের হতে দেখে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।জানা গিয়েছে, গ্লোবসিন ক্রিস্টাল বিল্ডিং-এ আচমকাই আগুন লাগে। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের ৩টি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীরা পৌঁছেই গোটা বিল্ডিং খালি করে দেন। আতঙ্কে একে একে বাইরে বেরিয়ে আসেন তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থাগুলির কর্মীরা। অফিস টাইম হওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে রাস্তায় ভিড় জমে যায়। আশপাশের এলাকা থেকেও বহু মানুষ ছুটে আসেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, হঠাৎ করেই অফিসের ভিতরে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে সকলকে নিচে নেমে যেতে বলা হয়। এক কর্মী জানান, তখন তাঁরা অফিসের ভিতরেই ছিলেন। হঠাৎ বলা হয় বাইরে বেরিয়ে যেতে। পরে নিচে নেমে শোনা যায়, উপরের একটি রেস্তোরাঁয় আগুন লেগেছে।তবে ঠিক কোথা থেকে আগুনের সূত্রপাত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রেস্তোরাঁ থেকেই আগুন ছড়িয়েছে, না কি অন্য কোনও জায়গা থেকে, তা খতিয়ে দেখছেন দমকল কর্মীরা। ভবনের অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করেছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দমকলের চেষ্টায় কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানা গিয়েছে। তবুও ব্যস্ত সময়ে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে অফিস কর্মীদের মধ্যে। এলাকায় এখনও কৌতূহলী মানুষের ভিড় রয়েছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ভারত-বিরোধিতার অধ্যায় শেষ? মোদির ফোনে বদলাচ্ছে ঢাকা-দিল্লির সমীকরণ!

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সংসদীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বিএনপি। এই জয়ের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছেঢাকা ও দিল্লির সম্পর্ক কি আবার উষ্ণ হতে চলেছে?শুক্রবার নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডেলে বার্তা দিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে অভিনন্দন জানান। পরে ফোনেও তাঁর সঙ্গে কথা বলেন তিনি। মোদি লেখেন, বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বিরাট জয়ের জন্য তারেক রহমানকে তিনি উষ্ণ শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। এই জয় বাংলাদেশের মানুষের আস্থার প্রতিফলন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। দুই দেশের বহুমুখী সম্পর্ক আরও জোরদার করতে একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।এর জবাবে বিএনপির পক্ষ থেকেও মোদিকে ধন্যবাদ জানানো হয়। দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলে তাঁরা বিশ্বাস করেন। দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সম্পর্কও নতুন করে শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।এর আগে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে উপদেষ্টা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন মহম্মদ ইউনুস। তাঁর প্রায় দেড় বছরের শাসনকালে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়ে বলে অভিযোগ ওঠে। ভারত-বিরোধী মনোভাব, সংখ্যালঘু নির্যাতন এবং মৌলবাদী শক্তির উত্থান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। একই সঙ্গে পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর ঘটনাও নজরে আসে। এই পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের সঙ্গে একাধিকবার কূটনৈতিক টানাপোড়েন দেখা দেয়।এই নির্বাচনে মৌলবাদী দল জামাতকে পিছনে ফেলে ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে পাকিস্তানের প্রভাব খাটানোর সম্ভাবনায় বড় ধাক্কা লেগেছে। নির্বাচনের আগে জামাতের সঙ্গে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর যোগাযোগ নিয়ে নানা জল্পনা চলছিল। তবে ভোটে জামাতের পরাজয়ে সেই সমীকরণ বদলে গেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।সব মিলিয়ে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতার পর বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পথে। এখন নজর ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের দিকে। মোদি ও তারেকের এই সৌজন্য বার্তা কি দুই দেশের সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে? দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে তার প্রভাব কতটা পড়বে, সেটাই এখন দেখার।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশি ভোটার ইস্যুতে কড়া নির্বাচন কমিশন! একাধিক জেলাশাসক তিরস্কৃত

ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসককে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়, কোন কর্তৃত্বে এআরও-রা ইআরএমও-দের ডেকেছিলেন। একাধিক জেলার জেলাশাসকের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে কমিশন।কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও মালদার জেলাশাসকদের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। কোচবিহারের জেলাশাসককে নথি আপলোডে দেরির জন্য তিরস্কার করা হয়েছে। দুই ২৪ পরগনার জেলাশাসকের কাজ নিয়েও অসন্তোষ জানানো হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসককে রাজনৈতিক মন্তব্য না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এসআইআর শেষ হওয়ার আগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বৈঠক করেন। ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকও। বৈঠকে স্পষ্ট বলা হয়, কোনও বিদেশি নাগরিকের নাম যেন ভোটার তালিকায় না থাকে। ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে তথ্য যাচাই করতে হবে। সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে, যদি ভবিষ্যতে কোনও নাম থেকে যায়, তা হলে এক বা পাঁচ বছর পরেও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। মামলা পর্যন্ত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ভারতের সংবিধান যাঁদের বৈধ ভোটার বলে চিহ্নিত করে, তাঁদের বাইরে কাউকে বৈধ ভোটার হিসেবে মানা যায় না। তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের বৈধ ভোটার হিসেবে দেখছেন। নির্বাচন কমিশন সংবিধান অনুযায়ী কাজ করছে বলেও দাবি করেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিবকে তলব করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।অন্যদিকে তৃণমূলের সোশাল মিডিয়া সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, তাঁরাও চান না কোনও বিদেশি ভোটার থাকুক। তবে বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না যায়, সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষ, পরিযায়ী শ্রমিক বা গরিব মানুষদের বারবার নোটিস দিয়ে ডাকা হচ্ছে। তাঁদের পক্ষে বারবার যাতায়াত করা সম্ভব নয়। ফলে তাঁদের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।সব মিলিয়ে ভোটার তালিকা সংশোধনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক কড়াকড়ি এবং রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে। বিদেশি ভোটার বিতর্কে আগামী দিনে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

মোদী বিরোধী আগুনঝরা ভাষণ, তবু ভোটে হার! সারজিস আলমকে ফিরিয়ে দিল পঞ্চগড়

বাংলাদেশের নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেলেন ছাত্রনেতা সারজিস আলম। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম মুখ এবং জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত তিনি। অতীতে ভারতের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় মন্তব্য করেছিলেন এবং সরাসরি নরেন্দ্র মোদি-র নাম করে সমালোচনা করেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র দেশত্যাগ নিয়েও কটাক্ষ করেছিলেন তিনি।পঞ্চগড়-১ আসনে জামাত জোটের প্রার্থী হিসেবে লড়ে শেষ পর্যন্ত পরাজিত হন সারজিস। তাঁর মন্তব্য ঘিরে আগে থেকেই বিতর্ক ছিল। এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি হাসিনার দেশছাড়ার প্রসঙ্গ টেনে ঐতিহাসিক তুলনাও করেছিলেন। সেইসব বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন তুলেছিল।কিন্তু ভোটের ফল অন্য কথা বলল। শেষ পর্যন্ত তিনি বিএনপি প্রার্থীর কাছে হেরে যান। অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ক্রমশ স্পষ্ট হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জোটের বড় জয়। সংবাদমাধ্যমের হিসাব অনুযায়ী ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২০৭টিতে এগিয়ে বা জয়ী হয়েছে বিএনপি জোট।ঢাকা-৩ আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী গয়েশ্বরচন্দ্র রায়। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার ভোট বেশি পেয়েছেন।বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া-র পুত্র তারেক রহমান ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬ দুই আসনেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে দুদশক পর সরকার গঠনের পথে বিএনপি। তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনাও জোরালো হয়েছে।মূল প্রতিপক্ষ জামাত জোট ১০০-র নীচে থেমে গেছে বলে জানা গিয়েছে। ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি বা এনসিপিও বড় প্রভাব ফেলতে পারেনি।সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, এই বিপুল জয়ের পর কি বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরবে? অরাজকতার অভিযোগে উত্তাল সময়ের পর পদ্মাপারের দেশে নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাসপাতাল থেকে ছাড়া, তবু মাঠে অনিশ্চিত অভিষেক! পাকিস্তান ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা ভারতের শিবিরে?

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও এখনও পুরো সুস্থ নন ভারতীয় ওপেনার অভিষেক শর্মা। কবে তিনি সম্পূর্ণ ফিট হয়ে মাঠে নামবেন, তা স্পষ্ট নয়। টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও তাঁর খেলা নিয়ে তৈরি হয়েছে সন্দেহ। ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ইঙ্গিত দিয়েছেন, অভিষেকের ফিরতে আরও এক-দুটি ম্যাচ সময় লাগতে পারে।বৃহস্পতিবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে জয়ের পর ড্রেসিংরুমে একটি ভিডিও করেন অর্শদীপ সিং। সেই ভিডিওতেই দেখা যায় অভিষেককে। তাঁকে বেশ ক্লান্ত দেখাচ্ছিল। অর্শদীপ জানতে চাইলে অভিষেক বলেন, তিনি ডাল-ভাত খাচ্ছেন, তবে পুরোপুরি ভালো নেই। অর্শদীপ মজা করে বলেন, তাঁকে অনেকটা রোগা লাগছে। যদিও সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি অভিষেক। শোনা গিয়েছিল, পেটের সমস্যার কারণে তাঁর ওজন অনেকটাই কমে গিয়েছে। ভিডিও দেখেও অনেকে একই মন্তব্য করেছেন।অসুস্থতা নিয়েই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলেন অভিষেক। কিন্তু প্রথম বলেই আউট হয়ে মাঠ ছাড়েন। তার পর আর তাঁকে মাঠে দেখা যায়নি। দিল্লি ফেরা, কোচ গৌতম গম্ভীর-এর বাড়িতে যাওয়া, পরে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াসবই হয়েছে চুপিসারে। গতকাল হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও নামিবিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি।পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচে তিনি খেলবেন কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। টসের সময় সূর্যকুমার বলেন, অভিষেক এখনও পুরো সুস্থ নন। ফলে পাকিস্তান ম্যাচে তাঁর নামার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও ম্যাচের পরে বরুণ চক্রবর্তী জানান, অভিষেক অনেকটাই ভালো আছেন।তবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলে এই অনিশ্চয়তা চিন্তা বাড়াচ্ছে সমর্থকদের। অভিষেক কবে মাঠে ফিরবেন, এখন সেদিকেই নজর ক্রিকেটপ্রেমীদের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

লালকেল্লার পর ফের কাঁপছে দিল্লি! স্কুলে বোমা হুমকি ঘিরে তীব্র আতঙ্ক

নভেম্বরে বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল রাজধানী। দিল্লি-র লালকেল্লা-র সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের স্মৃতি এখনও টাটকা। তার মধ্যেই আবার ছড়াল বোমাতঙ্ক। শুক্রবার সকালে রাজধানীর একাধিক স্কুলে বোমা রাখা হয়েছে বলে হুমকি আসে। আতঙ্ক ছড়ায় পড়ুয়া ও অভিভাবকদের মধ্যে।দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে অন্তত তিনটি স্কুলে বোমা রয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়। প্রথমে বিটি তামিল স্কুলে বোমা থাকার খবর ছড়ায়। সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক করা হয় পড়ুয়াদের পরিবারকে। পরে আরও দুটি স্কুলে একই ধরনের হুমকি আসে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল ও পুলিশ। দ্রুত স্কুলগুলি খালি করে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট।এর আগেও সোমবার ১৩টি স্কুলে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ইমেল পাঠানো হয়েছিল। সেই ইমেলে লেখা ছিল, আফজল গুরুর স্মৃতিতে দিল্লিকে খলিস্তান বানানো হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ে বিস্ফোরণ ঘটানো হবে। যদিও পরে সেই হুমকি ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়। তবু আতঙ্ক কাটেনি।গত ২৯ জানুয়ারি পাঁচটি স্কুল একই ধরনের হুমকি পেয়েছিল। তার আগের দিন দ্বারকা আদালত চত্বর উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি আসে। এমনকি সংসদ ভবন নিয়েও হুমকির ইমেল পাঠানো হয়েছিল। এক সপ্তাহে দুবার স্কুলে বোমা রাখার হুমকি ঘিরে উদ্বেগ বেড়েছে প্রশাসনের।১০ নভেম্বর লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণের ঘটনার পর থেকেই রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তবু একের পর এক হুমকি ইমেল প্রশাসনকে চিন্তায় ফেলেছে। এখনও পর্যন্ত হুমকির উৎস জানা যায়নি। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।বারবার বোমা হুমকির ঘটনায় আতঙ্কে দিল্লিবাসী। নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে। পড়ুয়া ও অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। রাজধানীতে ফের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

পুণেতে খুন পুরুলিয়ার শ্রমিক! ভাষা বিতর্ক না কি মদের ঝামেলা—রহস্যে ঘনাচ্ছে মৃত্যু

ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল পুরুলিয়ায়। বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্র-এর পুণে থেকে উদ্ধার হয়েছে পুরুলিয়ার বরাবাজারের বাসিন্দা সুখেন মাহাতোর দেহ। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই আমিন সওকত শেখ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস-এর অভিযোগ, বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণেই খুন হতে হয়েছে সুখেনকে। যদিও তদন্তে নেমে পুণে পুলিশের দাবি, ভাষা নয়, মত্ত অবস্থায় বচসা থেকেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের তরফে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।মঙ্গলবার পুণে শহরের কাছে শিকরাপুর থানার এলাকায় একটি হোটেলের পিছন থেকে সুখেনের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, সহকর্মীদের হাতে খুন হয়েছেন সুখেন এবং এর নেপথ্যে রয়েছে ভাষাগত বিদ্বেষ।অন্যদিকে, সুখেনের ভাই তুলসীরাম মাহাতো পুণেতে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন। তাঁর সম্মতিক্রমেই এফআইআর দায়ের হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শিকরাপুর থানায় মারাঠি ভাষায় এফআইআর লেখা হলেও তা হিন্দিতে অনুবাদ করে তাঁকে শোনানো হয়। তুলসীরাম জানিয়েছেন, তাঁর সম্মতি নিয়েই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।তুলসীরামের বয়ান অনুযায়ী, ৯ তারিখ দুপুরে সুখেন বাড়ি থেকে কাজের উদ্দেশে বের হন। সন্ধ্যায় তিনিও কাজে যান, কিন্তু সেখানে সুখেনকে দেখতে পাননি। ফোন করলেও যোগাযোগ হয়নি। রাতেও একাধিকবার ফোন করা হয়, কিন্তু কোনও সাড়া মেলেনি। পরদিন সকালে শিফট শেষ করে বাড়ি ফিরে সুখেনকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। পরে সুপারভাইজার সন্দীপ জানান, একটি হোটেলের পিছনে সুখেনের দেহ পড়ে রয়েছে। সেখানে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন তুলসীরাম।শুক্রবার দুপুরে সুখেনের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পুরুলিয়ার বরাবাজারে যাচ্ছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এই ঘটনায় ভাষা-বিদ্বেষ না কি ব্যক্তিগত বচসা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তদন্তে নেমেছে পুণে পুলিশ। পুরো ঘটনার নেপথ্যে কী রয়েছে, তা জানতে অপেক্ষা তদন্তের অগ্রগতির দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

তারেকের জয়ে উচ্ছ্বসিত মোদি? কূটনীতিতে নতুন অধ্যায় শুরু

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড়সড় জয়ের পথে বিএনপি। ফলাফল স্পষ্ট হতেই দলের সভাপতি তারেক রহমান-কে শুভেচ্ছা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার সকালে এক্স হ্যান্ডলে বার্তা দিয়ে মোদি লিখেছেন, এই জয় প্রমাণ করে বাংলাদেশবাসী তারেকের নেতৃত্বে আস্থা রেখেছেন।মোদি তাঁর বার্তায় আরও জানিয়েছেন, গণতান্ত্রিক ও উন্নয়নশীল বাংলাদেশের পাশে ভারত রয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যে বহুমুখী সম্পর্ক রয়েছে, তা আগামী দিনে আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। পারস্পরিক স্বার্থে দুই দেশের সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।শুক্রবার সকালেই বাংলাদেশের নির্বাচনের ফল পরিষ্কার হয়ে যায়। ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে ভোট হয়েছে। তার মধ্যে ২০০-র বেশি আসনে এগিয়ে থেকে সরকার গঠনের পথ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। দুটি আসনে লড়ে দুটিতেই জয় পেয়েছেন তারেক রহমান।এই নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ফল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি। প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে এসেছে তারা।এমন পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে মোদির শুভেচ্ছাবার্তা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। মোদি তাঁর বার্তায় লিখেছেন, বিএনপি দেশের নির্ণায়ক শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে এবং তারেকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে বলেই তিনি আশাবাদী।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে সংরক্ষণ বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেরে ক্ষমতাচ্যুত হন শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি দিল্লিতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে রয়েছেন বলে জানা যায়। আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন আদালত তাঁকে গণহত্যা মামলায় সাজা শুনিয়েছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার বারবার তাঁর প্রত্যর্পণ দাবি করলেও এ বিষয়ে ভারত সরকার প্রকাশ্যে কিছু জানায়নি।এই পটভূমিতে বিএনপির জয়ের আভাস মিলতেই মোদির দ্রুত শুভেচ্ছাবার্তা কূটনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এখন নজর, তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কোন পথে এগোয়।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal