• ১ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

UP

রাজ্য

দুর্গাপুজোর আগেই বাংলায় ফের বৃষ্টির ভ্রুকুটি! উত্তর আন্দামানে তৈরি হচ্ছে নিম্নচাপ, কোথায় যাবে তারপর?

দুর্গাপুজোর আগে ফের আবহাওয়ার ভোলবদলের ইঙ্গিত। উত্তর আন্দামান সাগর এবং সংলগ্ন এলাকায় একটি নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার পর ধীরে ধীরে শক্তি বাড়িয়ে পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে এগোতে পারে এবং দক্ষিণ ওড়িশা ও উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের দিকে যেতে পারে।এই আবহাওয়া পরিস্থিতির প্রভাব বাংলাতেও পড়তে পারে। মৌসম ভবনের সাম্প্রতিক পূর্বাভাসে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে ২৩ ও ২৪ সেপ্টেম্বর ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর প্রস্তুতির মধ্যে ফের বৃষ্টির দাপট বাড়বে কি না, তা নিয়ে নজর রয়েছে।কলকাতাতেও আপাতত বৃষ্টির পরিস্থিতি রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের কলকাতা-হাওড়া কেন্দ্রের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ আকাশ মূলত মেঘলা থাকতে পারে এবং মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতাও রয়েছে। কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩৫ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ২৬ ডিগ্রির আশপাশে থাকতে পারে।আগামীকালও কলকাতা ও হাওড়ায় মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর বৃষ্টির প্রবণতা কিছুটা কমতে পারে। তবে ২৩ ও ২৪ সেপ্টেম্বর ফের বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।শুধু কলকাতা নয়, দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলাতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে উপকূলবর্তী এবং সংলগ্ন জেলাগুলিতে নিম্নচাপের গতিপথের দিকে নজর রাখা হচ্ছে। নিম্নচাপটি শেষ পর্যন্ত কতটা শক্তিশালী হবে এবং তার গতিপথ কোন দিকে থাকে, তার উপর বাংলায় বৃষ্টির পরিমাণ অনেকটাই নির্ভর করবে।মৌসম ভবনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তর আন্দামান সাগরে তৈরি হতে চলা নিম্নচাপটি পরবর্তী কয়েক দিনে পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে সরে দক্ষিণ ওড়িশা এবং উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের দিকে যেতে পারে। তাই এই মুহূর্তে সরাসরি বলা যাচ্ছে না যে নিম্নচাপের জেরে গোটা বাংলা ডুবে যাবে বা দুর্গাপুজো ভেস্তে যাবে। তবে সেপ্টেম্বরের শেষভাগে বৃষ্টির একটি পর্ব তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের মতো জেলায় বিক্ষিপ্ত ভাবে বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝোড়ো হাওয়াও বইতে পারে।ফলে পুজোর আগে আপাতত নজর থাকবে নিম্নচাপের গতিপথের দিকে। নিম্নচাপটি শক্তি বাড়ায় কি না, কোথায় স্থলভাগে প্রভাব ফেলে এবং তার জেরে বাংলায় বৃষ্টির পরিমাণ কতটা বাড়ে, আগামী কয়েক দিনের পূর্বাভাসে সেই ছবিই আরও স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
দেশ

‘অনলাইন পেমেন্ট নেব না’! নতুন মাশুলের আতঙ্কে দোকানে দোকানে নগদের দাবি

ইউপিআই লেনদেনে নতুন মাশুল চালু হওয়ার কথা ১৫ অক্টোবর থেকে। তার আগেই দেশের কয়েকটি জায়গায় ব্যবসায়ীদের একাংশ অনলাইন পেমেন্ট নিয়ে আপত্তি জানাতে শুরু করেছেন। কোথাও দোকানের বাইরে পোস্টার দিয়ে জানানো হচ্ছে, ইউপিআইয়ের মাধ্যমে টাকা নেওয়া হবে না। আবার কোথাও ক্রেতাদের নগদে বিল মেটানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। গাজিয়াবাদে এমনই একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে।নতুন নিয়ম অনুযায়ী, নির্দিষ্ট ব্যবসায়িক ইউপিআই লেনদেনে দুই হাজার টাকার বেশি অঙ্কের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের উপর শূন্য দশমিক চার শতাংশ হারে মাশুল বসবে। এই মাশুলের সর্বোচ্চ সীমা প্রতি লেনদেনে ৩০০ টাকা। নিয়মটি ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়ার কথা। তবে সাধারণ ব্যক্তি থেকে ব্যক্তির ইউপিআই লেনদেন এই মাশুলের আওতায় পড়বে না। দুই হাজার টাকা পর্যন্ত বহু ব্যবসায়িক লেনদেনও মাশুলমুক্ত থাকবে।সরকারের তরফে স্পষ্ট করা হয়েছে, এই মাশুল সরাসরি গ্রাহকের কাছ থেকে নেওয়ার কথা নয়। মাশুল দেওয়ার দায়িত্ব ব্যবসায়ীর। কেন্দ্র ইতিমধ্যেই ব্যাঙ্ক এবং অর্থপ্রদানের পরিষেবা সংস্থাগুলির সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছে। ১৫ অক্টোবর থেকে প্রতিদিন পরিস্থিতির উপর নজর রাখার পরিকল্পনাও রয়েছে, যাতে ব্যবসায়ীরা এই খরচ ক্রেতার উপর চাপিয়ে দিতে না পারেন।কিন্তু নিয়ম কার্যকর হওয়ার আগেই ব্যবসায়ীদের একাংশের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গাজিয়াবাদের এক স্বর্ণ ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, তাঁর দোকানে সাধারণত দুই হাজার টাকার বেশি দামের পণ্য বিক্রি হয়। ফলে নতুন নিয়মে মাশুলের প্রভাব পড়তে পারে বলে তিনি মনে করছেন। সেই কারণেই ক্রেতাদের নগদে টাকা মেটানোর পরামর্শ দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।একই ধরনের বক্তব্য এসেছে একটি সৌন্দর্য পরিষেবা প্রতিষ্ঠানের মালিকের কাছ থেকেও। তাঁর বক্তব্য, ব্যবসায় এমনিতেই খরচ বেড়েছে এবং লাভের পরিমাণ কম। তার উপর নতুন মাশুলের বোঝা কেন ব্যবসায়ীরা বহন করবেন, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তাঁর মতে, ক্রেতাদেরও বুঝতে হবে কোন মাধ্যমে টাকা দিলে ব্যবসায়ীর উপর অতিরিক্ত খরচ তৈরি হবে।শুধু বড় দামের পণ্য বিক্রির দোকানেই নয়, কিছু মুদিখানা দোকানেও এই নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সাধারণত মুদিখানায় দুই হাজার টাকার বেশি অঙ্কের লেনদেন কম হলেও কোনও কোনও ক্ষেত্রে বড় অঙ্কের কেনাকাটা হয়। তাই নতুন নিয়ম নিয়ে ছোট ব্যবসায়ীদের একাংশও সতর্ক হয়ে উঠেছেন।মধ্যপ্রদেশের একাধিক পেট্রল পাম্পেও ইউপিআই মাশুল নিয়ে নোটিস দেওয়ার খবর সামনে এসেছে। ফলে নতুন নিয়ম কার্যকর হওয়ার আগেই কোথাও কোথাও নগদ লেনদেনের উপর জোর দেওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।তবে এখানে একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। নতুন মাশুলের অর্থ সরাসরি গ্রাহকের কাছ থেকে নেওয়ার নিয়ম নেই। কেন্দ্রের বক্তব্য, সাধারণ গ্রাহকের ইউপিআই ব্যবহারে এই মাশুল চাপানো যাবে না। দুই হাজার টাকা পর্যন্ত ব্যবসায়িক লেনদেন এবং ব্যক্তি থেকে ব্যক্তির লেনদেনের বড় অংশ আগের মতোই মাশুলমুক্ত থাকবে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, মোট ব্যবসায়িক ইউপিআই লেনদেনের প্রায় ৯৬ শতাংশই এই পরিবর্তনের বাইরে থাকবে।এই নতুন ব্যবস্থা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক বিতর্কও তৈরি হয়েছে। বিরোধীদের আশঙ্কা, ব্যবসায়ীদের উপর মাশুল বসলে শেষ পর্যন্ত তার প্রভাব ক্রেতাদের উপর পড়তে পারে। ব্যবসায়ীদের একাংশের বর্তমান অবস্থান সেই আশঙ্কাকেই নতুন করে সামনে এনেছে। যদিও কেন্দ্র জানিয়েছে, কোনও ভাবেই এই খরচ সাধারণ মানুষের উপর চাপানো ঠেকাতে নজরদারি করা হবে।অর্থাৎ, ১৫ অক্টোবর থেকে নতুন মাশুল চালু হলেও সাধারণ গ্রাহককে ইউপিআই ব্যবহারের জন্য সরাসরি অতিরিক্ত টাকা দেওয়ার কথা নয়। কিন্তু ব্যবসায়ীরা যদি মাশুলের আশঙ্কায় ইউপিআই নিতে অস্বীকার করেন বা অন্য ভাবে ক্রেতার উপর অতিরিক্ত খরচ চাপানোর চেষ্টা করেন, তা হলে বাস্তবে পরিস্থিতি কতটা বদলাবে, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

উপনির্বাচনের আগে বড় সিদ্ধান্ত কমিশনের, ‘তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম ও জোড়াফুল প্রতীক ফ্রিজ

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় নাম এবং নির্বাচনী প্রতীক আপাতত ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী এবং বিরোধী গোষ্ঠীকেউই আসন্ন উপনির্বাচনে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নাম বা দলের জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না।দলীয় নাম ও প্রতীকের মালিকানা নিয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধের জেরেই এই অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বিষয়টি বর্তমানে প্রতীক সংক্রান্ত নির্দেশের ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে বিবেচনাধীন রয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দুই পক্ষকেই পৃথক পরিচয় এবং আলাদা নির্বাচনী প্রতীকে উপনির্বাচনে লড়তে হবে।কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, দুই গোষ্ঠীকেই তিনটি করে পছন্দের দলের নাম এবং তিনটি করে প্রতীকের বিকল্প জানাতে বলা হয়েছে। ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টার মধ্যে সেই তালিকা জমা দিতে হবে। এরপর কমিশন দুই পক্ষের জন্য পৃথক নাম ও প্রতীক বরাদ্দ করবে।নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূলের দলীয় পরিচয় ও প্রতীক নিয়ে এই বিরোধ আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দুই পক্ষই নিজেদের তৃণমূল কংগ্রেসের বৈধ প্রতিনিধি বলে দাবি করেছে। কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পরই স্পষ্ট হবে দলীয় নাম ও সংরক্ষিত প্রতীকের অধিকার কার হাতে থাকবে।ততদিন পর্যন্ত উপনির্বাচনে কোনও গোষ্ঠীই অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নাম বা জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

পুজোর আর মাত্র ৩০ দিন, তার আগেই ফের বৃষ্টির ভ্রুকুটি! কোন কোন জেলায় কমলা সতর্কতা?

পুজোর আর মাত্র ৩০ দিন বাকি। কিন্তু তার আগেই ফের বৃষ্টির ভ্রুকুটি। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উপকূল ও পশ্চিমাঞ্চলের একাধিক জেলায় জারি করা হয়েছে কমলা সতর্কতা। রবিবার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও সোমবার থেকে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে।হাওয়া অফিস জানিয়েছে, মৌসুমী অক্ষরেখা উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গ থেকে উত্তর ওড়িশা পর্যন্ত আরও একটি অক্ষরেখা রয়েছে। এর ফলে বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প রাজ্যে ঢুকছে। সেই কারণেই দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ফের বৃষ্টির প্রবণতা বাড়ছে।বৃহস্পতিবার দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, হুগলি, বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়ায় বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রবিদ্যুতের জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কলকাতা-সহ অন্যান্য জেলাতেও দু-এক জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে।শুক্রবারও দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ওই দিন বিভিন্ন জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির জন্য হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ফলে সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসেও বৃষ্টির হাত থেকে পুরোপুরি রেহাই মিলবে না।শনিবার বৃষ্টির প্রবণতা কিছুটা কমতে পারে। তবে উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়ার দু-এক জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে।রবিবারও দক্ষিণবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। তবে বৃষ্টির পরিমাণ এবং বিস্তার আগের দিনের তুলনায় কিছুটা কমতে পারে। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। এই ছয় জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।সোমবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কমতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। অর্থাৎ সপ্তাহের শুরুতে পুজোর প্রস্তুতিতে কিছুটা স্বস্তি ফিরতে পারে।অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গেও বৃহস্পতিবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টির জন্য হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে।তবে শুক্রবার থেকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা ধীরে ধীরে কমতে পারে বলে পূর্বাভাস। ফলে আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ার উপরও নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

অন্নপূর্ণা যোজনায় বড় আপডেট, ১৭ সেপ্টেম্বর কাদের অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ৩,০০০ টাকা? অতিরিক্ত ১০ লক্ষ মহিলা পাবেন সুবিধা

পশ্চিমবঙ্গের অন্নপূর্ণা যোজনার উপভোক্তাদের জন্য বড় আপডেট। সেপ্টেম্বর মাসের ৩,০০০ টাকার কিস্তি আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর যোগ্য উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সরাসরি DBT-এর মাধ্যমে আধার-লিঙ্কড ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এই টাকা জমা পড়বে। ১৭ সেপ্টেম্বর দিনটিকে অন্নপূর্ণা দিবস হিসেবেও পালন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর সাম্প্রতিক ঘোষণার খবর অনুযায়ী, অগস্টে প্রায় ১ কোটি ৪৮ লক্ষ মহিলা অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা পেয়েছিলেন। সেপ্টেম্বরের কিস্তিতে সেই সংখ্যা বেড়ে প্রায় ১ কোটি ৫৮ লক্ষ হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। অর্থাৎ, নতুন করে আরও প্রায় ১০ লক্ষ মহিলা এই কিস্তির আওতায় আসবেন।মাসে কত টাকা মিলবে?২০২৬ সালের জুন মাসে চালু হওয়া অন্নপূর্ণা যোজনায় যোগ্য মহিলাদের প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই অর্থ সরাসরি DBT-এর মাধ্যমে উপভোক্তার আধার-লিঙ্কড ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।কারা পাবেন অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা?সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সি পশ্চিমবঙ্গের মহিলা বাসিন্দারা নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারেন। স্থায়ী সরকারি চাকরিতে থাকা এবং কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের নিয়মিত বেতন বা পেনশন পাওয়া মহিলারা এই প্রকল্পের আওতায় থাকবেন না। সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীরাও বাদ পড়বেন। পাশাপাশি আয়করদাতারাও এই আর্থিক সহায়তা পাওয়ার যোগ্য নন।১৭ সেপ্টেম্বর কারা টাকা পাবেন?সেপ্টেম্বরের কিস্তির জন্য উপভোক্তার নাম যোগ্য তালিকায় থাকা এবং প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই সম্পূর্ণ হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। আধার ও ব্যাঙ্কের তথ্যের মধ্যে গরমিল, DBT সংক্রান্ত সমস্যা বা অন্য কোনও তথ্যগত ত্রুটি থাকলে টাকা জমা পড়তে দেরি হতে পারে। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে তথ্যের ভুলের কারণে কিছু উপভোক্তার টাকা আটকে থাকার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।তাই যাঁরা অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধাভোগী, তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সক্রিয় রয়েছে কি না এবং আধারের সঙ্গে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সংযোগ সঠিক রয়েছে কি না, তা আগে থেকেই যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন।অন্নপূর্ণা যোজনার সেপ্টেম্বরের ৩,০০০ টাকা ১৭ সেপ্টেম্বর যোগ্য উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠানোর কথা। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্পের আবেদন ও স্ট্যাটাস সংক্রান্ত তথ্যও নির্দিষ্ট পোর্টালের মাধ্যমে জানা যায়।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
রাজ্য

ফের কমল সোনার দাম, কলকাতায় ২৪ ক্যারেটের দর জানলে চমকে উঠবেন

Gold Price Today: সোনার দামে ফের পতন। একদিন স্থিতিশীল থাকার পর টানা তৃতীয় দিনের মতো কমল হলুদ ধাতুর দাম। মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের আগে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দরে চাপ তৈরি হয়েছে। এর পাশাপাশি অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধিও বাজারে প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।তেলের দাম বাড়লে মুদ্রাস্ফীতির চাপ বাড়তে পারে। সেই পরিস্থিতিতে মার্কিন ফেড সুদের হার বাড়াতে পারে, এমন আশঙ্কায় সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে সোনার প্রতি বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ কিছুটা কমেছে। মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের বৈঠক ১৫ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছে এবং ১৬ সেপ্টেম্বর সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত প্রকাশের কথা। ফলে ওই সিদ্ধান্তের দিকে নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক বাজারের।গত তিন দিনে ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনার দাম মোট ১,৪২০ টাকা কমেছে। একই সময়ে ২২ ক্যারেট সোনার দর কমেছে ১,৩১০ টাকা। বুধবারও ২৪ ও ২২ ক্যারেটদুই ধরনের সোনার দাম ১০ টাকা করে কমেছে।কলকাতায় আজকের সোনার দামকলকাতায় ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ১,৫৩,১৬০ টাকা। ২২ ক্যারেট সোনার দাম ১,৪০,৩৯০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট সোনার দাম ১,১৪,৮৭০ টাকা। অর্থাৎ ১৮ ক্যারেট সোনার ১০ গ্রামের দর ১.১৫ লক্ষ টাকার সামান্য নিচে।দেশের অন্যান্য বড় শহরেও সোনার দরে সামান্য পার্থক্য রয়েছে। দিল্লিতে ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ১,৫৩,৩১০ টাকা, ২২ ক্যারেট ১,৪০,৫৪০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট ১,১৫,০২০ টাকা। মুম্বইয়ে ২৪ ক্যারেটের দাম ১,৫৩,১৬০ টাকা, ২২ ক্যারেট ১,৪০,৩৯০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট ১,১৪,৮৭০ টাকা।পাটনা ও আহমেদাবাদে ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ১,৫৩,২১০ টাকা। সেখানে ২২ ক্যারেটের দর ১,৪০,৪৪০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের দাম ১,১৪,৯২০ টাকা। জয়পুরে ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ১,৫৩,৩১০ টাকা, ২২ ক্যারেট ১,৪০,৫৪০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট ১,১৫,০২০ টাকা।তবে চেন্নাইয়ের ক্ষেত্রে ২৪ ক্যারেট সোনার দরে দেওয়া তথ্যে সংখ্যাগত অসঙ্গতি রয়েছে। সেখানে ২২ ক্যারেটের দাম ১,৪০,৩৯০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের দাম ১,১৮,০৯০ টাকা। তবে কেনার আগে স্থানীয় বাজার বা বিক্রেতার কাছ থেকে ২৪ ক্যারেটের বর্তমান দর যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন।চার দিন পর কমল রুপোর দামসোনার পাশাপাশি রুপোর দামেও বুধবার কিছুটা পতন দেখা গিয়েছে। টানা চার দিন স্থিতিশীল থাকার পর এক কেজি রুপোর দাম ১০০ টাকা কমেছে।দিল্লিতে এক কেজি রুপোর দাম এখন ২,৪৪,৯০০ টাকা। কলকাতা ও মুম্বইয়েও একই দরে রুপো বিক্রি হচ্ছে বলে দেওয়া হয়েছে। তবে চেন্নাইয়ে রুপোর দাম তুলনামূলক বেশিএক কেজি ২,৪৯,৯০০ টাকা। এর আগে ১০ সেপ্টেম্বর এক কেজি রুপোর দাম ৫,০০০ টাকা বেড়েছিল। পরের দিন, অর্থাৎ ১১ সেপ্টেম্বর, ফের এক কেজিতে ১০,০০০ টাকা কমেছিল। বুধবারের পতনের ফলে রুপোর বাজারেও ফের কিছুটা দুর্বলতা দেখা গেল।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
দেশ

কেন্দ্রের নজরে ভাট্টি নেটওয়ার্ক, জঙ্গি সংগঠন ঘোষণার নেপথ্যে কী অভিযোগ?

শাহজাদ ভাট্টি নেটওয়ার্ককে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনের আওতায় এই ঘোষণা করা হয়েছে। কেন্দ্রের সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সংগঠনটির বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদ, অস্ত্র ও বিস্ফোরক পাচার, মাদক পাচার এবং তরুণদের উগ্রপন্থার দিকে ঠেলে দেওয়ার মতো একাধিক অভিযোগ রয়েছে।কেন্দ্রের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শাহজাদ ভাট্টি নেটওয়ার্কের নাম এখন বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনের প্রথম তফসিলে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিসেবে যুক্ত হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বক্তব্য, সংগঠনটি তরুণ এবং অপরাধজগতের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে নিজেদের নেটওয়ার্কে টানার চেষ্টা করত। সীমান্ত দিয়ে অস্ত্র, বিস্ফোরক এবং মাদক পাচারের অভিযোগও রয়েছে সংগঠনটির বিরুদ্ধে।কেন্দ্রের দাবি, ভাট্টি নেটওয়ার্কের সঙ্গে একাধিক অপরাধ ও সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের মামলা যুক্ত রয়েছে। বিভিন্ন রাজ্যে সংগঠনের সদস্যদের বিরুদ্ধে বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন, অস্ত্র আইন, মাদক সংক্রান্ত আইন এবং বিস্ফোরক আইনের মতো একাধিক ধারায় মামলা হয়েছে বলে সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।এর আগে স্বাধীনতা দিবসের আগে এই নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে বড় অভিযান চালানো হয়েছিল। কেন্দ্র জানিয়েছে, ১২ অগস্ট ১৪টি রাজ্যে একযোগে অভিযান চালিয়ে ২৫৩ জনকে আটক করা হয়। ওই অভিযানের সঙ্গে যুক্ত মামলাগুলি মিলিয়ে ৮০টির বেশি মামলা এবং ২০০-র বেশি গ্রেফতারের কথা জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।ওই অভিযানে তদন্তকারীরা আইইডি, গ্রেনেড, পিস্তল, তাজা কার্তুজ এবং নজরদারির কাজে ব্যবহৃত ক্যামেরা উদ্ধার করার দাবি করেছিলেন। কিছু গ্রেনেডে পাকিস্তান অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরির ছাপ ছিল বলেও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।কেন্দ্রের আরও দাবি, ভাট্টি নেটওয়ার্কের সদস্যরা পুলিশ, প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত জায়গা এবং ধর্মীয় স্থানের গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করেছিল। নজরদারির জন্য ক্যামেরা বসানোর অভিযোগও রয়েছে। স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে সম্ভাব্য নাশকতার পরিকল্পনা ঠেকাতেই ১২ অগস্টের সমন্বিত অভিযান চালানো হয়েছিল বলে কেন্দ্র জানিয়েছে।এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের যোগসূত্র নিয়েও তদন্ত হয়েছে। এর আগে রাজ্যে ভাট্টি নেটওয়ার্কের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগে কয়েক জনকে গ্রেফতার করার খবর প্রকাশ্যে এসেছিল। তদন্তকারীরা নেটওয়ার্কটির যোগাযোগ, নিয়োগের পদ্ধতি এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তাদের সম্ভাব্য যোগসূত্র খতিয়ে দেখছেন।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, সংগঠনটি সমাজমাধ্যম এবং অন্যান্য ডিজিটাল যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে উস্কানিমূলক বার্তা ছড়ানোর চেষ্টা করত। কেন্দ্রের মতে, এই ধরনের কার্যকলাপ দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামো, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করতে পারে।শাহজাদ ভাট্টি নেটওয়ার্ককে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করার পর সংগঠনটির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা আরও কঠোর করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা আদালতের বিচার ও তদন্তের ফলাফলের উপরই নির্ভর করবে।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
ব্যবসা

এত দিন বিনামূল্যে, এবার ইউপিআইয়ে চার্জ! কোন ব্যবসায়িক লেনদেন পড়বে নিয়মের আওতায়?

ডিজিটাল লেনদেনের ক্ষেত্রে ইউপিআই এখন দেশের সাধারণ মানুষের অন্যতম প্রধান ভরসা। নগদ টাকার ব্যবহার কমিয়ে অনলাইন লেনদেন বাড়ানোর ক্ষেত্রে ইউপিআইয়ের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এই ব্যবস্থার জনপ্রিয়তা বাড়ার মধ্যেই এবার ব্যবসায়িক লেনদেনের মাশুল নিয়ে নতুন নিয়ম সামনে এসেছে।দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে ২ হাজার টাকার বেশি ব্যবসায়িক ইউপিআই লেনদেনের ক্ষেত্রে মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট বা এমডিআর কার্যকর হবে। সহজ করে বললে, কোনও ব্যবসায়ী ইউপিআইয়ের মাধ্যমে টাকা গ্রহণ করলে সেই লেনদেনের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ককে নির্দিষ্ট হারে মাশুল দিতে হতে পারে। দীর্ঘ সময় ধরে ভারতে ইউপিআই লেনদেনে এই ধরনের মাশুল কার্যকর ছিল না। এবার ব্যবসায়িক লেনদেনের ক্ষেত্রে ফের সেই মাশুল চালুর কথা বলা হচ্ছে।নয়া নিয়ম অনুযায়ী, ২ হাজার টাকার বেশি ব্যবসায়িক লেনদেনে ০.৪ শতাংশ হারে এমডিআর বসবে। তবে বড় অঙ্কের লেনদেনের ক্ষেত্রে মাশুলেরও সর্বোচ্চ সীমা রাখা হয়েছে। ৭৫ হাজার টাকা বা তার বেশি লেনদেন হলে প্রতি লেনদেনে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা পর্যন্ত মাশুল নেওয়া হবে বলে দেওয়া তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে।তবে সব ব্যবসায়ীকে একই হারে মাশুল দিতে হবে না। কিছু বিশেষ ক্ষেত্রের জন্য আলাদা হারে মাশুল নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। পেট্রল পাম্প তার মধ্যে অন্যতম। সেখানে ২ হাজার টাকার বেশি ইউপিআই লেনদেন হলে ৫ টাকা মাশুল নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বিদ্যুৎ এবং পাইপের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহের মতো কিছু ক্ষেত্রেও একই ধরনের বিশেষ মাশুল প্রযোজ্য হবে বলে জানানো হয়েছে।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এই মাশুল সরাসরি সাধারণ গ্রাহকের কাছ থেকে নেওয়া হবে না। অর্থাৎ কোনও ব্যক্তি ইউপিআইয়ের মাধ্যমে ২ হাজার টাকার বেশি ব্যবসায়িক পেমেন্ট করলেই তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে আলাদা করে মাশুল কেটে নেওয়ার কথা নয়। মাশুলের বিষয়টি মূলত ব্যবসায়ীর টাকা গ্রহণের সঙ্গে যুক্ত।ছোট ব্যবসায়ীদেরও এই মাশুলের আওতায় না রাখার কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। ফলে নতুন নিয়মে মূলত কোন ধরনের ব্যবসা এবং কোন ধরনের লেনদেন পড়বে, তা নিয়ে ব্যবসায়ী মহলে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।এদিকে ব্যবসায়িক লেনদেনে মাশুল চালু করা নিয়ে বিরোধীদের আপত্তিও রয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, ব্যবসায়ীদের উপর অতিরিক্ত খরচ চাপলে শেষ পর্যন্ত সেই খরচ কোনও না কোনও ভাবে সাধারণ মানুষের উপর পড়তে পারে। যদিও কেন্দ্রের বক্তব্য, গ্রাহকের কাছ থেকে এই মাশুল নেওয়া হবে না।অন্য দিকে, ব্যক্তিগত বা অব্যবসায়িক ইউপিআই লেনদেনের ক্ষেত্রে এই মাশুল প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ বন্ধু বা পরিবারের সদস্যকে টাকা পাঠানো কিংবা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে ইউপিআই ব্যবহার করার ক্ষেত্রে নতুন করে কোনও চার্জ বসার কথা নেই। মূল পরিবর্তনটি ব্যবসায়িক লেনদেনকে ঘিরেই।ফলে ১৫ অক্টোবর থেকে ইউপিআই ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে লেনদেনটি ব্যক্তিগত না ব্যবসায়িক এবং তার অঙ্ক কত। ২ হাজার টাকার সীমা পার করা ব্যবসায়িক লেনদেনের ক্ষেত্রেই নতুন মাশুলের প্রশ্ন উঠবে। তবে গ্রাহকের নিজের পকেট থেকে এই মাশুল দেওয়ার কথা নয় বলেই কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
রাজ্য

পুজোর আগেই আবহাওয়ার বড় মোড়! বিশ্বকর্মা পুজোর দিন বৃষ্টির সম্ভাবনা কলকাতায়

বৃষ্টি সামান্য কমতেই কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ফের ভ্যাপসা গরম শুরু হয়েছে। সকাল থেকেই রোদের তেজে অস্বস্তি বেড়েছে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় গরম আরও বেশি অনুভূত হচ্ছে। তবে এই পরিস্থিতি বেশিদিন স্থায়ী হবে না বলেই পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। মঙ্গলবার ও বুধবার বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কম থাকলেও বৃহস্পতিবার থেকে ফের বৃষ্টি বাড়তে পারে।বিশ্বকর্মা পুজোর দিন অর্থাৎ শুক্রবারও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গে এমন ঘর্মাক্ত আবহাওয়া থাকলেও উত্তরবঙ্গে আপাতত ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ফলে একই সময়ে রাজ্যের এক প্রান্তে গরম ও অন্য প্রান্তে ভারী বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, মৌসুমী অক্ষরেখা রাজস্থান ও গুজরাটের নিম্নচাপের উপর দিয়ে রৌরকেল্লা এবং দিঘার উপর দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে এগিয়ে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর প্রভাবেই দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির এই ওঠানামা চলছে।মঙ্গলবার ও বুধবার দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক ভাবে কম থাকবে। কিন্তু বাতাসে জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় অস্বস্তি বাড়বে। বৃহস্পতিবার থেকে ফের বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে। শনিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা হাওয়াও বইতে পারে।উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি অবশ্য সম্পূর্ণ আলাদা। সেখানে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি রয়েছে। বুধবার দুএকটি জেলায় অতি ভারী বৃষ্টিও হতে পারে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্ত ভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।মঙ্গলবার কালিম্পং ও জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে। বুধবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ ও বিস্তার আরও বাড়তে পারে। জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি এবং ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে।শুক্রবার থেকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে বলে পূর্বাভাস। ওই দিনের জন্য কোনও সতর্কবার্তা জারি করা হয়নি। ফলে সপ্তাহের শেষ দিকে উত্তরবঙ্গে আবহাওয়া কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।কলকাতায় মঙ্গলবার ও বুধবার বৃষ্টির সম্ভাবনা কম থাকবে। তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। তার সঙ্গে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় অস্বস্তিও বাড়বে। বৃহস্পতিবার থেকে ফের বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। বৃষ্টির সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা হাওয়াও বইতে পারে। শনিবার পর্যন্ত এমন পরিস্থিতি চলতে পারে বলে পূর্বাভাস।মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.২ ডিগ্রি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৬৮ থেকে ৯৬ শতাংশ। ফলে বৃষ্টি কিছুটা কমলেও জলীয় বাষ্পের কারণে কলকাতায় আপাতত অস্বস্তিকর গরমই বজায় থাকবে। তবে বৃহস্পতিবার থেকে ফের বৃষ্টি বাড়ার সম্ভাবনায় বদলে যেতে পারে শহরের আবহাওয়া।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

স্মৃতি-শেফালির ব্যাটে ঝড়, চরণী-দীপ্তির ঘূর্ণিতে ধস! শ্রীলঙ্কাকে ৭২ রানে হারিয়ে অষ্টম বার এশিয়াসেরা ভারত

ভারত: ১৮৩/৫ | শ্রীলঙ্কা: ১১১ অলআউট | ভারত জয়ী ৭২ রানেএক দিকে স্মৃতি মন্ধানা-শেফালি বর্মার ব্যাটে ঝড়। অন্য দিকে শ্রী চরণী-দীপ্তি শর্মার ঘূর্ণিতে শ্রীলঙ্কার ব্যাটিংয়ের কোমর ভেঙে যাওয়া। দুবাইয়ের ফাইনালে যেন একাই খেলল ভারত। শুরুতে ব্যাট হাতে আগ্রাসন, পরে বল হাতে নিখুঁত নিয়ন্ত্রণদুইয়ের দাপটে চামারি আতাপাত্তুর শ্রীলঙ্কাকে ৭২ রানে হারিয়ে অষ্টম বার এশিয়া কাপের মুকুট মাথায় তুলল হরমনপ্রীত কৌরের ভারত।টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন হরমনপ্রীত। মন্থর উইকেটে সিদ্ধান্তটা যে ঝুঁকির, তা জানাই ছিল। কিন্তু সেই ঝুঁকিকেই সাফল্যে বদলে দিলেন ভারতের দুই ওপেনার। শুরু থেকেই শ্রীলঙ্কার বোলারদের উপর চড়াও হলেন শেফালি এবং স্মৃতি। পাওয়ার প্লে-র ছয় ওভারেই উঠে এল ৫৭ রান। তখনই বোঝা গিয়েছিল, ফাইনালে বড় রান করার লক্ষ্য নিয়েই নেমেছে ভারত।শেফালি ছিলেন আরও আগ্রাসী। আগের ম্যাচের ৬৪ রানের পর ফাইনালেও তাঁর ব্যাটে এল ঝকঝকে অর্ধশতরান। স্মৃতি অবশ্য শুরুতে সময় নিয়েছিলেন। এক বার ক্রিজে চোখ সয়ে যেতেই বদলে গেল গতি। ১১তম ওভারে ভারত একশোর গণ্ডি পেরিয়ে যায়। দুই ওপেনারই তখন হাফসেঞ্চুরি করে ফেলেছেন। ভারতের স্কোর ২০০ পেরোনোর সম্ভাবনাও তখন যথেষ্ট উজ্জ্বল।কিন্তু সেখানেই আচমকা ধাক্কা।চামুণ্ডি প্রবোদার বলে চামারি আতাপাত্তুর হাতে ক্যাচ দিয়ে ৩৯ বলে ৬৮ রান করে ফিরলেন শেফালি। ভাঙল ১২৯ রানের ওপেনিং জুটি। এর পরেই আরও বড় ধাক্কা। হরমনপ্রীতের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হয়ে গেলেন স্মৃতি। ৩৯ বলে ৫৯ রান করে ফিরতে হল তাঁকে। সরাসরি ফিল্ডারের হাতে বল যাচ্ছে দেখেও রান নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন অধিনায়ক। স্মৃতির ফিরে আসার সঙ্গে ভারতের ইনিংসেও যেন খানিকটা গতি কমে গেল।𝗖. 𝗛. 𝗔. 𝗠. 𝗣. 𝗜. 𝗢. 𝗡. 𝗦 🏆A flawless campaign capped by sheer brilliance 🇮🇳🥳Congratulations to #TeamIndia on winning the #WomensAsiaCup 👏👏Scorecard ▶️ https://t.co/knKLXGSfOd #INDvSL pic.twitter.com/O3KaZ0oA3p BCCI Women (@BCCIWomen) September 13, 2026রিচা ঘোষ ১৭ রান করে ফিরলেন। হরমনপ্রীত থামলেন ১৪-তে। দীপ্তি শর্মা রান আউট হলেন ৫ রানে। ফলে শেষ দিকে প্রত্যাশিত ঝড় আর উঠল না। তবু ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৮৩মন্থর দুবাইয়ের পিচে শ্রীলঙ্কার সামনে যথেষ্ট বড় লক্ষ্যই রেখে দিল ভারত।তার পর যা হল, তা কার্যত একপেশে লড়াই।১৮৪ রান তাড়া করতে নেমে চতুর্থ বলেই উইকেট হারাল শ্রীলঙ্কা। ইমিশা দুলানিকে ফিরিয়ে শুরুটা করে দিলেন ক্রান্তি গৌড়। অধিনায়ক আতাপাত্তু চেষ্টা করছিলেন ইনিংসটা টেনে নিয়ে যাওয়ার। কিন্তু অন্য প্রান্তে সঙ্গী কোথায়?ভারতীয় স্পিনাররা বল হাতে আসতেই আরও বিপর্যস্ত হয়ে পড়ল শ্রীলঙ্কা। দীপ্তি শর্মা পর পর ফিরিয়ে দিলেন বিশমি গুণরত্নে এবং চামারি আতাপাত্তুকে। ২০ রানে বিশমি, ৩৬ রানে আতাপাত্তুদুই উইকেট পড়তেই কার্যত ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলেছিল ভারত।এর পর শুধু ব্যবধান কমানোর লড়াই। নীলাক্ষী ২২, চরণী ২০ রান করলেও ভারতীয় বোলিংয়ের সামনে বড় জুটি গড়ার কোনও সুযোগই পেল না শ্রীলঙ্কা। একের পর এক উইকেট পড়তে থাকল। ভারতের ফিল্ডিংও ছিল যথেষ্ট তীক্ষ্ণ। ক্যাচ, রান আউটযে সুযোগ এসেছে, তার বেশির ভাগই কাজে লাগিয়েছে ভারত।শেষ পর্যন্ত ২০তম ওভারের শেষ বলে শেষ উইকেটটি পড়ল। শ্রীলঙ্কা গুটিয়ে গেল ১১১ রানে। ভারত জিতল ৭২ রানে।ভারতের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল শ্রী চরণী। ২০ রান দিয়ে চার উইকেট তাঁর। দীপ্তি শর্মা নিলেন তিনটি। শেফালি বর্মা, ক্রান্তি গৌড় এবং প্রেমা রাওয়াত পেলেন একটি করে।ফাইনালের মঞ্চে তাই ভারতের জয় শুধু স্কোরবোর্ডের ব্যবধানেই নয়দাপটেও। প্রথমে স্মৃতি-শেফালির ব্যাটে শ্রীলঙ্কার বোলিংকে ছিন্নভিন্ন করা, পরে দীপ্তি-চরণীদের ঘূর্ণিতে তাদের ব্যাটিংকে গুঁড়িয়ে দেওয়া। অষ্টম এশিয়া কাপ জয়ের রাতে ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটের শ্রেষ্ঠত্বের ছবিটা যেন আরও এক বার স্পষ্ট হয়ে গেল।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
রাজ্য

বৃষ্টি থেকে কিছুটা রেহাই দক্ষিণবঙ্গের, কিন্তু উত্তরবঙ্গের কপালে কী? বড় পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের

দক্ষিণবঙ্গে আপাতত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। বিক্ষিপ্ত ভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। তবে আগামী চার থেকে পাঁচ দিনে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ আরও কমবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। বৃষ্টি কমলে ভ্যাপসা গরম এবং অস্বস্তি বাড়তে পারে।অন্য দিকে উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি একেবারেই আলাদা। পাহাড় এবং ডুয়ার্সের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি এবং কালিম্পংয়ে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও বিক্ষিপ্ত ভাবে বৃষ্টি হতে পারে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণ ছত্তীসগঢ়ের উপর একটি নিম্নচাপ অবস্থান করছে। পাশাপাশি রাজস্থানের জয়সালমীর থেকে ওড়িশার গোপালপুর হয়ে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে মৌসুমী অক্ষরেখা। এই দুই ব্যবস্থার প্রভাবেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।দক্ষিণবঙ্গে আগামী ২৪ ঘণ্টায় সব জেলাতেই বিক্ষিপ্ত ভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। বজ্রপাতের আশঙ্কাও রয়েছে। বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।রবিবারও দক্ষিণবঙ্গে বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। তবে সোমবার থেকে বৃষ্টির সম্ভাবনা আরও কমবে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, পরবর্তী চার থেকে পাঁচ দিনে দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির কোনও সতর্কতা নেই।উত্তরবঙ্গে অবশ্য বৃষ্টির দাপট আরও কয়েক দিন চলতে পারে। আজ দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি এবং কালিম্পংয়ে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে। সোমবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। মঙ্গলবার কালিম্পং এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।বুধবারও উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি স্বস্তিদায়ক নয়। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে। বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারের দু-একটি জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সঙ্গে ভারী বৃষ্টি হতে পারে।উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও বিক্ষিপ্ত ভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। ফলে পাহাড় এবং ডুয়ার্সে যাতায়াতের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।কলকাতাতেও আজ বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। তবে সোমবার থেকে কলকাতায় বৃষ্টির সম্ভাবনা কমবে।আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৭৭ থেকে ৯৫ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় ৫.৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।অর্থাৎ, দক্ষিণবঙ্গে আপাতত ভারী বৃষ্টির হাত থেকে কিছুটা স্বস্তি মিললেও পুরোপুরি বৃষ্টি বিদায় নিচ্ছে না। অন্য দিকে উত্তরবঙ্গের পাহাড় ও ডুয়ার্সে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছেই। ফলে আগামী কয়েক দিনে রাজ্যের দুই প্রান্তে একেবারে ভিন্ন আবহাওয়ার ছবি দেখা যেতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

পুজোর আগেই ফের বড় নিম্নচাপ! দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দাপট নিয়ে হাওয়া অফিসের নতুন সতর্কতা

গোটা মাস ধরেই বৃষ্টির দাপট দেখেছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ। কখনও আকাশ পরিষ্কার, আবার কিছুক্ষণ পরেই ঘন কালো মেঘে ঢেকেছে আকাশ। তার পরেই নেমেছে ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি। নিম্নচাপের প্রভাবে আগস্টজুড়ে এমনই আবহাওয়া ছিল দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। তবে এখনই বৃষ্টির হাত থেকে রেহাই মিলছে না বলেই জানাচ্ছে আলিপুর হাওয়া অফিস।হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, পুজোর আগেই ফের সক্রিয় হতে পারে বঙ্গোপসাগর। উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন বাংলাদেশ উপকূলে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। সেই ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে নতুন করে নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে আগামী দিনে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস।এক দিকে বঙ্গোপসাগরের ঘূর্ণাবর্ত, অন্য দিকে সক্রিয় মৌসুমী অক্ষরেখা। পুরুলিয়ার উপর দিয়ে দীঘার দিকে এগিয়ে মৌসুমী অক্ষরেখাটি দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বিস্তৃত হয়ে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত পৌঁছেছে। এই দুইয়ের প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দাপট বাড়তে পারে।বৃহস্পতিবার দক্ষিণবঙ্গের পাঁচ জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির জন্য হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি অন্য জেলাগুলিতেও বিক্ষিপ্ত ভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।শুধু বৃষ্টি নয়, কোথাও কোথাও ঝোড়ো হাওয়াও বইতে পারে। ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ার পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায়।শুক্রবারও বৃষ্টির পরিস্থিতি পুরোপুরি কাটছে না। পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং পুরুলিয়ায় ভারী বৃষ্টির জন্য হলুদ সতর্কতা রয়েছে। অর্থাৎ সপ্তাহের শেষেও দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির দাপট বজায় থাকতে পারে।তবে কলকাতার ক্ষেত্রে সপ্তাহান্তে কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে। শনিবার এবং রবিবার বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক ভাবে কমবে বলে পূর্বাভাস। কিন্তু সেই স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী নাও হতে পারে। সোমবার, অর্থাৎ গণেশ পুজোর দিন কলকাতায় ফের বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।ফলে পুজোর আগে দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ার উপর নজর রাখতেই হচ্ছে। বঙ্গোপসাগরের ঘূর্ণাবর্ত থেকে নতুন নিম্নচাপ তৈরি হলে বৃষ্টির পরিস্থিতি আরও বদলাতে পারে। এখন সেই নিম্নচাপ কতটা শক্তিশালী হয় এবং তার প্রভাব বাংলার উপর কতটা পড়ে, সেদিকেই নজর আবহবিদদের।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬
দেশ

অভিষেকের আপ্তসহায়কের অ্যাকাউন্টে এত টাকা এল কোথা থেকে? সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক দাবি

শালবনির জমি দুর্নীতি মামলায় আরও বিপাকে পড়লেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়। তাঁর অ্যাকাউন্টে মোট প্রায় ১৫ কোটি টাকা জমা পড়েছিল বলে বুধবার সুপ্রিম কোর্টে দাবি করেছে রাজ্য। এর মধ্যে শুধু গত জুন মাসেই প্রায় ৭১ লক্ষ টাকা জমা পড়ে বলেও আদালতে জানান রাজ্যের আইনজীবী সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা।বুধবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে সুমিত রায়ের জামিন সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। সেখানেই সুমিতের আর্থিক লেনদেন নিয়ে রাজ্যের পক্ষ থেকে এই দাবি করা হয়। এত বিপুল টাকার উৎস কী, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে আদালতে সওয়াল করেন তুষার মেহতা। তাঁর দাবি, সেই কারণেই সুমিতকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।শালবনির জমি দুর্নীতি মামলায় সুমিত রায়ের নাম জড়িয়েছে। কলকাতা হাই কোর্ট তাঁর আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করেছিল। পরে সুপ্রিম কোর্ট তাঁকে রক্ষাকবচ দেয়। এর পর গত কয়েক দিনে একাধিক বার তদন্তকারী আধিকারিকদের মুখোমুখি হয়েছেন সুমিত। জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত এগোচ্ছে বলে রাজ্যের দাবি।এর আগের শুনানিতে রাজ্যের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছিল, তদন্তে সুমিত সহযোগিতা করছেন না। তাঁর বিপুল আর্থিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন তুষার মেহতা। তখন প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানতে চেয়েছিল, ওই লেনদেন নিয়ে সুমিতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল কি না।রাজ্যের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদের সময় সুমিত একাধিক প্রশ্ন এড়িয়ে গিয়েছেন। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সুমিতের আইনজীবী। বিষয়টি স্পষ্ট করতে সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ সুমিতকে জিজ্ঞাসাবাদের লিখিত রেকর্ড দেখতে চেয়েছিল।বুধবার সেই জিজ্ঞাসাবাদের ভিডিয়ো আদালতে জমা দিয়েছে রাজ্য। পাশাপাশি তদন্তে এখনও পর্যন্ত কী কী তথ্য পাওয়া গিয়েছে, তার একটি রিপোর্টও মুখবন্ধ খামে আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।শুনানিতে রাজ্যের পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়েছে, জমি দুর্নীতির তদন্তে এখনও পর্যন্ত যে তথ্য সামনে এসেছে, তা নাকি হিমশৈলের চূড়ামাত্র। অর্থাৎ তদন্ত আরও এগোলে আরও তথ্য সামনে আসতে পারে বলেই ইঙ্গিত দিয়েছে রাজ্য।তবে সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এবং তাঁর অ্যাকাউন্টে ১৫ কোটি টাকা জমার দাবি এখনও তদন্তের বিষয়। টাকার উৎস কী, কী ভাবে ওই লেনদেন হয়েছে এবং এর সঙ্গে জমি দুর্নীতি মামলার কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

২০ বছর পর এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ-এ ভারত, বাংলাদেশকে ৩-০ গোলে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল ব্লু কল্টস

তাসখন্দ: দীর্ঘ ২০ বছরের অপেক্ষার অবসান। বাংলাদেশকে ৩-০ গোলে হারিয়ে এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ (AFC U20 Asian Cup)-এর মূলপর্বে জায়গা করে নিল ভারত। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) তাসখন্দে গ্রুপ বি-র শেষ ম্যাচে দাপুটে জয় তুলে নিয়ে যোগ্যতা অর্জন করল ভারতের অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দল।বাংলাদেশের বিরুদ্ধে জয়ের ফলে তিন ম্যাচে ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬ পয়েন্ট। তবে ম্যাচ জেতার পরও সরাসরি যোগ্যতা নিশ্চিত হয়নি ভারতের। অপেক্ষা করতে হয়েছিল গ্রুপের অপর ম্যাচে সিরিয়া বনাম উজবেকিস্তানের ফলাফলের জন্য।শেষ পর্যন্ত উজবেকিস্তানের কাছে সিরিয়া ০-৩ গোলে হেরে যাওয়ায় গ্রুপ বি-তে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করে ভারত। আটটি গ্রুপের মধ্যে সেরা সাত রানার্স-আপ দলের একটি হিসেবে এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ-এর মূলপর্বে খেলার ছাড়পত্র পেয়ে যায় ব্লু কল্টস।ভারত শেষবার এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ-এর মূলপর্বে খেলেছিল ২০০৬ সালে। অর্থাৎ দুই দশক পর ফের এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যুব ফুটবল প্রতিযোগিতার মূলপর্বে জায়গা করে নিল ভারতীয় দল।বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারতের হয়ে প্রথম গোলটি করেন ড্যানি মেইতেই লাইশ্রাম। ২৫ মিনিটে তাঁর গোলে এগিয়ে যায় ভারত। এরপর ম্যাচের ৬০ মিনিটে অসাধারণ অ্যাক্রোবেটিক ফিনিশে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন বিশাল যাদব। পরিবর্ত হিসেবে নামা মো. আরবাশ ৭৯ মিনিটে শক্তিশালী শটে তৃতীয় গোলটি করে ভারতের জয় নিশ্চিত করেন।গ্রুপ বি-তে ৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থেকে মূলপর্বে উঠেছে উজবেকিস্তান। তিন পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে শেষ করেছে সিরিয়া। অন্যদিকে তিন ম্যাচেই হেরে গ্রুপের তলানিতে থাকা বাংলাদেশকে Development Phase-এ নেমে যেতে হয়েছে।ভারতের এই যোগ্যতা অর্জনের পথে শুরুটাও হয়েছিল জয় দিয়ে। ৩১ আগস্ট গ্রুপ বি-র প্রথম ম্যাচে তাসখন্দের দোস্তলিক স্টেডিয়ামে সিরিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়েছিল ভারত। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে ৩ সেপ্টেম্বর উজবেকিস্তানের কাছে ০-৪ গোলে পরাজিত হয় তারা। ফলে শেষ ম্যাচে বাংলাদেশকে হারানোর পাশাপাশি সিরিয়া যাতে উজবেকিস্তানকে হারাতে না পারে, সেই ফলাফলের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হয়েছিল ভারতকে।শেষ পর্যন্ত সেই সমীকরণ মিলে যায়। আর যোগ্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন ভারতীয় দলের তরুণ ফুটবলাররা। দলের হোটেলের বাইরে নাচ-গানে ঐতিহাসিক সাফল্য উদযাপন করেন তাঁরা। ভারতীয় ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা AIFF-ও সোশ্যাল মিডিয়ায় দলের উদযাপনের ভিডিও প্রকাশ করে।এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ-এর মূলপর্ব অনুষ্ঠিত হবে চিনে। আগামী ২৪ মার্চ থেকে ১০ এপ্রিল, ২০২৭ পর্যন্ত চলবে এই প্রতিযোগিতা। দুই দশক পর মূলপর্বে ফিরে ভারতের তরুণ ফুটবলাররা এবার এশিয়ার সেরা দলগুলির বিরুদ্ধে নিজেদের মেলে ধরার সুযোগ পাবেন।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬
দেশ

মোদীর শোকবার্তার পরই কংগ্রেসের আক্রমণ! সত্য নিকেতন বাড়ি ধস নিয়ে দিল্লিতে চাপানউতোর

দিল্লির সত্য নিকেতনে ছতলা একটি বাড়ি ভেঙে পড়ে এখনও পর্যন্ত চার জনের মৃত্যু হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ছজনকে। তবে ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও বহু মানুষ আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, প্রায় ৪০ থেকে ৫০ জন ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকতে পারেন। তবে এই সংখ্যা এখনও নিশ্চিত নয়। উদ্ধারকারী দল ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে থাকা মানুষদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে।ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শোকবার্তায় তিনি জানান, দিল্লির সত্য নিকেতনে ভবন ধসে পড়ার ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। যাঁরা প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান তিনি। আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করার পাশাপাশি উদ্ধার ও ত্রাণের কাজে যুক্ত আধিকারিকদের প্রশংসাও করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে কাজ করছে।এই দুর্ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছে কংগ্রেসও। দলের নেতা রাহুল গান্ধী বলেন, প্রতিটি শিক্ষার্থীর জীবন অত্যন্ত মূল্যবান। যে কোনও পরিস্থিতিতে তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোনও রকম গাফিলতি বরদাস্ত করা উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গে এই ঘটনাকে অত্যন্ত বেদনাদায়ক বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, এই ধরনের ঘটনা এড়ানো সম্ভব ছিল। বাড়ি ধসের ঘটনা নিয়ে প্রশাসনিক গাফিলতি ছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে কংগ্রেস।দিল্লির বাড়ি ধসের ঘটনায় শোক জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও। তিনি গভীর শোক প্রকাশ করে মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন রাষ্ট্রপতি।অন্যদিকে, ঘটনাকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। দিল্লি পৌরনিগমের বাইরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্যরা। তাঁদের দাবি, এই দুর্ঘটনার দায় নিয়ে পৌরনিগমের কমিশনারকে পদত্যাগ করতে হবে।বিরোধীদের অভিযোগ, পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা শুরু হওয়ার আগেই অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্যদের আন্দোলনে নামানো হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা এখনও স্পষ্ট নয়।বাড়ি ধসের ঘটনায় মৃতদের মধ্যে শিক্ষার্থীও রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, বাড়িটির নির্মাণ এবং দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠছে। ঠিক কী কারণে ছতলা বাড়িটি ভেঙে পড়ল, তা জানতে তদন্তের দিকেও নজর রয়েছে।এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় উদ্বেগ ধ্বংসস্তূপের নীচে আর কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা নিয়ে। উদ্ধারকারী দল ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিতদের খোঁজ চালাচ্ছে। উদ্ধারকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়বে কি না, তা নিয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। ঘটনাটি ঘিরে সত্য নিকেতন এলাকায় শোকের পাশাপাশি তৈরি হয়েছে তীব্র উদ্বেগ।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

৮.৪ ওভারেই পাকিস্তানকে উড়িয়ে ভারত, বোলিংয়ে ঝড়—তবু ব্যাটিংয়ের শুরুটা ভাবাচ্ছে হরমনপ্রীতদের

দুবাইয়ে পাকিস্তানকে মাত্র ৫৫ রানে গুটিয়ে দিয়ে ৭ উইকেটে জয় ভারতের। বোলারদের দাপটে ম্যাচ একতরফা হলেও মাত্র ৫৬ রান তাড়া করতে গিয়ে তিন উইকেট হারানোয় প্রশ্ন উঠল ভারতের টপ অর্ডার নিয়ে। নকআউটের আগে এটাই এখন হরমনপ্রীতদের সবচেয়ে বড় চিন্তা।দুবাইয়ের আকাশে তখনও ম্যাচের উত্তাপ। কিন্তু মাঠে পাকিস্তানের ইনিংস শেষ হওয়ার পরই যেন ফলাফল লেখা হয়ে গিয়েছিল। স্কোরবোর্ডে মাত্র ৫৫। ভারতের সামনে লক্ষ্য ৫৬। ক্রিকেটের হিসাব বলছিল, এই রান তাড়া করতে খুব বেশি সময় লাগার কথা নয়। শেষ পর্যন্ত হলও তাই।মাত্র ৮.৪ ওভারেই জয় তুলে নিল ভারত। পাকিস্তানকে ৭ উইকেটে হারিয়ে এশিয়া কাপে নিজেদের দাপট আরও একবার প্রতিষ্ঠা করল হরমনপ্রীত কৌরের দল।তবে এই জয় যতটা স্বস্তির, তার মধ্যেই লুকিয়ে আছে ছোট্ট একটা অস্বস্তি। কারণ, ৫৬ রানের মতো মামুলি লক্ষ্য তাড়া করতেও ভারতের টপ অর্ডারের তিন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটারশেফালি বর্মা, প্রতিকা রাওয়াল এবং স্মৃতি মন্ধানাদ্রুত ফিরে গেলেন। ম্যাচের গুরুত্বের নিরিখে যা হয়তো বড় সমস্যা নয়, কিন্তু নকআউটের দরজায় দাঁড়িয়ে থাকা ভারতকে এই জায়গাটাই ভাবাবে।প্রথম বলেই ছক্কা, তারপরই থেমে গেল শেফালির ঝড়৫৬ রান তাড়া করতে নেমে প্রথম বলেই ছক্কা। শেফালি বর্মা যেন শুরুতেই ঘোষণা করে দিলেনএই ম্যাচকে টেনে নিয়ে যাওয়ার কোনও ইচ্ছা নেই।কিন্তু সেই ঝড় স্থায়ী হল না।মাত্র ১২ রানেই শেফালিকে ফিরিয়ে দিলেন পাকিস্তানের অধিনায়ক ফাতিমা সানা। বল হাতে তিন উইকেট নিয়ে তিনিই পাকিস্তানের একমাত্র উল্লেখযোগ্য লড়াইটা উপহার দিলেন।এরপর তিন নম্বরে নেমে প্রতিকা রাওয়ালও ব্যর্থ। জেমাইমা রদ্রিগেজের জায়গায় এখনও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার অপেক্ষায় থাকা প্রতিকা মাত্র ৪ রান করেই ফাতিমার শিকার। একই ওভারে জোড়া উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে সামান্য উত্তেজনা ফিরিয়েছিলেন পাকিস্তান অধিনায়ক। কিন্তু সেই উত্তেজনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।মন্ধানার আউট নিয়েও রয়ে গেল প্রশ্নআগের ম্যাচে দুর্দান্ত শতরান। ফলে স্মৃতি মন্ধানার দিকে প্রত্যাশার চোখ ছিল স্বাভাবিকভাবেই। কিন্তু এ দিন শুরু থেকেই তাঁকে কিছুটা মন্থর দেখাচ্ছিল।৯ রানেই ফাতিমা সানার বলে আউট হয়ে গেলেন মন্ধানা। যদিও তাঁর আউট নিয়ে বিতর্কের জায়গা থাকল। বলটি লেগ স্টাম্পের বাইরে পড়েছিল কি না, তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়। কিন্তু এই এশিয়া কাপে ডিআরএস না থাকায় আম্পায়ারের সিদ্ধান্তই শেষ কথা।তিন উইকেট পড়ে যাওয়ার পর অবশ্য আর কোনও বিপদ হতে দেননি হরমনপ্রীত ও দীপ্তি শর্মা।অভিজ্ঞতার ভারেই ম্যাচ শেষ করে দিল ভারতের মিডল অর্ডার। হরমনপ্রীত অপরাজিত থাকলেন ১৮ রানে, দীপ্তির অপরাজিত ইনিংস ১২ রানের। আর শেষটা এল অধিনায়কের ছক্কায়।৮.৪ ওভার। ৭ উইকেটের জয়। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আরও একটি সহজ সাফল্য।ভারত-পাকিস্তানফারাকটা ক্রমেই স্পষ্টমহিলাদের টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের আধিপত্য যে কতটা একপেশে, এই ম্যাচ তারই আরেকটি উদাহরণ।দুদল এখনও পর্যন্ত ১৮ বার মুখোমুখি হয়েছে। ভারত জিতেছে ১৫ বার, পাকিস্তান তিনবার। এশিয়া কাপে ছবারের সাক্ষাতে এটি ভারতের পঞ্চম জয়। ২০২২ সালে পাকিস্তানের জয়টি এখনও এই ফরম্যাটে ভারতের বিরুদ্ধে তাদের শেষ সাফল্য।অর্থাৎ পরিসংখ্যানের খাতাতেও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের দাপট অটুট। কিন্তু এ দিন ভারতের আসল শক্তি ব্যাট হাতে নয়বল হাতে।চার স্পিনার, ৯ উইকেটদুবাইয়ে ঘূর্ণির সামনে অসহায় পাকিস্তানটস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ফাতিমা সানা। পরিকল্পনা ছিল পরিষ্কারস্কোরবোর্ডে বড় রান তুলে ভারতকে চাপে ফেলা।শুরুটাও মন্দ ছিল না। দুই ওপেনার সাবধানে খেলছিলেন। প্রথম উইকেটে ২৭ রানও উঠে গিয়েছিল। তারপরই ম্যাচের চেহারা বদলে গেল।ভারতীয় স্পিনাররা বল হাতে আসতেই পাকিস্তানের ব্যাটিং যেন হঠাৎ পথ হারিয়ে ফেলল। পঞ্চম ওভারের তৃতীয় বলে মুনিবা আলিকে ফিরিয়ে শেফালি শুরু করলেন ধসের। তারপর একের পর এক উইকেট।পরের ১৩ ওভারে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইন-আপের পতন ছাড়া আর কিছুই দেখা গেল না। দুই ওপেনার বাদে কেউ দুই অঙ্কে পৌঁছতে পারলেন না। মন্থর উইকেটে ভারতীয় স্পিনের মোকাবিলা করার কোনও উত্তরই যেন ছিল না পাকিস্তানের ব্যাটারদের কাছে। শেষ পর্যন্ত ৫৫ রানেই অল আউট পাকিস্তান।চরণি-রাওয়াতের ঘূর্ণিতে কাঁপল পাকিস্তানভারতের চার স্পিনার মিলে তুলে নিয়েছেন পাকিস্তানের নয়টি উইকেট। বাকি একটি রান আউট।সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন শ্রী চরণি। চার ওভারে মাত্র ৭ রান দিয়ে তিন উইকেট। চলতি বছরে টি-টোয়েন্টিতে তাঁর উইকেট সংখ্যা এখন ৩৪। আর দুটি উইকেট পেলেই এক বছরে ভারতীয় বোলারদের মধ্যে সর্বাধিক টি-টোয়েন্টি উইকেটের রেকর্ড তাঁর দখলে চলে আসবে।প্রেমা রাওয়াতও সমান বিধ্বংসী। চার ওভারে মাত্র ৯ রান দিয়ে তিন উইকেট।দীপ্তি শর্মা ৫ রান দিয়ে নিয়েছেন দুই উইকেট। শেফালি বর্মার ঝুলিতেও এসেছে একটি উইকেট।অর্থাৎ পাকিস্তানের ১০ উইকেটের মধ্যে নয়টিই ভারতীয় স্পিনের শিকার। এটাই সম্ভবত ম্যাচের সবচেয়ে বড় ছবি।শুধু একটি জায়গাতেই অস্বস্তিবোলিং নিয়ে ভারতের চিন্তার কারণ প্রায় নেই বললেই চলে। কিন্তু ফিল্ডিংয়ে একটি ঘটনা নজরে পড়েছে। দুই পেসার ক্রান্তি গৌড় এবং নন্দিনী শর্মার বলে মুনিবা আলির ক্যাচ ফস্কেছেন প্রতিকা রাওয়াল। ক্যাচ দুটি ধরা পড়লে পেসারদের নামের পাশেও উইকেট থাকত।কোচ অমল মুজুমদারের কাছে সেটিও অবশ্যই নোট করার মতো বিষয়।তবে তার থেকেও বড় প্রশ্ন টপ অর্ডার।পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পরীক্ষা করার সুযোগও কি নষ্ট হল?ম্যাচ যখন কার্যত হাতের মুঠোয়, তখন ভারত চাইলে রিচা ঘোষ বা ভারতী ফুলমালিদের আগে নামিয়ে কিছুটা পরীক্ষা করতে পারত। কম রান তাড়া করার ম্যাচে তাঁদের পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া যেত।ভারত অবশ্য সেই পথে হাঁটেনি।জয় এসেছে দ্রুত। কিন্তু নকআউটের আগে এমন ম্যাচেই তো বেঞ্চের শক্তি যাচাই করে নেওয়া যায়।আর এখানেই ভারতের সামনে প্রশ্নটা আরও স্পষ্টবোলিং যদি এতটাই শক্তিশালী হয়, ব্যাটিংয়ের প্রথম সারিও কি একই রকম ধারাবাহিক?নকআউটের আগে সতর্কবার্তাপাকিস্তানকে ৭ উইকেটে হারানোর জয় নিয়ে কোনও সংশয় নেই। বরং ভারতীয় স্পিনাররা যে ভয়ঙ্কর ছন্দে রয়েছেন, তা প্রতিপক্ষের জন্য বড় সতর্কবার্তা।কিন্তু পাকিস্তানের মতো দুর্বল স্কোরের দলের বিরুদ্ধে টপ অর্ডারের ব্যর্থতা ঢাকা পড়ে যায়। বড় ম্যাচে সেই সুযোগ মিলবে না।আজ ৫৬ রান তাড়া করতে গিয়ে তিন উইকেট পড়েছেতবু জয় এসেছে অনায়াসে।কাল যদি লক্ষ্য হয় ১৫০ বা ১৬০, তখন?সেই কারণেই এই জয় ভারতের জন্য নিছক আর একটি জয় নয়। ৫৫ রানে পাকিস্তানকে গুটিয়ে দেওয়া যেমন আত্মবিশ্বাস বাড়াবে, তেমনই টপ অর্ডারের অনিয়মিত ছন্দ নকআউটের আগে হরমনপ্রীতদের কপালে সামান্য ভাঁজও ফেলবে।দুবাইয়ে পাকিস্তানের রাতটা ছিল দুঃস্বপ্নের। ভারতের কাছে রাতটা ছিল স্বস্তির। কিন্তু সেই স্বস্তির আড়ালেই ভবিষ্যতের বড় ম্যাচের জন্য একটি প্রশ্ন রেখে গেল এই জয়স্পিনাররা পথ দেখাচ্ছেন, এবার কি ব্যাটাররা সেই পথ ধরে শেষ পর্যন্ত হাঁটতে পারবেন?

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

'উত্তম'কে আঁচলে বাঁধলেন ঋতু! শাড়িজুড়ে মহানায়কের সোনালি দিন—ঋতুপর্ণার সাজে ফিরল উত্তম-সুচিত্রার নস্ট্যালজিয়া

৩ সেপ্টেম্বর। বাংলা সিনেমার ইতিহাসে এমন একটি দিন, যেদিন বর্তমান যেন একটু থমকে দাঁড়ায় অতীতের সামনে। মহানায়ক উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষের সূচনায় তাই শুধু শ্রদ্ধা, পুষ্পস্তবক কিংবা স্মৃতিচারণেই সীমাবদ্ধ রইল না উদযাপন। টালিগঞ্জের বাতাসে এদিন মিশে ছিল এক অন্যরকম নস্ট্যালজিয়াসাদা-কালো পর্দা, পুরনো সিনেমার গান, উত্তম-সুচিত্রার অমর রসায়ন আর বাঙালির চিরচেনা মহানায়ক-কে নতুন করে আবিষ্কারের আবেগ।চার দিনব্যাপী এই বিশেষ উদযাপনের সূচনা হয় মহানায়কের মূর্তিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে। উপস্থিত ছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের একাধিক প্রজন্মের তারকাপ্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, দেব, জিৎ, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত-সহ টলিপাড়ার বহু পরিচিত মুখ। কিন্তু তারকাখচিত সেই অনুষ্ঠানে একটি শাড়িই যেন আলাদা করে হয়ে উঠল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।আর সেই শাড়ির সঙ্গে জড়িয়ে গেলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।মহানায়ককে শ্রদ্ধা জানাতে এসে অভিনেত্রী যেন শুধু নিজের পোশাক বেছে নেননি, সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিলেন বাংলা সিনেমার এক বিস্মৃতপ্রায় অথচ চিরজাগ্রত সময়কে। তাঁর পরনের ঘিয়ে রঙের নগজের শাড়ির পাড় ও আঁচলজুড়ে ফুটে উঠেছিল উত্তম কুমারের সিনেমার নানা স্মৃতি। কোথাও মহানায়কের মুখ, কোথাও উত্তম-সুচিত্রার অমলিন উপস্থিতিআর আঁচলজুড়ে জীবন্ত হয়ে উঠেছিল এই পথ যদি না শেষ হয়-এর সেই চিরপরিচিত মুহূর্ত।যদি হই চোরকাঁটা ওই শাড়ির ভাঁজেঋতুকে কি ছুঁয়ে গিয়েছিল সেই অমর মুহূর্ত?শর্মিলার শাড়ির পাড়ে হাত রেখে উত্তমের সেই গানবাংলা সিনেমার প্রেমের এক অনন্ত দৃশ্য। সকলে হয়তো স্বীকার করবেন না, তবু বাংলা সিনেমার প্রতিটি অভিনেত্রীর কল্পনায় কোনও না কোনওভাবে উত্তমই ছিলেন সেই স্বপ্নের নায়ক। তিনি শুধু নায়ক-ই নন ছিলেন কারও দাদা, কারও বাবা, কারও বন্ধু, কারও প্রেমিকসম্পর্কের নাম বদলেছে, উত্তম বদলাননি।তিনি ছিলেন, আছেনবাঙালির চিরকালের নায়ক।একটি শাড়ি তখন আর নিছক পোশাক থাকে না। হয়ে ওঠে স্মৃতির ক্যানভাস।উত্তম কুমার ও সুচিত্রা সেনের জুটি বাঙালির চলচ্চিত্র-স্মৃতিতে যে জায়গা দখল করে রয়েছে, তাকে নতুন প্রজন্মের সামনে অন্য ভাষায় তুলে ধরার এক অভিনব প্রয়াস যেন দেখা গেল ঋতুপর্ণার সাজে। মেরুন থ্রি-কোয়ার্টার ব্লাউজের সঙ্গে ঘিয়ে রঙের সেই শাড়ি, রং মিলিয়ে গয়নাসব মিলিয়ে সাজে ছিল সংযম, আভিজাত্য এবং আবেগের মিশেল।তবে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে শাড়ির আঁচল।ক্যামেরার সামনে সেই আঁচল মেলে ধরার মুহূর্তে মনে হচ্ছিল, যেন কোনও পুরনো বাংলা ছবির ফ্রেম হঠাৎ করেই বর্তমানের মধ্যে ফিরে এসেছে। একদিকে ঋতুপর্ণা, অন্যদিকে আঁচলে ধরা উত্তম-সুচিত্রার সেই অমর সময়দুই প্রজন্মের দুই ভুবন যেন এক জায়গায় এসে মিলল।উত্তম কে আঁচলে বাঁধলেন ঋতুএদিনের অনুষ্ঠানে এমন কোনও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব ছিলেন না, যাঁর চোখ ঋতুর শাড়িতে আটকে যায়নি। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী থেকে সৃজিত মুখোপাধ্যায়, দেব, যিশু সেনগুপ্ত, জিৎ, পাপিয়া অধিকারী কিংবা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়মহানায়কের মূর্তির পাদদেশে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যেন আলাদা এক আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল ঋতুর উত্তম শাড়ি।আর এই দৃশ্য যে শুধু দর্শকের চোখেই ধরা পড়েছে, তা নয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত তারকারাও কার্যত মুগ্ধ হয়ে দেখেছেন সেই বিশেষ শাড়ির কাজ। ঋতুপর্ণার আঁচল টেনে তার নকশা খুঁটিয়ে দেখতে দেখা যায় দেবকে। পাশে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের চোখেও স্পষ্ট কৌতূহল ও মুগ্ধতা। জিৎ-এর নজরও আটকে যায় মহানায়কের মুখ আঁকা সেই আঁচলে। মুহূর্তটি যেন প্রতীকীবর্তমান টলিউডের জনপ্রিয় মুখেরা দাঁড়িয়ে রয়েছেন বাংলা সিনেমার সেই সোনালি সময়ের সামনে, যার কেন্দ্রে এখনও একইভাবে উজ্জ্বল উত্তম কুমার।ফলে কয়েক মুহূর্তের জন্য তারকাদের ভিড়ও যেন পিছু হটে যায়। একফ্রেমে ঋতুপর্ণার শাড়ি হয়ে ওঠে বাংলা চলচ্চিত্রের অতীত ও বর্তমানের সেতু।শুধু মহানায়কের সিনেমার স্মৃতিই নয়, গোটা শাড়ির নকশায় ছড়িয়ে ছিল বাংলা সিনেমার সোনালি দিনের আবহ। পুরনো পোস্টার, পরিচিত চরিত্র, সিনেমার দৃশ্যসব মিলিয়ে যেন তৈরি হয়েছিল একটি চলমান চলচ্চিত্র-অ্যালবাম। পর্দায় যে দৃশ্যগুলি একসময় বাঙালির আবেগকে স্পর্শ করেছিল, সেগুলিই এবার উঠে এসেছে কাপড়ের বুননে।এখানেই ঋতুপর্ণার এই শ্রদ্ধার্ঘ্যের বিশেষত্ব।উত্তম কুমারকে স্মরণ করার প্রচলিত রীতির বাইরে গিয়ে অভিনেত্রী যেন তাঁর পোশাককেই করে তুললেন স্মৃতির ভাষা। সিনেমা শেষ হয়ে যায়, পোস্টার পুরনো হয়ে যায়, প্রেক্ষাগৃহ বদলে যায়কিন্তু কিছু ছবি থেকে যায় মানুষের মনে। সেই ছবিগুলিকেই যেন শাড়ির আঁচলে ধরে রাখলেন তিনি।আর সেই কারণেই তাঁর সাজ হয়ে উঠল নিছক ফ্যাশন নয়, এক ধরনের সাংস্কৃতিক বক্তব্যও।মহানায়কের জন্মশতবর্ষে এই দৃশ্য যেন আরও একবার মনে করিয়ে দিলউত্তম কুমার কেবল একটি নাম নন, কেবল কয়েকটি কালজয়ী ছবির নায়কও নন। তিনি বাঙালির যৌথ স্মৃতির অংশ। তাঁর অভিনয়, তাঁর হাসি, তাঁর সংলাপ, তাঁর নায়করূপ এবং তাঁর সঙ্গে সুচিত্রা সেনের রসায়নসবকিছু মিলিয়ে তিনি এমন এক আবেগ, যার বয়স বাড়ে না।শতবর্ষ পেরিয়েও সেই আবেগ নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে যায় কখনও সিনেমার পর্দায়, কখনও গানে, কখনও স্মৃতিচারণে, আবার কখনও একটি শাড়ির আঁচলে।ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের এই অভিনব সাজ তাই মহানায়ককে শুধু শ্রদ্ধা জানানো নয়। বরং পুরনো দিনের বাংলা সিনেমাকে আজকের চোখে নতুন করে দেখার এক সুন্দর প্রয়াস। যে পথে উত্তম-সুচিত্রা একদিন বাঙালির হৃদয়ে হেঁটেছিলেন, সেই পথ যেন সত্যিই এখনও শেষ হয়নি।শুধু বদলে গেছে মাধ্যম।এবার সেই পথের গল্প লেখা হয়েছে শাড়ির আঁচলে।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

বৃষ্টি থামার নাম নেই! কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে আজও ভারী বৃষ্টি, বৃহস্পতিবার থেকে বদলাবে আবহাওয়া

নিম্নচাপের প্রভাব এখনও কাটেনি। ফলে বাংলায় নাছোড় বৃষ্টি এখনই থামার সম্ভাবনা নেই। বুধবারও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমতে পারে। একই সময়ে উত্তরবঙ্গের পার্বত্য জেলাগুলিতে বাড়তে পারে বৃষ্টির দাপট।সেপ্টেম্বরের শুরুতেও বর্ষার দাপট অব্যাহত। সামনে পুজো। তাই কবে বৃষ্টি কমবে, কবে মিলবে পরিষ্কার আকাশের দেখা, সেই প্রশ্নই এখন অনেকের মনে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, নিম্নচাপের প্রভাব পুরোপুরি কাটেনি।বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের জেরে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে। অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে একাধিক নদীতে জলস্তর বেড়েছে। কোথাও কোথাও বন্যা পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছে। কয়েকটি জেলায় হলুদ সতর্কতাও জারি করা হয়েছে।আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, নিম্নচাপটি বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা উপকূল, সংলগ্ন ঝাড়খণ্ড এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের এলাকায় রয়েছে। ধীরে ধীরে সেটি ঝাড়খণ্ডের দিকে এগোচ্ছে। তবে তার প্রভাবে এখনও বাংলায় জলীয় বাষ্প ঢুকছে। ফলে বৃষ্টির পরিস্থিতি পুরোপুরি কাটছে না।বুধবার কলকাতা এবং সংলগ্ন জেলাগুলিতে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমতে পারে। তবে দিনভর বিক্ষিপ্ত ভাবে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তুলনামূলক বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বীরভূম, পুরুলিয়া এবং পশ্চিম বর্ধমানের মতো জেলায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে।বঙ্গোপসাগরের উপর নিম্নচাপ অবস্থান করায় সমুদ্র থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প স্থলভাগে ঢুকছে। তার জেরেই বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।বৃহস্পতিবার থেকে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ আরও কমতে পারে। তবে পুরোপুরি বৃষ্টি বন্ধ হচ্ছে না। দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলতে পারে।অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি বৃহস্পতিবার থেকে বদলাতে পারে। উত্তরবঙ্গের উপরের পাঁচ জেলা দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।বিশেষ করে শুক্রবার জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর। ফলে দক্ষিণবঙ্গে যখন ধীরে ধীরে বৃষ্টির দাপট কমার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে, তখন উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায় নতুন করে বাড়ছে দুর্যোগের আশঙ্কা।সব মিলিয়ে পুজোর আগে বাংলার আকাশ থেকে বর্ষার দাপট কবে পুরোপুরি কাটবে, এখন সেদিকেই নজর সাধারণ মানুষের।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বিতর্কিত মিছিল ঘিরে সুপ্রিম কোর্টে মামলা, কেন্দ্র ও পুলিশকে নোটিস, কিন্তু কেন তড়িঘড়ি শুনানি নয়?

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে প্রস্তাবিত একটি প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হওয়া মামলায় কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠিয়েছে শীর্ষ আদালত। তবে মিছিলের আগেই মামলাটির জরুরি শুনানি করার আবেদন মানেনি আদালত।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ মামলাটির পরবর্তী শুনানি ১০ সেপ্টেম্বর ধার্য করেছে। ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত অন্য মামলাগুলির সঙ্গে এই মামলাটিও শোনা হবে বলে জানিয়েছে আদালত।প্রস্তাবিত মিছিলের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত দিল্লি পুলিশ আধিকারিক রাজেন্দ্র সিং। তাঁর দাবি, দেশের রাজধানীর স্পর্শকাতর এলাকায় বড় জমায়েত বা প্রতিবাদ মিছিলের আগে প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা উচিত।আবেদনকারীর আইনজীবী রিজান আহমেদ আদালতে জানান, আয়োজকদের পক্ষ থেকে এখনও মিছিলের অনুমতির জন্য কোনও আবেদন করা হয়নি বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন। তিনি মিছিলের আগে মামলাটির শুনানি করার জন্য বার বার আবেদন জানান। কিন্তু বেঞ্চ ৩ সেপ্টেম্বরের আগে মামলাটি শুনতে রাজি হয়নি।আইনজীবী আদালতে আরও জানান, আগামী সপ্তাহে দিল্লিতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন রয়েছে। সেই সময় রাজধানীতে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত থাকবেন। সেই পরিস্থিতিতে বড় জমায়েত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। মিছিলটি কয়েক দিন পিছিয়ে দেওয়ার আবেদনও জানান।তবে প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে দেন, আগে থেকেই কোনও অঘটন ঘটবে বলে ধরে নেওয়ার কারণ নেই। তাঁর বক্তব্য, আদালত এই মুহূর্তে ধরে নেবে যে প্রত্যেকে শান্তিপূর্ণ আচরণ করবেন। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবেই, এমন জোরালো পরিস্থিতিও আদালতের সামনে নেই বলে জানান তিনি।এর পর আইনজীবী দাবি করেন, আগের একটি আন্দোলনে হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কোনও দুষ্কৃতী বা উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তির কারণে পরিস্থিতি খারাপ হয়ে যেতে পারে বলেও তিনি আদালতে জানান।আবেদনকারীর আইনজীবী আরও অভিযোগ করেন, পুলিশ মিছিলে বাধা দিলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সামনে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে। তিনি দাবি করেন, সংগঠনটি আইনি বিধি মানছে না এবং প্রয়োজনীয় অনুমতিও নিচ্ছে না।এই বক্তব্যের পর প্রধান বিচারপতি জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়টি মূলত সরকার ও পুলিশের দায়িত্ব। আবেদনকারীকে তাঁর উদ্বেগ কেন্দ্রীয় সরকার অথবা দিল্লি সরকারের কাছে জানাতে বলেন তিনি। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বলেও স্পষ্ট করেন প্রধান বিচারপতি।মিছিলের আয়োজক সংগঠনকে মামলায় পক্ষভুক্ত করা নিয়েও সমস্যা রয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়। আইনজীবীর দাবি, সংগঠনটির কোনও নথিভুক্ত অফিস বা লেটারহেড নেই। ফলে তাদের সরাসরি মামলার পক্ষ করা সম্ভব হচ্ছে না।শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে ৫ সেপ্টেম্বরের প্রস্তাবিত মিছিলের আগেই মামলাটির শুনানি করার আবেদন গ্রহণ করেনি বেঞ্চ। ফলে মিছিলের আগে প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।

আগস্ট ৩১, ২০২৬
রাজ্য

৩১ অগস্টের পরেও কি থাকবে চাকরি? ২৬ হাজার মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল সংক্রান্ত মামলায় আপাতত বড় স্বস্তি পেলেন যোগ্য প্রার্থীরা। ২০১৬ সালের স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আগের নির্দেশই আপাতত বহাল থাকছে। ফলে নতুন করে শুনানি এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত যোগ্য হিসেবে চিহ্নিত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের চাকরি নিয়ে তাৎক্ষণিক অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে না।২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর দীর্ঘ আইনি লড়াই শুরু হয়। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পর বিষয়টি গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। ২০২৫ সালের ৩ এপ্রিল শীর্ষ আদালত ২০১৬ সালের পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিলের নির্দেশ দেয়। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যোগ্য ও অযোগ্য প্রার্থীদের নির্ভুল ভাবে আলাদা করা সম্ভব হয়নি।পরবর্তী সময়ে রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা এবং স্কুলগুলিতে শিক্ষক-সংকটের কথা মাথায় রেখে যোগ্য শিক্ষকদের সাময়িক ভাবে চাকরিতে বহাল থাকার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। সেই অন্তর্বর্তী নির্দেশ অনুযায়ী ৩১ অগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত তাঁদের চাকরি বহাল থাকার কথা ছিল। একই সঙ্গে নতুন করে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদে নতুন নিয়োগ সম্পূর্ণ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে আদালতের দ্বারস্থ হন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের বক্তব্য, এত অল্প সময়ের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ না হলে যোগ্য শিক্ষকরা ফের চাকরি হারানোর আশঙ্কায় পড়বেন।এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানিতে জানানো হয়েছে, নতুন অন্তর্বর্তী আবেদনের ভিত্তিতে চূড়ান্ত শুনানি না হওয়া পর্যন্ত আগের নির্দেশই কার্যকর থাকবে। ফলে আপাতত যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য স্বস্তির পরিস্থিতি তৈরি হল।তবে এই নির্দেশকে চূড়ান্ত রায় হিসেবে দেখা হচ্ছে না। পরবর্তী শুনানিতে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়, তার উপরই নির্ভর করবে ২৬ হাজার চাকরি মামলায় যোগ্য শিক্ষকদের ভবিষ্যৎ। ফলে আপাতত স্বস্তি মিললেও পুরোপুরি অনিশ্চয়তা কাটছে না।

আগস্ট ২৫, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 51
  • 52
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ভুতনির বন্যা দেখতে নদীপথে মন্ত্রীদল! বানভাসিদের জন্য কী পরিকল্পনা রাজ্যের?

মালদহের ভুতনিতে বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে আজ এলাকায় পৌঁছেছে রাজ্য সরকারের মন্ত্রীদল। ইতিমধ্যেই মালদহে পৌঁছেছেন একাধিক মন্ত্রী। তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন জেলার সাংসদ, বিধায়ক এবং প্রশাসনের আধিকারিকেরা। জলমগ্ন দুর্গম এলাকাগুলি নদীপথে ঘুরে দেখার কথা রয়েছে মন্ত্রীদের।মন্ত্রীদলের মধ্যে রয়েছেন পর্যটনমন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ, পূর্ত ও জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের মন্ত্রী অজয় পোদ্দার, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকার এবং দমকল ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী। প্রথমে মন্ত্রীরা রতুয়ায় যাবেন। সেখান থেকে যাওয়ার কথা রয়েছে ভুতনিতে। দুপুরে বন্যাত্রাণ শিবিরও পরিদর্শন করবেন তাঁরা।এর পাশাপাশি ব্লক ও জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন মন্ত্রীরা। বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পরিস্থিতি, ত্রাণের ব্যবস্থা এবং মানুষের প্রয়োজন নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা হবে। এই সফরের পর ভুতনির জলবন্দি এলাকাগুলিতে পুনর্গঠন এবং স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে আগামী দিনের পরিকল্পনা তৈরি করা হবে বলে জানা যাচ্ছে।ভুতনির পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও রিপোর্ট দেবেন মন্ত্রীরা। অর্থাৎ শুধু বর্তমান পরিস্থিতি পরিদর্শন নয়, বন্যার জল নেমে যাওয়ার পর এলাকায় কী ভাবে কাজ শুরু করা হবে, সেই বিষয়টিও এই সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য।মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ জানিয়েছেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলাকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। তাঁর দাবি, প্রয়োজনীয় ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে এবং বহু মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আগামী দিনে এলাকার প্রয়োজন অনুযায়ী উন্নয়নের কাজ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।শঙ্কর ঘোষ আরও জানিয়েছেন, মালদহে নদীভাঙন এবং বন্যা দীর্ঘদিনের বড় সমস্যা। এই সমস্যা মোকাবিলায় বড় পরিকল্পনা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকার, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার এবং ঝাড়খণ্ডকে একসঙ্গে পরিকল্পনা করে কাজ করতে হবে।এদিকে ভুতনিতে গঙ্গার জলস্তর ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জলস্তর ১৭ সেন্টিমিটার কমেছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানানো হয়েছে। চলতি মরশুমে এক দিনে জলস্তর কমার ক্ষেত্রে এটিই সর্বোচ্চ পতন বলে দাবি করা হচ্ছে।তবে জল কমলেও এখনও স্বস্তি ফেরেনি ভুতনিতে। মানিকচকে গঙ্গার জলস্তর ২৫.৩৪ মিটারে নেমে এসেছে বলে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, যা চরম বিপদসীমার থেকে এখনও চার সেন্টিমিটার বেশি। ফলে নদীর জলস্তর কমলেও বিপদ পুরোপুরি কাটেনি।ভুতনির বিস্তীর্ণ এলাকা এখনও জলমগ্ন। কোথাও তাকালেই চোখে পড়ছে জল। টানা বহু দিন ধরে জলবন্দি থাকার কারণে একাধিক মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ছেন বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। দুর্গম এলাকায় অসুস্থদের দ্রুত উদ্ধার করে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে আসাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।চরম বিপদসীমার উপরে থাকা গঙ্গা পেরিয়ে দুর্গম এলাকায় পৌঁছতে হচ্ছে উদ্ধারকারীদের। নৌকায় করে জল পেরিয়ে অসুস্থ মানুষকে উদ্ধার করতে গিয়ে তাঁদেরও ঝুঁকি নিতে হচ্ছে। অন্যের প্রাণ বাঁচাতে নিজেদের নিরাপত্তার কথা না ভেবেই তাঁরা কাজ করছেন বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।জলস্তর কমার ফলে পরিস্থিতিতে সামান্য স্বস্তির ইঙ্গিত মিললেও ভুতনির বহু এলাকায় এখনও জল রয়েছে। তাই এখন নজর শুধু গঙ্গার জলস্তরের দিকে নয়, জলবন্দি মানুষের চিকিৎসা, ত্রাণ এবং নিরাপদ আশ্রয়ের দিকেও। মন্ত্রীদের এই সফরের পর ভুতনির পুনর্গঠন এবং স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

২৪৯ বছরের ঐতিহাসিক মহাকরণে ফিরছে সচিবালয়! ১৩ বছর পর বদলাতে চলেছে বাংলার প্রশাসনিক ঠিকানা

দীর্ঘ ১৩ বছরের ব্যবধানের পর ফের ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিং থেকে প্রশাসনিক কাজকর্ম শুরু করতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। পিতৃপক্ষের অবসান ও দেবীপক্ষের সূচনার আবহে পুরনো মহাকরণে ফিরতে চলেছে রাজ্য প্রশাসন। পূর্ত দফতর সূত্রে খবর, আগামী ১০ অক্টোবর মহালয়ার আগেই মুখ্যমন্ত্রী-সহ রাজ্যের ছয় গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর দফতরের সংস্কার ও পুনরুদ্ধারের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।বর্তমানে রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক কাজকর্ম পরিচালিত হয় নবান্ন থেকে। তবে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিংয়ে সচিবালয় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছিল। সেই মতোই চলছে সংস্কারের কাজ।১৩ বছর আগে নবান্নে সরেছিল সচিবালয়প্রায় ২৪৯ বছরের পুরনো ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিং একসময় ছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রশাসনিক কেন্দ্র। ১৩ বছর আগে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে সচিবালয় স্থানান্তরিত হয় নবান্নে। এরপর থেকে সেখান থেকেই রাজ্যের প্রশাসনিক কাজকর্ম পরিচালিত হয়ে আসছে।তবে পুরনো ভবনের সংস্কার ও পুনরুদ্ধারের কাজ শেষ না হওয়ায় এতদিন রাইটার্স বিল্ডিংয়ে পুরোপুরি ফেরা সম্ভব হয়নি। এবার সেই কাজ দ্রুত শেষ করে ঐতিহাসিক মহাকরণ থেকেই প্রশাসনিক কাজ শুরু করার প্রস্তুতি চলছে।সংস্কারকাজ খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকরাইটার্স বিল্ডিংয়ের সংস্কারকাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে সম্প্রতি ঊর্ধ্বতন আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন পূর্তমন্ত্রী অজয় পোদ্দার। পূজা উৎসবের আগেই কাজ শেষ করার জন্য আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।রিপোর্ট অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ের কাজ প্রায় শেষের পথে। পাশাপাশি মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি-সহ একাধিক শীর্ষ আধিকারিকের দফতরও দ্রুত প্রস্তুত করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী-সহ ছয় মন্ত্রীর দফতর তৈরির প্রস্তুতিরাইটার্স বিল্ডিংয়ে যাঁদের দফতর চালু করার প্রস্তুতি চলছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেনশুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রীদিলীপ ঘোষ পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রীঅগ্নিমিত্রা পাল পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রীশঙ্কর ঘোষ পর্যটন মন্ত্রীশারদ্বত মুখোপাধ্যায় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রীঅজয় পোদ্দার পূর্তমন্ত্রীসব মিলিয়ে, দুর্গাপুজোর আগে ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিংয়ে রাজ্য প্রশাসনের প্রত্যাবর্তন ঘিরে প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংস্কারকাজ সম্পূর্ণ করে ঠিক কবে থেকে প্রশাসনিক কাজ শুরু হবে, তা সরকারি ঘোষণার পরই স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

পুজোর ভিড় এড়িয়ে ঘুরে আসুন বাংলার ৫ অফবিট ডেস্টিনেশনে, পাহাড়-জঙ্গল-সমুদ্রের হাতছানি

দুর্গাপুজো মানেই বাংলার পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। পুজোর ছুটিতে দিঘা, মন্দারমণি, দার্জিলিং কিংবা ডুয়ার্সের পরিচিত জায়গাগুলিতে ভিড় জমে। ফলে নিরিবিলিতে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে চান যাঁরা, তাঁদের অনেক সময়ই সমস্যায় পড়তে হয়। তবে ভিড় এড়িয়ে একটু অন্যরকম পরিবেশে ছুটি কাটাতে চাইলে বেছে নিতে পারেন বাংলার কয়েকটি অফবিট ডেস্টিনেশন।পাহাড়ি গ্রাম থেকে গভীর জঙ্গল, নির্জন সমুদ্রসৈকত থেকে ঐতিহ্যবাহী গ্রামবাংলার নানা প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছে এমন কিছু জায়গা, যেখানে মিলতে পারে শান্ত পরিবেশ ও প্রকৃতির সান্নিধ্য। পুজোর পর্যটন ভিড় শুরু হওয়ার আগেই ঘুরে আসতে পারেন এই পাঁচটি জায়গায়।১. টোডে ও টাংতাকালিম্পংয়ের কাছে ভারত-ভুটান সীমান্তের কাছে অবস্থিত টোডে ও টাংতা। প্রায় ৪,৩০০ ফুট উচ্চতায় ন্যোরাভ্যালি জাতীয় উদ্যানের প্রান্তে থাকা এই দুই পাহাড়ি গ্রাম এখনও অনেকটাই পর্যটকদের ভিড়ের বাইরে। মেঘে ঢাকা পাহাড়, নির্জন পথ এবং সবুজে ঘেরা পরিবেশ প্রকৃতিপ্রেমীদের আকর্ষণ করতে পারে।এখানে ঘুরে দেখতে পারেন এলাচের বাগান, মেমোরিয়াল চার্চ এবং পুরনো বৌদ্ধ মঠ। ভারত-ভুটান সীমান্তের দৃশ্যও এই এলাকার অন্যতম আকর্ষণ। থাকার জন্য রয়েছে বিভিন্ন হোমস্টে ও ফার্মস্টে।২. লেপচাখাহালকা ট্রেকিংয়ের পাশাপাশি পাহাড় ও জঙ্গলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে আলিপুরদুয়ারের লেপচাখা হতে পারে পছন্দের গন্তব্য। বক্সা জঙ্গলের মাঝে পাহাড়ের উপরে অবস্থিত এই গ্রাম থেকে পরিষ্কার আকাশে ডুয়ার্সের বিস্তীর্ণ সমতলভূমি ও নদীগুলির মনোরম দৃশ্য দেখা যায়।লেপচাখায় বসবাসকারী ড্রুকপা সম্প্রদায়ের জীবনযাপন ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও রয়েছে। রাতে আকাশ পরিষ্কার থাকলে দেখা মিলতে পারে তারাভরা আকাশের। পর্যটকরা ঘুরে দেখতে পারেন লেপচাখা ভিউপয়েন্ট, বক্সা ফোর্ট, ড্রুকপা গ্রাম এবং হিমালয়ান বার্ডিং ট্রেল।৩. বাঁকিপুটদিঘা কিংবা মন্দারমণির ভিড় এড়িয়ে সমুদ্রের ধারে নিরিবিলিতে সময় কাটাতে চাইলে পূর্ব মেদিনীপুরের বাঁকিপুট ঘুরে আসতে পারেন। ঘন ঝাউবন ঘেরা এই সমুদ্রতট তুলনামূলকভাবে শান্ত পরিবেশের জন্য পরিচিত।নির্জন সৈকতে হাঁটাহাঁটি, বালির উপর লাল কাঁকড়ার আনাগোনা দেখা কিংবা স্থানীয় সামুদ্রিক খাবারের স্বাদ নেওয়াসব মিলিয়ে ছুটি কাটানোর জন্য জায়গাটি আকর্ষণীয় হতে পারে। বাঁকিপুট সি বিচের পাশাপাশি ঘুরে দেখতে পারেন দারিয়াপুর লাইটহাউস এবং পেটুয়াঘাট ফিশিং পোর্ট।৪. দুয়ারসিনিপুরুলিয়া ও ঝাড়খণ্ড সীমান্তের কাছে অবস্থিত দুয়ারসিনি প্রকৃতি ও আদিবাসী সংস্কৃতির মেলবন্ধনের জন্য পরিচিত। চারপাশের পাহাড়, শাল-সেগুন-পিয়ালের জঙ্গল এবং পলাশের সৌন্দর্য এই এলাকার অন্যতম আকর্ষণ।পাশ দিয়ে বয়ে চলা পাথুরে সাতগুরাং নদী জায়গাটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রকৃতির সান্নিধ্যের পাশাপাশি স্থানীয় আদিবাসী সংস্কৃতি, নাচ-গান ও জীবনযাপন সম্পর্কে জানার সুযোগও রয়েছে। দুয়ারসিনি ফরেস্ট এবং বুড়ুডি ড্যাম এখানকার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান। থাকার জন্য রয়েছে পর্যটন দফতরের কটেজ ও বিভিন্ন ইকোট্যুরিজম ব্যবস্থা।৫. আমাদপুরঅল্প সময়ের জন্য ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্বাদ পেতে চাইলে পূর্ব বর্ধমানের আমাদপুর ঘুরে আসতে পারেন। গ্রামবাংলার শান্ত পরিবেশের মধ্যে ছড়িয়ে রয়েছে রাজবাড়ি, পুরনো পুকুর, মন্দির এবং জমিদারি আমলের বিভিন্ন স্থাপত্যের নিদর্শন।আমাদপুর রাজবাড়ি, টেরাকোটা মন্দির, দোলমঞ্চ এবং বাঘবাড়ি এখানকার উল্লেখযোগ্য আকর্ষণ। গ্রামের অলিগলি ধরে হাঁটলে বাংলার পুরনো দিনের গ্রামীণ জীবনের এক অন্যরকম ছবি চোখে পড়বে।পাহাড়, জঙ্গল, সমুদ্র কিংবা ইতিহাস পুজোর ছুটিতে পরিচিত পর্যটনকেন্দ্রের ভিড় এড়িয়ে বাংলার এই পাঁচটি অফবিট গন্তব্যে ঘুরে আসার পরিকল্পনা করতে পারেন। তবে যাওয়ার আগে যাতায়াতের ব্যবস্থা, থাকার জায়গা এবং স্থানীয় পর্যটন সংক্রান্ত তথ্য জেনে নেওয়া প্রয়োজন।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

পুজোর ভিড় এড়িয়ে ঘুরে আসুন বাংলার ৫ অফবিট ডেস্টিনেশনে, পাহাড়-জঙ্গল-সমুদ্রের হাতছানি

দুর্গাপুজো মানেই বাংলার পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। পুজোর ছুটিতে দিঘা, মন্দারমণি, দার্জিলিং কিংবা ডুয়ার্সের পরিচিত জায়গাগুলিতে ভিড় জমে। ফলে নিরিবিলিতে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে চান যাঁরা, তাঁদের অনেক সময়ই সমস্যায় পড়তে হয়। তবে ভিড় এড়িয়ে একটু অন্যরকম পরিবেশে ছুটি কাটাতে চাইলে বেছে নিতে পারেন বাংলার কয়েকটি অফবিট ডেস্টিনেশন।পাহাড়ি গ্রাম থেকে গভীর জঙ্গল, নির্জন সমুদ্রসৈকত থেকে ঐতিহ্যবাহী গ্রামবাংলার নানা প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছে এমন কিছু জায়গা, যেখানে মিলতে পারে শান্ত পরিবেশ ও প্রকৃতির সান্নিধ্য। পুজোর পর্যটন ভিড় শুরু হওয়ার আগেই ঘুরে আসতে পারেন এই পাঁচটি জায়গায়।১. টোডে ও টাংতাকালিম্পংয়ের কাছে ভারত-ভুটান সীমান্তের কাছে অবস্থিত টোডে ও টাংতা। প্রায় ৪,৩০০ ফুট উচ্চতায় ন্যোরাভ্যালি জাতীয় উদ্যানের প্রান্তে থাকা এই দুই পাহাড়ি গ্রাম এখনও অনেকটাই পর্যটকদের ভিড়ের বাইরে। মেঘে ঢাকা পাহাড়, নির্জন পথ এবং সবুজে ঘেরা পরিবেশ প্রকৃতিপ্রেমীদের আকর্ষণ করতে পারে।এখানে ঘুরে দেখতে পারেন এলাচের বাগান, মেমোরিয়াল চার্চ এবং পুরনো বৌদ্ধ মঠ। ভারত-ভুটান সীমান্তের দৃশ্যও এই এলাকার অন্যতম আকর্ষণ। থাকার জন্য রয়েছে বিভিন্ন হোমস্টে ও ফার্মস্টে।২. লেপচাখাহালকা ট্রেকিংয়ের পাশাপাশি পাহাড় ও জঙ্গলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে আলিপুরদুয়ারের লেপচাখা হতে পারে পছন্দের গন্তব্য। বক্সা জঙ্গলের মাঝে পাহাড়ের উপরে অবস্থিত এই গ্রাম থেকে পরিষ্কার আকাশে ডুয়ার্সের বিস্তীর্ণ সমতলভূমি ও নদীগুলির মনোরম দৃশ্য দেখা যায়।লেপচাখায় বসবাসকারী ড্রুকপা সম্প্রদায়ের জীবনযাপন ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও রয়েছে। রাতে আকাশ পরিষ্কার থাকলে দেখা মিলতে পারে তারাভরা আকাশের। পর্যটকরা ঘুরে দেখতে পারেন লেপচাখা ভিউপয়েন্ট, বক্সা ফোর্ট, ড্রুকপা গ্রাম এবং হিমালয়ান বার্ডিং ট্রেল।৩. বাঁকিপুটদিঘা কিংবা মন্দারমণির ভিড় এড়িয়ে সমুদ্রের ধারে নিরিবিলিতে সময় কাটাতে চাইলে পূর্ব মেদিনীপুরের বাঁকিপুট ঘুরে আসতে পারেন। ঘন ঝাউবন ঘেরা এই সমুদ্রতট তুলনামূলকভাবে শান্ত পরিবেশের জন্য পরিচিত।নির্জন সৈকতে হাঁটাহাঁটি, বালির উপর লাল কাঁকড়ার আনাগোনা দেখা কিংবা স্থানীয় সামুদ্রিক খাবারের স্বাদ নেওয়াসব মিলিয়ে ছুটি কাটানোর জন্য জায়গাটি আকর্ষণীয় হতে পারে। বাঁকিপুট সি বিচের পাশাপাশি ঘুরে দেখতে পারেন দারিয়াপুর লাইটহাউস এবং পেটুয়াঘাট ফিশিং পোর্ট।৪. দুয়ারসিনিপুরুলিয়া ও ঝাড়খণ্ড সীমান্তের কাছে অবস্থিত দুয়ারসিনি প্রকৃতি ও আদিবাসী সংস্কৃতির মেলবন্ধনের জন্য পরিচিত। চারপাশের পাহাড়, শাল-সেগুন-পিয়ালের জঙ্গল এবং পলাশের সৌন্দর্য এই এলাকার অন্যতম আকর্ষণ।পাশ দিয়ে বয়ে চলা পাথুরে সাতগুরাং নদী জায়গাটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রকৃতির সান্নিধ্যের পাশাপাশি স্থানীয় আদিবাসী সংস্কৃতি, নাচ-গান ও জীবনযাপন সম্পর্কে জানার সুযোগও রয়েছে। দুয়ারসিনি ফরেস্ট এবং বুড়ুডি ড্যাম এখানকার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান। থাকার জন্য রয়েছে পর্যটন দফতরের কটেজ ও বিভিন্ন ইকোট্যুরিজম ব্যবস্থা।৫. আমাদপুরঅল্প সময়ের জন্য ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্বাদ পেতে চাইলে পূর্ব বর্ধমানের আমাদপুর ঘুরে আসতে পারেন। গ্রামবাংলার শান্ত পরিবেশের মধ্যে ছড়িয়ে রয়েছে রাজবাড়ি, পুরনো পুকুর, মন্দির এবং জমিদারি আমলের বিভিন্ন স্থাপত্যের নিদর্শন।আমাদপুর রাজবাড়ি, টেরাকোটা মন্দির, দোলমঞ্চ এবং বাঘবাড়ি এখানকার উল্লেখযোগ্য আকর্ষণ। গ্রামের অলিগলি ধরে হাঁটলে বাংলার পুরনো দিনের গ্রামীণ জীবনের এক অন্যরকম ছবি চোখে পড়বে।পাহাড়, জঙ্গল, সমুদ্র কিংবা ইতিহাস পুজোর ছুটিতে পরিচিত পর্যটনকেন্দ্রের ভিড় এড়িয়ে বাংলার এই পাঁচটি অফবিট গন্তব্যে ঘুরে আসার পরিকল্পনা করতে পারেন। তবে যাওয়ার আগে যাতায়াতের ব্যবস্থা, থাকার জায়গা এবং স্থানীয় পর্যটন সংক্রান্ত তথ্য জেনে নেওয়া প্রয়োজন।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

‘কিছু প্রত্যাহার করব না’, হলদিয়া আদালতে দাঁড়িয়ে বড় ঘোষণা মিলন প্রধানের! নন্দীগ্রামে নতুন মোড়

নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন ঘিরে উত্তেজনার মধ্যেই শনিবার হলদিয়া আদালতে তোলা হল কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে। আদালত চত্বরে তাঁকে ঘিরে ছিলেন দলীয় কর্মী-সমর্থকেরা। কংগ্রেসের নেতারাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিকেরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, তিনি কি প্রার্থী পদ থেকে সরে দাঁড়াবেন? জবাবে মিলন বলেন, শাসক দল ভয় পেয়েছে, কিছু প্রত্যাহার করব না।শুক্রবার চণ্ডীপুর থানা এলাকার একটি মামলায় মিলনকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের দাবি, ২০০৭ সালের চারটি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি ছিল। সেই পরোয়ানার ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে খুন, খুনের চেষ্টা, অপহরণ, প্রমাণ লোপাট এবং অস্ত্র-সহ অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগে মামলা রয়েছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট মামলাগুলিতে তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের জামিন-অযোগ্য পরোয়ানা ছিল। সেই পরোয়ানা কার্যকর করার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশের দাবি।মিলনকে গ্রেফতার করার পর থেকেই নন্দীগ্রামের উপনির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে গ্রেফতারির সময় নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। অন্য দিকে, বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্বের বক্তব্য, পুলিশের কাজ পুলিশ করেছে এবং এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই বলে তারা দাবি করেছে।কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও এই গ্রেফতারি নিয়ে সরব হয়েছে। রাহুল গান্ধী সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেছেন, মিলন প্রধানের গ্রেফতারি কোনও কাকতালীয় ঘটনা নয় এবং তিনি এটিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবে দেখছেন। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি নির্বাচনী লড়াইয়ের বদলে বিরোধীদের সরিয়ে দিতে চাইছে। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ঘটনায় তারা পিছিয়ে যাবে না।তবে পুলিশের বক্তব্য আলাদা। তাদের দাবি, পুরনো মামলায় আদালতের জারি করা পরোয়ানা কার্যকর করতেই মিলন প্রধানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ফলে গ্রেফতারির আইনি কারণ নিয়ে পুলিশের বক্তব্য এবং রাজনৈতিক দলগুলির অভিযোগদুই দিকই সামনে এসেছে।এর মধ্যেই শনিবার আদালতে দাঁড়িয়ে মিলন প্রধান জানিয়ে দিলেন, তিনি প্রার্থী পদ থেকে কিছু প্রত্যাহার করবেন না। ফলে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে তাঁর প্রার্থিতা নিয়ে যে জল্পনা তৈরি হয়েছিল, আপাতত তাঁর নিজের বক্তব্যে তার জবাব মিলেছে।নন্দীগ্রাম এমনিতেই রাজ্যের রাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কেন্দ্র। ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে জমি আন্দোলনের পর থেকেই এই কেন্দ্রের রাজনৈতিক গুরুত্ব আরও বেড়েছে। সেই নন্দীগ্রামেই এ বার উপনির্বাচনের আগে প্রার্থী প্রত্যাহার, নতুন সমর্থন এবং কংগ্রেস প্রার্থীর গ্রেফতারি ঘিরে একের পর এক ঘটনা সামনে আসছে। ফলে ভোটের আগে এই কেন্দ্রের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমেই আরও সরগরম হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রামের পর রেজিনগরেও বিরাট নাটক! ভোটে না লড়ার ঘোষণার পর তড়িঘড়ি কেন অবস্থান বদল মমতা ঘনিষ্ঠ রবিউল আলমের?

নন্দীগ্রামের পর রেজিনগরেও কি প্রার্থীহীন হতে চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির? শনিবার সকাল থেকে এই প্রশ্ন ঘিরে শুরু হয় জল্পনা। প্রথমে মনোনয়ন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করলেও কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অবস্থান বদল করলেন রেজিনগরে মমতা গোষ্ঠীর তৃণমূল প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী। শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী লড়াইয়ে থাকার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তিনি।শনিবার সকালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রবিউল জানান, অল্প সময়ের মধ্যে নতুন নির্বাচনী প্রতীক ভোটারদের কাছে পরিচিত করে তোলা কঠিন। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করেই তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে জানান। তাঁর অভিযোগ, কর্মীদের মাঠে নামানো যাচ্ছে না। নির্বাচনে প্রতীকের গুরুত্বও তুলে ধরেন তিনি।রবিউলের কথায়, নতুন নির্বাচনী প্রতীক অল্প সময়ের মধ্যে ভোটারদের কাছে পরিচিত করে তোলা কঠিন। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করেই মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ইতিমধ্যে আমার সিদ্ধান্তের কথা নেত্রীকে জানিয়েছি। কর্মীদের মাঠে-ময়দানে নামানো যাচ্ছে না। সিম্বল একটা বড় ফ্যাক্টর।বেলডাঙা থানায় যাওয়ার পর সিদ্ধান্ত বদলতবে বেলা বাড়তেই বদলে যায় পরিস্থিতি। রবিউল জানান, একাধিক তৃণমূল নেতার সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। এরপর তিনি বেলডাঙা থানায় যান। সেখানে নিরাপত্তার আশ্বাস পাওয়ার পর ফের নির্বাচনে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।রবিউলের বক্তব্য, পাশে মাত্র ১০ জন কর্মী থাকলেও তিনি ভোটের লড়াই চালিয়ে যাবেন। নির্বাচনী প্রচারেও নামবেন বলে জানিয়েছেন রেজিনগরের এই প্রার্থী। ফলে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে রেজিনগরকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নাটকীয় পরিস্থিতি।নন্দীগ্রামে সঞ্চিতার মনোনয়ন প্রত্যাহার, গ্রেফতার মিলন প্রধানএর আগে শুক্রবার নন্দীগ্রামে মমতা গোষ্ঠীর প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর তাঁর এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়। পরে নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এরপরই ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম আন্দোলন সংক্রান্ত একটি মামলায় গ্রেফতার হন মিলন প্রধান। তাঁর গ্রেফতারিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে অভিযোগ করেছে কংগ্রেস।নতুন নাম ও প্রতীক ঘিরে বদলেছে সমীকরণতৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর নাম ও প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের পর থেকেই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। নতুন প্রতীক অল্প সময়ে ভোটারদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সমস্যা নিয়ে রবিউলের মন্তব্যও সেই প্রেক্ষাপটে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এখন রবিউল আলম চৌধুরী শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী ময়দানে থাকেন কি না, এবং প্রচারে দলের কর্মীরা কতটা সক্রিয় হন, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। পাশাপাশি নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ উপনির্বাচনের সমীকরণে কী প্রভাব ফেলে, তা নিয়েও চলছে জল্পনা।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

গুগল ম্যাপ দেখেই বাইক চালাচ্ছিলেন! হঠাৎ রাস্তা শেষ, বাইক-সমেত খাদের নীচে যুবক

মোবাইলে গুগল ম্যাপ খুলে সেই পথ দেখেই বাইক চালিয়ে যাচ্ছিলেন যুবক। কিন্তু যে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন, সেটি যে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ এবং পরিত্যক্ত খনি এলাকার মধ্যে দিয়ে গিয়েছে, তা বুঝতে পারেননি তিনি। আচমকাই রাস্তার একটি ভাঙা অংশের কাছে গিয়ে বাইক-সহ গভীর খাদে পড়ে যান। দীর্ঘ সময় পর গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়। দুর্গাপুরের পাণ্ডবেশ্বরের ভাঁটমুড়া মহালক্ষ্মী এলাকায় এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।আহত যুবকের নাম প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি পেশায় কেবল অপারেটর। কাঁকসার বনকাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের ডাঙাল এলাকার বাসিন্দা প্রসূন শুক্রবার রাতে বাইক নিয়ে বেরিয়েছিলেন। অচেনা পথে সুবিধার জন্য মোবাইলে গুগল ম্যাপ চালু করেছিলেন তিনি। ম্যাপে যে রাস্তা দেখানো হচ্ছিল, সেই পথ ধরেই বাইক চালাচ্ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।পাণ্ডবেশ্বরের ভাঁটমুড়া মহালক্ষ্মী এলাকায় পৌঁছনোর পর বিপদ ঘটে। ওই এলাকা পরিত্যক্ত খনি এলাকার মধ্যে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাস্তার একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে ভেঙে গিয়ে সেখানে গভীর খাদ তৈরি হয়েছে। কিন্তু ম্যাপে সেই বিপজ্জনক অংশের কোনও ইঙ্গিত ছিল না বলে জানা গিয়েছে।অন্ধকারে ফাঁকা রাস্তা দিয়ে বাইক চালানোর সময় প্রসূন সেই খাদের কাছে পৌঁছে যান। বাইকের গতি বেশি থাকায় পরিস্থিতি সামলানোর সুযোগ পাননি বলেই প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে। বাইক-সহ তিনি খাদের নীচে পড়ে গুরুতর জখম হন।এ দিকে রাতে অনেক সময় পেরিয়ে গেলেও প্রসূন বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তাঁকে খুঁজে না পেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হন তাঁরা। এরপর তাঁর মোবাইলের অবস্থান শনাক্ত করার চেষ্টা শুরু হয়। মোবাইলের অবস্থান পাণ্ডবেশ্বরের ওই খনি এলাকার আশপাশে দেখাচ্ছিল।এর পরেই পাণ্ডবেশ্বর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলের দিকে রওনা দেয়। শুক্রবার রাতের পর শনিবার সকালে এলাকায় গিয়ে পুলিশ দেখতে পায়, খাদের মধ্যে পড়ে রয়েছে প্রসূনের বাইক। কিছুটা দূরে গুরুতর জখম অবস্থায় পড়ে ছিলেন তিনি।পুলিশ ও স্থানীয়দের তৎপরতায় শুরু হয় উদ্ধারকাজ। শেষ পর্যন্ত প্রসূনকে খাদের নীচ থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁকে দ্রুত দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে।এই ঘটনায় একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। খনি কর্তৃপক্ষের দাবি, ওই রাস্তা দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ। তা হলে প্রসূন কী ভাবে সেই পথে পৌঁছলেন, সেটিই এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি কি শুধুমাত্র গুগল ম্যাপে দেখানো পথ অনুসরণ করেই ওই এলাকায় পৌঁছেছিলেন, নাকি অন্য কোনও কারণে সেই রাস্তা ব্যবহার করেছিলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।দুর্ঘটনার সময় বাইকের গতি কত ছিল, রাস্তার পরিস্থিতি কেমন ছিল এবং ঠিক কোন জায়গায় বাইকটি খাদে পড়ে যায়, তা-ও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। গুগল ম্যাপে ওই রাস্তা কেন দেখাচ্ছিল এবং বিপজ্জনক অংশটি কেন চিহ্নিত ছিল না, সেই প্রশ্নও উঠছে।তবে আপাতত পুলিশের তদন্তের পাশাপাশি আহত প্রসূনের চিকিৎসাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ সময় পর তাঁকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হলেও দুর্ঘটনার কারণ পুরোপুরি স্পষ্ট হয়নি। তদন্ত শেষ হলেই জানা যাবে, ঠিক কী ভাবে গুগল ম্যাপের পথ ধরে চলতে গিয়ে পরিত্যক্ত খনি এলাকার গভীর খাদে বাইক-সহ পড়ে গেলেন ওই যুবক।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

সকালে বললেন মনোনয়ন তুলবেন, দুপুরে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গেলেন! রবিউলকে ঘিরে রেজিনগরে নাটক

রেজিনগর উপনির্বাচন ঘিরে সকাল থেকেই তৈরি হয়েছিল টানটান উত্তেজনা। নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করার পর থেকেই প্রশ্ন উঠেছিল, রেজিনগরেও কি একই পথে হাঁটবেন মমতা শিবিরের প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী? শনিবার সকালে সেই জল্পনা আরও জোরালো হয়। রবিউল নিজেই জানিয়েছিলেন, তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহারের কথা ভাবছেন। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বদলে যায় পরিস্থিতি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলার পর তিনি জানান, মনোনয়ন প্রত্যাহার করছেন না।শনিবার সকাল ৯টা নাগাদ সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে রবিউল জানিয়েছিলেন, তিনি প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করতে পারেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি কর্মীদের উপর চাপ রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। অনেক কর্মী সরে যাচ্ছেন বলেও জানান রবিউল। ফলে কর্মীদের ছাড়া কী ভাবে ভোটের লড়াই করবেন, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন তিনি।রবিউলের কথায়, কর্মীরাই যদি না থাকেন, তা হলে একা ঘুরে ভোট করা সম্ভব কি না, সেই প্রশ্ন উঠছে। সেই কারণেই মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের কথা ভাবছেন বলে জানিয়েছিলেন তিনি।কিন্তু বেলা বাড়তেই পরিস্থিতি বদলে যায়। সাড়ে ১২টা নাগাদ রবিউল জানান, তিনি আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলার পরই তাঁর এই মতবদল বলে জানান তিনি। রবিউলের বক্তব্য অনুযায়ী, মমতার নির্দেশ মেনে তিনি ভোটের লড়াইয়ে থাকবেন।রবিউল বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথামতো তিনি প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের যে চিন্তাভাবনা করেছিলেন, তা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। নতুন পরিস্থিতিতে ভোটের প্রচারে নামার কথাও জানান তিনি। অর্থাৎ, সকালের সিদ্ধান্তের মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রেজিনগরে মমতা শিবিরের প্রার্থীর অবস্থান বদলে যায়।রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই টানাপোড়েন চলছে। তৃণমূলের নাম ও জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের পর মমতা শিবিরকে নতুন নাম ও প্রতীকে লড়তে হচ্ছে। দুই কেন্দ্রেই আগে জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে মনোনয়ন জমা দেওয়া হয়েছিল। পরে কমিশনের সিদ্ধান্তের জেরে পরিস্থিতি বদলে যায়।নন্দীগ্রামে মমতা শিবিরের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন। এরপর ওই কেন্দ্রে কংগ্রেসকে সমর্থনের কথা ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে রেজিনগরের প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী মনোনয়ন প্রত্যাহার করবেন কি না, তা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছিল।সেই জল্পনার মধ্যেই প্রথমে রবিউলের মনোনয়ন প্রত্যাহারের ইঙ্গিত এবং পরে মমতার সঙ্গে কথা বলে লড়াইয়ে থাকার ঘোষণা নতুন করে রাজনৈতিক চর্চা তৈরি করে। তবে পরবর্তী আপডেটে জানা যায়, শেষ পর্যন্ত রবিউল আলম চৌধুরী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। ফলে সকালের সিদ্ধান্ত, দুপুরের মতবদল এবং পরে ফের মনোনয়ন প্রত্যাহারসব মিলিয়ে রেজিনগর উপনির্বাচনে রবিউলকে ঘিরে তৈরি হয় একাধিক নাটকীয় মোড়।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal