• ২২ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার ১০ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

UK

রাজ্য

'মাতাল আমাদের বর্তমান, মদ আমার ভবিষ্যৎ,' নদিয়ায় বললেন সুকান্ত মজুমদার

নদিয়ার জনসভাতে পঞ্চায়েত ভোটে লুট করতে এলে তৃণমূলকে দাওয়াই দেওয়ার কথা বললেন বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এই সভাতে বক্তব্য রাখেন বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। মিঠুনে উপস্থিতি বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে মিঠুন বলেন, এত ভালবাসা বিজেপির বাক্সে পড়বে কিনা। যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে আমরা সবাই মিলে নতুন বাংলা তৈরি করি।এদিন রাজ্য সরকারের মদের কারবার নিয়ে কটাক্ষ করেন সুকান্ত মজুমদার। রাজ্য বিজেপির সভাপতি বলেন, গত আর্থিক বছরে রাজ্যে১০,৬৬৬ কোটি টাকা আয় হয়েছে। মাতাল আমাদের বর্তমান, মদ আমার ভবিষ্য়ৎ। যত দিন মদ খাওয়াবে ততদিন বোকা বানানো যাবে। এছাড়া রাজ্যে এই মুহূর্তে ঋণের বোঝা চাপতে বসেছেন ৫.৮৬ লক্ষ কোটি টাকা। রাজ্যে প্রতিজনের ঋণ ৬০ হাজার টাকা। বিশ্বব্যাংক সহ নানা জায়গা থেকে রাজ্য ঋণ নিয়েছে। রাজ্যটাকে বিক্রি করে দিচ্ছেন।পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে সুকান্তর বক্তব্য, গতবার ভোট লুট করতে এসেছিল এবার যদি ফের লুট করতে আসে দিদির ভুতকে ঘোল ঢেলে ভুত বানিয়ে ফেরত পাঠিয়ে দেবেন। আর পুলিশ যদি তৃণমূল হয় তাহলে সেরকম আচরণ হবে। টিবি হাসপাতাল তৃণমূল চুরি করে নিয়েছে।

জানুয়ারি ২৫, ২০২৩
রাজ্য

অবৈধ প্রণয়ের জেরেই কি স্ত্রীকে খুন আনসারুলের? হত্যার ভয়াবহতার অনুমানে আঁতকে উঠছে তদন্তকারীরা

রেনুকা হত্যা রহস্য ক্রমশ সামনে আসছে। পুলিশ মনে করছে, প্রেমের পথে কাঁটা দূর করতে স্ত্রীকে দুই টুকরো করে ক্যানালের জলে ফেলে দিয়েছিল স্বামী আনসারুল। রেণুকা খাতুন হত্যার প্রাথমিক তদন্তে এই তথ্য উঠে আসছে। এই ঘটনা শ্রদ্ধা কাণ্ডের ছায়া থাকলেও, নৃশংসতা ছিল আরও ভয়াবহ। ফাঁসিদেওয়ার সুদামগছ এলাকার বাসিন্দারা এই ঘটনায় হতবাক। হত্যার প্রায় দুই সপ্তাহ পর মহানন্দা ক্যানাল থেকে উদ্ধার হয় রেণুকা খাতুনের বস্তাবন্দি মৃতদেহ।জানা গিয়েছে, ৬ বছর আগে শিলিগুড়ির ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের দাদাভাই কলোনীর রেণুকা খাতুনের সঙ্গে সামাজিক মতে বিয়ে হয় মহম্মদ আনসারুলের। সাংসারিক অশান্তি থাকলেও, একসময় তা থেমেও যায়। রেণুকার পরিবারের দাবি, মাটিগাড়ার এক যুবতীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল আনসারুলের। সেই কারণেই কয়েক মাস ধরে বিবাদ বাড়তে থাকে। স্ত্রীর নজরদারি মানতে পারেনি আনসারুল। এই ক্ষোভ থেকেই সোনার লোভ দেখিয়ে যুবক তার দাদুর বাড়ি সংলগ্ন ফাঁসিদেওয়ার সুদামগছে নিয়ে আসে রেণুকাকে। পুলিশি হেপাজতে থাকাকালীন জেরায় যুবকের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, স্ত্রীকে সেখানেই খুন করে ধর থেকে মাথা আলাদা করে দুটি পৃথক বস্তায় ভরে ক্যানালে ফেলে দেয়। শুক্রবার ঘটনাস্থল থেকে কয়েকশো মিটার দূরে নয়াহাটের কাছে ক্যানালের জল থেকে বিপর্যয় মোকাবিলা দল প্রথমে মৃতদেহ এবং পরে অপর একটি বস্তায় গৃহবধূর মুন্ডু উদ্ধার করেছে।আনসারুল প্রথমে স্ত্রীর পরকীয়া প্রসঙ্গ তুললেও, রেণুকার পরিবারের দাবি অনুযায়ী হলদিবাড়ির বাসিন্দা রাব্বানী রেণুকার বন্ধু ছিল। কোনও প্রেমের সম্পর্কই ছিল না। রেণুকা স্বামীর পরকীয়ার কথা জানতেই রেণুকাকে নৃশংসভাবে খুন করেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। রেণুকার পরিবার আনসারুলের ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি, রেণুকা ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা থাকার বিষয়টি তাঁরাই পরিবারের সদস্যরাই জানিয়েছেন। যদিও, রেণুকা অন্তঃসত্ত্বা ছিল কী না তা ময়নাতদন্তের পরই পরিষ্কার হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।তবে, এত ভয়ানক খুন আনসারুল একাই ঘটিয়েছে একথা মানতে নারাজ সকলেই। কারণ, মাথা থেকে ধর আলাদা করা এবং মৃতদেহ বস্তাবন্দি করা একার পক্ষে সম্ভব নয় বলে দাবি করা হচ্ছে। সেইসঙ্গে খুনের পর মৃতদেহ নিয়ে আসা হয়েছিল, নাকি ফাঁসিদেওয়াতে এনেই খুন, তা নিয়েও এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। আনসারুলের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত ছিল কী না তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

জানুয়ারি ০৬, ২০২৩
রাজনীতি

২১ ডিসেম্বরের আগের দিনই দিল্লিতে শাহ-শুভেন্দু-সুকান্ত বৈঠক, নয়া কৌশল?

ডিসেম্বর ডেডলাইন দেওয়ার পর তিনটে তারিখ খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে নজর রাখতে বলেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তার মধ্যে ১২ ও ১৪ ডিসেম্বর পেরিয়ে গিয়েছে। সামনে ২১ ডিসেম্বর, বুধবার।১২ ডিসেম্বর সিবিআই হেফাজতে বগটুই কান্ডের মূল অভিযুক্ত লালন শেখের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। তারপর ১৪ ডিসেম্বর আসানসোলে বিজেপির কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে পদপিষ্ট হয়ে তিন জনের মৃত্যু। এই অনুষ্ঠানে শুরুতে হাজির ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল অভিযোগ করে এই দুদিনের দুটি ঘটনাই কি শুভেন্দুর ডিসেম্বর ধামাকা? এবার বাকি রইল তৃতীয় তারিখ ২১ ডিসেম্বর।এদিকে ২০ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন শুভেন্দু অধিকারী। সঙ্গে থাকবেন দলের রাজ্য় সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। স্বভাবতই ২০ ডিসেম্বরের বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ২১ ডিসেম্বরের আগে দিল্লিতে ওই বৈঠকের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২২
রাজনীতি

সুকান্ত মজুমদারের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ জয়নগরে, প্রতিবাদ বিজেপির

দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ চলল। গাড়ির ওপর একদলকে লাঠি উঁচিয়ে মারতে দেখা যায়। পাশাপাশি কালো পাতাকাও ছিল কারও কারও হাতে। পুলিশ কোনওরকমে সেখান থেকে সুকান্তর গাড়ি বের করে নিয়ে যায়। এরপরই রাজ্য সভাপতিকে কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। তৃণমূল কংগ্রেস এই হামলা করেছে অভিযোগ করেছে বিজেপি।এদিন সুকান্ত মজুমদার গিয়েছিলেন জয়নগরে। সেখানে ৫ নং মন্ডলের মায়াহাউড়িতে দেখা করেন গ্রেফতার করা বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে। বিজেপির দাবি, এই কর্মীদের শুভেন্দুর জনসভায় যোগ দিতে গিয়ে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। সুকান্ত বলেন, আমাকে মারতে এসেছিল, গাড়ি ভাঙতে এসেছিল। আমাকে মেরে কি হবে বাংলায় হাজার হাজার সুকান্ত মজুমদার আছে। মমতা সরকারের পতন হবেই। তা শুধু সময়ের অপেক্ষা।

ডিসেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে স্কুল ভেঙে ক্লাব! অভিযোগ পেয়ে তদন্তে শিক্ষা দপ্তর ও পুলিস

একটি বন্ধ থাকা স্কুল ভেঙে মাটিতে মিশিয়ে দেওয়া হল বর্ধমানে। এই ঘটনায় তুমুল চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে বর্ধমানের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের ৪ নম্বর শাঁখারীপুকুর এলাকায়।৪ নম্বর শাঁখারীপুকুরের সেবক সংঘের পাশে একটি প্রাইমারী স্কুল ৩০ বছর ধরে বন্ধ অবস্থায় ছিল। স্কুলে ছাত্র বা শিক্ষক কেউই যেত না। শুক্রবার সকালে ক্লাবের মাঠ সংলগ্ন স্কুলটিকে সেবক সংঘের সদস্যরা ভেঙে দেয় বলে অভিযোগ। ঘটনার খবর পেয়ে বর্ধমান থানার পুলিশ এলাকায় যায়। ততক্ষণে অবশ্য স্কুলবাড়িটিকে ভেঙে ফেলা হয়েছে।জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ডিআই স্বপন দত্তের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সরকারি জায়গার উপরেই স্কুলটি আছে। ৩০ বছর ধরে ওই প্রাথমিক স্কুলটি বন্ধ হয়ে আছে। আমরা খবর পেয়ে লোক পাঠাই। পাশাপাশি পুলিশও যায়। অবশ্য ততক্ষণে বাড়িটি সম্পূর্ণ ভেঙে দেওয়া হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলে তিনি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যানকে জানাবেন।ক্লাবের সভাপতি তমালকান্তি মণ্ডল বলেন, পঞ্চাশ বছরের পুরনো বাড়ি। পাঁচ ইঞ্চি দেওয়াল দেওয়া টিনের চালের বাড়িটি ভগ্নদশা অবস্থায় ছিল। স্কুল কর্তৃপক্ষকে আমরা বহুবার বাড়িটি ভাঙার জন্য অনুরোধ করেছি। কারণ পাশেই আমাদের খেলার মাঠ আছে। ওখানে বাচ্চারা খেলে। যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। স্কুল কর্তৃপক্ষের লোকজনও বেশ কয়েকবার এখানে এসে দেখে গেছেন। কিন্তু ওই অবস্থাতেই ছিল। আমরা ভাঙ্গিনি। ভগ্নদশা বাড়িটি আপনা আপনিই ভেঙে পড়ে। আমরা আজ পরিস্কার করছিলাম বলে তিনি সাফাই দেন।ঘটনাস্থলে যান বর্ধমান সদর আরবান ২ স্কুল ইনস্পেকটর কিশোর কুমার দাস। তিনি বলেন, ডিআইয়ের নির্দেশে এসেছেন। ভগ্নদশা অবস্থায় স্কুলটি দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। কিন্তু এভাবে ভেঙে ফেলা ঠিক হয় নি। এটি ডিপিএসির জায়গা। তিনি ডিআইকে গোটা বিষয়টি জানাবেন।

নভেম্বর ২৬, ২০২২
রাজনীতি

অখিল গিরি বচনঃ অন্য রাজ্য হলে মন্ত্রী কারাগারে যেতেন, বললেন সুকান্ত

এ রাজ্যের কারামন্ত্রী রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে যে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন উনি অন্য কোন রাজ্যের মন্ত্রী হলে কান ধরে কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হত। শনিবার বর্ধমানে এসে এই মন্তব্য করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যর প্রতিবাদে সারা রাজ্যজুড়ে বিজেপির বিক্ষোভ সমাবেশ ও প্রতিবাদ অব্যাহত।এদিন বিকালে বর্ধমান জেলা বিজেপি কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি প্রতিবাদ র্যালি আয়োজিত হয়। এই প্রতিবাদ র্যালিতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিজেপির রাজ্য যুব মোর্চার সভাপতি ইন্দ্রনীল খাঁ, বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ এস এস আহলুওয়ালিয়া সহ একাধিক বিজেপি নেতৃত্ব। র্যালি শেষ হয় বর্ধমানের কার্জনগেট চত্ত্বরে। র্যালি শেষে বক্তব্য রাখতে এসে সুকান্ত মজুমদার বলেন, অখিল গিরির বিরুদ্ধে গোটা দেশ জুড়ে মামলা করা হবে। ওনাকে জেলে পাঠাবো। বক্তব্য রাখতে এসে তিনি আরও বলেন, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ অবস্থায় এসে পৌঁছেছে। জেলায় জেলায় পালা করে বোমা উদ্ধার হচ্ছে। নেতা মন্ত্রীদের আত্মীয়দের বাড়ি থেকে টাকা উদ্ধার হচ্ছে। বিক্ষোভ সভা শেষে অখিল গিরির কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয় কার্জনগেট চত্ত্বরে।পাশাপাশি তিনি বলেন, ডিসেম্বর মাস আসছে। শীত পড়বে থরহরি কম্পন শুরু হবে। এই কম্পন কিসের ইঙ্গিত তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী একাধিকবার ডিসেম্বরে সরকারের বিপদ বলে দাবি করে এসেছেন।

নভেম্বর ১২, ২০২২
রাজনীতি

৬ বছর পর মমতার সভায় পাশে থাকছেন মুকুল, ফের সক্রিয় 'চানক্য'!

রাস উৎসবের মরসুমে কৃষ্ণনগরে তিন দিনের নদিয়া সফরে পা রেখেছেন মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মতুয়া অধ্যুষিত নদিয়া জেলা নিয়ে ঘোর দুশ্চিন্তায় রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। পঞ্চায়েত নির্বাচনের মুখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নদিয়া সফরের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। মমতার নদিয়া সফরকে কেন্দ্র করে কৃষ্ণনগর উত্তরের বিজেপি বিধায়ক মুকুল রায় সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।রানাঘাটে প্রশাসনিক বৈঠকে ডাকও পেয়েছেন মুকুল রায়। এমনকী বুধবার কৃষ্ণনগরে তৃণমূলের প্রকাশ্য সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশেই মঞ্চে দেখা যেতে পারে একসময়ের তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ডকে। তাহলে কী ঘাসফুল শিবিরে ফের মুকুলের উত্তোরন ঘটতে চলেছে, এই জল্পনাই ঘুরপাক খাচ্ছে তৃণমূলে। পর্যবেক্ষক মহল মনে করছে, নদিয়ায় মতুয়াদের একটা বড় অংশ গেরুয়া শিবিরের দিকে ঝুঁকে রয়েছে। এক্ষেত্রে চানক্য মুকুলকে কাজে লাগাতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। ২০২১-এ বিজেপির প্রতীকে কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে জয় পান মুকুল রায়। জয়ের কয়েকদিনের মধ্যেই সপুত্র তৃণমূল কংগ্রেসের যোগ দেন তিনি। যদিও শুভ্রাংশু রাজনীতিতে সক্রিয় থাকলেও মুকুল রায় অনেকটা আড়ালে চলে যান।কিছু দিন আগে তৃণমূল ভবনে যাওয়া, তারপর নেতাজি ইন্ডোরের সভায় হাজির, তারপর কালীঘাটে ভাইফোঁটায় যাওয়া। এবার সরাসরি মমতার সভায় থাকতে চলেছেন মুকুল রায়। তৃণমূলের মমতা ঘনিষ্ঠ পুরনোদের অনেকেই এখন ইতিহাস। তাহলে কী ফের মমতা মুকুলকে ভরসা করতে চলেছেন? তৃণমূলে সক্রিয় হচ্ছেন মুকুল? এই গুঞ্জন চলছে রাজ্য-রাজনীতিতে।

নভেম্বর ০৮, ২০২২
নিবন্ধ

শহরের কোলাহলের বাইরে এ যেন মনে গাঁথা ভিন্ন পৃথিবী

মোড়াটা বসতে দে। চেয়ার তো নেই। বিনয়ের সঙ্গে পরিতোষ বললেন, ওটাতেই বসতে হবে। মোড়াটা এগিয়ে দিল বিনু। ছিন্নভিন্ন খড়ের চাল যেন মাটি ছুঁয়ে ফেলেছে। মাটির দাওয়া। ঘরে-বাইরে চারিদিক অগোছাল। এদিক-ওদিক ঝুলছে কাপড়-জামা। প্রতি পদে দারিদ্রতার স্পষ্ট ছাপ। তবু আথিতেয়তায় যেন কোনও খামতি নেই পরিতোষ হেমব্রমের। নুন আনতে পান্তা ফুরানোর আবস্থা। দিনমজুরি করেই সংসার টেনে চলেছেন বছর পঞ্চাশের পরিতোষ। কলকাতা থেকে বাঁকুড়ার রাণীবাঁধে গ্রাম দেখতে গিয়েছে রকিরা। আসলে তাঁদের গন্তব্য ছিল মুকুটমনিপুর। বর্ষায় প্রকৃতির অসাধারণ শোভা দেখতে সেখানে যাওয়া। এরই ফাঁকে আদিবাসীদের গ্রাম দেখতে ইচ্ছে হয় উৎকল ও রেশমির। শহরের দূষণে জীবন জেরবার। তাই নির্মল গ্রামের সন্ধানে জঙ্গলমহল। সেই উদ্দেশ্যে ৫ বছরের ছেলে রাহুলকে নিয়ে পরিতোষদের বাড়িতে তিনজনেই হাজির। রাহুলের ডাক নাম রকি। আগে থেকেই কিছুটা পরিচয় ছিল পরিতোষের সঙ্গে। প্রথমবারের সাক্ষাতে আথিতেয়তায় মুগ্ধ উৎকল-রেশমিরা। পায়ের সামনে ঘটিতে জল রেখে প্রণাম করে পরিতোষের স্ত্রী। পাল্টা নমস্কার করে উৎকল-রেশিমি। অতিথিদের চা-বিস্কুট খেতে দিল রানি, পরিতোষের স্ত্রী। রানি তাঁদের দুপুরের আহারের করার জন্যও আবদার করতে থাকে। না খেয়ে এখান থেকে যাওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই, বলে রানি। প্রত্যন্ত গ্রামে আদিবাসীদের ব্যবহারে মুগ্ধতার কথা বলেই ফেলল রেশমি। সে বলে ওঠে, আমরা এসেছি গ্রাম দেখতে। জঙ্গলমহলের আদিবাসী মানুষজনের জীবন-জীবীকা, জীবনবোধ, পরিবেশ দেখার অসীম আগ্রহ নিয়েই এসেছি এখানে। কিন্তু ব্যবহারে এমন আন্তরিকতা পেতে পারি তা আশাই করতে পারিনি। এঁদের সঙ্গে না রক্তের সম্পর্ক না আগে কোনও দিন দেখা হয়েছে। একথা ভেবে মনের মধ্যে বির বির করতে থাকে রেশমি। অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকেন ওই পরিবারের সদস্যদের দিকে। পরিতোষের মেয়ে ঝুমুরও জোরাজুরি করছে। অথচ এঁরা কেউ কাউকে দেখা তো দূরের কথা তাঁদের সম্পর্কে কোনও কথাই শোনেনি। অযাচিত অতিথিকে আদিবাসীরা এতটা আপন করে নেয়, ভাবতে থাকে উৎকল। যেটুকু পরিচয় ওই পরিতোষের সঙ্গে উৎকলের। তাও এক বন্ধুর মারফৎ। সেই সূত্রে পরিতোষদের বাড়িতে চলে আসা।কনভেন্টে পড়াশুনা করে রাহুল। এবার রেশমিদের মনে উদ্রেক হয় পরিতোষের মেয়ে কী আদৌ পড়াশুনা করে? এমন প্রত্যন্ত গ্রাম, তারওপর সংসারের বেহাল দশা। নুন আনতে সত্যি সত্যি পান্তা ফুরানোর অবস্থা। পোষাক-পরিচ্ছদেও তার স্পষ্ট ছাপ। জিজ্ঞাসা করা ঠিক হবে কীনা ভাবতে থাকে রেশমি। কিন্তু কৌতুহল বেশিক্ষণ চাপা থাকেনি। শেষমেষ রানিকে জিজ্ঞেস করে রেশমি। মেয়ে কোন ক্লাসে পড়ছে? রানি বলে, সংস্কৃতিতে অনার্স গ্রাজুয়েট হল এবছরই। জানি না চাকরি-বাকরি পাবে কিনা। সরকারি চাকরি পাওয়ার আশা তো না করাই ভাল। তাছাড়া আমাদের টাকা-পয়সাও নেই। যাক ওই পড়াশুনাটা তো হয়েছে। এই আর কি। আসলে মেয়ের চেহারা স্লিম ঠিক নয়, একেবারেই রুগ্ন। দেখলে মনে হবে ক্লাস এইট-নাইনের ছাত্রী। দরিদ্র আদিবাসী পরিবারে যাঁদের অন্নের সংস্থান করতেই ঘাম ছুটছে, সেই বাড়ির মেয়ে অনার্স গ্রাজুয়েট। পড়াশুনা করতে যেতে হত ৪০ কিলোমিটার দূরের বাঁকুড়া শহরে। শিক্ষকও নেই গ্রামে। এসব শুনে মনপ্রাণ জুড়ে যায় রেশমির। শহরের মানুষের অহঙ্কারের কথা ভেবে নিজেকেই ছোট ভাবতে থাকে রেশমি। এমন প্রত্যন্ত গ্রাম, বাড়িতে অর্থের সংস্থান নেই, পরিবারের কেউ কলেজ কেন স্কুলের গন্ডিও পার করেনি। অথচ সেই বাড়িতে অনার্স গ্রাজুয়েট। পড়াশুনার জন্য কত লড়াই! কথা-বার্তায় সেটুকুও বোঝার উপায় নেই। রেশমি ভাবতে থাকে, অথচ এদের কোনও চাকরিও জুটবে না। এসটি কোটা থাকলেও কী যায় আসে।চা বিস্কুট খেয়ে, ভাল-মন্দ গল্পগুজবকে সঙ্গী করে পরিতোষদের বাড়ি ছাড়ে উৎকল-রেশমিরা। তার মধ্যে ছোট্ট রাহুল বায়না ধরে লালঝুটি মোরগ নেবে বলে। রেশমিরা যখন গল্পে মত্ত তখন রাহুল ছুটে বেরিয়েছে ছাগল, মোরগদের পিছনে। এই অনাবিল আনন্দ তো আর শহরে পাবে না। সেখানে তো কৃত্তিমতায় ভরা। চরম আত্মকেন্দ্রীক সমাজ। দুই পরিবেশে বিস্তর তারতম্য উপলব্ধি করতে থাকে উৎকলরা। পরিতোষদের বাড়িতে দুটো গরু, গোটা চরেক ছাগল, ১৯-২০টা মোরগ-মুরগি আছে। এসব দিয়ে কিছু অর্থের সংস্থান হয় আর কী। রানি বলে, মোরগ নিয়ে গেলে নিয়ে যান। কিন্তু তা-তো আর সম্ভব নয়। ঘন্টাখানেক পরিতোষদের বাড়িতে ছিল ওরা। কিন্তু যেন তারই মধ্যে এমন টান জন্মে গিয়েছে পরিবারটির প্রতি উঠতেও যেন তাঁদের মন করছে না। মানুষ তাহলে এখনও আছে। শিক্ষার জন্য গরীব মানুষের লড়াই আছে। আর্থিক দৈন্যতা সত্বেও আন্তরিকতা আছে পূর্ণমাত্রায়। অজানা পরিবারেও আত্মার টানের উপলব্ধি আছে। এসব ভেবেই বিহ্বল হয়ে উঠল রেশমি। যদিও কলকাতায় পাশের ফ্ল্য়াটের লোকজন কেউ কারও খবর রাখে না। দেনা-পাওনার হিসেবেই সবাই ব্যস্ত। তাঁর কাছে এ যেন শহরের বাইরে এক নতুন পৃথিবী। নয়া জগত।আদিবাসী গ্রাম থেকে ফের মুকুটমনিপুরের অতিথিশালায় গিয়ে ওঠে উৎকলরা। পড়ন্ত বিকেলে কংসাবতীর ড্যাম দেখতে অতিসুন্দর। তারওপর বর্ষাকালে টইটুম্বুর জলে আকর্ষণ বেড় গিয়েছে আরও বেশ কয়েকগুন। লকগেট থেকে মাঝে-মধ্যে জলও ছাড়া হচ্ছে। মহানগরের কোলাহল থেকে মাথার চাপ হালকা করতে এভাবে হঠাৎ হঠাৎ অনেকেই ছুটে যান পাহাড়, জঙ্গল, সমুদ্রে। স্বল্প সময়ে অল্প পরিচিত পরিতোষ হেমব্রমের পরিবারের আদর-আপ্যায়ন, মেয়ের পড়াশুনার খবরে উৎকল-রেশমির মন যেন অজানা আনন্দে ভরে গিয়েছে। কংসাবতীর ড্যামের সৌন্দর্যও যেন তার থেকে ম্লান। ফুরফুরে বাতাসে শ্বাস আর বাড়তি কনফিডেন্স নিয়ে কলকাতায় ফিরে ফের কাজে মন দিল উৎকলরা। কিন্তু ভোলেনি বাঁকুড়ার রানিবাঁধে হেমব্রমদের। তা যে মনে গেঁথে আছে।

অক্টোবর ৩০, ২০২২
রাজনীতি

বর্ধমানে বিজয়া সন্মিলনী অনুষ্ঠানে বিস্ফোরক সুকান্ত মজুমদার!

বুধবার বর্ধমান সাংগঠনিক জেলার বিজয়া সন্মিলনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি রাজ্য সম্পাদক সুকান্ত মজুমদার। কয়েকদিন আগে তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র ও পূর্ব-বর্ধমান জেলা পরিষদের সহ সভাপতি দেবু টুডু বিজেপি নেতাদের ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে রাখার নিদান দিয়েছিলেন। সুকান্ত মজুমদার তাঁর বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন যে সমস্ত নেতাদের স্নায়ুতন্ত্র এত দুর্বল যে কে দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন তা বুঝতে পারছেন না, সে দলের না থাকাই ভাল। তিনি তৃণমূলের সাংসদ সৌগত রায়কে কটাক্ষ করে বলেন, আগেকার দিনে যাত্রাপালায় একজন বিবেক থাকত। নীতিকথা শুনিয়ে যেত এটাও সে রকম। তোয়ালে মুড়ে টাকা না নিলেই হল।তিনি সৌমিত্র খানের প্রসঙ্গে বলেন,পঞ্চায়েতে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। আমাদের দলে যাকে দায়িত্ব দেওয়া হয় তার সাথে আলোচনা হয় না। আমাকে সভাপতি করার আগেও হয়নি। তিনি আরও বলেন,অনন্ত মহারাজ রাজনৈতিক নেতা নন। তার কাছে কেউ যেতে পারেনমমিনপুরের প্রস্নগ টেনে বলেন, রাজ্যের আদালত নির্দেশ দিয়েছে। এন আই এ তদন্ত করছে। যারা অ্যারেস্ট হবার যোগ্য অ্যারেস্ট হবে। তিনি মল্লিকার্জুনকে কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান। সেই প্রসঙ্গে বলেন, মল্লিকার্জুন কংগ্রেস সভাপতি হলেন। এমন একটা জাহাজে উনি ক্যাপ্টেন হলেন যেটা থেকে সবাই পালাচ্ছে। তবে মোদীজি আবার প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন, সেই শপথ গ্রহণ সভায় বিরধী নেতা হিসাবে তাঁকে স্বাগত।সুকান্ত মাজ্যমদার আজ বলেন, পুলিশ ছাড়া তৃণমূল কংগ্রেসের কোনো অস্তিত্ব নেই। পুলিশ না থাকলে উবে যাবে। আজ শিলিগুড়ির কাওয়াখালী গ্রাউন্ডে উত্তরের বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন সিঙ্গুর থেকে টাটাকে সিপিএম তাড়িয়েছে, সেই প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, উনি তো মাঝে মাঝেই মিথ্যে কথা বলেন। এটা নতুন কিছু নয়।

অক্টোবর ১৯, ২০২২
রাজ্য

২৬৩ বছরের পুরানো কালনার ভবানন্দপুরে বিচারক হরিনারায়ণ মুখোপাধ্যায়'র "মুখার্জী বাড়ি"র পুজো

কালনা শহর থেকে মাত্র ৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত একটি গ্রাম ভবনন্দাপুর। সেই সময়ে শহর থেকে দূরে এই প্রত্যন্ত গ্রামে দুর্গা পুজো করা দূর অস্ত, ভাবনাটাই ছিলো কঠিন। বর্তমানে মুখোপাধ্যায় পরিবারের জ্যেষ্ঠ সদস্য অশোক মুখোপাধ্যায় জানালেন, সতেরশো খীষ্টাব্দের মাঝামাঝি সময়ে তৎকালীন কোলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কালনা মহুকুমার অন্তর্গত ভবানন্দপুর গ্রামে জমিদারী লাভ করেন। এই অঞ্চলে দুর্গা পুজোর অধিক্য সেভাবে না থাকায় তিনি দুর্গা পুজোর উদ্যোগ নেন। বহুকাল অবধি এই মুখোপাধ্যায় পরিবারের পুজো-ই গ্রামের একমাত্র পুজো ছিলো। গ্রামবাসীরা চারদিন ধরে এই মন্ডপেই আনন্দ করতেন।শারদ সন্মান নিয়ে ক্ষুদে সদস্যদের উল্লাসভবানন্দপুরে গ্রামে এই দুর্গা পুজোর প্রবর্তক ছিলেন হরিনারায়ন মুখোপাধ্যায়। তারই উদ্যোগে এই পুজোর সূত্রপাত। পরিবারের সুত্রে জানা যায়, হরিনারায়ণ মুখোপাধ্যায় ১৭৫৯ এ (ইংরাজী) এই পুজো শুরু করেন। সাবেকি ঘরানার প্রতিমা, প্রথা মেনে মহালয়ার ভোরে দেবীর চক্ষূদান করা হয়। দেবীর গায়ে মাটি দেওয়া হয় জন্মাষ্টমীর পরেরদিন। মুখোপাধ্যায় পরিবারের সদস্য অশোক মুখোপাধ্যায় জনতার কথা কে জানান, অতীতে এই পুজোতে ছাগল বলিদান দেওয়া হত। উত্তরসুরীদের কাছে শোনা কথা, কোনও এক সাধক একবার এই পুজোতে আসেন, তাঁর আদেশেই ছাগল বলি দেওয়া বন্ধ হয়। বর্তমানে এই পুজোতে ছাঁচি কুমড়ো, কলা ও আখ বলি দেওয়া হয়। নবমীর দিন কুমারী পুজোর আয়োজন করা হয়।মুখার্জী বাড়ির কুমারী পুজোঅশোক মুখোপাধ্যায় আরও জানান, গ্রামের সকলে এসে মায়ের ভোগ প্রসাদ গ্রহণ করেন। আনুমানিক ১৫০০ থেকে ১৬০০ মানুষ মায়ের ভোগ প্রসাদ এখানে বসে খেয়ে যান। গ্রামের মানুষজনই সোৎসাহে এই ভোগ প্রসাদ বিতরণ করেন। জনতার কথার প্রতিনিধীর, দ্রব্য মুল্য বৃদ্ধিতে পুজোর আচার বা মানুষজন কে নিমন্ত্রনে কোনও নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে কিনা প্রশ্নের উত্তরে অশোক মুখোপাধ্যায় জানান, দ্রব্য মুল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় সেভাবে আমারা কোনও কিছু ত্রুটি রাখিনি, কিভাবে মায়ের পুজোর যোগার হয়ে যাচ্ছে সেটা আমরাও বুঝতে পারিনা, পরিবারের প্রত্যকেই তাঁর অর্থনৈতিক ক্ষমতা মত এগিয়ে আসেন তাই এই পুজো করতে আমাদের সেভাবে এখনও কোনও অসুবিধার মধ্যে প্ররতে হয়নি।পরিবারের আরও এক সদস্য তাপস মুখোপাধ্যায় জানান ১৭৭৪ সালে সুপ্রিম কোর্ট কোলকাতা ফোর্ট উইলিয়ামে চালু হয়। হরিনারায়ণ মুখোপাধ্যায় সেই সময়ে সেই কোর্টে কলকাতায় বিচারক ছিলেন তাঁরই উদ্যোগে এই পুজোর শুরু। তাঁর কথায় এই পুজোর খরচ মায়-ই যোগার করে নেন। তিনি আরও বলেন পরিবারের সকলে এবং গ্রামবাসীদের নিয়ে এই পাঁচদিন আমরা মাতোয়ারা থাকি। তাঁর বিশ্বাস খুবই জাগ্রত এই পুজো।পরিবারের কনিষ্ট সদস্য কুনাল মুখোপাধ্যায় জানান, বংশ পরম্পরায় একটা লিগাসি আমরা ক্যারী করে চলেছি খুব আনন্দ সহকারে, আমরা কোনও সময়েই মনে করিনা আমরা খাওয়াচ্ছি। এই যে গ্রামবাসীদের ভোগ বিতরণ, এটা মা দুর্গা নিজেই করিয়ে নেন, এতে আমাদের কোনও ভুমিকা নেই। তিনি ও পরিবারের বাকি সদস্যরা প্যানোরামা ও জনতার কথার শারদ সন্মান সেরা বনেদী বাড়ির পুজো পুরস্কার পেয়ে খুবই আনন্দিত বলে জানান। পুরস্কার পাওয়ার মোমেন্টো নিয়ে পরিবারের সদস্যদের ঢাক বাজিয়ে নৃত্য করতেও দেখা যায়।

অক্টোবর ০৪, ২০২২
রাজ্য

তমলুকের টোলপ্লাজায় নবান্ন অভিযানের দিন তৃণমূল বিজেপির সংঘর্ষে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিস

১৩ সেপ্টেম্বর বিজেপির নবান্ন অভিযানকে ঘিরে পূর্ব মেদিনীপুরের সোনাপাত্যা টোলপ্লাজায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। অভিযোগ সেখানে তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানকে আকবরকে মারধোর করা হয়। সেই ঘটনার প্রতিবাদে ১৪ ই সেপ্টেম্বর ওই একই জায়গায় তৃণমূলের জেলা সভাপতি সৌমেন কুমার মহাপাত্র স্থানীয় নেতৃত্ব ও কর্মীদের নিয়ে সোনাপ্যত্যা টোল প্লাজা থেকে মিলন নগর বাজার পর্যন্ত প্রতিবাদ কর্মসূচি নেয়। এবং এর পাশাপাশি প্রধান কে যারা মারধোর যারা করে ছিলেন, তাদেরকে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবিও জানিয়েছিলেন এই প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকে।সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তমলুক থানার পুলিশ সুরজিৎ ধাড়া, টোটন মাইতি, কার্তিক হাজর, সুমন জানা, পার্থপ্রতিম মান্না, বিবেকানন্দ বেরা, চিন্তা মনি মাইতি, মিলন অধিকারী, ও অরুন মল্লিককে 147/148/149/341/323/325/307/379/506 জামিন অযোগ্য ধারায় মামলায় তাদেরকে গ্রেফতার করে।কিন্তু এই জামিন অযোগ্য ধারায় মামলায় তাদেরকে গ্রেফতার করার প্রতিবাদে সেই একই জায়গায় পাল্টা বিক্ষোভ কর্মসূচি নিল এলাকার বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। উপস্থিত তমলুক সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সভাপতি তপন ব্যানার্জি, সহ-সভাপতি আশিক মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র মাইতি সহ জেলা ও রাজ্যস্তরের একাধিক নেতৃত্বরা।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

শাস্ত্রীয় নৃত্যশৈলী ওডিশি'র দুই প্রবাদ প্রতীম মানুষকে জ্ঞান মঞ্চে শ্রদ্ধাঞ্জলি

জ্ঞান মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল শ্রদ্ধাঞ্জলি২২। গুরু কেলুচরণ মহাপাত্র ও শ্রীমতি সংযুক্তা পানিগ্রহীর প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদনে তিন দিনব্যাপী উৎসবের আয়োজন ও পরিচালনা করে কলকাতার ওড়িশি ডান্সার্স ফোরাম। প্রতি বছরের মতো এই বছরেও বহু নৃত্য সংস্থা এই উৎসবে অংশ নেন। প্রথম দিনের উপস্থাপনায় গুরু পৌষালী মুখার্জির গ্রূপের গতিভেদ পল্লবী, রাজনীতা মেহেরা ও গ্রূপের নাগেন্দ্রহারায়, পিয়ালী ঘোষ ও গ্রূপের শুদ্ধ ধৈবৎ বিভাষ, শিবঙ্গ-এর দেখো গো, কৃষ্ণেন্দু রায় ও গ্রূপের শ্রিতকমলা, পম্পি পাল ও গ্ৰুপের আরভী পল্লবী বিশেষভাবে নজর কাড়ে।ফোরামের কর্মকর্তারা বলেন ওডিসি নৃত্য ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য এবং সমস্ত ওডিসি নৃত্যশিল্পীকে একই ছাতার নীচে আনাই হবে আমাদের গুরুজির প্রতি সত্যিকারের শ্রদ্ধাঞ্জলি। তাই তাঁদের এই প্রয়াসে কোন অংশগ্রহণ মূল্য ছিলনা।শ্রদ্ধাঞ্জলীর দ্বিতীয় সন্ধ্যায় কাকলি বোস ও তার গ্রূপের দেশ পল্লবীর প্রাঞ্জল উপস্থাপনা ছিল উৎসব দিবসের যথাযথ শুভারম্ভ। এরপর অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায় ও গ্রূপের অনন্ত এবং সুবিকাশ মুখার্জী ও গ্রূপের লহরীর ভাবনা ও মঞ্চায়ন ছিল অত্যন্ত সুন্দর। দ্বিতীয় সন্ধ্যার বিশেষ আকর্ষন ছিল যুগলবন্দী। এই ভাবনায় পৃৃথক প্রদেশের পৃথক নৃত্য আঙ্গিকের অপরূপ মেলবন্ধন উচ্চ প্রশংসার দাবি রাখে। ভিন্ন আঙ্গিকের খ্যাতনামা নৃত্য গুরুরা শুনিপুন রূপে নৃত্য নির্মান করেন। প্রথমেই ছিলেন ওড়িশি নৃত্য আঙ্গিকের শ্রী রাজীব ভট্টাচার্য ও কত্থক নৃত্য আঙ্গিকের শ্রীমতি পারমিতা মৈত্র তাঁদের শিষ্যরা। কিরোয়ানী রাগে আধারিত ওড়িশি কত্থকের যুগলবন্দী নৃত্যাঞ্জলীর মধ্য দিয়ে গুরু কেলুচরণ মহাপাত্র ও বিরজু মহারাজের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ওড়িশি ভারতনাট্যমের এক বলিষ্ঠ যুগলবন্দী দেবী উপস্থাপনায় ছিলেন সায়মিতা দাশগুপ্ত ও সম্রাট দত্ত। এরপর অর্পিতা ভেঙ্কটেশ ও তার গ্রূপের নিবেদন মঞ্চকে নানান প্রদেশের রঙে রাঙিয়ে তোলে। একত্রে ওড়িশি, মনিপুরী, ভারতনাট্যাম, কত্থকের মেলবন্ধনে নাগেন্দ্র হারায় উৎসবকে করে তোলে আনন্দ মুখর। এদিন সন্ধ্যের সর্বশেষ উপস্থাপনা ছিল ইয়াহি মাধব। দেখা মেলে ওড়িশি মনিপুরী যুগলবন্দীর, ওড়িশি আঙ্গিকে রাধার ভূমিকায় শ্রীমতি সুস্মিতা ভট্টাচার্য ও মনিপুরী আঙ্গিকে কৃষ্ণের ভূমিকায় সুদীপ ঘোষের অভিনয় ইতিতে মন্ত্রমুগ্ধ করে তোলে।শ্রদ্ধাঞ্জলির তৃতীয় দিনে ছিলেন জগতখ্যাত অতিথি শিল্পীরা। ওড়িশি নৃত্যশিল্পী শ্রীমতি সুজাতা মহাপাত্র পরিবেশন করেন রাম স্তুতি ও অর্দ্ধনারীশ্বর, গুরু রতিকান্ত মহাপাত্র নিবেদন করেন জটায়ু মোক্ষ। এরপর ভারতনাট্যম নৃত্যশিল্পী শ্রীমতি রমা বৈদ্যনাথন মীরা ভজন ও সত্রিয় শিল্পী অনিতা শর্মা কৃষ্ণ বন্দনা মঞ্চায়িত হয়। সর্বশেষ উপস্থাপনায় ছিল কত্থক নৃত্য সংস্থা প্রেরণা।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২২
কলকাতা

এবারে কি ক্যানিং পশ্চিম এর বিধায়ক শওকত মোল্লাকে সিবিআই নিজের হেফাজতে নেবে! কি ইঙ্গিত দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি?

১৩সেপ্টেম্বর বিজেপির ডাকে নবান্ন অভিযান। সরকারের দুর্নীতির প্রতিবাদে এই অভিযানের সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল। অভিযানের আগেই হুমকির সুর রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের গলায়। নবান্ন অভিযান মিছিলে এসে তিনি জানিয়েছেন, ওই দিন পুলিশ তাঁদের জোর করে আটকালে পাল্টা প্রতিরোধ হবে। মূলত তিনটি মিছিল করে মঙ্গলবার নবান্নের দিকে এগোবে বিজেপি। কুলতলির বিধায়ক কে তিনি হুঁসিয়ার করলেন। জয়নগরের মাটিকে ধ্বংসস্তূপ করেছে তৃণমূল। শওকত মোল্লার গুন্ডাবাহিনী দিয়ে ভোট লুট চালিয়েছে। সেটা আর বেশিদিন নয় এমনই ইঙ্গিত দিলেন। বিধায়ক শওকাত মোল্লা কে সিবিআই ডেকেছে, এবার সিবিআর চা খেতে হবে এমনই ইঙ্গিত করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২
রাজ্য

দেবযানীর সামনে শুভেন্দু ও সুজনকে টাকা সারদাকর্তার, মিথ্যা বয়ান দেওয়ার জন্য চাপ সিআইডির- অভিযোগ শর্বরীর

এর আগে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ করেছিলেন সারদা-কর্তা সুদীপ্ত সেন। এমনকী আদালত থেকে বেরিয়ে আসার সময়ও তিনি সাংবাদিকদের কাছেও এই দাবি করেছিলেন। এবার অবশ্য সিআইডির বিরুদ্ধে মিথ্য়া বয়ান দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করলেন সারদা মামলায় জেলবন্দি দেবযানী মুখোপাধ্যায়ের মা শর্বরী মুখোপাধ্যয়। তাঁর দাবি, দেবযানীর ওপর মিথ্যা বয়ান দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে সিআইডি।রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থার বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর অভিযোগ এনে সিবিআইকে চিঠি সারদা কেলেঙ্কারিতে জেলবন্দি দেবযানী মুখোপাধ্যায়ের মায়ের। তাঁর অভিযোগ, মেয়ের উপর মানসিক চাপ তৈরির চেষ্টা করছে সিআইডি, মিথ্যা বয়ানের জন্য জোর করা হচ্ছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও সিপিআইএম নেতা সুজন চক্রবর্তী সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেনের থেকে ৬ কোটি করে টাকা নিয়েছিলেন। সেই টাকা দেবযানীর সামনে দেওয়া হয়েছিল। এমন বয়ান দেওয়ার জন্য চাপ দিয়েছে সিআইডি।একথা দেবযানী তাঁকে বলেছে বলে দাবি করেছেন মা শর্বরী মুখোপাধ্যায়। যদিও দেবযানী তা দিতে অস্বীকার করেছে। তাঁকে আরও ৯টি মামলায় ফাঁসানো হবে বলে সিআইডি-র এক আধিকারিক অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় চাপ দিয়েছেন বলেই শর্বরীদেবীর অভিযোগ।শর্বরী মুখোপাধ্যায়ের অভিযোগঅভিযোগ সামনে আসতেই সিআইডির বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন শুভেন্দু অধিকারী ও সুজন চক্রবর্তী। শুভেন্দু অধিকারী টুইটে লিখেছেন, অপমান, সম্পূর্ণ অসম্মান! এক সময়ের গৌরবময় সিআইডি এখন পশ্চিমবঙ্গের বুয়া-ভাতিজার বেতনভুক্ত দাড়োয়ান হয়ে উঠেছে। রাজ্যের বিরোধী নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা বিবৃতি দেওয়ার জন্য বিচারাধীন বন্দীদের ভয় দেখিয়ে ব্যানার্জিদের ঘৃণ্য স্বার্থকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সিআইডি অপরাধে লিপ্ত হচ্ছে। সুজন চক্রবর্তীর দাবি, রাজ্যকে খুশি করতে চাইছে সিআইডি। ২০২১ সালে ভোটের আগে ওরা একই চেষ্টা করেছিল, তখন বিমান বসুর সঙ্গে আমার নাম ছিল। সকলে তখন হেসেছিল। সুজনের দাবি, কোর্টের রক্ষাকবচ বা হাসপাতালে ভর্তি হবো না। তদন্তের মুখোমুখি হতে আমি প্রস্তুত।শর্বরী মুখোপাধ্য়ায় চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, দেবযানী এখন দমদম জেলে বন্দি। গত ২৩ অগাস্ট জেলে দেবযানীকে সিআইডি জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। তখনই বেশ কয়েকটি প্রশ্নের পর সিআইডি-র এক অফিসার নাকি দেবযানীকে বলেন, শুভেন্দু ও সুজনকে ৬ কোটি টাকা দিয়েছিলেন বলে সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন আগেই জানিয়েছেন। দেবযানীকে বলতে হবে, তাঁর সামনেই সেই টাকা শুভেন্দু ও সুজনকে দেওয়া হয়েছিল। এটা করলে দেবযানীকে রাজসাক্ষী করা হবে।Disgrace, total disgrace!The once glorious CID has now become the paid janitor of WBs Bua-Bhatija.CID is indulging in criminality for advancing the nefarious interest of the Banerjees by intimidating under trial prisoners to give false statements against WB Opposition Leaders: pic.twitter.com/fHdZJyLgvZ Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) September 8, 2022এর আগে শুভেন্দু অধিকারী ও বিমান বসুর নাম করেছিলেন সুদীপ্ত সেন। সুদীপ্ত সেনকে চাপ দিয়ে সেকাজ করানো হয়েছিল বলে শুভেন্দু দাবি করেছিলেন। এবার খোদ সিআইডির বিরুদ্ধে মিথ্যা বয়ান দেওয়ার জন্য অভিযোগ ওঠায় সারদা মামলা অন্য মোড় নিল।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২২
রাজনীতি

রাজ্য সরকারের একাধিক দুর্নীতি নিয়ে সরব সুকান্ত মজুমদার

যে কাজ করার কথা একজন পুলিশ আধিকারিকের সেখানে যদি খোদ মুখ্যমন্ত্রীকেই থানার একজন আইসিকে সাসপেন্ড করতে হয় তাহলে রাজ্যের মানুষের বুঝতে খুব একটা অসুবিধে হবার নয় যে, রাজ্যের আইন শৃঙ্খলার পরিস্থিতির কি হাল করে ছেড়েছেন তৃণমুল নেত্রী। আজ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুমারগঞ্জ থানার গোপালগঞ্জে চোর ধরো জেল ভরো কর্মসূচিকে সামনে রেখে দলের এক পথসভায় যোগ দিতে এসে সংবাদিকদের বাগুইআটি থানার আইসি সাসপেন্ড করা নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে এই কথা বলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। পাশাপাশি আইনমন্ত্রী মলয় ঘটকের বাড়িতে সিবিআই হানা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, রাজ্যে তো কেবল মলয় বাতাস বইছে আগে আগে দেখুন আরও কিছু ঘটবে। এর পাশাপাশি আজকে মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক বৈঠকে চাকরির নিয়োগ সংক্রান্ত নির্দেশের সময় বলেছেন তিনি কোনও দুর্নীতি নিয়োগ ক্ষেত্রে মানবেন না, সে প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে সুকান্ত মজুমদার বলেন, মুখ্যমন্ত্রী তো মেনে নিয়েছেন চরম দুর্নীতি হয়েছে, তার চেয়েও বড় কথা দুর্নীতি হয়েছে সেটা যে মুখ্যমন্ত্রী জানতেন তার বড় উদাহরণ উত্তরবঙ্গে এক প্রাক্তন তৃণমুল বিধায়ক তো জানিয়ে দিয়েছেন তিনি মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পাচটি নাম পাঠিয়েছিলেন। তখন মুখ্যমন্ত্রী নিজে এসব বিষয়ে উৎসাহিত করেছেন, এখন সব জেনে বুঝেও নিজের দায় ঝেড়ে ফেলতে চাইছেন, বলে সুকান্ত মজুমদার সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তুলেছেন।পাশাপাশি বাগুইআটি কান্ডের তদন্তে গিয়ে পুলিশ এলাকার বেশির ভাগ সিসিটিভি অকেজো হওয়ায় তদন্তে আসা অফিসারদের বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে। এই প্রশ্নের উত্তরে সুকান্ত মজুমদার বলেন, তৃনমুলের লোকজন নিজেদের চুরি চামারি ঢাকতে এই সব সিসিটিভি অকেজো করে রাখে। না হলে সারা রাজ্যে যে ভাবে বালি চুরি, পাথর চুরি, কয়লা চুরি, মাটি চুরি, গরু চুরি চলছে তা যে ধরা পড়ে যাবে সে জন্য পুলিশকে বলেই তৃণমুলীরা এসব কাজ করে থাকে বলে তিনি জানান। এছাড়া হঠাৎ করে রাজ্যে সিআইডি সক্রিয় হয়ে ওঠা নিয়ে বলেন, রাজ্যে সিবিআই ইডিকে থামানোর জন্য রাজ্য সরকার এগুলো করছে। আগে করলে তবুও হতো এখন এগুলো করা হচ্ছে জাস্ট আই ওয়াস করবার জন্য।এদিকে আজকের এই পথসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার গতকাল বাগুইআটি কান্ডের কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি তাঁকে যে কাল তৃণমুল কাউন্সিলরের নেতৃত্বে লক্ষীরভান্ডার প্রাপক মহিলাদের দিয়ে বাধা দেওয়া হয়েছে, সে কথা উল্লেখ করে বলেন অথচ ছেলেটির মা জানলা দিয়ে তাকিয়েছিল আমাদের সাথে কথা বলার জন্য।বিকাল চারটেতে এই পথসভায় সুকান্ত মজুমদারের আসার কথা থাকলেও সন্ধ্যে ৬ টা নাগাদ এই পথসভায় তিনি বক্তব্য রাখতে উঠে সম্প্রতি রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতির প্রসঙ্গ টেনে নিয়ে বলেন, আমি পাহাড় দেখেছি দার্জিলিং গিয়ে, আর এবার টিভিতে টাকার পাহাড় দেখলাম। তাহলেই বুঝুন এই সরকারের আমলে কতরকমের দুর্নীতি হয়েছে। যার পরিমান কোটি কোটি। অনুব্রতর জেলে যাওয়ার প্রসঙ্গও বাদ যায়নি। তিনি বলেন এখানকার বেকার ভাইদের বলব এবার থেকে মাছের ব্যবসা করুন, তাহলে ১৭ কোটি ঘরে আনতে পারবেন। ছুয়ে যান প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জোতিপ্রিয় মল্লিকের মেয়ের টিউশনি পড়ানোর তত্ব ও তার উপার্জনের কথা। ১৩ সেপ্টেম্বর নবান্ন অভিযানে এই জেলা থেকে প্রচুর মানুষ যাতে যোগ দিতে পারে সে ব্যাপারে জোর তৎপরতা জেলা বিজেপির তরফে চলছে দেখে রাজ্য সভাপতি খুশি হন আজকের এই ছোট্ট পথসভা শেষমেষ জনসভায় রুপান্তর হতে দেখে।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২২
রাজ্য

বিজেপির চোর ধরো জেলে ভরো কর্মসূচির মহা মিছিল হাবড়ায়

১৩ আগস্ট বিজেপি-র নবান্ন অভিযান। আর তারই সমর্থনে এক মহা মিছিল উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হাবরা থানার হাবড়ার রাজপথে, হাবরার দেশবন্ধু পার্ক থেকে জয়গাছি সুপারমার্কেট পর্যন্ত ২ কিলোমিটার পদযাত্রা করল বিজেপি। এদিনের মিছিলে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিজেপি কর্মীরা জমায়েত করে পাশাপাশি জেলা নেতৃত্ব সহ রাজ্যের বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূল সরকারের একাধিক বিষয় মন্তব্য করেন। কি বললেন তিনি শোনাবো। মিছিলে কয়েক হাজার বিজেপি কর্মী সমর্থকরা জমায়েত হন।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২২
রাজ্য

বিজপি রাজ্য সভাপতিও ১০০ দিনের কাজের টাকা দাবী করলেন, সাথে কিছু সর্ত দিলেন রাজ্য সরকারকে

আমরাও চাই কেন্দ্র ১০০ দিনের টাকা দিক দুর্নীতি মুক্ত ভাবে খরচ করার লক্ষ্য নিশ্চিত করে, বললেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। উত্তরবঙ্গ এবং জঙ্গলমহলের পিছিয়ে পরার প্রভাব পরছে কলকাতায়।মঙ্গলবার সকালে জলপাইগুড়ি শহরের একটি হোটেলে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এমনটাই বলেন তিনি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের সদস্যদের সম্পত্তি বৃদ্ধি প্রসঙ্গে হাই কোর্টে যে জনস্বার্থ মামলা হয়েছে সেই প্রসঙ্গে সুকান্ত বাবু বলেন, বিচারাধীন বিষয় তবুও বলছি নিরপেক্ষ তদন্ত হলে অনেক কিছুই বেরিয়ে আসবে।দিদির বিরুদ্ধে কেউ কিছু বললে তাঁদের তাল দেওয়া হবে তৃণমূল নেতৃত্বের এই উক্তি প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি বলেন, ওরা তাল দিতে আসলে আমরা তালের বড়া করে খাইয়ে দেবো।উত্তরবঙ্গকে পৃথক রাজ্য গঠন প্রসঙ্গে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলের রাজ্য সভাপতি বলেন, পশ্চিমবঙ্গ যেমন আছে তেমনই থাকুক, কিন্তু উত্তরবঙ্গ, এবং জঙ্গলমহল যে ভাবে উন্নয়নের দিক থেকে দশকের পর দশক ধরে পিছিয়ে পরছে তাতে দু পক্ষেরই ক্ষতি, কারণ যে জায়গায় গুলো উন্নত যেমন কলকাতা তার ওপর সর্ব দিক থেকেই চাপ বাড়ছে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২২
রাজনীতি

এইমসে চাকরি দেওয়ার নামে আড়াই লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে

কল্যাণীএইমস এ চাকরি দেওয়ার নাম করে আড়াই লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ রানাঘাট দক্ষিণের বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে। থানায় অভিযোগ দায়ের করলেন এক যুবক। চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা নেওয়ার অভিযোগ এই প্রথম নয়। গোটা রাজ্যজুড়ে রমরমিয়ে চলছে এই প্রতারণা চক্র। এবার সেই অভিযোগ উঠল নদীয়ার রানাঘাট দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক মুকুটমনি অধিকারীর বিরুদ্ধে।রানাঘাট থানায় ইতিমধ্যেই বিধায়কের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ওই যুবক এর অভিযোগ বিধানসভা ভোটের আগে এইমসে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন রানাঘাটের বিধায়ক। তিনি বলেছিলেন, ডি গ্রুপের চাকরির জন্য ৮ লক্ষ টাকা চ এবং সি গ্রুপের চাকরির জন্য ১০ লক্ষ টাকা তার কাছ থেকে চাওয়া হয়েছিল। প্রথম দফায় ওই এলাকার আরেক বিজেপি নেতা প্রদীপ সরকারকে সঙ্গে নিয়ে তিনি নগদ আড়াই লক্ষ টাকা মুকুটমনি অধিকারীর কাছে দিয়েছিলেন। কিন্তু ভোট পার হয়ে গেল সে আর চাকরি আজও পায়নি।একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও বিধায়কের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি কিংবা, বিধায়কের কোন সদুত্তর পায়নি। অবশেষে নিরুপায় হয়ে ওই যুবক রানাঘাট থানায় বিধায়কের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেছে। অভিযোগকারীর বক্তব্য, হয় তাকে চাকরি দেওয়া হোক না হলে তার টাকা ফেরত দেওয়া হোক। যদিও এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি বিজেপি বিধায়ক মুকুটমনি অধিকারীর।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২২
রাজ্য

রাজ্য শীর্ষ নেতৃত্ব বাড়িতে আসায়, বাড়িতে বোমা বাজির অভিযোগ কাঁচরাপাড়ায় বিজেপি নেতা বিমলেশ তেওয়ারির

গতকাল কাঁচরাপাড়ার ১৪ নম্বর ওয়ার্ড কলেজ মোড়ে বিজেপি নেতা, বিমলেশ তেওয়ারির বাড়িতে আসেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সাংসদ সুকান্ত ভট্টাচার্য। বিমলেশ তেওয়ারির অভিযোগ সুকান্ত মজুমদার আসার জন্য আমরা রোষানলে পড়েন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের। রাত্রি একটা নাগাদ বিমলেশ তেওয়ারির বাড়িতে বোমাবাজি করা হয় বলে অভিযোগ জানায় ওই বিজেপি নেতা।এই ঘটনা নিয়ে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বকে জিজ্ঞাসা করলে গোটা ঘটনা অস্বীকার করেন শাসকদলের নেতারা। আশান্তির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিজপুর থানার পুলিশ, ইতিমধ্যেই তাঁরা তদন্ত শুরু করেছে।

আগস্ট ২৮, ২০২২
রাজ্য

বানভাসি ডুকুর গ্রামের বাসিন্দারা দিন কাটাচ্ছেন অজয়ের পাড়ে, প্রশাসনিক শুকনো আশ্বাস ছাড়া কিছুই জোটেনি

বছর ঘুরে গেল। তবুও মাথা গোঁজার ঠাঁই হল না বানভাসিদের। পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের ভেদিয়া পঞ্চায়েতের ডুকুর গ্রাম। বছর খানেক ধরে পলিথিনের ছাউনি বেঁধে বাস করছেন গ্রামবাসীর একাংশ। তাঁদের অভিযোগ,প্রশসানিক আধিকারিকেরা এলাকা পরিদর্শন করলেও মেলেনি ক্ষতিপূরণ। শুধু মিলেছে প্রতিশ্রুতি। তাঁদের দাবি, ব্লক প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়েও কাজ হয়নি। ফলে ক্ষোভ ছড়িয়েছে এলাকায়।গত বছর অক্টোবরের ১ তারিখে আউশগ্রামের সাঁতলার কাছে অজয়ের বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয় ডুকুর গ্রাম। বাড়িঘর হারিয়ে নদের বাঁধে তাঁবুতে আশ্রয় নেয় গ্রামের ৪২টি পরিবার। তাদের দাবি, শুধু বাড়িঘরই ভাঙেনি, চাষের জমিতে বালির স্তূপ জমে যায়। তিন দিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের খাবারের বন্দবস্ত করা হয়েছিল। তারপর খোঁজ নিয়েছেন প্রশাসনের আধিকারিক ও জনপ্রতিনিধিরা। কিন্তু শুকনো প্রতিশ্রুতি ছাড়া এখনো কিছু মেলেনি ঘরহারা মানুষজনদের। এই বিষয়ে জেলা পরিষদের সহসভাধিপতি দেবু টুডু বলেন,খুবই খারাপ বিষয়।খোঁজ নিয়ে দেখছি। তারপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আগস্ট ২৬, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 18
  • 19
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

বাড়ির সামনেই জমা জল, খেলতে গিয়ে আর ফেরা হল না! তিন বছরের শিশুর মৃত্যুতে উত্তাল দিল্লি

একটানা ভারী বৃষ্টিতে কার্যত জলমগ্ন দিল্লি। সেই জল জমেই ঘটে গেল হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা। গাজিয়াবাদের একটি গলিতে জমে থাকা জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে তিন বছরের এক শিশুকন্যার। ঘটনাটি ঘটেছে বাড়ির কাছেই। দুর্ঘটনার পর এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ পরিবারের সদস্য এবং স্থানীয় বাসিন্দারা জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান।স্থানীয়দের দাবি, যে গলিতে শিশুটি ডুবে যায় সেখানে প্রায় তিন ফুট জল জমেছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পর প্রায় চার ঘণ্টা পরে শিশুটির দেহ উদ্ধার করা হয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, জাতীয় সড়কের একটি অংশ সম্প্রসারণের পর থেকেই ওই এলাকায় জল জমার সমস্যা বেড়েছে। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার পুর কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কার্যকর কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ তাঁদের।বুধবার থেকে শুরু হওয়া টানা ভারী বৃষ্টিতে দিল্লির বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। বহু রাস্তায় জল জমে যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় গাছ উপড়ে পড়ায় দীর্ঘ যানজটেরও সৃষ্টি হয়েছে। এর আগের রাতে রোহিনী এলাকায় একটি নির্মীয়মাণ বাড়ি ভেঙে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ভারী বৃষ্টি আরও কিছু সময় চলতে পারে। রাজধানীর একাধিক এলাকায় নিকাশি ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় রাস্তা কার্যত জলমগ্ন হয়ে রয়েছে। সদর বাজার, গ্রেটার কৈলাশ, বদরপুর, নাসিরপুর, তেলিওয়ারা, মহাবীর বাজার, স্বরূপ নগর, কুশক রোড, মুনিরকা, দ্বারকা, বিকাশ মার্গ, পূর্ব দিল্লি এবং নতুন দিল্লি রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় জল জমে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে উঠেছে।

জুলাই ০৯, ২০২৬
কলকাতা

চারশো চল্লিশ কোটি টাকার তহবিল ঘিরে বড় লড়াই! এবার কি সুপ্রিম কোর্টে মুখোমুখি দুই তৃণমূল?

তৃণমূলের দলীয় তহবিল নিয়ে আইনি লড়াই এবার দেশের সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। সূত্রের খবর, দল পরিচালনায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার দাবি তুলে দলীয় তহবিলের উপর অধিকার চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে বিশেষ অনুমতি প্রার্থনা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির। আসল-নকল তৃণমূল বিতর্কের মাঝেই এই সম্ভাব্য আইনি পদক্ষেপ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।এরই মধ্যে তদন্তে বড় পদক্ষেপ করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। তদন্তকারী সংস্থা কালীঘাট তৃণমূলের তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে থাকা চারশো চল্লিশ কোটি টাকা ফ্রিজ করেছে। তদন্তকারীদের দাবি, দলীয় তহবিল থেকে প্রায় একশো ষাট কোটি টাকার সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের তথ্য সামনে এসেছে। সেই লেনদেনের উৎস এবং প্রকৃতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ঘটনায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, দলীয় অর্থ দিয়ে বিমান ও হেলিকপ্টার কেনার পর সেই যানই আবার ভাড়ায় ব্যবহার করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, গোটা বিষয়টি আর্থিক অনিয়মের সঙ্গে জড়িত হতে পারে এবং এর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তিনি আরও দাবি করেন, তদন্ত এগোলে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।তবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই অভিযোগের বিষয়ে কালীঘাট তৃণমূলের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলির সত্যতা এখনও তদন্তাধীন।এদিকে ঋতব্রত শিবিরের জাতীয় কর্মসমিতির প্রথম বৈঠক শুরু হচ্ছে। দুই দিন ধরে চলা এই বৈঠকে সাংগঠনিক বিষয়, বিভিন্ন রাজ্যের সংগঠনের ভবিষ্যৎ রূপরেখা এবং একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। সূত্রের খবর, বৈঠকের শেষে সংগঠন নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করা হতে পারে।

জুলাই ০৯, ২০২৬
কলকাতা

দরজা বন্ধ বলেই দাবি ছিল, তবে কেন তৃণমূলের তিন নেতাকে নিল বিজেপি? জানালেন শমীক

রাজ্য রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের সাক্ষী থাকল বুধবার। এক মাস আগে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে দেওয়া তিন প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়, প্রকাশ চিক বরাইক এবং সুস্মিতা দেব আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দিলেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের হাত ধরে তাঁরা দলে যোগ দেন। এই যোগদান ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ, এর আগে বিজেপির তরফে জানানো হয়েছিল, তৃণমূলের জন্য দলের দরজা বন্ধ। তবে এ দিন সেই অবস্থানের ব্যাখ্যাও দেন শমীক ভট্টাচার্য।শমীক ভট্টাচার্য বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গে এমন রাজনীতি চলেছে, যেখানে কেন্দ্রের সঙ্গে সহযোগিতার বদলে সংঘাতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, এর ফলে রাজ্যের উন্নয়ন ব্যাহত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে আস্থা রেখে তৃণমূল ছেড়ে আসা তিন প্রাক্তন সাংসদ বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন।তৃণমূলের জন্য দরজা বন্ধ থাকার পরও কেন এই তিন নেতাকে দলে নেওয়া হল, সেই প্রশ্নের উত্তরে শমীক বলেন, রাজনীতিতে ব্যতিক্রম থাকেই। দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তিনি জানান, যাঁরা দুর্নীতি, কাটমানি, চাকরি বিক্রি, সিন্ডিকেট বা সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচারের সঙ্গে যুক্ত নন, তাঁদের জন্য বিজেপির দরজা সব সময় খোলা।তিনি আরও বলেন, এই তিন নেতাকে শুধু প্রাক্তন তৃণমূল নেতা হিসেবে দেখলে ভুল হবে। তাঁদের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও ব্যক্তিগত পরিচয় রয়েছে। এখন থেকে তাঁদের একমাত্র রাজনৈতিক পরিচয়, তাঁরা বিজেপির সদস্য। তাই তাঁদের নামের আগে দলত্যাগী বা প্রাক্তন তৃণমূল নেতা বলার প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।তিন প্রাক্তন সাংসদের বিজেপিতে যোগদানের ঘটনাকে রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ মোড় বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ। আগামী দিনে এই যোগদানের প্রভাব রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে কতটা পড়ে, এখন সেদিকেই নজর সকলের।

জুলাই ০৯, ২০২৬
কলকাতা

নবান্নে শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠকের পর মুখ খুললেন প্রসেনজিৎ, জল্পনার মাঝেই বড় ঘোষণা

বৃহস্পতিবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। সেই বৈঠকের পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে নতুন জল্পনা শুরু হয়। সম্প্রতি অমিত শাহর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের পর এই বৈঠককে ঘিরেও নানা আলোচনা শুরু হয়। তবে নবান্ন থেকে বেরিয়েই সমস্ত জল্পনায় ইতি টেনে দেন প্রসেনজিৎ। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এই বৈঠকে রাজনীতি নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি।প্রসেনজিৎ বলেন, তিনি যদি কোনও দিন রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে সেই খবর তিনি নিজেই সকলকে জানাবেন। তাঁর কথায়, এ দিনের বৈঠকের মূল বিষয় ছিল বাংলা চলচ্চিত্র জগতের উন্নয়ন এবং মহানায়ক উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষ উদ্যাপনের পরিকল্পনা।অভিনেতা জানান, আগামী তিন সেপ্টেম্বর মহানায়ক উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে বড় আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেই বিষয়েই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পে ভবিষ্যতে নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনাও নিয়ে কথা হয়েছে। যদিও এখনই কোনও ঘোষণা নয়, তবে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ইতিবাচক খবর আসতে পারে বলেও আশাবাদী তিনি।প্রসেনজিৎ আরও বলেন, তাঁর সঙ্গে অতীতেও কোনও রাজনৈতিক আলোচনা হয়নি, এখনও হয়নি। তিনি শুধু নিজের শিল্প, নিজের ইন্ডাস্ট্রি এবং মহানায়ক উত্তম কুমারকে ঘিরে পরিকল্পনা নিয়েই কথা বলতে গিয়েছিলেন। তাঁর মতে, উত্তম কুমার শুধু বাংলার নন, তিনি গোটা দেশের গর্ব।চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নের জন্য ভবিষ্যতে কোনও বিশেষ দায়িত্ব পেতে পারেন কি না, সেই প্রশ্নের জবাবে অভিনেতা বলেন, এ বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত বা আলোচনা হয়নি। তবে বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পের স্বার্থে যখনই প্রয়োজন হবে, তিনি সব সময় পাশে থাকবেন। তাঁর কথায়, এই ইন্ডাস্ট্রিই তাঁর পরিচয়, তাই এর উন্নয়নের জন্য যে কোনও সময় কাজ করতে তিনি প্রস্তুত।

জুলাই ০৯, ২০২৬
বিদেশ

‘আমিই এক নম্বর টার্গেট!’ ইরানকে ঘিরে বিস্ফোরক দাবি ট্রাম্পের, হঠাৎ বিমান বদলে বাড়ল জল্পনা

নিজের প্রাণনাশের আশঙ্কার কথা প্রকাশ্যে জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, ইরানের হত্যার তালিকায় প্রথম নাম তাঁরই। এই মন্তব্যের পর আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে তুরস্ক সফর শেষে ফেরার পথে ট্রাম্পের হঠাৎ বিমান বদল ঘিরেও শুরু হয়েছে নানা জল্পনা।ন্যাটোর শীর্ষ বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, ইরানের বর্তমান নেতৃত্বের অবস্থান আগের মতো শক্তিশালী নয়। তাঁর দাবি, একের পর এক নেতৃত্বে পরিবর্তন হয়েছে। সেই প্রসঙ্গেই তিনি বলেন, তিনিও যে কোনও সময় হামলার শিকার হতে পারেন। কারণ, ইরানের লক্ষ্যবস্তুদের তালিকায় তাঁর নামই প্রথম।ট্রাম্পের কথায়, তিনি জানেন ইরানের প্রধান নিশানা তিনি নিজেই। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে ইরানের শাসকগোষ্ঠীর আচরণ একই রকম রয়েছে। দেশের এবং বিশ্বের স্বার্থে যা প্রয়োজন, তিনি সেই কাজই করছেন বলেও দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।এই মন্তব্যের কিছুক্ষণের মধ্যেই সামনে আসে আরেকটি তথ্য। ন্যাটোর বৈঠকে যোগ দিতে যে বিমানে তিনি তুরস্ক গিয়েছিলেন, ফেরার সময় সেই বিমান ব্যবহার করেননি ট্রাম্প। পরিবর্তে অন্য বিমানে ওয়াশিংটনে ফেরেন তিনি। কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ব্যাখ্যা মেলেনি। ট্রাম্পও এ নিয়ে মুখ খোলেননি।তবে তাঁর প্রাণনাশের আশঙ্কার মন্তব্য এবং হঠাৎ বিমান বদলের ঘটনাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। নিরাপত্তাজনিত কারণেই কি এই অতিরিক্ত সতর্কতা নেওয়া হয়েছে, সেই প্রশ্ন এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

জুলাই ০৯, ২০২৬
রাজ্য

চৌদ্দ বছর পর হঠাৎ খুলল বরুণ হত্যা মামলা! সিআইডি পৌঁছতেই জ্যোতিপ্রিয়কে ঘিরে বিস্ফোরক দাবি পরিবারের

চৌদ্দ বছর আগে নিহত প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাসের হত্যা মামলায় ফের নতুন করে তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি। বৃহস্পতিবার তদন্তকারী আধিকারিকেরা উত্তর চব্বিশ পরগনায় বরুণ বিশ্বাসের বাড়িতে গিয়ে তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন। এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে আলোড়ন তৈরি হয়েছে।পরিবারের দাবি, আগের তদন্তে প্রকৃত সত্য সামনে আসেনি। তাই নতুন করে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছিল। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে বিচার চেয়ে আবেদন করেছিলেন পরিবারের সদস্যরা। এরপরই সিআইডির এই পদক্ষেপকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।বরুণ বিশ্বাসের দিদি প্রমীলা রায় দাবি করেছেন, তাঁর ভাই তোলাবাজি ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে সরব হওয়ায় পরিকল্পনা করে তাঁকে খুন করা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।দুই হাজার বারো সালের পাঁচ জুলাই গোবরডাঙা স্টেশন চত্বরে গুলি করে খুন করা হয় বরুণ বিশ্বাসকে। এই ঘটনায় একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হলেও পরিবারের অভিযোগ, প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাঁদের দাবি, প্রকৃত দোষীদের শাস্তি এখনও হয়নি।পরিবার জানিয়েছে, তারা অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির তত্ত্বাবধানে বিশেষ তদন্ত চেয়েছে। নতুন করে তদন্ত শুরু হওয়ায় বরুণ বিশ্বাস হত্যা মামলায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ০৯, ২০২৬
কলকাতা

হাসপাতালের ভিতরে কে দালাল, কে আসল কর্মী! এবার এক নজরেই ধরা পড়বে, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

হাসপাতাল থেকে দালালচক্র নির্মূল করতে বড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যভবনের কন্ট্রোল রুম পরিদর্শনে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এবার থেকে হাসপাতালগুলির উপর সরাসরি নজরদারি চলবে স্বাস্থ্যভবন থেকেই। দালালদের চিহ্নিত করতে নতুন পরিচয় ব্যবস্থাও চালু করা হচ্ছে।স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, সাফাই কর্মী এবং অন্যান্য কর্মীদের জন্য আলাদা রঙের পরিচয়পত্র থাকবে। রোগীদের হাতে থাকবে এক ধরনের রঙিন ব্যান্ড এবং রোগীর পরিজনদের জন্য থাকবে অন্য রঙের ব্যান্ড। এই পরিচয়চিহ্নের বাইরে হাসপাতালের ভিতরে যাঁদের দেখা যাবে, তাঁদের পরিচয় যাচাই করা হবে। এর মাধ্যমে দালালচক্রের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হবে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য দফতর।স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, হাসপাতালের প্রত্যেক শ্রেণির মানুষের জন্য আলাদা রঙের পরিচয় ব্যবস্থা চালু করা হবে। এতে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও রোগীর পরিজনদের সহজেই চিহ্নিত করা যাবে। হাসপাতালের নিরাপত্তা এবং পরিষেবা আরও স্বচ্ছ করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী ত্রিশ জুলাইয়ের মধ্যে এই নতুন ব্যবস্থা চালু করার কাজ শেষ করতে হবে। স্বাস্থ্যভবনের কন্ট্রোল রুম থেকে রাজ্যের হাসপাতালগুলির পরিস্থিতির উপর নিয়মিত নজর রাখা হবে। হাসপাতালের ভিতরে অনিয়ম, ভুয়ো পরিচয়ে ঘোরাফেরা এবং দালালচক্রের দৌরাত্ম্য রুখতেই এই উদ্যোগ বলে জানিয়েছে সরকার।মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বিভিন্ন স্তরের কর্মীদের জন্য ল্যামিনেশন করা আলাদা পরিচয়পত্র তৈরি করা হবে। অতীতে হাসপাতালের ভিতরে ভুয়ো পরিচয়ে বিভিন্ন কাজ করার অভিযোগ সামনে এসেছে। সেই ধরনের ঘটনা বন্ধ করতেই এই নতুন পরিচয় ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

জুলাই ০৯, ২০২৬
রাজ্য

বাংলাদেশে আটকে থাকার অবসান! বাড়ি ফিরেই প্রথমবার সন্তানের মুখ দেখলেন বাবা, আবেগে ভাসল গোটা গ্রাম

এক বছরের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। আদালতের নির্দেশে অবশেষে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ফিরলেন বীরভূমের পাইকর গ্রামের বাসিন্দা দানিশ শেখ, সুইটি বিবি এবং তাঁদের দুই ছেলে। বুধবার মালদার মহদীপুর সীমান্ত দিয়ে দেশে প্রবেশ করার পর দীর্ঘ পথ পেরিয়ে রাতে নিজের গ্রামে পৌঁছন তাঁরা। পরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলনের আবেগঘন মুহূর্তে আনন্দে ভেসে যায় গোটা পরিবার।সবচেয়ে আবেগের মুহূর্ত ছিল দানিশ শেখের জীবনে। চার মাস আগে তাঁর ছোট ছেলে আপনের জন্ম হলেও এতদিন সন্তানের মুখ দেখার সুযোগ পাননি তিনি। বাড়ি ফিরে প্রথমবার ছেলেকে কোলে নিয়ে দানিশ বলেন, জন্মের পর এই প্রথম তিনি নিজের সন্তানের মুখ দেখলেন। পরিবারের সবাইকে কাছে পেয়ে তাঁর দীর্ঘদিনের কষ্ট যেন এক মুহূর্তে দূর হয়ে গেছে।জীবিকার খোঁজে বহু বছর ধরে দিল্লিতে কাজ করতেন পাইকর গ্রামের এই পরিবার। গত বছরের তেইশ জুন তাঁদের বাংলাদেশি সন্দেহে আটক করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, নাগরিকত্বের পূর্ণাঙ্গ যাচাই ছাড়াই তাঁদের বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরে দীর্ঘদিন তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ না হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন এবং থানায় নিখোঁজ ডায়েরিও করা হয়।এরপর তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিতে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশের পর ধাপে ধাপে পরিবারের সদস্যদের ভারতে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এর আগে অন্তঃসত্ত্বা সোনালি খাতুন ও তাঁর ছোট সন্তান দেশে ফিরলেও দানিশ শেখ, সুইটি বিবি এবং তাঁদের দুই ছেলে বাংলাদেশেই ছিলেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে অবশেষে তাঁরাও দেশে ফিরতে সক্ষম হন।বাড়ি ফিরে দানিশ শেখ জানান, পরিবারের সঙ্গে থাকতে পারাই এখন তাঁর সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। তিনি বলেন, যদি নিজের রাজ্যেই কাজের সুযোগ পান, তাহলে আর বাইরে কাজ করতে যেতে চান না। নিজের পরিচয় সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথি সম্পূর্ণ করার জন্যও তিনি আবেদন করেছেন।সুইটি বিবিও বাড়ি ফিরে স্বস্তির কথা জানিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, দিল্লিতে আটক হওয়ার সময় তাঁদের উপর অত্যাচার করা হয়েছিল। তিনি দাবি করেন, বারবার ভারতীয় নাগরিক হওয়ার কথা জানালেও তাঁদের কথা শোনা হয়নি। দীর্ঘ এক বছর বাড়ির বাইরে কাটানোর পর অবশেষে নিজের গ্রামে ফিরতে পেরে তিনি এবং তাঁর পরিবার নতুন করে জীবন শুরু করার আশায় রয়েছেন।

জুলাই ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal