• ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২, বুধবার ১১ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

UK

রাজ্য

ভয়াবহ বিস্ফোরণে কাঁপলো দত্তপুকুর, এখনও অবধি ৭ জনের মৃত্যু, এনআইএ তদন্তের দাবী বিজেপির

এগরার পর এবার দত্তপুকুর! বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে কাঁপলো এলাকা। উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরে বিস্ফোরণে এখনও অবধি সাত জনের মৃত্যু খবর পাওয়া গেছে। আরও বেশ কয়েক জনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে, আহতের সংখ্যা ১৫ ছাড়িয়েছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, আহতদের মধ্যে কয়েকটি শিশুও থাকার আশঙ্কা করছে তাঁরা। ভশ্মিভুত বাজি কারখানাটি অবৈধ ভাবে চলছিল বলে জানা যায়।পুলিস সুত্রে জানাযায়, রবিবার সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরে বাজি কারখানাটিতে বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতা ছিল ভয়ঙ্কর, তার জেরে অকুস্থলের পাশাপাশি বেশ কিছু ঘরবাড়ি ভয়ঙ্কর ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি কিছু বাড়ির টিনের চাল উড়ে গেছে, কারুর বাড়ির জানালার কাচ ভেঙে পড়েছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, সম্পূর্ণ বেআইনি ভাবে বাজি কারখানাটি চলছিল। স্থানীদের কাছ থেকে খবর বিস্ফোরণের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে বিশাল পুলিশবাহিনী। পুলিসে কাছে তাঁরা অভিযোগ জানায় সম্পূর্ণ বেআইনি ভাবে বাজি কারখানাটি চলছিল। তাদের আরও অভিযোগ, বার বার তাঁরা প্রশাসনকে জানালেও কোনও রকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বিস্ফোরণ স্থলে পুলিশ আসতেই স্থানীয়রা তাঁদের কাছে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। পুলিসকে ঘিরে ধরে চলতে থাকে নানাবিধ স্লোগান।মে মাসে এগরার কাছে খাদিকুলে বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। ৯ জনের মৃত্যু হয় ঐ ঘটনায়। এগ্রার ঘটনার অব্যবহিত পরেই বজব্জে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ ঘটে। পরপর দুটি ঘটনায় টঙ্ক নড়ে পুলিস প্রশাসন মহলের। এগরা ও বজবজে বিস্ফোরণের ঘটনার পর থেকেই বেআইনি বাজি উদ্ধারে রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন জায়গায় চিড়ুনি তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। সে তল্লাসি চলাকালীন দত্তপুকুরে পুলিশি তল্লাশিতে উদ্ধার হয় প্রায় ২০০ কুইন্টাল বাজি।ঐ দুটি ঘটনার ১০০ দিন কাটতে না কাটতেই আবারও বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল বাংলার মাটি। এ বারও অভিযোগের তীর সেই বেআইনি বাজি কারখানা দিকে। স্বানভিক ভাবেই প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠছে জনমানসে। স্থানীয় মানুষজনের ক্ষোভ, প্রশাসন যদি আরও সচেতন হত তাহলে এতগুলি প্রান হয়ত রক্ষা পেত। এই দুর্ঘটনাও হয়ত এড়ানো যেত। উত্তেজিত জনতা ক্ষিপ্ত হয়ে স্থানীয় এক ব্যক্তি সামসুলের বাড়ি লক্ষ করে ইট-পাটকেল ছুঁড়তে থাকে, পুলিস এসে পৌঁছালে তাঁরা রণে ভঙ্গ দেয়। তাঁকেই মূল অভিযুক্ত বলে দাবী করছে স্থানীয় মানুষজন। স্থানীয়দের অভিযোগ এখনও এলাকার একাধিক জায়গায় বিস্ফোরক মজুত রাখা আছে। ঠিকমত তল্লাসী করলে তা উদ্ধার সম্ভব।স্বাভাবিক ভাবেই এতবড় ঘটনাই রাজনিতীর রং লাগবেই, বিজেপি রাজ্য সম্পাদক বলেন, গোটা রাজ্যই বারুদের স্তূপের উপর দাঁড়িয়ে রয়েছে ,এই অপদার্থ দল যত দিন ক্ষমতায় থাকবে। তত দিন রাজ্যের মানুষ মরতেই থাকবে। স্থানীয়দের থেকে খবরাখবর নিচ্ছি। তার ভিত্তিতে একটা রিপোর্ট তৈরি করে অমিত শাহকে পাঠাব। এনআইএ তদন্ত চাইব।

আগস্ট ২৭, ২০২৩
নিবন্ধ

হরিপদর কলম : আসল.. নকল

হরিপদ গবেষণা করেনা। রিসার্চ পেপার পাবলিশ করিবার ওয়েবসাইট খোঁজে না।অথচ প্রতিনিয়ত ইহাদের গবেষণা চলিতেই থাকে।হরিপদ আদার ব্যাপারী। জাহাজ লইয়া তোমার কি দরকার বাপু!চন্দ্রযান অপেক্ষা নিজের জান লইয়াই ভাবিত হওয়ার কথা !বিশ্বে কেবল আমেরিকা রাশিয়া চীন ভারত। চাঁদে মাত্র চারজন।ভাবিবে না !লুনা পঁচিশ কে পিছনে ফেলিয়া চন্দ্রযান তিন কে আগে নামাইতে হইবে চাঁদে!গুলি মারো মূল্যবোধ!!বোধহীন সত্য। নাকি বোধাতীত সত্য।কাহাকে ফলো করিবে হরিপদ!কান বন্ধ করিয়া থাকিতে পারেনা।ফেসবুক সাজেশন চোখ বুজিয়া ইগনোর করিতে পারে কি !যার যেরকম সঙ্গ। তেমন ফিড। টানিয়া লইয়া যাইবে সেই দিকে।বউ এর আফসোস অমুকের আবার মিস ক্যারেজ হইয়াছে ! কত গাছে-গাছে ইঁট বাঁধিয়া ..ঘন্টা ঝুলাইয়া দশ বছর পর কনসিভ করিয়াছিল...আবার লড়াই।ঘন ঘন মেসেজ আসিতেছে ফোনে। তিনদিনের লাগাতার স্বাধীনতা দিবস।নাও উড়াও পতাকা।সম্পর্কের ন্যায় সবই প্রায়সিন্থেটিক।কেবল ফুটপাথে হকার তারস্বরে গলা ফাটাইতেছে তিনশ টাকায় জোড়া শার্ট।হান্ড্রেড পারসেন্ট কটন!!না। কটনের পতাকা মিলিল না বাজারে। ডিমান্ড নাই। অর্ডার দিলে ডেলিভারি করিবে। দাম পাঁচগুণ।সব দোকানেই সিন্থেটিক উড়িতেছে.. ঝুলিতেছে..পত পত করিয়া।সমুদ্রের ঢেউ। কত কি ভাসাইয়া লইয়া আসে। বীচে রাখিয়া ফিরিয়া যায়।আবার আসে। ফিরাইয়া লইয়া যায়। রাখিয়া যায় নতুন কিছু।ননস্টিক বাসনপত্র এখন ননএসেনশিয়াল। ননসেন্স কমোডিটি!লোহার কড়াই .. এনামেলের বাসন ফিরিতেছে।প্লাস্টিক হইতে কাগজ.. সুপারি গাছের ছাল হইতে আখের ছিবড়ে। মাটির পাত্রে ফিরিয়াছে বিজনেস ক্লাস ভোজবাড়ীর ভোজের টেবিল।কাঁসার বনেদিয়ানা পালিশ কমিতেছে আবার।ইকনমি ক্লাসের হিরোগিরি ঘোলাটে মেলামাইনের ওপর কলাপাতা.. কিন্তু কলাপাতা নহে..প্লাস্টিকের আস্তরণে কাগজ।প্রেমহীন লিভ ইন।ওদিকে সমুদ্র ..এদিকে বাজার।যাহা বলিবেন কত্তা। তাহাই মানিবে উল্লুর দল।শুধু কথা বলিবার জো নাই। কম্বো প্যাক কাকু! নেট ভরিতেই হইবে।অস্ফুট গালাগাল দিয়া রিচার্জ হরিপদর। বিপ্লবের সুযোগও দিবে যে ওই নেট ই।জিও যাঁতা কল! যুগ যুগ জিও!মায়েরও প্রথম পছন্দ উনি। কালীঘাটের মন্দির নবরূপে সাজাইবেন আম্বানি।সম্প্রতি ফুর্তি করিয়া আসিলেন কয়েক হাজার ওষুধ কোম্পানির লোকজন। ডাক্তার বাবু। পাটায়া..ব্যাংকক.. থাইল্যান্ড।হরিপদ হাই এম আর পি প্রিন্টের ওপর টোয়েন্টি পার্সেন্ট ছাড় লইয়া দোয়া করিলেন মাল্টি ন্যাশনাল দোকানীকে!সম্প্রতি কেরালায় সমাধির ওপর কিউ আর কোড !! কেনো।কিউ আর কোডের বোর্ড এখানে কেনো।হরিপদর মনে হইল..কি জানি..কোনো গরিব স্ত্রীর একমাত্র রোজগেরে স্বামীর সমাধি হইবে হয়তো! অর্থ সাহায্য চাহিতেছে।হরিপদ মোটামুটি লো রেঞ্জের দয়ালু। ছোটখাটো দান করিয়া থাকে।কিউ আর কোডের উপর মোবাইলের ক্যামেরা রাখিতেই ... খুলিয়া গেলো ওয়েবসাইট। হাসিমুখে ভাসিয়া উঠিল ছাব্বিশ বছরের একযুবক। ডিজিটাল দুনিয়ার আধুনিক প্রজন্ম। তাহার ছোট্ট অথচ মূল্যবান জীবনপঞ্জী।অকাল মৃত্যুতে বোনের শ্রদ্ধাঞ্জলি।বাঃ বেশ তো! চমৎকৃত হইল হরিপদ। ইহাই তো প্রগতি।আচ্ছা এমন যদি গান্ধীজী নেতাজীর হইত!সাভারকর কিংবা লেনিনের !হিটলার কিংবা আকবরের ! গডসে কিংবা গড জেশাসের!এক লহমায় মানুষ পরিচিত হইত।না।নানান মতের নানান কিউ আর কোডের ভীড়ে সমাধি ই ঢাকা পড়িয়া যাইত! হো হো করিয়া হাসিয়া উঠিল গিন্নি।হরিপদ বিভ্রান্ত।হইতে পারে। হয়ও তো!পুরীতে কিংবা হরিদ্বারে। ব্যারাকপুরে কিংবা দুর্গাপুরে।দাদা বৌদির একাধিক দোকান.. আউটলেটে র মত।কে যে আসল কে যে নকল.. নাকি দুজনেই নকল কে জানে !!হরিপদর গুন গুন ...সমস্ত হরিপদর হৃদয়ে মুখরিত হোক....সেই পুলক ব্যানার্জী, নচিকেতা ঘোষ..হেমন্ত মুখার্জির কালজয়ীআফসোস..খিড়কি থেকে সিংহ দুয়ারএই তোমাদের পৃথিবী...তোমরা পায়রা ওড়াও..বাজী পোড়াও...তোমাদের কোনটা আসল কোনটা নকলকোনটা শুধুই জবরদখলতোমরা নিজেই জানো না!!

আগস্ট ১৩, ২০২৩
রাজ্য

'তিহারে বসে বাপ-বেটি বেদের মেয়ে জোসনার গান গাইছে, একই দশা হবে পিসি-ভাইপোর'- সুকান্ত

আপনাদের এখানকার বড় নেতা এখন দিল্লির তিহার জেলে বসে বেদের মেয়ে জোসনা সিনেমার গান গাইছেন জেলখানায় সম্বল, থালা বাটি কম্বল। এখন আবার বাপ বেটি পাশাপাশি বসে গাইছেন। অপেক্ষা করুন কয়েক মাস। পিসি আর ভাইপো একইভাবে সঙ্গে ওই গান করবেন। রবিবার বিকেলে বীরভূমের ময়ূরেশ্বর ২ নম্বর ব্লকের ষাটপলসা মোরে জনসভায় এভাবেই তৃণমূলকে আক্রমণ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।এদিন সুকান্ত মজুমদার বলেন, আপনারা তৃণমূলের চোখে চোখ রেখে লড়াই করে যান। আমার কাছে খবর আছে আপনারা যখন দলীয় পতাকা বাঁধতে যাচ্ছিলেন তখন এই থানার ওসি বলেছিলেন গুলি চালিয়ে দেব। আমি চ্যালেঞ্জ করে যাচ্ছি একজন কার্যকর্তার গায়ে গুলি চালান, হাইকোর্টে গিয়ে আপনার উর্দি খুলে দিতে না পারলে আমার নাম সুকান্ত মজুমদার নয়। স্থানীয় তৃণমূল নেতা জটিল মণ্ডলকে আক্রমণ করে বলেন, বালি পাচারের টাকা খাবেন। একটা অংশ পুলিশকে দেবেন আর আমাদের লোকেদের ধমকাবেন চমকাবেন এটা চলতে দেওয়া যাবে না। এখন বলছি শুধরে যান। মনে রাখবেন আপনাদের বড় বড় আইপিএসদের সিবিআই, ইডি ধরে নিয়ে যাচ্ছেন। আপনি তো থানার ওসি। আপনাকে তুলে নিয়ে যেতে দুমিনিট সময় লাগবে না।অনুব্রত মণ্ডলকে কটাক্ষ করে সুকান্ত মজুমদার বলেন, আগে শুনতে পেতেন খেলা হবে। কিন্তু এখন শুনতে পান? আগে ওরা কথায় কথায় দিল্লি যেত। এখন দিল্লি যেতে বললে তারা বলে দিল্লি যাব না। আরও বড় বড় চোর রয়েছে। উপর তোলার চোরদের আমরা টাইট করব। নিছু তলার চোরদের আপনারা শায়েস্তা করুণ। আপনাদের বড় নেতা চরাম চরাম, পাঁচন, নকুলদানার দাওয়াই দিতেন। এখন শোনা যাচ্ছে বেদের মেয়ে জোসনার গান গাইছে। জেলখানা সম্বল, থানা বাটি কম্বল। আমরা দিল্লি গেলে শুনি। আর কয়েকটা মাস অপেক্ষা করুণ পিসি আর ভাইপো পাশাপাশি একই সঙ্গে বসে একই গান গাইবেন।নগর উন্নয়ন মন্ত্রী শনিবার বলেছিলেন ২৪ সালে আমারই সরকার গড়ব। সেই মন্তব্যকে কটাক্ষ করে সুকান্ত বলেন, ২৪ সালে যদি তৃণমূল সরকার গড়ে তাহলে হাতিও জামা প্যান্ট পরে ঘুরবে। আর পারলে আমার বিরুদ্ধে সিবিআই লাগান। তবে বলে রাখি ভোটের দিন কাউকে বুথ লুঠ করতে দেবেন না। তাঁর জন্য ঝাণ্ডার সঙ্গে মোটা মোটা ডাণ্ডা রাখন। কেউ বুথ লুঠ করতে এলে শায়েস্তা করুণ। পুলিশ ধরে নিয়ে গেলে এক মাসের মধ্যে আপনার বাড়িতে পৌঁছে দেব।

জুলাই ০২, ২০২৩
রাজ্য

অঞ্চল সভাপতির পদের দাম ১০ লক্ষ! টুইট সুকান্তর, কি বললেন তৃণমূল জেলা সভাপতি?

জনৈক তৃণমূল নেতাকে অঞ্চল সভাপতি করে দেওয়ার নামে ১০ লক্ষ টাকা দাবি। এমনই অভিযোগ উঠেছে খোদ তৃণমূল জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে। রবিবার বিকেলে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় তৃণমূলের বর্তমান জেলা সভাপতি মৃণাল সরকারের তিনটি ভিডিও ভাইরাল হয়। সেখানে জনৈক ব্যাক্তিকে অঞ্চল সভাপতি করে দেওয়ার নামে টাকা পয়সার কথা বলতে শোনা যায় মৃণালবাবুকে। এই বিষয় নিয়ে বিজেপি ও সিপিএম এর তরফে তৃনমুল জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে সরব হতে দেখা গিয়েছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এই ভিডিও গুলি টুইট করেন। তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন মৃণাল সরকার। মৃণাল সরকারের দাবি, এটা দীর্ঘদিন আগেকার একটা ঘটনা। তখন আমি ব্লক সভাপতি ছিলাম, তখন কেউ এটা তুলে থাকবেন। আমি ঘুমোচ্ছিলাম। তখনই কেউ একজন এসব বলে, প্রশ্ন করে ও টাকা দিতে চায়। আমি কোনও সায় দেয়নি। ড্যান্স বারের ভিডিওর সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেছেন মৃনাল সরকার। তিনি বলেন, খাওয়া-দাওয়ার ভিডিওটা অনেক পুরনো ও ব্যক্তিগত। তবে আমি মদ্যপান করছি এমন কোনও দৃশ্য ওই ভিডিওতে নেই। বিজেপির আইটি সেল ভোটের আগে বদনাম করার জন্যই এরকম ভিডিও ভাইরাল করছে। রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, এটা তৃণমূলের নতুন কিছু না। এই দলের টিকিট থেকে পদ সবই টাকার বিনিময়ে বিক্রি হয়। দক্ষিণ দিনাজপুর তৃণমূল জেলা সভাপতিও তাই টাকা চাইবেন, এতে কোনও আশ্চর্যের কিছু নেই। এটা তৃণমূলের ব্যবসা। টাকা দিয়েই পদ নেবেন, আবার সেই টাকা তুলবেন।

জুন ২৫, ২০২৩
রাজনীতি

মুকুল, শুভেন্দুকে ভাঙিয়েছে বিজেপি, অভিষেকের সরাসরি চ্যালেঞ্জ গেরুয়া শিবিরকে

মুকুল রায়, শুভেন্দু অধিকারী এখন বিজেপিতে। তাঁদের পুরনো দল তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায় দাবি করেছেন, তাঁকেও ভাঙাতে চেয়েছিল বিজেপি। কিন্তু তাঁকে এভাবে দমানো যাবে না বলেও স্পষ্ট ঘোষণা করেছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। অভিষেকের অভিযোগ, গেরুয়া শিবিরে নাম লেখালেই সাত খুন মাফ। দল বদলে যে নেতা বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, তাঁরা ইডি-সিবিআইয়ের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছেন। কয়লা পাচার থেকে শিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলায় অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়কে তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই-ইডি। কখনও দিল্লিতে কখনও নিজাম প্যালেস, সম্প্রতি ইডি তলব করেছিল সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে। পঞ্চায়েত ভোট চলাকালীন রবিবার ডায়মন্ড হারবারের ফলতার জনসভা থেকে বিজেপির বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ আনেন অভিষেক।অভিষেক বলেন, রাজনৈতিক লড়াইয়ে পেরে না উঠে, ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করা হচ্ছে। ইডি-সিবিআইকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের দলকে শ্রীবৃদ্ধি করছে বিজেপি। যেমনভাবে মুকুল রায়, হেমন্ত বিশ্বশর্মা, শুভেন্দু অধিকারীদের ভাঙিয়ে নিয়ে গিয়েছে, তেমনই চেষ্টা করছে হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভাঙাও, নইলে বসাও, নইলে জেলে ঢোকাও। কিন্তু এভাবে আমাকে দমানো যাবে না। তাঁর বক্তব্য, আমি যতদিন রাজনীতি করব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বেই করব। আমার গলা কেটে দিলেও জয় বাংলাই বেরবে। আর যেদিন রাজনীতি করব না, সেদিন নিষ্ক্রিয় হয়ে যাব। চব্বিশে প্রধানমন্ত্রী পাল্টানোর ডাক দিয়েছেন অভিষেক।

জুন ১৮, ২০২৩
রাজ্য

এবার গরুপাচার কাণ্ডে দিল্লিতে ইডির হাতে গ্রেফতার অনুব্রত কন্যা সুকন্যা

গরুপাচার কাণ্ডে অভিযুক্ত বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মন্ডলেক ১১ অগাস্ট সিবিআই গ্রেফতার করেছিল। এখন তিনি তিহার জেলে রয়েছেন। এবার গরুপাচার মামলায় দিল্লিতে ইডি তলব করেছিল অনুব্রত কন্যা সুকন্যা মন্ডলকে। সেখানে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা। এদিন জবাবে অসঙ্গতি মেলায় সুকন্যাকে গ্রেফতার করেছে ইডি। এর আগে গরুপাচার মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেন, তাঁর ব্যক্তিগত হিসাবরক্ষককে। ইডি সূত্রে খবর, বারে বারে ইডিকে বিভ্রান্তি করে চলেছিল সুকন্যা। তিনি নিজে নাকি টাকা পয়সার হিসেব রাখতেন। একধাক্কায় কি করে কোটি কোটি টাকার মালিক হলেন তিনি? এই প্রশ্নের সঠিক জবাব তিনি দিতে পারেননি। শেষমেষ এদিন গ্রেফতার করা হয় সুকন্যাকে। আগামিকাল তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে। জানা গিয়েছে, ৫ দিনের হেফাজত চাইবে ইডি। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিক্রিয়া, আইনি প্রক্রিয়ায় দল নাক গলাবে না{ তবে মাতৃহারা সুকন্যাকে বাইরে রেখে কি তদন্ত করা যেত না? বিজেপির প্রতিক্রিয়া, গরুপাচার কাণ্ডে জড়িত বলেই গ্রেফতার করা হয়েছে অনুব্রত কন্যাকে। আগেই বলা হয়েছিল অভিযুক্ত কেউ ছাড়া পাবে না।

এপ্রিল ২৬, ২০২৩
রাজনীতি

দিল্লিতে ঘাঁটি গেড়েছেন মুকুল, আদৌ বিজেপি নেতৃত্ব নতুন করে তাঁকে স্বীকৃতি দেবে?

মুকুল রায় গতকাল থেকে দিল্লিতে প্রকাশ্যে এসেছেন, বিজেপির হয়ে গলা ফাটাচ্ছেন। প্রথম সিপিএমের নাম মুখে এনেও পরে তৃণমূল কংগ্রেসকে তুলোধোনা করেছেন। ছেলেকে বিজেপি করতে পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু বিজেপির কোনও নেতার সঙ্গে এখনও অবধি মুকুল রায়ের বৈঠক করতে দেখা যায়নি। কেন্দ্রীয় বিজেপি মুকুল রায় সম্পর্কে কি ভাবছে তা-ও কিছু জানায়নি। বরং তৃণমূল কংগ্রেস মুকুলকে ঝেড়ে ফেলে দিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র মুকুল ইস্যুতে উৎপাত থেকে জঞ্জাল বলতেও ছাড়েননি। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, বঙ্গ রাজনীতিতে অপ্রাসঙ্গিক মুকুল দিনভর মিডিয়াতে ভেসে থাকলেন। উত্তাপ ছড়ালেন রাজনৈতিক মহলে। মুকুল কেন দিল্লিতে? রাজনৈতিক মহল তাঁর দিল্লি যাত্রা নিয়ে নানা মতে বিভক্ত। সিপিএম সাংসদ আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য স্পষ্ট দাবি করেছেন, মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় মুকুলকে বিজেপির কাছে পাঠিয়েছে। এটা তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির গট-আপ। বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব মুকুলের বক্তব্যকে কোনও গুরুত্ব দিতে চাইছে না। মুকুল রায় নিজে সারদা ও নারদা-কাণ্ডে অভিযুক্ত। অন্য দিকে বিধায়কদের দ্বারা প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে নিয়ে ময়দানে জোরালো ভাবে নেমে পড়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তারপর শুভ্রাংশুর নিখোঁজ তত্ব নিজেই খারিজ করে দিয়েছেন মুকুল রায়। কৃষ্ণনগরের বিধায়ক দিল্লি গিয়েছেন কোনও পারিবারিক সদস্য বা কোনও সক্রিয় রাজনৈতিক নেতা-কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে নয়, গাড়ির চালক ও রাধুনিকে নিয়ে দিল্লি গিয়েছেন। রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য, যে উদ্দেশ্যেই মুকুল রায় দিল্লি যাক না কেন বিজেপির হয়ে তার বানী ও তৃণমূলের বিরুদ্ধএ যতই আক্রমণ করুক রাজনীতিতে তাঁর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। বিজেপি নেতাদের তাঁর সঙ্গে কোনও বৈঠক না হওয়ায় চাতক পাখির মতো মুকুল যেন যেন জল জল করে যাচ্ছেন, অভিমত রাজনৈতিক মহলের। এবার দেখার বিষয় বাংলার রাজনীতিতে চানক্য বলে পরিচিত মুকুল কতদিন ধরে দিল্লিতে থেকে যান। কবে বিজেপি নেতৃত্ব প্রকাশ্যে নতুন করে তাঁকে স্বীকৃতি দেয়, সেটাই এখন দেখার।

এপ্রিল ১৯, ২০২৩
রাজনীতি

দিল্লিতে 'নিখোঁজ' মুকুল শেষমেশ রাতে ধরা দিলেন, জানালেন তিনি বিজেপিতেই রয়েছেন

মুকুল রায় নাকি নিখোঁজ? বাবাকে কোন দুজন যুবক সল্টলেকের বাড়ি থেকে এয়ারপোর্টে নিয়ে গিয়েছে। রীতমতো এয়ারপোর্ট অথরিটি, এয়ারপোর্ট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন মুকুলপুত্র শুভ্রাংশু রায়। এমনকী বীজপুর থানায়ও অভিযোগ দায়ের করে শুভ্রাংশু। বিধাননগর কমিশনারেটের পুলিশ দিল্লিও চলে গিয়েছে মুকুল রায়ের খোঁজ করতে। কিন্তু রাতেই সংবাদ মাধ্যমে মুকুল রায় জানিয়ে দেন, তিনি স্বেচ্ছায় দিল্লি এসেছেন। কেউ তাঁকে জোর করেনি। তাঁর সঙ্গে শুভ্রাংশুর সঙ্গে কথা হয়েছে।গতকাল রাতে মুকুল রায় দুজন সঙ্গীকে নিয়ে দিল্লিতে যাওয়ার পর থেকে রাজ্য-রাজনীতি তোলপাড় হয়ে যায়। প্রথম দফায় মুকুল নিখোঁজ বলে তোলপাড় হয়ে যায় শুভ্রাংশুর বক্তব্যের পর। তারপর গতকাল রাতেই দিল্লি বিমানবন্দরে দেখা মেলে মুকুল রায়ের। তিনি দিল্লিতে কয়েক দিন থাকবেন বলেও প্রতিক্রিয়ায় জানিয়ে দেন। পরবর্তীতে মঙ্গলবার সারা দিন মুকুলের কোনও খোঁজ মেলেনি। তারই মধ্যে বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা ফেসবুক পোস্ট করেন প্রত্যাবর্তন। ফের হইচই শুরু হয়ে যায় এই পোস্টকে কেন্দ্র করে।শেষমেশ রাতে এক সংবাদ মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে মুকুল রায় জানিয়ে দেন, তিনি বিজেপিতে থেকেই রাজনীতি করবেন। শুভ্রাংশুর বিজেপিত যোগদান করা উচিত। কোনও দিন আমি তৃণমূল করিনি। ১০০ শতাংশ নিশ্চিত তৃণমূল আর করব না। মুকুলের এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আশার পর ফের শোরগোল পরে যায় রাজনৈতিক মহলে। সেভাবে আর মুকুলের প্রতিক্রিয়ার জবাব দিতে পারেননি পুত্র শুভ্রংশু। এখন দেখার বিষয় ফের কি গেরুয়া উত্তরীয় গলায় পরতে চলেছেন মুকুল? এই চর্চাই চলছে রাজনৈতিক মহলে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৩
রাজ্য

কালিঘাটের কাকু সিবিআইতে, কুন্তলের স্ত্রী ইডিতে, দিল্লির হাজিরা এড়ালেন অনুব্রত কন্যা

শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতির তদন্তে এবার সিবিআইয়ের তলবে নিজাম প্যালেসে হাজির হয়েছেন কালিঘাটের কাকু তথা সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। একইদিনে ইডির তলবে সল্টলেকে সিজিও কমপ্লেক্সে তদন্তকারীদের মুখোমুখি হন নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত কুন্তলের স্ত্রী জয়শ্রী ঘোষ। অন্যদিকে মনীশ কোঠারিকে ৬ দিনের ইডি হেফাজত দিয়েছে দিল্লির আদালত। তাঁকে গতকাল হাসতে দেখা গেলেও এদিন চোখে জল দেখা যায় মনীশের। তবে ইডি তলব করলেও এদিন দিল্লি যাননি অনুব্রত কন্য়া সুকন্যা মন্ডল। তা তিনি মেইল করে জানিয়ে দেন ইডিকে। এদিন নিজাম প্যালেসে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে তিন ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই। গোপাল দলপতি ও তাপস মন্ডল সুজয়কৃষ্ণ ঘোষের নাম করে। তাঁরা তাঁকে কালীঘাটের কাকু বলে সম্বোধন করেছিল। এদিন দুজন আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে সিবিআই দফতরে আসেন কালিঘাটের কাকু সুজয়কৃষ্ণ। তিনি বলেন, কেন সিবিআই ডাকল জানি না। একটা ছোট্ট কাগজে নোটিস দিয়েছে চলে এসেছি। স্ত্রী অসুস্থ তাও এসেছি। তা সত্বেও তো বলবে সহযোগিতা করছি না।

মার্চ ১৫, ২০২৩
রাজ্য

অর্পিতা, শাহিদের পর হৈমন্তী, বিনোদন জগতের সঙ্গে শিক্ষাক্ষেত্রের দুর্নীতি মিলেমিশে একাকার

অর্পিতা মুখোপাধ্যায় থেকে শুরু। তারপর নাম উঠে আসে হুগলির আরামবাগের শাহিদ ইমামের। এবার হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়। শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগে দুর্নীতির তদন্ত করতে গিয়ে অভিনয় জগতের যোগ উঠে আসছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, বিনোদনে কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে নিয়োগ দুর্নীতির অর্থ। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ অভিনেত্রী ও মডেলার অর্পিতা মুখোপাধ্যায় গ্রেফতার হতেই তোলপাড় হয়ে যায় রাজ্য-রাজনীতি। অর্পিতার দুটো ফ্ল্যাট থেকে নগদ প্রায় ৫০ কোটি টাকা উদ্ধার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। একইসঙ্গে কয়েক কোটি টাকার গহনাও উদ্ধার হয়। অর্পিতা পর্ব চলাকালীন নিয়োগ দুর্নীতি এজেন্ট হিসাবে নাম উঠে আসে আরামবাগের শাহিদ ইমামের। জানা গিয়েছে, তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গেও যুক্ত। অভিযোগ, ক্ষমতাবলে খেলার মাঠ দখল করে বিলাসবহুল অট্টালিকা তৈরি করছেন শাহিদ। মুম্বাই ও টলিউডের সিনেমা জগতের সঙ্গে যুক্ত শাহিদ এমনটাই খবর রয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে। তিনি নিজেও একটি বলিউডের ভিডিও অ্যালবাম করেছেন। এর পাশাপাশি টলিউডে ৩ টি সিনেমার প্রযোজনাও করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি অর্থ এভাবে বিনোদন জগতে বিনিয়োগ করেছেন। অর্পিতার পর শাহিদ ইমামের খবর জানাজানি হতেই হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম উঠে এসেছে। হাওড়ার হৈমন্তী বাংলা সিনেমা ও টিভি সিরিয়ালে অভিনয় করেছেন। তিনি নিজে প্রযোজনাও করেছেন। এত অর্থ এমন ছাপোষা পরিবারের মেয়ে কোথা থেকে পেল তা নিয়ে তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। গতকাল, বৃহস্পতিবার গ্রেফতার কুন্তল ঘোষ হৈমন্তীর নাম করেছেন। তাঁর সঙ্গে ছবি মিলেছে প্রাক্তন মন্ত্রী মদন মিত্র ও রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের। যদিও রাজীব দাবি করেছেন, তাঁর মেয়ের বিয়েতে হৈমন্তী নিমন্ত্রিত কারও সঙ্গে এসেছেন। তাঁকে তিনি চেনেন না বা নিমন্ত্রনও করেনি। তবে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির সঙ্গে অভিনয় জগতের যে জোরালো যোগ, তা কিন্তু ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৩
রাজনীতি

২০২৪-এর মধ্যেই সিএএ লাগু নিশ্চিত? কি ঘোষণা করলেন সুকান্ত মজুমদার

ফের সিএএ লাগু করার কথা বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতার মুখে{ বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার রবিবার বলেন, ২০২৪ সালের মধ্যে সি এ এ জারি করা হবে। এদিন মালদার হবিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের পার্বতী ডাঙ্গায় কর্মীসভায় বক্তব্য রাখছিলেন বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ।পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে রাজ্যজুড়ে সভা করছে বিজেপি নেতৃত্ব। এদিন পার্বতীডাঙ্গায় বক্তব্যে সুকান্ত বলেন, রাম মন্দির হওয়ার আগে বিরোধীরা অনেক আমাদের টিটকিরি মারতো, কবে রাম মন্দির হবে কবে? ২০২৪ এর পয়লা জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী রাম মন্দিরের উদ্বোধন করবেন। তেমনই এখন বিরোধীরা টিটকিরি মারছে কবে সিএএ হবে। আপনারা নিশ্চিন্তে থাকুন ২০২৪ এর মধ্যেই সিএএ হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার কিছু করতে পারবে না। দেখবে আর লুচির মত ফুলবে। তিনি আরও বলেন, রাজ্যে এখন একটাই প্রকল্প চলছে। পেট্রোলের দাম বাড়লো না মদের দাম বাড়িয়ে দিল। ঢকঢুগ প্রিয় অর যুগ যুগ জিও।এদিকে অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য় সেন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্য়ালয়ের জমি হরপ করেছেন বলে চিঠি ধরিয়েছে কতৃপক্ষ। এদিনও আরেকটা চিঠি দিয়েছে বিশ্বভারতী। সুকান্ত মজুমদার বলেন, অমর্ত্য সেনের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা জমি নিয়ে সমস্যা হয়েছে। সেই সমস্যা মিটিয়ে নেওয়া উচিত। জমি মাপামাপি করলে তবেই তো সমস্যা মিটবে। আমি নোবেল পেয়েছি মানে তো আমি কারও জমি দখল করতে পারি না। একটা অভিযোগ উঠেছে সেই অভিযোগের নিষ্পত্তি হওয়া উচিত, উনি সম্মানীয় ব্যক্তি। তার নামের সাথে এই ধরনের সমস্যা মানায় না।

জানুয়ারি ২৯, ২০২৩
রাজ্য

'মাতাল আমাদের বর্তমান, মদ আমার ভবিষ্যৎ,' নদিয়ায় বললেন সুকান্ত মজুমদার

নদিয়ার জনসভাতে পঞ্চায়েত ভোটে লুট করতে এলে তৃণমূলকে দাওয়াই দেওয়ার কথা বললেন বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এই সভাতে বক্তব্য রাখেন বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। মিঠুনে উপস্থিতি বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে মিঠুন বলেন, এত ভালবাসা বিজেপির বাক্সে পড়বে কিনা। যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে আমরা সবাই মিলে নতুন বাংলা তৈরি করি।এদিন রাজ্য সরকারের মদের কারবার নিয়ে কটাক্ষ করেন সুকান্ত মজুমদার। রাজ্য বিজেপির সভাপতি বলেন, গত আর্থিক বছরে রাজ্যে১০,৬৬৬ কোটি টাকা আয় হয়েছে। মাতাল আমাদের বর্তমান, মদ আমার ভবিষ্য়ৎ। যত দিন মদ খাওয়াবে ততদিন বোকা বানানো যাবে। এছাড়া রাজ্যে এই মুহূর্তে ঋণের বোঝা চাপতে বসেছেন ৫.৮৬ লক্ষ কোটি টাকা। রাজ্যে প্রতিজনের ঋণ ৬০ হাজার টাকা। বিশ্বব্যাংক সহ নানা জায়গা থেকে রাজ্য ঋণ নিয়েছে। রাজ্যটাকে বিক্রি করে দিচ্ছেন।পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে সুকান্তর বক্তব্য, গতবার ভোট লুট করতে এসেছিল এবার যদি ফের লুট করতে আসে দিদির ভুতকে ঘোল ঢেলে ভুত বানিয়ে ফেরত পাঠিয়ে দেবেন। আর পুলিশ যদি তৃণমূল হয় তাহলে সেরকম আচরণ হবে। টিবি হাসপাতাল তৃণমূল চুরি করে নিয়েছে।

জানুয়ারি ২৫, ২০২৩
রাজ্য

অবৈধ প্রণয়ের জেরেই কি স্ত্রীকে খুন আনসারুলের? হত্যার ভয়াবহতার অনুমানে আঁতকে উঠছে তদন্তকারীরা

রেনুকা হত্যা রহস্য ক্রমশ সামনে আসছে। পুলিশ মনে করছে, প্রেমের পথে কাঁটা দূর করতে স্ত্রীকে দুই টুকরো করে ক্যানালের জলে ফেলে দিয়েছিল স্বামী আনসারুল। রেণুকা খাতুন হত্যার প্রাথমিক তদন্তে এই তথ্য উঠে আসছে। এই ঘটনা শ্রদ্ধা কাণ্ডের ছায়া থাকলেও, নৃশংসতা ছিল আরও ভয়াবহ। ফাঁসিদেওয়ার সুদামগছ এলাকার বাসিন্দারা এই ঘটনায় হতবাক। হত্যার প্রায় দুই সপ্তাহ পর মহানন্দা ক্যানাল থেকে উদ্ধার হয় রেণুকা খাতুনের বস্তাবন্দি মৃতদেহ।জানা গিয়েছে, ৬ বছর আগে শিলিগুড়ির ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের দাদাভাই কলোনীর রেণুকা খাতুনের সঙ্গে সামাজিক মতে বিয়ে হয় মহম্মদ আনসারুলের। সাংসারিক অশান্তি থাকলেও, একসময় তা থেমেও যায়। রেণুকার পরিবারের দাবি, মাটিগাড়ার এক যুবতীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল আনসারুলের। সেই কারণেই কয়েক মাস ধরে বিবাদ বাড়তে থাকে। স্ত্রীর নজরদারি মানতে পারেনি আনসারুল। এই ক্ষোভ থেকেই সোনার লোভ দেখিয়ে যুবক তার দাদুর বাড়ি সংলগ্ন ফাঁসিদেওয়ার সুদামগছে নিয়ে আসে রেণুকাকে। পুলিশি হেপাজতে থাকাকালীন জেরায় যুবকের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, স্ত্রীকে সেখানেই খুন করে ধর থেকে মাথা আলাদা করে দুটি পৃথক বস্তায় ভরে ক্যানালে ফেলে দেয়। শুক্রবার ঘটনাস্থল থেকে কয়েকশো মিটার দূরে নয়াহাটের কাছে ক্যানালের জল থেকে বিপর্যয় মোকাবিলা দল প্রথমে মৃতদেহ এবং পরে অপর একটি বস্তায় গৃহবধূর মুন্ডু উদ্ধার করেছে।আনসারুল প্রথমে স্ত্রীর পরকীয়া প্রসঙ্গ তুললেও, রেণুকার পরিবারের দাবি অনুযায়ী হলদিবাড়ির বাসিন্দা রাব্বানী রেণুকার বন্ধু ছিল। কোনও প্রেমের সম্পর্কই ছিল না। রেণুকা স্বামীর পরকীয়ার কথা জানতেই রেণুকাকে নৃশংসভাবে খুন করেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। রেণুকার পরিবার আনসারুলের ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি, রেণুকা ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা থাকার বিষয়টি তাঁরাই পরিবারের সদস্যরাই জানিয়েছেন। যদিও, রেণুকা অন্তঃসত্ত্বা ছিল কী না তা ময়নাতদন্তের পরই পরিষ্কার হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।তবে, এত ভয়ানক খুন আনসারুল একাই ঘটিয়েছে একথা মানতে নারাজ সকলেই। কারণ, মাথা থেকে ধর আলাদা করা এবং মৃতদেহ বস্তাবন্দি করা একার পক্ষে সম্ভব নয় বলে দাবি করা হচ্ছে। সেইসঙ্গে খুনের পর মৃতদেহ নিয়ে আসা হয়েছিল, নাকি ফাঁসিদেওয়াতে এনেই খুন, তা নিয়েও এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। আনসারুলের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত ছিল কী না তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

জানুয়ারি ০৬, ২০২৩
রাজনীতি

২১ ডিসেম্বরের আগের দিনই দিল্লিতে শাহ-শুভেন্দু-সুকান্ত বৈঠক, নয়া কৌশল?

ডিসেম্বর ডেডলাইন দেওয়ার পর তিনটে তারিখ খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে নজর রাখতে বলেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তার মধ্যে ১২ ও ১৪ ডিসেম্বর পেরিয়ে গিয়েছে। সামনে ২১ ডিসেম্বর, বুধবার।১২ ডিসেম্বর সিবিআই হেফাজতে বগটুই কান্ডের মূল অভিযুক্ত লালন শেখের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। তারপর ১৪ ডিসেম্বর আসানসোলে বিজেপির কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে পদপিষ্ট হয়ে তিন জনের মৃত্যু। এই অনুষ্ঠানে শুরুতে হাজির ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল অভিযোগ করে এই দুদিনের দুটি ঘটনাই কি শুভেন্দুর ডিসেম্বর ধামাকা? এবার বাকি রইল তৃতীয় তারিখ ২১ ডিসেম্বর।এদিকে ২০ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন শুভেন্দু অধিকারী। সঙ্গে থাকবেন দলের রাজ্য় সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। স্বভাবতই ২০ ডিসেম্বরের বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ২১ ডিসেম্বরের আগে দিল্লিতে ওই বৈঠকের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২২
রাজনীতি

সুকান্ত মজুমদারের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ জয়নগরে, প্রতিবাদ বিজেপির

দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ চলল। গাড়ির ওপর একদলকে লাঠি উঁচিয়ে মারতে দেখা যায়। পাশাপাশি কালো পাতাকাও ছিল কারও কারও হাতে। পুলিশ কোনওরকমে সেখান থেকে সুকান্তর গাড়ি বের করে নিয়ে যায়। এরপরই রাজ্য সভাপতিকে কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। তৃণমূল কংগ্রেস এই হামলা করেছে অভিযোগ করেছে বিজেপি।এদিন সুকান্ত মজুমদার গিয়েছিলেন জয়নগরে। সেখানে ৫ নং মন্ডলের মায়াহাউড়িতে দেখা করেন গ্রেফতার করা বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে। বিজেপির দাবি, এই কর্মীদের শুভেন্দুর জনসভায় যোগ দিতে গিয়ে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। সুকান্ত বলেন, আমাকে মারতে এসেছিল, গাড়ি ভাঙতে এসেছিল। আমাকে মেরে কি হবে বাংলায় হাজার হাজার সুকান্ত মজুমদার আছে। মমতা সরকারের পতন হবেই। তা শুধু সময়ের অপেক্ষা।

ডিসেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে স্কুল ভেঙে ক্লাব! অভিযোগ পেয়ে তদন্তে শিক্ষা দপ্তর ও পুলিস

একটি বন্ধ থাকা স্কুল ভেঙে মাটিতে মিশিয়ে দেওয়া হল বর্ধমানে। এই ঘটনায় তুমুল চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে বর্ধমানের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের ৪ নম্বর শাঁখারীপুকুর এলাকায়।৪ নম্বর শাঁখারীপুকুরের সেবক সংঘের পাশে একটি প্রাইমারী স্কুল ৩০ বছর ধরে বন্ধ অবস্থায় ছিল। স্কুলে ছাত্র বা শিক্ষক কেউই যেত না। শুক্রবার সকালে ক্লাবের মাঠ সংলগ্ন স্কুলটিকে সেবক সংঘের সদস্যরা ভেঙে দেয় বলে অভিযোগ। ঘটনার খবর পেয়ে বর্ধমান থানার পুলিশ এলাকায় যায়। ততক্ষণে অবশ্য স্কুলবাড়িটিকে ভেঙে ফেলা হয়েছে।জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ডিআই স্বপন দত্তের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সরকারি জায়গার উপরেই স্কুলটি আছে। ৩০ বছর ধরে ওই প্রাথমিক স্কুলটি বন্ধ হয়ে আছে। আমরা খবর পেয়ে লোক পাঠাই। পাশাপাশি পুলিশও যায়। অবশ্য ততক্ষণে বাড়িটি সম্পূর্ণ ভেঙে দেওয়া হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলে তিনি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যানকে জানাবেন।ক্লাবের সভাপতি তমালকান্তি মণ্ডল বলেন, পঞ্চাশ বছরের পুরনো বাড়ি। পাঁচ ইঞ্চি দেওয়াল দেওয়া টিনের চালের বাড়িটি ভগ্নদশা অবস্থায় ছিল। স্কুল কর্তৃপক্ষকে আমরা বহুবার বাড়িটি ভাঙার জন্য অনুরোধ করেছি। কারণ পাশেই আমাদের খেলার মাঠ আছে। ওখানে বাচ্চারা খেলে। যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। স্কুল কর্তৃপক্ষের লোকজনও বেশ কয়েকবার এখানে এসে দেখে গেছেন। কিন্তু ওই অবস্থাতেই ছিল। আমরা ভাঙ্গিনি। ভগ্নদশা বাড়িটি আপনা আপনিই ভেঙে পড়ে। আমরা আজ পরিস্কার করছিলাম বলে তিনি সাফাই দেন।ঘটনাস্থলে যান বর্ধমান সদর আরবান ২ স্কুল ইনস্পেকটর কিশোর কুমার দাস। তিনি বলেন, ডিআইয়ের নির্দেশে এসেছেন। ভগ্নদশা অবস্থায় স্কুলটি দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। কিন্তু এভাবে ভেঙে ফেলা ঠিক হয় নি। এটি ডিপিএসির জায়গা। তিনি ডিআইকে গোটা বিষয়টি জানাবেন।

নভেম্বর ২৬, ২০২২
রাজনীতি

অখিল গিরি বচনঃ অন্য রাজ্য হলে মন্ত্রী কারাগারে যেতেন, বললেন সুকান্ত

এ রাজ্যের কারামন্ত্রী রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে যে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন উনি অন্য কোন রাজ্যের মন্ত্রী হলে কান ধরে কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হত। শনিবার বর্ধমানে এসে এই মন্তব্য করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যর প্রতিবাদে সারা রাজ্যজুড়ে বিজেপির বিক্ষোভ সমাবেশ ও প্রতিবাদ অব্যাহত।এদিন বিকালে বর্ধমান জেলা বিজেপি কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি প্রতিবাদ র্যালি আয়োজিত হয়। এই প্রতিবাদ র্যালিতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিজেপির রাজ্য যুব মোর্চার সভাপতি ইন্দ্রনীল খাঁ, বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ এস এস আহলুওয়ালিয়া সহ একাধিক বিজেপি নেতৃত্ব। র্যালি শেষ হয় বর্ধমানের কার্জনগেট চত্ত্বরে। র্যালি শেষে বক্তব্য রাখতে এসে সুকান্ত মজুমদার বলেন, অখিল গিরির বিরুদ্ধে গোটা দেশ জুড়ে মামলা করা হবে। ওনাকে জেলে পাঠাবো। বক্তব্য রাখতে এসে তিনি আরও বলেন, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ অবস্থায় এসে পৌঁছেছে। জেলায় জেলায় পালা করে বোমা উদ্ধার হচ্ছে। নেতা মন্ত্রীদের আত্মীয়দের বাড়ি থেকে টাকা উদ্ধার হচ্ছে। বিক্ষোভ সভা শেষে অখিল গিরির কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয় কার্জনগেট চত্ত্বরে।পাশাপাশি তিনি বলেন, ডিসেম্বর মাস আসছে। শীত পড়বে থরহরি কম্পন শুরু হবে। এই কম্পন কিসের ইঙ্গিত তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী একাধিকবার ডিসেম্বরে সরকারের বিপদ বলে দাবি করে এসেছেন।

নভেম্বর ১২, ২০২২
রাজনীতি

৬ বছর পর মমতার সভায় পাশে থাকছেন মুকুল, ফের সক্রিয় 'চানক্য'!

রাস উৎসবের মরসুমে কৃষ্ণনগরে তিন দিনের নদিয়া সফরে পা রেখেছেন মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মতুয়া অধ্যুষিত নদিয়া জেলা নিয়ে ঘোর দুশ্চিন্তায় রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। পঞ্চায়েত নির্বাচনের মুখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নদিয়া সফরের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। মমতার নদিয়া সফরকে কেন্দ্র করে কৃষ্ণনগর উত্তরের বিজেপি বিধায়ক মুকুল রায় সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।রানাঘাটে প্রশাসনিক বৈঠকে ডাকও পেয়েছেন মুকুল রায়। এমনকী বুধবার কৃষ্ণনগরে তৃণমূলের প্রকাশ্য সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশেই মঞ্চে দেখা যেতে পারে একসময়ের তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ডকে। তাহলে কী ঘাসফুল শিবিরে ফের মুকুলের উত্তোরন ঘটতে চলেছে, এই জল্পনাই ঘুরপাক খাচ্ছে তৃণমূলে। পর্যবেক্ষক মহল মনে করছে, নদিয়ায় মতুয়াদের একটা বড় অংশ গেরুয়া শিবিরের দিকে ঝুঁকে রয়েছে। এক্ষেত্রে চানক্য মুকুলকে কাজে লাগাতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। ২০২১-এ বিজেপির প্রতীকে কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে জয় পান মুকুল রায়। জয়ের কয়েকদিনের মধ্যেই সপুত্র তৃণমূল কংগ্রেসের যোগ দেন তিনি। যদিও শুভ্রাংশু রাজনীতিতে সক্রিয় থাকলেও মুকুল রায় অনেকটা আড়ালে চলে যান।কিছু দিন আগে তৃণমূল ভবনে যাওয়া, তারপর নেতাজি ইন্ডোরের সভায় হাজির, তারপর কালীঘাটে ভাইফোঁটায় যাওয়া। এবার সরাসরি মমতার সভায় থাকতে চলেছেন মুকুল রায়। তৃণমূলের মমতা ঘনিষ্ঠ পুরনোদের অনেকেই এখন ইতিহাস। তাহলে কী ফের মমতা মুকুলকে ভরসা করতে চলেছেন? তৃণমূলে সক্রিয় হচ্ছেন মুকুল? এই গুঞ্জন চলছে রাজ্য-রাজনীতিতে।

নভেম্বর ০৮, ২০২২
নিবন্ধ

শহরের কোলাহলের বাইরে এ যেন মনে গাঁথা ভিন্ন পৃথিবী

মোড়াটা বসতে দে। চেয়ার তো নেই। বিনয়ের সঙ্গে পরিতোষ বললেন, ওটাতেই বসতে হবে। মোড়াটা এগিয়ে দিল বিনু। ছিন্নভিন্ন খড়ের চাল যেন মাটি ছুঁয়ে ফেলেছে। মাটির দাওয়া। ঘরে-বাইরে চারিদিক অগোছাল। এদিক-ওদিক ঝুলছে কাপড়-জামা। প্রতি পদে দারিদ্রতার স্পষ্ট ছাপ। তবু আথিতেয়তায় যেন কোনও খামতি নেই পরিতোষ হেমব্রমের। নুন আনতে পান্তা ফুরানোর আবস্থা। দিনমজুরি করেই সংসার টেনে চলেছেন বছর পঞ্চাশের পরিতোষ। কলকাতা থেকে বাঁকুড়ার রাণীবাঁধে গ্রাম দেখতে গিয়েছে রকিরা। আসলে তাঁদের গন্তব্য ছিল মুকুটমনিপুর। বর্ষায় প্রকৃতির অসাধারণ শোভা দেখতে সেখানে যাওয়া। এরই ফাঁকে আদিবাসীদের গ্রাম দেখতে ইচ্ছে হয় উৎকল ও রেশমির। শহরের দূষণে জীবন জেরবার। তাই নির্মল গ্রামের সন্ধানে জঙ্গলমহল। সেই উদ্দেশ্যে ৫ বছরের ছেলে রাহুলকে নিয়ে পরিতোষদের বাড়িতে তিনজনেই হাজির। রাহুলের ডাক নাম রকি। আগে থেকেই কিছুটা পরিচয় ছিল পরিতোষের সঙ্গে। প্রথমবারের সাক্ষাতে আথিতেয়তায় মুগ্ধ উৎকল-রেশমিরা। পায়ের সামনে ঘটিতে জল রেখে প্রণাম করে পরিতোষের স্ত্রী। পাল্টা নমস্কার করে উৎকল-রেশিমি। অতিথিদের চা-বিস্কুট খেতে দিল রানি, পরিতোষের স্ত্রী। রানি তাঁদের দুপুরের আহারের করার জন্যও আবদার করতে থাকে। না খেয়ে এখান থেকে যাওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই, বলে রানি। প্রত্যন্ত গ্রামে আদিবাসীদের ব্যবহারে মুগ্ধতার কথা বলেই ফেলল রেশমি। সে বলে ওঠে, আমরা এসেছি গ্রাম দেখতে। জঙ্গলমহলের আদিবাসী মানুষজনের জীবন-জীবীকা, জীবনবোধ, পরিবেশ দেখার অসীম আগ্রহ নিয়েই এসেছি এখানে। কিন্তু ব্যবহারে এমন আন্তরিকতা পেতে পারি তা আশাই করতে পারিনি। এঁদের সঙ্গে না রক্তের সম্পর্ক না আগে কোনও দিন দেখা হয়েছে। একথা ভেবে মনের মধ্যে বির বির করতে থাকে রেশমি। অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকেন ওই পরিবারের সদস্যদের দিকে। পরিতোষের মেয়ে ঝুমুরও জোরাজুরি করছে। অথচ এঁরা কেউ কাউকে দেখা তো দূরের কথা তাঁদের সম্পর্কে কোনও কথাই শোনেনি। অযাচিত অতিথিকে আদিবাসীরা এতটা আপন করে নেয়, ভাবতে থাকে উৎকল। যেটুকু পরিচয় ওই পরিতোষের সঙ্গে উৎকলের। তাও এক বন্ধুর মারফৎ। সেই সূত্রে পরিতোষদের বাড়িতে চলে আসা।কনভেন্টে পড়াশুনা করে রাহুল। এবার রেশমিদের মনে উদ্রেক হয় পরিতোষের মেয়ে কী আদৌ পড়াশুনা করে? এমন প্রত্যন্ত গ্রাম, তারওপর সংসারের বেহাল দশা। নুন আনতে সত্যি সত্যি পান্তা ফুরানোর অবস্থা। পোষাক-পরিচ্ছদেও তার স্পষ্ট ছাপ। জিজ্ঞাসা করা ঠিক হবে কীনা ভাবতে থাকে রেশমি। কিন্তু কৌতুহল বেশিক্ষণ চাপা থাকেনি। শেষমেষ রানিকে জিজ্ঞেস করে রেশমি। মেয়ে কোন ক্লাসে পড়ছে? রানি বলে, সংস্কৃতিতে অনার্স গ্রাজুয়েট হল এবছরই। জানি না চাকরি-বাকরি পাবে কিনা। সরকারি চাকরি পাওয়ার আশা তো না করাই ভাল। তাছাড়া আমাদের টাকা-পয়সাও নেই। যাক ওই পড়াশুনাটা তো হয়েছে। এই আর কি। আসলে মেয়ের চেহারা স্লিম ঠিক নয়, একেবারেই রুগ্ন। দেখলে মনে হবে ক্লাস এইট-নাইনের ছাত্রী। দরিদ্র আদিবাসী পরিবারে যাঁদের অন্নের সংস্থান করতেই ঘাম ছুটছে, সেই বাড়ির মেয়ে অনার্স গ্রাজুয়েট। পড়াশুনা করতে যেতে হত ৪০ কিলোমিটার দূরের বাঁকুড়া শহরে। শিক্ষকও নেই গ্রামে। এসব শুনে মনপ্রাণ জুড়ে যায় রেশমির। শহরের মানুষের অহঙ্কারের কথা ভেবে নিজেকেই ছোট ভাবতে থাকে রেশমি। এমন প্রত্যন্ত গ্রাম, বাড়িতে অর্থের সংস্থান নেই, পরিবারের কেউ কলেজ কেন স্কুলের গন্ডিও পার করেনি। অথচ সেই বাড়িতে অনার্স গ্রাজুয়েট। পড়াশুনার জন্য কত লড়াই! কথা-বার্তায় সেটুকুও বোঝার উপায় নেই। রেশমি ভাবতে থাকে, অথচ এদের কোনও চাকরিও জুটবে না। এসটি কোটা থাকলেও কী যায় আসে।চা বিস্কুট খেয়ে, ভাল-মন্দ গল্পগুজবকে সঙ্গী করে পরিতোষদের বাড়ি ছাড়ে উৎকল-রেশমিরা। তার মধ্যে ছোট্ট রাহুল বায়না ধরে লালঝুটি মোরগ নেবে বলে। রেশমিরা যখন গল্পে মত্ত তখন রাহুল ছুটে বেরিয়েছে ছাগল, মোরগদের পিছনে। এই অনাবিল আনন্দ তো আর শহরে পাবে না। সেখানে তো কৃত্তিমতায় ভরা। চরম আত্মকেন্দ্রীক সমাজ। দুই পরিবেশে বিস্তর তারতম্য উপলব্ধি করতে থাকে উৎকলরা। পরিতোষদের বাড়িতে দুটো গরু, গোটা চরেক ছাগল, ১৯-২০টা মোরগ-মুরগি আছে। এসব দিয়ে কিছু অর্থের সংস্থান হয় আর কী। রানি বলে, মোরগ নিয়ে গেলে নিয়ে যান। কিন্তু তা-তো আর সম্ভব নয়। ঘন্টাখানেক পরিতোষদের বাড়িতে ছিল ওরা। কিন্তু যেন তারই মধ্যে এমন টান জন্মে গিয়েছে পরিবারটির প্রতি উঠতেও যেন তাঁদের মন করছে না। মানুষ তাহলে এখনও আছে। শিক্ষার জন্য গরীব মানুষের লড়াই আছে। আর্থিক দৈন্যতা সত্বেও আন্তরিকতা আছে পূর্ণমাত্রায়। অজানা পরিবারেও আত্মার টানের উপলব্ধি আছে। এসব ভেবেই বিহ্বল হয়ে উঠল রেশমি। যদিও কলকাতায় পাশের ফ্ল্য়াটের লোকজন কেউ কারও খবর রাখে না। দেনা-পাওনার হিসেবেই সবাই ব্যস্ত। তাঁর কাছে এ যেন শহরের বাইরে এক নতুন পৃথিবী। নয়া জগত।আদিবাসী গ্রাম থেকে ফের মুকুটমনিপুরের অতিথিশালায় গিয়ে ওঠে উৎকলরা। পড়ন্ত বিকেলে কংসাবতীর ড্যাম দেখতে অতিসুন্দর। তারওপর বর্ষাকালে টইটুম্বুর জলে আকর্ষণ বেড় গিয়েছে আরও বেশ কয়েকগুন। লকগেট থেকে মাঝে-মধ্যে জলও ছাড়া হচ্ছে। মহানগরের কোলাহল থেকে মাথার চাপ হালকা করতে এভাবে হঠাৎ হঠাৎ অনেকেই ছুটে যান পাহাড়, জঙ্গল, সমুদ্রে। স্বল্প সময়ে অল্প পরিচিত পরিতোষ হেমব্রমের পরিবারের আদর-আপ্যায়ন, মেয়ের পড়াশুনার খবরে উৎকল-রেশমির মন যেন অজানা আনন্দে ভরে গিয়েছে। কংসাবতীর ড্যামের সৌন্দর্যও যেন তার থেকে ম্লান। ফুরফুরে বাতাসে শ্বাস আর বাড়তি কনফিডেন্স নিয়ে কলকাতায় ফিরে ফের কাজে মন দিল উৎকলরা। কিন্তু ভোলেনি বাঁকুড়ার রানিবাঁধে হেমব্রমদের। তা যে মনে গেঁথে আছে।

অক্টোবর ৩০, ২০২২
রাজনীতি

বর্ধমানে বিজয়া সন্মিলনী অনুষ্ঠানে বিস্ফোরক সুকান্ত মজুমদার!

বুধবার বর্ধমান সাংগঠনিক জেলার বিজয়া সন্মিলনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি রাজ্য সম্পাদক সুকান্ত মজুমদার। কয়েকদিন আগে তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র ও পূর্ব-বর্ধমান জেলা পরিষদের সহ সভাপতি দেবু টুডু বিজেপি নেতাদের ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে রাখার নিদান দিয়েছিলেন। সুকান্ত মজুমদার তাঁর বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন যে সমস্ত নেতাদের স্নায়ুতন্ত্র এত দুর্বল যে কে দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন তা বুঝতে পারছেন না, সে দলের না থাকাই ভাল। তিনি তৃণমূলের সাংসদ সৌগত রায়কে কটাক্ষ করে বলেন, আগেকার দিনে যাত্রাপালায় একজন বিবেক থাকত। নীতিকথা শুনিয়ে যেত এটাও সে রকম। তোয়ালে মুড়ে টাকা না নিলেই হল।তিনি সৌমিত্র খানের প্রসঙ্গে বলেন,পঞ্চায়েতে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। আমাদের দলে যাকে দায়িত্ব দেওয়া হয় তার সাথে আলোচনা হয় না। আমাকে সভাপতি করার আগেও হয়নি। তিনি আরও বলেন,অনন্ত মহারাজ রাজনৈতিক নেতা নন। তার কাছে কেউ যেতে পারেনমমিনপুরের প্রস্নগ টেনে বলেন, রাজ্যের আদালত নির্দেশ দিয়েছে। এন আই এ তদন্ত করছে। যারা অ্যারেস্ট হবার যোগ্য অ্যারেস্ট হবে। তিনি মল্লিকার্জুনকে কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান। সেই প্রসঙ্গে বলেন, মল্লিকার্জুন কংগ্রেস সভাপতি হলেন। এমন একটা জাহাজে উনি ক্যাপ্টেন হলেন যেটা থেকে সবাই পালাচ্ছে। তবে মোদীজি আবার প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন, সেই শপথ গ্রহণ সভায় বিরধী নেতা হিসাবে তাঁকে স্বাগত।সুকান্ত মাজ্যমদার আজ বলেন, পুলিশ ছাড়া তৃণমূল কংগ্রেসের কোনো অস্তিত্ব নেই। পুলিশ না থাকলে উবে যাবে। আজ শিলিগুড়ির কাওয়াখালী গ্রাউন্ডে উত্তরের বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন সিঙ্গুর থেকে টাটাকে সিপিএম তাড়িয়েছে, সেই প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, উনি তো মাঝে মাঝেই মিথ্যে কথা বলেন। এটা নতুন কিছু নয়।

অক্টোবর ১৯, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 17
  • 18
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ব্রিগেডের পরই কি ভোটের দিন ঘোষণা? বড় ইঙ্গিত দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচন কবে হবে এবং কবে ফল ঘোষণা করা হবে, তা নিয়ে এখন রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা চলছে। নানা মহল থেকে নানা ধরনের জল্পনা শোনা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতেই ভোট ঘোষণার সময় নিয়ে একটি ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মঙ্গলবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুরোধে ধর্মতলায় চলা ধরনা কর্মসূচি তুলে নেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপর সাংবাদিকদের সামনে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান তিনি। শুধু নির্বাচন কমিশন নয়, বিজেপিকেও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মমতা। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন বিজেপির ইঙ্গিতেই কাজ করছে।এই প্রসঙ্গেই কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ব্রিগেডের সভার পর যদি ভোটের দিন ঘোষণা করা হয়, তাতেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। তিনি দাবি করেন, এর আগেও এমন হয়েছে যে ব্রিগেডে সভা করার পরই ভোটের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী শনিবার চৌদ্দ মার্চ ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভা হওয়ার কথা রয়েছে। সেই সভার পরই নির্বাচন কমিশন ভোটের দিন ঘোষণা করতে পারে বলে মনে করছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও দাবি করেন, সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় নির্বাচন কমিশনকে ভর্ৎসনা করেছে আদালত। তাঁর কথায়, সব কথা লিখিত নির্দেশে থাকে না, অনেক বিষয় শুনানির ভিডিও দেখলে বোঝা যাবে।বিবেচনাধীন ভোটারদের প্রসঙ্গেও বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, আগামী পঁচিশ তারিখ এই বিষয়ে আবার শুনানি রয়েছে। তিনি বলেন, ভোটের দিন যদি পনেরো বা ষোলো তারিখে ঘোষণা করা হয়, তাতেও চিন্তার কিছু নেই। কারণ এই পুরো বিষয়টি তারা নজরে রাখছেন এবং আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর বাংলার ভোটের দিন ঘোষণা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ১০, ২০২৬
রাজনীতি

একদা কমিউনিষ্ট ঘাঁটিতে টানা তিনবার জিতেও নিশ্চিন্ত নয় তৃণমূল! বর্ধমান দক্ষিণে এবার কি হাড্ডাহাড্ডি লড়াই?

দক্ষিণ বর্ধমান বরাবর কমিউনিস্টদের শক্ত ঘাঁটি ছিল। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এই কেন্দ্র থেকে প্রথম দুটি নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন বিনয়কৃষ্ণ চৌধুরী। তখন তিনি প্রার্থী হয়েছিলেন অবিভক্ত কমিউনিষ্ট পার্টি তথা সিপিআই থেকে। তারপর এই আসন থেকে কংগ্রেস প্রার্থী বর্ধমানের মহারানী রাধারাণী মহতাব জয়ী হয়েছিলেন। তার আগের নির্বাচনে বিনয় চৌধুরী পরাজিত করেছিলেন বর্ধমানের মহারাজাকে। সেই সম্মান পুনরুদ্ধার করতে কংগ্রেস প্রার্থী হয়েছিলেন মহারাণী। তার পরে শুধু ১৯৬৭ ও ১৯৭২ সালে এই কেন্দ্রে কংগ্রেস জয় পেয়েছিল। এখানে থেকে জয়ী হয়ে মন্ত্রী হয়েছিলেন প্রদীপ ভট্টাচার্য। তাছাড়া ২০০৬ পর্যন্ত সিপিএম এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছে। ২০১১ সালে রাজ্যে পরিবর্তনের ভোটে তৃণমূল প্রার্থী রবিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায় ব্যাপক ভোটের ব্য়বধানে পরাজিত করেন রাজ্যের তৎকালীন শিল্পমন্ত্রী নিরুপম সেনকে। প্রায় ৩৭ হাজার ভোটে পরাজিত হন নিরুপম সেন। ২০১৬-তেও জয় পায় তৃণমূল। তখনও এই কেন্দ্রে প্রধান বিরোধী দল ছিল সিপিএম। রবিবঞ্জন চট্টোপাধ্যায় প্রায় ৩০ হাজার ভোটের ব্য়বধানে সিপিএম প্রার্থী আইনুল হককে পরাজিত করেন। ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী সন্দীপ নন্দীকে পরাজিত করেন তৃণমূল প্রার্থী খোকন দাস। তবে জয়ের ব্যবধান অনেকটাই কমে যায়। পাশাপাশি প্রায় অর্ধেক ওয়ার্ডে বিজেপি এগিয়ে থাকে তৃণমূলের থেকে। এই নির্বাচনে সিপিএম প্রার্থী পৃথা তা প্রায় ২৩ হাজারের ওপর ভোট পেয়েছিল।বর্ধমান পুরসভা এলাকা নিয়েই বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্র। তবে ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে কি হতে চলেছে তা নিয়ে জল্পনার শেষ নেই শহরজুড়ে। প্রথমত বিধায়ক খোকন দাসই টিকিট পাচ্ছেন কি না, তা নিয়েও গুঞ্জন রয়েছে। বিধায়ক অনুগামীরা জোরের সঙ্গে বলছেন টিকিট খোকন দাসই পাচ্ছেন। শহরে এক যুব নেতার নাম ভাসিয়ে দেওয়া হলেও বর্ধমান দক্ষিণে আদৌ সে টিকিট পাবেন কিনা তা নিয়ে কম জল্পনা নেই। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থেকে ক্রীড়া অনুষ্ঠান সবেই জোরদার প্রতিযোগিতা চলছে তৃণমূলের দুই তরফ থেকেই। অনেকের আবার বক্তব্য, নেপোয় দই মেরে দেবে না তো!তৃণমূল যাকেই প্রার্থী করুক এবার জোরদার লড়াই হবে বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে। এদিকে তৃণমূলের একটা সূত্রের দাবি, শহরে দলে ঘরের মধ্যে ঘর তৈরি হয়েছে। সেই ঘরও যথেষ্ট শক্তিশালী বলেই সেই অংশের দাবি। তাঁদের ভূমিকা জয়-পরাজয়ে অনেকটা নির্ভর করবে বলে রাজনৈতিক মহলের দাবি। পাশাপাশি যে ভাবে পর পর নির্বাচনে ওয়ার্ডগুলিতে পিছিয়ে পড়েছে তৃণমূল তাতে সংশয় বেড়েছে। মোদ্দা কথা, পর পর তিনবার জয় পেলেও এবার বর্ধমান দক্ষিণ কেন্দ্রে নেক-টু-নেক ফাইট হবার সম্ভাবনা প্রবল। একতরফা জয়ের কোনও সম্ভাবনা নেই বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মার্চ ১০, ২০২৬
কলকাতা

ধরনা শেষ করেই প্রাক্তন রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা মমতার! কেন্দ্রকে নিশানা করে বড় মন্তব্য

ধর্মতলায় একশো এক ঘণ্টা ধরে চলা ধরনা কর্মসূচি শেষ করার পরেই প্রাক্তন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বর্তমানে রাজ্য সরকারের অতিথিশালায় রয়েছেন প্রাক্তন রাজ্যপাল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ধর্মতলা থেকে সোজা সেখানে যান মুখ্যমন্ত্রী। দেখা করার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখিও হন তিনি। সেই সময় আবারও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়াতে দেখা যায় তাঁকে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যেহেতু প্রাক্তন রাজ্যপাল পরের দিন রাজ্য ছেড়ে চলে যাচ্ছেন, তাই তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছেন। তিনি জানান, আনন্দ বোসের সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর এবং তাঁদের মধ্যে ভালো সম্পর্কও ছিল। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, ভোটের আগে আচমকা তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এর পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে। তিনি বলেন, নিজের মনের কথাও আনন্দ বোসকে জানিয়েছেন। পাশাপাশি তাঁকে আবার বাংলায় আসার আমন্ত্রণও জানিয়েছেন।এই সাক্ষাৎ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি বার্তাও প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে তিনি প্রাক্তন রাজ্যপাল আনন্দ বোসের প্রশংসা করেন। মমতা লেখেন, পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল ডক্টর সিভি আনন্দ বোস রাজ্য ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। ধর্মতলায় পাঁচ দিনের ধরনা কর্মসূচি শেষ করার পর তিনি ব্যক্তিগতভাবে তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী আরও লেখেন, আনন্দ বোস অত্যন্ত পণ্ডিত ও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। তাঁর দায়িত্ব পালনের সময় রাজ্যের উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক নানা বিষয়ে তাঁর সঙ্গে আলোচনা করার সুযোগ হয়েছিল। সেই আলাপচারিতা তাঁর কাছে সবসময় মূল্যবান হয়ে থাকবে বলেও উল্লেখ করেন মমতা।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, আনন্দ বোসের আগামী দিনের সমস্ত উদ্যোগ ও দায়িত্বের জন্য তিনি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁর অগাধ জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতের পথচলায় আরও বড় সাফল্য এনে দেবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

মার্চ ১০, ২০২৬
দেশ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন, তবু বাংলাদেশের পাশে ভারত! পাঁচ হাজার টন ডিজেল পাঠানোর বড় সিদ্ধান্ত

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে যুদ্ধ পরিস্থিতি। তার জেরে গোটা বিশ্বেই জ্বালানি সঙ্কটের আশঙ্কা বাড়ছে। ভারতেও গ্যাস ও জ্বালানি নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল ভারত। দুঃসময়ে প্রতিবেশী দেশকে সাহায্য করতে পাঁচ হাজার টন ডিজেল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে ভারত-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব পাইপলাইনের মাধ্যমে।বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, সোমবার বিকেল তিনটে কুড়ি মিনিট নাগাদ ভারতের অসমের নুমালিগড় তৈলশোধনাগার থেকে ডিজেল পাম্পিং শুরু হয়েছে। পাইপলাইনের মাধ্যমে পাঠানো এই জ্বালানি প্রায় চুয়াল্লিশ ঘণ্টার মধ্যে বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার পর্বতপুর ডিপোতে পৌঁছে যাবে বলে জানা গেছে। তাঁর মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার এই সময়ে দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে এই পাইপলাইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। পাইপলাইনের মাধ্যমে সরাসরি জ্বালানি আসায় পরিবহন খরচ এবং সময় দুটোই অনেক কমে যায়।কিছুদিন আগেই বিভিন্ন ইস্যুতে ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। সেই সময় ভারতের পক্ষ থেকে ডিজেল রফতানি বন্ধ রাখা হয়েছিল বলে জানা যায়। তবে পরে তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্ক ধীরে ধীরে আবার স্বাভাবিক হতে শুরু করে। এই পরিস্থিতিতেই আবার বাংলাদেশে ডিজেল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে জ্বালানি সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করতে তৈরি করা হয়েছিল ভারত-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব পাইপলাইন প্রকল্প। এই প্রকল্প দুই দেশের অর্থনীতি এবং জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। এই পাইপলাইনের মাধ্যমে নিয়মিতভাবে বাংলাদেশে ডিজেল সরবরাহ করা সম্ভব হয়।বাংলাদেশের একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আপাতত দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে বলে দাবি করেছে সেখানকার সরকার। তবে উদ্বেগ শুধু জ্বালানি নিয়েই নয়। খাদ্য সঙ্কটের আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে, তাহলে বাংলাদেশের খাদ্যপণ্যের বাজারেও তার প্রভাব পড়তে পারে। সেই পরিস্থিতিতে ভারতের সাহায্যের দিকে তাকিয়ে থাকতে হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতির মূল কারণ মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা। ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাতের পর ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে বলে খবর। এই প্রণালী দিয়েই বিশ্বের প্রায় কুড়ি শতাংশ অপরিশোধিত তেল পরিবহন হয়। ফলে এই পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। হামলার আশঙ্কায় বিভিন্ন দেশের তেলের ট্যাঙ্কার এবং জাহাজ এখন সমুদ্রে অপেক্ষা করে রয়েছে।

মার্চ ১০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

লক্ষ্যের লক্ষ্যপূরণ অধরাই, অল ইংল্যান্ড শিরোপা হাতছাড়া

অল ইংল্যান্ড ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের স্বপ্ন এবারও অপূর্ণই থেকে গেল ভারতের। ফাইনালে উঠেও খেতাব জিততে পারলেন না ভারতের তরুণ শাটলার লক্ষ্য সেন। রবিবার (৯ মার্চ) পুরুষদের সিঙ্গলস ফাইনালে চাইনিজ তাইপেইয়ের লিন চুন ই-র কাছে হেরে যান তিনি। লক্ষ্যের লক্ষ্যপূরণ অধরাই থেকে গেল।প্রায় ৫৭ মিনিট ধরে লড়াই চলা এই ম্যাচে লক্ষ্য ১৫-২১ এবং ২০-২২ ব্যবধানে পরাজিত হন। ফলে গত ২৫ বছর ধরে অল ইংল্যান্ড ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতের খেতাব জয়ের অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হল। অন্যদিকে, এই জয়ের মাধ্যমে লিন চুনই প্রথম চাইনিজ তাইপেই শাটলার হিসেবে এই মর্যাদাপূর্ণ টুর্নামেন্টের খেতাব জিতলেন।উল্লেখ্য, চার বছর আগে অল ইংল্যান্ড চ্যাম্পিয়নশিপে রানার্স-আপ হয়েছিলেন লক্ষ্য সেন। চলতি বছর আবারও ফাইনালে উঠে সেই আক্ষেপ মেটানোর সুযোগ এসেছিল। আলমোড়ার ২৪ বছরের এই শাটলার ফাইনালেও লড়াই চালালেও শেষ পর্যন্ত শিরোপা অধরাই থেকে যায়।এই টুর্নামেন্টে ফাইনালে ওঠার পথে লক্ষ্য সেন দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখান। তিনি বিশ্বের এক নম্বর শাটলার শি ইউ কি এবং বিশ্ব তালিকার ছয় নম্বরে থাকা লি শি ফেংকে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছান। সেমিফাইনালে কানাডার ভিক্টর লেইয়ের বিরুদ্ধে খেলতে নেমে পায়ের চোট নিয়েও ৯৭ মিনিট লড়াই করে জয় তুলে নেন তিনি।ভারতের ইতিহাসে অল ইংল্যান্ড ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপের পুরুষদের সিঙ্গলসে এখনও পর্যন্ত মাত্র দুই ভারতীয় শাটলার খেতাব জিতেছেন, প্রকাশ পাড়ুকোন (১৯৮০) এবং পুলেল্লা গোপীচাঁদ (২০০১)। এছাড়া প্রকাশ নাথ (১৯৪৭) এবং সাইনা নেহওয়াল (২০১৫) ফাইনালে উঠলেও শেষ পর্যন্ত শিরোপা জিততে পারেননি।এবার লক্ষ্য সেন ফাইনালে উঠলেও শেষ হাসি হাসতে পারলেন না। ফলে অল ইংল্যান্ডে ভারতের শিরোপা জয়ের অপেক্ষা এখনও অব্যাহত রইল।

মার্চ ১০, ২০২৬
কলকাতা

“একুশের মতো পরিস্থিতি আর নয়”—বাংলায় ভোট ঘিরে কড়া বার্তা মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের

একুশের বিধানসভা নির্বাচনের মতো পরিস্থিতি আর যেন বাংলায় না ফিরে আসে, সেই বার্তাই বারবার দিতে চাইছে নির্বাচন কমিশন। ছাব্বিশের নির্বাচন যাতে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও চাপমুক্ত হয়, তা নিশ্চিত করাই কমিশনের প্রধান লক্ষ্য বলে জানালেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। বাংলায় দুদিনের সফরের দ্বিতীয় দিনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ভোটে কোনও ধরনের হিংসা বা ভয় দেখানো বরদাস্ত করা হবে না। ভোটারদের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার অধিকার রক্ষা করা হবে বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।সোমবার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। সেই বৈঠকে ভোট কত দফায় হবে তা নিয়ে আলোচনা হয়। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির তরফে এক বা দুই দফায় ভোট করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। জ্ঞানেশ কুমার জানান, রাজনৈতিক দলগুলির মতামত নেওয়া হয়েছে এবং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেই ভোটের দফা নির্ধারণ করা হবে। দিল্লিতে ফিরে কমিশন এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।মুখ্য নির্বাচন কমিশনার স্পষ্ট করে বলেন, এবারের ভোটে কোনওভাবেই হিংসা বরদাস্ত করা হবে না। তাঁর কথায়, ভোট যেন সম্পূর্ণ হিংসামুক্ত ও ভয়মুক্ত পরিবেশে হয়, সেই বিষয়ে কমিশন বিশেষ নজর দেবে। ভোটারদের উপর চাপ সৃষ্টি করার ঘটনাও কঠোরভাবে দমন করা হবে। তিনি বলেন, অতীতে ভোটের আগে এবং ভোটের পরে যে ধরনের হিংসার ঘটনা দেখা গিয়েছিল, কমিশন আশা করছে এবারে সেই পরিস্থিতি আর তৈরি হবে না। যদি কারও বিরুদ্ধে ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগ ওঠে, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।সোমবার প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গেও বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। সেখানে রাজ্যের জেলাশাসক, পুলিশ সুপার এবং পুলিশ কমিশনারদের কড়া বার্তা দেন তিনি। কোথাও কোনও অশান্তি বা আইনশৃঙ্খলার সমস্যা দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি। নির্দেশ না মানলে শুধু পদ থেকে সরানোই নয়, বিভাগীয় তদন্তের মুখেও পড়তে হতে পারে বলে জানিয়ে দেন।এবারের নির্বাচনে প্রতিটি বুথে বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা থাকবে। সব বুথেই ওয়েব সম্প্রচারের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে বলে জানানো হয়েছে। ভোট দিতে যাওয়ার সময় বুথের বাইরে মোবাইল ফোন জমা রেখে তবেই ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে ভোটারদের। ভোটযন্ত্রে প্রার্থীদের রঙিন ছবি দেখানোর ব্যবস্থাও থাকবে। কোনও প্রার্থী চাইলে ভোটের সাত দিনের মধ্যে ভোটযন্ত্র পরীক্ষা করার সুযোগও দেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রতিটি বুথে ভোটার সহায়তা কেন্দ্র খোলা হবে, যাতে ভোটাররা সহজেই প্রয়োজনীয় তথ্য ও সাহায্য পেতে পারেন।

মার্চ ১০, ২০২৬
কলকাতা

ষাট লক্ষ ভোটারের ভাগ্য ঝুলে! মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের উত্তরে বাড়ল ধোঁয়াশা

এসআইআর প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী বিবেচনাধীন ভোটারের সংখ্যা ছিল প্রায় ষাট লক্ষ। মঙ্গলবার কলকাতা হাই কোর্টের তরফে সুপ্রিম কোর্টে জানানো হয়েছে, এর মধ্যে ইতিমধ্যেই দশ লক্ষ ভোটারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখনও প্রায় পঞ্চাশ লক্ষ ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। ভোটের আগে এত বিপুল সংখ্যক ভোটারের বিষয় নিষ্পত্তি করা আদৌ সম্ভব কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিবেচনাধীন ভোটাররা শেষ পর্যন্ত ভোট দিতে পারবেন কি না, সেই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে এড়িয়ে গেলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার।এর আগে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালও বিবেচনাধীন ভোটারদের ভবিষ্যৎ নিয়ে স্পষ্ট কোনও দিশা দিতে পারেননি। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জ্ঞানেশ কুমার জানান, বিবেচনাধীন ভোটারদের নথি পরীক্ষা করে দেখার কাজ করছেন বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা। তাঁরা ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে একটি রিপোর্ট জমা দিয়েছেন এবং সেখানে জানিয়েছেন যে দশ লক্ষ ভোটারের বিষয় নিষ্পত্তি হয়েছে। তবে বাকি পঞ্চাশ লক্ষ ভোটারের বিষয় নিয়ে তিনি আর কোনও মন্তব্য করেননি। তিনি শুধু বলেন, যত দ্রুত সম্ভব সম্পূরক তালিকা প্রকাশ করা উচিত।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী গত আটাশ ফেব্রুয়ারি এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। সেই তালিকার পরে প্রয়োজন অনুযায়ী সম্পূরক তালিকা প্রকাশ করার কথা বলা হয়েছে। প্রার্থীদের মনোনয়নের আগের দিন পর্যন্ত এই তালিকা প্রকাশ করা যেতে পারে বলে নির্দেশ রয়েছে। ফলে বিবেচনাধীন ভোটারদের অনেককেই শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে তাঁদের ভোটাধিকার রয়েছে কি না তা জানার জন্য।এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক দলগুলিও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের মতে, বিবেচনাধীন ভোটারদের বিষয় নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ভোটের ঘোষণা করা উচিত নয়। তবে নির্বাচন কমিশন আগামী সপ্তাহেই ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করতে পারে বলে জল্পনা চলছে। অর্থাৎ ভোটের সময় একেবারেই সামনে চলে এসেছে। হাতে সময় খুবই কম। এখনও পর্যন্ত মাত্র দশ লক্ষ ভোটারের নথি পরীক্ষা শেষ হয়েছে, বাকি বিপুল সংখ্যক ভোটারের বিষয় নিষ্পত্তি বাকি। এত কম সময়ে এই বিশাল কাজ শেষ করা আদৌ সম্ভব কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকেও এখনও স্পষ্ট কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি। ফলে বিবেচনাধীন লক্ষ লক্ষ ভোটারের ভবিষ্যৎ আপাতত অনিশ্চয়তার মধ্যেই ঝুলে রইল।

মার্চ ১০, ২০২৬
দেশ

ভোটার তালিকা বিতর্কে বড় মন্তব্য! “একজনও বৈধ ভোটার বাদ যাবে না” বলল সুপ্রিম কোর্ট

এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে আগাম পিটিশন দাখিল হওয়ায় বিরক্তি প্রকাশ করল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত রাজ্যের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামীকে স্পষ্ট ভাষায় বলেন, এই ধরনের আগাম আবেদন ভুল বার্তা দিতে পারে। আদালতের মতে, এতে মনে হতে পারে যে আবেদনকারীরা বিচারব্যবস্থার উপর ভরসা রাখতে পারছেন না। প্রধান বিচারপতি মেনকা গুরুস্বামীকে জানান, আগাম পিটিশনের মাধ্যমে এমন বার্তা যাচ্ছে যে সিস্টেমের উপর আস্থা নেই। তাই তিনি আবেদনটি প্রত্যাহার করে নেওয়ার পরামর্শও দেন। একই সঙ্গে আদালত আশ্বাস দেয়, কোনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়বে না।এসআইআর সংক্রান্ত মামলা ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। এর মধ্যেই সোমবার আবার আদালতের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার। আগের দিন মেনকা গুরুস্বামী অভিযোগ করেছিলেন, অনেক ভোটারের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে এবং তাঁদের নথিও গ্রহণ করা হয়নি। তিনি জানান, যাঁরা আগে ভোট দিয়েছেন তাঁদের নথিও এখন গ্রহণ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।এই প্রসঙ্গেই মঙ্গলবার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি বলেন, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ইতিমধ্যেই প্রায় দশ লক্ষ মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের কোনও প্রশ্নের মুখে ফেলবেন না। তাঁরা নিজেদের দায়িত্ব অনুযায়ী কাজ করছেন। যাঁরা প্রকৃত ভোটার, তাঁদের অবশ্যই তালিকায় যুক্ত করা হবে বলে আদালত জানায়।রাজ্যের নতুন আবেদন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে প্রধান বিচারপতি বলেন, এই পিটিশন আগাম করা হয়েছে এবং এখনই তার প্রয়োজন ছিল না। তিনি মেনকা গুরুস্বামীকে আবেদন প্রত্যাহারের পরামর্শ দেন এবং বলেন, ভোট ঘোষণার আগেই এই কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে আদালত এও জানায়, প্রয়োজন হলে এই আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত অবমাননার নোটিসও জারি করা হতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতিতে আদালত সব পক্ষকেই নজরে রাখছে বলে মন্তব্য করে বেঞ্চ।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বর্তমানে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা অমীমাংসিত ভোটারদের তালিকা পরীক্ষা করে দেখছেন। এদিন আদালত নির্দেশ দেয়, রাজ্য সরকার এবং নির্বাচন কমিশনকে এই কাজে সবরকম সাহায্য করতে হবে। বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের যখন লগইন পরিচয়পত্র প্রয়োজন হবে, তখনই নির্বাচন কমিশনকে তা দ্রুত ব্যবস্থা করে দিতে হবে বলে জানায় আদালত।অমীমাংসিত তালিকার তথ্য পরীক্ষা শুরু হলেও এখনও পর্যন্ত সম্পূরক তালিকা প্রকাশ করা হয়নি বলে অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। এই পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, দ্রুত সম্পূরক তালিকা প্রকাশ করতে হবে। পাশাপাশি আদালত জানিয়েছে, এই বিষয় দেখভালের জন্য একটি ট্রাইবুনাল গঠন করা হবে। সেখানে প্রাক্তন প্রধান বিচারপতিকে রাখা হবে এবং একাধিক বিচারপতি এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকবেন। নির্বাচন কমিশন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে আলোচনা করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে বলে আদালত জানিয়েছে।

মার্চ ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal