• ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২, বৃহস্পতি ১২ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

UK

কলকাতা

বিজেপি নিজেই নাড্ডার কনভয়ে হামলা চালিয়েছেঃ সুব্রত মুখোপাধ্যায়

জেপি নাড্ডা যখন গাড়ি করে যাচ্ছিলেন, তখন তার গাড়ির ভেতর থেকে ভিডিও করে প্ররোচনা তৈরি করা হচ্ছিল। এটা পরিকল্পনামাফিক করা হয়েছে। জ়েপি নাড্ডার কনভয়ে হামলার প্রসঙ্গে এই মন্তব্য করলেন মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, পাবলিসিটির নেওয়ার জন্য এসব করা হয়েছে। রাজনীতির নাম করে শান্তিপ্রিয় পশ্চিম বাংলাকে অশান্ত করার চেষ্টা চলছে। তৃণমূল কংগ্রেসকে বদনাম করার চেষ্টা চলছে। আরও পড়ুন ঃ বাংলার পার্টি তৃণমূল, বিজেপি দিল্লির দলঃ মমতা এই পরিকল্পনা সফল হবে না। যদি কেউ অন্যায় করে থাকে তা যদি তৃণমূল কংগ্রেসের দলের কেউ হয়, আমরা খতিয়ে দেখব শাস্তি হবে। দলের কর্মীরা যাতে ফাঁদে পা না দেয়, সেই জন্য সতর্ক থাকতে অনুরোধ করব। তিনি আরও বলেন, আমি অবাক হব না, যদি বিজেপির নেতারা এটা করে থাকেন। আমরা অনেক জায়গায় দেখেছি , ওদের লোকেরা কিছু করে আমাদের নামে দোষ দেয়। যখন ওদের দলের কোনো নেতা আসেন নিজেরা নিরাপত্তা নিয়ে আসেন। আমরাও নিরাপত্তার দিই।

ডিসেম্বর ১০, ২০২০
কলকাতা

পুলিশ নয়, নিজেদের শট গানের ছররা গুলিতেই মৃত্যু বিজেপি কর্মীর, দাবি সুব্রতর

বিজেপির নিজেদের দুষ্কৃতীদের শটগানের ছররা গুলিতেই মৃত্যু হয়েছে বিজেপি কর্মী উলেন রায়ের। মঙ্গলবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক সম্মেলনে এই দাবি করলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায়। এদিন তিনি শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেট এর পাঠানো রিপোর্ট সংবাদমাধ্যমের কাছে তুলে ধরেন। সেই রিপোর্টে জানানো হয়েছে, শটগানের ছোট ছোট গুলি বুকে লেগে মৃত্যু হয়েছে উলেন রায়ের। সুব্রত মুখোপাধ্যায় জানান,পুলিশের কাছে কখনোই ছোট গুলি থাকে না। পুলিশের গুলি আকারে একটু বড় হয়। শটগানের গুলি আকারে ছোট হয়। সেইগুলি বুকে লেগেই বিজেপি কর্মী উলেন রায়ের মৃত্যু হয়েছে বলে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে স্পষ্ট। শটগান পাখিমারা থেকে শুরু করে খেলনা পিস্তল হিসেবেও ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ এর থেকে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে উত্তর কন্যা অভিযানে আন্দোলনের নামে বিজেপি বহিরাগত দুষ্কৃতীদের সঙ্গে নিয়ে এসেছিল।সুব্রত বাবু আরো জানান,তৃণমূল কংগ্রেস কখনোই গুলির রাজনীতি করে না। এই ঘৃণ্য রাজনীতি একটা সময় করেছিল সিপিএম। সেই সময় তারা বহু মানুষকে গুলি করে খুন করেছিল। তাই তাদের বিদায় নিতে হয়েছিল রাজ্য থেকে। এবার সেই গুলির রাজনীতি করছে বিজেপি। তাই তাদেরও আগামী বিধানসভা নির্বাচনের পর বাংলা থেকে বিদায় করে দেবে সাধারণ মানুষ। আরও পড়ুন ঃ সাংবাদিকদের সম্পর্কে মহুয়া মৈত্রর মন্তব্যকে মান্যতা দিল না তৃণমূল কারণ, বাংলার মানুষ অত্যন্ত শান্তিপ্রিয়। তারা কখনোই গুলির রাজনীতি পছন্দ করে না। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের নামে বিজেপির গুলির রাজনীতি অত্যন্ত নিন্দনীয়। তিনি বলেন, ওইদিন বিজেপি প্রথম থেকেই প্ররোচিত করছিল পুলিশকে। হাজারও প্ররোচনা সত্বেও গুলি করা হয়নি। লাঠি উঁচিয়ে তাড়া করেছেন মাত্র। এর বেশি আর কিছুই হয়নি। আমরা বারবার দেখেছি পুলিশের কোনও ভুল ছিল কিনা। পুলিশ মার খেয়েও লাঠি চালায়নি। উত্তরবঙ্গে যা হচ্ছে তা সত্য নয়। অসত্য প্রচার করে ধর্মঘট ডেকেছেন। পাশাপাশি কৃষি বিল নিয়ে কৃষকদের ডাকা বনধকে এদিন নৈতিকভাবে সমর্থন করেন সুব্রতবাবু। তিনি জানান, বনধ সমর্থন করি না। কিন্তু কৃষকদের দাবিকে সমর্থন জানিয়েছি। পাশে আছি আমরা। বনধ শান্তিপূর্ণভাবে হচ্ছে। আন্দোলনকে সমর্থন করে আজ থেকে পরপর তিনদিন মিছিল হবে। গান্ধীর মূর্তির পাদদেশে জমায়েত হবে। অনেক কৃষকভাই এসেছে। এই আন্দোলনের জয় হবেই। কৃষক আন্দোলনের বার্তা দিতে ব্লকে ব্লকে আন্দোলন হবে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
কলকাতা

সাংবাদিকদের সম্পর্কে মহুয়া মৈত্রর মন্তব্যকে মান্যতা দিল না তৃণমূল

দু পয়সার প্রেস। কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে চারদিকে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গেছে। সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা তাঁর এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। কলকাতা প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকেও তাঁর মন্তব্যের প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। কথা যে তিনি একেবারেই ভুল বলেননি, তাতে অনড় থেকেই দায়সারাভাবে ক্ষমাপ্রকাশ করেছিলেন টুইটে। তারপর থেকেই তাঁকে বয়কটের ডাক সংবাদমাধ্যমের একাংশের। আরও পড়ুন ঃ উত্তরকন্যা অভিযানে দুষ্কৃতীর গুলিতে মৃত্যু বিজেপি কর্মীর, দাবি পুলিশের মঙ্গলবার তৃণমূল ভবনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে মহুয়া মৈত্রর বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেন, সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে সাংবাদিকদের সঙ্গে সুসম্পর্কে বিশ্বাসী। আমরাও তাই বিশ্বাস করি। তাই সাংবাদিকদের প্রতি এমন মন্তব্য শুনে খারাপ লাগছে। তবে একটা কথা বলতে পারি। এটা ওর ব্যক্তিগত কথা, দলের নয়। আমরা প্রেসের সঙ্গে হৃদ্যতা রেখে চলি। তারা আমাদের বিরুদ্ধে লিখলেও রাখি। সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের মন্তব্য থেকে পরিস্কার, সাংসদের মন্তব্যের দায় নিচ্ছে না দল।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
রাজনীতি

অম্বেডকর নয়, রাজ্যজুড়ে চলছে ভাইপোর সংবিধানঃ কৈলাস

সোনা, কয়লা মাফিয়া কে? চলছে ভাইপোর সরকার। বাবা সাহেব আম্বেদকরের সংবিধান মেনে দেশ চলে। অম্বেডকর নয়, রাজ্যজুড়ে চলছে ভাইপোর সংবিধান। রবিবার সংবিধানের প্রণেতা বি আর অম্বেডকরের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে রেড রোডে বিজেপির সভা থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করলেন বিজেপি সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয়। তিনি বলেন, বাংলায় কয়লা চোর কে, মানুষ সবই জানেন। বাংলায় বিরোধীদের সম্মান নেই, দমনের চেষ্টা চলছে। কুর্সির জন্য নয়, বাংলাকে বাঁচাতে প্রাণ দিচ্ছেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। বাংলাদেশের অনুপ্রবেশকারীরা রাজ্যে লুঠপাট চালাচ্ছে। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বহিরাগত। রোহিঙ্গারা কী? তৃণমূল সরকারের কাছে বহিরাগতরাই আপন। বাংলাজুড়ে চলছে ধর্মের ভিত্তিতে তোষণের রাজনীতি। মমতার নাটক ধরে ফেলেছে বাংলার মানুষ। ২৫ লক্ষ টাকার চশমা পরেন ভাইপো। ৭৫ হাজার টাকার জুতো পরেন ভাইপো। যাঁরা পরিবারের সদস্যদের হারিয়েছেন, তাঁদের অভিশাপ পড়েছে। মমতা, আপনি দমানোর চেষ্টা করলেও, পারবেন না। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি তৃণমূলের থেকে ভয়ঙ্করঃ সুশান্ত ঘোষ মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করে কৈলাস আরও বলেন, কৃষি আইনের বিরোধিতা করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেকোনও জায়গায় বাংলার কৃষকরা ফসল বিক্রি করতে পারেন। কেন্দ্রেরও একই আইন, তাও মমতার দ্বিচারিতা। সেইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীকে তাঁর প্রশ্ন, কৃষকদের আন্দোলনকে সমর্থন করছেন। কিন্তু এ রাজ্যে কৃষকদের জন্য কিছু করতে গেলেই আপত্তি করেন কেন? শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দিতে চায় না মমতার সরকার। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের দেওয়া হচ্ছে কেন্দ্রের রেশন। জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি থেকে শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়া শুরু। বিজেপিতে আসার পরেই মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে ৪৫টি মামলা। অন্যদিকে, মুকুল রায় বলেন, সিএএ আইনের রূপায়ণ শুরু জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি থেকে। আর কয়েকদিন বাদেই বাংলায় ভোটে সবাই অংশ নিন। ২০২১-র লড়াইয়ে বিজেপিকে ক্ষমতায় আনতেই হবে। ২০০-র বেশি আসনে বিজেপিকে জেতাতেই হবে। আগামী দিনে অনুবিক্ষণ যন্ত্র দিয়ে দেখতে হবে তৃণমূলকে। আমাদের সভা করতে দেবে না বলছে, ইতিহাসের দেওয়াল লিখন পড়তে হবে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২০
রাজ্য

 উত্তরবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বেশি আসন জেতানোই এখন আমাদের লক্ষ্যঃ গুরুং

নরেন্দ্র মোদি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন আমাদের সমস্যা সমাধানের। কিন্তু কোনও কিছু হয়নি। রবিবার শিলিগুড়ির গান্ধী ময়দানে জনসভা থেকে বিজেপির বিরুদ্ধে সুর আরও চড়িয়ে এই মন্তব্য করলেন বিমল গুরুং। বিজেপির সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, অনেকবার আলোচনা হয়েছে, ফল শূন্য। গোর্খাদের কথা ভাবেইনি কেউ। গত ১২ বছরে পাহাড়ে বিজেপি জনপ্রতিনিধিদের নির্বাচিত করেছিলাম। কিন্তু কোনও কাজ হয়নি। এবার রাজু বিস্তা, দিলীপ ঘোষদের বুঝিয়ে দেব, গোর্খাদের সঙ্গে প্রতারণা করলে ফল কী হয়। পাশাপাশি, তিনি আরও বলেন, আমরা সবরকমভাবে তৃণমূলের হয়ে কাজ করব এখানে। আপনারাও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিততে সাহায্য করুন। উত্তরবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বেশি আসন জেতানোই এখন আমাদের লক্ষ্য। এছাড়াও তিনি বলেন, একাধিক প্রকল্পে কেন্দ্র দুর্নীতি করছে। রাজু বিস্তাকে সাড়ে চার লাখ ভোটে জিতিয়েছি পাহাড় থেকে। অথচ আমাদের দাবি নিয়ে কোনও আলোচনা নেই। রবিবারের সভা়মঞ্চ থেকে একগুচ্ছ রাজনৈতিক কর্মসূচিও ঘোষণা করেন গুরুং। শীঘ্রই দার্জিলিং, কার্শিয়ং, কালিম্পং, মিরিকে জনসভা করবেন বলে তিনি ঘোষণা করেন। আরও পড়ুন ঃ চোরের মায়ের বড় গলা, নাম না করে রাজীবকে কটাক্ষ অরূপ রায়ের রবিবার, বিনয়দের বিরুদ্ধে সরাসরি জিটিএ-র অর্থ নয়ছয় করার অভিযোগ করলেন। বললেন, কী ভাবে খরচ হচ্ছে জিটিএর টাকা, তার উত্তর চাই। এর জবাব আমরা বুঝে নেব। প্রসঙ্গত চলতি বছর দুর্গাপুজোর পঞ্চমীতে কলকাতায় দেখা দিয়েছিলেন একদা পাহাড়ে দাপুটে মোর্চা নেতা বিমল গুরুংকে। সল্টলেকের গোর্খা ভবনে ঢুকতে বাধা পেয়ে কলকাতার পাঁচতারা হোটেলে সাংবাদিক সম্মেলন করে বিজেপিকে কার্যত তুলোধোনা করেন তিনি। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতিভঙ্গের অভিযোগ তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অকুণ্ঠ সমর্থন করেন গুরুং। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের সঙ্গে অঘোষিত জোটে আসার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২০
রাজনীতি

দিদিমণিকে দেখে মায়া হয়ঃ দিলীপ

মোদিজি কৃষকদের কষ্ট বোঝেন। সেই কারণেই আলুর সহায়ক মূল্য বাড়িয়েছেন। রবিবার দুপুরে পূর্ব মেদিনীপুরের মুকুন্দপুরে কিষাণ মোর্চার সভায় যোগ দিয়ে এই মন্তব্য করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে এদিন ফের তিনি বলেন, আলুর কাটমানির টাকা যাচ্ছে কালীঘাটের টালির ছাদের নিচে। সব ওখানে জমছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তোপ দেগে বলেন, দিদিমণি সব কিছুরই বিরোধিতা করেন। কারণ উনি মানুষের কথা ভাবেন না। তিনি বলেন, যেখানে যা হচ্ছে উনি চিংড়ি মাছের মতো লাফাচ্ছেন। চিন্তায় দিদিমণি শুকিয়ে যাচ্ছেন। দেখে মায়া হয়। উনি ক্ষমতায় থেকেও এই অবস্থা। আর আমরা ক্ষমতায় না থেকেও দিব্যি আছি। সব পাচার বন্ধ। কেন্দ্রীয় সংস্থা তদন্তে নেমেছে। সব সত্য এবার প্রকাশ্যে আসবেই। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দু অধিকারী চলে গেলে দলে বিশাল শূন্যতা তৈরি হবেঃ রাজীব এদিন পূর্ব মেদিনীপুরের শঙ্করপুরে চা চক্রের আসরে শুভেন্দু অধিকারী প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, অনেক আম পেকেছে তৃণমূলে। শুধু পাড়ার অপেক্ষা। গাছ পাকা আমই ভাল। কার্বাইডে পাকানো আম ভাল নয়। এদিন সকালে চা চক্রে সুদীপ্ত সেনের চিঠি নিয়ে তিনি বলেন, যে চিঠি দিয়েছেন, সিবিআই তার সত্যতা যাচাই করবে দিল্লিতে। সবটাই সিবিআইএর হাতে। তাতে যদি কেউ দোষী হয়ে থাকেন তবে তার বিচার হবে। মুখ্যমন্ত্রীর সভা প্রসঙ্গে বলেন, লোকজন হবে না মুখ্যমন্ত্রীর সভায়। সেরকম হলে আমরা লোক পাঠিয়ে সহযোগিতা করতে পারি। বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ প্রসঙ্গে তৃণমূলকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তিনি। বলেন , তৃণমূল হারছে। বিদায় হয়ে যাচ্ছে। তাই শেষ কামড় দেওয়ার চেষ্টা করছে। সুশান্ত ঘোষ কোর্টের নির্দেশে ঘরে ফিরছেন। আগে যা হয়েছে, সেটা ভুলে লোকের কাছে প্রায়শ্চিত্ত করুক। ক্ষমা চান, নতুন করে রাজনীতি শুরু করুন।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২০
বিনোদুনিয়া

প্রয়াত অভিনেতা মনু মুখোপাধ্যায়

প্রয়াত অভিনেতা মনু মুখোপাধ্যায়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। রবিবার সকালে বাড়িতেই তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। অভিনেতার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বাংলা চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন জগতে। জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই হার্টের সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। কোমরে সমস্যা থাকায় তিনি চলাফেরাও করতে পারতেন না। ১৯৩০ সালের ১ মার্চ কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন মনু মুখোপাধ্যায়। তাঁর পিতার নাম অমরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়। ১৯৪৬ সালে ভারতী বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক পাশ হওয়ার পর তিনি ভর্তি হন মনীন্দ্রচন্দ্র কলেজে। বিশ্বরূপায় প্রম্পটার হিসাবে কাজে যোগ দেন ১৯৫৭ সালে। ক্ষুধা নাটকে অভিনয়ের সুযোগ পান। কালী বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিপরীতে অভিনয় করেন। তারপর ধীরে ধীরে নেশাকেই পেশা হিসাবে বেছে নেন। কালী বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে মৃণাল সেনের কাছে যান। তারপর নীল আকাশের নীচে ছবির মাধ্যমে সিনে দুনিয়ায় প্রথম আত্মপ্রকাশ করেন অভিনেতা। সত্যজিৎ রায়ের জয় বাবা ফেলুনাথ ছবিতে মছলিবাবার চরিত্রে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা লাভ করেন। এছাড়াও, গণশত্রু, পাতালঘর, মৃগয়ার মতো ছবিতেও অভিনয় করেছেন তিনি। বর্ষীয়ান অভিনেতাকে বহু ধারাবাহিকেও অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ অভিনেত্রীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের অভিযোগে আটক কাস্টিং ডিরেক্টর মনু মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। টুইটে তিনি নিখেছেন, থিয়েটার ও ফিল্ম জগতের বর্ষীয়ান অভিনেতা মনু মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে শোকাহত। টেলি সম্মান পুরস্কারের আসরে ২০১৫ সালে আমরা তাঁকে জীবন কৃতি সম্মানে ভূষিত করেছিলাম। তাঁর পরিবার, সহকর্মী ও অনুরাগীদের প্রতি রইল আমার সমবেদনা।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২০
রাজ্য

সত্যজিৎ বিশ্বাস খুনের মামলায় মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ সিআইডির

কৃষ্ণগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিত বিশ্বাস খুনের মামলায় বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করল সিআইডি। শনিবার এটি আদালতে জমা পড়েছে। খুনের ষড়যন্ত্রে মুকুল রায় জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে ৩০২ ও ১২০ বি ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মুকুল রায় ছাড়াও এই খুনের ঘটনায় রাণাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকারের বিরুদ্ধে আগেই সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত অভিজিৎ পণ্ডারি ও আরও একজনের সঙ্গে খুনের আগে ও পরে ফোনে কথা বলেছিলেন জগন্নাথ। জগন্নাথ সরকার এই খুনের ঘটনায় প্রত্যক্ষভাবে জড়িত বলে অভিযোগ সিআইডির। এফআইআরে নাম ছিল মুকুলের। সন্দেহভাজন হিসেবে আগে জমা দেওয়া চার্জশিটে নাম ছিল মুকুলের। আরও পড়ুন ঃ মেদিনীপুর থেকেই রাজ্যে প্রতিনিধিত্ব করবেন শুভেন্দু অধিকারীঃ দিলীপ এদিন মুকুল রায় বলেন, সত্যজিত বাচ্চা ছেলে। আমি এই খুনের ব্যাপারে জানি না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো পুলিশমন্ত্রী। তাঁর নির্দেশেই তো এই চার্জশিট হয়েছে। আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলছি, বুকে হাত দিয়ে বলুন , মুকুল কি খুন করতে পারেন ? তিনি আরও বলেন, আমার বিরুদ্ধে ৪৪টি মামলা আছে। আমার আইনের উপর ভরসা আছে। আইনের পথেই লড়ে নেব। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের আগে ৯ ফেব্রুয়ারি গুলি করে খুন করা হয় সত্যজিত বিশ্বাসকে। সেই খুনের ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। তখন আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন তিনি। সেই সময় তাঁর জামিন মঞ্জুর করেছিল আদালত। তবে আদালত জানিয়েছিল, তদন্ত প্রক্রিয়ায় তাকে সহযোগিতা করতে হবে। নদিয়া জেলায় যেতে পারবেন না তিনি।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দুর দলবদল নিয়ে প্রত্যয়ী মুকুল

নন্দীগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে জল্পনা চরমে উঠেছে। সেই জল্পনা আরও বাড়িয়ে তুললেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায়। শুক্রবার সর্বভারতীয় সংবাদসংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মন্ত্রিত্ব থেকে ইতিমধ্যেই ইস্তফা দিয়েছেন শুভেন্দু। সময়েই বলবে কোন পথে পা বাড়ান। আগামী দু, একদিনের মধ্যেই ইতি পড়বে। তবে উনি বিজেপিতে যোগদান করবেন বলে আমি আশাবাদী। প্রসঙ্গত, রবিবার শুভেন্দু অধিকারীর সভা রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরে। সেই সভা থেকেই তিনি আগামী পরিকল্পনা ঘোষণা করতে পারেন বলে জোর জল্পনা। তার মাঝেই মুকুল রায়ের এই মন্তব্য স্বভাবতই শুভেন্দুকে নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্ককে আরও বাড়িয়ে তুলবে বলে মত রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের। আরও পড়ুনঃ যাঁরা দলবিরোধী কাজ করছেন তাঁদের সরিয়ে দিন, শিশির অধিকারীকে নির্দেশ মমতার উল্লেখ্য, রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে শুভেন্দু অধিকারী ইস্তফা দেওয়ার পর সপ্তাহখানেক কেটে গিয়েছে। কিন্তু শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে জল্পনা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। আর সেই আগুনে প্রতিদিন ঘি দিচ্ছে তৃণমূল - বিজেপি দুপক্ষ। অরাজনৈ্তিক সভা করলেও সেখানে শুভেন্দু এ বিষয়ে সরাসরি কোনও মন্তব্য করছেন না। কিন্তু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠকে্র পর তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক যে ক্রমশই খারাপের দিকে যাচ্ছে , সে বিষয়ে অনেকটাই নিশ্চিত রাজ্যের রাজনৈ্তিক মহল। শুভেন্দুর সঙ্গে আর কোনওরকম আলোচনা করা হবে না, তৃণমূলের সূত্র মারফত এমনটাও জানা গিয়েছে। এই অবস্থায় বিজেপি তাঁকে পেতে কার্যত মরিয়া হয়ে উঠেছে। বঙ্গের একাধিক বিজেপি নেতার কথাবার্তায় তা একেবারে স্পষ্ট। এখন শুভেন্দু অধিকারী কবে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করেন, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন সকলেই।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দু তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে এলে স্বাগতঃ মুকুল

শুভেন্দু এখনও তৃণমূলের বিধায়ক। তৃণমূল ছেড়ে বেরিয়ে বিজেপিতে এলে স্বাগত। বুধবার সাংবাদিক সম্মেলন করে এমনটাই জানালেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায়। তিনি বলেন, শুভেন্দু গণআন্দোলনের নেতা। ও যদি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে বিজেপিতে স্বাগত। শুভেন্দু যে দলে আছে সেই দলের লোকেদের সঙ্গে কথা বলেছে, দল নজর রেখেছে। সৌগত রায়ের গতকালের মন্তব্য প্রসঙ্গে বলেন, বয়স হয়ে গেলে অনেক কিছু ভুলে যান। তৃণমূল বলে এখন কিছু নেই। যে যার নিজের মতো চলে। কর্মী স্বেচ্ছাসেবক ও দলীয় নেতৃত্বের মধ্যে পার্থক্য আছে। আরও পড়ুন ঃ একসঙ্গে কাজ করা সম্ভব নয়, সৌগতকে জানিয়ে দিলেন শুভেন্দু শুভেন্দু এলে বিজেপির পক্ষে লাভজনক হবে। আমি রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে বলছি। শুভেন্দু এলে ভোট ব্যাঙ্ক সঙ্গে আসবে। এতেই লাভ হবে বিজেপির। মুকুলের আরও সংযোজন, পিকে কে? পিকের অবস্থান কি? শুভেন্দু এখন আমার ছোট ভাই। যখন সহ সভাপতি হয়েছিলাম ও শুভেচ্ছা জানিয়েছিল। ওদের পরিবারের সঙ্গে ভাল সম্পর্ক।

ডিসেম্বর ০২, ২০২০
কলকাতা

সারদা মামলায় নয়া ভয়েস রেকর্ডিং সিবিআইয়ের হাতে

সারদা মামলার তদন্তে নতুন একটি ভয়েস রেকর্ডিং হাতে এসেছে সিবিআইয়ের। সেই ভয়েস রেকর্ডিং-এর ভিত্তিতে এবার জেলে গিয়ে সুদীপ্ত সেন ও দেবযানী মুখোপাধ্যায়কে জেরা করতে চান কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা। অভিযুক্তদের জেরার অনুমতি দিয়েছে নিম্ন আদালত। ্মঙ্গলবার দেবযানী মুখোপাধ্যায়ের আইনজীবীরা জামিনের জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন। সেই আবেদনের শুনানিতেই এমনটা জানানো হয়েছে সিবিআইয়ের তরফে। আরও পড়ুন ঃ আমফানের ত্রাণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ, ক্যাগ তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের তদন্তকারীদের দাবি, ওই ভয়েস রেকর্ডিং চিটফাণ্ড সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রয়েছে। আট সপ্তাহ পর ফের মামলার শুনানি। সেদিনই ফের দেবযানীর জামিনের আবেদনের শুনানি হবে। মামলাটি ওঠে বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে। শুনানিতে বিচারপতি জানতে চান, তদন্তে এত দেরি হচ্ছে কেন? কুণাল ঘোষ যদি জামিন পেতে পারেন, তাহলে দেবযানী মুখোপাধ্যায় কেন পাবেন না? সিবিআই-এর বক্তব্য, কুণাল ঘোষ মিডিয়া সংক্রান্ত অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছিলেন। তিনি সারদা গোষ্ঠীর বেতনভূক কর্মী ছিলেন। দেবযানী ও কুণালের বিষয়টি এক নয়।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
রাজ্য

বিজেপি মোর্চাদের মানুষ বলেই মনে করে নাঃ রোশন গিরি

তিনবার আমরা বিজেপিকে সুযোগ দিয়েছি পাহাড়ের উন্নয়নে কাজ করার। তিনবার সাংসদ নির্বাচন করেছি বিজেপি থেকে। কিন্তু কেন্দ্রের ক্ষমতায় বিজেপি আসার পরও কোনও লাভ হয়নি। বিজেপি মোর্চাদের মানুষ বলেই মনে করে না, গুরুত্বই দেয় না। আমরা তৃণমূলকে সমর্থন করব। রবিবার কার্শিয়াংয়ের জনসভা থেকে এভাবেই বিজেপির সমালোচনা করলেন রোশন গিরি। তিনি বলেন, ২০২৪-এর নির্বাচনে যে দল আমাদের গোর্খাল্যান্ডের দাবিকে সমর্থন করবে তাদেরই আমরা সমর্থন করব। এদিন তিনি স্পষ্ট করে দেন, একুশের আবার তৃণমূল ক্ষমতায় ফিরুক, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হোন এটাই তাঁদের আশা। তাই পাহাড়ে ভোটের লড়াইয়ে তৃণমূলের সঙ্গেই থাকবেন তাঁরা। পাশাপাশি বর্তমান জিটিএ অর্থাৎ অনীত থাপা পরিচালিত সংস্থার বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতি নিয়ে সরব হন রোশন গিরি। জিটিএ-তে অডিটের দাবি তোলেন। আরও পড়ুন ঃ জল্পনা জিইয়ে রেখে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা শুভেন্দুর এদিন তাঁর কথায় সমর্থন জুগিয়েছেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সদস্যরা। এদিন রোশন গিরির সভায় ভালই জমায়েত হয়েছিল। সভা শেষে অনেকটা উৎসবের মেজাজে ছিল পাহাড়বাসী। সেই পুরনো ছন্দে নাচে-গানে মেতে উঠলেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার বিমলপন্থী সমর্থকরা। প্রসঙ্গত, ৬ ডিসেম্বর শিলিগুড়ির বাঘাযতীন পার্কে সভা করতে পারেন বিমল গুরুং। সেদিন তিনি কি বলেন, সেটাই এখন দেখার।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
রাজনীতি

আগামী ৬ তারিখ পাহাড়ে বিমল গুরুং

আগামী ৬ তারিখ পাহাড়ে আসতে চলেছেন বিমল গুরুং। শনিবার এমনটাই জানালেন রোশন গিরি। শনিবার বাগডোগরা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান রোশন। রোশন গিরিকে স্বাগত জানাতে ভিড় জমায় গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার বিমল গুরুংপন্থীরা। তিনি বলেন, বিজেপি পাহাড়ের জন্য কিছু করেনি। পাহাড় সমস্যার স্থায়ী সমাধান করেনি। যে পার্টি গোর্খাল্যান্ড সমর্থন করবে, তাকেই আমরা সমর্থন করব। নরেন্দ্র মোদি , অমিত শাহ যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা পালিত হয়নি। তাই আমরা দিদিকে সমর্থন করছি। গুরুংয়ের নেতৃত্বে সাধারণ মানুষের বিশ্বাস আছে। বিনয় তামাংয়ের সময় পাহাড়ে গণতন্ত্র হরণ হয়েছে। এছাড়াও স্বজনপোষণ হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। রোশন দাবি করেন, বিমল গুরুংয়ের পাশে মানুষ রয়েছে। তারা পাহাড়ের মানুষের আবেগের সাথেই আছেন। প্রসঙ্গত, দীর্ঘ তিন বছর পর পাহাড়ে এলেন রোশন গিরি। বেশ কয়েকদিন যাবৎ বিমল রোশনরা পাহাড়ে আসবেন এমন গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। কিছুদিন আগে কলকাতায় প্রকাশ্যে এসেছিলেন বিমল গুরুং। রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের কাজকর্মের ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন গুরুং। রবিবার কার্শিয়াং মোটর স্ট্যান্ডে সভা করার কথা তার। পার্বত্য এলাকা বিমল গুরুংয়ের এবং গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার পতাকায় সাজিয়ে তোলা হয়। সূত্রের খবর, বিমল এবং রোশন আগামী সপ্তাহেও সিবচুতেও একটি সভা করবেন। আরও পড়ুন ঃ কালো রক্ত যত আছে, সব বিজেপিতে যাক , ফের বিস্ফোরক কল্যাণ গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার বিনয় তামাংপন্থী নেতা অনিত থাপার বক্তব্য, ভারত গণতান্ত্রিক দেশ। সবার সব জায়গায় যাওয়ার অধিকার আছে। বিগত তিন বছরের চেষ্টায় শান্তি ফিরচ্ছে পাহাড়ে। পাহাড় সকলের জন্য, যে কেউ আসতে পাহাড়ে। তবে আশার পেছনে কি উদেশ্য রয়েছে তা জানতে হবে। পাহাড়ে নতুন করে কোনো অশান্তি বরদাশ্ত করা হবে না।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
রাজ্য

অশালীন মন্তব্যের জের, অভিযোগ দায়ের অগ্নিমিত্রা পলের বিরুদ্ধে

অশালীন মন্তব্যের জেরে বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পলের বিরুদ্ধে তমলুক থানায় অভিযোগ দায়ের হল। তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৫০৪, ৩০৬ ও ৫০৯ নম্বর ধারায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ হাওড়ায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আনতে বসছে এক হাজার সিসিটিভি প্রসঙ্গত, তমলুকের সভা থেকে অগ্নিমিত্রা বলেছিলেন, বাংলায় মেয়েরা নিরাপদ নন। তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা ধর্ষণ করছে। দিদিমণি বলে দিয়েছেন, আমি তোদের চাকরি দিতে পারি নি। তাই এন্টারটেইনমেন্টের জন্য তোরা ধর্ষণ কর। ধর্ষণ হলে ক্ষতিপূরণ দিয়ে দেব। গোটা ঘটনায় কিছুটা অস্বস্তিতে পড়ে যায় রাজ্য বিজেপিও। বিদ্বজ্জন থেকে সাধারণ মানুষ সকলেই সরব হয়েছেন অগ্নিমিত্রার এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল ফেলুদা ফেরত ছবির ট্রেলার

সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত ফেলুদা ফেরত নিয়ে দর্শকদের মধ্যে প্রথম থেকেই উত্তেজনা তুঙ্গে। সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে মুক্তি পেল ফেলুদা ফেরত-এর ট্রেলার। শনিবার মুক্তি পেল ফেলুদা ফেরত-এর ট্রেলার। ট্রেলার লঞ্চ অনুষ্ঠানে ছিলেন বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পুরনো ফেলুদা সব্যসাচী চক্রবর্তী। ছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। দেখা গেল এই ছবির ফেলুদা টোটা রায় চৌধুরী, জটায়ু অনির্বাণ চক্রবর্তী। অতিথি হিসাবে ছিলেন সাহেব ভট্টাচার্য। আরও পড়ুন ঃ অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়কে অশ্লীল মেসেজ পাঠানোর অভিযোগ , ধৃত যুবক ছবির ট্রেলারে উঠে এল বনজঙ্গল, বাঘ, প্রাচীন মন্দির থেকে তোপসে, জটায়ু-সহ একাধিক স্থান এবং চরিত্র। তবে নজর কাড়লেন ফেলুদা রূপী টোটা রায় চৌধুরী। তাঁকে ওয়েব দুনিয়ার নয়া ফেলুদা হিসাবে মন্দ লাগল না। জানা গিয়েছে, ফেলুদা সিরিজের জনপ্রিয় দুই গল্প ছিন্নমস্তার অভিশাপ এবং যত কাণ্ড কাঠমান্ডুতে নিয়েই বানানো হচ্ছে এই সিরিজ।

নভেম্বর ২২, ২০২০
রাজনীতি

মুকুল রায়কে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি করছিঃ কুণাল

চিটফান্ড থেকে নারদা , আসল চক্রীদের দলে নিয়ে আড়াল করছে বিজেপি। আমি সারদা তদন্তে মুকুল রায়ের সঙ্গে যৌথ জেরা চেয়ে চিঠি দিয়েছি। নারদাতে সিআরপিসি ১৬১ অনুযায়ী আইপিএস মির্জার বয়ানের ভিত্তিতে মুকুল রায়কে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি করছি। রবিবার তৃণমূলে ভবনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমনই দাবি জানালেন দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, কলকাতার মেয়রের চেয়ারে বসে যিনি ঘুষের টাকা গোনেন , তার বাড়িতে যে বিজেপি নেতারা ছোটেন, তারপর যেন বড় বড় কথা না বলেন। আর সিন্ডিকেটের প্রকাশ্য সমর্থক বিধায়ক এখন বিজেপির রাজ্য সম্পাদক। অথচ মানুষকে ভুল বুঝিয়ে যাচ্ছে বিজেপি। আরও পড়ুন ঃ বহিরাগত রয়েছেন তৃণমূলেওঃ দিলীপ বহিরাগত প্রসঙ্গ টেনে কুণাল বলেন, বহিরাগতদের এনে এখানে গোষ্ঠীবাজি ঠেকিয়ে , উত্তেজনা ছড়িয়ে নজর ঘোরাতে চাইছে বিজেপি। বাংলার মন বোঝার কোনও নেতা বাংলায় নেই। মুকুল রায়ও বাংলা থেকে ভোটার হিসেবে নাম কাটিয়ে দিল্লি চলে গেছেন। শনিবারের সভায় কৈলাস বিজয়বর্গীয়র বক্তব্য নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি বলেন, বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ তো বলেন, তিনি ভাববাচ্যে কথা পছন্দ করেন না। বোঝেন না। স্পষ্ট কথা পছন্দ করেন । তাহলে কৈ্লাসবাবু নাম না করে ভাইপো ভাইপো করছেন কেন ? আমি ওঁকে চ্যালেঞ্জ করছি, যদি সাহস থাকে , যার বিরুদ্ধে কুৎসা করছেন, তার নাম বলুন। অন্যথায় মিথ্যা গল্প রটানো বন্ধ করুন। বিজেপি যেভাবে এক তরুণ বাঙালি যুবনেতার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন গুজবের গোয়েবেলসীয় কায়দা নিয়েছে, তাতে দুটো বিষয় স্পষ্ট, এক বিজেপি তাকে ভয় পাচ্ছে। দুই , বাংলার উন্নয়ন বা কাজের বিষয়ে কিছু বলার নেই। কুৎসাই তাদের হাতিয়ার। তিনি আরও বলেন, রাজনীতিতে পেরে না উঠলে ব্যক্তিকুৎসা বিজেপি আর বামেদের পুরনো খেলা। প্রফুল্ল সেন স্টিফেন হাউস কিনেছেন বলে রটানো হয়েছিল। পরে দেখা গেল মিথ্যে। রাজীব গান্ধীর বিরুদ্ধে বোফর্স কেলেঙ্কারির অভিযোগ এনে মানুষকে ভুল বোঝানো হয়েছিল। পরে সেটাও দেখা গেল মিথ্যে। এখন বাংলায় রাজ্য সরকারের উন্নয়নের সঙ্গে পাল্লা দিতে না পেরে তৃণমূলের বিরুদ্ধে, যুবনেতার বিরুদ্ধে কুৎসা চলছে। পরিবারসূত্রে রাজনীতি নিয়ে তিনি বলেন, বহু পেশাতেই পরিবারের পরের প্রজন্ম আসে। কেউ যদি দল ও সংগঠনে মন দেয়, দোষ কোথায়? বেছে বেছে একজনকে নিয়ে কুৎসা কেন ? এই প্রসঙ্গে তিনি কৈ্লাস ও মুকুলের ছেলের কথা বলেন।

নভেম্বর ২২, ২০২০
কলকাতা

অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে মুকুল রায়ের

অস্ত্রোপচারের পর ভালো আছেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। বৃহস্পতিবার গলব্লাডারে অস্ত্রোপচার হয়েছে তাঁর। সেই অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বুধবার হঠাৎ অসুস্থ বোধ করায় তাঁকে বাইপাসের একটা বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার সকালে তাঁকে দেখতে হাসপাতালে এসেন দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এছাড়াও তাঁকে দেখতে আসেন রাজ্যের বিজেপি পর্যবেক্ষক কৈ্লাস বিজয়বর্গীয়। আরও পড়ুন ঃ বহিরাগতদের মানে না বাংলার মানুষঃ চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য মুকুল রায়কে দেখে এসে দিলীপবাবু বলেন, মুকুলদা এখন ভালো আছেন। তিনি খুব শীঘ্রই দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেবেন। হাসপাতাল সূত্রে খবর, আগের থেকে অনেকটাই সুস্থ তিনি। আজ সকালে তরল জাতীয় খাবার দেওয়া হয়েছে তাঁকে। দু-একদিনের মধ্যে হাসপাতাল থেকে ছুটিও দেওয়া হবে। বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় উদ্বিগ্ন দলীয় নেতা - কর্মীরা।

নভেম্বর ২০, ২০২০
কলকাতা

বহিরাগতদের নিয়ে এসে রাজ্যে শান্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছেঃ সুখেন্দুশেখর রায়

লোকসভা নির্বাচনে ১৮ আসনে পেয়ে ভাবছেন বাজিমাত। ৷ ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে ১৮টি আসন পাওয়ায় বিধানসভা নির্বাচনেও আসন পাওয়ার দিবাস্বপ্ন দেখছে বিজেপি। লোকসভা-বিধানসভা নির্বাচনের তুলনা হাস্যকর। বাংলা কারও কাছে মাথানত করে না, করবে না। বাংলার মানুষ গুজরাত মডেল চান না। বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে এই ভাষাতেই বিজেপি-কে পালটা জবাব দেন তৃণমূল নেতা সুখেন্দুশেখর রায়। শুধু তাই নয়, তাঁর আরও অভিযোগ, বহিরাগতদের নিয়ে এসে রাজ্যে শান্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছে। আরও পড়ুন ঃ নেতাজির জন্মজয়ন্তীকে জাতীয় ছুটি ঘোষণার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি মমতার তৃণমূল নেতা বলেন, ২০০৯ সাল থেকে আজ অবধি জনগণের সমর্থন নিয়েই সরকার তৈরি করেছে তৃণমূল। সেই সময় সবচেয়ে পিছিয়ে ছিল বাংলা। মাথায় ছিল ঋণের বোঝা। জঙ্গলমহলে শান্তি ফিরিয়েছে তৃণমূল। বাংলাকে ভেঙে দাও, গুড়িয়ে দাও, জ্বালিয়ে দাও এটা আগে ছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার এসে তা বন্ধ করেছে। কিন্তু আবার শুরু হয়েছে। কেবল রাজনৈতিক দলটা বদলে গিয়েছে। পাশাপাশি দিলীপ ঘোষের বাংলাকে গুজরাত বানাব মন্তব্যেরও তীব্র নিন্দা করেন সুখেন্দু শেখর। তাঁর দাবি, বাংলায় না কি গুজরাট মডেল চালু হবে। এদিকে ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পে গুজরাটের থেকে এগিয়ে বাংলাই। এমনকী ১০০ দিনের কাজেও এগিয়ে এই রাজ্য। কৃষিক্ষেত্রে তৃণমূল সরকার ৬৫ শতাংশ বাজেট বৃদ্ধি হয়েছে, গুজরাতে ৪ শতাংশ। মানবাধিকার লঙ্ঘনে গুজরাতে নজির সৃষ্টি হয়েছে। বাংলা কারও কাছে মাথা নথ করে না। বাংলাকে গুজরাত বানাতে দেবে না বাংলার মানুষ। রাজ্যের শান্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছে। বহিরাগতদের দিয়ে এই কাজ চলছে।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
রাজনীতি

একুশের লড়াইয়ে বাংলায় বিজেপির দায়িত্বে ৫ কেন্দ্রীয় নেতা

রাজ্যের ৫ সাংগঠনিক জোনের দায়িত্ব দেওয়া হল ৫ কেন্দ্রীয় নেতাকে। মঙ্গলবার হেস্টিংসে দলের কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় নেতা এবং রাজ্য নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিজেপির পশ্চিমবঙ্গের সহকারি পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য। উপস্থিত ছিলেন সর্বভারতীয় সাংগঠনিক নেতা বি এল সন্তোষ , কৈলাস বিজয়বর্গীয়, অরবিন্দ মেনন, দিলীপ ঘোষ , মুকুল রায় , রাহুল সিনহা , অনুপম হাজরা প্রমুখ। মোট ৬ জন কেন্দ্রীয় নেতার উপস্থিতিতে বৈঠকে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, দলের পাঁচ সাংগঠনিক জোনে রাজ্য নেতাদের উপরে পর্যবেক্ষক ও আহ্বায়কের দায়িত্ব থাকবেন পাঁচ কেন্দ্রীয় নেতা। ঠিক হল, মেদিনীপুর, হুগলি ও হাওড়া দেখবেন সুনীল দেওধর, রাঢ়বঙ্গ দেখবেন বিনোদ সনকার, কলকাতা দেখবেন দুষ্ম্যন্ত গৌতম, নবদ্বীপ দেখবেন বিনোদ তাওরে এবং উত্তরবঙ্গ দেখবেন হরিশ দ্বিবেদী। আরও পড়ুন ঃ এই দল আমার নয়, হতে পারে নাঃ মিহির গোস্বামী এই পাঁচটি জোনের নতুন দায়িত্বে আসা নেতারা আগামী ১৮ থেকে ২০ নভেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট জোনের জেলা নেতৃ্ত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসে গোটা পরিস্থিতি বুঝে নেবেন। সেইমতো পরবর্তী পরিকল্পনা তৈ্রি হবে। বৈঠক শেষে অনুপম হাজরা সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানিয়েছেন , প্রত্যেকটি বুথে সপ্তাহে একটা করে অন্তত কর্মসূচি যাতে হয় , সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। যারা মান - অভিমান করে দলের থেকে দূরে সরে গিয়েছিলেন , তাদের সামনের সারিতে নিয়ে এসে লড়াইয়ের কথা বলা হয়েছে এদিনের বৈঠকে। এছাড়াও এদিনের বৈঠকে আলোচনায় উঠে আসে কোথায় কোথায় দলের সাংগঠনিক দুর্বলতা আছে। সেখানে তা দ্রুত মেরামতের ব্যবস্থা করতেও বলা হয়েছে।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
কলকাতা

ফের করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু কলকাতা পুলিশের সাব ইন্সপেক্টরের

ফের করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল কলকাতা পুলিশের এক সাব ইন্সপেক্টরের। মৃতের নাম মানব মুখোপাধ্যায়। তিনি কলকাতা পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চে কর্মরত ছিলেন। করোনা যুদ্ধে একেবারে সামনের সারি থেকে লড়ছিলেন তিনি। কোভিডে আক্রান্ত হয়ে সম্প্রতি ভরতি হন হাসপাতালে। সোমবার তিনি মারা যান। আরও পড়ুন ঃ পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু মহিলার , রণক্ষেত্র কাদাপাড়া মোড় এই নিয়ে করোনায় প্রাণ হারালেন কলকাতা পুলিশের ৯ জন সদস্য। করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন কলকাতা পুলিশের প্রায় পাঁচ হাজার জন। তাঁদের মধ্যে অবশ্য অধিকাংশই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। মানববাবুর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা হয়েছে কলকাতা পুলিশের তরফ থেকে।

নভেম্বর ১৬, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

আমেরিকায় পঞ্চাশ বছরে প্রথম তেল শোধনাগার, গড়ছে মুকেশ আম্বানির সংস্থা

আমেরিকায় নতুন একটি তেল শোধনাগার তৈরি হতে চলেছে এবং সেই প্রকল্পে বড় ভূমিকা নিতে চলেছে মুকেশ আম্বানির সংস্থা রিলায়েন্স। এমনই ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানান, টেক্সাসের ব্রাউনসভিল এলাকায় এই নতুন শোধনাগার তৈরি হবে। তাঁর দাবি, গত পঞ্চাশ বছরের মধ্যে এটিই হবে আমেরিকার প্রথম নতুন তেল শোধনাগার।ট্রাম্প বলেন, এই প্রকল্প আমেরিকার জ্বালানি শক্তিকে আরও মজবুত করবে। তাঁর কথায়, আমেরিকা আবার শক্তির আধিপত্যের পথে ফিরছে এবং দেশের স্বার্থই সবার আগে থাকবে। তিনি এই প্রকল্পে বিনিয়োগের জন্য ভারতের অংশীদার এবং দেশের অন্যতম বড় বেসরকারি জ্বালানি সংস্থা রিলায়েন্সকে ধন্যবাদ জানান।ট্রাম্প আরও দাবি করেন, এই শোধনাগারটি বিশ্বের অন্যতম পরিচ্ছন্ন তেল শোধনাগার হবে। এর ফলে আমেরিকার বিপুল আর্থিক লাভ হবে বলেও তিনি জানান। তবে এই প্রকল্প ভারতের সঙ্গে কোনও বড় চুক্তির অংশ কি না, তা তাঁর ঘোষণায় স্পষ্টভাবে বলা হয়নি।জানা যায়, ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং মুকেশ আম্বানির মধ্যে দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক রয়েছে। গত বছর কাতারে একটি অনুষ্ঠানে ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করেছিলেন রিলায়েন্সের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি। এছাড়া ভেনেজুয়েলার তেল কেনার বিষয়েও হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল রিলায়েন্স। এবার আমেরিকার মাটিতে তেল শোধনাগার তৈরির ঘোষণা সেই সম্পর্ককেই আরও স্পষ্ট করে তুলল।উল্লেখ্য, ইরানকে ঘিরে ইজরায়েল ও আমেরিকার সংঘাতের আবহে এই ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। এই সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহণ হয়। সেই পথ এখন বড়সড় চাপের মুখে পড়েছে।এই পরিস্থিতিতে অনেক তেলের ট্যাঙ্কার এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলাচল করতে পারছে না বলে জানা যাচ্ছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে। এই জ্বালানি সংকটের প্রভাব বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই পড়ছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই আমেরিকায় নতুন তেল শোধনাগার তৈরির ঘোষণা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

মার্চ ১১, ২০২৬
রাজ্য

জলাজমি ভরাট করে বাড়ি? এবার পুলিশের তলব হুমায়ুন কবীরের স্ত্রীকে

তৃণমূল কংগ্রেসের সাসপেন্ড হওয়া বিধায়ক এবং আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। জলাজমি ভরাট করে বাড়ি তৈরির অভিযোগে এবার তাঁর স্ত্রী মিতা সুলতানাকে তলব করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুর বারোটা নাগাদ তাঁকে শক্তিপুর থানায় হাজির হতে বলা হয়েছে।মুর্শিদাবাদের মানিক্যহার গ্রামে হুমায়ুন কবীরের বাড়ি রয়েছে। ওই বাড়িটি তাঁর স্ত্রী মিতা সুলতানার নামে নথিভুক্ত। সেই বাড়িকে ঘিরেই অভিযোগ উঠেছে যে জমির চরিত্র পরিবর্তন না করেই সেখানে বাড়ি তৈরি করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, যে জমির উপর বাড়ি তৈরি হয়েছে সেটি আগে নালা বা জলাশয়ের অংশ ছিল।এই বিষয়টি নিয়ে এর আগেই ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তর থেকে একটি নোটিস পাঠানো হয়। নোটিসে জানানো হয়, মানিক্যহার মৌজার নির্দিষ্ট একটি প্লটে প্রায় শূন্য দশমিক দুই একর জমির চরিত্র বেআইনিভাবে পরিবর্তন করা হয়েছে বলে অভিযোগ এসেছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে সাত দিনের মধ্যে লিখিতভাবে জবাব দিতে বলা হয় হুমায়ুন কবীরের স্ত্রীকে। একই সঙ্গে জানানো হয়, জবাব না পেলে আইন অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।নালা প্রকৃতির জমি সাধারণত জল বের হওয়ার ছোট খাল বা ডোবার মতো জায়গাকে বোঝায়। এই ধরনের জমি জলাশয় বা কৃষিজমির অংশ হিসেবে ধরা হয়। আইন অনুযায়ী এমন জমি ভরাট করা বা তার ব্যবহার পরিবর্তন করা বেআইনি। ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের অনুমতি ছাড়া এর চরিত্র বদলানো যায় না।তবে এই অভিযোগ মানতে নারাজ হুমায়ুন কবীর। তাঁর দাবি, যে বাড়ি নিয়ে এখন এত বিতর্ক হচ্ছে সেখানে তিনি প্রায় সতেরো থেকে আঠারো বছর ধরে বসবাস করছেন। তিনি জানান, জমির চরিত্র পরিবর্তন করে ভিটে করার জন্য বাম আমলেও একাধিকবার সরকারি দপ্তরে আবেদন করেছিলেন। তাঁর বক্তব্য, বাড়ি তৈরি করার সময় প্রশাসনের তরফে কোনও আপত্তি তোলা হয়নি।এখন তাঁর স্ত্রীর কাছে নোটিস পাঠানোকে তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলেই দাবি করেছেন। হুমায়ুন কবীরের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করার পর থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

মার্চ ১১, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধের ছ্যাঁকায় কার্যত লকডাউন পাকিস্তানে! অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ স্কুল, অফিসে আসতে হবে না সরকারি কর্মীদের

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব এখন ধীরে ধীরে বিশ্বজুড়ে পড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনার কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে বড় ধাক্কা লেগেছে। অভিযোগ উঠছে, ইরান এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করছে এবং পাশাপাশি আশপাশের দেশের তেল উৎপাদন ও শোধনাগারেও হামলা চালানো হচ্ছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংঘাত যদি দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে, তবে বিশ্ব অর্থনীতির উপর তার বড় প্রভাব পড়তে পারে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি দেশে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। শুধু ভারত নয়, প্রায় দশটি দেশ এই সমস্যার মুখে পড়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে পাকিস্তান।জ্বালানি বাঁচাতে পাকিস্তান কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে শুরু করেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কার্যত লকডাউনের মতো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ঘোষণা করেছেন যে স্কুলগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে পড়াশোনা হবে অনলাইনে। সরকারি অফিসগুলির কাজের দিনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।সরকারি দপ্তরগুলিতে আগামী দুই মাস জ্বালানির ব্যবহার অর্ধেক কমিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্যাঙ্ক ছাড়া অন্য সরকারি অফিস সপ্তাহে মাত্র চার দিন খোলা থাকবে। এছাড়া জরুরি পরিষেবা ছাড়া সরকারি কর্মীদের একটি বড় অংশকে বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রীদের ভাতাও কমানো হয়েছে।শুধু পাকিস্তান নয়, জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের উপরেও। সেখানে জ্বালানি ব্যবহারে সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। মোটরসাইকেলের জন্য দিনে সর্বোচ্চ দুই লিটার এবং গাড়ির জন্য দশ লিটার জ্বালানি নেওয়ার নিয়ম চালু হয়েছে।ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও জ্বালানির চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। শ্রীলঙ্কায় জ্বালানির দাম প্রায় আট শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। মায়ানমারে গাড়ি চলাচলের জন্য জোড় ও বিজোড় নম্বরের নিয়ম চালু করা হয়েছে। অনেক জায়গায় জ্বালানি না থাকায় পাম্প বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ফলে অনেক মানুষ পাশের দেশ থাইল্যান্ডে গিয়ে তেল কিনছেন।আমেরিকার কিছু রাজ্যেও জ্বালানির দাম বেড়েছে। ফ্লোরিডা এবং লুইজিয়ানায় প্রতি গ্যালন গ্যাসের দাম প্রায় এগারো সেন্ট পর্যন্ত বেড়েছে। ভিয়েতনামেও জ্বালানি সংকট মোকাবিলার জন্য বিশেষ টাস্ক ফোর্স তৈরি করা হয়েছে।বর্তমানে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ফ্রান্স, আমেরিকা, জার্মানি, পোল্যান্ড, ভিয়েতনাম, শ্রীলঙ্কা এবং ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশগুলিতে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত যদি দ্রুত থামানো না যায়, তবে আগামী দিনে এই সংকট আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মার্চ ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে মন্দিরে যাওয়া ঘিরে তুমুল বিতর্ক, কীর্তি আজাদকে কড়া জবাব গম্ভীরের

ভারতের টি-কুড়ি বিশ্বকাপ জয়ের পর বিশ্বকাপ ট্রফি মন্দিরে নিয়ে যাওয়া নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন উনিশশো তিরাশি সালের বিশ্বজয়ী দলের সদস্য কীর্তি আজাদ। তাঁর সেই মন্তব্যের পালটা জবাব দিয়েছেন ভারতের প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর এবং প্রাক্তন ক্রিকেটার হরভজন সিং। এই বিতর্কে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন উইকেটরক্ষক ঈশান কিষানও।ঘটনার সূত্রপাত বিশ্বকাপ জয়ের রাতেই। ট্রফি হাতে মন্দিরে গিয়েছিলেন দলের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব এবং প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার চেয়ারম্যান জয় শাহও। এই ঘটনাকে ঘিরেই প্রশ্ন তোলেন কীর্তি আজাদ। তাঁর বক্তব্য, বিশ্বকাপ ট্রফি দেশের সব ধর্মের মানুষের গর্ব। সেই ট্রফি কেন শুধু একটি নির্দিষ্ট ধর্মের উপাসনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হবে। তিনি আরও মনে করিয়ে দেন যে দলের হয়ে সঞ্জু স্যামসন ও মহম্মদ সিরাজের মতো ক্রিকেটাররাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।বিশ্বকাপ জয়ের পর ঈশান কিষান পাটনা বিমানবন্দরে পৌঁছলে সাংবাদিকরা কীর্তি আজাদের মন্তব্য নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করেন। সেই প্রশ্নে কিছুটা বিরক্ত হয়ে ঈশান বলেন, তাঁরা এত পরিশ্রম করে বিশ্বকাপ জিতেছেন এবং সেই সাফল্য নিয়েই কথা হওয়া উচিত। পরে যখন তাঁকে বিশ্বকাপ জয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়, তখন তিনি জানান যে দেশের জন্য এই জয় অত্যন্ত আনন্দের এবং স্মরণীয়।অন্যদিকে কীর্তি আজাদের মন্তব্য নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দেন গৌতম গম্ভীর। তাঁর বক্তব্য, এই ধরনের প্রশ্নের কোনও গুরুত্ব নেই। ভারতের বিশ্বকাপ জয় বড় ঘটনা এবং সেটাই উদযাপন করা উচিত। তিনি বলেন, এই ধরনের মন্তব্য করলে দলের পনেরো জন ক্রিকেটারের কঠোর পরিশ্রমকে ছোট করা হয়।এই বিতর্কে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন স্পিনার হরভজন সিংও। তিনি বলেন, একটি দল চাইলে ট্রফি মন্দিরে, মসজিদে বা গির্জায় যেখানেই খুশি নিয়ে যেতে পারে। যদি কেউ নিজের বিশ্বাস অনুযায়ী প্রার্থনা করেন, তাতে সমস্যা কোথায়। তাঁর মতে, দেশের বড় জয়কে নিয়ে রাজনীতি করা উচিত নয়। তিনি আরও বলেন, ঈশ্বরের রূপ আলাদা হতে পারে, কিন্তু বিশ্বাসের পথ এক। তাই কারও বিশ্বাস নিয়ে প্রশ্ন তোলা ঠিক নয়।

মার্চ ১১, ২০২৬
কলকাতা

আজই বাংলায় আসছেন নতুন রাজ্যপাল আর এন রবি, শপথের আগে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তেজনা

পশ্চিমবঙ্গে নতুন রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নিতে বুধবারই কলকাতায় আসছেন আর এন রবি । জানা গিয়েছে, এদিন সন্ধ্যা প্রায় ছয়টা পঁচিশ মিনিটে তিনি কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছবেন। সেখানে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হবে । এরপর বৃহস্পতিবার তাঁর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।এর আগে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল ছিলেন ডক্টর সিভি আনন্দ বোস । তবে নিজের কার্যকালের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তিনি গত পাঁচ মার্চ আচমকা দিল্লিতে গিয়ে ইস্তফা দেন। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তাঁর ইস্তফা গ্রহণ করার পরই ঘোষণা করা হয় যে আর এন রবি পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী রাজ্যপাল হচ্ছেন। এই ঘোষণার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় তীব্র আলোচনা এবং বিতর্ক।নতুন রাজ্যপালকে নিয়ে কড়া মন্তব্য করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বিজেপি ছাড়া আর কোনও কাজ করেন না এমন একজন ব্যক্তিকে রাজ্যপাল করা হয়েছে । তিনি আরও বলেন, তামিলনাড়ুতে যা করেছেন করেছেন, কিন্তু বাংলা সম্পূর্ণ আলাদা।আর এন রবি উনিশশো ছিয়াত্তর সালের কেরল ক্যাডারের আইপিএস অফিসার। কর্মজীবনে তিনি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি মেঘালয় এবং তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসেবেও কাজ করেছেন। এবার তাঁকেই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।এরই মধ্যে মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিদায়ী রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করেন। তার আগে তিনি এসআইআর বিরোধী অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন। সেই কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর ধর্মতলা থেকে সরাসরি রাজভবনে যান তিনি।সেখানে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তাঁর সঙ্গে সিভি আনন্দ বোসের সম্পর্ক ভালো ছিল। তিনি অভিযোগ করেন, ভোটের আগে হঠাৎ করে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, তিনি আনন্দ বোসকে বলেছেন যে এতদিন বাংলায় থাকার ফলে তিনি এই রাজ্যকে ভালোভাবে চেনেন, তাই ভবিষ্যতে আবার বাংলায় আসার জন্যও তাঁকে অনুরোধ করেছেন।এখন নতুন রাজ্যপাল হিসেবে আর এন রবির আগমনের পর রাজভবন এবং নবান্নের সম্পর্ক ভবিষ্যতে কীভাবে গড়ে ওঠে, তা নিয়েই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ১১, ২০২৬
দেশ

কোমায় পড়ে থাকা যুবকের জীবনের শেষ অধ্যায়, আদালতের অনুমতিতে সরানো হবে লাইফ সাপোর্ট

বারো বছরেরও বেশি সময় ধরে কোমায় থাকা এক যুবকের জীবনরক্ষাকারী কৃত্রিম চিকিৎসা ব্যবস্থা তুলে নেওয়ার অনুমতি দিল দেশের শীর্ষ আদালত। বুধবার সুপ্রিম কোর্ট এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত জানায়। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ওই যুবকের শরীরে চলা কৃত্রিম জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা ধীরে ধীরে বন্ধ করা হবে।জানা গিয়েছে, হরিশ রানা নামে ওই যুবক দুই হাজার তেরো সালে একটি ভবনের চতুর্থ তলা থেকে পড়ে গুরুতর মাথায় আঘাত পান। সেই দুর্ঘটনার পর থেকেই তিনি কোমায় রয়েছেন। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তাঁর অবস্থার কোনও উন্নতি হয়নি।বিচারপতি জে বি পারদিওয়ালা এবং কে ভি বিশ্বনাথনের বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে যে দিল্লির সর্বভারতীয় চিকিৎসা বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠানে তাঁকে উপশমমূলক চিকিৎসা কেন্দ্রে ভর্তি করা হবে। সেখানে পরিকল্পনা মেনে ধাপে ধাপে জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা তুলে নেওয়া হবে, যাতে তাঁর মর্যাদা বজায় থাকে।এর আগে আদালত ওই যুবকের বাবা-মায়ের সঙ্গেও দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিল। চিকিৎসকদের একটি বিশেষ কমিটি তাঁর চিকিৎসা সংক্রান্ত বিস্তারিত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয়। সেই প্রতিবেদনে বলা হয়, তাঁর সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে। আদালতও এই রিপোর্টকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে মন্তব্য করে।নিষ্ক্রিয় ইউথেনেশিয়া বলতে বোঝায় এমন পরিস্থিতি, যখন রোগীর শরীর বাঁচিয়ে রাখতে যে কৃত্রিম চিকিৎসা বা যন্ত্রের প্রয়োজন হয়, তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। যেমন ভেন্টিলেটর বা খাবার দেওয়ার নল। এতে রোগী স্বাভাবিকভাবেই মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যান। সক্রিয় ইউথেনেশিয়ার মতো এখানে কোনও প্রাণঘাতী ওষুধ দেওয়া হয় না, বরং চিকিৎসা বন্ধ করা হয় যখন সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।ভারতে নিষ্ক্রিয় ইউথেনেশিয়াকে সুপ্রিম কোর্ট দুটি গুরুত্বপূর্ণ রায়ের মাধ্যমে স্বীকৃতি দিয়েছে। দুই হাজার এগারো সালে অরুণা শানবাগ মামলায় প্রথমবার আদালত বিশেষ পরিস্থিতিতে নিষ্ক্রিয় ইউথেনেশিয়াকে অনুমতি দেয়। অরুণা শানবাগ মুম্বইয়ের একটি হাসপাতালে কর্মরত নার্স ছিলেন। উনিশশো তেহাত্তর সালে এক নৃশংস আক্রমণের পর তিনি দীর্ঘ সময় কোমায় ছিলেন। সেই মামলায় আদালত তাঁর জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা বন্ধের আবেদন খারিজ করলেও বিশেষ পরিস্থিতিতে এই ব্যবস্থা নেওয়ার আইনি পথ খুলে দেয়।এরপর ২০১৮ সালে একটি ঐতিহাসিক রায়ে সুপ্রিম কোর্ট জানায় যে মর্যাদার সঙ্গে মৃত্যুর অধিকারও সংবিধানের জীবনের অধিকারের অংশ। সেই রায়ে জীবনের শেষ পর্যায়ে নিজের ইচ্ছা আগেই লিখে রাখার ব্যবস্থাও স্বীকৃতি পায়।পরবর্তীতে ২০২৩ সালে আদালত এই নিয়ম আরও সহজ করে দেয় যাতে পরিবারগুলির জন্য প্রক্রিয়াটি বাস্তবসম্মত হয়। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, প্রথমে হাসপাতালের চিকিৎসকদের একটি বোর্ডকে জানাতে হয় যে রোগীর সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এরপর আরেকটি চিকিৎসক বোর্ডও সেই মত নিশ্চিত করে। রোগী যদি নিজের মত জানাতে না পারেন, তবে পরিবারের সদস্য বা নিকট আত্মীয় এই প্রক্রিয়া শুরু করতে পারেন।হরিশ রানার মামলায় সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন। দীর্ঘদিন কোমায় থাকা রোগীদের চিকিৎসা এবং মর্যাদার সঙ্গে মৃত্যুর অধিকার নিয়ে আবারও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ১১, ২০২৬
কলকাতা

আচমকা ইস্তফার পর বাংলাবাসীর উদ্দেশে আবেগঘন চিঠি রাজ্যপাল আনন্দ বোসের

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর রাজ্যের মানুষকে উদ্দেশ করে একটি আবেগঘন খোলা চিঠি লিখলেন সিভি আনন্দ বোস। চিঠিতে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার কথা প্রকাশ করেছেন।চিঠির শুরুতেই তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে নিজের প্রিয় ভাই ও বোন বলে উল্লেখ করেন। তিনি লেখেন, এই রাজ্যের মানুষের ভালোবাসা, সমর্থন এবং সহযোগিতার জন্য তিনি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। রাজ্যপাল হিসেবে তাঁর দায়িত্ব শেষ হলেও পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কখনও শেষ হবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর কথায়, পশ্চিমবঙ্গ এখন তাঁর দ্বিতীয় বাড়ি এবং ভবিষ্যতেও তিনি এই রাজ্যের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন।চিঠিতে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের আন্তরিকতা ও উষ্ণতার কথা স্মরণ করেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা হওয়া, শিশুদের উচ্ছ্বাস, তরুণদের দৃঢ় করমর্দন এবং প্রবীণদের স্নেহময় দৃষ্টিএই সব স্মৃতি তাঁর কাছে অমূল্য হয়ে থাকবে বলে জানান তিনি।আনন্দ বোস মহাত্মা গান্ধীর একটি উক্তির কথাও উল্লেখ করেন। তিনি লেখেন, মহাত্মা গান্ধী বলেছিলেন তিনি বাংলাকে ছেড়ে যেতে পারেন না এবং বাংলা তাঁকে যেতে দেবে না। এই কথার সঙ্গে নিজের অনুভূতির মিল খুঁজে পেয়েছেন বলেও তিনি জানান।চিঠিতে তিনি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উক্তির কথাও তুলে ধরেন। সেখানে শ্রমজীবী মানুষের মধ্যেই ঈশ্বরের উপস্থিতির কথা বলা হয়েছে। গত কয়েক বছরে তিনি রাজ্যের বিভিন্ন জেলা ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন বলে জানান। গ্রামের মানুষের বাড়িতে বসে খাওয়া, ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে পড়াশোনা করা এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করার অভিজ্ঞতা তাঁর কাছে খুবই মূল্যবান বলে তিনি উল্লেখ করেন।তিনি আরও লেখেন, বাংলার মানুষ তাঁদের সংস্কৃতি ও সামাজিক মূল্যবোধ নিয়ে গর্ব অনুভব করেন এবং এই বিষয়টি বাংলার মানসিকতার পরিচয় দেয়।চিঠির শেষে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের উন্নতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করেন যে আগামী দিনে বাংলা আরও সাফল্যের শিখরে পৌঁছাবে। সবশেষে তিনি বাংলার মানুষের সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ কামনা করে লেখেন, মা দুর্গা যেন এই রাজ্যের মানুষকে রক্ষা করেন।

মার্চ ১১, ২০২৬
কলকাতা

অটোর গ্যাসের দামে হঠাৎ বড় ধাক্কা, লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন চালকরা

রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ার পর থেকেই জ্বালানির বাজারে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। এবার সেই উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে লিটার প্রতি পাঁচ টাকা বেড়ে গেল অটোয় ব্যবহৃত এলপিজির দাম। হঠাৎ এই মূল্যবৃদ্ধিতে সমস্যায় পড়েছেন শহরের অটোচালকরা।চালকদের অভিযোগ, এতদিন লিটার প্রতি গ্যাসের দাম ছিল সাতান্ন টাকা আটষট্টি পয়সা। কিন্তু হঠাৎ করেই পাঁচ টাকা বাড়িয়ে এখন সেই দাম দাঁড়িয়েছে বাষট্টি টাকা আটষট্টি পয়সা।এদিকে বুধবার ভোররাত থেকেই শহরের প্রায় সব গ্যাস পাম্পে রিফিলের জন্য দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। বেঙ্গল কেমিক্যাল পাম্প থেকে সিটি সেন্টার পর্যন্ত প্রায় একই ছবি চোখে পড়েছে। গ্যাস ভরার জন্য অনেক চালককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে।পাম্প কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, কয়েক মিনিট আগেও পুরনো দামেই গ্যাস দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ নতুন নির্দেশিকা আসায় দাম বাড়াতে হয়েছে। কেন এই মূল্যবৃদ্ধি হল, তা নিয়ে ধোঁয়াশায় রয়েছেন অনেকেই।অটোচালকদের অভিযোগ, একদিকে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে গ্যাস ভরাতে হচ্ছে, অন্যদিকে হঠাৎ দাম বেড়ে যাওয়ায় তাঁদের সমস্যা আরও বেড়েছে। অনেকেই বলছেন, গ্যাস ভরতে কমপক্ষে তিন থেকে চার ঘণ্টা সময় লাগছে। কেউ কেউ আবার জানিয়েছেন, আগের দিন দুই থেকে তিন ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও গ্যাস পাননি।এর ফলে সময়মতো রুটে পৌঁছাতে না পারায় তাঁদের রোজগারেও প্রভাব পড়ছে। অনেক চালকই বলছেন, এই পরিস্থিতিতে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে।অন্যদিকে গ্যাস সরবরাহকারী সংস্থার কর্মীরাও স্বীকার করছেন যে সরবরাহ কম হয়েছে। তাঁদের মতে, প্রতিদিন যে পরিমাণ গ্যাসের প্রয়োজন হয়, তার প্রায় অর্ধেকই এখন পাম্পে পৌঁছাচ্ছে। ফলে সংকট আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই।

মার্চ ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal