• ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩, রবিবার ১০ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

T20

খেলার দুনিয়া

রিঙ্কু 'সিং'হের গুঁতোয় কুপকাত 'ক্যাঙারু' বাহিনী! বিশাখাপত্তনমের পর তিরুঅনন্তপুরমেও জয়, ভারত ২-০ তে এগিয়ে

আইডিএফসি টি-২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচে বিশাখাপত্তনমে জিতে ভারতীয় দল তিরুঅনন্তপুরমে আসে। রিঙ্কু, সূর্যকুমার, ঈশান ব্যাটিংয়ে ঝড় তুলে সেই ম্যাচে ২০৮ রান তাড়া করে এক বল বাকি থাকতেই জয়লাভ করে টিম ইন্ডিয়া। রবিবার তিরুঅনন্তপুরমে ব্যাটারদের সাথে পাল্লা দিয়ে দাপট দেখালেন দেখালেন ভারতের স্পিন ও পেস বোলারেরাও। প্রথমে ব্যাট করে ভারত অস্ট্রেলিয়ার জয়ের জন্য ২৩৫ রানের লক্ষমাত্রা রাখে। সেই পাহাড় প্রমান রান তাড়া করতে নেমে হুরমুড়িয়ে ভেঙে পড়ল অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস। বিশ্বচাম্পিয়ানেরা পুরো ২০ ওভার ব্যাট করে থামলেন ১৯১ রানে! ৪৪ রানে জয়লাভ করে মেন ইন ব্লু ২-০ ফলে সিরিজে এগিয়ে যায়।সন্মান পুনরুদ্ধারে মরিয়া বিশ্ব চাম্পিয়ান অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেটের ছোট সংস্করণ দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে টস জেতে অস্ট্রেলিয়া। টস জিতে অসি অধিনায়ক ম্যাথু ওয়েড প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। রবিবারের ম্যাচে ভারতীয় দলে কোনও বদল করেনি ভারত। প্রথম ম্যাচে বিজয়ী একাদশকে নিয়েই দ্বিতীয় ম্যাচে খেলতে নামে তারা। খেলার শুরু থেলেই বড় রানের লক্ষ্যে দ্রুত রান তোলার তাগিদে দুই ওপেনারই হাত খুলে বড় শট খেলেছেন। প্রথম ৫ ওভারেই ৬২ রান তোলে ভারত।Another commanding performance by Team India, securing a 2-0 lead in the T20I series against Australia! Kudos to our dynamic openers @ybj_19 and @Ruutu1331 for setting the stage on fire with their explosive fifties. @ishankishan51, holding his ground at number 3, played yet pic.twitter.com/pqGFUSM9Kj Jay Shah (@JayShah) November 26, 2023ভারতীয় ক্রিকেটে উদীয়মান ওপেনার যশস্বী জয়সাওয়াল মাত্র ২৪ বলে অর্ধশতরান করলেন। তাঁর মোট রানের ৯০ শতাংশ রান বাউন্ডারি মেরে করেছেন। তিনি মোট নটি (৯) বাউন্ডারি ও দুটি (২) ওভার বাউন্ডারি মারেন। যশস্বী জয়সাওয়াল অউট হয়ে ফিরে যাওয়ার পর তিন নম্বরে নেমে ভারতীয় ক্রিকেটের পকেট সাইজ ডিনামাইট ঈশান কিশান যশস্বীর মতো অর্ধশতরান করেই আউট হয়ে যান। তিনি ৫২ রান করলেন তিনি। মাত্র ৩২ বলে তিনটি (৩) চার ও চারটি ছয় মেরে এই রান করেন ঈশান। ছক্কা মেরে নিজের অর্ধশতরান পূরণ করেন ঈশান।শেষ পাঁচ ওভারে ভারতের রানের উল্কা গতি এনে দেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ও বিশ ওভারের নতুন সাইক্লোন রিঙ্কু সিং। ১০ বলে ১৯ রান করে আউট হন সূর্যকুমার। ভারত অধিনায়ক বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ দেন স্টোইনিসের হাতে। মাত্র ৯ বলে ৩১ রান করলেন রিঙ্কু। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ২৩৫ রান তুলল ভারত। ভারতীয় দলের প্রথম তিন ব্যাটার-ই অর্ধশতরান করলেন। শেষবেলায় ঝড় তুললেন রিঙ্কুও। রিঙ্কু চারটি চার এবং দুটি ছক্কা মেরেছেন। পরপর দুটি ম্যাচে দক্ষিণের দুদুটি শহরে রিঙ্কুর দাপট অব্যহত, বিশাখাপত্তনমের পর রিঙ্কু সাইক্লোন অব্যহত তিরুঅনন্তপুরমও। ওপেন করতে নেমে সারা খেলায় সিট অ্যাঙ্কারর ভূমিকায় অবতির্ন হন ঋতুরাজ। তাঁকে খুচরো রান নিয়ে স্ট্রাইক রোটেট করেই খেলতে দেখা যায়। শেষ ওভারে বড় শট খেলার লক্ষ্য নিয়েছিলেন ঋতুরাজ। সেই বড় শট নিয়ে গিয়েই আউট হলেন তিনি। নাথান ইলিশের বলে ৪৩ বলে ৫৮ রান করে টিম ডেভিডের হাতে ধরা পরে আউট রুতুরাজ।হাতে ২৩৫-র পাহাড় প্রমান রান হাতে নিয়ে বল করতে নামা ভারতীয় বোলারদের কাছে কাজটা অনেকটা সহজ ছিল। আগের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া ২০০ রান করেও ভারতের কাছে হার মানে। রবিবার আইডিএফসি টি-২০ সিরিজের দ্বিতীয় ম্যচে প্রথম দুওভারে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ এবং আরশদীপ সিংহ ৩১ রান দেওয়ার পর প্রাথমিক ভাবে অস্ট্রেলিয়া ভারতের শিরদাঁড়ায় কিছুক্ষণের জন্য হলেও ভয় ধরাতে সমর্থ হয়। আজ অসাধরণ বল করেন রবি বিষ্ণোই। ভারতীয় দলের এই লেগস্পিনার চার ওভারে ৩২ রান দিয়ে তিন তিনটি মহামুল্যবান উইকেট তুলে নিয়ে ভারতকে ম্যাচে ফেরান। বিরাট রানের বোঝা নিয়ে খেলতে নেমে অস্ট্রেলিয়া দ্রুত রান তুললেও নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায়। রান রেট বেড়ে যাওয়ায় চাপে বড় শট খেলতে বাধ্য হয় অসি ব্যাটাররা।A win by 44 runs in Trivandrum! 🙌#TeamIndia take a 2⃣-0⃣ lead in the series 👏👏Scorecard ▶️ https://t.co/nwYe5nOBfk#INDvAUS | @IDFCFIRSTBank pic.twitter.com/sAcQIWggc4 BCCI (@BCCI) November 26, 2023বিশাখাপত্তনমে রিঙ্কু, সূর্যকুমার, ঈশান রা ভালো ব্যাট করলেও বোলারদের পারফরমেন্স-এ খুশি ছিল না টিম ম্যনেজমেন্ট। রবিবার ভারত দুই বিভাগেই দাপটের সাথে পারফর্ম করে। বিষ্ণোই ছাড়াও শেষের দিকে পেসের আগুন ছুটিয়ে ৩ উইকেট পান প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা। প্ররম্ভিক ওভারে বল করতে এসে রান দিলেও স্লগ ওভারে তাঁর বলের লাইন লেন্থ অনেক নিয়ন্ত্রিত ছিল। ভারতের হয়ে যে পাঁচজন বোলার আজ বল করেছেন, তাঁদের প্রত্যেকেই উইকেট পেয়েছেন। একটি করে উইকেট পান আরশদীপ সিংহ, অক্ষর পটেল ও ভবিষ্যতের শামি মুকেশ কুমার।অস্ট্রেলিয়া ব্যাটেররা খেলার শুরু থেকেই মারমুখী ছিলেন। তাঁদের প্রথম উইকেটের পতন হয় ২.৫ ওভারে। দলীয় ৩৭ রানের মাথায় ভারতের সফলতম বোলার বিষ্ণোইয়ের গুগলি বুঝতে না পেরে বোল্ড হন ম্যাথু শর্ট (১৯)। এরপর বিষ্ণোইয়ের বলে আউট হন আগের ম্যাচে শতরানকারী ব্যাটার যোশ ইংলিস, দুরন্ত ক্যাচ নিলেন তিলক বর্মা, বিষ্ণোই-র ফ্লাইট মিস করে বড় শট খেলতে গিয়ে মিসহিট করেন, বলটা অনেক উঁচুতে উঠে যায়, অনেকটা পিছনে দোউড়ে সামনের দিকে ঝাঁপিয়ে তালুবন্দি করেন স্মিথকে। অস্ট্রেলিয়া ৩৯-২। এরপর আউট হন ম্যাক্সওয়েল। ৫৩ রানের মাথায় ৩ উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে যায় অস্ট্রেলিয়া। অক্ষরের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে যশস্বী-র হাতে ধরা দিলেন ম্যাক্সওয়েল। প্রথম দিকে মার খাওয়ায় প্রসিদ্ধ কে সরিয়ে নেন সুর্যকুমার। দ্বিতীয় স্পেলে বল করতে এসেই তুলে নিলেন প্রাক্তন অসি অধিনায়ক স্টিভ স্মিথকে। চতুর্থ উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। প্রসিদ্ধের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ দিলেন তিনি। দৌড়ে এসে শরীর ছুড়ে অসাধরণ ক্যাচ ধরেন যশস্বী। মাঝে স্টইনিস ও ডেভিড মরীয়া চেষ্টা করলেও ভারতীয় বোলারদের দাপটে একের পর এক উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। ১৫৫ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে হারের কিনারায় পোঁছায়।

নভেম্বর ২৬, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

প্রাক্তন পাক অধিনায়ক গম্ভীরের মতে মত দিয়ে কোন দুজনকে টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতীয় দলে নিতে বললেন?

২০-২০ র বিশ্বকাপে ভারতীয় পুরুশদের ক্রিকেট দলে রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলির অন্তর্ভুক্তি নিয়ে মিডিয়া থেকে শুরু করে হাটে-বাজারে জোড় জল্পনার ক্সুর নেই। তাঁদের ভবিষ্যত নিয়ে আম জনতার জল্পনা-কল্পনার মধ্যেই পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক ও বাঁহাতি দ্রুত গতির বোলার ওয়াসিম আক্রম ভিন্ন মত পোষণ করলেন। তাঁর মতে ভারতকে অবশ্যই ২০২৪-র আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপে তাদের দলের দুই মহারথী ব্যাটারকে দলে নিতে হবে। এখানে উল্লেখ্য, ২০২২ এর নভেম্বর টি-২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে শেষবারের জন্য বিরাট ও রোহিত ভারতীয় দলের প্রথম একাদশে খেলেন। তারপর থেকে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম ফর্ম্যাটে রোহিত এবং বিরাটের অনুপস্থিতি পাকিস্তানের এই জোরে বোলার কে খুব-ই আশ্চার্যান্বিত করেছে। ২০২৩-র টি ২০ বিশ্বকাপে রোহিত শর্মা অনুপস্থিত থাকায়, হার্দিক পান্ডিয়া ভারতীয় দলকে নেতৃত্ব দেন।কিছুদিন আগে এই বছরের প্রথম দিকে ভারতের বর্তমান অধিনায়ক ও প্রারম্ভিক ব্যাটার রোহিত শর্মা আমেরিকায় ক্রিককিংডম একাডেমির উদ্বোধনের সময় ২০২৪ টি-২০ বিশ্বকাপ নিয়ে খুব উৎসাহিত হয়ে তাঁর মতামত প্রকাশ করেছিলেন। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের অনুমান এর থেকে হয়ত তাঁর আগামী টি-২০ বিশ্বকাপের অংশগ্রহণের ব্যাপারে কিছুটা আন্দাজ করা যেতে পারে।পাকিস্তানের জোরে বোলার ও প্রাক্তন অধিনায়ক বলেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আর মাত্র কয়েক মাস বাকি। আমি ভারতের টিম বাছলে, ওই দুজনকেই দলে নেব। তারাই হবে ভারতের মূল খেলোয়াড়, এতে কোনো সন্দেহ নেই। টি-টোয়েন্টিতে ভারতের ব্যাটিং লাইনআপ-এ একটু অভিজ্ঞতার প্রয়োজন। আপনি শুধুমাত্র তরুণের উপর নির্ভর করতে পাড়েন না। স্পোর্টসকিডা-তে আক্রম আরও বলেন, রোহিত ১৪৮ টি ম্যাচে ৩৮৫৩ রান করেছেন। ওই ফর্মাটে তাঁর স্ট্রাইক রেট প্রায় ১৪০-র কাছাকাছি। রোহিত সেখানে চারটি (৪) শতরান এবং ২৯ টি অর্ধ-শতরান রয়েছে। ভারতের ওপর এক কিংবদন্তী ব্যাটার ক্রিকেটের এই ছোট ফর্মাটে ১১৫ টি ম্যাচ খেলে ৪০০৮ রান করেছেন, একটি সেঞ্চুরি এবং ৩৭টি অর্ধশতরান সহ এই মুহুর্তে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারি। এইমুহুর্তে ভারতের শুভমান গিল, যশস্বী জয়সওয়াল, ইশান কিষাণ, এবং রুতুরাজ গায়কওয়াড় সহ একগুচ্ছ তরুণ খেলোয়াড় আছে যারা আইপিএল-এর মত টুর্নামেন্টে তাঁদের প্রতিভার যথেষ্ট ছাপ রেখেছেন। যদি তরুণ প্রতিভারা পারফর্ম করতে না পারে সেক্ষেত্রে নির্বাচকরা বা বিসিসিআই রোহিতকে তার অবস্থান পুনর্বিবেচনার জন্য অনুরোধ করতেই পারে।রোহিত কুড়ি ওভারের ক্রিকেটের ভারতের সবচেয়ে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়। তিনি ১৪৮ টি ম্যাচ খেলেছেন যা ভারতের কোন ক্রিকেটারের সর্ব্বচ্চ, যেখানে কোহলি ভারতের হয়ে দ্বিতীয়- সর্বচ্চ স্থানে রয়েছেন, তিনি খেলেছেন ১১৫টি ম্যাচ। পুরুষদের টি-২০ বিশ্বকাপের আট বারই রোহিতের ধারাবাহিক পারফরমেন্স বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য। উল্লেখযোগ্যভাবে ২০০৭-র চাম্পিয়ান দলেও তাঁর অবদান অনস্বীকার্য ।ভারতের প্রাক্তন ওপেনার গৌতম গম্ভীর আবার মনে করেন শুধুমাত্র একজন বিশেষজ্ঞ ব্যাটসম্যান হিসেবে নয়, অধিনায়ক হিসেবেই রোহিতের বিশ্বকাপে অন্তর্ভুক্তির পক্ষে কথা বলেন। তাদের (রোহিত এবং কোহলি) উভয়কেই আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপে বাছাই করা দরকার, উভয়কেই বাছাই করা উচিত এবং আরও গুরুত্বপূর্ণ, আমি রোহিত শর্মাকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অধিনায়ক হিসাবে দেখতে চাই, গম্ভীর বলেন।

নভেম্বর ২৫, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

সূর্যের প্রখর তাপপ্রবাহে শীতের মরসুমেও ঝলসে গেল বিশ্বচাম্পিয়ান অস্ট্রেলিয়া

ম্যাড়মেড়ে বোলিং, ততোধিক বাজে ফিল্ডিং স্বত্তেও হার মানতে হল বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াকে। আইডিএফসি টি-২০ সিরিজের প্রথম ম্যচেই ভারতের কাছে না বলে সুর্যের কাছে হার মানলো ৬বারের একদিবসীয় বিশ্বকাপের চাম্পিয়ানদের। জশ ইংলিসের অসাধরণ ব্যটিং এর সুবাদে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করে ৩ উইকেট হারিয়ে ২০৮ রান সংগ্রহ করে অস্ট্রেলিয়া। ইংলিস তাঁর টি-২০ কেরিয়ারের প্রথম শতরান করেন আজ। ৫০ বলে ১১০ রানের এক অনবদ্য ইনিংস আজ বন্দরশহর ভাইজ্যাকে এল তাঁর ব্যাট থেকে। ইনিংস তাঁর ইনিংসে ১১টি চার এবং ৮টি ছক্কা মারেণ।Fantastic performance by Team India in the T20 opener against Australia! Special mention to skipper @surya_14kumar for his outstanding innings, @ishankishan51 for the explosive start and @rinkusingh235 for playing a blinder at the back end! Congratulations to the Men in Blue on a pic.twitter.com/QuMknUYRHF Jay Shah (@JayShah) November 23, 2023ভারতীয় দল একাধিক খেলোয়াড় কে বিশ্রাম দেওয়ায় এই টুর্নামেন্টে সূর্যকুমার যাদবকে অধিনায়ক নির্বাচন করা হয়। রিঙ্কু সিংহের অদম্য লড়াইয়ের রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ম্যাচে ভারত শেষ বলে ছক্কা মেরে ২ উইকেটে এই ম্যাচ জেতে। ভারতের ইনিংসের শেষ ওভারের শেষ বলটি নো বল হওয়ায় ১ বল বাকি থাকতেই ভারত এই ম্যাচ জেতে। সিরিজের প্রথম ম্যাচ জিতে ভারত এই সিরিজ়ে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল। জিতলেও একাধিক বিভাগে দুর্বলতা যথেষ্ট উদ্বেগে রাখবে রাখবে কোচ ভিভিএস লক্ষ্মণকে। বিশেষ করে ভারতীয়দের দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যাটিং!২০৯ রান তাঁরা করতে গিয়ে খেলার শুরুতেই রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের আউট হয়ে প্যাভিলিয়নেফিরে যান। একটিও বল না খেলে তৃতীয় ভারতীয় ব্যাটার হিসাবে ডায়মন্ড ডাক করে আউট হন রুতুরাজ গায়কোয়াড়। ভারতীয় দলের জোরে বোলার যশপ্রীত বুমর এবং লেগ স্পিনার অমিত মিশ্র-ও এর আগে এমন লজ্জার নজির রয়েছে। ফুচকা বয় খ্যাত ওপেনার যশস্বী জয়সওয়ালও এই ম্যাচে সেরকম দাগ রাখতে পারলেন না, ২১ রান করে তিনি আউট হয়ে ফিরে আসেন। পরপর দুটি উইকেট পরে যাবার পর হাল ধরেন ঈশান কিশন এবং সূর্যকুমার যাদব, তাঁরা দুজনে মিলে ১১২ রান জোগ করেন।What A Game!What A Finish!What Drama!1 run to win on the last ball and its a NO BALL that seals #TeamIndias win in the first #INDvAUS T20I! 👏 👏Scorecard ▶️ https://t.co/T64UnGxiJU @IDFCFIRSTBank pic.twitter.com/J4hvk0bWGN BCCI (@BCCI) November 23, 2023বিশ্বকাপ ফাইনালে চূড়ান্ত ব্যর্থ সূর্যকুমার যাদব দিকে নজর ছিল নির্বাচকদের। বিশ্বকাপ জুড়ে উত্তাপহীন মৃয়মান সুর্য আজ জেন মধ্যগগনে বিরাজ করলেন। অনেকদিন পড়ে চেনা মেজাজে দেখা গেল টি-২০-র বাদশা কে। জুটি তে লুটি কিষান-যাদবের লড়াইয়ে যাদব-ই অগ্রাসী ছিলেন প্রথম থেকেই। ইশান কিষান তাঁর ৩৯ বলে ৫৭ রানের ইনিংসে, ২টি চার এবং ৫টি ছক্কা মারেন। ছয় নম্বরে নেমে কেকেআর-র রিঙ্কু সিং আগ্রাসী ব্যাটিং করে ম্যাচ শেষ করে ড্রেসিংরুমে ফিরে আসেন। আজকের ম্যাচে রিঙ্কু সিংহের সহনশীলতা ও ম্যাচুরিটি বিশেষজ্ঞ মহলে যথেষ্ট দাগ কাটতে সক্ষম। শেষ ওভারে অপরদিকে তিন তিনটি উইকেট পড়ে যেতে দেখেও রিঙ্কু লক্ষে অবিচল ছিলেন। কিন্তু এক কি সাম - সূর্য কি নাম মার্কা ম্যাচে ৪২ বলে ৮০ রান করে ঝলসে দেওয়া ইনিংসে সুর্য মেরেছেন ৯টি চার এবং ৪টি ছয়। সব বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে-ই তিনিই এই ম্যাচের সেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার পেলেন।ঘাম জেবজেবে বিশাখাপত্তনমের আবহাওয়া-ই ভারতীয় বোলারদের পারফরমেন্স অনেক কিছু প্রশ্ন রেখে গেল। যাঁদের ভরসায় টস জিতে আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ভারতের নতুন অধিনায়ক সূর্যকুমার, তাঁদের পারফরমেন্স ছিল খুব-ই দুর্বল। শুরু থেকেই মারমার কাটকাট ব্যাটিং শুরে করেন দুই গোড়াপত্তনকারী অস্ট্রেলীয় ব্যাটার। দুই ওপেনার ফিরে যাবার পরও অস্ট্রেলিয়া ব্যাটিং সেই ধাক্কার প্রতিচ্ছবি সেভাবে প্রভাব বিস্তার করেনি। জশ ইংলিসএবং স্টিভেন স্মিথ-র জুটি দ্বিতীয় উইকেটে ১৩০ রান জোড়েন। এই ইনিংসের সুবাদেই অস্ট্রেলিয়া প্রাথমিক ভাবে চালকের আসনে বসে যায়। বিশ্বকাপে সে ভাবে রান না পেলেও এখানে স্মিথ করলেন ৪১ বলে ৫২ রান। জীবনের প্রথম বার গোড়াপত্তন করতে নামা স্মিথ করেন ৮টি বাউন্ডারি পড়েন।

নভেম্বর ২৪, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

‌ব্যর্থ হয়ে গেল ভুবনেশ্বরের দুরন্ত বোলিং, আবার হার ভারতের

৭ বছর আগে এই দক্ষিণ আফ্রিকার কাছেই কটকের বারাবাটি স্টেডিয়ামে বিধ্বস্ত হয়েছিল ধোনির ভারত। ঋষভ পন্থদের সামনে ছিল প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারলেন না ঋষভরা। দ্বিতীয় ম্যাচে ৪ উইকেটে ভারতকে হারিয়ে টি২০ সিরিজে ২০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা। দুরন্ত বোলিং করেও দলকে জেতাতে পারলেন না ভুবনেশ্বর কুমার।এদিনও টস জিতে ভারতকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা। শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারত। কাগিসো রাবাডার অফ স্টাম্পের বাইরের বল তাড়া করতে গিয়ে উইকেট ছুড়ে দিয়ে আসেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড় (১)। এরপর আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন ঈশান। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ঈশান কিষাণ ও শ্রেয়স আইয়ার ৩৫ বলে ৪৫ রান যোগ করেন। সপ্তম ওভারে ঈশান কিষাণকে তুলে নেন আনরিখ নরটিয়ে। ২টি ছয় ও ৩টি চারের সাহায্যে তিনি করেন ২১ বলে ৩৪। ৪৮ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় ভারত।অধিনায়ক ঋষভ পন্থও এদিন নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ৭ বলে ব্যক্তিগত ৫ রান করে আউট হন দলের ৬৮ রানের মাথায়। তাঁকে তুলে নেন কেশব মহারাজ। হার্দিক পাণ্ডিয়া ১২ বলে ৯ রান করে ওয়েন পার্নেলের বলে বোল্ড হলে ভারতের স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ৯০। বড় রানের দিকে এগোচ্ছিলেন শ্রেয়স আইয়ার। কিন্তু ১৩.৫ ওভারে তিনি ডোয়েন প্রিটোরিয়াসের বলে কট বিহাইন্ড হন। ২টি করে চার ও ছয় মেরে শ্রেয়স ৩৫ বলে করেন ৪০। ১৭ তম ওভারের শেষ বলে অক্ষর প্যাটেলকে (১১ বলে ১০) বোল্ড করেন নরটিয়ে। ১১২ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বড় রানের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় ভারতের। শেষ ৫ ওভারে ভারত ১ উইকেট হারিয়ে তোলে ৪৪ রান। দীনেশ কার্তিক শেষ দিকে আগ্রাসী ব্যাটিং করে ভারতকে ১৪৮/৬ রানে পৌঁছে দেয়। ২১ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত থাকেন কার্তিক। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ২টি করে ৪ ও ৬। ৯ বলে ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন হর্ষল প্যাটেল। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের মধ্যে আনরিখ নরটিয়ে ৪ ওভারে ৩৬ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। কাগিসো রাবাডা ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান খরচ করেন, একটি উইকেট পান তিনিও।জয়ের জন্য ১৪৯ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। প্রথম ওভারেই ফিরে যান কুইন্টন ডিককের পরিবর্তে ওপেন করতে নামা রেজা হেনড্রিকস (৪)। তাঁকে তুলে নেন ভুবনেশ্বর কুমার। এক ওভার পরে আবার ধাক্কা দক্ষিণ আফ্রিকার। এবার আউট ডোয়েন প্রিটোরিয়াস (৪)। তিনিও ভুবনেশ্বরের শিকার। ষষ্ঠ ওভারে রাসি ভ্যান ডার ডুসেনকে (১) হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। অধিনায়ক তেম্বা বাভুমার সঙ্গে জুটি বেঁধে দলের বিপর্যয় সামাল দেন হেনরিখ ক্লাসেন। ১৩.২ ওভারে চাহালের বলে বোল্ড হন বাভুমা। ৩০ বলে তিনি করেন ৩৫। বাভুমা আউট হলেও চাপে পড়েননি ক্লাসেন। ডেভিড মিলারের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে দেন। ৪৬ বলে ৮১ রান করে করে আউট হন ক্লাসেন। তাঁকে তুলে নেন হর্ষল প্যাটেল। ওয়েন পার্নেলকে (১) ফেরান ভুবনেশ্বর। তাসত্ত্বেও জয় আটকায়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। ১০ বল বাকি থাকতেই দলকে জয়ের লক্ষ্যে (১৪৯/৬) পৌঁছে দেন ডেভিড মিলার। ১৫ বলে ২০ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। এদিন দুরন্ত বোলিং করেও দলকে জেতাতে পারলেন না ভুবনেশ্বর। ৪ ওভারে মাত্র ১৩ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নেন তিনি।

জুন ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মিলার আবার হয়ে উঠলেন ‘‌কিলার’‌, প্রোটিয়াদের কাছে ৭ উইকেটে হার ভারতের

বোর্ডে ২১২ রান তুলেও শেষরক্ষা হল না। এবার দেশের হয়ে খেলতে নেমে কিলার হয়ে উঠলেন ডেভিড মিলার। তাঁকে যোগ্য সঙ্গ দিলেন রাসি ভ্যান ডার ডুসেন। দুজনের দুরন্ত ব্যাটিংই ভারতের বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৭ উইকেটে জয় এনে দিল প্রোটিয়াদের। ভারতের ২১১/৪ রান ৫ বল বাকি থাকতেই তুলে ফেলল দক্ষিণ আফ্রিকা। এদিন টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন প্রোটিয়া অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা। ভারতের দুই ওপেনার ঈশান কিশান ও ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের ওপর কোনও প্রভাব খেলতে পারেননি কেশব মহারাজ, কাগিসো রাবাডা, আনরিখ নর্টিয়েরা। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ভারত তুলে ফেলে ৫১। এরপরই ধাক্কা খায় ভারত। সপ্তম ওভারের দ্বিতীয় বলেই পার্নেলের বলে আউট হন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। ১৫ বলে তিনি করেন ২৩। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান ঈশান কিশান ও শ্রেয়স আয়ার। ৩৭ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ঈশান। শেষ পর্যন্ত ৪৮ বলে ৭৬ রান করে তিনি আউট হন। আইপিএলে সেভাবে জ্বলে উঠতে না পারলেও দেশের হয়ে নিজেকে মেলে ধরলেন। শ্রেয়স আয়ার করেন ২৭ বলে ৩৬। তাঁকে তুলে নেন প্রিটোরিয়াস। শ্রেয়স যখন আউট হন, ভারতের রান তখন ১৬.১ ওভারে ১৫৬। পাওয়ার প্লেতে ঝড় তোলেন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক ঋষভ পন্থ ও হার্দিক পান্ডিয়া। দুজনে ১৪ বলে ৪৬ রানের জুটি গড়ে তোলেন। ১৯.১ ওভারের মাথায় আউট হন ঋষভ। ভারতের রান তখন ২০২। ১৬ বলে ২৯ রান করেন ঋষভ। ঝড় তুলে ১২ বলে ৩১ রান করে অপরাজিত থাকেন হার্দিক পান্ডিয়া। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২১১ রান তোলে ভারত। দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে এটাই ভারতের সর্বোচ্চ রান। শুধু তাই নয়, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধেও টি২০ ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রানের স্কোর ভারতের।জয়ের জন্য ২১২ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ভারতের বিরুদ্ধে এই সিরিজকে পরীক্ষানিরীক্ষার জন্য বেছে নিয়েছে প্রোটিয়ারা। সিরিজ শুরুর আগেই অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা বলেছিলেন, বিশ্বকাপের জন্য ব্যাটিং অর্ডার ঠিক করে নিতে চান। কুইন্টন ডিককের সঙ্গে এদিন ওপেন করতে নেমেছিলেন বাভুমা। তিনি নিজেকে মেলে ধরতে ব্যর্থ হন। ৮ বলে মাত্র ১০ রান করে তিনি ভুবনেশ্বর কুমারের বলে ঋষভ পন্থের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ডোয়েন প্রিটোরিয়াস ১৩ বলে ২৯ রান করে হর্ষল প্যাটেলের বলে বোল্ড হন। কুইন্টন ডিকক ১৮ বলে করেন ২২।৮.৪ ওভারে ৮১ রানে ৩ উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপর দলকে এগিয়ে নিয়ে যান রাসি ভ্যান ডার ডুসেন ও ডেভিড মিলার। আইপিএলে দারুণ ছন্দে ছিলেন রাজস্থান রয়্যালসের এই ব্যাটার। ভারতের বিরুদ্ধেও সেই ছন্দ অব্যাহত রাখেন। ২২ বলে ৫০ রান পূর্ণ করেন। অন্যদিকে, শুরুতে সতর্ক থাকলেও পরের দিকে ঝড় তুলে ৩৭ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন ডুসেন। শেষ ৩ ওভারে জয়ের জন্য ৩৪ রান দরকার ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার। ১৭ তম ওভারে ভুবনেশ্বর কুমারের বলে ২২ রান তুলে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেন মিলার ও ডুসেন। ১৯.১ ওভারে ২১২ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। ৪৬ বলে ৭৫ রান করে অপরাজিত থাকেন ডুসেন। ৩১ বলে ৬৪ রান করে অপরাজিত থাকেন মিলার।

জুন ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শ্রেয়স–জাদেজা ঝড়ে উড়ে গেল শ্রীলঙ্কা, টানা সপ্তম সিরিজ জয় ভারতের

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে টি২০ সিরিজ জয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইট ওয়াশ করার পর শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধেও কি ৩০ ব্যবধানে সিরিজ জিততে পারবে ভারত? শ্রেয়স আয়ার ও রবীন্দ্র জাদেজার দুরন্ত ব্যাটিং ভারতকে দ্বিতীয় টি২০ ম্যাচে ৭ উইকেটে জয় এনে দিল। ২০ ব্যবধানে সিরিজে এগিয়ে গেল ভারত। এই নিয়ে দেশের মাঠে টানা সপ্তমবার টি২০ সিরিজ জিতল।ধরমশালায় টস জিতে শ্রীলঙ্কাকে ব্যাট করতে পাঠান রোহিত শর্মা। শ্রীলঙ্কা প্রথম ১০ ওভারে নিজেদের একেবারেই মেলে ধরতে পারেনি। রান তোলার গতি ছিল খুবই শ্লথ। শেষ ৩ ওভারে পাথুম নিসাঙ্কা ও দাসুন শানাকার ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ভারতকে চ্যালেঞ্জ ছুঁ্ড়ে দেয় শ্রীলঙ্কা। নির্ধারিত ২০ ওভারে শ্রীলঙ্কা তোলে ৫ উইকেটে ১৮৩ রান। ২টি চার ও ৫টি ছয়ের সাহায্যে ১৯ বলে ৪৭ রানে অপরাজিত থাকেন শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শানাকা। শেষ ৪ ওভারে শ্রীলঙ্কা তোলে ৭২ রান। পাথুম নিসাঙ্কা ও দাসুন শনাকার পঞ্চম উইকেট জুটিতে ২২ বলে ওঠে ৫০। নিসঙ্কা অর্ধশতরান পূর্ণ করেন ৪৩ বলে। ভুবনেশ্বর কুমারের বলে এলবিডব্লু আউট হওয়ার আগে ৫৩ বলে করেন ৭৫ রান। নিসঙ্কা ১৯ তম ওভারের শেষ বলে আউট হলেও শ্রীলঙ্কাকে বড় রানে পৌঁছে দেন অধিনায়ক শানাকা। ১৯ বলে ৪৭ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ২০ ওভারে শ্রীলঙ্কা তোলে ১৮৩/৫। ভুবনেশ্বর কুমার ৩৬ রানে ১টি, যশপ্রীত বুমরা ২৪ রানে ১টি, যুজবেন্দ্র চাহাল ২৭ রানে ১টি ও রবীন্দ্র জাদেজা ৩৭ রানে ১টি উইকেট দখল করেন।রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই রোহিতের (১) উইকেট হারায় ভারত। প্রথম ওভারের শেষ বলে তুলে নেন দুষ্মন্ত চামিরা। ষষ্ঠ ওভারের প্রথম বলে ১৬ রান করে ঈশান কিষাণ আউট হন। ভারতের রান তখন ৪৪। এরপরই শ্রেয়স আয়ার ও সঞ্জু স্যামসনের জুটি ভারতকে জয়ের দিকে এগিয়ে দেয়। ঝোড়ো ব্যাটিং করে তাঁরা জুটিতে তোলেন ৮৪ রান। ২৫ বলে ৩৯ রান করে আউট হন সঞ্জু স্যামসন। এরপর শ্রেয়সের সঙ্গে জুটি বেঁধে দুরন্ত ব্যাটিং করে ভারতকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন রবীন্দ্র জাদেজা। ১৭ বলে বাকি থাকতেই ৩ উইকেট হারিয়ে ১৮৬ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত। শ্রেয়স ৪৪ বলে ৭৪ ও জাদেজা ১৮ বলে ৪৫ রান করে অপরাজিত থাকেন।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌রোহিতকে আবার দুহাত ভরে দিল ইডেন, টি২০ সিরিজ জয় ভারতের

রোহিত শর্মা ইডেনের বরপুত্র। ক্রিকেটের নন্দনকানন কখনও তাঁকে খালি হাতে ফেরায়নি। অধিনায়ক হিসেবে ইডেনেই প্রথম টি২০ সিরিজ জিতেছিলেন রোহিত। টানা দ্বিতীয় সিরিজ জয়। একদিনের সিরিজে হোয়াইট ওয়াসের পর টি২০ সিরিজেও ঘুরে দাঁড়াতে পারল না ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ইডেনে টানটান উত্তেজনার ম্যাচে ক্যারিবিয়ানদের ৮ রানে হারিয়ে টি২০ সিরিজও জিতে নিল ভারত। আগের ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ভুগতে হয়েছিল ক্যারিবিয়ানদের। দ্বিতীয় ম্যাচে টস জিতে পরে ব্যাট করেও জয়ের রাস্তায় ফিরতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টস জিতে এদিন ভারতকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক কিয়েরন পোলার্ড। শুরুটা ভাল হয়নি ভারতের। দ্বিতীয় ওভারেই ফিরে যান ঈশান কিশান (২)। এরপর জুটি বেঁধে ভারতকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন অধিনায়ক ও সহঅধিনায়ক। জুটিতে ওঠে ৪৯ রান। অস্টম ওভারে ছন্দপতন। রস্টন চেজের বলে ব্রেন্ডন কিংয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রোহিত (১৯)। সূর্যকুমার যাদব (৮) দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। নিজস্ব মেজাজে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন বিরাট কোহলি। ৪১ বলে ৫২ রান করে রস্টন চেজের বলে বোল্ড হন তিনি। এরপর ভারতে ১৮৬/৫ রানে পৌঁছে দেন ঋষভ পন্থ ও ভেঙ্কটেশ আয়ার। ১৮ বলে ৩৩ রান করে আউট হন ভেঙ্কটেশ। ২৮ বলে ৫২ রান করে অপরাজিত থাকেন ঋষভ। রস্টন চেজ ২৫ রানে ৩ উইকেট নেন।জয়ের জন্য ১৮৭ রানের লক্ষ্য খুব একটা সহজ ছিল না ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে। তবে ভাল শুরু করেছিলেন দুই ওপেনার। ষষ্ঠ ওভারে আউট হন কাইল মেয়ার্স (৯)। তাঁকে তুলে নেন যুজবেন্দ্র চাহাল। ব্রেন্ডন কিং ৩০ বলে ২২ রান করে রবি বিষ্ণোইয়ের বলে আউট হন। এরপর ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টেনে নিয়ে যান নিকোলাস পুরান ও রভম্যান পাওয়েল। জুটিতে ওঠে ১০০। এই জুটিই ক্যারিবিয়ানদের জয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছিল। ভুবনেশ্বর কুমার এসে জুটি ভাঙেন। তুলে নেন নিকোলাস পুরানকে (৬২)। রভম্যান পাওয়েল লড়াই করেও দলকে জেতাতে পারেননি। ৩৬ বলে ৬৮ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৭৮/৩ রানে থেমে যায় ক্যারিবিয়ানদের ইনিংস। ভারতের হয়ে ভুবনেশ্বর কুমার, যুজবেন্দ্র চাহাল ও রবি বিষ্ণোই ১টি করে উইকেট নেন।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌স্বপ্নের অভিষেক রবি বিষ্ণোইয়ের, ইডেনে জয় দিয়ে শুরু ভারতের

একদিনের সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইট ওয়াশ করার পর টি২০ সিরিজেও দারুণভাবে শুরু করল ভারত। ইডেনে প্রথম ম্যাচেই ক্যারিবিয়ানদের হারাল ৬ উইকেটে। দুর্দান্ত বোলিং করে ইডেনে স্বপ্নের অভিষেক রবি বিষ্ণোইয়েই। আরও একটা বরপুত্র পেল ক্রিকেটের নন্দন কানন।শিশিরের কথা মাথায় রেখে টস জিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন রোহিত শর্মা। প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় ক্যারিবিয়ানরা। পঞ্চম বলে ব্রেন্ডন কিংকে (৪) তুলে নেন ভুবনেশ্বর কুমার। প্রথম ওভারে উইকেট হারালেও খুব বেশি চাপে পড়েনি ক্যারিবিয়ানরা। পরিস্থিতি সামাল দেন কাইল মেয়ার্স ও নিকোলাস পুরান। মেয়ার্সকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন যুজবেন্দ্র চাহাল। ২৪ বলে ৩১ করেন মেয়ার্স। ওয়েস্ট ইন্ডিজের মিডল অর্ডারে ধস নামান রবি বিষ্ণোই। দেশের জার্সি গায়ে অভিষেক ম্যাচেই নজর কাড়লেন দেশের এই প্রতিশ্রুতিবান লেগ স্পিনার। তাঁর ও যুজবেন্দ্র চাহালের দাপটে মিডল ওভারে একেবারেই সুবিধা করতে পারেননি ক্যারিবিয়ান ব্যাটাররা। রান তোলার গতি অনেকটাই শ্লথ হয়ে যায়।লং অফ বাউন্ডারিতে দাঁড়িয়ে শুরুতেই বড় ভুল করে ফেলেছিলেন রবি বিষ্ণোই। যুজবেন্দ্র চাহালের বলে নিকোলাস পুরানের ক্যাচ ধরে বাউন্ডারি লাইন স্পর্শ করে ফেলেন। শুরুতে জীবন পেয়ে দলকে টেনে নিয়ে যান পুরান। তবে ম্যাচের একাদশ ওভারে প্রায়াশ্চিত্য করেন রবি বিষ্ণোই। দ্বিতীয় বলে তাঁর স্পিনের ফাঁদে পড়ে এলবিডব্লু হন রস্টন চেজ (৪)। পঞ্চম বলে তুলে নেন রভম্যান পাওয়েলকে (২)। বিষ্ণোইয়ের এই জোড়া ধাক্কা সামলাতে পারেনি ক্যারিবিয়ানরা। পরপর ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায়। রান তোলার গতিও কমে যায়। এরপরই আকিল হোসেনকে (১০) তুলে নেন যুজবেন্দ্র চাহাল। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান নিকোলাস পুরান ও অধিনায়ক নিকোলাস পুরান। শেষপর্যন্ত ৪৩ বলে ৬১ রান করে হর্ষল প্যাটেলের বলে বিরাট কোহলির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন পুরান। দলকে ১৫৭/৭ রানে পৌঁছে দেন অধিনায়ক কিয়েরন পোলার্ড। ১৯ বলে ২৪ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। রবি বিষ্ণোই ১৭ রানে ২ উইকেট নেন। ৩৭ রানে ২ উইকেট নেন হর্ষল প্যাটেল। ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করে ভারত। রোহিত শর্মা ইডেনের বরপুত্র। ইডেন তাঁকে কখনও খালি হাতে ফেরায়নি। এদিনও শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে। তাঁর দাপটেই ৫ ওভারে ৫৭ রানে পৌঁছে যায় ভারত। অস্টম ওভারে ছন্দপতন। রস্টন চেজের বল গ্যালারিতে পাঠাতে গিয়ে আউট রোহিত। ততক্ষণে তাঁর নামের পাশে ১৯ বলে ৪০ রান। ওপেনিং জুটিতে ঈশান কিশানের সঙ্গে তোলেন ৬৪। রোহিত ফিরে যাওয়ার পর ভারতকে টানছিলেন ঈশান ও কোহলি। ৪২ বলে ৩৫ রান করে সেই রস্টন চেজের বলেই দ্বাদশ ওভারে আউট হন ঈশান। পরের ওভারেই কোহলিকে (১৩ বলে ১৭) তুলে নিয়ে ভারতকে চাপে ফেলে দেন ফাবিয়ান অ্যালেন। চার নম্বরে নেমে ঋষভ পন্থও (৮) ব্যর্থ। তিনি শেলডন কটরেলের শিকার। ১১৪ রানে ৪ উইকেট হারায় ভারত। এরপর দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন সূর্যকুমার যাদব ও ভেঙ্কটেশ আয়ার। ১৮.৫ ওভারে ১৬২/৪ রান তুলে জিতে নেয় ভারত। ১৮ বলে ৩৪ রান করে অপরাজিত থাকেন সূর্যকুমার যাদব। ১৩ বলে ২৪ রান করে অপরাজিত থাকেন ভেঙ্কটেশ আয়ার।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‘‌ইডেনে অন্য খেলা হবে’, কেন একথা বললেন কিয়েরন পোলার্ড?‌ ‌

ক্রিকেট খেলিয়ে বিশ্বের সেরা দেশগুলিকে যদি ধারাবাহিকতার নিরিখে বিচার করা হয়, সবথেকে পিছিয়ে থাকবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। একসময় গোটা ক্রিকেট বিশ্ব ক্যারিবিয়ানদের আতঙ্গে ভুগত। সেই দিন আর নেই। এখন আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ডের মতো দলগুলিও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে দিচ্ছে। সুতরাং ভারতের মতো দেশও যে হারাবে, এতে আবার নতুনত্ব কোথায়। একদিনের সিরিজে রোহিত শর্মা ব্রিগেডের কাছে পর্যুদস্ত হয়েছে ক্যারিবিয়ানরা। এবার টি২০ সিরিজে ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই। ভারত যতই একদিনের সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইট ওয়াশ করুক টি২০ ক্রিকেটে অন্য খেলা হবে। ইডেনে টি২০ সিরিজ শুরু হওয়ার আগের দিন ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে তেমনই ইঙ্গিত দিয়ে গেলেন ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক কিয়েরন পোলার্ড।ভারতের বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজে মাঠে নামার আগে পোলার্ড বলেন, একদিনের সিরিজে কী হয়েছে সেটা মাথায় রাখছি না। নতুন সিরিজ শুরু হচ্ছে। এই ফর্ম্যাটে আমরা ভাল খেলি। টি২০ সিরিজের জন্য নির্দিষ্ট কিছু পরিকল্পনা আছে। পরিকল্পনাগুলো কাজে লাগাতে পারলে সিরিজ জিততে সমস্যা হবে না। আমাদের দলের ধারাবাহিকতার অভাব আছে, সেকথা মানছি। কিন্তু এই ফর্ম্যাটে সব দলকেই আমাদের সমীহ করতে হবে। কথাটা ভুল বলেননি ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক। টি২০ অভিজ্ঞতার নিরিখে তাঁর দল সত্যিই শক্তিশালী। সাই হোপ, নিকোলাস পুরান, জেসন হোল্ডাররা সারা বছর ধরে বিশ্বের বিভিন্ন টি২০ লিগে খেলে বেড়ান। আর আইপিএল খেলার সুবাদে এখানকার পরিবেশ, ভারতীয় ক্রিকেটারদের হাতের তালুর মতোই চেনেন। তাই টি২০ সিরিজের আগে বাড়তি আত্মবিশ্বাসী গোটা ক্যারিবিয়ান শিবির।ইডেনের বাইশ গজ নিয়ে খুশি ক্যারিবিয়ানরা। বুধবার অনুশীলনের আগে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে উইকেট পরীক্ষা করেন পোলার্ড। ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, উইকেটে বল ভাল ক্যারি করবে। বাউন্স আছে। দারুণ উইকেট। তবে রাতের দিকে শিশিরের জন্য বোলারদের সমস্যায় পড়তে হবে। পোলার্ডের কথাতেই ইঙ্গিত, টস জিতলে আগে ব্যাটিং করার ঝুঁকি নেবেন না।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Sourav Ganguly : টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের জঘন্য পারফরমেন্স নিয়ে কী বললেন সৌরভ গাঙ্গুলি?

ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীরা টি২০ বিশ্বকাপে বিরাট কোহলিদের নিয়ে স্বপ্ন দেখেছিলেন। আশা করেছিলেন এবছর টি২০ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হবে ভারত। দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের মতো স্বপ্ন দেখেছিলেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক তথা ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। কিন্তু কোহলিদের পারফরমেন্সে তিনি খুবই হতাশ। সেই হতাশা গোপন রাখেননি সৌরভ। টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের জঘন্য পারফরমেন্স নিয়ে মুখ খুলেছেন তিনি। বিরাট কোহলিদের টি২০ বিশ্বকাপের পারফরমেন্স প্রসঙ্গে সৌরভ বলেন, এই ভারতীয় দলের অনেক দক্ষতা ছিল। কিন্তু সেই ক্ষমতার ১৫ শতাংশও মেলে ধরতে পারেনি। গত ৫৬ বছরে এত খারাপ খেলতে ভারতীয় দলকে কখনও দেখিনি। সত্যি কথা বলতে ২০১৭ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি কিংবা ২০১৯ একদিনের বিশ্বকাপেও ভারত এর থেকে অনেক ভাল খেলেছিল। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে পাকিস্তানের কাছে ভারত হেরেছিল। তখন আমি ধারাভাষ্যকারের ভুমিকায় ছিলাম। ২০১৯ একদিনের বিশ্বকাপেও সব দলকে হারিয়েছিলাম। সেমিফাইনালে অবশ্য নিউজিল্যান্ডের কাছে হারতে হয়েছিল। একটা বাজে দিনে দুমাসের কঠোর পরিশ্রমের জলাঞ্জলি হয়েছিল।এবারের টি২০ বিশ্বকাপে কেন ভারতের এই ব্যর্থতা? এই প্রসঙ্গে সৌরভ অবশ্য নির্দিষ্ট কোনও কারণের কথা উল্লেখ করেননি। তিনি বলেন, নির্দিষ্ট কোনও একটা কারণ বলা খুবই কঠিন। তবে ক্রিকেটারদের দেখে মনে হয়েছে ওরা স্বাধীনভাবে খেলতে পারছিল না। কখনও কখনও এমন হয়ে থাকে। পাকিস্তান এবং নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে আমরা গুটিয়ে ছিলাম। এই দুটি ম্যাচে ক্রিকেটাররা ১৫ শতাংশর বেশি দিতে পারেনি। বড় প্রতিযোগিতায় এইরকম খারাপ সময় আসে।সৌরভের আশা, এই বিশ্বকাপে ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে দল ঘুরে দাঁড়াবে। তিনি বলেন, আমাদের সময় দীর্ঘদিন পরপর বড় প্রতিযোগিতা হত। আর এখন প্রায় প্রতিবছর বিশ্ব খেতাব জেতার মতো প্রতিযোগিতা হয়। আগামী ৮ বছরে আটটি বড় আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। আশা করছি এবারের ব্যর্থতা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়ে সামনের বছর অস্ট্রেলিয়ায় টি২০ বিশ্বকাপে ভাল ফল করবে। এই ভারতীয় দলে অনেক প্রতিভা রয়েছে। সব ক্রিকেটারের প্রচুর দক্ষতা রয়েছে। কিন্তু নিজেদের সঠিকভাবে মেলে ধরতে পারেনি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এবছর সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে টি২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের কাছে প্রথম ম্যাচে ১০ উইকেটে হারতে হয়েছিল ভারতকে। দ্বিতীয় ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছে হার ৮ উইকেটে। গ্রুপ লিগের বাকি ৩ ম্যাচে জিতলেও সেমিফাইনালে উঠতে পারেনি বিরাট কোহলি ব্রিগেড। গ্রুপ লিগ থেকেই বিদায় নিতে হয় ভারতকে।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs New Zealand : ‌‌কিউয়িদের হোয়াইট ওয়াশ করে বিশ্বকাপের ক্ষতে প্রলেপ ভারতের

জয়পুর ও রাঁচিতে পরপর দুটি একদিনের ম্যাচ জিতে সিরিজ আগেই দখল করে নিয়েছিল ভারত। ইডেনে নিয়মরক্ষার ম্যাচে ছিল নিউজিল্যান্ডকে হোয়াইট ওয়াশ করার হাতছানি। লক্ষ্যে সফল রোহিত ব্রিগেড। সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে ৭৩ রানে জিতে কিউয়িদের হোয়াইট করার পাশাপশি বিশ্বকাপের পরাজয়ের মধুর প্রতিশোধ নিল ভারত। ইডেনে আবার ব্যাট হাতে জ্বলে উঠলেন রোহিত শর্মা।টস জিতে এদিন প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন রোহিত। লোকেশ রাহুল ও রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে বিশ্রাম দিয়ে ভারত এই ম্যাচে প্রথম একাদশে নিয়ে আসে ঈশান কিষাণ ও যুজবেন্দ্র চাহালকে। ওপেন করতে নেমে আগ্রাসী ব্যাটিং শুরু করেন রোহিত ও কিষাণ। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ওঠে ৬৯ রান। ১১ ওভারে ভারতের ১০০ রান পূর্ণ হয়। ১৭.৩ বলে হয় দেড়শো। সপ্তম ওভারে ওপেনিং জুটি ভাঙেন মিচেল স্যান্টনার। এই ওভারের দ্বিতীয় বলে ঈশান কিষাণ কট বিহাইন্ড হন। ৬টি চারের সাহায্যে তিনি করেন ২১ বলে ২৯। একই ওভারে সূর্যকুমার যাদব শূন্য রান করে আউট হন। নবম ওভারের শেষ বলে উইকেট ছুড়ে দিয়ে আসেন ঋষভ পন্থ। ৬ বলে ৪ রান করে তিনিও স্যান্টনারের শিকার। ভারতের তৃতীয় উইকেটটি পড়ে ৮৩ রানে।১১.২ ওভারে রোহিত শর্মাকে (৩১ বলে ৫৬) নিজের বলেই দুরন্ত ক্যাচে ফেরান ইশ সোধি। এরপর শ্রেয়স আইয়ার ও ভেঙ্কটেশ আইয়ার দলের ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন। ১৫.৫ ওভারে ভেঙ্কটেশ ট্রেন্ট বোল্টের বলে আউট হন দলের ১৩৯ রানের মাথায়। একটি চার ও একটি ছয়ের সাহায্যে তিনি ১৫ বলে ২০ রান করে ফেরেন। শ্রেয়সকে আউট করেন অ্যাডাম মিলনে। ২০ বলে ২৫ রান করেন তিনি। ১৮.৩ ওভারে হর্ষল প্যাটেল লকি ফার্গুসনের বলে হিট উইকেট হন। হর্ষল এদিন ২টি চার ও একটি ছয়ের সাহায্যে করলেন ১১ বলে ১৮। ২০ ওভারে ভারত তোলে ১৮৪/৭।এমনিতেই সিরিজ খুঁইয়ে মনোবল ভেঙে পড়েছিল নিউজিল্যান্ডের। তার ওপর বিশাল রানের চাপ নিতে পারেনি। রোহিত এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাট নিয়ে দেখে নিতে চেয়েছিলেন বোলাররা কতটা শিশিরের চ্যালেঞ্জ নিতে পারেন। অক্ষর প্যাটেল, হর্ষল প্যাটেলরা হতাশ করেননি ক্যাপ্টেনকে। অক্ষরের দুরন্ত বোলিংয়ের সামনে ভেঙে পড়ে কিউয়ি ব্যাটংয়ের মেরুদন্ড। ৩ ওভারে ৯ রানে ৩ উইকেট তুলে নেন তিনি। ২৬ রানে ২ উইকেট নেন হর্ষল প্যাটেল। ১৭.২ ওভারে মাত্র ১১১ রানে গুটিয়ে যায় নিউজিল্যান্ডের ইনিংস। কিছুটা লড়াই করেন মার্টিন গাপটিল। ৩৬ বলে ৫১ রান করেন তিনি।

নভেম্বর ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs New Zealand : ‌ইডেনে দ্রাবিড়, টিকিটের হাহাকার, কলোবাজারি তুঙ্গে

রোহিত শর্মার পয়া মাঠ ইডেন। ক্রিকেটের নন্দনকানন কখনও খালি হাতে ফেরায়নি তঁাকে। একদিনের ক্রিকেটে মহাকাব্যিক ২৬৪ রানের ইনিংসও সেই ইডেনে। রবিবার এই প্রিয় ইডেনেই নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজ ৩০ করার লক্ষ্যে মাঠে নামছে রোহিতের ভারত। জয়পুর ও রাঁচিতে পরপর দুটি ম্যাচ জিতে সিরিজ ইতিমধ্যেই পকেটে ভরে ফেলেছে ভারত। তৃতীয় ম্যাচে প্রথম একাদশে কয়েকটা পরিবর্তন করতে চায় ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। তবে তা ভারসাম্যের কথা মাথায় রেখেই। কারণ হোয়াইট ওয়াশের কথাটা মাথায় রাখতে হচ্ছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টকে। কিউয়িদের বিরুদ্ধে ৩০ ব্যবধানে জিতলে তবেই টি২০ বিশ্বকাপের ক্ষত কিছুটা হলেও নিরাময় হবে। রাঁচিতে ম্যাচ খেলে শনিবার দুই দলই কলকাতা পৌঁছনোর অনুশীলনের কোনও ব্যাপার ছিল না। তবে হোটেলে পৌঁছেই ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠোরকে সঙ্গে নিয়ে ইডেনে চলে এসেছিলেন হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়। উইকেট দেখে যান। কথা বলেন ইডেনের পিচ কিউরেটর সুজন মুখার্জির সঙ্গে। ইডেনের বাইশ গজ, মাঠে কেমন শিশির পড়ছে, এসব বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ নেন। ইডেনের উইকেট দেখে খুশি ভারতীয় দলের হেড কোচ। সিরিজ আগেই জিতে যাওয়ায় ইডেনে শেষ ম্যাচে নতুনদের দেখে নেওয়ার পরিকল্পনা ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের। ওপেনিংয়ে লোকেশ রাহুলকে বিশ্রাম দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের অভিষেক হতে পারে। ভুবনেশ্বর কুমার কিংবা দীপক চাহারের পরিবর্তে আবেশ খানকে খেলানো হতে পারে। প্রথম একাদশে ঢুকতে পারেন যুজবেন্দ্র চাহাল। অক্ষর প্যাটেলকে বসানো হতে পারে। ঋষভ পন্থের জায়গায় ঈশান কিষাণের খেলার সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে ভারসাম্যের কথাও মাথায় রাখতে হচ্ছে ভারতীয় টিইম ম্যানেজমেন্টকে।সিরিজের ফয়সালা হয়ে গেলেও টিকিট নিয়ে হাহাকার। করোনার জন্য পুলিশ ৭০ শতাংশ দর্শক মাঠে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে। কাউন্টার থেকে কোনও টিকিট বিক্রি হয়নি। যা টিকিট বিক্রি করা হয়েছে, সবই অনলাইনে। ফলে টিকিটের চাহিদা আরও বেড়েছে। ময়দানে কালোবাজারে টিকিট বিক্রি হচ্ছে। ৬৫০ টাকার টিকিট দেড়হাজারে। দেড় হাজার টাকার টিকিট ২৫০০ টাকায়। এমনকি মেম্বারশিপ, কমপ্লিমেন্টারি টিকিটও কালোবাজারে বিক্রি হচ্ছে। কালোবাজারির দায়ে এদিন সাতজনকে আটক করেছে ময়দান থানার পুলিশ।

নভেম্বর ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs NZ T20 : বিশ্বকাপের ব্যর্থতা কটিয়ে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ জয় ভারতের

দায়িত্ব পেয়েই প্রথম টি২০ সিরিজেই রোহিত শর্মারাহুল দ্রাবিড় জুটির কামাল। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচে জয়পুরে জয় এসেছিল। শুক্রবার রাঁচিতে কিউয়িদের ৭ উইকেটে উড়িয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই টি২০ সিরিজ জিতে নিল ভারত। দেশের জার্সি গায়ে মাঠে নেমে প্রথম ম্যাচেই চমক দেখালেন হর্শল প্যাটেল। ডেথ ওভারে দুরন্ত বোলিং এই জোরে বোলারের। ব্যাট হাতে আবার জ্বলে উঠলেন রোহিত শর্মা। দ্বিতীয় ম্যাচেও টস ভাগ্য সহায় ছিল রোহিত শর্মার। টসে জিতে কিউয়িদের ব্যাট করতে পাঠান। ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিং শুরু করেন মার্টিন গাপটিল। তাঁকে যোগ্য সঙ্গত দেন ড্যারিল মিচেল। ভুবনেশ্বর কুমারের প্রথম ওভারেই ১৪ রান নেন গাপটিল। দীপক চাহারের দ্বিতীয় ওভারে ১০ রান নেন ড্যারিল মিচেল। পরের ওভারে অক্ষর প্যাটেল কিছুটা কৃপণ বোলিং করলেও চতুর্থ ওভারে ভুবনেশ্বর ১৪ রান দেন। ক্রমশ বিধ্বংসী হয়ে উঠছিলেন মার্টিন গাপটিল। পঞ্চম ওভারে ভারতকে ব্রেক থ্রু এনে দেন দীপক চাহার। ১৫ বলে ৩১ রান করে তাঁর বলে উইকেটের পেছনে ঋষভ পন্থের হাতে ক্যাচ দেন গাপটিল। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান চ্যাপম্যান ও মিচেল। ১৭ বলে ২১ রান করে অক্ষর প্যাটেলের বলে আউট হন চ্যাপম্যান। অভিষেক ম্যাচেই ড্যারিল মিচেলে (২৮ বলে ৩১) তুলে নিয়ে দেশের হয়ে প্রথম উইকেট সংগ্রহ করেন হর্ষল প্যাটেল। মিচেল যখন আউট হন, নিউজিল্যান্ডের রান তখন ১১.২ ওভারে ৯০/৩। এই সময় মনে হচ্ছিল ১৭০১৮০ কাছাকাছি রান তুলে ফেলবে নিউজিল্যান্ড। কিন্তু রবিচন্দ্রন অশ্বিল, ডেথ ওভারে হর্ষল প্যাটেলের দুরন্ত বোলিংয়ে ২০ ওভারে ১৫৩/৬ রানে আটকে যায় নিউজিল্যান্ড। পরের দিইলে গ্লেন ফিলিপ ২১ বলে ৩৪ রান করেন। ভারতের হয়ে হর্ষল প্যাটেল ২৫ রানে ২টি, অশ্বিন ১৯ রানে ১টি উইকেট পান। ভুবনেশ্বর কুমার, দীপক চাহার, অক্ষর প্যাটেলও ১টি করে উইকেট নেন। ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ঝড় তোলেন ভারতের দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও রোহিত শর্মা। ওপেনিং জুটিতেই ওঠে ১১৭। লোকেশ ও রোহিতই ভারতের জয়ের ভিত গড়ে দেন। ১৪ তম ওভারের দ্বিতীয় বলে লোকেশ রাহুলকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন টিম সাউদি। ৬টি ৪ ও ২টি ছয়ের সাহায্যে ৪৯ বলে ৬৫ রান করে আউট হন লোকেশ রাহুল। ১৬ তম ওভারে রোহিতকেও তুলে নেন সাউদি। ৩৬ বলে ৫৫ রান করে আউট হন রোহিত। তিনি ১টি ৪ ও ৫টি ৬ মারেন। সূর্যকুমার যাদব ১ রান করে সাউদির বলে বোল্ড হন। তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামা বেঙ্কটেশ আয়ার ১১ বলে ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন। ১৭.২ ওভারে ১৫৫/৩ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত। পরপর দুম্যাচ জিতে নেওয়ায় ইডেনের শেষ ম্যাচ কার্যত নিয়মরক্ষার হয়ে দাঁড়াল।

নভেম্বর ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Syed Mustak Ali T20 : সুপার ওভারে হেরে স্বপ্নভঙ্গ, কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় বাংলার

গ্রুপ লিগে পরাজয়ের মধুর প্রতিশোধ নিল কর্ণাটক। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে বাংলাকে সুপার ওভারে হারিয়ে সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতার সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল কর্ণাটক।টস জিতে কর্ণাটককে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন বাংলার অধিনায়ক সুদীপ চ্যাটার্জি। বাংলার দুই জোরে বোলার মুকেশ কুমার ও আকাশ দীপের বুদ্ধিদীপ্ত বোলিংয়ের সামনে সুবিধা করতে পারছিলেন না কর্ণাটকের দুই ওপেনার বিআর শরথ। রান তোলার গতি ভাল ছিল না কর্ণাটকের। তার মধ্যেই চতুর্থ ওভারে ধাক্কা খায় কর্ণাটক। ওভারের পঞ্চম বলে আকাশ দীপ তুলে নেন বিআর শরতকে (৯বলে৪)। কর্ণাটকের রান তখন ১৯। নবম ওভারের শেষ বলে উইকেটে জমে যাওয়া রোহন কদমকে (২৯ বলে ৩১) আউট করে বাংলাকে ব্রেক থ্রু দেন শাহবাজ আমেদ। বাংলার বোলারদের বিরুদ্ধে একেবারেই সাবলীল ছিলেন না কর্ণাটক অধিনায়ক মনীশ পান্ডে। ৩৪ বলে ২৯ রান করে তিনি সায়ন ঘোষের বলে প্রদীপ্ত প্রামানিকের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ক্রিজে এসেই ঝড় তোলার চেষ্টা করেছিলেন অভিনব মনোহর (৯ বলে ১৯)। তাঁকে থামিয়ে দেন ঋত্বিক চ্যাটার্জি। ১০ বলে ১৬ রান করে মুকেশ কুমারের বলে আউট হন অনিরুদ্ধ। করুণ নায়ারের ঝোড়ো ব্যাটিং কর্ণাটককে ২০ ওভারে ১৬০/৫ রানে পৌঁছে দেয়। করুণ নায়ার ২৯ বলে ৫৫ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন। বাংলার হয়ে মুকেশ কুমার, আকাশ দীপ, ঋত্বিক চ্যাটার্জি, সায়ন ঘোষ ও শাহবাজ আমেদ ১টি করে উইকেট নেন।ব্যাট করতে নেমে দারুন শুরু করে বাংলা। ভি ব্যাসকের প্রথম ওভারেই ২০ রান তোলেন শ্রীবৎস গোস্বামী। দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় বাংলা। মাত্র ১ বল খেলে কোনও রান না করে বিদ্যাধর পাটিলের বলে করুণ নায়ারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন অভিষেক দাস। তৃতীয় ওভারের চতুর্থ বলে আউট হন শ্রীবৎস গোস্বামী। ১০ বলে ২২ রান করে তিনি রান আউট হন। অধিনায়ক সুদীপ চাটার্জিও রান পাননি। ৯ বলে ২২ রান করে তিনি এমবি দর্শনের বলে মনীশ পান্ডের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। বাংলার রান তখন ৫.৪ ওভারে ৫১। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি ও কাইফ আমেদ। চতুর্দশ ওভারে পরপর দুবলে কাইফ আমেদ (২৬ বলে ২০) ও শাহবাজ আমেদকে (০) হারিয়ে চাপে পড়ে যায় বাংলা। পরের ওভারেই ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জিকে তুলে নেন দর্শন। ৪০ বলে ৫১ রান করেন ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি। এক ঋত্ত্বিক আউট হলেও ঋত্ত্বিক রায় চৌধুরি ও প্রদীপ্ত প্রামানিক বাংলাকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান। শেষ ওভারে বাংলার জয়ের জন্য দরকার ছিল ২০ রান। ভি পাটিলের প্রথম দুটি বলে ৬ মারেন ঋত্ত্বিক রায় চৌধুরি। পরের বলে ১ রান নেন তিনি। চতুর্থ বলে ৪ মারেন আকাশ দীপ। পঞ্চম বলে ২ রান নিয়ে ম্যাচ করেন। শেষ বলে ১ রান করলেই জয়। মিড অফে ঠেলে রান নিতে দৌড়েছিলেন আকাশ দীপ। মণীশ পান্ডের সরাসরি থ্রো নন স্ট্রাইকিং প্রান্তের উইকেট ভেঙে দেয়। ক্রিকেট পৌঁছতে পারেননি আকাশ দীপ। ম্যাচ টাই হয়। ঋত্ত্বিক রায় চৌধুরি ১৮ বলে ৩৬ রান করে অপরাজিত থাকেন। ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে।সুপার ওভারে বাংলার হয়ে ব্যাট করতে নামেন কাইফ আমেদ ও ঋত্ত্বিক রায় চৌধুরি। কারিয়াপ্পার প্রথম বলে ১ রান নেন কাইফ। পরের বলে তিনি আউট। কাইফ আউট হওয়ার পর ব্যাট করতে নামেন শ্রীবৎস গোস্বামী। একটা বাউন্ডারি মেরে পরের বলে তিনি আউট। ৪ বলে ৫ রান তোলে বাংলা। পরপর দুবলে ২ রান নিয়ে ও ৬ মেরে কর্ণাটককে সেমিফাইনালে তোলে মণীশ পান্ডে।

নভেম্বর ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs New Zealand : অভিষেকে বাজিমাত রো-রা জুটির, ৫ উইকেটে জয় ভারতের

অধিনায়ক হিসেবে দারুন শুরু রোহিত শর্মার। সিনিয়র দলের হেড স্যার হিসেবে দুর্দান্ত অভিষেক রাহুল দ্রাবিড়ের। প্রথম ম্যাচেই বাজিমাত রো-রা জুটির। নিউজিল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়ে টি২০ সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারত।চোটের জন্য ডেভন কনওয়ে আগেই সিরিজ থেকে ছিটকে গেছেন। টেস্ট সিরিজের কথা মাথায় রেখে টি২০ সিরিজ থেকে বিশ্রাম নিয়েছেন। তা সত্ত্বেও জয়পুরে সিরিজের প্রথম টি২০ ম্যাচে ভারতের বিরুদ্ধে শক্ত চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয় নিউজিল্যান্ড। সেই চ্যালেঞ্জ অবশ্য অবলীলায় অতিক্রম করে গেল ভারত। টস জিতে কিউয়িদের প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান ভারতের অধিনায়ক রোহিত শর্মা। প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় নিউজিল্যান্ড। ম্যাচের তৃতীয় বলে ড্যারিল মিচেলকে শূন্য রানে তুলে নেন ভুবনেশ্বর কুমার। এরপর ব্যাট হাতে দাপট দেখাতে শুরু করেন মার্টিন গাপটিল ও মার্ক চ্যাপম্যান। দুজনে মিলে জুটিতে তোলেন ১০৯ রান। গাপটিল ও চ্যাপমানের দাপটে দিশেহারা হয়ে পড়েন মহম্মদ সিরাজ, রাহুল চাহার, অক্ষর প্যাটেলরা। অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে রবিচন্দ্রন অশ্বিন কিউয়ি ব্যাটসম্যানদের কিছুটা আটকে রাখার চেষ্টা করেন। চতুর্দশ ওভারের দ্বিতীয় বলে মার্ক চ্যাপম্যানকে বোল্ড করেন অশ্বিন। ৫০ বলে ৬৩ রান করে চ্যাপম্যান আউট হন। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৬টি ৪ এবং ২টি ৬। একই ওভারে গ্লেন ফিলিপকে (০) তুলে নেন অশ্বিন। ডিআরএস নিয়েও তিনি বাঁচতে পারেননি। ১১০ রানের মাথায় তৃতীয় উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড।এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান মার্টিন গাপটিল। বাইশ গজে ঝড় তুলে শেষ পর্যন্ত ৪২ বলে ৭০ রান করে আউট হন তিনি। সপ্তদশ ওভারে দীপক চাহারের দ্বিতীয় বলে শ্রেয়স আয়ারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন গাপটিল। নিউজিল্যান্ডের রান তখন ১৫০। পরের ওভারেই ফিরে যান সেইফার্ট (১১ বলে ১২)। তাঁকে ফেরান ভুবনেশ্বর কুমার। ইনিংসের শেষ ওভারে মহম্মদ সিরাজের বলে আউট হন রাচিন রবীন্দ্র (৮ বলে ৭)। শেষদিকে একের পর উইকেট হারানোয় ১৬৪/৬ রানের বেশি তুলতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। ভারতের হয়ে ভুবনেশ্বর কুমার ২৪ রানে ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন ২৩ রানে ২টি করে উইকেট নেন।জয়ের জন্য ১৬৫ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে দারুন শুরু করেন ভারতের দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ওপেনিং জুটিতে ৫ ওভারে ওঠে ৫০। এরপরই জুটি ভাঙে। ১৪ বলে ১৫ রান করে মিচেল স্যান্টনারের বলে চ্যাপমানের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন লোকেশ রাহুল। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান রোহিত শর্মা ও সূর্য্কুমার যাদব। মাত্র ২ রানের জন্য হাফ সেঞ্চুরি হাতছাড়া করেন রোহিত। ৩৬ বলে ৪৮ রান করে ট্রেন্ট বোল্টের বলে আউট হন তিনি।তিন নম্বরে ব্যাট করার সুযোগ পেয়ে নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরলেন সূর্য্কুমার। ঋষভ পন্থকে সঙ্গে নিয়ে দলকে জয়ের লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান তিনি। ৪০ বলে ৬২ রান করে ট্রেন্ট বোল্টের বলে আউট হন সূর্য্কুমার। ৬টি ৪ ও ৩টি ৬ মারেন তিনি। সূর্য্কুমার আউট হওয়ার পর চাপে পড়ে যায় ভারত। শেষ ওভারে ভারতের জয়ের জন্য দরকার ছিল ১০ রান। ২ বল বাকি থাকতে ১৬৬/৫ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত।

নভেম্বর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Syed Mustafa Ali T20 : গ্রুপ লিগের জয়ই বাংলার কাছে আত্মবিশ্বাসের রসদ

সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতার গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে কর্ণাটকের বিরুদ্ধে বাংলার লড়াই ছিল মরণবাঁচনের। সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার ছাড়পত্র পেতে গেলে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না বাংলার সামনে। মরণবাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠেছিলেন বাংলার ক্রিকেটাররা। বিশেষ করে বোলারদের দাপটে দুরন্ত জয় তুলে নিয়েছিল বাংলা। পেয়েছিল সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার সুযোগ। অন্যদিকে, প্রিকোয়ার্টার ফাইনালে খেলতে হয়েছিল কর্ণাটককে। প্রিকোয়ার্টার ফাইনালে সৌরাষ্ট্রকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে এসেছে কর্ণাটক। সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে চেনা শত্রু সেই কর্ণাটকের বিরুদ্ধেই মাঠে নামছে বাংলা।গ্রুপ লিগে শক্তিশালী কর্ণাটকের বিরুদ্ধে জয় নিঃসন্দেহে আত্মবিশ্বাস বাড়াবে বাংলার। কিন্তু টি২০ ক্রিকেটে কখন কী হয় বলা খুব কঠিন। শক্তির বিচারে অবশ্য কর্ণাটক অনেকটাই এগিয়ে। দেবদত্ত পাড়িক্কল, মণীশ পান্ডে, করুণ নায়ার, জগদেশা সুচিথ, কেসি কারিয়াপ্পার মতো ক্রিকেটাররা রয়েছেন। তবে বাংলার কাছে বড় সুবিধা কোয়ার্টার ফাইনালে কর্ণাটক পাচ্ছে না মায়াঙ্ক আগরওয়াল। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট দলে সুযোগ পাওয়ায় তিনি জাতীয় শিবিরে রয়েছেন। বাংলাও এই ম্যাচে পাচ্ছে ঋদ্ধিমান সাহাকে। তিনিও মায়াঙ্কের সঙ্গে রয়েছেন জাতীয় শিবিরে।গ্রুপ লিগে ছত্তিশগড়ের কাছে হারতে হয়েছিল বাংলাকে। হারিয়েছিল বরোদা, মুম্বই, কর্ণাটকের মতো শক্তিশালী দলকে। কোয়ার্টার ফাইনালেও সেই ছন্দ ধরে রাখার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী বাংলা শিবির। কর্ণাটকের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে বাংলার অধিনায়ক সুদীপ চ্যাটার্জি বলেন, প্রতিযোগিতায় নিজেদের পারফরমেন্সে আমরা আত্মবিশ্বাসী ও উচ্ছ্বসিত। গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে কর্ণাটকের বিরুদ্ধে জয় আমাদের মনোবল অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে। আমরা এখনও পর্যন্ত যে ক্রিকেট খেলেছি, তাতে মানসিকভাবে উজ্জীবিত। সব কটা ম্যাচেই আমরা দল হিসেবে খেলেছি। দলের প্রত্যেক সদস্য বিশ্বাস করে যে আমরা ভাল ক্রিকেট খেলছি। কোয়ার্টার ফাইনালেও ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারব। এটাই দলের ইএসপি।গ্রুপ লিগে দলে না থাকলেও নক আউটের জন্য শ্রীবৎস গোস্বামীকে দলে ফিরিয়েছেন বাংলার নির্বাচকরা। ঋদ্ধিমান সাহা না থাকায় তিনি প্রথম একাদশে খেলবেন। শ্রীবৎস গোস্বামীকে খেলানোর প্রসঙ্গে সুদীপ বলেন, জাতীয় শিবিরে যোগ দেওয়ায় ঋদ্ধিমান সাহাকে পাব না। ঋদ্ধির পরিবর্তে শ্রীবৎস আমাদের প্রথম পছন্দ। ওর অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে। কর্ণাটক ম্যাচকে বড় ম্যাচ হিসেবে দেখছেন বাংলার অধিনায়ক। সুদীপ বলেন, কর্ণাটক যথেষ্ট শক্তিশালী দল। তবে তার জন্য আমাদের কোনও চাপ নেই। আর পাঁচটা ম্যাচের মতোই এটাকে দেখছি। সেরাটা দিয়ে জেতার জন্য ঝাঁপাব।

নভেম্বর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

David Warner : ‌সানরাইজার্সের চূড়ান্ত অসম্মানই কি বিশ্বকাপে ওয়ার্নারের জ্বলে ওঠার কারণ?‌

আইপিএলে চূড়ান্ত অসম্মান কি ধাক্কা দিয়েছিল ডেভিড ওয়ার্নারকে? না হলে মাত্র মাস খানেকের ব্যবধানে এইরকম জ্বলে উঠবেন কেন? অস্ট্রেলিয়ার টি২০ বিশ্বকাপ জয়ের পেছনে এই ওপেনারের অবদান কিন্তু সব থেকে বেশি। প্রতিযোগিতার সেরার পুরস্কার ছিনিয়ে নিয়ে সামনের মরশুমে আইপিএলের নিলামের আগে নিজের চাহিদা অনেকটাই বাড়িয়ে নিয়েছেন এই অস্ট্রেলীয় ওপেনার। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ যদি ক্রিকেটার ধরে রাখার নিয়মে তাঁকে যদি আটকে না রাখে, তাহলে নিলামে ওয়ার্নারকে নিয়ে আকাশছোঁয়া চাহিদা হবে। প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সুনীল গাভাসকারের মুখেও তেমন কথা শোনা গেছে। গাভাসকারের যুক্তি, আইপিএলে সামনের মরশুমে দুটি দল বাড়ছে। সুতরাং ক্রিকেটারের সংখ্যাও বেশি প্রয়োজন। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ যদি ক্রিকেটার ধরে রাখার নিয়মে ডেভিড ওয়ার্নারকে আটকে না রাখে, অন্য দলগুলি ওকে নেওয়ার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়বে। ওয়ার্নারের অভিজ্ঞতার কথা ভুললে চলবে না। ওর মধ্যে দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার দক্ষতা রয়েছে। মাঠের নেমে বোলারদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করতে ওস্তাদ। এবছর আইপিএলে খুব খারাপ সময়ের মধে দিয়ে গেছেন ডেভিড ওয়ার্নার। প্রথম পর্বে ৭ ম্যাচের মধ্যে ৬ ম্যাচ হারায় তাঁর হাত থেকে নেতৃত্ব কেড়ে নিয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কর্তারা। দ্বিতীয় পর্বে তো প্রথম একাদশ থেকেই ছেঁটে ফেলা হয়েছিল। এমনকি একটা ম্যাচে অন্য সাধারণ ক্রিকেটারদের সঙ্গে হোটেলেই রেখে যাওয়া হয়েছিল ওয়ার্নারকে। তাঁর মতো ক্রিকেটারের এইরকম অসম্মান প্রাপ্য ছিল না বলে মনে করেন গাভাসকার। তিনি বলেন, সাধারণ ক্রিকেটারদের সঙ্গে ওয়ার্নারকে হোটেলে রেখে গিয়ে ঠিক করেনি সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। টিম ম্যানেজমেন্টের ওটা খুব খারাপ সিদ্ধান্ত ছিল। তবে ওয়ার্নারের মতো ইতিবাচক চিন্তাধারার ক্রিকেটার ওই ঘটনা মনে রাখবেন না বলে মনে করছেন গাভাসকার। তিনি বলেন, ওয়ার্নারের চিন্তাভাবনা সবসময় ইতিবাচক। অতীতে কী ঘটেছে, তার দিকে ফিরেও তাকায় না। আমার মনে হয়, ওয়ার্নার অবশ্যই নিজেকে বলেছে যে, অতীতে যা ঘটেছে তা ঘটেছে, ভবিষ্যত আমার হাতে। এছাড়াও, ভুলে যাবেন না, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুরুতে প্রস্তুতি ম্যাচেও ভাল করতে পারেনি। দলে ওর জায়গা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। আত্মবিশ্বাসই ওয়ার্নারকে এই জায়গায়।

নভেম্বর ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : প্রতিশোধের স্বপ্ন চূরমার, নিউজিল্যান্ডকে ৮ উইকেটে হারিয়ে প্রথম টি২০ বিশ্বজয় অস্ট্রেলিয়ার

২০১৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ফাইনালে হেরে একদিনের বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন অধরা থেকে গিয়েছিল নিউজিল্যান্ডের। এবছর টি২০ বিশ্বকাপে প্রতিশোধ নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ ছিল। প্রতিশোধ নিতে ব্যর্থ কিউয়িরা। ৭ বল বাকি থাকতে নিউজিল্যান্ডকে ৮ উড়িয়ে প্রথমবারের মতো টি২০ বিশ্বকাপ ঘরে তুলল অস্ট্রেলিয়া। ম্যাচের নায়ক মিচেল মার্শ। ৫০ বলে ৭৭ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি।সেমিফাইনালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টস জিতেও সেই একই সিদ্ধান্ত। সতর্কভাবে শুরু করেছিলেন নিউজিল্যান্ডের দুই ওপেনার ড্যারিল মিচেল ও মার্টিন গাপটিল। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। চতুর্থ ওভারের পঞ্চম বলে জস হ্যাজেলউড তুলে নেন ড্যারিল মিচেলকে। ৮ বলে ১১ রান করে তিনি ম্যাথু ওয়েডের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। শুরুতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় নিউজিল্যান্ড। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান মার্টিন গাপটিল ও অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন।১০ ওভারে কিউয়িরা তোলে ৫৭/১। একাদশতম ওভারে মিচেল স্টার্কের বলে ১৯ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। পরের ওভারের প্রথম বলে অ্যাডাম জাম্পাকে ছয় মারতে গিয়ে মার্কাস স্টয়নিসের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন গাপটিল। ৩৫ বলে তিনি করেন ২৮। এরপর গ্লেন ফিলিপকে সঙ্গে নিয়ে দলকে টেনে নিয়ে যান উইলিয়ামসন। জুটিতে ওঠে ৬৮। গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে পরপর দুটি ৬ মেরে ৩৩ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন উইলিয়ামসন। ১৭ তম ওভারের দ্বিতীয় বলে গ্লেন ফিলিপকে তুলে নেন জস হ্যাজেলউড। ১৭ বলে ১৮ রান করেন তিনি। একই ওভারের পঞ্চম বলে আউট হন কেন উইলিয়ামসন। ৪৮ বলে ৮৫ রান করেন তিনি। উইলিয়ামসনের ইনিংসে রয়েছে ১০টি ৪ ও ৩টি ৬। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৭২ তোলে নিউজিল্যান্ড। ৭ বলে ১৩ রান করে অপরাজিত থাকেন জিমি নিশাম। দুর্দান্ত বল করেন জস হ্যাজেলউড। ৪ ওভারে মাত্র ১৬ রানে ৩ উইকেট তুলে নেন তিনি।ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় অস্ট্রেলিয়া। তৃতীয় ওভারের তৃতীয় বলে আউট হন অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। ট্রেন্ট বোল্টের বলে ড্যারিল মিচেলের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। ৭ বলে ৫ রান করেন ফিঞ্চ। এরপর জ্বলে ওঠেন ডেভিড ওয়ার্নার। সেমিফাইনালের মতো ফাইনালেও তিনি ধারাবাহিকতা বজায় রেখে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। ৩৮ বলে ৫৩ রান করে বোল্টের বলে বোল্ড হন ওয়ার্নার। তিনি মারেন চারটি ৪ ও ৩টি ৬। ওয়ার্নার ফিরে গেলেও চাপে পড়েনি অস্ট্রেলিয়া। কিউয়ি বোলারদের ওপর নিরঙ্কুশ প্রভাব বিস্তার করেন মিচেল মার্শ। তাঁর দাপটে ইশ সোধি, টিম সাউদিরা দিশা খুঁজে পাননি। তাঁকে যোগ্য সহায়তা করেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ১৮.৫ ওভারে ১৭৩/২ রান তুলে প্রথম বারের মতো টি২০ বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয় অস্ট্রেলিয়া। ৫০ বলে ৭৭ রান করে অপরাজিত থাকেন মিচেল মার্শ। তিনি মারেন ৬টি ৪ ও ৪টি ৬। ১৮ বলে ২৮ রান করে অপরাজিত থাকেন ম্যাক্সওয়েল। ট্রেন্ট বোল্ট ১৮ রানে ২ উইকেট নেন।

নভেম্বর ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : ফাইনালে কারা এগিয়ে?‌ কনওয়ের না থাকা বড় ধাক্কা নিউজিল্যান্ডের

টি২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে নিউজিল্যান্ড। অন্যদিকে পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে এসেছে অস্ট্রেলিয়া। দুটি সেরা দল যে ফাইনালে মুখোমুখি হতে চলেছে, সে ব্যাপারে কোনও সন্দেহ নেই।এখন প্রশ্ন হল ফাইনালে এগিয়ে কোন দল? সত্যি কথা বলতে কী এই ধরণের ম্যাচে বিশেষ কোনও দলকে এগিয়ে রাখা বোকামি। একেই খেলাটার নাম ক্রিকেট। তার ওপর টি২০ ফর্ম্যাট। এই ফর্ম্যাটে ভবিষ্যতবানী করা খুবই কঠিন। টি২০ ক্রিকেটে টস জেতাটা অনেক সময় বড় ফ্যাক্টর হয়ে যায়। যেটা চলতি বিশ্বকাপের প্রায় সব ম্যাচেই দেখা গেছে। সুতরাং আমার মনে হয় না ফাইনালেও এর ব্যতিক্রম হতে পারে।ফাইনালে মুখোমুখি দুটি দল এর আগে কখনও টি২০ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়নি। ফলে অস্ট্রেলিয়া যেমন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য মুখিয়ে, তেমনই নিউজিল্যান্ডও মুখিয়ে থাকবে। ২০১০ সালের টি২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে হেরেছিল অস্ট্রেলিয়া। সেই পরাজয়ের পর আবার টি২০ বিশ্বকাপ ফাইনালে অসিরা। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ড এই প্রথমবার। ফলে এবারের বিশ্বকাপ উপহার দেবে নতুন চ্যাম্পিয়নকে। নিউজিল্যান্ড ২০১৯ সালে একদিনের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের ফাইনালে হেরেছিল। এইবছর আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারতকে হারিয়েছে। আইসিসি ইভেন্টে টানা তিনটি ফাইনাল খেলতে চলেছে। ফলে মানসিকভাবে ড়িউজিল্যান্ড কিন্তু এগিয়ে থেকে মাঠে নামবে।আইসিসির প্রতিযোগিতায় অস্ট্রেলিয়া কিন্তু বড় শক্তি। ধারাবাহিকতার দিক দিয়ে ওরা অনেক এগিয়ে। এই বিশ্বকাপের প্রথম থেকে ভাল ক্রিকেট উপহার দিয়েছে। সবথেকে বড় কথা দলে একাধিক ম্যাচ জেতানোর ক্রিকেটার রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার ওপেনিং জুটি দারুণ ভয়ঙ্কর। ছন্দে থাকলে ডেভিড ওয়ার্নার ও অ্যারন ফিঞ্চ জুটি যে কোনও দলের বোলিং শক্তিকে গুঁড়িয়ে দিতে পারে। আইপিএলের ব্যর্থতা কাটিয়ে ওয়ার্নার ছন্দ ফিরে পেয়েছেন। মিডল অর্ডারে রয়েছে স্টিভ স্মিথের মতো ব্যাটসম্যান। বড় ম্যাচের ঘোড়া। ম্যাক্সওয়েলও যে কোনও মুহূর্তে ম্যাচের রং বদলে দিতে পারেন। ম্যাথু ওয়েড সেমিফাইনালে দেখিয়ে দিয়েছেন কতটা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারেন। বোলিং শক্তিও অসাধারণ। প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, জস হ্যাজেলউডের মতো জোরে বোলার রয়েছে। অ্যাডাম জাম্পার মতো স্পিনার যে কোনও দলকে বেগ দিতে পারেন।নিউজিল্যান্ডে সেই অর্থে কোনও তারকা নেই। ওদের আসল শক্তি দলগত খেলা। নিউজিল্যান্ড বরাবরই দল হিসেবে খেলে। এই বিশ্বকাপেও সেই একই ধারা অব্যাহত। মার্টিন গাপটিল, ড্যারিল মিচেল ছন্দে থাকলে যে কোনও বোলারের মাথাব্যথা হয়ে উঠতে পারে। কেন উইলিয়ামসন নিঃশব্দে বিপক্ষে খুন করতে পারেন। তবে ফাইনালে ডেভন কনওয়ের খেলতে না পারাটা বড় ধাক্কা। মিডল অর্ডারে বড় শূন্যতা তৈরি হবে। এমনিতেই লকি ফার্গুসন আগেই ছিটকে যাওয়ায় বোলিং কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়েছে। ডেভিড ওয়ার্নারদের থামানোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ নিতে হবে ট্রেন্ট বোল্ট, টিম সাউদি, জিমি নিশামদের। দল হিসেবে খেললে নিউজিল্যান্ডকে আটকানো মুশকিল হবে। ভারতপাকিস্তান ম্যাচে যেমন চাপ থাকে, তেমনই অস্ট্রেলিয়ানিউজিল্যান্ড ম্যাচও স্নায়ুচাপের। এটাও অনেকটা ফ্যাক্টর করবে ফাইনালে।

নভেম্বর ১৩, ২০২১
রাজনীতি

Suvendu Adhikari: বিশ্বকাপে পাকিস্তানের হার নিয়ে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়লেন শুভেন্দু, কি বললেন তিনি?

টি ২০ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে গ্রুপ লিগ থেকেই বিদায় নিয়েছে ভারত। প্রথম ম্যাচেই ভারতকে হারিয়েছে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান। এবার সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়ে দিল অষ্ট্রেলিয়া। পাকিস্তানকে পরাজিত করার জন্য অষ্ট্রেলিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোশাল মিডিয়ায় উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েছেন গেরুয়া শিবিরের এই নেতা।সেমিফাইনাল ম্যাচে পাকিস্তানের পরাজয়ের পর সোশাল মিডিয়ায় রাজ্য বিজেপি নেতা শুভেন্দু লিখেছেন..দেশদ্রোহীদের জোর কা ঝটকা,পাকিস্তানের হারে ফাটছে পটকা।ভারত পাকিস্তান ম্যাচে ভারতের হারে যারা পটকা ফাটিয়েছিল, উল্লাস করেছিল, আজ সেইসব দেশদ্রোহীদের জন্য কালো দিন। অষ্ট্রেলিয়ার কাছে পাকিস্তানের হার আজ তাদের মুখে ঝামা ঘসে দিল ।অষ্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট টিম কে অভিনন্দন।তবে এখানেই থামেননি গেরুয়া শিবিরের এই নেতা। নন্দীগ্রামের বিধায়ক টুইটে লিখেছেন, পাকিস্তানকে হারানোর জন্য অষ্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট দলকে আন্তরিক অভিনন্দন। এই মুহূর্তটি উদযাপন করতে আমার নন্দীগ্রাম বিধানসভা এলাকার লোকেরা অন্য ভারতীয়দের সঙ্গে যোগ দিয়েছে। আতশবাজি থামবে না, দীপাবলি চলছে। আমাদের শত্রুকে পরাজিত করার জন্য আবার ধন্যবাদ।নন্দীগ্রাম বিধানসভায় প্রার্থী হওয়ার পর থেকেই সরাসরি বিভাজনের পথে হেঁটেছিলেন শুভেন্দু অধিকরী। একেবারেই ঢাক-গুড়গুড় করেননি। গত ১০ নভেম্বর নন্দীগ্রামে শহিদ দিবসের দিনও ফের তিনি বলেছেন, নন্দীগ্রামের ৬৫ হাজার বাদ দিয়ে বাকিদের একসঙ্গে থাকতে হবে। সেই আবেদন জানিয়েছিলেন শহিদ মঞ্চ থেকে। এবার পাকিস্থানের হার নিয়ে ব্যাপক উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তাঁর অবস্থান স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন।

নভেম্বর ১২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মমতার হারের পর তৃণমূলে নতুন সমীকরণ! বিধানসভায় বড় দায়িত্ব পেলেন কারা?

পনেরো বছর পর পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতা হারিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। ফলে এবার বিধানসভায় বিরোধী আসনে বসতে হবে তৃণমূলকে। আর সেই কারণেই বিরোধী দলনেতা কে হবেন, তা নিয়ে কয়েক দিন ধরেই জোর জল্পনা চলছিল রাজনৈতিক মহলে।অবশেষে শনিবার সেই জল্পনার অবসান ঘটাল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্ষীয়ান নেতা ও বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ই হচ্ছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা।একই সঙ্গে বিধানসভায় তৃণমূলের পরিষদীয় দলের চিফ হুইপ করা হয়েছে ফিরহাদ হাকিমকে। এছাড়াও ডেপুটি বিরোধী দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অসীমা পাত্র।ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস মোট ৮০টি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে বিজেপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রাজ্যে সরকার গঠন করেছে। ভবানীপুর কেন্দ্রেও শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর থেকেই প্রশ্ন উঠছিল, বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে।ফল ঘোষণার পর তৃণমূল বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও সেই বৈঠকে কোনও নাম ঘোষণা করা হয়নি। অবশেষে শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিরোধী দলনেতার নাম ঘোষণা করল দল।রাজনৈতিক মহলের মতে, অভিজ্ঞতা ও দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক কাজের কারণেই শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের উপর ভরসা রেখেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। আগামী দিনে বিধানসভায় বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে তৃণমূলের মুখ হিসেবেই দেখা যাবে তাঁকে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

“আমার বাড়ির ইন্টারনেটও কেটে দিয়েছে”, বিস্ফোরক অভিযোগ মমতার

বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ করে চলেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গণনাকেন্দ্রে তাঁকে মারধর করা হয়েছে বলে আগেই অভিযোগ করেছিলেন তিনি। এবার রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিন কালীঘাটের অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে নতুন অভিযোগ তুললেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর দাবি, বাড়ির ইন্টারনেট সংযোগও কেটে দেওয়া হয়েছে।শনিবার কালীঘাটে রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি বহু মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সেই মঞ্চ থেকেই তিনি বলেন, বিজেপি জেতার রাত থেকেই তাঁর নিরাপত্তা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। মমতার কথায়, ওরা যেদিন জিতেছে, সেই রাত থেকেই আমাদের সব নিরাপত্তারক্ষী তুলে নিয়েছে। তার পর দেখলাম ফোন আসছে না, মেসেজ ঢুকছে না। পরে বুঝলাম আমার বাড়ির ইন্টারনেটও কেটে দেওয়া হয়েছে। অন্তত এক ঘণ্টা আগে জানাতে পারত। তবে আমি ওদের দয়া চাই না। কারণ লড়াইটা আমরাই জিতেছি।এর আগেও গণনার দিন গুরুতর অভিযোগ করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি দাবি করেছিলেন, গণনাকেন্দ্রে ঢোকার সময় তাঁকে বাধা দেওয়া হয় এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাঁকে মারধর করেন। তাঁর অভিযোগ, আমি এগিয়ে ছিলাম। তার পর বিজেপির প্রার্থী কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কাউন্টিং সেন্টারে ঢুকে চাপ সৃষ্টি করতে শুরু করে। আমাকে ধাক্কা দেওয়া হয়, লাঠি মারা হয়। তখন সিসিটিভিও বন্ধ ছিল।মমতার এই ধারাবাহিক অভিযোগ ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিজেপি অবশ্য এই সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। তবে ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই ইতিহাসে হাত শুভেন্দুর! নতুন বিতর্কে সরগরম বাংলা

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার দিনই পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস নিয়ে নতুন বিতর্কের সূচনা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার ব্রিগেড ময়দানে শপথ গ্রহণের কয়েক ঘণ্টা পর ভবানীপুরে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাসভবনে যান তিনি। সেখানে শ্রদ্ধা জানানোর পরই পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে বড় ইঙ্গিত দেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী।শুভেন্দু অধিকারী বলেন, পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস ১৯৪৭ সালের ২০ জুন হওয়া উচিত। তাঁর দাবি, ওই দিন বাংলাভাগের সিদ্ধান্ত হয়েছিল বলেই পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অংশ হিসেবে গড়ে উঠেছিল। তিনি জানান, এই বিষয়টি মন্ত্রিসভা এবং বিধানসভায় তোলা হবে। শুভেন্দুর কথায়, ইতিহাস বদলে দেওয়া যায় না। ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় না থাকলে আমাদের অবস্থাও বাংলাদেশে থাকা সংখ্যালঘু হিন্দুদের মতো হতে পারত।১৯৪৭ সালের ২০ জুন অবিভক্ত বাংলার আইনসভায় বাংলাভাগের প্রস্তাব ওঠে। ভোটাভুটিতে বাংলাভাগের পক্ষে মত পড়ে। তার ফলেই পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অংশ হয় এবং পূর্ববঙ্গ পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হয়। এই ঘটনাকেই সামনে রেখে বিজেপি দীর্ঘদিন ধরেই ২০ জুনকে পশ্চিমবঙ্গ দিবস হিসেবে পালনের দাবি জানিয়ে এসেছে। কেন্দ্রীয় সরকারও এই দিনটিকে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস হিসেবে পালন করে। লোকভবনেও প্রতি বছর ২০ জুন অনুষ্ঠান হয়।তবে তৎকালীন তৃণমূল সরকার এই সিদ্ধান্ত মানতে চায়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে রাজ্য বিধানসভায় পয়লা বৈশাখকে বাংলা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাশ হয়েছিল। সেই সিদ্ধান্তের পর থেকেই দুই তারিখ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক চলছিল। এবার রাজ্যে সরকার বদলের পর নতুন করে সেই বিতর্ক আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত মিলল শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্যে।রাজনৈতিক মহলের মতে, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম দিনেই শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ভাবনাকে সামনে এনে শুভেন্দু স্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তা দিলেন। আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত হতে পারে বলেও জল্পনা শুরু হয়েছে।মেটা বর্ণনা: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরই পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে বড় ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পয়লা বৈশাখের বদলে ২০ জুনকে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস করার কথা বলতেই শুরু তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

বিজেপিকে ঠেকাতে বাম-অতিবামদের ডাক মমতার! কালীঘাট থেকে বড় বার্তা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর

একসময় তৃণমূলকে হারাতে সব বিরোধী শক্তিকে একজোট হওয়ার ডাক দিত বিজেপি। এবার বাংলায় ক্ষমতার পালাবদলের পর একই বার্তা শোনা গেল তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে। বিজেপিকে রুখতে বাম, অতিবাম-সহ সব বিরোধী রাজনৈতিক দলকে একসঙ্গে আসার আহ্বান জানালেন তিনি।শনিবার রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষে কালীঘাটে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন দোলা সেন, ফিরহাদ হাকিম, কুণাল ঘোষ-সহ তৃণমূলের একাধিক নেতা। সেই অনুষ্ঠান থেকেই বিরোধী ঐক্যের বার্তা দেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।মমতা বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে আমি আবেদন জানাচ্ছি, বিজেপির বিরুদ্ধে যারা লড়াই করছে তারা সবাই একজোট হোন। ছাত্র, যুব, রাজনৈতিক সংগঠন সবাই এক প্ল্যাটফর্মে আসুন। বাম, অতিবামদের নিয়েও আমার কোনও আপত্তি নেই। আমার কোনও ইগো নেই। বিজেপিকে রুখতে হলে সবাইকে একসঙ্গে লড়তে হবে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বড় জয়ের পরই রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ বদলাতে শুরু করেছে। দীর্ঘদিন একক শক্তিতে লড়াই করা তৃণমূল এখন বুঝতে পারছে যে বিজেপির বিরুদ্ধে বৃহত্তর বিরোধী জোট গড়া জরুরি। সেই কারণেই বাম ও অতিবাম দলগুলিকেও পাশে চাওয়ার বার্তা দিলেন মমতা।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বামের ভোটের বড় অংশ বিজেপির দিকে যাওয়াই এবারের নির্বাচনে বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছে। সেই কারণেই বাম ভোটব্যাঙ্ককে ফের একত্রিত করার চেষ্টা শুরু করেছে তৃণমূল। একই সঙ্গে বিজেপি বিরোধী সব শক্তিকে এক ছাতার তলায় আনার বার্তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন মমতা।তবে মমতার এই আহ্বান নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগে ঠিক করুন তিনি বিরোধী রাজনীতি করবেন কি না। বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যের কথা যখনই উঠেছে, তখনই তিনি ভাঙনের রাজনীতি করেছেন। তাই এখন তাঁর কথায় কতটা বিশ্বাস করা যায়, সেটাই প্রশ্ন।অন্যদিকে সিপিএমএল নেতা দীপঙ্কর ভট্টাচার্য বলেন, বাংলার বর্তমান পরিস্থিতিতে বিজেপির বিরুদ্ধে সব গণতান্ত্রিক শক্তিকেই রাস্তায় নামতে হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর মতো আন্দোলন করুন, আমরাও করব।বাংলার রাজনীতিতে এই মুহূর্তে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দেখছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। বিজেপির উত্থানের পর বিরোধী শক্তিগুলির মধ্যে নতুন করে জোট রাজনীতির আলোচনা শুরু হওয়ায় রাজ্যের রাজনীতি আরও উত্তপ্ত হতে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

২০২০-র সেই সিদ্ধান্তই বদলে দিল বাংলার রাজনীতি, আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

২০২০ সালের ১৯ ডিসেম্বর, শনিবার। মেদিনীপুরের কলেজ মাঠে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর উপস্থিতিতে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই দিনটি রাজ্য রাজনীতিতে বড় চমক তৈরি করেছিল। ঠিক সাড়ে পাঁচ বছর পর আবারও এক শনিবার বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকল। শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী।দুই শনিবারের এই রাজনৈতিক যাত্রা এখন শুভেন্দুর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সময় থেকেই তাঁর লক্ষ্য ছিল বাংলায় বিজেপিকে ক্ষমতায় আনা। তবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে হাতে খুব বেশি সময় পাননি তিনি। সেই নির্বাচনে বিজেপি ৭৭টি আসনে জয় পেলেও পরে একাধিক বিধায়ক দলবদল করেন। তৃণমূলে ফিরে যান মুকুল রায়ও।কিন্তু তারপরও থেমে থাকেননি শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতা হিসেবে বিধানসভার ভিতরে এবং বাইরে লাগাতার তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালিয়ে গিয়েছেন। বিজেপি কর্মীদের মনোবল বাড়াতে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ছুটে গিয়েছেন তিনি।শুভেন্দু বারবার মনে করিয়ে দিয়েছেন, নন্দীগ্রামে তিনি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেছিলেন। শুধু তাই নয়, ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগেও ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন তিনি। রাজনৈতিক মহলের মতে, শুভেন্দু বুঝেছিলেন, ভবানীপুরে তৃণমূল নেত্রীকে চাপে রাখতে পারলে তার প্রভাব গোটা রাজ্যে পড়বে।শেষ পর্যন্ত সেই কৌশলই সফল হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। পরপর দুবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্বাচনে হারিয়ে বড় রাজনৈতিক বার্তা দিয়েছেন শুভেন্দু। আর সেই সাফল্যের পর বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর পদে তাঁর নামই সবচেয়ে জোরালো হয়ে ওঠে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংগঠন শক্তিশালী করা থেকে শুরু করে বিজেপির ভোটব্যাঙ্ককে ধরে রাখাসব ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাই শেষ পর্যন্ত বাংলার মসনদে তাঁর বসা অনেকটাই প্রত্যাশিত ছিল।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দুর শপথ মঞ্চে নজর কাড়লেন এই প্রবীণ নেতা, জানেন তাঁর পরিচয়?

রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ইতিহাস গড়ল বিজেপি। বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। হাজার হাজার কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতিতে জমজমাট হয়ে ওঠে ব্রিগেড ময়দান।তবে শপথ অনুষ্ঠানের মাঝে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়েন ৯৭ বছরের প্রবীণ বিজেপি নেতা মাখনলাল সরকার। শিলিগুড়ির এই প্রবীণ নেতাকে মঞ্চে বিশেষ সম্মান জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁকে জড়িয়ে ধরেন প্রধানমন্ত্রী এবং শাল পরিয়ে সম্মান জানান। সেই মুহূর্ত ঘিরে আবেগ ছড়িয়ে পড়ে গোটা মঞ্চে।মাখনলাল সরকার দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। তাঁকে শিলিগুড়িতে বিজেপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবেও ধরা হয়। বিজেপি বরাবরই বাংলায় নিজেদের রাজনৈতিক লড়াইকে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আদর্শের সঙ্গে যুক্ত করে এসেছে। ফল ঘোষণার দিনও বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়ে তাঁর মূর্তিতে মাল্যদান করেছিলেন।এদিন মাখনলাল সরকারকে নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় দেশের সংবিধান এবং অখণ্ডতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। আর সেই সময়ের অন্যতম সাক্ষী ছিলেন মাখনলাল সরকার। ৯৭ বছর বয়সেও তিনি দলের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন বলে তাঁকে বিশেষ সম্মান জানানো হয়েছে।জানা গিয়েছে, স্বাধীনতার পর জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সঙ্গে প্রথম সারি থেকেই যুক্ত ছিলেন মাখনলাল সরকার। ১৯৫২ সালে কাশ্মীরে ভারতীয় তেরঙ্গা উত্তোলনের আন্দোলনে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে অংশ নেওয়ার সময় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।১৯৮০ সালে বিজেপি গঠনের পর পশ্চিম দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি এবং দার্জিলিং জেলার সাংগঠনিক দায়িত্বও সামলান তিনি। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই হাজার হাজার সদস্যকে বিজেপিতে যুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন বলে দাবি দলের।শমীক ভট্টাচার্য আরও জানান, একসময় দেশাত্মবোধক গান গাওয়ার জন্য দিল্লি পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। আদালতে ক্ষমা চাইতে বলা হলেও তিনি রাজি হননি। উল্টে বিচারকের সামনেই সেই গান আবার গেয়েছিলেন। পরে বিচারক তাঁকে বাড়ি ফেরার জন্য প্রথম শ্রেণির টিকিট এবং যাত্রার খরচ হিসেবে টাকা দিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন শমীক।ব্রিগেডের শপথ মঞ্চে মাখনলাল সরকারকে ঘিরে এই আবেগঘন মুহূর্ত এখন রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেডের মঞ্চে আবেগঘন মুহূর্ত! মোদির আলিঙ্গনে উঠে এলেন ৯৭ বছরের প্রবীণ নেতা

রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ইতিহাস তৈরি করল বিজেপি। বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। হাজার হাজার কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতিতে জমজমাট হয়ে ওঠে গোটা ব্রিগেড।তবে শপথ অনুষ্ঠানের মাঝে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়লেন ৯৭ বছরের প্রবীণ বিজেপি নেতা মাখনলাল সরকার। শিলিগুড়ির এই প্রবীণ নেতাকে মঞ্চে বিশেষ সম্মান জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁকে জড়িয়ে ধরেন প্রধানমন্ত্রী এবং শাল পরিয়ে সম্মান জানান। সেই মুহূর্ত ঘিরে আবেগ ছড়িয়ে পড়ে ব্রিগেডের মঞ্চে।মাখনলাল সরকার দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। তাঁকে শিলিগুড়িতে বিজেপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবেও ধরা হয়। বিজেপি সূত্রে দাবি, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের শেষযাত্রার সঙ্গীও ছিলেন তিনি।এদিন মাখনলাল সরকারকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় দেশের সংবিধান এবং অখণ্ডতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। আর সেই ঐতিহাসিক সময়ের সাক্ষী ছিলেন মাখনলাল সরকার। ৯৭ বছর বয়সেও তিনি দলের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন বলে তাঁকে সম্মান জানানো হয়।জানা গিয়েছে, স্বাধীনতার পর জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সঙ্গে প্রথম সারি থেকেই যুক্ত ছিলেন মাখনলাল সরকার। ১৯৫২ সালে কাশ্মীরে ভারতীয় তেরঙ্গা উত্তোলনের আন্দোলনে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে অংশ নেওয়ার সময় তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল।পরে বিজেপি গঠনের পর পশ্চিম দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি এবং দার্জিলিং জেলায় সংগঠন শক্তিশালী করার দায়িত্ব পান তিনি। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই হাজার হাজার সদস্য সংগঠনে যুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন বলে দাবি বিজেপির।শমীক ভট্টাচার্য আরও জানান, একসময় দেশাত্মবোধক গান গাওয়ার জন্য দিল্লি পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। আদালতে ক্ষমা চাইতে বলা হলেও তিনি রাজি হননি। উল্টে বিচারকের সামনেই সেই গান আবার গেয়েছিলেন। পরে বিচারক তাঁকে বাড়ি ফেরার জন্য প্রথম শ্রেণির টিকিট এবং যাত্রার খরচ দিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন শমীক।ব্রিগেডের শপথ মঞ্চে মাখনলাল সরকারকে ঘিরে এই আবেগঘন মুহূর্ত এখন রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

রাজ্য়ের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু! সঙ্গে ছিলেন আরও পাঁচ মন্ত্রী

পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি। শুক্রবার নিউ টাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিজেপির পরিষদীয় দলের বৈঠকে তাঁকেই পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়। পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচিত হওয়ায় শনিবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন শুভেন্দু।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর উপস্থিতিতেই বিজেপির নবনির্বাচিত বিধায়কদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকেই সর্বসম্মতিক্রমে শুভেন্দু অধিকারীর নাম চূড়ান্ত করা হয়। বিজেপি সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রী পদে শুভেন্দু ছাড়া দ্বিতীয় কোনও নাম প্রস্তাবই করা হয়নি। যদিও বিধায়কদের অন্য নাম প্রস্তাব করার জন্য সময় দেওয়া হয়েছিল বলেও জানান অমিত শাহ।শুভেন্দুর নাম ঘোষণা হওয়ার পর তাঁকে পদ্মফুল তুলে সংবর্ধনা দেন অমিত শাহ। বৈঠকে উপস্থিত বিজেপি বিধায়কদের মধ্যেও তখন উচ্ছ্বাস দেখা যায়।২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে রাজনৈতিক চমক তৈরি করেছিলেন তিনি। যদিও সেই সময় রাজ্যে সরকার গড়তে পারেনি বিজেপি।তবে এবারের নির্বাচনে আবারও বড় জয় পান শুভেন্দু। নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুর থেকেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেন তিনি। এরপর থেকেই বিজেপির অন্দরে মুখ্যমন্ত্রী পদে তাঁর নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিল।রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপির এই ঐতিহাসিক জয়ের পিছনে শুভেন্দুর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। দীর্ঘদিন রাজ্যের মন্ত্রী হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা এবং সংগঠনের উপর দখলও তাঁর পক্ষে গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নামেই সিলমোহর দিল বিজেপি নেতৃত্ব।

মে ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal