• ২৭ মাঘ ১৪৩২, শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Sunil

খেলার দুনিয়া

ঘরের মাঠে লজ্জার হার! ভারতের ‘ভিলেন’ কে, ইঙ্গিত দিলেন সানি

শুভমান গিলের নেতৃত্বে এখনও পর্যন্ত ওয়ানডে সিরিজ জিততে পারেনি ভারত। এবার ঘরের মাঠেই প্রথমবার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজ হারতে হল টিম ইন্ডিয়াকে। বিরাট কোহলি একা লড়াই করলেও দলকে জেতাতে পারেননি। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, কোথায় ভুল হল? এই সিরিজ হারের জন্য দায়ী কে? নাম না করেই সেই প্রশ্নের উত্তর দিলেন প্রাক্তন অধিনায়ক সুনীল গাভাসকর।গাভাসকর বলেন, তিনি কারও নাম নিতে চান না। তবে তাঁর মতে, ভারতের ফিল্ডিংয়ে বড় ঘাটতি ছিল। কয়েকজন ক্রিকেটার বিপক্ষকে খুব সহজে সিঙ্গল নিতে দিচ্ছিলেন। তিনি বলেন, রোহিত শর্মা খুব দ্রুত ফিল্ডিং করেন, বিরাট কোহলি যে কত বড় অ্যাথলিট তা সবাই জানে। কিন্তু সামগ্রিক ভাবে ফিল্ডিং আরও ভালো হতে পারত। সেই কারণেই ড্যারিল মিচেল এবং গ্লেন ফিলিপসদের চাপে রাখা যায়নি। তাঁরা অনায়াসেই বড় রান করে যান।এখানেই থামেননি গাভাসকর। তিনি বলেন, যতক্ষণ না বিরাট কোহলি কাউকে পাশে পাচ্ছেন, ততক্ষণ তাঁর পক্ষে ম্যাচ জেতানো কঠিন হয়ে যাচ্ছে। এই ম্যাচেও কোহলি খুব কম সাহায্য পেয়েছেন। গোটা সিরিজে ভারতের সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল ম্যাচের শুরু। ভালো শুরু না হলে বড় রান তাড়া করা কঠিন হয়ে যায়। এই সিরিজে বারবার খারাপ শুরু করেছে ভারত, যার ফলেই ম্যাচ হাতছাড়া হয়েছে।সিনিয়র ক্রিকেটারদের পাশে দাঁড়িয়ে গাভাসকর তরুণদের মানসিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর মতে, তরুণ ক্রিকেটারদের কোহলির কাছ থেকে শেখা উচিত। কোহলি শুধু একটাই কাজ জানেন, রান করা। তাঁর লড়াকু মানসিকতাই তাঁকে আলাদা করে তোলে। তিনি কখনও হার মানেন না। শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যান।কোহলির ১০৮ বলে ১২৪ রানের ইনিংসকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন গাভাসকর। তিনি বলেন, এই ইনিংস থেকে তরুণরা শিখতে পারে কীভাবে চাপ সামলাতে হয় এবং কীভাবে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখা যায়। ৩৭ বছর বয়সেও যেভাবে দ্রুত স্ট্রাইক রোটেট করেছেন কোহলি, তার তুলনা পাওয়া কঠিন। কিন্তু দুঃখের বিষয়, তিনি কাউকে পাশে পাননি। আর তার ফলেই ম্যাচ এবং সিরিজ দুটোই হারতে হল ভারতকে।

জানুয়ারি ১৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

কলিঙ্গে ভারত-কাতার ফুটবলের মহারণ! ত্রাতার ভূমিকায় কি আবার সুনীল ছেত্রী?

উদ্বোধনী ম্যাচে কুয়েতের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ জয়ের পর, ভারতীয় পুরুষ ফুটবল দল ২১ নভেম্বর মঙ্গলবার ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ কোয়ালিফায়ারে কাতারের বিরুদ্ধে একটি হোম খেলা দিয়ে ২০২৩ এর তাদের সবচেয়ে বড় পরীক্ষার মুখোমুখি হবে।ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে ব্লু টাইগারদের দ্বিতীয় রাউন্ড-র দ্বিতীয় ম্যাচ এশিয়ান চ্যাম্পিয়নদের বিরুদ্ধে ভারতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। বলাবাহুল্য ফিফা র্যাঙ্কিং অনুযায়ী কাতার ভারতের বিপক্ষে ফেভারিট টিম হয়েই নামবে।ভারতীয় ফুটবল দলের কোচ ইগর স্টিমাচের দল ২০২৩ এ কিছুটা ভালো-খারাপের মধ্য দিয়ে চলছে, এবং এখনও পর্যন্ত তাঁরা ঘরের মাঠে অপরাজিত রয়েছে। কোলকাতার তিন প্রধানের অন্যতম মোহনবাগানের ফরোয়ার্ড মনভীর সিংয়ের অসাধরন গোলে ভারত কুয়েতের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তিন পয়েন্ট অর্জন করে। ঘরের মাঠে চেনা দর্শকের সামনে পূর্ণ সমর্থন নিয়ে গ্রুপের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলার আগে ভারতের মনোবল আরও বাড়িয়ে দেবে বলেই ফুটবল বিশেষজ্ঞ মহলের ধারনা। ২০১৯ এ ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের বাছাইপর্বের খেলায় ভারত অসাধরণ খেলে কাতারের সাথে ম্যচ ০-০ ফলে ড্র করেছে, এবং গ্রুপ এ-তে তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে মঙ্গলবার পয়েন্টের আশা নিয়েই খেলতা নামবে ভারতীয় ফুটবল দল।২০২৩ এ ভারতীয় ফুটবল দল ভারতের মাটিতে যে ১১টি ম্যাচ খেলেছে, তার মধ্যে ৯টিতে তাঁরা জয়লাভ করেছে, এবং ২টি খেলা অমীমাংসিত ভাবে শেষ হয়েছে। এই বছরে ঘরের মাঠে এখনও অবধি হারের মুখে দেখেনি স্তিমাচের প্রসিক্ষানাধীন ভারতীয় ফুটবল দল। টানা আটটি খেলায় কোনও গোল খায়নি ভারত। ভারতীয় ফুটবলে এহেন ধারাবাহিকতা দেখে আশায় বুক বেঁধেছে ভারতীয় সমর্থকেরা। বিশেষজ্ঞদের আশা আজ ভুননেস্বরের কলিঙ্গ স্টেডিয়ামের একটা সিট-ও খালি থাকবে না। এই মুহুর্তে ফিফা র্যাঙ্কিং-এ ভারতীয় ফুটবল দল ৯৯ নম্বর স্থানে অবস্থান করছে। ধারাবাহিক ভাবে ভালো খেলার ফলেই ফিফার বিশ্ব ক্রমতালিকায় উঠে আসে ভারত।২১ নভেম্বর মঙ্গলবার ভারতীয় সময় সন্ধ্যা ৭ টায় খেলা শুরু হওয়ার নির্ধারিত সময়। স্পোর্টস ১৮, স্পোর্টস ১৮ -১ এবং স্পোর্টস ১৮ -৩-এ ভারত-কাতার এর খেলা সরাসরি সম্প্রচার দেখতে পাবেন। এছাড়াও ভারতের সমস্ত ফিফা বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের খেলা অনলাইন লাইভ স্ট্রিমিংয়ের জন্য জিও সিনেমা (JioCinema) অ্যাপ বা জিও-র ওয়েবসাইট বিনামূল্যে দেখতে পাবেন।বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের জন্য ভারতের স্কোয়াড:গোলরক্ষকঃ গুরপ্রীত সিং সান্ধু, অমরিন্দর সিং, বিশাল কাইথ।ডিফেন্ডারঃ সন্দেশ জিঘান, মেহতাব সিং, লালচুংনুঙ্গা, রাহুল ভেকে, নিখিল পূজারি, আকাশ মিশ্র, রোশন সিং নওরেম, শুভাশিস বোস।মিডফিল্ডারঃ সুরেশ সিং ওয়াংজাম, অনিরুধ থাপা, লালেংমাওইয়া আপুইয়া, ব্র্যান্ডন ফার্নান্দেস, রোহিত কুমার, সাহল আবদুল সামাদ, লিস্টন কোলাকো, নওরেম মহেশ সিং, উদন্ত সিং।ফরোয়ার্ডঃ সুনীল ছেত্রী, লালিয়ানজুয়ালা ছাংতে, মানভীর সিং, ইশান পন্ডিত, রাহুল কেপি।

নভেম্বর ২১, ২০২৩
রাজনীতি

বঙ্গ বিজেপিতে বড় চমকঃ একমাসের মাথায় বিজেপির পর্যবেক্ষক বদল, আদিবাসী নেত্রী নয়া সহকারি

২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের পরে এরাজ্যে আর মুখ দেখা যায়নি বঙ্গ বিজেপির পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়কে। নির্বাচনের ১৫ মাস বাদে বাংলার পর্যবেক্ষক পদে বিজয়বর্গীয়কে সরিয়ে আনা হয় সুনীল বনশলকে। বাংলা সহ একাধিক রাজ্যের দায়িত্বে ছিলেন বনশল। দলে অমিত শাহের ঘনিষ্ঠ এই নেতাকে এক মাসের মাথায় ফের সরিয়ে দিল বিজেপি। শুক্রবার সন্ধ্যায় দলের পক্ষ থেকে বিবৃতি জারি করে নতুন পর্যবেক্ষক ও দুজন সহকারি পর্যবেক্ষকের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা নতুন পর্যবেক্ষক নিযুক্ত করেছেন মঙ্গল পান্ডেকে। পান্ডে বিহার বিজেপির প্রদেশ সভাপতি ছিলেন। তাছাড়া ওই রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীও ছিলেন মঙ্গল পান্ডে। এরই পাশাপাশি রাঁচির দুবারের মেয়র ও আদিবাসী নেত্রী আশা লাকড়াকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সহকারি পর্যবেক্ষক হিসাবে। তিনি দলের সর্বভারতীয় সম্পাদক পদে রয়েছেন। একইসঙ্গে অমিত মালব্যকে রেখে দেওয়া হয়েছে সহকারি পর্যবেক্ষক হিসাবে।সম্প্রতি কলকাতায় এসেছিলেন সুনীল বনশল। হঠাৎ একমাসের মধ্যে তাঁকে সরিয়ে দেওয়ায় বিভ্রান্তিতে পড়েছে দলের একাংশ। কার্যত সুনীল বনশল এরাজ্যে কাজই শুরু করতে পারলেন না, তারই মধ্যে তাঁকে সরে যেতে হল দায়িত্ব থেকে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ফিফার নির্বাসনের কবলে ভারত, খুশি বাইচুং ভুটিয়া!‌

ফিফার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট শেপ ব্লাটার ভারতীয় ফুটবল সম্পর্কে বলেছিলেন, ঘুমন্ত দৈত্য। ব্লাটারের সেই ঘুমন্ত দৈত্যকে কিনা পড়তে হল নির্বাসনের কবলে! অবাক হলেও এটাই সত্যি। ফুটবল প্রশাসনে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপের জন্য ভারতকে নির্বাসিত করেছে ফিফা। স্বাধীনতা দিবসের ৭৫ বছর পূর্তির ঠিক পরের দিনই দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে সব থেকে লজ্জাজনক দিনের সাক্ষী থাকল ভারত।বিশ্ব ফুটবলের নিয়ামক সংস্থার সংবিধানে বলা রয়েছে ফিফা স্বীকৃত প্রতিটি দেশের ফুটবল সংস্থাকে স্বশাসিত হতে হবে। সংস্থায় সরকার কিংবা কোনও তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ থাকবে না। সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশে নিযুক্ত কমিটি অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটর প্রশাসনে হস্তক্ষেপ করার জন্যই নির্বাসিত হতে হল ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনকে।সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসক কমিটি গঠনের পর ভারতীয় ফুটবলের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষনে আসে ফিফার প্রতিনিধি দল। ফেডারেশনের দায়িত্বে থাকা কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা হয় প্রতিনিধি দলের। ফিফা স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে নতুন সংবিধান চূড়ান্ত করতে হবে । ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। নির্বাচনে যাঁরা জিতবেন সেই কমিটিকে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কাজ শুরু করতে হবে, জানানো হয় ফিফার তরফে। ফিফার এই নির্দেশের পরই স্পষ্ট ছিল বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে সমস্ত প্রক্রিয়া সমপন্ন করতে না পারলে নির্বাসনের মুখে পড়তে হবে ভারতীয় ফুটবলকে। ফলে ৩১ জুলাই পেরিয়ে যাওয়ার পর আরও ১৫ দিন অতিরিক্ত সময় দিয়েও যখন কাজ হয়নি তখন ভারতীয় ফুটবলে নেমে এল ফিফার শাস্তির খাঁড়া। এবছর অক্টোবর মাসে ভারতে মেয়েদের অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ হওয়ার কথা ছিল। নির্বাসনের ফলে বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। কারণ ফিফা ভারতে অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ স্থগিত করে দিয়েছে।ভারতীয় ফুটবলকে ফিফার নির্বাসন করার এই সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত কঠোর বলে অভিহিত করেছেন দেশের প্রাক্তন অধিনায়ক বাইচুং ভুটিয়া। তিনি বলেছেন, এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক যে ভারতীয় ফুটবলকে নির্বাসিত করেছে ফিফা। পাশাপাশি ভারতীয় ফুটবলের প্রতি নেওয়া ফিফার এই সিদ্ধান্ত খুব কঠোর। তবে ফিফার এই সিদ্ধান্ত শাপে বর হতে পারে। ফুটবল প্রশাসনকে আবার ঠিক পথে ফেরানোর সুযোগ পেয়েছি আমরা। তার জন্য ফুটবল ফেডারেশন, সব রাজ্যের ফুটবল সংস্থাগুলোকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে।

আগস্ট ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

হংকংকে উড়িয়ে গ্রুপ শীর্ষে থেকে এশিয়ান কাপের মূলপর্বে ভারত

এএফসি এশিয়ান কাপের মূলপর্বে কি যোগ্যতা অর্জন করতে পারবে ভারত? মঙ্গলবার সকাল থেকেই প্রশ্নটা ঘুরপাক খাচ্ছিল। হংকংয়ের বিরুদ্ধে গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে মাঠে নামার আগেই অবশ্য ইগর স্টিম্যাকের দলকে স্বস্তি দেয় প্যালেস্তাইন। গ্রুপ বিতে নিজেদের শেষ ম্যাচে ফিলিপিন্সকে ৪০ ব্যবধানে হারিয়ে ভারতের পথ প্রশস্ত করে দিয়েছিল। হংকংয়ের কাছে হারলেও মূলপর্বে যাওয়া আটকাত না ভারতের। মূলপর্বে পৌঁছে গেলেও সুনীল ছেত্রীরা অবশ্য আত্মতুষ্ট হয়ে পড়েননি। হংকংকে হারিয়ে গ্রুপ শীর্ষে থেকেই এএফসি এশিয়ান কাপের মূলপর্বে পৌঁছল ভারত।ভারতহংকং ম্যাচ শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই ভারতের এশিয়ান কাপে যোগ্যতা অর্জন নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। যুবভারতীতে আনন্দউৎসবে মেতে ওঠেন। গ্যালারিতে জ্বলে ওঠে মোবাইলের ফ্ল্যাশ। স্টিম্যাক ব্রিগেডও জ্বলে ওঠে মাঠে। দর্শকরা নিজেদের আসনে ঠিকভাবে বসার আগেই গোল। প্রথম মিনিটেই ভারতকে এগিয়ে দেন আনোয়ার আলি। আশিক কুরুনিয়ানের সেন্টার হংকং ডিফেন্স আংশিক প্রতিহত করলে সেই বল যায় আনোয়ারের কাছে যায়। তিন কাঠিতে বল রাখতে ভুল করেননি আনোয়ার। শারিরীক অসুস্থতার জন্য একসময় ফুটবলজীবনই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল আনোয়ারের। এই গোল তাঁকে নতুন জীবন দেবে সন্দেহ নেই।২৮ মিনিটে ব্যবধান বাড়াতে পারত ভারত। রোশন সিংয়ের সেন্টার ধরে সাহাল আব্দুল সামাদের শট বারে লেগে ফিরে আসে। ৪১ মিনিটে ভারতীয় গোলকিপার গুরপ্রীত সিংয়ের ভুলে সমতা ফেরাতে পারত হংকং। কিন্তু সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। প্রথমার্ধের একেবারে শেষ দিকে ব্যবধান বাড়ায় ভারত। জিকসন সিংয়ের ফ্রি কিক থেকে বাঁপায়ের দুরন্ত ভলিতে গোল করেন সুনীল ছেত্রী। দ্বিতীয়ার্ধেও ভারতের খেলার ঝাঁঝ ছিল চোখে পড়ার মতো। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোল করার মতো জায়গায় চলে এসেছিলেন সুনীল ছেত্রী। গোলরক্ষককে একা পেয়েও সুবিধাজনক জায়গা থেকে সুনীলে সরাসরি হংকং-এর গোলরক্ষক ইয়াপ হুং ফাই-এর হাতে মারেন। এই সুযোগের দুই মিনিট আগে উদান্ত সিং-এর শট আউট সুইং হয়ে বাইরে বেড়িয়ে যায়। ৫৯ মিনিটে সাহাল আবদুল সামাল এবং উদান্ত সিং-এর পরিবর্তে স্টিম্যাচ নামান লিস্টন কোলাসো এবং মনবীর সিংকে। ৭৬ মিনিটে সুনীল ছেত্রীর পরিবর্তে নামেন ব্রেন্ডন ফার্নান্ডেজ। দুই পরিবর্তন খেলোয়াড় ব্রেন্ডন এবং মনবীরের যুগলবন্দীতে তৃতীয় গোলটি পায় ভারত। ৮৫ মিনিটে ব্রেন্ডনের পাস থেকে গোল করে যান মনবীর সিং। গোটা স্টেডিয়াম যখন ৩-০ গোলে ম্যাচ জেতার আনন্দে বিভোর তখন দ্বিতীয়ার্ধের অতিরিক্ত সময়ে সেই আনন্দকে বাড়িয়ে দেয় ঈশান পন্ডিতার গোল। মনবীর সিং-এর পাস থেকে গোল করে যান সুপার সাব ঈশান পন্ডিতা। হংকং-এর বিরুদ্ধে এই জয় গ্রুপ ডি-এর শীর্ষে স্থানে জায়গা করে দিল ভারতকে (৩ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট)। দ্বিতীয় স্থানে রইল হংকং (৩ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট)।

জুন ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

চূড়ান্ত উত্তেজনার ম্যাচে শেষমুহূর্তের গোলে নাটকীয় জয় ভারতের

এএফসি এশিয়ান কাপের কোয়ালিফায়ারের গ্রুপ লিগের ম্যাচে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে নাটকীয় জয় তুলে নিল ভারত। দ্বিতীয়ার্ধের দশ মিনিটের চূড়ান্ত উত্তেজনার ম্যাচে আফগানিস্তানকে ২-১ গোলে পরাজিত করল ভারত। ভারতের জয়সূচক গোলটি আসে ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ভারতের হয়ে গোল দুটি করেন সুনীল ছেত্রী এবং সাহাল আব্দুল সামাদ।দুই দলই এদিন চাপ নিয়ে মাঠে নেমেছিল। এদিন দিনের প্রথম ম্যাচে কম্বোডিয়াকে ৩-০ ব্যবধানে হারায় হংকং। ২ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে তারা পৌঁছে যায় গ্রুপ শীর্ষে। পরের পর্বে যেতে গেলে আফগানিস্তান ও ভারতের কাছে জেতাটা জরুরি ছিল। ভাল শুরু করে আধিপত্য দেখালেও প্রথমার্ধে গোল তুলতে ব্যর্থ ভারত। আফগানিস্তানের গা-জোয়ারি ফুটবলের কাছে সমস্যায় পড়তে হয় সুনীল ছেত্রীদের। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে কয়েকটি পরিবর্তন করে দল সাজিয়েছিলে ভারতীয় দলের কোচ uiইগর স্টিম্যাক। অনিরুদ্ধ থাপা ও ব্রেন্ডন ফার্নান্ডেজের জায়গায় শুরু থেকেই মাঠে নামান জিকসন ও আশিক কুরুনিয়ানকে। আশিকের গতিকে কাজে লাগানোর জন্য এই স্ট্রাটেজি নিয়েছিলেন স্টিম্যাক। ম্যাচের প্রথম থেকেই দুই প্রান্ত দিয়ে আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে আফগানিস্তান রক্ষণকে চাপে রাখেন মনবীর সিং, লিস্টন কোলাসোরা। কিন্তু গোলমুখ খুলতে পারেননি। এদিন সুনীল ছেত্রীকে কড়া নজরে রেখেছিলেন আফগান ডিফেন্ডাররা। সুনীল আটকে যেতেই ভারতের কাছে গোল করার কাজটা কঠিন হয়ে যায়। প্রথমার্ধে গোল করার মতো সহজ সুযোগ তৈরি হয়নি। অন্যদিকে, আফগানিস্তানও ঘর বাঁচাতেই বেশি ব্যস্ত ছিল। দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে ভারত। নাটক জমে ওঠে ম্যাচের শেষলগ্নে। ৮৬ মিনিটে ফ্রি কিক থেকে বিশ্বমানের গোল করে ভারতকে এগিয়ে দেন সুনীল ছেত্রী। কিন্তু এই এগিয়ে যাওয়া বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি ভারত। দুমিনিটের মধ্যেই আফগানিস্তান সমতা ফিরিয়ে আনে প্রতি আক্রমণ থেকে পাওয়া কর্নার থেকে হেড করে। সবাই যখন ধরে নিয়েছে ম্যাচ ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছে, তখনই জ্বলে ওঠেন সাহাল আব্দুল সামাদ। ৯২ মিনিটে তাঁর করা গোলেই জয় ছিনিয়ে নেয় ম্ভারত। এই ম্যাচে জয়ের ফলে পরবর্তী ম্যাচে হংকংকে হারালেই ভারত পৌঁছে যাবে এএফসি এশিয়ান কাপের মূল পর্বে। তবে, সেই ম্যাচে যদি ভারত ড্র করে বা হেরে যায় তা হলে সরাসরি এএফসি এশিয়ান কাপে পৌঁছে যাবে হংকং। ড্র করলে গোল পার্থক্যে এগিয়ে যাবে তারা। তবে, ভারত দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও পরবর্তী রাউন্ডে যেতে পারবে। সেক্ষেত্রে সেরা পাঁচটি দ্বিতীয় স্থানে থাকা দলের মধ্যে জায়গা করে নিতে হবে ভারতকে।

জুন ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

হেটমায়ারের স্ত্রী–কে টেনে কুরুচিকর মন্তব্য!‌ এ কী বললেন সুনীল গাভাসকার!‌

একজন ক্রিকেটার সম্পর্কে তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য! বুড়ো বয়সে কী ভীমরতি হয়েছে সুনীল গাভাসকারের? অনেকটা সেরকমই। রাজস্থান রয়্যালসের শিমরন হেটমায়ার ও তাঁর স্ত্রীকে জড়িয়ে খারাপ মন্তব্য করে সোশ্যাল মিডিয়ায় চূড়ান্ত ট্রোলড হলেন সুনীল গাভাসকার। রাজস্থান রয়্যালস ও চেন্নাই সুপার কিংস ম্যাচে শিমরন হেটমায়ারের স্ত্রীর সন্তান প্রসবের প্রসঙ্গ টেনে নিয়ে এসে এমন মন্তব্য করেছেন, যা বিতর্ক তৈরি করেছে।শুক্রবার মুম্বইয়ের ব্র্যাবোর্ন স্টেডিয়ামে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে মুখোমুখি হয়েছিল রাজস্থান রয়্যাল। এই ম্যাচে ধারাভাষ্যকারের ভুমিকায় ছিলেন সুনীল গাভাসকার। জয়ের জন্য ১৫১ রান তাড়া করতে নেমে রাজস্থান রয়্যালস একসময় দ্রুত বেশ কয়েকটা উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায়। দেবদত্ত পাড়িক্কল আউট হওয়ার পর ক্রিজে আসেন শিমরন হেটমায়ার। সেই সময় জয়ের জন্য রাজস্থান রয়্যালসের প্রয়োজন ছিল ৫২ বলে ৭৫ রান। হাতে ছিল ৬ উইকেট। হেটমায়ার ক্রিজে আসার পরপরই সুনীল গাভাসকার কমেন্ট্রি বক্সে বসে মন্তব্য করেন, হেটমায়ারের স্ত্রী সদ্য সন্তান প্রসব করেছে। হেটমায়ার কি এবার রাজস্থান রয়্যালসের জন্য ডেলিভারি করবেন? টিভিতে সুনীল গাভাসকারের এই মন্তব্য শুনে রীতিমতো ক্ষোভে ফেটে পড়েন ক্রিকেটপ্রমীরা। অনেকেই গাভাসকারকে নির্লজ্জ বলে অভিহিত করেছেন। কেউ আবার টুইটারে লিখেছেন, সানিজির এই মন্তব্য চলতি আইপিএলে আম্পারিংয়ের থেকেও জঘন্য। একজন লিখেছেন, গাভাসকারের কমেন্ট্রি থেকে আমরা অনেককিছু পেয়েছি। কিন্তু এইরকম খারাপ মন্তব্য কখনও শুনিনি। কেউ আবার লিখেছেন, ক্রিকেট বিশ্বের কাছে সুনীল গাভাসকার লজ্জাজনক ঘটনা উপহার দিলেন। সুনীল গাভাসকারের উদ্দেশ্যে একজন টুইট করেছেন,এটা পেশাদার খেলা। স্যার আপনি কেন অন্যের স্ত্রী সম্পর্কে এইরকম মন্তব্য করলেন?শিমরন হেটমায়ারের স্ত্রী ছিলেন সন্তানসম্ভবা। সন্তানপ্রসবের সময় স্ত্রীর পাশে থাকার জন্য দুসপ্তাহ আগে গায়ানা ফিরে গিয়েছিলেন। ১০ মে হেটমায়ারের স্ত্রী সন্তান প্রসব করেন। কয়েকদিন স্ত্রীর সঙ্গে কাটিয়ে তারপর আবার ভারতে ফিরে এসে হেটমায়ার জৈব সুরক্ষা বলয়ে যোগ দেন। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে তাঁকে খেলানো হয়। কিন্তু নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি হেটমায়ার। মাত্র ৬ রান করে তিনি আউট হন। যদিও চেন্নাই সুপার কিংসকে হারিয়ে আইপিএলের লিগ টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসে রাজস্থান রয়্যালস।

মে ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মরণবাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠতে ব্যর্থ কলকাতা নাইট রাইডার্স

জায়ান্টসকে কম রানে বেঁধে রাখতে পারল না কলকাতা নাইট রাইডার্স।প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে লখনউ সুপার তোলে ৭ উইকেটে ১৭৬। প্লে অফের লড়াইয়ে টিকে থাকতে গেলে লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না কলকাতা নাইট রাইডার্সের সামনে। অথচ এইরকম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে কাফ মাসলসে চোটের জন্য ছিটকে যান নাইট রাইডার্সের বোলিংয়ের অন্যতম ভরসা স্তম্ভ উমেশ যাদব। চলতি আইপিএলে ১০ ম্যাচে ১৫ উইকেট নিয়ে বোলারদের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারীর তালিকায় ৬ নম্বরে রয়েছেন উমেশ যাদব। শুরুর দিকে তাঁর অভাব বুঝতে দেননি টিম সাউদি, সুনীল নারাইনরা। পরে অবশ্য ছন্দ ধরে রাখতে পারেননি।ব্যাট করতে নেমে এদিন শুরুতেই ধাক্কা খায় লখনউ সুপার জায়ান্টস। প্রথম ওভারেই কোনও বল না খেলেই রান আউট হয়ে ফিরে যান লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক লোকেশ রাহুল (০)। শুরুর ধাক্কা চমৎকারভাবে সামাল দেন কুইন্টন ডিকক ও দীপক হুডা। দুজনের জুটিতে ওঠে ৭১। অষ্টম ওভারে জুটি ভাঙেন সুনীল নারাইন। তুলে নেন কুইন্টন ডিকককে। ২৯ বলে ৫০ রান করে আউট হন ডিকক। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৪টি চার ও ৩টি ছয়। ১৩ তম ওভারে দীপক হুডাকে তুলে নেন আন্দ্রে রাসেল। ২৭ বলে ৪১ রান করে শ্রেয়স আয়ারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন দীপক হুডা।২ ওভার পরেই ক্রূণাল পান্ডিয়াকে তুলে নেন সেই রাসেলই। ২৭ বলে ২৫ রান করেন ক্রূণাল। ১৫ ওভারে লখনউ সুপার জায়ান্টসের রান ছিল ১২২/৪। এই সময় মনে হচ্ছিল বড় রানে পৌঁছতে পারবে না লখনউ সুপার জায়ানন্টস। মার্কাস স্টয়নিসের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের সুবাদে শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৭৬/৭ রানে পৌঁছয় লখনউ সুপার জায়ান্টস। ১৪ বলে ২৮ রান করেন স্টয়নিস। শিবম মাভির এক ওভারে ৩টি ৬ মারেন তিনি। ১৮ বলে ১৫ রান করে অপরাজিত থাকেন আয়ূষ বাদোনি। ৪ বলে ১৩ রান করে অপরাজিত থাকেন জেসন হোল্ডার। ২২ রানে ২ উইকেট নেন আন্দ্রে রাসেল। ১টি করে উইকেট নেন টিম সাউদি, শিবম মাভি ও সুনীল নারাইন।

মে ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সুনীল নারাইন যেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের সুব্রত ভট্টাচার্য

কলকাতা ময়দানে ফুটবলে একটা সময় প্রায়ই শোনা যেত ঘরের ছেলে। সুব্রত ভট্টাচার্য, মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য, সত্যাজিৎ চ্যাটার্জি থেকে কৃশানু দে, বিকাশ পাঁজিদের নামের সঙ্গে ঘরের ছেলের তকমা সেঁটে গিয়েছিল। কিন্তু ক্রিকেটে? ক্রিকেটে আবার ঘরের ছেলে হয় নাকি? নিলামে কোন ক্রিকেটারকে কোন দল নেবে, কেউ বলতে পারবে না। তবে একটানা খেলতে খেলতে অনেকেই ঘরের ছেলে হয়ে গেছেন। যেমন চেন্নাই সুপার কিংসে মহেন্দ্র সিং ধোনি, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সে বিরাট কোহলি। তেমনই কলকাতা নাইট রাইডার্সে যেন ঘরের ছেলে হয়ে গেছেন সুনীল নারাইন। এক দশক ধরে কলকাতা নাইট রাইডার্সের জার্সি গায়ে খেলছেন এই ক্যারিবিয়ান তারকা। অন্য কোনও দলে যাওয়ার পরিকল্পনাও নেই। নাইট রাইডার্সে খেলেই আইপিএল থেকে অবসর নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সুনীল নারাইনের। সোমবার রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার সঙ্গে সঙ্গে নাইট রাইডার্সের জার্সি গায়ে ১৫০ তম আইপিএল ম্যাচ খেলে ফেললেন সুনীল নারাইন। একই ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে এই কৃতিত্ব অর্জন করতে পেরে তিনি গর্বিত। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে নারাইনের হাতে ১৫০ লেখা জার্সি তুলে দেন দলের হেড কোচ ব্রেন্ডন ম্যাকালাম। ২০১২ সালে কলকাতা নাইট রাইডার্সে যোগ দেন সুনীল নারাইন। টানা ১০ বছর একই ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেলছেন। আইপিএলে খুব কম বিদেশিই রয়েছেন যারা দীর্ঘদিন একই ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেলছেন। কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে এতদিন খেলতে পেরে আপ্লুত সুনীল নারাইন। ১৫০ ম্যাচের মাইলস্টোনে পৌঁছে এই ক্যারিবিয়ান তারকা বলেন, যতদিন আইপিএল খেলব, কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়েই খেলতে চাই। আমি দলের সিইও ভেঙ্কি মাইসোরকে সবসময় বলে এসেছি, আমাকে নিশ্চয় আর অন্য কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেলতে হবে না। নাইট রাইডার্স থেকেই শুরু করেছি, এখানেই শেষ করব। বিদেশি ক্রিকেটাররা একটা ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে বেশিদিন খেলার সুযোগ পায় না। সেই দিক দিয়ে আমি সৌভাগ্যবান। কলকাতা নাইট নাইট রাইডার্সে কাটানো সময়গুলো আমার কাছে খুবই মহামূল্যবান। নাইট রাইডার্সের জার্সি গায়ে রাজস্থান রয়্যালস ম্যাচের আগে ১৪৭ উইকেন নেন সুনীল নারাইন। সোমবার রাজস্থানের বিরুদ্ধে তাঁর হাত ধরেই ব্রেক থ্রু আসে। কলকাতা নাইট রাইডার্সের ১০ বছর জীবনে তাঁকে সমস্যাতেও পড়তে হয়েছে। ২০২০ সালে তাংর বিরুদ্ধে চাকিংয়ের অভিযোগ উঠেছিল। পরে নিজের বোলিং অ্যাকশন বদল করতে বাধ্য হন। শুধু বল হাতেই নয়, ব্যাট হাতেও দলকে ভরসা দিয়েছেন সুনীল নারাইন। দলকে দুবার আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন। বহু বিপদে দলকে উদ্ধার করেছেন। ঠিক যেন মোহনবাগানের সুব্রত ভট্টাচার্য।

এপ্রিল ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

হবু শ্বশুরের সামনে বেইজ্জত!‌ ভারতীয় ক্রিকেট দলের এই ওপেনার কে নিয়ে মিমের বন্যা

তুই এই ছেলেকে পছন্দ করেছিস? যে কিনা ব্যাট করতে পারে না। প্রথম বলেই শূন্য রানে বোল্ড হয়? মুম্বই ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের ভিআইপি গ্যালারিতে বসে রবিবার রাতে মেয়ে আথিয়াকে এই কথা গুলো কি আদৌও বলেছিলেন সুনীল শেট্টি? যদি বলে থাকেন অবাক হওয়ার কিছু নেই। রবিবার হবু শ্বশুরের সামনে বেইজ্জত লোকেশ রাহুল।সুনীল শেট্টির মেয়ে আথিয়া লোকশ রাহুলের প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন, একথা আর কারও অজানা নেই। রবিবার ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে রাজস্থান রয়্যালস লখনউ সুপার জায়ান্টসের ম্যাচ ছিল। লোকেশ রাহুল আবার লখনউ সুপার জায়ান্টসের অধিনায়ক। বাবা সুনীল শেট্টিকে নিয়ে স্টেডিয়ামে এসেছিলেন আথিয়া। বয়ফ্রেন্ডের খেলা দেখাতে। আর হবু শ্বশুরের সামনে বেইজ্জত লোকেশ রাহুল। ট্রেন্ট বোল্টের প্রথম বলেই ছিটকে যায় লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়কের স্টাম্প। ট্রেন্ট বোল্টের প্রথম বলেই লোকেশ রাহুলের স্টাম্প ছিটকে যেতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় মিম ছড়িয়ে পড়ে মিম। নেটিজেনদের অনেকেই মজা করে বলতে শুরু করেন, প্রথম বলে আউট হওয়ার আর দিন পেলেন না লোকেশ রাহুল! বাবাকে নিয়ে খেলা দেখতে এসেছেন গালফ্রেন্ড। আর সেদিনই কিনা বেইজ্জত হল! সোশ্যাল মিডিয়ায় মিমের বন্যা শুরু হয়। এক নেটিজেন লেখেন, আথিয়া ও সুনীল শেট্টি, মেয়েবাবা মিলে রাহুলকে দেখতে এলেন। আর ভাই, শূন্য রানেই আউট হয়ে গেলেন। অন্য এক নেটিজেন লেখেন, আথিয়া শেট্টির সামনে মানসম্মান ডুবিয়ে দিলেন লোকেস রাহুল। শ্বশুর সুনীল শেট্টি নতুন জামাই খুঁজতে বেরিয়ে গিয়েছেন। আর একজন সুনীল ও আথিয়ার ছবি পোস্ট করে লেখেন, আথিয়াকে সুুনীল বলছেন, এই তোমার বয়ফ্রেন্ড? রবিবার মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে লখনউ সুপার জায়েন্টসের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৬৫ রান তোলে রাজস্থান রয়্যালস। সেই রান তাড়া করতে নামেন রাহুল এবং কুইন্টন ডিকক। কিন্তু লখনউয়ের ইনিংসের প্রথম বলেই আউট হয়ে যান রাহুল। ট্রেন্ট বোল্টের দক্ষতার কাছে হার মানেন। অফস্টাম্পের বাইরে পড়া বল শেষমুহূর্তে বল সুইং করে লোকেশ রাহুলের ব্যাট এবং প্যাডের মধ্যে দিয়ে স্টাম্পে আছড়ে পড়ে।

এপ্রিল ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ওপেনিংয়ে ঋষভ!‌ চমক ভারতের, কী বললেন গাভাসকার?‌

ব্যক্তিগত কারণে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম একদিনের ম্যাচে খেলেননি লোকেশ রাহুল। তাঁর পরিবর্তে রোহিত শর্মার সঙ্গে ওপেন করেছিলেন ঈশান কিষান। দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে ঈশানের পরিবর্তে দলে দলে লোকেশ। তবে তিনি প্রথম একাদশে থাকা সত্ত্বেও রোহিতের সঙ্গে ওপেনিংয়ে ঋষভ পন্থ। ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের এই স্ট্র্যাটেজিতে চমকে গিয়েছিলেন সবাই।কেন ঋষভ পন্থকে ওপেনিংয়ে তুলে নিয়ে আসা হয়েছিল? আসলে ২০২৩ একদিনের বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে পরীক্ষানিরীক্ষা শুরু করেছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। আগে লোয়ার মিডল অর্ডারে পাঠানো হত ঋষভকে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে ৪ নম্বরে তুলে নিয়ে আসা হয়েছিল। দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধেও ৪ নম্বরে পাঠানো হয়েছিল। ব্যর্থ হয়েছিলেন। দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে একেবারে ওপেনিংয়ে। টপ অর্ডারে তুলে নিয়ে এসে ঋষভকে বার্তা দেওয়া হল, তাঁর কাছ থেকে দল আরও বেশি রান আশা করে।ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের এই স্ট্র্যাটেজি প্রসঙ্গে সুনীল গাভাসকার বলেছেন, শুধুমাত্র পরীক্ষানিরীক্ষার জন্যই টিম ম্যানেজমেন্ট এই পরিকল্পনা নিয়েছে। এই পরিকল্পনা যদি কার্যকরী হয়, তাহলে পরের বছর বিশ্বকাপে ঋষভকে ওপেনিংয়ে দেখা দেখা যেতে পারে। কেন ঋষভকে ওপেনিংয়ে পাঠানো হয়েছে, তার ব্যাখাও দিয়েছেন গাভাসকার। তিনি বলেন, প্রথম ১০ ওভারে ভারতের রান তোলার গতি আগের থেকে অনেক মন্থর হয়ে গেছে। ফিল্ডিং নিষেধাজ্ঞার সুযোগ নিয়ে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের লক্ষ্য প্রথম ১০ ওভারে ৬০ থেকে ৭০ রান তোলা। তাই ঋষভকে ওপেনিংয়ে পাঠিয়ে পরীক্ষা করা হয়েছে।ঋষভকে ওপেনিংয়ে পাঠিয়ে অন্য একটা বার্তাও দিতে চেয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট। গাভাসকার বলেল, ক্রিজে নেমেই উল্টোপাল্টা ব্যাট চালিয়ে ঋষভের দ্রুত আউট হয়ে চলে আসার প্রবণতা রয়েছে। টপ অর্ডারে পাঠিয়ে ওর ওপর আরও দায়িত্ব চাপানো হল। ঋষভকে বার্তা দেওয়া হয়েছে, দল ওর কাছ থেকে আরও বেশি রান আশা করে। ঋষভকে ওপেনিংয়ে পাঠানো নিয়ে আবার প্রশ্নও তুলেছেন গাভাসকার। তিনি বলেন, ঋষভকে যদি ওপেনিংয়ে পাঠানো হয়, তাহলে ফিনিশারের দায়িত্ব পালন করবে কে?

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Sourav-Kohli : ‌কোহলি প্রসঙ্গে সৌরভকেই জবাব দিতে হবে, কেন একথা বললেন গাভাসকার?‌

এইরকম নেতৃত্ব নিয়ে টানাপোড়েনের ঘটনা ভারতীয় ক্রিকেটে আগে কখনও ঘটেছে কিনা জানা নেই। কোনও অধিনায়কও নেতৃত্ব হারিয়ে বোর্ড প্রেসিডেন্টকে মিথ্যেবাদী প্রতিপন্ন করেছেন কিনা তাও জানা যাচ্ছে না। সৌরভ গাঙ্গুলির বিরুদ্ধে নজিরবিহীন ভাবে অভিযোগ তুলেছেন বিরাট কোহলি। সোশ্যাল মিডিয়ায় সৌরভ গাঙ্গুলির প্রতি ক্ষোভ বেড়েই চলেছে। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরাও মনে করছেন, ভারতীয় বোর্ড ইচ্ছে করলেই বিষয়টি এড়িয়ে যেতে পারত। সৌরভ বলেছিলেন, বিরাট কোহলিকে টি২০র নেতৃত্ব ছাড়তে তিনি নিষেধ করেছিলেন। কোহলি সৌরভের এই বক্তব্য উড়িয়ে দিয়েছেন। পাশাপাশি এও দাবি করেছেন, আইসিসির প্রতিযোগিতায় দেশকে চ্যাম্পিয়ন করতে না পারায় তাঁকে একদিনের নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিরাট কোহলির কথায় সৌরভের বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যদিও বুধবার রাত পর্যন্ত সৌরভের কিংবা ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে কোহলির বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।ভারতীয় বোর্ড ও বিরাট কোহলির মধ্যে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে তা নিয়ে যথেষ্ট বিরক্ত ভারতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক সুনীল গাভাসকার। তিনি মনে করছেন, কোহলির অভিযোগ নিয়ে মুখ খুলে যাবতীয় বিষয় পরিস্কার করে দেওয়া। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গাভাসকার বলেন, কোহলি যে মন্তব্য করেছে, তাতে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে অহেতুক টেনে নিয়ে আসার দরকার নেই। ও তো শুধু সৌরভের নাম করে অভিযোগ করেছে। সৌরভ দাবি করেছিল, ওর সঙ্গে নেতৃত্ব ছাড়ার ব্যাপারে বিরাট কোহলির কথা হয়েছিল। সৌরভ যেহেতু ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট, তাই ওকেই জিজ্ঞেস করা উচিত কেন কোহলির সঙ্গে ওর বক্তব্যের অসঙ্গতি রয়েছে। শুধু সৌরভের কাছে জবাবদিহি চেয়ে ক্ষান্ত থাকেননি সুনীল গাভাসকার। নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যানের কাছে দাবি করেছেন, কেন কোহলিকে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হল তা সর্বসমক্ষে জানাতে। গাভাসকার বলেন, কারও মনে যাতে কোনও রকম সংশয় তৈরি না হয়, তারজন্য স্বচ্ছ বার্তা দেওয়া দরকার। কোনও ক্রিকেটারকে কেন নেতৃত্ব থেকে সরানো হচ্ছে, কিংবা কোনও ক্রিকেটারকে কেন বাদ দেওয়া হচ্ছে, এই ব্যাপারে নির্বাচক কমিটির চেয়্যারম্যানকে ব্যাখ্যা দিতে হবে। বোর্ডের এক কর্তা দাবি করেছেন, কোহলিকে না জানিয়ে ওকে নেতৃত্ব থেকে সরানো হয়নি।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sunil Gavaskar : নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশ নিয়ে চমকপ্রদ পরামর্শ সুনীল গাভাসকারের

রবিবার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি২০ বিশ্বকাপে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলতে নামছে ভারত। হারলেই সেমিফাইনালে ওঠার কাজ অনেকটাই কঠিন হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে বাকি ম্যাচগুলো জেতার পাশাপাশি তাকিয়ে থাকতে হবে নিউজিল্যান্ডের দিকেও। কিউইদের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে প্রথম একাদশ কী হওয়া উচিত, এই নিয়ে নানা রকম পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সুনীল গাভাসকারের পরামর্শ, প্রথম একাদশে দুটি পরিবর্তন করে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাঠে নামুক ভারত। ভারতের এই প্রাক্তন অধিনায়কের মতে, হার্দিক পান্ডিয়ার পরিবর্তে ফিনিশারের ভুমিকায় ঈশান কিষাণকে খেলানো যেতে পারে। এছাড়া ভুবনেশ্বর কুমারের জায়গায় শার্দুল ঠাকুরকে খেলানোর পরামর্শও দিয়েছেন গাভাসকার। আইপিএল চলাকালীন ঈশান কিষানের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন ভারতের এই প্রাক্তন অধিনায়ক। বলেছিলেন, ভারতীয় টি২০ দলে সুযোগ পাওয়ার জন্য আর তাগিদ দেখাচ্ছেন না। শেষদিকে অবশ্য জ্বলে উঠেছিলেন ঈশান কিষান। বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচেও রান পেয়েছিলেন। এবার তাঁকে প্রথম একাদশে সুযোগ দেওয়ার দাবি তুলেছেন সুনীল গাভাসকার। তাঁর পরামর্শ, হার্দিক পান্ডিয়া যদি বোলিং করতে না পারেন, তাহলে শুধু ব্যাটার হিসেবে হার্দিককে খেলানোর কোনও যুক্তি নেই। বরং ফিনিশারের ভুমিকায় ঈশানকে খেলানো হোক।ভুবনেশ্বর কুমারের জায়গায় শার্দুল ঠাকুরকে খেলানোরও পক্ষপাতি গাভাসকার। আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বের আগে ভারতীয় দলের হয়ে শ্রীলঙ্কা সফরে গিয়েছিলেন ভুবনেশ্বর কুমার। সিরিজে একটা ম্যাচে ৪ উইকেট নিযেছিলেন। তারপর থেকে একেবারেই দাগ কাটতে পারেননি। আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বেও ছন্দে ছিলেন না। ৬ ম্যাচে মাত্র ৩ উইকেট পেয়েছিলেন। বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচেও ব্যর্থ। পাকিস্তান ম্যাচেও ব্যর্থতা অব্যাহত। শার্দুল ঠাকুর আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে দারুণ ছন্দে ছিলেন। ৮ ম্যাচে নিয়েছিলেন ১৫ উইকেট। তাছাড়া শার্দুলের ব্যাটের হাতও ভাল। তাই শার্দুলকে খেলানোর পক্ষে সওয়াল করেছেন গাভাসকার। অন্যদিকে সঞ্জয় মঞ্জরেকারও স্পিন বিভাগে পরিবর্তনের কথা বলেছেন। ভারতের এই প্রাক্তন ক্রিকেটার বলেছেন, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে এমন স্পিনারদের সুযোগ দেওয়া উচিত, যারা উইকেট নিতে পারে। ভারতকে জিততে গেলে নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পেতে হবে। রবীন্দ্র জাদেজা কিংবা রবিচন্দ্রন অশ্বিনের সেই দক্ষতা নেই। ওরা রান আটকাতে পারে, কিন্তু উইকেট তুলতে পারবে না।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SAFF Championship : মেসিকে স্পর্শ সুনীলের, সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে আধিপত্য ভারতের

লিগ পর্বে প্রথম দুটি ম্যাচে ড্র করে একসময় ফাইনালে ওঠাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। শেষ দুটি ম্যাচ জিতে ফাইনালের ছাড়পত্র। অবশেষে নেপালকে ৩০ ব্যবধানে হারিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আধিপত্য বজায় রাখল ভারত। এই নিয়ে ৮ বার চ্যাম্পিয়ন হল। ২০১৫ সালে কেরলে আফগানিস্তানকে হারিয়ে শেষবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন সুনীল ছেত্রিরা। ফাইনালেও গোল করে লিওনেল মেসিকে স্পর্শ করলেন সুনীল। নেপালের বিরুদ্ধে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে মাঠে নামার আগে ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক বলেছিলেন, তাঁর দল যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী, তবে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী নয়। সুনীল ছেত্রিরা যে সত্যিই আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন, ম্যাচের শুরু থেকেই তার প্রমাণ মিলেছে। লিগ পর্যায়ের মতো এদিনও রক্ষণাত্মক মানসিকতা নিয়ে মাঠে নেমেছিল নেপাল। ওই ম্যাচের না হয় আলাদা উদ্দেশ্য ছিল। ১ পয়েন্ট পেলেই ফাইনালের ছাড়পত্র পেয়ে যেত নেপাল। ফাইনালে তো আর সেই ব্যাপার ছিল না। আসলে নেপাল কোচ আব্দুল্লাহ আলমুতাইরির লক্ষ্য ছিল শক্তিশালী ভারতের বিরুদ্ধে রক্ষণ শক্ত করে প্রতিআক্রমণভিত্তিক ফুটবল খেলা। রক্ষণে জাল বিছিয়ে রেখেছিলেন নেপাল কোচ। ফলে বারবার আক্রমণে উঠে গিয়েও তিন কাঠি খুঁজে পাচ্ছিলেন না সুনীল ছেত্রি, মনবীর সিংরা। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ ঝড় তুলেছিল ভারত। ৪ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগও এসেছিল। মহম্মদ ইয়াসিরের দুরপাল্লার শট আংশিক প্রতিহত করেন নেপাল গোলকিপার লিম্বু। ফিরতি বল যায় অনিরুদ্ধ থাপার কাছে। তাঁর শট আবার বাঁচান নেপাল গোলকিপার। ৬ মিনিটে প্রতি আক্রমণে উঠে এসে গোল করার সুযোগ পেয়েছিল নেপাল। নোয়াং শ্রেষ্ঠা কাজে লাগেতে পারেননি। বারবার আক্রমণ তুলে নিয়ে এলেও নেপাল পেনাল্টি বক্সে রক্ষণের ভুলে খেই হারিয়ে ফেলছিলেন মনবীররা। তবে প্রথমার্ধে সবথেকে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন সুনীল ছেত্রি। ডানদিক থেকে মহম্মদ ইয়াসিরের ভেসে আসা সেন্টার সুবিধাজনক জায়গা থেকেও জালে রাখতে পারেননি সুনীল। তাঁর ভলি অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। মালদ্বীপের বিরুদ্ধে লিগের শেষ ম্যাচে লাল কার্ড দেখায় ফাইনালে রিজার্ভ বেঞ্চে ছিলেন না ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। তাঁর পরিবর্তে দল পরিচালনা করেন সহকারী কোচ বেঙ্কটেশ। ম্যাচের বিরতিতে তাঁর পেপ টকই বদলে দেয় ভারতীয় দলকে। প্রান্ত দিয়ে আক্রমণ তুলে নিয়ে আসার পরামর্শ দেন স্টিম্যাক। তাঁর পরামর্শেই দ্বিতীয়ার্ধে বদলে যায় ভারত। শুরু থেকেই গোলের জন্য আরও মরিয়া হয়ে ওঠেন সুনীলরা। মাঝখান দিয়ে আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে কোনও ফায়দা না ওঠায় দুপ্রান্ত দিয়ে আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিলেন মহম্মদ ইয়াসির, প্রীতম কোটালরা। ফলও পেয়ে যায়।ম্যাচের ৪৯ মিনিটে কাঙ্খিত গোল পেয়ে যায় ভারত। ডান প্রান্ত দিয়ে উঠে এসে সেন্টার করেন প্রীতম কোটাল। দুর্দান্ত হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন সুনীল ছেত্রি। এই গোলের সঙ্গে সঙ্গে লিওনেল মেসিকে স্পর্শ করেন তিনি। দেশের হয়ে দুজনের গোল সংখ্যাই ৮০। এক মিনিট পরেই ব্যবধান বাড়ান সুরেশ সিং। মহম্মদ ইয়াসিরের কাছ থেকে বল পেয়ে দুর্দান্ত শটে তিনি গোল করেন। ৯০ মিনিটে ভারতের হয়ে তৃতীয় গোলটি করেন সাহাল।

অক্টোবর ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SAFF Final-Sunil Chettri : মেসিকে স্পর্শ নয়, দলকে চ্যাম্পিয়ন করাই লক্ষ্য সুনীল ছেত্রির

বয়স বাড়লেও দক্ষতায় এখনও মরচে ধরেনি। পরপর দুটি মরণবাঁচন ম্যাচে দলের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। গোল করে দলকে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে তুলেছেন। নেপালের বিরুদ্ধে ফাইনালে সেই সুনীল ছেত্রির দিকে তাকিয়ে ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। প্রতিযোগিতায় ইতিমধ্যেই ৪ ম্যাচে ৪ গোল করেছেন। এই মুহূর্তে দেশের জার্সি গায়ে তাঁর গোল সংখ্যা ৭৯। লিওনেল মেসির থেকে ১ গোল পেছনে। ফাইনালে ১ গোল করলেই সুনীল ছেত্রি ধরে ফেলবেন আর্জেন্টিনার তারকাকে। ব্যক্তিগত মাইলস্টোন নয়, দলকে চ্যাম্পিয়ন করাই লক্ষ্য সুনীলের। ফাইনালে নেপালের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, কাজ এখনও শেষ হয়নি।এক সময় ফাইনালের ছাড়পত্র পাওয়াই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। আর এখন খেতাব জয়ের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে আরও একবার আধিপত্য কায়েম করার মুখে দাঁড়িয়ে ভারত। শনিবার ফাইনালে সামনে নেপাল। নেপালকে হারালেই ৮ বার খেতাব জয়ের স্বাদ পাবে ভারত। অন্যতম ফেবারিট হিসেবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে খেলতে নেমেছিলেন সুনীল ছেত্রিরা। কিন্তু বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পরপর দুটি ম্যাচে ড্র অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিয়েছিল ভারতকে। লিগের শেষ দুটি ম্যাচে নেপাল ও মালদ্বীপের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না। শেষ দুটি ম্যাচে জ্বলে উঠে দলকে ফাইনালে তুলেছিলেন সুনীল ছেত্রি। ফাইনালে নেপালের বিরুদ্ধে ফেবারিট হিসেবেই মাঠে নামবে ভারত। পরিসংখ্যানের দিক দিয়ে নেপালের থেকে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে ইগর স্টিম্যাকের দল। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নামার আগে দুই দল মুখোমুখি হয়েছে ২২ বার। এরমধ্যে ভারত জিতেছে ১৫ বার, নেপাল জিতেছে দুটি ম্যাচে। ৫টি ম্যাচ ড্র হয়েছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানও ভারতের অনুকূলে। সেপ্টেম্বরে দুটি প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল দুদল। একটা ড্র হয়েছিল, একটায় ভারত জিতেছিল। গ্রুপ লিগের ম্যাচেও ভারত জিতেছিল। ফলে পরিসংখ্যানের দিক দিয়ে ভারত এগিয়ে থেকেই মাঠে নামবে। নেপালের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে অবশ্য স্বস্তিতে নেই ভারতীয় শিবির। আগের ম্যাচে লাল কার্ড দেখায় রিজার্ভ বেঞ্চে বসতে পারবেন না কোচ ইগর স্টিম্যাক। চোটের জন্য ফারুখ চৌধুরি, ব্রেন্ডন ফার্নান্ডেজ ফাইনালে মাঠে নামতে পারবেন না। লাল কার্ড দেখায় নেই শুভাশিস বোসও। বিপক্ষ শিবিরকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। লিগ পর্যায়ে নেপালের বিরুদ্ধে জিতলেও ফাইনালে মাঠে নামার আগে ফুটবলাররা যাতে আত্মতুষ্টিতে না ভোগে, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি স্টিম্যাকের। ফাইনালে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, দলের মধ্যে কোনও প্রকার আত্মতুষ্টি ঢুকতে দিইনি। আমাদের কী করতে হবে তা জাই। আত্মবিশ্বাস ও অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসের মধ্যে একটা সূক্ষ্ম লাইন রয়েছে। সেই লাইন অতিক্রম করে ফুটবলাররা যাতে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী না হয়ে পড়ে সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রয়েছে। লিগের শেষ দুটি ম্যাচ জিতে ফুটবলারদের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়েছে, দাবি করেছেন স্টিম্যাক। তিনি বলেন, আমাদের ধৈর্য ধরতে হবে। ফুটবলাররা যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী। নেপাল আমাদের কাছে পরিচিত প্রতিপক্ষ। শেষ দুটি ম্যাচ জিতে ফুটবলারদের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়েছে। তবে আমার অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী নই। গোলের জন্য সেই অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার সুনীল ছেত্রির দিকে তাকিয়ে ভারতীয় শিবির।

অক্টোবর ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Football Match : মেসির থেকে ১ গোল পেছনে সুনীল, সাফ চাম্পিয়নশিপে ফাইনালে ভারত

দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শক্তিধর দেশ। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে অন্য দলগুলির তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে। অনেক প্রত্যাশা নিয়ে এবছর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে খেলতে নেমেছিল ভারত। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথম দুটি ম্যাচ ড্র করে চাপে পড়ে গিয়েছিল। নেপালকে হারিয়ে ফাইনালের আশা জিইয়ে রেখেছিল ইগর স্টিম্যাকের দল। মালদ্বীপকে ৩১ ব্যবধানে হারিয়ে অবশেষে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারত। আগের বারের ফাইনালে হারের মধুর প্রতিশোধ। জোড়া গোল করে ভারতের জয়ের নায়ক সুনীল ছেত্রি। ম্যাচের ৮০ মিনিটে লাল কার্ড দেখে রিজার্ভ বেঞ্চ থেকে বেরিয়ে যেতে হয় ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাককে। লিগের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের সঙ্গে ড্র করে ৪ ম্যাচে ৭ পয়েন্টে পৌঁছে গিয়েছিল নেপাল। ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগে মালদ্বীপের ৩ ম্যাচে পয়েন্ট ছিল ৬। আর ভারতের ৫। ফলে ফাইনালে যেতে গেলে শেষ ম্যাচে মালদ্বীপের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া কোনও রাস্তা ছিল না ভারতীয় দলের সামনে। মরণবাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠলেন সুনীল ছেত্রি। ৪ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট পেয়ে শীর্ষে ভারত। সুনীলরা ফাইনালে খেলবে দ্বিতীয় স্থানে থাকা নেপালের বিরুদ্ধে। মালদ্বীপের বিরুদ্ধে ডু অর ডাই ম্যাচে প্রথম একাদশে পরিবর্তন করেননি ইগর স্টিম্যাক। নেপালের বিরুদ্ধে জয়ী দলকেই মাঠে নামিয়েছিলেন। এদিন শুরু থেকেই মালদ্বীপের চাপ ছিল। ম্যাচের ৯ মিনিটে সুবিধাজনক জায়গায় বল পেয়ে গিয়েছিলেন আলি আশফাক। কোনও রকমে পরিস্থিতি সামাল দেন রাহুল বেকে। ১৩ মিনিটে আবার সুযোগ এসে গিয়েছিল মালদ্বীপের সামনে। সে যাত্রায় দলকে রক্ষা করেন গুরপ্রীত সিং সান্ধু। ম্যাচের ২৬ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ এসেছিল ভারতের সামনে। সুনীল ছেত্রির হেড পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ম্যাচের ৩৩ মিনিটে এগিয়ে যায় ভারত। মনবীর সিংয়ের ডান পায়ের জোরালো শট জালে জড়িয়ে যায়। ম্যাচের ৪৩ মিনিটে মালদ্বীপের হামজাকে ফাউল করেন প্রীতম কোটাল। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। পেনাল্টি থেকে সমতা ফেরান আশফাক। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারত। ৪৮ মিনিটে চোট পেয়ে মাঠ থেকে বেরিয়ে যায় ব্রেন্ডন। তাঁর পরিবর্তে মাঠে নামেন উদান্ত সিং। গোলের জন্য দ্বিতীয়ার্ধে আরও মরিয়া হয়ে ওঠে ভারত। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে মালদ্বীপ রক্ষণে। ম্যাচের ৬২ মিনিটে সুনীল ছেত্রির গোলে আবার এগিয়ে যায় ভারত। ২ মিনিট পরেই সমতা ফেরানোর সুযোগ এসেছিল মালদ্বীপের সামনে। গুরপ্রীত ভারতের পতন রোধ করেন। ৭১ মিনিটে দ্বিতীয় গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করেন সুনীল ছেত্রি। এদিন ২ গোল করার সুবাদে দেশের হয়ে গোল করার দিক দিয়ে পেলেকে টপকে গেলেন তিনি। পেলের গোল সংখ্যা ৭৭। সুনীলের গোল সংখ্যা ৭৯। লিওনেল মেসির থেকে ১ গোল পেছনে। ম্যাচের একেবারে অন্তিম লগ্নে লাল কার্ড দেখেন ভারতের শুভাশিস বোস।

অক্টোবর ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL 2021: নারাইনের ম্যাজিকে ফাইনালের আশা নাইট রাইডার্সের

একসময় প্লে অফে ওঠাই কঠিন ছিল কলকাতা নাই রাইডার্সের কাছে। এলিমিনেটরের ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে ৪ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন জিইয়ে রাখল নাই রাইডার্স। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে এবার খেলবে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে। নাইটদের জয়ের নায়ক সুনীল নারাইন।শারজার বাইশ গজে রান তাড়া করা কঠিন হবে এটা মনে করে টস জিLতে ব্যাটিং নেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর অধিনায়ক বিরাট কোহলি। দারুণ শুরু করেন দুই ওপেনার দেবদত্ত পাড়িক্কল ও বিরাট কোহলি। ষষ্ঠ ওভারের প্রথম বলে দলের ৪৯ রানের মাথায় আউট হন দেবদত্ত পাড়িক্কল। তিনি ২টি চারের সাহায্যে ১৮ বলে ২১ রান করেন। দশম ওভারের চতুর্থ বলে ৬৯ রানের মাথায় দ্বিতীয় উইকেট পড়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের। নিজের প্রথম ওভারেই কেএস ভরতের উইকেট তুলে নেন সুনীল নারাইন। নাইট রাইডার্সের স্পিনারদের দাপটে রান তোলা কঠিন হয়ে পড়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের। ১২.২ ওভারে ৮৮ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় ব্যাঙ্গালোরে। ৩০ বলে ৩৯ রান করে নারাইনের বলে বোল্ড হন কোহলি। এরপর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স তাকিয়ে ছিল ডিভিলিয়ার্সের দিকে। ১৫তম ওভারে নারাইনের দ্বিতীয় বলে ভিলিয়ার্সও বোল্ড হন। তিনি ৯ বলে ১১ রান করেন। নিজের শেষ ওভারে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকেও ফেরান নারাইন। ১৮ বলে ১৫ রান করেন ম্যাক্সওয়েল। ১৯তম ওভারে লকি ফার্গুসনের বলে আউট হন শাহবাজ আহমেদ। তিনি করেন ১৪ বলে ১৩। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৩৮ তোলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। ৪ ওভারে ২১ রানের বিনিময়ে ৪ উইকেট নেন সুনীল নারাইন। লকি ফার্গুসন ৪ ওভারে ৩০ রানের বিনিময়ে ২টি উইকেট দখল করেন।গোটা ইনিংসে একটাও ছয় মারতে পারেননি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের ব্যাটাররা। জয়ের জন্য ১৩৯ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না নাইট রাইডার্সের কাছে। ভাল শুরু করেন নাইটদের দুই ওপেনার শুভমান গিল ও ভেঙ্কটেশ আয়ার। ব্যাট শুরুতেই ঝড় তোলেন শুভমান। ৫ ওভারে ওঠে ৪১। এরপরই হর্ষল প্যাটেলের বলে আউট হন শুভমান। ১৮ বলে তিনি করেন ২৯। ভেঙ্কটেশ আয়ারকেও (৩০ বলে ২৬) তুলে নেন হর্ষল। রাহুল ত্রিপাঠী (৫ বলে ৬) ব্যর্থ হলেও দলকে কিছুটা টেনে নিয়ে যান নীতীশ রানা (২৫ বলে ২৩)। নীতীশ যখন আইট হন নাইট রাইডার্সের রান তখন ১১০/৪।এরপর মহম্মদ সিরাজের দাপটে চাপে পড়ে যায় নাইট রাইডার্স। দ্রুত ২ উইকেট তুলে নেন তিনি। একই ওভারে ফেরান সুনীল নারাইন (২৬) ও দীনেশ কার্তিককে (১০)। শেষ ওভারে জয়ের জন্য নাইটদের দরকার ছিল ৭ রান। ২ বল বাকি থাকতে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন মর্গ্যান (অপরাজিত৫ ৫) ও সাকিব (অপরাজিত ৯)।

অক্টোবর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sunil Chetri: রেকর্ড নয়, দলের সাফল্যই আসল সুনীল ছেত্রির কাছে

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখতে গেলে নেপালের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না ভারতীয় দলের সামনে। ডু অর ডাই ম্যাচে দলকে দায়িত্ব নিয়ে জয় এনে দিয়েছেন অধিনায়ক সুনীল ছেত্রি। নেপালের বিরুদ্ধে গোল করে স্পর্শ করেছেন কিংবদন্তী পেলেকে। পেলেকে স্পর্শ করে খিদে আরও বেড়ে গেছে। ভবিষ্যতে আরও গোল করে দেশকে জেতাতে চান এই বর্ষীয়ান স্ট্রাইকার।৩৭ বছর বয়সেও সুনীল ছেত্রির ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার অবকাশ নেই। নিজেকেই নিজের ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন করেন সুনীল। আর প্রতিটা ম্যাচেই সেরাটা দেওয়ার জন্য মুখিয়ে থাকেন। এই প্রসঙ্গে সুনীল বলেছেন, ধারাবাহিকতা নিয়ে সর্বদা নিজেকে প্রশ্ন করি। উত্তরের অপেক্ষায় থাকি। আমার কাছে এর কোনও নকশা নেই। এটাই বাস্তব। প্রতিটা ম্যাচে নিজের সেরাটা দেওয়ার জন্য মাঠে নামি। ভগবানকে ধন্যবাদ দেব, কখনও ব্যর্থ হইনি।বাইচুং ভুটিয়া, রেনেডি সিংদের সঙ্গে খেলার সুযোগ হয়েছে। দুজনই খেলা থেকে অনেক আগে অবসর নিয়ে কোচিংয়ে যুক্ত হয়ে পড়েছেন। এদের সঙ্গে খেলার সুযোগ পেয়ে গর্বিত সুনীল। তিনি বলেন, বেশ কয়েকজন গ্রেট ফুটবলারের সঙ্গে আমার খেলার সুযোগ হয়েছে। তাঁরা কিন্তু ততটা কৃতিত্ব পায়নি। যে সব কোচের অধীনে খেলেছি, সবার কাছ থেকে কিছু না কিছু শিখেছি। সে ছোটই হোক কিংবা বড়। আশা করছি ভবিষ্যতেও এটা ধরে রাখতে পারব। ইতিমধ্যেই পৌঁছে গেছেন ৩৭ বছর বয়সে। আর কতদিন খেলা চালিয়ে যাবেন? এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এখনই অবশ্য খেলা ছাড়ার পরিকল্পনা নেই সুনীল ছেত্রির। ভবিষ্যত নিয়েও এখনও কোনও পরিকল্পনা করেননি। তিনি বলেছেন, ভবিষ্যত নিয়ে এখনও কোনও পরিকল্পনা করিনি। ফুটবলের বাইরে অন্যকিছু নিয়ে এখনও ভাবিনি। যতদিন খেলা উপভোগ করব, ততদিন খেলে যাব। পেলেকে স্পর্শ করলেও রেকর্ড নিয়ে সুনীলের মাথা ব্যাথা নেই। তাঁর কাছে দলের সাফল্যই আসল। সুনীল বলেছেন, পরিসংখ্যান নিয়ে আমার কোনও মাথা ব্যাথা নেই। কোন মাইলস্টোনে পৌঁছলাম, সেটা নিয়েও ভাবছি না। আমি যা অর্জন করেছি, তাতেই সন্তুষ্ট। যদি ট্রফি জয়ের সুযোগ থাকে, তাহলে আমি তার জন্যই ঝাঁপাব। দলের জয়ই আমার কাছে আসল। আপাতত প্রত্যেকটা সুযোগ কাজে লাগাতে চাই।দেশের হয়ে সবথেকে বেশি গোল করার ব্যাপারে বর্তমান ফুটবলারদের মধ্যে বিশ্বে ৩ নম্বরে রয়েছেন সুনীল। তাঁর আগে রয়েছেন পর্তুগালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো (১১২), আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি (৭৯)। সংযুক্ত আমিরশাহির আলি মাবখাউতের সঙ্গে যুগ্মভাবে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন সুনীল (৭৭)।

অক্টোবর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SAFF Championship : পেলেকে স্পর্শ সুনীলের, ফাইনালের স্বপ্ন ভারতের

বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পরপর জুটি ম্যাচে ড্র করে দারুণ চাপে পড়ে গিয়েছিল ভারত। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখতে গেলে নেপালের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না ভারতীয় দলের সামনে। মরণবাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠল ইগর স্টিম্যাকের দল। নেপালকে ১০ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখল। মরণবাঁচন ম্যাচে দেশের মান বাঁচালেন সুনীল ছেত্রি। পাশাপাশি এদিন গোল করে কিংবদন্তি ফুটবলার পেলেকে স্পর্শ করলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। ভারতের কাছে যেমন এদিন ছিল মরণবাঁচন ম্যাচ, তেমনই সুনীল ছেত্রির কাছে ছিল পেলেকে ছোঁয়ার ম্যাচ। ব্রাজিলের জার্সি গায়ে পেলে ৭৭ গোল করেছেন। নেপালের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে দেশের জার্সি গায়ে সুনীলের গোল সংখ্যা ছিল ৭৬। ম্যাচের ৮২ মিনিটে নেপালের জালে বল ঢুকিয়ে পেলের পাশে জায়গাআ করে নিলেন সুনীল ছেত্রি। নেপালের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটা পরিবর্তন করেছিলেন ইগর স্টিম্যাক। তা সত্ত্বেও ভারতের খেলায় খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। প্রথমার্ধে ভারতকে তেমন ছন্দে দেখা যায়নি। বলার মতো একটা মাত্রই সুযোগ পেয়েছিল ইগর স্টিম্যাকের দল। ৩৪ মিনিটে প্রীতম কোটালের কাছ থেকে নেপাল পেনাল্টি বক্সে বল পেয়ে মাইনাস করেন সুরেশ। সুরেশ যখন মাইনাস করেন, সুনীলের সামনে কেউ ছিলেন না। ফাঁকা গোলে বল ঠেলতে ব্যর্থ হন সুনীল। প্রথমার্ধে কোনও দলই আর গোল করার সুযোগ পাননি। দ্বিতীয়ার্ধেও সেই ছন্নছাড়া ফুটবল। নেপালের লক্ষ্য ছিল ভারতকে কোনও রকমে আটকে দিয়ে ১ পয়েন্ট নিশ্চিত করা। তাহলেই ফাইনালের দিকে এগিয়ে যাবে। তাই রক্ষণের দিকে বেশি নজর দিয়েছিল। নেপালের রক্ষণ ভেদ করতে পারছিলেন না সুনীলরা। তার মাঝেই ৫৭ মিনিটে ব্রেন্ডনের কর্ণারে সুবিধাজনক জায়গা থেকে নেপাল গোলকিপারের হাতে হেড করেন মনবীর সিং। ৭৭ মিনিটে আবার গোল করার সুযোগ পেয়েছিল ভারত। ব্রেন্ডনের ফ্রিকিক বক্সের মধ্যে হেড করার চেষ্টা করেন সুনীল ছেত্রি। বল তাঁর মাথার পেছন দিকে লেগে যায় শুভাশিস বোসের কাছে। তাঁর হেড আটকে দেন নেপাল গোলকিপার কিরণ কুমার।শেষদিকে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ভারত। ৮০ মিনিটে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন সুনীল ছেত্রি। বেশ কয়েকটা সুযোগ নষ্ট করার পর অবশেষে ৮২ মিনিটে লক্ষ্যভেদ ভারতীয় দলের অধিনায়কের। বাঁদিক থেকে ব্রেন্ডনের সেন্টার ফারুখ চৌধুরি হেডে নামিয়ে দিলে বাঁপায়ের সাইড ভলিতে বল জালে জড়িয়ে দেন সুনীল। একই সঙ্গে ভারতের ফাইনালের স্বপ্নও জেগে রইল। ৩ ম্যাচে ভারতের পয়েন্ট ৫। শেষ ম্যাচ খেলবে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকা মালদ্বীপের সঙ্গে। জিতলেই ফাইনালে পৌঁছে যাবে ভারত। প্রতিযোগিতায় দেশকে টিকিয়ে রাখতে পেরে খুশি সুনীল ছেত্রি। ম্যাচের পর তিনি বলেন, গোলের সামনে আমরা বারবার ব্যর্থ হয়েছি। ফাইনালের আশা টিকিয়ে রাখতে পেরে ভাল লাগছে। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পরপর জুটি ম্যাচে ড্র করে দারুণ চাপে পড়ে গিয়েছিল ভারত। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখতে গেলে নেপালের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না ভারতীয় দলের সামনে। মরণবাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠল ইগর স্টিম্যাকের দল। নেপালকে ১০ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখল। মরণবাঁচন ম্যাচে দেশের মান বাঁচালেন সুনীল ছেত্রি। পাশাপাশি এদিন গোল করে কিংবদন্তি ফুটবলার পেলেকে স্পর্শ করলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। ভারতের কাছে যেমন এদিন ছিল মরণবাঁচন ম্যাচ, তেমনই সুনীল ছেত্রির কাছে ছিল পেলেকে ছোঁয়ার ম্যাচ। ব্রাজিলের জার্সি গায়ে পেলে ৭৭ গোল করেছেন। নেপালের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে দেশের জার্সি গায়ে সুনীলের গোল সংখ্যা ছিল ৭৬। ম্যাচের ৮২ মিনিটে নেপালের জালে বল ঢুকিয়ে পেলের পাশে জায়গাআ করে নিলেন সুনীল ছেত্রি। নেপালের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটা পরিবর্তন করেছিলেন ইগর স্টিম্যাক। তা সত্ত্বেও ভারতের খেলায় খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। প্রথমার্ধে ভারতকে তেমন ছন্দে দেখা যায়নি। বলার মতো একটা মাত্রই সুযোগ পেয়েছিল ইগর স্টিম্যাকের দল। ৩৪ মিনিটে প্রীতম কোটালের কাছ থেকে নেপাল পেনাল্টি বক্সে বল পেয়ে মাইনাস করেন সুরেশ। সুরেশ যখন মাইনাস করেন, সুনীলের সামনে কেউ ছিলেন না। ফাঁকা গোলে বল ঠেলতে ব্যর্থ হন সুনীল। প্রথমার্ধে কোনও দলই আর গোল করার সুযোগ পাননি। দ্বিতীয়ার্ধেও সেই ছন্নছাড়া ফুটবল। নেপালের লক্ষ্য ছিল ভারতকে কোনও রকমে আটকে দিয়ে ১ পয়েন্ট নিশ্চিত করা। তাহলেই ফাইনালের দিকে এগিয়ে যাবে। তাই রক্ষণের দিকে বেশি নজর দিয়েছিল। নেপালের রক্ষণ ভেদ করতে পারছিলেন না সুনীলরা। তার মাঝেই ৫৭ মিনিটে ব্রেন্ডনের কর্ণারে সুবিধাজনক জায়গা থেকে নেপাল গোলকিপারের হাতে হেড করেন মনবীর সিং। ৭৭ মিনিটে আবার গোল করার সুযোগ পেয়েছিল ভারত। ব্রেন্ডনের ফ্রিকিক বক্সের মধ্যে হেড করার চেষ্টা করেন সুনীল ছেত্রি। বল তাঁর মাথার পেছন দিকে লেগে যায় শুভাশিস বোসের কাছে। তাঁর হেড আটকে দেন নেপাল গোলকিপার কিরণ কুমার।শেষদিকে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ভারত। ৮০ মিনিটে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন সুনীল ছেত্রি। বেশ কয়েকটা সুযোগ নষ্ট করার পর অবশেষে ৮২ মিনিটে লক্ষ্যভেদ ভারতীয় দলের অধিনায়কের। বাঁদিক থেকে ব্রেন্ডনের সেন্টার ফারুখ চৌধুরি হেডে নামিয়ে দিলে বাঁপায়ের সাইড ভলিতে বল জালে জড়িয়ে দেন সুনীল। একই সঙ্গে ভারতের ফাইনালের স্বপ্নও জেগে রইল। ৩ ম্যাচে ভারতের পয়েন্ট ৫। শেষ ম্যাচ খেলবে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকা মালদ্বীপের সঙ্গে। জিতলেই ফাইনালে পৌঁছে যাবে ভারত। প্রতিযোগিতায় দেশকে টিকিয়ে রাখতে পেরে খুশি সুনীল ছেত্রি। ম্যাচের পর তিনি বলেন, গোলের সামনে আমরা বারবার ব্যর্থ হয়েছি। ফাইনালের আশা টিকিয়ে রাখতে পেরে ভাল লাগছে।

অক্টোবর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SAFF Championship : নেপালের বিরুদ্ধে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে মরণবাঁচন ম্যাচে নামছেন সুনীলরা

অনেক প্রত্যাশা নিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ খেলতে নেমেছে ভারতীয় ফুটবল দল। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে প্রতিযোগিতার অন্য দলগুলির তুলনায় এগিয়ে থাকলেও প্রথম দুটি ম্যাচে সুনীল ছেত্রিদের পারফরমেন্স অনুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে খুঁজতে হচ্ছে। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পরপর ড্র করে অস্তিত্ব সংকটে ভারত। ফাইনালে ওঠার আশা জিইয়ে রাখতে গেলে রবিবার নেপালের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা নেই ইগর স্টিম্যাকের দলের সামনে। বলতে গেলে একপ্রকার ডু অর ডাই ম্যাচ।দু ম্যাচে জিতে ৬ পয়েন্ট নিয়ে এই মুহূর্তে গ্রুপ শীর্ষে রয়েছে নেপাল। গ্রুপ শীর্ষে থাকা দলের বিরুদ্ধে লড়াই যে সহজ হবে না, সেকথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়। মাস খানেক আগে এই নেপালের বিরুদ্ধে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছিলেন সুনীল ছেত্রিরা। একটা ড্র, আর একটা ম্যাচে জিতেছিল ভারত। প্রীতি ম্যাচ আর প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের মধ্যে আকাশপাতাল পার্থক্য। ফলে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ভারতের কাছে লড়াইটা যে যথেষ্ট কঠিন হবে, সেকথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়।ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক অবশ্য মনে করছেন, নেপালের বিরুদ্ধে প্রীতি ম্যাচে তাঁর দল যে ফুটবল উপহার দিয়েছিল, তা তুলে ধরতে পারলে জেতা সমস্যা হবে না। নেপালকে হারিয়ে ফাইনালের লড়াইয়ে থাকার ব্যাপারে তিনি আত্মবিশ্বাসী। মরণবাঁচন ম্যাচে খেলতে নামার আগে স্টিম্যাক বলেন, নেপালের বিরুদ্ধে জিতলে আমরা ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে থাকব। সেপ্টেম্বরে ওদের বিরুদ্ধে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছিলাম। একে অপরের সম্পর্কে ধারণা আছে। তবে বিপক্ষের ওপর বেশি ফোকাস করতে চাই না। জিততে গেলে আমাদের নিজেদের খেলায় উন্নতি করতে হবে। আগের দুটি ম্যাচের মতো ভুল করলে চলবে না। গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। সুনীল ছেত্রি আটকে গেলেই গোল পেতে সমস্যা হচ্ছে ভারতের। প্রথম ম্যাচে মনবীর সিং নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। রিস্টন কোলাসোও ব্যর্থ। বাকিরাও পজিটিভ সুযোগ নষ্ট করছেন। এই অবস্থায় সেই অভিজ্ঞ সুনীল ছেত্রির দিকেই তাকিয়ে ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। নেপালের বিরুদ্ধে আবার প্রথম একাদশে পরিবর্তন করতে চলেছেন তিনি। মনবীরকে প্রথম একাদশে ফেরাতে পারেন। প্রথম একাদশে ফিরতে পারেন ব্রেন্ডন ফার্নান্ডেজ ও প্রীতম কোটাল। প্রথম দুটি ম্যাচে ড্র করে অনেকটাই ভেঙে পড়ছিল গোটা ভারতীয় শিবির। কোচ ইগর স্টিম্যাক দলকে নতুন করে উদ্দীপ্ত করেছেন। অধিনায়ক সুনীল ছেত্রিও দলকে উদ্বুদ্ধ করার দায়িত্ব তুলে নিয়েছেন। তিনিও তাকিয়ে পেলের রেকর্ড স্পর্শ করার দিকে।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ফের আগুনে আতঙ্ক! সল্টলেক সেক্টর ফাইভের বহুতলে ধোঁয়া, দমকলের তৎপরতা

আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডের ক্ষত এখনও তাজা। তার মধ্যেই ফের আগুন শহরে। এবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল সল্টলেক সেক্টর ফাইভ-এ। একটি বহুতল অফিস ভবন থেকে গলগল করে ধোঁয়া বের হতে দেখে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।জানা গিয়েছে, গ্লোবসিন ক্রিস্টাল বিল্ডিং-এ আচমকাই আগুন লাগে। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের ৩টি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীরা পৌঁছেই গোটা বিল্ডিং খালি করে দেন। আতঙ্কে একে একে বাইরে বেরিয়ে আসেন তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থাগুলির কর্মীরা। অফিস টাইম হওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে রাস্তায় ভিড় জমে যায়। আশপাশের এলাকা থেকেও বহু মানুষ ছুটে আসেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, হঠাৎ করেই অফিসের ভিতরে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে সকলকে নিচে নেমে যেতে বলা হয়। এক কর্মী জানান, তখন তাঁরা অফিসের ভিতরেই ছিলেন। হঠাৎ বলা হয় বাইরে বেরিয়ে যেতে। পরে নিচে নেমে শোনা যায়, উপরের একটি রেস্তোরাঁয় আগুন লেগেছে।তবে ঠিক কোথা থেকে আগুনের সূত্রপাত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রেস্তোরাঁ থেকেই আগুন ছড়িয়েছে, না কি অন্য কোনও জায়গা থেকে, তা খতিয়ে দেখছেন দমকল কর্মীরা। ভবনের অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করেছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দমকলের চেষ্টায় কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানা গিয়েছে। তবুও ব্যস্ত সময়ে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে অফিস কর্মীদের মধ্যে। এলাকায় এখনও কৌতূহলী মানুষের ভিড় রয়েছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ভারত-বিরোধিতার অধ্যায় শেষ? মোদির ফোনে বদলাচ্ছে ঢাকা-দিল্লির সমীকরণ!

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সংসদীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বিএনপি। এই জয়ের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছেঢাকা ও দিল্লির সম্পর্ক কি আবার উষ্ণ হতে চলেছে?শুক্রবার নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডেলে বার্তা দিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে অভিনন্দন জানান। পরে ফোনেও তাঁর সঙ্গে কথা বলেন তিনি। মোদি লেখেন, বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বিরাট জয়ের জন্য তারেক রহমানকে তিনি উষ্ণ শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। এই জয় বাংলাদেশের মানুষের আস্থার প্রতিফলন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। দুই দেশের বহুমুখী সম্পর্ক আরও জোরদার করতে একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।এর জবাবে বিএনপির পক্ষ থেকেও মোদিকে ধন্যবাদ জানানো হয়। দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলে তাঁরা বিশ্বাস করেন। দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সম্পর্কও নতুন করে শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।এর আগে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে উপদেষ্টা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন মহম্মদ ইউনুস। তাঁর প্রায় দেড় বছরের শাসনকালে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়ে বলে অভিযোগ ওঠে। ভারত-বিরোধী মনোভাব, সংখ্যালঘু নির্যাতন এবং মৌলবাদী শক্তির উত্থান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। একই সঙ্গে পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর ঘটনাও নজরে আসে। এই পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের সঙ্গে একাধিকবার কূটনৈতিক টানাপোড়েন দেখা দেয়।এই নির্বাচনে মৌলবাদী দল জামাতকে পিছনে ফেলে ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে পাকিস্তানের প্রভাব খাটানোর সম্ভাবনায় বড় ধাক্কা লেগেছে। নির্বাচনের আগে জামাতের সঙ্গে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর যোগাযোগ নিয়ে নানা জল্পনা চলছিল। তবে ভোটে জামাতের পরাজয়ে সেই সমীকরণ বদলে গেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।সব মিলিয়ে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতার পর বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পথে। এখন নজর ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের দিকে। মোদি ও তারেকের এই সৌজন্য বার্তা কি দুই দেশের সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে? দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে তার প্রভাব কতটা পড়বে, সেটাই এখন দেখার।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশি ভোটার ইস্যুতে কড়া নির্বাচন কমিশন! একাধিক জেলাশাসক তিরস্কৃত

ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসককে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়, কোন কর্তৃত্বে এআরও-রা ইআরএমও-দের ডেকেছিলেন। একাধিক জেলার জেলাশাসকের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে কমিশন।কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও মালদার জেলাশাসকদের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। কোচবিহারের জেলাশাসককে নথি আপলোডে দেরির জন্য তিরস্কার করা হয়েছে। দুই ২৪ পরগনার জেলাশাসকের কাজ নিয়েও অসন্তোষ জানানো হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসককে রাজনৈতিক মন্তব্য না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এসআইআর শেষ হওয়ার আগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বৈঠক করেন। ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকও। বৈঠকে স্পষ্ট বলা হয়, কোনও বিদেশি নাগরিকের নাম যেন ভোটার তালিকায় না থাকে। ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে তথ্য যাচাই করতে হবে। সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে, যদি ভবিষ্যতে কোনও নাম থেকে যায়, তা হলে এক বা পাঁচ বছর পরেও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। মামলা পর্যন্ত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ভারতের সংবিধান যাঁদের বৈধ ভোটার বলে চিহ্নিত করে, তাঁদের বাইরে কাউকে বৈধ ভোটার হিসেবে মানা যায় না। তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের বৈধ ভোটার হিসেবে দেখছেন। নির্বাচন কমিশন সংবিধান অনুযায়ী কাজ করছে বলেও দাবি করেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিবকে তলব করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।অন্যদিকে তৃণমূলের সোশাল মিডিয়া সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, তাঁরাও চান না কোনও বিদেশি ভোটার থাকুক। তবে বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না যায়, সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষ, পরিযায়ী শ্রমিক বা গরিব মানুষদের বারবার নোটিস দিয়ে ডাকা হচ্ছে। তাঁদের পক্ষে বারবার যাতায়াত করা সম্ভব নয়। ফলে তাঁদের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।সব মিলিয়ে ভোটার তালিকা সংশোধনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক কড়াকড়ি এবং রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে। বিদেশি ভোটার বিতর্কে আগামী দিনে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

মোদী বিরোধী আগুনঝরা ভাষণ, তবু ভোটে হার! সারজিস আলমকে ফিরিয়ে দিল পঞ্চগড়

বাংলাদেশের নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেলেন ছাত্রনেতা সারজিস আলম। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম মুখ এবং জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত তিনি। অতীতে ভারতের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় মন্তব্য করেছিলেন এবং সরাসরি নরেন্দ্র মোদি-র নাম করে সমালোচনা করেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র দেশত্যাগ নিয়েও কটাক্ষ করেছিলেন তিনি।পঞ্চগড়-১ আসনে জামাত জোটের প্রার্থী হিসেবে লড়ে শেষ পর্যন্ত পরাজিত হন সারজিস। তাঁর মন্তব্য ঘিরে আগে থেকেই বিতর্ক ছিল। এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি হাসিনার দেশছাড়ার প্রসঙ্গ টেনে ঐতিহাসিক তুলনাও করেছিলেন। সেইসব বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন তুলেছিল।কিন্তু ভোটের ফল অন্য কথা বলল। শেষ পর্যন্ত তিনি বিএনপি প্রার্থীর কাছে হেরে যান। অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ক্রমশ স্পষ্ট হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জোটের বড় জয়। সংবাদমাধ্যমের হিসাব অনুযায়ী ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২০৭টিতে এগিয়ে বা জয়ী হয়েছে বিএনপি জোট।ঢাকা-৩ আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী গয়েশ্বরচন্দ্র রায়। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার ভোট বেশি পেয়েছেন।বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া-র পুত্র তারেক রহমান ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬ দুই আসনেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে দুদশক পর সরকার গঠনের পথে বিএনপি। তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনাও জোরালো হয়েছে।মূল প্রতিপক্ষ জামাত জোট ১০০-র নীচে থেমে গেছে বলে জানা গিয়েছে। ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি বা এনসিপিও বড় প্রভাব ফেলতে পারেনি।সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, এই বিপুল জয়ের পর কি বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরবে? অরাজকতার অভিযোগে উত্তাল সময়ের পর পদ্মাপারের দেশে নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাসপাতাল থেকে ছাড়া, তবু মাঠে অনিশ্চিত অভিষেক! পাকিস্তান ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা ভারতের শিবিরে?

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও এখনও পুরো সুস্থ নন ভারতীয় ওপেনার অভিষেক শর্মা। কবে তিনি সম্পূর্ণ ফিট হয়ে মাঠে নামবেন, তা স্পষ্ট নয়। টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও তাঁর খেলা নিয়ে তৈরি হয়েছে সন্দেহ। ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ইঙ্গিত দিয়েছেন, অভিষেকের ফিরতে আরও এক-দুটি ম্যাচ সময় লাগতে পারে।বৃহস্পতিবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে জয়ের পর ড্রেসিংরুমে একটি ভিডিও করেন অর্শদীপ সিং। সেই ভিডিওতেই দেখা যায় অভিষেককে। তাঁকে বেশ ক্লান্ত দেখাচ্ছিল। অর্শদীপ জানতে চাইলে অভিষেক বলেন, তিনি ডাল-ভাত খাচ্ছেন, তবে পুরোপুরি ভালো নেই। অর্শদীপ মজা করে বলেন, তাঁকে অনেকটা রোগা লাগছে। যদিও সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি অভিষেক। শোনা গিয়েছিল, পেটের সমস্যার কারণে তাঁর ওজন অনেকটাই কমে গিয়েছে। ভিডিও দেখেও অনেকে একই মন্তব্য করেছেন।অসুস্থতা নিয়েই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলেন অভিষেক। কিন্তু প্রথম বলেই আউট হয়ে মাঠ ছাড়েন। তার পর আর তাঁকে মাঠে দেখা যায়নি। দিল্লি ফেরা, কোচ গৌতম গম্ভীর-এর বাড়িতে যাওয়া, পরে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াসবই হয়েছে চুপিসারে। গতকাল হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও নামিবিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি।পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচে তিনি খেলবেন কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। টসের সময় সূর্যকুমার বলেন, অভিষেক এখনও পুরো সুস্থ নন। ফলে পাকিস্তান ম্যাচে তাঁর নামার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও ম্যাচের পরে বরুণ চক্রবর্তী জানান, অভিষেক অনেকটাই ভালো আছেন।তবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলে এই অনিশ্চয়তা চিন্তা বাড়াচ্ছে সমর্থকদের। অভিষেক কবে মাঠে ফিরবেন, এখন সেদিকেই নজর ক্রিকেটপ্রেমীদের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

লালকেল্লার পর ফের কাঁপছে দিল্লি! স্কুলে বোমা হুমকি ঘিরে তীব্র আতঙ্ক

নভেম্বরে বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল রাজধানী। দিল্লি-র লালকেল্লা-র সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের স্মৃতি এখনও টাটকা। তার মধ্যেই আবার ছড়াল বোমাতঙ্ক। শুক্রবার সকালে রাজধানীর একাধিক স্কুলে বোমা রাখা হয়েছে বলে হুমকি আসে। আতঙ্ক ছড়ায় পড়ুয়া ও অভিভাবকদের মধ্যে।দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে অন্তত তিনটি স্কুলে বোমা রয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়। প্রথমে বিটি তামিল স্কুলে বোমা থাকার খবর ছড়ায়। সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক করা হয় পড়ুয়াদের পরিবারকে। পরে আরও দুটি স্কুলে একই ধরনের হুমকি আসে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল ও পুলিশ। দ্রুত স্কুলগুলি খালি করে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট।এর আগেও সোমবার ১৩টি স্কুলে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ইমেল পাঠানো হয়েছিল। সেই ইমেলে লেখা ছিল, আফজল গুরুর স্মৃতিতে দিল্লিকে খলিস্তান বানানো হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ে বিস্ফোরণ ঘটানো হবে। যদিও পরে সেই হুমকি ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়। তবু আতঙ্ক কাটেনি।গত ২৯ জানুয়ারি পাঁচটি স্কুল একই ধরনের হুমকি পেয়েছিল। তার আগের দিন দ্বারকা আদালত চত্বর উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি আসে। এমনকি সংসদ ভবন নিয়েও হুমকির ইমেল পাঠানো হয়েছিল। এক সপ্তাহে দুবার স্কুলে বোমা রাখার হুমকি ঘিরে উদ্বেগ বেড়েছে প্রশাসনের।১০ নভেম্বর লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণের ঘটনার পর থেকেই রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তবু একের পর এক হুমকি ইমেল প্রশাসনকে চিন্তায় ফেলেছে। এখনও পর্যন্ত হুমকির উৎস জানা যায়নি। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।বারবার বোমা হুমকির ঘটনায় আতঙ্কে দিল্লিবাসী। নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে। পড়ুয়া ও অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। রাজধানীতে ফের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

পুণেতে খুন পুরুলিয়ার শ্রমিক! ভাষা বিতর্ক না কি মদের ঝামেলা—রহস্যে ঘনাচ্ছে মৃত্যু

ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল পুরুলিয়ায়। বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্র-এর পুণে থেকে উদ্ধার হয়েছে পুরুলিয়ার বরাবাজারের বাসিন্দা সুখেন মাহাতোর দেহ। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই আমিন সওকত শেখ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস-এর অভিযোগ, বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণেই খুন হতে হয়েছে সুখেনকে। যদিও তদন্তে নেমে পুণে পুলিশের দাবি, ভাষা নয়, মত্ত অবস্থায় বচসা থেকেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের তরফে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।মঙ্গলবার পুণে শহরের কাছে শিকরাপুর থানার এলাকায় একটি হোটেলের পিছন থেকে সুখেনের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, সহকর্মীদের হাতে খুন হয়েছেন সুখেন এবং এর নেপথ্যে রয়েছে ভাষাগত বিদ্বেষ।অন্যদিকে, সুখেনের ভাই তুলসীরাম মাহাতো পুণেতে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন। তাঁর সম্মতিক্রমেই এফআইআর দায়ের হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শিকরাপুর থানায় মারাঠি ভাষায় এফআইআর লেখা হলেও তা হিন্দিতে অনুবাদ করে তাঁকে শোনানো হয়। তুলসীরাম জানিয়েছেন, তাঁর সম্মতি নিয়েই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।তুলসীরামের বয়ান অনুযায়ী, ৯ তারিখ দুপুরে সুখেন বাড়ি থেকে কাজের উদ্দেশে বের হন। সন্ধ্যায় তিনিও কাজে যান, কিন্তু সেখানে সুখেনকে দেখতে পাননি। ফোন করলেও যোগাযোগ হয়নি। রাতেও একাধিকবার ফোন করা হয়, কিন্তু কোনও সাড়া মেলেনি। পরদিন সকালে শিফট শেষ করে বাড়ি ফিরে সুখেনকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। পরে সুপারভাইজার সন্দীপ জানান, একটি হোটেলের পিছনে সুখেনের দেহ পড়ে রয়েছে। সেখানে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন তুলসীরাম।শুক্রবার দুপুরে সুখেনের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পুরুলিয়ার বরাবাজারে যাচ্ছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এই ঘটনায় ভাষা-বিদ্বেষ না কি ব্যক্তিগত বচসা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তদন্তে নেমেছে পুণে পুলিশ। পুরো ঘটনার নেপথ্যে কী রয়েছে, তা জানতে অপেক্ষা তদন্তের অগ্রগতির দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

তারেকের জয়ে উচ্ছ্বসিত মোদি? কূটনীতিতে নতুন অধ্যায় শুরু

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড়সড় জয়ের পথে বিএনপি। ফলাফল স্পষ্ট হতেই দলের সভাপতি তারেক রহমান-কে শুভেচ্ছা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার সকালে এক্স হ্যান্ডলে বার্তা দিয়ে মোদি লিখেছেন, এই জয় প্রমাণ করে বাংলাদেশবাসী তারেকের নেতৃত্বে আস্থা রেখেছেন।মোদি তাঁর বার্তায় আরও জানিয়েছেন, গণতান্ত্রিক ও উন্নয়নশীল বাংলাদেশের পাশে ভারত রয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যে বহুমুখী সম্পর্ক রয়েছে, তা আগামী দিনে আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। পারস্পরিক স্বার্থে দুই দেশের সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।শুক্রবার সকালেই বাংলাদেশের নির্বাচনের ফল পরিষ্কার হয়ে যায়। ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে ভোট হয়েছে। তার মধ্যে ২০০-র বেশি আসনে এগিয়ে থেকে সরকার গঠনের পথ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। দুটি আসনে লড়ে দুটিতেই জয় পেয়েছেন তারেক রহমান।এই নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ফল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি। প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে এসেছে তারা।এমন পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে মোদির শুভেচ্ছাবার্তা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। মোদি তাঁর বার্তায় লিখেছেন, বিএনপি দেশের নির্ণায়ক শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে এবং তারেকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে বলেই তিনি আশাবাদী।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে সংরক্ষণ বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেরে ক্ষমতাচ্যুত হন শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি দিল্লিতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে রয়েছেন বলে জানা যায়। আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন আদালত তাঁকে গণহত্যা মামলায় সাজা শুনিয়েছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার বারবার তাঁর প্রত্যর্পণ দাবি করলেও এ বিষয়ে ভারত সরকার প্রকাশ্যে কিছু জানায়নি।এই পটভূমিতে বিএনপির জয়ের আভাস মিলতেই মোদির দ্রুত শুভেচ্ছাবার্তা কূটনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এখন নজর, তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কোন পথে এগোয়।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal