• ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩, সোমবার ০৩ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Sudip

দেশ

সর্বদলীয় বৈঠকে বড় বিস্ফোরণ! সুদীপদের ডাকতেই হঠাৎ ওয়াকআউট বিরোধীদের

সংসদের বাদল অধিবেশনের আগের দিন সর্বদলীয় বৈঠকে বড় রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হল। তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে আসা বিদ্রোহী সাংসদদের আমন্ত্রণ জানানোকে কেন্দ্র করে ক্ষোভে ফেটে পড়ল বিরোধী শিবির। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদারদের বৈঠকে ডাকা হলে তৃণমূল-সহ একাধিক বিরোধী দলের সাংসদ প্রতীকী ওয়াকআউট করেন।রবিবার সকাল ১১টা থেকে সর্বদলীয় বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে এনসিপিআইয়ের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বৈঠক শুরুর পাঁচ মিনিটের মধ্যেই বিরোধী সাংসদরা বাইরে বেরিয়ে যান। পরে তাঁরা আবার বৈঠকে ফিরে যোগ দেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূলের তরফে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সৌগত রায় ও মহুয়া মৈত্র। সৌগত রায় প্রশ্ন তোলেন, সংসদের ওয়েবসাইটে যার নাম নেই, এমন একটি অস্বীকৃত দলকে কীভাবে সর্বদলীয় বৈঠকে ডাকা হল। তিনি বলেন, এখনও ওই ২০ জন সাংসদকে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ হিসেবেই দেখানো হচ্ছে।ওয়াকআউটের পর মহুয়া মৈত্র বলেন, কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি, ডিএমকে, জেএমএম, সিপিআইএম, আম আদমি পার্টি, ন্যাশনাল কনফারেন্স এবং শিবসেনা ইউবিটি-সহ সমস্ত বিরোধী দল এই প্রতিবাদে অংশ নিয়েছে। তাঁর দাবি, স্পিকার এখনও এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেননি। সাংসদ পদ খারিজের আবেদনও শুনানি হয়নি। তাহলে আলাদা ব্লক স্বীকৃতি কীসের ভিত্তিতে দেওয়া হল?অন্যদিকে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তাঁদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলেই তাঁরা বৈঠকে এসেছেন। তিনি দাবি করেন, তাঁরা নতুন দলকে প্রতিনিধিত্ব করছেন এবং সংসদে বিরোধীদের যথাযথ স্বীকৃতি পাওয়া উচিত। তাঁর মতে, এনসিপিআই ধর্মনিরপেক্ষতা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও জাতীয় ঐক্যের নীতিতে বিশ্বাসী।উল্লেখ্য, লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা ইতিমধ্যেই এনসিপিআইয়ের ২০ জন সাংসদকে বাদল অধিবেশন থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদদের থেকে আলাদা বসার অনুমোদন দিয়েছেন। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরেই সংসদের আগে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র হয়েছে।

জুলাই ১৯, ২০২৬
রাজনীতি

তৃণমূল নয়, বিজেপিও নয়! ‘অস্তিত্বহীন’ এনসিপিআই-তেই কেন আশ্রয় বিদ্রোহী সাংসদদের? নেপথ্যে আইনি কৌশল, রাজনৈতিক অঙ্ক ও ভবিষ্যতের হিসাব

রাজ্যের রাজনীতিতে একের পর এক নাটকীয় মোড়ের মধ্যেই নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের লোকসভা শিবিরে বিদ্রোহ। কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, সায়নী ঘোষ-সহ প্রায় ২০ জন সাংসদের বিদ্রোহ ঘোষণার পর রাজনৈতিক মহলে সবচেয়ে বেশি আলোচিত বিষয় হল তাঁরা সরাসরি বিজেপিতে যোগ দিলেন না কেন? আবার নিজেদের আসল তৃণমূল বলেও দাবি করলেন না কেন?তার বদলে তাঁরা আশ্রয় নিয়েছেন এমন একটি রাজনৈতিক দলে, যার নাম কয়েক দিন আগেও দেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক শোনেননি। সেই দলের নাম ন্যাশনালিস্ট সিটিজ়েন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া (এনসিপিআই)। প্রশ্ন উঠছে, এত বড় রাজনৈতিক বিদ্রোহের পর একটি প্রায় অচেনা ও অপ্রাসঙ্গিক দলের ছাতার তলায় যাওয়ার সিদ্ধান্তের নেপথ্যে কী কারণ রয়েছে?রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং আইনজ্ঞদের মতে, এর নেপথ্যে রয়েছে চারটি বড় কৌশলগত কারণ।বিধানসভার অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষাপ্রথমত, বিধানসভায় বিদ্রোহী বিধায়কদের পরিস্থিতি লোকসভার বিদ্রোহী সাংসদদের সামনে এক ধরনের সতর্কবার্তা তৈরি করেছিল।বিধানসভায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের নেতৃত্বে বিদ্রোহী বিধায়কেরা নিজেদের তৃণমূলের প্রকৃত প্রতিনিধি বলে দাবি করেন এবং পরিষদীয় দলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেন। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তকে ঘিরে আদালতে আইনি লড়াই শুরু হয়েছে। দল থেকে বহিষ্কৃত কোনও ব্যক্তি কীভাবে বিরোধী দলনেতা হতে পারেন, তা নিয়ে মামলাও বিচারাধীন।এই পরিস্থিতি দেখে লোকসভার বিদ্রোহীরা বুঝতে পেরেছিলেন যে, নিজেদের আসল তৃণমূল বলে দাবি করলে দীর্ঘ আইনি জটিলতার মুখে পড়তে হতে পারে। ফলে সরাসরি নতুন রাজনৈতিক পরিচয়ে যাওয়ার পথই তাঁদের কাছে নিরাপদ বলে মনে হয়েছে।বিজেপির ছায়া, কিন্তু সরাসরি যোগ নয়দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল বিজেপির ভূমিকা।বিদ্রোহী সাংসদদের একাধিক বৈঠক হয়েছে বিজেপির শীর্ষ নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে। বিশেষ করে ভূপেন্দ্র যাদবের দিল্লির বাসভবনই এই রাজনৈতিক পরিকল্পনার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে উঠে এসেছে।তবে রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, বিজেপি এই সাংসদদের আনুষ্ঠানিকভাবে দলে টেনে নেওয়ার ঝুঁকি নিতে চায়নি। কারণ, সরাসরি দলবদল হলে দলত্যাগ বিরোধী আইন নিয়ে জটিলতা তৈরি হতে পারত। তার বদলে একটি পৃথক রাজনৈতিক সত্তা তৈরি করে এনডিএ-কে সমর্থন করানো অনেক বেশি সুবিধাজনক।ফলে বিজেপি রাজনৈতিক সমর্থন পেলেও আইনি দায় এড়িয়ে যেতে পারছে বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।তৃণমূলের দখল নেওয়া প্রায় অসম্ভববিদ্রোহী সাংসদদের সামনে আরেকটি বড় বাস্তবতা ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের সাংগঠনিক কাঠামো।তৃণমূলের গঠনতন্ত্র চেয়ারপার্সন-কেন্দ্রিক। অর্থাৎ দলের সাংগঠনিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাংসদ বা বিধায়করা সংখ্যায় বেশি হলেও দলীয় প্রতীক, তহবিল, সংগঠনের নিয়ন্ত্রণ এবং নির্বাচন কমিশনের স্বীকৃতি সাংগঠনিক নেতৃত্বের হাতেই থাকে।বিদ্রোহ শুরু হওয়ার পরই মমতা সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ কমিটি পুনর্গঠন করে নিজের অনুগতদের হাতে দায়িত্ব তুলে দিয়েছেন। ফলে বিদ্রোহী সাংসদরা সংসদীয় দলের নিয়ন্ত্রণ পেলেও দলীয় প্রতীক বা সংগঠনের নিয়ন্ত্রণ পাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই।এই বাস্তবতা উপলব্ধি করেই তাঁরা তৃণমূলের নাম ব্যবহার না করে নতুন দলের পথে হাঁটেছেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।কংগ্রেসে তৃণমূলের সম্ভাব্য মিশ্রণও ছিল চিন্তার কারণরাজনৈতিক মহলে কিছুদিন ধরেই জল্পনা চলছিল, ভবিষ্যতে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে কংগ্রেসের বৃহত্তর সমঝোতা বা সাংগঠনিক একীকরণের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।যদি এমন পরিস্থিতি তৈরি হত, তাহলে বিদ্রোহী সাংসদদের অবস্থান আরও দুর্বল হয়ে যেত। কারণ, তৃণমূল এবং কংগ্রেস একত্রিত হলে লোকসভায় সাংসদ সংখ্যার হিসাব আমূল বদলে যেত। তখন দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় নিরাপদ অবস্থানে থাকতে আরও বেশি সংখ্যক সাংসদের সমর্থন প্রয়োজন হত।আইনজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, সেই সম্ভাবনাকেও মাথায় রেখেই বিদ্রোহীরা আগেভাগে আলাদা রাজনৈতিক পরিচয় তৈরি করার পথ বেছে নিয়েছেন।যে দলে যাচ্ছেন, সেই দল আদৌ কতটা পরিচিত?সবচেয়ে বিস্ময়কর তথ্য হল, যে এনসিপিআই-তে বিদ্রোহী সাংসদরা যোগ দিয়েছেন, সেই দলটি কার্যত রাজনৈতিকভাবে অপ্রাসঙ্গিক।নির্বাচন কমিশনের নথি অনুযায়ী, দলটি একটি নিবন্ধিত হলেও অস্বীকৃত রাজনৈতিক দল। ২০২৩ সালে ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে মাত্র দুটি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল তারা। সেই দুই প্রার্থীই পরাজিত হন এবং ভোটসংখ্যাও ছিল অত্যন্ত সীমিত।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এনসিপিআই এখানে মূলত একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম বা আইনি আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। প্রকৃত লক্ষ্য হল সংসদে একটি আলাদা গোষ্ঠী হিসেবে অস্তিত্ব বজায় রাখা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী এনডিএ-কে সমর্থন করা।নতুন সমীকরণের সূচনা?লোকসভায় তৃণমূলের ভাঙন শুধু দলীয় সংকট নয়, জাতীয় রাজনীতির সমীকরণেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বের সামনে এটি যেমন বড় চ্যালেঞ্জ, তেমনই বিজেপির জন্যও এটি একটি কৌশলগত সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।তবে শেষ পর্যন্ত এই বিদ্রোহ কতটা স্থায়ী হবে, নতুন দলের রাজনৈতিক অস্তিত্ব কত দূর পর্যন্ত টিকবে এবং আইনি লড়াই কোন দিকে যাবে সেই উত্তর সময়ই দেবে। আপাতত স্পষ্ট, তৃণমূলের বিদ্রোহীরা আবেগ নয়, বরং সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ও আইনি হিসাব কষেই অপরিচিত এনসিপিআই-এর ছাতার তলায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

জুন ১৫, ২০২৬
কলকাতা

রাতারাতি বড় রদবদল! সুদীপ সরতেই উত্তর কলকাতার দায়িত্বে কুণাল ঘোষ

তৃণমূল কংগ্রেসে বড় সাংগঠনিক রদবদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দলের তরফে প্রকাশিত নতুন তালিকা অনুযায়ী উত্তর কলকাতা জেলা সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কুণাল ঘোষকে। এতদিন এই পদে ছিলেন সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি যুব তৃণমূলের সভাপতির পদ থেকেও সরানো হয়েছে সায়নী ঘোষকে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায়।দলের অন্দরে চলা রাজনৈতিক আলোচনা এবং সাম্প্রতিক পরিস্থিতির মধ্যেই এই সিদ্ধান্তকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। দীর্ঘদিন ধরে দলের মুখপাত্র এবং অন্যতম সক্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত কুণাল ঘোষ। সাম্প্রতিক সময়ে দলীয় অবস্থান ব্যাখ্যা করা থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যুতে তিনি প্রকাশ্যে তৃণমূলের হয়ে সরব ছিলেন।অন্যদিকে, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে সাম্প্রতিক সময়ে নানা রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হয়েছে। দিল্লিতে কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতার সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি।তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। উত্তর কলকাতার সাংগঠনিক দায়িত্ব এখন কুণাল ঘোষের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে যুব সংগঠনের নেতৃত্বেও নতুন মুখ আনা হয়েছে।রাজনৈতিক মহলের মতে, আগামী দিনের লড়াইকে সামনে রেখে দল নতুন করে সংগঠন সাজানোর চেষ্টা করছে। সেই কারণেই গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পদে পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই রদবদলের ফলে দলের সাংগঠনিক কাঠামোয় কী প্রভাব পড়ে এবং নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা কীভাবে কাজ করেন, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১৩, ২০২৬
দেশ

ভূপেন্দ্র যাদবের পর অমিত শাহ! দিল্লিতে সুদীপের একের পর এক বৈঠকে তুঙ্গে জল্পনা

দিল্লিতে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠককে কেন্দ্র করে ফের রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষীয়ান সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে সাক্ষাতের পর তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন বলে রাজনৈতিক সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরেই শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।দীর্ঘদিন ধরেই জাতীয় রাজনীতিতে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিচিতি একজন অভিজ্ঞ সংসদ সদস্য হিসেবে। লোকসভায় বহু বছর তিনি তৃণমূলের দলনেতার দায়িত্ব পালন করেছেন। সংসদে বিভিন্ন দলের নেতাদের সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্কের কথাও রাজনৈতিক মহলে পরিচিত।সূত্রের দাবি, শনিবার দিল্লিতে পৌঁছে প্রথমে ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে যান সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়। সেখানে বৈঠক শেষে তিনি অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেন বলেও জানা যাচ্ছে। দুই নেতার মধ্যে কিছু সময় আলোচনা হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি।এই বৈঠকের পর থেকেই সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে নানা রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের অন্দরের বর্তমান পরিস্থিতি, সাংসদদের অবস্থান এবং ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। যদিও সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এখনও এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক যাত্রার শুরু থেকেই তিনি দলের সঙ্গে যুক্ত। অতীতে রাজনৈতিক মতপার্থক্য তৈরি হলেও পরবর্তীতে তিনি আবার তৃণমূলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ফিরে আসেন।দিল্লিতে তাঁর সাম্প্রতিক বৈঠকগুলি শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ নাকি এর পিছনে বড় কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য এবং জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক অবস্থান এবং তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সমীকরণ কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১৩, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলে কি আরও এক বড় ভাঙন? দিল্লিতে ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে বৈঠকে সুদীপ, তুঙ্গে জল্পনা

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে রাজনৈতিক জল্পনা আরও উসকে দিল দিল্লির একটি বৈঠক। উত্তর কলকাতার সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে দেখা করায় নতুন করে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। শনিবার দিল্লিতে পৌঁছেই তিনি ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে যান বলে সূত্রের খবর। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়। দুজনকে একসঙ্গে দেখা যাওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের অন্যতম অভিজ্ঞ সাংসদ হিসেবে পরিচিত। লোকসভায় বহু বছর তিনি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। পরে সেই দায়িত্ব অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে তুলে দেওয়া হলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মধ্যে জল্পনা শুরু হয়েছিল। যদিও তখন প্রকাশ্যে কোনও অসন্তোষ দেখাননি সুদীপ।তবে বর্তমানে তৃণমূলের অন্দরে বিভিন্ন বিষয়ে অসন্তোষ এবং সাংসদদের অবস্থান নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। সেই পরিস্থিতিতে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বৈঠককে ঘিরে জল্পনা আরও বেড়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, যদি ভবিষ্যতে কোনও নতুন সমীকরণ তৈরি হয়, তবে সেখানে সুদীপ গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে উঠতে পারেন।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় শুধু একজন সাংসদ নন, তিনি তৃণমূলের প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন কংগ্রেস ছেড়ে নতুন দল গঠন করেন, তখন প্রথম সারির যাঁরা তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে সুদীপ অন্যতম। যদিও পরবর্তী সময়ে তাঁদের সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। একসময় তিনি দল ছেড়েও বেরিয়ে গিয়েছিলেন। পরে আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বেই ফিরে আসেন।সম্প্রতি তৃণমূলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সুদীপের স্ত্রী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দেখা গিয়েছে। দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও পেয়েছেন তিনি। ফলে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে এখন নানা মহলে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।তবে এই বৈঠক শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ নাকি এর পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কিন্তু দিল্লির এই সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের অন্দরে এবং রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে জল্পনা যে নতুন মাত্রা পেয়েছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

জুন ১৩, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

‘অপমানে মাথা নোয়েনি’— স্বরূপ গ্রেফতারের পর ১০ পরিচালকের নাম প্রকাশ্যে আনলেন সুদীপ্তা

স্টুডিওপাড়ায় তোলাবাজি এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়ার পর স্বরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসতে শুরু করেছে। দীর্ঘদিন ধরে টলিউডের বিভিন্ন মহলে তাঁর বিরুদ্ধে অসন্তোষ থাকলেও অনেকেই প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি। তবে গ্রেফতারের পর সেই পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে।স্বরূপ বিশ্বাস দীর্ঘদিন পূর্ব ভারতের চলচ্চিত্র প্রযুক্তিবিদ ও কর্মী সংগঠনের শীর্ষ পদে ছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় টলিউডে কাজের ক্ষেত্রে তাঁর প্রভাব ছিল অত্যন্ত বেশি। বহু শিল্পী, কলাকুশলী এবং কর্মচারীর দাবি, বিভিন্ন সময়ে তাঁদের কাজের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে হয়েছে।এই আবহে অভিনেত্রী সুদীপ্তা চক্রবর্তীর একটি সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। হারাধনের দশটি ছেলে শিরোনামে করা সেই পোস্টে তিনি এমন দশ জন পরিচালকের কথা উল্লেখ করেছেন, যাঁরা নানা চাপের মধ্যেও নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসেননি।সুদীপ্তার দাবি, প্রায় দেড় বছর আগে ফেডারেশনের তৎকালীন সভাপতির বিরুদ্ধে বহু পরিচালক একযোগে আইনি পদক্ষেপ করেছিলেন। পরে কাজের স্বার্থে অনেকেই সেই অবস্থান থেকে সরে এলেও কয়েক জন পরিচালক শেষ পর্যন্ত নিজেদের প্রতিবাদ বজায় রেখেছিলেন। তাঁদের নিয়েই পোস্টে লিখেছেন অভিনেত্রী। তাঁর কথায়, অপমান এবং পেশাগত ক্ষতির মুখেও তাঁরা নিজেদের নীতি থেকে সরে যাননি।সেই তালিকায় রয়েছেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য, আশীষ সেন চৌধুরী, অভিষেক সাহা, বিদুলা ভট্টাচার্য, দেবাশিস চক্রবর্তী, ইন্দ্রনীল রায়চৌধুরী, কিংশুক দে, সুব্রত সেন, সুদেষ্ণা রায় এবং সুমিত দাম।সুদীপ্তার পোস্টে বিশেষভাবে উঠে এসেছে অনির্বাণ ভট্টাচার্যের নাম। অভিযোগ, দীর্ঘদিন তাঁকেও কাজের সুযোগ থেকে দূরে রাখা হয়েছিল। সেই সময় তিনি নিজের সৃজনশীল কাজ এবং সংগীতচর্চার মাধ্যমে দর্শকদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছিলেন। পরে অভিনেতা ও প্রযোজক দেব তাঁর একটি ছবিতে কাজের সুযোগ দেন বলে পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে।অন্যদিকে, স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার তদন্তে আরও কিছু অভিযোগ সামনে এসেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এক মেক-আপ শিল্পীর অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু হয়। অভিযোগকারী দাবি করেছেন, প্রায় দুবছর ধরে তিনি কোনও কাজ পাননি। কাজের সুযোগ চাইলে তাঁর কাছে টাকা দাবি করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ। পাশাপাশি ভয় দেখানো এবং হুমকি দেওয়ার কথাও তিনি অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন।অভিযোগকারীর দাবি, দীর্ঘদিন কাজ না পাওয়ার কারণে তিনি সামাজিক মাধ্যমে সরাসরি নিজের সমস্যার কথা জানিয়েছিলেন। এরপরই তাঁর পেশাগত জীবনে কিছু সুযোগ আসে। তবে অভিযোগের সমস্ত দিকই খতিয়ে দেখছে পুলিশ।স্বরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে ওঠা এই অভিযোগগুলি নিয়ে এখন টলিউডে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে তদন্তে আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর শিল্পী মহল এবং রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ০৭, ২০২৬
কলকাতা

১৩ বছর পর জেলমুক্তি! সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেনের জীবনে বড় মোড়

প্রায় ১৩ বছর পর সারদা চিটফান্ড কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত সুদীপ্ত সেন সব মামলায় মুক্তির পথে। বুধবার বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ তাঁর জামিন মঞ্জুর করেছে। এর আগে অন্যান্য মামলাতেও তিনি জামিন পেয়েছিলেন। এবার রাজ্য পুলিশের হাতে থাকা শেষ দুটি মামলাতেও জামিন মেলায় তাঁর জেল থেকে বেরোনোর আর কোনও আইনি বাধা রইল না। সব কিছু ঠিক থাকলে বৃহস্পতিবারই জেল থেকে ছাড়া পেতে পারেন তিনি।বর্তমানে সুদীপ্ত সেনের বয়স ৬৪ বছর। দীর্ঘদিন ধরে তিনি নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। সম্প্রতি তাঁর ব্রেন স্ট্রোকও হয়েছিল, সেখান থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। জানা গেছে, তিনি সর্বোচ্চ সম্ভাব্য কারাদণ্ডের সময়েরও বেশি দিন জেলে কাটিয়েছেন। তাঁর আইনজীবীর দাবি, এই দীর্ঘ কারাবাস কার্যত শাস্তিমূলক হয়ে দাঁড়িয়েছে।১০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে তাঁকে জামিন দেওয়া হয়েছে। তবে আদালত একাধিক শর্ত আরোপ করেছে। তাঁকে নিজের পাসপোর্ট জমা দিতে হবে। আদালতের অনুমতি ছাড়া তিনি রাজ্যের বাইরে যেতে পারবেন না। বারাসত থানায় নিজের স্থায়ী ঠিকানা জানাতে হবে এবং অনুমতি ছাড়া বসবাসের জায়গা বদল করা যাবে না।এছাড়া কোনও আর্থিক সংস্থা, বিনিয়োগ প্রকল্প বা মাল্টি লেভেল ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকা তাঁর জন্য সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। জনসাধারণের কাছ থেকে কোনও ধরনের অর্থ সংগ্রহ বা গ্রহণও করতে পারবেন না। মামলার সঙ্গে যুক্ত কোনও ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা বা কাউকে প্রভাবিত করা কিংবা ভয় দেখানোও তাঁর জন্য নিষিদ্ধ। এই শর্তগুলির কোনওটি ভাঙলে তাঁর জামিন সঙ্গে সঙ্গে বাতিল হয়ে যাবে।

এপ্রিল ০৮, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

টলিপাড়ায় শোকের মাঝেই বিস্ফোরণ! রাহুলের মৃত্যুর পর কেন ক্ষোভে ফুঁসছেন সুদীপ্তা?

অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোকের ছায়া নেমেছে টলিপাড়ায়। রবিবার ওড়িশার তালসারি সমুদ্রসৈকতে শুটিং চলাকালীন জলে ডুবে মৃত্যু হয় তাঁর। এই মর্মান্তিক ঘটনার পরও টলিউডের নিয়মিত কাজকর্মে বিশেষ কোনও পরিবর্তন না আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী সুদীপ্তা চক্রবর্তী। তাঁর একটি সামাজিক মাধ্যমে করা পোস্ট ঘিরে এখন তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে।সুদীপ্তা তাঁর লেখায় টলিউডের একটাই পরিবার ধারণা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি লিখেছেন, ছোটখাটো অনুষ্ঠানে বা অন্য প্রয়োজনে খুব সহজেই শুটিং বন্ধ করা হয়, কিন্তু একজন সহকর্মীর শেষযাত্রায় যোগ দিতে কেন সময় দেওয়া হয় না? তাঁর মতে, তখন আর প্রযোজকদের ক্ষতির ভয় থাকে না, কিন্তু সহকর্মীর মৃত্যুর সময়েই সব বাধা সামনে আসে।তিনি আরও প্রশ্ন তুলেছেন, শিল্পীদের মূল্য কি এতটাই কম? অন্য পেশার মানুষরা সহকর্মীর মৃত্যুতে কাজ বন্ধ রাখেন, কিন্তু শিল্পীদের ক্ষেত্রে সেই সংবেদনশীলতা কেন দেখা যায় না, তা নিয়েই আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন তিনি।সুদীপ্তা তাঁর পোস্টে আরও লিখেছেন, শিল্পীদের অনেক সময় নিজের কষ্ট লুকিয়ে কাজ চালিয়ে যেতে হয়। কারণ, প্রতিবাদ করলে কাজ হারানোর ভয় থাকে। তাঁর কথায়, অনেকেই অপেক্ষা করে থাকে সুযোগ নেওয়ার জন্য, তাই নিজের জায়গা টিকিয়ে রাখাও কঠিন।রাহুলের মৃত্যু শুধু শোকই নয়, টলিউডের ভেতরের নানা প্রশ্নও সামনে এনে দিয়েছে। তালসারিতে শুটিং চলাকালীন এই দুর্ঘটনা ঘটায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ ও জিতু কমল-সহ বহু শিল্পী এই ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন।

মার্চ ৩১, ২০২৬
রাজ্য

আসানসোল সিবিআই কোর্টের বিচারককে বেনামী হুমকি চিঠির অভিযোগে আইনজীবী সুদীপ্ত রায় গ্রেফতার

রাতভর ধৃত আইনজীবী সুদীপ্ত রায়ের বাড়িতে তল্লাশি চালাল পুলিশ। বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের মামলার বিচারককে হুমকি চিঠির ঘটনায় সোমবার গ্রেফতার হয় বর্ধমান আদালতের আইনজীবী সুদীপ্ত রায়কে। এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর সোমবার রাতেই পূর্ব বর্ধমানের মেমারির চিনুই (সাহানুই) গ্রাম থেকে ধৃত আইনজীবী সুদীপ্ত রায়ের সহকারী দীপক মহুরীকে বাড়ি থেকে আটক করে পুলিশ। সোমবার দুপুরে আসানসোল আদালত চত্বরে গিয়েছিলেন সুদীপ্ত। খবর পেয়েই পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে।এখানে উল্লেখ্য ২০ আগষ্ট আসানসোলের সিবিআই আদালতের বিচারক রাজেশ চক্রবর্তীকে হুমকি চিঠি দেওয়া হয়। চিঠিতে লেখা হয় গরু পাচার মামলায় ধৃত বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে জামিন না দিলে তাঁর পরিবারকে গাঁজা কেসে ফাঁসানো হবে। সেই চিঠির প্রেরক হিসাবে পূর্ব বর্ধমানের এগজিকিউটিভ আদালতের আপার-ডিভিশন ক্লার্ক (ইউডিসি) বাপ্পা চট্টোপাধ্যায়ের নাম ও সই ছিল। বাপ্পা প্রথম থেকেই বলে আসছেন, তিনি নির্দোষ। তাঁকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছে।হুমকি চিঠির তদন্তে গত বৃহস্পতিবারও বাপ্পাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে আসানসোল পুলিশ কমিশনারেটের দুই পুলিশকর্তা। জিজ্ঞাসাবাদের পর বাপ্পা দাবি করেন, সুদীপ্ত রায় নামে বর্ধমান আদালতের এক আইনজীবী দিন দুয়েক আগে তাঁকে আদালত চত্বরে হুমকি দিয়েছিলেন। তাকে বলা হয়, তোর যা ব্যবস্থা করার, হয়ে গিয়েছে। এ বার তোর চাকরি খাব। বাপ্পাবাবু গোটা বিষয়টি বর্ধমান উত্তরের মহকুমাশাসককে জানান। হুমকি চিঠির পিছনে সুদীপ্তেরই হাত রয়েছে। শুক্রবার বাপ্পার গোপন জবানবন্দিও নেওয়া হয়। তার পরেই সোমবার গ্রেফতার হয় সুদীপ্ত।সোমবার গভীররাতে আসানসোল দক্ষিণ থানার পুলিশ বর্ধমান থানার পুলিশের সহযোগিতায় ধৃত আইনজীবী সুদীপ্ত রায়ের বর্ধমান শহরের বড়নীলপুরের বাড়িতে তল্লাশি চালায়। প্রায় ঘন্টা খানেক ধরে সুদীপ্ত রায়ের বাড়িতে পুলিশ তল্লাশী চালায়।

আগস্ট ৩০, ২০২২
রাজ্য

'গোপনে সারদা কর্তার সঙ্গে দেখা করেছিলেন শুভেন্দু, নিয়েছেন টাকা,' গ্রেফতারের দাবি কুণালের

দলের রাজ্য দফতরে নারদের টাকা নেওয়ার ভিডিও দেখিয়ে তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতারের দাবি করেছিল বিজেপি। এবার একই পরথে হাঁটল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের প্রধান দফতরে সারদাকর্তা সুদীপ্ত সেনের বক্তব্য শোনানো হল। সাংবাদিকদের দেখানো হল সুদীপ্ত সেনের চিঠি। এসব দেখিয়ে তৃণমূল নেতৃত্ব শুভেন্দু অধিকারীর গ্রেফতারির দাবি তুলে শোরগোল ফেলে দিয়েছে।তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র তথা সারদাকান্ডে অভিযুক্ত কুণাল ঘোষ এদিন বলেন, সারদাকর্তা সুদীপ্ত সেনের চিঠিতে অভিযুক্ত নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু চোর, ব্ল্যাকমেলার। সুদীপ্ত সেনের কাছ থেকে নগদে টাকা নিয়েছেন। বিজেপি করছে নিজেকে বাঁচাতে। আগের চিঠিতে সুদীপ্ত সেন লিখেছেন তিনি যখন রহস্যজনক ভাবে উধাও হয়েছিলেন তখনও শুভেন্দু দেখা করতে গিয়েছিলেন তাঁর সঙ্গে। বিজেপি অফিসে নারদার ফুটেজ দেখিয়ে গ্রেফতারের দাবি করা হয়েছিল। তদন্ত শুরু করে গ্রেফতারও করা হয়েছিল। বাদ ছিল শুধু শুভেন্দু।কুণালের দাবি, ৫০ লক্ষ টাকা কাঁথি পুরসভার নামে ব্যাংক ড্রাফটের কথা বলেছেন সুদীপ্ত। শুভেন্দুকে গ্রেফতার করে তদন্ত করতে হবে। তৃণমূল নেতা তাপস রায় সুদীপ্ত সেনের সঙ্গে শুভেন্দুকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার দাবি জানান। শুভেন্দু ইস্যুতে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে নিশানা করেছেন কুণাল। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যপাল কিসের বিনিময়ে শুভেন্দুকে রাজনৈতিক প্রশ্রয় দিচ্ছেন। এই বিষয়েও তদন্ত হওয়া উচিত। যদিও শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট বলেছেন কুণালের কথার তিনি জবাব দেন না।

জুন ২৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌সুদীপ ঘরামির দুরন্ত সেঞ্চুরি, ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে বড় রানের পথে বাংলা

ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে রনজি ট্রফির কোয়ার্টার ফাইনালে মাঠে নামার আগে ব্যাটিং নিয়ে সিঁদুরে মেঘ দেখেছিলেন বাংলার কোচ। তাঁর আশঙ্কা যে অমূলক ছিল, প্রমান করে দিলেন সুদীপ ঘরামি, অনুষ্টুপ মজুমদার, অভিমন্যু ঈশ্বরণরা। বেঙ্গালুরুর জাস্ট ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে রীতিমতো দাপট দেখালেন বাংলার টপ অর্ডার ব্যাটাররা। প্রথম দিনের শেষে বাংলার সংগ্রহ ১ উইকেটে ৩১০। দুরন্ত সেঞ্চুরি সুদীপ ঘরামির। সেঞ্চুরির মুখে দাঁড়িয়ে অনুষ্টুপ মজুমদার।জাস্ট ক্রিকেট গ্রাউন্ডের বাইশ গজে ঘাসের আভা দেখে টস জিতে বাংলাকে ব্যাট করতে পাঠান ঝাড়খণ্ড অধিনায়ক সৌরভ তেওয়ারি। কিন্তু তাঁর সিদ্ধান্তকে বুমেরাং করে দিয়ে দারুণ শুরু করেন বাংলার দুই ওপেনার অভিষেক রমণ ও অভিমন্যু ঈশ্বরণ। কিন্তু ইনিংসের ২৫ তম ওভারে রান নিতে গিয়ে পিঠের পেশিতে টান লাগে অভিষের রমণের। তিনি রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে সাজঘরে ফিরে আসেন। ৭২ বলে ৪১ রান করেন অভিষেক। এরপর বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যান অধিনায়ক অভিমন্যু ও তরুণ সুদীপ ঘরামি। ৩৯.৫ ওভারে বাংলার প্রথম উইকেট পড়ে। বাংলার রান তখন ১৩২। সুশান্ত মিশ্রর বলে এলবিডব্লু আউট হন অভিমন্যু। ১২৪ বলে ৬৫ রান করেন তিনি।অধিনায়ক ফিরে যাওয়ার পর দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন সুদীপ ঘরামি ও অনুষ্টুপ মজুমদার। তাঁদের অসমাপ্ত ১৭৮ রানের পার্টনারশিপ বাংলাকে বড় রানে পৌঁছে দেয়। প্রথম দিন ৮৯ ওভারে বাংলা তোলে ১ উইকেটে ৩১০। সুদীপ ঘরামি ২০৪ বলে ১০৬ রান করে অপরাজিত রয়েছেন। অন্যদিকে ১৩৯ বলে ৮৫ রান করে অপরাজিত রয়েছেন অনুষ্টুপ মজুমদার। ইনিংসের ৮১ তম ওভারে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে জীবনের প্রথম সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন সুদীপ ঘরামি। গ্রুপ লিগের ম্যাচে রান পাননি বাংলার এই তরুণ ব্যাটার। তাসত্ত্বেও তাঁর ওপর আস্থা রেখেছিলেন কোচ অরুণলাল। অভিজ্ঞ সুদীপ চ্যাটার্জিকে বাইরে রেখে তাঁকে প্রথম একাদশে সুযোগ দেন। কোচের আস্থার মর্যাদা দিলেন সুদীপ ঘরামি। তাঁর ইনিংস নিয়ে বাংলার কোচ অরুণলাল বলেন, অবিশ্বাস্য ইনিংস খেলেছে। সুদীপ ঘরামি দুর্দান্ত প্রতিভা। তাই গ্রুপ পর্যায়ে রান না পেলেও ওর ওপর আস্থা হারাইনি। আমাদের সিদ্ধান্ত যে ভুল ছিল না, প্রমাণ করে দিল।

জুন ০৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

টলিউড থেকে সোজা বলিউডে সুদীপ্তা, কি বলছেন?

বাংলা ধারাবাহিকের জনপ্রিয় মুখ অভিনেত্রী সুদীপ্তা ব্যানার্জী। বর্তমানে উমা ধারাবাহিকে অভিনয় করছেন তিনি। তবে খুব তাড়াতাড়ি তাঁর জীবনে নতুন মোড় আসতে চলেছে। টলিউড ছেড়ে বলিউডে পা রাখবেন তিনি। সেটাও আবার হিন্দি সিরিয়ালের কাজ। সুদীপ্তা মুম্বই এর জার্নি নিয়ে জানালেন, এটা একটা অন্যরকম এক্সপিরিয়েন্স। এত বছর টেলিভিশন কলকাতায়। ১২ বছর। একটা যুগ কলকাতায়। অনেক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। ওখানেও আমি টেলিভিশন করছি। সেটা একটা অন্যরকম অভিজ্ঞতা। সেটা যখন টেলিকাস্টে আসবে তখন দর্শকরা দেখলেই বুঝতে পারবে। ওখানে কাজটাই অন্য ধরণের, অন্যরকমের হয়। শহর ছেড়ে যাওয়াটা খুব কঠিন, কষ্টকর। আর বাবা-মা কে ছেড়ে যাওয়াটা আরও বেশি কঠিন। দেখা যাক। কলকাতায় কি সুদীপ্তা আর কাজ করবে না? উত্তরে জানালেন, আমার একটা কন্ট্র্যাক্ট আছে ওদের হাউসের সঙ্গে। ওদের দুটো প্রোজেক্টের সঙ্গে কন্ট্র্যাক্ট আছে। এটা দুটো বছরের জন্য। তবে আমি কলকাতায় আসা-যাওয়া করবো। প্রত্যেক মান্থে আসতে পারবো। এটার জন্যই মুম্বই যাওয়া। তবে কলকাতা তো আমার কাজের জায়গা। আমার ভীষণ প্রিয় জায়গা।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

গাঁটছড়া বাঁধলেন অনিন্দিতা-সুদীপ

কয়েক ঘণ্টা আগে জনতার কথার প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছিল চার হাত এক হচ্ছে অভিনেত্রী অনিন্দিতা রায়চউধুরী ও অভিনেতা সুদীপ সরকারের। অবশেষে গাঁটছড়া বাঁধলেন অনিন্দিতা ও সুদীপ। ২০২২ এর প্রজাতন্ত্র দিবসে শুভ কাজ সেরে ফেললেন দুজনে।এদিন সিঁদুরদান, মালাবদল, আংটি বদল সবকিছুই হল। ৫৫ জন অতিথি উপস্থিত ছিলেন বিশেষ দিনে। বৃহস্পতিবার থেকে আবার দুজনের কাজ শুরু হবে।কলকাতার প্রথম শ্রেণীর এক দৈনিক সংবাদপত্রকে অনিন্দিতা তাঁর বিয়ের মেনু জানালেন। বিয়েতে ঠাসা ছিল বাঙালি খাবার। সাদা ভাত, ডাল, তরকারি, ঘিয়ে আলুভাজা, মটন, চিকেন, চাটনি, বেকড রসগোল্লা, আইসক্রিম, পানে জমজমাট হয়ে গেল বিয়ের আসর। বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী মানালী মনীষা দে। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিয়ের ভিডিও পোস্ট করে নবদপম্পতিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। অভিনেত্রী আভেরী সিংহ রায় সোশ্যাল মিডিয়ায় নবদম্পতির ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন, এই হাসিটাই চেয়েছিলাম একদিন। আজ পেয়েছি। কতটা খুশি বলে বোঝাতে পারবোনা।

জানুয়ারি ২৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

চার হাত এক হচ্ছে সুদীপ-অনিন্দিতার

দুমাস আগে খবরটা পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু সেই খবরে কেউ সেইভাবে পুরোপুরি হ্যাঁ বলেননি। মাঝেমধ্যে শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় দুজনের ছবি দেখা যাচ্ছিল। অবশেষে প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন সুখবর জানালেন সুদীপ সরকার এবং অনিন্দিতা রায়চৌধুরী। সন্ধ্যায় দুই পরিবার এবং কাছের মানুষদের উপস্থিতিতে গাঁটছড়া বাঁধবেন তারা।দুজনেই ছোটপর্দার পরিচিত নাম। চ্যাম্পিয়ন, কে আপন কে পর, তুমি আসবে বলে ছাড়াও অনেক ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন সুদীপ। বর্তমানে ওটিটিতেও কাজ করছেন তিনি। আজ প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন মুক্তি পেল তাঁর অভিনীত মুক্তি।অন্যদিকে পটল কুমার গানওয়ালা, কে আপন কে পর ভুতু, দেশের মাটি-র মতো একাধিক ধারাবাহিকের পরিচিত মুখ অনিন্দিতা। বর্তমানে ধুলোকণা তে রয়েছেন অনিন্দিতা।দুজনের বন্ধুত্ব অনেক বছরের। প্রেম পাঁচ মাসের। পাঁচ মাসের মধ্যে চার হাত এক হচ্ছে দুজনের।

জানুয়ারি ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Bengal T20 : অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক ম্যাচেই বাংলাকে জেতালেন সুদীপ চ্যাটার্জি

তাঁর ওপর আস্থা রেখে বাংলার নির্বাচকরা যে ভুল করেননি, মরশুমের প্রথম ম্যাচেই প্রমাণ দিলেন সুদীপ চ্যাটার্জি। সিনিয়র দলকে নেতৃত্ব দিতে নেমে প্রথম ম্যাচেই বাংলাকে জয় এনে দিলেন। তাঁর নেতৃত্বে সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতার প্রথম ম্যাচেই জয় পেল বাংলা। আসামের গুয়াহাটির বর্ষাপাড়া স্টেডিয়ামে ছত্তিশগড়কে হারাল ৭ উইকেটে।অনুষ্টুপ মজুমদার, অর্ণব নন্দী, শ্রীবৎস গোস্বামীর মতো সিনিয়রদের বাদ দিয়ে জুনিয়রদের নিয়ে দল গড়েছিলেন বাংলার নির্বাচকরা। অনুষ্টুপদের বাদ দেওয়া নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল, বাংলা টিম ম্যানেজমেন্টের লক্ষ্য সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতাতেই তরুণ ক্রিকেটারদের দেখে নেওয়া। হতাশ করেননি করণ লালরা। তবে জয়ের জন্য ভরসা করতে হয়েছে সেই সিনিয়রদের ওপরই।টস জিতে ছত্তিশগড়কে ব্যাট করতে পাঠান বাংলার অধিনায়ক সুদীপ চ্যাটার্জি। দারুণ শুরু করেছিলেন ছত্তিশগড়ের দুই ওপেনার অখিল হারওয়াদকার এবং শশাঙ্ক চন্দ্রকার। ওপেনিং জুটিতে ৪ ওভারে ওঠে ৩২। বাংলার দুই জোরে বোলার ইশান পোড়েল ও মুকেশ কুমার সুবিধা করতে পারেননি। ছত্তিশগড়কে প্রথম ধাক্কা দেন আকাশ দীপ। তুলে নেন শশাঙ্ককে (৬)। এরপর নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকে ছত্তিশগড়ের। মাঝের ওভারগুলিতে দুর্দান্ত বোলিং করেন আকাশ দীপ, করণ লাল ও আইপিএল খেলে ফেরা শাহবাজ আমেদ। আইপিএল খেলার অভিজ্ঞতা দারুণভাবে কাজে লাগান শাহবাজ আমেদ।একপ্রান্ত থেকে উইকেট পড়তে থাকলেও অন্যপ্রান্ত আগলে রেখে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান অখিল হারওয়াদকার। একসময় ৫১ রানে ৫ উইকেট পড়ে গিয়েছিল ছত্তিশগড়ের। সেখান থেকে অজয় মণ্ডলকে (২৫) সঙ্গে নিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান অখিল। ২০ তম ওভারে মুকেশ কুমারের তৃতীয় বলে আউট হন অজয়। ইনিংসের একেবারে শেষ বলে অখিলকে (৬০ বলে ৭৩) আউট করেন মুকেশ কুমার। ১০ ওভারে ছত্তিশগড় তোলে ১১৮/৭। ২৬ রানে তিনি ২ উইকেট নেন। ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি, আকাশ দীপ, শাহবাজ আমেদ করণ লাল ১টি করে উইকেট পান।বাংলার হয়ে এদিন ইনিংসের গোড়াপত্তন করতে নেমেছিলেন অভিষেক দাস ও অধিনায়ক সুদীপ চ্যাটার্জি। ১৩ বলে ১৭ রান করে রবি কিরণের বলে আউট হন অভিষেক। তিন নম্বরে নামা করণ লাল ১০ বলে ১১ রান করে আউট হন। এরপর বাংলাকে টেনে নিয়ে যান দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার সুদীপ চ্যাটার্জি ও ঋদ্ধিমান সাহা। তৃতীয় উইকেটের জুটিতে ৫০ রান তুলে বাংলার জয় নিশ্চিত করেন সুদীপ ও ঋদ্ধি। ২২ বলে ২৪ রান করে ঋদ্ধি যখন আউট হন, বাংলার রান ৯৬/৩। কাইফ আমেদকে (১১ বলে অপরাজিত ১২) সঙ্গে নিয়ে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন সুদীপ চ্যাটার্জি। ৪৬ বলে ৫১ রান করে অপরাজিত থাকেন সুদীপ। ১৭ ওভারে ১১৯/৩ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় বাংলা।

নভেম্বর ০৪, ২০২১
রাজ্য

Tripura TMC: মহামারী আইনে গ্রেফতার দেবাংশু-জয়া-সুদীপরা, উত্তপ্ত ত্রিপুরা

মহামারী আইনে শনিবার রাতে তৃণমূল যুব নেতৃত্বের ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে ত্রিপুরা পুলিশ। দেবাংশু, জয়াদের আজ আদালতে পেশ করবে পুলিশ। এদিকে শেষ রক্ত বিন্দু পর্যন্ত লড়াই করার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন আগেই। এবার আজ, রবিবার ফের ত্রিপুরা যাচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেকের হুঁশিয়ারি, পারলে আটকান। তৃণমূলের অভিযোগ, শনিবার তাদের যুব কর্মীদের ওপর হামলা করা হয়েছে ত্রিপুরায়। উল্টে দলীয় কর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। বিজেপি অবশ্য তৃণমূলের অভিযোগকে নাটক বলে উড়িয়ে দিয়েছে। আজ আবার উত্তপ্ত হতে পারে ত্রিপুরা।আরও পড়ুনঃ বিপ্লব করতে আজ ত্রিপুরায় যাচ্ছেন অভিষেকত্রিপুরা অভিযান শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল। ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচনকে টার্গেট করেই ত্রিপুরা যাতায়াত শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। এবার এই বাংলা থেকে ত্রিপুরা যাতায়াত করাকে বহিরাগতদের ত্রিপুরা আগমন বলে কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না বিজেপি। এরাজ্যে সর্বভারতীয় বিজেপি নেতাদের আসাকে বহিরাগত বলে কটাক্ষ করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস।আরও পড়ুনঃ টোকিওতে সোনা জিতে ইতিহাস গড়লেন পোস্টার বয় নীরজ চোপড়াএর আগে অভিষেক ত্রিপুরায় যাওয়ার দিন ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে ছিল। অভিষেকের যাতায়াতের রাস্তায় পথ অবরোধ, তাঁকে ঘিরে গো ব্যাক স্লোগান তো ছিলই। তাছাড়া ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের গাড়িতেও বাঁশ ও লোহার রড দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। ত্রিপুরার গনতন্ত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল তৃণমূল। যদিও বিজেপির বক্তব্য ছিল পুরো ঘটনা সাজানো। পাশাপাশি দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলার প্রসঙ্গের তুলনা টেনে এনেছেন বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব।আরও পড়ুনঃ ১৫ জেলায় সারাদিন চলবে বৃষ্টিএদিকে গতকাল ত্রিপুরার আমবাসার রাস্তায় তৃণমূলের যুব নেতৃত্ব দেবাংশু ভট্টাচার্য, জয়া দত্ত, সুদীপ রাহাদের ওপর বিজেপি হামলা করেছে বলে অভিযোগ করে তৃণমূল। বোমা, গুলি চলেছে বলেও অভিযোগ। তারই প্রতিবাদে আজ পরশি রাজ্যে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তৃণমূলের যুবরাজ। ফের রাতেই খবর আসে ১১ জন তৃণমূল যুব নেতাকে গ্রেফতার করেছে মহামারী আইনে।

আগস্ট ০৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Sudipa Chattopadhyay : রথের দিনেই দুর্গাপুজোর প্রস্তুতি শুরু সুদীপার

বাঙালির শ্রেষ্ঠ উত্সব দুর্গাপুজো। এবারের পুজো আসতে আর খুব বেশি দেরি নেই। গত বছরের মতো এই বছরের পরিস্থিতিও বিশেষ ভাল নয়। করোনার প্রকোপের জন্য সাধারণ মানুষদের নিজেদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে বাড়িতেই থাকতে হতে পারে।আরও পড়ুনঃ সৌরভ গাঙ্গুলির বায়োপিক ফাইনাল, অভিনয়ে বলিউড তারকাতবে এর মধ্যেই সুদীপা চট্টোপাধ্যায় পুজোর প্রস্তুতি শুরু করে দিলেন নিয়ম নীতি মেনে। পরিচালক তথা প্রযোজক অগ্নিদেব চট্টোপাধ্যায় এবং সঞ্চালিকা তথা চিত্রনাট্যকার সুদীপা চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ির পুজো। চট্টোপাধ্যায় বাড়ির পুজোতে পুজোর কোনও একটা দিন হাজির হন বহু নামজাদা ব্যক্তিত্বরা। যদিও ছবিটা আলাদা ছিল গত বছর। এ বছরও হয়তো সম্ভব হবে না সাধারণের জন্য ব্যবস্থা করা।আরও পড়ুনঃ বাড়িতে জগন্নাথ বন্দনা করলেন সাংসদ-অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীকিন্তু এই পারিবারিক পুজোর কাঠামো পুজো হয় রথের দিন। সেই কাঠামো পুজো সেরে ফেললেন দম্পতি শিল্পী। সঙ্গে ছিল তাদের পুত্র আদিদেব চট্টোপাধ্যায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় কাঠামো পুজোর কিছু ছবি শেয়ার করেছেন সুদীপা। আর তার সঙ্গে লিখেছেন, দুগ্গা দুগ্গা বলে, শুরু হয়ে গেল বাঙালির সবচেয়ে বড় উত্সবের সূচনা। দুর্গা পুজোর কাঠামো পুজো হয়ে গেল আজ- কুমারটুলিতে, পশুপতি রুদ্র পালের ওয়ার্কশপে। সাদা, লালের ছোঁয়া ছিল সুদীপা, অগ্নিদেব এবং আদিদেবের পোশাকে। সকলে পোশাক পরেছিলেন একই কম্বিনেশনে। উল্লেখ্য, একটি গয়নার ভিডিও শেয়ার করেছেন সুদীপা দিন কয়েক আগে। সঙ্গে লিখেছেন, ব্র্যান্ড সুদীপা চ্যাটার্জী আসছে। খুব তাড়াতাড়ি আসছে। গয়না, হ্যান্ডলুম শাড়ি আরও অনেক কিছু আসছে, পুজোর আগেই আসছে। আপনাদের আশীর্বাদ চাই। তিনি জানিয়েছেন তাঁর নতুন সম্ভার সাজাবেন ভারতীয় গয়না, পোলকি, বেনারসি সিল্ক শাড়ি, বাংলার জামদানি, বাংলার তাঁত, ধুতি পাঞ্জাবি, তসরের মতো অনেক কিছু দিয়ে।

জুলাই ১৩, ২০২১
রাজনীতি

উপ-নির্বাচন কমিশনারের অপসারণ দাবি তৃণমূলের

ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার তথা রাজ্যের নির্বাচনী পর্যবেক্ষক সুদীপ জৈনের অপসারণ চাইল শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস । তৃণমূলের অভিযোগ, সুদীপ জৈন রাজ্যের নির্বাচনী পর্যবেক্ষক থাকাকালীন একের পর এক পক্ষপাতমূলক আচরণ করেছেন। এবং তিনি পর্যবেক্ষকের দায়িত্বে থাকলে রাজ্যে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয় বলেই দাবি তৃণমূলের। সেকারণেই ডেপুটি নির্বাচন কমিশনারের অপসারণ চেয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে চিঠি দিয়েছেন তৃণমূল নেতা ডেরেক ওব্রায়েন।বৃহস্পতিবার তৃণমূল ভবনে সংগীতশিল্পী অদিতি মুন্সির যোগদান অনুষ্ঠানের পর দলের বর্ষীয়ান নেতা সৌগত রায় বলেন, আট দফার নির্বাচন শুনেই প্রতিবাদ করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ নিয়ে আমাদের প্রতিবাদ চলছে। আমাদের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈনের অপসারণ দাবি করেছেন। এই সুদীপ আগেও দায়িত্বে ছিলেন ২০১৯-এ। ওঁর পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ আগেও আমরা দেখেছি। বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙা নিয়ে এই সুদীপই ভুল রিপোর্ট পাঠিয়েছিলেন, যায় জেরে নির্বাচনের দুদিন আগে প্রচার বন্ধ করার নির্দেশ দেয় কমিশন। অথচ, বিজেপি ওই দুদিনও প্রচার চালিয়ে যেতে পেরেছে। কমিশন সেই মূর্তি ভাঙা নিয়ে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। অমিত শাহের বিরুদ্ধেও কোনও পদক্ষেপ করেনি।এখানেই শেষ নয়, ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের আগে সুদীপ জৈন যে কুইক রেসপন্স টিম তৈরি করেছিলেন, সেটা নিয়েও একাধিক অভিযোগ তৃণমূলের। সৌগত এদিন বলেন,কুইক রেসপন্স টিম গড়ে এই সুদীপ বলেছিলেন একজন সেন্ট্রাল অফিসার নেতৃত্বে থাকবে। যা সংবিধান বিরোধী। কারণ কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্য পুলিশকে নির্দেশ দিতে পারে না। নিয়ম অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে পরিচালনা করবে রাজ্য পুলিশ।

মার্চ ০৪, ২০২১
রাজ্য

মন্ত্রিত্ব ছাড়ার পরই সুদীপ্তর উদ্দেশ্যপ্রণোদিত চিঠি, সিবিআইকে খতিয়ে দেখার আবেদন শুভেন্দুর

আলিপুর জেলে বন্দি সুদীপ্ত সেনের চিঠির তদন্ত চেয়ে এবার সিবিআইকে চিঠি লিখলেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, চাপ ও প্রভাব খাটিয়ে সুদীপ্ত সেনকে দিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত চিঠি লেখানো হয়েছে। বিরোধী দলের রাজনীতিকদের সঙ্গে আমার নামও রয়েছে ওই চিঠিতে। এই ধরণের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত চিঠিতে এমন সময় আমার নাম নেওয়া হল, যখন আমি পশ্চিমবঙ্গের সেচ, জলসম্পদ ও পরিবহণমন্ত্রীর পদ থেকে সবেমাত্র ইস্তফা দিয়েছি। বলে রাখি, আমি ২৭ ডিসেম্বর ইস্তফা দিই। চিঠিটি লেখা হল ১ ডিসেম্বর। রাজ্যের মন্ত্রিত্ব ছাড়ার পরই সুদীপ্তর চিঠিতে তাঁর নাম থাকার কথাও উল্লেখ করেছেন শুভেন্দু। শুভেন্দু লিখেছেন-সংবাদমাধ্যম থেকে জেনেছি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছেন সুদীপ্ত সেন। আরও পড়ুন ঃ মণীশ শুক্লা খুনে গ্রেফতার আরও এক অভিযুক্ত কয়েক বছর পর হঠাৎ গত ১ ডিসেম্বর সুদীপ্ত জেলে বসে চিঠি দিয়েছেন। ওই চিঠিতে তাঁর অভিযোগ, প্রচুর টাকা নিয়েছেন ৫ রাজনীতিবিদ। সিবিআই ও রাজ্য পুলিশকে তদন্ত ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার অনুরোধ করেছেন। তাঁর চিঠিতে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন, এই ধরনের ব্যক্তিরা এখন বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। অদ্ভূতভাবে প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগার ও সংশোধনাগারের এডিজি-আইজি জেলের মধ্যে অভ্যন্তরীণ সংযোগ,অর্থাৎ ওই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত চিঠি হাতে পেল সংবাদমাধ্যম। ব্যাপক প্রচার চালানো হল। উপরোক্ত ঘটনাক্রম থেকে আমার আশঙ্কা, এই চিঠি লেখার নেপথ্যে সন্দেহের যথেষ্ট উপাদান রয়েছে। প্রভাবশালীদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে জেল কর্তৃপক্ষ প্রভাব খাটাতে পারে সুদীপ্ত সেনের উপরে। তাঁকে চাপ দেওয়াও হতে পারে। তিনি আরও লিখেছেন, আমার দৃঢ় বিশ্বাস, চিঠির লেখককে প্রভাবিত করা হয়েছিল। অথবা দুর্নীতির তথ্য গোপন করতে চাইছেন তিনি। আপনার অফিস দুর্নীতির তদন্ত করছে। আপনাকে অনুরোধ করছি, সুদীপ্ত সেনের এই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত চিঠির সব দিক খতিয়ে দেখা হোক, এমনকি লেখার সময় এবং প্রেক্ষাপটও। উপযুক্ত পদক্ষেপের জন্য গোটা বিষয়টি আপনাকে অবগত করলাম।

ডিসেম্বর ১১, ২০২০
কলকাতা

কৃষকদের আন্দোলনকে নৈতিক সমর্থন তৃণমূলের

আগামী ৮ তারিখ যে বনধ ডাকা হয়েছে তার প্রতি আমাদের নৈতিক সমর্থন আছে। কিন্তু, রাস্তায় নেমে বনধ আমরা করছি না। শনিবার তপসিয়ার তৃণমূল কংগ্রেস ভবনে অকালি দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পরে সাংবাদিক সম্মেলনে এমনটাই জানালেন সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার দুপুরে তৃণমূল কংগ্রেস ভবনে এসে তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও ডেরেক ও ব্রায়েনের সঙ্গে বৈঠক করেন অকালি দলের প্রতিনিধিরা। বৈঠক শেষে তাঁরা সাংবাদিক সম্মেলনে মিলিত হন। সেখানে সুদীপবাবু বলেন, কৃষকদের সঙ্গে দল রয়েছে। তাঁরা যে আন্দোলন করছে, তাতে আমাদের পূর্ণ সমর্থন আছে।আগামীদিনে যদি একসঙ্গে রাজ্যপালের কাছে যেতে হয়, তাহলেও আমরা যেতে রাজি আছি। কারণ, আমরা কৃষকদের কষ্ট বুঝি, কারণ আমরা সিঙ্গুর- নন্দীগ্রামের আন্দোলন করেছি। তাই গোটা দেশে যখন কৃষকদের জন্য কঠিন সময়, তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর চুপ থাকবেন না। আমরা চাই কৃষি বিল প্রত্যাহার করে নতুন করে বিল তৈরি করা হোক। আরও পড়ুন ঃ ৬ প্রভাবশালীর নাম উল্লেখ করে মোদী-মমতাকে চিঠি সুদীপ্তর বেচারাম মান্নার নেতৃত্বে আমাদের যে ক্ষেতমজুর সংগঠন আছে ৮, ৯ ও ১০ তারিখে তারা গান্ধীমূর্তির পাদদেশে অবস্থান বিক্ষোভ করবে। ১০ তারিখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেখানে বক্তব্য রাখবেন। এছাড়া ওই তিনদিন রাজ্যের প্রতিটি ব্লকে আমরা কৃষক আন্দোলনের সমর্থনে বিশেষ কর্মসূচি পালন করব। অন্যদিকে, অকালি দলের সহ সভাপতি ও মুখপাত্র প্রেম সিং চন্দুমাজরা বলেন, সব রাজনৈ্তিক দলের এখন উচিত একসঙ্গে আসা। কৃষকদের এই আন্দোলনে আমরা চাই সমাজের সমস্ত শ্রেণির মানুষ রাস্তায় নেমে আসুক। আমরা চাই দেশে উন্নয়ন ও শান্তি থাকুক।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

শেষ মুহূর্তে বড় সিদ্ধান্ত! ইরানে হামলা স্থগিত, আচমকা কী ঘোষণা করলেন ট্রাম্প?

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হলেও শেষ মুহূর্তে পরিস্থিতিতে বড় মোড় এল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যে সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তা আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। তাঁর এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।এর আগে মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশে থাকা মার্কিন নাগরিকদের জন্য সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছিল। বাহরিন, ইরাক, ইজরায়েল, জর্ডন, কুয়েত, লেবানন, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে থাকা মার্কিন নাগরিকদের প্রয়োজন হলে দ্রুত দেশ ছাড়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়। এই সতর্কবার্তার পরই সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের জল্পনা তীব্র হয়ে ওঠে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই ট্রাম্প জানান, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। তাঁর দাবি, সম্ভাব্য চুক্তির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দুই পক্ষ নীতিগতভাবে একমত হয়েছে। সেই কারণেই আপাতত সামরিক অভিযান থেকে সরে এসেছে আমেরিকা।ট্রাম্প তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেন, ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ আমেরিকাকে হামলা না করার অনুরোধ জানিয়েছে। তাঁর বক্তব্য, সম্ভাব্য চুক্তির অংশ হিসেবে হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণভাবে খুলে দেওয়া এবং ইরানের পরমাণু কর্মসূচি থেকে তৈরি হওয়া নিরাপত্তা উদ্বেগের সমাধান নিয়ে আলোচনা এগোচ্ছে। তবে এই দাবিগুলির স্বাধীনভাবে সরকারি বা আন্তর্জাতিক সূত্রে পূর্ণ নিশ্চিতকরণ তখনও পাওয়া যায়নি।মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, বিশ্বের বৃহত্তর স্বার্থ এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যেই তিনি সামরিক অভিযান স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর আশা, দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হবে।এর আগে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহলে জল্পনা ছড়িয়েছিল, আমেরিকা ও ইজরায়েল যৌথভাবে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও পরমাণু পরিকাঠামোর বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান চালাতে পারে। সেই আশঙ্কার মধ্যেই ট্রাম্পের নতুন ঘোষণা সাময়িক স্বস্তি এনে দিয়েছে। তবে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি কোন দিকে এগোবে, তা নির্ভর করবে চলমান কূটনৈতিক আলোচনার ফলাফলের উপর।

আগস্ট ০২, ২০২৬
কলকাতা

জঙ্গি দমনে বড় পদক্ষেপ! রাজ্যে আসছে নতুন সন্ত্রাসদমন বাহিনী, নজরে একাধিক জেলা

রাজ্যে জঙ্গি দমনে আরও শক্তিশালী ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা শুরু হয়েছে। নবান্ন সূত্রে খবর, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাট এবং দিল্লির ধাঁচে একটি নতুন সন্ত্রাসদমন বাহিনী গঠনের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে ভাবনা-চিন্তা চলছে। এই নিয়ে একাধিক দফায় বৈঠকও হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনও চূড়ান্ত ঘোষণা করা হয়নি।বর্তমানে রাজ্য পুলিশ এবং কলকাতা পুলিশের আলাদা স্পেশাল টাস্ক ফোর্স রয়েছে। নতুন পরিকল্পনায় এই দুই বাহিনীকে একত্রিত করে আরও শক্তিশালী কাঠামো তৈরির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। লক্ষ্য, জঙ্গি কার্যকলাপ, স্লিপার সেল এবং নাশকতার সম্ভাবনা আরও দ্রুত চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া।সম্প্রতি হামিম মণ্ডল এবং তার সহযোগী অর্পিতা সরকারকে গ্রেপ্তারের পর গোয়েন্দাদের নজর আরও তীক্ষ্ণ হয়েছে। তদন্তে উঠে আসা বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে গোয়েন্দারা মনে করছেন, জঙ্গি সংগঠনগুলির নেটওয়ার্ক, নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং অনলাইন যোগাযোগের উপর আরও কড়া নজরদারির প্রয়োজন রয়েছে। সীমান্ত এলাকা ও সংবেদনশীল জেলাগুলিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।সূত্রের খবর, নতুন বাহিনীর নেতৃত্বে একজন আইজি পদমর্যাদার পুলিশ আধিকারিক থাকতে পারেন। তাঁর অধীনে ডিআইজি, এসপি-সহ বিভিন্ন স্তরের অফিসাররা কাজ করবেন। মূল দপ্তর কলকাতা বা তার আশপাশে তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জেলায় শাখা দপ্তর খোলার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।গোয়েন্দাদের প্রাথমিক মূল্যায়ন অনুযায়ী, সীমান্তবর্তী এবং অতীতে জঙ্গি কার্যকলাপের তদন্তে উঠে আসা কয়েকটি জেলা বিশেষ নজরদারির আওতায় থাকতে পারে। সেখানে নতুন বাহিনীর শাখা তৈরি হলে স্থানীয় স্তরে তথ্য সংগ্রহ, সন্দেহজনক গতিবিধি পর্যবেক্ষণ এবং কেন্দ্রীয় সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় আরও দ্রুত করা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।রাজ্যের নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করা এবং সম্ভাব্য জঙ্গি নেটওয়ার্ক দ্রুত চিহ্নিত করাই এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য। তবে নতুন সন্ত্রাসদমন বাহিনী গঠন নিয়ে এখনও সরকারিভাবে কোনও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়নি। প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা হতে পারে।

আগস্ট ০২, ২০২৬
রাজ্য

ইনস্টাগ্রামের প্রেম থেকে জঙ্গি জাল! হামিম-অর্পিতার সম্পর্ক ঘিরে বিস্ফোরক তথ্য তদন্তে

জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যোগের অভিযোগে ধৃত হামিম মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার দাবি করেছে তদন্তকারীরা। সেই তদন্তেই উঠে এসেছে ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা অর্পিতা সরকারের নাম। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, সোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে তাঁদের পরিচয় হয় এবং পরে দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে বড় নেটওয়ার্ক তৈরির চেষ্টা হয়েছিল কি না, তা এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যোগের অভিযোগে ধৃত হামিম মণ্ডল ও ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা অর্পিতা সরকারের সম্পর্ক ঘিরে তদন্তে একের পর এক নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তকারীদের দাবি, সোশাল মিডিয়ায় পরিচয়ের পর তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে সেই সম্পর্ককে ব্যবহার করে হানিট্র্যাপ, ব্ল্যাকমেল এবং অপহরণের পরিকল্পনা করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারী সংস্থার দাবি, হাওড়ার এক মন্ত্রীর ছেলেকে দীর্ঘ সময় ধরে সোশাল মিডিয়ায় যোগাযোগের মাধ্যমে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করা হয়। অভিযোগ, সেই সূত্রে টাকা আদায় এবং পরে অপহরণের পরিকল্পনাও করা হয়েছিল। যদিও এই অভিযোগের সব দিক এখনও তদন্তাধীন।এসটিএফের প্রাথমিক অনুমান, শুধু একজন নয়, আরও কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তিকেও একইভাবে টার্গেট করার পরিকল্পনা ছিল। হামিম ও অর্পিতার মাধ্যমে একটি বড় নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার চেষ্টা হচ্ছিল বলে তদন্তকারীদের সন্দেহ। সম্ভাব্য টার্গেটদের গতিবিধির উপর নজর রাখার কাজও চলছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তে জানা গিয়েছে, ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জ জেলার বাসিন্দা অর্পিতা সরকার সোশাল মিডিয়ায় অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন। বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ভিডিও তৈরি করতেন। প্রায় চার বছর আগে ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে হামিমের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। হামিম নিজেকে ব্যবসায়ী বলে পরিচয় দিয়েছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে। পরে তাঁদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ শুরু হয় এবং সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়।তদন্তকারীদের দাবি, হামিমের মাধ্যমে অর্পিতার পরিচয় পাকিস্তানভিত্তিক কয়েকজন হ্যান্ডলারের সঙ্গে হয়। এরপর তাঁকে বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তদন্তকারী সংস্থা এখন খতিয়ে দেখছে, এই নেটওয়ার্কে আরও কেউ জড়িত ছিল কি না এবং একই ধরনের হানিট্র্যাপের ঘটনায় অন্য কোনও ব্যক্তি জড়িয়ে পড়েছিলেন কি না।

আগস্ট ০২, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুরের একাধিক বহুতলে সতর্কতা! সেখানেই লুকিয়ে থাকতে পারে হামিমরা

জঙ্গি কার্যকলাপে ভাড়া বাড়ির ব্যবহার নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে রাজ্যে। পূর্ব বর্ধমান থেকে জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যোগের অভিযোগে হামিম মণ্ডল গ্রেপ্তার হওয়ার পর বিভিন্ন আবাসনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, ভাড়া ফ্ল্যাটকে ব্যবহার করে কোনও নেটওয়ার্ক পরিচালিত হচ্ছিল কি না।হামিম মণ্ডলকে পূর্ব বর্ধমানের একটি আবাসনের ভাড়া ফ্ল্যাট থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেই ঘটনার পর দুর্গাপুর ও কাঁকসা এলাকার বড় বড় আবাসনগুলিতেও সতর্কতা জারি হয়েছে। প্রশাসনের মতে, ভাড়াটিয়াদের পরিচয় যাচাই করা এবং প্রয়োজনীয় নথি জমা রাখা এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।দুর্গাপুরের অন্যতম বড় আবাসন তপোবন সিটিতে বহু পরিবার বসবাস করেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কর্মসূত্রে বহু মানুষ এখানে ভাড়া থাকেন। সেই কারণে আবাসনের নিরাপত্তা আরও জোরদার করার উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।স্থানীয় বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় আবাসনের বাসিন্দাদের উদ্দেশে আবেদন জানিয়েছেন, কেউ ফ্ল্যাট ভাড়া দিলে ভাড়াটিয়ার আধার, ভোটার পরিচয়পত্র-সহ প্রয়োজনীয় নথির অনুলিপি স্থানীয় থানায় জমা দিতে হবে। পাশাপাশি কোনও সন্দেহজনক ব্যক্তি বা অস্বাভাবিক কার্যকলাপ নজরে এলে দ্রুত প্রশাসনকে জানাতে হবে।উল্লেখ্য, এর আগেও কাঁকসা এলাকা থেকে বাংলাদেশভিত্তিক একটি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগ থাকার অভিযোগে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছিল এসটিএফ। সেই ঘটনার পর থেকেই এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছিল। এবার হামিম মণ্ডল গ্রেপ্তার হওয়ার পর আবারও ভাড়া আবাসনগুলির নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশাসন বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, ভাড়া বাড়িকে ব্যবহার করে কোনও সংগঠিত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার চেষ্টা হয়েছিল কি না।

আগস্ট ০২, ২০২৬
কলকাতা

রবীন্দ্রসদনে নজিরবিহীন ঘটনা! জয় গোস্বামীকে ঘিরে দর্শকদের আপত্তি, পরে মুখ খুললেন তসলিমা

রবীন্দ্রসদনে তসলিমা নাসরিনকে সংবর্ধনা এবং তাঁর বই প্রকাশের অনুষ্ঠানে এমন একটি ঘটনা ঘটল, যা নিয়ে সাহিত্য ও সংস্কৃতি মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। বক্তব্য রাখতে উঠে তসলিমা দর্শকাসনে বসে থাকা কবি জয় গোস্বামীকে মঞ্চে আসার আমন্ত্রণ জানান। কিন্তু জয় গোস্বামী আসন ছেড়ে মঞ্চের দিকে এগোতেই দর্শকদের একাংশ আপত্তি জানাতে শুরু করেন। পরিস্থিতি বুঝে তিনি আর মঞ্চে না উঠে নিজের আসনে ফিরে যান।ঘটনার পরে নিজের বক্তব্যে তসলিমা নাসরিন বাকস্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং মুক্ত চিন্তার গুরুত্বের কথা বলেন। যদিও মঞ্চে দাঁড়িয়ে জয় গোস্বামীর ফিরে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে আলাদা করে কোনও মন্তব্য করেননি। পরে সংবাদমাধ্যমের কাছে তিনি জানান, তিনি আন্তরিকভাবেই জয় গোস্বামীকে মঞ্চে ডাকেন। তাঁর কথায়, একজন বড় কবি হিসেবে জয় গোস্বামীর প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা রয়েছে। রাজনৈতিক মতের মিল না থাকলেও সাহিত্যিককে সম্মান জানানো উচিত বলেই তিনি মনে করেন।তসলিমা আরও বলেন, তিনি এমন পরিবেশের পক্ষপাতী নন যেখানে মতের অমিল থাকলেই কাউকে বর্জন করা হবে। তাঁর মতে, ভিন্ন রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত মত থাকলেও একই মঞ্চে উপস্থিত থাকা এবং পরস্পরকে সম্মান করা গণতান্ত্রিক সমাজের লক্ষণ।রবীন্দ্রসদনের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মহলে বিতর্ক শুরু হয়েছে। একাংশের মতে, একজন প্রখ্যাত কবিকে এভাবে মঞ্চে উঠতে না দেওয়া দুর্ভাগ্যজনক। আবার অন্য একটি অংশের দাবি, জয় গোস্বামীর অতীত অবস্থানের কারণেই দর্শকদের একাংশ এমন প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। তবে এই ঘটনার পর তসলিমার মন্তব্য নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।এই ঘটনার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক তাৎপর্যও এখন আলোচনায়। দীর্ঘদিন পর কলকাতায় প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তসলিমা নাসরিন বাকস্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকারের পক্ষে জোরালো বার্তা দেন। সেই অনুষ্ঠানেই জয় গোস্বামীকে ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি সাহিত্য ও সংস্কৃতি জগতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

আগস্ট ০২, ২০২৬
দেশ

যুব সমাজকে ঘিরে বড় সতর্কবার্তা মোদীর! কেন বললেন, শত্রুরা নেশার ফাঁদে ফেলতে চাইছে ভারতকে?

দেশের ভবিষ্যৎ যুব সমাজের হাতেই। তাই তরুণ প্রজন্মকে নেশার কবল থেকে দূরে রাখতে দেশজুড়ে বড় উদ্যোগ নিল কেন্দ্র সরকার। রবিবার নেশা মুক্ত যুব কর্মসূচিতে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান। তাঁর বক্তব্য, নেশা শুধু একজন মানুষের জীবন নষ্ট করে না, ভেঙে দেয় একটি পরিবারের স্বপ্ন এবং দুর্বল করে দেশের ভবিষ্যৎ।বিকশিত ভারত সংকল্প অভিযান-এর অংশ হিসেবে দেশজুড়ে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একযোগে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নেশা একজন মায়ের মুখের হাসি কেড়ে নেয়, বাবার আশা ভেঙে দেয় এবং পরিবারের প্রত্যেক সদস্যকে কষ্ট দেয়। তাই যুব সমাজকে এই বিপদ থেকে রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শত্রুরা শুধু সীমান্তে নয়, সমাজের ভিতরেও আঘাত হানার চেষ্টা করছে। তাঁর দাবি, মাদক ছড়িয়ে দিয়ে যুব সমাজকে দুর্বল করার ষড়যন্ত্রও চলছে। মাদকের অবৈধ ব্যবসা থেকে বিপুল অর্থ উপার্জনের পাশাপাশি দেশের শক্তিকে দুর্বল করাও তাদের উদ্দেশ্য হতে পারে। তাই প্রত্যেক যুবক-যুবতীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।দেশজুড়ে এই কর্মসূচি উপলক্ষে প্রায় আটাশ হাজারের বেশি স্থানে অনুষ্ঠান হচ্ছে। আয়োজকদের দাবি, এক কোটিরও বেশি যুবক-যুবতী এতে অংশ নিচ্ছেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত রয়েছেন। তরুণদের নেশামুক্ত জীবন গড়ে তোলার বার্তা দিতে একাধিক আধ্যাত্মিক নেতা, সমাজসেবী এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব বক্তব্য রাখছেন।এই কর্মসূচিতে বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যপাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিল্প সংস্থা এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনও অংশ নিয়েছে। ব্রহ্ম কুমারী, ইসকন, চিন্ময় মিশন, অরোভিল-সহ একাধিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা যুব সমাজকে সচেতন করার উদ্যোগে শামিল হয়েছেন। অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া বহু তরুণ নেশামুক্ত সমাজ গড়ার শপথও নেন।ভারতে মাদকবিরোধী সচেতনতা বাড়াতে কেন্দ্র সরকার গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন কর্মসূচি চালিয়ে আসছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে নিয়মিত প্রচার, সচেতনতা অভিযান ও পুনর্বাসন কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবেই নেশা মুক্ত যুব কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। সরকারের দাবি, যুব সমাজকে সচেতন করে তুলতে পারলেই সুস্থ, শক্তিশালী এবং উন্নত ভারত গড়ার লক্ষ্য আরও সহজ হবে।

আগস্ট ০২, ২০২৬
রাজ্য

হাওড়ায় মিলল হামিমের গোপন ঘাঁটি! জামার ট্যাগের দোকানের আড়ালে চলত কী ভয়ঙ্কর খেলা?

জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যোগের অভিযোগে গ্রেপ্তার হামিম মণ্ডলকে ঘিরে তদন্তে ফের বড় তথ্য সামনে এসেছে। এবার হাওড়ার পিলখানায় তার ব্যবহৃত একটি ঠিকানার খোঁজ পেয়েছেন তদন্তকারীরা। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, সেখানে জামাকাপড়ের ট্যাগ তৈরির কাজ হত। তবে এই ব্যবসার আড়ালে অন্য কোনও কার্যকলাপ চলত কি না, তা এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই ঠিকানা থেকেই বিভিন্ন পরিকল্পনা পরিচালিত হত কি না, সেই দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।কয়েক দিন আগে পূর্ব বর্ধমান থেকে হামিম মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করে তদন্তকারী সংস্থা। তদন্তে উঠে এসেছে, পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি চক্রের সঙ্গে তার যোগাযোগের অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের গতিবিধি নজরদারির অভিযোগও সামনে এসেছে। সেই সূত্র ধরেই হামিমের অতীত এবং তার ব্যবহৃত বিভিন্ন ঠিকানা নিয়ে তদন্ত আরও জোরদার হয়েছে।প্রথমে জানা গিয়েছিল, হামিমের বাড়ি হাওড়ার পিলখানায়। কিন্তু সুনির্দিষ্ট ঠিকানা পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে তদন্তে আলম মিস্ত্রি লেনের একটি বহুতলের খোঁজ মেলে। ওই বহুতলের একতলায় ভাড়া নেওয়া দুটি ঘরেই থাকত হামিম বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, সেখানে একটি ছোট ব্যবসা পরিচালিত হত।স্থানীয় সূত্রের দাবি, একটি ঘরে জামাকাপড়ের ট্যাগ তৈরির মেশিন বসানো ছিল। অন্য ঘরে কম্পিউটারের মাধ্যমে অফিসের কাজ করা হত। হামিমের বাবা মনিরউদ্দিন মণ্ডলও সেখানে থাকতেন বলে জানা গিয়েছে। তবে হামিমের বিরুদ্ধে জঙ্গি কার্যকলাপের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেই জানিয়েছেন, তাঁরা কোনওদিনও এমন সন্দেহ করেননি।বহুতলের মালিক জানিয়েছেন, প্রায় দুই বছর আগে ঘর দুটি ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। একটি ঘরের মাসিক ভাড়া ছিল সাত হাজার টাকা এবং অন্যটির চার হাজার টাকা। তাঁর দাবি, গত প্রায় দুই মাস ধরে হামিমকে এলাকায় দেখা যায়নি। গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে তার বাবাকেও আর এলাকায় দেখা যাচ্ছে না।স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর দাবি, হামিমের বাবার সঙ্গে মাঝে মধ্যে দেখা হলেও হামিমের সঙ্গে তেমন কোনও যোগাযোগ ছিল না। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, ওই ব্যবসা শুধুই ব্যবসা ছিল, নাকি তার আড়ালে অন্য কোনও কার্যকলাপ চলত। পাশাপাশি হামিমের সঙ্গে যিনি বাবা পরিচয়ে থাকতেন, তিনি সত্যিই তার বাবা ছিলেন কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় এসেছে।

আগস্ট ০২, ২০২৬
টুকিটাকি

বর্ষাকালে চুল পড়া নিয়ে দুশ্চিন্তা? শ্যাম্পু থেকে চালের জল, জানুন সমাধানের ঘরোয়া টোটকা

বর্ষাকালে অনেকেরই চুল পড়া বেড়ে যায়। এর প্রধান কারণ হলো বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় মাথার ত্বকে ঘাম ও তেল জমে, খুশকি বাড়ে, চুলের গোড়া দুর্বল হতে পারে। এছাড়া ভেজা চুল দীর্ঘক্ষণ রাখা, সঠিক খাবারের অভাব, মানসিক চাপ ও ঘুমের সমস্যাও চুল পড়ার কারণ হতে পারে।বর্ষায় চুল পড়া কমানোর ঘরোয়া যত্ন১) নিয়মিত মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখুনসপ্তাহে ২৩ দিন মৃদু শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিষ্কার করুন। ঘাম বা বৃষ্টিতে ভিজে গেলে চুল শুকিয়ে নিন। ভেজা চুল আঁচড়াবেন না, এতে চুল সহজে ভেঙে যায়।২) তেলের হালকা মালিশনারকেল তেল বা বাদাম তেল হালকা গরম করে সপ্তাহে ১২ দিন মাথায় মালিশ করতে পারেন। ১২ ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন। অতিরিক্ত তেল দিয়ে সারারাত রেখে দিলে বর্ষায় কারও কারও খুশকি বাড়তে পারে।৩) মেথি ও দইয়ের প্যাক১২ চামচ ভেজানো মেথি বেটে তার সঙ্গে সামান্য দই মিশিয়ে চুলে লাগানো যায়। ২০৩০ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন। এটি মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করতে পারে।৪) অ্যালোভেরাখাঁটি অ্যালোভেরা জেল মাথার ত্বকে ২০ মিনিট লাগিয়ে ধুয়ে ফেলতে পারেন। শুষ্কতা ও চুলকানি কমাতে সাহায্য করতে পারে।চালের জল (Rice Water) চুলের যত্নে কিছুটা উপকারী হতে পারে, তবে এটি চুল পড়া পুরোপুরি বন্ধ করার প্রমাণিত ওষুধ নয়। অনেকেই ঘরোয়া উপায় হিসেবে ব্যবহার করেন, কারণ এতে কিছু অ্যামাইনো অ্যাসিড, ভিটামিন বি, মিনারেল ও স্টার্চ থাকে, যা চুলকে সাময়িকভাবে মসৃণ ও শক্ত মনে করতে সাহায্য করতে পারে।চালের জল চুলে কীভাবে উপকার করতে পারে?✅ চুলের রুক্ষতা কমাতে সাহায্য করতে পারে✅ চুলে চকচকে ভাব আনতে পারে✅ চুলের গোড়া ও স্ক্যাল্প পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করতে পারে✅ চুল ভাঙা কিছুটা কম মনে হতে পারেকীভাবে ব্যবহার করবেন?১ কাপ চাল ভালো করে ধুয়ে ২৩ কাপ জলে ৩০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন।সেই জল ছেঁকে নিন।শ্যাম্পুর পরে চুলে ও মাথার ত্বকে লাগিয়ে ১০১৫ মিনিট রাখুন।তারপর পরিষ্কার জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।সপ্তাহে ১ বার ব্যবহার করলেই যথেষ্ট।গবেষকদের মতে চুল ভালো রাখতে যা জরুরি✅ প্রোটিনযুক্ত খাবার খানডিম, মাছ, ডাল, দুধ, বাদাম।✅ ভিটামিন ও খনিজ পেতে শাকসবজি ও ফল খান।✅ পর্যাপ্ত জল পান করুন।✅ প্রতিদিন ৭৮ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন।✅ খুব টাইট করে চুল বাঁধা, অতিরিক্ত হেয়ার ড্রায়ার বা কেমিক্যাল ট্রিটমেন্ট এড়িয়ে চলুন।বর্ষায় পুরোপুরি চুল পড়া বন্ধ করা সম্ভব নয়, কারণ প্রতিদিন কিছু চুল পড়া স্বাভাবিক। তবে নিয়মিত পরিচর্যা, পুষ্টিকর খাবার ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা রাখলে চুল পড়া অনেকটাই কমানো যায়।

আগস্ট ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal