• ২৮ পৌষ ১৪৩২, বুধবার ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SI

রাজ্য

নাগরিকত্ব পেতে ব্যবহার হচ্ছে না তো? এসআইআর আবহে ডেথ সার্টিফিকেট কেলেঙ্কারি

এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন রাজ্যে গুরুতর অভিযোগ সামনে এল। চুরি গিয়েছে একটি আস্ত ডেথ রেজিস্ট্রার বই। সেই বইয়ে ছিল টানা ১০০টি ডেথ সার্টিফিকেট। কলকাতা হাইকোর্ট ওই সব সার্টিফিকেট বাতিল করার নির্দেশ দিলেও এখনও পর্যন্ত প্রশাসনের তরফে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলে অভিযোগ। ফলে প্রশ্ন উঠছে, এই ডেথ সার্টিফিকেটগুলি এসআইআর প্রক্রিয়ায় অসাধু উদ্দেশে ব্যবহার করা হচ্ছে না তো?ঘটনার সূত্রপাত একটি জমি সংক্রান্ত মামলাকে কেন্দ্র করে। ওই মামলায় এক পক্ষ আদালতে একটি ডেথ সার্টিফিকেট জমা দেয়, যেখানে বলা হয় মামলাকারীর বাবার মৃত্যু হয়েছে। পরে জানা যায়, ওই ডেথ সার্টিফিকেটটি সম্পূর্ণ জাল। বিষয়টি সামনে আসার পর মামলার অন্য পক্ষ রাজ্যের জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধীকরণ দফতরে আরটিআই করে জানতে চায়, ওই সার্টিফিকেটের আগে ও পরে থাকা মোট ১০০টি ডেথ সার্টিফিকেট কারা পেয়েছেন।কিন্তু সংশ্লিষ্ট দফতর জানায়, নির্দিষ্ট সিরিয়াল নম্বরের ওই ১০০টি ডেথ সার্টিফিকেট সংক্রান্ত কোনও তথ্য তাদের কাছে নেই। এরপর পঞ্চায়েতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সেখান থেকেই নিখোঁজ হয়ে গিয়েছে ১০০ পাতার একটি সম্পূর্ণ ডেথ সার্টিফিকেটের বই। এই ঘটনার পর দ্রুত ওই সার্টিফিকেটগুলি বাতিল করার দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করা হয়।চলতি বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি কলকাতা হাইকোর্ট জেলাশাসককে নির্দেশ দেয়, দ্রুত ওই ১০০টি ডেথ সার্টিফিকেট বাতিল বলে ঘোষণা করতে হবে এবং জনসমক্ষে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে তা জানাতে হবে। তবে অভিযোগ, সেই নির্দেশ জারির পর কয়েক মাস কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত কোনও বিজ্ঞপ্তি জারি হয়নি।লোয়ার বাগডোগরা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান জানিয়েছেন, জেলা শাসকের দফতর থেকে কোনও নির্দেশ না আসায় ওই ১০০টি সার্টিফিকেট বাতিল বলে ঘোষণা করা হয়নি। অর্থাৎ আইন অনুযায়ী এখনও সেগুলি বৈধ হিসেবেই রয়েছে। এই অবস্থায় এসআইআর প্রক্রিয়ায় টাকার বিনিময়ে এই সার্টিফিকেট ব্যবহার হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে দাবি মামলাকারীর।সব বিষয় উল্লেখ করে এবং কলকাতা হাইকোর্টের রায়ের কপি সংযুক্ত করে নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি দিয়েছেন ওই ব্যক্তি। তাঁর দাবি, পঞ্চায়েত থেকে বই নিখোঁজ, রাজ্যের দফতরের কাছে তথ্য নেই, হাইকোর্ট স্পষ্ট নির্দেশ দিলেও সার্টিফিকেট বাতিল করা হয়নি। এর ফলে নাগরিকত্ব সংক্রান্ত প্রক্রিয়ায় এই ডেথ সার্টিফিকেটগুলি বেআইনি ভাবে ব্যবহার হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫
দেশ

বিধায়ক থেকে একেবারে সর্বভারতীয় নেতৃত্ব: বিজেপির তরুণ মুখ হিসেবে নীতিন নাবীন বড় দায়িত্বে

ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) রবিবার পার্লামেন্টারি বোর্ডের বৃহৎ সিদ্ধান্তে নীতিন নাবীনকে দলের সর্বভারতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতি (National Working President) হিসেবে নিয়োগ করেছে। এই নিয়োগ আজই জরুরি ভিত্তিতে কার্যকরী হয়েছে। নীতিন নাবীন বর্তমানে বিহার সরকারের কেবিনেট মন্ত্রী এবং পাটনার বাঁকিপুর থেকে নির্বাচিত চারবারের বিধায়ক। তিনি বিহার বিজেপির সাংগঠনিক কাজ ও সরকারি দায়িত্বে দীর্ঘদিন কার্যকর ভূমিকা পালন করেছেন।এই পদে নিযুক্তির সঙ্গে সঙ্গে নীতিন ভবিষ্যতে দলের শীর্ষ নেতৃত্বে আসতে পারেন বলে জানা গিয়েছে। দল জানিয়েছে, নীতিন নাবীনের নিযুক্তি সংগঠনে নবীন শক্তি ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের প্রস্তুতির প্রতিফলন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নীতিন নাবীনের এই নিযুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে তাঁকে পরিশ্রমী ও প্রতিশ্রুতিশীল নেতা হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং তাঁর নেতৃত্বে দলের সংগঠন আরো শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।भाजपा के नवनियुक्त राष्ट्रीय कार्यकारी अध्यक्ष श्री नितिन नबीन के 15 दिसंबर, 2025 को नई दिल्ली में कार्यक्रम।लाइव देखें:📺https://t.co/OaPd6HRrq3📺https://t.co/vpP0MIos7C📺https://t.co/lcXkSnOnsV📺https://t.co/4XQ2GzrhRl pic.twitter.com/lZEgmFF6jf BJP (@BJP4India) December 14, 2025অন্যদিকে বিভিন্ন রাজ্য নেতৃত্বও নীতিন নাবীনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং তাঁর প্রশাসনিক দক্ষতা ও সাংগঠনিক প্রভাব দলের এগিয়ে চলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে উল্লেখ করেছেন। এই পরিবর্তনকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা দলের অভ্যন্তরীণ নেতৃত্বের নবায়ন ও নির্বাচনী প্রস্তুতিতে নতুন গতিশীলতার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে ২০২৫২৬ সালে আসন্ন রাজ্য ও লোকসভা পরিস্থিতি এবং সংগঠনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উপলক্ষে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

মায়ানগরীতে কী চমক দেখান মেসি, তা নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ তুঙ্গে

হতে পারত মেসিময় এক স্মরণীয় সন্ধ্যা। কিন্তু বাস্তবে তা পরিণত হল চরম বিশৃঙ্খলায়। হাজার হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কেটে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে এসেও লিওনেল মেসিকে দেখতে পেলেন না দর্শকরা। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়ে ওঠে যে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় স্টেডিয়াম। ভিড় ও বিশৃঙ্খলার জেরে যুবভারতী ছেড়ে দ্রুত বেরিয়ে যান মেসি। স্টেডিয়াম থেকেই তিনি রওনা দেন বিমানবন্দরের দিকে।কলকাতার অভিজ্ঞতা সুখকর না হলেও সন্ধ্যাবেলায় হায়দরাবাদে সম্পূর্ণ ভিন্ন ছবি দেখা যায়। সেখানে রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন হয় গোট ট্যুর-এর অনুষ্ঠান। গোটা স্টেডিয়াম ঘুরে দেখেন মেসি। তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডির সঙ্গে ফুটবল খেলেন তিনি। কিছুক্ষণ পায়ে বল নাচান আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ী তারকা। আলোয় সাজানো স্টেডিয়ামে শেষ পর্যন্ত তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সেই অনুষ্ঠানে মেসি রাহুল গান্ধীকে একটি সই করা জার্সি উপহার দেন।গোট ট্যুর-এর পরবর্তী গন্তব্য মুম্বই। মায়ানগরীতে কী চমক দেখান মেসি, তা নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ তুঙ্গে। জানা গিয়েছে, বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ ক্রিকেট ক্লাব অফ ইন্ডিয়ায় একটি প্যাডেল ম্যাচে অংশ নেবেন তিনি। সেখানে উপস্থিত থাকতে পারেন ক্রিকেটের ঈশ্বর শচীন তেণ্ডুলকর। এরপর বিকেল পাঁচটায় ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে আয়োজন করা হয়েছে একটি প্রদর্শনী ম্যাচ। ৭ বনাম ৭ জনের সেই ম্যাচে অংশ নেবেন বলিউডের একাধিক তারকা। মাঠে উপস্থিত থাকবেন মেসি এবং সেখানেই শচীনের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হওয়ার কথা।ওয়াংখেড়েতেই দর্শকরা মেসিকে কাছ থেকে দেখতে পারবেন। এছাড়াও নির্দিষ্ট আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য একটি ফ্যাশন শো এবং নিলামের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে আর্জেন্টিনার ২০২২ বিশ্বকাপ জয়ের স্মারক প্রদর্শিত হবে। ওই অনুষ্ঠানে জ্যাকি শ্রফ, জন আব্রাহাম ও করিনা কাপুরের মতো বলিউড তারকাদের উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।এর আগে কলকাতায় উদ্যোক্তাদের ব্যর্থতায় ভয়াবহ বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। ক্ষুব্ধ দর্শকদের একাংশ বোতল ছোড়ে, ভাঙচুর চালানো হয় ফেন্সিং ও চেয়ার। ঘটনায় ইতিমধ্যেই মূল আয়োজক শতদ্রু দত্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। কলকাতার সেই ব্যর্থ আয়োজনের রেশ কাটতে না কাটতেই এখন নজর মুম্বইয়ে, সেখানে কি অবশেষে মেসির ম্যাজিক দেখতে পাবেন দর্শকরা, সেটাই বড় প্রশ্ন।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

আইসিসির অনুরোধ উড়িয়ে, অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপেও পাকিস্তানের সঙ্গে হাত মেলাল না ভারত

এশিয়া কাপে পাকিস্তানের সঙ্গে হাত মেলায়নি ভারত। সেই ছবি আগেই দেখা গিয়েছে সিনিয়র দলের ম্যাচে। এবার নজর ছিল অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে। দেখার ছিল, পাক ক্রিকেটারদের সঙ্গে ভারতীয় ক্রিকেটাররা হাত মেলায় কি না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়েও একই ছবি দেখা গেল। আইসিসির অনুরোধ উপেক্ষা করেই পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের সঙ্গে হাত মেলাল না ভারতীয় দল।টসের সময়েও দুই দলের মধ্যে করমর্দন হয়নি। টসে জিতে পাকিস্তানের অধিনায়ক ফারহান ইউসুফ প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন। ভারত ব্যাট করতে নামে। মাঠের বাইরের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা চললেও মাঠের ভিতরে শুরু হয় লড়াই।পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এই ম্যাচে ব্যর্থ হলেন ভারতের তরুণ ব্যাটার বৈভব। অধিনায়ক আয়ুষ মাত্রেরা কিছুটা স্বচ্ছন্দে শুরু করলেও বৈভব আলি রাজার বলের সামনে বারবার সমস্যায় পড়েন। শেষ পর্যন্ত ১৪ বছর বয়সি বৈভব ৬ বলে মাত্র ৫ রান করে আউট হন। মহম্মদ সায়ামের বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তিনি। আগের ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর বিরুদ্ধে ৯৫ বলে ১৭১ রানের দুরন্ত ইনিংস খেললেও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে রান পেলেন না তিনি।এর আগেও সিনিয়রদের এশিয়া কাপে পাকিস্তানের সঙ্গে করমর্দন না করার নীতি বজায় রেখেছিল ভারত। তিনবার পাকিস্তানকে হারালেও টসের আগে বা পরে হাত মেলাননি সূর্যকুমার যাদবরা। এমনকি চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরেও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নকভির কাছ থেকে ট্রফি নেননি ভারতীয় ক্রিকেটাররা। সেই ট্রফি এখনও হাতে পায়নি ভারত।একই নীতি দেখা গিয়েছিল মহিলা দলের ওয়ানডে বিশ্বকাপেও। হরমনপ্রীত কৌরদের দলও পাকিস্তানের সঙ্গে করমর্দন করেনি। যদিও অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের ক্ষেত্রে আইসিসি চেয়েছিল, মাঠে যেন রাজনীতির ছায়া না পড়ে। গোটা বিষয়টির উপর নজরও রেখেছিল ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা। তবু শেষ পর্যন্ত ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে হাত মেলানোর ছবি দেখা গেল না।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫
কলকাতা

মেসি কাণ্ডে ১০০ কোটির ঘাপলা? সামনে এল বিস্ফোরক তথ্য

যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যেই সামনে এল বড় অভিযোগ। প্রায় ১০০ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম হয়েছে বলে দাবি করলেন প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। তাঁর অভিযোগ, এই ঘটনার নেপথ্যে বড় কোনও মাথা জড়িত রয়েছে এবং দ্রুত তদন্ত হওয়া দরকার।অর্জুন সিং বলেন, মাঠে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ স্পষ্ট ছিল। অনেকেই বলছিলেন, তাঁরা মেসিকে দেখতে এসেছিলেন। তাঁর দাবি, স্টেডিয়াম হয়তো প্রতীকী মূল্যে বুক করা হয়ে থাকতে পারে, তাতে আপত্তি নেই। কিন্তু সমস্যা হয়েছে অন্য জায়গায়। সাধারণ মানুষের আপত্তি ছিল জলের বোতলের দাম নিয়ে। ১০ টাকার জলের বোতল ১৫০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে বলে অভিযোগ। পাশাপাশি, মেসিকে কার্যত চুরি করে মাঠ থেকে বের করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, গোটা ঘটনায় প্রায় ১০০ কোটি টাকার ব্যবসা হয়েছে।অর্জুন সিং আরও বলেন, সাধারণ মানুষ বলছেন, যাঁদের মাঠে দেখা গিয়েছে, তাঁদের দেখানোর নাম করে কোটি কোটি টাকা তোলা হয়েছে। এই টাকার বড় অংশ আত্মসাৎ হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর মতে, কী চুক্তি হয়েছিল, কোথায় ক্ষতি হয়েছে, সব কিছু সামনে আনা দরকার। এই কারণে দ্রুত ইডি তদন্ত হওয়া উচিত বলেও দাবি জানান তিনি।এ প্রসঙ্গে রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন অর্জুন সিং। তাঁর প্রশ্ন, কেন ডিজি-কে হঠাৎ প্রেস কনফারেন্স ছেড়ে উঠে যেতে হল। তাঁর কথায়, ডিজি আবেগের বশে কিছু কথা বলে ফেলেছিলেন। তারপর দুমিনিটের মধ্যেই তাঁকে প্রেস কনফারেন্স ছেড়ে চলে যেতে হয়।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, মেসিকে দেখার জন্য কেউ চার হাজার, কেউ আট হাজার, আবার কেউ ১০ হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কেটেছিলেন। কিন্তু বিশৃঙ্খলার কারণে মেসির এক ঝলকও দেখতে পাননি তাঁরা। ক্ষুব্ধ দর্শকরা পুলিশ এবং উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। স্টেডিয়ামের ভেতরে পরিস্থিতি রীতিমতো রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। চলে ব্যাপক ভাঙচুর। সরকারি সম্পত্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।এই পরিস্থিতিতে রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার জানান, যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫
কলকাতা

২০ মিনিটেই শেষ মেসি শো! কী কারণে ফুটবলের রাজুপুত্র স্টেডিয়াম ছেড়েছিলেন জানলে চমকে যাবেন

১৩ ডিসেম্বর দিনটি কলকাতার জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকার কথা ছিল। ১৪ বছর পর ফের কলকাতার মাটিতে পা রাখলেন লিওনেল মেসি। কিন্তু যেভাবে মেসির গোট ট্যুর মনে রাখার কথা ছিল, বাস্তবে ঘটল ঠিক তার উল্টোটা। সফল এক অনুষ্ঠানের বদলে মুহূর্তের মধ্যেই গোটা আয়োজন বিপর্যয়ে পরিণত হয়। মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যেই যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন ছাড়তে বাধ্য হন আর্জেন্টিনার তারকা।মেসিকে এক ঝলক দেখার জন্য দর্শকদের ন্যূনতম টিকিটের দাম ছিল সাড়ে তিন হাজার টাকা। অনেকেই ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ করেছিলেন। কিন্তু মাঠে নেমে মেসিকে দেখার সুযোগই পেলেন না দর্শকরা। মাঠে নামার সঙ্গে সঙ্গেই শতাধিক মানুষ মেসিকে ঘিরে ধরেন। নেতা-মন্ত্রী, অতিথি ও নিরাপত্তারক্ষীদের ভিড়ে আর্জেন্টাইন তারকাকে দেখা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। এই অবস্থায় স্বাভাবিক ভাবেই ক্ষুব্ধ হন দর্শকরা।সেদিন মাঠে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন ভারতীয় মিডফিল্ডার লালকমল ভৌমিক। স্পোর্টস নাও-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, শুরুতে পরিস্থিতি একেবারেই স্বাভাবিক ছিল। মেসি মাঠে হাঁটছিলেন, হাসছিলেন এবং সকলের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছিলেন। কোনও দ্বিধা ছাড়াই অটোগ্রাফও দিচ্ছিলেন তিনি। তখন তিনি বেশ স্বচ্ছন্দই ছিলেন।কিন্তু পরিস্থিতি বদলে যায় যখন হঠাৎ করে অনেক মানুষ মাঠে ঢুকে পড়ে এবং মেসির সঙ্গে ছবি তোলার জন্য হুড়োহুড়ি শুরু হয়। লালকমলবাবুর কথায়, তখন মেসির চোখে-মুখে অস্বস্তি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ভিড় যত বাড়তে থাকে, ততই তাঁর বিরক্তি বাড়ছিল।এক সময় পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। চারদিক থেকে মানুষ ঘিরে ধরতেই মেসি মেজাজ হারিয়ে ফেলেন বলে জানান লালকমল ভৌমিক। শুধু মেসি নন, ল্যুই সুয়ারেজ় এবং রড্রিগো ডিপলও পরিস্থিতিতে খুব বিরক্ত হয়ে পড়েন।মেসির নিরাপত্তারক্ষীরা অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা নিয়ে একেবারেই সন্তুষ্ট ছিলেন না। ভিড় অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ায় মেসির নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়। সেই কারণেই দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে মাঠ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর ফলেই মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যেই যুবভারতী ছেড়ে বেরিয়ে যান আর্জেন্টিনার তারকা।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫
কলকাতা

‘গুড বয়’ শতদ্রু গ্রেফতার! মেসি কাণ্ডে নেপথ্যের গল্প জানুন

আগের বার আর্জেন্টিনার তারকা গোলকিপার ইমিলিয়ানো মার্টিনেজ কলকাতায় এসেছিলেন। তখন সবকিছুই ছিল নিয়ন্ত্রণে। কোনও বিশৃঙ্খলা বা অপ্রীতিকর ঘটনার ছবি সামনে আসেনি। কিন্তু এবার পরিস্থিতি পুরোপুরি বদলে গেল। লিওনেল মেসিকে দেখতে না পেয়ে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে যে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়, সেই ঘটনায় ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন আয়োজক শতদ্রু দত্ত।যদিও শতদ্রুকে নিয়ে এলাকাবাসীর বক্তব্য একেবারেই ভিন্ন। প্রতিবেশীদের একাংশ বলছেন, তাঁদের কাছে শতদ্রু বরাবরই একজন ভালো ছেলে। এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, মেসিকে কলকাতায় আনতে তিনি কম চেষ্টা করেননি। অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে, বহু দিনের পরিশ্রমের ফলেই এই সফরের পরিকল্পনা হয়েছিল।এলাকার রেহান নামে এক যুবকের বক্তব্য, মেসির জনপ্রিয়তা কতটা, তা সকলেই জানেন। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ কলকাতায় এসেছিলেন তাঁকে এক নজর দেখার জন্য। তাঁর মতে, নিরাপত্তা আরও শক্ত করা যেত। এই বিষয়টি পুলিশের আরও গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত ছিল।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ছোট থেকেই খেলাধুলোর প্রতি গভীর আগ্রহ ছিল শতদ্রুর। ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের কাজ করতেন তিনি। সেই সূত্রেই বিশ্বের নামী ফুটবলারদের বাংলায় আনার উদ্যোগ নেন। যাঁদের এক ঝলক দেখতে মানুষ পাগল, সেই সব তারকাকেই বাংলায় আনার লক্ষ্য ছিল তাঁর। বাড়ির ছাদে পর্যন্ত ছোট ফুটবল মাঠ তৈরি করেছিলেন তিনি। এর আগেও পেলে, কাফু, এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, রোনাল্ডিনহোদের মতো কিংবদন্তি ফুটবলারদের কলকাতায় এনেছিলেন শতদ্রু।এলাকাবাসীদের দাবি, মেসিকে আনতে এবার আরও বেশি পরিশ্রম করতে হয়েছে তাঁকে। জানা গিয়েছে, মেসির বাড়িতে গিয়ে তাঁর বাবার সঙ্গে দেখা করে কথা বলেন তিনি। এরপর মেসির সঙ্গেও সাক্ষাৎ হয়। দিনক্ষণ ঠিক করে পরিকল্পনা করা হয় পুরো সফরের। অনেকের মতে, ওই দিন যুবভারতীতে ইতিহাস তৈরি হতে পারত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা আর হল না।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, মেসির সঙ্গে হায়দরাবাদে যাওয়ার পথেই শতদ্রুকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বিমানবন্দর থেকেই তাঁকে আটক করা হয়। আগামীকাল তাঁকে বিধাননগর আদালতে তোলা হবে বলে জানা গিয়েছে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

কলকাতায় বিতশ্রদ্ধ, হায়দরাবাদে হাসিমুখ মেসি! কেন এত ফারাক?

ফুটবলের রাজপুত্র লিওনেল মেসিকে (Lionel Messi) দেখে হাসিতে ভরে উঠল হায়দরাবাদ। মুখ্যমন্ত্রীর পায়ে বল পাস করার চেষ্টা, মাঠ জুড়ে হাঁটাহাঁটি, দর্শকদের দিকে শট, খেলোয়াড়দের সঙ্গে হাত মেলানোসব মিলিয়ে আবেগে ভাসলেন মেসি। এমন দৃশ্য কলকাতাতেও দেখা যেতে পারত। কিন্তু তা হয়নি। যে শহর ফুটবলের পাগল বলে পরিচিত, সেই কলকাতাই মেসিকে (Lionel Messi) হাসিমুখে ফিরিয়ে দিতে পারল না। উল্টো দিকে হায়দরাবাদ দেখাল সম্পূর্ণ ভিন্ন ছবি।হায়দরাবাদের রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে সন্ধে ৭টা ৫৫ মিনিট নাগাদ পৌঁছন লিওনেল মেসি (Lionel Messi)। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ল্যুই সুয়ারেজ় এবং রড্রিগো ডিপল। প্রথমে তাঁরা ভিআইপি বক্সে বসে প্রদর্শনী ম্যাচ উপভোগ করেন। এরপর মাঠে নামেন মেসি (Lionsl Messi)। সঙ্গে ছিলেন তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি। মুখ্যমন্ত্রী পুরো ফুটবল জার্সি পরে মাঠে নামেন। মেসির দিকে বল পাস করার চেষ্টা করলেও সফল হননি। অন্যদিকে সহজ ভঙ্গিতেই গোল করেন এলএম১০। তখন মাঠজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে উল্লাস।মাঠে নেমে এক গাল হাসি নিয়ে গোটা স্টেডিয়াম ঘুরে দেখেন মেসি। খেলোয়াড়দের সঙ্গে হাত মেলান। দর্শকদের দিকে শট মারেন। গ্যালারিতে বসে থাকা প্রায় ৪০ হাজার দর্শক তখন আবেগে ভেসে যান। হাততালি, চিৎকারে ফেটে পড়ে গোটা স্টেডিয়াম। মেসির মুখে ছিল ম্যাচ জেতার পরের সেই চওড়া হাসি ।কলকাতায় এই ছবিটা দেখা যায়নি। যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভিড়ের ঠেলাঠেলি, বিশৃঙ্খলা আর ভাঙচুরের জেরে নির্ধারিত সময়ের আগেই মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন মেসি। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতায় মেসির গোট ট্যুরে উপস্থিত থাকার কথা ছিল। তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়েও পড়েছিলেন। কিন্তু মাঝপথেই গাড়ি ঘুরিয়ে নিতে হয়। কারণ ততক্ষণে যুবভারতী ছাড়েন মেসি। স্টেডিয়ামের ভিতরে তখন ভাঙচুর চলছিল।কলকাতা থেকে হায়দরাবাদে পৌঁছলেও মেসির মুখে ক্লান্তির ছাপ ছিল না। বরং কলকাতার তুলনায় অনেক বেশি স্বস্তিতে ও খুশি দেখায় তাঁকে। কারণ সেখানে অনুষ্ঠান ঘিরে কোনও হুড়োহুড়ি বা অযথা ভিড় ছিল না। ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস সাংসদ ও লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তবে তিনি মেসির সঙ্গে ছবি তোলার জন্য ভিড় করেননি। বরং ছোট ফুটবলার বা শিশুদের আগে জায়গা করে দেন। পরে তাঁকে মেসির সঙ্গে কথা বলতেও দেখা যায়। তাঁর এই সৌজন্য সকলের প্রশংসা কুড়িয়েছে।কলকাতায় যেখানে রাজনৈতিক নেতা ও অতিথিদের সঙ্গে ছবি তোলার ভিড়েই ঢেকে গিয়েছিল মেসিকে দেখার সুযোগ, সেখানে হায়দরাবাদে দর্শকরাই ছিলেন কেন্দ্রবিন্দুতে। কলকাতায় অনেক দর্শক ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা খরচ করেও মেসির মুখটুকু দেখতে পাননি। হায়দরাবাদে দর্শকরা পেয়েছেন মাঠের মেসিকে, হাসি, শট আর আবেগে ভরা মুহূর্ত (Lionesl Messi)।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, মেসির হায়দরাবাদ সফর অনেক আগে থেকে ঠিক ছিল না। কলকাতা, মুম্বই বা দিল্লির মতো শহরের তালিকায় প্রথমে ছিল না হায়দরাবাদ। শেষ মুহূর্তে সংযোজন হয় এই শহরের নাম। তবুও ভিড় সামলে, সুশৃঙ্খলভাবে অনুষ্ঠান পরিচালনা করে নজির গড়ল নিজামের শহর। আর কলকাতা? সেই ছবি ইতিমধ্যেই গোটা বিশ্ব দেখে ফেলেছে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

কলকাতার হোঁচট, হায়দরাবাদের সাফল্য: মেসিকে ঘিরে দুই শহরের দুই ছবি

বিশ্ব ফুটবলের রাজপুত্র লিয়োনেল মেসিকে ঘিরে শনিবার একই দিনে ভারতের দুই শহরে দেখা গেল সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র। সকালে কলকাতায় যেখানে বিশৃঙ্খলা, ভিড় ও নিয়ন্ত্রণহীনতার ছবি উঠে এল, সন্ধ্যায় হায়দরাবাদ সেখানে তুলে ধরল পরিকল্পনা, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার এক আদর্শ মডেল। ফুটবলপ্রেমে পিছিয়ে না থেকেও আয়োজনের দিক থেকে কলকাতা যে বড়সড় প্রশ্নের মুখে, তা স্পষ্ট করে দিল এই দুই অনুষ্ঠান।শনিবার সকালে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মেসির উপস্থিতি ঘিরে পরিস্থিতি দ্রুত হাতের বাইরে চলে যায়। অতিরিক্ত লোকজন, ছবি তোলার হুড়োহুড়ি, নিরাপত্তার ঘাটতিসব মিলিয়ে মেসিকে ঠিকমতো দেখতেই পাননি বহু দর্শক। সেই ঘটনার পর দেশের অন্য শহরগুলিতে মেসির কর্মসূচি আদৌ হবে কি না, তা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু বিকেলের পর সেই আশঙ্কা উড়িয়ে দিল হায়দরাবাদ।নির্ধারিত সময় মেনেই মেসি পৌঁছন নিজ়ামের শহরে। কলকাতার অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে হায়দরাবাদে ছিল কড়া ও সুপরিকল্পিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বিমানবন্দর থেকে স্টেডিয়ামপ্রতিটি ধাপে ছিল নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা। সন্ধ্যা ৭টা ৫৭ মিনিটে উপ্পল স্টেডিয়ামে পৌঁছন মেসি। তখন মাঠে প্রদর্শনী ম্যাচ চলছিল। ভিভিআইপি বক্স থেকে সতীর্থ লুই সুয়ারেজ় ও রদ্রিগো ডিপলের সঙ্গে দাঁড়িয়ে সেই ম্যাচ উপভোগ করেন তিনি।রাত ৮টা ১০ মিনিটে মাঠে নামতেই গোটা স্টেডিয়াম গর্জে ওঠে মেসি, মেসি ধ্বনিতে। কিন্তু সেই উন্মাদনার মধ্যেও ছিল স্পষ্ট নিয়ন্ত্রণ। মাঠে মেসির চারপাশে রাখা হয়েছিল যথেষ্ট খোলা জায়গা, যাতে দর্শকেরা নির্দ্বিধায় তাঁকে দেখতে পারেন। কোথাও ঠেলাঠেলি নেই, নেই ক্যামেরার বন্যা কিংবা অযথা ভিড়।মাঠের মাঝখানে তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডির সঙ্গে বল পাসিং, দুএকটি লম্বা শটে গোল, বল পায়ে নাচানোসব মিলিয়ে প্রায় ৪০ মিনিট খোলা মনে ফুটবল উপভোগ করালেন মেসি। মাঝেমধ্যেই গ্যালারির দিকে বল পাঠিয়ে দর্শকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। মুখে ছিল স্বচ্ছন্দ হাসিযা কলকাতার অনুষ্ঠানে বারবার অনুপস্থিত ছিল।সবচেয়ে বড় পার্থক্য ছিল মেসির চারপাশের ব্যবস্থাপনায়। কলকাতায় যেখানে প্রায় ২৫০-৩০০ জন সারাক্ষণ তাঁকে ঘিরে রেখেছিলেন, হায়দরাবাদে সেই সংখ্যা সীমিত ছিল ৫০-৬০ জনের মধ্যে। কাউকেই নির্দিষ্ট দূরত্বের বাইরে যেতে দেওয়া হয়নি। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী নিজেও মেসির ব্যক্তিগত পরিসর বজায় রেখেছেন।অনুষ্ঠানের শেষে গোট কাপ-এর ট্রফি তুলে দেন মেসি। মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি তাঁর নাম লেখা আর্জেন্টিনার জার্সিতে সই করিয়ে নেন এবং স্মারক উপহার দেন। মাইক হাতে মেসি, মেসি ধ্বনি তুললে পাশে দাঁড়িয়ে হাসতে দেখা যায় বিশ্বকাপজয়ী তারকাকে।মেসি স্পেনীয় ভাষায় বলেন, ভারতে এসে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আপনাদের ভালবাসা আমি আজীবন মনে রাখব। হায়দরাবাদের মানুষের উষ্ণ অভ্যর্থনায় আমি সত্যিই আপ্লুত।ঠিক রাত ৮টা ৫০ মিনিটে দর্শকদের দিকে হাত নেড়ে মাঠ ছাড়েন ফুটবলের রাজপুত্র। সোশ্যাল মিডিয়ায় হায়দরাবাদের এই দৃশ্য ছড়িয়ে পড়তেই আক্ষেপ ধরা পড়ে কলকাতার ফুটবলপ্রেমীদের মনে। আবেগ ছিল, ভালবাসা ছিলকিন্তু পরিকল্পনার অভাব সব কিছু মাটি করে দিল। যে শহর নিজেকে ফুটবলের রাজধানী বলে গর্ব করে, সেখানেই মেসিকে ঠিকমতো উপভোগ করা গেল না।হায়দরাবাদ দেখিয়ে দিলবড় তারকা মানেই বড় আয়োজন নয়, দরকার সঠিক পরিকল্পনা ও শৃঙ্খলা।আর কলকাতা? সে রইল প্রশ্নের মুখেভালবাসা থাকলেই কি যথেষ্ট?

ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫
কলকাতা

মেসি কাণ্ডে বড় ঘোষণা পুলিশের! টিকিটের টাকা ফেরাতে হবে, না হলে আইনি পদক্ষেপ

কেউ ৪ হাজার, কেউ ৮ হাজার, কেউ আবার ১০ হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কেটেছিলেন। মাসের পর মাস অপেক্ষা করেও শেষ পর্যন্ত প্রিয় ফুটবলার লিয়োনেল মেসিকে চোখের সামনে দেখতে পাননি তাঁরা। যুবভারতীতে তৈরি হওয়া চরম বিশৃঙ্খলার জন্য দর্শকদের ক্ষোভ গিয়ে পড়েছে পুলিশ ও উদ্যোক্তাদের উপর।এই পরিস্থিতিতে টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়ার কথা জানালেন রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, যে টিকিট বিক্রি হয়েছে, তার টাকা দর্শকদের ফেরত দেওয়া উচিত। কারণ, বহু দর্শকই মেসিকে দেখতে পাননি।ডিজি জানান, অনুষ্ঠানে ন্যূনতম টিকিটের দাম ছিল ৩৫০০ টাকা। তার সঙ্গে স্টেডিয়ামের ভিতরে জলের বোতল থেকে শুরু করে পপকর্ন পর্যন্ত চড়া দামে বিক্রি হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, উদ্যোক্তারা যদি টাকা ফেরতের বিষয়ে সঠিক ব্যবস্থা না নেন, তা হলে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা হবে। ইতিমধ্যেই মূল উদ্যোক্তাকে আটক করা হয়েছে এবং এই বিশৃঙ্খলার জন্য কাউকেই রেয়াত করা হবে না।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে স্টেডিয়ামের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এডিডি আইন-শৃঙ্খলা জাভেদ শামিম জানিয়েছেন, সকল দর্শক নিরাপদে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন এবং ট্রাফিক পরিস্থিতিও স্বাভাবিক হয়েছে।উল্লেখ্য, এদিন যুবভারতীতে আসার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও। ফুটবল তারকা মেসির সঙ্গে দেখা করার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। কিন্তু পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় ক্রীড়াঙ্গনে পৌঁছনোর আগেই নিজের কনভয়ের দিক ঘুরিয়ে নেন তিনি। পরে গোটা ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫
কলকাতা

মন্ত্রীরা মেসিকে দেখলেন, সেলফি তুললেন আর আমরা টাকা দিলাম! ক্ষোভে ফেটে পড়লেন দর্শকরা

যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হল। মাঠের ভিতরে ছোড়া হল চেয়ার, জলের বোতল। ক্ষুব্ধ দর্শকরা ব্যারিকেড ভেঙে মাঠে ঢুকে পড়েন। এমনকি একটি দিকের গোলপোস্টও ভেঙে ফেলা হয় বলে জানা গিয়েছে। মেসিকে সামনে থেকে দেখতে না পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন হাজার হাজার দর্শক।মাঠে উপস্থিত দর্শকদের কথায় উঠে এসেছে চরম হতাশা। এক দর্শক বলেন, মেসিকে নয়, আমরা শুধু অরূপ বিশ্বাসকেই দেখতে পেয়েছি। আর এক জনের অভিযোগ, আমাদের টাকায় সরকার মেসিকে দেখল, আমরা দেখলাম না। কেউ কটাক্ষ করে বলেন, অনিরুদ্ধ ধর আর সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে দেখতে এসেছিলাম, আর কাউকে দেখতে আসিনি।এক দর্শকের ক্ষোভ, অরূপ বিশ্বাসকে দেখলাম সেলফি তুলতে ব্যস্ত। মনে হচ্ছিল মেসির জায়গায় উনিই এই অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ। ৩ হাজার ৩৩৮ টাকা দিয়ে টিকিট কেটেছিলাম, কিন্তু এক ঝলকও মেসিকে দেখতে পেলাম না। কেউ ৪ হাজার, কেউ আবার ১০ হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কেটে এসেছিলেন। তাঁদের অভিযোগ, সাধারণ দর্শকদের থেকে মেসিকে আড়াল করে শুধু নেতা-মন্ত্রীরাই তাঁকে ঘিরে রেখেছিলেন।অনেকেই প্রশাসনের ভূমিকাকেও কাঠগড়ায় তুলেছেন। এক জন বলেন, মাঠে পুলিশ, স্তাবক আর মিডিয়ার ভিড় ছিল। সাধারণ মানুষ কিছুই দেখতে পায়নি। পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কাটা এক যুবক জানান, আগের রাত থেকেই তিনি সেই হোটেলের কাছে অপেক্ষা করছিলেন, যেখানে মেসি ছিলেন। তবুও ভগবান দর্শন হয়নি তাঁর।দর্শকদের ক্ষোভ ক্রমেই তীব্র আকার নেয়। মাঠে ওঠে চোর চোর স্লোগান। কেউ বলেন, নেতা-মন্ত্রীরা মেসিকে দেখল, সেই টাকাই তো আমরা দিয়েছি। সাঁতরাগাছির এক দর্শকের আক্ষেপ, আমরা শুধু মেসির হাতটা দেখেছি। কেউ গোটা ঘটনাকে দুর্নীতির সঙ্গে তুলনা করে বলেন, এটা স্ক্যাম ২০২৫, শতদ্রু দত্তের উদ্যোগ।শুধু রাজ্যের দর্শকরাই নন, অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে আসা এক প্রবাসী ভক্তও মেসিকে দেখতে না পেয়ে ভেঙে পড়েন। এমনকি এক রোনাল্ডো ভক্তও মেসিকে দেখতে এসে হতাশ হয়েছেন। কারও অভিযোগ, পুলিশও গালাগাল করেছে। এক দর্শকের কথায়, এত বড় লজ্জা ঢাকার জায়গা নেই। আর এক জন বলেন, মেসিকে দেখতে এসে শুধু ক্যামেরাম্যানই দেখে গেলাম।সব মিলিয়ে যুবভারতীর এই বিশৃঙ্খলা নিয়ে ক্ষোভ এখন সর্বত্র। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও রাজ্য সরকার ও তৃণমূল কংগ্রেসকে কটাক্ষ করে বলেন, মেসিকে নিয়ে গোটা বিষয়টাই মেস করে দেওয়া হল।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫
কলকাতা

ভিআইপি কালচারের বলি ফুটবলপ্রেমীরা? মেসি বিতর্কে বিজেপি-সিপিএমের তোপ

পাহাড়প্রমাণ প্রত্যাশা মুহূর্তে যেন জল হয়ে গেল। হাজার হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কেটেও প্রিয় তারকা লিয়োনেল মেসিকে ঠিকমতো দেখতে পেলেন না দর্শকরা। মেসি মাঠ ছাড়তেই সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সাধারণ মানুষের মুখে ঘুরছে একটাই কথাভিআইপি কালচারের জন্যই বঞ্চিত হল সাধারণ দর্শক। ক্ষোভে ফেটে পড়ে তছনছ হয়ে যায় যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন। ভাঙা হয় চেয়ার, তোরণ। গোটা ঘটনায় রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে তীব্র চাপানউতোর।অব্যবস্থার জেরে মাঠে ঢুকতেই পারেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাস্তা থেকেই কনভয় ঘুরিয়ে ফিরে যেতে হয় তাঁকে। পরে মেসির কাছে ক্ষমা চেয়ে গোটা ঘটনার তদন্তে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু তাতেও বিতর্ক থামেনি। একের পর এক তোপ দাগছে বিরোধীরা।বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, সাধারণ মানুষ সাড়ে তিন হাজার থেকে আট হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কিনেছেন। একশো দিনের কাজের শ্রমিকের প্রায় এক মাসের মজুরি একটি টিকিটের দামের সমান। তাঁর অভিযোগ, একদল প্রভাবশালী মানুষ মেসিকে ঘিরে রেখে সাধারণ দর্শকদের বঞ্চিত করেছেন। গোটা ঘটনাকে তিনি দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করেন।বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তাঁর দাবি, টিকিটের কালোবাজারি হয়েছে এবং পুরো ব্যবস্থাই ছিল চরম বিশৃঙ্খল। তিনি বলেন, যাঁরা বোতল ছুড়েছেন তাঁদের মধ্যেও শাসকদলের লোকজন রয়েছেন বলে তাঁর কাছে খবর আছে। পুলিশ ভিড় নিয়ন্ত্রণে পুরোপুরি ব্যর্থ বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি।সিপিএমও এই ঘটনায় সরব। দলের নেতা মহম্মদ সেলিম বলেন, বাংলায় যেখানে অনুষ্ঠান হবে, সেখানে দুর্নীতি, কালোবাজারি আর বিশৃঙ্খলা যেন নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। খেলাধুলো থেকে মেলাসব ক্ষেত্রেই একই ছবি দেখা যাচ্ছে বলে তাঁর অভিযোগ।এ দিকে বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গের মানুষের আবেগে আঘাত করেছে এবং ফুটবলপ্রেমীদের অপমান করেছে। সব মিলিয়ে মেসিকে ঘিরে এই বিশৃঙ্খলা শুধু মাঠেই নয়, রাজ্য রাজনীতিতেও ঝড় তুলে দিয়েছে।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫
কলকাতা

‘শুধু টাকা আর হ্যাংলামি?’ মেসি বিতর্কে আয়োজকদের তোপ কুণাল ঘোষের

দর্শকাসন থেকে একের পর এক জলের বোতল ছোড়া হল। পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে নির্ধারিত সময়ের আগেই মাঠ ছাড়তে বাধ্য হলেন লিয়োনেল মেসি। হাজার হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কেটেও প্রিয় তারকাকে দেখতে পেলেন না বহু ভক্ত। ক্ষোভে ফেটে পড়ে মাঠে নেমে ভাঙচুর শুরু করেন অনেকে। এই ঘটনার পর প্রকাশ্যে আয়োজকদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ।শনিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মেসিকে সংবর্ধনা দেওয়ার কথা ছিল। আয়োজকদের দাবি অনুযায়ী সকাল ১১টা থেকেই স্টেডিয়ামে থাকার কথা ছিল মেসির। মাঠ পরিক্রমাও করার কথা ছিল তাঁর। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা ছিল শাহরুখ খানেরও। মেসি সময়মতো মাঠে পৌঁছলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি বদলে যায়। গ্যালারি থেকে বোতল ছোড়া শুরু হয়। চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয় মাঠজুড়ে।দর্শকদের অনেকেই জানান, চার মাস আগে টিকিট কেটেছেন তাঁরা। কেউ আবার ভোর ৪টে থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এত অপেক্ষা আর টাকা খরচ করেও মেসিকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ পাননি বহু মানুষ।এর পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় কুণাল ঘোষ লেখেন, আয়োজকদের ন্যূনতম পরিকল্পনাও ছিল না। তাঁর প্রশ্ন, সবটাই কি শুধু টাকা আর ব্যবসা? কেন মেসিকে ঘিরে এত লোকের ভিড় রাখা হল? কেন মাঠ পরিক্রমার সময় মেসিকে একা এগোতে দেওয়া হল না? কেন গ্যালারির দর্শকদের বঞ্চিত করা হল? কুণালের মন্তব্য, এই ঘটনা কলকাতার জন্য লজ্জাজনক।তিনি আরও লেখেন, কয়েকজনের আদিখ্যেতার জন্য পুরো আয়োজন নষ্ট হয়ে গেল। মেসিকে দেখার বদলে কেউ কেউ নিজেকে জাহির করতেই ব্যস্ত ছিলেন। কুণাল স্মরণ করিয়ে দেন, ২০১১ সালে এই যুবভারতীতেই খেলতে এসেছিলেন মেসি। তখন কর্নার ফ্ল্যাগের পাশে বসে শান্তিপূর্ণভাবে খেলা দেখেছিলেন তিনি। সেদিন কোনও বিশৃঙ্খলা হয়নি।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫
কলকাতা

মেসিকে নিয়ে মঞ্চের স্বপ্ন ভেস্তে, গাড়িতেই আটকে রইলেন শাহরুখ

শহরে আসবেন লিয়োনেল মেসি। চোখের সামনে ফুটবলের ভগবানকে দেখবেন হাজার হাজার ভক্ত। একই মঞ্চে থাকার কথা ছিল শাহরুখ খান, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও লিয়োনেল মেসির। সংবর্ধনা দেওয়ার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সব পরিকল্পনাই ছিল তৈরি। নির্ধারিত সময়েই শনিবার যুবভারতীতে অনুষ্ঠান শুরু হয়। মাঠে পৌঁছন মেসি। কিন্তু তার পরেই তৈরি হয় চরম বিশৃঙ্খলা, যা আগে কখনও দেখেননি ফুটবলপ্রেমী বাঙালি।এই অশান্ত পরিস্থিতির জেরে মাঠে ঢুকতেই পারলেন না বলিউড তারকা শাহরুখ খান। শনিবার সকালেই কলকাতায় আসেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন তাঁর ছেলে আব্রাম। শহরের এক পাঁচতারা হোটেলে আব্রামের সঙ্গে লিয়োনেল মেসি, লুইস সুয়ারেজ এবং রদ্রিগো ডিপলের সঙ্গে ছবিও তোলেন শাহরুখ। তার পর যুবভারতীর অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল তাঁর।কিন্তু মেসি যখন মাঠ পরিক্রমা শুরু করেন, ঠিক তখনই গ্যালারি থেকে বোতল ছোড়া শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নিরাপত্তার কারণে মাঝপথেই মাঠ থেকে বের করে নিয়ে যাওয়া হয় মেসিকে। সেই সময় গাড়িতে বসে স্টেডিয়ামের বাইরে অপেক্ষা করছিলেন শাহরুখ খান। বিশৃঙ্খলার কারণে তিনি মাঠে ঢুকতে পারেননি। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর তাঁকে ফিরে যেতে হয়।এই ঘটনার পর শহরের আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রশ্ন উঠছে পুলিশ-প্রশাসন ও আয়োজকদের ভূমিকা নিয়েও। পুরো ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

কলকাতায় মেসির অনুষ্ঠানেই অশান্তি! সময়ের আগেই যুবভারতী ছাড়লেন বিশ্বতারকা

ভারতীয় ফুটবলের মক্কা বলা হয় কলকাতাকে। সেই কলকাতাতেই লিয়োনেল মেসির অনুষ্ঠানে ঘটে গেল অনভিপ্রেত ঘটনা। শনিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মেসির উপস্থিতিকে ঘিরে তৈরি হয় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি। সেই কারণেই নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই মাঠ ছেড়ে চলে যান আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী তারকা ফুটবলার।জানা গিয়েছে, মেসিকে যে সংবর্ধনা দেওয়ার কথা ছিল, তা নেওয়ার আগেই তিনি যুবভারতী ছাড়েন। শুধু মেসি নন, তাঁর সঙ্গে লুই সুয়ারেজ, রড্রিগো ডিপল-সহ আর্জেন্টিনা দলের অন্যান্য তারকারাও সময়সূচির অনেক আগেই মাঠ থেকে বেরিয়ে যান। ফলে হাজার হাজার দর্শক প্রিয় তারকার এক ঝলক দর্শন থেকেও বঞ্চিত হন।মেসি মাঠ ছেড়ে যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই গ্যালারিতে ক্ষোভ ছড়ায়। ছেঁড়া হয় ফ্লেক্স ও ব্যানার। দর্শকাসন থেকে মাঠের দিকে ছোড়া হয় জলের বোতল। পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কিন্তু কেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হল, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।খবর অনুযায়ী, যুবভারতীতে মেসিকে দেখানোর জন্য তিনটি জায়ান্ট স্ক্রিন বসানো হয়েছিল। কিন্তু মাঠে মেসিকে ঘিরে ছিলেন প্রায় ৭০ থেকে ৮০ জন। সাধারণ দর্শকরা, যাঁরা হাজার হাজার টাকা খরচ করে টিকিট কেটেছিলেন, তাঁরা কাছ থেকে মেসিকে দেখতে পাননি। সেই হতাশা থেকেই ক্ষোভ জমতে শুরু করে।মাঠের বাইরে দর্শকদের ক্ষোভ আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এক দর্শক বলেন, আমরা কিছুই দেখতে পাইনি। প্রায় ১০ হাজার টাকার টিকিট কেটেছিলাম। শুধু মন্ত্রীরাই মাঠে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন। অনেকে গ্যালারির গেট ভাঙার চেষ্টাও করেন। পাশাপাশি প্রশ্ন উঠছে, যে মাঠে জলের বোতল নিয়ে ঢোকা নিষিদ্ধ, সেখানে দর্শকদের হাতে বোতল এল কীভাবে।উৎসবের বদলে এ দিন যুবভারতীতে তৈরি হল হতাশা আর বিশৃঙ্খলার ছবি। কলকাতায় মেসির আগমন ঘিরে যে স্বপ্ন ছিল, তা পূরণ হল না বহু ফুটবলপ্রেমীর।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

কলকাতায় মেসি মানেই উৎসব হওয়ার কথা ছিল, কেন রণক্ষেত্র হল যুবভারতী?

শনিবার কলকাতায় পা রাখেন বিশ্ব ফুটবলের মহাতারকা লিয়োনেল মেসি। শহরে আসার পর প্রথমে তিনি যান এক পাঁচ তারা হোটেলে। সেখানেই তাঁর সঙ্গে দেখা করেন বলিউড অভিনেতা শাহরুখ খান। পরে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে পৌঁছন মেসি। গ্যালারিতে তখন মানুষের ঢল। কেউ এসেছেন মুম্বই থেকে, কেউ আবার সুদূর আমেরিকা থেকেও। কারও চোখে জল, কারও চোখে উত্তেজনাপ্রিয় তারকাকে সামনে থেকে দেখার আবেগে ভাসছিল গোটা মাঠ।কিন্তু সেই উন্মাদনা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। অভিযোগ, যুবভারতীতে ঢোকার পর থেকেই মেসিকে ঘিরে ধরেন কর্তা ও মন্ত্রীরা। সাধারণ দর্শকদের কাছে পৌঁছনোর সুযোগই পাননি তিনি। মোটা টাকা দিয়ে টিকিট কেটেও প্রিয় ফুটবলারকে দেখতে না পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন দর্শকরা। শুরু হয় হইচই। কেউ বোতল ছোড়েন, কেউ চেয়ার ছুড়তে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আগেই রাত আনুমানিক ১১টা ৫২ মিনিটে মেসিকে ক্রীড়াঙ্গন থেকে বাইরে নিয়ে যান আয়োজকরা।এরপর আরও উত্তেজিত হয়ে ওঠে জনতা। মাঠে ঢুকে পড়েন অনেকে। যুবভারতীতে তৈরি হয় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি। এই দিন ক্রীড়াঙ্গনে আসার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও। মেসির সঙ্গে দেখা করার পরিকল্পনাও ছিল তাঁর। কিন্তু অশান্তির খবর পেয়ে ক্রীড়াঙ্গনে পৌঁছনোর আগেই নিজের কনভয়ের দিক ঘুরিয়ে ফিরে যান মুখ্যমন্ত্রী।দর্শকদের অভিযোগ, মধ্যবিত্ত পরিবারের বহু ছেলে-মেয়ে কষ্টের টাকা জমিয়ে টিকিট কেটে এসেছিলেন শুধু মেসিকে এক ঝলক দেখবেন বলে। কিন্তু সেই সুযোগ তাঁরা পাননি। অনেকের অভিযোগের তির ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ও প্রধান আয়োজক শতদ্রু দত্তের দিকেও। ক্ষুব্ধ দর্শকদের দাবি, পুরো আয়োজনেই ছিল চরম অব্যবস্থাপনা। টাকা নেওয়া হলেও দর্শকদের কথা ভাবা হয়নি।অনেকেই টিকিটের টাকা ফেরতের দাবি তুলেছেন। কেউ কেউ বলছেন, মেসি এসেও যেন এলেন না। শনিবার যুবভারতীর যে ছবি হওয়ার কথা ছিল, বাস্তবে তা একেবারেই অন্যরকম হয়ে গেল। উৎসবের বদলে তৈরি হল অশান্তি, হতাশা আর ক্ষোভ।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

মধ্যরাতে কলকাতায় পা রাখলেন মেসি, যুবভারতীতে শাহরুখ–মমতা–সৌরভের উপস্থিতিতে ফুটবল উৎসব

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী সুপারস্টার ফুটবলার লিওনেল মেসি (Lionel Messi) অবশেষে পা রাখলেন ফুটবল-পাগল শহর কলকাতায়। শুক্রবার গভীর রাতে কলকাতার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন তিনি। রাত দেড়টা নাগাদ নেতাজি সুভাষ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দের তাঁর চার্টার্ড ফ্লাইট মাটি ছোঁয়। বিমান থেকে নামার পর দমদম বিমানবন্দরের শুধুই চিৎকরা চলে মেসি মেসি। লিওনেল মেসির আগমনকে ঘিরে শহরজুড়ে তৈরি হয়েছে উৎসবের আবহ।কলকাতা থেকেই শুরু মেসির ভারত সফর-১৩ থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারতের চারটি শহরে হারিকেন ট্যুর করবেন লিওনেল মেসি। এই সফরের সূচনা হল কলকাতা থেকেই। কলকাতার পর তিনি হায়দরাবাদ, মুম্বই ও নয়াদিল্লি সফর করবেন। তবে ফুটবলপ্রেমীদের মতে, মেসির ভারত সফরের সবচেয়ে আবেগঘন অধ্যায় নিঃসন্দেহে কলকাতা।যুবভারতীতে ব্যস্ত সূচি, উপস্থিত থাকছেন নামী ব্যক্তিত্বরাশুক্রবার সারাদিন কলকাতায় একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন মেসি। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ীরাত ১:৩০: কলকাতায় আগমনসকাল ৯:৩০ ১০:৩০: মিট অ্যান্ড গ্রিট অনুষ্ঠান।সকাল ১০:৩০ ১১:১৫: লিওনেল মেসির মূর্তির ভার্চুয়াল উদ্বোধন।সকাল ১১:১৫ ১১:২৫: বিবেকানন্দ যুবভারতী স্টেডিয়ামে প্রবেশ। সকাল ১১:৩০: বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খানের আগমন।দুপুর ১২:০০: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের উপস্থিতি।দুপুর ১২:০০ ১২:৩০: মোহনবাগান অল স্টারস বনাম ডায়মন্ড হারবার অল স্টারস প্রীতি ম্যাচ।দুপুর ২:০০: হায়দরাবাদের উদ্দেশে রওনা।সুয়ারেজ ও ডি পলের উপস্থিতিতে বাড়তি আকর্ষণএই বিশেষ ইভেন্টে মেসির সঙ্গে উপস্থিত থাকবেন তাঁর প্রাক্তন বার্সেলোনা সতীর্থ ও উরুগুয়ের তারকা স্ট্রাইকার লুই সুয়ারেজ এবং আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার রড্রিগো ডি পল। তাঁদের উপস্থিতিতে কলকাতার ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনা আরও বেড়েছে।প্রধানমন্ত্রী ও সেলিব্রিটিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ-ভারত সফরকালে লিওনেল মেসি দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-র সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বলে জানা গেছে। পাশাপাশি কলকাতায় তাঁর সঙ্গে দেখা হতে পারে বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খান-এর। এছাড়াও বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সম্ভাবনা রয়েছে।টিকিট প্রায় শেষ, দর্শকদের ব্যাপক সাড়া-এই ইভেন্টের টিকিট ডিস্ট্রিক্ট বাই জ়োম্যাটো অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে। কলকাতা-সহ অধিকাংশ শহরে টিকিটের ন্যূনতম মূল্য ছিল ৪,৫০০ টাকা। তবে বিপুল চাহিদার কারণে বর্তমানে প্রায় সব টিকিটই শেষের পথে।সব মিলিয়ে, লিওনেল মেসির কলকাতা সফর শুধুমাত্র একটি ক্রীড়া আয়োজন নয় বরং শহরের ফুটবল ইতিহাসে আরও এক স্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে লেখা থাকল।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫
বিদেশ

এক রাতেই দূতাবাসে উধাও রাষ্ট্রপতির ছবি! সাহাবুদ্দিনের বিস্ফোরক অভিযোগ—‘আমাকে কোণঠাসা করা হয়েছে’

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গন উত্তাল। অপমান সহ্য করতে না পেরে নিজের পদ ছেড়ে দিতে চাইছেন দেশের রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহাবুদ্দিন। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের পরই তিনি ইস্তফা দিতে চান বলে জানিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস তাঁকে সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করেছেন এবং কোণঠাসা করে রেখেছেন।রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, তিনি দায়িত্ব পালন করছেন শুধুমাত্র সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে। কিন্তু তিনি পদ ছাড়তে আগ্রহী। তাঁর কথায়, গত সাত মাসে ইউনূস একবারও তাঁর সঙ্গে দেখা করেননি। রাষ্ট্রপতির জনসংযোগ বিভাগও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে বড় অপমান, গত সেপ্টেম্বর হঠাৎই বিভিন্ন দেশের বাংলাদেশ দূতাবাস ও কনস্যুলেট থেকে রাষ্ট্রপতির ছবি সরিয়ে দেওয়া হয়।সাহাবুদ্দিন বলেন, এক রাতেই সব দূতাবাস থেকে আমার ছবি উধাও হয়ে গেল। মানুষ ভুল বার্তা পেল যে হয়তো রাষ্ট্রপতিকে সরানো হচ্ছে। এটা ভীষণ অপমানের। তিনি জানিয়েছেন, বিষয়টি লিখিতভাবে জানালেও ইউনূস কোনও ব্যবস্থা নেননি। তাঁর অভিযোগ, তাঁর কণ্ঠরোধ করা হয়েছে।২০২৩ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতির পদে আসেন সাহাবুদ্দিন। যদিও এই পদটি মূলত প্রতীকী, প্রকৃত ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার হাতে। কিন্তু ২০২৪ সালের ছাত্র-গণ অভ্যুত্থানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর, রাষ্ট্রপতিই ছিলেন একমাত্র সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষ। এরপর থেকেই ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে তাঁকে পাশ কাটানোর অভিযোগ উঠছে।তবে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। সেনাপ্রধান স্পষ্ট বলেছেন, তাঁর সামরিক ক্ষমতা নেওয়ার কোনও ইচ্ছা নেই। বরং তিনি চান দেশে গণতন্ত্র ফিরুক।বাংলাদেশের রাজনীতিতে এই বক্তব্য যে নতুন ঝড় তুলেছে, তা বলাই যায়।

ডিসেম্বর ১২, ২০২৫
রাজ্য

নামে ভুল? বাদ গেল সন্দেহ? SIR শেষ, কবে কীভাবে জানবেন ভোটার তালিকায় আছেন কি না—জানুন এখনই

পশ্চিমবঙ্গে SIR-এর এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার সময় শেষ হয়ে গিয়েছে। সোমবার, ১১ ডিসেম্বর ছিল ফর্ম জমার শেষ দিন। বিএলওরা ঘরে ঘরে গিয়ে ফর্ম সংগ্রহ করে তা নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে আপলোড করেছেন। এবার সবাই অপেক্ষা করছেন খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের। আগামী ১৬ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার প্রকাশ পাবে নতুন খসড়া তালিকা। নিজের নাম থাকবে কি না, তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় বহু মানুষ।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, খসড়া তালিকা অনলাইন ও অফলাইনদুইভাবেই দেখা যাবে। অনলাইনে দেখতে হলে প্রথমে যেতে হবে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে অর্থাৎ eci.gov.in। সেখানে নিজের নাম বা EPIC নম্বর দিলে এক ক্লিকেই জানা যাবে তালিকায় নাম আছে কি না। সিইও ওয়েস্ট বেঙ্গলের ওয়েবসাইট ceowestbengal.wb.gov.in, ইসিআই নেট অ্যাপ বা জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের ওয়েবসাইট থেকেও খসড়া তালিকা দেখা যাবে।অফলাইনে দেখাও খুব সহজ। আপনার এলাকার বিএলও-র কাছে খসড়া ভোটার তালিকার হার্ড কপি থাকবে। চাইলে সেখানে গিয়ে নিজের নাম দেখে নিতে পারবেন। বিএলও-র কাছে যেতে না পারলে সাহায্য করবেন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা ও বুথ লেভেল এজেন্ট বা বিএলএরা। তাঁদের কাছেও তালিকার কপি থাকবেপ্রতিনিধিদের কাছে সফট কপি, আর বিএলএদের কাছে হার্ড কপি।খসড়া তালিকায় যাদের নাম থাকবে না, তাঁদের জন্য আলাদা লিস্ট প্রকাশ করবে কমিশন। যদি মনে হয় ভুলবশত নাম বাদ পড়েছে বা কোনও তথ্য ভুল আছে, তাহলে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অভিযোগ জানানো যাবে। যাঁদের নাম নেই, তাঁরা অনলাইনে ফর্ম ৬ ও অ্যনেক্সার ৪ পূরণ করতে পারবেন।খসড়া তালিকা প্রকাশের পর শুরু হবে হিয়ারিং। যাদের ২০০২ সালের তালিকায় নিজের বা আত্মীয়ের নাম নেই, বা কমিশনের সন্দেহ রয়েছে, তাঁদের ইআরওরা ডেকে পাঠাবেন। এই শুনানি চলবে ১৬ ডিসেম্বর থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। সব মিলিয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ পাবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা।

ডিসেম্বর ১২, ২০২৫
রাজ্য

তিন থেকে চার বছর ধরে লক্ষীর ভাণ্ডারের সুবিধা! এবার বাক্সবন্দি সংসার নিয়ে বাংলাদেশে ফেরার পালা

ব্যাগে বন্দি গোটা সংসার। আর দুচোখে আতঙ্ক। SIR শুরু হওয়ার পর থেকেই এই দৃশ্য বারবার দেখা গিয়েছে সীমান্তে। বৃহস্পতিবার ছিল SIR-এর ফর্ম জমা দেওয়ার শেষ দিন, আর সেই দিনও বদলাল না স্বরূপনগরের হাকিমপুর সীমান্তের ছবি। আবারও দেখা গেল বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার হুড়োহুড়ি।বাংলাদেশের বাসিন্দা সামাদ গাজি ৩৪ বছর আগে ভারতে ঢুকেছিলেন ধামাখালি দিয়ে। আগে নোংরা কুড়ানোর কাজ করতেন, পরে কাঁটাতার টপকে চলে আসেন এ দেশে। এবার SIRএর আতঙ্কে তিনি ফিরছেন নিজের দেশে। তাঁর মতোই সীমান্তে ভিড় করেছেন আরও অনেকে।স্বরূপনগরেরই আরেক অনুপ্রবেশকারী মহম্মদ মইদুল শেখ তিন বছর আগে এসেছিলেন কাজের খোঁজে। ভাঙাচোরা কাজ, মাটি খোঁড়াএইসব কাজেই দিন চলত। মাঝেমধ্যেই ধরপাকড় হওয়ায় তাঁর বাবা দেশে ফিরে যান। মইদুল বললেন, এখানে আর একা কী করব? তাই আমিও ফিরে যাচ্ছি।এর আগে এই সীমান্তেই বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি জানিয়েছিলেন, তাঁদের কাছে আধার কার্ড আছে। কেউ কেউ আবার নিজেই স্বীকার করেছিলেন যে তাঁরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সাহায্যও পেয়েছেন। যেমন বাংলাদেশ থেকে আসা রোকেয়া বিবি জানিয়েছেন, তিন-চার বছর ধরে তিনি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছেন। দুয়ারে সরকার-এর ক্যাম্পে গিয়ে নাকি তাঁর নাম করে দেওয়া হয়েছিল।আরেক বাংলাদেশি, আনোয়ারা বিবি জানিয়েছেন, তিনি দুই-তিন বার ভোটও দিয়েছেন। স্বরূপনগরে অপেক্ষায় থাকা আল আমিন মোল্লা বলেন, তাঁর ও তাঁর স্ত্রীর আধার কার্ডও ছিল। যাওয়ার সময় নাকি নিউটাউনে দিয়ে এসেছেন।আট দিন মিলিয়ে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলেছে SIR-এর ফর্ম জমা। বৃহস্পতিবার, শেষ দিনেও হাকিমপুর সীমান্তে দেখা গেল একই আতঙ্কদেশ ছাড়তে মরিয়া অনুপ্রবেশকারীদের লম্বা লাইন এবং পরপর পাওয়া স্বীকারোক্তি।

ডিসেম্বর ১২, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 85
  • 86
  • ›

ট্রেন্ডিং

শিক্ষা

পৌষের গন্ধে গ্রামবাংলা: পিঠে, ঘুড়ি আর লোকজ জীবনের উৎসব

পৌষ নামলেই গ্রামবাংলার হাওয়া বদলে যায়। ভোরের কুয়াশা আরও ঘন হয়, খড়ের গাদায় রোদ্দুর বসে, আর মাটির উঠোনে ভেসে আসে চাল ভাপার সোঁদা গন্ধ। এই সময়েই বাঙালির ঘরে ঘরে আসে এক লোকজ উৎসবপৌষ পার্বণ, যাকে গ্রামবাংলা আদর করে ডাকে পিঠে পার্বণ বলে।এই উৎসব কোনও মন্দিরে বাঁধা নয়, কোনও মন্ত্রে আবদ্ধ নয়। এ উৎসব ছড়িয়ে থাকে উঠোনে, রান্নাঘরে, খোলা মাঠে আর মানুষের মুখের হাঁসিতে। নতুন ধান ওঠার আনন্দে কৃষকের ঘরে যে তৃপ্তি, তারই রসায়ন মিশে যায় পিঠের নরম স্বাদে।গ্রামবাংলার মায়েদের কাছে পৌষ পার্বণ মানে শুধু রান্না নয়এ এক সামাজিক আচার। ভোর থেকে শুরু হয় চাল ভেজানো, বাটা, খোলায় নলেন গুড় বসানো। মাটির উনুনে ধোঁয়া ওঠে, কাঁসার থালায় সাজে ভাপা পিঠে (সিদ্ধ পিঠে), সরু চাকলি, পাটিসাপটা। দুধ পুলির ভেতর গুড় আর নারকেলের মিশেলে লুকিয়ে থাকে দিদিমা-ঠাকুমার হাতের ছোঁয়া, যা কোনও রেসিপির বইয়ে লেখা নেই।লোকসংস্কৃতির এই পরম্পরায় পিঠে শুধু খাবার নয়, এক ভাষা। সেই ভাষায় কথা বলে মমতা, আতিথেয়তা আর ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ। পৌষের সকালে প্রতিবেশীর ঘরে পিঠে পাঠানো যেমন রীতি, তেমনই রীতি একসঙ্গে বসে খাওয়ারধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ ছাপিয়ে।পৌষ সংক্রান্তির আর এক অবিচ্ছেদ্য ছবি আকাশ। নীল আকাশ জুড়ে রঙিন ঘুড়ির উড়ান যেন লোকশিল্পের চলমান ক্যানভাস। যা দেখে কবির সুমন (তখন সুমন চট্টোপাধ্যায়) লিখেছিলেন পেটকাটি চাঁদিয়াল মোমবাতি বগ্গা - আকাশে ঘুড়ির ঝাঁক, মাটিতে অবজ্ঞা। রাঢ় বঙ্গের অন্যতম জনবহুল বর্ধমান শহরে ও তার আশপাশের গ্রামগুলিতে এই দিনে ঘুড়ি ওড়ানো শুধু খেলা নয়, এক উৎসব, সকাল চা খেয়েই ছাদে জড়ো আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা, চোখ বন্দি আকাশে, ছাদে-ছাদে চটুল হিন্দি গানের ভিতরেই ভেসে আসছে একটাই আওয়াজ ভো-কাট্টা। দামোদরের পাড়ে বসা আদিবাসী ও উপজাতিদের মেলায় ঘুড়ির সঙ্গে মিশে যায় ঢাক, ধামসা, মাদল ও বাঁশির সুর। লোকনৃত্য, হস্তশিল্প আর খোলা মাঠের এই মিলনমেলা যেন বাংলার বহুত্বকে এক সুতোয় বেঁধে রাখে।এই মেলায় দেখা যায় সাঁওতাল, বাউরী, বাগদি সমাজের নিজস্ব সংস্কৃতিনতুন রঙিন পোশাক, পায়ের তালে মাটির ছন্দ দিরি দিম দিম বোল তোলে। আধুনিক শহুরে জীবনের বাইরে দাঁড়িয়ে এই লোকজ উৎসব আমাদের মনে করিয়ে দেয়সংস্কৃতি মানে শেকড়ের সঙ্গে সংযোগ।আজ শহরের ফ্ল্যাটবাড়িতে পিঠে আসে বাক্সবন্দি হয়ে, ঘুড়ি ওড়ানো হয় ছাদের কোণে দাঁড়িয়ে। তবু পৌষ পার্বণ এলেই মন ছুটে যায় গ্রামেমাটির ঘর, খোলা উঠোন আর আগুন পোহানো বিকেলের দিকে। কারণ এই উৎসব আমাদের শেখায়, উৎসবের আসল সৌন্দর্য জাঁকজমকে নয়, বরং মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের উষ্ণতায়।পৌষ পার্বণ তাই শুধুই একটি দিন নয়এ এক স্মৃতি, এক গন্ধ, এক জীবন্ত লোকসংস্কৃতি। সময় বদলায়, রূপ বদলায়, কিন্তু পিঠের ধোঁয়ার সঙ্গে মিশে থাকা গ্রামবাংলার আত্মা আজও অটুট।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যের খেসারত, ভারতকে ফের শুল্কের ফাঁদে ফেললেন ট্রাম্প

বছরের শুরুতেই ভারতের উপর ফের শুল্কের আঘাত আনল আমেরিকা। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করবে, তাদের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। সেই তালিকায় ভারতের নামও রয়েছে। গত অর্থবর্ষে ইরানের সঙ্গে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য করেছে ভারত।বর্তমানে আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের প্রশাসনের বিরুদ্ধে ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। সেই আন্দোলনের প্রতি প্রথম থেকেই সমর্থন জানিয়ে আসছেন ট্রাম্প। এমনকি প্রয়োজন হলে ইরানের উপর সামরিক হামলার পরিকল্পনার কথাও তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন। এই পরিস্থিতিতে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যকারী দেশগুলির উপর কড়া অবস্থান নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।সোমবার নিজের সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লেখেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করছে, তারা আমেরিকার সঙ্গে ব্যবসা করতে গেলে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে বাধ্য হবে। এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও জানান তিনি।ইরানের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য করে চিন। তবে ভারতের সঙ্গেও তেহরানের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। তেহরানে ভারতীয় দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারত ইরানে প্রায় ১২০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময়ে ইরান থেকে ৪৪ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬৪ কোটি ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় আনুমানিক ১৪ হাজার কোটি টাকা। এই বাণিজ্যের মধ্যে রয়েছে রাসায়নিক দ্রব্য, ফল, বাদাম, তেল এবং জ্বালানি জাতীয় পণ্য।ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করার কারণেই এবার ভারতের উপর বাড়তি শুল্ক চাপাল আমেরিকা। এর আগে রাশিয়া থেকে তেল কেনার অভিযোগে ভারতের উপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। ফলে তখন ভারতীয় পণ্যের উপর মার্কিন শুল্কের হার পৌঁছেছিল ৫০ শতাংশে। এবার ইরান ইস্যুতে আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক যুক্ত হওয়ায় মোট শুল্কের পরিমাণ দাঁড়াল ৭৫ শতাংশ। এই সিদ্ধান্ত ভারতের রপ্তানি বাণিজ্যে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

রণক্ষেত্র ইরান, আমেরিকার হামলার হুঁশিয়ারি, আগুনে ঘি ঢালল খামেনেই

ইরানকে ঘিরে চরম উত্তেজনা। একে অপরকে প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে গিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। ট্রাম্প যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সেনা হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পাল্টা খামেনেই ট্রাম্পকে পরাজিত ও অত্যাচারী শাসক বলে কটাক্ষ করেছেন।ইরানে সরকার-বিরোধী আন্দোলন দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। দেশের বহু শহরে বিক্ষোভ চলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ইন্টারনেট ও ফোন পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। তা সত্ত্বেও মূল্যবৃদ্ধি, দুর্নীতি ও দমনপীড়নের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ থামছে না। নির্বাসিত নেতা রেজা পহেলভিকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিও জোরালো হয়েছে। এই আবহে ট্রাম্পের সঙ্গে পহেলভির কথোপকথনের খবর সামনে এসেছে। আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানো বন্ধ না হলে আমেরিকা চুপ করে থাকবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকেই ট্রাম্প স্পষ্ট বার্তা দেন, ইরানে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না তাঁর প্রশাসন। এমনকি ইরানে স্টারলিংক পরিষেবা চালুর পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, ইরান আলোচনার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। যদিও তেহরান সেই দাবি নাকচ করে জানিয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে অশান্তি ছড়ানোর মূল্য চোকাতে হবে আমেরিকাকে।সরকারি টেলিভিশনে ভাষণ দিয়ে খামেনেই ট্রাম্পকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ট্রাম্প একজন অযোগ্য ও অত্যাচারী শাসক। আগে নিজের দেশ সামলাক। খামেনেই দাবি করেছেন, খুব শীঘ্রই বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আসবে। যদিও বাস্তবে তার কোনও ইঙ্গিত নেই। অভিযোগ, বিক্ষোভ দমাতে ইরানে পুলিশ ও সেনা নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে। শুধু তেহরানেই দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যুর খবর মিলেছে। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে এই আন্দোলন চলছে। জানুয়ারির শুরু থেকেই দেশজুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল।ইরানের অশান্তির প্রভাব বিদেশেও পড়েছে। লস এঞ্জেলসে ইরান সমর্থনে মিছিল চলাকালীন ভিড়ের মধ্যে ট্রাক ঢুকে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। যদিও সেখানে কেউ হতাহত হয়নি। চালককে আটক করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে হামলা হলে তার জবাব দেওয়ার ক্ষমতা তেহরানের রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের শীর্ষ নেতারা। ইরান পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকার কালিবাফ জানিয়েছেন, আমেরিকা বড় ভুল হিসাব করছে। হামলা হলে ইজরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলি নিশানা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের প্রাক্তন সামরিক কর্তারাও।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

নোবেল নিয়ে পোপের দরবারে মাচাদো, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির নেপথ্যে কি ভ্যাটিকান?

গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারিয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মাচাদো। সেই পুরস্কারই মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দিতে চান তিনি, যাতে নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে বন্দি করা যায়এমন দাবিও করেছিলেন মাচাদো। এবার সেই নোবেলজয়ীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হল চতুর্দশ পোপ লিওর। এই সাক্ষাৎ ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে।সোমবারই নিজেকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। তার মধ্যেই পোপের সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, ট্রাম্পের সমর্থনে ক্ষমতা দখলের প্রস্তুতি হিসেবেই কি এই বৈঠক? প্রথম মার্কিন পোপের সঙ্গে এই সাক্ষাতের রাজনৈতিক তাৎপর্য খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।জানা গিয়েছে, পোপ লিওর সঙ্গে দেখা করার কোনও পূর্বপরিকল্পনা ছিল না মাচাদোর। ভ্যাটিকান পরে তাদের দৈনিক বুলেটিনে এই সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করে। তবে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। নরওয়েতে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পর থেকেই ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে সফর করছেন মাচাদো।আগামী সপ্তাহে তিনি আমেরিকা যাচ্ছেন। সেখানে হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেই গুরুত্বপূর্ণ সফরের আগেই পোপের সঙ্গে দেখা হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বেড়েছে। যদিও প্রথম মার্কিন পোপ লিও ভেনেজুয়েলার উপর আমেরিকার আগ্রাসনের প্রকাশ্য বিরোধিতা করেছেন।মাদুরোকে মার্কিন বাহিনীর হাতে অপহরণের ঘটনার পর ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে সরব হয়েছেন পোপ। তিনি জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতির উপর তাঁর নজর রয়েছে এবং দেশের অবস্থা নিয়ে তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সামাজিক সুরক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন পোপ লিও।অন্যদিকে, ট্রাম্প ও মাচাদোদুজনেই প্রকাশ্যে মাদুরোর বিরোধিতা করে আসছেন। তাঁদের অভিযোগ, মাদুরো দেশকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাম্প মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক পাচারের অভিযোগ তুলেছেন। মাদুরো অপহৃত হওয়ার পর ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন মাচাদো।এই প্রেক্ষাপটে পোপ লিওর সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ যে নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, তা স্পষ্ট বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ভেনেজুয়েলার ক্ষমতার লড়াইয়ে এই বৈঠক নতুন সমীকরণ তৈরি করবে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে বিশ্ব।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

এবার টুটু বোসকে তলব! এসআইআর শুনানিতে ডাকা হল মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতিকে

এসআইআর শুনানিতে এবার হাজিরার নোটিস পেলেন প্রাক্তন সাংসদ এবং মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি স্বপনসাধন বোস, যিনি টুটু বোস নামেই পরিচিত। শুধু তাঁকেই নয়, একই সঙ্গে তলব করা হয়েছে তাঁর পুত্র তথা মোহনবাগান ক্লাবের সচিব সৃঞ্জয় বোসকেও। জানা গিয়েছে, টুটু বোসের গোটা পরিবারকে এসআইআর শুনানিতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মোহনবাগানের সহ-সভাপতি কুণাল ঘোষ। সোশাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।এসআইআর শুনানিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বাংলার বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে তলব করা হয়েছে। নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন, কবি জয় গোস্বামী, জাতীয় দলের ক্রিকেটার মহম্মদ শামির মতো পরিচিত মুখদের নাম সেই তালিকায় রয়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল বাংলার ফুটবল জগতের অন্যতম পরিচিত মুখ টুটু বোসের নাম। জানা যাচ্ছে, আগামী ১৯ জানুয়ারি তাঁকে বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট স্কুলে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। শুধু টুটু বোস নন, তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও ডাকা হয়েছে ওই শুনানিতে। তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ সৃঞ্জয় বোসও।এই প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ ফেসবুকে লিখেছেন, টুটু বোস বাংলার ফুটবল ও মোহনবাগানের প্রাণপুরুষ। তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ এবং হুইলচেয়ার ছাড়া তাঁর চলাফেরা সম্ভব নয়। এমন অবস্থায় তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে হাজিরার নোটিস পাঠানো অমানবিক বলেই মন্তব্য করেন কুণাল। তাঁর অভিযোগ, এখন টুটু বোসকে প্রমাণ দিতে বলা হচ্ছে যে তিনি বাংলার নাগরিক। কুণাল ঘোষের দাবি, এই ঘটনার জবাব নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে আসন্ন নির্বাচনে দিতে হবে।উল্লেখ্য, খেলোয়াড়দের এসআইআর শুনানির নামে হেনস্তার অভিযোগ তুলে সোমবার বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রায় ১৫০ জন ক্রীড়াবিদ প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলেন। এর আগেই এই ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের কড়া সমালোচনা করেছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই ধরনের নোটিস পাঠানোকে অমানবিক ও অসংবেদনশীল বলে উল্লেখ করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়েছেন। সেই সবের পরেও টুটু বোসের মতো পরিচিত ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বকে তলব করা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হল রাজ্য রাজনীতিতে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

নিপা ভাইরাসে কাঁপছে বাংলায়! আবার রাজ্যে ফিরছে কোয়ারেন্টাইন ..

বাংলায় ফের নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়াল। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালের দুই নার্সের শরীরে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। গত ১১ জানুয়ারি কল্যাণীর এইমস-এর ভাইরাস রিসার্চ ও ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষায় তাঁদের শরীরে নিপা ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য নমুনা পুণের ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় সরকারও নড়েচড়ে বসেছে। দিল্লি থেকে আজই একটি প্রতিনিধি দল রাজ্যে আসছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে আক্রান্ত নার্সদের সংস্পর্শে আসা এক চিকিৎসক, দুজন নার্স, একজন সাফাই কর্মী এবং একজন অ্যাম্বুলেন্স চালককে কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর।স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, নিপা আক্রান্ত নার্স অসুস্থ অবস্থায় কাটোয়ায় যাঁদের সংস্পর্শে এসেছিলেন, তাঁদের খোঁজ চালাতে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করে তাঁদের শারীরিক অবস্থার উপর নজর রাখছেন পূর্ব বর্ধমান জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক।জানা যাচ্ছে, ওই নার্স ২ জানুয়ারি শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে কাটোয়ার এক চিকিৎসকের ব্যক্তিগত চেম্বারে চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন। চিকিৎসক সিদ্ধেশ্বর গুপ্ত জানিয়েছেন, ওই তরুণী একবার জ্ঞান হারিয়েছিলেন ঠিকই, তবে তখন জ্বর বা গা ব্যথার মতো কোনও অস্বাভাবিক উপসর্গ চোখে পড়েনি।এর পর ৩ জানুয়ারি ফের সংজ্ঞা হারালে পরিবারের লোকজন তাঁকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানেই পরীক্ষার পর জানা যায়, তিনি নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত।এই ঘটনায় রাজ্য জুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

থামছেই না হিন্দু খুন, ফেনিতে অটোচালক সমীর দাসকে হত্যা করে চম্পট দিল দুষ্কৃতীরা

বাংলাদেশে একের পর এক হিন্দু খুনের ঘটনা সামনে আসছে। দীপু দাসকে নৃশংসভাবে খুন করার ঘটনার পর থেকেই একাধিক হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর মিলেছে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল আরও একটি নাম। ফেনি জেলার দাগনভূঞায় খুন হল ২৮ বছরের অটোচালক সমীর কুমার দাস। অভিযোগ, তাঁকে খুন করে দুষ্কৃতীরা তাঁর অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে।মর্মান্তিক এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিহত সমীর দাস দাগনভূঞা উপজেলার রামানন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবা কার্তিক কুমার দাস ও মা রিনা রানি দাস। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাছেই পরিকল্পিতভাবে সমীর দাসকে হত্যা করা হয়। খুনের পর তাঁর অটোরিকশা ছিনিয়ে নিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা।পরে স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় পড়ে থাকা দেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। দাগনভূঞা থানার পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে। নিহতের পরিবার এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তাঁদের দাবি, দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে কড়া শাস্তি দেওয়া হোক। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দুষ্কৃতীদের খোঁজে অভিযান শুরু হয়েছে।এর আগে কয়েকদিন আগে জয় মহাপাত্র নামে এক হিন্দু যুবককে বিষ খাইয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকেই বাংলাদেশে নতুন করে অশান্তির আবহ তৈরি হয়। সেই পরিস্থিতিতেই প্রথমে হিন্দু যুবক দীপু দাসকে মারধর করে জীবন্ত জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এরপর একে একে আরও হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। এই নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে মোট আটজন হিন্দু যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটল বলে জানা যাচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

নিরাপত্তার অজুহাত খারিজ, বাংলাদেশের ভারতে খেলা নিয়ে বড় বার্তা আইসিসির

মিথ্যেবাদী তকমা পাওয়ার পর ফের বড় ধাক্কার মুখে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভারতে খেলতে না আসার যে দাবি বিসিবি করেছিল, তা মানতে নারাজ আইসিসি। ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা সূত্রে খবর, বাংলাদেশকে আগের সূচি অনুযায়ীই ভারতে খেলতে হবে। অর্থাৎ কলকাতা এবং মুম্বইতেই লিটন দাসদের ম্যাচ আয়োজন করা হবে।জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের অভিযোগ নিয়ে স্বাধীনভাবে তদন্ত করেছে আইসিসি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের দিয়ে খতিয়ে দেখা হয়েছে, ভারত সফরে এলে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও বড় ঝুঁকি রয়েছে কি না। সেই মূল্যায়নের রিপোর্টে বলা হয়েছে, কলকাতা ও মুম্বইয়ে ম্যাচ আয়োজন নিয়ে ঝুঁকির মাত্রা কম থেকে মাঝারি। নিরাপত্তা নিয়ে বড় কোনও সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই।রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভারত অতীতেও একাধিক বিশ্বমানের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সফলভাবে আয়োজন করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। তাই বাংলাদেশের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে ভারতীয় প্রশাসনের কোনও অসুবিধা হবে না। এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই আইসিসি বাংলাদেশের ম্যাচ সরানো নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে।এর আগে শোনা যাচ্ছিল, বিসিবির অনুরোধ কিছুটা মেনে কলকাতা ও মুম্বইয়ের বদলে চেন্নাই ও তিরুঅনন্তপুরমে ম্যাচ সরানো হতে পারে। কিন্তু নিরাপত্তা সংক্রান্ত ইতিবাচক রিপোর্ট পাওয়ার পর সেই সম্ভাবনা কার্যত ক্ষীণ। ফলে বাংলাদেশকে আগের সূচি মেনেই ভারতে খেলতে হতে পারে বলে মনে করছে ক্রিকেটমহল। যদিও আইসিসির তরফে এখনও চূড়ান্ত ঘোষণা হয়নি।উল্লেখযোগ্য ভাবে, সোমবারই আইসিসি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় যে বাংলাদেশ ভুল তথ্য দিচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল দাবি করেছিলেন, আইসিসি নাকি জানিয়েছে মুস্তাফিজুর রহমান দলে থাকলে নিরাপত্তা সমস্যা বাড়বে এবং বাংলাদেশের নির্বাচনের কারণেও ঝুঁকি রয়েছে। কিন্তু আইসিসি সেই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে জানায়, এমন কোনও মন্তব্য তারা করেনি। ক্রীড়া উপদেষ্টার এই বক্তব্যে আইসিসি যথেষ্ট বিরক্ত বলেই মনে করছেন ক্রিকেট মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal