• ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩, রবিবার ০৩ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SI

খেলার দুনিয়া

মোহনবাগান দিবসে ডার্বি নিয়ে ইস্টবেঙ্গলকে খোঁচা দিলেন দেবাশিস দত্ত!

ইমামির সঙ্গে এখনও চুক্তিপত্রে সরকারিভাবে সই হয়নি ইস্টবেঙ্গলের। সামনের মরশুমের জন্য দলগঠন প্রক্রিয়াও মাঝপথে। সামনের সপ্তাহে অনুশীলন শুরু হওয়ার কথা। ডুরান্ড কাপের আগে দল কতটা গুছিয়ে নিতে পারবেন, সন্দিহান ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। তাই আবেদন জানিয়েছিলেন ডুরান্ড কাপের ডার্বি পিছিয়ে দেওয়ার জন্য। লালহলুদের আর্জি মেনে ডার্বির দিনও পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। ১৬ আগস্টের পরিবর্তে ২৮ আগস্ট ইস্টবেঙ্গলমোহনবাগান ম্যাচ আয়োজিত হতে পারে। ডার্বি পিছিয়ে যাওয়ায় ইস্টবেঙ্গলকে খোঁচা দিলেন মোহনবাগান সচিব দেবাশিস দত্ত।শুক্রবার ছিল মোহনবাগান দিবস। ২ বছর পর সবুজমেরুণ তাঁবুতে ফিরল সেই চেনা পরিবেশ। ক্লাব কর্তা, সদস্যসমর্থকদের ভিড়ে দুপুর থেকেই তাঁবু রীতিমতো সরগরম। এর মাঝেই ইস্টবেঙ্গলকে খোঁচা দিলেন মোহনবাগান সচিব। এদিন দেবাশিস দত্ত বলেন, দেড় মাস আগে ডুরান্ড কাপ নিয়ে ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের উপস্থিতিতে বৈঠক হয়েছিল। সেই বৈঠকে ক্রীড়ামন্ত্রী বলেছিলেন ১৬ আগস্ট খেলা হবে দিবস। ওই দিন ডুরান্ড কাপের উদ্বোধনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি হাজির থাকবেন। ইস্টবেঙ্গলমোহনবাগান ম্যাচ দিয়ে ডুরান্ড কাপের উদ্বোধন হলে ভাল হয়। আমাদের সমস্যা থাকলেও সেদিন আপত্তি জানাইনি। ইস্টবেঙ্গলও আপত্তি জানায়নি। ডুরান্ডের আয়োজক সেনাবাহিনীর কর্তারাও রাজি ছিলেন। এখন শুনছি ইস্টবেঙ্গল নাকি ডার্বি ম্যাচ দিয়ে ডুরান্ড কাপ শুরু করতে চাইছে না। ওদের এখনও দল গঠন হয়নি বলে দেরি করে ডুরান্ডে নামতে চাইছে। আমরা প্রস্তাব দিয়েছিলাম ডুরান্ড কাপ পিছিয়ে দেওয়া হলেও ডার্বি ম্যাচ দিয়ে উদ্বোধন হোক। কিন্তু ইস্টবেঙ্গল প্রথম ম্যাচে আমাদের বিরুদ্ধে খেলতে চাইছে না। এ তো পালিয়ে যাওয়ার সামিল।২২ আগস্ট ইস্টবেঙ্গল ডুরান্ড কাপে মাঠে নামতে চাইছে। মোহনবাগানের প্রথম ম্যাচ ২০ আগস্ট। মোটামুটিভাবে ঠিক হয়েছে ২৮ আগস্ট ডার্বি ম্যাচ হবে। ডুরান্ড কাপ পিছিয়ে দেওয়াটা ভালভাবে নিচ্ছেন না সবুজমেরুণ কর্তারা। মোহনবাগান সচিব বলেন, ডার্বি ম্যাচ দিয়ে ডুরান্ড অভিযানে নামব বলে আমরা অনুশীলন শুরু করে দিয়েছি। কোচ এসে গেছেন। বিদেশি ফুটবলাররাও কয়েকদিনের মধ্যে এসে যাবে। আর এখন কিনা ইস্টবেঙ্গল বলছে ডুরান্ড কাপ পিছিয়ে দিতে। একটা ক্লাবে বছর বছর লগ্নিকারী সংস্থা বদলাবে। সেইজন্য প্রতিযোগিতার সূচি বদলাবে। এটা হতে পারে না।

জুলাই ২৯, ২০২২
রাজ্য

আজব ঘটনা, বাবার লকার ভেঙে লক্ষ লক্ষ টাকা ও গয়না চুরি করে ছেলে পুলিশের জালে

বাবার লকার ভেঙ্গে লক্ষাধিক টাকা ও সোনার গয়না নিয়ে চম্পট দিয়েও শেষ রক্ষা হলো না প্রতিষ্ঠিত হার্ডওয়ার ব্যবসায়ীর ছেলে ঈশানের। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা জুড়ে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বংশীহারী থানার পুলিশ শিলিগুড়ির এক ফ্ল্যাট থেকে প্রচুর টাকা, গয়নাসহ গ্রেফতার করে অভিযুক্ত ঈশানকে। এদিন বংশীহারী থানার পুলিশ নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রজু করে ও গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতে পাঠানো হয় তাকে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত ঈশান কারজাইয়ের বাড়ি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বুনিয়াদপুর পৌর এলাকার বড়াইলে। বুনিয়াদপুরে প্রতিষ্ঠিত হার্ডওয়ার ব্যবসায়ীর পুত্র। ধৃতের নামেই বাবার ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের নাম। ধৃতের বাবা আবু তাহের রহমানের অভিযোগ, গত ১৮ জুলাই তার ছেলে ঈশান কারজাই(২০) বাড়ির লকার ভেঙ্গে ৯ লক্ষ টাকা ও সোনার গয়না নিয়ে পালিয়ে যায়। পরিবারের লোক অনেক খোঁজাখুঁজি করে ছেলেকে না পেয়ে ২৩ জুলাই ঈশানের বাবা আবু তাহের বংশীহারী থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামে বংশিহারী থানার পুলিশ। এএসআই বিপ্লব দাসের নেতৃত্বে মোবাইল লোকেশন ধরে শিলিগুড়িতে পৌঁছে যায় তাঁরা।জানা গেছে ১৯ জুলাই থেকে ২৫ শে জুলাই পর্যন্ত সে শিলিগুড়ির বিভিন্ন হোটেলে রাত্রিযাপন করে। ২৬ শে জুলাই শিলিগুড়ি রবীন্দ্রসরণির রাজা রামমোহন রায় রোডে বিবেকানন্দ পল্লী এলাকায় ঈশান একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নেয়। মোবাইল টাওয়ার ধরে স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতায় ফ্ল্যাটটিতে পৌঁছায় এএসআই বিপ্লব দাস সহ অন্যান্যরা। হাতেনাতে ফ্ল্যাটটি থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয় প্রায় সাত লক্ষ টাকা। একটি সোনার আংটি ও একজোড়া কানের দুল।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কয়েক বছর আগে এই পরিবার দিল্লিতে থাকতেন। হঠাৎ করে কয়েক বছর আগে বুনিয়াদপুরের বেশ কয়েকটি বাড়িসহ হার্ডওয়ার দোকান দিয়ে জাকিয়ে বসেছেন এই ব্যবসায়ী। দিল্লিতে এখনও যাওয়া আসা আছে। গত এক বছর আগে ঈশান কারজাই দিল্লি থেকে বুনিয়াদপুরে চলে আসে। মালদহ-তেও নাকি কিছুদিন ছিল ঈশান। কয়েকদিন আগে ঈশান বুনিয়াদপুর, হরিরামপুর ও গঙ্গারামপুরে মোমোর স্টল বসিয়েছিল। মালদা, অসম ও শিলিগুড়ি থেকে সাত জন নেপালি ছেলেদের বাড়িতে রেখে মোমো বানিয়ে তাদের দিয়ে সেই স্টলগুলি পরিচালনা করতো বুনিয়াদপুর থেকে। ভালোই চলছিল সেই মোমোর দোকানগুলি। কোনও অজ্ঞাত কারণে কয়েক সপ্তাহের পর সেই মমোর স্টলগুলি বন্ধ হয়ে যায়।বংশীহারী থানার আইসি মনোজিত সরকার বলেন, বাড়ি থেকে লকার ভেঙ্গে ৯ লক্ষ টাকা ও সোনার গয়না নিয়ে পালিয়েছিল ঈশান কারজাই। বাবা আবু তাহের রহমানের অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার শিলিগুড়ি থেকে লক্ষাধিক টাকা, সোনার গয়না সহ ঈশানকে গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রজু করে তাকে গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

জুলাই ২৯, ২০২২
রাজ্য

'ঘনিষ্ঠ বন্ধু' অর্পিতা'র ফ্ল্যাট থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হলেও পার্থ'র কাছে না আছে 'বাড়ি , না গাড়ি...! সম্বল সামান্য কিছু টাকা......

বুধবার বিকেল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ইডি দাবি করেছে, এই ১৯ ঘণ্টার ম্যারাথন অভিযানে বেলঘড়িয়ায় পার্থ চ্যাটার্জির ঘনিষ্ঠ বন্ধু অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে ২৭ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা নগদ উদ্ধার হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে শুক্রবার, ইডি জানিয়েছিল টালিগঞ্জের করুণাময়ী অভিজাত আবাসনে অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে ২১ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। অর্থাৎ দু-দিনে সব মিলিয়ে ৪৯.৮ কোটি টাকা উদ্ধার করল ইডি। এখন প্রশ্ন হল, তাঁর কি আসলেই এত টাকা আছে? যদিও এই টাকা তার অন্তরঙ্গ বন্ধুর বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল, সুত্রের খবর, অর্পিতা দাবি করেছেন যে সমস্ত টাকা বা সম্পদ যা এখনও অবধি পাওয়া গেছে তা সবই পার্থর। যদিও ইডি এখনও কিছু এ ব্যাপারে জানায়নি।২০২১ এ বিধানসভা নির্বাচনে পার্থ বেহালা পশ্চিম কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের পার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। সেই সময় তিনি নির্বাচন কমিশনে যে নমিনেশনের জমা দিয়েছেলেন তাতে এক হলফনামা জমা দেন, সেই হলফনামাতে তৃণমূলের এই অপসারিত হেভিওয়েট নেতা সম্পত্তির যা বিবরন দেন তা নিম্নরূপঃ১। সে সময় পার্থর কাছে নগদ ১ লাখ ৪৮ হাজার ৬৭৬ টাকা ছিল। তার সাথে দুটি ব্যাংকের ৪টি শাখায় তাঁর রয়েছে ২৪ লাখ ৮১ হাজার, ২৩ লাখ ৩২ হাজার ৯৩৫, ১৫ লাখ ১ হাজার ১৬১ ও ১ লাখ ৮ হাজার ৬৯ টাকা জমা ছিল।২। একটি জীবন বীমা পলিসি তার নামে ছিল, যার সাম অ্যাসিওর ২৫ লাখ টাকা। জীবন বীমা, ব্যাংকে জমাসহ তাঁর মোট সঞ্চয় ৯০ লাখ ৯৪ হাজার ৮৬৩ টাকা!৩। পার্থ নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছেন, তাঁর একটি গাড়িও নেই।৪। পারিবারিক সূত্রে বা নিজের উপার্জন থেকে কেনা কোনও কৃষিজমিও তার নেই।৫। পার্থ জানান, পারিবারিক সূত্রে তার একটি বাড়ি রয়েছে। ওই বাড়ি নাকতলায়। নাম বিজয়কেতন। প্রসঙ্গত, গত শনিবার ওই বাড়ি থেকেই পার্থকে গ্রেফতার করে ইডি।৬। হলফনামায় পার্থ জানিয়েছেন, বাবার কাছ থেকে পাওয়া দেড় কাঠা জমিতে বানানো বাড়িটি পেয়েছেন তিনি। বাড়িটি নির্মান করা হয়েছিলো ১৯৮৯-এ। তৎকালীন মুল্যে সেই বাড়িটি তৈরি করতে খরচ হয়েছিল ৬ লাখ টাকা। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী বাড়িটির আনুমানিক মুল্য ২৫ লাখ টাকা।৭। পার্থ হলফনামায় দাবি করেছেন যে তাঁর কাছে কোনও সোনা-হীরে-প্ল্যাটিনামের গয়না নেই!৮। এ ছাড়া পার্থের জমা দেওয়া হলফনামায় বলা হয়েছে, তার নামে কোথাও কোনো ঋণ নেই।৯। এছাড়াও, তিনি আরও জানান যে ২০১৯-২০ অর্থ বছরে মোট আয় ছিল ৫ লাখ ৩৯ হাজার ৭২০ টাকা।১০। পার্থের হলফনামা অনুযায়ী, পার্থের মোট স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৯০ লাখ ৯৪ হাজার ৮৬৩ টাকা।এসএসসিতে স্কুল শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থর নাম জড়ানোর পর, সম্প্রতি তাকে ইডি গ্রেপ্তার করেছে। যদিও তার বাড়ি থেকে বিশেষ কিছু উদ্ধার হয়নি, ইডি দাবি করেছে যে পার্থ চ্যাটার্জির ঘনিষ্ঠ বন্ধু অর্পিতার দুটি ফ্ল্যাট থেকে তারা প্রায় ৪৯.৪ কোটি টাকা ও প্রচুর পরিমাণে সোনার গহনা উদ্ধার করেছে।

জুলাই ২৮, ২০২২
রাজ্য

'নেত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম পাইনি'- পার্থ

গ্রেফতার করার পর শারীরিক পরীক্ষার জন্য রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে যাওয়া হয় জোকার ইএসআই হাসপাতালে। সেখান থেকে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, নেত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম পাইনি। একথা বলার সময় তাঁর গলায় স্পষ্ট ছিল হতাশার সুর। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় শনিবার সকালে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সারা কলকাতার রাস্তা ঘুরিয়ে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় জেকার ইএসআই হাসপাতালে। এর আগে তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন এই তদন্তের ক্ষেত্রে কেন দায় নেবে না দল। যা বলার তদন্তে অভিযুক্ত বা তাঁর আইনজীবী বলবেন।

জুলাই ২৩, ২০২২
রাজ্য

শহর কলকাতার নানা পথ ঘুরে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী কেন্দ্রীয় হাসপাতালে

কলকাতার সারা রাস্তা ঘুরিয়ে শেষমেশ জোকা ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল স্কুল সার্ভিস কমিশনে নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া তৃণমূলের মহাসচিব এবং রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। টানা ২৭ঘন্টা জেরা করার আজ শনিবার সকালে তৃণমূলের মহাসচিবকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় আর্থিক দুর্নীতি দমন শাখা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে তাঁর নাকতলার বাসভবন থেকে গ্রেফতার করে কলকাতা শহরের নানা রাস্তা ঘুরিয়ে নিয়ে আসা হয় জোকা কেন্দ্রীয় সরকারের অধিনস্ত ইএসাআই হাসপাতালে। প্রথমে মনে করা হচ্ছিল সল্টলেকের সিজিও কম্পলেক্স-এ নিয়ে যাওয়া হবে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। সুত্রের খবর, এরপর ইডির তরফে দিল্লিতে যোগাযোগ করে সেখানকার নির্দেশেমত পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের স্বাস্থ পরীক্ষার জন্য জোকা ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। প্রতিবেদন প্রাকাশের মুহুর্ত অবধি তৃণমূলের মহাসচিব এবং রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ইএসআই হাসপাতালের চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে আছেন।

জুলাই ২৩, ২০২২
রাজ্য

র‍্যালির পর পূ্র্ব বর্ধমানের প্রথমিক বিদ্যালয়ের ৫০ জন ছাত্র-ছাত্রী অসুস্থ, অবরোধ- বিক্ষোভ

পূর্ব বর্ধমানের আউশা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ুয়ারা অসুস্থ হয়ে পড়েছে। জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে আউশা প্রাথমিক স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের একটি শোভাযাত্রা বের হয়। সেই র্যালির পর পড়ুয়াদের কেক ও গ্লুকোজ জল দেওয়া হয়। এরপরই পড়ুয়ারা অসুস্থ হয়ে যায়। মাথাঘোরা, ঘা বমি শুরু হয়। অচেতন হয়ে পড়ে তারা। অসুস্তদের একটি গাড়ি ও একটি বাসে করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে আসা হয়। এখনও পর্যন্ত প্রায় ৫০ জনকে আনা হয়েছে। তারা বর্ধমান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।এই ঘটনায় স্থানীয় নবস্থা পঞ্চায়েত অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখায় এলাকার মানুষজন। রাস্তায় গাছ ফেলে চলে বিক্ষোভ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায় মেমারী থানার পুলিশ। নবস্থা পঞ্চায়েতে থাকা একটি এ্যাম্বুলেন্সে ভাঙচুর চালায় বিক্ষোভকারীরা। অভিযোগ, শেষমেশ বিক্ষোভকারীদের হঠাতপতে লাঠি চার্জ করে পুলিশ। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। অসুস্থ ছাত্রছাত্রীদের দেখতে বর্ধমান হাসপাতালে পৌঁছায় বর্ধমান জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি দেবু টুডু, বিধায়ক অলোক মাঝি প্রমুখ।

জুলাই ২২, ২০২২
রাজ্য

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তৃণমূলের অভ্যন্তরের বিশ্বাসঘাতকতা নিয়ে ভয়ঙ্কর অভিযোগ শুভেন্দু অধিকারীর, তৃণমূলের ভোট কার ঘরে?

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তৃণমূল ক্রশ ভোটিং করেছে বলে দাবি করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কেউ ভোট দিয়েছেন এনডিএ প্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মুকে, আবার কারও কারও ভোট বাতিল বলে ঘোষিত হয়েছে। বিরোধী দলনেতার এহেন অভিযোগে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। তবে তৃণমূল কংগ্রেস এ ব্যাপারে কোনও প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেনি।এদিনই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগণনা ছিল। তৃণমূলের শহিদ দিবসের দিন সাধারণত অন্য দল থেকে ঘাসফুল শিবিরে কেউ কেউ যোগ দেন। এবার এই দিনে তৃণমূলের অভ্যন্তরে বিশ্বাসঘাতকতা হয়েছে বলে শুভেন্দু অধিকারী টুইট করে অভিযোগ করে বসলেন।রাজ্য বিধানসভা থেকে দ্রৌপদী মুর্মু ভোট পেয়েছেন ৭১টি। শুভেন্দুর বক্তব্য, ইচ্ছাকৃতভাবে তৃণমূলের চার বিধায়ক নিজেদের ভোট বাতিলযোগ্য করেছেন। এক বিধায়ক দ্রৌপদী মুর্মুকে ভোট দিয়েছেন। কারণ, তাঁরা তৃণমূল কংগ্রেসের হুইপ মেনে বিরোধীদের প্রার্থী যশবন্ত সিনহাকে ভোট দিতে চাননি। দ্রৌপদী মুর্মুকে রাজ্যের ৭০ জন বিজেপি বিধায়কের ৭০ জনই ভোট দেবেন। তাহলে ১টি ভোট কে দিলেন? তৃণমূলের এক বিধায়ক বিধানসভায় ক্রশ ভোট দিয়েছেন বলে শুভেন্দুর দাবি।As promised by me all 70 @BJP4Bengal MLAs voted in favour of Smt. Draupadi Murmu ji.While 1 @AITCofficial MLA cross voted in favour of the President Elect, 4 TMC MLAs ensured that their votes were regarded invalid !71 votes were polled in favour of Smt. Murmu ji in WB Assembly: pic.twitter.com/QDwIy2LKkB Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) July 21, 2022এমনকী লোকসভা এবং রাজ্যসভা মিলিয়ে তৃণমূলের ৪ সাংসদের ২ জন দ্রৌপদী মুর্মুকে ভোট দিয়েছেন বলেই দাবি শুভেন্দু অধিকারীর। বাকি দুজনের ভোট বাতিল হয়েছে। বিজেপির প্রশ্ন তাহলে যাঁরা প্রকাশ্যে তৃণমূলেই আছেন তাহলে তাঁরা কি করে দ্রৌপদী মুর্মুকে ভোট দিলেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, ভোটের আগে বিজেপি-তৃণমূল দুপক্ষই দাবি করেছিল বিরোধী দলের সাংসদ-বিধায়করা ক্রশ ভোট করবেন। শুভেন্দুর দাবি নিয়ে জোর জল্পনা চলছে রাজনৈতিক মহলে।

জুলাই ২২, ২০২২
রাজ্য

মোবাইলে নিষেধাজ্ঞা কলকাতা পুলিসের, আর ফোন নিয়ে সরকারি ডিউটি করা যাবে না

পুলিসের ফোন ব্যবহার বিধিনিষেধ নিয়ে কড়া নির্দেশিকা লালবাজারের। কয়েকদিন আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির অনুপ্রবেশ ঘিড়ে তুলকালাম পুলিস মহলে। হাফিজুল মোল্লা নামে এক ব্যক্তির অনুপ্রবেশের পর থেকেই পুলিশি নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠেছে। সরকার বিরোধী শিবির বাম, বিজেপি ও কংগ্রেস প্রশ্ন তোলে, যেখানে জেড ক্যাডাগড়ি ভুক্ত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিঘ্নিত, সেখানে রাজ্যের সাধরণ মানুষের কথা যত কম বলা যায় ত্তি ভালো। তাঁর পরবর্তি সময়ে কলকাতা পুলিস বেশ কিছু কড়া সিদ্ধান্ত নেয়। তাঁর মধ্যে প্রথমেই তারা নজর দেয় নবান্নের নিরাপত্তায়। তখন তাঁরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো, রাজ্যের প্রধান করণ নবান্নতে এর পর থেকে কর্তব্যরত কোনও পুলিশকর্মী মোবাইল ফোন নিয়ে ডিউটি করতে পারবেন না। তাঁদের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন জমা রেখে ডিউটি করতে হবে। সেই নিয়মই বলবত থাকে মুখ্যমন্ত্রীর বসতবাড়ি কালীঘাটেও।নবান্ন বা কালিঘাটের মুখ্যমন্ত্রীর বারিতে থেমে না থেকে কলকাতা পুলিস এবার আরও কড়া ব্যবস্থা নিল। মঙ্গলবার কলকাতা পুলিশ ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন ব্যবহারে আরও কঠোর নিয়ম জারি করল। তাঁরা জানিয়েছে, কর্তব্যরত অবস্থায় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মোবাইল ফোন ব্যবহার আর করা যাবে না। লালবাজার সুত্রে জানা যায়, বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কর্তব্যরত অবস্থায় পুলিসকে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেখা গেলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আরও জানা গেছে কেউ যদি, কিউআরটি/এইচআরএফএস, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ বা সেন্ট্রি ডিউটিতেও থাকে তাহলেও মোবাইল ফোন ব্যবহার করা যাবে না।মঙ্গলবার কলকাতার পুলিশ কমিশনার পুলিসের মোবাইল ফোন ব্যবহার নিয়ে বেশ কিছু কড়া নির্দেশ দিয়েছেন। মনে করা হচ্ছে, কিছুদিন আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির অনুপ্রবেশের পর পুলিসি ব্যবস্থার প্রতি সাধরণ মানুষের প্রশ্ন জাগতেই এতটা তৎপরতা। সেই ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে সর্বস্তরে এক বড় প্রশ্ন ওঠে।লালবাজার সুত্রে জানা গেছে, মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে যারা থাকবেন, তাঁদেরও মোবাইল ব্যবহার নিষেধাজ্ঞা জারী করা হয়েছে। এদিনের লালবাজারের এই নির্দেশিকা মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সেই ঘটনার প্রতিফলন বলে ভাবছে অভিজ্ঞ মহল।

জুলাই ২০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

জেলবন্দি সরকারি আধিকারিকের সাথে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করার অপরাধে মুম্বাই থেকে গ্রেপ্তার চিত্র পরিচালক

জেলে বন্দী সরকারি অফিসারের (IAS) সঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ছবি শেয়ার করায় মঙ্গলবার মুম্বাই থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে চলচ্চিত্র নির্মাতা অবিনাশ দাসকে গ্রেফতার করেছে আহমেদাবাদ ক্রাইম ব্রাঞ্চ।আহমেদাবাদ ক্রাইম ব্রাঞ্চ সুত্রে খবর, অবিনাশ দাস গ্রেফতার হওয়া ঝাড়খণ্ড ক্যাডারের আইএএস অফিসার পূজা সিংঘলর সাথে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের একটি ছবি তাঁর সামাজিক মাধ্যম টুইটারে শেয়ার করেছিলেন এবং সেখানে ক্যাপশন দিয়েছিলেন যে, অফিসারের গ্রেপ্তারের আগে ছবিটি তোলা হয়েছিল।উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) অর্থ পাচারের অভিযোগে আইএএস অফিসার পূজা সিংঘলকে গ্রেপ্তার করেছিল। ইডি অফিসারদের সিংঘলের বাড়ি থেকে নগদ বাজেয়াপ্ত করার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।চলচ্চিত্র নির্মাতা অবিনাশ দাসঅবিনাশ দাস, মুম্বাইয়ে এক ব্যস্ততম চিত্র পরিচালক। তিনি আনারকলি অফ আরা মত জনপ্রিয় ছবির পরিচালনা করেছেন। এছাড়াও রাত বাকি, সি, রানওয়ে লুগাই ছবি গুলির পরিচালনা করেছেন।এফআইআর অনুসারে, দাস মানুষকে বিভ্রান্ত করতে এবং শাহের সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য ৮ মে, ২০২২-এ অমিত শাহের একটি পাঁচ বছর আগের ছবি শেয়ার করেছিলেন। অবিনাশ দাসের বিরুদ্ধে আইপিসি ৪৬৯ ধারা (জালিয়াতি), আইটি আইনের ৬৭ ধারা এবং জাতীয় সম্মানের অবমাননা প্রতিরোধ আইন, ১৯৭১-এর ধারাগুলির অধীনে মামলা করা হয়। দাসকে আগামীকাল আহমেদাবাদ মেট্রো কোর্টে পেশ করা হবে।

জুলাই ২০, ২০২২
রাজ্য

গলসিতে সমীকরণ চেঞ্জ, তৃণমূলের নতুন গোষ্ঠীর উত্থান

শহিদ দিবসে মুখে গোষ্ঠী কোন্দলে দাঁড়ি টেনে তৃণমূলের ঐক্যের ছবি দেখা গেল গলসির ১ ব্লকে। রবিবার বিকেলে রামগোপালপুর বাজারে একুশে জুলাই প্রস্তুতি পথসভাতে একই সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মাথা গলসি ১ ব্লকের সভাপতি জনার্দন চট্টোপাধ্যায় ও প্রাক্তন ব্লক সভাপতি তথা জেলা তৃণমূলের সহ সভাপতি জাকির হোসেন। জামালপুরের বিধায়ক (গলসির প্রাক্তন বিধায়ক) তথা জেলা যুব তৃণমূলের সভাপতি অলোক মাঝি, তৃণমূলের ব্লক সংখ্যালঘু সেলের চেয়ারম্যান জাহির আব্বাস, গলসি ১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রোকেয়া বেগম প্রমুখ। জনার্দনবাবু বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, আমরা সকলকে ডেকেছিলাম। জাকির হোসেন এসেছেন। সবাই দলের হয়ে লড়াই করবো। আর জাকিরবাবুর বক্তব্য, আমাদের মধ্যে ভুলবোঝাবুঝি ছিল। তবে আমাকে ব্লক সভাপতি ডেকেছিলেন। জনার্দন দা আমার রাজনৈতিক গুরু। গুরুর ডাকে এসেছি। এবার গুরুশিষ্য এক সঙ্গে দলের কাজ করবো। যদিও বিরোধীদের দাবি, আজই নতুন গোষ্ঠীর আনুষ্ঠানিক সূচনা হলো। সেই গোষ্ঠীর এক দিকে প্রধান জাকির, জনার্দন আর অন্যদিকে বিধায়ক নেপাল ঘরুই, দল যুব সভাপতি পার্থ মণ্ডল, গলসি ১ পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি অনুপ চট্টোপাধ্যায়। বিজেপির এক জেলা নেতার দাবি, এবার তো গলসি ১ ব্লকের তৃণমূলের নতুনগোষ্ঠীর খেলা হবে। রাজনৈতিক মহলের দাবি,গলসিতে তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব নতুন নয়। দলের বিভাজন তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর থেকেই। তখন এক গোষ্ঠীর মাথায় ছিলেন জনার্দনবাবু আর অন্য গোষ্ঠীর শীর্ষে ছিলেন প্রাক্তন জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ পরেশ পাল। মাঝে দুজনেই রাজনীতি থেকে অনেকটাই দূরে সরে যান। সেই সময়ে দলের ব্লক সভাপতি দায়ীত্ব সামলদেন জাকির হোসেন। আর দলের ব্লক যুব সভাপতির পদে আসীন ছিলেন পার্থ মণ্ডল। তখন এক গোষ্ঠীর একটি মাথা হয়ে যান জাকিরবাবু আর অপর গোষ্ঠীর শীর্ষে থেকে যান পার্থবাবু। কিন্ত ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব জাকিরকে সরিয়ে এক প্রকার ঘর থেকে তুলে এনে জনার্দনবাবুকে ব্লক সভাপতির পদে বসিয়ে দেন। সেই থেকেই জনার্দনের সঙ্গে জাকিরের সম্পর্কের অবনতি শুরু। তারপরে ব্লকে একাধিক বার একাধিক গ্রামে অশান্তির ঘটনা ঘটে। লাগাতার বোমা গুলিগালা চলে। শনিবার সন্ধ্যাতেও খলসেগড়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে মারামারি হয়। ভাঙচুর হয় বাইক, টোট সহ দলীয় কার্যলয়। এই পরিস্থিতির জন্যও জাকির গোষ্ঠী এবং জনার্দন গোষ্ঠী পরস্পরকে দোষারোপ করে।দলের একাংশের দাবি, ক্রমে এই কোন্দল চরমে পৌঁছেছে। শুধু তাই নয়, বিধানসভা ভোটের প্রচার নিয়েও বিবাদ প্রকাশ্যে এসেছিল। গলসি বিধানসভার দলীয় প্রার্থী নেপাল ঘরুই সমর্থনে পৃথক প্রচার চালায় দুই গোষ্ঠী।দলীয় কর্মীদের দাবি, দলের ক্রমাগত দ্বন্দ্বের ফলে গত লোকসভা নির্বাচনে গলসি বিধানসভাতে বিজেপি থেকে অনেকটা পিছিয়ে গিয়েছিল তৃণমূল।লোকসভাতে পিছিয়ে থাকা তার উপর দলের চরম গোষ্ঠী কোন্দল বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূল কে ভাবিয়ে তুলেছিল বলে দাবি তাঁদের। তাঁরা জানান, এমন পরিস্তিতি তৈরি হয় অলোক মাঝিকে গলসি বিধানসভা থেকে সরিয়ে তার পরিবর্তে নেপাল ঘরুইকে ২০২১ সালে প্রার্থী করতে হয়। সেই সময় বহু পরিশ্রম করে তৃণমূলকে বৈতরণী পার হতে হয়েছে। গলসিতে তৃণমূল জিতলেও গোষ্ঠীকোন্দল কিছুতেই থামছিল না। জেলার এক নেতার দাবি, এই পরিস্থিতিতে দলের স্বার্থেই বিবদমান দুই নেতাকে কাছাকাছি আনার চেষ্টা চালানো হচ্ছিল। সামনে পঞ্চায়েত, বছর দুয়েকের মধ্যে আবার লোকসভা ভোট। এই পরিস্থিতিতে দলের দ্বন্দ্ব মিটানোই লক্ষ্য। কিন্তু, তা হয়ে উঠছিল না। এ দিন মিছিলের পরে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেন জেলা নেতৃত্ব। হাঁফ ছাড়েন অলোকবাবুও। তিনি বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, ২০১৬ সালের এই টিম গলসি বিধানসভা জিতিয়ে দিদির হাতে তুলে দিয়েছিল। আবার এক মঞ্চে তারা। খুব ভালো লাগছে। অলোক বাবু আশাবাদী হলেও এদিন সভাতে দেখা যায়নি, গলসির বিধায়ক নেপাল ঘরুই, ব্লকের যুব সভাপতি পার্থবাবুকে, দলের সংখ্যালঘু সেলের জেলা সহ সভাপতি মহম্মদ মোল্লা আর গলসি ১ পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি অনুপ চট্টোপাধ্যায়কেও। দলের একাংশের দাবি, তাঁরা জাকিরবাবু বিরোধী হয়ে উঠেছে। এক সঙ্গে বিভিন্ন জায়গাতে মিছিল মিটিংও করছেন। জাকিরবাবু আর জনার্দনবাবুকে এক করতে গিয়ে নতুন একটা গোষ্ঠীর জন্ম করে দিয়ে গেলেন অলোকবাবু এমনটাই অভিযোগ দলের নীচু তলার বহু কর্মীর।

জুলাই ১৭, ২০২২
দেশ

কেন বিজেপি এনডিএ-র উপরাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হিসাবে জগদীপ ধনকড়কে বেছে নিল?

ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) বাংলার রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে এনডিএ-র সহ-রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসাবে বেছে নিয়েছে। উপরাষ্ট্রপতি পদের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৬ আগস্ট। এই পদে ধনকড়কে বেছে নেওয়ার কারণ হিসাবে অভিজ্ঞ মহল মনে করছে, রাজস্থান এবং হরিয়ানায় আসন্ন নির্বাচন যথাক্রমে ২০২৩ এবং ২০২৪ সালে হবে, এই দুই রাজ্যই কৃষি প্রধান, বিজেপি সে হাওয়া কাজে লাগিয়ে রাজনৈতিক লভ্যাংশ তোলার অঙ্কে ঝাঁপিয়েছে। ধনকড়ের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, গ্রামীণ পটভূমি এবং জাট সম্প্রদায়ের সমর্থন বিজেপির পক্ষে কাজ করবে বলে তাঁদের আশা।কিষাণ পুত্রধনকড়ের নাম ঘোষণা করার সময়, ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা ধনকড়কে একজন কিষাণ পুত্র (কৃষকের সন্তান) হওয়ার জন্য প্রশংসা করে বলেছিলেন ধনকড় নিজেকে জনগণের রাজ্যপাল হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। জেপি নাড্ডা ধনকড়ের নম্র স্বভাব এবং মানুষের সাথে নিবিড় সংযোগ স্থাপন করার ক্ষমতা বিশেষ ভাবে উল্লেখ করেন।Kisan Putra Jagdeep Dhankhar Ji is known for his humility. He brings with him an illustrious legal, legislative and gubernatorial career. He has always worked for the well-being of farmers, youth, women and the marginalised. Glad that he will be our VP candidate. @jdhankhar1 pic.twitter.com/TJ0d05gAa8 Narendra Modi (@narendramodi) July 16, 2022এখানে উল্লেখ্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও তাঁর সামাজিক মাধ্যমে উপরাষ্ট্রপতি পদ পার্থী জগদীপ ধনকড়কে কিষাণ পুত্র বলে সম্বোধন করেছেন। তিনি টুইটে লিখেছেন, কিষাণ পুত্র জগদীপ ধনকড়-জি তাঁর নম্র স্বভাবের জন্য পরিচিত। তিনি একজন বিখ্যাত আইনজীবী। তিনি আইন প্রণয়ন, প্রশাসন এবং সরকারের মধ্যে এক যোগসুত্র তৈরি করেন। তিনি সর্বদা কৃষক, যুবক, মহিলা এবং প্রান্তিকদের কল্যাণের জন্য কাজ করেছেন। আমরা এই ভেবে যার পরনাই আনন্দিত যে তিনি আমাদের উপরাষ্টপতি প্রার্থী হবেন।জগদীপ ধনকড় রাজস্থানের ঝুনঝুনু জেলার কিথানা গ্রামের আদি বাসিন্দা। ভারতীয় জনতা পার্টি, কৃষক পুত্র ধনকড়কে বেছে নিয়ে কৃষকদের কাছে একটি বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছে যে এটি একটি কৃষকপন্থী দল।সাংবিধানিক জ্ঞানপশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের প্রগাঢ় আইনি ও আইনিসভার অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি ১৯৮৯-এ ঝুনঝুনু সংসদীয় নির্বাচনী এলাকা থেকে নবম সাংসদ নির্বাচিত হন। তিনি চন্দ্রশেখর সরকারের সংসদীয় বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।তিনি ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৮ অবধি রাজস্থানের আজমির জেলার কিষাণগড় বিধানসভায় জয়লাভ করে রাজস্থান বিধানসভায় নির্বাচিত হয়েছিলেন।ধনকড় লোকসভা এবং রাজস্থান বিধানসভা উভয় ক্ষেত্রেই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে দ্বায়িত্ব পালন করেছেন। ধনকড় সুপ্রিম কোর্ট এবং রাজস্থান হাইকোর্ট দুই জায়গাতেই বর্ষীয়াণ আইনজীবী ছিলেন।৩০ জুলাই, ২০১৯-এ ধনকড় বিধানসভা ভোটের আগে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল নিযুক্ত হয়েছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসন এবং রাজ্য বিধানসভার সাথে কোনও বিতর্ক উত্থাপনের সময় তিনি বারবার উল্লেখ করেছেন যে, তিনি আইন এবং সংবিধান অনুসরণ করে চলবেন।ধনকড়ের প্রশংসা করে, প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছেন যে তিনি আইন প্রণয়ন বিষয়ে বিশেষ পারদর্শী এবং রাজ্যসভার জন্য তিনি একদম সঠিক ব্যক্তি হবেন।রাজনৈতিক এবং আইনগত অভিজ্ঞতাতিনি রাজ্যসভার চেয়ারম্যান হয়ে গেলে, জগদীপ ধনকড়ের রাজনৈতিক ও আইনি অভিজ্ঞতা বিজেপিকে উচ্চকক্ষে বিল পাস করতে এবং বিরোধী নেতারা যেখানে বেশি সক্রিয় থাকে সেখানে হাউস চালানোর জন্য চুক্তিগুলি সহজতর করতে সহায়তা করতে পারে।Shri Jagdeep Dhankhar Ji has excellent knowledge of our Constitution. He is also well-versed with legislative affairs. I am sure that he will be an outstanding Chair in the Rajya Sabha guide the proceedings of the House with the aim of furthering national progress. @jdhankhar1 pic.twitter.com/Ibfsp1fgDt Narendra Modi (@narendramodi) July 16, 2022উপ-রাষ্ট্রপতি পদে বসে, জগদীপ ধনকড়ের বর্তমান চ্যালেঞ্জ হল রাজ্যসভার কার্যকারিতা বৃদ্ধি করা এবং মুলতুবি থাকা বিলগুলিতে ঐক্যমতে পৌঁছানো। এইমুহুর্তে রাজ্যসভায় ২৬টি বিল মুলতুবি রয়েছে।জাট ফ্যাক্টররাজস্থান এবং হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচন যথাক্রমে ২০২৩ এবং ২০২৪-এর নির্ধারিত, এবং সেই ভোটে জয়-পরাজয়ে বিশেষ ভূমিকা থাকবে জাট ভোটারদের। বিজেপির আশা সেই ভোটে ধনকড়ের উপরাষ্ট্রপতি একটা ফ্যাক্টর হয়ে উঠবে।যদিও জাটরা রাজস্থানের জনসংখ্যার প্রায় ১০ শতাংশ, শেখাওয়াতি এবং মারওয়ার অঞ্চলে তাদের উল্লেখযোগ্য প্রভাব রয়েছে। এদিকে, কয়েক দশক ধরে হরিয়ানার রাজনীতিতে জাট সম্প্রদায়ের আধিপত্য রয়েছে। বর্ণ সমীকরণের অঙ্ক বিজেপিকে ২০১৪-র হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচনে রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের সুযোগ দিয়েছে।২০১৩ পর্যন্ত, বিজেপি ব্রাহ্মণ, ব্যবসায়ী ও রাজপুতদের দল হিসাবে পরিচিত ছিল। ২০১৩ পর, বিজেপি হরিয়ানায় জাট সম্প্রদায়ের কাছে পৌঁছেছিল। উল্লেখ্য জাট সম্প্রদায় হরিয়ানার জনসংখ্যার প্রায় ২৫ থেকে ২৮ শতাংশ।

জুলাই ১৭, ২০২২
রাজ্য

বিজেপির আবার 'মাস্টারস্ট্রোক'? একজন শিয়া মুসলিম নেতা ধনখড়ের স্থলাভিষিক্ত হতে পারেন বাংলায়

ভারতীয় জনতা পার্টি-র সংসদীয় বোর্ড পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে উপ-রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসাবে বেছে নেওয়ায় পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী রাজ্যপাল কে হবেন তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চুড়ান্ত জল্পনা শুরু হয়েছে। মাত্র দুবছর পর ২০২৪-এ লোকসভা নির্বাচন। ২০১৯ সালে পশ্চিমবঙ্গে আশাতীত ভালো ফলের পর ২০২৪-এও রাজ্যে ভালো ফল পেতে মরিয়া বিজেপি শিবির। এই অবস্থায় পশ্চিমবঙ্গে রাজ্যপাল পদে কে বসতে পারেন তা নিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। বিজেপি সূত্রের খবর, তারা পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের পদের জন্য উত্তরপ্রদেশের একজন শিয়া মুসলিম নেতা মুখতার আব্বাস নকভির কথা ভাবছেন। অতি সম্প্রতি রাজ্যসভার সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রক থেকে পদত্যাগ করেছেন তিনি।জগদীপ ধনখড়কে ২০১৯-এ পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছিল৷ সাধারণভাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজ্যপালের নাম চূড়ান্ত করার আগে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এই নাম নিয়ে প্রাথমিকভাবে পরামর্শ করে ঘোষণা করেন। যদিও সাংবিধানিক ভাবে এই আলোচনা কনওভাবেই বাধ্যতামূলক নয়। তবে, ফেডারেল কাঠামোতে এটি একটি প্রচলিত প্রথা। কিন্তু জগদীপ ধনখড়ের ক্ষেত্রে, তৎকালীন তৃণমূল সরকার অভিযোগ করেছিল, রাজ্যপাল হিসাবে ধনখড়ের নাম ঘোষণা করার পরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজ্যপালের নিয়োগের বিষয়ে অবহিত করার জন্য ডেকেছিলেন।সেই সময় পশ্চিমবঙ্গের মুখমন্ত্রী খোলাখুলি ক্ষোভ প্রকাশ করছিলেন। ফলস্বরূপ, ধনখড়ের নিয়োগকে ঘিরে প্রাথমিকভাবে যে ফাটল তৈরি হয়েছিল তা সময়ের সঙ্গে ক্রমশ প্রসারিত হয়। তিক্ততা চরমে পৌঁছয়। ধনখড়ের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ হয়ে রাজ্য বিধানসভায় রাজ্যপালের বিরুদ্ধে নজিরবিহীনভাবে একটি নিন্দা প্রস্তাব নিয়ে আসে।অভিজ্ঞ রাজনৈতিক সচেতন মানুষের প্রশ্ন, এবার কী হবে? পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল নিয়োগের আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে ফোন করবেন অমিত শাহ? লোকসভা নির্বাচনের আগে ধনকড়কে সরিয়ে কেন্দ্র ইতিমধ্যেই তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে ইতিবাচক বার্তা পাঠিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রশ্ন হচ্ছে, আগামী দিনে যে নতুন গভর্নর আসবেন, তিনি কি সংঘাতের পথ ধরে রাখবেন না সমঝোতার পথে হাঁটবেন? বিজেপি সূত্রে খবর, নকভি এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গে যাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন। তিনি একজন প্রাজ্ঞ রাজনৈতিক নেতা। তিনি অটল বিহারী বাজপেয়ী মন্ত্রিসভায় মমতার এক সময়ের সহকর্মীও ছিলেন। একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে নকভি যথেষ্ট দক্ষ ও বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছে এর আগে। অনেক রাজনীতিবিদই মনে করেন যে ধনখড় যেভাবে মমতার প্রকাশ্যে বিরোধিতা করতেন সে পথে হয়তো তিনি হাঁটবেন না। এছাড়া নকভির ওপর সরাসরি আক্রমণ রাজ্যের সংখ্যালঘু ভোটে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। বিষয়টি একদিকে মমতাকে অস্বস্তিতে ফেলবে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা।

জুলাই ১৭, ২০২২
রাজ্য

ধনকড় উপরাষ্ট্রপতি প্রার্থীঃ রাজস্থানের ভোট না তৃণমূলের স্বস্তি? চর্চা রাজনৈতিক মহলে

বাংলার রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে এনডিএ-র তরফে উপরাষ্ট্রপতি পদের প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও জেপি নাড্ডা এনডিএ শিবিরের উপরাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী ঠিক করতে বৈঠক বসেন। ওই আলোচনাতেই জগদীপ ধনকড়ের নাম প্রার্থী হিসাবে চূড়ান্ত হয়।সাংবাদিক বৈঠকে জেপি নাড্ডা বলেন, উপরাষ্ট্রপতি পদের জন্য বেশ কয়েকটি নাম নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতেই বিজেপির সংসদীয় বোর্ডের বৈঠকে কৃষক পরিবারের সন্তান জগদীপ ধনকড়কে এনডিএ-র উপরাষ্ট্রপতি পদের প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এরপরই টুইট করে জগদীপ ধনকড়কে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।এর আগে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী নিয়ে শাসক-বিরোধী একমত হয়নি। এনডিএর আদিবাসী প্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মুর জয়ের ইঙ্গিত দিয়েছেন স্বয়ং তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। তার আগে বিরোধীদের একমঞ্চে নিয়ে এসেছিল তৃণমূল কংগ্রেসই। তৃণমূলের প্রাক্তন সর্বভারতীয় সহসভাপতি যশবন্ত সিনহা বিরোধীদের তরফে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন। উপরাষ্ট্রপতি পদে আগে প্রার্থী ঘোষণা করে দিল বিরোধীদের চাপে ফেলল এনডিএ। নাড্ডা উপরাষ্ট্রপতি পদে তাঁদের প্রার্থী সকলের সমর্থন পাবেন বলে আশা ব্যক্ত করেছেন।২০১৯-এর ৩০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন জগদীপ ধনকড়। তারপর গত তিনবছর প্রায় প্রতিটি ইস্যুতে রাজ্যপালের সঙ্গে নিয়ম করে সংঘাত বেধেছে রাজ্য সরকারের। বিতর্কে জড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। তৃণমূল কংগ্রেস রাজভবনকে বিজেপির রাজ্যের প্রধান কার্যালয় বলেও সোচ্চার হয়েছে। অন্যদিকে রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে শুধু সমালোচনা করেই ক্ষান্ত থাকেননি জগদীপ ধনকড়, তিনি কেন্দ্রীয় সরকারকে নিয়মিত রিপোর্টও দিয়েছেন আইন-শৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, ধনকড় উপরাষ্ট্রপতি পদে এনডিএ প্রার্থী হওয়ায় হাঁফ ছাড়ল তৃণমূল। যদিও পরবর্তী ক্ষেত্রে বাংলায় কে রাজ্যপাল হবেন, তা নিয়েও চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে।জগদীপ ধনকড়কে উপরাষ্ট্রপতি পদে বেছে নেওয়ার পিছনে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ২০২৩ সালে রাজস্থানের ভোটের কথা বলছেন। কারণ, রাজস্থান এখন কংগ্রেসের দখলে। জাঠ ভোট নিজেদের দখলে নিয়ে আসার চেষ্টার কসুর করছে না গেরুয়া শিবির। রাজস্থানের মানুষকে বার্তা দিল বিজেপি। পাশাপাশি সংবিধান নিয়ে তাঁর পান্ডিত্যের কথা বলেছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। আইন বিশেষজ্ঞ উপরাষ্ট্রপতি হওয়ার সুবিধাও পাবে কেন্দ্রীয় সরকার।

জুলাই ১৬, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে দৈনিক বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, বাড়ছে পজিটিভিটি রেটও

বাংলায় করোনা আক্রান্ত্রের সংখ্য়া ক্রমশ বেড়েই চলেছে। উদ্বেগ বাড়িয়ে গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩০৬৭ জন। গতকাল করোনায় সংক্রমিত হয়েছিলেন ৩০২৯ জন। পাশাপাশি বাড়ছে পজিটিভিটি রেটও। এদিন পজিটিভিটি রেট বেড়ে হয়েছে ১৯.৫৪ শতাংশ। রাজ্যে বর্তমানে মোট সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ২৮,৮৫৬ জন।এদিকে গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় প্রাণহানি হয়েছে ৫ জনের। গতকালও মৃতের সংখ্যা একই ছিল। এদিন সুস্থ হয়েছেন ১,৮৭৫ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ২০,১৪,০৫২ জন। সুস্থতার হার ৯৭.৫২ শতাংশ। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত করোনায় মোট আক্রান্ত হয়েছেন ২০,৬৫,৩৬০ জন।টানা করোনা আক্রান্তের সংখ্যার নিরিখে রাজ্যে তালিকার শীর্ষে উত্তর ২৪ পরগনা। এক দিনে ওই জেলায় আক্রান্ত ৬৯৩ জন। এরপরই কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্য়া ৬৫৩। বীরভূমেও আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। ওই জেলায় এদিন আক্রান্ত ২৪৯ জন। আর ৬ জেলায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়েছে।

জুলাই ১৫, ২০২২
দেশ

দ্রৌপদী মুর্মু ভোটপ্রচারে শিলিগুড়িতে, কাল কলকাতায়

এনডিএ-র রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মু শিলিগুড়ি পৌঁছেছেন। সোমবার তিনি বাগডোগরা বিমান বন্দরে অবতরণ করেন। বিধায়ক-সাংসদদের কাছে ভোট চাইতে তিনি বাংলায় এসেছেন। শিলিগুড়িতে দ্রৌপদী মুর্মু সিকিম ও আশেপাশের রাজ্যের বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। আগমিকাল তিনি কলকাতায় যাবেন। সেখানে এরাজ্যের দলীয় বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন উত্তরবঙ্গে আছেন। তৃণমূল নেত্রী এর আগে রাষ্ট্রপতি পদে বিরোধীদের বিজেপির বিরুদ্ধে একজোট করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। অবিজেপি দলের রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন যশবন্ত সিনহা। যদিও পরবর্তীতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, বিজেপি প্রার্থী নিয়ে আলোচনা করেনি। দ্রোপদী মুর্মুর জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানিয়ে দেন তিনি।

জুলাই ১১, ২০২২
রাজ্য

ছাত্রনেতা আনিসের পরিবারের দাবি ওড়াল সিট, আদালতে চার্জশিট পেশ

হাওড়ার আমতার ছাত্রনেতা আনিস খানের রহস্য-মৃত্যুতে আদালতে চার্জশিট পেশ করল সিট। রাজ্য পুলিশের সিট চার্জশিটে উল্লেখ করেছে, খুন হননি আনিস। আনিসের পরিবার ঘটনার পর থেকে দাবি করে আসছে তাঁকে খুন করা হয়েছে। সিটের জমা দেওয়া চার্জশিটে আমতার তৎকালীন ওসি, এক এএসআই, এক হোমগার্ড ও দুই সিভিক ভলান্টিয়ারের নামের উল্লেখ রয়েছে।আমতার ছাত্রনেতা আনিসকে পুলিশই খুন করেছে। অভিযোগ তাঁর পরিবারের। আনিসের রহস্য-মৃত্যু ঘিরে একটা সময় টানা কয়েকদিন উত্তাল ছিল শহর কলকাতা। আনিস-মৃত্যুতে সিবিআই তদন্তের দাবি করে আসছে তাঁর বাবা সালিম খান। আনিসের মৃত্যুতে রাজ্য পুলিশকেই কাঠগড়ায় তুলে সরব হয়েছিল বিরোধীরাও। আনিসের পরিবারের দাবি খারিজ করে দিয়েছে সিট। উপর থেকে পড়ে গিয়েই আনিসের মৃত্যু হয়েছে বলে চার্জশিটে উল্লেখ করেছে সিট। একইসঙ্গে পুলিশের গাফিলতির বিষয়টিরও উল্লেখ করা হয়েছে চার্জশিটে।

জুলাই ১১, ২০২২
রাজ্য

"ক্লিক করার আগে ভাবুন" পুর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ ও ইউ.আই.টি.-র উদ্যোগে এক অভিনব সাইবার সচেতনতার বার্তা

পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের উদ্যোগে ও বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়র ইউ আই টি সহায়তায় বুধবার বর্ধমান শহরের এক বেসরকারি স্কুলে সাইবার সুরক্ষা ও সচেতনতা কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কোভিড উত্তর বর্তমান প্রজন্ম অনলাইন ব্যবস্থার সাথে এতটাই ওতোপ্রত ভাবে যুক্ত তাতে করে এই ব্যবস্থাটাকে কোনও ভাবেই এড়িয়ে চলতে পারা যাবে না। এই সুবিধা ভোগ করেও কি ভাবে আরও বেশী সুরক্ষিত থাকা যায় তাঁর জন্যই সাইবার সুরক্ষা ও সচেতনতা সমন্ধে সম্যক ধারনা থাকা দরকার।বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়র ইউ আই টি র কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারি অধ্যাপক প্রধান ডঃ শিবকালি গুপ্ত জনতার কথা কে জানান, ছাত্রদের পড়াশোনা ছাড়াও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য থেকে ঔষধ, টাকা পাঠানো থেকে অফিসিয়াল ডকুমেন্ট এমনকি সরকারি ও বেসরকারি সংস্থায় উপস্থিতি-ও বর্তমানে ডিজিটালি হচ্ছে। সেক্ষেত্রে আমাদের এই ব্যবস্থাকে এড়িয়ে যাওয়া কোনও ভাবেই সম্ভব নয়। আমাদের সতর্ক থাকতে হবে, সেই উদ্দেশ্যেই পূর্ব-বর্ধমান জেলা পুলিশের উদ্যোগে বিভিন্ন জায়গায় আমরা এই সচেতনতা প্রোগ্রাম করছি। তিনি জানান, তাদের এই প্রোগ্রামটির নাম ক্লিক করার আগে ভাবুন (Think Before You CLICK)।ওইদিন ডঃ গুপ্ত ক্লিক করার আগে কি করা উচিত মুলত সেই বিষয়ের ওপরই বেশী প্রাধান্য দেন। তিনি বলেন, এই প্রোগ্রামের জন্য আমদের মুলত স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদেরই বেছে নেওয়ার কারন, বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই বাবা-মায়েরা ছেলে মেয়েদের ওপর-ই মোবাইল বা নেট সংক্রান্ত বিষয়ে বেশী নির্ভর থাকে। সেক্ষত্রে ছেলে-মেয়েদের এবিষয়ে সম্যক জ্ঞ্যান থাকলে তাঁরা তাঁদের বাবা-মাকে আগে ভাগেই সতর্ক করে দিতে পারবে।সাইবার ক্রাইম সচেতনতা সভাডঃ শিবকালি গুপ্ত ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে কিছু সতর্কবার্তা দেন, কোনওভাবেই কেউ যেন কোনও অপরিচিত লিঙ্ক-এ ক্লিক না করেন, অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন এলে যেন ওটিপি বা ব্যাক্তিগত তথ্য না দেওয়া হয়। হোয়াটসঅ্যাপ বা এস.এম.এস.-এ কোনও ফ্রী গিফট বা লোভনীয় লিঙ্ক নিজে যেমন ক্লিক করবেন না, ঠিক তেমনই কাউকে শেয়ারও করবেন না। এই ধরনের লিঙ্ক দেখলেই সরাসরি ডিলিট করে দেবেন।পুর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান সাইবার ক্রাইম থানা-র সাব ইন্সপেক্টর সাহাবুদ্দিন আহমেদ। ভুল করে ফাঁদে পা দিয়ে ক্লিক বা কোনও ব্যক্তিগত তথ্য বলে দিলে তাঁর পর কি করনীয় সে বিষয়ে তিনি আলোকপাত করেন। তাঁর বিষয় ছিল কি ঘটতে পারে যখন আপনি ক্লিক করে ফেলেছেন (What Happens When You Click)। ইন্সপেক্টর সাহাবুদ্দিন ছাত্র ছাত্রীদের জানান যখন কেউ প্রতারিত হয়েছেন তাঁরা যেন সরাসরি পুলিস প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এছাড়াও তিনি প্রতারিত হলে আইনি ভাবে কি কি করতে হবে সে সংক্রান্ত বিষয়ে বিশেষ আলোকপাত করেন।বর্ধমান শহরের বেসরকারি বিদ্যালয় বর্ধমান মডেল স্কুল-র কর্নধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল জনতার কথা কে জানান, এই ধরনের প্রোগ্রাম যত বেশি হবে তত সাধরন মানুষ উপকৃত হবেন। আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরা আজকের এই অনুষ্ঠানের ফলে সমৃদ্ধ হল। আজকের সতর্ক বানী তারা তাদের পরিবারকে বলে আরও কিছু মানুষকে প্রতারণা হওয়া থেকে আটকাতে পারবে। অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল পূর্ব-বর্ধমান পুলিস ও ডঃ শিবকালি গুপ্ত কে বিশেশভাবে ধন্যবাদ জানান সাইবার ক্রাইম সংক্রান্ত একটি বাস্তব সমস্যা নিয়ে সচেতনতা সভা বর্ধমান মডেল স্কুল-এ আয়োজন করার জন্য।

জুলাই ০৮, ২০২২
সম্পাদকীয়

রান্নার গ্যাস, ডিমসহ খাদ্যদ্রব্যের মূল্য আকাশ ছোঁয়া, রাজনীতিকরা মেতেছেন অহেতুক বিতর্কিত মন্তব্যে

সস্তার প্রচারের প্রয়োজন পড়লেই ধর্মীয় বিষয় নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করলেই কেল্লা ফতে। সম্প্রতি রাজনীতিবিদদের মধ্যে এই ধারা দেখা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষ কি দৈন্যদশায় দিন কাটাচ্ছে সেদিকে তাঁদের কোনও নজর নেই। শুধু নজর অন্যত্র ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা। ধর্মীয় উন্মাদনার জিগির তোলা।রান্নার গ্যাসের দাম কত? ডিমের দাম কত? নিত্য়প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যের মূল্য রোজ আকাশ ছুঁয়ে ফেলছে। গড়ে মানুষের রোজগারের হাল কী? কারও কোনও মাথা ব্যাথা আছে। বিজেপির মুখপাত্র নূপুর শর্মা এক মন্তব্য করছেন তো তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র আর এক মন্তব্য করছেন। তারই মাঝে তৃণমূল বিধায়ক নির্মল মাজি, বাগদার বিধায়ক বিশ্বজিত দাস সারদা মা, রাণি রাসমনির সঙ্গে মুখ্য়মন্ত্রীর তুলনা করে বসলেন। এঁরা কেউ কী জীবনযাপনে কোনও সংকটে আছেন? কিন্তু সাধারণ মানুষের নুন আনতে পান্তা ফুরনোর জোগাড়। ধর্মের জিগির তুলে সাধারণের সমস্যা ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা আর কি। যে মন্তব্যগুলো রাজনীতিবিদরা করছেন সামাজিক প্রয়োজনে তার কোনও দরকার আছে? এই প্রশ্নই সর্বত্র ঘোরাফেরা করছে। একদিকে পেট্রোজাত দ্রব্যের অগ্নিমূল্য করে রাখা হয়েছে। কয়েকগুন দাম বৃদ্ধি ঘটিয়ে, সাধারণের কোটি কোটি টাকা পকেট কেটে নামমাত্র দাম কমিয়ে স্বচ্ছ ভাবমূর্তি তুলে ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে। তেল-ডালের দাম কত বেড়েছে তা কমানোর উদ্যোগ কোথায়? রাজ্যে মাধ্যমিক-প্রাথমিকের যোগ্য চাকরি প্রার্থীরা রাস্তায় বসে দিন কাটাচ্ছে। একটা অংশ বেনিয়ম করে বহাল তবিয়তে চাকরি করে যাচ্ছে। তার মধ্যে অনেকের চাকরিও চলে গিয়েছে আদালতের নির্দেশে। এখন গন্ডায় গন্ডায় অভিযোগের তদন্ত করছে সিবিআই। আর তৃণমূল সাংসদ মন্তব্য করছেন কালী কি খায় তা নিয়ে। বিধায়ক-সাংসদদের একটা অংশ নিজেরা কি করে ওই জায়গায় পৌঁছেছেন তা তুলে ধরতে পারবেন? ধর্মীয় বিতর্কিত মন্তব্য না করে সাধারণের প্রয়োজনে কোনও কাজ করতে পারলে সেটাই হবে প্রকৃত রাজনীতিবিদের কাজ। অহেতুক রাজনৈতিক স্বার্থে দেশের ঐক্য নষ্ট করতে বিতর্কিত মন্তব্য করা কোনও সুষ্ঠু রাজনীতিকের কাজ হতে পরে না বলে মনে করেন অভিজ্ঞ মহল।

জুলাই ০৮, ২০২২
রাজ্য

শিলিগুড়িতে বাংলা পক্ষর বিজেপির বাংলা ভাগ ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিলে অভুতপুর্ব সাড়া

রবিবার শিলিগুড়ির জলপাই মোড় থেকে শুরু করে পানিটাঙ্কি মোড় অবধি এক প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করে বাংলা পক্ষ। বাংলা পক্ষ জানাই বিজেপির বাংলা ভাগ ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে এই মহা মিছিলের আয়োজন। এই মিছিলে বাংলা পক্ষর বিভিন্ন জেলার সদস্যরা যোগ দেন। বাংলা পক্ষ-র তরফে তাঁদের শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি জনতার কথা কে জানান, প্রায় এক হাজারেরও বেশি সহযোদ্ধা এই মিছিলে পা মেলান। তিনি আরও জানান, এই মহামিছিলে মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত এবং এই দীর্ঘ মিছিলে রাস্তার দুইপাশে উৎসুক বাঙালিদের মধ্যে বিপুল উদ্দীপনার সৃষ্টি করে। বাঙ্গালী ও বাংলা প্রেমী মানুষজন স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই মিছিলে যোগ দেন।মিছিলের নেতৃত্ব দেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়। ছিলেন বাংলা পক্ষর শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, অমিত সেন, ডঃ অরিন্দম বিশ্বাস, মনোজিৎ বন্দোপাধ্যায়, কালাচাঁদ চট্টোপাধ্যায়, বাংলা পক্ষ শিলিগুড়ি জেলা সম্পাদক গিরিধারী রায়, বাংলা পক্ষ জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক অভিষেক মিত্র মজুমদার, বাংলা পক্ষর উত্তর দিনাজপুর জেলা সম্পাদক শুভঙ্কর ঘোষ , বাংলা পক্ষর কোচবিহার নেতৃত্ব প্রশান্ত নাথ ও হাশিফুল হোসেন, প্রমুখ।মিছিল থেকে তাঁরা দাবী তোলেন- বাংলা ভাগ হবেনা। তাঁরা পশ্চিমবঙ্গে দুটি এইমস-র (AIIMS) দাবী তোলেন। তাঁরা বলেন, যেখানে বিহারে দুটো এইমস হতে পারে সেখানে পশ্চিমবঙ্গে একটি কেন? তাঁদের দাবী জলপাইগুড়ি অথবা রায়গঞ্জে বাংলার দ্বিতীয় এইমস। এছাড়াও তারা বেশ কিছুদিন ধরেই উত্তরবঙ্গের রেল ব্যবস্থার উন্নতি-র দাবী করে আসছেন। কয়েকদিন আগেই এর প্রতিবাদে জন্য শিয়ালদহ তে ডিআরএম অফিসে ধর্না দেন। তাঁদের দাবী এনজেপিকে হাব করে কোচবিহার ও মালদা অবধি বিস্তৃত লোকাল ট্রেন নেটওয়ার্ক চালু করা হয়।তাঁরা বেআইনী অনুপ্রবেশের বিরিদ্ধেও সরব হয়েছেন। তাঁরা অনুপ্রবেশ রুখতে নেপাল সীমান্ত সিল করার আবেদন জানান কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে এবং সেখানে সশস্ত্র সীমান্ত রক্ষা বাহিনী (BSF) মোতায়েন করার দাবী তোলেন।

জুলাই ০৩, ২০২২
দেশ

রাষ্ট্রপতি পদে বিজেপি প্রার্থীর জয়ের সম্ভাবনা দেখছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

বিজেপির রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীকে ইঙ্গিতে সমর্থন দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সুপ্রিমো শুক্রবার বলেন, বিজেপি প্রার্থীর নাম আগে জানালে বিবেচনা করে দেখতাম। বৃহত্তর স্বার্থে বিরোধী দলগুলি একসঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারত। সর্বসম্মত প্রার্থী হলে ভালই হত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্যে শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বিরোধীরা রেরে করে উঠেছেন। বিজেপির দাবি, বিরোধীদের প্রার্থী হেরে যাবেন বলেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমন মন্তব্য করেছেন।রাষ্ট্রপতি ভোটে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ প্রার্থী হয়েছেন আদিবাসী সম্প্রদায়ের দ্রৌপদী মুর্মু। বিরোধীদের যৌথ প্রার্থী তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন সর্বভারতীয় সহসভাপতি যশবন্ত সিনহা। তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগেই বিরোধী দলগুলি রাষ্ট্রপতি প্রার্থী বাছাই করতে দিল্লিতে বৈঠকে বসেছিল। পরে দ্বিতীয় দফার বৈঠকে বিরোধীরা যশবন্ত সিনহাকেই লড়াইতে মনোনীত করে।আদিবাসী মহিলাকে প্রার্থী করে জঙ্গলমহলে প্রচারও শুরু করে দেয় বিজেপি। গেরুয়া শিবির যে আদিবাসীদের জন্য চিন্তাভাবনা করে সেকথা প্রচার হতে থাকে। কিছুটা চাপে পড়ে যায় তৃণমূল কংগ্রেসসহ বিরোধী শিবিরের নেতারা। হুল দিবসে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জঙ্গলমহলে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, আদিবাসীদের পাশে সবসময় রয়েছে বিজেপি। জয়ী হওয়ার পর দ্রৌপদী মুর্মু জঙ্গলমহলে আসবেন বলেও তিনি ঘোষণা করেন।এদিকে এদিন রথযাত্রার দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিজেপি আগে প্রার্থীর নাম জানালে বিবেচনা করে দেখতাম। বৃহত্তর স্বার্থে বিরোধী দলগুলি আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারত। সর্বসম্মত প্রার্থী হলেই ভাল হত। এখন বিরোধীরা যা সিদ্ধান্ত নেবেন আমি সেটাই মানব। মাঝখান থেকে বেরিয়ে আসতে পারি না। আদিবাসী, দলিত সকলেই আমাদের সঙ্গে রয়েছেন। দ্রৌপদী মুর্মুর জয়ের সম্ভাবনা বেশি বলেই মনে করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

জুলাই ০২, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 34
  • 35
  • 36
  • 37
  • 38
  • 39
  • 40
  • ...
  • 98
  • 99
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ফলের আগেই বড় দাবি! ‘ত্রিশঙ্কু বিধানসভা’, সরকার গঠনের চাবিকাঠি নিজের হাতে বললেন হুমায়ুন

ভোট পর্ব শেষ হতেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর। তিনি দাবি করেছেন, বাংলায় কোনও দলই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না এবং ত্রিশঙ্কু বিধানসভা গঠিত হতে চলেছে। তাঁর মতে, এই পরিস্থিতিতে সরকার গঠনের চাবিকাঠি থাকবে তাঁর দলের হাতেই।তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও অবস্থাতেই বিজেপিকে সমর্থন করবেন না। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, সম্মানজনক শর্তে তৃণমূল কংগ্রেসকে সমর্থন করতে তিনি প্রস্তুত। এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে, ভোটের পর কি তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব কমানোর চেষ্টা করছেন হুমায়ুন কবীর।বহরমপুরে এক সভায় তিনি বলেন, কোনও দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছাকাছি পৌঁছতে পারবে না। তাঁর দাবি, কংগ্রেস, সিপিএম এবং আইএসএফ মিলিয়ে খুব বেশি হলে পনেরোর মতো আসন পাবে। অন্যদিকে, তাঁর দল প্রায় তিরিশটি আসন জিততে পারে বলে তিনি আশাবাদী।হুমায়ুন কবীর আরও বলেন, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের মতো জেলায় তাঁদের দলের শক্তি তৃণমূলের আসন কমিয়ে দেবে। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল তাঁর প্রতি অসম্মান দেখিয়েছে এবং তার জবাব বাংলার মানুষ ভোটের মাধ্যমে দিয়েছে।তৃণমূল নেতৃত্বের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে সরকার গঠনের জন্য তাঁর সাহায্য চাইতে হতে পারে। তিনি আবারও জানান, তিনি বিজেপিকে কোনও অবস্থাতেই সমর্থন করবেন না। তাঁর কথায়, কে কোন দলের সহযোগী, তা ভবিষ্যতেই পরিষ্কার হবে।শেষে তিনি বলেন, আবার নির্বাচন হোক, তা তিনি চান না। যদি ত্রিশঙ্কু পরিস্থিতি তৈরি হয়, তবে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে সরকার গঠনের পথ খোলা থাকবে। তবে কোনও দলই এককভাবে নির্দিষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পৌঁছতে পারবে না বলেই তাঁর বিশ্বাস।

মে ০২, ২০২৬
কলকাতা

রাত ২টো হলেও কেন্দ্র ছাড়বেন না! কর্মীদের কঠোর নির্দেশ মমতার, জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী

ফল ঘোষণার আগেই বড় দাবি করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । কাউন্টিং এজেন্টদের নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠকে তিনি জানান, তৃণমূল ২০০-র বেশি আসন পেতে চলেছে। একই সঙ্গে তিনি এজেন্টদের সতর্ক করে বলেন, রাত ২টো বেজে গেলেও কাউন্টিং সেন্টার ছেড়ে যেন কেউ না যান, যতক্ষণ না তিনি নিজে অনুমতি দেন।মমতা বলেন, সবাই অনেক পরিশ্রম করেছেন এবং লড়াই করেছেন। তাঁর কথায়, মনে রাখবেন আমরা জিতছি। ২০০-র বেশি আসন পাব। তিনি আরও বলেন, যেসব আসনে ভোটের ব্যবধান খুব কম থাকবে, সেখানে অবশ্যই পুনর্গণনার দাবি জানাতে হবে। বিশেষ করে ২০০-৩০০ ভোটের পার্থক্য থাকলে রিকাউন্টিংয়ের জন্য জোর দিতে বলেন তিনি।এছাড়া, গত কয়েক মাস ধরে কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও যারা কাজ করেছেন, তাঁদের ধন্যবাদ জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, তাঁদের পুরস্কৃতও করা হবে।কাউন্টিংয়ের দিন কীভাবে সতর্ক থাকতে হবে, সেই নিয়েও নির্দেশ দেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি বলেন, এজেন্টদের বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে যেতে হবে এবং হালকা খাবার খেতে হবে। বাইরের খাবার না খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি সতর্ক করেন, কেউ খাবারের সঙ্গে কিছু মিশিয়ে দিতে পারে।অন্যদিকে, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, নির্বাচনের পর থেকেই বিজেপি বিভিন্ন ধরনের প্রচার চালায়, এক্সিট পোল দেখিয়ে প্রভাব ফেলতে চায়। তিনি বলেন, গত ১০-১২ বছর ধরে এমনটা হচ্ছে, তাই এগুলোকে গুরুত্ব না দেওয়াই ভালো।কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও অভিযোগ তোলেন অভিষেক। তিনি বলেন, বিভিন্ন জায়গায় অত্যাচার হয়েছে, সাধারণ মানুষ ও তৃণমূল কর্মীদের উপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে। তাঁর দাবি, এই পরিস্থিতি ফল ঘোষণার দিন পর্যন্ত চলতে পারে।শেষে কাউন্টিং এজেন্টদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শেষ পর্যন্ত কাউন্টিং সেন্টারে থাকতে হবে এবং সার্টিফিকেট হাতে না পাওয়া পর্যন্ত কেউ যেন হল ছেড়ে না বের হন।

মে ০২, ২০২৬
কলকাতা

‘বেশি বাড়াবাড়ি করছিল’—সাসপেন্ড ওসি গৌতম দাসকে নিয়ে কড়া বার্তা মমতার

কালীঘাট থানার সাসপেন্ড হওয়া ওসি গৌতম দাসকে নিয়ে এবার প্রকাশ্যে ক্ষোভ জানালেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি বিতর্কিত ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করার পর তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়। এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মমতা বলেন, কালীঘাটের ওসি খুব বাড়াবাড়ি করছিল। মহিলারা প্রতিবাদ করেছিলেন। আজ সে সাসপেন্ড হয়েছে। যারা এ ধরনের কাজ করেছে তাদের খুঁজে বের করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর যাদের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, আমাদের সরকার এলে তা খতিয়ে দেখা হবে।জানা যায়, গৌতম দাস ২০০৮ সালের ব্যাচের অফিসার। তিনি সাব ইন্সপেক্টর হিসেবে পোস্তা, আলিপুর ও আনন্দপুর থানায় কাজ করেছেন। আনন্দপুরে কাজ করার সময় তাঁকে কলকাতা পুলিশের রিজার্ভ ফোর্সে পাঠানো হয়। সেই সময় রাজভবনে ডিউটির দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি। রিজার্ভ ফোর্সে থাকাকালীনই তাঁর পদোন্নতি হয় এবং তিনি ইন্সপেক্টর পদে উন্নীত হন। পরে তাঁকে স্পেশাল ব্রাঞ্চে বদলি করা হয়।গত রবিবার নির্বাচন কমিশন তাঁকে কালীঘাট থানার ওসি হিসেবে নিয়োগ করে। এর পরেই তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র হাতে একটি ছবি পোস্ট করেন, যা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। ছবিটিকে আপত্তিকর বলে অভিযোগ জানায় তৃণমূল কংগ্রেস।এই বিষয়ে তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানান। চিঠি পাঠানো হয় ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল এবং কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দের কাছেও।অভিযোগের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন রিপোর্ট তলব করে। এরপর কলকাতা পুলিশের তরফে জানানো হয়, গৌতম দাসকে কালীঘাট থানার ওসির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। তাঁর জায়গায় উল্টোডাঙা মহিলা থানার ওসি চামেলি মুখার্জিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।এই ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব কলকাতা পুলিশের কমিশনারকে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, পুরো বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

মে ০২, ২০২৬
কলকাতা

ভোটগণনার আগে বড় চাল তৃণমূলের! জেলায় জেলায় বিশেষ টিম, ভোর থেকেই কড়া নজর

ভোটগণনাকে সামনে রেখে বড় কৌশল নিল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এক বৈঠকে জানান, রাজ্য থেকে বিভিন্ন জেলায় কিছু প্রতিনিধিকে পাঠানো হবে। তাঁরা আগের দিনই জেলায় পৌঁছে যাবেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবেন। বিশেষ করে বিদ্যুৎ পরিষেবা ঠিক রাখতে ট্রান্সফরমারগুলির উপর নজর রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, ভোটগণনার দিন ভোর ৬টা থেকেই পার্টি অফিস খুলে সেখানে কর্মীদের উপস্থিত থাকার কথাও বলা হয়েছে।জেলা ভিত্তিক দায়িত্বও ভাগ করে দিয়েছে দল। কোচবিহারে আলাদা করে কাউকে পাঠানো হচ্ছে না। আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ির দায়িত্বে থাকবেন সামিরুল ইসলাম। দার্জিলিংয়ের সমতল এলাকায় নজর রাখবেন গৌতম দেব এবং ইসলামপুরে যাবেন শান্তনু সেন। উত্তর চব্বিশ পরগনায় দায়িত্বে থাকবেন সৌগত রায় ও পার্থ ভৌমিক, আর বারাসতের দায়িত্বে থাকবেন রথীন ঘোষ। পূর্ব বর্ধমান জেলায় কীর্তি আজাদ ও রাসবিহারী হালদার নজরদারি করবেন।কলকাতার উত্তর অংশে দায়িত্বে থাকবেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, বিবেক গুপ্ত, কুণাল ঘোষ ও স্বপন সমাদ্দার। দক্ষিণ কলকাতার দায়িত্বে থাকবেন অরূপ বিশ্বাস ও ববি হাকিম। হাওড়ায় চারজন প্রতিনিধি হিসেবে থাকবেন পুলক রায়, অরূপ রায়, কৈলাশ মিশ্র ও গৌতম চৌধুরী। হুগলির দায়িত্বে একাই থাকবেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। রানাঘাটে শঙ্কর সিংহ ও দেবাশিস গঙ্গোপাধ্যায় দায়িত্ব সামলাবেন।পূর্ব মেদিনীপুরে সায়নী ঘোষ ও ঋজু দত্ত থাকবেন। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার দায়িত্বে নিজেই থাকবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দক্ষিণ দিনাজপুরে জয়প্রকাশ মজুমদার দায়িত্বে থাকবেন। মালদহে দোলা সেন এবং পলিটেকনিক কলেজ এলাকায় নাদিমুল হক নজর রাখবেন। মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরে আসিফ ইকবাল এবং বহরমপুরে প্রতিকুর রহমান ও সুখেন্দুশেখর রায় দায়িত্বে থাকবেন।বীরভূমে থাকবেন শতাব্দী রায়। বাঁকুড়ায় সুশান্ত ঘোষ, বিষ্ণুপুরে জীবন সাহা এবং ঝাড়গ্রামে অরূপ চক্রবর্তী দায়িত্ব সামলাবেন। পশ্চিম বর্ধমানে বাবুল সুপ্রিয় থাকবেন। মেদিনীপুরের সাংগঠনিক জেলায় জুন মালিয়া ও দেব নজর রাখবেন।সব মিলিয়ে ভোটগণনার দিন যাতে কোনও রকম সমস্যা না হয়, তার জন্য আগাম প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামছে তৃণমূল কংগ্রেস।

মে ০২, ২০২৬
কলকাতা

ফল ঘোষণার পরও ভোট! ফলতা নিয়ে নজিরবিহীন সিদ্ধান্তের পথে নির্বাচন কমিশন

ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রকে ঘিরে বড় এবং নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিতে পারে নির্বাচন কমিশন। জানা যাচ্ছে, ৪ মে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরেও এই কেন্দ্রে আবার ভোটগ্রহণ হতে পারে।ফলতা কেন্দ্র থেকে বুথ দখল, ভোটারদের হুমকি এবং একাধিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এই কারণে পুরো কেন্দ্র জুড়ে ভোটগণনা স্থগিত রাখার দাবি জানিয়ে কমিশনের কাছে রিপোর্ট জমা পড়েছে। সব বুথে পুনর্নির্বাচন হবে নাকি কিছু নির্দিষ্ট বুথে, তা এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি কমিশন।সাধারণত ভোটগ্রহণের পর দ্রুত গণনা হয়। কিন্তু এই ক্ষেত্রে সময়ের অভাব বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। রবিবার পুনর্নির্বাচন করানো হলে যথাযথ যাচাই করার সময় পাওয়া যাবে না, কারণ তার পরের দিনই গণনা নির্ধারিত রয়েছে। তাই গণনার পর পুনর্নির্বাচনের পথে হাঁটতে পারে কমিশন। এমন হলে এই ভোটকে উপনির্বাচন হিসেবে ঘোষণা করা হতে পারে।ভোটের দিন ফলতা থেকে ইভিএমে টেপ লাগানোর ছবি সামনে আসে, যা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। পরে যাচাই প্রক্রিয়ায় আরও কিছু গুরুতর তথ্য উঠে আসে। অভিযোগ, শুধু ইভিএমে টেপ লাগানোই নয়, কয়েকটি বুথের সিসিটিভি ক্যামেরাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। নেটওয়ার্ক সমস্যার কারণে এই তথ্য কন্ট্রোল রুমে পৌঁছায়নি বলে জানা গেছে।এর পাশাপাশি, ফলতার হাসিমনগর এলাকা থেকেও একাধিক অভিযোগ এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ভোট নিয়ে তাঁদের ভয় দেখানো হয়েছে। গ্রামের মহিলাদের অভিযোগ, বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে।সব মিলিয়ে পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে। এখন কমিশন কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

মে ০২, ২০২৬
কলকাতা

নতুন মাসেই বড় ধাক্কা, অটো গ্যাসের দামে লাফ—আবার কি বাড়বে ভাড়া?

নতুন মাস শুরু হতেই মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কা অনুভব করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম বাড়ার পাশাপাশি অটোতে ব্যবহৃত গ্যাসের দামও বেড়েছে। লিটার প্রতি অটো গ্যাসের দাম বেড়েছে ৬ টাকা ৪৪ পয়সা। ফলে নতুন দাম দাঁড়িয়েছে লিটার প্রতি ৮৯ টাকা ৪০ পয়সা। এর ফলে অটো ভাড়া আবার বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।কিছুদিন আগেও এই গ্যাসের দাম অনেক কম ছিল। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রভাব পড়ে জ্বালানির দামে বৃদ্ধি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এক মাস আগেও জ্বালানি পাওয়ার আশঙ্কায় বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে অটোর দীর্ঘ লাইন দেখা গিয়েছিল।এর আগে জ্বালানির দাম বাড়ার কারণে বিভিন্ন রুটে অটো ভাড়া ৩ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। এখন আবার দাম বাড়ায় নতুন করে ভাড়া বৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।অটোচালকদের একাংশ জানিয়েছেন, আপাতত ভাড়া বাড়ানোর কথা ভাবছেন না, তবে গ্যাসের দাম কমলে তাঁদের সুবিধা হবে। অন্যদিকে কিছু চালক বলছেন, ইতিমধ্যেই ভাড়া বেড়েছে এবং পরিস্থিতির কারণে আরও বাড়ানো প্রয়োজন হতে পারে।রাজনৈতিক মহলেও এই বিষয় নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের এক নেতা জানিয়েছেন, ভোটের পরেই গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় প্রভাব পড়বে এবং খরচ আরও বাড়বে।

মে ০১, ২০২৬
রাজ্য

কাল ফের ভোট ১৫ বুথে, ডায়মন্ড হারবার-মগরাহাটে বড় সিদ্ধান্ত—কোন কেন্দ্রে কী ঘটেছিল জানেন?

শনিবার রাজ্যে দ্বিতীয় দফার বিধানসভা ভোটের পুনর্নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। জানা গিয়েছে, মোট ১৫টি বুথে পুনর্নির্বাচন হবে। এই সব বুথই ডায়মন্ড হারবার এবং মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। এছাড়াও ফলতার একটি বুথে পুনর্নির্বাচনের সম্ভাবনা থাকলেও তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। আপাতত ১৫টি বুথে ভোট হওয়া নিশ্চিত।পুনর্নির্বাচনের পিছনে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে ভোটারদের ভয় দেখানো এবং বুথে টেপ লাগানোর মতো অভিযোগ। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, যেসব বুথে টেপ লাগানোর অভিযোগ উঠেছে, সেখানে কিছু ক্ষেত্রে ওয়েব কাস্টিংয়ের ফুটেজ পাওয়া যায়নি। এই কারণেই পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে এবারের নির্বাচনে ভোটদানের হার নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। ২০২১ সালের তুলনায় প্রায় ৩৪ লক্ষ বেশি ভোটার এবারে ইভিএমে ভোট দিয়েছেন। আগে যেখানে প্রায় ৫ কোটি ৯৮ লক্ষ মানুষ ভোট দিয়েছিলেন, এবার সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে প্রায় ৬ কোটি ৩১ লক্ষ। বিশেষ সংশোধনের ফলে বহু নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার পরেও ভোটের সংখ্যা বেড়েছে।ফলে প্রশ্ন উঠছে, এই অতিরিক্ত ৩৪ লক্ষ ভোট কোথায় গেল। প্রায় ৯৩ শতাংশ রেকর্ড ভোটদানের পিছনে শুধু ভুয়ো ভোটার বাদ পড়াই নয়, প্রকৃত ভোটারের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এই বিষয়টি নিয়ে এখন রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

মে ০১, ২০২৬
কলকাতা

গণনার আগে কড়া নজর, মমতা-অভিষেকের বৈঠকে ঠিক হচ্ছে বড় কৌশল

ভোটের ফল ঘোষণার আগে স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস ও নির্বাচন কমিশনের সংঘাত চরমে উঠেছে। বৃহস্পতিবার রাতে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র এবং ভাবানীপুরে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তার পর থেকেই আরও সতর্ক হয়ে উঠেছে তৃণমূল শিবির। পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে কালিঘাটে বৈঠকে বসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।সোমবার ফল ঘোষণা হওয়ার কথা। তার আগে কোনওরকম ঝুঁকি নিতে চাইছে না তৃণমূল নেতৃত্ব। রাজ্যজুড়ে স্ট্রংরুমের অবস্থা, সেখানে নজরদারি এবং গণনার দিনের পরিকল্পনাসব কিছু নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা চলছে এই বৈঠকে। মমতা ও অভিষেক দুজনেই পুরো পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছেন।শনিবার কাউন্টিং এজেন্টদের নিয়ে বৈঠক করবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগেই কাউন্টিং এজেন্টদের জন্য বিশেষ বার্তা দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার সকাল থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রার্থীরা গিয়ে সিসিটিভি ফুটেজ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখছেন।উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার রাতে শ্যামপুকুর ও বেলেঘাটা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী শশী পাঁজা ও কুণাল ঘোষ অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের অনুপস্থিতিতে বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনের কিছু আধিকারিক ইভিএম খোলার চেষ্টা করছেন। এর প্রতিবাদে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের বাইরে ধর্নায় বসেন তারা।যদিও নির্বাচন কমিশন এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল জানিয়েছেন, সমস্ত ইভিএম সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রয়েছে।

মে ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal