• ৪ আশ্বিন ১৪৩৩, বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SI

বিদেশ

হরমুজ প্রণালী বন্ধ! মাঝসমুদ্রে আটকে ৩৮ ভারতীয় জাহাজ, হাজারো নাবিকের প্রাণ সংশয়, তেল-চাল বাণিজ্যে মহাধাক্কা

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে কার্যত বন্ধ হয়ে গিয়েছে হরমুজ প্রণালী। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে জাহাজ চলাচল প্রায় স্তব্ধ। ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড় ধাক্কা লেগেছে। আমদানি-রফতানিতে গভীর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভারতের উপরেও। বিশেষ করে চাল-সহ একাধিক শস্য রপ্তানিতে বড়সড় ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ১০ হাজার কোটি টাকারও বেশি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, হরমুজ প্রণালী ও সংলগ্ন এলাকায় অন্তত ৩৮টি ভারতীয় জাহাজ আটকে রয়েছে। সেই সব জাহাজে প্রায় ১১০০ নাবিক কর্মরত। তাঁদের ভবিষ্যৎ ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ইতিমধ্যেই মিসাইল হামলায় এক জাহাজে কর্মরত তিনজন ভারতীয়র মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন আরও এক ভারতীয় নাবিক।পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোওয়াল জরুরি বৈঠক করেছেন জাহাজ মন্ত্রকের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ডিজি শিপিং। গোটা পরিস্থিতির বিশদ রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর দফতরেও পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এদিকে শুধু বিদেশের জলপথ নয়, দেশের বন্দরগুলিতেও চাপ বাড়ছে। পণ্যবাহী জাহাজের ভিড়ে উপচে পড়ছে একাধিক বন্দর। জাহাজ মন্ত্রকের হিসেব অনুযায়ী, প্রায় হাজারের বেশি কনটেনারবাহী জাহাজ বিভিন্ন বন্দরে দাঁড়িয়ে রয়েছে। পণ্য খালাস ও রফতানিতে দেরি হওয়ায় ব্যবসায়ীদের উদ্বেগ বাড়ছে।ওমান ও ইরানের মধ্যবর্তী এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বে রপ্তানিকৃত তেল ও গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয়। ভারতের ক্ষেত্রেও এই পথ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারত প্রায় ৪০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল এবং ৫০ শতাংশের বেশি তরল প্রাকৃতিক গ্যাস এই পথ দিয়েই আমদানি করে। ফলে এই জলপথে অচলাবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হলে জ্বালানি সরবরাহ ও দামের উপর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে।ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল শিপওনার্স অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, বহু ভারতীয় জাহাজ বর্তমানে সংঘাতপূর্ণ এলাকায় আটকে রয়েছে। এর জেরে বিপুল আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি যুদ্ধবিধ্বস্ত মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন জলসীমায় প্রায় ২৩ হাজার ভারতীয় নাবিক ও কর্মী আটকে রয়েছেন বলে খবর। তাঁদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন কেন্দ্র।পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারত সরকারের তরফে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এই কন্ট্রোল রুম চালু থাকবে। নাগরিকদের জন্য টোল-ফ্রি নম্বরও প্রকাশ করা হয়েছে। পাশাপাশি বাহরাইন, ইরান, ইরাক, ইজরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসগুলিকেও সতর্ক রাখা হয়েছে।একই সঙ্গে দেশে কত পরিমাণ তেল মজুত রয়েছে, তা নজরে রাখতে নয়া দিল্লিতে ২৪ ঘণ্টার বিশেষ পর্যবেক্ষণ কক্ষ চালু হয়েছে। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে গোটা দেশ।

মার্চ ০৪, ২০২৬
দেশ

টাকার বড় পতন! ডলারের তুলনায় ৯২ ছুঁইছুঁই, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের সরাসরি প্রভাব

মধ্যপ্রাচ্যে বাড়তে থাকা সামরিক উত্তেজনার জেরে বুধবার বড় ধাক্কা খেল ভারতীয় মুদ্রা। মার্কিন ডলারের তুলনায় টাকার দর ৯২ টাকার গণ্ডি পেরিয়ে যায়। সকালে লেনদেনের সময় এক ডলারের দাম দাঁড়ায় ৯২ টাকা ১৭ পয়সা। আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা বাড়তেই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ঝুঁকি এড়ানোর প্রবণতা দেখা দিয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে টাকার উপর।আমেরিকা, ইজরায়েল ও ইরানকে ঘিরে সংঘাত তীব্র হওয়ায় বিশ্ব জুড়ে আর্থিক বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে অপরিশোধিত তেলের দাম দ্রুত বাড়ছে। মধ্যপ্রাচ্য বিশ্ব জ্বালানি রপ্তানির একটি বড় অংশ জোগান দেয়। সেখানে সংঘাত বাড়ায় তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তার জেরেই তেলের বাজারে দামের উর্ধ্বগতি।ভারত তার মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় পঁচাশি শতাংশ আমদানি করে। ফলে তেলের দাম বাড়লে আমদানির খরচ বেড়ে যায়। এতে দেশের বাণিজ্য ঘাটতি বাড়ে এবং মূল্যবৃদ্ধির চাপ তৈরি হয়। এই সব কারণেই টাকার উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।একই সময়ে মার্কিন ডলার আরও শক্তিশালী হয়েছে। আন্তর্জাতিক অস্থিরতার সময়ে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদ হিসেবে ডলারের দিকে ঝুঁকছেন। ফলে উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলি থেকে মূলধন বেরিয়ে গিয়ে ডলার ও মার্কিন সরকারি বন্ডে বিনিয়োগ বাড়ছে। এর ফলেও ভারতীয় টাকার দর দুর্বল হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি তেলের দাম দীর্ঘদিন উচ্চ স্তরে থাকে, তা হলে ভারতের চলতি হিসাব ঘাটতি আরও বাড়তে পারে এবং অর্থনৈতিক বৃদ্ধির গতি কমতে পারে। সেই পরিস্থিতিতে টাকার উপর চাপ আরও বাড়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে মুদ্রা বাজারে অস্থিরতা বজায় থাকতে পারে।

মার্চ ০৪, ২০২৬
বিদেশ

দুবাইয়ে মার্কিন দূতাবাসে ইরানি ড্রোন! আগুনে জ্বলল কনসুলেট, বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও তীব্র হল। দুবাইয়ে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে ইরানের ড্রোন আছড়ে পড়েছে বলে অভিযোগ। হামলার পর দূতাবাসে আগুন ধরে যায়। তবে ইরানের দাবি, আগুন লাগলেও কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এর আগে মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব সতর্ক করে জানিয়েছিলেন, মার্কিন নাগরিকদের উপর হামলা হলে কড়া জবাব দেওয়া হবে। সেই হুঁশিয়ারির মধ্যেই এই ড্রোন হামলা ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এর প্রভাব বিশ্ব বাণিজ্যেও পড়তে পারে।অন্যদিকে ইরানে হামলার তীব্রতা বাড়িয়েছে ইজরায়েল। ইরানের দাবি, তেহরান বিমানবন্দরে আঘাত হেনেছে ইজরায়েলি বাহিনী। পূর্ব তেহরানের বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে সতর্কবার্তা দিয়ে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। দক্ষিণ ইরানের বুশেহর শহরে বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে থাকা একটি যাত্রীবাহী বিমানও ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি। সেই বিমানে যাত্রী ছিলেন কি না, থাকলেও কত জন ছিলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।মার্কিন সামরিক সূত্রের দাবি, গত চার দিনে প্রায় এক হাজার সাতশো জায়গায় হামলা চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে ইরানের একটি গোপন পরমাণু ঘাঁটিতেও ইজরায়েলি বায়ুসেনা হানা দিয়েছে বলে খবর। মিনজাদেহেই নামে ওই ঘাঁটি নিখুঁত আঘাতে ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি। ইরানের বিজ্ঞানীরা সেখানে পরমাণু বোমা তৈরির উপকরণ প্রস্তুত করতেন বলে অভিযোগ। তবে সেখানে কোনও রিঅ্যাক্টর না থাকায় তেজস্ক্রিয় বিকিরণের আশঙ্কা নেই বলে জানানো হয়েছে।মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, এই অভিযান না চালালে ইরান কয়েক মাসের মধ্যেই পরমাণু অস্ত্র তৈরি করে ফেলত। তিনি স্পষ্ট বলেন, ইরানকে পরমাণু অস্ত্র বানাতে দেওয়া হবে না।মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুত বদলে যাওয়া এই পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও অর্থনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মার্চ ০৪, ২০২৬
রাজ্য

ভোটার তালিকায় মৃত্যু ঘোষণা, সরকারি পরিষেবা বন্ধের আশঙ্কায় দিশেহারা পরিবার

জীবিত থেকেও সরকারি খাতায় মৃত! এমনই অবিশ্বাস্য ঘটনার অভিযোগ উঠেছে কালনা পুরসভার বারো নম্বর ওয়ার্ডে। খসড়া ভোটার তালিকায় নামের পাশে মৃত বলে উল্লেখ করা হলেও, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় আর নামই নেই বিয়াল্লিশ বছরের পূর্ণ সাহার। ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।পূর্ণ সাহা পেশায় দিনমজুর। বাড়িতে রয়েছেন বৃদ্ধা মা ও স্ত্রী। অভিযোগ, এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার পরেও খসড়া তালিকায় তাঁর নামের পাশে মৃত বলে উল্লেখ করা হয়। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি নিজেই কালনা পুরসভায় যান এবং ডেথ সার্টিফিকেট সংগ্রহের চেষ্টা করেন। খবর ছড়িয়ে পড়তেই নড়ে বসে প্রশাসন। তাঁকে আশ্বাস দেওয়া হয়, ভোটার তালিকায় জীবিত হিসেবেই নাম তোলা হবে।কিন্তু সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় দেখা যায়, তাঁর মা ও স্ত্রীর নাম থাকলেও পূর্ণ সাহার নাম নেই। ফলে জীবিত থেকেও সরকারি ভাবে মৃত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় রাতের ঘুম উড়েছে তাঁর পরিবারের। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ গেলে বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা পাওয়ার ক্ষেত্রেও সমস্যা হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি। ইতিমধ্যেই নানা হেনস্থা ও ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ।এই ঘটনায় রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। তৃণমূলের দাবি, পুরো বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের হাতে, তাই দায় তাদেরই। পাল্টা বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূলের আমলে নিয়োগ পাওয়া বুথ স্তরের কর্মীরাই এই ধরনের ভুল করছেন। সাধারণ এক দিনমজুরের জীবনে প্রশাসনিক ভুল কত বড় প্রভাব ফেলতে পারে, সেই প্রশ্নই এখন সামনে আসছে।

মার্চ ০৪, ২০২৬
দেশ

ইরান ইস্যুতে কি বদলাচ্ছে ভারতের অবস্থান? নীরবতায় বাড়ছে জল্পনা

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আবহে ইরানকে ঘিরে ভারতের অবস্থান নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির পর সৌদি আরব এবং বাহারিনের রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই সব আলোচনায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলিতে হামলার নিন্দা করলেও ইরানের নাম সরাসরি উচ্চারণ করেননি তিনি। একইসঙ্গে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং জর্ডানের রাজা আবদুল্লাহ দ্বিতীয়ের সঙ্গেও কথা বলেছেন মোদী। তবে নয়াদিল্লিতে অবস্থিত ইরানের দূতাবাসের আবেদন সত্ত্বেও আয়াতোল্লা খামেনেই হত্যার ঘটনায় এখনও সরাসরি প্রতিবাদ জানায়নি ভারত।এই নীরবতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন কংগ্রেস নেত্রী সনিয়া গান্ধী। একটি বহুল প্রচারিত সংবাদপত্রে লেখা প্রবন্ধে তিনি বলেন, ইরানের রাষ্ট্রপ্রধানকে টার্গেট করে হত্যার ঘটনায় ভারতের নীরবতা নিরপেক্ষতার পরিচয় নয়। তাঁর সেই লেখা সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেছেন রাহুল গান্ধী। তা ঘিরেও রাজনৈতিক মহলে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে। কূটনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, দীর্ঘদিনের অক্ষ নিরপেক্ষ অবস্থান থেকে কি সরে আসছে ভারত?বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে দাবি, বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে বিদেশে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তাই এখন সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গে বৈঠকের পরও মোদী জানিয়েছেন, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে থাকা দেশগুলির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কটের সমাধানে আলোচনা ও কূটনীতির পথেই এগোনোর পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি।অন্যদিকে কংগ্রেস সাংসদ মনীষ তিওয়ারির অভিযোগ, যুদ্ধের মাধ্যমে কোনও সার্বভৌম দেশের সরকার উৎখাতকে ভারত অতীতে কখনও সমর্থন করেনি। বর্তমান পরিস্থিতিতে নয়া দিল্লি খোলাখুলি কোনও অবস্থান নেয় কি না, সেদিকে নজর রাখছে আন্তর্জাতিক মহল। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার মাঝে ভারতের কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা এখন বড় চ্যালেঞ্জ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মার্চ ০৪, ২০২৬
বিদেশ

উপসাগর সংকটে তেল সরবরাহ বন্ধ? ভারতের পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত রাশিয়া!

উপসাগরীয় অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান সংঘাতের জেরে বিশ্বজুড়ে তেলের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাশিয়া ভারতের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে। একটি রুশ সূত্রের দাবি, উপসাগরীয় সংকটের কারণে যদি বিশ্ববাজারে তেলের প্রবাহ ব্যাহত হয়, তবে রাশিয়া ভারতকে জ্বালানি সরবরাহে সহায়তা করতে প্রস্তুত।পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা বাড়ার ফলে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশ্বের বড় অংশের অপরিশোধিত তেল ও গ্যাস এই পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়। সাম্প্রতিক হামলা ও পাল্টা হুমকির জেরে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে বলে জানা গিয়েছে। বিমা সংস্থাগুলিও কিছু ক্ষেত্রে কভার প্রত্যাহার করায় ট্যাঙ্কার চলাচল প্রভাবিত হচ্ছে।এদিকে ভারত সরকার জানিয়েছে, দেশের কাছে আপাতত পর্যাপ্ত তেল ও জ্বালানির মজুত রয়েছে। সরকারি সূত্রের বক্তব্য, পেট্রল, ডিজেল-সহ প্রয়োজনীয় জ্বালানির চাহিদা মেটাতে ছয় থেকে আট সপ্তাহের মতো মজুত রয়েছে। মোট হিসাবে প্রায় পঞ্চাশ দিনের জ্বালানি মজুত আছে বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে প্রায় পঁচিশ দিনের অপরিশোধিত তেল এবং আরও পঁচিশ দিনের পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম পণ্য রয়েছে।ভারতের প্রায় অর্ধেক অপরিশোধিত তেল ও তরল গ্যাস আমদানি হরমুজ প্রণালী হয়ে আসে। ফলে ওই অঞ্চলে অশান্তি দীর্ঘস্থায়ী হলে প্রভাব পড়তে পারে। তবে সরকার বিকল্প দেশ থেকে তেল, তরল গ্যাস ও প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানির পথও খতিয়ে দেখছে। পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি জানিয়েছেন, স্বল্পমেয়াদি কোনও সরবরাহ ব্যাঘাত সামলাতে ভারত প্রস্তুত।বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অপরিশোধিত তেল আমদানিকারক দেশ ভারত। একই সঙ্গে পরিশোধন ক্ষমতায় চতুর্থ এবং পেট্রোলিয়াম পণ্য রফতানিতে পঞ্চম স্থানে রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ভারত তেল কেনার উৎস বাড়িয়েছে, যাতে একক অঞ্চলের উপর নির্ভরশীলতা কমে।পরিস্থিতি নজরে রাখতে কেন্দ্রীয় সরকার চব্বিশ ঘণ্টার নিয়ন্ত্রণকক্ষও চালু করেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে জ্বালানির মজুত ও সরবরাহ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সরকার বর্তমান পরিস্থিতিকে যথেষ্ট স্বস্তিদায়ক বলেই বর্ণনা করেছে।এই আবহে রাশিয়ার প্রস্তাব বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। প্রয়োজনে রাশিয়া থেকে অতিরিক্ত অপরিশোধিত তেল আমদানি করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। যদিও আগে আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যিক সমঝোতার ভিত্তিতে রুশ তেল কেনা ধীরে ধীরে কমানোর কথা হয়েছিল, বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই অবস্থান অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সরবরাহে তৎক্ষণাৎ ঘাটতির সম্ভাবনা কম হলেও বড় প্রভাব পড়তে পারে দামের উপর। আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি আশি ডলারের উপরে উঠে গিয়েছে, যা ইরান সংকটের পর প্রায় দশ শতাংশ বৃদ্ধি। এতে ভারতের আমদানি ব্যয় ও মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা বাড়ছে। গত অর্থবর্ষে অপরিশোধিত তেল আমদানিতে বিপুল অর্থ ব্যয় করেছে ভারত।এদিকে বেসামরিক বিমান চলাচল ক্ষেত্রেও সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলিকে আগামী সাত দিনের জ্বালানি মজুত ও প্রয়োজনের হিসাব দিতে বলা হয়েছে। বর্তমানে দেশে তেত্রিশটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে। পরিস্থিতি অস্থির থাকায় আগাম প্রস্তুতি হিসেবেই এই পদক্ষেপ বলে জানা গিয়েছে।বিশ্বের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সমুদ্রপথে পরিবাহিত অপরিশোধিত তেল এবং প্রায় কুড়ি শতাংশ তরল প্রাকৃতিক গ্যাস হরমুজ প্রণালী দিয়ে যায়। সেখানে দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা তৈরি হলে তার প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতে পড়তে পারে। তবে আপাতত ভারত পরিস্থিতির উপর নজর রেখে বিকল্প পরিকল্পনা প্রস্তুত রেখেই এগোচ্ছে।

মার্চ ০৪, ২০২৬
দেশ

মাঝ আকাশে মৃত্যুভয়! ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের বিভীষিকা শুনে শিউরে উঠছেন ফিরতি ভারতীয়রা

ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের আগুনে জ্বলতে থাকা মধ্যপ্রাচ্য থেকে অবশেষে দেশে ফিরেছেন বহু ভারতীয়। কিন্তু স্বদেশে পা রাখার পরও তাঁদের চোখে-মুখে স্পষ্ট আতঙ্কের ছাপ। সাইরেনের শব্দ, আকাশে মিসাইলের ঝলক, মোবাইলে একের পর এক সতর্কবার্তা সব মিলিয়ে গত কয়েক দিনের অভিজ্ঞতা এখনও তাড়া করে ফিরছে তাঁদের।মঙ্গলবার দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমে অনেকেই জানালেন, মাঝ আকাশেও তাঁরা ভয়ে সিঁটিয়ে ছিলেন। কেউ বললেন, এখন দেশে ফিরেও আতঙ্ক কাটছে না। তবে নিজের দেশে ফেরার স্বস্তির সঙ্গে কোনও কিছুর তুলনা হয় না বলেও জানান তাঁরা।শনিবার থেকে ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে পূর্ণমাত্রায় যুদ্ধ শুরু হয়। নিরাপত্তার কারণে আশপাশের একাধিক দেশের আকাশসীমা বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের বহু দেশ কার্যত আকাশপথে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। একের পর এক বিমান সংস্থা উড়ান বাতিল করে। বেড়াতে বা কাজে গিয়ে আটকে পড়েন বহু ভারতীয়। যুদ্ধের পরিস্থিতিতে অজানা আতঙ্কে দিন কাটাতে হয় তাঁদের। সেলেব্রিটি থেকে সাধারণ মানুষ, হঠাৎ যুদ্ধের মুখে সবাই এক সারির পথিক হয়ে যান।পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতেই মঙ্গলবার সকাল থেকে আংশিকভাবে উড়ান পরিষেবা চালু করে এয়ার ইন্ডিয়া। দুবাই থেকে একটি বিমানে অন্তত দেড়শো যাত্রী দেশে ফিরেছেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় পিভি সিন্ধু ও অভিনেত্রী ইশা গুপ্তাও।দুবাই থেকে ফেরা কয়েকজন যাত্রী জানান, ফোনে বারবার সতর্কবার্তা আসছিল। মাঝেমধ্যে সাইরেন বেজে উঠত। তখনই বোঝা যেত কোথাও মিসাইল ছোড়া হয়েছে। চারপাশে অনিশ্চয়তা আর ভয়। কেউ বলেন, পকেটে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকলে এই পরিস্থিতিতে টিকে থাকাও কঠিন। দেশে ফিরেও সেই দুঃস্বপ্নের রেশ কাটাতে সময় লাগবে বলে জানান অনেকে।মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ পরিস্থিতি যে শুধু সীমান্তে সীমাবদ্ধ নেই, তার প্রভাব পড়েছে সাধারণ মানুষের জীবনেও। আতঙ্ক আর অনিশ্চয়তার সেই অভিজ্ঞতা নিয়ে আপাতত স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন দেশে ফেরা ভারতীয়রা।

মার্চ ০৪, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে মাস্টারস্ট্রোক! বুথে নজরদারিতে নজিরবিহীন কড়াকড়ি

নির্বাচনকে ঘিরে এবার কার্যত কড়া ব্যবস্থা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। প্রতিটি বুথে সিসিটিভি ওয়েবকাস্টিং-এর ব্যবস্থা থাকলেও এবার বুথের ভিতরে ও বাইরে আলাদা করে ক্যামেরা বসানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী জেলা শাসক ও কমিশন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেন। কমিশনের ব্যাখ্যা, এবার বুথের ভিতরে বা বাইরে গন্ডগোল হলে তা সরাসরি ক্যামেরায় ধরা পড়বে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ জোরপূর্বক বুথে ঢোকার চেষ্টা করলে সেখানেও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।এছাড়া বুথের বাইরে পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবেন মাইক্রোঅবজারভাররা। বৈঠকে কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনী যেন কোনও ধরনের আতিথেয়তা গ্রহণ না করে। ঝাড়গ্রাম ও ওড়িশা থেকে একশো জন করে মোট দুশো জন জুডিশিয়াল অফিসার আগামী ৬ মার্চ ভোট পর্যবেক্ষণে থাকবেন। যেখানে বিবেচনাধীন কেস বেশি, সেখানে আরও বেশি অফিসার দায়িত্ব পালন করবেন।কমিশন সূত্রে খবর, কিছু বুথে এখনও জল বা বিদ্যুৎ সমস্যা রয়েছে। সবকিছু ঠিক আছে কিনা খতিয়ে দেখতে হবে এবং রিপোর্ট জমা দিতে হবে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই প্রাক-প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে কমিশন কোমর বেঁধে নেমেছে।

মার্চ ০৪, ২০২৬
রাজ্য

এক ভোটার, দু’টি কেন্দ্র! এসআইআর চূড়ান্ত তালিকায় বড়সড় গরমিল ফাঁস

মৃত ভোটার, স্থানান্তরিত ভোট এবং একাধিক জায়গায় একই নাম বাদ দিতেই এসআইআর প্রক্রিয়া চালু হয়েছিল বলে জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। এনুমারেশন ফর্ম পূরণ, শুনানি এবং তথ্য যাচাইয়ের পর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। কিন্তু সেই তালিকাতেই এবার ধরা পড়ল বড় গরমিল। একই ভোটারের নাম পাওয়া গেল দুই আলাদা বিধানসভা কেন্দ্রে। এক জায়গায় শ্যামপুকুর, অন্য জায়গায় অশোকনগর। শুনানির পরও কীভাবে দুজায়গায় নাম থেকে গেল, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় দেখা গিয়েছে, ওই ভোটার এবং তাঁর বাবার নাম দুই জায়গাতেই একই রয়েছে। শুধু বয়সে সামান্য পার্থক্য। একটি কেন্দ্রে বয়স লেখা ৫৬ বছর, অন্য কেন্দ্রে ৫৮ বছর। ডিসেম্বর মাসেই সিইও দফতর জানিয়েছিল, ওই ভোটারকে শোকজ করা হয়েছে। কেন তিনি দুই বিধানসভা কেন্দ্রে এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করেছেন, তা জানতে চাওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ বিষয়টি আগে থেকেই কমিশনের নজরে ছিল। তবুও চূড়ান্ত তালিকায় দুজায়গায় তাঁর নাম থেকে যাওয়ায় নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।শ্যামপুকুর উত্তর কলকাতার একটি বিধানসভা কেন্দ্র। অশোকনগর উত্তর ২৪ পরগনার অন্তর্গত। কীভাবে এই ভুল থেকে গেল, তা জানতে চেয়ে দুই জেলার নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে রিপোর্ট তলব করেছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল।গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। প্রায় ৬২ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর। আবার প্রায় ৬০ লক্ষ নাম রয়েছে অমীমাংসিত তালিকায়। তাঁদের নথি এখনও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে শুরু থেকেই নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করে আসছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই আবহে একই ভোটারের নাম দুই জায়গায় থাকার ঘটনা নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর বাড়াল।

মার্চ ০৩, ২০২৬
কলকাতা

মিঠুন জল্পনা উড়িয়ে শেষমেশ রাহুলই ভরসা! রাজ্যসভায় যাচ্ছে বিজেপির পুরনো সৈনিক

রাজ্যসভার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বিজেপি। বাংলা থেকে দলের প্রার্থী করা হয়েছে রাহুল সিনহাকে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যসভায় মোট পাঁচটি আসন ফাঁকা রয়েছে। তার মধ্যে চারটি আসনে ইতিমধ্যেই প্রার্থী ঘোষণা করেছে তৃণমূল। বাকি একটি আসনে কাকে প্রার্থী করবে বিজেপি, তা নিয়ে জল্পনা চলছিল। একাধিক নাম ঘুরছিল রাজনৈতিক মহলে। শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব রাহুল সিনহার নামেই সিলমোহর দিল।মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গ-সহ মোট ছয়টি রাজ্যের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি। বিহার, অসম, ছত্তীসগঢ়, হরিয়ানা, ওড়িশা এবং বাংলা থেকে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। বিহার থেকে প্রার্থী হচ্ছেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। অসম থেকে তেরাস গোয়ালা ও যোগেন মোহন, ছত্তীসগঢ় থেকে লক্ষ্মী বর্মা, হরিয়ানা থেকে সঞ্জয় ভাটিয়া এবং ওড়িশা থেকে মনমোহন সমল ও সুজিত কুমারের নাম ঘোষণা হয়েছে।বাংলার ক্ষেত্রে পঞ্চম আসনে বিজেপির ভরসা রাহুল সিনহা। এর আগে অনন্ত মহারাজ ও শমীক ভট্টাচার্য রাজ্যসভায় গিয়েছেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল রাহুলের নাম। তিনি বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি এবং দীর্ঘদিনের সংগঠক। তবে গত কয়েক বছরে তাঁকে সক্রিয় রাজনীতিতে তেমন দেখা যায়নি। দলের অন্দরেই অনেক সময় তাঁকে কোণঠাসা করে রাখা হয়েছে বলে আলোচনা ছিল।শমীক ভট্টাচার্য রাজ্য সভাপতি হওয়ার পর থেকেই রাহুল সিনহাকে আবার সক্রিয় ভূমিকায় দেখা যায়। বিভিন্ন সভা, মিছিল ও কর্মসূচিতে অংশ নিতে শুরু করেন তিনি। একইভাবে দিলীপ ঘোষকেও নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রাজ্য নির্বাচনের আগে পুরনো মুখদের সামনে আনার কৌশল নিয়েছে বিজেপি, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, রাহুল সিনহা এখনও পর্যন্ত যে কটি নির্বাচন লড়েছেন, সবকটিতেই পরাজিত হয়েছেন। চারবার বিধানসভা এবং পাঁচবার লোকসভা নির্বাচনে লড়ে জিততে পারেননি তিনি। মোট নয়বার ভোটে হেরেছেন। বরাবরই তাঁর আক্ষেপ ছিল, রাজ্য সভাপতি হলেও কখনও বিধায়ক বা সাংসদ হতে পারেননি। রাজ্যসভার প্রার্থী ঘোষণার মাধ্যমে সেই আক্ষেপ ঘোচানোর সুযোগ পেলেন তিনি।আগামী ১৬ মার্চ বাংলার পাঁচটি আসনে রাজ্যসভা নির্বাচন হবে। চারটি আসনে তৃণমূল প্রার্থী করেছে কোয়েল মল্লিক, বাবুল সুপ্রিয়, মেণকা গুরুস্বামী ও রাজীব কুমারকে। সেই তালিকা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা চলছে। বিশেষ করে মেণকা গুরুস্বামী ও রাজীব কুমারের নাম ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে।পাঁচটি আসনের মধ্যে একটি আসন বিজেপির দখলে যাওয়া প্রায় নিশ্চিত ছিল। তবে সেই আসনে কাকে প্রার্থী করা হবে তা নিয়ে জল্পনা ছিল প্রবল। রাহুল সিনহার পাশাপাশি অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী এবং এক পদ্মশ্রী প্রাপক সঙ্গীতশিল্পীর নামও শোনা যাচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত দলের পুরনো মুখের উপরেই ভরসা রাখল বিজেপি।

মার্চ ০৩, ২০২৬
রাজ্য

বাহিনী ও কর্মী সঙ্কট, বাংলায় একদিনে ভোট অসম্ভব! অবশেষে মানল নির্বাচন কমিশন

বাংলায় এক দফায় বিধানসভা ভোট করার প্রস্তুতি শুরু করেছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু বাহিনীর অপ্রতুলতা এবং পর্যাপ্ত ভোটকর্মীর অভাবের কথা জানিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি তুলেছিল রাজ্য সরকার। তাদের দাবি ছিল, একদিনে ভোট করা বাস্তবে সম্ভব নয়। অবশেষে দুদিনের পর্যালোচনা বৈঠকের পর রাজ্যের সেই বক্তব্যই মানতে বাধ্য হল কমিশন। সিইও কার্যালয় সূত্রে খবর, এক দফায় নির্বাচনের ভাবনা আপাতত বাতিল করা হয়েছে। তবে কত দফায় ভোট হবে, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।নির্বাচনী প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে আগামী ৯ মার্চ দিল্লি থেকে কলকাতায় আসছেন জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধি দল। দুদিন রাজ্যে থেকে তারা বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করবেন। তার আগে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরের শীর্ষ কর্তারা রাজ্য প্রশাসন ও পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেন। জেলা নির্বাচনী আধিকারিক, পুলিশ মহাপরিচালক, আইনশৃঙ্খলা বিভাগের শীর্ষ কর্তা ও জেলাশাসকরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। দিল্লি থেকেও দায়িত্বপ্রাপ্ত এক শীর্ষ আধিকারিক ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।বৈঠকে স্পর্শকাতর এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী কীভাবে ব্যবহার করা হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। কমিশন স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে, প্রয়োজন মতো বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। পাশাপাশি বাহিনী যাতে কোনও রকম আতিথেয়তা গ্রহণ না করে, সে বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে রাজ্য পুলিশকে।এ বার বিধানসভা ভোটে ওয়েব কাস্টিং নিয়েও কড়া অবস্থান নিতে চলেছে কমিশন। সূত্রের খবর, নজরদারির দায়িত্বে থাকা সরকারি কর্মচারীদের আরও বেশি জবাবদিহির আওতায় আনা হবে। একজন কর্মী চার ঘণ্টার বেশি দায়িত্বে থাকতে পারবেন না। দায়িত্ব শেষের পর লিখিতভাবে জানাতে হবে ওই সময়ের মধ্যে কী কী দেখেছেন। পরবর্তীতে কোনও অনিয়ম ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট কর্মীকে দায় নিতে হতে পারে। প্রয়োজনে ওয়েব কাস্টিংয়ের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদেরও নিয়োগ করা হতে পারে।কমিশনের প্রতিনিধি দল রাজ্য সফর সেরে ফেরার পরই বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এক দফা ভোটের পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ০৩, ২০২৬
দেশ

হরমুজ বন্ধ, তেলের দামে আগুন! চাপে ভারত, বাড়বে কি পেট্রল-ডিজেলের দাম?

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার সরাসরি পড়তে শুরু করেছে বিশ্ববাজারে। শেয়ার বাজারে ধস নামার পর এবার তেলের দামে বড় উল্লম্ফন। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহ কার্যত থমকে গেছে। তার জেরে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক ধাক্কায় প্রায় ছয় শতাংশ বেড়েছে।সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি আশি মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যায়। শুক্রবার এই দাম ছিল প্রায় বাহাত্তর দশমিক নয় ডলার। অর্থাৎ মাত্র দুই দিনে ব্যারেল প্রতি প্রায় দশ ডলার বৃদ্ধি। এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব ভারতের উপরও পড়ছে। কারণ দেশের প্রায় নব্বই শতাংশ অপরিশোধিত তেল আমদানি করতে হয় বিদেশ থেকে।পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, আপাতত পেট্রল ও ডিজেলের দাম বাড়ানো হচ্ছে না। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক ভাবে আমদানি শুল্ক ও অন্যান্য কর কমিয়ে সাধারণ মানুষের উপর চাপ কমানোর কথা ভাবা হচ্ছে। তবে দীর্ঘদিন যদি হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকে, তাহলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠতে পারে।মন্ত্রকের হিসেব অনুযায়ী, ব্যারেল প্রতি দশ ডলার দাম বাড়লে ভারতের বার্ষিক আমদানি খরচ তেরো থেকে চোদ্দ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ কয়েক হাজার কোটি টাকার বেশি।বর্তমানে ভারতের হাতে চুয়াত্তর দিনের তেল মজুত রয়েছে। কিন্তু হরমুজ প্রণালী দিয়ে দেশের মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ শতাংশ আসে। তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের বড় অংশও এই পথেই আসে। সারা বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের প্রায় কুড়ি শতাংশ সরবরাহ হয় এই প্রণালী দিয়ে। ফলে এই পথ বন্ধ থাকায় বিশ্ব জুড়েই চাপ বাড়ছে।এখন বিকল্প উৎসের দিকে তাকিয়ে রয়েছে নয়াদিল্লি। আমেরিকা ও ভেনেজুয়েলা-সহ ল্যাটিন আমেরিকা এবং পশ্চিম আফ্রিকা থেকে তেল আমদানি বাড়ানোর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গত এক বছরে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি কিছুটা কমিয়েছে ভারত। বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। তার সরাসরি প্রভাব পড়বে দেশের পরিবহন খরচ, শিল্প উৎপাদন এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে। এখন নজর হরমুজ প্রণালী কবে খুলবে এবং আন্তর্জাতিক বাজার কতটা স্থিতিশীল হয় তার উপর।

মার্চ ০২, ২০২৬
বিদেশ

মুসলিম বিশ্বে একঘরে ইরান! দূতাবাস বন্ধ করল আমিরশাহী, তেহরানের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। ইরানের লাগাতার হামলায় রক্তাক্ত একাধিক মুসলিম দেশ। সৌদি আরব, কাতার, ওমান-সহ বিভিন্ন দেশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে তেহরানের বিরুদ্ধে। এই পরিস্থিতিতে ইরানকে কার্যত একঘরে করার পথে হাঁটল সংযুক্ত আরব আমিরশাহী। তেহরানে থাকা তাদের দূতাবাস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ইরানে নিযুক্ত কূটনীতিকদেরও ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সম্প্রতি ইরানের মাটিতে আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় মৃত্যু হয় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেই-সহ একাধিক শীর্ষ ব্যক্তিত্বের। তার পর থেকেই প্রতিশোধের আগুনে জ্বলছে তেহরান। শনিবার ও রবিবার দুবাই, আবুধাবি, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত এবং সৌদি আরবে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলেছে।ইরানের এই পদক্ষেপে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে আরব দেশগুলি। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ স্পষ্ট ভাষায় জানান, প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে এভাবে আগ্রাসী হওয়া সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। তিনি বলেন, নিজেদের যুদ্ধ অন্য দেশের উপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়।কিন্তু সতর্কবার্তার পরও হামলা থামেনি। বরং আক্রমণের মাত্রা বেড়েছে বলেই অভিযোগ। ফলে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার কঠোর সিদ্ধান্ত নেয় আমিরশাহী। সে দেশের বিদেশমন্ত্রক জানায়, এই হামলা সার্বভৌমত্বের গুরুতর লঙ্ঘন। কয়েক দশকের সম্পর্কের ইতিহাসে এই প্রথম ইরানে দূতাবাস বন্ধ করল আমিরশাহী।শনিবার মার্কিন হামলার পরই দুবাইয়ের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পাম জুমেইরাহ অঞ্চলে বিস্ফোরণের ঘটনা নিশ্চিত করেছে প্রশাসন। বিশ্বের অন্যতম উঁচু ভবন বুর্জ খলিফা-র কাছেও বিস্ফোরণের খবর মেলে। নিরাপত্তার কারণে খালি করে দেওয়া হয় ওই ভবন।রবিবারও হামলা অব্যাহত থাকে। আবুধাবির একটি নৌসেনা ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দুবাইয়ের রুওয়াইস শিল্পাঞ্চলে ছোড়া রকেট আছড়ে পড়ে। একাধিক মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে।মধ্যপ্রাচ্যের এই ক্রমবর্ধমান উত্তেজনায় উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে। মুসলিম বিশ্বের বড় অংশ ইরানের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নেওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। যুদ্ধের আগুন কোথায় গিয়ে থামবে, তা নিয়েই এখন বড় প্রশ্ন।

মার্চ ০২, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের ধাক্কায় ধস দালাল স্ট্রিটে! একদিনেই সেনসেক্স নামল ২৭০০ বেশি পয়েন্টে, কাঁপছে বাজার

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে কাঁপছে বিশ্ব অর্থনীতি। তার সরাসরি প্রভাব পড়ল ভারতের শেয়ার বাজারে। সপ্তাহের প্রথম দিন বাজার খুলতেই বড় ধাক্কা খেল দালাল স্ট্রিট। সেনসেক্স এক ধাক্কায় পড়ে গেল দুই হাজার সাতশোরও বেশি পয়েন্ট। নিফটিতেও বড়সড় পতন দেখা যায়।শনিবার থেকে ইরান, ইজরায়েল ও আমেরিকার সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে। পরপর কয়েকদিন ধরে পশ্চিম এশিয়ার একাধিক জায়গায় আক্রমণ চলছে। সেই প্রভাব যে শেয়ার বাজারে পড়বে, তা আগেই আন্দাজ করা হয়েছিল। তবে বাজার খুলতেই এত বড় পতন হবে, তা ভাবতে পারেননি অনেক বিনিয়োগকারী।সোমবার সকালে সেনসেক্স খোলে সাতাত্তর হাজার পাঁচশোর কিছু বেশি পয়েন্টে। যা আগের বাজার বন্ধের সূচকের তুলনায় দুই হাজার সাতশোরও বেশি কম। প্রায় সাড়ে তিন শতাংশ পড়ে যায় সূচক। নিফটিও পাঁচশোর বেশি পয়েন্ট হারায়। যদিও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে বাজার, তবুও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা কাটেনি।আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, অন্তত একমাস ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে। এই ঘোষণার পর বিশ্ব জুড়েই আতঙ্ক ছড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বাজারে স্থিতি ফিরতে সময় লাগবে।ভারতই নয়, বিশ্বজুড়েই শেয়ার বাজারে ধাক্কা লেগেছে। আমেরিকার বাজারে বড় পতন দেখা গিয়েছে। জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারেও দুই থেকে তিন শতাংশ পর্যন্ত সূচক নেমে গিয়েছে। হংকং ও চিনের বাজারেও একই ছবি। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আবু ধাবি ও দুবাইয়ের বাজার সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এদিকে যুদ্ধের আবহে দ্রুত বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ বন্ধ হয়ে গেলে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। তাতে ভারতের মতো তেল আমদানিনির্ভর দেশের উপর চাপ আরও বাড়বে। বাজার বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, যুদ্ধ যতদিন চলবে, ততদিন শেয়ার বাজারে অস্থিরতা থাকবেই।

মার্চ ০২, ২০২৬
কলকাতা

আতঙ্ক! দুবাইয়ের অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে আটকে শুভশ্রী, পাশে ছোট্ট ইউভান

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই দুবাইয়ে আটকে পড়েছেন টলিউড অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলি। ছেলে ইউভানের স্কুলে ছুটি পড়ায় তার ইচ্ছেতেই বেড়াতে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেখানে পৌঁছনোর পর থেকেই পরিস্থিতি জটিল হতে শুরু করে। এখন তিনি ও তাঁর ছেলে দুবাইয়েই একটি হোটেলে অবস্থান করছেন।অভিনেত্রীর স্বামী রাজ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, শনিবারই তাঁরা দুবাই পৌঁছেছেন। এরপর থেকেই উত্তেজনা বাড়তে থাকে। বর্তমানে তাঁরা পাম জুমেইরার একটি হোটেলে রয়েছেন। হোটেলের কাছেই বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে বলে জানা গেছে। এর জেরে স্থানীয় প্রশাসনের তরফে নির্দেশিকা জারি করে সবাইকে ঘরের বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।রাজ জানান, তাঁদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে। ছেলে সঙ্গে থাকায় স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ আরও বেড়েছে। তবে আতঙ্কিত না হয়ে পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন তাঁরা। দুবাইয়ে তাঁদের পরিচিত ও আত্মীয়রা রয়েছেন, তাঁরাই প্রয়োজনে সাহায্য করছেন বলে জানা গেছে।মধ্যপ্রাচ্যের অশান্ত পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে পর্যটকদের উপরও। বহু ভারতীয় পর্যটক এখন অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। শুভশ্রী ও তাঁর ছেলে সুস্থ ও নিরাপদে দেশে ফিরবেন, সেই প্রার্থনাই করছেন অনুরাগীরা।

মার্চ ০১, ২০২৬
বিদেশ

বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক! ইরানকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, ‘এবার আঘাত এলে নজিরবিহীন জবাব দেবে আমেরিকা’

ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাত ঘিরে উত্তেজনা চরমে উঠেছে। ইরান যদি আরও বড় আঘাত হানে, তা হলে আমেরিকা এমন জবাব দেবে যা আগে কখনও দেখা যায়নি এমনই কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump। নিজের সামাজিক মাধ্যমে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ইরান যদি হুমকি মতো খুব বড় আক্রমণ চালায়, তা হলে আমেরিকার পাল্টা আঘাত হবে নজিরবিহীন।এই হুঁশিয়ারির আগে ইরান জানিয়েছিল, ইজরায়েল ও আমেরিকার বিরুদ্ধে ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর সামরিক অভিযান শুরু করা হবে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হওয়ার পরই এই ঘোষণা করে তেহরান। ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস জানায়, খুব শিগগিরই বড় আকারের অভিযান শুরু হবে।রবিবার ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন জানায়, ইজরায়েল ও আমেরিকার ঘাঁটি লক্ষ্য করে নতুন করে হামলা চালানো হয়েছে। ইসরায়েলের নেগেভ ও ডেড সি অঞ্চলে লাল সতর্কতা জারি করা হয়। তেল আবিবে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আকাশে আসা ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার চেষ্টা চালায়।ইরানের দাবি, পশ্চিম এশিয়ায় অবস্থিত ২৭টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। পরিস্থিতি দ্রুত জটিল হয়ে উঠছে। আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে যে এই সংঘাত আরও বিস্তৃত আকার নিতে পারে।এরই মধ্যে নিশ্চিত হয়েছে, ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন খামেনেই। তাঁর মৃত্যুর পর ইরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ জানিয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডই বড় গণআন্দোলনের সূচনা করবে। ইসরায়েলের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যমও জানিয়েছে, তেহরানে নিজের বাসভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে খামেনেইয়ের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।হামলায় খামেনেইয়ের পরিবারের একাধিক সদস্যও প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন তাঁর মেয়ে, নাতি, পুত্রবধূ ও জামাই। পাশাপাশি ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ এবং ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পসের কমান্ডার মহম্মদ পাকপৌরও নিহত হয়েছেন বলে খবর।মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত যে বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। এখন সবার নজর, পরবর্তী পদক্ষেপ কী নেয় ইরান ও আমেরিকা।

মার্চ ০১, ২০২৬
দেশ

বিশ্ব কাঁপানো সিদ্ধান্ত! হরমুজ প্রণালী বন্ধ করল ইরান, তেলের দামে আগুন লাগার আশঙ্কা

ইরান-আমেরিকার সংঘাত নিয়ে যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তা এবার সত্যি হল। ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলার জেরে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছে ইরান। আমেরিকার ঘনিষ্ঠ সাতটি দেশজর্ডন, কুয়েত, কাতার, বাহরিন, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে মিসাইল হামলার দাবি করেছে তেহরান। এরই মধ্যে আরও বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে হরমুজ প্রণালী।ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে কোনও জাহাজ যাতায়াত করতে পারবে না। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের লেনদেনে বড় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মাত্র প্রায় পঞ্চাশ কিলোমিটার চওড়া এই সরু জলপথ দিয়েই বিশ্বের প্রায় বিশ শতাংশ তেল আমদানি ও রফতানি হয়। বিশ্বে প্রতি পাঁচ ব্যারেল তেলের মধ্যে একটি ব্যারেল এই পথ ধরে আসে। সৌদি আরব, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কাতার ও ইরানমধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সব বড় তেল উৎপাদনকারী দেশই এই পথ ব্যবহার করে এশিয়ার বাজারে তেল পাঠায়। ভারত, চিন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া এই তেলের বড় ক্রেতা।হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ায় চাপে পড়তে পারে ভারতও। সূত্রের খবর, বর্তমানে ভারতের কৌশলগত তেল ভাণ্ডার দিয়ে প্রায় চুয়াত্তর দিন দেশের চাহিদা মেটানো সম্ভব। তার পর বিকল্প উৎস খুঁজতে হবে। তেল সরবরাহ কমে গেলে স্বাভাবিকভাবেই পেট্রোল, ডিজেল ও রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তার প্রভাব পড়বে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের বাজারেও।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, বিকল্প জ্বালানির ব্যবস্থা নিয়ে ভাবনা শুরু হয়েছে। তবে হরমুজ প্রণালী দিয়ে সম্প্রতি তেল আমদানি বাড়িয়েছিল ভারত। গত বছরে যেখানে প্রায় বিশ লক্ষ ব্যারেল তেল কেনা হয়েছিল, সেখানে এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে দৈনিক প্রায় ছাব্বিশ লক্ষ ব্যারেলে পৌঁছয় আমদানি। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে ভারতের মোট তেল আমদানির প্রায় অর্ধেকই এসেছিল এই পথ ধরে। এর আগে সেই পরিমাণ ছিল প্রায় চল্লিশ শতাংশ।হরমুজ প্রণালীর বিকল্প হিসেবে সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির আবুধাবি থেকে লোহিত সাগর পর্যন্ত পাইপলাইন ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে সেই ব্যবস্থারও সীমাবদ্ধতা রয়েছে এবং সরবরাহের পরিমাণ কম।এই পরিস্থিতিতে রাশিয়া থেকেও আবার তেল কেনার কথা ভাবতে হতে পারে ভারতকে। কিন্তু তাতেও জটিলতা রয়েছে। রাশিয়া থেকে তেল কেনার কারণে আগে ভারতের উপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছিল আমেরিকা। বর্তমানে দুই দেশের বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার পথে। ফলে নতুন করে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হবে না। আমেরিকা চাইছে ভারত তাদের কাছ থেকে তেল কিনুক। পাশাপাশি পশ্চিম আফ্রিকার নাইজেরিয়া ও আঙ্গোলা, লাতিন আমেরিকার ব্রাজিল, কলম্বিয়া ও ভেনেজুয়েলা থেকেও তেল আমদানির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সেই ক্ষেত্রে খরচ অনেকটাই বেড়ে যেতে পারে। তার সরাসরি প্রভাব পড়বে দেশের সাধারণ মানুষের পকেটে।

মার্চ ০১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বাবার শেষকৃত্য সেরে দলে যোগ দিলেন রিঙ্কু সিং! ইডেনে হাইভোল্টেজ লড়াইয়ে নজর দেশবাসীর

দুপুর ঠিক দেড়টার সময় চেন্নাই বিমানবন্দরে এসে থামল ভারতীয় দলের বাস। একে একে নেমে এলেন হার্দিক পাণ্ডিয়া, জশপ্রীত বুমরাহ-রা। ক্রিকেটারদের মুখে স্পষ্ট স্বস্তির ছাপ। আহমেদাবাদে হারের পর যে চাপ তৈরি হয়েছিল, জিম্বাবোয়ে ম্যাচ জিতে তার অনেকটাই কাটিয়ে উঠেছে দল। এখন নজর ইডেনের ম্যাচে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে এই ম্যাচ ভারতের কাছে কার্যত কোয়ার্টার ফাইনাল। জিতলেই আর রান রেটের অঙ্ক নয়, সরাসরি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে যাবে দল।জিম্বাবোয়ে ম্যাচে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ব্যাটারদের ফর্মে ফেরা। সঞ্জু স্যামসন ওপেন করে গুরুত্বপূর্ণ রান করেন। এরপর মাঝের সারির প্রায় সবাই অবদান রাখেন। লোয়ার অর্ডারে নেমে তিলক বর্মা ঝড়ো ইনিংস খেলেন। সব মিলিয়ে প্রবল আত্মবিশ্বাস নিয়েই কলকাতায় পৌঁছেছে ভারতীয় দল।তবে খুশির মাঝেও রয়েছে শোকের ছায়া। শুক্রবার পিতৃবিয়োগ হয়েছে রিঙ্কু সিং-এর। দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তাঁর বাবা। জিম্বাবোয়ে ম্যাচের আগে বাবাকে দেখতে গিয়েছিলেন রিঙ্কু। খবর পেয়েই তিনি চেন্নাই থেকে রওনা দেন। কিন্তু দলের প্রতি দায়বদ্ধতার পরিচয় দিয়ে শনিবারই ফের দলের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন তিনি। বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, রিঙ্কু দলের সঙ্গেই থাকবেন। অতীতে শচীন তেণ্ডুলকর ও বিরাট কোহলি-ও পিতৃবিয়োগের পর দলের হয়ে খেলে দায়িত্ববোধের নজির গড়েছিলেন। সেই স্মৃতিই যেন ফিরে এল আবার।ম্যাচের আগে ছোট্ট একটি টিম মিটিং হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেখানে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধেও নির্ভীক ক্রিকেট খেলতে হবে। বিপক্ষকে শুরু থেকেই চাপে রাখতে হবে। কয়েকটি উইকেট পড়ে গেলেও ব্যাটিংয়ের ধরণ বদলানো যাবে না। তিলকও বলেছেন, আগের ম্যাচগুলোতে তিনি একটু দেখে খেলছিলেন। কিন্তু এখন ঠিক হয়েছে, প্রথম বল মারার মতো হলে আক্রমণ করতেই হবে।কোচ গৌতম গম্ভীর ইডেনের পিচ খুব ভালো করেই চেনেন। দীর্ঘদিন কলকাতার হয়ে খেলেছেন, পরে দায়িত্বেও ছিলেন। সাধারণত ইডেন রানের পিচ হিসেবেই পরিচিত। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পাওয়ার হিটিং আটকাতে ভারত যদি তুলনামূলক ধীর উইকেটে খেলতে চায়, তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। ক্যারিবিয়ান ব্যাটাররা বিশ্বকাপে ধারাবাহিকভাবে বড় শট খেলেই সাফল্য পেয়েছেন।তবে জিম্বাবোয়ে ম্যাচ জিতলেও বোলিং নিয়ে কিছু চিন্তা রয়েই গিয়েছে। আগের ম্যাচে বুমরাহ উইকেট পাননি। বরুণ চক্রবর্তী-কেও শেষ দুই ম্যাচে খুব ধারালো দেখায়নি। ভারতীয় স্পিন আক্রমণে তিনি বড় ভরসা। জানা গিয়েছে, তাঁকে নিয়ে আলাদা করে আলোচনা হয়েছে দলের ভিতরে। সব মিলিয়ে সেমিফাইনালের আগে ইডেনের ম্যাচে টানটান উত্তেজনা থাকছেই।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ, জেলায় জেলায় চাঞ্চল্য! কোথায় কত নাম বাদ গেল জানলে চমকে উঠবেন

অবশেষে প্রকাশিত হল এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা। আপাতত অফলাইনে তালিকা প্রকাশ হয়েছে। ডিএম ও বিডিও অফিসে পৌঁছে গিয়েছে হার্ড কপি। ব্লকে ব্লকে বিএলও-দের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে সেই তালিকা। তাঁরা তালিকা সংগ্রহ করে বুথের দিকে রওনা দিচ্ছেন। খুব শিগগিরই রাজ্যবাসী বুথে গিয়ে নিজের নাম মিলিয়ে নিতে পারবেন। অনলাইন এবং অফলাইনদুইভাবেই তালিকা দেখার সুযোগ থাকবে, তবে এখনও পর্যন্ত অফলাইনেই তালিকা প্রকাশ্যে এসেছে। জেলায় জেলায় বুথে তালিকা ঝুলিয়ে দেওয়া হচ্ছে। নন্দীগ্রাম থেকে ঠাকুরনগর, সর্বত্র একই ছবি। তালিকা সামনে আসতেই কোথায় কত নাম বাদ গেল, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মনে। কোথাও বিএলও জানাচ্ছেন, নাম বাদ যায়নি। আবার কোথাও অভিযোগ উঠছে, বিএলও-র নিজের নামই অমীমাংসিত তালিকায় চলে গিয়েছে।নন্দীগ্রামের চড়কেন্দ্রমারির এক বুথের বিএলও জানিয়েছেন, তাঁর হাতে যে তালিকা এসেছে তাতে ৯৫৩ জন ভোটারের নাম রয়েছে। খসড়া তালিকার সঙ্গে চূড়ান্ত তালিকার কোনও বড় পার্থক্য নেই বলেই তিনি দাবি করেছেন। তবে ২১৯ নম্বর বুথের বিএলও জানিয়েছেন, কিছু নাম বাদ গিয়েছে। যদিও বিক্ষিপ্ত কয়েকটি ঘটনা ছাড়া অধিকাংশের নাম রয়েছে বলেই তাঁর দাবি। অন্যদিকে নন্দীগ্রামের এক ব্লকের এক বিএলও অভিযোগ করেছেন, তাঁর নিজের নামই মীমাংসিত তালিকায় নেই। অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে তাঁর নাম। তিনি জানিয়েছেন, ২৭ বছর ধরে চাকরি করছেন, সমস্ত নথি রয়েছে, বানানেও ভুল নেই, পাসপোর্টও আছে। তবু কেন তাঁর নাম বিচারাধীন হল, তা তিনি বুঝতে পারছেন না।বাঁকুড়াতেও বুথে বুথে চূড়ান্ত তালিকা টাঙানো হয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, আপাতত ৩ হাজার ৩০০ জনের নাম বাদ পড়েছে। খসড়া তালিকায় ১ লাখ ৩২ হাজার নাম বাদ গিয়েছিল। সব মিলিয়ে প্রায় ১ লাখ ৩৫ হাজার ৩০০ জনের নাম বাদ পড়েছে বলে প্রশাসনের দাবি। ৭০ নম্বর বুথে বাদ গিয়েছে ৩ জনের নাম। অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে প্রায় ৩৯ হাজার নাম।উত্তর ২৪ পরগনার বিধাননগর বিধানসভা কেন্দ্রে মোট ভোটার ছিলেন ২ লাখ ৩১ হাজার ১৬৯ জন। প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী ৯৭১ জনের নাম বাদ পড়েছে। ঠাকুরনগরে সবথেকে বেশি নাম আনম্যাপড হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, প্রায় ৩০ হাজার নাম বাদ গিয়েছে সেখানে। ফলে আতঙ্কে রয়েছেন বহু বাসিন্দা।কলকাতার উত্তর অংশে এখনও পর্যন্ত প্রায় ১৭ হাজার নাম বাদ গিয়েছে বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে। দক্ষিণ কলকাতায় খসড়া তালিকায় ৬ লাখ ৯১ হাজার ৩০৬ জনের নাম ছিল। চূড়ান্ত তালিকায় রয়েছে ৬ লাখ ৮৮ হাজার ৯৯ জনের নাম। অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে ৭৮ হাজার ৬৫৭ জনের নাম।মুর্শিদাবাদে অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে প্রায় ৬ লাখ নাম। চূড়ান্ত তালিকায় কতজনের নাম বাদ গিয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। উত্তর ২৪ পরগনায় অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে প্রায় ৫ লাখ ৯০ হাজার নাম। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে প্রায় ৫ লাখ ২০ হাজার নাম। পশ্চিম মেদিনীপুরে অমীমাংসিত তালিকায় প্রায় ১ লাখ নাম রয়েছে। নদিয়ায় প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী ৬০ হাজার নাম বাদ গিয়েছে এবং অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার নাম।এদিকে এখনও পর্যন্ত অনলাইনে তালিকা প্রকাশ হয়নি। জানা গিয়েছে, দুপুর গড়িয়ে যেতে পারে অনলাইনে তালিকা প্রকাশ পেতে। তালিকা প্রকাশ হলে দুটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে রাজ্যবাসী নিজেদের নাম খুঁজে দেখতে পারবেন। ফলে এখন সবার নজর অনলাইনে প্রকাশের দিকেই।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬
রাজ্য

আজই প্রকাশ এসআইআর চূড়ান্ত তালিকা! আপনার নামের পাশে কী লেখা আছে, তার উপরেই নির্ভর করবে ভোটাধিকার

উত্তেজনাপূর্ণ ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিনে আজ, ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ পেতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা। কতজনের নাম থাকবে, কতজনের নাম বাদ পড়বে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে তীব্র সংশয়। তবে নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, আজ তালিকা প্রকাশ হলেও তা পুরোপুরি চূড়ান্ত নয়। এই তালিকায় তিনটি আলাদা ক্যাটেগরি থাকবে এবং আপনি কোন ক্যাটেগরিতে রয়েছেন, তার উপরেই নির্ভর করবে আপনার ভোটাধিকার।নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আজকের তালিকায় প্রায় ৭ কোটি ৮ লক্ষ মানুষের নাম থাকতে পারে। কিন্তু এখনও সবার যোগ্যতা যাচাই সম্পূর্ণ হয়নি। তাই আপাতত সকলের নামই থাকবে তালিকায়। তবে প্রত্যেকের নামের পাশে একটি করে স্টেটাস লেখা থাকবে। সেই স্টেটাস দেখেই বোঝা যাবে, কেউ বৈধ ভোটার হিসেবে নিশ্চিত কি না, নাকি তার তথ্য এখনও যাচাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।চূড়ান্ত তালিকায় যেমন বৈধ বা যোগ্য ভোটারদের নাম থাকবে, তেমনই যাঁদের শুনানির জন্য ডাকা হয়েছিল এবং যাঁদের জমা দেওয়া নথি এখনও বিচারাধীন, তাঁদের নামও থাকবে। তবে তাঁদের নামের পাশে লেখা থাকবে অমীমাংসিত বা অ্যাডজুডিকেশন। যাঁদের নামের পাশে অমীমাংসিত লেখা থাকবে, তাঁদের ক্ষেত্রেই মূল সমস্যা। কারণ চূড়ান্ত তালিকায় নাম থাকলেও তাঁদের ভোটাধিকার এখনও নিশ্চিত নয়।এই সমস্ত নথি আবার খতিয়ে দেখা হবে। তার পর নির্বাচন কমিশন একটি সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করবে। সেই তালিকায় নাম থাকলেই কেবল ভোট দেওয়া সম্ভব হবে। যদি সেখানে নাম না থাকে, তা হলে ভোটাধিকার থাকবে না। শোনা যাচ্ছে, আপাতত প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটারের নামের পাশে অমীমাংসিত স্টেটাস থাকতে পারে। ফলে আজ তালিকা প্রকাশ হলেও এই বিপুল সংখ্যক মানুষ নিশ্চিত হতে পারবেন না। তাঁদের অপেক্ষা করতে হবে পরবর্তী সাপ্লিমেন্টারি তালিকার জন্য। যদিও সেই তালিকা কবে প্রকাশ হবে, তা এখনও স্পষ্ট করে জানায়নি নির্বাচন কমিশন।এ ছাড়া আজকের চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় যাঁদের নাম বাদ পড়বে, তাঁদের নামও সম্পূর্ণ মুছে দেওয়া হচ্ছে না। নামের পাশে ডিলিটেড লেখা থাকবে। ফলে এক নজরে বোঝা যাবে কার নাম বহাল রয়েছে, কার তথ্য বিচারাধীন, আর কার নাম তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • ...
  • 106
  • 107
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

দক্ষিণেশ্বর থেকে দিল্লি, পথে বর্ধমান—পথ নিরাপত্তার বার্তা নিয়ে ফিজিওথেরাপিস্টদের বিশেষ র‍্যালি

বর্ধমান: চিকিৎসা পরিষেবার গণ্ডি পেরিয়ে এবার পথ নিরাপত্তার সচেতনতা ছড়ানোর বার্তা নিয়ে রাস্তায় নামলেন ফিজিওথেরাপিস্টরা। দক্ষিণেশ্বর থেকে দিল্লি পর্যন্ত দীর্ঘপথে বিশেষ র্যালির আয়োজন করা হয়েছে। গোটা দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ফিজিওথেরাপিস্ট, চিকিৎসক এবং পড়ুয়ারা এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। মঙ্গলবার সেই র্যালিরই একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্বের সাক্ষী থাকল বর্ধমান শহর।দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দিয়ে পূর্ব ভারতের এই র্যালির সূচনা হয়। এরপর বর্ধমানের বিজয় তোরণ তথা কার্জন গেট হয়ে র্যালিটি এগিয়ে যাবে দুর্গাপুর, আসানসোল, ধানবাদ-সহ একাধিক শহরের দিকে। শেষপর্যন্ত দিল্লিতে গিয়ে এই যাত্রার সমাপ্তি হবে।র্যালিতে অংশ নেওয়া ফিজিওথেরাপিস্টদের বক্তব্যে উঠে আসে পথ নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। হেলমেট পরে বাইক চালানো, গাড়িতে সিটবেল্ট ব্যবহার এবং ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলার মতো বিষয়গুলিতে সাধারণ মানুষকে সচেতন করাই এই কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।দক্ষিণবঙ্গ তথা বাংলার বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট ডঃ সত্যেন ভট্টাচার্য জনতার কথা-কে জানান, ফিজিওথেরাপিস্টরা প্রতিদিনই দুর্ঘটনার পর গুরুতর শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা করেন। সড়ক দুর্ঘটনার পরে অনেক রোগী পক্ষাঘাত, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের অক্ষমতা কিংবা দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত হন। দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো গেলে এই ধরনের বহু বিপর্যয় প্রতিরোধ করা সম্ভব।ডঃ ভট্টাচার্যের কথায়, আমরা ফিজিওথেরাপিস্ট হিসেবে এমন বহু রোগীকে দেখি, যারা সড়ক দুর্ঘটনার পরে পক্ষাঘাতগ্রস্ত বা পঙ্গুত্বের মতো গুরুতর সমস্যায় আমাদের কাছে আসেন। তাঁদের জীবন একেবারে অন্য জায়গায় চলে যায়। তাই দুর্ঘটনার পরে চিকিৎসার পাশাপাশি দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে, সেই সচেতনতা তৈরি করাও আমাদের দায়িত্ব।এই কর্মসূচি শুধুমাত্র পূর্ব ভারতেই সীমাবদ্ধ নয়। দেশের পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণচার প্রান্ত থেকেই একই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা। তাঁদের দাবি, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ফিজিওথেরাপিস্টরা এই সচেতনতা কর্মসূচিতে যুক্ত হয়েছেন।র্যালির সঙ্গে ছিলেন West Bengal IAP-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট কৌশিক মল্লিক এবং EC মেম্বার তথা জয়েন্ট সেক্রেটারি শুভেন্দু জানা। বর্ধমানের পক্ষ থেকেও একাধিক বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন IAP-এর কনভেনর শুভেন্দু দ্বিবেদী, বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট আদিত্য পাল, সুখদেব, অতনু, অনিন্দ্য-সহ আরও অনেকে।দিল্লিতে বড় সম্মেলন, বিশ্ব রেকর্ডের লক্ষ্যর্যালির পাশাপাশি আগামী ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে একটি বৃহৎ ফিজিওথেরাপি সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে বলেও জানান আয়োজকরা। সেখানে প্রায় ১২ হাজার প্রতিনিধি অংশ নেবেন বলে দাবি করা হয়েছে। এত বিপুল সংখ্যক ফিজিওথেরাপিস্টের একসঙ্গে সম্মেলনে যোগ দেওয়ার ঘটনাটি বিশ্ব রেকর্ডের জন্য মনোনীত হয়েছে বলেও জানান তাঁরা।দক্ষিণেশ্বর থেকে শুরু হওয়া র্যালির মূল সুর তাই শুধু চিকিৎসা পেশার প্রচার নয়দুর্ঘটনার পরে চিকিৎসার চেয়ে দুর্ঘটনা প্রতিরোধ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণএই বার্তাই সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।বর্ধমান শহরের বুক দিয়ে ফিজিওথেরাপিস্টদের এই বিশেষ র্যালি অতিক্রম করার সময় সেই বার্তাই হয়ে উঠল দিনের অন্যতম আলোচ্য বিষয়। চিকিৎসক ও ছাত্রছাত্রীদের এই উদ্যোগে পথ নিরাপত্তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কতটা সচেতনতা তৈরি হয়, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
দেশ

‘বন্দে মাতরম’ না গাইলেই কি জেল? সুপ্রিম কোর্টের বড় পর্যবেক্ষণে নড়েচড়ে বসল কেন্দ্র

বন্দে মাতরম-এর সবকটি স্তবক না গাওয়া বা গান গাইতে অস্বীকার করার ক্ষেত্রে ফৌজদারি শাস্তি দেওয়া যায় কি না, সেই প্রশ্ন এবার খতিয়ে দেখবে সুপ্রিম কোর্ট। কর্নাটকের শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী টিএম কৃষ্ণের দায়ের করা মামলায় মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জবাব চেয়েছে শীর্ষ আদালত। দুই সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রকে জবাব দিতে বলা হয়েছে।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়। কৃষ্ণ কেন্দ্রের নির্দেশিকা এবং জাতীয় সম্মানের অবমাননা প্রতিরোধ আইনে ২০২৬ সালে আনা সংশোধনীর সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। তাঁর মূল আপত্তি, সরকারি অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম-এর ছয়টি স্তবক গাওয়ার নির্দেশ এবং তার সঙ্গে যুক্ত শাস্তির বিধান নিয়ে।তবে শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করেছে, জাতীয় গান হিসেবে কোন গান বা তার কোন সংস্করণ নির্ধারণ করা হবে, সেই প্রশ্নে আদালত আপাতত ঢুকছে না। দুই স্তবক না ছয় স্তবকএই বিতর্কের পরিবর্তে আদালতের নজর মূলত অন্য একটি বিষয়ে। ধর্মীয় বিশ্বাস বা বিবেকগত আপত্তির কারণে কেউ গান না গাইলে তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি শাস্তি দেওয়া যাবে কি না, সেটিই খতিয়ে দেখতে চায় বেঞ্চ।এই প্রসঙ্গে ১৯৮৬ সালের বিজয় ইমানুয়েল মামলার নজিরের কথা উল্লেখ করে আদালত। ওই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে জাতীয় সঙ্গীত না গাওয়া কয়েক জন পড়ুয়ার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপের বিষয়টি খতিয়ে দেখেছিল। মঙ্গলবারের শুনানিতে বেঞ্চ জানায়, সেই মামলায় আদালত যে আইনি অবস্থান জানিয়েছিল, সেটি বন্দে মাতরম সংক্রান্ত বিষয়েও প্রাসঙ্গিক হতে পারে।আবেদনকারীর পক্ষে প্রবীণ আইনজীবী এস মুরলীধর যুক্তি দেন, ২০২৬ সালের সংশোধনীতে জাতীয় গান-এর স্পষ্ট সংজ্ঞা নেই। তাঁর বক্তব্য, এই অস্পষ্টতার সুযোগ নিয়ে ভবিষ্যতে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সংশ্লিষ্ট নির্দেশিকা সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হয়নি বলেও তিনি আদালতের সামনে দাবি করেন।মুরলীধরের আরও বক্তব্য, বন্দে মাতরম-এর শেষের কয়েকটি স্তবকে দুর্গা, লক্ষ্মী ও সরস্বতীর মতো হিন্দু দেবদেবীর উল্লেখ রয়েছে। সেই কারণে সব নাগরিককে ওই স্তবক গাইতে বাধ্য করা হলে ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতার নীতির প্রশ্ন উঠতে পারে বলে তাঁর দাবি। এই বক্তব্য অবশ্য মামলাকারীর যুক্তি; এ বিষয়ে এখনও আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।শুনানিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীও বিভিন্ন প্রশ্ন তোলেন। তিনি ইঙ্গিত করেন, অন্য দেশে জাতীয় প্রতীকের সঙ্গে ধর্মীয় শব্দের উপস্থিতি থাকলেও তা একা ধর্মনিরপেক্ষতার প্রশ্নের উত্তর নয়। মামলাটি নিয়ে আদালতে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা এবং মুরলীধরের মধ্যে তীব্র বাক্যবিনিময়ও হয়। মেহতা মামলাকারীর যুক্তির সমালোচনা করতে গিয়ে নকশাল শব্দ ব্যবহার করেন। সেই মন্তব্যের বিরোধিতা করেন মুরলীধর।এদিন আদালত অবশ্য এই পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক নোটিস জারি করেনি। তবে কেন্দ্রের কাছ থেকে জবাব চাওয়া হয়েছে। বেঞ্চের মৌখিক পর্যবেক্ষণ, ধর্মীয় কারণে কেউ বন্দে মাতরম না গাইলে তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি শাস্তি হওয়া উচিত নয়বিজয় ইমানুয়েল মামলার আইনি অবস্থানই এই বিষয়ে প্রাসঙ্গিক থাকবে বলে আদালত আশা করছে।ফলে বন্দে মাতরম-এর ছয়টি স্তবক গাওয়া নিয়ে বিতর্কের পাশাপাশি এখন সামনে এসেছে আরও গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্নকেউ ধর্মীয় বিশ্বাস বা বিবেকগত কারণে গানটি না গাইলে তাঁকে অপরাধী করা যাবে কি না। কেন্দ্রের জবাব পাওয়ার পর এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট কী অবস্থান নেয়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
কলকাতা

পুরনো মামলায় জেল, আরও পাঁচ মামলায় রক্ষাকবচ চেয়েছিলেন মিলন! হাই কোর্টে কী হল?

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের গ্রেফতারি ঘিরে তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েন। ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময়ের একটি পুরনো মামলায় গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছেন তিনি। এর মধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে থাকা আরও পাঁচটি মামলা নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে শুনানি হয় মঙ্গলবার। শুনানিতে রাজ্য জানায়, মিলনের বিরুদ্ধে নতুন করে যে পাঁচটি মামলা নিয়ে তিনি রক্ষাকবচ চেয়েছিলেন, সেগুলি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।মিলন প্রধানের আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য অবশ্য জানান, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে নন্দীগ্রাম ছাড়াও আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে। সেই মামলাগুলিতেও গ্রেফতারি থেকে সুরক্ষা দেওয়ার আবেদন করেন তিনি। আইনজীবীর বক্তব্য ছিল, ১৯ বছর আগের মামলায় গ্রেফতারির পর ভোটের প্রচারেও মিলন অংশ নিতে পারছেন না। ৪ অক্টোবর প্রচারের শেষ দিন হওয়ায় বিষয়টি দ্রুত বিবেচনা করার আবেদন জানানো হয়।তবে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের আদালতে শুনানির সময় জানানো হয়, নন্দীগ্রাম থানার মামলাটি ছাড়া বাকি পাঁচটি মামলায় মিলন প্রধান অভিযুক্ত নন। সেই কারণে ওই মামলাগুলির ক্ষেত্রে এই মুহূর্তে আলাদা করে রক্ষাকবচ দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলে আদালত মন্তব্য করে। মামলাটির পরবর্তী শুনানি আগামী ১০ অক্টোবর।এর আগে পুরনো একটি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর আরও কয়েকটি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন মিলন। সেই আশঙ্কা থেকেই কলকাতা হাই কোর্টে রক্ষাকবচ চেয়ে আবেদন করা হয়। তাঁর আইনজীবী আদালতের কাছে ভবিষ্যতে যাতে একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সেই বিষয়ে সুরক্ষা চেয়েছিলেন।মিলন প্রধানের গ্রেফতারির সময় নিয়েও রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। শুক্রবার নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা জানান। সেই দিনই পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয় মিলনকে। এই ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূল ও কংগ্রেসের নেতারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের অভিযোগ তুলেছেন। সেই অভিযোগ অবশ্য সংশ্লিষ্ট মামলার বিচারিক সিদ্ধান্ত নয়।তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ও মিলনের গ্রেফতারি নিয়ে রাজনৈতিক অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, বিরোধীদের হেনস্থা করার জন্য মামলা ব্যবহার করা হচ্ছে। আদালতের নির্দেশ নিয়ে অবশ্য তিনি মন্তব্য করতে চাননি বলে জানিয়েছেন।অন্য দিকে, মিলনের বিরুদ্ধে যে পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে, সেটি ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম জমি অধিগ্রহণবিরোধী আন্দোলনের সময়ের মামলা। বিভিন্ন প্রতিবেদনে ওই মামলায় গুরুতর অভিযোগ এবং দীর্ঘদিনের গ্রেফতারি পরোয়ানার কথা উঠে এসেছে। মিলন বর্তমানে ওই মামলাগুলির কারণে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন।নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন হওয়ার কথা ৬ অক্টোবর। তার আগে কংগ্রেস প্রার্থীর জেলবন্দি থাকা এবং তাঁর বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলির আইনি অবস্থান স্বাভাবিক ভাবেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবারের শুনানিতে পাঁচটি মামলা প্রত্যাহারের কথা রাজ্য জানালেও, মিলনের রক্ষাকবচের আবেদন নিয়ে আদালতের তরফে বড় কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। আগামী ১০ অক্টোবর ফের মামলাটি আদালতে উঠবে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
দেশ

আবারও ডেডলাইন শেষ! স্পিকারের নোটিসের জবাব দিতে আরও ৪ সপ্তাহ চাইলেন সুদীপ-কাকলিরা

আবারও সময়সীমা শেষ। কিন্তু লোকসভার স্পিকারের নোটিসের জবাব এখনও দেননি তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদ। ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জবাব দেওয়ার কথা থাকলেও, তার আগেই আরও চার সপ্তাহ সময় চেয়ে স্পিকার ওম বিড়লার কাছে আবেদন জানাতে চলেছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ ওই সাংসদেরা। ফলে সাংসদ পদ খারিজের আবেদনকে ঘিরে ফের তৈরি হয়েছে নতুন টানাপোড়েন।লোকসভা সচিবালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্পিকারকে চিঠি দিয়ে নোটিসের জবাব দেওয়ার জন্য আরও চার সপ্তাহ সময় চাওয়া হবে। অর্থাৎ আরও প্রায় এক মাস সময় চেয়েছেন তৃণমূলত্যাগী সাংসদেরা। এর আগে প্রথমে তাঁদের এক সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। পরে অতিরিক্ত সময়ের আবেদনের ভিত্তিতে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়। এবার সেই সময়সীমাও শেষ হওয়ার মুখে।বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেন ২০ জন সাংসদ। তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনে সাংসদ পদ খারিজের আবেদন করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। লোকসভার স্পিকারের কাছে পৃথক ভাবে ওই সাংসদদের বিরুদ্ধে আবেদন জানানো হয়।স্পিকার দীর্ঘ সময় কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে গত ২৫ অগস্ট ২০ জন সাংসদের কাছে নোটিস পাঠানোর নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। তাঁদের বক্তব্য জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে স্পিকারের কাছেও এই বিষয়ে বক্তব্য জানতে চেয়েছিল আদালত।এর পর লোকসভার স্পিকারের সচিবালয়ও ২০ জন সাংসদকে নোটিস পাঠায়। প্রথমে সাত দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার পর সাংসদদের তরফে আরও সময় চাওয়া হয়। তাঁদের আবেদনের ভিত্তিতে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়েছিলেন স্পিকার ওম বিড়লা।কিন্তু ২২ সেপ্টেম্বরও জবাব জমা না দিয়ে ফের সময় চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ ২০ সাংসদ। এবার তাঁদের আবেদনে চার সপ্তাহ সময় দেওয়ার অনুরোধ জানানো হবে। স্পিকার সেই আবেদন মঞ্জুর করবেন কি না, এখন সেটাই দেখার।এই ২০ সাংসদের দলবদল এবং তাঁদের সাংসদ পদ নিয়ে শুরু থেকেই রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েন চলছে। তৃণমূলের অভিযোগ, তাঁরা দল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দিলেও লোকসভার নথিতে এখনও তাঁদের তৃণমূল সাংসদ হিসাবেই দেখা হচ্ছে। সেই কারণেই দলত্যাগ বিরোধী আইনে তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, সাংসদদের বক্তব্য এখনও স্পিকারের কাছে সম্পূর্ণ ভাবে জমা পড়েনি। ফলে অভিযোগের জবাব এবং তাঁদের বক্তব্যের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। স্পিকার নতুন করে চার সপ্তাহ সময় দেন কি না, নাকি দ্রুত পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু করেন, এখন সেই সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।অর্থাৎ, একবার নয়পরপর সময়সীমা পেরিয়ে ফের সময় চাওয়ার পথে হাঁটছেন সুদীপ-কাকলিরা। এবার স্পিকার ওম বিড়লা তাঁদের আরও এক মাস সময় দেন কি না, নাকি নোটিসের জবাব না পাওয়ার পর অন্য কোনও পদক্ষেপ করেন, সেটাই পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
রাজ্য

ফোন নিজে থেকেই নিল ‘আপডেট’, খুলতেই দেখলেন অ্যাকাউন্ট ফাঁকা! উধাও ৯৯ হাজার

ডিজিটাল লেনদেনের সময়ে সাইবার প্রতারণার অভিযোগ নতুন নয়। তবে পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে এক যুবকের অভিযোগ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তাঁর দাবি, স্মার্টফোন নিজে থেকেই আপডেট হওয়ার পর ফোন কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। ফোন চালু হওয়ার পর ব্যাঙ্কের বার্তায় তিনি জানতে পারেন, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে ৯৯ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।ভাতার থানার ভুমশোর গ্রামের বাসিন্দা শেখ রাজেশের একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট রয়েছে। তাঁর দাবি, গত শনিবার তিনি লক্ষ্য করেন, তাঁর স্মার্টফোন নিজে থেকেই আপডেট নিতে শুরু করেছে। পরে রবিবার ব্যক্তিগত কাজে কলকাতায় গিয়েছিলেন তিনি।রাজেশ জানিয়েছেন, রবিবার কলকাতা থেকে ফেরার পথে বিকেল চারটে নাগাদ তাঁর ফোনে ফের আপডেট শুরু হয়। প্রায় ২০ মিনিট ফোনটি বন্ধ ছিল। আপডেট শেষ হওয়ার পর ফোন চালু করতেই তাঁর কাছে ব্যাঙ্কের বার্তা আসে। সেই বার্তায় তিনি জানতে পারেন, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে ৯৯ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।বিষয়টি প্রথমে বিশ্বাস করতে পারেননি রাজেশ। বাড়ি ফেরার পর তিনি ব্যাঙ্কে গিয়ে অ্যাকাউন্ট পরীক্ষা করেন। সেখানে টাকা কেটে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয় বলে তাঁর দাবি।রাজেশের আরও দাবি, তিনি কাউকে কোনও ওটিপি দেননি। এমনকি টাকা তোলার জন্য কোনও অনুমতিও দেননি বলে জানিয়েছেন তিনি। তাহলে কী ভাবে তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নেওয়া হল, তা নিয়ে ধন্দে রয়েছেন ওই যুবক।ঘটনার পর প্রথমে ভাতার থানায় অভিযোগ জানান রাজেশ। পরে জেলা পুলিশের সাইবার অপরাধ শাখায় বিস্তারিত জানিয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।তদন্তকারীরা ঘটনাটিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। কী ভাবে অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলা হল, লেনদেনটি কোন পথে হয়েছে এবং ফোন আপডেট হওয়ার সময়ের সঙ্গে ঘটনার কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।তবে ফোনের আপডেটের কারণেই টাকা খোয়া গিয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। গোটা বিষয়টি তদন্তের পরেই পরিষ্কার হবে। অভিযোগের সত্যতা এবং টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পদ্ধতি জানতে সাইবার অপরাধ শাখা বিভিন্ন তথ্য খতিয়ে দেখছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
রাজ্য

তোলাবাজির মামলায় ভবানী ভবনে কীর্তি আজাদ! সিআইডির জেরায় কী বললেন তৃণমূল সাংসদ?

তোলাবাজির অভিযোগের মামলায় সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হলেন বর্ধমান-দুর্গাপুরের তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ। কলকাতা হাই কোর্ট তাঁকে আপাতত কড়া পদক্ষেপ থেকে রক্ষাকবচ দিলেও তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশ মেনেই মঙ্গলবার ভবানী ভবনে সিআইডির দফতরে হাজির হন তিনি।মামলাটি এক ব্যবসায়ীর অভিযোগকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ, ২০২৫ সালের মে মাসে ওই ব্যবসায়ীকে দুর্গাপুরের একটি বাংলোয় ডাকা হয়েছিল। সেখানে কীর্তি আজাদের এক সহযোগী তাঁর কাছে ১৫ লক্ষ টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ। টাকা না দিলে তাঁর ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি অভিযোগকারীর। ওই কথোপকথনের একটি অডিয়ো রেকর্ড তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ বলে উঠে এসেছে।ঘটনার পর ব্যবসায়ী পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়। পরে তদন্তভার নেয় সিআইডি। কীর্তি আজাদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যও তলব করা হয়। গ্রেফতারির আশঙ্কায় এরপর কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন সাংসদ।আদালতে কীর্তি আজাদের আইনজীবী অভিযোগের সময় এবং মামলা দায়েরের মধ্যে দীর্ঘ ব্যবধানের বিষয়টি তুলে ধরেন। তাঁদের দাবি ছিল, ঘটনার প্রায় ১৫ মাস পরে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। কীর্তির বিরুদ্ধে সরাসরি টাকা নেওয়ার প্রমাণ নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। কীর্তি আজাদ নিজেও অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, তাঁকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে।এর পর কলকাতা হাই কোর্ট কীর্তি আজাদকে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দেয়। আদালত তাঁকে তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দেয় এবং ভবানী ভবনে হাজির হয়ে সিআইডির প্রশ্নের উত্তর দিতে বলে। ভবিষ্যতে ফের জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হলে তাঁকে আগাম নোটিস দেওয়ার কথাও আদালত জানিয়েছে।কীর্তি আজাদ মঙ্গলবার নির্দিষ্ট সময়ে ভবানী ভবনে পৌঁছন। সেখানে তাঁকে মামলার অভিযোগ নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সাংসদের দাবি, তোলাবাজির কোনও ঘটনার সঙ্গে তিনি যুক্ত নন। যে দিনের ঘটনা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, সেই দিন তিনি দুর্গাপুরে ছিলেন না বলেও দাবি করেছেন তিনি। নিজের বক্তব্যের সমর্থনে তাঁর কাছে একাধিক নথি রয়েছে বলেও জানিয়েছেন কীর্তি।অন্য দিকে, ব্যবসায়ীর অভিযোগ এবং অডিয়ো রেকর্ডের ভিত্তিতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে সিআইডি। আদালত আপাতত কীর্তি আজাদকে রক্ষাকবচ দিলেও তদন্ত বন্ধ করেনি। ফলে জিজ্ঞাসাবাদ এবং তদন্তের পরবর্তী ধাপে মামলায় আরও কী তথ্য সামনে আসে, সে দিকেই নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
টুকিটাকি

আপনি কি ডায়াবেটিক? করলার জুস কি সত্যিই কমায় সুগার?

সকালে খালি পেটে করলার জুসডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের সহজ সমাধান, নাকি শুধুই প্রচলিত ধারণা? বিজ্ঞান কী বলছে?সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস করলার জুস। অনেকের কাছেই এটি যেন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের ঘরোয়া ফর্মুলা। কারও দাবি, নিয়মিত করলার জুস খেলেই কমে যায় রক্তে শর্করা। কেউ আবার বলেন, ওষুধের পাশাপাশি করলা নাকি প্রাকৃতিক ইনসুলিন হিসেবে কাজ করে। সামাজিক মাধ্যমেও এমন নানা পরামর্শের ছড়াছড়ি।কিন্তু সত্যিই কি করলার জুস ডায়াবেটিস কমাতে পারে? কতটা উপকারী এই তেতো পানীয়? প্রতিদিন খাওয়া কি নিরাপদ? আর সবচেয়ে বড় প্রশ্নকরলার জুস খেলে কি ডায়াবেটিসের ওষুধ বন্ধ করা যায়?বিজ্ঞানের উত্তর একেবারে সরল নয়।গবেষণায় করলার কিছু উপাদানের রক্তে গ্লুকোজ কমানোর সম্ভাবনা দেখা গিয়েছে। কিছু clinical trial ও meta-analysis-এ fasting blood glucose এবং HbA1c কমার ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে। কিন্তু অন্য গবেষণায় আবার উল্লেখযোগ্য উপকার মেলেনি। ফলে করলাকে ডায়াবেটিসের চিকিৎসা হিসেবে নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠা করার মতো শক্তিশালী প্রমাণ এখনও নেই। অর্থাৎ, করলা উপকারী হতে পারে, কিন্তু করলা ডায়াবেটিসের ওষুধ নয়।কেন করলাকে ঘিরে এত আলোচনা?করলায় রয়েছে একাধিক bioactive compound। এর মধ্যে charantin, polypeptide-p-সহ কয়েকটি উপাদান নিয়ে বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করছেন।ল্যাবরেটরি ও প্রাণী-গবেষণায় করলার কিছু উপাদান insulin-এর মতো প্রভাব ফেলতে পারে, glucose metabolism-এ প্রভাব ফেলতে পারে এবং insulin sensitivity বাড়াতে পারেএমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।কিন্তু এখানেই গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে।ল্যাবরেটরিতে কোনও উপাদান কার্যকর প্রমাণিত হওয়া আর মানুষের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সেটি কার্যকর প্রমাণিত হওয়া এক বিষয় নয়। মানুষের উপর clinical trial-ই শেষ পর্যন্ত বেশি গুরুত্বপূর্ণ।গবেষণা কী বলছে?২০১৯ সালের একটি systematic review ও meta-analysis-এ টাইপ-২ ডায়াবেটিস নিয়ে করা ১০টি গবেষণা এবং ১,০৪৫ জন অংশগ্রহণকারীর তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। সেখানে করলার বিভিন্ন preparation ব্যবহারে fasting glucose, post-meal glucose এবং HbA1c কমার কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তবে গবেষণার প্রমাণের মান ছিল কম থেকে খুব কম।অন্যদিকে, ২০২৪ সালের একটি systematic review-তে ৯টি randomised trial এবং ৪১৪ জন অংশগ্রহণকারীর তথ্য বিশ্লেষণ করে placebo-র তুলনায় fasting glucose বা HbA1c-তে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ, গবেষণার ফলাফল এখনও একমুখী নয়।আরও সাম্প্রতিক গবেষণাতেও করলার সম্ভাব্য উপকারের কথা উঠে এসেছে, কিন্তু একই সঙ্গে গবেষণার সীমাবদ্ধতার কথাও বলা হয়েছে।তাই বিজ্ঞানীদের বর্তমান অবস্থানকে সংক্ষেপে বলা যায়করলা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে, কিন্তু এটিকে diabetes treatment-এর বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করার মতো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এখনও নেই।তাহলে করলার জুস খাবেন কীভাবে?এখানেই রয়েছে আর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।সামাজিক মাধ্যমে প্রায়ই বলা হয়, সকালে খালি পেটে এক গ্লাস করলার জুস ডায়াবেটিসের জন্য সবচেয়ে কার্যকর। কিন্তু করলার জুস খালি পেটে খেতেই হবেএমন কোনও শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।আর প্রতিদিন কত মিলিলিটার করলার জুস খেতে হবে, তারও কোনও সর্বজনস্বীকৃত therapeutic dose নেই।তাই তাজা করলা ভালোভাবে ধুয়ে নিন। অতিরিক্ত ঘন করে জুস বানাবেন না। জুসে চিনি, মধু বা অন্য কোনও মিষ্টি উপাদান মেশাবেন না। প্রথম থেকেই বেশি পরিমাণে খাওয়া শুরু করবেন না। খালি পেটে খাওয়াকে অবশ্যই করণীয় মনে করবেন না।অনেক ক্ষেত্রে করলাকে জুস না করে সাধারণ সবজি হিসেবে খাবারের সঙ্গে খাওয়াই বেশি বাস্তবসম্মত। এতে খাদ্যতালিকায় সবজি ও fibre যোগ হয় এবং অতিরিক্ত concentrated preparation নেওয়ার ঝুঁকিও কম থাকে।ডায়াবেটিসের ওষুধের সঙ্গে করলার জুস?এখানে কিন্তু যথেষ্ট সতর্ক হতে হবে।যাঁরা insulin অথবা রক্তে glucose কমানোর ওষুধ খান, তাঁদের ক্ষেত্রে করলার সম্ভাব্য glucose-lowering effect ওষুধের সঙ্গে যোগ হয়ে রক্তে শর্করা অতিরিক্ত কমিয়ে দিতে পারে।ফলে নিজের মতো করে প্রতিদিন করলার জুস শুরু করা ঠিক নয়।হঠাৎ ঘাম হওয়া হাত-পা কাঁপা মাথা ঘোরা দুর্বল লাগা অতিরিক্ত ক্ষুধা বিভ্রান্তিইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিলে hypoglycaemia-এর সম্ভাবনা বিবেচনা করতে হবে।কারা সাবধান?গর্ভবতী মহিলা: concentrated বা medicinal preparation এড়ানো উচিত।Insulin বা diabetes medicine গ্রহণকারী: চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত করলার জুস শুরু করা উচিত নয়।কিডনি বা লিভারের সমস্যা রয়েছে যাঁদের: বিশেষ করে concentrated extract বা supplement নেওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।শিশুদের ক্ষেত্রে: নিজের মতো করে করলার জুস বা extract দেওয়া উচিত নয়।সবচেয়ে বড় ভুলটা কী?ডায়াবেটিস ধরা পড়ার পর অনেকে ওষুধের পাশাপাশি বিভিন্ন ঘরোয়া উপায় শুরু করেন। সমস্যা তখনই হয়, যখন সেই ঘরোয়া উপায়কে ওষুধের বিকল্প ভাবা শুরু হয়।করলার ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।করলার জুস খেয়ে যদি কারও blood sugar কিছুটা কমেও, তার অর্থ এই নয় যে তাঁর diabetes সেরে গেছে।ডায়াবেটিস একটি দীর্ঘমেয়াদি metabolic condition। এর নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ, সুষম খাদ্য, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মিত blood glucose ও HbA1c পরীক্ষা।তাহলে করলা খাবেন কি খাবেন না?উত্তরটা সহজ।খাবার হিসেবে করলাহ্যাঁ।ডায়াবেটিসের ওষুধ হিসেবে করলানা।করলা একটি পুষ্টিকর, কম-ক্যালোরির সবজি হিসেবে সুষম খাদ্যের অংশ হতে পারে। রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে এর সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে গবেষণা চলছে। কিন্তু শুধুমাত্র করলার জুসের উপর নির্ভর করে diabetes management করা বৈজ্ঞানিকভাবে যুক্তিযুক্ত নয়।শেষ কথাতেতো স্বাদ মানেই বেশি ওষুধি শক্তিএমন ধারণার কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।করলা নিয়ে গবেষণা আশাব্যঞ্জক হলেও এখনও চূড়ান্ত নয়। তাই করলার জুস খেলেই সুগার নিয়ন্ত্রণএমন সরল দাবি থেকে দূরে থাকাই ভালো।ডায়াবেটিস থাকলে করলাকে সহায়ক খাদ্য হিসেবে ভাবুন, চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে নয়।আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণওষুধ বন্ধ করার আগে নয়, করলার জুস শুরু করার আগেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
রাজ্য

সমুদ্রে নামার আগে সতর্কবার্তা, তারপরেই তলিয়ে গেল তিনজন! মন্দারমণিতে চাঞ্চল্য

মন্দারমণিতে ফের সমুদ্রস্নানে নেমে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। জোয়ারের টানে সমুদ্রে তলিয়ে গিয়ে মৃত্যু হল দুজনের। মৃতদের মধ্যে রয়েছে এক নাবালক। এখনও নিখোঁজ আরও এক জন। তাঁর খোঁজে সমুদ্রজুড়ে তল্লাশি চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল। গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্র উত্তাল থাকায় উদ্ধারকাজেও সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার বিকেলে মন্দারমণির তিন নম্বর ঘাটের কাছে ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে খবর, দিঘা থেকে টোটো ভাড়া করে মোট আট জন মন্দারমণিতে এসেছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সুমন শীল, বৃষ্টি শীল এবং প্রায় দশ বছরের নাবালক সোমনাথ হালদার।একটি রিসর্টের সামনে তাঁরা সমুদ্রে স্নান করছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সেই সময় আচমকা জোয়ারের টানে তিন জন গভীর জলে চলে যান। কিছুক্ষণ পর স্থানীয় বাসিন্দারা সোমনাথকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করেন। তাঁকে দ্রুত বালিসাই বড় রাঙ্গুয়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।সোমনাথের বাবা সন্তু হালদারের কথায়, ছেলে পাড়ের কাছেই স্নান করছিল। তিনি কিছুটা দূরে গিয়েছিলেন। ফিরে এসে দেখেন, ছেলে সেখানে নেই। পরে খোঁজাখুঁজির পর তাঁকে উদ্ধার করা হয়। ছেলেকে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছেন তিনি।অন্য দিকে, সোমবার রাতে বৃষ্টি শীলের দেহও উদ্ধার করা হয়। তবে এখনও খোঁজ মেলেনি সুমন শীলের। তাঁর সন্ধানে স্পিড বোট নামিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। উত্তাল সমুদ্রের কারণে উদ্ধারকাজে সমস্যা তৈরি হলেও নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে উদ্ধারকারী দল।ঘটনার পর মন্দারমণির উপকূল এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। পর্যটকদের সমুদ্রের কাছাকাছি যেতে দেওয়া হচ্ছে না। পুলিশ-প্রশাসনের তরফে মাইকিং করে পর্যটকদের সতর্ক করা হচ্ছে।পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা জানিয়েছেন, ওই আট জন নদিয়ার বাসিন্দা এবং তাঁরা দিঘা মোহনায় কাজ করেন। তাঁরা মন্দারমণিতে বেড়াতে এসেছিলেন। তাঁর দাবি, পর্যটকদের সতর্ক করতে নিয়মিত মাইকিং করা হয় এবং নজরদারির জন্য নুলিয়ার সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।পুলিশের দাবি, সমুদ্র উত্তাল থাকলে পর্যটকদের আরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন। প্রশাসনের তরফে নজরদারি চললেও পর্যটকদের অসতর্কতার কারণে এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।গভীর নিম্নচাপের কারণে আপাতত মন্দারমণি-সহ উপকূলের সমুদ্র উত্তাল রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সমুদ্রের ধারে পর্যটকদের নামার ক্ষেত্রে কড়া নজরদারি রাখা হচ্ছে। নিখোঁজ সুমন শীলের খোঁজে এখনও তল্লাশি চলছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal