• ২৯ পৌষ ১৪৩২, বৃহস্পতি ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SA

রাশিফল

রাশিফল (Horoscope 19th October 2021): কন্যার ভাগ্যোদয়, ধনুর স্বার্থত্যাগ

মেষ/ARIES: পরীক্ষায় সাফল্য আসবে।বষৃ/TAURUS: আজ উদারতা দেখাবেন।মিথনু/GEMINI: শরিকি বিবাদে জড়িয়ে পড়তে পারেন।কর্কট/CANCER: আজ কার্যসিদ্ধি হবে।সিংহ/LEO: আজ অস্হিরতা বৃদ্ধি পেতে পারে।কন্যা/VIRGO: ভাগ্যোদয় হতে পারে।তুলা/ LIBRA: নৈতিক অবনতি হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: আজ পরোপকার করতে পারেন।ধনু/SAGITTARIUS: স্বার্থত্যাগ করতে পারেন।মকর/CAPRICORN: ব্যবসায় মন্দা দেখা দিতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: বাড়িতে ধনাগম হতে পারে।মীন/ PISCES: বাড়িতে চোরের ভয় হতে পারে।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
রাশিফল

রাশিফল (Horoscope 18th October 2021): সিংহের প্রাপ্তিযোগ, কুম্ভের অংশীদারিতে লাভ

মেষ/ARIES: শেয়ার ব্যবসায় লাভ হবে।বষৃ/TAURUS: কষ্ট পেতে পারেন।মিথনু/GEMINI: সম্পর্কের উন্নতি হতে পারে আজ।কর্কট/CANCER: মনে নৈরাশ্যের ভাব আসতে পারে।সিংহ/LEO: আজ প্রাপ্তিযোগ রয়েছে।কন্যা/VIRGO: যকৃতের রোগে ভুগতে পারেন।তুলা/ LIBRA: স্বনিযুক্তি প্রকল্পে সাফল্য আসতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: বিলাসিতায় ক্ষয় হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: মনে বিরক্তিভাব আসতে পারে।মকর/CAPRICORN: দু-চাকার গাড়িতে বিপদ হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: অংশীদারিতে লাভ হতে পারে।মীন/ PISCES: মন কোনও কারণে ঈর্ষান্বিত হতে পারে।

অক্টোবর ১৮, ২০২১
রাশিফল

রাশিফল (Horoscope 17th October 2021): তুলার ভাগ্যোদয়, ধনুর অর্থনাশ

মেষ /ARIES: আজ আর্থিক শ্রীবৃদ্ধি হবে।বষৃ /TAURUS: শুভ সংবাদ পেতে পারেন।মিথুন /GEMINI: অসন্তুষ্ট হতে পারেন।কর্কট /CANCER: সাহসিকতা প্রদর্শন করতে পারেন।সিংহ /LEO: আজ ধনাগম হতে পারে।কন্যা /VIRGO: কারুর প্রতি অনুরাগ জন্মাতে পারে।তুলা / LIBRA: আজ ভাগ্যোদয় হতে পারে।বৃশ্চিক /Scorpio: পায়ের ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন।ধনু /SAGITTARIUS: অহেতুক অর্থনাশ হতে পারে আজ।মকর /CAPRICORN: উত্তেজনা বৃদ্ধি পেতে পারে আজ।কুম্ভ /AQUARIUS: মানসিকতা পরিবর্তন হতে পারে আজ।মীন / PISCES: কোনও কারণে দুশ্চিন্তা হতে পারে আজ।

অক্টোবর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SAFF Championship : মেসিকে স্পর্শ সুনীলের, সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে আধিপত্য ভারতের

লিগ পর্বে প্রথম দুটি ম্যাচে ড্র করে একসময় ফাইনালে ওঠাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। শেষ দুটি ম্যাচ জিতে ফাইনালের ছাড়পত্র। অবশেষে নেপালকে ৩০ ব্যবধানে হারিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আধিপত্য বজায় রাখল ভারত। এই নিয়ে ৮ বার চ্যাম্পিয়ন হল। ২০১৫ সালে কেরলে আফগানিস্তানকে হারিয়ে শেষবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন সুনীল ছেত্রিরা। ফাইনালেও গোল করে লিওনেল মেসিকে স্পর্শ করলেন সুনীল। নেপালের বিরুদ্ধে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে মাঠে নামার আগে ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক বলেছিলেন, তাঁর দল যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী, তবে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী নয়। সুনীল ছেত্রিরা যে সত্যিই আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন, ম্যাচের শুরু থেকেই তার প্রমাণ মিলেছে। লিগ পর্যায়ের মতো এদিনও রক্ষণাত্মক মানসিকতা নিয়ে মাঠে নেমেছিল নেপাল। ওই ম্যাচের না হয় আলাদা উদ্দেশ্য ছিল। ১ পয়েন্ট পেলেই ফাইনালের ছাড়পত্র পেয়ে যেত নেপাল। ফাইনালে তো আর সেই ব্যাপার ছিল না। আসলে নেপাল কোচ আব্দুল্লাহ আলমুতাইরির লক্ষ্য ছিল শক্তিশালী ভারতের বিরুদ্ধে রক্ষণ শক্ত করে প্রতিআক্রমণভিত্তিক ফুটবল খেলা। রক্ষণে জাল বিছিয়ে রেখেছিলেন নেপাল কোচ। ফলে বারবার আক্রমণে উঠে গিয়েও তিন কাঠি খুঁজে পাচ্ছিলেন না সুনীল ছেত্রি, মনবীর সিংরা। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ ঝড় তুলেছিল ভারত। ৪ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগও এসেছিল। মহম্মদ ইয়াসিরের দুরপাল্লার শট আংশিক প্রতিহত করেন নেপাল গোলকিপার লিম্বু। ফিরতি বল যায় অনিরুদ্ধ থাপার কাছে। তাঁর শট আবার বাঁচান নেপাল গোলকিপার। ৬ মিনিটে প্রতি আক্রমণে উঠে এসে গোল করার সুযোগ পেয়েছিল নেপাল। নোয়াং শ্রেষ্ঠা কাজে লাগেতে পারেননি। বারবার আক্রমণ তুলে নিয়ে এলেও নেপাল পেনাল্টি বক্সে রক্ষণের ভুলে খেই হারিয়ে ফেলছিলেন মনবীররা। তবে প্রথমার্ধে সবথেকে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন সুনীল ছেত্রি। ডানদিক থেকে মহম্মদ ইয়াসিরের ভেসে আসা সেন্টার সুবিধাজনক জায়গা থেকেও জালে রাখতে পারেননি সুনীল। তাঁর ভলি অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। মালদ্বীপের বিরুদ্ধে লিগের শেষ ম্যাচে লাল কার্ড দেখায় ফাইনালে রিজার্ভ বেঞ্চে ছিলেন না ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। তাঁর পরিবর্তে দল পরিচালনা করেন সহকারী কোচ বেঙ্কটেশ। ম্যাচের বিরতিতে তাঁর পেপ টকই বদলে দেয় ভারতীয় দলকে। প্রান্ত দিয়ে আক্রমণ তুলে নিয়ে আসার পরামর্শ দেন স্টিম্যাক। তাঁর পরামর্শেই দ্বিতীয়ার্ধে বদলে যায় ভারত। শুরু থেকেই গোলের জন্য আরও মরিয়া হয়ে ওঠেন সুনীলরা। মাঝখান দিয়ে আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে কোনও ফায়দা না ওঠায় দুপ্রান্ত দিয়ে আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিলেন মহম্মদ ইয়াসির, প্রীতম কোটালরা। ফলও পেয়ে যায়।ম্যাচের ৪৯ মিনিটে কাঙ্খিত গোল পেয়ে যায় ভারত। ডান প্রান্ত দিয়ে উঠে এসে সেন্টার করেন প্রীতম কোটাল। দুর্দান্ত হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন সুনীল ছেত্রি। এই গোলের সঙ্গে সঙ্গে লিওনেল মেসিকে স্পর্শ করেন তিনি। দেশের হয়ে দুজনের গোল সংখ্যাই ৮০। এক মিনিট পরেই ব্যবধান বাড়ান সুরেশ সিং। মহম্মদ ইয়াসিরের কাছ থেকে বল পেয়ে দুর্দান্ত শটে তিনি গোল করেন। ৯০ মিনিটে ভারতের হয়ে তৃতীয় গোলটি করেন সাহাল।

অক্টোবর ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SAFF Final-Sunil Chettri : মেসিকে স্পর্শ নয়, দলকে চ্যাম্পিয়ন করাই লক্ষ্য সুনীল ছেত্রির

বয়স বাড়লেও দক্ষতায় এখনও মরচে ধরেনি। পরপর দুটি মরণবাঁচন ম্যাচে দলের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। গোল করে দলকে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে তুলেছেন। নেপালের বিরুদ্ধে ফাইনালে সেই সুনীল ছেত্রির দিকে তাকিয়ে ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। প্রতিযোগিতায় ইতিমধ্যেই ৪ ম্যাচে ৪ গোল করেছেন। এই মুহূর্তে দেশের জার্সি গায়ে তাঁর গোল সংখ্যা ৭৯। লিওনেল মেসির থেকে ১ গোল পেছনে। ফাইনালে ১ গোল করলেই সুনীল ছেত্রি ধরে ফেলবেন আর্জেন্টিনার তারকাকে। ব্যক্তিগত মাইলস্টোন নয়, দলকে চ্যাম্পিয়ন করাই লক্ষ্য সুনীলের। ফাইনালে নেপালের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, কাজ এখনও শেষ হয়নি।এক সময় ফাইনালের ছাড়পত্র পাওয়াই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। আর এখন খেতাব জয়ের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে আরও একবার আধিপত্য কায়েম করার মুখে দাঁড়িয়ে ভারত। শনিবার ফাইনালে সামনে নেপাল। নেপালকে হারালেই ৮ বার খেতাব জয়ের স্বাদ পাবে ভারত। অন্যতম ফেবারিট হিসেবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে খেলতে নেমেছিলেন সুনীল ছেত্রিরা। কিন্তু বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পরপর দুটি ম্যাচে ড্র অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিয়েছিল ভারতকে। লিগের শেষ দুটি ম্যাচে নেপাল ও মালদ্বীপের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না। শেষ দুটি ম্যাচে জ্বলে উঠে দলকে ফাইনালে তুলেছিলেন সুনীল ছেত্রি। ফাইনালে নেপালের বিরুদ্ধে ফেবারিট হিসেবেই মাঠে নামবে ভারত। পরিসংখ্যানের দিক দিয়ে নেপালের থেকে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে ইগর স্টিম্যাকের দল। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নামার আগে দুই দল মুখোমুখি হয়েছে ২২ বার। এরমধ্যে ভারত জিতেছে ১৫ বার, নেপাল জিতেছে দুটি ম্যাচে। ৫টি ম্যাচ ড্র হয়েছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানও ভারতের অনুকূলে। সেপ্টেম্বরে দুটি প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল দুদল। একটা ড্র হয়েছিল, একটায় ভারত জিতেছিল। গ্রুপ লিগের ম্যাচেও ভারত জিতেছিল। ফলে পরিসংখ্যানের দিক দিয়ে ভারত এগিয়ে থেকেই মাঠে নামবে। নেপালের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে অবশ্য স্বস্তিতে নেই ভারতীয় শিবির। আগের ম্যাচে লাল কার্ড দেখায় রিজার্ভ বেঞ্চে বসতে পারবেন না কোচ ইগর স্টিম্যাক। চোটের জন্য ফারুখ চৌধুরি, ব্রেন্ডন ফার্নান্ডেজ ফাইনালে মাঠে নামতে পারবেন না। লাল কার্ড দেখায় নেই শুভাশিস বোসও। বিপক্ষ শিবিরকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। লিগ পর্যায়ে নেপালের বিরুদ্ধে জিতলেও ফাইনালে মাঠে নামার আগে ফুটবলাররা যাতে আত্মতুষ্টিতে না ভোগে, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি স্টিম্যাকের। ফাইনালে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, দলের মধ্যে কোনও প্রকার আত্মতুষ্টি ঢুকতে দিইনি। আমাদের কী করতে হবে তা জাই। আত্মবিশ্বাস ও অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসের মধ্যে একটা সূক্ষ্ম লাইন রয়েছে। সেই লাইন অতিক্রম করে ফুটবলাররা যাতে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী না হয়ে পড়ে সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রয়েছে। লিগের শেষ দুটি ম্যাচ জিতে ফুটবলারদের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়েছে, দাবি করেছেন স্টিম্যাক। তিনি বলেন, আমাদের ধৈর্য ধরতে হবে। ফুটবলাররা যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী। নেপাল আমাদের কাছে পরিচিত প্রতিপক্ষ। শেষ দুটি ম্যাচ জিতে ফুটবলারদের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়েছে। তবে আমার অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী নই। গোলের জন্য সেই অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার সুনীল ছেত্রির দিকে তাকিয়ে ভারতীয় শিবির।

অক্টোবর ১৫, ২০২১
নিবন্ধ

Durga Puja: পুজো শুরু হয়ে গেল

আধো ঘুমের মধ্যে ঢ্যাম কুড়কুড় ঢাকের আওয়াজ কানে আসছিল অনেকক্ষণ ধরেই, শেষ পর্যন্ত চোখ খুলতেই হোলো। আধখোলা জানালার ওপারে ফর্সা আকাশ... সামান্য ফুরফুরে হাওয়া... মনে পড়ে গেল আজ সপ্তমী --- সাড়ে ছটার মধ্যে স্নান সেরে তৈরী হয়ে নেওয়া চাই, সোয়া সাতটায় কলাবউ স্নান করিয়ে ঘট আনতে যেতে হবে।দাঁত মাজা ... মুখ ধোওয়া... বাথরুমে চার পাঁচ মগ জল ঢেলে কাকস্নান ... তারপর নতুন কাপড় পড়ে নিয়ে সোজা চাতোর-এ। চাতোর হোলো চত্বর-এর অপভ্রংশ, আমাদের পারিবারিক পুজোর ঠাকুরতলা ও সংলগ্ন খোলা জায়গাটুকু। শতাব্দীপ্রাচীণ এক বিরাট অশ্বথ্থ গাছের ছায়ায় (আমার নব্বই-ছুঁইছুঁই বাবাও শৈশবে একে এই চেহারাতেই দেখেছেন) এই দেবীমন্ডপে মা হরগৌরী পূজিত হয়ে চলেছেন --- ঠিক কত বছর কেউ জানে না, শদুয়েক বছর আগে পর্যন্ত পাওয়া গেছে লিখিত প্রমাণ।আরও পড়ুনঃ শারদঅর্ঘ্যসবুজ-গোলাপী কাঠের পালকি ( এরও বয়সের গাছপাথর নেই , কারণ আমি জ্ঞান হওয়া ইস্তক ঠিক এমনটিই দেখছি একে) পুকুরে চুবিয়ে এনে নামানো হয়েছে মন্ডপের সামনে। পাড়ার দুই কিশোর স্নান সেরে ফর্সা কাপড়ে গামছা-সহ তৈরী তাকে কাঁধে নিতে। আমার কৈশোরে বছর ছয়েক আমিও বাহক হয়েছি এই চতুর্দোলার। এক প্রজন্ম থেকে দোলা বওয়ার দায়িত্ব বর্তাচ্ছে পরের প্রজন্মে, যুগ যুগ ধরে।নানা বয়সী কাকীমা-মাসিমা-বৌ-ঝি-কাচ্চাবাচ্চায় জমে উঠেছে চাতোর। পুরোহিত বুড়োদা ও তন্ত্রীধারক নুপুরদা ধরাধরি করে কলাবউকে শুইয়ে দিল দোলায়। তারপর ঢাকের বাদ্যি আর কাঁসরঘন্টার ঝনঝনাৎকারের মধ্যে রওনা হলাম সবাই --- শুরুতেই ধুনুচি হাতে এক দাদা, তার পর পালকিতে কলাবউ, তার পিছে আম্রপল্লবসহ শূণ্য পিতলের কলসী কাঁখে আমরা তিনজন, পিছু পিছু বাজনদার-পুরোহিত-ছেলেমেয়ে-এঁড়িগেঁড়ির দল।আরও পড়ুনঃ বাজলো তোমার আলোর বেণুগ্রামের পথে সাতসকালের এই শোভাযাত্রা এঁকেবেঁকে এগিয়ে চললো কারো সাষ্টাঙ্গ প্রণাম, কারো জোড়হাতের নমস্কার নিতে নিতে। মাঝপথে সিংহবাড়ির মন্ডপের সামনে থেমে গিয়ে পালকিতে তুলে নেওয়া হোলো তাঁদের কলাবউকেও। পদযাত্রা শেষ হোলো গ্রামের মাধ্যমিক স্কুলের পাশে বাঁধাপুকুরে গিয়ে।পুরোনো দিনে গ্রামের পানীয়জল ও পুজোর ক্রিয়াকর্মের জন্য ব্যবহৃত হতো এই চতুষ্কোণ পুকুরটি; একমাত্র এটিতেই ছিল শাণবাঁধানো ঘাট --- তাই এর নাম বাঁধাপুকুর। ঘাটের শানে পালকি ও ঘট নামানো হোলো; কলাবউ ও পুজোর সামগ্রী নিয়ে চার পুরোহিত নেমে গেলেন হাঁটুজলে; চলতে লাগলো মন্ত্রোচ্চারণ; ধুনুচির ধোঁয়া পাক খেতে খেতে উঠতে লাগলো উপরপানে।বাজিয়ে-রা ঢাক মাটিতে নামিয়ে হাঁফ ছাড়ছে, ঘাম শুকোচ্ছে গামছা নেড়ে নেড়ে। মাঝবয়সী পুরুষেরা চেয়ে আছে পুজোপাঠের দিকে, কেউ কেউ ধোঁয়া ওড়াতে শুরু করেছে ইতিমধ্যেই। কুচোকাঁচাগুলো বেশীরভাগই বেঢপ মাপের রঙবেরঙের পোশাকে ছুটোছুটিতে মত্ত ... খেলনাপিস্তলে ক্যাপ ফাটছে চটরপটর... একটু বড় মেয়েরা চুড়িদার-স্কার্ট-ঘাগরা সামলাতে ব্যস্ত... চড়া লিপস্টিক-ঝুটো গয়না-শিরোভূষণে গরবিনী... কারো কারো চোখে রহস্যময়ী হাসির ঝিলিক.... নবীন কিশোরের দল জটলা করে আছে একটু দূরে, তাদের মনোযোগ মূলতঃ এদিকপানেই...আরও পড়ুনঃ তোমাদের মনের মতো রঙীন পূজাবার্ষিকী-- আনন্দমেলাবাঁধাপুকুর থইথই করছে; সেই আটাত্তরের বন্যার পর এতো জল দেখি নি আর কখনো। দফায় দফায় প্রচুর বৃষ্টি হয়েছে এবার, ঘাটের প্রথম পৈঠে অবধি ডুবে আছে তাই। চারদিক সবুজে সবুজ; কচুরিপানা-পাতাঝাঁঝি-শাপলা-ঢোলকলমীরা দখল নিয়ে নিয়েছে অনেকখানি জলের। দুটো শালুক ফুটে রয়েছে খুব কাছেই। আর পাতাঝাঁঝির ছোটো ছোটো সাদা ফুলে সমাচ্ছন্ন ঘাটের সামনেটা। ভীমরুল-মৌমাছি-প্রজাপতি ঘুরছে ফুলে ফুলে; জল ছুঁয়ে ছুঁয়ে উড়ছে লাল-হলুদ-নীল জলফড়িং। পুকুরের ওপাশে ভেসে আছে জলচর পাখি অনেকগুলো। কটা ফিঙে আর বাঁশপাতি উড়ছে ফরফরিয়ে। জলের ওপর জেগে থাকা শুকনো ডালে এত কলরবের মধ্যেও অটল স্থৈর্যে বসে আছে উজ্জ্বল নীল একটা মাছরাঙা।এইসব দেখছি, আর চোখ চলে যাচ্ছে পুকুরের পাশে একটা পাকুড়গাছের দিকে। একসময় ঐ গাছটি নাকি এ গ্রামের প্রিয় আত্মাহুতিস্থল ছিল--- অনেক মানুষ (তার মধ্যে ছোটোবেলায় দেখা আমাদের এক পুরোহিতঠাকুরও ছিলেন) ঐ গাছের ডাল থেকে ঝুলে পড়ে ভবসংসারের মায়া কাটিয়েছেন। ওঁরা কি দেখছেন, অদৃশ্য থেকে, আজকের এই প্রাণের মেলা?এসবের মধ্যেই পুজোপাঠ শেষ। কলাবউরা উঠে এলেন পালকিতে; পেতলের কলসিতে জল ভরে নিয়ে আম্রপল্লব স্থাপন করে মাথায় তুলে নেওয়া হোলো। গামছার ওপর ভারী কলসি সামলাতে সামলাতে পা মেলালাম পদযাত্রায়। ঠাকুরপুকুরের পাশ দিয়ে, পথের পাশে ঘাস চিবোতে থাকা গরু-ভেড়া-ছাগলদের কৌতুহল উদ্রেক করে, নবপত্রিকা চললেন মন্ডপের দিকে। পথের ওপর ভীষণ মন খারাপ করে শুয়ে বসে থাকা নেড়িগুলো সচকিত হয়ে ছুটলো সামনে সামনে। বাগ্দীপাড়ার মুখে দুটি বৌ পথে জলের ঘটি রেখে উপুর হয়ে প্রণাম করলো কলাবউদের--- এই ক্ষণিকের বিরতিটুকু ছাড়া চতুর্দোলা ফিরে এলো তরতরিয়ে।পুজো শুরু হয়ে গেল।লেখকঃ ডঃ সুজন সরকারবর্ধমান।

অক্টোবর ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Football Match : মেসির থেকে ১ গোল পেছনে সুনীল, সাফ চাম্পিয়নশিপে ফাইনালে ভারত

দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শক্তিধর দেশ। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে অন্য দলগুলির তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে। অনেক প্রত্যাশা নিয়ে এবছর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে খেলতে নেমেছিল ভারত। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথম দুটি ম্যাচ ড্র করে চাপে পড়ে গিয়েছিল। নেপালকে হারিয়ে ফাইনালের আশা জিইয়ে রেখেছিল ইগর স্টিম্যাকের দল। মালদ্বীপকে ৩১ ব্যবধানে হারিয়ে অবশেষে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারত। আগের বারের ফাইনালে হারের মধুর প্রতিশোধ। জোড়া গোল করে ভারতের জয়ের নায়ক সুনীল ছেত্রি। ম্যাচের ৮০ মিনিটে লাল কার্ড দেখে রিজার্ভ বেঞ্চ থেকে বেরিয়ে যেতে হয় ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাককে। লিগের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের সঙ্গে ড্র করে ৪ ম্যাচে ৭ পয়েন্টে পৌঁছে গিয়েছিল নেপাল। ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগে মালদ্বীপের ৩ ম্যাচে পয়েন্ট ছিল ৬। আর ভারতের ৫। ফলে ফাইনালে যেতে গেলে শেষ ম্যাচে মালদ্বীপের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া কোনও রাস্তা ছিল না ভারতীয় দলের সামনে। মরণবাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠলেন সুনীল ছেত্রি। ৪ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট পেয়ে শীর্ষে ভারত। সুনীলরা ফাইনালে খেলবে দ্বিতীয় স্থানে থাকা নেপালের বিরুদ্ধে। মালদ্বীপের বিরুদ্ধে ডু অর ডাই ম্যাচে প্রথম একাদশে পরিবর্তন করেননি ইগর স্টিম্যাক। নেপালের বিরুদ্ধে জয়ী দলকেই মাঠে নামিয়েছিলেন। এদিন শুরু থেকেই মালদ্বীপের চাপ ছিল। ম্যাচের ৯ মিনিটে সুবিধাজনক জায়গায় বল পেয়ে গিয়েছিলেন আলি আশফাক। কোনও রকমে পরিস্থিতি সামাল দেন রাহুল বেকে। ১৩ মিনিটে আবার সুযোগ এসে গিয়েছিল মালদ্বীপের সামনে। সে যাত্রায় দলকে রক্ষা করেন গুরপ্রীত সিং সান্ধু। ম্যাচের ২৬ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ এসেছিল ভারতের সামনে। সুনীল ছেত্রির হেড পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ম্যাচের ৩৩ মিনিটে এগিয়ে যায় ভারত। মনবীর সিংয়ের ডান পায়ের জোরালো শট জালে জড়িয়ে যায়। ম্যাচের ৪৩ মিনিটে মালদ্বীপের হামজাকে ফাউল করেন প্রীতম কোটাল। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। পেনাল্টি থেকে সমতা ফেরান আশফাক। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারত। ৪৮ মিনিটে চোট পেয়ে মাঠ থেকে বেরিয়ে যায় ব্রেন্ডন। তাঁর পরিবর্তে মাঠে নামেন উদান্ত সিং। গোলের জন্য দ্বিতীয়ার্ধে আরও মরিয়া হয়ে ওঠে ভারত। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে মালদ্বীপ রক্ষণে। ম্যাচের ৬২ মিনিটে সুনীল ছেত্রির গোলে আবার এগিয়ে যায় ভারত। ২ মিনিট পরেই সমতা ফেরানোর সুযোগ এসেছিল মালদ্বীপের সামনে। গুরপ্রীত ভারতের পতন রোধ করেন। ৭১ মিনিটে দ্বিতীয় গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করেন সুনীল ছেত্রি। এদিন ২ গোল করার সুবাদে দেশের হয়ে গোল করার দিক দিয়ে পেলেকে টপকে গেলেন তিনি। পেলের গোল সংখ্যা ৭৭। সুনীলের গোল সংখ্যা ৭৯। লিওনেল মেসির থেকে ১ গোল পেছনে। ম্যাচের একেবারে অন্তিম লগ্নে লাল কার্ড দেখেন ভারতের শুভাশিস বোস।

অক্টোবর ১৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Sreelekha : সপ্তমীতে মনখারাপই সঙ্গী শ্রীলেখার

চোখে জল। মুখে কোনও মেকআপ নেই। ভাবলেশহীন চোখে তাকিয়ে অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। পুজোর ঠিক আগেই বাবাকে হারিয়েছেন। এখনও মেনে নিতে পারছেন না বাবা নেই। তাই এবার পুজোয় আনন্দ করার মন নেই তার। মন খারাপই সঙ্গী তার।সপ্তমীর সকালে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের এমনই মন খারাপের একটি ছবি শেয়ার করেন শ্রীলেখা। ক্যাপশনে লিখেছেন, সবাই ছবি দিচ্ছে তাই আমিও দিলাম, সপ্তমীর সাজ। কার্যত এই সাজ মন খারাপের। কিন্তু বাবাকে ছাড়া পুজো তো শ্রীলেখার পক্ষে এর থেকে ভাল ভাবে কাটানো সম্ভব নয়। চোখে জল নিয়েই তাই কাটছে পুজোর দিন গুলো। আসলে কদিন আগেই বাবাকে হারিয়েছেন। তাই এই কষ্ট এখনও মেনে নিতে পারেননি।ফেসবুকে বাবার সঙ্গে বেশ কিছু ছবি শেয়ার করে শ্রীলেখা ক্যাপশনে তিনি লিখেছেিলেন, আমার প্রিয় পুরুষ, আমার প্রিয় মানুষ. বাবা, যার কাছে তার কন্যাই শ্রেষ্ঠ, আমার খুঁটিনাটি বিষয় তার জানা চাই, মতামত না চাইলেও দেওয়া চাই, আমার ভাল কিছু হলে আমার থেকেও যে মানুষটি বেশি খুশি হয়, সেই বাবা দুম করে মরে গেল। এটা আমি মানতে পারছি না, চাইছিও না।

অক্টোবর ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sunil Chetri: রেকর্ড নয়, দলের সাফল্যই আসল সুনীল ছেত্রির কাছে

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখতে গেলে নেপালের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না ভারতীয় দলের সামনে। ডু অর ডাই ম্যাচে দলকে দায়িত্ব নিয়ে জয় এনে দিয়েছেন অধিনায়ক সুনীল ছেত্রি। নেপালের বিরুদ্ধে গোল করে স্পর্শ করেছেন কিংবদন্তী পেলেকে। পেলেকে স্পর্শ করে খিদে আরও বেড়ে গেছে। ভবিষ্যতে আরও গোল করে দেশকে জেতাতে চান এই বর্ষীয়ান স্ট্রাইকার।৩৭ বছর বয়সেও সুনীল ছেত্রির ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার অবকাশ নেই। নিজেকেই নিজের ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন করেন সুনীল। আর প্রতিটা ম্যাচেই সেরাটা দেওয়ার জন্য মুখিয়ে থাকেন। এই প্রসঙ্গে সুনীল বলেছেন, ধারাবাহিকতা নিয়ে সর্বদা নিজেকে প্রশ্ন করি। উত্তরের অপেক্ষায় থাকি। আমার কাছে এর কোনও নকশা নেই। এটাই বাস্তব। প্রতিটা ম্যাচে নিজের সেরাটা দেওয়ার জন্য মাঠে নামি। ভগবানকে ধন্যবাদ দেব, কখনও ব্যর্থ হইনি।বাইচুং ভুটিয়া, রেনেডি সিংদের সঙ্গে খেলার সুযোগ হয়েছে। দুজনই খেলা থেকে অনেক আগে অবসর নিয়ে কোচিংয়ে যুক্ত হয়ে পড়েছেন। এদের সঙ্গে খেলার সুযোগ পেয়ে গর্বিত সুনীল। তিনি বলেন, বেশ কয়েকজন গ্রেট ফুটবলারের সঙ্গে আমার খেলার সুযোগ হয়েছে। তাঁরা কিন্তু ততটা কৃতিত্ব পায়নি। যে সব কোচের অধীনে খেলেছি, সবার কাছ থেকে কিছু না কিছু শিখেছি। সে ছোটই হোক কিংবা বড়। আশা করছি ভবিষ্যতেও এটা ধরে রাখতে পারব। ইতিমধ্যেই পৌঁছে গেছেন ৩৭ বছর বয়সে। আর কতদিন খেলা চালিয়ে যাবেন? এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এখনই অবশ্য খেলা ছাড়ার পরিকল্পনা নেই সুনীল ছেত্রির। ভবিষ্যত নিয়েও এখনও কোনও পরিকল্পনা করেননি। তিনি বলেছেন, ভবিষ্যত নিয়ে এখনও কোনও পরিকল্পনা করিনি। ফুটবলের বাইরে অন্যকিছু নিয়ে এখনও ভাবিনি। যতদিন খেলা উপভোগ করব, ততদিন খেলে যাব। পেলেকে স্পর্শ করলেও রেকর্ড নিয়ে সুনীলের মাথা ব্যাথা নেই। তাঁর কাছে দলের সাফল্যই আসল। সুনীল বলেছেন, পরিসংখ্যান নিয়ে আমার কোনও মাথা ব্যাথা নেই। কোন মাইলস্টোনে পৌঁছলাম, সেটা নিয়েও ভাবছি না। আমি যা অর্জন করেছি, তাতেই সন্তুষ্ট। যদি ট্রফি জয়ের সুযোগ থাকে, তাহলে আমি তার জন্যই ঝাঁপাব। দলের জয়ই আমার কাছে আসল। আপাতত প্রত্যেকটা সুযোগ কাজে লাগাতে চাই।দেশের হয়ে সবথেকে বেশি গোল করার ব্যাপারে বর্তমান ফুটবলারদের মধ্যে বিশ্বে ৩ নম্বরে রয়েছেন সুনীল। তাঁর আগে রয়েছেন পর্তুগালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো (১১২), আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি (৭৯)। সংযুক্ত আমিরশাহির আলি মাবখাউতের সঙ্গে যুগ্মভাবে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন সুনীল (৭৭)।

অক্টোবর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SAFF Championship : পেলেকে স্পর্শ সুনীলের, ফাইনালের স্বপ্ন ভারতের

বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পরপর জুটি ম্যাচে ড্র করে দারুণ চাপে পড়ে গিয়েছিল ভারত। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখতে গেলে নেপালের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না ভারতীয় দলের সামনে। মরণবাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠল ইগর স্টিম্যাকের দল। নেপালকে ১০ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখল। মরণবাঁচন ম্যাচে দেশের মান বাঁচালেন সুনীল ছেত্রি। পাশাপাশি এদিন গোল করে কিংবদন্তি ফুটবলার পেলেকে স্পর্শ করলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। ভারতের কাছে যেমন এদিন ছিল মরণবাঁচন ম্যাচ, তেমনই সুনীল ছেত্রির কাছে ছিল পেলেকে ছোঁয়ার ম্যাচ। ব্রাজিলের জার্সি গায়ে পেলে ৭৭ গোল করেছেন। নেপালের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে দেশের জার্সি গায়ে সুনীলের গোল সংখ্যা ছিল ৭৬। ম্যাচের ৮২ মিনিটে নেপালের জালে বল ঢুকিয়ে পেলের পাশে জায়গাআ করে নিলেন সুনীল ছেত্রি। নেপালের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটা পরিবর্তন করেছিলেন ইগর স্টিম্যাক। তা সত্ত্বেও ভারতের খেলায় খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। প্রথমার্ধে ভারতকে তেমন ছন্দে দেখা যায়নি। বলার মতো একটা মাত্রই সুযোগ পেয়েছিল ইগর স্টিম্যাকের দল। ৩৪ মিনিটে প্রীতম কোটালের কাছ থেকে নেপাল পেনাল্টি বক্সে বল পেয়ে মাইনাস করেন সুরেশ। সুরেশ যখন মাইনাস করেন, সুনীলের সামনে কেউ ছিলেন না। ফাঁকা গোলে বল ঠেলতে ব্যর্থ হন সুনীল। প্রথমার্ধে কোনও দলই আর গোল করার সুযোগ পাননি। দ্বিতীয়ার্ধেও সেই ছন্নছাড়া ফুটবল। নেপালের লক্ষ্য ছিল ভারতকে কোনও রকমে আটকে দিয়ে ১ পয়েন্ট নিশ্চিত করা। তাহলেই ফাইনালের দিকে এগিয়ে যাবে। তাই রক্ষণের দিকে বেশি নজর দিয়েছিল। নেপালের রক্ষণ ভেদ করতে পারছিলেন না সুনীলরা। তার মাঝেই ৫৭ মিনিটে ব্রেন্ডনের কর্ণারে সুবিধাজনক জায়গা থেকে নেপাল গোলকিপারের হাতে হেড করেন মনবীর সিং। ৭৭ মিনিটে আবার গোল করার সুযোগ পেয়েছিল ভারত। ব্রেন্ডনের ফ্রিকিক বক্সের মধ্যে হেড করার চেষ্টা করেন সুনীল ছেত্রি। বল তাঁর মাথার পেছন দিকে লেগে যায় শুভাশিস বোসের কাছে। তাঁর হেড আটকে দেন নেপাল গোলকিপার কিরণ কুমার।শেষদিকে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ভারত। ৮০ মিনিটে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন সুনীল ছেত্রি। বেশ কয়েকটা সুযোগ নষ্ট করার পর অবশেষে ৮২ মিনিটে লক্ষ্যভেদ ভারতীয় দলের অধিনায়কের। বাঁদিক থেকে ব্রেন্ডনের সেন্টার ফারুখ চৌধুরি হেডে নামিয়ে দিলে বাঁপায়ের সাইড ভলিতে বল জালে জড়িয়ে দেন সুনীল। একই সঙ্গে ভারতের ফাইনালের স্বপ্নও জেগে রইল। ৩ ম্যাচে ভারতের পয়েন্ট ৫। শেষ ম্যাচ খেলবে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকা মালদ্বীপের সঙ্গে। জিতলেই ফাইনালে পৌঁছে যাবে ভারত। প্রতিযোগিতায় দেশকে টিকিয়ে রাখতে পেরে খুশি সুনীল ছেত্রি। ম্যাচের পর তিনি বলেন, গোলের সামনে আমরা বারবার ব্যর্থ হয়েছি। ফাইনালের আশা টিকিয়ে রাখতে পেরে ভাল লাগছে। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পরপর জুটি ম্যাচে ড্র করে দারুণ চাপে পড়ে গিয়েছিল ভারত। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখতে গেলে নেপালের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না ভারতীয় দলের সামনে। মরণবাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠল ইগর স্টিম্যাকের দল। নেপালকে ১০ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখল। মরণবাঁচন ম্যাচে দেশের মান বাঁচালেন সুনীল ছেত্রি। পাশাপাশি এদিন গোল করে কিংবদন্তি ফুটবলার পেলেকে স্পর্শ করলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। ভারতের কাছে যেমন এদিন ছিল মরণবাঁচন ম্যাচ, তেমনই সুনীল ছেত্রির কাছে ছিল পেলেকে ছোঁয়ার ম্যাচ। ব্রাজিলের জার্সি গায়ে পেলে ৭৭ গোল করেছেন। নেপালের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে দেশের জার্সি গায়ে সুনীলের গোল সংখ্যা ছিল ৭৬। ম্যাচের ৮২ মিনিটে নেপালের জালে বল ঢুকিয়ে পেলের পাশে জায়গাআ করে নিলেন সুনীল ছেত্রি। নেপালের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটা পরিবর্তন করেছিলেন ইগর স্টিম্যাক। তা সত্ত্বেও ভারতের খেলায় খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। প্রথমার্ধে ভারতকে তেমন ছন্দে দেখা যায়নি। বলার মতো একটা মাত্রই সুযোগ পেয়েছিল ইগর স্টিম্যাকের দল। ৩৪ মিনিটে প্রীতম কোটালের কাছ থেকে নেপাল পেনাল্টি বক্সে বল পেয়ে মাইনাস করেন সুরেশ। সুরেশ যখন মাইনাস করেন, সুনীলের সামনে কেউ ছিলেন না। ফাঁকা গোলে বল ঠেলতে ব্যর্থ হন সুনীল। প্রথমার্ধে কোনও দলই আর গোল করার সুযোগ পাননি। দ্বিতীয়ার্ধেও সেই ছন্নছাড়া ফুটবল। নেপালের লক্ষ্য ছিল ভারতকে কোনও রকমে আটকে দিয়ে ১ পয়েন্ট নিশ্চিত করা। তাহলেই ফাইনালের দিকে এগিয়ে যাবে। তাই রক্ষণের দিকে বেশি নজর দিয়েছিল। নেপালের রক্ষণ ভেদ করতে পারছিলেন না সুনীলরা। তার মাঝেই ৫৭ মিনিটে ব্রেন্ডনের কর্ণারে সুবিধাজনক জায়গা থেকে নেপাল গোলকিপারের হাতে হেড করেন মনবীর সিং। ৭৭ মিনিটে আবার গোল করার সুযোগ পেয়েছিল ভারত। ব্রেন্ডনের ফ্রিকিক বক্সের মধ্যে হেড করার চেষ্টা করেন সুনীল ছেত্রি। বল তাঁর মাথার পেছন দিকে লেগে যায় শুভাশিস বোসের কাছে। তাঁর হেড আটকে দেন নেপাল গোলকিপার কিরণ কুমার।শেষদিকে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ভারত। ৮০ মিনিটে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন সুনীল ছেত্রি। বেশ কয়েকটা সুযোগ নষ্ট করার পর অবশেষে ৮২ মিনিটে লক্ষ্যভেদ ভারতীয় দলের অধিনায়কের। বাঁদিক থেকে ব্রেন্ডনের সেন্টার ফারুখ চৌধুরি হেডে নামিয়ে দিলে বাঁপায়ের সাইড ভলিতে বল জালে জড়িয়ে দেন সুনীল। একই সঙ্গে ভারতের ফাইনালের স্বপ্নও জেগে রইল। ৩ ম্যাচে ভারতের পয়েন্ট ৫। শেষ ম্যাচ খেলবে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকা মালদ্বীপের সঙ্গে। জিতলেই ফাইনালে পৌঁছে যাবে ভারত। প্রতিযোগিতায় দেশকে টিকিয়ে রাখতে পেরে খুশি সুনীল ছেত্রি। ম্যাচের পর তিনি বলেন, গোলের সামনে আমরা বারবার ব্যর্থ হয়েছি। ফাইনালের আশা টিকিয়ে রাখতে পেরে ভাল লাগছে।

অক্টোবর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sakib-Knight Riders : এলিমিনেটর ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা নাইটদের, পাবে না সাকিবকে

আইপিএলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা কলকাতা নাইট রাইডার্স শিবিরে। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে এলিমিনেটর ম্যাচে নাইট রাইডার্স পাবে না দলের গুরুত্বপূর্ণ অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে। নাইটদের মতো রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সও পাবে না ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ও দুষ্মন্ত চামিরাকে। তবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের থেকেও নাইটদের কাছে ধাক্কাটা জোরালো। কারণ হাসারাঙ্গা ও চামিরা প্রথম একাদশের পরিকল্পনায় নেই। অন্যদিকে, দুরম্ত ছন্দে থাকা সাকিব আল হাসান অন্যতম বড় ভরসা ছিলেন নাইটদের কাছে। দুই দলের মধ্যে যদি কোনও দল দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে কিংবা ফাইনালে ওঠে তাহলেও এই তিন জনের মধ্যে কেউ খেলতে পারবেন না। আর সপ্তাহখানেক পরেই শুরু হতে চলেছে টি২০ বিশ্বকাপ। সাকিব আল হাসান যেমন বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দলে রয়েছেন, তেমনই শ্রীলঙ্কা দলে রয়েছেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ও দুষ্মন্ত চামিরা। বিশ্বকাপ শুরুর আগে দুই দেশই প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে। এই তিন ক্রিকেটারকে জাতীয় শিবিরে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট দেশের ক্রিকেট বোর্ড। ফলে আইপিএলে আর খেলতে পারবেন না এই তিন ক্রিকেটার। শ্রীলঙ্কার দুই ক্রিকেটারকে না পেলেও খুব একটা ক্ষতি হবে না রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের। তবে সাকিবের না থাকাটা অবশ্যই বড় ধাক্কা কলকাতা নাইট রাইডার্সের কাছে। আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে সাকিব নাইট রাইডার্সের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলেছেন। দুটি ম্যাচেই দুর্দান্ত বোলিং করেছেন। আন্দ্রে রাসেল খেলতে না পারলে তিনি অলরাউন্ডার হিসেবে দলের অন্যতম ভরসা। টি২০ বিশ্বকাপ শুরুর আগে রাসেল হয়তো ঝুঁকি নেবেন না। সাকিব ও মুস্তাফিজুর রহমানকে রবিবারই বাংলাদেশ দলের সঙ্গে যোগ দিতে বলা হয়েছে। ১২ ও ১৪ অক্টোবর শ্রীলঙ্কা ও আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। সাকিবদের মতোই হাসারাঙ্গা ও চামিরা দুষ্মন্তকে জাতীয় শিবিরে যোগ দিতে বলা হয়েছে। বাংলাদেশ ছাড়াও পাপুয়া নিউ গিনির বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে শ্রীলঙ্কা। ১৮ অক্টোবর নামিবিয়ার বিরুদ্ধে শ্রীলঙ্কার প্রথম রাউন্ডের প্রথম ম্যাচ।

অক্টোবর ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SAFF Championship : নেপালের বিরুদ্ধে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে মরণবাঁচন ম্যাচে নামছেন সুনীলরা

অনেক প্রত্যাশা নিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ খেলতে নেমেছে ভারতীয় ফুটবল দল। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে প্রতিযোগিতার অন্য দলগুলির তুলনায় এগিয়ে থাকলেও প্রথম দুটি ম্যাচে সুনীল ছেত্রিদের পারফরমেন্স অনুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে খুঁজতে হচ্ছে। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পরপর ড্র করে অস্তিত্ব সংকটে ভারত। ফাইনালে ওঠার আশা জিইয়ে রাখতে গেলে রবিবার নেপালের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা নেই ইগর স্টিম্যাকের দলের সামনে। বলতে গেলে একপ্রকার ডু অর ডাই ম্যাচ।দু ম্যাচে জিতে ৬ পয়েন্ট নিয়ে এই মুহূর্তে গ্রুপ শীর্ষে রয়েছে নেপাল। গ্রুপ শীর্ষে থাকা দলের বিরুদ্ধে লড়াই যে সহজ হবে না, সেকথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়। মাস খানেক আগে এই নেপালের বিরুদ্ধে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছিলেন সুনীল ছেত্রিরা। একটা ড্র, আর একটা ম্যাচে জিতেছিল ভারত। প্রীতি ম্যাচ আর প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের মধ্যে আকাশপাতাল পার্থক্য। ফলে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ভারতের কাছে লড়াইটা যে যথেষ্ট কঠিন হবে, সেকথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়।ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক অবশ্য মনে করছেন, নেপালের বিরুদ্ধে প্রীতি ম্যাচে তাঁর দল যে ফুটবল উপহার দিয়েছিল, তা তুলে ধরতে পারলে জেতা সমস্যা হবে না। নেপালকে হারিয়ে ফাইনালের লড়াইয়ে থাকার ব্যাপারে তিনি আত্মবিশ্বাসী। মরণবাঁচন ম্যাচে খেলতে নামার আগে স্টিম্যাক বলেন, নেপালের বিরুদ্ধে জিতলে আমরা ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে থাকব। সেপ্টেম্বরে ওদের বিরুদ্ধে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছিলাম। একে অপরের সম্পর্কে ধারণা আছে। তবে বিপক্ষের ওপর বেশি ফোকাস করতে চাই না। জিততে গেলে আমাদের নিজেদের খেলায় উন্নতি করতে হবে। আগের দুটি ম্যাচের মতো ভুল করলে চলবে না। গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। সুনীল ছেত্রি আটকে গেলেই গোল পেতে সমস্যা হচ্ছে ভারতের। প্রথম ম্যাচে মনবীর সিং নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। রিস্টন কোলাসোও ব্যর্থ। বাকিরাও পজিটিভ সুযোগ নষ্ট করছেন। এই অবস্থায় সেই অভিজ্ঞ সুনীল ছেত্রির দিকেই তাকিয়ে ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। নেপালের বিরুদ্ধে আবার প্রথম একাদশে পরিবর্তন করতে চলেছেন তিনি। মনবীরকে প্রথম একাদশে ফেরাতে পারেন। প্রথম একাদশে ফিরতে পারেন ব্রেন্ডন ফার্নান্ডেজ ও প্রীতম কোটাল। প্রথম দুটি ম্যাচে ড্র করে অনেকটাই ভেঙে পড়ছিল গোটা ভারতীয় শিবির। কোচ ইগর স্টিম্যাক দলকে নতুন করে উদ্দীপ্ত করেছেন। অধিনায়ক সুনীল ছেত্রিও দলকে উদ্বুদ্ধ করার দায়িত্ব তুলে নিয়েছেন। তিনিও তাকিয়ে পেলের রেকর্ড স্পর্শ করার দিকে।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Big Boss : ইয়োহানির সঙ্গে মানিকে মাগে হিটে গাইলেন সলমন

শ্রীলঙ্কান গায়িকা ইয়োহানি মানিকে মাগে হিটে গান গেয়ে জনপ্রিয় হয়ে গেছেন। ইন্সটাগ্রামে তার গানে রিলসের সংখ্যা অগুন্তি। তিনি এবার বিগ বস শোতে। শ্রীলঙ্কান গায়িকা বিশেষ অতিথি হয়ে হাজির হয়েছিলেন বিগ বসে স্টেজে। সঙ্গে অবশ্যই ছিলেন সঞ্চালক সলমন খান। বিগ বসের মঞ্চে ইয়োহানির গাইলেন সেই ভাইরাল গান মানিকে মাগে হিটে। যেটা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল। তার সঙ্গে গলা মেলালেন সলমন খানও।ইয়োহানির পরনে ছিল রিপড জিনস, কালো হাইহিল বুট, ফারের জ্যাকেট, সঙ্গে কালো রঙের ক্রপ টপ। সিংহলি ভাষায় মন মাতানো গান গাইলেন তিনি। সিংলি ভাষার ইয়োহানির গানের সেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে ভারতে। ভারতে হিন্দি থেকে তেলুগু, তামিল এমনকী বাংলাতেও গাওয়া হয়েছে সেই গান। বিগ বসের মঞ্চে ইয়োহানির গানের চমক মন মাতিয়েছে দর্শকদের। ইয়োহানির সঙ্গে গলা মেলাতে গিয়ে একাধিক ভুল করেছেন সলমন। কখনও বলেছেন শ্রীদেবী, কখনও বলেছেন হ্যাঙ্গওভার।সোশ্যাল মিডিয়ায় সলমন খানের সেই মানিকে মাগে হিটের গান সোশ্যাল মিডিযায় ছড়িয়ে পড়েছে। প্রায় ২ লক্ষ ভিউ হয়েছে ভিডিওটির। নেটিজেনদের কমেন্টের বন্যা বইছে।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
নিবন্ধ

Saradarghya: শারদঅর্ঘ্য

উত্তাল তরঙ্গভঙ্গ হেলায় তুচ্ছ করে এগিয়ে চলেছে রঙবেরঙের এক ময়ূরপঙ্খী, তাতে সওয়ার ঢাক -ঢোল -সানাই নিয়ে এক দল গাইয়ে বাজিয়ে... মাথার ওপর উজ্জ্বল সূর্য... এক কোণে সেই পরিচিত দুলাইনের লোগো --- শারদঅর্ঘ্য!আটাত্তরের এইচ.এম.ভি.-র পুজোর গানের বইয়ের প্রচ্ছদ, যদ্দূর মনে পড়ে, ছিল এমনই। বিধ্বংসী বন্যায় সেবার রক্তাক্ত হয়েছিল সারা বাংলা; তবু তার মধ্যেও পূজো এসেছিল, মা এসেছিলেন অনিঃশেষ বৃষ্টিতে শ্যাওলা পড়ে যাওয়া গ্রামের আটচালায়.. লাশ ভাসার ছবি সরে গিয়ে খবরের কাগজের পাতায় শেষ পর্যন্ত দেখা গিয়েছিল নৌকোয় রওনা দিয়েছে মাতৃপ্রতিমা... কলা-পেয়ারা -ভেজা মটর -পানিফলের সামান্য উপচার দিয়েই সাজানো হয়েছিল ফল প্রসাদের থালা... আর লতা মঙ্গেশকরকে দিয়ে সলিল চৌধুরী গাইয়েছিলেন আজ নয় গুণগুণ গুঞ্জন প্রেমের / চাঁদ ফুল জোছনার গান আর নয় / ওগো প্রিয় মোর খোলো বাহুডোর / পৃথিবী তোমারে যে চায়...সেই শারদঅর্ঘ্য! দেশ-আনন্দমেলা-কিশোরভারতী-শুকতারা-নবকল্লোলের পুজোবার্ষিকীর চাইতে তার আকর্ষণ কি ছিল কিছু কম? মোটা দামী কাগজে ঝকঝকে ছাপা তকতকে ছবি মোড়া গোটা পঞ্চাশ পাতার বইটি নিয়ে কাড়াকাড়ি করতাম মামাতো দিদিদের সঙ্গে (তারা সবাই ছিল কম বেশি গাইয়ে, কাজেই সে বইয়ের অধিক হকদার!) পুজোর কদিন আগে জলপাইগুড়ি থেকে এসে পড়তাম বর্ধমানে মামার বাড়ি। সবার প্রিয় সেজমামা ততদিনে দূর্গাপুর থেকে তার এইচ.এম.ভি ফিয়েস্টা রেকর্ডপ্লেয়ার আর নতুন কেনা এক গুচ্ছ এল.পি ও ই.পি রেকর্ড নিয়ে এসে পড়েছে--- তারপর সারাদিন ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সেই সব হেমন্ত -কিশোর -মান্না - লতা - আশা - সন্ধ্যা - আরতি নিয়েই ওঠা বসা!শারদঅর্ঘ্য নেই আজ অনেক দিনপ্রতি পাতায় শিল্পীর সাদা কালো ছবি, রেকর্ডের নম্বর ও টেকনিক্যাল খুঁটিনাটি,গীতিকার -সুরকার -যন্ত্রানুসঙ্গীর নাম, গানের সম্পূর্ণ কথা। আমার ছোটমামা লম্বা খাতায় গোটা গোটা অক্ষরে লিখে রাখত সেই সব গান-- দেখে দেখে আর শুনে শুনে মনে গেঁথে যেত আমাদেরও। দ্বিজেন - পিন্টু -শ্যামল - মানবেন্দ্র, প্রতিমা - জপমালা - সবিতা - বনশ্রী, পূর্ণদাস - নির্মলেন্দু - রুণা লায়লা - স্বপ্না চক্রবর্তী - মিন্টু দাশগুপ্ত ছাপার অক্ষর থেকে বেরিয়ে এসে আবিষ্ট করে রাখতেন।শারদঅর্ঘ্যের পাতায় পাতায় অন্য এক জগতের হাতছানি--- কৃষ্ণচূড়া শোন শোন শোন, সারা বেলা গেল খেলে খ্যাপা হাওয়াতে...কৃষ্ণচূড়া আগুন তুমি ফাগুন ভরা গানে... ..কৃষ্ণচুড়ার বন্যায় চৈতালি ভেসে গেছে ... কৃষ্ণচুড়ার বনে ছায়াঘন পথ --- সব রহস্য যেন চেনা হয়ে যেত, গানে গানে সব বন্ধন যেত টুটে। অদ্ভুত কান্ডও হতো মাঝে মধ্যে। আটাত্তরে লতা মঙ্গেশকর আজ তবে এইটুকু থাক গানে কেন না তাকাতে ভোর হয়ে যাবে না গেয়ে না গাবাতে ভোর হয়ে যাবে গেয়েছিলেন, তা আজো বুঝতে পারি নি, যেমন বুঝে উঠতে পারি নি সেই ভুল গানই এইচ .এম.ভি রেকর্ড হিসেবে প্রকাশ করে দিল কী করে!সাতাত্তরেই সম্ভবতঃ, শারদঅর্ঘ্যের পাতায় প্রথম দেখা দিয়েছিলেন অসামাব্য সুন্দরী এক তরুণী গায়িকা, অরুন্ধতী হোম চৌধুরী--- ইংরেজীতে লেখা হয়েছিল Holme। তাঁর একটি গান ছিল ও পদ্মকলি গো, কার ঢেউয়ে অঙ্গ তোমার দোলে। সে গানের কথার চাইতেও অবাক লেগেছিল এই Holme বানানে। সবাই ভেবেছিলাম নির্ঘাত বিলেত -প্রবাসিনী কেউ হবেন! অনেক পরে, উননব্বই সালে, মেডিক্যাল কলেজ ছাত্র সংসদের সাংস্কৃতিক সচিব থাকাকালীন কলেজ সোস্যালে গাওয়ার অনুরোধ জানাতে গিয়েছিলাম সল্ট লেকে অরুন্ধতী -শিবাজীর ফ্ল্যাটে। চমৎকার মানুষটির সঙ্গে কথাবার্তার সুবাদে জেনেছিলাম, বিলেত নয়, আদতে উনি শিলচরের মানুষ।শারদঅর্ঘ্য নেই আজ অনেক দিন। যশোর রোডে এইচ.এম.ভি.-র বন্ধ কারখানায় এখন প্রোমোটারের থাবা। সন্গীতালয়ের গা বেয়ে ওঠা অশ্বথ্ব -বট -যজ্ঞডুমুরের পাতা দুলিয়ে হাওয়া বয়ে আনে শুধুই সঙ্গীতপ্রেমীদের দীর্ঘশ্বাস। শারদঅর্ঘ্য বয়ে আনা সেজমামাও অকালে চলে গেছে ক বছর হলো।লেখকঃ ডঃ সুজন সরকারবর্ধমান।আরও পড়ুনঃ বাজলো তোমার আলোর বেণু

অক্টোবর ০৯, ২০২১
রাজ্য

By-Election: রাজ্যের উপনির্বাচনের প্রচারে অসমের মুখ্যমন্ত্রী, ৭ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসহ একাধিক সাংসদ

বঙ্গ বিজেপিও চার বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে স্টার ক্যামপেইনারের তালিকা প্রকাশ করেছে। ২০ জনের এই তালিকায় বিশেষ উল্লেখের দাবি রাখে সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। রয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মা, ত্রিপুরার সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক। এছাড়া একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রয়েছেন তালিকায়, রয়েছেন সাংসদ, বিধায়ক ও সংগঠনের কর্তারা।ভবানীপুরের উপনির্বাচনের প্রচারে স্টার ক্যামপেইনার হিসাবে নাম ছিল লকেট চট্টোপাধ্যায়ের। কিন্তু সেই প্রচারে একদিনও ভবানীপুরে হাজির হননি লকেট। তা নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টিও হয়েছিল। কুণাল ঘোষের টুইট দেখে রাজনৈতিক মহলের মনে হয়েছিল তাহলে লকেটও কি তৃণমূলের দিকে পা বাড়িয়েছেন? যে ভাবে বিজেপি থেকে তৃণমূলের দিকে যোগ দেওয়ার ঢল নামছে তা ভাবা খুব স্বাভাবিক। পরে জানা গিয়েছিল দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জগতপ্রকাশ নাড্ডার সঙ্গে বৈঠক হয়েছিল লকেট চট্টোপাধ্যায়ের। তারপর যথারীতি দলের কাজ শুরু করেছেন লকেট।আরও পড়ুনঃ উপনির্বাচনের চার কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রচারে মুখ্যমন্ত্রী সহ একাঝাঁক মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক৩০ অক্টোবর উপনির্বাচন হবে গোসাবা, দিনহাটা, খড়দহ ও শান্তিপুরে। বিজেপির তালিকায় রয়েছেন ১৩ জন সাংসদের নাম, যার মধ্যে ৭ জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। অসমের মুখ্যমন্ত্রীর নাম বিশেষ ভাবে উল্লেযোগ্য। হেমন্ত বিশ্বশর্মা উপনির্বাচনের প্রচারে আসবেন বাংলায়। উত্তরবঙ্গের দিনহাটায় তিনি প্রচারে আসতে পারেন বলে খবর। ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেস সংগঠন বৃদ্ধির কাজ করে চলেছে। সেদিক থেকে ত্রিপুরার সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিকের এরাজ্যে প্রচারে আসাটা গুরুত্বের দাবি রাখে।একনজরে দেখে নেওয়া যাক কারা রয়েছেন বিজেপির স্টার ক্যামপেইনারের তালিকায়- স্মৃতি ইরানী, ডাঃ সুভাষ সরকার, জন বার্লা, হিমন্ত বিশ্বশর্মা, শান্তনু ঠাকুর, নিশীথ প্রামাণিক, গিরিরাজ সিং, প্রতিমা ভৌমিক, লকেট চট্টোপাধ্যায়, ডঃ সুকান্ত মজুমদার, দিলীপ ঘোষ, শুভেন্দু অধিকারী, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, শমীক ভট্টাচার্য, অগ্নিমিত্রা পাল, অমিতাভ চক্রবর্তী, রাহুল সিনহা, দেবশ্রী চৌধুরী, অর্জুন সিং ও মাফুজা খাতুন।

অক্টোবর ০৮, ২০২১
রাজ্য

Memari Samabay: পুজোর মুখে টাকা তুলতে না পেরে মেমারির সমবায়ে বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন উপভোক্তারা

দোরগোড়ায় বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসব। তার প্রাক্কালেও জমানো টাকা তুলতে পারছেন না উপভোক্তারা। এরই প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমানের মেমারির গোপ গন্তার ইউনিয়ন কো-অপারেটিভ এগ্রিকালচার সোসাইটি-তে বিক্ষোভ দেখালেন উপভোক্তারা। এমনকি অবসরকালীন সুবিধা পাওয়া থেকেও সমবায়ের কর্মীর পরিজনরা বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ। যদিও সমবায় কর্তৃপক্ষ সমবায়ের আর্থিক দূরাবস্থার কথা স্বীকার করে নিয়েই দায় এড়াচ্ছেন।গোপ গন্তার সমবায়ের পরিচালনার সমিতির দায়িত্বপ্রাপ্ত অমল ঘোষ বলেন, বিভিন্ন ব্যাপারে সমবায় সমিতি তাঁদের সদস্যদের ঋণ দিয়ে থাকে। ঋণ বাবদ সমবায় সমিতির সদস্যদের দেওয়া প্রায় ৫ কোটি টাকা অনাদায়ী হয়ে রয়েছে। সেই টাকার সুদও নিয়মিত পাওয়া যাচ্ছে না। সুদ নিয়মিত পাওয়া গেলে আমানতকারীদের টাকা দেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা থাকবে না। সমবায়ের একাধিক কর্মী এদিন বলেন, সাধ্য থাকা সত্ত্বেও অনেক ঋণগ্রহীতা ঋণের টাকা শোধ করতে চাইছেন না। এরজন্য তাঁদের বহুবার অনুরোধ করা হয়েছে। কিন্তু তাঁরা টাকা পরিশোধ করেননি। এইসব কারণে গত বছর থেকে তাঁদের সমবায় সমিতি আর্থিক দুরাবস্থায় ধুঁকছে।এদিন গোপ গন্তার ইউনিয়ন কো-অপারেটিভ এগ্রিকালচার সোসাইটিতে এসে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার বাসিন্দা তথা সমিতির অবসরপ্রপ্ত কর্মী রজত সিংহের স্ত্রী সুপ্রিয়াদেবী। তিনি বলেন, এক বছরের বেশি সময় ধরে তিনি তাঁর স্বামীর অবসরকালীন টাকা পাওয়ার জন্যে ঘুরছেন। কিন্তু টাকা পাচ্ছেন না। অসুস্থ স্বামীর ওষুধ কেনার টাকা জোগাড় করতে না পেরে তিনি দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন। অনেক আমানতকারী তাঁদের জমানো টাকা পুজোর মুখে টাকা তুলতে না পেরে নিদারুন অসুবিধার মধ্যে পড়ে গিয়েছেন। এমনই এক আমানতকারী সুব্রত রায় বলেন, তাঁর মায়ের অ্যাকাউন্টে টাকা রয়েছে। পুজোর প্রাক্কালে প্রয়োজন মতো টাকা তুলতে না পারায় তিনি তাঁর মায়ের পুজোর শাড়ি, জামা কিনে উঠতে পারেননি।ক্ষোভের যেন কোনও শেষ নেই। অন্যদিকে স্থানীয় ইছাপুর গ্রামের বাসিন্দা রহিম শেখ, নূরবানু শেখরা জানান, বহু কাকুতি মিনতি করে সমবায় থেকে প্রতি মাসে ৫০০ টাকার বেশি পান না। শঙ্করপুরের বাসিন্দা কাকলি টুডু একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, সমবায়ে টাকা জমা রেখে তিনি মহা ফাঁপড়ে পড়ে গিয়েছি। মেয়ের বিয়ে ঠিক হয়ে গেলেও টাকা পাওয়া যাচ্ছে না বলে বিয়ের দিন ঠিক করতে পারছি না। সমবায়ে বিক্ষোভ দেখাতে আসা অন্য অনেক আমানতকারী আবার বলেন, সার কেলেঙ্কারির কোনও সুরাহা এখনও এই সমবায় ব্যাঙ্ক করেনি। সমবায় থেকে সমবায় সার না কিনেও অনেককে টাকা মেটাতে হয়েছে। তাছাড়াও নিয়োগে দুর্নীতি, অডিট রিপোর্টে গন্ডগোল, কোনও নথি ছাড়াই ঋণ দেওয়ার ফলে এখন আমানতকারীদের ভুগতে হচ্ছে। সমবায় সমিতির জেলার এআরসিএস(রেঞ্জ ১) সত্যজিৎ মণ্ডল এই বিষয়ে বলেন, সমবায় পরিদর্শকের কাছে অভিযোগের বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হবে।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
রাজনীতি

Sabyasachi Dutta: বিধনসভায় পরিষদীয়মন্ত্রীর ঘরে সব্যসাচীর তৃণমূলে যোগ, রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তুঙ্গে

বিধানসভায় দলবদল। বিজেপি থেকে তৃণমূলে ফিরলেন প্রাক্তন বিধায়ক সব্যসাচী দত্ত। দলবদল হল একেবারে বিধানসভা চত্বরে। বৃহস্পতিবার পরিষদীয়মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘরে মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের উপস্থিতিতে মুকুলপন্থী বিজেপি নেতা সব্যসাচী দত্ত তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নেন। এই দলবদল নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে। সমালোচনা করেছে বিজেপি। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, এটা একটি বিরল এবং ব্যতিক্রমী ঘটনা। দেশের অন্য কোনও বিধানসভা কখনও এমন দৃশ্য দেখেনি বা প্রত্যক্ষ করেনি। বিধানসভাকে নিজের দলীয় অফিস হিসেবে ব্যবহার করছে।বিজেপি থেকে তৃণমূলে ফিরে আসার যেন মিছিল পড়ে গিয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল আসন নিয়ে তৃতীয়বারের জন্য় ক্ষমতায় আসার পর থেকে তৃণমূলে ফেরার হিরিক লেগেছে। একাধিক বিজেপি বিধায়ক তৃণমূলে এসেছেন। হেরে যাওয়া বিজেপি প্রার্থীদেরও দলে নিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। মুকুল রায়ের হাত ধরে বিজেপি গিয়েছিলেন সব্যসাচী দত্ত। বিধানসভার ফল বেরনোর পর সর্বপ্রথম কৃষ্ণনগরের বিধায়ক মুকুল রায় তৃণমূলে ফেরেন। তখনও অনেকটাই পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল মুকুলপন্থীরা ঘাসফুল শিবিরে ফিরবেন। তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সেই আভাস দিয়েছিলেন। এদিন তা একেবারে স্পষ্ট হল।তবে সব্যসাচীর দলে ফেরা নিয়ে তৃণমূলের অভ্যন্তরেই ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় সাংবাদমাধ্যমে বলেছেন, নির্বাচনে যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গলমন্দ করলেন, তাঁরাই এখন দলে ফিরছেন। এতে কর্মীদের মনোবল ভেঙে যায়।এর আগে কখনও রাজ্য বিধানসভা সত্বরে দলবদল হয়েছে, এমন নজির নেই। বিরোধী নেতৃত্ব নবান্নে গিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন। সেখানে ঘোষণা হয়েছে। কিন্তু বিধানসভা চত্বরে এই প্রথম দলবদলের ঘটনা ঘটেছে। এবার ঘটেছে একেবারে পরিষদীয়মন্ত্রীর ঘরে। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলেরও বক্তব্য, বিধানসভা চত্বরে এই দলবদলের ঘটনা ঐতিহাসিক নজির হয়ে থাকবে। আবার এমন দিনে তৃণমূলে যোগ দিলেন সব্যসাচী দত্ত যেদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিধানসভায় রাজ্যপালের কাছে বিধায়ক হিসেবে শপথ নিলেন।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

S‌AAF Championship : শ্রীলঙ্কার কাছে আটকে গিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে সঙ্কটে ভারত

বাংলাদেশ তবু একটু শক্তিশালী প্রতিপক্ষ ছিল। কিন্তু শ্রীলঙ্কা? বাংলাদেশের তুলনায় অনেকটাই দুর্বল। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ভারতের থেকে ৯৮ ধাপ পিছিয়ে। এইরকম দলের কাছেও আটকে যেতে হল ভারতকে! শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ম্যাচ গোলশূন্য ড্র করে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন থেকে অনেকটাই দুরে সরে গেলেন সুনীল ছেত্রিরা। ফাইনালে যেতে গেলে লিগের বাকি দুটি ম্যাচ শুধু জিতলেই হবে না, অন্য ম্যাচের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হবে।বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকজন ফুটবলারের পারফরমেন্সে একেবারেই সন্তুষ্ট হতে পারেননি ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। তাই শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন করেন। ফুটবলারদের পজিশনও বদল করে দেন। আগের ম্যাচে রক্ষণে দলকে একেবারেই নির্ভরতা দিতে পারেননি প্রীতম কোটাল। তাই এদিন রক্ষণ আমূল বদলে দেন। শুভাশিস বসুকে ডিফেন্সে নামিয়ে নিয়ে আসেন ইগর স্টিম্যাক। সেন্ট্রাল ডিফেন্সে প্রীতম কোটালের পরিবর্তে সুরেশ সিংকে নামিয়ে রাহুল বেকেকে তাঁর সঙ্গে জুড়ে দেন। মাঝমাঠে ব্রেন্ডন, আক্রমণভাগে মনদীপ সিংদের প্রথম একাদশে জায়গা হয়নি।একগুচ্ছ পরিবর্তন করেও হাল ফেরেনি ভারতের। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সুনীল ছেত্রিদের যে দাপট ছিল, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথমার্ধে সেই দাপট দেখা যায়নি। তার মাঝেই ম্যাচের ১৪ মিনিটে মন্দার রাওয়ের ক্রস থেকে গোল করার মতো সুযোগ এসে গিয়েছিল সুনীল ছেত্রির সামনে। শ্রীলঙ্কার গোলকিপার সুজন পেরেরা সুনীলের সেই প্রয়াস রুখে দেন। ২২ মিনিটে ডানদিক থেকে ভেসে আসা বলে অরক্ষিত অবস্থায় থেকেও হেডে বল জালে পাঠাতে ব্যর্থ লিস্টন কোলাসো। এটাই ছিল প্রথমার্ধের সবথেকে সহজ সুযোগ। এই দুটি সুযোগ ছাড়া প্রথমার্ধে বলার মতো আর কোনও সুযোগ তৈরি করতে পারেনি ভারত। মাঝমাঠ থেকে সেভাবে বল সরবরাহ না হওয়ায় সুনীল ছেত্রিও জ্বলে উঠতে পারেননি। দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য কিছুটা খেলায় ফেরে ভারত। রিস্টন কোলাসো, উদান্ত সিং, অনিরুদ্ধ থাপারা একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিলেন। ৬০ মিনিটে গোল করার মতো পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল। রিস্টন কোলাসোর পাস ৬ গজ বক্সের মধ্যে পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন অনিরুদ্ধ থাপা। দ্বিতীয়ার্ধে রিস্টন কোলাসোর জায়গায় আব্দুল সামাদ ও অনিরুদ্ধ থাপার পরিবর্তে ফারুখ চৌধুরিকে নামান ইগর স্টিম্যাক। ৭২ মিনিটে জটলার মধ্যে থেকে শ্রীলঙ্কার জালে বল পাঠান ফারুখ। কিন্তু শুভাশিস শ্রীলঙ্কার এক ফুটবলারকে ফাউল করায় সেই গোল বাতিল হয়ে যায়। ৮৯ মিনিটে কর্ণার থেকে ভেসে আসা বল সুনীল ছেত্রি হেডে নামিয়ে দিলে গোলকিপারের সঙ্গে হাতমেলানো দুরত্ব থেকে অবিশ্বাস্যভাবে বল বারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে দেন শুভাশিস বসু। শেষ দিকে প্রবল চাপ রেখেও জয় আসেনি। পরপর দুম্যাচে আটকে গিয়ে গভীর সঙ্কটে পড়ে গেল ভারত।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
রাজ্য

Sarbamangala Temple: ৩০০ বছরের পুরনো বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দিরে ঘট প্রতিষ্ঠার সঙ্গেই রাঢ়বঙ্গে দামামা বাজল শারদ উৎসবের

বর্ধমানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী সর্বমঙ্গলা মায়ের ঘট উত্তোলন ও প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সঙ্গে মহালয়ার পরদিন থেকে শারদ উৎসবের সূচনা হয়ে গেল রাঢ়বঙ্গে। বৃহস্পতিবার থেকে নবমী পর্যন্ত চলবে পুজো। তবে রাজ আমলের রীতি মেনে পুজো হলেও কোভিড বিধি মেনে এবারও সর্বমঙ্গলা মন্দিরে ভক্তদের ভিড় জমানোয় নিষেধাঞ্জা বলবৎ রেখেছে সর্বঙ্গলা ট্রাস্টি বোর্ড। বৃহস্পতিবার রীতি মেনে বর্ধমান শহরের কৃষ্ণসায়র থেকে রুপোর ঘটে জল ভরে সেই ঘট ঘোড়ার গাড়িতে চাপিয়ে শোভাযাত্রা ও বাদ্যযন্ত্র সহযোগে নিয়ে যাওয়া হয় সর্বমঙ্গলা মন্দিরে। মন্দিরের পুরোহিত অরুণ কুমার ভট্টাচার্য বলেন, মহালয়ার পরের দিন প্রতিপদে দেবী সর্বমঙ্গলার জন্য ঘটে জল ভরে আনার নিয়ম রয়েছে। কৃষ্ণসায়রের চাঁদনী ঘাট থেকে ঘটে জল ভরে সেই ঘট মন্দিরে নিয়ে গিয়ে এদিন প্রতিষ্ঠা করা হল। কৃষ্ণসায়র থেকে ঘট আনার জন্য শোভাযাত্রা করা হলেও করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুরোহিত জানান, ঘটস্থাপনের পর থেকে নবমী পর্যন্ত পুজো চলবে। সঙ্গে হবে চণ্ডীপাঠ ও দেবীকে ভোগ নিবেদন। সর্বমঙ্গলা মায়ের পুজো শুরু নিয়ে বর্ধমানে নানা কাহিনী প্রচলিত রয়েছে। প্রচলিত কাহিনী অনুসারে জানা যায়, বহুকাল পূর্বে বর্ধমানের বাহিরসর্বমঙ্গলা অঞ্চলে জেলেদের জালে একটি অদ্ভূত দর্শন পাথর উঠে আসে। কিছুটা শিলার মত দেখতে ওই পাথর দিয়েই তখনকার দিনে গুগলি, শামুক থেঁতো করতেন এলাকার বাসিন্দারা। সেই শিলা যে আদতে দেবী মূর্তি, তা পরে বুঝতে পারেন এলাকার এক পুরোহিত। কাহিনী অনুসারে আরও জানা যায়, সেই সময় দামোদর নদ লাগোয়া চুন তৈরির কারখানার জন্য শামুকের খোলা নেওয়ার সময় শিলামূর্তিটি চলে যায় চুন ভাটায়। তখন শামুকের খোলের সঙ্গে শিলামূর্তিটি পোড়ানো হলেও মূর্তির কোনো ক্ষতি হয়নি। সেই রাতে দেবীর স্বপ্নাদেশ পাওয়া মাত্রই বর্ধমানের তৎকালীন রাজা শিলামূর্তিটিকে নিয়ে এসে সর্বমঙ্গলা নামে পুজো শুরু করেন। ঐতিহাসিক মতে বর্ধমানের মহারাজা শ্রী কীর্তিচাঁদ ১৭০২ খ্রিস্টাব্দে সর্বমঙ্গলা মায়ের পুজোর জন্য মন্দিরটি নির্মাণ করান। কিন্তু এই মন্দিরে থাকা মাতা সর্বমঙ্গলার মূর্তিটি মন্দিরের থেকেও বেশি প্রাচীন। অনেকের মতে মূর্তিটি ১০০০ বছর পুরোনো, আবার কারও মতে ২০০০ বছরের পুরনো। এই মূর্তিটি হল কষ্টিপাথরের অষ্টাদশভূজা সিংহবাহিনী মহিষমর্দিনী। যাঁর দৈর্ঘ্যে বারো ইঞ্চি, প্রস্থে আট ইঞ্চি। মন্দিরে রুপের সিংহাসনে দেবী আসীন থাকেন। জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হবার পরে বর্ধমানের তৎকালীন মহারাজা উদয় চাঁদ ১৯৫৯-তে একটি ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করেন, তাঁদের হাতে এই প্রাচীন মন্দিরটি পরিচালনার দায়িত্ব দেন ও তারপর থেকে এখনও পর্যন্ত সেই ট্রাস্টি বোর্ডই এই মন্দিরের দেখাশোনা করে। আগে সন্ধি পুজোয় কামান দাগা হতো, মেষ, মহিষ ও ছাগ বলি হতো। এখন আর হয় না। পূর্বে সর্বমঙ্গলা মন্দিরে সন্ধিপুজোয় কামানের আওয়াজ শুনে আশেপাশের সমস্ত জমিদার বাড়িতে সন্ধিপুজো শুরু হতো। নবমীতে নব কুমারি মায়ের পুজোর রীতি আজও চালু রয়েছে।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Saheb Halder : পুজো মানে আমার কাছে ঠাকুর দেখা নয়, বাড়িতে থাকা - সাহেব হালদার

পরিচালক পাভেল, পরমব্রত চট্টপাধ্যায়, অঙ্কুশের সাথে ছবির শ্যুটিং-এ ব্যস্ত। তার মাঝেই কিছুটা সময় বের করে জনতার কথা-র প্রতিনিধি সায়ন্তন সেন এর সাথে দুর্গাপুজো নিয়ে এক্সক্লুসিভ আড্ডা দিলেন অভিনেতা ও পিআর সাহেব হালদার।জনতার কথা : তোমার এবারের পুজোর প্ল্যান কী?সাহেব : পুজো মানে এই নয় যে প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘুরে বেড়ানো। পুজো মানে আমার কাছে সারা দিনটা বাড়িতে থাকা। এই বছর অনেকগুলো সিনেমা তৈরী হচ্ছে। যেগুলো আমার কোম্পানি প্রোমোশন দেখছে। তাই চাপটা প্রচুর। তবে আশা করছি ভাল সময় কাটবে। পুজোতে আমি খুব কম ঠাকুর দেখি। পঞ্চমী, ষষ্ঠী পর্যন্ত আমাদের শুটিং চলে। এবছরেও পুজোয় খুব হেকটিক সিডিউল রয়েছে।জনতার কথা : বাড়িতে পুজোটা কীভাবে উপভোগ করো?সাহেব : খাওয়া-দাওয়া হয়। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিই। হয়তো দশমীর দিনে ঠাকুরটা দেখতে যাওয়া হয়। তাও বাড়ির পাশে ক্লাবের ঠাকুর দেখতে যাই। আমার ফ্ল্যাটের পাশে পুজো হয়।জনতার কথা : কোভিড পরিস্থিতিতে এবার পুজোতে অন্য কিছু কি পরিকল্পনা রয়েছে?সাহেব : এবারে আরও মজা হবে। আমি আমার ফ্ল্যাটটা শিফ্ট করেছি। আমার জানালার সামনেই পুজো হচ্ছে। আমার জানালা থেকেই প্যান্ডেলটা দেখা যায়। এবছর অনেকটা রাত জাগবো। তবে তার মানে রাত জেগে ঠাকুর দেখা নয়।জনতার কথা : এবছর পুজোর আগে সাহেব হালদার এতো প্রোজেক্ট নিয়ে ব্যস্ত। পুজোটা কতটা স্পেশাল?সাহেব : না সেটা নয়। তবে হ্যাঁ পুজোর আগে আমার বেশ কয়েকটি প্রোজেক্ট আসছে। আসছে বছর আবার হবে পার্ট ২, শব, সত্যজিৎ দাসের কলঙ্কিনী রাধার শুটিং চলছে। ১৫ তারিখ থেকে একটা প্রোজেক্ট শুরু হওয়ার কথা।জনতার কথা : শব নিয়ে কিছু বলো।সাহেব : শবের জন্য সবার আগে ধন্যবাদ জানাবো সৌম্যজিৎ দা কে। সৌম্য দা খুব বিশ্বাস করে আমাকে চরিত্রটা দিয়েছে। অনেক কিছু শিখেছি দাদার কাছ থেকে। আর ডিরেক্টর সুমিত মন্ডলকেও অনেক থ্যাংকস। সৌরভ দাস খুব ব্রিলিয়ান্ট অ্যাক্টর। তাঁর সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করতে পারাটা আমার কাছে বড় প্রাপ্তি।জনতার কথা : ১৫ তারিখের প্রোজেক্টটা নিয়ে আমরা কী কিছু জানতে পারি?সাহেব : আশা করছি এই প্রোজেক্টটা তোমাদের ভাল লাগবে। এটা বেসিক্যালি থ্রিলার একটা ওয়েব সিরিজ। ৬টা এপিসোড। এই থ্রিলার ওয়েব সিরিজে মার্ডার, রহস্য, ভালবাসা সবকিছুর বন্ধনে জড়িয়ে আছি আমি। (বাকি নামগুলো সাহেব বলতে চাইছিল না, কিন্তু অনেক বলার পর জানাল) এই ওয়েব সিরিজে রাহুল অরুণোদয় ব্যানার্জি রয়েছেন। এছাড়া আরও কিছু পরিচিত মুখ আছেন। এইটুকু এখন বলতে পারি।জনতার কথা : পুজোর আগে বড় বড় ছবির ঘোষণা করেছো। পাভেল এর কলকাতা চলন্তিকা, পরমব্রর চট্টোপাধ্যায় এর এন্টিডট। অঙ্কুশ, শুভশ্রীর সাথে কাজ। কি বলবে এগুলো নিয়ে?সাহেব : দেখুন এই ছবিগুলোর কাস্ট নাম শুনে বুঝতেই পারছেন ছবি গুলো বড় ছবি। তবে বড় ছবি যেহেতু তাই প্ল্যানটা খুব ভালো করে করতে হচ্ছে।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 44
  • 45
  • 46
  • 47
  • 48
  • 49
  • 50
  • ...
  • 73
  • 74
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

রঞ্জিত মল্লিককে জড়িয়ে ধরলেন অভিষেক, ক্যামেরার সামনে আবেগঘন মুহূর্ত

বর্ষীয়ান অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার বিকেলে ভবানীপুরে অভিনেতার বাড়িতে যান তিনি। প্রায় দুঘণ্টা সেখানে ছিলেন অভিষেক। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূলের বর্ষীয়ান নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।বাড়ি থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক জানান, এই সাক্ষাতে কোনও রাজনৈতিক আলোচনা হয়নি। তিনি বলেন, রঞ্জিত মল্লিকের সঙ্গে তাঁর ছোটবেলার অনেক স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে। ছোটবেলায় তাঁর দেখা প্রথম সিনেমার নাম ছিল গুরুদক্ষিণা, যেখানে অভিনয় করেছিলেন রঞ্জিত মল্লিক। অভিষেক আরও বলেন, অভিনেতার অধিকাংশ ছবি তাঁর জন্মের আগেই মুক্তি পেয়েছিল। ১৯৯২ সালে প্রয়াত কালী বন্দ্যোপাধ্যায়ও সেই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।অভিষেক জানান, এদিন তিনি রাজনীতির কথা বলতে যাননি। তবে কেন্দ্র কীভাবে রাজ্যের প্রাপ্য টাকা আটকে রেখেছে এবং গত ১৫ বছরে রাজ্য সরকার কীভাবে কাজ করেছে, সে কথাগুলি রঞ্জিত মল্লিকের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন। পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের কথাও তিনি তুলে ধরেন।সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন রঞ্জিত মল্লিক। তিনি এগিয়ে এসে অভিষেককে জড়িয়ে ধরে বলেন, ওকে আমার খুব ভাল লাগে। খুব ভাল লাগে। এটুকুই বলব। অভিনেতার এই মন্তব্যে মুহূর্তটি আবেগঘন হয়ে ওঠে।উল্লেখ্য, উন্নয়নের পাঁচালি নামে তৃণমূল কংগ্রেসের একটি প্রচার কর্মসূচির কথাও উঠে আসে আলোচনায়। এই প্রচারে গত ১৫ বছরে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প, বিশেষ করে মহিলাদের জন্য চালু হওয়া লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কন্যাশ্রী, স্বাস্থ্যসাথীর মতো প্রকল্পগুলির কথা লোককথার ঢঙে তুলে ধরা হচ্ছে। গ্রামের মহিলাদের কাছে সহজ ভাষায় সরকারের কাজ পৌঁছে দেওয়াই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
দেশ

নাগরিকত্বে সামান্য সন্দেহ হলেই ভোটার তালিকা থেকে বাদ! সুপ্রিম কোর্টে বড় দাবি নির্বাচন কমিশনের

এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে নাগরিকত্ব ও ভোটাধিকার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠল সুপ্রিম কোর্টে। শুনানির সময় বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীর কাছে জানতে চান, কেন্দ্রীয় সরকার কোনও ব্যক্তির নাগরিকত্ব নির্ধারণ না করা পর্যন্ত সেই ব্যক্তির ভোটাধিকার কি থাকবে না।এর জবাবে কমিশনের আইনজীবী জানান, এসআইআর প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য হল যাঁরা ভারতীয় নাগরিক নন, তাঁদের নাম যেন ভোটার তালিকায় না থাকে, তা নিশ্চিত করা। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া বা তাঁকে দেশছাড়া করার কোনও অধিকার নির্বাচন কমিশনের নেই। নাগরিকত্ব নির্ধারণের চূড়ান্ত দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে।শুনানিতে কমিশনের তরফে আরও জানানো হয়, নাগরিকত্ব নিয়ে ন্যূনতম সন্দেহ থাকলে সংশ্লিষ্ট ইআরও কোনও ব্যক্তির নাম ভোটার তালিকায় না রাখার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তবে তার মানে এই নয় যে ওই ব্যক্তি ভারতীয় নাগরিক নন, এমন সিদ্ধান্ত চূড়ান্তভাবে হয়ে যাচ্ছে।এই মামলার শুনানি আগামী ১৫ জানুয়ারি ফের শুরু হবে প্রধান বিচারপতির এজলাসে। এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি তুলে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার দুই সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন ও দোলা সেন শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন। তাঁদের হয়ে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল। তিনি আদালতে অভিযোগ করেন, এসআইআর সংক্রান্ত একাধিক নির্দেশ সমাজমাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে এবং হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে বুথ লেভেল অফিসারদের কাজের নির্দেশ পাঠানো হচ্ছে।এছাড়াও তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়, এসআইআর শুনানিতে ভোটাররা নথি জমা দিলেও কোনও রসিদ বা লিখিত প্রমাণ তাঁদের দেওয়া হচ্ছে না। কমিশনের তথ্যগত অসঙ্গতি নিয়েও প্রশ্ন তোলে তৃণমূল। এই বিষয়গুলি নিয়ে আগেই সরব হয়েছিলেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠকেও তিনি একই অভিযোগ তুলেছিলেন।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

হাইকোর্টে বড় ধাক্কা! ইডির বিরুদ্ধে তৃণমূলের মামলা খারিজ

কলকাতা হাইকোর্টে বড় ধাক্কা খেল তৃণমূল কংগ্রেস। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের বিরুদ্ধে তৃণমূলের করা মামলা খারিজ করে দিল আদালত। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ এই মামলার শুনানির পর জানান, তৃণমূলের অভিযোগ আদালতে টেকেনি।এ দিন কেন্দ্রের পক্ষে অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল এস ভি রাজু আদালতে জানান, ইডি কোনও নথি বাজেয়াপ্ত করেনি। তাঁর দাবি, আইপ্যাক সংস্থার ডিরেক্টরের বাড়ি ও দফতরে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। কিন্তু সেই তল্লাশির সময় তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ শুভাশীস চক্রবর্তী সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। তা হলে তিনি যে তথ্যের ভিত্তিতে আদালতে মামলা করলেন, সেই তথ্যের উৎস কী, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কেন্দ্রের আইনজীবী।ইডির সওয়ালে আরও বলা হয়, যেসব নথির কথা বলা হচ্ছে, সেগুলি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই নিয়ে গিয়েছেন। ফলে ইডির বিরুদ্ধে নথি বাজেয়াপ্ত করার অভিযোগ ঠিক নয়। এমনকি ইডির আইনজীবী মন্তব্য করেন, যদি কারও বিরুদ্ধে মামলা করতে হয়, তা হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই সেই মামলায় পক্ষ করা উচিত।এই যুক্তির ভিত্তিতেই বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ তৃণমূলের করা মামলা খারিজ করে দেন। তবে ইডির তরফে দায়ের করা আলাদা মামলাটি এখনও হাইকোর্টে বিচারাধীন রয়েছে।রায় ঘোষণার পর রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ইডির আইনজীবী আদালতে জানিয়েছেন, তৃণমূলের কোনও নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়নি। সেই কারণেই আদালত এই মামলা খারিজ করেছে। অন্যদিকে আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি বলেন, ইডি স্পষ্ট জানিয়েছে তারা কোনও নথি নেয়নি। যে কাগজপত্র নিয়ে অভিযোগ করা হয়েছিল, সেগুলি মুখ্যমন্ত্রী নিজেই নিয়ে গিয়েছেন। আদালতে এই সব যুক্তি উঠে আসায় বিষয়টি অন্য দিকে মোড় নিতে পারে বুঝেই শেষ পর্যন্ত তৃণমূলের তরফে বলা হয়, নথি বাজেয়াপ্ত না হয়ে থাকলে মামলা চালিয়ে যাওয়ার অর্থ নেই। তার পরেই মামলা খারিজ হয়ে যায়।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
রাজ্য

গ্রামীণ স্কুলে বইয়ের আলো, পাহাড়হাটিতে একদিনের বইমেলায় উৎসবের আমেজ

পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারী ২ নম্বর ব্লকের পাহাড়হাটি বাবুরাম উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো একদিনের বইমেলা। ছাত্রীদের মধ্যে বইপড়ার আগ্রহ আরও বাড়িয়ে তোলার লক্ষ্যেই এই অভিনব উদ্যোগ নেয় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এটি একটি সম্পূর্ণ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হওয়ায় মেয়েদের মানসিক ও বৌদ্ধিক বিকাশে বইয়ের ভূমিকা আরও সুদৃঢ় করতেই এই আয়োজন বলে জানান কর্তৃপক্ষ।বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা অরুণিমা মুখোপাধ্যায় জানান, বর্তমান সময়ে মোবাইল ও ডিজিটাল আসক্তির মধ্যে বইয়ের প্রতি ছাত্রীদের আগ্রহ ধরে রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সেই জায়গা থেকেই বইকে কাছাকাছি আনার জন্য এই একদিনের বইমেলার আয়োজন। তিনি আরও জানান, প্রথমবার এই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও ছাত্রীদের পাশাপাশি অভিভাবক ও স্থানীয় মানুষজনের কাছ থেকে অভূতপূর্ব সাড়া মিলেছে।প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বইমেলার শুভ সূচনা করেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা অরুণিমা মুখোপাধ্যায়। স্কুল চত্বরে সাজানো হয় বিভিন্ন প্রকাশনার বইয়ের স্টল। গল্প, উপন্যাস, কবিতা, সাধারণ জ্ঞান, জীবনী থেকে শুরু করে পাঠ্য সহায়ক নানা বইয়ের সম্ভারে খুশি ছাত্রীরা। অনেকেই নিজের পছন্দের বই কিনে নিতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে।উল্লেখ্য, শহর থেকে অনেকটা দূরে অবস্থিত এই গ্রামীণ বিদ্যালয়ের আশপাশে নিয়মিত বইয়ের দোকানের বিশেষ সুবিধা নেই। ফলে ছাত্রীদের বই কেনার সুযোগ সীমিত। সেই অভাব পূরণ করতেই এই বইমেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এই প্রয়াসকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকেরা। তাঁদের মতে, এই ধরনের উদ্যোগ গ্রামীণ এলাকার মেয়েদের শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।বিদ্যালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, এবছরের সাফল্যে তাঁরা আপ্লুত। ছাত্রীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও উৎসাহ দেখে আগামী বছরও এই বইমেলার আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে বইমেলার এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে শিক্ষাক্ষেত্রে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকল।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

গরিবের টাকা কবে মিলবে? একশো দিনের কাজ নিয়ে হাইকোর্টের কড়া পর্যবেক্ষণ

একশো দিনের কাজের বকেয়া টাকা দ্রুত শ্রমিকদের হাতে পৌঁছনোই আদালতের প্রধান লক্ষ্যএমনই পর্যবেক্ষণ করল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল স্পষ্ট জানান, যত দ্রুত সম্ভব গরিব মানুষরা যেন তাঁদের প্রাপ্য টাকা পান, সেটাই আদালতের উদ্দেশ্য। আদালতের মতে, যাঁরা মনরেগার আওতায় কাজ করেন, তাঁরা মূলত গরিব মানুষ, তাই তাঁদের টাকার ব্যবস্থা করাই এখন সবচেয়ে জরুরি।রাজ্যের পক্ষে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে বলেন, কেন্দ্র যত অভিযোগই করুক না কেন, সবার আগে শ্রমিকদের টাকা দেওয়া উচিত। অন্যদিকে কেন্দ্রের তরফে ডেপুটি সলিসিটর জেনারেল জানান, এই প্রকল্পে দুর্নীতি হয়েছে। তাই দোষীদের শাস্তি দেওয়া ও তদন্ত চালানো জরুরি। কেন্দ্রের দাবি, গোটা দুর্নীতির সঙ্গে রাজ্য প্রশাসন যুক্ত থাকায় রাজ্যের হাত থেকে ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।শুনানির সময় আইনজীবী অশোক চক্রবর্তী প্রশ্ন তোলেন, তাহলে এখন এই মামলা করার উদ্দেশ্য কী। সেই সময় বিচারপতি জানান, এই মামলার সঙ্গে আদালত অবমাননার আরও একটি মামলা একসঙ্গে শোনা হবে। আইনজীবী বিকাশ ভট্টাচার্য বলেন, অগাস্ট মাস থেকে অপেক্ষা চলছে, অন্তত শ্রমিকদের স্কিমের টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক। আর কতদিন দেরি হবে। তাঁর বক্তব্য শুনে বিচারপতি বলেন, আদালতও চায় শ্রমিকদের হাতে দ্রুত টাকা পৌঁছাক।এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৭ ফেব্রুয়ারি। উল্লেখযোগ্যভাবে, এর আগেই সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল যে বকেয়া টাকা কেন্দ্রকে মেটাতে হবে। তবে রাজ্যের অভিযোগ, টাকা দেওয়ার ক্ষেত্রেও কেন্দ্র নানা শর্ত চাপাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই জানিয়েছিলেন, কেন্দ্রের লেবার বাজেটের শর্ত কোনওভাবেই মানা হবে না। মনরেগার কাজ ফের কীভাবে শুরু করা হবে, তা নিয়েও রাজ্যের অবস্থান জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট।হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণের পর তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, অনৈতিকভাবে কেন্দ্র এই টাকা আটকে রেখেছে। গরিব মানুষ তাঁদের প্রাপ্য টাকা পাচ্ছেন না। এটা কোনও দয়া নয়, এটা তাঁদের অধিকার। অন্যদিকে বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার বারবার চেয়েছে গরিব মানুষ যেন টাকা পান। তবে একই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট এটাও বলেছে, টাকা যেন সঠিক মানুষের কাছে পৌঁছায়। কেন্দ্রের দাবি, হিসাবেই গরমিল থাকায় টাকা আটকে রাখা হয়েছে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
রাজ্য

স্বামী বিবেকানন্দর জন্মজয়ন্তী পালনে ঠাকুরপল্লী স্বামীজি সংঘ, সংবর্ধনা শিক্ষক সমাজকে

স্বামী বিবেকানন্দর জন্মবার্ষিকী ধুমধাম করে পালন করল ঠাকুরপল্লী স্বামীজি সংঘ। এদিন সকালে প্রভাতফেরিতে অংশ নেয় কয়েক শো মানুষ। বিশেষ সজ্জিত ট্যাবলো প্রভাতফেরিকে আকর্ষণীয় করে তোলে। স্বামীজির গলায় মাল্যদান করেন ক্লাবের কর্মকর্তারা। ক্লাবের পতাকা উত্তোলন করেন সংগঠনের সভাপতি অরুন নন্দী।এদিন বিকেলে ক্লাব প্রাঙ্গনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। পাশাপাশি এলাকার ১২জন কৃতী ছাত্র-ছাত্রী ও ৯ শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সোমবার সন্ধ্যায় ক্লাব প্রাঙ্গনে আবৃত্তি, সঙ্গীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি প্রানবন্ত হয়ে ওঠে। আয়োজক ক্লাবের পক্ষে কোষাধ্যক্ষ সুখরঞ্জন সাহা, সহ সম্পাদক আশুতোষ দে বলন, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও আমরা স্বামী বিবেকানন্দকে স্মরণ করেছি নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে।এছাড়া সারাবছর নানা সমাজসেবা মূলক কাজ করে আমাদের ক্লাব। রক্তদান শিবির, স্বাস্থ্য শিবির, চক্ষু পরীক্ষা শিবির নিয়মিত ভাবে আয়োজন করে ক্লাব। স্বামীজি সংঘের কার্যকর্তা অনুপম গাইন, সঞ্জু সাহা, খোকন সরকার, কালাচাঁদ দে সহ অন্যদের সক্রিয় ভূমিকায় দিনভর অনুষ্ঠান সার্বিক সফলতা পেয়েছে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে আর নয়! ভারতীয়দের জন্য বড় নিষেধাজ্ঞা, ফিরতে বলল কেন্দ্র

ইরানের বর্তমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বড় সিদ্ধান্ত নিল ভারত সরকার। নাগরিক গণআন্দোলনে উত্তাল ইরানে আপাতত ভারতীয়দের যেতে নিষেধ করা হয়েছে। পাশাপাশি যাঁরা এই মুহূর্তে ইরানে রয়েছেন, তাঁদেরও যত দ্রুত সম্ভব দেশে ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জারি করা নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানে কোনও ভারতীয় নাগরিকের যাত্রা নিষিদ্ধ। একই সঙ্গে পর্যটক, পড়ুয়া, ব্যবসায়ী-সহ ইরানে থাকা সমস্ত ভারতীয়কে যে কোনও উপায়ে ভারত ফিরে আসতে বলা হয়েছে। যে সব এলাকায় বিক্ষোভ চলছে, সেগুলি এড়িয়ে চলার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।ইরানে থাকা ভারতীয়দের নিজেদের পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট এবং জরুরি নথি সব সময় সঙ্গে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন এবং তেহরানে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেও বলা হয়েছে। যাঁরা এখনও দূতাবাসে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করেননি, তাঁদের দ্রুত রেজিস্ট্রেশন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই জরুরি যোগাযোগের জন্য বিশেষ ফোন নম্বর এবং ইমেল পরিষেবাও চালু করা হয়েছে।উল্লেখ্য, গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে ইরানে তীব্র আন্দোলন চলছে। ভেঙে পড়া অর্থনীতি, চরম আর্থিক সঙ্কট এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতার বিরুদ্ধে পথে নেমেছেন সাধারণ মানুষ। বিক্ষোভ দমন করতে কড়া পদক্ষেপ করেছে ইরান সরকার। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ফাঁসির হুমকিও দেওয়া হয়েছে। খবর অনুযায়ী, আজই প্রথম কোনও আন্দোলনকারীকে ফাঁসি দেওয়া হতে পারে।এই উত্তাল পরিস্থিতির মধ্যেই ইরানের ঘটনায় মুখ খুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বিক্ষোভকারীদের পিছু না হটার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, সাহায্য আসছে। তবে সেই সাহায্য কী ধরনের, তা স্পষ্ট করেননি তিনি।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
শিক্ষা

পৌষের গন্ধে গ্রামবাংলা: পিঠে, ঘুড়ি আর লোকজ জীবনের উৎসব

পৌষ নামলেই গ্রামবাংলার হাওয়া বদলে যায়। ভোরের কুয়াশা আরও ঘন হয়, খড়ের গাদায় রোদ্দুর বসে, আর মাটির উঠোনে ভেসে আসে চাল ভাপার সোঁদা গন্ধ। এই সময়েই বাঙালির ঘরে ঘরে আসে এক লোকজ উৎসবপৌষ পার্বণ, যাকে গ্রামবাংলা আদর করে ডাকে পিঠে পার্বণ বলে।এই উৎসব কোনও মন্দিরে বাঁধা নয়, কোনও মন্ত্রে আবদ্ধ নয়। এ উৎসব ছড়িয়ে থাকে উঠোনে, রান্নাঘরে, খোলা মাঠে আর মানুষের মুখের হাঁসিতে। নতুন ধান ওঠার আনন্দে কৃষকের ঘরে যে তৃপ্তি, তারই রসায়ন মিশে যায় পিঠের নরম স্বাদে।গ্রামবাংলার মায়েদের কাছে পৌষ পার্বণ মানে শুধু রান্না নয়এ এক সামাজিক আচার। ভোর থেকে শুরু হয় চাল ভেজানো, বাটা, খোলায় নলেন গুড় বসানো। মাটির উনুনে ধোঁয়া ওঠে, কাঁসার থালায় সাজে ভাপা পিঠে (সিদ্ধ পিঠে), সরু চাকলি, পাটিসাপটা। দুধ পুলির ভেতর গুড় আর নারকেলের মিশেলে লুকিয়ে থাকে দিদিমা-ঠাকুমার হাতের ছোঁয়া, যা কোনও রেসিপির বইয়ে লেখা নেই।লোকসংস্কৃতির এই পরম্পরায় পিঠে শুধু খাবার নয়, এক ভাষা। সেই ভাষায় কথা বলে মমতা, আতিথেয়তা আর ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ। পৌষের সকালে প্রতিবেশীর ঘরে পিঠে পাঠানো যেমন রীতি, তেমনই রীতি একসঙ্গে বসে খাওয়ারধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ ছাপিয়ে।পৌষ সংক্রান্তির আর এক অবিচ্ছেদ্য ছবি আকাশ। নীল আকাশ জুড়ে রঙিন ঘুড়ির উড়ান যেন লোকশিল্পের চলমান ক্যানভাস। যা দেখে কবির সুমন (তখন সুমন চট্টোপাধ্যায়) লিখেছিলেন পেটকাটি চাঁদিয়াল মোমবাতি বগ্গা - আকাশে ঘুড়ির ঝাঁক, মাটিতে অবজ্ঞা। রাঢ় বঙ্গের অন্যতম জনবহুল বর্ধমান শহরে ও তার আশপাশের গ্রামগুলিতে এই দিনে ঘুড়ি ওড়ানো শুধু খেলা নয়, এক উৎসব, সকাল সকাল চা খেয়েই ছাদে জড়ো আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা, চোখ বন্দি আকাশে, ছাদে-ছাদে চটুল হিন্দি গানের ভিতরেই ভেসে আসছে একটাই আওয়াজ ভোও-কাট্টা। দামোদরের পাড়ে বসা আদিবাসী ও উপজাতিদের মেলায় ঘুড়ির সঙ্গে মিশে যায় ঢাক, ধামসা, মাদল ও বাঁশির সুর। লোকনৃত্য, হস্তশিল্প আর খোলা মাঠের এই মিলনমেলা যেন বাংলার বহুত্বকে এক সুতোয় বেঁধে রাখে।এই মেলায় দেখা যায় সাঁওতাল, বাউরী, বাগদি সমাজের নিজস্ব সংস্কৃতিনতুন রঙিন পোশাক, পায়ের তালে মাটির ছন্দ দিরি দিম দিম বোল তোলে। আধুনিক শহুরে জীবনের বাইরে দাঁড়িয়ে এই লোকজ উৎসব আমাদের মনে করিয়ে দেয়সংস্কৃতি মানে শেকড়ের সঙ্গে সংযোগ।আজ শহরের ফ্ল্যাটবাড়িতে পিঠে আসে বাক্সবন্দি হয়ে, ঘুড়ি ওড়ানো হয় ছাদের কোণে দাঁড়িয়ে। তবু পৌষ পার্বণ এলেই মন ছুটে যায় গ্রামেমাটির ঘর, খোলা উঠোন আর আগুন পোহানো বিকেলের দিকে। কারণ এই উৎসব আমাদের শেখায়, উৎসবের আসল সৌন্দর্য জাঁকজমকে নয়, বরং মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের উষ্ণতায়।পৌষ পার্বণ তাই শুধুই একটি দিন নয়এ এক স্মৃতি, এক গন্ধ, এক জীবন্ত লোকসংস্কৃতি। সময় বদলায়, রূপ বদলায়, কিন্তু পিঠের ধোঁয়ার সঙ্গে মিশে থাকা গ্রামবাংলার আত্মা আজও অটুট।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal