• ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৬ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SA

বিদেশ

নাসার শীর্ষে ভারতীয় বংশোদ্ভূত রমণী

বাইডেন জমানায় আমেরিকায় জয়জয়কার ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের। এবার মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার শীর্ষপদে বসলেন ভাব্যা লাল।এএনআই সূত্রে খবর, নাসার অ্যাক্টিং চিফ অফ স্টাফ পদের দায়িত্ব পেয়েছেন ভাব্যা লাল। এর আগে হোয়াইট হাউসে ক্ষমতা হস্তান্তর বা পালাবদলের সময় আমেরিকার নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের হয়ে কাজ করেছেন তিনি। বিডেনের ট্রানজিশন এজেন্সি রিভিউ টিম-এর সদস্য ছিলেন ভাব্যা। এক বিবৃতিতে মার্কিন মহাকাশ সংস্থাটি জানিয়েছে, হোয়াইট হাউস লিয়াজোঁ হিসেবে যোগ দিয়েছেন ফিলিপ থম্পসন। অ্যাসোসিয়েট অ্যাডমিনিস্ট্রেটর হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে অ্যালিসিয়া ব্রাউনকে। প্রেস সেক্রেটারি হিসেবে জ্যাকি ম্যাকগিনিসকে বেছে নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, ইঞ্জিনিয়ারিং ও মহাকাশ বিজ্ঞান নিয়ে যথেষ্ট জ্ঞান রয়েছে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ভাব্যা লালের। ২০০৫ থেকে ২০২০ পর্যন্ত প্রতিরক্ষা গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২১
রাজ্য

"উত্তরবঙ্গে গোহারা হেরেছি, প্লিজ এবার পুষিয়ে দেবেন তো!", আবেগপ্রবণ তৃণমূল সুপ্রিমো

উত্তরবঙ্গ উদ্ধার করতে মরিয়া তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গের আটটি আসনের মধ্যে সাতটি আসনেই পদ্ম পতাকা উড়েছিল। তাই এবারের নির্বাচনী প্রচারে আবেগপ্রবণ হয়ে পুষিয়ে দেওয়া ডাক দিলেন তৃণমূলনেত্রী। যদিও বিজেপির বক্তব্য, লোকসভায় উত্তরবঙ্গ তৃণমূলকে খালি হাতে ফিরিয়েছে এবার একই সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গ তৃণমূলকে খালি হাতে ফেরাবে।২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের পরাজয় নিয়েও আপশোষ নেই বলেও জানিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সোমবার তৃণমূল নেত্রী বলেন, উত্তরবঙ্গে আমরা গোহারা হেরেছি। তাতে আমার কোনও লজ্জা নেই। তবে এবার আপনারা পুষিয়ে দেবেন। প্লিজ পুষিয়ে দেবেন তো! এভাবেই মমতা আবেদন জানান উত্তরবঙ্গের মানুষের কাছে। একই সঙ্গে তৃণমূল নেত্রীর বক্তব্য, উত্তরবঙ্গে আগে কেউ আসত না। সকলে উত্তরবঙ্গকে অবহেলা করত। আমি কিন্তু প্রতি মাসে উত্তরবঙ্গে আসি। এবারের বিধানসভা নির্বাচনও যে অত্যন্ত কঠিন লড়াই তৃণমূল নেত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট।এর আগে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় জনসভা করে গিয়েছেন তৃণমূল যুবর সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার এলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। উদ্দেশ্য একটাই হৃত জমি পুনরুদ্ধার করা। এদিকে বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, উত্তরবঙ্গ শুধু নয় দক্ষিণবঙ্গে এবার তৃণমূল কংগ্রেস বিজেপিরর কাছে পরাজিত হবে।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২১
রাজ্য

ভোটারদের মন পেতে বিজেপির প্রতিশ্রুতির পাল্টা দান-ধ্যান তৃণমূলের

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়দোরগোড়ায় রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। ভোটারদের মন পেতে তাই এখন প্রতিশ্রুতির বন্যা বইয়ে দিচ্ছেন রাজনৈতিক দলের নেতারা। সম্প্রতি পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষে সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য যুব মোর্চার সভাপতি সৌমিত্র খাঁ ঘোষণা করেন, বিজেপি বাংলায় ক্ষমতায় এলে ছাত্রীদের স্কুটিদেওয়া হবে। পাশাপাশি আরও অনেক কিছু রাজ্যবাসী পাবেন বলে সৌমিত্র ওইদিন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তবে তৃণমূল নেতৃত্ব সাধারণ মানুষের পাশে থেকে দান-ধ্যান ও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার পন্থা নিয়েছে।জনগনের মন পেতে রবিবার জামালপুর বিধানসভা এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষথেকে সাত হাজারেরও বেশী দুঃস্থ মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হল শীতের কম্বল।একই ভাবে তৃণমূলের পক্ষ থেকে এদিন মেমারি পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের তিন শতাধিক দুঃস্থের হাতেও কম্বল তুলে দেওয়া হয়। কনকনে ঠান্ডায় শীত নিবারণের জন্য যাঁরা কম্বল নিলেন তাঁরা ভোট কাকে দেবেন তা অবশ্য কারও জানা নেই। যদিও তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, মানুষের পাশে যাঁরা থাকে জনগন তাঁদেরকেই ভোট দেয় । জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তথা ব্লক তৃণমূলের নেতা মেহেমুদ খান এই প্রসঙ্গে বলেন, গত লোকসভা ভোটের সময়ে বিজেপি প্রত্যেকের এ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ।এছাড়াও ঘরে ঘরে চাকরি দেবারও প্রতিশ্রুতি দেয়। লোকসভা ভোট মিটে যাবার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গিয়েছে। কিন্তু জনগন কিছুই পাননি।অন্যদিকে যুব তৃণমূল কংগ্রেসের জামালপুর ব্লক সভাপতি ভূতনাথ মালিক এদিন দাবি করেন, শীত ,গ্রীষ্ম ,বর্ষা তৃণমূলই যে বাংলার জনগণের ভরসা সেটা বাংলার মানুষ খুব ভালোভাবেই জানেন। এটাও জনগন জানেন তৃণমূল ভোটে জেতার জন্য মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেয় না। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বাংলার উন্নয়নে যেমন জোয়ার এনেছেন তেমনই তৃণমূল কর্মীরা বাংলার জনগনের ভালোর জন্য সারাবছর কাজ করে যাচ্ছে।এইসবের জন্যই জামালপুর সহ গোটা রাজ্যের মানুষ ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী করবেন।যদিও তৃণমূল নেতৃত্বের এমন দাবি প্রসঙ্গে বিজেপির পূর্ব বর্ধমান জেলা সভাপতি সন্দীপ নন্দী বলেন, সর্বক্ষেত্রে গরিব মানুষের কাছ থেকে কাটমানি কারা খায় তা বাংলার মানুষ ভালকরেই জানেন। পায়খানা ঘরের টাকা থেকেও তৃণমূলের নেতারা কাটমানি খেতে ছাড়ে না। এবারের বিধানসভা ভোটে জামালপুরের পাশাপাশি গোটা বাংলার মানুষ কাটমানি খাওয়া তৃণমূলকে যে বাংলা ছাড়া করবে তা তৃণমূলের নেতারা ভালোই বুঝে গিয়েছেন। তাই এখন তৃণমূল নেতারা দান ধ্যান করে ভোটারদের মন পেতে চাইছে। তবে এইসব করে আর লাভ কিছু হবে না। সন্দীপ বাবুর দাবি, তৃণমূল সরকারের বিদায় সময়ের অপেক্ষা মাত্র ।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২১
রাজনীতি

অমিত শাহর গরহাজিরাতেও রবিবার বিজেপির বড় চমক হাওড়ায়

উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগরে অমিত শাহর সভা বাতিল করা হয়েছে। দিল্লির বিষ্ফোরণের জেরে তিনি আসতে পারছেন না। তবে রবিবারের হাওড়ার ডুমুরজলার যোগদান মেলা যথারীতি হবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। কিন্তু কোন কেন্দ্রীয় নেতা হাজির থাকবেন ওই সভায় তা শনিবার সকালে জানাতে পারেননি দিলীপ ঘোষ।শনিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বঙ্গ বিজেপি সভাপতি বলেন, অমিত শাহের সফর বাতিল হলেও আগামীকাল হাওড়ায় যথারীতি যোগদান মেলা অনুষ্ঠিত হবে। দিল্লি থেকে আসবেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বা কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এছাড়া থাকছে নানা চমক। তবে সবচেয়ে বড় চমক থাকবে ২৩শে মের পর।ইতিমধ্যে হাওড়ার একাধিক তৃণমূল নেতা দল ছেড়েছেন। কেউ আবার দল থেকে বহিষ্কারও হয়েছেন। প্রাক্তন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বিধায়ক ও দলীয় পদ ছেড়ে দিয়েছেন। বালির বিধায়ক বৈশালী ডালমিয়াকে বহিষ্কার করেছে দল। আগেই জেলা সভাপতি ও মন্ত্রিত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা। প্রাক্তন মেয়র রথীন চক্রবর্তী দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরেছেন। অনুপম ঘোষ জেলার যুব সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। এছাড়াও হাওড়ায় তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ অংশের তালিকা দীর্ঘ। পাশের জেলা হুগলিতেও তৃণমূলের ক্ষোভ প্রকাশ্যে চলে এসেছে। এঁরা কেউ এখনও সরাসরি বিজেপি যাওয়ার কথা ঘোষণা করেননি। কিন্তু রবিবার ডুমুরজলার যোগদান মেলায় এঁদের অনেককে দেখা যেতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জানুয়ারি ৩০, ২০২১
রাজনীতি

অমিত শাহর রাজ্য সফর বাতিল

আগামী কাল রাজ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কর্মসূচি বাতিল ঘোষণা করেছে বিজেপি। দিল্লিতে ইজরাইল দূতাবাসের সামনে বিস্ফোরণের জেরেই এই কর্মসূচি বাতিল বলে জানা গিয়েছে। শুক্রবার রাতেই কলকাতা বিমানবন্দরে নামার কথা ছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। শনিবার রাজ্যে একাধিক কর্মসূচি ছিল তাঁর।শনিবার ঠাকুরনগরে জনসভায় হাজির থাকার কথা ছিল বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতির। সায়েন্সসিটিতে একটি প্রোগ্রাম তাঁর যাওয়ার কথা ছিল। মায়াপুরে ইসকনের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করারও কথা ছিল অমিত শাহর। রাজ্য বিজেপি জানিয়ে দিয়েছে আপাতত শনিবার রাজ্যে অমিত শাহের সমস্ত অনুষ্ঠান বাতিল বাতিল করা হয়েছে। কারণ ইজরায়েল দূতাবাসে বোমা বিস্ফোরণের জন্য এই মুহূর্তে দিল্লিতেই থাকবেন তিনি। রবিবার হাওড়া ডুমুরজলার যোগদান মেলা হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে কয়েকজন তৃণমূল বিধায়কের যোগদান করার কথা ছিল বলে জানা গিয়েছে। সেই প্রোগ্রাম কিভাবে হবে এখনও তা স্থির করা হয়নি। দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব রাজ্য নেতৃত্বকে বিষয়টি পরে জানিয়ে দেবে বলে জানা গিয়েছে।

জানুয়ারি ২৯, ২০২১
রাজনীতি

মতুয়া গড়ে অমিত শাহ, টার্গেট ২ লক্ষের জমায়েত

রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর রাজ্য সফরকে ঘিরে বিজেপি শিবির যেমন তেমনই ঘর ভাঙা নিয়ে কপালে চিন্তার ভাঁজ ঘাসফুল শিবিরে। বুধবার উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগরে অমিত শাহের সভাস্থল পরিদর্শন করেন রাজ্য বিজেপির সহ পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য ও রাজ্য সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো। তাঁরা মঞ্চ তৈরি ও হেলিপ্যাড তৈরীর কাজ খতিয়ে দেখলেন lআগামী ৩০ শে জানুয়ারী ঠাকুরনগরে সভা করবেন দলের প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। ওই সভার প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। বুধবার দুপুরে রাজ্য বিজেপির সহ পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য ও সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো ঠাকুর বাড়িতে সাংসদ শান্তুনু ঠাকুরকে সঙ্গে নিয়ে সভাস্থল ও হেলিপ্যাড তৈরির কাজ পরিদর্শন করেন। ও শান্তুনু ঠাকুরের সঙ্গে ঘরোয়া বৈঠক করেন। বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর বলেন, আমার ধারনা অমিত শাহর সভায় দুলক্ষের বেশি লোক হবে। দ্রুত গতিতে চলছে সভার প্রস্তুতি। মতুয়া সংগঠন ও বিজেপি এক সঙ্গেই সভার আয়োজন করছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, বাংলার রাজনীতিতে প্রায় ৭০টি আসনে মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রভাব আছে। সেই ভোট ধরে রাখতেই মরিয়া বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেস।

জানুয়ারি ২৭, ২০২১
রাজ্য

"অবিশ্বাস্য। অভাবনীয়। এভাবেও খুঁজে বের করা যায়?"- 'পদ্মশ্রী' শিক্ষক

অবসরের পর দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে চলছে সদাই ফকিরের পাঠশালা। পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের উত্তর রামনগরের এই পাঠশালার শিক্ষক সুজিত চট্টোপাধ্যায় পাচ্ছেন পদ্মশ্রী পুরস্কার। ৭৮ বছরের শিক্ষকের বড় আক্ষেপ এলাকায় একটা কলেজ নেই। মন্ত্রী, বিধায়কদের বলেও কাজ হয়নি। আশপাশের সব কলেজের দূরত্বই প্রায় ২৫ কিলোমিটারের বেশি। তবে নিজে এখনও পাঠশালায় গুরুদক্ষিণা নেন মাত্র ২ টাকা৷ রামনগর হাইস্কুল থেকে সুজিতবাবু অবসর নিয়েছেন ২০০৪ সালে। ওই স্কুলে শিক্ষকতার কাজে যোগ দিয়েছিলেন ১৯৬৫ -তে। পড়াশুনা করেছেন বর্ধমান রাজ কলেজে। দীর্ঘ ৪০ বছর শিক্ষকতার পর শুরু করেন সদাই ফকিরের পাঠশালা। শুরু করেছিলেন ১ টাকা দক্ষিণা নিয়ে। ১৮ বছরের মাথায় দক্ষিণা বেড়ে হয়েছে ২ টাকা।পদ্মশ্রী পেয়ে কেমন লাগছে? সুজিত চট্টোপাধ্যায় বলেন, অবিশ্বাস্য। অভাবনীয়। ভাবতেই পারছি না গ্রাম বাংলা থেকে এভাবে কাউকে খুঁজে বের করে সম্মান দেওয়া হচ্ছে। তাও আবার প্রত্যন্ত জঙ্গলমহল এলাকা থেকে। দিল্লির ফোন পেয়ে কথা বলেও প্রথমে বিশ্বাস হয়নি। পরে দিল্লির ওই ফোন নম্বরে আমার মেয়ে ফোনে কথা বলে নিশ্চিত হয়। সদাই ফকিরের পাঠশালায় ৩০০ জনের বেশি ছাত্রছাত্রী পড়াশুনা করেন। সুজিত বাবু মাধ্যমিক স্তরে ইংরেজি, বাংলা, ভুগোল, ইতিহাস পড়ান। উচ্চমাধ্যমিকে বাংলা, সংস্কৃত ও স্নাতক স্তরে বাংলা পড়ান। একেবারে শুরুতে গুরিদক্ষিণা নিতেন এক টাকা। এটা টিউশন ফি নয়। এখানকার ছাত্রছাত্রীরা দুস্থ। টিউশন ফি নিলে পড়াশুনাই করতে পারবে না, বলেন সুজিত চট্টোপাধ্যায়।সুজিতবাবু জানান, তাঁর যে টাকা নেই, সেকথা বোঝাতেই সদাই ফকিরের পাঠশালা নাম দেওয়া হয়েছে। পেনশনের টাকাতেই তাঁর সংসার চলে। জঙ্গলমহলের এই শিক্ষকের দাবি, এলকায় একটা কলেজ স্থাপনের। সেকথা এখানকার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন। দিল্লিতে মার্চে পদ্মশ্রী পুরস্কার নেওয়ার সময়ও সেই দাবি জানাবেন বলে জানিয়ে দিলেন তিনি। এলাকায় স্টেট ব্যাংকের দাবিও রয়েছে তাঁর।

জানুয়ারি ২৬, ২০২১
রাজ্য

দিল্লির কৃষক আন্দোলনের ঢেউ আছড়ে পড়ল বর্ধমানে

এরাজ্যেও দিল্লির আঁচ এসে পোঁছাল। দিল্লির কৃষক আন্দোলনের ঢেউ আছড়ে পড়ল বর্ধমানে। মঙ্গলবার দিল্লির কৃষক আন্দোলনের সমর্থনে ট্রাক্টর নিয়ে র্যালি করে সারা ভারত কৃষক সভার বর্ধমান জেলা কমিটি। ট্রাক্টর মিছিলের সামনে ছিল বাইক র্যালি। র্যালিটি বর্ধমান শহরের নবাবহাট থেকে উল্লাস পর্যন্ত যায়। কেন্দ্রীয় কৃষি বিলের প্রতিবাদও জানানো হয় এই র্যালি থেকে। প্রজাতন্ত্র দিবসে দিল্লিতে ট্রাক্টর প্যারেড করে আন্দোলনকারী কৃষকরা। লালকেল্লায় পৌঁছে যায় আন্দোলনকারীরা।কাঁদানে গ্যাস, লাঠিচার্জে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজধানীর কৃষক আন্দোলন। দিল্লির আন্দোলনে উত্তাল হয়ে উঠেছে সারা দেশ। দিল্লির কৃষক আন্দোলনের সমর্থনে এবার ট্রাক্টর র্যালি হল বর্ধমানে। এদিনের র্যালিতে প্রায় ১ হাজার ট্রক্টর অংশ নেয়। বর্ধমানের এই আন্দোলনে যথেষ্ট সাড়া পড়েছে বলে দাবি করেছেন কৃষকসভার নেতৃত্ব।

জানুয়ারি ২৬, ২০২১
রাজনীতি

বর্ধমান জেলা বিজেপি সভাপতিসহ ১৪ নেতাকে শোকজ, ভোটের মুখে কড়া পদক্ষেপ

বর্ধমান জেলা সভাপতি সন্দীপ নন্দীসহ ১৪ জন বিজেপি নেতাকে শোকজ করল রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বিজেপি নেতা গৌর মল্লিক, বিজয় ধারা, নন্দন সিং, কেশব চন্দ্র কোনার, খোকন সেন, সাগ্নিক শিকদার, বিশ্বজিৎ দাস, লক্ষ্মীকান্ত দাস, উত্তম চৌধুরী, স্মৃতিকান্ত মন্ডল, পুস্পজিৎ সাঁই, দেবজ্যোতি সিংহ রায়, রবীন্দ্র গর্গকে শোকজ করা হয়েছে। ৭দিনের মধ্যে জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ নেতৃত্ব। জবাবে সন্তুষ্ট না হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে দল।গত ২১ জানুয়ারি বর্ধমান জেলা বিজেপি অফিস চত্বর রণক্ষেত্রের রূপ নেয়। বিজেপির গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ভিডিওতে দেখা যায় বিজেপির জেলা অফিসের ছাদ থেকে ইঁট, পাথর, পাটা নীচে ছোড়া হচ্ছে। অফিসের সামনে বিক্ষোভ চলতে থাকে। জেলা বিজেপি সভাপতির বিরোধিতা করে বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দিতে থাকে। গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পুলিশ লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। অভিযোগ পুলিশের ওপর ব্যাপক ইঁটবৃষ্টি শুরু হয়ে যায়। এই ঘটনায় তখন তৃণমূলের ওপর দোষ চাপিয়েছিল বিজেপি। বিজেপির গোষ্ঠী সংঘর্ষ বলেই পাল্টা দাবি করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। এবার ২১ জানুয়ারির ঘটনায় বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব বর্ধমানে দলের ১৪ জন জেলা নেতাকে শোকজ করল।গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ঘটনায় দলীয় শোকজের তালিকায় বিজেপির জেলা সভাপতি তো রয়েছেন। বাকি ১৩ জনও নেতৃত্ব স্থানীয়। এই শোকজের পর গোষ্ঠী সংঘর্ষে অযথা তাদের নাম জড়ানো হয়েছিল বলে দাবি করছে তৃণমূল কংগ্রেস। এখন দেখার বিষয় বিধানসভা নির্বাচনের মুখে এই ঘটনা কোন দিকে মোড় নেয়।

জানুয়ারি ২৫, ২০২১
কলকাতা

গড়িয়াহাটে 'সত্যাগ্রহ' কবীর সুমনের

নেতাজির ১২৫ তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে কলকাতার ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হলে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে মঞ্চে উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে জয় শ্রীরাম স্লোগান এবং তা নিয়ে সাম্প্রতিক উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। এই অবস্থায় দলমত নির্বিশেষে অনেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তবে এই ঘটনাকে সামগ্রিকভাবে বাংলার অপমান বলে নিন্দা জানিয়ে ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ নিলেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ, সংগীতশিল্পী কবীর সুমন । রবিবার সকালে তিনি গড়িয়াহাট মোড়ে পোস্টার নিয়ে এককভাবেই প্রতিবাদে শামিল হন। পোস্টারে লেখা জয় বাংলা। এই প্রতিবাদকে তিনি সত্যাগ্রহের সঙ্গে তুলনা করলেন।সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক দেশ, যে যার মতো কথা বলতেই পারেন। কিন্তু নেতাজির জন্মদিনের অনুষ্ঠানে যা হল, সেটা ফ্যাসিস্টদের আচরণ। জয় বাংলা এই বাংলায় অন্য কোনও কিছুর জয় নয়, শুধু বাংলারই জয় হবে। আমাদের প্রতিবাদ সত্যাগ্রহের মতো।

জানুয়ারি ২৪, ২০২১
বিদেশ

নাভালনির মুক্তির দাবিতে উত্তাল রাশিয়া

রাশিয়ায় দুর্নীতি, দমননীতি-সহ একাধিক বিষয় নিয়ে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে জনগণের মধ্যে ক্রমেই ক্ষোভ বাড়ছে । এমন পরিস্থিতিতে রুশ বিরোধী নেতা অ্যালেক্সেই নাভালনির মুক্তির দাবিতে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ দেখান হাজার হাজার মানুষ।উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের আর্থিক দুর্নীতি সংক্রান্ত একটি মামলায দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল নাভালনিকে। তবে আদালত তিন বছর জেলের সাজা দিলেও কারাগারে দিন কাটাতে হয়নি তাঁকে। কারণ, দোষী সাব্যস্ত হলেও নাভালনির সাজা মকুব করে দেওয়া হয়। কিন্তু শর্ত অনুসারে তাঁকে থানায় বা সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের কাছে সময়ে সময়ে হাজির দিতে হয়। কিন্তু আদালতের বেঁধে দেওয়া শর্ত মানছেন না নাভালনি। শুধু তাই নয়, কয়েকদিন আগে ফের একটি দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। আপাতত আদালতের নির্দেশে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেল হেপাজতে থাকতে হবে নাভালনিকে।সূত্রের খবর, শনিবার রাজধানী মস্কোর পুশকিনস্কয়া স্কোয়ারে প্রায় ৪ হাজার মানুষ জড়ো হয়ে নাভালনির মুক্তির দাবিতে প্রতিবাদ দেখান। একইভাবে গোটা দেশে, এমনকী সাইবেরিয়ার প্রত্যন্ত প্রান্তেও সরকার বিরোধী সমাবেশে অংশ নেন হাজার হাজার মানুষ। রুশ পুলিশ সূত্রে খবর, প্রশাসনের অনুমতি না নিয়েই সমাবেশ করা হয়েছে। বাধা দিতে গেলে পুলিশকর্মীদের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন প্রতিবাদীরা। ঘটনায় ৩৯ জন পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। ২ হাজার ৬০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন অ্যালেক্সেই নাভালনির স্ত্রী ইউলিয়া নাভালনিও।

জানুয়ারি ২৪, ২০২১
বিদেশ

মুজিববর্ষ স্মরণ: ৭০ হাজার গৃহহীনকে বাড়ি হাসিনার

বাংলাদেশের একলক্ষ গৃহহীন পরিবারকে বাড়ি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । শনিবার তাদের মধ্যে ৬৯ হাজার ৯০৪ জন ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে পাকা ঘর-সহ বাড়ি উপহার দিয়েছেন তিনি। এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, একদিনে এত মানুষকে ঘর দিতে পারলাম, এটাই সবচেয়ে বড় পাওয়া। মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর মধ্যে বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহারা থাকবেন না। যাঁদের গৃহ নেই তাঁদের ঘর করে দিয়ে অসাধ্য সাধন করতে পারলাম, এর চেয়ে বড় পাওয়া আর হতে পারে না।যাঁদের ঠিকমতো দুবেলা খাবার জুটতো না। পরনের কাপড় ছিল ছিন্ন-ভিন্ন মলিন। এই দুটো মৌলিক সমস্যা মিটিয়ে আজ তাঁরা পরম নিশ্চিন্তে ঘুমানোর জায়গা পেলেন। ঝড়-বৃষ্টি দেখলেও আর কোন কষ্ট ভোগ করতে হবে না তাঁদের। পারবেন নিশ্চিন্তে ঘুমোতে। খোলা আকাশের নিচে প্রখর রোদের তাপ হজম করতে হবে না। আর এ সবই সম্ভব হয়েছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কল্যাণে। শনিবার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গৃহহীন পরিবারগুলিকে বাড়ি চাবি বুঝিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। এই অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ৪৯২টি উপজেলার মানুষ।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, গৃহহীনদের জন্য দুটি ঘরবিশিষ্ট প্রতিটি বাড়ি তৈরিতে খরচ হচ্ছে এক লক্ষ ৭১ হাজার টাকা। সরকারের নির্ধারিত একই নকশায় হচ্ছে বাড়িগুলো। থাকছে বারান্দা, রান্নাঘর ও অ্যাটাচ বাথরুমও। এছাড়া টিউবওয়েল ও বিদ্যুৎসংযোগও দেওয়া হচ্ছে।

জানুয়ারি ২৩, ২০২১
দেশ

পুণের সেরাম ইনস্টিটিউটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৫ জনের মৃত্যু

ভারতে করোনা প্রতিষেধক তৈরির পরীক্ষাগার পুণের সেরাম ইনস্টিটিউটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ৫ জনের। বেশ কয়েকজনকে বিপদ থেকে উদ্ধার করা হলেও এই ৫ জনকে বাঁচানো যায়নি। বিকেলে পুণের মেয়র মুরলীধর মোহর টুইট করে দুঃসংবাদ জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে ইনস্টটিউটের টার্মিনাল ওয়ানের কাছে আগুন লাগে বলে খবর। বৃহস্পতিবার সেই বাড়িটিরই চতুর্থ ও পঞ্চম তলে আগুন লেগে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। কালো ধোঁওয়ায় ঢেকে যায় এলাকা। খবর পেয়েই দমকলের ১৫টি ইঞ্জিন পৌঁছে যায় ঘটনাস্থলে। তবে এই আগুন লাগার ঘটনায় সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল যা নিয়ে, সেই টিকা তৈরি ও মজুত করার জায়গাটি নিরাপদেই আছে বলে আশ্বস্ত করেছেন পুণের পুলিশ কমিশনার।দমকলকর্মীদের সহায়তায় ইনস্টিটিউটে থাকা সব বিজ্ঞানীকে নিরাপত্তার স্বার্থে বাইরে বের করে আনা হয়। প্রথমে স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা এসে পৌঁছন সেরামের মঞ্জরীর কারখানার সামনে। তাঁদের সঙ্গে প্রথম থেকেই যোগাযোগ রাখছিলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। পরে তিনি নিজেই গিয়ে হাজির হন ঘটনাস্থলে। জানা গিয়েছে, দুপুরে ইনস্টিটিউটের প্রশাসনিক ভবনে প্রথমে আগুন লেগে যায়। এখানেই রয়েছে মঞ্জরী প্ল্যান্ট অর্থাৎ বিসিজি ভ্যাকসিন তৈরির পরীক্ষাগার। তবে কোভিশিল্ড যেখানে তৈরি হয়, সেই জায়গা কোনওভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি বলে দাবি সেরাম কর্তৃপক্ষের। আপাততত কোভিশিল্ড সুরক্ষিতই রয়েছে। কিন্তু কীভাবে আগুন লাগল, সে বিষয়ে এখনও কোনও ধারণা করতে পারছেন না দমকলকর্মীরা।

জানুয়ারি ২১, ২০২১
দেশ

শেয়ার বাজারে ইতিহাস গড়ল সেনসেক্স

করোনা টিকাকরণ ও বাইডেনের শপথগ্রহণের জোড়া খবরে এই প্রথমবার ৫০ হাজারের গণ্ডি পেরোল সেনসেক্স। প্রথমবার বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক পেরোল ৫০ হাজারের গণ্ডি। ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের নিফটিও পেরিয়েছে ১৪ হাজার ৭০০ পয়েন্টের গণ্ডি। এখানেও রেকর্ড।গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই লাগাতার ঊর্ধ্বমুখী ছিল সেনসেক্স। গতমাসের শুরুতে রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস মানিটারি পলিসি ঘোষণা করতেই চাঙ্গা হয়ে যায় শেয়ার বাজার। এক ধাক্কায় ৩৫০ পয়েন্ট লাফিয়ে সেনসেক্সের সূচক পৌঁছয় রেকর্ড ৪৫ হাজার ২৩ পয়েন্টে। রেকর্ড হারে বাড়ে ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের নিফটিও। ১০০ পয়েন্ট বেড়ে নিফটি পৌঁছয় ১৩ হাজার ২৪৮ পয়েন্টে। সেটা ছিল ৪ ডিসেম্বর। তারপর থেকে লাগাতার বাজার ঊর্ধ্বমুখী। বৃহস্পতিবার তা পেরিয়ে গেল ৫০ হাজারের গণ্ডি। বৃহস্পতিবার বাজার খুলতেই ৫০ হাজারের উপরে চলে যায় সেনসেক্স। এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৫০,১২৬.৭৩ অঙ্কে পৌঁছেছে সূচক। যা সর্বকালের রেকর্ড। নিফটির সর্বোচ্চ উত্থান ছিল ১৪ হাজার ৭৮৬ পয়েন্ট পর্যন্ত।লকডাউন পর্বে ইতিহাসের সবথেকে খারাপ বাজারের সাক্ষী হয় দালাল স্ট্রিট। সেনসেক্স নেমে দাঁড়ায় ২৫ হাজারের কোঠায়। সেখান থেকে মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে ফের রেকর্ড বৃদ্ধি সুসময়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা। যদিও তাঁদের মতে, সেনসেক্সের এই রেকর্ড বৃদ্ধির পিছনে মার্কিন মুলুকে ক্ষমতা হস্তান্তরের ভূমিকা অনস্বীকার্য। ট্রাম্প বিদায় নিতেই ওয়ালস্ট্রিটে স্থিরতা আসবে বলে মনে করছেন লগ্নিকারীরা। যা বিশ্বের বাজারেও স্থায়িত্ব আনবে। সেই প্রত্যাশা থেকেই দালাল স্ট্রিটে বাড়ছে বিনিয়োগ। যা অর্থনীতির জন্য সুখবর বলে মনে করছেন লগ্নিকারীরা।

জানুয়ারি ২১, ২০২১
বিদেশ

আমেরিকায় নতুন ইতিহাস রচনার অঙ্গীকার বাইডেনের

ওয়াশিংটন, ২১ জানুয়ারি: অবশেষে হোয়াইট হাউস ছেড়ে পত্রপাঠ বিদায় নিলেন ট্রাম্প। বুধবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন জো বাইডেন। আর শপথ নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুরোদমে কাজ শুরু করে দিয়েছেন তিনি। প্রথম দিনেই ১৫টা কার্যনির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন তিনি। ভারতীয় সময় রাত ১০টা নাগাদ শপথ নেন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসও।শপথ নেওয়ার পরই বাইডেন বলেন, আমরা আমেরিকায় নতুন ইতিহাস রচনা করব। আমাদের অনেক ক্ষত মেরামতের প্রয়োজন রয়েছে। অনেক কিছু গড়তে হবে নতুন করে। বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন, অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে, এটা গণতন্ত্রের দিন। গণতন্ত্রেরই জয় হয়েছে।শপথ নেওয়ার পরই প্রথম যে বিষয়গুলো নিয়ে নির্দেশ জারি করেছেন বাইডেন, সেগুলো হলঃ কোভিড মোকাবিলা, প্যারিস পরিবেশ চুক্তিতে পুনঃপ্রবেশ, একশো দিন মাস্ক পরার নির্দেশ, মুসলমানদের উপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ইত্যাদি। অর্থাৎ, প্রথম দিনই পূর্বসূরি ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রধান নীতিগুলো একশো আশি ডিগ্রি ঘুরিয়ে দেন বাইডেন। বুধবার অভূতপূর্ব নিরাপত্তাবেষ্টনীর মধ্যে শপথ নেন বাইডেন। আফগানিস্তান এবং ইরাকে মিলিতভাবে যত সংখ্যক মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে, তার পাঁচগুণ বেশি নিরাপত্তারক্ষী হাজির ছিল বাইডেনের শপথগ্রহণে। দুদেশে ২,৫০০ করে মার্কিন সেনা মোতায়েন হয়। আর ওয়াশিংটনে ছিল ২৫ হাজার সেনা মোতায়েন।রথা মেনে বুধবার শপথগ্রহণের আগে ক্যাথিড্রাল অফ সেন্ট ম্যাথিউয়ে প্রার্থনা করেন সস্ত্রীক বাইডেন। কমলা হ্যারিস এবং তাঁর স্বামী ডগলাস এমহফও গির্জায় প্রার্থনা করেন। শপথে সস্ত্রীক হাজির ছিলেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ (জুনিয়র), বিল ক্লিনটন, বারাক ওবামা। তবে প্রত্যাশিতভাবেই অনুপস্থিত ছিলেন সদ্য প্রাক্তন হওয়া প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

জানুয়ারি ২১, ২০২১
রাজনীতি

রাজনীতিকদের দম্ভে আঘাত অভিনেত্রী সাংসদের, কী কৌশলে বাজিমাত?

ফেসবুকে বিদ্রোহ, তারপর কুণালের দৌত্য, অভিষেকের সঙ্গে বৈঠক, দিল্লি যাত্রা বাতিল। ২৪ ঘন্টা এভাবেই কাটল বীরভূমের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়ের। আপাতত তৃণমূলে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন অভিনেত্রী শতাব্দী রায়। বীরভূমের তৃণমূল সাংসদ দলে থাকার কথা ঘোষনা করলেও কিন্তু একটা রয়েই গেল।তাঁর ক্ষোভের মূল কারণ, তিনি তার লোকসভা কেন্দ্রে সভা সমাবেশে যোগ দিতে পারছেন না, তাকে কাজ করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে, মিটিংয়ে না যাওয়ার জন্য হুমকি পর্যন্ত শুনতে হচ্ছে। তাঁর কেন্দ্রের সাধারণ মানুষকে কী কৈফিয়ত দেবেন? এটাই শতাব্দীর মূল প্রশ্ন।সমস্যাগুলো নিয়ে বীরভূমের তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে সেভাবে কোনও আলোচনা হয়নি বলেও জানিয়েছেন। অভিজ্ঞ মহলের মতে, ফেসবুক পোস্ট করে, শনিবার দিল্লি যাবেন বলে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে চাপ সৃষ্টি করার কৌশলে আপাতত তিনি সফল। কিন্তু প্রকুত কার বিরুদ্ধে অভিযোগ সেকথা তিনি প্রকাশ্যে এড়িয়ে গিয়েছেন। দীর্ঘ দিন রাজনীতিতে থাকা লোকজনদের একটা বড় অংশ অন্য পেশা থেকে কেউ রাজনীতিতে এলেই তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে বলেন উনি পলিটিক্যাল নন। একথা হজম করতেই হয়েছে অনেককেই। রাজনৈতিক মহলের মতে, একাংশ রাজনীতিকদের দম্ভে আঘাত করেছেন বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী। যে জেলার সভাপতি সারা রাজ্যের মধ্যে সব থেকে বেশি সাংগঠনিক সভা করেন। দলের সভাপতি দোর্দণ্ডপ্রতাপশালী অনুব্রত মন্ডলের ওপর কথা বলার ক্ষমতা নেই ওই জেলার দুই মন্ত্রীর। অনুব্রত গড়ের তৃণমূল সাংসদ বোমা ফাটালেন প্রকাশ্যে। দলকে ঢোক গিলতে হল। রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, দীর্ঘ দিনের ক্ষোভ কয়েক ঘন্টার বৈঠকে সমাধান হতে পারে? ছাই চাপা আগুনের কী হাল হয় তা সকলেরই জানা।বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক বিধায়ক, সাংসদ প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করছেন। এই সময়টাকেই বেছে নিয়েছেন নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য। ইতিমধ্যে অনেকেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। একাংশ বিজেপিতে যোগ দেবার লাইনে রয়েছেন। অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে নিজের দর বাড়িয়ে নিচ্ছেন। এমনটাই অভিমত রাজনৈতিক মহলের।রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, এক একজন ১৫ বছর, ১০ বছর বা কেউ ৫ বছর বিধায়ক, সাংসদ থাকার পর ভোটের মুখেই এভাবে ক্ষোভ ব্যক্ত করছেন। তাহলে কী তাঁরা সবাই ঝোপ বুঝে কোপ মারছেন? আপাতত তৃণমূলে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শতাব্দীরায়। আমি তৃণমূলেই আছি একথার যে অন্য একটা অর্থও হয় তা নিয়ে কারও কোনও সন্দেহ থাকতে পারে না। তৃণমূল সাংসদ ফুটবলার প্রসূণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। যাঁরা রাজনীতির লোক নয় বলে অন্যদের ছোট করে নিজেদের বড়াই করেন তাঁরা এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন।

জানুয়ারি ১৬, ২০২১
রাজনীতি

অনুব্রত মন্ডলের গড়েই তৃণমূল সাংসদের 'বিদ্রোহ', শোরগোল রাজনীতিতে

ইতিমধ্যে এক সাংসদসহ একাধিক তৃণমূল বিধায়ক বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। অনেকেই দলীয় লাইনের বাইরে গিয়ে কথা বলছেন। এবার নবতম সংযোজন বীরভূমের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়। এই জেলায় তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মন্ডল। সেই জেলার সাংসদ ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন ফেসবুকে। বৃহস্পতিবার শতাব্দী রায় ফ্যানস ক্লাব ফেসবুক পেজে তাঁর লেখা বয়ানে বিদ্রোহী মনোভাব স্পষ্ট বলেই মনে করেন রাজনৈতিক মহল। তাঁর বক্তব্যে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে বাংলার রাজনীতিতে।কী লিখেছেন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়--বীরভূমে আমার নির্বাচন কেন্দ্রের মানুষের প্রতি-2021 খুব ভালো কাটুক। সুস্থ থাকুন, সাবধানে থাকুন।এলাকার সঙ্গে আমার নিয়মিত নিবিড় যোগাযোগ। কিন্তু ইদানিং অনেকে আমাকে প্রশ্ন করছেন কেন আমাকে বহু কর্মসূচিতে দেখা যাচ্ছে না। আমি তাঁদের বলছি যে আমি সর্বত্র যেতে চাই। আপনাদের সঙ্গে থাকতে আমার ভালো লাগে। কিন্তু মনে হয় কেউ কেউ চায় না আমি আপনাদের কাছে যাই। বহু কর্মসূচির খবর আমাকে দেওয়া হয় না। না জানলে আমি যাব কী করে? এ নিয়ে আমারও মানসিক কষ্ট হয়। গত দশ বছরে আমি আমার বাড়ির থেকে বেশি সময় আপনাদের কাছে বা আপনাদের প্রতিনিধিত্ব করতে কাটিয়েছি, আপ্রাণ চেষ্টা করেছি কাজ করার, এটা শত্রুরাও স্বীকার করে। তাই এই নতুন বছরে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করছি যাতে আপনাদের সঙ্গে পুরোপুরি থাকতে পারি। আপনাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। 2009 সাল থেকে আপনারা আমাকে সমর্থন করে লোকসভায় পাঠিয়েছেন। আশা করি ভবিষ্যতেও আপনাদের ভালোবাসা পাব। সাংসদ অনেক পরে, তার অনেক আগে থেকেই শুধু শতাব্দী রায় হিসেবেই বাংলার মানুষ আমাকে ভালোবেসে এসেছেন। আমিও আমার কর্তব্য পালনের চেষ্টা করে যাব।যদি কোনো সিদ্ধান্ত নিই আগামী 16 জানুয়ারি 2021 শনিবার দুপুর দুটোয় জানাব। শতাব্দী রায়

জানুয়ারি ১৪, ২০২১
রাজনীতি

সায়ন্তনের পর অগ্নিমিত্রাকে শোকজ, কেন এই পদক্ষেপ বিজেপির?

একদিকে তৃণমূল কংগ্রেস সহ বাম-কংগ্রেস থেকে বিজেপিতে যোগপর্ব চলছে। একইসঙ্গে চলছে রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বকে শোকজের পালা। মঙ্গলবার সায়ন্তনসহ তিনজনকে শোকজ করার পর বুধবার শোকজ করা হল রাজ্য মহিলা মোর্চার সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পালকে। রাজ্য বিজেপি জানিয়েছে, দলবিরোধী মন্তব্যের জন্য অগ্নিমিত্রাকে শোকজ করা হযেছে। ১৮ ডিসেম্বর তিনি সংবাদ মাধ্যমে ওই মন্তব্য করেছিলেন। তবে কী মন্তব্য করার জন্য তাঁকে শোকজ করা হয়েছে তা সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া চিঠিতে লেখা নেই। চিঠিতে অগ্নিমাত্রা পালকে বলা হযেছে ৭ দিনের মধ্যে দিলীপ ঘোষের কাছে তাঁকে জবাব দিতে হবে। উত্তর সন্তোষজনক না হলে দল কঠোর শাস্তি দেবে বলেও তাঁকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসুকে শোকজ করে রাজ্য নেতৃত্ব। তাঁকে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছিল। শুভেন্দু তৃণমূল ছাড়ার পরপরই জিতেন্দ্র তেওয়ারী তৃণমূল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর বিজেপি যোগের সম্ভাবনা প্রবল হয়। তৎকালীন তৃণমূল সাংসদ সুনীল মন্ডলের বাড়িতে তাঁরা বৈঠকও করেন। কিন্তু তারপরই আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়, সায়ন্তন বসু, অগ্নিমিত্রা পাল জিতেন্দ্রকে নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের কাছে আপত্তি জানান। বাবুল তো সরাসরি তাঁর আপত্তির কথা জানিয়ে দেন। বাকিরা সেই মতকে সমর্থন করে। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, সম্ভবত এই কারণেই অগ্নিমিত্রা পালকে শোকজ করা হল।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২০
রাজনীতি

হেভিওয়েট পরিবারে তৃণমূল-বিজেপি, তৃণমূলের দ্বিচারিতায় সন্দিহান কর্মীরা

শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিতেই তৃণমূল নেতাদের কাছ থেকে উড়ে আসছে একের পর এক বিশেষণ! এটা স্বাভাবিকভাবে হয়েও থাকে। এমনকী দলবদলের বিশ্বরেকর্ডধারীর কাছ থেকেও উড়ে এসেছে এমন বিশেষণ! সেটাতেও দোষের কিছু নেই। মেদিনীপুরের মঞ্চ থেকে শুভেন্দুবাবুর কথামতো এটা অবশ্যই দলের প্রতি নিষ্ঠা দেখানো! যদিও নীতির প্রশ্নে তৃণমূলের দ্বিচারিতায় সন্দিহান বুথস্তরের কর্মীরা। অন্তত হুগলি ও পূর্ব বর্ধমান জেলায় এমন প্রশ্ন উঠছে। পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতেই শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ির কাছ থেকে আগামী বুধবার তৃণমূলের মিছিল হবে। সভাও হবে। যেখানে ডাকা হয়নি দলের জেলা সভাপতি তথা প্রবীণ সাংসদ শিশির অধিকারী ও সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। শুভেন্দুবাবু বিজেপিতে যাওয়ার আগে ও পর থেকে লাগাতার অধিকারী পরিবার নিয়ে আপত্তিজনক কথা বলে চলেছেন কলকাতার শীর্ষ নেতা থেকে শুরু করে জেলায় অধিকারীদের বিরোধী গোষ্ঠী। শিশিরবাবু একবার বলেছিলেন, দলই তো শুভেন্দু অধিকারীকে বিজেপির দিকে ঠেলে দিচ্ছে! এবার কি তৃণমূলের একই কৌশল শিশির ও দিব্যেন্দু অধিকারীর ক্ষেত্রেও? প্রশ্ন উঠছে। এই দুই সাংসদ দলত্যাগ করলে তৃণমূলের সাংসদ সংখ্যা ১৯-এ নেমে আসবে‌। দলকে কোনও বিবৃতির মাধ্যমে অস্বস্তিতে না ফেললেও অধিকারী সাংসদদের নিয়ে যা চলছে তাতে কোনও বড় পদক্ষেপ অসম্ভব নয়। প্রচারে বলা হচ্ছে, কাঁথির সভায় থাকবেন ফিরহাদ হাকিম, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌগত রায়। এর আগেও নন্দীগ্রামে ববির সভায় ডাক পাননি দিব্যেন্দু। এবারেও তাই। অথচ বিজেপি নেতা তথাগত রায়ের ভাই সৌগত রায় তৃণমূলের সাংসদ, তিনি দলীয় মুখপাত্র, তাতে কোনও সমস্যা নেই দলের! তবে অধিকারীদের বিরুদ্ধে আলাদা নীতি কেন? তালিকা আরও আছে। প্রাক্তন বিধায়ক পারভেজ রহমান তৃণমূল ছেড়ে মেদিনীপুরের শাহী সভা থেকে গেরুয়া পতাকার তলায় এলেন। তাঁর ভাই মেহবুব রহমান অবশ্য তৃণমূলেই আছেন, এমনকী আছেন বহাল তবিয়তে হুগলির জেলা সভাধিপতি পদে। হুগলিতে তৃণমূলের জেলা সভাপতি দিলীপ যাদবের দাদা কানাইপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান আচ্ছেলাল যাদব‌। সম্প্রতি তাঁর বাড়িতে নৈশভোজ সেরে গেলেন অর্জুন সিং, শঙ্কুদেব পাণ্ডা। আচ্ছেলাল বললেন, পুরনো সম্পর্ক, সৌজন্য সাক্ষাত! দিলীপ বললেন, জবাব চেয়েছি। দল ব্যবস্থা নেবে। প্রশ্ন হলো, কবে? এখনও তো কিছু হলো না। বাঁশবেড়িয়ার প্রশাসক অরিজিতা শীল। তাঁর স্বামী সোনা শীলকে বিজেপি-যোগ-সহ দলবিরোধী কাজের ছুতোয় নাকি দল সাসপেন্ড করেছে। এরপরেও তাঁকে মন্ত্রী তপন দাশগুপ্তর সভামঞ্চে দেখা গিয়েছে। তপনবাবু সোনা শীলকে কিছু কাজের ভার দিয়েছেন। দক্ষিণ কলকাতার এক প্রভাবশালী মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে তৃণমূলেই বহাল তবিয়তেই রয়েছেন শীল দম্পতি। তাতেও দোষ নেই? কংগ্রেস-তৃণমূল-বিজেপি-তৃণমূল হয়ে আবার সম্প্রতি বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন পূর্ব বর্ধমানের কালনার দাপটে নেতা শঙ্কর হালদার। তিনি বিধানসভা ভোটে বিজেপি প্রার্থীও হয়েছেন আগে‌। তাঁর স্ত্রী, জেলা পরিষদ সদস্য আরতি হালদার তৃণমূলেই‌ আছেন। এখনও। কর্মীদের মনে তাই প্রশ্ন, আমরা লড়াই করছি মাঠে, রাস্তায় নেমে আর জেলা নেতারা সুন্দরভাবে সেটিং সেরে রাখছেন, দুই নৌকায় পা কেন? তাতে দল দোষ দেখছে না! তৃণমূলের নীতির দ্বিচারিতা কি শুধু অধিকারী পরিবারের জন্যই?

ডিসেম্বর ২১, ২০২০
রাজ্য

সাঁতরাগাছি পাখিরালয়ের পরিবেশ নষ্ট করায় দক্ষিণ-পূর্ব রেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ পরিবেশবিদের

দক্ষিণ-পূর্ব রেলের বিরুদ্ধে কঠিন বর্জ্য ব্যাবস্থাপনা বিধিভঙ্গসহ, পরিবেশ সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগে পরিবেশ আদালতের দ্বারস্থ হতে চলেছেন হাওড়ার পরিবেশকর্মী সুভাষ দত্ত। দক্ষিণ-পূর্ব রেলের গুরুত্বপূর্ণ রেল স্টেশন সাঁতরাগাছি। পাশেই রয়েছে বিশাল রেল ইয়ার্ড। সেই রেল ইয়ার্ডের পাশে, ঝিল থেকে একশো মিটারেও কম দূরত্বে বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। শুধু তাই নয় সেই জঞ্জালে আগুন লাগিয়ে পোড়ানো হচ্ছে। যার ফলে এলাকায় বাড়ছে বায়ু দূষণ বলে এবার অভিযোগ তুললেন হাওড়ার পরিবেশকর্মী সুভাষ দত্ত। মঙ্গলবার এলাকা ঘুরে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পরে সুভাষবাবু জানান, কঠিন বর্জ্য ব্যাবস্থাপনা বিধি মেনে চলছে না রেল। এদিন পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে তিনি মূলত চারটি অভিযোগ তোলেন রেলের বিরুদ্ধে। প্রথমত, কঠিন বর্জ্য বিধি মেনে পচনশীল ও অপচনশীল আবর্জনা আলাদা না করে একসাথেই ফেলা হচ্ছে। তাতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এই কাজটি করা হচ্ছে সাঁতরাগাছি পাখিরালয়ের থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে। এরফলেই ভরাট হয়ে যাচ্ছে জলাশয়ের কিছু অংশ। এই প্রসঙ্গে দক্ষিণ-র্পূব রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রেলের র্বজ্য ওখানে ফেলার যে অভিযোগ উঠেছে তা গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হবে। এদিন এলাকায় দাঁড়িয়ে পরিবেশবিদ সুভাষ দত্ত জানান, সরস্বতী খালের পাশেও এ ভাবে আর্বজনা ফেলে ভরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ বিজেপির দেওয়া চাকরির প্রতিশ্রুতিকে মিথ্যা বলে আক্রমণ মমতার তিনি বলেন, রেল যা করেছে তা ২০১৬ সালের সংশোধিত র্বজ্য ব্যবস্থাপনা আইন না মেনে করেছে। এতে জেল ও জরিমানা দুইই হতে পারে। রেল শুধু আর্বজনা ফেলেই ক্ষান্ত থাকেনি , তাতে আবার আগুন লাগিয়ে দিয়ে পরিবেশের আরও ক্ষতি করেছে। গোটা ব্যাপারটি নিয়ে আমি পরিবেশ আদালতে মামলা করবো। সুভাষবাবুর দাবি, যে ক্ষতি হয়েছে তাতে আগামী দিনে পরিযায়ী পাখিরা যদি মুখ ফিরিয়ে নেয় তাহলে আগামী দিনে র্নিমল বাতাসও মুখ ফিরিয়ে নেবে। এই বিষয়ে দক্ষিণ-র্পূব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারীক সঞ্জয় ঘোষ বলেন, রেলের র্বজ্য ফেলার ব্যাপারে যে অভিযোগ উঠেছে তা গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হবে। র্বজ্যে যে বা যাঁরাই আগুন লাগিয়ে থাকুক না কেন তা ঠিক করেনি। এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরো জানান, এই র্বজ্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে একটি ঠিকাদার সংস্থাকে। কিন্তু তাঁরা র্বজ্য মাঝে মাঝে তাঁদের প্ল্যান্টে না নিয়ে গিয়ে ওই জায়গাতে ফেলে দিচ্ছে কিনা সেটা দেখা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 70
  • 71
  • 72
  • 73
  • 74
  • 75
  • 76
  • ...
  • 79
  • 80
  • ›

ট্রেন্ডিং

টুকিটাকি

প্রতিদিনের রান্নায় রাখছেন কারিপাতা, ধনেপাতা ও পুদিনা? কোন পাতায় লুকিয়ে বেশি স্বাস্থ্যগুণ?

প্রতিদিনের রান্নায় কারিপাতা, ধনেপাতা ও পুদিনাপাতার ব্যবহার নতুন কিছু নয়। খাবারের স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়ানোর পাশাপাশি এই তিন ভেষজ পাতায় রয়েছে বিভিন্ন ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে। তবে এগুলি যতই পুষ্টিকর হোক না কেন, অতিরিক্ত খাওয়া সবার জন্য উপযুক্ত নয়। তাই গুণাগুণের পাশাপাশি সতর্কতার বিষয়টিও জানা জরুরি।কারিপাতার উপকারিতাকারিপাতা হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে সুরক্ষা দিতে সহায়তা করে। পাশাপাশি রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে, বিশেষ করে ডায়াবেটিসে খাদ্য নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে, এটি কিছুটা সহায়ক হতে পারে। চুল ও ত্বকের জন্যও কারিপাতা উপকারী পুষ্টি সরবরাহ করে। এছাড়া এতে লৌহ, ক্যালসিয়াম ও বিভিন্ন ভিটামিনের উপস্থিতি রয়েছে।শিশু থেকে বয়স্ক, সাধারণ পরিমাণে রান্নার সঙ্গে কারিপাতা খেতে পারেন। যাদের হজমের সমস্যা রয়েছে, তারাও অল্প পরিমাণে উপকার পেতে পারেন।তবে অতিরিক্ত কাঁচা কারিপাতা খেলে কারও কারও পেটে অস্বস্তি হতে পারে। আবার কোনো নির্দিষ্ট রোগের ওষুধ চললে বেশি পরিমাণে খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো।ধনেপাতার উপকারিতাধনেপাতা ভিটামিন A, C ও K-এর পাশাপাশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টেরও ভালো উৎস। এটি খাবারের স্বাদ বাড়ায় এবং ক্ষুধা বাড়াতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে হজমে সহায়তা করে এবং শরীরে প্রদাহ কমাতে সহায়ক কিছু উপাদানও এতে থাকতে পারে।পরিষ্কার করে ধুয়ে শিশু, তরুণ ও বয়স্কসবাই পরিমাণমতো ধনেপাতা খেতে পারেন। সালাদ, চাটনি, ডাল কিংবা বিভিন্ন তরকারিতে এটি ব্যবহার করা যায়।তবে কারও কারও ধনেপাতায় অ্যালার্জি হতে পারে। এছাড়া বাজার থেকে কেনা ধনেপাতা ভালোভাবে ধুয়ে ব্যবহার করা জরুরি, বিশেষ করে বর্ষাকালে।পুদিনাপাতার উপকারিতাপুদিনাপাতা হজমে সাহায্য করে এবং গ্যাস, পেট ফাঁপা বা অস্বস্তিতে কিছু মানুষের আরাম দিতে পারে। এটি মুখের দুর্গন্ধ কমাতেও সহায়ক। গরমের দিনে পুদিনার শরবত শরীরকে সতেজ রাখে।সাধারণভাবে শিশু ও বড়রা অল্প পরিমাণে পুদিনাপাতা খেতে পারেন। চাটনি, শরবত, রায়তা কিংবা রান্নায় এটি ব্যবহার করা যায়।তবে যাদের অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বেশি, তারা অতিরিক্ত পুদিনা খেলে অস্বস্তি অনুভব করতে পারেন। ছোট শিশুদের খুব বেশি কাঁচা পুদিনা না দেওয়াই ভালো।ঋতুভেদে কী সতর্কতা?বর্ষাকালে ভেষজ পাতাগুলি মাটির কাছাকাছি জন্মায় বলে জীবাণু বা ময়লা থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই কয়েকবার ভালোভাবে ধুয়ে তবেই ব্যবহার করা উচিত।গরমকালে পুদিনা ও ধনেপাতা সতেজ খাবার হিসেবে জনপ্রিয় হলেও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে।শীতকালে এই পাতাগুলি সহজেই দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় রাখা যায়।কারা বেশি সতর্ক থাকবেন?যাদের কোনো ভেষজ পাতায় অ্যালার্জি রয়েছে, তাদের সতর্ক থাকতে হবে। যাদের দীর্ঘদিনের পেটের বিশেষ সমস্যা রয়েছে, তারা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খাবেন। এছাড়া ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে অল্প পরিমাণ দিয়ে শুরু করাই ভালো।সব মিলিয়ে, কারিপাতা, ধনেপাতা ও পুদিনাপাতা, তিনটিই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে। তবে এগুলি কোনো রোগের ওষুধ নয়। সুষম খাদ্যাভ্যাস, পরিচ্ছন্নতা এবং নিয়মিত জীবনযাপনের সঙ্গে এই ভেষজ পাতাগুলি খেলে বেশি উপকার পাওয়া যেতে পারে।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
বিদেশ

মোদির ভিডিও ঘিরে তুমুল বিতর্ক! শেষমেশ মাথা নত, ক্ষমা চাইতেই হল জুকারবার্গকে

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে বড় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনার জেরে কেন্দ্রের কড়া অবস্থানের মুখে শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চাইলেন মেটা প্রধান মার্ক জুকারবার্গ। সূত্রের দাবি, শুধু ভিডিও সরানোর ঘটনাই নয়, সামাজিক মাধ্যমে আপত্তিকর বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার বিষয়েও সংস্থা নিজেদের ত্রুটির কথা স্বীকার করেছে।গত তেইশে জুলাই তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে একটি সেলফি ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিছু সময়ের মধ্যেই সেই ভিডিও ফেসবুক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়। প্রথমে মেটা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কথা জানিয়ে দুঃখপ্রকাশ করলেও কেন্দ্র সেই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হয়নি।সংসদের তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক কমিটিও এই ঘটনায় কঠোর অবস্থান নেয়। কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, শুধু ক্ষমা চাইলেই চলবে না, ঘটনার পূর্ণ দায় মেটাকেই নিতে হবে। পাশাপাশি আইনি পদক্ষেপের কথাও বলা হয়। এরপরই মেটার প্রতিনিধিদের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকে তলব করা হয়।সরকারি সূত্রের খবর, বৈঠকে সামাজিক মাধ্যমে শিশুদের নিয়ে আপত্তিকর বিষয়বস্তু ছড়িয়ে পড়া, অবৈধ কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং ভিডিও সরানোর কারণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মেটার প্রতিনিধিরা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কথা জানালেও কেন্দ্র আরও কঠোর নজরদারির ইঙ্গিত দেয়।এদিকে সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, প্রয়োজনে সামাজিক মাধ্যম সংস্থাগুলির আইনি সুরক্ষা প্রত্যাহার করার বিষয়েও ভাবা হবে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই মার্ক জুকারবার্গ ক্ষমা চেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে আপাতত বিতর্ক কিছুটা স্তিমিত হলেও মেটার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।ভারতে কোটি কোটি মানুষ প্রতিদিন ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন। তাই এই বিতর্ক আগামী দিনে কোন দিকে গড়ায়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক এবং প্রযুক্তি মহলের।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বদলে যাচ্ছে ‘বাংলার বাড়ি’র নাম! আগামীকালই বড় ঘোষণা, লক্ষ লক্ষ পরিবারে ঢুকবে টাকা

রাজ্যের আবাসন প্রকল্পে বড় পরিবর্তনের পথে সরকার। এতদিন যে প্রকল্প বাংলার বাড়ি নামে পরিচিত ছিল, সেটির নাম বদলে পশ্চিমবঙ্গ আবাস করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার নবান্ন সভাঘর থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নতুন নামের এই প্রকল্পের আওতায় যোগ্য উপভোক্তাদের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করবেন।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথম পর্যায়ে প্রায় দশ লক্ষ পরিবারের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ পাঠানো হবে। এই প্রকল্পে বাড়ি নির্মাণের জন্য মোট এক লক্ষ কুড়ি হাজার টাকা অনুদান দেওয়ার কথা। এর মধ্যে প্রথম কিস্তির টাকা আগেই দেওয়া হয়েছিল। এবার নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করা উপভোক্তারা দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পাবেন।সরকার জানিয়েছে, যাঁরা প্রথম কিস্তির অর্থ ব্যবহার করে বাড়ির লিন্টন পর্যন্ত নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ করেছেন, শুধুমাত্র তাঁরাই এই পর্যায়ে দ্বিতীয় কিস্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। সমস্ত নথি ও নির্মাণের অগ্রগতি যাচাই করার পরেই টাকা ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, যাঁরা এখনও বাড়ির নির্মাণ নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত শেষ করতে পারেননি, তাঁদের আবেদন বাতিল করা হচ্ছে না। নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পর নতুন করে সমীক্ষা করা হবে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই পরবর্তী পর্যায়ে তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হবে।সরকারি সূত্রের দাবি, উপভোক্তাদের তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে এবার বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে যাচাই প্রক্রিয়ায়। প্রকৃত যোগ্যদের কাছেই সরকারি অনুদান পৌঁছে দিতে একাধিক স্তরে নথি পরীক্ষা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সম্পূর্ণ যাচাইয়ের পরেই অর্থ ছাড়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।আগামীকাল থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে বহু পরিবারের বাড়ি তৈরির কাজ ফের গতি পাবে বলে মনে করছে প্রশাসন। একই সঙ্গে নতুন নামে আবাস প্রকল্প চালুর মধ্য দিয়ে রাজ্যের আবাসন কর্মসূচিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
দেশ

ডিসেম্বরে ফিরবই! আবেগঘন বার্তায় বড় ঘোষণা শেখ হাসিনার, বাংলাদেশ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি

দেশ ছাড়ার দুই বছর পর প্রথমবার সাংবাদিকদের উদ্দেশে অডিয়ো বার্তা দিলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে ঠিক কোন দিনে ফিরবেন, তা পরে জানানো হবে বলেও জানান তিনি। বক্তব্য রাখতে গিয়ে একাধিকবার আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন শেখ হাসিনা।অডিয়ো বার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নাড়ির টান। গত দুই বছরে দেশের পরিস্থিতি দেখে তিনি অত্যন্ত কষ্ট পেয়েছেন। তাঁর দাবি, যে আন্দোলনের জেরে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়েছিল, সেটি শুধুমাত্র ছাত্র আন্দোলন ছিল না। পরিকল্পিতভাবে সেই আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়া হয়েছিল।সরকার পতনের প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনার জন্য সরকার উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানোর পরিকল্পনা আগে থেকেই করা হয়েছিল। তাঁর দাবি, সরকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালন করেছে এবং সেই পদক্ষেপকে অপরাধ বলা যায় না।তিনি আরও অভিযোগ করেন, তাঁর সরকারের সময়ে শুরু হওয়া বিচার বিভাগীয় তদন্ত পরবর্তী সরকার বন্ধ করে দেয়। শেখ হাসিনার দাবি, আন্দোলনের সময় এবং পরে আওয়ামী লীগের বহু নেতা-কর্মী নিখোঁজ হয়েছেন। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, সাংবাদিক এবং মুক্তিযোদ্ধারাও নানা ধরনের আক্রমণের শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।আন্তর্জাতিক মহলের উদ্দেশে শেখ হাসিনা আবেদন জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি জানান, জেলেও যেতে হলে তিনি প্রস্তুত। নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে নয়, দেশের মানুষের কাছেই ফিরতে চান তিনি।ভারতে থাকার প্রসঙ্গেও মুখ খোলেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ভারত সরকার তাঁকে যথেষ্ট সম্মান ও আন্তরিকতা দেখিয়েছে। ভারতকে বন্ধু দেশ বলেই উল্লেখ করেন তিনি। তবে তাঁর কথায়, শেষ পর্যন্ত নিজের দেশেই ফিরতে চান তিনি এবং সেই লক্ষ্যেই ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ও বর্তমান বাংলাদেশের সরকারের কড়া সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, দেশে মানবাধিকার ও বাকস্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হচ্ছে এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও দাবি করেন, আন্দোলনে মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে এখনও স্পষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, দেশে জঙ্গি কার্যকলাপ এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের নজর দেওয়া প্রয়োজন। তাঁর দাবি, এই পরিস্থিতি শুধু বাংলাদেশের নয়, গোটা অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্যও উদ্বেগের বিষয় হতে পারে।শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। আগামী কয়েক মাসে পরিস্থিতি কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
কলকাতা

আমতলার অফিস কি আপাতত নিরাপদ? অভিষেকের মামলায় হাই কোর্টের বড় সিদ্ধান্ত

আমতলায় দলীয় কার্যালয় ভাঙার মামলায় ফের স্বস্তি পেলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা হাই কোর্ট আমতলার ওই কার্যালয় ভাঙার উপর দেওয়া অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের মেয়াদ আগামী একুশে আগস্ট পর্যন্ত বাড়িয়ে দিয়েছে। একই সঙ্গে আদালত জানিয়েছে, আগামী আঠারোই আগস্ট দুপুর দুটোর সময় মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।বৈধ নির্মাণ পরিকল্পনা এবং প্রয়োজনীয় নথি ছাড়া কার্যালয় তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে প্রশাসন ভাঙার কাজ শুরু করেছিল। ঘটনাস্থলে বুলডোজার নামিয়ে কার্যালয়ের একাংশও ভেঙে ফেলা হয়। এরপরই আদালতের দ্বারস্থ হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংস্থা। জরুরি শুনানির আবেদন জানানো হলে আদালত প্রথমে ভাঙার কাজের উপর সাময়িক স্থগিতাদেশ দেয়। সেই নির্দেশের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই বুধবার আদালত তা বাড়িয়ে একুশে আগস্ট পর্যন্ত বহাল রাখল।এই কার্যালয়কে কেন্দ্র করে আগেই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিক নোটিস পাঠানো হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, যে জমিতে কার্যালয়টি তৈরি হয়েছে, তা একটি বেসরকারি সংস্থার নামে কেনা। সেই সংস্থার সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের নাম জড়িয়ে রয়েছে বলেও প্রশাসনের দাবি। পরপর নোটিসের জবাব না মেলায় প্রশাসন ভাঙার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই সিদ্ধান্তকেই আদালতে চ্যালেঞ্জ জানায় সংশ্লিষ্ট সংস্থা।আদালতে শুনানির সময় রাজ্যের আইনজীবী দাবি করেন, যে অংশ ভাঙা হয়েছে, সেটি সংশ্লিষ্ট সংস্থার সম্পত্তি নয়। দাগ নম্বরের উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভাঙা অংশ অন্য জমির অন্তর্গত। তাই স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়ার আবেদনও জানানো হয়।অন্যদিকে, সংশ্লিষ্ট সংস্থার আইনজীবীর দাবি, যথাযথ নোটিস না দিয়েই ভাঙার কাজ শুরু করা হয়েছে। অভিযোগে কী বলা হয়েছে, কোন নথির ভিত্তিতে নির্মাণকে বেআইনি বলা হয়েছে, সেই তথ্যও দেওয়া হয়নি। এমনকি নিজেদের বক্তব্য জানানোর সুযোগও দেওয়া হয়নি বলে আদালতে দাবি করা হয়।দুপক্ষের বক্তব্য শোনার পর কলকাতা হাই কোর্ট আপাতত একুশে আগস্ট পর্যন্ত ভাঙার কাজ স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছে। ফলে এই মুহূর্তে বড় স্বস্তি পেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন সকলের নজর আগামী আঠারোই আগস্টের শুনানির দিকে। ওই দিন আদালতের পর্যবেক্ষণের উপরই নির্ভর করবে এই মামলার পরবর্তী পথ।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
বিদেশ

সত্যিই কি এত ভয়? বিদেশি সংবাদমাধ্যমের উপর কড়া নিষেধাজ্ঞা, বড় পদক্ষেপ পাকিস্তানের

পাক অধিকৃত কাশ্মীরে চলা আন্দোলন, প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ এবং দমন-পীড়নের খবর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিদেশি সংবাদমাধ্যমের উপর কড়া নিয়ন্ত্রণ আরোপ করল পাকিস্তান সরকার। নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, সরকারি অনুমতি ছাড়া দেশের নির্দিষ্ট এলাকায় কোনও বিদেশি সংবাদমাধ্যম বা সাংবাদিক খবর সংগ্রহ করতে পারবেন না।পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই নিয়ম আন্তর্জাতিক সংবাদপত্র, টেলিভিশন, ডিজিটাল সংবাদমাধ্যম, ওয়েবভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম এবং সামাজিক মাধ্যমের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য হবে। বিদেশি সংবাদমাধ্যমকে আগে সরকারি নিবন্ধন করতে হবে। অনুমোদন পাওয়ার পরেই তারা নির্দিষ্ট এলাকায় রিপোর্ট করার সুযোগ পাবেন।সরকারি নির্দেশে আরও বলা হয়েছে, বিদেশি সাংবাদিক কোথায় যাচ্ছেন, কার সঙ্গে কথা বলছেন এবং কী ধরনের প্রতিবেদন তৈরি করছেন, তার উপরও নজর রাখা হবে। বিশেষ কিছু এলাকায় প্রবেশের জন্য আলাদা অনুমতিপত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।পাক অধিকৃত কাশ্মীরে দীর্ঘদিন ধরে মূল্যবৃদ্ধি, বিদ্যুৎ সংকট এবং একাধিক প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলছে। এই আন্দোলন ঘিরে নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে সমালোচনা তৈরি হয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই নতুন এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে জল্পনা বাড়ছে।এর মধ্যেই পাক সরকার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনকে পক্ষপাতদুষ্ট বলে অভিযোগ তুলে তাদের কার্যত নিষিদ্ধ করেছে। সরকারের দাবি, ওই সংবাদমাধ্যম ভুল তথ্য প্রকাশ করেছে এবং কাশ্মীরের পরিস্থিতিকে বিকৃতভাবে তুলে ধরেছে।তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের দাবি, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশের পরই ইসলামাবাদ অস্বস্তিতে পড়েছে। সেই কারণেই বিদেশি সংবাদমাধ্যমের উপর আরও কড়া নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
কলকাতা

অবশেষে ঘোষণা! এই তারিখ থেকেই মিলবে অন্নপূর্ণার তিন হাজার টাকা, কারা পাবেন জানাল সরকার

অন্নপূর্ণা যোজনার উপভোক্তাদের জন্য বড় ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। চলতি আগস্ট মাসের তিন হাজার টাকার কিস্তি সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা না করিয়ে এই মাসের মধ্যেই যোগ্য উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পনেরো আগস্টের পর থেকেই ধাপে ধাপে টাকা পাঠানোর কাজ শুরু হবে।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, অনলাইনে আবেদন করার সময় বহু ক্ষেত্রে ভুল তথ্য জমা পড়েছে। কোথাও ভুল নথি, কোথাও আবার ব্যাঙ্কের তথ্যের অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। তাই প্রত্যেকটি আবেদন বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখতে বিডিও স্তরে সমীক্ষা শুরু হয়েছে। সমীক্ষা শেষ হওয়ার পরেই প্রকৃত উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হবে।নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী মালতী রাভা রায় জানিয়েছেন, যাঁরা প্রকৃতভাবে এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার যোগ্য, তাঁরাই টাকা পাবেন। ভুল তথ্য দিয়ে আবেদন করলে বা যোগ্য না হয়েও আবেদন করলে কোনওভাবেই টাকা দেওয়া হবে না। তিনি আরও বলেন, যাঁদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো অথবা যাঁরা করদাতা পরিবারের সদস্য, তাঁদের এই প্রকল্পের সুবিধা দেওয়া হবে না।সরকারের দাবি, অনেক আবেদনকারী নিজেরা আবেদন না করে অন্যের মাধ্যমে আবেদন করায় তথ্যগত ভুল হয়েছে। আবার অনেক ক্ষেত্রে ব্যাঙ্কের তথ্য সঠিকভাবে যুক্ত না থাকায় সমস্যাও তৈরি হয়েছে। সেই সব আবেদনও নতুন করে যাচাই করা হচ্ছে।সরকার স্পষ্ট জানিয়েছে, কোনও যোগ্য মানুষ যাতে বঞ্চিত না হন, সেই লক্ষ্যেই এই সমীক্ষা করা হচ্ছে। সব তথ্য যাচাইয়ের পরই ধাপে ধাপে উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার তিন হাজার টাকা পাঠানো হবে।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
রাজ্য

স্কুলপড়ুয়াদের হাসপাতালে নিয়ে রক্ত সংগ্রহ! অভিযোগ ঘিরে তোলপাড়, তদন্তে নেমেছে পুলিশ

দুর্গাপুরে নাবালক স্কুলপড়ুয়াদের টাকার প্রলোভন দেখিয়ে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে রক্ত সংগ্রহের অভিযোগ ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ সামনে আসতেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে এই ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।অভিযোগ, দুর্গাপুরের ইস্পাত নগরীর একটি বেসরকারি স্কুলের তিন নাবালক পড়ুয়াকে টাকার লোভ দেখিয়ে বিধাননগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে এক রোগীর আত্মীয় পরিচয়ে তাঁদের রক্তদান করানো হয়েছে বলে অভিযোগ। আরও অভিযোগ, সরকারি নথিতে তাঁদের প্রকৃত বয়স পরিবর্তন করে প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে দেখানো হয়েছিল।এই ঘটনার নেপথ্যে ওই স্কুলেরই এক প্রাক্তন ছাত্রের নাম উঠে এসেছে বলে অভিযোগ। বর্তমানে সে দুর্গাপুরের একটি স্কুলে পড়াশোনা করে বলে জানা গিয়েছে। তবে এই ঘটনার সঙ্গে আরও বড় কোনও চক্র জড়িত রয়েছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।ঘটনা জানাজানি হতেই স্কুল কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ করে। অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়ে দুর্গাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। স্কুলের অধ্যক্ষা দেবযানী বোস জানান, বিষয়টি জানার পরই পুলিশকে সব তথ্য জানানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, এজেন্টের মাধ্যমে নাবালকদের রক্ত সংগ্রহ করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ।অভিভাবকদের অভিযোগ, টাকার লোভ দেখিয়ে নাবালকদের রক্ত নেওয়া কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রাজ্যের পুর ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি বলেন, বিষয়টি তাঁর নজরে এসেছে এবং তিনি স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও কথা বলেছেন। পুলিশকে দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যারা নাবালকদের প্রলোভন দেখিয়ে এই কাজ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি জানান।আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনার প্রণব কুমার জানিয়েছেন, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ও। তিনি জানান, বিষয়টি সরকারের নজরে এসেছে এবং ইতিমধ্যেই রাজ্যের রক্তভান্ডারগুলির উপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে বেশ কিছু অসঙ্গতির তথ্য সামনে এসেছে বলে তিনি দাবি করেন। তাঁর অভিযোগ, অনুমতি ছাড়াই প্লাজমা অন্য রাজ্যে পাঠানো হয়েছে এবং কোথাও কোথাও নাবালকদের কাছ থেকেও রক্ত সংগ্রহের অভিযোগ মিলেছে। এমনকি নির্ধারিত মাত্রার চেয়েও বেশি রক্ত নেওয়ার অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শেষ হলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আগস্ট ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal