• ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার ১৩ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

River

রাজ্য

ম্যানগ্রোভ কেটে ক্যাফে! এবার শওকত মোল্লার ছেলেকে সাত দিনের চরম আলটিমেটাম

মাতলা নদীর চর দখল করে তৈরি হওয়া বিতর্কিত ক্যাফেকে ঘিরে বড় পদক্ষেপ করল প্রশাসন। অভিযোগ, পরিবেশের ক্ষতি করে এবং ম্যানগ্রোভ ধ্বংস করে এই নির্মাণ করা হয়েছিল। এবার সেই ক্যাফে ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মালিকপক্ষ নিজে ব্যবস্থা না নিলে প্রশাসন অভিযান চালাবে বলে জানানো হয়েছে।দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার মৌখালি এলাকায় মাতলা নদীর চরে তৈরি হয়েছিল অরণ্যের কূলে নামে একটি ক্যাফে। এই নির্মাণকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক চলছিল। অভিযোগ ছিল, নদীর চর দখল করে এবং পরিবেশের ক্ষতি করে এই স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে।প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে ক্যাফেটি ভেঙে ফেলতে হবে। তা না হলে প্রশাসন নিজেই ভাঙার কাজ করবে। ইতিমধ্যেই সেখানে নোটিস পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।নোটিস জারির পর থেকেই ক্যাফে চত্বরে তৎপরতা দেখা গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, ভেতর থেকে বিভিন্ন আসবাবপত্র এবং সামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। ফলে অনেকেই মনে করছেন, মালিকপক্ষ পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝেই প্রস্তুতি শুরু করেছে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকের দাবি, পরিবেশ ধ্বংস করে কোনও উন্নয়ন গ্রহণযোগ্য নয়। ম্যানগ্রোভ এবং নদী সংলগ্ন এলাকার প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার অভিযোগ তুলে তাঁরা প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।শুধু এই একটি নির্মাণ নয়, মাতলা নদীর চর জুড়ে গড়ে ওঠা আরও একাধিক বেআইনি স্থাপনার বিরুদ্ধেও সক্রিয় হয়েছে প্রশাসন। বৈধ নথি দেখাতে না পারা বহু নির্মাণের ক্ষেত্রেই উচ্ছেদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।প্রশাসনিক সূত্রে খবর, নদী ও পরিবেশ সংরক্ষণের স্বার্থে এই অভিযান আরও বিস্তৃত হতে পারে। ইতিমধ্যেই এলাকায় বেআইনি দখল ও নির্মাণ সংক্রান্ত নথিপত্র খতিয়ে দেখা শুরু হয়েছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে বিতর্কের কেন্দ্রে থাকা ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।মাতলা নদীর চর এবং ম্যানগ্রোভ সংরক্ষণকে ঘিরে প্রশাসনের এই পদক্ষেপ আগামী দিনে আরও বড় অভিযানের সূচনা কি না, এখন সেদিকেই নজর স্থানীয় বাসিন্দা এবং রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২৩, ২০২৬
রাজ্য

দু’দিন পর তিস্তা থেকে উঠল গাড়ি, ভিতরে মিলল শিশুসহ একই পরিবারের ৪ জনের নিথর দেহ

চিকিৎসাধীন এক আত্মীয়ের সঙ্গে দেখা করতে সিকিম থেকে শিলিগুড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছিল একটি পরিবার। কিন্তু সেই যাত্রাই শেষ পর্যন্ত পরিণত হল মর্মান্তিক দুর্ঘটনায়। দুদিন নিখোঁজ থাকার পর রবিবার তিস্তা নদী থেকে উদ্ধার করা হল তাঁদের গাড়ি। গাড়ির ভিতর থেকেই উদ্ধার হয়েছে পাঁচ বছরের এক শিশুসহ একই পরিবারের চার সদস্যের দেহ।মৃতদের নাম সব্য নিউপানে, স্মরিকা নিউপানে, টিকা মায়া দাহাল এবং পাঁচ বছরের দিত্য ছেত্রী। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, প্রবল বৃষ্টির জেরে ধস নামায় গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তিস্তার গভীর খাদে পড়ে যায়।পরিবারটি শুক্রবার নিজেদের গাড়িতে করে সিকিম থেকে শিলিগুড়ির দিকে আসছিল। পথে রোম্বি এবং বাঘপুলের মাঝামাঝি ভেলাবাড়ি এলাকায় বিকেলের দিকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শেষবার ফোনে কথা হয়েছিল তাঁদের। এরপর থেকেই মোবাইল ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সেই সময় এলাকায় প্রবল বৃষ্টি হচ্ছিল। পাহাড়ি ঝরনাগুলিও ফুলেফেঁপে উঠেছিল। স্থানীয়দের ধারণা, সেই সময় আচমকা ধস নেমে আসায় গাড়িটি রাস্তা থেকে ছিটকে তিস্তার খাদে পড়ে যায়।পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ না হওয়ায় শুক্রবার রাত থেকেই উদ্বেগ বাড়তে শুরু করে। আত্মীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার সকাল থেকে শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ, সিকিম প্রশাসন এবং জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী যৌথভাবে উদ্ধারকাজে নামে।ডেপুটি কমান্ড্যান্ট সঞ্জয় রঞ্জনের নেতৃত্বে নদীর বিভিন্ন অংশে তল্লাশি চালানো হয়। অনুসন্ধানের সময় নদীর ধারে গাড়ির ব্যাটারি এবং কিছু ভাঙা অংশ উদ্ধার হয়। তাতেই দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও জোরালো হয়ে ওঠে। পরে নদীগর্ভে তল্লাশি চালিয়ে দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িটির সন্ধান পাওয়া যায়।রবিবার সকালে ফের উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। ডুবুরিদের নামানো হয় নদীতে। শেষ পর্যন্ত কালীবাড়ি এলাকার সামনে নদীর তলা থেকে গাড়িটি উদ্ধার করা হয়। গাড়ির ভিতরেই পাওয়া যায় চার জনের দেহ।উদ্ধার হওয়া দেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। উত্তরবঙ্গের বিপর্যয় মোকাবিলা দলের কমান্ড্যান্ট অজয় কুমার জানিয়েছেন, শনিবার থেকে টানা তল্লাশি চলছিল। রাতে অভিযান স্থগিত রাখা হলেও রবিবার সকালে আবার উদ্ধারকাজ শুরু হয়। ডুবুরিদের সাহায্যে গাড়ি এবং মৃতদেহগুলি উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে দুই পরিবারে। একটি সাধারণ সফর যে এমন ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনবে, তা কেউ কল্পনাও করতে পারেননি।

জুন ০৮, ২০২৬
কলকাতা

সরকারি বোর্ড লাগানো আইপ্যাকের গাড়ি! চালক নাবালক? জি টি রোডে তীব্র চাঞ্চল্য

শনিবার রাতে পুরনো জি টি রোডে একটি সাদা রঙের গাড়ি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। অভিযোগ, ওই গাড়িটি চালাচ্ছিল এক তরুণ, যার বয়স সম্ভবত আঠারোও হয়নি। অথচ সেই গাড়িতেই ছিল অন ডিউটি লেখা সরকারি বোর্ড এবং তাতে লেখা ছিল গভর্নমেন্ট অব ওয়েস্ট বেঙ্গল। এই ঘটনা ঘিরে গুরুতর অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস।কংগ্রেসের অভিযোগ, ওই গাড়িটি জেলা কংগ্রেস নেতা গৌরব সমাদ্দারের বাইকে ধাক্কা মারতে উদ্যত হয়। গৌরব সমাদ্দার রাজ্য কংগ্রেস কমিটির সদস্য এবং জেলার আইএনটিইউসি-র সভাপতি। শনিবার রাত সাড়ে সাতটার পর বড়নীলপুর মোড়ে এই ঘটনা ঘটে।অভিযোগ অনুযায়ী, সাদা রঙের গাড়িটি গৌরবের বাইকের খুব কাছ দিয়ে চলে আসে। পরিস্থিতি বুঝে তিনি গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে সেটির পথ আটকান। তখনই মোবাইলে লাইভ শুরু করেন তিনি। ধীরে ধীরে এলাকায় লোক জড়ো হতে শুরু করে। গৌরব পুলিশে ফোন করে পুরো ঘটনার কথা জানান।গৌরবের দাবি, গাড়িটি চালাচ্ছিল একেবারে কম বয়সি এক তরুণ। গাড়ির আরোহীরা নিজেদের আইপ্যাকের লোক বলে পরিচয় দেন। কিন্তু প্রশ্ন করা হলে, আইপ্যাকের গাড়িতে কেন সরকারি বোর্ড ব্যবহার করা হচ্ছে, তার কোনও স্পষ্ট উত্তর তাঁরা দেননি।পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গাড়ির ছবি তোলে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেয়। গৌরব সমাদ্দারের অভিযোগ পুলিশ গ্রহণ করেছে বলে জানা গিয়েছে।এই প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সাধারণ সম্পাদক বাগবুল ইসলাম বলেন, পুলিশে অভিযোগ হয়েছে। পুলিশ তদন্ত করবে। বিষয়টি দেখা হবে।অন্যদিকে বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, আইপ্যাকের কর্মীরা নিজেদের সরকারি সম্পত্তির মালিক মনে করছে। আইপ্যাকের গাড়িতে কীভাবে সরকারের বোর্ড থাকতে পারে, সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
রাজ্য

বেতন বাড়লো ভোটার তালিকা সংশোধন ও বিশেষ ড্রাইভারের কাজে নিয়ুক্তদের

আগামী বছর বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। কয়েক মাস বাদে বিহার বিধানসভা ভোট। চলছে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ। এরই মধ্যে বেতন বাড়লো ভোটার তালিকা সংশোধন ও বিশেষ ড্রাইভের কাজে যুক্ত বিএলও এবং সুপারভাইজারদের। তাঁদের ন্যূনতম বাৎসরিক বেতন একধাক্কায় প্রায় দ্বিগুণ করল নির্বাচন কমিশন। নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, বুথ লেভেল অফিসাররা বছরে ১২ হাজার টাকা এবং বিএলও সুপারভাইজাররা ১৮ হাজার টাকা করে পাবেন।এর পাশাপাশি, বিশেষ ড্রাইভের জন্য বিএলওদের অতিরিক্ত ২ হাজার টাকা ইনসেনটিভও দেবে কমিশন। ২৪ জুলাই প্রকাশিত নির্দেশে কমিশন জানিয়েছে, ২০১৫ সালের পুরনো নির্দেশ বাতিল করে এই নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করা হচ্ছে। সমস্ত রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের জানানো হয়েছে, এই নির্দেশ দ্রুত বাস্তবায়ন করে সংশ্লিষ্টদের জানিয়ে দিতে হবে।

জুলাই ২৫, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

বিশ্বে এত সরু নদীও আছে! যার গড় প্রস্তের পরিমাপ সেন্টিমিটারেই আটকে

সত্যি বাস্তবে এমন নদী থাকতে পারে ভাবাই যায় না। এই নদী পার হতে নৌকার প্রয়োজন নেই, এক লাফ দিলেই পার হওয়া যায় নদী। চিনের উত্তরের ইনার মঙ্গোলিয়া অঞ্চলে হুয়ালাই নদী। বিশ্বের সব চেয়ে সরু নদী হিসেবে স্বীকৃতি আছে এই নদীর। এর গড় প্রস্থ ১৫ সেন্টিমিটার। সবচেয়ে সরু পয়েন্টটি মাত্র ৪ সেন্টিমিটার চওড়া। তবে লম্বা ১৭ কিলোমিটার।নদীর স্বীকৃতি পেতে যেসব শর্ত মানতে হয়, সেগুলো মেনেই নদীর মর্যাদা পেয়েছে হুয়ালাই। এক লাফে পার হওয়া যায় বলে এটাকে খাটো করে দেখার জো নেই। এই নদীর একাধিক বিশেষত্ব আছে। যা অনেক বড় নদীর নেই। কারণ চীনা বিশেষজ্ঞদের মতে, ১০ হাজার বছর ধরে হুয়ালাইতে জলের প্রবাহ একই রকম আছে। মাটির তলায় থাকা একটি স্রোত থেকেই এই নদীর উৎপত্তি। এরপর থেকে কখনই এর প্রবাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়নি, নদী কখনও শুকিয়েও যায়নি। নদীর জল এঁকে বেঁকে গিয়ে পড়েছে হেক্সিগট্যান গ্রাসল্যান্ড ন্যাচার রিজার্ভের দালাই নুর লেকে।সারাবছরই হুয়ালাইতে স্রোত থাকে। গভীরতা গড়পড়তায় ৫০ সেন্টিমিটার হলেও এর পানি একদম স্বচ্ছ। যা দিয়ে আশপাশে সেচের কাজ তো হয়ই, বুনো প্রাণীরাও আসে এর স্রোত থেকে পান করতে। এককথায় এই হুয়ালাই নদীর ছবি দেখলেও যে কারও মন কেড়ে নিতে বাধ্য।।

জানুয়ারি ৩০, ২০২৫
রাজ্য

বীরভূমে নদীতে উল্টে গেল স্পিড বোট, কোনওমতে প্রাণরক্ষা সাংসদ, বিধায়কসহ প্রশাসনিক কর্তাদের

বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেলেন সাংসদ, বিধায়ক ও প্রশাসনের কর্তারা। দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের লাভপুরে।স্থানীয়দের তৎপরতায় তাঁদের উদ্ধার করা হয়। জেলা শাসক, জেলা পুলিশ সুপার, দুই সাংসদ, বিধায়ক সহ মোটব১৩ জন চেপেছিলেন স্পিড বোটে। প্রশ্ন উঠছে সেফটি জ্যাকেট না নিয়ে কেন স্পিড বোডে চড়লেন প্রশাসনের শীর্ষকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা।জানা গিয়েছে, তিনদিনের অতি বৃষ্টিতে বীরভূমের লাভপুরে কুয়ে নদীর বাঁধ ভেঙে যায়। ফলে নদী সংলগ্ন বলরামপুর গ্রাম সম্পূর্ণ ভেসে যায়। পাশেপাশের আরও কয়েকটি গ্রাম এখনও জলমগ্ন। ওই গ্রামগুলির সঙ্গে যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন। সেই সমস্ত গ্রামের মানুষদের পাশে দাঁড়াতে বুধবার এলাকা পরিদর্শনে যান জেলা শাসক বিধান রায়, জেলা পুলিশ সুপার রাজনারায়ণ মুখোপাধ্যায়, বোলপুরের সাংসদ অসিত মাল, রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলাম, লাভপুরের বিধায়ক অভিজিৎ সিনহাসহ সহ মোট ১৩ জন। সেফটি জ্যাকেট ছাড়াই একটি স্পিড বোর্ডে তাঁরা দুর্গত এলাকায় যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আচমকা বোর্ডটি কুয়ে নদীতে উল্টে যায়। জেলা পুলিশ সুপার ছাড়া সকলেই নদীতে পরে যান। উদ্ধারকারী দল এবং স্থানীয়দের প্রচেষ্টায় সকলকে উদ্ধার করা হয়।নদী থেকে উঠে সাংসদ অসিত মাল বলেন, হঠাৎ নদীর স্রোতে স্পিড বোর্ড উল্টে যায়। আমি সাঁতার জানতাম। কিন্তু জলের স্রোতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সাঁতার কাটতে পারছিলাম না। এরপর একটা গাছের ডাল ধরে ঝুলতে থাকি। কিছুক্ষনের মধ্যেই উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা আমাকে উদ্ধার করে। মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে এলাম।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৪
রাজ্য

তিস্তার জল বেড়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি, আটকে পড়েছেন দেড় হাজার দেশি-বিদেশি পর্যটক

তিস্তা ফুঁসছে, জল বইছে বিপদসীমার ওপর দিয়ে। এখনও আটকে আছে প্রায় দেড় হাজার পর্যটক। বৃষ্টির পূর্বাভাসে ভয় বাড়াচ্ছে সিকিম, দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে। লাগাতার ৪৮ ঘন্টার বৃষ্টিতে তিস্তোর জল বেড়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি সিকিম ও কালিম্পংয়ের। তিস্তার জল রাস্তায় উঠে পড়ায় সম্পূর্ণরূপে বিপর্যস্ত ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে যান চলাচল। সিকিমে প্রবল বৃষ্টির কারণে বুধবার রাত থেকেই ব্যাপক আকারে জল বাড়তে থাকে তিস্তার। বৃহস্পতিবার পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নেয়। তিস্তার জলস্রোতে নদীগর্ভে চলে যায় একাধিক পাহাড়ি পথ। শুক্রবার বিপর্যস্ত ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে ছোট ছোট গাড়ি চলচল শুরু করলেও, বড় গাড়ি গরুবাথান হয়ে গ্যাংটকে যাচ্ছে বলে কালিম্পং জেলা পরিষদ সূত্রে খবর। গত তিন-চারদিন ধরে লাগাতার বর্ষণ চলছে সিকিমে। প্রবল বর্ষণে সিকিমের একাধিক জায়গায় ধস নামে। গত সোমবার সিকিমে ধসের কারণে প্রাণ হারায় তিন বাসিন্দা। এখনও উত্তর সিকিমে একাধিক জায়গা ধসে বিধ্বস্ত। একেবারেই লণ্ডভণ্ড পরিস্থিতি। জায়গায় জায়গায় আটকে আছেন প্রায় ১৫০০ পর্যটক। মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় তাঁদের সঙ্গে পরিজনদের যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন। খারাপ আবহাওয়ায় উদ্ধার কাজও ব্যহত হচ্ছে। প্রবল বৃষ্টিতে ফুঁসছে তিস্তা। তিস্তার জল বেড়ে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় কালিম্পং জেলার তিস্তা বাজার এলাকা। তবে তিস্তা বাজার এলাকায় পরিস্থিতি একপ্রকার নিয়ন্ত্রণে বলে জানাল প্রশাসন। এদিকে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় শুক্রবার জরুরি ভিত্তিতে কালিম্পংয়ে বৈঠক করেন জেলা প্রশাসনের কর্তারা। কালিম্পংয়ের জেলাশাসক শ্রী বালসুব্রহ্মণ্যম বলেন, বর্তমানে তিস্তা ভয়ংকর গতিতে প্লাবিত হচ্ছে। সিকিমের সব বাঁধ খুলে দেওয়ায় বৃষ্টির জল সরাসরি তিস্তা দিয়ে বাংলায় প্রবেশ করছে। যার দরুন অল্প বৃষ্টিতে তিস্তার জল দ্রুত বেড়ে উঠছে। সেই কারণে যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। কিছু যানবাহনকে ঘুর পথে লাভা, লোলেগাঁও, গরুবাথান হয়ে শিলিগুড়ি যাওয়া আসার কথা বলা হয়েছে। গ্যাংটকে দেড় হাজারের বেশি দেশি-বিদেশি পর্যটক আটকে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের ঘুর পথে সমতলে নামানোর চেষ্টা করছে সিকিম প্রশাসন। কিন্তু আবহাওয়া খারাপ থাকায় থমকে যাচ্ছে সেই চেষ্টা। বিপর্যস্ত সিকিমকে স্বাভাবিক করতে কাজ করছে ভারতীয় সেনা। কালিম্পংয়ের পুলিশ সুপার শ্রী হরি পাণ্ডে জানিয়েছেন, ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক দিয়ে ছোট ছোট গাড়ি চলাচল শুরু হয়েছে। বড় গাড়িগুলি গ্যাংটক যাচ্ছে গরুবাথান, লাভা লোলেগাঁও হয়ে। মল্লি এলাকায় তিস্তা নদী তীরবর্তী এলাকার বেশ কয়েকটি পরিবারকে নিরাপদ আশ্রয়ে পাঠানো হয়েছে। লামাহাটা হয়ে পেষক রোড দিয়ে দার্জিলিং যাওয়া বা দার্জিলিং থেকে এই পথে সিকিম, কালিম্পং যাওয়ার রাস্তা বন্ধই থাকছে। কালিম্পংয়ের বিডিও সামিরুল ইসলাম জানান, আট মাস আগে যাদের ঘর-বাড়ি নষ্ট হয়েছিল তাঁদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছিল। সেই বাড়িগুলিই মেরামত করে ওরা ওখানে থাকছিলেন। ওদের জন্য বিকল্প শেল্টার তৈরি রয়েছে। পাশাপাশি এনএইচপিসি যে এলাকায় কাজ করছে সেখানে ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত ক্ষতিপূরণ দিতে এনএইচপিসিকে বলা হয়েছে। এদিকে গত ২৪ ঘন্টাতেও পাহাড়ে প্রবল বৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবারও ফের ভারি বর্ষণের পূর্বাভাস আছে সিকিমে। পুরো পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে প্রশাসন। এরইমধ্যে তিস্তায় থাকা সমস্ত জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জলাধারের লকগেট খোলা রাখা হয়েছে। সমতলে গজলডোবায় অধিকাংশ লকগেট খুলে দেওয়া হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ি লাগোয়া ক্রান্তি ব্লকে। তিস্তা নদীর জলস্তর বেড়ে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে ব্লকের বেশ কয়েকটি গ্রামে। জলমগ্ন হয়ে পড়েছে বহু পরিবার। ইতিমধ্যে তিস্তানদী বাঁধের উপরে প্লাস্টিকের অস্থায়ী তাঁবু বানিয়ে আশ্রয় নিয়েছে বহু পরিবার। যেকোনও পরিস্থিতির মোকাবিলায় সজাগ রয়েছে জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসন। বিভিন্ন নদী পার্শ্ববর্তী এলাকায় মাইকিং করে সতর্ক করা হচ্ছে স্থানীয়দের। খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম, হেল্পলাইন নাম্বার। বন্যা কবলিত এলাকার মানুষদের ত্রাণ শিবিরে নিয়ে যাওয়ার কাজ চলছে। উল্লেখ্য, লাগাতার বৃষ্টি এবং ধসের কারণে ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের একাধিক অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে মেলি ব্রিজ, রবি ঝোড়া, লিখু ভিড় এলাকায় রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রম্বি ঝোড়া, তিস্তা বাজার,পেশক থেকে দার্জিলিঙের রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ রাখা হচ্ছে। অন্যদিকে, রংপো থেকে মানসং, ১৭ মাইল, লাভা, গোরুবাথান হয়ে শিলিগুড়ি পর্যন্ত ছোট গাড়ি চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কালিম্পং থেকে দার্জিলিঙের সব গাড়ি ২৭ মাইল, তিস্তা ভ্যালি দিয়ে যাতায়াত করানো হচ্ছে। দার্জিলিংয়ের মল রোডে গোর্খা রঙ্গমঞ্চের কাছে একটি গাছ গাড়ির উপর ভেঙে পড়ায় গাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

জুন ১৫, ২০২৪
কলকাতা

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের ১০ দিনের মধ্যে চালু হচ্ছে গঙ্গার নীচের মেট্রোপথ, একঝলকে হাওড়া থেকে ধর্মতলা

গত ৬ মার্চ গঙ্গার নীচের মেট্রোপথের উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন থেকে একাধিক মেট্রো প্রকল্পের উদ্বোধনের পর স্কুলপড়ুয়াদের সঙ্গে মেট্রো সফরও করেন তিনি। কিন্তু আদৌ কবে যাত্রীরা এই মেট্রো পথে সফর করতে পারবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন ছিল। অবশেষে শনিবার দুপুরে মেট্রোর তরফে ঘোষণা করা হল যে, আগামী শুক্রবার (১৫ মার্চ) সাধারণ যাত্রীদের জন্য খুলে যাবে এসপ্ল্যানেড-হাওড়া ময়দান রুটে গঙ্গার নীচ দিয়ে মেট্রোর দরজা।এছাড়া আগামী শুক্রবার থেকে নিউ গড়িয়া থেকে রুবি পর্যন্ত এবং জোকা-তারাতলা মেট্রোপথের মাঝেরহাট পর্যন্ত সম্প্রসারিত অংশেও মেট্রো চলাচল শুরু হবে।কলকাতা মেট্রোর তরফে জানানো হয়েছে যে, এসপ্ল্যানেড ও হাওড়া স্টেশন থেকে দিনের প্রথম মেট্রো ছাড়বে সকাল ৭টায়। শেষ মেট্রো ছাড়বে রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে। গোটা দিন মোট ১৩০টি মেট্রো যাত্রীদের পরিষেবা দেবে। ব্যস্ত সময়ে ১২ মিনিট অন্তর এবং অন্য সময়ে ১৫ মিনিটের ব্যবধানে মেট্রো পরিষেবা মিলবে। তবে রবিবার মেট্রো পরিষেবা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।রুবি-গড়িয়া মেট্রোপথে সকাল ৯টায় দিনের প্রথম মেট্রো ছাড়বে রুবি এবং গড়িয়ে স্টেশন থেকে। শেষ মেট্রো ছাড়বে বিকেল ৪টে ৪০ মিনিটে। ২০ মিনিট অন্তর পরিষেবা পাওয়া যাবে। তবে এই মেট্রোপথে শনি ও রবিবার কোনও পরিষেবা মিলবে না।অন্যদিকে, জোকা-তারাতলা মেট্রোপথের মাঝেরহাট পর্যন্ত সম্প্রসারিত অংশে ২৫ মিনিট অন্তর মেট্রো পাওয়া যাবে। দিনের প্রথম মেট্রো ছাড়বে সকাল সাড়ে ৮টায়, শেষ মেট্রো দুপুর বিকেল ৩টে ৩৫ মিনিটে। এই মেট্রো পথেও শনিবার এবং রবিবার মেট্রো পরিষেবা মিলবে না।নদীর উপরের জলস্তর থেকে ৩৩ মিটার নীচে তৈরি হয়েছে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর এসপ্ল্যানেড থেকে হাওড়া ময়দান পর্যন্ত যাওয়ার সুড়ঙ্গ। নদীখাতের থেকে আরও ১৩ মিটার গভীরে পলিমাটির ভিতর দিয়ে গিয়েছে সেগুলি। জোড়া সুড়ঙ্গের পেট চিরে ছুটবে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো। মেট্রোযাত্রীদের মাথার উপর দিয়ে বয়ে যাবে গঙ্গা। কখন গঙ্গার নীচ দিয়ে ট্রেন ছুটছে সেটা জানা যাবে ট্রেনে বসেই। ৫২০ মিটার সুড়ঙ্গপথ পার হওয়ার সময়ে যাত্রীদের বিশেষ অনুভূতি দিতে নীল রঙের এলইডি আলো বসানোর কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। তবে ওই পথটুকু পার হতে সময় লাগবে দেড় মিনিটেরও কম। গঙ্গা দিয়ে মেট্রো যাওয়ার সময় যাত্রীরা ফোনে কথা বলতে পারবেন। এ জন্য অপটিক্যাল ফাইবার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।

মার্চ ০৯, ২০২৪
কলকাতা

মেট্রো হুগলি নদীর নীচ দিয়ে যুক্ত করলে হাওড়া ও কলকাতাকে

কলকাতা মেট্রোর মুকুটে যুক্ত হলো আরও একটি নতুন পালক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নবনির্মিত এসপ্লানেড মেট্রো স্টেশন থেকে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ইস্ট -ওয়েস্ট মেট্রোর হাওড়া ময়দান থেকে এসপ্লানেড অংশের (৪.৮ কি মি দীর্ঘ) উদ্বোধন করলেন। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী এদিন অরেঞ্জ লাইনের কবি সুভাষ - হেমন্ত মুখোপাধ্যায় অংশ (৫.৪ কি মি দীর্ঘ ) এবং পার্পল লাইনের সম্প্রসারিত তারাতলা - মাঝেরহাট অংশেরও (১.২৫ কি মি দীর্ঘ ) উদ্বোধন করেন। এই করিডোরগুলির উদ্বোধনের ফলে কলকাতা এবং হাওড়ার পরিবহণ মানচিত্রে এক বিরাট পরিবর্তন আসতে চলেছে। উদ্বোধনের আগে প্রধানমন্ত্রী মোদী নবনির্মিত এসপ্লানেড স্টেশনের বাইরে ও ভেতরে প্রতীক্ষারত জনসাধারণের উদ্দেশ্যে হাত নাড়েন। মেট্রো রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজার পি উদয় কুমার রেড্ডি ত্রিমাত্রিক মডেলের সাহায্যে প্রধানমন্ত্রীকে ইস্ট - ওয়েস্ট মেট্রো প্রকল্প ব্যাখ্যা করে বোঝান। ইঞ্জিনিয়ারিং কর্মকাণ্ডের এক অত্যাশ্চর্য এই নিদর্শন সম্বন্ধে বিস্তারিতভাবে অবহিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেন। সারা দেশে এই প্রথম হুগলির মতো কোনও বড় নদীর নিচ দিয়ে মেট্রো পরিষেবা চালু করার স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়ার জন্য মেট্রোর আধিকারিক, কর্মী , ইঞ্জিনিয়ার ও শ্রমিকদের প্রশংসা করেন। ইস্ট -ওয়েস্ট মেট্রো প্রকল্পের এই অংশ গণ-পরিবহণ ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল, ঝঞ্ঝাটমুক্ত ও পরিবেশ-বান্ধব করে তুলবে।উদ্বোধনের পরে মোদী পতাকা নেড়ে নতুন এই তিনটে রুটে মেট্রো যাত্রার সূচনা করেন। এসপ্লানেড থেকে মেট্রোয় চেপে সফরও করেন প্রধানমন্ত্রী। এই সফরকালে তিনি স্কুলের পড়ুয়া, শ্রমিক ও ইঞ্জিনিয়ারদের পাশে বসে তাদের সাথে মত বিনিময়ও করেন। পড়ুয়াদের থেকে তিনি কলকাতা মেট্রোর কাছে তাঁদের প্রত্যাশা সম্বন্ধে বিশদে জানতে চান। এছাড়াও প্রথম বারের জন্য হুগলি নদীর নিচ দিয়ে যাত্রার অভিজ্ঞতা কেমন লাগল তা তিনি জানতে চান। পড়ুয়ারা কলকাতা ও আশেপাশের অধিবাসীদের এই স্বপ্নের প্রকল্প বাস্তবায়িত করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। প্রসঙ্গত আজ কলকাতা মেট্রো নেটওয়ার্কের সঙ্গে আরোও ১১.৪৫ কি.মি. দৈর্ঘ্য জুড়ে গেলো যা নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৬৯২৫ কোটি টাকা। দক্ষিণ ২৪ পরগণা , হাওড়া , হুগলি , মেদিনীপুরের প্রত্যন্ত এলাকার অধিবাসীরা কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন অঞ্চলে ঝঞ্ঝাটমুক্ত ভাবে খুব সহজেই দ্রুত পৌঁছতে পারবেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর এসপ্লানেড স্টেশন চত্বরে উচ্ছাসে ফেটে পড়েন মেট্রোর আধিকারিক ও কর্মীরা। দীর্ঘদিনের স্বপ্নপূরণের উচ্ছাসে একে অপরকে আলিঙ্গণ করেন তাঁরা। এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী আজ আগ্রা, পুনে, কোচি এবং দিল্লি - মিরাট আর.আর.টি.এস -এর একটি অংশের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন হওয়া এইসব অংশে পতাকা নাড়িয়ে প্রথম ট্রেন পরিষেবার সূচনা করেন তিনি।

মার্চ ০৬, ২০২৪
কলকাতা

নদীগর্ভে দেশের প্রথম পাতাল রেল কলকাতায় , জলের তলায় পাওয়া যাবে ফোনের পরিষেবা।

গঙ্গার নিচে সুড়ঙ্গের মধ্যে দিয়ে ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রো রেল প্রকল্পের আজ শুভ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এছাড়াও ভারচুয়াল মাধ্যমে নিউ গাড়িয়া থেকে রুবি পর্যন্ত মেট্রো রেল পরিষেবা এবং তাড়াতলা থেকে মাঝেরহাট পর্যন্ত সম্প্রসারিত রুটের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ সুত্রে জানা গেছে, আজ উদ্বোধনের পরই দ্রুত শুরু হতে চলেছে এই রূট গুলির মেট্রো পরিষেবা। ভবিষ্যতে হোয়াটস্যাপ টিকিট ও চালু করার পরিকল্পনা চলছে বলে জানিয়েছেন রেলের সিপিআরও।জলের তলায় মোবাইল পরিসেবা পাওয়া নিয়ে মেট্রো রেল যাত্রীদের একটা দুর্ভাবনা ছিল। সে দূর্ভাবনা দূর করতে, ভারতীয় এয়ারটেল এবং ভোডাফোন, আইডিয়া-র অধিকর্তারা জানান, মেট্রো রেলের ইস্ট ওয়েস্ট জোনে নিরবিচ্ছিন্নভাবে মোবাইল পরিষেবা দেওয়ার পরিকাঠামো সম্পূর্ণ হয়েছে। কোলকাতার প্রথমদিকের মেট্রো রেলে দীর্ঘদিন মোবাইল পরিষেবা পাওয়া যায়নি, পরে মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ সেই প্রসঙ্গে বিশেষ পরিকাঠামো তৈরী করেন। বিভিন্ন টেলিকম সংস্থাগুলিও তাদের পরিষেবার মান উন্নত করেন। এবার ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রোর এসপ্ল্যানেড থেকে হাওড়া ময়দানের মধ্যে দূরত্বের একাংশে দশতলা বাড়ির সমান গভীরতায় গঙ্গার নিচে ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গপথে ছুটবে ট্রেন।The metro journey was made memorable thanks to the company of these youngsters and those who worked on this project. We also travelled through the tunnel under the Hooghly river. pic.twitter.com/wAGQ3wuS2v Narendra Modi (@narendramodi) March 6, 2024দূরভাষ পরিসেবা প্রদানকারী সংস্থা এয়ারটেল জানিয়েছে, প্রথম থেকেই উন্নত পরিষেবা দিতে নেটওয়ার্ক পরিকাঠামোর জন্য হাওড়া ময়দান, হাওড়া স্টেশন, মহাকরণ এবং এসপ্ল্যানেড স্টেশনগুলি ফাইবার অপটিক-এর মাধ্যমে যুক্ত হয়েছে। ৫জি র গতিতে নিরবিচ্ছিন্ন ফোন বা ডেটা পরিষেবা দিতে তৈরী হয়েছে উন্নত পরিকাঠামো। দ্রুতগতির ভিডিও প্রবাহ, গেমিং, চ্যাটিং, ছবি তুলে উপলোডে করার মতো পরিষেবা দিতে তারা তৈরী বলে দাবি সংস্থার সিইও অয়ন সরকারের।আরও এক দূরভাষ পরিসেবা প্রদানকারী সংস্থা ভোডাফোনের ডিরেক্টর নবীন সিঙ্গভি মঙ্গলবার বলেন, ময়দান - এসপ্ল্যানেড অংশে নেটওয়ার্ক পরিষেবা কাঠামো সম্পূর্ণ। যার হাত ধরে ইস্ট- ওস্টের ১৭টি মেট্রো স্টেশনেই তাদের গ্রাহক মোবাইল পরিষেবা পাবেন।

মার্চ ০৬, ২০২৪
কলকাতা

গাড়ি চালকের অবসরের দিনে মেট্রোকর্তার অদ্ভুত সম্মান প্রদান, যা শুনে আপনারও মন ছুঁয়ে যাবে

কার্তিকচন্দ্র মন্ডল জীবিকা নির্বাহের জন্য পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন গাড়ি চালানোকে। চাকরি হিসেবে তিনি ড্রাইভার পদে যুক্ত হয়েছিলেন কলকাতা মেট্রো রেলে। সেখানেই তিনি কলকাতা মেট্রো রেলের জেনারেল ম্যানেজার পি উদয়কুমার রেড্ডির গাড়ি চালাতেন। স্বাভাবিকভাবে এমন একজন গুরুত্বপূর্ণ মানুষের গাড়ি চালানায় যে বাড়তি সতর্কতা কিংবা নিয়মানুবর্তিতার প্রয়োজন, সে বিষয়কে মাথায় রেখে নিজের কাজ দায়িত্বশীলতার সাথে পালন করেছেন নিজের কর্মজীবনে। ফলস্বরূপ মেট্রোরেলের বিভিন্ন অফিসার এবং সহকর্মীদের স্নেহ ও ভরসার পাত্র হয়ে উঠেছিলেন তিনি। বিশেষ করে জেনারেল ম্যানেজার পি উদয়কুমার রেড্ডির কাছের পাত্র হয়েছিলেন প্রতিদিন একসাথে যাওয়া-আসার সুবাদে। সেই কার্তিক মন্ডল কর্মজীবন থেকে অবসর নিলেন আজ, মঙ্গলবার। এই অবসরের দিনে আনুষ্ঠানিক বিদায় সম্বর্ধনা অনুষ্ঠিত হয় মেট্রো রেল ভবনে। এদিন কার্তিকবাবুর কর্তব্যনিষ্ঠা এবং সময়ানুবর্তিতাকে সম্মান জানিয়ে বিদায়লগ্নে তাঁকে জেনারেল ম্যানেজার পি উদয়কুমার রেড্ডি নিজে গাড়ি চালিয়ে - কার্তিকবাবুকে পেছনে বসিয়ে বাড়িতে পৌঁছে দেন। অবসরের দিন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তার থেকে এহেন সম্মান পেয়ে হতবাক কার্তিকবাবু। আনন্দ এবং গর্ব অনুভব করার প্রতিফলন ধরা পড়ছিল কার্তিকবাবুর অশ্রুসিক্ত চোখের এক কোণে। এই সম্মান ও ভালোবাসা তাঁর অবসরযাপনকালে স্মৃতির মণিকোঠায় অম্লান হয়ে থাকবে। চালকের প্রতি বিশেষ সম্মান জানানোয় মেট্রো রেলের কর্মীরা সাধুবাদ জানিয়েছেন পি উদয়কুমার রেড্ডিকে।মেট্রোরেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শ্রী কৌশিক মিত্র এবিষয়ে জানিয়েছেন, কার্তিক চন্দ্র মন্ডল মেট্রোরেলের জেনারেল ম্যানেজার পি উদয় কুমার রেড্ডির গাড়ি চালানোর কাজের সাথে যুক্ত ছিলেন এবং তিনি তাঁর দায়িত্ব সাফল্যের সাথে পালন করেছেন। অবসরের দিন স্বয়ং জেনারেল ম্যানেজারের কার্তিকবাবুর প্রতি এহেন সম্মান প্রদর্শন এক দৃষ্টান্ত স্বরূপ।

নভেম্বর ০১, ২০২৩
রাজ্য

কুমিরের পর এবার গঙ্গায় ধরা পড়ল ঘড়িয়াল, মালদার গ্রামে হইচই

এর আগে গঙ্গায় কুমির দেখা গিয়েছিল। কুমির ধরাও পড়েছিল। এবার এল ঘড়িয়াল। বুধবার সকালে মাছ ধরতে গিয়ে মাঝিদের জালে ধরা পড়লো একটি ঘড়িয়ালের বাচ্চা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল শোরগোল পড়ে যায় মানিকচক ব্লকের মথুরাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উৎসবটোলা এলাকায়। এরপর মাঝিরা ওই ঘড়িয়ালের বাচ্চাকে গঙ্গা নদী থেকে নিজেদের উৎসবটোলা গ্রামে নিয়ে আসে। ঘড়িয়াল দেখতে ভীড় করে স্থানীয় মানুষজন। তারপর খবর দেওয়া হয় বন দপ্তরে। পরে বনদপ্তরের কর্মীরা এসে ঘড়িয়ালটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।উৎসবটোলা এলাকার মাঝি তুফান চৌধুরী জানান, এদিন ভোরে তিনি মথুরাপুরের গঙ্গা নদীতে নৌকায় করে জাল ফেলে মাছ ধরছিলেন। সেই সময় তার জালেই একটি বাচ্চা ঘড়িয়াল আটকে পড়ে। তাতেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। কোনওরকমে জালে পেঁচানো ওই ঘড়িয়ালটিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয় গ্রামে।বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ধরনের ঘড়িয়াল বর্ষার মরশুমে মাঝেমধ্যেই মালদার ফুলাহার এবং গঙ্গা নদীতে দেখা যায়। মূলত ঘড়িয়ালরা প্রজনন ঘটাতে এবং খাবারের খোঁজে এইসময় নদীতে চলে আসে। ফোর ঘড়িয়ালটিকে নদীতে ছেড়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করবে বন দফতর।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৩
কলকাতা

সেলফিই কাল, সৎকারে গিয়ে গঙ্গায় তলিয়ে গেলেন পাঁচ যুবক

মৃতদেহ সৎকার করতে এসে সেলফিতে মেতেছিলেন পাঁচ যুবক। শহরের নিমতলা ঘাটে এই সেলিফর সময় বান আসতেই গঙ্গায় তলিয়ে যায় পাঁচ যুবক। সোমবার রাতের এই ঘটনার পর স্থানীয়দের তৎপরতায় দুজন যুবককে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। মঙ্গলবার সকাল থেকেই ডুবুরি নামিয়ে নিখোঁজদের তল্লাশি চালানো হচ্ছে। জানা গিয়েছে, মৃত এক যুবককে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।পুলিশের দাবি, যুবকরা সৎকার করতে নিমতলা ঘাটে এসেছিলেন। তখন গঙ্গায় বান আসার সতর্কতা ঘোষণা করা হচ্ছিল। এরা সবাই মদ্যপ অবস্থায় ছিল। সতর্কতা ঘোষণাকে কোনও তোয়াক্কা করেনি বেলেঘাটার এই পাঁচ যুবক।

অক্টোবর ১১, ২০২২
রাজ্য

টোটোচালকদের রাস্তা অবরোধ, বিধায়কের বিরুদ্ধে স্লোগান, ধুন্ধুমার বর্ধমানে

বর্ধমানের স্টেশনের সামনে টোটো চালকদের পথ অবরোধ। তাঁদের দাবি না মানলে টোটো চলাচল বন্ধ থাকবে। টোটো চলাচল না করায় সমস্যায় পড়েছে নিত্যযাত্রী থেকে রোগীরা। ঘটনাস্থলে বর্ধমান থানার আইসি এবং ডিএসপি হেডকোয়ার্টার। তৃণমূলের পতাকা নিয়ে বিধায়ক খোকন দাসের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন টোটোচালকরা। দাবি না মিটলে লাগাতার অবরোধ করা হবে বলে তাঁরা জানিয়ে দিয়েছেন।পৌরসভার পক্ষ থেকে টোটো চালকদের রুট ভাগ করার প্রতিবাদে পথে নেমেছেন বর্ধমানের টোটো চালকরা। চার পাঁচ দিন আগে শহরে টাউন সার্ভিস বাস ছাড়া অন্য কোন বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে। দক্ষিণ দামোদর এলাকার বাস শহরে না ঢোকায় এমনিতেই সাধারণ মানুষ নাজেহাল হচ্ছে। তার উপর সোমবার সকাল থেকে শহরে টোটো চলাচল না করায় চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে অফিস কর্মী ঘেকে স্কুল কলেজের ছাত্র ছাত্রীদের। যাতায়াতের জন্য পযাপ্ত যানবাহন না পেয়ে নাজেহাল হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। টোটো চালকের দাবী, প্রশাসন তাদের জন্য সিফট ভাগ করে দিয়েছে। কিন্তু এখন রুট ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। তারা রুট ভাগ মানবেন না। এই দাবীতে শহরের বিভিন্ন জায়গায় টোটো চালকরা বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২২
রাজ্য

ফের খুন পানিহাটিতে! বন্ধুদের মধ্যে মদ্যপানে বচসা,তার জেরে চার বন্ধু মিলে গলার নলি কেটে গঙ্গার চড়ে পুতে দেওয়ার অভিযোগ,গ্রেপ্তার চার

যানা যায়, পানিহাটি পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পিভি গঙ্গার ঘাটে ৫ বন্ধু মিলে মদ্যপান করছিল, সেই সময় ভান্ডারী নামে এক বন্ধু বাকি চার বন্ধুর সাথে বচসায় জড়িয়ে পড়ে। বচসা চলাকালীন চার বন্ধু মিলে ভান্ডারী নামের যুবককে গলার নলি কেটে গঙ্গার মাটির চরে পুঁতে দেয় এমনটাই অভিযোগ। সকালে এসে স্থানীয় বাসিন্দারা দেখতে পায় গঙ্গায় মৃতদেহ, তারপর খড়দহ থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়ে দেয়।খুনের তদন্তে নেমে খরদা থানার পুলিশ ঘটনার সাথে যুক্ত চার অভিযুক্তকে মুস্তাক, সূর্য, লাল্লু ও নিবেদকে বেলঘড়িয়া কামারহাটি ও আগরপাড়া অঞ্চল থেকে খুনে ব্যবহৃত চপার সহ গ্রেপ্তার করে। আজ অভিযুক্তদের ব্যারাকপুর আদালতে তোলা হবে। খুনের ঘটনায় এলাকায় মানুষের মধ্যে যথেষ্ট আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২
রাজ্য

রতুয়ার বিলাইমারি এবং মহানন্দা টোলা এলাকায় কোশি নদীতে ব্যাপক ভাঙন

গঙ্গার পাশাপাশি ফুঁসছে কোসি নদী। কোশি নদীতে ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে মালদার রতুয়ার বিলাইমারি এবং মহানন্দা টোলা এলাকায়। পাঁচ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে চলছে ভাঙ্গন। বাড়িঘর খুলে নিচ্ছেন এলাকার বাসিন্দারা। মুহূর্তের মধ্যে নদীগর্ভে তলিয়ে যেতে পারে সাতটি গ্রাম আশঙ্কা গ্রামবাসীদের। প্রশাসনের তরফে এখনো এলাকায় ভাঙন রোধের কাজ আরম্ভ হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। ফলে নদীর গ্রাস থেকে গ্রামকে রক্ষা করার জন্য গ্রামবাসীরা চাদা তুলে নিজেদের উদ্যোগে গাছ বালির বস্তা ফেলে কোনক্রমে ভাঙন আটকানোর চেষ্টা করছেন। যদিও এইভাবে ভাঙ্গন আটকানো সম্ভব নয় বলে দাবি তাদের। কার্যত ভূতনির চড়ে সাঁড়াশি আক্রমণ চালাচ্ছে গঙ্গা ও কোসি নদী।

আগস্ট ৩০, ২০২২
রাজ্য

ময়ুরাক্ষীতে স্নান করতে গিয়ে তলিয়ে গেল দুর্গাপুরের এক বেসরকারি সংস্থার দুই কর্মী

বনভোজনে গিয়েই বড়সড় দুর্ঘটনার কবলে পড়ল দুই যুবক। শনিবার বীরভূমের সাঁইথিয়া দেরিয়াপুর গ্রামের লিচুবাগান এলাকায় পাঁচ যুবক বনভোজনে গিয়েছিলেন। বর্ষায় টইটুম্বুর নদীতে স্নান করতে নেমেই ঘটে বিপদ। দুজন যুবক তলিয়ে যায় নদীতে। গতকাল থেকে নিখোঁজদের সন্ধান চলছে। স্থানীয়দের বক্তব্য, নদী থেকে অবৈজ্ঞানিক ভাবে বালি তোলার জন্য বিভিন্ন জাগায় গভীর খাদের সৃষ্টি হয়েছে। তার জন্য বিপদের সম্ভাবনা রয়েছে।জানা গিয়েছে, তাঁরা দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি সংস্থার কর্মী। শনিবার বন্ধুরা একসঙ্গে সময় কাটাতে গিয়েছিল বীরভূমের সাঁইথিয়া দেরিয়াপুর গ্রামের লিচুবাগান এলাকায়। সূত্রের খবর, পাঁচ জন বন্ধুর মধ্যে এক জন নদীতে স্নান করতে নেমেছিলেন। আচমকাই তিনি তলিয়ে যান। তারপর তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেন আরেক বন্ধু। তিনিও তলিয়ে যান নদীতে। জানা গিয়েছে, তলিয়ে যাওয়া ওই দুই যুবকের নাম শুভম দাস এবং শুভেন্দু হাজরা। সিউড়ির বাসিন্দা শুভম এবং শুভেন্দু থাকে বর্ধমানের মেমারিতে। প্রশাসন নিখোঁজ যুবকদের খোঁজে স্পিড বোট নামিয়েছে।

আগস্ট ২৯, ২০২২
রাজ্য

বানভাসি ডুকুর গ্রামের বাসিন্দারা দিন কাটাচ্ছেন অজয়ের পাড়ে, প্রশাসনিক শুকনো আশ্বাস ছাড়া কিছুই জোটেনি

বছর ঘুরে গেল। তবুও মাথা গোঁজার ঠাঁই হল না বানভাসিদের। পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের ভেদিয়া পঞ্চায়েতের ডুকুর গ্রাম। বছর খানেক ধরে পলিথিনের ছাউনি বেঁধে বাস করছেন গ্রামবাসীর একাংশ। তাঁদের অভিযোগ,প্রশসানিক আধিকারিকেরা এলাকা পরিদর্শন করলেও মেলেনি ক্ষতিপূরণ। শুধু মিলেছে প্রতিশ্রুতি। তাঁদের দাবি, ব্লক প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়েও কাজ হয়নি। ফলে ক্ষোভ ছড়িয়েছে এলাকায়।গত বছর অক্টোবরের ১ তারিখে আউশগ্রামের সাঁতলার কাছে অজয়ের বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয় ডুকুর গ্রাম। বাড়িঘর হারিয়ে নদের বাঁধে তাঁবুতে আশ্রয় নেয় গ্রামের ৪২টি পরিবার। তাদের দাবি, শুধু বাড়িঘরই ভাঙেনি, চাষের জমিতে বালির স্তূপ জমে যায়। তিন দিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের খাবারের বন্দবস্ত করা হয়েছিল। তারপর খোঁজ নিয়েছেন প্রশাসনের আধিকারিক ও জনপ্রতিনিধিরা। কিন্তু শুকনো প্রতিশ্রুতি ছাড়া এখনো কিছু মেলেনি ঘরহারা মানুষজনদের। এই বিষয়ে জেলা পরিষদের সহসভাধিপতি দেবু টুডু বলেন,খুবই খারাপ বিষয়।খোঁজ নিয়ে দেখছি। তারপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আগস্ট ২৬, ২০২২
রাজ্য

নৌকা উল্টে দুই যুবক নিখোঁজ, তল্লাসিতে ডুবুরি নামলো দামোদরে

নৌকা উল্টে দামোদর নদে তলিয়ে যায় চার যুবক। দুজনকে উদ্ধার করা গেলেও বাকি দুজন নিখোঁজ। ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের জ্যোতশ্রীরাম পঞ্চায়েতের জ্যোতচাঁদ ঘাট এলাকায়। নিখোঁজ দুই যুবকের খোঁজ চলছে দামোদরে। বিপর্বয় মোকাবিলা দপ্তরের ২৫ জনের টিম সহ ডুবুরি খোঁজ চালাচ্ছে। রয়েছে জামালপুর থানার পুলিশ আধিকারিকরাও। নিখোঁজ দুই যুবকের নাম সৌগত বেরা ও সৈকত মান্না। প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন সমরেশ বাগ, সৌরভ ধারা। নিখোঁজ সৈকত মান্না ব্যাঙ্গালোরের একটি কলেজের প্যারামেডিকেলের ছাত্র আর সৌগত বেরা কলেজ ছাত্র। চারজনেই জ্যোতচাঁদ এলাকার বাসিন্দা।শনিবার সন্ধ্যার পরে চারজন বন্ধু মিলে দামোদর নদে পানসি নৌকা চেপে বেড়াতে বের হন। নিজেরাই ছোট্ট নৌকাটি চালাচ্ছিলেন। জ্যোতচাঁদ ঘাট সংলগ্ন পাইকপাড়ায় হঠাৎ করেই পানসি নৌকাটি উল্টে যায়। তলিয়ে যায় দামোদরে চারজন। দুজন কোনওরকমে রক্ষা পেলেও বাকি দুজনের খোঁজ মেলেনি। বর্ষার মরশুমে ও দুদিনের বৃষ্টিতে জল বেড়েছে দামোদরে। স্থানীয় বাসিন্দা কিশোর দাস বলেন, দামোদরের শাখানদী মুণ্ডেশ্বরী নদীতে খনন কাজ চলছে। চার বন্ধু পানসি নৌকা নিয়ে নদীর খনন কাজ দেখতে যায়। কিন্তু নৌকায় জল ঢুকে নৌকা উল্টে গিয়েই দুর্ঘটনা ঘটে বেলে তিনি জানান।

আগস্ট ১৪, ২০২২
কলকাতা

তিলজলায় দেদার বোমাবাজি, চলল গুলি

রিজেন্ট পার্কের পর এবার তিলজলায় চলল গুলি। দোলের বিকেলে রিজেন্ট পার্কে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছিল। এবার তিলজলায় একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। জানা গিয়েছে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন একজন। শনিবার সকালের এই ঘটনা ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে তিলজলা থানার বিশাল পুলিশবাহিনী।স্থানীয়দের অভিযোগ, তিলজলার দাড়িখানা মোড় এলাকায় এদিন সকালে গুলি চলে। একইসঙ্গে অনবরত বোমাবাজির শব্দেও কাঁপতে থাকে এলাকা।জানা গিয়েছে, গুলিবিদ্ধ হয়েছেন একজন ট্যাক্সিচালক। সূত্রের দাবি, টাকা নিয়ে বচসার জেরেই এই ঘটনা। তদন্ত করছে পুলিশ। স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় দুষ্কৃতী তাণ্ডব বাড়ছে। কোনও উৎসবের আবহে এরা গোলমাল করে এলাকায় সন্ত্রাস ছড়ানোর চেষ্টা করে।গুলিবিদ্ধ যুবকের নাম রাজু রায়। ট্যাক্সি চালান তিনি। রাজুর পরিবারের দাবি, শুক্রবার রাতে স্থানীয় তিন যুবক রাজুর কাছে টাকা চেয়েছিলেন। তা দিতে রাজি না হওয়ায় ঝামেলার সূত্রপাত। অভিযোগ, এরপরই শনিবার সকালে রাজু তাঁর ভাইকে নিয়ে বাজার করে ফেরার সময় ওই তিন যুবক-সহ মোট পাঁচজন আচমকা রাজুর উপর হামলা করেন। রাজুকে প্রথমে চপার দিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। রাজু পালানোর চেষ্টা করতে চালানো হয় গুলি। সেই সময় এলাকায় বোমাবাজিও শুরু করেন অভিযুক্তরা। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি চপার উদ্ধার করেছে।

মার্চ ১৯, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

পূর্ণ সময়ের শিক্ষকের চেয়েও বেশি স্যাক্ট (SACT), তবু বঞ্চনার অভিযোগ! হরিয়ানা মডেল চালুর দাবিতে সরব স্টেট এডেড কলেজ টিচাররা

নিজস্ব সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম জেলার স্টেট এডেড কলেজ টিচার ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (SACTWA)-এর যৌথ জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হল মেদিনীপুর শহরের রেডক্রশ সভাগৃহে। উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় স্টেট এডেড কলেজ টিচারদের (SACT) ক্রমবর্ধমান ভূমিকা, দীর্ঘদিনের বেতন-বৈষম্য এবং হরিয়ানা মডেল চালুর দাবিই ছিল সম্মেলনের মূল আলোচ্য বিষয়।রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিবেকানন্দ চক্রবর্তী প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক গোপালচন্দ্র ঘোষ, রাজ্য কমিটির সদস্য পীযূষ দাস মহাপাত্র, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক ননীগোপাল দাস, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার যুগ্ম সম্পাদক বিশ্বনাথ দাস ও সুজাতা গোস্বামী, কোষাধ্যক্ষ সুব্রত ভট্টাচার্য-সহ দুই জেলার বিভিন্ন কলেজের স্যাক্ট (SACT) শিক্ষক-শিক্ষিকারা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সভাপতি অমিতাভ পাহাড়ী।সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিবেকানন্দ চক্রবর্তী বলেন, বর্তমানে রাজ্যের কলেজগুলিতে পূর্ণ সময়ের অধ্যাপকদের তুলনায় স্যাক্ট (SACT) শিক্ষকদের সংখ্যাই বেশি। অথচ একইভাবে পাঠদান, পরীক্ষা, প্রশাসনিক দায়িত্ব এবং কলেজের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ সামলালেও তাঁদের বেতনে রয়েছে ব্যাপক বৈষম্য। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনের আগে সমকাজে সমবেতন-এর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন ঘটেনি। তাঁর কথায়, সামান্য বেতন বৃদ্ধি করে সরকারের দায়িত্ব শেষ হয়েছে। সুযোগ পেলে এই বিষয়টি সরকারের নজরে আনব।সংগঠনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক গোপালচন্দ্র ঘোষ বলেন, রাজ্যের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে বর্তমানে ১২ হাজারেরও বেশি স্টেট এডেড কলেজ টিচার কর্মরত, যা পূর্ণ সময়ের অধ্যাপকদের সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে। বহু কলেজে বিভিন্ন বিভাগের মূল দায়িত্বও স্যাক্ট (SACT) শিক্ষকেরাই বহন করছেন। তবুও গত ছয় বছর ধরে এই শিক্ষক সমাজ সবচেয়ে বেশি বঞ্চনার শিকার বলে দাবি করেন তিনি।তিনি বলেন, আমরা হরিয়ানা মডেলের সুবিধা চাই। সেখানে যেভাবে স্টেট এডেড শিক্ষকদের আর্থিক ও পরিষেবা সংক্রান্ত সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গেও সেই মডেল কার্যকর করা হোক। নতুন সরকারের কাছে আমাদের এটাই প্রধান দাবি।সম্মেলনে দুই জেলার বিভিন্ন কলেজে স্যাক্ট (SACT) শিক্ষকদের সংখ্যা, তাঁদের কর্মদায়িত্ব এবং উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় তাঁদের অবদানের বিস্তারিত পরিসংখ্যানও তুলে ধরা হয়। সংগঠনের দাবি, উচ্চশিক্ষার অন্যতম প্রধান ভরসা হয়ে উঠলেও SACT শিক্ষকরা এখনও বেতন, চাকরির নিরাপত্তা এবং অন্যান্য পরিষেবা থেকে বঞ্চিত।সম্মেলন থেকে সংগঠনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়, সমকাজে সমবেতন, চাকরির মর্যাদা এবং হরিয়ানা মডেলে পরিষেবা সুবিধা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন ও দাবি অব্যাহত থাকবে।

জুলাই ১২, ২০২৬
রাজ্য

শিবির বদলেই বড় পদক্ষেপ! অফিস থেকে উধাও অভিষেকের ছবি, কিন্তু মমতার ছবি কেন রইল?

শিবির বদলের পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে অনুব্রত মণ্ডলকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির ছেড়ে তিনি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরে যোগ দিয়েছেন। শনিবার তাঁকে বীরভূম জেলার দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে। আর তার পরের দিনই বোলপুরে তাঁর দলীয় কার্যালয়ে দেখা গেল বড় পরিবর্তন।রবিবার বোলপুরের নিচুপট্টিতে অনুব্রত মণ্ডলের বাড়ি সংলগ্ন দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি আর নেই। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একাধিক ছবি আগের মতোই রাখা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকের প্রশ্ন, ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিলেও কি অনুব্রত এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নিজের নেত্রী হিসেবে মানছেন? আবার অভিষেকের ছবি সরিয়ে দেওয়ার মধ্য দিয়ে কি বিশেষ কোনও রাজনৈতিক বার্তা দিতে চাইলেন তিনি? সেই প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে।শিবির বদলের পর অনুব্রত মণ্ডল প্রকাশ্যেই দলের ভরাডুবির জন্য নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণকারী সংস্থাকে দায়ী করেছিলেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সেই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি পরোক্ষভাবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নিশানা করেছিলেন। কারণ ওই সংস্থার সঙ্গে অভিষেকের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে আলোচিত।এ প্রসঙ্গে অনুব্রত মণ্ডল বলেন, বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচনে তিনি বহু প্রার্থীকে জয়ী করেছেন, তখন ওই সংস্থার কোনও ভূমিকা ছিল না। তাঁর প্রশ্ন, হঠাৎ এমন কী ঘটল যে তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল? একই সঙ্গে তিনি জানান, তিনি তৃণমূলকে ভালোবাসেন এবং কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে এসেছিলেন। বীরভূমে সকলকে নিয়ে দলের নির্দেশ মেনেই কাজ করবেন বলেও দাবি করেছেন তিনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি সরিয়ে দেওয়া হলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি আগের জায়গাতেই থাকায় এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা আরও বেড়েছে। আগামী দিনে এই পরিবর্তনের আরও কোনও রাজনৈতিক তাৎপর্য সামনে আসে কি না, এখন সেটাই দেখার।

জুলাই ১২, ২০২৬
দেশ

ইরানের গুলিতে ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজ! ভারতীয় নাবিক নিখোঁজ, সামনে বড় সংঘাতের আশঙ্কা

হরমুজ প্রণালীর কাছে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। বিদেশ মন্ত্রকের জানানো তথ্য অনুযায়ী, ওই জাহাজে মোট ১১ জন ভারতীয় নাবিক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১০ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করা হলেও এখনও একজন ভারতীয় নাবিক নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁর খোঁজে তৎপর রয়েছে ওমানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস।বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ওমান প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে উদ্ধারকাজে সহযোগিতা করছে ভারতীয় দূতাবাস। নিখোঁজ নাবিকের সন্ধানে সবরকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে। উদ্ধার অভিযানে সহযোগিতার জন্য ওমান সরকারকে ধন্যবাদও জানিয়েছে ভারত।মার্কিন সেনার দাবি, সাইপ্রাসের পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজ ইরানের গুলিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলার পর জাহাজে আগুন ধরে যায়। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর হয়ে ওঠে যে নাবিকদের জাহাজ ছেড়ে বেরিয়ে আসতে হয়। জাহাজের ইঞ্জিন কক্ষে বড় ক্ষতি হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।অন্যদিকে, ইরানের বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর দাবি, কয়েকটি জাহাজ নির্ধারিত পথ ছেড়ে অন্য পথে চলছিল। বারবার সতর্ক করার পরও নির্দেশ না মানায় একটি জাহাজকে গুলি করে থামানো হয়। এরপরই হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে কড়া নিয়ন্ত্রণের ঘোষণা দেয় ইরান।এই ঘটনার পরই ইরানের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানোর দাবি করেছে আমেরিকা। মার্কিন বাহিনীর দাবি, সর্বশেষ অভিযানে প্রায় ১৪০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করা হয়েছে। গত কয়েক দিনে মোট ৩০০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলার দাবি করেছে তারা। পাল্টা বিভিন্ন মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলার খবরও সামনে এসেছে।এই পরিস্থিতিতে ভারত স্পষ্ট জানিয়েছে, বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। অবিলম্বে উত্তেজনা কমিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে নয়াদিল্লি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উপরও জোর দিয়েছে ভারত।

জুলাই ১২, ২০২৬
দেশ

দিলজিৎকে নিশানা করে বিস্ফোরক আক্রমণ! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে শুরু তুমুল বিতর্ক

সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করে ককরোচ জনতা পার্টি। সেই কর্মসূচিকে ঘিরে দেশজুড়ে চর্চা শুরু হয়। এরই মধ্যে পাঞ্জাবি গায়ক ও অভিনেতা দিলজিৎ দোসাঞ্ঝের একটি মন্তব্য নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। এবার প্রকাশ্যে তাঁকে কটাক্ষ করলেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক।বিক্ষোভ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন গায়ক রবিন্দর সিং, যিনি কাকা নামেই পরিচিত। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অভিনেতা সিদ্ধার্থ ভরদ্বাজ। মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অভিজিৎ দীপক কাকার দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ইনিও একজন শিল্পী। এই মন্তব্যকে অনেকেই দিলজিৎ দোসাঞ্ঝকে উদ্দেশ্য করে করা কটাক্ষ বলেই মনে করছেন।কিছুদিন আগে সামাজিক মাধ্যমে অনুরাগীদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়েছিলেন দিলজিৎ। সেখানে তাঁকে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, যন্তর মন্তর প্রতিবাদের জায়গা কি না, তা নিয়ে তিনি মন্তব্য করতে চান না। তিনি আরও বলেন, তিনি একজন শিল্পী, কোনও রাজনৈতিক নেতা নন। তাই এই ধরনের রাজনৈতিক বিতর্ক থেকে দূরে থাকতে চান।দিলজিৎ আরও বলেন, পৃথিবীর সব সমস্যা একসঙ্গে কখনও মিটবে না। যারা প্রতিবাদ করছেন, তাঁদেরও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে যাঁদের বিরুদ্ধে এই আন্দোলন, তাঁদের সম্পর্কেও কোনও মন্তব্য করতে চাননি বলে জানান। তাঁর দাবি, এই বিষয়টি সম্পর্কে তিনি বিশেষ কিছু জানেন না।উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে দিলজিৎ দোসাঞ্ঝ রাজনীতিতে যোগ দিতে পারেন বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছিল। তবে সেই জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, মানুষের বিনোদন করাই তাঁর কাজ। রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার কোনও ইচ্ছা তাঁর নেই। তা সত্ত্বেও তাঁর একটি মন্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

জুলাই ১২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

পরপর লজ্জার হারের পর বড় ধাক্কা! গম্ভীরের শিবিরে ভাঙন, দল ছাড়ছেন ঘনিষ্ঠ দুই সহকারী?

পরপর দুই সিরিজে হোয়াইটওয়াশ এবং শেষ সাত ম্যাচের মধ্যে ছয়টিতে হার। টানা ব্যর্থতার পর ভারতীয় ক্রিকেটে চাপ বাড়ছে। এবার সেই প্রভাব পড়তে পারে দলের কোচিং স্টাফেও। সূত্রের খবর, প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরের বেছে নেওয়া দুই সহকারী কোচ জাতীয় দলের দায়িত্ব ছাড়তে পারেন। তাঁদের মধ্যে একজনের একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দলের সঙ্গে প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে কথা হয়েছে। অন্যজনও নতুন দায়িত্বের খোঁজ করছেন বলে জানা গিয়েছে।এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, গৌতম গম্ভীরের কোচিং স্টাফের একজন খুব শিগগিরই জাতীয় দল ছেড়ে একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দলে যোগ দিতে পারেন। আর এক সহকারীর ভবিষ্যৎও অনিশ্চিত। বর্তমানে গম্ভীরের কোচিং দলে রয়েছেন রায়ান টেন দুশখাতে, মর্নি মর্কেল, সীতাংশু কোটাক এবং টি দিলীপ। তবে তাঁদের মধ্যে ঠিক কে দল ছাড়বেন, তা এখনও স্পষ্ট করা হয়নি।ভারতীয় দলের সাম্প্রতিক ব্যর্থতায় ক্ষুব্ধ বোর্ড। জানা গিয়েছে, সাম্প্রতিক দুই সিরিজে হারের কারণ খতিয়ে দেখা হবে। শুধু ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্স নয়, কোচিং স্টাফের কাজও পর্যালোচনা করা হবে। সেই পর্যালোচনার ভিত্তিতে একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলেও জোর জল্পনা তৈরি হয়েছে।যদিও গৌতম গম্ভীরের সঙ্গে বোর্ডের চুক্তি রয়েছে দুই হাজার সাতাশ সালের এক দিনের বিশ্বকাপ পর্যন্ত। তাই এখনই তাঁর পদে পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম। তবে সাম্প্রতিক ফলাফলের পরে তাঁর কোচিং দল নিয়ে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বোর্ডের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকেই এখন নজর ভারতীয় ক্রিকেট মহলের।

জুলাই ১২, ২০২৬
কলকাতা

একুশের আগে বড় ধাক্কা! ‘ধর্মতলা চলো’ উধাও, হঠাৎ কেন ‘কলকাতা চলো’ পোস্টার কালীঘাট তৃণমূলের?

একুশে জুলাইকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন মোড়। দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর গান্ধীমূর্তির পাদদেশে শহিদ স্মরণ কর্মসূচির অনুমতি পেয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির। অন্যদিকে ধর্মতলায় সমাবেশের অনুমতি না পাওয়ায় নতুন কৌশল নিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন কালীঘাট তৃণমূল। বহু বছরের পরিচিত ধর্মতলা চলো স্লোগানের বদলে এবার প্রকাশ করা হয়েছে কলকাতা চলো পোস্টার।প্রতি বছর একুশে জুলাইয়ের আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ধর্মতলা চলো পোস্টার দেখা যেত। কিন্তু এ বছর পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। ধর্মতলা এলাকায় বিধিনিষেধ জারি থাকায় সেখানে সমাবেশের অনুমতি মেলেনি। সেই কারণেই স্থান উল্লেখ না করে নতুন পোস্টার প্রকাশ করেছে কালীঘাট শিবির। পোস্টারে রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি এবং কলকাতা চলো বার্তা।দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শেষ পর্যন্ত যদি বড় সমাবেশের অনুমতি না মেলে, তা হলে কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় ছোট ছোট জনসভার আয়োজন করা হতে পারে। সেই সভাগুলিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত থাকতে পারেন বলেও জল্পনা রয়েছে। তবে সেক্ষেত্রেও পুলিশের অনুমতি প্রয়োজন।অন্যদিকে শনিবার গান্ধীমূর্তির পাদদেশে শহিদ স্মরণ কর্মসূচির অনুমতি পেয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির। জানা গিয়েছে, কর্মসূচির আগে নির্ধারিত স্থান পরিদর্শনও করবেন তাঁরা।ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূল দুই শিবিরে বিভক্ত হওয়ার পর থেকেই একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েন চলছে। দুই পক্ষই প্রথমে ধর্মতলায় সমাবেশ করতে চাইলেও পুলিশ অনুমতি দেয়নি। পরে বিকল্প জায়গার আবেদন করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা এবং শেষ পর্যন্ত গান্ধীমূর্তির পাদদেশে অনুমতি পান। এখন কালীঘাট শিবিরের কর্মসূচি কীভাবে বাস্তবায়িত হয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১২, ২০২৬
কলকাতা

বড় রায়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি! ‘আসল তৃণমূল’ কার, আদালতের পর্যবেক্ষণে বাড়ল চাপ

তৃণমূলের আসল সংগঠন কোনটি, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে জোর বিতর্ক চলছিল। সেই বিতর্কের মধ্যেই আলিপুর আদালতের একটি রায়কে সামনে এনে বড় দাবি করলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন কমিটিই আইনগতভাবে স্বীকৃত তৃণমূলের সংগঠন। আদালতের রায়ের কপি হাতে পেলেই তা নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের অন্দরে ভাঙন আরও স্পষ্ট হয়েছে। একের পর এক নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দেওয়ায় সাধারণ কর্মীদের মধ্যেও বিভ্রান্তি তৈরি হয়। কোন সংগঠনকে অনুসরণ করা হবে, সেই প্রশ্নেই কয়েকজন কর্মী আলিপুর আদালতের দ্বারস্থ হন।রবিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে যে কমিটি গঠন করা হয়েছিল, আদালত সেই কমিটিকেই আইনগতভাবে স্বীকৃত বলে উল্লেখ করেছে। তাঁর দাবি, এই কমিটির বাইরে অন্য কোনও সংগঠন নিজেদের তৃণমূল বলে দাবি করলে তা আইনসম্মত নয়।ঋতব্রত আরও জানান, আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায় হাতে পাওয়ার পর তা নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো হবে। তাঁর মতে, এই রায় ভবিষ্যতে দলীয় পরিচয় সংক্রান্ত আইনি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১২, ২০২৬
দেশ

মধ্যরাতে তাজ হোটেলে বোমা! দাউদের নাম উচ্চারণ করতেই তোলপাড়, তারপর যা জানা গেল...

মুম্বইয়ের ঐতিহাসিক তাজ হোটেলকে ঘিরে রবিবার গভীর রাতে ছড়িয়ে পড়ে তীব্র আতঙ্ক। পুলিশের কন্ট্রোল রুমে একটি উড়ো ফোন আসে। ফোনে দাবি করা হয়, দাউদ ইব্রাহিমের লোকজন তাজ হোটেলে বোমা রেখে গিয়েছে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই হোটেলে পৌঁছে যায় পুলিশ, বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল এবং অপরাধ দমন শাখার আধিকারিকেরা। গোটা হোটেলে দীর্ঘক্ষণ ধরে তল্লাশি চালানো হলেও কোনও সন্দেহজনক বস্তু মেলেনি।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাত প্রায় সাড়ে বারোটার সময় এই ফোনটি আসে। ফোন পাওয়ার পর কোনও ঝুঁকি না নিয়ে দ্রুত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। হোটেলের প্রতিটি অংশ খুঁটিয়ে পরীক্ষা করা হয়। শেষ পর্যন্ত বোমা বা বিস্ফোরক জাতীয় কিছু উদ্ধার না হওয়ায় স্বস্তি ফেরে।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, এটি একটি ভুয়ো ফোন ছিল। তদন্তে জানা গিয়েছে, মুম্বইয়ের তুরভে এলাকা থেকে ফোনটি করা হয়েছিল। ইতিমধ্যেই নম্বরটি শনাক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্তকে খুঁজতে ওই এলাকায় বিশেষ দল পাঠানো হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।উল্লেখ্য, তাজ হোটেল ২০০৮ সালের ভয়াবহ জঙ্গি হামলার অন্যতম লক্ষ্য ছিল। সেই ঘটনার পর থেকে হোটেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত কঠোর করা হয়েছে। তাই নতুন করে বোমা আতঙ্কের খবর ছড়াতেই পুলিশ কোনও ঝুঁকি না নিয়ে দ্রুত তল্লাশি অভিযান চালায়। ঘটনার তদন্ত চলছে।

জুলাই ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal