• ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০২ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ram

নিবন্ধ

রাজ্য স্তরে সন্মানিত বর্ধমানের নাট্যদলের নাটক 'ভৌতিক'

নাটকে অবদানের জন্য বিভিন্ন বিভাগে নাট্য একাডেমির তরফে পুরষ্কার প্রদান করা হয়। শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য নাটকের শিরোপা পেলো পূর্ব বর্ধমান জেলার জামালপুর ব্লকের ময়না অন্যভবনা নাট্য ও সংস্কৃত চর্চার প্রযোজনা ভৌতিক। পশ্চিমবঙ্গ নাট্য একাডেমী পুরস্কার ২০২৪- সম্মানে ভূষিত হলো ময়না অন্যভাবনার শত-রজনী মঞ্চায়ন অতিক্রান্ত এই নাটক। ভৌতিক নাটকটি রচনা করেন সৌমিত্র বসু এবং নাটকটির নির্দেশনা দেন প্রখ্যাত নাট্যকার স্বরাজ ঘোষ। ভৌতিক নাটকটি-কে ১ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার কলকাতার শিশির মঞ্চে সম্মানিত করা হলো। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিক্ষামন্ত্রী তথা বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব ব্রাত্য বসু, পশ্চিমবঙ্গ নাট্য একাডেমীর সভাপতি, অভিনেতা দেবশঙ্কর হালদার, নাট্য একাডেমীর সদস্যা অর্পিতা ঘোষ, সদস্য সচিব দেবকুমার হাজরা, পশ্চিমবঙ্গের সেচ ও জলসম্পদ মন্ত্রী তথা নাট্য ব্যক্তিত্ব পার্থ ভৌমিক প্রমুখ। রাজধানী শহর দিল্লি সহ পশ্চিমবঙ্গের প্রায় সমস্ত জেলায় একাধিক বার এই নাটক মঞ্চস্থ ও সমাদৃত হয়েছে। বেশ কিছু প্রতিযোগিতামূলক মঞ্চেও পুরস্কৃত হয়েছে ভৌতিক নাটকটি।রেলপথে বর্ধমান-হাওড়া কর্ড লাইনের নবগ্রাম স্টেশনের পাশে এক ছোট্ট গ্রামের নাট্য দল ময়না অন্য ভাবনা কয়েকদিন আগেই মহাসমারোহে শততম দিনের নাটক উপস্থাপনা করলো বর্ধমান শহরের সংস্কৃতির প্রানকেন্দ্র সংস্কৃতি লোকমঞ্চে। সেদিন তাঁদের প্রযোজনা সত্যিই মুগ্ধ করে দেয় উপস্থিত দর্শকদের। এক গা ছমছম মঞ্চ সজ্জা দেখে অনেকেরই মনে প্রশ্ন জেগেছিল হয়ত বা কোনও গায়ে কাঁটা দেওয়া ভুতের কাহিনী নিয়ে আবর্তিত হবে এদিনের নাটক।ময়না অন্য ভাবনার ভোতিক নাটকটি রচনা করেন সৌমিত্র বসু, নির্দেশনা স্বরাজ ঘোষের। এই নাটকের উৎস জানতে চাইলে, ভৌতিক নাটকের মূল চরিত্র ভুতের ভূমিকার অভিনেতা সুকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় জনতার কথা কে জানান, তাঁরা দূরদর্শনে একটি নাট্য প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিলেন, সেখানে তাঁরা প্রথম স্থান লাভ করেন। গ্রাম থেকে আসা একদল তরুণ ছেলের অভিনয়ে মুগ্ধ হয়ে সেই প্রতিযোগিতার বিচারক সৌমিত্র বসু তাঁদের তাঁর লেখা ভৌতিক নাটকটি মঞ্চস্থ করার জন্য দেন।তাঁদের দলের প্রান ভোমরা সুকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় আরও জানান, ২০১৭ সালে ময়না অন্য ভাবনা সৃষ্টি হয়। অনেকের আমাদের কাছে দাবী ছিল করলে ভালো কিছু কর, নাহলে বন্ধ করে দাও। সেই ভালো করে করার জেদ থেকেই অন্য ভাবনার যাত্রা শুরু। তিনি জানান ভৌতিক ছাড়াও তাঁদের এই মুহুর্তে তিনটি নাটক চলছে, যথাক্রমে প্রতিঘাত, আযান্ত্রিক, ও কর্মফল। তিনি জানান তাঁরা পশ্চিমবঙ্গের সবকটি জেলা সহ রাজধানী শহর দিল্লীতেও ভৌতিক নাটকটি মঞ্চস্থ করেছেন। তিনি আরও জানান, নাটককে ভালোবেসে আমরা নাটক করি। নাটক থেকে কোনও আয় আমরা করিনা। আমদের প্রত্যকেই কিছু না কিছু কাজ করি, সেখান থেকে সময় বার করেই আমাদের নাট্য চর্চা।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৪
রাজ্য

রামমন্দিরকে কেন্দ্র করে এ কি কান্ড করলেন দুর্গাপুরের যুবক! চারদিকে শোরগোল

অযোধ্যায় মন্দিরের উদ্বোধন আগামী সোমবার। রামলালার জন্য বিভিন্ন রাজ্য থেকে এসে পৌঁছচ্ছে বিভিন্ন রকমের উপহার। আগামী ২২ জানুয়ারি প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে রামলালার। তার আগে গোটা দেশ রামমন্দির নিয়ে নানা কান্ড চলছে। এদিকে দুর্গাপুরের এক যুবকের কান্ড রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছে।দুর্গাপুরের যুবক ছোটন ঘোষ মনু। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রজেক্ট তৈরি করে তিনি শহরবাসীকে অবাক করেছেন। চন্দ্রযান সফল অভিযানের পর তিনি বানিয়েছিলেন চন্দ্রযানের রেপ্লিকা। উড়িয়েছিলেন দুর্গাপুরের আকাশে। আবার দশ সিটের বাইক বানিয়ে তিনি চমকে দিয়েছিলেন সকলকে। আর এবার তিনি বানিয়েছেন রাম মন্দিরের রেপ্লিকা। অযোধ্যার রাম মন্দির তিনি কার্যত তুলে এনেছেন দুর্গাপুরের বুকে। অযোধ্যায় রাম মন্দির দেখার আগে শহরে বসেই রাম মন্দির দর্শনের সুযোগ হচ্ছে শহরবাসীর।ছোটন ঘোষ বলছেন, বিস্কুট দিয়ে তিনি এই রাম মন্দিরের রেপ্লিকা তৈরি করেছেন। রাম মন্দিরের এই রেপ্লিকাটি তৈরি করতে তিনি ব্যবহার করেছেন কুড়ি কেজি বিস্কুট। ৪ ফুট বাই ৪ ফুটের এই রাম মন্দিরের রেপ্লিকা তৈরি করতে তার সময় লেগেছে পাঁচ দিন। তিনি এবং তার সহযোগীরা সকলের মিলে এই রেপ্লিকারটি তৈরি করেছেন। বিস্কুট ছাড়াও এই মডেলটি তৈরি করতে ব্যবহার করা হয়েছে থার্মোকল, প্লাইউড, গ্লু-গান ইত্যাদি।শহরের যুবকের এমন কাণ্ড দেখে সকলেই রীতিমত অবাক হয়ে গিয়েছেন। একইসঙ্গে তার এই প্রচেষ্টাকে কুর্নিশ জানিয়েছেন প্রতিবেশী সহ শহরবাসী। তারা বলছেন, ছোটন ঘোষ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নিজের প্রচেষ্টা তুলে ধরার চেষ্টা করেন। শহরের নামকে তিনি আরও উজ্জ্বল করছেন। রাম মন্দির নিয়ে মানুষ যখন খুব উৎসাহী, তখনই তিনি রাম মন্দির তৈরি করে চমকে দিয়েছেন। তিনি যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন অযোধ্যার অনুকরণে রাম মন্দিরকে দুর্গাপুরের বুকে তুলে ধরার।

জানুয়ারি ১৯, ২০২৪
রাজ্য

আদালতে টিকল না শুভেন্দুর আবেদন, রামমন্দির উদ্বোধনের দিন পথে মমতা

হাইকোর্টে টিকল না বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরোধিতা। অযোধ্যার রামমন্দিরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিন কলকাতায় তৃণমূলের সংহতি যাত্রার অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী ২২ জানুয়ারি, হাজরা থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূলের সংহতি মিছিল হবে। তবে বৃহস্পতিবারের শুনানিতে হাইকোর্টে জানিয়েছে, সুশৃঙ্খলভা ভাবে এই মিছিল করতে হবে। ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করে কোন মন্তব্য করা যাবে না।এছাড়াও একাধিক সতর্কতা মূলক কথা বলেছে আদালত। প্রাধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের সতর্কবার্তা, এই ধরনের মিছিলের ক্ষেত্রে ট্রাফিকের সমস্যা হতে পারে, আটকে পড়তে পারে অ্যাম্বুল্যান্স। এই বিষয়গুলি সংশ্লিষ্ট দল ও রাজ্য সরকারকে তৎপর হতে হবে।শুভেন্দু অধিকারী কেন্দ্রীয় বাহিনীর তত্ত্বাবধানে যে মিছিলের আর্জি জানিয়েছিলেন, তাও খারিজ করে দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশে উল্লেখ করেছে যে, অঘটন ঘটলে সংশ্লিষ্ট দলের (তৃণমূল) উপর দায় বর্তাবে। আদালতের রায় লঙ্ঘন করলে যেকোনও ব্যক্তিই দায়ী হতে পারেন।২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধন। সেদিনই বাংলায় সংহতি যাত্রার ডাক দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা ছাড়াও ব্লকে ব্লকে ওই মিছিল করার কথা বলা হয়েছে। সেই মিছিল নিয়ে আপত্তি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ওই দিন আইনশৃঙ্খলার স্বার্থে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবিও জানান তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর কর্মসূচি পিছিয়ে দেওয়ার আর্জি জানান বিরোধী দলনেতা। কিন্তু তাঁর আবেদন খারিজ করল হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।২২ জানুয়ারি সংহতি যাত্রার অনুমতি মেলার পর তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেছেন, এই নির্দেশ আসলে শুভেন্দুর গালে আদালতের থাপ্পড়। কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন নেই। রাজ্য পুলিশই যথেষ্ট। শুভেন্দুরা বিভেদ চেয়েছিল। আদালত ওদের গালে কষিয়ে থাপ্পড় মেরেছে। বাংলায় শান্তি-সম্প্রীতির মিছিল হবে।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৪
রাজ্য

রামমন্দিরের উদ্বোধনে তো যাবেন না, ওই দিন বাংলায় বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা মমতার

রামমন্দিরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার জন্য অযোধ্যাজুড়ে চলছে চূড়ান্ত প্রস্তুতিপর্ব। ২২ জানুয়ারি হবে উদ্বোধন হবে বহু প্রতিক্ষিত রাম মন্দিরের। ওই অনুষ্ঠাণে যাবেন না বলেই আগেই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে রামমন্দির উদ্বোধনের দিনই রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের বিশেষ কর্মসূচির ঘোষণা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করলেন, আগামী ২২ জানুয়ারী কলকাতায় তৃণমূল সম্প্রীতি মিছিল করবে। যার নেতৃত্বে থাকবেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। শুধু কলকাতাতেই নয়, ব্লকে ব্লকে, জেলায় জেলায়ও কর্মসূচি পালনের নির্দেশ দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো।মঙ্গলবার বিকেলে নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। শুরুতেই রামমন্দিরের উদ্বোধন নিয়ে বলেন, রামের প্রাণ প্রতিষ্ঠা আমাদের কাজ নয়, তাহলে আমি অযোধ্যায় গিয়ে কী করব? আমাদের কাজ পরিকাঠামো নির্মাণ করা, আমি সেই কাজই করে যাব।এরপরই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে চড়া সুরে তোপ দাগলেন মমতা। সম্প্রসারণের জন্য রেল দক্ষিণেশ্বর স্কাইওয়াক ভেঙে দিতে বলেছে রাজ্যকে। যা নিয়ে এদিন মমতা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ওই স্কাইওয়াক আমার মনের মণিমুক্ত। রক্ত থাকতে আমি ওটা ভাঙতে দেব না। পাশাপাশি মেট্রোর জন্য বডিগার্ড লাইনের জমি চাওয়ায় রেলকে এদিন তুলোধনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। রেলের আবেদন নাকচ করে দিয়েছে রাজ্য সরকার।মন্দির নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি যে বিরক্ত হন তা-ও বুঝিয়ে দেন তৃণমূল নেত্রী। মমতা বলেন, আপনারা মন্দির নিয়ে বার বার প্রশ্ন করছেন আমাকে। আমার এ নিয়ে কিছু বলার নেই। আমি বার বার বলি, ধর্ম যার যার নিজের, উৎসব সকলের। আমরা ২৩ জানুয়ারি, ২৬ জানুয়ারি পালন করি। ২২ জানুয়ারি একটি মিছিল করব আমি, দলের প্রোগ্রাম। নিজে একটা মিছিল করব আমি। প্রথমে নিজে কালীমন্দিরে যাব। সবাই যাবে না। আমি যাব। সেখানে মায়ের কাছে পুজো দিয়ে হাজরা থেকে সর্বধর্মের মানুষকে নিয়ে মিছিল করে পার্ক সার্কাস ময়দানে গিয়ে সভা করব। মা কালীকে ছুঁয়ে, মন্দির, মসজিদ, গুরুদ্বার, ওখানে অনেক গির্জাও রয়েছে, সব ছুঁয়ে যাব, সকলকে নিয়ে এই সভা করব। তৃণমূলের সভা, তবে শুভান্যুধায়ী, সাধারণ মানুষও এই সংহতি মিছিলে আসতে পারেন। প্রত্যেক জেলার ব্লকে ব্লকে বেলা ৩টেয় সম্প্রীতি মিছিল হবে।রামমন্দিরের উদ্বোধনের এটা পাল্টা কর্মসূচি নয় বলেও জানিয়ে দিয়েছেন মমতা। তৃণমূল নেত্রী বলেন, কোনও পাল্টা মিছিল করছি না, কোনও প্রতিবাদ করছি না। আমি সাধু-সন্তদের মানি। তাঁদের কথা শুনছি। এ ব্যাপারে একটাই কথা বলতে পারি, ধর্ম যার যার নিজের, উৎসব সকলের। আমি সর্বধর্ম সমন্বয় করছি কারণ, তার পরদিনই নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিন। সেটাও ব্লকে ব্লকে পালিত হবে। আমি বরাবরের মতো নেতাজি মূর্তির সামনে থাকব।

জানুয়ারি ১৬, ২০২৪
রাজনীতি

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দুই আত্মীয় তৃণমূলে, দলবদলের বদলায় জমজমাট বঙ্গ রাজনীতি

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দুই আত্মীয় যোগ দিলেন তৃণমূলে। গত ৩১ ডিসেম্বর শীতলকুচির লালবাজার এলাকায় তৃণমূলের স্থানীয় অঞ্চল কমিটির দুই পদাধিকারী বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। দলবদলুদের হাতে বিজেপির পতাকা তুলে দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামানিক। ঘটনার পর ৭২ ঘন্টাও পুরোপুরি কাটেনি। এবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন খোদ নিশীথ প্রামানিকেরই দুই তুতো ভাই।বুধবার বিজেপি ছেড়ে নিশীথ প্রামানিকের দুই তুতো ভাই সুনীল ও জগদীশ বর্মন যোগ দপন রাজ্যের শাসক শিবিরে। তাঁদের হাতে জোড়া ফুলের পতাকা ধরিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী উদয়ন গুহ। এরপরই উদয়ন বলেছেন, বিজেপি মানুষের হয়ে কোনও কাজ করে না। তাই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দুই তুতো ভাই তৃণমূলে যোগ দিলেন।সদ্য তৃণমূলে নাম লেখানো কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ভাই সুনীল বর্মন বলেছেন, বিজেপিতে থেকে মানুষের কাজ করতে পারছিলাম না। দলে যোগ্য সম্মানও পাচ্ছিলাম না। তাই তৃণমূলে যোগ দিলাম। যার প্রেক্ষিতে উদয়ন গুহ বলেন, অন্যের ঘর ভাঙার স্বপ্ন দেখলে এমনই হয়। সুনীল ও জগদীশ বর্মনের বাড়ি দিনহাটার পুটিমারি ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতে।এই শিবির বদল ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কোচবিহারে। লোকসভা ভোট যত এগিয়ে আসবে এই ধরণের ঘর ভাঙনের ঘটনাও আরও বাড়বে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৪
নিবন্ধ

ভাবনায় অন্য মাত্রা যোগ করে ১০০ রজনী অতিক্রান্ত করল 'অন্য ভাবনা'-র 'ভৌতিক'

২০২৪-এ বছরের প্রথম দিনটা শুরু হলো একেবারে ভৌতিক ভাবে। জোড়া নাটকের মুর্ছনায় মেতে উঠলো শহর বর্ধমান। ১লা জানুয়ারি ইংরাজি নববর্ষের প্রথম দিনে যখন একদল মানুষ হুল্লোর করে পিকিনিক-এ ব্যস্ত ঠিক সেই দিন ভরসন্ধ্যায় শহরের সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র কার্জন গেট চত্তরে সংস্কৃতি লোকমঞ্চে অয়োজিত হল এই জোড়া নাটক। নাট্য পিপাসু বর্ধমান-বাসীর উপস্থিতিতে সংস্কৃতি লোকমঞ্চ আক্ষরিক অর্থেই হাউসফুল ছিল।প্রথম নাটকটি ছিল তিমিরবরণ রায় রচিত এবং প্রিয়তোষ রায় নির্দেশিত মনসামঙ্গল কাব্যের আশ্রয় করে জীয়ন কন্যা। যাত্রা দলের নায়েব বা চাঁদসদাগর ও লখিন্দর চরিত্রের অভিনেতা দর্শক মনে দাগ কেটে যায়। হারমোনিয়াম ও বাংলা ঢোলের আবহে মঞ্চে গ্রাম বাংলার হারিয়ে যেতে বসা যাত্রা-র আমেজ বেশ পাওয়া গেল। এই নাটকের এক অন্যতম আকর্ষন এর গান। বাংলার ঐতিহ্যবাহী লোক নাটকের সম্পদ মনসামঙ্গল। এদের আছে আলাদা পরিবেশন রীতি, আলাদা আঙ্গিক। যাতে গ্রামীণ মানুষের আশা-আকাঙ্খা আর জীবনের ভাবচিন্তা পরিস্কার বোঝা যায়। ১লা জানুয়ারি ছিল তাঁদের ষষ্ট প্রযোজনা। তাঁদের মঞ্চাভিনয় দেখে কোন সময়েই মনে হয়নি তাঁরা মাত্র ছয়দিন এই নাটকটি মঞ্চস্থ করছেন।তাঁদের জীয়ন কন্যা নাটকটি যে বার্তা বহন করে তা আজকের দিনে খুব-ই প্রাসঙ্গিক। দেশ জুড়ে যখন ধর্ম নিয়ে রাজনিতীর হিড়িক, যখন মানুষকে তাঁর শিক্ষা দিয়ে বিচার না করে, ধর্মের শতাংশের নিরিখে বিবেচনা করা হয়, ঠিক সেই সময়ে এই ধরনের বার্তাবহনকারি নাটকের প্রাসঙ্গিকতা উপলব্ধি করার মত। এক নামকরা চিত্র সমলোচক একবার বলেছিলেন, যে স্লোগান দেওয়ালে লিখে বোঝানো যায় না তাঁর জন্য সিনেমা/নাটক করতে হয়। ঠিক সে রকমই এক বার্তা যুদ্ধ নয় শান্তি চায় বক্তব্য কে ফোটাতে সত্যজিৎ রায় সৃষ্টি করেন হীরক রাজার দেশ। এই নাটকের মাধ্যমে যাঁরা ধর্মের জিগিড় তুলে বিভেদের রাজনীতি করছেন তাঁদের মুখে বেহুলার চরিত্রে মুসলিম মহিলার অভিনয় যেন সজোরে থাপ্পড়।নাট্য সন্ধ্যার দ্বিতীয় উপস্থাপনা ছিল ময়না অন্য ভাবনার ভোতিক। বর্ধমান-হাওড়া কর্ড লাইনের নবগ্রাম স্টেশনের পাশে শহরতলীর এক ছোট্ট গ্রামের নাট্য দলের শততম দিনের প্রযোজনা দাগ কেটে গেল এদিনের উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে। এক গা ছমছম মঞ্চ সজ্জা দেখে প্রথমেই অনেকের মনে প্রশ্ন জেগেছিল হয়ত বা কোনও গায়ে কাঁটা দেওয়া ভুতের কাহিনী নিয়ে আবর্তিত হবে এদিনের নাটক।উপস্থিত দর্শককুলকে ভুল প্রমান করে একাধিক ভ্রান্তিময় বদ্ধমূল ভুল ধারনার গোড়ায় আঘাত করলো তাঁদের এই প্রযোজনা। এক গহন জঙ্গলে মাঝ রাত্রিতে আত্মহননে উদ্যত যুগলকে একটি ভুত যে অবচেতন মনের হদিস দিলেন তা সত্যিই সমাজের সামগ্রিক চেতনা ফেরাবার জন্য যথেষ্ট। নাটকের বেশ কয়েকটি সামজিক বার্তার মধ্যে অন্যতম কোনও কিছু হেলায় পেলে তাঁর মুল্য থাকেনা। নাটকের মাধ্যমে যা মূল বার্তাটি তারা দিতে চেয়েছেন, বাঁচতে গেলে লড়তে হবে, মৃত্যুর অনেক রাস্তা আছে, আত্মহননের অর্থ হেরে যাওয়া।ময়না অন্য ভাবনার ভোতিক নাটকটি রচনা করেন সৌমিত্র বসু, নির্দেশনা স্বরাজ ঘোষের। এই নাটকের মূল চরিত্র ভুতের ভূমিকার অভিনেতা সুকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় জনতার কথা কে জানান, তাঁরা দূরদর্শনে একটি নাট্য প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিলেন, সেখানে তাঁরা প্রথম স্থান লাভ করেন। গ্রাম থেকে আসা একদল তরুণ ছেলের অভিনয়ে মুগ্ধ হয়ে সেই প্রতিযোগিতার বিচারক সৌমিত্র বসু তাঁদের তাঁর লেখা ভৌতিক নাটকটি মঞ্চস্থ করার জন্য দেন। বছরের প্রথম দিনে তাঁরা তাঁদের শততম রজনী বর্ধমান শহরে মঞ্চস্থ করলেন। সুকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় আরও জানান, ২০১৭ সালে ময়না অন্য ভাবনা সৃষ্টি হয়। অনেকের আমাদের কাছে দাবী ছিল করলে ভালো কিছু কর, নাহলে বন্ধ করে দাও। সেই ভালো করে করার জেদ থেকেই অন্য ভাবনার যাত্রা শুরু। তিনি জানান তাঁদের এই মুহুর্তে চারটি নাটক চলছে, যথাক্রমে প্রতিঘাত, আযান্ত্রিক, কর্মফল ও ভৌতিক। তিনি জানান তাঁরা পশ্চিমবঙ্গের সবকটি জেলা সহ রাজধানী শহর দিল্লীতেও ভৌতিক নাটকটি মঞ্চস্থ করেছেন। সুকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় আরও জানান, তাঁদের নাটকটি এতটাই জনপ্রিয় এই মহুর্তে তা জানাতে তিনি বলেন জানুয়ারী মাসেই তাঁদের এখনও অবধি ১৫টি শো আছে। তিনি জানান, নাটককে ভালোবেসে আমরা নাটক করি। নাটক থেকে কোনও আয় আমরা করিনা। আমদের প্রত্যকেই কিছু না কিছু কাজ করি, সেখান থেকে সময় বার করেই আমাদের নাট্য চর্চা।প্রথম থেকে শেষ অবধি যে টানটান অভিনয় দেখা গেল তাতে এটুকু বোঝা গেল কেন তাঁরা এত দ্রুত শততম রজনী পার করলেন। আশা করাই যায় অতি দ্রুত তাঁরা সহস্র রজনীও অতিক্রম করবেন। নাটকের মূল চরিত্রাভিনেতা ভুত রূপী সুকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায়-র অভিনয়ে দর্শককূল মুগ্ধ হয়ে যায়। সাহিত্যিক সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় একবার বলেছিলেন ভুত কে আমরা ভালোবাসি বলেই ভুতের গল্প পড়ি, আর সেই ভুতের গল্প বই বেস্ট সেলার হয়। আজকের নাটক দেখতে বসে দর্শকদের অভিব্যাক্তি দেখে মনে হচ্ছিল তাঁরা তাঁদের অজান্তে কখন যেন ভূতকে ভালোবেসে আপন করে ফেলেছেন।

জানুয়ারি ০২, ২০২৪
দেশ

মমতার পুলিশকে সেরার স্বীকৃতি মোদি সরকারের, দেশের তিন সেরা থানার এক বাংলায়

বাংলায় আইন-শৃঙ্খলার প্রশ্ন যখন রাজ্যজুড়ে বিজেপি আন্দোলন করছে ঠিক তখনই মোদি সরকারের তরফে এল পুরস্কার। কেন্দ্রের স্বীকৃতি পেল হুগলির চন্দননগর কমিশনারেটের শ্রীরামপুর থানা। দেশের তিন সেরা থানার অন্যতম শ্রীরামপুর। বৃহস্পতিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় এই খবর জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্য পুলিশকে অভিনন্দনও জানিয়েছেন পুলিশমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সোশাল মিডিয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, এই ঘোষণা করতে পেরে গর্বিত যে ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণায়, আমাদের শ্রীরামপুর থানা-কে (চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট) ২০২৩ সালের জন্য গোটা দেশের সেরা তিনটি থানার মধ্যে একটি হিসাবে নির্বাচিত করেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২০২৪ সালের ৫ জানুয়ারি নিজে আমাদের সংশ্লিষ্ট অফিসারের কাছে ট্রফি তুলে দেবেন। জাতীয়স্তরে আমাদের অনবদ্য নজিরের জন্য সকল পুলিশ ভাইদের ধন্যবাদ। জয় বাংলা।বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সহ বিজেপি, অন্যান্য বিরোধী দলের নেতৃত্ব যখন পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়ে বারে বারেই প্রশ্ন তুলছেন, তখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এমন স্বীকৃতি এল পুলিশমন্ত্রী মমতার ঝুলিতে। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার প্রশ্নে মমতা সরকারকে নিশানা করা হলে পাল্টা এবার শ্রীরামপুর থানার উদাহরণকেই হাতিয়ার করবে তৃণমূল।কয়েক সপ্তাহ আগেই ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো (এনসিআরবি)-র রিপোর্ট প্রকাশ পেয়েছিল। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে, ২০২১ সালে দেশের বড় শহরগুলির মধ্যে সব থেকে নিরাপদ কলকাতা। এর আগে ২০২০ সালেও এই তকমা পেয়েছিল এই তিলোত্তমা। ২০১৮ সালেও দেশের সব থেকে নিরাপদ শহর হওয়ার কৃতিত্ব ছিল কলকাতার-ই। এনসিআরবির রিপোর্ট অনুসারে, কলকাতার প্রতি লক্ষ জনসংখ্যার মধ্যে দেশের বাকি শহরের তুলনায় সব থেকে কম অপরাধের ঘটনা ঘটেছে। এর ভিত্তিতেই সব থেকে নিরাপদ শহরের তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে কলকাতার নাম।কেন্দ্রীয় রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২১-এ কলকাতায় প্রতি লক্ষ মানুষে নথিভুক্ত অপরাধ ১০৩.৪। এই সংখ্যা ২০২০-র তুলনায় কম। সে বছর এই সংখ্যা ছিল ১২৯.৫। ভারতের যে বড় শহরগুলির জনসংখ্যা ২০ লক্ষেরও বেশি, একমাত্র সেই শহরগুলির তথ্যের ভিত্তিতেই এই রিপোর্ট বানায় এনসিআরবি। তবে রাজ্যের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এনসিআরবি রিপোর্ট দেয় বলেই এমন মর্যাদা পেয়েছে কলকাতা। এমন দাবি রাজ্য বিজেপি নেতাদের।

ডিসেম্বর ২১, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

প্রাক্তন পাক অধিনায়ক গম্ভীরের মতে মত দিয়ে কোন দুজনকে টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতীয় দলে নিতে বললেন?

২০-২০ র বিশ্বকাপে ভারতীয় পুরুশদের ক্রিকেট দলে রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলির অন্তর্ভুক্তি নিয়ে মিডিয়া থেকে শুরু করে হাটে-বাজারে জোড় জল্পনার ক্সুর নেই। তাঁদের ভবিষ্যত নিয়ে আম জনতার জল্পনা-কল্পনার মধ্যেই পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক ও বাঁহাতি দ্রুত গতির বোলার ওয়াসিম আক্রম ভিন্ন মত পোষণ করলেন। তাঁর মতে ভারতকে অবশ্যই ২০২৪-র আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপে তাদের দলের দুই মহারথী ব্যাটারকে দলে নিতে হবে। এখানে উল্লেখ্য, ২০২২ এর নভেম্বর টি-২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে শেষবারের জন্য বিরাট ও রোহিত ভারতীয় দলের প্রথম একাদশে খেলেন। তারপর থেকে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম ফর্ম্যাটে রোহিত এবং বিরাটের অনুপস্থিতি পাকিস্তানের এই জোরে বোলার কে খুব-ই আশ্চার্যান্বিত করেছে। ২০২৩-র টি ২০ বিশ্বকাপে রোহিত শর্মা অনুপস্থিত থাকায়, হার্দিক পান্ডিয়া ভারতীয় দলকে নেতৃত্ব দেন।কিছুদিন আগে এই বছরের প্রথম দিকে ভারতের বর্তমান অধিনায়ক ও প্রারম্ভিক ব্যাটার রোহিত শর্মা আমেরিকায় ক্রিককিংডম একাডেমির উদ্বোধনের সময় ২০২৪ টি-২০ বিশ্বকাপ নিয়ে খুব উৎসাহিত হয়ে তাঁর মতামত প্রকাশ করেছিলেন। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের অনুমান এর থেকে হয়ত তাঁর আগামী টি-২০ বিশ্বকাপের অংশগ্রহণের ব্যাপারে কিছুটা আন্দাজ করা যেতে পারে।পাকিস্তানের জোরে বোলার ও প্রাক্তন অধিনায়ক বলেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আর মাত্র কয়েক মাস বাকি। আমি ভারতের টিম বাছলে, ওই দুজনকেই দলে নেব। তারাই হবে ভারতের মূল খেলোয়াড়, এতে কোনো সন্দেহ নেই। টি-টোয়েন্টিতে ভারতের ব্যাটিং লাইনআপ-এ একটু অভিজ্ঞতার প্রয়োজন। আপনি শুধুমাত্র তরুণের উপর নির্ভর করতে পাড়েন না। স্পোর্টসকিডা-তে আক্রম আরও বলেন, রোহিত ১৪৮ টি ম্যাচে ৩৮৫৩ রান করেছেন। ওই ফর্মাটে তাঁর স্ট্রাইক রেট প্রায় ১৪০-র কাছাকাছি। রোহিত সেখানে চারটি (৪) শতরান এবং ২৯ টি অর্ধ-শতরান রয়েছে। ভারতের ওপর এক কিংবদন্তী ব্যাটার ক্রিকেটের এই ছোট ফর্মাটে ১১৫ টি ম্যাচ খেলে ৪০০৮ রান করেছেন, একটি সেঞ্চুরি এবং ৩৭টি অর্ধশতরান সহ এই মুহুর্তে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারি। এইমুহুর্তে ভারতের শুভমান গিল, যশস্বী জয়সওয়াল, ইশান কিষাণ, এবং রুতুরাজ গায়কওয়াড় সহ একগুচ্ছ তরুণ খেলোয়াড় আছে যারা আইপিএল-এর মত টুর্নামেন্টে তাঁদের প্রতিভার যথেষ্ট ছাপ রেখেছেন। যদি তরুণ প্রতিভারা পারফর্ম করতে না পারে সেক্ষেত্রে নির্বাচকরা বা বিসিসিআই রোহিতকে তার অবস্থান পুনর্বিবেচনার জন্য অনুরোধ করতেই পারে।রোহিত কুড়ি ওভারের ক্রিকেটের ভারতের সবচেয়ে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়। তিনি ১৪৮ টি ম্যাচ খেলেছেন যা ভারতের কোন ক্রিকেটারের সর্ব্বচ্চ, যেখানে কোহলি ভারতের হয়ে দ্বিতীয়- সর্বচ্চ স্থানে রয়েছেন, তিনি খেলেছেন ১১৫টি ম্যাচ। পুরুষদের টি-২০ বিশ্বকাপের আট বারই রোহিতের ধারাবাহিক পারফরমেন্স বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য। উল্লেখযোগ্যভাবে ২০০৭-র চাম্পিয়ান দলেও তাঁর অবদান অনস্বীকার্য ।ভারতের প্রাক্তন ওপেনার গৌতম গম্ভীর আবার মনে করেন শুধুমাত্র একজন বিশেষজ্ঞ ব্যাটসম্যান হিসেবে নয়, অধিনায়ক হিসেবেই রোহিতের বিশ্বকাপে অন্তর্ভুক্তির পক্ষে কথা বলেন। তাদের (রোহিত এবং কোহলি) উভয়কেই আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপে বাছাই করা দরকার, উভয়কেই বাছাই করা উচিত এবং আরও গুরুত্বপূর্ণ, আমি রোহিত শর্মাকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অধিনায়ক হিসাবে দেখতে চাই, গম্ভীর বলেন।

নভেম্বর ২৫, ২০২৩
রাজ্য

বৃষ্টিতে বেহাল রাজ্য সড়কের হাল, ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয় মানুষজন

হালকা বৃষ্টিতেই রাজ্য সড়ক রূপ নিয়েছে যেন চাষের ক্ষেতে। ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন পথ চলতি সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে স্থানীয় বাসিন্দারা। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ১০ নম্বর রাজ্য সড়ক বরাবর বুনিয়াদপুর থেকে রায়গঞ্জ পর্যন্ত প্রায় পঞ্চাশ কিলোমিটার। তার মধ্যে কুশমন্ডি থেকে বুনিয়াদপুর পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার রাস্তার বেহাল দশা। রাস্তার মাঝে কোথাও এক হাঁটু জল, কোথাও বা বড় বড় গর্ত। এমনি দুর্ভোগের চিত্র দেখা গেল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বুনিয়াদপুর ও কুশমন্ডি ১০ নম্বর রাজ্য সড়কের সর্বত্র। বর্ষা শুরুর আগেই রাস্তার কাজ অসম্পূর্ণ থাকায় রাজ্য সড়ক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভে সরব হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।উল্লেখ্য,এই রাস্তা উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুরকে সংযোগ স্থাপন করেছে। শিলিগুড়ি যাওয়ার একমাত্র মাধ্যম এই রাস্তা। কালদিঘির মত সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে যাওয়ার একমাত্র অবলম্বন এই রাস্তাটি।কুশমন্ডি হাসপাতাল থেকে কোনো রোগীকে কালদিঘি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হলে অ্যাম্বুলেন্স চালকদেরও পোহাতে হচ্ছে দুর্ভোগ এই রাজ্য সড়কের বেহাল অবস্থার জন্য। যদিও টালমাটাল ভাবে রাস্তার কাজ থমকে আছে, এমনটাই অভিযোগ।কোথাও বা রাস্তার পিচ উঠে যাওয়ায় প্রলেপ হিসেবে দেওয়া হয়েছে ভাঙ্গা ইটের টুকরো। অসম্পূর্ণ রাস্তার কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার দাবিতে একাধিকবার জানিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। তাছাড়া মোটরবাইক ও চার চাকার যানবাহন ও টোটো ওই রাস্তা দিয়ে নিয়ে যেতে চরম দুর্ভোগে পড়ছেন চালকেরা।গর্তের মধ্যে আটকে যাচ্ছে বাইকের চাকা, ঠেলে ঠেলে বাইক নিয়ে যেতে রীতিমত নাজেহাল অবস্থা হচ্ছে বাইক চালকদের। এই নিয়ে এই ১০ নম্বর রাজ্য সড়ক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উজাড় করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।এই বিষয়ে এলাকার এলাকার বাসিন্দা দিবাকর রায় বলেন, রাস্তার যা বেহাল দশা তাতে যে কোন মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। সামনেই দুর্গোৎসব, এই রাজ্য সড়কের ধারেই আমাদের মন্ডপ তৈরি হয়।পূজার আগে রাস্তার অবস্থা যদি ঠিক না হয় তাহলে জনসাধারণ আরোও চরম বিপাকে পড়বে।এ বিষয়ে কুশমন্ডি ব্লকের বিডিও অমরজ্যোতি সরকার জনতার কথাকে জানান, মূলত জল নিকাশি ব্যবস্থার জন্যই রাস্তার এই বেহাল দশা। আমরা আমাদের টিমকে দিয়ে নির্দিষ্ট জায়গাগুলি পরিদর্শন করাচ্ছি, যাতে দ্রুত নিকাশি ব্যবস্থার সমাধান করা যায়।

অক্টোবর ০৪, ২০২৩
রাজনীতি

মহাভারতের রচয়িতা কে? মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করতে গিয়ে কপোকাত শুভেন্দু, তৃণমূলের খোঁচা

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করতে গিয়ে এবার কুপোকাত স্বয়ং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবার শুভেন্দুর বক্তব্যকে কটাক্ষ করতে ছাড়ল না তৃণমূল কংগ্রেসও। মহাভারতের রচয়িতা বলতে গিয়ে গুলিয়ে একাকার করেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।মহাভারতের রচয়িতা নজরুল ইসলাম। মমতা বন্দ্যেপাধ্যায় এই মন্তব্য করেছেন বলে শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভাতেও কথাটি তুলেছিলেন। এবার এক সভায় ওই প্রসঙ্গ টেনে বলতে গিয়ে শুভেন্দু বলেন, মহাভারতের রচয়িতা কৃত্তিবাস ওঝা। শুভেন্দুর ভিডিওটিও ভাইরাল হয়েছে। এবার বিরোধী দলনেতাকে চেপে ধরেছে তৃণমূল কংগ্রেস।LoP @SuvenduWB has confidently declared that the Mahabharata was penned by none other than eminent Mahakavi, Krittibas Ojha.Bravo! Except, of course, for that pesky detail that Ojhas major contribution to Bengali literature was in the form of his illustrious adaptation of the pic.twitter.com/gENbQAwGuQ All India Trinamool Congress (@AITCofficial) September 10, 2023আদপে রামায়ণ লিখেছিলেন ঋষি বাল্মীকি। নদিয়ার ফুলিয়ার কৃত্তিবাস ওঝা বাংলায় ছড়া আকারে রামায়ন লিখেছেন। যা কৃত্তিবাসী রামায়ণ বলে পরিচিত। বাংলার মানুষের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়েছিল এই পদ্যানুবাদ রামায়ণ।প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী মহাভারত লিখেছিলেন ব্যাসদেব। পরবর্তীতে কবিন্দ্র পরমেশ্বর না কাশিরাম দাস কে বাংলায় মহাভারত অনুবাদ করেছিলেন তা নিয়ে বিতর্ক আছে। তবে কাটোয়ার কাশিরাম দাসের মহাভারত খ্যাতি পেয়েছিল।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৩
শিক্ষা

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক নাটক প্রতিযোগিতায় জমজমাট বর্ধমান

মানুষের মধ্যে বিজ্ঞান সচেতনতাকে আরও বাড়াতে, মানুষের সাথে বিজ্ঞানের সম্পর্ক আরও নিবিড় হওয়ার প্রয়োজন। শিক্ষাবস্থায় এই ধারনা মনের মধ্যে গেঁথে দেওয়ার আদর্শ সময়। বিজ্ঞানের সম্যক ধারণা অনেক ক্ষেত্রেই কুসংস্কার দূরীকরণে প্রধান হাতিয়ার হয়ে ওঠে। সেই উদ্দশ্যেই কেন্দ্র সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রক আজ বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমান জেলার সদর শহর বর্ধমানের বর্ধমান সায়েন্স সেন্টারে এক সায়েন্স ড্রামা প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।এই সায়েন্স ড্রামা প্রতিযোগিতায় পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলা মিলিয়ে মোট আটটি দল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এই মূল বিষয়ে এবং পাঁচটি ভিন্ন উপবিষয়ের ওপর সর্বোচ্চ ৩০ মিনিটে তাদের নিজেদের বিজ্ঞানমনস্ক নাটক মঞ্চস্থ করে। এই প্রতিযোগিতায় পূর্ব বর্ধমান জেলাতে প্রথম স্থান দখল করে হরিসভা হিন্দু বালিকা বিদ্যালয় মর্নিং এবং দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়। হরিসভা স্কুল শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যের পুরস্কার পায়। কাঞ্চন নগর দীননাথ দাস শ্রেষ্ঠ পরিচালক ও শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার অর্জন করে।শ্রেষ্ঠ পরিচালকের সম্মান পেয়ে দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক সৌমেন লাহা জনতার কথা কে জানান, এই ধরণের মঞ্চে আমাদের ছাত্রছাত্রীদের এটাই প্রথম প্রয়াস। তাদের এই সাফল্য স্বভাবতই আমাদের সকলকে অপরিসীম আনন্দ দিয়েছে। ওদের চমৎকার অভিনয় এই পুরস্কারের মূলে, যা ভবিষ্যতে নতুন নতুন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে আরও উৎসাহ দেবে। তিনি আরও জানান, এই প্রতিযোগিতা থেকে তাঁর প্রাপ্ত পুরস্কার তিনি সমগ্র বিদ্যালয়কে উৎসর্গ করছেন। ঠাকুমার ভূমিকায় শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী নবম শ্রেণির সরমা দাস জানায়, অভিনয়ের জন্য খুব ভাল সংলাপ তাকে সাহায্য করেছে। সৌমেন স্যারের নির্দেশনাতে সে উপকৃত হয়েছে।দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ের রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত এই সফল আয়োজনের জন্য বর্ধমান সায়েন্স সেন্টারের অধিকর্তাকে ধন্যবাদ জানান। বিদ্যালয় স্তরে বিজ্ঞান সচেতনতা ভবিষ্যৎ জীবনে একজন সতর্ক নাগরিক গড়ে তুলবে বলে তাঁর বিশ্বাস। এই ব্যতিক্রমী সাফল্যের জন্য নাটকের সঙ্গে যুক্ত বিদ্যালয়ের সকলকে তিনি আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৩
প্রযুক্তি

আদিত্য এল-১ অভিযানের মূল কারিগরকে জানুন, আজ সুর্যাভিযানে যাবে 'আদিত্য'

রবির কিরণে হাসি ছড়াইয়া দিব রে পরান ঢালিশিখর হইতে শিখরে ছুটিব,ভূধর হইতে ভূধরে লুটিব।শনিতে রবির অভিযান। মহাকাশ গবেষণায় চন্দ্রযান-৩ এর মহা সাফল্যের রেশ কাটতে না কাটতেই, এবার ইসরোর নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি আর এক যানআদিত্য ছুটবে সৌর্য পর্যবেক্ষণে। আদিত্য এল ১ আজ ২রা সেপ্টেম্বর সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে উৎক্ষেপণ হবে। এই অভিযান স্বমন্ধে জানাতে গিয়ে ইসরো জানিয়েছে, এটির মূল লক্ষ্য হল মহাবিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী শক্তির উৎস সম্পর্কে আরও গভীর জ্ঞান অর্জন করা যাতে সূর্যের জটিল প্রক্রিয়াগুলির উপর খুব ঘনিষ্ঠ অধ্যয়নের মাধ্যমে আলোকপাত করা যায়।এই অভিযান কে আদিত্য এল ১ বলা হচ্ছে কেন? এর মানে কী?আদিত্য নামটি এক অর্থে সূর্যকে বোঝানো হয়। আদিত্য বা আদিতেয় বলতে অদিতির সন্তানকে বোঝায়। সাধারণত, আদিত্যগণ সংখ্যায় বারো। এদের একত্রে দ্বাদশ আদিত্য বলা হয়। এরা হলেন অর্যমা, পূষা, ত্বষ্টা, সবিত্র, ভগ, ধাত্রী, মিত্র, বিষ্ণু, বরুণ, মিত্র, অংশ, বিবস্বান বা সূর্য। অনেক পণ্ডিতের মতে, দ্বাদশ আদিত্য বলতে বারোটি মাসকে বুঝানো হয়। ঋকবেদে এর উল্লেখ আছে। আদিত্য নামকরণ করা হয়েছে হিন্দু দেবতানুসারে এবং L1 মানে সূর্য-পৃথিবী সিস্টেমের Lagrange পয়েন্ট ১।আদিত্য L1 এর উদ্দেশ্য কি?মিশনের মূল লক্ষ্য হল সূর্য, সুর্যের করোনা ও এর বাইরের স্তর এবং এর চারপাশের ঘটনা নিয়ে গবেষণা করা। প্রকল্পটি হিন্দু সূর্য দেবতা আদিত্য র নামে নামকরণ করা হয়েছে। সূর্যের কার্যকলাপ এবং মহাকাশ আবহাওয়া এবং পৃথিবীর বাস্তুতন্ত্রের উপর এর প্রভাব সম্পর্কে গঠনমূলক বৈজ্ঞানিক তথ্য এবং অন্তর্দৃষ্টি সংগ্রহ করতে এই অভযান।আদিত্য এল ১-এর যন্ত্রের বিন্যাস গবেষকদের সূর্যের পৃষ্ঠ এবং করোনাকে অভূতপূর্ব গভীরতায় বিভিন্ন আলোক তরঙ্গদৈর্ঘ্যে সূর্যকে দেখে পরীক্ষা করতে সক্ষম হবে। মিশনের প্রাথমিক উদ্দেশ্য হল চৌম্বক ক্ষেত্রের গতিশীলতা, সৌর শিখা এবং পৃথিবীর জলবায়ু এবং মহাকাশের আবহাওয়াকে প্রভাবিত করে এমন অন্যান্য সৌর প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও জানা।PSLV-C57/Aditya-L1 Mission:The 23-hour 40-minute countdown leading to the launch at 11:50 Hrs. IST on September 2, 2023, has commended today at 12:10 Hrs.The launch can be watched LIVEon ISRO Website https://t.co/osrHMk7MZLFacebook https://t.co/zugXQAYy1yYouTube ISRO (@isro) September 1, 2023আদিত্য এল ১ মিশনের প্রধান বিজ্ঞানী কে?আদিত্য এল ১ মিশনের প্রধান বিজ্ঞানী হিসাবে ইউ আর রাও স্যাটেলাইট সেন্টার (ইউআরএসসি) বিশিষ্ট সৌর বিজ্ঞানী ডাঃ শঙ্কর সুব্রমণিয়ান কে. দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ অ্যাস্ট্রোফিজিক্সে ব্যাঙ্গালোর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিদ্যায় পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর বৈজ্ঞানিক গবেষণার মূল দিকগুলি হল, ইন্সট্রুমেন্টেশন, অপটিক্স এবং সৌর চৌম্বক ক্ষেত্র। ইসরোর অ্যাস্ট্রোসাট, চন্দ্রযান-১ ও চন্দ্রযান-২ এ ও তাঁর যথেষ্ট অবদান ছিলো।বর্তমানে তিনি ইউআরএসসির স্পেস অ্যাস্ট্রোনমি গ্রুপের (এসএজি) দায়িত্বে রয়েছেন। চন্দ্রযান-৩ প্রোপালশন মডিউলের উপরে আদিত্য-এল 1, এক্সপোস্যাট এবং বিজ্ঞানের পেলোডের আসন্ন মিশনের জন্য, SAG বৈজ্ঞানিক পেলোড তৈরি করার কাজ করছে। উপরন্তু, তিনি আদিত্য-এল ১ এর এক্স-রে পেলোডগুলির মধ্যে জন্য প্রধান গবেষক হিসাবে কাজ করছেন। আদিত্য-এল ১ সায়েন্স ওয়ার্কিং গ্রুপ, যার মধ্যে অনেক ভারতীয় প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞরা রয়েছে, এর নেতৃত্বে রয়েছেন ড. শঙ্করসুব্রামনিয়ান কে।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

ভারতের বিস্ময় দাবাড়ু প্রজ্ঞানন্দকে ‘দানব’ বললেন এই মুহূর্তে বিশ্বের এক নম্বর নরওয়ের দাবাড়ু

দাবা বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারতের আশা শেষ। বিশ্বকাপজয়ী দাবাড়ু কার্লসেনের থেকে বয়সে ১৪ বছরের ছোট এই রমেশবাবু প্রজ্ঞানন্দ। রমেশবাবু প্রজ্ঞানন্দকে বিশ্বকাপের ফাইনালে হারিয়ে এই মুহুর্তে বিশ্বের এক নম্বর দাবাড়ু ম্যাগনাস কার্লসেন। চাম্পিয়ান হওয়ার পরেই প্রজ্ঞানন্দকে দানব বলে অবিহিত করেন নরওয়ের দাবাড়ু। ৩২ বছর বয়সী ম্যাগনাস কার্লসেন এই মুহূর্তে বিশ্বের এক নম্বর। বিশ্ব দাবা র্যাঙ্কিংয়ে ২৮ নম্বরে থাকা প্রজ্ঞানন্দ চুড়ান্ত ফাইনালে টাইব্রেকার পর্যন্ত গেলেও শেষ রক্ষা হল না, জিততে পারলেন না প্রজ্ঞানন্দ।এর আগে, ২০০২ এ প্রাক্তন বিশ্ব চাম্পিয়ান ও ১ নম্বর র্যাঙ্কিংয়ে থাকা বিশ্বনাথন আনন্দ দাবা বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলেছিলেন। এর পর প্রজ্ঞানন্দই প্রথম ভারতীয় দাবাড়ু যিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন। মাত্র ১৮ বছর বয়সি এই ভারতীয় দাবাড়ুর সাফল্য সম্পর্কে বিস্বচাম্পিয়ান কার্লসেন বলেন, ভারতের বেশ কিছু দাবাড়ু এই মুহূর্তে খুব ভাল খেলছে। ক্ল্যাসিকাল ম্যাচে ডি গুকেশ ও খুব ভাল। কিন্তু প্রজ্ঞানন্দের মানসিকতা একেবারে দানবের মতো। দাবার ভবিষ্যৎ খুবই সুরক্ষিত। ১৯৯০ থেকে ১৯৯৪ সালের মধ্যে জন্ম যে দাবাড়ুদের, তাঁরা এত দিন দাপট দেখিয়েছে। পরের প্রজন্ম এসে গিয়েছে। আমাদের জায়গা নিয়ে নেবে ২০০৩ বা তার পরে জন্ম নেওয়া দাবাড়ুরা।প্রজ্ঞানন্দ ম্যাগনাস কার্লসেনের বিরুদ্ধে ক্লাসিক্যাল ম্যাচ দুটি ড্র করেন। এরপর টাইব্রেকারে সাদা ঘুঁটি নিয়ে খেলেও হেরে যান প্রজ্ঞানন্দ। পরের ম্যাচটি ড্র হতেই বিশ্বকাপ জিতে যান কার্লসেন। বৃহস্পতিবার ফাইনালে প্রথম র্যাপিড রাউন্ডে একটি চাল দিতে প্রায় ৬ মিনিটেরও বেশী সময় নেন প্রজ্ঞানন্দ। ২৫ মিনিটের খেলায় সেই একটি চালই তাঁকে পিছিয়ে দেয় বলে দাবা বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা। প্রজ্ঞানন্দের এই ভুলের সুযোগ নিয়ে ২.৫-১.৫ পয়েন্টে ম্যাচ জিতে গেলেন কার্লসেন।বিশ্বনাথন আনন্দের পর রমেশবাবু প্রজ্ঞনানন্দ। ভারতের দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসাবে দাবা বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার পর থেকেই, চেন্নাইয়ের এই ১৮ বছরের তরুণ উঠে এসেছেন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। তার কৃতিত্ব এখন গোটা বিশ্বের শিরোনাম। সোমবার আমেরিকার গ্র্যান্ডমাস্টার ফ্যাবিয়ানো কারুয়ানাকে হারানোর পর থেকেই প্রজ্ঞনানন্দ-কে নিয়ে শুরু হয়েছে চুল চেরা বিশ্লেষন।রমেশবাবু প্রজ্ঞনানন্দ ২০০৫ র ১০ই আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন। ২০১৩ র বিশ্ব যুব দাবা প্রতিযোগিতা জেতা দিয়ে তার যাত্রা শুরু, তার বয়স তখন মাত্র ৮ বছর। এরপর থেকে আর তাকে পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। পরের পর প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে পুরস্কারে বাড়ির আলমারি ভর্তী করে ফেলেছেন রমেশবাবু প্রজ্ঞনানন্দ। বিশ্বে কনিষ্ঠতম হিসাবে তিনি ইন্টারন্যাশানাল মাস্টার (আই এম) হন মাত্র ১০ বছর ১০ মাস ১৯ দিন বয়সে।২০১৭ তে ১২ বছর বয়সে রমেশবাবু প্রজ্ঞনানন্দ তার প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার নর্ম অর্জন করেন। ঠিক তার পরের বছরেই ২৩ জুন ইটালির একটি প্রতিযোগিতায় গ্র্যান্ডমাস্টারের তৃতীয় নর্মও পেয়ে যান। তিনি সের্গেই কারয়াকিনের পরে বিশ্বের দ্বিতীয় কনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসাবে গ্র্যান্ডমাস্টার হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেন।বিশ্বনাথন আনন্দের মত প্রজ্ঞনানন্দ ও চেন্নাইয়ের বাসিন্দা। ভারত থেকে দাবাতে দুই বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলা খেলোয়াড়ই চেন্নাই প্রবাসি। এক একান্ত সাক্ষাকারে প্রজ্ঞনানন্দ জানিয়েছেন তিনি নিজেও বিশ্বনাথন আনন্দকে তাঁর আইডল মানেন। তার আনন্দ স্যর এর অ্যাকাডেমি ওয়েস্টব্রিজ আনন্দ চেস অ্যাকাডেমি তে অনুশীলন করেন। আনন্দ স্যরকেই নিজের আদর্শ বলে মেনে চলেন।উল্লেখ্য, ২০২২র ফেব্রুয়ারিতে এক অনলাইন চ্যাম্পিয়নশিপে বিশ্বের এক নম্বর কার্লসেনকে পরাজিত করেন রমেশবাবু প্রজ্ঞনানন্দ। ২০২২-র মে মাসে, এয়ারথিংস মাস্টার্স ব়্যাপিড চেস প্রতিযোগিতায় কার্লসেনকে পুনরায় পরাজিত করেন প্রজ্ঞনানন্দ। ওই বছরেরই আগস্ট মাসে এফটিএক্স ক্রিপ্টো কাপে আবার, ছয় মাসে ব্যবধানে টানা-তিনবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন কার্লসেনকে দাপটের সঙ্গে হারিয়ে প্রজ্ঞনানন্দ বিশ্ব দাবার বিস্ময় প্রতিভা বলে চিহ্নিত হয়ে ওঠেন। ফলত বিশ্বকাপের চুড়ান্ত ফাইনালের আগে বিশ্বের একনম্বর নরওয়ের দাবাড়ু ম্যাগনাস কার্লসেন ২৮ নম্বরে থাকা প্রজ্ঞানন্দ বিরুদ্ধে বেশ চাপে ছিলেন বলে দাবার বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা।

আগস্ট ২৬, ২০২৩
দেশ

মিজোরামে মৃত শ্রমিকদের পরিবার পিছু একজনের চাকরি ও ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের দাবি অধীরের

মিজোরামের দুর্ঘটনায় মালদার শ্রমিকদের পরিবার পিছু একজনকে চাকরি। একইসঙ্গে ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রীকে ফোনে পাননি, কিন্তু রেলবোর্ডের চেয়ারম্যানকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন লোকসভায় কংগ্রেসের বিরোধী দলনেতা অধীর চৌধুরী। পাশাপাশি মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও তাঁর কথা হয়েছে। অসহায় মৃত শ্রমিকদের পরিবারের পাশে যে করেই হোক সবাইকে একসঙ্গে সহযোগিতা করতে হবে, বলেন বহরমপুরের সাংসদ। বৃহস্পতিবার দুপুরে মালদায় মৃত শ্রমিক পরিবারদের সঙ্গে দেখা করেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। এদিন চাঁচল মহকুমার পুখুরিয়া থানার কোকলামারী চৌদুয়ারি গ্রামে যান সাংসদ অধীর চৌধুরী। এই গ্রাম থেকেই ১৬ জন শ্রমিক মিজোরামের কাজ করতে গিয়ে নির্মীয়মান রেল ব্রিজ দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন। মিজোরামের রেল ব্রিজ দুর্ঘটনায় মালদার মোট ২৩ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। যার মধ্যে অধিকাংশই রয়েছে চৌদুয়ারি গ্রামের বাসিন্দা। এছাড়াও ইংরেজবাজার ব্লকের সাটটারি এবং নরহাট্টা গ্রামেরও শ্রমিকরাও রয়েছেন।এদিন চৌদুয়ারি গ্রামের মৃত শ্রমিক পরিবারদের সঙ্গে দেখা করার পর কংগ্রেস সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেন, মিজোরাম সরকার এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকার ২ লক্ষ টাকা করে মোট চার লক্ষ টাকা আর্থিক সহযোগিতা করেছে। কিন্তু এই সামান্য টাকায় ওইসব মৃত শ্রমিকদের পরিবারের ভবিষ্যৎ তৈরি হবে না। আমি ওইসব পরিবারের সঙ্গে কথা বলে দেখলাম, ওরা খুব অসহায়। ওদের পাশে কেউ নেই। রেলমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু তাঁকে পাইনি। রেল বোর্ডের চেয়ারম্যানকে বলেছি মৃত শ্রমিকদের পরিবারের একজন সদস্যকে চাকরির ব্যবস্থা করে দিতে হবে। কমপক্ষে ১০ লক্ষ টাকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। যদিও কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী বিষয়টি বিবেচনা করবেন বলে জানিয়েছেন। আশা করি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও মৃত শ্রমিকদের পরিবারের বিষয়টি নিয়ে ভাবনা চিন্তা করবেন।

আগস্ট ২৪, ২০২৩
রাজনীতি

ভোটের দিনেও দলবদল। তৃণমূল যোগদান বিজেপি প্রার্থীর

ভোটের দিনেও দলবদল। তৃণমূল যোগদান করলেন বীরভূমের রামপুরহাট ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির ১৯ নম্বর আসনের বিজেপি প্রার্থী কালি চরণ হেমরম ওরফে কালিয়া। পঞ্চায়েত সমিতির ওই আসনে বিজেপি প্রার্থী কালিচরণের হাতে তৃণমূলের পতাকা তুলে দেন বনহাট অঞ্চলের বিদায়ী প্রধান জহিরুল ইসলাম। কালিচরণ বলেন, মমতা বন্দোপাধ্যায়ের উন্নয়নে সামিল হতেই আমি নির্বাচনী প্রক্রিয়া থেকে সরে দাঁড়ালাম। ওই আসনে তৃণমূল প্রার্থী রয়েছেন মঙ্গল মুর্মু। ওই আসনে বিজেপি তৃণমূল ছাড়া অন্য কোন দলের প্রার্থী নেই।

জুলাই ০৮, ২০২৩
শিক্ষা

বিজ্ঞানে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ রামকৃষ্ণ মিশনের বৃত্তি প্রদান বর্ধমানের মেয়েকে

বর্ধমানের মেয়ে দিগন্তিকা কে তাঁর ক্রমাগত বিজ্ঞান সাধনার স্বীকৃতি স্বরূপ বৃত্তি প্রদান রামকৃষ্ণ মিশনের। রামকৃষ্ণ মিশনের ১২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ভারত সরকারের মিনিস্ট্রি অফ কালচার এর আর্থিক সহযোগিতায় ও রামকৃষ্ণ মিশন বেলুর মঠের উদ্যোগে সারা ভারত স্টুডেন্ট ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ অনুষ্ঠিত হল। স্টুডেন্ট ইনোভেশন প্রতিযোগিতা অষ্টম শ্রেণি থেকে শুরু করে পিএইচডি স্তর পর্যন্ত নথিভুক্ত শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত ছিল। সারা ভারত থেকে বেশ কয়েক জন উদ্ভাবককে উচ্চ শিক্ষার জন্য বৃত্তি প্রদান করা হয় এই অনুষ্ঠানে।বেলুর মঠে স্বামী বিবেকানন্দ সভাগৃহে (বেলুর মঠ) এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে মঠের মহারাজ দের আলোকোজ্জ্বল উপস্থিতিতে উদ্ভাবক বৃত্তি প্রদান করা হয়।এই অনুষ্ঠানে দিগন্তিকা বোসের হাতে বৃত্তি স্বরূপ সাতষট্টি হাজার টাকার অর্থমুল্যের একটি চেক তুলে দেওয়া হয়। বেঙ্গালুরুরর নার্সিং কলেজে দিগন্তিকা এখন বিএসসি নার্সিং পড়ছে, সে কারণেই সে দক্ষিণ ভারতের হয়ে অংশগ্রহণ করেছিল। শ্রীমৎ স্বামী সুবীরা নন্দজী মহারাজ রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠের সাধারণ সম্পাদক প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেন ও মঠের সম্পাদক স্বামী শুকদেবানন্দ মহারাজ উপস্থিতিতে সমগ্ৰ অনুষ্ঠিত হয়।দিগন্তিকা জানায় তার আবিস্কৃত ভাইরাস ডেসট্রয়েড মাস্ক এর আর একটি উন্নত ভার্সন, যা তার আগের উদ্ভাবিত মাস্ক এর সব বৈশিষ্ট্য তো থাকছেই সঙ্গে পাওয়া যাবে পকেট ভেন্টিলেশনে সুবিধা। পকেট ভেন্টিলেশন এমন একটা ব্যবস্থা, হঠাৎ যদি কোনো ব্যক্তির কৃত্রিম শ্বাস চালু রাখাতে পারে, চিকিৎসা কেন্দ্র নিয়ে যাওয়ার আগে বা গ্ৰামিন চিকিৎসা কেন্দ্র এটি ব্যবহার করে মানুষের জীবন রক্ষার সহআয়ক হবে মাস্কের এই উন্নত ভার্সন যা তাকে এনে দিল রামকৃষ্ণ মিশনের দেওয়া জাতীয় উদ্ভাবক শিক্ষা বৃত্তি।

জুলাই ০২, ২০২৩
উৎসব

উল্টোরথে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, ঝলসে প্রাণ গেল ৬ জনের

উল্টোরথে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটল পড়শি রাজ্য ত্রিপুরার কুমারঘাটে। বিশেষ ডিজাইনে তৈরি সেই রথে অনেকে মানুষ সওয়ার হয়েছিলেন। রথের ভিতরে থাকা অন্তত ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।। তবে মৃতের সংখ্যা এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।কীভাবে ঘটল এমন ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা? জানা গিয়েছে, রথের একটি লোহার অংশ আচমকা বৈদ্যুতিক তার স্পর্শ করে। অজান্তেই মুহূর্তে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন অনেকেই। সবার সামনে তাঁরা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে থাকেন একে একো। তাঁদের বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হতে দেখলেও কারও কিছু করার ছিল না সেই সময়। শুধু চোখের সামনে বিয়োগ যন্ত্রণা সহ্য করা ছাড়া।এরই মধ্যে রথে আগুন ধরে যায়। ওই ভয়ঙ্কর দৃশ্য দেখে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করে দেন লোকজন। জানা গিয়েছে, রথের দড়ি টানছিলেন যাঁরা, তাঁরা প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন। অনেকেই গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

জুন ২৮, ২০২৩
শিক্ষা

উচ্চমাধ্যমিকে জয়জয়কার নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের, পাশের হারে এগিয়ে পূর্ব মেদিনীপুর

এবার উচ্চমাধ্যমিকেও পাশের হারে প্রথম স্থান পূর্ব মেদিনীপুরের। প্রথম দশে মেধা তালিকায় ঠাঁই পেয়েছে মোট ৮৭ জন। তার মধ্যে হুগলি জেলারই ১৮ জন। এর পাশাপাশি নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন স্কুল তাক লাগানো ফল করেছে। মেধা তালিকায় প্রথম স্থানাধিকারী শুভ্রাংশু সর্দার দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই স্কুলেরই ছাত্র। ওই তালিকায় নাম রয়েছে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের আরও ৮ জন পড়ুয়ার। উচ্চমাধ্যমিকে ৪৯৫ নম্বর পেয়ে যুগ্মভাবে দ্বিতীয় হয়েছেন বাঁকুড়ার সুষমা খান ও উত্তর দিনাজপুরের আবু সামা।গড়পড়তা নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্ররা বরাবরই ভাল রেজাল্ট করে। এবারের ফল আরও নজরকাড়া। ছাত্রদের সাফল্যে খুশি শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা। স্কুলের প্রধান শিক্ষক স্বামী ইষ্টেশানন্দ বলেন, স্কুলের ছাত্রদের এই সাফল্য খুবই আনন্দের খবর। আমরা আশা করেছিলাম যে ২০১৫ সালের পর ফের এবার হয়তো মেধা তালিকায় আমাদের কোনও ছাত্রের নাম দেখা যাবে। শুভ্রাংশু ভাল ফল করবে তা প্রত্যাশিতই ছিল। তবে উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম স্থানে আসবে তা আমরা বুঝতে পারিনি। প্রথম দশে আমাদের স্কুলের ৯ জন ছাত্র আছে। আমরা গর্বিত।নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের কোন কোন ছাত্র মেধা তালিয়ায় কোন স্থান পেয়েছে-প্রথম- শুভ্রাংশু সরদার ( নম্বর ৪৯৬)চতুর্থ- নরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় ( নম্বর ৪৯৩)ষষ্ঠ- অর্কদীপ ঘরা (নম্বর ৪৯১)সপ্তম- বিতান শাসমল ( নম্বর ৪৯০)সপ্তম- অর্ক ঘোষ ( নম্বর ৪৯০)সপ্তম- অভিরূপ পাল ( নম্বর ৪৯০)অষ্টম- সৈয়দ সাকলাইন কবীর ( নম্বর ৪৮৯)নবম- সায়ন সাহা ( নম্বর ৪৮৮)নবম- অর্কপ্রতিম দে ( নম্বর ৪৮৮)

মে ২৪, ২০২৩
রাজনীতি

কবে হবে পঞ্চায়েত ভোটের ঘোষণা, কিভাবে চলবে নির্বাচন প্রক্রিয়া, জানালেন শুভেন্দু

পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরির ঠাকুরনগরের সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণার দিন জানিয়ে দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এমনকী কি ধরনের ভোট হতে চলেছে তা-ও আগাম ঘোষণা করেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। এর আগে পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন শুভেন্দু। মমলা গড়িয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। শুভেন্দুর আবেদনে সাড়া মেলেনি আদালতে। পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণায় বাধা নেই বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত।সোমবার খেজুরির ঠাকুরনগরে শুভেন্দু বলেন, পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণা করবে ২রা মে। সব খবর থাকে আমার কাছে। একটা পর্যায়ে ভোট হবে। পুলিশ দিয়ে একটা পর্যায়ে ভোট করাতে যাতে রক্তগঙ্গা বয়ে যায় বাংলায়। যাতে শত শত মানুষ মারা যান তাই এই ব্যবস্থা করছেন অত্য়াচারী, অহংকারী পিসির একমাত্র ভাইপো। এখনও পর্যন্ত পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়নি। দুয়ারে সরকার কর্মসূচি শেষ হলে পঞ্চায়েত নির্বাচনের তোরজোড় শুরু হবে বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই রাজ্যে খুনোখুনি শুরু হয়ে গিয়েছে।এদিকে পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি করে আসছে বিরোধীরা। তবে এবিষয়ে আদালতে গিয়ে খুব একটা লাভ হয়নি। এদিনই পঞ্চায়েত ভোট উপলক্ষ্যে ভার্চুয়ালি সাংগঠনিক বৈঠক করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্প্রতি মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি উপনির্বাচনে বামেদের সমর্থনে কংগ্রেসের জয় একটু হলেও পঞ্চায়েত ভোটে প্রভাব পড়বে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১০, ২০২৩
রাজ্য

রামনবমীর শোভাযাত্রার পর হনুমান জয়ন্তী, তিন কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে

রামনবমীর শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে অশান্তির জেরে এখনও থমথমে হুগলির রিষড়া। রামনবমীর মিছিলকে কেন্দ্র করে অশান্তি হয়েছে, উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলা, হাওড়ার শিবপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরে। এদিকে আগামী কাল, বৃহস্পতিবার হনুমান জয়ন্তী পালন করতে চলেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। কলকাতা হাইকোর্ট এদিন রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছে হনুমান জয়ন্তীতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মতোয়েন করতে।কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে হনুমান জয়ন্তীতে বাংলায় তিন কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবান্ন। জানা গিয়েছে, হাওড়া, হুগলি ও কলকাতায় উপদ্রুত এলাকায় এই তিন কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে। বুধবার নাবান্নে মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে রাজ্যে তিন কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হয়। পাশাপাশি অশান্তি রুখতে বেশ কয়েকটি নির্দেশ জারির পথে রাজ্য প্রশাসন। বৃহস্পতিবারের কোনও শোভাযাত্রায় ১০০ জনের বেশি লোক থাকতে পারবে না। স্পর্শকাতর এলাকায় থাকবে ১৪৪ ধারা।এদিন, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম স্পষ্ট জানিয়েছেন, মানুষের নিরাপত্তা ও আস্থার থেকে বড় কিছু হতে পারে না। এই দুটি বিষয়কে সুনিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে রাজ্য সরকারকে। হনুমান জয়ন্তী উপলক্ষে কোথাও হিংসার সম্ভাবনা থাকলে রাজ্য সরকারকে আগে থেকে প্রস্তুতি নিতে হবে। প্রয়োজনে সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় বাহিনী চাইলে সঙ্গে সঙ্গে সাহায্য করতে হবে কেন্দ্রকে। আদালত আরও বলেছে, মানুষের মনে আস্থা ফেরাতে হিংসা কবলিত এলাকায় পুলিশ ও আধাসেনার রুট মার্চ অত্যন্ত দরকারি।

এপ্রিল ০৫, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 20
  • 21
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

এনআইএ আদালতে বিস্ফোরক দাবি! শাকির আলির বাড়ি থেকে উদ্ধার গুলি, জামিন চাইলেন প্রাক্তন সাংসদের স্বামী

রামনবমী সংক্রান্ত মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ অপরূপা পোদ্দারের স্বামী শাকির আলিকে বুধবার আদালতে তোলা হয়। শুনানির সময় তদন্তকারী সংস্থা দাবি করে, এই ঘটনায় শাকির আলি অন্যতম মূল পরিকল্পনাকারী। যদিও আদালতে দাঁড়িয়ে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি এবং যে কোনও শর্তে জামিনের আবেদন জানান।আদালতে তদন্তকারী সংস্থা জানায়, রামনবমীর ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোট ছয়টি মামলা দায়ের হয়েছিল। অভিযোগ, শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া মানুষের উপর হামলা চালানো হয় এবং তদন্তে উঠে এসেছে, এই ঘটনায় শাকির আলি উস্কানির ভূমিকা পালন করেছিলেন। তদন্তকারীদের আরও দাবি, তাঁর বাড়ি থেকে ছত্রিশ রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়েছে। সেই কারণেই তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন বলে আদালতের কাছে আবেদন জানানো হয়।তবে শুনানির সময় বিচারক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তোলেন। তিনি জানতে চান, দুই হাজার তেইশ সালে শুরু হওয়া মামলায় এতদিন পর কেন গ্রেপ্তার করা হল শাকির আলিকে। একই সঙ্গে প্রশ্ন ওঠে, এতদিন পরে হেফাজতে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা কী।এর জবাবে তদন্তকারী সংস্থা জানায়, আগে এই গ্রেপ্তার সম্ভব হয়নি। তাদের দাবি, তদন্তে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না পাওয়ায় পদক্ষেপ করা যায়নি। বর্তমানে তদন্তের জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।তদন্তকারী আধিকারিক আদালতে আরও জানান, বিভিন্ন রাস্তা এবং বাড়ির নজরদারি চিত্র খতিয়ে দেখা হয়েছে। অভিযোগ, শাকির আলি যে গাড়ি ব্যবহার করতেন, সেই গাড়ির কোনও ক্ষতি হয়নি, অথচ আশপাশের একাধিক গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। ঘটনার পর সেই গাড়িতেই তিনি এলাকা ছেড়ে চলে যান বলে তদন্তকারীদের দাবি। আরও অভিযোগ, পরে ওই গাড়ি বিক্রিও করে দেওয়া হয়।অন্যদিকে শাকির আলির আইনজীবী আদালতে জানান, তাঁর মক্কেল এই মামলায় এর আগেও দুবার তদন্তে হাজিরা দিয়েছেন। তিনি একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে এলাকায় শান্তি বজায় রাখার চেষ্টা করেছিলেন বলেও দাবি করা হয়। শাকির আলিও আদালতে বলেন, যাঁরা শোভাযাত্রা করেছিলেন তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, অথচ যাঁরা পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়েছিলেন, তাঁদেরই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, মামলার অন্য অভিযুক্তরা ইতিমধ্যেই জামিনে মুক্ত।শাকির আলি আদালতে জানান, তাঁর নামে বৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ছিল। পরে সেই অস্ত্র বিক্রি করে দিলেও গুলি বিক্রি করা যায় না। পাশাপাশি তিনি নিজের শারীরিক অবস্থার কথাও আদালতের নজরে আনেন। তাঁর দাবি, তিনি গুরুতর অসুস্থ এবং ক্যানসারের আশঙ্কায় চিকিৎসাধীন। সেই কারণেই যে কোনও শর্তে জামিন দেওয়ার আবেদন জানান।এই মামলায় শাকির আলিকে দুই দিনের জন্য তদন্তকারী সংস্থার হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে। বিকল্প হিসেবে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে থাকলেও জেলে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি চেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের।

জুলাই ০১, ২০২৬
দেশ

চিকেনস নেকে বড়সড় নিরাপত্তা আতঙ্ক! পানের দোকানের আড়ালে কী চলছিল? গ্রেপ্তার যুবক

পূর্ব ভারতের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত এলাকা চিকেনস নেক বা শিলিগুড়ি করিডরের কাছাকাছি সিকিমে বড়সড় অভিযানে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং গ্যাংটক পুলিশের যৌথ অভিযানে ধৃত ওই যুবকের বিরুদ্ধে দেশবিরোধী কার্যকলাপ, উগ্রপন্থী প্রচার এবং নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের মতাদর্শ ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, গ্যাংটকের নাং এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হওয়া উনিশ বছরের মহম্মদ আরজু একটি পানের দোকানের আড়াল থেকে এই কার্যকলাপ চালাতেন বলে অভিযোগ। তবে এই অভিযোগ এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি এবং তদন্ত চলছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মহম্মদ আরজু তাঁর বাবার সঙ্গে গ্যাংটকের লোয়ার এমজি মার্গ এলাকায় একটি পানের দোকান পরিচালনা করতেন। তদন্তকারীদের অভিযোগ, সেই ব্যবসার আড়ালেই তিনি সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে উগ্রবাদী প্রচার চালাতেন এবং নতুন সদস্য সংগ্রহের চেষ্টা করতেন। বিষয়টি সামনে আসার পর থেকেই গোয়েন্দা মহলে উদ্বেগ বেড়েছে।তদন্তকারী সংস্থার দাবি, তারা একটি সামাজিক মাধ্যমের গোষ্ঠীর সন্ধান পেয়েছে, যার মাধ্যমে দেশবিরোধী প্রচার এবং উগ্রপন্থী মতাদর্শ ছড়ানোর চেষ্টা চলছিল বলে অভিযোগ। সেই সূত্র ধরেই মহম্মদ আরজুর নাম সামনে আসে। এরপর কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং গ্যাংটক পুলিশের যৌথ অভিযানে তাঁকে আটক করা হয়।জিজ্ঞাসাবাদের সময় ধৃত যুবকের আচরণে অসঙ্গতি ধরা পড়ায় তাঁর মোবাইল ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষা করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, সেই পরীক্ষায় বিভিন্ন কথোপকথন, সন্দেহজনক তথ্য আদান-প্রদান এবং ভারত ও পাকিস্তানে অবস্থানকারী কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগের প্রাথমিক তথ্য মিলেছে। এই তথ্যের ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, এই ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না এবং কোনও বড় নেটওয়ার্কের সঙ্গে এর যোগসূত্র আছে কি না।সিকিম পুলিশের অপরাধ দমন শাখা এবং অপরাধ তদন্ত বিভাগ জানিয়েছে, অনলাইনের মাধ্যমে উগ্রবাদী কার্যকলাপে যুক্ত থাকার অভিযোগে ধৃত যুবকের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন এবং তথ্য প্রযুক্তি আইনের একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত এখনও চলছে।এই ঘটনাকে উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছেন সিকিমের বিধায়ক কলা রাই। তাঁর বক্তব্য, আন্তর্জাতিক সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় এ ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত সংবেদনশীল। তাই ভবিষ্যতে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা এবং সন্দেহজনক কার্যকলাপের উপর কড়া নজরদারি চালানো প্রয়োজন।

জুলাই ০১, ২০২৬
রাজ্য

বড় ধাক্কা তৃণমূলে! আগাম জামিন খারিজের পর গ্রেপ্তার প্রাক্তন মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তী

রাজ্য রাজনীতিতে ফের বড় চাঞ্চল্য। বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তীকে গ্রেপ্তার করল রাজ্য পুলিশের বিশেষ বাহিনী। পুরুলিয়ার সদর থানা এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়। এর আগে কলকাতা হাই কোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন দেবরাজ। কিন্তু আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। এরপরই তদন্তকারীরা তাঁকে গ্রেপ্তার করেন।দেবরাজ চক্রবর্তী দীর্ঘদিন ধরেই উত্তর চব্বিশ পরগনার রাজনীতিতে পরিচিত মুখ। যুব তৃণমূলের কর্মী হিসেবে রাজনৈতিক জীবন শুরু হলেও পরে দলীয় টিকিট না পেয়ে কংগ্রেসে যোগ দেন। বিধাননগর পুরনিগমের সাত নম্বর ওয়ার্ড থেকে কংগ্রেসের প্রার্থী হয়ে জয়ও পান। পরে আবার তৃণমূলে ফিরে আসেন। তাঁর স্ত্রী অদিতি মুন্সিও পরবর্তীতে সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দিয়ে রাজারহাট-গোপালপুর কেন্দ্রের বিধায়ক হন।বিধানসভা নির্বাচনের আগে দেবরাজ চক্রবর্তী ও অদিতি মুন্সির বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ সামনে আসে। অভিযোগ ছিল, নির্বাচনের আগে বিপুল মূল্যের সম্পত্তি আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতদের নামে হস্তান্তর করা হয়েছে। পাশাপাশি নির্বাচনী হলফনামায় সম্পত্তির প্রকৃত তথ্য গোপন করার অভিযোগও ওঠে। এছাড়াও তোলাবাজি, সিন্ডিকেট পরিচালনা এবং জমি দখল সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়েও তদন্ত শুরু হয়।গ্রেপ্তার এড়াতে দেবরাজ চক্রবর্তী ও অদিতি মুন্সি কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন। আদালত চার মাসের শিশুসন্তানের কথা বিবেচনা করে অদিতি মুন্সিকে আগাম জামিন দিলেও তাঁর বিদেশ সফরে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। পাশাপাশি পাসপোর্ট নিম্ন আদালতে জমা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয় এবং বাগুইআটি থানা এলাকায় প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।অন্যদিকে দেবরাজ চক্রবর্তীর আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে আদালত। তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার নির্দেশও দেওয়া হয়। সেই নির্দেশের পরই রাজ্য পুলিশের বিশেষ বাহিনী অভিযান চালিয়ে পুরুলিয়া থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, মামলার তদন্তে এই গ্রেপ্তার গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি এনে দেবে।

জুলাই ০১, ২০২৬
রাজ্য

বড় ধাক্কা অনুব্রত মণ্ডলকে! আগাম জামিন খারিজ, এবার কি গ্রেপ্তার?

অনুব্রত মণ্ডলের আইনি লড়াইয়ে বড় ধাক্কা। ভোট-পরবর্তী হিংসার একটি মামলায় তাঁর আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল সিউড়ির জেলা আদালত। মঙ্গলবার মামলার শুনানির পর বিচারক আবেদন নাকচ করে দেন। আদালতের এই সিদ্ধান্তের পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।আইনজীবীদের একাংশের মতে, আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ায় এই মামলায় অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশের সামনে আপাতত আর কোনও আইনি বাধা নেই। ফলে তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, এখন সেই দিকেই নজর রাজনৈতিক মহল থেকে প্রশাসনের।তবে এখানেই আইনি লড়াই শেষ হচ্ছে না। সূত্রের খবর, অনুব্রত মণ্ডলের আইনজীবীরা উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন। তার আগেই পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করে কি না, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। আদালতের রায় প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে।এই মামলার সূত্রপাত দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর। অভিযোগ, বোলপুরের কঙ্কালীতলা পঞ্চায়েতের পাথরঘাটা গ্রামের একটি ইটভাটা থেকে প্রায় ত্রিশ লক্ষ টাকার ইট লুঠ করা হয়। অভিযোগ, একশোটি ট্রাক্টরে করে সেই ইট নিয়ে যাওয়া হয়।ইটভাটার মালিক শুভেন্দু বিকাশ মণ্ডল অভিযোগ করেন, কঙ্কালীতলা পঞ্চায়েতের তৎকালীন উপপ্রধান মামন শেখ ও তাঁর অনুগামীরা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তদন্তে অনুব্রত মণ্ডলের নামও উঠে আসে। অভিযোগে তাঁকে এই ঘটনার অন্যতম মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়। যদিও সেই সময় পুলিশের তরফে কোনও বড় পদক্ষেপ করা হয়নি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলের পর পুরনো একাধিক মামলার তদন্তে গতি এসেছে। সেই আবহেই অনুব্রত মণ্ডলের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হওয়ায় মামলাটি নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। এখন সকলের নজর পুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং উচ্চ আদালতে অনুব্রত মণ্ডলের আইনি লড়াইয়ের দিকে।

জুলাই ০১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

সিএবি-তে বড় বিতর্ক! প্রণব রায়ের বিরুদ্ধে ৪০ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, পাল্টা ‘ষড়যন্ত্র’ তত্ত্ব পঙ্কজ-পুত্রের

ভুয়ো ক্লাবের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে অ্যাপেক্স কাউন্সিলে আবেদন; সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি প্রাক্তন ক্রিকেটারের।বাংলা ক্রিকেটে ফের নতুন বিতর্ক। এবার অভিযোগের কেন্দ্রে ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা কিংবদন্তি পঙ্কজ রায়ের পুত্র প্রণব রায়। তাঁর বিরুদ্ধে ৪০ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল (সিএবি)-এর অ্যাপেক্স কাউন্সিলে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন শ্যামল দাস নামে এক ব্যক্তি। অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, একটি অস্তিত্বহীন বা ভুয়ো ক্লাবের নামে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে আর্থিক অনিয়ম হয়েছে, যার অন্যতম সহায়ক ছিলেন প্রণব রায়।তবে অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন প্রণব রায়। তিনি দাবি করেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগই সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁর কথায়, পরিকল্পিতভাবে তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্যই এই ধরনের প্রচার চালানো হচ্ছে।কী অভিযোগ উঠেছে?সিএবি সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৩ পাতার অভিযোগপত্রে গত বছরের সিএবি ওম্বুডসম্যানের একটি নির্দেশিকার উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে মোহনলাল ক্লাব-র একটি কলকাতার বাগবাজারের ঠিকানার পাশাপাশি গৌরীবাড়ি এলাকার একই নামে একটি অস্তিত্বহীন সংস্থার কথাও উল্লেখ রয়েছে।অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ওই ক্লাবের নামে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, ওই আর্থিক লেনদেনের একাধিক চেকে প্রণব রায়ের স্বাক্ষর রয়েছে এবং অভিযোগপত্রে সেই চেক নম্বরও উল্লেখ করা হয়েছে।শুধু তাই নয়, অভিযোগকারীর দাবিপ্রণব রায়কে অবিলম্বে সিএবি-র সমস্ত কমিটি থেকে অপসারণ করতে হবে।তাঁর বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ আর্থিক অডিটের নির্দেশ দিতে হবে।আত্মসাৎ হওয়া ৪০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করতে হবে।গোটা ঘটনায় প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে এফআইআর দায়ের করা হোক।অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন প্রণব রায়অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই পাল্টা বিবৃতি দিয়েছেন প্রণব রায়। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন,আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর। আমার ব্যক্তিগত সম্মান ও পরিবারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই এই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।তিনি আরও দাবি করেন, তিনি মোহনলাল ক্লাবের কেবলমাত্র একজন সাধারণ সদস্য ছিলেন। সংশ্লিষ্ট সময়কালে ক্লাবের কোনও প্রশাসনিক পদে তিনি ছিলেন না। ফলে আর্থিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।প্রণব রায়ের বক্তব্য, অভিযোগের বেশ কিছু বিষয় ইতিমধ্যেই আদালতে বিচারাধীন। সেই কারণে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করতে চাননি। তবে যাঁরা তাঁর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ এনেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার তিনি সংরক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজন হলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছেও বিষয়টি জানাবেন।নজরে সিএবিক্রীড়া মহলের ধারণা, নতুন এই অভিযোগ সামনে আসার পর ফের চাপে পড়তে পারে সিএবি প্রশাসন। অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে অ্যাপেক্স কাউন্সিল কী পদক্ষেপ করে, আদৌ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয় কি না, কিংবা অভিযোগকারীর দাবি অনুযায়ী অডিট বা এফআইআর-এর পথে হাঁটে কি না এখন সেদিকেই নজর ক্রিকেট মহলের।অন্যদিকে, প্রণব রায়ের স্পষ্ট দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে এবং প্রয়োজনে তিনি আইনের আশ্রয় নেবেন। ফলে এই বিতর্ক আগামী দিনে আরও জটিল মোড় নিতে পারে বলেই মনে করছে ক্রিকেটমহল।

জুলাই ০১, ২০২৬
দেশ

মোদির সঙ্গে দিলীপ ঘোষের ‘বিশেষ বৈঠক’! আম-সন্দেশ উপহার, ১১ হাজার শূন্যপদ থেকে পঞ্চায়েত উন্নয়ন—কী কী আলোচনা হল?

নিজস্ব প্রতিবেদন: দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। মন্ত্রী হওয়ার পর এটাই তাঁর প্রথম দিল্লি সফর। এই সফরে তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী রিঙ্কু মজুমদার। সৌজন্যের নিদর্শন হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হয় বাংলার আম ও সন্দেশ। তবে এই সাক্ষাৎ কেবল সৌজন্য বিনিময়ে সীমাবদ্ধ থাকেনি। রাজ্যের পঞ্চায়েত ব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রশাসনিক সংস্কার এবং শূন্যপদ পূরণের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে বৈঠকে।সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের কাজকে আরও গতিশীল করতে দিলীপ ঘোষকে একাধিক দিকনির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে দিলীপ জানান, বর্তমানে তাঁর দপ্তরে প্রায় ১১ হাজার পদ শূন্য। এই বিপুল শূন্যপদের কারণে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বাস্তবায়নে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। শূন্যপদ দ্রুত পূরণ এবং প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির উপায় নিয়েও দুজনের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজের গুজরাটে প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে দিলীপ ঘোষকে একটি বিশেষজ্ঞ দল গঠনের পরামর্শ দেন। দেশের যেসব রাজ্যে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তর সফলভাবে কাজ করছে, সেই রাজ্যগুলিতে গিয়ে কাজ পর্যবেক্ষণ, আধুনিক প্রশাসনিক পদ্ধতি শেখা এবং প্রশিক্ষণ নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। শুধু তাই নয়, দিলীপ ঘোষকেও ব্যক্তিগতভাবে বিভিন্ন রাজ্যে গিয়ে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বাস্তব চিত্র দেখে আসার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই উদ্যোগ কার্যকর হলে পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত প্রশাসনে নতুন কর্মপদ্ধতি ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার সংযোজন ঘটতে পারে।নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে বৈঠক, ৫১ হাজার কোটি টাকার প্রসঙ্গদিল্লি সফরে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গেও বৈঠক করেন দিলীপ ঘোষ। সেখানে পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন খাতে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ নিয়ে আলোচনা হয়। অর্থমন্ত্রী জানান, ইতিমধ্যেই এই খাতে পশ্চিমবঙ্গকে প্রায় ৫১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দের নিরিখে উত্তরপ্রদেশের পরেই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ।অর্থমন্ত্রী আশ্বাস দেন, উন্নয়নমূলক কাজের ক্ষেত্রে অর্থের অভাব যাতে কোনও বাধা না হয়, সেদিকে কেন্দ্র নজর রাখবে। প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন।রেলমন্ত্রীর সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎদিল্লি সফরের শেষপর্বে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন দিলীপ ঘোষ। যদিও ওই বৈঠকের বিস্তারিত আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি, তবুও রাজ্যের পরিকাঠামো ও উন্নয়ন সংক্রান্ত একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রের ইঙ্গিত।রাজনৈতিক মহলে জল্পনাএকদিনেই প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী এবং রেলমন্ত্রীর সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন খাতে কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয় আরও জোরদার করার লক্ষ্যেই এই বৈঠকগুলি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দিলীপ ঘোষের এই দিল্লি সফর আগামী দিনে রাজ্যের প্রশাসনিক কর্মকৌশল ও উন্নয়ন পরিকল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

জুলাই ০১, ২০২৬
কলকাতা

মমতার জন্য নতুন ধাক্কা? দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের ডাকে ঋতব্রত, জোর জল্পনা রাজনীতিতে

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে ফের বড় মোড়। তৃণমূলের ভাঙনের আবহে এবার দিল্লি থেকে তলব করা হল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে তাঁকে বৈঠকের জন্য ডাকা হয়েছে। এই বৈঠককে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের একাধিক বিধায়ক আলাদা ব্লক গঠন করেন। সেই ব্লকের নেতৃত্বে রয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভার স্পিকার তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক সমীকরণ বদলাতে শুরু করে। নতুন ব্লকের দাবি, তারাই প্রকৃত তৃণমূল এবং দলীয় প্রতীকের অধিকারও তাদের প্রাপ্য।এই দাবিকে সামনে রেখেই নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে নতুন ব্লক। প্রতীক সংক্রান্ত বিষয়ে আইনি জটিলতা এড়াতে প্রয়োজনীয় নথি ও তথ্য কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিষয়টি এখন নির্বাচন কমিশনের বিবেচনাধীন।এরপর নতুন ব্লকের কর্মসমিতির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে অরূপ রায়কে চেয়ারপার্সন করে নতুন কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, সন্দীপন সাহা এবং জাভেদ খানের মতো নেতাদেরও রাখা হয়েছে। বৈঠকের সিদ্ধান্ত লিখিতভাবে নির্বাচন কমিশনের কাছেও পাঠানো হয়।এরপরই জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে বৈঠকের জন্য ডাকা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর বারোটায় কমিশনের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ঋতব্রত জানিয়েছেন, তিনি আরও নয়জন বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সামনে উপস্থিত হবেন। এই বৈঠকের পর প্রতীক এবং দলীয় স্বীকৃতি সংক্রান্ত মামলায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হতে পারে বলেই রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা।

জুলাই ০১, ২০২৬
রাজ্য

সেবাশ্রয় নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ! অভিষেকের বিরুদ্ধে বড় দুর্নীতির দাবি, চাঞ্চল্য রাজ্যজুড়ে

সাধারণ মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবার উদ্যোগ হিসেবে শুরু হয়েছিল সেবাশ্রয়। কিন্তু এবার সেই কর্মসূচি ঘিরেই উঠল গুরুতর অভিযোগ। কালীঘাট তৃণমূলের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে সেবাশ্রয় শিবিরে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন ফলতার বিজেপি বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডা। পাশাপাশি, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসকও সংবাদমাধ্যমে একাধিক অভিযোগ করেছেন। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে এখনও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে আসেনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে প্রথম ডায়মন্ড হারবার লোকসভা এলাকায় পঁচাত্তর দিনের সেবাশ্রয় কর্মসূচি শুরু হয়। সেখানে আর্থিকভাবে দুর্বল মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরে নন্দীগ্রাম-সহ রাজ্যের আরও বিভিন্ন এলাকায় এই স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করা হয়। সাধারণ মানুষের মধ্যে এই উদ্যোগ ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল।তবে কিছুদিন আগেই ডায়মন্ড হারবার মহকুমার সরিষা এলাকার হিঞ্চাবেড়িয়ায় মাটির নিচে বিপুল পরিমাণ ওষুধ উদ্ধার হয়। ওই ওষুধের গায়ে সেবাশ্রয়ের চিহ্ন ছিল বলে দাবি করা হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠেছিল ওষুধ ব্যবহারের স্বচ্ছতা নিয়ে। এবার সেই বিতর্কের মধ্যেই সামনে এল আরও নতুন অভিযোগ।ফলতার বিজেপি বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডার দাবি, সেবাশ্রয় শিবিরে আধুনিক চিকিৎসার ওষুধ ও প্রেসক্রিপশন দিচ্ছিলেন এমন চিকিৎসকেরা, যাঁদের মধ্যে জুনিয়র ডাক্তার, হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক এবং আয়ুষ চিকিৎসকরাও ছিলেন। তাঁর আরও অভিযোগ, মাটির নিচে উদ্ধার হওয়া ওষুধের মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, যদি ওষুধের মান ঠিক থাকত, তাহলে সেগুলি মাটির নিচে পুঁতে রাখা হত না।অন্যদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসক সংবাদমাধ্যমে দাবি করেছেন, শিবিরে চিকিৎসা বিনামূল্যে হলেও পরে কিছু রোগীকে বিভিন্ন পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হত। তাঁর অভিযোগ, সেই পরীক্ষার সূত্র ধরে কিছু রোগীকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করানো হত এবং পরে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের মাধ্যমে চিকিৎসার খরচ দেখানো হতো। এই অভিযোগের সত্যতা এখনও সরকারি ভাবে প্রমাণিত হয়নি এবং বিষয়টি নিয়ে কোনও তদন্তকারী সংস্থার চূড়ান্ত রিপোর্টও প্রকাশ্যে আসেনি।এই অভিযোগ সামনে আসার পর রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বেড়েছে। সূত্রের খবর, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ডায়মন্ড হারবারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আরও একটি অভিযোগ দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিজেপি। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয় কি না এবং প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal