• ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০২ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ram

দেশ

নির্মলা সীতারামনের বাজেটে মধ্যবিত্তের কতটা সুরাহা হোল? জানুন

সংক্ষেপে কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৫-২৬গড় মাসিক আয় ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত কোন আয়কর নয়; লক্ষ্য মধ্যবিত্ত পরিবারের সঞ্চয় এবং ভোগ ব্যয় বাড়ানো।নতুন কর কাঠামোয় বেতনভোগী বর্গের বার্ষিক ১২.৭৫ লক্ষ টাকা আয়ে করের পরিমাণ শূন্য।কেন্দ্রীয় বাজেটে উন্নয়নের চারটি চালিকাশক্তি চিহ্নিত কৃষি, অণু-ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্প, বিনিয়োগ এবং রপ্তানি।কৃষকদের কল্যাণে প্রধানমন্ত্রী ধন-ধান্য কৃষি যোজনা-র আওতায় আসবে কৃষি উৎপাদনশীলতায় পিছিয়ে থাকা ১০০টি জেলা।তুর, অড়হর এবং মুশুর ডালের উৎপাদন বাড়াতে মিশন ফর আত্মনির্ভরতা ইন পালসেস।পুনর্মাজিত সুদ ছাড় প্রকল্পের মাধ্যমে কেসিসি-র আওতায় ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ।অর্থবর্ষ ২৫-এ আর্থিক ঘাটতি ৪.৮ শতাংশ হবে বলে অনুমান, অর্থবর্ষ ২৬-এ তা ৪.৪ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য।ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ক্ষেত্রে ঋণের সংস্থান বৃদ্ধি, জামিনযুক্ত ঋণের সীমা ৫ কোটির বদলে ১০ কোটি টাকা।মেক ইন ইন্ডিয়ায় গতি আনতে ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বড় শিল্প ক্ষেত্রকে নিয়ে আসা হচ্ছে জাতীয় উৎপাদন অভিযানের আওতায়। সরকারি স্কুলগুলিতে আগামী ৫ বছরে ৫০,০০০ অটল টিঙ্কারিং ল্যাব।শিক্ষা ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উৎকর্ষ কেন্দ্র, মোট বরাদ্দ ৫০০ কোটি টাকা।পিএম স্বনিধি-র আওতায় ব্যাঙ্ক থেকে আরও ঋণ, ইউপিআই সংযুক্ত ক্রেটিড কার্ডের ক্ষেত্রে ঊর্ধ্বসীমা ৩০,০০০ টাকা।গিগ কর্মীদের পরিচয়পত্র, ই-শ্রম পোর্টালে নিবন্ধন এবং পিএম জন আরোগ্য যোজনার আওতায় স্বাস্থ্য পরিষেবা।উন্নয়ন কেন্দ্র হিসেবে শহর কর্মসূচির আওতায় নগরাঞ্চলের সমস্যা দূর করতে ১ লক্ষ কোটি টাকা।ছোট মডিউলার রিঅ্যাক্টার নিয়ে গবেষণার জন্য পরমাণু শক্তি মিশন বাবদ ২০,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ।আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়াতে পুনর্মাজিত উড়ান প্রকল্পের আওতায় নতুন ১২০টি গন্তব্য।১ লক্ষ আবাসন নির্মাণে গতি আনতে ১৫,০০০ কোটি টাকা এসডাব্লুএএমআইএইচ তহবিল গড়ে তোলা হবে।গবেষণা এবং উদ্ভাবনমূলক উদ্যোগে বেসরকারি ক্ষেত্রের অংশগ্রহণ বাড়ানোর লক্ষ্যে বরাদ্দ ২০,০০০ কোটি টাকা।১ কোটিরও বেশি প্রাচীন লিপি ও লেখ সংরক্ষণে জ্ঞান ভারতম মিশন।বীমা ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের সীমা ৭৪ থেকে বেড়ে ১০০ শতাংশ।বিভিন্ন আইনের ১০০-রও বেশি সংস্থানকে অপরাধের তকমামুক্ত করা।আপডেটেড আয়কর রিটার্নের সময়সীমা ২ বছর থেকে বেড়ে হচ্ছে ৪ বছর।টিসিএস প্রদানে বিলম্বকে অপরাধের তকমামুক্ত করা।ভাড়াবাবদ টিডিএস ২.৪ লক্ষ থেকে বেড়ে ৬ লক্ষ টাকা।ওপেন সেলের ক্ষেত্রে আইপিএফডি-র ওপর শুল্কে রেহাই।ব্যাটারি উৎপাদনে গতি আনতে বৈদ্যুতিক যানের এবং মোবাইল ব্যাটারি উৎপাদনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত মূলধনে কর রেহাই।জাহাজ নির্মাণে কাঁচামাল এবং উপকরণের ওপর ১০ বছরের জন্য শুল্কে ছাড়।হিমায়িত মাছের পেস্টে শুল্কের হার ৩০ থেকে কমে ৫ শতাংশ, মাছ থেকে তৈরি তরল সারের ক্ষেত্রে শুল্কের হার ১৫ থেকে কমে ৫ শতাংশ।সংসদে আজ ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। তার সংক্ষিপ্তসার বিভাগ - কবাজেটে সকলের বিকাশ-এর মন্ত্র অনুযায়ী প্রত্যেকটি অঞ্চলের সুষম উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। বিকশিত ভারতের মূল নীতিগুলি তুলে ধরেছেন অর্থমন্ত্রী :১. সম্পূর্ণ দারিদ্র্য দূরীকরণ;২. বিদ্যালয়ে শিক্ষার উৎকর্ষমান সর্বোচ্চ স্তরে নিয়ে যাওয়া;৩. সকলের জন্য সার্বিক, উন্নত এবং সুলভ চিকিৎসা পরিষেবা;৪. উপযুক্ত নিয়োগ এবং শ্রমশক্তির দক্ষতাকে সর্বোচ্চ স্তরে নিয়ে যাওয়া;৫. অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে মহিলাদের অংশগ্রহণ ৭০ শাতংশে নিয়ে যাওয়া; এবং৬. দেশকে সারা বিশ্বের খাদ্য থালি করে তুলতে কৃষকদের ভূমিকায় অগ্রাধিকার।কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৫-২৬-এ বিকাশ হার বৃদ্ধি, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন, বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্খাকে মর্যাদা দেওয়া এবং ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্তবর্গের ক্রয় ক্ষমতা বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। দরিদ্র, তরুণ প্রজন্ম, কৃষক এবং মহিলাদের উন্নয়নে বিশেষ সংস্থান রয়েছে এই বাজেটে। কর, বিদ্যুৎ, নগরোন্নয়ন, খনি, আর্থিক ক্ষেত্রে সংস্কার ও নিয়ন্ত্রণমূলক কাঠামোকেও পরিমার্জিত করে ভারতের বিকাশের যাবতীয় সম্ভাবনার সদ্ব্যবহার এবং বিশ্বের বাজারে এদেশের পণ্য ও পরিষেবার চাহিদা বাড়ানোর বিষয়গুলিও বাজেটে প্রাধান্য পেয়েছে। কেন্দ্রীয় বাজেট বলেছে যে কৃষি, ক্ষুদ্র-মাঝারি ক্ষেত্র, বিনিয়োগ এবং রপ্তানি বিকশিত ভারতের পথে যাত্রার মূল চালিকাশক্তি।প্রথম চালিকাশক্তি : কৃষি বাজেটে প্রধানমন্ত্রী ধন-ধান্য কৃষি যোজনা-র ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যগুলির সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে এর আওতায় আসবে ১০০টি জেলা। লক্ষ্য উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, শস্যের বৈচিত্র্য, ফসল পরবর্তী মজুত ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্প মেয়াদি ঋণের সংস্থান সহজতর করা। সূচনা হবে বহুক্ষেত্রিক গ্রামীণ সমৃদ্ধি এবং স্থিতিস্থাপকতা কর্মসূচির। রাজ্যগুলির সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে এই কর্মসূচির আওতায় দক্ষতায়ন, বিনিয়োগ এবং প্রযুক্তির প্রয়োগের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের প্রসারের পাশাপাশি সামগ্রিক ভাবে গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশ ত্বরান্বিত হবে। বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে গ্রামের মহিলা, তরুণ কৃষক, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক এবং ভূমিহীন পরিবারগুলিকে। অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন যে সরকার ৬ বছরের মিশন ফর আত্মনির্ভরতা ইন পালসেস নামে একটি কর্মসূচি চালু করবে। এখানে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে তুর, অড়হর এবং মুশুর ডালের ওপর। নাফেড এবং এনসিসিএফ-এর মতো কেন্দ্রীয় সংস্থা আগামী ৪ বছর কৃষকরা যতটা পরিমাণে এই সব ডাল বিক্রি করতে চান, ততটাই কিনে নেবে। শাক-সব্জি এবং ফলমূলের উৎপাদন বৃদ্ধির একটি সার্বিক কর্মসূচির কথা উল্লেখ করা হয়েছে বাজেটে। উচ্চফলনশীল শস্য বীজের জাতীয় মিশন এবং তুলোর উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৫ বছরের একটি বিশেষ কর্মসূচির কথাও বলা হয়েছে। পুনর্মার্জিত সুদ রেহাই কর্মসূচির আওতায় কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ঋণের ঊর্ধ্বসীমা ৩ লক্ষ থেকে বাড়িয়ে ৫ লক্ষ টাকা করা হবে। দ্বিতীয় চালিকাশক্তি : ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ক্ষেত্র ভারতের রপ্তানিতে ৪৫ শতাংশ অবদান এই ক্ষেত্রের। প্রযুক্তিগত বিকাশ, দক্ষতায়ন, মূলধনের সংস্থান প্রভৃতি ক্ষেত্রে সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে যোগ্যতার নিরিখে এই সব সংস্থার আর্থিক আদান-প্রদানের সীমা আড়াই থেকে দুই গুণ বাড়ানো হয়েছে। জামিনযুক্ত ঋণের ঊর্ধ্বসীমাও বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। মহিলা, তপশিলি জাতি ও উপজাতি বর্গের ৫ লক্ষ নতুন উদ্যোগপতিকে সহায়তার জন্য অর্থমন্ত্রী একটি নতুন প্রকল্পের ঘোষণা করেছেন। এর আওতায় আগামী ৫ বছর ২ কোটি টাকা পর্যন্ত মেয়াদি ঋণ দেওয়া হবে। খেলার সরঞ্জাম উৎপাদনে মেক ইন ইন্ডিয়া ব্র্যান্ডকে বিশ্বের বাজারে আরও জনপ্রিয় করতে চায় সরকার। মেক ইন ইন্ডিয়া কর্মসূচিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে ছোট-বড় সব শিল্পকে আওতায় এনে সূচনা হবে জাতীয় উৎপাদন মিশনের। তৃতীয় চালিকাশক্তি: বিনিয়োগ অর্থমন্ত্রী মানবসম্পদ, অর্থনৈতিক পরিমণ্ডল এবং উদ্ভাবন ক্ষেত্রে বিনিয়োগে জোর দিয়েছেন। মানবসম্পদে বিনিয়োগের বিষয়ে তিনি বলেছেন সরকারি স্কুলগুলিতে আগামী ৫ বছরে ৫০,০০০ অটল টিঙ্কারিং ল্যাব গড়ে তোলা হবে। গ্রামীণ এলাকায় সরকারি স্কুল এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিতে ব্রডব্যান্ড সংযোগ পৌঁছে দেওয়া হবে ভারত নেট প্রকল্পের আওতায়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে ভারতীয় ভাষায় ডিজিটাল বইয়ের সংস্থানে রূপায়িত হবে ভারতীয় ভাষা পুস্তক প্রকল্প। মানবসম্পদের দক্ষতায়ন ও উৎকর্ষমানের বিকাশে জাতীয় স্তরে চারটি আন্তর্জাতিক মানের উৎকর্ষ কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। এর লক্ষ্য মেক ফর ইন্ডিয়া, মেক ফর দ্য ওয়ার্ল্ড কর্মসূচিকে জোরদার করা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংক্রান্ত একটি উৎকর্ষ কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে। গিগ কর্মীদের (ডেলিভারি বয় বা এই ধরনের কাজে নিযুক্ত) দেওয়া হবে পরিচয়পত্র। ই-শ্রম পোর্টালে তাঁদের নিবন্ধন হবে। পিএম জন আরোগ্য যোজনার আওতায় চিকিৎসার সুযোগ পাবেন তাঁরা। অর্থনৈতিক পরিমণ্ডলে বিনিয়োগের বিষয়ে শ্রীমতী সীতারমন বলেছেন যে পরিকাঠামো সংক্রান্ত মন্ত্রকগুলি সরকারি, বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ৩ বছরের একটি রূপায়ণ সংক্রান্ত উদ্যোগ হাতে নেবে। মূলধনী বিনিয়োগ এবং সংস্কারের জন্য রাজ্যগুলিকে ৫০ বছর বিনাসুদে ঋণ দেওয়ার জন্য অর্থমন্ত্রী ১.৫ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দের কথা বলেছেন। নতুন প্রকল্পগুলির অর্থায়নের প্রশ্নে মূলধন বাবদ ১০ লক্ষ কোটি টাকার সংস্থানে অর্থমন্ত্রী দ্বিতীয় সম্পদ মুদ্রাকরণ পরিকল্পনা ২০২৫-৩০-এর ঘোষণা করেছেন। জল জীবন মিশনের মেয়াদ ২০২৮ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। জন অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে এই কাজে পরিকাঠামো ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ হবে। সিটিস অ্যাজ গ্রোথ হাবস- সামগ্রিক ভাবে নগর বিকাশ এবং জল ও শৌচালয় পরিষেবা উন্নত করতে সরকার ১ লক্ষ কোটি টাকার একটি তহবিল গড়ে তুলবে। উদ্ভাবন ক্ষেত্রে বিনিয়োগের বিষয়ে ২০,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা হয়েছে। বেসরকারি উদ্যোগে গবেষণার কাজে গতি আসবে এর ফলে। অর্থমন্ত্রী ন্যাশনাল জিওস্প্যাশিয়াল মিশনের ঘোষণা করেছেন এসংক্রান্ত পরিকাঠামো জোরদার করতে। এর থেকে পাওয়া তথ্যাদি নগর পরিকল্পনার কাজ সহজ করবে। ১ কোটি প্রাচীন লিপি ও লেখ সংরক্ষণে জ্ঞান ভারতম মিশনের ঘোষণা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে সামিল হবে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গ্রন্থাগার, এমনকি বেসরকারি পক্ষও। ভারতীয় জ্ঞান ধারার ভান্ডার নিয়ে গড়ে উঠবে একটি জাতীয় ডিজিটাল রেপোজেটরি। চতুর্থ চালিকাশক্তি : রপ্তানি এক্ষেত্রে যৌথভাবে কাজ করবে বাণিজ্য, ক্ষুদ্র ও মাঝারি এবং অর্থমন্ত্রক। রপ্তানির বাজার ধরতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি সংস্থাগুলির সহায়তায় কাজ করবে রপ্তানি প্রসার মিশন। ডিজিটাল জনপরিকাঠামো সমৃদ্ধ ভারতট্রেডনেট এক্ষেত্রে তথ্য ও অর্থ সংস্থানে কাজ করবে। অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের প্রসার এবং বিশ্বের সরবরাহ শৃঙ্খলে সংযুক্তির প্রসারে একাধিক পদক্ষেপের কথা বলছেন অর্থমন্ত্রী। শিল্প ৪.০ সংক্রান্ত সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সরকার দেশে বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম নির্মাণ ক্ষেত্রকে সহায়তা করবে। টায়ার ২ শহরগুলিতে গড়ে তোলা হবে গ্লোবাল কেপেবিলিটি সেন্টার। পচনশীল বাগিচা পণ্যের বিমানে পরিবহণ এবং মজুত ব্যবস্থাকে জোরদার করতে পরিকাঠামো উন্নত করা হবে। জ্বালানি হল সংস্কার অর্থনৈতিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে সংস্কারের বিষয়টিকেই জ্বালানি হিসেবে উল্লেখ করেছেন অর্থমন্ত্রী। বিগত ১০ বছরে সরকার কর ক্ষেত্রে বিস্তৃত সংস্কার কর্মসূচিতে হাত দিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন। এসংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী আবারও বলেন, পারস্পরিক বিশ্বাস ভিত্তিক কর প্রশাসন গড়ে তোলা সরকারের অগ্রাধিকার। আর্থিক ক্ষেত্রে সংস্কার এবং বিকাশ ইজ অফ ডুয়িং বিজনেসকে জোরদার করতে অর্থমন্ত্রী সমগ্র পরিমণ্ডলে ব্যাপক পরিবর্তনের ডাক দিয়েছেন। বীমা ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা ৭৪ থেকে ১০০ শতাংশ করা হবে। কর সহ অর্থনৈতিক ক্ষেত্রগুলিকে নাগরিক কেন্দ্রিক করে তোলার ওপর আবারও জোর দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী : ১. নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক সংস্কারে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি এর কাজ হবে আর্থিক নয় এমন ক্ষেত্রগুলির নিয়ন্ত্রণ, শংসাপ্রদান এবং অনুমোদন প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখা। পারস্পরিক বিশ্বাস ভিত্তিক নানা ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জোরদার করা হবে ইজ অফ ডুয়িং বিজনেস-কে কমিটি সুপারিশ পেশ করবে ১ বছরের মধ্যে। এই কাজে সামিল হতে রাজ্যগুলিকে উৎসাহিত করা হবে।২. রাজ্যগুলির বিনিয়োগ সহায়তা সূচক ২০২৫-এ সূচনা হবে এই কর্মসূচির, জোরদার হবে প্রতিযোগিতামূলক সহযোগিতার পরিমণ্ডল।৩. আর্থিক সুস্থিতি ও বিকাশ পরিষদ (এফএসডিসি)-এর আওতায় ব্যবস্থাপনা এই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বর্তমানে প্রযোজ্য আর্থিক নিয়ন্ত্রণবিধি ইত্যাদি খতিয়ে দেখা হবে। এই সব বিধির কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে গড়ে তোলা হবে একটি ব্যবস্থাপনা।৪. জন বিশ্বাস বিল ২.০ বিভিন্ন আইনের ১০০টি সংস্থানকে অপরাধের তকমা মুক্ত করা হবে।আর্থিক শৃঙ্খলা অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন জিডিপি-র অনুপাতে কেন্দ্রীয় সরকারের ঋণ নিম্নমুখী রাখতে সরকার সচেষ্ট। এক্ষেত্রে আগামী ৬ বছরের পরিকল্পনা রূপরেখা বিশদ ভাবে রয়েছে এফআরবিএম-এর বিবৃতিতে। পুনর্মার্জিত হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫-এ আর্থিক ঘাটতি জিডিপি-র ৪.৮ শতাংশ হওয়ার সম্ভাবনা। ২০২৫-২৬-এর বাজেট হিসাব অনুযায়ী তা হতে পারে জিডিপি-র ৪.৪ শতাংশ। পুনর্মার্জিত হিসাব ২০২৪-২৫ পুনর্মার্জিত হিসাব অনুযায়ী ঋণ বাদ দিয়ে সরকারি কোষাগারের ৩১.৪৭ লক্ষ কোটি টাকা আসতে পারে। এর মধ্যে কর সংগ্রহ দাঁড়াবে ২৫.৫৭ লক্ষ কোটি টাকা। মোট ব্যয় দাঁড়াবে ৪৭.১৬ লক্ষ কোটি টাকায় যার মধ্যে মূলধনী ব্যয় ১০.১৮ লক্ষ কোটি টাকা। বাজেট হিসেব ২০২৫-২৬ এক্ষেত্রে ঋণ ব্যতিত সংগ্রহের পরিমাণ ৩৪.৯৬ লক্ষ কোটি টাকা হতে পারে। ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ৫০.৬৫ লক্ষ কোটি টাকায়। কর বাবদ ২৮.৩৭ লক্ষ কোটি টাকা পেতে পারে সরকার।বিভাগ খদেশ গঠনে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ভূমিকার কথা মাথায় রেখে কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৫-২৬-এ নতুন কর সীমার ও হারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বছরে ১২ লক্ষ টাকা আয় পর্যন্ত আয়কর দিতে হবে না। এক্ষেত্রে অবশ্য মূলধনী লাভের দিকটি বাদ থাকছে। ৭৫ হাজার কোটি টাকা স্ট্যান্টার্ড ডিডাকশনের কথা মাথায় রাখলে দেখা যাচ্ছে বেতনভোগী কর্মীদের বার্ষিক ১২.৭৫ লক্ষ টাকা আয় পর্যন্ত আয়কর দিতে হবে না। নতুন এই কর কাঠামো এবং প্রত্যক্ষ কর সংক্রান্ত নানা প্রস্তাবের দরুণ সরকারের রাজস্ব প্রায় ১ লক্ষ কোটি টাকা কমবে। পুনর্মার্জিত আয়কর সীমা অনুযায়ী ৪ লক্ষ টাকা পর্যন্ত করের হার শূন্য, ৪ থেকে ৮ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ৫ শতাংশ, ৮ থেকে ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ১০ শতাংশ, ১২ থেকে ১৬ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ১৫ শতাংশ, ১৬ থেকে ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ২০ শতাংশ, ২০ থেকে ২৪ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ২৫ শতাংশ হারে কর প্রযোজ্য হবে। বার্ষিক ২৪ লক্ষ টাকার বেশি আয়ের ক্ষেত্রে করের হার ৩০ শতাংশ। টিডিএস টিসিএস প্রণালীতে যুক্তিযুক্ত করতে প্রবীণ নাগরিকদের সুদ বাবদ আয় কর ছাড়ের পরিমাণ ৫০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১ লক্ষ টাকা করা হয়েছে। বাড়ি ভাড়ার ক্ষেত্রে টিডিএস-এর সীমা বছরে ২.৪ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬ লক্ষ টাকা করা হয়েছে। টিডিএস মতো টিসিএস প্রদানের ক্ষেত্রেও বিলম্ব এবার থেকে আর অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না। নাগরিকরা যাতে স্বেচ্ছায় কর দিতে আরও উৎসাহী হয়ে ওঠেন সেজন্য মূল্যায়ন বর্ষের ভিত্তিতে আপডেটেড রিটার্ন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে সময়সীমা ২ বছর থেকে বাড়িয়ে ৪ বছর করা হচ্ছে। আয়ের আপডেট বাবদ ৯০ লক্ষ করদাতা বাড়তি কর দিয়েছেন। ছোট সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় তাদের নিবন্ধনের সময়সীমা ৫ থেকে বাড়িয়ে ১০ বছর করা হয়েছে। এছাড়াও করদাতারা এখন নিজের দখলে থাকা দুটি সম্পত্তির ক্ষেত্রে বার্ষিক মূল্য শূন্য বলে দাবি করতে পারেন। এক্ষেত্রে কোন শর্ত থাকছে না। গত বাজেটের বিবাদ থেকে বিশ্বাস কর্মসূচিতে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। ৩৩ হাজার করদাতা এর সুযোগ নিয়েছেন। প্রবীণ এবং অতিপ্রবীণদের আরও সহায়তার লক্ষ্যে ২৯ আগস্ট ২০২৪ কিংবা তার পরে ন্যাশনাল সেভিংস স্কিম থেকে বেরিয়ে আসার ক্ষেত্রে করে রেহাই দেওয়া হবে। এনপিএস বাৎসল্য খাতার ক্ষেত্রেও একই সুবিধা পাওয়া যাবে। ইজ অফ ডুয়িং বিজনেসের বিষয়টি জোরদার করতে আন্তর্জাতিক আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতে নির্ধারিত মূল্যমান অপরিবর্তিত রাখার মেয়াদ ৩ বছর করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক ভিত্তিতে করের ক্ষেত্রে নিশ্চয়তার লক্ষ্যে সেলফ হার্বার রুলের পরিধি বাড়ানো হচ্ছে। কর্মসংস্থান এবং বিনিয়োগের প্রসারে, অনাবাসী ভারতীদেরে কথা মাথায় রেখে একটি অনুমান ভিত্তিক কর ব্যবস্থাপনার কথা ভাবা হচ্ছে। অভ্যন্তরীণ জলপথে চলাচলকারী জলযানগুলির ক্ষেত্রে বর্তমানে প্রযোজ্য টন ভিত্তিক কর ব্যবস্থাপনা চালু হবে। স্টার্টআপ পরিমণ্ডলকে বিকশিত করতে নিগমায়নের সময়সীমা বাড়িয়ে ৫ বছর করা হয়েছে। পরিকাঠামো ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বাড়াতে সভারেন ওয়েল ফান্ড এবং পেনশন ফান্ডে বিনিয়োগের সময়সীমা আরও ৫ বছর বাড়িয়ে ২০৩০-ের ৩১ মার্চ করা হয়েছে। শিল্পপণ্যের শুল্ক প্রণালীকে যুক্তিযুক্ত করতে বাজেটে ৭টি শুল্ক প্রত্যাহারের ঘোষণা হয়েছে। এর পাশাপাশি সেস প্রয়োগের ক্ষেত্রেও সংবেদনশীলতার কথা বলা হয়েছে বাজেটে। ওষুধ আমদানির ক্ষেত্রে ৩৬টি জীবনদায়ী ওষুধ, ক্যান্সার ও বিশেষ ধরনের রোগের একাধিক ওষুধের ওপর সীমাশুল্ক প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। রোগীদের বিনামূল্যে প্রদান করা হলে মেধাস্বত্ব সহায়তা কর্মসূচির আওতায় থাকা ১৩টি নতুন ওষুধে ভিত্তি সীমাশুল্ক কার্যকর হবে না। অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ও মূল্যসংযোজনের প্রসারে ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ খনিজে আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে ২০২৪-এর জুলাইয়ে। আরও ১২টি খনিজের ক্ষেত্রেও এই নীতি কার্যকর হবে। দেশে বস্ত্র উৎপাদনে গতি আনতেও বিভিন্ন পণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক তুলে নেওয়া হয়েছে কিংবা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। মেক ইন ইন্ডিয়ার প্রসারে ব্যাটারি উৎপাদনের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন উপকরণে কর সংক্রান্ত সুবিধা মিলবে। রপ্তানি ক্ষেত্রের প্রসারে বিশেষ জোর দেওয়া হবে হস্তশিল্প সামগ্রীর ওপরে। হিমায়িত মাছের পেস্টে শুল্ক ৩০ থেকে কমে ৫ শতাংশ হবে। মাছ থেকে উৎপাদিত তরল সারের ক্ষেত্রে শুল্কের হার ১৫ শতাংশ থেকে কমে হবে ৫ শতাংশ। অর্থমন্ত্রী বলেছেন, বিকশিত ভারতের যাত্রায় মূল স্তম্ভগুলি হল গণতন্ত্র, জনবিন্যাস এবং চাহিদা। মধ্যবিত্ত শ্রেণীর গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা মাথায় রেখে কর কাঠামোয় ধারাবাহিক পরিমার্জন করে চলেছে সরকার। নতুন কর কাঠামোর সুবাদে মধ্যবিত্তদের হাতে টাকা আসবে। বাড়বে ভোগ ব্যয়, সঞ্চয় এবং বিনিয়োগ।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৫
রাজ্য

বর্ধমানে দুই সন্তানের সামনে নৃশংস খুন স্ত্রীকে, তারপর মেঝেতে পুঁতে........ এ কেমন গৃহকর্তা?

দুই সন্তানের সামনে নৃশংস খুন স্ত্রীকে, মেঝেতে পুঁতে শুয়ে পড়ল বাবাএ কেমন বাবা? এ কোন স্বামী? কি এমন হল এমন ভয়ঙ্কর হত্যাকাণ্ড ঘটলেন বর্ধমানের আউশগ্রামের যদুগড়িয়া গ্রামের সোম হাঁসদা। অভিযোগ, দুই শিশু কন্যার সামনে মাকে নৃশংস ভাবে খুন করে ঘরের মেঝেতে পুঁতে দিয়েছে বাবা। শুধু তাই নয় এই ঘৃন্যতম কাণ্ড ঘটানোর পর সেই ঘরেই দুই কন্যাকে নিয়ে রাতের ঘুমিয়ে পড়ে বাবা। গৃহবধূ খুনের এমন রোমহর্ষক ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে জঙ্গলমহলে। সোম হাঁসদাকে গ্রেফতার করেছে আউশগ্রাম থানার পুলিশ। বুধবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করে পুলিশ।পুলিশ সূত্রের খবর, সোম হাঁসদার সঙ্গে ভাব ভালোবাসা সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল লক্ষ্মীর। বছর সাতেক আগে তাঁরা বিয়ে করেন। দুই কন্যা সন্তানকে নিয়ে দম্পতি বেশ সংসার জীবন কাটাচ্ছিলেন। বড় মেয়ের বয়স ছয় বছর, ছোট মেয়ে তিন বছর বয়স, সে হামাগড়ি দেওয়া ছেড়ে হাঁটতে শিখেছে। সোম হাঁসদার মা পানমনি হাঁসদা এদিন বলেন, আমার ছেলে মদের নেশায় ভীষণ ভাবে আশক্ত হয়ে পড়েছিল । প্রতিদিন মদ খেতো। কাজকর্ম সেরকমর করতো না। নেশা করা নিয়ে বৌমা মা আপত্তি করলে ছেলে অশান্তি করতো। তারই মধ্যে হঠাৎ করেই মঙ্গলবার সকাল থেকে বৌমাকে বাড়িতে আর দেখতে পাওয়া যাচ্ছিল না। বৌমা কোথায় তা আমি আমার ছেলের কাছে জানতে চাই । তখন ছেলে জানায়, তাঁর মার খেয়ে বৌমা পালিয়ে গেছে। এরপর সন্ধ্যায় দেখি বাড়িতে পুলিশ এসে ছেলের ঘরের মেঝের মাটি খুঁড়ছে। বেশ খানিকটা মাটি খোঁড়া হতেই বেরিয়ে আসে বৌমার মৃতদেহ। পুলিশ বৌমার মৃতদেহ উদ্ধারের পাশাপাশি আমার ছেলে সোমকেও ধরে নিয়ে গিয়েছে আউশগ্রাম থানার পুলিশ। বড় নাতনী পুলিশের কাছে তাঁর বাবার সব কীর্তি ফাঁস করে দিয়েছে। সে পুলিশকে জানায়, ছোট বোন ও তাঁর সামনেই তাঁদের মাকে হত্যা করেছে বাবা। তারপর তাঁর বাবাই ঘরের মাটি খুড়ে তাঁদের মায়ের মৃতদেহ পুঁতে দিয়ে ওই ঘরে তাঁদেরকে নিয়ে শুয়ে পড়ে। এই ঘটনা সোমবার রাতে ঘটেছে বলে পুলিশকে জানিয়েছে শিশুকন্যাটি। পানমনি হাঁসদা বলেন, নাতনির কাছে জেনেছি ঘটনার দিন শাবল দিয়ে বৌমার মাথায় আঘাত করেছিল আমার ছেলে সোম। তাতেই বৌমার মৃত্যু হয়। তারপর ঘরের মেঝের মাটি খুঁড়ে ছেলে বৌমার মৃতদেহ মাটি চাপা দিয়ে রাখে। এই ঘটনা বাইরে থেকে কেউ যাতে বুঝতে না পারে তার জন্য ছেলে সোম তার ঘরের দরজায় তালা দিয়ে রাখে।

জানুয়ারি ১৫, ২০২৫
রাজ্য

কয়েকশো মহিলাকে বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের পুজোর উপহার প্রদান, মুখপত্র প্রকাশ ও ওয়েবসাইটের সূচনা

বেঙ্গল প্রেস ক্লাব কয়েকশো মহিলাকে পুজোর উপহার প্রদান করলো। রবিবার বিজয় তোরণের সামনে বস্ত্র উপহার কর্মসূচি পালন করে সাংবাদিকদের এই সংগঠন। অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস, বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারপার্সন কাকলি তা গুপ্ত, বিশিষ্ট সমাজসেবী অচিন্ত্য মন্ডল প্রমুখ। পুজোর মুখে এই উপহার পেয়ে খুশি মহিলারা।বিধায়ক খোকন দাস বলেন, প্রতি বছর দুর্গাপুজো উপলক্ষ্যে বেঙ্গল প্রেস ক্লাব অসহায় মহিলাদের হাতে বস্ত্র উপহার হিসাবে তুলে দেয়। সারা বছর মানুষের পাশে থাকে সাংবাদিকদের এই সংগঠন। বর্ষমান উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারপার্সন কাকলি তা গুপ্ত বস্ত্র উপহার কর্মসূচির প্রশংসা করেন। সমাজসেবী অচিন্ত্য মন্ডল বলেন, বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের জনদরদী কর্মসূচির ভূয়সী প্রসংশা করেন। অনুষ্ঠানে বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের মুখপত্র জনমন প্রকাশিত হয়। ক্লাবের নিজস্ব ওয়েবসাইট এদিন যাত্রা শুরু করে। সাধারন মানুষের মধ্যে এই অনুষ্ঠান ঘিরে উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৪
রাজ্য

প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ কুনার হেমব্রম প্রয়াত

প্রয়াত প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ কুনার হেমব্রম। শনিবার সকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন তিনি, ভুগছিলেন কিডনির অসুখে। কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ঝাড়গ্রামের প্রাক্তন সাংসদ। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। ৬২ বছর বয়সি কুনার হেমব্রম ২০১৯ সালে ঝাড়গ্রাম লোকসভা কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিলেন। কিন্তু চলতি বছরের লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে আর টিকিট দেয়নি বিজেপি। ফলে দল ছেড়ে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। সেই যোগদান নিয়ে বলেছিলেন, ভেবেচিন্তেই দল বদল করেছেন। পাশাপাশি তৃণমূল সরকারের প্রশংসা করে তাঁর এও বক্তব্য ছিল, জঙ্গলমহলে রাজ্য সরকার যা কাজ করেছে, যে উন্নয়ন করেছে তার তুলনা হয় না। সেই কুনার শনিবার চলে গেলেন না ফেরার দেশে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডের বিচারের দাবিতে মালদার দুই চিকিৎসকের অভিনব প্রতিবাদ

কলকাতার আরজি কর মেডিকেল কলেজে তরুণী চিকিৎসক খুনের ঘটনার অভিনব প্রতিবাদ জানালেন মালদার দুই শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। নিজেদের প্রেসক্রিপশনে প্রতিবাদের ভাষা লিখে এবং দোষীদের ফাঁসির দাবির কথা উল্লেখ করেই রোগীদের সেই প্রেসক্রিপশন বিলি করলেন মালদার এই দুই চিকিৎসক । মালদার দুই শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের এমন অভিনব প্রতিবাদকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ থেকে অন্যান্য চিকিৎসকেরা। মালদার এই দুই প্রতিবাদী চিকিৎসকের নাম অভিজিৎ মিশ্র। যিনি শহরের মকদুমপুর রোডে রোগী দেখেন। আরেক চিকিৎসক রামপ্রকাশ সাহা। তিনি সিঙ্গাতলা রোডে রোগী দেখেন।বলাবাহুল্য, একদিকে যখন আরজি কর কাণ্ডের আবহে উত্তাল সারা রাজ্য। কলকাতার সিপির পদত্যাগের দাবিতে পথে জুনিয়র চিকিৎসকেরা। স্বাস্থ্য দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার সন্দীপ ঘোষ। চিকিৎসক থেকে জুনিয়র চিকিৎসক রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যে যার মত করে আন্দোলনে নেমেছেন। ঠিক সেই সময় মালদা শহরে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন সংগঠনের দুই শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভিনব এই প্রতিবাদে রীতিমতো সারা ফেলে দিয়েছে। শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাঃ রামপ্রকাশ সাহা এবং ডাঃ অভিজিৎ মিশ্র মালদা শহরের মকদুমপুর এবং সিঙ্গাতলা এলাকায় প্রাইভেট চেম্বারে রোগী দেখার সময় যে প্রেসক্রিপশন দিচ্ছেন সেখানে লেখা থাকছে আরজি কর ঘটনার প্রতিবাদ। আরও লেখা থাকছে বিচারের দাবি। লেখা থাকছে আরজি করের বিচার চাই। অপরাধচক্রের বিনাশ চাই। উই ওয়ান্ট জাস্টিস।মালদার ওই দুই শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাঃ রামপ্রকাশ সাহা এবং ডাঃ অভিজিৎ মিশ্র বলেন, শিশুদের নানান অসুখ-বিসুখের ক্ষেত্রে পরিষেবা তো দিতেই হবে। শিশুরা ঈশ্বরের একটা অংশ। ওদের জন্য চিকিৎসা পরিষেবা বন্ধ করলে চলবে না। তবে আরজি কর কান্ড নিয়ে প্রতিবাদের ভাষার আমাদের অব্যাহত রয়েছে। তাই নিজেদের ব্যবহৃত প্রেসক্রিপশনে এই ভাবেই প্রতিবাদ জানিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরছি।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২৪
রাজ্য

ক্ষণিকের ভুলে চোখের সামনেই দীঘার উত্তাল সমুদ্রে তলিয়ে গেল ছেলে

ফের দিঘার সমুদ্রে মর্মান্তিক ঘটনা। সমুদ্রে স্নান করতে নেমে তলিয়ে গেল এক স্কুল পড়ুয়া। ১৫ বছরের ওই কিশোরের নাম শুভজিৎ দে। উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের বাসিন্দা শুভজিৎ মা ও ভাইয়ের সঙ্গে দিঘা বেড়াতে আসে। শুক্রবার সকালে সমুদ্রে স্নান করতে নেমে ঘটে বিপত্তি। উত্তাল ঢেউ সামলাতে পারেনি ওই কিশোর। তাঁর দেহের খোঁজে চলছে তল্লাশি।পুলিশ সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার শুভজিৎ এবং তার ভাই বিশ্বজিৎ মায়ের সঙ্গে দিঘা বেড়াতে যায়। শুক্রবার সকাল ১০টা নাগাদ ওল্ড দিঘার জগন্নাথ ঘাটে স্নান করতে যায় তারা। এদিকে সকাল থেকেই দিঘার সমুদ্র ছিল উত্তাল। স্নান করতে নেমে কিছুক্ষের মধ্যে বিপদ ঘনিয়ে আসে।

জুন ১৪, ২০২৪
রাজনীতি

বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় দিনভর উত্তপ্ত নন্দীগ্রাম, থানায় পুলিশকে ধমক শুভেন্দুর

নন্দীগ্রামে বিজেপি কর্মী মহিলাকে কুপিয়ে খুনের ঘটনায় দিনভর উত্তপ্ত ছিল। বৃহস্পতিবার নন্দীগ্রামে পৌঁছে সরাসরি পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ তুললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রাম কাণ্ডে খুনিদের সঙ্গে বৈঠক করার অভিযোগ তোলেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক। তাও আবার নন্দীগ্রাম থানার ভিতরে দাঁড়িয়ে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীকেও ধমক দিলেন।বুধবার রাতপাহারা দিতে গিয়ে গোলমালের মাঝে পড়ে নিহত হয়েছে বিজেপি কর্মী রথিবালা আড়ির। গুরুতর আহত তাঁর ছেলে সঞ্জয়। এদিন বিকেলে নন্দীগ্রামে আসেন শুভেন্দু। তার পরেই আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। শুভেন্দু নন্দীগ্রাম থানায় ঢোকার আগে সেখানে দাঁড়িয়েছিলেন কয়েক জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। প্রথমে তাঁদের ধমক দেন শুভেন্দু।এর পর শুভেন্দু থানার ভিতরে ঢুকে পড়েন। সেখানে এক কর্তব্যরত পুলিশকর্মীকে তিনি বলেন, খুনিরা থানায় এসেছিল। যারা খুন করেছে, মাকে খুন করেছে। রথীবালা আড়ি সঞ্জয় আড়ির মা নন, তিনি আমার মা। খুনিদের সঙ্গে এখনই মিটিং করেছেন। আমি জানতে চাই, খুনির সঙ্গে এখনই মিটিং করেছেন কেন? মজা দেখাব আইসিকে!দলের এক মহিলা কর্মী খুনে হিংসার আগুন জ্বলতে থাকে নন্দীগ্রামে। পরপর চলতে থাকে দোকানে ভাঙচুর-আগুন। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। পরিস্থিতি সামাল দিতে উপর্যুপরি লাঠিচার্জ করে পুলিশ। নন্দীগ্রাম থানার সামনে তুমুল বিক্ষোভ গেরুয়া দলের। দোষীদের গ্রেফতারের আশ্বাসে শেষমেশ বিক্ষোভ ওঠে। নির্বাচনের দুদিন দিন আগে এই নৃশংস খুনে নন্দীগ্রাম বেশ উত্তপ্ত।প্রসঙ্গত, নন্দীগ্রামের সোনাচূড়া মনসাবাজারে গতকাল রাতে তৃণমূল-BJP-র মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ বাঁধে। সেই সংঘর্ষে ৯ জন গুরুতর জখম হন। পরে তাঁদের উদ্ধার করে নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই জখম রথিবালা আড়ি নামে এক মহিলা BJP কর্মীর মৃত্যু হয়। অন্য আর একজনের অবস্থা সংকটজনক হওয়ায় তাঁকে কলকাতার হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। সংঘর্ষে আহত বাকিরা নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালেই ভর্তি রয়েছেন।এদিকে, নন্দীগ্রামের এই খুন নিয়ে মুখ খুলেছেন বিরোধী দলনেতা তথা স্থানীয় বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। তিনি এদিন বলেন, মমতা ব্যানার্জির ভাইপোর উসকানিতে খুন হয়েছে। উনি গতকাল বলে গিয়েছিলেন সোনাচূড়া, গোকুলনগরের ৮০টি বুথে অনেকে ধমকাচ্ছেন, আমি তাদের সতর্ক করতে এসেছি, ফল ভালো হবে না। FIR-এ ওঁর পরিবার ওঁর নাম বলেছে।তৃণমূলের ব্লক সভাপতি বাপ্পাদিত্য গর্গ বলেন, যে এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটেছে সেখানে তৃণমূলের সংগঠনই নেই। BJP-র আদি ও নব্যের মধ্যে ঝামেলা। তারই জেরে এই ঘটনা। এর সঙ্গে তৃণমূল জড়িত নেই। রাজনৈতিকভাবে আমাদের দলকে কালিমালিপ্ত করতে BJP এই ধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছে। এলাকায়-এলাকায় বিক্ষোভ, রাস্তা অবরোধ, অগ্নিসংযোগ, তৃণমূলের কর্মীদের মারধর করছে।

মে ২৩, ২০২৪
রাজনীতি

শুভেন্দু গড়ে জনসভায় গড়হাজির, ঝাড়গ্রামের মঞ্চ থেকে মোদীর নিশানায় তৃণমূল

প্রবল ঝড়-বৃষ্টিতে ব্যাহত হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নির্বাচনী প্রচার কর্মসূচি। কাঁথি এবং তমলুকের সভা তাঁকে সারতে হল ঝাড়গ্রাম থেকেই। সোমবার ঝাড়গ্রামে ছিল মোদীর দ্বিতীয় জনসভা। আবহাওয়াজনিত কারণে, ঝাড়গ্রামের মঞ্চ থেকেই তিনি কাঁথি এবং তমলুকের প্রার্থীদের হয়ে ভাষণ দেন।এক সভা থেকে অন্য সভাস্থলে প্রধানমন্ত্রী কপ্টারে করে পৌঁছন। কিন্তু, তাঁর কপ্টার ছাড়ার অনুমতি রক্ষীরা দেননি। তার কারণ, পুরোপুরি আবহাওয়াজনিত দুর্যোগ। সোমবারই প্রধানমন্ত্রীর তমলুকে বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সভায় উপস্থিত থাকার কথা ছিল। পাশাপাশি যাওয়ার কথা ছিল কাঁথির বিজেপি প্রার্থী সৌমেন্দু অধিকারীর হলদিয়ার সভায়। কিন্তু, সেখানে পৌঁছতে না পেরে ঝাড়গ্রামে বিজেপি প্রার্থীর সভামঞ্চ থেকেই তিনি বাকি দুটি সভার কাজ সারেন। প্রধানমন্ত্রী যে দুটি সভায় স্বশরীরে থাকতে পারবেন না, তা বিজেপি কর্মীদের জানিয়ে দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।ঝাড়গ্রামের সভাস্থল থেকে অবশ্য প্রধানমন্ত্রী রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে চরম আক্রমণ করেন। এর আগে রবিবার পুরুলিয়া, বিষ্ণুপুর এবং মেদিনীপুরে সভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার দেশে পঞ্চম দফা লোকসভা নির্বাচন হয়েছে। তার মধ্যে বাংলায় সাতটি আসনে হয়েছে নির্বাচন। এমনিতে প্রতিটি নির্বাচনের দিন প্রধানমন্ত্রী সভা করেন। যে অঞ্চলে ভোট হবে, সেই জায়গার জন্য তিনি সভা করেন।প্রধানমন্ত্রীর এই কর্মসূচি বহু আগে থেকেই ঠিক থাকলেও আবহাওয়া দফতর সোমবার সকালেই জানিয়েছে, রাজ্যের বেশ কয়েকটি জেলায় ঝড়-বৃষ্টি হবে। সঙ্গে বজ্রপাতেরও সম্ভাবনা আছে। ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাবে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। ইতিমধ্যে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছেন রাজ্যের মানুষ। এবার খোদ প্রধানমন্ত্রীর সভাও প্রাকৃতিক দু্যোগের কারণে ব্যাহত হল। তবে, প্রধানমন্ত্রী সভাস্থলে পৌঁছতে না পারলেও দুর্যোগ উপেক্ষা করে বিজেপি কর্মীরা সভায় যোগ দিয়েছিলেন। স্থানীয় বিজেপি নেতৃবৃন্দের দায়িত্ব ছিল বুথকর্মীদের সভাস্থলে নিয়ে আসার। তাঁরা সেইমত দূর-দূরান্ত থেকে কর্মীদের ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করেই সভাস্থলে নিয়ে এসেছিলেন।

মে ২১, ২০২৪
রাজ্য

দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা জুড়ে পালিত রামনবমী, শোভাযাত্রায় পা মেলালেন সুকান্ত ও

সারা রাজ্যের পাশাপাশি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা জুড়ে পালিত হল রামনবমী। বুধবার সকাল থেকেই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন প্রান্তে জেলা সদর শহর বালুরঘাট মহকুমা শহর গঙ্গারামপুর বুনিয়াদপুর সহ জেলা বিভিন্ন প্রান্তে রামনবমী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও বাইক র্যালি হয়। এই দিন রামনবমী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় পা মেলান রাজ্য বিজেপির সভাপতি তথা বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপির প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার।তাঁর সাথে এদিন উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপির সভাপতি স্বরপ চৌধুরী সহ বিজেপির অন্যান্য কার্যকর্তারা। বুধবার দুপুরে গঙ্গারামপুর শহরের কালিতলা থেকে শুরু করে বাসস্ট্যান্ড বড়বাজার নিউমার্কেট এলাকায় রামনবমী উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় উপস্থিত হন সুকান্ত মজুমদার। তিনি এদিন এই শোভাযাত্রায় ও পা মেলান। সূর্যের প্রখর রোদকে উপেক্ষা করে এদিন সারা জেলা জুড়েই রামনবমী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় এবং বাইক র্যালিতে প্রত্যেকের উপস্থিতি ছিল যথেষ্ট লক্ষণীয়।এদিন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার সদর শহর বালুরঘাট মহুকুমা শহর গঙ্গারামপুর ও বুনিয়াদপুরে সুকান্ত মজুমদারের সাথে এই শোভাযাত্রায় রামনবমী উপলক্ষে ৮ থেকে ৮০-র উপস্থিতি যেমন ছিল পাশাপাশি রামনবমী উপলক্ষে গেরুয়া পতাকা হাতে নিয়ে সহস্রাধিক মানুষের এই মিছিলে উপস্থিতিও ছিল লক্ষণীয়।

এপ্রিল ১৭, ২০২৪
রাজ্য

রামনবমীতে অযোধ্যার 'রামলালা' বর্ধমানে, পুজোয় ভিড় জমাচ্ছেন ভক্তরা

রামনবমী উপলক্ষ্যে অযোধ্যার রামলালা বর্ধমানে অবস্থান করছেন। একেবারে শহর বর্ধমানের মধ্যস্থল বিজয় তোরণের সামনে মন্ডপে পুজিত হচ্ছেন রামলালা। অযোধ্যার রামমন্দিরের রামলালার আদলে মূর্তি গড়ে রামনবমী উৎসব পালিত হল বর্ধমানে। বিজয় তোরণের সামনে রামলালার পুজো হয়েছে। এই পুজোর উদ্যোক্তা শ্রীরামনবমী উদযাপন সমিতি। আজ, বুধবার, সকাল ৯টায় বিজয় তোরণ চত্বরে ভগবান শ্রী শ্রী রামচন্দ্রের পুজো শুরু হয়। উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, বিকাল ৪টায় বর্ধমান নগরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শুরু হয়ে এই পুজো স্থলে মিলিত হবে। সন্ধ্যা ৬টায় সন্ধ্যারতি এবং প্রসাদ বিতরনের পর কার্যক্রমের পরিসমাপ্তি হইবে। বর্ধমানে রামলালার মূর্তি দেখতে ভীড় জমাচ্ছে ভক্তগন। রাজ্যজুড়ে এদিন রামনবমী উৎসব পালিত হচ্ছে।

এপ্রিল ১৭, ২০২৪
রাজ্য

বাংলার রামনবমী নিয়ে বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদী, বালুঘাটে বোল্লাকালীকে স্মরণ

লোকসভা ভোটের আবহে রাম নবমীকে কেন্দ্র করে তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা। বুধবার রাম নবমী। তার আগে মঙ্গলে উত্তরবঙ্গের প্রচারে মমতা-মোদীর মুখে উঠে এল রাম নবমী প্রসঙ্গ। জলপাইগুলিতে মুখ্যমন্ত্রীর সতর্কবাণী- বুধবার রামনবমীর দিন বিজেপি অশান্তি করতে পারে। সংখ্যালঘু ভাইয়েরা অশান্তি বাড়তে দেবেন না। এর পাল্টা বালুরঘাটে বঙ্গ বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের সমর্থনে প্রচারে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী।এ দিনও বাংলায় প্রচার শুরু করেন নরেন্দ্র মোদী। বলেন, নমস্কার! কেমন আছেন বালুরঘাটবাসী? আপনাদের সকলকে আমার বিনম্র প্রণাম। এরপরই বালুরঘাটবাসীর আবেগকে গুরুত্ব দিতে শরণ করেন মা বোল্লা কালীকে। বলেন, আমি মা বোল্লা কালীকে প্রণাম জানাই।তারপরই মোদী তৃণমূলকে তুলোধনা করে রাম নবমী প্রসঙ্গ মুখ খোলেন। তিনি বলেন, আজ মহাষ্টমী। কাল সমগ্র দেশ রাম নবমী পালন করবে। এইবার প্রথম রাম নবমী যখন অযোধ্যায় ভব্য রাম প্রতিষ্ঠা হয়েছে। রাম নবমীকে রুখে দেওয়ার জন্য তৃণমূল বহু প্রচেষ্টা করেছে। কিন্তু জয় সত্যের হয়। তাই কোর্টের অনুমতিও পাওয়া গেছে। মানুষের উৎসাহ আর মা বোনদের আশীর্বাদ এটাই প্রমাণ করে বাংলায় জিত হবে বিকাশের। সবাই আজ বলছে ৪ জুন ৪০০ পার। রাম নবমীর দিন দেশজুড়ে শোভাযাত্রা বের হবে বলেও ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী।প্রচারে অহরহ রাম নবমীকে বিজেপির দাঙ্গা করার দিন বলে তোপ দেগেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তারই পাল্টা হিসাবে এবার রাম নবমীর আগের দিন বাংলায় এসে যেন রাজ্যের বিজেপি কর্মীদের তাতিয়ে দিয়ে গেলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী।এ দিনও প্রচারে সন্দেশখালি ও সিএএ প্রসঙ্গের অবতারণা করেন নরেন্দ্র মোদী। বলেন, আমাদের বিজেপি কর্মীরা নিত্যদিন অত্যাচারিত, খুন হচ্ছেন। সন্দেশখালির ঘটনা সমগ্র দেশ দেখেছে কিভাবে তৃণমূল শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করেছে অপরাধীদের বাঁচানোর। সরকারি জায়গাগুলি তৃণমূলের দুর্নীতির আখড়া হয়ে গেছে। প্রাইমারি শিক্ষা ব্যবস্থায় দুর্নীতি হচ্ছে। কেন্দ্রীয় আধিকারিকরা কোথাও গেলে তাদের উপর হামলা চালানো হচ্ছে।সংশোধিত নাগিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে মমতা সরকার। পাল্টা মোদীর দাবি, পশ্চিমবঙ্গ সরকার অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দিচ্ছে আর শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন সিএএ-এর এর বিরোধিতা করছে। তৃণমূলের মিথ্যা গুজবে কান দেবেন না। তৃণমূলের পাপের সাজা দিন পদ্মফুলে ছাপ দিয়ে।পাশাপাশি নিজের সরকারের সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরে প্রধামন্ত্রী বলেন, ৭০ বছরের বেশি সকল বয়স্কের আয়ুষ্মান ভারতের মাধ্যমে বিনামূল্যে চিকিৎসা মিলবে। এই সব সিদ্ধান্তের ফলে বাংলার গরীব, আদিবাসী, মহিলাদের উপকার হবে। গ্যারান্টি আসার পর তৃণমূল আরও বেশি ঘেঁটে গেছে। ওরা ভাবছে এতদিন পর্যন্ত তো মানুষকে আমরা কেন্দ্রের সুবিধা থেকে বঞ্চিত করেছি।বালুরঘাটবাসীকে মোদীর আশ্বাস, বিগত ১০ বছরে বিজেপি বালুরঘাটের উন্নতির জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করছে। বালুরঘাট স্টেশনকে অমৃত ভারত স্টেশনের অন্তর্ভুক্ত করেছে। একাধিক নতুন ট্রেন দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার বালুরঘাট এয়ারপোর্টের জন্য অনেক চেষ্টা করেছে। কিন্তু এখানে তৃণমূল সরকারের ইচ্ছেই নেই বালুরঘাটের উন্নতি করার। বন্দে ভারত ও উন্নত হাইওয়ে এখানের সমগ্র অঞ্চলের উন্নতি করবে। আপনার স্বপ্ন আমার সংকল্প। ভাই বোন আপনাকে আমি কথা দিচ্ছি আপনার স্বপ্ন সফল করার জন্য আমি নিবেদিত।

এপ্রিল ১৭, ২০২৪
দেশ

পতঞ্জলির বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন বন্ধ না হলে মোটা টাকা জরিমানা, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

অসুখ সারানোর বিভ্রান্তিকর ও ভুয়ো বিজ্ঞাপনের কারণে পতঞ্জলির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয় সুপ্রিম কোর্টে। গত বছর ২১সে নভেম্বর সুপ্রিমকোর্টের বেঞ্চ, অবিলম্বে পতঞ্জলির এই মিথ্যা বিজ্ঞাপন সম্প্রচার বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশ সংস্থাটি অমান্য করে চলেছে বলে অভিযোগ ওঠে, ফলে এই বিষয় নিয়ে পতঞ্জলির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ উঠেছে। গত ১৯ সে মার্চ মঙ্গলবার ভুয়ো বিজ্ঞাপন নিয়ে আদালত অবমাননার অভিযোগে পতঞ্জলি আয়ুর্বেদের প্রতিষ্ঠাতা যোগগুরু বাবা রামদেব ও সংস্থার পরিচালক অধিকর্তা আচার্য বালাকৃষ্ণকে তলব করে সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিমকোর্টে বিচারপতি হিমা কোহলি ও বিচারপতি আসানউদ্দিন অমানুল্লার বেঞ্চে এই মামলাটি ওঠে। এই মামলায় পতঞ্জলি সংস্থার পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মুকুল রোহিতেগি এবং বিপক্ষে ছিলেন ইন্ডিয়ান মেডিকেল এসোসিয়েশনের আইনজীবী পি এস পাটোয়ালিয়া। শুনানি চলাকালীন বিচারপতি হিমা কোহলি জানতে চান, সুপ্রিম কোর্টের নোটিস অবমাননার কারণ। আইনজীবী রোহিতেগি জানান, জবাব দেওয়া হয়নি। প্রতুত্তরে বিচারপতি কোহলি জানান, আমরা এই বিষয়টিকে খুবই গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। আপনারা জবাব দেননি, ফলে নির্দেশ ও পরিণতির বিষয়টি সামনে আসে এরপরই যোগগুরু বাবা রামদেবকে আদালতে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারপতিরা। ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল আসোসিয়েশনের অভিযোগ, পতঞ্জলি আয়ুর্বেদ অ্যালোপ্যাথি ও আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্পর্কে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে পাশাপাশি রোগ নিরাময়েরও ভুল দাবি করে চলেছেন। সেই সব বিজ্ঞাপন বন্ধ করতে ও সংস্থার বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সরকারকে পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেয়ার জন্য সুপ্রিমকোর্টের কাছে আবেদন করেছে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল আসোসিয়েশন। নভেম্বর মাসে এই মামলার শুনানির সময় বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন ও চিকিৎসা ব্যাবস্থার অপপ্রচার চালিয়ে যাওয়ার জন্য পতঞ্জলি সংস্থাকে ভৎসনা করেছিল সুপ্রিমকোর্ট। বিচারপতি আমানুল্লা জানান, ভবিষ্যতে এই প্রচার চালানো হলে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হবে বলে সতর্ক বার্তা দেন। জরিমানার বিষয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করে রামদেব জানিয়েছেন, কিছু চিকিৎসক উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে তার সংস্থা পতঞ্জলিকে কালিমালিপ্ত করতে চাইছেন। শুধু পতঞ্জলিই নয়, আয়ুর্বেদের বিভিন্ন চিকিৎসা পদ্ধতির বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হচ্ছে। এক সাংবাদ মাধ্যমে রামদেব বলেছেন, যদি আমরা মিথ্যাবাদী হই, তবে ১০০০ কোটি টাকা জরিমানা করুন। আমরা মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি হতেও প্রস্তুত।

মার্চ ২১, ২০২৪
রাজ্য

দুই মন্ত্রী সম্মুখ সমরে, সংঘর্ষে মাথা ফাটল পুলিশ আধিকারিকের, শহর বনধের ডাক

দুই মন্ত্রী সম্মুখ সমরে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতীশ অধিকারী ও রাজ্যের মন্ত্রী উদয়ন গুহ। এক মন্ত্রী আরেকজনের দিকে তেড়ে যাচ্ছে, অন্য জন জবাব দিচ্ছে, এমন দৃশ্য খুব একটা দেখা যায় না। মঙ্গলবার কোচবিহারে দিনহাটায় প্রচারে ধুন্ধুমার ঘটনা ঘটে। প্রচারিত একটি ভিডিওতে স্পষ্ট দুই মন্ত্রীর বাকবিতন্ডা থেকে লাঠিসোটা নিয়ে দাপাদাপি। বিজেপি ও তৃণমূলের সংঘর্ষের ঘটনায় মাথা ফেটেছে এক পুলিশ আধিকারিকের। এই ঘটনার জেরে আজ, বুধবার দিনহাটা বনধের ডাক দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। যে নির্বাচনের আগে পরে বারে বারে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে দিনহাটা। এবার লোকসভা নির্বাচন আসতেই ফের উত্তেজনা ছড়াল কোচবিহারের দিনহাটায়। দুই মন্ত্রীর সামনেই তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক ও উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ মুখোমুখি বাকবিতন্ডায় জড়ান। একে অপরের দিকে তেড়ে যান। এই দৃশ্য দেখে স্বভাবতই বিজেপি ও তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়ায়৷ জানা গিয়েছে, এই সংঘর্ষে দুই পক্ষের বেশ কয়েক জন আহত হয়েছেন। দিনহাটার এসডিপিও মাথায় চোট পেয়েছেন। সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ নাজেহাল হয়ে পড়ে। এমনকী মন্ত্রীদের নিরাপত্তা রক্ষীদের দিকেও লাঠি নিয়ে তেড়ে যেতে দেখা যায় প্রচারিত ভিডিওতে।তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, উদয়ন গুহের জন্মদিন পালনের জন্য দিনহাটা চৌপতি এলাকায় কর্মীরা জড়ো হয়েছিলেন। তখন ওই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন নিশীথ প্রামানিক। তিনি নির্বাচনী প্রচার থেকে ফিরছিলেন। অভিযোগ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর নিরাপত্তা কর্মীরা তৃণমূল কর্মীদের ওপর হামলা করে। তা থেকে বিবাদের সূত্রপাত।বিজেপির অভিযোগ, সভা শেষ করে বাড়ি ফেরার সময় দিনহাটার পাঁচমাথা মোড়ে তৃণমূলের লোকজন অতর্কিত হামলা চালায়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ ভাবে রাস্তা দিয়ে আসছিলাম। হঠাৎ কনভয়ে ইট-পাটকেল, তির-ধনুক নিয়ে আক্রমণ করে তৃণমূল। এই ঘটনায় হস্তক্ষেপ করেছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্য পুলিশের কাছে দিনহাটার ঘটনার রিপোর্ট তলব করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। বুধবার দিনহাটা বনধের ডাক দিয়েছে তৃণমূল অন্যদিকে জেলা পুলিশ সুপারের অফিস ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছে বিজেপি।

মার্চ ২০, ২০২৪
প্রযুক্তি

নিজে থেকেই লগ আউট! ফেসবুক ইনস্টা -র অস্বাভাবিক আচরণে বিভ্রান্ত ব্যবহারকারীরা

রাত ৮-৩০ টার পর থেকে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুক, ইনস্টা হটাৎ করে নিজে থেকেই লগআউট হয়ে যাচ্ছে। এহেন আচরণে প্রথম দিকে অনেকেই ভাবছিলেন তাঁদের পাসওয়ার্ডের কোনও সমস্যা হয়েছে, বা ভুল হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এই নিয়ে বেশ বিপাকে এই দুই সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীরা। জানা যায়, এ সমস্যা শুধুমাত্র বাংলা বা ভারতেই নয়, বিশ্ব জুড়ে স্তব্ধ এই পরিষেবা। অনেকেই তাঁদের এক্স হ্যন্ডেলে বা হোয়াটসঅ্যাপে পোস্ট করে জানাচ্ছেন। বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেও জানা যায়নি সমস্যার মূল কারণ। এই নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনও বিবৃতি দেয়নি মূল সংস্থা মেটা।ফেসবুক ইনস্টা-র ব্যবহারকারীরা জানাচ্ছেন, হঠাৎ করেই এই দুই পরিষেবা নিজে নিজেই অ্যাকাউন্ট থেকে লগ আউট হয়ে যাচ্ছে। কোনওভাবেই আর লগ ইন করা যাচ্ছে না। ব্যবহারকারীরা কেউই তাঁদের কোনও পোস্ট, গ্যালারী, কমেন্ট কিছুই দেখতে পাচ্ছেন না।বিশিষ্ট সাইবার বিশেষজ্ঞ বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিটার বিভাগের অধ্যাপক ডঃ শিবকালি গুপ্ত জনতার কথা কে বলেন, মেটা কর্তৃপক্ষ এখনও বিবৃতি দিয়ে এই দুর্বিপাক সম্বন্ধে কোনও কিছু জানায়নি। তিনি বলেন, এমনও হতে পারে কোনও বড়সড় সাইবার অ্যাটাক হয়েছে বা হতে পারে সেই আন্দাজ করে সমস্ত ব্যবহারকারীদের লগ আউট করে দিয়েছেন মেটা কর্তৃপক্ষ তাঁদের ডাটা সুরক্ষিত রাখার জন্য। আথবা কোনও রূটিন মেনটেনেন্সও হতে পারে।ডঃ শিবকালি গুপ্ত আরও জানান, যদি রূটিন মেনটেনেন্স হয় সে ক্ষেত্রে মেটা-র মত সংস্থা অগ্রীম নোটিফিকেশন করে রাখত। তাঁর ধারণা এটা কোনও ধরনের সাইবার অ্যাটাক। এখন অপেক্ষা করা ছাড়া কোনও উপায় নেই।

মার্চ ০৫, ২০২৪
নিবন্ধ

'পাখি' র, সাধ অনেক। সাধ্য অল্প। তবুও আয়োজন ছিল। যা 'না বললেই নয়"

না, পাখি-তে ফাঁকি নেই। ঠাস বুনন। সমকালীন জীবনকে তুলে ধরাই নাটকের ধর্ম। সময় তাই নাটকের প্রাণ ভোমরা। তাই মনোজ মিত্রের পাখিকে জানতে গেলে ফিরে যেতে হবে আজ থেকে প্রায় ৪৮ বছর আগে। নকশাল আন্দোলন এর অন্তিম পর্বে। কলকাতায় নুতন সরকার। গড়ের মাঠে পেলেকে রুখে দিচ্ছে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ সবুজ মেরুন বাহিনী। অন্যদিকে একে একে বন্ধ হচ্ছে শিল্প কারখানা। হারিয়ে যাচ্ছে তরুণের স্বপ্ন। উচ্চবিত্ত হচ্ছে মধ্যবিত্ত। মধ্য নিম্ন। সমাধি হচ্ছে স্বপ্নের।মনোজ মিত্রের পাখি নাটকে নীতিশ স্বপ্ন সমাধি। একদল অর্থপুষ্ট বন্ধুর সেলসম্যান সাথি। ফেরি করে। অন্যের বাড়িতে পৌঁছে দেয় হেরিকেন। তাদের বাড়িতে আলো জ্বলে। কিন্তু নিজের বাড়িতেই ঘোর অন্ধকার। স্বপ্ন বড় নয়। তবুও সমাজের চোখে তা দুঃস্বপ্ন। প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকায় বড়লোক বন্ধুদের খাওয়ানোর দুর্নিবার আকাঙ্ক্ষা। দশম বিবাহ বার্ষিকীতে নিজেকে খুঁজে পাওয়ার প্রচেষ্টা। অন্যদিকে কষ্টিপাথরে যাচাই করা যোগ্য সহধর্মিনী বিলাসিতাই ভাবে নীতু র স্বপ্নকে। নুন আনতে পান্তা পুরানো সংসারের ঘানি টানতে টানতে স্বপ্নই শেষ হয়ে গেছে তার জীবনে। কঠিন বাস্তবতার মোড়কে তার জীবন দর্শন। অর্থহীনরা প্রসব করে অর্থহীন স্বপ্ন। আবিষ্কার করতে হয় আত্মসম্মানকে বাঁচিয়ে রাখার নবনব কৌশল। তবুও স্বামীর পাশে। ভালোবেসে।নীতুর সাধ অনেক। সাধ্য অল্প। তবুও আয়োজন ছিল। ছিল হৃদয়বান মাসতুতো ভাইয়ের সাহচর্য, উষ্ণ উপস্থিতি। কিন্তু বাধ সাধলো একটা চিঠি। বড়লোক বন্ধুদের করুণা মাখা একটি ছোট্ট চিঠি। নিমন্ত্রণের ইচ্ছে প্রকাশই যথেষ্ট। আয়োজন বিলাসিতা। বেমানান। ব্যর্থ উপার্জনের সঙ্গে সঙ্গতে। গরিবির নির্মমতায় নিষ্পেষিত নীতু।স্বপ্নের সমাধিতে দিশেহারা নীতুর একমাত্র অবলম্বন শ্যামা। ভালোবাসাই সমাধান। নিজেদের পর্ণ কুঠিরে দুজনে খুঁজে পায় দুজনকে। মেতে উঠে ভালোবাসার আলিঙ্গনে। সোহাগে সান্ত্বনায় উপভোগ করে পূর্ণতা প্রাপ্তির আনন্দ।গত ২৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ বর্ধমান অনীকের সৌজন্যে সংস্কৃতি লোক মঞ্চে ফিরে এলো ১৯৭৭ সাল। শিল্প হারা রাজ্যের ঝরাজীর্ণ অর্থনীতির শিকার নীতু র চরিত্রে শিক্ষক ডক্টর দিলীপ বিশ্বাসের অসাধারণ উপস্থাপনায়। কখনো স্বপ্ন, কখনো সমাধি। কখনো আবেগময়, কখনো আবেগহীন। পরিশেষে বাস্তবতায় আত্মসমর্পণ। শ্যামার চরিত্রে সহধর্মিনী রুনু মুখোপাধ্যায়ের যোগ্য সঙ্গত। নিয়ন্ত্রিত আবেগ সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছে কঠিন বাস্তবের সম্মুখীন হওয়া একটি জীবনকে। যোগ্য কপতি। উকিলের চরিত্রে বাবলুদা এবং নিতুর ভাইয়ের চরিত্রে অনিমেষদার সাবলীল অভিনয়। টানটান নাটকে দর্শক মন্ডলী ক্ষণিকেই ফিরে গিয়েছিল ১৯৭৭ সালের কলকাতায়। শুনছিল সময়ের পদধ্বনি। আলোক-আবহ নিখুঁত এবং নিটোল! নেশা ছাপিয়ে যায় পেশা কে। তাই হয়তো অভিনয়ের গুণে বিভিন্ন পেশায় থাকা কুশীলবদের প্রত্যেকটি চরিত্র হয়ে উঠেছিল প্রাণশক্তিতে ভরপুর, জীবন্ত। সঠিকভাবেই আয়না ধরা হয়েছিল জীবনের প্রতি।অনন্তদেব গুহ, (শিক্ষক ও নাট্যপ্রেমী)

মার্চ ০৩, ২০২৪
রাজ্য

আরামবাগে তৃণমূলকে তুলোধনা, রাজভবনে মোদী- মমতা বৈঠক

একঘন্টারও একটু বেশি, আরামবাগের সভা থেকে তৃণমূল সরকারকে তুলোধনা করছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। নিশানা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এরপরই সন্ধ্যার মুখে বিকেল ৫টা ৪০ মিনিট নাগাদ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে রাজভবনে যান দিদি। বৈঠক চলে এক ঘন্টার বেশি। এরপর সন্ধ্যায় ৬ টাব৪৫ মিনিট নাগাদ বেরিয়ে আসেন মমতা। কী আলোচনা হল? জবাবে রাজভবন থেকে বাইরে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বললেন,আজ প্রেটোকল মেনে মোদীজির সঙ্গে দেখা করেছি, গল্প করলাম, বাংলার মিষ্টি দিলাম।বাংলায় মোদী। আক্রমণের সুর চড়িয়েছিল তৃণমূল। ফলে বঙ্গ রাজীনীতির পারদ বেশ চড়া। তার মধ্যেই স্বয়ং মোদী সোচ্চার হয়েছে সন্দেশখালি, তৃণমূল সরকারের একাধিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে। বদলের ডাক দিয়েছেন। গ্যারান্টি হিসাবে নিজেকে দেখিয়েছেন এ রাজ্যের ভোটারদের। এই আবহে মোদী-মমতা বৈঠক। স্বাভাবিকভাবেই নানা জল্পনা ছিল। তাই মুখ্যমন্ত্রীর গল্প করলাম, বাংলার মিষ্টি দিলাম মন্তব্যের পরই সাংবাদিকরা প্রশ্ন ছোঁড়েন আর কী কথা হয়েছে? উত্তরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলে দিলেন, বাকী যা কিছু বলার রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে বলব। অর্থাৎ রাজভবনে দাঁড়িয়ে মোদীর নিন্দার জবাব এড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী।সামনেই লোকসভা নির্বাচন। তার আগেই আজ আরামবাগের সভা থেকে মমতা সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। এদিন আরামবাগ থেকে সাত হাজার কোটি টাকার বেশি উন্নয়নমূলক প্রকল্পের শিলান্যাস করেন তিনি। সভা শেষে সাড়ে পাঁচটা নাগাদ রাজভবনে আসেন মোদী। বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ও রাজভবনে এসে পৌঁছান। রাজ্য প্রশাসন সূত্রে আগেই জানা গিয়েছিল, আজকের এই বৈঠক নেহাতই হতে চলেছে সৌজন্য মূলক সাক্ষাৎকার। তবে রাজনৈতিক মহলের ধারণা লোকসভার আগে ১০০ দিনের কাজের টাকা ও আবাস যোজনার বকেয়া মিটিয়ে দেওয়া নিয়ে কথা আজকের বৈঠকে হতে পারে মোদী-মমতার। সেই বিষয়ে কী আদৌ কোন কথা হয়েছে এদিনের বৈঠকে? সেই প্রশ্ন সরাসরি এদিন এড়িয়ে গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী।মোদী-মমতার সাক্ষাৎ নিয়ে অবশ্য মুখ্যমন্ত্রীকে এ দিন নিশানা করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেছেন, দুর্নীতি , সন্দেশখালি নিয়ে হুঙ্কার ছুঁড়েছেন মোদী। সাফ জানিয়ে দিয়েছেন দোষীদের কোনভাবেই রেয়াত করা হবে না, রাজভবনে উনি প্রধানমন্ত্রীর পা ধরতে যাচ্ছেন! কিন্তু এ সব করে কোনও লাভ হবে না।লোকসভার আগে বঙ্গ সফরে এসে সন্দেশখালি এবং দুর্নীতি ইস্যুতে ফের একবার মমতা সরকারকে ধুয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রত্যাশিতভাবেই মোদীর আজকের সভায় ওঠে সন্দেশখালি প্রসঙ্গ। দ্বীপাঞ্চলের নির্যাতিতাদের সম্পর্কে বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র নিশানা করেন তিনি। মুখ খুলেছেন শেখ শাহজাহান ইস্যু নিয়েও।মোদী এদিন বলেন, মা, মাটি, মানুষের ঢোল পেটানো তৃণমূল সন্দেশখালির যে পরিস্থিতি তৈরি করেছে তা দেখে সারা দেশ আজ দুঃখী। রাজা রামমোহন রায়ের (Raja Ram Mohan Roy) আত্মাও আজ যেখানেই থাকবে আজ এদের এই কাণ্ড দেখে অত্যন্ত দুঃখী হবে। এরা সন্দেশখালিতে যা করেছে তা দেখে রাজা রামমোহন রায়ের আত্মাও হয়তো কাঁদছে।সন্দেশখালির ঘচনা নিয়ে তৃণমূলকে তীব্র নিশানা করে এদিন মোদী আরও বলেন, কিছু লোকজনের ভোট সন্দেশখালির মা-বোনেদের চেয়েও বেশি দামী? আপনাদের লজ্জা নেই? বাংলার পরিস্থিতি আজ গোটা দেশ দেখছে।

মার্চ ০১, ২০২৪
রাজনীতি

দ্বিতীয় নন্দীগ্রাম সন্দেশখালী? বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দু অধিকারীর

আজ দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা হলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। যাওয়ার আগে বিমান বন্দরে সন্দেশখালি নিয়ে একাধিক মন্তব্য করলেন শুভেন্দু অধিকারী। ৫০ দিন পেরিয়ে গেলেও অধরা শেখ শাহজাহান এই বিষয়ে বলেন, ধরবে না। ভোট আসবে আর কালীঘাটে টাকা সাপ্লাই করবে।রাজীব কুমার সন্দেশখালিতে রাতে থাকা প্রসঙ্গে বলেন, চোর ধরতে যায়নি। ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে গিয়েছিল। জমি ফেরত তো আমি করেছি। নিজের জমি নিজে নেবে এতে পুলিশ কি করবে। আর জেলিয়াখালিতে গিয়েছিলেন শিবু হাজরার ম্যানেজার হিসাবে। উনি বলেছেন শাহজাহান ইডি সিবিআইয়ের মামলা পুলিশ নট ইন্টারেস্টেড। উনি গিয়েছিলেন ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে কারণ উনি তো এখন তৃণমূলের প্রেসিডেন্ট। সুব্রত বক্সী নামেই প্রেসিডেন্টের কাজটা রাজীব কুমারকে সুব্রত বক্সী দিয়েছেন।সন্দেশখালি কি দ্বিতীয় নন্দীগ্রাম হতে চলেছে? প্রশ্নের জবাবে শুভেন্দু বলেন, হ্যাঁ, বশ্যতা বিরোধী সংগ্রাম। নন্দীগ্রাম শুরু হয়েছিল জমি অধিগ্রন দিয়ে। এটা শুরু হয়েছে মেয়েদের উপর অত্যাচার দিয়ে। তার সঙ্গে জমি অধিগ্রহণ তো রয়েছে। তবে যেটা নন্দীগ্রামে ছিল না সেটা এখানে রয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারে আসার পরে ২০১৩ সাল থেকে কেউ ভোট দিতে পারেননি। তিনটে বড় ইস্যু নিয়ে এই সংগ্রাম।আমি ওই সম্প্রদায়কে প্রণাম জানাই। যদি কোনো ছবি দেখান যা বলবেন স্বীকার করে নেবো। ওটা ম্যানুফ্যাকচার্ড পিকচার ভয়েস ওটার সঙ্গে আমাদের দলের বা আমার কোনো সম্পর্ক নেই। শিখ পুলিশ কর্মীকে খালিস্তানি বলার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জানান শুভেন্দু অধিকারী।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৪
রাজ্য

ইকোপার্কে প্রাতর্ভ্রমণে গিয়ে সন্দেশখালি সহ নানা প্রশ্নের খোলামেলা জবাব দিলীপ ঘোষের

সন্দেশখালি কি নিয়ন্ত্রণের বাইরে?ওই জায়গা কোনওদিন কন্ট্রোলে ছিলই না। আজ পুলিশ আধিকারিক এবং তৃণমূলের নেতারা যাচ্ছেন। বছরের পর বছর ওখানে অত্যাচার হয়েছে। কেউ খোঁজ নিতে গিয়েছিলেন? আজ মানুষের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে গিয়েছে। তাঁরা রাস্তায় নেমেছেন। রাজীব কুমার গিয়ে বলছেন ৮ দিনে ঠিক করে দেব। এরকম কত ৮ দিন চলে গিয়েছে। ঠিক করেন নি কেন? কোথায় ছিলেন? দিনের পর দিন ধর্ষণ অত্যাচার হয়েছে। থানায় গিয়ে ফিরে এসেছেন। অভিযোগ নেওয়া হয়নি। পঞ্চায়েতে ভোট লুঠ হয়েছে। ভেরি দখল হয়েছে। পুলিশ অভিযোগকারীদের থানা থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে। রাজ্যে সন্দেশখালির মতো এরকম বহু জায়গা আছে। এটা কি দ্বিতীয় নন্দীগ্রাম?নন্দীগ্রাম একটা গেম চেঞ্জার ছিল। এটা দেখেও বহু মানুষ প্রতিবাদের ভাষা খুঁজে পাবেন। নন্দীগ্রামের মতো পরিস্থিতি অনেক জায়গায় তৈরি হবে। সাধারণ মানুষ নিজের হাতে ঝাণ্ডা তুলে প্রতিবাদের ভাষা খুঁজে নিচ্ছেন। তারা এখন কোনও পার্টিকেও খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছেন না। মানুষকে নিজের রাস্তা নিজেই খুঁজে নিতে হচ্ছে। বিজেপির সব নেতা সন্দেশখালি যেতে মরিয়া কেন?রাজ্যে এরকম বহু এলাকা আছে যেখানে একেকজন মুসলিম গুন্ডাকে নেতা বানানো হয়েছে। এরমধ্যে অন্যতম শেখ শাহাজাহান। দক্ষিণ এবং উত্তর ২৪ পরগনা। নদিয়া। মালদা। মুর্শিদাবাদ। যারা মাফিয়া ছিল তারা নেতা হয়ে গেছে। তারা হাতেখড়ি করেছে সিপিএম আমলে। পরে তৃণমূলের হাত ধরেছে। পঞ্চায়েতের সমস্ত সিট ওদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। স্মাগলার, যারা গরু, কয়লা, ফেনসিডিল, সোনা এগুলো পাচার করে। একটা লোক এমন নয় যে ঠিকঠাক আছে। তারাই তৃণমূলের কিং পিন। তারাই টাকা দেয়। তারাই ভোট করায়। তৃণমূল দলটা এদের ওপরেই দাঁড়িয়ে আছে। তাদের গায়ে হাত পড়ে না। এমন সব জায়গা যেখানে ইডি, সিবিআই চট করে গিয়ে কিছু করতেও পারবে না। মানুষ বুঝেছে তাদের ধর্ম, সংস্কৃতি, মান-সম্মান রক্ষা করতে গেলে তাদেরকেই রাস্তায় নামতে হবে। ডিজি রাজিব কুমারের সেদিনের রহস্যে ঢাকা মধ্যরাতের লঞ্চ সফরলোকেট করতে গেছিল? নাকি শাহজাহানের সঙ্গে দেখা করতে গেছিল? উনি নিজে কীভাবে কোর্ট এবং সিবিআই এর হাত থেকে লুকিয়ে ছিলেন সেই ট্রেনিং দিতে গেছিলেন। শাহজাহানের গায়ে কেউ হাত দেবে না। বলেছে ভরসা রাখুন? কোন পুলিশের ওপর মানুষ ভরসা রাখবে? জমি কেড়ে নিয়ে নোনা জল ঢুকিয়ে ভেরি করা হয়েছে। পুলিশ অভিযোগ নেয়নি। সেই পুলিশের ওপর কে ভরসা রাখবে? মার্চে রাজ্যে মোদীগত নির্বাচনে ওরা ৪২ টা পাওয়ার দাবি করেছিল। ২২ এ নেমেছিলেন। এবার আগে ঘর সামলান। অন্য দিকে তৃণমূলকে তাকাতে হবে না। যা শুরু হয়েছে এমনিতেই ওরা খালি হয়ে যাবে। ২২ টা রাখতে পারবেন? কেউ বলছে ১৯, কেউ ১৫। আমার তো মনে হয় আরও এক ডজন সিট কমে যাবে। বিজেপি মহিলা মোর্চা ভোজেরহাটে রুদ্ধ। আটক লকেট।তৃণমূল ভয় পেয়েছে। পুলিশ ভয় পেয়েছে। কারণ, ভিতরে সাধারণ মানুষ আন্দোলন শুরু করেছে। তাদের সাহস বেড়েছে। তারা পুলিশকে ঢুকতে দিচ্ছে না। পুলিশ হাত জোর করছে। চোখ রাঙাচ্ছে। ফল হচ্ছে না। বাকি যারা তাদের পাশে দাঁড়াতে ওখানে যাওয়ার চেষ্টা করছেন, তাদের আটকানোর চেষ্টা চলছে। বিজেপি শুরু করেছিল। তারপর বাকি বিরোধীরা যাওয়ার চেষ্টা করছেন। সমস্ত কমিশন গেছে। কিছু একটা লুকোনোর চেষ্টা চলছে। মহিলার পায়ের ওপর দিয়ে পুলিশের গাড়িপুলিশ কি স্বীকার বা অস্বীকার করল তাতে এখন আর কিছু যায় আসে না। পুলিশকে এখন ওখানে কেউ পাত্তা দিচ্ছে না। চাকরি বাঁচাতে পুলিশকে ওখানে যেতে হচ্ছে। ওখানে পুলিশ মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়য়ের যাওয়া উচিৎ। উনি ৫০০ টাকা দিয়ে সমর্থন কিনে নিয়েছেন। তাহলে তো ওখানে যাওয়া উচিৎ ওনার। উনি গিয়ে বলুন, আমি আছি চিন্তা নেই। কিন্তু ওনার যাওয়ার হিম্মত নেই। অভিষেক যাবেন ১০ তারিখওকে কে পাত্তা দেয়। দুধের ছেলেকে কেউ পাত্তা দেয়। দুধের বোতল নিয়ে রাজনীতি করছেন। উনি তৃণমূলের জন্য বড় নেতা হতে পারেন। যারা তৃণমূলের মাধ্যমে করে খায় তাদের জন্য উনি বড় নেতা। কিন্তু বাকি পশ্চিমবঙ্গের কে পোছে ওনাকে? কি অবদান ওনার? কি যায় আসে? রাজ্যের বকেয়া মেটাক কেন্দ্র : কুনাল ঘোষএকটা বাচ্চাকেও বাড়ির বাজার করতে দিয়ে আমরা হিসেব চাই। এটা বোঝে না তৃণমূল? চুরি করতে করতে এই বুদ্ধিও লোপ পেয়ে গেছে? আগে হিসেব দিন। অন্য রাজ্যকে নিয়ে তো সমস্যা হয় না। এখানে সব ওপর থেকে নীচ পর্যন্ত চোর। আগে তো টাকার হিসেব দিতে হবে। পশ্চিমবঙ্গের মানুষের দুর্ভাগ্য, তারা চোরদের চয়ন করেছেন।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৪
রাজ্য

নন্দীগ্রামের ছায়া! গাছের গুঁড়ি ফেল বিক্ষোভ অগ্নিগর্ভ সন্দেশখালিতে

সন্দেশখালি কি নন্দীগ্রামে স্মৃতি ফেরাচ্ছে? শুক্রবার সকালের পর দুপুরেও অগ্নিগর্ভ সন্দেশখালির বেড়মজুর। রীতিমতো রণক্ষেত্র এলাকা। গ্রামের পুরুষদের পুলিশি ধরপাকড়ের বিরুদ্ধে পুলিশি ভ্যানের সামনে গাছের গুড়ি ফেলে বিক্ষোভ দেখান গ্রামের মহিলারা। রাস্তাতেই লুটিয়ে পড়েন এক মহিলা। এক মহিলা কাঁদতে কাঁদতে বলেন, আমার নাতিটা পরীক্ষা দিয়ে আসছিল। হঠাৎ করেই তাকে তুলে নিয়ে গেল। কী বলবেন আপনি! ওরা পুলিশ? গ্রামের বাঁশের ভাঙা সাঁকোর এক প্রান্ত পুলিশ, আরেক প্রান্ত মহিলারা। পুলিশ যাতে গ্রামে ঢুকতে না পারে তার জন্যই এই অবস্থা। শাহজাহান, তাঁর চ্যালাদের না গ্রেফতার করে, কেন পুলিশ গ্রামবাসীদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে সেই প্রশ্নই করতে থাকেন স্থানীয় মহিলারা।একটা সময়ে গোটা গ্রাম এসে দাঁড়ায় পুলিশের সামনে। সাঁকোর এক প্রান্তে পুলিশ, অপর প্রান্তে পথ আটকে দাঁড়িয়ে থাকেন গ্রামের মহিলারা। তাঁদের বাড়ির ছেলেদের না ছাড়া হলে যাবেন না, স্পষ্ট জানিয়ে দেন তাঁরা।শুক্রবার সকালে বেড়মজুর এলাকা তপ্ত হয়ে ওঠে। জমি ফেরতের দাবিতে লাঠি, বাঁশ, ঝাঁটা হাতে মেঠো রাস্তায় নামেন গ্রামের মহিলারা। শিবু হাজরা, অজিত মাইতি, তোয়েব মোল্লাদের বিরুদ্ধে জনরোষ আছড়ে পড়ে। বেশ কয়েকটি মাছের ভেড়ি জ্বলতে থাকে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে যান এডিজি দক্ষিণবঙ্গ সুপ্রতীম সরকার। গ্রামের মানুষদের বুঝিতে ফেরত পাঠান। জারি হয় ১৪৪ ধারা। গ্রামে একদিকে যখন এই পরিস্থিতি তখন অন্যদিকে, শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার বাড়িতে ভাঙচুর চলে, স্ত্রী-মেয়ের শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওঠে। এলাকা ঘুরে দেখেন ডিজি রাজীব কুমারও।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৪
খেলার দুনিয়া

শিশু ও যুব সমাজকে মোবাইলের আসক্তি থেকে মুক্ত করে মাঠমুখী করতে গঙ্গারামপুরে শুরু হল ফুটবল কোচিং ক্যাম্প

গভীর সমস্যায় জর্জরিত শিশু ও যুব সমাজ। নানাবিধ নেশার সাথে সাথে ভয়ঙ্কর গ্রাস করছে মোবাইল ব্যবহারের অস্বাভাবিক প্রবণতা। মোবাইল আসক্ত এইসমস্ত শিশু ও যুবাদের মুলস্রোতে ফিরিয়ে আনার লক্ষে এবং তাদের এই মোবাইলের আসক্তি থেকে মুক্ত করতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর স্টেডিয়ামে ফুটবল কোচিং ক্যাম্প শুরু করল প্রিমিয়ার ইন্ডিয়ান ফিউচারিস্টিক ফুটবল অ্যাকাডেমি।বর্তমানে প্রায় ৩০ জন কচিকাঁচাদের নিয়ে ফুটবল কোচিং শুরু হয়। উল্লেখ্য, বর্তমান সময় শিশু ও যুবসমাজ মোবাইলের প্রতি আসক্ত। আর যে কারণে শিশু ও যুব সমাজের মানসিক বিকাশ ঘটার রাস্তায় বাধা হয়ে দাড়াচ্ছে এই মোবাইলে প্রতি আসক্তি। তাই তাদের কথা মাথায় রেখে শারীরিক চর্চা ও ফুটবল কোচিংয়ের মধ্য দিয়ে সেই মোবাইলে আসক্তি থেকে মুক্ত দিতেই এই প্রয়াস প্রিমিয়ার ইন্ডিয়ান ফিউচারিস্টিক ফুটবল অ্যাকাডেমির।এই বিষয়ে প্রিমিয়ার ইন্ডিয়ান ফিউচারিস্টিক ফুটবল অ্যাকাডেমি একাডেমীর কর্মকর্তা প্রাক্তন ফুটবলার সুবীর বল বলেন, বর্তমান সময় একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে শিশু ও যুব সমাজের মোবাইলের প্রতি আসক্তি, তারা শারীরিক চর্চা থেকে ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে এবং যার ফলে মানসিক বিকাশ ঘটতে দেরি হচ্ছে। তাই তাদের শারীরিক চর্চা মুখি করতে এই ফুটবল চর্চার আয়োজন। তিনি আরো জানান, ভারতীয় ফুটবলের সাপ্লাই লাইন তৈরি-ই তাঁদের এই একাডেমী করার মূল লক্ষ। তিনি বলেন, ইতিমধ্যেই তাঁরা বর্ধমান শহরে দু - দুটি ফুটবল একাডেমী চালু করেছেন এবং সেখানে বাচ্ছাদের উৎসাহও চোখে পড়ার মত।এই বিষয়ে এক অভিভাবক অজিত দাস জানান, বাচ্চারা বর্তমানে হাতে মোবাইল পেয়ে তার প্রতি আসক্ত হচ্ছে যার ফলে খেলা থেকে দুরে সরে যাচ্ছে। শারীরিক চর্চার কথা মাথায় রেখে গঙ্গারামপুর স্টেডিয়ামে ফুটবল কোচিং ক্যাম্প শুরু হওয়ায় আমরা খুশি। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর শহরের স্টেডিয়ামে ফুটবল কোচিং ক্যাম্পের শুরু হওয়ায় ও এমন একটি উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন গঙ্গারামপুর সহ জেলার শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষরা।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 20
  • 21
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

এনআইএ আদালতে বিস্ফোরক দাবি! শাকির আলির বাড়ি থেকে উদ্ধার গুলি, জামিন চাইলেন প্রাক্তন সাংসদের স্বামী

রামনবমী সংক্রান্ত মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ অপরূপা পোদ্দারের স্বামী শাকির আলিকে বুধবার আদালতে তোলা হয়। শুনানির সময় তদন্তকারী সংস্থা দাবি করে, এই ঘটনায় শাকির আলি অন্যতম মূল পরিকল্পনাকারী। যদিও আদালতে দাঁড়িয়ে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি এবং যে কোনও শর্তে জামিনের আবেদন জানান।আদালতে তদন্তকারী সংস্থা জানায়, রামনবমীর ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোট ছয়টি মামলা দায়ের হয়েছিল। অভিযোগ, শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া মানুষের উপর হামলা চালানো হয় এবং তদন্তে উঠে এসেছে, এই ঘটনায় শাকির আলি উস্কানির ভূমিকা পালন করেছিলেন। তদন্তকারীদের আরও দাবি, তাঁর বাড়ি থেকে ছত্রিশ রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়েছে। সেই কারণেই তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন বলে আদালতের কাছে আবেদন জানানো হয়।তবে শুনানির সময় বিচারক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তোলেন। তিনি জানতে চান, দুই হাজার তেইশ সালে শুরু হওয়া মামলায় এতদিন পর কেন গ্রেপ্তার করা হল শাকির আলিকে। একই সঙ্গে প্রশ্ন ওঠে, এতদিন পরে হেফাজতে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা কী।এর জবাবে তদন্তকারী সংস্থা জানায়, আগে এই গ্রেপ্তার সম্ভব হয়নি। তাদের দাবি, তদন্তে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না পাওয়ায় পদক্ষেপ করা যায়নি। বর্তমানে তদন্তের জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।তদন্তকারী আধিকারিক আদালতে আরও জানান, বিভিন্ন রাস্তা এবং বাড়ির নজরদারি চিত্র খতিয়ে দেখা হয়েছে। অভিযোগ, শাকির আলি যে গাড়ি ব্যবহার করতেন, সেই গাড়ির কোনও ক্ষতি হয়নি, অথচ আশপাশের একাধিক গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। ঘটনার পর সেই গাড়িতেই তিনি এলাকা ছেড়ে চলে যান বলে তদন্তকারীদের দাবি। আরও অভিযোগ, পরে ওই গাড়ি বিক্রিও করে দেওয়া হয়।অন্যদিকে শাকির আলির আইনজীবী আদালতে জানান, তাঁর মক্কেল এই মামলায় এর আগেও দুবার তদন্তে হাজিরা দিয়েছেন। তিনি একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে এলাকায় শান্তি বজায় রাখার চেষ্টা করেছিলেন বলেও দাবি করা হয়। শাকির আলিও আদালতে বলেন, যাঁরা শোভাযাত্রা করেছিলেন তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, অথচ যাঁরা পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়েছিলেন, তাঁদেরই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, মামলার অন্য অভিযুক্তরা ইতিমধ্যেই জামিনে মুক্ত।শাকির আলি আদালতে জানান, তাঁর নামে বৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ছিল। পরে সেই অস্ত্র বিক্রি করে দিলেও গুলি বিক্রি করা যায় না। পাশাপাশি তিনি নিজের শারীরিক অবস্থার কথাও আদালতের নজরে আনেন। তাঁর দাবি, তিনি গুরুতর অসুস্থ এবং ক্যানসারের আশঙ্কায় চিকিৎসাধীন। সেই কারণেই যে কোনও শর্তে জামিন দেওয়ার আবেদন জানান।এই মামলায় শাকির আলিকে দুই দিনের জন্য তদন্তকারী সংস্থার হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে। বিকল্প হিসেবে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে থাকলেও জেলে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি চেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের।

জুলাই ০১, ২০২৬
দেশ

চিকেনস নেকে বড়সড় নিরাপত্তা আতঙ্ক! পানের দোকানের আড়ালে কী চলছিল? গ্রেপ্তার যুবক

পূর্ব ভারতের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত এলাকা চিকেনস নেক বা শিলিগুড়ি করিডরের কাছাকাছি সিকিমে বড়সড় অভিযানে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং গ্যাংটক পুলিশের যৌথ অভিযানে ধৃত ওই যুবকের বিরুদ্ধে দেশবিরোধী কার্যকলাপ, উগ্রপন্থী প্রচার এবং নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের মতাদর্শ ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, গ্যাংটকের নাং এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হওয়া উনিশ বছরের মহম্মদ আরজু একটি পানের দোকানের আড়াল থেকে এই কার্যকলাপ চালাতেন বলে অভিযোগ। তবে এই অভিযোগ এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি এবং তদন্ত চলছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মহম্মদ আরজু তাঁর বাবার সঙ্গে গ্যাংটকের লোয়ার এমজি মার্গ এলাকায় একটি পানের দোকান পরিচালনা করতেন। তদন্তকারীদের অভিযোগ, সেই ব্যবসার আড়ালেই তিনি সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে উগ্রবাদী প্রচার চালাতেন এবং নতুন সদস্য সংগ্রহের চেষ্টা করতেন। বিষয়টি সামনে আসার পর থেকেই গোয়েন্দা মহলে উদ্বেগ বেড়েছে।তদন্তকারী সংস্থার দাবি, তারা একটি সামাজিক মাধ্যমের গোষ্ঠীর সন্ধান পেয়েছে, যার মাধ্যমে দেশবিরোধী প্রচার এবং উগ্রপন্থী মতাদর্শ ছড়ানোর চেষ্টা চলছিল বলে অভিযোগ। সেই সূত্র ধরেই মহম্মদ আরজুর নাম সামনে আসে। এরপর কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং গ্যাংটক পুলিশের যৌথ অভিযানে তাঁকে আটক করা হয়।জিজ্ঞাসাবাদের সময় ধৃত যুবকের আচরণে অসঙ্গতি ধরা পড়ায় তাঁর মোবাইল ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষা করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, সেই পরীক্ষায় বিভিন্ন কথোপকথন, সন্দেহজনক তথ্য আদান-প্রদান এবং ভারত ও পাকিস্তানে অবস্থানকারী কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগের প্রাথমিক তথ্য মিলেছে। এই তথ্যের ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, এই ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না এবং কোনও বড় নেটওয়ার্কের সঙ্গে এর যোগসূত্র আছে কি না।সিকিম পুলিশের অপরাধ দমন শাখা এবং অপরাধ তদন্ত বিভাগ জানিয়েছে, অনলাইনের মাধ্যমে উগ্রবাদী কার্যকলাপে যুক্ত থাকার অভিযোগে ধৃত যুবকের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন এবং তথ্য প্রযুক্তি আইনের একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত এখনও চলছে।এই ঘটনাকে উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছেন সিকিমের বিধায়ক কলা রাই। তাঁর বক্তব্য, আন্তর্জাতিক সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় এ ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত সংবেদনশীল। তাই ভবিষ্যতে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা এবং সন্দেহজনক কার্যকলাপের উপর কড়া নজরদারি চালানো প্রয়োজন।

জুলাই ০১, ২০২৬
রাজ্য

বড় ধাক্কা তৃণমূলে! আগাম জামিন খারিজের পর গ্রেপ্তার প্রাক্তন মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তী

রাজ্য রাজনীতিতে ফের বড় চাঞ্চল্য। বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তীকে গ্রেপ্তার করল রাজ্য পুলিশের বিশেষ বাহিনী। পুরুলিয়ার সদর থানা এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়। এর আগে কলকাতা হাই কোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন দেবরাজ। কিন্তু আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। এরপরই তদন্তকারীরা তাঁকে গ্রেপ্তার করেন।দেবরাজ চক্রবর্তী দীর্ঘদিন ধরেই উত্তর চব্বিশ পরগনার রাজনীতিতে পরিচিত মুখ। যুব তৃণমূলের কর্মী হিসেবে রাজনৈতিক জীবন শুরু হলেও পরে দলীয় টিকিট না পেয়ে কংগ্রেসে যোগ দেন। বিধাননগর পুরনিগমের সাত নম্বর ওয়ার্ড থেকে কংগ্রেসের প্রার্থী হয়ে জয়ও পান। পরে আবার তৃণমূলে ফিরে আসেন। তাঁর স্ত্রী অদিতি মুন্সিও পরবর্তীতে সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দিয়ে রাজারহাট-গোপালপুর কেন্দ্রের বিধায়ক হন।বিধানসভা নির্বাচনের আগে দেবরাজ চক্রবর্তী ও অদিতি মুন্সির বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ সামনে আসে। অভিযোগ ছিল, নির্বাচনের আগে বিপুল মূল্যের সম্পত্তি আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতদের নামে হস্তান্তর করা হয়েছে। পাশাপাশি নির্বাচনী হলফনামায় সম্পত্তির প্রকৃত তথ্য গোপন করার অভিযোগও ওঠে। এছাড়াও তোলাবাজি, সিন্ডিকেট পরিচালনা এবং জমি দখল সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়েও তদন্ত শুরু হয়।গ্রেপ্তার এড়াতে দেবরাজ চক্রবর্তী ও অদিতি মুন্সি কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন। আদালত চার মাসের শিশুসন্তানের কথা বিবেচনা করে অদিতি মুন্সিকে আগাম জামিন দিলেও তাঁর বিদেশ সফরে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। পাশাপাশি পাসপোর্ট নিম্ন আদালতে জমা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয় এবং বাগুইআটি থানা এলাকায় প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।অন্যদিকে দেবরাজ চক্রবর্তীর আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে আদালত। তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার নির্দেশও দেওয়া হয়। সেই নির্দেশের পরই রাজ্য পুলিশের বিশেষ বাহিনী অভিযান চালিয়ে পুরুলিয়া থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, মামলার তদন্তে এই গ্রেপ্তার গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি এনে দেবে।

জুলাই ০১, ২০২৬
রাজ্য

বড় ধাক্কা অনুব্রত মণ্ডলকে! আগাম জামিন খারিজ, এবার কি গ্রেপ্তার?

অনুব্রত মণ্ডলের আইনি লড়াইয়ে বড় ধাক্কা। ভোট-পরবর্তী হিংসার একটি মামলায় তাঁর আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল সিউড়ির জেলা আদালত। মঙ্গলবার মামলার শুনানির পর বিচারক আবেদন নাকচ করে দেন। আদালতের এই সিদ্ধান্তের পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।আইনজীবীদের একাংশের মতে, আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ায় এই মামলায় অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশের সামনে আপাতত আর কোনও আইনি বাধা নেই। ফলে তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, এখন সেই দিকেই নজর রাজনৈতিক মহল থেকে প্রশাসনের।তবে এখানেই আইনি লড়াই শেষ হচ্ছে না। সূত্রের খবর, অনুব্রত মণ্ডলের আইনজীবীরা উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন। তার আগেই পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করে কি না, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। আদালতের রায় প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে।এই মামলার সূত্রপাত দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর। অভিযোগ, বোলপুরের কঙ্কালীতলা পঞ্চায়েতের পাথরঘাটা গ্রামের একটি ইটভাটা থেকে প্রায় ত্রিশ লক্ষ টাকার ইট লুঠ করা হয়। অভিযোগ, একশোটি ট্রাক্টরে করে সেই ইট নিয়ে যাওয়া হয়।ইটভাটার মালিক শুভেন্দু বিকাশ মণ্ডল অভিযোগ করেন, কঙ্কালীতলা পঞ্চায়েতের তৎকালীন উপপ্রধান মামন শেখ ও তাঁর অনুগামীরা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তদন্তে অনুব্রত মণ্ডলের নামও উঠে আসে। অভিযোগে তাঁকে এই ঘটনার অন্যতম মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়। যদিও সেই সময় পুলিশের তরফে কোনও বড় পদক্ষেপ করা হয়নি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলের পর পুরনো একাধিক মামলার তদন্তে গতি এসেছে। সেই আবহেই অনুব্রত মণ্ডলের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হওয়ায় মামলাটি নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। এখন সকলের নজর পুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং উচ্চ আদালতে অনুব্রত মণ্ডলের আইনি লড়াইয়ের দিকে।

জুলাই ০১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

সিএবি-তে বড় বিতর্ক! প্রণব রায়ের বিরুদ্ধে ৪০ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, পাল্টা ‘ষড়যন্ত্র’ তত্ত্ব পঙ্কজ-পুত্রের

ভুয়ো ক্লাবের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে অ্যাপেক্স কাউন্সিলে আবেদন; সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি প্রাক্তন ক্রিকেটারের।বাংলা ক্রিকেটে ফের নতুন বিতর্ক। এবার অভিযোগের কেন্দ্রে ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা কিংবদন্তি পঙ্কজ রায়ের পুত্র প্রণব রায়। তাঁর বিরুদ্ধে ৪০ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল (সিএবি)-এর অ্যাপেক্স কাউন্সিলে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন শ্যামল দাস নামে এক ব্যক্তি। অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, একটি অস্তিত্বহীন বা ভুয়ো ক্লাবের নামে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে আর্থিক অনিয়ম হয়েছে, যার অন্যতম সহায়ক ছিলেন প্রণব রায়।তবে অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন প্রণব রায়। তিনি দাবি করেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগই সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁর কথায়, পরিকল্পিতভাবে তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্যই এই ধরনের প্রচার চালানো হচ্ছে।কী অভিযোগ উঠেছে?সিএবি সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৩ পাতার অভিযোগপত্রে গত বছরের সিএবি ওম্বুডসম্যানের একটি নির্দেশিকার উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে মোহনলাল ক্লাব-র একটি কলকাতার বাগবাজারের ঠিকানার পাশাপাশি গৌরীবাড়ি এলাকার একই নামে একটি অস্তিত্বহীন সংস্থার কথাও উল্লেখ রয়েছে।অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ওই ক্লাবের নামে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, ওই আর্থিক লেনদেনের একাধিক চেকে প্রণব রায়ের স্বাক্ষর রয়েছে এবং অভিযোগপত্রে সেই চেক নম্বরও উল্লেখ করা হয়েছে।শুধু তাই নয়, অভিযোগকারীর দাবিপ্রণব রায়কে অবিলম্বে সিএবি-র সমস্ত কমিটি থেকে অপসারণ করতে হবে।তাঁর বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ আর্থিক অডিটের নির্দেশ দিতে হবে।আত্মসাৎ হওয়া ৪০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করতে হবে।গোটা ঘটনায় প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে এফআইআর দায়ের করা হোক।অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন প্রণব রায়অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই পাল্টা বিবৃতি দিয়েছেন প্রণব রায়। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন,আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর। আমার ব্যক্তিগত সম্মান ও পরিবারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই এই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।তিনি আরও দাবি করেন, তিনি মোহনলাল ক্লাবের কেবলমাত্র একজন সাধারণ সদস্য ছিলেন। সংশ্লিষ্ট সময়কালে ক্লাবের কোনও প্রশাসনিক পদে তিনি ছিলেন না। ফলে আর্থিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।প্রণব রায়ের বক্তব্য, অভিযোগের বেশ কিছু বিষয় ইতিমধ্যেই আদালতে বিচারাধীন। সেই কারণে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করতে চাননি। তবে যাঁরা তাঁর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ এনেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার তিনি সংরক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজন হলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছেও বিষয়টি জানাবেন।নজরে সিএবিক্রীড়া মহলের ধারণা, নতুন এই অভিযোগ সামনে আসার পর ফের চাপে পড়তে পারে সিএবি প্রশাসন। অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে অ্যাপেক্স কাউন্সিল কী পদক্ষেপ করে, আদৌ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয় কি না, কিংবা অভিযোগকারীর দাবি অনুযায়ী অডিট বা এফআইআর-এর পথে হাঁটে কি না এখন সেদিকেই নজর ক্রিকেট মহলের।অন্যদিকে, প্রণব রায়ের স্পষ্ট দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে এবং প্রয়োজনে তিনি আইনের আশ্রয় নেবেন। ফলে এই বিতর্ক আগামী দিনে আরও জটিল মোড় নিতে পারে বলেই মনে করছে ক্রিকেটমহল।

জুলাই ০১, ২০২৬
দেশ

মোদির সঙ্গে দিলীপ ঘোষের ‘বিশেষ বৈঠক’! আম-সন্দেশ উপহার, ১১ হাজার শূন্যপদ থেকে পঞ্চায়েত উন্নয়ন—কী কী আলোচনা হল?

নিজস্ব প্রতিবেদন: দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। মন্ত্রী হওয়ার পর এটাই তাঁর প্রথম দিল্লি সফর। এই সফরে তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী রিঙ্কু মজুমদার। সৌজন্যের নিদর্শন হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হয় বাংলার আম ও সন্দেশ। তবে এই সাক্ষাৎ কেবল সৌজন্য বিনিময়ে সীমাবদ্ধ থাকেনি। রাজ্যের পঞ্চায়েত ব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রশাসনিক সংস্কার এবং শূন্যপদ পূরণের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে বৈঠকে।সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের কাজকে আরও গতিশীল করতে দিলীপ ঘোষকে একাধিক দিকনির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে দিলীপ জানান, বর্তমানে তাঁর দপ্তরে প্রায় ১১ হাজার পদ শূন্য। এই বিপুল শূন্যপদের কারণে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বাস্তবায়নে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। শূন্যপদ দ্রুত পূরণ এবং প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির উপায় নিয়েও দুজনের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজের গুজরাটে প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে দিলীপ ঘোষকে একটি বিশেষজ্ঞ দল গঠনের পরামর্শ দেন। দেশের যেসব রাজ্যে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তর সফলভাবে কাজ করছে, সেই রাজ্যগুলিতে গিয়ে কাজ পর্যবেক্ষণ, আধুনিক প্রশাসনিক পদ্ধতি শেখা এবং প্রশিক্ষণ নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। শুধু তাই নয়, দিলীপ ঘোষকেও ব্যক্তিগতভাবে বিভিন্ন রাজ্যে গিয়ে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বাস্তব চিত্র দেখে আসার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই উদ্যোগ কার্যকর হলে পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত প্রশাসনে নতুন কর্মপদ্ধতি ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার সংযোজন ঘটতে পারে।নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে বৈঠক, ৫১ হাজার কোটি টাকার প্রসঙ্গদিল্লি সফরে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গেও বৈঠক করেন দিলীপ ঘোষ। সেখানে পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন খাতে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ নিয়ে আলোচনা হয়। অর্থমন্ত্রী জানান, ইতিমধ্যেই এই খাতে পশ্চিমবঙ্গকে প্রায় ৫১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দের নিরিখে উত্তরপ্রদেশের পরেই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ।অর্থমন্ত্রী আশ্বাস দেন, উন্নয়নমূলক কাজের ক্ষেত্রে অর্থের অভাব যাতে কোনও বাধা না হয়, সেদিকে কেন্দ্র নজর রাখবে। প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন।রেলমন্ত্রীর সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎদিল্লি সফরের শেষপর্বে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন দিলীপ ঘোষ। যদিও ওই বৈঠকের বিস্তারিত আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি, তবুও রাজ্যের পরিকাঠামো ও উন্নয়ন সংক্রান্ত একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রের ইঙ্গিত।রাজনৈতিক মহলে জল্পনাএকদিনেই প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী এবং রেলমন্ত্রীর সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন খাতে কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয় আরও জোরদার করার লক্ষ্যেই এই বৈঠকগুলি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দিলীপ ঘোষের এই দিল্লি সফর আগামী দিনে রাজ্যের প্রশাসনিক কর্মকৌশল ও উন্নয়ন পরিকল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

জুলাই ০১, ২০২৬
কলকাতা

মমতার জন্য নতুন ধাক্কা? দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের ডাকে ঋতব্রত, জোর জল্পনা রাজনীতিতে

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে ফের বড় মোড়। তৃণমূলের ভাঙনের আবহে এবার দিল্লি থেকে তলব করা হল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে তাঁকে বৈঠকের জন্য ডাকা হয়েছে। এই বৈঠককে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের একাধিক বিধায়ক আলাদা ব্লক গঠন করেন। সেই ব্লকের নেতৃত্বে রয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভার স্পিকার তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক সমীকরণ বদলাতে শুরু করে। নতুন ব্লকের দাবি, তারাই প্রকৃত তৃণমূল এবং দলীয় প্রতীকের অধিকারও তাদের প্রাপ্য।এই দাবিকে সামনে রেখেই নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে নতুন ব্লক। প্রতীক সংক্রান্ত বিষয়ে আইনি জটিলতা এড়াতে প্রয়োজনীয় নথি ও তথ্য কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিষয়টি এখন নির্বাচন কমিশনের বিবেচনাধীন।এরপর নতুন ব্লকের কর্মসমিতির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে অরূপ রায়কে চেয়ারপার্সন করে নতুন কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, সন্দীপন সাহা এবং জাভেদ খানের মতো নেতাদেরও রাখা হয়েছে। বৈঠকের সিদ্ধান্ত লিখিতভাবে নির্বাচন কমিশনের কাছেও পাঠানো হয়।এরপরই জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে বৈঠকের জন্য ডাকা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর বারোটায় কমিশনের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ঋতব্রত জানিয়েছেন, তিনি আরও নয়জন বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সামনে উপস্থিত হবেন। এই বৈঠকের পর প্রতীক এবং দলীয় স্বীকৃতি সংক্রান্ত মামলায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হতে পারে বলেই রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা।

জুলাই ০১, ২০২৬
রাজ্য

সেবাশ্রয় নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ! অভিষেকের বিরুদ্ধে বড় দুর্নীতির দাবি, চাঞ্চল্য রাজ্যজুড়ে

সাধারণ মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবার উদ্যোগ হিসেবে শুরু হয়েছিল সেবাশ্রয়। কিন্তু এবার সেই কর্মসূচি ঘিরেই উঠল গুরুতর অভিযোগ। কালীঘাট তৃণমূলের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে সেবাশ্রয় শিবিরে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন ফলতার বিজেপি বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডা। পাশাপাশি, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসকও সংবাদমাধ্যমে একাধিক অভিযোগ করেছেন। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে এখনও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে আসেনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে প্রথম ডায়মন্ড হারবার লোকসভা এলাকায় পঁচাত্তর দিনের সেবাশ্রয় কর্মসূচি শুরু হয়। সেখানে আর্থিকভাবে দুর্বল মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরে নন্দীগ্রাম-সহ রাজ্যের আরও বিভিন্ন এলাকায় এই স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করা হয়। সাধারণ মানুষের মধ্যে এই উদ্যোগ ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল।তবে কিছুদিন আগেই ডায়মন্ড হারবার মহকুমার সরিষা এলাকার হিঞ্চাবেড়িয়ায় মাটির নিচে বিপুল পরিমাণ ওষুধ উদ্ধার হয়। ওই ওষুধের গায়ে সেবাশ্রয়ের চিহ্ন ছিল বলে দাবি করা হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠেছিল ওষুধ ব্যবহারের স্বচ্ছতা নিয়ে। এবার সেই বিতর্কের মধ্যেই সামনে এল আরও নতুন অভিযোগ।ফলতার বিজেপি বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডার দাবি, সেবাশ্রয় শিবিরে আধুনিক চিকিৎসার ওষুধ ও প্রেসক্রিপশন দিচ্ছিলেন এমন চিকিৎসকেরা, যাঁদের মধ্যে জুনিয়র ডাক্তার, হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক এবং আয়ুষ চিকিৎসকরাও ছিলেন। তাঁর আরও অভিযোগ, মাটির নিচে উদ্ধার হওয়া ওষুধের মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, যদি ওষুধের মান ঠিক থাকত, তাহলে সেগুলি মাটির নিচে পুঁতে রাখা হত না।অন্যদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসক সংবাদমাধ্যমে দাবি করেছেন, শিবিরে চিকিৎসা বিনামূল্যে হলেও পরে কিছু রোগীকে বিভিন্ন পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হত। তাঁর অভিযোগ, সেই পরীক্ষার সূত্র ধরে কিছু রোগীকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করানো হত এবং পরে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের মাধ্যমে চিকিৎসার খরচ দেখানো হতো। এই অভিযোগের সত্যতা এখনও সরকারি ভাবে প্রমাণিত হয়নি এবং বিষয়টি নিয়ে কোনও তদন্তকারী সংস্থার চূড়ান্ত রিপোর্টও প্রকাশ্যে আসেনি।এই অভিযোগ সামনে আসার পর রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বেড়েছে। সূত্রের খবর, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ডায়মন্ড হারবারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আরও একটি অভিযোগ দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিজেপি। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয় কি না এবং প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal