• ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২, শনিবার ০৭ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Purba Bardhaman

রাজ্য

Murdered : সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের জেরে খুন মামা, গ্রেফতার ভাগ্নে

সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের জেরে মামাকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল ভাগ্নে। পলাতক বোন। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থানার দোয়াসীন গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছে, মামা অরবিন্দ মাঝি (৪২) কে খুনের দায়ে ধৃত ভাগ্নের নাম রাহুল ঘরুই। মৃত ও ধৃত দুজনেরই বাড়ি দোয়াসীন গ্রামে। এই খুনের ঘটনার পর থেকেই পলাতক মৃতের বোন মৌসুমী ঘরুই। পুলিশ তারও সন্ধান চালাচ্ছে।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে অশান্তি অব্যাহত বর্ধমানের খাগড়াগড়েপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পেশায় চাষি অরবিন্দ মাঝির বাড়ি দেয়াসীন গ্রামের মাঝেরপাড়ায়। তাঁর দিদি মৌসুমী ঘরুইয়ের শ্বশুরবাড়ি কালনা মহকুমার পূর্বস্থলী থানার আটপাড়া গ্রামে। স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় মৌসুমীদেবী বিয়ের ৩ বছর পার হতে না হতেই দোয়াসীন গ্রামে বাপের বাড়ি চলে আসেন। তারপর থেকে একমাত্র ছেলে রাহুলকে সঙ্গে নিয়ে মৌসুমীদেবী বাপের বাড়িতেই রয়ে আছেন।আরও পড়ুনঃ আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে সর্বদল বৈঠকে যোগ দেবে তৃণমূলএলাকা সূত্রে জানা গিয়েছে, মৌসুমীদেবীরা ৬ বোন ও ২ ভাই। তাঁদের বাবা শ্যাম মাঝি কয়েক বছর আগে মারা গিয়েছেন। এই মাঝি পারিবারের সম্পত্তি নিয়ে রবিবার সন্ধ্যায় মৌসুমীদেবীর সঙ্গে তাঁর ভাই অরবিন্দর বচসা বাঁধে। সেই সময়েই রাহুল বাড়ি ফেরে। এরপর রাহুল ও তাঁর মায়ের সঙ্গে অরবিন্দবাবুর তুমুল কথা কাটাকাটি শুরু হয়। মৃতর স্ত্রী রমাদেবী অভিযোগ, কথা কাটাকাটি চলার সময়ে বাড়িতে থাকা টিউবওয়েলের একটা বাতিল লোহার হ্যান্ডেল নিয়ে ভাগ্নে রাহুল তাঁর স্বামীর মাথায় সজোরে মারে। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁর স্বামী অরবিন্দ মাঝি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। রমাদেবী বলেন, এই ঘটনার পরেই রাহুল ও তাঁর মা মৌসুমী বাড়ি ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করে। তারই মধ্যে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে রাহুলকে ধরে ফেলতে পারলেও মৌসুমী পালায়। এরপর ওইদিন রাতেই অরবিন্দবাবুকে উদ্ধার করে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। রমাদেবী ঘটনা সবিস্তার জানিয়ে এদিন কাটোয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ রাহুল ঘরুইকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ পলাতক রাহুলের মা মৌসুমী ঘরুইয়ের সন্ধান চালাচ্ছে বলে মৃতর স্ত্রী রমাদেবী জানিয়েছেন। ননদ ও ভাগ্নার কাঠোর শাস্তির দাবি করেছেন অরবিন্দবাবুর স্ত্রী ও প্রতিবেশীরা।

আগস্ট ২৩, ২০২১
রাজ্য

Khagragarh : তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে অশান্তি অব্যাহত বর্ধমানের খাগড়াগড়ে

তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে ফের উত্তপ্ত হল বর্ধমানের খাগড়াগড়। দরজার তালা ভেঙে তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয় লণ্ডভণ্ড করে দেওয়ার পাশাপাশি দুয়ারে সরকার প্রকল্পে মানুষজনকে সাহায্যের জন্য রাখা নথিপত্রও নষ্ট করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এইসব ঘটনা নিয়ে একগোষ্ঠী অপর গোষ্ঠীকে দায়ী করেছে। তবে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে এলাকা বারবার উত্তপ্ত হওয়ায় অতিষ্ট খাগড়াগড়ের বাসিন্দারা।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনেরতৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে রবিবার অশান্ত হয় খাগড়াগড়। এরপর এদিন ফের খাগড়াগড় এলাকা উত্তপ্ত হল তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দের জেরে।এলাকার তৃণমূল নেতা শেখ ফিরোজের অনুগামী মহম্মদ হোসেন এদিন দাবি করেন, পুলিশের নির্দেশে রবিবার তাঁদের দলীয় কার্যালয় বন্ধ ছিল। তবুও রাতে কিছু দুষ্কৃতী কার্যালয়ের দরজার তালা ভেঙে সব লণ্ডভণ্ড করে দেয়। দুয়ারে সরকার প্রকল্পে এলাকার মানুষকে সাহায্য করার জন্য যে সব নথিপত্র রাখা হয়েছিল সেইসবও নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। এলাকার বাসিন্দা পিয়ারী বিবি অভিযোগে বলেন, রান্না খাওয়া-দাওয়া করতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে। এমন গুন্ডামি অসহ্য হয়ে উঠছে।আরও পড়ুনঃ অক্টোবরেই চরম আকার নেবে তৃতীয় ঢেউ!যদিও এইসব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন বিরোধী গোষ্ঠীর মহম্মদ ইনসান। পালটা অভিযোগে তিনি দাবি করেন, এলাকার যাবতীয় অশান্তির মূলে রয়েছে শেখ ফিরোজ ও তার অনুগামী শেখ হোসেন সহ তাঁর দলবল। ওরাই নিজেদের গোষ্ঠীর মেয়েদের নিয়ে এসে বাসিন্দাদেরর মারধর করিয়েছে। এছাড়াও ক্লাব নিয়ে নানা বেনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতি চলছে বলেও মহম্মদ ইনসান দাবি করেছেন।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের ত্রিপুরা-চ্যালেঞ্জে নতুন তাস দেবএই বিষয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, সবটাই স্থানীয় ঘটনা। এর সাথে দলের কোনো যোগ নেই। এটা গোষ্ঠীকোন্দলের ব্যাপার নয়। ক্লাবের ব্যাপার হতেও পারে। এলাকায় কোন গোষ্ঠী নেই।

আগস্ট ২৩, ২০২১
রাজ্য

Linkman Arrested: তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি খুনের ঘটনায় এবার সিআইডি জালে লিঙ্কম্যান

তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিকে খুনের ঘটনায় এবার এক লিঙ্কম্যানকে গ্রেপ্তার করলো সিআইডি। পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের লাখুড়িয়া অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি অসীম দাসকে খুনের ঘটনায় ধৃত লিঙ্কম্যানের নাম রিপন শেখ। তার বাড়ি মঙ্গলকোটের সীতাহাটি গ্রামে। রিপন বর্ধমান স্টেশন থেকে ট্রেন ধরে ভিন রাজ্যে পালানোর পরিকল্পনা কষেছিল। সেই খবর পেয়ে সিআইডি দল শনিবার রাতে বর্ধমান স্টেশন সংলগ্ন নবাবহাট এলাকা থেকে রিপন শেখকে গ্রেপ্তার করে। রবিবার ধৃতকে পেশ করা হয় কাটোয়া মহকুমা আদালতে। বিচারক তাকে ৮ দিনের সিআইডি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ তালিবান জমানায় আফগান ক্রিকেটের ভবিষ্যত কী?পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলকোটের সিউর গ্রামে বাড়ি লাখুড়িয়া অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি অসীম দাসের। গত ১২ জুলাই সন্ধ্যা সাতটা নাগাদ তিনি যখন কাসেমনগর বাজার থেকে বাইকে চড়ে বাড়ি ফিরছিলেন তখন দুস্কৃতীরা খুব কাছ থেকে গুলি করে তাঁকে খুন করে। প্রথমে সিট গঠন করে পুলিশ এই খুনের ঘটনার তদন্ত শুরু করলেও পরে রাজ্য প্রশাসনের নির্দেশে তদন্তভার সিআইডি নিজেদের হাতে নেয়। এরপর সিআইডির জালে একের পর এক ধরা পড়ে দুস্কৃতী সাবুল শেখ, সামু শেখ ও রফিকুল শেখ। এদের জিজ্ঞাসাবাদ করে সিআইডি কর্তারা জানতে পারেন তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিকে খুনের মাস্টার মাইন্ড বালি মাফিয়া রাজু শেখ।আরও পড়ুনঃ ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করবে শ্রী সিমেন্ট? সম্ভাবনা প্রবলএই রাজুর আদি বাড়ি বীরভূম জেলার নানুর থানা এলাকার সিদাই গ্রামে হলেও ৪ বছর ধরে সে মঙ্গলকোটের মল্লিকপুর গ্রামে থেকে অবৈধ বালির কারবার চালাচ্ছিল। তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি আসীম দাসের কাছে অবৈধ বালি কারবারে বাধা পেয়ে সে সুপারি কিলারকে দিয়ে তাঁকে খুন করায়। তার পর থেকেই গা ঢাকা দিয়ে থাকে শেখ রাজু। দিন কেয়েক আগে সিআইডি দিল্লি থেকে শেখ রাজুকে গ্রেপ্তার করে ট্রানজিট রিমান্ডে মঙ্গলকোটে নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ চালায়। রাজুকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিআইডি সুপারি কিলার শেখ বাবলুর হদিশ পায়। কয়েকদিন আগে সিআইডি সুপারি কিলার শেখ বাবলুকে গ্রেফতার করে। তাকে হেপাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে পুলিশ লিঙ্কম্যান রিপন শেখের নাম জানতে পারে। শনিবার রাতে রিপনও ধরা পড়ে সিআইডির জালে।আরও পড়ুনঃ কলকাতার পাশেই ছুটি কাটানোর দারুন সুযোগ, সুন্দরবনের পথে অপরূপ সৌন্দর্যের হাতছানিসিআইডি সূত্রে খবর, তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি অসীম দাসকে খুনের ঘটনায় মূল লিঙ্কম্যান হিসাবে কাজ করেছিল ধৃত রিপন শেখ। সে খুনের কাজে শ্যুটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়া ও অসীম দাসের গতিবিধির ওপর নজর রাখার দায়িত্বও পালন করেছিল। খুনের ঘটনার মূলচক্রী শেখ রাজুর ডান হাত হিসাবে রিপন শেখ কাজ করত বলে জানতে পেরেছেন সিআইডির কর্তারা।

আগস্ট ২২, ২০২১
রাজ্য

Kidnap: বর্ধমান আদালতের ল’ক্লার্ককে অপহরণ করে মুক্তিপন দাবি, গ্রেপ্তার অপহরণকারী

বর্ধমান আদালতের লক্লার্ককে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবির ঘটনায় অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ। ধৃতের নাম মিরাজ আলি শেখ ওরফে শেখ সবুজ। পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ থানার বরিশালি গ্রামে তার বাড়ি।মাধবডিহি থানার পুলিশ শুক্রবার বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করার পর তার দেখানো এলাকার একটি মাটির বাড়ি থেকে উদ্ধার করে অপহৃতকে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ। শনিবার ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। লক্লার্কের গোপন জবানবন্দি এদিন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে নথিভুক্ত করানো হয়। তদন্তের প্রয়োজনে ধৃতকে ৭ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান তদন্তকারী অফিসার। সিজেএম ধৃতকে ৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনেরপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রবীন লক্লার্ক জগন্নাথ কুণ্ডুর বাড়ি মাধবডিহি থানার বিনোদপুরে। তাঁর বাড়িতে গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা নাগাদ যায় শেখ সবুজ। একটি বিয়ের রেজিস্ট্রির ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য সবুজ অনুরোধ করে জগন্নাথবাবুকে। বছর আটষট্টির জগন্নাথবাবু তাতে রাজি হয়ে যান। সেই কাজের জন্য এরপর তিনি সবুজের বাইকে চেপে বর্ধমানে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। তারপর তিনি আর বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ওইদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ জগন্নাথবাবুর বাড়ির মোবাইলে একটি ফোন আসে। তাতে তাঁকে অপহরণ করে আটকে রাখা হয়েছে বলে জানানো হয়। একই সঙ্গে ফোনে বলা হয় জগন্নাথবাবুকে মুক্ত করতে হলে ৭৫ হাজার টাকা নিয়ে পরিবারের কাউকে বর্ধমান শহরের কার্জন গেট এলাকায় আসতে হবে। বিষয়টি পুলিশকে জানালে জগন্নাথবাবুকে খুন করে দেওয়া হবে বলেও ফোনে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। মুক্তিপণ চেয়ে এমন ফোন আসার পরেই জগন্নাথবাবুর পুত্রবধূ বৈশাখী কুণ্ডু মাধবডিহি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে মামলা রুজু করে মোবাইলের সূত্র ধরে তদন্ত চালিয়ে পুলিশ অপহরণকারী শেখ সবুজকে গ্রেপ্তার করে।

আগস্ট ২২, ২০২১
রাজ্য

102 Ambulance: ১০২ অ্যাম্বুলেন্সে যাত্রী পরিবহণের অভিযোগে গ্রেপ্তার চালক, আটক অ্যাম্বুলেন্স

টাকার লোভে আ্যাম্বুলেন্সে যাত্রী পরিবহণের অভিযোগে ফের বর্ধমানে গ্রেপ্তার হল ১০২ অ্যাম্বুলেন্সের চালক। বুধবার রাতে বর্ধমান থানার পুলিশের হাতে ধরা পড়েন অ্যাম্বুলেন্স চন্দন বৈরাগ্য।অ্যাম্বুলেন্সটিও পুলিশ আটক করেছে। এই ঘটনা প্রমাণ করে অতিমারির সময়কালে অ্যাম্বুলেন্সে যাত্রী পরিবহণ চালিয়ে যাচ্ছে কিছু অসাধু অ্যাম্বুলেন্স চালকরা।পুলিশ জানিয়েছে, টাকার লোভে গত ৫ আগষ্ট মুর্শিদাবাদের চাঁদেমোড় এলাকা থেকে ১০ জন যাত্রীকে নিয়ে একটি ১০২ অ্যাম্বুলেন্স হুগলীর ডানকুনির উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। ওই দিন বর্ধমানের কার্জনগেট চত্ত্বরে থাকা পুলিশ কর্মীরা ওই অ্যাম্বুলেন্সটির পথ আটকায়।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশগ্রেপ্তার হন ওই অ্যাম্বুলেন্সের চালক । এরপর হাতে গোনা কয়েকটা দিন কাটতে না কাটতে ফের বুধবার রাতে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখলো বর্ধমান থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে , বুধবার রাতে শহর বর্ধমানের বাজেপ্রতাপপুর এলাকায় ডিউটি করছিলেন কয়েকজন পুলিশ কর্মী। ওই সময়ে যাত্রী বোঝাই ১০২ অ্যাম্বুলেন্সটিকে বর্ধমান-কাটোয়া রোড ধরে যেতে দেখেন পুলিশ কর্মীরা।পুলিশ অ্যাম্বুলেন্সটির পথ আটকানোর সঙ্গে সঙ্গে ভিতরে থাকা ৪-৫ জন যাত্রী অ্যাম্বুলেন্স থেকে নেমে দৌড়ে পালিয়ে যায়। বর্ধমান থানার পুলিশ অ্যাম্বুলেন্সটিকে আটক করার পাশাপাশি অ্যাম্বুলেন্সেটির চালক চন্দন বৈরাগ্যকে গ্রেপ্তার করে।আরও পড়ুনঃ অতিরিক্ত টোল আদায়, অভব্য আচরণের অভিযোগ বালি টোল সংস্থার বিরুদ্ধেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সে যাত্রী পরিবহণের ঘটনার নিন্দা করেছেন বর্ধমানের মানুষজন। তবে তাঁরা দাবি রেখেছেন ,যেসব মানুষের কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফিরতে রাত হয়ে যায় তাঁদের জন্য প্রশাসন বিকল্প যানবাহণের ব্যবস্থা করুক। তা না হলে হয়তো অ্যাম্বুলেন্সে যাত্রী পরিবহনে লাগাম টানা যাবে না।

আগস্ট ১৯, ২০২১
রাজ্য

Burdawan Municipality: বর্ধমান পুরসভায় ৫ জনের পুরপ্রশাসক বোর্ড, দায়িত্বে প্রণব, আইনুল

মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার সময়সীমা পেরিয়ে গিয়েছে ৩ বছর। পুরনো পুরসভার প্রশাসক মণ্ডলীতেই কাজ চলছিল। এর মধ্যে কোনও পুর নির্বাচন হয়নি। অবশেষে বর্ধমান পুরসভার এই অচলাবস্থা কাটতে চলেছে। মঙ্গলবারই পাঁচ সদস্যের কমিটি নিয়ে গঠিত হল বর্ধমান পুরসভার নতুন প্রশাসক মণ্ডলী। বর্ধমান পুরসভার নতুন প্রশাসক হলেন বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা প্রণব চট্টোপাধ্যায়। আরও পড়ুনঃ গেষ্ঠীকলহের জেরেই কি জেলার শীর্ষে বর্ধমান শহরের কারও স্থান হয়নি? সরানো হল দুই যুব নেতাকেওকমিটিতে স্থান পেয়েছেন বাম আমলে বর্ধমান পুরসভার পুরপিতা আইনুল হক। বর্ধমান পুরসভার পুরপতি হিসেবে দীর্ঘসময় দায়িত্বে ছিলেন। প্রশাসকের দ্বায়িত্ব পেয়েছেন প্রণব চট্টোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, একসময়ের বাম-তৃণমূলের দুই বিপক্ষ শিবিরের দুই যযুধান প্রতিপক্ষ এবার একই পক্ষে। সহ প্রশাসক মণ্ডলীতে স্থান পেয়েছেন আলপনা হালদার ও আইনুল হক, প্রশাসক বোর্ডের সদস্য হয়েছেন ডাঃ শঙ্ঘশুভ্র ঘোষ ও উমা সাঁই। প্রসাশক পদে দায়িত্ব পাওয়ার পরই প্রণব চট্টোপাধ্যায় জানান, আগে আমি পুরসভার দায়িত্বে ছিলাম। নতুন করে কিছু বলার নেই। সবে দ্বায়িত্ব পেয়েছি, সব জায়গা ঘুরে কাজ বুঝে যা বলার বলবো। অন্যদিকে, দায়িত্ব পাওয়ার পর আইনুল হক বলেন, মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে মানুষকে সঙ্গে নিয়ে মানুষের জন্য কাজ করেন, আমরাও মানুষকে সঙ্গে নিয়ে তাদের পরামর্শ মত বর্ধমানে উন্নয়নের কাজ করবো।

আগস্ট ১৭, ২০২১
রাজনীতি

Purba Bardhaman: গেষ্ঠীকলহের জেরেই কি জেলার শীর্ষে বর্ধমান শহরের কারও স্থান হয়নি? সরানো হল দুই যুব নেতাকেও

অভিজ্ঞতার ওপর ভরসা রাখলেন তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটির মাথাতে রাখা হয়েছে প্রবীণদের। এঁদের মধ্যে তিনজনই আবার বিধায়ক। রাজনৈতিক মহলের মতে, বর্ধমান শহরের তৃণমূল নেতৃত্বের ওপর দল যে সন্তুষ্ট নয় তা ঘোষিত কমিটির তালিকা দেখলে কারও অনুমান করতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।আরও পড়ুনঃ শিকেয় উঠল সামাজিক দূরত্ব, রণক্ষেত্র দুয়ারে সরকারপূর্ব বর্ধমানে তৃণমূল কংগ্রেসের ঘোষিত কমিটির নেতাদের কারও বাড়ি বর্ধমান শহরে নয়। কমিটি ঘোষণার আগে একাধিক নেতা বারে বারে ছুটেছেন কলকাতায়। কিন্তু আদপে তাতে কাজের কাজ কিছু হয়নি তা অন্তত এই কমিটির ঘোষণায় প্রমাণিত। তাই কেউ কেউ মুষড়ে পড়েছেন। তবে দল ভরসা রেখেছে প্রবীণ নেতৃত্বের ওপর। বরং শহরে বাড়ি দুই নেতাকে দল তাঁদের পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। কমিটি ঘোষণার পর থেকে বর্ধমানে তৃণমূলের অন্দরমহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।আরও পড়ুনঃ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয় ভারতেরএক ব্যক্তি এক পদ, এই নীতি আগেই ঘোষণা করেছিল তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। খেলা হবে দিবসের দিন রাজ্যব্যাপী নতুন কমিটি ঘোষণার মধ্য দিয়ে তা বাস্তবায়িত করল তৃণমূল। রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথকে যে সরতে হবে তা জানাই ছিল। কিন্তু সরিয়ে হল পূর্ব বর্ধমানের জেলা যুব সভাপতি রাসবিহারী হালদারকেও। সরিয়ে দেওয়া হয়েছে জেলা আইএনটিটিইউসি সভাপতি ইফতিকার আহমেদকেও (পাপ্পু)। পাপ্পু বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাসের ঘনিষ্ঠ বলেই সূত্রের খবর। যদিও প্রাক্তন যুব সভাপতি রাসবিহারী একটা সময় খোকনের খুব ঘনিষ্ঠ হলেও এখন সম্পর্ক যথেষ্ট তিক্ত বলে সূত্রের খবর।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলে নতুন যুগ, এক নেতা-এক পদজেলা সভাপতি হিসাবে বর্তমান ও প্রাক্তন বিধায়ক-সহ বেশ কয়েকজন নেতা আশায় বুক বেঁধেছিলেন। তাতে জল ঢেলে দিয়েছে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। জেলা কমিটির শীর্ষ নেতৃত্বের খবর প্রকাশ হতেই বর্ধমান শহরের তৃণমূল নেতৃত্বের একটা বড় অংশ গালে হাত দিয়ে বসেছেন। নতুন সভাপতি হয়েছেন কাটোয়ার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। জেলা যুবর সভাপতি জামালপুরের বিধায়ক অলোক মাঝি, আইএনটিটিইউসির সভাপতি হিসাবে ভাতারের বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারীর নাম ঘোষণা করেছে দল। জেলা চেয়ারম্যান পদ থেকে সরানো হয়েছে প্রাক্তন সাংসদ সংঘমিত্রা চৌধুরীকেও। সেই পদে বসেছেন অশোক বিশ্বাস। মহিলা তৃণমূলের সভাপতি হয়েছেন চন্দনা মাঝি। বর্ধমান শহরের সভাপতি হিসাবে অরূপ দাসের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, বর্ধমান শহরের তৃণমূল নেতৃত্বকে জেলা কমিটির শীর্ষে না রাখার প্রধান কারণ দলের গোষ্ঠীকলহে লাগাম টানা। শহরের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে জেরবার তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব।আরও পড়ুনঃ ১২ ঘন্টার দীর্ঘ লড়াই শেষে ১২ তম ইন্ডিয়ান আইডল স্নিগ্ধ হাওয়া পবনদীপরাজ্যে বিধানসভার দুই আসন ও বাকি পাঁচ আসনে উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তারপর রাজ্যে পুরনির্বাচন। সূত্রের খবর, বর্ধমান শহরে এখনই তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক নেতৃত্ব পুরসভার টিকিট পেতে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। গত পুর নির্বাচনে টিকিট প্রাপ্তদের অনেককে নিয়ে বিস্তর অভিযোগ ছিল দলের অভ্যন্তরে ও বাইরে। রাজনৈতিক মহলের মতে, প্রার্থী বাছাই নিয়ে মুখ পুড়েছিল দলের। বর্ধমানের মতো শহরে যাঁদের পুরসভায় প্রার্থী করা হয়েছিল তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছিল। এবার অন্তত প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে দল মনযোগ দেবে বলে আশা করছে নীচুতলার কর্মীরা।

আগস্ট ১৭, ২০২১
দেশ

Independence Day: দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে বীর বিপ্লবীদের পীঠস্থান বর্ধমান

ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে রয়েছে বর্ধমান জেলার নাম। দেশ মাতৃকাকে ব্রিটিশ শৃঙ্খল মুক্ত করার শপথ নিয়ে এই জেলার বহু বীর সন্তান বিপ্লবী আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে অবশ্যাই অগ্রগণ্য এই জেলার সদর দক্ষিণ মহকুমার বটুকেশ্বর দত্ত, রাসবিহারী বোস, রাসবিহারী ঘোষ ও অনিল বরণ রায়। এই চার দেশবরেণ্য বিপ্লবীর নাম আজও ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে। এনারা ছাড়াও অবিভক্ত বর্ধমান জেলার আরও অনেকে আছেন যারা দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনকে জোরদার করার কাজে সামিল হয়েছিলেন। তাঁরা হয় তো বিস্মৃতির অতলে রয়ে গিয়েছেন। তবে দেশের ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবসে তাঁদের প্রতিও শ্রদ্ধা জ্ঞাপনে ব্রতী হবেন বর্ধমান জেলার আপামর বাসিন্দা। ঐতিহাসিক তথ্য থেকে জানা যায়, লর্ড কার্জনের বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে ১৯০৫ সালে সমগ্র ভারতবর্ষ জুড়ে যে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছিল তার ঢেউ আছড়ে পড়েছিল বর্ধমান জেলাতেও। শুধু শহর বর্ধমানের মানুষজনই নয়, গ্রামীন বর্ধমানের মানুষজনও সেই সময়ে সামিল হয়েছিলেন বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদ আন্দোলনে। তদানীন্তন সময়কালে অবিভক্ত বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামের সন্তান কাজী নজরুল ইসলামের দেশাত্মবোধক গান ও কবিতা স্বাধীনতা আন্দোলনকে উদ্বুদ্ধ করেছিল। দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী ১৯২৫ সালে বর্ধমানে এসে বর্ধমানের মহারাজা বিজয়চাঁদের আতিথ্য গ্রহন করেছিলেন। এইসবের পরিপ্রেক্ষিতে ইতিহাসবিদরা মনে করেন দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে কোন অংশেই কম ছিল না বর্ধমানের গুরুত্ব। স্বদেশী আন্দোলন থেকে শুরু করে বিপ্লবী আন্দোলন, সবেরই উত্তোরণের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বর্ধমানের বিপ্লবীদের নাম। এই জেলার জ্যোতিন্দ্রনাথ বন্দ্যেপাধ্যায় যৌবনে বিপ্লবী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হন। পরে অবশ্য তিনি আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করে নিরালঙ্গ স্বামী নামে পরিচিত হন। ১৮৭৬ সালে সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় ভারত সভা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই ভারত সভার তিনটি শাখা গড়ে উঠেছিল বর্ধমান জেলার বিভিন্ন প্রান্তে।ওই শাখাগুলি বর্ধমান শাখা, কালনা শাখা ও পূর্বস্থলী হিতকরী সভা নামে আত্মপ্রকাশ করে। কালনার কবিরাজ বংশীয় উপেন্দ্রনাথ সেন ও দেবেন্দ্রনাথ সেনের উদ্যোগে কালনা ও কাটোয়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল বঙ্গভঙ্গ বিরোধী সভা।ঐতিহাসিক তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, সেই সভায় স্বয়ং সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন।কালনা মহকুমা ইতিহাস ও পুরাতত্ব চর্চা কেন্দ্রের সভাপতি সিদ্ধেশ্বর আচার্য্য বলেন, স্বদেশী আন্দোলনের ঢেউ সেই সময়ে কালনার বাঘনা পাড়ার যুবক মহলে প্রভাব ফেলেছিল। ১৯০৬ সালে বিদেশী দ্রব্য লুঠ করে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটিয়েছিল কালনার বাঘনা পাড়ার যুবকরা। সেই ঘটনায় ব্রিটিশ পুলিশের হাতে ধরা পড়েছিলেন গৌর গোবিন্দ গোস্বামী, মণিগোপাল মুখোপাধ্যায়, সন্তোষ বন্দ্যোপাধ্যায়, বৃন্দাবন গোস্বামী, বলাই গঙ্গোপাধ্যায় ও বলাই দেবনাথ। সিদ্ধেশ্বরবাবু এও বলেন, এদের গ্রেপ্তারি সংক্রান্ত মোকদ্দমাই ছিল বঙ্গে প্রথম রাজনৈতিক মোকদ্দমা। তদানিন্তন সময়ে বাঘনা পাড়ায় স্বদেশী ভাণ্ডারও প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। ১৯৪২ শে ভারত ছাড়ো আন্দোলনে বাঘনা পাড়ার যুবকরা জড়িত হয়েছিলেন বলে সিদ্ধেশ্বর আচার্য্য জানিয়েছেন। জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে উৎসাহিত করার জন্য নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু দুবার বর্ধমানে এসেছিলেন। ইংরেজ আমলে জাতীয় শিক্ষা নিয়েও বর্ধমান জেলা উদ্যোগী ভূমিকা নিয়েছিল। ইংরেজি বিদ্যালয়ের পরিবর্তে জাতীয় বিদ্যালয় স্থাপনে খণ্ডঘোষের তোরকোনায় রাসবািহারী ঘোষ প্রভূত অর্থ দান করেছিলেন। কালনা, বর্ধমান সদর, বৈকন্ঠপুর নানা স্থানে জাতীয় বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। বান্ধব সমিতি, মহামায়া সমিতি প্রভৃতি নামে জেলার কালনা, পূর্বস্থলী ও মন্তেশ্বরে বিপ্লববাদী গুপ্তসমিতি গড়ে উঠেছিল। মানকরের জমিদার রাজকৃষ্ণ দিক্ষিত ও দুর্গাপুরের ভোলানাথ রায় সেই সময়ে স্বদেশী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে কারারুদ্ধ হন।স্বরাজ তহবিলের চাঁদা তোলার জন্য ১৯২১-২২-তে চিত্তরঞ্জন দাস বর্ধমানে এসেছিলেন। তাঁর আগমনে বর্ধমান জেলায় জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ভিন্ন মাত্রা পেয়েছিল। জাতীয়তাবাদী কবিতা লোখার জন্য বর্ধমানের জামালপুরের গোপালপুর গ্রাম নিবাসী গোবিন্দরাম বন্দ্যোপাধ্যায়কে স্কুল থেকে বিতাড়িত হতে হয়েছিল । ১৯২২ সালের ৫ জানুয়ারি এই গোপালপুরের ইংরেজ বিরোধী মানুষজনের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা পায় গোপালপুর মুক্তকেশী বিদ্যালয়। গান্ধীজীর অসহযোগ আন্দোলনের ডাকে সাড়া দিয়ে বিদ্যালয়ের প্রথম পরিচালন সমিতি এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেয়। সিদ্ধান্ত হয়, ইংরেজদের নিয়ম মেনে রবিবার নয় - বিদ্যালয় ছুটি থাকবে সোমবার। সেই থেকে আজও রবিবার পুরোমাত্রায় পঠনপাঠন চালু থাকে গোপালপুর মুক্তকেশী বিদ্যালয়ে। এই বিদ্যালয় ছুটি থাকে সোমবার। পরাধীন ভারতবর্ষের মাটিতে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে ভিন্নমাত্রায় পৌছে দিতে বর্ধমানের মহিলারাও মুখ্য ভূমিকা নিয়েছিলেন। এই বিষয়ে উল্লেখযোগ্য নির্মলা সান্যাল ও সুরমা মুখোপাধ্যায়ের নাম । ১৯৩১ -তে কংগ্রেসের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় বর্ধমান জেলা কৃষক সমিতি। তদানীন্তন কালেই কৃষক সমিতির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। যে সভার সভাপতি হয়েছিলেন ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত। তাঁর নামেই পরবর্তীকালে হাটগোবিন্দপুরে গড়ে ওঠে ভূপেন্দ্রনাথ মহাবিদ্যালয়।পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি দেবু টুডু বলেন, দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে অবিভক্ত বর্ধমান জেলাবাসীর অবদান কোন অংশেই কম ছিল না। এই জেলার বটুকেশ্বর দত্ত, রাসবিহারী বসু, রাসবিবাহী ঘোষ, অনিলবরণ রায় প্রমুখ দেশবরেণ্য বিপ্লবীর নাম দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে। এঁরা ছাড়াও জেলার আরও যাঁরা দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে সামিল হয়েছিলেন তাঁদের অবদানও জেলাবাসী মনে রেখেছে। ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবসে বর্ধমানবাসী সকল বিপ্লবী স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশগ্রহনকারীদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনে তাই ব্রতী হবেন।

আগস্ট ১৫, ২০২১
রাজ্য

Bomb: স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে জারিকেন ভর্তি বোমা উদ্ধার বর্ধমানে

স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে বর্ধমানের শিবপুর দিঘীরপাড় এলাকা থেকে উদ্ধার হল প্লাস্টিকের জারিকেন ভর্তি তাজা বোমা। যা জানতে পারার পরেই বর্ধমান থানার পুলিশ ঘটনাস্থল ঘিরে রেখে খবর দেয় বোম ডিসপোজাল স্কোয়াডে। শনিবার বিকালে দুর্গাপুর থেকে সিআইডির বোম ডিসপোজাল স্কোয়াডের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌছায়। তাঁরা জারিকেন ভর্তি বোমা উদ্ধার করে ফাঁকা জায়গায় নিয়ে গিয়ে নিস্ক্রিয় করে। এই ঘটনায় ব্যপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে শিবপুর দীঘিরপাড় এলাকার বাসিন্দা মহলে।আরও পড়ুনঃ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি সিএবি সচিব স্নেহাশিস গাঙ্গুলিবর্ধমানের বেলকাস পঞ্চায়েতের সদস্য তানবীর আলি বলেন, শীবপুর দীঘিরপাড় সংলগ্ন পাওয়ার হাউসের পিছনে জঙ্গলের পড়েছিল জারিকেনটি। এলাকায় বাসিন্দারা সেটি দেখতে পেয়ে বর্ধমান থানায় খবর দেয়। সেই খবর পেয়ে বর্ধমান থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে ওই জায়গাটি ঘিরে রাখে।আরও পড়ুনঃ পুজারা ও রাহানের ব্যর্থতা নিয়ে কী বলছেন গাভাসকার?এদিন বিকালে সিআইডির বোম ডিসপোজাল স্কোয়াড ঘটনাস্থলে পৌছে জারিকেনে থাকা বোমাগুলি উদ্ধার করার পর নিস্ক্রিয় করে। বর্ধমান থানার আইসি সুখময় চক্রবর্তী জানিয়েছেন, প্লাস্টিকের জার থেকে মোট ৬ টি তাজা বোমা উদ্ধার করে সিআইডি বোম ডিসপোজাল স্কোয়াড। সেগুলি নিস্ক্রিয় করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ক্রিকেটের মক্কাতে কলুষিত ক্রিকেটরাত পোহালেই দেশ জুড়ে পালিত হবে ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবস। তার প্রাক্কালে জারিকেন ভর্তি বোমা উদ্ধার ঘিয়ে বর্ধমানে শাসক বিরোধী তর্জা তুঙ্গে উঠেছে। বিরোধীদের অভিযোগ, বিধানসভা নির্বাচনের আগে শহর বর্ধমানের সুভাষপল্লীতে বল ভেবে বোমা নিয়ে খেলতে গিয়ে বিস্ফোরণ ঘটে যাওয়ায় এক শিশুর মৃত্যু হয়। এতবড় ঘটনার পরেও বর্ধমানে বোমা উদ্ধারে ঘটনায় বিরাম পড়েনি। জেলা বিজেপি নেতা কল্লোল নন্দন বলেন, শাসকদলের দৌলতে সব জায়গাতেই বোমা উদ্ধার হয়েই চলেছে। যদিও পল্টা জবাবে জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, তৃণমূল বোমা-গুলি নিয়ে রাজনীতি করে না। পুলিশ তদন্ত শুরু করছে। তদন্তেই পরিস্কার হবে যাবে কারা বোমা রেখেছিল।

আগস্ট ১৪, ২০২১
রাজ্য

Madhuchakra: গলসির হোটেলে মধুচক্রের আসরে পুলিশের হানা, গ্রেপ্তার ৪ যুবতী ২ যুবক

হোটেলে চলা মধুচক্রের আসরে হানা দিয়ে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে ৪ জন যুবতী ও ২ জন যুবক রয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের গলসি থানার পুলিশ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কুলগড়িয়ার খানা জংশন বিএড কলেজের কাছের একটি হোটেলে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে। ধৃতরা গলসির পারাজ, উত্তর ২৪ পরগণার মিনাখাঁ, মেমারির বৈদ্যডাঙা ও বর্ধমান থানার পালিতপুর এলাকার বাসিন্দা। এই ঘটনার কথা জেনে ওই হোটেল বন্ধ করে দেওয়ার দাবি করেছেন গলসির বাসিন্দারা।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপে প্রথম পর্বের বাধা টপকাতে পারবেন? কী বলছেন হাবাসপুলিশ জানিয়েছে, কুলগড়িয়ার খানা জংশন বিএড কলেজের কাছে একটি হোটেলে মধুচক্রের আসর বসেছিল। সেই খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে হানা দিয়ে ৪ যুবতী ও ২ যুবকে ধরে ফেলে। ঘটনার বিষয়ে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে পুলিশ বুধবার ৬ ধৃতকেই পেশ করে বর্ধমান আদালতে। সিজেএম যুবতীদের জামিন মঞ্জুর করলেও যুবকদের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে আগামী সোমবার ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।

আগস্ট ১১, ২০২১
রাজ্য

Mystery Death: দ্বিতীয় পক্ষের স্বামীর বাড়িতে রহস্য মৃত্যু বধূর

দ্বিতীয় পক্ষের স্বামীর বাড়িতে রহস্যজনক মৃত্যু হল এক বধূর। মৃতার নাম লীলা আগরওয়াল(৪৪)।ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার মাহাতা গ্রামে। ভাতারের মাহাতা গ্রামে ভাড়া বাড়িতে থাকতেন লীলা আগরওয়াল ও তাঁর দ্বিতীয় পক্ষের স্বামী সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায় । বুধবার সকালে সেই ভাড়া বাড়ি থেকেই গৃহবধূ লীলার মৃতদেহ উদ্ধার করে ভাতার থানার পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য এদিনই বধূর মৃতদেহ পাঠানো হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ মর্গে। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে পুলিশ বধূ মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপে প্রথম পর্বের বাধা টপকাতে পারবেন? কী বলছেন হাবাসপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, লীলা আগরওয়ালের প্রথম পক্ষের স্বামীর বাড়ি বীরভূম জেলার বোলপুর শহরের মিশন কম্পাউণ্ড এলাকায়। তাঁর প্রথম পক্ষের স্বামী রাজু আগরওয়ালের সেখানে একটি সাইকেল মেরামতির দোকান রয়েছে। লীলার এক ছেলে ও এক মেয়ে প্রাপ্ত বয়স্ক। ছেলে আকাশ বোলপুর পুরসভার অস্থায়ী কর্মী। মেয়ে প্রীতি আগরওয়াল বিবাহিতা। প্রীতি জানিয়েছেন, তাঁর মা বর্ধমান শহরে সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করতেন। বিবাহিত সুদীপ্তবাবু ওষুধ সাপ্লাইয়ের ব্যবসা করেন। ওই সময়েই তাঁর মা লীলাদেবীর সঙ্গে সুদীপ্ত বাবুর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তারপর দেড় বছর হল লীলাদেবী পাকাপাকিভাবে সুদীপ্তবাবুর কাছেই রয়ে যান। সুদীপ্তবাবুর এই কীর্তিকলাপ মেনে নিতে না পেরে তাঁর স্ত্রী সুদীপ্তবাবুর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন। এরপর থেকে সুদীপ্তবাবু ভাতারের মাহাতা গ্রামে বাড়ি ভাড়া করে সেখানে লীলাদেবীকে নিয়ে থাকতেন । প্রীতি আগরওয়াল বলেন, এদিন সকালে ওই ভাড়া বাড়ি থেকেই পুলিশ তাঁর মা লীলাদেবীর মৃতদেহ উদ্ধার করে।আরও পড়ুনঃ অশান্ত আফগানিস্তানের জন্য শান্তির আবেদন ক্রিকেটার রশিদ খানেরমৃতার ছেলে আকাশ আগরওয়াল দাবি করেন, আমার মায়ের গলায় দাগ রয়েছে। তা দেখে আমার মনে হচ্ছে শ্বাসরোধ করেই মাকে মারা হয়েছে। তাই মৃত্যুর তদন্ত দাবি করেছে। যদিও সুদীপ্তবাবু এদিন দাবি করেন, আমি ব্যবসার কাজে মঙ্গলবার সকালে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাই। সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে লীলাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পাই। ভাতার থানার পুলিশ অবশ্য সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায়কে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। পুলিশ জানিয়েছে , ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসলেই মহিলার মৃত্যুর কারণ জানা যাবে । তার ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আগস্ট ১১, ২০২১
রাজ্য

Bride Missing: চাকদার নিখোঁজ মহিলা উদ্ধার টলিউড অভিনেতার বর্ধমানের বাড়ি থেকে

পুলিশের তৎপরতায় এক টলিউড অভিনেতার বর্ধমানের বাড়ি থেকে উদ্ধার হল ছয় মাস ধরে নিখোঁজ থাকা নদীয়ার চাকদার বধূ। মঙ্গলবার ভোররাতে চাকদা ও বর্ধমান থানার পুলিশ নিখোঁজ মহিলার স্বামী অর্ধেন্দু ঘোষকে সঙ্গে নিয়ে শহর বর্ধমানের বাদামতলা এলাকায় থাকা টলিউড অভিনেতা ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখান থেকেই উদ্ধার হয় চাকদার নিখোঁজ বধূ পম্পা ঘোষ। এই ঘটনা জানাজানি হতেই শহর বর্ধমানের বাসিন্দা মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। যদিও ওই মহিলা এমনকী তাঁর স্বামী গোটা ঘটনা নিয়ে কাউকে দায়ী করে কিছু বলেননি। কে, কি ভাবে চাকদা থেকে মহিলাকে নিয়ে এসে টলিউড অভিনেতার বর্ধমানের বাড়িতে নিয়ে এসে রাখলো তা নিয়েই তৈরি হয়েছে রহস্য।আরও পড়ুনঃ বিধায়কের ফেসবুক পোস্ট নিয়ে বিভ্রান্তি হুগলির তৃণমূলে, মুচকি হাসছে গেরুয়া শিবিরউদ্ধার হওয়া মহিলা পম্পা ঘোষের স্বামী অর্ধেন্দু ঘোষ জানিয়েছেন, তাঁর স্ত্রী বেশ কিছুদিন ধরে বাতের রোগে ভুগছেন। রোগ যন্ত্রণায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙেও পড়েছিলেন। গত ৬ মাস ১০ দিন আগে পম্পা একটি চিঠি লিখে হটাৎ নিঁখোজ হয়ে যায়। তার পর থেকে তাঁর আর কোনও খোঁজ মেলেনি। অর্ধেন্দু বাবু বলেন, তাঁর স্ত্রী পম্পা নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার পর চাকদা থানায় তিনি নিখোঁজ ডাইরিও করেন। এরই মধ্যে সোমবার তাঁর স্ত্রী পম্পা অন্য একজন মহিলার ফোন থেকে গোপনে তাঁকে ফোন করেন। ফোনে পম্পা জানায়, দুজন লোক তাকে বর্ধমানের এক অভিনেতার ফাঁকা বাড়িতে তুলে এনে আটকে রেখেছে। সেখানে কিছু সন্দেহজনক লোক থাকে। তাদের আচরণে তাঁর সন্দেহ হয় তাঁকে বিক্রি করে দেওয়া হতে পারে। অর্ধেন্দুবাবু জানান, ফোনে তাঁর নিখোঁজ স্ত্রী এমনটা জানানোর পরেই তিনি চাকদহ থানার পুলিশের শরণাপন্ন হন। চাকদহ এবং বর্ধমান থানার পুলিশ যৌথভাবে ওই টলি অভিনেতার বর্ধমানের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাঁর স্ত্রীকে উদ্ধার করে। পম্পা অসুস্থ থাকায় তাঁকে কোলে করে তুলে তাঁর স্বামী পুলিশ গাড়িতে তোলেন। পরে চাকদহ থানার পুলিশ তাঁদের নিয়ে রওনা দেয়।আরও পড়ুনঃ ইন্দ্রাশিসের সঙ্গে খেলা শুরু রণিতারএই বিষয়ে অভিনেতা ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি তাঁর বাড়িতে মহিলাকে আটকে রাখার কথা মানতে চাননি । ফাল্গুনীবাবু বলেন, মাস তিনেক আগে তাঁরই পরিচিত সোমনাথ ভট্টাচার্য এক মহিলাকে তাঁর কাছে আনে। ওই সোমনাথ তাঁর টেলিফিল্মে বিজ্ঞাপনও দিয়েছিল। সোমনাথ ও ওই মহিলা নিজেদেরকে স্বামী ও স্ত্রী বলে পরিচয় দেয়। সোমনাথ জানিয়েছিল, তাঁর ইন্টেরিয়র ডিজাইনের ব্যবসা রয়েছে। ফাল্গুনীবাবু জানান, ভোটার কার্ড দিয়ে সোমনাথ বলেছিল লকডাউনে কোথাও সে থাকার জায়গা পাচ্ছে না। মাস দুয়েক সে বর্ধমানে তাঁর বাড়িতে থাকবে। সেই কথা বিশ্বাস করে বিনা ভাড়াতেই ওদের থাকতে দিয়েছিলেন। সোমনাথ প্রায়সই বর্ধমানে আসতেন। স্ত্রীকে দেখভালের জন্য সোমানাথ একজন মহিলাকেও কাজে রেখেছিল। এদিন সব জানার পর তিনিও অবাক হয়ে গিয়েছেন। ফাল্গুনীবাবু বলেন, এদিন ফোন করে তিনি সোমনাথকে প্রকৃত ঘটনা জানতে চাওয়ার পর থেকে সোমনাথ ফোন বন্ধ করে দেয়।আরও পড়ুনঃ প্যারিসে পৌঁছে অন্যরকম অভ্যর্থনা পেলেন লিওনেল মেসিবর্ধমান থানার আইসি সুখময় চক্রবর্তী জানান, এটা চাকদা থানার কেস। চাকদা থানার পুলিশ বর্ধমান থানার সাহায্য চেয়েছিল মহিলাকে উদ্ধারের জন্য।বর্ধমান থানার পুলিশ সাহায্য করেছে। এর বাইরে কিছু বলা সম্ভব নয়। ঘটনা সবিস্তার চাকদা থানা বলতে পারবে।

আগস্ট ১০, ২০২১
রাজ্য

Boikanthapur GP: পঞ্চায়েত অফিসে ঢুকে প্রধানকে শাসানোর অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে

পঞ্চায়েতে অফিসে ঢুকে মহিলা পঞ্চায়েত প্রধানকে শাসানোর অভিযোগ উঠল খোদ অঞ্চল তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। সোমবার ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের বৈকন্ঠপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে।এদিনই সন্ধায় অঞ্চল তৃণমূল নেতা মোজাম্বেল শাহের বিরুদ্ধে বর্ধমান থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন প্রধান শর্মিলা মালিক। এই ঘটনা শোরগোল ফেলে দিয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে।আরও পড়ুনঃ নীরজ চোপড়ার ইনস্টাগ্রামে অনুগামীর সংখ্যা দেখলে অবাক হবেন, সংখ্যাটা কত?পুলিশের কাছে দায়ের করা অভিযোগে প্রধান শর্মিলা মালিক জানিয়েছেন, এদিন বৈকন্ঠপুর ২ অঞ্চলের হাটশিমুল গ্রামের কিছু সমস্যা নিয়ে তিনি সেখানকার কয়েকজনের সঙ্গে পঞ্চায়েত অফিসে আলোচনা করছিলেন। ওই সময়ে দুই জনকে সঙ্গে নিয়ে মোজাম্মেল শাহ পঞ্চায়েত অফিস রুমে ঢুকে তাঁকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এমনকি তাঁকে পঞ্চায়েত থেকে বের করে দেবে বলে রীতিমত শাসায়। পঞ্চায়েত কর্মীরা অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা মোজাম্মেল সাহকে এরপর পঞ্চায়েত থেকে বের করে দেয়। পঞ্চায়েত প্রধান শর্মিলা মালিক বলেন, তৃণমূল নেতা মোজাম্মেল শাহর এমন হুমকি শাসানির করণে তিনি নিরাপত্তার অভাব বোধ করে বর্ধমান থানায় মোজাম্মেল সাহ-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। পঞ্চায়েত প্রধান এদিন আরও বলেন, বিধানসভা ভোটের আগে পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সহ বেশ কয়েকজন সদস্য ও সদস্যা তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছিল। কিন্তু তাতে তাঁরা সফল হয়নি। সেই থেকে তাঁরা পঞ্চায়েতের কোনও মিটিংয়ে আসছেন না। ফলে এলাকার উন্নয়নের কাজও বিঘ্নিত হচ্ছে। এমন অবস্থা তৈরি হওয়ার জন্য মোজাম্মেল শাহ তাঁকে দায়ী করে হামেশাই শাসায়। এমনকী প্রতিদিনই সোশাল মিডিয়ায় তাঁকে উদ্দশ্য করে ওই তৃণমূল নেতা আক্রমণ করে চলেছেন বলেও প্রধান শর্মিলা মালিকের অভিযোগ।আরও পড়ুনঃ বিশ্ব আদিবাসী দিবসে দুয়ারে জাতিগত শংসাপত্র পেলেন জামালপুরের আদিবাসীরাপঞ্চায়েত প্রধান এমন অভিযোগ করলেও তৃণমূল নেতা মোজাম্মেল শাহ তা অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, আমি একজন সাধারন মানুষ হিসাবে জানতে গিয়েছিলাম কেন এলাকায় উন্নয়নের কাজ হচ্ছে না। উল্টে প্রধান মেজাজ হারিয়ে তার টেবিলে থাকা কাগজপত্র ফেলে দেন। পঞ্চায়েতে যদি সদস্যদের অনুপস্থিতির জন্য উন্নয়নের কাজ না হয় তাহলে তার নৈতিক দ্বায়িত্ব নিয়ে প্রধানের নিজের পদ থেকে সরে যাওয়া উচিত বলে মোজাম্বেল শাহ দাবী করেছেন। এই বিষয়ে জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, কি ঘটেছে তা জানা নেই। তবে দলের উর্ধ্বে উঠে কেউ নিজের মতো করে কিছু দাবী করতে পারে না। সমস্যা বা অভিযোগ থাকতেই পারে। সেই ক্ষেত্রে দলীয় নেতৃত্বকে জানাতে হবে। এটাই আমাদের দলের নিয়ম। ঘটনার বিষয়ে বিজেপির জেলা নেতা কল্লোল নন্দন কটাক্ষ করে বলেন, ভাগ বাটোয়ারা নিয়েই ওনাদের অশান্তি বলে শুনেছি।

আগস্ট ১০, ২০২১
রাজ্য

Ujjwala Yojana: উজ্জ্বলা যোজনায় গ্যাসের সংযোগের আশ্বাস দিয়ে টাকা আত্মসাৎ রায়নায়, গ্রেফতার দুই

উজ্জ্বলা যোজনায় গ্যাসের সংযোগ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে টাকা হাতানোর অভিযোগে গ্রেফতার হলেন দুই ব্যক্তি। ধৃতদের নাম বিশ্বজিৎ মণ্ডল ও নিশীথ রুইদাস। তাদের বাড়ি পূর্ব বর্ধমাণের জামালপুর থানার শম্ভুপুর গ্রামে। রায়নার হরিপুর নিবাসী প্রতারিত রুমা ক্ষেত্রপালের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে রায়না থানার পুলিশ রবিবার রাতে বিশ্বজিৎ ও নিশীথকে গ্রেপ্তার করে। সোমবার ধৃতদের পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। সিজেএম ধৃতদের বিচার বিভাগীয় হেপাজতে পঠিয়ে বৃহস্পতিবার ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ বিশ্ব আদিবাসী দিবসে দুয়ারে জাতিগত শংসাপত্র পেলেন জামালপুরের আদিবাসীরাপুলিশ জানিয়েছে, উজ্জ্বলা যোজনায় গ্যাসের সংযোগ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে বিশ্বজিৎ ও নিশীথ রায়নার নতু, হরিপুর প্রভৃতি এলাকার বেশ কয়েকজনের কাছ থেকে টাকা তুলছিল। আবেদনকারী কারও কাছ থেকে ৬০০, কারও থেকে ৮০০ টাকা আবার কারও কাছ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত তারা নেয়। কিন্তু দীর্ঘদিন পেরিয়ে যাওয়ার পরেও গ্যাসের সংযোগ না মেলায় আবেদনকারীদের মধ্যে ক্ষোভ বিক্ষোভ ছড়িয়েছিল।বিশ্বজিৎ ও নিশীথ ফের রবিবার উজ্জ্বলা যোজনার গ্যাসের নতুন কানেকশন দেওয়ার কথা বলে নতু গ্রামে যায়। ওই দিনও তারা মহিলাদের কাছ থেকে আধার কাের্ডর জেরক্স ও টাকা নেয়। উজ্জ্বলা যোজনায় গ্যাসের সংযোগ পেতে যেহেতু টাকা লাগে না তাই তারা টাকা নেওয়ায় স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার সন্দেহ হয়। তাঁরা বিশ্বজিৎ ও নিশীথকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয়। রায়না থানার পুলিশ তাদের ধরে থানায় নিয়ে যায়। পরে হরিপুরের বাসিন্দা রুমা ক্ষেত্রপাল থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ দুজনকেই গ্রেফতার করে।

আগস্ট ১০, ২০২১
রাজ্য

Duare Certificate: বিশ্ব আদিবাসী দিবসে দুয়ারে জাতিগত শংসাপত্র পেলেন জামালপুরের আদিবাসীরা

বিশ্ব আদিবাসী দিবসের দিনে দুয়ারে জাতিগত শংসাপত্র পেলেন আবেদনকারী আদিবাসীরা। সোমবার এমনই এক বিশেষ কর্মসূচীর আয়োজন করে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর ব্লক প্রশাসন।এদিন সকালে ব্লকের বিডিও অফিসে এই কর্মসূচীর সূচনা করেন বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার ও পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মেহেমুদ খাঁন, বিধায়ক অলোক মাঝি। পরে ব্লকের প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান, উপপ্রধান ও জনপ্রতিনিধিরা বিভিন্ন গ্রামে থাকা আদিবাসী সহ অন্য পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর মানুষজনের বাড়িতে গিয়ে তাঁদের জাতিগত শংসাপত্র পৌছে দেন। আদিবাসী দিবসের দিনে বাড়িতে বসে জাতিগত শংসাপত্র পেয়ে খুশি আবেদনকারী আদিবাসীরা।আরও পড়ুনঃ এই সপ্তাহেই খুলে যাচ্ছে ইস্টবেঙ্গেলর চুক্তি জটবিধানসভা ভোটের প্রাক্কালে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে শুরু হয় দুয়ারে সরকার কর্মসূচী। রাজ্য সরকারের চালু করা এই কর্মসূচি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। এর পর থেকেই দুয়ারে রেশন, দুয়ারে পুলিশ প্রভৃতি কর্মসূচী নেওয়া হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে। তারই অনুকরণে বিশ্ব আদিবাসী দিবসের দিনে আবেদনকারী আদিবাসীদের দুয়ারে জাতিগত শংসাপত্র প্রদানের কর্মসূচী নেয় জামালপুর ব্লক প্রশাসন। এদিনের এই কর্মসূচী যথেষ্টই সাড়া ফেলে আদিবাসী মহলে।আরও পড়ুনঃ ঝাড়ফুঁকের নামে অসুস্থ তরুণীকে সারারাত ধর্ষণ, গ্রেফতার ভণ্ড ওঝাবিডিও শুভঙ্কর মজুমদার জানিয়েছেন, দুয়ারে জাতিগত শংসাপত্র প্রদান কর্মসূচীরমাধ্যমে এদিন ৮৯২ জন জাতিগত শংসাপত্র তুলে দেওয়া হয়েছে। আগামী দিনেও এমন আরও নানা কর্মসূচি নেওয়া হবে বলে বিডিও জানিয়েছেন। বিধায়ক অলোক মাঝি ও পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মেহেমুদ খাঁন বলেন, আগে কাস্ট সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য মানুষজনকে চূড়ান্ত হয়রান হতে হত।দপ্তরে ঘুরে ঘুরে হয়রান হয়েও মিলতো নাআরও পড়ুনঃ বিজেপির মশাল মিছিলে তুলকালামকাস্ট সার্টিফিকেট।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদ্যোগী হওয়ায় কাস্ট সার্টিফিকেট পাওয়ার জটিলতার দিন শেষ হয়েছে। এখন ঘরে বসেই মানুষজন জাতিগত শংসাপত্র অর্থাৎ কাস্ট সার্টিফিকেট পেয়ে যাচ্ছেন। এদিন বাড়িতে বসেই জামালপুরের ৮৯২ জন কাস্ট সার্টিফিকেট পেলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকার আগামী দিনেও মানুষের পাশে এভাবেই থাকবে বলে মেহেমুদ খাঁন এদিন দাবি করেন।

আগস্ট ০৯, ২০২১
রাজ্য

Rape : ঝাড়ফুঁকের নামে অসুস্থ তরুণীকে সারারাত ধর্ষণ, গ্রেফতার ভণ্ড ওঝা

ঝাড়ফুঁকের নাম করে রাতে অসুস্থ তরুণীকে নদীর চরে নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল ওঝা। শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোট থানার ঝিরেলা গ্রামে অজয় নদীর অনতি দূরে থকা শ্মশানের কাছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম মারু শেখ ওরফে সফিকুল শেখ ওরফে খ্যাপাবাবা। তার বাড়ি জেলার কেতুগ্রাম থানার মোড়গ্রামে। নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলকোট থানার পুলিশ রবিবার রাতে অভিযুক্ত ওঝাকে গ্রেপ্তার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ সোমবার ধৃতকে পেশ করে কাটোয়া মহকুমা আদালতে। পাশাপাশি পুলিশ এদিনই নির্যাতিতার গোপন জবানবন্দি আদালতে নথিভুক্ত করায়। বিচারক ধৃতকে ১৪ দিন জেল হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ ত্রিপুরায় অভিষেকের ওপর হামলা, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ মমতারপুলিশ জানিয়েছে, নির্যাতিতা তরুনীর বাড়ি কেতুগ্রামের মোড়গ্রামে। একই গ্রামে বাড়ি মারু শেখ ওরফে সফিকুল শেখের। বুজরুকি কারবার চালানোর জন্য মারু শেখ নিজেই তাঁর নাম খ্যাপাবাবা রাখে। এলাকার দরিদ্র পরিবারের কেউ দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকলে তাঁকে সুস্থ করে দেওয়ার কথা বলে মূল্য নিয়ে মারু ঝাড়ফুঁক করে দিত। নির্যাতিতা তরুনীর বাবা পুলিশেকে জানান, তাঁর ১৯ বছরের মেয়ে মাস খানেক ধরে অসুস্থ হয়ে রয়েছে। ডাক্তারি চিকিৎসা করানো হলেও রোগ সারেনি। ইদানিং তাঁর মেয়ের মানসিক সমস্যাও দেখা দিতে থাকে। খ্যাপাবাবা ঝাড়ফুঁক করে দিলে মেয়ে যদি সুস্থ হয় এইকথা ভেবে তিনি খ্যাপাবাবার শরণাপন্ন হন। নির্যাতিতার বাবা বলেন, শনিবার অমাবস্যার দিন অসুস্থ মেয়েকে নিয়ে মঙ্গলকোটের ঝিরেলা গ্রামের শ্মশানে নিয়ে যাবার কথা মারু তাঁকে বলে ।একই সঙ্গে মারু তাঁকে আরও জানায়,ঝিরেলা গ্রামে অজয় নদীর অনতিদূরে শ্মশানের কাছাকাছি পীরতলাতেই তার গুরু থাকেন। গুরু থাকলে ঝাড়ফুঁক করতে সুবিধা হবে। সেই মতো শনিবার সন্ধ্যায় অসুস্থ মেয়েকে নিয়ে তিনি মারু শেখের সঙ্গেই ঝিরেলা গ্রামে যান।আরও পড়ুনঃ স্বামীর সঙ্গে মালদ্বীপে সানা, সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করলেন সেই ছবিনির্যাতিতার অভিযোগ, তাঁরা ঝিরেলা গ্রামে পৌছানোর পর সেখানকার ধুমক্ষেত্রতলায় তাঁর বাবাকে বসিয়ে রাখে মারু। এর পর ঝাড়ফুঁক করার জন্য মারু তাঁকে অজয়নদের ধারে নিয়ে চলে যায় ।সেখানে যাওয়ার পর ভয় দেখিয়ে মারু ওরফে খ্যাপাবাবা তাঁকে সারা রাত ধরে ধর্ষণ করে। পরদিন বাড়ি ফিরে খ্যাপাবাবার কুকীর্তির কথা তরুণী তাঁর বাবা মাকে বলে। ঘটনা সবিস্তার জানিয়ে ওই দিনই নির্যাতিতা মঙ্গলকোট থানায় অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে পুলিশ ওই রাতে অভিযুক্ত ওঝাকে গ্রেপ্তার করে। ভণ্ড ওঝার দৃষ্টান্ত মূলক সাজার দাবি করেছে নির্যাতিতা ও তাঁর পরিবার।

আগস্ট ০৯, ২০২১
রাজ্য

Bangladeshi Infiltrator: বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী যুবক গ্রেফতার ভাতারে, তদন্তে পুলিশ

বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশকারী এক যুবককে গ্রেফতার করল পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার পুলিশ। ধৃতের নাম ওসমান আলি। তার বাড়ি বাংলাদেশের খুলনা ডিভিশনের ঝেরাইদাহ জেলার কোটচাঁদপুর থানার কাগমারি গ্রামে। ভাতার থানার পুলিশ শনিবার বিকেলে ভাতার বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। অবৈধ অনুপ্রবেশ আইনে মামলা রুজু করে পুলিশ রবিবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করে। পাসপোর্ট ও ভিসা ছাড়াই যুবক কিভাবে এবং কি উদ্দেশ্যে ভারতে প্রবেশ করেছে তার তথ্য উদ্ধারের জন্য তদন্তকারী অফিসার ধৃতকে নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ বার্সিলোনায় শেষ সাংবাদিক সম্মেলনে কেঁদে ফেললেন লিওনেল মেসিভাতার থানার ওসি প্রনব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, লাল গেঞ্জি ও নীল সাদা চেক লুঙ্গি পরিহিত ওই যুবক শনিবার বিকেলের দিকে ভাতার বাজার এলাকায় উদ্দেশ্যহীন ভাবে ঘোরাঘুরি করছিল। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে অসংলগ্ন কথাবার্তা বলে। তার কথাবার্তাও এদেশের বাসিন্দাদের মতো নয়। সন্দেহ হওয়ায় তাকে থানায় নিয়ে গিয়ে জেরা করা হয়। জেরায় যুবক স্বীকার করে তার বাড়ি বাংলাদেশে। সে অবৈধভাবে ভারতে ঢুকেছে । তারপরেই অবৈধ অনুপ্রবেশ আইনে যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। যুবক কি ভাবে ও কি উদ্দেশ্যে বেআইনিভাবে ভারতে ঢুকেছে তা জানার জন্য ধৃতকে পুলিশি হেপাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

আগস্ট ০৮, ২০২১
রাজ্য

Ear Bitten: প্রতিবেশীর গোটা কান কামড়ে ছিঁড়ে নিল নেশা আশক্ত যুবক, চাঞ্চল্য গুসকরায়

নেশা করে বাড়ি ফিরে মা ও বোনকে মারধর করছিল ছেলে। তাঁদের রক্ষা করতে যাওয়া প্রতিবেশী পরিবারের যুবকের কান কামড়ে ছিঁড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠলো নেশা আশক্ত বিশ্বজিৎ সরকার ওরফে বুলানের বিরুদ্ধে। শনিবার রাতের এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমানের গুসকরা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বজ্রাপুকুর পাড় এলাকায়। কান খুইয়ে আক্রান্ত রাজা মাজি রবিবার বুলানের বিরুদ্ধে গুসকরা পুলিশ ফাঁড়িতে অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজা মাজি গুসকরা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বজ্রাপুকুর পাড় এলাকারই বাসিন্দা। পেশায় তিনি গুসকরা পৌরসভার সাফাই কর্মী। পুলিশকে রাজা মাজি জানিয়েছেন, তাঁদের বাড়ির পাশেই বিশ্বজিৎ সরকার ওরফে বুলানের বাড়ি। শনিবার রাতে বাড়ির কাছে ক্লাব ঘরে তিনি বন্ধুদের সঙ্গে তাস খেলছিলেন। ওই রাতে নেশা করে বাড়ি ফিরে বুলান তাঁর মা ও বোনকে ব্যাপক মারধোর শুরু করে। অশান্তি থামিয়ে মা ও মেয়েকে রক্ষা করার জন্য তিনি বুলানের বাড়িতে যান। রাজা মাজির অভিযোগ, ওই সময়ে বুলান রডে করে তাঁকে মারধোর শুরু করে। পরে বুলান তাঁর বাঁ দিকের গোটা কানটি কামড়ে ছিঁড়ে নেয়। রাজা মাজি এদিন দাবি করেন, মদ ও ড্রাগেরআরও পড়ুনঃ মহামারী আইনে গ্রেফতার দেবাংশু-জয়া-সুদীপরা, ত্রিপুরা যাচ্ছেন অভিষেকনেশায় আশক্ত বিশ্বজিৎ সরকার তাকে খুন করতেও চেয়েছিল। তা না পেরে তাঁর কান কামড়ে ছিঁড়ে নিয়েছে বুলান। স্থানীয় বাসিন্দা পার্থ হাজরা জানিয়েছেন, এলাকায় নেশা আশক্তের সংখ্যা দিনদিন বাড়ছে। নেশা আশক্ত বিশ্বজিৎ সরকার ওরফে বুলান নৃশংস ঘটনা ঘটিয়ে গা ঢাকা দিয়েছে। পুলিশ এখনও তাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। যদিও গুসকরা ফাঁড়ির এক পুলিশ কর্তা জানিয়েছেন, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হযেছে। অভিযুক্তের সন্ধান চালানো হচ্ছে।

আগস্ট ০৮, ২০২১
রাজ্য

Vandalizing : পুলিশের উপরে হামলা ও পুলিশ গাড়ি ভাঙচুরের দায়ে গ্রেপ্তার প্রৌঢ়

পুলিশে উপর হামলা ও পুলিশ গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন এক বৃদ্ধ। ধৃতের নাম বদরে আলম শেখ ওরফে মিঠু। তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার মির্জাপুর গ্রামে। মেমারি থানার পুলিশ শনিবার ভোরে বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে। এদিনই ধৃতকে পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। সিজেএম ধৃতকে ২০ আগস্ট পর্যন্ত বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ এবার দলের কর্মীদের দিয়ে পায়ে জুতো গলিয়ে বিতর্কে বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়কপুলিশ জানিয়েছে, গত ২৫ জুলাই মেমারি বড় পলাশন গ্রামে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে মারপিট হয়। খবর পেয়ে পুলিস সেখানে পৌঁছায়। পুলিশ জমায়েত সরানো ও দুপক্ষকে গণ্ডগোল থামানোর জন্য বলে।সেই কথা না শুনে উল্টে কয়েকজন পুলিশের উপর হামলা চালায়। পুলিসকে লক্ষ্য করে ইট-পাথর ছোঁড়া শুরু করে। ইটের ঘায়ে পুলিসের একটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর মেমারি থানার ওসি বিশাল পুলিশী বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ঘটনার বিষয়ে সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করা, পুলিশের উপর হামলা চালানো ও সরকারি কর্মীকে কাজে বাধা দেওয়া এবং ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্টে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করেছে পুলিশ। সেই মামলায় বদরে আলম শেখ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হল।

আগস্ট ০৮, ২০২১
রাজ্য

Bribery : বিল্ডিংয়ের নকশা পাশ করাতে মোটা টাকা ঘুষ, বর্ধমানে অভিযুক্ত তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য

বিল্ডিং-এর নকশা অনুমোদনের জন্য মোটা অঙ্কের টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে। পূর্ব বর্ধমানের বৈকুন্ঠপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের অভিযুক্ত সদস্যা মিতা দাস।এলাকার কয়েকজন ব্যবসায়ীসহ তৃণমূলের এক কর্মীও মিতা দাসের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ এনেছেন। যদিও এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে এলাকার তৃণমূল নেত্রী তথা পঞ্চায়েত সদস্য মিতা দাস ওই তৃণমূল কর্মীকেই তোলাবাজ আখ্যা দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ পূর্ব বর্ধমানে বজ্রপাতে মৃত ৩, জখম ৭বিল্ডিং এর নকশা অনুমোদনের জন্য যারা পঞ্চায়েত সদস্য মিতা দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম বিজয় সাঁই। ২ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে বামচাঁদাইপুরে তাঁর ওষুধের দোকান। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের জন্য ইতামধ্যেই বিজয় সাঁইকে ওই দোকান ভেঙে ফেলার জন্য নোটিশ দিয়েছে। সেইজন্য তিনি তড়িঘড়ি এই দোকানের পিছনে থাকা জায়গায় আইন মেনে দোকানঘর তৈরির নকশা অনুমোদনের আবেদন করেন পঞ্চায়েতে। অভিযোগ, সেই সময় তাঁর কাছ থেকে প্ল্যান পাশ করাতে ৪০ হাজার টাকা ঘুষ নেন বৈকন্ঠপুর ২ পঞ্চায়েতের সদস্য মিতা দাস। তার অভিযোগ, আজ অবধি নকশা পাশ হয়নি। এলাকার তৃণমূলকর্মী মোজাম্মেল শাহের অভিযোগ, মিতা দাস এভাবেই ঘুষ নিয়ে থাকেন। তাঁকে টাকা দিয়েই বাড়ি কিংবা দোকান ঘর তৈরির জন্য প্ল্যান নিতে হয়। মিতা দাসকে দল থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবিও করেছেন মোজাম্মেল শাহ।আরও পড়ুনঃ শনিবার দিনভর দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাসএই বিষয়ে মিতা দাসকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, অভিযোগ মিথ্যা। কোনও প্রমাণ ছাড়াই আমার বিরুদ্ধে এইসব অভিযোগ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, মোজ্জামেল শাহ-ই তোলাবাজ।উনি শিখিয়ে পড়িয়ে এই অভিযোগ করিয়েছেন। জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, প্ল্যান পাশ করাতে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণ করাতে হবে। অভিযোগ সত্য প্রমাণ হলে দল ব্যবস্থা নেবে।

আগস্ট ০৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 25
  • 26
  • 27
  • 28
  • 29
  • 30
  • 31
  • 32
  • 33
  • 34
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ভোটার তালিকা থেকে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ! ধর্মতলায় ধরনায় বসলেন মমতা, তীব্র চ্যালেঞ্জ নির্বাচন কমিশনকে

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় বহু সাধারণ মানুষের নাম বাদ যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার দুপুর দুইটায় ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলের ডোরিনা ক্রসিংয়ে ধরনায় বসতে চলেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই সেখানে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি তুঙ্গে। এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর পুলিশ। উপস্থিত রয়েছেন তৃণমূলের নেতা থেকে কর্মীরা।এই কর্মসূচির মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট বার্তা দিতে চাইছেন যে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা করতেই তিনি পথে নেমেছেন। জানা গিয়েছে, এই ধরনা কর্মসূচিতে তাঁর পাশে থাকবেন সেই সব মানুষ যাঁদের পরিবারের সদস্যদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। সংশোধন প্রক্রিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত বহু ভোটারও এই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা যাচ্ছে।বঙ্গের এই সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রক্রিয়ার শুনানির শেষ পর্যায়ে তিনি ভুক্তভোগী ভোটারদের নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দফতরেও যান। সেখানে তিনি অভিযোগ জানান এবং সাধারণ মানুষের হয়ে কথা বলেন। তবুও এখনও পর্যন্ত পরিস্থিতি বদলায়নি বলে দাবি তৃণমূলের।তৃণমূল সূত্রের দাবি, বর্তমানে প্রায় এক কোটি কুড়ি লক্ষ ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে রয়েছে। এর মধ্যে তেষট্টি লক্ষের বেশি ভোটারের নাম ইতিমধ্যেই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। আরও প্রায় ষাট লক্ষ মানুষের ভোটাধিকার নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে আন্দোলনের পথেই হাঁটতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার রাজনীতিতে বহুবার দেখা গিয়েছে, যখনই সাধারণ মানুষের স্বার্থে কোনও সংকট তৈরি হয়েছে, তখনই তিনি রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছেন।ধর্মতলার ডোরিনা ক্রসিং রাজনৈতিক দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। প্রায় কুড়ি বছর আগে ধর্মতলার অনশন মঞ্চ থেকেই বাংলার রাজনীতিতে পরিবর্তনের সূচনা হয়েছিল। সেই একই জায়গায় আবারও ধরনায় বসতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এই আন্দোলনের লক্ষ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রতিবাদ করা এবং বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার বিষয়টি রুখে দেওয়া। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মানুষ যদি ভোট দিতে না পারে, তাহলে সেই নির্বাচনের কোনও অর্থ থাকে না। তাঁর অভিযোগ, চূড়ান্ত তালিকা তৈরি হওয়ার পরেও দিল্লির নির্দেশে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশন থেকে শুরু করে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত সব জায়গায় অভিযোগ জানানো হয়েছে। তবুও বহু মানুষের নাম এখনও তালিকায় নেই। সেই কারণেই বাংলার মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে তিনি শুক্রবার থেকে ধর্মতলায় ধরনায় বসছেন। পাশাপাশি তিনি সকলকে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করার আহ্বানও জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, এটি শুধু রাজনৈতিক বিষয় নয়, এটি বাংলার সম্মানের প্রশ্ন।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

আকাশ ছুঁয়ে ধেয়ে এল মৃত্যু! যে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্রে খামেনির শেষ, সেই প্রযুক্তিই আনছে ভারত

অপারেশন এপিক ফিউরি চলাকালীন একটি অত্যাধুনিক ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনিকে হত্যা করা হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রটির নাম ব্লু স্প্যারো। এটি একটি বিশেষ ধরনের বিমান থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। একই ধরনের প্রযুক্তি এখন ভারতও নিজেদের প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়ানোর জন্য পরীক্ষা ও সংযোজন করছে বলে খবর।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে ইরানের সময় প্রায় সাড়ে সাতটার দিকে ইসরায়েলের যুদ্ধবিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ছোড়া হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা পরে তেহরানে খামেনির কম্পাউন্ডে গিয়ে আঘাত হানে সেটি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ এবং আক্রমণের ধরন এতটাই জটিল যে সাধারণ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে এটিকে আটকানো প্রায় অসম্ভব।ব্লু স্প্যারো ক্ষেপণাস্ত্রকে অনেক সময় মহাকাশ থেকে আসা ক্ষেপণাস্ত্র বলা হয়। কারণ এটি প্রথমে একটি বুস্টার রকেটের সাহায্যে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের প্রায় প্রান্তসীমা পর্যন্ত উঠে যায়। তারপর সেখান থেকে অত্যন্ত উচ্চ গতিতে আবার নিচে নেমে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করে। এই সময়ে ক্ষেপণাস্ত্রটির গতি শব্দের গতির পাঁচ গুণেরও বেশি হয়ে যায়। ফলে শত্রুপক্ষের পক্ষে এটিকে শনাক্ত করা বা ধ্বংস করা খুব কঠিন হয়ে পড়ে।এই ক্ষেপণাস্ত্রে জিপিএস ও ইনর্শিয়াল নেভিগেশন ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়। ফলে এটি হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে অত্যন্ত নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারে। এমনকি একটি ভবনের নির্দিষ্ট ঘরকেও লক্ষ্য করে আঘাত হানার ক্ষমতা রয়েছে বলে দাবি করা হয়।ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সংস্থা রাফায়েল এই স্প্যারো পরিবারের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছিল মূলত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের অনুকরণে পরীক্ষা চালানোর জন্য। পরে সেই প্রযুক্তিকেই আরও উন্নত করে আক্রমণাত্মক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়।এই প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করেই ভারত নিজেদের বায়ুসেনার শক্তি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। বিশেষ করে রকস ও গোল্ডেন হরাইজন নামে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা নিয়ে কাজ চলছে বলে জানা গেছে।রকস ক্ষেপণাস্ত্রটি মূলত ব্লু স্প্যারো প্রযুক্তির একটি উন্নত সংস্করণ। ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে ভারতীয় বায়ুসেনা সুখোই সু-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালায়। প্রায় তিনশো কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্র। জিপিএস না থাকলেও এটি নিজস্ব সেন্সর ব্যবহার করে লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে পারে।এ ছাড়াও গোল্ডেন হরাইজন নামে একটি দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ভারতের কাছে প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এর সম্ভাব্য পাল্লা প্রায় দেড় হাজার থেকে দুই হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। এই প্রযুক্তি যুক্ত হলে ভারত আন্তর্জাতিক সীমান্ত না পেরিয়েও শত্রু দেশের অনেক গভীরে আঘাত হানতে সক্ষম হবে।ভারত ইতিমধ্যেই ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলির সঙ্গে যৌথভাবে বিভিন্ন আধুনিক অস্ত্র ব্যবস্থার ব্যবহার শুরু করেছে। ২০২৫ সালে অপারেশন সিন্দুর চলাকালীনও ইসরায়েলি প্রযুক্তির বিভিন্ন অস্ত্র ব্যবহারের কথা সামনে আসে।সেই সময় নির্ভুল লক্ষ্যভেদের জন্য স্পাইস কিট ব্যবহার করা হয়। এগুলির সাহায্যে সাধারণ বোমাকেও অত্যন্ত নির্ভুল নির্দেশিত অস্ত্রে পরিণত করা যায়। এছাড়া হারপি ও হারপ ড্রোন ব্যবহার করে শত্রুপক্ষের রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হয় বলে জানা যায়।ভারত ও ইসরায়েলের যৌথ উদ্যোগে তৈরি বারাক-৮ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাও সেই অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। এই ব্যবস্থাটি আকাশপথে আসা শত্রু ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমানের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা তৈরি করতে সাহায্য করে।এ ছাড়াও বেঙ্গালুরুতে ভারতীয় ও ইসরায়েলি সংস্থার যৌথ উদ্যোগে তৈরি স্কাইস্ট্রাইকার ড্রোন এবং র্যাম্পেজ ক্ষেপণাস্ত্রও বিভিন্ন গভীর আঘাত হানার অভিযানে ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের উন্নত প্রযুক্তি যুক্ত হলে ভারতীয় বায়ুসেনার গভীর আঘাত হানার ক্ষমতা আরও অনেক গুণ বাড়বে। ভবিষ্যতে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারত ও ইসরায়েলের সহযোগিতা আরও বাড়তে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

ব্রিগেডের মঞ্চে বড় চমক দিতে চলেছেন মোদি! বাংলার জন্য কী ঘোষণা আসতে পারে? জল্পনা তুঙ্গে

কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আগামী শনিবার বড় জনসভা করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সভা থেকেই বড় কোনও ঘোষণা করতে পারেন তিনি বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বিজেপি সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই সভাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে দল।দলীয় সূত্রের দাবি, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকেই বাংলার মানুষের জন্য একটি বড় প্রতিশ্রুতি বা ঘোষণা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। সেই ঘোষণা রাজনৈতিক মহলে বড় চমক তৈরি করতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের সমীকরণেও তার বড় প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।বিজেপির এক কেন্দ্রীয় নেতা জানিয়েছেন, ব্রিগেডের সভায় প্রধানমন্ত্রী এমন একটি বার্তা দিতে পারেন যা সরাসরি বাংলার মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি হিসেবে সামনে আসবে। তাঁর কথায়, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাটি শুধু রাজনৈতিক দিক থেকে নয়, প্রশাসনিক ও উন্নয়নের দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। সেই কারণেই এই ঘোষণাকে ঘিরে আগ্রহ ক্রমশ বাড়ছে।দলীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, রাজ্যে নির্বাচনের আগে বিজেপি তাদের প্রচারে গতি আনতে একের পর এক বড় প্রতিশ্রুতি সামনে আনছে। সম্প্রতি এক জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতির কথা ঘোষণা করেন। সেখানে বলা হয়, রাজ্যে সপ্তম বেতন কমিশন চালু করা হবে, আট মাসের মধ্যে সমস্ত শূন্য সরকারি পদ পূরণ করা হবে এবং যুবকদের চাকরির বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে।বিজেপি নেতৃত্বের মতে, এই প্রতিশ্রুতিগুলি বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের কর্মসংস্থান এবং প্রশাসনিক কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। সেই কারণেই ব্রিগেডের সভা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে যদি বড় কোনও অর্থনৈতিক বা কর্মসংস্থান সংক্রান্ত ঘোষণা করা হয়, তবে তা বাংলার নির্বাচনী লড়াইয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। তবে প্রধানমন্ত্রী ঠিক কী ঘোষণা করতে চলেছেন, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি বিজেপি নেতৃত্ব। ফলে ব্রিগেডের সভাকে ঘিরে জল্পনা এবং কৌতূহল দুটোই ক্রমশ বাড়ছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

তেল সংকটের আশঙ্কার মাঝেই বড় স্বস্তি! রাশিয়া থেকে তেল কিনতে ভারতের পথে আর বাধা নেই

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতে তেল সংকটের আশঙ্কাও দেখা দিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে সাময়িক ছাড় দিল আমেরিকা। এর ফলে আপাতত বড় স্বস্তি পেল নয়া দিল্লি।কিছু দিন আগেই কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছিল, দেশে প্রায় পঁচিশ দিনের পরিশোধিত ও অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে। তবে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে এবং গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে তেল সরবরাহে বড় সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।এই পরিস্থিতির মধ্যেই রাশিয়া আগেই জানিয়ে দিয়েছিল যে ভারতের প্রয়োজন হলে তারা তেল সরবরাহ করতে প্রস্তুত। কিন্তু আগে রাশিয়ার থেকে তেল না কেনার শর্তে ভারতের উপর শুল্ক কমিয়েছিল আমেরিকা। সেই কারণে ভারত আদৌ রাশিয়ার তেল কিনতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল।অবশেষে সেই জট কাটল। আমেরিকার ট্রেজারি বিভাগ ভারতকে রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য সাময়িক ছাড়পত্র দিয়েছে। জানা গিয়েছে, এই অনুমতি ত্রিশ দিনের জন্য দেওয়া হয়েছে। পাঁচ মার্চ থেকে এই সময়সীমা কার্যকর হয়েছে এবং তিন এপ্রিল পর্যন্ত ভারত রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করতে পারবে।আমেরিকার ট্রেজারি সচিব স্কট বেনেট সমাজমাধ্যমে একটি বার্তায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমেরিকার জ্বালানি কর্মসূচির ফলে তেল ও গ্যাস উৎপাদন অনেক বেড়েছে। বিশ্ব বাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে ত্রিশ দিনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।একই সঙ্গে তিনি ভারত ও আমেরিকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ভারত আমেরিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। ভবিষ্যতে ভারত আমেরিকার কাছ থেকেও তেল কেনা বাড়াবে বলে তারা আশা করছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইরান। তবে রাশিয়া ও চিনের তেলবাহী জাহাজকে এই নিষেধাজ্ঞা থেকে ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সূত্রে জানা গিয়েছে।খবরে জানা যাচ্ছে, ভারতীয় জলসীমার কাছাকাছি এলাকায় রাশিয়ার প্রায় পঁচানব্বই লক্ষ ব্যারেল তেল রয়েছে। রাশিয়া আগেই জানিয়েছিল, প্রয়োজন হলে ভারত এই তেল ব্যবহার করতে পারে।এদিকে হরমুজ প্রণালী নিয়ে সম্প্রতি ইরানের বিদেশমন্ত্রী আরাঘাচির সঙ্গে কথা বলেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেই আলোচনার পর থেকেই মনে করা হচ্ছিল, এই সংকটের প্রভাব ভারতে খুব বেশি পড়বে না।তারই মধ্যে আমেরিকার এই সিদ্ধান্তে আপাতত তেল সরবরাহ নিয়ে বড় স্বস্তি পেল ভারত। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতি কত দিন চলবে এবং বিশ্ব বাজারে তেলের দামে তার কী প্রভাব পড়বে, তা নিয়েই এখন নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলের।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

বড় সিদ্ধান্ত কর্নাটকের! ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য বন্ধ সমাজমাধ্যম, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

শিশুদের অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার ও সমাজমাধ্যমের প্রভাব ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত নিল কর্নাটক সরকার। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ঘোষণা করেছেন, ষোলো বছরের নিচে কোনও শিশু সমাজমাধ্যম ব্যবহার করতে পারবে না। রাজ্যের বাজেট পেশ করার সময় বিধানসভায় এই ঘোষণা করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমানে শিশুদের মধ্যে মোবাইল ও সমাজমাধ্যম ব্যবহারের প্রবণতা দ্রুত বাড়ছে। এর ফলে পড়াশোনা, আচরণ এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উপর খারাপ প্রভাব পড়ছে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, শিশুদের সুরক্ষা এবং ভবিষ্যৎ রক্ষার জন্য এই পদক্ষেপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।এই সিদ্ধান্তের ফলে কর্নাটক দেশের প্রথম রাজ্য যেখানে ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যম ব্যবহারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল। এর আগে আন্ধ্রপ্রদেশ এবং গোয়া সরকারও একই ধরনের পদক্ষেপের কথা ভাবছিল। তবে সবচেয়ে আগে কঠোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করল কর্নাটক সরকার।রাজ্যের রাজধানী বেঙ্গালুরু দেশের অন্যতম বড় প্রযুক্তি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। সেই রাজ্যেই শিশুদের মোবাইল ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ আনার প্রস্তাব নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনা চলছিল। গত মাসে সরকার স্কুল ও কলেজে ষোলো বছরের নিচে পড়ুয়াদের মোবাইল ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আনার বিষয়েও ভাবনা শুরু করেছিল।মুখ্যমন্ত্রী এর আগে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে তিনি শিশুদের মধ্যে বাড়তে থাকা সমাজমাধ্যম আসক্তি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, অনেক পড়ুয়া এই কারণে পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ছে এবং মানসিক সমস্যার মুখেও পড়ছে।সরকারের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে মোবাইলের পর্দায় সময় কাটালে পড়াশোনার ফল খারাপ হতে পারে। আচরণেও পরিবর্তন দেখা যায়। পাশাপাশি অজানা ও ক্ষতিকর বিষয়বস্তুর সংস্পর্শে আসার আশঙ্কাও থাকে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে মাদক চক্রের সঙ্গেও জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয় বলে প্রশাসনের দাবি।বিশ্বের বিভিন্ন দেশও শিশুদের সমাজমাধ্যম ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ আনতে শুরু করেছে। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া সরকারও ষোলো বছরের নিচে কিশোরদের জন্য একাধিক সমাজমাধ্যম ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে।কর্নাটক সরকারের এই সিদ্ধান্ত দেশজুড়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ রক্ষায় এই পদক্ষেপ কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে সবার।মেটা বিবরণ: শিশুদের মোবাইল ও সমাজমাধ্যম আসক্তি ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত কর্নাটক সরকারের। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ঘোষণা করলেন, ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যম ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

মার্চ ০৬, ২০২৬
বিদেশ

জেন জ়ির সমর্থনেই কি ইতিহাস? গণনায় এগিয়ে বলেন্দ্র, বড় ধাক্কা খেতে চলেছেন ওলি

নেপালে সাম্প্রতিক বিক্ষোভের পর প্রথমবারের মতো জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয়েছে ভোট গ্রহণ। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই শুরু হয়েছে ভোট গণনা। আর গণনার প্রাথমিক প্রবণতায় বড় চমক দেখা যাচ্ছে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি-কে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছেন কাঠমান্ডুর প্রাক্তন মেয়র বলেন্দ্র শাহ। তরুণ প্রজন্মের আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছিলেন বলেন্দ্র। সেই জনপ্রিয়তাই এখন ভোটের বাক্সে প্রতিফলিত হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।ঝাপা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন বলেন্দ্র শাহ। এই কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরেই ওলির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। কিন্তু প্রাথমিক গণনায় দেখা যাচ্ছে, চুয়াত্তর বছর বয়সি ওলিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছেন বলেন্দ্র। যদি এই প্রবণতা শেষ পর্যন্ত বজায় থাকে, তাহলে নেপালের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন ঘটতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।বলেন্দ্র শাহের পরিচয় প্রথমে একজন সংগীতশিল্পী হিসেবে। পরে তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। তিনি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর কাঠামোগত প্রকৌশলে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন। বর্তমানে তিনি কাঠমান্ডু বিশ্ববিদ্যালয়-এ গবেষণা করছেন। কিছুদিন তিনি টেলিভিশন সঞ্চালক হিসেবেও কাজ করেছেন। পরে রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যোগ দেন এবং রাষ্ট্রীয় স্বাধীন পার্টি-তে যোগ দেন রবি লামিছানে-র নেতৃত্বে। দুই হাজার বাইশ সালে তিনি নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর মেয়র নির্বাচিত হন।নেপালের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বলেন্দ্র শাহ অত্যন্ত জনপ্রিয়। সমাজমাধ্যম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল, সেখানে তিনি প্রকাশ্যে সমর্থন জানান। সেই আন্দোলনের জেরে নেপালের নির্বাচিত সরকারের পতন ঘটে এবং ক্ষমতাচ্যুত হন কে পি শর্মা ওলি। আন্দোলনের সময় একাংশ বিক্ষোভকারী বলেন্দ্র শাহকেই অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী করার দাবি তুলেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান নেপালের সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কী।সাম্প্রতিক সময়ে নেপালের রাজনীতিতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে উঠেছেন বলেন্দ্র শাহ। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে তাঁর জনপ্রিয়তা দ্রুত বেড়েছে। এবার নির্বাচনের ফলাফল যদি তাঁর পক্ষে যায়, তাহলে তাঁকে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবেও তুলে ধরতে পারে তাঁর দল।তবে বলেন্দ্র শাহ প্রধানমন্ত্রী হলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। কারণ তিনি অতীতে একাধিকবার ভারতের বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। ভারতের কিছু অঞ্চলকে নেপালের অংশ বলে দাবি করেছিলেন তিনি। দুই হাজার তেইশ সালের জুন মাসে নিজের কার্যালয়ে নেপালের একটি নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছিলেন বলেন্দ্র। সেই মানচিত্রে ভারতের কয়েকটি অঞ্চলকে বৃহত্তর নেপালের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।এদিকে ভারতের তরফে জানানো হয়েছে, নেপালের পরিস্থিতির উপর তারা নজর রাখছে। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, নেপালে শান্তি, অগ্রগতি এবং স্থিতিশীলতাকে ভারত সবসময় সমর্থন করে। নতুন সরকার গঠনের পর দুই দেশের সম্পর্ক আরও মজবুত করার জন্য ভারত কাজ করতে প্রস্তুত বলেও তিনি জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, নেপালের সংসদের নিম্নকক্ষের জন্য মোট দুইশো পঁচাত্তর জন সদস্য নির্বাচিত হন। এর মধ্যে একশো পঁয়ষট্টি জন সরাসরি ভোটে এবং একশো দশ জন অনুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত হন। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই ভোট গণনা শুরু হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা হতে পারে বলে জানা গেছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে রাজ্যপাল পদ ছাড়লেন সিভি আনন্দ বোস! বাংলায় আসছেন বিতর্কিত আর এন রবি?

ভোটের আগে হঠাৎই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দিলেন সি ভি আনন্দ বোস (Bengal Governor)। কেন তিনি এই সিদ্ধান্ত নিলেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। এরই মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে বড় দাবি করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পোস্টেই উঠে এসেছে বাংলার সম্ভাব্য নতুন রাজ্যপালের নাম (Bengal Governor)।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁকে জানিয়েছেন যে আর এন রবি-কে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করা হচ্ছে (Bengal Governor)। তবে এই বিষয়ে তাঁর সঙ্গে আগে কোনও আলোচনা করা হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।কে এই আর এন রবি, তা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। তাঁর পুরো নাম রবীন্দ্র নারায়ণ রবি। তিনি উনিশশো ছিয়াত্তর সালের কেরল ক্যাডারের ভারতীয় পুলিশ পরিষেবার আধিকারিক। জন্ম বিহারের পাটনায়, ১৯৫২ সালের ৩ এপ্রিল। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি মেধাবী ছাত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন। পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর দেশসেবার লক্ষ্য নিয়ে প্রশাসনিক পরিষেবায় যোগ দেন।কর্মজীবনের বড় অংশ কেটেছে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা বিভাগে। তিনি দীর্ঘদিন ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো-তে গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন। বিশেষ করে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিদ্রোহ দমন এবং জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য বলে মনে করা হয়। পরে তিনি ভারত সরকারের জয়েন্ট ইন্টেলিজেন্স কমিটি-র চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।তাঁর কর্মজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় নাগা শান্তি আলোচনা। দীর্ঘদিন ধরে চলা জটিল সমস্যার সমাধানে তিনি ভারত সরকারের প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। এই সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে দেশের উপ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পদেও নিয়োগ করা হয়।পরবর্তীতে তিনি রাজ্যপাল হিসেবেও দায়িত্ব সামলেছেন। ১৯১৯ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত নাগাল্যান্ডের রাজ্যপাল ছিলেন। সেই সময় কিছুদিনের জন্য মেঘালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বও পালন করেন। এরপর ২০২১ সাল থেকে তিনি তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসেবে কাজ করছেন।তবে তামিলনাড়ুতে তাঁর সময়কাল বারবার বিতর্কের কেন্দ্রেও এসেছে। রাজ্য সরকারের সঙ্গে একাধিক বিষয়ে সংঘাত প্রকাশ্যে এসেছে। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন এক সময় তাঁকে কেন্দ্রের এজেন্ট বলেও কটাক্ষ করেছিলেন। পরে রাজ্য সরকার তাঁর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টেও যায়। অভিযোগ ছিল, রাজ্যপাল দীর্ঘ সময় ধরে একাধিক বিল আটকে রেখেছিলেন।এবার সেই বিতর্কিত রাজ্যপালের নামই ঘুরে বেড়াচ্ছে বাংলার নতুন রাজ্যপাল হিসেবে। গত কয়েক বছরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে রাজ্যপালের সংঘাত বারবার খবরের শিরোনামে এসেছে। তাই আর এন রবি এলে সেই সংঘাত কি আবার নতুন করে শুরু হবে, তা নিয়েই এখন রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা।

মার্চ ০৬, ২০২৬
কলকাতা

হরমুজ প্রণালীর টানাপোড়েন, গ্যাস সরবরাহে চাপ! নতুন ডবল সিলিন্ডার আপাতত বন্ধ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার সাধারণ মানুষের রান্নাঘরেও পড়তে শুরু করেছে। ইরান ও ইজরায়েল-এর সংঘাতের মধ্যে নতুন করে ডবল গ্যাস সিলিন্ডারের সংযোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তেল সংস্থাগুলির তরফে গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরদের এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। অর্থাৎ কোনও গ্রাহক নতুন করে দ্বিতীয় সিলিন্ডারের জন্য আবেদন করলেও আপাতত তা দেওয়া হবে না।জানা গিয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে যাতে রান্নার গ্যাসের জোগানে সমস্যা না হয়, সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে যেসব পরিবারের রান্নাঘরে এখন একটি মাত্র সিলিন্ডার রয়েছে, আপাতত তাদের সেই একটি সিলিন্ডার নিয়েই চলতে হবে। গ্যাস ডিলারদের মতে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে এখনও কিছুটা সময় লাগতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজ চলাচল করে। এই পথ দিয়ে জাহাজ চলাচলে সমস্যা হলে রান্নার গ্যাস সরবরাহে বড় চাপ তৈরি হতে পারে। কারণ ভারতের জ্বালানি আমদানির বড় অংশ এই পথ দিয়েই আসে।ভারতে ঘরে ঘরে ব্যবহৃত রান্নার গ্যাসের সরবরাহ ব্যবস্থাকে এখন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে মনে করা হচ্ছে। অপরিশোধিত তেল বা তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের তুলনায় রান্নার গ্যাসের উৎস অনেক কম এবং মজুতও তুলনামূলকভাবে সীমিত। দেশের মোট চাহিদার প্রায় আশি থেকে পঁচাশি শতাংশ রান্নার গ্যাস বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। এর বেশির ভাগই উপসাগরীয় দেশগুলি থেকে আসে এবং প্রায় সব জাহাজই হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে ভারতে পৌঁছয়।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে দেশে প্রায় ত্রিশ দিনের রান্নার গ্যাস মজুত রয়েছে। তবে নির্ধারিত জাহাজ যদি দেরিতে পৌঁছয়, তাহলে সরবরাহে সমস্যা তৈরি হতে পারে।এদিকে সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কায় অনেক মানুষ আগেভাগে গ্যাস সিলিন্ডার বুক করতে শুরু করেছেন। এতে দ্রুত মজুত কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন শহরের গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটররা জানিয়েছেন, অনেক গ্রাহক অতিরিক্ত সিলিন্ডার সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। সেই কারণেই সাধারণ মানুষকে অযথা বেশি সিলিন্ডার মজুত না করার অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।অন্যদিকে সমাজমাধ্যমে তেলের দাম বাড়ার গুজবও ছড়িয়ে পড়ছে। তার প্রভাব পড়েছে পেট্রল পাম্পগুলিতেও। অনেকেই আতঙ্কে গাড়ির ট্যাঙ্ক পুরো ভরে নিচ্ছেন। তবে পাম্প মালিকদের দাবি, এখনই আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। তেলের পর্যাপ্ত জোগান রয়েছে।ওয়েস্ট বেঙ্গল পেট্রল ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন-এর সভাপতি অরুণ সিংঘানিয়া জানিয়েছেন, এখনও তেলের জোগান কমে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তবে যুদ্ধ দীর্ঘদিন চললে দামের কিছু পরিবর্তন হতে পারে। কিন্তু এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই বলেই তাঁর দাবি।মেটা বিবরণ: ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে জ্বালানি সরবরাহে। নতুন করে ডবল গ্যাস সিলিন্ডার সংযোগ আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ তেল সংস্থার, সাধারণ মানুষকে অযথা মজুত না করার পরামর্শ।

মার্চ ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal