• ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২, শনিবার ০৭ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Purba Bardhaman

রাজ্য

CBI Burdwan: আলাদা ভাবে খুনের মামলা রুজু করে বর্ধমানের বিজেপি কর্মীর মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করলো সিবিআই

খুনের মামলা রুজু করেই বর্ধমানের কাঞ্চননগরের বিজেপি কর্মী নারায়ণ দের মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেদিল সিবিআই।খুনের মামলা রুজু করার বিষয়টি মঙ্গলবার বর্ধমান সিজেএম আদালতে জানান সিবিআইয়ের স্পেশাল ক্রাইম ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সঞ্জয়কুমার সিনহা। তার পর এদিনই সিবিআইয়ের ৪ সদস্যের তদন্তকারী দল শুরু করে দিলেন বিজেপি কর্মী নারায়ন দে কে খুনের ঘটনার তদন্ত।নারায়ন দে-র মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে গত ২৪ জুন খুনের মামলা রুজু করে বর্ধমান থানার পুলিশ তদন্তে নামে। কিন্তু কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। সিবিআই আলাদা ভাবে খুনের মামলা রুজু করে তদন্তে নামায় খুনিরা ধরা পড়বে বলে আশাবাদী নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবার।আরও পড়ুনঃ ভবানীপুরের উপনির্বাচনের অভিঘাত ভিন্ন, তবে মনে করাচ্ছে ৬৫ বছর আগের বাংলার রাজনীতির কথাসিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, পেশায় টোটো চালক নারায়ণ দে বিজেপি কর্মী ছিলেন। গত ১৮ এপ্রিল বর্ধমানের কাঞ্চননগর এলাকায় বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সেই সময় নারায়ণ টোটো চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। তৃণমূলের লোকজন নারায়ণ কে ধরে প্রচণ্ড মারধর করে। মারধরে তিনি গুরুতর জখম হন। অথচ সেই সময়ে ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ নারায়ণ সহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার হওয়ার তিনদিন পর আদালত থেকে জামিনে ছাড়া পান নারায়ণ। এরপর পরিবারের লোকজন তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখান থেকে তাঁকে শহরের খোসবাগান এলাকার একটি নার্সিংহোমে স্থানান্তরিত করা হয়। পরে বোরহাট এলাকার একটি নার্সিংহোমেও তাঁর চিকিৎসা হয়। নার্সিংহোম থেকে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ৬ মে নারায়ণ দে মারা যান। তাঁর স্ত্রী পূর্ণিমা দে ২৪ জুন ঘটনার কথা জানিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ভোট পরবর্তী এই রাজনৈতিক হিংসার মামলার তদন্তভারও সিবিআই হাতে নেয়।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১
রাজ্য

Wall Crushed : মাটির বাড়ির দেওয়ালের নীচে চাপা পড়ে মৃত্যু এক, জখম দুই

ভেঙে পড়া মাটির বাড়ির দেওয়ালের নিচে চাপা পড়ে মৃত্যু হল এক গৃহবধূর। জখম হয়েছেন বধূর স্বামী ও ছেলে। মঙ্গলবার রাতে মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোট থানার পলিগ্রামের থান্ডার পাড়ায়।মৃত বধূর নাম রাখি থান্ডার (৩৫)। ঘটনায় জখম বধূর স্বামী সুপল থান্ডার (৪০) ও ছেলে তন্ময় থান্ডার (১১) বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বুধবার কাটোয়া মহকুমা হাসপাতাল পুলিশ মর্গে মৃত বধূর দেহের ময়নাতদন্ত হয়। বধূর এমন মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।আরও পড়ুনঃ আইপিএলে আবার করোনার হানা, আক্রান্ত টি নটরাজনপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আর্থিক ভাবে দুর্বল সুপল থান্ডারসহ তাঁর পরিবারের আটজন সদস্য মাটির দোতলা বাড়িতে বসবাস করতেন। মঙ্গলবার রাতে মাটির বাড়ির দোতলার ঘরে পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে ছিলেন। গভীর রাতে বাড়ির দোতলার অংশ হাঠাৎতই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। ভেঙে পড়া মাটির বাড়ির দেওয়ালের নিচে চাপা পড়ে যান রাখি থান্ডার এবং তাঁর স্বামী ও ছেলে। খবর পেয়ে পুলিশ ও স্থানীয় মানুষজন মাটির ভাঙা দেওয়াল সরিয়ে তিন জনকে উদ্ধার করে মঙ্গলকোট ব্লক স্বাস্থকেন্দ্রে নিয়েযায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাখিদেবীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। শারীরিক অবস্থা খারাপ থাকায় বধূর স্বামী সুপল থান্ডার ও ছেলে তন্ময় থান্ডারকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য মহাদেব পাল জানান, কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে মাটির বাড়িটি দুর্বল হয়ে পড়াতেই ভেঙে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। দরিদ্র পরিবারটির দিকে সবরকম সাহায্য সযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১
রাজ্য

CBI: বর্ধমানের কাঞ্চননগরে বিজেপি কর্মীকে খুনের ঘটনায় পৃথক মামলা রুজু সিবিআইয়ের

ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসার ঘটনার তদন্তে নেমে আবারও একটি খুনের মামলা রুজু করল সিবিআই। এবার সিবিআই বর্ধমানের কাঞ্চননগরে বিজেপি কর্মী নারায়ণ দে-কে পিটিয়ে মারার ঘটনা নিয়ে খুনের মামলা রুজু করল। মামলা রুজুর বিষয়টি মঙ্গলবার বর্ধমান সিজেএম আদালতে জানিয়েছেন সিবিআইয়ের স্পেশাল ক্রাইম ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সঞ্জয়কুমার সিনহা। নারায়ন দে-র মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে গত ২৪ জুন খুনের মামলা রুজু বর্ধমান থানার পুলিশ তদন্তে নামে। কিন্তু কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। সিবিআই আলাদা ভাবে খুনের মামলা রুজু করে তদন্তে নামায় খুনিরা ধরা পড়বে বলে আশাবাদী নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবার।আরও পড়ুনঃ বিরলতম ঘটনা, পুরুলিয়া সূচকাণ্ডে মৃত্যুদণ্ডসিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, পেশায় টোটো চালক নারায়ণ দে বিজেপি কর্মী ছিলেন। গত ১৮ এপ্রিল বর্ধমানের কাঞ্চননগর এলাকায় বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সেই সময় নারায়ণ টোটো চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। তৃণমূলের লোকজন নারায়ণকে ধরে প্রচণ্ড মারধর করে। মারধরে তিনি গুরুতর জখম হন। অথচ সেই সময়ে ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ নারায়ণসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার হওয়ার তিনদিন পর আদালত থেকে জামিনে ছাড়া পান নারায়ণ। এরপর পরিবারের লোকজন তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভির্ত করেন। সেখান থেকে তাঁকে শহরের খোসবাগান এলাকার একটি নার্সিংহোমে স্থানান্তরিত করা হয়। পরে বোরহাট এলাকার একটি নার্সিংহোমেও তাঁর চিকিৎসা হয়। নার্সিংহোম থেকে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ৬ মে নারায়ণ দে মারা যান। তাঁর স্ত্রী পূর্ণিমা দে ২৪ জুন ঘটনার কথা জানিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ভোট পরবর্তী এই রাজনৈতিক হিংসার মামলার তদন্তভারও সিবিআই হাতে নেয়। আরও পড়ুনঃ মুখ থেঁতলানো মহিলার পরিচয় মিলল, খুনির খোঁজে পুলিশএকই ভাবে হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই জেলার জামালপুরের নবগ্রামে বিজেপি নেতার মাকে খুনের ঘটনারও তদন্ত চালাচ্ছে। তবে এই খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত তৃণমূলের তিন জনের আগাম জামিন এদিন মঞ্জুর করে বর্ধমান আদালত। গ্রেপ্তারি এড়াতে নবগ্রামের বাসিন্দা কুমারেশ ঘোষ, সমীর ঘোষ ও অমরেশ বাগ জেলা জজের আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন। মঙ্গলবার সেই আবেদনের শুনানি হয়। অভিযুক্তদের আইনজীবী বিশ্বজিৎ দাস আদালতে সওয়াল পর্বে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তিনজনকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। তিনজনের কেউ এই ঘটনায় জড়িত নয়। মামলায় অন্যান্য অভিযুক্তরাও জামিন পেয়ে গিয়েছেন। সিবিআইয়ের আইনজীবী অবশ্য জামিনের জোরালো বিরোধিতা করেন। সিবিআইনের আইনজীবী বলেন, অভিযুক্তরা জামিন পেলে সাক্ষীদের ভয় দেখাতে পারে। মামলা প্রভাবিত হতে পারে। তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে অভিযুক্তদের জামিন দিলে মামলা ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে সিবিআইয়ের আইনজীবী আদলতে দাবি করেন। যদিও সিবিআইয়ের বক্তব্যকে আমল না দিয়ে ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা বিচারক অর্জুন মুখোপাধ্যায় ৩ জনের আগাম জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেন।আরও পড়ুনঃ খড়দায় চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু বাবা-মা-ছেলেরসিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোটের ফল বের হওয়ার পর দিন অর্থাৎ গত ৩ মে দুপুরে নবগ্রামে বিজেপির শক্তিপ্রমুখ আশিস ক্ষেত্রপালের বাড়িতে তৃণমূলের লোকজন হামলা চালায়। তাঁদের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। আশিসের বাবা অনিল ক্ষেত্রপালকে টাঙি দিয়ে কোপানো হয়। ওই সময়ে স্বামীকে বাঁচাতে গেলে কাকলি ক্ষেত্রপাল(৪৭)-কে বেধড়ক মারধর করা হয়। তাঁর গলায় ভোজালির কোপ মারা হয়। কাকলিকে জামালপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার কথা জানিয়ে কাকলির প্রতিবেশী মামণি ক্ষেত্রপাল জামালপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নেমে পুলিশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই এই খুনের মামলারও তদন্ত চালাচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
রাজ্য

Women Murder: মুখ থেঁতলানো মহিলার পরিচয় মিলল, খুনির খোঁজে পুলিশ

কোমরের পুঁটুলির মধ্যে থাকা কাগজের টুকরোয় লেখা ছিল কিছু ফোন নম্বার। তার সূত্র ধরে তদন্ত চালিয়ে পুলিশ ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই মুখ থেঁতলে প্রাণে মেরে দেওয়া মহিলার পরিচয় উদ্ধার করতে সক্ষম হল। রবিবার সকালে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার জৌগ্রামের জলেশ্বরতলা এলাকার একটি বাঁশ বাগান থেকে পুলিশ মুখ থেঁতলানো এক অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার রক্তাত দেহ উদ্ধার করেছিল। মঙ্গলবার পুলিশ জানতে পেরেছে ওই মহিলার নাম সুখী মাণ্ডি (৪৭)। তাঁর স্বামীর নাম সাধন মাণ্ডি। তাঁরা জেলার মেমারি থানার নিমো ১ পঞ্চায়েতের পলশা গ্রামের বাসিন্দা। যদিও কারা, কি উদ্দেশ্যে মহিলাকে খুন করলো সেই বিষয়টি এখনও পুলিশের কাছে পরিস্কার নয়। খুনের মামলা রুজু করে পুলিশ মহিলার মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে। পুলিশের দাবি খুব শীঘ্রই ধরা পড়বে খুনিরা।আরও পড়ুনঃ মুখ থেঁতলানো রক্তাক্ত মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার, ব্যাপক চাঞ্চল্য জামালপুরেপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জৌগ্রামের জলেশ্বর শিব মন্দির সংলগ্ন সেচ ক্যানেল পাড়ে রয়েছে বাঁশ বাগান। রবিবার সকালে এলাকার বাসিন্দারা ওই বাঁশ বাগানে এক অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার রক্তাক্ত মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে জামালপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে তদন্তে যায়। মহিলার মুখের অংশ থেঁতলানো ছিল। তাঁর কারণে কেউ মহিলার পরিচয় জানাতে পারছিলেন না। ওই দিন প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ নিশ্চিৎ হয় মহিলাকে নৃশংস ভাবে খুন করে কেউ মৃতদেহ বাঁশ বাগানে ফেলে দিয়ে পালিয়েছে। এরপরেই পুলিশ মহিলার পরিচয় উদ্ধারের প্রচেষ্টা চালায়।আরও পড়ুনঃ এখনই নেই রেহাই, আজও ভারী বৃষ্টির সতর্কতাএসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ) আমিনুল ইসলাম খাঁন জানিয়েছেন, জৌগ্রামের জলেশ্বরতলা এলাকা থেকে যে মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছিল সেই মহিলার ছবি বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এছাড়াও মহিলার কোমরের মধ্যে থাকা পুঁটুলি থেকে উদ্ধার হয় একটি কাগজের টুকরো। ওই কাগজে কিছু ফোন নম্বার লেখা ছিল। সেই ফোন নম্বারের সূত্র ধরে তদন্ত চালিয়ে মহিলার পরিচয় উদ্ধার সম্ভব হয়েছে। মহিলার স্বামীর নামও জানা গিয়েছে। পরিবারের লোকজন এদিন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ মর্গে গিয়ে মৃতদেহ সনাক্ত করে এসেছেন। খুব শীঘ্র মহিলাকে খুনের ঘটনায় জড়িতরাও ধরা পড়বে বলে এসডিপিও জানিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ চিকিৎসাধীন রোগীর তান্ডবের হিসেব-নিকেশ, ১৫ লাখ টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম নষ্টপলশা গ্রামের বাসিন্দাদের কথায় জানা গিয়েছে, সাধন মাণ্ডির বাড়ি পলশা গ্রামের সাপার পাড়ায়। সাধন মাণ্ডি পেশায় ট্র্যাক্টর চালক। তাঁরই দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী সুখী। সাধনের প্রথম পক্ষের স্ত্রীর কোনও সন্তান নেই। সুখীর দুটি পুত্র সন্তান। একজনের বয়স ১৫-১৬ বছর। অপর জনের বয়স ১২-১৩ বছর হবে।সুখীর বড় ছেলে সম্প্রতি নিজের পছন্দের ময়েকে বিয়ে করেছে। স্থানীয়রা জানান, সুখী সাপার পাড়ায় থাকতেন না। তিনি থাকতেন নবস্তা ১ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার অপর গ্রাম গাঙ্গুয়ায়। পারিবারিক অশান্তির কারণে মহিলা খুন হয়েছেন নাকি খুনের ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোন কারণ রয়েছে তা এলাকাবাসীর কাছেও পরিস্কার নয়। পুলিশ মহিলাকে খুনের কারণ খতিয়ে দেখছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
রাজ্য

Patient : চিকিৎসাধীন রোগীর তান্ডবের হিসেব-নিকেশ, ১৫ লাখ টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম নষ্ট

এক আধ টাকার ক্ষয় ক্ষতি নয়। চিকিসাধীন থাকা এক প্রৌঢ় রোগী ভাঙচুর চালিয়ে নষ্ট করে দিয়েছেন হাসপাতালের এইচডিইউ ওয়াডের ১৫ লক্ষ টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম।এমনটা জেনে সকলের অবাক লাগাটাই স্বাভাবিক।কিন্তু বাস্তবেই এমনটা ঘটেছে পূর্ব বর্থমানের কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে। প্রৌঢ় রোগী অরুণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক রাতের তাণ্ডবে ১৫ লক্ষ টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম নষ্ট হওয়া সংক্রান্ত রিপোর্ট সোমবার কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের সুপার ধীরাজ রায় জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরে পাঠিয়েছেন। এই ঘটনা চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মী মহলে যথেষ্টই উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে।আরও পড়ুনঃ কাটোয়া হাসপাতালে বৃদ্ধ রোগীর বেনজির তান্ডব, ভেঙে চুরমার লক্ষ লক্ষ টাকার চিকিৎসা সামগ্রীহাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, রোগী অরুণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি কাটোয়া শহরের গোয়ালপাড়া এলাকায়। তিনি পেশায় ব্যবসায়ী। বেশ কিছু দিন ধরে তিনি শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন।পরিবারের লোকজন গত শনিবার সকালে তাঁকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করেন। হাসপাতালে তাঁর বিভিন্ন শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়। রক্ত পরীক্ষায় অরুণবাবুর সোডিয়াম পটাসিয়াম ঘাটতি ধরা পড়ে।সেই কারণে তাঁকে হাসপাতালের জেনারেল ওয়ার্ড থেকে হাই ডিপেনেন্সি ইউনিটের(এইচডিইউ) ৬ নম্বর বেডে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁর হাতে স্যালাইনের চ্যানেলও গোঁজা ছিল। সেই অবস্থাতেই একটি কাটের তুল হাতে নিয়ে শনিবার রাতে তিনি হঠাৎতই রুদ্রমূর্তি ধারণ করেন। এরপরেই তিনি হাসপাতালের এইচডিইউ বিভাগে ব্যাপক ভাঙচুর শুরু করেদেন। তাকে বিরতে করতে গিয়ে কর্তব্যরত দুই নার্সও আক্রান্ত হন। ভেন্টিলেটর সাপোর্ট দেওয়ার যন্ত্রগুলি তিনি একে একে ভেঙে দেন। এছাড়াও এইচডিইউ বিভাগে থাকা কম্পিউটারের সিপিইউ, মনিটরসহ অন্য নানা দামি মেশিনপত্র তিনি মাটিতে আছড়ে ভেঙে দেন। অক্সিজেন ভর্তি সিলিন্ডার ও ওষুধের প্যাকেটও তিনি ফেলে নষ্ট করে দেন। রোগী অরুণবাবুকে বিরত করতে গিয়ে কর্তব্যরত দুজন নার্সও আক্রান্ত হন। অরুণ বাবুর রুদ্রমূর্তি দেখে এরপর কেউ তাঁকে বিরত করার শাহস আর দেখাননি। হাসপাতালের সিকিউরিটি গার্ড, সিভিক ভলেন্টিয়াররা সবাই কার্যত দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ওই রোগীর তান্ডবলীলা দেখতে বাধ্য হন। পরের দিন ওই রোগীকে কলকাতার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।আরও পড়ুনঃ ষাঁড়ের গুঁতোয় এবার প্রাণ হারালেন কাটোয়ার বৃদ্ধ, আতঙ্কে কাঁপছে মানুষজনকাটোয়া হাসপাতাল সুপার ধীরাজ রায় এদিন বলেন, ক্ষয় ক্ষতির সবিস্তার রিপোর্ট তিনি জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরে পাঠিয়েছেন। ভাঙচুরের কারণে পরিষেবা সাময়িক ভাবে ব্যহত হলেও জরুরিকালীন ভিত্তিতে টেকনিশিয়ানদের ডেকে কাজ করানো হয়। তারপর থেকে এখন স্বাভাবিক পরিষেবা চলছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
রাজ্য

Group Clash: তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে ফের উত্তপ্ত গলসি, এলাকায় পুলিশি টহল

বিধানসভা ভোটে অভাবনীয় ফল হওয়ার পরেও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব পিছু ছাড়ছে না তৃণমূলের। তার জেরে মাঝে মধ্যেই পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে ঘটে চলেছে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনা। মাঝে কয়েকদিন শান্ত থাকার পর ফের তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ঘে উত্তপ্ত হল গলসির ১ ব্লকের পারাজ গ্রাম। রবিবার রাত থেকে শুরু হওয়া দুই গোষ্ঠীর অশান্তি সোমবারও অব্যাহত থাকে। সংঘর্ষে দুই গোষ্ঠীর তিনজন আহত হয়েছেন। উত্তেজনা থাকায় গ্রামে জারি রয়েছে পুলিশ টহল। সংঘর্ষের ঘটনার জন্য উভয় পক্ষই একে অরপকে দায়ী করে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছে। পুলিশ টনার তদন্ত শুরু করেছে।পারাজ এলাকার তৃণমূল কর্মী আনন্দ শেখ জানিয়েছেন, রবিবার রাতে মুফুল শেখ ওরফে বাপি গোষ্ঠীর লোকজন তাঁদের গ্রামের এক তৃনমুল কর্মীকে মারধর করে। তাঁর মাথা ফাটিয়ে দেয়। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে এদিন বেলায় ফের গ্রামের দলীয় কার্যালয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ঝামেলা বাঁধে। তার কারণ হিসাবে আনন্দ শেখ দাবি করেন, রবিবার রাতে এক তৃণমূল কর্মীকে মারধোরের ঘটনার বিচার চাইতে গ্রামের কয়েকজন দলীয় কার্যালয়ে গিয়েছিলেন। তাঁদেরকে দলীয় কার্যালয়ে আটকে রাখা হয়। ঘটনার কথা জানতে পেরে গলসি থানার পুলিশ দ্রুত সেখানে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রেণে এনে তাঁদের উদ্ধার করে।যদিও আনন্দ শেখের অভিযোগ সত্য নয় বলে দাবি করেছেনঅপর গোষ্ঠীর তৃণমূল কার্যকর্তা মফুল শেখ। পাল্টা অভিযোগে তিনি বলেন,কিছু দুস্কৃতী তাঁদের দলীয় কার্যালয়ে ভাংচুর চালায়। সেই সময় দলীয় অফিসে কেউ ছিল না। কার্যালয় ভাঙচুরের খবর পেয়ে তাঁদের কর্মীরা সেখানে জড়ো হয়। তাঁরা আনন্দ শেখ ও তাঁর বেশ কিছু লোককে দলীয় কার্যালয়ে ঢুকিয়ে রেখে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ এসে তাদের সকলকে দলীয় কার্যালয় থেকে নিয়ে যায়। এইসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এলাকা যাতে ফের অশান্ত না হয় তার জন্য দলীয় কার্যলয়ের বাইরে পুলিশ মোতায়ন রয়েছে। একই সঙ্গে মফুল শেখ বলেন, রবিবার রাতের মারধোরের ঘটনাটি সম্পূর্ণ গ্রাম্য বিষয়। ওই ঘটনার সাথে রাজনীতির কোন সম্পর্ক নেই। গলসি ১ ব্লক তৃণমূল নেতৃত্ব ঘটনা নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
রাজ্য

Bruised Face: মুখ থেঁতলানো রক্তাক্ত মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার, ব্যাপক চাঞ্চল্য জামালপুরে

সেচ ক্যানেলের পাড়ের নির্জন বাঁশবাগান থেকে উদ্ধার হল মাথা ও মুখের অংশ থেঁতলানো থাকা এক মহিলার রক্তাত মৃত দেহ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রবিবার সকাল থেকে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার জৌগ্রামের জলেশ্বর শিব মন্দির সংলগ্ন এলাকায়। খবর পেয়ে জামালপুর থানার পুলিশ ঘটনা স্থলে তদন্তে যায়। পুলিশ মধ্য বয়স্কা মহিলার মৃতদেহটি উদ্ধার করে এদিনই ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। মহিলাকে খুন করা হয়েছে বলেই প্রাথমিক তদন্ত শেষে পুলিশের অনুমান। মহিলার পরিচয় জানার চেষ্টা চালানোর পাশাপাশি মহিলাকে কারা খুন করে থাকতে পারে তার তদন্তও পুলিশ শুরু করেছে।জৌগ্রাম জলেশ্বরতলা এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, মহিলা তাঁদের এলাকার বাসিন্দা নন। বহিরাগত দুস্কৃতীরা রাতের অন্ধকারে মহিলাকে অন্য কোথাও নৃশংস ভাবে খুন করে দেহ তাঁদের এলাকার সেচ ক্যানেলের পাড়ের বাঁশবাগানে ফেলে দিয়ে পালিয়েছে বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা। তাঁরা আরও জানিয়েছেন, শাড়ি পরিহিত এবং পায়ে আলতা ও হাতে শাঁখা পলা থাকায় এটুকু বোঝা গিয়েছে মহিলা কোন গৃহবধূ। পুলিশি তদন্তেই মহিলা খুনের পর্দা ফাঁস হবে আশা প্রকাশ করেছেন জৌগ্রামের বাসিন্দারা।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২১
রাজ্য

Vidyasagar: মৃত্যুর ১৩০ বছর বাদ জমি বিবাদের অভিযোগে নাম জড়ালো ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের

এক আধ দিনের কথা নয়। আজ থেকে ১৩০ বছর আগে প্রয়াত হয়েছেন বর্ণ পরিচয়ের শ্রষ্টা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। তবুও তাঁর রেহাই নেই। জমিজমা সংক্রান্ত বিবাদ নিয়ে কয়েকদিন আগে প্রশাসনিক মহলে দায়ের করা এক আইনজীবীর অভিযোগে জড়িয়ে গিয়েছে বিদ্যাসাগরের নাম। এমনটা শুনে অবাক লাগাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বাস্তবেই এই ঘটনা ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কালনায়। অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর নেওয়া শুরু করেছেন প্রশাসনের কর্তারা। এই ঘটনা কার্যত শোরগোল ফেলে দিয়েছে কালনার বিদ্যাসাগর অনুরাগী মহলে।আরও পড়ুনঃ ভারতীয় ক্রিকেটে বিরাট রাজত্ব শেষের পথে, নেতৃত্ব থেকে সরাতে পারে রয়্যাল চ্যালেজার্সকালনা আদালতের আইনজীবী প্রবুদ্ধ সাহানা তাঁর মক্কেলের হয়ে কয়েকদিন আগে পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক, পুলিশ সুপারসহ কালনা ২ ব্লক প্রশাসনের নানা মহলে লিখিত একটি অভিযোগ পত্র জমা দিয়েছেন। ওই অভিযোগপত্রে আইনজীবী দাবি করেছেন, তাঁর মক্কেল তুফান দে কালনা থানার জাপট পাড়ার বাসিন্দা। কালনার হাসপুকুর মৌজায় তুফানের ১.৫১ একর শালি জমি রয়েছে। যার এল আর প্লট নম্বর ১১২। ভূমি দপ্তরে তুফান দের নামেই ওই জমি রেকর্ড ভুক্ত রয়েছে এবং তিনি ওই জমির সরকারী রেভিনিউ নিয়মিত জমা দেন বলে আইনজীবীর দাবি।আরও পড়ুনঃ কালনায় বিশ্বকর্মা পুজোর থিম ভাবনায় ফুটে উঠলো বিজেপি ও তৃণমূলের দৈরথওই আইনজীবীর অভিযোগ,কালনার হাসপুকুর এলাকার তাপস সরকার, বলাই উপাধ্যায়সহ কয়েকজন তাঁর মক্কেল তুফান দে-র ওই জমিতে দখলদারি কায়েম করতে চায়। সেই কারণে তাঁর মক্কেল কালনা আদালতে মামলা করেন। বর্তমানে আদালতের নির্দেশে ওই জমিতে স্ট্যাটাসকো ইনজাংসান জারি রয়েছে। তা সত্ত্বেও তাপস সরকার ও বলাই উপাধ্যায় সহ অন্যরা ওই জায়গায় জোরপূর্বক বিদ্যাসাগরের একটি মূর্তি বসাতে চাইছে। আদালতের নির্দেশ অমান্য করে কেউ যাতে তাঁর মক্কেল তুফান দে-র জায়গায় বিদ্যাসাগরের মূর্তি না বসায় তা দেখার জন্য আইনজীবী প্রবুদ্ধ সাহানা প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে লিখিত ভাবে আর্জিও জানিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ লাল-হলুদের মাঝমাঠে কমলা ঝড় তুলতে আসছেন ড্যারেন সিডোয়েল কালনার সাতগাছি পঞ্চায়েতের প্রধান তাপস সরকার এই বিষয়ে বলেন, যে জায়গাটি তুফান দে তাঁর নিজের জায়গা বলে দাবি করছে সেই জায়গাটিতে একদা হাসপাতাল ছিল। বিদ্যাসাগর মহাশয় নিজে এক কলেরা আক্রান্ত রোগীকে ওই হাসপাতালে নিয়ে এসে ভর্তি করেছিলেন। কিশলয় বইয়ে আজও সেই ঘটনার কথা উল্লেখ রয়েছে। ওই জায়গায় এখনও তদানীন্তন কালের হাসপাতালের সব নির্দর্শনও আটুট রয়েছে। বিদ্যাসাগর মহাশয়ের স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে ওই জায়গাটির সঙ্গে। প্রধান পল্টা অভিযোগে বলেন, তুফান দে আসলে একজন জমি মাফিয়া। বিএলআরওর সঙ্গে অঁতাত করে অসাধু উপায়ে তুফান দে ওই জায়গাটি তাঁর নামে রেকর্ড করিয়ে নিয়েছেন । পঞ্চায়েত প্রধান স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বিদ্যাসাগর মহাশয়ের স্মৃতি বিজরিত ওই জায়গাটি সরকার হেরিটেজ স্থান হিসাবে ঘোষনা করুক এটা গোটা কালনাবাসী চান । তিনিও তাই চান। তার জন্য যতদূর লড়াই করতে হয় তা করবেন বলে তাপস সরকার এদিন জানিয়ে দেন। কালনা ২ ব্লকের বিডিও দেবল উপাধ্যায় জানিয়েছেন, অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে ।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১
রাজ্য

Bomb Rescue : খড়ের পালুইয়ে বোমা উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য রায়নায়

প্লাস্টিকের প্যাকেটে ভরে গৃহস্থের বাড়ির খড়ের পালুইয়ের মধ্যে কেউ লুকিয়ে রেখেছিল বোমা। সেই বোমা উদ্ধার হতেই বৃহস্পতিবার ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের রায়না থানার মুগুরা অঞ্চলের দক্ষিনকুল গ্রামে। খবর পেয়ে রায়না থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে ওই জায়গাটি ঘিরে রেখে খবর দেয় বোম ডিসপোজাল স্কোয়াডে। কারা কি উদ্দেশ্যে খড়ের পালুইয়ের মধ্যে ছয়টি বোমা লুকিয়ে রেখেছিল তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মুগুরার দক্ষিণকুল গ্রামের এক প্রান্তে বসবাস করেন শেখ বরজাহান নামে ও তাঁর পরিবার । ওই ব্যক্তির বাড়ির অদূরেই রয়েছে খড়ের পালুই। এদিন বেলায় পরিবারের গৃহবধূ আমিনা বিবি ওই পালুয়ের কাছে থাকা হোপা গাছ থেকে হোপা পাড়তে যান। তখনই পালুইয়ের মধ্য থেকে প্লাস্টিকের প্যাকেটে ভরা কিছু একটা নিচে পড়ে। প্লাস্টিকের প্যাকেটে মধ্যে সুঁতুলি দড়ি জড়ানো বস্তু রয়েছে দেখে মহিলার সন্দেহ হয়।তিনি বিষয়টি প্রতিবেশীদের জানান। প্রতিবেশীরা সেখানে পৌছে দেখেন প্লাস্টিকের প্যাকেটে বোমা ভরা রয়েছে।এরপরেই স্থানিয়রা রায়না থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে ওই জায়গাটি ঘিরে রেখে বম স্কোয়াডে খবর দেয়।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২১
রাজ্য

Rail and Road Blockades: বৃষ্টিস্নাত দক্ষিণবঙ্গে রেল ও রাস্তা অবরোধে নাকাল সাধারণ মানুষ

গভীর নিম্নচাপের বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত দক্ষিণবঙ্গে রাস্তা সারাইয়ের দাবিতে রেল ও রাস্তা অবরোধ চলল দেবীপুরে। বুধবার সকাল আটটা থেকে নিত্যযাত্রীরা বর্ধমান-হাওড়া মেন লাইনের আপ ও ডাউন লাইনের ট্রেন অবরোধ করা দেবীপুর স্টেশনে। দুঘন্টা ট্রেন ও বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। অবরোধের জেরে দেবীপুর ষ্টেশনে আটকে পরে ১২৩৮৪ ডাউন আসানসোল-শিয়ালদহ ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস ও হাওড়া-বর্ধমান আপ স্পেশাল লোকাল। এর ফলে যাঁরা চিকিৎসা বা অন্য কোনও জরুরি কাজে বেরিয়েছিলেন তাঁদের ভীষন আসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়। নাকাল হতে হয় লোকাল ও দূরপাল্লার যাত্রীদের।আরও পড়ুনঃ ষাঁড়ের গুঁতোয় এবার প্রাণ হারালেন কাটোয়ার বৃদ্ধ, আতঙ্কে কাঁপছে মানুষজনঅবরোধকারীরা বলেন, কোনও মানুষের অসুবিধা সৃষ্টি করা আমাদের উদ্দশ্যে নয়। আমাদের দাবী সমাজের সর্বস্তরে ও সরকারি দপ্তরের উচ্চমহলে পৌছে দেওয়ার জন্য এই অবরোধ। এক অবরোধকারী জানান, দেবীপুর লেভেল ক্রসিংয়ের দক্ষিণদিকে সুলতানপুরের দিক থেকে জিটি রোড যাওয়ার রাস্তা দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে ডোবার আকার নিয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই জল জমে চলাচলের অযোগ্য হয়ে যায়। রাস্তায় বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে এই বর্ষায়। তিন-চার ফুটের খানাখন্দের এই রাস্তায় প্রায়শই দুর্ঘটনা লেগে থাকে। তাঁদের দাবী, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরেই রেল দপ্তর ও স্থানীয় দূর্গাপুর গ্রাম পঞ্ছায়েত অফিসে যোগাযোগ করলেও কোনও সুরাহা হয়নি। তাই বাধ্য হয়েই এদিন অবরোধ করতে হয়। শেষমেশ রাস্তা মেরামতের আশ্বাস দিলে অবরোধ উঠে যায়। ট্রেন ও বাস চলাচল স্বাভাবিক হয়।দেবীপুরে রেললাইন ও রাস্তা অবরোধতাঁরা আরও জানান, অফিস যাত্রী ও সাধারণ নিত্য যাত্রীদের দৈনিক যাতায়াতের পথ এইরকম দূর্গম হওয়ার করণে নিত্য যাত্রীরা নিত্যদিনই তাঁদের নির্ধারিত ট্রেন ধরতে ব্যর্থ হন। স্থানীয় এক অ্যাম্বুলেন্স চালক বলেন, কোনও মুমূর্ষু রোগীকে এই রাস্তা দিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় খুবই আতঙ্কে গাড়ি চালাতে হয়, যে কোনও সময় গাড়ি উলটে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে। অবরোধকে মন থেকে সমর্থন না করলেও কিছু ক্ষেত্রে নিরুপায় হয়ে এই রাস্তা নিতে হয়।আরও পড়ুনঃ ডুরান্ডের তৃতীয় ম্যাচেই ছন্দহীন মহমেডান, হেরে গ্রুপে দ্বিতীয়স্থানীয় এক তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী জানান, মঙ্গলবার সকাল থেকেই ঘভীর নিম্নচাপের প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গে রাতভোর টানা বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে। মাঠ ঘাট রাস্তা জলমগ্ন। জমা জলে রাস্তার ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে পিচ রাস্তার (বিটুমিন) ক্ষতির আশঙ্কা সর্বাধিক। আমরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানিয়েছি, যত শীঘ্র সম্ভব এই সমস্যার সমাধান করার সবরকম প্রচেষ্টা করা হবে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১
রাজ্য

Old Man Died: ষাঁড়ের গুঁতোয় এবার প্রাণ হারালেন কাটোয়ার বৃদ্ধ, আতঙ্কে কাঁপছে মানুষজন

ক্ষিপ্ত ষাঁড়ের গুঁতোয় প্রাণ হারালেন এক বৃদ্ধ গোপালক। মৃতের নাম রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাস (৬৪)। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থানার মোস্তাপুর গ্রামে।সোমবার সন্ধ্যায় রবীন্দ্রনাথ বাবু যখন তাঁর পোষা গাইগরুটিকে গোয়াল ঘরে ঢোকাচ্ছিলেন তখনই ষাঁড়টি তেড়ে এসে তাঁকে গুঁতোয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় গোপালক রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাসকে উদ্ধার করে পরিবারের লোকজন নিয়ে যান কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষনা করেন।আরও পড়ুনঃ রাগী ষাঁড়ের গুঁতোয় প্রাণে বাঁচলেও মুখের একপাটি দাঁত খোয়ালেন এক শ্রমিকএই ঘটনা জানার পর থেকে ষাঁড়ের আতঙ্কে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন মোস্তাপুর গ্রামের বাসিন্দারা। বরাত জেরে প্রাণে বেঁচে গেলেও ষাঁড়ের গুঁতোয় গত শনিবার মুখের অর্ধেক দাঁত খোয়ান লক্ষণ রাজপুত নামে কালনার এক শ্রমিক। এই ঘটনার পর তিনদিন কাটতে না কাটতেই ষাঁড়ের গুঁতোয় কাটোয়ায় প্রাণ হারালেন বৃদ্ধ। মৃত রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাসের স্ত্রী সরস্বতীদেবী এদিন জানিয়েছেন, তাঁর একমাত্র ছেলে ভিন রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করে। তাঁরা স্বামী ও স্ত্রী মিলে জনমজুরির পাশাপাশি গোপালন করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। স্বামীর এমন অকাল মৃত্যুতে পরিবারে দুঃখের দিন ফিরে আসবে বলে সরস্বতীদেবী এদিন জানান। জানা গিয়েছে, বছর পাঁচেক আগে হঠাৎ করেই এলাকায় আবির্ভাব ঘটে কালচে খয়েরি রঙের হোমড়াচোমড়া ষাঁড়টির। স্থানীয় দুতিনটে গ্রামে নিজের মন মর্জি মত ষাঁড়টি ঘুরে বেড়াতো। সম্প্রতি ষাঁড়টি উগ্র সভাবের হয়ে ওঠে। তার হামলায় ইতিমধ্যেই এলাকার অনেকে আহতও হয়েছে। গ্রামবাসীরা ষাঁড়টির ভয়ে সিঁটিয়ে থাকতেন। ষাঁড়টির গুঁতোয় এলাকার বাসিন্দা রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাস মারা যাওয়ার পর স্থানীয় মানুষজন ষাঁড়টিকে এখন এলাকা ছাড়া করার জন্য প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
রাজ্য

Angry Bull: রাগী ষাঁড়ের গুঁতোয় প্রাণে বাঁচলেও মুখের একপাটি দাঁত খোয়ালেন এক শ্রমিক

বরাত জোরে প্রাণে বেঁচে গেলেও রাগী ষাঁড়ের গুঁতোয় মুখের অর্ধেক দাঁত খোয়ালেন এক শ্রমিক। ষাঁড়ের এমন ভয়ংকর হামলার ঘটনাটি শনিবার বিকালে ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কালনার শাসপুর দাঁতনকাটিতলা এলাকায়।ষাঁড়ের গুঁতোয় একপাটি দাঁত খোয়ানো লক্ষণ রাজপুত ওরফে সমীর নামের ওই ব্যক্তি মুখে ৮ টি সেলাই নিয়ে এখন কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ষাঁড়ের আতঙ্কে দিশেহারা কালনার বাসিন্দারা ষাঁড়টিকে এলাকাছাড়া করার জন্য তাঁরা প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।আরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- প্রথম পর্বকালো, সাদা রঙের হৃষ্টপুষ্ট ষাঁড়টি অত্যন্ত রাগী হয়ে ওঠার কি কারণ তা কারও জানা নেই। ষাঁড়টি কালনার দাঁতনকাঠি থেকে সাহাপুর এলাকার মধ্যে ঘোরাঘুরি করে। এলাকাবাসীর অভিযোগ আট থেকে আশি কেউই ষাঁড়ের হামলার হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না। এমনকি ষাঁড়টি যানবাহণেও হামলা চালিয়ে যানবাহণের ক্ষতি করে দিচ্ছে। ভিন রাজ্যের বাসিন্দা লক্ষণ রাজপুত কর্মসূত্রে কালনার দাঁতনকাঠিতলা এলাকায় এসে রয়েছেন। রাগী ষাঁড়টি এদিন বিকালে হঠাৎতই তার উপরে হামলা চালায়। ষাঁড়টি তাঁকে শিং দিয়ে গুঁতোতে থাকে।স্থানীয় গনেশ মণ্ডল বলেন, লক্ষণ রাজপুতকে ষাঁড়টি ভায়ানক ভাবে গুঁতোচ্ছে দেখে তাঁরা কয়েকজন ষাঁড়টিকে তাড়াতে গিয়েও ব্যর্থ হন। তারই মধ্যে ষাঁড়টি তাঁর মস্ত শিং দিয়ে লক্ষণ রাজপুতের মুখে সজোরে গুঁতিয়ে দেয়। সেই গুঁতোয় মারাত্মক জখম হওয়ার পাশাপাশি মুখের একপাটি দাঁতও খোয়ান লক্ষণ রাজপুত। এরপর বহু মানুষ সেখানে ছুটে গিয়ে কোনওরকমে ষাঁড়টির হামলার হাত থেকে লক্ষণ রাজপুতকে উদ্ধার করে কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করেন। স্থানীয় ধীরেন পাল ও মিঠু হালদার বলেন, বহু মানুষজন সাহস করে এগিয়ে গিয়ে ষাঁড়টিকে তাড়ানেয় লক্ষণকে প্রাণে বাঁচানো গিয়েছে। নয়তো শিংয়ে করে গুঁতিয়েই ষাঁড়টি লক্ষণকে প্রাণে মেরে দিত ।আরও পড়ুনঃ বাতিল টেস্ট ম্যাচ নিয়ে আইসিসিকে চিঠি ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডেরএলাকার বাসিন্দারা বলেন, বিগত কয়েক মাসে ষাঁড়টি এলাকার ১৫-২০ জনকে গুঁতিয়ে জখম করেছে। ষাঁড়টির আতঙ্কে ছাত্র ছাত্রীরা প্রাইভেট পড়তে যেতে ভয় পাচ্ছে। ভয়ে বয়স্করাও বাড়ির বাইরে বের হওয়ার সাহস পাচ্ছে না। বাসিন্দাদের বক্তব্য, প্রশাসন ব্যবস্থা নিয়ে ষাঁড়টিকে এলাকা ছাড়া না করলে তাঁদের আতঙ্কেই দিন কাটাতে হবে।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১
রাজ্য

LPG : গোডাউনে বেআইনি গ্যাস সিলিন্ডার মজুতের দায়ে মেমারিতে গ্রেপ্তার ব্যবসায়ী

গোডাউনে বেআইনি ভাবে গ্যাস সিলিন্ডার মজুতের অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন এক ব্যক্তি। ধৃতের নাম স্বরুপ অধিকারী। পূর্ব বর্ধমানের মেমারির আমাদপুরের ধৃতের গ্যাসের গোডাউনে শনিবার সন্ধ্যায় অভিযান চালায় মেমারি থানার পুলিশ ও জেলার এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ। সেই অভিযানেই গোডাউন থেকে উদ্ধার হয় বেআইনি ভাবে মজুত রাখা ৯৫ টি গ্যাস সিলিন্ডার। সেগুলি মূলত ভারত পেট্রোলিয়াম ও ইন্ডিয়ান অয়েল কোম্পানির গ্যাস সিলিন্ডার বলে পুলিশ জানিয়েছে। ওই সিলিন্ডারগুলি মজুত সংক্রান্ত কোন নথিপত্র গোডাউন মালিক স্বরুপ অধিকারী দেখাতে না পারায় তঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পাশাপাশি পুলিশ সিলিন্ডার গুলিও বাজেয়াপ্ত করেছে। পুলিশের অনুমান শারদোৎসবের সময়ে কালোবাজারির উদ্দেশেই গোডাউনে বেআইনি ভাবে এত গ্যাস সিলিন্ডার মজুত করা হয়েছিল ।রবিবার ধৃতকে পেশ করা হবে বর্ধমান আদালতে। কীভাবে কাদের থেকে স্বরুপ অধিকারী এতগুলি গ্যাস সিলিন্ডার পেলেন সেই বিষয়টিও পুলিশ খতিয়ে দেখছে।সেইমতো সন্ধ্যাবেলায় গোপন সূত্রে খবর আসতেই মেমারি পুলিশ ও জেলা ইনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ যৌথ অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়।আর তাতেই আসে সাফল্য।আগামীকাল ধৃত স্বরুপ অধিকারীকে বর্ধমান আদালতে তোলা হবে।কিভাবে চলত কারবার? আরও কারা জড়িত এই চক্রের সন্ধানে তাদের খোঁজে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১
রাজ্য

Rice Mill: রাইসমিলের যন্ত্রাংশ চুরিতে জড়িত ১৬ দুষ্কৃতী গ্রেফতার

রাতের অন্ধকারে বন্ধ থাকা রাইস মিলের যন্ত্রাংশ চুরির কারার সময়ে পুলিশি অভিযানে ধরা পড়লো ১৬ জন দুষ্কৃতী। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার পুলিশ শুক্রবার রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত পলশা এলাকায় টানা অভিযান চালিয়ে ওই দুষ্কৃতীদের ধরে। ধৃতরা বর্ধমান ও দেওয়ানদিঘী থানা এলাকার বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের দাবি, মিল থেকে চুরি করা দামি যন্ত্রাংশ ভর্তি একটি লরিও তাঁরা বাজেয়াপ্ত করেছেন। ধৃতদের রবিবার বর্ধমান আদালতে পেশ করে তদন্তের প্রয়োজনে হেপাজতে নেওয়া হবে বলে পুলিশ কর্তাদের কথায় জানা গিয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মেমারির পলশা এলাকার আদ্যামা নামের রাইসমিলটি দীর্ঘ ১২ বছর ধরে বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। ওই মিলের দামি যন্ত্রাংশ চুরির জন্য শুক্রবার রাতে ১৫-২০ জনের দুষ্কৃতী দল মিলের ভিতরে ঢোকে। গোপন সূত্রে সেই খবর পৌছায় মেমারি থানার ওসি সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায়ের কাছে। ওসি বলেন, বন্ধ থাকা রাইসমিলে দুষ্কৃতী দলের হানা দেওয়ার খবর পেয়েই মেমারি থানার পুলিশ বাহিনী সেখানে পৌছে যায়। পুলিশ দেখে কয়েকজন দুষ্কৃতী পালাতে সক্ষম হলেও কয়েকজন ধরে পড়ে যায়। তারপর থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত ওই এলাকায় টানা অভিযান চালিয়ে মোট ১৬ জন দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করা হয়। মিলের যেসব যন্ত্রাংশ চুরি করে দুষ্কৃতীরা একটি লরিতে লোড করেছিল সেই লরিটিও বাজোয়াপ্ত করা হয়েছে বলে ওসি জানিয়েছে। দুষ্কৃতী দলে আরও কারা যুক্ত রয়েছে তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
রাজ্য

Ration: দেশের মধ্যে একমাত্র পশ্চিমবঙ্গ সরকার বিনামূল্যে রেশন দেয়, দাবি খাদ্যমন্ত্রীর

কেন্দ্রের সরকার রেশন দেয় অর্থের বিনিময়ে। কিন্তু দেশের মধ্যে একমাত্র পশ্চিমবঙ্গ সরকার সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে রেশন দেয় বলে শনিবার বর্ধমানে এসে দাবি করলেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ। একই সঙ্গে তিনি জানান, কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এখন যে রেশন দেওয়া হচ্ছে তা আগামি নভেম্বর মাস পর্যন্ত দেওয়া হবে। কিন্তু রাজ্যের রেশনিং ব্যবস্থা আগামিদিনেও একই রকম ভাবে বহাল থাকবে। দুয়ারে সরকার কর্মসূচীর অগ্রগতি, রেশনিং ব্যবস্থা এবং রাইসমিল সংক্রান্ত নানা বিষয় নিয়ে এদিন বর্ধমানে জেলাশাসকের দপ্তরে আলোচনায় বসেন খাদ্যমন্ত্রী। বৈঠকে রাজ্যের অপর মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা, জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া, সহ-সভাধিপতি দেবু টুডু সহ জেলা প্রশাসনের অন্য আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ বলেন, রাজ্যের রেশন ব্যবস্থা নিয়ে যাঁরা অযথা রাজনীতি করতে চাইছে করুক।কিন্তু তাতে কিছু লাভ হবে না। কেন্দ্রের রেশনিং ব্যবস্থা এবং রাজ্যের রেশনিং ব্যবস্থা সম্পূর্ণ পৃথক। রাজ্যের বেশি সংখ্যক মানুষকে কিভাবে খাদ্য সুরক্ষা দেওয়া যায় সে বিষয়ে রাজ্য সরকার যথেষ্ট যত্নবান বলে এদিন জানান খাদ্যমন্ত্রী। তিনি এও বলেন, এই রাজ্যে রেশন কার্ডের সংখ্যা ১০ কোটি ৩৩ লক্ষ। তার মধ্যে ৬ কোটি ১ লক্ষ মানুষ অর্থের বিনিনয়ে ন্যাশানাল ফুড সিকিউরিটি এ্যাক্টের (এনএফএসএ) কার্ডে রেশন পায়। বাকি ৪ কোটি ৩২ লক্ষ মানুষকে রাজ্য সরকার সম্পূর্ণ বিনামূল্যে নিজস্ব রেশন দেয়।কেন্দ্র খাদ্য সুরক্ষার কার্ড থাকা মানুষদের আগামি নভেম্বর অবধি রেশন দেবে। কিন্তু এই রাজ্যের সরকারের সকলকে বিনামূল্যেই রেশন দেওয়া বহাল রাখবে। খাদ্যামন্ত্রী দাবি করেন, গোটা ভারতে আর কোথাও গ্রাহকরা বিনামূল্যে রেশন পান না। এই দৃষ্টান্ত রাজ্য তৈরি করেছে। দুয়ারে রেশন প্রকল্প বাস্তবায়িত করা নিয়ে এদিন জেলার রেশন ডিলারদের বক্তব্যও শোনেন খাদ্যমন্ত্রী। রেশন ডিলারদের বক্তব্য বৈঠকে লিপিবদ্ধ করা হয়। দুয়ারে সরকার শিবিরে রেশন কার্ডের জন্য আবেদন করা হচ্ছে। যাদের কার্ড নেই তারা শিবিরে আবেদন করতে পারবেন বলে মন্ত্রী জানান। জেলার বেশ কয়েকটি রাইসমিলের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে খদ্যমন্ত্রী বলেন, যেসব রাইসমিলের বর্জ্যে ধানের জমির ক্ষতি হচ্ছে কেবল সেইসব রাইস মিলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রাইসমিল চালানোর জন্য কিছু শর্ত পালনের অঙ্গীকার করেই মিল কর্তৃপক্ষ লাইসেন্স পেয়েছেন।ওই জল শোধনের ব্যবস্থা থাকার কথা বলেই তারা লাইসেন্স পেয়েছেন বলে খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
রাজ্য

Unknown Body: যাত্রী প্রতীক্ষালয়ে অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার, ব্যাপক চাঞ্চল্য বর্ধমানে

যাত্রী প্রতীক্ষালয় থেকে উদ্ধার হল অজ্ঞাত পরিচিয় এক মহিলার মৃতদেহ। এই মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে শনিবার ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় পূর্ব বর্ধমানের দেওয়ানদিঘী থানার খেতিয়া এলাকায়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে খেতিয়া গ্রামের বাসযাত্রী প্রতীক্ষালয়ে পড়েছিল মহিলার মৃতদেহটি। স্থানীয়রা দেহটি দেখতে পেয়ে দেওয়ানদিঘী থানায় খবর দেয়। এলাকাবাসীর দাবি মহিলার দেহের নিম্নাঙ্গ রক্তাক্ত ছিল।এছাড়াও মহিলার দেহের একাধিক জায়গায় কালসিটে দাগও রয়েছে। এইসব দেখে এলাকাবাসী মনে করছেন অন্য কোথাও মহিলাকে ধর্ষনের পর খুন করে দুস্কৃতিরা রাতের অন্ধকারে খেতিয়া এলাকার যাত্রী প্রতীক্ষালয়ে দেহ ফেলে দিয়ে পালিয়েছে। মৃতদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য এদিনই বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।পুলিশের দাবি, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলেই মহিলার মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। তদন্তে নেমে পুলিশ মহিলার পরিচয় উদ্ধারের চেষ্ট চালাচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
রাজ্য

Fake Relation: বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ছাত্রীর সঙ্গে সহবাস, শক্তিগড়ে গ্রেপ্তার যুবক

বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে কিশোরীর সঙ্গে সহবাসের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল এক যুবক। ধৃতের নাম সুভাষ বক্সি ওরফে ছোটকা। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের শক্তিগড় থানার হাটকাঁদা গ্রামে।জেলার ভাতারের বামশোর গ্রামের কিশোরীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ভাতার থানার পুলিশ বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ি থেকে ওই যুবককে গ্রেপ্তার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ শুক্রবার ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য এদিনই কিশোরীকে পাঠানো হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। তদন্তের প্রয়োজনে ধৃতকে ৫ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান তদন্তকারী অফিসার। বিচারক ধৃতকে ২ দিন পুলিশি হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বামশোর গ্রামের কিশোরী দশম শ্রেনীর পড়ুয়া। তাঁর মামার বাড়ি শক্তিগড়ের হাটকাঁদা গ্রামে। কিশোরীর মামার বাড়িতে সুভাষ বক্সির যাতায়াত ছিল। সেখানেই বছর খনেক আগে হাটকাঁদা গ্রামের যুবক সুভাষ বক্সির সঙ্গে কিশোরীর পরিচয় হয়। পরে তাঁদের মধ্যে সম্পর্কের গভীরতা বাড়ে। কিশোরীর বাবা বৃহস্পতিবার ভাতার থানায় অভিযোগে জানান, বুধবার তাঁর মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁরা তাঁকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। তখনই তাঁরা জানতে পারেন তাঁদের কিশোরী মেয়ে অন্তসত্ত্বা হয়ে পড়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে এরপর কিশোরী তাঁদের জানায় বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সুভাষ দীর্ঘদিন তাঁর সঙ্গে সহবাস করেছে। এমনটা জানার পর কিশোরীর বাবা ভাতার থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ সুভাষকে গ্রেপ্তার করে।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২১
রাজ্য

Suicide: খেতমজুর মা দামি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন কিনে দিতে না পারায় আত্মঘাতী ছাত্র

খেতমজুর মা দামি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন কিনে দিতে না পারার অভিমানে গলায় দড়ির ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে আত্মঘাতী হল ছেলে। মৃতের নাম রূপায়ন দাস(১১)। তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী থানার কালেখাঁতলা পঞ্চায়েতের মুরাগাছা গ্রামে।বৃহস্পতিবার কালনা মহকুমা হাসপাতাল মর্গে মৃত ছাত্রের দেহের ময়নাতদন্ত হয়। পূর্বস্থলী থানার পুলিশ ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়ে, মুরগাছা গ্রামের ছাত্র রূপায়ন দাস স্থানীয় বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেনীতে পড়তো। সে বৃহস্পতিবার তাঁর মা বিহান দাসের কাছে দামি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন কিনে দেওয়ার জন্য আবদার করে। অত দামি মোবাইল ফোন কিনে দিতে পারবে না বলে খেতমজুর মা বিহানদেবী তাঁর ছেলেকে জানিয়ে দেন। এরপরেই মায়ের উপর অভিমান করে ছেলে রূপায়ন দাস ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে গলায় দড়ির ফাঁস লাগিয়েঝুলে পড়ে। রুপায়ন দীর্ঘ সময় ঘর থেকে বের না হওয়ায় পরিবারের লোকজনের সন্দেহ হয়। দরজা ঠেলে ঘরে ঢুকে পরিবারের লোকজন রূপায়নের ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখতে পায়। ছাত্রের এমন অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে ।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
রাজ্য

Teacher Hanged: ঘরের দরজা ভেঙে শিক্ষিকার ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার

দরজা বন্ধ ঘর থেকে উদ্ধার হল শিক্ষিকার ঝুলন্ত মৃতদেহ। মৃতার নাম সুনন্দা বন্দ্যোপাধ্যায়। মধ্য বয়স্ক শিক্ষিকার বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কালনা শহরের প্রফেসার কলোনিতে। বুধবার রাতে কালনা থানার পুলিশ শিক্ষিকার বাড়ির একটি ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তাঁর ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখতে পায়। মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য কালনা মহকুমা হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। কালনা থানার পুলিশ শিক্ষিকার মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সুনন্দা বন্দ্যোপাধ্যায় কালনার একটি মাদ্রাসা স্কুলের শিক্ষিকা ছিলেন। তাঁর স্বামী কয়েক বছর আগে প্রয়াত হয়েছেন। দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ুয়া মৃতার ছেলে সম্ভ্রম বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন জানায়, সে পড়াশোনা গাফিলতি করায় গত মঙ্গলবার দুপুরে তাঁর মা রেগে যায়। মায়ের সঙ্গে তাঁর কথা কাটাকাটি হয়। তার পরেই তাঁর মা ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন। সম্ভ্রম বলেন ,এই ঘটনার পর থেকে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁর ঘরের দরজা খুলে আর বাইরে হয় না। তাঁর মা কোন সাড়া শব্দও দিচ্ছিল না। এই ভাবে মঙ্গলবার রাত পেরিয়ে যাবার পর বুধবার সাকালে ফের দরজা ধাক্কাধাক্কি করও সম্ভ্রম তাঁর মায়ের সাড়া পায়নি। এই পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত হয়ে সম্ভ্রম কলকাতায় তাঁর মামার বাড়িতে গিয়ে পুরো ঘটনা মামাদের খুলে বলে। বুধবার রাতে মামাদের সঙ্গে নিয়ে সম্ভ্রম কালনা থানায় গিয়ে পুলিশকে ঘটনার কথা জানায়। কালনা থানার পুলিশ দরজা ভেঙে ঘরের মধ্যে ঢুকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় সুনন্দাদেবীর ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখতে পায়। প্রাথমিক ভাবে এটি একটি আত্মহত্যায় ঘটনা বলেই পুলিশের অনুমান। তবে পাড়া প্রতিবেশীকে কিছু না জানিয়ে সম্ভ্রম কেন কলকাতায় মামার বাড়িতে গেল তাঁদেরকে ঘটনার কথা জানালো সেই বিষয়টি পুলিশ খতিয়ে দেখছে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
রাজ্য

Adhar : আধার কার্ড তৈরিতে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার প্রতিষ্ঠান মালিক

সরকারি নির্দেশ অমান্য করে নতুন আধার কার্ড তৈরি ও সংশোধনের জন্য অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন এক ব্যক্তি। ধৃত ব্যক্তির নাম খোকন শেখ ওরফে ফরজ। পূর্ব বর্ধমানের কালনা শহরের কাঁসারিপাড়ায় বাড়ি ভাড়া নিয়ে সেখানেই খোকন আধার কার্ড তৈরির ব্যবসা ফেঁদেছিল। প্রতারিতদের অভিযোগের ভিত্তিতে কালনা থানার পুলিশ মঙ্গলবার সেখান থেকেই খোকন শেখকে গ্রেপ্তার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ বুধবার ধৃতকে পেশ করে কালনা মহকুমা আদালতে। বিচরক ধৃতকে ৫ দিন পুলিশি হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ অহীন্দ্র মঞ্চে কর্মিসভায় বিজেপিকে কয়েক হাত মমতারপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তিন মাস ধরে কালনা শহরের কাঁসারিপাড়ার ভাড়া বাড়িতে আধার কার্ড তৈরির কারবার চালাচ্ছিল খোকন শেখ। অভিযোগ, সেখানে বসেই আধার কার্ড তৈরির জন্য সাধারণ ও গরীব মানুষজনের কাছ থেকে তিনি ৬০০ ও তার বেশি টাকা নেওয়া হচ্ছিল। এই বিষয়ে স্থানীয় দীপঙ্কর রায় সহ বেশ কিছু বাসিন্দা মঙ্গলবার প্রতিবাদে সরব হন। তা নিয়ে উত্তেজনা চরমে উঠলে কালনা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি পুলিশ খোকন শেখের প্রতিষ্ঠান থেকে বেশ কিছু নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করে। তাতে অনিয়মের প্রমাণ মেলায় পুলিশ খোকন শেখকে গ্রেপ্তার করে ।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 25
  • 26
  • 27
  • 28
  • 29
  • 30
  • 31
  • 32
  • 33
  • 34
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ভোটার তালিকা থেকে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ! ধর্মতলায় ধরনায় বসলেন মমতা, তীব্র চ্যালেঞ্জ নির্বাচন কমিশনকে

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় বহু সাধারণ মানুষের নাম বাদ যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার দুপুর দুইটায় ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলের ডোরিনা ক্রসিংয়ে ধরনায় বসতে চলেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই সেখানে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি তুঙ্গে। এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর পুলিশ। উপস্থিত রয়েছেন তৃণমূলের নেতা থেকে কর্মীরা।এই কর্মসূচির মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট বার্তা দিতে চাইছেন যে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা করতেই তিনি পথে নেমেছেন। জানা গিয়েছে, এই ধরনা কর্মসূচিতে তাঁর পাশে থাকবেন সেই সব মানুষ যাঁদের পরিবারের সদস্যদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। সংশোধন প্রক্রিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত বহু ভোটারও এই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা যাচ্ছে।বঙ্গের এই সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রক্রিয়ার শুনানির শেষ পর্যায়ে তিনি ভুক্তভোগী ভোটারদের নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দফতরেও যান। সেখানে তিনি অভিযোগ জানান এবং সাধারণ মানুষের হয়ে কথা বলেন। তবুও এখনও পর্যন্ত পরিস্থিতি বদলায়নি বলে দাবি তৃণমূলের।তৃণমূল সূত্রের দাবি, বর্তমানে প্রায় এক কোটি কুড়ি লক্ষ ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে রয়েছে। এর মধ্যে তেষট্টি লক্ষের বেশি ভোটারের নাম ইতিমধ্যেই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। আরও প্রায় ষাট লক্ষ মানুষের ভোটাধিকার নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে আন্দোলনের পথেই হাঁটতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার রাজনীতিতে বহুবার দেখা গিয়েছে, যখনই সাধারণ মানুষের স্বার্থে কোনও সংকট তৈরি হয়েছে, তখনই তিনি রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছেন।ধর্মতলার ডোরিনা ক্রসিং রাজনৈতিক দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। প্রায় কুড়ি বছর আগে ধর্মতলার অনশন মঞ্চ থেকেই বাংলার রাজনীতিতে পরিবর্তনের সূচনা হয়েছিল। সেই একই জায়গায় আবারও ধরনায় বসতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এই আন্দোলনের লক্ষ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রতিবাদ করা এবং বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার বিষয়টি রুখে দেওয়া। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মানুষ যদি ভোট দিতে না পারে, তাহলে সেই নির্বাচনের কোনও অর্থ থাকে না। তাঁর অভিযোগ, চূড়ান্ত তালিকা তৈরি হওয়ার পরেও দিল্লির নির্দেশে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশন থেকে শুরু করে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত সব জায়গায় অভিযোগ জানানো হয়েছে। তবুও বহু মানুষের নাম এখনও তালিকায় নেই। সেই কারণেই বাংলার মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে তিনি শুক্রবার থেকে ধর্মতলায় ধরনায় বসছেন। পাশাপাশি তিনি সকলকে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করার আহ্বানও জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, এটি শুধু রাজনৈতিক বিষয় নয়, এটি বাংলার সম্মানের প্রশ্ন।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

আকাশ ছুঁয়ে ধেয়ে এল মৃত্যু! যে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্রে খামেনির শেষ, সেই প্রযুক্তিই আনছে ভারত

অপারেশন এপিক ফিউরি চলাকালীন একটি অত্যাধুনিক ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনিকে হত্যা করা হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রটির নাম ব্লু স্প্যারো। এটি একটি বিশেষ ধরনের বিমান থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। একই ধরনের প্রযুক্তি এখন ভারতও নিজেদের প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়ানোর জন্য পরীক্ষা ও সংযোজন করছে বলে খবর।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে ইরানের সময় প্রায় সাড়ে সাতটার দিকে ইসরায়েলের যুদ্ধবিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ছোড়া হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা পরে তেহরানে খামেনির কম্পাউন্ডে গিয়ে আঘাত হানে সেটি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ এবং আক্রমণের ধরন এতটাই জটিল যে সাধারণ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে এটিকে আটকানো প্রায় অসম্ভব।ব্লু স্প্যারো ক্ষেপণাস্ত্রকে অনেক সময় মহাকাশ থেকে আসা ক্ষেপণাস্ত্র বলা হয়। কারণ এটি প্রথমে একটি বুস্টার রকেটের সাহায্যে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের প্রায় প্রান্তসীমা পর্যন্ত উঠে যায়। তারপর সেখান থেকে অত্যন্ত উচ্চ গতিতে আবার নিচে নেমে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করে। এই সময়ে ক্ষেপণাস্ত্রটির গতি শব্দের গতির পাঁচ গুণেরও বেশি হয়ে যায়। ফলে শত্রুপক্ষের পক্ষে এটিকে শনাক্ত করা বা ধ্বংস করা খুব কঠিন হয়ে পড়ে।এই ক্ষেপণাস্ত্রে জিপিএস ও ইনর্শিয়াল নেভিগেশন ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়। ফলে এটি হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে অত্যন্ত নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারে। এমনকি একটি ভবনের নির্দিষ্ট ঘরকেও লক্ষ্য করে আঘাত হানার ক্ষমতা রয়েছে বলে দাবি করা হয়।ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সংস্থা রাফায়েল এই স্প্যারো পরিবারের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছিল মূলত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের অনুকরণে পরীক্ষা চালানোর জন্য। পরে সেই প্রযুক্তিকেই আরও উন্নত করে আক্রমণাত্মক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়।এই প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করেই ভারত নিজেদের বায়ুসেনার শক্তি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। বিশেষ করে রকস ও গোল্ডেন হরাইজন নামে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা নিয়ে কাজ চলছে বলে জানা গেছে।রকস ক্ষেপণাস্ত্রটি মূলত ব্লু স্প্যারো প্রযুক্তির একটি উন্নত সংস্করণ। ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে ভারতীয় বায়ুসেনা সুখোই সু-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালায়। প্রায় তিনশো কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্র। জিপিএস না থাকলেও এটি নিজস্ব সেন্সর ব্যবহার করে লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে পারে।এ ছাড়াও গোল্ডেন হরাইজন নামে একটি দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ভারতের কাছে প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এর সম্ভাব্য পাল্লা প্রায় দেড় হাজার থেকে দুই হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। এই প্রযুক্তি যুক্ত হলে ভারত আন্তর্জাতিক সীমান্ত না পেরিয়েও শত্রু দেশের অনেক গভীরে আঘাত হানতে সক্ষম হবে।ভারত ইতিমধ্যেই ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলির সঙ্গে যৌথভাবে বিভিন্ন আধুনিক অস্ত্র ব্যবস্থার ব্যবহার শুরু করেছে। ২০২৫ সালে অপারেশন সিন্দুর চলাকালীনও ইসরায়েলি প্রযুক্তির বিভিন্ন অস্ত্র ব্যবহারের কথা সামনে আসে।সেই সময় নির্ভুল লক্ষ্যভেদের জন্য স্পাইস কিট ব্যবহার করা হয়। এগুলির সাহায্যে সাধারণ বোমাকেও অত্যন্ত নির্ভুল নির্দেশিত অস্ত্রে পরিণত করা যায়। এছাড়া হারপি ও হারপ ড্রোন ব্যবহার করে শত্রুপক্ষের রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হয় বলে জানা যায়।ভারত ও ইসরায়েলের যৌথ উদ্যোগে তৈরি বারাক-৮ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাও সেই অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। এই ব্যবস্থাটি আকাশপথে আসা শত্রু ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমানের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা তৈরি করতে সাহায্য করে।এ ছাড়াও বেঙ্গালুরুতে ভারতীয় ও ইসরায়েলি সংস্থার যৌথ উদ্যোগে তৈরি স্কাইস্ট্রাইকার ড্রোন এবং র্যাম্পেজ ক্ষেপণাস্ত্রও বিভিন্ন গভীর আঘাত হানার অভিযানে ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের উন্নত প্রযুক্তি যুক্ত হলে ভারতীয় বায়ুসেনার গভীর আঘাত হানার ক্ষমতা আরও অনেক গুণ বাড়বে। ভবিষ্যতে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারত ও ইসরায়েলের সহযোগিতা আরও বাড়তে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

ব্রিগেডের মঞ্চে বড় চমক দিতে চলেছেন মোদি! বাংলার জন্য কী ঘোষণা আসতে পারে? জল্পনা তুঙ্গে

কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আগামী শনিবার বড় জনসভা করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সভা থেকেই বড় কোনও ঘোষণা করতে পারেন তিনি বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বিজেপি সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই সভাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে দল।দলীয় সূত্রের দাবি, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকেই বাংলার মানুষের জন্য একটি বড় প্রতিশ্রুতি বা ঘোষণা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। সেই ঘোষণা রাজনৈতিক মহলে বড় চমক তৈরি করতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের সমীকরণেও তার বড় প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।বিজেপির এক কেন্দ্রীয় নেতা জানিয়েছেন, ব্রিগেডের সভায় প্রধানমন্ত্রী এমন একটি বার্তা দিতে পারেন যা সরাসরি বাংলার মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি হিসেবে সামনে আসবে। তাঁর কথায়, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাটি শুধু রাজনৈতিক দিক থেকে নয়, প্রশাসনিক ও উন্নয়নের দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। সেই কারণেই এই ঘোষণাকে ঘিরে আগ্রহ ক্রমশ বাড়ছে।দলীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, রাজ্যে নির্বাচনের আগে বিজেপি তাদের প্রচারে গতি আনতে একের পর এক বড় প্রতিশ্রুতি সামনে আনছে। সম্প্রতি এক জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতির কথা ঘোষণা করেন। সেখানে বলা হয়, রাজ্যে সপ্তম বেতন কমিশন চালু করা হবে, আট মাসের মধ্যে সমস্ত শূন্য সরকারি পদ পূরণ করা হবে এবং যুবকদের চাকরির বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে।বিজেপি নেতৃত্বের মতে, এই প্রতিশ্রুতিগুলি বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের কর্মসংস্থান এবং প্রশাসনিক কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। সেই কারণেই ব্রিগেডের সভা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে যদি বড় কোনও অর্থনৈতিক বা কর্মসংস্থান সংক্রান্ত ঘোষণা করা হয়, তবে তা বাংলার নির্বাচনী লড়াইয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। তবে প্রধানমন্ত্রী ঠিক কী ঘোষণা করতে চলেছেন, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি বিজেপি নেতৃত্ব। ফলে ব্রিগেডের সভাকে ঘিরে জল্পনা এবং কৌতূহল দুটোই ক্রমশ বাড়ছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

তেল সংকটের আশঙ্কার মাঝেই বড় স্বস্তি! রাশিয়া থেকে তেল কিনতে ভারতের পথে আর বাধা নেই

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতে তেল সংকটের আশঙ্কাও দেখা দিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে সাময়িক ছাড় দিল আমেরিকা। এর ফলে আপাতত বড় স্বস্তি পেল নয়া দিল্লি।কিছু দিন আগেই কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছিল, দেশে প্রায় পঁচিশ দিনের পরিশোধিত ও অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে। তবে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে এবং গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে তেল সরবরাহে বড় সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।এই পরিস্থিতির মধ্যেই রাশিয়া আগেই জানিয়ে দিয়েছিল যে ভারতের প্রয়োজন হলে তারা তেল সরবরাহ করতে প্রস্তুত। কিন্তু আগে রাশিয়ার থেকে তেল না কেনার শর্তে ভারতের উপর শুল্ক কমিয়েছিল আমেরিকা। সেই কারণে ভারত আদৌ রাশিয়ার তেল কিনতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল।অবশেষে সেই জট কাটল। আমেরিকার ট্রেজারি বিভাগ ভারতকে রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য সাময়িক ছাড়পত্র দিয়েছে। জানা গিয়েছে, এই অনুমতি ত্রিশ দিনের জন্য দেওয়া হয়েছে। পাঁচ মার্চ থেকে এই সময়সীমা কার্যকর হয়েছে এবং তিন এপ্রিল পর্যন্ত ভারত রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করতে পারবে।আমেরিকার ট্রেজারি সচিব স্কট বেনেট সমাজমাধ্যমে একটি বার্তায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমেরিকার জ্বালানি কর্মসূচির ফলে তেল ও গ্যাস উৎপাদন অনেক বেড়েছে। বিশ্ব বাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে ত্রিশ দিনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।একই সঙ্গে তিনি ভারত ও আমেরিকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ভারত আমেরিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। ভবিষ্যতে ভারত আমেরিকার কাছ থেকেও তেল কেনা বাড়াবে বলে তারা আশা করছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইরান। তবে রাশিয়া ও চিনের তেলবাহী জাহাজকে এই নিষেধাজ্ঞা থেকে ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সূত্রে জানা গিয়েছে।খবরে জানা যাচ্ছে, ভারতীয় জলসীমার কাছাকাছি এলাকায় রাশিয়ার প্রায় পঁচানব্বই লক্ষ ব্যারেল তেল রয়েছে। রাশিয়া আগেই জানিয়েছিল, প্রয়োজন হলে ভারত এই তেল ব্যবহার করতে পারে।এদিকে হরমুজ প্রণালী নিয়ে সম্প্রতি ইরানের বিদেশমন্ত্রী আরাঘাচির সঙ্গে কথা বলেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেই আলোচনার পর থেকেই মনে করা হচ্ছিল, এই সংকটের প্রভাব ভারতে খুব বেশি পড়বে না।তারই মধ্যে আমেরিকার এই সিদ্ধান্তে আপাতত তেল সরবরাহ নিয়ে বড় স্বস্তি পেল ভারত। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতি কত দিন চলবে এবং বিশ্ব বাজারে তেলের দামে তার কী প্রভাব পড়বে, তা নিয়েই এখন নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলের।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

বড় সিদ্ধান্ত কর্নাটকের! ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য বন্ধ সমাজমাধ্যম, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

শিশুদের অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার ও সমাজমাধ্যমের প্রভাব ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত নিল কর্নাটক সরকার। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ঘোষণা করেছেন, ষোলো বছরের নিচে কোনও শিশু সমাজমাধ্যম ব্যবহার করতে পারবে না। রাজ্যের বাজেট পেশ করার সময় বিধানসভায় এই ঘোষণা করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমানে শিশুদের মধ্যে মোবাইল ও সমাজমাধ্যম ব্যবহারের প্রবণতা দ্রুত বাড়ছে। এর ফলে পড়াশোনা, আচরণ এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উপর খারাপ প্রভাব পড়ছে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, শিশুদের সুরক্ষা এবং ভবিষ্যৎ রক্ষার জন্য এই পদক্ষেপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।এই সিদ্ধান্তের ফলে কর্নাটক দেশের প্রথম রাজ্য যেখানে ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যম ব্যবহারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল। এর আগে আন্ধ্রপ্রদেশ এবং গোয়া সরকারও একই ধরনের পদক্ষেপের কথা ভাবছিল। তবে সবচেয়ে আগে কঠোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করল কর্নাটক সরকার।রাজ্যের রাজধানী বেঙ্গালুরু দেশের অন্যতম বড় প্রযুক্তি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। সেই রাজ্যেই শিশুদের মোবাইল ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ আনার প্রস্তাব নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনা চলছিল। গত মাসে সরকার স্কুল ও কলেজে ষোলো বছরের নিচে পড়ুয়াদের মোবাইল ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আনার বিষয়েও ভাবনা শুরু করেছিল।মুখ্যমন্ত্রী এর আগে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে তিনি শিশুদের মধ্যে বাড়তে থাকা সমাজমাধ্যম আসক্তি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, অনেক পড়ুয়া এই কারণে পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ছে এবং মানসিক সমস্যার মুখেও পড়ছে।সরকারের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে মোবাইলের পর্দায় সময় কাটালে পড়াশোনার ফল খারাপ হতে পারে। আচরণেও পরিবর্তন দেখা যায়। পাশাপাশি অজানা ও ক্ষতিকর বিষয়বস্তুর সংস্পর্শে আসার আশঙ্কাও থাকে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে মাদক চক্রের সঙ্গেও জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয় বলে প্রশাসনের দাবি।বিশ্বের বিভিন্ন দেশও শিশুদের সমাজমাধ্যম ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ আনতে শুরু করেছে। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া সরকারও ষোলো বছরের নিচে কিশোরদের জন্য একাধিক সমাজমাধ্যম ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে।কর্নাটক সরকারের এই সিদ্ধান্ত দেশজুড়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ রক্ষায় এই পদক্ষেপ কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে সবার।মেটা বিবরণ: শিশুদের মোবাইল ও সমাজমাধ্যম আসক্তি ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত কর্নাটক সরকারের। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ঘোষণা করলেন, ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যম ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

মার্চ ০৬, ২০২৬
বিদেশ

জেন জ়ির সমর্থনেই কি ইতিহাস? গণনায় এগিয়ে বলেন্দ্র, বড় ধাক্কা খেতে চলেছেন ওলি

নেপালে সাম্প্রতিক বিক্ষোভের পর প্রথমবারের মতো জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয়েছে ভোট গ্রহণ। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই শুরু হয়েছে ভোট গণনা। আর গণনার প্রাথমিক প্রবণতায় বড় চমক দেখা যাচ্ছে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি-কে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছেন কাঠমান্ডুর প্রাক্তন মেয়র বলেন্দ্র শাহ। তরুণ প্রজন্মের আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছিলেন বলেন্দ্র। সেই জনপ্রিয়তাই এখন ভোটের বাক্সে প্রতিফলিত হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।ঝাপা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন বলেন্দ্র শাহ। এই কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরেই ওলির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। কিন্তু প্রাথমিক গণনায় দেখা যাচ্ছে, চুয়াত্তর বছর বয়সি ওলিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছেন বলেন্দ্র। যদি এই প্রবণতা শেষ পর্যন্ত বজায় থাকে, তাহলে নেপালের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন ঘটতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।বলেন্দ্র শাহের পরিচয় প্রথমে একজন সংগীতশিল্পী হিসেবে। পরে তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। তিনি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর কাঠামোগত প্রকৌশলে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন। বর্তমানে তিনি কাঠমান্ডু বিশ্ববিদ্যালয়-এ গবেষণা করছেন। কিছুদিন তিনি টেলিভিশন সঞ্চালক হিসেবেও কাজ করেছেন। পরে রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যোগ দেন এবং রাষ্ট্রীয় স্বাধীন পার্টি-তে যোগ দেন রবি লামিছানে-র নেতৃত্বে। দুই হাজার বাইশ সালে তিনি নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর মেয়র নির্বাচিত হন।নেপালের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বলেন্দ্র শাহ অত্যন্ত জনপ্রিয়। সমাজমাধ্যম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল, সেখানে তিনি প্রকাশ্যে সমর্থন জানান। সেই আন্দোলনের জেরে নেপালের নির্বাচিত সরকারের পতন ঘটে এবং ক্ষমতাচ্যুত হন কে পি শর্মা ওলি। আন্দোলনের সময় একাংশ বিক্ষোভকারী বলেন্দ্র শাহকেই অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী করার দাবি তুলেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান নেপালের সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কী।সাম্প্রতিক সময়ে নেপালের রাজনীতিতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে উঠেছেন বলেন্দ্র শাহ। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে তাঁর জনপ্রিয়তা দ্রুত বেড়েছে। এবার নির্বাচনের ফলাফল যদি তাঁর পক্ষে যায়, তাহলে তাঁকে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবেও তুলে ধরতে পারে তাঁর দল।তবে বলেন্দ্র শাহ প্রধানমন্ত্রী হলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। কারণ তিনি অতীতে একাধিকবার ভারতের বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। ভারতের কিছু অঞ্চলকে নেপালের অংশ বলে দাবি করেছিলেন তিনি। দুই হাজার তেইশ সালের জুন মাসে নিজের কার্যালয়ে নেপালের একটি নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছিলেন বলেন্দ্র। সেই মানচিত্রে ভারতের কয়েকটি অঞ্চলকে বৃহত্তর নেপালের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।এদিকে ভারতের তরফে জানানো হয়েছে, নেপালের পরিস্থিতির উপর তারা নজর রাখছে। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, নেপালে শান্তি, অগ্রগতি এবং স্থিতিশীলতাকে ভারত সবসময় সমর্থন করে। নতুন সরকার গঠনের পর দুই দেশের সম্পর্ক আরও মজবুত করার জন্য ভারত কাজ করতে প্রস্তুত বলেও তিনি জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, নেপালের সংসদের নিম্নকক্ষের জন্য মোট দুইশো পঁচাত্তর জন সদস্য নির্বাচিত হন। এর মধ্যে একশো পঁয়ষট্টি জন সরাসরি ভোটে এবং একশো দশ জন অনুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত হন। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই ভোট গণনা শুরু হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা হতে পারে বলে জানা গেছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে রাজ্যপাল পদ ছাড়লেন সিভি আনন্দ বোস! বাংলায় আসছেন বিতর্কিত আর এন রবি?

ভোটের আগে হঠাৎই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দিলেন সি ভি আনন্দ বোস (Bengal Governor)। কেন তিনি এই সিদ্ধান্ত নিলেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। এরই মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে বড় দাবি করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পোস্টেই উঠে এসেছে বাংলার সম্ভাব্য নতুন রাজ্যপালের নাম (Bengal Governor)।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁকে জানিয়েছেন যে আর এন রবি-কে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করা হচ্ছে (Bengal Governor)। তবে এই বিষয়ে তাঁর সঙ্গে আগে কোনও আলোচনা করা হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।কে এই আর এন রবি, তা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। তাঁর পুরো নাম রবীন্দ্র নারায়ণ রবি। তিনি উনিশশো ছিয়াত্তর সালের কেরল ক্যাডারের ভারতীয় পুলিশ পরিষেবার আধিকারিক। জন্ম বিহারের পাটনায়, ১৯৫২ সালের ৩ এপ্রিল। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি মেধাবী ছাত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন। পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর দেশসেবার লক্ষ্য নিয়ে প্রশাসনিক পরিষেবায় যোগ দেন।কর্মজীবনের বড় অংশ কেটেছে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা বিভাগে। তিনি দীর্ঘদিন ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো-তে গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন। বিশেষ করে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিদ্রোহ দমন এবং জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য বলে মনে করা হয়। পরে তিনি ভারত সরকারের জয়েন্ট ইন্টেলিজেন্স কমিটি-র চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।তাঁর কর্মজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় নাগা শান্তি আলোচনা। দীর্ঘদিন ধরে চলা জটিল সমস্যার সমাধানে তিনি ভারত সরকারের প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। এই সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে দেশের উপ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পদেও নিয়োগ করা হয়।পরবর্তীতে তিনি রাজ্যপাল হিসেবেও দায়িত্ব সামলেছেন। ১৯১৯ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত নাগাল্যান্ডের রাজ্যপাল ছিলেন। সেই সময় কিছুদিনের জন্য মেঘালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বও পালন করেন। এরপর ২০২১ সাল থেকে তিনি তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসেবে কাজ করছেন।তবে তামিলনাড়ুতে তাঁর সময়কাল বারবার বিতর্কের কেন্দ্রেও এসেছে। রাজ্য সরকারের সঙ্গে একাধিক বিষয়ে সংঘাত প্রকাশ্যে এসেছে। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন এক সময় তাঁকে কেন্দ্রের এজেন্ট বলেও কটাক্ষ করেছিলেন। পরে রাজ্য সরকার তাঁর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টেও যায়। অভিযোগ ছিল, রাজ্যপাল দীর্ঘ সময় ধরে একাধিক বিল আটকে রেখেছিলেন।এবার সেই বিতর্কিত রাজ্যপালের নামই ঘুরে বেড়াচ্ছে বাংলার নতুন রাজ্যপাল হিসেবে। গত কয়েক বছরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে রাজ্যপালের সংঘাত বারবার খবরের শিরোনামে এসেছে। তাই আর এন রবি এলে সেই সংঘাত কি আবার নতুন করে শুরু হবে, তা নিয়েই এখন রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা।

মার্চ ০৬, ২০২৬
কলকাতা

হরমুজ প্রণালীর টানাপোড়েন, গ্যাস সরবরাহে চাপ! নতুন ডবল সিলিন্ডার আপাতত বন্ধ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার সাধারণ মানুষের রান্নাঘরেও পড়তে শুরু করেছে। ইরান ও ইজরায়েল-এর সংঘাতের মধ্যে নতুন করে ডবল গ্যাস সিলিন্ডারের সংযোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তেল সংস্থাগুলির তরফে গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরদের এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। অর্থাৎ কোনও গ্রাহক নতুন করে দ্বিতীয় সিলিন্ডারের জন্য আবেদন করলেও আপাতত তা দেওয়া হবে না।জানা গিয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে যাতে রান্নার গ্যাসের জোগানে সমস্যা না হয়, সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে যেসব পরিবারের রান্নাঘরে এখন একটি মাত্র সিলিন্ডার রয়েছে, আপাতত তাদের সেই একটি সিলিন্ডার নিয়েই চলতে হবে। গ্যাস ডিলারদের মতে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে এখনও কিছুটা সময় লাগতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজ চলাচল করে। এই পথ দিয়ে জাহাজ চলাচলে সমস্যা হলে রান্নার গ্যাস সরবরাহে বড় চাপ তৈরি হতে পারে। কারণ ভারতের জ্বালানি আমদানির বড় অংশ এই পথ দিয়েই আসে।ভারতে ঘরে ঘরে ব্যবহৃত রান্নার গ্যাসের সরবরাহ ব্যবস্থাকে এখন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে মনে করা হচ্ছে। অপরিশোধিত তেল বা তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের তুলনায় রান্নার গ্যাসের উৎস অনেক কম এবং মজুতও তুলনামূলকভাবে সীমিত। দেশের মোট চাহিদার প্রায় আশি থেকে পঁচাশি শতাংশ রান্নার গ্যাস বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। এর বেশির ভাগই উপসাগরীয় দেশগুলি থেকে আসে এবং প্রায় সব জাহাজই হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে ভারতে পৌঁছয়।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে দেশে প্রায় ত্রিশ দিনের রান্নার গ্যাস মজুত রয়েছে। তবে নির্ধারিত জাহাজ যদি দেরিতে পৌঁছয়, তাহলে সরবরাহে সমস্যা তৈরি হতে পারে।এদিকে সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কায় অনেক মানুষ আগেভাগে গ্যাস সিলিন্ডার বুক করতে শুরু করেছেন। এতে দ্রুত মজুত কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন শহরের গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটররা জানিয়েছেন, অনেক গ্রাহক অতিরিক্ত সিলিন্ডার সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। সেই কারণেই সাধারণ মানুষকে অযথা বেশি সিলিন্ডার মজুত না করার অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।অন্যদিকে সমাজমাধ্যমে তেলের দাম বাড়ার গুজবও ছড়িয়ে পড়ছে। তার প্রভাব পড়েছে পেট্রল পাম্পগুলিতেও। অনেকেই আতঙ্কে গাড়ির ট্যাঙ্ক পুরো ভরে নিচ্ছেন। তবে পাম্প মালিকদের দাবি, এখনই আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। তেলের পর্যাপ্ত জোগান রয়েছে।ওয়েস্ট বেঙ্গল পেট্রল ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন-এর সভাপতি অরুণ সিংঘানিয়া জানিয়েছেন, এখনও তেলের জোগান কমে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তবে যুদ্ধ দীর্ঘদিন চললে দামের কিছু পরিবর্তন হতে পারে। কিন্তু এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই বলেই তাঁর দাবি।মেটা বিবরণ: ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে জ্বালানি সরবরাহে। নতুন করে ডবল গ্যাস সিলিন্ডার সংযোগ আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ তেল সংস্থার, সাধারণ মানুষকে অযথা মজুত না করার পরামর্শ।

মার্চ ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal