• ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩, শুক্রবার ৩১ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mla

রাজ্য

সব বিধায়ককেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দিতে চায় বিজেপি

পশ্চিমবঙ্গের সব বিধায়ককেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার আওতায় আনতে চায় বিজেপি। তবে ৭৭ জন বিধায়কের মধ্যে অনেকেই সেই সুবিধা পান। যাঁরা পান না তাঁদের আবেদন করতে বলা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ৪০ জনের বেশি বিধায়ক আবেদনের ফর্ম পূরণ করেছেন। তবে বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, বালুরঘাটের বিধায়ক অশোক লাহিড়ি-সহ বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা নিতে চান না বলে দলকে জানিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, রাজ্যের বর্তমান যা পরিস্থিতি তাতে বিধায়কদের চলাফেরায় বিপদের আশঙ্কা রয়েছে। সেই কারণেই দল তাঁদের সুরক্ষার কথা ভেবেছে। যাঁরা চাইবেন তাঁদের জন্য নিরাপত্তার কথা বলা হবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে।অন্য একটি সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকও বাংলার বেশ কয়েকজন বিজেপি বিধায়কের উপরে হামলা হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে। সেই মর্মে ৬১ জন বিধায়কের একটি তালিকাও পাঠানো হয়েছে। সোমবারই বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। তিনি নির্বাচনের আগে থেকে জেড ক্যাটিগরির নিরাপত্তা পান। দলের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি তথা কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়ক মুকুল রায়ও একই রকম নিরাপত্তা পান। এ ছাড়াও দ্বিতীয়বারের বিধায়ক মনোজ টিগ্গা আগে থেকেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পান। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন করে কোচবিহারের সাংসদ তথা দিনহাটার বিধায়ক নিশীথ প্রামাণিকের নিরাপত্তা বাড়তে পারে। তিনি ওয়াই প্লাস ক্যাটিগরি অর্থাৎ, ২ জন কম্যান্ডো-সহ ১১ জন নিরাপত্তা রক্ষী পেতে পারেন। এখন নিশীথ ওয়াই ক্যাটিগরির নিরাপত্তা পান। এ ছাড়াও খড়্গপুর সদরের বিধায়ক অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়-সহ ৩ বিধায়ককে ওয়াই ক্যাটিগরির নিরাপত্তা দেওয়ার কথা ভাবছে বিজেপি। এই ক্যাটিগরিতে ৮ জন নিরাপত্তা রক্ষী থাকবেন। বাকি ইচ্ছুক বিধায়করা এক্স ক্যাটিগরিতে ২ জন করে নিরাপত্তা রক্ষী পাবেন। তবে এই নিরাপত্তা নেওয়া বা না নেওয়া নির্ভর করছে বিধায়কদের উপরে। তাঁরা না চাইলে নিরাপত্তা দেওয়া হবে নাসোমবার কলকাতার হেস্টিংসে বিজেপি দফতরে দলের সব বিধায়কদের বৈঠকে ডাকা হয়েছিল। এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল বিরোধী দলনেতা নির্বাচন। সেই পর্ব মেটার পরে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার জন্য বিধায়কদের তথ্য নেওয়া হয়। মোট ৫২ জন বিধায়ক সোমবার উপস্থিত ছিলেন। সকলকেই নাম, বাসস্থান এবং কোন এলাকায় তিনি বেশি যাতায়াত করেন সে সব লিখে দিতে বলা হয়। বিজেপি সূত্রে খবর, সেই সময়েই তা জমা দেননি বালুরঘাটের অর্থনীতিবিদ বিধায়ক অশোক। নিরাপত্তা পাওয়ার তালিকায় নাম থাকলেও যাঁরা সোমবার উপস্থিত ছিলেন না তাঁদেরকেও যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে বলে বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে। তালিকায় যাঁদের নাম নেই তাঁরাও যদি নিরাপত্ত চান সে ক্ষেত্রে আবেদন করতে বলা হয়েছে।

মে ১০, ২০২১
কলকাতা

বিধানসভায় শপথ নিলেন নবনির্বাচিত বিধায়করা

বিধানসভায় শুরু হল নবনির্বাচিত বিধায়কদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। তাঁদের শপথ বাক্য পাঠ করাচ্ছেন প্রোটেম স্পিকার সুব্রত মুখোপাধ্যায় । একাধিক তারকা শপথ নিলেন আজ। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন রাজ চক্রবর্তী, চিরঞ্জিত চক্রবর্তী-সহ অন্যান্যরা। রয়েছেন একাধিক হেভিওয়েটও।ভোট বাক্সে কার্যত সবুজ ঝড় বয়ে গিয়েছে। ২৯২টা আসনের মধ্যে ২১৩টাই পেয়েছে তৃণমূল। অর্থাৎ বাংলা বুঝিয়ে দিয়েছে যে সে তার নিজের মেয়েকেই চায়। ২ মে ফলপ্রকাশের পর ৫ মে অর্থাৎ বুধবার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় শপথ নিচ্ছেন বিধায়করা। আজ মোট ১৪৩ জনের শপথগ্রহণ। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, অতীন ঘোষ, শশী পাঁজা, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, মদন মিত্র-সহ একাধিক হেভিওয়েট। তালিকায় রয়েছেন ১২ তারকাও। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বারাকপুর থেকে নির্বাচিত রাজ চক্রবর্তী, মেদিনীপুর থেকে নির্বাচিত জুন মালিয়া। উত্তরপাড়া থেকে নির্বাচিত কাঞ্চন মল্লিক, অদিতি মুন্সি, লাভলি মৈত্র, হিরণ, বীরবাহা হাঁসদা, সোহম চক্রবর্তী আরও অনেকে। এছাড়াও রয়েছেন অশোক দিন্দা, মনোজ তিওয়ারি। নতুন ইনিংস শুরু করছেন তাঁরা। আগামিকাল দুভাগে শপথ নেবেন আরও ১৪৮ জন বিধায়ক।বুধবার রাজভবনে শপথবাক্য পাঠ করার পরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, কোভিড মোকাবিলা তাঁর প্রধান কাজ। মুখ্যমন্ত্রী পদে দায়িত্ব নিয়েই নবান্নে যান তিনি। একাধিক বৈঠকের পর কোভিড মোকাবিলায় একাধিক বড়সড় পদক্ষেপ নেন। সিদ্ধান্ত নেন লোকাল ট্রেন বন্ধের। বিধায়কদেরও প্রথম লক্ষ্য কোভিড মোকাবিলা। ফল ঘোষণার পরই কাঞ্চন মল্লিক, লাভলি মৈত্র, অদিতি মুন্সি জানিয়েছিলেন, এখন প্রধান কাজ, মানুষের পাশে থেকে, সকলের মাঝে মিশে মারণ ভাইরাসকে পরাস্ত করা।

মে ০৬, ২০২১
রাজ্য

রাজনৈতিক হিংসা দূর করতে শপথ বিজেপির জয়ী প্রার্থীদের

একদিকে রাজ্যভবনে যখন মুখ্যমন্ত্রী পদে তৃতীয়বারের জন্য শপথ নিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তখনই বিজেপির নির্বাচিত প্রতিনিধিরাও শপথ নিলেন।বিধায়ক পদে শপথ নয়, রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসা নির্মূল করার শপথ নিলেন তাঁরা। বিধায়ক হিসাবে নিজেদের দায়িত্ব পালনের শপথ। মানুষের পাশে থাকার শপথ।হেস্টিংসে বিজেপির অফিসে এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির নির্বাচিত প্রতিনিধিরা। প্রথম সারিতে দাঁড়িয়ে শপথ নিলেন নন্দীগ্রামের নির্বাচিত বিজেপি প্রতিনিধি শুভেন্দু অধিকারী, দিনহাটার নিশীথ প্রামাণিক। তাঁদের সবাইকে শপথবাক্য পাঠ করালেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। মঞ্চে তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে শপথবাক্য পাঠ করলেন বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডাও। অনেক দিন পর পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যার দিক থেকে অনেকটা শক্তিশালী বিরোধী দল পেল। এর আগে বাম বা কংগ্রেস বিরোধী দলের তকমা পেলেও সংখ্যার দিক থেকে তারা অনেকটাই দুর্বল ছিল। কিন্তু বিজেপির ৭৭ নির্বাচিত প্রতিনিধি সরকারকে চাপে রাখবে বলেই মত রাজনৈতিক মহলের। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে বিজেপির নির্বাচিত প্রতিনিধিরা শপথ নেন, বিরোধী দলের প্রতিনিধি হিসাবে তাঁরা তাঁদের দায়িত্ব সততার সঙ্গে পালন করবেন। এবং পশ্চিমবঙ্গের স্বার্থ রক্ষায় সর্বদা জাগ্রত থাকবেন। বিজেপির তরফে এই ৭৭ জনের মধ্যে বিরোধী দলনেতা কে হবেন, তা এখনও ঘোষণা হয়নি। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শপথগ্রহণের দিনই রাজনৈতিক হিংসা মুক্ত করার ডাক দিয়ে বিজেপি কার্যত তাদের অবস্থান বুঝিয়ে দিল।

মে ০৫, ২০২১
রাজ্য

করোনায় প্রয়াত প্রাক্তন বিধায়ক

মুরারইয়ের প্রাক্তন বিধায়ক আব্দুল রহমান করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হলেন। কলকাতার আরএন টেগোর হাসপাতালে মারা যান তিনি। প্রথমে তিনি মুরারই থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন। তারপর করোনা আক্রান্ত হলে তাঁর জায়গায় ওই আসন থেকে মোশারফ হোসেনকে প্রার্থী করে তৃণমূল।

এপ্রিল ১৮, ২০২১
রাজনীতি

বিজেপিতে যোগদান মেলা, গেরুয়া শিবিরে ৫ তৃণমূল বিধায়ক

অভিনেত্রী তনুশ্রী চক্রবর্তী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একসময়ের সঙ্গী সোনালি গুহ, তৃণমূলের হবিবপুরের প্রার্থী সরলা মুর্মু যোগ দিলেন বিজেপিতে। পদ্ম পতাকা হাতে নিয়েছেন সিঙ্গুরের মাস্টারমশাই বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য, শিবপুরের তৃণমূল বিধায়ক জটু লাহিড়ি, সাঁকরাইলের বিধায়ক শীতল সর্দার। সোমবার দুপুরে হেস্টিংসে বিজেপির নির্বাচনী অফিসে রীতিমতো যোগদান মেলা। সবমিলিয়ে তৃণমূলের ৫ বিধায়ক একইদিনে সামিল হলেন বিজেপিতে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের ছায়াসঙ্গী ছিলেন সোনালি গুহ । বিধানসভার প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার তথা সাতগাছিয়ার বিধায়ককে এবার প্রার্থী করেননি তৃণমূল নেত্রী । ক্ষোভ গোপন রাখেননি সোনালি। ফোন করেন মুকুল রায়কে। অভিমানে তৃণমূল ত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান তিনি। সোনালি এ দিন আনুষ্ঠানিকভাবে ঘাসফুল ছেড়ে পদ্মফুলে এলেন। সরলা মুর্মুকে মালদহের হবিবপুরে প্রার্থী করেছিল তৃণমূল । তিনি বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছে জানতে পেরে অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে প্রার্থী বদল করে তৃণমূল। হবিবপুরে প্রার্থী হয়েছেন প্রদীপ বাস্কে। অভিনেত্রী তনুশ্রী চক্রবর্তী বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছিল। সেই জনশ্রুতি সত্যি হল আজ। সোনালি, সরলার সঙ্গে পদ্ম শিবিরে সামিল হলেন তিনি। সিঙ্গুরের চারবারের বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থীতালিকা ঘোষণার সময় জানিয়েছিলেন, করোনার কারণে আশির ঊর্ধ্বে কাউকে টিকিট দেওয়া হচ্ছে না। বাদ পড়েন মাস্টারমশাই ও শিবপুরের বিধায়ক জটু লাহিড়ি। তাঁরা এ দিন নাম লেখালেন বিজেপিতে। বসিরহাট দক্ষিণের বিধায়ক দীপেন্দু বিশ্বাসকে এবার আর প্রার্থী করেনি তৃণমূল। তিনিও শিবির বদল করলেন। বিজেপিতে এলেন সাঁকরাইলের বিধায়ক শীতল সর্দার।

মার্চ ০৯, ২০২১
কলকাতা

তৃণমূল বিধায়কের দেওয়াল লিখন ঘিরে জটিলতা

দলের তরফে প্রার্থী ঘোষণা হয়নি এখনও। ঘোষণা হয়নি নির্বাচনের দিনক্ষণও। তার আগেই হাওড়ার শিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের বর্তমান বিধায়ক জটু লাহিড়ীর সমর্থনে দেওয়াল লিখন শুরু হয়ে গিয়েছে। আজ সকালেই ওই দেওয়াল লিখন চোখে পড়েছে। দেওয়ালে লেখা রয়েছে, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে শিবপুর কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী জটু লাহিড়ীকে ঘাসের উপর জোড়াফুল চিহ্নে ভোট দিন। দেওয়ালে ঘাসফুল প্রতীক আঁকা রয়েছে। দলের প্রার্থীদের নাম ঘোষণার আগেই এভাবে একতরফাভাবে জটু লাহিড়ীর সমর্থনে দেওয়াল লিখন নিয়ে কার্যতই দলের অন্দরে অস্বস্তি বেড়েছে। এ বিষয়ে দলের সদরের চেয়ারম্যান অরূপ রায় জানিয়েছেন, বিষয়টি দল দেখবে।উল্লেখ্য, এর আগে সোমবার সন্ধ্যায় হাওড়ায় নিজের কেন্দ্রে এক সাংবাদিক বৈঠকে দলের ঘোষণার আগেই আসন্ন বিধানসভায় প্রার্থী হিসাবে নিজের নাম ঘোষণা করে ফেলেন শিবপুরের বিধায়ক জটু লাহিড়ী। এর একদিনের মধ্যেই জটু লাহিড়ীর সমর্থনে দেওয়াল লিখন শুরু হয়ে যায়। সোমবারের সাংবাদিক ভোট কুশলী পিকের কটাক্ষ করেন তিনি। জটু লাহিড়ী বলেন, জেলা নেতৃত্ব যা বলবে তাই করব। আর কারও কথায় দলীয় কাজ করব না।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২১
রাজ্য

মালদায় তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে দুষ্কৃতী হামলা

ইংরেজবাজারের তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে সশস্ত্র দুষ্কৃতীর হামলা। ভাঙচুর করা হলো বিধায়কের বাড়ির আসবাবপত্র এবং অফিস ঘরের যাবতীয় সামগ্রী । আর এই ঘটনায় নাম জড়িয়েছে প্রাক্তন মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী এবং তৃণমূলের জেলার যুব সভাপতি প্রসেনজিৎ দাসের। এই দুইজনের বিরুদ্ধে সরাসরি সশস্ত্র দুষ্কৃতী নিয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূল বিধায়ক নিহার ঘোষ । সোমবার রাত ১১ টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে মালদা শহরের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের বেলতলা এলাকায় । সেখানে রয়েছে তৃণমূল বিধায়ক নিহার ঘোষের বাড়ি এবং দলীয় কার্যালয় । গভীর রাতে সশস্ত্র দুষ্কৃতী দল অতর্কিতে বিধায়কের বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর করে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। বিধায়ক নিহার ঘোষ এবং তার স্ত্রী তথা ইংরেজবাজার পুরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলার গায়ত্রী ঘোষের অভিযোগ, প্রাক্তন মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী এবং তৃণমূলের জেলা যুব সভাপতি প্রসেনজিৎ দাসের নেতৃত্বে এদিন তাদের বাড়িতেই বাঁশ,লাঠি, হাঁসুয়া নিয়ে সশস্ত্র দুষ্কৃতীরা হামলা চালিয়েছে। ভাঙচুর করা হয়েছে সমস্ত আসবাবপত্র । এমনকী, বাড়িতে ঢুকে তাদেরকে কুপিয়ে খুনের চেষ্টা চালানো হয় বলে অভিযোগ।এদিকে রাতে এই গোলমালের ঘটনায় রীতিমতো উত্তেজনা তৈরি হয় মালদা শহরে বিনয় সরকার রোড সংলগ্ন বেলতলা এলাকায় । খবর পেয়ে ইংরেজবাজার থানার আইসি মদন মোহন রায়ের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয় । ততক্ষণে দুষ্কৃতীরা তাণ্ডব চালিয়ে এলাকা থেকে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। পুরো ঘটনার ব্যাপারে বিধায়ক নিহার ঘোষ এবং তার স্ত্রী গায়ত্রী ঘোষ সংশ্লিষ্ট থানায় লিখিত অভিযোগ জানানোর কথা রাতেই জানিয়েছেন।বিধায়ক নিহার ঘোষের অভিযোগ, কিছুদিন আগে তাঁর পিতৃবিয়োগ হয়েছে।এনিয়ে তিনি শোকার্ত। কিন্তু এদিন হঠাৎ করে প্রাক্তন মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী এবং তৃণমূলের জেলা যুব সভাপতি প্রসেনজিৎ দাসের নেতৃত্বে তাঁর বাড়িতে একশোরও বেশি দুষ্কৃতী নিয়ে হামলা চালানো হয় । ওরা বাড়িতে ঢুকে চেয়ার, টেবিল সমস্ত জিনিস ভাঙচুর করে । ইংরেজবাজার থানার আইসি মদনমোহন রায় জানিয়েছেন, বিধায়কের বাড়িতে হামলার খবর শোনার পরই তদন্ত করা হয়েছে। আমাদের খুব খারাপ লাগছে কিছুদিন আগেই বিধায়কের বাবা প্রয়াত হয়েছেন। উনি এমনি মর্মাহত রয়েছেন। তারপরেই এই হামলা ঘটনা কারা চালিয়েছে, সেটি আমরা তদন্ত করে দেখছি। একটি সিসিটিভির ফুটেজ পাওয়া গিয়েছে। সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২১
স্বাস্থ্য

বর্ধমানে দুই তৃণমূল বিধায়কের করোনা টীকাকরণ নিয়ে রাজ্যজুড়ে বিতর্ক

করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে বিতর্কে পূর্ব বর্ধমান জেলার দুজন তৃণমূল বিধায়ক ও একজন প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক। শনিবার সারা দেশের সঙ্গে রাজ্যে প্রথম সারির করোনা যোদ্ধাদের ভ্যাকসিন বা টিকাকরণ প্রক্রিয়ার কাজ শুরু হয়। এদিন ভাতার স্টেট জেনারেল হাসপাতালে করোনা ভ্যাকসিন নেন স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক সুভাষ মন্ডল ও প্রাক্তন বিধায়ক বনমালী হাজরা। এছাড়াও কাটোয়াতে করোনার টিকা নিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। তৃণমূল জনপ্রতিনিধিদের করোনা ভ্যাকসিন নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে। বিজেপি অভিযোগ করেছে রোগী কল্যান সমিতির নাম করে এভাবে টীকা নেওয়া ঠিক হয়নি। প্রথম সারির যোদ্ধাদের আগে টিকাকরণ করার কথা। অন্যদিকে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও জনপ্রতিনিধিদের টিকাকরণ নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ প্রকাশ করেছেন।তৃণমূল জনপ্রতিনিধিদের করোনা ভ্যাকসিন নেওয়া প্রসঙ্গে বঙ্গ বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, এখনই যাঁদের করোনা ভ্যাকসিন নেওয়া উচিত হয়নি তাঁরা ভ্যাকসিন নিচ্ছেন। আম্ফান এর মতোন এক্ষেত্রেও তালিকায় গন্ডগোল রয়েছে। এদিকে পূর্ব বর্ধমানের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক প্রনব রায় জানিয়েছেন, এই বিধায়করা রোগী কল্যাণ সমিতির সদস্য। তাঁরা সরাসরি স্বাস্থ্য ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত। তাই তাঁদের টিকাকরণ করা হয়েছে। বর্ধমান জেলা তৃণমূল এর মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাসের বক্তব্য, টীকা নিয়ে কোন স্বজনপোষণ করা হয়নি। বিজেপি সব ক্ষেত্রেই অভিযোগ করে। এই বিধায়করা করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। এঁরা রোগী কল্যাণ সমিতির সঙ্গে যুক্ত।রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের একাংশ জনপ্রতিনিধিদের টীকাকরণ নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, সর্বপ্রথমে প্রথম সারির করোনা যোদ্ধাদের টীকাকরণ করতে হবে। এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল রাজ্যজুড়ে। টিকাকরণের সফটওয়্যারে একটা সমস্যা হয়েছে। তাই নির্দেশ ছিল জরুরি ভিত্তিতে তালিকা অনুযায়ী টীকা দিতে হবে। এটা ঠিক কাজ হয়নি বলেই তাঁরা মনে করেন।

জানুয়ারি ১৬, ২০২১
রাজ্য

বিজেপিতে শুভেন্দু সহ একঝাঁক তৃণমূল নেতার যোগদান

সমস্তরকম জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার অমিত শাহের হাত থেকে তিনি দলীয় পতাকা গ্রহণ করেন। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর অমিত শাহের পায়ে হাত দিয়ে প্রণামও করেন তিনি। এদিন শুভেন্দুর পাশাপাশি তৃণমূলের একঝাঁক বিধায়ক, কয়েকজন সংখ্যালঘু নেতাও বিজেপিতে যোগ দেন। শনিবার পশ্চিম মেদিনীপুরের কলেজ মাঠের সভায় শুভেন্দু অধিকারী ছাড়াও বিজেপিতে যোগ দিলেন ৯ বর্তমান বিধায়ক , এক সাংসদ, এক প্রাক্তন সাংসদ ও রাজ্যের এক প্রাক্তন মন্ত্রী। তারা হলেন, তাঁর সঙ্গেই বিজেপিতে যোগ দিলেন ব্যারাকপুরের বিধায়ক শীলভদ্র দত্ত, পুরুলিয়ার বিধায়ক সুদীপ মুখোপাধ্যায়, হলদিয়ার বিধায়ক তাপসী মণ্ডল, তমলুকের বিধায়ক অশোক দিন্দা, কাঁথি উত্তরের বিধায়ক বনশ্রী মাইতি, কালনার বিধায়ক বিশ্বজিত্ কুণ্ডু , মন্তেশ্বরের বিধায়ক সৈকত পাঁজা, নাগরাকাটার বিধায়ক শুক্রা মুন্ডা, গাজোলের বিধায়ক দীপালি বিশ্বাস সহ পূর্ব বর্ধমানের সাংসদ সুনীল মণ্ডল প্রমুখ। সেইসঙ্গে যোগ দিলেন কর্নেল দীপ্তাংশু চৌধুরী, শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি, কার্তিক পাল, বাণী সিং রায়, ফিরোজ খান প্রমুখ। তবে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ছয় সংখ্যালঘু নেতার দলবদল বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল। আরও পড়ুন ঃ মা-মাটি-মানুষের স্লোগান তোলাবাজি-ভাইপোরাজে বদলে গিয়েছে, তোপ অমিত শাহর ছয় নেতার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নামটাই হল কবিরুল ইসলাম। তিনি তৃণমূলের রাজ্য সংখ্যালঘু সেলের সম্পাদক ছিলেন। শুক্রবারই দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন তিনি। এরপর শনিবার অমিত শাহের সভা থেকে বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নিলেন। এছাড়া রয়েছেন রাজ্যস্তরের তৃণমূল নেতা অধ্যাপক ওইদুল হক, হুগলির প্রাক্তন বিধায়ক পারভেজ রহমান, বীরভূমের দাপুটে নেতা করম হুসেন খান, হুগলির নেতা আলমগীর মোল্লা।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২০
রাজনীতি

আজ আমার জন্য সৌভাগ্য এবং আনন্দের দিনঃ অমিত শাহ

ফের বঙ্গ সফরে এলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ দমদম বিমানবন্দরে পৌঁছনোর কথা ছিল তাঁর। তবে, বিমান বিভ্রাটের ফলে নির্ধারিত সময়ের বেশ খানিকটা পর রাত দেড়টা নাগাদ কলকাতা পৌঁছন তিনি। আপাতত দুদিন ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। আরও পড়ুন ঃ পাহাড়ের রাজনীতিতে গেরুয়া শিবিরের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়াইয়ের ডাক জিএনএলএফ-এর কুয়াশা বিভ্রাট কাটিয়ে কলকাতায় পা রাখেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ শাহের বিমান কলকাতা বিমানবন্দরে নামার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু দিল্লিতে প্রচণ্ড কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কমে যায়। সেই কারণে নির্ধারিত সময়ে বিমান ছাড়তে পারেনি। শেষ মেশ রাত দেড়টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছন অমিত। রাতে বিমানবন্দরে অমিতকে স্বাগত জানাতে হাজির ছিলেন রাজ্য বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায়। মধ্যরাতেও বিমানবন্দরের বাইরে বিজেপির সমর্থকদের ভিড় ছিল দেখার মতো। তাঁদের উদ্দেশে হাত নেড়ে গাড়িতে চেপে রওনা দেন অমিত। বিমানবন্দর থেকে তাঁর কনভয় ছোটে নিউটাউনের উদ্দেশে, সেখানেই একটি পাঁচতারা হোটেলে আগামী দুদিন থাকবেন তিনি। শনিবার সকালে এই পাঁচতারা হোটেলেই সকাল ৯টা ৪৫ মিনিট থেকে ১০টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত এনআইয়ের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বৈঠক শেষ করেই অমিত যান স্বামী বিবেকানন্দের পৈত্রিক বাড়িতে। সিমলা স্ট্রিটে স্বামীজির বাড়ি থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অমিত শাহ বলেন, আজ আমার জন্য সৌভাগ্য এবং আনন্দের দিন। আমি সেই জায়গায় এসেছি যেখানে বিশ্বজুড়ে যিনি চেতনা জাগ্রত করেছেন সেই স্বামী বিবেকানন্দের জন্মভিটে এসেছি। ভারতের সংস্কৃতি দর্শনকে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন স্বামীজি। আমি এখানে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেছি। স্বামীজির সেই চেতনা নিয়েই এগিয়ে যাব। আজও প্রাসঙ্গিক রয়েছে সেই চেতনা। এখন খুব দরকার সেই চেতনার। বঙ্গবাসীর মন জিততে বাংলায় এদিন টুইট করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লেখেন, পশ্চিমবঙ্গের প্রিয় ভাই এবং বোনেদের সাথে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আলাপচারিতার জন্য আমি উদগ্রীব রইলাম। অমিত শাহের সঙ্গে রয়েছে রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। কৈলাস বিজয়বর্গীয়, দিলীপ ঘোষ, অরবিন্দ মেনন, অগ্নিমিত্রা পলের মতো নেতা-নেত্রীরাও রয়েছেন শাহের সঙ্গে। বিবেকানন্দের পৈতৃক ভিটেতে মিউজিয়াম, শিবের মন্দির ঘুরে দেখেন তিনি।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২০
কলকাতা

গৃহীত হয়নি শুভেন্দুর পদত্যাগপত্র, সোমবার ডাকা হল বিধানসভায়

এখনও গৃহীত হল না শুভেন্দু অধিকারীর পদত্যাগ পত্র। সম্প্রতি তিনি নিজে গিয়ে বিধানসভায় পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে আসেন। সেই সময় বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় না থাকায় তিনি তাঁর সচিবের কাছে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পরে ইমেল মারফৎ তিনি বিধানসভার অধ্যক্ষকেও পদত্যাগপত্র পাঠান। পদত্যাগ পত্র গৃহীত হবে কিনা তা নিয়ে প্রথম থেকেই ধোঁয়াশা ছিল। কারণ, তার মধ্যে কিছু ত্রুটি ছিল বলে জানিয়েছিলেন বিশেষজ্ঞরা। ঠিক সেটাই দেখা গেল। তাই শুভেন্দু অধিকারীকে আগামী সোমবার বিধানসভায় ডাকাও হয়েছে বলে সূত্রের খবর। আরও পড়ুন ঃ নাড্ডার কনভয়ে হামলার ইস্যুতে ফের মুখ্যসচিব, ডিজিপিকে তলব কেন্দ্রের বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, সাংবিধানিক সংস্থান ও বিধানসভার নিয়ম বিধির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ না হওয়ায় শুভেন্দু অধিকারীর পদত্যাগপত্র এখনই গ্রহণ করা সম্ভব নয়। আজ, শুক্রবার বিধানসভা ভবনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি জানান, বিধানসভায় এসে শুভেন্দু যে ইস্তফাপত্র দিয়েছেন, তাতে কোনও তারিখ ছিল না। কিন্তু ইমেলে পাঠানো চিঠিতে ছিল। কোনটা আসল, সেটা তাঁকে আগে বুঝতে হবে। সোমবার শুভেন্দু অধিকারীকে অধ্যক্ষ বিধানসভায় ডেকেছেন। সবদিক থেকে সন্তুষ্ট হবার পর সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি। তবে, যতদিন তাঁর পদত্যাগ পত্র গৃহীত না হচ্ছে, ততদিন শুভেন্দু বিধানসভার নির্বাচিত সদস্য থাকছেন বলে বিমানবাবু জানান।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২০
কলকাতা

নিয়ম মেনে করা হয়নি, অধ্যক্ষের দাবি গৃহীত হয়নি শুভেন্দুর পদত্যাগ

মন্ত্রিত্ব থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর গতকাল বিধানসভা ভবন এসে বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। যদিও অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় না থাকায় তার সচিবের হাতে ইস্তফা পত্র জমা দেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারী নিজের তরফ থেকে তৃণমূলের সঙ্গে এত বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করলেও তাঁর পদত্যাগপত্র নিয়ে বিতর্ক রয়ে গেল। কারণ গতকালই অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট করেছিলেন, শুভেন্দু অধিকারীর পদত্যাগপত্র বিধিসম্মত নয়, সুতরাং সেটি গ্রহণ করা যায়নি। এদিনও সংবাদ মাধ্যমের সামনে একই কথা আরো একবার স্পষ্ট করে জানিয়ে দিলেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ অগণতান্ত্রিক ও যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোর পরিপন্থী, আইপিএস পোস্টিং নিয়ে তোপ মমতার এদিন বিধানসভায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, শুভেন্দু অধিকারীর ইস্তফাপত্র বিধিসম্মত নয়। আজ তিনি সচিবের থেকে সেই ইস্তফাপত্র হাতে পেয়েছেন, সেটি পরীক্ষা করে দেখার ব্যাপার আছে। পরীক্ষা করার পর তিনি সেই প্রেক্ষিতে একটি অর্ডার দেবেন। যতক্ষণ না সেই অর্ডার দেওয়া হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত বলা যায়না শুভেন্দু অধিকারীর ইস্তফাপত্র গৃহীত হয়েছে বা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। অর্ডার এর পরেই সম্পূর্ণ বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এক্ষেত্রে তিনি এও ইঙ্গিত দিয়েছেন, এখনো পর্যন্ত পদত্যাগপত্র গৃহীত বা প্রত্যাখ্যান না করা হলেও পরবর্তী ক্ষেত্রে তা গ্রহণ করা যেতেই পারে। তবে পুরোটাই নির্ভর করছে সেই পদত্যাগপত্র খুঁটিয়ে পরীক্ষা করার উপর এবং অর্ডারের ওপর। কিন্তু ততক্ষণ পর্যন্ত শুভেন্দু অধিকারী খাতায়-কলমে তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক পদেই রয়েছেন। একইসঙ্গে ইস্তফাপত্র একই ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়েছে তার ব্যাপারে কিছুই বলতে চাননি বিধানসভার অধ্যক্ষ। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, যে অর্ডার বেরোবে সেটা দেখলেই বোঝা যাবে আসল ব্যাপার কি। তবে তিনি ইস্তফা পত্র গ্রহণ করবেন কি করবেন না সে ব্যাপারে এখন থেকেই ইঙ্গিত দিতে চাইলেন না বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, গতকাল বিকেল চারটে নাগাদ বিধানসভা ভবনে পৌঁছে অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইস্তফা দিতে যান শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু সেই সময় সেখানে ছিলেন না তিনি। অতঃপর স্পিকারের সচিবের কাছে সেই পদত্যাগপত্র পেশ করেন তিনি। গতকালই বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, আগে বিধানভবনে গিয়ে তিনি ইস্তফাপত্র দেখবেন, তারপর আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেবেন। তার আগে এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নয়। বিমানের কথায়, শুভেন্দু অধিকারীর যেভাবে সচিবের হাতে পদত্যাগপত্র দিয়েছেন সেটা বৈধ নয়, এইভাবে পদত্যাগপত্র সচিবের হাতে দিয়ে পদত্যাগ করা যায় না।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২০
রাজ্য

শুভেন্দুর পর দল ছাড়তে তৈরি আরও দুই মন্ত্রী?

শুভেন্দু অধিকারীর পর এবার দল ছাড়তে চলেছেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী। তৃণমূল সূত্রে খবর, দুই মন্ত্রী বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। গুসকরার এক প্রবীণ তৃণমূল নেতার এমনটাই দাবি। আরও পড়ুন ঃ এবার বেসুরো তৃণমূল সাংসদ সুনীল মণ্ডল অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে দুই মন্ত্রী বর্ধমান পূর্বের সাংসদ সুনীল মণ্ডলের বাড়িতে শুভেন্দুবাবুর জন্য অপেক্ষা করছেন বলে খবর। অসমর্থিত সূত্রের খবর, দুজনেই দক্ষিণবঙ্গের।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
কলকাতা

তৃণমূল বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী

১৮ দিন আগেই মন্ত্রীত্ব ছেড়েছিলেন। তখন থেকেই বিধায়ক পদ ও দল থেকে তাঁর ইস্তফা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়। এবার তৃণমূল বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার বিধানসভায় গিয়ে তিনি ইস্তফাপত্র জমা দেন। সেখানে অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় না থাকায় বিধানসভার সচিবের হাতে ইস্তফাপত্র দিয়ে তিনি বেরিয়ে যান। কিন্তু অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, শুভেন্দুর ইস্তফাপত্র গৃহীত হচ্ছে না। কারণ, বিধানসভার সচিবের ইস্তফাপত্র গ্রহণের এক্তিয়ার নেই।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
রাজ্য

আমাকে যারা আক্রমণ করছেন ভোটের বোতামে তাঁরা টের পাবেন, বিস্ফোরক শুভেন্দু

মঙ্গলবার হলদিয়ায় সতীশ সামন্তের জন্মদিন উপলক্ষ্যে হেলিপ্যাড গ্রাউন্ডে অরাজনৈতিক সভায় যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি এদিন ছিল মেদিনীপুরের ভূমিপুত্র শুভেন্দুরও জন্মদিন। সভার শুরুতে সতীশ সামন্তের আত্মবলিদানের কথা বলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। তারপরই তাঁর গলায় শোনা যায়, কটাক্ষের সুর। কারোর নাম না করে একের পর এক আক্রমণ শানান তিনি। শুভেন্দু বলেন, হলদিয়া ভবনে আমি যেতাম না। প্রাসাদে ওঠার অভ্যাস আমার নেই। নন্দীগ্রাম আন্দোলন কোনও দল বা ব্যক্তির আন্দোলন ছিল না। ছিল মানুষের আন্দোলন। আরও পড়ুন ঃ দ্বন্দ্ব মেটাতে জিতেন্দ্র তিওয়ারির সঙ্গে বৈঠকে বসছেন ফিরহাদ, থাকতে পারেন পিকেও তিনি এদিনও বলেন, অনেকে বলছেন, আমি পদের লোভে এগোচ্ছি। আমার পদের লোভ নেই। আমি অনেক লড়াইয়ের সাক্ষী। তাঁর কথায়, সতীশ সামন্তকে বহিরাগত বলে ভাবতেন না নেহেরু। আমরা আগে ভারতীয়, তারপর বাঙালি। এমনকি ব্যক্তি আক্রমণ নিয়েও মুখ খোলেন শুভেন্দু। বলেন, কেউ কেউ আমাকে ব্যক্তি আক্রমণ করেছেন। কয়েক দিন পরে মানুষ গিয়ে যখন ভোটের বোতাম টিপবে, আপনাদের অবস্থাও অনিল বসু, লক্ষ্মণ শেঠদের মতো হবে। তবে সরাসরি তৃণমূলকে নাম না করলেও পরোক্ষভাবে বলেন, গণতন্ত্রের মানে ফর দ্য পিপল, অফ দ্য পিপল, বাই দ্য পিপল। কেন ফর দ্য পার্টি, অফ দ্য পার্টি, বাই দ্য পার্টি হবে। এদিনের মঞ্চ থেকে সুর চড়িয়ে বলেন, এখানে তিন ধরণের লোক এসেছে। প্রথমত, যারা আমাকে ভালোবাসেন, দ্বিতীয়ত, সতীশ সামন্তের আত্মবলিদানের কথা শুনতে, তৃতীয়ত, আমার রাজনৈতিক অবস্থান শুনতে। তবে আমি পদ ছাড়ার পরও আমার সভায় লোক এসেছে। আমার সভায় লোক আনতে কোনও দলের দরকার পরে না। এই লোককে তৃণমূল বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিএম-এর পদাধিকারীরা আনেনি। এই জনগণের সঙ্গে আমার আত্মিক সম্পর্ক। শুভেন্দুর পরিবার সমগ্র বাংলার পরিবার। শুভেন্দুর দাবি, ভাষণ নয়, রেশন দিতে হবে। এছাড়াও তিনি বলেন, অনেকেই প্রশ্ন করেন আমি অকৃতদ্বার কেন? তাদের বলি এখনকার রাজনীতিবিদদের দেখে আমি অকৃতদ্বার নই। আমি সতীশ সামন্তদের দেখে অকৃতদ্বার। সবশেষে শুভেন্দুর গলায় শোনা যায়, তাম্রলিপ্ত সরকার জিন্দাবাদ। সতীশ সামন্ত জিন্দাবাদ। বন্দেমাতারম। ফলে এদিনের অরাজনৈতিক সভা থেকে শুভেন্দু আবারও নিজের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করলেন না। ফের জিইয়ে রাখলেন জল্পনা।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২০
রাজ্য

২০২১-এ মুক্তির স্বাদ দেবে ঈশ্বর, ফের বিস্ফোরক শুভেন্দু

মানুষের সঙ্গে কোনওদিন বিশ্বাসঘাতকতা করিনি, করবও না৷ রবিবার পূর্ব মেদিনীপুরের একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের গিয়ে করা বেশ কয়েকটি মন্তব্যে তাঁকে ঘিরে জল্পনা আরও উস্কে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী৷ ইঙ্গিতপূর্ণ ভাবে আরও বললেন, আশা করব ঈশ্বর আমাদের ২০২১ সালটা খুব ভাল দেবে, মুক্তির সাল দেবে, আনন্দের স্বাদ দেবে৷ আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে এখন থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি কৈলাসের, পাল্টা সরব তৃণমূল রবিবারই শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত পূর্ব মেদিনীপুরে দলের সাধারণ সম্পাদক কণিষ্ক পণ্ডাকে বহিষ্কার করেছে তৃণমূল৷ আর সেদিন বিকেলেই কারও নাম না করেই ফের অরাজনৈতিক মঞ্চ থেকে একের পর এক ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন শুভেন্দু অধিকারী৷ তিনি বলেন, আমি মানুষের সঙ্গে কোনওদিন বিশ্বাসঘাতকতা করব না৷ মানুষের উপরে যদি অন্যায়, অত্যাচার হয়, বেকার যুবকরা যদি কর্মসংস্থান না পেয়ে যন্ত্রণায় কাতরায়, কৃষকরা যদি যন্ত্রণায় কাতরায়, যদি মানুষের মধ্যে উন্নয়নের জন্য আরও প্রত্যাশা থাকে, তাহলে শুভেন্দু অধিকারী সেটা করবে৷

ডিসেম্বর ১৪, ২০২০
রাজ্য

রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না করে খোঁচা উদয়নের

সম্প্রতি বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের কয়েকটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে জল্পনা ছড়িয়ে পড়েছে। আর তার সূত্র ধরেই এবার নাম না করে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে খোঁচা দিলেন বিধায়ক উদয়ন গুহ। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, হয় জলে (সেচ) অথবা জঙ্গলে (বন) না হলে পদ্মফুলে, যত মত তত পথ। উদয়ন গুহ তাঁর ফেসবুক পোস্টে কারও নাম উল্লেখ করেননি ঠিকই। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যের মুখ্যসচিব ও ডিজিকে তলব অসাংবিধানিক বলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিবকে চিঠি কল্যাণের তবে তাঁর এই পোস্ট যে আদতে বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে খোঁচা দিয়েই করা, সে বিষয়ে কোনও মতপার্থক্য থাকতে পারে না বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহলের অনেকেই। কারণ, একসময় রাজ্যের সেচ দপ্তর সামলাতেন মন্ত্রী রাজীব। আর বর্তমানে রাজ্যের বনমন্ত্রী তিনি। এছাড়া শুক্রবার শ্রীরামকৃষ্ণের বাণীকে হাতিয়ার করে যত মত তত পথ মন্তব্য করেছিলেন বিদ্রোহী মন্ত্রী। তাই উদয়ন গুহ যে আদতে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কেই খোঁচা দিয়েছেন তা স্পষ্ট।

ডিসেম্বর ১২, ২০২০
রাজ্য

মন্ত্রিত্ব ছাড়ার পরই সুদীপ্তর উদ্দেশ্যপ্রণোদিত চিঠি, সিবিআইকে খতিয়ে দেখার আবেদন শুভেন্দুর

আলিপুর জেলে বন্দি সুদীপ্ত সেনের চিঠির তদন্ত চেয়ে এবার সিবিআইকে চিঠি লিখলেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, চাপ ও প্রভাব খাটিয়ে সুদীপ্ত সেনকে দিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত চিঠি লেখানো হয়েছে। বিরোধী দলের রাজনীতিকদের সঙ্গে আমার নামও রয়েছে ওই চিঠিতে। এই ধরণের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত চিঠিতে এমন সময় আমার নাম নেওয়া হল, যখন আমি পশ্চিমবঙ্গের সেচ, জলসম্পদ ও পরিবহণমন্ত্রীর পদ থেকে সবেমাত্র ইস্তফা দিয়েছি। বলে রাখি, আমি ২৭ ডিসেম্বর ইস্তফা দিই। চিঠিটি লেখা হল ১ ডিসেম্বর। রাজ্যের মন্ত্রিত্ব ছাড়ার পরই সুদীপ্তর চিঠিতে তাঁর নাম থাকার কথাও উল্লেখ করেছেন শুভেন্দু। শুভেন্দু লিখেছেন-সংবাদমাধ্যম থেকে জেনেছি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছেন সুদীপ্ত সেন। আরও পড়ুন ঃ মণীশ শুক্লা খুনে গ্রেফতার আরও এক অভিযুক্ত কয়েক বছর পর হঠাৎ গত ১ ডিসেম্বর সুদীপ্ত জেলে বসে চিঠি দিয়েছেন। ওই চিঠিতে তাঁর অভিযোগ, প্রচুর টাকা নিয়েছেন ৫ রাজনীতিবিদ। সিবিআই ও রাজ্য পুলিশকে তদন্ত ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার অনুরোধ করেছেন। তাঁর চিঠিতে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন, এই ধরনের ব্যক্তিরা এখন বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। অদ্ভূতভাবে প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগার ও সংশোধনাগারের এডিজি-আইজি জেলের মধ্যে অভ্যন্তরীণ সংযোগ,অর্থাৎ ওই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত চিঠি হাতে পেল সংবাদমাধ্যম। ব্যাপক প্রচার চালানো হল। উপরোক্ত ঘটনাক্রম থেকে আমার আশঙ্কা, এই চিঠি লেখার নেপথ্যে সন্দেহের যথেষ্ট উপাদান রয়েছে। প্রভাবশালীদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে জেল কর্তৃপক্ষ প্রভাব খাটাতে পারে সুদীপ্ত সেনের উপরে। তাঁকে চাপ দেওয়াও হতে পারে। তিনি আরও লিখেছেন, আমার দৃঢ় বিশ্বাস, চিঠির লেখককে প্রভাবিত করা হয়েছিল। অথবা দুর্নীতির তথ্য গোপন করতে চাইছেন তিনি। আপনার অফিস দুর্নীতির তদন্ত করছে। আপনাকে অনুরোধ করছি, সুদীপ্ত সেনের এই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত চিঠির সব দিক খতিয়ে দেখা হোক, এমনকি লেখার সময় এবং প্রেক্ষাপটও। উপযুক্ত পদক্ষেপের জন্য গোটা বিষয়টি আপনাকে অবগত করলাম।

ডিসেম্বর ১১, ২০২০
রাজ্য

পিকের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন বৈশালী ডালমিয়া

বঙ্গ জননী কর্মসূচি নিয়ে বালি বিধানসভা এলাকার ১৬ জন প্রাক্তন কাউন্সিলরের সঙ্গে বুধবারে বেলুড় অগ্রসেন ভবনে বৈঠক করছিলেন পিকের টিম। সকাল এগারোটা নাগাদ বৈঠক শেষ হওয়ার সময় বালির প্রাক্তন তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের সভাপতি বিজয়লক্ষী রাও উপস্থিত হন। তিনি সেখানে প্রশ্ন তোলেন, বিধায়ককে বাদ দিয়ে কেন মিটিং করা হচ্ছে। কেন মিটিং সম্পর্কে জানানো হয়নি বিধায়ককে। এ বিষয়ে পিকের টিমের প্রতিনিধি ও উপস্থিত তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে সরব হন তিনি। এরপরেই দু পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। পিকের টিমের সামনেই চলে বচসা। হাতাহাতি হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। কয়েকজন প্রাক্তন কাউন্সিলর পরিস্থিতি সামাল দেন। গোটা ঘটনা টিম পিকে-র সামনে হলেও আশ্চর্যজনকভাবে তাঁরা নীরব ছিলেন বলেই অভিযোগ বৈশালী ডালমিয়ার। ফলে পিকে-র ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিধায়ক। টিম-পিকে আদৌ দলের ভাল করতে চান কিনা তা নিয়ে ঘনিষ্ট মহলে প্রশ্ন তোলেন বৈশালী। আরও পড়ুন ঃ কোচবিহারে বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার তাকে না জানিয়ে কেন বৈঠক করা হচ্ছে, এটা জানতে চাওয়ায় বিজয়লক্ষী রাওকে তৃণমূল কর্মীরা মারধর করে বলে অভিযোগ। পালটা ক্ষোভ উগরে দেন বালির তৃণমূল নেতা তফজিল আহমেদ। তিনি বলেন, কোনও মারধরের ঘটনা ঘটেনি। বালির বিধায়ক ও ঘনিষ্ঠরা সুযোগ সুবিধা নেওয়ার জন্য এখানে এসেছেন। এদেরকে বহিষ্কার না করলে দলটাই থাকবে না। এই ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রীর ভাবা উচিত।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
রাজনীতি

এবার শুভেন্দুর সঙ্গে বর্ধমানের সাংসদের ছবি, তুঙ্গে বিতর্ক

ফের পোস্টার। এবার শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বর্ধমান পূর্বের সাংসদ সুনীল মণ্ডলের ছবি দিয়ে পোস্টার পড়ল দুর্গাপুরে। সেখানে লেখা আছে, শুভেন্দুর সঙ্গে তোমাকেও চাই। মঙ্গলবার সকালে দুর্গাপুরের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিধাননগরের বিভিন্ন জায়গায় সুনীল মণ্ডল ও শুভেন্দু অধিকারীর এই পোস্টার দেখা যায়। আর এই পোস্টার নিয়ে পালটা দলেরই তুমুল সমালোচনা করেন সাংসদ সুনীল মণ্ডল। আরও পড়ুন ঃ বহিরাগত ইস্যুতে ফের বিজেপিকে তোপ মমতার তিনি বলেন, পোস্টার লিখতে কাকে বারণ করব ? পোস্টার পরেছে জানি। কিন্তু কারা কিভাবে এগুলো দিচ্ছে তা জানি না। এগুলো মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। যে যাকে ভালবাসে তার নামেই পোস্টার পড়ছে। দলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রয়েছে। দলের এটা দেখা উচিত। নেতাদেরই মাথাব্যথা বেশি হওয়া উচিত। সবাইকে নিয়ে লড়তে হবে। দলটাতে তাড়াতাড়ি ভাঙন ধরবে। গুরুত্ব দিয়ে না দেখলে বিপদ বাড়বে। দলের পরিকাঠামোগত সমস্যার জন্যেও ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানান তিনি। এর আগে শুভেন্দু অধিকারী ও রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় পোস্টার পড়েছে। যা এখনও থামার কোনও লক্ষণ নেই। এবার সুনীল মণ্ডলের সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর একসঙ্গে পোস্টার পড়ায় তা রাজ্য রাজনীতিতে নতুন জল্পনার সৃষ্টি করল বলে মত রাজনৈ্তিক মহলের।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

সীমান্তে একের পর এক গোপন যুদ্ধবিমান! উপগ্রহ ছবিতে ধরা পড়তেই বাড়ল ভারতের উদ্বেগ

সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসা উপগ্রহ ছবিকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বেসরকারি সংস্থা ভ্যান্টরের প্রকাশিত স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা গিয়েছে, ভারতের উত্তর সীমান্তের কাছে চিনের দুটি বিমানঘাঁটিতে মোট বারোটি স্টেলথ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে সামরিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠছে। তবে চিনের এই পদক্ষেপ শক্তি প্রদর্শন নাকি নিয়মিত সামরিক প্রস্তুতির অংশ, তা এখনও স্পষ্ট নয়।প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসের উপগ্রহ ছবিতে জিনজিয়াংয়ের হোটান বিমানঘাঁটিতে আটটি যুদ্ধবিমান দেখা গিয়েছে। এই ঘাঁটি উত্তর লাদাখের ভারতীয় সামরিক ঘাঁটির তুলনায় তুলনামূলকভাবে কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে। আবার জুন মাসের আর একটি উপগ্রহ ছবিতে তিব্বতের ডামসুং বিমানঘাঁটিতে আরও চারটি একই ধরনের যুদ্ধবিমান দেখা যায়। এই ঘাঁটিও অরুণাচল প্রদেশের সীমান্তের কাছাকাছি।সব মিলিয়ে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে দুটি পৃথক বিমানঘাঁটিতে মোট বারোটি স্টেলথ যুদ্ধবিমান মোতায়েনের ছবি সামনে এসেছে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, ভারতের সীমান্তের এত কাছে একসঙ্গে এত সংখ্যক এই ধরনের যুদ্ধবিমান মোতায়েনের ঘটনা আগে প্রকাশ্যে আসেনি। তাই বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই গুরুত্ব পাচ্ছে।এই যুদ্ধবিমানগুলির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল, এগুলি এমনভাবে তৈরি যে সাধারণ রাডারে সহজে ধরা পড়ে না। আধুনিক প্রযুক্তির কারণে এগুলি আকাশযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হয়। এই কারণেই সীমান্তের কাছে এই ধরনের যুদ্ধবিমান মোতায়েনের খবরকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।তবে এখনও পর্যন্ত এই উপগ্রহ ছবির বিষয়ে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বা ভারতীয় সেনার পক্ষ থেকে কোনও সরকারি প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। ফলে চিনের এই পদক্ষেপের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়ে জল্পনা চললেও সরকারি স্তরে এখনও কোনও মন্তব্য সামনে আসেনি।

জুলাই ৩০, ২০২৬
রাজ্য

লিফট, জিম, সুইমিং পুল, ব্যক্তিগত থিয়েটার! টুলুর বাড়ির অন্দরমহল দেখে চমকে গেল পুলিশ

বীরভূমের সিউড়িতে পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের বাড়িতে পুলিশের তল্লাশি ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। সুভাষপল্লিতে অবস্থিত তাঁর বিশাল বাড়ির অন্দরসজ্জা এবং বিলাসবহুল ব্যবস্থা নজর কেড়েছে। তদন্তের স্বার্থে সেখানে পুলিশি তল্লাশি চললেও এখনও পর্যন্ত নগদ টাকা বা সোনা উদ্ধারের সরকারি তথ্য সামনে আসেনি।বাড়ির প্রবেশদ্বার পেরোলেই রয়েছে বড় সাজানো বাগান। বিভিন্ন বিদেশি ও বাহারি গাছ, পরিচ্ছন্ন লন এবং সারিবদ্ধ গাছপালা পুরো এলাকাকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে। চারতলা এই বাড়ির ভিতরে এক তলা থেকে অন্য তলায় ওঠানামার জন্য লিফট রয়েছে। পাশাপাশি রয়েছে আধুনিক শরীরচর্চার ব্যবস্থা, ব্যক্তিগত সিনেমা দেখার ঘর এবং সুইমিং পুল। মার্বেল পাথরে তৈরি মেঝে, দৃষ্টিনন্দন আলো এবং সুসজ্জিত অন্দরমহল বাড়িটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।বাড়িতে রয়েছে একাধিক গ্যারেজ এবং সেখানে রাখা রয়েছে দামি গাড়ি। এছাড়া সিউড়ির পাশাপাশি মহম্মদবাজার এলাকাতেও টুলু মণ্ডলের ব্যবসা সংক্রান্ত পরিকাঠামো রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মিনার মণ্ডলের বাড়িতে উদ্ধার হওয়া বিপুল নগদের উৎস খতিয়ে দেখতেই টুলু মণ্ডলের একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সুভাষপল্লির বাড়িতেও জেলা পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা তল্লাশি চালাচ্ছেন। তদন্তকারীদের সঙ্গে স্বর্ণকারও সেখানে পৌঁছেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ওই বাড়ি থেকে সোনা বা নগদ টাকা উদ্ধারের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনও সরকারি ঘোষণা করা হয়নি। তদন্ত এখনও চলছে।

জুলাই ৩০, ২০২৬
দেশ

বড় ইঙ্গিত সৌগতের! তৃণমূলে ফিরছেন তিন সংখ্যালঘু সাংসদ? রাজনৈতিক মহলে তুমুল জল্পনা

তৃণমূল ছেড়ে অন্য দলে যাওয়া তিন সংখ্যালঘু সাংসদকে ঘিরে আবারও রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তাঁদের অনুপস্থিতি এবং পরে তৃণমূলের বর্ষীয়ান নেতা সৌগত রায়ের মন্তব্য নতুন করে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, আগামী দিনে রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে।সৌগত রায় জানিয়েছেন, দল ছেড়ে যাওয়া কয়েকজন সাংসদের সঙ্গে এখনও তাঁদের যোগাযোগ রয়েছে। তাঁর দাবি, তিন সংখ্যালঘু সাংসদ-সহ আরও কয়েকজন বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে অস্বস্তিতে রয়েছেন। তাঁদের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা চলছে এবং খুব শিগগিরই তাঁরা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।সৌগত রায়ের বক্তব্য, প্রথমে তৃণমূল ছেড়ে অন্য দলে যাওয়া এবং পরে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হওয়ায় অনেকের মধ্যেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। সেই কারণেই কয়েকজন সাংসদ নতুন করে ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবছেন। তবে কারা কী সিদ্ধান্ত নেবেন, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি বলেই জানিয়েছেন তিনি।তিনি আরও দাবি করেছেন, পুরো বিষয়টি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের জানা রয়েছে। যদি ওই সাংসদরা আবার তৃণমূলে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে তাঁদের বিরুদ্ধে করা দলত্যাগ সংক্রান্ত পদক্ষেপ নিয়েও নতুন করে ভাবা হতে পারে।এদিকে, বাদল অধিবেশন চলাকালীন দিল্লিতে উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও ওই তিন সাংসদ গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগ দেননি। এরপর থেকেই তাঁদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে। এখন নজর, আগামী দিনে তাঁরা সত্যিই নতুন সিদ্ধান্ত নেন কি না।

জুলাই ৩০, ২০২৬
রাজ্য

'জীবিকায় ভাগ বসাচ্ছে রোহিঙ্গারা', অভিযোগ তুলে পথে নামল বহরমপুরের তৃতীয় লিঙ্গ সম্প্রদায়

মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে বৃহস্পতিবার সকালে তৃতীয় লিঙ্গ সম্প্রদায়ের একাংশ বিক্ষোভ মিছিল করে বহরমপুর থানায় স্মারকলিপি জমা দেন। বহরমপুর শহর এবং সংলগ্ন এলাকার বহু তৃতীয় লিঙ্গ সম্প্রদায় এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। তাঁদের দাবি, সম্প্রতি এলাকার সামাজিক ও পেশাগত পরিবেশে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, যার ফলে স্থানীয়দের জীবিকা ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, বহিরাগত কিছু হিজড়া স্থানীয় এলাকায় এসে বিভিন্ন কাজে যুক্ত হচ্ছেন। তাঁদের আরও দাবি, এদের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশি রোহিঙ্গা বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। যদিও এই দাবির পক্ষে কোনও সরকারি বা প্রশাসনিক নিশ্চিত তথ্য সামনে আসেনি। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, এই বহিরাগতদের সহায়তায় স্থানীয় তৃতীয় লিঙ্গ সম্প্রদায়ের কিছু সদস্য কাজ করছেন, যার ফলে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, বহিরাগতদের কারণে তাঁদের দীর্ঘদিনের আয়ের উৎসে প্রভাব পড়ছে এবং আর্থিক সংকটের মুখে পড়তে হচ্ছে। পাশাপাশি, কয়েকজন বিক্ষোভকারী দাবি করেন, তাঁদের প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগেরও স্বাধীনভাবে কোনও সরকারি নিশ্চিতকরণ মেলেনি।এই পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়ে বহরমপুর থানায় স্মারকলিপি দেন আন্দোলনকারীরা। তাঁদের আবেদন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রকৃত পরিচয় যাচাই করা হোক এবং স্থানীয় তৃতীয় লিঙ্গ সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও জীবিকার স্বার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।এ বিষয়ে পুলিশের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুলাই ৩০, ২০২৬
কলকাতা

এনকাউন্টার নিয়ে বড় প্রশ্ন! বারুইপুর কাণ্ডে পুলিশের কাছে রিপোর্ট চাইল হাইকোর্ট

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্তের এনকাউন্টার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। অভিযুক্তকে কী পরিস্থিতিতে গুলি করা হয়েছিল, সেই বিষয়ে জেলা পুলিশের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছে আদালত। হলফনামা আকারে সেই রিপোর্ট জমা দিতে হবে। আগামী সতেরো অগস্ট এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।এই ঘটনায় বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন আইনজীবী শিলাদিত্য রক্ষিত। বৃহস্পতিবার সেই মামলারই শুনানি হয় ডিভিশন বেঞ্চে।আবেদনকারীর পক্ষে আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য আদালতে দাবি করেন, অভিযুক্তকে নিরাপদে হেফাজতে রাখার দায়িত্ব পুলিশের ছিল। তাঁর বক্তব্য, পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথাযথ হলে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার কথা নয়। তাই গোটা ঘটনার বিচারবিভাগীয় তদন্ত হওয়া উচিত বলে তিনি আদালতে আবেদন জানান।অন্যদিকে রাজ্যের পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়, অভিযুক্ত সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। সেই কারণেই পুলিশ গুলি চালাতে বাধ্য হয়।দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, বিষয়টি স্পষ্টভাবে বুঝতে পুলিশের কাছ থেকে বিস্তারিত রিপোর্ট প্রয়োজন। সেই কারণে জেলা পুলিশকে হলফনামা আকারে ঘটনার পূর্ণ বিবরণ জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।বারুইপুরের এই বহুচর্চিত ঘটনায় হাইকোর্টের এই নির্দেশের পর তদন্তের পরবর্তী অগ্রগতি এখন আদালতের জমা পড়া রিপোর্টের উপরেই নির্ভর করবে। আগামী সতেরো অগস্ট মামলার পরবর্তী শুনানিতে সেই রিপোর্ট খতিয়ে দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে আদালত।

জুলাই ৩০, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত! অবশেষে কলকাতায় খুলল তদন্তকারী সংস্থার থানা, বদলে যাবে তদন্তের ছবি?

অবশেষে কলকাতায় চালু হল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার থানা। এতদিন এই সংস্থার কলকাতায় শুধু শাখা দফতর থাকলেও, কোনও মামলার তদন্ত শুরু করতে হলে প্রথমে দিল্লিতে মামলা নথিভুক্ত করতে হত। এবার সেই প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন এল। এখন থেকে কলকাতাতেই মামলা নথিভুক্ত করে তদন্ত শুরু করা যাবে। নিউ টাউনের এনবিসিসি স্কোয়ারেই চালু হয়েছে নতুন এই থানা।এতদিন রাজ্যে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার আওতায় পড়া কোনও মামলার তদন্ত করতে হলে দিল্লির দফতরে মামলা নথিভুক্ত করা বাধ্যতামূলক ছিল। তার পর তদন্তের কাজ শুরু হত। নতুন থানা চালু হওয়ায় সেই প্রক্রিয়া আরও দ্রুত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।জানা গিয়েছে, আগের রাজ্য সরকারের আমলেও এই থানা তৈরির জন্য আবেদন করা হয়েছিল। তবে সেই সময় অনুমোদন মেলেনি। পরে রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর বিষয়টি নতুন করে বিবেচনা করা হয়। সম্প্রতি রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে থানা চালুর অনুমোদন দেওয়া হয়।এই থানায় অন্যান্য থানার মতোই ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক, তদন্তকারী আধিকারিক, উপপরিদর্শক এবং কনস্টেবল-সহ প্রয়োজনীয় পদ থাকবে। পশ্চিমবঙ্গে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার আওতায় পড়া কোনও মামলার তদন্তের প্রয়োজন হলে, সেই তদন্তের প্রশাসনিক কাজ এখন থেকে এই থানার মাধ্যমেই পরিচালিত হবে।বর্তমানে রাজ্যের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্ত করছে এই সংস্থা। বেলডাঙার অশান্তি, মালদহের মোথাবাড়ি-কাণ্ড এবং বিস্ফোরণের একাধিক মামলায় তদন্ত চলছে। নতুন থানা চালু হওয়ার ফলে ভবিষ্যতে এই ধরনের মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া আরও দ্রুত এবং সহজ হবে বলেই প্রশাসনিক মহলের একাংশের ধারণা।সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের রাজ্য সফরের সময়ও এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। তার কিছুদিনের মধ্যেই কলকাতায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার থানার আনুষ্ঠানিক সূচনা হল।

জুলাই ৩০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

দেড় কোটির তিনটি চেকই বাউন্স! বড় বিপাকে মহমেডান, প্রেসিডেন্টকে ঘিরে তুমুল বিতর্ক

আবারও বিতর্কে মহমেডান ক্লাবের সভাপতি হুমায়ুন কবির। ক্লাবকে আর্থিক সাহায্য করার জন্য তিনি মোট দেড় কোটি টাকার তিনটি চেক দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই তিনটি চেকই বাউন্স করেছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় মহমেডান ক্লাবের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।ক্লাব সূত্রে জানা গিয়েছে, জুলাই মাসে তিন দফায় পঞ্চাশ লক্ষ টাকা করে মোট তিনটি চেক দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ব্যাঙ্কে জমা দেওয়ার পর প্রতিটি চেকই ফেরত আসে। এর ফলে ক্লাবের আগের বকেয়া মেটানো এবং প্রয়োজনীয় আর্থিক কাজ ব্যাহত হয়েছে। ফিফার ট্রান্সফার নিষেধাজ্ঞার কারণে নতুন ফুটবলার নিবন্ধনেও সমস্যা তৈরি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ক্লাবের অন্য কর্তারা উদ্যোগ নিয়ে বকেয়ার একটি অংশ মেটানোর চেষ্টা করেন।এই অভিযোগ প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির দাবি করেছেন, তিনি নিজেই ক্লাবের সভাপতি এবং চেকের দায়িত্বও তাঁর। তাঁর বক্তব্য, ক্লাবের স্বার্থেই চেক দেওয়া হয়েছিল। কয়েক দিনের মধ্যেই টাকা মিটে যাবে। তিনি আরও বলেন, তাঁর অনুমতি ছাড়া আগেভাগে চেক জমা দেওয়া হয়েছে বলেই এই সমস্যা তৈরি হয়েছে। কোনও ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেছেন।অন্যদিকে ক্লাবের সহ-সভাপতি ওয়াসিম আক্রম জানিয়েছেন, হুমায়ুন কবির যে তিনটি চেক দিয়েছিলেন, সবকটিই ব্যাঙ্ক থেকে ফেরত এসেছে। তাঁর দাবি, নির্ধারিত তারিখেই চেক জমা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা ছিল না। এখন খেলোয়াড়দের বকেয়া বেতন মেটানোই ক্লাবের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।এই আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও মাঠে জয় দিয়ে ডুরান্ড কাপ অভিযান শুরু করেছে মহমেডান। প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে জয় পেলেও ক্লাবের আর্থিক সমস্যা দ্রুত না মিটলে আগামী দিনে দল পরিচালনা নিয়ে নতুন সংকট তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সমর্থকদের একাংশ।

জুলাই ৩০, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত! স্কুলের পোশাক থেকে বিদায় বিশ্ব বাংলা, বদলে যাচ্ছে ইউনিফর্মের রংও

রাজ্যের স্কুলগুলিতে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এবার স্কুল ইউনিফর্ম নিয়েও বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী, স্কুলের ইউনিফর্ম থেকে বিশ্ব বাংলা লোগো তুলে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে বহুদিনের নির্দিষ্ট নীল রঙের ইউনিফর্মের নিয়মেও পরিবর্তন আনা হচ্ছে।সরকার জানিয়েছে, আগামী দিনে আর সব স্কুলকে একই রঙের ইউনিফর্ম পরতে হবে না। প্রতিটি স্কুল নিজেদের ঐতিহ্য, পরিবেশ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ইউনিফর্মের রং নির্ধারণ করতে পারবে। এর ফলে দীর্ঘদিনের একরঙা পোশাকের পরিবর্তে বিভিন্ন স্কুলে আলাদা পরিচয় তৈরি হবে।সরকারের দাবি, এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য হল স্কুলগুলির নিজস্ব ঐতিহ্য ও স্বাতন্ত্র্যকে ফিরিয়ে আনা। একই সঙ্গে ইউনিফর্ম থেকে বিশ্ব বাংলা লোগো সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তও কার্যকর করা হবে।শিক্ষা মহলের একাংশের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে স্কুলগুলি নিজেদের পরিচয় আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে পারবে। অন্যদিকে, অভিভাবক এবং ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যেও এই নতুন নিয়ম নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এখন নজর, কবে থেকে নতুন ইউনিফর্মের নিয়ম কার্যকর হয় এবং কোন স্কুল কী রঙের পোশাক বেছে নেয়।

জুলাই ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal