• ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mla

রাজনীতি

BJP-Hiran: দিলীপের উপর ক্ষোভে এবার হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ-ত্যাগ হিরণের!

বিজেপি-র কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি তথা প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ থেকেই দলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে দিয়েছেন বলে জানিয়ে দিলেন খড়গপুরের বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, দিলীপ ঘোষ খড়্গপুরে আসেন। নিজের মতো সভা করেন। আমাকে কিছু জানান না! আমি যেখানে উল্লয়ন, সেখানে থাকব।রাজ্য বিজেপি-র অন্দরে মতুয়া-বিদ্রোহ চলতে চলতেই দলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছাড়লেন হিরণ। প্রসঙ্গত, হিরণ হলেন বিজেপি-র দশম বিধায়ক, যিনি দলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছাড়লেন। এর আগে বাঁকুড়ার চার বিধায়ক এবং পাঁচ মতুয়া বিধায়ক গ্রুপ ছেড়েছিলেন। বুধবার সকালে হিরণের গ্রুপ ছাড়ার খবর জানা যায়।আরও পড়ুনঃ করোনাকালে বাড়ি বাড়ি খাবার পাঠাবে রাজ্যদিলীপ আগে ছিলেন খড়গপুরের বিধায়ক। আপাতত তিনি মেদিনীপুরের সাংসদ। খড়গপুর বিধানসভা তাঁর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। হিরণের বক্তব্যের শেষ বাক্যটি নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। কারণ, শাসক তৃণমূলের প্রধান প্রচারই হল, তারা উন্নয়ন-এর পক্ষে। অতএব হিরণ যদি বলেন, যেখানে উন্নয়ন, সেখানেই তিনি থাকবেন, তা হলে তা তাঁর বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জল্পনাই তৈরি করে। এখন দেখার, হিরণ সেই পদক্ষেপ করেন কি না।হিরণের ঘনিষ্ঠদের বক্তব্য, বিধায়কের ক্ষোভ, বাংলার বিজেপি তাঁকে কাজে লাগায়নি। বিষয়টি হিরণ কেন্দ্রীয় নেতাদেরও জানিয়েছেন। সাংগঠনিক ভাবে তাঁকে রাজ্য বিজেপি কাজে লাগাচ্ছে না। যদিও বিধায়ক হিসেবে তিনি নিজের কাজ করে চলেছেন। তিনি কলকাতায় না-থেকে তাঁর কেন্দ্র খড়্গপুরেই থাকেন। একাধিক চিঠি লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে। তাঁর ঘনিষ্ঠদের আরও বক্তব্য, তৃণমূলে যোগ দেওয়া বা দলবদল নিয়ে কারও সঙ্গেই তাঁর কোনও কথা হয়নি। তেমন কোনও পরিস্থিতিই তৈরি হয়নি।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
দেশ

Mumbai Covid: মহারাষ্ট্রের ১০ মন্ত্রী, ২০ বিধায়ক কোভিড আক্রান্ত!

ওমিক্রন নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই দেশে লাফিয়ে বাড়ছে দৈনিক কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা। মহারাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা আট হাজার ছাড়িয়েছে। এই আক্রান্তের মধ্যে রয়েছেন মহারাষ্ট্রের ১০ মন্ত্রী এবং ২০ জন বিধায়ক। বছরের প্রথম দিনে এই খবর জানিয়েছেন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার। এই মন্ত্রী-বিধায়করা আক্রান্ত হওয়ায় সে রাজ্যের বিধানসভা অধিবেশনের সময়ও কমানো হবে বলে জানিয়েছেন অজিত।নতুন বছরের প্রথম দিনেই অজিত বলেছেন, এখনও অবধি ১০ জন মন্ত্রী এবং ২০ জন বিধায়ক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এ জন্য বিধানসভা অধিবেশনের সময় কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর পরই জনসাধারণের উদ্দেশে সতর্কবার্তা দিয়েছেন তিনি। বলেছেন, নতুন বছরের উৎসবে সকলেই সামিল হতে চাই। কিন্তু মনে রাখা দরকার ওমিক্রন খুব দ্রুত ছড়াচ্ছে। কিছু রাজ্যে ফের রাত্রিকালীন কার্ফু জারি হচ্ছে। মহারাষ্ট্রেও মুম্বই এবং পুণেতে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।বর্ষবরণে মেতে পরিস্থিতির অবনতি না হয়, সে জন্য ইতিমধ্যেই মুম্বই জুড়ে জারি হয়েছে ১৪৪ ধারা। আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকলে কোভিড সংক্রান্ত আরও বিধিনিষেধ জারি করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত শনিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের প্রকাশিত রিপোর্ট অনুসারে, আট হাজার ৬৭ জন নতুন করে সংক্রমিত হয়েছে মহারাষ্ট্রে। এর মধ্যে মুম্বইয়েই আক্রান্ত হয়েছেন পাঁচ হাজার ৬৩১ জন যা শুক্রবারের তুলনায় প্রায় দুহাজার বেশি। ওমিক্রনও দ্রুত হারে ছড়াচ্ছে মহারাষ্ট্রে। এখনও অবধি ৪৫৪ জন ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন মহারাষ্ট্রে। যা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
রাজ্য

Road Accident: কলকাতা যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় জখম পূর্ব বর্ধমানের তৃণমূল বিধায়ক

বিশেষ কাজে কলকাতা যাওয়ার সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে জখম হলেন পূর্ব বর্ধমানের কালনার বিধায়ক দেবপ্রসাদ বাগ। বৃহস্পতিবার বেলায় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে হুগলীর বলাগড় থানা এলাকার করলা মোড়ে। দলীয় নেতৃত্বের কথায় জানা গিয়েছে, বিধায়কের চারচাকা গাড়ির সামনে একটি ডাম্পার যাচ্ছিল। ওই ডাম্পারটি হঠাৎ ব্রেক কষে দাঁড়িয়ে পড়ায় বিধায়কের গাড়ির চালক নিয়ন্ত্রন হারিয়ে ডাম্পারটির পিছনে সজোরে ধাক্কা মেরে বসে। বিধায়কের গাড়ির সামনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় ।এই দুর্ঘটনাতে জখম হন বিধায়ক। সেখানকার পুলিশ ডাম্পারটি আটক করে দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কালনা ২ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি প্রণব রায় জানিয়েছেন, এমএলএ স্টিকার লাগানো গাড়িতে চড়েই দেবপ্রসাদ বাবু এদিন কলকাতা যাচ্ছিলেন । হুগলীর বলাগড়ের করলা মোড়ে তাঁর গাড়ির সামনে থাকা চলন্ত ডাম্পারটি হঠাৎ দাড়িয়ে পড়তেই ঘটে দুর্ঘটনা। মাথায় চোট লাগায় কালনার একটি বেসরকারি ল্যাবে বিধায়কের মাথার সিটি স্ক্যান কারা হয়েছে। তাঁর অন্য কোনও সমস্যা নেই তবে মাথায় যন্ত্রণা করছে বলে বিধায়ক জানিয়েছেন। বিধায়কের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল থাকলেও ঘটনার আকস্মিকতা কাটিয়ে ওঠার জন্য তাঁকে কিছু দিন বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। প্রণববাবু এও বলেন, বিধায়কের গাড়ির আগে আগে যাওয়া ডাম্পারটি হঠাৎ কেন রাস্তায় দাঁড়িয়ে পড়লো সেটাই রহস্যের। প্রণববাবু ঘটনার তদন্তের দাবি করেছেন। পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বড় বিপদের হাত থেকে রক্ষা পেয়ে গিয়েছেন দেবপ্রসাদ বাগ। ঈশ্বর তাঁকে দ্রুত সুস্থ করে তুলুন এই কামনা করি। বিধায়কের চিকিৎসার ব্যাপারে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২১
রাজ্য

Ex-MLA: বর্ধমানে দলীয় কর্মীর বাড়ি তৈরিতে যুক্ত রাজমিস্ত্রিদের মারধরের অভিযোগ প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে

বিধায়ক পদে থাকুন বা না থাকুন সর্বদাই তিনি থাকেন রণংদেহী ভাবমূর্তি নিয়েই, এমন বিতর্ক রয়েছে। বিধানসভার ভিতরে বিরোধী রাজনৈতিক দলের বিধায়ককে কুকথা বলা কিংবা থানায় ঢুকে পুলিশ আধিকারিকদের চমকানো সবেতেই মেমারির প্রাক্তন বিধায়ক নার্গিস বেগমের নাম জড়িয়েছে। এবার সেই নার্গিস বেগমের বিরুদ্ধে বর্ধমানের পীরবাহারাম এলাকার এক তৃণমূল কর্মীর বাড়ি তৈরির কাজে যুক্ত রাজমিস্ত্রিদের মারধোরের অভিযোগ উঠলো। এই ঘটনা নিয়ে বুধবার সকালে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয় পড়ে। খবর পেয়ে বর্ধমান থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাক্তন বিধায়কের এমন আচরণের নিন্দায় সরব হয়েছেন বর্ধমানের পীরবাহারাম এলাকার সকল তৃণমূল কর্মী ও সমর্থক। বর্ধমান শহরের পীরবাহারাম ডাঙাপাড়া এলাকায় বাড়ি তৃণমূল কর্মী সেখ আনোয়ারের। তাঁর বাড়ির পাশেই রয়েছে মেমারির প্রাক্তন বিধায়ক নার্গিস বেগমের বাড়ি। সেখ আনোয়ার এদিন জানান, তাঁর বসত বাড়ির অবস্থা খারাপ থাকায় তিনি সরকারের কাছে একটি পাকা বাড়ির জন্য আবেদন করেন। সেই আবেদন মঞ্জুর হয়। কয়েকদিন ধরে তাঁর পাকা বাড়ি তৈরির কাজ চলছে। আনোয়ার বলেন, নার্গিস বেগমের বাড়ির জানালার সোজা আমার বাড়ির জানালা হচ্ছে। এমন অভিযোগ তুলে নার্গিস বেগম এদিন আমার বাড়িতে কর্মরত রাজমিস্ত্রীদের উপর চড়াও হয়। ইট নিয়ে রাজমিস্ত্রিদের উপর হামলা চালায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ালে পুলিশ পৌছায়। সেখ আনোয়ারের আরও অভিযোগ, পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে প্রাক্তন বিধায়কের কথায় উল্টে তাঁদেরই শাসায়। এমনকি তাঁদের কোনও কথাই পুলিশ শুনতে চায়নি বলে আনোয়ারবাবু অভিযোগ করেছেন। যদিও এই বিষয়ে কিছু বলতে অস্বীকার করেন নার্গিস বেগম।এলাকার তৃণমূল নেতা সেখ ভীম জানান, নার্গিস বেগম ও তার পরিবারের সদস্যারা মিলে রাজমিস্ত্রীদের মারধর করেছে। যার বাড়িতে কাজ হচ্ছিল সেও একজন তৃণমূল কর্মী। নার্গিস বেগম যে ঘটনা ঘটালেন সেটা সত্যি লজ্জার বিষয়। দলের প্রাক্তন বিধায়কয়ের এমন আচরণের প্রতিবাদ করে এলাকার লোকজনও। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপত্র দেবু টুডু বলেন,কি হয়েছে জানি না। খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে। তবে আইনের উর্ধে কেউ নন।সবাইকেই নিয়ম মেনেই কাজ করতে হবে। দলের নেতা-নেত্রী বলে আইন আলাদা হবে না।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Burdwan Municipality: ২০ জন কাউন্সিলর চাই বিধায়কের, বর্ধমানে কর্মীসভায় তৃণমূল নেতার বক্তব্যে ব্যাপক শোরগোল

কলকাতা পুরসভার নির্বাচন সম্পন্ন। সোমবার বাকি চার পুরনিগমের ভোট ঘোষণা হয়েছে। ২৭ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের বাকি পুরসভাগুলিতে নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। ইতিমধ্যে বর্ধমান পুরসভায় ঘর গোছানো শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব যে চরমে তা তৃণমূলের প্রতিটি কর্মীসভায় নেতৃত্বের বক্তব্যে একেবারে স্পষ্ট। রবিবার ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস, দলের জেলা যুব সভাপতি তথা জামালপুরের বিধায়ক অলোক মাঝির সামনেই বিষ্ফোরক মন্তব্য করলেন তৃণমূল নেতা ইফতিকার আহমেদ।কর্মীসভায় প্রাক্তন আইএনটিটিউসি সভাপতি ইফতিকার আহেমদ বলেন, যাঁরা নিজের ওয়ার্ডে হেরে গেল-গোহারা, তাঁরা পুরস্কৃত হল বর্ধমানে প্রশাসকরূপে। আমি আমাদের বিধায়কের কাছে জানতে চাইব ফর্মূলা কী আছে ভাই। আমরা লড়াই করলাম। আমরা ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে তোমাকে জেতালাম। শঙ্খশুভ্র ঘোষ ৫ বছর কাউন্সিলর হয়ে কোনও কাজ করেনি, ওয়ার্ডটা হেরে গেল, উমা সাঁইয়ের ওয়ার্ডে লোকসভায় হার, বিধানসভায় হার, অথচ পুরস্কৃত হচ্ছে পুরপ্রশাসক হিসাবে। ১৬ নম্বরে যুব লিডারের ওয়ার্ডেও হেরেছে। এভাবেই দলের বিরোধী গোষ্ঠীকে সরাসরি আক্রমণ শানানো হয় বিধায়ক ও জেলা যুব সভাপতিকে মঞ্চে বসিয়ে।বর্ধমানে পুরপ্রশাসকদের নিয়োগ করার পর থেকেই বিরোধিতা করে এসেছেন স্থানীয় বিধায়ক খোকন দাস। তিনি সরাসরি পুরসভার কাজ নিয়েও নানা সভায় ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন। এদিন বিধায়কপন্থী তৃণমূল নেতা বলেন, আমি বলব খোকনদাকে ৩৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৩৫টা কাউন্সিলর দরকার নেই। আপনি ২০টা কাউন্সিলর বের করে আনুন। বর্ধমান পুরসভা আপনার অঙ্গুলি হেলনে হিলবে। বর্ধমান পুরসভা আপনার কথায় চলবে। এই সময় অন্য কোনও আলোচনায় যেতে চাই না।বিধায়কপন্থী নেতার বক্তব্যে বিতর্ক ছড়িয়েছে জেলা তৃণমূলের অন্দরে। পুর-প্রশাসক নিয়ে লাগাতার বিধায়ক সহ তাঁর অনুগামীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে জনৈক জেলা নেতার মন্তব্য, বর্ধমান পুরসভায় প্রশাসকদের কে নিয়োগ করেছে? বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিএম পরিচালিত রাজ্যপ্রশাসন! এখন ক্ষমতায় তো তৃণমূলই। তাহলে এভাবে পুরপ্রশাসকদের বিরোধিতা করার অর্থ কি? দলের একাংশের বক্তব্য, বিধানসভা নির্বাচনে খোদ বিধায়ক নিজের এলাকার ওয়ার্ডে ব্যাপক ভোটে পিছিয়ে ছিলেন। এর জবাব কে দেবে? তাছাড়া ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে দল অল্প ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে ছিল। বিধায়কের সঙ্গে থেকে যাঁরা এখন দৌড়ঝাঁপ করছেন তাঁদের বহু ওয়ার্ডেই বিধানসভায় পিছিয়ে ছিল তৃণমূল। তৃণমূলের গোষ্ঠীকলহ কোন পর্যায়ে পৌঁছালে বিধায়কের ঝুলিতে ২০ জন কাউন্সিলর-এর দাবি ওঠে, সেই চর্চা চলছে রাজনৈতিক মহলে। এই অংশের বক্তব্য, এখনকার পুরপ্রশাসক সংঘমিতা চৌধুরীও তো লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে পরাজিত হয়েছিলেন।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২১
রাজনীতি

BJP: এবার বিজেপিতে 'বিদ্রোহী' পাঁচ মতুয়া বিধায়ক

নয়া রাজ্য কমিটি গঠনের তিন দিনের মাথায় বিজেপি বিধায়কদের নিয়ে তৈরি করা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন পাঁচ মতুয়া বিধায়ক। এই ঘটনা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি গ্রুপ ছেড়ে দেওয়া বিধায়করা। শুধু তাই নয়, শোনা যাচ্ছে শীলভদ্র দত্ত, রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়ও বিজেপির মিডিয়া গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছেন। এ নিয়ে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল।বিজেপি বিধায়কদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে বেরিয়ে গিয়েছেন পাঁচ মতুয়া বিধায়ক। তাঁরা হলেন, গাইঘাটায় বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর, বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়া, হরিণঘাটার বিধায়ক অসীম সরকার, কল্যাণীর বিধায়ক অম্বিকা রায় এবং রানাঘাট দক্ষিণের বিধায়ক মুকুটমণি অধিকারী। আর এই কাণ্ড ঘিরে জল্পনা শুরু হয়েছে।এ নিয়ে প্রকাশ্যে অবশ্য মুখ খোলেননি গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়া পাঁচ বিধায়কের কেউই। বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক বলেন, আমি এ ব্যাপারে কিছু বলতে পারব না। মাফ চাইছি। কেন বেরোলাম তা এই মুহূর্তে বলতে চাইছি না। গত ২২ ডিসেম্বর নতুন রাজ্য কমিটির ঘোষণা করেছে পদ্মশিবির। ঘটনাচক্রে সেই কমিটিতে কোনও মতুয়া নেতা নেই। সেই বার্তাই কি একসঙ্গে পাঁচ মতুয়া বিধায়ক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে দিতে চেয়েছেন?উত্তর ২৪ পরগনা বিজেপি-র একাংশের দাবি, রাজ্যে পদ্মফুলের বাড়বাড়ন্তের কারিগর মতুয়ারা। কিন্তু রাজ্য কমিটিতে সেই মতুয়াদের কোনও প্রতিনিধি না থাকাতেই কি মনঃকেষ্ট গ্রুপ ছেড়ে যাওয়া বিধায়করা? এই জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের পদক্ষেপে। বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় চেয়েছেন তিনি।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
রাজ্য

Mamata Bannerjee: 'এরকম চিপ কথা বললে আর বলতে দেওয়া হবে', বিধায়কের প্রস্তাব শুনে ধমক মমতার

কর্ণজোড়ায় দুই দিনাজপুরের প্রশাসনিক বৈঠকে পৃথক জেলার দাবি তুলে বিপাকে বিধায়ক আবদুল করিম চৌধুরী। ওই প্রস্তাব শুনে রেগে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, জন প্রতিনিধিদের বলতে দিলে এই এক সমস্যা। এরকম চিপ কথা বলবেন না।উত্তর দিনাজপুর জেলার কথা বলতে উঠে বিধায়ক আবদুল করিম চৌধুরী বলেন, আমাদের এসডিও-বিডিওরা আপনাকে রিপোর্ট দিচ্ছেন ঠিকই তবে আমি আজ অন্য কথা বলতে চাইছি। প্রশাসন কাজ করছে ঠিকঠাক। ওদের আমি বলেছি, কোনও সমস্যা হলে তা আমাকে জানান। সবার সঙ্গেই আমার যোগাযোগ রয়েছে।আবদুল করিম চৌধুরী তাঁর বক্তব্য দীর্ঘ করায় তাঁকে মাঝপথে থামিয়ে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যা বলার তা এক সেকেন্ডে, এক মিনিটে বলুন। এত ভাষণ দেওয়ার সময়ে এটা নয়। বিধায়ক ফের বলেন, আপনি বলেছিলেন উন্নত বাংলা গড়ব। আমার ইসলামপুর সাবডিভিশনকে উন্নত করে ইসলামপুর জেলা করে দিন। এটাই আমার দাবি।ওই কথা শুনে রেগে যান মমতা। বলেন, এরকম দাবি মিটিংয়ে করা উচিত নয়। এগুলো হয় না। বসুন। এরকম চিপ কথাবার্তা বলবেন না। তার কারণ হল আপনার এই ছোট জেলা। তার মধ্যে ইসলামপুর সাবডিভিশন আছে। ইসলামপুর পুলিস ডিস্ট্রিক্ট আছে। অফিসার কোথা থেকে পাবেন? একটা জেলা করতে গেলে অনেক কাজ করতে হয়। আপনার কী অসুবিধে আছে? রায়গঞ্জ থেকে ইসলামপুর কতটা? আপনি সুন্দরবন দেখেছেন কতবড়? মুর্শিদাবাদ দেখেছেন কত বড়? বসুন বসুন। এখন জিতে গিয়েছেন। ভলোভাবে কাজ করুন। ওসব হবে না এখন।ক্ষুব্ধ মমতা আরও বলেন, এরকম করলে এমএলএদের আর বলতে দেব না।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
রাজ্য

BJP-TMC: এক ফ্রেমে বিজেপির শীর্ষ নেতা ও বর্ধমানের তৃণমূল বিধায়ক, জল্পনা শুরু রাজনৈতিক মহলে

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ফল বের হওয়ার পর থেকেই বিজেপি থেকে তৃণমল কংগ্রেসে যোগদানের হিরিক পড়ে গিয়েছে। রাজ্য স্তর থেকে জেলা স্তরে চলছে যোগদান পর্ব। এদিকে বর্ধমানে এক অনুষ্ঠানে জেলা বিজেপির এক নেতা পুষ্পস্তবক তুলে দিচ্ছেন তৃণমূল বিধায়কের হাতে। সৌজন্য়মূলক দৃশ্য মনে হলেও রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন শুরু হয়েছে ছবিকে ঘিরে। ছবিটি নিজের ফেসবুক পেজে পোস্ট করেছেন স্বয়ং অঞ্জন মুখোপাধ্যায়।সম্প্রতি বর্ধমানে এক অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস, তৃণমূল নেতা ইন্তেকাব আলম ও শিবশঙ্কর ঘোষ। ওই অনুষ্ঠানে তৃণমূল বিধায়কের হাতে পুষ্পস্তবক তুলে দেন বিজেপি নেতা অঞ্জন মুখোপাধ্যায়। যদিও এই অনুষ্ঠান ছিল বর্ধমান ডিজ-এবেল্ড ওয়েল ফেয়ার সোসাইটির উদ্যোগে। তবু দুই বিপরীত প্রান্তের রাজনৈতিক নেতৃত্ব হাজির থাকায় বিতর্ক সামনে এসেছে। তৃণমূল বিধায়ক ও অন্য তৃণমূল নেতারাই ছিলেন মঞ্চ আলো করে। তবে একাংশের বক্তব্য, উন্নয়ন যজ্ঞে এমন রাজনৈতিক সৌজন্য থাকাটাই স্বাভাবিক।২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে ভাতার বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হয়েছিলেন অঞ্জন মুখোপাধ্যায়। এর আগে তিনি ছিলেন আরএসপির যুব সংগঠনের রাজ্য নেতা। এবার তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গে তাঁকে এক ফ্রেমে দেখা যাওয়ায় নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে বর্ধমানের একাধিক বিজেপি নেতা ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ গোয়ার বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছে চোটআঘাতে জর্জরিত এসসি ইস্টবেঙ্গলআরও পড়ুনঃ জোরে বোলার থেকে স্পিনার, আজাজকে দারুণ উপহার ভারতীয় দলের

ডিসেম্বর ০৬, ২০২১
দেশ

Meghalaya: মমতাতেই আস্থা রেখে তৃণমূলে যোগ মুকুল সাংমা-সহ ১২ কংগ্রেস বিধায়কের

১১ জন বিধায়ককে নিয়ে দল ছেড়ে বৃহস্পতিবার তৃণমূলে যোগ দিলেন মেঘালয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা মুকুল সাংমা। এর ফলে মেঘালয়ে কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা ১৮ থেকে কমে হল ৬। সেই হিসেবে মেঘালয়ে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে এল তৃণমূল। ফের উত্তর পূর্বের রাজ্যে তৃণমূলী হানা। সব জল্পনাকে সত্যি করে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন মেঘালয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা-সহ ১২ জন কংগ্রেস বিধায়ক। কংগ্রেস শিবিরের জন্য এই ধাক্কা এক প্রকার অপ্রত্যাশিত ছিল। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবেই তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফর চলাকালীন, কাল রাতে এই বড় যোগদানের কথা সামনে আসে।This is New Beginning for the people of #Meghalaya - one that will take the state to even greater heights and usher in a bright future!We wholeheartedly welcome all 12 MLAs of @INCMeghalaya who joined the Trinamool Congress family. pic.twitter.com/0UMy3vYF6J All India Trinamool Congress (@AITCofficial) November 25, 2021আজ, মেঘালয়ের রাজধানী শিলংয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন কংগ্রেস ত্যাগী বিধানসভার বিরোধী দলনেতা মুকুল সাংমা। সাংবাদিক সম্মলনে মুকুল বলেন, ২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আমরা আত্মবিশ্বাসী ছিলাম যে আমরাই সরকারে আসব। কিন্তু কোনও কারণে নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা না পেলেও ভোটের ফলে সর্ববৃহৎ দল হিসেবে আমরাই আত্মপ্রকাশ করি। কিন্তু তারপর কোন পদ্ধতিতে মেঘালয়ে সরকার গঠন হয়েছিল তা আপনারা সকলেই জানেন। গণতন্ত্রে বিরোধী দলের ভূমিকা অপরিসীম। জনবিরোধী কাজকে বাধা দেওয়া ও সরকারে ভুল গুলি তুলে ধরাই বিরোধী দলের প্রধান দায়িত্ব। আমরা সেই দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করে গিয়েছি। কিন্তু বলতে বাধ্য হচ্ছি, আমরা সঠিকভাবে বিরোধী দলের নীতি পালন করতে পারিনি। দলীয় নীতি মেনে চলতে গিয়ে জনস্বার্থের সঙ্গে আপোশ করতে হয়েছে। তাই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে বিরোধী দলের মর্যাদা চেয়ে বিধানসভার অধ্যক্ষকে চিঠি দিয়েছেন মুকুল সাংমা। ত্রিপুরায় সুস্মিতা দেবের মতো নেত্রী কংগ্রেস ছেড়েছেন। গোয়াতেও ক্ষমতা বাড়াচ্ছে তৃণমূল। তাছাড়া, কীর্তি আজাদের মতো নেতা যোগ দিয়েছেন ঘাসফুল শিবিরে। যদিও তাতে ভাঙলেও মচকাতে চাইছে না কংগ্রেস। অন্তত প্রকাশ্যে তারা তেমনটাই বোঝাচ্ছে। লোকসভার কংগ্রেস সংসদীয় দলের নেতা অধীর চৌধুরি বলেন, কংগ্রেসকে ভেঙে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। সমগ্র উত্তর পূর্বাঞ্চল জুড়েই এই ষড়যন্ত্র চলছে। দিদি-মোদি সমঝোতা হয়েছে। কংগ্রেসকে দুর্বল করার জন্য দল ভাঙাচ্ছে তৃণমূল। আমি তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জ করছি ও বিধায়কদের পদত্যাগ করতে বলুক তাঁরা।

নভেম্বর ২৫, ২০২১
দেশ

Mukul Roy-Supreme Court: মুকুল রায়কে নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্তের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ নিয়ে যা সিদ্ধান্ত তা বিধানসভার অধ্যক্ষকেই নিতে হবে। সোমবার এমনই ইঙ্গিত দিল সুপ্রিম কোর্ট। অধ্যক্ষ দ্রুত যাতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেন, সে কথাই বলা হয়েছে। ২০২২ সালের জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহে ফের এই মামলার শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টে।মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ সংক্রান্ত এক মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন সেই মামলারই শুনানি ছিল। এদিন বর্ষীয়ান আইনজীবী অভিষেক মনুসিংভি অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়ে বিচারপতি নাগেশ্বর রাও ও বিচারপতি হিমা কোহলির বেঞ্চে জানান, আগামী ২১ ডিসেম্বর মুকুল রায়ের সদস্যপদ খারিজের আর্জি নিয়ে অধ্যক্ষের কাছে শুনানি রয়েছে।Justice triumphs again....historic observation by Honble Supreme Court of India leaves no discretion to the Honble Speaker to delay Mukul Roys defection proceedings. First time since 2011 when a defection petition will be finally decided in West Bengal. Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) November 22, 2021আগামী জানুয়ারিতে ফের সুপ্রিম কোর্টে শুনানি। তার আগে ২১ ডিসেম্বর এই বিষয়ে অধ্যক্ষ পদক্ষেপ করবেন বলেই আশা করছে সুপ্রিম-আদালত। আইনের পথে হেঁটেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের।এ প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, সুপ্রিম কোর্টের এই রায়কে আমরা স্বাগত জানাই। মুখ্যমন্ত্রী নাকি বলেছেন উনি সুপ্রিম কোর্টের রায়কে খুব মানেন। আশা করব মুখে ও কাজে একইরকম হবে। উনি বা ওনার পার্টি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত বিধানসভার অধ্যক্ষ, যাঁর নিরপেক্ষ থাকার কথা কিন্তু থাকেন না, তাঁর কাজে মুখ্যমন্ত্রীর কথার প্রমাণ থাকবে। অন্যদিকে টুইটারে শুভেন্দু অধিকারী লেখেন, সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক পর্যবেক্ষণ। আবারও আইনের জয়।অন্যদিকে অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যদি সুপ্রিম কোর্টের কোনও নির্দেশিকা থাকে তা আমরা নিশ্চয়ই মেনে চলব। এটা তো খুব স্বাভাবিক কথা। আইনের বিচার প্রক্রিয়াকে আমরা সব সময় মর্যাদা দিই। সম্মান করি। নতুন করে বলার কিছু নেই। যে পিটিশনটা ফাইল হয়েছে ওর (মুকুল রায়) সদস্যপদ খারিজ করার জন্য, সেটা অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েই দেখছি।

নভেম্বর ২২, ২০২১
রাজ্য

Rabiranjan: প্রয়াত বর্ধমান দক্ষিণের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক, ছিলেন বিডিএ-র চেয়ারম্যান

প্রয়াত হলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান রবিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। ছিলেন রাজ্যের কারিগরী শিক্ষা, বিজ্ঞান ও জৈবপ্রযুক্তি মন্ত্রী। ২০১১ সালে বর্ধমান দক্ষিণ কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী অধ্যাপক রবিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায় সিপিএমের দাপুটে নেতা নিরুপম সেনকে বিপুল ভোটে পরাজিত করেছিলেন। তারপর ২০১৬-তে ফের এই কেন্দ্র থেকে তিনি বিধায়ক নির্বাচিত হন। ২০২১-এ তাঁকে টিকিটই দেয়নি দল। তবে তিনি বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান পদে ছিলেন দীর্ঘ দিন।জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে রবিরঞ্জনবাবু হাই সুগার ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থার কারণে কলকাতায় বাইপাসের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। চিকিৎসারত অবস্থায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে আসে বর্ধমানে। শোকজ্ঞাপন করেছেন রাজ্যের প্রাণী সম্পদ দপ্তরের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন তিনি।

নভেম্বর ০২, ২০২১
রাজনীতি

TMC: বিজেপির সংখ্যা কমল আরও এক, তৃণমূলে ফিরলেন কৃষ্ণ কল্যাণী

বিজেপি-র ছেড়ে আরও এক বিধায়ক যোগ দিলেন তৃণমূলে। বুধবার দক্ষিণ কলকাতার এক বেসরকারি হোটেলে রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণীকে তৃণমূলে যোগদান করান তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। যোগদানপর্বে ছিলেন তৃণমূলে হিন্দিভাষী সেলের সভাপতি তথা জোড়াসাঁকোর বিধায়ক বিবেক গুপ্ত।তৃণমূলে ফিরে কৃষ্ণ বলছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা কথা দেন, তা করে দেখান। ভোটের আগে উনি যা যা বলেছিলেন, ক্ষমতায় ফিরে সব করে দেখিয়েছেন। আমি তা দেখে অভিভূত। ধন্যবাদ জানাই মমতাদি এবং অভিষেকদাকে। আগের দল সম্পর্কে তাঁর ব্যাখ্যা, বিজেপি-তে ভাল কাজের মূল্যায়ন নেই। ছমাস আগে ভুল করেছিলাম। এ বার তা শুধরে নিচ্ছি। মূল্যবৃদ্ধি ইস্যুতেও বিজেপি-র সমালোচনা করেছেন তিনি।গত ১ অক্টোবর দলবিরোধী কাজের অভিযোগে কৃষ্ণকে শোকজ করেছিল বিজেপি। শোকজের সিদ্ধান্ত জানার পরেই দলত্যাগের কথা ঘোষণাও করেছিলেন কৃষ্ণ। এ বার সরাসরি নিজের পুরনো দলে ফিরে গেলেন তিনি। তাঁকে নিয়ে মোট পাঁচজন বিজেপি বিধায়ক তৃণমূলে যোগ দিলেন।উল্লেখ্য, বিধানসভা ভোটের আগেই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি-তে গিয়েছিলেন কৃষ্ণ। গিয়েই রায়গঞ্জ কেন্দ্রে বিজেপি-র টিকিট পেয়ে জিতেও যান তিনি। কিন্তু বিধায়ক হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই রায়গঞ্জের সাংসদ তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরীর সঙ্গে বিরোধী শুরু হয় তাঁর। প্রকাশ্যেই দলীয় সাংসদের বিরুদ্ধে তাঁকে হারানোর চক্রান্ত করার অভিযোগ আনেন রায়গঞ্জের বিধায়ক। বিরোধী এমন জায়গায় পৌঁছয় অঘোষিতভাবে দলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন তিনি। আর বুধবার বিজেপি ছেড়ে ঘর ওয়াপসি হল কৃষ্ণর।

অক্টোবর ২৭, ২০২১
রাজনীতি

Suvendu-Mukul: মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে হাইকোর্টে মামলা শুভেন্দুর

দলত্যাগী মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে এ বার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোমবারই রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হাইকোর্টে এসে মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে মামলা দায়ের করেন।আরও পড়ুনঃ ভবানীপুরে দিলীপের প্রচারে ধুন্ধুমার, মাথা ফাটল বিজেপি কর্মীরসোমবার শুভেন্দু জানান, বিধানসভা ভোটে নদিয়ার কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে বিজেপি-র টিকিটে জেতা মুকুলের দলত্যাগ এবং তৃণমূলে যোগদানের পর প্রায় চার মাস হতে চললেও স্পিকার এ বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেননি। তিনি বলেন, আদলতের কাছে বিচার চেয়েছি। আইন কার্যকরের আবেদন জানিয়েছি। গোটা ভারতবর্ষে সব বিধানসভায় হয়। গত ১০ বছর ধরে এ দিক-ও দিক ৫০ জনকে করিয়েছে কিন্তু কার্যকর হয়নি। আমরা আদালতের উপর আস্থাশীল। শুভেন্দুর আইনজীবী বিল্বদল ভট্টাচার্য বলেন, বিরোধী দলনেতা হিসেবে শুভেন্দু অধিকারী আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ আছে, তিন মাসের মধ্যে বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে হয়। এ ক্ষেত্রে তিন মাস অতিক্রান্ত হয়ে গিয়েছে। কিন্তু বার বার সময় নেওয়া হচ্ছে বিভিন্নভাবে। তাই আদালতের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে, হয় এক সপ্তাহের মধ্যে শেষ করতে বলা হোক মহামান্য স্পিকারকে, নয়তো বিকল্প হিসেবে সরাসরি আদালতের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হোক, মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ হয়ে গিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
রাজ্য

TMC joining: ৭৭ থেকে কমে ৭১! ফের ভাঙন বিজেপি শিবিরে

মাত্র ৪৮ ঘণ্টা আগেই বিজেপির তরফের ঘোষণা করা হয়েছিল ফাটলের কোনও সম্ভাবনা নেই দলের অন্দরে। কিন্তু দুদিনের মাথায় আবারও ছন্দপতন বিজেপিশিবিরে। পদ্মশিবির ছেড়ে ঘাসফুলে যোগ দিলেন কালিয়াগঞ্জের বিধায়ক। উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জের বিধায়ক সৌমেন রায় শনিবার তৃণমূলের ভবনে গিয়ে দলীয় মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে যোগ দেন তৃণমূলে।প্রায় দুমাস আগে সৌমেন জেলা বিজেপির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। পরে অবশ্য সৌমেন বিজেপিতেই আছেন বলে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। কিন্তু মাঝেমধ্যেই বিধানসভা কেন্দ্র থেকে উধাও হয়ে যাওয়া নিয়ে গুঞ্জন চলছিল বিজেপির অন্দরে। শেষ পর্যন্ত শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে সৌমেন তৃণমূলে যোগ দেন। সূত্রের খবর, যেদিন বাগদার বিজেপি বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস তৃণমূলে যোগ দেন, সে দিনই সৌমেন রায়েরও তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু একটু অপেক্ষা করেই তৃণমূলে যোগ দিলেন তিনি। ঘটনাচক্রে, সৌমেন রায়ও আগে তৃণমূলেই ছিলেন। কিন্তু বাকি দলবদলুদের মতো ভোটের আগে তিনিও তৃণমূলে যোগ দেন। তৃণমূলে শামিল হয়ে সৌমেন বলেন, আমি ছাত্রজীবন থেকেই তৃণমূলে আছি। ঘটনাচক্রে আমি বিজেপির টিকিটে দাঁড়িয়ে জয়লাভ করি। কিন্তু আমার মন-প্রাণ তৃণমূল কংগ্রেসেই পড়ে ছিল।আরও পড়ুনঃ কয়লা-কাণ্ডে শহরের একাধিক জায়গায় ইডি হানাআজকের দলবদলের পরে বাংলার বিধানসভায় বিজেপির আরও শক্তিক্ষয় হল বলা চলে। কারণ বিধানসভা ভোটে ৭৭ আসনে জয়লাভের পর নিশীথ প্রামাণিক ও জগন্নাথ সরকার বিধায়ক পদ ত্যাগ করেন। এরপর প্রথমে মুকুল রায় ও পরবর্তী সময় তন্ময় ঘোষ ও বিশ্বজিৎ দাসও দলত্যাগ করেন। এ বার চলে এলেন সৌমেন রায়ও। ফলে বিজেপি যে আরও দুর্বল হল, তা বলাই যায়। ফলে বর্তমানে রাজ্য বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ৭৭ থেকে কমে হল ৭১।সৌমেন রায়ের দল পরিবর্তন নিয়ে অবশ্য বিজেপির কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তবে বিজেপি সূত্র বলছে, এই দলবদল নিয়ে শীর্ষ নেতৃত্ব মাথা ঘামাচ্ছেন না। তাঁরা ধরেই নিচ্ছেন, যে সকল নেতারা তৃণমূল থেকে এসে বিধায়ক হয়েছেন, তাঁরা দলে ফিরে যাবেন। খানিকটা এমন ভেবে নিয়েই এবার সামনের দিকে এগোনোর পরিকল্পনা রয়েছে বিজেপির।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২১
কলকাতা

Narad Case: নারদ মামলায় ফের তলব সুব্রত-ফিরহাদ-মদন-শোভনকে

নারদ মামলায় ফের সক্রিয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেট। চার্জশিটের তোড়জোড়ের মধ্যেই ফের তলব করা হল রাজ্যের দুই মন্ত্রী এবং এক তৃণমূল বিধায়ককে। জানা গিয়েছে, শুধু তাই নয়, বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী ও অধুনা তৃণমূল নেতা মুকুল রায়ের বিরুদ্ধেও তদন্তের আর্জি জানিয়েছে ইডি।সূত্রের খবর, ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায় এবং মদন মিত্রকে সমন জারি করা হয়েছে। একইসঙ্গে ডেকে পাঠানো হচ্ছে শোভন চট্টোপাধ্যায়কে।উল্লেখ্য, নারদ মামলায় ইতিমধ্যেই সিবিআই চার্জশিট পেশ করেছে। তবে এখনও ইডির চার্জশিট জমা পড়েনি। এই প্রেক্ষিতে ফাইনাল চার্জশিট জমা দেওয়ার আগে সিবিআই-র স্পেশ্যাল কোর্টে ইডি জানিয়েছে, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং ফিরহাদ হাকিমকে আগামী ১৬ নভেম্বর তারা জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায়। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে সিবিআই-র বিশেষ আদালতের নির্দেশ, বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাধ্যমে তিন বিধায়ককে সমন পাঠানো হবে।আরও পড়ুনঃ দেশে ফের ৮০ হাজারের গণ্ডি পেরোল করোনা সংক্রমণএকইসঙ্গে, শোভন চট্টোপাধ্যায় ও প্রাক্তন পুলিশ কর্তা মির্জাকেও একই দিনে সমনও পাঠানো হচ্ছে। তাছাড়া নারদ মামলার এফআইআর-এ থাকা বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী এবং তৃণমূল নেতা মুকুল রায়কেও একই দিনে সমন পাঠানো হয়েছে। একই দিনে তাঁদেরও হাজির হতে হবে। তদন্তের স্বার্থে শুভেন্দু ও মুকুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এর আগে গত ১৭ মে সুব্রত-মদন-ফিরহাদকে গ্রেপ্তার করে সিবিআই। রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় শুরু হয়।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২১
কলকাতা

TMC Joining: ৬ মাসের জল্পনা মিটিয়ে তৃণমূলে ফিরলেন বিশ্বজিৎ দাস

সোমবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষ। মঙ্গলবার তৃণমূলে যোগ দিলেন উত্তর ২৪ পরগনার বাগদার বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস। দুজনেই বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি-তে গিয়েছিলেন। গেরুয়া শিবির তাঁদের টিকিটও দেয়। এবং দুজনেই ভোটে জেতেন। তার পর ফের তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন।আরও পড়ুনঃ টিকার লাইনে ধুন্ধুমার-রক্তারক্তি, পদপিষ্ট ২৫মঙ্গলবার তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং মহিলা তৃণমূলের সভানেত্রী কাকলি ঘোষদস্তিদারের হাত থেকে ঘাসফুল পতাকা তুলে নেন বিশ্বজিৎ। দলে ফিরে বাগদার বিধায়ক জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে উন্নয়নের যজ্ঞে শামিল হতেই বিজেপি ছেড়েছেন। বিজেপিত্যাগী বিধায়কের মন্তব্য, ভুল বোঝাবুঝির কারণেই তৃণমূল ছেড়েছিলাম। ঠিক হয়নি। কিন্তু বিজেপিতে কাজের পরিবেশ নেই, দমবন্ধ হয়ে আসছিল। তাই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরলাম। তাঁর মতে, বিজেপি নেতৃত্ব বাংলা বোঝেন না। বাংলার আবেগ ধরতে পারেনি বিজেপি। বিশ্বজিতের হাতে দলের পতাকা ধরিয়ে পার্থ বলেন, বিজেপি-র ধ্বংসাত্মক রাজনীতির সঙ্গে নিজেকে মেলাতে পারছিলেন না বিশ্বজিৎ। দলের কাছে আবেদন করেন। দল তাঁর আবেদন মঞ্জুর করেছে।২৪ ঘণ্টা আগে একইভাবে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরেছেন বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষ। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলে তন্ময়ের ফেরা নিয়ে বলেছিলেন, তৃণমূল পুলিশের ভয় দেখিয়ে দলে টেনেছে।

আগস্ট ৩১, ২০২১
রাজ্য

Take Oath: দিল্লি ও ত্রিপুরা জয়ের শপথ নিলেন পূর্ব বর্ধমানের সকল নেতা, মন্ত্রী ও বিধায়করা

মোদি ও অমিত শাহ একাধিকবার প্রচারে এসেও পদ্ম ফোটাতে পারেননি পূর্ব বর্ধমানে। এই জেলার ১৬টি বিধানসভা আসনেই বিজেপি প্রার্থীদের পরাজিত করে জয়ী হয় তৃণমূল প্রার্থীরা। ঘাসফুল দুর্গ অটুট রাখতে পারা সকল বিধায়ককে রবিবার সম্বর্ধনা দিল জেলার জামালপুর ব্লক তৃণমূল নেতৃত্ব।এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠান থেকেই শ্লোগান উঠলো আর নয় মোদি- ২৪ শে দিল্লির মসনদে চাই দিদি।আরও পড়ুনঃ নিহত বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে গেলেও সিবিআই গরহাজির হত দুই তৃণমূল কর্মীর বাড়ি, বিতর্ক চরমেএদিন জামালপুর থানা সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত হয় তৃণমূলের নেতা, মন্ত্রী ও বিধায়কদের সম্বর্ধনা অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানের আয়োজক ব্লক তৃণমূলের সভাপতি মেহেমুদ খাঁন, যুব সভাপতি ভূতনাথ মালিক ও জামালপুর বিধানসভার বিধায়ক তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি আলোক মাঝি। এদিনের সভায় জেলার বিধায়করা ছাড়াও জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, রাজ্যের মন্ত্রী স্বপনদেবনাথ, মুখ্যমন্ত্রীর কৃষি উপদেষ্টা তথা দুর্গাপুরের বিধায়ক প্রদীপ মজুমদার, জেলাপরিষদ সভাধিপতি শম্পা ধারা, সহ সভাধিপতি দেবু টুডু উপস্থিত ছিলেন। সংবর্ধনা সভায় তৃণমূলের কর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল নজরকাড়া।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় রাজ্যে প্রথম, নদিয়া থেকে গ্রেপ্তার ২তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় এদিন বলেন, এই সংবর্ধনা সভা আসলে ২০২৪-এ বিজেপিকে কেন্দ্র থেকে উৎখাত করার শপথ নেওয়ার সভা। বিধানসভা ভোটে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক পায়ে খেলে বিজেপিকে পর্যুদস্ত করেছে। মোদি, অমিত শাহর বংলা জয়ের স্বপ্ন এক পায়ে খেলেই ভঙ্গ করে দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। ২০২৪-এ দলনেত্রী দুপায়ে খেলবেন। দলের সবাইকে এই সভা থেকেই শপথ নিতে হবে কেন্দ্র থেকে বিজেপিকে উৎখাতের জন্য। এখন থেকেই শ্লোগান তুলতে হবে আর নয় মোদি, ২৪ শে দিল্লির মসনদে চাই দিদি। অন্যদিকে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন, ভোটে ভরাডুবির পর বিজেপির এখন ভরসা সিবিআই আর ইডি। তবে বিজেপি যতই সিবিআই ও ইডি এই রাজ্যে পাঠাক না কেন লাভ কিছু হবে না। এবার ত্রিপুরাতে ঘাসফুল ফুটবে। কেন্দ্র থেকে বিজেপি সরকারকে উৎখাত করার জন্য তৃণমূল কংগ্রেস লড়াই চালাবে। সেই লড়াই আন্দোলনেও দিশা দেখাবেন এই বাংলার মানুষ।

আগস্ট ৩০, ২০২১
টুকিটাকি

Amla: ত্বকের যত্নে ব্যবহার করুন আমলকির রস

আমলকির কিন্তু অনেক গুণ। শুধু শরীর-স্বাস্থ্য ভাল রাখাই নয়, ত্বক এবং চুলের পরিচর্যাতেও ব্যবহার করা হয় আমলকি। বিশেষ করে ত্বকের যত্নে দারুণ ভাবে কাজ করে আমলকি। তবে শুধু আমলকি দিলে হবে না। বরং ঘরোয়া পদ্ধতিতে রান্নাঘরের টুকটাক জিনিসপত্র দিয়ে যে ফেসপ্যাক বা স্ক্রাব তৈরি করেন, তার সঙ্গে মিশিয়ে নিন আমলকির রস। ব্যাস, তাহলে ত্বকের বেশিরভাগ সমস্যার মুশকিল আসান হয়ে যাবে নিমেষে।আমলকির সঙ্গে কী কী মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করা সম্ভব, জেনে নিন:আমলকির রস এবং পেঁপে- আমলকি এবং পেঁপে, দুটোই ত্বকের পিগমেন্টেশন অর্থাৎ কালচে দাগ ছোপ দূর করতে সাহায্য করে। তাই আমলকির রসের সঙ্গে ম্যাশড পাপায়া বা পেঁপে মিশিয়ে তৈরি করুন ফেসপ্যাক। সারা মুখে লাগিয়ে রাখুন এই মিশ্রণ। মিনিট ১৫ রাখার পর পরিষ্কার ঠাণ্ডা জলে মুখ ধুয়ে নিন। মুখে এই প্যাক লাগানোর সময় হাতের বদলে নরম কটন বল বা তুলো ব্যবহার করতে পারেন। সপ্তাহে অন্তত তিনদিন এই ফেসপ্যাক লাগান। দুসপ্তাহের মধ্যেই ত্বকের জেল্লা ফিরবে। ফল পাবেন হাতেনাতে। আমলকি, টকদই এবং মধু- মুখের ট্যান দূর করতেও সাহায্য করে আমলকি। তাই টকদই, মধু আর আমলকির রস মিশিয়ে তৈরি করুন ঘরোয়া ফেসপ্যাক। মুখের পাশাপাশি গলা এবং ঘাড়ের অংশেও এই প্যাক লাগাতে পারেন। কারণ মুখের সঙ্গে সঙ্গে গলা এবং ঘাড়ের অংশেও মারাত্মক ভাবে ট্যান পড়ে। এই ফেসপ্যাক লাগিয়ে অন্তত ২০ মিনিট রাখুন। একটু শুকিয়ে গেলে পরিষ্কার ঠাণ্ডা জলে মুখ ধুয়ে নিন। তারপর নরম তোয়ালে দিয়ে আলতো হাতে মুখ মুছে জল শুকিয়ে নিন।আমলকি, চিনি আর গোলাপ জল- স্কিন এক্সফোলিয়েশন অর্থাৎ ত্বকের মরা কোষ ঝরিয়ে জেল্লা ফেরানোর ক্ষেত্রে আমলকির জুড়ি মেলা ভার। এই স্কিন এক্সফোলিয়েশনের জন্য চিনি এবং গোলাপ জলের সঙ্গে মিশিয়ে নিন আমলকির রস। এক্ষেত্রে গুঁড়ো চিনি ব্যবহাত করতে পারলে ভাল। আর এক চামচ গোলাপ জল দিলেই যথেষ্ট। তুলোয় ভিজিয়ে এই মিশ্রণ সারা মুখে লাগিয়ে নিন। আলতো হাতে ম্যাসাজ করে স্ক্রাব করুন। মিনিট ১৫ ম্যাসাজের পর পরিষ্কার ঠাণ্ডা জলে মুখে ধুয়ে নিন। ধৈর্য ধরে কয়েকদিন এই ফেসপ্যাক ব্যবহার করলে উপকার পাবেন।

আগস্ট ২০, ২০২১
রাজ্য

Bankura BJP: স্বামী-সন্তান ছেড়ে পালিয়ে বিয়ে করলেন চন্দনা বাউড়ি! কী বলছেন বিধায়িকা?

বাঁকুড়ার শালতোড়ার বিজেপি বিধায়ক চন্দনা বাউড়ির বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ উঠল। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বামী-সন্তানকে ছেড়ে গাড়ির চালককে বিয়ে করেছেন চন্দনা। সেই মর্মে বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাটি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন অভিযুক্ত গাড়িচালক কৃষ্ণ কুণ্ডুর স্ত্রী রুম্পা কুণ্ডু। যদিও যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চন্দনা। স্বামী শ্রবণের সঙ্গে পারিবারিক গোলমালকেই রাজনৈতিক উদ্দেশে অন্য কারণ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ ফের বাড়ছে দৈনিক সংক্রমণ, চিন্তা বাড়াচ্ছে কেরলগরিব ঘরের বধূ চন্দনা বাউড়ি বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পর থেকেই খবরের শিরোনামে থেকেছেন। ভোটের প্রচারে বাঁকুড়া এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও চন্দনার কথা আলাদা করে বলেছিলেন। সেই চন্দনা সম্পর্কে পরকীয়ার খবর নিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই নানা জল্পনা শুরু হয়। বিজেপি-র পক্ষ থেকে অবশ্য এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি দুপুর পর্যন্ত। তবে চন্দনা তাঁর স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে একটি ফেসবুক লাইভ করে তাঁদের বক্তব্য প্রকাশ্যে জানান। সেখানেও তিনি গোটা বিষয়টিকেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। তবে জেলা বিজেপি-র একাংশের দাবি, কৃষ্ণ গাড়িচালক নন। তিনি শালতোড়া বিধানসভার দলীয় কো-কনভেনর।আরও পড়ুনঃ অতিরিক্ত টোল আদায়, অভব্য আচরণের অভিযোগ বালি টোল সংস্থার বিরুদ্ধেপুলিশ জানিয়েছে, বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাটি থানায় বধূ নির্যাতনের অভিযোগ দায়ের হয়েছে চন্দনার বিরুদ্ধে। গাড়িচালক কৃষ্ণর স্ত্রী রুম্পার দাবি, বুধবার রাতে চন্দনা এবং কৃষ্ণা বিয়ে করেছেন। পুলিশের একাংশের দাবি, বিবাহের বিষয়টি নাকি পুলিশের কাছে চন্দনা স্বীকার করেছেন। যদিও চন্দনার দাবি, তিনি একেবারেই তা বলেননি। পুলিশের একাংশের ওই দাবি অসত্য। প্রসঙ্গত, চন্দনা এবং কৃষ্ণ দুজনেই নিজের নিজের জীবনে বিবাহিত। তাঁদের সন্তানও রয়েছে। অভিযোগ পেয়ে গঙ্গাজলঘাটি থানার পুলিশ চন্দনা ও কৃষ্ণর বিরুদ্ধে ৪৯৮-এ ধারায় বধূ নির্যাতনের মামলা রুজু করেছে।এ ছাড়াও,৫০৬ ধারায় দুজনের বিরুদ্ধেই ভয় দেখানোর অভিযোগও আনা হয়েছে।

আগস্ট ১৯, ২০২১
রাজ্য

MLA Allegations: তৃণমূল পরিচালিত দুটি গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ দলীয় বিধায়কের

তৃণমূল পরিচালিত দুটি গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনে প্রশাসনের দ্বারস্থ হলেন তৃণমূলেরই বিধায়ক। শুনতে অবাক লাগলেও বাস্তবেই এমনটা ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীতে।এখানকার জাহান্নগর ও দোগাছিয়া পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে ১০০ দিনের কাজে ভূয়ো মাস্টার রোল তৈরি করে দুর্নীতি সহ নানা বিষয়ে অনিয়মের অভিযোগ এনেছেন পূর্বস্থলী উত্তর বিধানসভার বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়। তবে শুধু অভিযোগ আনাই নয়, দুটি গ্রাম পঞ্চায়েতের কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধেই জেলা শাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ পেশ করে বিধায়ক ব্যবস্থা গ্রহনেরও আর্জি জানিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ লর্ডসে বেঙ্গসরকারের অনন্য নজির আজও অমিলযদিও বিধায়কের আনা অভিযোগ সত্য নয় বলে দুটি পঞ্চায়েতের কর্তারা দাবি করেছেন। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, জাহান্নগর ও দোগাছিয়া পঞ্চায়েত দুটি পূর্বস্থলী উত্তর বিধানসভার পূর্বস্থলী ১ ব্লকের অন্তর্ভুক্ত। জেলা শাসক ও জেলাপরিষদের সভাধিপতির কাছে দায়ের করা অভিযোগে বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, জাহান্নগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দাদের কাছ থেকে উচ্চহারে ট্যাক্স নেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও উন্নয়ন কাজের ই-টেন্ডারনা করে এই পঞ্চায়েতে পক্ষপাতিত্ব করা হয়। অন্যদিকে দোগাছিয়া পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে বিধায়কের অভিযোগ, এই পঞ্চায়েত ১০০ দিনের কাজে ভুয়ো মাস্টার রোল তৈরি করে আর্থিক দুর্নীতি করেছে। এই পঞ্চায়েতও উন্নয়ন কাজের ই- টেন্ডার না করে নির্দিষ্ট কয়েকজন ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেয় । বিধায়কের অভিযোগ, পশ্চিম মুদাফরে ১ হাজার লেবারের কাজ না হলেও ৬ হাজার লেবার কাজ করেছে দেখিয়ে টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। এই সকল দুর্নীতি ও অনিয়মের যথাযথ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের কথা প্রশাসনকে জানিয়েছেন বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়।আরও পড়ুনঃ জয় দিয়ে এএফসি কাপ অভিযান শুরু করল এটিকে মোহনবাগানযদিও বিধায়কের এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে জাহান্নগর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সুভাষ ঘোষ বলেন, কেউ বিধায়ককে ভুল বুঝিয়েছেন। তাই তিনি এইসব অভিযোগ আনছে। উনি চাইলে পঞ্চায়েতে এসে যে কোন বিষয়ে সবিস্তার তথ্য নিজে দেখে যেতে পারেন। অপর দিকে দোগাছিয়া পঞ্চায়েতের প্রধান ইলিজা শেখ দাবি করেন, অভিযোগ সত্য নয়। ১০০ দিনের কাজে কোনও দুর্নীতি হয়নি। জেলা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, অভিযোগের বিষয়গুলি তদন্ত করে দেখা হবে।

আগস্ট ১৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

আমেরিকা-ইউরোপের সমালোচনার মাঝেই রাশিয়া নিয়ে বড় বার্তা জয়শংকরের, মনে করালেন সেই পুরনো ‘বন্ধুত্ব’

রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক নিয়ে ফের নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল নয়াদিল্লি। রুশ তেল কেনা নিয়ে আমেরিকা ও ইউরোপের একাংশের সমালোচনার মধ্যেই বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর মনে করিয়ে দিলেন, ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক শুধুমাত্র বর্তমান পরিস্থিতির উপর নির্ভরশীল নয়। এর পিছনে রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস এবং কঠিন সময়ে মস্কোর পাশে থাকার অভিজ্ঞতা। জয়শংকরের কথায়, দেশের নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা যখনই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে, তখনই সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পরে রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।রবিবার নয়াদিল্লিতে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের আলোচনায় রাশিয়া প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখেন জয়শংকর। তিনি বলেন, মানুষ যেমন ভাল ইতিহাস ভুলে যায় না, তেমনই খারাপ ইতিহাসও ভুলে যায় না। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে স্বাধীনতার পর থেকে ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়নের দীর্ঘ সম্পর্কের প্রসঙ্গ। বিদেশমন্ত্রীর মতে, প্রতিটি দেশ নিজের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে অন্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বিচার করে। তাই ইউরোপ যে ভাবে রাশিয়াকে দেখবে, ভারত একই ভাবে রাশিয়াকে দেখবে, এমনটা হওয়ার নয়।জয়শংকর বিশেষ করে সেই সময়ের কথা মনে করিয়ে দেন, যখন আন্তর্জাতিক মহলের বড় অংশ পাকিস্তানের সামরিক শাসনের পাশে ছিল। তাঁর বক্তব্যে ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের প্রসঙ্গও উঠে আসে। সেই সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠতার কথা উল্লেখ করে বিদেশমন্ত্রী বলেন, ভারতের নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা যখন চাপের মুখে পড়েছিল, তখন মস্কো নয়াদিল্লির পাশে ছিল। ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময় বঙ্গোপসাগরে আমেরিকার নৌবহর পাঠানোর ঘটনাকেও তাঁর বক্তব্যের প্রেক্ষাপট হিসেবে দেখা হচ্ছে।বিদেশমন্ত্রীর বক্তব্য, রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক সময়ের সঙ্গে বদলেছে ঠিকই, কিন্তু তার ভিত্তি এখনও শক্তিশালী। সামরিক সহযোগিতার পাশাপাশি পরমাণু শক্তি, বাণিজ্য, জ্বালানি ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের ক্ষেত্রেও দুই দেশের সম্পর্ক বিস্তৃত হয়েছে। তাঁর কথায়, রাশিয়া সম্পর্কে ভারতের অভিজ্ঞতা দীর্ঘদিন ধরেই ইতিবাচক এবং সেই অভিজ্ঞতা বর্তমান নীতিতেও প্রভাব ফেলছে।এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন রাশিয়া থেকে ভারতের অপরিশোধিত তেল কেনা নিয়ে পশ্চিমী দেশগুলির চাপ ও সমালোচনা অব্যাহত। জয়শংকর এর আগেও স্পষ্ট করেছেন যে জ্বালানি কেনার ক্ষেত্রে ভারতের সিদ্ধান্ত নির্ভর করে জ্বালানির প্রাপ্যতা, দাম এবং ঝুঁকির মতো বিষয়গুলির উপর। ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং জাতীয় স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়েই সরবরাহের উৎস ঠিক করা হয়।রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়েও ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করেন জয়শংকর। তাঁর বক্তব্য, যুদ্ধের অবসান হওয়া প্রয়োজন এবং আলোচনার মাধ্যমেই তার পথ খুঁজতে হবে। তিনি জানান, ভারত রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয় পক্ষের সঙ্গেই যোগাযোগ রেখে সংঘাতের অবসানে সহায়ক ভূমিকা নেওয়ার চেষ্টা করছে। কৃষ্ণসাগরে জাহাজ চলাচল, খাদ্য ও জ্বালানি রফতানি এবং সংঘাত কমানোর মতো বিষয়েও ভারতের আলোচনা চলছে বলে জানান তিনি।সব মিলিয়ে রুশ তেল নিয়ে পশ্চিমী চাপের মধ্যেও জয়শংকরের বক্তব্যে ভারতের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের অবস্থানই ফের সামনে এসেছে। ইতিহাস, নিরাপত্তা এবং জ্বালানি প্রয়োজনএই তিনটি বিষয়কে সামনে রেখেই মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার বার্তা দিয়েছে নয়াদিল্লি।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
কলকাতা

এসআরএফটিআই-এর গেট ভেঙে ঢোকার চেষ্টা! মিছিল ঘিরে তুমুল উত্তেজনা, ছোড়া হল ইট-পাথর

বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিল ঘিরে ফের উত্তেজনা ছড়াল এসআরএফটিআই-এর সামনে। অজয়নগর থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গেট পর্যন্ত মিছিল করে সংগঠনটি। অভিযোগ, গেটের সামনে পৌঁছনোর পর কয়েক জন মিছিলকারী ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।এ দিকে, মিছিলকারীরা গেটের বাইরে জড়ো হওয়ার সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতরে পড়ুয়া এবং অধ্যাপকদের হেলমেট পরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে। বাইরে থেকে ভিতরে ইট ও জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগও উঠেছে। পাল্টা বিক্ষোভকারীদের কয়েক জনও আহত হয়েছেন বলে দাবি বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের।এই ঘটনার সূত্রপাত গত রবিবারের একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে। এসআরএফটিআই-এর অডিটোরিয়ামে অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত সমিতির একটি অনুষ্ঠান ছিল। অভিযোগ, সেখানে এসএফআইয়ের কয়েক জন পড়ুয়া গিয়ে উত্তেজনা তৈরি করেন। ভারতমাতা এবং স্বামী বিবেকানন্দের ছবি ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগও ওঠে। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত সমিতির তরফে প্রতিবাদ জানানো হয়।এর পর দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ইট-পাথর ছোড়াছুড়ির অভিযোগে পরিস্থিতি অশান্ত হয়ে ওঠে। ঘটনায় কয়েক জন আহত হন বলে দাবি। প্রায় ছয় থেকে সাত ঘণ্টা পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এই ঘটনায় চারটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ সরকার জানিয়েছিলেন, ভারতমাতা বা স্বামী বিবেকানন্দকে অসম্মান করার অভিযোগে কাউকে রেয়াত করা হবে না। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই এ দিন বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিল হয়।অজয়নগর থেকে মিছিলটি এসআরএফটিআই-এর গেটের সামনে পৌঁছতেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। অভিযোগ, কয়েক জন বিক্ষোভকারী গেট ধরে ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন এবং ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। এর মধ্যেই ভিতরে থাকা পড়ুয়া এবং অধ্যাপকদের দিকে জলের বোতল ও পাথর ছোড়ার অভিযোগ ওঠে।এই ঘটনায় অধ্যাপক দেবাশিস সেনশর্মা আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। বিক্ষোভকারীদের ছোড়া ইটের আঘাতেই তিনি আহত হন বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বেশ কয়েক জন বিক্ষোভকারীকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়।অন্য দিকে, বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের দাবি, তাঁদের কয়েক জন সদস্যও আহত হয়েছেন। সংগঠনের অভিযোগ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতর থেকে পড়ুয়া এবং অধ্যাপকদের ছোড়া জলের বোতলের আঘাতেই তাঁদের কয়েক জন জখম হয়েছেন। তবে এই অভিযোগের স্বাধীন ভাবে নিশ্চিত হওয়ার মতো তথ্য মেলেনি।বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যদের বক্তব্য, ভারতমাতা এবং স্বামী বিবেকানন্দের ছবিকে অসম্মান করার অভিযোগের প্রতিবাদেই তাঁদের এই কর্মসূচি। সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়েছে, এই মিছিলের মাধ্যমে তাঁরা নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের উত্তেজনা তৈরি হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে পুলিশ। এসআরএফটিআই-এর তরফে এই দিনের ঘটনার বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে গেটের সামনে ঠিক কী ভাবে ইট-পাথর ও জলের বোতল ছোড়াছুড়ি শুরু হয়েছিল, তা নিয়ে দুই পক্ষের অভিযোগই এখন সামনে রয়েছে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
বিদেশ

‘বিমানটাকে ধ্বংস করাই ছিল লক্ষ্য’, জেরায় কী বললেন ফ্লাইদুবাইয়ের সহকারী পাইলট? সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

মাঝ আকাশে ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানে ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরের উপর হামলার ঘটনায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন তথ্য। তদন্তকারীদের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ওমানের নাগরিক সহকারী পাইলট হামাম আল-হামামি জেরায় জানিয়েছেন, যাত্রী-সহ বিমানটি ধ্বংস করাই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য। একই জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নাকি বলেছেন, আমি মৃত্যুকে ভয় পাই না।এই তথ্য প্রকাশ করেছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। তদন্তকারীদের বক্তব্য উদ্ধৃত করে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনের দাবি অনুযায়ী, সৌদি আরবে জিজ্ঞাসাবাদের সময় হামাম নিজের উদ্দেশ্য সম্পর্কে এমন কথা জানিয়েছেন। তবে তদন্ত এখনও চলছে এবং তাঁর বক্তব্যের পাশাপাশি অন্য তথ্য-প্রমাণও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ঘটনাটি ঘটে গত বুধবার। দুবাই থেকে তেল আভিভ যাচ্ছিল ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানটি। মাঝ আকাশে আচমকাই ককপিটে ভারতীয় অধিনায়ক স্মিত মচ্ছরের উপর হামলা করেন সহকারী পাইলট হামাম। বিমানের ককপিটে থাকা জরুরি কুঠার ব্যবহার করে হামলা করা হয়েছিল বলে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এরপর বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দ্রুত নীচের দিকে নামতে শুরু করে।আক্রমণের পরেও স্মিত মচ্ছর ককপিটের দরজা খোলার চেষ্টা করেন। শেষ পর্যন্ত যাত্রী এবং বিমানে থাকা অন্যদের সাহায্যে হামামকে কাবু করা সম্ভব হয়। পরে অন্য পাইলটরা বিমানের নিয়ন্ত্রণ সামলে নেন। বিমানটি সৌদি আরবের তাবুকে জরুরি অবতরণ করে।এই ঘটনার পর থেকেই প্রশ্ন উঠেছিল, ককপিটে এমন ভয়াবহ হামলার আসল উদ্দেশ্য কী ছিল। প্রথম দিকে ব্যক্তিগত বিরোধের সম্ভাবনা নিয়েও নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সংযুক্ত আরব আমিরশাহির অ্যাটর্নি জেনারেল জানিয়েছেন, তদন্তে সহকারী পাইলটের সন্ত্রাসী হামলা চালানোর চেষ্টা ধরা পড়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও তদন্তে উঠে এসেছে।এখন তদন্তকারীরা হামামের অতীত, তাঁর মতাদর্শ এবং অন্য কোনও ব্যক্তি বা সংগঠনের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন। ওমানের কর্তৃপক্ষ আগে তাঁর বিমান চালানোর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল বলে তদন্ত-সূত্র উদ্ধৃত করে একাধিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। তাঁর কথিত উগ্রপন্থী ভাবধারার বিষয়টিও তদন্তের আওতায় রয়েছে।হামামকে সৌদি আরব থেকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানেও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং ইজরায়েলের তদন্তকারী সংস্থাগুলি ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে। তাঁর সঙ্গে কোনও বহিরাগত শক্তির যোগাযোগ ছিল কি না, সেই প্রশ্নও তদন্তের অংশ।বিমানটির আকস্মিক পতনের ভয়াবহতাও তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে। উড়ান-তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাটির সময় বিমানটি মাত্র কিছুক্ষণের মধ্যে প্রায় ১৬ হাজার ফুট নীচে নেমে গিয়েছিল। যাত্রী ও বিমানের অন্য কর্মীদের দ্রুত পদক্ষেপ এবং পরে অতিরিক্ত পাইলটদের সহায়তায় বড় বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়।ফলে ফ্লাইদুবাইয়ের এই ঘটনা এখন শুধু ককপিটে পাইলটের উপর হামলার তদন্তে সীমাবদ্ধ নেই। বিমানটি কেন নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিল, হামামের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল, তাঁর অতীত সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ কতটা তথ্য জানত এবং তাঁর সঙ্গে অন্য কারও যোগাযোগ ছিল কি নাএই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হামামের জেরায় উঠে আসা দাবিগুলির পাশাপাশি অন্যান্য প্রমাণও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির ম্যাচে টিকিট কেটেও ঢুকতে পারেননি? এ বার উরুগুয়ে ম্যাচে বড় উপহার, ২২ হাজার পাস বিনামূল্যে!

মেসির ম্যাচে টিকিট কেটেও যাঁরা বঞ্চিত হয়েছিলেন, তাঁদের জন্য বড় ঘোষণা। আগামী ৬ অক্টোবর যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচে ২২ হাজার বিনামূল্যের পাস দেওয়া হবে। গত বছর মেসির কলকাতা সফরের অনুষ্ঠানের জন্য অনলাইনে টিকিট কেনা দর্শকদের মধ্য থেকেই এই সুবিধা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।তবে প্রশ্ন ছিল, সেই পাস পাওয়া যাবে কোথা থেকে এবং কী ভাবে? এ বার সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। তাঁর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩ ডিসেম্বর কলকাতায় মেসির অনুষ্ঠানের জন্য যাঁরা টিকিট কিনেছিলেন, তাঁরাই ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচের বিনামূল্যের পাস সংগ্রহ করতে পারবেন।পাস সংগ্রহের সময়ও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ৫ অক্টোবর সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে পাস সংগ্রহ করতে হবে। তবে শুধু আগের টিকিট থাকলেই হবে না। পাস নিতে গেলে সঙ্গে রাখতে হবে বৈধ সরকারি ছবি-সহ পরিচয়পত্র। ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স অথবা পাসপোর্টের মতো পরিচয়পত্র দেখাতে হবে। একই সঙ্গে গত ডিসেম্বরে মেসির অনুষ্ঠানের জন্য কেনা আসল টিকিটও সঙ্গে রাখতে হবে।অর্থাৎ মেসির অনুষ্ঠানের পুরনো টিকিটটি এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সেই টিকিট এবং বৈধ পরিচয়পত্র যাচাই করার পরেই বিনামূল্যের পাস দেওয়া হবে। নতুন করে ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচের টিকিট কেনার প্রয়োজন হবে না এই নির্দিষ্ট দর্শকদের।গত বছরের ডিসেম্বরে মেসিকে দেখতে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে বিপুল ভিড় হয়েছিল। বহু দর্শক টাকা দিয়ে টিকিট কেনার পরেও প্রত্যাশিত ভাবে অনুষ্ঠান দেখতে পারেননি। ভিড় ও বিশৃঙ্খলা নিয়ে সেই সময় ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই ঘটনার পর বঞ্চিত দর্শকদের ক্ষতিপূরণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্ন ছিল। এ বার তাঁদের মধ্য থেকে ২২ হাজার দর্শককে ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচ দেখার সুযোগ করে দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে।ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই এই ঘোষণা সামনে আসে। তার পর থেকেই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল, বঞ্চিত দর্শকরা কোথা থেকে পাস সংগ্রহ করবেন। ক্রীড়ামন্ত্রীর ঘোষণায় এ বার সেই অপেক্ষার অবসান হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পুরনো টিকিট এবং বৈধ পরিচয়পত্র নিয়ে পাস সংগ্রহ করতে হবে।ফলে যাঁরা গত ডিসেম্বরে মেসির অনুষ্ঠান ঘিরে টিকিট কেটেও বঞ্চিত হয়েছিলেন, তাঁদের জন্য এ বার যুবভারতীতেই ফের আন্তর্জাতিক ম্যাচ দেখার সুযোগ তৈরি হল। ৬ অক্টোবর ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচে সেই দর্শকদের একাংশ গ্যালারিতে থাকবেন কি না, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

সৃজলার কাছে বারবার ক্ষমা, এবার প্রকাশ্যেই কাঁদতে কাঁদতে কী বললেন নন্দিনীর মা?

বিগ বসের দুর্গে সৃজলা গুহর সঙ্গে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনা নিয়ে এখনও অনুশোচনায় রয়েছেন নন্দিনী দত্ত। ঘটনার পর একাধিক বার সৃজলার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। এবার প্রকাশ্যেই সৃজলার পরিবারের কাছে ক্ষমা চাইলেন নন্দিনীর মা। একটি সাক্ষাৎকারে মেয়ের হয়ে ক্ষমা চেয়ে তিনি আবেদন করেন, সৃজলার পরিবার যেন নন্দিনীকে ক্ষমা করে দেয়।নন্দিনীর মা বলেন, পারলে প্লিজ ওকে ক্ষমা করে দিন। দুসপ্তাহ ধরে তো দেখছি, ঘটনার পর থেকে নন্দিনী ভালো নেই।কী ঘটেছিল বিগ বসের দুর্গে? কয়েক সপ্তাহ আগে ক্যাপ্টেন হওয়ার টাস্কে প্রথমে সঙ্গীতের চেয়ার খেলা হয়। সেই পর্বের পর পরবর্তী খেলায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পান সৃজলা, মনামী, জীতু, তনুশ্রী এবং রাজবীর। তাঁদের সামনে ছিল কাঠের ঘোড়ায় বসে থাকার টাস্ক। যিনি শেষ পর্যন্ত ঘোড়ায় বসে থাকতে পারবেন, তিনিই ক্যাপ্টেন হবেন।খেলার নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিযোগীরা অন্যদের ঘোড়া থেকে নামানোর চেষ্টা করতে পারতেন। তবে সেই সময় কারও শরীরে আঘাত না করার নিয়ম ছিল। সেই টাস্ক চলাকালীন নন্দিনী সৃজলাকে ঘোড়া থেকে নামানোর চেষ্টা করেন। সেই সময় সৃজলা পড়ে গিয়ে গুরুতর চোট পান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।চোটের কারণে সৃজলাকে পাঁচ দিন হাসপাতালে থাকতে হয়েছিল। চিকিৎসার পর তিনি আবার বিগ বসের দুর্গে ফিরে আসেন। সৃজলা ফিরে আসার পর থেকেই নন্দিনীকে একাধিক বার তাঁর কাছে ক্ষমা চাইতে দেখা যায়। নিজের ভুল স্বীকার করে ফের বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি করার চেষ্টাও করতে দেখা যায় তাঁকে।তবে সৃজলার পক্ষ থেকে এই ঘটনায় কষ্ট বা রাগ থাকা স্বাভাবিক বলেই মনে করছেন অনেকেই। সেই আবহেই কয়েক দিন আগে প্রতিযোগীদের পরিবারের উদ্দেশে চিঠি লেখার সুযোগ দেওয়া হয়। সেই চিঠিতে নন্দিনী তাঁর মা-বাবাকে সৃজলার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ক্ষমা চাওয়ার অনুরোধ করেছিলেন।এবার সেই অনুরোধের কথাই প্রকাশ্যে জানালেন নন্দিনীর মা। মেয়ের হয়ে সৃজলার পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়ে তিনি জানিয়েছেন, ঘটনার পর থেকে নন্দিনী মানসিক ভাবে ভালো নেই। তাই সৃজলার পরিবার যদি তাঁকে ক্ষমা করে, সেটাই তাঁদের কাছে বড় বিষয় হবে।অন্য দিকে, সাক্ষাৎকারে রাজবীরের প্রসঙ্গও ওঠে। সেই প্রসঙ্গে নন্দিনীর মা স্পষ্ট করে জানান, মেয়ের পছন্দই তাঁদের পছন্দ। ফলে বিগ বসের দুর্গে সৃজলা-নন্দিনীকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের মধ্যেই নন্দিনীর পরিবারের তরফে এল নতুন বার্তা।সৃজলার চোটের পর থেকে এই ঘটনা নিয়ে বিগ বসের দর্শকদের মধ্যেও আলোচনা চলছে। এক দিকে নন্দিনীর অনুশোচনা ও ক্ষমা চাওয়া, অন্য দিকে সৃজলার পরিবারের প্রতি তাঁর মায়ের প্রকাশ্য আবেদনসব মিলিয়ে ঘটনাটি ফের নতুন করে চর্চায় এসেছে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
কলকাতা

‘পা ভাঙেনি’ শুভেন্দুর দাবির পরেই নতুন বিস্ফোরণ, মমতার পুরনো ছবি দেখিয়ে কী প্রশ্ন শান্তনুর?

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে ঠিক কী হয়েছিল, পাঁচ বছর পর সেই পুরনো ঘটনা ঘিরে ফের তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে কোনও হাড় ভাঙার প্রমাণ ছিল না। একটি চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথি দেখিয়ে তিনি এই দাবি করেন এবং বিষয়টি নিয়ে তদন্তের কথাও জানান।শুভেন্দুর ওই দাবির পরেই এ বার সরব হলেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ তথা চিকিৎসক শান্তনু সেন। সমাজমাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে চোট লাগার সময়ের চারটি ছবি প্রকাশ করে তিনি একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন। একটি ছবিতে গোড়ালির কাছে কালশিটের দাগ দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি। অন্য একটি ছবিতে গোড়ালির কাছে রক্তপাতের মতো দাগ রয়েছে। বাকি ছবিগুলিতে পায়ে প্লাস্টার দেখা যাচ্ছে।এই ছবিগুলি প্রকাশ করে শান্তনু সেন দাবি করেছেন, ১০ মার্চ চোট পাওয়ার পর এসএসকেএম হাসপাতালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ের যে ছবি দেখা গিয়েছিল, সেখানে গোড়ালির উপরে কালশিটে ছিল, কিন্তু রক্তপাতের চিহ্ন ছিল না। তাঁর প্রশ্ন, পরে প্রকাশিত ছবিতে রক্তের দাগ দেখা গেল কী ভাবে?শান্তনুর আরও প্রশ্ন, যদি চোট পাওয়ার সময় রক্তপাত না হয়ে থাকে, তা হলে পরবর্তী সময়ে ছবিতে রক্তের মতো দাগ কেন দেখা গেল? একই সঙ্গে পায়ে দীর্ঘদিন প্লাস্টার থাকার বিষয়টিও প্রশ্নের মুখে তুলেছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, চিকিৎসক হিসেবে তিনি অভিযোগ করছেন না, কিছু বিষয় নিয়ে পর্যবেক্ষণ জানাচ্ছেন।শান্তনু সেনের দাবি, কোনও আঘাতের কারণে রক্তপাত হলে সাধারণত সেই সময়েই তার প্রকাশ ঘটে। পরে সেই রক্তপাতের ছবি সামনে এলে সেটিকে পুরনো আঘাতের সঙ্গে যুক্ত করা কঠিন। পায়ে প্লাস্টার করার প্রয়োজন হলে সাধারণত নির্দিষ্ট সময়ের পর তা খুলে ফেলার কথাও বলেন তিনি। তবে এই মন্তব্য তাঁর চিকিৎসক হিসেবে ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ, ২০২১ সালের চিকিৎসা-ঘটনা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়।এত দিন কেন তিনি এই প্রশ্ন তোলেননি, সেই প্রশ্নেরও জবাব দিয়েছেন শান্তনু। তাঁর বক্তব্য, এত দিন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল না বলেই তিনি কিছু বলেননি। এখন নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে বলেই তিনি নিজের পর্যবেক্ষণ জানিয়েছেন।একই সঙ্গে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং চিকিৎসকদের নিয়ে পুরনো অভিযোগের প্রসঙ্গও টেনে এনেছেন শান্তনু। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পারিবারিক চিকিৎসক এসপি দাসকে ঘিরেও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর দাবি, আগে তিনি স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় কথিত ভয় দেখানোর সংস্কৃতি নিয়ে অভিযোগ করেছিলেন এবং তার জেরেই তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল।তবে শান্তনুর এই বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছেন তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলে থাকাকালীন শান্তনু সেন দলের কাছ থেকে একাধিক রাজনৈতিক সুযোগ পেয়েছেন। এত বছর পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো চোট নিয়ে প্রশ্ন তোলারও সমালোচনা করেন তিনি।এর মধ্যেই ২০২১ সালের নন্দীগ্রাম-চোটের ঘটনা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী যে চিকিৎসা-নথি প্রকাশ্যে এনেছেন, তাতে ১১ মার্চের পরীক্ষার রিপোর্টে পায়ে হাড় ভাঙার প্রমাণ না থাকার কথা বলা হয়েছে বলে তাঁর দাবি। অন্য দিকে, সেই সময়ের চিকিৎসা-পর্বে মমতার পায়ে গুরুতর আঘাতের কথা হাসপাতালের চিকিৎসা-সংক্রান্ত বিবৃতিতে বলা হয়েছিল। ফলে পুরনো নথি, নতুন দাবি এবং পাল্টা প্রশ্ন ঘিরে বিতর্ক আরও জটিল হয়েছে।এই আবহে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষও পুরনো ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে মমতার চোট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ফলে নন্দীগ্রামে ২০২১ সালের সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাঁচ বছর পর আবারও রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আসলে সেদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে কী ধরনের চোট হয়েছিল, প্রকাশ্যে আসা চিকিৎসা-নথি ও ছবির মধ্যে কী সম্পর্ক রয়েছে, সেই প্রশ্নের উত্তর নিয়েই এখন শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

সিপিএম অফিসের সামনেই হনুমান চালিশা পাঠ! স্বপনের মন্তব্যে তেতে উঠল বাঁকুড়া, ‘ওষুধ’-এর হুঁশিয়ারি

হনুমান চালিশা নিয়ে সিপিআই-এর রাজ্য সম্পাদক স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক আরও বাড়ল। তাঁর মন্তব্যের প্রতিবাদে বাঁকুড়া জেলা সিপিএম কার্যালয়ের সামনে হনুমান চালিশা পাঠের আয়োজন করল বজরং দল। শনিবার সন্ধ্যার এই কর্মসূচিকে ঘিরে বাঁকুড়া সদর এলাকায় রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে। সংগঠনের তরফে স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।সম্প্রতি পশ্চিম মেদিনীপুরের একটি সভায় হনুমান চালিশা পাঠ নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, হনুমান চালিশা হনুমানেরাই পড়ে। তাঁরা হনুমান নন এবং হনুমানের দলও করেন না। তাঁদের রাজনৈতিক আদর্শ মার্কসবাদ, লেনিনবাদ এবং গান্ধীবাদএমনই বক্তব্য রেখেছিলেন তিনি। সেই মন্তব্যের পরেই রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তৈরি হয়।এর পর শনিবার সন্ধ্যায় বাঁকুড়া জেলা সিপিএম কার্যালয়ের সামনে হাজির হন বজরং দলের কর্মীরা। সেখানে হনুমান চালিশা পাঠ করা হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। কিন্তু কোনও ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে কটাক্ষ করা হলে তার প্রতিবাদ করা হবে।বজরং দলের নেতা বাপ্পা দাস বলেন, স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে। ক্ষমা না চাইলে তাঁরা তাঁদের মতো করে ওষুধ ঠিক করে রেখেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ওষুধ বলতে ঠিক কী বোঝানো হয়েছে, তা স্পষ্ট করেননি বাপ্পা। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরেই নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।বজরং দলের দাবি, তাঁদের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ছিল। কোনও হিংসাত্মক কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়নি বলেও সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, রাজনৈতিক মতাদর্শের সমালোচনা করা যেতে পারে, কিন্তু ধর্মীয় বিশ্বাসকে আঘাত করে মন্তব্য করা উচিত নয়। সেই কারণেই স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে প্রকাশ্যে মন্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, ওষুধ শব্দটি ব্যবহার করে দেওয়া বার্তাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে। বিরোধীদের একাংশের বক্তব্য, ধর্মীয় আবেগকে সামনে রেখে এমন ভাষা ব্যবহার করলে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেনি এবং বজরং দলের পক্ষ থেকেও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের কথাই জানানো হয়েছে।ফলে হনুমান চালিশা নিয়ে স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বাঁকুড়ায় নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ তৈরি হয়েছে। সিপিএম কার্যালয়ের সামনে হনুমান চালিশা পাঠ এবং তার পরেই ক্ষমা না চাইলে ওষুধ-এর মন্তব্যকে ঘিরে বিতর্ক কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

বাইরনের বাড়িতে আগুনের নেপথ্যে কী? দুর্ঘটনা, না কি ইচ্ছাকৃত অগ্নিকাণ্ড—তদন্তে পুলিশ

মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানে নিজের বাড়িতে অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন সাগরদিঘির বিধায়ক বাইরন বিশ্বাস। শনিবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ তাঁর বাড়ি থেকে আগুনের শিখা ও ঘন কালো ধোঁয়া বের হতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর দেওয়া হয় দমকলে। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে বাড়ির ভিতর থেকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় বাইরনকে উদ্ধার করা হয়। এই অগ্নিকাণ্ড কী ভাবে ঘটল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।স্থানীয়দের দাবি, বাড়ির দোতলা থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে তাঁরা প্রথমে বিষয়টি বুঝতে পারেন। খবর পেয়ে দমকল ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়দের তৎপরতায় বাইরনকে উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রায় এক ঘণ্টার মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয় বলে পুলিশ ও দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে।অগ্নিকাণ্ডে বাইরনের হাত ও পায়ের বেশ কিছু অংশ পুড়ে গিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল। একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে শরীরের কতটা অংশ পুড়েছে, তা নিয়ে ভিন্ন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। তবে তাঁর আঘাতের মূল জায়গা হাত ও পা বলেই জানা গিয়েছে।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, কী ভাবে বাইরনের বাড়িতে আগুন লাগল? প্রাথমিক ভাবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ নিশ্চিত হয়নি। পুলিশ ও দমকল বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। একটি প্রতিবেদনে বৈদ্যুতিক গোলযোগ বা বাড়ির সঙ্গে যুক্ত বিড়ি তৈরির কারখানা থেকে আগুন ছড়ানোর সম্ভাবনার কথাও উঠে এসেছে। ফলে এখনই ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হামলা বা পুড়িয়ে মারার চেষ্টা বলে নিশ্চিত করার মতো তথ্য সামনে আসেনি।তবে ঘটনাটি ঘিরে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। বাইরন সেই সময় বাড়ির ভিতরে কেন ছিলেন, আগুনের সূত্রপাত ঠিক কোথায় এবং কী ভাবে আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ল, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। অগ্নিকাণ্ডের পিছনে দুর্ঘটনা নাকি অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তা স্পষ্ট হবে না।বাইরন বিশ্বাসের শারীরিক অবস্থা নিয়ে আপাতত স্বস্তির খবর দিয়েছে পুলিশ। জঙ্গিপুরের পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, তাঁর আঘাত খুব গভীর নয় এবং তিনি স্থিতিশীল রয়েছেন। অন্য দিকে, অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ ও দমকল। ফলে সাগরদিঘির বিধায়কের বাড়িতে এই আগুন নিছক দুর্ঘটনা, না কি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, সেই প্রশ্নের উত্তরই এখন খুঁজছে তদন্তকারীরা।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal