• ২৭ মাঘ ১৪৩২, শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ministry

দেশ

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার বাধ্যতামূলক ‘বন্দে মাতরম’! বড় নির্দেশ শাহের মন্ত্রকের

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার থেকে রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম গাওয়া এবং বাজানো বাধ্যতামূলক করা হল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এই বিষয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, যদি রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম এবং জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন একসঙ্গে গাওয়া বা বাজানো হয়, তবে প্রথমে বন্দে মাতরম বাজাতে হবে। এছাড়া গান চলাকালীন উপস্থিত সকলকে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ডের সংস্করণ, যাতে মোট ছয়টি স্তবক রয়েছে, সেটিই সরকারি অনুষ্ঠানে গাওয়া বা বাজানো উচিত। এতদিন সাধারণত দুটি স্তবক গাওয়া হত। বাকি চারটি স্তবক বাদ থাকত। নতুন নিয়মে ছয়টি স্তবকই গাইতে হবে।জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময়, সরকারি অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির আগমন ও প্রস্থানকালে, জাতির উদ্দেশে রাষ্ট্রপতির ভাষণের আগে ও পরে রাষ্ট্রীয় গীত বাজানো হবে। পদ্ম সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানেও বন্দে মাতরম বাজানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একইভাবে রাজ্যপালের আগমন ও ভাষণের আগে এবং পরে এই গান গাওয়া বা বাজানো হবে। তবে সিনেমা হলে বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়নি।উল্লেখ্য, জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন গাইতে সময় লাগে ৫২ সেকেন্ড। তার তুলনায় বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ সংস্করণ গাইতে সময় লাগবে ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড। রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম-এর সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষে কেন্দ্র বছরভর নানা কর্মসূচি নিয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই এই নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও শুরু হয়েছে। তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, হঠাৎ করে বন্দে মাতরম নিয়ে নতুন করে কথা বলা হচ্ছে। গানটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লিখেছিলেন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সুর দিয়েছিলেন। তবে তাঁর অভিযোগ, পরের স্তবকগুলো নিয়ে বিভাজনের রাজনীতি করা হতে পারে।কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে একদিকে সমর্থন, অন্যদিকে প্রশ্নদুইই সামনে এসেছে। সরকারি অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম বাধ্যতামূলক করার এই নির্দেশিকা নিয়ে দেশজুড়ে এখন আলোচনা শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

শুভেন্দুর গাড়িতে হামলা? রিপোর্ট চাইল অমিত শাহের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক

বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গাড়িতে হামলার অভিযোগ ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়াল রাজ্যে। ঘটনার রেশ পৌঁছে গেল দিল্লিতেও। শুভেন্দুর গাড়িতে হামলা-র অভিযোগের প্রেক্ষিতে রিপোর্ট তলব করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। জানা গিয়েছে, অমিত শাহের মন্ত্রকের তরফে বিরোধী দলনেতার অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট ও ভিডিয়ো ফুটেজ চাওয়া হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীর অফিসের পক্ষ থেকে সেই সব ফুটেজ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে পাঠানো হচ্ছে।শনিবার পুরুলিয়ায় কর্মসূচি সেরে ফেরার পথে পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা রোডে এই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। শুভেন্দুর গাড়ি যাওয়ার সময় রাস্তার এক পাশে বিজেপি কর্মী ও সমর্থকেরা দাঁড়িয়ে ছিলেন। রাস্তার উল্টো দিকে তৃণমূলের পতাকা হাতে কয়েক জন দাঁড়িয়েছিলেন বলে অভিযোগ। শুভেন্দুর দাবি, তাঁর গাড়ি আসতেই আচমকা হামলা চালানো হয়। তিনি বলেন, ১২ থেকে ১৫ জন মিলে তাঁর গাড়িতে হামলা করেছে। পুলিশের মদতেই এই ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করেন বিরোধী দলনেতা। তাঁর আরও দাবি, হামলাকারীদের হাতে পেট্রল ও ডিজেল ছিল।ঘটনার পরই শুভেন্দু অধিকারী চন্দ্রকোনা পুলিশের বিট হাউসে পৌঁছে যান। সেখানে হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন তিনি। আইসির ঘরে মেঝেতে বসে পড়ে তিনি জানান, দোষীদের গ্রেফতার না করা পর্যন্ত তিনি বিক্ষোভ চালিয়ে যাবেন।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য তৃণমূলকে নিশানা করে বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর পর থেকেই বারবার শুভেন্দু অধিকারীর উপর হামলা হচ্ছে। পাল্টা তৃণমূল মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, শুভেন্দুর গাড়িতে কোনও হামলা হয়নি। জয় বাংলা স্লোগান দেওয়া হচ্ছিল, সেটাই তিনি সামলাতে পারেননি। তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষও সোশ্যাল মিডিয়ায় কটাক্ষ করে লেখেন, চন্দ্রকোনায় ভুল করে বিজেপি কর্মীদেরই পেটানো হয়েছে কেন, তার জবাব কেন্দ্রীয় বাহিনী দিক।এদিকে, শুভেন্দুর গাড়িতে হামলার অভিযোগের প্রতিবাদে রাজ্যের একাধিক জেলায় বিক্ষোভে নামেন বিজেপি কর্মী ও সমর্থকেরা। বাঁকুড়ার লালবাজারে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখানো হয়। বাঁকুড়ার বিজেপি বিধায়ক নিলাদ্রি শেখর দানার নেতৃত্বে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন কর্মীরা। পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি থানার সামনেও বিক্ষোভে সামিল হন বিজেপি কর্মী ও সমর্থকেরা।এই পরিস্থিতির মধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক শুভেন্দু অধিকারীর অফিসের কাছ থেকে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে। পাঠানো ভিডিয়ো ফুটেজ খতিয়ে দেখে কেন্দ্র কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রাজ্য রাজনীতি।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

ইন্ডিগোর ভয়ঙ্কর বিপর্যয়ের আসল কারণ ফাঁস! যে ভুলে লাখ লাখ যাত্রী বিপদে

একটি সিদ্ধান্ত, আর সেই ভুলেই রাতারাতি ধসে পড়ল ইন্ডিগোর বিমান পরিষেবা। হাজার হাজার যাত্রী নিজেদের ফ্লাইট ধরতে ব্যাগ গুছিয়ে, ট্যাক্সি বুক করে এয়ারপোর্টে পৌঁছে দেখলেন ফ্লাইট বাতিল। কেউ বৌভাতে যেতে পারেননি, কারোর চাকরি যাওয়ার উপক্রম, আবার কারোর বহু প্রতীক্ষিত ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্টও মিস হয়ে গেল। দেশের সবচেয়ে বড় এয়ারলাইন ইন্ডিগোর এমন বিপর্যয় কেন ঘটল, সেই প্রশ্নে উত্তাল বিমানযাত্রীদের ভিড়।২০২৫ সালের শুরুতেই ডিজিসিএ নতুন ফ্লাইট ডিউটি টাইম লিমিটেশন রুলস চালু করে। নিয়ম অনুযায়ী পাইলটদের সপ্তাহে ৪৮ ঘণ্টা বিশ্রাম, দিনে আট ঘণ্টার বেশি কাজ নয়। সপ্তাহে সর্বাধিক ৩৫ ঘণ্টা ডিউটি, মাসে ১২৫ ঘণ্টা, বছরে সর্বোচ্চ ১০০০ ঘণ্টা কাজ করার সীমা বেঁধে দেওয়া হয়। পাশাপাশি এক রোস্টারে মাত্র দুটি নাইট ল্যান্ডিং করার অনুমতি থাকে, যা আগে ছিল ছয়টি। যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা ভেবেই এই নিয়ম করা হয়েছিল, কারণ পাইলটের সামান্য ভুলেই বিপদ হতে পারে হাজার মানুষের।কিন্তু এই নিয়মই ইন্ডিগোর জন্য হয়ে উঠল বড় সমস্যার কারণ। দেশে সবচেয়ে বেশি ফ্লাইট চালায় ইন্ডিগো। অন্য এয়ারলাইন্স যেখানে কম বিমানে কাজ চালায়, সেখানে ইন্ডিগোর ওভারনাইট সার্ভিস প্রায় প্রতিদিনই থাকে। নিয়ম বদলের পরে যেখানে নতুন করে পাইলট নিয়োগ করা দরকার ছিল, সেখানে ইন্ডিগো উল্টে হায়ারিং বন্ধ করে দিল, রোস্টার তৈরি পিছিয়ে গেল, এমনকি কিছু কর্মী ছাঁটাইও হল। অন্যদিকে, এয়ার ইন্ডিয়া আগেই ৫০০ পাইলট নিয়োগ করেছিল বলেই কোনো অসুবিধা হয়নি।ফলে ইন্ডিগোর সিস্টেম পুরোপুরি ভেঙে পড়ে। এয়ারপোর্টে যাত্রীদের ভিড়, বিমানের ভেতরে যাত্রীরা বসে আছেন, কিন্তু পাইলট নেই, ক্রু নেই। রোস্টারের সময় মেলেনি। একটির পর একটি ফ্লাইট দেরি হতে হতে বাতিল হতে শুরু করল। সামান্য দেরি জমা হতে হতে দিনের শেষে ৬০০৭০০ বিমান বাতিল হয়ে গেল। পাইলট দিল্লিতে, কিন্তু প্রয়োজন ছিল কলকাতায়এই বিশৃঙ্খলাতেই ভেঙে গেল ইন্ডিগোর পুরো নেটওয়ার্ক।শেষমেশ হাজারেরও বেশি ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় যাত্রীরা আটকে পড়লেন দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে। খাবার নেই, জল নেই, লাগেজ নেইবাচ্চা থেকে বয়স্ক, সকলেই চরম দুর্ভোগের শিকার হন। দেশে প্রতি ১০ জনে ৬ জন যাত্রী ইন্ডিগোতেই ভ্রমণ করেন, তাই এই বিপর্যয়ের প্রভাবও পড়ল ব্যাপকভাবে।নিয়ম বদলের ব্যাপারে ইন্ডিগোর হাতে যথেষ্ট সময় ছিল। জুলাইয়ে প্রথম ধাপে নিয়ম চালু হয়, নভেম্বর থেকে কার্যকর হয় দ্বিতীয় ধাপ। তার পরও পাইলট বাড়ানো, শিফট বদলানো বা রোস্টার ঠিক করার ক্ষেত্রে ইন্ডিগো প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়নি বলেই অভিযোগ উঠছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৫
দেশ

এক ঝটকায় উড়ে গেল থানার অর্ধেক অংশ! নওগাম বিস্ফোরণ নিয়ে কী বললেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক

নওগাম থানার ভয়াবহ বিস্ফোরণ নিয়ে জল্পনার শেষ নেই। শুক্রবার গভীর রাতে থানার একটি বড় অংশ উড়ে যায়, চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে ধ্বংসস্তূপ, আর তার মাঝেই প্রাণ হারান ৯ জন। প্রায় ৩০ জনের বেশি আহত হয়ে হাসপাতালের বেডে ছটফট করছেন। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে মুহূর্তের মধ্যে গোটা এলাকা কেঁপে ওঠে। শুরু হয় সন্দেহএ কি আরেক নতুন নাশকতা? কারণ দিল্লির বিস্ফোরণে ব্যবহার হওয়া বিস্ফোরকের সঙ্গেই মিল পাওয়া গিয়েছিল নওগামের বিস্ফোরকটির।কিন্তু শনিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে যুগ্ম কমিশনার প্রশান্ত লোখান্ডে জানিয়ে দেন, এটা কোনও নাশকতা নয়, পুরোপুরি দুর্ঘটনা। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছিল। সেই সময়ই হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। কীভাবে, কেনএই প্রশ্নের উত্তর এখনো স্পষ্ট নয়। তবে তদন্ত শেষ হলেই সব তথ্য জানানো হবে বলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দফতর জানিয়েছে। বিশেষ বিষয়, সাংবাদিক বৈঠকে জঙ্গি হামলা বা নাশকতার কোনও উল্লেখই করা হয়নি।জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল নলীন প্রভাতও একই দাবি করেন। তিনি জানান, ৩৬০ কেজি বিস্ফোরক ফরিদাবাদে এক চিকিৎসকের ভাড়া বাড়ি থেকে উদ্ধার করার পর সেটি নওগাম থানায় রাখা হয়েছিল। নিয়ম মাফিক খোলা জায়গায় বিস্ফোরক সুরক্ষিত ছিল। কিন্তু নমুনা সংগ্রহ করতে গিয়ে আচমকাই ঘটে দুর্ঘটনা। এতে এক স্টেট ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির আধিকারিক, তিনজন এফএসএল কর্মী, দুই ফটোগ্রাফার, দুই রেভেনিউ কর্মী এবং এক টেইলর প্রাণ হারান। আহত হন ২৭ জন পুলিশ আধিকারিক ও ৩ জন স্থানীয় বাসিন্দা।ডিজিপির কথায়, সমস্ত সতর্কতা নিয়েও কীভাবে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটল, সেটাই এখন তদন্তের মূল প্রশ্ন। তিনি বলেন, সব নিয়ম মেনে কাজ হচ্ছিল। তার মধ্যেই রাত ১১টা ২০ মিনিটে হঠাৎ বিস্ফোরণ। এর পিছনে অন্য কোনও সন্দেহের কারণ নেই।এদিকে জঙ্গি সংগঠন প্যাফ এই বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করলেও সরকারিভাবে সেই দাবির কোনও ভিত্তি পাওয়া যায়নি। ফলে ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আরও প্রশ্ন বাড়ছেনাশকতার ছায়া থাকলে কেন তা অস্বীকার করা হলো, আর যদি দুর্ঘটনা হয়, তবে এত বড় বিস্ফোরক পরিচালনায় কী সতর্কতা নেওয়া হয়েছিল?তদন্তের শেষ রিপোর্টই জানাবে সঠিক সত্য। বর্তমানে নিহতদের পরিবার শোকাহত, আহতদের চিকিৎসা চলছে, আর প্রশাসনও সর্বোচ্চ সতর্কতায় পরিস্থিতি নজরে রাখছে।

নভেম্বর ১৫, ২০২৫
দেশ

রাতের উত্তর আকাশে হটাৎ আলোর ছটা! কি সেই আলোর উৎস? জানুন

বৃহস্পতিবার সব্ধায় উত্তর আকাশে টর্চের আলোর মত আলোর ফোকাস দেখে পথ চলতি মানুষের মনে কৌতুহল জন্মায়। তাঁদের নানা জনের মুখে নানা মত শোনা গেছে, কেউ বলছেন উল্কা তো আরেকজন বলছেন ভিন গ্রহের যান। ডিআরডিও-র নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র অগ্নি-৫ যা পারমাণবিক আস্ত্র বহনে সক্ষম ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। অগ্নি ৫,৪০০ কিলোমিটারের বেশি দূরে গিয়ে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সূত্রে বৃহস্পতিবার জানা গিয়েছে।শহর থেকে গ্রাম, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আকাশে অদ্ভুত আলো দেখে কৌতূহলী হয়ে পরে। সেই আলো নিয়েই ঘনায় রহস্য। ওই আলো ঘিরে সাধারণ মানুষের মনে আতঙ্কের-ও সৃষ্টি হয়। জল্পনার মধ্যেই সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে জানা যায়,ক্ষেপণাস্ত্রের নতুন প্রযুক্তি এবং সরঞ্জাম যাচাই করার জন্য এই পরীক্ষাটি করা হয়েছিল এবং এটি প্রমাণ করেছে যে ক্ষেপণাস্ত্রটি এখন আগের চেয়ে আরও দূরে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারে।ওড়িশার উপকূলের আব্দুল কালাম দ্বীপ থেকে পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রটি নিক্ষেপ করা হয়েছে। এটি অগ্নি V- সিরিজের নবম ফ্লাইট। ২০১২ সালে অগ্নি-র প্রথম উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবারের নিক্ষেপণটি একটি সাধারণ পরীক্ষা বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সুত্রে জানা গিয়েছে।চীন সীমান্তে ভারত ও চীন সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষের কয়েকদিন পর পরীক্ষাটি করা হয়েছে বলে অনেকের-ই মনে কৌতূহল জন্মায়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে এটি আগে থেকেই পরিকল্পনা করা হয়েছিল। ভারত একটি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করার দিন ঘোষণা করেছিল। এবং অরুণাচলের তাওয়াং-এ ঘটনার আগে এয়ারম্যানদের জন্য একটি নোটাম বা নোটিশ জারি করেছিল।অরুণাচলে অনুপ্রবেশের সাথে সাথে, চীন গত সপ্তাহে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা নামে পরিচিত ডি ফ্যাক্টো সীমান্তে একতরফাভাবে স্থিতাবস্থা পরিবর্তন করার চেষ্টা করেছিল, সংঘর্ষের সূত্রপাত করেছিল যা উভয় পক্ষের সেনাবাহিনী আহত হয়েছিল। সাময়িকভাবে সেই চেষ্টা সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২২
রাজ্য

দল ও সরকারে অধিপত্য শুরু, 'এক ব্যক্তি এক পদ' নীতিতেই শীলমোহর

দলে আগেই আধিপত্য বিস্তার হয়েছে, এবার রাজ্য প্রশাসনেও শুরু হল অভিষেকরাজ। এসএসসি দুর্নীতি কাণ্ডে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেফতার হওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে মন্ত্রিত্ব থেকে অপসারণ করা, দলের সমস্ত পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে সাসপেন্ড করার মতো দৃঢ় পদক্ষেপ করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরই বুধবার রাজ্যে নয়া মন্ত্রীদের শপথে অভিষেকের নীতির মান্যতা দেওয়ার ছবি স্পষ্ট।এক ব্যক্তি এক পদের দিকে তাকিয়ে মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ ঘটেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। যার প্রধান প্রবক্তাই তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। দুজনকে জেলা সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর মন্ত্রী করা হয়েছে। হুগলির স্নেহাশিষ মুখোপাধ্য়ায়, উত্তর ২৪ পরগণার পার্থ ভৌমিক। এই দুজনই একসময়ে দুই জেলার যুব তৃণমূলের জেলা সভাপতি ছিলেন। পরবর্তীতে তৃণমূলের জেলা সভাপতি হয়েছিলেন স্নেহাশিষ ও পার্থ। এবার সাংগঠনিক পদ ছেড়ে একেবারে রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী।ফিরহাদ হাকিমের কাছ থেকে পরিবহণ নিয়ে ওই দফতর দেওয়া হয়েছে স্নেহাশিষকে। এই ফিরহাদ হাকিমের নাম মেয়র হিসাবে ঘোষণার দিন অভিষেক হাজির ছিলেন না। এক ব্যক্তি এক পদ ঘোষণার পরও দলের একাংশ একাধিক সাংগঠনিক পদ ও একাধিক মন্ত্রিত্ব আঁকড়ে বসে রয়েছে। রাজনৈতিক মহল মনে করে, এদিন মূলত ফিরহাদের কাছ থেকে দুটি দফতর সরিয়ে নিয়ে বোঝানো হয়েছে একাধিক পদ নিয়ে বসে থাকা যত বড় নেতাই হোক না কেন দল কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না।

আগস্ট ০৩, ২০২২
রাজ্য

'বাংলা' না 'পশ্চিমবঙ্গ', বল পৌছালো সংসদে, প্রস্তাবের প্রাপ্তি স্বীকার কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের

নামটা মানের উদ্দেশ্য নয় - লোকে বড় বড় চুল রাখে ঝুঁটি ধরে টানবার জন্য নয়। বিখ্যাত লেখকের এই বক্র উক্তি অনেক কিছুই ভাবার অবকাশ দেয়। সব নামের মানে থাকবে যেমন আশা করা অন্যায়, তেমনি মানে খুঁজে ব্যঙ্গক্তি করাও সমীচীন নয়। কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন হতেই পারে, আতর আলি গায়ে আতরের গন্ধ খুঁজতে গিয়ে বিফল হওয়ার সমূহ সম্ভবনা থাকতে পারে। ঠিক তেমনই উত্তর পাড়া তে দক্ষিণ পাড়া খুঁজতে গিয়ে হয়রান হওয়ার সম্ভবনাও থাকে।ঠিক তেমনি এক নাম-র লড়াই বাংলায়। পশ্চিমবঙ্গের নাম বাংলাই পরিবর্তনের লড়াই অনেক পুড়ানো। রাজ্যের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বা প্রতিনিধিদের দীর্ঘদিনের আক্ষেপ, রাজ্যের নাম পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) হওয়াতে ইংরাজি অক্ষর W শেষের দিকে বলে বাংলার প্রতিনিধিরা শেষের দিকে বলার সুযোগ পেতেন। রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আগে বহুবার অভিযোগ জানিয়েছেন, সংসদে যখনই রাজ্যের প্রতিনিধিরা বা মমতা নিজেই কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্যগুলির মধ্যে কোনও বৈঠকে বক্তব্য রাখার কথা থাকতো তখনই পশ্চিমবঙ্গের নাম সর্বদা তালিকার নীচে উপস্থিত হত। এখন রাজ্যের নাম পরিবর্তন হয়ে বাংলা হলে ইংরাজি B অনেক আগে হওয়াতে পশ্চিমবঙ্গ-র প্রতিনিধিরা অনেকটা সামনের দিকে বলার সুযোগ পাবেন।২০১৬-এর ২৯ আগস্ট রাজ্য বিধানসভা পশ্চিমবঙ্গের নাম পরিবর্তন করে ইংরেজিতে বেঙ্গল, বাংলায় বাংলা এবং হিন্দিতে বাঙ্গাল করার প্রস্তাব পাস করা হয়েছিল। তিনটি ভিন্ন ভাষায় তিনটি নাম রাখার প্রস্তাবটিকে কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র দপ্তর প্রত্যাখ্যান করে। ঠিক তার দুই বছর পর ২০১৮-র ২৬ জুলাই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা সেই প্রত্যাখ্যাত বিলটি পরিবর্তন করে পশ্চিমবঙ্গ থেকে তিনটি ভিন্ন ভাষায় রাজ্যের নাম পরিবর্তন করে বাংলা করার বিল পাস করে।মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে যে, পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যের নামকরণ বাংলা করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে যে প্রস্তাব পাঠিয়েছে, সেটির তারা প্রাপ্তি স্বীকার করেছে। কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই সংসদকে জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছ থেকে এই প্রস্তাব তাঁরা পেয়েছেন।নিত্যানন্দ রাই জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছ থেকে তিনটি ভাষায় অর্থাৎ বাংলা, ইংরেজি এবং হিন্দিতে রাজ্যের বাংলা নামকরণের জন্য একটি প্রস্তাব এসেছে। রাই লোকসভায় লিখিত উত্তরে বলেছেন যে মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক সারা দেশে শহরগুলির নাম পরিবর্তনের জন্য গত পাঁচ বছরে প্রাপ্ত প্রস্তাবগুলিতে অনাপত্তি শংসাপত্র (NOC) দিয়েছে।সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের (AITC) সাংসদ সাইদা আহমেদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে জানতে চান, সারা দেশে বিভিন্ন শহরের নাম পরিবর্তনের অনুমোদন পাওয়ার জন্য ঠিক কতগুলি প্রস্তাব এসেছে? তিনি আরও জানতে চান সরকার কি হেরিটেজ স্থানের নাম পরিবর্তন ক্ষেত্রে পুর্বতন নির্দেশিকাগুলি সংশোধন করেছে কিনা।নিত্যানন্দ রাই সেই প্রশ্নের উত্তরে জানিয়েছেন যে, হেরিটেজ জায়গাগুলির নাম পরিবর্তনের জন্য মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের সেরকম কোনও নির্দেশিকা নেই। তিনি আরও জানান, ২০১৭-তে অন্ধ্রপ্রদেশের রাজমুন্দ্রির নাম পরিবর্তন করে রাজামহেন্দ্রভারম করা হয়। ২০১৮ তে, ঝাড়খণ্ডের নগর উন্টারির নাম পরিবর্তন করে শ্রী বংশীধর নগর করা হয়।ওই একই বছরে, মধ্যপ্রদেশ নগর পঞ্চায়েত শহর বীরশিংপুর পালি পরিবর্তন করে মা বিরাসিনী ধামএ পরিণত হয়। ২০১৮ তেই, এক উল্লখযোগ্য নাম পরিবর্তন হল, উত্তরপ্রদেশের কুম্ভ শহর এলাহাবাদের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় প্রয়াগরাজ।মন্ত্রী সংসদকে জানান, ২০২১-এ মধ্যপ্রদেশের হোশাঙ্গাবাদ নগরর নাম পরিবর্তন করে নর্মদাপুরম এবং বাবাই শহরের নাম পরিবর্তন করে মাখন নগর করা হয়। ২০২২ এ, পাঞ্জাবের শহর শ্রী হরগোবিন্দপুরের নাম পরিবর্তন করে শ্রী হরগোবিন্দপুর সাহেব রাখা হয়। রাই আরও জানান যে নসরুল্লাগঞ্জ নগরের নাম পরিবর্তন করে ভৈরুন্ডা করার একটি প্রস্তাব ২৫ এপ্রিল, ২০২২-এ মধ্যপ্রদেশ সরকারের কাছ থেকে মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক পেয়েছে।

জুলাই ১৯, ২০২২
কলকাতা

চন্দ্রিমার হাতে অর্থের স্বাধীন দায়িত্ব, পুর দপ্তরে ফিরলেন ফিরহাদ

রাজ্যের মন্ত্রীদের একাংশের দায়িত্ব বদলালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে দিলেন অর্থ দপ্তরের স্বাধীন দায়িত্ব। যা এত দিন মুখ্যমন্ত্রী নিজের হাতে রেখেছিলেন। অন্যদিকে, রাজ্যের পরিবহণ ও আবাসন মন্ত্রী এবং কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে ফিরিয়ে আনলেন পুর এবং নগরোন্নয়ন দপ্তরের দায়িত্বেও।মমতার প্রথম মন্ত্রিসভায় ফিরহাদ পুর নগরোন্নয়ন দপ্তরেরই মন্ত্রী হয়েছিলেন। ১০ বছর সেই দায়িত্ব সামলেছেন ফিরহাদ। নতুন প্রস্তাবে ফিরহাদকে তাঁর পুরনো দায়িত্বে বহাল রেখে পুর এবং নগরোন্নয়ন দপ্তরে আনা হয়েছে তাঁকে। যা এর আগে সামলাচ্ছিলেন চন্দ্রিমা। চন্দ্রিমা এর আগে অর্থ দপ্তরেরও প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। অমিত মিত্র বিধানসভা ভোটে না দাঁড়ানোয় অর্থ দপ্তরের ভার নিজের হাতে রাখলেও চন্দ্রিমাকে প্রতিমন্ত্রী করেছিলেন মমতা। তবে এ বার চন্দ্রিমাকে ওই দপ্তরেরই স্বাধীন দায়িত্ব দেওয়া হল। তৃণমূল সূত্রে খবর, দলে যাঁরা ভাল কাজ করেছেন তাঁদেরই বিশেষ দায়িত্ব পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয়েছে।

মার্চ ০৮, ২০২২
দেশ

পণবন্দি হয়নি কোনও পড়ুয়াই, রাশিয়ার দাবি ওড়াল বিদেশ মন্ত্রক

যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই ইউক্রেন থেকে জোরকদমে উদ্ধারকার্য চালাচ্ছে ভারত সরকার । আগামী ৮ মার্চের মধ্যে ইউক্রেনের প্রতিবেশী দেশগুলি থেকে মোট ৪৬টি বিশেষ বিমানে ভারতীয়দের ফেরত আনা হবে। তবে এরইমাঝে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছিল রুশ প্রশাসনের দাবিতে। বুধবারই রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে দাবি করা হয়েছিল যে, খারকিভে একদল ভারতীয় পড়ুয়াকে বন্দি করে রেখেছে ইউক্রেনীয় সেনা। তবে এদিন সকালে ভারত সরকারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হল যে, ভারতীয় পড়ুয়াদের পণবন্দি করে রাখার কোনও খবর মেলেনি। যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেনে এখনও আটকে থাকা ভারতীয়দের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে।Our response to media queries regarding reports of Indian students being held hostage in Ukraine ⬇️https://t.co/RaOFcV849D pic.twitter.com/fOlz5XsQsc Arindam Bagchi (@MEAIndia) March 3, 2022এদিন সকালেই বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী টুইট করে বলেন, আমাদের কাছে ইউক্রেনে ভারতীয় পড়ুয়াদের পণবন্দি হয়ে থাকার কোনও খবর নেই। খারকিভ ও পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে আটকে পড়া ভারতীয়দের উদ্ধার করে দেশের পশ্চিম অংশে পাঠানোর জন্য বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করার কথাও বলা হয়েছে ইউক্রেনীয় প্রশাসনকে।গতকালই রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র বলেন, আমাদের তথ্য অনুযায়ী, ইউক্রেনীয় প্রশাসন জোর করে একদল ভারতীয় পড়ুয়াকে খারকিভে আটকে রেখেছে। ওই পড়ুয়ারা ইউক্রেনের সীমান্ত পার করে বেলগার্ডে যাওয়ার চেষ্টা করছিল, কিন্তু তাদের জোর করে বন্দি বানিয়ে রাখা হয়েছে। রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী ভারতীয় নাগরিকদের সুরক্ষিতভাবে উদ্ধারকার্যে সবরকমের সাহায্যের জন্য প্রস্তুত এবং তাদের উদ্ধার করে রাশিয়ার সীমান্ত দিয়ে ভারতের সামরিক বা উদ্ধারকারী বিশেষ বিমানে করে দেশে পাঠাতেও আগ্রহী।

মার্চ ০৩, ২০২২
দেশ

দেশে আরও কমল করোনা সংক্রমণের হার

দেশে আরও কমল করোনা সংক্রমণ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের জারি করা দৈনিক করোনা বুলেটিন বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২৭ হাজার ৪০৯ জন, যা সোমবারের তুলনায় ২০ শতাংশ কম। একই সঙ্গে কমেছে দৈনিক সংক্রমণের হারও। মঙ্গলবার দেশে সংক্রমণের হার ২.২ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দৈনিক পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৮২ হাজার ৮১৭ জন করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এর ফলে মোট চার কোটি ১৭ লক্ষ ৬০ হাজার ৪৫৮ জন করোনা মুক্ত হলেন। সোমবার দেশে ১২ লক্ষ ২৯ হাজার ৫৩৬টি করোনার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ লক্ষেরও বেশি করোনার টিকা দেওয়া হয়েছে। দেশে কমেছে করোনায় দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যাও। স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। তার মধ্যে কেরলেই মৃত্যু হয়েছে ১৭৮ জনের।সময়ের সঙ্গে সঙ্গে করোনা ভাইরাসের একাধিক নয়া স্ট্রেন হানা দিয়েছে বিশ্বের সর্বত্র। বাদ পড়েনি ভারতও। তার বিরুদ্ধে লড়তে জোরকদমে দেশে চলছে টিকাকরণ। এখনও পর্যন্ত মোট ১৭৩ লক্ষের বেশি মানুষ ভ্যাকসিন পেয়েছেন বলে স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে। সংক্রমণ কমতে থাকায় বিভিন্ন রাজ্যে ছোটদের স্কুলও খুলে দেওয়া হচ্ছে। বাংলাতেও বুধবার থেকে তা খুলে দেওয়া হবে। তবে কড়া কোভিডবিধি মেনেই চলবে ক্লাস, সে বিষয়ে সতর্ক সব রাজ্যই।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২
দেশ

ফের সামান্য বাড়ল দৈনিক করোনা সংক্রমণ, একদিনে আক্রান্ত ৭১ হাজারের বেশি

ফেব্রুয়ারি মাসের শুরু থেকেই কমতে শুরু করেছে দেশের দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমতে শুরু করেছে। তবে বুধবারই দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ফের সামান্য বৃদ্ধি পেয়ে ৭১ হাজারের গণ্ডি পার করেছে। মঙ্গলবার দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৬৭ হাজার ৫৯৭। অন্যদিকে, দেশে একদিনেই ১২১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে করোনা সংক্রমণে। এই নিয়ে দেশে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫ লক্ষ ৫ হাজার ২৭৯-এ।লাখের গণ্ডির নীচে থাকলেও, দেশে সামান্য বাড়ল করোনা সংক্রমণ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৭১ হাজার ৩৬৫ জন, যা গতকালের তুলনায় ৫.৬ শতাংশ বেশি। এই নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ কোটি ২৪ লক্ষ ১০ হাজার ৯৭৬-এ। দেশের সংক্রমণের হার ৫ শতাংশের নীচে নেমে দাঁড়িয়েছে।এদিকে, দেশের করোনা সংক্রমণ তুলনামূলকভাবে অনেকটাই কমায় সক্রিয় রোগীর সংখ্যাও হ্রাস পেয়েছে। বর্তমানে দেশের সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৮ লক্ষ ৯২ হাজার ৮২৮। দেশের মোট আক্রান্তের ২.১১ শতাংশ সক্রিয় রোগী। একইসঙ্গে কমেছে সংক্রমণের হারও। বর্তমানে দেশে সংক্রমণের হার ৪.৫৪ শতাংশ। সাপ্তাহিক সংক্রমণের হার ৭.৫৭ শতাংশ।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, দেশের ৫টি রাজ্য থেকেই দৈনিক সংক্রমণের ৬৭.২১ শতাংশের খোঁজ মিলছে। এরমধ্যে শীর্ষে রয়েছে কেরল, সেখানে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ২৯ হাজার ৪৭১। দেশের মোট সংক্রমণের ৪১.৩ শতাংশই কেরল থেকে খোঁজ মিলছে। এরপরেই রয়েছে মহারাষ্ট্র, এই রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৬১০৭ জন। এরপরে রয়েছে তামিলনাড়ু, সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৫১৯। কর্নাটক ও রাজস্থানেও দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা যথাক্রমে ৪৪৫২ এবং ৩৪১১।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২২
দেশ

সংক্রমণ কমলেও চিন্তা বাড়াচ্ছে দৈনিক সংক্রমণ, আক্রান্ত ৩ লক্ষের বেশি, একদিনে মৃত্যু ৪৩৯ জনের

ভারতে অনেকটাই কমল দৈনিক করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা। তবে এখনও দৈনিক-সংক্রমণ থাকল তিন লক্ষের উপরই। বেড়েছে দৈনিক সংক্রমণের হারও। রবিবার সারাদিনে ভারতে নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ০৬ হাজার ০৬৪ জন, এই সংখ্যা আগের দিনের তুলনায় ২৭ হাজার ৪৬৯ কম। এই সময়ে মৃত্যু হয়েছে করোনা-আক্রান্ত ৪৩৯ জন রোগীর, মৃত্যুর সংখ্যাও আগের দিনের তুলনায় কমেছে। দৈনিক সংক্রমণের হার এই মুহূর্তে ২০.৭৫ শতাংশ।বিগত ২৪ ঘন্টায় ভারতে চিকিৎসাধীন করোনা-রোগীর সংখ্যা বেড়ে ২,২৪,৯৩,৩৫-এ পৌঁছেছে, শেষ ২৪ ঘন্টায় সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ৬২,১৩০ জন। এই মুহূর্তে শতাংশের নিরিখে ৫.৬৯ শতাংশ রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ভারতে বিগত ২৪ ঘন্টায় করোনা ভাইরাসের টিকা পেয়েছেন মাত্র ২৭ লক্ষ ৫৬ হাজার ৩৬৪ জন প্রাপক, ফলে ভারতে সোমবার সকাল আটটা পর্যন্ত ১,৬২,২৬,০৭,৫১৬ জনকে কোভিড টিকা দেওয়া হয়েছে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিগত ২৪ ঘন্টায় ৪৩৯ জনের মৃত্যুর পর ভারতে কোভিড-১৯ ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৪,৮৯,৮৪৮ জন।রবিবার সারা দিনে ভারতে করোনা-মুক্ত হয়েছেন ২,৪৩,৪৯৫ জন। সোমবার সকাল আটটা পর্যন্ত ভারতে মোট সুস্থ হয়েছেন ৩,৬৮,০৪,১৪৫ জন করোনা-রোগী, শতাংশের নিরিখে ৯৩.০৭ শতাংশ। নতুন করে ৩,০৬,০৬৪ জন সংক্রমিত হওয়ার পর ভারতে মোট কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন ৩,৯৫,৪৩,৩২৮ জন।তৃতীয় ঢেউয়ে উদ্বেগ আরও বাড়াচ্ছে করোনার নতুন ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যাও ১০ হাজার পার করেছে। দেশের ২৯ রাজ্যে থাবা বসিয়েছে ওমিক্রন। এদিকে রাজ্যের বাকি জেলায় স্কুল খুললেও মুম্বই পুরসভার তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যে স্কুল খোলার নির্দেশ দেওয়া হলেও, আপাতত মুম্বইয়ে ৩১ জানুয়ারি অবধি প্রথম থেকে নবম শ্রেণির পড়ুয়াদের স্কুলে আসার উপর নিষেধাজ্ঞাই জারি থাকবে। নতুন বছরের শুরু থেকেই রাজ্য তথা গোটা দেশজুড়েই বেড়েছিল করোনা সংক্রমণ। সতর্কতাবশে সঙ্গে সঙ্গেই বন্ধ করা হয়েছিল স্কুলও। তবে মাসের মাঝামাঝি সময়ে সংক্রমণ কিছুটা কমতেই, স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মহারাষ্ট্র সরকার। সোমবার থেকেই প্রথম থেকে নবম শ্রেণির অফলাইন পঠনপাঠন শুরু হচ্ছে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
দেশ

১৮-র অনূর্ধ্বদের দেওয়া যাবে না রেমডেসিভির, মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি, নয়া নির্দেশিকা কেন্দ্রের

অ্যান্টি ভাইরাল বা মোনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি দেওয়া যাবে না অনূর্ধ্ব ১৮-দের। বাদ দেওয়া হয়েছে রেমডেসিভির। নয়া নির্দেশিকা জারি করে জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক। এ ছাড়া অনূর্ধ্ব আঠারোদের করোনার কী কী উপসর্গ দেখা যেতে পারে, তা-ও স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে নির্দেশিকায়। সেখানে বলা হয়েছে, এই বয়সিদের জ্বর, সর্দি-কাশি, গলা ব্যথা, শরীরে ব্যথা, দুর্বলতা, ডায়েরিয়ার মতো একাধিক উপসর্গ দেখা দিতে পারে।কেন্দ্রীয় নির্দেশিকায় শিশুদের শারীরিক অবস্থাকে উপসর্গের প্রকৃতি অনুযায়ী উপসর্গহীন, মৃদু, মাঝারি ও প্রবল এই চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। উপসর্গহীন ও মৃদু উপসর্গের ক্ষেত্রে বাড়িতে বা কোভিড কেয়ার সেন্টারে বাচ্চাকে রাখা যাবে। তবে দেহের তাপমাত্রা ও রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ নিয়মিত মেপে যেতে হবে। মাঝারি ও প্রবল উপসর্গের ক্ষেত্রে কোভিড হাসপাতালে ভর্তি করানো আবশ্যিক।নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, পাঁচ বছরের কম বয়স হলে শিশুর মাস্ক ব্যবহারের প্রয়োজন নেই। ছয় থেকে ১১ বছর বয়স্কদের প্রয়োজনমাফিক মাস্ক পরানো যেতে পারে। তবে খেয়াল রাখতে হবে যাতে তাঁদের শারীরিক সমস্যা না হয়। ১২ বছর ও তার ঊর্ধ্বের বাচ্চারা প্রাপ্তবয়স্কদের মতোই সব সময় মাস্ক ব্যবহার করবে। পাশাপাশি সাধারণ কোভিড বিধি, যেমন বার বার হাত ধোয়া ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা এ সব মেনে চলতে হবে।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
দেশ

দেশে একদিনেই আক্রান্ত ৩ লক্ষের বেশি, ভাঙল ৮ মাসের রেকর্ড!

দৈনিক সংক্রমণে দীর্ঘ আট মাসের রেকর্ড ভাঙল। দেশে একদিনেই করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পার করল ৩ লক্ষের গণ্ডি। বিগত কয়েক দিন ধরে দেশে দৈনিক সংক্রমণের হার কিছুটা নিম্নমুখী হলেও, তা হঠাৎ করে ফের বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ১৭ হাজার ৫৩২ জন। এই নিয়ে দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যাও বেড়ে দাঁড়াল ১৯ লক্ষ ২৪ হাজার ৫১-এ। দেশে মোট ,করোনা আক্রান্তের ৪.৮৩ শতাংশই সক্রিয় রোগী। একদিনেই ৪৯১ জনের মৃত্যু হওয়ায় দেশে মোট মৃতের সংখ্যাও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৮৭ হাজার ৬৯৩-এ।দেশের এই উর্ধ্বমুখী সংক্রমণের জন্য চিকিৎসক, গবেষকরা করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনকেই দায়ী করেছেন। বর্তমানে দেশে মোট ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯২৮৭-এ। দেশের মধ্যে মহারাষ্ট্রেই ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা সর্বাধিক। গত ২৪ ঘণ্টাতেই সে রাজ্যে ২১৪ জন ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে, এই নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৮৬০-এ পৌঁছেছে। সংক্রমণের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, রাজ্যেও ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ১৬০০-র গণ্ডি পার করেছে।আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার ফলে কিছুটা কমেছে সুস্থতার হারও। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২ লক্ষ ২৩ হাজার ৯৯০ জন। এই নিয়ে দেশে মোট সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ কোটি ৫৮ লক্ষ ৭ হাজার ২৯-এ। সুস্থতার হার কমে দাঁড়িয়েছে ৯৩.৬৯ শতাংশে। অন্য়দিকে, বর্তমানে দেশে সংক্রমণের হার ১৬.৪১ শতাংশে পৌঁছেছে, সাপ্তাহিক সংক্রমণের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬.০৬ শতাংশে।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
দেশ

দেশে একদিনেই করোনা আক্রান্ত প্রায় আড়াই লাখ!

ফের একবার এক ধাক্কায় অনেকটা বাড়ল করোনা সংক্রমণ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৪৭ হাজার জন। গতকালই এই সংখ্যাটি ছিল ১ লক্ষ ৯৪ হাজার ৭২০। অর্থাৎ একদিনেই ২৭ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে দৈনিক সংক্রমণে। বর্তমানে দেশে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ কোটি ৬৩ লাখে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৪৭ হাজার ৪১৭ জন। গতকালই এই সংখ্যাটি ছিল ১ লক্ষ ৯৪ হাজার ৭২০, অর্থাৎ একদিনেই ৫০ হাজারের বেশি আক্রান্তের সংখ্যায় বৃদ্ধি হয়েছে। বিগত আট মাস বাদে এই প্রথম দৈনিক সংক্রমণ দুই লাখের গণ্ডি পার করল। দেশে বেড়েছে দৈনিক মৃতের সংখ্যাও, গত ২৪ ঘণ্টাতেই করোনা সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৩৮০ জনের।গত কয়েক দিন ধরেই দেশে দৈনিক সংক্রমণের হার ১০ শতাংশ ছাড়াচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় তা পৌঁছে গিয়েছে ১৩.১১ শতাংশে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য জানাচ্ছে, গত এক সপ্তাহ ধরে দেশের ২৯টি রাজ্যের অন্তত ১২০টি জেলায় সংক্রমণের হার রয়েছে ১০ শতাংশের বেশি। সেই সঙ্গে বাড়ছে ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যা। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে, দেশে মোট ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ৫৪৮৮ জন।

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
দেশ

হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত মেডিক্যাল অক্সিজেন মজুত রাখতে রাজ্যগুলোকে চিঠি স্বাস্থ্য মন্ত্রকের

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের অক্সিজেন সরবরাহ করতে নাজেহাল হয়েছিল দেশের বেশ কয়েকটি রাজ্য।সাম্প্রতিক কোভিড স্ফীতিতে সংক্রমণের তুলনায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার অনুপাত কিছুটা কম। তবে এই পরিসংখ্যান বাড়তে পারে ধরে নিয়ে রাজ্যগুলিকে এখন থেকেই প্রস্তুত হতে বলল কেন্দ্র। বর্তমান পরিস্থিতিতে, কীভাবে করোনা মোকাবিলা করা যায় তা নিয়ে আগামিকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবারই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। তার ২৪ ঘণ্টা আগেই সব রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলকে অক্সিজেনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখতে চিঠি দিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ।দুই পাতার সেই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রত্যেক রাজ্যের কাছে এই আবেদন করা হচ্ছে, যাতে কমপক্ষে আগামী ৪৮ ঘণ্টা সময় ধরে অতিরিক্ত অক্সিজেন সরবরাহের সুবিধা থাকে। পাশাপাশি, যথাযথ পরিমাণে অক্সিজেন সিলিন্ডারের যোগান, পিএসএ প্লান্ট তৈরি, অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর-সহ উপযুক্ত পরিষেবার ব্যবস্থা যাতে থাকে সেদিকে কড়া নজর দিতে বলা হয়েছে। সমস্ত তথ্য তুলে দিতে বলা হয়েছে কেন্দ্রকে। প্রয়োজনে তাহলে সমস্ত রাজ্যকেই মেডিক্যাল অক্সিজেন সরবরাহ করতে সহযোগিতা করবে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক।কিছুদিন আগেই পাঁচটি রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে একটি বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য। পাশাপাশি ভোটমুখী রাজ্যগুলির কোভিড পরিস্থিতি কী তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে, কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায়, জেলাস্তরে বিশেষ নজর দিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
দেশ

New Guidelines: স্বাস্থ্য মন্ত্রকের নয়া নির্দেশিকায় নিভৃতবাসের মেয়াদ কমে ৭ দিন, আর কী কী রয়েছে নির্দেশিকায় জেনে নিন

করোনার মৃদু উপসর্গ রয়েছে যাঁদের, তাঁদের বন্দিদশাও কাটতে পারে দ্রুত। বুধবার একটি নির্দেশিকায় নিভৃতবাসের নতুন নিয়ম জারি করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। তাতে বলা হয়েছে, বাড়িতে চিকিৎসাধীন করোনা রোগীরা সাত দিন পর নিভৃতবাস শেষ করতে পারেন। তবে শর্তসাপেক্ষে।দেশে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির নতুন পর্বে মৃদু উপসর্গের রোগীর সংখ্যাই বেশি বলে জানিয়েছিলেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা। তাঁদেরকে বাড়িতে থেকেই চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। বুধবার স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানাল, একজন করোনা আক্রান্তের যদি পর পর তিনদিন জ্বর না আসে তবে রিপোর্ট পজিটিভ হওয়ার সাত দিন পর তাঁরা নিভৃতবাস থেকে বের হতে পারেন।এর আগে নিভৃতবাস থেকে বেরনোর আগেও কোভিড পরীক্ষা করিয়ে নেগেটিভ রিপোর্ট নেওয়ার নিয়ম ছিল। এ ক্ষেত্রে নতুন করে পরীক্ষা করানোরও দরকার নেই বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। তবে নিভৃতবাস শেষ হলেও রোগীকে সব সময় মাস্ক পরে থাকতে হবে বলে জানানো হয়েছে ওই নির্দেশিকায়।তবে এই নিয়ম শুধুমাত্র মৃদু উপসর্গের রোগী যাঁরা বাড়িতে চিকিৎসাধীন ছিলেন, তাঁদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। বিশ্বের একাধিক দেশেই সম্প্রতি আইসোলেশনের মেয়াদ কমানো হয়েছে। বিশেষত, ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের ক্ষেত্রে যেহেতু আক্রান্তদের মধ্যে খুব ভয়ঙ্কর উপসর্গ দেখা যাচ্ছে না, তাই এই আইসোলেশনের মেয়াদ কমানোর কথা বলেছেন বিশেষজ্ঞরা।বুধবার গাইডলাইন প্রকাশ করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। সেখানে বলা হয়েছে, করোনা পরীক্ষা হওয়ার দিন থেকে শুরু করে অন্তত ৭ দিনের আইসোলেশনে থাকতে হবে আক্রান্তকে। যদি শেষ তিন দিন কোনও জ্বর না আসে, সে ক্ষেত্রে ৭ দিনেই আইসোলেশন শেষ হয়ে যাবে। অর্থাৎ শেষ তিন দিনে জ্বর এলে আইসোলেশন জারি থাকবে। সেই সঙ্গে এও বলা হয়েছে, আইসোলেশন শেষ হওয়ার পর করোনা পরীক্ষা করার কোনও প্রয়োজন নেই।করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে এলে, হোম আইসোলেশনে থাকতে হবে। মাস্ক পরে থাকতে হবে, নিজের স্বাস্থ্যের ওপর নজর রাখতে হবে। তবে উপসর্গ না দেখা দিলে করোনা পরীক্ষা করার কোনও প্রয়োজন নেই বলে জানানো হয়েছে গাইডলাইনে।আমেরিকার সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন বা সিডিসি-গাইডলাইনে বলা হয়েছে, যদি কেউ করোনা আক্রান্ত হন সে ক্ষেত্রে ৫ দিন বাড়িতে থাকতে হবে। ৫ দিন পর যদি কোনও উপসর্গ না দেখা যায়, তাহলে বাড়ি থেকে বেরতে পারেন। শেষ ২৪ ঘণ্টায় জ্বর না এলে ধরে নিতে হবে কোনও উপসর্গ নেই। তবে পরের পাঁচদিন মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক।যদি কেউ কোনও করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে আসেন, তাহলে বুস্টার ডোজ নেওয়া থাকলে ১০ দিন মাস্ক পরতে হবে বাধ্যতামূলকভাবে ও পাঁচদিন পর করোনা পরীক্ষা করাতে হবে। আর যদি ভ্যাকসিনের সাধারণ ডোজ নেওয়া থাকে বা, ভ্যাকসিন না নেওয়া থাকে, তাহলে পাঁচ দিন বাড়ি থেকে বেরনো যাবে না। পরের পাঁচ দিন বাড়ি থেকে বেরলেও মাস্ক পরে থাকতে হবে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
রাজ্য

Corona: রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণে রেকর্ড, উদ্বেগ বাড়িয়ে আক্রান্তের সংখ্যা পার করল ৯০০০

একদিকে যখন বাংলার চিকিৎসকেরা তৃতীয় ঢেউয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছেন, তখন বাংলায় বড়সড় লাফ দিল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। দৈনিক সংক্রমণ একধাক্কায় বেড়ে ৯ হাজার পেরিয়ে গেল মঙ্গলবার। শুধুমাত্র কলকাতাতেই নতুন আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৫ হাজার ছুঁইছুঁই। ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১৬ জনের। কলকাতাতেই মৃতের সংখ্যা ৫।সোমবার স্বাস্থ্য দপ্তরের যে বুলেটিন প্রকাশ হয়, তাতে দেখা গিয়েছিল দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা ৬ হাজারের কিছু বেশি। সাধারণত রবিবার ছুটির দিন হওয়ায় টেস্ট তুলনামূলকভাবে কম হয়। সম্ভবত সেই কারণেই শনিবার ও রবিবার আক্রান্তের সংখ্যায় খুব বেশি হেরফের হয়নি বলেই অনুমান করা হয়। আর মঙ্গলবার একলাফে সেই সংক্রমণ বাড়ল অনেকটাই। বিশেষজ্ঞরা বারবার বলছেন, সাধারণ মানুষের সতর্কতার অভাবেই এই পরিস্থিতি। তারপরও অসতর্কতার ছবি দেখা যাচ্ছে বাসে-ট্রেনে সর্বত্র। তবে মঙ্গলবারের করোনার গ্রাফ বুঝিয়ে দিচ্ছে, এবার সত্যিই আরও বেশি সতর্ক হওয়ার সময় এসেছে।আরও পড়ুনঃ করোনাকালে বাড়ি বাড়ি খাবার পাঠাবে রাজ্য গত সপ্তাহের মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) কলকাতায় দৈনিক সংক্রমণ ছিল ৯১০। এক সপ্তাহে তা বাড়ল ১,১৪৬ শতাংশ। রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর প্রকাশিত বুলেটিন জানাচ্ছে মঙ্গলবার রাজধানী শহরে কোভিড-১৯ সংক্রমণের সংখ্যা ৪,৭৫৯। প্রসঙ্গত, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় গত ৩ মে কলকাতায় দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা পৌঁছেছিল ৩,৯৯০-এ। তৃতীয় ঢেউয়ের অষ্টম দিনেই সেই রেকর্ড ভেঙে গেল।

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
দেশ

Mumbai Covid: মহারাষ্ট্রের ১০ মন্ত্রী, ২০ বিধায়ক কোভিড আক্রান্ত!

ওমিক্রন নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই দেশে লাফিয়ে বাড়ছে দৈনিক কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা। মহারাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা আট হাজার ছাড়িয়েছে। এই আক্রান্তের মধ্যে রয়েছেন মহারাষ্ট্রের ১০ মন্ত্রী এবং ২০ জন বিধায়ক। বছরের প্রথম দিনে এই খবর জানিয়েছেন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার। এই মন্ত্রী-বিধায়করা আক্রান্ত হওয়ায় সে রাজ্যের বিধানসভা অধিবেশনের সময়ও কমানো হবে বলে জানিয়েছেন অজিত।নতুন বছরের প্রথম দিনেই অজিত বলেছেন, এখনও অবধি ১০ জন মন্ত্রী এবং ২০ জন বিধায়ক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এ জন্য বিধানসভা অধিবেশনের সময় কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর পরই জনসাধারণের উদ্দেশে সতর্কবার্তা দিয়েছেন তিনি। বলেছেন, নতুন বছরের উৎসবে সকলেই সামিল হতে চাই। কিন্তু মনে রাখা দরকার ওমিক্রন খুব দ্রুত ছড়াচ্ছে। কিছু রাজ্যে ফের রাত্রিকালীন কার্ফু জারি হচ্ছে। মহারাষ্ট্রেও মুম্বই এবং পুণেতে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।বর্ষবরণে মেতে পরিস্থিতির অবনতি না হয়, সে জন্য ইতিমধ্যেই মুম্বই জুড়ে জারি হয়েছে ১৪৪ ধারা। আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকলে কোভিড সংক্রান্ত আরও বিধিনিষেধ জারি করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত শনিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের প্রকাশিত রিপোর্ট অনুসারে, আট হাজার ৬৭ জন নতুন করে সংক্রমিত হয়েছে মহারাষ্ট্রে। এর মধ্যে মুম্বইয়েই আক্রান্ত হয়েছেন পাঁচ হাজার ৬৩১ জন যা শুক্রবারের তুলনায় প্রায় দুহাজার বেশি। ওমিক্রনও দ্রুত হারে ছড়াচ্ছে মহারাষ্ট্রে। এখনও অবধি ৪৫৪ জন ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন মহারাষ্ট্রে। যা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
দেশ

Omicron: ২৪ ঘণ্টায় দেশে সংক্রমণ বৃদ্ধি প্রায় ৩৫%, চোখ রাঙাচ্ছে ওমিক্রনও

ডিসেম্বরেই দেশে প্রবেশ করেছে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট। কিন্তু, তার দাপট যে কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে, তা বুঝে উঠতে বেশ খানিকটা সময় লেগে গিয়েছে। তবে বছর শেষে করোনার যে রেখচিত্র সামনে এসেছে, তা থেকে স্পষ্ট ওমিক্রন তার আসল চেহারা ক্রমশ প্রকাশ্যে আনতে শুরু করেছে। দেশে একধাক্কায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পার করল ৪০০। মাত্র চার দিনে দেশে ওমিক্রন সংখ্যা বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে।দেশের দৈনিক কোভিড সংক্রমণ গত চার দিন ধরেই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্ত হয়েছেন ২২ হাজার ৭৭৫ জন। শুক্রবার তা ছিল ১৬ হাজার ৭৬৪। অর্থাৎ শুক্রবারের তুলনায় শনিবার ৩৫ শতাংশ বেড়েছে দেশের দৈনিক সংক্রমণ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে, দেশে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৩ কোটি ৪৮ লক্ষ ৬১ হাজার ৫৭৯ জন।দেশে কোভিড আক্রান্তের পাশাপাশি করোনা ভাইরাসের ওমিক্রন রূপেও আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। দেশে ১ হাজার ৪৩১ জন ইতিমধ্যেই ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন। ২৩টি রাজ্যে ইতিমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে করোনা ভাইরাসের সাম্প্রতিক রূপ। ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা সবথেকে বেশি মহারাষ্ট্রে (৪৫৪) রাজধানী দিল্লিতে ৩৫১ জন ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন। এর পর ক্রমান্বয়ে রয়েছে তামিলনাড়ু (১১৮), গুজরাত (১১৫), কেরল (১০৯), রাজস্থান (৬৯), তেলঙ্গানা (৬২), হরিয়ানা (৩৭), কর্নাটক (৩৪), অন্ধ্রপ্রদেশ (১৭), পশ্চিমবঙ্গ (১৭) এবং ওডিশা (১৪)। বাকি রাজ্যগুলিকে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ১০-এর কম।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ফের আগুনে আতঙ্ক! সল্টলেক সেক্টর ফাইভের বহুতলে ধোঁয়া, দমকলের তৎপরতা

আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডের ক্ষত এখনও তাজা। তার মধ্যেই ফের আগুন শহরে। এবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল সল্টলেক সেক্টর ফাইভ-এ। একটি বহুতল অফিস ভবন থেকে গলগল করে ধোঁয়া বের হতে দেখে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।জানা গিয়েছে, গ্লোবসিন ক্রিস্টাল বিল্ডিং-এ আচমকাই আগুন লাগে। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের ৩টি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীরা পৌঁছেই গোটা বিল্ডিং খালি করে দেন। আতঙ্কে একে একে বাইরে বেরিয়ে আসেন তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থাগুলির কর্মীরা। অফিস টাইম হওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে রাস্তায় ভিড় জমে যায়। আশপাশের এলাকা থেকেও বহু মানুষ ছুটে আসেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, হঠাৎ করেই অফিসের ভিতরে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে সকলকে নিচে নেমে যেতে বলা হয়। এক কর্মী জানান, তখন তাঁরা অফিসের ভিতরেই ছিলেন। হঠাৎ বলা হয় বাইরে বেরিয়ে যেতে। পরে নিচে নেমে শোনা যায়, উপরের একটি রেস্তোরাঁয় আগুন লেগেছে।তবে ঠিক কোথা থেকে আগুনের সূত্রপাত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রেস্তোরাঁ থেকেই আগুন ছড়িয়েছে, না কি অন্য কোনও জায়গা থেকে, তা খতিয়ে দেখছেন দমকল কর্মীরা। ভবনের অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করেছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দমকলের চেষ্টায় কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানা গিয়েছে। তবুও ব্যস্ত সময়ে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে অফিস কর্মীদের মধ্যে। এলাকায় এখনও কৌতূহলী মানুষের ভিড় রয়েছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ভারত-বিরোধিতার অধ্যায় শেষ? মোদির ফোনে বদলাচ্ছে ঢাকা-দিল্লির সমীকরণ!

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সংসদীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বিএনপি। এই জয়ের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছেঢাকা ও দিল্লির সম্পর্ক কি আবার উষ্ণ হতে চলেছে?শুক্রবার নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডেলে বার্তা দিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে অভিনন্দন জানান। পরে ফোনেও তাঁর সঙ্গে কথা বলেন তিনি। মোদি লেখেন, বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বিরাট জয়ের জন্য তারেক রহমানকে তিনি উষ্ণ শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। এই জয় বাংলাদেশের মানুষের আস্থার প্রতিফলন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। দুই দেশের বহুমুখী সম্পর্ক আরও জোরদার করতে একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।এর জবাবে বিএনপির পক্ষ থেকেও মোদিকে ধন্যবাদ জানানো হয়। দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলে তাঁরা বিশ্বাস করেন। দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সম্পর্কও নতুন করে শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।এর আগে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে উপদেষ্টা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন মহম্মদ ইউনুস। তাঁর প্রায় দেড় বছরের শাসনকালে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়ে বলে অভিযোগ ওঠে। ভারত-বিরোধী মনোভাব, সংখ্যালঘু নির্যাতন এবং মৌলবাদী শক্তির উত্থান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। একই সঙ্গে পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর ঘটনাও নজরে আসে। এই পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের সঙ্গে একাধিকবার কূটনৈতিক টানাপোড়েন দেখা দেয়।এই নির্বাচনে মৌলবাদী দল জামাতকে পিছনে ফেলে ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে পাকিস্তানের প্রভাব খাটানোর সম্ভাবনায় বড় ধাক্কা লেগেছে। নির্বাচনের আগে জামাতের সঙ্গে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর যোগাযোগ নিয়ে নানা জল্পনা চলছিল। তবে ভোটে জামাতের পরাজয়ে সেই সমীকরণ বদলে গেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।সব মিলিয়ে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতার পর বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পথে। এখন নজর ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের দিকে। মোদি ও তারেকের এই সৌজন্য বার্তা কি দুই দেশের সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে? দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে তার প্রভাব কতটা পড়বে, সেটাই এখন দেখার।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশি ভোটার ইস্যুতে কড়া নির্বাচন কমিশন! একাধিক জেলাশাসক তিরস্কৃত

ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসককে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়, কোন কর্তৃত্বে এআরও-রা ইআরএমও-দের ডেকেছিলেন। একাধিক জেলার জেলাশাসকের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে কমিশন।কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও মালদার জেলাশাসকদের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। কোচবিহারের জেলাশাসককে নথি আপলোডে দেরির জন্য তিরস্কার করা হয়েছে। দুই ২৪ পরগনার জেলাশাসকের কাজ নিয়েও অসন্তোষ জানানো হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসককে রাজনৈতিক মন্তব্য না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এসআইআর শেষ হওয়ার আগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বৈঠক করেন। ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকও। বৈঠকে স্পষ্ট বলা হয়, কোনও বিদেশি নাগরিকের নাম যেন ভোটার তালিকায় না থাকে। ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে তথ্য যাচাই করতে হবে। সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে, যদি ভবিষ্যতে কোনও নাম থেকে যায়, তা হলে এক বা পাঁচ বছর পরেও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। মামলা পর্যন্ত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ভারতের সংবিধান যাঁদের বৈধ ভোটার বলে চিহ্নিত করে, তাঁদের বাইরে কাউকে বৈধ ভোটার হিসেবে মানা যায় না। তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের বৈধ ভোটার হিসেবে দেখছেন। নির্বাচন কমিশন সংবিধান অনুযায়ী কাজ করছে বলেও দাবি করেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিবকে তলব করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।অন্যদিকে তৃণমূলের সোশাল মিডিয়া সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, তাঁরাও চান না কোনও বিদেশি ভোটার থাকুক। তবে বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না যায়, সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষ, পরিযায়ী শ্রমিক বা গরিব মানুষদের বারবার নোটিস দিয়ে ডাকা হচ্ছে। তাঁদের পক্ষে বারবার যাতায়াত করা সম্ভব নয়। ফলে তাঁদের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।সব মিলিয়ে ভোটার তালিকা সংশোধনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক কড়াকড়ি এবং রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে। বিদেশি ভোটার বিতর্কে আগামী দিনে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

মোদী বিরোধী আগুনঝরা ভাষণ, তবু ভোটে হার! সারজিস আলমকে ফিরিয়ে দিল পঞ্চগড়

বাংলাদেশের নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেলেন ছাত্রনেতা সারজিস আলম। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম মুখ এবং জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত তিনি। অতীতে ভারতের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় মন্তব্য করেছিলেন এবং সরাসরি নরেন্দ্র মোদি-র নাম করে সমালোচনা করেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র দেশত্যাগ নিয়েও কটাক্ষ করেছিলেন তিনি।পঞ্চগড়-১ আসনে জামাত জোটের প্রার্থী হিসেবে লড়ে শেষ পর্যন্ত পরাজিত হন সারজিস। তাঁর মন্তব্য ঘিরে আগে থেকেই বিতর্ক ছিল। এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি হাসিনার দেশছাড়ার প্রসঙ্গ টেনে ঐতিহাসিক তুলনাও করেছিলেন। সেইসব বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন তুলেছিল।কিন্তু ভোটের ফল অন্য কথা বলল। শেষ পর্যন্ত তিনি বিএনপি প্রার্থীর কাছে হেরে যান। অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ক্রমশ স্পষ্ট হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জোটের বড় জয়। সংবাদমাধ্যমের হিসাব অনুযায়ী ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২০৭টিতে এগিয়ে বা জয়ী হয়েছে বিএনপি জোট।ঢাকা-৩ আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী গয়েশ্বরচন্দ্র রায়। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার ভোট বেশি পেয়েছেন।বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া-র পুত্র তারেক রহমান ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬ দুই আসনেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে দুদশক পর সরকার গঠনের পথে বিএনপি। তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনাও জোরালো হয়েছে।মূল প্রতিপক্ষ জামাত জোট ১০০-র নীচে থেমে গেছে বলে জানা গিয়েছে। ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি বা এনসিপিও বড় প্রভাব ফেলতে পারেনি।সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, এই বিপুল জয়ের পর কি বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরবে? অরাজকতার অভিযোগে উত্তাল সময়ের পর পদ্মাপারের দেশে নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাসপাতাল থেকে ছাড়া, তবু মাঠে অনিশ্চিত অভিষেক! পাকিস্তান ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা ভারতের শিবিরে?

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও এখনও পুরো সুস্থ নন ভারতীয় ওপেনার অভিষেক শর্মা। কবে তিনি সম্পূর্ণ ফিট হয়ে মাঠে নামবেন, তা স্পষ্ট নয়। টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও তাঁর খেলা নিয়ে তৈরি হয়েছে সন্দেহ। ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ইঙ্গিত দিয়েছেন, অভিষেকের ফিরতে আরও এক-দুটি ম্যাচ সময় লাগতে পারে।বৃহস্পতিবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে জয়ের পর ড্রেসিংরুমে একটি ভিডিও করেন অর্শদীপ সিং। সেই ভিডিওতেই দেখা যায় অভিষেককে। তাঁকে বেশ ক্লান্ত দেখাচ্ছিল। অর্শদীপ জানতে চাইলে অভিষেক বলেন, তিনি ডাল-ভাত খাচ্ছেন, তবে পুরোপুরি ভালো নেই। অর্শদীপ মজা করে বলেন, তাঁকে অনেকটা রোগা লাগছে। যদিও সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি অভিষেক। শোনা গিয়েছিল, পেটের সমস্যার কারণে তাঁর ওজন অনেকটাই কমে গিয়েছে। ভিডিও দেখেও অনেকে একই মন্তব্য করেছেন।অসুস্থতা নিয়েই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলেন অভিষেক। কিন্তু প্রথম বলেই আউট হয়ে মাঠ ছাড়েন। তার পর আর তাঁকে মাঠে দেখা যায়নি। দিল্লি ফেরা, কোচ গৌতম গম্ভীর-এর বাড়িতে যাওয়া, পরে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াসবই হয়েছে চুপিসারে। গতকাল হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও নামিবিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি।পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচে তিনি খেলবেন কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। টসের সময় সূর্যকুমার বলেন, অভিষেক এখনও পুরো সুস্থ নন। ফলে পাকিস্তান ম্যাচে তাঁর নামার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও ম্যাচের পরে বরুণ চক্রবর্তী জানান, অভিষেক অনেকটাই ভালো আছেন।তবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলে এই অনিশ্চয়তা চিন্তা বাড়াচ্ছে সমর্থকদের। অভিষেক কবে মাঠে ফিরবেন, এখন সেদিকেই নজর ক্রিকেটপ্রেমীদের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

লালকেল্লার পর ফের কাঁপছে দিল্লি! স্কুলে বোমা হুমকি ঘিরে তীব্র আতঙ্ক

নভেম্বরে বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল রাজধানী। দিল্লি-র লালকেল্লা-র সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের স্মৃতি এখনও টাটকা। তার মধ্যেই আবার ছড়াল বোমাতঙ্ক। শুক্রবার সকালে রাজধানীর একাধিক স্কুলে বোমা রাখা হয়েছে বলে হুমকি আসে। আতঙ্ক ছড়ায় পড়ুয়া ও অভিভাবকদের মধ্যে।দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে অন্তত তিনটি স্কুলে বোমা রয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়। প্রথমে বিটি তামিল স্কুলে বোমা থাকার খবর ছড়ায়। সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক করা হয় পড়ুয়াদের পরিবারকে। পরে আরও দুটি স্কুলে একই ধরনের হুমকি আসে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল ও পুলিশ। দ্রুত স্কুলগুলি খালি করে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট।এর আগেও সোমবার ১৩টি স্কুলে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ইমেল পাঠানো হয়েছিল। সেই ইমেলে লেখা ছিল, আফজল গুরুর স্মৃতিতে দিল্লিকে খলিস্তান বানানো হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ে বিস্ফোরণ ঘটানো হবে। যদিও পরে সেই হুমকি ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়। তবু আতঙ্ক কাটেনি।গত ২৯ জানুয়ারি পাঁচটি স্কুল একই ধরনের হুমকি পেয়েছিল। তার আগের দিন দ্বারকা আদালত চত্বর উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি আসে। এমনকি সংসদ ভবন নিয়েও হুমকির ইমেল পাঠানো হয়েছিল। এক সপ্তাহে দুবার স্কুলে বোমা রাখার হুমকি ঘিরে উদ্বেগ বেড়েছে প্রশাসনের।১০ নভেম্বর লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণের ঘটনার পর থেকেই রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তবু একের পর এক হুমকি ইমেল প্রশাসনকে চিন্তায় ফেলেছে। এখনও পর্যন্ত হুমকির উৎস জানা যায়নি। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।বারবার বোমা হুমকির ঘটনায় আতঙ্কে দিল্লিবাসী। নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে। পড়ুয়া ও অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। রাজধানীতে ফের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

পুণেতে খুন পুরুলিয়ার শ্রমিক! ভাষা বিতর্ক না কি মদের ঝামেলা—রহস্যে ঘনাচ্ছে মৃত্যু

ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল পুরুলিয়ায়। বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্র-এর পুণে থেকে উদ্ধার হয়েছে পুরুলিয়ার বরাবাজারের বাসিন্দা সুখেন মাহাতোর দেহ। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই আমিন সওকত শেখ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস-এর অভিযোগ, বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণেই খুন হতে হয়েছে সুখেনকে। যদিও তদন্তে নেমে পুণে পুলিশের দাবি, ভাষা নয়, মত্ত অবস্থায় বচসা থেকেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের তরফে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।মঙ্গলবার পুণে শহরের কাছে শিকরাপুর থানার এলাকায় একটি হোটেলের পিছন থেকে সুখেনের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, সহকর্মীদের হাতে খুন হয়েছেন সুখেন এবং এর নেপথ্যে রয়েছে ভাষাগত বিদ্বেষ।অন্যদিকে, সুখেনের ভাই তুলসীরাম মাহাতো পুণেতে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন। তাঁর সম্মতিক্রমেই এফআইআর দায়ের হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শিকরাপুর থানায় মারাঠি ভাষায় এফআইআর লেখা হলেও তা হিন্দিতে অনুবাদ করে তাঁকে শোনানো হয়। তুলসীরাম জানিয়েছেন, তাঁর সম্মতি নিয়েই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।তুলসীরামের বয়ান অনুযায়ী, ৯ তারিখ দুপুরে সুখেন বাড়ি থেকে কাজের উদ্দেশে বের হন। সন্ধ্যায় তিনিও কাজে যান, কিন্তু সেখানে সুখেনকে দেখতে পাননি। ফোন করলেও যোগাযোগ হয়নি। রাতেও একাধিকবার ফোন করা হয়, কিন্তু কোনও সাড়া মেলেনি। পরদিন সকালে শিফট শেষ করে বাড়ি ফিরে সুখেনকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। পরে সুপারভাইজার সন্দীপ জানান, একটি হোটেলের পিছনে সুখেনের দেহ পড়ে রয়েছে। সেখানে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন তুলসীরাম।শুক্রবার দুপুরে সুখেনের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পুরুলিয়ার বরাবাজারে যাচ্ছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এই ঘটনায় ভাষা-বিদ্বেষ না কি ব্যক্তিগত বচসা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তদন্তে নেমেছে পুণে পুলিশ। পুরো ঘটনার নেপথ্যে কী রয়েছে, তা জানতে অপেক্ষা তদন্তের অগ্রগতির দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

তারেকের জয়ে উচ্ছ্বসিত মোদি? কূটনীতিতে নতুন অধ্যায় শুরু

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড়সড় জয়ের পথে বিএনপি। ফলাফল স্পষ্ট হতেই দলের সভাপতি তারেক রহমান-কে শুভেচ্ছা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার সকালে এক্স হ্যান্ডলে বার্তা দিয়ে মোদি লিখেছেন, এই জয় প্রমাণ করে বাংলাদেশবাসী তারেকের নেতৃত্বে আস্থা রেখেছেন।মোদি তাঁর বার্তায় আরও জানিয়েছেন, গণতান্ত্রিক ও উন্নয়নশীল বাংলাদেশের পাশে ভারত রয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যে বহুমুখী সম্পর্ক রয়েছে, তা আগামী দিনে আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। পারস্পরিক স্বার্থে দুই দেশের সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।শুক্রবার সকালেই বাংলাদেশের নির্বাচনের ফল পরিষ্কার হয়ে যায়। ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে ভোট হয়েছে। তার মধ্যে ২০০-র বেশি আসনে এগিয়ে থেকে সরকার গঠনের পথ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। দুটি আসনে লড়ে দুটিতেই জয় পেয়েছেন তারেক রহমান।এই নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ফল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি। প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে এসেছে তারা।এমন পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে মোদির শুভেচ্ছাবার্তা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। মোদি তাঁর বার্তায় লিখেছেন, বিএনপি দেশের নির্ণায়ক শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে এবং তারেকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে বলেই তিনি আশাবাদী।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে সংরক্ষণ বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেরে ক্ষমতাচ্যুত হন শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি দিল্লিতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে রয়েছেন বলে জানা যায়। আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন আদালত তাঁকে গণহত্যা মামলায় সাজা শুনিয়েছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার বারবার তাঁর প্রত্যর্পণ দাবি করলেও এ বিষয়ে ভারত সরকার প্রকাশ্যে কিছু জানায়নি।এই পটভূমিতে বিএনপির জয়ের আভাস মিলতেই মোদির দ্রুত শুভেচ্ছাবার্তা কূটনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এখন নজর, তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কোন পথে এগোয়।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal