• ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার ১৭ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ministry

দেশ

Mumbai Covid: মহারাষ্ট্রের ১০ মন্ত্রী, ২০ বিধায়ক কোভিড আক্রান্ত!

ওমিক্রন নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই দেশে লাফিয়ে বাড়ছে দৈনিক কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা। মহারাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা আট হাজার ছাড়িয়েছে। এই আক্রান্তের মধ্যে রয়েছেন মহারাষ্ট্রের ১০ মন্ত্রী এবং ২০ জন বিধায়ক। বছরের প্রথম দিনে এই খবর জানিয়েছেন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার। এই মন্ত্রী-বিধায়করা আক্রান্ত হওয়ায় সে রাজ্যের বিধানসভা অধিবেশনের সময়ও কমানো হবে বলে জানিয়েছেন অজিত।নতুন বছরের প্রথম দিনেই অজিত বলেছেন, এখনও অবধি ১০ জন মন্ত্রী এবং ২০ জন বিধায়ক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এ জন্য বিধানসভা অধিবেশনের সময় কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর পরই জনসাধারণের উদ্দেশে সতর্কবার্তা দিয়েছেন তিনি। বলেছেন, নতুন বছরের উৎসবে সকলেই সামিল হতে চাই। কিন্তু মনে রাখা দরকার ওমিক্রন খুব দ্রুত ছড়াচ্ছে। কিছু রাজ্যে ফের রাত্রিকালীন কার্ফু জারি হচ্ছে। মহারাষ্ট্রেও মুম্বই এবং পুণেতে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।বর্ষবরণে মেতে পরিস্থিতির অবনতি না হয়, সে জন্য ইতিমধ্যেই মুম্বই জুড়ে জারি হয়েছে ১৪৪ ধারা। আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকলে কোভিড সংক্রান্ত আরও বিধিনিষেধ জারি করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত শনিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের প্রকাশিত রিপোর্ট অনুসারে, আট হাজার ৬৭ জন নতুন করে সংক্রমিত হয়েছে মহারাষ্ট্রে। এর মধ্যে মুম্বইয়েই আক্রান্ত হয়েছেন পাঁচ হাজার ৬৩১ জন যা শুক্রবারের তুলনায় প্রায় দুহাজার বেশি। ওমিক্রনও দ্রুত হারে ছড়াচ্ছে মহারাষ্ট্রে। এখনও অবধি ৪৫৪ জন ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন মহারাষ্ট্রে। যা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
দেশ

Omicron: ২৪ ঘণ্টায় দেশে সংক্রমণ বৃদ্ধি প্রায় ৩৫%, চোখ রাঙাচ্ছে ওমিক্রনও

ডিসেম্বরেই দেশে প্রবেশ করেছে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট। কিন্তু, তার দাপট যে কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে, তা বুঝে উঠতে বেশ খানিকটা সময় লেগে গিয়েছে। তবে বছর শেষে করোনার যে রেখচিত্র সামনে এসেছে, তা থেকে স্পষ্ট ওমিক্রন তার আসল চেহারা ক্রমশ প্রকাশ্যে আনতে শুরু করেছে। দেশে একধাক্কায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পার করল ৪০০। মাত্র চার দিনে দেশে ওমিক্রন সংখ্যা বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে।দেশের দৈনিক কোভিড সংক্রমণ গত চার দিন ধরেই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্ত হয়েছেন ২২ হাজার ৭৭৫ জন। শুক্রবার তা ছিল ১৬ হাজার ৭৬৪। অর্থাৎ শুক্রবারের তুলনায় শনিবার ৩৫ শতাংশ বেড়েছে দেশের দৈনিক সংক্রমণ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে, দেশে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৩ কোটি ৪৮ লক্ষ ৬১ হাজার ৫৭৯ জন।দেশে কোভিড আক্রান্তের পাশাপাশি করোনা ভাইরাসের ওমিক্রন রূপেও আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। দেশে ১ হাজার ৪৩১ জন ইতিমধ্যেই ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন। ২৩টি রাজ্যে ইতিমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে করোনা ভাইরাসের সাম্প্রতিক রূপ। ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা সবথেকে বেশি মহারাষ্ট্রে (৪৫৪) রাজধানী দিল্লিতে ৩৫১ জন ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন। এর পর ক্রমান্বয়ে রয়েছে তামিলনাড়ু (১১৮), গুজরাত (১১৫), কেরল (১০৯), রাজস্থান (৬৯), তেলঙ্গানা (৬২), হরিয়ানা (৩৭), কর্নাটক (৩৪), অন্ধ্রপ্রদেশ (১৭), পশ্চিমবঙ্গ (১৭) এবং ওডিশা (১৪)। বাকি রাজ্যগুলিকে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ১০-এর কম।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
কলকাতা

Christmas-Omicron: বড়দিনের আনন্দে আত্মহারা শহরবাসী, আতঙ্ক বাড়াচ্ছে ওমিক্রন

রাজ্যে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হলেন ৫৫২ জন। একদিকে কোভিডের ওমিক্রন স্ট্রেন যখন রাজ্যের চিন্তা বাড়াচ্ছে, তখন করোনা পরিস্থিতিও স্বস্তি দিচ্ছে না কোনওভাবেই। শনিবার বড়দিনের উৎসবে মেতেছে গোটা বাংলা। কলকাতা থেকে বিভিন্ন জেলা, পথে নেমেছে হাজার হাজার মানুষ। স্বভাবতই এ ছবি নতুন করে ভয় ধরাচ্ছে।শনিবার রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর প্রকাশিত বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার বলি হয়েছেন চারজন। যার মধ্যে তিনজনই কলকাতার। কলকাতার সংক্রমণের ছবিটাও চিন্তার। গত একদিনে কলকাতায় ১৯৭ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এই মুহূর্তে কলকাতায় সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ২ হাজার ৪৩৮ জন। সুস্থ হয়েছেন ১৭৫ জন।গোটা রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ৭ হাজার ৪৫৮ জন। সুস্থতার হার ৯৮.৩৩ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৩২ হাজার ৩৭৩টি। পজিটিভিটি রেট ১.৭১ শতাংশ। অন্যদিকে পশ্চিম বর্ধমানেও একজন করোনার বলি হয়েছেন গত ২৪ ঘণ্টায়।এখনও অবধি রাজ্যে ৬ জনের শরীরে ওমিক্রনের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। শুক্রবার এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে স্বাস্থ্য সচিব নির্দেশ দেন, নমুনা পরীক্ষা যেন বাড়ানো হয়। একই সঙ্গে পরিস্থিতির নজরদারিতে কেন্দ্র তাদের বিশেষ দলও পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলায়। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই সেই দল রাজ্যে চলে আসবে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে শুক্রবার। সেখানে বলা হয়েছে ১০ রাজ্যে কেন্দ্রের মাল্টি ডিসিপ্লিনারি টিম যাবে। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও সেই তালিকায় রয়েছে কেরল, মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, মিজোরাম, কর্নাটক, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড ও পঞ্জাবের নাম।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
দেশ

Omicron: ওমিক্রন সংক্রমণ ছড়ালে দৈনিক ১৪ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হতে পারে, সতর্কবার্তা কেন্দ্রের

কর্নাটকের এক বিদেশ ফেরত যাত্রীর দেহে প্রথম ধরা পড়েছিল ওমিক্রন সংক্রমণ। কয়েক সপ্তাহ পার হতেই একাধিক রাজ্যে ছড়িয়ে পড়েছে সেই সংক্রমণ। ইতিমধ্যেই দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ১০০ পার করেছে। এই পরিস্থিতিতেই আরও উদ্বেগের কথা শোনাল কেন্দ্রের কোভিড টাস্ক ফোর্স। শুক্রবারই টাস্ক ফোর্সের তরফে জানানো হয়, বর্তমানে ব্রিটেন ও ফ্রান্সে যে বিপুল সংক্রমণ দেখা যাচ্ছে, তার ছোঁয়া ভারতে এসে পৌছলে, ফের দৈনিক লক্ষাধিক মানুষ করোনা আক্রান্ত হবেন।সংক্রমণ এড়াতে মাস্কের ব্যবহার এবং শারীরিক দূরত্ববিধি বজায় রাখা-সহ অন্যান্য কোভিড আচরণবিধি মেনে চলার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন কোভিড টাস্ক ফোর্সের সদস্যরা। সাধারণ নাগরিকদের বিনা প্রয়োজনে বাইরে বেরানো যতটা সম্ভব এড়ানো যায়, সেই পরামর্শও দিয়েছে কেন্দ্র। নববর্ষেও ভিড় এবং জমায়েত থেকে দূরে থাকার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।দেশের ১১টি রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট, আগামিদিনে কী হতে পারে, সে প্রসঙ্গে কোভিড টাস্ক ফোর্সের সদস্য ডঃ ভিকে পাল বলেন, আমরা যদি ব্রিটেনের সংক্রমণের হার দেখি, তবে দেখা যাবে, বিপুল সংখ্যক মানুষ করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। ভারতেও যদি একইধরনের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে, তবে আমাদের দেশের জনসংখ্যার কথা মাথায় রেখে দৈনিক ১৪ লক্ষ মানুষ করোনা আক্রান্ত হতে পারেন। ফ্রান্সেই দৈনিক ৬৫ হাজার মানুষ করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন, একই ধরনের সংক্রমণ ভারতে ছড়িয়ে পড়লে, আমাদের জনসংখ্যার হিসাবে দৈনিক ১৩ লক্ষ মানুষ করোনা আক্রান্ত হবেন।বর্তমানে ব্রিটেনে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ৮৮ হাজারে পৌঁছেছে, এর মধ্যে ২.৪ শতাংশই আবার ওমিক্রন সংক্রমণ। ইউরোপে ডেল্টার ঢেউ বয়ে যাওয়া এবং ৮০ শতাংশ মানুষই আংশিক টিকাপ্রাপ্ত হওয়া সত্ত্বেও যে হারে সংক্রমিত হচ্ছেন, তাতে ওই মহাদেশ কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে বলেই জানান ডঃ ভিকে পাল।যে হারে ওমিক্রন সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে, তা ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণকেও হার মানিয়ে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব লভ আগরওয়াল বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে যে দক্ষিণ আফ্রিকায় ডেল্টার থেকেও দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ছে ওমিক্রন সংক্রমণ। গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হলে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণকেও হার মানিয়ে দেবে ওমিক্রন, এমনটাই মনে করা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Bannerjee: মুখ্যমন্ত্রীর নেপাল সফরেও ‘না’ বিদেশ মন্ত্রকের!

এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেপাল সফরে না কেন্দ্রের। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর নেপাল সফরে ছাড়পত্র দেয়নি বিদেশ মন্ত্রক। ১০ ডিসেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত নেপালে সফরে থাকার কথা ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সূত্রের খবর, কোভিড পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই এই সফরে রাজি নয় বিদেশ মন্ত্রক।নেপালের শাসকদল নেপালি কংগ্রেসের তরফে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সম্প্রতি সে দেশে যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়। সেই আমন্ত্রণ মুখ্যমন্ত্রী গ্রহণও করেন। এরপরই নেপাল যাত্রার জন্য অনুমতি চেয়ে চিঠি পাঠানো হয় কেন্দ্রের কাছে। এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ পত্র পাঠান নেপালি কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট তথা বর্তমানে নেপালের প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দুর্বা। নেপালি কংগ্রেসের ন্যাশনাল কনভেনশন রয়েছে ১১ ডিসেম্বর। নেপালে যেতে যেহেতু পাসপোর্ট লাগে না, ভিসাই যথেষ্ট। সে ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী শুক্রবার সন্ধ্যায় রওনা হতেন। না হলে শনিবার সকালে।সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই নবান্নের কাছে সে সংক্রান্ত জবাব এসেছে। জানানো হয়েছে, এই মুহূর্তে নেপালে যেতে পারবেন না মমতা। কারণ হিসাবে দেখানো হয়েছে করোনার সংক্রমণ। শুক্রবার সকালেই এই সফরে না করা হয়েছে। কারণ হিসাবে তুলে ধরা হয়েছে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের বাড়বাড়ন্ত।এর আগে রোম সফরেও অনুমতি দেওয়া হয়নি মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে এই সফর সঙ্গতিপূর্ণ নয়, এমনটাই বক্তব্য ছিল বিদেশ মন্ত্রকের। জানা গিয়েছিল, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের তরফে একটি সংক্ষিপ্ত চিঠি সে সময় নবান্নে পাঠানো হয়। সেখানে বলা হয়, মুখ্যমন্ত্রীর এই রোম সফরের দরকার নেই। এর বেশি কোনও ব্যাখ্যা সেখানে দেওয়া হয়নি। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর, এ ক্ষেত্রে ব্যাখ্যারও বিশেষ জায়গা থাকে না। মন্ত্রকের হ্যাঁ বা না যথেষ্ট।

ডিসেম্বর ১০, ২০২১
দেশ

Omicron-Guidelines: আতঙ্কের নাম ওমিক্রন, নির্দেশিকা-সহ রাজ্যগুলিকে চিঠি কেন্দ্রের

ওমিক্রন নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে ফের চিঠি দিয়ে সতর্ক করল কেন্দ্র। এ বার আরও বেশি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ চিঠি দিয়ে প্রতিটি রাজ্যকে পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। পাঁচদিন আগেই চিঠি দিয়ে ওমিক্রন সংক্রমণ নিয়ে রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে অতিসতর্ক থাকতে বলেছিল কেন্দ্র। এ বার আবারও চিঠি দিয়ে রাজ্যগুলিকে বেশ কিছু পরামর্শ দিল স্বাস্থ্য মন্ত্রক।চিঠিতে স্বাস্থ্য সচিব লিখেছেন, করোনা পরীক্ষার সংখ্যা বাড়িয়ে হটস্পট এলাকা চিহ্নিত করতে হবে। কনট্যাক্ট ট্রেসিং, প্রয়োজনে করোনা আক্রান্তদের নিভৃতবাসের যথাযথ ব্যবস্থা করতে হবে। দরকারে কন্টেনমেন্ট জোন তৈরি করতে হবে।চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, করোনার প্রথম টিকার পর যাতে নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে দ্বিতীয় টিকা দেওয়া হয় সে দিকে নজর দিতে হবে। জেলাভিত্তিক করোনা পরীক্ষার সংখ্যা বাড়াতে হবে। যে কোন পরিস্থিতির মোকাবিলায় পর্যাপ্ত বেড, অক্সিজেন ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য পরিষেবা মজুত রাখতে হবে। এ ছাড়া বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের জন্যও বেশ কিছু নিয়মমানার পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্র। সে ক্ষেত্রে বিদেশযাত্রার ৭২ ঘণ্টা আগে আরটি-পিসিআর-এর নেগেটিভ রিপোর্ট জমা দিতে হবে। এয়ার সুবিধা পোর্টাল থেকে ফর্ম ডাউনলোড করে গত ১৪ দিন কোথায় ছিলেন তা জানাতে হবে। যাত্রীর দেওয়া তথ্য সঠিক কি না তার প্রমাণও দিতে হবে। এই তথ্য না দিলে বিমানযাত্রার অনুমতি মিলবে না। যাত্রীদের প্রত্যেকের মোবাইলে আরোগ্য সেতু অ্যাপ থাকতে হবে। ঝুঁকিপূর্ণ দেশ থেকে আসা যাত্রীদের ৭দিনের নিভৃতবাসে পাঠাতে হবে।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২১
দেশ

Omicron: উদ্বেগ বাড়িয়ে ভারতে ঢুকে পড়ল ওমিক্রন, কর্নাটকে আক্রান্ত ২ জন

ভারতে ঢুকে পড়ল কোভিডের নতুন রূপ ওমিক্রন। কর্নাটকে দুজনের দেহে করোনার নয়া রূপের হদিশ মিলেছে বলে বৃহস্পতিবার জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। আক্রান্তদের মধ্যে এক জন পুরুষ এবং এক জন মহিলা। তাঁদের বয়স যথাক্রমে ৬৬ এবং ৪৬ বলে জানিয়েছে মন্ত্রক। আক্রান্তদের কনট্যাক্ট ট্রেসিং-ও করা হয়েছে বলে মন্ত্রক সূত্রে খবর।বৃহস্পতিবার এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ২৯টি দেশে ওমিক্রনে আক্রান্ত রোগীর হদিশ মিলেছে। গোটা বিশ্বে এখনও পর্যন্ত ৩৭৩ জন কোভিডের এই নতুন রূপে আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। মন্ত্রকের যুগ্মসচিব লব আগরওয়াল টুইট করে জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত ওমিক্রনের যে সব রোগীর হদিশ মিলেছে, সকলেরই মৃদু উপসর্গ ধরা পড়েছে। এর সংক্রমণে মারাত্মক কোনও উপসর্গের কথা এখনও পর্যন্ত শোনা যায়নি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও কোভিডের এই নতুন রূপের প্রকৃতি নিয়ে গবেষণা করছে।কোভিড-এর এই নতুন রূপকে নিয়ে ইতিমধ্যেই বিশ্বজুড়েই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ভারত-সহ একাধিক দেশ আন্তর্জাতিক বিমানে আগত যাত্রীদের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ জারি করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন-সহ অনেক দেশ সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া শুরু করেছে।সম্প্রতি করোনাভাইরাসের নতুন বি.১.১.৫২৯ রূপকে উদ্বেগজনক বা ভেরিয়েন্ট অব কনসার্ন হিসেবে চিহ্নিত করে সেটিকে ওমিক্রন নাম দেয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। নতুন এই রূপ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে দেশ-বিদেশের বিশেষজ্ঞদের।যদিও বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, ওমিক্রন নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো যথেষ্ট তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। গবেষণা চলছে। ফলে অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। তবে সচেতনতা জরুরি।

ডিসেম্বর ০২, ২০২১
রাজনীতি

Ministry Reshuffle: মমতার মন্ত্রিসভায় বড়সড় রদবদল, কে পেলেন কোন কোন দপ্তর?

রাজ্যের মন্ত্রিসভায় রদবদলের জল্পনা ছিলই। বিশেষত, সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণের পর পঞ্চায়েত দপ্তর কার হাতে দেওয়া হবে, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়। আজ মন্ত্রিসভার বৈঠকে সেই রদবদলের কথা জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সুব্রতর দপ্তরে দায়িত্ব দেওয়া হল পুলক রায়কে। বর্তমানে তিনি জনস্বাস্থ্য কারিগরী দপ্তরের মন্ত্রী। অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে তাঁর হাতে পঞ্চায়েতের ভার দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। অন্যদিকে, অর্থমন্ত্রী হিসেবে অমিত মিত্রের মেয়াদ শেষ হয়ে আসায় সেই দপ্তরের দায়িত্ব নিজে নিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।কার হাতে কোন দপ্তর দেখে নিন একনজরে১. পঞ্চায়েত মন্ত্রী হচ্ছেন পুলক রায়। জনস্বাস্থ্য কারিগরী দপ্তরের পাশাপাশি পঞ্চায়েতের দায়িত্ব সামলাবেন তিনি।২. পঞ্চায়েত দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন বেচারাম মান্না। বর্তমানে তিনি শ্রম দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী। তাঁর হাতেও অতিরিক্ত দায়িত্ব।৩. অর্থ দপ্তরের দায়িত্ব সামলাবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। অর্থ দপ্তরের উপদেষ্টা হচ্ছেন বর্তমান অর্থ মন্ত্রী অমিত মিত্র।৪. অর্থ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।৬. ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের দায়িত্ব সামলাবেন মানস ভুঁইয়া, বর্তমানে তিনি জল সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী। তাঁর হাতেও যাচ্ছে অতিরিক্ত দায়িত্ব।৭. রাষ্ট্রায়ত্ত্ব উদ্যোগ ও শিল্প পুনর্গঠন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী হলেন বীরবাহা হাঁসদা। বন প্রতিমন্ত্রী ছিলেন বীরবাহা। সঙ্গে নতুন যুক্ত হল শিল্প পুনর্গঠন।৮. স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও স্ব-নিযুক্তি দপ্তরের মন্ত্রী হচ্ছেন শশী পাঁজা। বর্তমানে নারী ও শিশু উন্নয়ন এবং সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী তিনি। সামলাবেন অতিরিক্ত দায়িত্ব।সাধন পাণ্ডে অসুস্থ থাকায় পঞ্চায়েত দপ্তরের পাশাপাশি সাধন পাণ্ডের হাতে থাকা ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের দায়িত্বও সামলাচ্ছিলেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়। এ বার ক্রেতা সুরক্ষার দায়িত্ব দেওয়া হল মানস ভুঁইয়াকে। এ দিকে, সাধন পাণ্ডের হাতে ছিল আরও একটি দপ্তর, স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও স্ব-নিযুক্তি। সেই দপ্তরের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হল শশী পাঁজাকে।

নভেম্বর ০৯, ২০২১
রাজ্য

Corona: পুজোর মুখে বাংলায় ফের বাড়বাড়ন্ত করোনার

পুজোর মুখে ফের আতঙ্ক বাড়াচ্ছে রাজ্যে কোভিডের সংক্রমণ। পর পর চারদিন সাতশোর উপরে একদিনের সংক্রমণ রয়েছে। একই সঙ্গে মৃত্যুও দুই সংখ্যার নিচে নামেনি। শুক্রবার রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর যে বুলেটিন প্রকাশ করেছে, তাতে একদিনে সংক্রমিতের সংখ্যা ৭০৮ জন। মৃত ১৩। এদিকে, পুজোয় সংক্রমণের রাশ নিয়ন্ত্রণে রাখতে জমায়েত এড়াতেই শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, এ বছরও গতবারের মতো পুজো মণ্ডপে নো এন্ট্রি। এবারও পুজো মণ্ডপে প্রবেশ করা যাবে না। করোনার সংক্রমণে পুজো মণ্ডপগুলিতে যাতে কোনও ভাবেই স্বাস্থ্যবিধি অমান্য না করা হয়, সেই দাবিতেই আদালতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল।গত ২৪ ঘণ্টায় একদিনে সংক্রমণের শীর্ষে রয়েছে কলকাতা। এখানে সংক্রমিত হয়েছে ১৪৬ জন। মৃত্যু হয়েছে চারজনের। এরপরই উত্তর ২৪ পরগনার নাম। এখানে একদিনে সংক্রমিত ১১৬ জন। মৃতের সংখ্যা এখানেও চার। একদিনের সংক্রমণে তৃতীয় স্থানে হুগলি। এখানে গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিত হয়েছেন ৬৯ জন। এরপরই রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়ার নাম। পুজোর মুখে করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ে একটা আতঙ্ক রয়েই গিয়েছে। টিকাকরণ হলে বড় বিপদের ঝুঁকি কম ঠিকই। কিন্তু সংক্রমণ হবে না, এমন কথা কোনও বিশেষজ্ঞই দেননি। ফলে শিশু কিংবা যাঁদের বয়সটা অনেক বেশি বা কোমর্বিডিটি রয়েছে, তাঁদের কাছে নতুন করে উদ্বেগ বাড়ার কথা।গত চারদিনে সাতশোর নিচে নামেনি সংক্রমণ। নিঃসন্দেহে যা উদ্বেগের বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। গত ২৮ সেপ্টেম্বর একদিনে এ রাজ্যে সংক্রমিত হয়েছিলেন ৭০৮ জন। মৃত্যু হয়েছিল ১৩ জনের। পরদিন অর্থাৎ ২৯ সেপ্টেম্বর সেই সংখ্যাটা দাঁড়ায় ৭৪৮-এ। মৃত্যু হয় ১৪ জনের। ৩০ সেপ্টেম্বর একদিনে করোনা আক্রান্ত হন ৭৪৯ জন। মৃত্যু হয় ১৫ জনের।

অক্টোবর ০২, ২০২১
রাজনীতি

Mamata-Rome: 'প্রতিহিংসাবশত আমায় রোম যেতে দেওয়া হল না', বিদেশ মন্ত্রকের অনুমতি না মেলায় ক্ষুব্ধ মমতা

প্রধানমন্ত্রী বিদেশ গেলেন, অথচ আমাকে কেন যেতে যেওয়া হল না? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রোম সফর বিদেশ মন্ত্রক বাতিল করে দেওয়ার পর এই প্রশ্নই করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁ বক্তব্য, প্রতিহিংসাবশতই আমাকে আটকানো হল। উল্লেখ্য, কী কারণে এই অনুমতি দেওয়া হয়নি তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী এই সফরে যেতে পারবেন না। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে এই সফর সঙ্গতিপূর্ণ নয়, এমনটাই বক্তব্য বিদেশ মন্ত্রকের। প্রসঙ্গত, আগামী ৬ ও ৭ অক্টোবর রোমে বিশ্ব শান্তির উপর এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বেসরকারি এক সংগঠনের উদ্যোগে এই আয়োজন। সেখানেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও আমন্ত্রণ জানানো হয়।আরও পড়ুনঃ ভারত-আমেরিকার বন্ধুত্ব তোলা থাকল ইতিহাসের পাতায়, স্বাক্ষর করলেন মোদিসূত্রের খবর, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের তরফে একটি সংক্ষিপ্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে নবান্নে। সেখানে বলা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর এই রোম সফরের দরকার নেই। এর বেশি কোনও ব্যাখ্যা সেখানে নেই। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর, এ ক্ষেত্রে ব্যাখ্যারও বিশেষ জায়গা থাকে না। মন্ত্রকের হ্যাঁ বা না যথেষ্ট। শনিবার ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের প্রচারসভায় এসে ক্ষোভ উগরে দিলেন তিনি। তাঁর রোম সফরে অনুমতি দেয়নি কেন্দ্রীয় সরকার। মমতা বলেন, কোভ্যাক্সিন নিয়ে কেউ আমেরিকা, ব্রিটেনে যেতে পারবেন না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কোভ্যাক্সিনকে মান্যতা দেয়নি। কিন্তু বিশেষ অনুমতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী গিয়েছেন। অথচ অনেকেই নিজের কাজে যেতে পারেননি। প্রধানমন্ত্রী গিয়েছেন, যেতে দাও। কিন্তু আমাকে কেন প্রতিনিধিত্ব করতে দেওয়া হল না? তিনি আরও বলেন, ওখানে আমি গিয়ে হিন্দুত্বের প্রতিনিধিত্ব করতাম। মুখে তো এত বড় বড় হিন্দুত্বের কথা বলেন। আর কিন্তু প্রতিহিংসাবশত আমাকে আটকানো হল।ক্ষোভের সুরে মমতা আরও বলেন, বিশ্ব শান্তির জন্য রোমে একটা সম্মেলন হচ্ছে। দুমাস আগে তাঁরা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। জার্মান চ্যান্সেলর যাবেন, পোপ থাকবেন, মিশরের ইমাম থাকবেন, ইতালির প্রধানমন্ত্রী থাকবেন। আমার কাছেও আমন্ত্রণ এসেছিল। ইতালি সরকার আমাদের বিশেষ অনুমতি দিয়েছিল। তিনি আরও বলেন, ভারত-বাংলাদেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও, বিশেষ অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। এত বড় বিশ্ব শান্তি সম্মেলন এর আগে হয়নি। কিন্তু আজ চিঠি দিয়ে অনুমতি দিতে অস্বীকার করল। বলা হল, মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষে যাওয়া ঠিক হবে না।এদিকে, মুখ্যমন্ত্রীর এমন প্রতিক্রিয়ার পর বিজেপির জয়প্রকাশ মজুমদারের বক্তব্য, বিদেশ মন্ত্রকের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম থাকে। পররাষ্ট্রনীতি বলে একটা বিষয় আছে। অকারণে এখানে রাজনীতি খোঁজা মুর্খামি ছাড়া আর কিছুই নয়।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
দেশ

Corona Update: স্বস্তি দিয়ে দেশে বেশ কিছুটা কমল করোনা সংক্রমণ

ওঠা নামা করছে করোনা সংক্রমণের গ্রাফ। পরপর কয়েকদিন সংক্রমণ তিরিশ হাজারের গণ্ডি ছাড়ালেও গতকালের তুলনায় আরও কমল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন দেশের ২৬,১১৫ জন। বেশ কয়েকদিন পর দেশের দৈনিক সংক্রমণ এতটা কমল। একদিনে করোনার বলি ২৫২জন। গত ২৪ ঘণ্টায় মহামারির কবল থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩৪,৪৬৯ জন।আরও পড়ুনঃ বাবার জন্মশতবার্ষিকীতে বিশেষ ভাবনা অপর্ণা সেনেরগত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩০ হাজার ২৫৬ জন। গতকাল সেই সংখ্যাটা দঁড়িয়েছিল ৩০ হাজার ৭৭৩। দুসপ্তাহ আগেও হু-হু করে বেড়ে গিয়ে প্রায় ৪৫ হাজারের গণ্ডি ছুঁয়েছিল এই সংখ্যাটা। এরপর এক ধাক্কায় তা কমে দাঁড়ায় ৩৩ হাজারে। পরপর কয়েকদিন সংখ্যাটা ৩০ হাজারের নীচেই ছিল। পরে সংখ্যাটা আবার ৩০ হাজার ছাড়ায়। দেশের মোট আক্রান্তের সংখ্যা এই মুহূর্তে ৩ কোটি ৩৪ লাখ ৭৮ হাজার ৪১৯। গতকাল মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৩ কোটি ৩৪ লাখ ৪৮ হাজার ১৬৩ জন। এদিকে,গতকালের তুলনায় সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যাটা অনেকটাই বেড়েছে। এই সুস্থ হয়ে ওঠার হার ক্রমশ উর্ধ্বমূখী। আজ সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪৩ হাজার ৯৩৮ জন। গতকালে সুস্থ হয়েছেন ৩৮ হাজার ৯৪৫ জন। এদিকে, ওঠা-নামা করছে মৃত্যুর গ্রাফ। আজ এক ধাক্কায় মৃত্যু কমে ২৯৫-এ দাঁড়িয়েছে। গত দুদিন আগেও দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা ৩০০ ছাড়িয়েছিল। গতকাল সেই সংখ্যাটা ছিল ৩০৯।আক্রান্তের নিরিখে দেশের মধ্যে সপ্তম স্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। বিগত কয়েকদিন ধরে সাতশোর আশেপাশে ঘোরাঘুরি করছিল সংক্রমণের গ্রাফ। আজ সামান্য স্বস্তি দিয়ে তা কমে ৬০০ হল। গত ২৪ ঘণ্টায় এ রাজ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৩৫জন। সরকারি তথ্য বলছে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৮ হাজার ৬৫২ জনের। এদিকে, উত্তরপ্রদেশের মতো বড় রাজ্যে কিন্তু সংক্রমণের রিপোর্ট অনেকটাই কম। গোটা রাজ্যে দৈনিক মোট আক্রান্ত হয়েছেন মাত্র ১৭ জন। বিগত এক সপ্তাহ ধরে এই রাজ্যে মৃতের সংখ্যা ৫০ এর নীচেই রয়েছে। তবে মোট মৃতের সংখ্যা ২২ হাজারের আশে পাশেই ঘোরাঘুরি করছে। অন্যদিকে, রাজধানী দিল্লিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২৮ জন। তবে কেরলে হু হু করে বাড়ছে সংক্রমণের হার।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
রাজ্য

Arjun-NIA: অর্জুনের বাড়িতে বোমাবাজির ঘটনায় তদন্তভার এনআইএ-র

ভাটপাড়ায় বোমাবাজির ঘটনায় তদন্ত ভার নিল ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি বা এনআইএ । ৮ সেপ্টেম্বর বোমাবাজি হয় ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বাড়ির সামনে। সেই ঘটনার তদন্ত ভার এনআইএকে দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। উল্লেখযোগ্যভাবে, কোনও ঘটনার তদন্তভার সাধারণত তখনই এনআইএ-এর হাতে ন্যস্ত করা হয়, যখন সেখানে সন্ত্রাসবাদের কোনও যোগ থাকে। প্রশ্ন উঠছে, ভাটপাড়ার এই ঘটনায় কি তবে সেদিকেই ইঙ্গিত করছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।গত বুধবার সকালে সিআইএসএফের পাহারার মধ্যে থাকা সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে বোমাবাজির ঘটনার অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় সাংসদের নিরাপত্তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। স্থানীয় সূত্রে খবর, বাইক থেকে পরপর ২-৩ টি বোমা ছোড়া হয় অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে বলে অভিযোগ। সিআইএসএফ জওয়ানদের সামনেই বোমা মেরে পালিয়ে যান যুবকরা। এই ঘটনায় অর্জুন সিং বলেছিলেন, তিনি কেন্দ্রীয় তদন্ত দাবি করবেন। এনআইএ ঘটনার তদন্ত করুক তিনি চান।আরও পড়ুনঃ কোহলিদের পাশে সৌরভ, শাস্ত্রীদের কোনও শাস্তি হচ্ছে নাসাংসদ অর্জুন সিং ওয়াই প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পান। তারই মধ্যেও কী ভাবে এই ধরনের ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এরপরই গত শুক্রবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে যান। তিনি সেখানে দাঁড়িয়েই বলেছিলেন, একজন সাংসদের বাড়িতে যে ভাবে বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছে তা অত্যন্ত লজ্জার। ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের জেরেই এই বোমাবাজির ঘটনা। মুখ্যমন্ত্রী তো কোনও পদক্ষেপ করছেন না। জাতীয় সংস্থার গোয়েন্দারা দায়িত্ব নিলে সেখানে আর আলাদা করে বলার কিছু থাকবে না। এরই মধ্যে সোমবার জানা গেল, ভাটপাড়ার বোমাবাজিকাণ্ডের তদন্ত ভার এনআইএ-এর হাতেই তুলে দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।যদিও সূত্রের খবর, যে নির্দেশনামা এনআইএ-এর হাতে পৌঁছেছে, সেখানে অর্জুন সিংয়ের নাম উল্লেখ করা হয়নি। বলা হয়েছে, পবন সিংয়ের দপ্তরের সামনে বোমাবাজির ঘটনার তদন্ত করবে কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা। অর্থাৎ অর্জুন-পুত্র পবন সিংয়ের দপ্তর মানেই তা বিজেপি সাংসদের বাড়ির এলাকাই।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১
দেশ

Corona: ফের বাড়ছে সংক্রমণ, চিন্তা বাড়াচ্ছে কেরল

দেশে এক লাফে অনেকটা বাড়ল সংক্রমণ। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪৭ হাজার ৯২ জন। এই সংখ্যা গত দুমাসে সর্বোচ্চ। ১ জুলাই আক্রান্তের সংখ্যা ৪৮ হাজার ছাড়িয়েছিল। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে, দেশে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৩ কোটি ২৮ লক্ষ ৫৭ হাজার ৯৩৭ জন।করোনা মুক্ত হয়েছেন ৩৫ হাজার ১৮১ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫০৯ জনের।দেশের বর্তমানে মাথাব্যথা হয়ে দাঁড়িয়েছে কেরল। গতকাল কেরলে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩২ হাজার ৮০৩ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৭৩ জনের। তথ্য বলছে, বর্তমানে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ২৮ লক্ষ ৫৭ হাজার ৯৩৭ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মৃতের সংখ্যা ৪ লক্ষ ৩৯ হাজার ৫২৯ জন। সুস্থ হয়েছেন ৩ কোটি ২০ লক্ষ ২৮ হাজার ৮২৫ জন।এখনও পর্যন্ত দেশে মোট টিকা নিয়েছেন ৬৬ কোটি ৩০ লক্ষ ৩৭ হাজার ৩৩৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় টিকা নিয়েছেন ৮১ লক্ষ ৯ হাজার ২৪৪ জন।আরও পড়ুনঃ একযোগে বিষপান লায়লা-মজনু কাকিমা-ভাইপোর, মৃত এক, অন্যজন সংকটজনক গোটা অতিমারি পর্বে দেশে মোট প্রাণ গেল ৪ লক্ষ ৩৯ হাজার ৫২৯ জনের। অগস্টের মাঝামাঝিতে যখন সংক্রমণে কিছুটা হলেও কম ছিল, তখন সক্রিয় রোগী কমে সাড়ে তিন লক্ষের নীচে নেমেছিল। গত কয়েক দিন ধরে তা বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে ১১ হাজার ৪০২। এখন দেশে মোট সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৩ লক্ষ ৮৯ হাজার ৫৮৩ জন।কেরলে আক্রান্তের সংখ্যা সবথেকে বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় তা ৩২ হাজার ৮০৩। মহারাষ্ট্রে সাড়ে চার হাজারের আশপাশেই থাকছে দৈনিক সংক্রমণ। তামিলনাড়ুতে দেড় হাজারের আশপাশে। কর্নাটক এবং অন্ধ্রপ্রদেশে অনেকদিন ধরেই ১২০০-র নীচে থাকছে আক্রান্তের সংখ্যা। ওডিশা এবং পশ্চিমবঙ্গে দৈনিক সংক্রমণ ৬০০ থেকে ৭০০-র ঘরে ওঠানামা করছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের বাকি রাজ্যগুলিতে আগের থেকে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও মিজোরামের পরিস্থিতির ভয়ঙ্কর অবনতি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাডার ৯৯২ জন।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
দেশ

Vaccination Record: দৈনিক টিকাকরণে দেশে ফের রেকর্ড

তিন দিনের ব্যবধানে টিকাকরণের ক্ষেত্রে আবার এক কোটির গণ্ডি অতিক্রম করল ভারত। কোউইন অ্যাপের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মঙ্গলবার দেশে এক কোটি আট লক্ষের বেশি মানুষ প্রতিষেধক নিয়েছেন। দেশের সার্বিক করোনা পরিস্থিতিও মোটের উপর স্বস্তিদায়ক। টানা পাঁচ দিন ৪০ হাজারের ঘরে থাকার পরে আজ দৈনিক সংক্রমণ বেশ খানিকটা কমেছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে ৩০ হাজার ৯৪১ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। আরও পড়ুনঃ গ্রাহকের অজান্তেই গায়েব রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের ফিক্সড ডিপোজিটের টাকা, পুলিশের দ্বারস্থ প্রৌঢ়গত শুক্রবার, ২৭ অগস্ট প্রথমবার এক কোটির বেশি দেশবাসীকে করোনা প্রতিষেধক দেওয়া হয়েছিল। আজ আবার সেই মাইলফলক স্পর্শ করল দেশ। টিকাকরণের এই সাফল্যে স্বভাবতই আপ্লুত কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডবিয়া। নিজের টুইটার হ্যান্ডলে তিনি লিখেছেন, প্রতিষেধক প্রদানে পাঁচ দিনের মধ্যে দুবার এক কোটির গণ্ডি পার করা গিয়েছে। সন্ধে ৬টা পর্যন্ত এক কোটি ৯ লক্ষ মানুষ প্রতিষেধক পেয়েছেন। এখনও পর্যন্ত দৈনিক টিকাকরণে এটাই সর্বোচ্চ। তবে আজ মোট কত জন টিকা পেয়েছেন সেই গণনা এখনও শেষ হয়নি। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক আজ জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত করোনা প্রতিষেধকের ৬৫ কোটি ডোজ় দেওয়া হয়েছে।দৈনিক করোনা সংক্রমণের পাশাপাশি, দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যাও কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৫০ জন করোনা আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে। কেরলে গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণ কম হওয়ায় দেশে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যাও কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণের ওই রাজ্যে সাড়ে ১৯ হাজারের বেশি মানুষ কোভিড আক্রান্ত হয়েছেন।গত কাল সংবাদ সংস্থা এনএনআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আইসিএমআরের সংক্রামক রোগ বিভাগের প্রধান সমীরণ পাণ্ডা জানিয়েছেন, যে সব রাজ্যে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রভাব তেমন ভাবে দেখা যায়নি, এখন সেখানে সংক্রমণ বাড়ছে। এটা তৃতীয় ঢেউয়ের লক্ষণ।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২১
বিদেশ

Afghanistan: আফগানিস্তান থেকে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে

কাবুলে ভারতের দূতাবাস থেকে রাষ্ট্রদূত এবং ভারতীয় কর্মীদের ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিল নয়াদিল্লি। কাবুলের বদলে যাওয়া পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী। মঙ্গলবার সকাল থেকেই ভারতীয় সেনার দুটি বিশেষ বিমানে সমস্ত কর্মীদের দেশে ফিরে আনার প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গিয়েছে। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র একটি হেল্পলাইন নম্বর এবং ইমেল আইডি টুইট করে জানিয়েছেন। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর, সব মিলিয়ে ১৪০ জন ভারতীয় এই মুহূর্তে কাবুলে দূতাবাসে রয়েছেন। তাঁদের সকলকেই ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। পাশাপাশি ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত রক্ষাকারী পুলিশদের এবং চার জন সাংবাদিক যাঁরা এই মুহূর্তে কাবুলে রয়েছেন, তাঁদেরও দেশে ফিরিয়ে আনছে নয়াদিল্লি।আরও পড়ুনঃ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয় ভারতের আফগানিস্তানে আটকে থাকা ভারতীয়দের উদ্ধার করাটাই অগ্রাধিকার। তবে, আফগান শিখ এবং হিন্দুদের উদ্ধার করতেও সাহায্য করবে ভারত। তালিবানরা আফগানিস্তানের দখল নেওয়ার ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় পর বিবৃতি দিয়ে এমনটাই জানাল বিদেশ মন্ত্রক। বিবৃতিতে বাগচি জানিয়েছেন, আফগানিস্তান পরিস্থিতির দিকে লাগাতার উচ্চ পর্যায়ের নজর রাখা হচ্ছে। ভারতীয়দের সুরক্ষা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এবং নিজেদের স্বার্থ রক্ষার জন্য ভারত সরকার সব ধরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

আগস্ট ১৭, ২০২১
দেশ

Police Medal: কেন্দ্রীয় সরকারের বিশেষ মেডেল পাচ্ছেন বঙ্গের ৪ পুলিশ অফিসার

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে বিশেষ সম্মান প্রদান করা হয়েছে বেঙ্গল পুলিশের চার অফিসারকে। ইউনিয়ন হোম মিনিস্টারস মেডেল ফর এক্সিলেন্স ইন ইনভেস্টিগেশন ২০২১ দেওয়া হয়েছে এসআই সুদীপ কুমার দাস, এসআই কৌশিকব্রত মজুমদার, এসআই সুমন সাধুখাঁ এবং এসআই জীতেন্দ্র প্রসাদ। সারা ভারতে মোট ১৫২ জন পুলিশ অফিসারকে এই বিশেষ সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ যোগীরাজ্যেও খেলা হবেঅপরাধমূলক কাজের তদন্তকে স্বীকৃতি দিতেই ২০১৮ সালে এই পুরস্কারের উদ্ধাবন করা হয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে। যে যে পুলিশ অফিসারেরা এই বিশেষ মেডেল পেয়েছেন তাদের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের ৪ জন অফিসার ছাড়াও রয়েছেন, সিবিআই-এর ১৫ জন, মধ্যপ্রদেশ ও মহারাষ্ট্র পুলিশের ১১ জন করে, উত্তরপ্রদেশের ১০ জন পুলিশ অফিসার, কেরল ও রাজস্থানের ৯ জন করে পুলিশ অফিসার, তামিলনাড়ু পুলিশের ৮ জন, বিহার পুলিশের ৭ জন, গুজরাত, কর্নাটক ও দিল্লি পুলিশের ৬ জন করে অফিসার রয়েছেন। এছাড়াও অন্যান্য রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের পুলিশ অফিসার রয়েছেন। বিশেষ মেডেল পাওয়ার তালিকায় ২৮ জন মহিলা পুলিশ অফিসার রয়েছেন বলেও এক প্রেস বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

আগস্ট ১২, ২০২১
স্বাস্থ্য

Corona Update: রাজ্যে সামান্য বাড়লেও দেশে করোনা সংক্রমণে স্বস্তি

রাজ্যে ফের একবার করোনা সংক্রমণের হার সামান্য বাড়ল। নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা অনেকটাই কম ছিল সোমবার। যে কারণে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যাও একধাক্কায় কমে গিয়েছিল অনেকটাই। টেস্ট বাড়তেই মঙ্গলবার ফের বৃদ্ধি পেল রাজ্যের দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। যদিও সংক্রমণের হার বর্তমানে একেবারেই উদ্বেগজনক নয়। গতকালকের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যাও আজ কমেছে। অন্য দিকে, দেশের করোনা (Corona) পরিসংখ্যানে বড়সড় স্বস্তি। একদিনে দৈনিক আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা, দুটোই অনেকটা কমল। মঙ্গলবার দেশের দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা নামল ৩০ হাজারে। যা কিনা গত ১২৫ দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে তেমনই মৃতের সংখ্যা নেমে এল চারশোরও নিচে। যা কিনা কয়েক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন।আরও পড়ুনঃ আদালতের নির্দেশ ছাড়া উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ নয় গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৭৫২ জন। এই একই সময়ের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৯৯২ জন। গোটা রাজ্যে মোট মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের। সক্রিয় রোগীর সংখ্যা আরও ২৫০ কমে তা নেমেছে ১২ হাজার ৫০৯-এ। সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৯৭.৯৯ শতাংশ। মৃত্যুর হার ১.১৯ শতাংশে দাঁড়িয়ে। শেষ ২৪ ঘণ্টায় ৫০ হাজার ৭১৩ টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। পজিটিভিটির হার বর্তমানে ১.৪৮ শতাংশ। মঙ্গলবার সন্ধের স্বাস্থ্যদপ্তরের রিপোর্ট বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা (COVID-19) আক্রান্ত হয়েছেন ৭৫২ জন। সোমবার সংখ্যাটা ছিল ৬৬৬। এদিন সর্বাধিক করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলেছে উত্তর ২৪ পরগনায় (৮২)। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে দার্জিলিং (৭৯)। তৃতীয় স্থানে রয়েছেল উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি (৬১)। কলকাতা (৬০) রয়েছেন চতুর্থস্থানে। সবমিলিয়ে এদিন রাজ্যের মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১৫ লক্ষ ১৯ হাজার ৫৯৯ জন। তাঁদের মধ্যে অ্যাকটিভ করোনা রোগী ১২ হাজার ৫০৯ জন। সোমবারের তুলনায় অনেকটাই কমেছে এই সংখ্যা। রাজ্যের পজিটিভিটি রেট দাঁড়িয়েছে ১.৪৮ শতাংশ।গত কয়েকদিন ধরেই করোনার পরিসংখ্যান ওঠানামা করছে। ফলে মঙ্গলবারের এই পরিসংখ্যানের পর করোনা বিধিতে কোনওরকম ঢিলেমি বোকামি হবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। মঙ্গলবার সকালে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩০ হাজার ৯৩ জন করোনা (Coronavirus) আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে প্রায় আট হাজার কম। ফলে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ১১ লক্ষ ৭৪ হাজার ৩২২ জন।

জুলাই ২০, ২০২১
স্বাস্থ্য

Corona Update: সংক্রমণ নিম্নমুখী হলেও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে মৃত্যুহার, কি বলছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট? জানুন

ডেল্টা স্ট্রেনের সঙ্গে কাপ্পার মতো নতুন ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার মধ্যেই সুখবর হল, দেশে দৈনিক করোনা সংক্রমন এখন অনেকটাই নিম্নমুখী। যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ৯০০-র কাছাকাছি। রবিবার দেশে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৪১ হাজার ৫০৬ জন। শনিবারের তুলনায় দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা কিছুটা কমলেও এখনও তা ৯০০-এর কাছেই। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৮৯৫ জন মারা গিয়েছেন ভারতে। রাজ্যে করোনার দৈনিক সংক্রমণের হার শেষ পাঁচ দিনে মোটামুটি একই জায়গায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। গত ৫ জুলাই রাজ্যে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৮৮৫। তার পর থেকে ধীরে ধীরে শনিবার দৈনিক সংক্রমণ পৌঁছেছে ৯৯৭-এ। সংক্রমণের শীর্ষে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। এই জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৬ জন নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।আরও পড়ুনঃ হইচই তে মুক্তি পাচ্ছে হীরালালকেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১১ জুলাই, রবিবার পর্যন্ত ভারতে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ৮ লক্ষ ৩৭ হাজার ২২২। এখনও পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ৪ লক্ষ ৮ হাজার ৪০ জনের। দেশে মোট কোভিড সংক্রমণের হার কমে হয়েছে ৭.১৬ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণের হার অবশ্য সামান্য বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে কোভিড সংক্রমণের হার ২.২৫ শতাংশ।আরও পড়ুনঃ ফের ফেসবুকে পোস্ট করে কাকে বার্তা দিলেন সৌমিত্র খাঁ?আক্রান্তের তুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থতার সংখ্যা সামান্য বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪১ হাজার ৫২৬ জন। এখনও পর্যন্ত মোট ২ কোটি ৯৯ লক্ষ ৭৫ হাজার ৬৪ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। অর্থাৎ দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় সক্রিয় রোগীর সংখ্যা কমেছে। এই মুহূর্তে দেশে মোট সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৪ লক্ষ ৫৪ হাজার ১১৮। এদিকে, সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ লক্ষ ১১ হাজার ২০৫। এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৪ লক্ষ ৭৭ হাজার ৯৯৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ১৭ জনের। এ ক্ষেত্রেও শীর্ষে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। এই জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। রাজ্যে কমেছে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যাও। আপাতত ১৫ হাজার ৩০৪ জন সক্রিয় করোনা রোগী রয়েছেন রাজ্যে।

জুলাই ১১, ২০২১
দেশ

Covid Package: রদবদলের পর বড় সিদ্ধান্ত মোদির নতুন মন্ত্রিসভার

মোদির নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পরই কোভিড মোকাবিলায় বড় প্যাকেজ ঘোষণা। কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায় ২৩,১২৩ কোটি টাকার বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করল কেন্দ্র। রদবদলের পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক ছিল বৃহস্পতিবার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনে আয়োজিত সেই বৈঠকে অতিমারি পরিস্থিতির মোকাবিলার উদ্দেশে এই আপৎকালীন বরাদ্দ অনুমোদন করা হয়েছে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, বরাদ্দ অর্থের মধ্যে ১৫ হাজার কোটি টাকা সরাসরি কেন্দ্র খরচ করবে। ৮ হাজার কোটি টাকা রাজ্যগুলির মধ্যে বণ্টন করা হবে। আগামী নমাসের মধ্যে এই কর্মসূচি কার্যকর করা হবে বলে কেন্দ্র জানিয়েছে।আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে ইশান্তের পরিবর্তে সিরাজকে খেলানোর ভাবনাবুধবার হর্ষবর্ধনকে সরিয়ে গুজরাতের বিজেপি নেতা মনসুখ মাণ্ডব্যকে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী পদে নিয়োগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বৃহস্পতিবারের বৈঠকের পর মনসুখ বলেন, এই টাকায় দেশের ৭৩৬টি টি জেলায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে শিশু চিকিৎসা বিভাগ গড়া হবে। ব্যবস্থা হবে ২০ হাজার আইসিইউ শয্যার। পাশাপাশি, পর্যাপ্ত পরিমাণে ওষুধ এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম মজুত রাখা হবে। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের তৃতীয় ঢেউয়ে শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা। তাই পরিস্থিতি মোকাবিলায় এই সক্রিয়তা।নতুন এই ঘোষণা থেকে পরিষ্কার, করোনার মোকাবিলাকেই অগ্রাধিকার দিতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । বিরোধীদের অভিযোগ, দেশে করোনা সংকটের মোকাবিলার ব্যর্থতার অভিযোগই হর্ষবর্ধনকে সরিয়ে দেওয়ার প্রধান কারণ। আর এদিনও বৈঠকের পরেই করোনার প্যাকেজ ঘোষণা বুঝিয়ে দিল, মোদি সরকার অতিমারির মোকাবিলায় মরিয়া পদক্ষেপ করতে চাইছে।

জুলাই ০৮, ২০২১
কলকাতা

Fake Vaccine: ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ডে রাজ্যের রিপোর্ট তলব

কসবার ভুয়ো টিকা-কাণ্ডে এ বার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রাজ্যের রিপোর্ট তলব করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব হরেকৃষ্ণ দ্বিবেদীকে চিঠি দিয়ে এ কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সচিব রাজেশ ভূষণ। জাল টিকাকরণ শিবির নিয়ে গত ২৬ জুন কেন্দ্রকে চিঠি দিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেই চিঠির ভিত্তিতেই এই রিপোর্ট তলব করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র।আরও পড়ুনঃ দিল্লিতে বিস্ফোরণে মৃত ৪, জখম ১চিঠিতে বলা হয়েছে, শুভেন্দু কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছিলেন, পশ্চিমবঙ্গে অনেক জায়গায় বেআইনিভাবে টিকাকরণ শিবিরের আয়োজন করা হচ্ছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, কলকাতা পুরসভার অন্তর্গত কসবা এলাকার একটি শিবিরে টিকা প্রাপকরা কোনও মেসেজ পাননি। তাই এই শিবিরগুলি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কেন্দ্র জানিয়েছে, বার বার রাজ্যগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কো-উইন পোর্টালের মাধ্যমেই শুধুমাত্র টিকাকরণ শিবিরের আয়োজন করতে হবে। যাঁরা টিকা নেবেন তাঁদের তথ্য পোর্টালে থাকবে ও তার বদলে তাঁদের মেসেজ পাঠানো হবে। যদি কোনও প্রাপক মেসেজ না পান, তার মানে তিনি জাল শিবির থেকে টিকা নিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে এই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে রাজ্যকে। সেই সঙ্গে এই পুরো বিষয়টি নিয়ে একটি রিপোর্ট ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র।

জুন ৩০, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

চলন্ত ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেসে ধোঁয়া-আগুন, বর্ধমানে ২০ মিনিট থমকাল ট্রেন; অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা এড়াল রেল

ইঞ্জিনের পরের কামরার নীচে ব্রেক বাইন্ডিং থেকে আগুন, খানা-তালিতের মাঝে দাঁড় করিয়ে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনলেন রেলকর্মীরা; নিরাপদে রওনা দিল হাওড়ার উদ্দেশেধানবাদ থেকে হাওড়াগামী ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেসে চলন্ত অবস্থায় আচমকাই ধোঁয়া ও আগুন দেখা দেওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল যাত্রীদের মধ্যে। পূর্ব বর্ধমানের খানা জংশন ও তালিত স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঘটে এই ঘটনা। দ্রুত ট্রেন থামিয়ে রেলকর্মীদের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। প্রায় ২০ মিনিট বন্ধ থাকার পর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ট্রেনটি আবার হাওড়ার উদ্দেশে রওনা দেয়। এই ঘটনায় কোনও যাত্রী আহত হননি বলে রেল সূত্রে জানা গিয়েছে।রেল সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার বিকেলে ঝাড়খণ্ডের ধানবাদ থেকে নির্ধারিত সময়েই ২২৩৮৭ ডাউন ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেস হাওড়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। যাত্রীদের একাংশের দাবি, পানাগড় পার হওয়ার পর থেকেই ট্রেনে যান্ত্রিক সমস্যার কিছু লক্ষণ দেখা যাচ্ছিল। তবে পরিস্থিতি যে এতটা গুরুতর হতে পারে, তা কেউ বুঝতে পারেননি।ট্রেনটি পূর্ব বর্ধমানের দিকে এগোতে থাকলে ইঞ্জিনের ঠিক পরের কামরার নীচ থেকে প্রথমে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই সেই ধোঁয়ার সঙ্গে আগুনের শিখাও দেখা যায়। বিষয়টি নজরে আসতেই ট্রেনের কর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার উদ্যোগ নেন এবং রাত প্রায় ৭টা ৪৫ মিনিট নাগাদ খানা জংশন ও তালিত স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় ট্রেনটি জরুরি ভিত্তিতে থামিয়ে দেওয়া হয়।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান রেলের প্রযুক্তিগত কর্মী ও আধিকারিকরা। অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র ব্যবহার করে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট কামরার ব্রেক ব্যবস্থা এবং অন্যান্য যান্ত্রিক অংশ খতিয়ে দেখা হয়। সমস্ত দিক পরীক্ষা করে ট্রেনটিকে নিরাপদ ঘোষণা করার পর রাত প্রায় ৮টা ২০ মিনিট নাগাদ পুনরায় হাওড়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেস।পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শিবরাম মাঝি জানিয়েছেন, ইঞ্জিনের পরের কামরায় ব্রেক বাইন্ডিং-এর কারণে অতিরিক্ত ঘর্ষণ সৃষ্টি হয়েছিল। সেই ঘর্ষণ থেকেই ধোঁয়া ও আগুনের সৃষ্টি হয়। তিনি জানান, রেলকর্মীরা দ্রুত সমস্যার সমাধান করায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।ঘটনার সময় ওই কামরায় বহু যাত্রী উপস্থিত ছিলেন। ট্রেন থামার সঙ্গে সঙ্গেই আতঙ্কিত যাত্রীরা দ্রুত নেমে নিরাপদ দূরত্বে চলে যান। মুহূর্তের মধ্যে অন্যান্য কামরাতেও খবর ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই উদ্বেগে বাইরে নেমে আসেন। যদিও রেলকর্মীদের তৎপরতায় পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে যায়।ধানবাদ থেকে ট্রেনে ওঠা এক যাত্রী জানান, আসানসোলের কিছু আগে থেকেই ট্রেনে একটা অস্বাভাবিক শব্দ হচ্ছিল। পরে তালিতের কাছে এসে দেখি কামরার নীচ থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে, তারপর আগুনও দেখা যায়। তখন স্বাভাবিকভাবেই সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল।এইদিনের ব্ল্যাক ডাইমন্ডের যাত্রীরা জানান, হঠাৎ ধোঁয়া বের হতে দেখে আমরা খুব ভয় পেয়ে যাই। ট্রেন দাঁড়াতেই নেমে পড়ি। পরে রেলকর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ায় স্বস্তি ফিরে আসে।এই ঘটনার জেরে ধানবাদ-হাওড়া রেলপথে কিছু সময়ের জন্য ট্রেন চলাচল ব্যাহত হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। রেলের তৎপরতায় কোনও প্রাণহানি বা বড়সড় দুর্ঘটনা না ঘটায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন যাত্রীদের পাশাপাশি রেল কর্তৃপক্ষও। তবে চলন্ত ট্রেনে এমন যান্ত্রিক ত্রুটি সামনে আসায় রেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

জুলাই ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

'বোতলবন্দী' পেনেল্টি রহস্য! পিকফোর্ডের ‘গোপন অস্ত্র’ মেসিদের হাতে! ইংল্যান্ড গোলকিপারের জলের বোতলে মিলল আর্জেন্টিনার সব পেনাল্টি শুটারের নোট

ছোটবেলায় পারস্যের রহস্য-রোমাঞ্চের গল্পে পড়া যেত রাজা-রানির প্রাণভোমরা নাকি বন্দি থাকত একটি বোতলে। সেই বোতল এমন গোপন স্থানে লুকিয়ে রাখা হতো, যাতে শত্রুরা কোনওভাবেই তার নাগাল না পায়। শতাব্দী পেরিয়ে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে যেন সেই বোতলবন্দি রহস্য-রই আধুনিক সংস্করণ দেখা গেল। তবে এখানে প্রাণভোমরা নয়, বোতলের গায়ে বন্দি ছিল ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডের সবচেয়ে গোপন অস্ত্র আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য প্রতিটি পেনাল্টি শুটারের বিরুদ্ধে তৈরি করা বিস্তারিত পরিকল্পনা।বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে সম্ভাব্য টাইব্রেকারের কথা মাথায় রেখে নিজের জলের বোতলেই একটি চিট শিট সাঁটিয়ে রেখেছিলেন পিকফোর্ড। সেখানে লেখা ছিল আর্জেন্টিনার প্রতিটি সম্ভাব্য পেনাল্টি শুটারের অভ্যাস, কে কোন দিকে শট নিতে পারেন এবং কোন কৌশলে ঝাঁপ দিলে বল আটকানোর সম্ভাবনা বেশি।কিন্তু ভাগ্যের পরিহাস, ম্যাচ গড়ায়ইনি টাইব্রেকারে। নির্ধারিত সময়েই আর্জেন্টিনা ২-১ গোলে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছে যায়। আর ম্যাচ শেষে সেই গোপন অস্ত্রই চলে আসে লিওনেল মেসি ও তাঁর সতীর্থদের হাতে।ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, পিকফোর্ডের জলের বোতল হাতে নিয়ে মেসি ও একাধিক আর্জেন্টাইন ফুটবলার কৌতূহল নিয়ে সেটি পরীক্ষা করছেন। বোতলের গায়ে ইংরেজিতে লেখা ছিল বিভিন্ন ফুটবলারের পেনাল্টি নেওয়ার প্রবণতা এবং কোন দিকে ঝাঁপ দিলে বল আটকানোর সম্ভাবনা বেশি।ভাইরাল ছবিটিতে দেখা যায়, মেসির নামের পাশে লেখা Fake left, dive right, অর্থাৎ প্রথমে বাঁ দিকে যাওয়ার ভান করে পরে ডান দিকে ঝাঁপ দেওয়ার পরামর্শ। এনজো ফার্নান্দেজের ক্ষেত্রে লেখা ছিল Stand central, আর থিয়াগো আলমাদার জন্য উল্লেখ ছিল Feel on the day, অর্থাৎ ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ।যদিও এই পরিকল্পনা মাঠে বাস্তবায়নের সুযোগই পাননি পিকফোর্ড, তবু ম্যাচ শেষে তাঁর সেই বোতলবন্দি কৌশল সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। আধুনিক ফুটবলে প্রতিপক্ষের প্রতিটি খেলোয়াড়ের অভ্যাস বিশ্লেষণ করে এমন তথ্যভান্ডার তৈরি করা এখন বড় দলগুলির নিয়মিত প্রস্তুতির অংশ। কিন্তু সেই গোপন নথি প্রতিপক্ষের হাতেই চলে যাওয়া নিঃসন্দেহে বিশ্বকাপের অন্যতম আলোচিত মুহূর্ত।এই প্রসঙ্গে বাংলা সাহিত্যের রসিক সম্রাট দাদাঠাকুর শরৎচন্দ্র পণ্ডিতর বিখ্যাত বোতল পুরাণ-এর কথা মনে পড়তেই পারে। সেখানে বোতলকে ঘিরে ছিল ব্যঙ্গ, হাস্যরস আর সমাজের নানা চরিত্রের কৌতুকপূর্ণ উপস্থাপনা। আর কাতারের পর ২০২৬ বিশ্বকাপেও যেন আর এক বোতল পুরাণ-এর জন্ম দিলেন জর্ডান পিকফোর্ড। পার্থক্য শুধু একটাই দাদাঠাকুরের বোতলে ছিল রসিকতার নেশা, আর পিকফোর্ডের বোতলে বন্দি ছিল ডেটা অ্যানালিটিক্স, কৌশল আর প্রতিপক্ষকে হারানোর স্বপ্ন!শেষ পর্যন্ত সেই বোতল পুরাণ-এর পরিণতিও কম মজার নয়। যে বোতল লুকিয়ে রাখার কথা ছিল ইংল্যান্ডের সবচেয়ে গোপন পরিকল্পনা, সেটিই ম্যাচ শেষে হাতে নিয়ে পড়ছেন লিওনেল মেসি ও তাঁর সতীর্থরা! যেন পারস্যের সেই প্রাণভোমরার বোতল শেষমেশ শত্রুর হাতেই ধরা পড়েছে। পার্থক্য শুধু এটুকুই এখানে রাজ্য হারায়নি ইংল্যান্ড, কিন্তু ফাইনালে ওঠার স্বপ্নটা যে সেই বোতলের সঙ্গেই বোতলবন্দি হয়ে রইল, তা বলাই যায়।এবার বিশ্বকাপের শিরোপার লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার সামনে স্পেন। তবে সেমিফাইনালের এই বোতল রহস্য এবং বোতল পুরাণ ফুটবলপ্রেমীদের স্মৃতিতে বহুদিন রয়ে যাবে কারণ বিশ্বকাপে ট্রফির লড়াইয়ের পাশাপাশি, কখনও কখনও একটি সাধারণ জলের বোতলও হয়ে উঠতে পারে সবচেয়ে বড় গল্প।

জুলাই ১৬, ২০২৬
রাজনীতি

২১ জুলাইয়ের আগে তৃণমূলে বড় ধাক্কা! কোয়েল মল্লিকের রাজ্যসভা ছাড়া, মণীশ গুপ্তর সরে দাঁড়ানো ঘিরে জোর রাজনৈতিক জল্পনা

২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের আগে তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে একের পর এক রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হচ্ছে। মদন মিত্রকে নিয়ে বিতর্কের আবহ এখনও পুরোপুরি কাটেনি, তার মধ্যেই রাজ্যসভার সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন অভিনেত্রী তথা তৃণমূলের সাংসদ কোয়েল মল্লিক। একই সঙ্গে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকেও সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মণীশ গুপ্ত। ফলে শাসক শিবিরে নতুন করে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা।রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগের পর কোয়েল মল্লিকের বিজেপির সর্বভারতীয় নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে সাক্ষাৎ রাজনৈতিক মহলে আরও কৌতূহল বাড়িয়ে দিয়েছে। এই সাক্ষাতের পর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তবে কি তিনি রাজনৈতিকভাবে নতুন কোনও সিদ্ধান্তের পথে হাঁটছেন? যদিও এখনও পর্যন্ত কোয়েল মল্লিক বা বিজেপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। তাই তিনি আদৌ বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন কি না, তা নিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে ঘটনাপ্রবাহকে ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে।অন্যদিকে, প্রাক্তন আমলা ও তৃণমূলের প্রবীণ নেতা মণীশ গুপ্তও দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। যদিও তিনি এখনও তৃণমূল ছাড়ার কথা ঘোষণা করেননি, তবুও তাঁর এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকদের একাংশ। বিশেষ করে ২১ জুলাইয়ের মতো বড় কর্মসূচির আগে এই ধরনের সিদ্ধান্ত দলের জন্য অস্বস্তিকর বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সম্প্রতি এক সরকারি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোয়েল মল্লিকের ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, কোয়েল ভবিষ্যতে রাজ্যকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার মতো সক্ষমতা রাখেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর এত দ্রুত রাজ্যসভা থেকে কোয়েলের পদত্যাগ রাজনৈতিক মহলে আরও বেশি প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরির ইঙ্গিত মিলছে। শাসক দলের ভেতরে সাংগঠনিক পরিবর্তন, ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং বিরোধী শিবিরের তৎপরতাসব মিলিয়ে আগামী কয়েক সপ্তাহ রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।তবে কোয়েল মল্লিকের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান, মণীশ গুপ্তর পরবর্তী পদক্ষেপ কিংবা তৃণমূলের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়াএসবের দিকেই এখন নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১৬, ২০২৬
শিক্ষা

মাত্র ১৪ বছরেই জেইই অ্যাডভান্সডে বাজিমাত! উত্তরপ্রদেশের হিন্দি-মাধ্যমের ছাত্র যুবরাজ সিং সোলাঙ্কির সাফল্যে চমকে দেশ

মেটা ডেসক্রিপশন: উত্তরপ্রদেশের গোরখপুরের ১৪ বছরের হিন্দি-মাধ্যমের ছাত্র যুবরাজ সিং সোলাঙ্কি মাত্র এক বছরের অনলাইন প্রস্তুতিতে JEE Advanced-এ সাফল্য অর্জন করেছে। জেনে নিন তাঁর অনুপ্রেরণামূলক যাত্রার গল্প।ভারতের অন্যতম কঠিন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রবেশিকা পরীক্ষা JEE Advanced-এ সাফল্য অর্জন করাই যেখানে অধিকাংশ পরীক্ষার্থীর কাছে কঠিন চ্যালেঞ্জ, সেখানে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে নজির গড়লেন উত্তরপ্রদেশের এক কিশোর। তাঁর নাম যুবরাজ সিং সোলাঙ্কি। হিন্দি-মাধ্যমে পড়াশোনা করা এই ছাত্র মাত্র এক বছরের অনলাইন প্রস্তুতিতেই জেইই অ্যাডভান্সডে ক্যাটেগরি র্যাঙ্ক ১,৬৪০ অর্জন করে সারা দেশের নজর কেড়েছেন।যুবরাজের এই সাফল্য শুধু একটি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার গল্প নয়, বরং এটি প্রমাণ করে দিয়েছে যে বয়স, ভাষা কিংবা শহর-গ্রামের সীমাবদ্ধতা মেধা ও অধ্যবসায়ের সামনে কখনও বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না।১৪ বছরেই দ্বাদশ শ্রেণি, তারপর JEE Advancedউত্তরপ্রদেশের গোরখপুর জেলার চৌরি চৌরা এলাকার বাসিন্দা যুবরাজ ছোটবেলা থেকেই অসাধারণ মেধার পরিচয় দিয়েছিলেন। তাঁর শিক্ষকদের নজরে আসে যে তিনি সমবয়সীদের তুলনায় অনেক দ্রুত বিষয়বস্তু আয়ত্ত করতে পারেন। সেই কারণেই প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অনুমোদনের মাধ্যমে তাঁকে স্কুলজীবনে দুটি শ্রেণি একসঙ্গে উত্তীর্ণ হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।ফলে যখন তাঁর সমবয়সী অধিকাংশ ছাত্রছাত্রী অষ্টম বা নবম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছিল, তখন যুবরাজ ইতিমধ্যেই দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র। সেখানে তাঁর সহপাঠীদের অধিকাংশের বয়স ছিল ১৭ থেকে ১৮ বছর।সহপাঠীদের সমর্থনও ছিল বড় শক্তিসংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বয়সের পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও স্কুলে কখনও অস্বস্তির মুখে পড়তে হয়নি যুবরাজকে। বরং শিক্ষক-শিক্ষিকা ও সহপাঠীরা তাঁকে স্বাভাবিকভাবেই গ্রহণ করেন এবং নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি JEE Advanced-এর প্রস্তুতিতেও যথেষ্ট সহযোগিতা করেন।এই ইতিবাচক পরিবেশ তাঁর আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দেয় এবং কঠিন পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বড় ভূমিকা পালন করে।হিন্দি-মাধ্যমেই তৈরি ইতিহাসযুবরাজের সাফল্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলির একটি হল, তিনি কোনও নামী কোচিং শহরে না গিয়ে অনলাইন হিন্দি-মাধ্যমের কোচিংয়ের মাধ্যমে JEE Advanced-এর প্রস্তুতি নেন।দীর্ঘদিন ধরে একটি ধারণা প্রচলিত ছিল যে IIT-তে সুযোগ পেতে হলে ইংরেজি-মাধ্যমে পড়াশোনা, বড় শহরে থাকা কিংবা ব্যয়বহুল কোচিং অপরিহার্য। যুবরাজ সেই ধারণাকেই কার্যত ভেঙে দিয়েছেন।বর্তমানে ডিজিটাল শিক্ষার প্রসার এবং মাতৃভাষাভিত্তিক অনলাইন শিক্ষার সুযোগ যে গ্রামাঞ্চলের ছাত্রছাত্রীদের কাছেও নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে, যুবরাজের সাফল্য তারই উজ্জ্বল উদাহরণ।অনেকের কাছে অনুপ্রেরণাযুবরাজ সিং সোলাঙ্কির এই কৃতিত্ব ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। অনেকেই তাঁর সঙ্গে ভারতের তরুণ ক্রিকেট প্রতিভা বৈভব সূর্যবংশীর তুলনা করছেন। যদিও দুইজনের ক্ষেত্র সম্পূর্ণ আলাদা, তবুও কম বয়সেই অসাধারণ দক্ষতার পরিচয় দিয়ে দুজনেই নতুন প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।শিক্ষাবিদদের মতে কী শেখার আছে?বিশেষজ্ঞদের মতে, যুবরাজের এই সাফল্যকে সব ছাত্রছাত্রীর জন্য মানদণ্ড হিসেবে দেখা উচিত নয়। প্রত্যেক শিশুর শেখার গতি ও দক্ষতা আলাদা। তবে তাঁর গল্প থেকে একটি বিষয় স্পষ্টসঠিক দিকনির্দেশনা, অধ্যবসায়, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার এবং মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ থাকলে যে কোনও শিক্ষার্থী নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে পারে।

জুলাই ১৬, ২০২৬
শিক্ষা

বিকাশ ভবনে গেস্ট টিচারদের জোরালো সওয়াল, চাকরির নিরাপত্তা-নির্দিষ্ট মাসিক সম্মানীর দাবিতে উচ্চশিক্ষা মন্ত্রীর উদ্দেশে স্মারকলিপি

রাজ্যের সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজগুলিতে কর্মরত হাজার হাজার গেস্ট টিচার, ইনভাইটেড টিচার ও ভিজিটিং ফ্যাকাল্টিদের দীর্ঘদিনের কর্মসংস্থান-সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা এবং আর্থিক বৈষম্যের অবসান ঘটানোর দাবিতে আবারও সরব হল পশ্চিমবঙ্গ কলেজ গেস্ট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (WBCGTWA)। বুধবার সংগঠনের পক্ষ থেকে বিকাশ ভবনে উপস্থিত হয়ে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী শ্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের উদ্দেশে একটি বিস্তারিত স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। উচ্চশিক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে সেই স্মারকলিপি গ্রহণ করে আনুষ্ঠানিক প্রাপ্তিস্বীকারও দেওয়া হয়েছে।সংগঠনের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজে গেস্ট টিচাররা অত্যন্ত কম পারিশ্রমিকে এবং সম্পূর্ণ অনিশ্চিত কর্মপরিবেশে দায়িত্ব পালন করছেন। অথচ উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন, পাঠদান এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে সচল রাখার ক্ষেত্রে তাঁদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই বাস্তব পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করেই সরকারের কাছে মানবিক ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের আবেদন জানানো হয়েছে।বিকাশ ভবনে জমা দেওয়া এই প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি সুজিৎ দাস, সাধারণ সম্পাদক অনুপম দাস এবং সহ-সম্পাদক ড. অসিত কুমার মণ্ডল। প্রতিনিধিদলটি উচ্চশিক্ষা দপ্তরের আধিকারিকদের সামনে গেস্ট টিচারদের বিভিন্ন সমস্যা, ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা এবং দীর্ঘদিনের দাবি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে।কী কী দাবি জানানো হয়েছে?স্মারকলিপিতে মূলত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর জোর দেওয়া হয়েছে।প্রথমত, চাকরির নিরাপত্তা। সংগঠনের বক্তব্য, বহু শিক্ষক বছরের পর বছর কলেজে কর্মরত থাকলেও তাঁদের চাকরির কোনও স্থায়ী নিশ্চয়তা নেই। ফলে প্রতিনিয়ত অনিশ্চয়তার মধ্যে কাজ করতে হচ্ছে। তাই গেস্ট টিচারদের জন্য একটি সুস্পষ্ট ও স্থায়ী চাকরির নিরাপত্তা নীতি প্রণয়নের দাবি জানানো হয়েছে।দ্বিতীয়ত, পরিষেবার ধারাবাহিকতা। সংগঠনের দাবি, যোগ্য ও অভিজ্ঞ গেস্ট টিচারদের সরকার নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী অন্তত ৬০ কিংবা ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত কর্মরত থাকার সুযোগ দিতে হবে। তাঁদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব বলেই সংগঠনের মত।তৃতীয়ত, নির্দিষ্ট মাসিক সম্মানী চালু। বর্তমানে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ক্লাসভিত্তিক পারিশ্রমিকের উপর নির্ভর করতে হয় গেস্ট টিচারদের। সংগঠনের দাবি, এই ব্যবস্থা পরিবর্তন করে সমস্ত সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজে কর্মরত গেস্ট টিচারদের জন্য একটি নির্দিষ্ট মাসিক সম্মানী চালু করা হোক। এতে তাঁরা আর্থিক নিরাপত্তা পাবেন এবং মর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারবেন।আরও পড়ুনঃ পূর্ণ সময়ের শিক্ষকের চেয়েও বেশি স্যাক্ট (SACT), তবু বঞ্চনার অভিযোগ! হরিয়ানা মডেল চালুর দাবিতে সরব স্টেট এডেড কলেজ টিচাররাদীর্ঘদিনের আন্দোলনের ধারাবাহিকতাসংগঠনের দাবি, ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গ কলেজ গেস্ট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও সাংবিধানিক পদ্ধতিতে গেস্ট টিচারদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চালিয়ে আসছে। বিকাশ ভবনে এই ডেপুটেশনও সেই ধারাবাহিক আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, এর আগেও তারা রাজ্য সরকারের বিভিন্ন স্তরে একাধিকবার নিজেদের দাবি তুলে ধরেছে। নবান্ন-সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরে গিয়ে একাধিক মন্ত্রী ও জনপ্রতিনিধির কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়েছে। প্রতিবারই চাকরির নিরাপত্তা, পরিষেবার ধারাবাহিকতা এবং নির্দিষ্ট মাসিক পারিশ্রমিকের বিষয়গুলিকে অগ্রাধিকার দিয়ে দাবি জানানো হয়েছে।সরকারের ইতিবাচক উদ্যোগের প্রত্যাশাWBCGTWA-র নেতৃত্বের মতে, ধারাবাহিকভাবে সরকারের বিভিন্ন স্তরে বিষয়টি তুলে ধরার ফলে গেস্ট টিচারদের সমস্যা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হবে। তাঁদের আশা, উচ্চশিক্ষা দপ্তর ও রাজ্য সরকার এই বিষয়ে দ্রুত ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং দীর্ঘদিনের এই অনিশ্চয়তার অবসান ঘটাবে।সংগঠনের বক্তব্য, গেস্ট টিচারদের ন্যায্য অধিকার, সম্মানজনক পারিশ্রমিক এবং চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু শিক্ষকদের স্বার্থেই নয়, রাজ্যের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নের জন্যও অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। কারণ, দীর্ঘদিন ধরে এই শিক্ষক-শিক্ষিকারা কলেজগুলির শিক্ষাদান প্রক্রিয়াকে সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন।আন্দোলন চলবে, জানাল সংগঠনপশ্চিমবঙ্গ কলেজ গেস্ট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, গেস্ট টিচারদের ন্যায্য দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন থামবে না। ভবিষ্যতেও শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক এবং সাংবিধানিক পথেই আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে সংগঠন।উচ্চশিক্ষা মন্ত্রীর কাছে জমা দেওয়া এই স্মারকলিপির মাধ্যমে গেস্ট টিচারদের দীর্ঘদিনের সমস্যার একটি কার্যকর ও স্থায়ী সমাধানের পথ খুলবে বলেই আশাবাদী সংগঠনের সদস্যরা।

জুলাই ১৬, ২০২৬
রাজ্য

রথের আনন্দ মুহূর্তে রক্তাক্ত দিঘা! দাঁড়িয়ে থাকা বাসে লরির ভয়াবহ ধাক্কা, একসঙ্গে চার প্রাণ ঝরে গেল

রথযাত্রার দিন দিঘা যাওয়ার পথে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল চারজনের। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও তিনজন। তাঁদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় তমলুক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে দিঘা-নন্দকুমার জাতীয় সড়কের হেঁড়িয়া এলাকায়। দুর্ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম তপন দাস, শিবব্রত পট্টনায়েক, অশোক মাইতি এবং শুভদীপ মণ্ডল। তপন দাস বাসের মালিক ছিলেন। শিবব্রত পট্টনায়েক ছিলেন বাসচালক। অশোক মাইতি ও শুভদীপ মণ্ডল বাসের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন।জানা গিয়েছে, হাওড়া থেকে দিঘার উদ্দেশে যাচ্ছিল একটি বেসরকারি বাস। বৃহস্পতিবার ভোরে হেঁড়িয়া এলাকায় বাসটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। সেই কারণে বাসটি রাস্তার ধারে দাঁড় করানো হয়। বাসের মালিক, চালক এবং সহকারীরা মেরামতির কাজ করছিলেন। সেই সময় পিছন দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা একটি লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসে সজোরে ধাক্কা মারে। ধাক্কার জেরে ঘটনাস্থলেই গুরুতর জখম হন কয়েকজন।বিকট শব্দ শুনে স্থানীয় মানুষ ছুটে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসকেরা চারজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আহত তিনজনের অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর ঘাতক লরিটিকে আটক করেছে খেজুরি থানার পুলিশ। কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, দ্রুতগতির কারণেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে।

জুলাই ১৬, ২০২৬
দেশ

‘প্রভু অহংকার সয় না, তাই সরকারও টেকেনি’! মমতাকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য পুরীর জগন্নাথদেবের মুখ্য পানিগ্রাহীর

দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ ব্যবহার নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্ক ছিল। বিভিন্ন মহল আপত্তি তুললেও সেই নামেই মন্দিরের উদ্বোধন হয়েছিল। তবে সরকার পরিবর্তনের পর সেই ধাম শব্দ সরিয়ে দেওয়া হয়। এবার এই বিতর্কে নতুন করে মুখ খুললেন পুরীর জগন্নাথদেবের মুখ্য পানিগ্রাহী জগন্নাথ দয়িতাপতি। তাঁর দাবি, তিনি আগেই এই বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু তাঁর কথা শোনা হয়নি। তাঁর মন্তব্য, প্রভু কারও অহংকার সহ্য করেন না। সেই কারণেই সরকারও টেকেনি।এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জগন্নাথ দয়িতাপতি বলেন, তিনি কোনও রাজনীতি করেন না, শুধু ধর্মীয় বিধি ও শাস্ত্র অনুযায়ী মত প্রকাশ করেন। তাঁর বক্তব্য, চার ধামের অন্যতম হল পুরীর জগন্নাথ ধাম। তাই অন্য কোনও মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ ব্যবহার করা উচিত নয়। তিনি জানান, দিঘার মন্দিরের নাম নিয়ে আগেই আপত্তি জানিয়েছিলেন। কিন্তু সেই পরামর্শ মানা হয়নি।তিনি আরও বলেন, দেশে বহু জগন্নাথ মন্দির রয়েছে। কিন্তু ধাম হিসেবে স্বীকৃতি একমাত্র পুরীরই। তাই দিঘার মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ যোগ করা ধর্মীয় দৃষ্টিতে সঠিক ছিল না। তাঁর দাবি, এই বিষয়েই তিনি বারবার সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু সেই কথা গুরুত্ব পায়নি।জগন্নাথ দয়িতাপতি এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসাও করেন। তাঁর বক্তব্য, সরকার পরিবর্তনের পর দিঘার মন্দিরের নাম থেকে ধাম শব্দ সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে তিনি সঠিক বলে উল্লেখ করেন।এর আগে পুরীর প্রধান পুরোহিত রাজেশ দয়িতাপতিও একই ধরনের বক্তব্য রেখেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, দিঘার জগন্নাথ মন্দির প্রতিষ্ঠার সময়ই তিনি কয়েকটি বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। বিশেষ করে পাথরের মূর্তিতে প্রাণপ্রতিষ্ঠা এবং ধাম শব্দ ব্যবহারের বিরোধিতা করেছিলেন। পরে নিমকাঠের মূর্তি তৈরি হলেও ধাম শব্দটি সরানো হয়নি বলে তাঁর আক্ষেপ ছিল।দিঘার জগন্নাথ মন্দির ঘিরে এই বিতর্ক ফের নতুন করে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। বিশেষ করে মুখ্য পানিগ্রাহীর মন্তব্য ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

জুলাই ১৬, ২০২৬
কলকাতা

‘পশ্চিমবঙ্গের কিছু জেলা বাংলাদেশ হয়ে গিয়েছে’! বিস্ফোরক দাবি শমীকের, পুজো নিয়েও বড় বার্তা

রাজ্যে মৌলবাদের বাড়বাড়ন্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। বৃহস্পতিবার রথযাত্রার দিন কলেজ স্কোয়্যারে দুর্গাপুজোর খুঁটিপুজোয় যোগ দিয়ে তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলার পরিস্থিতি দেখে বাংলাদেশের কথা মনে পড়ছে। তাঁর অভিযোগ, বিভিন্ন জায়গায় এমন নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে যেখানে প্রদীপ জ্বালানো যাবে, কিন্তু শাঁখ বাজানো যাবে না। মরদেহের শেষকৃত্য করা যাবে, কিন্তু হরিবোল ধ্বনি দেওয়া যাবে না। স্বাধীন ভারতে এই ধরনের ঘটনা উদ্বেগের বলে মন্তব্য করেন তিনি।শমীক ভট্টাচার্যের দাবি, বাংলাদেশে দুর্গাপ্রতিমা ভাঙচুর, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বাধা এবং হিন্দুদের উপর হামলার যে অভিযোগ ওঠে, পশ্চিমবঙ্গের কিছু জায়গাতেও একই ধরনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে যেমন দুর্গাপুজোর সময় গান বন্ধ করে অন্য শব্দ বাজানো হয়, তেমন ঘটনাও এ রাজ্যের কিছু এলাকায় দেখা গিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, মুর্শিদাবাদ-সহ একাধিক জেলায় ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো প্রসঙ্গেও তৎকালীন তৃণমূল সরকারকে কটাক্ষ করেন বিজেপি সভাপতি। তাঁর বক্তব্য, একসময় দুর্গাপুজোকে শুধুমাত্র উৎসব হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু দুর্গাপুজো শুধু একটি উৎসব নয়, এটি বাঙালির ধর্মীয় বিশ্বাস এবং সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তিনি বলেন, প্রতিমাকে সরিয়ে রেখে শুধু থিম বা আলোর আয়োজন করলে মানুষ সেই পুজোর সঙ্গে একাত্ম হতে পারবেন না। দুর্গাপুজোর মূল আকর্ষণ দেবী দুর্গার আরাধনা, সেই ঐতিহ্য রক্ষা করতেই হবে।এদিন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গও তুলে আনেন শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনিষ্ঠতম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি পূর্ব পাকিস্তানে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে তিনি সরব হয়েছিলেন। সেই সময় তিনি বিভিন্ন মহলের সহযোগিতা চাইলেও শেষ পর্যন্ত একাই আন্দোলন চালিয়ে গিয়েছিলেন বলে দাবি করেন বিজেপি সভাপতি।রথযাত্রার দিন কলেজ স্কোয়্যার থেকে শমীক ভট্টাচার্যের এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। দুর্গাপুজো, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর একাধিক বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

জুলাই ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal