• ২৮ পৌষ ১৪৩২, বুধবার ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Meet

রাজ্য

ধর্মঘট চাইছেন না বাংলার মানুষঃ দিলীপ

কোথায় ধর্মঘট? বাংলার মানুষ ধর্মঘট চাইছেন না বলেই সিপিএম এবং কংগ্রেস দুই রাজনৈতিক দলকেই বিদায় দিয়েছে। বৃহস্পতিবার বহরমপুরে স্কোয়ার ফিল্ডে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে এই মন্তব্য করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, ধার্মিক দেশে ধর্মঘট নেই। এদিন দিলীপবাবু আরও বলেন, মুর্শিদাবাদে জেলায় আগে কংগ্রেস ও সিপিএম থাকলেও, তারা এখন ঠাণ্ডা হয়ে গিয়েছে। তৃণমূল থাকলেও, তারা এখন নিজেদের মধ্যে ঝগড়া মেটাতে ব্যস্ত। পশ্চিমবঙ্গে যে পরিবর্তন হবে তা বিজেপির হাত ধরেই হবে বলে মন্তব্য করেছেন দিলীপ ঘোষ। আরও পড়ুন ঃ কান্দিতে খুন তৃণমূল নেতা মুর্শিদাবাদের কান্দিতে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য খুন প্রসঙ্গে দিলীপবাবু বলেন, মুর্শিদাবাদে খুন নতুন কোনও ঘটনা নয়। মুর্শিদাবাদ জেলায় উগ্রপন্থী তৈরি হয়। সাধারণ মানুষের ভাবা উচিত মুর্শিদাবাদ জেলায় কি মারামারি আর উগ্রপন্থী তৈরি হবে, সঙ্গে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হবে, নাকি উন্নয়ন হবে? এছাড়াও এদিন তিনি মুর্শিদাবাদ জেলাকে দেশের মধ্যে সব থেকে গরিব জেলা এবং সমাজবিরোধীদের জেলা বলে দাবি করেন। এছাড়াও জেলাবাসীর কাছে তিনি আবেদন করেন, এখন ভাববার সময় এসেছে জেলার পরিস্থিতি কি এমনই থাকবে, নাকি উন্নয়নের হাত ধরে এগোবে।এদিন বেশ খোশ মেজাজে ছিলেন তিনি। ক্রিকেট ব্যাট হাতে নিয়ে মাঠে খেলতে নেমে পড়েন তিনি।

নভেম্বর ২৬, ২০২০
রাজনীতি

জনসভায় ধর্ষণ নিয়ে অশালীন মন্তব্য অগ্নিমিত্রার

ধর্ষণ নিয়ে বেলাগাম ও অশালীন মন্তব্য করলেন বিজেপি রাজ্য মহিলা মোর্চার সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। মঙ্গলবার তমলুকে বিজেপির ডাকা জেলাশাসকের দফতর ঘেরাও ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি ছিল। সেখানে ধর্ষণ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করতে গিয়ে কু মন্তব্য করে বসলেন অগ্নিমিত্রা। তিনি বলেন, মালদহতে দুদিন আগে একটা ৬ বছরের বাচ্চাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। তারকেশ্বরেও একই ঘটনা। কারা ধর্ষণ করছে জানেন? বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই তৃণমূল পার্টির যারা সদস্য বা সমর্থক, তারা ধর্ষণ করছে। দিদিমণি এদের বলে দিয়েছেন, শোন রে, তোদের তো চাকরি দিতে পারিনি! তাই এন্টারটেনমেন্টের জন্য শরীর গরম হয়ে গেলে তোরা গিয়ে ধর্ষণ করবি। তোরা গিয়ে ধর্ষণ কর। আর আমি মহিলাদের ক্ষতিপূরণের টাকা দিয়ে দেব। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দুকে নিয়ে কী বললেন সৌগত? তার এই মন্তব্যের সমালোচনায় সরব হয়েছেন সমাজের বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। এর আগেও ধর্ষণ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন বিজেপি নেত্রী। অগ্নিমিত্রার তোপ, রাজ্যে চাকরি-বাকরি নেই। ধর্ষণটাও একটা শিল্পের পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। এরপরেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে হুঙ্কার দেন অগ্নিমিত্রা, ১০ বছর ধরে বাংলায় যে অন্যায় চলছে তার হিসেব ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে নেবে বিজেপি।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
কলকাতা

সারা দেশে এক দল, এক ভাষা করতে চাইছে বিজেপিঃ সৌগত রায়

রাজ্য বিজেপি অন্তর্কলহে ক্লান্ত। বিজেপি মমতার সমান্তরাল মুখ তৈরি করতে পারছে না, যে কারণে ভিন রাজ্য থেকে বিজেপি নেতাদের নিয়ে আসছে। আমাদের আশঙ্কা তাঁরা এখানে বিভাজনের রাজনীতি করতে আসছেন। যাতে আমাদের রাজ্যের শান্তির পরিবেশ বিঘ্নিত হতে পারে। মঙ্গলবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠক করে এমনই অভিযোগ করলেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। তিনি আরও বলেন, বিজেপি দেশের অনেক রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছে। আবার যেখানে ক্ষমতায় ছিল না, সেখানে দলত্যাগে উৎসাহ দিয়ে বিজেপি-বিরোধী রাজ্য সরকারকে ফেলে দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি এটা করতে পারবে না। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সৌগত রায় বলেন, দেশে যেটা ঘটছে, সেটা আমাদের জন্য চিন্তার বিষয়। বিজেপি সারা দেশে এক দল, এক ভাষা করতে চাইছে। যা ভয়ঙ্কর চিন্তাভাবনা। আমাদের দেশের স্বশাসিত সংস্থাগুলি ধীরে ধীরে ভেঙে পড়ছে। আরও পড়ুন ঃ ৬০ বছর অবধি কাজের দাবিতে বিক্ষোভ সিভিল ডিফেন্স ভলেন্টিয়ারদের তিনি বলেন, রাজ্য সরকার কৃষকদের পাশে রয়েছে। কেন্দ্র কৃষকদের কথা ভাবে না। এমনিতে কেন্দ্রের কাছে রাজ্যের প্রাপ্যের পরিমাণ ৫০ হাজার কোটি টাকা। সেই টাকা মেটানো হচ্ছে না। এই সংকটের মধ্যে দিয়ে চলেও রাজ্য সরকার নিজের দায়িত্ব পালন করে চলেছে। নিজের রাজনৈতিক জীবনে রাজনীতির মান এতটা নীচে নামতে পারে তা কল্পনাও করতে পারেননি বলে দাবি করলেন সৌগত রায়।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
রাজ্য

কেন্দ্রের নতুন আইনে বেড়ে গিয়েছে কালোবাজারিঃ মমতা

কেন্দ্রের নতুন আইনে কালোবাজারি বেড়ে গিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই আলুপেঁয়াজের কালোবাজারিও বেড়ে যাবে। মঙ্গলবার বাঁকুড়ার প্রশাসনিক বৈঠকে এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন, রাজ্যের আলু যদি ফুরিয়ে যায় তখন কী করা যাবে জানি না। এদিন বন দফতরের কাজ নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করে তিনি বলেন, জেলায় ৮৭ শতাংশেরও বেশি কাজ বাকি রয়েছে বন দফতরের। তা দ্রুত সম্পন্ন করার পাশাপাশি হাতির হানায় মৃত্যু নিয়েও সচেতন থাকতে নির্দেশ দেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। পাশাপাশি পথশ্রী অভিযান নিয়েও জেলা প্রশাসনকে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করতে নির্দেশ দিলেন মমতা। ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিটি রাস্তা সারাইয়ের কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে সারা রাজ্যে নতুন আড়াই লক্ষ রাস্তা তৈরি হয়েছে। একইসঙ্গে এসসি, এসটিসহ অন্যান্য জাতি শংসাপত্রের আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করতে সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছেন মমতা। তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দেন, আবেদনকারীর পরিবারের কোনও একজনের যদি শংসাপত্র থাকে তবে তাঁকে দ্রুত জাতিগত শংসাপত্র দিতে হবে। ফেলে রাখা যাবে না। মুরগির ডিম উৎপাদনে বাঁকুড়া রাজ্যে শীর্ষে রয়েছে বলে এক আধিকারিক জানান বৈঠকে। তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী পোল্ট্রির পাশাপাশি হাঁসের ডিম উৎপাদনেও জোর দিতে বলেছেন। পাশাপাশি জনসংযোগ নিয়ে জেলা প্রশাসনকে আরও গুরুত্ব দিতে বলেন মুখ্যমন্ত্রী। বাড়ি বাড়ি গিয়ে লোকজনের অভাবঅভিযোগ শুনতে বলেছেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ করোনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে জিএসটি বাবদ বকেয়া দাবি মমতার এছাড়াও এদিন তিনি বাগদি, বাউরি ও মতুয়া কালচারাল বোর্ডের হেড কোয়ার্টার কোথায় হবে, দায়িত্বে কারা থাকবেন, তাও জানান। বাউরি কালচারাল বোর্ডের সদর দফতর বাঁকুড়ায় করা হচ্ছে। বাগদি বোর্ডের হেডকোয়ার্টার হচ্ছে বর্ধমানে। মতুয়াদের ঠাকুরনগরে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, বাউরি ও বাগদিরা পাবেন ৫ কোটি টাকা। মতুয়ারা পাবে দশ কোটি। এদিন অভাব-অভিযোগ শোনার মাঝেই মেজাজ হারিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আর কিছু চাইবেন না। সবসময় দাও আর দাও। টাকা কোথা থেকে আসবে? বাঁকুড়ার জন্য অনেক করেছি। সামনে ভোট আসছে। আগে ভাল করে ভোট করাও। তারপর বাকি সব হবে। নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, সমস্যার সমাধান করতে না পারলেও সাধারণ মানুষের কথা শুনুন।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
রাজনীতি

ভোল পালটে ছত্রধর মাহাতোকে দলে যোগ দেওয়ার বার্তা দিলীপের

ছত্রধর মাহাতোকে জেলে ঢুকিয়েছিল তৃণমূল সরকার। ভোট আসছে বলে তাকে আবার জেল থেকে বের করে আনা হয়েছে। সোমবার গোপীবল্লভপুরে জগদ্ধাত্রী পুজোর উদ্বোধনে আসেন দিলীপ ঘোষ।সেখানেই একথা বলেন তিনি। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ছত্রধর মাহাতোকে বলছি, আপনি যে লড়াই মানুষের জন্য করেছেন, যাঁর জন্য করেছেন তিনি আপনাকে জেলে পাঠিয়েছিলেন। আরও পড়ুন ঃ খেজুরিতে শুভেন্দুর কী বার্তা? কর্মসূচি বাতিল তৃণমূলেরও এবার ভোটের স্বার্থে আপনাকে জেল থেক বের করে রাজ্য কমিটিতে পদ দিচ্ছেন। আপনার স্ত্রীকে চাকরি দিয়েছেন। ভুলে যাবেন না, দিদিমণি আপনাকে বোকা বানিয়েছেন। উনি সারা রাজ্যের মানুষকে বোকা বানাচ্ছেন।এসব বাংলার মানুষ মেনে নেবে না। এরপর ছত্রধরের উদ্দেশে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য দিলীপের, আপনি আমাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। আমরা যা বলি তাই করি।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
রাজ্য

করোনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে জিএসটি বাবদ বকেয়া দাবি মমতার

অতিমারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে টিকাকরণ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার জন্য পশ্চিমবঙ্গও প্রস্তুত আছে। টিকাকরণের জন্য রাজ্যে প্রশিক্ষিত দক্ষ ব্যক্তি ও পরিকাঠামো প্রস্তুত। যত দ্রুত ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে, কেন্দ্র ও অন্যান্য সহযোগী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় রেখে তত তাড়াতাড়িই কাজ শুরু করে দেবে বাংলা। যাতে সবাই দ্রুত ভ্যাকসিন পায়, তা নিশ্চিত করা হবে। মঙ্গলবার করোনা পরিস্থিতি নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠকে মোদীকে একথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, সারা দেশে করোনার টিকার দিকে তাকিয়ে আছে। একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, দুর্গাপুজো, কালীপুজো, ছট প্রভৃতি উৎসব ও লোকাল ট্রেন পরিষেবা চালু হওয়া সত্ত্বেও রাজ্যে করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আছে। রাজ্যে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার কমেছে। সুস্থতার হার বেড়েছে। বাংলা একটি সংবেদনশীল রাজ্য, বাংলাদেশ-ভুটানের সীমান্ত এই রাজ্যে রয়েছে। দেশগুলি থেকে রোগীরাও বাংলায় চিকিৎসার জন্য আসে। ফলে বাংলাদেশে করোনা রোগীর পরিমাণ বাড়লে তা এ রাজ্যেও প্রভাব ফেলে। অন্যদিকে বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশার রোগীরাও এ রাজ্যে চিকিৎসার জন্য আসে। তা সত্ত্বেও অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় বাংলায় মৃত্যুর হার কম। অন্যান্য বছরে রাজ্যে এর চেয়ে বেশি মানুষ ডেঙ্গু, কিডনির রোগ বা হৃদরোগে মারা যেতেন। সে তুলনাতেও রাজ্যে এখনও পর্যন্ত মৃত্যুর হার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আরও পড়ুন ঃ রবীন্দ্রনাথ ঘোষের সঙ্গে বৈঠকের পরও একই অবস্থানে মিহির গোস্বামী এর আগেও বার বার কেন্দ্রের বিরুদ্ধে জিএসটি বকেয়া নিয়ে অভিযোগ করেছেন মমতা। তবে এবার সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর সামনে ভার্চুয়াল বৈঠকে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জিএসটি বাবদ রাজ্য কেন্দ্রের কাছ ৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা পায়। সেই টাকা কেন্দ্র দিচ্ছে না। এদিকে বিভিন্ন খাতে রাজ্যের খরচ বেড়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য ৪০০০ কোটি টাকা খরচ করে ফেলেছে। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যকে দিয়েছে মাত্র ১৯৩ কোটি টাকা।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
কলকাতা

কংগ্রেসের বক্তব্যের সঙ্গে বামেরা সহমত , তা নয়ঃ বিমান

কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনের ডাকা দেশব্যাপী ধর্মঘটের প্রস্তুতি নিয়ে আজ রাজ্যের বামপন্থী নেতৃত্ব বৈঠক করলেন। রাজ্যের সমস্ত জেলায় বামফ্রন্টের সবকটি শরিক দলের কর্মীরা রাস্তায় নেমে ধর্মঘট পালন করবে। কৃষি আইনের বিরুদ্ধে স্বাধীন প্রচার ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ওপর প্রতিবাদ কর্মসূচি নিয়েছে রাজ্য বামফ্রন্ট। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি, বেকারির কর্মসংস্থানের দাবি জানিয়ে রাজ্যজুড়ে লাগাতার আন্দোলন করবে তারা। দেশব্যাপী ধর্মঘটে রেল রোকো, রাস্তা অবরোধ, সহ একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়েছে বামফ্রন্টের কর্মীরা। আসন সমঝোতা নিয়েও এদিনের বৈঠকে আলোচনা হয়। আরও পড়ুন ঃ বিজেপির বিজয়া সম্মিলনীতে আমন্ত্রণ পায়নি বৈশাখী , না যাওয়ার সিদ্ধান্ত শোভনের আগামী বছরের বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে চলতি বছরের শেষ মাসে কংগ্রেসের সঙ্গে ফের বৈঠকে বসবে বামফ্রন্ট। রবিবার বামফ্রন্টের বৈঠক শেষে বিমান বসু বলেন, যৌথ কর্মসূচির মধ্যে দিয়েই সফল হবে জোট। কংগ্রেস একটা পৃথক দল। ওদের নিজেদের বক্তব্য থাকতেই পারে। এর মানে সেই বক্তব্যের সঙ্গে বামেরা সহমত, তা নয়। ওদের নিজস্ব স্বাধীনতা আছে। পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে আগে এরকম কখনও হয়নি, যেখানে আমরা একটি নির্দিষ্ট মুখকে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী করে এগিয়েছি। তাই এই নিয়ে আমাদের কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি।ইতিমধ্যেই রাজ্যে নির্বাচনের বুথের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। বুথ স্তরে বামপন্থী কর্মীরা যাতে মানুষের সঙ্গে জনসংখ্যা বৃদ্ধি করতে পারে সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

নভেম্বর ২২, ২০২০
রাজনীতি

বহিরাগত রয়েছেন তৃণমূলেওঃ দিলীপ

তৃণমূল রাজনীতি করতে গিয়েই বহিরাগত তত্ত্ব আমদানি করছে। শনিবার বহিরাগত ইস্যুতে সাংবাদিক বৈঠকে এমনই মন্তব্য করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তৃণমূলেও সে অর্থে বহিরাগত রয়েছেন। উদাহরণ হিসেবে তিনি দুই রাজ্য সভার সাংসদ কেডি সিং এবং আহমেদ হাসান ইমরানের প্রসঙ্গ তুলে আনেন। সঙ্গে টানেন পরিযায়ী শ্রমিক প্রসঙ্গও। তাঁর কথায়, পশ্চিমবঙ্গে যেসব লোক পরিযায়ী হয়ে বাইরে যায়, তাদের কি বহিরাগত বলা হয়? তারা ফিরে এলে কি চাকরি দিতে পারবে বর্তমান সরকার? দিন কয়েক আগে তিনি বাংলাকে গুজরাট বানানোর কথা বলায় রাজ্য জুড়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। আজও নিজের মন্তব্যেই অনড় থেকেই দিলীপ বলেন, বাংলাকে গুজরাট বানাব। বাঙালি সেখানে গিয়ে কোটিপতি হয়েছে। হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ বাঙালি শ্রমিক ওখানে কাজ করছে। আরও পড়ুন ঃ শুধু শুভেন্দু নয় , সৌগত রায় সহ আরও ৫ তৃণমূল সাংসদ যোগ দেবেন বিজেপিতেঃ অর্জুন এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রীকে রাজ্যপালের চিঠি দেওয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, রাজ্যপালকে উত্তর না দিলেও চলে যাবে। কিন্তু বাংলার মানুষকে উত্তর দিতেই হবে। আর তা না হলে তৃণমূলকে গলাধাক্কা দেবে বাংলার মানুষ। পাশাপাশি দিলীপবাবুর দাবি, বিজেপি তৃণমূলের লোক ভাঙানোর চেষ্টা করছে না। বরং তৃণমূলকে উচ্ছেদ করেই নতুন সরকার গড়বে বিজেপি। শনিবার বিবেকানন্দ পার্কে ছটপুজোর অনুষ্ঠানে সামিল হয়ে সেকথাই বলেন তিনি। বিজেপি রাজ্য সভাপতি বলেন, আমি কিংবা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাষ্ট্রপতি শাসন চাইলে হবে না। সাধারণ মানুষ ঠিক করবেন কী হবে আর না হবে। রাজ্যপাল আছেন। তিনি কেন্দ্রকে জানাবেন। দিলীপবাবু বলেন , আত্মবিশ্বাস কমে গিয়েছে বলেই রবীন্দ্র ও সুভাষ সরোবরের সামনে এত বেশি পরিমাণে পুলিশ মোতায়েন করেছে রাজ্য সরকার। তিনি আরও বলেন, বিয়ে, অন্নপ্রাশন সবকিছুতে রাজনীতি হয় বাংলায়। একটা দল সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে চায় বাংলায়। এভাবে কাউকে আটকানো যায় না।

নভেম্বর ২১, ২০২০
কলকাতা

কেন্দ্রে এখন ফেক নিউজের সরকার চলছেঃ কাকলি

বাংলায় এখন শান্তি ফিরেছে। বিজেপি বাংলার সংস্কৃতি মানে না। বহিরাগত ইস্যুতে এবার সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপিকে আক্রমণ করলেন তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। এদিন তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন, বাংলার সম্মান, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতিকে অপমান করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এছাড়াও তিনি বলেন , কেন্দ্রীয় সরকারের উদাসীনতা এবং ভুল নীতিতেই করোনার প্রকোপ ক্রমশ বেড়েছে। যখন আমরা সংসদে এ নিয়ে জানুয়ারিতে বলেছিলাম, তখন আমাদের বলা হয়েছিল বাচ্চাদের মতো কথা বলবেন না, বসে পড়ুন। লকডাউনে অসংখ্য দিনমজুর মারা গিয়েছে। শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনেই ৯০ জন অভিবাসী মারা গিয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকার কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। লকডাউনে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছেন। সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে এগিয়ে এসেছে রাজ্য সরকার। সেই জায়গায় অভিবাসী শ্রমিকদের কথা ভাবেনি কেন্দ্রীয় সরকার। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে নারী নির্যাতনের অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি ধনকড়ের তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার ফেক নিউজের সরকার। মিথ্যাচার করার জন্য হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খোলা হয়েছে। ২০২১ বিধানসভা ভোটে রাজ্যের ক্ষমতা দখলে সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে বিজেপি। যা বাংলার মানুষ মেনে নেবে না বলে উল্লেখ করে কাকলি বলেন, দেশে এখন ভয়ানক পরিস্থিতি চলছে। ভারতে দলিতদের উপর অত্যাচার চলছে। দলিতরা সুরক্ষিত নয়। দেশে নারীসুরক্ষা তলানিতে। গণপিটুনি চলছে। ধর্মের নামে ভাগাভাগি চলছে। অন্যদিকে , এদিন সকালে অর্জুন সিং শুভেন্দুকে বিজেপিতে স্বাগত জানিয়েছেন। সে প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তৃণমূল সাংসদ বলেন, অর্জুন সিং কি শুভেন্দু অধিকারীর মুখপাত্র ? শুভেন্দু অধিকারী দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা । একজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী ।

নভেম্বর ২১, ২০২০
রাজনীতি

অনেকেই মনে করছেন , রাজ্যে ৩৫৬ প্রয়োগ হোকঃ দিলীপ

আমরা কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি করিনি। বাংলার মানুষ যদি চায় , তাহলে আমাদের ভাবতে হবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন চাওয়া প্রসঙ্গে শুক্রবার এই মন্তব্য করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দলের রাজ্য দফতরে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, রাজ্যে যেভাবে বিরোধীদের কন্ঠ রোধ করা হচ্ছে , গ্রেফতার করা হচ্ছে , শেষকৃ্ত্যে সামিল হতে গেলে বিজেপি জনপ্রতিনিধিদের মামলা দেওয়া হচ্ছে , তাতে অনেকেই মনে করছেন রাজ্যে ৩৫৬ ধারা প্রয়োগ করা হোক। আরও পড়ুন ঃ খুনের রাজনীতি বন্ধে প্রয়োজনে ব্যবস্থা নেওয়া হবেঃ বাবুল দিলীপবাবু এদিন আরও বলেন, আমরা আমাদের দলের লোকদের নিয়ে কাজ করছি। যারা আসছেন , তারা আমাদের সহযোগিতা করতে আসছেন তৃণমূল বলুক , পিকে বহিরাগত না দলের? তার কথাতেই দল চলছে। তার বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত দলের বহু নেতা। কই আমাদের দলে তো তা নয়। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক যে বক্তব্য রাখছেন , সে বিষয়ে তিনি বলেন , মন্ত্রীদের বক্তব্যের ক্ষেত্রে সীমা থাকা উচিত। তিনি আরও বলেন , নির্বাচনকে ভয় পাচ্ছে। বাংলার মানুষকে পুলিশ ও গুন্ডা দিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে। শুভেন্দু প্রসঙ্গে তিনি বলেন , মুষলপর্ব শুরু হয়েছে তৃণমূলে। ওদের দলে যে বিদ্রোহ শুরু হয়েছে , পরে তা আরও বাড়বে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ ঘোষ বলেন, বাংলাকে গুজরাত বানাবই। ওরা পারলে আটকে দেখাক। এদিন বিভিন্ন দল থেকে বিজেপিতে কয়েকশো কর্মী যোগ দেন। যারা এদিন বিজেপিতে যোগ দিলেন তারা হলেন , নন্দীগ্রাম ২ নং ব্লক বয়াল ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পবিত্র কর , উপপ্রধান বিশ্বজিৎ ভুইয়্যা , তুহীন জানা । এছাড়াও বিভিন্ন বিভিন্ন অঞ্চলের বুথ সভাপতিও তৃণমূলে যোগ দেন।

নভেম্বর ২০, ২০২০
কলকাতা

বহিরাগতদের মানে না বাংলার মানুষঃ চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য

যে কোনও রাজ্য থেকেই বাংলায় মানুষ আসুন না কেন, যে রাজ্য থেকেই মানুষ এসে বাংলায় থাকুন না কেন, আমাদের রাজ্যের মানুষ তাদের স্বাগত জানান। বাংলা এমনই একটা রাজ্য। কিন্তু যদি কোনও বহিরাগত তাদের অদ্ভুত চিন্তা এবং স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেবেন বলে লাল চক্ষু দেখান, তাহলে সেই বহিরাগতদের বাংলার মানুষ মানেন না। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করে এমনই মন্তব্য করলেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। যাদেরকেই বাংলায় পাঠানো হচ্ছে, তাদের কারোর বাংলার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য সম্পর্কে কোন রকম জ্ঞান নেই বলেই এদিন দাবি করলেন মন্ত্রী। বলেন, তারা বাংলার অলিগলি চেনেন না, বাংলার ২৩টি জেলা চেনেন না, বাংলার ৩৮,৬০০ গ্রাম চেনেন না, বাংলার ১০ কোটি মানুষের জন্য কখনও কিছু ভাবেননি। চন্দ্রিমার কথায়, বাংলা উন্নয়নের তীর্থস্থান। উন্নয়নের তীর্থস্থানের তীর্থযাত্রীর মতো যদি কেউ ভ্রমণ করতে আসেন তাহলে কোন আপত্তি নেই। কিন্তু দিবাস্বপ্ন দেখার যে লোভ তাদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে, সেই বিষয় নিয়ে আপত্তি রয়েছে। আরও পড়ুন ঃ রবীন্দ্র-সুভাষ সরোবরে ছট পুজো নয়, নির্দেশ সুপ্রিম কো্র্টের চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এদিন কেন্দ্রের আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পকে কটাক্ষ করে বলেন , ওই প্রকল্পে দেশের ৫০ কোটি মানুষ সুবিধা পাবে। ৮০ কোটি মানুষ পরিষেবার বাইরে থাকবেন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্প তার আনেক আগে চালু হয়েছে। এই প্রকল্পে রাজ্যের ১০ কোটি বাসিন্দার মধ্যে ৭.৫ কোটি ইতিমধ্যে পরিষেবা পাচ্ছেন। তাছাড়া আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের ৪০ শতাংশ টাকা রাজ্য সরকারকে দিতে হবে। এছাড়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দূরদর্শিতাতেই প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে মেডিক্যাল কলেজ পর্যন্ত বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা পাওয়া যায় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দুর সঙ্গে মান-অভিমান চলছে তৃণমূলেরঃ দিলীপ

পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দাদের মোদির উপর ভরসা আছে। মোদি তো বাংলার লোক নন। আমরা সর্বভারতীয় পার্টি আমাদের সিস্টেম অনুযায়ী পার্টি চলে। বৃহস্পতিবার সকালে ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে এসে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে এভাবেই তোপ দাগলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, যাদের নেতারা আজকে ভয় পাবলিকের সামনে যাচ্ছে না, তারাই একথা বলবে। তাদের কোন মুখ নেই। সব মুখে কালি লেগে গিয়েছে। তারা এ কথা বলবে বাংলার বিজেপি কর্মীরা লড়াই করছে বলে একশ কুড়িজন বিজেপি কর্মী প্রাণ দিয়েছেন। আজও আমি বর্ধমান যাচ্ছি একটা কেসের জামিন নিতে। আমরা লড়াই করছি তাতে তৃণমূলের দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নিশ্চয়ই দেখতে আসবেন। আমাদের সারাদেশে পার্টি চলে। বাংলার বিজেপি সঙ্গে সারাদেশের বিজেপি আছে, বাংলায় পরিবর্তন হচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ বহিরাগতদের নিয়ে এসে রাজ্যে শান্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছেঃ সুখেন্দুশেখর রায় এছাড়াও শুভেন্দু অধিকারীর মানভঞ্জনের প্রসঙ্গে টেনে দিলীপ ঘোষ বলেন, কে কাকে বোঝাবে এটা ওদের ঘরের ব্যাপার। মান অভিমান চলছে। আজকে কেন বোঝাতে হচ্ছে? পার্টির যারা বফাদার সৈনিক প্রাণ হাতে করে লড়াই করেছে তাদের মন বদলে যাচ্ছে, সাধারণ মানুষের ভাবনা চিন্তা বদলে যাচ্ছে। ধোঁকা দিয়ে বেশি দিন চলে না। এই রাজনীতি সারা ভারতে বন্ধ হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে বন্ধ করে দেব। এদিন ছটপুজো প্রসঙ্গে দিলীপবাবু বলেন, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, উত্তরপ্রদেশ এই সব জায়গাতেই ছটপুজো একটাই বড় উৎসব হিন্দি ভাষীদের। বহু মানুষ নিষ্ঠার সঙ্গে এই পুজো পালন করেন। এতদিন সরকারের ছট নিয়ে কোন চিন্তা ছিল না। কোর্ট যেহেতু রায় দিয়েছে সরোবরে ছট পুজো বন্ধ করা নিয়ে, তাই সরকার এই সব দেখাচ্ছে। আসলে হিন্দিভাষী ভোটের জন্য এই সব করছে। ছট পুজো যাঁরা করেন তাঁরা বহু বছর ধরে পূজো করে আসছেন। এতদিন সামাজিকভাবে লোকেরাই ব্যবস্থা করত। আজ সরকারের কেন মাথা ব্যথা হয়েছে? হিন্দি ভাষীদের ভোটের দরকার আছে। এতদিন হিন্দি ভাষীদের কথা মনে পড়েনি। এতদিন তাদেরকে বাইরের লোক বলে চালিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ঠেলার নাম বাবাজি ভোট বড় বালাই তার জন্যই এত কিছু করছেন। প্রসঙ্গত গতবছর ছট পূজাকে কেন্দ্র করে রবীন্দ্রসরোবরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছিল। সেই প্রসঙ্গেও সরব হন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, সরকার সফল নয় সব জায়গায়। সরকারের ধারণা থাকা উচিত কত মানুষ সেখানে আসেন। তাতে ধর্মীয় ভাবাবেগে যাতে আঘাত না আসে সেটা দেখা উচিত। এত বছর ধরে এই পরম্পরা আমরা করে আসছি। হঠাৎ করে বললে মানুষ এগুলো মেনে নেবে না বিকল্প ব্যবস্থা করতে হবে। ছট পূজাতো হবেই। সেটা ভালো করে ব্যবস্থা করা করার দায়িত্ব সরকারের। অন্যান্য জলাশয়কে পরিস্কার করে সেখানে ব্যবস্থা করা উচিত। আমরা চাই যাঁরা এই পুজো করেন তাঁরা যেন নিষ্ঠার সঙ্গে পুজো করতে পারেন।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
দেশ

পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নের কাজে হাত মেলাতে চান , তারা চলে আসুনঃ দিলীপ

পশ্চিমবাংলায় মহিলাদের ধর্ষণ হওয়ার পর তো এফআইআর নেওয়া হয় না। রোজ মহিলাদের দেহ উদ্ধার হচ্ছে। তার কোনও তদন্ত হয় না , বিচারও হয় না। বুধবার দিল্লিতে স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠকের পর এই মন্তব্য করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।গরু পাচার কাণ্ডে বিএসএফ আধিকারিক গ্রেফতার নিয়ে তিনি বলেন , মাথাগুলি ধরা পড়েছে , অনেক দূর অব্দি হাত যাবে। এক - দেড় মাসের মধ্যে আরও অনেক মাথা গ্রেফতার হয়েছে , তা দেখতে পাব। তিনি আরও বলেন , পুলিশ টিএমসি ক্যাডারের মতো কাজ করছে। তাদের দলের বিধায়ক খুনের ঘটনায় তো নিজের দলের লোকের হাত ছিল , তবুও বিজেপির এমপির বিরুদ্ধে কেস করেছে। আরও পড়ুন ঃ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে কথা মোদির যারা যারা পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নের কাজে হাত মেলাতে চান , তারা চলে আসুন। আমি তো সিলিন্ডার নিয়ে বসে আছি , যারা আসতে চান , তারা চলে আসুন। তৃণমূলের প্রতি প্রতিদিনই বিভিন্ন নেতারা অনাস্থা প্রকাশ করছে। এর থেকে এটাই প্রমাণিত হচ্ছে , তৃণমূল রাজ্যে আর ক্ষমতায় আসবে না। বহিরাগত প্রসঙ্গে তিনি বলেন , বহিরাগত আবার কি? সর্বভারতীয় দলের নেতারা যে কোনও রাজ্যে আসতেই পারে। চিন থেকে এসছি নাকি আমরা! বাংলাদেশিদের তো স্বাগত জানান এবং আমাদের বহিরাগত বলছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নরেন্দ্র মোদি তো গুজরাতের লোক , তিনি রাজ্যে আসবেন না ? প্রশ্ন তোলেন দিলীপবাবু।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
কলকাতা

প্রতি মাসেই রাজ্যে অমিত শাহ ও জেপি নাড্ডাঃ দিলীপ

সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা এবং অমিত শাহ ঘুরিয়ে ফিরিয়ে প্রতি মাসেই আসবেন। বুধবার দিল্লি যাওয়ার আগে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের এমনটাই জানালেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পরবর্তী দিনক্ষণ কী হবে, তা এখনও জানাননি। তবে জেনে যাব আমরা। অন্যদিকে , বাম-কংগ্রেস জোটকে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ বলেন, ওঁরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আগেও একবার লড়াই করেছেন। কিন্তু মানুষ সঙ্গ দেয়নি। মানুষ পুরনো কাসুন্দি আর ঘাঁটবে না। বাংলার মানুষ নতুন বিকল্প খুঁজছে।আর বাংলার মানুষের নতুন বিকল্প ভারতীয় জনতা পার্টি। বিজেপির হাত ধরে উন্নয়ন হোক এটাই সাধারণ মানুষ চাইছে। আরও পড়ুন ঃ প্র্য়াত কবি অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত গত লোকসভায় জোট নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। আগে তাও ৩০-৩২ শতাংশ ভোট ছিল এখন সেটা ১৩ শতাংশে নেমে এসেছে। বাংলার মানুষ পিছনে তাকাতে রাজি নয়।বাংলার মানুষ সবাইকে সুযোগ দিয়েছেন, সবাই স্বপ্নপূরণে ব্যর্থ হয়েছেন। এবার বিজেপির পালা। বিজেপির কর্মসূচিতে ভিড় দেখেই তা বোঝা যাচ্ছে। দিলীপবাবু আরও জানান , দলীয় কর্মসূচি নয়, দিল্লিতে সংদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠক আছে। এর আগে একাধিকবার বৈঠক বাতিল হয়েছে। তাছাড়াও শারীরিক অসুস্থতার কারণে যাওয়া হয়নি।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
রাজনীতি

সংখ্যালঘুদের জন্য কিছু করেনি তৃণমূলঃ দিলীপ

মিম কি করবে আমাদের হাতে নেই। মুসলিম ভোট আমরা নিয়ন্ত্রণও করি না। এখনও মুসলিম ভোটাররা পশ্চিমবঙ্গে আমাদের ভোট দেননি। যদি এখানকার মুসলিম ভোটাররা তৃণমূল , কংগ্রেস , সিপিএমকে ভোট না দিয়ে অন্য দলকে ভোট দেয় , তাহলে বুঝতে হবে ওরা মুসলিমদের ধোঁকা দিয়েছে। তাদের জন্য কিছু করেননি।তাই তারা বিকল্প খুঁজছেন। বিজেপিকে বিকল্প মনে করছে ওরা। মঙ্গলবার এই মন্তব্য করেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বিরসা মুন্ডার মূর্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওখানে একটা বিরসা মুন্ডার ছোট মূর্তি ছিল , জেলা প্রশাসন ওটাকে সরিয়ে দিয়ে নতুন মূর্তি লাগিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ সিপিএম ছেড়ে বিজেপিতে যোগ রিঙ্কু নস্করের তখন আদিবাসী ভাইয়েরা কোনও প্রতিবাদ করেননি কেন ? প্রতিবাদ করা উচিত ছিল। বিরসা মুন্ডাকে কেউ দেখেননি। অমিত শাহ যখন মালা দিয়েছেন , ওটা বিরসা মুন্ডার মূর্তি। তিনি আরও বলেন , বিজেপির আইটি সেল কুৎসা প্রচার করলে আদালতে যান তারা। দিলীপবাবু আরও বলেন , তৃণমূলে থাকবেন না বিজেপিতে যাবেন , তা স্পষ্ট করে বলুন শুভেন্দু অধিকারী।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
রাজনীতি

একুশের লড়াইয়ে বাংলায় বিজেপির দায়িত্বে ৫ কেন্দ্রীয় নেতা

রাজ্যের ৫ সাংগঠনিক জোনের দায়িত্ব দেওয়া হল ৫ কেন্দ্রীয় নেতাকে। মঙ্গলবার হেস্টিংসে দলের কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় নেতা এবং রাজ্য নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিজেপির পশ্চিমবঙ্গের সহকারি পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য। উপস্থিত ছিলেন সর্বভারতীয় সাংগঠনিক নেতা বি এল সন্তোষ , কৈলাস বিজয়বর্গীয়, অরবিন্দ মেনন, দিলীপ ঘোষ , মুকুল রায় , রাহুল সিনহা , অনুপম হাজরা প্রমুখ। মোট ৬ জন কেন্দ্রীয় নেতার উপস্থিতিতে বৈঠকে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, দলের পাঁচ সাংগঠনিক জোনে রাজ্য নেতাদের উপরে পর্যবেক্ষক ও আহ্বায়কের দায়িত্ব থাকবেন পাঁচ কেন্দ্রীয় নেতা। ঠিক হল, মেদিনীপুর, হুগলি ও হাওড়া দেখবেন সুনীল দেওধর, রাঢ়বঙ্গ দেখবেন বিনোদ সনকার, কলকাতা দেখবেন দুষ্ম্যন্ত গৌতম, নবদ্বীপ দেখবেন বিনোদ তাওরে এবং উত্তরবঙ্গ দেখবেন হরিশ দ্বিবেদী। আরও পড়ুন ঃ এই দল আমার নয়, হতে পারে নাঃ মিহির গোস্বামী এই পাঁচটি জোনের নতুন দায়িত্বে আসা নেতারা আগামী ১৮ থেকে ২০ নভেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট জোনের জেলা নেতৃ্ত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসে গোটা পরিস্থিতি বুঝে নেবেন। সেইমতো পরবর্তী পরিকল্পনা তৈ্রি হবে। বৈঠক শেষে অনুপম হাজরা সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানিয়েছেন , প্রত্যেকটি বুথে সপ্তাহে একটা করে অন্তত কর্মসূচি যাতে হয় , সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। যারা মান - অভিমান করে দলের থেকে দূরে সরে গিয়েছিলেন , তাদের সামনের সারিতে নিয়ে এসে লড়াইয়ের কথা বলা হয়েছে এদিনের বৈঠকে। এছাড়াও এদিনের বৈঠকে আলোচনায় উঠে আসে কোথায় কোথায় দলের সাংগঠনিক দুর্বলতা আছে। সেখানে তা দ্রুত মেরামতের ব্যবস্থা করতেও বলা হয়েছে।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
কলকাতা

দলিতদের প্রতি অত্যাচার এই রাজ্যে হয় নাঃ শশী পাঁজা

বিজেপিকে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। মহারাষ্ট্র, বিহার, দিল্লি সব জায়গাতেই ভোট শেয়ার কমেছে বিজেপির। মঙ্গলবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক সম্মেলন করে এই মন্তব্য করেন রাজ্যের নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা। এদিন তৃণমূল মিডিয়া সেন্টার সেলের পক্ষ থেকে সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে তিনি আরও বলেন, নারী ক্ষমতায়নে দেশের মধ্যে বাংলা প্রথম। কন্যাশ্রী প্রকল্পের জন্য ৯ হাজার ৩৮৯ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ২০১৬-তে চালু হওয়া স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের কার্ড বাড়ির মহিলাদের নামেই করা হয়, এর ফলে তাঁর বাপের বাড়ির লোকজনও এই প্রকল্পে বিনামূল্যে চিকিৎসা পাবেন। রাজ্যের ১ কোটি ৪২ লক্ষ পরিবারের প্রায় সাড়ে সাত কোটি মানুষ এই প্রকল্পের আওতায় রয়েছেন। শুধু স্বাস্থ্য সাথীই নয়। রূপশ্রী প্রকল্পের দিকটিও তুলে ধরেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ কোভিড সংক্রমণে মৃত্যু কলকাতা পুলিশের কনস্টেবলের ২০১৮-তে শুরু হওয়া এই প্রকল্পে এখনও পর্যন্ত ৫ লক্ষ ৫৮ হাজার মেয়ে এই সুবিধা পেয়েছে। প্রায় ১৪০০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে এই প্রকল্পে। পাশাপাশি রাজ্যের মহিলাদের জন্য পৃথক পুলিশ স্টেশন ২০১১-এর আগে ছিল না বলেও দাবি করেন তিনি। দলিতদের উপর অত্যাচারের প্রসঙ্গে রাজস্থান ও উত্তরপ্রদেশের তুলনা টেনে শশী পাঁজা বলেন, অনেক রাজ্যেই দলিতদের প্রতি নির্যাতন বেশি হয় । তবে আমাদের রাজ্যে হয় না । এছাড়াও তিনি বলেন , ৪৬টি ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট মহিলা দ্বারা পরিচালিত। শুধু তাই নয়, মাদারস অ্যান্ড চাইল্ড হাব, মাদারস পিকনিক, ওয়েটিং হার্টসের মতো সুবিধা শুধুমাত্র এই রাজ্যেই পাওয়া যায়।৬ মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটি ২ বছর পর্যন্ত বাড়িয়েছে তৃণমূল সরকারই। তিনি ক্ষোভপ্রকাশ করে বলেন , মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলার অনেক উন্নয়ন হচ্ছে। কিন্তু উন্নয়নমূলক কাজের কোনও প্রচার হচ্ছে না। ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে। এই ধরনের ভুয়ো ভিডিয়োর জন্য নাম না করে বিজেপিকে আক্রমণ করেন তিনি। শশী পাঁজা বলেন , কেন ডক্টরড ভিডিয়ো শেয়ার হচ্ছে ? যাঁরা এই ধরনের কাজ করছেন, তাঁরা উন্নয়নকে আড়াল করার জন্য এই ধরনের ভিডিয়ো ছড়াচ্ছেন।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
রাজনীতি

উত্তর ২৪ পরগণার সব আসন দখল করবঃ দিলীপ

বিধানসভা ভোটে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সব আসন ছিনিয়ে নেব, কীভাবে রুখবেন ভাবুন। ফের রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে এই মন্তব্য করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবারও প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়েছিলেন দিলীপবাবু। সেখানে তিনি আরও বলেন , একুশে বাংলার দায়িত্ব পাবে বিজেপিই। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেছিলেন , বিজেপি ভোটের জন্য বাংলায় অস্ত্র আনছে। খাদ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে বলেন, উনি নিজে যা যা করেছেন, এখন সে সবই বলছেন। লোক জানে কে কী করছে, হিসেব হবে একুশ সালে। আমরা সাধারণ মানুষের উপর ভরসা করি। তাঁদের সিদ্ধান্তই ঠিক। সবার চরিত্র তাঁরা জানে। আমরা পরীক্ষা দিতে রাজি আছি। ওনারাও পরীক্ষা দিক। আরও পড়ুন ঃ মমতা সরকারের শাসন এবার শেষ হবেঃ অমিত মালব্য আবগারি দপ্তর থেকে কাটমানি আসে বিজেপির দপ্তরে! জ্যোতিপ্রয় মল্লিকের এই অভিযোগের পালটা দিতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও আক্রমণ করেছেন বিজেপি সাংসদ। বলেন, যেমন নেত্রী, তেমন তাঁর চ্যালা! ওনার নেত্রী সেনাকে তোলাবাজ বলেছিলেন। যারা দেশের সেনাকে বিশ্বাস করে না, পুলিশে বিশ্বাস করে না। মানুষ তাঁদের বিশ্বাস করে না। হুমকির সুরে এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের জেলার দুটো আসন বিজেপি ইতিমধ্যেই দখল করেছে। বাকি গুলোও করব। প্রাতঃভ্রমণ সেরে এদিন রুরির কাছে চা চক্রে যোগ দেন সাংসদ। আলোচনা করেন বাংলার রাজনীতি নিয়ে।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
রাজনীতি

মমতা সরকারের শাসন এবার শেষ হবেঃ অমিত মালব্য

পিসির সরকারের দুর্নীতি, স্বজনপোষণ ও অরাজকতা দূর করতে বাংলার মানুষের ভোটে ২০০-এর বেশি আসনে জয় পাবে বিজেপি। রাজ্যে এসে এই মন্তব্য করলেন বিজেপির নবনিযুক্ত সহকারি পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য। দলের আইটি সেলের প্রধানকে ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন , ২০২১ নির্বাচনে বাংলার গৌরবময় অধ্যায় পুনঃস্থাপিত হবে। মমতা সরকারের শাসন এবার শেষ হবে। আরও পড়ুন ঃ বাংলাকে গুজরাত হতে দিতে চাই নাঃ ফিরহাদ বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে , কৈলাস বিজয়বর্গীয় ও অরবিন্দ মেননের সঙ্গে আগামী বিধানসভা ভোটের আগে এখানে পুরোদস্তুর সক্রিয় থাকবেন মালব্য। মূলত বিজেপির হয়ে ডিজিটাল প্রচারে ঝড় তোলার কাজটা করবেন তিনি। তার আগে সাংগঠনিক বৈঠকে যোগ দিতেই তার রাজ্যে আগমন। প্রসঙ্গত , সম্প্রতি রাজ্য সফরে এসে অমিত শাহ ঘোষণা করেছিলেন , ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনে ২০০ -র বেশি আসন পেয়ে সরকার গড়বে বিজেপি। এদিন সেই একই মন্তব্য অমিত মালব্যের গলায় শোনা গেল।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
রাজনীতি

একবার সুযোগ দিন , বাংলাকে গুজরাত বানিয়ে দেবঃ দিলীপ

জ্যোতিপ্রিয় কোথায় দাঁড়াবেন শুধু বলুন। যে কেন্দ্রেই দাঁড়াবেন, ওঁকে হারিয়ে দেব। ওঁকে আর মানুষ চায় না। সোমবার রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রীকে এভাবেই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সোমবার বারাসতের কলোনি মোড়ে চা চক্রে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। এদিন দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, এক বার সুযোগ দিন। আমরা বাংলাকে গুজরাত বানাবো। যাতে বাংলার মানুষকে পরিযায়ী শ্রমিক হয়ে গুজরাতে না যেতে হয়। দিদিমনির পাপের বোঝা বাংলাকে বইতে হচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ সন্ত্রাসবাদীদের আখড়ায় পরিণত হয়েছে বাংলাঃ দিলীপ তাঁর অভিযোগ , তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যের কোনও পরিবর্তন হয়নি। যা কিছু হয়েছে শুধুমাত্র দিদির ভাই আর ভাইপোর হয়েছে। কেন্দ্র কৃষকের জন্য প্রকল্প নিয়েছে । সারা দেশের কৃষক সেই প্রকল্পের সুযোগ পাচ্ছে। বঞ্চিত হচ্ছে শুধুমাত্র এ রাজ্যের কৃষকরা। বাংলা জুড়ে দাঙ্গার রাজনীতি করছে তৃণমুল। বাদুড়িয়া, বসিরহাট,মালদহ,আসানসোল সর্বত্র দাঙ্গা হয়েছে এই তৃণমূলের শাসনে ৷ মুর্শিদাবাদে প্রচুর জঙ্গিও তৈরি হচ্ছে। রাজ্যে আল কায়দা ঘাঁটি গেড়েছে । আর এই সবই হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আঁচলের তলায়। তিনি কিছুই করছেন না। এছাড়াও উদ্বাস্তু অধ্যুষিত উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় দাঁড়িয়ে ফের নাগরিকত্ব আইনে সকলকে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে বলে জানান তিনি। আমফানের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য আবার কেন্দ্র টাকা দিয়েছে। সেটাও মানুষের কাছে আদৌ পৌঁছবে কি না তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন , কেন্দ্রের পাঠানো টাকা যাতে মানুষের কাছে পৌছয় , তার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে নজরদারি করতে হবে।

নভেম্বর ১৬, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • ›

ট্রেন্ডিং

শিক্ষা

পৌষের গন্ধে গ্রামবাংলা: পিঠে, ঘুড়ি আর লোকজ জীবনের উৎসব

পৌষ নামলেই গ্রামবাংলার হাওয়া বদলে যায়। ভোরের কুয়াশা আরও ঘন হয়, খড়ের গাদায় রোদ্দুর বসে, আর মাটির উঠোনে ভেসে আসে চাল ভাপার সোঁদা গন্ধ। এই সময়েই বাঙালির ঘরে ঘরে আসে এক লোকজ উৎসবপৌষ পার্বণ, যাকে গ্রামবাংলা আদর করে ডাকে পিঠে পার্বণ বলে।এই উৎসব কোনও মন্দিরে বাঁধা নয়, কোনও মন্ত্রে আবদ্ধ নয়। এ উৎসব ছড়িয়ে থাকে উঠোনে, রান্নাঘরে, খোলা মাঠে আর মানুষের মুখের হাঁসিতে। নতুন ধান ওঠার আনন্দে কৃষকের ঘরে যে তৃপ্তি, তারই রসায়ন মিশে যায় পিঠের নরম স্বাদে।গ্রামবাংলার মায়েদের কাছে পৌষ পার্বণ মানে শুধু রান্না নয়এ এক সামাজিক আচার। ভোর থেকে শুরু হয় চাল ভেজানো, বাটা, খোলায় নলেন গুড় বসানো। মাটির উনুনে ধোঁয়া ওঠে, কাঁসার থালায় সাজে ভাপা পিঠে (সিদ্ধ পিঠে), সরু চাকলি, পাটিসাপটা। দুধ পুলির ভেতর গুড় আর নারকেলের মিশেলে লুকিয়ে থাকে দিদিমা-ঠাকুমার হাতের ছোঁয়া, যা কোনও রেসিপির বইয়ে লেখা নেই।লোকসংস্কৃতির এই পরম্পরায় পিঠে শুধু খাবার নয়, এক ভাষা। সেই ভাষায় কথা বলে মমতা, আতিথেয়তা আর ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ। পৌষের সকালে প্রতিবেশীর ঘরে পিঠে পাঠানো যেমন রীতি, তেমনই রীতি একসঙ্গে বসে খাওয়ারধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ ছাপিয়ে।পৌষ সংক্রান্তির আর এক অবিচ্ছেদ্য ছবি আকাশ। নীল আকাশ জুড়ে রঙিন ঘুড়ির উড়ান যেন লোকশিল্পের চলমান ক্যানভাস। যা দেখে কবির সুমন (তখন সুমন চট্টোপাধ্যায়) লিখেছিলেন পেটকাটি চাঁদিয়াল মোমবাতি বগ্গা - আকাশে ঘুড়ির ঝাঁক, মাটিতে অবজ্ঞা। রাঢ় বঙ্গের অন্যতম জনবহুল বর্ধমান শহরে ও তার আশপাশের গ্রামগুলিতে এই দিনে ঘুড়ি ওড়ানো শুধু খেলা নয়, এক উৎসব, সকাল চা খেয়েই ছাদে জড়ো আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা, চোখ বন্দি আকাশে, ছাদে-ছাদে চটুল হিন্দি গানের ভিতরেই ভেসে আসছে একটাই আওয়াজ ভো-কাট্টা। দামোদরের পাড়ে বসা আদিবাসী ও উপজাতিদের মেলায় ঘুড়ির সঙ্গে মিশে যায় ঢাক, ধামসা, মাদল ও বাঁশির সুর। লোকনৃত্য, হস্তশিল্প আর খোলা মাঠের এই মিলনমেলা যেন বাংলার বহুত্বকে এক সুতোয় বেঁধে রাখে।এই মেলায় দেখা যায় সাঁওতাল, বাউরী, বাগদি সমাজের নিজস্ব সংস্কৃতিনতুন রঙিন পোশাক, পায়ের তালে মাটির ছন্দ দিরি দিম দিম বোল তোলে। আধুনিক শহুরে জীবনের বাইরে দাঁড়িয়ে এই লোকজ উৎসব আমাদের মনে করিয়ে দেয়সংস্কৃতি মানে শেকড়ের সঙ্গে সংযোগ।আজ শহরের ফ্ল্যাটবাড়িতে পিঠে আসে বাক্সবন্দি হয়ে, ঘুড়ি ওড়ানো হয় ছাদের কোণে দাঁড়িয়ে। তবু পৌষ পার্বণ এলেই মন ছুটে যায় গ্রামেমাটির ঘর, খোলা উঠোন আর আগুন পোহানো বিকেলের দিকে। কারণ এই উৎসব আমাদের শেখায়, উৎসবের আসল সৌন্দর্য জাঁকজমকে নয়, বরং মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের উষ্ণতায়।পৌষ পার্বণ তাই শুধুই একটি দিন নয়এ এক স্মৃতি, এক গন্ধ, এক জীবন্ত লোকসংস্কৃতি। সময় বদলায়, রূপ বদলায়, কিন্তু পিঠের ধোঁয়ার সঙ্গে মিশে থাকা গ্রামবাংলার আত্মা আজও অটুট।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যের খেসারত, ভারতকে ফের শুল্কের ফাঁদে ফেললেন ট্রাম্প

বছরের শুরুতেই ভারতের উপর ফের শুল্কের আঘাত আনল আমেরিকা। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করবে, তাদের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। সেই তালিকায় ভারতের নামও রয়েছে। গত অর্থবর্ষে ইরানের সঙ্গে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য করেছে ভারত।বর্তমানে আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের প্রশাসনের বিরুদ্ধে ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। সেই আন্দোলনের প্রতি প্রথম থেকেই সমর্থন জানিয়ে আসছেন ট্রাম্প। এমনকি প্রয়োজন হলে ইরানের উপর সামরিক হামলার পরিকল্পনার কথাও তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন। এই পরিস্থিতিতে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যকারী দেশগুলির উপর কড়া অবস্থান নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।সোমবার নিজের সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লেখেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করছে, তারা আমেরিকার সঙ্গে ব্যবসা করতে গেলে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে বাধ্য হবে। এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও জানান তিনি।ইরানের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য করে চিন। তবে ভারতের সঙ্গেও তেহরানের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। তেহরানে ভারতীয় দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারত ইরানে প্রায় ১২০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময়ে ইরান থেকে ৪৪ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬৪ কোটি ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় আনুমানিক ১৪ হাজার কোটি টাকা। এই বাণিজ্যের মধ্যে রয়েছে রাসায়নিক দ্রব্য, ফল, বাদাম, তেল এবং জ্বালানি জাতীয় পণ্য।ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করার কারণেই এবার ভারতের উপর বাড়তি শুল্ক চাপাল আমেরিকা। এর আগে রাশিয়া থেকে তেল কেনার অভিযোগে ভারতের উপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। ফলে তখন ভারতীয় পণ্যের উপর মার্কিন শুল্কের হার পৌঁছেছিল ৫০ শতাংশে। এবার ইরান ইস্যুতে আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক যুক্ত হওয়ায় মোট শুল্কের পরিমাণ দাঁড়াল ৭৫ শতাংশ। এই সিদ্ধান্ত ভারতের রপ্তানি বাণিজ্যে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

রণক্ষেত্র ইরান, আমেরিকার হামলার হুঁশিয়ারি, আগুনে ঘি ঢালল খামেনেই

ইরানকে ঘিরে চরম উত্তেজনা। একে অপরকে প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে গিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। ট্রাম্প যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সেনা হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পাল্টা খামেনেই ট্রাম্পকে পরাজিত ও অত্যাচারী শাসক বলে কটাক্ষ করেছেন।ইরানে সরকার-বিরোধী আন্দোলন দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। দেশের বহু শহরে বিক্ষোভ চলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ইন্টারনেট ও ফোন পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। তা সত্ত্বেও মূল্যবৃদ্ধি, দুর্নীতি ও দমনপীড়নের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ থামছে না। নির্বাসিত নেতা রেজা পহেলভিকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিও জোরালো হয়েছে। এই আবহে ট্রাম্পের সঙ্গে পহেলভির কথোপকথনের খবর সামনে এসেছে। আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানো বন্ধ না হলে আমেরিকা চুপ করে থাকবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকেই ট্রাম্প স্পষ্ট বার্তা দেন, ইরানে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না তাঁর প্রশাসন। এমনকি ইরানে স্টারলিংক পরিষেবা চালুর পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, ইরান আলোচনার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। যদিও তেহরান সেই দাবি নাকচ করে জানিয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে অশান্তি ছড়ানোর মূল্য চোকাতে হবে আমেরিকাকে।সরকারি টেলিভিশনে ভাষণ দিয়ে খামেনেই ট্রাম্পকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ট্রাম্প একজন অযোগ্য ও অত্যাচারী শাসক। আগে নিজের দেশ সামলাক। খামেনেই দাবি করেছেন, খুব শীঘ্রই বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আসবে। যদিও বাস্তবে তার কোনও ইঙ্গিত নেই। অভিযোগ, বিক্ষোভ দমাতে ইরানে পুলিশ ও সেনা নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে। শুধু তেহরানেই দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যুর খবর মিলেছে। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে এই আন্দোলন চলছে। জানুয়ারির শুরু থেকেই দেশজুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল।ইরানের অশান্তির প্রভাব বিদেশেও পড়েছে। লস এঞ্জেলসে ইরান সমর্থনে মিছিল চলাকালীন ভিড়ের মধ্যে ট্রাক ঢুকে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। যদিও সেখানে কেউ হতাহত হয়নি। চালককে আটক করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে হামলা হলে তার জবাব দেওয়ার ক্ষমতা তেহরানের রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের শীর্ষ নেতারা। ইরান পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকার কালিবাফ জানিয়েছেন, আমেরিকা বড় ভুল হিসাব করছে। হামলা হলে ইজরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলি নিশানা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের প্রাক্তন সামরিক কর্তারাও।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

নোবেল নিয়ে পোপের দরবারে মাচাদো, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির নেপথ্যে কি ভ্যাটিকান?

গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারিয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মাচাদো। সেই পুরস্কারই মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দিতে চান তিনি, যাতে নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে বন্দি করা যায়এমন দাবিও করেছিলেন মাচাদো। এবার সেই নোবেলজয়ীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হল চতুর্দশ পোপ লিওর। এই সাক্ষাৎ ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে।সোমবারই নিজেকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। তার মধ্যেই পোপের সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, ট্রাম্পের সমর্থনে ক্ষমতা দখলের প্রস্তুতি হিসেবেই কি এই বৈঠক? প্রথম মার্কিন পোপের সঙ্গে এই সাক্ষাতের রাজনৈতিক তাৎপর্য খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।জানা গিয়েছে, পোপ লিওর সঙ্গে দেখা করার কোনও পূর্বপরিকল্পনা ছিল না মাচাদোর। ভ্যাটিকান পরে তাদের দৈনিক বুলেটিনে এই সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করে। তবে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। নরওয়েতে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পর থেকেই ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে সফর করছেন মাচাদো।আগামী সপ্তাহে তিনি আমেরিকা যাচ্ছেন। সেখানে হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেই গুরুত্বপূর্ণ সফরের আগেই পোপের সঙ্গে দেখা হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বেড়েছে। যদিও প্রথম মার্কিন পোপ লিও ভেনেজুয়েলার উপর আমেরিকার আগ্রাসনের প্রকাশ্য বিরোধিতা করেছেন।মাদুরোকে মার্কিন বাহিনীর হাতে অপহরণের ঘটনার পর ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে সরব হয়েছেন পোপ। তিনি জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতির উপর তাঁর নজর রয়েছে এবং দেশের অবস্থা নিয়ে তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সামাজিক সুরক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন পোপ লিও।অন্যদিকে, ট্রাম্প ও মাচাদোদুজনেই প্রকাশ্যে মাদুরোর বিরোধিতা করে আসছেন। তাঁদের অভিযোগ, মাদুরো দেশকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাম্প মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক পাচারের অভিযোগ তুলেছেন। মাদুরো অপহৃত হওয়ার পর ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন মাচাদো।এই প্রেক্ষাপটে পোপ লিওর সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ যে নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, তা স্পষ্ট বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ভেনেজুয়েলার ক্ষমতার লড়াইয়ে এই বৈঠক নতুন সমীকরণ তৈরি করবে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে বিশ্ব।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

এবার টুটু বোসকে তলব! এসআইআর শুনানিতে ডাকা হল মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতিকে

এসআইআর শুনানিতে এবার হাজিরার নোটিস পেলেন প্রাক্তন সাংসদ এবং মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি স্বপনসাধন বোস, যিনি টুটু বোস নামেই পরিচিত। শুধু তাঁকেই নয়, একই সঙ্গে তলব করা হয়েছে তাঁর পুত্র তথা মোহনবাগান ক্লাবের সচিব সৃঞ্জয় বোসকেও। জানা গিয়েছে, টুটু বোসের গোটা পরিবারকে এসআইআর শুনানিতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মোহনবাগানের সহ-সভাপতি কুণাল ঘোষ। সোশাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।এসআইআর শুনানিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বাংলার বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে তলব করা হয়েছে। নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন, কবি জয় গোস্বামী, জাতীয় দলের ক্রিকেটার মহম্মদ শামির মতো পরিচিত মুখদের নাম সেই তালিকায় রয়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল বাংলার ফুটবল জগতের অন্যতম পরিচিত মুখ টুটু বোসের নাম। জানা যাচ্ছে, আগামী ১৯ জানুয়ারি তাঁকে বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট স্কুলে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। শুধু টুটু বোস নন, তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও ডাকা হয়েছে ওই শুনানিতে। তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ সৃঞ্জয় বোসও।এই প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ ফেসবুকে লিখেছেন, টুটু বোস বাংলার ফুটবল ও মোহনবাগানের প্রাণপুরুষ। তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ এবং হুইলচেয়ার ছাড়া তাঁর চলাফেরা সম্ভব নয়। এমন অবস্থায় তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে হাজিরার নোটিস পাঠানো অমানবিক বলেই মন্তব্য করেন কুণাল। তাঁর অভিযোগ, এখন টুটু বোসকে প্রমাণ দিতে বলা হচ্ছে যে তিনি বাংলার নাগরিক। কুণাল ঘোষের দাবি, এই ঘটনার জবাব নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে আসন্ন নির্বাচনে দিতে হবে।উল্লেখ্য, খেলোয়াড়দের এসআইআর শুনানির নামে হেনস্তার অভিযোগ তুলে সোমবার বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রায় ১৫০ জন ক্রীড়াবিদ প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলেন। এর আগেই এই ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের কড়া সমালোচনা করেছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই ধরনের নোটিস পাঠানোকে অমানবিক ও অসংবেদনশীল বলে উল্লেখ করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়েছেন। সেই সবের পরেও টুটু বোসের মতো পরিচিত ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বকে তলব করা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হল রাজ্য রাজনীতিতে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

নিপা ভাইরাসে কাঁপছে বাংলায়! আবার রাজ্যে ফিরছে কোয়ারেন্টাইন ..

বাংলায় ফের নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়াল। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালের দুই নার্সের শরীরে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। গত ১১ জানুয়ারি কল্যাণীর এইমস-এর ভাইরাস রিসার্চ ও ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষায় তাঁদের শরীরে নিপা ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য নমুনা পুণের ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় সরকারও নড়েচড়ে বসেছে। দিল্লি থেকে আজই একটি প্রতিনিধি দল রাজ্যে আসছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে আক্রান্ত নার্সদের সংস্পর্শে আসা এক চিকিৎসক, দুজন নার্স, একজন সাফাই কর্মী এবং একজন অ্যাম্বুলেন্স চালককে কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর।স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, নিপা আক্রান্ত নার্স অসুস্থ অবস্থায় কাটোয়ায় যাঁদের সংস্পর্শে এসেছিলেন, তাঁদের খোঁজ চালাতে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করে তাঁদের শারীরিক অবস্থার উপর নজর রাখছেন পূর্ব বর্ধমান জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক।জানা যাচ্ছে, ওই নার্স ২ জানুয়ারি শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে কাটোয়ার এক চিকিৎসকের ব্যক্তিগত চেম্বারে চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন। চিকিৎসক সিদ্ধেশ্বর গুপ্ত জানিয়েছেন, ওই তরুণী একবার জ্ঞান হারিয়েছিলেন ঠিকই, তবে তখন জ্বর বা গা ব্যথার মতো কোনও অস্বাভাবিক উপসর্গ চোখে পড়েনি।এর পর ৩ জানুয়ারি ফের সংজ্ঞা হারালে পরিবারের লোকজন তাঁকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানেই পরীক্ষার পর জানা যায়, তিনি নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত।এই ঘটনায় রাজ্য জুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

থামছেই না হিন্দু খুন, ফেনিতে অটোচালক সমীর দাসকে হত্যা করে চম্পট দিল দুষ্কৃতীরা

বাংলাদেশে একের পর এক হিন্দু খুনের ঘটনা সামনে আসছে। দীপু দাসকে নৃশংসভাবে খুন করার ঘটনার পর থেকেই একাধিক হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর মিলেছে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল আরও একটি নাম। ফেনি জেলার দাগনভূঞায় খুন হল ২৮ বছরের অটোচালক সমীর কুমার দাস। অভিযোগ, তাঁকে খুন করে দুষ্কৃতীরা তাঁর অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে।মর্মান্তিক এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিহত সমীর দাস দাগনভূঞা উপজেলার রামানন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবা কার্তিক কুমার দাস ও মা রিনা রানি দাস। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাছেই পরিকল্পিতভাবে সমীর দাসকে হত্যা করা হয়। খুনের পর তাঁর অটোরিকশা ছিনিয়ে নিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা।পরে স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় পড়ে থাকা দেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। দাগনভূঞা থানার পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে। নিহতের পরিবার এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তাঁদের দাবি, দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে কড়া শাস্তি দেওয়া হোক। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দুষ্কৃতীদের খোঁজে অভিযান শুরু হয়েছে।এর আগে কয়েকদিন আগে জয় মহাপাত্র নামে এক হিন্দু যুবককে বিষ খাইয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকেই বাংলাদেশে নতুন করে অশান্তির আবহ তৈরি হয়। সেই পরিস্থিতিতেই প্রথমে হিন্দু যুবক দীপু দাসকে মারধর করে জীবন্ত জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এরপর একে একে আরও হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। এই নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে মোট আটজন হিন্দু যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটল বলে জানা যাচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

নিরাপত্তার অজুহাত খারিজ, বাংলাদেশের ভারতে খেলা নিয়ে বড় বার্তা আইসিসির

মিথ্যেবাদী তকমা পাওয়ার পর ফের বড় ধাক্কার মুখে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভারতে খেলতে না আসার যে দাবি বিসিবি করেছিল, তা মানতে নারাজ আইসিসি। ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা সূত্রে খবর, বাংলাদেশকে আগের সূচি অনুযায়ীই ভারতে খেলতে হবে। অর্থাৎ কলকাতা এবং মুম্বইতেই লিটন দাসদের ম্যাচ আয়োজন করা হবে।জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের অভিযোগ নিয়ে স্বাধীনভাবে তদন্ত করেছে আইসিসি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের দিয়ে খতিয়ে দেখা হয়েছে, ভারত সফরে এলে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও বড় ঝুঁকি রয়েছে কি না। সেই মূল্যায়নের রিপোর্টে বলা হয়েছে, কলকাতা ও মুম্বইয়ে ম্যাচ আয়োজন নিয়ে ঝুঁকির মাত্রা কম থেকে মাঝারি। নিরাপত্তা নিয়ে বড় কোনও সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই।রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভারত অতীতেও একাধিক বিশ্বমানের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সফলভাবে আয়োজন করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। তাই বাংলাদেশের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে ভারতীয় প্রশাসনের কোনও অসুবিধা হবে না। এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই আইসিসি বাংলাদেশের ম্যাচ সরানো নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে।এর আগে শোনা যাচ্ছিল, বিসিবির অনুরোধ কিছুটা মেনে কলকাতা ও মুম্বইয়ের বদলে চেন্নাই ও তিরুঅনন্তপুরমে ম্যাচ সরানো হতে পারে। কিন্তু নিরাপত্তা সংক্রান্ত ইতিবাচক রিপোর্ট পাওয়ার পর সেই সম্ভাবনা কার্যত ক্ষীণ। ফলে বাংলাদেশকে আগের সূচি মেনেই ভারতে খেলতে হতে পারে বলে মনে করছে ক্রিকেটমহল। যদিও আইসিসির তরফে এখনও চূড়ান্ত ঘোষণা হয়নি।উল্লেখযোগ্য ভাবে, সোমবারই আইসিসি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় যে বাংলাদেশ ভুল তথ্য দিচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল দাবি করেছিলেন, আইসিসি নাকি জানিয়েছে মুস্তাফিজুর রহমান দলে থাকলে নিরাপত্তা সমস্যা বাড়বে এবং বাংলাদেশের নির্বাচনের কারণেও ঝুঁকি রয়েছে। কিন্তু আইসিসি সেই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে জানায়, এমন কোনও মন্তব্য তারা করেনি। ক্রীড়া উপদেষ্টার এই বক্তব্যে আইসিসি যথেষ্ট বিরক্ত বলেই মনে করছেন ক্রিকেট মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal