• ২০ আশ্বিন ১৪৩৩, শনিবার ১০ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Meet

রাজনীতি

ফের মুখ্যমন্ত্রীকে বেনজির আক্রমণ দিলীপ ঘোষের

ফের বেলাগাম বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বৃহস্পতিবার বালিগঞ্জে দলীয় সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে দিলীপ বলেন, আমি নিউটাউনে থাকি। রোজ প্রাতঃভ্রমণে বেরোই। একদিন ভাবলাম সিলিকন ভ্যালিতে যাই। সিলিকন ভ্যালিতে গিয়ে দেখে এসেছি দিদিমণির কাটআউট উল্টে পড়ে রয়েছে। ঘাস হয়ে রয়েছে। ছাগল চড়ছে। ঢপের চপ খেয়ে খেয়ে আমাদের পেট ফুলে গেল। আপনার কথা আর কেউ বিশ্বাস করে না। আরও পড়ুন ঃ আর কোনও কথা নয়, শুভেন্দুকে হোয়াটসঅ্যা্পে জবাব সৌগতর এখানে পুজো হয়, মেলার উদ্বোধন হয়। কারখানার উদ্বোধন করেছেন? খেলা, মেলা, লীলা দিদির দায়িত্ব। তিনি বলেন, ২০২০ শেষ হলে করোনা আর তৃণমূল দুই মহামারীই যাবে। তৃণমূলের বহিরাগত তত্ত্বের জবাব দিতে গিয়ে এদিন ফের প্রশান্ত কিশোর, শাহরুখ খানের প্রসঙ্গ টানেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি। বলেন, এরা বহিরাগত নয়।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
রাজ্য

আদর্শের জন্য লড়াই চলবে, সভায় জানালেন শুভেন্দু

শুভেন্দু অধিকারী লড়াই চালিয়েছেন আদর্শের জন্য। সেই লড়াই তিনি থামাবেন না। বৃহস্পতিবার পশ্চিম মেদিনীপুর গড়বেতায় ক্ষুদিরাম বসুর পূর্ণাবয়ব মূর্তি উন্মোচনের অনুষ্ঠানে গিয়ে একথাই জানান তৃণমূল বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। সেই লড়াইয়ে সবাই যাতে তাঁর সঙ্গে থাকেন, তার জন্যও আমন্ত্রণ জানান তিনি। শুভেন্দু বলেন, গ্রামের পান্তাভাত খাওয়া, মুড়ি খাওয়া গ্রামের ছেলেটা আদর্শের জন্য লড়ছে, আদর্শের জন্য লড়বে। আপনারা সঙ্গে থাকবেন। আজকে একটা সংবাদ মাধ্যম লিখেছে, আমি নাকি কমফোর্ট জোনে রাজনীতি করি। এই গড়বেতায় তো ২০১১ সালের আগে সব চেয়ে বেশি আমি আসতাম। এখন ফ্ল্যাট বাড়িতে থাকা কারও কারও অসুবিধে হচ্ছে গ্রামের ছেলেটা রাস্তায় বেরিয়েছে বলে। আরও পড়ুন ঃ অনলাইন ক্লাসের সুবিধায় সাড়ে ৯ লক্ষ পড়ুয়াকে দেওয়া হবে ট্যাব দেবে সরকারঃ মমতা তারপরেই ক্ষুদিরাম বসু জন্মবৃতান্ত, তাঁর আত্মত্যাগ নিয়ে বলতে শুরু করেন। বলেন, ক্ষুদিরাম বসু সম্বন্ধে বর্তমান প্রজন্মকে জানতে হবে। ক্ষুদিরামের আত্মত্যাগ সম্বন্ধে জানতে হবে। যাঁরা আমরা দেশকে ভালোবাসি, তাঁদের জানতে হবে।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
রাজ্য

সাড়ে ৯ লক্ষ পড়ুয়াকে ট্যাব দেবে সরকারঃ মমতা

করোনা পরিস্থিতির জেরে অনলাইনে চলছে ক্লাস। কিন্তু যাদের স্মার্টফোন নেই, তারা অনলাইন ক্লাস করতে পারছে না। এবার সেই সমস্যার সমাধানে কল্পতরু হয়ে এগিয়ে এল রাজ্য সরকার। অনলাইন ক্লাসের সুবিধার্থে রাজ্যের সাড়ে ৯ লক্ষ দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াকে বিনামূল্যে ট্যাব দেবে রাজ্য সরকার। সরকারি স্কুল ও মাদ্রাসা পড়ুয়াদের এই ট্যাব দেবে সরকার। বৃহস্পতিবার নবান্ন সভাঘর থেকে একথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন নবান্নে সরকারি কর্মী সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক ছিল। সেখানেই একথা জানান তিনি। আরও পড়ুন ঃ জানুয়ারিতে রাজ্য সরকারি কর্মীদের তিন শতাংশ ডিএ, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, রাজ্যের ৯ লক্ষ পড়ুয়াদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে ট্যাব। তাতে কারও বাড়িতে স্মার্টফোন না থাকলেও সে অনায়াসেই করতে পারবে অনলাইন ক্লাস। এছাড়াও রাজ্যের বেশ কয়েকটি স্কুলে ট্যাব কিংবা কম্পিউটার দেওয়ার কথাও ভাবা হচ্ছে। যার মাধ্যমে অনলাইন ক্লাস করা সম্ভব হবে। অতিমারী পরিস্থিতিতে কমল বেসরকারি ল্যাবে আরটি-পিসিআর টেস্টের খরচ। এবার থেকে মাত্র ৯৫০ টাকাতেই করা যাবে পরীক্ষা। তার ফলে সাধারণ মধ্যবিত্ত যে যথেষ্ট উপকৃত হবেন, তাতে কোনও দ্বিমত নেই।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দুকে নিয়ে সেমসাইড গোল হয়ে গেছে তৃণমূলেরঃ দিলীপ

সাইডলাইনের বাইরে ছিলেন। এখন সেমসাইড গোল হয়ে গিয়েছে তৃণমূলের। শুভেন্দুকে নিয়ে মাস্টারমশাই এমন ঝটকা খেয়েছেন যে চুপ মেরে গিয়েছেন। প্রাইভেট কোম্পানির চেয়েও খারাপ অবস্থা টিএমসির। শুভেন্দু অধিকারী ইস্যুতে সৌগত রায়ের নাম না করে কটাক্ষ করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার তিনি ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে আসেন। এদিন শুভেন্দু প্রসঙ্গে দিলীপকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে কিছু বলার নেই। বৈঠকেরও এখনও পর্যন্ত কোনও সম্ভাবনা নেই বলে জানান তিনি। তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করে বলেন, এখানে দাঁড়িয়ে আল্টিমেটাম দিচ্ছি, মানুষকে অত্যাচার করবেন না, শুধরে যান। মে মাসের পর সব হিসেব হবে। তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড দিচ্ছে হাসপাতাল সেই কার্ড নেয় না। হাসপাতাল হয়েছে, কিন্তু সেখানে আগে টাকা পরে ডাক্তার। কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে তার মন্তব্য, এখানে কোথাও চাকরি নেই সব যাচ্ছে বাংলার বাইরে। দুয়ারে দুয়ারে সরকার কর্মসূচি নিয়ে তার বক্তব্য, দুয়ারে সরকার করছে। বিডিও নাকি বাড়িতে আসবে? কেউ বিশ্বাস করে এই কথা? কত রকম সাথী কত রকম শ্রী! টাকা আসছে কোথা থেকে? কেন্দ্র নাকি টাকা দেয় না! এরা বাড়ি এলে ছাড়বেন না নারকেল গাছে বেঁধে জবাব চাইবেন! তার কটাক্ষ, জঙ্গলমহলে তিনদিন বসেছিল দিদিমণি। কেউ খেতে ডাকেনি কেউ দেখা করতেও আসেনি। এবার বসার জন্য অন্তত একটা খাটিয়া পেয়েছে এরপরে চাটাই ও পাবেন না। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দু তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে এলে স্বাগতঃ মুকুল অভিষেককে কটাক্ষ করে তার মন্তব্য, ভাইপোকে কি ভাগ্নে বলব? আদর করে বলতাম এত রাগ করার কী আছে? তিনি তৃণমূল নেতাদের সমালোচনা করে বলেন, প্রত্যেক নেতা রাত হলেই পার্টি, বোতল। সবকটা নেতার চেহারা দেখুন, টাকা কোথা থেকে এলো? হয় সিন্ডিকেটের টাকা না হলে পঞ্চায়েতের ঝাড়া টাকা। সবকটাকে কোমরে দড়ি পরিয়ে আলিপুর সেন্ট্রাল জেলে নিয়ে যাব। সব নেতাদের নীল-সাদা বাড়ি গাড়ি। এই বাড়ি গাড়ি মে মাসের পরে ভোগ করতে দেব না। সব অকশন করব। কে কিনবেন ভেবে রাখুন। বুধবার থেকেই ইকো পার্কে তৃণমূল কর্মীরা সব বেচে দে টি-শার্ট পরে শরীরচর্চা করতে শুরু করেন। ঠিক দিলীপ ঘোষ যেখানে রোজ হাঁটতে যান, তার উল্টো দিকে দাঁড়িয়েই তৃণমূল এই কর্মসুচি পালন করছে। আজ দিলীপবাবু বলেন, এটা রাজনীতি করার জায়গা নয়, শরীরচর্চা করার জায়গা। ওরা সব সিন্ডিকেট করে। মোদীজির ফিট ইন্ডিয়া আহ্বানে অনুপ্রাণিত হয়ে ওরা শরীরচর্চা করছেন। যদিও ইকো পার্কে রাজনৈতিক স্লোগান দিয়ে ঘোরা উচিত কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। নিউটাউনের যে অঞ্চলে দিলীপ ঘোষ আজ চা-চক্র করেন, সেই এলাকায় সিন্ডিকেটের রমরমা বলে বারবার অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। তাই দিলীপ ঘোষের বক্তব্যে বারবার সিন্ডিকেট ইস্যু ঘুরে ফিরে এসেছে। অন্যদিকে মিহির, নিশীথকে নিয়ে দিলীপ জানান, ওরা গতকাল রাতে এসেছিলেন। দিল্লি থেকে ফিরে উনারা আমার সঙ্গে কথা বলেন। দলীয় কাজকর্ম শুরু করা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি, আপার প্রাইমারি আন্দোলনকারীদের নিয়ে তুলে দেওয়া নিয়ে তার বক্তব্য গোটা রাজ্যে ১৪৪ করা হচ্ছে। কাউকে মিটিং মিছিল করতে দেওয়া হচ্ছে না। মাদ্রাসার টিচারদেরও আন্দোলনের আগে তুলে নেওয়া হয়। মদন মিত্রের প্যাক আপ পোস্ট নিয়ে কটাক্ষ করে বিজেপি রাজ্য সভাপতি বলেন, সন্তুষ্ট করতে এসব কাজ করছেন। পার্টি ও সরকারে নতুন পদ তৈরি করা হচ্ছে। আগে এই কারণে পুরষ্কার চালু করেছিলেন।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
রাজ্য

আর নয় অন্যায় কর্মসূচির ঘোষণা বিজেপির

রাজ্য সরকারের দুয়ারে দুয়ারে কর্মসূচির পালটা আর নয় অন্যায় কর্মসূচির ঘোষণা করল বিজেপি। বুধবার রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ সাংবাদিক সম্মেলনে এই কর্মসূচির কথা ঘোষণা করে বলেন, সকলের সামনে তৃণমূলের দুর্নীতি, অত্যাচার, স্বৈরাচারের কথা তুলে ধরা হবে। জানালেন, ৫ তারিখ থেকে শুরু হবে এই কর্মসূচি। ওইদিন থেকে সব বুথে বুথে এই অভিযান শুরু হবে। ১ কোটির বেশি মানুষের কাছে যাবে বিজেপি নেতা-কর্মীরা। এদিন তিনি বলেন, আমফানের টাকা নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে। সাধারণ মানুষ ত্রাণের টাকা পায়নি, শুধুমাত্র তৃণমূলের লোকেরাই ত্রাণের টাকা পেয়েছে। তেমনি করোনার সময় মাস্ক, স্যানিটাইজার নিয়েও দুর্নীতি করেছে এই সরকার। এছাড়াও ২০০৯ সালে আয়লা এসেছিল তখন পাঁচ হাজার কোটি টাকা কেন্দ্র থেকে আসে কিন্তু তখনও সেই টাকা নিয়ে দুর্নীতি হয়। দিলীপের দাবি, আমফানের তদন্তের সাথে সাথে আয়লারও তদন্ত করা হোক। আরও পড়ুন ঃ ভাতা নয় চাকরি চাই , এই দাবিতে যুবশ্রীদের বিক্ষোভ বর্ধমানে দুয়ারে একুশের ভোট। তাই ডিসেম্বরের পয়লা তারিখ থেকেই মানুষের দুয়ারে সরকার। নাগরিক পরিষেবা সংক্রান্ত ১২ প্রকল্প-সহ অভাব, অভিযোগ, সমস্যা শুনতে মঙ্গলবার থেকেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষিত এই প্রকল্পের কাজ শুরু করেছে। রাজ্যের সমস্ত পঞ্চায়েত এলাকায় দুয়ারে সরকার কর্মসূচিতে গ্রাম পঞ্চায়েত, ব্লকের সমস্ত পরিকাঠামো নিয়ে প্রত্যেকটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় আগামী দুমাস ধরে চারটি পর্যায়ে হবে শিবির। এখান থেকে ১২টি পরিষেবা সংক্রান্ত প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধা কার্যত ঘরের দুয়ারে গিয়ে হাতে হাতে পৌঁছে দেবে প্রশাসন। সেই সঙ্গে জনসাধারণের অভাব, অভিযোগ ও সমস্যার কথাও শুনবেন প্রশাসনের কর্মীরা। অন্যদিকে, শুভেন্দু অধিকারীর হোয়াটসঅ্যাপ প্রসঙ্গে সৌগত রায়কে কটাক্ষ করে বলেন, শুভেন্দুকে খুশি করতে বুড়ো খোকারা নেমেছিলেন। কাল রাতে আমার কাছে ফোন এল শুনলাম সব ঠিক হয়ে গেছে। সকলের হাসিমুখ। আবার শুনছি এসব। যুবকরা কিছুতেই তৃণমূলের বুড়ো খোকাদের কথা শুনছে না।

ডিসেম্বর ০২, ২০২০
কলকাতা

বাংলার উন্নয়নে বাঙালিদের থেকে অবাঙালিদের ভূমিকা বেশি, বিস্ফোরক মন্তব্য দিলীপের

বাংলার উন্নয়নে বাঙালিদের থেকে অবাঙালিদের ভূমিকা বেশি রয়েছে। বুধবার এমনই মন্তব্য করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিন তিনি বলেন, ব্রিটিশ আমল থেকে রোজগারের জন্য বাইরে থেকে বাংলায় আসছেন মানুষ। গঙ্গার পাড়ে জুটমিলে বেশিরভাগ বাংলার বাইরের মানুষ কাজ করতেন। বাংলায় যা উন্নয়ন হয়েছে তাতে বাঙালিদের থেকে অবাঙালিদের অবদান বেশি। রাজ্যে কাজ করা বিহারীরা যদি বহিরাগত হয় তাহলে পিকে কে? প্রশ্ন তোলেন তিনি। পাশাপাশি তিনি শাহরুখ খান বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসডর হওয়া নিয়েও রাজ্যকে কটাক্ষ করেন। আরও পড়ুন ঃ উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরে পুলিশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ রাজ্যপাল এছাড়াও এদিন ক্যানিং স্ট্রিটের চায়ে-পে-চর্চায় দিলীপ ঘোষ বলেন, এতদিন তৃণমূলে গৃহযুদ্ধ চলছিল, এখন মানভঞ্জন চলছে। এখানেই শেষ নয়, সরকারি মঞ্চ থেকে দুয়ারে সরকারের নামে দলের প্রচার হলে আইনের দ্বারস্থ হতে হবে। নির্বাচন কমিশনেও যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তিনি বাবুয়া বলে কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, কে গুন্ডা , সবাই জানে। এছাড়াও প্রতিদিনের মতো এদিন সকালে নিউটাউনের ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে আসেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সেখানে তিনি যখন যোগাভ্যাস করছিলেন ঠিক সেই সময় কিছুটা দূরে রাজারহাট-নিউটাউনের তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি মহম্মদ আফতাবউদ্দিন কয়েকজন কর্মী নিয়ে সব বেচে দে গেঞ্জি পরে অভিনব কায়দায় কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ দেখান। এই প্রতিবাদের বিষয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, এতদিন দিদির অনুপ্রেরণায় সবকিছু কেনাবেচা করছিলেন, এখন দাদার অনুপ্রেরণায় যোগাভ্যাস করছেন। আমি বলছি ওয়েলকাম, খুব ভালো কথা। কে কাকে বেচছে সে তো সবাই জানে। ক্ষমতা থেকে চলে যাওয়ার আগে সব বেচে দে। চলুন সব বিক্রি করুন। এরপর হবে সব কিনে নে। এই যে কেনা বেচার যে ব্যবসা , এটা পশ্চিমবাংলায় আর চলবে না।

ডিসেম্বর ০২, ২০২০
রাজনীতি

সমস্যা মিটেছে বলে তৃণমূল দাবি করলেও এখনও চুপ শুভেন্দু

শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে যে জল্পনা চলছিল রাজ্য রাজনীতিতে , তাতে আপাতত ইতি পড়ল। মঙ্গলবার উত্তর কলকাতার একটি বাড়িতে গোপন বৈঠকের শেষে এমনই দাবি করলেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। শুভেন্দু অধিকারী অবশ্য এখনও এই বৈঠকে্র বিষয়ে মুখ খোলেননি। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার রাতে সৌগত রায়, সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর ও শুভেন্দু বৈঠকে মিলিত হন। সেই বৈঠকে সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, বৈঠকে শুভেন্দুর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সৌগত বাবুর দাবি, শুভেন্দু-অভিষেক-পিকে-কে নিয়ে মুখোমুখি বসার প্রয়োজন ছিল। আলোচনা সদর্থক হয়েছে। এ বৈঠকেই মিটে গেছে সমস্ত সমস্যা। দু-একদিনের মধ্যেই পুরো বিষয়টি জানাবেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেছেন, আমি তো বলেছিলাম শুভেন্দু দল ছেড়ে যাবেন না। সেটাই সত্যি বলে প্রমাণিত হল। বৈঠকের বিষয়ে শুভেন্দু অধিকারীর বাবা তথা বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা শিশির অধিকারী বলেন, সমস্যা মিটে গেলে ভাল। পার্টির জন্য মঙ্গল। আরও পড়ুন ঃ পিকের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পরেও নিজের অবস্থানে অনড় শীলভদ্র উল্লেখ্য, সদ্য মন্ত্রিত্ব ছাড়লেও বিধায়ক পদ ও দল ছাড়েননি শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু বিভিন্ন অরাজনৈ্তিক সমাবেশে কারও নাম না করে বিভিন্ন মন্তব্য করছিলেন। এর পালটা তৃণমূলের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ও সাংসদও শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে যাচ্ছিলেন। তৃণমূলের তরফ থেকে সৌগত রায়কে শুভেন্দুর সঙ্গে কথা বলার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। শুভেন্দু তাঁকে জানিয়েছিলেন, যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সুব্রত বক্স্বীর হাতে দলের দায়িত্ব ছিল, তখন কোনও সমস্যা ছিল না। কিন্তু এখন অভিষেক ও প্রশান্ত কিশোর যেভাবে দল চালাচ্ছেন , তা তিনি মন থেকে মেনে নিতে পারছেন না। এদিন সেই অভিষেক ও প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে বৈঠকে্র পর বরফ গলল বলে মত তৃণমূল নেতৃ্ত্বের।

ডিসেম্বর ০২, ২০২০
রাজনীতি

পিকে'র প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পরেও নিজের অবস্থানে অনড় শীলভদ্র

শীলভদ্র দত্তের বাড়ি গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করলেন প্রশান্ত কিশোরের প্রতিনিধিরা। কিন্তু বরফ গলল না। অনড় রইলেন নিজের অবস্থানে। জানিয়ে দিলেন, আর তৃণমূলের হয়ে নির্বাচনে দাঁড়াবেন না। তবে ২০২১-এ দলের জয় নিয়ে তিনি আত্মবিশ্বাসী । বলেন, তৃণমূল ২০০টি আসন পাবে। প্রশান্ত কিশোরের দুই প্রতিনিধিকে তিনি জানিয়ে দেন, আমি দলের নেতাদের সঙ্গে কথা বলব। আরও পড়ুনঃ আমিও বাংলা হরফে লিখে গুজরাতি ভাষা বলতে পারি, নাম না করে প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ মমতার প্রশান্ত কিশোরের প্রতিনিধিরা তাঁকে তৃণমূলের টিকিটে দাঁড়ানোর কথা বলতেই তিনি সরাসরি সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন। তিনি বলেন, অনেকে মনে করছেন জাহাজ ডুবতে চলেছে। কিন্তু আমি মনে করি ২০২১-এর নির্বাচনে তৃণমূল ২০০টি আসন পাবে। কারণ তৃণমূলের আসল মানুষ তো দলে রয়েছেন।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
রাজনীতি

আমিও বাংলা হরফে লিখে গুজরাতি ভাষা বলতে পারি, নাম না করে প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ মমতার

আমফানের টাকা নিয়ে এত কথা হচ্ছে। কিন্তু পিএম কেয়ার্সের লক্ষ ্লক্ষ কোটি কোটি টাকা কোথায় গেল? মঙ্গলবার এভাবেই কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এজেন্সি দিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে। তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে যে দুর্নীতির অভিযোগে বারবার সরব হন বিজেপি নেতারা, তার জবাবে মমতার সাফ কথা দুর্নীতি তো দূরঅস্ত, সরকারের টাকায় চা-ও খান না তিনি। এও জানালেন যে তাঁর লেখা বই বিক্রির টাকাই আয়ের উৎস। নির্বাচনী লড়াইয়ের সুর চড়িয়ে ফের বলেন, বিনা যুদ্ধে এক ইঞ্চি জমি বাংলার মানুষ ছাড়বে না। তাঁর আক্রমণ, সিপিএম বিজেপির সর্দার। পরিকল্পনা করে তৃণমূলের বদনাম করা হচ্ছে। ভাত দেওয়ার ক্ষমতা নেই, কিল মারার গোঁসাই। কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন করে আগেই তিনি বলেছিলেন, ডাক পেলে তিনি দিল্লি যেতে প্রস্তুত। আর আজ কেন্দ্রের নয়া কৃষিনীতি নিয়ে তাঁর আত্মবিশ্বাসী মন্তব্য, অটলজি থাকলে এই আইন সমর্থন করতেন না। আরও পড়ুন ঃ নাম করে অভিষেককে আক্রমণ বিজেপি সাংসদের তিনি আরও বলেন, টেলিপ্রম্পটারের দৌলতে এখন এ সবই সম্ভব। গুজরাটি হরফে বাংলা লিখে উচ্চারণ করা কোনও ব্যাপারই নয়। বাংলা বললেই বাঙালি হয় না। আমিও গুজরাটি ভাষা বাংলা হরফে লিখে বাংলা বলতে পারি। টেলিপ্রম্পটারে সম্ভব সব। তাই কেউ বাংলা বললেই তা নিয়ে মাতামাতি করার কিছু নেই। এছাড়াও দুয়ারে দুয়ারে কর্মসূচি নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, মোট চার দফায় ক্যাম্পগুলি বসবে। প্রকল্প বা সরকারি পরিষেবার বিষয়ে কোনও অভিযোগ থাকলে ওই ক্যাম্পেই যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
কলকাতা

রাজ্যে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্যে বিনিয়োগ আনতে উদ্যোগী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। মঙ্গলবার সেই লক্ষ্যে একাধিক নতুন সিদ্ধান্ত হয়েছে ক্যাবিনেট বৈঠকে। নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে সে বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যােপাধ্যায় জানান, নিউটাউনের সিলিকন ভ্যালিতে ২০টি তথ্য প্রযুক্তি সংস্থাকে জমি দেওয়া হল। উইপ্রো জমি চেয়ে রাজ্যকে চিঠি দিয়েছে। সেই আরজি মেনে তাদেরও জমি দেওয়া হবে। এদিকে কলকাতায় আরও একটি ইউনিট খুলতে চলেছে ইনফোসিস। তাঁর কথায়, এই শিল্প তৈরি হয়ে গেলে বাংলার যুব সম্প্রদায় চাকরি পাবে। লক্ষ লক্ষ কর্মসংস্থান হবে। তবে শুধু কলকাতা, নিউটাউন নয়। রাজ্যেরে বিভিন্ন প্রান্তেই বিনিয়োগ হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মমতা। জলপাইগুড়িতে একটি সিমেন্ট সংস্থাকে জমি দেওয়া হয়েছে। সেখানে কারখানা গড়ে উঠলে স্থানীয়দের কর্মসংস্থান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি নেতার যোগ তৃণমূলে বড় ঘোষণা করা হয়েছে জমির বকেয়া খাজনা নিয়েও। লকডাউনের জেরে মার্চ মাস থেকে বিভিন্ন সরকারি অফিস বন্ধ ছিল। আবার মানুষের হাতে টাকারও অভাব রয়েছে। ফলে অনেকেই ১৪২৬ বঙ্গাব্দের জমির খাজনা মেটাতে পারেননি। ভূমি আইন অনুযায়ী, সেই বকেয়া খাজনা মেটাতে হলে চড়া হারে (৬.২৫%) সুদ দিতে হবে। তাই ২০২১ সালে জুন মাসের মধ্যে ওই বকেয়া খাজনা জমা করলে কোনও সুদ দিতে হবে না বলেও জানিয়ে দিলেন তিনি।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
কলকাতা

বিজেপি নেতার যোগ তৃণমূলে

মঙ্গলবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন লিওস কুজুর। ২০১৬-তে কুমারগ্রাম বিধানসভা থেকে বিজেপির প্রতীকে প্রার্থী ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার তৃণমূলের তরফ থেকে সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত হয়েছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। মন্ত্রীর হাত ধরে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন বিজেপি নেতা লিওস কুজুর। তিনি জানান, শাসকদল আদিবাসীদের উন্নয়নে একাধিক উন্নয়নমূলক কাজ করে চলেছে। তাতে সন্তুষ্ট হয়েই আদিবাসী মানুষেরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর ভরসা করতে পাকরছেন। মানুষের স্বার্থে তৃণমূলে যোগদান করলাম। আরও পড়ুন ঃ মাঝেরহাট ব্রিজের নাম জয় হিন্দ, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘদিন ধরে শ্রমিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত লিওস কুজুর। ২০১৬-তে উত্তরবঙ্গের কুমারগ্রাম বিধানসভার বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হয়েছিলেন। প্রসঙ্গত, প্রতিদিনই বিজেপির তরফ থেকে বলা হচ্ছে, তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে আসার জন্য অনেকে মুখিয়ে রয়েছে। ঠিক সেসময় শ্রমিক ও আদিবাসীদের নেতার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
কলকাতা

মাঝেরহাট ব্রিজের নাম জয় হিন্দ, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

মাঝেরহাট ব্রিজের নতুন নামকরণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ব্রিজের নতুন নাম হয়েছে জয় হিন্দ। মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলন করে একথা ঘোষণা করে তিনি বলেন, আগামী ৩ তারিখ উদ্বোধন করা হবে মাঝেরহাট ব্রিজ। এবার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বোসের ১২৫ তম জন্মদিন। সেই কারণে সরকারের তরফে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তার মধ্যে প্রথম হল মাঝেরহাট ব্রিজের নাম পালটে করা হচ্ছে জয় হিন্দ। আমি চাই জয় হিন্দ লোকের মুখে মুখে ফিরুক, সেই কারণেই এমন সিদ্ধান্ত। আরও পড়ুন ঃ সারদা মামলায় নয়া ভয়েস রেকর্ডিং সিবিআইয়ের হাতে পাশাপাশি রাজ্যের লোকশিল্পী ও সাংস্কৃতিক শিল্পীদের জন্য নয়া প্রকল্পের ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী৷ তিনি জানান, রাজ্যে ৬১৭টি মেলার আয়োজন করা হয়েছে ৷ এই মেলার জন্য লোকশিল্পী ও সাংস্কৃতিক শিল্পীরা উপকারিত হবেন। তিনি আরও দাবি করেন, এই মেলার জন্য ১৫৬ কোটি টাকার কেনাবেচা হবে। ৩ দশমিক ৬৪ লক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। সমগ্র বিষয়টির উল্লেখ রয়েছে বাংলা মোদের গর্ব বইটিতে। এদিন বইটি প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
কলকাতা

তৃণমূল নেতৃ্ত্বকে কদর্য ভাষায় আক্রমণ বিজেপি সাংসদের

তৃণমূল এখন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌগত রায়েদের মতো বুড়ো খোকাদের বার করেছেন সোনার বাক্স থেকে। ওটা বুড়োদের পার্টি হয়ে গিয়েছে। মঙ্গলবার প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ ঘোষ ফের শাসক দলের নেতৃত্বের উদ্দেশে আক্রমণ শানালেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, ওটা বুড়োদের পার্টি হয়ে গিয়েছে। মাঝখানে যত নেতা ছিল হয় পালিয়েছে, নয় চুপ করেছে, আর সবে মুখ খুলতে শুরু করেছে। দিন কয়েক আগে তৃণমূলের বর্ষীয়ান সাংসদ সৌগত রায় বলেছিলেন, যাঁরা দল (তৃণমূল) ছেড়ে পালাচ্ছেন তাঁরা ইঁদুর। এই প্রসঙ্গে বিজেপি সাংসদের খোঁচা, বাকিরা ইঁদুর হলে সৌগতবাবু কি মোষ? ওঁকে কেউ দলে নেবে না। তাই উনি তৃণমূলে পড়ে রয়েছেন। রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে নিশানা করে দিলীপ ঘোষ বলেন, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য কলকাতায় জিততে পারেননি বলে কাঁথি গেছেন। তৃণমূল অর্থবদের দলে পরিণত হয়েছে। যাঁরা নেতা ছিল তাঁরা হয় পালিয়ে গিয়েছেন, নয়তো চুপ করে গিয়েছেন। যাঁদের কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই তাঁরাই ওই দলে পড়ে রয়েছেন। আরও পড়ুন ঃ বাংলায় আমদানি করা গব্বর সিংদের মানুষ মেনে নেবে নাঃ ইন্দ্রনীল সেন আজ, মঙ্গলবার থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু হচ্ছে তৃণমূল সরকারের দুয়ারে দুয়ারে সরকার কর্মসূচি। এই প্রসঙ্গে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ বলেন, এর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পার্টি- সরকার এই ধরণের অনেক প্রকল্প ঘোষণা করেছে। কিন্তু বাস্তবে মানুষ কিছু পায়নি। পার্টির লোকেরা কাটমানি পেয়েছেন। এগুলো সব স্ট্যান্ট। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্টান্ট হচ্ছে। আর কিছু না। একবার রাস্তায় নেমে জিজ্ঞেস করুন কে স্বাস্থ্যসাথী সুবিধা পেয়েছে, সব লোককে বোকা বানানোর রাস্তা। বাংলার লোক আর বোকা হতে রাজি নন। আগের যে সমস্ত কার্ড দিয়েছিল সেগুলো কোথায় গেল তার হিসাব দিতে হবে আর কেউ ভুলবে না। এদিন তাঁর নিশানায় ছিল ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরও। তিনি বলেন, বাইরে থেকে লোক এসে কোন নেতা কী পড়বেন, কী খাবেন, কখন ওষুধ খাবেন-সব ঠিক করে দিচ্ছেন। বাংলায় এমন রাজনীতি আগে ছিল না। এই রাজনীতি বাংলার মানুষ মানতে পারবেন না। তিনি জানান, গুণ্ডা মন্তব্যের জেরে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে। তবে তার কোনও জবাব এখনও মেলেনি।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
কলকাতা

বাংলায় আমদানি করা গব্বর সিংদের মানুষ মেনে নেবে নাঃ ইন্দ্রনীল সেন

বিজেপির সঙ্গে বাংলার আত্মিক যোগাযোগ নেই। সোমবার তৃণমূল ভবনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই মন্তব্য করলেন রাজ্যের মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। তিনি বলেন, বাংলার জন্য বিজেপির আন্তরিকতা নেই। কিন্তু তৃণমূল বাঙালি অবাঙালি ভাগ করে না। যে গব্বর সিংগুলিকে বাংলায় আমদানি করা হচ্ছে তাদের বাংলার মানুষ মেনে নেবে না। সেটা সিনেমাতেই ভালো লাগে। ইন্দ্রনীল সেন আরও বলেন, লোকশিল্পীদের পাশে কোনও বিজেপি নেতা দাঁড়ায়নি। লোকশিল্পীদের পাশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আছেন। আরও পড়ুনঃ সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আইনি নোটিশ দিলীপ ঘোষের আইনজীবীর রাজ্যের প্রকল্প পৌঁছে দিতে দুয়ারে দুয়ারে সরকার-এর কথাও উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, রাজ্যের প্রকল্প অনুকরণ করছে কেন্দ্রীয় সরকার। শুধু কেন্দ্র নয়, অন্য রাজ্যও বাংলাকে অনুকরণ করে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এদিন তিনি তিনি নাম না করে দিলীপ ঘোষকে মিস্টার বিন বলে উল্লেখ করেন। গুন্ডা শব্দ নিয়ে যে বিতর্ক হয়েছে সে বিষয়ে ইন্দ্রনীল বলেন, অভিষেক ব্যানার্জীর সৎসাহস আছে তাই মঞ্চ থেকে এ কথা বলতে পেরেছেন। বলেন, গুন্ডামি মানুষ সিনেমায়, যাত্রায় বা নাটকে দেখতে ভালবাসে কিন্তু এলাকায় দেখতে অভ্যস্ত নন। বাংলার মানুষ গুন্ডাদের এখানে আমদানিও করবেন না।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
রাজ্য

মতুয়াদের নাগরিকত্বের জন্য কোনও সরকার কিছু করেনিঃ শান্তনু ঠাকুর

তিন কোটি মতুয়া ও নমঃশুদ্রকে ভারতবর্ষে নাগরিকত্বের জন্য ভিক্ষা করতে হচ্ছে। কংগ্রেস, সিপিএম, তৃণমূল, বিজেপি কেউ ভিক্ষা দেয়নি। সোমবার ঠাকুরবাড়িতে মতুয়াদের সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। তিনি বলেন, আর ভিক্ষা নয়। তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গে প্রায় তিন কোটি মতুয়া ধর্মের মানুষের বাস করে। এখানে মতুয়া ধর্মের মানুষ কেন উপেক্ষিত? উপস্থিত মতু্যা ভক্তদের কাছে বিজেপি সাংসদের প্রশ্ন, কোন সরকারের কাছে জবাব চাইবেন? কোনও সরকার তার জবাব দেবে না। এই সরকার আসবে ওই সরকার যাবে। জাতিগত দিক দিয়ে কত দিন বিভাজিত করে রাখা হবে মতুয়াদের? রাজ্য রাজনীতিতে এক তৃতীয়াংশ ভোট থাকা মতুয়ারা ভবিষ্যতে রাজ্যের চালিকাশক্তি হয়ে উঠে নিজেদের অধিকার বুঝে নেওয়ার ডাক দেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ শিলিগুড়িতে একই মঞ্চে ডান - বাম উভয় পক্ষ শান্তনুর দাবি, পূর্ব পাকিস্তান তৈরির আগে তাঁরাও ভারতীয় ছিলেন। তাঁরা ভারতীয় হিসেবে থাকতে চান। দেশভাগের সময় দুই ব্যক্তির সিদ্ধান্ত তাঁদের উপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের মতামত জানার প্রয়োজন বোধ করেনি কেউ। আর পূর্ব পাকিস্তান থেকে অত্যাচিরত হয়ে এদেশে আসার পর থেকেই বঞ্চিত মতুয়ারা। তাঁদের অধিকারের জন্য তিনি নির্বাচনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। মতুয়াদের কাছে প্রতিশ্রুতি ছিল সাংসদ হয়ে মতুয়াদের নাগরিকত্বের সমস্যা মেটাবেন। বাস্তবে পার্লামেন্ট থেকে আইন পাশ হলেও লাগু হয়নি সেই আইন। আর তাতেই চটেছেন তিনি।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
রাজনীতি

ভাইপোকে খোকাবাবু বলে কটাক্ষ দিলীপের

কে গুন্ডা সে তো পঞ্চায়েত নির্বাচনেই আমরা দেখেছি। সোমবার ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে অভিষেকের গতকালের মন্তব্যের পালটা আক্রমণ করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, অভিষেক ৭ কোটি টাকার বাড়িতে থাকে, কনভয়ে ২৫টা গাড়ি ও আরও অনেক কিছু থাকে তাই কে মাফিয়া বোঝাই যাচ্ছে। হতাশা চরম পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে বলে এসব বলছেন। আদর করে ভাইপো বললে আপত্তি কোথায়। আমি ভাইপো বলি না। আমি খোকাবাবু বলছি। ওঁকে খোকাবাবু বলব না তো কী! উনি কোলে চড়ে রাজনীতিতে এসেছেন, এখনও কোলেই আছেন। দিল্লিতে যুবরাজকে পাপ্পু বলা হয়। পাপ্পু বলা হবে। ভাইপো বললে ক্ষতি কি হয়েছে? চিৎকার চেঁচামিচি করে কিছু হবে না। লোক জানেন সব কিছু। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূলকে ভাঙার চেষ্টা করে কোনও লাভ নেইঃ সুজিত তিনি আরও বলেন, যে লোকেরা পার্টির জন্য প্রাণ দিল তারা আজ ব্রাত্য আর উনি কোলে চড়ে এসে সাংসদ হয়ে গেলেন। বিগত ১০ বছরে প্রাইভেট প্রপাটি বানানো হয়েছে। বাসিন্দাদের কালিঘাট থেকে বের করে জায়গা দখল করা হয়েছে। আমাকে গুন্ডা, মস্তান বলা হয়েছে। সাধারণ মানুষের জন্য যা করছি তা যদি গুন্ডামি হয় তবে তাই। আমি সবে গুন্ডামি শুরু করেছি। গুন্ডামির কিছুই দেখেননি এখনও। অভিষেকের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ নেওয়া হবে কিনা তা আইনজীবীরা দেখছেন। তবে ক্ষমতায় এসে এই ধরনের ভাষা ব্যবহার করা উচিত নয়। মানুষ সব দেখছেন ও বুঝছেন। মানুষ তুলতেও পারে-ফেলতেও পারেন।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
রাজ্য

বিজেপি মোর্চাদের মানুষ বলেই মনে করে নাঃ রোশন গিরি

তিনবার আমরা বিজেপিকে সুযোগ দিয়েছি পাহাড়ের উন্নয়নে কাজ করার। তিনবার সাংসদ নির্বাচন করেছি বিজেপি থেকে। কিন্তু কেন্দ্রের ক্ষমতায় বিজেপি আসার পরও কোনও লাভ হয়নি। বিজেপি মোর্চাদের মানুষ বলেই মনে করে না, গুরুত্বই দেয় না। আমরা তৃণমূলকে সমর্থন করব। রবিবার কার্শিয়াংয়ের জনসভা থেকে এভাবেই বিজেপির সমালোচনা করলেন রোশন গিরি। তিনি বলেন, ২০২৪-এর নির্বাচনে যে দল আমাদের গোর্খাল্যান্ডের দাবিকে সমর্থন করবে তাদেরই আমরা সমর্থন করব। এদিন তিনি স্পষ্ট করে দেন, একুশের আবার তৃণমূল ক্ষমতায় ফিরুক, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হোন এটাই তাঁদের আশা। তাই পাহাড়ে ভোটের লড়াইয়ে তৃণমূলের সঙ্গেই থাকবেন তাঁরা। পাশাপাশি বর্তমান জিটিএ অর্থাৎ অনীত থাপা পরিচালিত সংস্থার বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতি নিয়ে সরব হন রোশন গিরি। জিটিএ-তে অডিটের দাবি তোলেন। আরও পড়ুন ঃ জল্পনা জিইয়ে রেখে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা শুভেন্দুর এদিন তাঁর কথায় সমর্থন জুগিয়েছেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সদস্যরা। এদিন রোশন গিরির সভায় ভালই জমায়েত হয়েছিল। সভা শেষে অনেকটা উৎসবের মেজাজে ছিল পাহাড়বাসী। সেই পুরনো ছন্দে নাচে-গানে মেতে উঠলেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার বিমলপন্থী সমর্থকরা। প্রসঙ্গত, ৬ ডিসেম্বর শিলিগুড়ির বাঘাযতীন পার্কে সভা করতে পারেন বিমল গুরুং। সেদিন তিনি কি বলেন, সেটাই এখন দেখার।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
কলকাতা

ডিসেম্বরেও খুলছে না কলেজ- বিশ্ববিদ্যালয়ঃ পার্থ

আগামী ডিসেম্বর মাস থেকে খুলছে না কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়। রবিবার রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির উপাচার্যদের সঙ্গে ভারচুয়াল বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, এখনও রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি খুব একটা সন্তোষজনক নয়। সংক্রমণের ধারা বজায় রয়েছে। সেক্ষেত্রে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় খুললে সংক্রমণের সম্ভাবনা আরও কয়েক গুণ বাড়তে পারে। তাই সেই সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে এখনই কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় খোলা সম্ভব নয়। পরিবর্তে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে তবেই খুলবে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়। আপাতত অনলাইন ক্লাসেই জোর দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এছাড়া স্নাতকে সেমেস্টার অনুযায়ী পরীক্ষাও অনলাইনে নেওয়ার কথাই বলেছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। আরও পড়ুন ঃ নির্বাচন কমিশনে অসত্য তথ্য দিয়েছেন অর্জুন সিংঃ শশী পাঁজা করোনা পরিস্থিতিতে স্নাতকের প্রথম বর্ষের ভরতি প্রক্রিয়াও অনলাইনেই হয়েছে। যেসব কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনও আসন খালি রয়েছে সেখানে পুনরায় ভর্তির জন্য পোর্টাল চালু করা হতে পারে। তবে কীভাবে সেই প্রক্রিয়া সুসম্পন্ন হবে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃপক্ষই সিদ্ধান্ত নিতে পারবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। প্রসঙ্গত, করোনা আবহে বিগত সাড়ে সাত মাসের উপর বন্ধ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়। অনলাইনেই চলছে পঠন-পাঠন। স্নাতক ও স্নাতোকত্তোরে পরীক্ষাও হয়েছে অনলাইনে।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
রাজনীতি

বছরের শেষটা মোটেও ভাল যাচ্ছে না তৃণমূলেরঃ দিলীপ

এই ডিসেম্বর মাসটা খুব গুরুত্বপূর্ণ তৃণমূলের কাছে। প্রতিদিনের মতো রবিবার সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে এই মন্তব্য করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন, আমি কাল যেটা বলেছি তৃণমূলে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট শুরু হয়েছে। তাঁরা এখন ভাঙন ঠেকাতে মরিয়া। যে নেতারা কোনও্দিন বাইরে বেরোন না, তাঁরা বেরোতে আরম্ভ করেছেন। ডিসেম্বর মাসটা তৃণমূলের জন্য খুব চাপের। বছরের শেষটা মোটেও ভাল যাচ্ছে না তৃণমূলের।তৃণমূল দলটাই আর থাকবে না। এরপরই ৭ তারিখের সভা প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, মানুষ অনেক আশা করেছিলেন। কিন্তু জঙ্গলমহলে কোনও উন্নতিই ঘটেনি মমতা সরকারের আমলে। তাই মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। এখন জঙ্গলমহলে পড়ে থাকলেও কিছু হবে না।শেষ চেষ্টা করে দেখছেন। মিহির গোস্বামীর বিজেপিতে যোগদান প্রসঙ্গে সাংসদ বলেন, মিহির গোস্বামী অভিমানে দলত্যাগ করেছেন। এরকম আরো হবে। ফের বাংলাকে গুজরাট বানানোর শপথ নেন তিনি। বলেন, গুজরাটে শিল্প হয়েছে, শিক্ষা হয়েছে, উন্নতি হয়েছে। তাই বাংলাকে গুজরাট বানাবই। এছাড়াও শুভেন্দু ইস্যুতে দিলীপের বক্তব্য, টিএমসি-র কাউকে বহিষ্কার করার মত শক্তি নেই। তাহলে তো ফাঁকা হয়ে যাবে। সেজন্য আজকে তাঁরা কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন না। এখন কিছু করতে গেলে পার্টি একবারে টুকরো টুকরো হয়ে যাবে। আরও পড়ুন ঃ আগামী ৬ তারিখ পাহাড়ে বিমল গুরুং জেপি নাড্ডা আসার আগে মুখ্যমন্ত্রীর সভা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা নিয়মিত তো সভা করছি। ওনারা সবে নেমেছেন। কারণ, তৃণমূলের ভাষণ শুনতে লোকে আসে না। বিভিন্ন জায়গা থেকে , দূর দূর থেকে লোক নিয়ে আসতে হয়। তাই একবার পরীক্ষা করে নিচ্ছেন কি পরিস্থিতি। এখন ঘর সামলান আগে, তারপর সভা করবেন। গতকাল অনুকূল ঠাকুরের পুত্রের সঙ্গে কৈলাশ বিজয়বর্গীয় সাক্ষাৎ নিয়ে দিলীপের মন্তব্য, যত ধার্মিক সংগঠন আছে তাঁদের সমস্যা শোনা, তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করার কাজটা আমাদের পার্টি সব সময় করে থাকে। গতকাল মালদহের নেতৃত্বের সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠকে কয়েকজন নেতৃত্বের অনুপস্থিতি নিয়ে বলেন, ওনারা একটু দেখে নিচ্ছেন কে আছেন, কে নেই। এই মাসেই দুধ-জল সব আলাদা হয়ে যাবে।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
কলকাতা

নির্বাচন কমিশনে অসত্য তথ্য দিয়েছেন অর্জুন সিংঃ শশী পাঁজা

যারা নিজেরা মিথ্যে কথা বলেন, তাঁরাই অন্যদের অসম্মান করেন। শনিবার তৃণমূল ভবনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এভাষাতেই আগাগোড়া বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংকে বিঁধলেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা। তিনি বলেন, নির্বাচনের মনোনয়নপত্রেও অর্জুন সিং নিজের সম্পর্কে অনেক অসত্য বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। এরপরেই দুটি সংস্থার নাম বলেন তিনি। যার একটি ব্যাঙ্গালুরু ও অন্যটি দুবাইয়ের। দাবি করেন, এই দুটি সংস্থার শেয়ার হোল্ডার অর্জুন সিং। শুধুমাত্র একটি সংস্থাতেই তাঁর ২ লক্ষ টারার শেয়ার রয়েছে। যা তিনি লোকসভা নির্বাচনের মনোনয়নপত্রে উল্লেখ করেননি। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি হচ্ছে ঝালমুড়ির মতোঃ ফিরহাদ শুধু তাই নয়, এদিন আবারও শ্রাবন্তী সিনহা রায়ের কথা উল্লেখ করেন শশী পাঁজা। ওই মহিলা অর্জুন সিংয়ের স্ত্রী বলে দাবি করে তিনি বলেন, ব্যাঙ্গালুরুর ওই সংস্থায় শ্রাবন্তী সিনহা রায়েরও ২ লক্ষ টাকার বেশি শেয়ার রয়েছে। তাঁর সঙ্গে অর্জুন সিংয়ের বিয়ের সার্টিফিকেটও রয়েছে। অথচ নির্বাচন কমিশনে সেই বিষয়টি এড়িয়ে গিয়েছেন সাংসদ। এর ফলে মহিলাদের অসম্মান করা হচ্ছে। তাঁর প্রশ্ন, নিজের স্ত্রীকে স্বীকৃতি দেননি যেই ব্যক্তি তিনি মহিলাদের সম্মান করবেন কীভাবে? এদিন শশী পাঁজা আরও বলেন, শিবসেনা, অকালি দলের মতো অনেক দলই এক এক করে এনডিএ ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। তাই এখন এনডিএ-র শরিক হয়েছে সিবিআই, ইডি, ইনকাম ট্যাক্স। শশী পাঁজা অর্জুন সিংকে নিয়ে যে মন্তব্য করেছে, সে প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ওনার যা অভিযোগ , তা নির্বাচন কমিশনে বলুক। প্রকাশ্যে বলছেন কেন? ওরা আমার বিরুদ্ধেও অনেক অভিযোগ ্করে। কিন্তু তার কোনটাই ধোপে টেকে না।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মহালয়ায় কখন করবেন পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ? জেনে নিন শুভ সময় ও বিশেষ নিয়ম

শিউলি ফুলের গন্ধ আর শরতের ভোরের বাতাসে ঢাকের মিঠে বোল এই তো আমাদের দুর্গোৎসবের প্রথম বার্তা! বছর ঘুরে আবারও সেই কাঙ্ক্ষিত দিনটি দোরগোড়ায়। ২০২৬ সালের ১০ই অক্টোবর, শনিবার (২২শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ) শুভ মহালয়া। ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জলদগম্ভীর কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনীর সুর ভেসে আসার সঙ্গেই যেন বাঙালিয়া এক অদ্ভুত আবেগ আর নস্টালজিয়ায় ভেসে যায়। পিতৃপক্ষের সমাপনী আর দেবীপক্ষের এই নতুন সকালে চরাচর যেন এক স্বর্গীয় সুরের আহ্বানে জেগে ওঠে।মহালয়া শুধু একটি দিন নয়, এটি একটি অনুভূতির নাম। পুরাণ মতে, এদিনই দেবী দুর্গা মর্ত্যে তাঁর পিতৃগৃহে পা রাখেন, শুরু হয় দেবীপক্ষ। এর পাশাপাশি এটি আমাদের শিকড়কে স্মরণ করার শ্রেষ্ঠ সময়। এদিন ভোরে গঙ্গার ঘাটে ঘাটে পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ করার জন্য হাজারো মানুষের মিলনমেলা বসে। শাস্ত্রানুসারে অমাবস্যা তিথিটি শুরু হচ্ছে ৯ই অক্টোবর রাত ৯:৩৫ মিনিটে এবং থাকবে ১০ই অক্টোবর রাত ৯:১৯ মিনিট পর্যন্ত। পিতৃপুরুষকে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য ১০ই অক্টোবর সকাল ১১:২৪ মিনিট থেকে দুপুর ১:৫৬ মিনিট পর্যন্ত সময়টিকে সবচেয়ে শুভ বলে মনে করা হচ্ছে।তবে মহালয়া কিন্তু কেবল অতীতের স্মৃতি তর্পণ বা শাস্ত্রমতে তর্পণের আচারটুকুতেই সীমাবদ্ধ নয়, এর পেছনে লুকিয়ে আছে আগমনীর গভীর আনন্দ। এই বিশেষ দিনে প্রতিমার চোখে তুলি ছোঁয়ানো অর্থাৎ চক্ষুদান রীতির মধ্য দিয়েই মৃন্ময়ী রূপ যেন চিন্ময়ীতে পরিণত হতে শুরু করে। ১০ই অক্টোবরের এই অলৌকিক ভোরে মহালয়া শেষ হতেই, পরের দিন ১১ই অক্টোবর থেকে পূর্ণাঙ্গভাবে সূচনা হবে দেবীপক্ষের। চারপাশের কাশবনের দোল আর নীল আকাশের শুভ্র মেঘেরা তখন যেন চুপিচুপি জানান দেবে মা আসছেন। উৎসবের এই পবিত্র সূচনাকে সুন্দর ও মঙ্গলাময় রাখতে কিছু চিরন্তন রীতির প্রতি শ্রদ্ধা রাখা জরুরি। সনাতন বিশ্বাস অনুযায়ী, এই পুণ্যলগ্নে নিরামিষ আহার গ্রহণ করা ও যেকোনো প্রকার নতুন কেনাকাটা বা চুল-নখ কাটা থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়। পিতৃপুরুষের প্রতি শ্রদ্ধা আর মাতৃরূপী মহাশক্তির আবাহনের এই মাহেন্দ্রক্ষণে আসুন আমরাও হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে নিজেদের মনকে নির্মল করে তুলি। অপেক্ষা শুধু আর কটা দিনের শরতের এই আলো-আঁধারির খেলায় মহালয়ার ভোর যেন প্রতিটা বাঙালির অন্তরে পৌঁছে দেয় এক অনাবিল আনন্দের পরশ।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

বিকাশরঞ্জনের বাড়িতে হামলার নিন্দায় মমতা, তদন্তের মাঝেই ‘হিন্দুত্ববাদী’ মন্তব্যে অ্যাকশনের হুঙ্কার শুভেন্দুর

বর্ষীয়ান আইনজীবী তথা সিপিএমের প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলার ঘটনায় এক যুবককে গ্রেফতার করল পুলিশ। শুক্রবার ভোর প্রায় ৪টে ৫ মিনিট নাগাদ দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়া সাহা কালীবাড়ি এলাকার বাসিন্দা বাপ্পা গুছাইতকে গ্রেফতার করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেই অভিযুক্তকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাঁর বাইকটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ধৃতকে এদিন আদালতে পেশ করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হবে বলে জানা গিয়েছে।কীভাবে ঘটেছিল হামলা?অভিযোগ, বৃহস্পতিবার ভোরে পূর্ব যাদবপুরে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়ি লক্ষ্য করে কাচের মদের বোতল ছোড়ে একদল অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতী। বোতলের আঘাতে বাড়ির জানলার কাচ ভেঙে যায়। সেই সঙ্গে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। হামলার সময় অল্পের জন্য রক্ষা পান বাড়ির এক গৃহসহায়িকা।বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের দাবি, ভোর প্রায় পাঁচটা নাগাদ মুখ কাপড়ে ঢাকা এক ব্যক্তি বাইকে চেপে এসে ব্যাগ থেকে কাচের বোতল বের করে তাঁর বাড়ির জানলার দিকে ছুড়তে থাকে। পিছনে আরও কয়েকজন ছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজে বাইকে আসা এক ব্যক্তিকে বোতল ছুড়তে দেখা গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ফুটেজের অডিয়োয় আমাদের সঙ্গে লাগতে এসো না, আমরা দেশভক্ত এই ধরনের হুমকির কথাও শোনা যায় বলে দাবি।ঘটনার পর পুলিশ বিকাশরঞ্জনের বাড়িতে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে এবং তাঁর কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে। সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে গিয়ে বাপ্পা গুছাইতকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে কলকাতা পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে হামলার কারণ, ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না এবং এর পিছনে কোনও বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।হিন্দুত্ববাদীরা হামলা করেছে, অভিযোগ বিকাশরঞ্জনেরহামলার ঘটনার পর বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য অভিযোগ করেন, এই ঘটনার পিছনে রয়েছে হিন্দুত্ববাদী গুন্ডারা। তাঁর বক্তব্য, গরিব মানুষের অধিকারের পক্ষে যাঁরা লড়াই করছেন, তাঁদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। হামলাকারীরা এভাবে তাঁকে শিক্ষা দিতে চেয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।বিকাশরঞ্জনের এই মন্তব্যকে ঘিরে পাল্টা সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, হামলার ঘটনায় পুলিশ তদন্ত করছে এবং তাঁর নির্দেশেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে এই ঘটনার দায় সরাসরি হিন্দুত্ববাদীদের উপর চাপানোর বিরোধিতা করেছেন তিনি।শুভেন্দু অধিকারীর হুঁশিয়ারি, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে হিন্দুত্ববাদী শব্দটি প্রত্যাহার না করা হলে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা অনুযায়ী আইনি পদক্ষেপ করা হবে। ওই পোস্ট মুছে ফেলার উদ্যোগও পুলিশের তরফে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, এ ধরনের মন্তব্যের মাধ্যমে গোটা হিন্দু সমাজকে অপমান করা হয়েছে। গেরুয়া, সনাতন, হিন্দুত্ব ও রাষ্ট্রবাদকে নিশানা করা হলে তার জবাব দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়াবিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সামাজিক মাধ্যমে ঘটনার নিন্দা করেছেন। তাঁর বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গ ভয় দেখানো বা জঙ্গলরাজের সংস্কৃতি মেনে নেবে না। রাজনৈতিক মতাদর্শ নির্বিশেষে আইনজীবীদের নির্ভয়ে তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে দেওয়ার পক্ষেও সওয়াল করেছেন তিনি।অন্যদিকে, যাদবপুরের বিধায়িকা শর্বরী মুখোপাধ্যায় এই ঘটনায় বিজেপির যোগ থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আইনজীবী ফিরদৌস শামিম জানিয়েছেন, বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের নজরে আনা হবে।একদিকে বাড়িতে হামলার ঘটনায় গ্রেফতারি, অন্যদিকে হিন্দুত্ববাদী মন্তব্য ঘিরে মুখ্যমন্ত্রীর পাল্টা আইনি হুঁশিয়ারি সব মিলিয়ে ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে। তবে হামলার প্রকৃত কারণ এবং এর পিছনে আর কেউ জড়িত কি না, তা পুলিশের তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

১৯৭৬ সালে মহিষাসুরমর্দিনীতে উত্তমকুমার, ক্ষোভে ফেটে পড়েছিলেন বাঙালিরা! কেন ফিরিয়ে আনতে হয়েছিল বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রকে?

প্রবাসে থাকা ছেলে মেয়েরা যেভাবে বছরের ৪ দিন তাদের ভিটেমাটির টানে ফিরে আসে, সেভাবে নস্টালজিক বাঙালিকে যিনি বেতারের সামনে শিকড়ের টানে টেনে আনেন তিনি আর কেউ নন বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র। মহালয়া (Mahalaya 2026) ,মহিষাসুরমর্দিণী (Mahisashurmardini) আর বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র (Birendra Krishna Bhadra) তিনটে নামই উচ্চারিত হয় এক স্বরে। মহালয়ার ভোরে এই চণ্ডীপাঠের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যিনি গোটা বিশ্বে নিজের কণ্ঠকে অমর করে রেখে গিয়েছেন, সেই বাঙালি মধ্যবিত্ত সাদামাটা ধুতি পাঞ্জাবি পরা কণ্ঠশিল্পীই বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র। যাঁর হাত ধরে বাঙালির পুজোর (Durga Puja) ঢাকে কাঠি পড়ে। আজ ২০২৬ সালের মহালয়ার অপেক্ষায় রাত জাগছে বাঙালি, সেই পরিচিত কণ্ঠে মহিষাসুর মর্দিণী শুনবে বলেই। ১৯০৫ সালের এই দিনটিতেই উত্তর কলকাতার আহিরীটোলায় জন্মগ্রহণ করেন প্রবাদপ্রতিম বেতার ব্যক্তিত্ব বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র। বাবা রায়বাহাদুর কালীকৃষ্ণ ভদ্র ছিলেন একজন ভাষাতত্ত্ববিদ, মা ছিলেন সরলা দেবী। ছোটবেলায় ঠাকুরমা যোগমায়া দেবীর কাছে সংস্কৃত শিক্ষার হাতেখড়ি হওয়া বীরেন্দ্রকৃষ্ণ মাত্র আট বছর বয়সে প্রখর স্মৃতিশক্তির জোরে নির্ভুল চণ্ডীপাঠ করে সবাইকে চমকে দিতেন। ১৯২৮ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া রেলওয়েতে কর্মজীবন শুরু করলেও তাঁর মন পড়ে থাকত ১ নম্বর গার্স্টিন প্লেসের অল ইন্ডিয়া রেডিওর দফতরে। অফিস শেষের আড্ডা থেকেই ধীরে ধীরে বেতারে নাটকের সুযোগ পান। পরবর্তীতে চাকরি ছেড়ে পাকাপাকিভাবে আকাশবাণীতে যোগ দেন।আকাশবাণীতে যোগ দেওয়ার পর বাণীকুমার ভট্টাচার্যের রচনা এবং রাইচাঁদ বড়াল ও পঙ্কজকুমার মল্লিকের সুর পরিচালনায় শুরু হয় মহালয়ার কালজয়ী অনুষ্ঠান মহিষাসুরমর্দিনী। লাইভ সম্প্রচারের সেই যুগে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ আগের রাত থেকেই স্টেশনে থেকে ভোরবেলায় স্নান সেরে, গরদের ধুতি-পাঞ্জাবি পরে চণ্ডীপাঠে বসতেন। একদিন স্টুডিওতে রসিকতা করে বাংলা ভাষ্যটিও স্তোত্রের ঢঙে সুর করে পড়তে গিয়ে জন্ম নেয় তাঁর সেই অবিস্মরণীয় অবদান, যা ১৯৬৬ সালে বাণীকুমারের পরামর্শে রেকর্ড করা হয়। আজও প্রতি মহালয়ার ভোরে প্রতিটি বাঙালির ঘরে ঘরে শোনা যায় এই স্মরণীয় কন্ঠস্বরে চণ্ডীপাঠ, যেন মা দুর্গা প্রথম অঞ্জলি বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের থেকেই নেন।কেবল রেডিওর জাদুকরী কণ্ঠই নয়, বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ছিলেন একজন চমৎকার নাট্যকার, সমৃদ্ধ লেখক এবং পরিচালক। তিনি পেশাদারি মঞ্চে সাহেব বিবি গোলাম-এর মতো সফল নাটক পরিচালনা করার পাশাপাশি নিষিদ্ধ ফল-এর মতো চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্যও লিখেছিলেন। অনেক গুণী ব্যক্তি রেডিওর জন্যই একসময় নিজেকে উৎসর্গ করে দেন। গোটা বিশ্বে যখন তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ছে তখন হঠাৎই ১৯৭৬ সালে আকাশবাণী কর্তৃপক্ষ প্রথা ভেঙে তাঁর জায়গায় মহানায়ক উত্তমকুমারকে দিয়ে চণ্ডীপাঠ করানোর সিদ্ধান্ত নেয়। বাঙালির আবেগে ঘা পড়তেই, বহু বাঙালি ভক্ত রেডিও অফিসের ওপর চড়াও হয়। কেউই ভালোভাবে গ্রহণ করেনি সেই দিনের চণ্ডীপাঠ। স্বাভাবিক ভাবেই সে বছর পুণরায় ষষ্ঠীর দিন বীরেন্দ্রকৃষ্ণের মহিষাসুরমর্দিনী সম্প্রচার করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু গোটা ঘটনাতে তিনি ছিলেন নির্বিকার স্থির, বোধহয় তিনি মন থেকে জানতেন কিছু স্থান অপরিবর্তনশীল। ১৯৯১ সালের ৩ নভেম্বর মহাপ্রয়াণ ঘটলেও বাঙালি সংস্কৃতির আকাশে তিনি অমর হয়ে রয়েছেন। শরতের ভোরে শিউলি ঝরা হাওয়ায় তাঁর সেই বজ্রনির্ঘোষ অথচ সুরময় কণ্ঠে আশ্বিনের শারদপ্রাতে শুনলেই আজও মনে হয় পুজোর বাদ্যি বেজেছে। এভাবেই কিংবদন্তি বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র মহালয়ায় মহিষাসুরমর্দিণীর মাধ্যমে চিরকাল বেঁচে থাকবেন কোটি কোটি বাঙালির মনে।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

জেলকোভিচের গোলেই বধ ইস্টবেঙ্গল, আইএফএ শিল্ড মোহনবাগানের

সেমিফাইনালে বিপক্ষকে ৭ গোল দিয়ে আত্মবিশ্বাসের চূড়ায় পৌঁছেছিল ইস্টবেঙ্গল। বৃহস্পতিবার প্রথমার্ধের ৪৫ মিনিটে জেলকোভিচের গোলেই বধ ইস্টবেঙ্গল। ২২ তম আইএফএ শিল্ড চ্যাম্পিয়ন হল মোহনবাগান। এদিন বেশ গুছিয়ে ফুটবল খেলেছে মেরিনার্সরা। ইন্ডিয়ান সুপার লিগ শুরু হওয়ার আগে ইস্টবেঙ্গলের এই হার দলের মনোবলে কতটা আঘাত করবে সেটাও দেখার। গত সিজনের আইএসএল কাপ ইস্টবেঙ্গলের ঘরে ছিল। শুরুতেই ইস্টবেঙ্গল একটি সুযোগ পেয়েও কাডে লাগাতে পারেনি। বিরতির শেষ মুহূর্তে লীড নিয়ে নেয় মোহনবাগান। তখন বেশ চাপে ছিল ইস্টবেঙ্গল। মোহনবাগানের একের পর আক্রমণে তখন দিশেহাপা ইস্টবেঙ্গল। জেলকোভিচের গোলে এগিয়ে যায় মোহনবাগান। বৃহস্পতিবার আইএফএ শিল্ডের (IFA Shield 2026) ফাইনালে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (Mohun Bagan Super Giant) ও ইস্টবেঙ্গল (East Bengal FC) মুখোমুখি হওয়ায় ফের ফুলবল জ্বরে ভুগতে শুরু করে কলকাতা। সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে দুই দলের সমর্থকরা তখন নিজের দলের সমর্থনে চিৎকারে গলা ফাটাচ্ছে। অনেক চেষ্টা করেও আর গোল পায়নি ইস্টবেঙ্গল জেলকোভিচের গোলই ম্যাচের পার্থক্য় গড়ে দেয়। ম্যাচের শেষের দিকে দুটো কর্ণার কিক পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
রাজনীতি

পূর্ব বর্ধমানে তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা উদ্ধার, আরও সম্পদের সন্ধানে তদন্তে পুলিশ

সরকার বদলের পর থেকে নানা অভিযোগে একের পর এক হেভিওয়েট নেতা, মন্ত্রী গ্রেফতার হয়েছেন। এখনও তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতারি অব্যাহত। এবার কাটোয়ায় গ্রেফতার হওয়া নেতার বাড়ি থেকে রাশি রাশি টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, সম্পত্তির হদিশও মিলেছে। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার দুই তৃণমূল নেতা সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত চক্রবর্তী কিভাবে বিপুল অর্থ ও সম্পদের মালিক হলেন, তা নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। এদের সঙ্গে জড়িত দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।জানা গিয়েছে, সামন্য বেতনে বেসরকারী একটি মোবাইল সংস্থায় কর্মরত ছিলেন ওই দুই নেতা। পরবর্তীতে তৃণমূলে যোগ দিয়েই কাটোয়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর সর্বসময়ের সঙ্গী দীগন্ত পালের সঙ্গে বিশেষ সখ্য়তা স্থাপন করে ফেলেন। এরপর সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত চক্রবর্তীর ধনসম্পত্তি বাড়তে বিদ্যুৎ গতিতে। ইতিমধ্যে সরকার পরিবর্তন হতেই আর্থিক দুর্নীতির মামলায় রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ দীগন্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সূত্রের খবর, এরপরই গ্রেফতার এড়াতে পালিয়ে বেরাচ্ছিল সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত চক্রবর্তী। তবে শেষমেশ পুলিশের জালে ধরা পড়ে দুজনই। এখন তাঁদের বেআইনি ধনসম্পদ নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে সুপ্রিয়র বাড়ি থেকে ৯ লক্ষ টাকা নগদ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে তাঁরা সোনা রেখে লক্ষ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই সোনা কোথা থেকে এসেছে তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এদের কাছে দামি চারচাকাও রয়েছে।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলা, সিপিএম নেতার অভিযোগ ওড়ালেন শর্বরী মুখোপাধ্যায়

সিপিএম নেতা বিকাশ ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলা করা অভিযোগ উঠেছে। পূর্ব যাদবপুরে তাঁর বাড়ির জানালার কাঁচ ভাঙা হয়েছে। তিনি স্থানীয় থানায় এই বিষয়ে অভিযোগ করেছে। এই হামলায় বিজেপির মদত আছে বলে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য অভিযোগ করেছেন। তবে যাবদপুরের বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় ওই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, জয়শ্রীরাম বলে অন্যায় করলেই কি সে বিজেপি হয়ে যায়। তা হতে পারে না। আজ ভোরে তার বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়ি লক্ষ্য করে কাচের বোতল ছোড়া হয়। বিকাশরঞ্জন বলেন, মদের বোতন ছড়িয়ে আছে। শক্ত কাচ ভেঙে ফেলা হয়েছে। সিসিটিভিতে দেখা যাচ্ছে বাইকে এল, ছবি তুললো। তারপর বলতে থাকল, আমরা মায়ের সন্তান। আমাদের পিছনে লেগেছিস। ওই ব্যক্তির মুখ ঢাকা ছিল। মোটর বাইকের নম্বরও ঢাকা ছিল। একেবারে পরিকল্পনা করে এসেছিল। আমি অনবরত হিন্দু মৌলবাদের বিরুদ্ধে বলছি তাই এই হামলা। এর পিছনে সর্বরীদেবীর পার্টিদের মদত আছে। বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় বলেছেন, কোনও রাজনৈতিক দলের এটা কাজ নয়। কোনও দুষ্কৃতীকারীর কাজ। মুখে স্লোগান দিয়ে এই কাজ করে সরকার ও বিজেপির বদনাম করছে। জয়শ্রীরাম ধ্বনি দিয়ে, কোনও অন্যায় কাজ করল তাঁকে বিজেপি বলা যায় না।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

পাঁচ দশকের অভিনয়জীবনে ইতি, প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর

প্রয়াত হলেন প্রবীণ অভিনেতা নানা পাটেকর। হিন্দি ও মারাঠি সিনেমার অন্যতম স্বতন্ত্র অভিনেতা হিসেবে পরিচিত নানা পাটেকর বৃহস্পতিবার ভোরে গোয়ায় নিজের বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়েই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।নানা পাটেকরের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁর ছেলে মালহার পাটেকর। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-কে তিনি জানান, খবরটি সত্যি। তিনি সেই সময় পুনেতে ছিলেন এবং গোয়ার উদ্দেশে রওনা দেন। পরিবারের তরফে পরে বিস্তারিত বিবৃতি দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।প্রায় পাঁচ দশকের অভিনয়জীবনে ভারতীয় সিনেমায় নিজের স্বতন্ত্র জায়গা তৈরি করেছিলেন নানা পাটেকর। থিয়েটার দিয়ে অভিনয়জীবন শুরু করার পর ১৯৭৮ সালে গমন ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। এরপর পরিন্দা, ক্রান্তিবীর, অগ্নিসাক্ষী, খামোশি: দ্য মিউজিক্যাল, আব তক ছাপ্পান, অপরাধ, রাজনীতি থেকে ওয়েলকামএকাধিক ছবিতে তাঁর অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা পেয়েছে।পরিন্দা ছবির জন্য জাতীয় পুরস্কার পান নানা পাটেকর। ক্রান্তিবীর-এর জন্য সেরা অভিনেতা হিসেবে জাতীয় পুরস্কারও অর্জন করেন তিনি। অন্যদিকে, ২০০৭ সালের জনপ্রিয় ছবি ওয়েলকাম-এ গ্যাংস্টার উদয় শেঠির চরিত্রে তাঁর অভিনয় সম্পূর্ণ ভিন্ন এক পরিচয় তৈরি করে। চরিত্রটি এতটাই জনপ্রিয় হয় যে পরবর্তী সময়ে ওয়েলকাম ব্যাক ছবিতেও সেই ভূমিকায় দেখা যায় তাঁকে।মারাঠি সিনেমাতেও তাঁর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। ২০১৬ সালের নটসম্রাট ছবিতে অবসরপ্রাপ্ত এক মঞ্চ অভিনেতার চরিত্রে তাঁর অভিনয় ব্যাপক প্রশংসিত হয়। ড. প্রকাশ বাবা আমটেদ্য রিয়েল হিরো ছবির জন্য তিনি ফিল্মফেয়ার পুরস্কারও পান।শুধু অভিনেতা হিসেবেই নয়, পরিচালক ও লেখক হিসেবেও কাজ করেছেন নানা পাটেকর। ১৯৯১ সালে প্রহার: দ্য ফাইনাল অ্যাটাক ছবিটি পরিচালনা করার পাশাপাশি ছবিতে অভিনয় ও লেখার কাজও করেন তিনি। অভিনয় ও চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য ২০১৩ সালে তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হয়। তাঁর ঝুলিতে রয়েছে মোট তিনটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।অভিনয়ের পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন নানা পাটেকর। নাম ফাউন্ডেশন-এর মাধ্যমে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য বিভিন্ন কাজ করেছেন তিনি।নানা পাটেকরের প্রয়াণে ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের এক বর্ণময় অধ্যায়ের অবসান হল। প্রায় পাঁচ দশকের দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তাঁর অভিনীত একাধিক চরিত্র দর্শকের মনে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুজোর মুখে শিয়ালদহ ডিভিশনে বাড়ল ট্রেন ও এসি লোকালের স্টপেজ, যাত্রীস্বার্থে একাধিক উদ্যোগ রেলের

দুর্গাপুজোর প্রাক্কালে যাত্রী পরিষেবাকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে শিয়ালদহ ডিভিশন একাধিক যাত্রীকেন্দ্রিক পরিচালনামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দৈনন্দিন শহরতলির যাতায়াতকে আরও দ্রুত, সুবিধাজনক ও আরামদায়ক করে তুলতে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে অতিরিক্ত পরিষেবা এবং নতুন স্টপেজ। এর ফলে শহরতলির বিভিন্ন রুটের যাত্রীদের দীর্ঘদিনের চাহিদা পূরণ হবে।শান্তিপুরকৃষ্ণনগর সিটি জংশন সেকশনে পরিষেবার সংখ্যা বৃদ্ধি:দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক যাতায়াতের চাহিদার কথা বিবেচনা করে দিগনগর হল্ট হয়ে শান্তিপুর (STB) ও কৃষ্ণনগর সিটি জংশনের মধ্যে দৈনিক ট্রেন পরিষেবা ১ জোড়া থেকে বাড়িয়ে ২ জোড়া করা হয়েছে। সকালের UP ট্রেনটি শান্তিপুর থেকে ০৯:৩৪ ঘণ্টায় ছেড়ে ১০:০৭ ঘণ্টায় কৃষ্ণনগর সিটি জংশনে পৌঁছাবে। ফেরার DN ট্রেনটি কৃষ্ণনগর থেকে ১০:১৭ ঘণ্টায় ছেড়ে ১০:৪৩ ঘণ্টায় শান্তিপুরে পৌঁছাবে। এর ফলে অফিসযাত্রী, পড়ুয়া এবং স্থানীয় যাত্রীরা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন।শিয়ালদহবজবজের মধ্যে গভীর রাতে ইএমইউ পরিষেবা:দেরিতে কর্মস্থল থেকে ফেরা কর্মীদের সুবিধার্থে শিয়ালদহ ডিভিশন পরীক্ষামূলকভাবে শিয়ালদহ (SEALDAH) ও কমাগাটা মারু বজবজ (KBGB)-এর মধ্যে গভীর রাতে একটি শহরতলির পরিষেবা চালু করেছে। DN ট্রেনটি শিয়ালদহ থেকে ২২:৫৫ ঘণ্টায় ছেড়ে ২৩:৪৩ ঘণ্টায় বজবজ পৌঁছাবে। ফেরার UP ট্রেনটি বজবজ থেকে ২৩:৫৪ ঘণ্টায় ছেড়ে ০০:৪৮ ঘণ্টায় শিয়ালদহে পৌঁছাবে। এর ফলে রাতের শেষভাগেও যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য শহরতলির রেল যোগাযোগ নিশ্চিত হবে।বদকুল্লায় নতুন এসি ইএমইউ স্টপেজ:শহরতলির যাত্রীদের আরও আরামদায়ক যাত্রার সুযোগ করে দিতে শিয়ালদহকৃষ্ণনগর সিটি জংশন সেকশনের বদকুল্লা স্টেশনে চারটি এসি ইএমইউ লোকালের পরীক্ষামূলক স্টপেজ দেওয়া হয়েছে।দৈনিক পরিষেবা (রবিবার ব্যতীত): ট্রেন নং ৩১৮৪৫ UP (শিয়ালদহকৃষ্ণনগর সিটি জংশন) বদকুল্লায় ১১:৫৩/১১:৫৪ ঘণ্টায় এবং ট্রেন নং ৩১৮৪৬ DN (কৃষ্ণনগর সিটি জংশনশিয়ালদহ) ১৩:৪০/১৩:৪১ ঘণ্টায় থামবে।রবিবারের বিশেষ সময়সূচি: ট্রেন নং ৩১৮৪৭ UP (শিয়ালদহকৃষ্ণনগর সিটি জংশন) বদকুল্লায় ১৩:৫৯/১৪:০০ ঘণ্টায় এবং ট্রেন নং ৩১৮৪৮ DN (কৃষ্ণনগর সিটি জংশনশিয়ালদহ) ১৬:১৫/১৬:১৬ ঘণ্টায় থামবে।এই প্রসঙ্গে শিয়ালদহের DRM শ্রী রাজীব সাক্সেনা বলেন, পরিষেবার এই সংযোজনগুলি শহরতলির ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধি, বজবজ সেকশনে নির্দিষ্ট গভীর রাতের যোগাযোগ এবং বদকুল্লায় নতুন এসি ইএমইউ স্টপেজ, দৈনন্দিন যাত্রীদের পরিবর্তিত চাহিদার কথা মাথায় রেখেই পরিকল্পনা করা হয়েছে। সকলের জন্য রেলযাত্রাকে আরও সহজলভ্য, নির্ভরযোগ্য ও আরামদায়ক করে তুলতে শিয়ালদহ ডিভিশন দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal