• ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩, মঙ্গলবার ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

MI

কলকাতা

নির্বাচন কমিশনকে তীব্র আক্রমণ মমতার, “বিনাশকালে বুদ্ধি নাশ” মন্তব্যে তোলপাড়

রান্নার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি সহ একাধিক ইস্যুতে পথে নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই মিছিলে যোগ দিয়ে নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশেষ করে রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, রাতের মধ্যে বার্তা পেয়ে তিনি অবাক হয়ে যান। তাঁর প্রশ্ন, মধ্যরাতে এভাবে কোনও রাজ্যের মুখ্যসচিবকে সরিয়ে দেওয়া কি আগে কখনও দেখা গিয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্যের সঙ্গে কোনও আলোচনা না করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, আগে এই ধরনের ক্ষেত্রে রাজ্যের কাছে কয়েকটি নাম চাওয়া হত এবং সেখান থেকে নির্বাচন করা হত। কিন্তু এবার কোনও প্রক্রিয়া মানা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর কথায়, এই সিদ্ধান্ত যেন জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, যাঁকে সরানো হয়েছে তিনি একজন বাঙালি মহিলা আধিকারিক। তাঁর মতে, এই সিদ্ধান্তের মধ্যে নারী বিদ্বেষের ইঙ্গিত রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, বাংলার প্রতি এক ধরনের বিরূপ মনোভাব দেখানো হচ্ছে।মিছিলের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে হামলার ঘটনাও ঘটেছে। সেই প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, যদি কেউ মনে করে ভয় দেখিয়ে তাদের থামানো যাবে, তা হলে তারা ভুল করছে। তাঁর কথায়, লড়াই করতে হলে তারা প্রস্তুত।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও অভিযোগ করেন, শুধু বাঙালি আধিকারিক নয়, অবাঙালি আধিকারিকদেরও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, পিযুষ পাণ্ডে নামে এক আধিকারিককেও বদলি করা হয়েছে। তাঁর প্রশ্ন, কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল এবং রাজ্যের মতামত নেওয়া হল না।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট, তিনি এই বিষয়টিকে বাঙালি এবং অবাঙালিদুই সম্প্রদায়ের সঙ্গেই যুক্ত করে দেখাতে চাইছেন। তাঁর মতে, যারা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের নির্দেশ মেনে চলে তাদেরই পছন্দ করা হচ্ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, এই বক্তব্যের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী একসঙ্গে দুই ধরনের ভোটারের কাছেই বার্তা দিতে চাইছেন। বিশেষ করে এমন এলাকায় যেখানে বাঙালি ও অবাঙালিদুই সম্প্রদায়ের ভোটই গুরুত্বপূর্ণ। আগামী নির্বাচনে সেই ভোট সমীকরণ কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটাই এখন দেখার।

মার্চ ১৬, ২০২৬
দেশ

অবশেষে ভোটের দিন ঘোষণা! বাংলা সহ পাঁচ রাজ্যে কবে ভোট জানলে চমকে যাবেন

অবশেষে অপেক্ষার অবসান। বাংলা সহ দেশের পাঁচটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণায় জানা গেছে, ঊনত্রিশে এপ্রিলের মধ্যেই পাঁচ রাজ্যে ভোটগ্রহণ শেষ হবে। ভোটগণনা হবে চার মে। গতবারের তুলনায় এবার পশ্চিমবঙ্গে ভোটের দফা কমানো হয়েছে। বাংলায় এবার দুই দফায় ভোট হবে।প্রথম দফার ভোট অনুষ্ঠিত হবে তেইশে এপ্রিল। দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ঊনত্রিশে এপ্রিল। এই দুই দফাতেই পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে। নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে তৎপরতা শুরু হয়েছে।বাংলা ছাড়াও আরও চারটি রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এবারে বিধানসভা নির্বাচন হচ্ছে। সেই তালিকায় রয়েছে অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরি। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, এই চার রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এক দফাতেই ভোটগ্রহণ হবে।অসমে মোট বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যা একশো ছাব্বিশ। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সেখানে ভোটগ্রহণ হবে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ। ভোটগণনা হবে চার মে।কেরলে মোট বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যা একশো চল্লিশ। এই রাজ্যেও ভোট হবে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ এবং ভোটগণনা চার মে।তামিলনাড়ুতে মোট বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে দুইশো চৌত্রিশটি। এই রাজ্যেও এক দফাতেই ভোট হবে। ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারিত হয়েছে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ এবং ভোটগণনা চার মে।কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতে মোট বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যা তিরিশ। এখানেও ভোট হবে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ এবং ভোটগণনা চার মে।নির্বাচন কমিশনের এই ঘোষণার পর থেকেই পাঁচ রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ভোটের প্রস্তুতি জোরদার হয়েছে। সব রাজনৈতিক দল এখন ভোটের লড়াইকে সামনে রেখে নিজেদের প্রচার এবং কৌশল ঠিক করতে শুরু করেছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের মাঝেও ভারতের পাশে ইরান! হরমুজ প্রণালী দিয়ে ট্যাংকার যাওয়ার অনুমতি

ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাতের জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভারতেও। ইতিমধ্যেই গ্যাসের দাম বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে। তেলের দামও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে পণ্য পরিবহনে সমস্যা হওয়ায় তেলের জোগান কমে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে ভারতের জন্য স্বস্তির খবর এল ইরানের দিক থেকে। জানা গিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে দুটি পেট্রোলিয়াম পণ্যবাহী ট্যাংকারকে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে ইরান। যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।গত প্রায় পনেরো দিন ধরে ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে সংঘাত চলছে। এই অবস্থায় হরমুজ প্রণালী দিয়ে পণ্য পরিবহন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। কারণ এই পথ দিয়েই বিশ্বের বড় অংশের তেল পরিবহন হয়।ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আগেই আশার কথা শোনান। শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, খুব শিগগিরই ইতিবাচক খবর আসতে পারে। তাঁর কথার কিছু সময় পরেই দুটি পেট্রোলিয়াম পণ্যবাহী ট্যাংকারকে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভারতীয় জাহাজ নিরাপদে যেতে পারবে কি না, এই প্রশ্নের উত্তরে রাষ্ট্রদূত বলেন, অবশ্যই পারবে। তিনি বলেন, অল্প সময়ের মধ্যেই তার প্রমাণ মিলবে।রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ভারত ও ইরানের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি জানান, অনেক কঠিন সময়ে ভারত ইরানের পাশে দাঁড়িয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ভারত নানা ক্ষেত্রে ইরানকে সাহায্য করেছে বলে তিনি স্মরণ করেন। সেই সম্পর্কের গুরুত্ব থেকেই ভারতের পণ্যবাহী ট্যাংকারকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
বিদেশ

মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র সংঘাত! ইরানের খার্গ দ্বীপে ভয়াবহ বোমাবর্ষণের দাবি ট্রাম্পের

মধ্যপ্রাচ্যে চলা সংঘাতের আবহে বড় দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, ইরানের খার্গ দ্বীপে বড় ধরনের বোমাবর্ষণ চালিয়েছে আমেরিকার সেনা। তিনি এই হামলাকে মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ বোমাবর্ষণ বলে উল্লেখ করেছেন।নিজের সামাজিক মাধ্যমে একটি বার্তায় ট্রাম্প জানান, তাঁর নির্দেশে আমেরিকার কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড এই হামলা চালিয়েছে। তাঁর দাবি, ইরানের গুরুত্বপূর্ণ খার্গ দ্বীপে থাকা সমস্ত সামরিক ঘাঁটি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।তবে তিনি এটাও জানান, এখনও পর্যন্ত ওই দ্বীপের তেল শোধনাগারে হামলা করা হয়নি। কিন্তু যদি হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়, তাহলে সেখানেও হামলা করা হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।খার্গ দ্বীপ ইরানের উপকূল থেকে প্রায় তেত্রিশ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। আয়তনে খুব বড় না হলেও এই দ্বীপই ইরানের সবচেয়ে বড় তেল রপ্তানি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এখান থেকেই ইরান বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অপরিশোধিত তেল পাঠায়। তাই এই দ্বীপে বড় আঘাত মানেই ইরানের অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা বলে মনে করা হয়।এর মধ্যেই আমেরিকার প্রশাসনের দাবি, ইরানের অন্তত পনেরো হাজার সামরিক ঘাঁটিতে আমেরিকা ও ইজরায়েল একসঙ্গে হামলা চালিয়েছে। তাদের আরও দাবি, ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব নিরাপত্তার কারণে গোপন স্থানে চলে গিয়েছে। এমনকি দেশের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতাও গুরুতর আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে খার্গ দ্বীপে হামলার খবর সামনে আসতেই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলা সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালী কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে তেলের সংকট তৈরি হয়েছে। ইরানের পক্ষ থেকে আগেই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল যে হরমুজ দিয়ে কোনও তেলবাহী জাহাজকে যেতে দেওয়া হবে না।ইরানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, পশ্চিম এশিয়ার বাইরে এক লিটার তেলও যেতে দেওয়া হবে না। এর জবাবে আমেরিকার পক্ষ থেকে আগেই বলা হয়েছিল, হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার চেষ্টা করলে কঠোর সামরিক জবাব দেওয়া হবে।এই অবস্থায় খার্গ দ্বীপে হামলার দাবি সামনে আসায় সংঘাত আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা।

মার্চ ১৪, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্রে রহস্য! গুরুতর আহত নতুন সর্বোচ্চ নেতা, নাকি গোপন রাখা হচ্ছে সত্য

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেইকে ঘিরে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় তাঁর বাবা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হওয়ার পরই তাঁকে দেশের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বার্তা প্রকাশ পেলেও তিনি নিজে কোথাও প্রকাশ্যে দেখা দেননি।ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে তাঁর প্রথম বক্তব্য প্রচার করা হয়। তবে সেই বার্তাটি একটি সংবাদপাঠক পড়ে শোনান। খামেনেই নিজে ক্যামেরার সামনে আসেননি। কেন তিনি প্রকাশ্যে আসেননি, সে বিষয়ে ইরানের সরকারি মাধ্যম কোনও ব্যাখ্যা দেয়নি। এরই মধ্যে নানা মহলে গুঞ্জন ছড়িয়েছে যে যুদ্ধের প্রথম হামলাতেই তিনি গুরুতর আহত হয়েছেন।ছাপ্পান্ন বছর বয়সী এই নতুন আয়াতোল্লা তাঁর বক্তব্যে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তিনি তাঁর নিহত বাবার নীতিই অনুসরণ করবেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান বজায় রাখার কথা বলেছেন তিনি। তাঁর দাবি, হরমুজ প্রণালী বন্ধই থাকবে। একই সঙ্গে উপসাগরীয় দেশগুলিকে দ্রুত ওই অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করার দাবিও জানিয়েছেন তিনি। সাম্প্রতিক বিমান হামলায় নিহতদের রক্তের প্রতিশোধ নেওয়ার কথাও বলেছেন তিনি।তবে তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে নানা ধরনের খবর সামনে আসছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার প্রথম ধাক্কায় তিনি আহত হয়েছিলেন। সেই হামলাতেই তাঁর বাবা, মা, স্ত্রী, বোন ও ভাইঝির মৃত্যু হয়েছে বলেও খবর প্রকাশিত হয়েছে।ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন তাঁকে রমজানের যোদ্ধা বলে উল্লেখ করেছে। সাধারণত দেশের জন্য লড়াই করতে গিয়ে আহত হওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই ধরনের শব্দ ব্যবহার করা হয়।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলির রিপোর্টেও তাঁর আঘাত পাওয়ার কথা বলা হয়েছে। একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, তিনি তুলনামূলকভাবে হালকা আহত হয়েছেন। অন্য একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাঁর পায়ে চোট লেগেছে, চোখের পাশে আঘাত রয়েছে এবং মুখেও সামান্য ক্ষত রয়েছে।তবে একটি বিদেশি সংবাদপত্রে আরও চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, তিনি নাকি এখন কোমায় রয়েছেন এবং হামলায় তাঁর একটি পা কেটে ফেলতে হয়েছে। সেই প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, তাঁর যকৃত ও পেটেও গুরুতর ক্ষতি হয়েছে।ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, তাঁর প্রথম বার্তা প্রকাশ করা হয়েছিল মূলত তাঁর শারীরিক অবস্থা আড়াল করার চেষ্টা হিসেবে। জানা গিয়েছে, রাজধানীর একটি ঐতিহাসিক এলাকায় অবস্থিত একটি বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে তাঁর চিকিৎসা চলছে। হাসপাতালের একটি অংশ কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে রাখা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং দেশের অন্যতম শীর্ষ ট্রমা সার্জন মোহাম্মদ রেজা জাফারঘান্দি তাঁর চিকিৎসার দায়িত্বে রয়েছেন। সূত্রের দাবি, হামলায় তাঁর একটি পা হারাতে হয়েছে এবং শরীরের ভেতরের অঙ্গেও গুরুতর ক্ষতি হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানকে ঘিরে নানা ধরনের জল্পনা ও ষড়যন্ত্র তত্ত্বও ছড়াতে শুরু করেছে। কেউ কেউ বলছেন, দেশটি নাকি এখন এক অদৃশ্য আয়াতোল্লার দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। যদিও ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, নতুন সর্বোচ্চ নেতার প্রথম বার্তাটি তিনিই লিখেছেন।

মার্চ ১৩, ২০২৬
বিদেশ

আমেরিকার যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের! সত্যিই কি পিছু হটল শক্তিশালী রণতরী

আরব সাগর ও ওমান সাগর সংলগ্ন এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আমেরিকার একটি বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। তবে সেই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তাদের দাবি, যুদ্ধজাহাজটি এখনও স্বাভাবিক ভাবেই অঞ্চলে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌবিভাগ জানিয়েছে, তাদের নিক্ষেপ করা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আমেরিকার বিমানবাহী রণতরীতে আঘাত করেছে। তাদের দাবি, সেই আঘাতে যুদ্ধজাহাজটি কার্যত অচল হয়ে পড়ে এবং উপসাগরীয় এলাকা থেকে সরে যেতে বাধ্য হয়।ইরানের তরফে আরও বলা হয়েছে, উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে একটি নির্ভুল সামরিক অভিযান চালানো হয়েছিল। ইরানের সমুদ্রসীমা থেকে প্রায় তিনশো চল্লিশ কিলোমিটার দূরে ওমান সাগরে এই হামলা করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার পর আমেরিকার ওই যুদ্ধজাহাজ ও তার সঙ্গে থাকা অন্যান্য জাহাজ দ্রুত গতিতে এলাকা ছেড়ে চলে যেতে দেখা যায়। তবে এই বিষয়ে বিস্তারিত আর কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। এর আগেও ইরান দাবি করেছিল যে তারা এই যুদ্ধজাহাজে আঘাত করেছে। কিন্তু তখন মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর জানিয়েছিল, সেই ক্ষেপণাস্ত্র যুদ্ধজাহাজের কাছেও পৌঁছতে পারেনি।ইরানের এই দাবি প্রকাশ্যে আসার পরই যুক্তরাষ্ট্র তা সরাসরি খারিজ করে দেয়। মার্কিন সেনাবাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ডের পক্ষ থেকে যুদ্ধজাহাজের একটি ছবি প্রকাশ করা হয়। সেখানে জানানো হয়, ওই রণতরী এবং তার সঙ্গে থাকা নৌবহর এখনও সমুদ্র থেকে সামরিক শক্তি প্রদর্শন করে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।এই উত্তেজনার মধ্যেই সমুদ্রে আরও একটি ঘটনার খবর সামনে এসেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি ইরানি জাহাজ আমেরিকার বিমানবাহী রণতরীর খুব কাছাকাছি চলে আসে। তখন মার্কিন বাহিনী গুলি চালায় বলে জানা গেছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন নৌবাহিনীর একটি জাহাজ বড় আকারের কামান ব্যবহার করে ওই ইরানি জাহাজের দিকে গুলি চালানোর চেষ্টা করে। তবে ঠিক কোন জাহাজ থেকে গুলি চালানো হয়েছিল তা স্পষ্ট নয়। গুলিগুলি সতর্কবার্তা হিসেবে ছোড়া হয়েছিল কি না, সেটাও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, ওই গুলি একাধিকবার ইরানি জাহাজকে লক্ষ্য করে ছোড়া হলেও কোনওটিই লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি। ইরানের ওই জাহাজটির বর্তমান অবস্থাও এখনও পরিষ্কার নয়।পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা সামরিক অভিযানের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সেখানে একাধিক যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথ বিমান অভিযান শুরু হওয়ার পর দুটি বড় বিমানবাহী রণতরী ওই অঞ্চলে পাঠানো হয়েছে।এই মুহূর্তে অঞ্চলে আমেরিকার দুটি বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন রয়েছে। তাদের সঙ্গে একাধিক বিধ্বংসী যুদ্ধজাহাজও কাজ করছে। এর মধ্যে কয়েকটি শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রবাহী জাহাজও রয়েছে, যেগুলি ওই সমুদ্র এলাকায় নিরাপত্তা ও সামরিক অভিযান পরিচালনায় অংশ নিচ্ছে।

মার্চ ১৩, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় বার্তা মমতার! ‘ভয় পাবেন না’, প্রশাসনকে সরাসরি আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্যে এখনও বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হয়নি। তার আগেই প্রশাসনিক স্তরে তৎপরতা বাড়াতে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রশাসনিক আধিকারিকদের উদ্দেশে তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন, ভয় না পেয়ে নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে।সূত্রের খবর, বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে নির্বাচন সামনে আসায় নানা ভাবে চাপ তৈরি করার চেষ্টা হতে পারে। তিনি প্রশাসনিক কর্তাদের উদ্দেশে বলেন, ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। সবাই যেন নিজের কাজ সঠিক ভাবে করে যান। তাঁর কথায়, নির্বাচন আসছে বলেই এখন অনেক বেশি চাপ ও ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হবে।বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সাম্প্রতিক সফরের কথাও উঠে আসে। গত সোমবার নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ রাজ্যে এসে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করেছিল। সেই বৈঠকে ভোটকে কেন্দ্র করে আরও সতর্ক ও সক্রিয় থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল প্রশাসনিক আধিকারিকদের। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার সেই বৈঠকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশাসনিক কর্তাদের নির্দেশ দেন।এর পরেই রাজ্যের শীর্ষ প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। সূত্রের খবর, সেখানে তিনি বলেন যে ফুল বেঞ্চের বৈঠকে কী হয়েছে তা তিনি শুনেছেন। তবে প্রশাসনের কাউকে ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। তিনি আধিকারিকদের আশ্বাস দিয়ে বলেন, সবাই যেন নিজের দায়িত্ব ঠিক মতো পালন করেন।এই বৈঠকেই রাজ্যে বহিরাগতদের প্রবেশের অভিযোগও তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, বাইরে থেকে লোক এনে বাংলায় ঢোকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এই বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনকে বিশেষ ভাবে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তাঁর কাছে এমন খবর রয়েছে যে এখন থেকেই বাইরে থেকে লোক বাংলায় ঢুকছে এবং তাঁদের ঢোকানো হচ্ছে। তাই প্রশাসনকে তিনি নির্দেশ দেন বিষয়টি নিয়ে কড়া নজরদারি চালাতে। প্রয়োজনে হোটেলগুলিতে অভিযান চালানো, নাকা তল্লাশি করা এবং বাইরের লোকের চলাচলের উপর নজর রাখার কথাও তিনি বলেন।এছাড়াও রাজ্যে চলতে থাকা জ্বালানি সংক্রান্ত আতঙ্ক নিয়েও প্রশাসনিক কর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের নোডাল আধিকারিক নিয়োগ করে চব্বিশ ঘণ্টা সক্রিয় থাকবে এমন নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।সূত্রের খবর, সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি এবং ছাত্রাবাসে জ্বালানি পরিষেবা যাতে কোনও ভাবেই ব্যাহত না হয় তা নিশ্চিত করার কথাও বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে তিনি প্রশাসনকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি অযথা আতঙ্ক না ছড়ানোর বার্তাও দিয়েছেন।

মার্চ ১৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত! প্রতিটি কেন্দ্রে বসছে আলাদা নজরদার, নজিরবিহীন পদক্ষেপ কমিশনের

রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করতে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, দুই হাজার ছাব্বিশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পর্যবেক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে নজিরবিহীন পরিকল্পনা করেছে কমিশন। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে এ বার প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য আলাদা করে এক জন করে সাধারণ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করার ভাবনা চলছে।দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় রাজ্যে মোট একশো ষাট জন সাধারণ পর্যবেক্ষক ছিলেন। সে ক্ষেত্রে এক জন আধিকারিককে একাধিক কেন্দ্রের দায়িত্ব সামলাতে হয়েছিল। কিন্তু এ বার সেই ব্যবস্থা বদলাতে পারে। প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য আলাদা পর্যবেক্ষক থাকলে নজরদারি আরও শক্ত হবে বলেই মনে করছে প্রশাসনিক মহল।শুধু সাধারণ পর্যবেক্ষকই নয়, ভোটের খরচের হিসেব দেখার জন্য ব্যয় পর্যবেক্ষকের সংখ্যাও এ বার বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রেও।গত বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে মোট সাতত্রিশ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক ছিলেন। কিন্তু এ বার সেই সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়তে পারে। সূত্রের খবর, জেলা বা মহকুমা ভিত্তিক নিয়োগের বদলে নির্দিষ্ট এলাকা বা বিধানসভা কেন্দ্র ধরে পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হতে পারে। এমনকী কিছু স্পর্শকাতর কেন্দ্রে এক জনের বেশি পুলিশ পর্যবেক্ষকও থাকতে পারেন।কমিশনের এই সূক্ষ্ম পরিকল্পনা থেকেই স্পষ্ট, ভোটের সময় কোনও রকম ঝুঁকি নিতে চাইছে না নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই ভোট ঘোষণা হওয়ার আগেই বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রে রিটার্নিং অফিসার নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে একটি বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়েছে। তালিকায় ন্যূনতম পদমর্যাদা হিসেবে মহকুমা শাসক স্তরের আধিকারিকদের রাখা হয়েছে। যদিও সিনিয়র পদমর্যাদার আধিকারিকও থাকতে পারেন, কিন্তু সবচেয়ে নিচের স্তর হিসেবে মহকুমা শাসক পদই নির্ধারণ করা হয়েছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এতদিন ডিএমডিসি পদমর্যাদার আধিকারিকরা রিটার্নিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পেতেন। কিন্তু নতুন নির্দেশিকায় সেই পদমর্যাদার কাউকে রাখা হয়নি। যাঁদের নাম রাখা হয়েছে, তাঁরা সকলেই তুলনামূলক ভাবে সিনিয়র আধিকারিক বলে জানা গেছে।

মার্চ ১৩, ২০২৬
দেশ

জম্মুতে চাঞ্চল্য! প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুখ আবদুল্লাকে লক্ষ্য করে গুলি, অল্পের জন্য রক্ষা

জম্মুতে এক বিয়ের অনুষ্ঠানে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুখ আবদুল্লাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ।জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে জম্মুর গ্রেটার কৈলাস এলাকায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন ফারুখ আবদুল্লা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী সুরেন্দ্র চৌধুরীও। সেই সময় খুব কাছ থেকে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ।ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামনে এসেছে। ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, নিরাপত্তা ঘেরাটোপে বিয়েবাড়ি থেকে বেরিয়ে আসছেন ফারুখ আবদুল্লা। ঠিক সেই সময় পিছন দিক থেকে নিরাপত্তার মধ্যে ঢুকে পড়ে এক ব্যক্তি। এরপর খুব কাছ থেকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।তবে ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ডের কমান্ডোরা দ্রুত তাঁকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেন। ফলে গুলিটি তাঁর কানের পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। নিরাপত্তারক্ষীদের তৎপরতায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান তিনি। সঙ্গে সঙ্গেই ফারুখ আবদুল্লা এবং রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রীকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।ঘটনার পর ওই ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে নিরাপত্তারক্ষীরা তাকে আটক করেন। পরে পুলিশ এসে তাকে গ্রেফতার করে। অভিযুক্তের নাম কমল সিং জমওয়াল বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিলেন। জেরায় তিনি দাবি করেছেন, গত প্রায় কুড়ি বছর ধরে তিনি ফারুখ আবদুল্লাকে হত্যার চেষ্টা করে আসছেন। এটি তাঁর ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য বলেও জানিয়েছেন তিনি। তাঁর কাছে যে বন্দুকটি ছিল সেটিও তাঁর নিজের এবং লাইসেন্সপ্রাপ্ত বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত।এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এত কড়া নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে হামলাকারী এত কাছে পৌঁছে গেল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এই ঘটনার পর নিরাপত্তা ব্যবস্থার উপর নতুন করে প্রশ্ন তুলেছেন জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

মার্চ ১২, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধ কি আমেরিকার মাটিতেও? ক্যালিফোর্নিয়ায় ড্রোন হামলার আশঙ্কা, সতর্ক করল এফবিআই

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। সেই সংঘাতের আঁচ এবার আমেরিকার মাটিতেও পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে মার্কিন তদন্ত সংস্থা এফবিআই। সংস্থার দাবি, ক্যালিফোর্নিয়ার পশ্চিম উপকূলে ভয়াবহ ড্রোন হামলা চালাতে পারে ইরান। এই আশঙ্কার কথা জানিয়ে ক্যালিফোর্নিয়া প্রশাসনকে সতর্ক করেছে এফবিআই।বর্তমানে পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত ক্রমশ বাড়ছে। ইজরায়েল ও আমেরিকার লাগাতার হামলার মুখে ইরানও পালটা আক্রমণ চালাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রতিশোধ নিতে ইরান মার্কিন ভূখণ্ডেও হামলার পরিকল্পনা করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এফবিআই একটি সতর্কবার্তায় জানিয়েছে যে ফেব্রুয়ারির শুরুতেই ইরান মার্কিন ভূখণ্ডে হঠাৎ হামলার পরিকল্পনা করেছিল। তখনও আমেরিকা ও ইজরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরু করেনি। বিশেষ করে ক্যালিফোর্নিয়ার পশ্চিম উপকূলকে সম্ভাব্য লক্ষ্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।তবে তদন্তকারীদের উদ্বেগের বড় কারণ হল, সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও তাদের হাতে নেই। ফলে পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক রয়েছে প্রশাসন।এদিকে আমেরিকা ও ইজরায়েলের লাগাতার হামলার পরেও পিছু হটতে রাজি নয় ইরান। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ এবং গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে পালটা আঘাত হানছে তারা। বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা আরও বেড়েছে।খবর পাওয়া গেছে, ইরাকের একটি বাণিজ্য বন্দরে তেলবাহী একটি জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইরান। এছাড়াও কুয়েত, কাতার, আরব আমিরশাহী এবং সৌদি আরব জানিয়েছে, তাদের দেশেও ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা হয়েছিল। তবে সেই হামলা প্রতিরোধ করা হয়েছে বলে দাবি করেছে তারা।এরই মধ্যে যুদ্ধ থামানোর জন্য তিনটি শর্তও দিয়েছে ইরান। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, প্রথমত সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে ইরানের অধিকারকে স্বীকৃতি দিতে হবে। দ্বিতীয়ত যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। আর তৃতীয়ত ভবিষ্যতে আর কোনও আগ্রাসন হবে না, সে বিষয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে নিশ্চয়তা দিতে হবে।অন্যদিকে নতুন খবর, ইরাকের একটি বন্দরে আমেরিকার একটি সংস্থার দুটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালানো হয়েছে। সেই ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়াও হরমুজ প্রণালীর কাছে ভাসমান একাধিক জাহাজেও হামলার খবর মিলেছে।সৌদি আরব দাবি করেছে, ইরানের হামলায় তাদের একটি তেলবাহী জাহাজে আগুন ধরে গিয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, একাধিক হামলার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালীকে কার্যত অবরুদ্ধ করার কৌশল নিয়েছে ইরান। এর ফলে আমেরিকা এবং ইজরায়েলের উপর যুদ্ধ থামানোর চাপ আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১২, ২০২৬
কলকাতা

যৌন হেনস্থার অভিযোগে বিতর্কিত আইনজীবী ফিরদৌস শামিম, আপাতত গ্রেফতারি থেকে রক্ষা

সহকর্মী এক মহিলা আইনজীবীকে যৌন হেনস্থার অভিযোগে অভিযুক্ত আইনজীবী ফিরদৌস শামিম আপাতত গ্রেফতারি থেকে স্বস্তি পেলেন। আগামী একত্রিশ মার্চ পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত এই নির্দেশ দিয়েছেন।অভিযোগ সামনে আসার পরই ফিরদৌস শামিম কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। তিনি আগাম জামিনের আবেদন করেন। বুধবার বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের এজলাসে সেই মামলার শুনানি হয়। শুনানির সময় ফিরদৌসের আইনজীবী আদালতে জানান, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে। এর পরই বিচারপতি আপাতত তাঁকে গ্রেফতার না করার নির্দেশ দেন।অভিযোগকারী মহিলা আইনজীবীর দাবি, তিনি জুনিয়র হিসেবে ফিরদৌস শামিমের চেম্বারে কাজ শুরু করেছিলেন। সেখানেই তাঁকে শ্লীলতাহানি ও যৌন হেনস্থা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।এই ঘটনার পর হেয়ার স্ট্রিট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ওই মহিলা আইনজীবী। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশের তরফে তদন্ত শুরু হয়। কলকাতা পুলিশের ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, এক মহিলা আইনজীবী ফিরদৌস শামিমের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থা, অশ্লীল আচরণ এবং কুরুচিকর মন্তব্যের অভিযোগ করেছেন।সেই অভিযোগের ভিত্তিতে হেয়ার স্ট্রিট থানায় একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার চুয়াত্তর, পঁচাত্তর, ঊনআশি, তিনশো একান্ন উপধারা দুই এবং একশো ছাব্বিশ উপধারা দুই ধারায় শ্লীলতাহানি, যৌন হেনস্থা, অশ্লীল আচরণ, অপরাধমূলক ভয় দেখানো এবং অন্যায়ভাবে আটকে রাখার অভিযোগে মামলা হয়েছে।তবে শুরু থেকেই নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফিরদৌস শামিম। তাঁর দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এখন আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আপাতত একত্রিশ মার্চ পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না। মামলার পরবর্তী শুনানির দিকেই এখন নজর রয়েছে।

মার্চ ১২, ২০২৬
দেশ

হরমুজ প্রণালী খুলল ভারতের জন্য! মোদি সরকারের কূটনীতিতে নরম ইরান

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তৈরি হওয়া জ্বালানি সংকটের মাঝেই ভারতের জন্য এল বড় স্বস্তির খবর। সূত্রের দাবি, কূটনৈতিক তৎপরতার জেরে হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভারতের জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিয়েছে ইরান। ইতিমধ্যেই পুষ্পক এবং পরিমল নামে দুটি পণ্যবাহী জাহাজ নিরাপদে হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে ভারতের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল, তা কিছুটা কমতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা ভয়াবহ যুদ্ধের জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধাক্কা লেগেছে। ইরানের হামলার আশঙ্কায় হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল পরিবহণ কার্যত থমকে গিয়েছিল। এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ দিয়ে বিশ্বের বড় অংশের তেল বাণিজ্য হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠার পর কার্যত হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় ইরান। শুধু রাশিয়া এবং চিনের জাহাজকে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল ভারতের নামও। সূত্রের খবর, ইরানের বিদেশ মন্ত্রক মৌখিকভাবে ভারতের পতাকাবাহী জাহাজগুলিকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতের অনুমতি দিয়েছে। তবে আমেরিকা, ইজরায়েল এবং ইউরোপের দেশগুলির জাহাজের উপর এখনও নিষেধাজ্ঞা বজায় রেখেছে ইরানের ইসলামিক রেভলুশনারি গার্ড ফোর্স।এই সিদ্ধান্তের আগে ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আরাগাছির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেই কথোপকথনে পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি এবং বাণিজ্যিক জাহাজগুলির নিরাপত্তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় বলে জানা গিয়েছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভারতীয় জাহাজ চলাচলের বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে।সূত্রের দাবি, গত দুসপ্তাহ ধরে দুই দেশের মধ্যে একাধিকবার এই বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছিল। একাধিকবার ফোনে কথা হয়েছে দুই দেশের বিদেশমন্ত্রীর মধ্যে। পর্দার আড়ালেও কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা চলছিল। সেই তৎপরতার ফলেই আপাতত হরমুজ প্রণালীর ওপারে আটকে থাকা ভারতীয় জাহাজগুলিকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনার অনুমতি মিলেছে।মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে ভারত শুরু থেকেই প্রকাশ্যে নিরপেক্ষ অবস্থান নিয়েছে। তবে ভারত মহাসাগরে ভারতীয় জলসীমার কাছে ইরানের একটি যুদ্ধজাহাজে আমেরিকার হামলার পর ভারত মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেয়। এর মধ্যেই হরমুজ প্রণালীর কাছেই একটি থাই পণ্যবাহী জাহাজে হামলার ঘটনায় এক ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়েছিল।তার পর থেকেই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকে। ভারত সরকার দ্রুত ইরানের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে। সেই কূটনৈতিক উদ্যোগের ফলেই এই অনুমতি মিলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। এর ফলে দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

মার্চ ১২, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের হামলায় জ্বলল মার্কিন তেল ট্যাঙ্কার, নিহত এক ভারতীয় নাগরিক

পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে আরও এক ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরাকের উপকূলের কাছে আমেরিকার দুটি তেল ট্যাঙ্কারে হামলা চালিয়েছে ইরান। সেই হামলার পর ভয়াবহ আগুন ধরে যায় জাহাজে। ওই ঘটনায় এক ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর।প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে গোটা পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা ও সংঘর্ষ চলছে। ইরানের উপর হামলা আরও জোরদার করেছে ইজ়রায়েল এবং আমেরিকা। পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে ইরানও। এই সংঘর্ষে ক্রমশ বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। সাধারণ মানুষও এই যুদ্ধের বলি হচ্ছেন। কাজের সূত্রে পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বহু ভারতীয় থাকেন। সেই কারণে এই সংঘর্ষে ভারতীয় নাগরিকরাও বিপদের মুখে পড়ছেন।সংবাদসংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরাকের জলসীমার মধ্যে খোর আল জুবায়ের বন্দরের কাছে হামলার ঘটনা ঘটে। সাফেসি বিষ্ণু নামে একটি জাহাজে থাকা আমেরিকার দুটি তেল ট্যাঙ্কারে ইরানের নৌকা থেকে হামলা চালানো হয়। হামলার পর মুহূর্তের মধ্যে আগুন ধরে যায় ট্যাঙ্কার দুটিতে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং জাহাজ থেকে তেল সমুদ্রে পড়তে শুরু করে।এই ঘটনার একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ট্যাঙ্কার থেকে আগুনের বিশাল শিখা উঠছে এবং চারদিকে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ছে। জানা গিয়েছে, ওই ট্যাঙ্কারগুলিতে প্রায় চার লক্ষ ব্যারেল তেল ছিল।হামলায় নিহত ভারতীয় নাগরিকের নাম এখনও প্রকাশ করা হয়নি। জাহাজে থাকা বাকি সাতাশ জন সদস্য এবং কর্মীকে উদ্ধার করে দক্ষিণ ইরাকের বসরা শহরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পশ্চিম এশিয়ার এই সংঘর্ষ এখন ত্রয়োদশ দিনে পৌঁছেছে। এখনও পর্যন্ত তিনজন ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আহত হয়েছেন কুড়ির বেশি মানুষ। তাঁদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে খবর।কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে ইতিমধ্যেই দুজন ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বের প্রথম দিন সংসদে বিদেশমন্ত্রী সুব্রহ্মণ্য জয়শঙ্কর জানান, পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতে দুই ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়েছে এবং একজন এখনও নিখোঁজ। তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।মৃত ভারতীয় নাগরিকদের প্রতি শোকপ্রকাশও করেন বিদেশমন্ত্রী। তিনি আরও জানান, ইরানে বহু ভারতীয় পড়ুয়া এখনও আটকে রয়েছেন। পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে প্রায় এক কোটির বেশি ভারতীয় বসবাস করেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁদের নিরাপত্তাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে।

মার্চ ১২, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধ থামাতে আমেরিকা ও ইজ়রায়েলকে তিন শর্ত! হুঁশিয়ারি ইরানের প্রেসিডেন্টের

পশ্চিম এশিয়ার উত্তপ্ত পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা কাটেনি। ইরানের সঙ্গে আমেরিকা ও ইজ়রায়েলের সংঘর্ষ থামার কোনও স্পষ্ট ইঙ্গিত এখনও নেই। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অবশ্য ইতিমধ্যেই যুদ্ধ থামার ইঙ্গিত দিয়েছেন। তাঁর দাবি, এই যুদ্ধে আমেরিকা অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে এবং কার্যত জয় নিশ্চিত হয়েছে। তাই খুব শীঘ্রই যুদ্ধ শেষ হতে পারে।কিন্তু ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, যুদ্ধ থামবে কি না তা ঠিক করবে তেহরানই। এই পরিস্থিতিতে সংঘর্ষবিরতির জন্য আমেরিকা ও ইজ়রায়েলকে তিনটি শর্ত দিয়েছে ইরান। তেহরানের দাবি, এই শর্তগুলি না মানলে কোনওভাবেই যুদ্ধবিরতি সম্ভব নয়।বুধবার রাতে নিজের সামাজিক মাধ্যমের এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করে এই তিনটি শর্তের কথা জানান ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি লেখেন, রাশিয়া ও পাকিস্তানের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে তিনি শান্তির প্রতি ইরানের অঙ্গীকার আবারও জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ইজ়রায়েল সরকার এবং আমেরিকার শুরু করা এই যুদ্ধের শেষ করার একমাত্র উপায় হল ইরানের বৈধ অধিকার নিশ্চিত করা, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং ভবিষ্যতে আর আক্রমণ না করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া।অর্থাৎ ইরানের দাবি, তাদের ন্যায্য অধিকার কোনওভাবেই খর্ব করা যাবে না। পাশাপাশি চলতি সংঘর্ষে যে ক্ষতি হয়েছে, তার ক্ষতিপূরণও দিতে হবে।তৃতীয় শর্তটি নিয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে তেহরান। ইরানের আশঙ্কা, ভবিষ্যতে আবারও হামলা চালাতে পারে ইজ়রায়েল বা আমেরিকা। তাই ভবিষ্যতে যেন এমন পরিস্থিতি আর না তৈরি হয়, তার নিশ্চয়তা চাইছে ইরান। এই তিনটি শর্ত মানা হলে তবেই সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছে তেহরান।অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি বলেছেন, যুদ্ধ খুব দ্রুত শেষ হতে চলেছে। তাঁর দাবি, ইরানে আক্রমণ করার মতো প্রায় কিছুই আর বাকি নেই এবং এই যুদ্ধে আমেরিকা অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে। তাই তিনি চাইলে খুব শিগগিরই যুদ্ধ থামতে পারে।তবে ইরানের এই কড়া অবস্থান নতুন করে চাপ বাড়াতে পারে বলেই মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল। ইতিমধ্যেই হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে তেলের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি দীর্ঘদিন চললে তেলের বাজারে বড় প্রভাব পড়তে পারে।এখন প্রশ্ন উঠছে, যুদ্ধ থামাতে ইরানের এই তিন শর্ত কি মেনে নেবে আমেরিকা ও ইজ়রায়েল? নাকি সংঘাত আরও বাড়বে? মার্কিন প্রশাসনের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছে গোটা বিশ্ব।

মার্চ ১২, ২০২৬
কলকাতা

ভোটার তালিকা নিয়ে বড় পদক্ষেপ! সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ট্রাইবুনাল, কলকাতা হাইকোর্টে জরুরি বৈঠক আজ

ভোটার তালিকা নিয়ে জটিলতা বাড়তেই বড় পদক্ষেপ করল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ এসআইআর মামলায় ট্রাইবুনাল গঠনের নির্দেশ দিয়েছে। বিচারাধীন ভোটারদের সমস্যার দ্রুত সমাধান করতে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির পরামর্শে এই ট্রাইবুনাল বেঞ্চ তৈরি করার কথা বলা হয়েছে।সেই নির্দেশ মেনে বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছে নির্বাচন কমিশনের সিইও দফতর। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, অতিরিক্ত তালিকা এবং ট্রাইবুনাল গঠন নিয়েই মূলত আলোচনা হতে পারে।ভোটার তালিকা থেকে বহু মানুষের নাম বাদ পড়ার ঘটনায় রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল। তবে সেই মামলাটি ফিরিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। রাজ্যের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামীকে তিনি বলেন, বিচারকদের যেন কোনওভাবে প্রশ্নের মুখে না ফেলা হয়।এর আগে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশেই বিচারকদের তদারকিতে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। কিন্তু প্রায় ৬০ লক্ষ নাম এখনও অমীমাংসিত তালিকায় রয়ে যাওয়ায় আবারও বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের নজরে আনা হয়। তখনই প্রশ্ন ওঠে, বিচারিক আধিকারিকদের নেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল কোথায় করা যাবে।এই পরিস্থিতিতেই সুপ্রিম কোর্ট ট্রাইবুনাল গঠনের নির্দেশ দেয়। অমীমাংসিত তালিকায় থাকা ভোটারদের বিষয়ে বিচারিক আধিকারিকরা যে সিদ্ধান্ত নেবেন, তার বিরুদ্ধে আপিল করতে হলে সেই ট্রাইবুনালের কাছেই আবেদন জানাতে হবে।সুপ্রিম কোর্টের সেই নির্দেশ কার্যকর করার পথেই আজ কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বৈঠক করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন।অন্যদিকে, রাজ্যের রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এবং স্টেট লেভেল ব্যাংকার্স কমিটির প্রধানদের দিল্লিতে ডেকে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সম্প্রতি রাজ্য সফরে এসে ওই দুই সংস্থার কাজ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল কমিশনের পূর্ণ বেঞ্চ। তার পরেই তাদের দিল্লিতে তলব করা হয়েছে।কমিশন সূত্রে খবর, চলতি সপ্তাহেই ওই সংস্থার আধিকারিকদের সঙ্গেও আবার বৈঠকে বসতে পারে নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকা নিয়ে চলা এই বিতর্কের মাঝেই একের পর এক বৈঠক ঘিরে এখন নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ১২, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধের ছ্যাঁকায় কার্যত লকডাউন পাকিস্তানে! অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ স্কুল, অফিসে আসতে হবে না সরকারি কর্মীদের

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব এখন ধীরে ধীরে বিশ্বজুড়ে পড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনার কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে বড় ধাক্কা লেগেছে। অভিযোগ উঠছে, ইরান এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করছে এবং পাশাপাশি আশপাশের দেশের তেল উৎপাদন ও শোধনাগারেও হামলা চালানো হচ্ছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংঘাত যদি দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে, তবে বিশ্ব অর্থনীতির উপর তার বড় প্রভাব পড়তে পারে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি দেশে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। শুধু ভারত নয়, প্রায় দশটি দেশ এই সমস্যার মুখে পড়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে পাকিস্তান।জ্বালানি বাঁচাতে পাকিস্তান কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে শুরু করেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কার্যত লকডাউনের মতো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ঘোষণা করেছেন যে স্কুলগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে পড়াশোনা হবে অনলাইনে। সরকারি অফিসগুলির কাজের দিনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।সরকারি দপ্তরগুলিতে আগামী দুই মাস জ্বালানির ব্যবহার অর্ধেক কমিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্যাঙ্ক ছাড়া অন্য সরকারি অফিস সপ্তাহে মাত্র চার দিন খোলা থাকবে। এছাড়া জরুরি পরিষেবা ছাড়া সরকারি কর্মীদের একটি বড় অংশকে বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রীদের ভাতাও কমানো হয়েছে।শুধু পাকিস্তান নয়, জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের উপরেও। সেখানে জ্বালানি ব্যবহারে সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। মোটরসাইকেলের জন্য দিনে সর্বোচ্চ দুই লিটার এবং গাড়ির জন্য দশ লিটার জ্বালানি নেওয়ার নিয়ম চালু হয়েছে।ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও জ্বালানির চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। শ্রীলঙ্কায় জ্বালানির দাম প্রায় আট শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। মায়ানমারে গাড়ি চলাচলের জন্য জোড় ও বিজোড় নম্বরের নিয়ম চালু করা হয়েছে। অনেক জায়গায় জ্বালানি না থাকায় পাম্প বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ফলে অনেক মানুষ পাশের দেশ থাইল্যান্ডে গিয়ে তেল কিনছেন।আমেরিকার কিছু রাজ্যেও জ্বালানির দাম বেড়েছে। ফ্লোরিডা এবং লুইজিয়ানায় প্রতি গ্যালন গ্যাসের দাম প্রায় এগারো সেন্ট পর্যন্ত বেড়েছে। ভিয়েতনামেও জ্বালানি সংকট মোকাবিলার জন্য বিশেষ টাস্ক ফোর্স তৈরি করা হয়েছে।বর্তমানে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ফ্রান্স, আমেরিকা, জার্মানি, পোল্যান্ড, ভিয়েতনাম, শ্রীলঙ্কা এবং ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশগুলিতে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত যদি দ্রুত থামানো না যায়, তবে আগামী দিনে এই সংকট আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মার্চ ১১, ২০২৬
কলকাতা

বুথে গোলমাল হলেই পুনর্নির্বাচন! বাংলায় বড় বার্তা মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের

বাংলায় বিভিন্ন নির্বাচনে বুথ জ্যাম, ভোট লুঠ বা ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ প্রায়ই ওঠে। অনেক সময় বুথের সিসিটিভি বন্ধ করে গন্ডগোলের অভিযোগও সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতি রুখতে এবার কড়া পদক্ষেপের কথা জানাল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।রাজ্যে এসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছেন, বুথে কোনও ধরনের গন্ডগোল বা অনিয়ম দেখা গেলে সঙ্গে সঙ্গে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকি প্রয়োজনে সেই বুথে পুনর্নির্বাচনও করা হবে।রবিবার রাতে জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ দল রাজ্যে পৌঁছয়। সোমবার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে কমিশন। এরপর মঙ্গলবার দিল্লিতে ফেরার আগে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে করতেই একাধিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।মুখ্য নির্বাচন কমিশনার স্পষ্ট জানিয়েছেন, ভোটের সময় অশান্তি বা গন্ডগোল কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। তিনি জানান, এবার প্রতিটি বুথে সিসিটিভি এবং ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। শুধু বুথের ভিতরেই নয়, বুথের বাইরেও নজরদারির ব্যবস্থা করা হবে।এর আগে অনেক বুথে সিসিটিভি থাকলেও সেখানে গন্ডগোলের অভিযোগ উঠেছে। কিছু ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে সিসিটিভির উপরে চুইনগাম লাগিয়ে বা সেটি বিকল করে বুথ জ্যাম করা হয়েছে।এই ধরনের ঘটনার কথা মাথায় রেখেই নির্বাচন কমিশন নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদি দেখা যায় কোনও বুথে সিসিটিভি ইচ্ছাকৃতভাবে বিকল করে দেওয়া হয়েছে, তবে সেই বুথে সঙ্গে সঙ্গেই পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।শুধু বুথের ভিতরের দৃশ্য নয়, বুথের বাইরের পরিস্থিতিও নজরে রাখা হবে। যদি বাইরে কোনও ধরনের গোলমালের ছবি ধরা পড়ে, তবে কমিশন থেকে তা পর্যবেক্ষণ করে সেই বুথে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।বিধানসভা নির্বাচনের আগে কমিশনের এই কড়া বার্তাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকেই। নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ এবং স্বচ্ছ রাখতে কমিশন যে কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।

মার্চ ১১, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের নতুন নেতাকে নিয়ে ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি! “শান্তিতে বাঁচতে পারবেন না”

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। সংঘাত থামার কোনও লক্ষণ এখনও দেখা যাচ্ছে না। এর মধ্যেই ইরানকে নতুন করে হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেইকে নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন, তাঁর মনে হয় না নতুন নেতা শান্তিতে থাকতে পারবেন। তবে উত্তেজনা বাড়লেও আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খোলা রয়েছে বলেই দাবি করেছে ওয়াশিংটন।আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর মৃত্যুর পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে তাঁর পুত্র মোজতবা খামেনেইকে বেছে নেওয়া হয়েছে বলে খবর। এই সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্তে তিনি মোটেও খুশি নন। এরপরই কড়া সুরে মন্তব্য করেন যে নতুন নেতা শান্তিতে থাকতে পারবেন বলে তাঁর মনে হয় না।এর আগেই তেহরানকে কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ। তিনি জানান, ইরানের বিরুদ্ধে আরও বড় হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে আমেরিকা। তাঁর কথায়, ইরানের ভেতরে আরও বড় আঘাত হানার পরিকল্পনা রয়েছে এবং এবার আরও বেশি যুদ্ধবিমান ও বোমারু বিমান ব্যবহার করা হবে। গোয়েন্দা তথ্যও আগের চেয়ে আরও নির্ভুল হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেন, গত চব্বিশ ঘণ্টায় ইরান খুব কম সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, যা আমেরিকার পদক্ষেপের ফল বলেই মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে কয়েক দিন আগেই ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরান যুদ্ধ কার্যত শেষ হয়ে গেছে এবং আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ অভিযানে বড় সাফল্য মিলেছে। কিন্তু তার কিছুক্ষণ পরেই আরেক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, যুদ্ধ এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি। এই মন্তব্য ঘিরে মার্কিন প্রেসিডেন্টের অবস্থান নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাত এখনও থামেনি। বরং নতুন করে বড় হামলার সতর্কবার্তা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাতে প্রথম দিকে ইরান মূলত ওই অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছিল। কিন্তু এখন পরিস্থিতি আরও বিস্তৃত হয়েছে। তেহরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন জায়গায় আক্রমণ বাড়িয়েছে। একই সময়ে ইরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে লাগাতার হামলা চালাচ্ছে ইজরায়েল ও আমেরিকাও। ইজরায়েলের হামলায় ইরানের একটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত দপ্তর ধ্বংস হয়েছে বলে জানা গেছে।এই যুদ্ধে এখনও পর্যন্ত ইরানে এক হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে। যুদ্ধের এই পরিস্থিতি শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, তার প্রভাব পড়ছে গোটা বিশ্বের অর্থনীতিতে এবং তেলের বাজারেও। যুদ্ধ আর কত দিন চলবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনা করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মার্চ ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

লক্ষ্যের লক্ষ্যপূরণ অধরাই, অল ইংল্যান্ড শিরোপা হাতছাড়া

অল ইংল্যান্ড ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের স্বপ্ন এবারও অপূর্ণই থেকে গেল ভারতের। ফাইনালে উঠেও খেতাব জিততে পারলেন না ভারতের তরুণ শাটলার লক্ষ্য সেন। রবিবার (৯ মার্চ) পুরুষদের সিঙ্গলস ফাইনালে চাইনিজ তাইপেইয়ের লিন চুন ই-র কাছে হেরে যান তিনি। লক্ষ্যের লক্ষ্যপূরণ অধরাই থেকে গেল।প্রায় ৫৭ মিনিট ধরে লড়াই চলা এই ম্যাচে লক্ষ্য ১৫-২১ এবং ২০-২২ ব্যবধানে পরাজিত হন। ফলে গত ২৫ বছর ধরে অল ইংল্যান্ড ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতের খেতাব জয়ের অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হল। অন্যদিকে, এই জয়ের মাধ্যমে লিন চুনই প্রথম চাইনিজ তাইপেই শাটলার হিসেবে এই মর্যাদাপূর্ণ টুর্নামেন্টের খেতাব জিতলেন।উল্লেখ্য, চার বছর আগে অল ইংল্যান্ড চ্যাম্পিয়নশিপে রানার্স-আপ হয়েছিলেন লক্ষ্য সেন। চলতি বছর আবারও ফাইনালে উঠে সেই আক্ষেপ মেটানোর সুযোগ এসেছিল। আলমোড়ার ২৪ বছরের এই শাটলার ফাইনালেও লড়াই চালালেও শেষ পর্যন্ত শিরোপা অধরাই থেকে যায়।এই টুর্নামেন্টে ফাইনালে ওঠার পথে লক্ষ্য সেন দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখান। তিনি বিশ্বের এক নম্বর শাটলার শি ইউ কি এবং বিশ্ব তালিকার ছয় নম্বরে থাকা লি শি ফেংকে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছান। সেমিফাইনালে কানাডার ভিক্টর লেইয়ের বিরুদ্ধে খেলতে নেমে পায়ের চোট নিয়েও ৯৭ মিনিট লড়াই করে জয় তুলে নেন তিনি।ভারতের ইতিহাসে অল ইংল্যান্ড ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপের পুরুষদের সিঙ্গলসে এখনও পর্যন্ত মাত্র দুই ভারতীয় শাটলার খেতাব জিতেছেন, প্রকাশ পাড়ুকোন (১৯৮০) এবং পুলেল্লা গোপীচাঁদ (২০০১)। এছাড়া প্রকাশ নাথ (১৯৪৭) এবং সাইনা নেহওয়াল (২০১৫) ফাইনালে উঠলেও শেষ পর্যন্ত শিরোপা জিততে পারেননি।এবার লক্ষ্য সেন ফাইনালে উঠলেও শেষ হাসি হাসতে পারলেন না। ফলে অল ইংল্যান্ডে ভারতের শিরোপা জয়ের অপেক্ষা এখনও অব্যাহত রইল।

মার্চ ১০, ২০২৬
কলকাতা

“একুশের মতো পরিস্থিতি আর নয়”—বাংলায় ভোট ঘিরে কড়া বার্তা মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের

একুশের বিধানসভা নির্বাচনের মতো পরিস্থিতি আর যেন বাংলায় না ফিরে আসে, সেই বার্তাই বারবার দিতে চাইছে নির্বাচন কমিশন। ছাব্বিশের নির্বাচন যাতে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও চাপমুক্ত হয়, তা নিশ্চিত করাই কমিশনের প্রধান লক্ষ্য বলে জানালেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। বাংলায় দুদিনের সফরের দ্বিতীয় দিনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ভোটে কোনও ধরনের হিংসা বা ভয় দেখানো বরদাস্ত করা হবে না। ভোটারদের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার অধিকার রক্ষা করা হবে বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।সোমবার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। সেই বৈঠকে ভোট কত দফায় হবে তা নিয়ে আলোচনা হয়। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির তরফে এক বা দুই দফায় ভোট করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। জ্ঞানেশ কুমার জানান, রাজনৈতিক দলগুলির মতামত নেওয়া হয়েছে এবং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেই ভোটের দফা নির্ধারণ করা হবে। দিল্লিতে ফিরে কমিশন এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।মুখ্য নির্বাচন কমিশনার স্পষ্ট করে বলেন, এবারের ভোটে কোনওভাবেই হিংসা বরদাস্ত করা হবে না। তাঁর কথায়, ভোট যেন সম্পূর্ণ হিংসামুক্ত ও ভয়মুক্ত পরিবেশে হয়, সেই বিষয়ে কমিশন বিশেষ নজর দেবে। ভোটারদের উপর চাপ সৃষ্টি করার ঘটনাও কঠোরভাবে দমন করা হবে। তিনি বলেন, অতীতে ভোটের আগে এবং ভোটের পরে যে ধরনের হিংসার ঘটনা দেখা গিয়েছিল, কমিশন আশা করছে এবারে সেই পরিস্থিতি আর তৈরি হবে না। যদি কারও বিরুদ্ধে ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগ ওঠে, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।সোমবার প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গেও বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। সেখানে রাজ্যের জেলাশাসক, পুলিশ সুপার এবং পুলিশ কমিশনারদের কড়া বার্তা দেন তিনি। কোথাও কোনও অশান্তি বা আইনশৃঙ্খলার সমস্যা দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি। নির্দেশ না মানলে শুধু পদ থেকে সরানোই নয়, বিভাগীয় তদন্তের মুখেও পড়তে হতে পারে বলে জানিয়ে দেন।এবারের নির্বাচনে প্রতিটি বুথে বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা থাকবে। সব বুথেই ওয়েব সম্প্রচারের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে বলে জানানো হয়েছে। ভোট দিতে যাওয়ার সময় বুথের বাইরে মোবাইল ফোন জমা রেখে তবেই ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে ভোটারদের। ভোটযন্ত্রে প্রার্থীদের রঙিন ছবি দেখানোর ব্যবস্থাও থাকবে। কোনও প্রার্থী চাইলে ভোটের সাত দিনের মধ্যে ভোটযন্ত্র পরীক্ষা করার সুযোগও দেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রতিটি বুথে ভোটার সহায়তা কেন্দ্র খোলা হবে, যাতে ভোটাররা সহজেই প্রয়োজনীয় তথ্য ও সাহায্য পেতে পারেন।

মার্চ ১০, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • ...
  • 122
  • 123
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

রেজিনগরে হার হুমায়ুন-পুত্রের, কলকাতার বিজয় মিছিল থেকে ভাগীরথী নিয়ে তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুর!

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে জয়ের পর কলকাতায় বিজয় মিছিল করল বিজেপি। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-সহ দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। মিছিলের পরে আয়োজিত সভা থেকে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে তীব্র কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। হুমায়ুনের ভাগীরথী মন্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ৩০ ভাগকে ভাগীরথীর জলে ভাসাবে বলেছিল। এখন নিজেই নাকের জলে চোখের জলে ভাসছে। একই সঙ্গে রেজিনগরের ফলকে সামনে রেখে সংখ্যালঘু ভোট নিয়ে বিজেপির অবস্থানও তুলে ধরেন তিনি।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নওদা ও রেজিনগর, দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন হুমায়ুন কবীর। নিয়ম অনুযায়ী, পরে রেজিনগর আসনটি ছেড়ে দেন তিনি। সেই কেন্দ্রে উপনির্বাচনে নিজের দলের প্রার্থী করেন ছেলেকে। ভোটের প্রচারে রেজিনগর থেকেই হিন্দুদের কেটে ভাগীরথীর জলে ভাসিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন হুমায়ুন। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়।কিন্তু রেজিনগরের উপনির্বাচনে জয় পায় বিজেপি। প্রায় ৭০ শতাংশ সংখ্যালঘু ভোটার থাকা এই কেন্দ্রে হুমায়ুনের ছেলে পরাজিত হন। ফলাফলে বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার ৭৫ হাজারের বেশি ভোটে জয়ী হন বলে দাবি করা হয়েছে। হারের আশঙ্কায় ফল প্রকাশের আগেই রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন হুমায়ুন। পরে তাঁকে কান্নায় ভেঙে পড়তেও দেখা যায়। সেই প্রসঙ্গ টেনেই কলকাতার সভা থেকে তাঁকে আক্রমণ করেন শুভেন্দু।রেজিনগরের ফলকে বিজেপির রাজনৈতিক সাফল্য হিসাবেই তুলে ধরেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, বিজেপি সংখ্যালঘুদের ভোট পায় নাএই ধারণা ভেঙে দিয়েছে রেজিনগরের মানুষ। শুভেন্দুর দাবি, সংখ্যালঘু ভোটারদের একাংশও এখন বিজেপির দিকে ঝুঁকছেন। তাঁর কথায়, সংখ্যালঘুরা দেখেছেন, তাঁদের ভোট ছাড়াও মোদির জয়রথ চলছে। তাই মূলস্রোতে থাকতে তাঁরাও বিজেপিকে ভোট দিচ্ছেন।এ দিনের সভা থেকে হাওড়া ও কলকাতা পুরসভা নির্বাচন নিয়েও দলের পক্ষে প্রচার করেন শুভেন্দু। আগামী দিনে এই দুই পুরসভায় বিজেপিকে জেতানোর জন্য মানুষের কাছে আবেদন জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ডবল ইঞ্জিন সরকারের কথা উল্লেখ করে শুভেন্দু বলেন, এ বার ট্রিপল ইঞ্জিন সরকার গড়ার লক্ষ্য নিতে হবে। হাওড়া ও কলকাতার মানুষ বিজেপিকে সমর্থন করবেন কি না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। কলকাতার রাস্তায় দাঁড়িয়ে দুহাত পেতে ভোট চাওয়ার কথা বলে আগামী নির্বাচনের জন্য জনসমর্থন চান শুভেন্দু।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
দেশ

সুপ্রিম কোর্ট অভিযানে রাহুল-মমতা, পাল্টা বিজেপির তোপ, দিল্লিতে মোতায়েন ২০ হাজার আধাসেনা!

ভোট চুরির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের পথে বিরোধী জোট। সোমবার রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে এই অভিযানে যোগ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা, বাম নেতারা এবং সমাজবাদী পার্টির কর্মীরা। অন্য দিকে, একই সময়ে সাংবাদিক বৈঠক করে বিরোধীদের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে বিজেপি। তাদের অভিযোগ, বিরোধীরা বিদেশি শক্তির হাতের পুতুল হয়ে কাজ করছে। এই পরিস্থিতিতে দিল্লিতে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। রাজধানীতে ২০ হাজার আধাসেনা মোতায়েন রয়েছেন। আরও এক মাস তাঁদের নিরাপত্তার দায়িত্বে রাখা হবে বলে জানা গিয়েছে।রবিবারই সুপ্রিম কোর্ট অভিযানের কথা ঘোষণা করেছিল বিরোধী জোট। পরিকল্পনা ছিল, রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ যাদব-সহ বিরোধী নেতারা প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে দেখা করে স্মারকলিপি জমা দেবেন। কিন্তু রবিবার রাতেই প্রধান বিচারপতি জানিয়ে দেন, তাঁদের সঙ্গে দেখা করার সময় দেওয়া সম্ভব নয়। তাঁর বক্তব্য, বিরোধীরা যে বিষয়গুলি তুলতে চাইছেন, সেগুলি ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন। সেগুলি নিয়ে শুনানিও চলছে। আদালতকে রাজনৈতিক মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করা যায় না বলেও বার্তা দেন তিনি।তবে প্রধান বিচারপতির সাক্ষাৎ না মেলায় অভিযান বাতিল করেনি বিরোধী জোট। সোমবার রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ একাধিক নেতা সুপ্রিম কোর্টের উদ্দেশে রওনা হন। প্রথমে বাসে যাত্রা শুরু হলেও পরে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে পায়ে হেঁটে এগোতে দেখা যায়। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন বাম যুবনেত্রী নেহা বোরাকও।পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যাঁরা ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, তাঁদের জন্যই তাঁরা বিচার চাইছেন। জানা গিয়েছে, প্রধান বিচারপতির সঙ্গে দেখা না হলেও সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন জমা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বিরোধীদের। সিপিআই নেতা ডি রাজার বক্তব্য, বিরোধী নেতারা আদালত চত্বর পর্যন্ত যাবেন। পরে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে ১০ জনের একটি প্রতিনিধি দল পিটিশন জমা দেবে।অন্য দিকে, বিরোধীদের এই কর্মসূচির পাল্টা সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপি। দলের নেতা শিবরাজ সিং চৌহান অভিযোগ করেন, বিরোধীরা দেশের সংবিধানকে অসম্মান করছেন। তাঁর দাবি, ইন্ডিয়া জোট বিদেশি শক্তির হাতের পুতুল হয়ে উঠেছে। রাহুল গান্ধী অতীতে বিজেপির পাশাপাশি রাষ্ট্রশক্তির বিরুদ্ধেও লড়াইয়ের কথা বলেছেন বলে উল্লেখ করে শিবরাজের কটাক্ষ, এই ধরনের কাজের জন্যই এক দিন কংগ্রেস মুছে যাবে।এ দিকে, সমাজমাধ্যমে রাহুল গান্ধীও পাল্টা বার্তা দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, শিবের তাণ্ডব শুরু হয়ে গিয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এই মিছিল শিবের মিছিল, এখানে যে কেউ যোগ দিতে পারেন। কাউকে আটকানো হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনকে ঘিরে ভোট চুরির অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি এবং বিরোধীদের সুপ্রিম কোর্ট অভিযানসব মিলিয়ে রাজনৈতিক উত্তাপ বেড়েছে দিল্লিতে। এক দিকে আদালতে পিটিশন জমার প্রস্তুতি, অন্য দিকে বিজেপির পাল্টা আক্রমণ। এই পরিস্থিতিতে রাজধানীতে নিরাপত্তার কড়াকড়ি আরও এক মাস বজায় রাখার সিদ্ধান্ত ঘিরেও নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
কলকাতা

দিল্লির পর কলকাতাতেও ‘জ্ঞানেশ কুমার হটাও’ মিছিল! হাঁটতে পারেন মমতা, নজর পুলিশের অনুমতিতে

দিল্লির রাজনৈতিক আন্দোলনের আঁচ এ বার কলকাতাতেও। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে মঙ্গলবার মিছিলের ডাক দিল কালীঘাট তৃণমূল। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই মিছিলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা। এই কর্মসূচি নিয়ে একটি প্রচারপত্র প্রকাশ করেছে কালীঘাট তৃণমূল। তবে শেষ পর্যন্ত মিছিল হবে কি না, তা নির্ভর করছে পুলিশের অনুমতির উপর।ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনকে কেন্দ্র করে ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা। সেই অভিযোগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিও উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে কালীঘাট তৃণমূল।প্রকাশিত প্রচারপত্রে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের অভিযোগ তোলা হয়েছে। দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক করা এবং তরুণ প্রজন্মের উপর অত্যাচার চালানোর অভিযোগও তুলে ধরা হয়েছে সেখানে। এই সব ঘটনার প্রতিবাদে সাধারণ মানুষকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আয়োজকেরা। জেলায় জেলায়ও কর্মসূচির বার্তা পাঠানো হয়েছে বলে খবর।মিছিলের অন্যতম আকর্ষণ হতে পারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি। তিনি আদৌ এই কর্মসূচিতে হাঁটবেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। আয়োজকদের তরফে প্রকাশিত প্রচারপত্রে মিছিলের কথা জানানো হলেও, পুলিশের অনুমতি না মেলা পর্যন্ত কর্মসূচির চূড়ান্ত ছবি স্পষ্ট হচ্ছে না।এ দিকে, পুজোর মরসুম শুরু হয়ে গিয়েছে। কলকাতার একাধিক বড় পুজোমণ্ডপ ইতিমধ্যেই দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত মিছিলের অনুমতি দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। মিছিল হলে ওই এলাকায় যান চলাচলে প্রভাব পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা রয়েছে। অনুমতি না মিললে কালীঘাট তৃণমূল কী পদক্ষেপ করবে, তা এখনও জানা যায়নি।উল্লেখ্য, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের মাধ্যমে ভোটে কারচুপির অভিযোগ এবং জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সোমবার সুপ্রিম কোর্ট অভিযানের ডাক দিয়েছিল বিরোধী জোট। রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে সেই কর্মসূচিতে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতাদের পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, একাধিক বাম নেতা এবং সমাজবাদী পার্টির নেতাকর্মীরাও যোগ দেন।দিল্লির পর এ বার কলকাতায় এই ইস্যুতে তৃণমূলের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার মিছিলের অনুমতি মেলে কি না এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাতে যোগ দেন কি না, এখন সে দিকেই নজর।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
দেশ

‘যন্তর-মন্তরই প্রতিবাদের পীঠস্থান’, আন্দোলনের দিন ঠিক করতে পুলিশকে চরম বার্তা সিজেপির

যন্তর-মন্তরেই আন্দোলন করতে চায় ককরোচ জনতা পার্টি। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অনুমতি চেয়ে এ বার দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিল সিজেপি। সোমবার পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় যায়। থানায় ঢোকার আগে সিজেপি নেতারা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস স্পষ্ট জানিয়ে দেন, যন্তর-মন্তর ছেড়ে অন্য কোথাও আন্দোলন করতে তাঁরা রাজি নন। তাঁদের দাবি, যন্তর-মন্তরই প্রতিবাদের অন্যতম প্রধান জায়গা। সেখানে বিক্ষোভের দিন ও সময় পুলিশকেই ঠিক করে দিতে হবে।সিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, আন্দোলনের দিনক্ষণ ঠিক করার দায়িত্ব দিল্লি পুলিশের হাতেই ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। তবে সিদ্ধান্ত জানাতে বেশি সময় নেওয়া যাবে না। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশকে নিজেদের সিদ্ধান্ত জানাতে হবে বলে দাবি করেছেন তাঁরা।আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, আন্দোলনের তারিখ জানতে তাঁরা দিল্লি পুলিশের কাছে যাচ্ছেন। পুলিশই তাঁদের বিক্ষোভের দিন জানাবে। তবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সিদ্ধান্ত না জানালে তাঁরা পরবর্তী পদক্ষেপ করবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।সৌরভ দাসের বক্তব্য, তাঁরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করতে চান। শান্তিপূর্ণ ভাবে প্রতিবাদ জানানোর অধিকার সকলের রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, আগে পুলিশ বিক্ষোভের অনুমতি চাইতে গেলে অন্তত ১০ দিন আগে আবেদন করার কথা বলত। এ বার তাঁরা পুলিশের কাছেই আন্দোলনের দিন ও সময় জানতে চাইছেন। তবে সেই সিদ্ধান্তের জন্য দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে রাজি নন তাঁরা।উল্লেখ্য, শনিবার সিজেপির আন্দোলনে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লিতে এসেছিলেন দলের তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপক, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। তাঁদের অভিযোগ, দিল্লিতে পৌঁছনোর আগেই বিমানের ভিতর থেকে তাঁদের আটক করা হয়। পরে রবিবার ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে পেশ করার পর তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।মুক্তি পাওয়ার পরেও আন্দোলন থেকে সরে আসার কোনও ইঙ্গিত দেননি সিজেপি নেতারা। বরং শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অনুমতি চেয়ে পুলিশের সঙ্গে আলোচনায় বসার কথা জানিয়েছিলেন তাঁরা। সেই মতো সোমবার পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় যান দলের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল।যন্তর-মন্তরকে বিক্ষোভস্থল হিসেবে ব্যবহার করা নিয়ে দিল্লি পুলিশের সাম্প্রতিক নির্দেশিকার পরেই এই টানাপড়েন আরও বেড়েছে। সিজেপির দাবি, যন্তর-মন্তরেই তাঁদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের সুযোগ দিতে হবে। অন্য দিকে, পুলিশ কী সিদ্ধান্ত নেয়, তা এখনও স্পষ্ট নয়। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই বিষয়ে কোনও ঘোষণা হয় কি না, এখন সে দিকেই নজর।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
বিদেশ

জ্বালানি সঙ্কট থেকে বাজারের ওঠানামা, অর্থনীতিতে নোবেলজয়ীদের গবেষণা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন দুই মার্কিন অর্থনীতিবিদএমনই দাবি করা হয়েছে প্রকাশের জন্য দেওয়া খবরে। সেখানে বলা হয়েছে, সোমবার রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস চলতি বছরের অর্থনীতিতে নোবেলজয়ীদের নাম ঘোষণা করেছে। সেই তালিকায় রয়েছেন রবার্ট ই হল এবং মাইকেল উডফোর্ড। সামষ্টিক অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখার ক্ষেত্রে ব্যষ্টিক অর্থনীতির তাত্ত্বিক ভিত্তি নিয়ে গবেষণার জন্য তাঁদের এই সম্মান দেওয়া হয়েছে বলে খবরটিতে উল্লেখ করা হয়েছে।রবার্ট ই হল আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত। অন্য দিকে, মাইকেল উডফোর্ড নিউ ইয়র্কের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত।দুই অর্থনীতিবিদের গবেষণার মূল বিষয় হল, কী ভাবে একটি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখা যায়। ব্যক্তি, পরিবার এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান কী ভাবে অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নেয়, তা ব্যষ্টিক অর্থনীতির আলোচ্য বিষয়। এই সিদ্ধান্তগুলির সঙ্গে সামগ্রিক অর্থনীতির ওঠানামার সম্পর্ক বুঝতে তাঁদের গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ বলে দাবি করা হয়েছে।বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক এবং সরকার অর্থনীতি পরিচালনার জন্য নানা ধরনের মডেল ব্যবহার করে। দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই মডেলগুলির তাত্ত্বিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করতে দুই অর্থনীতিবিদের গবেষণা সাহায্য করেছে। বাজারের পরিবর্তন, অর্থনৈতিক ওঠানামা এবং আর্থিক সঙ্কট মোকাবিলায় নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রেও তাঁদের কাজের গুরুত্ব রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার কমিটির চেয়ারম্যান জন হাসলারের বক্তব্য অনুযায়ী, এই গবেষণার ফলে জ্বালানি সঙ্কট কিংবা সাধারণ মানুষের খরচের অভ্যাসে হঠাৎ পরিবর্তনের মতো অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলানোর প্রস্তুতি আরও ভাল ভাবে নেওয়া সম্ভব। অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে কী ভাবে পরিবর্তন ঘটে, তা বুঝতে পারলে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কগুলির পক্ষে উপযুক্ত নীতি তৈরি করা সহজ হতে পারে।গত বছর ব্যবসায়িক উদ্ভাবন এবং অর্থনৈতিক বৃদ্ধির সম্পর্ক নিয়ে গবেষণার জন্য তিন জন গবেষক অর্থনীতিতে নোবেল পেয়েছিলেন। নতুন পণ্য ও উদ্ভাবন কী ভাবে অর্থনৈতিক বৃদ্ধি এবং মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতিতে সাহায্য করে, তা ব্যাখ্যা করেছিলেন তাঁরা।এর আগে গত সপ্তাহে চিকিৎসাবিজ্ঞান, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, সাহিত্য এবং শান্তিতে নোবেলজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল বলে দেওয়া খবরে উল্লেখ রয়েছে। অর্থনীতিতে পুরস্কার ঘোষণার মধ্য দিয়ে চলতি বছরের নোবেল ঘোষণা পর্ব শেষ হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। তবে প্রতিবেদন প্রকাশের আগে ২০২৬ সালের অর্থনীতিতে নোবেলজয়ীদের নাম এবং পুরস্কারের কারণ সরকারি সূত্র থেকে যাচাই করে নেওয়া জরুরি।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
রাজ্য

আন্দোলনে যোগ দিলেই দৈনিক সাড়ে ৯ হাজার টাকা! আরামবাগের পড়ুয়াদের নিয়ে বিস্ফোরক দাবি বিজেপি বিধায়কের

ককরোচদের আন্দোলনে যোগ দিলেই মিলবে টাকা! দৈনিক ১০০ ডলার, ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ৯ হাজার টাকা। এমনই বিস্ফোরক দাবি করলেন পরশুড়ার বিজেপি বিধায়ক বিমান ঘোষ। তাঁর আরও অভিযোগ, আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন কাজে অংশ নিলে মাসে ৯৬ লক্ষ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হচ্ছে। আরামবাগের প্রান্তিক এলাকার কলেজ পড়ুয়াদের লক্ষ্য করে এই প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি তাঁর। এই অভিযোগের সমর্থনে কয়েকটি হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার স্ক্রিনশটও দেখিয়েছেন বিধায়ক। তবে এই দাবির স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা যায়নি।বিমান ঘোষের দাবি, রবিবার পরশুড়া বিধানসভা এলাকার এক কলেজ পড়ুয়া তাঁর সঙ্গে দেখা করেন। ওই পড়ুয়া তাঁকে কিছু তথ্য ও হোয়াটসঅ্যাপের বার্তা দেখান। সেই সূত্রেই বিষয়টি তাঁর নজরে আসে বলে জানিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক। তবে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ওই পড়ুয়ার নাম ও পরিচয় প্রকাশ করেননি তিনি। পাশাপাশি, সম্পূর্ণ কথোপকথনও প্রকাশ্যে আনেননি।বিমান ঘোষের অভিযোগ, ককরোচদের আন্দোলনের নামে পড়ুয়াদের টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হচ্ছে। তাঁর দাবি, এই সংগঠনের মাধ্যমে দেশের মধ্যে অস্থিরতা তৈরি এবং ভারতবিরোধী কাজকর্ম চালানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। আন্দোলনের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস, কংগ্রেস এবং সিপিএমের একাংশের যোগ রয়েছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন তিনি। যদিও এই অভিযোগগুলির পক্ষে এখনও কোনও স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণ সামনে আসেনি।বিজেপি বিধায়কের বক্তব্য, বিষয়টি যথেষ্ট উদ্বেগজনক। তাঁর কাছে আসা তথ্য ও নথি সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ে জানানোর প্রস্তুতি চলছে। খুব শীঘ্রই সমস্ত নথি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে বলেও দাবি করেছেন তিনি।উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস ধরে ককরোচদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে একাধিক বিক্ষোভ হয়েছে। কখনও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি, আবার কখনও ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন হয়েছে। এই আন্দোলনের পিছনে বিদেশি অর্থের জোগান রয়েছে বলেও বিভিন্ন মহলে অভিযোগ উঠেছে। তবে সেই অভিযোগের সত্যতা এখনও নিশ্চিত নয়।এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে বলে জানা যায়নি। ফলে বিমান ঘোষের দাবি এবং দেখানো হোয়াটসঅ্যাপের বার্তাগুলি ঘিরে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে তদন্ত বা সরকারি তরফে কোনও পদক্ষেপ করা হয় কি না, এখন সে দিকেই নজর।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
দেশ

‘সুপ্রিম কোর্টের দরজা সবার জন্য খোলা’, তা হলে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা করলেন না কেন? জানালেন প্রধান বিচারপতি

সুপ্রিম কোর্টের দরজা সবার জন্য খোলা। সোমবার এই মন্তব্য করলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। কিন্তু তা হলে রাহুল গান্ধী ও মল্লিকার্জুন খাড়্গের সঙ্গে দেখা করতে রাজি হলেন না কেন? এই প্রশ্নের জবাবে প্রধান বিচারপতি জানালেন, কেন তিনি সাক্ষাৎ করতে পারবেন না, তা চিঠিতেই জানিয়েছেন। তবে সেই চিঠির বিষয়বস্তু প্রকাশ্যে আনতে চাননি তিনি।প্রধান বিচারপতি জানান, রাহুল গান্ধীর চিঠি তিনি আগের দিন পেয়েছিলেন। সে দিন রাতেই তার জবাবও দিয়েছেন। তাঁর কথায়, চিঠিতে এমন কয়েকটি কারণ উল্লেখ করা হয়েছে, যার জন্য তিনি রাহুলের সঙ্গে দেখা করতে পারছেন না।কী সেই কারণ? এই প্রশ্নের উত্তরে সূর্য কান্ত বলেন, চিঠিতে কী লেখা রয়েছে, তা রাহুল গান্ধীর কাছেই জানতে চাওয়া উচিত। তিনি চিঠির গোপনীয়তা বজায় রেখেছেন বলেও জানান প্রধান বিচারপতি।তবে সাধারণ নাগরিক থেকে জনপ্রতিনিধিসকলেরই আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার অধিকার রয়েছে বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি। প্রধান বিচারপতির বক্তব্য, যে কোনও ভারতীয় নাগরিক আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আসতে পারেন। তিনি সাধারণ নাগরিক হোন বা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, আইন মেনেই তাঁদের বক্তব্য শোনা হবে এবং তাঁদের অধিকার রক্ষা করা হবে।দিল্লির পরিস্থিতি এবং সাম্প্রতিক আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে কোনও মন্তব্য করতে চাননি প্রধান বিচারপতি। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে যুক্ত বলে জানান তিনি।উল্লেখ্য, ভোট চুরির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে প্রধান বিচারপতির কাছে স্মারকলিপি জমা দিতে চেয়েছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এবং রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গে। সোমবার তাঁদের এই আবেদন ঘিরেই নতুন করে চর্চা শুরু হয়।তবে আগের দিন রাতেই তাঁদের আবেদন খারিজ করে দেন প্রধান বিচারপতি। তাঁর বক্তব্য, বিরোধী নেতারা যে বিষয়গুলি তুলতে চাইছেন, সেগুলি ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন রয়েছে। সাংবিধানিক কাঠামো অনুযায়ী, সরকারের কাজে হস্তক্ষেপ করার প্রশাসনিক ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টের নেই বলেও তিনি জানিয়েছেন।ফলে রাহুল গান্ধী ও মল্লিকার্জুন খাড়্গের সঙ্গে সাক্ষাৎ না হলেও আদালতের দরজা সকলের জন্য খোলাএই বার্তাই দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। তবে চিঠিতে সাক্ষাৎ না করার যে কারণগুলি উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলি আপাতত প্রকাশ্যে আসেনি।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
দেশ

মোদি সরকারের অন্দরে ২০০ জন আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ! সাংবাদিক বৈঠকে বিস্ফোরক দাবি রাহুলের

মোদি সরকারের অন্দরমহলের খবর কি পৌঁছে যাচ্ছে রাহুল গান্ধীর কাছে? সোমবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দফতরে কর্মরত অন্তত ২০০ জন আধিকারিক নিয়মিত তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। তাঁদের কাছ থেকেই সরকারের নানা খবর পান বলে জানিয়েছেন তিনি। শুধু তা-ই নয়, পুলিশের একাংশও বিরোধীদের আন্দোলনকে সমর্থন করছে বলে দাবি রাহুলের। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে চর্চা।সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে ভোট চুরি এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি নিয়ে সরব হন রাহুল। সেই প্রসঙ্গেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, তাঁর সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের অন্তত ২০০ জন আধিকারিকের যোগাযোগ রয়েছে। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এবং বিদেশমন্ত্রক-সহ বিভিন্ন দফতর থেকে তিনি তথ্য পাচ্ছেন। তবে কোন আধিকারিকেরা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি কংগ্রেস নেতা।দিল্লিতে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে পুলিশি পদক্ষেপ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন রাহুল। তাঁর দাবি, পুলিশের প্রায় ৫০ শতাংশ কর্মী তাঁদের জানিয়েছেন যে বিরোধীরা যা করছেন, তা ঠিক এবং সেই আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া উচিত। পুলিশ, আধাসেনা এবং দেশের সাধারণ মানুষ বিরোধীদের পাশে রয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। যদিও তাঁর এই দাবির সমর্থনে কোনও নির্দিষ্ট প্রমাণ সাংবাদিক বৈঠকে তুলে ধরা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।শনিবারের বিক্ষোভে ধরপাকড়ের প্রসঙ্গেও কেন্দ্রকে নিশানা করেন রাহুল। তাঁর অভিযোগ, ভোট চুরির প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন হলেও দিল্লিকে কার্যত জেলখানায় পরিণত করা হয়েছে। তাঁর মতে, আন্দোলন দমনের চেষ্টা করে মোদি সরকার বড় ভুল করছে।ব্যঙ্গের সুরে রাহুল বলেন, জ্ঞানেশ কুমারকে রক্ষা করতে সরকার চাইলে ২০ থেকে ৩০ হাজার পুলিশকর্মীও মোতায়েন করতে পারে। তাঁর দাবি, গত ১২ বছর ধরে মানুষের মনে জমে থাকা ক্ষোভ এখন প্রকাশ্যে আসছে। সরকার যত বেশি বাধা দেবে, বিরোধীরা ততই তাদের লক্ষ্যের কাছে পৌঁছবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।রাহুলের বক্তব্য, শুধু রাজনৈতিক দল নয়, ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন জমায়েত থেকেও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে। ভোট চুরির অভিযোগ এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে বিরোধীদের আন্দোলন চলবে বলেও স্পষ্ট করেছেন তিনি।তবে কেন্দ্রীয় সরকারের ২০০ জন আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ এবং পুলিশের একাংশের সমর্থন নিয়ে রাহুলের দাবিগুলি তাঁর নিজের বক্তব্য হিসাবেই সামনে এসেছে। এই দাবিগুলির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।

অক্টোবর ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal