• ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার ১৭ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IS

রাজনীতি

কাশীনাথ মিশ্রের আদর্শ মেনে চলার আহ্বান আশিসলালের

বাঁকুড়া বিধানসভা থেকে পাঁচবার বিধায়ক হয়েছিলেন। কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন কাশীনাথ মিশ্র। ২০১২-এর ১০ এপ্রিল এসএসকেএম হাসপাতালে প্রয়াণ হয়েছিল এই জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের। যিনি নিয়মিত বিধানসভার অধিবেশনে হাজির হতেন। সাধারণের জন্য রাজনীতি করতেন। রবিবার তাঁর প্রয়াণ দিবসে একাধিক কর্মসূচি পালিত হয় বাঁকুড়ায়। সমস্ত অনুষ্ঠানেই যোগ দিয়েছেন তৃণমূল নেতৃত্ব।রবিবার সকালে কাশীনাথ মিশ্রের দশম মৃত্যু বার্ষিকীতে তাঁর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। তারপর তাঁর স্মরণে ছিল রক্তদান শিবির। এই অনুষ্ঠানে মূল পৃষ্ঠপোষক ছিলেন প্রয়াত কাশিনাথ মিশ্রের স্ত্রী মিনতি মিশ্র। রবীন্দ্র ভবনে ওই অকৃতদার নেতার স্মৃতিচারণা করেন প্রাক্তন সাংসদ অভিজিত মুখোপাধ্যায়, ত্রিপুরা তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি আশিসলাল সিং, রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোৎস্না মান্ডি, জেলা নেতা অরূপ চক্রবর্তী ও অরূপ খাঁ, অলোক মুখোপাধ্যায়, তৃণমূলের বাঁকুড়া জেলা সাংগঠনিক সভাপতি দিব্যেন্দু সিনহা মহাপাত্র, সমাজসেবী অচিন্ত্য ঘোষ, লড়াকু নেত্রী বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলার মহিলা সভানেত্রী মৌ সেনগুপ্ত, ৬ বারের কাউন্সিলর রাখী রজক, মূল আয়োজক রাহুল সেন, জেলা পরিষদের পূর্ত ও পরিবহণ কর্মাধক্ষ শিবাজী ব্যানার্জী, প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠনের রাজ্য নেতা পলাশ সাধুখাঁ।ত্রিপুরা তৃণমূল কংগ্রেসের কোর কমিটির সদস্য আশিসলাল সিং বলেন, কাশীনাথ মিশ্রকে আমরা ভুলতে পারব না। তাঁর কর্মপদ্ধতি থেকে অনেক কিছু শেখার রয়েছে। তাঁর আদর্শে আমরা চলতে চেষ্টা করব। তাঁর সম্বন্ধে জানতে পারলে আগামী প্রজন্মের অনেক কাজে আসবে। স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বক্তারা বলেন, কাশীনাথ মিশ্রের সঙ্গে বিরোধী দলের নেতৃত্বের সঙ্গেও সদ্ভাব ছিল। বিধানসভায় তাঁর অংশগ্রহণ থেকে অনেকেই শিক্ষা নিতে পারেন।

এপ্রিল ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌দিল্লির বিরুদ্ধে নামার আগে আজ কী নিয়ে চিন্তা নাইট রাইডার্সের?‌

আজ আইপিএলে নিজেদের পঞ্চম ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে মাঠে নামছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। তিন ম্যাচ জিতে লিগ টেবিলের শীর্ষে থাকলেও দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্টের চিন্তা টপ অর্ডার ব্যাটারদের ফর্ম। প্রথম ম্যাচে রান চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ৩৪ বলে করেছিলেন ৪৪ রান করেছিলেন অজিঙ্কা রাহানে। পরের ৩ ম্যাচে তাংর ব্যাটে রান নেই। নীতিশ রানাও রান পাচ্ছেন না। অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার, আন্দ্রে রাসেলদের ব্যাটেও ধারাবাহিকতার অভাব। প্রথম তিন ম্যাচে রান না পাওয়া ভেঙ্কটেশ আয়ার আগের ম্যাচে রানে ফিরেছেন। সুতরাং ব্যাটিং নিয়ে চিন্তায় থাকতে হচ্ছে নাইট রাইডার্সকে। বিশেষ করে টপ অর্ডারের ব্যাটারদের নিয়ে। মিডল অর্ডার ব্যাটারদের নিয়ে অবশ্য খুব একটা সমস্যা নেই। তাঁদের জন্যই জয় ছিনিয়ে নিতে পারছে। ইতিমধ্যেই নাইট শিবিরে যোগ দিয়েছেন ওপেনার অ্যারন ফিঞ্চ। দলের সঙ্গে যোগ দিলেই রবিবার কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে ম্যাচে তাঁকে পাওয়া যাবে না। এখনও তাঁর কোয়ারেন্টিন পর্ব শেষ হয়নি। তাই অজিঙ্কা রাহানের পরিবর্তে তাঁকে খেলানোর পরিকল্পনা করতে পারছে না নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। ফিঞ্চের কোয়ারেন্টিন পর্ব শেষ হয়ে গেলে রাহানের পরিবর্তে তাঁকে খেলানো হতে পারে। সেক্ষেত্রে স্যাম বিলিংসকে বসিয়ে খেলানো হবে শেলডন জ্যাকসনকে। তবে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ব্যাটিংয়ে পরিবর্তন হতে পারে। নীতিশ রানার পরিবর্তে রিঙ্কু সিংকে খেলানোর চিন্তাভাবনা করছে নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। কারণ আগের ৪টি ম্যাচে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি নীতিশ রানা। নেটে নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরছেন রিঙ্কু। ব্যাটিং বিভাগে এছাড়া আর পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।নাইট রাইডার্সের তিনটি ম্যাচে জয়ের পেছনে বোলারদেরই অবদান বেশি। বিশেষ করে উমেশ যাদবের কথা বলতে হবে। ৪ ম্যাচে ইতিমধ্যে তুলে নিয়েছেন ৯ উইকেট। এই মুহূর্তে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারীর তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন। উইকেট না পেলেও প্রথম ম্যাচে নজর কেড়েছেন রসিক সালাম দার। আগের ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্সের জার্সি গায়ে অভিষেক হয়েছে। দুর্দান্ত বোলিং করেছেন। ৩ ওভারে ১৮ রান দিয়েছিলেন। এছাড়া সুনীল নারাইন, বরুণ চক্রবর্তীরাও দলকে নির্ভরতা দিয়েছেন।

এপ্রিল ১০, ২০২২
রাজ্য

অভিষেকের ভাষণের সময় পাশে ঠায় দাঁড়িয়ে কল্যান, আপশোষ তৃণমূল কখনও আসানসোল জেতেনি

দলের সাধারণ সম্পাদকের ব্যক্তিগত মতামত হতে পারে না বলে তোপ দেগেছিলেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর গঙ্গা দিয়ে অনেক জল গড়িয়েছে। এবার আসনসোলে তৃণমূল প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহার প্রচারে কল্যানের পাশে দাঁড়িয়েই বক্তব্য রাখলেন অভিষেক। হুঙ্কার ছাড়লেন বিজেপির বিরুদ্ধে। অভিষেকের আপশোষ তৃণমূল কংগ্রেস কোনও দিন আসানসোল লোকসভা আসনে জয় পায়নি।এবার আসানসোল কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন বিহারীবাবু শত্রুঘ্ন সিনহা। তাঁকে বহিরাগত বলে দাবি করছে বিজেপি। অন্য দিকে এদিন বিজেপির বিরুদ্ধে বহিরাগত তত্বে অনড় বলতে শোনা গেল অভিষেকর ভাষণে। বরং শত্রুঘ্ন সিনার সঙ্গে আসানসোলের দীর্ঘ বছরের সম্পর্ক বলে তিনি ঘোষণা করলেন। অভিষেক বলেন, এই আসন থেকে তৃণমূল কোনও দিন জিততে পারেনি। এবার সুযোগ হাতছাড়া করবেন না। একটা ইডি, সিবিআইয়ের নোটিশ ধরিয়ে কিছু করতে পারবে না।শ্রীলঙ্কায় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ে লঙ্কাকান্ড ঘটে চলেছে। ওই দেশে জরুরি অবস্থা জারি হয়েছে। ভারতের অর্থনীতির হাল যে শ্রীলঙ্কার থেকেও খারাপ, বলেছেন অভিষেক। তিনি বলেন, ১৫৫ লক্ষ কোটি টাকা ঋণগ্রস্ত নরেন্দ্র মোদি সরকার। শ্রীলঙ্কার থেকে ভারতের ২০ গুন খারাপ অবস্থা। ৬৭ বছরে ভারতের ঋণের পরিমান ছিল ৫৪ লক্ষ কোটি টাকা। নরেন্দ্র মোদী ৭ বছরে ১০২ কোটি টাকা ঋণ করেছে।বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে আসায় বাবুল সুপ্রিয়র প্রশাংসা করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আসানসোল জয়ের পর ফের খেলা শুরু হবে বলেও জানিয়েছেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ। অভিষেক বলেন, বাবুল সুপ্রিয় চলে গিয়েছে তৃণমূলে। গায়ে লাগছে। যে করে হোক সিটটা জিততে হবে! আমি বলছি খেলা এখনও শুরু হয়নি। আসানসোল জেতার পর খেলা শুরু হবে। তারপর দরজা খুলব, কে কে আসবে আর কে কোথায় জিতবে আপনারা দেখবেন। তৈরি থাকুন। কী ভাবছেন তৃণমূলকে দমিয়ে রাখবেন। তাঁর ভাষণের সময় সারাক্ষণ পাশে ঠায় দাঁড়িয়েছিলেন কল্যান।

এপ্রিল ০৯, ২০২২
দেশ

থমকে ত্রিপুরা তৃণমূলের গতি, বিধানসভা ভোটের আগে অন্য দলে ঝুঁকছে দলের বড় অংশ

বালিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনে রোড শো করার পর বক্তব্য রাখতে গিয়ে ফের ত্রিপুরা, মেঘালয়ে নির্বাচনে লড়াইয়ের কথা বলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে গোয়া বিধানসভা নির্বাচনে ২৬ আসনে প্রার্থী দিয়েছিল তৃণমূল। যদিও কোনও আসনেই জয় পায়নি ঘাসফুল শিবির। এবার লক্ষ্য উত্তর পূর্ব ভারত। কিন্তু ত্রিপুরার সাংগঠনিক অবস্থা নিয়ে আশাহত সেখানকার তৃণমূলের বড় অংশ।তিন দিন আগে ত্রিপুরায় তৃণমূলের মহামিছিলে তেমন জনসমাগম হয়নি বলেই ওই অংশ দাবি করেছে। ওই মিছিলে অংশ নেননি ত্রিপুরা তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি তথা কোর কমিটির সদস্য আশিসলাল সিং, প্রাক্তন বিধায়ক আশিস দাস, দলের সংখ্যালঘু নেতা জহিরুদ্দিন শেখসহ নেতৃত্বের বড় অংশ। কয়েকদিন আগেই ত্রিপুরায় তৃণমূলের একমাত্র কাউন্সিলর যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। রাজনৈতিক মহলের মতে, আগামি ২০২৩-এ বিধানসভা নির্বাচন, তার আগে সংগঠনের এমন দশা হলে লড়াই তো দূরের কথা তৃণমূল হালে পানি পাবে কিনা সন্দেহ রয়েছে। কিন্তু বাংলায় বিপুল জয়ের পর ত্রিপুরা অভিযানে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। বহু মানুষ তৃণমূলে যোগও দিয়েছিল। কিন্তু কী এমন হল যে দলের বিস্তার না হয়ে, ক্রমশ সঙ্কুচিত হচ্ছে কার্যকলাপ? এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে ত্রিপুরার রাজনৈতিক মহলে।ত্রিপুরা তৃণমূলের একাংশের দাবি, সম্মান না পেয়ে দল ছেড়েছেন একমাত্র কাউন্সিলর সুমন পাল। এমনকী দলের সংগঠন বৃদ্ধি করতে গিয়ে বিজেপির হাতে যাঁরা আক্রান্ত হয়েছেন তাঁদের পাশেও সেভাবে নেতৃত্ব দাঁড়ায়নি বলেই তাঁদের অভিযোগ। ত্রিপুরার ৮ জেলার মধ্যে ৪ জেলায় দল আশিসলাল সিংকে দায়িত্ব দিয়েছিল। অথচ মারধর খেয়ে দিল্লিতে চিকিৎসা করতে চলে যান তিনি। তাঁকেও সামান্য মর্যাদা দেওয়া হয়নি বলে দলের একাংশে অভিযোগ।জানা গিয়েছে, ২১ দিনের নোটিশে ২০১৪-এ ত্রিপুরার দুটি লোকসভা আসনে প্রার্থী দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সেদিন দলের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন আশিসলাল সিং। ত্রিপুরা পশ্চিম কেন্দ্রে ১ লক্ষ ১৭ হাজারের বেশি ভোট পায় তৃণমূল প্রার্থী রতন চক্রবর্তী। ত্রিপুরা পূর্বে ভৃগুরাম রিয়াং ৭৭ হাজারের বেশি ভোট পায়। দুটি আসনেই তৃণমূল ছিল তৃতীয়, তারপরে চতুর্থ স্থানে ছিল বিজেপি প্রার্থী। ২০১৭-এ ত্রিপুরা তৃণমূলের সভাপতি করা হয় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শচীন্দ্রলাল সিং-পুত্র আশিসলালকে। ২০১৮ বিধানসভা নির্বাচনে জোট গড়ে ত্রিপুরায় প্রার্থী দেয় তৃণমূল। সব আসনেই হেরে যায় তৃণমূল।দলের বিক্ষুব্ধ অংশের বক্তব্য, দলবদলুরা ত্রিপুরায় তৃণমূলের দায়িত্ব নেওয়ায় সংগঠন তলানিতে পৌঁছেছে। দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে। বিজেপি থেকে আসা প্রাক্তন বিধায়ক আশিস দাস সামাজিক মাধ্যমে নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তাঁর স্পষ্ট কথা, দল তাঁকে ত্রিপুরায় দায়িত্ব দিলে বিজেপি-সিপিএমকে টেক্কা দেবে তৃণমূল। পাঁচ-পাঁচবার বিজেপি আশিসলাল সিংয়ের ওপর হামলা করেছে বলে অভিযোগ। তিনি আগেই জানিয়ে দিয়েছেন নির্বাচনে প্রার্থী হবেন না। আশিসবাবুর দাবি, কোনও উপজাতিকে ত্রিপুরায় মুখ্যমন্ত্রী করতে হবে। তাহলেই বাজিমাত করতে পারবে দল। তিনি চান ত্রিপুরা তৃণমূলের হাল ধরুক আশিস দাস। রেললাইনের পথ ঘুরিয়ে জনজাতিদের উচ্ছেদ রুখে ছিলেন আশিসলাল। সিপিএম সরকার রেললাইনের ম্যাপিং করেছিল। কিন্তু তৎকালীন রেলমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সহযোগিতায় ১০ হাজার জনজাতিকে উচ্ছেদ হতে হয়নি। সেই উদ্যোগ নিয়েছিলেন শচীন্দ্রলাল-পুত্র। মাছমারায় বাঁশের সেতু লোহার সেতু হয়েছে, তাঁরই উদ্যোগে হাসপাতাল হয়েছে।এই মুহূর্তে ত্রিপুরার পাহাড়ী এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে ত্রিপ্রা মথা। তবে সমতলেও প্রভাব বাড়ছে দুবছর আগে তৈরি হওয়া এই দলের। সূত্রের খবর, শচীন্দ্রলাল-কন্যা নন্দিতা সিং, শ্যামাচরণ ত্রিপুরার মেয়ে অদিতি ত্রিপুরা, শচীন্দ্রলাল সিংয়ের মন্ত্রীসভার প্রাক্তন জনপ্রিয় মন্ত্রী তসলমফা ওরফে রাজপ্রসাদ চৌধুরী-র পুত্র ভৃগুরাম রিয়াং ত্রিপ্রা মাথায় যোগ দিতে পারেন। সূত্রের খবর, তৃণমূলে বসে যাওয়া নেতা-কর্মীদের একটা বড় অংশ নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন ত্রিপ্রা মথার সঙ্গে। বছর গড়ালেই বিধানসভা ভোট। তাই অনেকেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন। সূত্রের খবর, আশিসলাল ব্যক্তিগত ভাবে দল ছাড়তে চাইছেন না। কিন্তু কর্মীরা ক্ষিপ্ত। সংখ্যালঘু ও পাহাড়ের তৃণমূলীরা কি সিদ্ধান্ত নেবে তা নিয়ে ব্যাপক সংশয় আছে। তাঁরা মনে করছে, এমন চলতে থাকলে আশিসবাবুও তাঁদের পথ ধরতে পারেন।ত্রিপুরার পাহাড়ের কোনায় কোনায় ঘাসফুলের পতাকা উড়েছে। এবার তা বন্ধ হতে বসেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তৃণমূল কর্মী মুজিবর মারা গিয়েছেন। তাঁকে জখম অবস্থায় নেতৃত্ব ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিল বলে অভিযোগ। মুজিব ও তাঁর স্ত্রী সেদিন টোটো করে বাড়ি যায়। জানা গিয়েছে, মামন খানকে বেধরক মারধর করা হয়েছিল। এসএসকেএম থেকে ফিরে আসছে তাঁরও খোঁজ নেয় না দল। ত্রিপুরার নন্দীগ্রামে দলের পতাকা উচিঁয়ে রেখেছে বেচারাম দাস। তাঁকে ১৫ অগাস্ট বেধরক মারধর হয়। তাঁর মাথা ফাটিয়ে দেয়, অথচ দল খবরই নেয়নি বলে অভিযোগ। আশিসলাল সিং বিজেপির কাছে মার খেল, ত্রিপুরা তৃণমূল নাকি তখনও চুপ ছিল। তৃণমূলের মহিলা নেতৃত্বও নিগৃহীত হয়েছেন। অমরপুর পাহাড়ের জঙ্গলে বাচ্চা কোলে অবস্থায় এক মহিলাকে গুলি মারা হয়েছিল। সেখানে কর্মীদের নিয়ে রাতেই পৌঁছে গিয়েছিলেন আশিসলাল। তাছাড়া খুমলুঙে মদ্য়পরা ছাত্রদের ব্যাপক মারধর করেছিল। খুমলুঙ জ্বলছিল। অশান্ত খুমলুঙে গিয়েছিলেন আশিসবাবু। যে পার্কে সেদিন ঘটনা ঘটেছিল তা দাবি জানিয়ে বন্ধ করিয়েছিলেন তিনি। সেদিনও আগরতলা শহর থেকে কেউ যায়নি।কার্যত ত্রিপুরার দলের কর্মীরা নেতৃত্বের ওপর ভরসা হারাচ্ছে বলেই খবর। দলের ওই অংশের বক্তব্য, পার্টি অফিস হয়নি বরং বাড়িতে বাড়িতে দলের অফিস গড়ে উঠছে। সেসব জায়গায় অনেকে যেতেও পারছেন না। রাজনৈতিক মহলের মতে, দলের এমন দশা থাকলে ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচনে ত্রিপুরায় কোনও আশা না করাই ভাল। অল্প সংখ্যক ভোট নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হবে ঘাসফুল শিবিরকে।

এপ্রিল ০৯, ২০২২
রাজ্য

ঝালদা বনধের মধ্যে উদ্ধার তপন কান্দু খুনের প্রত্যক্ষদর্শীর ঝুলন্ত দেহ, সিবিআই চায় পরিবার

ঝালদার কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দু খুনের প্রত্যক্ষদর্শী নিরঞ্জন বৈষ্ণবের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। কংগ্রেসের ডাকা ঝালদা বনধের দিন নিরঞ্জন বৈষ্ণবের বাড়ি থেকে তাঁর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সুইসাইডাল নোটে মানসিক অবসাদের কথা বলেছেন নিরঞ্জন। পাশাপাশি বার বার পুলিশি ডাকের ফলে মানসিক চাপের কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি।জানা গিয়েছে, তপন কান্দুর সঙ্গে রাস্তায় হাঁটতেন নিরঞ্জন। তপন খুনের দিনও তাঁর পাশে ছিলেন নিরঞ্জন। তিনি ছিলেন তপনের ঘনিষ্ঠবৃত্তের একজন। খুনের ঘটনার পর তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ ডেকে পাঠাত বলে তাঁর পরিবার জানিয়েছে। বিশেষ দৃশ্য দেখার কথাও তিনি বলেছেন। তপন কান্দু খুনের ঘটনায সিবিআই তদন্ত শুরু হয়েছে। নিরঞ্জন বৈষ্ণবের পরিবারও সিবিআই তদন্তের দাবি করেছে। তিনি প্রাইভেট টিউশন পড়াতেন। এদিন তাঁর ঘরে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় স্থানীয়রা। এদিন ঝালদা বনধে দোকান-পাট বন্ধ রয়েছে শহরে। যান চলাচলও বন্ধ রয়েছে।যেদিন থেকে তপনের মৃত্যু হয় সেদিন থেকে মানসিক অবসাদে ভুগছি। সেই দৃশ্য ভুলতে পারছি না। ঘুমাতে পারছি না। পুলিশ বারংবার ডাক দিচ্ছে। সেই ঘটনায় অভ্যস্ত নই, বলেও নিরঞ্জন সুইসাইডাল নোটে লিখেছেন বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, পুলিশ তাঁকে থানায় ডেকে বার বার চাপ সৃষ্টি করছিল। নিরঞ্জনের মৃত্যুতে রহস্য দেখছেন তপন কান্দুর স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দু। অভিজ্ঞ মহলের মতে, তপন কান্দু খুনের প্রত্যক্ষদর্শীর রহস্য-মৃত্যুতে তদন্তে ব্যাঘাত ঘটতে পারে।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
বিদেশ

গভীর সঙ্কটে পরশি দ্বীপরাষ্ট্রঃ শ্রীলঙ্কার কেন এই দশা? পরিত্রাণের উপায় খুঁজছে দেশটি

ঋণগ্রস্ত হলে কী বেহাল দশা হয় এখন দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কার পরিস্থিতি দেখে তা সহজেই অনুমান করা যায়। বিশ্ববাজার থেকে ঋণ ক্রমাগত ঋণ নিয়ে তার বোঝা বেড়ে গিয়েছে। একইসঙ্গে চরম খাদ্য সংকটে দেশটি। রয়েছে জ্বালানি সংকটও। মোদ্দা কথা সমস্ত দিক থেকে কোমর ভেঙে গিয়েছে প্রতিবেশি দেশটির। তারওপর দুডজনের বেশি মন্ত্রী এই বোঝা বইতে না পেরে পদত্যাগ করেছেন। নিদারুণ সংকটে জেরবার শ্রীলঙ্কা। কিন্তু কেন দেখা দিল এই জেরবার পরিস্থিতি?সরকার বিরোধী বিক্ষোভে টালমাটাল সারা শ্রীলঙ্কা। ইতিমধ্যে ২৬ জন মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। অর্থনৈতিক সঙ্কটে বেলাগাম মূল্যবৃদ্ধি। প্রতি কিলোগ্রাম চালের দাম ২২০ টাকা। প্রতিটি জিনিষে হাত দিলেই ছ্যাঁকা লাগছে। ১৯৪৮-তে স্বাধীনতা অর্জনের পর এই প্রথম এমন ভয়াবহ অর্থনৈতিক সঙ্কটের কবলে দেশটি। এর আগে এলটিটিই গেরিলা যুদ্ধে দেশটির নাজেহাল অবস্থা হয়েছিল। এবার সামগ্রিক সঙ্কটের মধ্যে দেশটি। শ্রীলঙ্কা জ্বালানী নেই, বিদ্যুৎ নেই, খাবার নেই, এ এক চরম অরাজকতা। তার মধ্যে বিক্ষোভ দমন করছে সরকার। কয়েকশো বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতারও করেছে সরকার। জনরোষ ঠেকাতে কার্ফু জারি করতে হয়েছে। কীভাবে পরিস্থিতি আয়ত্বে আসবে তা খুব কঠিন বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।বিশ্বে এই দেশের ঋণের পরিমান কত, জানেন?বিশ্বের নানা ক্ষেত্র থেকে ঋণ নিয়ে দায়গ্রস্ত শ্রীলঙ্কা। বিভিন্ন সংস্থার পাশাপাশি নানা দেশ থেকেও ঋণ নিয়েছে দ্বীপরাষ্ট্রটি। দীর্ঘ সেই তালিকা। শ্রীলঙ্কা এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক থেকে নিয়েছে ১৪.৬ শতাংশ, আন্তর্জাতিক সার্বভৌম বন্ড থেকে ঋণের পরিমান ৩৬.৪ শতাংশ। তাছাড়া প্রাথমিক ঋণদাতাদের মধ্যে রয়েছে জাপান, চিন এবং এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাঙ্ক(ADB)। প্রতিবেশি দেশের সঙ্কটে পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত সরকার। ১ বিলিয়ন ডলার দেওয়া হয়েছে শ্রীলঙ্কাকে। জ্বালানি, খাদ্য ও ওষুধ কিনতে সাহায্য করার জন্য। পাশাপাশি ডিজেল পাঠাচ্ছে ভারত। একইসঙ্গে ভারতের তরফে ৫০০ মিলিয়ন ডলার ক্রেডিট বাড়ানো হয়েছে। ঋণ শোধ করার জন্য কেউ সময় বাড়িয়েছে, কোনও দেশ আবার চাপও বাড়িয়েছে।কী করে পরিত্রাণ পেতে চাইছে শ্রীলঙ্কা?ঋণের বোঝা কমাতে উদ্যোগী হয়েছে শ্রীলঙ্কা। আপাতত ৪ বিলিয়ন ডলার ঋণ পরিশোধের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে দেশটি। পাশাপাশি শুধু অপরিহার্য পণ্য সামগ্রী বিদেশ থেকে আমদানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দ্বীপরাষ্ট্র। সারা দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিষপত্র, বিশেষত খাদ্য ও জ্বালানী সঙ্কট তীব্র মাত্রা নিয়েছে। দ্রব্যসামগ্রীর মূল্য আকাশছোঁয়ায় রাস্তায় নেমে সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলছে দেশজুড়ে। সরকার মনে করছে, ঋণ শোধ করা এই মুহূর্তে খুব জরুরি। তবে এখন শ্রীলঙ্কা সরকারের ভান্ডারে রয়েছে ২.৩১ বিলিয়ন ডলার। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাবও পড়েছে এই দেশে। কারণ বিশ্ববাজারে জ্বালানী তেলের দাম ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। ঋণগ্রস্ত দেশটির তাই আরও নাজেহাল অবস্থা। শেষমেশ দেশে অশান্তি এড়াতে সেনা মোতায়েন করতে বাধ্য হয়েছে সরকার।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ভেঙে গেল রহস্য মেয়ের হৃদয়, ছবি ভাইরাল, কে সেই রহস্যময়ী?‌

সোমবার আইপিএলে লখনউ সুপার জায়ান্টস ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ম্যাচ চলছিল। ক্রমশ পরাজয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ডাগ আউটে বাড়ছিল হতাশা। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে দল যখন নিশ্চিত পরাজয়ের মুখে, তখন টিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ছিল এক মহিলার করুণ মুখ। এই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় দারুণ ভাইরাল হয়েছে।কে এই মহিলা? সানরাইজার্স হায়দরাবাদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কই বা কী? এই নিয়ে সকলের দারুণ কৌতুহল। এই মহিলা কিন্তু যে সে মহিলা নন। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের অন্যতম মালিক কাব্য মারান। সান গ্রুপের কর্ণধার কালানিধি মারানের মেয়ে, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দয়ানিধি মারানের ভাতিজি। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের অন্যতম মালিক। দলের সিইও। কাব্য মারান নিজে সান মিউজিকের সঙ্গে যুক্ত। ২০১৮ সালের আইপিএলে তাঁকে প্রথম ক্রিকেট মাঠে দেখা যায়। নিজের দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে চিয়ার করার সময় তাঁকে প্রথম টিভিতে দেখা যায়। চেন্নাই থেকে এমবিএ শেষ করার পর কাব্য মারান তাঁর বাবা কালানিধি মারানের ব্যবসায় যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ক্রিকেটকে দারুণ ভালোবাসেন কাব্য। এছাড়া তিনি দলের সিইওর দায়িত্বও পালন করেন।Bechari bacchi ko engineering churwa kar ipl team ke peeche phasa diya 😢. #FamilyPressure #SRHvsLSG #TATAIPL pic.twitter.com/1hWMWVCzxk Shivansh𓃵 ( KEI STAN 𓃵❤️) (@sher_singh_18) April 4, 2022গতবছর আইপিএলে একেবারেই ভাল ফল করতে পারেনি সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। এবছরও শুরুটা যথেষ্ট হতাশাজনক। দুটি ম্যাচে এখনও জয় পায়নি এই ফ্র্যাঞ্চাইজি। সোমবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ম্যাচ ছিল লখনউও সুপার জায়ান্টেস সঙ্গে। হায়দরাবাদের পরাজয়ের পর দলের সমর্থকরা দারুণ হতাশ। দলের অন্যতম মালিকের একটা ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে হতাশায় একটা মেয়ের মুখের করুণ অবস্থা।সোমবার লখনউও সুপার জায়ান্টের সঙ্গে দারুণ লড়াই করেছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। একটা সময় মনে হচ্ছিল জিতেও যেতে পারে। কিন্তু ম্যাচের শেষদিকে মোড় ঘুরে যায়। শেষ ওভারে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে লখনউও সুপার জায়ন্টসকে ১২ রানে ম্যাচ জেতান ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার জেসন হোল্ডার। এই পরাজয়ের পর কাব্য মারানের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ ভাইরাল হচ্ছে।কাব্য যখনই মাঠে থাকেন, টিভি ক্যামেরা তাঁর দিকে তাক করে। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও লখনউ সুপার জায়ান্টস ম্যাচেও তেমনই ঘটেছিল। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে দল যখন নিশ্চিত পরাজয়ের মুখে, তখন টিভি ক্যামেরায় কাব্যর করুণ মুখ ধরা পড়েছিল। কাব্যর এই করুণ মুখ দেখে তাঁর ভক্তরাও হতাশ হয়ে পড়েছিল। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ দল যতক্ষণ লড়াইয়ে ছিল, তাঁকে খুশি দেখাচ্ছিল। কিন্তু দল যতই পরাজয়ের কাছাকাছি আসে, তাঁর মুখও করুণ হতে শুরু করে। কাব্যের করুণ মুখ মোটেও পছন্দ হয়নি ভক্তদের। সোশ্যাল মিডিয়ায় কাব্যের এক ভক্ত লিখেছেন, তিনি অবশ্যই আরও ভালোর যোগ্য। কেন উইলিয়ামসন, আব্দুল সামাদ, অভিষেক শর্মা, উমরান মালিক, নিকোলাস পুরান, রাহুল ত্রিপাঠি, এইডেন মার্করাম, দয়া করে কাব্যকে খুশি করুন।

এপ্রিল ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির কাছে গিয়ে কী বলে এলেন মোহনবাগান সচিব দেবাশিস দত্ত?‌

লালহলুদের আইএসএলে খেলা যখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি নিজে উদ্যোগ নিয়ে লগ্নিকারী সংস্থাকে এনে দিয়েছিলেন। মোহনবাগান ক্লাবেরও পাশে দাঁড়িয়েছেন। ক্লাবের তাঁবুর সংস্কারের জন্য ৫০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য করেছিলেন। এবার সংস্কার হওয়া সেই তাঁবুর উদ্বোধন করবেন মমতা ব্যানার্জি। ক্লাবের নতুন কমিটি গঠিত হওয়ার পর সোমবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলেন মোহনবাগানের নতুন সচিব দেবাশিস দত্ত। সঙ্গে ছিলেন সদ্য মনোনীত হওয়া নতুন সহ সভাপতি কুণাল ঘোষ। দুপুরে নবান্নে দুজনে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। সৌজন্য সাক্ষাতে নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনার সময় মোহনবাগান সচিব দেবাশিস দত্ত মুখ্যমন্ত্রীকে সংস্কার হওয়া তাঁবুর উদ্বোধন করার জন্য আমন্ত্রণ জানান। মোহনবাগান ক্লাবের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর হাতে মোহনবাগানের অমর একাদশের স্মারক তুলে দেন সচিব দেবাশিস দত্ত। মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে দেবাশিস দত্ত ও কুণাল ঘোষকে সুন্দর উতরীয় তুলে দেওয়া হয়। পরে দেবাশিস দত্ত বলেন, ক্লাব তাঁবু সংস্কার করার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ৫০ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন। আমরা মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাতে এসেছিলাম। মুখ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছি, যাতে সংস্কার হওয়া ক্লাব তাঁবু উদ্বোধন করেন। উনি রাজি হয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর সময় দিলেই উদ্বোধনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা হবে। এদিকে, মোহনবাগান ক্লাবের নামেরর আগে এটিকে রয়েছে। এটিকের সঙ্গে সংযুক্তির পর থেকেই এটিকে মোহনবাগান নামে আইএসএলে খেলছে সবুজমেরুণ। সদস্যসমর্থকরা দীর্ঘদিন ধরেই দাবি জানিয়ে আসছেন, মোহনবাগান নামের আগে থেকে এটিকে তুলে নেওয়া হোক। পরিবর্তে লগ্নিকারী সংস্থা আরপি গ্রুপের কোনও নাম বসানো হোক। এই নিয়ে সমর্থকরা অতীতে বিক্ষোভেও সামিল হয়েছিলেন। এই নিয়ে নাকি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেবাশিস দত্ত ও কুণাল ঘোষের কথা হয়েছে। সূত্র থেকে এমনই জানা গেছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২২
রাজ্য

সরকারি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপি সরকারকে তুলোধনা করে বিতর্কে রাজ্যের মন্ত্রী

সোমবার বর্ধমান শহরের লোক সংস্কৃতি মঞ্চে এক সভায় পুর্ব বর্ধমান জেলার ছয় (৬) পুরসভার এম সি আই সি (MCIC) ঘোষণা করেন মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস। সভায় উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, জেলা পরিষদের সভাপতি সম্পা কুণ্ডু, বর্ধমান ডেভলপমেন্ট অথরিটির চেয়ারম্যান কাকলি তা গুপ্তা, সিদ্দিকুল্লা চৌধুরি,প্রানি সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলা পরিষদের সহ-সভাপতি দেবু টুডু বর্ধমান দক্ষিণ ও উত্তরের বিধায়ক খোকন দাস ও নিশিথ মালিক এবং ছটি পুরসভার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান।বক্তব্য রাখে গিয়ে মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস বলেন, একটা মানুষ তিল তিল করে বাংলাকে গড়ে চলেছেন। সৃষ্টিকারী যদি কেউ হোন,তার নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সৃষ্টি করছেন। আর কেউ যদি ধ্বংসকারী হয়ে থাকে তাহলো বিজেপি সরকার,নরেন্দ্র মোদীর সরকার। আজ ভারতবর্ষ বলুন, ভারতবর্ষের সমাজ ব্যবস্থা বলুন, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বলুন সব ধ্বংস করে দিচ্ছে বিজেপি সরকার। সরকারি মঞ্চে বক্তব্য রখতে গিয়ে তিনি কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে একহাত নেন রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তিনি আরো বলেন আগে একটা সার্টিফিকেট পেতে গেলে জুতোর শুকতলা ক্ষয়ে যেত। তবুও তা পাওয়া যেত না। আর এখন মুখমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী দুয়ারে সরকার কর্মসূচির মাধ্যমে মানুষের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছেন। একেই বলে পাড়ায় সমাধান।সোমবার বর্ধমানের লোক সংস্কৃতি মঞ্চে জেলার উপভোক্তাদের হাতে বিধবা ভাতা সহ বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের পরিষেবা প্রদান করেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ও মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। সরকারি মঞ্চে এভাবে বিজেপি সরকারকে আক্রমণ করায় ক্ষোভ উগড়ে দেন জেলা বিজেপি সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র। তিনি বলেন সরকারি মঞ্চে যেভাবে মন্ত্রী বিজেপিকে আক্রমণ করেছেন। তা খুবই দুঃখজনক।

এপ্রিল ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডার্বির নায়কের সঙ্গে আরও ২ বছর চুক্তি, কিয়ানকে নিয়ে কী পরিকল্পনা ফেরান্দোর?‌

আইএসএলের ডার্বিতে পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নেমে বাজিমাত করেছিলেন কিয়ান নাসিরি। সেদিন থেকেই দেশের অন্যান্য ক্লাবগুলির নজর ছিল এই তরুণ স্ট্রাইকারের দিকে। আইএসএলের বেশ কয়েকটা ফ্র্যাঞ্চাইজি তাঁর প্রতি আগ্রহও দেখিয়েছিল। কিন্তু সেইসব ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে কোনও রকম সুযোগ দিলেন না এটিকে মোহনবাগান কর্তারা। কিয়ান নাসিরির সঙ্গে আরও দুই মরশুমের জন্য চুক্তি সেরে ফেলেছেন তাঁরা। সঙ্গে কার্ল ম্যাকহিউয়েরও চুক্তি বাড়ানো হল। তবে কিয়ানের মতো দু বছর নয়, সলামনের মরশুম পর্যন্ত চুক্তি করা হল ম্যাকহিউয়ের সঙ্গে। এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে আরও দুবছর থাকার সুযোগ পেয়ে খুশি কিয়ান নাসিরি। তিনি বলেন, এটিকে মোহনবাগান দেশের অন্যতম সেরা দল। সেই দলের কোচ ও কর্তারা আমার ওপর আস্থা রেখেছেন, এটা আমার কাছে দারুণ ব্যাপার। আশা করছি আগামী বছরগুলিতেও সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে নিজের সেরাটা দিতে পারব। এখন এএফসি কাপে খেলার জন্য মুখিয়ে আছি। এখনও আন্তর্জাতিক ম্যাচে খেলার সুযোগ হয়নি কিয়ান নাসিরির। সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে ঘরের মাঠে দর্শকদের সামনেও খেলার সুযোগ মেলেনি। এএফসি কাপে সেই সুযোগ আসতে চলেছে। কারণ তাঁকে ধরেই পরিকল্পনা করছেন এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। এই ব্যাপারে কিয়ান নাসিরি বলেন, যুবভারতীতে ঘরের মাঠে সবুজমেরুণ সমর্থকদের সামনে খেলার জন্য মুখিয়ে আছি। আইএসএলের ডার্বিতে হ্যাটট্রিক আমার কাছে এখন অতীত। আইএসএলে গোল পেলেও আন্তর্জাতিক ম্যাচে এখনও গোল করতে পারিনি। যুবভারতীতে প্রিয় দর্শকদের সামনে ভাল খেলে গোল করাই লক্ষ্য থাকবে। এএফসি কাপে এশিয়া কোটার বিদেশি নিয়ে মোট ৪ বিদেশিকে নিয়ে মাঠে নামা যাবে। জুয়ান ফেরান্দোর হাতে রয়েছে ৬ বিদেশি রয় কৃষ্ণা, ডেভিড উইলিয়ামস, হুগো বুমোস, তিরি, কার্ল ম্যাকহিউ, জনি কাউকো। এদের মধ্যে কোন ৪ জনকে বেছে নেবেন তা নিয়ে চিন্তার ভাঁজ ফেরান্দোর কপালে। হয়তো আক্রমণভাগে বিদেশি কম রাখবেন। তাই কিয়ান নাসিরিকে নিয়েই পরিকল্পনায় ব্যস্ত। জুয়ান ফেরান্দো বলেন, আমি সবসময় তরুণ ফুটবলারদের গুরুত্ব দিই। দলের ভারসাম্য রাখতে কিয়ানের মতো তরুণ প্রতিভা এইমুহূর্তে দলে দরকার। আক্রমণভাগে ওকে ধরেই পরিকল্পনা করছি।

এপ্রিল ০৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

‘বাবা বেবি ও..’র ৫০ দিন উদযাপন

উইন্ডোজ প্রডাকশন হাউস থেকে প্রযোজিত পরিচালক অরিত্র মুখোপাধ্যায়ের ছবি বাবা বেবি ও। ছবিটি মুক্তির পরই দর্শকমহলে প্রশংসা পেয়েছে। ৪ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পাওয়ার পর মেঘ আর বৃষ্টির জমজমাট দাম্পত্য ৫০ দিন পার করে ফেলল । সেই আনন্দে সুইমিং পুলের পাশে উদযাপনের আয়োজন ছিল। যিশু সুপুরুষ ক্যাজুয়াল সাজে নজর কাড়লেন। গরমের জন্য তাই শোলাঙ্কি রা্যের সাদা শাড়িতে প্যাস্টেল রঙা সুতোর কাজ ছিল। উপস্থিত ছিলেন দলের প্রায় প্রত্যেকে। জিনিয়া সেন, রেশমি সেন প্রমুখ। আর ছিল পটল, পোস্ত। যিশু-শোলাঙ্কির পর্দার যমজ ছেলে। পরিচালক অরিত্র জানিয়েছেন, ব্রহ্মা জানেন গোপন কম্মটিও মুক্তির পরে সাড়া জাগিয়েছিল। তার পরেই অতিমারির দাপটে কোণঠাসা। এই ছবির প্রচারের আগে পরেও অতিমারি ছিল। ফলে, বাবা বেবি ও নিয়েও ভয় ছিল। ৫০ দিন কাটার পরে শুধু আমি নই সবাই হাল্কা।

এপ্রিল ০২, ২০২২
রাজ্য

বোমা বন্দুক বেআইনি ভাবে মজুতের ক্ষেত্রে বীরভূমের কেষ্টর গড়ের থেকে খুব একটা পিছিয়ে নেই পূর্ব বর্ধমান

মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর ৮ দিনে পূর্ব বর্ধমানে উদ্ধার ৩৬৮টি বোমা ও ৪১টি আগ্নেআস্ত্র , বোমা গুলি ও আগ্নেআস্ত্র উদ্ধারের সংখ্যার বিচারে বীরভূমের থেকে খুব একটা পিছিয়ে নেই প্রতিবেশী পূর্ব বর্ধমান জেলাও। বগটুই কাণ্ডের পর মুখ্যমন্ত্রী বোমা গুলি ও অস্ত্রসস্ত্র উদ্ধারের জন্য পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। তার পর থেকে বীরভূম জেলা পুলিশ যেমন অভিযানে নামে তেমনই অভিযানে নামে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশও।মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর বীরভূম জেলা পুলিশ অভিযানে নেমে চারদিনে উদ্ধার হয় ৪০০-র বেশী বোমা ও ৩০ কেজির বেশী বোমা তৈরীর মশলা। আর পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ৮ দিনে অর্থাৎ ৩১ মার্চ পর্যন্ত উদ্ধার করেছে ৩৬৮টি বোমা ও ৩ কেজি বোমা তৈরির মশলা। এছাড়াও উদ্ধার হয়েছে ৪১ টি আগ্নেআস্ত্র ও ৭৭ টি গুলি।বেআইনি ভাবে অস্ত্রসস্ত্র মজুতের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছে ৪৫ জন্য দুস্কৃতি। এই তথ্য সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে।শুরু হয়ে গিয়েছে শাসক ও বিরোধীদের তর্জা।মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষানার দিন রাতেই আগ্নেআস্ত্র সহ দুই দুস্কৃতিকে গ্রেপ্তার করে বর্ধমান থানার পুলিশ। এর পর থেকেই জেলার বিভিন্ন থানা এলাকা থেকে বোমা, গুলি ও আগ্নেআস্ত্র উদ্ধার হয়েই চলে। অস্ত্রসস্ত্র উদ্ধারে বড়সড় সাফল্য পায় কাটোয়া থানার পুলিশ। তারা এক রাতের অভিযানে তিন দুস্কৃতিকে গ্রেপ্তার করার পাশাপাশি ৪ টি বন্দুক,২৪ রাউণ্ড বন্দুকের গুলি ,১ টি পিস্তল ও ২ রাউণ্ড পিস্তলের গুলি ও ১৬ টি সকেট বোমা উদ্ধার করে ।ভাতার,দেওয়ানদিঘী ও গলসি থানার পুলিশও ভরি সংখ্যায় বোমা উদ্ধার করে। এইসব থানা গুলি বোমা ও বন্দুক উদ্ধারে সফল হলেও জেলার জামালপুর, মাধবডিহি ও শক্তিগড় থানার পুলিশ তেমন কোন সফলতা দেখাতে পারে নি।তবে কালনা মহকুমার একাধীক থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে বেশকিছু আগ্নেআস্ত্র, বোমা, গুলি উদ্ধার করেছে। কালনা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক (এসডিপিও) সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন, ২৯ ও ৩০ মার্চ, এই দুদিন অভিযান চালিয়ে কালনা ,নাদনঘাট ও মন্তেশ্বর থানার পুলিশ ৬ টি আগ্নেআস্ত্র ও বেশ কয়েকটি গুলি উদ্ধার করেছে। বেআইনি ভাবে আগ্নেআস্ত্র মজুতের অভিযোগে ৫ জন গ্রেপ্তার হয়েছে বলে এসডিপিও জানিয়েছেন।জেলা তৃণমূলের নেতৃত্ব এই বিষয়টিকে পুলিশের সাফল্য বলে দাবী করলেও কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধীরা। বিজেপি নেতা কল্লোল নন্দন এদিন বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বলার পরেই পুলিশ একেবারে ম্যাজিকের মত বোমা, গুলি,আগ্নেআস্ত্র উদ্ধার করে ফেললো। তাহলে এতদিন পুলিশ কি কারণে হেলদোল দেখাইনি সেটা ভেবেই তাঁদের আশ্চর্য্য লাগছে। তবুও এটা প্রকাশ্যে এল যে বোমা বন্দুক বেআইনি ভাবে মজুতের ক্ষেত্রে বীরভূমের কেষ্টর গড়ের থেকে খুব একটা পিছিয়ে নেই পূর্ব বর্ধমান।

এপ্রিল ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এভিন লুইসের ঝড়ে প্রথম জয় পেল লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস

১২ বলে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের জয়ের জন্য দরকার ছিল ৩৪ রান। অনভিজ্ঞ শিবম দুবের হাতে বল তুলে দিয়েছিলেন রবীন্দ্র জাদেজা। তাঁর ওভারে ২৫ রান তুলে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন এভিন লুইস। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসকে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্রথম জয় তুলে নিল লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস। এদিন টস জিতে চেন্নাই সুপার কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। শুরুতেই ধাক্কা খায় চেন্নাই। তৃতীয় ওভারে ব্যক্তিগত ১ রান করে আউট হন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। এরপরই রবিন উথাপ্পা ও মঈন আলি ঝড় তোলেন। ৪.৪ ওভারেই ৫০ রান পূর্ণ করে। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ওঠে ৭৩। এরপর ব্যক্তিগত ৫০ রানেই আউট হন রবিন উথাপ্পা। চেন্নাইয়ের রান তখন ৭.৩ ওভারে ৮৪। ১০.১ ওভারে মঈন আলি আবেশ খানের বলে বোল্ড হন। ২২ বলে তিনি করেন ৩৫। এরপর অম্বাতি রায়ুডু ও শিবম দুবে ৩৭ বলে যোগ করেন ৬০ রান। ২০ বলে ২৭ রান করে আউট হন রায়ুডু। ১৮.২ ওভারে শিবম দুবে আউট হন আবেশ খানের বলে। ৩০ বলে ৪৯ রান করেন দুবে। চেন্নাইকে ২১০/৭ রানে পৌঁছে দেন ধোনি (৬ বলে ১৬)। এদিন তিনি টি২০ ক্রিকেটে ৭ হাজার রানের মাইলস্টোনে পৌঁছন।জয়ের জন্য ২১১ রান তাড়া করতে নেমে ভাল শুরু করেন কুইন্টন ডিকক ও অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। ১০.২ ওভারে ৯৯ রানে প্রথম উইকেট হারায় লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস। লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের ওপেনিং জুটি ভাঙেন ডোয়েইন প্রিটোরিয়াস। লোকেশ ১১.২ ওভারে পড়ে দ্বিতীয় উইকেট। ৬ বলে ৫ রান করে তুষার দেশপাণ্ডের শিকার হন মণীশ পাণ্ডে। ডিকককে (৪৫ বলে ৬১) প্রিটোরিয়াস আউট করেন। তা সত্ত্বেও জয়ের দিকে এগিয়ে যায় লক্ষ্ণৌ। দীপক হুডা ৮ বলে ১৩ রান করে আউট হন। শেষ ২ ওভারে লক্ষ্ণৌর জয়ের জন্য দরকার ছিল ৩৪ রান। ১৯ তম ওভারে শিবম দুবের বলে ২৫ রান তোলেন এভিন লুইস (২৩ বলে অপরাজিত ৫৫)। চলতি আইপিএলে দ্রুততম অর্ধশতরান (২৩ বলে) করেন লুইস। আয়ূষ বাদোনি ৯ বলে অপরাজিত ১৯ রান করে দলকে জয় এনে দেন। ১৯.৩ ওভারে ২১১/৪ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় লক্ষ্ণৌ।

এপ্রিল ০১, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল : কর্কটের অভিষ্টসিদ্ধি, মিথুনের দায়িত্ববৃদ্ধি

মেষ/ARIES: লাভের আশা করতে পারেন।বৃষ/TAURUS: কর্মে সাফল্য পেতে পারেন।মিথুন/GEMINI: দায়িত্ব বৃদ্ধি পেতে পারে।কর্কট/CANCER: অভীষ্টসিদ্ধি হতে পারে।সিংহ/LEO: ফাটকা ব্যবসায় ক্ষতি হতে পারে।কন্যা/VIRGO: বাড়তি আয় হতে পারে।তুলা/ LIBRA: স্বজনের সান্নিধ্য পেতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: অস্থিরতা ভাব জন্মাতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: প্রশংসিত হতে পারেন।মকর/CAPRICORN: উন্নতির যোগ রয়েছে।কুম্ভ/AQUARIUS: বিত্তহানি হতে পারে।মীন/ PISCES: আঘাত পেতে পারেন।

মার্চ ৩১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অভিনয় ছাড়লেন ব্রুস উইলিস, কিন্তু কেন?

অ্যাফাসিয়া রোগের শিকার হলিউড অভিনেতা ব্রুস উইলিস। এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর অভিনয় ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ৬৭ বছর বয়সি এই অভিনেতা। সম্প্রতি তাঁর পরিবার সোশ্যাল মিডিয়াতে একটি বিবৃতি দিয়ে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ার সেই বিবৃতিতে লেখা, ব্রুস সম্প্রতি অ্যাফাসিয়া রোগের শিকার হয়েছেন। শরীরে নান রকম জটিলতা দেখা যাওয়ায় সঙ্গে কথা বলতে অসুবিধে হচ্ছে।তার ফলে তিনি অভিনয় পেশা ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন। আমাদের পরিবারের জন্য এই সময়টি অত্যন্ত কঠিন। আপনাদের সকলের ভালবাসা প্রয়োজন। আমরা জানি, ব্রুসের জন্য তাঁর অনুরাগীরা কতখানি গুরুত্বপূর্ণ এবং ব্রুস আপনাদের কতটা প্রিয়। তাই, সবাইকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হল।সাধারণত, অ্যাফাসিয়া রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সঠিকভাবে শব্দ উচ্চারণে এবং কথা বলতে অসুবিধে হয়। লেখার ক্ষেত্রেও তাদের বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। কিন্তু অভিনেতাদের অভিনয় করতে হয় কথা বলেই। সম্প্রতি অভিনয় করতে গিয়ে ব্রুসও এই সমস্যার সম্মুখীন হন। এর পরেই এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হল তাঁকে।

মার্চ ৩১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর অর্থকষ্ট থেকে চারিত্রিক দোষ নিয়ে মুখ খুললেন স্ত্রী সংযুক্তা

২৪ মার্চ আচমকাই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন অভিষেক চট্টোপাধ্যায়। তাঁর মৃত্যুর পর সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক অদ্ভুত খবর ঘোরাফেরা করতে শুরু করে। অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী সংযুক্তা চট্টোপাধ্যায় এবং একমাত্র মেয়ে সাইনা নাকি অর্থকষ্টে ভুগছেন। অবস্থা এমনই যে ইন্ডাস্ট্রির অনেক বড় বড় তারকা নাকি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। এই সব গুজব নিয়ে মুখ খুললেন প্রয়াত অভিনেতা অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী সংযুক্তা। বুধবার, ৩০ মার্চ অভিষেকের ফেসবুক প্রোফাইলে পোস্ট করলেন এক দীর্ঘ বার্তা। ইংরেজিতে লেখা সংযুক্তার কথা বাংলায় করলে দাঁড়ায়, প্রিয় সকলে...আমি সংযুক্তা। অভিষেকের স্ত্রী। আপনাদের সবার কাছে এই মুহূর্তে আমার একটাই অনুরোধ। ওঁর মেয়ে সাইনা এবং আমাকে এই কঠিন সময়ে একটু পার্সোনাল স্পেস দিন। এই শোকে আমাদের একটু একা থাকতে দিন। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া চ্যানেলে যে গুজব ঘুরছে তা বিশ্বাস করবেন না দয়া করে। অভিষেক এক অসাধারণ মানুষ ছিলেন। চলে গেছেন আমাদের ছেড়ে, কিন্তু পরিবারকে আর্থিকভাবে সিকিওর করে গেছেন। ওঁর কাছে পরিবারই সব ছিল। উনি এটি নিশ্চিত করে গেছেন, যে ওঁর অবর্তমানে আমাদের কারও যাতে কোনও আর্থিক কষ্ট না হয়। নীতিবোধ চরম ছিল ওঁর। জীবনে কখনও কারও থেকে হাত পেতে সাহায্য চাননি। এই মুহূর্তে ওঁর সেই নীতিগুলোকে মর্যাদা জানানো উচিত আমাদের। অভিষেকের আশীর্বাদে আমি নিজেও আর্থিকভাবে সক্ষম। ইউকে স্থিত একটি ফিনটেক সংস্থায় কর্মরত। একটা কথা আবার বলে রাখি... অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারের কোনও আর্থিক সাহায্যের প্রয়োজন নেই। ওঁর কোনও প্রাক্তন সহ-কর্মী সেই সাহায্যের প্রস্তাব নিয়েও আসেননি। এই সবটাই মিথ্যে খবর। এই ধরনের খবরে ওঁর আত্মা কষ্ট পাবে। দয়া করে ওঁকে নীতিবোধে এককাট্টা অসাধারণ মানুষ হিসেবেই আমরা মনে রাখি। ওঁর চরিত্রে কখনও কোনও দাগ লাগেনি। ট্রেনডিং গুজব থেকে দূরে থাকুন। ওঁর পরিবার, মানে আমরা যাতে মাথা উঁচু করে সম্মানের সঙ্গে জীবনে বেঁচে থাকতে পারি, তার জন্য আপনাদের কাছে এই একটাই অনুরোধ আমার।

মার্চ ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌মৃত্যুর মুখে পড়া স্টেডিয়ামেই স্বপ্নের প্রত্যাবর্তন, পুনর্জন্ম ক্রিশ্চিয়ান এরিকসেনের

ডেনমার্কের পার্কেন স্টেডিয়াম। ৯ মাস আগে এই স্টেডিয়ামেই মৃত্যুর মুখে চলে গিয়েছিলেন ক্রিশ্চিয়ান এরিকসেন। তাঁর ফুটবলজীবন চলে গিয়েছিল অনিশ্চয়তার মুখে। সেই মাঠেই আবার প্রত্যাবর্তন। আর সেই প্রত্যাবর্তনকে স্মরণীয় করে রাখলেন গোল করে। এইরকম পুনর্জন্ম সত্যিই দৃষ্টান্ত হয়ে থাকল বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে।গতবছর ইউরো কাপে ফিনল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচের প্রথমার্ধের শেষদিকে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছিলেন ডেনমার্কের ক্রিশ্চিয়ান এরিকসেন। তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে দীর্ঘ চিকিৎসার পর তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন। আবার খেলার মাঠে ফিরতে পারবেন কিনা তা নিয়ে একসময় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। অবশেষে সব আশঙ্কা দূর করে মাঠে ফিরেছেন এই ড্যানিশ ফুটবলার।দিনকয়েক আগেই আবার মাঠে ফিরেছেন। কয়েকদিন আগে হল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলেন এরিকসেন। সেই ম্যাচে ডেনমার্ক ২৪ গোলে হারলেও গোল করেছিলেন এরিকসেন। যদিও সেই ম্যাচে তিনি পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন। মঙ্গলবার কোপেনহেগেনের পার্কেন স্টেডিয়ামে সার্বিয়ার বিরুদ্ধে প্রীতি ম্যাচে খেলতে নেমেছিল ডেনমার্ক। ক্রিশ্চিয়ান এরিকসেনের হাতে নেতৃত্বের আর্মব্যান্ড তুলে দেওয়া হয়েছিল। এরিকসেনকে স্বাগত জানাতে স্টেডিয়াম ভরিয়ে দিয়েছিলেন দর্শকেরা। বিশাল ব্যানারও নিয়ে এসেছিলেন তাঁরা। সেই বড় ব্যানারে লেখা ছিল, ওয়েলকাম ব্যাক ক্রিশ্চিয়ান। তিনি মাঠে নামতেই গোটা স্টেডিয়াম গর্জে উঠেছিল। দর্শকদের মুখে একটাই ধ্বনি, এরিকসেন, এরিকসেন।পার্কেন স্টেডিয়ামের এই প্রীতি ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখলেন এরিকসেন। ৫৭ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে দুরন্ত শটে তিনি গোল করেন। এরিকসেনের গোলের আগেই অবশ্য ২ গোলে এগিয়ে গিয়েছিল ডেনমার্ক। ম্যাচের ১৫ মিনিটে ডেনমার্ককে এগিয়ে দেন জোয়াকিম মাহলে। বিরতির ৮ মিনিট পর দ্বিতীয় গোল করেন জেসপার লিন্ডস্ট্রোয়েম। ম্যাচের ৮০ মিনিটে এরিকসেনকে মাঠ থেকে তুলে নেওয়া হয়। গোটা স্টেডিয়াম উঠে দাঁড়িয়ে করতালি দিয়ে তাঁকে অভিবাদন জানায়। ম্যাচের সেরাও হয়েছেন এরিকসেন।

মার্চ ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কেন জরিমানার কবলে উইলিয়ামসন?‌ তাঁর আউট নিয়ে তীব্র বিতর্ক

গত বছর আইপিএলে একেবারেই ভাল করতে পারেনি সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। এবছর ভাল দল গড়ে সাফল্য পাওয়াই মূল লক্ষ্য ছিল। কিন্তু প্রথম ম্যাচেই হারতে হয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। সঞ্জু স্যামসনের রাজস্থান রয়্যালস সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে উড়িয়ে দিয়েছে ৬১ রানে। হারের পাশাপাশি আরও একটা বড় ধাক্কা খেয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। দলের মন্থর বোলিংয়ের জন্য ১২ লক্ষ টাকা জরিমানা হয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনের।এবারের আইপিএলে অবশ্য কেন উইলিয়ামসনকে প্রথম জরিমানার কবলে পড়তে হয়নি। এর আগে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মারও মন্থর বোলিংয়ের জন্য জরিমানা হয়েছে। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ওভার শেষ করতে পারেনি মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। তাই দলের অধিনায়ককে জরিমানার কবলে পড়তে হয়েছিল। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক উইলিয়ামসনও একই অপরাধে অভিযুক্ত।আইপিএলের পক্ষ থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২৯ মার্চ পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের স্টেডিয়ামে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে আইপিএল ২০২২এর ম্যাচে স্লো ওভার রেটের কারণে জরিমানা করা হয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। ন্যূনতম ওভার রেটের ব্যাপারে যেহেতু এটা দলের প্রথম ভুল তাই সানরাইজার্স হায়দরাবাদের অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনকে ১২ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। দ্বিতীয়বার আবার একই অপরাধ হলে, আরও বড় শাস্তি পেতে হবে উইলিয়ামসনকে।এদিকে, রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে উইলিয়ামসনের আউট নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তাঁর ক্যাচ নিয়ে সন্দেহ থাকা সত্ত্বেও উইলিয়ামসনকে যেভাবে আউট দিয়েছেন আম্পায়ার, বেশ অসন্তুষ্ট হায়দরাবাদ শিবির। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণের বলে উইলিয়ামসনের ক্যাচ ধরার জন্য ঝাঁপিয়েছিলেন রাজস্থান রয়্যালস অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। বল তাঁর গ্লাভস থেকে বেরিয়ে যায়। সেই বল ধরেন দেবদত্ত পাড়িক্কল। টিভি রিপ্লেতে দেখা যায়, দেবদত্তর হাতে জমা পড়ার আগে বল মাটি স্পর্শ করেছে।উইলিয়ামসনের বিতর্কিত ক্যাচের ব্যাপারে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ হেড কোচ টম মুডি বলেন, উইলিয়ামসনকে আউট দেওয়ায় আমরা অবাক হয়ে যাই। টিভিতে রিপ্লে দেখার পর সন্দেহ আরও ওটা আউট নয়। যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সেটা সবাই দেখেছে।

মার্চ ৩০, ২০২২
রাজ্য

নির্বাচনী প্রচারে নিষেধাজ্ঞা তৃণমূল বিধায়কের

পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীকে নির্বাচনীয় প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জাড়ি করে নির্বাচন কমিশনার। বুধবার তার প্রতিক্রিয়া দিলেন বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। প্রতিক্রিয়ায় বিধায়কের দাবি, নির্বাচন কমিশনারের কাছ থেকে এই ধরনের কোনও নোটিশ তিনি পাননি।উল্লেখ্য, আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রের উপ নির্বাচন দলীয় প্রচার চলছে। সেখানে আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রের পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার অন্তর্গত লাউদহ ব্লকের কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকে তৃণমূল বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীকে কর্মীদের সম্বোধন করার সময় বিজেপি সমর্থকদের খোলাখুলি হুমকি দিতে দেখা যায়। যে ভিডিও র সত্যতা যাচাই করিনি আমরা।যারা কট্টর বি জে পি যাদেরকে এড়ানো যাবে না তাদেরকে চমকাতে হবে। বলবেন আপনি যদি ভোট দিতে চান তাহলে ধরে নেব আপনি বিজেপিকে ভোট দেবেন। ভোটের পর আপনি কোথায় থাকবেন সেটা আপনার নিজের বিষয়। আপনি যদি ভোট দিতে না যান তাহলে ধরে নেব আপনি আমাদের সমর্থন করছেন। তাহলে আপনি বাড়িতে থাকুন ব্যবসা করুন, চাকরি করুন, ভালভাবে থাকুন, কোন অসুবিধা নেই আমরা আপনার সঙ্গে আছি ক্লিয়ার। ভিডিওটি সামনে আসার পর বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি বলেন একটা জিনিসই উনি বুঝেছেন। বিজেপির লোকেরা যদি ভোট দেওয়ার সুযোগ পায় তাহলে উনারা হারবেন, এটা উনি বলেছেন। এরকম হুমকি উনি না দিলেই ভাল হয়। উনিতো অনুব্রত মণ্ডলের শিষ্য, অনুব্রত মণ্ডল তো কিছুদিন পর হয়তো জেলের মধ্যে থাকবেন। এরকম থাকলে অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে লুডু খেলার জন্য আরও দুতিনজন লাগবে। তখন হয়তো উনাকে যেতে হবে । এরকম না করলেই ভালো হবে।আসানসোল লোকসভা উপনির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহার সমর্থনে পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার বিভিন্ন অঞ্চলের কর্মীদের নিয়ে কর্মিসভা করা হল। এই কর্মিসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী পাণ্ডবেশ্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মদন বাউরি সহ-সভাপতি রমা রুইদাস এবং কিরীটি মুখার্জি, রামচরিত পাসোয়ান সহ অন্যান্য ব্লক নেতৃত্ব।মূলত এই সভাটি বিধানসভার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হরিপুরে অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনী সভায় বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী সেখানেই বলেন বলে বিজেপির অভিযোগ।

মার্চ ৩০, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল: কর্কটের চিত্তবিক্ষেপ, মকরের বিফলতা

মেষ/ARIES: অস্থিভঙ্গ হতে পারে।বৃষ/TAURUS: প্রতারণায় অর্থক্ষতি হতে পারে।মিথুন/GEMINI: ঋণপরিশোধ করতে পারেন।কর্কট/CANCER: চিত্তবিক্ষেপ হতে পারে।সিংহ/LEO: ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে।কন্যা/VIRGO: মামলায় হার হতে পারে।তুলা/ LIBRA: অর্থাপহরণ হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: ঋণের সম্ভাবনা রয়েছে।ধনু/SAGITTARIUS: অনৈতিক কাজ করতে পারেন।মকর/CAPRICORN: বিফলতা আসতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: অনর্থপাত হতে পারে।মীন/ PISCES: বিপর্যয় আসতে পারে।

মার্চ ৩০, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 56
  • 57
  • 58
  • 59
  • 60
  • 61
  • 62
  • ...
  • 150
  • 151
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

চলন্ত ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেসে ধোঁয়া-আগুন, বর্ধমানে ২০ মিনিট থমকাল ট্রেন; অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা এড়াল রেল

ইঞ্জিনের পরের কামরার নীচে ব্রেক বাইন্ডিং থেকে আগুন, খানা-তালিতের মাঝে দাঁড় করিয়ে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনলেন রেলকর্মীরা; নিরাপদে রওনা দিল হাওড়ার উদ্দেশেধানবাদ থেকে হাওড়াগামী ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেসে চলন্ত অবস্থায় আচমকাই ধোঁয়া ও আগুন দেখা দেওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল যাত্রীদের মধ্যে। পূর্ব বর্ধমানের খানা জংশন ও তালিত স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঘটে এই ঘটনা। দ্রুত ট্রেন থামিয়ে রেলকর্মীদের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। প্রায় ২০ মিনিট বন্ধ থাকার পর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ট্রেনটি আবার হাওড়ার উদ্দেশে রওনা দেয়। এই ঘটনায় কোনও যাত্রী আহত হননি বলে রেল সূত্রে জানা গিয়েছে।রেল সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার বিকেলে ঝাড়খণ্ডের ধানবাদ থেকে নির্ধারিত সময়েই ২২৩৮৭ ডাউন ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেস হাওড়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। যাত্রীদের একাংশের দাবি, পানাগড় পার হওয়ার পর থেকেই ট্রেনে যান্ত্রিক সমস্যার কিছু লক্ষণ দেখা যাচ্ছিল। তবে পরিস্থিতি যে এতটা গুরুতর হতে পারে, তা কেউ বুঝতে পারেননি।ট্রেনটি পূর্ব বর্ধমানের দিকে এগোতে থাকলে ইঞ্জিনের ঠিক পরের কামরার নীচ থেকে প্রথমে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই সেই ধোঁয়ার সঙ্গে আগুনের শিখাও দেখা যায়। বিষয়টি নজরে আসতেই ট্রেনের কর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার উদ্যোগ নেন এবং রাত প্রায় ৭টা ৪৫ মিনিট নাগাদ খানা জংশন ও তালিত স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় ট্রেনটি জরুরি ভিত্তিতে থামিয়ে দেওয়া হয়।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান রেলের প্রযুক্তিগত কর্মী ও আধিকারিকরা। অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র ব্যবহার করে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট কামরার ব্রেক ব্যবস্থা এবং অন্যান্য যান্ত্রিক অংশ খতিয়ে দেখা হয়। সমস্ত দিক পরীক্ষা করে ট্রেনটিকে নিরাপদ ঘোষণা করার পর রাত প্রায় ৮টা ২০ মিনিট নাগাদ পুনরায় হাওড়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেস।পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শিবরাম মাঝি জানিয়েছেন, ইঞ্জিনের পরের কামরায় ব্রেক বাইন্ডিং-এর কারণে অতিরিক্ত ঘর্ষণ সৃষ্টি হয়েছিল। সেই ঘর্ষণ থেকেই ধোঁয়া ও আগুনের সৃষ্টি হয়। তিনি জানান, রেলকর্মীরা দ্রুত সমস্যার সমাধান করায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।ঘটনার সময় ওই কামরায় বহু যাত্রী উপস্থিত ছিলেন। ট্রেন থামার সঙ্গে সঙ্গেই আতঙ্কিত যাত্রীরা দ্রুত নেমে নিরাপদ দূরত্বে চলে যান। মুহূর্তের মধ্যে অন্যান্য কামরাতেও খবর ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই উদ্বেগে বাইরে নেমে আসেন। যদিও রেলকর্মীদের তৎপরতায় পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে যায়।ধানবাদ থেকে ট্রেনে ওঠা এক যাত্রী জানান, আসানসোলের কিছু আগে থেকেই ট্রেনে একটা অস্বাভাবিক শব্দ হচ্ছিল। পরে তালিতের কাছে এসে দেখি কামরার নীচ থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে, তারপর আগুনও দেখা যায়। তখন স্বাভাবিকভাবেই সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল।এইদিনের ব্ল্যাক ডাইমন্ডের যাত্রীরা জানান, হঠাৎ ধোঁয়া বের হতে দেখে আমরা খুব ভয় পেয়ে যাই। ট্রেন দাঁড়াতেই নেমে পড়ি। পরে রেলকর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ায় স্বস্তি ফিরে আসে।এই ঘটনার জেরে ধানবাদ-হাওড়া রেলপথে কিছু সময়ের জন্য ট্রেন চলাচল ব্যাহত হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। রেলের তৎপরতায় কোনও প্রাণহানি বা বড়সড় দুর্ঘটনা না ঘটায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন যাত্রীদের পাশাপাশি রেল কর্তৃপক্ষও। তবে চলন্ত ট্রেনে এমন যান্ত্রিক ত্রুটি সামনে আসায় রেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

জুলাই ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

'বোতলবন্দী' পেনেল্টি রহস্য! পিকফোর্ডের ‘গোপন অস্ত্র’ মেসিদের হাতে! ইংল্যান্ড গোলকিপারের জলের বোতলে মিলল আর্জেন্টিনার সব পেনাল্টি শুটারের নোট

ছোটবেলায় পারস্যের রহস্য-রোমাঞ্চের গল্পে পড়া যেত রাজা-রানির প্রাণভোমরা নাকি বন্দি থাকত একটি বোতলে। সেই বোতল এমন গোপন স্থানে লুকিয়ে রাখা হতো, যাতে শত্রুরা কোনওভাবেই তার নাগাল না পায়। শতাব্দী পেরিয়ে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে যেন সেই বোতলবন্দি রহস্য-রই আধুনিক সংস্করণ দেখা গেল। তবে এখানে প্রাণভোমরা নয়, বোতলের গায়ে বন্দি ছিল ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডের সবচেয়ে গোপন অস্ত্র আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য প্রতিটি পেনাল্টি শুটারের বিরুদ্ধে তৈরি করা বিস্তারিত পরিকল্পনা।বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে সম্ভাব্য টাইব্রেকারের কথা মাথায় রেখে নিজের জলের বোতলেই একটি চিট শিট সাঁটিয়ে রেখেছিলেন পিকফোর্ড। সেখানে লেখা ছিল আর্জেন্টিনার প্রতিটি সম্ভাব্য পেনাল্টি শুটারের অভ্যাস, কে কোন দিকে শট নিতে পারেন এবং কোন কৌশলে ঝাঁপ দিলে বল আটকানোর সম্ভাবনা বেশি।কিন্তু ভাগ্যের পরিহাস, ম্যাচ গড়ায়ইনি টাইব্রেকারে। নির্ধারিত সময়েই আর্জেন্টিনা ২-১ গোলে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছে যায়। আর ম্যাচ শেষে সেই গোপন অস্ত্রই চলে আসে লিওনেল মেসি ও তাঁর সতীর্থদের হাতে।ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, পিকফোর্ডের জলের বোতল হাতে নিয়ে মেসি ও একাধিক আর্জেন্টাইন ফুটবলার কৌতূহল নিয়ে সেটি পরীক্ষা করছেন। বোতলের গায়ে ইংরেজিতে লেখা ছিল বিভিন্ন ফুটবলারের পেনাল্টি নেওয়ার প্রবণতা এবং কোন দিকে ঝাঁপ দিলে বল আটকানোর সম্ভাবনা বেশি।ভাইরাল ছবিটিতে দেখা যায়, মেসির নামের পাশে লেখা Fake left, dive right, অর্থাৎ প্রথমে বাঁ দিকে যাওয়ার ভান করে পরে ডান দিকে ঝাঁপ দেওয়ার পরামর্শ। এনজো ফার্নান্দেজের ক্ষেত্রে লেখা ছিল Stand central, আর থিয়াগো আলমাদার জন্য উল্লেখ ছিল Feel on the day, অর্থাৎ ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ।যদিও এই পরিকল্পনা মাঠে বাস্তবায়নের সুযোগই পাননি পিকফোর্ড, তবু ম্যাচ শেষে তাঁর সেই বোতলবন্দি কৌশল সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। আধুনিক ফুটবলে প্রতিপক্ষের প্রতিটি খেলোয়াড়ের অভ্যাস বিশ্লেষণ করে এমন তথ্যভান্ডার তৈরি করা এখন বড় দলগুলির নিয়মিত প্রস্তুতির অংশ। কিন্তু সেই গোপন নথি প্রতিপক্ষের হাতেই চলে যাওয়া নিঃসন্দেহে বিশ্বকাপের অন্যতম আলোচিত মুহূর্ত।এই প্রসঙ্গে বাংলা সাহিত্যের রসিক সম্রাট দাদাঠাকুর শরৎচন্দ্র পণ্ডিতর বিখ্যাত বোতল পুরাণ-এর কথা মনে পড়তেই পারে। সেখানে বোতলকে ঘিরে ছিল ব্যঙ্গ, হাস্যরস আর সমাজের নানা চরিত্রের কৌতুকপূর্ণ উপস্থাপনা। আর কাতারের পর ২০২৬ বিশ্বকাপেও যেন আর এক বোতল পুরাণ-এর জন্ম দিলেন জর্ডান পিকফোর্ড। পার্থক্য শুধু একটাই দাদাঠাকুরের বোতলে ছিল রসিকতার নেশা, আর পিকফোর্ডের বোতলে বন্দি ছিল ডেটা অ্যানালিটিক্স, কৌশল আর প্রতিপক্ষকে হারানোর স্বপ্ন!শেষ পর্যন্ত সেই বোতল পুরাণ-এর পরিণতিও কম মজার নয়। যে বোতল লুকিয়ে রাখার কথা ছিল ইংল্যান্ডের সবচেয়ে গোপন পরিকল্পনা, সেটিই ম্যাচ শেষে হাতে নিয়ে পড়ছেন লিওনেল মেসি ও তাঁর সতীর্থরা! যেন পারস্যের সেই প্রাণভোমরার বোতল শেষমেশ শত্রুর হাতেই ধরা পড়েছে। পার্থক্য শুধু এটুকুই এখানে রাজ্য হারায়নি ইংল্যান্ড, কিন্তু ফাইনালে ওঠার স্বপ্নটা যে সেই বোতলের সঙ্গেই বোতলবন্দি হয়ে রইল, তা বলাই যায়।এবার বিশ্বকাপের শিরোপার লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার সামনে স্পেন। তবে সেমিফাইনালের এই বোতল রহস্য এবং বোতল পুরাণ ফুটবলপ্রেমীদের স্মৃতিতে বহুদিন রয়ে যাবে কারণ বিশ্বকাপে ট্রফির লড়াইয়ের পাশাপাশি, কখনও কখনও একটি সাধারণ জলের বোতলও হয়ে উঠতে পারে সবচেয়ে বড় গল্প।

জুলাই ১৬, ২০২৬
রাজনীতি

২১ জুলাইয়ের আগে তৃণমূলে বড় ধাক্কা! কোয়েল মল্লিকের রাজ্যসভা ছাড়া, মণীশ গুপ্তর সরে দাঁড়ানো ঘিরে জোর রাজনৈতিক জল্পনা

২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের আগে তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে একের পর এক রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হচ্ছে। মদন মিত্রকে নিয়ে বিতর্কের আবহ এখনও পুরোপুরি কাটেনি, তার মধ্যেই রাজ্যসভার সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন অভিনেত্রী তথা তৃণমূলের সাংসদ কোয়েল মল্লিক। একই সঙ্গে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকেও সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মণীশ গুপ্ত। ফলে শাসক শিবিরে নতুন করে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা।রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগের পর কোয়েল মল্লিকের বিজেপির সর্বভারতীয় নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে সাক্ষাৎ রাজনৈতিক মহলে আরও কৌতূহল বাড়িয়ে দিয়েছে। এই সাক্ষাতের পর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তবে কি তিনি রাজনৈতিকভাবে নতুন কোনও সিদ্ধান্তের পথে হাঁটছেন? যদিও এখনও পর্যন্ত কোয়েল মল্লিক বা বিজেপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। তাই তিনি আদৌ বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন কি না, তা নিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে ঘটনাপ্রবাহকে ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে।অন্যদিকে, প্রাক্তন আমলা ও তৃণমূলের প্রবীণ নেতা মণীশ গুপ্তও দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। যদিও তিনি এখনও তৃণমূল ছাড়ার কথা ঘোষণা করেননি, তবুও তাঁর এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকদের একাংশ। বিশেষ করে ২১ জুলাইয়ের মতো বড় কর্মসূচির আগে এই ধরনের সিদ্ধান্ত দলের জন্য অস্বস্তিকর বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সম্প্রতি এক সরকারি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোয়েল মল্লিকের ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, কোয়েল ভবিষ্যতে রাজ্যকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার মতো সক্ষমতা রাখেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর এত দ্রুত রাজ্যসভা থেকে কোয়েলের পদত্যাগ রাজনৈতিক মহলে আরও বেশি প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরির ইঙ্গিত মিলছে। শাসক দলের ভেতরে সাংগঠনিক পরিবর্তন, ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং বিরোধী শিবিরের তৎপরতাসব মিলিয়ে আগামী কয়েক সপ্তাহ রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।তবে কোয়েল মল্লিকের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান, মণীশ গুপ্তর পরবর্তী পদক্ষেপ কিংবা তৃণমূলের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়াএসবের দিকেই এখন নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১৬, ২০২৬
শিক্ষা

মাত্র ১৪ বছরেই জেইই অ্যাডভান্সডে বাজিমাত! উত্তরপ্রদেশের হিন্দি-মাধ্যমের ছাত্র যুবরাজ সিং সোলাঙ্কির সাফল্যে চমকে দেশ

মেটা ডেসক্রিপশন: উত্তরপ্রদেশের গোরখপুরের ১৪ বছরের হিন্দি-মাধ্যমের ছাত্র যুবরাজ সিং সোলাঙ্কি মাত্র এক বছরের অনলাইন প্রস্তুতিতে JEE Advanced-এ সাফল্য অর্জন করেছে। জেনে নিন তাঁর অনুপ্রেরণামূলক যাত্রার গল্প।ভারতের অন্যতম কঠিন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রবেশিকা পরীক্ষা JEE Advanced-এ সাফল্য অর্জন করাই যেখানে অধিকাংশ পরীক্ষার্থীর কাছে কঠিন চ্যালেঞ্জ, সেখানে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে নজির গড়লেন উত্তরপ্রদেশের এক কিশোর। তাঁর নাম যুবরাজ সিং সোলাঙ্কি। হিন্দি-মাধ্যমে পড়াশোনা করা এই ছাত্র মাত্র এক বছরের অনলাইন প্রস্তুতিতেই জেইই অ্যাডভান্সডে ক্যাটেগরি র্যাঙ্ক ১,৬৪০ অর্জন করে সারা দেশের নজর কেড়েছেন।যুবরাজের এই সাফল্য শুধু একটি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার গল্প নয়, বরং এটি প্রমাণ করে দিয়েছে যে বয়স, ভাষা কিংবা শহর-গ্রামের সীমাবদ্ধতা মেধা ও অধ্যবসায়ের সামনে কখনও বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না।১৪ বছরেই দ্বাদশ শ্রেণি, তারপর JEE Advancedউত্তরপ্রদেশের গোরখপুর জেলার চৌরি চৌরা এলাকার বাসিন্দা যুবরাজ ছোটবেলা থেকেই অসাধারণ মেধার পরিচয় দিয়েছিলেন। তাঁর শিক্ষকদের নজরে আসে যে তিনি সমবয়সীদের তুলনায় অনেক দ্রুত বিষয়বস্তু আয়ত্ত করতে পারেন। সেই কারণেই প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অনুমোদনের মাধ্যমে তাঁকে স্কুলজীবনে দুটি শ্রেণি একসঙ্গে উত্তীর্ণ হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।ফলে যখন তাঁর সমবয়সী অধিকাংশ ছাত্রছাত্রী অষ্টম বা নবম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছিল, তখন যুবরাজ ইতিমধ্যেই দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র। সেখানে তাঁর সহপাঠীদের অধিকাংশের বয়স ছিল ১৭ থেকে ১৮ বছর।সহপাঠীদের সমর্থনও ছিল বড় শক্তিসংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বয়সের পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও স্কুলে কখনও অস্বস্তির মুখে পড়তে হয়নি যুবরাজকে। বরং শিক্ষক-শিক্ষিকা ও সহপাঠীরা তাঁকে স্বাভাবিকভাবেই গ্রহণ করেন এবং নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি JEE Advanced-এর প্রস্তুতিতেও যথেষ্ট সহযোগিতা করেন।এই ইতিবাচক পরিবেশ তাঁর আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দেয় এবং কঠিন পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বড় ভূমিকা পালন করে।হিন্দি-মাধ্যমেই তৈরি ইতিহাসযুবরাজের সাফল্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলির একটি হল, তিনি কোনও নামী কোচিং শহরে না গিয়ে অনলাইন হিন্দি-মাধ্যমের কোচিংয়ের মাধ্যমে JEE Advanced-এর প্রস্তুতি নেন।দীর্ঘদিন ধরে একটি ধারণা প্রচলিত ছিল যে IIT-তে সুযোগ পেতে হলে ইংরেজি-মাধ্যমে পড়াশোনা, বড় শহরে থাকা কিংবা ব্যয়বহুল কোচিং অপরিহার্য। যুবরাজ সেই ধারণাকেই কার্যত ভেঙে দিয়েছেন।বর্তমানে ডিজিটাল শিক্ষার প্রসার এবং মাতৃভাষাভিত্তিক অনলাইন শিক্ষার সুযোগ যে গ্রামাঞ্চলের ছাত্রছাত্রীদের কাছেও নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে, যুবরাজের সাফল্য তারই উজ্জ্বল উদাহরণ।অনেকের কাছে অনুপ্রেরণাযুবরাজ সিং সোলাঙ্কির এই কৃতিত্ব ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। অনেকেই তাঁর সঙ্গে ভারতের তরুণ ক্রিকেট প্রতিভা বৈভব সূর্যবংশীর তুলনা করছেন। যদিও দুইজনের ক্ষেত্র সম্পূর্ণ আলাদা, তবুও কম বয়সেই অসাধারণ দক্ষতার পরিচয় দিয়ে দুজনেই নতুন প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।শিক্ষাবিদদের মতে কী শেখার আছে?বিশেষজ্ঞদের মতে, যুবরাজের এই সাফল্যকে সব ছাত্রছাত্রীর জন্য মানদণ্ড হিসেবে দেখা উচিত নয়। প্রত্যেক শিশুর শেখার গতি ও দক্ষতা আলাদা। তবে তাঁর গল্প থেকে একটি বিষয় স্পষ্টসঠিক দিকনির্দেশনা, অধ্যবসায়, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার এবং মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ থাকলে যে কোনও শিক্ষার্থী নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে পারে।

জুলাই ১৬, ২০২৬
শিক্ষা

বিকাশ ভবনে গেস্ট টিচারদের জোরালো সওয়াল, চাকরির নিরাপত্তা-নির্দিষ্ট মাসিক সম্মানীর দাবিতে উচ্চশিক্ষা মন্ত্রীর উদ্দেশে স্মারকলিপি

রাজ্যের সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজগুলিতে কর্মরত হাজার হাজার গেস্ট টিচার, ইনভাইটেড টিচার ও ভিজিটিং ফ্যাকাল্টিদের দীর্ঘদিনের কর্মসংস্থান-সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা এবং আর্থিক বৈষম্যের অবসান ঘটানোর দাবিতে আবারও সরব হল পশ্চিমবঙ্গ কলেজ গেস্ট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (WBCGTWA)। বুধবার সংগঠনের পক্ষ থেকে বিকাশ ভবনে উপস্থিত হয়ে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী শ্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের উদ্দেশে একটি বিস্তারিত স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। উচ্চশিক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে সেই স্মারকলিপি গ্রহণ করে আনুষ্ঠানিক প্রাপ্তিস্বীকারও দেওয়া হয়েছে।সংগঠনের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজে গেস্ট টিচাররা অত্যন্ত কম পারিশ্রমিকে এবং সম্পূর্ণ অনিশ্চিত কর্মপরিবেশে দায়িত্ব পালন করছেন। অথচ উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন, পাঠদান এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে সচল রাখার ক্ষেত্রে তাঁদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই বাস্তব পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করেই সরকারের কাছে মানবিক ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের আবেদন জানানো হয়েছে।বিকাশ ভবনে জমা দেওয়া এই প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি সুজিৎ দাস, সাধারণ সম্পাদক অনুপম দাস এবং সহ-সম্পাদক ড. অসিত কুমার মণ্ডল। প্রতিনিধিদলটি উচ্চশিক্ষা দপ্তরের আধিকারিকদের সামনে গেস্ট টিচারদের বিভিন্ন সমস্যা, ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা এবং দীর্ঘদিনের দাবি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে।কী কী দাবি জানানো হয়েছে?স্মারকলিপিতে মূলত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর জোর দেওয়া হয়েছে।প্রথমত, চাকরির নিরাপত্তা। সংগঠনের বক্তব্য, বহু শিক্ষক বছরের পর বছর কলেজে কর্মরত থাকলেও তাঁদের চাকরির কোনও স্থায়ী নিশ্চয়তা নেই। ফলে প্রতিনিয়ত অনিশ্চয়তার মধ্যে কাজ করতে হচ্ছে। তাই গেস্ট টিচারদের জন্য একটি সুস্পষ্ট ও স্থায়ী চাকরির নিরাপত্তা নীতি প্রণয়নের দাবি জানানো হয়েছে।দ্বিতীয়ত, পরিষেবার ধারাবাহিকতা। সংগঠনের দাবি, যোগ্য ও অভিজ্ঞ গেস্ট টিচারদের সরকার নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী অন্তত ৬০ কিংবা ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত কর্মরত থাকার সুযোগ দিতে হবে। তাঁদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব বলেই সংগঠনের মত।তৃতীয়ত, নির্দিষ্ট মাসিক সম্মানী চালু। বর্তমানে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ক্লাসভিত্তিক পারিশ্রমিকের উপর নির্ভর করতে হয় গেস্ট টিচারদের। সংগঠনের দাবি, এই ব্যবস্থা পরিবর্তন করে সমস্ত সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজে কর্মরত গেস্ট টিচারদের জন্য একটি নির্দিষ্ট মাসিক সম্মানী চালু করা হোক। এতে তাঁরা আর্থিক নিরাপত্তা পাবেন এবং মর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারবেন।আরও পড়ুনঃ পূর্ণ সময়ের শিক্ষকের চেয়েও বেশি স্যাক্ট (SACT), তবু বঞ্চনার অভিযোগ! হরিয়ানা মডেল চালুর দাবিতে সরব স্টেট এডেড কলেজ টিচাররাদীর্ঘদিনের আন্দোলনের ধারাবাহিকতাসংগঠনের দাবি, ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গ কলেজ গেস্ট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও সাংবিধানিক পদ্ধতিতে গেস্ট টিচারদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চালিয়ে আসছে। বিকাশ ভবনে এই ডেপুটেশনও সেই ধারাবাহিক আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, এর আগেও তারা রাজ্য সরকারের বিভিন্ন স্তরে একাধিকবার নিজেদের দাবি তুলে ধরেছে। নবান্ন-সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরে গিয়ে একাধিক মন্ত্রী ও জনপ্রতিনিধির কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়েছে। প্রতিবারই চাকরির নিরাপত্তা, পরিষেবার ধারাবাহিকতা এবং নির্দিষ্ট মাসিক পারিশ্রমিকের বিষয়গুলিকে অগ্রাধিকার দিয়ে দাবি জানানো হয়েছে।সরকারের ইতিবাচক উদ্যোগের প্রত্যাশাWBCGTWA-র নেতৃত্বের মতে, ধারাবাহিকভাবে সরকারের বিভিন্ন স্তরে বিষয়টি তুলে ধরার ফলে গেস্ট টিচারদের সমস্যা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হবে। তাঁদের আশা, উচ্চশিক্ষা দপ্তর ও রাজ্য সরকার এই বিষয়ে দ্রুত ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং দীর্ঘদিনের এই অনিশ্চয়তার অবসান ঘটাবে।সংগঠনের বক্তব্য, গেস্ট টিচারদের ন্যায্য অধিকার, সম্মানজনক পারিশ্রমিক এবং চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু শিক্ষকদের স্বার্থেই নয়, রাজ্যের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নের জন্যও অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। কারণ, দীর্ঘদিন ধরে এই শিক্ষক-শিক্ষিকারা কলেজগুলির শিক্ষাদান প্রক্রিয়াকে সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন।আন্দোলন চলবে, জানাল সংগঠনপশ্চিমবঙ্গ কলেজ গেস্ট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, গেস্ট টিচারদের ন্যায্য দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন থামবে না। ভবিষ্যতেও শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক এবং সাংবিধানিক পথেই আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে সংগঠন।উচ্চশিক্ষা মন্ত্রীর কাছে জমা দেওয়া এই স্মারকলিপির মাধ্যমে গেস্ট টিচারদের দীর্ঘদিনের সমস্যার একটি কার্যকর ও স্থায়ী সমাধানের পথ খুলবে বলেই আশাবাদী সংগঠনের সদস্যরা।

জুলাই ১৬, ২০২৬
রাজ্য

রথের আনন্দ মুহূর্তে রক্তাক্ত দিঘা! দাঁড়িয়ে থাকা বাসে লরির ভয়াবহ ধাক্কা, একসঙ্গে চার প্রাণ ঝরে গেল

রথযাত্রার দিন দিঘা যাওয়ার পথে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল চারজনের। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও তিনজন। তাঁদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় তমলুক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে দিঘা-নন্দকুমার জাতীয় সড়কের হেঁড়িয়া এলাকায়। দুর্ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম তপন দাস, শিবব্রত পট্টনায়েক, অশোক মাইতি এবং শুভদীপ মণ্ডল। তপন দাস বাসের মালিক ছিলেন। শিবব্রত পট্টনায়েক ছিলেন বাসচালক। অশোক মাইতি ও শুভদীপ মণ্ডল বাসের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন।জানা গিয়েছে, হাওড়া থেকে দিঘার উদ্দেশে যাচ্ছিল একটি বেসরকারি বাস। বৃহস্পতিবার ভোরে হেঁড়িয়া এলাকায় বাসটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। সেই কারণে বাসটি রাস্তার ধারে দাঁড় করানো হয়। বাসের মালিক, চালক এবং সহকারীরা মেরামতির কাজ করছিলেন। সেই সময় পিছন দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা একটি লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসে সজোরে ধাক্কা মারে। ধাক্কার জেরে ঘটনাস্থলেই গুরুতর জখম হন কয়েকজন।বিকট শব্দ শুনে স্থানীয় মানুষ ছুটে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসকেরা চারজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আহত তিনজনের অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর ঘাতক লরিটিকে আটক করেছে খেজুরি থানার পুলিশ। কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, দ্রুতগতির কারণেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে।

জুলাই ১৬, ২০২৬
দেশ

‘প্রভু অহংকার সয় না, তাই সরকারও টেকেনি’! মমতাকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য পুরীর জগন্নাথদেবের মুখ্য পানিগ্রাহীর

দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ ব্যবহার নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্ক ছিল। বিভিন্ন মহল আপত্তি তুললেও সেই নামেই মন্দিরের উদ্বোধন হয়েছিল। তবে সরকার পরিবর্তনের পর সেই ধাম শব্দ সরিয়ে দেওয়া হয়। এবার এই বিতর্কে নতুন করে মুখ খুললেন পুরীর জগন্নাথদেবের মুখ্য পানিগ্রাহী জগন্নাথ দয়িতাপতি। তাঁর দাবি, তিনি আগেই এই বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু তাঁর কথা শোনা হয়নি। তাঁর মন্তব্য, প্রভু কারও অহংকার সহ্য করেন না। সেই কারণেই সরকারও টেকেনি।এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জগন্নাথ দয়িতাপতি বলেন, তিনি কোনও রাজনীতি করেন না, শুধু ধর্মীয় বিধি ও শাস্ত্র অনুযায়ী মত প্রকাশ করেন। তাঁর বক্তব্য, চার ধামের অন্যতম হল পুরীর জগন্নাথ ধাম। তাই অন্য কোনও মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ ব্যবহার করা উচিত নয়। তিনি জানান, দিঘার মন্দিরের নাম নিয়ে আগেই আপত্তি জানিয়েছিলেন। কিন্তু সেই পরামর্শ মানা হয়নি।তিনি আরও বলেন, দেশে বহু জগন্নাথ মন্দির রয়েছে। কিন্তু ধাম হিসেবে স্বীকৃতি একমাত্র পুরীরই। তাই দিঘার মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ যোগ করা ধর্মীয় দৃষ্টিতে সঠিক ছিল না। তাঁর দাবি, এই বিষয়েই তিনি বারবার সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু সেই কথা গুরুত্ব পায়নি।জগন্নাথ দয়িতাপতি এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসাও করেন। তাঁর বক্তব্য, সরকার পরিবর্তনের পর দিঘার মন্দিরের নাম থেকে ধাম শব্দ সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে তিনি সঠিক বলে উল্লেখ করেন।এর আগে পুরীর প্রধান পুরোহিত রাজেশ দয়িতাপতিও একই ধরনের বক্তব্য রেখেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, দিঘার জগন্নাথ মন্দির প্রতিষ্ঠার সময়ই তিনি কয়েকটি বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। বিশেষ করে পাথরের মূর্তিতে প্রাণপ্রতিষ্ঠা এবং ধাম শব্দ ব্যবহারের বিরোধিতা করেছিলেন। পরে নিমকাঠের মূর্তি তৈরি হলেও ধাম শব্দটি সরানো হয়নি বলে তাঁর আক্ষেপ ছিল।দিঘার জগন্নাথ মন্দির ঘিরে এই বিতর্ক ফের নতুন করে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। বিশেষ করে মুখ্য পানিগ্রাহীর মন্তব্য ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

জুলাই ১৬, ২০২৬
কলকাতা

‘পশ্চিমবঙ্গের কিছু জেলা বাংলাদেশ হয়ে গিয়েছে’! বিস্ফোরক দাবি শমীকের, পুজো নিয়েও বড় বার্তা

রাজ্যে মৌলবাদের বাড়বাড়ন্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। বৃহস্পতিবার রথযাত্রার দিন কলেজ স্কোয়্যারে দুর্গাপুজোর খুঁটিপুজোয় যোগ দিয়ে তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলার পরিস্থিতি দেখে বাংলাদেশের কথা মনে পড়ছে। তাঁর অভিযোগ, বিভিন্ন জায়গায় এমন নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে যেখানে প্রদীপ জ্বালানো যাবে, কিন্তু শাঁখ বাজানো যাবে না। মরদেহের শেষকৃত্য করা যাবে, কিন্তু হরিবোল ধ্বনি দেওয়া যাবে না। স্বাধীন ভারতে এই ধরনের ঘটনা উদ্বেগের বলে মন্তব্য করেন তিনি।শমীক ভট্টাচার্যের দাবি, বাংলাদেশে দুর্গাপ্রতিমা ভাঙচুর, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বাধা এবং হিন্দুদের উপর হামলার যে অভিযোগ ওঠে, পশ্চিমবঙ্গের কিছু জায়গাতেও একই ধরনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে যেমন দুর্গাপুজোর সময় গান বন্ধ করে অন্য শব্দ বাজানো হয়, তেমন ঘটনাও এ রাজ্যের কিছু এলাকায় দেখা গিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, মুর্শিদাবাদ-সহ একাধিক জেলায় ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো প্রসঙ্গেও তৎকালীন তৃণমূল সরকারকে কটাক্ষ করেন বিজেপি সভাপতি। তাঁর বক্তব্য, একসময় দুর্গাপুজোকে শুধুমাত্র উৎসব হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু দুর্গাপুজো শুধু একটি উৎসব নয়, এটি বাঙালির ধর্মীয় বিশ্বাস এবং সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তিনি বলেন, প্রতিমাকে সরিয়ে রেখে শুধু থিম বা আলোর আয়োজন করলে মানুষ সেই পুজোর সঙ্গে একাত্ম হতে পারবেন না। দুর্গাপুজোর মূল আকর্ষণ দেবী দুর্গার আরাধনা, সেই ঐতিহ্য রক্ষা করতেই হবে।এদিন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গও তুলে আনেন শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনিষ্ঠতম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি পূর্ব পাকিস্তানে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে তিনি সরব হয়েছিলেন। সেই সময় তিনি বিভিন্ন মহলের সহযোগিতা চাইলেও শেষ পর্যন্ত একাই আন্দোলন চালিয়ে গিয়েছিলেন বলে দাবি করেন বিজেপি সভাপতি।রথযাত্রার দিন কলেজ স্কোয়্যার থেকে শমীক ভট্টাচার্যের এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। দুর্গাপুজো, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর একাধিক বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

জুলাই ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal