• ৩ আশ্বিন ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IS

রাজনীতি

বিজেপি রাজ্যে সরকার গঠন করবে, দাবি বিশ্বপ্রিয় ও সুজিতের

ভারতীয় জনতা মজদুর সেলের নির্বাচনী কর্মিসভা হল মধ্য কলকাতার ভারতসভা ঘরে। মঙ্গলবার একইসঙ্গে আইসিডিএস এর জেলা কমিটি ঘোষণা করা হয় এই সভায়। এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপির সহসভাপতি বিশ্বপ্রিয় রায়চৌধুরী, রাজ্য বিজেপি নেতা সুজিত ঘোষ, বিজেএমসির রাজ্য সভাপতি মিঠু চ্যাটার্জি, বিজেএমসির রাজ্য কমিটির সম্পাদক বাবলু বালা, সম্পাদক সৈকত মন্ডল সহ অন্যরা। গেরুয়া শিবিরের নয়া আইসিডিএস সংগঠনের চেয়ারপার্সন হয়েছেন মিতা সমাজপতি, আইসিডিএস এর ভাইস চেয়ারম্যান সমর্পিতার।এদিনের সভায় বিশ্বপ্রিয় রায়চৌধুরী বলেন, এখন আমাদের একটাই কাজ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থীদের জয়ের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়া। সাংগঠনিক ভাবে দলকে আরও শক্তিশালী করাই আমাদের লক্ষ্য। বিজেপি নেতা সুজিত ঘোষ বলেন, এই নির্বাচনে বিপুল সংখ্যক আসন নিয়ে রাজ্যে সরকার গঠন করব আমরা। দলকে রাজ্যে ক্ষমতায় এনে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।

মার্চ ২৪, ২০২১
দেশ

‘এনআইএ বলেছিল বিজেপিতে যোগ দিলেই মিলবে জামিন’

বিজেপি অথবা আরএসএসে যোগ দিলে জামিন মিলবে। নাহলে পচে মরতে হবে জেলে। কার্যত এমনই প্রস্তাব নাকি দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। অসমের বিধানসভা নির্বাচনে এক্স ফ্যাক্টর হয়ে ওঠা অখিল গগৈ এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আনলেন এনআইএর বিরুদ্ধে। জেলে তাঁর উপরে হওয়া অকথ্য মানসিক ও শারীরিক অত্যাচারের অভিযোগ এনেছেন তিনি। তাঁর গড়া নতুন রাজনৈতিক দল রাইজোর দল একটি চিঠি প্রকাশ করেছে। সেই চিঠিতেই এমন অভিযোগ করতে দেখা গিয়েছে অখিলকে।২০১৯ সালের ১২ ডিসেম্বর গ্রেপ্তার করা হয় কৃষক মুক্তি সংগ্রাম পরিষদের নেতা অখিলকে। তখন অসম উত্তাল সিএএ বিরোধী আন্দোলনে। আইনশৃঙ্খলার নাগাড়ে অবনতি হওয়ায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে জোরহাট থেকে অখিলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। অসমের নাগরিক সমাজ দীর্ঘ সময় ধরে গগৈয়ের মুক্তির দাবি জানিয়ে এসেছে। কিন্তু বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও জেলবন্দি রয়েছেন তিনি। তবে জেলে থাকলেও অখিলের দল কিন্তু সক্রিয়। অসম বিধানসভা নির্বাচনেও অংশ নিচ্ছে রাইজোর দল। আরেক আঞ্চলিক দল এজেপি-র সঙ্গে জোট বেঁধেছে তারা।এই পরিস্থিতিতে অখিল একটি চিঠি লিখেছেন জেল থেকে। সেখানেই এনআইএর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ এনেছেন তিনি। অখিলের দাবি, ২০১৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর আদালতের অনুমতি ছাড়াই তাঁকে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এনআইএর সদর দপ্তরে প্রবল অত্যাচারের সম্মুখীন হতে হয়েছিল তাঁকে। একথা জানিয়ে অখিল লিখেছেন, এনআইএর সদর দপ্তরে আমাকে এক নম্বর লকআপে আটকে রাখা হয়েছিল। একটা মাত্র নোংরা কম্বল দেওয়া হয়েছিল। ৩-৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় মেঝেতে ঘুমতে হয়েছিল। আমি এই অপমানজনক আচরণের প্রতিবাদ করার পরে ওরা অন্য একটা প্রস্তাব দিল। আমাকে জানানো হয়েছিল বিজেপিতে যোগ দিলে আমি বিধানসভা নির্বাচনে লড়তে পারব। মন্ত্রীও হতে পারব।বিজেপি অখিলের সমস্ত অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। এদিকে অসমে তিন দফার ভোট শুরু হতে আর বেশি দেরি নেই। অনেকেই মনে করছেন, বিজেপির পক্ষে ক্ষমতায় ফেরা খুব সহজ হবে না। ভোট আবহে সরগরম পরিস্থিতিতে এবার সামনে এল অখিলের এই চিঠি।

মার্চ ২৪, ২০২১
রাজনীতি

নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে আলিঙ্গন, করমর্দন করলেই জেল হতে পারে প্রার্থীর!

প্রচারে বেরিয়ে চুটিয়ে জনসংযোগ। মায়ের কোল থেকে ফুটফুটে শিশুকে কোলে তুলে নিয়ে গালে আদরের চুম্বন। উৎসাহী সমর্থকদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সেলফি। রোড-শোয়ে গাড়ি থেকে ঝুঁকে ঝুঁকে জনতার সঙ্গে হাত মেলানো। কত কাছের লোক, ভোটারদের তা বোঝাতে প্রার্থীরা চেষ্টায় একতিল ফাঁক রাখতে নারাজ। কিন্তু করোনা অতিমারির আবহে এহেন শারীরিক নৈকট্য রাজনৈতিক কেরিয়ারে কার্যত দাঁড়ি টেনে দিতে পারে। কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দিতেই সেকথা স্মরণ করিয়ে ফের এমনই কড়া বার্তা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্দেশ অমান্য করলে মহামারী আইনের ৫১ থেকে ৬০ নম্বর ধারায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা খোদ প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। মহামারী আইনের ওই ধারায় বিধিভঙ্গের শাস্তি হিসাবে দুই বছর পর্যন্ত কারাবাস ও সঙ্গে মোটা জরিমানার বিধান রয়েছে। কমিশনের হুঁশিয়ারি, সংক্রমণ ঠেকাতে ইতিমধ্যে একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি রয়েছে। যাতে এই ধরনের শারীরিক সংস্পর্শে অনুমোদন নেই। তা সত্ত্বেও রাজ্যের একাধিক জায়গায় প্রার্থীদের গাছাড়া মনোভাব দেখা যাচ্ছে। প্রার্থীরা এই ধরনের হঠকারী অচরণ করতে থাকলে প্রার্থীপদ তো দূরে থাক শেষপর্যন্ত তাদের ঠাঁই হতে পারে শ্রীঘরে। সঙ্গে খসতে পারে গাঁটের কড়িও।ইতিমধ্যেই এব্যাপারে জেলাশাসক তথা জেলা মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের কড়া পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের কোভিড বিধি পালনের সমস্ত নির্দেশিকা স্মরণ করিয়ে দিয়ে সতর্ক করে দিতে বলা হয়েছে। প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ঠিক কী কী বিধিনিষেধ রয়েছে নির্দেশনামায়? নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে বলে দেওয়া হয়েছে, বাড়ি বাড়ি প্রচারের ক্ষেত্রে প্রার্থীরা পাঁচ জনের বেশি সদস্য-সমর্থক সঙ্গে রাখতে পারবেন না। প্রচারে বেরিয়ে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক, স্যানিটাইজার সঙ্গে রাখতে হবে। অতিমারি সংক্রান্ত দূরত্ব বিধি মানতে হবে। একইরকমভাবে রোড শোয়ের ক্ষেত্রেও বিধি নিষেধ রয়েছে। নিরাপত্তারক্ষীর গাড়ি বাদে রোড-শোয় পাঁচের বেশি গাড়ি একসঙ্গে ব্যবহার করা যাবে না। এবং এই পাঁচ গাড়ির একটি কনভয়ের সঙ্গে পরেরটির দূরত্ব থাকতে হবে কমপক্ষে আধ ঘণ্টার। এছাড়াও রাজনৈতিক দলগুলোকে জনসভার অনুমতি প্রদানের ক্ষেত্রে জেলাশাসকদের আরও সতর্ক হতে বলেছে কমিশন। প্রবেশ ও প্রস্থান পথ রয়েছে শুধুমাত্র এমন ময়দানকেই জনসভার অনুমতি দেওয়া যাবে। ময়দানগুলো আগে থেকে চিহ্নিত করতে হবে। একাজে সংশ্লিষ্ট জেলার কোভিড নোডাল অফিসারকে যুক্ত করতে হবে। পাশাপাশি জমায়েত কখনওই যাতে নির্ধারিত মাত্রা না ছাড়ায় সেদিকে কড়া নজর রাখতে বলা হয়েছে।

মার্চ ২৪, ২০২১
দেশ

নির্বাচনের ৭২ ঘণ্টা আগে বাইক ব়্যালিতে ‘না’ কমিশনের

নির্বাচনের ৭২ ঘণ্টা আগে বাইক ব়্যালি করা যাবে না বলে জানিয়ে দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ভোটের দিনও চলবে না বাইক ব়্যালি । সোমবার এই মর্মে নির্দেশিকা জারি হয়েছে। নির্বাচনের আগে নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর। উল্লেখ্য, এর আগে মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক সুনীল অরোরা জানিয়েছিলেন, এবার বাইক মিছিল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। একসঙ্গে পাঁচটির বেশি বাইক এক জায়গা দিয়ে যেতে পারবে না।চার রাজ্য ও এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে নির্বাচন শুরু হচ্ছে। আর এই নির্বাচনী প্রচারের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতম পছন্দ বাইক ব়্যালি। এমনকী, প্রার্থীর মনোনয়য় জমা করার সময় দলীয় নেতাকর্মীরা বাইক ব়্যালি করে থাকেন। কিন্তু এবার কোভিড পরিস্থিতি একাধিক নিয়মকানুন জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। এবার ব়্যালি নিয়ে কড়া পদক্ষেপ করল কমিশন। এদিন কমিশন জানিয়েছে, বেশকিছু এলাকায় দুষ্কৃতীরা বাইক ব়্যালি করছে। তারা ভোটারদের ভয় দেখাতেই ভোটের দিন এবং ভোটের আগে বাইক ব়্যালি করে। উল্লেখ্য, বাংলায় তৃণমূল ও বিজেপির কর্মীরা সমর্থকরা পাল্লা দিয়ে বাইক ব়্যালি করেছেন। এমনকী, অসমে বিজেপির প্রচার শুরু করতে হিমন্ত বিশ্বশর্মা বাইক ব়্যালি করেছে। এই ঘটনাবলির দিকে নজর রাখছিল কমিশন। এবার কড়া ব্যবস্থা নিল কমিশন।

মার্চ ২২, ২০২১
দেশ

সোপিয়ানে সেনার গুলিতে খতম ৩ জঙ্গি

সন্ত্রাস দমনে জম্মু ও কাশ্মীরে বড় সাফল্য পেল সেনাবাহিনী। সোমবার সোপিয়ান জেলায় নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে সংঘর্ষে খতম হয়েছে তিন সন্ত্রাসবাদী। নিহতদের মধ্যে রয়েছে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তইবার দুই সদস্য।কাশ্মীর পুলিশের শীর্ষকর্তা আইজি বিজয় কুমার জানিয়েছেন, সোপিয়ানের এনকাউন্টারে লস্করের দুই জঙ্গি নিহত হয়েছে। সেখানে আরও দুই জঙ্গি আটকে রয়েছে বলে মনে করছে সেনাবাহিনী। ভারতীয় সেনার চিনার কোর জানিয়েছে, মোট তিন জঙ্গিকে খতম করা হয়েছে। চলতি মাসেই সোপিয়ান জেলায় সেনা, আধা সামরিক বাহিনী ও পুলিশের যৌথবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয় জইশ-ই-মহম্মদের কম্যালন্ডার সাজ্জাদ আফগানি। মূলত, যুবকদের মগজধোলাই করে তাদের জঙ্গি সংগঠনে টেনে আনার কাজ করত ওই জঙ্গি। সোপিয়ান জেলায় জইশের মাথা ছিল সে। তার মৃত্যুতে সংগঠনটি বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।কয়েকদিন আগেই কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের তীব্র নিন্দা জানায় আমেরিকা। সন্ত্রাসবাদ ও কাশ্মীর নিয়ে বক্তব্য রাখেন মার্কিন বিদেশ দপ্তরের মুখপাত্র নেড প্রাইস। কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদ ও অনুপ্রবেশ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, নিয়ন্ত্রণরেখায় যে জঙ্গিরা অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে তাদের কাজের তীব্র নিন্দা করছি আমরা। কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সরাসরি আলোচনার পক্ষে আমেরিকা।

মার্চ ২২, ২০২১
কলকাতা

মুখ্য প্রশাসক পদে ইস্তফা ফিরহাদের

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশের পরই তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত। পদ থেকে সরানোর আগেই কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ফিরহাদ হাকিম। মুখ্যমন্ত্রীর সবুজ সংকেত নিয়ে শনিবার গভীর রাতে পুরসচিব খলিল আহমেদের কাছে ইস্তফাপত্র তিনি পাঠিয়ে দিয়েছেন। পুর প্রশাসক পদে কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে রাখা চলবে না। শনিবারই রাতেই এই নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন । আজ, রবিবার সকালেই অতীন ঘোষ, দেবাশিস কুমাররাও পদত্যাগ করেছেন। ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও একইভাবে অন্যান্য পুরসভার প্রশাসকরাও ইস্তফা দেবেন বলে খবর। বিজেপির অভিযোগের জেরে শনিবার রাতে নির্বাচন কমিশন নির্দেশ দিয়েছে, ২ মে পর্যন্ত কোনও পুরসভায় রাজনৈতিক ব্যক্তিরা প্রশাসক থাকতে পারবেন না। সোমবার সকাল ১১টার মধ্যে তাঁদের সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তার আগেই নিজেদের পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন পুর প্রশাসকরা।করোনা পরিস্থিতিতে রাজ্যের বহু পুরসভা এবং পুরনিগমের নির্বাচন সময়মতো করানো যায়নি। যার ফলে মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে প্রাক্তন পুরবোর্ডের সদস্যদের। কিন্তু নাগরিক পরিষেবা যাতে ব্যহত না হয় তা নিশ্চিত করতে অস্থায়ী ব্যবস্থা হিসেবে পুরসভার কাজ পরিচালনা করার জন্য প্রশাসকমণ্ডলী তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল রাজ্য সরকার। বিদায়ী মেয়র বা পুরপ্রধানদেরই সেই প্রশাসকমণ্ডলীর মাথায় বসানো হয়। বিদায়ী কাউন্সিলরদের ওই প্রশাসক বোর্ডের সদস্য হিসেবে নিয়োগ করা হয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে কলকাতা পুরনিগমের পুরপ্রশাসক পদে এতদিন অস্থায়ীভাবে নিযুক্ত ছিলেন ফিরহাদ হাকিম। একইভাবে শিলিগুড়ি পুরনিগমের পুরপ্রশাসক পদে বসানো হয়েছিল অশোক ভট্টাচার্যকে। কিন্তু ভোটের বাজারে এই অস্থায়ী ব্যবস্থা চলবে না বলে জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন।

মার্চ ২১, ২০২১
রাজনীতি

খড়গপুরের সভায় মোদির নিশানায় মুখ্যমন্ত্রী, স্তুতি দিলীপ ঘোষের

শুভেন্দু অধিকারী নন, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় নন। মিঠুন চক্রবর্তী, স্বপন দাশগুপ্ত বা বাবুল সুপ্রিয়ো তো নন-ই। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি যদি জয়লাভ করতে পারে, তার পুরো কৃতিত্বটাই আগে থেকে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে দিয়ে রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একমাত্র দিলীপ ঘোষের কারণেই বাংলায় এ বার পদ্মফুল ফুটবে, আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে এই কথাও বলতে শোনা গিয়েছে খোদ প্রধানমন্ত্রীকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, কোথাও গিয়ে কি এ রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ নিয়ে প্রচ্ছন্ন একটা বার্তা দিতে চাইলেন নমো।দিলীপ ঘোষের বর্তমান লোকসভা কেন্দ্র মেদিনীপুর ও আগের বিধানসভা কেন্দ্র খড়গপুরের মাটিতে এ দিন সভা করেন প্রধানমন্ত্রী। দিলীপ ঘোষের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন। বলেন, আমি গর্বিত আমার দলে দিলীপ ঘোষের মতো সভাপতি আছেন। খোদ প্রধানমন্ত্রীর কণ্ঠে দিলীপের গালভরা প্রশংসার পিছনে যে একটা বড় রাজনৈতিক তাৎপর্য রয়েছে, তা স্বীকার করছেন পর্যবেক্ষকদের একাংশ। কেননা, কেবল গর্বিত বলে থামেননি নমো। তিনি আরও বলেছেন, দলকে জেতাতে শেষ কয়েক বছর ধরে তিনি নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারেননি। তাঁর সংযোজন, ওনার উপর অনেক হামলা হয়েছে। মৃত্যুর কোলে শুইয়ে দেওয়ার চেষ্টাও করা হয়। কিন্তু, দিলীপ থেমে থাকেননি। দিনরাত এক করে কাজ করছেন। এই জন্যই আমি বলছি, এ বার বিজেপি সরকার। মোদির কথায় স্পষ্ট, দিলীপের কাঁধে ভর করেই বাংলায় পদ্ম ফোটানোর চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন তিনি। নীলবাড়ির লড়াইকে অবাধ করার ডাক দেওয়ার পাশাপাশি বাংলার পুলিশ-প্রশাসনকে গণতন্ত্র বাঁচানোর প্রতিজ্ঞা নেওয়ার আহ্বান এদিন জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একই সঙ্গে বললেন, অরজাকতার বিরুদ্ধে সকলকে রুখে দাঁড়াতে হবে। বলেন, বাংলায় ভোট দেওয়ার অধিকারও কেড়ে নিয়েছেন দিদি। ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে যে ভাবে আপনাদের ভোটাধিকারকে পিষে দিয়েছিলেন, তা গোটা দুনিয়া দেখেছে। আমি কথা দিচ্ছি, দিদিকে আর গণতন্ত্রকে পদদলিত করতে দেব না। পুলিদলের নির্বাচনী ইস্তাহারে ১০ অঙ্গীকার নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ নরেন্দ্র মোদীর। বৃহস্পতিবার নিজেহাতে তৃণমূলের ইস্তার প্রকাশ করেন মমতা। তাতে প্রত্যেক পরিবারের ন্যূনতম রোজগারের ব্যবস্থা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি যেমন দিয়েছেন, তেমনই ঘরে ঘরে সস্তায় বিদ্যুৎ পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। শনিবার খড়গপুরের জনসভা থেকে সেই নিয়ে তীব্র আক্রমণ শানালেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলায় উন্নয়নের পথে দেওয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন দিদি। আপনারা বিশ্বাস করেছিলেন দিদিকে। কিন্তু উনি বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। আপনাদের স্বপ্ন চুরচুর করে দিয়েছেন ১০ বছরে বাংলাকে ধ্বংস করে দিয়েছেন। অনেক ১০ অঙ্গীকারের কথা বলছেন দিদি। বাংলার মানুষ আপনাকে ১০ বছর সময় দিয়েছিলেন। কিন্তু আপনি লুঠতরাজের সরকার চালিয়ে গিয়েছেন। ১০ বছরে শুরু দুর্নীতি দিয়েছেন। কুশাসন দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী বাংলার যুবসমাজের কাছ থেকে জীবনের ১০টি মূল্যবান বছর কেড়ে নিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন মোদি। তিনি বলেন, আপনাদের অস্থিরতা বুঝি। কংগ্রেস, সিপিএম, তৃণমূলকে বছরের পর বছর ধরে সহ্য করে আসছেন। দিদি তুষ্টিকরণের রাজনীতি করে এসেছেন বরাবর। বাংলার যুবসমাজের কাছ থেকে ১০ বছর কেড়ে দিয়েছেন দিদি। দিদির দল নির্মমতার পাঠশালা। সিলেবাস হচ্ছে তোলাবাজি। দিদির পাঠশালায় সিলেবাস কাটমানি। দিদির পাঠশালায় সিলেবাস সিন্ডিকেট। দিদির পাঠশালায় উৎপীড়ন এবং অরাজকতার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

মার্চ ২০, ২০২১
বিদেশ

ইজরায়েলের রাজপথে প্রধানমন্ত্রীর নগ্ন মূর্তি!

প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর একটি নগ্ন মূর্তিকে ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে ইজরায়েলে। ইজরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ শহর তেল আভিভের হাবিমা স্কোয়ারে এই মূর্তিটি প্রকাশ্যে আসতেই হইহই পড়ে যায়। তড়িঘড়ি প্রশাসনের তরফে মূর্তিটির চারদিকে ব্যারিকেড তৈরি করে দেওয়া হয়। পরে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় মূর্তিটি।বেঞ্জামিনের ধূসর মূর্তিটিকে দেখা যাচ্ছে এক কোণে উবু হয়ে বসে থাকতে। মূর্তিটির ঘাড় এমন করে রাস্তার দিকে ঘোরানো যেন তিনি তাকিয়ে রয়েছেন পথচারীদের দিকে। স্বাভাবিক ভাবেই মূর্তিটি নজরে আসতেই সেটির কথা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ছটন ওজন ও পাঁচ মিটার দৈর্ঘ্যের মূর্তিটির নাম দেওয়া হয়েছে ইজরায়েলী নায়ক। কিন্তু কেন এমন একটি মূর্তি এভাবে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে চৌমাথায়, কারাই বা বসিয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। মূর্তি বসানোর পিছনে কাদের হাত রয়েছে, ইতিমধ্যেই তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। দ্য টাইমস অফ ইজরায়েল সংবাদপত্রের দাবি, নির্বাচনের আগে প্রতিবাদ দেখাতেই এই প্রতীকী মূর্তি বসানো হয়েছে এখানে।আগামী ২৩ মার্চ ইজরায়েলে নির্বাচন। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে নেতানিয়াহুর পদত্যাগের দাবিতে ইজরায়েলের রাস্তায় বহু মানুষকে নেমে এসে আন্দোলন করতে দেখা গিয়েছে। অভিযোগ, অতিমারীর সময়ে দেশের অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়েছে। অথচ প্রধানমন্ত্রী সাধারণ মানুষদের নাগালের বাইরেই রয়েছেন।

মার্চ ১৯, ২০২১
কলকাতা

আলিপুর চিড়িয়াখানায় সিংহের খাঁচায় ঢুকে জখম ব্যক্তি

মর্মান্তিক ঘটনা ঘটল শুক্রবার কলকাতার আলিপুর চিড়িয়াখানায়। আচমকাই সিংহের খাঁচায় ঢুকে পড়েন এক ব্যক্তি। আর এরপরই সিংহের আঁচড়ে রক্তাক্ত হন তিনি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে আপাতত এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে। তবে ওই ব্যক্তির পরিচয় এখনও জানা যায়নি। আর এই ঘটনা রীতিমতো উস্কে দিয়েছে সেই শিবার স্মৃতি। যেখানে শিবা নামের রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের গলায় মালা পরাতে গিয়ে বেঘোরে প্রাণ হারিয়েছিলেন এক যুবক।প্রত্যক্ষদর্শী এবং নিরাপত্তা আধিকারিকদের মতে, এদিন আর পাঁচজন সাধারণ দর্শকের মতোই ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন ওই ব্যক্তি। কিন্তু কেউ কিছু বোঝার আগেই আচমকা ঢুকে পড়েন সিংহের খাঁচায়। প্রথমে গাছে উঠে সামনের পাঁচিল টপকান। তারপর উঁচু ফেন্সটি টপকে ভিতরে ঢুকে পড়েন। এরপর সামনের ছোট নালা পেরিয়ে সিংহের এনক্লোজারে ঢুকে পড়েন। সেসময় একটি সিংহ ছাড়া ছিল। সেই পশুরাজই ওই ব্যক্তিকে আক্রমণ করে। এরপর ছোট আরেকটি ঘরে ওই ব্যক্তিকে টেনে নিয়ে যাওয়ার সময় নিরাপত্তাকর্মী এবং সিংহের দায়িত্বে থাকা কর্মীদের বিষয়টি নজরে আসে। তাঁরাই ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করেন। দেখা যায়, সিংহের থাবা এবং আঁচড়ে ক্ষতবিক্ষত ওই ব্যক্তির সারা শরীর। এরপরই তাঁকে তড়িঘড়ি এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই আপাতত চিকিৎসাধীন তিনি। জানা গিয়েছে, গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন ওই ব্যক্তি। এদিকে, এই ঘটনা আরও একবার আলিপুর চিড়িয়াখানার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

মার্চ ১৯, ২০২১
রাজ্য

বিনয় মিশ্রর কলকাতার বাড়ি বাজেয়াপ্ত করল ইডি

গোরু পাচার-কাণ্ডে দ্রুতগতিতে তদন্ত চালাচ্ছে সিবিআই। ভারত ও বাংলাদেশে ছড়িয়ে থাকা এই চক্রের চাঁইদের জালে পুরতে তৎপর হয়েছেন গোয়েন্দারা। এবার পাচারচক্রের অন্যতম পাণ্ডা বিনয় মিশ্রর একটি বাড়ি বাজেয়াপ্ত করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট ।সূত্রের খবর, কলকাতার রাসবিহারী এলাকায় পলাতক বিনয় মিশ্রর একটি বাড়ি বাজেয়াপ্ত করল ইডি। প্রায় ৩ কোটি টাকা দিয়ে কেনা হয়েছিল বাড়িটি। গোয়েন্দাদের নজর এড়াতে নিজের নাম না জড়িয়ে অনন্ত ট্রেড কম নামের একটি সংস্থার নামে বাড়িটি রেজিস্টার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য, গোরু পাচার-কাণ্ডে ইডির সঙ্গে সমান্তরাল তদন্তে চালাচ্ছে সিবিআই। গত মাসে আসানসোলে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট জমা দেয় সিবিআই। এর আগে আদালতে জমা দেওয়া প্রথম চার্জশিটে গোরু পাচার-কাণ্ডে এনামুল হক ও বিএসএফ আধিকারিক সতীশ কুমারের নাম ছিল। সূত্রের খবর, গোরু পাচারচক্রের মূল-পাণ্ডা এনামুল হকের থেকে টাকা নিয়ে প্রভাবশালী রাজনৈতিক দলের একাংশ নেতার কাছে পৌঁছে দিতেন বিনয় মিশ্র বলে অভিযোগ সিবিআইয়ের। পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে গোরু ও কয়লা পাচার-কাণ্ডের রাঘব বোয়ালদের জালে তুলতে তৎপর হয়ে উঠেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি।

মার্চ ১৯, ২০২১
রাজ্য

গেরুয়া শিবিরের সদ্য প্রকাশিত প্রার্থী তালিকা নিয়ে জেলায় জেলায় বিক্ষোভ

বৃহস্পতিবার বিকেলে বিজেপির আরেকদফা প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়। ১৪৮ আসনের প্রার্থীদের মধ্যে অনেককেই পছন্দ নয় দলের একাংশের। সন্ধে হতেই দিকে দিকে এর প্রতিবাদে নামেন কর্মী, সমর্থকরা। রানিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে ডাক্তার বিজন মুখোপাধ্যায়ের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। আর তারপরই বিক্ষোভ শুরু করে বিজেপির একদল কর্মী, সমর্থক। তাঁদের অভিযোগ, বিজন মুখোপাধ্যায় বিজেপির কোনও কর্মীই নন। রানিগঞ্জের মানুষ চেনেনই না এই প্রার্থীকে। পরিবর্তে কোনও ভূমিপুত্র বিজেপি কর্মী বা আরএসএস সদস্যকে প্রার্থীকে কেন করা হলো না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তারা।এদিন সন্ধেবেলা রানিগঞ্জে দলীয় কার্যালয়ে তালা লাগিয়ে বাইরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন তাঁরা। এরপর রানিগঞ্জের পাঞ্জাবীমোড় লাগোয়া ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক ও দুই নম্বর জাতীয় সড়কের সংযোগকারী রাস্তায় দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি কর্মীরা। যদিও প্রার্থী ডাক্তার বিজন মুখোপাধ্যায় বেশ কয়েকজন কর্মী-সমর্থককে সঙ্গে নিয়ে দাবি করেন, এটা নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি। কর্মীদের সঙ্গে বসে আলোচনা করে তাঁরা ঠিক করে নেবেন। আবার জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হিসেবে অরিন্দম ভট্টাচার্যের নাম ঘোষণা হতেই ক্ষোভে ফেটে পরে বিজেপি নেতা অরুণ ব্রহ্মর অনুগামীরা। অরিন্দম সদ্যই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। নিজের এলাকা থেকে টিকিটও পেয়েছেন। তা নিয়েই প্রতিবাদ শুরু করেন দলীয় কর্মীরা। বৃহস্পতিবার তাঁরা শ্যামনগর বাসুদেবপুর মোড়ে সন্ধ্যায় দলীয় পতাকা ফ্লেক্স, ব্যানার পুড়িয়ে পথ অবরোধ করে। এছাড়াও বাসুদেবপুর মোড়ে বিজেপির কার্যালয়ে নিজেরাই ভাঙচুর করে। বিক্ষোভকারীদের দাবি, জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী বদল করে অরুণ ব্রহ্মর নাম ঘোষণা করতে হবে। দমদমের বিজেপি প্রার্থী বিমলশংকর নন্দর বিরুদ্ধেও ক্ষোভ অব্যাহত। এদিন দমদম রোডে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা।

মার্চ ১৮, ২০২১
রাজনীতি

বিজেপির প্রার্থী তালিকায় ফের চমক

শেষবার ভোট দাঁড়িয়েছিলেন ২০০১ সালে। তারপর কেটে গিয়েছে দীর্ঘ ২০ টা বছর। অন্তরালে থেকেই কাজ করে গিয়েছেন। এই ২০২১এ ভোটযুদ্ধে দেখা যাবে তাঁকে। তিনি আর কেউ নন, বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায়। বৃহস্পতিবার বিধানসভা নির্বাচনে ১৪৮ টি কেন্দ্রের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল গেরুয়া শিবির। তাতে একদিকে যেমন রয়েছেন একাধিক বিধায়ক, তেমনই রয়েছেন রুপোলি পর্দার নায়ক-নায়িকাও। অর্থাৎ বিজেপির প্রার্থী তালিকায় ফের চমক। ভোটযুদ্ধে কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হচ্ছেন মুকুল রায়। তাঁর মূল প্রতিপক্ষ তৃণমূলের তারকা প্রার্থী অভিনেত্রী কৌশানি মুখোপাধ্যায়। প্রার্থী হয়েই জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী একদা তৃণমূলের দক্ষ সংগঠক মুকুল রায়। এছাড়া প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন জগন্নাথ সরকারের মতো সাংসদ, সব্যসাচী দত্ত, পবন সিং, অরিন্দম ভট্টাচার্যর মতো বিধায়ক, রয়েছেন দলের দীর্ঘদিনের সক্রিয় কর্মীরা। আজকের বিজেপির ঘোষিত তালিকায় কে, কোথা থেকে লড়ছেন, দেখে নিন একঝলকে কৃষ্ণনগর উত্তর মুকুল রায় কৃষ্ণনগর দক্ষিণ মহাদেব সরকারডাবগ্রাম শিখা চট্টোপাধ্যায়ধূপগুড়ি বিষ্ণুপদ রায়ময়নাগুড়ি কৌশিক রায়মাল- মহেশ বাগেশিলিগুড়ি- শংকর ঘোষশান্তিপুর জগন্নাথ সরকারকৃষ্ণগঞ্জ আশিস বিশ্বাসরানাঘাট দক্ষিণ মুকুটমনি অধিকারীরানাঘাট উত্তর-পশ্চিম অসীম বিশ্বাসপানিহাটি সন্ময় বন্দ্যোপাধ্য়ায়ভবানীপুর রুদ্রনীল ঘোষ চৌরঙ্গি শিখা মিত্রপাণ্ডবেশ্বর জিতেন্দ্র তিওয়ারি বরানগর- পার্নো মিত্র মধ্যমগ্রাম- রাজশ্রী রাজবংশীহাবড়া রাহুল সিনহা বিধাননগর সব্যসাচী দত্ত হেমতাবাদ চাঁদিমা রায়রাজারহাট-গোপালপুর শমীক ভট্টাচার্য রাজারহাট-নিউটাউন ভাস্কর মুখোপাধ্যায়জগদ্দল অরিন্দম ভট্টাচার্যনৈহাটি ফাল্গুনী পাত্রব্যারাকপুর চন্দ্রমণি শুক্লাখড়দহ শীলভদ্র দত্তনোয়াপাড়া সুনীল সিংভাটপাড়া পবন সিংবীজপুর শুভ্রাংশু রায়কামারহাটি রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়দমদম বিমলশংকর নন্দমানিকতলা কল্যাণ চৌবেআসানসোল দক্ষিণ অগ্নিমিত্রা পল বসিরহাট দক্ষিণ তারকনাথ ঘোষবর্ধমান দক্ষিণ সন্দীপ নন্দীকালনা বিশ্বজিৎ কুণ্ডুমন্তেশ্বর সৈকত পাঁজাদুর্গাপুর পূর্ব কর্নেল দীপ্তাংশু চৌধুরী

মার্চ ১৮, ২০২১
রাজ্য

অপসারিত রাজ্যের নিরাপত্তা অধিকর্তা

নন্দীগ্রামে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আহত হওয়ার জের। অপসারিত রাজ্যের নিরাপত্তা অধিকর্তা বিবেক সহায়।পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক বিভু গোয়েল ও পুলিশ সুপারকেও সরানোর নির্দেশ দিল কমিশন। ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে স্থানীয় দুই থানার ওসি ও এডিএমের বিরুদ্ধে। গত বুধবার সন্ধেয় নন্দীগ্রামের বিরুলিয়ায় গিয়ে জখম হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পায়ে গুরুতর চোট পান তিনি। অসুস্থ অবস্থায় রাতেই কলকাতায় ফিরে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। দেড়দিন এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী জখম হওয়ার এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই রাজনীতির রং লেগেছিল। একাধিক অভিযোগ নিয়ে কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তৃণমূলের প্রতিনিধিদল। অন্যদিকে পর্যাপ্ত তদন্তের দাবিতে কমিশনে যায় বিজেপি। এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জখম হওয়ার ঘটনায় মুখ্যসচিব ও সিইও-র কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়েছিল নির্বাচন কমিশন। একইসঙ্গে দুই বিশেষ পর্যবেক্ষককে নিজেদের মতামত জানানোর কথাও বলা হয়েছিল। তাঁদের রিপোর্ট নিয়ে রবিবার কমিশনের ফুলবেঞ্চ বৈঠকে বসে। ওই বৈঠকেই রাজ্যের নিরাপত্তা অধিকর্তা পদ থেকে বিবেক সহায়কে অপসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জানা যাচ্ছে, কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগেই সরানো হচ্ছে তাঁকে। পাশাপাশি, সরানো হচ্ছে পূ্র্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক বিভু গোয়েলকে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব পাচ্ছেন স্মৃতি পাণ্ডে। সরানো হচ্ছে পূ্র্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার প্রবীণ প্রকাশকে। তাঁর জায়গায় আসছেন সুনীলকুমার যাদব। সূত্রের খবর, আরও কয়েকজনের অপসারণের সম্ভাবনা রয়েছে। এই বদলি যথেষ্ট ইঙ্গিতবাহী বলে মনে করছে ওয়াকিবহলমহল।

মার্চ ১৪, ২০২১
রাজ্য

বঙ্গ সফরে এসে মুখ্যমন্ত্রীর আরোগ্য কামনা অমিত শাহর

মুখ্যমন্ত্রীর পায়ে চোট ঘিরে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। অথচ সৌজন্যের খাতিরে একবারও ফোন করে খবর নেননি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। যা নিয়ে তীব্র বিতর্ক দানা বেঁধেছে। শেষপর্যন্ত রবিবার বঙ্গ সফরে এসে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরোগ্য কামনা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বললেন, দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন উনি।এদিন দুপুরে খড়গপুরের বিজেপির তারকা প্রার্থী হিরন্ময় চট্টোপাধ্যায়ের সমর্থনে রোড শো করার কথা ছিল শাহের। কিন্তু অসম থেকে জনসভা সেরে বাংলায় আসতে বেশ কিছুটা দেরি করে ফেলেন তিনি। তবু জমায়েত করা বিজেপি নেতা-কর্মী-সমর্থকদের উৎসাহে ভাঁটা পড়েনি। শেষপর্যন্ত এদিন সন্ধেবেলা খড়গপুরে রোড শো করলেন শাহ। মাত্র ৯০০ মিটার পথ পেরতে তিন ঘণ্টার বেশি সময় লেগে যায় তাঁর। কারণ, রাস্তায় ভিড় জমিয়েছিলেন বহু মানুষ। এদিন শাহের সঙ্গে ছিলেন খড়গপুরের বিজেপি প্রার্থী অভিনেতা হিরণ, বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় এবং রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ।এদিন রোড শো চলাকালীন বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, আজকের এই ব়্যালি দেখে বোঝাই যাচ্ছে বাংলার মানুষ পরিবর্তন চাইছে। দুশোর বেশি আসন নিয়ে বাংলায় ক্ষমতায় আসবে বিজেপি। এবার আসল পরিবর্তন হবে। তবে নন্দীগ্রামে গিয়ে তৃণমূল নেত্রীর চোটের বিষয় মুখ খুলতে চাননি শাহ। তাঁর কথায়, বাংলার মানুষ সব দেখছেন, সব বুঝছেন। ইভিএমে উত্তর দেবেন। কমিশন ও তদন্তকারী সংস্থা নিজের কাজ করছে। আমি এ নিয়ে কিছু বলতে চাই না।

মার্চ ১৪, ২০২১
কলকাতা

বিজেপির সঙ্গ ছাড়লেন শোভন-বৈশাখী

একুশে নির্বাচনের আগে বড় ধাক্কা গেরুয়া শিবিরে। প্রার্থী তালিকা পছন্দ না হওয়ায় বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করলেন কলকাতা জোনের পর্যবেক্ষক শোভন চট্টোপাধ্যায় , সহ-আহ্বায়ক বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে চিঠি পাঠিয়ে এ কথা জানিয়েছেন তাঁরা। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের কাছে এই মর্মে চিঠি পৌঁছেছে বলে খবর। ফেসবুকে এই সংক্রান্ত একটি পোস্টে নিজের উষ্মাপ্রকাশ করেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়।সূত্রের খবর, কলকাতার কোনও একটি কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। সেক্ষেত্রে টালিগঞ্জ এবং বেহালা পূর্ব কেন্দ্র পছন্দের ছিল তাঁর। কিন্তু রবিবার বিজেপির দ্বিতীয় দফায় প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে। তাতে দেখা গিয়েছে, টালিগঞ্জে বাবুল সুপ্রিয় এবং বেহালা পূর্ব অর্থাৎ শোভন চট্টোপাধ্যায়ের কেন্দ্রে অভিনেত্রী পায়েল সরকারকে প্রার্থী করা হয়েছে।তাতেই অসন্তুষ্ট হয়েছেন শোভনবাবু ও বৈশাখীদেবী। ঘনিষ্ঠ সূত্রে আরও খবর, বেহালা পূর্বের বদলে বেহালা পশ্চিমের প্রার্থী হওয়ার জন্য শোভন চট্টোপাধ্যায়কে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বিজেপির তরফে। কিন্তু তাতে রাজি হননি তিনি। আর বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম প্রার্থী হিসেবে বিবেচনাই করা হয়নি বলে বিজেপি সূত্রে খবর। সবমিলিয়ে, দলের সিদ্ধান্তে বেশ ক্ষুব্ধ শোভন-বৈশাখী। তাই দলত্যাগের সিদ্ধান্ত। এর পরপরই ফেসবুক পোস্ট করে বৈশাখীদেবী বিশেষ বার্তা দিয়েছেন।

মার্চ ১৪, ২০২১
রাজনীতি

তৃতীয় ও চতুর্থ দফার ৬৩ আসনের বিজেপির প্রার্থী তালিকা ঘোষণা

বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দুদফার প্রার্থীতালিকা আগেই ঘোষণা করেছে বিজেপি। রবিবার তৃতীয় ও চতুর্থ দফার আরও ৬৩ আসনের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করল গেরুয়াশিবির। প্রথম দফার মতো এই দফাতেও রয়েছে একাধিক চমক।টানা আলোচনা। দফায় দফায় বৈঠক। দিল্লিতে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে কথা। কিন্তু এত কিছুর পরও তৃতীয় এবং চতুর্থ দফার সব আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতে পারল না বিজেপি। শুরুতে শোনা যাচ্ছিল, আজ তৃতীয় এবং চতুর্থ দফার তো বটেই, আরও কয়েকটি আসনের জন্য প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিতে পারে গেরুয়া শিবির। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা গেল, তৃতীয় এবং চতুর্থ দফার সম্পূর্ণ তালিকাই ঘোষণা করতে পারল না তারা। সব মিলিয়ে এদিন ঘোষণা করা হল মাত্র ৬৩ টি আসনের তালিকা। অর্থাৎ এখনও অবধি ১২২টি আসনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বিজেপি। তবে, তালিকা ছোট হলেও তাতে চমকের কোনও অভাব নেই। লক্ষণীয়ভাবে বিজেপি এবার বিধানসভার লড়াইয়ে বেশ কয়েকজন বর্তমান সাংসদকে আসরে নামাচ্ছে। টালিগঞ্জ কেন্দ্র থেকে বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হচ্ছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। প্রার্থী হচ্ছেন হুগলির সাংসদ তথা রাজ্য বিজেপির অন্যতম বড় নাম লকেট চট্টোপাধ্যায়। তিনি ভোটে দাঁড়াচ্ছেন নিজেরই লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত চুঁচুড়া কেন্দ্রে। প্রার্থী হচ্ছেন কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকও। তিনি দিনহাটায় তৃণমূল প্রার্থী উদয়ন গুহর বিরুদ্ধে লড়বেন। প্রার্থী হচ্ছেন রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্তও। তিনি লড়বেন তারকেশ্বর থেকে।শুধু হেভিওয়েটরা নন, বিজেপির প্রার্থী তালিকায় একাধিক প্রাক্তন তৃণমূল নেতাও জায়গা পেয়েছেন। যাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় নাম রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের। হাওড়ার ডোমজুড় থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন রাজ্যের প্রাক্তন বনমন্ত্রী। আরেক তৃণমূল ত্যাগী তথা প্রবীণ নেতা রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যকে সিঙ্গুর থেকেই প্রার্থী করেছে গেরুয়া শিবির। এই কেন্দ্রে টিকিট না পেয়েই তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যান সিঙ্গুরের মাস্টারমশাই। একইভাবে নিজেদের কেন্দ্রে টিকিট পেয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের বিধায়ক দীপক হালদার এবং হুগলির উত্তরপাড়ার বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল। গত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির টিকিটে লড়া রন্তিদেব সেনগুপ্ত, দেবজিত সরকাররাও টিকিট পেয়েছেন।এঁরা ছাড়াও একাধিক সিনেতারকাকে টিকিট দিয়েছে গেরুয়া শিবির। বেহালা পূর্ব থেকে প্রার্থী হচ্ছেন অভিনেত্রী পায়েল সরকার, যশ দাশগুপ্ত প্রার্থী হচ্ছেন চণ্ডীতলা থেকে। তনুশ্রী চক্রবর্তী টিকিট পেয়েছেন হাওড়ার শ্যামপুর থেকে।

মার্চ ১৪, ২০২১
রাজনীতি

পরের দু’দফা ভোটের জন্য বিজেপির তালিকা আজ

শনিবার পরের দুদফার ভোটের জন্য বাংলার প্রার্থীতালিকা চূড়ান্ত করে ফেলল বিজেপি। আজ, রবিবার সেই তালিকা প্রকাশ হবে। প্রথম দুই পর্বের তালিকা আগেই প্রকাশ করেছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দিল্লিতে দলের সদর দপ্তরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির বৈঠকে শনিবার তৃতীয় ও চতুর্থ দফায় বিজেপি কাদের টিকিট দেবে সেই নামের তালিকায় সিলমোহর বসেছে। এই দুই দফা মিলিয়ে ৭৫ জন প্রার্থী রয়েছেন। তবে পরবর্তী দফাগুলোর আরও কিছু আসনের নাম রবিবার ঘোষণা হয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে কয়েকজন তারকা প্রার্থীও থাকতে পারেন। মিঠুন চক্রবর্তী ভোটে লড়ছেন না। শনিবার রাতে নির্বাচন কমিটির বৈঠকের শেষে বিজেপির এক শীর্ষ নেতার সূত্রে জানা গিয়েছে, মিঠুন শুধু প্রচারেই অংশ নেবেন। তাঁর প্রার্থী হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই।এই দফায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, যাঁরা বর্তমান বিধায়ক, তাঁদের প্রার্থী হতে হলে নিজেদের পুরনো কেন্দ্রেই দাঁড়াতে হবে। কিন্তু ব্যতিক্রম কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ও মন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে। যেহেতু বেহালা পূর্বে তৃণমূল প্রার্থী হয়েছেন শোভনের স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায়, তাই চাইলে শোভন অন্য কোনও কেন্দ্রে প্রার্থী হতে পারেন। ডোমজুড় থেকে প্রার্থী হচ্ছেন রাজ্যের আর এক প্রাক্তন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথম দুদফার ক্ষেত্রে যতটা মসৃণভাবে বিজেপির প্রার্থীতালিকা চূড়ান্ত হয়েছিল, তা পরবর্তী দফাগুলোর ক্ষেত্রে হচ্ছে না। কারণ, প্রতিটি আসনেই বহু দাবিদার। সূত্রের খবর, এদিন প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির বৈঠকের পরেও গভীর রাতে আলাদা করে বৈঠকে বসেন অমিত শাহ, জেপি নাড্ডা, কৈলাস বিজয়বর্গীয় ও দিলীপ ঘোষ। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, বাবুল সুপ্রিয়-সহ বেশ কয়েকজন এমপি বিধানসভা ভোটে প্রার্থী হতে পারেন। এদিন রাতের বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী ছিলেন না বলে জানান মুকুল রায়। আজ, রবিবার নন্দীগ্রাম দিবস থাকায় শুভেন্দু শনিবার রাতেই কলকাতা ফিরে যান।

মার্চ ১৪, ২০২১
রাজ্য

শান্তিকুঞ্জে পাত-পেরে খেলেন লকেট, সারলেন 'সৌজন্য সাক্ষাৎ'

শনিবার দুপুরে শান্তিকুঞ্জে গিয়ে শিশির অধিকারীর সঙ্গে দেখা করলেন বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়। এদিন অধিকারী পরিবারের অতিথি হিসেবে সেখানেই মধ্যাহ্নভোজ সারেন লকেট। তাঁকে ভাত, স্যালাড, মৌরলা মাছের ঝাল দিয়ে সামনে বসিয়ে খাওয়ালেন শিশির অধিকারী নিজে ও বাড়ির অন্যান্য সদস্যরা। শিশির অধিকারীর সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলেন লকেট। কুশল বিনিময় ছাড়াও আগামী ২০ মার্চ কাঁথিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভায় উপস্থিত থাকার জন্য কাঁথির প্রবীণ সাংসদকে আমন্ত্রণ জানানো হয় বলে মনে করা হয়। যদিও, সাক্ষাৎ শেষে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে বিজেপি সাংসদ গোটা বিষয়টিকে সৌজন্য সাক্ষাৎ বলেই দাবি করেন। বলেন, শিশিরবাবু আমার কাজের প্রশংসা করলেন। আবার আসতে বলেছেন। সবাই যত্ন করে খাওয়ালেন। মেয়ের মতোই দেখেন সেভাবেই কথা হয়েছে। খুবই ভাল লাগলো। মেদিনীপুরে কোনও খেলা হবে না। এখানে ভূমিপুত্রই জিতবে।শুভেন্দু অধিকারী দিল্লিতে থাকলেও সেই সময় বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন তাঁর ভাই সৌমেন্দু অধিকারী ও বাড়ির মহিলা সদস্যরা। বাড়িতেই ছিলেন তমলুকের তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারীও। সূত্রের খবর তাঁরও পদ্ম শিবিরে আসা সময়ের অপেক্ষা। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে লকেট চট্টোপাধ্যায় এদিন আরও বলেন, মেদিনীপুর মানেই শান্তিকুঞ্জ , অধিকারী পরিবার। তাই ওনার আশীর্বাদ তো নিতেই হবে।শিশির বাবু বলেন, যে কেউ আসতেই পারেন আমার সঙ্গে দেখা করতে। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই বলেই দাবি করেছেন তিনিও। প্রসঙ্গত, গত বুধবার সন্ধ্যায় নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আহত হওয়ার পরই আহত মুখ্যমন্ত্রীর জন্য দুঃখপ্রকাশের পাশাপাশি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব খারিজ করে দেন শিশির অধিকারী।

মার্চ ১৩, ২০২১
কলকাতা

দুর্ঘটনার কবলেই পড়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী, রিপোর্ট পর্যবেক্ষকদের

মুখ্যমন্ত্রীর উপর হামলার কোনও প্রমাণ মেলেনি। দুর্ঘটনাবশতই আঘাত পান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানালেন বাংলায় মোতায়েন কমিশনের নিযুক্ত এ রাজ্যের পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে এবং বিশেষ পর্যবেক্ষক অজয় নায়েক। কমিশনের নির্দেশে নন্দীগ্রামে মমতার আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় একটি রিপোর্ট তৈরি করেছেন তাঁরা। তাতে বলা হয়েছে, মমতার নিরাপত্তায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন ছিল। ভিড়ের মধ্যে হুড়োহুড়িতেই আঘাত পান বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।নন্দীগ্রামের ঘটনা নিয়ে শুক্রবার নবান্নের তরফে রিপোর্ট পাঠানো হয় কমিশনকে। তাতে গাড়ির দরজায় পা চাপা পড়ে মুখ্যমন্ত্রী আহত হন বলে জানান মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। হামলার সম্ভাবনা খারিজ করে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক বিভু গোয়েলও একই কথা জানান বলে নবান্ন সূত্রে খবর। মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ির দরজায় কেউ ধাক্কা দিয়েছে বলে প্রমাণ মেলেনি বলে কমিশনকে জানান তিনি।কিন্তু সেই রিপোর্টে যথেষ্ট তথ্য না থাকায় সন্তুষ্ট হতে পারেনি কমিশন। তাই নিজেদের দুই পর্যবেক্ষককে আলাদা করে রিপোর্ট তৈরি করতে বলা হয়। তার জন্য শুক্রবার ঘটনাস্থলে গিয়ে, স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে একটি রিপোর্ট তৈরি করেন বিবেক ও অজয়। শনিবার নির্বাচন কমিশনে সেই রিপোর্ট জমা পড়েছে বলে একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে। তাতেই ষড়যন্ত্র এবং পরিকল্পনা করে মুখ্যমন্ত্রীকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়ার তত্ত্ব খারিজ করেছেন তাঁরা। তবে এ নিয়ে কমিশনের তরফে এখনও কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি।

মার্চ ১৩, ২০২১
রাজনীতি

তৃণমূলে যোগ দিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যশবন্ত সিনহা

আগে বহুবার তাঁকে দেখা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমর্থন করতে। উনিশের লোকসভার আগে মমতার হয়ে প্রচার করেছেন। যোগ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রীর ডাকা ব্রিগেড সমাবেশে। এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখার ইচ্ছেপ্রকাশ করেছেন। এবার সরাসরি তৃণমূলে যোগ দিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা একসময়ের প্রথম সারির বিজেপি নেতা যশবন্ত সিনহা । আজই তৃণমূল ভবনে এসে রাজ্যের শাসকদলের পতাকা হাতে তুলে নিয়েছেন তিনি। তৃণমূল ভবনে ডেরেক ওব্রায়েন, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুব্রত মুখোপাধ্যায়দের উপস্থিতিতে দলে যোগ দেন তিনি। রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এই যোগদান তৃণমূলের জন্য নিঃসন্দেহে উৎসাহ ব্যঞ্জক হতে চলেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই রাজ্যের ২৯১ আসনের জন্য প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে ফেলেছেন। সেক্ষেত্রে যশবন্তকে প্রার্থী করার সম্ভাবনা নেই। তবে, তাঁকে তারকা প্রচারক হিসেবে কাজে লাগাতে পারে তৃণমূল। বিশেষ করে হিন্দিভাষী এলাকাগুলিতে শাসকদলকে সাহায্য করতে পারেন তিনি।

মার্চ ১৩, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 134
  • 135
  • 136
  • 137
  • 138
  • 139
  • 140
  • ...
  • 157
  • 158
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

‘মিঠু মুখোপাধ্যায় ছিলেন সময়ের থেকে এগিয়ে’—প্রয়াণে আবেগঘন শ্রীলেখা মিত্র

দুষ্টু-মিষ্টি নায়িকার মধ্যে ছিল আধুনিকতা, স্মার্টনেস আর এক আলাদা ফ্রেশনেসমিঠুকে স্মরণ করে লিখলেন শ্রীলেখাবর্ধমান: সত্তর-আশির দশকের বাংলা ছবির পরিচিত মুখ মিঠু মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বাংলা চলচ্চিত্রমহল। ৭১ বছর বয়সে দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর মুম্বইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে রবিবার রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন অভিনেত্রী। প্রায় এক বছর ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন তিনি।মিঠু মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণের খবর ছড়িয়ে পড়তেই তাঁর অভিনয়, সৌন্দর্য এবং স্বতন্ত্র ব্যক্তিত্বের কথা স্মরণ করছেন চলচ্চিত্রজগতের বহু মানুষ। সেই তালিকায় রয়েছেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রও। সোশ্যাল মিডিয়ায় মিঠুকে স্মরণ করে তাঁর লেখা দীর্ঘ আবেগঘন পোস্টে উঠে এসেছে এক দর্শকের ব্যক্তিগত মুগ্ধতাযে মুগ্ধতা শুধু অভিনয়ে নয়, মিঠুর পর্দার উপস্থিতি এবং নিজস্ব ব্যক্তিত্বকে ঘিরেও।শ্রীলেখার কথায়, মিঠু মুখোপাধ্যায় ছিলেন সময় থেকে এগিয়ে থাকা এক অভিনেত্রী। তাঁর চোখে মিঠুর আকর্ষণ ছিল এমন এক স্বাভাবিক ব্যক্তিত্বে, যা পর্দায় আলাদা করে নজর কাড়ত। শ্রীলেখা মনে করিয়ে দিয়েছেন, সত্তরের দশক থেকে আশি এবং নব্বইয়ের গোড়ার দিক পর্যন্ত মিঠু একাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন। মৌচাক, মর্জিনা আবদুল্লাহ, স্বয়ংসিদ্ধার মতো ছবিতে তাঁর উপস্থিতি আজও দর্শকের স্মৃতিতে উজ্জ্বল।মিঠুর সৌন্দর্য নিয়েও অকপট শ্রীলেখা। বড় বড় চোখ, সেই চোখের অভিব্যক্তি, শিফন শাড়িতে তাঁর পর্দার উপস্থিতিসব মিলিয়ে মিঠুর মধ্যে তিনি খুঁজে পেয়েছেন এক দুষ্টু-মিষ্টি নায়িকার পরিচিত ছাঁচের বাইরে থাকা এক আধুনিক মুখ। শ্রীলেখার মতে, সেই সময়ের অনেক অভিনেত্রী যেখানে নির্দিষ্ট একটি ইমেজ-এর মধ্যে নিজেদের আটকে রাখতেন, সেখানে মিঠু ছিলেন অনেকটাই অন্যরকম।তাঁর ভাষায়, মিঠু যেন সেই সময়ের পর্দায় এক ঝলক fresh airআধুনিক, স্মার্ট, চুলবুলি এবং নিজের মতো করে থাকা এক অভিনেত্রী।শুধু সৌন্দর্য নয়, মিঠুর স্বাভাবিক আকর্ষণকেও বিশেষভাবে মনে করেছেন শ্রীলেখা। তাঁর সঙ্গে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী নীতু সিংয়েরও কোথাও একটা মিল খুঁজে পেয়েছেন তিনি। দুজনের মধ্যেই ছিল এমন এক effortless charm, যা কৃত্রিমভাবে তৈরি করার প্রয়োজন পড়ত নাস্বাভাবিকভাবেই যা দর্শকের চোখে ধরা দিত।১৯৭২ সালে চিত্ত বসুর শেষ পর্ব ছবির মাধ্যমে অভিনয়ে পা রাখেন মিঠু মুখোপাধ্যায়। এরপর মর্জিনা আবদুল্লাহ, নিশিকন্যা, মৌচাক, স্বয়ংসিদ্ধা, হোটেল স্নো ফক্স-সহ একাধিক ছবিতে অভিনয় করে নিজের জায়গা তৈরি করেন বাংলা ছবিতে। উত্তমকুমার, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, রঞ্জিত মল্লিকের মতো অভিনেতাদের সঙ্গেও কাজ করেছেন তিনি। হিন্দি ছবিতেও অভিনয় করেছিলেন মিঠু।তবে জীবনের পরের পর্বে ধীরে ধীরে চলচ্চিত্রজগতের আলো থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন মিঠু। মুম্বইয়ে অনেকটাই অন্তরালে কাটছিল তাঁর জীবন। শেষ পর্যন্ত দীর্ঘ অসুস্থতার পর থেমে গেল সেই জীবনযাত্রা।শ্রীলেখার পোস্টের শেষটুকু তাই হয়ে উঠেছে ব্যক্তিগত শ্রদ্ধার্ঘ্য। প্রিয় অভিনেত্রীকে বিদায় জানিয়ে তাঁর লেখামিঠু মুখোপাধ্যায় তাঁর খুব পছন্দের একজন অভিনেত্রী ছিলেন। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করেছেন শ্রীলেখা, পাশাপাশি সমবেদনা জানিয়েছেন মিঠুর পরিবার ও প্রিয়জনদের প্রতি।পর্দার আলো নিভে গিয়েছে। কিন্তু বড় বড় চোখ, স্বতঃস্ফূর্ত হাসি আর সেই স্বতন্ত্র freshnessস্মৃতির পর্দায় হয়তো আরও অনেকদিন জ্বলজ্বল করবেন মিঠু মুখোপাধ্যায়।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
রাজ্য

আগামীকাল থেকেই আবহাওয়ার মেগা বদল, তুফানি তান্ডব বাংলা জুড়ে, কোন কোন জেলায় তুমুল বৃষ্টিপাত?

আবারও বদলাতে চলেছে বঙ্গের আবহাওয়া। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী ২২ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর রাজ্যের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একইসঙ্গে বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে বলে আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে।ভারতীয় আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২২ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর দক্ষিণবঙ্গের কিছু এলাকায় বৃষ্টির তীব্রতা বাড়তে পারে। বিশেষ করে উপকূলবর্তী পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময় উপকূলবর্তী এলাকায় ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।বঙ্গোপসাগরেও তৈরি হতে পারে প্রতিকূল পরিস্থিতি। সমুদ্র উত্তাল থাকার সম্ভাবনা থাকায় ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই যারা সমুদ্রে রয়েছেন, তাঁদেরও দ্রুত নিরাপদ স্থানে ফিরে আসতে এবং সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও আবহাওয়ার পরিবর্তন অব্যাহত থাকতে পারে। বিভিন্ন এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। ফলে খোলা জায়গায় এবং গাছপালা বা দুর্বল কাঠামোর আশপাশে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।শুধু দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ২৩ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদাতেও প্রতিকূল আবহাওয়া তৈরি হতে পারে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ফলে আগামী কয়েক দিন রাজ্যের দুই প্রান্তেই আবহাওয়ার উপর নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে। তাই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সময় প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনো এবং স্থানীয় প্রশাসন ও আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
রাজ্য

উৎসবের মরসুমের পুণ্যার্থীদের জন্য জ্যাকপট, তারাপীঠ যাবেন? বিরাট ঘোষণায় ছক্কা হাঁকাল পূর্ব রেল

উৎসবের মরসুমের আগে ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চল ও সংলগ্ন এলাকার ট্রেনযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর দিল পূর্ব রেল। দীর্ঘদিনের দাবির পর শিয়ালদহ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন ব্যারাকপুরে এবার পরীক্ষামূলকভাবে থামবে ১৩১৮৭/১৩১৮৮ শিয়ালদহরামপুরহাটশিয়ালদহ মা তারা এক্সপ্রেস। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ থেকে এই নতুন স্টপেজ কার্যকর হবে বলে রেল সূত্রে জানানো হয়েছে।পূর্ব রেলের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শিয়ালদহ থেকে রামপুরহাটগামী ১৩১৮৭ মা তারা এক্সপ্রেস প্রতিদিন সকাল ৭টা ৪১ মিনিটে ব্যারাকপুর স্টেশনে পৌঁছবে। সেখানে এক মিনিট দাঁড়িয়ে সকাল ৭টা ৪২ মিনিটে রামপুরহাটের উদ্দেশে রওনা দেবে।অন্যদিকে, রামপুরহাট থেকে শিয়ালদহগামী ১৩১৮৮ মা তারা এক্সপ্রেস প্রতিদিন বিকেল ৫টা ৫৩ মিনিটে ব্যারাকপুরে পৌঁছবে। এক মিনিটের বিরতির পর বিকেল ৫টা ৫৪ মিনিটে শিয়ালদহের উদ্দেশে যাত্রা করবে।এই স্টপেজ চালু হওয়ায় ব্যারাকপুরের পাশাপাশি টিটাগড়, খড়দহ, পলতা-সহ আশপাশের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার যাত্রীরা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন বলে মনে করা হচ্ছে। এতদিন তারাপীঠ বা বীরভূমের অন্যান্য এলাকায় যেতে হলে অনেক যাত্রীকে প্রথমে শিয়ালদহ যেতে হত। কেউ কেউ নৈহাটি বা ব্যান্ডেল হয়ে সংযোগকারী ট্রেনের উপর নির্ভর করতেন। এবার ব্যারাকপুর থেকেই সরাসরি রামপুরহাটগামী ট্রেন ধরার সুযোগ মিলবে।বিশেষ করে তারাপীঠের মা তারার দর্শনে যাওয়া পুণ্যার্থী ও সাধারণ যাত্রীদের জন্য এই পরিষেবা সুবিধাজনক হবে। এতে যাতায়াতের সময় এবং অতিরিক্ত খরচ, দুটিই কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।রেল সূত্রে খবর, আপাতত যাত্রীদের চাপ এবং টিকিটের চাহিদা পর্যালোচনা করতে পরীক্ষামূলকভাবে এই স্টপেজ চালু করা হচ্ছে। স্থানীয় যাত্রী সংগঠন এবং নিত্যযাত্রীদের তরফেও রেলের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হয়েছে।রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যাত্রী পরিষেবা আরও উন্নত করা এবং গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলির সঙ্গে দূরপাল্লার যোগাযোগ বাড়ানোই এই ধরনের সিদ্ধান্তের অন্যতম লক্ষ্য। ব্যারাকপুরে মা তারা এক্সপ্রেস-এর স্টপেজ চালু হলে প্রতিদিনের যাত্রীদের পাশাপাশি উৎসবের মরসুমে তারাপীঠগামী যাত্রীদেরও সুবিধা হবে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
রাজ্য

ছেলেকে হারিয়ে শোকে বুকে পাথর চেপে প্রচারে ঝড়! দেড় লাখের বেশি ভোটে জয়ে আত্মবিশ্বাসী ‘ঘরের মেয়ে’ হাসিরানি রথ

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের প্রচার যত জোরদার হচ্ছে, ততই বাড়ছে রাজনৈতিক তরজা। রবিবার প্রচারে বেরিয়ে ভোটারদের কাছে বিজেপির পদ্ম প্রতীকে ভোট দেওয়ার আবেদন জানালেন দলের প্রার্থী হাসিরানি রথ। ভোটের গুরুত্ব বোঝাতে তিনি তুলে ধরলেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণের গোবর্ধন পর্বত ধারণের প্রসঙ্গ। তাঁর বক্তব্য, শ্রীকৃষ্ণ যেমন এক আঙুলে গোবর্ধন পর্বত ধারণ করেছিলেন, তেমনই ভোটের দিন ইভিএমে একটি আঙুলের শক্তি দেখাতে হবে।নন্দীগ্রামে প্রচার চলাকালীন বিজেপি কর্মী-সমর্থক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন হাসিরানি। নন্দীগ্রামকে নিজের বাড়ি বলে উল্লেখ করে তিনি জানান, এলাকার মানুষ তাঁকে যেভাবে আপন করে নিয়েছেন, তাতে তিনি অভিভূত। আগামী ৬ অক্টোবর ভোটের দিন ইভিএমে পদ্ম প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের কাছে আবেদন জানান তিনি।প্রচারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন শুভেন্দু অধিকারীর অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন বিজেপি প্রার্থী। তাঁর দাবি, সেই সময় শুভেন্দু অধিকারীকে একাধিকবার হেনস্থার মুখে পড়তে হয়েছিল। এমনকি সভা করার অনুমতি পেতেও তাঁকে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হতে হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন হাসিরানি।এরপরই ৬ অক্টোবরের ভোটকে রাজনৈতিক লড়াইয়ের সঙ্গে যুক্ত করে তিনি বলেন, ভোটের দিন ইভিএমে একটি আঙুলের মাধ্যমে নিজেদের শক্তি প্রকাশ করতে হবে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, বিজেপি নেতৃত্ব এবং শুভেন্দু অধিকারীর প্রতি সমর্থন জানানোর আবেদনও করেন তিনি।নন্দীগ্রামের মানুষ তাঁকে ঘরের মেয়ে হিসেবে গ্রহণ করেছেন বলে দাবি করেন হাসিরানি। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়ে তিনি খুশি বলেও জানান বিজেপি প্রার্থী।উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে জয়ী হওয়ার পর ভবানীপুর আসনটি রেখে নন্দীগ্রাম আসন ছেড়ে দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই কারণেই এই কেন্দ্রে উপনির্বাচন হচ্ছে। বিজেপির তরফে প্রার্থী করা হয়েছে হাসিরানি রথকে। তিনি প্রয়াত চন্দ্রনাথ রথের মা। চন্দ্রনাথ ছিলেন শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে। ভোটগণনা ৯ অক্টোবর। বিজেপি, তৃণমূলের দুই শিবির, কংগ্রেস এবং বাম-সহ একাধিক রাজনৈতিক শক্তি এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই জোরদার হচ্ছে প্রচার এবং রাজনৈতিক চাপানউতোর।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

একসময় পর্দায় ঝড় তুলেছিলেন, তারপর আচমকাই অন্তরালে! প্রয়াত মিঠু মুখোপাধ্যায়

বিনোদন জগতে ফের শোকের ছায়া। প্রয়াত হলেন বাংলা ছবির জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিঠু মুখোপাধ্যায়। মুম্বইয়ের একটি হাসপাতালে রবিবার রাতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই ক্যানসারে ভুগছিলেন তিনি। চিকিৎসার মধ্যেই শেষ পর্যন্ত মৃত্যু হল সাতের দশকের এই জনপ্রিয় অভিনেত্রীর।মিঠু মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁর পারিবারিক বন্ধু প্রবীর রায়। তাঁর কথায়, প্রায় এক বছর ধরে ক্যানসারে ভুগছিলেন অভিনেত্রী। মৃত্যুর সঠিক সময় সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি।অভিনেত্রীর প্রয়াণের খবর প্রকাশ্যে আসার পর সমাজমাধ্যমে শোকপ্রকাশ করেছেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। মিঠু মুখোপাধ্যায়ের ছবি ভাগ করে তিনি তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তাঁর প্রয়াণকে অত্যন্ত বেদনাদায়ক বলে উল্লেখ করে প্রসেনজিৎ জানিয়েছেন, অভিনেত্রীর স্মৃতি এবং তাঁর কাজ দীর্ঘদিন মানুষের মনে বেঁচে থাকবে।সাতের দশকের বাংলা সিনেমায় মিঠু মুখোপাধ্যায় ছিলেন অত্যন্ত পরিচিত মুখ। ১৯৭২ সালে একটি বাংলা ছবির মাধ্যমে তাঁর অভিনয়জীবন শুরু হয়। এরপর মর্জিনা আবদুল্লা ছবিতে নামভূমিকায় অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান তিনি। মৌচাক, স্বয়ংসিদ্ধা, নিশিকন্যা-সহ একাধিক ছবিতে তাঁর অভিনয় দর্শকদের নজর কেড়েছিল। পরে হিন্দি ছবিতেও অভিনয় করেন তিনি।মিঠু মুখোপাধ্যায়ের অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁর সৌন্দর্য ও পর্দায় স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিও দর্শকদের মধ্যে বিশেষ জনপ্রিয় ছিল। সেই সময় অনেকেই তাঁর সঙ্গে বলিউডের অভিনেত্রী রেখার তুলনা করতেন। বাংলা ছবির দর্শকদের একাংশের কাছে তিনি কলকাতার রেখা নামেও পরিচিত হয়ে ওঠেন।তবে জনপ্রিয়তার মধ্যেই ধীরে ধীরে সিনেমা থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন মিঠু মুখোপাধ্যায়। পরবর্তী জীবনে তাঁকে খুব বেশি প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি অনেকটাই লোকচক্ষুর আড়ালে ছিলেন। ফলে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কৌতূহলও ছিল দর্শকদের মধ্যে।তাঁর অভিনয়জীবন খুব দীর্ঘ না হলেও বাংলা সিনেমায় তাঁর উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। একের পর এক জনপ্রিয় ছবিতে অভিনয় করে অল্প সময়ের মধ্যেই নিজের জায়গা তৈরি করেছিলেন তিনি। প্রেমিকা থেকে শুরু করে প্রাণবন্ত তরুণী, নানা ধরনের চরিত্রে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।শেষ জীবনে অবশ্য সিনেমার আলো থেকে অনেক দূরে ছিলেন মিঠু মুখোপাধ্যায়। দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর রবিবার রাতে মুম্বইয়ে তাঁর মৃত্যু হল। তাঁর প্রয়াণে বাংলা সিনেমার একসময়ের জনপ্রিয় অধ্যায়ের ইতি ঘটল।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
দেশ

এসআইআরের জট কাটতে ১২ বছর! সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে বিস্ফোরক দাবি নির্বাচন কমিশনের

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে তৈরি হওয়া জট এখনও কাটেনি। এসআইআরের সময় নাম বাদ পড়া এবং ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তি নিয়ে মোট ৩৮ লক্ষের বেশি আপিল জমা পড়েছে। তার মধ্যে বিপুল সংখ্যক আবেদন এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে জানিয়েছে, বর্তমান গতিতে কাজ চললে সব আপিলের নিষ্পত্তি করতে ১২ বছরেরও বেশি সময় লেগে যেতে পারে।কমিশনের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, মোট ৩৮ লক্ষ ৩১ হাজারের মতো আপিল জমা পড়েছে। এর মধ্যে এসআইআরে নাম বাদ পড়া ভোটারদের ২২ লক্ষ ২১ হাজার ১১৮টি আবেদন রয়েছে। তাঁরা ভোটার তালিকায় নিজেদের নাম ফেরানোর আবেদন করেছেন। অন্য দিকে, প্রায় ১৬ লক্ষ ১০ হাজার আবেদন করা হয়েছে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির বিরোধিতা করে।এই বিপুল সংখ্যক আপিলের মধ্যে এখনও পর্যন্ত মাত্র এক লক্ষের কিছু বেশি মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের আরও সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী, ১ লক্ষ ২৬ হাজার ১৯৪টি আপিলের নিষ্পত্তি হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৯৩ শতাংশ ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের পক্ষে সিদ্ধান্ত গিয়েছে এবং তাঁদের নাম ফের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অন্য দিকে, ৮ হাজার ৬৪৯টি আপিলে আবেদনকারীরা হেরে গিয়েছেন।কমিশনের হিসাব বলছে, ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় ৩৭ লক্ষ ৫ হাজার আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিল। বর্তমান গতিতে মাসে গড়ে প্রায় ২৫ হাজারের কিছু বেশি আবেদন নিষ্পত্তি হচ্ছে। সেই হিসাবেই বাকি আবেদন শেষ করতে ১৪৬ মাসের মতো সময়, অর্থাৎ ১২ বছরেরও বেশি সময় লাগতে পারে বলে কমিশন জানিয়েছে।এই পরিস্থিতিতে আপিলের শুনানি দ্রুত শেষ করতে ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বর্তমানে ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনাল কাজ করছে। সেই সংখ্যা বাড়িয়ে ৪২টি করার আবেদন জানানো হয়েছে। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা কেন্দ্রের ভিত্তিতে একটি করে ট্রাইব্যুনাল তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।শুধু ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানো নয়, অনলাইনেও শুনানি করার অনুমতি চেয়েছে কমিশন। বিচারবিভাগীয় আধিকারিকেরা যাতে নিজেদের বাসভবন বা অন্য নির্দিষ্ট জায়গা থেকে অনলাইনে শুনানি করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা চালুর জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার সংশোধনের কথাও হলফনামায় জানানো হয়েছে।এসআইআরের সময় পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ২৭ লক্ষ ১৬ হাজার ভোটারের নাম বাদ পড়েছিল বলে কমিশনের তথ্য। তাঁদের মধ্যে ২২ লক্ষের বেশি ভোটার নিজেদের নাম ফেরানোর জন্য আপিল করেছেন। অর্থাৎ বাদ পড়া ভোটারদের একটি বড় অংশই এই আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নাম পুনর্বহালের আবেদন করেছেন।ফলে এখন মূল নজর আপিলের দ্রুত নিষ্পত্তির দিকে। ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব এবং অনলাইন শুনানির ব্যবস্থা কার্যকর হলে মামলার গতি কতটা বাড়ে, সেটাই এখন দেখার। একই সঙ্গে বাদ পড়া ভোটারদের আবেদনের শুনানি এবং ভোটার তালিকায় নাম পুনর্বহালের প্রক্রিয়া নিয়েও সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী শুনানির দিকে নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের নাম-প্রতীক ফ্রিজ! মমতার মামলায় জরুরি শুনানির আর্জি মেনে নিল সুপ্রিম কোর্ট

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দায়ের করা মামলায় তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করার নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। সেই মামলাটি জরুরি ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত করার আবেদন গ্রহণ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে সোমবার বিষয়টি উল্লেখ করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল।নির্বাচন কমিশন গত ১৭ সেপ্টেম্বর অন্তর্বর্তী নির্দেশে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নাম এবং দলের নির্দিষ্ট নির্বাচনী প্রতীক ব্যবহারে আপাতত নিষেধাজ্ঞা জারি করে। দুই গোষ্ঠীর মধ্যে দলের নাম, প্রতীক এবং সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরবর্তী উপনির্বাচনের জন্য দুই গোষ্ঠীকেই আলাদা নাম ও প্রতীক বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেন। তাঁর আবেদনে কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়েছে। সেই মামলাটিই দ্রুত শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার আবেদন জানান কপিল সিব্বল।সোমবার আদালতে মামলাটি উল্লেখ করে কপিল সিব্বল কমিশনের সিদ্ধান্তের সময় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে কমিশনের প্রক্রিয়া জুন মাসে শুরু হয়েছিল এবং জুলাইয়ে তাঁদের তরফে জবাব দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রক্রিয়া চলার মধ্যেই নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তি জারির পর প্রতীক ফ্রিজ করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।সিব্বলের আরও বক্তব্য, নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলাকালীন এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং তাই মামলাটি জরুরি ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত করা প্রয়োজন। তিনি কমিশনের সিদ্ধান্তের উপর স্থগিতাদেশ চেয়েছেন বলেও আদালতে জানান।এর পর প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, মামলাটি তালিকাভুক্ত হলে সব পক্ষই নিজেদের বক্তব্য রাখার সুযোগ পাবে। আদালত বিষয়টি দ্রুত তালিকাভুক্ত করার চেষ্টা করবে বলেও জানানো হয়। অর্থাৎ জরুরি শুনানির আবেদন গ্রহণ করা হলেও সেই মুহূর্তে শুনানির নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।এদিকে নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী ব্যবস্থায় দুই গোষ্ঠীকে আলাদা নাম ও প্রতীক দেওয়া হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠীর জন্য একটি নতুন নাম ও নতুন প্রতীক এবং অপর গোষ্ঠীর জন্য পৃথক নাম ও প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। এই ব্যবস্থা আসন্ন উপনির্বাচনকে সামনে রেখে কার্যকর করা হয়েছে।ফলে তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের পর এবার বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন। মামলাটি কবে তালিকাভুক্ত হয় এবং শুনানিতে আদালত কী নির্দেশ দেয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
কলকাতা

মমতার সমর্থন পাওয়ার পরেই গ্রেফতার, এবার হাইকোর্টে মিলন! কী চাইছেন নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী?

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে আইনি জটিলতায় পড়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান। পাঁচটি মামলায় রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে তাঁর আইনজীবী মামলাটি উল্লেখ করেছেন। আগামীকাল মামলাটির শুনানি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগে মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা সামনে এসেছে। তাঁর আইনজীবীর দাবি, এই পরিস্থিতিতে নির্বাচনের আগে তাঁকে আইনি সুরক্ষা দেওয়া প্রয়োজন। আদালত মামলাটি শুনে অভিযোগগুলির গুরুত্ব এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলি খতিয়ে দেখবে।মিলন প্রধানের গ্রেফতারিও নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের আগে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। শুক্রবার নন্দীগ্রামে তৃণমূলের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা জানান। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মিলনকে গ্রেফতার করা হয়।পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম জমি অধিগ্রহণ বিরোধী আন্দোলনের সময়ের একটি পুরনো খুনের মামলায় মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। সেই মামলার ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের আরও দাবি, ওই মামলায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে আইনগত প্রক্রিয়ার বাইরে ছিলেন।এ ছাড়াও মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে খুন, খুনের চেষ্টা, খুনের উদ্দেশ্যে অপহরণ, প্রমাণ লোপাট এবং অস্ত্র আইনের মতো ধারায় মামলা রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন করে আরও একটি মামলা যুক্ত হওয়ার কথাও প্রকাশ্যে এসেছে।মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলি এখনও আদালতে বিচারাধীন। তাঁর আইনজীবী নির্বাচনের আগে রক্ষাকবচ চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। ফলে আদালত এই আবেদন গ্রহণ করে কী নির্দেশ দেয়, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ।নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের আগে একদিকে প্রার্থীর গ্রেফতারি, অন্য দিকে পাঁচ মামলায় হাইকোর্টে রক্ষাকবচের আবেদনদুই ঘটনাতেই নতুন করে নজর পড়েছে এই কেন্দ্রের দিকে। আগামীকাল শুনানি হলে মিলন প্রধানের আবেদনে আদালতের অবস্থান কী হয়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal