• ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১৬ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IS

রাজ্য

ভর্তি নিয়ে হাওড়ার স্কুলে বিক্ষোভ, গেটে তালা, ধুন্ধুমার

চতুর্থ শ্রেণীতে পাশ করা ছাত্র-ছাত্রীদের পঞ্চম শ্রেণীতে ভর্তি না নেওয়ার অভিযোগ তুলে স্কুলে তালা লাগিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন অভিভাবকরা। বুধবার সকালে হাওড়ার কোনা হাইস্কুলে অভিভাবকেরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। বিক্ষোভকারী অভিভাবকরা স্কুলের গেটেও তালা ঝুলিয়ে দেন। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে প্রাথমিক বিভাগের ছাত্রদের উচ্চমাধ্যমিক বিভাগে ভর্তি নিতে হবে। তাঁদের অভিযোগ, প্রাথমিক বিভাগের পক্ষ থেকে ছাত্রদের নামের তালিকা উচ্চমাধ্যমিক বিভাগে ভর্তি নেওয়ার জন্য পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু স্কুলের উচ্চমাধ্যমিক বিভাগ সেই তালিকা ছিঁড়ে ফেলে দেয়। এই নিয়ে এদিন সকালে স্কুলের সামনে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু করে অভিভাবকরা। তাঁরা রাস্তা অবরোধ করেন। অবরোধের ফলে টানা যানজটের সৃষ্টি হয়। বিক্ষোভের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় দাশনগর থানার পুলিশ। ঘটনাস্থলে পুলিশ এলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। উল্লেখ্য, স্কুলে ত্রুটিপূর্ণ ভর্তি প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করেই এদিন অভিভাবকরা বিক্ষোভ দেখান কোনা হাই স্কুলে। অভিযোগ, করোনা পরিস্থিতির জন্য কোনও স্কুলে লটারির মাধ্যমে ভর্তি প্রক্রিয়া হয়নি। ছাত্র-ছাত্রীদের পরবর্তী ক্লাসে উত্তীর্ণ করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোনা হাইস্কুলে সেই নিয়ম না মেনে লটারি করা হয়েছে। লটারির মাধ্যমেই ছাত্র ছাত্রীদের ভর্তি করা হচ্ছে। এতে বেশ কিছু ছাত্রের নাম লটারিতে আসেনি। তারা ভর্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। করুণা হাজরা বলেন, যারা নার্সারি থেকে ভাল রেজাল্ট করেছে তাঁদের একটা লিস্ট করে স্কুলে পাঠানো হয়েছিল। সেই লিস্ট ছিঁড়ে ফেলে দিয়েছে। প্রধান শিক্ষকের কাছে সেই লিস্ট পৌঁছোয়নি। তাঁদের দাবি, ৫৫জন ছাত্র প্রাথমিকে ভাল রেজাল্ট করেছে তাদের হাই স্কুলে প্রথমে নিতে হবে। বাকি যা সিট থাকবে তার জন্য লটারি হবে। তাঁর অভিযোগ, কোন কথা শোনেননি উচ্চমাধ্যমিক বিভাগের প্রধান শিক্ষক। তাঁর কাছে প্রাথমিক বিভাগের প্রধান শিক্ষক গিয়েছিলেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিও গিয়েছিলেন তাঁর কাছে। কিন্তু কোনও গুরুত্ব দেননি। প্রায় ৩০ জন ছাত্র যাদের নাম ওঠেনি তাদের স্বাক্ষর সমেত দরখাস্ত জমা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রধান শিক্ষক কোনও কথা শোনেননি। অন্য স্কুলে ভর্তি হওয়ার নির্দেশ দেন। সেখানে উপস্থিত অপর অভিভাবক পিঙ্কি জানা বলেন, এখানে ভর্তির জন্য অনেকদিন থেকে স্কুলে আসছি। রেজাল্ট দেখতে দেখতে চাইছে না। সিট নেই বলা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২০
রাজনীতি

বিশ্বাসঘাতক-মীরজাফরেই শুভেন্দুকে তোপ সৌগত- ফিরহাদের

তৃণমূল কংগ্রেস থেকে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়ার পাঁচ দিনের মাথায় কাঁথিতে মিছিল ও জনসভা করল তৃণমূল কংগ্রেস। অধিকারীগড়ে সমাবেশ করে তৃণমূল বার্তা দিল আপাতত অখিল গিরিদের হাতেই থাকছে পূর্ব মেদিনীপুরে দলের ক্ষমতা। এই জনসভায় ছিলেন না তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা সাংসদ শিশির অধিকারী ও অপর সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। তৃণমূল নেতৃত্ব শুভেন্দুকে বিশ্বাসঘাতক ও মিরজাফর তকমাতে অনড় থাকলেন। বক্তারা টানা নিশানা করে গেলেন প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রীকে। পদ্ম শিবিরে যোগ দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী মঙ্গলবারই পূর্বস্থলীতে বিজেপির হয়ে জনসভায় প্রথম বক্তব্য রাখেন শুভেন্দু। শুভেন্দু মেদেনীপুরে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার দিন থেকে ভাইপো হটাওয়ের ডাক দিচ্ছেন। এদিকে এদিনের সভায় মূল দুই বক্তা সাংসদ সৌগত রায় ও মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বক্তব্যের প্রতি লাইনেই তুলোধোনা করেন দলের প্রাক্তন সেনানীকে। আগাগোড়া তোপ দাগলেন। শুভেন্দুকে ছাড়াই পূর্ব মেদিনীপুরে বিধানসভা নির্বাচনে ১৬ আসনেই জয়ী হবে তৃণমূল সেকথা ঘোষণা করেন ফিরহাদ। এদিনের সভায়ও ফিরহাদ হাকিম বিশ্বাসঘাতক বলে চিহ্নিত করেন শুভেন্দুকে। সৌগত রায় মীরজাফর বলে অভিহিত করেন। ফিরহাদ বলেন, শুভেন্দু বিশ্বাসঘাতক, এর জন্য আ্মরা ক্ষমা চাইছি। মমতাকে নয়, শুভেন্দু সাধারণ মানুষকে ধোঁকা দিয়েছে। পরিবারতন্ত্রের কথা বলছেন শুভেন্দু, কিন্তু ২০০৯-তে কীভাবে মনোনয়ন পেলেন তিনি। শিশির অধিকারীর ঘরে জন্ম না নিলে কোনও দিন শুভেন্দু অধিকারী হতে পারতেন না। ফিরহাদের কথায়, মেদিনীপুরের সবাই বলছেন কোনও রাজার প্রজা হয়ে থাকতে হবে না। অমরা সবাই রাজা এই রাজার রাজত্বে। দল ছাড়ার আগে সৌগত রায়ের সঙ্গে বেশ কয়েকবার বৈঠক করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই বৈঠকে কোনও সুরাহা হয়নি। এদিন শুভেন্দুকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন সৌগত রায়। দমদমের সাংসদ বলেন, শুভেন্দু মমতাকে ছেড়ে চলে গেল। ও মীরজাফরদের দলে নাম লিখিয়েছে। মানুষ মীরজাফরদের মেনে নেয় না। মুখে সতীশ সামন্তের কথা বলছে, কিন্তু চলে গেল শ্যামাপ্রসাদের দলে। এটাই কী আদর্শ-নীতির রাজনীতি? কাঁথি কোনও পরিবারের সম্পত্তি নয় বলেও জানিয়ে দেন সৌগত রায়। তিনি শুভেন্দুকে কোনও বড় পালোয়ান বলতে নারাজ, তাঁর মতে, অখিল গিরিই বড় পালোয়ান। কাঁথির মানুষ মমতার পাশেই থাকবেন বলে মনে করে সৌগতবাবু। এই জনসভায় যে শুভেন্দুকে কড়া বার্তা দেওয়া হবে তা রাজনৈতিক মহল অবগত ছিল। অখিলি গিরি জানিয়েছিলেন, শিশির অধিকারী ও দিব্যেন্দু অধিকারী কনসেন্ট দেয়নি সভায় থাকার বিষয়ে। এদিকে তাঁরা জানিয়েছেন, এই সভার বিষয়ে তাঁদের জানানোই হয়নি। অভিজ্ঞ মহলের মতে, যে সভায় ছেলেকে লাগামছাড়া শব্দে আক্রমণ করা হবে সেখানে কী থাকতে পারেন সাংসদ বাবা। তাছাড়া শিশির অধিকারীকে বিশ্রাম নিতে পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২০
রাজ্য

পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষের পদত্যাগের হুঁশিয়ারি, শোরগোল তৃণমূলে

জেলার এক সাংসদ ও দুই বিধায়ক বিজেপি শিবিরে যোগ দিয়েছেন। এবার পদত্যাগের হুঁশিয়ারি দিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের এক কর্মাধ্যক্ষ। দলের জেলা সাধারণ সম্পাদিকার পদ ছেড়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারিতে তোলপাড়। এবার বেসুরো পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ মিঠু মাঝি। মঙ্গলবার মিঠু মাঝি জানিয়ে দিলেন কর্মাধ্যক্ষ পদ থেকে পদত্যাগ করবেন। তবে তিনি পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের নারী ও শিশু এবং সমাজ কল্যাণ দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ পদ ছাড়লেও দল থেকে পদত্যাগ করছেন না। মিঠু মাঝি জানান, দীর্ঘদিন ধরেই তিনি অপমানিত হচ্ছেন। তাঁকে না জানিয়েই সব কাজ করা হচ্ছে। তাই বাধ্য হয়েই তিনি এই কর্মাধ্যক্ষের পদ ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আরও পড়ুন-- আমাকে বিধায়কের টিকিট দেওয়ার দরকার নেই-শুভেন্দু মিঠু পরপর দুবার জেলাপরিষদের জামালপুর আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে তিনি বন ও ভূমি দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ হিসাবে কাজ করেছেন। কিন্তু শেষ পঞ্চায়েত নির্বাচনে তিনি জয়লাভ করার পর তাঁকে নারী ও শিশু, সমাজকল্যাণ দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ করা হয়। কিন্তু তাঁকে কোনো কিছু না জানিয়েই সবরকমের সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। তাঁর দপ্তরের অধীন যে সমস্ত বিষয় সে সম্পর্কেও তাঁকে কিছু জানানো হচ্ছে না। সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরই তাঁকে জানানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন মিঠু মাঝি। আরও পড়ুন-- তোলা না পেয়ে মারধরের অভিযোগ, খতিয়ে দেখা হচ্ছে সিসিটিভি তাঁর অভিযোগ, আমাকে না জানিয়েই গতবছর সবলা মেলা গলসিতে করা হয়েছিল। এবছর সবলা মেলা করা হচ্ছে মেমারির সাতগেছিয়ায়। কিন্তু এবিষয়েও আমাকে কিছুই আগাম জানানো হয়নি। সবকিছু ঠিক করে আমাকে জানানো হয়েছে। এভাবে দিনের পর দিন আমি আর উপেক্ষার পাত্রী হয়ে থাকতে রাজি নই। গোটা বিষয়টি আমি দলের জেলা সভাপতি স্বপন দেবনাথসহ জেলা নেতৃত্ব এমনকি খোদ সভাধিপতিকেও জানিয়েছিলেন। কিন্তু কোনে সুরাহা হয়নি। এমনকি এব্যাপারে কথা তোলায় আ্মাকে কার্যত অপমানিতও করা হয়। আরও পড়ুন-- প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর মিঠু জানিয়েছেন, তিনি ত্রাণ বিভাগেরও কর্মাধ্যক্ষ। সাম্প্রতিককালে আমফানে ক্ষতিগ্রস্থদের সাহায্যের জন্য তিনি প্রতিটি জেলা পরিষদ সদস্যকে ৫টি করে ত্রিপল দেবার দাবি জানিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁকে অপমান করা হয়। স্বাভাবিকভাবেই তিনি সরকারি অর্থ খরচ করে প্রতিদিন জেলা পরিষদে আসা তিনি মানতে পারছেন না। তাই বাধ্য হয়েই তিনি পদত্যাগ করছেন। যদিও তিনি জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ পদ থেকে ইস্তফা দিলেও তিনি তৃণমূলের জেলা সাধারণ সম্পাদিকা হিসাবে এবং জেলা পরিষদের সদস্য হিসাবেই কাজ করে যাবেন। এমনকি তিনি তৃণমূল ছেড়ে অন্য দলেও যাচ্ছেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন। এই বিষয়ে জেলা সভাধিপতি শম্পা ধাড়া বলেন, এখনও এব্যাপারে আমাকে কিছু জানানো হয়নি। জেলা পরিষদের সব কর্মাধ্যক্ষই নিজের মত স্বাধীনভাবে কাজ করেন।কাউকে কাজ বাধা দেওয়া হয় না। মিঠু মাঝির পদত্যাগ নিয়ে রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র তথা জেলা পরিষদের সহসভাধিপতি দেবু টুডু বলেন, কোনও সমস্যা হতেই পারে। ওসব বড় ব্যাপার নয়। সব আলোচনা করে মিটিয়ে নেওয়া হবে।

ডিসেম্বর ২২, ২০২০
রাজ্য

তোলা না পেয়ে মারধরের অভিযোগ, খতিয়ে দেখা হচ্ছে সিসিটিভি

এলাকায় ব্যবসা করার জন্য তোলা চাওয়া হয়েছিল রেস্তোরাঁ থেকে। দাবিমতো সেই টাকা না পেয়ে রেঁস্তোরায় হামলা এবং মারধরের অভিযোগ উঠল হাওড়ায়। ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়ার চ্যাটার্জীহাট থানা এলাকায় শাস্ত্রী নরেন্দ্রনাথ গাঙ্গুলি রোডে। মাস খানেক আগে তোলা চেয়ে না পাওয়ায় এলাকার কয়েকজন দুষ্কৃতী এক মুদিখানার দোকানদারকে লোহার রড দিয়ে মেরে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছিল। তাঁকে বাঁচাতে এসে মার খেয়েছিলেন তাঁর বৃদ্ধ বাবা-মাও। সোমবার বেশি রাতে সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হল হাওড়ার চ্যার্টাজিহাট থানা এলাকার। সোমবার রাতে রেঁস্তোরা বন্ধ করার সময় দুই যুবক টাকা দাবি করে বলে অভিযোগ। টাকা না দেওয়ায় রেস্তোরাঁর মালিকের ছেলে এবং কর্মচারীর ওপর হামলা চালানো এবং মারধোর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। মারধরের হাত থেকে বাঁচতে তাঁরা উল্টোদিকের সাইকেলের দোকানে লোকানোর চেষ্টা করলে সেখানে গিয়েও আক্রমণ করে ৬-৭ জন দুষ্কৃতী। অভিযোগ দায়ের হয়েছে চ্যাটার্জিহাট থানায়। সিসিটিভিতে ধরা পড়েছে হামলার ছবি। এই ঘটনায় আতঙ্কিত এলাকার বাসিন্দারা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্ধ্যা থেকে কেনা বেচার পর রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ দোকান বন্ধ করতে যাচ্ছিলেন দোকান মালিকের ছেলে মহম্মদ কাদির। প্রচন্ড ঠান্ডা পড়ায় রাস্তায় লোকজন নেই বললেই চলে। ওই সময় হঠাৎ এক যুবক এসে দোকানের র্কমী মহম্মদ দানেশের কাছে টাকা চায়। এরপর ধীরে ধীরে ধীরে আরও ৬-৭ জন যুবক এসে গালিগালাজ শুরু করে। দুষ্কৃতীদের দাবি, এলাকায় ব্যবসা করতে গেলে টাকা দিতে হবে। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় এরপর ওই দুষ্কৃতীরা মহম্মদ দানেশ সহ দোকান মালিকের ছেলে মহম্মদ কাদেরকে বেধড়ক মারধর করতে শুরু করে। মারখেয়ে রাস্তায় পড়ে যান তাঁরা। রাস্তার ওপর ঘুষি, লাথি চলতে থাকে। এই হামলা প্রসঙ্গে রেস্তোরাঁর এক কর্মচারী ফারুক আনসারি জানান, সোমবার রাত প্রায় ১১-১৫ মিনিট নাগাদ তাঁরা রেঁস্তোরা বন্ধ করে বেরোচ্ছিলেন। সেই সময় একজন লোক রেঁস্তোরায় আসে। ওই লোকটি টাকা দাবি করে। কেন জিজ্ঞাসা করায় সে বলে এখানে ব্যবসা করার জন্য তাঁকে টাকা দিতে হবে। রেঁস্তোরা মালিক সেই টাকা দিতে অস্বীকার করায় লোকটি বচসা শুরু করে। দোকান খুলতে দেবে না বলে হুমকি দেয়। এরই মধ্যে সেখানে প্রায় চার পাঁচজন জন চলে আসে। এরা সকলে মিলে মারধর শুরু করে রেঁস্তোরার মালিক এবং তাঁর ছেলেকে। এই ঘটনার সময় পুলিশের একটি টহলদারি ভ্যান এসে পড়ায় দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। হাওড়া সিটি পুলিশের পক্ষ থেকে জানা গিয়েছে, ‘‘তোলা না পেয়ে মারধরের অভিযোগ আমরা পাইনি। বিরিয়ানি না পেয়ে একটু ধাক্কাধাক্কি হয়েছে শুনেছি। তবে লিখিত অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেব।’’

ডিসেম্বর ২২, ২০২০
রাজনীতি

"আমাকে বিধায়কের টিকিট দেওয়ার দরকার নেই"-শুভেন্দু

বিধানসভার টিকিট চান না সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর একটাই লক্ষ্য রাজ্যে পরিবর্তন আনা। পূর্বস্থলীতে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর প্রথম জনসভায় কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না তৃণমূল কংগ্রেসকে। তাঁর কথায় দেড় জনে মিলে তৃণমূল চালাচ্ছে। শনিবার মেদিনীপুরে এক জনসভায় অমিত শাহর(amit shah) হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেন প্রাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী(Suvendu Adhikari)। তারপর পূর্ব বর্ধমানে এটাই ছিল তাঁর প্রথম জনসভা। এই জনসভায় হাজির ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। আরও পড়ুন--প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর শুভেন্দু বলেন, দলকে আমাকে বিধায়কের টিকিট দেওয়ার দরকার নেই। ২৪ ঘণ্টার মধ্য়ে ১৬ ঘণ্টা খাটবো। যেখানে বলবে সেখানে যাব। হারবই হারাব। আমরা জিতবই। নতুন বাংলা গড়ব, সোনার বাংলা গড়ব। পরিবর্তনের পরিবর্তন চাই। দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে যা নির্দেশ দেবে তা আমরা পালন করব। মীরজাফরের সঙ্গে তুলনা টানা হচ্ছে শুভেন্দু অধিকারীকে। বিজেপি যোগ নিয়েই তৃণমূল নেতৃত্ব তোপ দেগে চলেছে শুভেন্দুকে। প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী মীরজাফরের জবাবে বলেন, ১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা হয়। ১৯৯৮-এ পঞ্চায়েত ভোট, ১৯৯৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের সঙ্গে কারা ছিল। সেদিন ভারতের প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী তৃণমূল কংগ্রেসকে আশ্রয় না দিতেন, লালকৃষ্ণ আদবানী আশ্রয় না দিতেন এই দলটা ২০০১ সালেই উঠে চলে যেত। এটাকে অস্বীকার করতে পারবেন না। আরও পড়ুন--এক মাসেই ২২৩টি ধর্ষণের অভিযোগ নথিভুক্ত বাংলায়, টুইটে তোপ মালব্যের বিজেপির সঙ্গে তৃণমূলের যোগ নিয়ে তিনি আরও বলেন, ২০০৪ সালে তমলুক লোকসভায় কেউ লড়তে রাজি হয়নি। সেদিন আমি এনডিএ-র প্রার্থী হয়ে লড়েছিলাম। একদিকে বিজেপির ঝান্ডা অন্যদিকে তৃণমূলের ঝান্ডা নিয়ে লড়েছিলাম। ২০০৭ সালে নন্দীগ্রামের গণহত্য়ার দিন অন্য় কোনও রাজনৈতিক দলের নেতা আসেননি। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব পাশে ছিলেন।

ডিসেম্বর ২২, ২০২০
রাজ্য

দল ছেড়ে বিরাগভাজন শুভেন্দু, কোথাও পুড়েছে কাট-আউট, কোথাও ছবিতে কালি

মেদিনীপুর কলেজ ময়দানের জনসভায় অমিত শাহের উপস্থিতিতে পদ্মশিবিরে যোগ দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এরপর থেকেই শুভেন্দু অধিকারীর পোস্টারে আগুন ধরিয়ে বিক্ষোভ হয় মালদার চাঁচলে। নানা জায়গায় ক্ষোভ উগরে শুভেন্দু অধিকারীর ছবি ও পোস্টার পুড়িয়ে বিক্ষোভ হয়। এবার হাওড়ার ইছাপুরে শুভেন্দুর পোস্টারে কালি লেপে দেওয়া ছবি দেখা গেল। ছবিতে লেখা চোর। তবে কে বা কারা এই ঘটনায় যুক্ত তা জানা যায়নি। কয়েকদিন আগেই আমরা দাদার অনুগামীর তরফে হাওড়ার ইছাপুর জলের ট্যাঙ্ক মোড় এলাকায় এই পোস্টার দেওয়া হয়েছিল। শুভেন্দু দল পাল্টে বিজেপিতে যেতেই তাঁর ছবিতে কালি লাগিয়ে তাঁকে চোর বলে আখ্যা দেওয়া হল। এই প্রসঙ্গে বিজেপির হাওড়া সদরের সভাপতি সুরজিৎ সাহা বলেন, আয়নায় দেখলে যেরকম লাগবে এটা ঠিক সেরকম। শুভেন্দুদার মুখে নয়, এটা কালি লেগেছে তৃণমূলের মুখেই। ওরা শুভেন্দুদার মতো একজন দক্ষ সংগঠককে ধরে রাখতে পারেননি। ওরা নিজেরাই চোর। তাই শুভেন্দুদার মতো লোককে চোর বলছে। এই প্রসঙ্গে হাওড়ার তৃণমূল চেয়ারম্যান তথা রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ রায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, তৃণমূল এই কাজ করেনি, উন্নয়নের কথা বলছি আমরা তাতেই সময় কেটে যাচ্ছে।

ডিসেম্বর ২১, ২০২০
রাজ্য

‘বিজেপি বহিরাগতদের এনে ব়্যালি করছে’, দাবি অনুব্রতর

ডাকবাংলো মোড় থেকে চৌরাস্তা গোটা রাস্তাতেই ব্যান্ড বাজছে। বাড়ির উপর থেকে ফুল পড়ছে। জনজোয়ারে ভেসে এগিয়ে চলেছেন অমিত শাহ। পরে শাহের জয় শ্রীরাম ধ্বনিতে যেন জনতার বাঁধ ভাঙল। বোলপুরে এ দিন অমিত শাহের মেগা ব়্যালিতে ভিড় ছিল উপচে পড়া। তবে, একে আমল দিতে নারাজ খোদ বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। উল্টে এখানেও বহিরাগত তত্ত্ব হাজির করলেন নেত্রীর আস্থাভাজন কেষ্ট। দলীয় বঙ্গধ্বনী কর্মসূচির মাঝেই নিজস্ব কায়দায় বললেন, বিজেপি বহিরাগতদের এনে এই ব়্যালি করছে। আমি জেলার লোক নিয়ে মিছিল করি। কয়েকটা ব্লক নিয়ে মিছিল করলেই এর থেকে বেশি ভিড় জমিয়ে দিতে পারি। আরও পড়ুন ঃ রোড শোতে উপচে পড়া ভিড়, হুডখোলা গাড়ি থেকে পরিবর্তনের ডাক শাহের এখানেই থেমে থাকেননি অনুব্রত। উল্টে কিছুটা চ্যালেঞ্জের সুরেই তাঁর দাবি, আগামী ৪ জানুয়ারি থেকে জেলার বিভিন্ন এলাকায় সভা শুরু হবে। প্রতিটা ব্লকে ৮০ হাজার করে লোক থাকবে। এরপরই তৃণমূল নেত্রীর পদযাত্রার প্রসঙ্গ উত্থাপ করে তিনি বলেন, মমতাদির সবা-মিছিল হলে পাঁচ-ছয়টা ব্লক থেকে মিছিল তাতেই চার-পাঁচ লাখ লোক হয়ে যায়। এসব আমাদের কাছে কোনও ব্যাপার নয়। বিজেপির এ দিনের কর্মসূচিতে যে ভিড় হয়েছে তাতে কি তিনি ভীত? অনুব্রত মণ্ডল বলেন, আমিত শাহ রোজ আসুন। এতে তৃণমূলের কোন ক্ষতি হবে না। উৎসাহিত হবে দলের কর্মীরা। একই সঙ্গে বলেন, শুভেন্দু হোক বা অন্য কেউ- তৃণমূল ছাড়লে ক্ষতি দলত্যাগীদের। ফের বাংলার ক্ষমতায় আসবে তৃণমূল।

ডিসেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

রোড শো’তে উপচে পড়া ভিড়, হুডখোলা গাড়ি থেকে পরিবর্তনের ডাক শাহের

রবিবার অনুব্রত মণ্ডলের খাস তালুকে রোড শো করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কর্মীদের ভিড় এতটাই ছিল এক কিলোমিটার রাস্তা পেরোতে সময় লেগে গেল এক ঘণ্টারও বেশি। শুধু তাই নয় রাস্তার দুপাশে বিজেপির কর্মী সমর্থকদের ভিড় এতটাই ছিল যে রাস্তার দুপাশে দড়ি দিয়ে আটকে রাখা যাচ্ছিল না কর্মী-সমর্থকদের। রীতিমতো পুলিশকে বেগ পেতে হয় কর্মী-সমর্থকদের আটকানোর জন্য। অমিত শাহের রোড শো এর একদম প্রথমে ছিলেন বীরভূমের পুলিশ সুপার। হুডখোলা গাড়িতে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ কে সঙ্গে নিয়ে এদিন রোড শো-র প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত ভালো মুডে দেখা গেল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। রোড শো-র প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত গোলাপের পাপড়ি কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশ্যে ছুঁড়তে ছুঁড়তে গেলেন অমিত শাহ। আরও পড়ুন ঃ পাহাড়ে বিমলের সভার আগে আদিবাসীদের হুঁশিয়ারি আগুন জ্বলবে এরপর হুডখোলা গাড়িতে দাঁড়িয়ে সুর চড়ালেন অমিত শাহ। বলেন, এরকম রোড শো জীবনে দেখিনি। এটা ঐতিহাসিক। ডাকবাংলো মোড় থেকে চৌরাস্তা পর্যন্ত রোড শোতে ভিড় প্রসঙ্গে বার্তা দেন শাহ। মেদিনীপুরের পর বীরভূমে অনুব্রতর গড়ে ফের পরিবর্তনের বার্তা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। এছাড়াও বিধানসভা নির্বাচনে ক্ষমতায় আসলে সোনার বাংলা গড়ার ডাক শাহের। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কটাক্ষ করে শাহ বলেন, তোলাবাজি বন্ধে পরিবর্তন দরকার। বিজেপি বাংলার উন্নয়ন করবে। রোড শো ঐতিহাসিক। এরকম র্যালি আগে দেখিনি। মোদিজির প্রতি ভালবাসা দেখছি। হিংসা বদলে বদল জরুরি। ভাইপোর দাদাগিরি বন্ধ হবে। অমিতের দাবি, বাংলার উন্নয়ন করবে বিজেপির সরকারই। বলেন, যেখানে বিজেপির শাসন, সেখানেই উন্নয়ন। উন্নয়নের রাস্তা থেকে সরে গিয়েছে বাংলা। পাশাপাশি মানুষের কাছে বিজেপিকে ভোটে জয়ী করার আহ্বানও জানান তিনি। বলেন, এতদিন তো কংগ্রেস, কমিউনিস্ট, তৃণমূলকে দেখলেন। কিন্তু তাতে কি অবস্থার কোনও বদল হয়েছে? বিজেপিকে একটি বার সুযোগ দিন, সোনার বাংলা গড়ব।

ডিসেম্বর ২০, ২০২০
কলকাতা

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনওদিন দলবদল করেনি, দাবি সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনওদিন দলবদল করেনি। ১৯৯৮ সালে কংগ্রেস ছেড়ে নিজের দল প্রতিষ্ঠা করেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেটাকে দলবদল বলে না। এভাবেই রবিবার মেদিনীপুর কলেজ মাঠের জনসভায় করা অমিত শাহের বক্তব্যের জবাব দিলেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, অমিত শাহর মতো একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সেটা জানা উচিত ছিল। বারবার বাংলায় এসে একটা দল যদি তৃণমূলকে অপমানজনকভাবে উপেক্ষা করার চেষ্টা করে তা হলে আমরা অবশ্যই প্রতিবাদ করব। রাজ্য সরকারের নামে একের পর এক মিথ্যে কথা বললে আমরা চুপ করে বসে থাকব না। বাংলার মানুষ এই বঞ্চনার জবাব বিজেপিকে দেবে। আরও পড়ুন ঃ অনুব্রত বিজেপিতে যোগ দিতে চাইলে ভেবে দেখবেনঃ দিলীপ ঘোষ সুব্রত মুখোপাধ্যায় এদিন আরও বলেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী বারবার দাবি করেছেন, তাঁর সরকার নাকি বাংলাকে ধান, শস্য দিয়েছে। কিন্তু তৃণমূলের কর্মীরা সেই ধান, শস্য রাজ্যবাসীকে দেয়নি। নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিয়েছে। কিন্তু আসল সত্যি অন্য। মমতার সরকার রাজ্যের দশ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে রেশন দেওয়ার ব্যবস্থা করেছিল। মহামারীর সময় দেশের কোনও রাজ্য সরকার মানুষের জন্য এমন ব্যবস্থা করতে পারেনি। মমতার সরকার যেটা করেছে তা ভারতের ইতিহাসে লেখা থাকবে। কেন্দ্র দাবি করেছে, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সুবিধা তারা বাংলার জনগণকে দিতে চেয়েছে। কিন্তু তৃণমূল নাকি রাজ্যে তা চালু করতে দেয়নি। এই রাজ্যে দেড় কোটির বেশি মানুষ বার্ষিক ৫ লাখ টাকা করে স্বাস্থ্যসাথীর সুবিধা পেয়েছেন। তৃণমূল সরকার কেন্দ্রের উপর নির্ভর করে ছিল না। অমিত শাহ হোম মিনিস্টার। এত বড় পদে থেকে ভুল তথ্য দিলে আমরা প্রতিবাদ করব। বাংলার মানুষও প্রতিবাদ করবে। তিনি এদিন আরও বলেন, যাঁরা বাংলার সংস্কৃতি বোঝেন না, বাংলার গর্ব বিদ্যাসাগর-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে সম্মান দেয় না, তাঁরা আবার বাংলা দখলের স্বপ দেখেন। এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে বিদ্যাসাগরের মূর্তিভাঙা প্রসঙ্গও টেনে আনেন তিনি। আক্রমণ শানান শুভেন্দু-সহ দলত্যাগী সকল নেতাদের উদ্দেশেও। বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতার অভিযোগ, যাঁরা এভাবে দল ছাড়েন তাঁরা বিশ্বাসঘাতক। তাঁরা মীরজাফর, জগৎ শেঠ। মানুষ এঁদের ক্ষমা করে না। বিজেপিকে খোঁচা দিয়ে সুব্রতবাবুর শ্লেষ, একা শুভেন্দুকে নিয়েই ২৫০ আসনের স্বপ্ন দেখছে। এরপর কোনদিন তো বলে বসবেন ৩০০-এর বেশি আসন পাবে! এখনই সামলে নেওয়া উচিৎ। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে পূর্ব মেদিনীপুরের দাপুটে তৃণমূল নেতা মামুদ হোসেন তার ৫০০ অনুগামীকে নিয়ে তৃণমূলে যোগ দেন। সুব্রত মুখোপাধ্যায় তার হাতে পতাকা তুলে দিয়ে দলে স্বাগত জানান।

ডিসেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

বোলপুরের বাউল বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ অমিত শাহর

শ্যমবাটিতে বাউল শিল্পী বাসুদেব দাসের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। নির্দিষ্ট সময়ের খানিকটা পরেই অমিত শাহ পৌঁছন বাউল বাসুদেবের বাড়িতে। সেখানকার শিবমন্দিরে প্রথমে পুজো দেন। এরপর দাওয়ায় এসে বসেন। তাঁকে উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করে নেন বাড়ির মেয়েরা। তোমায় হৃদমাঝারে রাখব গান শুনে মধ্যাহ্নভোজ সারেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ, সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায়, অনুপম হাজরা প্রমুখ। কথা ছিল, বোলপুরে গেলে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একেবারে স্থানীয় খাবার খাবেন বাউল পরিবারে। আরও পড়ুন ঃ ৭০ বছর পর ঐতিহাসিক সাফল্য ভারত সরকারের সেইমতো রবিবার অতিথি আপ্যায়ণের জন্য সকাল থেকেই তোড়জোড় শুরু হয় রতনপল্লির বাউল বাসুদেব দাসের পরিবারে। পাতে ছিল, ভাত, মুগের ডাল, বেগুন ভাজা, পালং শাকের তরকারি, আলু পোস্ত, চাটনি। কলাপাতায় এই সব পদ সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, নিজের গলায় একখানা গানও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে শোনান শিল্পী। মাটির দাওয়ায় বসেই তা বেশ উপভোগও করলেন অমিত শাহ।

ডিসেম্বর ২০, ২০২০
বিদেশ

সরকার ভেঙে দেওয়ার সুপারিশ করলেন কেপি ওলি

দেশের নয়া রাজনৈতিক মানচিত্র নিয়ে ভারতের সঙ্গে বিরোধের মাঝেই নয়া পদক্ষেপ করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি ওলি। সূত্রের খবর, নেপালের নির্বাচিত সরকার ভেঙে দেওয়ার সুপারিশ করেছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে চিঠিও লিখেছেন কেপি ওলি।আরও পড়ুন ঃ অবশেষে পরাজয় স্বীকার করে নিলেন ট্রাম্পনেপালের সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠকের পর রবিবার সকালাএ মন্ত্রী পরিষদের জরুরি বৈঠক ডেকেছিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, তার সরকার সংখ্যা গরিষ্ঠতা হারিয়েছে, তাই রকার ভেঙে দেওয়ার সুপারিশ করছেন তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে।উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস ধরেই করোনা ভাইরাস ও দেশের অর্থনীতির অবস্থাকে কেন্দ্র করে ডামাডোল চলছে নেপালের রাজনীতিতে। ফের দেশে রাজতন্ত্র ফিরিয়ে আনার দাবি উঠেছে। দলের অন্দরেও কেপি ওলির বিরুদ্ধে সুর চড়া হচ্ছিল। তার মাঝেই এল সরকার ভেঙে দেওয়ার সুপারিশের খবর।

ডিসেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

৭০ বছর পর ঐতিহাসিক সাফল্য ভারত সরকারের

৭০ বছর ধরে ভারত সরকার তেলের খোঁজ চালাচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। ১৯৪৯ সালে থেকেভারত সরকার খোঁজা শুরু করে এরপর ষাটের দশক থেকে ওএনজিসি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তেলের খোঁজ শুরু করে। কিন্তু বড় কোন সাফল্য দেখতে পাইনি ভারত সরকার। মোদি সরকারের নেতৃত্বে ২০১৪ সালে সরকার আরও জোর দিতে শুরু করে খনিজ তেলের ওপর। এরপরই পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বাইগাছি এলাকায় শুরু হয় খননের কাজ। প্রথম পর্যায় অনেক প্রধান জানায় তিনি এলাকা পরিদর্শন করবেন।সেই মতই রবিবার সকালে উত্তর ২৪ পরগনার অশোক নগর বাইগাছি এলাকায় আসেন কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। মন্ত্রী নিজে খনিজ তেল উৎপাদন স্থলের কাছে গিয়ে হাত দিয়ে দেখে জানায় উৎকৃষ্টমানের তেল এই এলাকা থেকে পাওয়া যাচ্ছে। এরপর এই তেল হলদিয়ায় নিয়ে গিয়ে সংশোধন করা হবে বলে জানায় মন্ত্রী। এছাড়া তিনি জানায়, স্থানীয় উন্নতির আরো একধাপ নতুন পালক হয়ে উঠবে এই অশোকনগরের খনিজ তেল উৎপাদন কেন্দ্র। আরো দুধাপ জায়গা নিয়ে আরো বড় প্লান্ট তৈরি করা হবে। স্থানীয় যুবকদের কর্মসংস্থান আরো বাড়বে বলে দাবি করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ বিশ্বভারতীর সঙ্গীতানুষ্ঠানে যোগ দিলেন অমিত শাহ এছাড়াও রাজ্যের অর্থনীতি আরো ভালো তৈরি হবে বলে জানান তিনি।পশ্চিমবঙ্গের অশোকনগর কেন্দ্রের যে তেল উৎপাদন হচ্ছে তা উৎকৃষ্টমানের তেল। এখান থেকে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে তেল সাপ্লাই করা হবে। এর জন্য তিনি ধন্যবাদ জানান স্থানীয় ওএনজিসি কর্মীদের। মন্ত্রী জানায় স্থানীয় মানুষদের সাহায্য অত্যন্ত জরুরী এছাড়াও এখানে যে ট্রাক বা যোগাযোগ ব্যবস্থা হবে তার ফলে স্থানীয় যুবকদের কর্মসংস্থান বাড়বে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছাশক্তির বলে দেশ আরও আত্মনির্ভর হচ্ছে। পূর্ব ভারতে বেশি করে সাফল্য মিলছে। আমরা একদিকে যেমন সোনার বাংলা গড়বে পাশাপাশি জয় বাংলা স্লোগানও তুলব। তিনি বলেন, আমরা এই এলাকায় আরও অনুসন্ধানের কাজ শুরু করব। স্থানীয় প্রশাসনের তাতে সহযোগিতা চাই। যদিও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এদিনের অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসন বা জনপ্রতিনিধিদের দেখা যায়নি।

ডিসেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

বিশ্বভারতীর সঙ্গীতানুষ্ঠানে যোগ দিলেন অমিত শাহ

লাল মাটির বোলপুরে অমিত শাহর কর্মসূচি ঘিরে সাজো সাজো রব। শাহী পোস্টার এবং কাটআউটে ছেয়ে গিয়েছে বোলপুরের চারদিক। বোলপুরে সকালেই পৌঁছেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পৌঁছানোর পর উপাসনা গৃহ ঘুরে দেখেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এরপর সঙ্গীত ভবনে যান শাহ। সঙ্গীত ভবনের পড়ুয়াদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দর্শকাসনে বসে অনুষ্ঠান দেখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সঙ্গে ছিলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়, মুকুল রায়, দিলীপ ঘোষ ও রাহুল সিনহা। শান্তিনিকেতনে ভিজিটর্স বুকে নিজের প্রতিক্রিয়া লেখেন তিনি। সেখান থেকে বাংলাদেশ ভবনের অনুষ্ঠানে যোগ দেন শাহ। আরও পড়ুন ঃ কৃষক পরিবারে মধ্যাহ্নভোজন অমিত শাহর, খেলেন কলাপাতায় অমিত শাহ বলেন, আমি এসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে সম্মান জানালাম। আজ খুব সৌভাগ্যের দিন। জগতকে বাংলার সঙ্গে যুক্ত করতে শান্তিনিকেতন তৈরি করা হয়েছিল। শতবর্ষ উদযাপিত হতে চলেছে বিশ্বভারতীর। তাই এটাই সময় বাংলার শিক্ষা, সংস্কৃতি সঙ্গে সকলের পরিচয় ঘটানোর। কদিকে বাঙলি মনন-আবেগকে নাড়া দেওয়া, অন্যদিকে হিন্দুত্বের মোড়কে বিজেপির প্রচার। এই দুয়ের লক্ষ্যে ভোটের আগে এবার বঙ্গ সফরে অমিত শাহ।

ডিসেম্বর ২০, ২০২০
রাজনীতি

বিধানসভা ভোটের আগে দলের বৈঠকে সংগঠন মজবুতের উপর জোর অমিত শাহের

সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে দলের সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে। শনিবার রাতে নিউটাউনের হোটেলের রুদ্ধদ্বার বৈঠকে নেতা-কর্মীদের হোম টাস্ক বেঁধে দিলেন অমিত শাহ। ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত বিজেপির রাজ্য নেতাদের সমস্ত কর্মসূচি বেধে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। যার মধ্যে সবচেয়ে জরুরি বুথস্তরে সংগঠন মজবুত করা। কীভাবে হবে সেই কাজ? ভোটার তালিকা স্ক্রুটিনির কাজে কর্মীদের বাড়ি-বাড়ি যেতে হবে। আরও পড়ুন ঃ বিজেপির পতাকা হাতে নিয়ে শুভেন্দুর শ্লোগান তোলাবাজ ভাইপো হঠাও পাশাপাশি প্রতি বুথে পাঁচটি করে দেওয়াল লিখন করাতে হবে। এককথায়, এবার মাঠে নেমে গা ঘামাতে হবে বিজেপির বুথস্তরের কর্মীদের। যা দেখে কেউ কেউ বলছেন, তৃণমূল স্তরে ঘর গুছিয়ে তৃণমূলকে মাত দিয়ে চাইছেন শাহ। সেদিকে নজর রেখেই রাজ্যে আগামীদিনে শুভেন্দুকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এমনকী, নির্বাচনী কমিটির গুরুত্বপূর্ণ দ্বায়িত্বও পেতে পারেন তিনি। নিউটাউনের বৈঠকেই অমিত শাহ জানিয়েছেন, নতুন বছরে জানুয়ারি মাসে তিনদিন রাজ্যে আসবেন তিনি এবং জে পি নাড্ডা।

ডিসেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

কৃষক পরিবারে মধ্যাহ্নভোজন অমিত শাহর, খেলেন কলাপাতায়

মেদিনীপুরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। একাধিক কর্মসূচির মাঝে মধ্যাহ্নভোজ সারতে বালিজুড়ি গ্রামে কৃষক পরিবারে পৌঁছলেন তিনি। পরিবারের মহিলা সদস্যরা শঙ্খধ্বনি দিয়ে স্বাগত জানান তাঁকে। মেদিনীপুরের বালিজুড়ির কৃষক ঝুনু ওরফে সনাতন সিংয়ের বাড়িতে তৎপরতা ছিল তুঙ্গে। মাটি দিয়ে নিকোনো বাড়িতে সূক্ষ্ম হাতে আঁকা হয়েছিল আলপনা। এছাড়াও লেখা হয় স্বাগতম। শুক্রবার সকাল থেকে গেরুয়া শিবিরের নেতাকর্মীদের আনাগোনা লেগেই ছিল। বাড়ির সামনে মোতায়েন করা হয়েছিল নিরাপত্তারক্ষীদের। শনিবার দুপুর দেড়টার কিছু পরে এল সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। কৃষক সনাতনের মাটির বাড়ির সামনে এসে পৌঁছয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কনভয়। সেই সময় তাঁকে স্বাগত জানানোর জন্য বাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন সনাতনের পরিজনেরা। আরও পড়ুন ঃ ক্ষুদিরাম বোসকে স্মরণ অমিত শাহের পরিবারের মহিলা সদস্যরা শঙ্খধ্বনি দিয়ে তাঁকে অভ্যর্থনা জানান। এরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অল্প কিছুক্ষণ আলাপচারিতা সারেন অমিত শাহ। বসেন বাড়ির সামনে থাকা খাটিয়ায়। তারপর ধীরে ধীরে সনাতন সিংয়ের বাড়ির দাওয়ায় গিয়ে পৌঁছন অমিত শাহ। মাটিতে বসে কলাপাতায় খাবার খান তিনি। তাঁর মেনুতে ছিল লাউ মুগডালের বিশেষ পদ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে খাওয়ানো হয় ভাত, রুটি, উচ্ছে ভাজা, পটল ভাজা, বেগুন ভাজা, খসলা শাকের ভাজা, লাউ মুগডাল, শুক্তো, চাটনি ও পাঁপড়। ছিল স্যালাড এবং টক দই। পরিমাণে অল্প হলেও সব পদই খান তিনি। তাঁর সঙ্গে একই পংক্তিতে বসে ওই খাবার খান দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায় এবং কৈলাস বিজয়বর্গীয়রাও।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

ক্ষুদিরাম বোসকে স্মরণ অমিত শাহের

ক্ষুদিরাম বোস যতটা বঙ্গ থেকে ছিলেন ততটা ভারতবর্ষের এবং পন্ডিত রাম প্রসাদ বিসমিল ততটাই উত্তরপ্রদেশ থেকে, যতটা পশ্চিমবঙ্গ থেকে। পশ্চিম মেদিনীপুরে শহীদ ক্ষুদিরাম বোসের মূর্তিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর এই মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেন, আমরা দেশের জন্য মরার সুযোগ পাইনি, তবে আমরা দেশের জন্য বেঁচে থাকার সুযোগ পেয়েছি। আসুন আমরা সাহসী শহীদ ক্ষুদিরাম বোসকে স্মরণ করি এবং তাঁর নির্ধারিত পথে চলি এবং দেশের বিশিষ্ট প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী ও সুরক্ষিত ভারত গড়ে তুলি। আজ আমি সেই সাহসী শহীদ ক্ষুদিরাম বোসের জন্মস্থানে আসার সৌভাগ্য পেয়েছি যিনি দেশের স্বাধীনতার জন্য তাঁর সর্বস্ব ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তাঁর জন্মস্থানে এসে এখানের মাটি, হাওয়ার স্পর্শ কপালে পেয়ে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি। স্বাধীনতা সংগ্রামে পশ্চিমবঙ্গ ও বাঙালি পুত্রদের অবদান ভারত কখনই ভুলতে পারে না। ক্ষুদিরাম বোস ছিলেন এই ঐতিহ্যের বাহক। তিনি এমন সাহসী যুবক ছিলেন, যিনি কেবল ১৮ বছর বয়সে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই করে হাতে গীতা নিয়ে ফাঁসির দড়িকে চুম্বন করার সাহস দেখিয়েছিলেন। এ সময় তাঁর জনপ্রিয়তা সারা দেশে এত বেশি ছিল যে কিছু তাঁতি ধুতিতে ক্ষুদিরাম বোস লিখতে শুরু করেছিলেন এবং তিনি বাংলার যুব সমাজের স্বাধীনতা আন্দোলনে অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়েছিলেন। ফাঁসির দড়ি গলায় পরার আগে শহীদ ক্ষুদিরাম বোস দ্বারা উচ্চারিত বন্দে মাতরমের স্লোগানটি বঙ্গ ও ভারতের যুবকদের মুক্তির স্বপ্নে পরিণত হয়েছিল। আরও পড়ুন ঃ বিজেপিতে শুভেন্দু সহ একঝাঁক তৃণমূল নেতার যোগদান এটি একটি কাকতালীয় ঘটনা যে এই দিনে মহান দেশপ্রেমিক পন্ডিত রাম প্রসাদ বিসমিল, আশফাক উল্লা খান এবং ঠাকুর রওশন সিংকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল। আজ এই তিন সাহসীদের শহীদ দিবসও। তিনি ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে দেশের স্বাধীনতার জন্য আত্মসমর্পণ করেছিলেন। আজ আমি সেই তিন সাহসী শহীদকেও প্রণাম জানাই। আমি যখন বাংলায় এসেছি, এখানে এসে এই মাটির মাটি মাথায় রেখে নতুন চেতনা এবং নতুন শক্তি অনুভব করছি। আমি আজ থেকে এখানকার তরুণদের বলতে চাই যে আমরা দেশের জন্য মরার সুযোগ পাই নি, তবে অবশ্যই দেশের জন্য বাঁচার সুযোগ পেয়েছি। আসুন আমরা সাহসী শহীদ ক্ষুদিরাম বোসকে স্মরণ করি এবং তাঁর নির্ধারিত পথে চলি এবং দেশের বিশিষ্ট প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী, শক্তিশালী ও সুরক্ষিত ভারত গড়ে তুলি। আমি আবারও সাহসী শহীদ ক্ষুদিরাম বোসের আত্মত্যাগকে স্মরণ করে তাঁকে প্রণাম জানাই। বছরের পর বছর ধরে, তাঁর সর্বোচ্চ ত্যাগ দেশের যুব সমাজের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠবে, তাদের পক্ষে দেশের জন্য বেঁচে থাকার প্রতিশ্রুতি নিতে এবং যারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাদের সংকল্পকে শক্তিশালী করতে বাধ্য করবে। তাদের পরিবারের পায়ে মাথা নত করে আমি আবারও আমার কথা শেষ করি। এছাড়াও তিনি পশ্চিমবঙ্গবাসীর সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধি কামনায় মেদিনীপুরের মা সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দিরে প্রার্থনা করেন। মা কালীর ঐশ্বরিক আশীর্বাদই পারে সকলের সুস্বাস্থ্য ও সুখ নিশ্চিত করতে।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

মা-মাটি-মানুষের স্লোগান তোলাবাজি-ভাইপোরাজে বদলে গিয়েছে, তোপ অমিত শাহর

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে মেদিনীপুরে কলেজ মাঠের সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন অমিত শাহ। শুভেন্দুকে দলে টেনে এদিন তিনি বলেন, বাংলায় যেভাবে রাজনৈতিক সংস্কৃতি বদলে যাচ্ছে, তাতে মনে হচ্ছে ভাইপো-কেন্দ্রিক রাজনীতি করছে তৃণমূল। অমিত শাহকে বলতে শোনা গেল, মমতার একসময়ের মা-মাটি-মানুষের স্লোগান এখন বদলে গিয়েছে তোলাবাজি-ভাইপোরাজে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন, মমতা ১০ কোটি বাঙালির কথা ভাবেন না, শুধু ভাবেন, কখন কীভাবে ভাইপোকে মুখ্যমন্ত্রী করব। যদিও বিজেপি তাতে ভয় পায় না। বাংলার মানুষও ভয় পাবে না। আরও পড়ুন ঃ এবার গেরুয়া শিবিরের পথে হলদিয়ার সিপিএম বিধায়ক তৃণমূল নেত্রীকে নিশানা করে অমিত বলেন, আজ রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী, প্রাক্তন সাংসদ-সহ এক ঝাঁক বিধায়ক ও নেতা বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। দিদি, ভোট আসতে আসতে তৃণমূলে আপনি শুধু একা থাকবেন। তিনি আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গে কোনও আইন-শৃঙ্খলা নেই। বিজেপির বাঙালি অবাঙালি সব কার্যকর্তাদের সম্মান করে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলছি, আপনাকে হারানোর কাজ বিজেপির বাঙালি কার্যকর্তারা করবেন। আর আপনাকে হারিয়ে যিনি মুখ্যমন্ত্রী হবেন, তিনিও এই মাটিরই মানুষ হবেন। অমিত শাহ বলেন, আপনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, কিন্তু উন্নয়ন হয়নি। দুর্নীতিমুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, কিন্তু আমফানের টাকা তৃণমূলের পকেটে। করোনাকালে কেন্দ্রের দেওয়া জিনিস পাননি গরিবরা। হাইকোর্ট পর্যন্ত সিএজি তদন্তের কথা বলেছে। শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। দিদি, আপনার লজ্জা হওয়া উচিত। আপনি নিজেও উন্নয়ন করেন না, মোদিজিকেও করতে দেন না। ভাবেন, তাহলে মোদিজি বেশি জনপ্রিয় হয়ে যাবে। কিন্তু আপনি জানেন না, মোদিজি এমনিতেই বাংলার মানুষের মনের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছেন। বাংলার কৃষকদের সমস্যার সমাধান, বেকারদের সমস্যার সমাধান নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপিই করবে।এবার আমাদের ৫ বছর সুযোগ দিন, বাংলাকে সোনার বাংলা করব। বাংলার মানুষের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, কমিউনিস্টকে ৩৪ বছর দিয়েছেন, মমতাকে ১০ বছর সময় দিয়েছেন। তিন দশক সুযোগ দিয়েছেন কংগ্রেসকেও। বাংলার মানুষকে আহ্বান করতে চাই, একবার বিজেপিকে সুযোগ দিন। তিনি এদিন জানান, একুশের বিধানসভা নির্বাচনে দুশোর বেশি আসনে জিতে বাংলায় ক্ষমতায় আসবে বিজেপি। তৃণমূলের শাসনকালে ৩০০-রও বেশি বিজেপি কর্মীর প্রাণ গিয়েছে। কিন্তু এভাবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় দলকে দমিয়ে রাখা সম্ভব হবে না। বরং তারা আরও জ্বলে উঠবে। অমিত শাহ বলেন, কান খুলে শুনে নিন দিদি, বিধানসভা ভোটে দুশোর বেশি আসন পেয়ে বিজেপি বাংলায় আসবে। যে সোনার বাংলার প্রতিশ্রুতি দিয়েও পূরণ করতে পারেনি তৃণমূল, বিজেপি সরকার তা করে দেখাবে। কৃষক থেকে শ্রমিক, সব সমস্যার সমাধান হবে। বাংলায় বন্ধ হবে হিংসা।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২০
রাজনীতি

বিজেপির পতাকা হাতে নিয়ে শুভেন্দুর শ্লোগান ‘তোলাবাজ ভাইপো হঠাও’

তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বকে নিজের মূল প্রতিপক্ষ বলে চিহ্নিত করে নাম না করেই গর্জে উঠলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। মেদিনীপুর কলেজ মাঠের মঞ্চ থেকে বিজেপি নেতার হুঙ্কার, তোলাবাজ ভাইপো হঠাও। সমস্তরকম জল্পনার অবসান ঘটিয়ে শনিবার শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যোগদান করেন। অমিত শাহ তাঁর হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে দলে বরণ করে নেন। অমিত শাহকে দাদা বলে সম্বোধন করে বললেন, আমার যখন কোভিড হয়েছিল, ২১ বছর ধরে যে দলে ছিলাম , সেই দলের কেউ খোঁজ নেননি। অমিতজি খোঁজ নিয়েছেন। তিনি বলেন, অর্জুন সিংহের বিরুদ্ধে ১০০টি মামলা হয়েছে। আপনাদের সকলকে আশ্বস্ত করছি, শুভেন্দু কারও উপর নজরদারি করবে না, মাতব্বরি করবে না। কর্মী হিসেবে কাজ করবে। পতাকা লাগাতে বললে, তাইই লাগাব। পার্টি যা নির্দেশ দেবে, সেটাই করব। আমি ছাত্র রাজনীতি করে এসেছি, সব কাজই গুরুত্বপূর্ণ কাজ বলে মনে করি। আমি সিঁড়ি দিয়ে উঠে এসেছি। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূলের দলটা ভিতর থেকে পচে গিয়েছে, খোলা চিঠি শুভেন্দুর তিনি আরও বলেন, আমায় মুকুল রায় বলেছিলেন, আত্মসম্মানবোধ থাকলে তৃণমূলে থাকবি না। তুই বিজেপিতে চলে আয়। তাঁর কথা রাখতে পেরেছি। আত্মসম্মান আছে বলেই তৃণমূল ছেড়েছি। আজ যিনি আমাকে পৃথিবীর সবথেকে বড় পার্টি পরিবারে প্রাথমিক সদস্য হিসাবে গ্রহণ করলেন আমার বড় ভাই অমিত শাহ। বললেন বিজেপি বহুত্ববাদে বিশ্বাস করে। দেশের শান অমিতজি। ২০১৯ সালে নির্বাচনে জেতার পর যশস্বী প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তা পূরণ করেছেন। ২০১৪ সালে নির্বাচনে দলকে উত্তরপ্রদেশে বিশাল জয় পাইয়ে দিয়েছিলেন। অশোক রোডে পুরনো পার্টি অফিসের ছোট্ট ঘরে দর্শন দেন তিনি। সুযোগ করে দিয়েছিলেন তৎকালীন রাজ্যের পর্যবেক্ষক সিদ্ধার্থনাথ সিং। ভাইয়ের মতো ভালবাসেন আমায়। শুভেন্দু বলেন, আজকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পার্টিতে যোগ দিলাম। জাতীয়তাবাদ, বহুত্ববাদ, দেশপ্রেমে বিশ্বাস করে এই দল। বসুধৈব কুটুম্বকম, সর্বজন হিতায় সর্বজন সুখায় আদর্শ মেনে চলে। পাশাপাশি তাঁর দিতে ওঠা অনেক অভিযোগের জবাব দিলেন কড়া ভাবে। বলেন, অনেকে আমাকে বিশ্বাসঘাতক বলছে! অনেকে বলছেন মায়ের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছি। আমার মা গায়ত্রী দেবী। আর দেশ আমার মা। আর কেউ আমার মা নয়। এবারও দ্বিতীয় হবেন মমতা, প্রথম হবে বিজেপিই। এবার বাংলায় বিজেপিরই সরকার হবে। মোদীর হাতে বাংলাকে না তুলে দিলে রাজ্যের সর্বনাশ হবে, এমন তোপ দাগেন শিশির পুত্র। তাঁর দাবি, মা বলতে হলে ভারতমাতাকে বলব, অন্য কাউকে নয়।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২০
কলকাতা

সুকিয়া স্ট্রিটে ছেঁড়া হল মমতা-অভিষেকের ছবি

বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার দিনই কলকাতায় শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ির সামনে ছেঁড়া হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেওয়া তৃণমূলের একাধিক পোস্টার৷ শুভেন্দু অধিকারী মঙ্গলবার তৃণমূলের সদস্যপদ ছাড়ার পরেই সুকিয়া স্ট্রিটে শুভেন্দু অধিকারীর ফ্ল্যাটের সামনে তৃণমূলের একাধিক বড় পোস্টার-ব্যানার লাগানো হয়েছিল৷ নাম না করে সেখানে শুভেন্দু অধিকারীকে বিজেপি-তে যোগদানের জন্য কটাক্ষও করা হয়৷ এদিন সকালে সে সমস্ত পোস্টারই ছেঁড়া ছিল। যদিও কে বা কারা এই পোস্টারগুলি ছিঁড়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়৷ আরও পড়ুন ঃ অনুব্রতকে বিজেপিতে আহ্বান জানিয়ে তৃণমূলকে কটাক্ষ দিলীপের এনিয়ে স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্বের কোনও প্রতিক্রিয়াও পাওয়া যায়নি৷ তবে এই ঘটনায় যে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও কিছুটা বাড়বে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। শুভেন্দু অধিকারী কলকাতায় এলে উত্তর কলকাতার সুকিয়া স্ট্রিটের এই ফ্ল্যাটেই ওঠেন৷ তাই তিনি তৃণমূল ছাড়ার পরেই রাজনৈতিক বার্তা দিতেই এই পোস্টারগুলি সেখানে লাগানো হয়েছিল৷ কিন্তু দুদিনের মধ্যেই তা উধাও হয়ে গেল৷ এদিনই মেদিনীপুরে অমিত শাহের সভায় শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপি-তে যোগদান করার কথা৷ তাঁর সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর অনুগামী হিসেবে পরিচিত একাধিক সাংসদ, বিধায়ক এবং জনপ্রতিনিধিরাও বিজেপি-তে যোগ দিতে পারেন বলে খবর।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২০
রাজনীতি

আজ আমার জন্য সৌভাগ্য এবং আনন্দের দিনঃ অমিত শাহ

ফের বঙ্গ সফরে এলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ দমদম বিমানবন্দরে পৌঁছনোর কথা ছিল তাঁর। তবে, বিমান বিভ্রাটের ফলে নির্ধারিত সময়ের বেশ খানিকটা পর রাত দেড়টা নাগাদ কলকাতা পৌঁছন তিনি। আপাতত দুদিন ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। আরও পড়ুন ঃ পাহাড়ের রাজনীতিতে গেরুয়া শিবিরের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়াইয়ের ডাক জিএনএলএফ-এর কুয়াশা বিভ্রাট কাটিয়ে কলকাতায় পা রাখেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ শাহের বিমান কলকাতা বিমানবন্দরে নামার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু দিল্লিতে প্রচণ্ড কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কমে যায়। সেই কারণে নির্ধারিত সময়ে বিমান ছাড়তে পারেনি। শেষ মেশ রাত দেড়টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছন অমিত। রাতে বিমানবন্দরে অমিতকে স্বাগত জানাতে হাজির ছিলেন রাজ্য বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায়। মধ্যরাতেও বিমানবন্দরের বাইরে বিজেপির সমর্থকদের ভিড় ছিল দেখার মতো। তাঁদের উদ্দেশে হাত নেড়ে গাড়িতে চেপে রওনা দেন অমিত। বিমানবন্দর থেকে তাঁর কনভয় ছোটে নিউটাউনের উদ্দেশে, সেখানেই একটি পাঁচতারা হোটেলে আগামী দুদিন থাকবেন তিনি। শনিবার সকালে এই পাঁচতারা হোটেলেই সকাল ৯টা ৪৫ মিনিট থেকে ১০টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত এনআইয়ের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বৈঠক শেষ করেই অমিত যান স্বামী বিবেকানন্দের পৈত্রিক বাড়িতে। সিমলা স্ট্রিটে স্বামীজির বাড়ি থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অমিত শাহ বলেন, আজ আমার জন্য সৌভাগ্য এবং আনন্দের দিন। আমি সেই জায়গায় এসেছি যেখানে বিশ্বজুড়ে যিনি চেতনা জাগ্রত করেছেন সেই স্বামী বিবেকানন্দের জন্মভিটে এসেছি। ভারতের সংস্কৃতি দর্শনকে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন স্বামীজি। আমি এখানে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেছি। স্বামীজির সেই চেতনা নিয়েই এগিয়ে যাব। আজও প্রাসঙ্গিক রয়েছে সেই চেতনা। এখন খুব দরকার সেই চেতনার। বঙ্গবাসীর মন জিততে বাংলায় এদিন টুইট করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লেখেন, পশ্চিমবঙ্গের প্রিয় ভাই এবং বোনেদের সাথে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আলাপচারিতার জন্য আমি উদগ্রীব রইলাম। অমিত শাহের সঙ্গে রয়েছে রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। কৈলাস বিজয়বর্গীয়, দিলীপ ঘোষ, অরবিন্দ মেনন, অগ্নিমিত্রা পলের মতো নেতা-নেত্রীরাও রয়েছেন শাহের সঙ্গে। বিবেকানন্দের পৈতৃক ভিটেতে মিউজিয়াম, শিবের মন্দির ঘুরে দেখেন তিনি।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 133
  • 134
  • 135
  • 136
  • 137
  • 138
  • 139
  • ...
  • 150
  • 151
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

অবৈধভাবে ভারতে ঢোকার মাশুল! দুই বাংলাদেশি মহিলার বিরুদ্ধে আদালতের বড় রায়

অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ এবং বৈধ নথি ছাড়া দেশে বসবাসের অভিযোগে দুই বাংলাদেশি মহিলাকে দুবছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল মহারাষ্ট্রের একটি আদালত। কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে দশ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে।দোষী সাব্যস্ত হওয়া দুই মহিলার নাম শাহানাজ বিলাল সদ্দার এবং হাসিনা জব্বর খান। আদালতের নথি অনুযায়ী, গত তিন ডিসেম্বর দুই হাজার চব্বিশ সালে মহারাষ্ট্রের থানে জেলার মিরা রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করে পুলিশের মানব পাচার বিরোধী শাখা। এরপর থেকেই তাঁরা হেফাজতে ছিলেন।তদন্তে উঠে আসে, দুই মহিলা বৈধ নথি ছাড়াই ভারতে প্রবেশ করেছিলেন এবং মহারাষ্ট্রে একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করছিলেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।আদালতে দুই মহিলার আইনজীবী জানান, তাঁরা অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সদস্য। দুজনই বিবাহিত এবং পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী। তাঁদের বিরুদ্ধে আগে কোনও অপরাধের অভিযোগও ছিল না। পাশাপাশি আদালতের কাছে দাখিল করা আবেদনে দুই মহিলা নিজেদের দোষ স্বীকার করার ইচ্ছার কথাও জানান।সমস্ত দিক বিবেচনা করে আদালত বিদেশি আইন এবং পাসপোর্ট আইনের অধীনে দুই মহিলাকে দোষী সাব্যস্ত করে। তবে গ্রেপ্তারের পর থেকে তাঁরা যে সময় হেফাজতে কাটিয়েছেন, সেই সময় মূল কারাদণ্ডের মেয়াদের সঙ্গে সমন্বয় করার নির্দেশও দিয়েছেন বিচারক।এই রায়ের পর অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং বৈধ নথি ছাড়া ভারতে বসবাসের অভিযোগে আইনি পদক্ষেপ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ড ম্যাচে বড় আতঙ্ক! দুর্গে পরিণত আটলান্টা, কেন এত কড়া নিরাপত্তা?

আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল ঘিরে এখন শুধু ফুটবল নয়, নিরাপত্তাও বড় আলোচনার বিষয়। দুই হাজার দুই সালের পর আবার বিশ্বকাপের মঞ্চে মুখোমুখি হচ্ছে দুই দেশ। এই ম্যাচকে কেন্দ্র করে ইতিহাস, আবেগ এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নতুন করে সামনে এসেছে। সেই কারণেই আটলান্টার স্টেডিয়ামে নেওয়া হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা।মার্কিন প্রশাসনের মতে, চলতি বিশ্বকাপে এটাই সবচেয়ে স্পর্শকাতর ম্যাচগুলির একটি। সেই কারণে স্থানীয় পুলিশ, নিরাপত্তা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি একাধিক বৈঠক করে নিরাপত্তা আরও জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি যে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।স্টেডিয়ামে বিপুল সংখ্যক পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। সমর্থকদের নিরাপদে প্রবেশ নিশ্চিত করতে দুই দলের দর্শকদের জন্য আলাদা প্রবেশপথ রাখা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে নির্দিষ্ট কিছু ব্যানার বা রাজনৈতিক বার্তা বহনকারী সামগ্রী স্টেডিয়ামে নিয়ে যাওয়ার উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের ফুটবল প্রতিদ্বন্দ্বিতা বহু পুরনো। বিশ্বকাপের ইতিহাসে দুই দলের একাধিক ম্যাচ বিতর্ক, উত্তেজনা এবং নাটকীয় ঘটনার সাক্ষী। সেই কারণেই এই লড়াইকে ঘিরে সমর্থকদের আবেগও সব সময় তুঙ্গে থাকে।শুধু অতীতের ইতিহাস নয়, সাম্প্রতিক ঘটনাও প্রশাসনের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের জয়য়ের পর দুই দলের কিছু সমর্থকের মধ্যে সংঘর্ষের অভিযোগ সামনে আসে। সেই ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে সতর্ক হয়েছে প্রশাসন।সব মিলিয়ে মাঠের লড়াই শুরু হওয়ার আগেই এই ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা চরমে। একদিকে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা, অন্যদিকে হ্যারি কেনের ইংল্যান্ড। তবে খেলার পাশাপাশি এবার নজর থাকবে মাঠের বাইরের পরিস্থিতির দিকেও। নিরাপত্তা ব্যবস্থার কড়াকড়ি থেকেই স্পষ্ট, কোনও ধরনের ঝুঁকি নিতে রাজি নয় আয়োজকরা।

জুলাই ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ইংল্যান্ড ম্যাচের আগেই মেসিদের ঘিরে বিস্ফোরক দাবি! বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের ডাক কেন?

বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণীয় ম্যাচে মুখোমুখি হতে চলেছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। দুই হাজার দুই সালের পর আবার বিশ্বকাপের মঞ্চে এই দুই ফুটবল শক্তির লড়াই ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। তবে ম্যাচ শুরুর আগেই নতুন বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছে লিওনেল মেসির দল।সাম্প্রতিক কয়েকটি ম্যাচে রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন উঠেছে। সেই আবহেই সামাজিক মাধ্যমে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের দাবিতে একটি অনলাইন আবেদন ঘিরে চর্চা শুরু হয়েছে। ওই আবেদনের সমর্থকেরা অভিযোগ করেছেন, রেফারির সিদ্ধান্তে আর্জেন্টিনা বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে প্রমাণিত হয়নি।প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, লক্ষ লক্ষ মানুষ ওই অনলাইন আবেদনে সমর্থন জানিয়েছেন। আবেদনকারীদের বক্তব্য, বিশ্বকাপে সব দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা উচিত। তবে এই দাবির বিষয়ে ফিফার পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য প্রকাশ করা হয়নি।এই বিতর্কের মাঝেই মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই দুই দলের লড়াই বহু স্মরণীয় ঘটনার সাক্ষী। দিয়েগো মারাদোনার বিতর্কিত গোল থেকে শুরু করে একাধিক উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ এখনও ফুটবলপ্রেমীদের মনে রয়েছে। তাই এবারও এই ম্যাচ ঘিরে প্রত্যাশা অনেক বেশি।ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেনও ম্যাচের আগে সতর্ক বার্তা দিয়েছেন। তাঁর মতে, আর্জেন্টিনা খুব অভিজ্ঞ দল। তারা জানে কীভাবে ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে হয় এবং প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলতে হয়। তাই এই ম্যাচ সহজ হবে না বলেই মনে করছেন তিনি।অন্যদিকে গোলদাতাদের তালিকাতেও নজর রয়েছে ফুটবলপ্রেমীদের। লিওনেল মেসি আটটি গোল করে শীর্ষে রয়েছেন। কিলিয়ান এমবাপেও আট গোল করেছিলেন। ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেনের ঝুলিতে রয়েছে ছয় গোল। ফলে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে এই ম্যাচে মেসি যেমন দলকে জেতানোর লক্ষ্য নিয়ে নামবেন, তেমনই গোলদাতাদের তালিকায় নিজের অবস্থান আরও শক্ত করার সুযোগও থাকবে তাঁর সামনে।সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের এই মহারণ শুধু দুই দলের লড়াই নয়, মাঠের বাইরের বিতর্কও এই ম্যাচকে আরও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এনে দিয়েছে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

‘বেইমানদের জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী’! বিস্ফোরক বার্তায় নতুন লড়াইয়ের ডাক মমতার

তৃণমূলের অন্দরে একের পর এক নেতা বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে দলের ভিতরে অস্বস্তি বাড়লেও লড়াই থেকে এক ইঞ্চিও পিছিয়ে যেতে রাজি নন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, প্রয়োজন হলে আবারও শূন্য থেকে দল গড়ে তুলতে প্রস্তুত তিনি।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মানুষ দলের প্রতীক দেখে ভোট দিয়েছেন। তাই যাঁরা দল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন, তাঁদের জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে তাঁদের বেইমান বলেও কড়া আক্রমণ করেছেন। তাঁর দাবি, দুই হাজার সাতানব্বই সালে একা লড়াই শুরু করেছিলেন। তখনও সফল হয়েছিলেন। তাই দুই হাজার ছাব্বিশ সালেও নতুন করে লড়াই শুরু করার ক্ষমতা তাঁর রয়েছে।সাম্প্রতিক সময়ে মদন মিত্র-সহ একাধিক নেতা বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের অনেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এই প্রসঙ্গে মমতা বলেন, অভিষেককে অকারণে নিশানা করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, অভিষেক নিজের দায়িত্ব পালন করছেন এবং আগামী বহু বছর রাজনীতিতে সক্রিয় থাকবেন।মদন মিত্রের দলত্যাগ প্রসঙ্গেও পরোক্ষে প্রতিক্রিয়া দেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার চাপ দেখিয়ে অনেককে দল ছাড়তে বাধ্য করা হচ্ছে। পরিবারের সদস্যদের নোটিস পাঠিয়ে ভয় দেখানোর অভিযোগও করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, যাঁরা দল ছেড়ে গিয়েছেন, তাঁদের অনেকের পরিস্থিতি আগেই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন।এরপর তৃণমূলের শুরুর দিনের কথা মনে করিয়ে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যে দল গড়ে নির্বাচন লড়ে সংসদে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছিল। পরে কঠিন সময় এলেও লড়াই থামেনি। তাই বর্তমান পরিস্থিতিকেও তিনি নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবেই দেখছেন।একুশে জুলাইয়ের শহিদ সমাবেশ নিয়েও বার্তা দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি জানান, আদালতের নির্দেশ মেনে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভা হবে। প্রতি বছরের মতো সমাবেশের আগের দিন তিনি নিজে গিয়ে প্রস্তুতি খতিয়ে দেখবেন। পাশাপাশি প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছেন, যাতে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।মমতা আরও বলেন, কোনও বাধা এলেও সভা বন্ধ হবে না। প্রয়োজন হলে মাইক্রোফোন ছাড়াই কর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, একুশে জুলাইয়ের সমাবেশ নির্ধারিত সময়েই হবে এবং দল লড়াই চালিয়ে যাবে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

শেষ মুহূর্তে বড় স্বস্তি! আদালতের রায়ে একুশে জুলাইয়ের সভাস্থল পেল কালীঘাট তৃণমূল

একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবসের সমাবেশ কোথায় হবে, তা নিয়ে কয়েক দিন ধরেই চলছিল জোর রাজনৈতিক টানাপোড়েন। শেষ পর্যন্ত সেই বিতর্কে ইতি টানল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চ কালীঘাট তৃণমূলকে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভা করার অনুমতি দিয়েছে। তবে এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত মেনে।আদালতে প্রথমে কালীঘাট তৃণমূলের পক্ষ থেকে হাজরায় সভা করার প্রস্তাব মানা হয়নি। পরে ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনেও সভা করার আবেদন জানানো হলেও আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করেনি। এরপর আদালত রাজ্যের কাছে বিকল্প জায়গার বিষয়ে মত জানতে চায়। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ওয়েলিংটনের সুবোধ মল্লিক স্কোয়ারের প্রস্তাব দেওয়া হয়। সেখানে নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষের সভা করা সম্ভব বলেও জানানো হয়।কালীঘাট তৃণমূলের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে দাবি করেন, তাঁদের আবেদন অনেক আগে করা হলেও অনুমতি দেওয়া হয়নি। অথচ পরে আবেদন করা অন্য সংগঠনকে সভার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, তাঁদের ক্ষেত্রে আলাদা নিয়ম কেন প্রযোজ্য হবে, সেই প্রশ্নেরও উত্তর পাওয়া যায়নি।আদালতে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শহিদ মিনারে অন্য একটি রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি রয়েছে। অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরকে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে সীমিত সংখ্যক সমর্থক নিয়ে সভা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভা করার প্রস্তাব দেন। তিনি জানান, এই জায়গাটি দুই কর্মসূচির মধ্যে যথেষ্ট দূরত্ব বজায় রাখবে। তবে নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সমর্থকের সংখ্যা সীমিত রাখতে হবে।প্রথমে তিন হাজার মানুষের অনুমতির কথা উঠলেও রাজ্য আপত্তি জানায়। পরে আদালত আড়াই হাজার সমর্থক নিয়ে সভা করার অনুমতি দেয়। একই সঙ্গে জানানো হয়, সভা বিকেল সাড়ে তিনটার মধ্যে শেষ করতে হবে।শুনানির সময় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় একুশে জুলাইয়ের ঐতিহাসিক গুরুত্বের কথাও তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, এই দিনের সঙ্গে তাঁদের আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। আগের দিনের বিক্ষোভে কর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগও আদালতের সামনে তোলা হয়।সব দিক বিবেচনা করে শেষ পর্যন্ত বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে শর্তসাপেক্ষে একুশে জুলাইয়ের শহিদ সমাবেশের অনুমতি দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। ফলে দীর্ঘ জল্পনার অবসান ঘটলেও, রাজনৈতিক উত্তাপ যে এখানেই থামছে না, তা স্পষ্ট।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

মদনের পদত্যাগেই জোর জল্পনা! এবার কি বড় ঝড়ের মুখে তৃণমূল?

তৃণমূলের অন্দরে রাজনৈতিক সমীকরণ কি দ্রুত বদলে যাচ্ছে? সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনাকে ঘিরে সেই প্রশ্নই এখন জোরালো হচ্ছে। একের পর এক নেতার অবস্থান বদল এবং নতুন শিবিরে যোগ দেওয়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। সব মিলিয়ে তৃণমূলের অন্দরের পরিস্থিতি নিয়ে বাড়ছে জল্পনা।ভাই স্বরূপ বিশ্বাস জেলে রয়েছেন। অরূপ বিশ্বাসকে নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে নানা জল্পনা চলছিল। সেই পরিস্থিতিতে অনেকেই ভেবেছিলেন দলের ভিতরে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অরূপ বিশ্বাসকে দেখা যায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে। এরপরই শুরু হয় নতুন রাজনৈতিক চর্চা।এর মধ্যেই আরও বড় চমক দেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। তৃণমূলের দীর্ঘদিনের গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে পরিচিত মদন দলীয় সব পদ ছেড়ে ঋতব্রতের শিবিরে যোগ দেন। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের প্রশ্ন, এটি কি শুধুই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, নাকি দলের অন্দরে জমে থাকা অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ?ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, এটি কোনও ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে নয়। তাঁর কথায়, ব্যক্তিপূজার পরিবর্তে সম্মিলিত নেতৃত্বের পক্ষে যারা বিশ্বাস করেন, তাঁদের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হচ্ছে। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলির নেপথ্যে আরও বড় রাজনৈতিক সমীকরণ কাজ করছে।এদিকে পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মদন মিত্রের স্ত্রী এবং দুই ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে। আগামী বাইশ ও তেইশ জুলাই তাঁদের হাজির হতে বলা হয়েছে। এই ঘটনার পরই মদনের নতুন রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে আরও জোরালো হয়েছে জল্পনা।অন্যদিকে অনুব্রত মণ্ডলও নতুন আইনি সমস্যায় পড়েছেন। দুই হাজার একুশ সালের ভোট-পরবর্তী হিংসার ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, হামলা চালিয়ে বিপুল সংখ্যক ইট লুট করা হয়েছিল এবং ভয় দেখানো হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলকে আক্রমণ করতে ছাড়েনি বিজেপি। বিজেপি নেতা তাপস রায় দাবি করেছেন, তৃণমূলের অন্দরে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, দলের ভিতরে এখন অস্থিরতা স্পষ্ট।সব মিলিয়ে একের পর এক রাজনৈতিক ঘটনা ঘিরে তৃণমূলের অন্দরের পরিস্থিতি নিয়ে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। আগামী দিনে এই ঘটনাগুলি রাজ্যের রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

হাইকোর্টের চাপে শেষ পর্যন্ত কণ্ঠের নমুনা দিলেন অভিষেক! এবার কি বড় বিপদ?

হাইকোর্টের নির্দেশের পর শেষ পর্যন্ত কণ্ঠের নমুনা দিতে হল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বিধাননগর আদালতে প্রায় পাঁচ মিনিট ধরে তাঁর কণ্ঠস্বর রেকর্ড করা হয়েছে। এবার সেই নমুনা যাবে ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য। এই রিপোর্টকে ঘিরেই রাজনৈতিক এবং আইনি মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।সূত্রের খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটি পাতার লেখা দুবার পড়তে বলা হয়। একবার স্বাভাবিক গলায় এবং আর একবার ধীরে। সেই রেকর্ডিং একটি মেমোরি কার্ডে সংরক্ষণ করা হয়েছে। পরে সেটি ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। তদন্তকারীদের লক্ষ্য, মামলার সঙ্গে যুক্ত অডিয়োর কণ্ঠস্বরের সঙ্গে এই নমুনার মিল রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করা।জানা গিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা মেনে কোনও নির্দিষ্ট বক্তৃতা হুবহু পড়ানো হয়নি। অভিযোগে উল্লিখিত কিছু শব্দ ব্যবহার করে একটি নতুন লেখা তৈরি করা হয়েছিল। সেই লেখাই পড়ে শোনান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।পুরো প্রক্রিয়ার ভিডিও রেকর্ডিংও করা হয়েছে। আদালতে পৌঁছনো থেকে শুরু করে কণ্ঠের নমুনা দেওয়া পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ ক্যামেরাবন্দি করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, ভবিষ্যতে এই প্রক্রিয়া নিয়ে যাতে কোনও প্রশ্ন না ওঠে, সেই কারণেই সমস্ত কিছু নথিভুক্ত করা হয়েছে। নমুনা সংগ্রহের পর প্রয়োজনীয় নথিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বাক্ষরও নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রেকর্ডিং এবং ভিডিওর বিশেষ ডিজিটাল পরিচিতিও তৈরি করা হয়েছে, যাতে ফরেন্সিক পরীক্ষার সময় তথ্যের অখণ্ডতা বজায় থাকে।এই মামলার অভিযোগকারী রাজীব সরকারের দাবি, তদন্তের কাজ সঠিক দিকেই এগোচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, মামলার সঙ্গে যুক্ত একটি তালিকা এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি। অভিযোগ অনুযায়ী, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একটি জনসভায় জেলা, ব্লক এবং ওয়ার্ডভিত্তিক একটি তালিকার কথা বলেছিলেন। সেই তালিকাতেই বহু মানুষের নাম ছিল বলে অভিযোগকারীর দাবি। তদন্তে সেই তালিকারও খোঁজ চলছে বলে তিনি জানিয়েছেন।এখন সকলের নজর ফরেন্সিক রিপোর্টের দিকে। কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষার ফল এই মামলার তদন্তে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে, তা নিয়েই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

একুশের পোস্টার থেকে হঠাৎ উধাও অভিষেক! তৃণমূলে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত?

একুশে জুলাইয়ের সমাবেশের নতুন পোস্টার প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। পোস্টারে রয়েছেন শুধু তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি নেই। এই নিয়েই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে বিস্তর আলোচনা।কলকাতা হাইকোর্ট একুশে জুলাইয়ের সমাবেশের জন্য বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভার অনুমতি দেওয়ার পর নতুন পোস্টার প্রকাশ করেন কুণাল ঘোষ। পরে সেই একই পোস্টার নিজের সামাজিক মাধ্যমেও ভাগ করে নেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু পোস্টারে তাঁর ছবি না থাকায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে নানা মহলে।এর আগে প্রকাশিত প্রথম পোস্টারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছিল। তখন সমাবেশের নির্দিষ্ট স্থান ঠিক না হওয়ায় শুধু কলকাতায় আসার আহ্বান জানানো হয়েছিল। কিন্তু নতুন পোস্টারে শুধুমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি রাখা হয়েছে।এই ঘটনা এমন সময়ে সামনে এল, যখন দলের অন্দরে একের পর এক রাজনৈতিক পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে কয়েক জন নেতা ও বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের অনেকেই প্রকাশ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সর্বশেষ সেই তালিকায় যোগ হয়েছে মদন মিত্রের নাম। ফলে পোস্টারে অভিষেকের ছবি না থাকাকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা আরও বেড়েছে।তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের দাবি, এই ঘটনাকে নতুন করে দেখার প্রয়োজন নেই। কারণ গত বছরও একুশে জুলাইয়ের প্রচারের পোস্টারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছিল না। সেই সময় দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, এই সমাবেশের পোস্টারে শুধুমাত্র দলের সর্বোচ্চ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিই রাখা হবে। একই ধরনের ঘটনা দুই হাজার তেইশ সালেও দেখা গিয়েছিল।ফলে নতুন পোস্টার ঘিরে রাজনৈতিক চর্চা যতই বাড়ুক, এটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত নাকি তার পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, সেই উত্তর এখনও স্পষ্ট নয়। তবে একুশে জুলাইয়ের আগে এই পোস্টার যে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

জুলাই ১৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal