• ১ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার ১৭ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

INC

রাজ্য

রাত পোহালেই সরস্বতী পুজো, হাসি নেই প্রতিমা শিল্পীদের মুখে

একদিন পরেই বাঙালির ভ্যালেন্টাইন-ডে সরস্বতী পুজো। হিন্দু বিদ্যা ও সঙ্গীতের দেবী সরস্বতীর আরাধনাকে উপলক্ষ্য করে অনুষ্ঠেয় অন্যতম প্রধান হিন্দু উৎসব। শাস্ত্রমতে মাঘ মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে সরস্বতী পূজা আয়োজিত হয়। তিথিটি শ্রীপঞ্চমী বা বসন্ত পঞ্চমী নামেও পরিচিত। শীতকে বিদায় জানিয়ে বসন্তের আগমন শুরু হয় এই পুজোর মাধ্যমেই। গেঁদা,গোলাপ, চন্দ্রমল্লিকা শোভিত শ্বেতবসনে দেবীর আবহনে মেতে উঠে ৮ থেকে ৮০। প্রচলিত হিন্দু মতে এই দিন ঠাকুরের সামনে হাতে খড়ি দিয়ে অক্ষর পরিচয় হলে নাকি বিদ্বান হয়। কিন্তু সেই খড়িও নেই পাথরের স্লেটও নৈব নৈব চ। যাইহোক মতপার্থক্য থাকতেই পারে, তাতে আনন্দ উপভোগ করাতে কোনও বাধা নেই। গত বছর করোনার বিধিনিশেধ থাকায় স্কুল কলেজ বন্ধ ছিল। যাদের অনুষ্ঠান তারাই ব্রাত্য থাকলে সেই অনুষ্ঠানের কোনও আমেজই থাকে না। তাই মূর্তি পুজোর সংখ্যা অনেকাংশেই কম ছিল।হিন্দু ধর্মের যেকোনও পুজোর মূল আকর্ষণ মূর্তি। সেই মুর্তী-র কারিগড় তথা প্রতিমা শিল্পী-রা মহাসঙ্কটের সন্মুখীন। গত ২০২০ থেকে করোনা মহামারীর কারণে জমায়েতের বিধিনিষেধ, নিম্নবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত অর্থনীতিতে বিরাট ধাক্কা আসাতে বহু পুজো বন্ধ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এই শিল্পের সাথে যুক্ত ব্যক্তিরা শুধু প্রতিমা তৈরি করেই বা প্রতিমার সাজ-সরঞ্জাম তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করেন, আজ তাঁরা মহা সঙ্কটের মুখে।সরস্বতী পুজোশহর বর্ধমানের প্রবীন মৃৎ শিল্পী দ্বীনবন্ধু রানা, জনতার কথার প্রতিনিধিকে জানান, আমি প্রায় ৪০ বছর এই শিল্পের সাথে যুক্ত, এরকম ভয়ংকর সমস্যার মুখে কোনওদিন পড়তে হবে আগে ভাবিনি। তবে সরকার স্কুল কলেজ খুলে দেওয়াতে আগের বারের থেকে একটু বিক্রি বেড়েছে। কিন্তু অন্যান্য বছরের থেকে বিক্রিবাটা অনেকটাই কম। তিনি আরও জানান, অনান্য বছর এই সময় অর্ধেক ঠাকুর মণ্ডপে চলে যেত। ঠাকুরের আকৃতি একই কিন্তু কম দামে বেচতে হচ্ছে, যে ছোটো ঠাকুরগুলো আগের বার ১০০০-১২০০ টাকা তে বিক্রি করেছি ,সেই একই সাইজের ঠাকুর ৭৫০ টাকাতেও কেউ কিনতে চাইছে না। এদিকে কাঁচামালের দাম প্রায় শতকরা ৩০% থেকে ৪০% বেড়ে গিয়েছে।দ্বীনবন্ধু আরও বলেন, আমাদের পুঁজি কম থাকায় বর্ধমান শহর থেকেই ঠাকুরের সাজ কিনতে হয়, কলকাতা থেকে কিনলে আরও ২% দাম কম হত। তিনি বলেন, আমার পরিচিতি বড় ঠাকুরের কারিগর হিসাবেই। তিনি জানান, সে অর্থে কোনও বড় বাজেটের ঠাকুরের বায়না এবারে পাননি, তিনি সর্বোচ্চ ২৫০০ টাকার বেশী ঠাকুর এবছর বানাননি। পুরনো অনেক ক্লাব পুজো বন্ধ করে দিয়েছে। বাজেট পুজো প্রায় উঠেই গেছে। কলেজগুলোতে আগে বড় বড় প্রতিমার চাহিদা ছিল। কারোও কারোও ঠাকুরের বাজেট ছিল প্রায় ৪৫০০ টাকার কাছাকাছি, এখন তারাও ছোট ঠাকুর কিনছেন ২০০০ থেকে ২৫০০ টাকার মধ্যে।সরস্বতী পুজোজনতার কথা কলকাতায় ঠাকুরের সাজ সরঞ্জাম বিক্রেতাদের যোগাযোগ করে কাচামালের দাম বৃদ্ধির কারন জানতে চাইলে তাঁরা বলেন, করোনার পর থেকেই নানাবিধ বিধিনিষেধের জন্য, চীন থেকে খুব কম পরিমাণ কাঁচামাল যেমন, কাপড়, রাংতা ইত্যাদি আসছে। আমদানি করা মালের দামও খুব বেড়ে গিয়েছে। তাই আমাদেরও দাম বাড়াতে হয়েছে। দীনবন্ধু রানার অক্ষেপ, সরকার করোনার আতিমারীর কারণে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের শিল্পীদের নানাবিধ সুযোগ-সুবিধা দিয়েছেন। কিন্তু আমরা বঞ্ছিত, আপনাদের মাধ্যমে সরকারের কাছে আমার অনুরোধ রইল, যদি সহৃদয় হয় কখনও।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২২
দেশ

আক্রান্তের সংখ্যা কমলেও, চিন্তা বাড়াচ্ছে সংক্রমণের হারই!

সামান্য স্বস্তি মিলছে দেশের করোনা সংক্রমণে। টানা তিনদিন ধরে তিন লক্ষের নীচেই রইল আক্রান্তের সংখ্যা। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৮৬ হাজার জন। স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, গত ২৪ ঘন্টায় করোনার কারণে দেশে মোট ৫৭৩ জন মারা গিয়েছেন যা বুধবারের তুলনায় কম। বুধবার করোনা আক্রান্ত হয়ে ৬৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে চিন্তা বাড়াচ্ছে সংক্রমণের হার। গতকালই দেশে দৈনিক সংক্রমণের হার ছিল ১৬.১০ শতাংশ, আজ তা এক ধাক্কায় বেড়ে ১৯.৫৯ শতাংশে পৌঁছেছে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৮৬ হাজার ৩৮৪ জন। এই নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ কোটি ৩ হাজারে। বিশ্বে সংক্রমণের নিরিখে আমেরিকার পরই দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে ভারত। সংক্রমণের হার, অর্থাৎ প্রতি ১০০টি করোনা পরীক্ষায় কতজনের রিপোর্ট পজেটিভ আসছে, তার হার এক ধাক্কায় অনেকটাই বেড়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের সংক্রমণের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯.৫৯ শতাংশে। বুধবারই এই হার ছিল ১৬.১০ শতাংশ। সাপ্তাহিক সংক্রমণের হার ১৭.৭৫ শতাংশে রয়েছে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
দেশ

সংক্রমণ কমলেও চিন্তা বাড়াচ্ছে দৈনিক সংক্রমণ, আক্রান্ত ৩ লক্ষের বেশি, একদিনে মৃত্যু ৪৩৯ জনের

ভারতে অনেকটাই কমল দৈনিক করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা। তবে এখনও দৈনিক-সংক্রমণ থাকল তিন লক্ষের উপরই। বেড়েছে দৈনিক সংক্রমণের হারও। রবিবার সারাদিনে ভারতে নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ০৬ হাজার ০৬৪ জন, এই সংখ্যা আগের দিনের তুলনায় ২৭ হাজার ৪৬৯ কম। এই সময়ে মৃত্যু হয়েছে করোনা-আক্রান্ত ৪৩৯ জন রোগীর, মৃত্যুর সংখ্যাও আগের দিনের তুলনায় কমেছে। দৈনিক সংক্রমণের হার এই মুহূর্তে ২০.৭৫ শতাংশ।বিগত ২৪ ঘন্টায় ভারতে চিকিৎসাধীন করোনা-রোগীর সংখ্যা বেড়ে ২,২৪,৯৩,৩৫-এ পৌঁছেছে, শেষ ২৪ ঘন্টায় সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ৬২,১৩০ জন। এই মুহূর্তে শতাংশের নিরিখে ৫.৬৯ শতাংশ রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ভারতে বিগত ২৪ ঘন্টায় করোনা ভাইরাসের টিকা পেয়েছেন মাত্র ২৭ লক্ষ ৫৬ হাজার ৩৬৪ জন প্রাপক, ফলে ভারতে সোমবার সকাল আটটা পর্যন্ত ১,৬২,২৬,০৭,৫১৬ জনকে কোভিড টিকা দেওয়া হয়েছে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিগত ২৪ ঘন্টায় ৪৩৯ জনের মৃত্যুর পর ভারতে কোভিড-১৯ ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৪,৮৯,৮৪৮ জন।রবিবার সারা দিনে ভারতে করোনা-মুক্ত হয়েছেন ২,৪৩,৪৯৫ জন। সোমবার সকাল আটটা পর্যন্ত ভারতে মোট সুস্থ হয়েছেন ৩,৬৮,০৪,১৪৫ জন করোনা-রোগী, শতাংশের নিরিখে ৯৩.০৭ শতাংশ। নতুন করে ৩,০৬,০৬৪ জন সংক্রমিত হওয়ার পর ভারতে মোট কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন ৩,৯৫,৪৩,৩২৮ জন।তৃতীয় ঢেউয়ে উদ্বেগ আরও বাড়াচ্ছে করোনার নতুন ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যাও ১০ হাজার পার করেছে। দেশের ২৯ রাজ্যে থাবা বসিয়েছে ওমিক্রন। এদিকে রাজ্যের বাকি জেলায় স্কুল খুললেও মুম্বই পুরসভার তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যে স্কুল খোলার নির্দেশ দেওয়া হলেও, আপাতত মুম্বইয়ে ৩১ জানুয়ারি অবধি প্রথম থেকে নবম শ্রেণির পড়ুয়াদের স্কুলে আসার উপর নিষেধাজ্ঞাই জারি থাকবে। নতুন বছরের শুরু থেকেই রাজ্য তথা গোটা দেশজুড়েই বেড়েছিল করোনা সংক্রমণ। সতর্কতাবশে সঙ্গে সঙ্গেই বন্ধ করা হয়েছিল স্কুলও। তবে মাসের মাঝামাঝি সময়ে সংক্রমণ কিছুটা কমতেই, স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মহারাষ্ট্র সরকার। সোমবার থেকেই প্রথম থেকে নবম শ্রেণির অফলাইন পঠনপাঠন শুরু হচ্ছে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
রাজ্য

ফের ঊর্ধ্বমুখী করোনা সংক্রমণ, একদিনে হাজারেরও বেশি আক্রান্ত, ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৩৮ জনের

রাজ্যে ফের কিছুটা বাড়ল দৈনিক সংক্রমণ। রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের সর্বশেষ করোনা বুলটিন অনুযায়ী, দৈনিক সংক্রমণ বেড়ে হয়েছে ১১ হাজার ৪৪৭। মঙ্গলবার এই পরিসংখ্যান ছিল ১০ হাজার ৪৩০। অর্থাৎ, শেষ ২৪ ঘণ্টায় প্রায় এক হাজারেরও বেশি বেড়েছে করোনার সংক্রমণ। সেই সঙ্গে বাড়ছে মৃত্যুও। বুধবারের করোনা বুলেটিন অনুযায়ী, রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ৩৮ জনের। জেলাওয়াড়ি তালিকায় মৃতদের মধ্যে ১৪ জনই কলকাতার।সংক্রমণের নিরীখেও কলকাতায় সংক্রমণ সর্বোচ্চ। শেষ ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় দুই হাজারেরও বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এরপরই উদ্বেগজনক সংক্রমণ পরিস্থিতি উত্তর ২৪ পরগনায়। সেখানে ১ হাজার ৭৯৮ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তবে রাজ্যে পজিটিভিটি রেট কিছুটা কমেছে আগের তুলনায়। রাজ্যে বর্তমানে পজিটিভিটি রেট ১৬.৯৮ শতাংশ। শেষ ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৬৭ হাজার ৪০৪ জনের। সেই সঙ্গে সুস্থও হয়ে উঠেছেন অনেকে। সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী রাজ্যে সুস্থ হয়েছেন ১৫ হাজারেরও বেশি মানুষ। রাজ্যে বর্তমানে সুস্থতার হার ৯১.০৯ শতাংশ।এদিকে স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনা আক্রান্তদের মধ্যে ২,১৫৪ জন কলকাতার। অর্থাৎ দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে এদিন ফের প্রথমে ওই জেলা। আগের দিনের তুলনায় সামান্য হলেও কমেছে সংক্রমণ। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা। একদিনে আক্রান্ত সেখানকার ১,৭৯৮ জন। আগেরদিন সংক্রমণ ছিল এর থেকে সামান্য কম। নিম্নমুখী কোভিড গ্রাফ স্বাভাবিকভাবেই স্বস্তি দিচ্ছে ওই জেলার বাসিন্দাদের।দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে ফের তৃতীয় স্থানে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। একদিনে ওই জেলায় নতুন করে সংক্রমিত ৮৮৮ জন। চতুর্থ স্থানে নদিয়া। সেখানে একদিনে সংক্রমিত ৬৮১ জন। এছাড়াও গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যের কম বেশি সব জেলা থেকেই নতুন আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। ফলে রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৯,২৮, ৯৬১। একদিনে করোনাকে পরাস্ত করে ঘরে ফিরেছেন ১৫, ৪১৮ জন। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট করোনাজয়ীর সংখ্যা ১৭, ৫৭, ০৬৬। গত ২৪ ঘণ্টায় পজিটিভিটি রেট ১৬.৯৮ শতাংশ। বর্তমানে রাজ্যে সেফ হোমের সংখ্যা ২০০। এদিকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবরকম চেষ্টা চালাচ্ছে রাজ্য। বিভিন্ন এলাকায় তৈরি হচ্ছে কনটেনমেন্ট জোন।অন্যদিকে, ভারতে ফের বাড়ল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৮২ হাজার জন। মঙ্গলবার দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২ লক্ষ ৩৮ হাজার ১৮ জন। বুধবার দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ল ১৮ শতাংশ। দৈনিক সংক্রমণের হার ১৪.৪৩ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ১৫.১৩ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ওমিক্রন রূপে আক্রান্ত হয়েছেন ৮,৯৬১ জন। মঙ্গলবারের তুলনায় ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ১ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৪৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৩১০ জন। এই সময়ের মধ্যে দেশে করোনার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১৮ লক্ষ ৬৯ হাজার। যা মঙ্গলবারের চেয়ে প্রায় ২ লক্ষ বেশি।

জানুয়ারি ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

টেস্ট দলের অধিনায়ক হতে চান?‌ কী বললেন বুমরা

ভারতীয় টেস্ট দলের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বিরাট কোহলি। তার জায়গায় লাল বলের ক্রিকেটের নেতৃত্ব কার হাতে তুলে দেওয়া হবে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল জল্পনা। লড়াইয়ে যেমন রয়েছেন রোহিত শর্মা, তেমনই রয়েছেন লোকেশ রাহুলও। ভেসে উঠছে যশপ্রীত বুমরার নামও। তাঁর সামনে যদি সুযোগ আসে, দেশকে নেতৃত্ব দিতে তৈরি বুমরা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ শেষ। বুধবার থেকে শুরু একদিনের সিরিজ। তার আগে সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন যশপ্রীত বুমরা। আপাতত তিনি এই সিরিজের জন্য সহ অধিনায়কের দায়িত্বে রয়েছেন। সোমবার ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে বুমরা বলেন, আমার সামনে যদি ভারতীয় দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ আসে, দায়িত্ব নেওয়ার জন্য তৈরি। আমার মনে হয় কোনও ক্রিকেটারই প্রত্যাখান করবে না। আমি যে কোনও লিডারশিপ গ্রুপে অবদান রাখার জন্য মুখিয়ে রয়েছি।দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে কেপ টাউন টেস্টের পরই যে কোহলি নেতৃত্ব ছাড়বেন স্বপ্নেও ভাবেনি ভারতীয় শিবির। সেই কথা জানা গেছে বুমরার মুখে। তিনি বলেন, কোহলি নেতৃত্ব ছাড়ায় আমরা সকলেই অবাক হয়েছিলাম। কেপ টাউন টেস্টে হারের পর ড্রেসিংরুমে টিম মিটিংয়েই জানায় যে, ও আর টেস্টে অধিনায়ক থাকবে না। তবে এটা সিদ্ধান্ত একান্তই ওর ব্যক্তিগত। কোহলির এই নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্তকে গোটা দল শ্রদ্ধা করে। তবে একটা কথা বলতে পারি, কোহলির নেতৃত্বে খেলতে পেরে আমি গর্বিত। ওর নেতৃত্বেই আমার টেস্ট অভিষেক হয়েছিল। দলের মধ্যে কোহলি অন্যরকম এনার্জি নিয়ে এসেছে। খাতায়কলমে নেতৃত্বে না থাকলেও কোহলি আমাদের দলে নেতা হয়েই থাকবে। কোহলি নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেও দলে এর কোনও প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন যশপ্রীত বুমরা। তিনি বলেন, আমার মনে হয় না কোহলি নেতৃত্ব ছাড়ায় দলে এর কোনও প্রভাব পড়বে। নিজেরা একে অপরকে সাহায্য করার জন্য সবসময় তৈরি থাকি। কেউ না কেউ দায়িত্ব নেওয়ার জন্য তৈরি। যদি আমার সামনে সুযোগ আসে অবশ্যই ভাবব। তবে কখনও নেতৃত্বের পেছনে ছুটব না।

জানুয়ারি ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

টেস্ট ক্রিকেটেও শেষ বিরাট অধ্যায়, নেতৃত্ব ছাড়লেন কোহলি

ভারতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে আর কোনও ধরণের ফরম্যাটে নেতৃত্বে দেখা যাবে না বিরাট কোহলিকে। লাল বলের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকেও এবার সরে দাঁড়ালেন তিনি। টুইট করে তিনি টেস্ট ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেছেন। এবার ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে টেস্ট ক্রিকেটের জন্য নতুন নেতা বেছে নিতে হবে।গতবছর টি২০ বিশ্বকাপের আগে টি২০ ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেছিলেন বিরাট কোহলি। তাঁর এই সিদ্ধান্তে চমকে গিয়েছিল গোটা ক্রিকেট বিশ্ব। গত বছর ডিসেম্বরে কোহলিকে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেন নির্বাচকরা। এই নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। টি২০ ক্রিকেটের নেতৃত্ব ছাড়া নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলিকে মিথ্যেবাদী প্রতিপন্ন করতে চেয়েছিলেন কোহলি। তিনি বলেছিলেন, তাঁর নেতৃত্ব ছাড়ার বিষয়ে বোর্ড প্রেসিডেন্ট সব জানতেন। কিন্তু সৌরভ গাঙ্গুলি পরে বিবৃতি দেন, কোহলির নেতৃত্ব ছাড়ার বিষয়ে তিনি একেবারেই অন্ধকারে ছিলেন। এই নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়।🇮🇳 pic.twitter.com/huBL6zZ7fZ Virat Kohli (@imVkohli) January 15, 2022বোর্ড সচিব জয় শাহ থেকে শুরু করে নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান চেতন শর্মা পর্যন্ত সৌরভের পক্ষে দাঁড়িয়ে বিবৃতি দেন। কোহলি টি২০ ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোয় নির্বাচকরা চাননি সাদা বলের ক্রিকেটে দুজন নেতা রাখতে। তাই একদিনের নেতৃত্ব থেকে কোহলিকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ভারতীয় ক্রিকেটে ক্রমশ কোনঠাসা হয়ে পড়েন কিং কোহলি। তাছাড়া রাহুল দ্রাবিড়কে কোচ করে কোহলিকে অন্য বার্তাও দিতে চেয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। টেস্ট ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে কোহলির সরে দাঁড়ানোটা যে শুধু সময়ের অপেক্ষা, সেটা পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে সিরিজ হারার পরপরই টেস্ট ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন কোহলি।টুইটারে নেতৃত্ব ছাড়ার কথা ঘোষণা করে কোহলি লিখেছেন, কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও উদ্যমের সাথে দলকে সঠিকভাবে চালনা করার চেষ্টা করেছি। সততা বজায় রেখেই নিজের কর্তব্য পালন করেছি। সব কিছুরই পরিসমাপ্তি থাকে। আমার ক্ষেত্রেও ছিল। আমার এই যাত্রাপথে নিশ্চিতভাবেই ওঠানামা ছিল। কিন্তু প্রয়াসে কোনও কমতি ছিল না। সবসময় লক্ষ্য থাকে ১২০ শতাংশ দেওয়া। সবসময় স্বচ্ছতা বজায় রেখে চলেছি। সততার প্রশ্নে কখনও আপোষ করিনি।গত ৭ বছর ধরে তাঁর ওপর আস্থা রাখায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন কোহলি। টুইটারে তিনি লিখেছেন, দীর্ঘদিন দেশকে নেতৃত্বের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। সতীর্থ, সাপোর্ট স্টাফদের জন্যই আমার এই সফর স্মরণীয় ও সুন্দর হয়েছে। দেশের টেস্ট ক্রিকেট যে জায়গায় পৌঁছেছে তার জন্য প্রাক্তন কোচ রবি শাস্ত্রী ও অন্যান্য সাপোর্ট স্টাফদের বড় ভুমিকা রয়েছে। অধিনায়ক হিসেবে আমার প্রতি আস্থা রাখার জন্য মহেন্দ্র সিং ধোনিকে ধন্যবাদ।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডামাডোল এসসি ইস্টবেঙ্গলে, স্বপ্নভঙ্গ হয়ে নেতৃত্ব ছাড়লেন সবুজ-মেরুন থেকে আসা গোলকিপার

এসসি ইস্টবেঙ্গলের মতো ক্লাবকে নেতৃত্ব দেবেন। সেই স্বপ্ন নিয়ে এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে লালহলুদে যোগ দিয়েছিলেন। স্বপ্ন পূরণ হলেও দলকে আইএসএলে এখনও জয়ের মুখ দেখাতে পারেননি। ব্যর্থতার দায় কাঁধে নিয়ে এসসি ইস্টবেঙ্গলের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন অরিন্দম ভট্টাচার্য। শনিবার হঠাৎ করেই তিনি অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেন।শনিবার বিকেলে টুইটারে অরিন্দম লেখেন, নিজের খেলার ব্যাপারে সবসময় সততা বজায় রেখে চলতে বিশ্বাস করি। আমাকে ঘিরে এই মুহূর্তে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার জন্য নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ালাম। তবে আগের মতোই মাঠে নেমে দলের জন্য, সমর্থকদের জন্য ১০০ শতাংশ উজাড় করে দেব। মাঠে নামার সুযোগ না পেলেও সবরকম দায়িত্ব পালন করার জন্য আমি তৈরি। তবে সূত্রের খবর, ম্যানেজমেন্টের ওপর অসন্তুষ্ট হয়েই নেতৃত্ব ছেড়েছেন অরিন্দম ভট্টাচার্য।Ive always been honest about the way Ive played the game. And at this moment due to circumstances around me, I am stepping down as the captain of @sc_eastbengal(1/2) Arindam Bhattacharya (@ArindamGK) January 15, 2022নতুন কোচ মারিও রিভেরা দায়িত্ব নেওয়ার আগে অরিন্দম ভট্টাচার্যর নেতৃত্ব ছাড়াটা আরও একটা খারাপ খবর এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কাছে। কারণ আগের দিনই লালহলুদের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন কোচ রেনেডি সিং পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছেন তিনি নতুন কোচ মারিও রিভেরার সহকারী হিসেবে কাজ করবেন না। এখন দেখার লালহলুদ টিম ম্যানেজমেন্ট কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেয়। ইতিমধ্যেই গোয়ায় টিম হোটেলে পৌঁছে গেছেন রিভেরা। আপাতত কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন। কোয়ারেন্টিন পর্ব শেষ করে পরের ম্যাচ থেকেই তিনি লালহলুদ ব্রিগেডের দায়িত্ব তুলে নেবেন। এসসি ইস্টবেঙ্গলের পরবর্তী ম্যাচ এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে। লালহলুদের পরের ম্যাচ নিয়ে অবশ্য অনিশ্চয়তা রয়েছে। এক ফুটবলার ও এক সাপোর্ট স্টাফ করোনায় আক্রান্ত। হয়তো কিছুদিনের জন্য স্থগিত হয়ে যেতে পারে আইএসএল।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
কলকাতা

ফের কলকাতায় বাড়ল মাইক্রো কনটেনমেন্টের সংখ্যা

করোনা সংক্রমণ বাড়তেই ফের চিন্তার ভাঁজ। কলকাতায় ক্রমেই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এই পরিস্থিতিতে ফের কলকাতায় বাড়ল মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা। এ বার, ২৯ থেকে একধাক্কায় ৪৪ টি মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন নতুন করে ঘোষণা করল কলকাতা পুরসভা। প্রায় সপ্তাহখানেক আগেই কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা কমানো হয়েছিল। ফের বাড়িয়ে দেওয়া হল মাইক্রোকনটেনমেন্ট জোন।সূত্রের খবর, নবান্নের চিন্তা কোনও বস্তি এলাকা নয়। বরং, নবান্নের চিন্তার কারণ বড় বড় আবাসনগুলি। কারণ সেখানে অনেক ক্ষেত্রেই গিয়ে দেখা গিয়েছে, স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না আবাসিকরা।নতুন মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোনের তালিকায় রয়েছে একাধিক বরো। ৪ নম্বর বরোয় ৪ টি, ৭ নম্বর বরোতে ৪ টি, ৯ নম্বর বরোতে ২ টি, ১০ নম্বর বরোতে ১০ টি, ১২ নম্বর বরোয় ১১ টি, ১৪ নম্বর বরোয় ৩ টি, ১৬ নম্বর বরোতে ৫ টি, ৮ নম্বর বরোতে ১ টি এবং ৩ নম্বর বরোতে ৪ টি স্থান মাইক্রো কনটেনমেন্ট জ়োন বলে চিহ্নিত হয়েছে। সেই তালিকার মধ্যে রয়েছে, একাধিক বহুতল আবাসনও।স্বাস্থ্য অধিকর্তারা বলছেন, আবাসনগুলিতেই সবচেয়ে বেশি করোনা সংক্রমণ হচ্ছে। এই মুহূর্তে আবাসনগুলিই উৎকন্ঠার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রশাসনের। এরই মধ্যে নবান্নে একটি রিপোর্ট জমা পড়েছে। আবাসনগুলিতে সংক্রমণ কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। নিউটাউনের আবাসনগুলির ক্ষেত্রে ফোরাম ও কমিটিগুলিকে নিয়ে একটি বৈঠক করার কথা ভাবা হচ্ছে। করোনার স্বাস্থ্যবিধি যাতে তাঁরা মেনে চলেন, সে ব্যাপারে সতর্ক করা হবে তাঁদের।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
দেশ

দেশে একদিনেই করোনা আক্রান্ত প্রায় আড়াই লাখ!

ফের একবার এক ধাক্কায় অনেকটা বাড়ল করোনা সংক্রমণ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৪৭ হাজার জন। গতকালই এই সংখ্যাটি ছিল ১ লক্ষ ৯৪ হাজার ৭২০। অর্থাৎ একদিনেই ২৭ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে দৈনিক সংক্রমণে। বর্তমানে দেশে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ কোটি ৬৩ লাখে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৪৭ হাজার ৪১৭ জন। গতকালই এই সংখ্যাটি ছিল ১ লক্ষ ৯৪ হাজার ৭২০, অর্থাৎ একদিনেই ৫০ হাজারের বেশি আক্রান্তের সংখ্যায় বৃদ্ধি হয়েছে। বিগত আট মাস বাদে এই প্রথম দৈনিক সংক্রমণ দুই লাখের গণ্ডি পার করল। দেশে বেড়েছে দৈনিক মৃতের সংখ্যাও, গত ২৪ ঘণ্টাতেই করোনা সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৩৮০ জনের।গত কয়েক দিন ধরেই দেশে দৈনিক সংক্রমণের হার ১০ শতাংশ ছাড়াচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় তা পৌঁছে গিয়েছে ১৩.১১ শতাংশে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য জানাচ্ছে, গত এক সপ্তাহ ধরে দেশের ২৯টি রাজ্যের অন্তত ১২০টি জেলায় সংক্রমণের হার রয়েছে ১০ শতাংশের বেশি। সেই সঙ্গে বাড়ছে ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যা। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে, দেশে মোট ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ৫৪৮৮ জন।

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
রাজ্য

Kamarpukur Math: অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে গেল কামারপুকুর মঠ

ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী করোনা সংক্রমণের দরুণ অনিদিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হল কামারপুকুর মঠ ও মিশন। পুণ্যার্থীদের প্রবেশ বন্ধের নোটিস জারি করেছে মঠ ও মিশন কর্তৃপক্ষ। আজ থেকেই এই নোটিস কার্যকর হচ্ছে। মঠের এই বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে পরিস্থিতি অনুকূল হলে দর্শনের দিন জানানো হবে। যত দিন না পর্যন্ত পরিস্থতি নিয়ন্ত্রণে আসছে ততদিন পর্যন্ত মঠ বন্ধই থাকছে।উল্লেখ্য যে করোনার গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় গত ২৪ জুলাই থেকে মঠ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ফের গুরুপূর্ণিমার জন্য একদিন খুলে দেওয়া হয়েছিল মঠ। পরে ১৯ অগষ্ট থেকে ফের মঠের দরজা খুলে দেওয়া হয়। আবার সোমবার নতুন করে বন্ধ করে দেওয়া হল মঠ।উল্লেখ্য নতুন বছরের শুরুতে ভক্তদের ভিড় বেশি হতে পারে, সেকথা মাথায় রেখে ১-৪ জানুয়ারি বন্ধ ছিল বেলুড় মঠ। কথা ছিল ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা থেকে ১১টা এবং বিকেল ৩-৫ টা পর্যন্ত ফের নিয়ম মেনে খুলবে বেলুড় মঠ। তবে তার আগে গত ২ জানুয়ারি বেলুড় মঠ বন্ধের সিদ্ধান্তের কথা জানায় কর্তৃপক্ষ। আগামী ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত মঠ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত। কালীঘাট মন্দির কর্তৃপক্ষও সংক্রমণ রুখতে কড়া সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মন্দির বন্ধ থাকছে না। দেবী দর্শনেও বাধা নেই। কিন্তু ভিতরে ঢুকে পুজো দেওয়া কিংবা গর্ভগৃহে প্রবেশ করতে পারবেন না কেউ। বাইরে থেকেই দর্শন সেরে ফেলতে হবে।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
রাজ্য

Corona: গত ১০ দিনে সংক্রমণে বিরাট লাফ করোনার

গত ১০ দিনে রাজ্যে ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়েছে করোনা সংক্রমণ। করোনার দৈনিক সংক্রমণ একধাক্কায় বেড়ে ১৪ হাজারের গণ্ডি পেরিয়ে গিয়েছে বুধবার।মঙ্গলবার এই সংখ্যাটা ছিল ৯ হাজারের কিছু বেশি। একদিনে প্রায় পাঁচ হাজার বেড়েছে দৈনিক সংক্রমণ। আক্রান্তের নিরিখে শীর্ষে রয়েছে কলকাতা। আক্রান্তদের মধ্যে ৬ হাজারেরও বেশি কলকাতায়। এরপরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। শেষ ২৪ ঘণ্টায় উত্তর ২৪ পরগনায় আড়াই হাজারেরও বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, করোনায় মৃত্যু হয়েছে ১৭ জনের। হাসপাতাল থেকে ছাড়া হয়েছে ৬ হাজারেরও বেশি মানুষ। গত ২৭ ডিসেম্বর যেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল পাঁচশোর দোরগোড়ায়, ১০ দিনে তা বেড়ে হয়েছে প্রায় ১৫ হাজারের কাছাকাছি। করোনাকে বশে আনতে ফের তৎপর হয়েছে রাজ্য সরকার। আগামী ১৫ তারিখ পর্যন্ত রাজ্যে কড়া বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। কিন্তু বিধিনিষেধের মধ্যেও আক্রান্তের পরিমাণ বেড়েই চলেছে।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
দেশ

Corona: ছোটদের টিকাকরণ ১ কোটি পার, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ওমিক্রনের দাপট

নতুন বছরে শুরু হয়েছে করোনা টিকাকরণের নতুন অধ্যায়। ৩ জানুয়ারি থেকে করোনা টিকা নিতে পারছে ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সীরাও। আর মাত্র তিনদিনেই সেই টিকাকরণের সংখ্যা ১ কোটির গণ্ডি পার করেছে। বুধবারই কো-উইন পোর্টালের ড্যাশবোর্ডে দেখা যায়, এখনও অবধি ১.২৯ কোটি ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সী নাবালক/নাবালিকারা করোনা টিকার প্রথম ডোজ পেয়েছে।মাত্র দুইদিনের মধ্যেই টিকাকরণের সংখ্যা ১ কোটি পার হওয়ায় দেশবাসীকে টুইটারে ধন্যবাদ জানান কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য। তিনি লেখেন, করোনা টিকাকরণের জন্য ভারতের যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে দারুণ উৎসাহ দেখতে পেয়ে অত্যন্ত খুশি। ১৫ থেকে ১৮ বয়সী ১ কোটিরও বেশী তরুণ প্রজন্ম করোনা টিকার প্রথম ডোজ় পেয়েছে, তাও আবার মাত্র টিকাকরণ অভিযান শুরুর তিনদিনের মধ্যেই।অন্যদিকে নতুন বছরেও দাপট কমছে না ওমিক্রনের। পাল্লা দিচ্ছে করোনা সংক্রমণও। ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের দাপটে দেশ তথা বিশ্বজুড়েই বাড়ছে সংক্রমণ। দেশে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ২ হাজার পার করেছে। দিল্লি, মুম্বইয়ের মতো বড় শহরগুলিতে শুরু হয়ে গিয়েছে করোনা ও ওমিক্রনের গোষ্ঠী সংক্রমণ। কলকাতাতেও লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। এখনও অবধি বিশ্বের ১২৮টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
দেশ

Corona-Omicron: উৎসবের আনন্দে বেপরোয়া মনোভাবে করোনার দৈনিক সংক্রমণ ৩৩ হাজার পার, দোসর ওমিক্রন

করোনা ও ওমিক্রন-কে বুড়ো আঙুল দেখিয়েই বড়দিন থেকে বর্ষবরণ অবধি মেতে ছিল রাজ্য তথা দেশের জনসংখ্যার একটি বড় অংশই। এবার তার ফলও মিলছে হাতেনাতে, একদিকে যেমন ব্যাপক হারে বাড়ছে দেশের করোনা সংক্রমণ, তেমনই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যাও। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩৩ হাজার ৭৫০ জন, যা আগের দিনের তুলনায় ২২.৫ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে, দেশে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যাও ধীরে ধীরে দুই হাজারের দিকে এগোচ্ছে।বর্ষবরণের আনন্দে বিধিনিষেধের গেরো শিথিল হতেই, হাইজাম্প দিয়েছে করোনা। এক ধাক্কাতেই দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে ৩৩ হাজার ৭৫০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন, এই নিয়ে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ কোটি ৪৯ লক্ষ ২২ হাজার ৮৮২-তে। গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যাও। একদিনেই ১২৩ জনের মৃত্যু হওয়ায় দেশে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ৮১ হাজার ৮৯৩-তে।করোনার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ওমিক্রন সংক্রমণও। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৭৫ জন ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ মেলায়, দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৭০০-এ বেড়ে দাঁড়িয়েছে। এরমধ্যে ৬৩৯ জন এখনও অবধি সুস্থ হয়ে উঠেছেন। রাজ্যের নিরিখে সর্বাধিক আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে মহারাষ্ট্র থেকেই, সেখানে বর্তমানে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ৫১০। এরপরই রয়েছে দিল্লি, সেখানে ৩৫১ জন ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। কেরল (১৫৬), গুজরাত(১৩৬), তামিলনাড়ু (১২১), রাজস্থান (১২০)-এও আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
রাজ্য

Covid 19: রাজ্যে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা পেরিয়ে গেল ৬ হাজার, বাড়ছে উদ্বেগ

রাজ্যে আংশিক কোভিড বিধি ঘোষণার দিন লাফিয়ে বাড়ল করোনা সংক্রমণ। বাংলায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় সংক্রমিত ৬১৫৩, মৃত্যু হয়েছে ৮জনের। সংক্রমণের হার (১৫.৯৩%)। প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এদিনই রাজ্যে একাধিক কোভিড বিধি ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার।কলকাতায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩হাজার পেরিয়ে গিয়েছে। ৩১৯৪ জন করোনায় আক্রান্ত। সাত দিন আগে কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল মাত্র ২০৪ জন। ৭ দিনে ১৫ গুণের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে সংক্রমণ। রাজধানী শহরে এমন সংক্রমণ বৃদ্ধিতে উদ্বিগ্ন অভিজ্ঞ মহল। বড় দিনে পার্কস্ট্রিটের ভিড়, কলকাতায় মেয়রের শপথের ভিড় নিয়ে সরকারের কড়া সমালোচনা করেছেন বিরোধীরা। তাছাড়া মেলা, পর্যটন কেন্দ্রগুলিতেও এই মরসুমে মানুষের ঢল নেমেছিল। অভিজ্ঞ মহলের মতে, একদিকে সরকারি উদাসীনতা অন্যদিকে সাধারণ মানুষের একাংশ করোনা বিধিকে কোনও তোয়াক্কা করছিল না। বরং কোভিড টিকা নিয়ে অনেকেই মাস্ক পরা ভুলে গিয়েছিলেন।এদিকে উত্তর ২৪ পরগনায় এক হাজার ছুঁই ছুঁই কোভিড সংক্রমিত, ৯৯৪ জন। কলকাতার পাশের জেলা হাওড়ায় আক্রান্ত ৫৯৫। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ২৮০ এবং হুগলি ২১৫। রাজ্যের বাকি জেলাগুলিতেও দ্রুত বাড়ছে কোভিড সংক্রমণ। ক্রমশ আতঙ্ক বাড়ছে।

জানুয়ারি ০২, ২০২২
রাজ্য

Picnic Accident: পূর্ব বর্ধমানে পিকনিকে ভয়ঙ্কর ঘটনা, দিঘির জলে তলিয়ে গেল কিশোর

দিঘির জলে স্নান করতে নেমে তলিয়ে গিয়ে মৃত্যু হল পিকনিকে যোগ দেওয়া এক কিশোরের। শনিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটে।পুলিশ জানিয়েছে, মৃতর নাম বিশ্বজিৎ দত্ত।তাঁর বাড়ি মঙ্গলকোট থানার শীতলগ্রামের পশ্চিমপাড়ায়। মঙ্গলকোট থানার পুলিশ কিশোরের মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শীতল গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ শনিবার নতুন বছর শুরুর দিন সকালে গ্রামের বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে পিকনিক করতে বের হয়। গ্রাম থেকে ৮-১০ কিমি দূরে খুতরুন দিঘির পাড়ে তাঁরা পিকনিক করছিল। রান্নাবান্না শেষে সকলে মিলে দিঘির জলে স্নান করতে নামে। অভিযোগ দিঘিতে স্নান করতে নামার আগে বিশ্বজিৎ ও তাঁর কয়েকজন সঙ্গী মদ্যপান করে। এলাকা সূত্রে খবর পিকনিক করতে আসা কিশোররা দিঘিতে স্নান করতে নামার পর বেশ কিছুক্ষণ জলে দাপিয়ে বেড়ায়।তারপর পাড়ে উঠে তারা দেখে বিশ্বজিতের পোশাক পাড়ে পড়ে থাকলেও সে নেই। সঙ্গীরা ফের জলে নেমে তার খোঁজ চালায়। কিন্তু তারা খোঁজ পায় না। বেশ কিছুক্ষণ পর দিঘির জলে ভেসে ওঠে বিশ্বজিতের মৃতদেহ।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
রাজ্য

Lock Down: বড় খবর! ফের আংশিক লকডাউনের সম্ভাবনা রাজ্যে, আপাতত বাতিল 'দুয়ারে সরকার' কর্মসূচি

ফের আংশিক লকডাউনের পথে হাঁটার সম্ভাবনা রাজ্যের। জারি হতে পারে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আবারও বিধিনিষেধ। বন্ধ হতে পারে রাজ্যের মেলাগুলি। আগামী ৩ জানুয়ারি থেকে এই বিধিনিষেধ আরোপ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেই সূত্রের খবর। শনিবারই করোনা বাড়ায় আপাতত সব মামলা ভার্চুয়ালি হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। শুধু কলকাতা হাইকোর্ট নয়, রাজ্যের সমস্ত জেলার আদালতের জন্যই এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এমনকী জলপাইগুড়ির যে সার্কিট বেঞ্চ রয়েছে তাও আপাতত বন্ধ থাকছে।যেভাবে ওমিক্রন থাবা বসাচ্ছে গোটা দেশে, যে হারে রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে সেইদিকে খেয়াল রেখে এবার কিছুটা রাশ টানার সম্ভাবনা রয়েছে নবান্নের। ইতিমধ্যেই কলকাতা পুরসভার একাধিক কাউন্সিলর কোভিড আক্রান্ত হয়েছেন। শনিবারই সামনে এসেছে রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবর।১ জানুয়ারি থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত স্টুডেন্টস উইক ঘোষণা করেছে রাজ্যে সরকার। তারই অঙ্গ হিসেবে ৩ জানুয়ারি নেতাজি ইন্ডোরে এক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও থাকার কথা ছিল। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সেই কর্মসূচি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। সোমবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে। তাহলে কি ফের আংশিক লকডাউনের পথে হাঁটার কথা ভাবছে রাজ্য সরকার? এই প্রশ্নই এখন ঘুরছে বিভিন্ন মহলে।শুধু স্টুডেন্টস উইক-এর অনুষ্ঠানই বাতিল নয়। রবিবার থেকে দুয়ারে সরকারের কর্মসূচি শুরু হওয়ার কথা ছিল রাজ্য সরকারের। রাজ্য সরকার আপাতত দুয়ারে সরকার কর্মসূচিও স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যে হারে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে, তা এই মুহূর্তে এই ধরনের শিবির শুধু মারাত্মক নয় প্রাণঘাতীও হয়ে উঠতে পারে বলেই মত জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের।বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে-# বন্ধ হতে পারে স্কুল, কলেজ।# বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বার, রেস্তোরাঁ, সিনেমা হল।# কমানো হতে পারে লোকাল ট্রেনের সংখ্যা।# নিষেধাজ্ঞা জারি হতে পারে রাজ্যের মেলাগুলিতে।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
রাজ্য

Corona: রাজ্যে ২৪ ঘণ্টায় আবার ঊর্ধ্বমুখী করোনা সংক্রমণ

চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞদের তরফে ক্রমাগত সতর্কবাণী সত্ত্বেও ভোটপুজো থেকে বড়দিন বিধি ভাঙার কোনও সুযোগই ছাড়েনি জনতার একটি বড় অংশ। ফল-ও মিলছে, যেমন মিলেছিল দুর্গাপুজো থেকে জগদ্ধাত্রী পুজো পর্যন্ত মহোৎসবে লাগামছাড়া মাতনের পরে। গত কয়েক দিন ধরে রাজ্যে দৈনিক করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা ৪০০ থেকে ৫০০-র ঘরে ঘোরাফেরা করলেও মঙ্গলবার রাতে স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দৈনিক সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে কার্যত দ্বিগুণ হয়েছে। সংখ্যাটি এক ধাক্কায় পৌঁছে গিয়েছে ৭০০-র ঘরে।২ দিন পরেই বর্ষবরণ। বর্ষশেষের নিশিযাপন আর ইংরেজি নতুন বছরের প্রথম দিনটি উদ্যাপনের তাগিদে কলকাতা ৩১ ডিসেম্বরের রাত থেকে শৃঙ্খলা ভেঙে, অতিমারি বিধি উড়িয়ে ওমিক্রনকে স্বাগত জানাতে হামলে পড়বে কি না, তা নিয়েও মহা উদ্বেগে আছেন চিকিৎসকেরা।ওমিক্রন পশ্চিমবঙ্গ-সহ সারা দেশে থাবা বসাতে থাকায় বার বার বিধি মানার কথা বলে স্বাস্থ্য শিবির মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু বছর শেষের উৎসবে প্রশাসন রাশ আলগা করার কারণেই এক শ্রেণির মানুষের বেপরোয়া আচরণের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তবে মানুষের আত্মিক সচেতনতা ও বোধের উপরেই ভরসা রাখতে চাইছেন চিকিৎসকদের একাংশ। নতুন বছরের আনন্দ ষোলো আনা অনুভব-উপভোগ করেও পথে নেমে ভিড় করে উচ্ছ্বাস প্রকাশে লাগাম টানারই আবেদন জানাচ্ছেন তাঁরা।স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত রাজ্যে ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন পাঁচ জন। আর কারও খোঁজ মেলেনি, যাঁকে ওমিক্রনে আক্রান্ত বলে সন্দেহ করা যায়। ঢাকুরিয়ার বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন যুবকের আজ, বুধবার পুনরায় কোভিড পরীক্ষা করা হবে। সেই পরীক্ষার রিপোর্টও যদি নেগেটিভ আসে, তা হলে তাঁকে ছুটি দেওয়া হবে বলেই সূত্রের খবর।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
দেশ

IT Raid: কানপুরের ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে উদ্ধার নগদ ১৫০ কোটি টাকা, নোট গুনতে হিমশিম অবস্থা আয়কর আধিকারিকদের

পীযূষ জৈন নামে কানপুরের এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দিয়ে ১৫০ কোটির নোট উদ্ধার করেছে আয়কর বিভাগ। একই সঙ্গে তল্লাশি চালানো হয়েছে তাঁর একাধিক সংস্থায়। কানপুরের আয়কর বিভাগ যে ছবি দিয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, আধিকারিকেরা মাটিতে নোটের স্তূপের মধ্যে বসে মেশিনের সাহায্যে টাকা গুনছেন।কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগেই আয়কর বিভাগের আধিকারিকেরা তল্লাশি চালাচ্ছিলেন। আধিকারিকেরা জানান, ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ভুয়ো ইনভয়েস দিয়ে জিনিস পাঠানো, ই-ওয়ে বিল ছাড়া জিনিস পাঠানোর অভিযোগ উঠেছিল। ভুয়ো সংস্থার নামেও ইনভয়েস তৈরি করার অভিযোগ ছিল। ৫০ হাজার টাকার ২০০টি এমন ভুয়ো ইনভয়েস পাওয়া গিয়েছে বলে অভিযোগ পীযূষের সংস্থার বিরুদ্ধে। অন্য ছবিতে দেখা যায়, পীযূষের বাড়ির আলমারি ভর্তি টাকা। যে নোট রাখা হয়েছে ছোটছোট বাক্সে। হলুদ টেপ দিয়ে যে বাক্সের মুখ বন্ধ করা। আয়কর দপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে, শুক্রবার সকালে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১৫০ কোটি টাকার নোট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে গণনা সম্পূর্ণ হয়নি। কানপুরের সঙ্গে মুম্বইয়েও পীযূষের অফিসে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।পীযূষের সুগন্ধী দ্রব্যের ব্যবসা। সেই সঙ্গে তাঁর কোল্ড স্টোর, পেট্রল পাম্পেরও ব্যবসা রয়েছে। মুম্বইয়ের একটি শো-রুমের মালিক তিনি। কানপুরে আয়কর দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে মুম্বইয়ের আধিকারিকেরাও যোগ দেন এই তল্লাশিতে।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২১
দেশ

Omicron: দেশে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৩৫৮

ক্রমেই ভারতে বাড়ছে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা। শুক্রবার কেন্দ্রের দেওয়া সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখনও এ দেশে ওমিক্রনের উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছে ৩৫৮ জনের শরীরে। এর মধ্যে দিল্লিতেই আক্রান্তের সংখ্যা ৬৭। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ২৫ ডিসেম্বর থেকে উত্তরপ্রদেশে ফিরছে নাইট কার্ফু। রাত ১১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত এই কার্ফু জারি থাকবে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, কোভিড-১৯ এর জন্য ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ৬৬,৯৮,০৯,৮১৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৩ তারিখই পরীক্ষা করা হয়েছে ১১,৬৫,৮৮৭টি। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৩৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে গত একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৬৫০ জন। এর মধ্যে আবার ৩৫৮ জনের শরীরে পাওয়া গিয়েছে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি।কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, ১১৪ জন এখনও অবধি ওমিক্রনকে জয় করে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন। মূলত ১৭টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে এখনও অবধি ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে মহারাষ্ট্র। এখনও অবধি ৮৮ জন এ রাজ্যে ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন।দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে দিল্লি। ৬৭ জন ওমিক্রন আক্রান্ত হয়েছেন রাজধানীতে। তেলেঙ্গানায় এই সংখ্যাটা ৩৮। তামিলনাডুতে ৩৪। কর্নাটকে ৩১ জন আক্রান্ত, গুজরাটে ৩০ জন। কেরলে ২৭, রাজস্থানে ২২। এছাড়াও হরিয়ানা ও ওড়িশায় ৪ জন করে ওমিক্রনের শিকার হয়েছেন। জম্ম কাশ্মীর ও পশ্চিমবঙ্গে সংখ্যাটা ৩। এরপরই রয়েছে অন্ধ্র প্রদেশ ও উত্তর প্রদেশ। ২ জন করে ওমিক্রন আক্রান্ত হন এই দুই রাজ্যে। পাশাপাশি চণ্ডীগড়, উত্তরাখণ্ড, লাদাখে ১ জন করে ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২১
রাজ্য

Weather: শীতের ভিলেন পশ্চিমী ঝঞ্ঝা, সপ্তাহান্তে আরও বাড়তে পারে তাপমাত্রা

শীতের লম্বা ইনিংসে ফের বাধা দিল পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। একদফা জোরালো শীতের পরে কলকাতার রাতের তাপমাত্রা কিছুটা মাথা চাড়া দিয়েছে। বেশির ভাগ জেলাতেও তাপমাত্রা বেড়েছে। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, বড়দিন থেকে পারদ আরও চড়বে। মাসের শেষ সপ্তাহে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের উপরেও উঠে যেতে পারে।আবহবিদেরা জানিয়েছেন, কাশ্মীরে একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকেছে। তার জেরে সেখানে বৃষ্টি এবং তুষারপাত হবে। তাপমাত্রা বাড়ছে পঞ্জাব, হরিয়ানাতেও। ঝঞ্ঝা এলে উত্তুরে হাওয়া বাধা পায়। তার জেরে মধ্য এবং পূর্ব ভারতে ঠান্ডা কমে। এর ফলে বাংলাতেও শীতের কনকনানি আগামী কয়েক দিনে কমে যাবে। তবে ঝঞ্ঝা বিদায় নিলে উত্তুরে হাওয়া বাধাহীনভাবে বইতে শুরু করবে। তখন তাপমাত্রা ফের কমতে পারে বলে মনে করছেন আবহবিদেরা।গত কয়েক দিন বাংলায় জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়েছিল। শীতের দৌড়ে উপকূলীয় জেলাগুলি টেক্কা দিচ্ছিল উত্তরবঙ্গের তরাই এলাকাকে। বুধবারও কোচবিহার, শিলিগুড়িকে পিছনে ফেলেছে পুরুলিয়া, কাঁথি। কোচবিহারে বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, শিলিগুড়িতে ৯.২ ডিগ্রি। সেখানে পুরুলিয়ার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮.১ এবং কাঁথিতে ৯ ডিগ্রি। তবে বাঁকুড়া, শ্রীনিকেতন, পানাগড়ের মতো পশ্চিমাঞ্চলের এলাকাগুলিতে গত দুদিনের তুলনায় তাপমাত্রা বেড়েছে।বুধবারই মহানগরীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রির ঘর থেকে বেড়ে ১৩ ডিগ্রির ঘরে পৌঁছেছিল। বৃহস্পতিবার তা প্রায় একই রয়েছে। বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হতে পারে ২৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে দুই ডিগ্রি বেশি।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

১৬ মাস পর মুখোমুখি মোদী-ট্রাম্প! করমর্দনের সেই মুহূর্ত ঘিরে তুমুল জল্পনা

জি-৭ সম্মেলনের মঞ্চে দীর্ঘ ১৬ মাস পর মুখোমুখি হলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার ফ্রান্সের এভিয়ানে সম্মেলনের ঐতিহ্যবাহী ফটো পর্বের সময় দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতা হয়। করমর্দনের সেই মুহূর্ত ঘিরে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।সম্মেলনে অংশ নিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতারা যখন অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছচ্ছিলেন, তখনই মোদী ও ট্রাম্পকে কথা বলতে দেখা যায়। কিছুক্ষণ কথোপকথনের পর তাঁরা একসঙ্গে ফটো পর্বেও অংশ নেন। দীর্ঘদিন পর দুই নেতার এই মুখোমুখি সাক্ষাৎ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক মহলের একাংশ।জানা গিয়েছে, বুধবার জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে মোদী ও ট্রাম্পের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। তার আগেই এই সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতা দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, এর আগে দুই নেতার শেষ মুখোমুখি বৈঠক হয়েছিল গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়েছিলেন। এরপর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হলেও দুই নেতা একাধিকবার টেলিফোনে কথা বলেছেন।গত কয়েক মাসে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নানা কারণে আলোচনায় ছিল। বাণিজ্য শুল্ক, কৌশলগত সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত কয়েকটি বিষয়ে দুই দেশের অবস্থান নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে একই সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার বিষয়েও দুই দেশ আগ্রহ দেখিয়েছে।কূটনৈতিক সূত্রের মতে, বুধবারের বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, প্রযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। বিশেষ করে দুই দেশের মধ্যে চলমান বাণিজ্য কাঠামো এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার রূপরেখা বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে।প্রসঙ্গত, ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর আমন্ত্রণে এবারের জি-৭ সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। সঙ্গী দেশ হিসেবে ভারত একাধিকবার এই সম্মেলনে আমন্ত্রিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক কূটনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে বিবেচিত এই সম্মেলনে ভারতের উপস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।এখন সকলের নজর বুধবারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের দিকে। দীর্ঘ ১৬ মাস পর মুখোমুখি সাক্ষাতের পর দুই দেশের সম্পর্ক কোন নতুন পথে এগোয়, তা জানতেই আগ্রহী আন্তর্জাতিক মহল।

জুন ১৬, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বড়সড় জঙ্গি চক্র ফাঁস! একসঙ্গে গ্রেপ্তার ৭, তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য

রাজধানী দিল্লিতে একটি সন্দেহভাজন জঙ্গি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযান চালিয়ে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতরা দেশের বিভিন্ন জায়গায় নাশকতার পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপ, অস্ত্র ও মাদক পাচার এবং সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহের অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীদের দাবি, একটি আন্তর্জাতিক চক্রের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ ছিল এবং সেই সূত্রে বিভিন্ন বেআইনি কার্যকলাপ চালানো হত।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে বলে পুলিশের দাবি, সীমান্তবর্তী এলাকা ব্যবহার করে অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং মাদক পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল। পরে সেগুলি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া হত। সম্প্রতি গোয়েন্দা সূত্রে তথ্য পাওয়ার পরই শুরু হয় নজরদারি এবং তল্লাশি অভিযান।অবশেষে দিল্লি পুলিশের বিশেষ শাখার অভিযানে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপরই রাজধানী এবং আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল স্থানে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য বৈদ্যুতিন যন্ত্রে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। কিছু সংবেদনশীল স্থানের ছবি এবং তথ্যও উদ্ধার হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। সেগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, এর আগেও রাজধানীতে নাশকতার সম্ভাবনা ঘিরে কয়েকজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সেই ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে। তার মধ্যেই নতুন করে এই গ্রেপ্তারি নিরাপত্তা সংস্থাগুলির উদ্বেগ বাড়িয়েছে।পুলিশের দাবি, গোটা ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, এই চক্রের সঙ্গে আর কারা যুক্ত এবং তাদের সম্ভাব্য পরিকল্পনা কতদূর এগিয়েছিল।এই ঘটনার পর রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলি।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

একুশের আগে বড় ধাক্কার ছক? তৃণমূলের প্রতীক নিয়েই কি আদালতে যাচ্ছেন সুদীপরা!

একুশে জুলাই তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। দীর্ঘদিন ধরে এই দিনটিকে দলের শক্তি প্রদর্শনের অন্যতম বড় মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। তবে এবার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। ক্ষমতা হারানোর পর দলীয় অন্দরে বিভাজন, বিদ্রোহ এবং নেতৃত্ব নিয়ে জটিলতার আবহে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নিয়েই তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।এই আবহের মধ্যেই নতুন রাজনৈতিক জল্পনার জন্ম দিলেন তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের অন্যতম প্রবীণ সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। বিদ্রোহী সাংসদদের একটি বড় অংশ সম্প্রতি নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপিআই-তে যোগ দিয়েছেন। ফলে অনেকেই মনে করেছিলেন, তাঁরা তৃণমূলের নাম, প্রতীক বা সম্পত্তির দাবি থেকে সরে এসেছেন। কিন্তু সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক মন্তব্য সেই ধারণায় নতুন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।দিল্লি থেকে ফেরার পর তিনি বলেন, দলের প্রতীক, সম্পত্তি এবং ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক অবস্থান নিয়ে কী পদক্ষেপ করা হবে, তা এখনও আলোচনার বিষয়। তাঁর অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, এই ধরনের বিষয় শেষ পর্যন্ত আদালতেই নিষ্পত্তি হয়। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই মন্তব্যের মধ্যেই ভবিষ্যতের আইনি লড়াইয়ের ইঙ্গিত রয়েছে।সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, অন্য রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার পরও কীভাবে তৃণমূলের প্রতীক বা সম্পত্তির দাবি তোলা সম্ভব? রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, লোকসভা ও বিধানসভার বিক্ষুব্ধ শিবিরকে একত্র করার চেষ্টা চলছে। যদি বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলির মধ্যে সমঝোতা তৈরি হয়, তাহলে ভবিষ্যতে দলীয় প্রতীক ও সাংগঠনিক অধিকার নিয়ে নতুন দাবি উঠতে পারে।সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানিয়েছেন, বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে। কীভাবে সবাই একসঙ্গে বসবে, কীভাবে ভবিষ্যতের রূপরেখা তৈরি হবে এবং নতুন দলের রাজনৈতিক কর্মসূচি কী হবে, তা নিয়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে। তাঁর দাবি, বিষয়টি ইতিমধ্যেই অনেক দূর এগিয়েছে এবং বিধানসভা স্তরেও একই ধরনের প্রস্তুতি চলছে।আগামী কুড়ি জুলাই সংসদের অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা। তার আগেই বিদ্রোহী শিবির নিজেদের অবস্থান আরও স্পষ্ট করতে চাইছে বলে রাজনৈতিক সূত্রের খবর। সুদীপ জানিয়েছেন, প্রথম ধাপের কাজ শেষ হয়েছে। এখন পরবর্তী পর্যায়ের প্রস্তুতি চলছে এবং অধিবেশন শুরুর আগেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।তবে এই জল্পনায় জল ঢেলেছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, বিদ্রোহী সাংসদরা ইতিমধ্যেই নতুন দলে যোগ দিয়েছেন এবং তাঁদের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে আলাদা করে কোনও তথ্য তাঁর কাছে নেই। ফলে দুই পক্ষ একসঙ্গে আসবে কি না, তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট ছবি সামনে আসেনি।একুশে জুলাইয়ের আগে এই রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়েই এখন তীব্র আগ্রহ তৈরি হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। বিশেষ করে দলীয় প্রতীক, সম্পত্তি এবং সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন কোনও আইনি লড়াই শুরু হয় কি না, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

সুমিত কোথায়? গ্রেফতারি পরোয়ানার পর এবার লুক আউট নোটিস, চাপে অভিষেকের ঘনিষ্ঠ সহকারী

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহকারী সুমিত রায়কে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হল। তাঁর বিরুদ্ধে আগে থেকেই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। এবার তাঁকে খুঁজে না পাওয়ায় লুক আউট নোটিস জারি করল রাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা। এর ফলে দেশের কোনও বন্দর, বিমানবন্দর বা সীমান্ত দিয়ে দেশ ছাড়ার চেষ্টা করলে তাঁকে আটক করা হতে পারে।গত কয়েক দিন ধরে সুমিত রায়ের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তদন্তকারীরা কলকাতার একাধিক জায়গায় খোঁজ চালানোর পাশাপাশি কালীঘাটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও পৌঁছেছিলেন। সেখানে তল্লাশি চালানো হলেও সুমিতের কোনও হদিস মেলেনি। হুগলির শ্রীরামপুরে তাঁর শ্বশুরবাড়িতেও খোঁজ করা হয়, কিন্তু সেখানেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, সুমিত রায় কোথায় রয়েছেন। তদন্তের অগ্রগতি থমকে যাওয়ায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আবেদন জানায়। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে।অন্যদিকে, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পরই সুমিত রায় কলকাতা হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে তিনি ব্যক্তিগতভাবে আদালতে উপস্থিত হননি। তাঁর আবেদন নিয়ে চলতি সপ্তাহেই শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তদন্ত সূত্রে খবর, এই পরিস্থিতিতে সুমিত রায়ের বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। সেই কারণেই গোয়েন্দা সংস্থা অভিবাসন কর্তৃপক্ষের কাছে লুক আউট নোটিস জারির আবেদন করে। সেই আবেদন অনুমোদিত হওয়ায় এখন থেকে দেশের যে কোনও আন্তর্জাতিক প্রবেশ বা প্রস্থান কেন্দ্রে তাঁর নাম সতর্কতামূলক তালিকায় থাকবে।উল্লেখ্য, প্রতারণা এবং জমি সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে সুমিত রায়ের নাম উঠে এসেছে তদন্তে। এই মামলায় এক প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ককে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাঁর নাম সামনে আসে বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি। তারপর থেকেই তাঁকে খুঁজছে পুলিশ।এখন সবার নজর, সুমিত রায় কোথায় এবং তদন্তকারীরা কবে তাঁর নাগাল পান। একই সঙ্গে আদালতে তাঁর আগাম জামিনের আবেদনের শুনানিও বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

জুন ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে জিতেই বিপাকে ইরান! ম্যাচ শেষ হতেই দেশ ছাড়ার নির্দেশ, ক্ষোভ ফুটবলারদের

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ভালো পারফরম্যান্সের পরই নতুন বিতর্কে জড়াল ইরান ফুটবল দল। দলের অভিযোগ, ম্যাচ শেষ হওয়ার পর পর্যাপ্ত বিশ্রাম বা পুনরুদ্ধারের সময় না দিয়েই তাদের দ্রুত যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে বলা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফুটবলার এবং কোচিং স্টাফের সদস্যরা।সূত্রের খবর, বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য ইরান দলকে সীমিত সময়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। সেই কারণে ম্যাচ ছাড়া বাকি সময় তারা অন্য দেশে অবস্থান করছে এবং সেখানেই অনুশীলন চালাচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ম্যাচের পর যুক্তরাষ্ট্রেই একটি রাত কাটানোর কথা ছিল দলের। কিন্তু ম্যাচ শেষ হওয়ার পর পরিস্থিতি বদলে যায় বলে দাবি ইরান শিবিরের।দলের অভিযোগ, ম্যাচ শেষ হতেই তাদের দ্রুত রওনা হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপরই ইরান দলকে মেক্সিকোর তিজুয়ানায় ফিরে যেতে হয়। সেখানেই বর্তমানে তাদের বেস ক্যাম্প রয়েছে।ইরানের প্রধান কোচ আমির ঘালেনোই এই ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, খেলোয়াড়দের জন্য ম্যাচের পর বিশ্রাম ও পুনরুদ্ধারের সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সেই সুযোগ দেওয়া হয়নি। তিনি দাবি করেন, এই সিদ্ধান্তে দলের প্রস্তুতি এবং শারীরিক অবস্থার উপর প্রভাব পড়তে পারে।কোচ আরও বলেন, শুরুতে যে পরিকল্পনা ছিল, তাতে ম্যাচের আগে এবং পরে নির্দিষ্ট সময় যুক্তরাষ্ট্রে থাকার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবায়িত হয়নি। কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।বিশ্বকাপ শুরুর আগে ইরান শিবির জানিয়েছিল, তারা মাঠের বাইরের বিতর্কে জড়াতে চায় না। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনা শুরু হয়েছে। দলের একাংশের মতে, তাদের প্রতি আলাদা ধরনের আচরণ করা হচ্ছে।অন্যদিকে, অধিনায়ক মেহদি তারেমি নাকি এই বিষয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। ইরানের অভিযোগের পর পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর ফুটবলপ্রেমীদের।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের ভূমিকায় প্রশ্নচিহ্ন! আদালতের পর্যবেক্ষণে বাড়ল রাজনৈতিক চাপ

বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম নিয়ে চলা আইনি লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করল কলকাতা হাই কোর্ট। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে স্পিকারের সিদ্ধান্ত এবং তাঁর ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলে আদালত। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও জানতে চান, বিধানসভার অধিবেশন না ডেকে কীভাবে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এবং স্পিকার কীভাবে নিশ্চিত হলেন যে বিরোধী শিবিরের কোন পক্ষের সমর্থন বেশি।শুনানির সময় বিচারপতি বলেন, বিরোধী দলনেতার নাম প্রস্তাব আকারে স্পিকারের কাছে জমা পড়ার পর তাঁর সাংবিধানিক দায়িত্ব কী ছিল, তা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। আদালতের প্রশ্ন, প্রধান বিরোধী দলের পক্ষ থেকে কোনও নাম পাঠানো হলে স্পিকার কি তা গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?রাজ্যের পক্ষে অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য আদালতে জানান, বিরোধী শিবিরের ভিতরে মতবিরোধ থাকায় স্পিকারকে সবদিক বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। তিনি উদাহরণ হিসেবে অন্য একটি রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথাও তুলে ধরেন, যেখানে বিরোধী দলের নেতৃত্ব নিয়ে দীর্ঘদিন অনিশ্চয়তা ছিল।তবে আদালত এই যুক্তিতে পুরোপুরি সন্তুষ্ট হয়নি। বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, যদি একই দলের দুই পক্ষ আলাদা দাবি জানায়, তাহলে সেই ক্ষেত্রে স্পিকারের ক্ষমতার সীমা কোথায়? তিনি কি নিজে থেকেই কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, নাকি বিধানসভার নিয়ম মেনেই তা নির্ধারণ করতে হবে?শুনানিতে আরও উঠে আসে সই জালিয়াতির অভিযোগের প্রসঙ্গ। রাজ্যের আইনজীবী জানান, বিরোধী শিবিরের দুই বিধায়ক সই জাল করার অভিযোগ তুলেছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তও শুরু হয়। তবে বিচারপতি জানতে চান, তদন্ত শুরু হওয়ার আগে বিরোধী দলনেতার নাম নিয়ে স্পিকার কেন কোনও সিদ্ধান্ত নিলেন না।আদালতের পর্যবেক্ষণে স্পষ্ট, এই মামলায় স্পিকারের ভূমিকা এবং তাঁর সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রয়োজন। বিচারপতি বলেন, মূল প্রশ্ন হল, বিরোধী দলনেতার নাম প্রস্তাব হওয়ার পরও স্পিকার দীর্ঘ সময় কোনও সিদ্ধান্ত না নিয়ে অপেক্ষা করলেন কেন।এদিনের শুনানিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। মামলার পরবর্তী শুনানি বুধবার নির্ধারিত হয়েছে। ফলে এখন রাজনৈতিক মহলের নজর আগামী দিনের শুনানির দিকে। আদালত কী পর্যবেক্ষণ দেয় এবং এই মামলার ভবিষ্যৎ কোন দিকে এগোয়, তা নিয়েই জল্পনা তুঙ্গে।

জুন ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মাঠে বাঁশি বাজিয়ে কোটি টাকা! বিশ্বকাপের রেফারিদের আয় শুনলে চোখ কপালে উঠবে

বিশ্বকাপের মঞ্চে ফুটবলারদের পারফরম্যান্স যেমন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে, তেমনই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন রেফারিরা। একটি সিদ্ধান্ত কখনও ম্যাচের ফল বদলে দিতে পারে। সেই কারণেই তাঁদের কাজ সবসময় কঠোর নজরদারির মধ্যে থাকে। তবে অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে, বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনা করে একজন রেফারি কত টাকা আয় করেন?তথ্য অনুযায়ী, আগের বিশ্বকাপে রেফারিরা নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক হিসেবে প্রায় সত্তর হাজার মার্কিন ডলার পেয়েছিলেন। এর পাশাপাশি প্রতি ম্যাচ পরিচালনার জন্য আলাদা অর্থ দেওয়া হত। ম্যাচের গুরুত্ব এবং রেফারির অভিজ্ঞতার উপর সেই অঙ্ক নির্ভর করত। সহকারী রেফারি এবং ভিডিও সহায়ক রেফারিরাও উল্লেখযোগ্য পারিশ্রমিক পেতেন।এবার সেই অঙ্ক আরও বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, বিশ্বকাপে দায়িত্ব পাওয়া রেফারিরা এককালীন প্রায় এক লক্ষ মার্কিন ডলার পর্যন্ত পেতে পারেন। এর পাশাপাশি প্রতিটি ম্যাচ পরিচালনার জন্যও আলাদা পারিশ্রমিক থাকবে। প্রতিযোগিতার শেষ দিকে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনা করলে সেই আয় আরও বাড়বে। হিসাব অনুযায়ী, ফাইনাল-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনা করা কোনও রেফারির মোট আয় কয়েক কোটি টাকায় পৌঁছতে পারে।বিশ্বকাপে এবার শুধু পারিশ্রমিকই নয়, প্রযুক্তিতেও এসেছে বড় পরিবর্তন। রেফারিদের চোখের কাছে একটি বিশেষ ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। এই অত্যাধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে দর্শকেরা সরাসরি দেখতে পারবেন, ম্যাচ চলাকালীন রেফারি ঠিক কী দেখছেন এবং কোন পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রযুক্তি রেফারির কাজকে আরও স্বচ্ছ করে তুলবে। দ্রুতগতির খেলায় সিদ্ধান্ত নেওয়া কতটা কঠিন, তা বোঝার সুযোগও পাবেন দর্শকেরা। এই বিশেষ ক্যামেরা উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সাহায্যে পরিচালিত হয় এবং রেফারির দৌড় বা নড়াচড়ার সময়ও স্থির চিত্র ধারণ করতে সক্ষম।এছাড়া রেফারিদের কানে থাকে বিশেষ যোগাযোগ ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে তাঁরা সহকারী রেফারি এবং ভিডিও সহায়ক রেফারিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখতে পারেন। মাঠে কোনও বিতর্কিত পরিস্থিতি তৈরি হলে দ্রুত মতামত বিনিময় করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।সব মিলিয়ে, এবারের বিশ্বকাপে রেফারিদের দায়িত্ব যেমন বেড়েছে, তেমনই বেড়েছে তাঁদের আয় এবং প্রযুক্তিগত সুবিধাও। ফলে ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে এবার নতুনভাবে আলোচনায় উঠে এসেছেন ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা এই গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

সাড়ে ছয় ঘণ্টার জেরা শেষে সরাসরি কালীঘাটে! ভবানী ভবন থেকে বেরিয়েই কোথায় গেলেন অভিষেক?

ডিজে মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মামলায় মঙ্গলবার দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দুপুর থেকে শুরু হওয়া জেরা চলে টানা প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টা। সন্ধ্যা ছটা পঁচিশ মিনিট নাগাদ ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে তিনি সরাসরি কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান।সূত্রের খবর, সেখানে দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চলছিল। ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে সেই বৈঠকেই যোগ দেন অভিষেক। যদিও জিজ্ঞাসাবাদ নিয়ে সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর দেননি তিনি।উল্লেখ্য, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় বিজেপিকে উদ্দেশ করে করা একটি মন্তব্য ঘিরেই বিতর্কের সূত্রপাত। একটি জনসভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ফল ঘোষণার দিন রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঙ্গে ডিজেও বাজবে। সেই মন্তব্যের ভাষা ও প্রেক্ষাপট নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। অভিযোগ ওঠে, ওই বক্তব্যের মধ্যে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে পরোক্ষ হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল।এর পরেই অভিষেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়। প্রথমে বিষয়টি বিধাননগর সাইবার থানায় নথিভুক্ত হলেও পরে তদন্তভার যায় সিআইডির হাতে। গত সপ্তাহে তদন্তকারীরা তাঁর বাড়িতে গিয়ে হাজিরার নোটিস দেন। সেই নোটিসের ভিত্তিতেই মঙ্গলবার ভবানী ভবনে উপস্থিত হন তিনি।দুপুর বারোটা নাগাদ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। তদন্তকারীরা বক্তব্যের প্রেক্ষাপট, উদ্দেশ্য এবং বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করেন বলে সূত্রের খবর। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই জেরার পর সন্ধ্যায় ভবানী ভবন ছাড়েন অভিষেক।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর একাধিক মামলায় তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হতে হয়েছে তাঁকে। বিভিন্ন মামলায় সিআইডি ও অন্যান্য সংস্থা ইতিমধ্যেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। রাজনৈতিক মহলের নজর এখন এই মামলার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। ভবিষ্যতে তাঁকে আবারও ডাকা হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

জুন ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal