• ৪ আশ্বিন ১৪৩৩, বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IC

খেলার দুনিয়া

Sourav Ganguly: কোহলি নাকি অক্সফোর্ড স্ট্রিটেও জামা ছাড়া ঘুরতে পারেন?‌ এ কী বললেন সৌরভ!‌

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ন্যাটওয়েস্ট ট্রফির ফাইনালে জেতার পর লর্ডসের ব্যালকনিতে জার্সি খুলে উড়িয়েছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। তাঁর সেই জার্সি ওড়ানোর ঘটনায় গর্বিত হয়েছিল গোটা দেশ। এখনও সকলের মুখে মুখে ঘোরে সৌরভের সেই জার্সি ওড়ানোর ঘটনা। অনেকেই মনে করেন, তিনি সাহসী ছিলেন বলেই লর্ডসের ব্যালকনিতে জার্সি খুলে ওড়াতে পেরেছিলেন। বিরাট কোহলি যে তাঁকে ছাপিয়ে যেতে পারেন, এই ব্যাপারে নিশ্চিত সৌরভ। কৌন বনেগা ক্রোড়পতির অনুষ্ঠানে অমিতাভ বচ্চনকে পর্যন্ত সতর্ক করে দিয়েছেন তিনি কোহলিকে চ্যালেঞ্জ না জানানোর জন্য।সৌরভ গাঙ্গুলি ও বীরেন্দ্র শেহবাগকে নিয়ে কৌন বনেগা ক্রোড়পতি অনুষ্ঠানের বিশেষ এপিসোড ছিল। সেই অনুষ্ঠানে লর্ডসের ২০০২ সালে লর্ডসের ব্যালকনিতে জার্সি ওড়ানোর প্রসঙ্গে সৌরভ প্রথমে বলেন, আমার মেয়েও একবার জিজ্ঞাসা করেছিল কেন ওই কাজ করেছিলাম। সঠিক উত্তর দিতে পারিনি। পরে অনেকেই জিজ্ঞেস করেছিল। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২০ হাজারের বেশি রান করেছি, এত কভার ড্রাইব মেরেছে, অথচ লোকে এখনও লর্ডসের ব্যালকনির ওই জামা ওড়ানোর দৃশ্য নিয়ে প্রশ্ন করে। অমিতাভ এরপর সৌরভকে বলেন, তিনি যা করেছিলেন তারজন্য গোটা দেশ এখনও গর্বিত। সৌরভ বিশ্বাস করেন, কোহলিরও লর্ডসে জার্সি খুলে ওড়ানোর সাহস আছে। এরপরই তিনি অমিতাভ বচ্চনকে বলেন, কোহলিকে জার্সি ওড়ানো নিয়ে কোনও দিন চ্যালেঞ্জ করবেন না। লর্ডস তো দূরের করা, কোহলি অক্সফোর্ড স্ট্রিটেও জামা ছাড়া ঘুরে বেড়াতে পারে। সেই সাহস ওর রয়েছে। সৌরভের এই কথা শুনে অমিতাভ ও শেহবাগ দুজনেই হাসিতে ফেটে পড়েন। জার্সি খুলে ওড়ানোর সময় সৌরভ কী বলেছিলেন সে সম্পর্কে অমিতাভ বচ্চন জানতে চাইলে সৌরভ বলেন, পরে বলব। অমিতাভ তখন বলেন, আমি আন্দাজ করতে পেরেছি, কী বলেছিলে। তবে যেটা বলেছিলে, ঠিকই বলেছিলে। অনুষ্ঠানে ন্যাটওয়েস্ট ট্রফির ফাইনালের আরও মজার প্রসঙ্গ উঠে আসে। শেহবাগ ওই ম্যাচে কতটা অবাধ্য হয়েছিলেন, সে কথা তুলে ধরেন সৌরভ। তিনি বলেন, আমরা দুজনেই ওপেন করতে নেমেছিলাম। ন্যাটওয়েস্ট ট্রফির ফাইনালটা আমাদের কাছে জেতা জরুরী ছিল। কারণ, তার আগে কয়েকটা ফাইনালে হেরেছিলাম। ফাইনালে প্রথম ৮ ওভারে ভাল রানও ওঠে। রনি ইরানি বল করতে এলে শেহওয়াগকে ঝুঁকি নিতে বারণ করি। আমার কথায় সম্মতি দিলেও পরের বলই মিড অনের ওপর দিয়ে বাউন্ডারি মারে। ওকে গিয়ে বলি, একটা বাউন্ডারি এসে গিয়েছে তুলে শট মারার দরকার নেই। সম্মতি জানিয়ে পরের বল মিড অফ দিয়ে মাঠের বাইরে। তৃতীয় বলের আগে আবার সতর্ক করেও লাভ হয়নি। এরপর ওকে আর কিছু বলিনি। পরের দুটো বলেও চার মেরে শেষ বল হয়তো আমার কথা রাখার জন্য ডিফেন্স করেছিলেন।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌Paralympics : প্যারালিম্পিক্সে বাঁ হাতেই খেল মণীশ নারওয়ালের

জন্ম থেকে ডান হাত একেবারে অকেজো। বাঁ হাতেই সবকিছু করতে হয়। টোকিও প্যারালিম্পিক্সে সেই বাঁ হাতেই খেল দেখালেন মণীশ নারওয়াল। শনিবার ৫০ মিটার পিস্তল ইভেন্টে দেশকে সোনা এনে দিলেন। শুধু সোনা জেতাই নয়, ২১৮.২ পয়েন্ট সংগ্রহ করে নতুন প্যারালিম্পিক্স রেকর্ডও গড়েছেন মণীশ। এই ইভেন্ট থেকেই দেশকে রুপো এনে দিয়েছেন সিংহরাজ আধানা। টোকিও অলিম্পিকে মানু ভাকের, সৌরভ চৌধুরিদের নিয়ে অনেক স্বপ্ন ছিল। কিন্তু প্রত্যাশাপূরণ করতে পারেননি ভারতীয় শুটাররা। মানু ভাকর ও সৌরভ চৌধুরীদের ব্যর্থতা ঢেকে দিলেন অবনী লেখারা, মণীশ নারওয়াল, সিংহরাজ আধানারা। টোকিও প্যারালিম্পিক্সে দুটি সোনা সহ মোট পাঁচটি পদক জিতে ইতিহাস তৈরি করল ভারত। শনিবার মনীশ নারওয়াল ও সিংহরাজ আধানার হাত ধরে এক বৃত্ত সম্পন্ন হল। একই প্যারালিম্পিক্সে দুটি পদক জিতে এলিট ক্লাবের সদস্য হলেন সিংহরাজ। ১৯৮৪ প্যারালিম্পিক্স থেকে একটি সোনা ও দুটি ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিলেন যোগিন্দর সিং সোধি। চলতি প্যারালিম্পিকের শুটিং ইভেন্ট থেকে সোনা ও ব্রোঞ্জ জিতেছেন অবনী লেখারা।পি ৪ মিক্সড ৫০ মিটার পিস্তল এসএইচ ওয়ান ইভেন্টের ফাইনালে মণীশের থেকে ভাল শুরু করেছিলেল সিংহরাজ আধানা। প্রথম ১০টি শটের পর ৯২.১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষ স্থানে ছিলেন। মণীশের স্কোর ছিল ৮৭.২ পয়েন্ট। একসময় তাঁকে টপকে যান রাশিয়ান প্যারালিম্পিক্স কমিটির সার্গেই মালিসেভ। পঞ্চম সিরিজ পর্যন্ত মালিসেভই সোনা জয়ের দাবিদার ছিলেন। শেষ দুই সিরিজে জ্বলে ওঠেন ভারতের দুই শুটার। সিংহরাজ আধানাকেও টপকে যান মণীশ। প্রথম ১০ শটে অনেকটাই পিছিয়ে ছিলেন। ১৮ নম্বর শটের পর ৪ নম্বরে ছিলেন মণীশ। শেষ দুই সিরিজে ১০.৮ ও ১০.৫ পয়েন্ট সংগ্রহ করে ২১৮.২ পয়েন্টে পৌঁছে যান ১৯ বছর বয়সী এই প্যারা শুটার। বিশ্বরেকর্ড গড়ে সোনা জেতেন। অন্যদিকে, সিংহরাজ আধানা সংগ্রহ করেন ২১৬.৭। ১৯৬.৮ পয়েন্ট নিয়ে ব্রোঞ্জ জেতেন সার্গেই মালিসেভ। পি ৪ মিক্সড ৫০ মিটার পিস্তল এসএইচ ওয়ান ইভেন্টের যোগ্যতা অর্জন পর্বে ৫৩৬ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ হয়েছিলেন সিংহরাজ আধানা। ৫৩৩ পয়েন্ট নিয়ে সপ্তম হয়ে ফাইনালে উঠেছিলেন মনীশ। তবে চূড়ান্ত পর্বে দুই ভারতীয় প্যারা শুটারদের পারফরমেন্স সকলকে চমকে দিয়েছে। শৈশবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন মনীশ নারওয়াল। লক্ষ্য ছিল দেশের হয়ে খেলবেন। কিন্তু শারীরিক প্রতিবন্ধকতায় ফুটবলার হওয়ার স্বপ্নপূরণ হয়নি। প্যারালিম্পিক্স থেকে দেশকে সোনা জিতে নতুন ইতিহাস রচনা করলেন হরিয়ানার এই প্যারা শুটার।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২১
রাশিফল

রাশিফল (Horoscope 4th September 2021): মিথুনের জলযানে বিপদ, ধনুর সমস্যা বৃদ্ধি

মেষ/ ARIES: আজ নিরানন্দে থাকতে পারেন।বৃষ/ TAURUS: অসাধুতার শিকার হতে পারেন। মিথুন/ GEMINI : জলযানে বিপদ হতে পারে। কর্কট/ CANCER : আজ ধনাগম হতে পারে। সিংহ/ LEO: বিষন্নতার শিকার হতে পারেন। কন্যা/ VIRGO: ধর্মেকর্মে আগ্রহ দেখা দিতে পারে। তুলা/ LIBRA: কো্নও কারণে বেদনাহত হতে পারেন। বৃশ্চিক/ Scorpio: মিথ্যাপবাদে জড়িয়ে পড়তে পারেন। ধনু/ SAGITTARIUS: আজ সমস্যা বৃদ্ধি পেতে পারে। মকর/ CAPRICORN: পরিশ্রমবৃদ্ধি পাবে আজ। কুম্ভ/ AQUARIUS: শ্বাসকষ্ট হতে পারে আজ। মীন/ PISCES : কপটতার শিকার হতে পারেন।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG Test : উমেশের ধাক্কা সত্ত্বেও প্রথম ইনিংসে ৯৯ রানে এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড

দিনের শুরুতে উমেশ যাদব ধাক্কা দিলেও ইংল্যান্ডকে তেমন বেকায়দায় ফেলা গেল না। ভারতের বিরুদ্ধে চতুর্থ টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৯৯ রানে এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড। বিপর্যয় সামলে দলকে এগিয়ে দিলেন অলি পোপ, ক্রিস ওকসরা। ভারতের ১৯১ রানের জবাবে প্রথম দিনের শেষে ইংল্যান্ড তুলেছিল ৩ উইকেটে ৫৩। উমেশ যাদবের বলে দিনের শেষবেলায় আউট হয়েছিলেন অধিনায়ক জো রুট (২১)। দ্বিতীয় দিন খেলা শুরু হতেই স্কোর বোর্ডে কোনও রান ওঠার আগেই আউট হন ক্রেগ ওভার্টন (১)। তাঁকে তুলে নিয়ে টেস্ট কেরিয়ারের ১৫০ উইকেট দখল করেন উমেশ যাদব। এরপর দাওইদ মালানকেও ফেরান উমেশ। ৩১ রান করে স্লিপে রোহিত শর্মার হতে ক্যাচ দেন মালান। ৬২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ের মুখে পড়ে ইংল্যান্ড। সেখান থেকে দলকে টেনে নিয়ে যান অলি পোপ ও জনি বেয়ারস্টো। মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে ইংল্যান্ডের রান ছিল ৪২ ওভারে ৫ উইকেটে ১৩৯। পোপ পাঁচটি চারের সাহায্যে ৬৬ বলে ৩৮ এবং বেয়ারস্টো ৬৩ বলে ৩৪ রানে ক্রিজে ছিলেন। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর ভারতকে ব্রেক থ্রু এনে দেন মহম্মদ সিরাজ। তাঁর বলে জনি বেয়ারস্টো (৩৭) লেগ বিফোর হন। এরপর অলি পোপের সঙ্গে জুটি বেঁধে ইংল্যান্ডকে টেনে নিয়ে যান মঈন আলি (৩৫)। রবীন্দ্র জাদেজার বলে স্লিপে তিনি রোহিতের হাতে ক্যাচ দেন। সেঞ্চুরি থেকে ১৯ রান আগে শার্দুল ঠাকুরের বলে বোল্ড হন অলি পোপ (৮১)। তিনি যখন আউট হন, ইংল্যান্ড ২৫০ রানের গন্ডি পার করে গেছে। রবিনসন (৫) দ্রুত ফিরলেও ইংল্যান্ডে ২৯০ রানে পৌঁছে দেন ক্রিস ওকস (৫০)। ভারতের হয়ে উমেশ যাদব ৭৬ রানে ৩টি উইকেট নেন। বুমরা ও জাদেজা পেয়েছেন ২টি করে উইকেট। শার্দুল ও সিরাজের ভান্ডারে ১টি করে।দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ভালই শুরু করেন ভারতের দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও লোকেশ রাহুল। দ্বিতীয় দিনের শেষে ভারত তুলেছে বিনা উইকেটে ৪৩। রোহিত ২০ ও লোকেশ রাহুল ২২ রানে অপরাজিত রয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২১
রাজ্য

Mysterious Death : পিকনিক করতে গিয়ে রহস্য মৃত্যু যুবকের, আটক তিন বন্ধু

বন্ধুদের সঙ্গে পিকনিকে গিয়ে রহস্যজনক মৃত্যু হল এক যুবকের। মৃতর নাম সৌরভ অধিকারী(১৯)। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার কোলে মল্লিকাপুর গ্রামে তাঁর বাড়ি। তিনি বন্ধুদের সঙ্গে বৃহস্পতিবায় মেমারির নুদিপুরে পিকনিক করতে যান। এদিন হগলীর বৈঁচির সেচখাল থেকে উদ্ধার হয় সৌরভের মৃতদেহ। সৌরভকে পরিকল্পনা করে প্রাণে মারা হয়েছে বলে অভিযোগ এনেছেন তাঁর পরিবার। এদিনই যুবকের মৃত দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়। মেমারি থানার পুলিশ যুবকের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে নেমে তাঁর তিন বন্ধুকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, যুবক সৌরভ বৃহস্পতিবার তাঁর চার বন্ধুর সঙ্গে পিকনিক করতে বেরহয়। পিকনিক করার জন্য ওইদিন তাঁরা মেমারির নুদিপুরে ডিভিসির সেচ ক্যানেলের লকগেট সংলগ্ন এলাকায় যায়। তার পর থেকে রাত অবধি সৌরভের আর কোন খোঁজ পাননা তাঁর পরিবার। সৌরভের নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার কারণ নিয়ে তাঁর পরিবারকে বন্ধুরা নানারকম কথা বলে বলে অভিযোগ। তা নিয়েই তৈরি হয় রহস্য। যুবকের হদিশ পেতে তাঁর পরিবার রাতেই মেমারি থানার পুলিশের দ্বারস্থ হয়। এদিন সকাল থেকে মেমারি থানার পুলিশের উপস্থিতিতে ডুবুরি নামিয়ে নুদিপুরে সেচ খালে শুরু হয় তল্লাশি। তারই মধ্যে বেলায় হুগলির পাণ্ডুয়া থানার অন্তর্গত বৈচির সেচ খালের লকগেটের কাছে এক যুবকের মৃতদেহ ভাসতে থাকার খবর আসে পুলিশের কাছে। মেমারি থানার পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে যুবকের পরিবার বৈঁচি পৌছে দেখেন সেখানকার ক্যানেলের জলে সৌরভের মৃতদেহ ভাসছে। এর পরেই সৌরভের পরিবার অভিযোগ করে সৌরভকে পরিকল্পনা করে প্রাণে মারা হয়েছে। সৌরভের মৃত্যুর জন্য তাঁর আত্মীয় মিলন আধিকারী সৌরভের বন্ধুদের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছেন। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য মেমারি থানার পুলিশ সৌরভের তিন বন্ধুকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।পুলিশ যদিও জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসলেই যুবকের মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। তার ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২১
রাজ্য

Visva Bharati: বিশ্বভারতী-কাণ্ডে হাইকোর্টের কড়া নির্দেশ

বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর বাড়ির সামনে থেকে অবস্থান বিক্ষোভ তোলার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালতের আরও নির্দেশ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০ মিটার এলাকার মধ্যে কোন বিক্ষোভ করা যাবে না। পুলিশকে নির্দেশ, উপাচার্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। দুপুর ৩টে থেকে প্রশাসনিক ভবন, উপাচার্যের বাসস্থান-সহ যেখানে যেখানে তালা বন্ধ করা রয়েছে, সমস্ত তালা শান্তিনিকেতন থানার পুলিশকে ভেঙে ফেলতে হবে। আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় সিট-এর মাথায় অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মঞ্জুলা চেল্লুরহাইকোর্ট আরও নির্দেশ, পুলিশকে কোনও বাধা দেওয়া যাবে না। বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন কর্মীকে ভেতরে ঢুকতে বাধা দেওয়া যাবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের যাতে স্বাভাবিকভাবে চলে তার জন্য প্রশাসনকে কড়া নজর রাখতে হবে। বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় কোনওরকম মাইক ব্যবহার করা যাবে না। উপাচার্যের নিরাপত্তার জন্য শান্তিনিকেতন থানার তিনজন কনস্টেবলকে নিয়োগ করতে হবে। সমস্ত সিসি ক্যামেরা চালু করতে হবে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, নিজের হাতে আইন তুলে নেবেন না? এটা ট্রেড ইউনিয়ন নয়। ছাত্র ইউনিয়ন। এটা ভুলে যাবেন না। বিশ্বভারতী মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের।এই নির্দেশের পর বিক্ষোভরত ছাত্রছাত্রীরা জানিয়েছেন, তাঁরা আদালতের নির্দেশের কোনও কপি এখনও হাতে পাননি। নির্দেশ হাতে পেলে আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন। একই সঙ্গে তাঁদের অভিযোগ, তাঁরা কোনও গেটে তালা লাগাননি। বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ সেই তালা লাগিয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২১
বিদেশ

Corona: আমেরিকায় তিন সপ্তাহে করোনা আক্রান্ত পাঁচ লাখের বেশি শিশু

তিন সপ্তাহে আমেরিকায় করোনা-আক্রান্ত ৫ লক্ষেরও বেশি শিশু! যা সত্যিই খুব উদ্বেগজনক। বিশেষজ্ঞেরা বারবারই বলছেন, করোনার তৃতীয় ঢেউ আসার ইঙ্গিত স্পষ্ট। তাঁরা আগেই বলে রেখেছেন, তৃতীয় ঢেউয়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে শিশুরা। সেই পূর্বাভাসও মিলে যাচ্ছে। আমেরিকান অ্যাকাডেমি অব পেডিয়াট্রিকস জানিয়েছে, তাদের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী ৫ অগস্ট থেকে ২৬ অগস্ট পর্যন্ত ৫ লক্ষেরও বেশি শিশু সংক্রমিত হয়েছে। শুধু ১৯ অগস্ট থেকে ২৬ অগস্টের সপ্তাহে অন্তত ২ লক্ষ ৩ হাজার ৯৬২ শিশুর কোভিড ধরা পড়েছে। জুন মাসে শিশু-সংক্রমণ ছিল সপ্তাহে সাড়ে ৮ হাজার মতো। দুমাসে সংক্রমণ বেড়েছে ২৫ গুণ।আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য করেই খুলে গেল বর্ধমানের কলেজআমেরিকার শীর্ষস্থানীয় এপিডিমিয়োলজিস্ট অ্যান্টনি ফাউচি বলেন, স্কুলগুলোতে কোভিডের টিকাকরণ বাধ্যতামূলক করা সব চেয়ে ভাল সিদ্ধান্ত। এটা কোনও কট্টরপন্থা নয়। আগেও এমন হয়েছে। দেশের বহু জায়গায় বহু স্কুলে এমন নিয়ম রয়েছে, বাচ্চাকে স্কুলে পাঠাতে হলে পোলিয়ো, হাম, মাম্পস, রুবেলা, হেপাটাইটিসের টিকা দিতে হবে। অতএব এই নিয়ম নতুন নয়। স্কুলে পাঠাতে হলে বাচ্চাকে এ বার করোনার ভ্যাকসিনও দিতে হবে।আমেরিকায় স্কুল খুলেছে বহু প্রদেশে। অন্য দেশগুলোতেও এক-এক করে স্কুল খুলছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তে চিন্তায় বিশেষজ্ঞেরা। তাঁদের বক্তব্য, এক-এক করে বহু স্কুলই মাস্ক পরা আবশ্যিক করে দিয়েছে। মাস্ক অনেকটাই সংক্রমণ আটকে দেয়। কিন্তু সবটা তো নয়! বিশেষজ্ঞদের কথায়, যে সব বাচ্চার টিকাকরণ হয়নি, তাদের শরীরেই বেশি হামলা করছে ভাইরাস। কিন্তু যাদের জন্য টিকায় ছাড়পত্র রয়েছে, অপ্রাপ্তবয়স্কদের সেই অংশের মধ্যেও টিকা নেওয়ায় অনীহা রয়েছে। আমেরিকায় কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে টিকা নেওয়ার হার বেশ কম। বিশেষজ্ঞদের কথায়, টিকা নেওয়া নেই মানে কোনও নিরাপত্তা নেই! নিউ ইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোচুল ঘোষণা করেছেন, যে সব পড়ুয়ার টিকাকরণ হয়, প্রতি সপ্তাহে তাদের কোভিড পরীক্ষা করাতে হবে। হোচুল বলেন, আমাদের একে অপরকে রক্ষা করতে হবে। টিকা নিতে হবে সকলকে। বদ্ধ জায়গায় মাস্ক পরতে ও অন্যান্য করোনা বিধি মেনে চলতে হবে।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Rakul Preet Singh : ইডির অফিসে হাজির রকুল প্রীত সিং

এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের অফিসে হাজির হলেন অভিনেত্রী রকুল প্রীত সিং। মাদক মামলায় যোগের অভিযোগেই শুক্রবার হায়দরাবাদে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের অফিসে হাজির হতে হয় রকুল প্রীত সিং কে। প্রসঙ্গত সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পরও মাদক মামলায় নাম জড়ায় এই অভিনেত্রীর। ওই সময় মুম্বইতে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর অফিসে হাজির হতে দেখা যায় তাঁকে। ২০১৭ সালে মাদক মামলার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। এদিন ক্যাজুআল পোশাকেই দেখা যায় তাকে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এর আগে ১০ জন টলিউডের (তেলেগু ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি) তারকাকে ডেকে পাঠায় ইডি। এলএসডি, এমডিএমএর মতো দামী মাদকদ্রব্য বিক্রি করতো তারা। রানা দগগুবাটি, রবই তেজা, পুরি জগন্নাদের মতো ব্যক্তিরা এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তেলেঙ্গানার স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম তাদের নানাভাবে জেরা করেছিল।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২১
বিদেশ

Ida: ইডার দাপটে লন্ডভন্ড নিউইয়র্ক, মৃত অন্তত ৪৪

ঘূর্ণিঝড় ইডার জেরে লন্ডভন্ড আমেরিকার নিউইয়র্ক শহর। প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের জেরে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে সেখানে। বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত ইডার জেরে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৪৪ জনের। এই পরিস্থিতির জন্য আবহাওয়ার পরিবর্তনকেই দায়ী করছেন আবহবিজ্ঞানীরা।রেকর্ড বৃষ্টিতে আকস্মিক বন্যা হয়েছে নিউইয়র্কে। রাস্তার অবস্থা দেখলে নদী বলে ভুলও হতে পারে। ইতিমধ্যেই লাগুয়ারদিয়া এবং জেএফকে বিমানবন্দর থেকে শতাধিক বিমান বাতিল করা হয়েছে। সেখানকার মেট্রো স্টেশনের ভিতর জল ঢোকার ছবি আগেই সামনে এসেছিল। লাইনে জল জমে যাওয়ায় বন্ধ রয়েছে মেট্রো পরিষেবাও। ইডার জেরে ম্যানহাটনের এক রেস্তরাঁর বেসমেন্টে জলে ভরেছে। ওই রেস্তরাঁর মালিক মেতোদিজা মিহাজলভ বলেছেন, আমার ৫০ বছরের জীবনে এ রকম ভারী বৃষ্টি কখনও দেখিনি। মনে হচ্ছিল সব তছনছ হয়ে যাবে। এ বছর সত্যিই অদ্ভুত ঘটনা ঘটছে।আরও পড়ুনঃ আবার ব্যাটিং বিপর্যয় ভারতের, বুমরার দুর্দান্ত প্রত্যাঘাতনিউ জার্সি এবং ম্যানহাটনের বিভিন্ন এলাকার চিত্রটা নিউইয়র্কের মতোই। নিউ জার্সির গভর্নর ফিল মারফি জানিয়েছেন, সেখানে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ২৩ জনের। গাড়ির মধ্যে আটকে পড়ার জেরেই অধিকাংশ জনেরই মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন মারফি। বুধবার রাত থেকেই যেন মেঘভাঙা বৃষ্টি শুরু হয়েছে আমেরিকার এই দুই শহর-সহ আরও একাধিক জায়গায়। ফলে হড়পা বান নেমে এসেছে বেশ কয়েকটি এলাকায়। এরপরই লাল সতর্কতা জারি করেছে স্থানীয় আবহাওয়া দপ্তর। প্রাকৃতিক দুর্যোগের জেরে তৈরি পরিস্থিতির বেশ কয়েকটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। যে ছবি দেখার পর সত্যি তাজ্জব বনে যাওয়ার জোগাড় হয়েছে নেটিজেনদের। কারণ যে ধরনের দৃশ্য সাধারণ কলকাতা, দিল্লি বা মুম্বইয়ে বন্যা পরিস্থিতিতে দেখা যায়, তার থেকেও ভয়ঙ্কর কিছু ছবি দেখতে পাওয়া যাচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২১
রাশিফল

রাশিফল (Horoscope 3rd September 2021): সিংহের রক্তপাতের আশঙ্কা, বৃশ্চিকের মানসিক পরিবর্তন

মেষ/ ARIES: আজ উদাসিনতায় ভুগতে পারেন। বৃষ/ TAURUS: প্রীতিসঙ্গ লাভ করতে পারেন। মিথুন/ GEMINI : কোনও কারণে আজ আপনার অর্থদণ্ড হতে পারে। কর্কট/ CANCER : ব্যবসায় লাভ করতে পারেন। সিংহ/ LEO: আজ রক্তপাতের আশঙ্কা রয়েছে। কন্যা/ VIRGO: কোনও কারণে মতবিরোধ হতে পারে। তুলা/ LIBRA: চিকিৎসায় সাফল্য পেতে পারেন। বৃশ্চিক/ Scorpio: মানসিক পরিবর্তন হতে পারে আজ। ধনু/ SAGITTARIUS: বঞ্চনার শিকার হতে পারেন আজ। মকর/ CAPRICORN: পকেটমারি হতে পারে, সাবধানে চলাফেরা করবেন। কুম্ভ/ AQUARIUS: স্পষ্ট কথায় বিপদ হতে পারে। মীন/ PISCES : আজ আশান্বিত হতে পারেন।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২১
রাজ্য

Truck Owners Demand: পুলিশ, এমভিআই ও ডাকপার্টির জুলুমবাজি বন্ধে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি ট্রাক মালিকদের

পুলিশ, এমভিআই ও ডাকপার্টির জুলুমবাজির কারণে দায় হয়ে উঠেছে সড়কপথে ট্রাক চালানো। তারই প্রতিবাদে এবার স্বোচ্চার হল হুগলীর ইউনাইটেড ট্রাক ওনার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন ও ফেডারেশন অফ ওয়েষ্টবেঙ্গল ট্রাক অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন। তাঁরা পুলিশি জুলুমবাজি বন্ধে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে বৃহস্পতিবার ডেপুটেশন দিলেন পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসকের কাছে। পুলিশ দিবসের পর দিন এই রাজ্যের পুলিশের জুলুমবাজি বন্ধের দাবিতে ট্রাক মালিকদের মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করে পথে নামাটা নজিরবিহীন বলেই দাবি করেছে রাজনৈতিক মহল।হুগলির ডানকুনি টোল প্লাজা থেকে খালি লরি নিয়ে এদিন মিছিল করে ট্রাক মালিকরা পৌছান বর্ধমানের আলিশায়। পরে ট্রাক মালিক সংগঠনের নেতৃত্ব সেখান থেকে পায়ে হেটে পূর্ব বর্ধমান জেলা শাসকের দপ্তরের সামনে পৌছান। হুগলির ইউনাইটেড ট্রাক ওনার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য কমিটির সদস্য রসিদ সর্দার এদিন বলেন, পুলিশ, এম ভি আই ও ডাকপার্টির অত্যাচার ও জুলুমবাজির কারণে বহু ট্রাক মালিক ট্রাক চালানো বন্ধ করে দিয়েছে। এইসব দপ্তরের লোকজন জোর করে ট্রাকে ওভারলোড করাতে বাধ্য করছে। অপরদিকে ফেডারেশন অফ ওয়েষ্টবেঙ্গল ট্রাক অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের তরফে সজল ঘোষ অভিযোগে জানান,সম্প্রতি রাজ্যে এক্সেল লোড বৃদ্ধি পেয়েছে। তা সত্ত্বেও কিছু আসাধু পুলিশকর্মী ও পুলিশের ডাকপার্টি জোর করে ট্রাক ড্রাইভারদের ওভারলোড করতে বাধ্য করছে।ট্রাক ড্রাইভাররা ওভার লোড না করলে বিভিন্ন অজুহাতে অত্যাধিক হারে ফাইন করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে ট্রাক মালিকরা রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রীকে জানালেও সমস্যার সমাধান হয়নি। জুলুমবাজীও বন্ধ হয়নি। তাই তাঁরা চাইছে মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি এই ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করুক।ডেপুটেশন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ট্রাক মালিকরা এদিন বলেন, ভোটের আগে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, তিনি ২৯৪টি আসনেই প্রার্থী। তাই তাঁকেই তাঁরা ভোট দিয়েছিলেন। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের জন্য কিছু করছেন না। মুখ্যমন্ত্রী চাইলে একদিনের মধ্যে এই জুলুমবাজি বন্ধ হতে পারে বলে মন্তব্য করেন ট্রাক মালিকরা। তাঁরা এদিন দাবি করেন, লোডিং পয়েন্ট থেকে আণ্ডার লোড করে গাড়ি বার করা হোক। পাশপাশি মুখ্যমন্ত্রী নিজে হস্তক্ষেপ করে পুলিশ, এমভিআই ও ডাকপার্টির জুলুমবাজি বন্ধে ব্যবস্থা নিক। একই দাবির কথা শুনিয়েছেন ট্রাক মালিক সংগঠনের কর্তারাও।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
শিক্ষা

College Open: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য করেই খুলে গেল বর্ধমানের কলেজ

রাজ্যে এখনও জারি রয়েছে কোভিড বিধি। ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোভিড বিধি জারি থাকায় বন্ধ রয়েছে সমস্ত স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়।পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তবেই পুজোর পর রাজ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু করা হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছেন।মুখ্যমন্ত্রী এমনটা ঘোষনা করলেও বূহস্পতিবার থেকে খুলে গেল বর্ধমানের এম বি সি ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং এণ্ড টেকনলোজি। অফলাইনে ক্লাস চালু করার কথা ১ সেপ্টেম্বর ছাত্রছাত্রীদের Whatsapp গ্রুপের মাধ্যমে কলেজ চালুর কথা জানিয়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ছাত্রছাত্রীদের ক্লাস করার জন্য এদিন কলেজে আসতেও বলা হয়। সেই নির্দেশ পেয়ে এদিন সকাল থেকেই বেশ কয়েকজন ছাত্রছাত্রী ক্লাস করতে কলেজে উপস্থিত হয়। যেসব পড়ুয়া দূরবর্তী এলাকার বাসিন্দা তাঁরাও কলেজ কর্তৃপক্ষের নির্দেশ পেয়ে এদিনই কলেজ হোস্টেলে পৌঁছে যায়। পরে তাঁরা জানতে পারে কলেজ কর্তৃপক্ষ হস্টেল ও ক্যান্টিন খোলার কোন অনুমতি দেয়নি।পড়ুয়া রামকৃষ্ণ কর্মকার, বিকাশ মাণ্ডি এদিন বলেন, সমস্ত পরিষেবা স্বাভাবিক করার সিদ্ধান্ত নিয়ে কলেজ খুললে ভাল হত। তাহলে সকল ছাত্রছাত্রী একসঙ্গে কলেজে আসতে পারতো।বিধিনিষেধের কারণে সব পরিষেবা স্বাভাবিক না হওয়ায় এদিন তাঁদের কলেজ খুললেও অল্পসংখ্যক ছাত্র নিয়েই পঠন-পাঠন শুরু করতে হল কলেজ কতৃপক্ষকে।রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পুজোর পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু হতে পারে বলে জানিয়ে দিলেও এম বি সি ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং এণ্ড টেকনলোজি একদিনের নোটিসে কীভাবে এদিন থেকে তাঁদের প্রতিষ্ঠান চালু করলো তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই বিষয়ে কলেজের ইনচার্জ উৎপল সামুইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি কোনও কথা বলতে অস্বীকার করেন। জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা জানান, বিষয়টি তাঁর জানা নেই। তিনি খোঁজ নিয়ে দেখবেন বলে জানান।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG Test : আবার ব্যাটিং বিপর্যয় ভারতের, বুমরার দুর্দান্ত প্রত্যাঘাত

ইংল্যান্ডের মাটিতে টস হারাটা যেন অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। ওভালে চতুর্থ টেস্টেও সেই টসে হার। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে আবার ব্যাটিং বিপর্যয়। প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৯১ রানে গুটিয়ে গেলেন বিরাট কোহলিরা। দুদুটি রেকর্ড করার দিনেও দলকে নির্ভরতা দিতে পারলেন না ভারতীয় দলের অধিনায়ক। ওভাল টেস্টে মেঘলা আবহাওয়া দেখে টস জিতে ফিল্ডিং নিতে দ্বিধা করেননি ইংল্যান্ড অধিনায়ক জো রুট। বিরাট কোহলিরও সেইরকম পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু টস হারায় নিজে সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। তবে লক্ষ্য ছিল বড় রান তুলে ইংল্যান্ডকে চাপে ফেলা। সেই আশা পূরণ হয়নি ভারতীয় দলের অধিনায়কের। তাঁর পরিকল্পনা ধাক্কা খায় প্রথম তিন ব্যাটসম্যানের ব্যর্থতায়। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির আগেই ৩ উইকেট হারানোয় বড় রানের স্বপ্নে সলিলসমাধি ঘটে। চতুর্থ টেস্টে দুই দলই দুটি করে পরিবর্তন করে মাঠে নামে। চোটের জন্য ইশান্ত শর্মা ও মহম্মদ সামিকে প্রথম একাদশের বাইরে রেখে মাঠে নামতে হয় ভারতকে। এদের পরিবর্তে প্রথম একাদশে সুযোগ পেয়েছেন শার্দুল ঠাকুর ও উমেশ যাদব। রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে চতুর্থ টেস্টেও প্রথম একাদশের বাইরে রাখা হয়। অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের স্যাম কারেনের পরিবর্তে প্রথম একাদশে সুযোগ পান ক্রিস ওকস। জস বাটলারের জায়গায় ওলি পোপ। আগের টেস্টের মত ভারতের দুই ওপেনার অবশ্য শুরুতে ফিরে যাননি। ওভালে বেশ সাবলীলভঙ্গীতেই শুরু করেছিলেন। প্রথম ঘণ্টায় শুধু রোহিত শর্মার উইকেটই হারিয়েছিল ভারত। ম্যাচের নবম ওভারের শেষ বলে দলের ২৮ রানের মাথায় ২৭ বলে ১১ করে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন রোহিত। জলপানের বিরতির পর ৩৫ বলের ব্যবধানে লোকেশ রাহুল ও চেতেশ্বর পূজারাও আউট হয়ে যান। তিনটি চারের সাহায্যে ৪৪ বলে ১৭ করে অলি রবিনসনের বলে লেগ বিফোর হন রাহুল। ২৮ রানে দুই উইকেট পড়ে ভারতের। এরপর দলের ৩৯ রানের মাথায় জেমস অ্যান্ডারসন দুর্দান্ত ডেলিভারিতে তুলে নেন চেতেশ্বর পুজারাকে। ৩১ বল খেলে ৪ রান করে উইকেটের পেছনে জনি বেয়ারস্টোর হাতে ক্যাচ দেন পুজারা। মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে ভারতের রান ছিল ২৫ ওভারে তিন উইকেটে ৫৪। তিনটি চারের সাহায্যে ২৯ বলে ১৮ করে অপরাজিত ছিলেন বিরাট কোহলি। ১৯ বলে ২ রান করে ক্রিজে ছিলেন জাদেজা।অজিঙ্কা রাহানের পরিবর্তে এদিন ৫ নম্বরে নামানো হয়েছিল রবীন্দ্র জাদেজাকে। তিনিও সুবিধা করতে পারেননি। মাত্র ১৪ রান করে ক্রেগ ওভারটনের বলে মঈন আলির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। অধিনায়ক কোহলিও বেশিক্ষণ লড়াই করতে পারেননি। ৯৬ বলে ৫০ রান করে অলি রবিনসনের বলে উইকেটেপ পেছনে জনি বেয়ারস্টোর হাতে ধরা পড়েন। ভারতের রান তখন ১০৫/৫। ওভাল টেস্টেও খারাপ ফর্ম কাটিয়ে উঠতে পারলেন না রাহানে (১৪) ও ঋষভ পন্থ। চরিত্র বিরোধী ইনিংস খেলে ৩৩ বলে ৯ রান করে ক্রিস ওকসের বলে আউট হন তিনি। ১২৭ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল ভারত। এরপর উমেশ যাদবকে সঙ্গে নিয়ে পাল্টা আক্রমণ চালান শার্দুল ঠাকুর। জুটিতে ওঠে ৬৩। এটাই ভারতের সর্বোচ্চ রানের পার্টনারশিপ। ক্রিস ওকসের বলে লেগ বিফোর হওয়ার আগে ৩৬ বলে ৫৭ রান করেন শার্দুল। এরপরই ধস নামে ভারতের ইনিংসে। ৬১.৩ ওভারে ১৯১ রানে গুটিয়ে যায় কোহলিদের ইনিংস। ৫৫ রানে ৪ উইকেট নেন ক্রিস ওকস। রবিনসন ৩৮ রানে নেন ৩ উইকেট। অ্যান্ডারসন ও ওভারটন নেন ১টি করে উইকেট।ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে ইংল্যান্ড। চতুর্থ ওভারের দ্বিতীয় বলে ররি বার্নসকে (৫) বোল্ড করেন যশপ্রীত বুমরা। একই ওভারের শেষ বলে হাসিব হামিদকে (০) তুলে নেন। তারপর রুখে দাঁড়ান দাওইদ মালান ও অধিনায়ক জো রুট।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
রাজ্য

Hospital Waste : দূষণ ছড়ানোয় হাসপাতালের বর্জ্য সুপারের অফিসের সামনে ফেলে দিয়ে পালালো বাসিন্দারা

হাসপাতালের বর্জ্য থেকে ছড়ানো দূষণে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন বাসিন্দারা। প্রতিবাদ স্বরূপ তাঁরাই ওই বর্জ্য তুলে এনে ফেলে দিলেন হাসপাতাল সুপারের অফিসের সামনে। অতিমারি সময়কালে দূষণ নিয়ে এলাকার বাসিন্দাদের এমন প্রতিবাদ ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া মহকুমা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মহলে। বিষয়টি নিয়ে হাসপাতাল সুপার বৃহস্পতিবার কাটোয়া থানার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। বর্জ্য সাফ করা নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কি ব্যবস্থা এরপর নেয় সেদিকেই এখন তাকিয়ে বাসিন্দারা।কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে মৃতদেহ রাখার ঘরের পিছন দিকে সাইকেল স্ট্যান্ডের কাছেই রয়েছে হাসপাতালের বায়ো মেডিকেল ওয়েষ্টেজ(বর্জ্য) ফেলার নির্দিষ্ট জায়গা। ছাউনি দিয়ে ঘেরা ওই জায়গায় রয়েছে ঢাকনা দেওয়া পাত্র।সেখানেই হাসপাতালের যাবতীয় বর্জ্য সামগ্রী ফেলার কথা। ওই আবর্জনা পরিষ্কারের জন্য একটি এজেন্সিকে দায়িত্বও দেওয়া রয়েছে। কাটোয়া মহকুমা হাসপাতাল লাগোয়া এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, হাসপাতালে ওয়েষ্টেজ কালেকশন সেন্টারে জমা হওয়া আবর্জনা দীর্ঘদিন পরিষ্কার করা হয়নি। তার করণে ঢাকনা দেওয়া পাত্র ছাপিয়ে গিয়েছে হাসপাতালের বায়োমেডিকেল ওয়েষ্টেজে। বর্তমানে ওই সমস্ত বর্জ্য বাইরে স্তুপাকার হয়ে রয়েছে। অতিমারির সময়কালে হাপাতালের ওইসব বর্জ্য থেকে দূর্গন্ধ ছড়ানোর পাশাপাশি দূষণও ছড়াচ্ছে। এছাড়াও কাক ও কুকুর ওইসব বর্জ্য মুখে করে তুলে নিয়ে গিয়ে হাসপাতাল লাগোয়া বাসিন্দাদের বাড়িতে নিয়েনিয়ে গিয়েও ফেলছে। ওইসব বর্জ্য থেকেও রোগ সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বাসিন্দা মহলে।বাসিন্দারা দাবি করেন বিষয়টি নিয়ে তাঁরা বার বার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন।কিন্তু কোন কাজ হয়নি। দূষণের কারণে অতিষ্ঠ হওয়া এলাকার প্রতিবাদিরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের টনক নড়াতে বুধবার রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ বেশ কিছু ওই বর্জ্য তুলে এনে সুপারের অফিস ঘরের সামনে ফেলেদিয়ে চলে গায়েব হয়ে যান। তখন যদিও হাসপাতাল সুপার ধীরাজ রায় অফিসে ছিলেন না। হাসপাতাল কর্মীদের কাছ থেকে ঘটনার কথা জানতে পেরে তিনি ক্ষুব্ধ হন। এদিন বিষয়টি নিয়ে সুপার কাটোয়া থানার পুলিশেরও দৃষ্টি আকর্ষণও করেছেন বলে খবর। হাসপাতাল সুপার ধীরাজ রায় এদিন বলেন, হাসপাতালের বর্জ্য সময়মতো তুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য যে এজেন্সি রয়েছে তারা ঠিকঠাক দায়িত্ব পালন করবেন বলেই আশ্বাস দিয়েছিল। একই সঙ্গে সুপার বলেন, তাঁর অফিসের সামনে যারা আবর্জনা ফেলে দিয়ে গিয়েছে তাঁদের চিহ্নিত করে থানায় লিখিত অভিযোগ জানাবেন।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : ‌শচীন, ধোনির রেকর্ড ভেঙে ওভালে নতুন কীর্তি বিরাট কোহলির

দীর্ঘদিন ধরে ব্যাটে রান নেই। ভারত অধিনায়ককে নিয়ে চারিদিকে গুঞ্জন কম হচ্ছে না। তার মধ্যেই আবার একটা রেকর্ডের মালিক হয়ে গেলেন বিরাট কোহলি। ভেঙে দিলেন কিংবদন্তী শচীন তেন্ডুলকারের রেকর্ড। বিশ্বের দ্রুততম ব্যাটসম্যান হিসেবে ২৩ হাজার রানের মালিক হয়ে গেলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতইংল্যান্ড সিরিজের চতুর্থ টেস্ট চলছে ওভালে। ওভাল টেস্ট বিরাট কোহলির ৪৪০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। ৪৯০তম ইনিংসে জেমস অ্যান্ডারসনের বল বাউন্ডারিতে পাঠিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২৩ হাজার রান পূর্ণ করেন বিরাট। ২৩ হাজার রানে পৌঁছতে শচীন তেন্ডুলকারের লেগেছিল ৫২২ ইনিংস। আর রাহুল দ্রাবিড়ের লেগেছিল ৫৭৬ ইনিংস। সেই জায়গায় কোহলি ২৩ হাজার রানে পৌঁছলেন ৪৯০ ইনিংসে। বিশ্বের সপ্তম ব্যাটসম্যান হিসেবে কোহলি ২৩ হাজার রানে পৌঁছলেন। তাঁর আগে এই মাইলস্টোনে পৌঁছেছেন শচীন, দ্রাবিড় ছাড়াও রিকি পন্টিং (৫৪৪), জ্যাক কালিস (৫৫১), কুমার সাঙ্গাকারা (৫৬৮), মাহেলা জয়বর্ধনে (৬৪৫)। কোহলির টেস্টে সর্বোচ্চ রান অপরাজিত ২৫৪। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৭০টি শতরান ও ১১৬টি অর্ধশতরান রয়েছে বিরাটের। ২৯ বার শূন্য রানে আউট হয়েছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি রান করার নিরিখে ভারত অধিনায়ক রয়েছেন ৭ নম্বরে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি রান শচীন তেন্ডুলকারের। তিনি করেছেন ৩৪৩৫৭ রান। ৬৬৪টি ম্যাচে ৭৮২টি ইনিংসে শচীন এই রান করেছেন। এরপর রয়েছেন শ্রীলঙ্কার কুমার সাঙ্গাকারা (২৮০১৬), অস্ট্রেলিয়ার রিকি পন্টিং (২৭৪৮৩), শ্রীলঙ্কার মাহেলা জয়বর্ধনে (২৫৯৫৭), দক্ষিণ আফ্রিকার জ্যাক কালিস (২৫৫৩৪) এবং ভারতের রাহুল দ্রাবিড় (২৪২০৮)। তিন ফরম্যাটেই বিরাটের গড় ৫০এর উপর। শুধু শচীনের রেকর্ডই ভাঙা নয়, ওভালে এদিন আরও একটি নজির গড়েছেন বিরাট কোহলি। প্রথম ভারতীয় অধিনায়ক হিসেবে বিদেশের মাটিতে একটা দেশের বিরুদ্ধে সবথেকে বেশি টেস্টে দেশকে নেতৃত্ব দিলেন। ইংল্যান্ডের মাটিতে ১০টি টেস্টে নেতৃত্ব দেওয়ার নজির গড়লেন কোহলি। ভেঙে দিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনির রেকর্ড। ধোনি ইংল্যান্ডের মাটিতে দেশকে ৯টি টেস্টে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। সুনীল গাভাসকার পাকিস্তানের মাটিতে দেশকে ৮টি টেস্টে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। দেশকে সবথেকে বেশি টেস্টে নেতৃত্ব দেওয়ার রেকর্ডও কোহলির দখলে। তিনি মোট ৬৫টি টেস্টে দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ধোনি দিয়েছিলেন ৬০টি টেস্টে। তৃতীয় স্থানে রয়েছেন সৌরভ গাঙ্গুলি। তিনি দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ৪৯টি টেস্টে।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Paralympics : সোনা জিতেও ৩ মিনিট দেরির জন্য পদক হাতছাড়া!‌ আজব ব্যাপার প্যারালিম্পিক্সে

ভারতের বিনোদ কুমারের পর টোকিও প্যারালিম্পিক্সে জিতেও পদক হারালেন আরও এক অ্যাথলিট। এফ২০ বিভাগে শটপুটে সোনা জিতেছিলেন মালয়েশিয়ার মুহাম্মদ জিয়াদ জোলকেফ্লি। কিন্তু ৩ মিনিট দেরিতে প্রতিযোগিতার ইভেন্ট স্থলে পৌঁছনোয় তাঁর পদক কেড়ে নেওয়া হয়েছে।কেন মুহাম্মদ জিয়াদ জোলকেফ্লির পদক কেড়ে নেওয়া হয়েছে? সেই প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক প্যারালিম্পিক কমিটির (আইপিসি) মুখপাত্র ক্রেইগ স্পেন্স বলেন, জোলকেফ্লি এবং আরও দুজন প্রতিযোগী সময়মতো ইভেন্টস্থলে উপস্থিত হতে পারেনি। সময়মতো উপস্থিত হতে না পারার জন্য হয়তো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছিল। তাই ওদের প্রতিযোগিতায় নামার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সময়মতো উপস্থিত না হওয়ায় জোলকেফ্লি এবং অন্য দুজনের বিরুদ্ধে পরে প্রতিবাদপত্র জমা পড়েছিল।বিশ্ব প্যারা অ্যাথলিটিক্সের যারা ট্র্যাক এন্ড ফিল্ড পরিচালনা করেন, সেই রেফারি ইভেন্টের পর জানান, অ্যাথলিটদের সময়মতো রিপোর্ট না করার পেছনে কোনও যুক্তিসঙ্গত কারণ ছিল না। রেফারির রিপোর্টের ভিত্তিতেও সোনা কেড়ে নেওয়া হল মুহাম্মদ জিয়াদ জোলকেফ্লির। এই বিভাগে রুপো জিতেছিলেন ইউক্রেনের ম্যাক্সিম কোভাল। তাঁকে সোনাজয়ী হিসেবে ঘোষণা করেছে প্যারালম্পিক্স কমিটি। ম্যাক্সিম কোভালের সতীর্থ ইউক্রেনেরই ওলেক্সান্দার ইয়ারোভি ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন। তাকে রুপো দেওয়া হল। আর ব্রোঞ্জ জিতলেন গ্রিসের এফস্ট্রাটিওস নিকোলাইডিস।এই ঘটনার পরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার তীব্র ঝড় উঠেছে। প্যারালিম্পিক্স কমিটির সিদ্ধান্ত নিয়ে চারিদিক তোলপাড়। এই ব্যাপারে স্পেন্স বলেছেন, সোশ্যাল মিডিয়ার মন্তব্যগুলো আমরা দেখতে পাচ্ছি। কিন্তু আমাদের কিছু করার নেই। মালয়েশিয়ানরা তীব্র নিন্দা করছে ইউক্রেন প্যারালিম্পিক্স কমিটির। আমাদের কিছু করার নেই। আমরা তো আর নিয়মের বাইরে যেতে পারব না। সবাইকে নিয়ম মেনে চলতে হবে। এটা ইউক্রেনের ব্যর্থতা নয়, মালয়েশিয়ানদের ব্যর্থতা। কেন ওরা দেরিতে পৌঁছেছিল। স্পেন্স আরও বলেন, অন্য প্রতিযোগীরা ইভেন্ট শুরুর ৫ মিনিট আগে পৌঁছে গিয়েছিল। আর সেখানে ৩ জন তিন মিনিট দেরিতে এসেছিল। মালয়েশিয়ান অ্যাথলিট একটা অজুহাত দিয়েছিল। আর বাকি দুজন বলেছিল যে তারা ঘোষণা শুনতে পায়নি কিংবা ভাষা বুঝতে পারেনি।এর আগেও মালয়েশিয়ান প্যারা অ্যাথলেটিক্স সংস্থাকে সমস্যায় পড়তে হয়েছিল। ২০১৯ সালে বিশ্ব প্যারা সাঁতার চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে মালয়েশিয়াকে বাতিল করেছিল আন্তর্জাতিক প্যারা অ্যাথলেটিক্স সংস্থা।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
দেশ

Kashmir: প্রয়াত বিচ্ছিন্নতাকামী নেতা সইদ আলি গিলানি

প্রয়াত হলেন বিচ্ছিন্নতাকামী কাশ্মীরী নেতা সইদ আলি গিলানি। বুধবার বিকেলে শ্রীনগরে নিজের বাসভবনেই তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। এ দিকে, তাঁর মৃত্যুর পরই অশান্তির আশঙ্কায় নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা উপত্যকা।পাকিস্তানের সপক্ষে কথা বলা জম্মু-কাশ্মীরের এই নেতা দীর্ঘদিন ধরেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কিন্তু আচমকাই গত বছর তিনি হুরিয়তের শীর্ষ পদ থেকে ইস্তফা দেন। অভিযোগ করেন যে, দলের বাকি নেতারা কাশ্মীরবাসীর উন্নয়নের কথা ভুলে আর্থিক তছরুপের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে। কাশ্মীরে পুলিশ প্রধান দিলবাগ সিংও জানান, শেষ চিঠিতে গিলানি স্বীকার করে নিয়েছিলেন যে তিনি ভুল পথে চলেছিলেন এবং স্বার্থের খাতিরে কাশ্মীরকে ব্যবহার করা হয়েছিল। বিচ্ছিন্নতাবাদী নানাকার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত থাকায় দীর্ঘ সময় ধরেই তিনি গৃহবন্দি ছিলেন। ২০১৮ সালের মার্চ মাসে তিনি হৃৎরোগে আক্রান্ত হন এবং হাসপাতালে ভর্তি হন। এরপর থেকেই তিনি অসুস্থ ছিলেন।আরও পড়ুনঃ সিবিআই তদন্তের নির্দেশকে সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ রাজ্যেরসইদ আলি গিলানির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন পিপিলস ডেমোক্রাটিক পার্টির প্রধান মেহবুবা মুফতি। পিডিপি নেত্রী টুইটে লেখেন, গিলানি সাহেবের মৃত্যুর খবরে অত্যন্ত দুঃখিত। আমরা হয়তো অনেক বিষয়েই সহমত ছিলাম না, কিন্তু ওনার দৃঢ়প্রতৃজ্ঞ মনোভাব ও নিজের বিশ্বাসে স্থির থাকার কারণে ওনাকে সম্মান করতাম। আল্লাহ যেন ওনাকে জন্নতে জায়গা দেন এবং ওনার পরিবার ও শুভাকাক্ষীদের প্রতি আমার সমবেদনা রইল।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
রাশিফল

রাশিফল (Horoscope 2nd September 2021): মিথুনের ভোগবিলাস, মীনের সৎ বন্ধু লাভ

মেষ/ ARIES: আজ বিপদের আশঙ্কা রয়েছে।বৃষ/ TAURUS: শ্রমিক অশান্তির মধ্যে পড়তে পারেন। মিথুন/ GEMINI : ভোগবিলাস করতে পারেন। কর্কট/ CANCER : দেহে কোনওকারণে পীড়া হতে পারে। সিংহ/ LEO: সন্তানের কারণে উদ্বেগ দেখা দিতে পারে। কন্যা/ VIRGO: হঠকারী কোনও সিদ্ধান্তে ক্ষতি হতে পারে। তুলা/ LIBRA: আজ প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পেতে পারে। বৃশ্চিক/ Scorpio: নৈতিক কারণে অবনতি হতে পারে। ধনু/ SAGITTARIUS: লোকসান বৃদ্ধি পেতে পারে আজ। মকর/ CAPRICORN: হৃদরোগে কষ্ট পেতে পারেন। কুম্ভ/ AQUARIUS: কোনও আত্মীয়র কারণে ক্ষতি হতে পারে। মীন/ PISCES : সৎ বন্ধু লাভ করতে পারেন।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
রাজ্য

Poisoned: একযোগে বিষপান 'লায়লা-মজনু' কাকিমা-ভাইপোর, মৃত এক, অন্যজন সংকটজনক

ভাসুরের ছেলের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন কাকিমা। তা নিয়ে পরিবারে অশান্তি শুরু হওয়ায় যুগল রিতা হাজরা (৩০) ও অর্ণব হাজরা (২২)একসঙ্গে বিষপান করে নেয়। বিষপানে রিতা হাজরা মারা যান। আর বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে মৃতার প্রেমিক অর্ণব। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম থানার কোজলসা গ্রামে।অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কেতুগ্রামের কোজলসা গ্রামের বাসিন্দা বিকাশ হাজরার সঙ্গে ১৫ বছর আগে বিয়ে হয় রিতাদেবীর। বিকাশবাবুদের পাশাপাশি বাড়িতে বসবাস তাঁরই খুড়তুতো দাদার ছেলে অর্ণবদের। হায়দ্রাবাদে রুটি কারখানায় কাজ করত অর্ণব। করোনা অতিমারি পরিস্থিতিতে গত বছর অর্ণব কেতুগ্রামের বাড়িতে ফিরে আসে। পরিবারের সদস্যদের কথায় জানা গিয়েছে, অর্ণব হায়দ্রাবাদে থাকাকালীন বছর তিনেক আগে থেকেই রিতাদেবীর সঙ্গে অর্ণবের পরকীয়া সম্পর্ক তৈরি হয়। উভয় পরিবারের লোকজন বিষয়টি জানতে পারলে তাঁদের এই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসার জন্য বোঝায়। কিন্তু তাতে কোনও কাজ হয়নি। মাঝে তাঁরা দুজন বাড়ি থেকে পালিয়েও গিয়েছিল। পরিবারের লোকজন বুঝিয়ে সুঝিয়ে তাঁদের ফের বাড়িতে ফিরিয়ে আনেন। অর্ণব বাড়ি ফিরে আসার পর দু জনের মধ্যে ঘনিষ্টতা আরও বাড়ে। মঙ্গলবার বিকেলে রিতাদেবীর সঙ্গে দেখা করে অর্ণব। তারপর সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে দুজনেই বিষপান করে।দুজনকেই উদ্ধার করে পরিবারের লোকজন কেতুগ্রাম-১ ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখান থেকে অর্নব হাজরাকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।রিতাদেবীর অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানেই কিছু সময় পরেই রীতাদেবীর মৃত্যু হয়। সংকটজনক অবস্থায় অর্ণব বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Bangladesh : তামিমের সিদ্ধান্তে তোলপাড়ের দিনেই চমক বাংলাদেশ ক্রিকেটের

টি২০ বিশ্বকাপে খেলতে চান না। তামিম ইকবালের আচমকা এই সিদ্ধান্তে তোলপাড় বাংলাদেশ ক্রিকেট। তার মাঝেই চমক বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের। সিরিজের প্রথম টি২০ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে গুটিয়ে দিল মাত্র ৬০ রানে। হঠাৎ করে কেন টি২০ বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত তামিম ইকবাল? বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে ঠান্ডা লড়াই, না চোট? ফেসবুক পোস্টে অবশ্য চোটের কথা উল্লেখ করেছেন। তামিম ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, দেশের হয়ে শেষ ১৫১৬টা টি২০ ম্যাচে আমি খেলিনি। বেশ কিছুদিন ধরে চোটের জন্য খেলতে পারছি না। চোট সারিয়ে বিশ্বকাপের আগে ফিট হতে সমস্যা ছিল না। হয়তো বিশ্বকাপের দলে আমাকে রাখা হত। যেহেতু দীর্ঘদিন টি২০ খেলিনি, তাই আমার পরিবর্তে যে তরুণ ক্রিকেটাররা ওপেন করছে, বিশ্বকাপে তাদের জায়গা কেড়ে নেওয়া ঠিক নয়। সেইজন্য বিশ্বকাপের থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।এদিকে, বাংলাদেশ সফরে এসে চরম বিপর্যয়ের সম্মুখীন নিউজিল্যান্ড। বাংলাদেশের মাটিতেই ফের টি ২০ আন্তর্জাতিকে নিজেদের সর্বনিম্ন রানেই গুটিয়ে গেল টম লাথামের নেতৃত্বাধীন দল। বাংলাদেশ সফরে দ্বিতীয় সারির দল পাঠিয়েছে নিউজিল্যান্ড। এদিন টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় কিউয়িরা। কোল ম্যাকেঞ্চির সঙ্গেই এই ম্যাচে অভিষেক হয় নিউজিল্যান্ডের ভারতীয় বংশোদ্ভূত রাচিন রবীন্দ্রর। ৪ ওভারেই ৯ রানের মধ্যে নিউজিল্যান্ডের ৪ উইকেট পড়ে যায়। ম্যাচের তৃতীয় বলেই কোনও রান না করে আউট হন রাচিন রবীন্দ্র। দলের ৭ রানের মাথায় শূন্য রানে ফেরেন উইল ইয়ং। চতুর্থ ওভারের তৃতীয় বলে দলের আট রানের মাথায় আউট হন কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম (০)। এই ওভারের শেষ বলে টম ব্লান্ডেল (২) ফেরেন। টম লাথাম ও হেনরি নিকোলস কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেছিলেন। দুজনেই ১৮ রান করেন। ১১ তম ওভারের পঞ্চম বলে ৪৩ রানের মাথায় পঞ্চম উইকেট পড়ে নিউজিল্যান্ডের। লাথাম আউট হন। এরপর ১৬.৫ ওভারেই শেষ নিউজিল্যান্ড। ১৭ রানের মধ্যে পড়ে শেষ ৬ উইকেট। ২.৫ ওভারে মুস্তাফিজুর রহমান ১৩ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট নেন। শাকিব আল হাসান, মহম্মদ সৈফুদ্দিন ও নাসুম আহমেদ দুটি করে উইকেট দখল করেন। মেহেদি হাসানের ঝুলিতে এক উইকেট।কিছুদিন আগে অস্ট্রেলিয়া সফরে এসে বিপর্যয়ে পড়েছিল অস্ট্রেলিয়া। স্পিনারদের দাপটে অসিদের মতো কিউয়িদের ব্যাটিং বিপর্যয়। অনভিজ্ঞতার জন্যই স্পিনারদের সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করেন নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা। পরে জোরে বোলারদের বিরুদ্ধে রান তোলাও সহজ হয়নি মুস্তাফিজুর রহমান দারুণ ফর্মে থাকায়। ২০১৪ সালের ৩১ মার্চ বাংলাদেশের চট্টগ্রামেই টি ২০-তে নিউজিল্যান্ড ৬০ রানে অল আউট হয়েছিল শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে। আবার ফিরে এল সেই ষাটের অভিশাপ।জয়ের জন্য ৬১ রানের লক্ষ্যমাত্রা একেবারেই কঠিন ছিল না বাংলাদেশের সামনে। তবে জয়ে পেতে বাংলাদেশকে ১৫ ওভার অপেক্ষা করতে হয়েছিল। ৭ রানের মধ্যে ২ উইকেট পড়ে যায় বাংলাদেশের। কোল ম্যাকঞ্চি আন্তর্জাতিক অভিষেকের প্রথম বলেই ফেরান মহম্মদ নঈমকে (১)। স্পিনার আজাজ প্যাটেল তুলে নেন লিটন দাসকে (১)। এরপর দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন সাকিব আল হাসান (২৫), মুশফিকুর রহিম (অপরাজিত ১৬), মাহমুদ্দুল্লা (১৪)। ৭ উইকেটে জেতে বাংলাদেশ।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 100
  • 101
  • 102
  • 103
  • 104
  • 105
  • 106
  • ...
  • 144
  • 145
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

দক্ষিণেশ্বর থেকে দিল্লি, পথে বর্ধমান—পথ নিরাপত্তার বার্তা নিয়ে ফিজিওথেরাপিস্টদের বিশেষ র‍্যালি

বর্ধমান: চিকিৎসা পরিষেবার গণ্ডি পেরিয়ে এবার পথ নিরাপত্তার সচেতনতা ছড়ানোর বার্তা নিয়ে রাস্তায় নামলেন ফিজিওথেরাপিস্টরা। দক্ষিণেশ্বর থেকে দিল্লি পর্যন্ত দীর্ঘপথে বিশেষ র্যালির আয়োজন করা হয়েছে। গোটা দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ফিজিওথেরাপিস্ট, চিকিৎসক এবং পড়ুয়ারা এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। মঙ্গলবার সেই র্যালিরই একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্বের সাক্ষী থাকল বর্ধমান শহর।দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দিয়ে পূর্ব ভারতের এই র্যালির সূচনা হয়। এরপর বর্ধমানের বিজয় তোরণ তথা কার্জন গেট হয়ে র্যালিটি এগিয়ে যাবে দুর্গাপুর, আসানসোল, ধানবাদ-সহ একাধিক শহরের দিকে। শেষপর্যন্ত দিল্লিতে গিয়ে এই যাত্রার সমাপ্তি হবে।র্যালিতে অংশ নেওয়া ফিজিওথেরাপিস্টদের বক্তব্যে উঠে আসে পথ নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। হেলমেট পরে বাইক চালানো, গাড়িতে সিটবেল্ট ব্যবহার এবং ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলার মতো বিষয়গুলিতে সাধারণ মানুষকে সচেতন করাই এই কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।দক্ষিণবঙ্গ তথা বাংলার বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট ডাঃ সত্যেন ভট্টাচার্য (PT) জনতার কথা-কে জানান, ফিজিওথেরাপিস্টরা প্রতিদিনই দুর্ঘটনার পর গুরুতর শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা করেন। সড়ক দুর্ঘটনার পরে অনেক রোগী পক্ষাঘাত, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের অক্ষমতা কিংবা দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত হন। দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো গেলে এই ধরনের বহু বিপর্যয় প্রতিরোধ করা সম্ভব।বর্ধমান শহরের বি.আই.এম.এল.এস ফিজিওথেরাপি কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ এম. এস. আনোয়ার (PT) বলেন, এটি অত্যন্ত সাধু ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আমাদের বি.আই.এম.এল.এস কলেজে বর্তমানে পরীক্ষা চলায় ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও বহু ছাত্রছাত্রী এই কনভেনশনে যোগ দিতে পারেনি। অন্য সময়ে এই আয়োজন হলে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা আরও অনেক বেশি হত।ডঃ ভট্টাচার্যের কথায়, আমরা ফিজিওথেরাপিস্ট হিসেবে এমন বহু রোগীকে দেখি, যারা সড়ক দুর্ঘটনার পরে পক্ষাঘাতগ্রস্ত বা পঙ্গুত্বের মতো গুরুতর সমস্যায় আমাদের কাছে আসেন। তাঁদের জীবন একেবারে অন্য জায়গায় চলে যায়। তাই দুর্ঘটনার পরে চিকিৎসার পাশাপাশি দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে, সেই সচেতনতা তৈরি করাও আমাদের দায়িত্ব।এই কর্মসূচি শুধুমাত্র পূর্ব ভারতেই সীমাবদ্ধ নয়। দেশের পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণচার প্রান্ত থেকেই একই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা। তাঁদের দাবি, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ফিজিওথেরাপিস্টরা এই সচেতনতা কর্মসূচিতে যুক্ত হয়েছেন।র্যালির সঙ্গে ছিলেন West Bengal IAP-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট ডাঃ কৌশিক মল্লিক (PT) এবং EC মেম্বার তথা জয়েন্ট সেক্রেটারি ডাঃ শুভেন্দু জানা (PT)। বর্ধমানের পক্ষ থেকেও একাধিক বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন IAP-এর কনভেনর ডাঃ শুভেন্দু দ্বিবেদী (PT), বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট ডাঃ আদিত্য পাল (PT), ডাঃ সুখদেব মুখার্জি (PT), ডাঃ অতনু রায় (PT), ডাঃ অনিন্দ্য দে (PT) - সহ আরও অনেকে।দিল্লিতে বড় সম্মেলন, বিশ্ব রেকর্ডের লক্ষ্যর্যালির পাশাপাশি আগামী ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে একটি বৃহৎ ফিজিওথেরাপি সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে বলেও জানান আয়োজকরা। সেখানে প্রায় ১২ হাজার প্রতিনিধি অংশ নেবেন বলে দাবি করা হয়েছে। এত বিপুল সংখ্যক ফিজিওথেরাপিস্টের একসঙ্গে সম্মেলনে যোগ দেওয়ার ঘটনাটি বিশ্ব রেকর্ডের জন্য মনোনীত হয়েছে বলেও জানান তাঁরা।দক্ষিণেশ্বর থেকে শুরু হওয়া র্যালির মূল সুর তাই শুধু চিকিৎসা পেশার প্রচার নয়দুর্ঘটনার পরে চিকিৎসার চেয়ে দুর্ঘটনা প্রতিরোধ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণএই বার্তাই সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।বর্ধমান শহরের বুক দিয়ে ফিজিওথেরাপিস্টদের এই বিশেষ র্যালি অতিক্রম করার সময় সেই বার্তাই হয়ে উঠল দিনের অন্যতম আলোচ্য বিষয়। চিকিৎসক ও ছাত্রছাত্রীদের এই উদ্যোগে পথ নিরাপত্তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কতটা সচেতনতা তৈরি হয়, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
দেশ

‘বন্দে মাতরম’ না গাইলেই কি জেল? সুপ্রিম কোর্টের বড় পর্যবেক্ষণে নড়েচড়ে বসল কেন্দ্র

বন্দে মাতরম-এর সবকটি স্তবক না গাওয়া বা গান গাইতে অস্বীকার করার ক্ষেত্রে ফৌজদারি শাস্তি দেওয়া যায় কি না, সেই প্রশ্ন এবার খতিয়ে দেখবে সুপ্রিম কোর্ট। কর্নাটকের শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী টিএম কৃষ্ণের দায়ের করা মামলায় মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জবাব চেয়েছে শীর্ষ আদালত। দুই সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রকে জবাব দিতে বলা হয়েছে।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়। কৃষ্ণ কেন্দ্রের নির্দেশিকা এবং জাতীয় সম্মানের অবমাননা প্রতিরোধ আইনে ২০২৬ সালে আনা সংশোধনীর সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। তাঁর মূল আপত্তি, সরকারি অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম-এর ছয়টি স্তবক গাওয়ার নির্দেশ এবং তার সঙ্গে যুক্ত শাস্তির বিধান নিয়ে।তবে শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করেছে, জাতীয় গান হিসেবে কোন গান বা তার কোন সংস্করণ নির্ধারণ করা হবে, সেই প্রশ্নে আদালত আপাতত ঢুকছে না। দুই স্তবক না ছয় স্তবকএই বিতর্কের পরিবর্তে আদালতের নজর মূলত অন্য একটি বিষয়ে। ধর্মীয় বিশ্বাস বা বিবেকগত আপত্তির কারণে কেউ গান না গাইলে তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি শাস্তি দেওয়া যাবে কি না, সেটিই খতিয়ে দেখতে চায় বেঞ্চ।এই প্রসঙ্গে ১৯৮৬ সালের বিজয় ইমানুয়েল মামলার নজিরের কথা উল্লেখ করে আদালত। ওই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে জাতীয় সঙ্গীত না গাওয়া কয়েক জন পড়ুয়ার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপের বিষয়টি খতিয়ে দেখেছিল। মঙ্গলবারের শুনানিতে বেঞ্চ জানায়, সেই মামলায় আদালত যে আইনি অবস্থান জানিয়েছিল, সেটি বন্দে মাতরম সংক্রান্ত বিষয়েও প্রাসঙ্গিক হতে পারে।আবেদনকারীর পক্ষে প্রবীণ আইনজীবী এস মুরলীধর যুক্তি দেন, ২০২৬ সালের সংশোধনীতে জাতীয় গান-এর স্পষ্ট সংজ্ঞা নেই। তাঁর বক্তব্য, এই অস্পষ্টতার সুযোগ নিয়ে ভবিষ্যতে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সংশ্লিষ্ট নির্দেশিকা সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হয়নি বলেও তিনি আদালতের সামনে দাবি করেন।মুরলীধরের আরও বক্তব্য, বন্দে মাতরম-এর শেষের কয়েকটি স্তবকে দুর্গা, লক্ষ্মী ও সরস্বতীর মতো হিন্দু দেবদেবীর উল্লেখ রয়েছে। সেই কারণে সব নাগরিককে ওই স্তবক গাইতে বাধ্য করা হলে ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতার নীতির প্রশ্ন উঠতে পারে বলে তাঁর দাবি। এই বক্তব্য অবশ্য মামলাকারীর যুক্তি; এ বিষয়ে এখনও আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।শুনানিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীও বিভিন্ন প্রশ্ন তোলেন। তিনি ইঙ্গিত করেন, অন্য দেশে জাতীয় প্রতীকের সঙ্গে ধর্মীয় শব্দের উপস্থিতি থাকলেও তা একা ধর্মনিরপেক্ষতার প্রশ্নের উত্তর নয়। মামলাটি নিয়ে আদালতে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা এবং মুরলীধরের মধ্যে তীব্র বাক্যবিনিময়ও হয়। মেহতা মামলাকারীর যুক্তির সমালোচনা করতে গিয়ে নকশাল শব্দ ব্যবহার করেন। সেই মন্তব্যের বিরোধিতা করেন মুরলীধর।এদিন আদালত অবশ্য এই পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক নোটিস জারি করেনি। তবে কেন্দ্রের কাছ থেকে জবাব চাওয়া হয়েছে। বেঞ্চের মৌখিক পর্যবেক্ষণ, ধর্মীয় কারণে কেউ বন্দে মাতরম না গাইলে তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি শাস্তি হওয়া উচিত নয়বিজয় ইমানুয়েল মামলার আইনি অবস্থানই এই বিষয়ে প্রাসঙ্গিক থাকবে বলে আদালত আশা করছে।ফলে বন্দে মাতরম-এর ছয়টি স্তবক গাওয়া নিয়ে বিতর্কের পাশাপাশি এখন সামনে এসেছে আরও গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্নকেউ ধর্মীয় বিশ্বাস বা বিবেকগত কারণে গানটি না গাইলে তাঁকে অপরাধী করা যাবে কি না। কেন্দ্রের জবাব পাওয়ার পর এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট কী অবস্থান নেয়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
কলকাতা

পুরনো মামলায় জেল, আরও পাঁচ মামলায় রক্ষাকবচ চেয়েছিলেন মিলন! হাই কোর্টে কী হল?

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের গ্রেফতারি ঘিরে তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েন। ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময়ের একটি পুরনো মামলায় গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছেন তিনি। এর মধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে থাকা আরও পাঁচটি মামলা নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে শুনানি হয় মঙ্গলবার। শুনানিতে রাজ্য জানায়, মিলনের বিরুদ্ধে নতুন করে যে পাঁচটি মামলা নিয়ে তিনি রক্ষাকবচ চেয়েছিলেন, সেগুলি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।মিলন প্রধানের আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য অবশ্য জানান, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে নন্দীগ্রাম ছাড়াও আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে। সেই মামলাগুলিতেও গ্রেফতারি থেকে সুরক্ষা দেওয়ার আবেদন করেন তিনি। আইনজীবীর বক্তব্য ছিল, ১৯ বছর আগের মামলায় গ্রেফতারির পর ভোটের প্রচারেও মিলন অংশ নিতে পারছেন না। ৪ অক্টোবর প্রচারের শেষ দিন হওয়ায় বিষয়টি দ্রুত বিবেচনা করার আবেদন জানানো হয়।তবে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের আদালতে শুনানির সময় জানানো হয়, নন্দীগ্রাম থানার মামলাটি ছাড়া বাকি পাঁচটি মামলায় মিলন প্রধান অভিযুক্ত নন। সেই কারণে ওই মামলাগুলির ক্ষেত্রে এই মুহূর্তে আলাদা করে রক্ষাকবচ দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলে আদালত মন্তব্য করে। মামলাটির পরবর্তী শুনানি আগামী ১০ অক্টোবর।এর আগে পুরনো একটি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর আরও কয়েকটি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন মিলন। সেই আশঙ্কা থেকেই কলকাতা হাই কোর্টে রক্ষাকবচ চেয়ে আবেদন করা হয়। তাঁর আইনজীবী আদালতের কাছে ভবিষ্যতে যাতে একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সেই বিষয়ে সুরক্ষা চেয়েছিলেন।মিলন প্রধানের গ্রেফতারির সময় নিয়েও রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। শুক্রবার নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা জানান। সেই দিনই পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয় মিলনকে। এই ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূল ও কংগ্রেসের নেতারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের অভিযোগ তুলেছেন। সেই অভিযোগ অবশ্য সংশ্লিষ্ট মামলার বিচারিক সিদ্ধান্ত নয়।তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ও মিলনের গ্রেফতারি নিয়ে রাজনৈতিক অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, বিরোধীদের হেনস্থা করার জন্য মামলা ব্যবহার করা হচ্ছে। আদালতের নির্দেশ নিয়ে অবশ্য তিনি মন্তব্য করতে চাননি বলে জানিয়েছেন।অন্য দিকে, মিলনের বিরুদ্ধে যে পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে, সেটি ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম জমি অধিগ্রহণবিরোধী আন্দোলনের সময়ের মামলা। বিভিন্ন প্রতিবেদনে ওই মামলায় গুরুতর অভিযোগ এবং দীর্ঘদিনের গ্রেফতারি পরোয়ানার কথা উঠে এসেছে। মিলন বর্তমানে ওই মামলাগুলির কারণে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন।নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন হওয়ার কথা ৬ অক্টোবর। তার আগে কংগ্রেস প্রার্থীর জেলবন্দি থাকা এবং তাঁর বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলির আইনি অবস্থান স্বাভাবিক ভাবেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবারের শুনানিতে পাঁচটি মামলা প্রত্যাহারের কথা রাজ্য জানালেও, মিলনের রক্ষাকবচের আবেদন নিয়ে আদালতের তরফে বড় কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। আগামী ১০ অক্টোবর ফের মামলাটি আদালতে উঠবে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
দেশ

আবারও ডেডলাইন শেষ! স্পিকারের নোটিসের জবাব দিতে আরও ৪ সপ্তাহ চাইলেন সুদীপ-কাকলিরা

আবারও সময়সীমা শেষ। কিন্তু লোকসভার স্পিকারের নোটিসের জবাব এখনও দেননি তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদ। ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জবাব দেওয়ার কথা থাকলেও, তার আগেই আরও চার সপ্তাহ সময় চেয়ে স্পিকার ওম বিড়লার কাছে আবেদন জানাতে চলেছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ ওই সাংসদেরা। ফলে সাংসদ পদ খারিজের আবেদনকে ঘিরে ফের তৈরি হয়েছে নতুন টানাপোড়েন।লোকসভা সচিবালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্পিকারকে চিঠি দিয়ে নোটিসের জবাব দেওয়ার জন্য আরও চার সপ্তাহ সময় চাওয়া হবে। অর্থাৎ আরও প্রায় এক মাস সময় চেয়েছেন তৃণমূলত্যাগী সাংসদেরা। এর আগে প্রথমে তাঁদের এক সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। পরে অতিরিক্ত সময়ের আবেদনের ভিত্তিতে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়। এবার সেই সময়সীমাও শেষ হওয়ার মুখে।বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেন ২০ জন সাংসদ। তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনে সাংসদ পদ খারিজের আবেদন করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। লোকসভার স্পিকারের কাছে পৃথক ভাবে ওই সাংসদদের বিরুদ্ধে আবেদন জানানো হয়।স্পিকার দীর্ঘ সময় কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে গত ২৫ অগস্ট ২০ জন সাংসদের কাছে নোটিস পাঠানোর নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। তাঁদের বক্তব্য জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে স্পিকারের কাছেও এই বিষয়ে বক্তব্য জানতে চেয়েছিল আদালত।এর পর লোকসভার স্পিকারের সচিবালয়ও ২০ জন সাংসদকে নোটিস পাঠায়। প্রথমে সাত দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার পর সাংসদদের তরফে আরও সময় চাওয়া হয়। তাঁদের আবেদনের ভিত্তিতে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়েছিলেন স্পিকার ওম বিড়লা।কিন্তু ২২ সেপ্টেম্বরও জবাব জমা না দিয়ে ফের সময় চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ ২০ সাংসদ। এবার তাঁদের আবেদনে চার সপ্তাহ সময় দেওয়ার অনুরোধ জানানো হবে। স্পিকার সেই আবেদন মঞ্জুর করবেন কি না, এখন সেটাই দেখার।এই ২০ সাংসদের দলবদল এবং তাঁদের সাংসদ পদ নিয়ে শুরু থেকেই রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েন চলছে। তৃণমূলের অভিযোগ, তাঁরা দল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দিলেও লোকসভার নথিতে এখনও তাঁদের তৃণমূল সাংসদ হিসাবেই দেখা হচ্ছে। সেই কারণেই দলত্যাগ বিরোধী আইনে তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, সাংসদদের বক্তব্য এখনও স্পিকারের কাছে সম্পূর্ণ ভাবে জমা পড়েনি। ফলে অভিযোগের জবাব এবং তাঁদের বক্তব্যের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। স্পিকার নতুন করে চার সপ্তাহ সময় দেন কি না, নাকি দ্রুত পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু করেন, এখন সেই সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।অর্থাৎ, একবার নয়পরপর সময়সীমা পেরিয়ে ফের সময় চাওয়ার পথে হাঁটছেন সুদীপ-কাকলিরা। এবার স্পিকার ওম বিড়লা তাঁদের আরও এক মাস সময় দেন কি না, নাকি নোটিসের জবাব না পাওয়ার পর অন্য কোনও পদক্ষেপ করেন, সেটাই পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
রাজ্য

ফোন নিজে থেকেই নিল ‘আপডেট’, খুলতেই দেখলেন অ্যাকাউন্ট ফাঁকা! উধাও ৯৯ হাজার

ডিজিটাল লেনদেনের সময়ে সাইবার প্রতারণার অভিযোগ নতুন নয়। তবে পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে এক যুবকের অভিযোগ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তাঁর দাবি, স্মার্টফোন নিজে থেকেই আপডেট হওয়ার পর ফোন কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। ফোন চালু হওয়ার পর ব্যাঙ্কের বার্তায় তিনি জানতে পারেন, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে ৯৯ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।ভাতার থানার ভুমশোর গ্রামের বাসিন্দা শেখ রাজেশের একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট রয়েছে। তাঁর দাবি, গত শনিবার তিনি লক্ষ্য করেন, তাঁর স্মার্টফোন নিজে থেকেই আপডেট নিতে শুরু করেছে। পরে রবিবার ব্যক্তিগত কাজে কলকাতায় গিয়েছিলেন তিনি।রাজেশ জানিয়েছেন, রবিবার কলকাতা থেকে ফেরার পথে বিকেল চারটে নাগাদ তাঁর ফোনে ফের আপডেট শুরু হয়। প্রায় ২০ মিনিট ফোনটি বন্ধ ছিল। আপডেট শেষ হওয়ার পর ফোন চালু করতেই তাঁর কাছে ব্যাঙ্কের বার্তা আসে। সেই বার্তায় তিনি জানতে পারেন, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে ৯৯ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।বিষয়টি প্রথমে বিশ্বাস করতে পারেননি রাজেশ। বাড়ি ফেরার পর তিনি ব্যাঙ্কে গিয়ে অ্যাকাউন্ট পরীক্ষা করেন। সেখানে টাকা কেটে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয় বলে তাঁর দাবি।রাজেশের আরও দাবি, তিনি কাউকে কোনও ওটিপি দেননি। এমনকি টাকা তোলার জন্য কোনও অনুমতিও দেননি বলে জানিয়েছেন তিনি। তাহলে কী ভাবে তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নেওয়া হল, তা নিয়ে ধন্দে রয়েছেন ওই যুবক।ঘটনার পর প্রথমে ভাতার থানায় অভিযোগ জানান রাজেশ। পরে জেলা পুলিশের সাইবার অপরাধ শাখায় বিস্তারিত জানিয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।তদন্তকারীরা ঘটনাটিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। কী ভাবে অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলা হল, লেনদেনটি কোন পথে হয়েছে এবং ফোন আপডেট হওয়ার সময়ের সঙ্গে ঘটনার কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।তবে ফোনের আপডেটের কারণেই টাকা খোয়া গিয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। গোটা বিষয়টি তদন্তের পরেই পরিষ্কার হবে। অভিযোগের সত্যতা এবং টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পদ্ধতি জানতে সাইবার অপরাধ শাখা বিভিন্ন তথ্য খতিয়ে দেখছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
রাজ্য

তোলাবাজির মামলায় ভবানী ভবনে কীর্তি আজাদ! সিআইডির জেরায় কী বললেন তৃণমূল সাংসদ?

তোলাবাজির অভিযোগের মামলায় সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হলেন বর্ধমান-দুর্গাপুরের তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ। কলকাতা হাই কোর্ট তাঁকে আপাতত কড়া পদক্ষেপ থেকে রক্ষাকবচ দিলেও তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশ মেনেই মঙ্গলবার ভবানী ভবনে সিআইডির দফতরে হাজির হন তিনি।মামলাটি এক ব্যবসায়ীর অভিযোগকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ, ২০২৫ সালের মে মাসে ওই ব্যবসায়ীকে দুর্গাপুরের একটি বাংলোয় ডাকা হয়েছিল। সেখানে কীর্তি আজাদের এক সহযোগী তাঁর কাছে ১৫ লক্ষ টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ। টাকা না দিলে তাঁর ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি অভিযোগকারীর। ওই কথোপকথনের একটি অডিয়ো রেকর্ড তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ বলে উঠে এসেছে।ঘটনার পর ব্যবসায়ী পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়। পরে তদন্তভার নেয় সিআইডি। কীর্তি আজাদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যও তলব করা হয়। গ্রেফতারির আশঙ্কায় এরপর কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন সাংসদ।আদালতে কীর্তি আজাদের আইনজীবী অভিযোগের সময় এবং মামলা দায়েরের মধ্যে দীর্ঘ ব্যবধানের বিষয়টি তুলে ধরেন। তাঁদের দাবি ছিল, ঘটনার প্রায় ১৫ মাস পরে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। কীর্তির বিরুদ্ধে সরাসরি টাকা নেওয়ার প্রমাণ নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। কীর্তি আজাদ নিজেও অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, তাঁকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে।এর পর কলকাতা হাই কোর্ট কীর্তি আজাদকে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দেয়। আদালত তাঁকে তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দেয় এবং ভবানী ভবনে হাজির হয়ে সিআইডির প্রশ্নের উত্তর দিতে বলে। ভবিষ্যতে ফের জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হলে তাঁকে আগাম নোটিস দেওয়ার কথাও আদালত জানিয়েছে।কীর্তি আজাদ মঙ্গলবার নির্দিষ্ট সময়ে ভবানী ভবনে পৌঁছন। সেখানে তাঁকে মামলার অভিযোগ নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সাংসদের দাবি, তোলাবাজির কোনও ঘটনার সঙ্গে তিনি যুক্ত নন। যে দিনের ঘটনা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, সেই দিন তিনি দুর্গাপুরে ছিলেন না বলেও দাবি করেছেন তিনি। নিজের বক্তব্যের সমর্থনে তাঁর কাছে একাধিক নথি রয়েছে বলেও জানিয়েছেন কীর্তি।অন্য দিকে, ব্যবসায়ীর অভিযোগ এবং অডিয়ো রেকর্ডের ভিত্তিতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে সিআইডি। আদালত আপাতত কীর্তি আজাদকে রক্ষাকবচ দিলেও তদন্ত বন্ধ করেনি। ফলে জিজ্ঞাসাবাদ এবং তদন্তের পরবর্তী ধাপে মামলায় আরও কী তথ্য সামনে আসে, সে দিকেই নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
টুকিটাকি

আপনি কি ডায়াবেটিক? করলার জুস কি সত্যিই কমায় সুগার?

সকালে খালি পেটে করলার জুসডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের সহজ সমাধান, নাকি শুধুই প্রচলিত ধারণা? বিজ্ঞান কী বলছে?সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস করলার জুস। অনেকের কাছেই এটি যেন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের ঘরোয়া ফর্মুলা। কারও দাবি, নিয়মিত করলার জুস খেলেই কমে যায় রক্তে শর্করা। কেউ আবার বলেন, ওষুধের পাশাপাশি করলা নাকি প্রাকৃতিক ইনসুলিন হিসেবে কাজ করে। সামাজিক মাধ্যমেও এমন নানা পরামর্শের ছড়াছড়ি।কিন্তু সত্যিই কি করলার জুস ডায়াবেটিস কমাতে পারে? কতটা উপকারী এই তেতো পানীয়? প্রতিদিন খাওয়া কি নিরাপদ? আর সবচেয়ে বড় প্রশ্নকরলার জুস খেলে কি ডায়াবেটিসের ওষুধ বন্ধ করা যায়?বিজ্ঞানের উত্তর একেবারে সরল নয়।গবেষণায় করলার কিছু উপাদানের রক্তে গ্লুকোজ কমানোর সম্ভাবনা দেখা গিয়েছে। কিছু clinical trial ও meta-analysis-এ fasting blood glucose এবং HbA1c কমার ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে। কিন্তু অন্য গবেষণায় আবার উল্লেখযোগ্য উপকার মেলেনি। ফলে করলাকে ডায়াবেটিসের চিকিৎসা হিসেবে নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠা করার মতো শক্তিশালী প্রমাণ এখনও নেই। অর্থাৎ, করলা উপকারী হতে পারে, কিন্তু করলা ডায়াবেটিসের ওষুধ নয়।কেন করলাকে ঘিরে এত আলোচনা?করলায় রয়েছে একাধিক bioactive compound। এর মধ্যে charantin, polypeptide-p-সহ কয়েকটি উপাদান নিয়ে বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করছেন।ল্যাবরেটরি ও প্রাণী-গবেষণায় করলার কিছু উপাদান insulin-এর মতো প্রভাব ফেলতে পারে, glucose metabolism-এ প্রভাব ফেলতে পারে এবং insulin sensitivity বাড়াতে পারেএমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।কিন্তু এখানেই গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে।ল্যাবরেটরিতে কোনও উপাদান কার্যকর প্রমাণিত হওয়া আর মানুষের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সেটি কার্যকর প্রমাণিত হওয়া এক বিষয় নয়। মানুষের উপর clinical trial-ই শেষ পর্যন্ত বেশি গুরুত্বপূর্ণ।গবেষণা কী বলছে?২০১৯ সালের একটি systematic review ও meta-analysis-এ টাইপ-২ ডায়াবেটিস নিয়ে করা ১০টি গবেষণা এবং ১,০৪৫ জন অংশগ্রহণকারীর তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। সেখানে করলার বিভিন্ন preparation ব্যবহারে fasting glucose, post-meal glucose এবং HbA1c কমার কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তবে গবেষণার প্রমাণের মান ছিল কম থেকে খুব কম।অন্যদিকে, ২০২৪ সালের একটি systematic review-তে ৯টি randomised trial এবং ৪১৪ জন অংশগ্রহণকারীর তথ্য বিশ্লেষণ করে placebo-র তুলনায় fasting glucose বা HbA1c-তে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ, গবেষণার ফলাফল এখনও একমুখী নয়।আরও সাম্প্রতিক গবেষণাতেও করলার সম্ভাব্য উপকারের কথা উঠে এসেছে, কিন্তু একই সঙ্গে গবেষণার সীমাবদ্ধতার কথাও বলা হয়েছে।তাই বিজ্ঞানীদের বর্তমান অবস্থানকে সংক্ষেপে বলা যায়করলা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে, কিন্তু এটিকে diabetes treatment-এর বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করার মতো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এখনও নেই।তাহলে করলার জুস খাবেন কীভাবে?এখানেই রয়েছে আর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।সামাজিক মাধ্যমে প্রায়ই বলা হয়, সকালে খালি পেটে এক গ্লাস করলার জুস ডায়াবেটিসের জন্য সবচেয়ে কার্যকর। কিন্তু করলার জুস খালি পেটে খেতেই হবেএমন কোনও শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।আর প্রতিদিন কত মিলিলিটার করলার জুস খেতে হবে, তারও কোনও সর্বজনস্বীকৃত therapeutic dose নেই।তাই তাজা করলা ভালোভাবে ধুয়ে নিন। অতিরিক্ত ঘন করে জুস বানাবেন না। জুসে চিনি, মধু বা অন্য কোনও মিষ্টি উপাদান মেশাবেন না। প্রথম থেকেই বেশি পরিমাণে খাওয়া শুরু করবেন না। খালি পেটে খাওয়াকে অবশ্যই করণীয় মনে করবেন না।অনেক ক্ষেত্রে করলাকে জুস না করে সাধারণ সবজি হিসেবে খাবারের সঙ্গে খাওয়াই বেশি বাস্তবসম্মত। এতে খাদ্যতালিকায় সবজি ও fibre যোগ হয় এবং অতিরিক্ত concentrated preparation নেওয়ার ঝুঁকিও কম থাকে।ডায়াবেটিসের ওষুধের সঙ্গে করলার জুস?এখানে কিন্তু যথেষ্ট সতর্ক হতে হবে।যাঁরা insulin অথবা রক্তে glucose কমানোর ওষুধ খান, তাঁদের ক্ষেত্রে করলার সম্ভাব্য glucose-lowering effect ওষুধের সঙ্গে যোগ হয়ে রক্তে শর্করা অতিরিক্ত কমিয়ে দিতে পারে।ফলে নিজের মতো করে প্রতিদিন করলার জুস শুরু করা ঠিক নয়।হঠাৎ ঘাম হওয়া হাত-পা কাঁপা মাথা ঘোরা দুর্বল লাগা অতিরিক্ত ক্ষুধা বিভ্রান্তিইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিলে hypoglycaemia-এর সম্ভাবনা বিবেচনা করতে হবে।কারা সাবধান?গর্ভবতী মহিলা: concentrated বা medicinal preparation এড়ানো উচিত।Insulin বা diabetes medicine গ্রহণকারী: চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত করলার জুস শুরু করা উচিত নয়।কিডনি বা লিভারের সমস্যা রয়েছে যাঁদের: বিশেষ করে concentrated extract বা supplement নেওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।শিশুদের ক্ষেত্রে: নিজের মতো করে করলার জুস বা extract দেওয়া উচিত নয়।সবচেয়ে বড় ভুলটা কী?ডায়াবেটিস ধরা পড়ার পর অনেকে ওষুধের পাশাপাশি বিভিন্ন ঘরোয়া উপায় শুরু করেন। সমস্যা তখনই হয়, যখন সেই ঘরোয়া উপায়কে ওষুধের বিকল্প ভাবা শুরু হয়।করলার ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।করলার জুস খেয়ে যদি কারও blood sugar কিছুটা কমেও, তার অর্থ এই নয় যে তাঁর diabetes সেরে গেছে।ডায়াবেটিস একটি দীর্ঘমেয়াদি metabolic condition। এর নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ, সুষম খাদ্য, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মিত blood glucose ও HbA1c পরীক্ষা।তাহলে করলা খাবেন কি খাবেন না?উত্তরটা সহজ।খাবার হিসেবে করলাহ্যাঁ।ডায়াবেটিসের ওষুধ হিসেবে করলানা।করলা একটি পুষ্টিকর, কম-ক্যালোরির সবজি হিসেবে সুষম খাদ্যের অংশ হতে পারে। রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে এর সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে গবেষণা চলছে। কিন্তু শুধুমাত্র করলার জুসের উপর নির্ভর করে diabetes management করা বৈজ্ঞানিকভাবে যুক্তিযুক্ত নয়।শেষ কথাতেতো স্বাদ মানেই বেশি ওষুধি শক্তিএমন ধারণার কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।করলা নিয়ে গবেষণা আশাব্যঞ্জক হলেও এখনও চূড়ান্ত নয়। তাই করলার জুস খেলেই সুগার নিয়ন্ত্রণএমন সরল দাবি থেকে দূরে থাকাই ভালো।ডায়াবেটিস থাকলে করলাকে সহায়ক খাদ্য হিসেবে ভাবুন, চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে নয়।আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণওষুধ বন্ধ করার আগে নয়, করলার জুস শুরু করার আগেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
রাজ্য

সমুদ্রে নামার আগে সতর্কবার্তা, তারপরেই তলিয়ে গেল তিনজন! মন্দারমণিতে চাঞ্চল্য

মন্দারমণিতে ফের সমুদ্রস্নানে নেমে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। জোয়ারের টানে সমুদ্রে তলিয়ে গিয়ে মৃত্যু হল দুজনের। মৃতদের মধ্যে রয়েছে এক নাবালক। এখনও নিখোঁজ আরও এক জন। তাঁর খোঁজে সমুদ্রজুড়ে তল্লাশি চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল। গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্র উত্তাল থাকায় উদ্ধারকাজেও সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার বিকেলে মন্দারমণির তিন নম্বর ঘাটের কাছে ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে খবর, দিঘা থেকে টোটো ভাড়া করে মোট আট জন মন্দারমণিতে এসেছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সুমন শীল, বৃষ্টি শীল এবং প্রায় দশ বছরের নাবালক সোমনাথ হালদার।একটি রিসর্টের সামনে তাঁরা সমুদ্রে স্নান করছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সেই সময় আচমকা জোয়ারের টানে তিন জন গভীর জলে চলে যান। কিছুক্ষণ পর স্থানীয় বাসিন্দারা সোমনাথকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করেন। তাঁকে দ্রুত বালিসাই বড় রাঙ্গুয়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।সোমনাথের বাবা সন্তু হালদারের কথায়, ছেলে পাড়ের কাছেই স্নান করছিল। তিনি কিছুটা দূরে গিয়েছিলেন। ফিরে এসে দেখেন, ছেলে সেখানে নেই। পরে খোঁজাখুঁজির পর তাঁকে উদ্ধার করা হয়। ছেলেকে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছেন তিনি।অন্য দিকে, সোমবার রাতে বৃষ্টি শীলের দেহও উদ্ধার করা হয়। তবে এখনও খোঁজ মেলেনি সুমন শীলের। তাঁর সন্ধানে স্পিড বোট নামিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। উত্তাল সমুদ্রের কারণে উদ্ধারকাজে সমস্যা তৈরি হলেও নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে উদ্ধারকারী দল।ঘটনার পর মন্দারমণির উপকূল এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। পর্যটকদের সমুদ্রের কাছাকাছি যেতে দেওয়া হচ্ছে না। পুলিশ-প্রশাসনের তরফে মাইকিং করে পর্যটকদের সতর্ক করা হচ্ছে।পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা জানিয়েছেন, ওই আট জন নদিয়ার বাসিন্দা এবং তাঁরা দিঘা মোহনায় কাজ করেন। তাঁরা মন্দারমণিতে বেড়াতে এসেছিলেন। তাঁর দাবি, পর্যটকদের সতর্ক করতে নিয়মিত মাইকিং করা হয় এবং নজরদারির জন্য নুলিয়ার সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।পুলিশের দাবি, সমুদ্র উত্তাল থাকলে পর্যটকদের আরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন। প্রশাসনের তরফে নজরদারি চললেও পর্যটকদের অসতর্কতার কারণে এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।গভীর নিম্নচাপের কারণে আপাতত মন্দারমণি-সহ উপকূলের সমুদ্র উত্তাল রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সমুদ্রের ধারে পর্যটকদের নামার ক্ষেত্রে কড়া নজরদারি রাখা হচ্ছে। নিখোঁজ সুমন শীলের খোঁজে এখনও তল্লাশি চলছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal